• ৩২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, মঙ্গলবার ১৬ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

DGP

দেশ

এসআইআর ইস্যুতে রাজ্য পুলিশের ডিজিকে শোকজ সুপ্রিম কোর্টের, চাপে প্রশাসন

পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর প্রক্রিয়া ঘিরে বিভিন্ন জায়গায় গন্ডগোলের অভিযোগ সামনে আসতেই কড়া পদক্ষেপ করল সুপ্রিম কোর্ট। এসআইআর-এর কাজে যুক্ত কর্মীদের ভয় দেখানো এবং হিংসার অভিযোগের প্রেক্ষিতে রাজ্য পুলিশের ভারপ্রাপ্ত ডিজি পীযূষ পান্ডেকে শোকজ করেছে শীর্ষ আদালত। তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে হলফনামা জমা দিয়ে ঘটনার ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চ।গত বছরের নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। শুরু থেকেই বিভিন্ন ইস্যুতে নির্বাচন কমিশনকে নিশানা করে আসছে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। এসআইআর-এ শুনানি পর্ব শুরু হওয়ার পর রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় অশান্তির খবর সামনে আসে। কোথাও বিডিও অফিসে ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে, আবার কোথাও অফিসে ঢুকে আধিকারিককে হুমকি দেওয়ার অভিযোগও সামনে আসে।এই সব অভিযোগ সুপ্রিম কোর্টে তুলে ধরে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের দাবি, হুমকি, হিংসা এবং ভয় দেখিয়ে এসআইআর প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করার চেষ্টা করা হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও এফআইআর দায়ের হয়নি বলেও জানানো হয় আদালতে। এর পরই শীর্ষ আদালত রাজ্য পুলিশের ডিজিকে শোকজ করে ব্যক্তিগত হলফনামা জমা দিতে নির্দেশ দেয়।ডিজি পীযূষ পান্ডে এই শোকজের কী জবাব দেন, সেটাই এখন দেখার। এদিকে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, এসআইআর সংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন ইআরও-রাই। তাঁদের নথি যাচাইয়ের জন্য ১৪ ফেব্রুয়ারির পর আরও এক সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে। আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, এসআইআর প্রক্রিয়ায় কোনও বাধা বরদাস্ত করা হবে না।রাজ্য পুলিশের ডিজিকে শোকজ করা নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোরও শুরু হয়েছে। বঙ্গ বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, রাজ্যে আইনশৃঙ্খলার চূড়ান্ত অবনতি হয়েছে। তাঁর দাবি, ডিজিকে শোকজ করার অর্থই হল রাজ্যের পুলিশমন্ত্রীকে শোকজ করা, যেহেতু পুলিশ দফতরের দায়িত্ব মুখ্যমন্ত্রীর হাতেই রয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২৬
কলকাতা

রাজীব কুমারের অবসরের আগেই বড় মোড়, ডিজি বিতর্কে মামলা তুলে নিচ্ছেন রাজেশ কুমার

আগামী ৩১ জানুয়ারি অবসর নিচ্ছেন রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার। তাঁর অবসরের পর রাজ্যের পরবর্তী ডিজি কে হবেন, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই জটিলতা চলছিল। সেই জটিলতা আরও বেড়ে যায়, যখন আইপিএস রাজেশ কুমার ইউপিএসসি-র বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা করেন। তবে শেষ পর্যন্ত সেই মামলা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন রাজেশ কুমার।রাজ্যের বিদায়ী ডিজি রাজীব কুমারকে ইতিমধ্যেই বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তাঁর উত্তরসূরি কে হবেন, তা নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। ইউপিএসসি-র দাবি ছিল, কোনও স্থায়ী ডিজির অবসর নেওয়ার অন্তত তিন মাস আগে প্রস্তাবিত নামের প্যানেল পাঠাতে হয়। সেই হিসেবে রাজ্যের উচিত ছিল ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ওই তালিকা পাঠানো। কিন্তু রাজ্য সরকার সেই প্যানেল পাঠায় ২০২৩ সালের ২৭ ডিসেম্বর। সম্প্রতি সেই তালিকা ইউপিএসসি ফেরত পাঠায়।এর আগে কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক ট্রাইবুনাল নির্দেশ দিয়েছিল, ২৩ জানুয়ারির মধ্যে রাজ্যের পাঠানো সিনিয়রিটির তালিকা থেকে ইউপিএসসি নাম বাছাই করবে। ২৮ জানুয়ারির মধ্যে তিন জনের নাম চূড়ান্ত করে রাজ্যকে জানাতে হবে এবং ২৯ জানুয়ারির মধ্যেই রাজ্যকে নতুন ডিজি নিয়োগ করতে হবে। কিন্তু ইউপিএসসি সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে দিল্লি হাইকোর্টে মামলা দায়ের করে।এই পরিস্থিতিতে আইপিএস রাজেশ কুমার অভিযোগ করেন, ডিজি হওয়ার সব যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও তাঁকে বঞ্চিত করা হয়েছে। তাঁর মামলার ভিত্তিতে ট্রাইবুনাল নির্দেশ দেয়, ২৩ জানুয়ারির মধ্যে ডিজি পদের জন্য প্রস্তাবিত নামের তালিকা নতুন করে ইউপিএসসি-র কাছে পাঠাতে হবে। সেই নির্দেশ মেনে রাজ্য সরকার বুধবার আট জন সিনিয়র আইপিএস অফিসারের নামের তালিকা দিল্লিতে পাঠিয়েছে।এদিকে, রাজেশ কুমারের করা আদালত অবমাননার মামলার শুনানি ধার্য ছিল আগামী ২ ফেব্রুয়ারি। কিন্তু তার আগেই, ৩১ জানুয়ারি রাজীব কুমারের অবসর হচ্ছে। অবসরের পরে এই মামলার আর কোনও বাস্তব গুরুত্ব থাকবে না বলেই মনে করছেন রাজেশ কুমার। সেই কারণেই তিনি ক্যাট থেকে আদালত অবমাননার মামলা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এতে রাজ্য পুলিশের ডিজি নিয়োগ সংক্রান্ত জটিলতা কিছুটা হলেও মিটতে পারে বলে প্রশাসনিক মহলের ধারণা।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতা পুলিশের নতুন কমিশনার সুপ্রতিম সরকার, সরলেন মনোজ ভর্মা

দীর্ঘদিন ধরেই রাজ্যে পুলিশপ্রধান কে হবেন, তা নিয়ে চলছিল টানাপোড়েন। অবশেষে সেই জল্পনার অবসান ঘটাল রাজ্য সরকার। রাজীব কুমারের অধ্যায় শেষ হচ্ছে। শনিবার তাঁর অবসরগ্রহণের দিন। শেষ দিন পর্যন্ত তিনি ভারপ্রাপ্ত ডিজি হিসেবেই দায়িত্ব পালন করছেন। গত ২৮ জানুয়ারি তাঁর বিদায় সংবর্ধনা হয়ে গিয়েছে। বিদায়ের আগেই রাজ্য সরকার নতুন ডিজির নাম ঘোষণা করল। তবে স্থায়ী নয়, আবারও ভারপ্রাপ্ত হিসেবেই।রাজ্যের নতুন ভারপ্রাপ্ত পুলিশ ডিজি করা হল আইপিএস পীযূষ পান্ডেকে। বর্তমানে তিনি মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন। সেই পদ থেকেই সরাসরি রাজ্য পুলিশের সর্বোচ্চ দায়িত্বে বসলেন তিনি। পীযূষ পান্ডে এর আগে চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের প্রথম কমিশনার ছিলেন। এক সময় তিনি কেন্দ্রীয় ডেপুটেশনেও কাজ করেছেন। এসপিজিতেও দীর্ঘদিন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর।পীযূষ পান্ডে ডিজি হওয়ায় ফাঁকা হল মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তার পদ। সেই জায়গায় দায়িত্ব পেলেন মনোজ ভর্মা। এতদিন তিনি কলকাতা পুলিশের কমিশনার ছিলেন। এবার তাঁকে সরিয়ে ডিরেক্টর অব সিকিউরিটির দায়িত্ব দেওয়া হল। কলকাতা পুলিশের নতুন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পেলেন আইপিএস সুপ্রতিম সরকার। এতদিন তিনি রাজ্য পুলিশের এডিজি (দক্ষিণবঙ্গ) ছিলেন। এবার শহরের আইনশৃঙ্খলার ভার তাঁর কাঁধে।এই রদবদলের তালিকায় আবার ফিরল বিতর্কিত নাম বিনীত গোয়েলের। আরজি কর কাণ্ডের পর কলকাতা পুলিশ কমিশনারের পদ হারান তিনি। পরে পদত্যাগ এবং হাইকোর্টে ক্ষমা চাওয়ার ঘটনাও ঘটে। এতদিন তিনি এডিজি-আইজি এসটিএফের দায়িত্বে ছিলেন। এবার তাঁকে রাজ্যের এডিজি আইনশৃঙ্খলা পদে বসানো হল। তাঁর জায়গায় এসটিএফের দায়িত্ব পেলেন জাভেদ শামিম।পুলিশের পাশাপাশি দমকল দফতরেও বড় রদবদল হয়েছে। এতদিন দমকলের ডিজি ছিলেন রণবীর কুমার। সম্প্রতি আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। আগুন লাগার প্রায় ৩০ ঘণ্টা পর ঘটনাস্থলে পৌঁছনোর বিষয়টি নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। সেই আবহেই দমকলের ডিজি পদে বদল আনা হল। নতুন দমকল ডিজি হলেন অনুজ শর্মা।এ ছাড়াও ডিজি কারেকশাল হোম পদে আনা হয়েছে সিদ্ধিনাথ গুপ্তাকে। বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পেলেন মুরলিধর শর্মা। ব্যারাকপুর কমিশনারেট থেকে তাঁকে সরানো হয়েছে। তাঁর জায়গায় ব্যারাকপুরের দায়িত্ব দেওয়া হল প্রবীণ কুমার ত্রিপাঠীকে। হাওড়া পুলিশ কমিশনারেটের নতুন কমিশনার হলেন আকাশ মাঘারিয়া।একসঙ্গে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে এই রদবদল রাজ্যের প্রশাসনিক মহলে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহল।

জানুয়ারি ৩০, ২০২৬
কলকাতা

ফের কি রাজীব কুমার? রাজ্য পুলিশের শীর্ষ পদ ঘিরে বড় প্রশ্ন

আগামী ৩১ জানুয়ারি অবসর নিচ্ছেন রাজ্য পুলিশের ভারপ্রাপ্ত ডিজি রাজীব কুমার। তাঁর সরকারি বিদায় সংবর্ধনার দিনও ঠিক হয়েছে ২৮ জানুয়ারি। গত দুবছর ধরে রাজ্য পুলিশের শীর্ষ পদে ছিলেন তিনি। তাঁর অবসরের সঙ্গে সঙ্গেই প্রশ্ন উঠছে, রাজ্যের পরবর্তী ডিজি কে হচ্ছেন।নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি রাজ্য সরকার যে পুলিশকর্তাদের নাম ডিজি পদের জন্য কেন্দ্রের কাছে পাঠিয়েছে, সেই তালিকায় রয়েছে রাজীব কুমারের নামও। এর জেরে জল্পনা শুরু হয়েছে, তাঁকেই কি আবার ডিজি পদে রাখতে চাইছে রাজ্য সরকার। রাজ্য পুলিশের পরবর্তী ডিজি পদের জন্য মোট আট জন সিনিয়র আইপিএস অফিসারের নাম প্রস্তাব করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। ওই তালিকায় রাজীব কুমারের পাশাপাশি রয়েছেন আইপিএস রাজেশ কুমারও। গত বুধবার এই তালিকা দিল্লিতে পাঠানো হয়েছে।নিয়ম অনুযায়ী, রাজ্য সরকার প্রথমে ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশনের কাছে সিনিয়র আইপিএস অফিসারদের নামের একটি প্যানেল পাঠায়। সেখান থেকে ইউপিএসসি তিন জনের নাম বেছে রাজ্যকে পাঠায়। ওই তিন জনের মধ্য থেকেই রাজ্য সরকার একজনকে স্থায়ী ডিজি হিসেবে নিয়োগ করে।রাজ্যের পাঠানো তালিকায় রয়েছেন ভারপ্রাপ্ত ডিজি রাজীব কুমার, আইপিএস রাজেশ কুমার এবং আরও ছয় জন সিনিয়র আইপিএস অফিসার রণবীর কুমার, দেবাশিস রায়, অনুজ শর্মা, জগমোহন, এন রমেশ বাবু ও সিদ্ধিনাথ গুপ্ত। একটি সূত্রের দাবি, পরবর্তী স্থায়ী ডিজি পদের জন্য পীযূষ পাণ্ডে, রাজেশ কুমার এবং রণবীর কুমারের নাম নিয়ে আলোচনা চলছে। পীযূষ পাণ্ডে প্রাক্তন এসপিজি অফিসার এবং বর্তমানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছেন। যদিও এই তিন জনের মধ্য থেকেই যে পরবর্তী ডিজি হবেন, তা এখনও নিশ্চিত নয়।উল্লেখ্য, রাজ্য পুলিশের শেষ স্থায়ী ডিজি ছিলেন মনোজ মালব্য। তিনি ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে অবসর নেন। নিয়ম অনুযায়ী, ডিজি অবসরের সময় রাজ্যের যে আট জন সিনিয়র আইপিএস অফিসার ছিলেন, তাঁদের নামই ইউপিএসসি-র কাছে পাঠানো হয়েছে। সেই কারণেই বর্তমান ভারপ্রাপ্ত ডিজি রাজীব কুমারের নামও তালিকায় রয়েছে।এর আগে স্থায়ী ডিজি নিয়োগের জন্য রাজ্য সরকার একবার নামের তালিকা পাঠিয়েছিল। কিন্তু আইনি জটিলতার কারণে সেই প্রক্রিয়া আটকে যায়। ইউপিএসসি জানায়, ডিজি অবসরের অন্তত তিন মাস আগে প্রস্তাবিত নামের প্যানেল পাঠানো উচিত ছিল। অর্থাৎ ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যে তালিকা পাঠাতে হত। কিন্তু রাজ্য সরকার সেই তালিকা পাঠিয়েছিল ২৭ ডিসেম্বর। ফলে সেই প্যানেল ফেরত পাঠানো হয়।এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক ট্রাইবুনালের দ্বারস্থ হন আইপিএস রাজেশ কুমার। ১৯৯০ ব্যাচের এই আইপিএস অফিসার বর্তমানে রাজ্যের গণশিক্ষা প্রসার ও গ্রন্থাগার পরিষেবা দফতরের মুখ্যসচিব। তাঁর দাবি, ডিজি হওয়ার সব যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও তাঁকে বঞ্চিত করা হয়েছে। সেই মামলার প্রেক্ষিতে ট্রাইবুনাল নির্দেশ দেয়, ২৩ জানুয়ারির মধ্যে নতুন করে ডিজি পদের জন্য প্রস্তাবিত নামের তালিকা ইউপিএসসি-র কাছে পাঠাতে হবে রাজ্য সরকারকে।

জানুয়ারি ২৪, ২০২৬
কলকাতা

নিরাপত্তায় গাফিলতি? রাজ্য পুলিশের ডিজিকে শোকজ করে চাঞ্চল্য তদন্ত কমিটির

রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমারকে শোকজ করল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে গঠিত তদন্ত কমিটি। অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অসীম কুমার রায়ের নেতৃত্বে তৈরি হওয়া ওই কমিটির তরফে ডিজিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে একাধিক পুলিশ আধিকারিককেও শোকজ করা হয়েছে। তবে এই প্রথম রাজ্য পুলিশের বর্তমান ডিজিকে এ ভাবে শোকজ করা হল বলে প্রশাসনিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।গত শনিবার ফুটবল তারকা লিওনেল মেসির উপস্থিতিতে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ভয়াবহ বিশৃঙ্খলার ছবি সামনে আসে। মেসিকে এক ঝলক দেখতে না পেয়ে ক্ষুব্ধ দর্শকদের একাংশ ভাঙচুরে নামে। অল্প সময়ের মধ্যেই স্টেডিয়ামের একাংশ ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশকে হিমশিম খেতে হয়।ঘটনার দিন মেসি মাঠে প্রবেশের আগেই যুবভারতীতে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার। বিশৃঙ্খলার পরে তিনি সাংবাদিক বৈঠকও করেন। সেই ঘটনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও প্রশাসনিক ভূমিকা নিয়েই তদন্ত শুরু হয়। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে গঠিত তদন্ত কমিটি পুরো ঘটনার দায় ঠিক করতে নথি ও তথ্য খতিয়ে দেখছে।তদন্তের অগ্রগতির মধ্যেই এবার রাজ্য পুলিশের শীর্ষ কর্তা রাজীব কুমারকে শোকজ করা হল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাঁর লিখিত জবাবের ভিত্তিতেই পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনায় রাজ্য প্রশাসন ও পুলিশের অন্দরে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২৫
রাজ্য

ফের বদল রাজ্য পুলিশের ডিজি, নতুন পদে সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়কে নিয়োগ কমিশনের

ইতিমধ্যে রাজ্য পুলিশের ডিজির পদ থেকে জাতীয় নির্বাচন কমিশন আইপিএস রাজীব কুমারকে অপসারণ করেছিল। নির্বাচনী সব প্রক্রিয়া থেকে তাঁকে বাইরে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এরপর রাজ্যের ডিজি কে হবেন তা নির্ণয়ে নবান্নের কাছে তিনটি নাম চেয়েছিল কমিশন। সেই তালিকা থেকে রাজ্যে কর্মরত সবচেয়ে অভিজ্ঞ আইপিএস বিবেক সহায়কে ডিজির চেয়েরে বসার সিলমোহর দেয় কমিশন। ওইদিনই দায়িত্বভার গ্রহণ করেছিলেন বিবেক সহায়। কিন্তু ২৪ ঘন্টা না কাটতেই ফের পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের ডিজি পরিবর্তন করে দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। বিবেক সহায়ের বদলে নবান্নের তরফে কমিশনের কাছে পাঠানো তালিকায় নাম থাকা আইপিএস সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়কে ডিজি-র দায়িত্ব দেওয়া হল। আজ, অর্থাৎ মঙ্গলবার বিকেল ৫টর মধ্যেই ডিজি-র দায়িত্বভার গ্রহণ করতে নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।রাজীব কুমারের উত্তরসূরি হিসাবে আইপিএস বিবেক সহায়ের সঙ্গে আরও দুই সিনিয়র আইপিএস অফিসার সঞ্জয় মুখোপাধ্যায় এবং রাজেশ কুমারের নাম নবান্ন কমিশনে পাঠিয়েছিল। তার মধ্যে থেকেই এ দিন ১৯৮৯ সালের আইপিএস সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়কে ডিজি নিয়োগ করল কমিশন।কেন ২৪ ঘন্টার আগেই ডিজি-র পদ থেকে আইপিএস বিবেক সহায়কে সরাল কমিশন? সূত্রের খবর, আইপিএস বিবেক সহায়কে সিনিয়ারিটির ভিত্তিতে রাজ্য পুলিশের সর্বোচ্চ পদে বসানো হয়েছিল। কিন্তু লোকসভা ভোট চলাকালীনই আগামী মে মাসে তাঁর অবসর। তখনও সাত দফা নির্বাচনের শেষ দফা ভোট (১ জুন) বাকি থাকবে। ফলে আইন-শৃঙ্খলার অসুবিধা হতে পারে। কমিশনের যুক্তি, ভোট শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একজন ডিজিপি দায়িত্বে থাকলে কাজের সুবিধা হয়। তাই আইপিএস সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়কেই রাজ্যের ডিজি-র চেয়ারে বসানো হল।অপসারণের দিন রাতেই আইপিএস রাজীব কুমাকে রাজ্যের ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি দফতরের অতিরিক্ত মুখ্য সচিব পদে নিয়োগ করেছে রাজ্য প্রশাসন।

মার্চ ১৯, ২০২৪
রাজ্য

রাজ্য পুলিশের ডিজিকে সরাল কমিশন, ওই পদে এলেন বিবেক সহায়

রাজ্য পুলিশের ডিজি পদ থেকে মুখ্যমন্ত্রী ঘনিষ্ঠ আইপিএস রাজীব কুমারের অপসারণের কয়েক ঘন্টা পরই নয়া ডিজি বেছে দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। রাজ্য পুলিশের ডিজি হলেন আইপিএস বিবেক সহায়। রাজীব কুমারের বদলে রাজ্য পুলিশের ডিজির পদে নিয়োগের জন্য ৩ জন আধিকারিকের নাম নবান্নের থেকে জানতে চেয়েছিল কমিশন। জানা যায়, সেই তালিকায় নাম ছিল বিবেক সহায়, রণবীর কুমার এবং সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়ের। রাজ্যের পাঠানো সেই তালিকা থেকে নির্বাচন কমিশন ডিজি পদে সিলমোহর দিল আইপিএস বিবেক সহায়ের নামে।আগামী মে মাসে আইপিএস বিবেক সহায়ের অবসরগ্রহণের কথা। সেই কারণেই তাঁর ডিজি হওয়ার সম্ভাবনা কম ছিল বলে মনে করা হচ্ছিল। তবে, সেই সিনিয়ারিটির দরুন-ই লোকসভা ভোটের মুখে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের সর্বোচ্চ পদে বেছে নিয়েছে কমিশন। গত নভেম্বর মাস থেকে ডিজি (হোমগার্ড) পদে কাজ করছিলেন আইপিএস বিবেক সহায়।উল্লেখ্য, ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনের সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রামে ভোটপ্রচারে গিয়ে আহত হয়েছিলেন। সে সময় তাঁর প্রধান নিরাপত্তা উপদেষ্টা ছিলেন আইপিএস বিবেক সহায়।শনিবার লোকসভা ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ওই দিন থেকেই দেশ জুড়ে কার্যকর হয় আদর্শ নির্বাচনী আচরণবিধি। সেই বিধি জারির ৪৮ ঘন্টা পরই কমিশন রাজীব কুমারকে ডিজি পদ থেকে সরিয়ে দেয়। ওই আইপিএস-কে নির্বাচনী কোনও প্রক্রিয়ার অংশ না করারও নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।

মার্চ ১৮, ২০২৪
রাজ্য

মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তমত রাজ্য পুলিশের ভারপ্রাপ্ত ডিজি হলেন রাজীব কুমার, শুভেচ্ছা জানিয়েও খোঁচা তৃণমূল নেতার

রাজ্য পুলিসের নতুন ডিরেক্টর জেনারেল (ডিজি) হলেন কলকাতার প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার আইপিএস রাজীব কুমার। বুধবার মমতা মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। রাজীব কুমারকে নিয়ে বহু বিতর্ক হয়েছে তিনি কলকাতার পুলিস কমিশনার থাকাকালীন। এহেন আইপিএসকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ডিজি পদমর্যাদায় উন্নীত করায় বিরোধীরা কটাক্ষ ছুঁড়ে দিতে কসুর করছেন না। ইউপিএসসি-র কিছু নিময়ের ফেরে, আপাতত রাজীব কুমার ভারপ্রাপ্ত ডিজি হিসেবে কাজ করবেন।কলকাতা পুলিসের প্রাক্তন কমিশনার রাজীব কুমার তথ্য ও প্রযুক্তি দফতরের প্রধান সচিবের পদে কর্মরত ছিলেন। বুধবার মন্ত্রীসভার বৈঠকের পর সরকারিভাবে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে রাজীবের এই পদন্নোতির কথা জানানো হয়। রাজীব কুমার কলকাতার পুলিস কমিশনার থাকাকালীন তাঁর নাম একাধিক বিতর্কে জড়িয়েছিল। ২০১৩ তে বহু চর্চিত সারদা অর্থ লগ্নি সংস্থার মামলায় তদন্তে বিশেষ তদন্তকারী দল সিট গঠন করে রাজ্য সরকার। সে সময় সরকারের পক্ষ থেকে বিধাননগর পুলিস কমিশনারের দায়িত্বে থাকা রাজীব কুমারকে সিট-এর দৈনন্দিন কাজকর্ম দেখার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।২০১৩ তে সারদাকাণ্ডে প্রাক্তন সাংবাদিক ও তৎকালীন তৃণমূলের সাংসদ এবং বর্তমানে ওই দলেরই মুখপাত্র রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষকে গ্রেফতার করেছিলেন রাজীব কুমার। এবং ২০১৯ সালে সেই সারদা অর্থ লগ্নি সংস্থার মামলাতেই রাজীব কুমারকে অভিযুক্ত করে তাঁর বিরুদ্ধে তদন্তে নামে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। সিবিআই রাজীব কুমারের বিরুদ্ধে সারদা মামলার তথ্য প্রমান লোপাটের মত ভয়ানক অভিযোগ তোলে। বেশ কিছুদিন লুকোচুরি খেলার পর রাজীব কুমারকে সেই সময় কলকাতা হাই কোর্ট থেকে আগাম জামিন নিতে হয়। ২০১৯ এর ফেব্রুয়ারি মাসে রাজীব কুমারকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য তাঁর বাসভবনে যায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। তার প্রতিবাদে ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে ধর্নায় বসেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সে সময় সিবিআই দাবি করে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সারদা-সহ একাধিক অর্থ লগ্নি সংস্থার টাকা ও সুবিধা কারা ভোগ করেছিলেন সে বিষয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। সে সময় সিবিআই আরও জানায়, তাঁরা তদন্তে রাজীব কুমারের থেকে কোনও রকম সহযোগিতা পাননি।প্রসঙ্গ: রাজীব কুমার ডিজি।উনি দক্ষ অফিসার। মাঝখানে ওঁর সঙ্গে তীব্র বিরোধ ছিল। কালীপুজোর দিন CM-এর বাড়িতে বহুদিন পর দেখা ও সৌজন্যবিনিময় হয়।রাজীব, আপনাকে শুভেচ্ছা। তবে কখনও কারুর কথা শুনে আমার মত কোনো নির্দোষের জীবন নষ্ট করতে যাবেন না। এসব ভগবান ক্ষমা করেন না। Kunal Ghosh (@KunalGhoshAgain) December 27, 2023রাজীব কুমারকে রাজ্য পুলিসের নতুন ডিরেক্টর জেনারেল-র (ডিজি) পদে বসানোর খবরে তৃণমূলের দলীয় মুখপাত্র ও রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েও তাঁর স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিমায় খোঁচা দিতেও ছাড়েননি। রাজীবকে দক্ষ আইপিএস অফিসার বলার পরমুহুর্তেই কুণালের কটাক্ষঃউনি দক্ষ অফিসার। মাঝখানে ওঁর সঙ্গে তীব্র বিরোধ ছিল। কালীপুজোর দিন CM-এর বাড়িতে বহুদিন পর দেখা ও সৌজন্য বিনিময় হয়।রাজীব, আপনাকে শুভেচ্ছা। তবে কখনও কারুর কথা শুনে আমার মত কোনও নির্দোষের জীবন নষ্ট করতে যাবেন না। এসব ভগবান ক্ষমা করেন না।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২৩
কলকাতা

প্রেসিডেন্সির বন্দি নিখোঁজের তদন্ত করবে ডিজিপি মর্যাদার আধিকারিক, নির্দেশ হাইকোর্টের

সংশোধনাগার থেকে বন্দি নিখোঁজ মামলায় শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টে রিপোর্ট জমা দিল প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগার কর্তৃপক্ষ। রিপোর্টে জানানো হয়েছে, সংশোধনাগারের ক্যামেরা চলছে। লাইভ ছবি দেখা যাচ্ছে। কিন্তু ডিজিটাল ভিডিও রেকর্ড (ডিভিআর) থেকে সেই রেকর্ড সংগ্রহ করা যাচ্ছে না। অভিজ্ঞ, পেশাদারদের দেখানো হলেও, তারাও ওই রেকর্ড উদ্ধার করতে পারেননি। কিন্তু প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগার কর্তৃপক্ষের এই রিপোর্টে মোটেই খুব একটা সন্তুষ্ট নয় আদালত। রিপোর্টের ভিত্তিতে আদালতের মন্তব্য, গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি কি রাতেই ছাড়তে হল? তিনি কোথায় আছেন? ভিডিও ফুটেজ নেই। খাতায় কোনও রেকর্ড নেই।রাজ্যের তরফে আরও বলা হয়েছে, যখন তাকে আনা হয়েছিল তখন ওয়ার্ড বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। বিষয়টি দেখার জন্য রাজ্যের তরফে রাজীব কুমারের নাম প্রস্তাব দেওয়া হয়। মামলাকারীর আইনজীবী জানিয়ে দেন, তাঁর হাতে দায়িত্ব না দিতে। বরং মামলাকারীর আইনজীবী সওয়াল করেন, রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল বা এএসজিকে দায়িত্ব দেওয়া হোক। উল্লেখ্য, এই বিষয়ে দুই পক্ষের মন্তব্য শোনার পর আদালতের নির্দেশ, পুলিশকে দায়িত্ব দেব না, সরাসরি যার নিয়ন্ত্রণে জেল আছে।পাশাপাশি এই মামলায় জেল কর্তৃপক্ষের যে গাফিলতি ছিল তা-ও উঠে এসেছে। সেই প্রেক্ষিতেই ডিভিশন বেঞ্চের মন্তব্য, এমন পুলিশ আধিকারিককে দায়িত্ব দেওয়া যাবে না, যিনি সরাসরি জেলের কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। এই মামলায় জেল কর্তৃপক্ষের আইনজীবী অমিতেশ বন্দোপাধ্যায় বলেন, জেলের ক্যামেরা চলছিল। লাইভ ছবিও উঠেছে। কিন্তু ডিজিটাল ভিডিও রেকর্ড (ডিভিআর) কাজ না করায় রেকর্ড হয়নি। ওই বিষয়টি বিশেষজ্ঞদের দেখানো হলে তাঁরাও ফুটেজ উদ্ধার করতে পারেননি। এই মামলার পরবর্তী শুনানি ১১ ফেব্রুয়ারি।

জানুয়ারি ২১, ২০২২
কলকাতা

রাজ্য পুলিশের ডিজিকে সরাল নির্বাচন কমিশন

বিধানসভা নির্বাচনের মুখে ফের রাজ্য পুলিশের শীর্ষ স্তরে রদবদল। এ বার সরানো হল রাজ্য পুলিশের ডিজি বীরেন্দ্রকে। তাঁর জায়গায় আসছেন নীরজনয়ন পাণ্ডে। রাজ্যের মুখ্যসচিবকে চিঠি পাঠিয়ে কমিশন নির্দেশ দিয়েছে, খুব তাড়াতাড়ি নীরজনয়নের হাতে রাজ্য পুলিশের দায়িত্ব তুলে দিতে। একই সঙ্গে এ-ও বলা হয়েছে যে, নির্বাচনের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যুক্ত এমন কোনও পদে বীরেন্দ্রকে রাখা যাবে না। নবান্ন সূত্রে খবর, বুধবারই রাজ্য পুলিশের ডিজি পদে যোগ দিতে পারেন নীরজনয়ন। এক সময় সিবিআই-তে ছিলেন তিনি।বীরেন্দ্রর বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্ট আচরণের অভিযোগ তুলেছিল বিরোধীরা। তার পরেই কমিশনের এই পদক্ষেপ বলে মনে করছে তারা। প্রসঙ্গত, এর আগে বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এডিজি (আইনশৃঙ্খলা) পদে থাকা জাভেদ শামিমকেও সরিয়ে দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। তাঁকে পাঠানো হয় দমকলের দায়িত্বে। আর যিনি দমকলের দায়িত্বে ছিলেন সেই জগমোহনকে আনা হয় এডিজি (আইনশৃঙ্খলা) পদে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা আধিকারিক হিসাবে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন বীরেন্দ্র। পরে সুরজিৎ কর পুরকায়স্থ অবসর গ্রহণ করলে বীরেন্দ্রকে ডিজি পদে বসিয়ে, সুরজিৎকে রাজ্যের নিরাপত্তা উপদেষ্টা করা হয়।

মার্চ ০৯, ২০২১
কলকাতা

নাড্ডার কনভয়ে 'হামলা'র ইস্যুতে ফের মুখ্যসচিব, ডিজিপিকে তলব কেন্দ্রের

আইপিএস নিয়ে বিতর্কের ্মাঝেই মুখ্যসচিব এবং ডিজিপিকে তলব করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। যদিও রাজ্যের তরফে জানানো হয়েছে এই মুহুর্তে যা পরিস্থিতি এবং কাজের চাপ রয়েছে সে ক্ষেত্রে কোনওভাবেই ডিজিপি এবং মুখ্যসচিবকে ছাড়া যাবে না। ভিডিয়ো কনফারেন্সিং-এ বৈঠকের প্রস্তাব দিয়েছে রাজ্য। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী এখনও এ বিষয়ে কোনও জবাব আসেনি কেন্দ্রের তরফে। নাড্ডার দু-দিনের রাজ্যসফরে কার্যত রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছিল রাজ্য। তাঁকে ঘিরে দফায় দফায় বিক্ষোভ দেখানোর অভিযোগ ওঠে। আর তার ওপর হামলার অভিযোগেই কড়া পদক্ষেপ করে কেন্দ্র। এর আগে ১৪ ডিসেম্বর রাজ্যের মুখ্যসচিব এবং ডিজিকে দিল্লিতে তলব করেছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। আরও পড়ুন ঃ তৃণমূলের ক্ষতি হবে না, শুভেন্দুর দলত্যাগ প্রসঙ্গে সুব্রত যদিও নাড্ডা-কাণ্ডে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে চিঠি দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকার জানায়, দিল্লিতে যাচ্ছেন না ডিজি ও মুখ্যসচিব। মুখ্যসচিবের স্বাক্ষর সম্বলিত একটি দীর্ঘ চিঠিতে রাজ্য সরকার জেপি নাড্ডার সফরে তাঁদের দায়িত্ব, ভূমিকা ও হামলা-পরবর্তী তদন্তমূলক কাজকর্মের বিস্তারিত খতিয়ান ব্যাখ্যা করেছে এবং চিঠির একেবারে শেষে অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে জানিয়ে দিয়েছে, যেহেতু রাজ্য সরকার গোটা বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখছে, ফলে মিটিংয়ে স্টেট অফিসিয়ালসদের নিয়ে কেন্দ্রের বসাটা এই মুহূর্তে নিষ্প্রয়োজন।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২০
রাজ্য

জেপি নাড্ডার গাড়িতে হামলা, মুখ্যসচিব - ডিজিকে তলব স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের

রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে গতকালই রাজ্যপালের কাছে রিপোর্ট চেয়েছিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। শুক্রবার রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে নিজের রিপোর্ট পাঠিয়ে দিয়েছেন। সুত্রের খবর সেই রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, নাড্ডা-সহ অন্য বিজেপি নেতাদের উপযুক্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেনি রাজ্যের পুলিশ। রাজ্যপালের এই রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় ও ডিজিপি বীরেন্দ্রকে তলব করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। আগামী ১৪ ডিসেম্বর তাঁদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে হাজিরা দেওয়ার দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে সুত্রের খবর। আরও পড়ুন ঃ চলতি মাসেই রাজ্যে অমিত শাহ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক মনে করছে, রাজ্যের নিরাপত্তার দায় মুখ্যসচিব এবং ডিজিপির। রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতার জন্য কোনও ভিআইপির নিরাপত্তার সঙ্গে আপস করা যাবে না। আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বীরেন্দ্রর কাছে আগামী ১৪ ডিসেম্বর পুরো ঘটনার রিপোর্ট তলব করা হবে। রিপোর্টে সন্তুষ্ট না হলে তাঁদের কড়া হুঁশিয়ারি দেওয়া হতে পারে। তাঁদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করা হতে পারে বলেও সুত্রের খবর।

ডিসেম্বর ১১, ২০২০

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপ চলাকালীনই ছাঁটাই কোচ! ফুটবল ইতিহাসে নজির গড়ে লজ্জার রেকর্ড

বিশ্বকাপের মঞ্চে এমন ঘটনা আগে দেখা যায়নি। প্রতিযোগিতা চলাকালীনই কোচকে সরিয়ে দিয়ে নতুন নজির গড়ল তিউনিশিয়া। প্রথম ম্যাচে বড় ব্যবধানে হারের পর কোচ সাব্রি লামৌচিকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এর ফলে বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রতিযোগিতা চলাকালীন চাকরি হারানো প্রথম কোচ হিসেবে নাম লিখিয়ে ফেললেন তিনি।সাব্রি লামৌচি চলতি বছরের জানুয়ারিতে তিউনিশিয়ার দায়িত্ব নিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁর অধীনে দলের পারফরম্যান্স নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই প্রশ্ন উঠছিল। বিশ্বকাপের আগে প্রস্তুতি ম্যাচে শক্তিশালী বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে বড় ব্যবধানে হারতে হয়েছিল দলকে। সেই ব্যর্থতার রেশ কাটার আগেই বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে সুইডেনের কাছে একের বিরুদ্ধে পাঁচ গোলে পরাজিত হয় তিউনিশিয়া।এই ফলাফলের পরই কোচ পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয় দেশের ফুটবল কর্তৃপক্ষ। যদিও এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি। নতুন কোচ কে হবেন, সেই বিষয়েও স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি।এর আগে তিউনিশিয়ার ফুটবল মহলে ড্রেসিংরুমের পরিবেশ নিয়েও নানা আলোচনা চলছিল। কয়েকজন ক্রীড়া সাংবাদিক দাবি করেছিলেন, দলের উপর কোচের নিয়ন্ত্রণ দুর্বল হয়ে পড়েছে। যদিও সেই অভিযোগ প্রকাশ্যে অস্বীকার করেছিলেন সাব্রি। তবে শেষ পর্যন্ত দলের খারাপ ফলাফল তাঁর অবস্থান আরও দুর্বল করে দেয়।এদিকে ম্যাচে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছে সুইডেন। দলের হয়ে জোড়া গোল করেন ইয়াসিন আয়ারি। বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, তাঁর পরিবারের শিকড় তিউনিশিয়ায়। সেই কারণেই গোল করার পর তাঁকে খুব বেশি উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে দেখা যায়নি।সুইডেনের জয়ের পথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন আলেকজান্ডার ইসাক এবং ভিক্টর গিয়োকেরেসও। দুজনেই একটি করে গোল করেন এবং আক্রমণভাগে দাপট দেখান। দলের অন্য গোলটি করেন ম্যাথিয়াস ভ্যানবার্গ। তিউনিশিয়ার হয়ে একমাত্র গোলটি করেন ওমর রেরিক।প্রথম ম্যাচেই বড় ব্যবধানে হারের ফলে তিউনিশিয়ার বিশ্বকাপ অভিযান কঠিন হয়ে উঠেছে। তার মধ্যেই কোচ পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত দলকে কতটা সাহায্য করবে, এখন সেটাই দেখার।

জুন ১৫, ২০২৬
দেশ

মঞ্চে উঠতেই চড়ের পর চড়! জয়পুরে ককরোচ জনতা পার্টিকে ঘিরে তুমুল উত্তেজনা, আটক দুই

জয়পুরে একটি বিক্ষোভ কর্মসূচিকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়াল। ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকের অভিযোগ, তাঁকে লক্ষ্য করে একদল ব্যক্তি হামলা চালায়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। পুলিশ দুই জনকে আটক করেছে বলে জানা গিয়েছে।সোমবার নিট পরীক্ষাকে ঘিরে বিতর্ক এবং বেকারত্বের মতো বিভিন্ন ইস্যুতে একটি প্রতিবাদ কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছিল। শহিদ স্মারকে সমর্থকেরা জড়ো হওয়ার পর সেখানে পৌঁছন অভিজিৎ। অভিযোগ, সেই সময়ই কয়েকজন ব্যক্তি তাঁকে ঘিরে ধরে হেনস্তা করেন।প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ঘটনাস্থলে উপস্থিত সমর্থকেরা দ্রুত হস্তক্ষেপ করেন। এরপর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং দুই জনকে আটক করে।এদিনের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের হাতে বিভিন্ন দাবিদাওয়া সংক্রান্ত প্ল্যাকার্ড দেখা যায়। দুর্নীতি, প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং বেকারত্বের মতো বিষয় তুলে ধরে স্লোগানও দেওয়া হচ্ছিল। সেই সময়েই আচমকা উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।গত কয়েক সপ্তাহে ককরোচ জনতা পার্টি নামটি সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনায় উঠে এসেছে। যদিও এটি কোনও স্বীকৃত রাজনৈতিক দল নয়, তবু বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক ইস্যুতে তাদের অবস্থান নিয়ে বহু আলোচনা হয়েছে।এদিকে, দলটির সামাজিক মাধ্যমের একটি জনপ্রিয় অ্যাকাউন্ট সম্প্রতি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর নতুন বিতর্ক তৈরি হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তরফে জাতীয় নিরাপত্তার প্রসঙ্গ তুলে পদক্ষেপের কথা বলা হলেও, অভিজিতের দাবি ছিল তাঁদের তরফে কোনও উসকানিমূলক বা বেআইনি বক্তব্য প্রকাশ করা হয়নি। সামাজিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়েই তাঁরা মতামত তুলে ধরছিলেন বলে দাবি করেন তিনি।জয়পুরের এই ঘটনার পর আবারও আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে ককরোচ জনতা পার্টি এবং তার প্রতিষ্ঠাতা। ঘটনার পূর্ণ তদন্ত ও পুলিশের রিপোর্টের দিকেই এখন নজর রয়েছে।

জুন ১৫, ২০২৬
কলকাতা

মুকুন্দপুরে তল্লাশি ঘিরে শোরগোল, অফিস থেকে কী কী মিলল তা নিয়ে জোর জল্পনা

কলকাতা পৌরনিগমের একশো নয় নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুকুন্দপুরের অফিস ঘিরে সোমবার চাঞ্চল্য ছড়ায়। তল্লাশির সময় অফিস থেকে একাধিক ডায়েরি, নথি এবং বিভিন্ন সামগ্রী উদ্ধারের দাবি ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, অফিসে থাকা কয়েকটি ডায়েরিতে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামের পাশে টাকার অঙ্ক লেখা ছিল। তাঁদের দাবি, সেখানে কিছু প্রোমোটার, চাকরিপ্রার্থী এবং একটি বেসরকারি হাসপাতালের নামও উল্লেখ ছিল। তবে ওই নথির সত্যতা বা সেখানে থাকা তথ্যের বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি।তল্লাশির সময় উপস্থিত কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা দাবি করেন, বিভিন্ন নির্মাণ প্রকল্প এবং চাকরির নামে অর্থ লেনদেনের হিসাব ওই ডায়েরিগুলিতে নথিভুক্ত ছিল। যদিও এই অভিযোগের স্বাধীনভাবে কোনও যাচাই এখনও হয়নি।অফিসের উপরের তলা থেকেও বিভিন্ন সামগ্রী উদ্ধারের দাবি উঠেছে। কিছু স্থানীয় বাসিন্দা জানান, সেখানে প্রসাধনী সামগ্রী, পোশাক এবং আরও কিছু ব্যক্তিগত ব্যবহার্য জিনিস পাওয়া গিয়েছে। এসব সামগ্রী কী কারণে সেখানে রাখা ছিল, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে।ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়াও সামনে এসেছে। বিজেপি বিধায়ক রুদ্রনীল ঘোষ দাবি করেন, এই ঘটনা দীর্ঘদিনের দুর্নীতির অভিযোগকে আরও জোরালো করছে। তাঁর বক্তব্য, তদন্তের মাধ্যমে পুরো বিষয়টি সামনে আসা প্রয়োজন।অন্যদিকে সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন কাউন্সিলর অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, এটি একটি সরকারি অফিস এবং সেখানে অফিস সংক্রান্ত নথি ও প্রয়োজনীয় সামগ্রীই রয়েছে। বর্ষাকালের ত্রাণসামগ্রী এবং উৎসব উপলক্ষে রাখা কিছু পোশাকও সেখানে থাকতে পারে বলে জানান তিনি। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, তল্লাশি চালানোর বিষয়ে তাঁকে আগে থেকে কোনও তথ্য দেওয়া হয়নি।ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। উদ্ধার হওয়া নথি ও সামগ্রীর প্রকৃত সত্যতা কী, তা জানতে এখন তদন্তের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে সকলেই।

জুন ১৫, ২০২৬
কলকাতা

মমতার বাড়ির সামনেই কুণালকে লক্ষ্য করে ডিম! মুহূর্তে উত্তপ্ত কালীঘাট, সামনে এল বিস্ফোরক দাবি

কালীঘাটে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনেই ডিম হামলার মুখে পড়লেন তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। সোমবার সন্ধ্যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় আচমকাই এক যুবক তাঁকে লক্ষ্য করে ডিম ছুড়ে দেন। নিজেকে বাঁচানোর চেষ্টা করলেও কুণালের মাথায় গিয়ে লাগে সেই ডিম। ঘটনাকে ঘিরে মুহূর্তের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়।জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত যুবকের নাম চন্দন। ঘটনার পর তিনি দাবি করেন, কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে তাঁর ক্ষোভ রয়েছে। তাঁর কথায়, অনেক অন্যায় হয়েছে। এটা ওনার প্রাপ্য ছিল। এরপর আর কোনও বিস্তারিত ব্যাখ্যা না দিয়েই সেখান থেকে চলে যান তিনি।ঘটনার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কুণাল ঘোষ বলেন, তিনি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার জন্য দাঁড়িয়ে ছিলেন। সেই সময় দুজন যুবক তাঁর খুব কাছেই ছিল। আচমকা একজন ডিম ছুড়ে পালিয়ে যায়। তাঁর অভিযোগ, ঘটনাস্থলে উপস্থিত কেউ প্রতিবাদ করেননি বা অভিযুক্তকে আটকানোর চেষ্টা করেননি।অভিযোগের জবাব দিতে গিয়ে কুণাল বলেন, কে অত্যাচার করেছে? আমি করেছি, না মমতাদি করেছেন? যদি কোনও পদক্ষেপ হয়ে থাকে, তা প্রশাসন বা পুলিশের মাধ্যমে হয়েছে। তার দায় আমার হতে পারে না। একই সঙ্গে তিনি অভিযুক্ত যুবকের উদ্দেশে প্রশ্ন তোলেন, তাঁর চাকরি বা সুযোগ-সুবিধা কোথা থেকে এসেছে, সেটাও খতিয়ে দেখা উচিত।এই ঘটনার পর নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন কুণাল। তাঁর বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ নেতার বাড়ির একেবারে কাছাকাছি এমন ঘটনা কীভাবে ঘটল, তা নিয়ে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। তিনি বলেন, এত কড়া নিরাপত্তার মধ্যেও যদি এমন ঘটনা ঘটে, তবে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠবে।উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে রাজনৈতিক নেতাদের লক্ষ্য করে ডিম ছোড়ার একাধিক ঘটনা ঘটেছে। এর আগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও ডিম হামলার মুখে পড়তে হয়েছিল। সেই ঘটনার পর রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। এবার কালীঘাটে কুণাল ঘোষকে ঘিরে একই ধরনের ঘটনার পর নতুন করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক আলোচনা।ঘটনার শেষে কুণাল ঘোষ বলেন, এক মাঘে শীত যায় না। এই মন্তব্য ঘিরেও রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা।

জুন ১৫, ২০২৬
রাজ্য

যে দলে ভিড়ছেন ২০ সাংসদ, সেই দলের প্রতিষ্ঠাতাই এক মাস আগে ছেড়েছেন দল! সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

রবিবার সন্ধ্যার পর থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে হঠাৎ করেই আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে একটি নতুন রাজনৈতিক দলের নাম। তৃণমূলের একাধিক বিদ্রোহী সাংসদ এই দলে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে খবর ছড়াতেই শুরু হয়েছে ব্যাপক রাজনৈতিক জল্পনা (NCPI)। বিশেষ করে সদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, মালা রায়ের মতো অভিজ্ঞ সাংসদদের নাম সামনে আসার পর কৌতূহল আরও বেড়েছে।তবে সবচেয়ে বড় চমক অন্য জায়গায়। যে দলটিকে ঘিরে এত আলোচনা, সেই দলের প্রতিষ্ঠাতাই নাকি এক মাস আগে দল ছেড়ে দিয়েছেন (NCPI)। জানা গিয়েছে, হাওড়ার বাসিন্দা এবং পেশায় আইনজীবী শিউলি কুণ্ডু আরও দুজন সহযোগীকে নিয়ে ২০২২ সালে এই রাজনৈতিক দল গড়ে তোলেন (NCPI)। হাওড়ার সাঁকরাইলে দলের সূচনা হয়েছিল। পরের বছর ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী দেয় দলটি। একই বছরে পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত নির্বাচনেও অংশ নেয় তারা।দলের প্রতিষ্ঠাতা এবং সভানেত্রী ছিলেন শিউলি কুণ্ডু। সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন সৈকত দাস। পরে দলের সাংগঠনিক বিস্তার ঘটাতে একটি কমিটিও গঠন করা হয়। শিউলির স্বামী উত্তীয় কুণ্ডুও দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।তবে শিউলি কুণ্ডুর ( (NCPI)) দাবি, প্রায় এক মাস আগে তিনি ব্যক্তিগত কারণে দল থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। বর্তমানে তিনি আইন পেশার পাশাপাশি সমাজসেবামূলক কাজে বেশি সময় দিচ্ছেন। বিশেষ করে মহিলাদের নিয়ে বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগে কাজ করছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।২০ জন সাংসদ এই দলে যোগ দিতে পারেন বলে খবর ছড়িয়ে পড়ার পর শিউলি কুণ্ডু বলেন, দলটি বড় পরিসরে আলোচনায় আসছে শুনে তাঁর ভালো লাগছে। তবে কোনও সাংসদ এর আগে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেননি বলেও দাবি করেছেন তিনি।এদিকে সোমবার সকালে হাওড়ার সংশ্লিষ্ট ঠিকানায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতি ঘিরেও চাঞ্চল্য ছড়ায়। স্থানীয়দের দাবি, সকাল থেকেই কয়েক দফায় সেখানে বাহিনীর যাতায়াত দেখা যায়। এলাকার বাসিন্দাদের একাংশ জানিয়েছেন, কুণ্ডু দম্পতি দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কাজে যুক্ত ছিলেন।২০ জন সাংসদের সম্ভাব্য যোগদান এবং দলটির প্রতিষ্ঠাতার পদত্যাগ এই দুই ঘটনাকে ঘিরে এখন রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। আগামী দিনে এই সমীকরণ কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই নজর সকলের।

জুন ১৫, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেকের ঘনিষ্ঠ সহকারীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা! তল্লাশির পর বাড়ল চাপ

প্রতারণা এবং জমি সংক্রান্ত দুর্নীতির মামলায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সহকারী সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে পুলিশ। একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালিয়েও তাঁর খোঁজ না মেলায় তদন্তকারীরা এই পদক্ষেপ করেছেন বলে জানা গিয়েছে।শালবনি থানায় দায়ের হওয়া একটি মামলায় সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম এবং জমি প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত এগোচ্ছে।উল্লেখ্য, এর আগেও সুমিত রায়ের নাম উঠে এসেছিল বহুচর্চিত কয়লা পাচার মামলায়। সেই মামলায় তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী হিসেবে চিহ্নিত করেছিল তদন্তকারী সংস্থা। একাধিকবার তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছিল বলেও জানা যায়।সূত্রের খবর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সুমিত রায় দীর্ঘদিনের পরিচিত। স্কুলজীবনে তাঁরা একসঙ্গে পড়াশোনা করেছিলেন। পরে দুজনের পেশাগত পথ আলাদা হলেও অভিষেকের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিভিন্ন দায়িত্ব সামলাতেন সুমিত। ঘনিষ্ঠ মহলে তিনি অভিষেকের অন্যতম বিশ্বস্ত সহকারী হিসেবেই পরিচিত ছিলেন।গত শনিবার সুমিতের খোঁজে একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালায় তদন্তকারী দল। তদন্ত সূত্রে দাবি, তাঁর মোবাইল ফোনের সর্বশেষ অবস্থান কালীঘাটের একটি এলাকায় ধরা পড়েছিল। সেই সূত্র ধরেই গভীর রাতে সেখানে পৌঁছয় পুলিশ। দীর্ঘক্ষণ তল্লাশি চালানো হলেও সুমিত রায়ের কোনও হদিস মেলেনি।এদিকে, এই ঘটনাপ্রবাহের মধ্যেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও একাধিক তদন্তের মুখোমুখি হয়েছেন। সম্প্রতি দীর্ঘ সময় ধরে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে তদন্তকারী সংস্থা। বিভিন্ন মামলায় তাঁর কাছে তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর।সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হওয়ার পর মামলার গুরুত্ব আরও বেড়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। এখন তদন্তকারীদের প্রধান লক্ষ্য, দ্রুত তাঁর অবস্থান চিহ্নিত করে আইনি প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।

জুন ১৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপের মাঝেই নতুন আতঙ্ক! কঙ্গোয় বাড়ছে ইবোলা, চিন্তায় ফুটবল বিশ্ব

কঙ্গোয় ইবোলা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ার খবর ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে ফুটবল বিশ্বেও শুরু হয়েছে আলোচনা। কারণ, চলতি বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে কঙ্গো। বুধবার তাদের প্রথম ম্যাচে শক্তিশালী পর্তুগালের মুখোমুখি হওয়ার কথা।সংক্রমণের পরিস্থিতির কারণে কঙ্গো দলের প্রস্তুতিতেও প্রভাব পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। প্রথমে যুক্তরাষ্ট্রে অনুশীলন শিবির করার পরিকল্পনা থাকলেও তা শেষ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হয়নি। পাশাপাশি একটি প্রস্তুতি ম্যাচও বাতিল করতে হয়েছে বলে খবর।পরবর্তীতে দলকে নির্দিষ্ট সময় পর্যবেক্ষণে রাখার পরই যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। বেলজিয়ামে কিছুদিন কাটানোর পর কঙ্গো দল সম্প্রতি প্রতিযোগিতার জন্য পৌঁছেছে।তবে সবচেয়ে বড় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে সমর্থকদের যাতায়াত নিয়ে। কঙ্গো থেকে আসা দর্শকদের প্রবেশ সংক্রান্ত বিষয়ে কড়া স্বাস্থ্যবিধি কার্যকর হতে পারে বলে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে। যদিও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তরফে কঠোর নজরদারির কথাই জানানো হয়েছে।স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, ইবোলা ভাইরাস সহজে বাতাসের মাধ্যমে ছড়ায় না। সেই কারণে বৃহৎ ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় ব্যাপক সংক্রমণের সম্ভাবনা তুলনামূলকভাবে কম। তবুও কোনও রকম ঝুঁকি এড়াতে বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হচ্ছে।গত মে মাসে প্রথম কঙ্গোয় ইবোলা সংক্রমণের খবর সামনে আসে। তারপর থেকে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসন এবং আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থাগুলি নজরদারি বাড়িয়েছে।বিশ্বকাপের মতো বৃহৎ আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার আগে এই পরিস্থিতি স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ বাড়িয়েছে। তবে আয়োজক দেশ এবং স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের দাবি, প্রয়োজনীয় সব ধরনের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ফলে মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি এখন নজর থাকবে স্বাস্থ্য নিরাপত্তার দিকেও।

জুন ১৫, ২০২৬
রাজ্য

দিঘা ভ্রমণে বড় স্বস্তি! তুলে নেওয়া হল পর্যটক চাঁদা, উপকূল উন্নয়নে একগুচ্ছ ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

দিঘায় বেড়াতে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন? তাহলে পর্যটকদের জন্য এলো বড় সুখবর। আগামী ১ জুলাই থেকে দিঘায় আর কোনও পর্যটককে অতিরিক্ত ১০ টাকা চাঁদা দিতে হবে না। রবিবার দিঘা-শংকরপুর উন্নয়ন পর্ষদের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের পর এই ঘোষণা করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। একই সঙ্গে উপকূলীয় পর্যটন, স্বাস্থ্য পরিষেবা, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং ভবিষ্যৎ শিল্পোন্নয়ন নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথাও জানান তিনি।মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, এতদিন হোটেলের বিলের সঙ্গে পর্যটকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ১০ টাকা করে নেওয়া হত, যা নিয়ে বহুদিন ধরেই প্রশ্ন উঠছিল। তাঁর বক্তব্য, এই অর্থ আদায়ের পদ্ধতি স্বচ্ছ ছিল না এবং এতে পর্যটকদের অযথা আর্থিক বোঝা বাড়ছিল। তিনি বলেন, যাঁরা নিয়ম মেনে আয়কর ও জিএসটি দিচ্ছেন, তাঁদের উপর আবার অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে পর্যটকদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। সেই কারণেই এই চাঁদা সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।বৈঠকে দিঘা-শংকরপুরসহ সমগ্র উপকূলীয় এলাকার পর্যটন পরিকাঠামো উন্নয়নের উপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, গত কয়েক বছরে দিঘার প্রত্যাশিত উন্নয়ন হয়নি। রাজ্যের অন্যতম প্রধান পর্যটনকেন্দ্র হওয়া সত্ত্বেও রাস্তা, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং পর্যটক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে একাধিক ঘাটতি তৈরি হয়েছে।বিশেষ করে দিঘা স্টেট জেনারেল হাসপাতালের পরিকাঠামো নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। তাঁর মতে, একটি আন্তর্জাতিক মানের পর্যটনকেন্দ্রে যে ধরনের চিকিৎসা পরিষেবা থাকা প্রয়োজন, তা বর্তমানে পর্যাপ্ত নয়। হাসপাতালের জন্য আইসিইউ বেড, আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং ট্রমা কেয়ার অ্যাম্বুল্যান্স চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।উপকূলীয় অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে কাঁথির শৌলা থেকে পেটুয়াঘাট পর্যন্ত বিস্তীর্ণ এলাকা দিঘা-শংকরপুর উন্নয়ন পর্ষদের আওতায় আনার পরিকল্পনার কথাও ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি তিনি স্পষ্ট করে দেন, শুধুমাত্র সাধারণ সমুদ্রসৈকত নয়, ভবিষ্যতে দিঘাকে চেন্নাই বা মুম্বইয়ের আদলে আধুনিক মেরিন ড্রাইভ কেন্দ্রিক পর্যটন শহর হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়েই সরকার এগোতে চায়।অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রেও সামনে এসেছে বড় পরিকল্পনা। তাজপুরের কাছে দাদনপাত্রবাড় এলাকায় একটি গভীর সমুদ্রবন্দর গড়ে তোলার সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, প্রায় ১৭০০ একর জমি ইতিমধ্যেই সরকারের হাতে রয়েছে এবং ওই অঞ্চলে সমুদ্রের গভীরতাও বন্দর নির্মাণের জন্য উপযুক্ত। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে শুধু পূর্ব মেদিনীপুর নয়, গোটা রাজ্যের অর্থনৈতিক পরিকাঠামোতে আমূল পরিবর্তন আসতে পারে বলে মত প্রশাসনের।এছাড়াও বনাঞ্চল সংরক্ষণ ও উপকূলীয় পরিবেশ উন্নয়ন নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি অভিযোগ করেন, পূর্ববর্তী প্রশাসনের সময়ে বহু গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প কার্যকর হয়নি। তবে অতীতের সমালোচনায় না গিয়ে ভবিষ্যতের উন্নয়নকেই অগ্রাধিকার দেওয়ার বার্তা দেন তিনি।সামনেই রথযাত্রা। দিঘায় লক্ষাধিক পর্যটকের সমাগমের সম্ভাবনা থাকায় নিরাপত্তা, যানবাহন নিয়ন্ত্রণ এবং সামগ্রিক ব্যবস্থাপনার জন্য মুখ্যসচিবকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।সব মিলিয়ে, পর্যটক চাঁদা প্রত্যাহার থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য, পর্যটন ও শিল্পোন্নয়নের একাধিক ঘোষণা দিঘাকে নতুন রূপে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকারের এই পদক্ষেপ কতটা সফল হয়, এখন সেদিকেই নজর পর্যটন মহল ও স্থানীয় বাসিন্দাদের।

জুন ১৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal