• ২ শ্রাবণ ১৪৩৩, সোমবার ২০ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Corona Situation

রাজ্য

Mamata Bannerjee: পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত, করোনা উদ্বেগে বার্তা মমতার

রাজ্যে করোনা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। তবে পরিস্থিতি পর্যালোচনা না করে এখনই সব কিছু বন্ধ করে দেওয়ার পক্ষে নন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার গঙ্গসাগর থেকে কলকাতায় ফেরার আগে করোনার নয়া রূপ ওমিক্রন যে ভাবে ছড়িয়ে পড়ছে তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, করোনার জন্য অর্থনীতি স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল। আবার নতুন করে সব কিছু বন্ধের পথে গেলে সাধারণ মানুষের উপর চাপ তৈরি হবে। পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে তবেই এ ব্যাপারে সিন্ধান্ত নেওয়া হবে। কেন পর্যালোচনা প্রয়োজন তা ব্যাখা করে তিনি বলেন, কোভিড তো প্রায় ছমাস-আট মাস ছিল না। তাই অনেক জায়গায় কোভিড হাসপালগুলি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। সার্বিক ভাবে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সরকার সিদ্ধান্ত নেবে। লোকাল ট্রেন এবং স্কুল-কলেজ বন্ধ নিয়ে সরকার এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি বলেও জানিয়েছেন তিনি। এ ক্ষেত্রেও পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।কোভিডের অন্য রূপগুলির তুলনায় ওমিক্রন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ব্রিটেন থেকে বিমানে যাঁরা আসছেন, তাঁদের বেশি ওমিক্রন ধরা পড়েছে। অনেকে টেস্ট করাতে বিরক্ত হচ্ছেন। কিন্তু বিরক্ত হলে চলবে কী করে।সামনেই বর্ষ বিদায় এবং বর্ষবরণের উৎসব। সেই সময় বহু মানুষ রাস্তায় নামবেন। ফলে করোনা সংক্রমণ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বর্ষবরণের উৎসব আটকাব কী করে! তবে আমরা বর্ষবরণের পরিস্থিতির উপর নজর রাখছি। এ ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষকেও সচেতন থাকার পরামর্শ দেন মুখ্যমন্ত্রী।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২১
দেশ

Begging: দেশে বেড়ে গিয়েছে ভিখারির সংখ্যা, প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট

করোনা মহামারি কেড়ে নিয়েছে সাধারণ মানুষের অনেক কিছু। মাথায় হাত পড়ার মতো অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। এর জেরে দেশের আর্থিক পরিস্থিতি খুবই খারাপ। বহু মানুষ কাজ হারিয়েছেন। এমন সব খবর তো গত এক দেড় বছরে অনেক শোনা গিয়েছে। কিন্তু এবার যে খবর সামনে আসছে সেটা শুনে মুষরে পড়তে পারেন অনেকেই। দিল্লি সরকারের একটি সাম্প্রতিক সমীক্ষার রিপোর্ট বলছে, দিল্লির রাস্তায় গত কয়েক মাসে ভিখারির সংখ্যা বেড়েছে কয়েক গুণ। ইনস্টিটিউট অফ হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট- এর সেই সার্ভের রিপোর্ট বলছে, করোনা মহামারির এই চূড়ান্ত দুঃসময়ে বহু মানুষ কাজ হারিয়েছেন। বেকার হয়ে পড়েছেন অসংখ্য মানুষ। আরও পড়ুনঃ প্যারিসে পৌঁছে অন্যরকম অভ্যর্থনা পেলেন লিওনেল মেসিচলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল মাস পর্যন্ত এই সমীক্ষা চালানো হয়েছিল। সেখানে উঠে এসেছে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য। দিল্লির রাস্তায় এখন ৫২ শতাংশ বেড়েছে বেকারের সংখ্যা। গত পাঁচ বছর ধরে বহু নতুন ভিখারি দেখা গিয়েছে দিল্লির রাস্তায়। সমীক্ষার রিপোর্ট বলছে, মাত্র ৮ শতাংশ ভিখারি ছোটবেলা থেকে ভিক্ষা করতে বাধ্য হয়েছে। আইএইচডি-র রিপোর্ট বলছে, দারিদ্র্য, বেকারত্ব, অশিক্ষা এবং শারীরিক সমস্যার জন্য ভিক্ষাবৃত্তিতে বাধ্য হয়েছেন অনেকে। রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, দিল্লির বিভিন্ন রাস্তায় এমন মানুষদের ভিক্ষাবৃত্তি করতে দেখা গিয়েছে যাঁরা করোনা মহামারির সময় কাজ হারিয়েছেন। রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, ভিক্ষাবৃত্তিকে পেশা হিসেবে বেছে নিতে বাধ্য হয়েছেন যাঁরা তাঁদের মধ্যে ৫০ শতাংশ মানুষের মাথার উপরে ছাদ নেই। অর্থাৎ শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষায় মাথা গোঁজার কোন ঠাই নেই তাঁদের। দিল্লির রাস্তায় ভিক্ষাবৃত্তি করা মানুষদের ৪৫ শতাংশ ঝুপড়িতে থাকতে বাধ্য হন। করোনা মহামারির জন্য কাজ হারিয়ে ভিক্ষা করতে বাধ্য হওয়া মানুষদের সংখ্যাটা উল্লেখযোগ্য। তাঁদের মধ্যে অনেকেই অবশ্য ছোটখাটো কাজ করেন। কিন্তু হাতে যা টাকা আসে তা দিয়ে সংসার চলে না। ফলে বাড়তি উপার্জনের জন্য তারা ভিক্ষাবৃত্তি অবলম্বন করছেন। কুড়ি শতাংশ ভিখারি এমন রয়েছেন যাঁরা এই পেশায় আসার আগে দিনমজুর, কারখানার শ্রমিক, পরিচারক বা পরিচারিকা হিসেবে কাজ করতেন।

আগস্ট ১১, ২০২১
দেশ

ভয়াবহ কোভিড পরিস্থিতি, ২৪ ঘণ্টায় দেশে আক্রান্ত সাড়ে ৩ লক্ষ!

মাত্র ২০ দিনের ব্যবধানে দেশের দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১ লক্ষ থেকে বেড়ে সাড়ে তি লক্ষে পৌঁছে গেল। যা গোটা বিশ্বে নজিরবিহীন। লাগামছাড়া সংক্রমণের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। আর বাড়তে থাকা অ্যাকটিভ কেসই বলে দিচ্ছে, কেন চতুর্দিকে অক্সিজেন এবং বেডের অভাব। রীতিমতো দেশকে নাড়িয়ে দেওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।রবিবার স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩ লক্ষ ৪৯ হাজার ৬৯১ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এর বেশিরভাগটাই যে মহারাষ্ট্রে, তা বলাই বাহুল্য। গত ২৪ ঘণ্টায় শুধু মুম্বইতেই সংক্রমিত প্রায় ৬ হাজার মানুষ। একইভাবে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে রাজধানী দিল্লি। সংক্রমণ ঠেকাতে লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানোর চিন্তা ভাবনা করছে কেরজিওয়ালের সরকার বলেই খবর। দেশে মোট করোনা আক্রান্ত বেড়ে দাঁড়াল ১ কোটি ৬৯ লক্ষ ৬০ হাজার ১৭২-এ। এদিকে একদিনে এই মারণ ভাইরাসে প্রাণ হারালেন ২,৭৬৭ জন। দেশে এখনও পর্যন্ত করোনার বলি ১ লক্ষ ৯২ হাজার ৩১১ জন। লাফিয়ে বাড়ছে অ্যাকটিভ কেসও। বর্তমানে করোনার চিকিৎসাধীন ২৬ লক্ষ ৮২ হাজার ৭৫১ জন।পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন ২ লক্ষ ১৭ হাজার ১১৩ জন। এখনও পর্যন্ত দেশে ১ কোটি ৪০ লক্ষ ৮৫ হাজার ১১০ জন করোনা থেকে মুক্ত হয়েছেন। টিকা পেয়েছেন ১৪ কোটি ৯ লক্ষেরও বেশি মানুষ। দেশজুড়ে করোনার নয়া তাণ্ডব রুখতে টিকাকরণের গতি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। ১ মে থেকে আবার ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে প্রত্যেককে করোনা ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। টিকাকরণের পাশাপাশি রোগী চিহ্নিত করতে চলছে টেস্টিংও। আইসিএমআর-এর রিপোর্ট বলছে, গতকাল ১৭ লক্ষ ১৯ হাজার ৫৮৮টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। তবে শুধু বাড়তে থাকা সংক্রমণই নয়, চিন্তা বাড়াচ্ছে করোনার নয়া স্ট্রেনও।

এপ্রিল ২৫, ২০২১
দেশ

একদিনে করোনা আক্রান্ত ২ লক্ষ ৬১ হাজার, আজ ফের বৈঠকে মোদি

গত বছরের মতোই এবারও শক্ত হাতে করোনার বিরুদ্ধে লড়তে হবে। শনিবার উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর একথাই বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কিন্তু দেশে করোনা পরিস্থিতি গত বছরের তুলনায় অনেকটাই বেশি ভয়াবহ। সাধারণ মানুষের অবহেলার সুযোগ নিয়েই চোখ রাঙাচ্ছে মারণ ভাইরাসটি। আর রবিবারের বুলেটিন বলছে, দেশে প্রথমবার একদিনে করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা পেরল আড়াই লক্ষের গণ্ডি। উদ্বেগ কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে ঊর্ধ্বমুখী অ্যাকটিভ কেসের সংখ্যা।রবিবার স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ২ লক্ষ ৬১ হাজার ৫০০ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এর বেশিরভাগটাই যে মহারাষ্ট্রের সেটা বলাই বাহুল্য। মহারাষ্ট্র ছাড়াও পাঞ্জাব, কর্নাটক, ছত্তিশগড়, দিল্লি, উত্তরপ্রদেশের মতো রাজ্যগুলোও রীতিমতো উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। দেশে মোট করোনা আক্রান্ত ১ কোটি ৪৭ লক্ষ ৮৮ হাজার ১০৯ জন। এদিকে একদিনে এই মারণ ভাইরাসে প্রাণ হারালেন ১৫০১ জন। দেশে এখনও পর্যন্ত করোনার বলি ১ লক্ষ ৭৭ হাজার ১৫০ জন। লাফিয়ে বাড়ছে অ্যাকটিভ কেসও। বর্তমানে করোনার চিকিৎসাধীন ১৮ লক্ষ ১ হাজার ৩১৬ জন।পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন ১ লক্ষ ৩৮ হাজার ৪২৩ জন। এখনও পর্যন্ত দেশে ১ কোটি ২৮ লক্ষ ৯ হাজার ৬৪৩ জন করোনা থেকে মুক্ত হয়েছেন। টিকা পেয়েছেন ১২ কোটি ২৬ লক্ষেরও বেশি মানু। কিন্তু টিকাকরণেও যেন বাগে আনা যাচ্ছে না কোভিড-১৯-কে। সেই কারণেই নতুন করে দেশের একাধিক শহর আংশিক লকডাউনের পথে হেঁটেছে। প্রশ্ন উঠছে, সংক্রমণ এভাবে বাড়তে থাকলে কি ফের দেশজুড়ে লকডাউন হবে। আজ, রবিবার উত্তরপ্রদেশে ফের চিকিৎসক ও উচ্চ পর্যায়ের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন মোদি। সেখানে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, সেটাই দেখার।

এপ্রিল ১৮, ২০২১
রাজ্য

ভয় ধরাচ্ছে করোনা, পরিস্থিতি সামাল দিতে কড়া সিদ্ধান্তের পথে নবান্ন

কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউয়ে জেরবার দেশ। বাংলায় থাবা ক্রমশ চওড়া হচ্ছে মহামারির। জটিল হচ্ছে পরিস্থিতি। এমনকী, একাধিক জেলার কোভিড হাসপাতালে শয্যা সংখ্যাও খুবই কম। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে একাধিক জেলার জেলাশাসকদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বৈঠক থেকে একগুচ্ছ নির্দেশিকা জারি করল নবান্ন।ভোটের মরশুমে রাজ্যে থাবা বসিয়েছে কোভিড-১৯ সংক্রমণ। যার জন্য রাজনৈতিক দলের মিটিং-মিছিলকে দায়ী করছেন চিকিৎসকরা। অবশ্য আমজনতার মধ্যেও গা-ছাড়া ভাব দেখা যাচ্ছে। ইতিমধ্যে বাংলার ১০ জেলায় নির্বাচন শেষ হয়ে গিয়েছে। এবার সেই সমস্ত জেলার কোভিড পরিস্থিতিতে লাগাম পরাতে উদ্যোগী হল নবান্ন। সেই উদ্দেশেই এদিন জেলাগুলির প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক সারলেন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়।বৈঠকের পর জানানো হয়েছে, বাজারের মতো জনবহুল এলাকায় মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করতে জোরদার প্রচার চালানো হবে। হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহারে জোর দেওয়া হবে। কোভিড সচেনতার প্রচার করতে জনবহুল এলাকায় মাইকে প্রচারেও জোর দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে বাজারগুলিতে ভিড় নিয়ন্ত্রণে জোর দিতে হবে বলেও জানিয়েছেন মুখ্যসচিব। সূত্রের খবর, সংক্রমণে রাশ টানতে প্রয়োজনে শহরে মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোনের সংখ্যা বাড়ানো হতে পারে। প্রয়োজনে জমায়েত বন্ধ করার করার কথাও বলা হয়েছে। এমনকী, কোভিড রোগীর চিকিৎসার জন্য হাসপাতালগুলির ২০ শতাংশ পরিকাঠামো বৃদ্ধির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর। কলকাতা পুরসভাকে ২৪ ঘণ্টা সতর্ক থাকার পরামর্শ দিল নবান্ন।আরটিপিসিআর টেস্ট বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পয়লা বৈশাখের অনুষ্ঠানে ভিড় কমানোর দিকেও নজর দিতে বলা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের উদ্দেশে কড়া বার্তা দিয়েছেন মুখ্যসচিব। রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও দেশের অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় তা কমই রয়েছে। স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে খবর, রাজ্যের যে যে জেলাতে তিন পর্বে ভোট মিটে গিয়েছে, সেখানে বাড়তি নজর দেওয়া হচ্ছে। বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভিডিও বৈঠক করেন দেশের করোনাপ্রবণ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে। রাজ্য থেকে সেই বৈঠকে প্রতিনিধি হিসাবে ছিলেন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। তখনই তিনি জানিয়েছিলেন, সোমবার ভোট মিটে যাওয়া জেলার ডিএম, এসপি, সিএমওএইচ-দের সঙ্গে বৈঠকে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে পারেন। সেই সূচি অনুযায়ী এই বৈঠক হল।

এপ্রিল ১৩, ২০২১
রাজ্য

ক্রমশ ভয়াবহ হচ্ছে রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি

ভোটের মরশুমে রীতিমতো চোখ রাঙাচ্ছে মারণ করোনা। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন করে সংক্রমিত ৪, ৩৯৮ জন। একদিনে করোনার বলি হয়েছেন ১০ জন। অর্থাৎ শনিবারের তুলনায় সামান্য হলেও কমেছে মৃত্যু। এদিনই করোনা আক্রান্ত হয়েছেন মাটিগাড়া-নকশালবাড়ির বিজেপি প্রার্থী আনন্দময় বর্মন।স্বাস্থ্যদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমিত ৪, ৩৯৮ জনের মধ্যে ১,১০৯ জনই কলকাতার। অর্থাৎ দৈনিক সংক্রমণের নিরিখে এদিনও প্রথম স্থানে তিলোত্তমা। দ্বিতীয় স্থানে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানকারও একহাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন এদিন। নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ১,০৪৭ জন। তৃতীয় স্থানে হাওড়া। একদিনে নতুন করে করোনা থাবা বসিয়ে সেখানকার ২৯৩ জনের শরীরে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা রয়েছে চতুর্থ স্থানে। একদিনে আক্রান্ত সেখানকার ২৮৮ জন। উত্তরবঙ্গের পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গের করোনা গ্রাফও রীতিমতো ভয় ধরিয়েছে সেখানকার বাসিন্দাদের। তবে এদিন নতুন আক্রান্তের হদিশ মেলেনি কালিম্পংয়ে। যদিও বাকি সব জেলা থেকেই মিলেছে নতুন সংক্রমিতের হদিশ। ফলে রাজ্যের মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৬, ১৪, ৮৯৬। একদিনে করোনা রাজ্যের যে ১০ জনের প্রাণ কেড়েছে তাঁদের মধ্যে পাঁচজনই উত্তর ২৪ পরগনার। অর্থাৎ দৈনিক মৃত্যুর নিরিখে প্রথম স্থানে ওই জেলা। দ্বিতীয়ে কলকাতা। একদিনে মৃত্যু হয়েছে সেখানকার ৩ জনের। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় করোনার বলি একজন। ফলে মোট করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১০, ৪০০।

এপ্রিল ১১, ২০২১

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

বালুরঘাটে পথকুকুরের ওপর যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য, প্রতিবাদে সরব পশুপ্রেমীরা; কড়া শাস্তির দাবি শ্রীলেখা মিত্রের

দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে পথকুকুরের ওপর যৌন নির্যাতনের গুরুতর অভিযোগকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই সামাজিক মাধ্যমে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন পশুপ্রেমী থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রাণী অধিকারকর্মীরা। অভিনেত্রী ও প্রাণীপ্রেমী শ্রীলেখা মিত্রও এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপের দাবি তুলেছেন।বালুরঘাটের প্রাণীপ্রেমী এবং Honorary Animal Welfare Officer ব্রতীন চক্রবর্তী তাঁর সামাজিক মাধ্যমের পোস্টে দাবি করেন, গত রাতে প্রায় ২টা ৩০ মিনিট নাগাদ চৌরঙ্গীপাড়া এলাকার এক বাসিন্দার কাছ থেকে তিনি ফোন পান। অভিযোগ অনুযায়ী, এলাকার এক মদ্যপ রংমিস্ত্রি প্রায় প্রতি রাতেই রাস্তা থেকে পথকুকুর ধরে নিয়ে গিয়ে তাদের ওপর যৌন নির্যাতন চালায়।পোস্টে আরও দাবি করা হয়েছে, অভিযুক্তের এই আচরণে অতিষ্ঠ হয়ে তাঁর স্ত্রী ও মেয়ে বাড়ি ছেড়ে শিলিগুড়িতে চলে গিয়েছেন। খবর পাওয়ার পর পুলিশকে জানানো হলে প্রায় ১৫ মিনিটের মধ্যে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্তকে সতর্ক করে। তবে তিনি অতিরিক্ত মদ্যপ অবস্থায় থাকায় পরিস্থিতি সামাল দিতে সমস্যা হয় বলেও পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে।এই ঘটনার প্রতিবাদে বালুরঘাটের বিভিন্ন পশুপ্রেমী সংগঠন আন্দোলনে নামার ডাক দিয়েছে। তাদের দাবি, নিরীহ প্রাণীর ওপর এই ধরনের নৃশংসতার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে প্রাণী নির্যাতনের বিরুদ্ধে আরও কঠোর আইন প্রয়োগের দাবিও তুলেছেন আন্দোলনকারীরা।অভিনেত্রী ও প্রাণী অধিকারকর্মী শ্রীলেখা মিত্র সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, মানুষের হাতে ধর্ষণ, নির্যাতন, বিষপ্রয়োগ, পাথর ছুড়ে মারা কিংবা কুকুরের মাংসের জন্য পাচারএসবের শিকার হয় অসংখ্য পথকুকুর। কিন্তু তারা নির্বাক হওয়ায় অধিকাংশ ঘটনাই সামনে আসে না।তিনি আরও বলেন, যারা প্রাণীদের ওপর নিষ্ঠুরতা চালিয়েও সমাজে অবাধে ঘুরে বেড়ায়, তাদের বিরুদ্ধে সময়মতো ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে তারা মানুষের বিরুদ্ধেও আরও ভয়ঙ্কর অপরাধে জড়িয়ে পড়তে পারে। প্রাণী অধিকারকর্মীরা এই ধরনের ঘটনার ওপর নজর রাখছেন বলেও তিনি সতর্কবার্তা দেন।এছাড়াও শ্রীলেখা মিত্র জানান, West Bengal Animal Rights Activists Front নামে একটি নিবন্ধিত সংগঠন গঠন করা হয়েছে, যার সভাপতি তিনি নিজে। খুব শীঘ্রই একটি সাংবাদিক বৈঠক করে প্রাণী নির্যাতন রোধ, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং রাজ্যের বিভিন্ন পশুপ্রেমী মানুষকে একত্রিত করার কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে তিনি জানান।প্রাণী অধিকারকর্মীদের মতে, প্রাণীদের ওপর যৌন নির্যাতন একটি অত্যন্ত গুরুতর জঘন্য অপরাধ। অভিযোগ প্রমাণিত হলে বর্তমান আইনের আওতায় কঠোর তদন্ত ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।

জুলাই ১৯, ২০২৬
রাজ্য

'ম্যানস বেস্ট ফ্রেন্ড' কুকুর, তবু এত ভয় কেন? ব্যাখ্যা দিলেন বিশেষজ্ঞে

কুকুরকে দীর্ঘদিন ধরেই বলা হয় মানুষের সবচেয়ে বিশ্বস্ত সঙ্গী। তবু বাস্তবে দেখা যায়, কুকুর সামনে এলেই অনেকেই রাস্তা বদলে ফেলেন, থমকে যান কিংবা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। অথচ বিড়ালকে ঘিরে এমন ভীতি তুলনামূলকভাবে অনেক কম। কেন এই পার্থক্য? এর উত্তর দিয়েছেন পশু চিকিৎসক ডা. বিনোদ শর্মা।ডা. শর্মা জানান, কুকুরকে ঘিরে মানুষের ভয় মূলত তাদের আচরণ নয়, বরং মানুষের ধারণা, অভিজ্ঞতা এবং সামাজিক প্রভাবের ফল। তাঁর মতে, বিড়ালের তুলনায় কুকুর আকারে বড়, শক্তিশালী এবং জনবহুল এলাকায় বেশি দেখা যায়। ফলে অনেকের মনে কুকুরের কামড় বা আক্রমণের আশঙ্কা বেশি কাজ করে।তিনি বলেন, এই ভয় অনেক ক্ষেত্রেই জন্মগত নয়, বরং শেখা। ছোটবেলার খারাপ অভিজ্ঞতা, পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে শোনা ঘটনা কিংবা সংবাদমাধ্যমে কুকুরের আক্রমণের খবর মানুষের মনে আতঙ্ক তৈরি করে। তাই অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এটি বাস্তব ঝুঁকির চেয়ে মানসিক ধারণার ফল।ডা. শর্মার মতে, কুকুরকে ভয় পাওয়া মানেই প্রাণীকে ঘৃণা করা নয়। অনেক সময় মানুষকে প্রাণী-বিদ্বেষী বলে মনে করা হলেও এই ধারণা সঠিক নয়। কুকুরকে ভয় পাওয়া অনেকের ক্ষেত্রে স্বাভাবিক ভয়ের প্রতিক্রিয়া, আবার কারও ক্ষেত্রে তা ফোবিয়ার পর্যায়েও পৌঁছাতে পারে।তিনি জানান, প্রকৃত ফোবিয়ার ক্ষেত্রে শুধু অস্বস্তি নয়, তীব্র মানসিক ও শারীরিক প্রতিক্রিয়াও দেখা দেয়। যেমনহৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া, অতিরিক্ত ঘাম, শরীর কাঁপা, কান্না কিংবা কুকুরের সম্ভাব্য উপস্থিতি এড়িয়ে চলার প্রবণতা, যা দৈনন্দিন জীবনেও প্রভাব ফেলে। অন্যদিকে, যাঁরা কেবল কুকুর অপছন্দ করেন, তাঁরা দূরত্ব বজায় রাখলেও এমন তীব্র আতঙ্কে ভোগেন না।কুকুরের কিছু আচরণ মানুষ প্রায়ই ভুলভাবে ব্যাখ্যা করেন বলেও জানিয়েছেন ডা. শর্মা। তাঁর মতে, লেজ নাড়ানো মানেই কুকুর বন্ধুসুলভএমন ধারণা সবসময় ঠিক নয়। যদি কুকুর দ্রুত, শক্তভাবে এবং উঁচু করে লেজ নাড়ে, তবে সেটি উত্তেজনা বা সতর্কতারও ইঙ্গিত হতে পারে।এছাড়া কুকুরের ঠোঁট চাটা, হাই তোলা বা মুখ ঘুরিয়ে নেওয়াকে অনেকেই স্বাভাবিক বা মজার আচরণ মনে করেন। কিন্তু বাস্তবে এগুলো অনেক সময় কুকুরের অস্বস্তি বা মানসিক চাপের সংকেত।আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণের কথা উল্লেখ করেছেন তিনি। অনেকেই মনে করেন, স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা কুকুর শান্ত রয়েছে। কিন্তু কোনও কুকুর যদি হঠাৎ একেবারে স্থির হয়ে যায়, শরীর শক্ত করে রাখে এবং একদৃষ্টে তাকিয়ে থাকে, তবে সেটি আক্রমণের আগাম সতর্কবার্তাও হতে পারে।ডা. শর্মার পরামর্শ, কুকুরের আচরণ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো এবং তাদের ব্যক্তিগত পরিসরকে সম্মান করাই অপ্রয়োজনীয় ভয় কমানোর অন্যতম উপায়। অপরিচিত কুকুরের কাছে যাওয়ার আগে অবশ্যই মালিকের অনুমতি নেওয়া উচিত।সবশেষে তিনি বলেন, কুকুরকে ভয় পাওয়া কোনও দুর্বলতা বা প্রাণীদের প্রতি বিদ্বেষের প্রকাশ নয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এই ভয় মানুষের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা, পরিবেশ এবং মানসিক ধারণা থেকেই তৈরি হয়। (দ্যা ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন থেকে প্রাপ্ত)

জুলাই ১৯, ২০২৬
রাজ্য

মহিলার ব্যাগ খুলতেই চোখ ছানাবড়া! এ যেন অস্ত্রের ভাণ্ডার, আন্তঃরাজ্য চক্রের খোঁজে সিআইডি

গোপন সূত্রে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বড় সাফল্য পেল সিআইডি। উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগর থেকে এক মহিলাকে আটক করে তাঁর কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৬টি আগ্নেয়াস্ত্র, প্রায় ২০০ রাউন্ড কার্তুজ এবং নগদ টাকা। রবিবার সকালে অশোকনগর থানার ৮ নম্বর মোড় এলাকায় এই ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত মহিলার নাম পূজা বিশ্বাস। তিনি হাবরা পুরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তদন্তকারীদের দাবি, নৈহাটি-অশোকনগর রোড দিয়ে একটি ম্যাটাডোরে সাধারণ যাত্রীদের সঙ্গে যাত্রা করছিলেন তিনি। আগেই তাঁর গতিবিধির উপর নজর রাখছিল সিআইডি। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গোটা পথ তাঁকে অনুসরণ করা হয়।অশোকনগর থানার ৮ নম্বর মোড়ে ম্যাটাডোর থেকে নামার পরই সাদা পোশাকের সিআইডি আধিকারিকরা তাঁকে ঘিরে ফেলেন। এরপর তাঁর সঙ্গে থাকা ব্যাগে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার হয় ৬টি আগ্নেয়াস্ত্র, প্রায় ২০০ রাউন্ড কার্তুজ এবং নগদ টাকা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় অশোকনগর থানার পুলিশ। পরে পূজা বিশ্বাসকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনার পর থেকেই এলাকায় ভিড় জমাতে থাকেন স্থানীয় বাসিন্দারা।প্রত্যক্ষদর্শী সুখেন সরকার বলেন, সকালে এসে দেখি এক মহিলাকে ঘিরে পুলিশ ও সিআইডি তল্লাশি চালাচ্ছে। পরে জানতে পারি তাঁর ব্যাগ থেকে প্রচুর গুলি ও বন্দুক উদ্ধার হয়েছে। এই এলাকায় এমন ঘটনা আগে দেখিনি। মহিলাকেও কখনও এখানে দেখিনি। পুলিশ ও সিআইডি খুব ভালো কাজ করেছে।প্রাথমিক তদন্তে সিআইডির অনুমান, উদ্ধার হওয়া অস্ত্র ও কার্তুজ বিহার থেকে পশ্চিমবঙ্গে আনা হয়েছে। তবে এগুলি কোথায় পৌঁছানোর কথা ছিল, কী উদ্দেশ্যে আনা হচ্ছিল এবং এই অস্ত্র পাচার চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার নেপথ্যে বৃহত্তর কোনও আন্তঃরাজ্য চক্র রয়েছে কি না, সেই দিকেও তদন্তকারীরা নজর দিচ্ছেন।

জুলাই ১৯, ২০২৬
কলকাতা

ফিরছে কি করোনা আতঙ্ক? গড়িয়ার ১০ বছরের বালক আইসিইউ-তে ভর্তি

দেশে নতুন করে করোনা সংক্রমণের খবর সামনে আসতেই উদ্বেগ বাড়ছে। তার মধ্যেই দক্ষিণ কলকাতার গড়িয়ার এক ১০ বছরের বালক করোনা আক্রান্ত হয়ে বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সকালে জ্বর, কাশি ও শ্বাসকষ্টের উপসর্গ নিয়ে তাকে হাসপাতালে আনা হয়।চিকিৎসকদের সন্দেহ হওয়ায় শিশুটির সোয়াব পরীক্ষা করা হয়। রিপোর্টে সে করোনা পজিটিভ বলে ধরা পড়ে। এরপর তাকে হাসপাতালের আইসিইউ-র আইসোলেশন ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়েছে।শিশু বিশেষজ্ঞ সাহেলি দাশগুপ্ত জানিয়েছেন, বালকটি গত তিন-চার দিন ধরে জ্বর, সর্দি ও কাশিতে ভুগছিল। এক্স-রে পরীক্ষায় তার ডান ফুসফুসে নিউমোনিয়ার লক্ষণ ধরা পড়েছে। ভাইরাল পরীক্ষায় সার্স-কোভ-২ পজিটিভ এসেছে।তিনি আরও জানান, করোনা ভাইরাসজনিত রোগ হওয়ায় শিশুটিকে অ্যান্টিবায়োটিকের পরিবর্তে নেবুলাইজেশন ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সহায়তায় রাখা হয়েছে। শিশুটির মাকেও আইসোলেশনে রাখা হয়েছে এবং তাঁরও কোভিড পরীক্ষা করা হতে পারে।চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শিশুদের মধ্যে জ্বর, সর্দি-কাশি হওয়া এখন সাধারণ বিষয়। তাই করোনা নিয়ে অযথা আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। অধিকাংশ নতুন সংক্রমণই মৃদু প্রকৃতির এবং হাসপাতালে ভর্তির হারও কম বলে তাঁরা জানিয়েছেন।তবে দেশের বিভিন্ন রাজ্যে নতুন করে সংক্রমণের খবর পাওয়া যাচ্ছে। অন্ধ্রপ্রদেশে ২৬ জুন থেকে ১৬ জুলাইয়ের মধ্যে ১২ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন বলে রাজ্যের স্বাস্থ্য কমিশনার জানিয়েছেন। পাশাপাশি কোমর্বিডিটি থাকা ৪ জন রোগীর মৃত্যুর খবরও সামনে এসেছে। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে নতুন করে কোভিড নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

জুলাই ১৯, ২০২৬
বিদেশ

আচমকা বিকল ফেসবুক! ডেস্কটপে খুলছে না, আতঙ্কে লক্ষ লক্ষ ব্যবহারকারী

রবিবার দুপুরে আচমকা বিশ্বজুড়ে আংশিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে ফেসবুক। ভারতীয় সময় প্রায় দুপুর ১টা নাগাদ এই সমস্যা শুরু হয়। লক্ষাধিক ব্যবহারকারী অভিযোগ করেছেন, তাঁরা কম্পিউটার বা ডেস্কটপ থেকে ফেসবুক ব্যবহার করতে পারছেন না। তবে মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে অনেকেই এখনও ফেসবুক ব্যবহার করতে সক্ষম হচ্ছেন।ব্যবহারকারীরা জানিয়েছেন, ডেস্কটপে ফেসবুক খুলতে গেলে একটি বার্তা দেখা যাচ্ছে। সেখানে লেখা, অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে উপলব্ধ নয়। ফলে পোস্ট দেখা, তথ্য আদানপ্রদান বা নতুন কিছু পোস্ট করা কোনও কাজই করতে পারছেন না অনেকেই।এই বিভ্রাট শুধু ভারতেই নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও দেখা গিয়েছে। এক লক্ষেরও বেশি ব্যবহারকারী সমাজমাধ্যমে অভিযোগ জানিয়েছেন যে ফেসবুক ঠিকমতো কাজ করছে না। অনেকেই এক্সে পোস্ট করে সমস্যার কথা জানিয়েছেন।মেটা এখনও এই বিভ্রাটের কারণ সম্পর্কে কোনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেয়নি। কবে পরিষেবা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক হবে, সে বিষয়েও সংস্থার পক্ষ থেকে এখনও কোনও ঘোষণা করা হয়নি। ফলে ফেসবুক ব্যবহারকারীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।মোবাইল অ্যাপে পরিষেবা আংশিকভাবে চালু থাকলেও ডেস্কটপ ব্যবহারকারীরা সবচেয়ে বেশি সমস্যার মুখে পড়েছেন। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি সার্ভারজনিত সমস্যা হতে পারে। তবে মেটার আনুষ্ঠানিক বক্তব্য না আসা পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।

জুলাই ১৯, ২০২৬
দেশ

দিল্লির আন্দোলন থামিয়ে ছুটলেন ওমর আবদুল্লা! কাশ্মীরে ভয়াবহ বন্যা

অতিবৃষ্টির জেরে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে জম্মু ও কাশ্মীরে। শনি ও রবিবারের টানা ভারী বৃষ্টিতে রাজৌরি, পুঞ্চ-সহ একাধিক জেলা কার্যত জলের তলায় চলে গিয়েছে। নদীর জলস্তর দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় নিচু অঞ্চলগুলি প্লাবিত হয়েছে। প্রশাসনের প্রাথমিক হিসেবে অন্তত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আরও কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন।মৌসম ভবন আগেই ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছিল। শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টি দুদিন ধরে অব্যাহত থাকায় দারহালি, খান্দালি, সুকতোহ ও জামোলা নদীর জল বিপদসীমা ছাড়িয়ে যায়। বহু এলাকায় নদীর জল বাড়িঘর, রাস্তা ও বাজারে ঢুকে পড়ে।সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে রাজৌরি জেলায়। দারহালি নদীর বাঁধ ভেঙে জল বাসস্ট্যান্ডের পার্কিং এলাকায় ঢুকে পড়ে এবং বহু গাড়ি ভাসিয়ে নিয়ে যায়। পুঞ্চ জেলায় বাড়ি ধসে তিন জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। রাজৌরিতে ভূমিধ্বসে আরও একজনের প্রাণহানি ঘটেছে। দুই জেলায় অন্তত পাঁচ জন এখনও নিখোঁজ বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।পুলিশ ও উদ্ধারকারী দল প্লাবিত এলাকা থেকে মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। বহু পরিবারকে ত্রাণ শিবিরে রাখা হয়েছে। প্রশাসনের দাবি, জল নামার পর ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ আরও স্পষ্ট হবে।এই দুর্যোগের জেরে দিল্লিতে পূর্ণরাজ্যের দাবিতে চলা আন্দোলন আপাতত স্থগিত করেছেন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা। পরিস্থিতি সামাল দিতে তিনি শ্রীনগরে ফিরে যাচ্ছেন বলে সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে।

জুলাই ১৯, ২০২৬
দেশ

হাসপাতালেও অনশন ভাঙলেন না সোনম, মুক্তির দাবিতে হাই কোর্টে স্ত্রী

২১ দিন অনশনের পর জোর করে সোনম ওয়াংচুককে সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কিন্তু হাসপাতালে নিয়েও তাঁর অনশন ভাঙানো যায়নি। তিনি চিকিৎসা নিতে অস্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এই অবস্থায় সোনমের স্ত্রী গীতাঞ্জলি অভিযোগ করেছেন, তাঁকে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তরের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। সেই কারণেই তিনি দিল্লি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন।শনিবার প্রকাশিত স্বাস্থ্য বুলেটিনে জানানো হয়েছে, সোনমের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। দীর্ঘ অনশনের ফলে তাঁর শরীর ডিহাইড্রেটেড হয়ে পড়েছে এবং পটাশিয়ামের মাত্রা কমে যাচ্ছে। রক্তচাপ, নাড়ির গতি এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ শারীরিক সূচক আপাতত স্থিতিশীল থাকলেও চিকিৎসকদের মতে পরিস্থিতি উদ্বেগজনক।হাসপাতাল সূত্রে খবর, সোনমকে আইভি ফ্লুইড দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি তা নিতে অস্বীকার করেছেন। এমনকি কোনও ওরাল ওষুধও গ্রহণ করছেন না। অর্থাৎ, জোর করে হাসপাতালে ভর্তি করানো হলেও তিনি এখনও অনশন প্রত্যাহার করেননি।গীতাঞ্জলি জানিয়েছেন, বারবার আবেদন করা সত্ত্বেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সোনমকে ছাড়ছে না এবং বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরের অনুমতিও দিচ্ছে না। তাঁর দাবি, এতদিন যাঁরা সোনমের চিকিৎসা করছিলেন, তাঁরাই যেন চিকিৎসার দায়িত্ব পান। তিনি আরও অভিযোগ করেন, হাসপাতাল চত্বরে একশোর বেশি পুলিশ মোতায়েন করে সোনমকে কার্যত বন্দি করে রাখা হয়েছে।অন্যদিকে, সোনম ওয়াংচুকের সমর্থনে আন্দোলন আরও জোরদার হচ্ছে। এসএফআইয়ের সর্বভারতীয় সভাপতি আদর্শ এম সাজি এবং যুগ্ম সম্পাদক ঐশী ঘোষ যন্তরমন্তরে অনির্দিষ্টকালের অনশন শুরু করার ঘোষণা দিয়েছেন। রবিবার থেকেই তাঁদের এই কর্মসূচি শুরু হবে।সোনমের শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ বাড়লেও তিনি অনশনে অটল রয়েছেন। এখন নজর দিল্লি হাই কোর্টের দিকে, যেখানে তাঁর স্ত্রী দ্রুত শুনানির আবেদন জানিয়েছেন।

জুলাই ১৯, ২০২৬
কলকাতা

রাজ্যের আইনজীবী অনুপস্থিত, থমকে গেল অভিষেকের মামলার শুনানি! এরপর কী বলল হাইকোর্ট?

আমতলার পার্টি অফিস ভাঙা নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার বিচারপতি রাজা বসু চৌধুরীর এজলাসে জরুরি ভিত্তিতে শুনানির কথা ছিল। তবে নির্ধারিত সময়ে রাজ্যের কোনও আইনজীবী উপস্থিত না থাকায় শুনানি শুরু করা যায়নি।আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, বেলা ১২টার সময় মামলার শুনানি শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু রাজ্যের পক্ষ থেকে কোনও আইনজীবী হাজির না হওয়ায় বিচারপতি রাজা বসু চৌধুরী জানান, রাজ্যের বক্তব্য ছাড়া শুনানি সম্ভব নয়। পরে রাজ্যের আইনজীবী নীলাঞ্জন ভট্টাচার্য ভার্চুয়াল মাধ্যমে এজলাসে উপস্থিত হন এবং সওয়ালের জন্য আরও সময় চান।বিচারপতি রাজ্যকে ফের নোটিস দেওয়ার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সরকারকেও মামলার কপি দিতে বলা হয়েছে। আদালত জানিয়েছে, জেলাশাসকের কাছ থেকে বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে হবে। এরপর মামলার পরবর্তী শুনানির সময় ধার্য করা হয়েছে দুপুর দেড়টায়।অভিযোগ, আমতলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পার্টি অফিস বেআইনিভাবে তৈরি হয়েছিল। শনিবার প্রশাসনের পক্ষ থেকে বুলডোজার চালিয়ে অফিসের একাংশ ভেঙে দেওয়া হয়। এমনকি শাবল দিয়ে ডিজি লকারও ভাঙা হয়েছে বলে অভিযোগ। রবিবারও বুলডোজার পার্টি অফিসের সামনে পৌঁছে যায়। এই পরিস্থিতিতে দ্রুত শুনানির আবেদন জানিয়ে হাইকোর্টে যান অভিষেকের আইনজীবী।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন, পার্টি অফিসটি বেআইনিভাবে তৈরি হয়নি। তিনি অভিযোগ করেছেন, এর পিছনে বিজেপি নেতাদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ মদত রয়েছে। শনিবার তিনি বলেন, যে আইনের যে ধারায় আপনারা এই অত্যাচার করেছেন, একই আইনের একই ধারায় ৩১ ফিরিয়ে দেব সুদ সমেত।আমতলা পার্টি অফিস ভাঙাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তীব্র হয়েছে। এখন নজর আদালতের পরবর্তী শুনানির দিকে, যেখানে রাজ্যের জবাবের পর মামলার ভবিষ্যৎ দিক নির্ধারণ হতে পারে।

জুলাই ১৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal