• ২১ ফাল্গুন ১৪৩২, বৃহস্পতি ০৫ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Congress

রাজ্য

বর্ধমানের কলেজ ছাত্রী তুহিনার মৃত্যু নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে বেনজির আক্রমন শানালেন অধীর

গলায় দড়ির ফাঁস দিয়ে তিন বোনকে ঝুলে মরতে হবে এমন ছবি পুর ভোটের সময়ে যাঁরা দেওয়ালে এঁকেছিল তাঁরা কি মুখ্যমন্ত্রীর দলেরই লোক? যদি তা হয় তবে সেটা বাংলার লজ্জা। পুর ভোটের ফলপ্রকাশের দিন বর্ধমানের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল সমর্থক তরুণী তুহিনা খাতুনের ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় সোমবার এই ভাষাতেই তৃণমূল কংগ্রেস ও রাজ্য সরকারকে বিঁধলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি তথা সাংসদ অধীররঞ্জন চৌধুরী।শহর বর্ধমানে আঁকা ওই দেওয়াল চিত্র নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে অধীরবাবু এও বলেন, আপনার বাড়ির সামনে দেওয়ালে ছবি এঁকে দিয়ে কেউ যদি বলে, আপনার গলায় দড়ি দেওয়ার ব্যবস্থা করছি। তাহলে আপনি কি সেটা মানবেন? এদিন মৃত তুহিনা খাতুনের বাড়িতে সমবেদনা জানাতে এসে অধীর চৌধুরি এলাকায় আঁকা ওই দেওয়াল চিত্র চাক্ষুষ করে স্তম্ভিত হয়ে যান। পরে তিনি দাবি করেন, সংখ্যালঘু পরিবারের উপর এমন অত্যাচার কার্যত নজিরবিহীন। যে অত্যাচারের হাত থেকে হাওড়ার আমতার আনিস খান রেহাই পায়নি। বর্ধমানের তুহিনা খাতুনও পেল না। যে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী একজন মহিলা সেখানে এমন ঘটনা খুবই লজ্জার। এই ঘটনা নিয়ে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হবেন বলে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি জানিয়ে দেন।বর্ধমান পৌরসভার ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাবুরবাগের নতুনপল্লী এলাকায় বাড়ি তুহিনা খাতুনের (১৮)। ২ মার্চ পুর ভোটের ফল ঘোষণার পর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় ওই তরুণীর ঝুলন্ত দেহ। সে বর্ধমান রাজ কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্রী ছিল। বোনের মৃত্যুর জন্য ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের নবনির্বাচিত তৃণমূল কাউন্সিার কাউন্সিলর বসির আহমেদ ও তাঁর অনুগামীদের দায়ী করে বর্ধমান থানার অভিযোগ দায়ের করেন দিদি কুহেলী বিবি। অভিযোগের পরিপেক্ষিতে পুলিশ চারজনকে গ্রেফতার করলেও মূল অভিযুক্ত কাউন্সিলর বসির আহমেদ এখনও বহাল তবিয়তেই ঘুরে বেড়াচ্ছেন বলে অভিযোগ। তা নিয়ে অধীর চৌধুরীর কাছে ক্ষোভ উগরে দেন মৃতার পরিবার। এই প্রসঙ্গে অধীরবাবু বলেন, বাংলায় এখন এমন জঙ্গলরাজই চলছে। সরকার, প্রশাসন ও তৃণমূলের মদত রয়েছে বলেই তুহিনার মৃত্যুর ঘটনার মূল অভিযুক্ত প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াতে পারছে ।

মার্চ ০৭, ২০২২
রাজ্য

আনিসের মৃত্যুর ছায়া বর্ধমানে, তুহিনার মৃত্যু নিয়ে আন্দোলনে নামার প্রস্তুতিতে কংগ্রেস ও বামেরা

পুর ভোটের ফল প্রকাশের পরেই গলায় দড়ি দিয়ে ঝুলে মরতে হবে তিন বোনকে। পুর ভোটের আচরণবিধি জারি থাকার সময়েই শহর বর্ধমানের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের দেওয়ালে আঁকা হয় হুমকি বার্তা দেওয়া এমন এক নজিরবিহীন ছবি। ওই ছবি আঁকানোর অভিযোগ ওঠে তৃণমূল প্রার্থী শেখ বসির আহমেদ ও তাঁর অনুগামীদের বিরুদ্ধে। কিন্তু রাজ্য নির্বাচন কমিশন বা পুলিশ, কারও তরফেই পুর ভোটের ফল প্রকাশের দিন পর্যন্ত ওই ছবি মোছানোর কোন উদ্যেগ নেওয়া হয়নি। তাই ওই ছবি এলাকায় দেওয়ালে রয়েই যায়। আর আঁকানো ছবির হুমকি মতোই কাণ্ড ২ মার্চ ঘটে শহর বর্ধমানের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাবুরবাগ নতুনপল্লী এলাকায়। পুর ভোটের ফল প্রকাশের পরেই বিকালে বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় সেখানকার তৃণমূল সমর্থক পরিবারের কলেজ ছাত্রী তুহিনা খাতুনের(১৭) ঝুলন্ত দেহ। বাড়িতে চড়াও হয়ে হুমকি শাসানি দিয়ে ওই কলেজ ছাত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচিত কারার অভিযোগ উঠেছে সদ্য নির্বাচিত ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলার শেখ বসির আহমেদ ও তাঁর অনুগামীদের বিরুদ্ধে। আর তুহিনার এমন মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা এখন আমতার ছাত্র নেতা আনিসকে খুনের ঘটনার মতোই তোলপাড় ফেলে দিয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।বর্ধমান রাজ কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্রী তুহিনার খাতুনের মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে শুক্রবার বর্ধমানের জেলা কার্যালয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন এসএফআইয়ের পূর্ব বর্ধামান জেলা সভাপতি বিশ্বরুপ হাজরা। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন পুর ভোটের ফল প্রকাশের পরেই শাসক দলের রাজনৈতিক হিংসা ও অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে ছাত্রী তুহিনা আত্মঘাতী হয়েছে। নির্বাচনী আচরণবিধি জারি থাকার মধেও তুহিনাদের বাড়ির ঠিক আগের একটি দেওয়ালে ছবি আঁকা হয় তিনটি মেয়ের দেহ ঝুলছে। এই ঘটনা অমানবিক ও আদিম হিংস্রতার চরম প্রকাশ বলে এসএফআই মনে করে। পুলিশের নির্দেশ পাওয়ার পরেও ওই এলাকার তৃণমূল প্রার্থী দেওয়াল লিখন মোছেননি। আমতার ছাত্র নেতা আনিস খানের মৃত্যু যেমন দুর্ভাগ্যজনক তেমনই দু্ঃখজনক। তাই তুহিনার মৃত্যুর ঘটনা নিয়েও এসএফআই বৃহত্তর প্রতিবাদ আন্দোলনে নামবে বলে বিশ্বরুপ হাজরা এদিন জানিয়ে দেন। তুহিনার মৃত্যুর ঘটনার বিচার চেয়ে এদিন বিকালে এসএফআই, ডিওয়াইএফআই ও গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতির সদস্যরা বর্ধমান থানার সামনে ধরনায় বসেন। তুহিনার মৃত্যুর ঘটনায় সকল দোষীদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবি করেন এসএফআইয়ের জেলা সম্পাদক অনির্বাণ হাজরা।এসএফআইয়ের মতোই কংগ্রেস দলের নেতৃত্বও তুহিনা খাতুনের মৃত্যুর ঘটনার প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছেন। প্রদেশ কংগ্রেসের কার্যকরী সভাপতি নেপাল মাহাতো এদিন জেলা কংগ্রেসের নেতাদের সঙ্গে নিয়ে বাবুরবাগে আত্মঘাতী কলেজ ছাত্রী তুহিনা খাতুনের বাড়িতে যান। তিনি তুহিনার পরিবারের সদস্যদের মুখে দেওয়ালে হুমকি দেওয়া ছবি আঁকা ও ঘটনার দিনের কথা শুনে কার্যত স্তম্ভিত হয়ে যান। কংগ্রেস নেতাদের কাছে তৃণমূল কাউন্সিলার বসির আহমেদ ও তাঁর অনুগামীদের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দেন তুহিনার পরিবার। এখনও বসির আহমেদ হুমকি দিচ্ছে বলে তারা কংগ্রেস নেতাদের কাছে অভিযোগে জানান। সব শুনে নেপাল বাবু জানান, ভোটের সময়ে ছবি এঁকে হুমকি দিয়ে এই ধরনের দেওয়াল লেখা চরম থেকে চরমতম অপরাধ। এটা একটা নক্কারজনক ঘটনা। নির্বাচন চলাকালীন এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নির্বাচন কমিশনের আওতায় থাকে। নির্বাচন কমিশন চেষ্টা করেও এই ছবি মুছতে পারেনি। এর দ্বারাই বোঝা যায় রাজ্য নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা কতটা। পুলিশ গোটা বিষয়টিকে অন্যদিকে ঘুরিয়ে দিতে চাইছে বলেও নেপালবাবু অভিযোগ করেছেন। একই সঙ্গে নেপাল মাহাতো জানিয়ে দেন, দোষীদের উপযুক্ত শাস্তির দাবিতে প্রয়োজনে তাঁরা আইনি লড়াই লড়বেন। যদিও বসির আহমেদ এদিন বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা করে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ তোলা হচ্ছে। প্রয়োজনে সিআইডি দিয়ে ঘটনার তদন্ত হোক। তিনি চান আসল ঘটনা প্রকাশ্যে আসুক।তিন তরুণী গাছে ঝুলছে এমন ছবি পুর ভোটের আচরণবিধি জারি থাকার সময়ে যাঁরা ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের দেওয়ালে আঁকালো তাদের বিরুদ্ধে কি নির্বাচন কমিশন আইনগত কোন ব্যবস্থা নিয়েছিল? এই প্রশ্নের উত্তরে বর্ধমান সদর মহকুমা শাসক তথা পুর নির্বাচনী আধিকারিক তীর্থাঙ্কর বিশ্বাস বলেন, এই সংক্রান্ত বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই। আমার কাছে কোন অভিযোগও আসেনি। তবে এই প্রসঙ্গে ডি এসপি (সদর) অতনু ঘোষাল বলেন, মৃতার পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত চলছে। ইতিমধ্যেই চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযোগের সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সত্যতা মিললে দোষীরা কেউ ছাড় পাবে না ।

মার্চ ০৪, ২০২২
রাজ্য

সিবিআই ঠিকমতো তদন্ত করলে তৃণমূল কংগ্রেসের অর্ধেক নেতা জেলে থাকতো, আক্ষেপ রাহুল সিনহার

কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিও এবার ভরসা হারানোর অবস্থা তৈরি হয়েছে বঙ্গ বিজেপির। তেমনটাই সুর শনিবার শোনা গেল কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতা রাহুল সিনহার কথায়। পুরভোটের প্রচারে এদিন বর্ধমানে এসে রাহুল সিনহা সিবিআই এর বিরুদ্ধে তদন্তে ঢিলেমির অভিযোগ করেন।রাহুলবাবু বলেন,রাজ্যে যেভাবে আর্থিক দুর্নীতি হয়েছে তাতে সাধারণ মানুষ সর্বশান্ত হয়ে গিয়েছে ।সিবিআই যদি ঠিক মতো তার তদন্ত করতো তাহলে তৃণমূল কংগ্রেসের অর্ধেক নেতা জেলে থাকতো। সিবিআই এর উচিত তদন্তের গতিকে আরও তরান্বিত করা। পাশাপাশি রাহুল সিনহা পুর ভোটে শাসক দলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস চালানোর অভিযোগ তুলে সরব হন। বর্ধমান পৌরসভার ৭,৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডে বিজেপি প্রার্থীদের সমর্থনে এদিন প্রচারে অংশ নেন রাহুল সিনহা।প্রচারের ফাঁকে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাহুল সিনহা পুলিশের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ তোলেন।পাশাপাশি তিনি এও বলেন, বিভিন্ন জায়গায় শাসক দলের তরফে হুমকি দিয়ে বিজেপির প্রার্থীদের প্রার্থীপদ প্রত্যাহার করানো হয়েছে।এই প্রসঙ্গে সরাসরি তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যেপাধ্যায়কে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে তিনি বলেন ,তৃণমূলের স্বজনপোষণ দুর্নীতির বিরুদ্ধে মানুষ রুখে দাঁড়িয়েছে। এই অবস্থায় ভোট ঠিকঠাক হবে কিনা সেটাই কোটি টাকার প্রশ্ন। ক্ষমতা থাকলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানুষকে ভোট দিতে দিক। মানুষ ভোট দিতে পারলে বর্ধমান সহ সারা বাংলার সব জায়গাতেই বিজেপি জয়লাভ করবে।বিজেপি নেতা রাহুল সিনহার এইসব বক্তব্যকে কোন গুরুত্বই দিতে চাননি তৃণমূল কংগ্রেস নেতা তথা রাজ্যের মন্ত্রি অরুপ বিশ্বাস। উল্টে রাহুল সিনহাকে কটাক্ষ করে অরুপবাবু বলেন, রাহুল সিনহা নিজে কখনও কোন নির্বাচনে জেতেন নি।সামনে পঞ্চায়েত নির্বাচন আছে।রাহুলবাবু আগে পঞ্চায়েতের মেম্বার হন ।তার পর ওনার কথার উত্তর দেব।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২২
রাজ্য

কংগ্রেস প্রার্থীর প্রচার ফ্লেক্সে প্রিয়াংকা, রাহুলের পাশে সাঁটিয়ে দেওয়া হল তৃণমূল প্রার্থীর ছবি -চাঞ্চল্য কালনায়

নিজের ছবি সহযোগে ওয়ার্ডে পুর ভোটের প্রচার ফ্লেক্স ঝুলিয়ে ছিলেন কংগ্রেস প্রার্থী। কিন্তু রাতারাতি ওই ফ্লেক্সে থাকা কংগ্রেস প্রার্থীর মুখের ছবির উপরে কেউ প্রতিদ্বন্দি তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীর ছবি সাঁটিয়ে দেয়।আর তা নিয়েই বৃহস্পতিবার চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে পূর্ব বর্ধমানের কালনা শহরের ১৫ নং ওয়ার্ড এলাকায়।ঘটনা নিয়ে কংগ্রেস প্রার্থী মনোজ কুমার সাহা এদিন তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূল প্রার্থী রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানান। যদিও তৃণমূল প্রার্থী দাবি করেছেন, ঘটনার বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। রাজ্য নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি হবে কালনা পৌরসভার ভোট।পুর ভোটে কালনা শহরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন কংগ্রেস প্রার্থী মনোজ কুমার সাহা। তিনি অভিযোগে বলেন ,ওয়ার্ডের ছোট দেউড়ি পাড়া বাজার এলাকার একটি দেওয়ালে তিনি তাঁর ছবি সহ একটি প্রচার ফ্লেক্স ঝুলিয়ে ছিলেন। তাতে ইন্দিরা গান্ধী, রাহুল গান্ধী, প্রিয়াংকা গান্ধী ও অধীর চৌধুরীর ছবিও থাকে। সেই ছবিগুলিতে কিছু না করে কেউ উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে শুধুমাত্র তাঁর ছবির জায়গায় প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়ের ছবি লাগিয়ে দেয়।মনোজবাবু জানান, এদিন সকালে বাজারে যাওয়ার পর তিনি তাঁর প্রচার ফ্লেক্সের ওই অবস্থা দেখতে পান। মনোজ সাহা দাবি করেন, ভোটারদের বিভ্রান্ত করে ভোট পাবার জন্য তৃণমূলের লোকজন কৌশল এঁটে এমন ঘটনা ঘটিয়েছে। গোটা বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জমা দিয়েছেন বলেও মনোজবাবু জানিয়েছেন। যদিও এমন ঘটনা কে বা কারা ঘটিয়েছে তার কিছুই জানেন না বলে এদিন জাানান তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখব। যদি এমন ঘটনা ঘটে থাকে তবে তিনি নিজেই ওই ছবি খুলে দেবেন বলে জানিয়েছন।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২২
দেশ

সংসদে ফের আক্রমণাত্মক প্রধানমন্ত্রী, করলেন কংগ্রেসকে তুলোধনা

লোকসভার পর রাজ্যসভা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নিশানায় ফের বিরোধীরা। মঙ্গলবার ফের তিনি বিঁধলেন কংগ্রেসকে। চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ করলেন গান্ধি পরিবারকে। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুকে টেনে দাবি করলেন, গোয়ার প্রতিরোধকে নেহরু ঠেকিয়ে রেখেছিলেন কেবল বিশ্বের দরবারে নিজের ভাবমূর্তিকে উজ্জ্বল করতে। বললেন, কংগ্রেসের দর্শন এখন শহুরে নকশালদের কব্জায়।এ দিন রাজ্যসভায় দাঁড়িয়ে মোদি বলেন, কংগ্রেস অহরহ আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে, ইতিহাস বদলে দেওয়ার। এ দিকে কংগ্রেসেরই দর্শন শহুরে নকশালদের কব্জায় চলে গিয়েছে! তাঁর দাবি, কংগ্রেস না থাকলে দেশবাসীকে যেমন জরুরি অবস্থার মুখে পড়তে হত না। তেমনই শিখ গণহত্যার ঘটনাও ঘটত না। মহাত্মা গান্ধিও ভারতে কংগ্রেসকে চাননি বলেও দাবি প্রধানমন্ত্রীর। মোদির দাবি, আজ যদি কংগ্রেস না থাকত, তা হলে এক অন্য দেশ দেখতে পাওয়া যেত। একই সঙ্গে গান্ধি পরিবারকে আক্রমণ করে বলেন, আজ দেশের সামনে সবচেয়ে বড় বিপদের নাম পরিবারবাদ। কংগ্রেসের সমস্যা হল, তারা কখনওই একটি পরিবারের বাইরে কিছু ভাবতে পারেনি।দিন কয়েক আগে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধি সংসদের দাঁড়িয়ে মোদি সরকারকে তুলোধোনা করেছিলেন। বুঝিয়ে দিতে চেয়েছিলেন, কংগ্রেস না থাকলে আজ দেশে গণতন্ত্র থাকত না।অভিযোগ করেছিলেন, আজ কংগ্রেস কেন্দ্রে নেই, তাই মোদি সরকার রাজার মতো শাসন করছে। রাহুলের সেই কটাক্ষের জবাব দিতে গিয়ে মঙ্গলবার রাজ্যসভায় মোদি বললেন, কংগ্রেস না থাকলে!এরপরই মোদি চলে আসেন শিখ দাঙ্গা , এবং কাশ্মীরি পণ্ডিত নিধন ইস্যুতে। বলেন, আজ কংগ্রেস না থাকলে শিখদের গণহত্যা হত না। পঞ্জাবকে বছরের পর বছর সন্ত্রাসবাদের জ্বালা বয়ে বেড়াতে হত না। পঞ্জাবের ভোটের ঠিক আগে আগে মোদির এই শিখ দাঙ্গা স্মরণ বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। ৩৭ বছর পরেও শিখ দাঙ্গার কালো দাগ মুছতে পারেনি কংগ্রেস। চুরাশির সেই ঘটনার জন্য ইতিমধ্যেই পাঞ্জাববাসীর কাছে ক্ষমা চেয়ে নিয়েছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ডঃ মনমোহন সিং। ক্ষমা চেয়েছেন ইউপিএ চেয়ারপার্সন সনিয়া গান্ধিও। রাহুল গান্ধিও এ প্রসঙ্গে ক্ষমা চেয়েছেন।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২২
দেশ

উত্তরপ্রেদেশে কংগ্রেসের প্রার্থী হচ্ছেন উন্নাওয়ের নির্যাতিতার মা

উত্তরপ্রদেশে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে নিজেদের জমি শক্ত করতে মরিয়া কংগ্রেস। প্রথম দফার প্রার্থী ঘোষণাতেই সকলকে চমকে দিয়ে বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করা হল উন্নাওয়ের নির্যাতিতার মায়ের নাম।প্রিয়াঙ্কা গান্ধির গলায় যে নারীশক্তির জয়জয়কার শোনা গিয়েছিল, প্রার্থী ঘোষণার ক্ষেত্রেও তারই প্রতিফলন দেখা গেল। কংগ্রেসের মহিলা প্রার্থীদের মধ্যে উত্তরপ্রদেশের উন্নাওয়ে নির্যাতিতা তরুণীর মা আশা সিংকেও প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করা হয়। নিজের মেয়েকে সুবিচার পাইয়ে দেওয়ার জন্য তিনি যেভাবে লড়াই করেছিলেন, উত্তরপ্রদেশের বাকি মেয়েদের জন্যও তিনি লড়বেন বলে দাবি করেন প্রিয়াঙ্কা।এ দিন উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের জন্য কংগ্রেসের তরফে প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়। সাংবাদিক বৈঠকে প্রিয়াঙ্কা গান্ধি ১২৫ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন, তারমধ্যে ৫০ জনই মহিলা। সকলকে চমকে দিয়ে উন্নাওয়ে নির্যাতিতার মা আশা সিংয়ের নাম ঘোষণা করেন।আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে মাথায় রেখেই উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেস শুরু করেছিল লড়কি হু, লড় সকতি হু নামে প্রচার অভিযান। রাজ্য তথা দেশের নারীশক্তিকে তুলে ধরতেই এই প্রচার শুরু করেছে কংগ্রেস। এ দিন প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করতে গিয়ে প্রিয়াঙ্কা গান্ধি বলেন, আমাদের প্রার্থী তালিকা এক নতুন বার্তা দিচ্ছে, আপনি যদি নির্যাতন বা হেনস্থার শিকার হন, তবে কংগ্রেস আপনাকে সমর্থন করবেই। নির্বাচনে কংগ্রেসের ৪০ শতাংশ টিকিটই মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত করা হয়েছে।उन्नाव में जिनकी बेटी के साथ भाजपा ने अन्याय किया, अब वे न्याय का चेहरा बनेंगी- लड़ेंगी, जीतेंगी!#Election2022 Rahul Gandhi (@RahulGandhi) January 13, 2022প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পরই কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধিও টুইট করে লেখেন, বিজেপি উন্নাওয়ের কন্যার সঙ্গে অবিচার করেছিল। এবার উনি (নির্যাতিতার মা) সুবিচারের মুখ হবেন।

জানুয়ারি ১৩, ২০২২
কলকাতা

Congress: পুরভোটের দিন কংগ্রেস প্রার্থীকে বিবস্ত্র করে মার, হাইকোর্টে মামলা

পুর ভোটের দিন নগ্ন করে রাস্তায় ফেলে মারধর করার অভিযোগ। নিরাপত্তা চেয়ে আদালতে কংগ্রেস প্রার্থী। আদালতের দ্বারস্থ হলেন ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের কংগ্রেস প্রার্থী রবি সাহা। মামলা দায়ের করার অনুমতি দিলেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার। বৃহস্পতিবার শুনানির সম্ভাবনা। উল্লেখ্য, রবিবারের পুরভোটে শাসক দলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ এনেছে সব বিরোধী দলগুলি। রবিবাবুর হয়ে আদালতে লড়ছেন আইনজীবী কৌস্তভ বাগচী। তিনি পুলিশি নিস্ক্রিয়তার অভিযোগ করেছেন। দুষ্কৃতীরা এখনও কেন গ্রেফতার হয়নি সেই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।ভোটের রাতে আক্রান্ত হন ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের কংগ্রেস প্রাথী রবি সাহা। তাঁকে রাস্তায় ফেলে বিবস্ত্র করে মারধর করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই তাঁর উপর হামলা চালিয়েছে। প্রার্থীকে বিবস্ত্র করে মারধরের সেই ভিডিও ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। তাতে দেখা যাচ্ছে, মার খেতে খেতে বিবস্ত্র অবস্থায় রাস্তাতেই পড়ে থাকতে দেখা যায় তাঁকে। ইতিমধ্যে বটতলা থানার পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগে তিনি লিখেছেন, রাত ১১ টা ১৫ মিনিট নাগাদ তিনি লোহাপট্টি এলাকায় জিনিস কিনতে বেরিয়েছিলেন। হঠাৎই তাঁকে আক্রমণ করে এলাকার কিছু যুবক। রবিবাবুর অভিযোগ, ভোট চলাকালীন বুুুুথের কাছে ভিড় হটিয়ে দিচ্ছিলাম পুলিশকে জানিয়ে। সেই ভিডিও তুলেছি। এই রাগে আমার ওপর আক্রমণ করা হয়। ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান অধীর চৌধুরী। তাঁর অভিযোগ, বাংলায় গণতন্ত্র নয়, চলছে বর্বর দিদিতন্ত্র। একজন মানুষকে জনসমক্ষে নগ্ন করে বেধড়ক পেটানো হল কলকাতার রাজপথে। কী তাঁর অপরাধ? তাঁর অপরাধ তিনি কংগ্রেসের হয়ে ভোটে দাঁড়িয়েছেন? ছিঃ দিদি ছিঃ। ধিক্কার।

ডিসেম্বর ২২, ২০২১
কলকাতা

Vote: ভোট শুরুর আগেই উত্তপ্ত ৩৬ নম্বর ওয়ার্ড, কংগ্রেস এজেন্টকে মারধরের অভিযোগ

মকপোল শুরু হওয়ার আগেই কংগ্রেসের এজেন্ট বসানোকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল কলকাতা পুরসভার ৩৬ নম্বর ওয়ার্ড। টাকি বয়েজ ও টাকি গার্লস স্কুলে দফায় দফায় গোলমালের অভিযোগ উঠেছে রবিবার সকালে। এই ওয়ার্ডের কংগ্রেস প্রার্থী নন্দন ঘোষের দাবি, তাঁদের এজেন্টকে বসাতে গেলে বাধা দেয় তৃণমূল। এমনকী তাঁদের এজেন্টকে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে। যদিও এ নিয়ে তৃণমূলের তরফে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।কলকাতা পুরসভার ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডে টাকি বয়েজ স্কুল। সেখানে সিসিক্যামেরা অচল করে রাখার অভিযোগ ঘিরে রবিবার সকালে উত্তপ্ত হয় পরিস্থিতি। ভোটগ্রহণ পর্ব শুরুর আগেই গোলমাল বাধে সেখানে। পুলিশের সঙ্গে কংগ্রেস প্রার্থী নন্দন ঘোষের বচসার পরিস্থিতি তৈরি হয়। কংগ্রেসের অভিযোগ মক পোলিংয়ের জন্য কংগ্রেসের এজেন্ট বুথে বসতে গেলে তাদের বাধা দেওয়া হয়। এমনকী বাধা উপেক্ষা করে বুথের ভিতরে গিয়ে বসতে চাইলে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ। এই অভিযোগকে সামনে রেখেই বুথের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে কংগ্রেস প্রার্থী ও তাঁর পোলিং এজেন্টরা। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। পুলিশ কংগ্রেসের পোলিং এজেন্টদের ভিতরে ঢোকার ব্যবস্থা করে দেন।এদিকে টাকি গার্লস স্কুলের সামনেও উত্তেজনার পরিস্থিতি তৈরি হয়। কংগ্রেসের অভিযোগ, পুলিশ এই ঘটনায় কোনও গুরুত্বই দেয়নি। তবে এই ঘটনা ঘিরে তুমুল উত্তেজনার পরিস্থিতি তৈরি হয়। কমিশনের গাইডলাইন অনুযায়ী যে পরিমাণ পুলিশ কর্মী থাকার কথা বুথে, সেই পুলিশ থাকা সত্ত্বেও এই ঝামেলার পরিস্থিতি তৈরি হয় বলে অভিযোগ কংগ্রেস প্রার্থীর।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২১
রাজনীতি

Dilip Ghosh: বিরোধীদের বৈঠক নিয়ে মাথাব্যথা নেই, কেন এমন বললেন দিলীপ ঘোষ?

আজ থেকে শুরু হচ্ছে সংসদের শীতকালিন অধিবেশন। প্রথম দিনেই কৃষি আইন প্রত্যাহার বিল পেশ করা হবে কেন্দ্রের তরফে। আর তার আগেই বিরোধীদের নিয়ে বৈঠকে বসতে চলেছে কংগ্রেস। কিন্তু সেই বৈঠকে না থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তৃণমূল। কংগ্রেস- তৃণমূলের সেই দ্বন্দ্ব নিয়ে এবার কটাক্ষ করলেন বিজেপি সাংসদ তথা দলের সর্বভারতীয়-সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ। অধিবেশনে যোগ দিতে সোমবার সকালেই দিল্লির উদ্দেশে রওনা হন তিনি। যাওয়ার আগে কলকাতা বিমানবন্দরে বিরোধীদের মধ্যে তৈরি হওয়া দূরত্ব প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, বিরোধীদের বৈঠক কে ডাকবে, তা নিয়েই ঝগড়া। কংগ্রেস ডাকবে, নাকি তৃণমূল ডাকবে, না অন্য দল ডাকবে?তবে তিনি জানান, এ সবে বিশেষ গুরুত্ব দিতে রাজি নয় বিজেপি। দিলীপ ঘোষের কথায়, কে কংগ্রেস, কে তৃণমূল, কে নির্মূল! আমাদের মাথা ব্যাথা নেই। তিনি জানান, সংসদের কাজ যাতে সুষ্ঠভাবে হয় সেটাই একমাত্র উদ্দেশ্য শাসক দলের।তৃণমূলের নাম না করে কটাক্ষ করে দিলীপ ঘোষের দাবি, কখনও কংগ্রেসের সঙ্গে, কখনও কংগ্রেসকে বাদ দিয়ে চলছে তারা। তিনি আরও উল্লেখ করেন, যখন বিজেপি বিরোধী দল ছিল, তখন এই দলগুলোই একবার বিজেপির সঙ্গে, একবার বিজেপিকে বাদ দিয়ে চলত। বিরোধী দলগুলিকে কটাক্ষ করে কংগ্রেসের ডাকা বৈঠককে ড্রামা বলে উল্লেখ করেন তিনি। দিলীপ ঘোষ বলেন, এইসব ড্রামা অনেক পুরনো হয়ে গিয়েছে। তাঁর কথায়, এখন প্রশ্ন হচ্ছে, বিরোধীদের বৈঠক কে ডাকবে? তা নিয়েই ঝগড়া। বিরোধীদের মধ্যে কে নেতা হবে? সে দ্বন্দ্বের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। বলেন, ওরা ঠিক করে নিক নেতা কে হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতা হতে চাইছেন, সনিয়া গান্ধির দিন চলে গিয়েছে। এইসব করতে করতে এই সিজন পার হয়ে যাবে।উল্লেখ্য, সোমবার কংগ্রেসের ডাকে বিরোধীদের যে বৈঠক সেখানে তৃণমূল হাজির থাকছে না বলেই সূত্রের খবর। তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কংগ্রেসের মল্লিকার্জুন খাড়গের ডাকা বিরোধী দলগুলির বৈঠকে তৃণমূল উপস্থিত থাকবে না সোমবার।

নভেম্বর ২৯, ২০২১
দেশ

Meghalaya: মমতাতেই আস্থা রেখে তৃণমূলে যোগ মুকুল সাংমা-সহ ১২ কংগ্রেস বিধায়কের

১১ জন বিধায়ককে নিয়ে দল ছেড়ে বৃহস্পতিবার তৃণমূলে যোগ দিলেন মেঘালয়ের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেতা মুকুল সাংমা। এর ফলে মেঘালয়ে কংগ্রেসের বিধায়ক সংখ্যা ১৮ থেকে কমে হল ৬। সেই হিসেবে মেঘালয়ে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে উঠে এল তৃণমূল। ফের উত্তর পূর্বের রাজ্যে তৃণমূলী হানা। সব জল্পনাকে সত্যি করে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিলেন মেঘালয়ের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মুকুল সাংমা-সহ ১২ জন কংগ্রেস বিধায়ক। কংগ্রেস শিবিরের জন্য এই ধাক্কা এক প্রকার অপ্রত্যাশিত ছিল। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবেই তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফর চলাকালীন, কাল রাতে এই বড় যোগদানের কথা সামনে আসে।This is New Beginning for the people of #Meghalaya - one that will take the state to even greater heights and usher in a bright future!We wholeheartedly welcome all 12 MLAs of @INCMeghalaya who joined the Trinamool Congress family. pic.twitter.com/0UMy3vYF6J All India Trinamool Congress (@AITCofficial) November 25, 2021আজ, মেঘালয়ের রাজধানী শিলংয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন কংগ্রেস ত্যাগী বিধানসভার বিরোধী দলনেতা মুকুল সাংমা। সাংবাদিক সম্মলনে মুকুল বলেন, ২০১৮ সালের বিধানসভা নির্বাচনে আমরা আত্মবিশ্বাসী ছিলাম যে আমরাই সরকারে আসব। কিন্তু কোনও কারণে নিরঙ্কুশ সংখ্যা গরিষ্ঠতা না পেলেও ভোটের ফলে সর্ববৃহৎ দল হিসেবে আমরাই আত্মপ্রকাশ করি। কিন্তু তারপর কোন পদ্ধতিতে মেঘালয়ে সরকার গঠন হয়েছিল তা আপনারা সকলেই জানেন। গণতন্ত্রে বিরোধী দলের ভূমিকা অপরিসীম। জনবিরোধী কাজকে বাধা দেওয়া ও সরকারে ভুল গুলি তুলে ধরাই বিরোধী দলের প্রধান দায়িত্ব। আমরা সেই দায়িত্ব পালন করার চেষ্টা করে গিয়েছি। কিন্তু বলতে বাধ্য হচ্ছি, আমরা সঠিকভাবে বিরোধী দলের নীতি পালন করতে পারিনি। দলীয় নীতি মেনে চলতে গিয়ে জনস্বার্থের সঙ্গে আপোশ করতে হয়েছে। তাই আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।সূত্রের খবর, ইতিমধ্যে বিরোধী দলের মর্যাদা চেয়ে বিধানসভার অধ্যক্ষকে চিঠি দিয়েছেন মুকুল সাংমা। ত্রিপুরায় সুস্মিতা দেবের মতো নেত্রী কংগ্রেস ছেড়েছেন। গোয়াতেও ক্ষমতা বাড়াচ্ছে তৃণমূল। তাছাড়া, কীর্তি আজাদের মতো নেতা যোগ দিয়েছেন ঘাসফুল শিবিরে। যদিও তাতে ভাঙলেও মচকাতে চাইছে না কংগ্রেস। অন্তত প্রকাশ্যে তারা তেমনটাই বোঝাচ্ছে। লোকসভার কংগ্রেস সংসদীয় দলের নেতা অধীর চৌধুরি বলেন, কংগ্রেসকে ভেঙে দেওয়ার ষড়যন্ত্র চলছে। সমগ্র উত্তর পূর্বাঞ্চল জুড়েই এই ষড়যন্ত্র চলছে। দিদি-মোদি সমঝোতা হয়েছে। কংগ্রেসকে দুর্বল করার জন্য দল ভাঙাচ্ছে তৃণমূল। আমি তৃণমূলকে চ্যালেঞ্জ করছি ও বিধায়কদের পদত্যাগ করতে বলুক তাঁরা।

নভেম্বর ২৫, ২০২১
রাজনীতি

UttarPradesh-TMC: মোদির গড়ে মমতার প্রবেশ, উত্তরপ্রদেশ কংগ্রেসে ভাঙন, তৃণমূলে যোগ ২ নেতার

গত শনিবার উপনির্বাচনের প্রচারে গিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছিলেন, তৃণমূলের পরের টার্গেট উত্তরপ্রদেশ৷ তার ঠিক দু দিনের মাথায় উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেসে ভাঙন ধরালো তৃণমূল। এ দিন শিলিগুড়িতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে তৃণমূলে যোগ দিলেন উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেসের সহ সভাপতি রাজেশপতি ত্রিপাঠী৷ তাঁর সঙ্গে তৃণমূলে যোগ দিলেন উত্তরপ্রদেশের আরও এক কংগ্রেস নেতা ললিত ত্রিপাঠী৷এর আগে গোয়াতেও কংগ্রেসে বড়সড় ভাঙন ধরিয়েছে তৃণমূল৷ এবার উত্তরপ্রদেশেও একই পথে হাঁটল তারা৷Today, eminent leaders from Uttar Pradesh Shri Rajeshpati Tripathi Former Vice President of @INCUttarPradesh Shri @LaliteshPati joined the Trinamool family in the presence of Smt. @MamataOfficial and Shri @abhishekaitc.Extending a very warm welcome to both leaders! All India Trinamool Congress (@AITCofficial) October 25, 2021উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেসে ভাঙন ধরিয়ে থামছে না কংগ্রেস৷ ছট পুজোর পরই তিনি নিজে বারাণসী যাবেন বলে জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, দলে যোগ দিয়ে উত্তরপ্রদেশের দুই নেতাই তাঁকে সেখানে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করেছেন৷ মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, দুই নেতাই কংগ্রেস থেকে ইস্তফা দিয়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন৷আগামী বছর উত্তরপ্রদেশে বিধানসভা নির্বাচন৷ তৃণমূলে যোগ দেওয়া কংগ্রেস নেতা রাজেশপতি ত্রিপাঠী বলেন, কংগ্রেস দুর্বল হচ্ছে বলেই কংগ্রেস কর্মীরা বিজেপি-র সঙ্গে লড়তে পারছে না৷ তারা নিজেদের দুর্বল মনে করছে৷ আর এক নেতা ললিত ত্রিপাঠী বলেন, উত্তরপ্রদেশের মানুষ সচেতন৷ সময় সময় নতুন বিকল্প বেছে নিয়েছেন৷ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো নেতৃত্ব থাকলে আমরা নিশ্চিত যে উত্তরপ্রদেশের মানুষও বিশ্বাস করবেন যে বিজেপি-র প্রকৃত বিরোধিতা করতে পারে তৃণমূলই৷ মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, উত্তরপ্রদেশের মানুষকে নিয়েই সেখানে সংগঠন গড়ে তুলবে তৃণমূল।

অক্টোবর ২৫, ২০২১
রাজনীতি

Mamata banerjee: ভবানীপুরে বিপুল ভোটে জয় মমতার, লক্ষ্য এবার দিল্লি

প্রত্যাশামতো বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়ী হলেন তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ৫৮,৮৩২ ভোটের ব্যবধানে তিনি পরাজিত করেছেন বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওযালকে। এই জয়ের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাড়ির বাইরে বেরিয়ে আসেন। তিনি বলেন, কোনও ওয়ার্ডের মানুষ আমাকে হারায়নি। এর আগে একটা দুটি ওয়ার্ডে হেরেছি। এই কেন্দ্রে ৪৬ শতাংশ অবাঙালি ভোটার। সবাই শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোট দিয়েছেন। আজ আমার মন ভরে গিযেছে। ভবানীপুরের মানুষ দেখিয়ে দিল। সারা বাংলা আজ ভবানীপুরে দিকে তাকিয়ে ছিল। এর আগে বাংলা আঘাত পেয়েছিল। নন্দীগ্রামে ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল। আদালতে মামলা চলছে। আদালতে বিচারাধীন বলে হারের কারণ বলছি না। আমার মনে পড়ে আছে জঙ্গিপুর ও সামশেরগঞ্জে। ওই দুটিতেও আমরা জিতছি। মা-মাটি-মানুষকে ধন্যবাদ দেন তিনি।তৃণমূল নেতা ফিরহাদ হাকিম আগেই বলেছিলেন ৫০ হাজারের ভোটের ব্যবধানে জয়ী হবেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। জয় পেলেন তার থেকেও বেশি ভোটে। তৃণমূল নেতা মদন মিত্রর বক্তব্য, এবার আমরা অবাঙালি এলাকায় বিপুল ভোট পেয়েছি। রাজনৈতিক মহলের মতে, অবাঙালি এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের লীড এই নির্বাচনে বিশেষ মাত্রা পেয়েছে। এবার নিজের জয়ের রেকর্ডকেও ছাপিয়ে গিয়েছেন মমতা।

অক্টোবর ০৩, ২০২১
রাজনীতি

Mamata Banerjee: প্রায় ৫০ হাজারের বেশি ভোটে জয় পেতে চলেছেন মমতা

ভবানীপুর, সামশেরগঞ্জ ও জঙ্গিপুর তিন কেন্দ্রেই জয়ের পথে তৃণমূল কংগ্রেস। তার মধ্যে ভবানীপুর ও জঙ্গিপুরে বিশাল ব্যবধানে এগিয়ে গিয়েছে ঘাসফুল শিবির। ভবানীপুরে ইতিমধ্যে ১২ রাউন্ড গণনার পর প্রায় ৩৫ হাজারের বেশি ভোটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এগিয়ে গিয়েছেন নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়ালের থেকে। এই কেন্দ্রে নামমাত্র ভোট পেয়ে জামানত খোয়াতে চলেছেন সিপিএম প্রার্থী শ্রীজীব বিশ্বাস। সাতসকালেই রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম ঘোষণা করেছিলেন ৫০ হাজারের বেশি ভোটে জয়ী হবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটগণনার গতি দেখে মনে করা হচ্ছে মমতার জয়ের ব্যবধান ৫০ হাজার ছাড়িয়ে যাবে। ইতিমধ্যে কালিঘাটে ভিড় জমিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকরা। আবির খেলাও শুরু হয়ে গিয়েছে। উচ্ছ্বাসে আত্মহারা তৃণমূলের সমর্থকরা। অন্যদিকে জঙ্গিপুর কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থীর থেকে প্রায় ২৬ হাজারের বেশি ভোটে এগিয়ে রয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী জাকির হোসেন। সামশেরগঞ্জ কেন্দ্রে কংগ্রেস প্রার্থী জইদুল ইসলামের থেকে তৃণমূল প্রার্থী আমিরুল ইসলাম ৫ হাজারের বেশি ভোটে এগিয়ে রয়েছেন।এই কেন্দ্রে বিজেপি ও বামপ্রার্থী কংগ্রেস প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট থেকেও পিছিয়ে আছেন। এদিকে ভোটের ফল প্রকাশের পর বিজয় উৎসব করতে নিষেধ করেছে নির্বাচন কমিশন। এবিষয়ে কমিশন রাজ্যের মুখ্যসচিবকে চিঠি দিয়েছে।

অক্টোবর ০৩, ২০২১
দেশ

Kanhaiya-Jignesh: জল্পনা সত্যি করে কংগ্রেসে যোগ দিলেন কানহাইয়া-জিগনেশ

গত কয়েকদিন ধরে চলা জল্পনার অবশেষে অবসান। সমস্ত আশা-আশঙ্কাকেই সত্যি করে কংগ্রেসে যোগদান করলেন সিপিআই নেতা তথা জেএনইউ-র প্রাক্তন ছাত্র সভাপতি কানহাইয়া কুমার। তাঁর সঙ্গে কংগ্রেসে নাম লিখিয়েছেন আরও এক তরুণ তুর্কি নেতা তথা গুজরাতের নির্দল বিধায়ক জিগনেশ মেবানি। এই দুজন যে ২৮ সেপ্টেম্বরই কংগ্রেসে যোগদান করতে চলেছেন তা একপ্রকার আগে থেকেই নিশ্চিত ছিল। তবে সকাল থেকে এই সংক্রান্ত কোনও খবর মেলেনি। বিকেল গড়াতেই চলে এল যোগদানের খবর। সেই সঙ্গে নতুন দল পেলেন গুজরাতের নির্দল বিধায়ক জিগনেশও।আরও পড়ুনঃ পঞ্জশিরে তালিবানি বুলেটে ছিন্নভিন্ন শিশুর দেহদল ছাড়ার সময় কানহাইয়া সিপিআই-এর জাতীয় কর্মসমিতির সদস্য ছিলেন। পার্টি কাঠামোয় যা সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারক সমিতি হিসেবে বিবেচিত হয়। এই পরিস্থিতিতে তাঁর দলবদলের উত্তেজনায় ঘি ঢেলেছে সিপিআই দপ্তর থেকে এসি খুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা। মঙ্গলবার বিকেলে নয়াদিল্লিতে গিয়ে কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার আগে পাটনার সিপিআই দলীয় কার্যালয়ে নিজের ঘর থেকে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি) খুলে নিয়ে গিয়েছেন কানহাইয়া কুমার। তা নিয়ে জোরদার বিতর্ক তৈরি হয়েছে। কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুলের উপস্থিতিতেই কংগ্রেসে এ দিন যোগ দেন কানহাইয়া-জিগনেশ। এরপর কংগ্রেসের পক্ষ থেকে একটি সাংবাদি বৈঠকের আয়োজন করা হয়। যদিও সেই সাংবাদিক বৈঠকে হাজির ছিলেন না রাহুল। তবে দিল্লিতে কংগ্রেসের কার্যালয়ে যোগদান পর্বের সময় রাহুল উপস্থিত ছিলেন বলে দেখা গিয়েছে ছবিতে। এই যোগদানের পর কংগ্রেসের প্রতি যুব সমাজের নজর একটু হলেও ঘোরে কিনা সেটাই দেখার। যেভাবে কংগ্রেস ক্রমশ ঘরোয়া কোন্দল ও রাজ্যে রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রিত্বের কাড়াকাড়ি নিয়ে বিব্রত, সেই সময় কিছুটা হলেও তারুণ্যের অক্সিজেন পাবে কংগ্রেস। নির্বাচনে এর প্রভাব আদৌ পড়বে কিনা সেটা বুঝতে আরও অপেক্ষা করতে হবে।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২১
রাজ্য

Abhishek Bannerjee: তিন বছরে বিজেপিকে দিল্লি ছাড়া করার হুংকার অভিষেকের

বৃহস্পতিবার মুর্শিদাবাদ জেলার সামশেরগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রে নির্বাচনী প্রচারে এসে বিজেপিকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, রাজ্য বিজেপির একাধিক শীর্ষ নেতা এই মুহূর্তে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার জন্য লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেস দরজা খুলছে না বলে এখনও তাঁরা যোগ দিতে পারেননি। তৃণমূল যদি তার দরজা খুলে দেয় তাহলে বিজেপি এই রাজ্যে উঠে যাবে।বৃহস্পতিবার সামশেরগঞ্জ মাঠে তৃণমূল প্রার্থী আমিরুল ইসলামের সমর্থনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অভিষেক বলেন, এই জেলার মানুষ ইতিমধ্যেই বিধানসভা নির্বাচনে ২০টি আসনের মধ্যে ১৮টি আসন তৃণমূলকে দিয়েছে। বাকি দুটি আসনে এবার তৃণমূল প্রার্থীদের জিতিয়ে জেলা থেকে বহিরাগতদেরকে বিদায় দিতে হবে। এখনও তৃণমূলের আসল খেলা শুরু হয়নি। খেলা শুরু হবে ২০২৪ সালে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পা ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। তা সত্ত্বেও এই বছর বিধানসভা নির্বাচনে আমরা ২১৩টি আসনে জয়লাভ করেছি। আরও পড়ুনঃ পেগাসাস কাণ্ডের তদন্ত করবে বিশেষ কমিটি, জানাল সুপ্রিম কোর্টতাঁর কথায়, দেশজুড়ে বিজেপির বিরুদ্ধে কংগ্রেস এবং তৃণমূল দুটো রাজনৈতিক দলই লড়াই করছে। কিন্তু পার্থক্য হল বিজেপির সঙ্গে লড়াই করে কংগ্রেস হারছে কিন্তু তৃণমূল জিতছে। বহরমপুরের কংগ্রেস সাংসদকে আর রাস্তায় দেখা যায় না। অন্যদিকে আমি যাতে ত্রিপুরাতে যেতে না পারি, সে কারণে ওখানে ১৪৪ ধারা জারি করে রেখেছে ওরা। কিন্তু কতদিন ১৪৪ ধারা জারি করে আমাকে আটকে রাখবে? যেখানে যেখানে বিজেপির সরকার আছে, সেখানেই তৃণমূল যাবে এবং গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে মানুষকে সঙ্গে নিয়ে লড়াই করে সেখানকার ক্ষমতা ছিনিয়ে নিয়ে আসবে। ক্ষমতা থাকলে আমাদের আটকে নিও। তিনি আরও বলেন, আগামী দিন আসানসোল আসনে বিজেপি সাংসদ বাবুল সুপ্রিয় পদত্যাগ করবেন এবং সেখানে নির্বাচন হলে তৃণমূল জিতবেন। অন্যদিকে, ইডি এবং সিবিআইকে একযোগে আক্রমণ করে বিজেপি-র দুই ভাই বলে কটাক্ষ করে বলেন, গত ১৫ দিনে আমাকে ৫টা নোটিস পাঠিয়েছে ওরা। কিন্তু ৫০০টা নোটিস পাঠালেও আমি মাথা নত করব না। ইডি এবং সিবিআই-র মতো আরশোলা দিয়ে বাচ্চাদের ভয় দেখিও, আমাকে নয়। অভিষেক আরও বলেন, আগামী তিন বছরের মধ্যে বিজেপিকে দিল্লি ছাড়া করে গণতান্ত্রিক সকার গঠন করা হবে। আগামীদিন তৃণমূল কংগ্রেস যে পাখির চোখ দিল্লিকেই করতে চলেছে, তার ইঙ্গিত দিয়ে অভিষেক ব্যানার্জি বলেন, আগামী তিন বছরের মধ্যে বিজেপিকে দিল্লি ছাড়া করব এবং সেখানে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা করা হবে। বিজেপিকে কটাক্ষ করে বলেন, বিজেপির উন্নয়ন মানে শহর এবং গ্রামের নাম পাল্টে দেওয়া। মুর্শিদাবাদ থেকে যদি তারা যদি জিতে আসত তাহলে হয়তো এই জেলার নাম তারা করে দিত মোদি-শাহ-বাদ । এটুকুই নয়, প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীর জেলায় দাঁড়িয়ে তাঁকে আক্রমণ শানিয়ে অভিষেক সরাসরি অভিযোগ করেন, কংগ্রেস নেতারা বড় বড় ভাষণ দেন। কোনও দিন রাস্তায় নেমে সরব হতে দেখেছেন। মানুষের পাশে দাঁড়ায়নি। এদের নেতারা বাইরে গিয়ে ফুর্তি করে। ঝড়-জল-খরা-বন্যা বাংলার ভরসা অগ্নিকন্যা। বহরমপুরের সাংসদকে এলাকায় পাওয়া যায় না।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২১
দেশ

Punjab CM Resign: মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছাড়লেন 'অপমানিত' অমরিন্দর সিং

কংগ্রেসের ঘরোয়া কোন্দল তুঙ্গে ওঠায় বিধানসভা নির্বাচনের বছরখানেক আগেই পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিলেন ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং। মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে তিনি বলেন, আজ সকালেই সনিয়া গান্ধিকে জানিয়েছি। আমি অপমানিত বোধ করছিলাম। এত অপমান সহ্য করে দলে থাকা সম্ভব নয়। এই ধরনের অপমান যথেষ্ঠ। তিনবার অপমান করা হল। এই হেনস্থা সহ্য করে আমি দলে থাকতে পারব না। আরও পড়ুনঃ ফের ঘূর্ণাবর্তের জেরে সপ্তাহান্তে ভারী বৃষ্টিতে ভিজছে শহরসূত্রের খবর, দলেরই ৫০ জন বিধায়ক সনিয়া গান্ধিকে চিঠি লিখেছিলেন অমরিন্দরকে মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে অপসারণ নিয়ে। শুক্রবার মধ্যরাতে একটি টুইট করে কংগ্রেস। দলের পক্ষ থেকে আজ বিকেল পাঁচটায় বিধায়কদের নিয়ে একটি জরুরি বৈঠক ডাকার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পঞ্জাব বিধায়কদের থেকে ইতিমধ্যেই দলকে চাপে রাখা হচ্ছিল যাতে ক্যাপ্টেনের জায়গায় নিয়ে আসা হয় অন্য কাউকে।সময় বদলের সঙ্গে সঙ্গে কংগ্রেসে গুরুত্ব বেড়েছে সিধুর। গুরুত্ব কমেছে অমরিন্দরের। কয়েকমাস পূর্বে সুনীল জাখরকে সরিয়ে সিধুকে কংগ্রেস সভাপতি করা হয়। তখন থেকেই ক্রমশ দলে ব্রাত্য হতে থাকেন ক্যাপ্টেন সিং। জানা যায়, সেই সময়ই নাকি অমরিন্দরকে ইস্তফা দিতে বলে হাই কমান্ড। অন্যদিকে দলে বাড়তে থাকে সিধুর গুরুত্ব। চারজন মন্ত্রী ও ২৪ জন ক্যাপ্টেন সিংয়ের বিরুদ্ধে নতুন করে বিদ্রোহ ঘোষণা করে জানিয়েছিলেন যে তাদের অমরিন্দরের নেতৃত্বের উপর ভরসা নেই। উল্লেখ্য, সামনেই রয়েছে পঞ্জাবে নির্বাচন। কিন্তু ভোটের প্রচারে মন দেওয়ার বদলে দলের অন্দরে নেতা-মন্ত্রীদের ক্ষোভ মেটাতেই হিমশিম খাচ্ছে দিল্লির শীর্ষ নেতৃত্ব।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২১
দেশ

Rajyasabha : প্রাক্তন সর্বভারতীয় কংগ্রেস নেত্রীকে রাজ্যসভায় পাঠাচ্ছে তৃণমূল

প্রাক্তন সর্বভারতীয় কংগ্রেস নেত্রী সুস্মিতা দেবকে রাজ্য সভার প্রার্থী ঘোষণা করল তৃণমূল কংগ্রেস। এদিন এক টুইটে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস এই ঘোষণা করেছে। ওই টুইটে তৃণমূল বলেছে, সুস্মিতা দেবকে সংসদের উচ্চকক্ষে মনোনয়ন দিয়ে আমরা খুব খুশি। আমাদের লক্ষ্য নারীর ক্ষমতায়ন ও তাঁদের বেশিমাত্রায় অংশগ্রহণ। কয়েকদিন আগেই প্রাক্তন সাংসদ ও মহিলা কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভানেত্রী সুস্মিতা দেব তৃণমূলে যোগ দেন।আরও পড়ুনঃ তৃতীয় ঢেউয়ের সংক্রামণের রাশ টানতে ভিক্টোরিয়ায় বড়দিন পর্যন্ত লকডাউনের ঘোষণাপ্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সন্তোষ মোহন দেবের কন্যা সুস্মিতা দেব। আসামের এই কংগ্রেস নেত্রীকে দলে নিয়েই ত্রিপুরায় সংগঠন বিস্তারের কাজে লাগায় তৃণমূল কংগ্রেস। সেখানে ইতিমধ্যে সাংগঠনিক কাজকর্ম শুরু করে দিয়েছেন সুস্মিতা দেব। একসময় ত্রিপুরায় বামেদের হারিয়ে কংগ্রেস ক্ষমতা দখল করেছিল। তার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন সন্তোষ মোহন দেব। রাজনৈতিক মহলের ধারনা, ত্রিপুরার রাজনীতির সঙ্গে দেব পরিবারের পরিচিতিকে কাজে লাগাতে চাইছে তৃণমূল।We are extremely pleased to nominate @SushmitaDevAITC to the Upper House of the Parliament.@MamataOfficials vision to empower women and ensure their maximum participation in politics shall help our society to achieve much more! All India Trinamool Congress (@AITCofficial) September 14, 2021বাবার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ও প্রাক্তন সাংসদ সুস্মিতা দেবের সর্বভারতীয় পরিচিতি রয়েছে। অভিজ্ঞ মহল মনে করছে, সুস্মিতা দেবকে রাজ্যসভায় পাঠিয়ে সর্বভারতীয় রাজনীতিতে বিস্তার লাভ করতে চাইছে ঘাসফুল শিবির। রাজ্যসভায় তৃণমূলের এমন অনেক সাংসদ রয়েছেন যাঁরা তেমন ভোকাল নয়। সেক্ষেত্রেও অসমের এই বাঙালী রাজনীতিবিদ যথেষ্ট কার্যকরী ভূমিকা নেবেন বলেই মনে করছে দল। একদিকে দিল্লির রাজনীতিতে বিশেষ ভূমিকা নেবেন সুস্মিতাদেবী পাশাপাশি অসম-ত্রিপুরাসহ উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজনীতিতেও দলকে নেতৃত্ব দিতে পারবেন।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

A‌lvito D'Cunha : বাংলার ক্রীড়াবিদদের দেখে অনুপ্রানিত হয়ে রাজনীতিতে সামিল আলভিটো‌

ক্রীড়াবিদদের রাজনীতিতে যোগ দেওয়াটা নতুন নয়। খেলা ছাড়ার পর বহু ক্রীড়াবিদ রাজনৈতিক নেতার তালিকায় নাম লিখিয়েছেন। সর্ব ভারতীয় ক্ষেত্রে যদি আমরা দেখি, কীর্তি আজাদ থেকে শুরু করে মহম্মদ আজহারউদ্দিন, নভজ্যোত সিং সিধু, আরও অনেকে রয়েছে। আর আমাদের বাংলায় তালিকাটা তো বেশ লম্বা। অমল দত্ত থেকে শুরু করে প্রসূন ব্যানার্জি, দীপেন্দু বিশ্বাস, রহিম নবি, বাইচুং ভুটিয়া, কল্যান চৌবে, ষষ্ঠী দুলে, অরিন্দম ভট্টাচার্য, বিদেশ বসু, লক্ষ্মীরতন শুক্লা, মনোজ তেওয়ারি। আরও অনেকেই রয়েছেন। কেউ সরাসরি যুক্ত, কেউ আবার পরোক্ষভাবে। এবার সেই তালিকায় নাম লেখালেন আলভিটো ডিকুনহা। সোমবার দুপুরে গোয়ার পানাজিতে আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি সর্বভারতীয় কংগ্রেসে যোগ দিলেন।আরও পড়ুনঃ প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে এলাহি আয়োজন বঙ্গ বিজেপিরদীর্ঘদিন হল ফুটবল থেকে অবসর নিয়েছেন। খেলার পাঠ চুকিয়ে দিলেও বাংলাকে ভোলেননি। কলকাতাতেই থেকে গিয়েছেন। ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছেন। এরাজ্যে থাকতে থাকতে বাংলা ভাষাটাও দারুণ রপ্ত করেছেন। আর পাঁচটা বাঙালীর মতো খুব ভাল বাংলা বলতে পারেন। এখন কখনও কলকাতা, কখনও গোয়াতে থাকেন। যেহেতু গোয়ার ছেলে, তাই বাংলাতে রাজনীতিতে নামার তেমন সুযোগ ছিল না। তাই গোয়া কংগ্রেসেই যোগ দিলেন আলভিটো।আরও পড়ুনঃ ম্যাঞ্চেস্টার টেস্ট না খেলার প্রতিশোধ? আইপিএল থেকে সরলেন বেয়ারস্টোরাকেন হঠাৎ করে রাজনীতিতে যোগ দিলেন? গোয়া থেকে ফোনে আলভিটো বলছিলেন, বাংলাতে অনেক ক্রীড়াবিদকে দেখেছি তারা দিদির কর্মযজ্ঞে সামিল হয়েছে। দারুণ কাজ করছে। ওদের দেখেই আমি অনুপ্রানিত হয়েছি। বাংলার ক্রীড়াবিদরা যদি ওখানে ভাল কাজ করতে পারে, আমি কেন পারব না? দিদির কর্মযজ্ঞে সামিল হতে পারলে তো ভালই হত। কিন্তু গোয়াতে তো সেই সুযোগ নেই। এই মুহূর্তে গোটা দেশে বিজেপির রমরমা। হঠাৎ করে কংগ্রেসকে বেছে নিলেন কেন? আলভিটো বলছিলেন, কংগ্রেস আমাকে প্রস্তাব দিয়েছিল ওদের খেলাধুলা সংক্রান্ত সব বিষয়ে পরামর্শ দেওয়ার জন্য। খেলার জগতেই আমাকে বেশি করে চায়। আমি চেষ্টা করব যতটা সম্ভব সাহায্য করা। রাজ্যের ক্রীড়া পরিকাঠামোর উন্নতি করাই আমার প্রধান লক্ষ্য হবে। বাংলার ক্রীড়ার উন্নয়নে যেমন অনেক ক্রীড়াবিদ এগিয়ে এসেছে।আরও পড়ুনঃ বাতিল টেস্ট ম্যাচ নিয়ে আইসিসিকে চিঠি ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডেরআলভিটো আরও বলেন, আমাকে গোয়া কংগ্রেসে ক্রীড়া আইকন হিসাবে দলে নেওয়া হচ্ছে। চেষ্টা করব খেলাকে আরও উন্নতির দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার। আমি ফুটবলার হলেও অন্য খেলাকেও একই গুরুত্ব দেব। আলভিটো ডিকুনহাকে দলে পেয়ে উচ্ছ্বসিত গোয়ার কংগ্রেস নেতা এলিন গোমস। তিনি বলেছেন, আলভিটোর কংগ্রেসে যোগদান দলকে আরও উদ্বুদ্ধ করবে। আমি চাই কংগ্রেসে আরও ক্রীড়াবিদ নাম লেখান।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২১
কলকাতা

Congress: মমতার বিরুদ্ধে প্রার্থী দিচ্ছে না কংগ্রেস

ভবানীপুরে বিধানসভা উপনির্বাচনে প্রার্থী দিচ্ছে না কংগ্রেস। মঙ্গলবার বহরমপুরে সাংবাদিক বৈঠকে এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী বলেন, কংগ্রেস দলের সর্বোচ্চ নেতৃত্বের সিদ্ধান্ত ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কংগ্রেস কোনও প্রার্থী দেবে না। কোনও প্রচার করবে না।আরও পড়ুনঃ অভিষেককে টানা ৯ ঘণ্টা জেরার পর কী বললেন দিলীপ?সোমবার অধীরের উপস্থিতিতে বিধান ভবনে প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব বৈঠকে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ভবানীপুরে বামেদের সমর্থনে ভোটে লড়াই করা হবে। এ বিষয়ে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ভার কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধিকে দেওয়া হয়েছিল। মাস দুয়েক আগে অধীর জানিয়েছিলেন, বিধানসভা ভোটে তৃণমূল কংগ্রেসের বিপুল জয়ের পরে যিনি ফের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন, সেই মমতার বিরুদ্ধে উপনির্বাচনে প্রার্থী তাঁরা দিতে চান না।ভবানীপুরে মমতার সমর্থনে কংগ্রেসের সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত রাজ্যে কং-বাম জোটের ইতি টানতে চলেছে কি না, সে প্রশ্ন এ বার সামনে এল বলেই মনে করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, সোমবারই কংগ্রেস প্রদেশ সভাপতি অধীর চৌধুরী জানিয়েছিলেন, ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে উপনির্বাচনে প্রার্থী দিতে চায়। এজন্য পার্টি কমিশনের কাছে আবেদনও জানান তিনি। কিন্তু, দিন এআইসিসির তরফে স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২১
রাজনীতি

Congress: অধীরের ইচ্ছাবদল, মমতার বিরুদ্ধে জোট-প্রার্থী দিতে চায় কংগ্রেস

জোটের পক্ষ থেকে ভবানীপুরে প্রার্থী দিতে চায় কংগ্রেস। এই মর্মে এআইসিসি-কে প্রস্তাব পাঠাচ্ছে প্রদেশ কংগ্রেস। সোমবার এমনটাই জানিয়ে দিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। আগে অধীরের মত ছিল ভবানীপুরে প্রার্থী না দেওয়ার। সোমবার আমূল বদলে গেল বহরমপুরের সাংসদের সেই অবস্থান।আরও পড়ুনঃ সবরকম সাহায্য করব, ইডি অফিসে সুরবদল অভিষেকেরনির্বাচন কমিশন ঘোষণা করে দিয়েছে ৩০ সেপ্টেম্বর ভবানীপুরে উপনির্বাচন। দিন ঘোষণার পরই তৃণমূল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দিয়েছে। কিন্তু মমতার বিরুদ্ধে কে লড়বেন তা নিয়ে এখনও দ্বিধাবিভক্ত বিরোধীরা। সোমবার প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী বলেন, বাম-কংগ্রেস জোটের পক্ষ থেকে ভবানীপুরে প্রার্থী দিতে চান তাঁরা। কিন্তু চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে এআইসিসি। এ জন্য দিল্লিতে প্রস্তাব পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও জানান অধীর। পাশাপাশি জঙ্গিপুর ও সামশেরগঞ্জে বাম প্রার্থীদের সমর্থন করবে কংগ্রেস। প্রচারে আমন্ত্রণ জানালে তাঁরা যাবেন বলেও জানান অধীর। এর আগে অবশ্য ভবানীপুরে প্রার্থী না দেওয়ার কথা বলেছিলেন অধীর। জানিয়েছিলেন, এটা তাঁর ব্যক্তিগত অভিমত। কিন্তু সোমবার নিজের ব্যক্তিগত মতকে দূরে সরিয়ে রেখে জোট প্রার্থী চেয়ে এআইসিসি-র কাছে দরবার করলেন প্রদেশ সভাপতি অধীর।রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছেন, কংগ্রেস যদি ভবানীপুরে প্রার্থী দেয়, সেক্ষেত্রে জাতীয় রাজনীতির প্রেক্ষাপটেও নতুন প্রভাব পড়তে পারে। যে ভাবে গত মাসেই দিল্লি সফরে গিয়ে সনিয়া গান্ধি ও রাহুল গান্ধিদের সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দেখা করে আসেন। তারপর কংগ্রেস তাঁর বিরুদ্ধেই প্রার্থী দিলে বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়তেই পারে তৃণমূল শিবিরে।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

উপসাগর সংকটে তেল সরবরাহ বন্ধ? ভারতের পাশে দাঁড়াতে প্রস্তুত রাশিয়া!

উপসাগরীয় অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান সংঘাতের জেরে বিশ্বজুড়ে তেলের সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে রাশিয়া ভারতের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছে। একটি রুশ সূত্রের দাবি, উপসাগরীয় সংকটের কারণে যদি বিশ্ববাজারে তেলের প্রবাহ ব্যাহত হয়, তবে রাশিয়া ভারতকে জ্বালানি সরবরাহে সহায়তা করতে প্রস্তুত।পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা বাড়ার ফলে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশ্বের বড় অংশের অপরিশোধিত তেল ও গ্যাস এই পথ দিয়েই পরিবাহিত হয়। সাম্প্রতিক হামলা ও পাল্টা হুমকির জেরে জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে বলে জানা গিয়েছে। বিমা সংস্থাগুলিও কিছু ক্ষেত্রে কভার প্রত্যাহার করায় ট্যাঙ্কার চলাচল প্রভাবিত হচ্ছে।এদিকে ভারত সরকার জানিয়েছে, দেশের কাছে আপাতত পর্যাপ্ত তেল ও জ্বালানির মজুত রয়েছে। সরকারি সূত্রের বক্তব্য, পেট্রল, ডিজেল-সহ প্রয়োজনীয় জ্বালানির চাহিদা মেটাতে ছয় থেকে আট সপ্তাহের মতো মজুত রয়েছে। মোট হিসাবে প্রায় পঞ্চাশ দিনের জ্বালানি মজুত আছে বলে জানা গিয়েছে। এর মধ্যে প্রায় পঁচিশ দিনের অপরিশোধিত তেল এবং আরও পঁচিশ দিনের পরিশোধিত পেট্রোলিয়াম পণ্য রয়েছে।ভারতের প্রায় অর্ধেক অপরিশোধিত তেল ও তরল গ্যাস আমদানি হরমুজ প্রণালী হয়ে আসে। ফলে ওই অঞ্চলে অশান্তি দীর্ঘস্থায়ী হলে প্রভাব পড়তে পারে। তবে সরকার বিকল্প দেশ থেকে তেল, তরল গ্যাস ও প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানির পথও খতিয়ে দেখছে। পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরি জানিয়েছেন, স্বল্পমেয়াদি কোনও সরবরাহ ব্যাঘাত সামলাতে ভারত প্রস্তুত।বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অপরিশোধিত তেল আমদানিকারক দেশ ভারত। একই সঙ্গে পরিশোধন ক্ষমতায় চতুর্থ এবং পেট্রোলিয়াম পণ্য রফতানিতে পঞ্চম স্থানে রয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে ভারত তেল কেনার উৎস বাড়িয়েছে, যাতে একক অঞ্চলের উপর নির্ভরশীলতা কমে।পরিস্থিতি নজরে রাখতে কেন্দ্রীয় সরকার চব্বিশ ঘণ্টার নিয়ন্ত্রণকক্ষও চালু করেছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে জ্বালানির মজুত ও সরবরাহ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। সরকার বর্তমান পরিস্থিতিকে যথেষ্ট স্বস্তিদায়ক বলেই বর্ণনা করেছে।এই আবহে রাশিয়ার প্রস্তাব বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। প্রয়োজনে রাশিয়া থেকে অতিরিক্ত অপরিশোধিত তেল আমদানি করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর। যদিও আগে আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্যিক সমঝোতার ভিত্তিতে রুশ তেল কেনা ধীরে ধীরে কমানোর কথা হয়েছিল, বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই অবস্থান অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, সরবরাহে তৎক্ষণাৎ ঘাটতির সম্ভাবনা কম হলেও বড় প্রভাব পড়তে পারে দামের উপর। আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি আশি ডলারের উপরে উঠে গিয়েছে, যা ইরান সংকটের পর প্রায় দশ শতাংশ বৃদ্ধি। এতে ভারতের আমদানি ব্যয় ও মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা বাড়ছে। গত অর্থবর্ষে অপরিশোধিত তেল আমদানিতে বিপুল অর্থ ব্যয় করেছে ভারত।এদিকে বেসামরিক বিমান চলাচল ক্ষেত্রেও সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। দেশের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলিকে আগামী সাত দিনের জ্বালানি মজুত ও প্রয়োজনের হিসাব দিতে বলা হয়েছে। বর্তমানে দেশে তেত্রিশটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রয়েছে। পরিস্থিতি অস্থির থাকায় আগাম প্রস্তুতি হিসেবেই এই পদক্ষেপ বলে জানা গিয়েছে।বিশ্বের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ সমুদ্রপথে পরিবাহিত অপরিশোধিত তেল এবং প্রায় কুড়ি শতাংশ তরল প্রাকৃতিক গ্যাস হরমুজ প্রণালী দিয়ে যায়। সেখানে দীর্ঘস্থায়ী অচলাবস্থা তৈরি হলে তার প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতিতে পড়তে পারে। তবে আপাতত ভারত পরিস্থিতির উপর নজর রেখে বিকল্প পরিকল্পনা প্রস্তুত রেখেই এগোচ্ছে।

মার্চ ০৪, ২০২৬
বিদেশ

ভারতকে সুবিধা করে দিতেই ইজরায়েল হামলা চালায় ইরানের ওপর! আজব দাবি পাকিস্তানের

ইরানের উপর আমেরিকা ও ইজরায়েলের হামলার জেরে নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে পাকিস্তানে। ইরানের সঙ্গে প্রায় নয়শো কিলোমিটারেরও বেশি সীমান্ত রয়েছে পাকিস্তানের। এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ বিস্ফোরক অভিযোগ তুলে বলেন, ইরানে চলা সশস্ত্র সংঘর্ষের নেপথ্যে রয়েছে জায়নিস্ট চক্রান্ত। তাঁর দাবি, এই যুদ্ধের লক্ষ্য পাকিস্তানকে শেষ পর্যন্ত একটি দাস রাষ্ট্রে পরিণত করা।সামাজিক মাধ্যমে এক বার্তায় তিনি বলেন, উনিশশো আটচল্লিশ সালে ইজরায়েল রাষ্ট্র গঠনের পর থেকে মুসলিম বিশ্বে যত বড় সংঘাত হয়েছে, তার পিছনে সরাসরি বা পরোক্ষে জায়নিস্ট মতাদর্শের ভূমিকা রয়েছে। তাঁর অভিযোগ, জায়নিস্ট শক্তিই দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বের অর্থনীতির দিশা ঠিক করছে এবং বড় শক্তিগুলিকেও প্রভাবিত করছে।ইরান, ইজরায়েল ও আমেরিকার চলতি সংঘর্ষ প্রসঙ্গে আসিফের দাবি, তেহরান আলোচনায় রাজি থাকা সত্ত্বেও তাদের উপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁর কথায়, এই যুদ্ধ পরিকল্পিতভাবে শুরু করা হয়েছে, যাতে ইজরায়েলের প্রভাব পাকিস্তানের সীমান্ত পর্যন্ত বিস্তৃত হয়।পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও সতর্ক করে বলেন, যদি ইজরায়েল এই যুদ্ধে জয়ী হয়, তা হলে ভারত, আফগানিস্তান ও ইরান একযোগে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে পারে। এতে দেশের সীমান্ত চারদিক থেকে শত্রু দ্বারা ঘেরা হয়ে পড়বে এবং পাকিস্তান কার্যত দাস রাষ্ট্রে পরিণত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে বলে দাবি তাঁর।তিনি পাকিস্তানের প্রায় পঁচিশ কোটি নাগরিককে রাজনৈতিক বা ধর্মীয় বিভেদ ভুলে এই চক্রান্ত বোঝার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে মুসলিম প্রধান দেশগুলিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ডাক দেন তিনি। পাকিস্তান যে একটি পারমাণবিক শক্তিধর দেশ, তা স্মরণ করিয়ে দিয়ে আসিফ বলেন, দেশের সশস্ত্র বাহিনীর ক্ষমতা বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। তিনি উনিশশো আটানব্বই সালে পারমাণবিক পরীক্ষার প্রসঙ্গ টেনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের ভূমিকাও উল্লেখ করেন।এই মন্তব্য এমন সময়ে এল, যখন আমেরিকা ও ইজরায়েলের সঙ্গে ইরানের সংঘর্ষ তীব্র আকার নিয়েছে। হামলায় ইরানের সামরিক ও ধর্মীয় নেতৃত্বের বড় অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এর জেরে গোটা মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ইরান একাধিক দেশে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে বলেও খবর।রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরেই নিজেদের চারদিক থেকে ঘেরা অবস্থায় দেখানোর চেষ্টা করে। কখনও বালোচ বিদ্রোহীদের সঙ্গে ভারতের যোগের অভিযোগ, কখনও আফগান তালিবানকে ভারতের মদতপুষ্ট বলা এই অবস্থান নতুন নয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে খোয়াজা আসিফের মন্তব্য সেই পুরনো অবস্থানকেই আরও জোরালো করল বলে মত পর্যবেক্ষকদের।

মার্চ ০৪, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে মাস্টারস্ট্রোক! বুথে নজরদারিতে নজিরবিহীন কড়াকড়ি

নির্বাচনকে ঘিরে এবার কার্যত কড়া ব্যবস্থা নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। প্রতিটি বুথে সিসিটিভি ওয়েবকাস্টিং-এর ব্যবস্থা থাকলেও এবার বুথের ভিতরে ও বাইরে আলাদা করে ক্যামেরা বসানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সোমবার ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ ভারতী জেলা শাসক ও কমিশন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেন। কমিশনের ব্যাখ্যা, এবার বুথের ভিতরে বা বাইরে গন্ডগোল হলে তা সরাসরি ক্যামেরায় ধরা পড়বে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেউ জোরপূর্বক বুথে ঢোকার চেষ্টা করলে সেখানেও পদক্ষেপ নেওয়া হবে।এছাড়া বুথের বাইরে পর্যবেক্ষণের দায়িত্বে থাকবেন মাইক্রোঅবজারভাররা। বৈঠকে কমিশন স্পষ্ট করে জানিয়েছে, কেন্দ্রীয় বাহিনী যেন কোনও ধরনের আতিথেয়তা গ্রহণ না করে। ঝাড়গ্রাম ও ওড়িশা থেকে একশো জন করে মোট দুশো জন জুডিশিয়াল অফিসার আগামী ৬ মার্চ ভোট পর্যবেক্ষণে থাকবেন। যেখানে বিবেচনাধীন কেস বেশি, সেখানে আরও বেশি অফিসার দায়িত্ব পালন করবেন।কমিশন সূত্রে খবর, কিছু বুথে এখনও জল বা বিদ্যুৎ সমস্যা রয়েছে। সবকিছু ঠিক আছে কিনা খতিয়ে দেখতে হবে এবং রিপোর্ট জমা দিতে হবে। বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই প্রাক-প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে কমিশন কোমর বেঁধে নেমেছে।

মার্চ ০৪, ২০২৬
রাজ্য

মধ্যমগ্রাম স্টেশনের পাশে ভয়াবহ আগুন! একের পর এক সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, দাউ দাউ করে জ্বলছে দোকান

উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রাম স্টেশনের পাশে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। দাউ দাউ করে জ্বলছে একাধিক দোকান। আগুনের তীব্রতা এতটাই বেশি যে দূর থেকে দেখা যাচ্ছে কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে দমকলের বেশ কয়েকটি ইঞ্জিন। তবে ঘিঞ্জি এলাকা হওয়ায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে যথেষ্ট বেগ পেতে হচ্ছে দমকলকর্মীদের।প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, একটি কাঠগোলায় প্রথম আগুন লাগে। সেই আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে পাশের দোকানগুলিতে। স্টেশনের সংলগ্ন এলাকায় বহু খাবারের দোকান রয়েছে। সেখানে মজুত ছিল গ্যাস সিলিন্ডার। আগুন ছড়িয়ে পড়তেই একের পর এক সিলিন্ডার বিস্ফোরণ ঘটে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ভয়ংকর আকার নেয় এবং কাঠগোলা সংলগ্ন বহু দোকানে লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়ে।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল বাহিনী। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আগুন নেভানোর কাজ শুরু হয়েছে। তবে শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী এখনও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি আগুন। আগুনের জেরে এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা নিরাপদ দূরত্বে সরে গিয়েছেন।স্টেশন লাগোয়া এলাকায় এই অগ্নিকাণ্ডের ফলে রেল চলাচলেও প্রভাব পড়েছে। ট্রেন চলাচল সাময়িক ভাবে ব্যাহত হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে আগুন লাগল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। দমকলের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে না এলে কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত ভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়।এই অগ্নিকাণ্ডে বহু দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রচুর টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও ক্ষতির সঠিক পরিমাণ এখনই জানা যায়নি। পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে প্রশাসন।

মার্চ ০৪, ২০২৬
রাজ্য

মোদির রাজ্যে স্কুল-আদালতে বোমাতঙ্ক! বাংলার যুবক গ্রেপ্তার, ফাঁস হতে পারে বড় চক্রান্ত

মোদির রাজ্য গুজরাট-এর একাধিক স্কুল ও আদালতে বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি ইমেল পাঠানোর অভিযোগে বাংলার এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার আহমেদাবাদ-এর অপরাধদমন শাখা ও সাইবার অপরাধ দমন শাখার যৌথ অভিযানে তাকে ধরা হয়। জানা গিয়েছে, ট্রানজিট রিমান্ডে তাকে এ রাজ্যে আনা হচ্ছে। এখানে আনার পর আদালতে পেশ করা হবে।ধৃত যুবকের নাম সৌরভ বিশ্বাস। অভিযোগ, গুজরাটের একাধিক স্কুল ও আদালতে বোমাতঙ্ক ছড়াতে তিনিই হুমকি মেল পাঠিয়েছিলেন। গত ২৩ জানুয়ারি গুজরাটের অন্তত ১৭টি স্কুলে বোমা হামলার হুমকি দিয়ে ইমেল পাঠানো হয়। সেই ঘটনায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়ায়। স্কুলগুলিতে নিরাপত্তা কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়। এরপর ফেব্রুয়ারিতে পরপর কয়েক দিন গুজরাটের বিভিন্ন আদালতেও একই ধরনের হুমকি মেল আসে।তদন্তে নামে আহমেদাবাদের অপরাধদমন শাখা ও সাইবার অপরাধ শাখা। দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর মঙ্গলবার আহমেদাবাদ থেকেই গ্রেপ্তার করা হয় সৌরভকে। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, এই কাজের পেছনে তার উদ্দেশ্য কী ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, বিভিন্ন নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রযুক্তিগত ফাঁকফোকর খুঁজে তা কাজে লাগাতেই এই হুমকি মেল পাঠানো হয়ে থাকতে পারে।শুধু গুজরাট নয়, দিল্লি এবং সম্প্রতি এ রাজ্যের বিভিন্ন জেলা আদালত ও পোস্ট অফিসেও একইভাবে বোমাতঙ্ক ছড়িয়েছিল হুমকি মেল। পরে সেগুলি ভুয়ো বলে প্রমাণিত হয়। এখন প্রশ্ন উঠছে, সেই ঘটনাগুলির সঙ্গেও কি ধৃত যুবকের যোগ রয়েছে?তদন্তকারীরা জানতে চাইছেন, কেন বারবার স্কুল ও আদালতকেই নিশানা করা হচ্ছিল। এর পেছনে বড় কোনও চক্রান্ত আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সৌরভকে এ রাজ্যে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।

মার্চ ০৪, ২০২৬
বিদেশ

হরমুজ প্রণালী বন্ধ! মাঝসমুদ্রে আটকে ৩৮ ভারতীয় জাহাজ, হাজারো নাবিকের প্রাণ সংশয়, তেল-চাল বাণিজ্যে মহাধাক্কা

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের জেরে কার্যত বন্ধ হয়ে গিয়েছে হরমুজ প্রণালী। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে জাহাজ চলাচল প্রায় স্তব্ধ। ফলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বড় ধাক্কা লেগেছে। আমদানি-রফতানিতে গভীর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে ভারতের উপরেও। বিশেষ করে চাল-সহ একাধিক শস্য রপ্তানিতে বড়সড় ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ ১০ হাজার কোটি টাকারও বেশি হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।জানা গিয়েছে, হরমুজ প্রণালী ও সংলগ্ন এলাকায় অন্তত ৩৮টি ভারতীয় জাহাজ আটকে রয়েছে। সেই সব জাহাজে প্রায় ১১০০ নাবিক কর্মরত। তাঁদের ভবিষ্যৎ ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। ইতিমধ্যেই মিসাইল হামলায় এক জাহাজে কর্মরত তিনজন ভারতীয়র মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন আরও এক ভারতীয় নাবিক।পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে কেন্দ্রীয় জাহাজ মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোওয়াল জরুরি বৈঠক করেছেন জাহাজ মন্ত্রকের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ডিজি শিপিং। গোটা পরিস্থিতির বিশদ রিপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর দফতরেও পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এদিকে শুধু বিদেশের জলপথ নয়, দেশের বন্দরগুলিতেও চাপ বাড়ছে। পণ্যবাহী জাহাজের ভিড়ে উপচে পড়ছে একাধিক বন্দর। জাহাজ মন্ত্রকের হিসেব অনুযায়ী, প্রায় হাজারের বেশি কনটেনারবাহী জাহাজ বিভিন্ন বন্দরে দাঁড়িয়ে রয়েছে। পণ্য খালাস ও রফতানিতে দেরি হওয়ায় ব্যবসায়ীদের উদ্বেগ বাড়ছে।ওমান ও ইরানের মধ্যবর্তী এই সংকীর্ণ জলপথ দিয়ে বিশ্বে রপ্তানিকৃত তেল ও গ্যাসের প্রায় ২০ শতাংশ পরিবাহিত হয়। ভারতের ক্ষেত্রেও এই পথ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভারত প্রায় ৪০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল এবং ৫০ শতাংশের বেশি তরল প্রাকৃতিক গ্যাস এই পথ দিয়েই আমদানি করে। ফলে এই জলপথে অচলাবস্থা দীর্ঘস্থায়ী হলে জ্বালানি সরবরাহ ও দামের উপর সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে।ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল শিপওনার্স অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, বহু ভারতীয় জাহাজ বর্তমানে সংঘাতপূর্ণ এলাকায় আটকে রয়েছে। এর জেরে বিপুল আর্থিক ক্ষতির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি যুদ্ধবিধ্বস্ত মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন জলসীমায় প্রায় ২৩ হাজার ভারতীয় নাবিক ও কর্মী আটকে রয়েছেন বলে খবর। তাঁদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন কেন্দ্র।পরিস্থিতি মোকাবিলায় ভারত সরকারের তরফে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এই কন্ট্রোল রুম চালু থাকবে। নাগরিকদের জন্য টোল-ফ্রি নম্বরও প্রকাশ করা হয়েছে। পাশাপাশি বাহরাইন, ইরান, ইরাক, ইজরায়েল ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাসগুলিকেও সতর্ক রাখা হয়েছে।একই সঙ্গে দেশে কত পরিমাণ তেল মজুত রয়েছে, তা নজরে রাখতে নয়া দিল্লিতে ২৪ ঘণ্টার বিশেষ পর্যবেক্ষণ কক্ষ চালু হয়েছে। পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে গোটা দেশ।

মার্চ ০৪, ২০২৬
বিদেশ

খামেনেইয়ের পর যেই হোক নেতা, তাকেই খতম! সরাসরি হত্যার হুমকি ইজরায়েলের

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই নিহত হওয়ার পরেই নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল পশ্চিম এশিয়ায়। খামেনেইয়ের উত্তরসূরি যিনিই হোন না কেন, তাঁকে হত্যা করা হবেএই ভাষাতেই প্রকাশ্য হুমকি দিল ইজরায়েল।বুধবার ইজরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইজরায়েল কাট্জ সমাজমাধ্যমে লেখেন, ইরান যাঁকেই সর্বোচ্চ নেতা করবে, তাঁকেই ইজরায়েল শেষ করে দেবে। তাঁর দাবি, ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা ইজরায়েল এবং আমেরিকার জন্য বিপজ্জনক হবেন। পাশাপাশি, তাঁর নেতৃত্বে ইরানের সাধারণ মানুষের উপর দমনপীড়ন চলবে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।কাট্জ জানান, প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং তিনি ইজরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনীকে প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দিয়েছেন। প্রয়োজন হলে পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতাকে টার্গেট করে পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আমেরিকার সহযোগিতায় ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ ভেঙে ফেলার অভিযান চালানো হবে।ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা হিসাবে খামেনেইয়ের দ্বিতীয় পুত্র মোজতবা খামেনেই-এর নাম জোরালো ভাবে শোনা যাচ্ছে। যদিও তেহরান সরকার এ বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেনি।গত শনিবার সকালে তেহরানে খামেনেইয়ের দপ্তরে হামলার ঘটনা ঘটে। সেই হামলায় খামেনেই-সহ অন্তত ৪০ জন উচ্চপদস্থ ইরানি আধিকারিক নিহত হন বলে খবর। নিহতদের মধ্যে তাঁর পরিবারের সদস্যরাও ছিলেন। এর পর ইরানের প্রেসিডেন্ট একটি অন্তর্বর্তী কাউন্সিল গঠন করেন এবং তাদের হাতে শাসনভার তুলে দেন। একই সঙ্গে নতুন সর্বোচ্চ নেতা বাছাইয়ের দায়িত্বও দেওয়া হয় সেই কাউন্সিলকে।এই পরিস্থিতিতেই মোজতবা খামেনেইকে পরবর্তী নেতা করা হতে পারে বলে জল্পনা ছড়ায়। আর সেই জল্পনার মাঝেই নতুন নেতাকে হত্যার প্রকাশ্য হুমকি দিয়ে পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতিকে আরও বিস্ফোরক করে তুলল ইজরায়েল। ফলে ইরান-ইজরায়েল সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে।

মার্চ ০৪, ২০২৬
দেশ

টাকার বড় পতন! ডলারের তুলনায় ৯২ ছুঁইছুঁই, মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের সরাসরি প্রভাব

মধ্যপ্রাচ্যে বাড়তে থাকা সামরিক উত্তেজনার জেরে বুধবার বড় ধাক্কা খেল ভারতীয় মুদ্রা। মার্কিন ডলারের তুলনায় টাকার দর ৯২ টাকার গণ্ডি পেরিয়ে যায়। সকালে লেনদেনের সময় এক ডলারের দাম দাঁড়ায় ৯২ টাকা ১৭ পয়সা। আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা বাড়তেই বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ঝুঁকি এড়ানোর প্রবণতা দেখা দিয়েছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে টাকার উপর।আমেরিকা, ইজরায়েল ও ইরানকে ঘিরে সংঘাত তীব্র হওয়ায় বিশ্ব জুড়ে আর্থিক বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে অপরিশোধিত তেলের দাম দ্রুত বাড়ছে। মধ্যপ্রাচ্য বিশ্ব জ্বালানি রপ্তানির একটি বড় অংশ জোগান দেয়। সেখানে সংঘাত বাড়ায় তেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তার জেরেই তেলের বাজারে দামের উর্ধ্বগতি।ভারত তার মোট অপরিশোধিত তেলের প্রায় পঁচাশি শতাংশ আমদানি করে। ফলে তেলের দাম বাড়লে আমদানির খরচ বেড়ে যায়। এতে দেশের বাণিজ্য ঘাটতি বাড়ে এবং মূল্যবৃদ্ধির চাপ তৈরি হয়। এই সব কারণেই টাকার উপর অতিরিক্ত চাপ পড়ছে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।একই সময়ে মার্কিন ডলার আরও শক্তিশালী হয়েছে। আন্তর্জাতিক অস্থিরতার সময়ে বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ সম্পদ হিসেবে ডলারের দিকে ঝুঁকছেন। ফলে উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলি থেকে মূলধন বেরিয়ে গিয়ে ডলার ও মার্কিন সরকারি বন্ডে বিনিয়োগ বাড়ছে। এর ফলেও ভারতীয় টাকার দর দুর্বল হয়েছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি তেলের দাম দীর্ঘদিন উচ্চ স্তরে থাকে, তা হলে ভারতের চলতি হিসাব ঘাটতি আরও বাড়তে পারে এবং অর্থনৈতিক বৃদ্ধির গতি কমতে পারে। সেই পরিস্থিতিতে টাকার উপর চাপ আরও বাড়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে মুদ্রা বাজারে অস্থিরতা বজায় থাকতে পারে।

মার্চ ০৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal