• ১৪ মাঘ ১৪৩২, সোমবার ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Cong

রাজ্য

কোথায় কত বুথে পুননির্বাচন? কেন্দ্রীয় বাহিনির কি দেখা মিলবে বুথে বুথে?

রাজ্যের কতগুলি বুথে পুনর্নির্বাচন?২০২৩ পশ্চিমবঙ্গ পঞ্চায়েত নির্বাচনে বুথদখল ও ছাপ্পা ভোট ও অশান্তির ঘটনায় রাজ্যের ২২টি জেলার মধ্যে ১৯টিতেই পুনর্নির্বাচনের আদেশ দিয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহন পক্রিয়া শুরু হয়েছে। একনো পর্যন্ত কোনও গণ্ডগোলের খব্র পাওয়া যাইনি। সব মিলিয়ে ৬৯৬টি বুথে পুনর্নির্বাচন হচ্ছে। রবিবার রাজ্য নিবার্চন কমিশন জানিয়েছে, সোমবার সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সম্পূর্ণ কেন্দ্রীয় বাহিনীর নজরদারিতে হবে ভোটগ্রহণ।রবিবার রাজ্য নিবার্চন কমিশন জানিয়েছে, সোমবার সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সম্পূর্ণ কেন্দ্রীয় বাহিনীর নজরদারিতে হবে ভোটগ্রহণ।কোন কোন জেলার কটি বুথে পুনর্নির্বাচন?রাজ্যে মোট ১৯টি জেলাতে পুনর্নির্বাচনের আদেশ দিয়েছে রাজ্য নির্বাচন, তাঁর মধ্যে মুর্শিদাবাদের ১৭৫টি বুথ, মালদহের ১০৯টি বুথ, নদিয়ার ৮৯টি বুথ, কোচবিহারের ৫৩টি বুথ, উত্তর ২৪ পরগনার ৪৬টি বুথ, দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৩৬টি বুথ, উত্তর দিনাজপুরের ৪২টি বুথ, দক্ষিণ দিনাজপুরের ১৮টি বুথ, পূর্ব মেদিনীপুরের ৩১টি বুথ, পশ্চিম মেদিনীপুরের ১০টি বুথ, হুগলির ২৯টি বুথ, জলপাইগুড়ি এবং বীরভূমের ১৪টি করে বুথ, হাওড়া এবং বাঁকুড়ার ৮টি করে বুথ, পূর্ব বর্ধমানের ৩টি বুথ, পশ্চিম বর্ধমানের ৬টি বুথ, পুরুলিয়ার ৪টি বুথ এবং আলিপুরদুয়ারের ১টি বুথে সোমবার পুর্নির্বাচন হচ্ছে। ঝাড়গ্রাম, দার্জিলিং এবং কালিম্পংয়ে পুর্নির্বাচন হচ্ছে না।প্রতি বুথে কত জন করে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকছে?২০২৩ পশ্চিমবঙ্গ পঞ্চায়েত নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভারপ্রাপ্ত অফিসার জানিয়েছেন, বুথ প্রতি এক সেকশন কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট হবে, তিনি জানিয়েছেন, রাজ্যে এই মুহূর্তে পর্যাপ্ত পরিমাণে কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিত। রবিবার বিকালে কমিশন জানিয়েছিল, বুথ প্রতি হাফ সেকশন (৪জন) মোতায়েন থাকবে। পরে বিএসএফ আইজি জানিয়েছে, প্রতি বুথে মোতায়েন করা হবে এক সেকশন কেন্দ্রীয় বাহিনী (৮জন)।

জুলাই ১০, ২০২৩
রাজ্য

বিরোধীদের দাবি ১০হাজার বুথে পুনর্নির্বাচন, পাত্তা না দিয়ে প্রায় ৭০০ বুথে সোমবার ভোট

বিরোধীদের দাবি পুরোপুরি না-মানলেও কয়েকটি বুথে ফের নির্বাচনের কথা ঘোষণা করেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। সোমবারই পুনর্নির্বাচন করানো হচ্ছে। নিরাপত্তায় থাকছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৩৬টি বুথে পুনর্নির্বাচন হবে। তবে, বিরোধীদের দাবি, শনিবারের ভোটে যে হারে ছাপ্পা, রিগিং ও সন্ত্রাস হয়েছে। যা হয়েছে, সেটা আসলে প্রহসন। তাতে অত কম বুথে পুনর্নির্বাচন করে কোনও লাভ নেই। অন্তত ১০ হাজার বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে কমিশনকে পুনরায় স্বচ্ছ নির্বাচন করাতে হবে। যদিও শ্যাম রাখি না-কূল, এই পরিস্থিতিতে পড়া রাজ্য নির্বাচন কমিশন সেই দাবি মানতে নারাজ।শনিবার রাজ্যে একদিনের পঞ্চায়েত ভোটে ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। অবাধে ভোট লুঠ, ব্যালট বাক্স নষ্ট, বুথ দখল, হিংসা, গুলিচালনা, বোমাবাজি তথা এককথায় অরাজকতার অভিযোগ উঠেছে ভোট ঘিরে। তারপরই বিরোধীরা দাবি, সমস্ত বুথে লাগানো সিসিটিভির ফুটেজ ও ভিডিওগ্রাফির ফুটেজ খতিয়ে দেখতে হবে। সেইমতো যেসব বুথে অরাজকতা হয়েছে, সেখানে পুনরায় নির্বাচন করাতে হবে। সেই দাবি বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছিল কমিশন। গুটি কয়েক বুথে পুনরায় ভোট ঘোষণায় ক্ষুব্ধ বিরোধীরা।তার পাশাপাশি, ভোটের দিন সকাল পর্যন্ত রাজ্যে এসে পৌঁছেছিল ৬৪৯ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। তারপর শনিবার সন্ধ্যা এবং রবিবার সকালে আরও কয়েক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যে এসে পৌঁছয়। সেই সব বাহিনীকে পুনর্নির্বাচনের কাজে লাগানো হবে বলেই কমিশন জানিয়েছে। একইসঙ্গে, রবিবার রাজ্য নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এবারের পঞ্চায়েত ভোটে রাজ্যে ভোট পড়েছে ৮০.৭১ শতাংশ।বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, কেন্দ্রীয় ভাবে আমরা ৭ হাজার বুথে পুনরায় ভোট চেয়েছিলাম। সেটা জেলাস্তরে সব মিলিয়ে ছিল ১০ হাজার। কিন্তু ৬০০-এর বেশি বুথে পুনর্নির্বাচন হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সুকান্ত মজুমদার।

জুলাই ০৯, ২০২৩
রাজনীতি

ভোটের দিনেও দলবদল। তৃণমূল যোগদান বিজেপি প্রার্থীর

ভোটের দিনেও দলবদল। তৃণমূল যোগদান করলেন বীরভূমের রামপুরহাট ১ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির ১৯ নম্বর আসনের বিজেপি প্রার্থী কালি চরণ হেমরম ওরফে কালিয়া। পঞ্চায়েত সমিতির ওই আসনে বিজেপি প্রার্থী কালিচরণের হাতে তৃণমূলের পতাকা তুলে দেন বনহাট অঞ্চলের বিদায়ী প্রধান জহিরুল ইসলাম। কালিচরণ বলেন, মমতা বন্দোপাধ্যায়ের উন্নয়নে সামিল হতেই আমি নির্বাচনী প্রক্রিয়া থেকে সরে দাঁড়ালাম। ওই আসনে তৃণমূল প্রার্থী রয়েছেন মঙ্গল মুর্মু। ওই আসনে বিজেপি তৃণমূল ছাড়া অন্য কোন দলের প্রার্থী নেই।

জুলাই ০৮, ২০২৩
রাজ্য

চোখের সামনে 'ভোটলুঠ', নিরাপত্তার অভাব, আর কখনও ভোটের কাজে নয়, শপথ প্রিসাডিংয়ের

ভোট গ্রহণের প্রথম তিক্ত অভিজ্ঞতায় মহিলা পরিচালিত বুথের ভোট কর্মীরা তিতিবিরক্ত। চাকরি না থাকলেও আর কখনও ভোটের কাজে অংশগ্রহণ করতে চান না তাঁরা। এদিন ঘটনার পর থেকে তাদের চোখেমুখে আতঙ্কের ছাপ। ভয়ে হাউ হাউ করে কেঁদে ফেললেন প্রিজাইডিং অফিসার অঙ্গনা শেঠ।বীরভূমের ময়ূরেশ্বর ২ নম্বর ব্লকের ময়ূরেশ্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের রাজচন্দ্রপুর গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বুথ এবার মহিলা পরিচালিত ছিল। সেখানে পাঁচজন মহিলা ভোট কর্মী ছিলেন। তাঁদের নিরাপত্তার জন্য ছিল একজন জুনিয়ার কনস্টেবল এবং একজন সিভিক ভলন্টিয়ার। ভোট কর্মীরা জানান, বেলা ১১ টা পর্যন্ত ভোট শান্তিপূর্ণভাবেই চলছিল। তখন প্রায় ২০০ ভোট হয়ে গিয়েছিল। তারপরেই একদল দুষ্কৃতী মুখে কাপড় বেঁধে লাঠি হাতে ভিতরে ঢুকে ব্যালট পেপার কেড়ে নিয়ে স্ট্যাম্প মেরে বক্সে ঢোকাতে শুরু করে। এরকম কিছুক্ষণ চলার পর আরও কিছু দুষ্কৃতী ভিতরে ঢুকে ব্যালট বাক্স কেড়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। বুথের ভিতর তাণ্ডব চালায়।অঙ্গনা শেঠ বলেন, আমাদের মহিলা পরিচালিত বুথ হলেও ছিল না পর্যাপ্ত নিরাপত্তা। একপ্রকার আমাদের মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল। দুষ্কৃতীরা আমাদেরও মারতে উদ্যত হয়। জুনিয়ার কনস্টেবল এবং সিভিক দুজনেই নিজেদের প্রাণ বাঁচাতে ব্যস্ত ছিল। বাইরে তখন ধুন্দুমার চলছে। দাউ দাউ করে জ্বলছে দুটি মোটর বাইক।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, বহিরাগত দুষ্কৃতীরা এখানে মোটরবাইক নিয়ে ভোট লুঠ করতে এসেছিল। এলাকার শান্তিপ্রিয় মানুষই তাদের মোটরবাইক জ্বালিয়ে দিয়েছে।ঘটনার পর থেকে মহিলা ভোট কর্মীদের চোখেমুখে স্পষ্ট ছিল আতঙ্কের চাপ।। সংবাদমাধ্যমের সামনে তাঁরা কান্নায় ভেঙে পরেন। পুলিশকে খবর দেওয়ার পরও দীর্ঘক্ষণ পুলিশের দেখা মেলেনি। ফলে চাকরি চলে গেলেও তাঁরা যে ভোট প্রক্রিয়ায় ভবিষ্যতে কখনও অংশগ্রহণ করবেন না সেটা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন।

জুলাই ০৮, ২০২৩
রাজনীতি

ব্যালট বক্স বাইকে করে সোজা থানায় নিয়ে গেল তৃণমূল কর্মীরা

ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচনে মালদার চাঁচল মহকুমায় তৃণমূল এবং বিরোধীদল বিজেপি ও কংগ্রেস, সিপিএমের মধ্যে বিভিন্ন জায়গায় সংঘর্ষের ঘটনার একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এমন পরিস্থিতির মধ্যে অনেক বুথ থেকে নিরাপত্তার অভাব বোধ করে সরে গিয়েছেন অফিসার থেকে ভোট কর্মীরা। কিন্তু মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকারের যে ব্যালট বাক্স তা লুঠ হতে দেননি চাঁচল থানার খরবা গ্রাম পঞ্চায়েতের গোপালপুর ও দুর্গাপুর গ্রামের বাসিন্দা ও তৃণমূল কর্মীরা। শনিবার সংশ্লিষ্ট গ্রামের ১৯৬ বুথের ভোটদান পর্ব দুপুরের মধ্যে শেষ হয়ে যায়। আর তারপরেই সেখানে শাসক-বিরোধী গোলমালের জেরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। জানা গিয়েছে, এই পরিস্থিতিতে ব্যালট বাক্স যাতে লুঠ না হয়, তারজন্য স্থানীয় তৃণমূল কর্মীরাই সেই ভোট সম্পন্ন হওয়া ব্যালট বাক্স বাইকে করে সটাং থানায় নিয়ে এনে জমা দিলেন কর্তব্যরত চাঁচল থানার পুলিশ অফিসারদের কাছে।স্থানীয় তৃণমূলের একাংশ কর্মীদের বক্তব্য, খরবা গ্রাম পঞ্চায়েতের গোপালপুর দুর্গাপুর গ্রামের ১৯৬ নম্বর বুথের ভোটদান পর্ব দুপুরের মধ্যেই শেষ হয়ে যায়। তারপরে সেখানে গোলমাল শুরু করে কংগ্রেস, সিপিএমের জোট আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। তাদের সঙ্গে এই গোলমালে সামিল হয় বিজেপির স্থানীয় কর্মীরা বলেও অভিযোগ। নিরাপত্তার অভাব বোধ করে ভোট কর্মীরা বুথ থেকে সরে পড়েন । সেই পরিস্থিতিতে কর্তব্যরত পুলিশকর্মীরা গোলমাল থামানোর চেষ্টা করে। তখনই ফাঁকা হয়ে যায় ওই নির্বাচন কেন্দ্রটি। সেই সময় ব্যালট বাক্স লুঠের চেষ্টা চালিয়েছিল হামলাকারীরা। তখনই তিনটি ব্যালট বাক্স উদ্ধার করে চাঁচল থানায় নিয়ে এনে জমা দেওয়া হয়েছে।জেলা কংগ্রেসের সহ-সভাপতি ইশাখান চৌধুরী। তিনি বলেন, এসব তৃণমূলের বানানো গল্প। ওরাই ওই বুথ থেকে ব্যালট লুঠ করে ছাপ্পা দেওয়ার পর পুলিশের কাছে জমা দিয়েছে।

জুলাই ০৮, ২০২৩
রাজনীতি

বিজেপি কর্মী খুন বীরভূমের মহম্মদবাজারে, অভিযোগের তির তৃণমূলের বিরুদ্ধে

বিজেপির বুথ সহ সভাপতিকে গুলি করে খুনের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।মৃত বিজেপির বুথ সভাপতির নাম দিলীপ মাহারা (৪৮)। বাড়ি বীরভূমের মহম্মদবাজার ব্লকের হিংলো অঞ্চলের সারেন্ডা গ্রামে। বৃহস্পতিবার সকালে গ্রামের কুলু পুকুরের কাছে চন্দ্রপুর গ্রাম যাওয়ার রাস্তার ধারে তাঁর রক্তাক্ত মৃতদেহ পরে থাকতে দেখতে পাওয়া যায়। তাঁর স্ত্রী ছবি হিংলো গ্রাম পঞ্চায়েতের ৩ নম্বর আসনে নির্দল প্রার্থী হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে ওই আসনে সিপিএম, তৃণমূলের পাশাপাশি বিজেপি প্রার্থী হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন চন্দ্রপুর গ্রামের সারদা সাহা। বিজেপির দাবি কৌশলগত কারণে তারা ছবিকে নির্দল প্রার্থী করেছে।এদিকে ঘটনার পর থেকে চন্দ্রপুর-সারেন্ডা রাস্তার উপর মৃতদেহ রেখে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করে বিজেপি। অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হন বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়, বীরভূম জেলা সাংগঠনিক সভাপতি ধ্রুব সাহা সহ দলের জেলা নেতারা। দাবি ওঠে, পুলিশ কুকুর এনে ঘটনার তদন্ত করতে হবে। বিজেপির দাবি মেনে বিকেলের দিকে পুলিশ কুকুর এলে অবস্থান বিক্ষোভ উঠে যায়। ধ্রুব সাহা বলেন, খুব কাছ থেকে মাথার পিছনে গুলি করা হয়েছে দিলীপ মাহারাকে। গুলির খোল পাওয়া গিয়েছে। তৃণমূলের কালী বন্দ্যোপাধ্যায়, বিশ্বজিৎ মুখোপাধ্যায়রা এরকম ঘটনা ঘটিয়ে ভয়ের বাতাবরণ সৃষ্টি করে পাঁচ বছরের জন্য চুরির লাইসেন্স পেতে চাইছে। পুলিশের পক্ষপাতিত্ব করছে। তাই এই খুনের ঘটনা ঘটল। আমরা মহম্মদবাজার থানার ওসিকে ক্লোজ করার জন্য সাত দিন আগে পুলিশ সুপারকে লিখিতভাবে জানিয়েছি। জেলা রিটার্নিং অফিসার তথা জেলাশাসককে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। আমরা প্রশাসনকে বলেছিলাম এই ওসি থানায় থাকলে নিরপেক্ষ ভোট হবে না। তাই আমরা ঘটনার সিবিআই তদন্ত চাইছি। আমরা দাবি করছি ওসির বিরুদ্ধেও সিবিআই তদন্ত করতে হবে।ছবি মাহারা বলেন, বুধবার বিকেলে ঘর থেকে বেরিয়ে আর ফেরেনি। এদিন সকালে মৃত্যুর খবর পাই। তৃণমূলের কালী বন্দ্যোপাধ্যায় স্বামীকে খুন করেছে। একই বক্তব্য তাঁর ছেলে উৎপল মাহারার। তিনি বলেন, মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর থেকেই তৃণমূলের কালী বন্দ্যোপাধ্যায় হুমকি দিতে শুরু করে। মনোয়ন তুলে নেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করছিল। কিন্তু মনোনয়ন প্রত্যাহার না করায় বাবাকে হারাতে হল। আমরা ঘটনার সিবিআই তদন্ত চাইছি।সারেন্ডা গ্রামের বিজেপি প্রার্থী পরিতোষ পাল বলেন, মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার পর থেকে তৃণমূলের কালী বন্দ্যোপাধ্যায় বাড়ি বাড়ি হুমকি দিয়ে আসছিল। সেই কারণে আমরা সব আসনে দুজন করে প্রার্থী দিয়েছিলাম। একজন তুলে নিলে আরেকজন থেকে যাবে এই ভেবে। সেই ভেবেই ছবিকে প্রার্থীকে করা হয়েছিল। কিন্তু ভয়ে গা ঢাকা দেওয়ায় মনোনয়ন তোলার সময় আসতে পারেননি। তবে ওই পরিবার আমাদের বিজেপির সক্রিয় কর্মী। আমরা পুলিশকে জানিয়েছিলাম। কিন্তু পুলিশ কোনরকম সাহায্য করেনি। এমনকি এদিন সকালে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে গুলির খোল চুপচাপ নিয়ে গিয়েছে। গ্রামবাসীদের চাপে পরে ফের একই জায়গায় রাখতে বাধ্য হয়।এদিকে বিজেপির দাবি মেনে পুলিশ কুকুর এসে ঘটনাস্থলের পর সোজা চলে যায় পুকুর ঘাটে। সেখান থেকে দিলীপের বাড়ি হয়ে পৌঁছে যায় প্রতিবেশী প্রদীপ মাহারার বাড়িতে। পুলিশ প্রদীপ মাহারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে।তৃণমূলের জেলা মুখপাত্র মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, ওই ঘটনার সঙ্গে আমাদের কেউ যুক্ত নয়। ওটা বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জন্য হয়েছে। জেলা পুলিস সুপার রাজ নারায়ণ মুখোপাধ্যায় বলেন, তদন্ত চলছে। পরিবারের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে।

জুলাই ০৬, ২০২৩
রাজনীতি

কুণাল-শুভেন্দু নন্দীগ্রামে মুখোমুখি, তৃণমূলের সভা থেকে চোর চোর স্লোগান

শনিবার রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন। ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে বৃহস্পতিবার ছিল শেষদিনের প্রচার। ডান-বাম সব দলই প্রার্থীদের প্রচারে শেষ ল্যাপে ব্যস্ত। তার মধ্যেই নিজের গড় নন্দীগ্রামে অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মধ্যে পড়লেন শুভেন্দু অধিকারী। চোর-চোর স্লোগান শুনতে হল তাঁকে। কনভয় যাওয়ার সময় নন্দীগ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে। তৃণমূল কংগ্রেস নেতা কুণাল ঘোষের উসকানিতে এই কাণ্ড ঘটেছে বলে বিজেপির দাবি।নন্দীগ্রামে এদিন তৃণমূলের প্রচারসভা চলছিল। স্থানীয় নেতৃত্বের সঙ্গে দলের প্রচারে ছিলেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। প্রচারসভা চলাকালীন শুভেন্দু অধিকারীর কনভয় যাওয়ার সময় শুভেন্দুকে উদ্দেশ্য করে ওঠে চোর চোর স্লোগান। চোর চোর চোরটা, শিশিরবাবুর ছেলেটা বলে কটাক্ষ করা হয়। তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষের উপস্থিতিতেই ওঠে চোর চোর স্লোগান। তিনিই কার্যত সভা বন্ধ করে ইশারায় স্লোগান দিতে নির্দেশ দেন।চোর চোর স্লোগান শুনে গাড়ির ভিতর থেকে মাথা বের করে বিরক্তি দেখান শুভেন্দু। বিরোধী দলনেতা মেজাজ হারান, আঙুল তুলে শাসিয়ে বলেন, অ্যারেস্ট করাব সবকটাকে। তা সত্ত্বেও চলে চোর-চোর স্লোগান। শুভেন্দুর সুরক্ষার দায়িত্বে থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা যাঁরা ভিডিও করছিলেন তাঁদের সরিয়ে দেন। কনভয় চলে যাওয়া পর্যন্ত চলছিল স্লোগান।

জুলাই ০৬, ২০২৩
রাজ্য

এখন বিজেপির সবচেয়ে বড় এজেন্ট অধীর চৌধুরী, তোপ অভিষেকের

মালদায় পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রচারে গিয়ে অধীর চৌধুরীর বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিষেক বলেন, বিজেপির সবচেয়ে বড় এজেন্ট অধীর চৌধুরি । কাজেই বাংলায় কংগ্রেস সম্পর্কে যত কম বলা যায় ততই ভালো। বাংলায় অধীর চৌধুরী শুভেন্দুর সুরে কথা বলে।পঞ্চায়েত নির্বাচনের মুখে বিরোধী দল বিজেপি, কংগ্রেস সিপিএমের সেটিং তত্ত্ব নিয়ে সোচ্চার হলেন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার দুপুরে সুজাপুর বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত হাতিমারি মাঠে নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখেন অভিষেক ব্যানার্জি। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন দলের রাজ্যসভার সাংসদ মৌসুম বেনজির নূর, জেলা সভাপতি আব্দুর রহিম বক্সী, চেয়ারম্যান সমর মুখার্জি, রাজ্যের সেচ দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন, ইংরেজবাজার পুরসভার চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দু চৌধুরী। তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বলেন, আমরা মীরজাফর নযই, আমাদের মেরুদন্ড সোজা। সুতরাং ইডি-সিবিআই যতই আমাদের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেওয়া হোক না কেন, তৃণমূলকে অপদস্ত করা যাবে না। পঞ্চায়েত নির্বাচনের মুখে বিজেপি, কংগ্রেস, সিপিএমের চরম বোঝাপড়া চলছে। এখনও পর্যন্ত ওরা কেউ কারোর বিরুদ্ধে নির্বাচন বিষয় নিয়ে এতটুকু অভিযোগ করেনি। সবাই দলনেত্রী মমতা বন্দযোপাধ্যায়কে আক্রমণ করছে। কিন্তু তাতে কোনও লাভ নেই। যে উন্নয়ন সাধারন মানুষের জন্য মুখ্যমন্ত্রী করেছেন, তাতে মানুষকে ভুল বোঝানো যাবে না। তাই আবারও বলি আপনারা কানে শুনে নয়, চোখে দেখে ভোট দিন।বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে আক্রমণ শানিয়ে অভিষেক বলেন, আপনারা তো টিভির পর্দায় দেখেছেন টাকার বান্ডিল হাতে কে নিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছিলেন দুর্নীতিগ্রস্তদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। যেখানে পরিষ্কার হয়ে গেল শুভেন্দু অধিকারী টাকা নিচ্ছে। সবাই দেখেছে টিভিতে। তাহলে প্রধানমন্ত্রী তাদের দলের ওই নেতার বিরুদ্ধে কেন কোনও ব্যবস্থা নিলেন না। আসলে প্রধানমন্ত্রী মুখে বড় বড় কথা বলেন। ৯ বছরের রাজত্বে কেন্দ্রের মোদি সরকার সাধারণ মানুষের জন্য কোন সুবিধাটুকু করে দিতে পারিনি। এরাজ্যে শুধু উন্নয়ন করেছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, বাংলায় অধীর চৌধুরী শুভেন্দু ও মোদির সুরে কথা বলছে। এখন বিজেপির সবচেয়ে বড় এজেন্ট অধীর চৌধুরী। তাই ওদেরকে বিশ্বাস করা যায় না। অথচ পাটনায় দিদির পাশেই বসেছিলেন রাহুল গান্ধী। বলেছিলেন একজোট হয়ে লড়াই করার কথা। কিন্তু কোথায় কি। এখানে তো বিরোধীদের সবকিছুই হচ্ছে সেটিং-এর মাধ্যমে। কিছুদিন আগেই পাটনায় ১৬ দলের একজোট হয়ে বৈঠকের পর পায়ের তলা থেকে মাটি সরে গেছে বিজেপির। তাই ওরা এখন কেন্দ্রীয় এজেন্সি দিয়ে ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে। তৃণমূলের মেরুদন্ড সোজা। কাউকে ভয় পায় না। মানুষের অধিকারের জন্য লড়াই চলবে।এদিন মালদার উন্নয়নের প্রসঙ্গে সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জি বলেন, গত পাঁচ বছরে মালদার বিভিন্ন বিধানসভা কেন্দ্রে ২,৫০০ কোটি টাকা প্রকল্পে পিএইচইর কাজ হয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন দপ্তরের সহযোগিতা নিয়ে মালদায় সাড়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকার সার্বিক উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে। মালদা শুধু নয়, গোটা রাজ্যের উন্নয়নের দায়িত্ব তৃণমূলের সরকারের।কেন্দ্রের মোদি সরকারের বকেয়া নিয়েও সুর চড়িয়েছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জি। তিনি বলেন , গত দুই বছর ধরে ১০০ দিন প্রকল্পের টাকা আটকে রেখেছে কেন্দ্রের মোদি সরকার। আবাস যোজনা টাকাও বন্ধ করে দিয়েছে। এভাবে গরিব মানুষের পেটে ভাত মারাটা উচিত নয়। গরিবের অধিকার ফিরিয়ে পাওয়ার লক্ষ্য নিয়েই দিল্লিতে অবস্থান করার কথা জানিয়েছেন সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জি। তিনি বলেন, পঞ্চায়েত নির্বাচন মিটে গেলে দশ লক্ষ লোক নিয়ে দিল্লিতে জমায়েত এবং অবস্থান করব। দেখি ওরা কিভাবে এরাজ্যের গরিবের অধিকার আটকে রাখতে পারে।এদিন পঞ্চায়েত প্রার্থী প্রসঙ্গে সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জি বলেন, আমি গত দুইমাস নবজোয়ার কর্মসূচির মাধ্যমে রাস্তায় সময় কাটিয়েছি। মানুষের জনমত সংগ্রহ করেছি। সাধারণ মানুষ তৃণমূলের ত্রিস্তর পঞ্চায়েতের প্রার্থী যাদের চেয়েছিলেন তাদেরই করা হয়েছে। তাই আবারও বলি, ওরা যতই বলুক না কেন, বিরোধীদের ফাঁদে পা দিবেন না। তৃণমূল সরকারের হাত শক্ত করুন। উন্নয়নের ধারা বজায় থাকবে। কোনও মানুষ উন্নয়নের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন না।

জুলাই ০২, ২০২৩
রাজ্য

বিডিওদের একাংশের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুললেন দিলীপ ঘোষ

রোজই পঞ্চায়েত ভোট শিরোনামে কোচবিহারের নাম উঠে আসে। নবজোয়ার যাত্রার সূত্রপাত হয়েছে এই জেলা থেকে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রচার শুরু করেছেন কো। খুন-খারাবির ঘটনাও ঘটছে। বৃহস্পতিবার এই প্রসঙ্গে বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, আগেও বলেছি সিতাই, শীতলকুচি আর দিনহাটা হল উপদ্রুত এলাকা। আমাদের লোকসভায় মানুষ জিতিয়েছে। বিধানসভার দুটো আসন জিতেছি। পরে উপ-নির্বাচনে কি হয়েছে আপনারা দেখেছেন। বাইরে থেকে লোক এনে ওখানে ওরা এসব কাজ করে। বিএসএফ ওখানেই গুলি চালিয়েছিল। জনজোয়ার ওরা ওখান থেকেই শুরু করেছে। মুখ্যমন্ত্রী ওখান থেকেই প্রচার শুরু করেছেন। রাজনীতিতে খুব গুরুত্বপূর্ণ কোচবিহার। কিন্তু ওখানকার মানুষ উন্নয়নের কোনও স্বাদ পান না। যদি স্বাদ পেয়ে থাকেন, তাহলে বলব, হাইওয়ে তৈরি হয়েছে। মোদী করেছেন। বন্দে ভারত চালু হয়েছে সেটাও মোদী করেছেন। কেন্দ্র সুবিধা করেছে। আর মমতা ব্যানার্জি মানুষের প্রাণ নিয়ে ছিনিমিনি খেলছেন।একাধিক জেলার বিডিওদের বিরুদ্ধেই মূলত অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে চলেছে কমিশন। ভাঙড়, মিনাখার বিডিওদের শোকজ করা হতে পারে বলেও শোনা যাচ্ছে। দিলীপ ঘোষ বলেন, বিডিওরাই গণ্ডগোলের মাথা। বিডিও অফিস ঘুঘুর বাসা। পঞ্চায়েত ভোট ওখান থেকেই পরিচালনা হচ্ছে। মনোনয়ন দিয়েও বাতিল করা ওখান থেকেই হচ্ছে। তৃণমূলকে অনৈতিক ভাবে সুবিধা দেওয়া। বাধ্য হয়ে বা ভালো সাজার জন্য বিডিওরা এইসব কাজ করছেন। অত্যন্ত নিন্দনীয়। ১০০ দিনের কাজের টাকা বিডিও অফিস থেকেই লুঠ হচ্ছে। বিডিও অফিস গুলো এখন দুর্নীতির আখড়া।সায়নী ঘোষের নামে ইডি সমন পাঠিয়েছি। বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি বলেন, তৃণমূল যুব আছে কোথায়? সায়নী নেত্রী হতে গেছিল। উনি আজ কোথায়? পুরনো বা নতুন মামলা দিয়ে বিজেপি প্রার্থীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। বিনা কারণে বাড়িতে পুলিশের গাড়ি পাঠিয়ে বলা হচ্ছে থানায় আসুন। চমকানো হচ্ছে। সরাসরি বলা হচ্ছে মনোনয়ন প্রত্যাহার করুন। তৃণমূল কংগ্রেসের জোর নেই নির্বাচন করার। পুলিশ ও সরকারি কর্মীদের কাজে লাগিয়ে ভোটে জেতার চেষ্টা চলছে। আমার মনে হয়, সেই দিন চলে গেছে। দাবি দিলীপ ঘোষের।

জুন ২৯, ২০২৩
রাজনীতি

দিল্লিতে দোস্তি, বাংলায় কুস্তি! মমতার বক্তব্যে জোট নিয়ে কিসের ইঙ্গিত?

জাতীয়স্তরে বিজেপি বিরোধী মহাজোট গড়তে উদ্যোগ নিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মোদী সরকারকে উৎখাত করতে রাহুল, মমতা, নিতীশ, লালুপ্রসাদ, স্ট্যালিনরা বৈঠক করেন পাটনায়। ফের আগামী জুলাইতে বিরোধী দলগুলো বৈঠক করবে সিমলাতে। সর্বভারতীয় স্তরে যতই বিজেপি বিরোধী জোটের ঐক্য গড়ার উদ্যোগ হোক না কেন বাংলায় যে কংগ্রেস, সিপিএমকে তৃণমূল এক ছটাও জায়গা ছাড়তে নারাজ তা স্পষ্ট বুঝিয়ে দিলেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রচারমঞ্চকে বেছে নিলেন আগামী লোকসভা ভোটের ক্ষেত্র প্রস্তুতির কাজে। সোমবার কোচবিহারের জনসভায় মুখ্যমন্ত্রীর ভাষণে এল বিজেপি বিরোধী মহাজোটের প্রসঙ্গ। বাংলায় মহাজোটের সমীকরণ নিয়েও প্রসঙ্গ এল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, পঞ্চায়েত নির্বাচনের পরে, আগামী লোকসভায় বিজেপিকে আমরা পরাজিত করব এবং দেশে একটি উন্নয়নমুখী সরকার গড়ব। তবে, তাঁর চাঁচাছোলা বক্তব্য যে, দিল্লিতে আমাদের মহাজোট হবে। বাংলায় সিপিএম, কংগ্রেস এবং বিজেপি জোট করেছে। ওদের পরাজিত করুন। এখানে আমরা বিজেপির বিরুদ্ধে লড়ব। আমরা বিজেপি, সিপিএম এবং কংগ্রেসকে পরাজিত করব।শিক্ষক নিয়োগ থেকে আবাস কেলেঙ্কারি, তৃণমূল নেতা-নেত্রীদের বিরুদ্ধে ভুরি ভুরি অভিযোগ। পঞ্চায়েত ভোটে যা নিয়ে অস্বস্তিতে পড়তে পারে রাজ্যের শাসক শিবির। বিলক্ষণ জানেন দলনেত্রী। সমস্যা মোকাবিলায় তাই পঞ্চায়েত ভোটের প্রচারে নেমেই দুর্নীতি দূরীকরণের ডাক দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার কোচবিহারের প্রচার সভায় তাঁর প্রতিশ্রুতি, আমাদের দল তৃণমূল স্তরে আর দুর্নীতি হতে দেবে না।এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা পঞ্চায়েতকে তেমন গুরুত্ব দেইনি। এখন দেখছেন জনগণের মতামত চাওয়া হয়েছে। দুই মাস আগে মতামত চাওয়া হয়েছিল। কাউকে টাকা দেবেন না। আমরা চুরি হতে দেব না। কেউ টাকা চাইলে তার ছবি তুলে আমাকে পাঠান। আমরা এখন থেকে পঞ্চায়েত নিয়ন্ত্রণ করব। কাউকে চুরি করতে দেবেন না। আমরা জনগণের পঞ্চায়েত চাই।প্রধানমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে মমতার দাবি, একজন কোটি কোটি টাকা নিয়ে রাশিয়া-আমেরিকা যাচ্ছেন। কিন্তু কেন্দ্র বাংলার একশ দিনের প্রকল্পের টাকা আটকে রেখেছে। বারবার অনুরোধ করেও টাকা দিচ্ছে না। কেন্দ্র একশ দিনের কাজের জন্য সাত হাজার কোটি টাকা দেয়নি। পঞ্চায়েত নির্বাচনে জয়যুক্ত হওয়ার পরে তৃণমূল সেই অর্থ আদায় করবে।একুশের বিধানসভা ভোটে শীতলকুচিতে গুলি চলেছিল। এবার পঞ্চায়েত ভোটে বিএসএফের কাজে বড় আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, আমার কাছে তথ্য আছে যে কিছু বিএসএফ আধিকারিক সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন করছেন, ভোটারদের হুমকি দিচ্ছেন এবং ভোট না দিতে বলছেন। আমি জনগণকে আতঙ্কিত না হয়ে নির্ভয়ে নির্বাচনে অংশ নিতে বলছি। যদি বিএসএফ আপনাকে ভয় দেখায়, পুলিশকে খবর দিন। পুলিশ এফআইআর দায়ের করবে এবং আইন আইনের পথে চলবে।

জুন ২৬, ২০২৩
রাজনীতি

পঞ্চায়েতে অন্তর্কলহ: মনোরঞ্জন, করিমের পর এবার বেসুরো আরও এক তৃণমূল বিধায়ক

মনোরঞ্জন ব্যাপারী, আব্দুল করিম চৌধুরীর পর এবার বেসুরো আরও এক তৃণমূল বিধায়ক। মুখ খুললেন শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে। এবার পঞ্চায়েতের প্রচার থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাট পশ্চিমের বিধায়ক গিয়াসউদ্দিন মোল্লা। বিধায়ক বলেন, এবার যাঁরা প্রার্থী হয়েছেন, তাঁদের সঙ্গে কাজ করা সম্ভব নয়।পঞ্চায়েত ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অশান্তির খবর প্রকাশ্যে আসছে। একাধিক জায়গায় তৃণমূলের অন্তর্কলহ সামনে চলে এসেছে। প্রার্থী পছন্দ না হওয়ায় একাধিক দাপুটে নেতা মুখ খুলেছেন দলের বিরুদ্ধে। সেই তালিকায় নতুন সংযোজন মগরাহাটের গিয়াসউদ্দিন মোল্লা।তাঁর কথায়, আমি ৪৯ হাজার ভোটে জিতেছি। কিন্তু এবার প্রার্থী হয়েছে ৫০-৫০। অর্থাৎ তাঁর প্রার্থী ৫০ শতাংশ। বাকি অন্যদের। গিয়াসউদ্দিন সাফ জানিয়েছে, এই প্রার্থীদের হয়ে তিনি প্রচার করতে পারবেন না।অভিমানের সুরে গিয়াসউদ্দিন বলেন, আমার উপর হয়তো দল আর ভরসা করতে পারছে না। আমি তালিকা দিয়েছিলাম। পরে দেখলাম সেখান থেকে ৫০ শতাংশ প্রার্থী। বাকি ৫০ শতাংশের সঙ্গে দলের কোনও সম্পর্ক নেই। মগরাহাট ১-নম্বরে ব্লকের তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক মানবেন্দ্র মণ্ডলকে নিশানা করেছেন তিনি। বিধায়কের দাবি, বাকি ৫০ শতাংশ প্রার্থী তাঁর। যাঁদের সঙ্গে দলের কোনও সম্পর্ক নেই। যদিও বিধায়কের দাবি মানতে নারাজ মানবেন্দ্র। তাঁর কথায়, দল যাকে ঠিক মনে করেছে তাঁকে প্রার্থী করেছেন। উনি অবসাদে ভুগছেন।

জুন ২৩, ২০২৩
রাজ্য

চাপের ঠেলায় ২২ থেকে ৮২২, তবু কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা নিয়ে অসন্তুষ্ট বিরোধীরা

পঞ্চায়েত নির্বাচনে একের পর এক নাটকীয় ঘটনা। রাজ্যপাল, হাইকোর্ট, সুপ্রিমকোর্ট, হাইকোর্ট পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে পর পর গুঁতো খেয়ে নির্বাচন কমিশন ২২ কোম্পানির পর ৮০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে চিঠি পাঠাল। তবে এই সংখ্যায় সন্তুষ্ট নয় বিরোধীরা। তারা চাইছে অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করুক কমিশন.পঞ্চায়েতে মাত্র ২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে গোটা বাংলায় ভোট করার পরিকল্পনা করেছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। ২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীর জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে চিঠি পাঠায় কমিশন। এই কারণে বুধবারই কমিশনকে ভর্ৎসনা করেছিল কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম। পঞ্চায়েত মামলার নির্দেশে প্রধান বিচারপতি বলেছিলেন, দেখে মনে হচ্ছে কমিশন এমন ভাবে আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়িত করছে, যাতে কাজের কাজ কিছু না হয়। এরপরই প্রধান বিচারপতি নির্দেশ দেন, ২০১৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে যে পরিমাণ কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবহার করা হয়েছিল (সেবার এসেছিল ৮২০ কোম্পানি), এবার তার থেকে বেশি বাহিনী নির্বাচনের কাজে মোতায়েন করতে হবে। নির্দেশ কার্যকর করতে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল আদালত। যা মানতে বাধ্য হল কমিশন।এছাড়া কমিশনার রাজীব সিনহাকেও ওই দিনই ভর্ৎসনা করেছিলেন প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম। পর্যবেক্ষণে বলেছিলেন, আপনি (কমিশনার রাজীব সিনহা) চাপ নিতে না পারলে ছেড়ে দিন।এরপই বুধবার রাতে কড়া পদক্ষেপ করেন রাজ্যপাল। রাজ্য নির্বাচন কমিশনার পদে রাজীব সিনহা যোগ দেওয়ার পর তাঁর জয়েনিং রিপোর্ট গ্রহণ করেননি সি ভি আনন্দ বোস। এদিও ফের কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অনৃতা সিনহা সমালোচনা করেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের। বৃহস্পতিবার দুপুরেও নিজের প্রতিক্রিয়ার মাধ্যমে কমিশনারের পাশে থাকারই বার্তা দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জানান, কমিশনার পদ খেরে রাজীবকে সরাতে হলে ইমপিচমেন্ট পদ্ধতির প্রয়োগ প্রয়োজন। পাল্টা রাজ্যপাল বলেন, কমিশনারের কাজে বাংলার মানুষ হতাশ।

জুন ২২, ২০২৩
রাজনীতি

ভাঙড়ে মনোনয়ন ঘিরে ধুন্ধুমার, মুড়ি-মুরকির মত বোমাবাজি, এখনও ভোট বাকি

পঞ্চায়েত ভোটের মনোনয়ন জমার চতুর্থ দিনেও বাংলায় হিংসা ছড়াল। মঙ্গলবারও উত্তপ্ত হল ভাঙড়। আইএসএফ প্রার্থীর মনোনয়ন জমাকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়েছে ভাঙড়-২ ব্লকে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে মনোনয়ন জমা না দিতে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন আইএসএফ কর্মীরা। প্রতিরোধ করলেই উভয় দলের সংঘর্ষ বেঁধে যায়। এদিকে আরাবুল ইসলামের ছেলের গাড়ির ড্যাস বোর্ডে মিলেছে তাজা বোমা।এর মধ্যেই বোমাবাজি শুরু হয় ভাঙড়ের ২ ব্লক অফিসের এক কিলোমিটারের মধ্যে। বিজয়গঞ্জ বাজারের কাছে মাঠ এলাকায় মুড়ি-মুরকির মত বোমা পড়তে থাকে। পুলিশকে লক্ষ্য করে বোমাবাজি, হয়। ছোড়া হয় ইট-পাথর। ফলে শুরুর দিকে পিছু হঠতে থাকে পুলিশ। এর মিনিট পাঁচেক পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সক্রিয় হয় পুলিশ বাহিনী। ছোড়া হয় কাঁদানে গ্যাসের সেল। আহত হয়েছেন এক এসআই।স্থানীয়দের দাবি, সাত রাউন্ড গুলি চলেছে।। অশান্তি এড়াতে মনোনয়ন কেন্দ্রের এক কিলোমিটারের মধ্যে ১৪৪ ধারা জারি করেছে কমিশন। কিন্তু তাতে বিশেষ লাভ হয়নি তা সোমবার থেকে একাধিক হিংসার ঘটনাতেই স্পষ্ট। প্রশ্ন হচ্ছে, কীভাবে বিডিও অফিসের কাছে মনোনয়নের সময় প্রচুর মানুষ জড়ো হলেন হলেন তা নিয়েই। ভাঙড়ে অশান্তির খবর সামনে আসতেই কমিশনকে জেলা শাসককে ফোন করে দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা।ভাঙড়ের বিধায়ক নওসাদ সিদ্দিকি বলেছেন, আইএসএফ প্রার্থীদের মনোনময় ঠেকাতেই এই কাজ করছে তৃণমূলের গুন্ডারা। সকালেই আমি পুলিশকে ফোন করে সতর্ক করেছিলাম। কিন্তু, পুলিশ পদক্ষেপ করেনি। তাই যা হওয়ার তাই হচ্ছে। পুরোটাই নির্বাচন কমিশনকে জানানো হবে বলে জানান নওসাদ। পাল্টা তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লার দাবি, সকাল থেকেই এলাকা অশান্ত করে তুলেছে আইএসএফ। বোমাবাজিতে তৃণমূল কর্মীরা আক্রান্ত হচ্ছেন। যথেচ্ছভাবে তাদের গাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়েছে।মনোনয়নপত্র তোলাকে কেন্দ্র করে সোমবার থেকেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল ভাঙড়। দফায় দফায় বিক্ষিপ্ত অশান্তি চলে রাতভরই। ভোর হতেই শুরু হয় বোমাবাজি। আইএসএফ বিধায়ক নওসাদ সিদ্দিকির নেতৃত্বে মঙ্গলবার পঞ্চায়েত ভোটের মনোনয়ন জমা দেওয়ার কথা আইএসএফ প্রার্থীদের। সেই নিয়ে যাতে কোনওরকম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয় তার জন্য সকাল থেকে রাস্তায় নেমে টহল দিচ্ছিল কাশিপুর থানা এবং বারুইপুর থানার পুলিশ। ছিল ব়্যাফ। ভাঙড়ের অতিরিক্ত ডিএসপি মহিদুল্লা এবং বারুইপুরের ডিএসপি শঙ্কর চ্যাটার্জীও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু ঠেকানো গেল না হিংসা।

জুন ১৩, ২০২৩
রাজনীতি

মুখ্যমন্ত্রী হলে কি রাতারাতি আশ্চর্যসাধন করবেন বিজেপি নেতা অভিনেতা মিঠুন? ঘোষণা করে কি বললেন 'মহাগুরু'?

রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ভয়ঙ্কর অভিযোগ মিঠুন চক্রবর্তীর। শুধু অভিযোগ করেই ক্ষান্ত হননি মিঠুন, মুখ্যমন্ত্রী হলে কি করবেন তা-ও ঘোষণা করেছেন। শুক্রবার সল্টলেকের ইজেডসিসি-তে বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তী বলেন, এ রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বলে কিছু অবশিষ্ট নেই। আইএএস, আইপিএস, স্কুল, কলেজ, সরকারি অফিস, যেখানেই হাত দেবেন, দুর্নীতি বাসা বেঁধেছে। পুরো সিস্টেমটা নষ্ট হয়ে গিয়েছে। কোনও ২-৪ জন নেতাকে গ্রেফতার করলে কিছু হবে না। কারণ একজন দুজনের কাজ এটা নয়। সবাই দুর্নীতিগ্রস্ত।জাতীয় পুরস্কার প্রাপক অভিনেতা তথা একসময়ের তৃণমূল সাংসদের মন্তব্যের পর রেরে করে উঠেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ টুইটে লিখেছেন, মিঠুন চক্রবর্তী সারদার টাকা নিয়েছেন, অ্যালকেমিস্ট চিট ফান্ডের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাস্যাডর। আরও একাধিক বিতর্কে জড়িত। গ্রেফতারি এড়াতে @MamataOfficial-র দেওয়া রাজ্যসভার এম পি পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে বেইমানি বিজেপির কথা বলা পুতুল হয়েছেন। এখন তিনি বাংলাকে অপমান করছেন, কুৎসা করছেন। উল্লেখ্য সারদা চিটফাণ্ড কেলেঙ্কারিতে দীর্ঘ দিন জেলবন্দি ছিলেন তৎকালীন তৃণমূল সাংসদ কুণাল ঘোষ।এরপরই একসময়ের যুবকদের হার্টথ্রব মিঠুনের দাবি, আমায় মুখ্যমন্ত্রী করে দিলে ৬ মাসের মধ্যে গোটা সিস্টেম বদলে দেব। পশ্চিমবঙ্গ আর এই পশ্চিমবঙ্গ থাকবে না। কোনও প্রজন্মকে শেষ করতে গেলে আগে শিক্ষাকে শেষ করো। এই মুহূর্তে রাজ্যের কোনও ভবিষ্যৎ দেখতে পাই না। রাজ্যের ভবিষ্যৎ নিরাপদ করতে গেলে পরিবর্তন করতে হবে। সেটা ঠিক করবে মানুষ। আর যদি রাজনৈতিক দল বলতে বলেন, তাহলে আমি বলব বিজেপি।রাজ্যের বুদ্ধিজীবীদের নীরবতা নিয়েও মিঠুন চক্রবর্তীর তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। তিনি বলেন, বাংলায় যখনই কোনও ঘটনা ঘটেছে আমরা কিন্তু জেগেছি। তার প্রতিবাদ করেছি। কিন্তু এখন আমরা প্রতিবাদ করতে ভুলে গিয়েছি। কারণ, যারা প্রতিবাদের সামনে থাকেন তাদের আত্মা বিক্রি হয়ে গেছে। তাদের আত্মা মরে গেছে কি না জানি না। মরে গেলে আর জাগবে না। পড়াশুনো করা লোকেদের আবার কী আবেদন করব? তারা তো সব জেনে শুনে করছেন।

জুন ০২, ২০২৩
রাজ্য

তৃণমূলের চক্করে কংগ্রেস ফের বিধানসভায় শূন্য, বিশ্বাসে বিশ্বাসঘাতকাতায় ক্ষুব্ধ হাত শিবির

নতুন করে শুরু করেও শূন্যই থেকে গেল কংগ্রেস। তিন মাসেই পাল্টি। সাগরদিঘির কংগ্রেস বিধায়ক এখন ঘাসফুল শিবিরে। এই ঘটনায় রাজ্য-রাজনীতি উত্তাল হয়ে ওঠে। তৃণমূলের নবজোয়ারে মুর্শিদাবাদ থেকে একেবারে ঘাটালে গিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের যোগ দিয়েছেন বায়রন। দলবদলু বিধায়কের বক্তব্য, তিনি একসময় তৃণমূলেই ছিলেন। তাঁর জয়ে কংগ্রেসের কোনও ভূমিকা ছিল না। রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীর প্রতিক্রিয়া, এক মাসে শীত যায় না।২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে বাম-কংগ্রেস জোট করে নির্বাচনে লড়াই করলেও একটি আসনও পায়নি। বিধানসভায় এই দুই দলের কোনও প্রতিনিধি ছিল না। সাগরদিঘি উপনির্বাচনে বামেদের সমর্থনে বিপুল ভোটে জয়লাভ করে কংগ্রেস প্রার্থী বায়রন বিশ্বাস। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন বায়রন। তখনই অনেকে সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন। কিন্তু এত তাড়াতাড়ি তৃণমূল যোগ দেবেন তা স্বপ্নেও ভাবেনি রাজ্য কংগ্রেসের নেতৃত্ব। এর ফলে বিধানসভায় কংগ্রেসের আর খাতা খোলা হল না। একা বিধায়ক হওয়ায় দলবদল আইনের কোপেও পড়তে হবে না। বিধানসভায় তৃণমূল বেঞ্চেই বসতে পারবেন বায়রন। রাজনৈতিক মহলের মতে, এর ফলে বাম-কংগ্রেস জোট এরাজ্যে ধাক্কা খেতে পারে। কীভাবে মানুষ বিশ্বাস করবে এই জোটকও? এই প্রশ্নও ঘুরপাক খাচ্ছে। পাশাপাশি বিধায়ক ভাঙানোর খেলা চলছে অর্থাৎ বিরোধী পক্ষ থাকবে না, এই নীতির সমালোচনা করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। ভবিষ্যৎ রাজনীতি বুঝিয়ে দেবে দলবদলুদের কি হাল হতে পারে।

মে ২৯, ২০২৩
রাজনীতি

কর্নাটকে পদ্ম জলে, বিপুল আসন নিয়ে কুর্সি ধরল হাত

কর্নাটক বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি কংগ্রেসের অর্ধেক আসনেও জয় পেল না। কংগ্রেসের ঝড়ে উড়ে গিয়েছে পদ্ম। জেডিএসও কোনওরকমে ধরে রেখেছে নিজেদের অস্তিত্ব। মোদ্দা কথা কর্নাটকে হেরে বিজেপি আপাতত দক্ষিণ ভারত থেকে বিদায় নিল। লোকসভা নির্বাচনের আগে মনোবল বাড়ল হাতশিবিরের।কর্নাটক বিধানসভা ইতিমধ্যে ১৩৫টি কেন্দ্রে জয়ী হয়েছে কংগ্রেস। ১টি আসনে এগিয়ে আছে। অর্থাৎ মোট ১৩৬টি আসন পেতে চলেছে রাহুল গান্ধির দল। কংগ্রেস এবার আগের থেকে ৫৬টি আসন বেশি পেয়েছে। অন্য়দিকে বিজেপি মোট ৬৫টি আসন পেয়েছে বিজেপি। গতবারের থেকে ৩৯টি আসন কম পেয়েছে। জেডিএস ১৯টি আসন পাচ্ছে, অন্য়দের দখলে যেতে চলেছে ৪টি আসন।জেডিএস গত বিধানসভা নির্বাচনের থেকে ১৮টি আসন কম পেয়েছে। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধি এই জয়ের জন্য কর্নাটকের মানুষকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। এই জয়কে ভালবাসার জয় বলে আখ্য়া দিয়েছেন রাহুল। রাহুলের কথায়, ঘৃনার বাজার বন্ধ হল ভালবাসার দোকান খুলল কর্নাটকে। বিজেপির হয়ে একাধিক জনসভা ও রোডশো করেছেন নরেন্দ্র মোদি। তা কাজে লাগেনি দক্ষিণের ওই রাজ্য়ে। কর্নাটক জয়ের জন্য কংগ্রেসকে ধন্যবাদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

মে ১৩, ২০২৩
দেশ

এক্সিট পোল কি বলছে কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচনে? কে এগিয়ে বিজেপি না কংগ্রেস?

কর্নাটকে কে আসবে ক্ষমতায়, বিজেপি না কংগ্রেস? নাকি ত্রিশঙ্কু হবে বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল। ভোট মিটতেই রীতিমতো গবেষণা শুরু হয়ে গিয়েছে। একাধিক সংস্থা এদিন এক্সিট পোলে আগাম ফলাফল প্রকাশ করেছে। কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ত্রিশঙ্কু বিধানসভা হলে জেডিএসই তখন হবে সরকার গঠনের চাবিকাঠি। ২০১৮ -তে কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ব্যাপক আসন নিয়ে সরকার গঠন করবে বলে বেশিরভাগ নিউজ চ্যানেলন এক্সিট পোল প্রকাশ করেছিল। কিন্তু বাস্তবে বিজেপি বা কংগ্রেস কেউই একক সংখ্যাগড়িষ্ঠতা পায়নি। সামনের বছর লোকসভা নির্বাচন। তাই এবারের বিধানসভা নির্বাচন তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ফল খারাপ হলে ক্ষমতাসীন বিজেপিরও চাপ বাড়বে। কংগ্রেস আসনে এগিয়ে থাকলে তাঁদের মনোবল বাড়বে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।এবার কোনও কোনও কেন্দ্রে বিজেপি, কংগ্রেস এবং জেডি(এস)-এর মধ্যেও তুমুল লড়াই হবে বলে মনে করা হচ্ছে। টাইমস নাও-ইটিজি এক্সিজ পোলে বলছে, বিজেপি ৮৫, কংগ্রেস ১১৩, জেডি (এস) ২৩ আসনে পেতে পারে। ইন্ডিয়া টুডে-অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়ার এক্সিট পোল অনুযায়ী কংগ্রেসের কপালে জুটতে পারে ১২২-১৪০ আসন। বিজেপির ৬২-৮০ আসন ও জেডি (এস) পেতে পারে ২০-২৫ আসন। অন্যান্যরা পেতে পারে ০-৩টি আসন। এবিপি-সি-ভোটারের সমীক্ষাতেও এগিয়ে কংগ্রেস। তাঁদের সমীক্ষা হল, কংগ্রেস ১০০-১১২, বিজেপি ৮৩-৯৫, জেডি (এস) ২১-২৯, অন্যান্য ২-৬।জি নিউজ-ম্যাট্রিজও এগিয়ে রেখেছে হাতশিবিরকে। ওদের সমীক্ষা অনুযায়ী কংগ্রেস ১০৩-১১৮, বিজেপি ৭৯-৯৪, জেডি (এস) ২৫-৩৩, অন্যান্য ২-৫। TV9 ভারতবর্ষ-পোলস্ট্রেট-এর সমীক্ষা নিম্নরূপ- কংগ্রেস ৯৯-১০৯, বিজেপি ৮৮-৯৮, জেডি (এস) ২১-২৬, অন্যান্য ০-৪। জন কি বাতের এক্সিটপোলও বলছে কংগ্রেস পেতে পারে ৯১-১০৬, বিজেপি ৯৪-১১৭, জেডি (এস) ১৪-২৪, অন্যান্য ০-২। এখন দেখার বিষয় বাস্তব ফল কি হয়, কোন সংস্থার এক্সিট পোল মেলে।

মে ১০, ২০২৩
রাজনীতি

কংগ্রেস নেতা আইনজীবী কৌস্তভ বাগচি জামিন পেলেন

জামিন পেলেন কংগ্রেস নেতা আইনজীবী কৌস্তভ বাগচি। শুক্রবার গভীর রাতে ব্যারাকপুরে কৌস্তভের বাড়িতে ঢোকে বড়তলা থানার পুলিশ। শনিবার সকাল ৮টায় তাঁকে গ্রেফতার করে। দুপুরে ব্যাঙ্কশাল আদালতে কৌস্তভকে তোলা হয়। প্রায় ১০০ জন আইনজীবী কৌস্তভের হয়ে সওয়াল করেন। কৌস্তভের গ্রেফতার নিয়ে প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছে শুধু কংগ্রেস-বামেরা নয়, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী থেকে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ। দীপক ঘোষের লেখা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পর্কিত বই নিয়ে উদ্ধৃতি দিয়েছিলেন কৌস্তভ। পড়ার জন্য আবেদন করেছিলেন তিনি। কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরীর ব্যক্তিগত বিষয়ে মমতা মন্তব্য করায় কৌস্তভ দীপক ঘোষের বইয়ের কথা বলে পাল্টা প্রতিবাদ করেছেন।

মার্চ ০৪, ২০২৩
রাজ্য

কংগ্রেস নেতা আইনজীবী কৌস্তভ গ্রেফতার, পথে নামছে দল

গ্রেফতার করা হল কংগ্রেসের আইনজীবী নেতা কৌস্তভ বাগচিকে। শনিবার ভোররাতে কৌস্তভের ব্যারাকপুরের বাড়িতে পৌঁছে যায় কলকাতা পুলিশ। তার আগে চলে ব্যাপক তল্লাশি। জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় কৌস্তভকে। রাজ্য কংগ্রেস মুখপাত্রকে গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়া হয় বড়তলা থানায়। গ্রেফতারের সময় কৌস্তভ দাবি করেন, হয়রানি করতেই এই গ্রেফতারি। মুখ্যমন্ত্রী ভয় পেয়েছেন। গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়ার সময় বড়তলা থানার পুলিশের সঙ্গে তুমুল কথা কাটাকাটি হয় কংগ্রেসের আইনজীবী এই নেতার। সাগরদিঘি উপ-নির্বাচনে জয়ী হয়েছে কংগ্রেস প্রার্থী বায়রন বিশ্বাস। তারপরই প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরীকে আক্রমণ শানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অধীর চৌধুরীর মেয়ে ও গাড়িচালকের মৃত্যু নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারই পাল্টা সংবাদ মাধ্যমে বলেন কৌস্তভ বাগচি। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে অবসরপ্রাপ্ত আইএএস অফিসার দীপক ঘোষের লেখা বইয়ের কপি ছড়িয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় কংগ্রেস। ওই বইয়ের কথা তুলে ধরে মুখ্যমন্ত্রীর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন কৌস্তভ। এরপরেই শুক্রবার ভোররাতে কংগ্রেসের এই যুব নেতার ব্যারাকপুরের বাড়িতে পৌঁছে যায় বটতলা থানার পুলিশ। সকাল ৮ টা নাগাদ গ্রেফতার করা হয় কৌস্তভ বাগচিকে। ইতিমধ্যে বড়তলা থানায় বিক্ষোভ দেখিয়েছে কংগ্রেস। বৃহত্তর আন্দোলনের পথে পা বাড়ানোর ঘোষণা করেছেন রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী।

মার্চ ০৪, ২০২৩
রাজনীতি

সাগরদিঘিতে কি উলোটপূরাণ? ২১ হাজার ভোটে এগিয়ে কংগ্রেস প্রার্থী

২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনের পর কোনও উপনির্বাচনে তৃণমূল ছাড়া কোনও বিরোধী দল এগিয়ে থাকেনি। এই প্রথম সাগরদিঘি বিধানসভা কেন্দ্রে প্রথম রাউন্ডের গণনাতেই ৫১৫ ভোটে এগিয়ে গিয়েছিল কংগ্রেস প্রার্থী। এখন এগিয়ে ২১ হাজার ভোটে। এখানে বামেদের সমর্থনে লড়াই করছে কংগ্রেস। এই বিধানসভা কেন্দ্রে ২০১১, ২০১৬ ও ২০২১ নির্বাচনে জয় পেয়েছিল তৃণমূল প্রার্থী সুব্রত সাহা। তাঁর অকাল প্রয়াণে এখানে ভোট হয়েছে। গত বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস ৫০ হাজারের বেশি রেকর্ড ভোটে জয়ী হয়েছিল। যদিও ২০১১ বিধনসভা নির্বাচনে নামমাত্র ভোটে জয় পেয়েছিল তৃণমূল। ২০১৬-তে খুব বেশি জয়ের মার্জিন ছিল না। তবে এবার কংগ্রেস প্রার্থী বায়রন বিশ্বাস এই কেন্দ্র থেকে জয় পেলে বিধানসভায় খরা কাটবে হাত শিবিরের। তবে এখনও গণনা অনেকটা বাকি রয়েছে। এখনই ফলাফল বলা যায় না।

মার্চ ০২, ২০২৩
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

শেষ কি আমেরিকার দাপট? আইএমএফ রিপোর্টে চমক, মুখ খুললেন এলন মাস্ক

বিশ্ব অর্থনীতিতে আমেরিকার একছত্র আধিপত্য কি শেষের পথে? সদ্য প্রকাশিত আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের রিপোর্ট সামনে আসার পর তেমনই ইঙ্গিত মিলছে। আর সেই রিপোর্ট দেখেই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করলেন ধনকুবের এলন মাস্ক। তাঁর মতে, বিশ্ব অর্থনীতিতে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলাতে শুরু করেছে।আইএমএফ তাদের সাম্প্রতিক রিপোর্টে ২০২৬ সালে গোটা বিশ্বের সম্ভাব্য আর্থিক প্রবৃদ্ধির হিসাব তুলে ধরেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, বিশ্বের মোট আর্থিক বৃদ্ধিতে আমেরিকাকে ছাপিয়ে গিয়েছে ভারত। বিশ্ব জিডিপিতে ভারতের অংশীদারিত্ব হতে চলেছে প্রায় ১৭ শতাংশ। সেই তুলনায় আমেরিকার অবদান মাত্র ৯.৯ শতাংশ। ফলে তালিকায় তৃতীয় স্থানে নেমে গিয়েছে ডলারের দেশ।এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে চিন। বিশ্ব জিডিপিতে চিনের অংশীদারিত্ব হতে চলেছে ২৬.৬ শতাংশ। অর্থাৎ প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে এশিয়ার দুই দেশ চিন এবং ভারত। একসঙ্গে এই দুই দেশের আর্থিক যোগদান দাঁড়াচ্ছে ৪৩.৬ শতাংশ। অর্থাৎ গোটা বিশ্বের প্রায় অর্ধেক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র এখন এশিয়ায়।আইএমএফের রিপোর্টে আরও দেখা গিয়েছে, এই তালিকায় রয়েছে ইন্দোনেশিয়া, সৌদি আরব, তুরস্ক, ভিয়েতনাম, ব্রাজিল, নাইজেরিয়া, জার্মানির মতো দেশগুলিও। তবে ইউরোপ এবং আমেরিকার তুলনায় এশিয়ার দেশগুলির প্রভাব যে দ্রুত বাড়ছে, তা স্পষ্ট।এই রিপোর্ট সোশাল মিডিয়ায় তুলে ধরেই এলন মাস্ক লেখেন, অবশেষে বিশ্বে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলাচ্ছে। তাঁর এই মন্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ব অর্থনীতির কেন্দ্র ছিল আমেরিকা ও ইউরোপ। কিন্তু এখন সেই জায়গা দখল করছে চিন ও ভারত।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এলন মাস্কের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন আমেরিকার কড়া শুল্কনীতি এবং কূটনৈতিক সিদ্ধান্তের জেরে বিশ্ব অর্থনীতি অস্থির। চিন ও ভারতের উপর সবচেয়ে বেশি শুল্ক আরোপ করেছে আমেরিকা। অথচ আইএমএফের রিপোর্ট বলছে, আগামী দিনে বিশ্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি হতে চলেছে এই দুই দেশই।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
বিদেশ

মেঝেতে কিশোরী, উপর ঝুঁকে প্রিন্স অ্যান্ড্রু! এপস্টেইন ফাইলসে ফাঁস চাঞ্চল্যকর ছবি

মেঝেতে শুয়ে রয়েছে এক কিশোরী। তাঁর উপর ঝুঁকে পড়ে আছেন ব্রিটেনের প্রাক্তন যুবরাজ প্রিন্স অ্যান্ড্রু। এপস্টেইন ফাইলসের সদ্য প্রকাশিত নথিতে এই ছবি সামনে আসতেই নতুন করে শোরগোল শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে। বহুদিন ধরেই যৌন কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে অ্যান্ড্রুর সম্পর্ক নিয়ে বিতর্ক চলছিল। এ বার সেই বিতর্ক আরও তীব্র হল নতুন ছবি ও তথ্য প্রকাশ্যে আসায়।এপস্টেইন ফাইলস ঘিরে সামনে এসেছে ব্রিটেনের রাজপরিবারের নামও। গত বছরই জানা যায়, যৌন অপরাধে অভিযুক্ত জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল প্রিন্স অ্যান্ড্রুর। সেই ঘটনার পর ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লস নিজের ছোট ভাই অ্যান্ড্রুর সমস্ত রাজকীয় উপাধি, সম্মান এবং সরকারি সুযোগ-সুবিধা কেড়ে নেন। রাজপরিবার থেকে কার্যত বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয় তাঁকে।এই পরিস্থিতিতেই গত শুক্রবার এপস্টেইন সংক্রান্ত নথির নতুন একটি অংশ প্রকাশ্যে আসে। সেখানে একাধিক ছবিতে দেখা যাচ্ছে, এক অজ্ঞাত পরিচয়ের কিশোরী মাটিতে শুয়ে রয়েছেন। তাঁর পাশে এবং উপর ঝুঁকে আছেন প্রিন্স অ্যান্ড্রু। একটি ছবিতে দেখা যায়, কিশোরীর পেটের উপর হাত রেখেছেন তিনি। তবে ওই কিশোরী কে, ছবিগুলি কোথায় এবং কবে তোলা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।শুধু ছবি নয়, এই নথিতে উঠে এসেছে আরও কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গিয়েছে, ২০১০ সালে জেফ্রি এপস্টেইন ও প্রিন্স অ্যান্ড্রুর মধ্যে ইমেলে যোগাযোগ হয়েছিল। সেই ইমেলে এপস্টেইন অ্যান্ড্রুকে লেখেন, তাঁর এক রুশ বান্ধবী রয়েছে, যিনি ২০ থেকে ২৪ তারিখের মধ্যে লন্ডনে থাকবেন। এপস্টেইনের দাবি ছিল, ওই মহিলার সঙ্গে নৈশভোজ অ্যান্ড্রু উপভোগ করবেন। তবে এই রহস্যময়ী রুশ মহিলার সঙ্গে প্রিন্স অ্যান্ড্রুর আদৌ কখনও দেখা হয়েছিল কি না, তা এখনও জানা যায়নি।নতুন করে সামনে আসা এই নথি ও ছবিকে ঘিরে ফের প্রশ্নের মুখে পড়েছেন ব্রিটেনের প্রাক্তন যুবরাজ। এপস্টেইন কাণ্ডে তাঁর ভূমিকা নিয়ে তদন্ত এবং বিতর্ক যে এখনও শেষ হয়নি, তা আরও একবার স্পষ্ট হয়ে উঠল।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
রাজ্য

তৃণমূলের মিছিলে ভাতারে বিধায়কের বিরুদ্ধে চোর চোর স্লোগান, মুচকি হাসি বিরোধীদের

বিধানসভা ভোটের আগে প্রার্থী হওয়ার দাবিদারের লড়াই চরমে উঠেছে। ভাতারের তৃণমূল কংগ্রেসের মিছিলে চোর চোর স্লোগান উঠলো। তবে এই চোর চোর স্লোগান বিজেপির বিরুদ্ধে ছিল না। ভাতারের তৃণমূল নেতৃত্বের একাংশের বিরুদ্ধেই এই চোর চোর স্লোগান উঠেছে মুহূর্মুহু। এই মিছিলে নেতৃত্ব দেন ভাতারের প্রবীণ তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন বিধায়ক বনমালী হাজরা। ভাতারের এই মিছিলে স্লোগান ওঠে, মানু চোর, শান্তনু চোর। কেন তাঁদের চোর বলা হচ্ছে? মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, পঞ্চায়েত সমিতি থেকে গ্রামপঞ্চায়েত, সর্বত্র লক্ষ লক্ষ টাকা দুর্নীতি হচ্ছে। লুঠপাট চলছে। পকেট ভরছে নেতারা। তাদের দাবি, মানগোবিন্দ অধিকারীকে আর যেন বিধায়কপদের টিকিট না দেওয়া হয়। প্রার্থী করতে হবে বনমালী হাজরাকে।সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে বিধায়ক পদের টিকিট পাওয়া নিয়ে তৃণমূলের মধ্যে দড়ি টানাটানি চলছে। কে হবেন বিধানসভার প্রার্থী, এখন সেই প্রতিযোগিতা চলছে। বর্ধমান জেলার প্রায় প্রতিটি জায়গায় দলের তরফে দুই পক্ষের মিছিল হয়। বর্ধমানে কখনও বিধায়ক খোকন দাসের নেতৃত্বের মিছিল হয়, আবার কখনও কাউন্সিলর রাসবিহারী হালদারের নেতৃত্বে পৃথক মিছিল হয়। ভাতারেও সেই অবস্থা চলছে। সেখানে একাংশ চাইছে মানু অধিকারী নয়, বনমালী হাজরাকে তৃণমূল প্রার্থী করুক। তবে তৃণমূলের মিছিলেই নেতৃত্বের বিরুদ্ধে চোর চোর স্লোগানে মুচকি হাসছে বিরোধী শিবির।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
বিদেশ

রক্তে ভাসল পাকিস্তান! একযোগে জঙ্গি হামলায় মৃত ১২০ ছাড়াল

পরপর গুলির শব্দ, তার পর একের পর এক বিস্ফোরণ। শনিবার ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় কেঁপে উঠল পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ। এখনও পর্যন্ত অন্তত ১২০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়ছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।হামলা শুধু গুলি ও বোমাতেই সীমাবদ্ধ ছিল না। সন্ত্রাসীরা কারাগারেও হামলা চালায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের মাস্তুং জেলার একটি জেল ভেঙে প্রায় ৩০ জনেরও বেশি বন্দিকে পালাতে সাহায্য করেছে তারা। একই সঙ্গে নুস্কি জেলার আধাসামরিক বাহিনীর দফতরেও হামলা চালানো হয়। এই হামলায় একাধিক নিরাপত্তারক্ষী আহত হয়েছেন। এখনও পর্যন্ত অন্তত ১৪ জন নিরাপত্তাকর্মীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই ভয়াবহ হামলার ঘটনাগুলি ঘটেছে বালোচিস্তানে। গত কয়েক মাস ধরেই এই এলাকায় পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ বাড়ছে। দফায় দফায় সশস্ত্র হামলা চালাচ্ছে বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠন। শনিবারও একযোগে একাধিক জায়গায় হামলা চালানো হয়। এখনও পর্যন্ত কোনও সংগঠন প্রকাশ্যে এই হামলার দায় স্বীকার করেনি।আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, কোয়েটা, গোদার, মাস্তুং, নুস্কি, দালবানদিন এবং পাঞ্জগুর-সহ বালোচিস্তানের একাধিক জেলায় একসঙ্গে হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। হামলার পরই পাল্টা অভিযানে নামে পাকিস্তানের সেনা। সংবাদপত্র দ্য গার্ডিয়ান-এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, টানা ৪৮ ঘণ্টা ধরে সন্ত্রাসদমন অভিযান চালিয়ে এখনও পর্যন্ত ১৩৩ জনের বেশি জঙ্গিকে খতম করেছে পাক সেনা। শুধু শনিবারেই নিহত হয়েছে অন্তত ৯২ জন সন্ত্রাসী।যদিও এই হামলার দায় বালোচ লিবারেশন আর্মি এখনও স্বীকার করেনি, তবে হামলার দিনেই একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে ওই সংগঠন। সেই ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, পাকিস্তান সরকার ও সেনার বিরুদ্ধে সংঘর্ষে বন্দুক হাতে অংশ নিচ্ছেন মহিলারাও। এই ছবি নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
কলকাতা

ভুল নাকি অপরাধ? গোমাংস কাণ্ডে অলি পাবের ক্ষমা চাওয়ায় প্রশ্ন

সায়ক চক্রবর্তীর গোমাংস বিতর্কে অবশেষে মুখ খুলল পার্ক স্ট্রিটের জনপ্রিয় রেস্তরাঁ অলি পাব। পাঁঠার মাংসের বদলে গোমাংস পরিবেশনের অভিযোগে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করার দায়ে গত চব্বিশ ঘণ্টায় তীব্র বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে এই ঐতিহ্যবাহী পাব। রবিবার সোশাল মিডিয়ায় একটি বিবৃতি জারি করে রেস্তরাঁর তরফে জানানো হয়েছে, এটি একটি অনিচ্ছাকৃত ভুল। এই ঘটনার জন্য তারা আন্তরিকভাবে দুঃখিত।অলি পাবের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ৩০ জানুয়ারি রাতে রেস্তরাঁর এক কর্মী ভুলবশত একটি গুরুতর ভুল করে ফেলেন। কারও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার কোনও উদ্দেশ্য ছিল না। ওই কর্মীর ভুলের জন্য রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষ ক্ষমা চেয়েছে এবং জানিয়েছে, অনিচ্ছাকৃতভাবে ক্রেতার ভাবাবেগে আঘাত লাগায় তারা গভীরভাবে দুঃখিত।এদিকে সায়ক চক্রবর্তীর করা অভিযোগের ভিত্তিতে শনিবার পুলিশ অলি পাবের বেয়ারা শেখ নাসির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। এই গ্রেপ্তারি ঘিরে শহরজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। একাংশ ওই কর্মীর পাশে দাঁড়ান, আবার অনেকে সেলেব ইনফ্লুয়েন্সারের বিরুদ্ধে রেস্তরাঁর ভাবমূর্তি নষ্ট করার অভিযোগ তোলেন। সোশাল মিডিয়ায় প্রশ্ন উঠতে থাকে, ভুল খাবার পরিবেশন করা কি অপরাধ, না কি কর্মীর ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে বিষয়টিকে অন্য খাতে বইয়ে দেওয়া হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে অলি পাবের তরফে জানানো হয়, জাতি, ধর্ম বা বর্ণ নির্বিশেষে সকলের প্রতি সম্মানের ভিত্তিতেই রেস্তরাঁটি পরিচালিত হয়। আট দশকের ঐতিহ্য নিয়ে তারা গর্বিত বলেও জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে রেস্তরাঁর সমস্ত কর্মী ও সহযোগীদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার বার্তাও দেওয়া হয়।এর মাঝেই গুজব ছড়ায় যে এই ঘটনার জেরে অলি পাব বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সেই খবরে বহু নিয়মিত অতিথির মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। তবে রবিবারের বিবৃতিতে রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয়, অলি পাব বন্ধ হচ্ছে না। বরং এই কঠিন সময়ে যাঁরা পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আগের মতোই পরিষেবা চালিয়ে যাওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।এদিকে শুক্রবার রাতে ঠিক কী ঘটেছিল, তা নিয়ে পরপর ফেসবুক লাইভে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেছিলেন সায়ক চক্রবর্তী। যদিও বর্তমানে সেই পোস্টগুলি আর পাওয়া যাচ্ছে না। জানা গিয়েছে, সেদিন রাতে সায়ক তাঁর দুই বন্ধু অনন্যা গুহ ও সুকান্ত কুণ্ডুর সঙ্গে অলি পাব যান। তাঁরা মাটন স্টেক অর্ডার করেছিলেন। খাবার পরিবেশনের পর প্রথমে খিদের চোটে বিষয়টি বুঝতে পারেননি তাঁরা। পরে টেবিলে আরও একটি স্টেক আসতেই সন্দেহ হয়।সায়কের দাবি, তাঁরা একটি মাত্র স্টেক অর্ডার করেছিলেন। কিন্তু বেয়ারা জানান, দুটি স্টেক অর্ডার করা হয়েছেএকটি মাটন এবং একটি বিফ। তখনই সায়ক প্রতিবাদ করেন। তাঁর কথায়, অজান্তে গরুর মাংস খাওয়ায় তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। বচসার মধ্যেই বেয়ারা স্বীকার করেন যে তিনি ভুল করেছেন। বিষয়টি নিয়ে রেস্তরাঁর মধ্যেই উত্তেজনা ছড়ায়। পরে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন সায়ক। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শনিবার ওই বেয়ারাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
কলকাতা

গোমাংস বিতর্কে ইউটার্ন! বেয়ারার বিরুদ্ধে এফআইআর প্রত্যাহার সায়কের

রবিবার সোশাল মিডিয়ায় বিবৃতি জারি করে অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়েছে পার্ক স্ট্রিটের জনপ্রিয় রেস্তরাঁ অলি পাব। তাদের বক্তব্যে জানানো হয়েছে, কোনও ক্রেতার ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার উদ্দেশ্য তাদের ছিল না। এই ক্ষমা প্রার্থনার কিছুক্ষণের মধ্যেই রেস্তরাঁ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগ প্রত্যাহার করে নিলেন অভিনেতা ও ইনফ্লুয়েন্সার সায়ক চক্রবর্তী।অলি পাবের বিবৃতি প্রকাশের পরই সায়ক সোশাল মিডিয়ায় জানান, তিনি জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দেন। তাঁর কথায়, তিনি জনগণের উপর নির্ভরশীল এবং মানুষ যা বলবেন, সেটাই তিনি মেনে নেবেন। সেই মন্তব্যের পরই প্রশ্ন উঠেছে, তবে কি চাপের মুখেই নিজের অবস্থান বদল করলেন অভিনেতা।গত ২৪ ঘণ্টায় গোমাংস বিতর্ক ঘিরে তীব্র আলোচনার সৃষ্টি হয় সোশাল মিডিয়ায়। ঘটনার সূত্রপাত একটি ভ্লগকে কেন্দ্র করে। সেই ভ্লগে রেস্তরাঁর এক বেয়ারার ধর্মীয় পরিচয় উল্লেখ করে মন্তব্য করায় সমালোচনার মুখে পড়েন সায়ক। পরে অলি পাব এবং ওই কর্মীর বিরুদ্ধে পার্ক স্ট্রিট থানায় এফআইআর দায়ের করেন তিনি। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শনিবার সকালে গ্রেপ্তার হন রেস্তরাঁর কর্মী শেখ নাসির উদ্দিন। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ২৯৯ ধারায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়। আদালতে তোলা হলেও শনিবার তিনি জামিন পাননি বলে খবর।এদিকে শনিবার রাতেই সায়কের বিরুদ্ধেও পার্ক স্ট্রিট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন নাট্যব্যক্তিত্ব জয়রাজ ভট্টাচার্য। তাঁর অভিযোগ ছিল, সায়কের বক্তব্য থেকে দাঙ্গায় উসকানি দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে ওঠার মধ্যেই রবিবার অলি পাব প্রকাশ্যে ক্ষমা চায়। তার পরই সায়ক নিজে থেকে অভিযোগ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেন।সায়ক চক্রবর্তী তাঁর পোস্টে লেখেন, অলি পাব শেষ পর্যন্ত ক্ষমা চেয়েছে, তাই নতুন করে কোনও গল্প বানানোর প্রয়োজন নেই। তিনি স্বীকার করেন, রাগের মাথায় থানায় গিয়েছিলেন এবং সেই সময় তাঁর মাথা ঠিক ছিল না। তিনি জানান, তিনি কোনওদিন গোমাংস খাননি এবং ভবিষ্যতে আরও সতর্ক থাকবেন। অলি পাব ও সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে করা অভিযোগ তিনি প্রত্যাহার করছেন বলেও স্পষ্ট করে দেন।অভিনেতা আরও লেখেন, রেস্তরাঁর ভুল নিয়ে তাঁর সমস্যা ছিল, কিন্তু তাঁর প্রতিক্রিয়াও হয়তো ভুল ছিল। সে জন্য তিনি দুঃখিত। ভবিষ্যতে ভ্লগ বা ইনস্টাগ্রাম কনটেন্ট বানাতে গিয়ে এই ধরনের বিতর্কে জড়াতে চান না বলেও জানান তিনি। তাঁর বক্তব্যে তিনি বলেন, তাঁর হিন্দু-মুসলিম কোনও সমস্যা নেই। তিনি কেবল নিজের কিছু ব্যক্তিগত আচার মেনে চলতে চান। তাঁর কনটেন্ট আগেও মানুষের মধ্যে ঐক্যের কথা বলেছে, ভবিষ্যতেও বলবে। পুরো ঘটনায় অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য আবারও দুঃখপ্রকাশ করেন সায়ক।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
দেশ

বাজেট ২০২৬–এ পশ্চিমবঙ্গের প্রাপ্তি: মেট্রোতে জোরালো বিনিয়োগ, গতি পাচ্ছে ফ্রেট করিডর

কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬২৭-এ পশ্চিমবঙ্গের পরিকাঠামো উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিল কেন্দ্র সরকার। বিশেষ করে কলকাতা ও সংলগ্ন অঞ্চলের মেট্রো রেল প্রকল্পে অতিরিক্ত বিনিয়োগ এবং রাজ্যের শিল্প ও বাণিজ্য সম্ভাবনাকে চাঙ্গা করতে ফ্রেট করিডর সম্প্রসারণে বরাদ্দএই দুই ক্ষেত্রেই উল্লেখযোগ্য প্রাপ্তি হয়েছে রাজ্যের।মেট্রো রেলে গতি, শহুরে যাত্রায় স্বস্তির আশ্বাসবাজেটে কলকাতা মেট্রোর একাধিক চলমান ও প্রস্তাবিত প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। নিউ গড়িয়াএয়ারপোর্ট মেট্রো, জোকাএসপ্ল্যানেড লাইন এবং ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো করিডরের কাজ দ্রুত শেষ করার লক্ষ্যে অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।কেন্দ্রের দাবি, এই বিনিয়োগের ফলে শহরের যানজট কমবে, যাত্রার সময় বাঁচবে এবং পরিবেশবান্ধব গণপরিবহণ আরও জনপ্রিয় হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মেট্রো নেটওয়ার্ক সম্প্রসারিত হলে কলকাতার পাশাপাশি হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও উত্তর ২৪ পরগনার যাত্রীদেরও সরাসরি উপকার হবে।কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬২৭-এ কলকাতা মেট্রো সম্প্রসারণে ফের বড়সড় বিনিয়োগের ঘোষণা করল কেন্দ্র সরকার। শহর ও শহরতলির গণপরিবহণকে আরও গতিশীল করতে অরেঞ্জ লাইন, পার্পল লাইন ও গ্রিন লাইনের জন্য মোট ২,১৪১.১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এই বরাদ্দকে পূর্ব ভারতের অন্যতম বৃহৎ শহুরে পরিবহণ বিনিয়োগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।অরেঞ্জ লাইন: বিমানবন্দরের সঙ্গে সরাসরি সংযোগে জোরনিউ গড়িয়ানেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সংযোগকারী অরেঞ্জ লাইনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৭০৫.৫০ কোটি টাকা। এই অর্থ মূলত ভায়াডাক্ট নির্মাণ, স্টেশন অবকাঠামো, সিগন্যালিং ও বৈদ্যুতিক ব্যবস্থার কাজে ব্যবহার করা হবে। প্রকল্পটি সম্পূর্ণ হলে দক্ষিণ কলকাতা ও সল্টলেক-নিউ টাউনের সঙ্গে বিমানবন্দরের যাত্রা অনেকটাই সহজ হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।পার্পল লাইন: জোকাএসপ্ল্যানেডে শহর-উপশহর সেতুবন্ধনজোকাএসপ্ল্যানেড পার্পল লাইনের জন্য সর্বাধিক বরাদ্দ৯০৬.৬০ কোটি টাকা। এই লাইনের মাধ্যমে দক্ষিণ-পশ্চিম কলকাতার বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্রথমবারের মতো মেট্রো নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হবে। বাজেট বরাদ্দের বড় অংশ যাবে এলিভেটেড স্টেশন নির্মাণ, রোলিং স্টক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নে। কেন্দ্রের দাবি, এই লাইনের কাজ দ্রুত শেষ হলে শহরের দক্ষিণ প্রান্তের যাত্রীদের দৈনন্দিন যাতায়াতে বড় স্বস্তি মিলবে।গ্রিন লাইন: পূর্ব-পশ্চিম মেট্রোতে গতি ফেরানোর চেষ্টাপূর্ব-পশ্চিম মেট্রো করিডর বা গ্রিন লাইনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৫২৯.০০ কোটি টাকা। হাওড়া ময়দান থেকে সল্টলেক সেক্টর-৫ পর্যন্ত এই লাইন কলকাতার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইস্ট-ওয়েস্ট করিডর হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ। নতুন বরাদ্দের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ অংশের প্রযুক্তিগত কাজ, স্টেশন ফিনিশিং ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।শহুরে পরিবহণে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবপরিবহণ বিশেষজ্ঞদের মতে, এই তিনটি লাইনে বিনিয়োগ শুধু যাত্রী সুবিধা বাড়াবে না, বরং যানজট ও দূষণ কমাতেও বড় ভূমিকা নেবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও শহরের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আনবে এই মেট্রো প্রকল্পগুলি।সব মিলিয়ে, বাজেট ২০২৬২৭-এ অরেঞ্জ, পার্পল ও গ্রিন লাইনের জন্য ঘোষিত বরাদ্দ কলকাতা মেট্রোকে নতুন মাত্রা দিতে চলেছে বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।ফ্রেট করিডর: শিল্প ও বাণিজ্যের নতুন দিগন্তবাজেট ২০২৬-এ পূর্ব ভারতের শিল্প সম্ভাবনাকে সামনে রেখে ইস্টার্ন ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডর (EDFC)-এর সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের সংযোগ আরও শক্ত করার ঘোষণা করা হয়েছে। রাজ্যের শিল্পাঞ্চল, বন্দর ও লজিস্টিক হাবগুলিকে এই করিডরের সঙ্গে যুক্ত করতে অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।বিশেষ করে হলদিয়া বন্দর, দুর্গাপুরআসানসোল শিল্পাঞ্চল এবং কলকাতা বন্দরের সঙ্গে দ্রুত মাল পরিবহণের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। এর ফলে পরিবহণ খরচ কমবে, শিল্পে বিনিয়োগ বাড়বে এবং রাজ্যে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক তাৎপর্যবিশ্লেষকদের মতে, এই বাজেট বরাদ্দ শুধু পরিকাঠামো উন্নয়ন নয়, বরং পূর্ব ভারতের প্রবৃদ্ধিতে পশ্চিমবঙ্গকে কেন্দ্রীয় ভূমিকায় আনার ইঙ্গিতও দিচ্ছে। যদিও রাজ্য সরকার আরও বেশি বরাদ্দের দাবি তুলতে পারে, তবু মেট্রো ও ফ্রেট করিডরএই দুই ক্ষেত্রে ঘোষণাকে রাজ্যের অর্থনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক বলেই মনে করছে বিভিন্ন মহল।সব মিলিয়ে, বাজেট ২০২৬এ পশ্চিমবঙ্গের জন্য মেট্রো রেল ও ফ্রেট করিডর সংক্রান্ত বিনিয়োগ রাজ্যের শহুরে জীবনযাত্রা ও শিল্প-বাণিজ্যে নতুন গতি আনতে পারে বলেই আশা।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
দেশ

প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির ফাঁকে কেন্দ্রের বাজেট: স্বস্তি সীমিত, হতাশা বিস্তৃত

রবিবার সংসদে ২০২৬২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। টানা নবমবার বাজেট বক্তৃতা করলেন তিনি। নরেন্দ্র মোদী তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এটি তাঁর সরকারের তৃতীয় পূর্ণাঙ্গ বাজেট। তবে বাজেট বক্তৃতা শেষ হতেই স্পষ্টপ্রত্যাশার পাহাড়ের তুলনায় প্রাপ্তি অনেকটাই খর্ব।বাজেট পেশের আগেই ব্যয় বরাদ্দ ও করছাড় ঘিরে সাধারণ মানুষ থেকে শিল্পমহলসর্বত্র উত্তেজনা ছিল তুঙ্গে। রবিবার সকাল ১১টা নাগাদ সংসদে ভাষণ শুরু করেন অর্থমন্ত্রী। তার আগে প্রথামাফিক রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। কিন্তু বাজেট ঘোষণার পর ক্রমশ স্পষ্ট হয়, বড় কোনও চমক নেই।বিশেষ করে রাজ্যভিত্তিক বরাদ্দের ক্ষেত্রে বাংলা কার্যত ব্রাত্য। পরিকাঠামো, শিল্প বা বিশেষ প্রকল্পকোনও ক্ষেত্রেই রাজ্যের জন্য উল্লেখযোগ্য ঘোষণা শোনা যায়নি। করদাতাদের ক্ষেত্রেও হতাশা চোখে পড়ার মতো। আয়কর কাঠামোয় তেমন কোনও বড় পরিবর্তন বা অতিরিক্ত ছাড় ঘোষণা হয়নি।তবে সম্পূর্ণ হতাশার ছবি নয়। কিছু পণ্যে শুল্ক কমানোর ফলে দৈনন্দিন জীবনে সীমিত হলেও স্বস্তি মিলতে পারে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, বিমানের যন্ত্রাংশে শুল্ক কমানো হবে। এর ফলে বিমান সংক্রান্ত খরচ কমার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে মাইক্রোওভেনের যন্ত্রাংশ-সহ বেশ কিছু বৈদ্যুতিন পণ্যের উপর শুল্ক হ্রাস করা হয়েছে, যা বাজারদরে প্রভাব ফেলতে পারে।স্বাস্থ্যক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ঘোষণা হিসেবে ১৭টি ক্যানসারের ওষুধে আমদানি শুল্ক কমানো হয়েছে। পাশাপাশি ডায়াবেটিসের কিছু ওষুধও সস্তা হতে চলেছে। এতে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা খরচ কিছুটা কমবে বলেই আশা।পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও শুল্কছাড়ের ঘোষণা করা হয়েছে। বৈদ্যুতিন গাড়ির ব্যাটারি এবং সৌরশক্তিচালিত প্যানেলের দাম কমতে পারে। মোবাইল ফোন তৈরির কাঁচামালের উপর শুল্ক কমানোয় দেশীয় স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট সস্তা হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।চামড়াশিল্পকে উৎসাহ দিতে নির্দিষ্ট কিছু পণ্যে শুল্কমুক্ত আমদানির প্রস্তাব রাখা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আমেরিকার উচ্চ শুল্কের চাপে থাকা চামড়া রফতানিকারকদের জন্য এটি কিছুটা স্বস্তির খবর। পাশাপাশি বিদেশে পড়াশোনা ও ভ্রমণের খরচ কমার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।অন্যদিকে, স্বস্তির পাশাপাশি চাপও বাড়ছে কিছু ক্ষেত্রে। বিলাসবহুল ঘড়ি এবং বিদেশি মদের উপর কর বাড়ানো হয়েছে। ফলে এই সব পণ্যের দাম আরও ঊর্ধ্বমুখী হবে। কফি রোস্টিং ও ব্রিউইং মেশিনে ছাড় তুলে নেওয়ায় সেগুলিও আরও ব্যয়বহুল হতে পারে। পাশাপাশি কিছু সার, আমদানিকৃত টেলিভিশন সরঞ্জাম, ক্যামেরা এবং চিত্রগ্রহণ সংক্রান্ত যন্ত্রাংশের দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।বাজেট বক্তৃতাজুড়ে আত্মনির্ভর ভারত ও বিকশিত ভারত-এর কথা বারবার উঠে এসেছে। অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার এবং ভোক্তাদের স্বস্তি দেওয়ার দাবি করেছে কেন্দ্র। কিন্তু অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, বাস্তবে এই বাজেটে এমন কোনও যুগান্তকারী ঘোষণা নেই, যা সাধারণ মানুষের জীবনে বড় পরিবর্তন আনবে।সব মিলিয়ে, ২০২৬২৭ সালের কেন্দ্রীয় বাজেট সীমিত স্বস্তি দিলেও বৃহত্তর প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থএই মূল্যায়নই এখন ক্রমশ জোরালো হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal