• ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩, মঙ্গলবার ২১ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Coach

খেলার দুনিয়া

মোহনবাগানের নতুন কোচের প্রথম হুঁশিয়ারি! ডার্বি নিয়ে এমন বার্তা দিতেই উত্তেজনায় ফুটবল মহল

সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে মোহনবাগানের নতুন প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিলেন প্যানাজিওটিস ডিলম্পেরিস। এক বছরের চুক্তিতে সবুজ-মেরুন শিবিরে যোগ দিয়েছেন তিনি। গত দুই মরশুমে তিনি পাঞ্জাবের দায়িত্ব সামলেছেন। স্প্যানিশ কোচ সের্জিও লোবেরাকে বিদায় জানিয়ে নতুন কোচকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানিয়েছে মোহনবাগান। দায়িত্ব নিয়েই নতুন কোচ স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, তাঁর লক্ষ্য শুধু ভালো ফুটবল নয়, জয়ের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা।ফুটবল মহলে প্যানোস নামেই বেশি পরিচিত এই গ্রিক কোচ। আক্রমণাত্মক এবং গতিময় ফুটবল খেলাতে তিনি বিশ্বাসী। দীর্ঘদিন গ্রিসের বিভিন্ন প্রথম সারির ক্লাবে কাজ করার পর ভারতে এসে নিজের দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। বিদেশি ও তরুণ ফুটবলারদের সমন্বয়ে শক্তিশালী দল গড়ে তুলতে তিনি বিশেষ গুরুত্ব দেন।দায়িত্ব নেওয়ার পর প্যানাজিওটিস বলেন, আগামী মরশুমের আগে দলের মধ্যে শক্তিশালী বোঝাপড়া তৈরি করাই তাঁর প্রথম কাজ। শৃঙ্খলা, কঠোর পরিশ্রম এবং লড়াই করার মানসিকতা দিয়ে একটি ঐক্যবদ্ধ দল গড়ে তুলতে চান তিনি। মোহনবাগানের সমৃদ্ধ ইতিহাস এবং সমর্থকদের আবেগ সম্পর্কে তিনি আগে থেকেই জানতেন। সেই ঐতিহ্যের অংশ হওয়ার সুযোগ পাওয়াকে তিনি নিজের কাছে বড় সম্মান বলেও উল্লেখ করেছেন।নতুন কোচের কথায়, বড় ক্লাবের দায়িত্ব মানেই বড় প্রত্যাশা। মোহনবাগানের সমর্থকদের ভালোবাসা এবং আবেগই দলের সবচেয়ে বড় শক্তি। তাই প্রতিটি ম্যাচ জেতার লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামতে চান তিনি। কঠোর পরিশ্রম, পেশাদার মানসিকতা এবং ভালো পারফরম্যান্সের মাধ্যমে সমর্থকদের আস্থা অর্জনই হবে তাঁর প্রধান লক্ষ্য। পাশাপাশি ক্লাবের ট্রফি জয়ের ধারাও বজায় রাখতে চান বলে জানিয়েছেন তিনি।দায়িত্ব নেওয়ার কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই তাঁর সামনে বড় পরীক্ষা। আগামী পঁচিশ জুলাই ডুরান্ড প্রতিযোগিতায় চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে মোহনবাগান। কলকাতা ডার্বি নিয়ে প্যানাজিওটিস বলেন, বিশ্বের অন্যতম ঐতিহাসিক ফুটবল লড়াই এই ম্যাচ। এর গুরুত্ব তিনি ভালোভাবেই জানেন। তবে শুধু আবেগ নয়, সঠিক প্রস্তুতি, শৃঙ্খলা এবং আত্মবিশ্বাস নিয়েই ডার্বিতে নামবে তাঁর দল। প্রতিপক্ষকে সম্মান জানিয়েও সাহসী ফুটবল খেলে জয়ের লক্ষ্যেই মাঠে নামবে মোহনবাগান।নতুন কোচের এই আত্মবিশ্বাসী বার্তা প্রকাশ্যে আসতেই সবুজ-মেরুন সমর্থকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস আরও বেড়েছে। এখন সকলের নজর আসন্ন ডার্বি এবং নতুন কোচের হাত ধরে মোহনবাগানের নতুন অধ্যায়ের দিকে।

জুলাই ০৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপ চলাকালীনই ছাঁটাই কোচ! ফুটবল ইতিহাসে নজির গড়ে লজ্জার রেকর্ড

বিশ্বকাপের মঞ্চে এমন ঘটনা আগে দেখা যায়নি। প্রতিযোগিতা চলাকালীনই কোচকে সরিয়ে দিয়ে নতুন নজির গড়ল তিউনিশিয়া। প্রথম ম্যাচে বড় ব্যবধানে হারের পর কোচ সাব্রি লামৌচিকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এর ফলে বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রতিযোগিতা চলাকালীন চাকরি হারানো প্রথম কোচ হিসেবে নাম লিখিয়ে ফেললেন তিনি।সাব্রি লামৌচি চলতি বছরের জানুয়ারিতে তিউনিশিয়ার দায়িত্ব নিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁর অধীনে দলের পারফরম্যান্স নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই প্রশ্ন উঠছিল। বিশ্বকাপের আগে প্রস্তুতি ম্যাচে শক্তিশালী বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে বড় ব্যবধানে হারতে হয়েছিল দলকে। সেই ব্যর্থতার রেশ কাটার আগেই বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে সুইডেনের কাছে একের বিরুদ্ধে পাঁচ গোলে পরাজিত হয় তিউনিশিয়া।এই ফলাফলের পরই কোচ পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয় দেশের ফুটবল কর্তৃপক্ষ। যদিও এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি। নতুন কোচ কে হবেন, সেই বিষয়েও স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি।এর আগে তিউনিশিয়ার ফুটবল মহলে ড্রেসিংরুমের পরিবেশ নিয়েও নানা আলোচনা চলছিল। কয়েকজন ক্রীড়া সাংবাদিক দাবি করেছিলেন, দলের উপর কোচের নিয়ন্ত্রণ দুর্বল হয়ে পড়েছে। যদিও সেই অভিযোগ প্রকাশ্যে অস্বীকার করেছিলেন সাব্রি। তবে শেষ পর্যন্ত দলের খারাপ ফলাফল তাঁর অবস্থান আরও দুর্বল করে দেয়।এদিকে ম্যাচে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছে সুইডেন। দলের হয়ে জোড়া গোল করেন ইয়াসিন আয়ারি। বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, তাঁর পরিবারের শিকড় তিউনিশিয়ায়। সেই কারণেই গোল করার পর তাঁকে খুব বেশি উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে দেখা যায়নি।সুইডেনের জয়ের পথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন আলেকজান্ডার ইসাক এবং ভিক্টর গিয়োকেরেসও। দুজনেই একটি করে গোল করেন এবং আক্রমণভাগে দাপট দেখান। দলের অন্য গোলটি করেন ম্যাথিয়াস ভ্যানবার্গ। তিউনিশিয়ার হয়ে একমাত্র গোলটি করেন ওমর রেরিক।প্রথম ম্যাচেই বড় ব্যবধানে হারের ফলে তিউনিশিয়ার বিশ্বকাপ অভিযান কঠিন হয়ে উঠেছে। তার মধ্যেই কোচ পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত দলকে কতটা সাহায্য করবে, এখন সেটাই দেখার।

জুন ১৫, ২০২৬
দেশ

এসি কামরায় আগুনের লেলিহান শিখা, মাঝরাতে ট্রেন থামিয়ে প্রাণ বাঁচানোর লড়াই

চলন্ত দূরপাল্লার ট্রেনের এসি কামরায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। পুড়ে ছাই হয়ে গেল পরপর দুটি কোচ। এই ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে এক যাত্রীর। সোমবার ভোরে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনার কথা জানায় রেলমন্ত্রক। জানা গিয়েছে, ঝাড়খণ্ডের টাটানগর থেকে কেরলের এর্নাকুলামগামী এক্সপ্রেস ট্রেনটি বড় দুর্ঘটনার মুখে পড়ে অন্ধ্র প্রদেশের আনাকাপালি জেলার কাছে।ঘটনাটি ঘটে গভীর রাতে। তখন রাত প্রায় ১টা। নিজের গতিতে ছুটে চলছিল এর্নাকুলামগামী ট্রেনটি। হঠাৎই চালকের নজরে আসে একটি কোচ থেকে আগুনের শিখা উঠছে এবং তা পাশের কোচের দিকে ছড়িয়ে পড়ছে। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে সঙ্গে সঙ্গে ট্রেন থামিয়ে দেন চালক। দ্রুত যাত্রীদের নামিয়ে আনা হয় এবং আগুন লাগা কোচগুলি থেকে উদ্ধার শুরু হয়।রেল আধিকারিকদের মতে, আগুন লাগা কোচে মোট ৮২ জন যাত্রী ছিলেন। পাশের কোচে ছিলেন আরও ৭৬ জন। প্রায় সকলকেই নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও একজন যাত্রীকে বাঁচানো যায়নি। আগুনে ঝলসে মৃত্যু হয় চন্দ্রশেখর সুন্দরম নামে এক যাত্রীর।রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রথমে ট্রেনের বি১ এসি কোচে আগুন লাগে। সেখান থেকে দ্রুত তা বি২ কোচে ছড়িয়ে পড়ে। আগুন যাতে গোটা ট্রেনে ছড়িয়ে না পড়ে, সে কারণে এম১ কোচ থেকে আগুন লাগা অংশ আলাদা করে দেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্তের ফলে বড়সড় বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে মনে করছেন আধিকারিকরা।ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল বাহিনী। চারটি দমকল ইঞ্জিনের তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। তবে ততক্ষণে দুটি এসি কোচ সম্পূর্ণভাবে পুড়ে ছাই হয়ে যায়।এই অগ্নিকাণ্ড কীভাবে ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। রেলমন্ত্রক জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২৫
রাজ্য

যাত্রীদের কষ্টের দিন শেষ, শীঘ্রই শিয়ালদহ মেইন সেকশনে সমস্ত ১২ কোচের লোকাল ট্রেন

শিয়ালদহ মেইন ও নর্থ সেকশনে সমস্ত EMU লোকালগুলিকে ১২ কোচের করার জন্য শিয়ালদহ মেইনের সাবার্বান প্লাটফর্মগুলি অর্থাৎ ১ থেকে ৫ নং প্লাটফর্মের দৈর্ঘবৃদ্ধির কাজ জোরকদমে এগিয়ে চলেছে। শিয়ালদহ স্টেশনের ইয়ার্ডের জটিলতা সত্ত্বেও চ্যালেঞ্জগুলি কাটিয়ে, ডেডিকেটেড প্রজেক্ট টিম 24X7 অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছে নির্দিষ্ট যাতে সময়সীমার মধ্যে কাজ সম্পন্ন করা যায়। নতুন ট্র্যাক, বৈদ্যুতিক লাইন ইত্যাদি স্থাপনের কাজ সহ এমন একটি বিশাল প্রকল্প সম্পন্ন করার জন্য সুবিন্যস্ত পরিকল্পনা এবং সুস্পষ্ট সমন্বয় গুরুত্বপূর্ণ। এই নতুন লে আউটে ইলেকট্রিক ট্রাকশনের বন্দোবস্ত এবং সিগন্যালিং মডিফিকেশনের কাজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ধৈর্যসাপেক্ষ ব্যাপার। ট্রেন চলাচল চালু রেখে এসমস্ত কাজ করা যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং এবং দক্ষ রেলকর্মীরা এই বাধা অতিক্রম করে এগিয়ে চলেছেন। গ্রীষ্মের ভয়ঙ্কর তাপপ্রবাহ সত্ত্বেও, নিবেদিত প্রজেক্ট টিম বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে উঠছে এবং ওভারহেড বৈদ্যুতিক তার এবং সিগন্যালিং সরঞ্জামগুলির জন্য নতুন খুঁটি স্থাপন করা হচ্ছে। নিরাপত্তা বৃদ্ধি এবং নতুন পরিকাঠামোর নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করার জন্য এই কাজটি নির্ভুলতার সাথে করা হচ্ছে। দিনের যাত্রী চলাচলে ব্যাঘাত কমাতে এবং ধুলা দূষণ কমাতে রাতে নির্মাণ কাজ চালানো হচ্ছে।যাত্রীদের অসুবিধা কমানোর জন্য, দিনের বেলায় যাত্রীদের চলাচলের সুবিধার্থে প্ল্যাটফর্ম ১,২,৩ এবং ৪ এর কাছে অতিরিক্ত অস্থায়ী এক্সেস রুট খোলা হয়েছে।প্রতি রাতেই রেলসেবা নিবৃত্তির পরেই পূর্বরেলের কর্মীরা কোমর বেঁধে কাজে নেমে পড়ছেন কারণ ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে প্রথম ট্রেন চলার আগেই কাজ শেষ করতে হবে যাতে যাত্রীসাধারণ কোনওরকম অসুবিধার সম্মুখীন না হন। শিয়ালদহের সমস্ত সংশ্লিষ্ট বিভাগই প্রত্যেকে প্রত্যেকের বিভাগীয় কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে নিয়ে চলতে বদ্ধপরিকর যাতে খুব শীঘ্রই শিয়ালদহ মেইন এবং নর্থ এর সমস্ত লোকাল ট্রেনই ১২ বগির করে তোলা যায়। প্রকল্পটি শিয়ালদহে সামগ্রিক পরিচালন নমনীয়তা এবং যাত্রীদের সুবিধা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৪
খেলার দুনিয়া

শিশু ও যুব সমাজকে মোবাইলের আসক্তি থেকে মুক্ত করে মাঠমুখী করতে গঙ্গারামপুরে শুরু হল ফুটবল কোচিং ক্যাম্প

গভীর সমস্যায় জর্জরিত শিশু ও যুব সমাজ। নানাবিধ নেশার সাথে সাথে ভয়ঙ্কর গ্রাস করছে মোবাইল ব্যবহারের অস্বাভাবিক প্রবণতা। মোবাইল আসক্ত এইসমস্ত শিশু ও যুবাদের মুলস্রোতে ফিরিয়ে আনার লক্ষে এবং তাদের এই মোবাইলের আসক্তি থেকে মুক্ত করতে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর স্টেডিয়ামে ফুটবল কোচিং ক্যাম্প শুরু করল প্রিমিয়ার ইন্ডিয়ান ফিউচারিস্টিক ফুটবল অ্যাকাডেমি।বর্তমানে প্রায় ৩০ জন কচিকাঁচাদের নিয়ে ফুটবল কোচিং শুরু হয়। উল্লেখ্য, বর্তমান সময় শিশু ও যুবসমাজ মোবাইলের প্রতি আসক্ত। আর যে কারণে শিশু ও যুব সমাজের মানসিক বিকাশ ঘটার রাস্তায় বাধা হয়ে দাড়াচ্ছে এই মোবাইলে প্রতি আসক্তি। তাই তাদের কথা মাথায় রেখে শারীরিক চর্চা ও ফুটবল কোচিংয়ের মধ্য দিয়ে সেই মোবাইলে আসক্তি থেকে মুক্ত দিতেই এই প্রয়াস প্রিমিয়ার ইন্ডিয়ান ফিউচারিস্টিক ফুটবল অ্যাকাডেমির।এই বিষয়ে প্রিমিয়ার ইন্ডিয়ান ফিউচারিস্টিক ফুটবল অ্যাকাডেমি একাডেমীর কর্মকর্তা প্রাক্তন ফুটবলার সুবীর বল বলেন, বর্তমান সময় একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে শিশু ও যুব সমাজের মোবাইলের প্রতি আসক্তি, তারা শারীরিক চর্চা থেকে ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছে এবং যার ফলে মানসিক বিকাশ ঘটতে দেরি হচ্ছে। তাই তাদের শারীরিক চর্চা মুখি করতে এই ফুটবল চর্চার আয়োজন। তিনি আরো জানান, ভারতীয় ফুটবলের সাপ্লাই লাইন তৈরি-ই তাঁদের এই একাডেমী করার মূল লক্ষ। তিনি বলেন, ইতিমধ্যেই তাঁরা বর্ধমান শহরে দু - দুটি ফুটবল একাডেমী চালু করেছেন এবং সেখানে বাচ্ছাদের উৎসাহও চোখে পড়ার মত।এই বিষয়ে এক অভিভাবক অজিত দাস জানান, বাচ্চারা বর্তমানে হাতে মোবাইল পেয়ে তার প্রতি আসক্ত হচ্ছে যার ফলে খেলা থেকে দুরে সরে যাচ্ছে। শারীরিক চর্চার কথা মাথায় রেখে গঙ্গারামপুর স্টেডিয়ামে ফুটবল কোচিং ক্যাম্প শুরু হওয়ায় আমরা খুশি। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর শহরের স্টেডিয়ামে ফুটবল কোচিং ক্যাম্পের শুরু হওয়ায় ও এমন একটি উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন গঙ্গারামপুর সহ জেলার শুভবুদ্ধি সম্পন্ন মানুষরা।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২৪
খেলার দুনিয়া

ডার্বির আগে হতাশ লালহলুদ কোচ কনস্টানটাইন, চ্যালেঞ্জ নিচ্ছেন জুয়ান ফেরান্দো

ডার্বির আগে সমস্যায় ইমামি ইস্টবেঙ্গল। প্রস্তুতিতে ব্যাঘাত। দল নিয়ে অনুশীলনেই নামতে পারলেন না স্টিফেন কনস্টানটাইন। বাধা হয়ে দাঁড়াল বৃষ্টি। ঘন্টাখানেক অপেক্ষা করার পর ফুটবলারদের নিয়ে হোটেলে ফিরে গেলেন লালহলুদ কোচ।এদিন ক্লোজ ডোর অনুশীলনের পরিকল্পনা ছিল ইমামি ইস্টবেঙ্গল কোচ স্টিফেন কনস্টানটাইনের। কিন্তু অনুশীলন শুরুর আগে প্রবল বৃষ্টি। ফলে পরিকল্পনায় ব্যাঘাত। ডুরান্ড কাপে দুদুটি ম্যাচ খেলা হয়ে গেছে তাঁর দলের। এখনও জয়ের মুখ দেখেনি ইমামি ইস্টবেঙ্গল। প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য ডার্বিতে জেতা ছাড়া রাস্তা নেই। কিন্তু শক্তিশালী এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে লালহলুদ ব্রিগেড কতটা জ্বলে উঠতে পারে, সেটাই দেখার।শক্তির বিচারে জুয়ান ফেরান্দোর এটিকে মোহনবাগান অনেকটাই এগিয়ে। ইমামি ইস্টবেঙ্গলের মতো এখনও জয় পায়নি সবুজমেরুণ শিবির। পয়েন্টের বিচারে লালহলুদের চেয়ে পিছিয়ে রয়েছে। এই অবস্থায় ডার্বি ম্যাচ চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিচ্ছেন বাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। ডার্বিতে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, ডার্বির আবেগ সম্পর্কে আমি ওয়াকিবহাল। আমি এই ম্যাচকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিচ্ছি। জয় ছাড়া কিছু ভাবছি না। অতীতের পরিসংখ্যানকে আমি কখনও গুরুত্ব দিই না। কে কটা ম্যাচ জিতেছে তার কোনও প্রভাব রবিবারের ম্যাচে পড়বে না। আমাদের লক্ষ্য হল তিন পয়েন্ট নিশ্চিত করা। আশা করি সেটাই হবে। ইমামি ইস্টবেঙ্গলের মুখোমুখি হওয়ার আগে তাঁর দল যে চাপে নেই, সেকথাও পরিস্কার করে দিয়েছেন ফেরান্দো। তিনি বলেন, ডার্বি নিয়ে কোনও চাপ নেই। শেষ দুটো ম্যাচে জিততে পারিনি বলে হতাশ হলেও চিন্তিত নই। গোলের সুযোগ কাজে লাগাতে পারলে জিততেও পারতাম। খারাপ খেললে বা গোলের সুযোগ তৈরি করতে না পারলে চাপ থাকত। একটা অনুশীলন ম্যাচ খেলে নেমে পড়েছি ডুরান্ডে। দল সবে তৈরি হয়েছে। কিছু ভুলত্রুটি হচ্ছে। আশা করছি ডার্বিতে সেটা হবে না।এদিকে, ডার্বির আগে অনুশীলনের সুযোগ না পেয়ে হতাশ ইমামি ইস্টবেঙ্গল কোচ স্টিফেন কনস্টানটাইন। তিনি বলেছেন, অনুশীলনটা খুবি জরুরি ছিল। এটা কঠিন ম্যাচ। আমরা অনেক দেরিতে প্রস্তুতি শুরু করেছি। উন্নতি করার অনেক জায়গা রয়েছে। আমরা এখনও ম্যাচ ফিট হওয়ার চেষ্টা করছি। সব ম্যাচেই আমরা সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করি। রবিবারের ম্যাচেও সেটাই করব। এই ম্যাচ আমাদের সামনে আরও একটা সুযোগ।আই লিগ ও আইএসএল মিলিয়ে শেষ পাঁচটি সাক্ষাতে এগিয়ে পালতৌলা নৌকা। ইস্টবেঙ্গল শেষবার মোহনবাগানকে হারিয়েছে ২০১৯ সালের ২৭ জানুয়ারি। করোনা অতিমারী পরিস্থিতিতে দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে হয়েছে আইএসএল ডার্বি। ২০২০ সালের ১৯ জানুয়ারির পর ফের যুবভারতীতে বসছে বড় ম্যাচের আসর। ডুরান্ড কাপে কলকাতার বড় ম্যাচে পারস্পরিক দ্বৈরথে লাল হলুদের জয় ৮টি ম্যাচে, ৬টিতে জিতেছে সবুজ মেরুন, পাঁচটি ড্র।

আগস্ট ২৭, ২০২২
কলকাতা

কোচিং সেন্টারের শিক্ষকের দ্বারা ধর্ষিতা ছাত্রীর আত্মহত্যার চেষ্টা, গ্রেফতার অভিযুক্ত শিক্ষক

নরেন্দ্রপুর থানার একটি কোচিং সেন্টারের এক ছাত্রীকে দিনের পর দিন ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন বলবীর সিং নামে এক কোচিং সেন্টারের মালিক কাম শিক্ষক। ঐ শিক্ষককে গ্রেপ্তার করলেন নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ। নরেন্দ্রপুর থানার লস্করপুর এলাকার সিং এন্ড শাও নামে ওই কোচিং সেন্টারের এক ছাত্রীর মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হলো বলবীর সিং নামে ওই শিক্ষককে।ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ স্পোকেন ইংলিশ শেখানোর জন্য নিজের খুশি মত সময়ে ওই ছাত্রীকে ডেকে পাঠাতেন। তারপরে ওই ছাত্রী কে দিনের পর দিন ধর্ষণ করতেন। কাউকে না জানানোর আবেদনের সঙ্গে ছিল খুনের হুমকি। লজ্জায়, ভয়ে, কাউকে বলতে না পেরে বাথরুমে আত্মহত্যার করার চেষ্টা করেন ওই নির্যাতিতা ছাত্রী টি। পরে মায়ের কাছে সমস্ত কথা খুলে বলায় নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশের দ্বারস্থ হন ওই ছাত্রীতির মা।মায়ের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ওই শিক্ষককে গ্রেফতার করেন নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ।

আগস্ট ২৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌মাঠে নেমে পড়লেন লক্ষ্মী, প্রথম দিনের অনুশীলনে অভিনবত্ব

কয়েকবছর ধরে ভাল খেলেও রনজিতে সাফল্য আসেনি। অরুণলালকে সরিয়ে এবছর বাংলা ক্রিকেট দলের দায়িত্ব লক্ষ্মীরতন শুক্লার হাতে তুলে দিয়েছেন সিএবি কর্তারা। রনজি জয়ের লক্ষ্যে বুধবার থেকে মাঠে নেমে পড়লেন বাংলার নবনিযুক্ত কোচ। সিএবির ইন্ডোর স্টেডিয়ামে ৬টি উইকেটে টানা ৬ ঘন্টা ধরে অভিমন্যু ঈশ্বরণদের নিয়ে পড়ে রইলেন লক্ষ্মীরতন শুক্লা, সৌরাশিস লাহিড়ী, শিবশঙ্কর পালরা।এই মরশুমের জন্য ৪১ জন ক্রিকেটারকে বেছে নিয়েছেন নির্বাচকরা। আপাতত তাঁদের নিয়েই প্রস্তুতি চলবে। প্রস্তুতি শিবিরে ডাক পাওয়া মনোজ তেওয়ারি, মহম্মদ সামি, মুকেশ কুমাররা প্রথম দিনের অনুশীলনে ছিলেন না। এদের কেউই শহরে নেই। অভিমন্যু ঈশ্বরণ, অনুষ্টুপ মজুমদাররা অবশ্য একসময়ের সতীর্থর অধীনে চুটিয়ে অনুশীলন করেন। ভেজা টেনিস বল ও প্লাস্টিকের বলে ব্যাটিং অনুশীলন চলে দীর্ঘক্ষণ। গত কয়েক মরশুম ধরে বাংলার মূল সমস্যা ব্যাটিং। ব্যাটারদের ধারাবাহিকতার দারুণ অভাব। সেদিকেই নজর দিতে চাইছেন লক্ষ্মী। তাই শুরু থেকেই অনুশীলনে অভিনবত্ব নিয়ে এসেছেন। প্রথম দিনের অনুশীলনে মূলত ব্যাটিংয়ের প্রাথমিক বিষয়গুলির অপর নজর দেন লক্ষ্মীরতন। ব্যাটারদের ব্যাকফুট ও ফ্রন্ট ফুটের ব্যবহার নিয়ে পরামর্শ দেন। এছাড়া হুক শট, সুইপ শটও অনুশীলন করান। কীভাবে বল ছাড়তে হবে, সেটাও নিজের হাতে দেখিয়ে দেন।প্রথম দিনের অনুশীলেন পর লক্ষ্মীরতন বলেন, ইন্ডোরে আজ আমরা অনুশীলন শুরু করলাম। প্রথম দিন মূলত ব্যাটিংয়ের বেসিক জিনিসের ওপর জোর দিয়েছি। প্লাসিক বলের পাশাপাশি ভেজা টেনিস বলেও অনুশীলন করিয়েছি। কীভাবে বল ছাড়তে হয় সেটাও দেখিয়েছি। বল ছাড়টা ব্যাটিংয়ের একটা শিল্প। নিজের নতুন দায়িত্ব প্রসঙ্গে লক্ষ্মী বলেন, এই দায়িত্বটা নতুন হলেও জায়গাটা পরিচিত। মনেই হচ্ছে না যে এই কাজটা আগে কখনও করিনি। যখন ছেলেদের অনুশীলন করাচ্ছিলাম, মনে হচ্ছিল আমি তো এখানেই ছিলাম। এখন শুধু প্রাথমিক ব্যাপারগুলোর দিকে জোর দিতে চাই।আপাতত এভাবেই অনুশীলন চলবে।এদিকে, বাংলার সিনিয়র দলের পাশাপাশি অনূর্ধ্ব ২৫ দলের জোরে বোলিং কোচ করা হল ময়দানের সুপরিচিত ম্যাকো শিবশঙ্কর পালকে।

আগস্ট ০৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

'অরুণের' প্রস্থানে বাংলার আবার 'লক্ষ্মী' লাভ, আশায় বুক বাঁধছেন ক্রীড়া প্রেমীরা

ভারতীয় ক্রিকেটে লক্ষ্মীরতন শুক্লা শুধুমাত্র একটা নাম নয়, লক্ষ্মীরতন শুক্লা একটি বিশ্বাস। যে বিশ্বাসের আশায় এখন দুলছে বাংলার ক্রিকেট। ৩০ রানে ৫ উইকেটে ধুঁকছে বাংলা, লক্ষ্মীর আগমনে সেই রান পৌছে গেলো ৩০০/৫। কিনান স্টেডিয়াম, ব্যাট হাতে বাংলার ক্রাইসিস ম্যান উল্টো দিকে বল হাতে তৎকালীন সময়ের ভারতের দ্রুততম পেস বোলার আশিস নেহেরা। লক্ষ্মীর ইনিংসের প্রথম বল মাঠের বাইরে। ছয় রান। লক্ষ্মী মানে আসাধ্যসাধন, লক্ষ্মী মানে আশ্বাস।বাংলা ক্রিকেটের আকাশে অরুণলাল অস্তমিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কোজাগরীর লক্ষ্মীর আবির্ভাব। ক্রীড়াপ্রেমী বাংলার মানুষের আশা, লক্ষ্মী কোজাগরী পূর্ণিমার রাতের ঝলমলে আকাশের মতো আলো ছড়িয়ে বাংলার ক্রিকেট ভাঁড়ারে বহু মূল্যবান রতন এনে দেবেন। ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অব বেঙ্গল (সিএবি) আগামী মরসুমে বাংলার সিনিয়র দলের কোচ হিসাবে লক্ষ্মীরতন শুক্লার নাম বিবেচনা করেছেন। ক্রিকেট ছাড়ার পর থেকেই তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে হাওড়ার ডুমুরজলাতে বিনা পারিশ্রমিকে বাচ্চাদের নিয়ে কোচিংয়ে মেতে ওঠেন। যাঁরা ব্যক্তিগত ভাবে তাঁকে চেনেন তাঁরা জানেন, লক্ষ্মী কি প্রচন্ড ফিটনেস ফ্রিক। নিত্যদিন জিমে ১-২ ঘণ্টা সময় কাটান নিজেকে ফিট রাখতে। অত্যাধুনিক কোচিং ম্যানুয়ালের সঙ্গে সুপরিচিত এরকম একজন মানুষকে বাংলা দল পাশে পেয়ে ভীষণ রকম উপকৃত হবে সে কথা বলাই বাহুল্য। এর আগে তিনি বাংলা অনুর্ধ ২৩ দলের দায়িত্ব সামলেছেন।লক্ষ্মী খেলার শেষে মাঠ থেকে সোজা বাড়িতে ফিরে এসে পরিবারের মানুষজন ও কিছু ঘনিষ্ট বন্ধুবান্ধবের সাথেই সময় কাটাতে বেশী পছন্দ করেন। তাঁর জীবনদর্শন গড়পড়তা পাঁচটা মানুষের থেকে আলাদা। তাঁর কথা একটা প্রতিবেদনে লিখে শেষ করা মুশকিল। তিনি মন্ত্রী থাকাকালীন যোগ্য ব্যক্তিদের স্যার সম্বোধন করতেন অবলীলায়। যা তাঁর শিক্ষা ও বংশপরিচয়ের প্রমান রাখে। ছোটোবেলায় দাদার সাথে সাইকেলের পিছনে বসে ব্লাউজের পিস বিক্রী করেছেন অভাবের সংসারের পাশে থাকতে, সে থেকেই হয়ত জন্ম নিয়েছে লড়াকু মানসিকতার, হার না মানা লক্ষ্মীর।উল্লেখ্য, লক্ষ্মী ২০১৬-তে বর্তমান শাসক দলের হয়ে ভোটে লড়ে হাওড়া উত্তর বিধানসভা থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হন। বিধায়ক হয়ে তিনি পশ্চিমবঙ্গের ক্রীড়া রাষ্ট্রমন্ত্রী দায়িত্ব পান। ২০২১-র ৫ জানুয়ারি লক্ষ্মী তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বান্দ্যপাধ্যায়কে চিঠি দিয়ে তিনি দল ও মন্ত্রিত্ব থেকে অব্যহতি চান। মমতা প্রেসকে জানান লক্ষ্মী খুব ভালো ছেলে, ও খেলায় মোনযোগ করতে চায়। বন্যরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে প্রবাদটির প্রতি সন্মান দিয়েই বোধহয় লক্ষ্মী মাঠে-ই ফিরে গেলেন। ঘাসফুল নয় তাঁকে টানছিল মাঠের সবুজ ঘাস। শাসক দলের বিধায়ক, মন্ত্রিত্ব...... হাজারো সুবিধা, প্রলোভন যে ছেলে অবলীলায় ছক্কা মেরে মাঠের বাইরে পাঠাতে পারে, মাঠ তো তাঁকে টেনে নেবেই। অভিষেক ডালমিয়া ও তাঁর সহকারীরা একেবারে সঠিক মানুষকেই বাংলার দায়িত্ব তুলে দিয়েছেন বলে বাংলার প্রাক্তনীরা জানাচ্ছেন।ভোটের প্রচারে লক্ষ্মীরতন শুক্লাতাঁর জীবনটাই এক লড়াই, স্কুল বেঙ্গল খেলায় জম্মুতে গিয়ে একপ্রকার জোর করে প্রথম দলে ঢুকে ম্যচ জেতানো ইনিংস উপহার দেওয়া। তাঁর নিজের প্রতি অগাধ বিশ্বাস তাঁকে অনেকটা সামনে নিয়ে গেছে। তাঁর এই অদম্য মনোভাবের পরিচয় তিনি রেখেছিলেন সে ছোটবেলা থেকেই। নদিয়ার গয়েসপুরে অনুর্ধ ১৬ স্কুল ডিস্ট্রিক্ট টুর্নামেন্টের ফাইনালে হুগলীর পাঁচ জন ব্যাটারকে রান আউট করে ম্যান অফ দা ম্যাচ হওয়া ক্রিকেটারের নাম লক্ষ্মীরতন শুক্লা। যাখনই যে দলে খেলেছেন সেই দলকে খাদের কিনারা থেকে তোলার দ্বায়িত্ব নেওয়া যেন তাঁর কাছে সহজাত ব্যাপার ছিল। তাঁর খেলা ফুটে উঠত দল খাদে পড়লেই। তাঁর কেরিয়ার অ্যানালিসিস করলে দেখা যাবে ৩০/৫ অবস্থায় নেমে লক্ষ্মী যে খেলা খেলেছেন, ৩৫০/৫ এ তাঁকে সেভাবে পাওয়া যাইনি।২০১১-১২-র মরসুমে বিজয় হাজারে ট্রফিতে সারা টুর্নামেন্ট জুড়ে অনবদ্য পারফরমেন্স করে বাংলাকে চাম্পিয়ন করেন। ফাইনালে মুম্বাইয়ের বিরুদ্ধে বল হাতে দুরন্ত পারফরমেন্সের (৯.২ - ১ - ৩৮ - ৪) পর ব্যাট করতে নেমে অনবদ্য অপরাজিত শতরান (১০৬) করেন। ফাইনালে সেরা খেলোয়াড়ও তিনিই নির্বাচিত হন লক্ষ্মী। মনে রাখতে হবে সেই দলে বাংলার আইকন সৌরভ গাঙ্গুলী, বর্তমান ভারতীয় দলের দ্রুততম পেস বোলার মহঃ শামি-ও ছিলেন।তাঁর খেলোয়াড় জীবনের মূল মন্ত্র ছিল মাঠে না নেমে হারবো না। এই মনোভাবটাই তিনি তাঁর সহ-খেলোয়াড়দের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে পেরেছিলেন। মুম্বাই ক্রিকেটে একটা কথা খুব চালু আছে খাড়ুশ, যার অর্থ হল উইকেটে পরে থাকো। বোলার তোমার উইকেটে অর্জন করুক, তুমি তাকে তোমার উইকেট বিসর্জন দিও না। লক্ষ্মী তাঁর সহ-খেলোয়াড়দের মধ্যে তাঁর মনোভাব তুমিও পারবে ছড়িয়ে দিতে সফল হয়েছিলেন, তাই বহু জুনিয়ার খেলোয়াড় আজও লক্ষ্মীকে মনে রেখেছে। কলকাতা ময়দানে বিভিন্ন বড় দলে খেলেও কোনও নির্দিষ্ট স্ট্যাম্প লাগতে দেননি তাঁর গায়ে। এক ক্যালেন্ডার ইয়ারে তিনি কালিঘাট ক্লাবকে পাঁচ মুকুট চাম্পিয়ান করেছিলেন।লক্ষ্মীর জন্ম হাওড়া শহরে ঘুশুড়ি এলাকায়। শুক্লা স্থানীয় ঘুশুড়ি শ্রী হনুমান জুট মিল হিন্দি হাই স্কুলে এবং ডন বস্কো হাই অ্যান্ড টেকনিক্যাল স্কুল, লিলুয়া থেকে পড়াশোনা করেন। তাকে স্থানীয় মানুষ জন ভালোবেসে বিট্টু নামে ডাকেন, শুক্লা বাংলা অনূর্ধ্ব-১৬ দলে প্রতিনিধিত্ব করেন। তিনি অনূর্ধ্ব-১৯ খেলায় উড়িষ্যা-র বিরুদ্ধে ব্যাট হাতে ৫৬ এবং ৫ উইকেট নিয়ে তাঁর আগমন জানান দিয়েছিলেন। এরপর তাঁকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। তিনি মাত্র ১৭ বছর বয়সে অনূর্ধ্ব-১৯ বাংলা খেলতে খেলতে, মহারাষ্ট্রের বিরুদ্ধে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক করেছিলেন সেই ম্যাচে ২৬ রান এবং ২টি উইকেট দখল করে তাঁর যোগ্যতার প্রতি সুবিচার করেন। পরের সিজিনে তিনি দলীপ ট্রফির জন্য নির্বাচিত হন।হার না মানা লক্ষ্মীরতন শুক্লাক্রিকেট বিশেষঞ্জদের মতে তাঁর ব্যাটিং ছিল ভয়ডরহীন। তিনি দ্রুত গতিতে বোলিং করতেন এবং একজন আন্তর্জাতিক মানের সুদক্ষ ফিল্ডার ছিলেন। তাঁর অলরাউন্ড দক্ষতার জন্য তাঁকে ১৯৯৯ এ সফরকারী পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে ভারত এ-তে খেলার জন্য ডাক পেয়েছিলেন। ওপেনিং বোলিং করে শুক্লা ওয়াজাহাতুল্লাহ ওয়াস্তি, ইউসুফ ইউহানা এবং ইনজামাম-উল-হক এর উইকেট নিয়েছিলেন, সেই মাচে তিনি ৬ উইকেট নিয়েছিলেন। ১৯৯৯ এ শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে একদিনের ম্যাচ দিয়ে তাঁর ক্যারিয়ার শুরুক মাত্র তিনটি ম্যাচ খেলিয়ে তাঁকে বাতিলের তালিকায় ফেলে দেওয়া হয়।শুক্লা ভারতীয় বোর্ড প্রেসিডেন্ট একাদশের হয়ে পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধেও দারুণ খেলেছিলেন, সেই ম্যাচে তিনি ৪ টি উইকেট নেন। সে সময়ের পাকিস্তানের চার মহারথী শহীদ আফ্রিদি, ইনজামাম, আজহার মাহমুদ, এবং ইউহানাকে সাজঘরে পাঠিয়ে দেন, তাঁর এ হেন পারফরমেন্সের পর ক্রিকেটপ্রেমীদের আশা ছিল হয়ত খুব শীঘ্রই লক্ষ্মী ভারতীয় টেস্ট দলে ডাক পাবেন।২০১১-১২ দেশের সেরা অলরাউন্ডারের পুরস্কার লালা অমরনাথ ট্রফি পান লক্ষ্মীরতন শুক্লা। এবং আশ্চর্যের ব্যাপার, সেই সেরা অলরাউন্ডারকে তাঁর সেরা সময়ে দেশের হয়ে খেলে নিজেকে প্রমান করার নুন্যতম সুযোগ দেওয়া হয়নি। তাঁকে মাত্র তিনটি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলিয়ে শুধু যে তাঁর প্রতি অবিচার করা হল তা নয়। দেশ একজন লড়াকু ছেলের লড়াই দেখা থেকে বঞ্চিত হল। যাঁর জানপ্রান লড়াই বাংলার অগণিত ক্রিকেটপ্রেমী দেখতে অভ্যস্ত ছিল, সেটা কলকাতা ময়দানের লিগ খেলা হোক বা রঞ্জি ট্রফির ম্যাচ। তাঁর এই মনোভাব অসম্ভব ছোঁয়াচে ছিল। প্রায়সই সেই রোগে আক্রান্ত হয়ে জুনিয়র খেলোয়াড়রা মাঠে নিজেদের উজার করে দিতেন।সারা বাংলা লক্ষ্মীরতন শুক্লার দিকে তাকিয়ে, গত দুটি রঞ্জীতে বাংলা অরুনলালের কোচিং -এ একবার ফাইনাল ও এবার (২০২২) সেমিফাইনালে পোঁছেও চুড়ান্ত সফলতা পাইনি। লক্ষ্মী-সৌরাশিষ জুটি কি বাংলাকে সি উচ্চতায় পৌছাতে পারবেন? পারিবারিক জীবনেও লক্ষ্মী-সৌরাশিষ জুটি অনেকদিনের। সেই সমঝোতা কতটা কাজে লাগে বাংলার ক্রিকেটে সেই দিকেই তাকিয়ে বাংলা ক্রিকেটপ্রেমী জনগণ। লক্ষ্মী-সৌরাশিষ দুজনে একসঙ্গে বহু ম্যাচ বাংলার হয়ে খেলেছেন। পুরনো পেস-স্পিন জুগলবন্দী দেখার আশায়। সৌরাশিষ এর আগে বাংলার অনুর্ধ ২৩ টিমকে নিয়ে কাজ করেছেন এবং তাঁর সাফল্য ঈর্ষনীয়। সৌরাশিষের সাধাসিধে জীবনযাত্রা ক্রিকেটের প্রতি সততা ও অনুগত প্রান উপরি পাওনা বাংলার ক্রিকেটে।বাংলার ক্রিকেটের আর এক জনপ্রিয় ব্যাটার মনোজ তিওয়ারি। যিনি লক্ষ্মী-র ছেড়ে আসা পদে আসীন হয়ে বাংলার বর্তমান ক্রীড়া রাষ্ট্রমন্ত্রী। সম্ভবত বিশ্ব ক্রিকেটে হয়ত বা যেকোনও ধরনের খেলায়, এক প্রাক্তন ক্রীড়া রাষ্ট্রমন্ত্রী কোচিং এ বর্তমান ক্রীড়া রাষ্ট্রমন্ত্রী খেলবেন। এক প্রাক্তন ক্রিকেটারকে একবার তাঁর ঘনিষ্ট মহলে বলতে শুনেছিলাম, লক্ষ্মীরতন শুক্লা কমপক্ষে ১০০ একদিনের ম্যাচ খেলা উচিত ছিল, বাস্তবে সেটা হইনি, কিন্তু সেকারণে তাঁর কমিটমেন্টের কোনও খামতি ছিল না। বর্তমানে অনেকের মুখেই শোনা যায় এ বাঙালি ও অবাঙালি, লক্ষ্মী হেঁসে তাঁদের বলে যে বাঙলাই জন্মেছে সেই বাঙ্গালি। গর্বিত করেছে এই বাংলা বহুবার... আরও করবে ভবিষ্যতে। তাঁর কথাতেই শেষ করি। বাংলার জার্সির লোগোতে বাঘের ছবি আছে,মাঠেও তাঁর প্রতিফলন দেখতে চাই বাংলা তোমার থেকে......।কুনাল মুখোপাধ্যায়(বহুজাতিক সংস্থার উচ্চপদস্ত আধিকারিক)

জুলাই ৩১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ফুটবলারদের সঙ্গে বৈঠক বিনু জর্জের, বুধবার থেকে অনুশীলন শুরু ইস্টবেঙ্গলের

কয়েকদিন আগেই কলকাতা লিগ ও ডুরান্ড কাপের জন্য কোচ হিসেবে তাঁর নাম ঘোষণা করেছিলেন লালহলুদ কর্তারা। শুক্রবার রাতেই কলকাতা পৌঁছে যান ইস্টবেঙ্গলের কোচ বিনু জর্জ। শনিবার সাত সকালেই তিনি ক্লাব তাঁবুতে চলে আসেন। ক্লাবে তাঁকে লালহলুদ উত্তরীয় দিয়ে স্বাগত জানান ক্লাবের দুই প্রাক্তন ফুটবলার অমিত দাস এবং বিকাশ পাঁজি। হাজির ছিলেন ক্লাবের শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার।এরপরই ক্লাব কর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন বিনু জর্জ। ক্লাব কর্তাদের সঙ্গে আলোচনার পর তিনি নতুন মরশুমের জন্য চুক্তিবদ্ধ স্থানীয় ফুটবলারদের সঙ্গে কথা বলেন। ফুটবলারদের সঙ্গে কথা বলার পর তিনি ক্লাব তাঁবু, মাঠ, জিম ঘুরে দেখেন। ক্লাবের পরিকাঠামো দেখে আপ্লুত বিনু জর্জ। তিনি বলেন, ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের পরিকাঠামো এত আধুনিক, ভাবতেই পারিনি। আধুনিকমানের জিম, দুর্দান্ত মাঠ, অত্যাধুনিক ড্রেসিংরুম। সব খুব ভাল লেগেছে। আমার ওপর যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, চেষ্টা করব ভালভাবে পালন করার। ভারতে দারুণ পরিচিতি এই ক্লাবের। সেই সম্মান রাখতে হবে। ক্লাবের অতীত গৌরব ফিরিয়ে নিয়ে আসতে চাই। গত দুবছর ক্লাবের পারফরমেন্স ভাল হয়নি। সেটা মাথায় না রেখে নতুন করে শুরু করতে হবে।সোমবার ইস্টবেঙ্গল দিবস। ওই দিনই বাইপাসের ধারে এক হোটেলে ফুটবলারদের মেডিকেল টেস্ট হবে। বুধবার থেকে ফুটবলারদের নিয়ে মাঠে নামবেন বিনু। তাঁর লক্ষ্য ফুটবলারদের দ্রুত ফিটনেসের শীর্ষে নিয়ে যাওয়া। পাশাপাশি বোঝাপড়া বাড়ানোর। কারণ হাতে খুব বেশি সময় নেই। আগস্টের তৃতীয় সপ্তাহে ডুরান্ড কাপে নেমতে হবে। এই নিয়েও ফুটবলারদের মোটিভেট করেন বিনু জর্জ।

জুলাই ৩০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ইস্টবেঙ্গলের চুক্তিপত্রে সই করে পাঠিয়ে দিলেন কনস্টানটাইন, ইমামির সই কবে?‌

সামনের মরশুমে আইএসএলে স্টিফেন কনস্টানটাইনকেই লালহলুদের রিজার্ভ বেঞ্চে দেখা যাবে। মঙ্গলবারই বিষয়টা নিশ্চিত হয়ে গেল। ইমামি গোষ্ঠীর পাঠানো চুক্তিপত্রে সই করে এদিনই তা পাঠিয়ে দিয়েছেন এই ব্রিটিশ হাই প্রোফাইল কোচ। ক্লাবের একটা বিশেষ সূত্র থেকে খবরটা জানা গেছে। কনস্টানটাইন চুক্তিপত্রে সই করায়, একথা নিশ্চিতভাবে বলা যায় যে, আইএসএলে তাংর কোচিংয়ে খেলতে নামবে ইস্টবেঙ্গল। কনস্টানটাইনের চুক্তিপত্রে সই করার কথা শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা বাকি।লালহলুদের চুক্তিপত্রে সই করলেও এখনই কলকাতায় আসছেন না কনস্টানটাইন। ক্লাব সূত্রে জানা গেছে, ডুরান্ড কাপ চলার সময় তিনি কলকাতায় আসতে পারেন। নিজের পছন্দ করা সাপোর্ট স্টাফদেরও তিনি সঙ্গে নিয়ে আসবেন। কলকাতা লিগ ও ডুরান্ত কাপে ইস্টবেঙ্গলের কোচের দায়িত্ব সামলাবেন বিনো জর্জ। তিনি দুএকদিনের মধ্যেই কলকাতা চলে আসছেন। বিনো জর্জ আইএসএলে স্টিফেন কনস্টানটাইনের সহকারী হিসেবে দায়িত্ব সামলাবেন।এদিকে, চলতি মাসেও ইমামির সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের চুক্তি হচ্ছে না। কয়েকদিন আগে শোনা গিয়েছিল বুধ কিংবা বৃহস্পতিবার চুক্তিপত্রে সই হতে পারে। কিন্তু সূত্রের খবর, সামনের সপ্তাহের প্রথম দিকে চুক্তিপত্রে সই হবে। তবে দল গঠন প্রক্রিয়া চলবে। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজন ফুটবলারের সঙ্গে চুক্তি পাকা হয়েছে। গত বছর লালহলুদ জার্সি গায়ে খেলা অঙ্কিত মুখার্জির সঙ্গে পাকা কথা হয়ে গেছে। আরও কয়েকজন ফুটবলার প্রাথমিক চুক্তিপত্রে সই করেছেন বলে খবর।

জুলাই ২৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ইস্টবেঙ্গলের দায়িত্ব নিতে চলেছেন হাই প্রোফাইল ব্রিটিশ কোচ

যাবতীয় জল্পনা-কল্পনার অবসান। আইএসএলে ইস্টবেঙ্গলের দায়িত্ব নিতে চলেছেন ভারতের প্রাক্তন কোচ স্টিফেন কনস্টানটাইন। ইতিমধ্যেই চুক্তিপত্র পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে তাঁর কাছে। শেষ মুহূর্তে বড় কোনও অঘটন না ঘটলে ইস্টবেঙ্গলের নতুন মরশুমের হেড কোচ স্টিফেন কনস্ট্যানটাইন। যদিও কলকাতা লিগ ও ডুরান্ডে দায়িত্ব সামলাবেন বিনু জর্জ।অনেকদিন আগেই আইএসএলের জন্য বিদেশি কোচদের তালিকা তৈরি করেছিলেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। তালিকায় জর্জ কোস্টা, সার্জিও লোবেরার সঙ্গে নাম ছিল স্টিফেন কনস্ট্যানটাইনের। অন্য দলেরও প্রস্তাব ছিল তাঁর কাছে। শেষ পর্যন্ত কনস্ট্যানটাইন লালহলুদকেই বেছে নিয়েছেন। নিজের পছন্দের কোচিং স্টাফ নিয়ে ইস্টবেঙ্গলের দায়িত্ব নিতে চলেছেন এই ব্রিটিশ কোচ।মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সাইপ্রাসে কোচিং শুরুর পর বড় দলের দায়িত্ব নেন ১৯৯৯ সালে। তখন থেকে ২০০১ অবধি কনস্টানটাইন নেপালের কোচের দায়িত্ব সামলেছেন। ২০০২ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত ভারতীয় দলের কোচের পদে ছিলেন। ২০০৫-০৬ মরশুমে তিনি ইংল্যান্ডের মিলওয়ালের প্রথম দলের কোচ হন। ইংল্যান্ডে এএফসি বোর্নমাউথেও কোচের দায়িত্ব সামলেছেন। ২০০৭ সালে মালাউইয়ের কোচের দায়িত্ব নেওয়ার পর ২০০৮ সালে সরে দাঁড়ান। ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে সুদানের দায়িত্ব নেন। এরপর সাইপ্রাসে এপিইপি, নিয়া সালামিস ফামাগুস্তার কোচের পদেও ছিলেন। ২০১২ থেকে ২০১৩ অবধি এথনিকোস আচনার কোচের দায়িত্ব সামলেছেন। ২০১৩ থেকে ২০১৪ অবধি ছিলেন গ্রীসের ক্লাব আপোলোঁ স্মিরনির সহকারী ম্যানেজার। তার আগে জামাইকা জাতীয় দলের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। ভারতে দ্বিতীয়বার আসার আগে ২০১৪ থেকে ২০১৫ অবধি থিলেন রোয়ান্ডার জাতীয় দলের ম্যানেজার।২০১৫ সালে ভারতের কোচ হিসেবে তিনি প্রত্যাবর্তন করেন। ২০১৯ সাল পর্যন্ত দায়িত্বে ছিলেন। তাঁর কোচিংয়ে ভারত ২০১৬ সালে সাফ চ্যাম্পিয়ন হয়। ২০১৮ সালে ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপও জেতে। ২০১৯ সালে এএফসি এশিয়ান কাপ খেলার যোগ্যতাও অর্জন করে কনস্টানটাইনের কোচিংয়ে। অভিজ্ঞ এই কোচের উপরই তাই আস্থা রাখলেন ইমামি গোষ্ঠীর কর্তারা।কলকাতা লিগ ও ডুরান্ডে ইস্টবেঙ্গলের কোচের দায়িত্ব সামলাবেন বিনু জর্জ। বুধবার তিনি কলকাতায় আসবেন বলে জানা যাচ্ছে। লাল হলুদ ক্লাব সূত্রে খবর, সবকিছু ঠিকঠাক চললে ওইদিনই ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে ইমামির চুক্তিও স্বাক্ষরিত হবে। কলকাতা আসার সময় কেরলের কয়েকজন ফুটবলারকেও নিয়ে আসতে পারেন বিনু জর্জ।

জুলাই ২৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

এটিকে মোহনবাগানের ঘর ভাঙতে চলেছে ইস্টবেঙ্গল, লালহলুদের কোচের পদে বড় চমক

ইমামির সঙ্গে এখনও সরকারিভাবে চুক্তি সম্পন্ন হয়নি। কিন্তু লগ্নিকারী সংস্থার সম্মতিতেই দল গঠনের কাজে অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছেন লালহলুদ কর্তারা। ফুটবলারদের সঙ্গে পাকা কথা বলার সঙ্গে সঙ্গে কোচ নিয়োগের দিকেও এক পা বাড়িয়েছে ইস্টবেঙ্গল। প্রস্তাব দেওয়া হয়েছেন কেরলকে সন্তোষ ট্রফিতে চ্যাম্পিয়ন করা বিনু জর্জকে।সঞ্জয় সেন, শঙ্করলাল চক্রবর্তী, রঞ্জন ভট্টাচার্যদের কোচ করার কথাও মাথায় ছিল লালহলুদ কর্তাদের। কিন্তু সন্তোষ ট্রফিতে সাফল্যের কথা মাথায় রেখে কেরলের বিনু জর্জকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। সঞ্জয় সেনদেরও একেবারে তালিকা থেকে ঝেড়ে ফেলছেন না লালহলুদ কর্তারা। একান্তই যদি বিনু জর্জের সঙ্গে চুক্তিতে না পোষায় তাহলে সঞ্জয় সেন কিংবা শঙ্করলাল চক্রবর্তীদের কথা ভাবা হবে। বিনু জর্জ ইস্টবেঙ্গলের প্রস্তাবের কথা স্বীকার করে নিয়েছেন। আগেও কলকাতা ময়দানে কোচিং করিয়েছেন বিনু জর্জ। একসময় তিনি ইউনাইটেড স্পোর্টসের কোচের দায়িত্ব সামলেছেন তিনি।আরও পড়ুনঃ আপনি কি আধার কার্ডের আপনার ছবি নি খুশি নন? জেনে নিন আপনার আধার কার্ডের ছবি কীভাবে পরিবর্তন করবেন২০১৯ থেকে ২০২১ পর্যন্ত গোকুলাম কেরলের টেকনিক্যাল ডিরেক্টর ছিলেন বিনু জর্জ। মূলত কলকাতা লিগের কথা মাথায় রেখেই বিনু জর্জকে প্রস্তাব দিয়েছে ইস্টবেঙ্গল। ডুরান্ড ও আইএসএলের জন্য বিদেশি কোচ নিয়োগ করবে ইস্টবেঙ্গল। তখন তিনি বিদেশি কোচের সঙ্গে ডুরান্ড এবং আইএসএলে সহকারি হিসেবে কাজ করবেন। এখন দেখার বিনু জর্জ লালহলুদের দায়িত্ব গ্রহন করেন কিনা।এদিকে, এটিকে মোহনবাগানের ঘর ভাঙার উদ্যোগ ইস্টবেঙ্গলের। দীপক টাংরিকে প্রস্তাব দিয়েছেন লালহলুদ কর্তারা। গত মরসুমে এটিকে মোহনবাগানের রক্ষণভাগের ফুটবলার দীপক টাংরি নজর কেড়েছিলেন। ডিফেন্সের পাশাপাশি প্রয়োজনে মাঝমাঠে ব্লকারের কাজটাও করতে পারেন তিনি। সন্দেশ ঝিংঘানে মতো দীপককেও বড় অঙ্কের প্রস্তাব দিয়েছে ইস্টবেঙ্গল। যা যথেষ্ট ভাবাচ্ছে তাঁকে। গত মরসুমে দীপক টাংরির সঙ্গে দুই বছরের চুক্তি করে এটিকে মোহনবাগান। যার ফলে ২০২৩ সালের ৩১ মে দীপকের সঙ্গে চুক্তি শেষ হবে সবুজমেরুনের। তার আগে এই তরুণ ফুটবলারটিকে লালহলুদ জার্সিতে খেলাতে হলে ট্রান্সফার ফি দিতে হবে ইস্টবেঙ্গলকে।

জুলাই ২১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মোহনবাগানের প্রাক্তন কোচকে তুলে নিতে চলেছে ইস্টবেঙ্গল

মাসখানেক আগে শোনা যাচ্ছিল কলকাতা লিগ ও ডুরান্ড কাপের জন্য ইস্টবেঙ্গলের কোচ হতে পারেন রঞ্জন ভট্টাচার্য। তাঁর সঙ্গে একপ্রস্থ কথাও বলেছিলেন লালহলুদ কর্তারা। রঞ্জন ভট্টাচার্যর সঙ্গে এবার ইস্টবেঙ্গল কোচের লড়াইয়ে ঢুকে পড়লেন মোহনবাগানের প্রাক্তন কোচ শঙ্করলাল চক্রবর্তীও। তাঁর কাছে পৌঁছে গেলে লালহলুদ কর্তাদের প্রস্তাব। তবে এখনও পর্যন্ত চূড়ান্ত কিছু হয়নি। ইস্টবেঙ্গলে প্রস্তাব ভেবে দেখছেন সবুজমেরুণকে লিগ জেতানো এই কোচ।কলকাতা লিগ, ডুরান্ড কাপের জন্য স্বদেশি কোচ নিয়োগ করতে চান লালহলুদ কর্তারা। আইএসএলের জন্য পরে বিদেশি কোচ নিয়ে আসবেন। সেই মতো সন্তোষ ট্রফির বাংলা দলের কোচ রঞ্জন ভট্টাচার্যর কথা একসময় ভেবেছিলেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। পরে তাঁরা মত বদলেছেন। ক্লাব ফুটবলে শঙ্করলাল চক্রবর্তীর সাফল্যের কথা মাথায় রেখে তাঁকে কোচ করার ভাবনা মাথায় আসে। যদিও রঞ্জন ভট্টাচার্য এখনও লালহলুদ কর্তাদের মাথা থেকে সরে যাননি। এখন দেখার শেষ পর্যন্ত লালহলুদের কোচের হটসিটে কাকে দেখা যায়।এদিকে, ইমামির সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত না হওয়ায় দল গঠনে সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে ইস্টবেঙ্গলের। ফুটবলারদের সঙ্গে প্রাথমিক কথা হলেও চুক্তি চূড়ান্ত করতে পারছে না। ফলে ফুটবলাররা হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে। থমকে যাচ্ছে দলগঠন প্রক্রিয়া। যেমন জেরি লালরিনজুয়ার সঙ্গে চূড়ান্ত কথা হলেও তাঁকে সই করাতে পারছেন না লালহলুদ কর্তারা। ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে কথা অনেকদুর এগিয়েও এটিকে মোহনবাগানে সই করেছেন বিশাল কাইথ। লালহলুদ কর্তারা তাকিয়ে ইমামির সঙ্গে চূড়ান্ত চুক্তির দিকে।এদিকে, সামনের মরশুমে সাদাকালো জার্সিতে খেলতে দেখা যাবে ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন ডিফেন্ডার সামাদ আলি মল্লিককে। বুধবার তিনি মহমেডানের চুক্তিপত্রে সই করেছেন। দীর্ঘ সময়ে ইস্টবেঙ্গলের ডিফেন্সের দায়িত্ব সামলানো সামাদ আলি লালহলুদের প্রথম দলে সুযোগ পান ২০১৫ সালে। ২০২০ পর্যন্ত ইস্টবেঙ্গলের হয়েই খেলেছেন সামাদ। পরবর্তীতে ইস্টবেঙ্গল ছেড়ে দিলে সই করেন পাঞ্জাবের রাউন্ড গ্লাস ক্লাবে। ২০২০-২১ আই লিগে পাঞ্জাবের দলটির হয়ে ৮টি ম্যাচ খেলেন তিনি। ২০২১ সালে সমাদের নতুন ঠিকানা হয় শ্রীনিধি ডেকান। গত আই লিগে নতুন এই দলটির হয়ে তিন ম্যাচ খেলে ফের শহরের দলে ফিরলেন সামাদ।

জুন ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর দেশের কোচকে দায়িত্ব দেওয়ার ভাবনা ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের

ইমামির সঙ্গে প্রাথমিক কথাবার্তা হওয়ার পর জোরকদমে দল গঠনের কাজে হাত দিয়েছেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। শুধু ভাল দল গঠন করলেই তো হবে না, চাই ভাল কোচ। এই ব্যাপারেও চমক দিতে চলেছে লালহলুদ। ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর দেশের প্রাক্তন ফুটবলারকে আইএসএলে কোচের হট সিটে বসাতে পারেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। জর্জ কোস্তার নাম নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে লালহলুদের অন্দরমহলে।কলকাতা লিগের জন্য ইতিমধ্যেই বাংলার সন্তোষ ট্রফির কোচ রঞ্জন ভট্টাচার্যর সঙ্গে পাকা কথা বলে রেখেছেন লালহলুদ কর্তারা। বড় অঘটন না ঘটলে তিনিই কলকাতা লিগে ইস্টবেঙ্গলের দায়িত্ব সামলাবেন। আইএসএলের জন্য ডুরান্ডের আগে নতুন কোচ নিয়োগ করা হবে। যাতে তিনি ডুরান্ড কাপে দল গুছিয়ে নিতে পারেন। লাল হলুদ কর্তারা চান জর্জ কোস্তাকে দায়িত্ব দিতে। কারণ, আইএসএলে তাঁর কোচিং করানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে। এর আগে তিনি মুম্বই সিটি এফসির কোচিংয়ের দায়িত্ব সামলেছেন।ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর দেশের এই কোচ নিজের ফুটবল কেরিয়ারের সিংহভাগ কাটিয়েছেন পোর্তোতে। পোর্তোর জার্সিতে ২৫১ ম্যাচে ১৬ গোল করেন তিনি। ১৯৯২ থেকে ২০০২এর মধ্যে পর্তুগালের হয়ে খেলেছেন ৫০টি ম্যাচ এবং করেছেন ২টি গোল। পোর্তোর হয়ে জিতেছেন প্রিমিয়ার লিগা, চ্যাম্পিয়ন্স লিগ। ১৯৯১ সালে পর্তুগালের হয়ে জেতেন অনূর্ধ্ব২০ বিশ্বকাপ ফুটবল কেরিয়ারের মতোই কোস্তার কোচিং কেরিয়ার বর্ণময়। তিনি কোচিং করিয়েছেন ব্রাগা, গ্যাবনের মতো দলে।ম্যানেজার হিসেবে পর্তুগালের ক্লাব এস সি ওলহানেনসেকে দ্বিতীয় ডিভিশন লিগ চ্যাম্পিয়ন করে তুলে নিয়ে প্রথম ডিভিশনে। ক্লুজের হয়ে জেতেন রোমানিয়া লিগা ১। তবে, ভারতের তাঁর কোচিং পারফরমেন্ট তেমন আহামরি নয়। মুম্বই সিটি এফসির হয়ে ৩৯ ম্যাচে ১৭টি ম্যাচ জিতেছেন এবং ১৪টি হেরেছেন। ড্র করেছেন ৮টি ম্যাচে।এদিকে, মঙ্গলবার লালহলুদে বসছে কর্মসমিতির বৈঠক। সেই বৈঠকে ঠিক হবে ইমামির সঙ্গে কোন পথে চুক্তি করা হবে, কত শতাংশ শেয়ার দেওয়া হবে। তারপরই ইমামির সঙ্গে বৈঠকে বসবেন লালহলুদ কর্তারা। চূড়ান্ত চুক্তি হওয়ার আগে অবশ্য দলগঠনের কাজ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা। কলকাতা লিগের জন্য ইস্টবেঙ্গল প্রাকচুক্তিতে সই করিয়েছে বাংলার সন্তোষ ট্রফি দলের স্ট্রাইকার শুভম ভৌমিককে।

জুন ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ব্রেন্ডন ম্যাকালামকে ছিনিয়ে নিল ইংল্যান্ড, কী হবে নাইট রাইডার্সের?‌

কলকাতা নাইট রাইডার্স ছেড়ে এবার ইংল্যান্ডে পাড়ি। ব্রেন্ডন ম্যাকালামকে টেস্ট দলের কোচ হিসেবে নিযুক্ত করল ইংল্যান্ড। এই প্রথম তিনি লাল বলের ক্রিকেটের কোচিংয়ের দায়িত্বে। তাঁর সঙ্গে ৪ বছরের চুক্তি করা হচ্ছে। আইপিএল শেষ হলেই ম্যাকালাম ইংল্যান্ডের দায়িত্ব নেবেন।লাল বলের ক্রিকেটের কোচ নিযুক্ত হলেও সাদা বলের ক্রিকেটের কোচ নিয়োগের প্রক্রিয়া এখনও চলছে। সাক্ষাৎকার পর্ব শেষ হয়ে গেছে। কয়েকদিনের মধ্যেই নতুন কোচ নিয়োগ করা হবে। দৌড়ে রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার মহিলা ক্রিকেট দলের কোচ ম্যাথু মট, ইংল্যান্ডের পল কলিংউড ও দক্ষিণ আফ্রিকার গ্যারি কারস্টেন। কলিংউড চলতি বছরের জানুয়ারিতে ইংল্যান্ডের অন্তবর্তীকালীন কোচ হিসেবে কাজ করেছিলেন। ম্যাথু মট ২০০৮ সালে কলকাতা নাইট রাইডার্সে জন বুকাননের সহকারী কোচ হিসেবে কাজ করেছিলেন।গত অ্যাশেজ সিরিজে অস্ট্রেলিয়ার কাছে পর্যুদস্ত হওয়ার পর ইংল্যান্ড দলের কোচের পদ থেকে ইস্তফা দেন ক্রিস সিলভারউড। তাঁর জায়গায় কোচ করা হল নিউজিল্যান্ডের প্রাক্তন অধিনায়ক ব্রেন্ডন ম্যাকালামকে। সিলভারউড পদত্যাগ করার পর ইংল্যান্ড ও ওয়ালেস ক্রিকেট বোর্ড সিদ্ধান্ত নেয় লাল বল ও সাদা বলের ক্রিকেটের জন্য আলাদা আলাদা কোচ নিযুক্ত করা হবে। সেই পথেই এগোচ্ছে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড। ১০০র বেশি টেস্ট খেলা ব্রেন্ডন ম্যাকালামকে লাল বলের ক্রিকেটের কোচ করা হল। টেস্ট ক্রিকেটে ১২টি সেঞ্চুরি করেছেন ম্যাকালাম।ইংল্যান্ডের কোচের দায়িত্ব নেওয়ায় ম্যাকালামকে আর পাবে না কলকাতা নাইট রাইডার্স। আইপিএল শেষ হলেই তিনি ইংল্যান্ড উড়ে যাবেন বেন স্টোকসদের দায়িত্ব নিতে। ২ জুন থেকে লর্ডসে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধেই টেস্ট খেলতে নামবে ইংল্যান্ড। ফলে টেস্ট কোচ হিসেবে নিজের দেশের বিরুদ্ধেই প্রথম অ্যাসাইনমেন্ট ম্যাকালামের।২০০৪ থেকে ২০১৬ অবধি নিউজিল্যান্ডের হয়ে ১০১টি টেস্ট খেলেছেন ম্যাকালাম। ৩৮.৬৪ গড়ে ৬৪৫৩ রান রয়েছে। সর্বাধিক ৩০২ রান করেছেন ভারতের বিরুদ্ধে ২০১৪ সালে। ২০১৩ সাল থেকে অবসর নেওয়া অবধি ম্যাকালাম নিউজিল্যান্ডকে ৩১টি টেস্টে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ২০১৫ সালে তাঁর নেতৃত্বে ৫০ ওভারের বিশ্বকাপও খেলে কিউয়িরা। তাঁর কোচিংয়ে ২০২০ সালে ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্স ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ জেতে। কেকেআরের শেষ চারে ওঠার সম্ভাবনা ক্ষীণ। ১৮ মে লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে লিগ পর্বের শেষ ম্যাচ। কেকেআরের আইপিএল অভিযান শেষ হলেই ইংল্যান্ডে পৌঁছে যাবেন ম্যাকালাম। জো রুটকে সরিয়ে লাল বলের ক্রিকেটে বেন স্টোকসকে কোচ করেছে ইংল্যান্ড। ইংল্যান্ডের কোচের দায়িত্ব নেওয়ার আগে নাইট রাইডার্সের টিম মিটিংয়ে সেই কথা জানান ম্যাকালাম।

মে ১২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

প্রস্তুতি ম্যাচের জন্য এটিকে মোহনবাগানকে কেন বেছে নিলেন ইগর স্টিম্যাক?‌

লক্ষ্য ২০২৩ এএফসি কাপের যোগ্যতা অর্জন। ২৩ এপ্রিল থেকে কর্ণাটকের বেলারিতে জাতীয় দলকে নিয়ে প্রস্তুতি শুরু করেছিলেন ভারতীয় ফুটবল দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক। বেলারি পর্ব শেষ করে এবার দলবল নিয়ে হাজির কলকাতায়। মঙ্গলবার থেকে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের প্র্যাকটিস গ্রাউন্ডে শুরু করলেন দ্বিতীয় পর্বের প্রস্তুতি। সুনীল ছেত্রীরা কতটা তৈরি, তা দেখে নিতে বুধবার এটিকে মোহনবাগানের সঙ্গে দলকে প্রস্তুতি ম্যাচে মাঠে নামাবেন ইগর স্টিম্যাক।শুধু এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধেই নয়, দোহা রওনা হওয়ার আগে আরও দুটি প্রস্তুতি ম্যাচে মাঠে নামবে ভারতীয় দল। ১৭ ও ২০ মে আই লিগে খেলা সেরা ফুটবলারদের নিয়ে গঠিত অলস্টার দলের বিরুদ্ধে খেলবেন সুনীল ছেত্রীরা। এবছর দোহাতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ২০২৩ এএফসি যোগ্যতা অর্জনের ম্যাচ। ভারতের প্রথম ম্যাচ ২৫ মে জাম্বিয়ার বিরুদ্ধে। দ্বিতীয় ম্যাচ জর্ডনের বিরুদ্ধে ২৮ মে। ২০ মে আই লিগ অলস্টার দলের বিরুদ্ধে শেষ প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে দল নিয়ে দোহা রওনা হবেন ইগর স্টিম্যাক।প্রস্তুতি ম্যাচে এটিকে মোহনবাগানের জাতীয় দলে থাকা ফুটবলাররা সবুজমেরুণ জার্সি গায়েই খেলবেন। প্রস্তুতি ম্যাচে ফুটবলারদের পারফরমেন্স দেখে নেওয়াই লক্ষ্য ইগর স্টিম্যাকের। তার ভিত্তিতেই চূড়ান্ত দল বেছে নেবেন। চোট সারিয়ে প্রস্তুতি শিবিরে যোগ দিয়েছেন সুনীল ছেত্রী। দলের সেরা স্ট্রাইকার অনুশীলনে যোগ দেওয়ায় স্বস্তি ভারতীয় দলের কোচের। স্টপার সন্দেশ ঝিংঘানকে পাওয়ার সম্ভাবনা অবশ্য কম। চোট সারিয়ে এখনও তিনি পুরো ফিট হতে পারেননি। রহিম আলিকেও চোটের জন্য পাবেন না স্টিম্যাক। এছাড়া নরেন্দ্র ও চিঙ্গলেনসানাও চোটের কবলে। তাই নতুন করে ডিফেন্স সাজাতে হচ্ছে ভারতীয় দলের কোচকে।জুন মাসে যুবভারতীতে এএফসি এশিয়ান কাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বে খেলবে ভারত। ভারতের সঙ্গে গ্রুপ ডিতে রয়েছে হংকং, আফগানিস্তান ও কম্বোডিয়া। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে তিনটি দলই ভারতের পরে রয়েছে। ফলে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে পরের পর্বে যাওয়াটা ইগর স্টিম্যাকের দলের কাছে খুব একটা কঠিন হবে না। ভারতীয় দলের কোচও আশাবাদী। স্টিম্যাক বলেন, গ্রুপে আমরা ফেবারিট। আশা করছি এশিয়ান কাপের মূল পর্বে উঠতে সমস্যা হবে না। তবে সহজ প্রতিপক্ষ হলেও তিনটি দলকেই গুরুত্ব দিচ্ছেন স্টিমাক।

মে ১০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আবার মোহনবাগানে আসছেন 'সবুজ তোতা'

শতাব্দী প্রাচীন মোহনবাগান ক্লাবে বসু পরিবার অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি। এবার রাজনীতিকদের বারবাড়ন্ত। দীর্ঘদিন মোহনবাগান ক্লাবের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব সামলে এসেছিলেন স্বপনসাধন বসু। যাকে ময়দান চেনে টুটু বসু নামে। এখনও নতুন প্রেসিডেন্টের নাম ঘোষিত না হলেও বৃহস্পতিবার চারজন নতুন সহসভাপতি বেছে নেওয়া হয়েছে। জায়গা পেয়েছেন রাজ্যের দুই মন্ত্রী অরূপ রায় ও মলয় ঘটক। এছাড়া সহসভাপতি করা হয়েছে রাজ্য তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ ও অসিত চ্যাটার্জিকে।বৃহস্পতিবার মোহনবাগান ক্লাবের নতুন কার্যকরী কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হল। সেই বৈঠকে নতুন চার সহসভাপতির নাম ঘোষণা করা হল। অরূপ রায়, মলয় ঘটক, কুণাল ঘোষ, অসিত চ্যাটার্জির মতো রাজনীতিবিদরা অবশ্য ক্লাবের প্রশাসনে নতুন নয়। এর আগেও ক্লাব প্রশাসনে দেখা গেছে রাজনীতিবিদদের। দীর্ঘদিন সবুজমেরুণ ক্লাবের সহসভাপতির দায়িত্ব সামলেছিলেন প্রয়াত মন্ত্রী সুব্রত মুখার্জি। এদিনের সভায় ৪ জন সহসভাপতির নাম ঠিক হলেও বাকি দুজনের নাম এখনও চূড়ান্ত হয়নি। কমিটিতে কোঅপ্ট করা হয়েছে পিন্টু বিশ্বাসকে। এছাড়া উত্তরবঙ্গের প্রতিনিধি অরূপ মজুমদারকে কার্যকরী কমিটিতে স্থায়ী আমন্ত্রিত সদস্য করা হয়েছে।এদিকে, আমার মোহনবাগান ক্লাবে হোসে র্যামিরেজ ব্যারেটোকে ফেরানোর চিন্তা ভাবনা করা হচ্ছে। যুব ফুটবলকে ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা নতুন কমিটির। অনূর্ধ্ব ১৫, ১৮, ২১ স্তরের দলগুলির কোচদের মাথায় ব্যারেটোকে বসানোর কথা ভাবা হয়েছে। এদিন, মোহনবাগান তাঁবুতেও হাজির ছিলেন ব্যারেটো। তাঁর সঙ্গে এব্যাপারে প্রাথমিক কথাও বলেছেন নতুন সচিব দেবাশিস দত্ত।এদিনের বৈঠক শেষে দেবাশিস দত্ত বলেন, মোহনবাগানের সঙ্গে ব্যারেটোর আত্মার সম্পর্ক। ইয়ুথ ডেভেলপমেন্টের জন্য আমরা একটা বিদেশি কোচের কথা ভাবছি। ব্যারেটোর কথা মাথায় রয়েছে। কার্যকরী কমিটির বাকি সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে এই ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ব্যারোটোও দায়িত্ব নেওয়ার জন্য তৈরি। তিনি বলেন, মোহনবাগান আমার সেকেন্ড হোম। এই ক্লাবের যে কোনও দায়িত্ব নেওয়ার জন্য আমি তৈরি। আমার সঙ্গে রিলায়েন্স ফাউন্ডেশনের এখনও চুক্তি রয়েছে। ওদের কাছ থেকে রিলিজ নিতে হবে।

মার্চ ৩০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ফুটবলারদের পুরনো ডার্বির ভিডিও দেখালেন রিভেরা, লালহলুদকে সমীহ বাগান কোচ ফেরান্দোর

ডার্বি মানেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে ভরা গ্যালারি। দুই দলের সদস্য সমর্থকদের বাকবিতন্ডা, ফুটবলারদের নামে জয়ধ্বনি, তুমুল উত্তেজনা। করোনার দাপটে এখন সে সব স্মৃতিতে। দেশীয় ফুটবলাররা ডার্বির আবেগ জানলেও, বিদেশি ফুটবলাররা ডার্বির উত্তেজনার আঁচ পায়নি। শনিবার এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে ফুটবলারদের ডার্বির আবেগ বোঝাতে পুরনো ফুটবলারদের পুরনো ডার্বির ভিডিও দেখালেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ মারিও রিভেরা। ফুটবলাররা এতে উদ্বুদ্ধ হবে বলে মনে করছেন তিনি।তিন বছর ধরে ডার্বিতে সাফল্য নেই লালহলুদ শিবিরের। গতবছর যেমন হারতে হয়েছিল, এবছরও প্রথম পর্বের ডার্বিতে হারতে হয়েছে এসসি ইস্টবেঙ্গলকে। তার ওপর আগের ম্যাচে হায়দরাবাদ এফসির কাছে বিধ্বস্ত হতে হয়েছে। তা সত্ত্বেও দ্বিতীয় পর্বের ডার্বিতে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী লালহলুদ কোচ। এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, ফুটবলারদের বলেছি, লিগ টেবিলে আমরা কোথায় আছি সেটা মাথায় না রাখতে। এই ম্যাচটা আমরা জিততে পারি। ডার্বি মানেই কঠিন লড়াই। সব পরিস্থিতির জন্য তৈরি থাকতে বলেছি। ফুটবলাররা সবাই পেশাদার। ওরা ডার্বির গুরুত্ব জানে।হায়দরাবাদ এফসির কাছে বিধ্বস্ত হলেও ওই ম্যাচের ফলাফল ডার্বিতে প্রভাব ফেলবে না বলে মনে করছেন রিভেরা। তিনি মনে করছেন, হায়দরাবাদের কাছে হার ডার্বিতে ইতিবাচক হয়ে দেখা দিতে পারে। লালহলুদ কোচের যুক্তি, বড় হারের পর ডার্বি ম্যাচ থাকলে ফুটবলারদের মোটিভেশনের অভাব হয় না। কারণ সবাই ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য মরিয়া থাকে। ফুটবলারদের নতুন করে মোটিভেট করার দরকার হয় না। এটিকে মোহনবাগানকে নিয়ে বেশি চিন্তাও করছেন না রিভেরা। তাঁর ব্যাখ্যা, আমাদের তুলনায় ওরাই বেশি চাপ নিয়ে মাঠে নামবে। আমার মতে এই ম্যাচ ৫০৫০।রিভেরার ডার্বি খেলার অভিজ্ঞতা থাকলেও এই প্রথম ডার্বিতে ডাগ আউটে বসবেন এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। দুই স্প্যানিশ কোচের স্ট্র্যাটেজির লড়াই। ডার্বিতে অশ নেওয়ার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন ফেরান্দো। তিনি বলেন, এইরকম ম্যাচের অংশীদার হওয়াটা আমার কাছে দারুণ ব্যাপার। এই ম্যাচের আবেগ কতটা জানি। কোনও ভাবেই ফোকাস নষ্ট করা যাবে না।লিগ টেবিলের সবার শেষে থাকলেও লালহলুদকে যথেষ্ট সমীহ করছেন সবুজমেরুণ কোচ। ডার্বিতে মাঠে নামার আগে জুয়ান ফেরান্দো বলেন, আগের এসসি ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে এই দলকে গুলিয়ে ফেললে ভুল হবে। ওরা অনেক বদলে গেছে। আগে মনে হত চাপ নিয়ে মাঠে নামছে। এখন খোলা মনে খেলছে। দলে ছন্দ ফিরে এসেছে। নতুন বিদেশি যোগ দিয়েছে। ফলে আমাদের জিততে গেলে রীতিমতো ঘাম ঝড়াতে হবে। তবে আমরা ৩ পয়েন্টের লক্ষ্যে মাঠে নামব। প্রথম একাদশ নিয়ে মুখ না খুললেও রয় কৃষ্ণার খেলার ব্যাপারে সংশয় রয়েছে।

জানুয়ারি ২৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

এসসি ইস্টবেঙ্গল ডার্বি জিতলে সেটা হবে সবথেকে বড় অঘটন, কেন একথা বললেন শ্যাম থাপা?‌

শনিবার আইএসএলের মহারণ। রাত পোহালেই আবার মাঠে নামছে কলকাতার দুই প্রধান। আইএসএলের এই হাইভোল্ডেজ ম্যাচ নিয়ে আগের মতো ক্রীড়ামহলে আর তেমন উত্তেজনা নেই। সদস্যসমর্থকদের মধ্যেও সেই উন্মাদনা নেই। সবাই যেন ধরে নিয়েছেন, এটিকে মোহনবাগানের সামনে দাঁড়াতেই পারবে না এসসি ইস্টবেঙ্গল। বর্তমান পরিস্থিতিও সেই ইঙ্গিতও দিচ্ছে। তবুও ডার্বি বলে কথা। অনেক কিছুই তো ঘটতে পারে। কিন্তু লালহলুদকে নিয়ে আশা দেখতেন না কেউ। যেমন দুই প্রধানকে বহু ডার্বিতে উতরে দেওয়ার নায়ক শ্যাম থাপা বলছিলেন, ডার্বিতে এসসি ইস্টবেঙ্গল জিতলে সেটা হবে বড় অঘটন।আইএসএলের দ্বিতীয় পর্বের ডার্বিতে এসসি ইস্টবেঙ্গলের কোনও সম্ভাবনাই দেখছেন না শ্যাম থাপা। তিনি বলছিলেন, আমি তো এসসি ইস্টবেঙ্গলের জেতার কোনও আশাই দেখছি না। জেতা তো দূরের কথা, ড্র করতে পারবে কিনাও সন্দেহ। এই ইস্টবেঙ্গল টিমের কী আছে বলুন তো? একটা পজিশনেও ভাল ফুটবলার আছে, যাকে ঘিরে সমর্থকরা স্বপ্ন দেখতে পারে। এটিকে মোহনবাগানের দিকে তাকান। সব বিভাগেই ভাল ভাল ফুটবলার। রক্ষণ একটু কমজোরি হলেও আক্রমণভাগ খুবই শক্তিশালী। রয় কৃষ্ণা, হুগো বোমাস, ডেভিড উইলিয়ামসের মতো বিদেশি রয়েছে আক্রমণভাগে। এছাড়া লিস্টন কোলাসো, মনবীর সিংয়ের মতো দেশীয় ফুটবলাররা। এদের আটকানোর মতো ডিফেন্ডার এসসি ইস্টবেঙ্গলে নেই।১৯৭৮ র ডার্বি ম্যাচে শ্যাম থাপার বাইসাইকেল কিকশোনা যাচ্ছে চোটের জন্য রয় কৃষ্ণা অনিশ্চিত। তা সত্ত্বেও মোহনবাগানকে পিছিয়ে রাখছেন না শ্যাম থাপা। তিনি বলেন, রয় কৃষ্ণা খেলতে না পারলেও সমস্যা হবে বলে মনে করছি না। কার্ড সমস্যা মিটিয়ে হুগো বোমাস প্রথম একাদশ ফিরছে। ডেভিড উইলিয়ামস আছে। মাঝমাঠে জনি কাউকো। ডিফেন্সে তিরি, ম্যাকহিউরা আছে। স্বদেশি ফুটবলাররাও যথেষ্ট ভাল। শুনছি নাকি সন্দেশ ঝিঙ্ঘানকেও খেলানো হতে পারে। সুতরাং এই এটিকে মোহনবাগানকে যদি এসসি ইস্টবেঙ্গল হারাতে পারে, সেটা হবে এই আইএসএলের সবথেকে বড় অঘটন।অতীতে দুর্বল দল নিয়েও লালহলুদের ডার্বি জেতার ইতিহাস রয়েছে। কিন্তু এই এসসি ইস্টবেঙ্গলের সেই ক্ষমতা নেই বলে মনে করছেন শ্যাম থাপা। তিনি বলেন, আগে ডার্বির একটা অন্য আবেগ ছিল। এইসব বিদেশি কোচ, ফুটবলাররা মুখে যাই বলুক, ডার্বির আবেগ জানে? গুরুত্ব বোঝে? আবেগ থাকা চাই। সেটা থাকলেও দুর্বল দল নিয়ে জেতা যায়। সেটা অতীতে আমরা অনেকবার জিতেছি। কখনও ইস্টবেঙ্গলের জার্সি গায়ে, কখনও এটিকে মোহনবাগানের জার্সি গায়ে। সেসব দিন এখন আর নেই।

জানুয়ারি ২৮, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

অভিষেকের বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ! থানায় গিয়ে কী জানালেন বিজেপি নেতার স্ত্রী?

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ উঠল। বিষ্ণুপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ডায়মন্ড হারবারের বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাসের স্ত্রী মৌসুমী দাস ঘোষ।অভিযোগকারিণীর দাবি, গত শনিবার আমতলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাংসদ কার্যালয় ভাঙচুরের সময় তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন। সেই সময় সাংবাদিকরা তাঁকে প্রশ্ন করলে তিনি অভিষেকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পরে সেই ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।মৌসুমী দাস ঘোষের অভিযোগ, ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই তিনি লাগাতার হুমকি পাচ্ছেন। তাঁর দাবি, সামাজিক মাধ্যমে অভিষেকের ডিজিটাল যোদ্ধারা তাঁকে কদর্য ভাষায় আক্রমণ করছেন। এই কারণে গত দুদিন ধরে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলেন বলে জানিয়েছেন।সোমবার সকালে তিনি বিষ্ণুপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগপত্রে আমতলার পার্টি অফিস ভাঙচুরের ঘটনায় বিজেপি কর্মীদের লক্ষ্য করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হুমকির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।পাশাপাশি তিনি ২০১৮ সালে তাঁর স্বামী অভিজিৎ দাসের উপর প্রাণঘাতী হামলার অভিযোগও তুলেছেন। তাঁর দাবি, সেই সময় মারধরের ফলে তাঁর স্বামীর দুটি পা ভেঙে যায় এবং তিনি স্থায়ীভাবে শারীরিকভাবে অক্ষম হয়ে পড়েন। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তাঁরা পুলিশি নিরাপত্তার দাবিও জানিয়েছেন।উল্লেখ্য, এর আগেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আমফানের ত্রাণ বণ্টনে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস নোদাখালি থানায় লিখিত অভিযোগ করে দাবি করেছিলেন, বজবজ ২ ব্লকে প্রায় ৩০ কোটি টাকার ত্রাণ দুর্নীতি হয়েছে এবং ভুয়ো নথি তৈরি করে এই টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। তবে এই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষ থেকে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

জুলাই ২০, ২০২৬
কলকাতা

৪৪০ কোটির অ্যাকাউন্ট ফ্রিজেই থাকছে! হাইকোর্টের রায়ে তোলপাড় রাজনৈতিক মহল

কালীঘাট তৃণমূল হাইকোর্টে বড় আইনি ধাক্কা খেল। অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ মামলায় কোনও অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ দিল না কলকাতা হাই কোর্ট। সোমবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাও এর এজলাসে এই মামলার শুনানি হয়।আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এই মুহূর্তে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডির ফ্রিজ করা অ্যাকাউন্ট নিয়ে কোনও হস্তক্ষেপ করা হবে না। ফলে তৃণমূলের অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশের আবেদন খারিজ হয়ে যায়। দলের তহবিল থেকে বেআইনিভাবে অর্থ সরানোর অভিযোগে পুলিশ ও ইডি তৃণমূলের একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করেছিল। এর মধ্যে তিনটি মূল অ্যাকাউন্টে প্রায় ৪৪০ কোটি টাকা ছিল।এর আগে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যর এজলাসে কালীঘাট তৃণমূল আবেদন জানিয়েছিল। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য ওই তিনটি অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছিলেন। সেই সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের ওপর নজরদারির জন্য একজন বিশেষ আধিকারিকও নিয়োগ করা হয়েছিল।পরবর্তী সময়ে ইডির তল্লাশি অভিযানের পর আরও কয়েকটি অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়। কালীঘাট তৃণমূলের দাবি ছিল, বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের পর্যবেক্ষণের পরও ইডি কীভাবে নতুন করে আরও অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করতে পারে। এই অভিযোগ নিয়ে তারা পরে বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের এজলাসের দ্বারস্থ হয়। গত সপ্তাহেই মামলার শুনানি শেষ হয়েছিল।সোমবার রায়ে বিচারপতি স্পষ্ট করেন, ইডি বর্তমানে তদন্ত চালাচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে ফ্রিজ করা অ্যাকাউন্টের ওপর আদালত আপাতত কোনও হস্তক্ষেপ করবে না।

জুলাই ২০, ২০২৬
দেশ

দুই ঘণ্টার অপেক্ষার পর অবশেষে নাড্ডার সাক্ষাৎ! সিজেপিকে কী আশ্বাস দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী?

অবশেষে ককরোচ জনতা পার্টির মুখপাত্রদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জে পি নাড্ডা। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করবেন। সিজেপির মুখপাত্র সৌরভ দাস এক্স-এ একটি পোস্ট করে জানান, দুই ঘণ্টারও বেশি অপেক্ষার পর তিনি এবং আশুতোষ রঙ্কা নাড্ডার সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পান। বৈঠকটি হয় নাড্ডার বাড়িতে এবং প্রায় দশ মিনিট স্থায়ী হয়।সৌরভ দাস লিখেছেন, দুই ঘণ্টার অপেক্ষার পর আশুতোষ আর আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন জে পি নাড্ডা। তাঁর বাড়িতে। তবে মাত্র দশ মিনিটের জন্য। আমরা একটি চিঠি জমা দিয়েছি, যেখানে আমাদের সব দাবির কথা লেখা রয়েছে। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে অভ্যন্তরীণ মহলে কথা বলবেন।এদিকে জানা গিয়েছে, বিক্ষোভকারীদের সংসদ চত্বর থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সংবাদ সংস্থা এএনআইয়ের শেয়ার করা ছবিতে দেখা যায়, সেখানে আর কোনও বিক্ষোভকারী নেই, শুধুমাত্র পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।উল্লেখ্য, নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছে ককরোচ জনতা পার্টি। গত ২৮ জুন থেকে সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক যন্তর মন্তরে আমরণ অনশনে বসেছিলেন। তবে ২১ দিনের মাথায় পুলিশ তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করে। হাসপাতাল থেকেই সোমবার সোনম তিনটি শর্ত দেন। সরকার যদি সেই শর্তগুলির মধ্যে কোনও একটি মেনে নেয়, তবে তিনি অনশন প্রত্যাহার করতে রাজি বলে জানিয়েছেন।

জুলাই ২০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপ জিতেই গোলপোস্টের নেট কেটে নেন কেন ফুটবলাররা? জানুন রীতির নেপথ্যে লুকিয়ে থাকা ইতিহাস

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছে স্পেন। ট্রফি জয়ের উচ্ছ্বাসে যখন গোটা দল মেতে উঠেছে, তখন একটি পরিচিত দৃশ্য আবারও ধরা পড়ল। স্পেনের একাধিক ফুটবলার কাঁচি হাতে গোলপোস্টের নেট কেটে নিজেদের কাছে স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে রেখে দিলেন। একই দৃশ্য প্রায় প্রতি বিশ্বকাপ, ইউরো কিংবা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালের পর দেখা যায়।অন্যদিকে ক্রিকেটেও বড় টুর্নামেন্ট জেতার পর বিজয়ী দলের ক্রিকেটারদের পিচের দুই প্রান্তের স্টাম্প বা উইকেট খুলে নিয়ে যেতে দেখা যায়। প্রশ্ন উঠতেই পারেএই রীতি কোথা থেকে এল? কেনই বা চ্যাম্পিয়নরা মাঠের এই অংশগুলো নিজেদের কাছে স্মৃতি হিসেবে তুলে রাখেন?স্মৃতিকে ধরে রাখার এক অনন্য ঐতিহ্যক্রীড়াজগতের সবচেয়ে বড় অর্জনগুলোর একটি হলো বিশ্বকাপ বা আন্তর্জাতিক শিরোপা জয়। একজন খেলোয়াড়ের জীবনে এমন মুহূর্ত হয়তো একবারই আসে। তাই সেই ঐতিহাসিক দিনের একটি বাস্তব স্মৃতি সঙ্গে করে নিয়ে যেতে চান অনেকেই।ফুটবলে গোলপোস্টের নেট এবং ক্রিকেটে স্টাম্পএই দুটি জিনিসই সেই ম্যাচের অবিচ্ছেদ্য অংশ। যে নেটে জয়ের গোল জড়িয়েছে কিংবা যে উইকেটের সামনে দাঁড়িয়ে ইতিহাস লেখা হয়েছে, সেটিই হয়ে ওঠে সাফল্যের প্রতীক।ফুটবলে নেট কাটার রীতি কবে থেকে?ফুটবলে গোলপোস্টের নেট কেটে নেওয়ার রীতির নির্দিষ্ট কোনও আনুষ্ঠানিক সূচনা নেই। তবে ক্রীড়া ইতিহাসবিদদের মতে, ১৯৬০ ও ১৯৭০-এর দশক থেকে উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন কলেজ ও পেশাদার খেলাধুলায় এই সংস্কৃতির প্রচলন শুরু হয়।বিশেষ করে বাস্কেটবলে এনসিএএ (NCAA) চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর খেলোয়াড় ও কোচেরা সিঁড়ি বেয়ে উঠে বাস্কেটের জাল কেটে নেওয়ার যে ঐতিহ্য গড়ে ওঠে, তা বিশ্বজুড়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। পরে ফুটবলসহ অন্যান্য খেলাতেও একই ধরনের আবেগঘন স্মৃতিচিহ্ন সংগ্রহের সংস্কৃতি ছড়িয়ে পড়ে।বিশ্বকাপ, ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ কিংবা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের মতো বড় টুর্নামেন্টে অনেক সময় খেলোয়াড়রা গোলপোস্টের নেটের ছোট একটি অংশ কেটে পরিবারের সদস্যদের উপহার দেন কিংবা নিজেদের ট্রফি কেবিনেটে সংরক্ষণ করেন।ফিফা কি এতে আপত্তি করে?না। ম্যাচ শেষ হওয়ার পর এবং আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পরে খেলোয়াড়রা নেটের ছোট অংশ কেটে নিতে পারেন। তবে সেটি অবশ্যই আয়োজকদের অনুমতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে থেকে করা হয়। অনেক সময় মাঠকর্মীরাই খেলোয়াড়দের নেট কেটে দিতে সাহায্য করেন।ক্রিকেটে স্টাম্প নিয়ে যাওয়ার শুরু কীভাবে?ক্রিকেটে ম্যাচ শেষে স্টাম্প তুলে নেওয়ার ইতিহাস আরও পুরনো। ঊনবিংশ শতাব্দী থেকেই বিশেষ ম্যাচ বা ঐতিহাসিক জয়ের স্মারক হিসেবে স্টাম্প সংরক্ষণের রেওয়াজ ছিল।ধীরে ধীরে এটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। বর্তমানে বিশ্বকাপ, অ্যাশেজ, আইপিএল, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি কিংবা অন্য বড় টুর্নামেন্টের ফাইনাল জয়ের পর বিজয়ী দলের ক্রিকেটারদের স্টাম্প খুলে নিতে দেখা যায়।অনেক খেলোয়াড় সেই স্টাম্পে পুরো দলের স্বাক্ষর করিয়ে ব্যক্তিগত সংগ্রহে রাখেন। কেউ আবার তা নিজের ক্রিকেট অ্যাকাডেমি, জাদুঘর বা পরিবারের কাছে স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে সংরক্ষণ করেন।শুধু আবেগ নয়, ইতিহাসেরও অংশগোলপোস্টের নেট কিংবা স্টাম্পএগুলি আসলে কোনও সাধারণ সরঞ্জাম নয়। এগুলি সেই মুহূর্তের সাক্ষী, যখন একটি দল ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। তাই ট্রফির পাশাপাশি এই ছোট্ট স্মৃতিচিহ্নও খেলোয়াড়দের কাছে অমূল্য সম্পদ হয়ে ওঠে।হয়তো বহু বছর পরে কোনও জাদুঘরে কিংবা নিজের ঘরের ট্রফি কেবিনেটে রাখা সেই নেটের টুকরো বা স্টাম্প দেখে আবার ফিরে আসবে সেই বিশ্বজয়ের রাত, দর্শকদের গর্জন আর সাফল্যের অবিস্মরণীয় মুহূর্ত।২০২৬ বিশ্বকাপেও সেই ঐতিহ্যের পুনরাবৃত্তিনিউ জার্সির ফাইনালে স্পেনের ফুটবলারদের গোলপোস্টের নেট কেটে নিতে দেখা যাওয়ায় আবারও প্রমাণ মিললসময় বদলেছে, প্রযুক্তি বদলেছে, কিন্তু চ্যাম্পিয়নদের আবেগ বদলায়নি। ট্রফি জয়ের আনন্দের সঙ্গে মাঠের একটি ছোট্ট অংশকে স্মৃতি হিসেবে বয়ে নিয়ে যাওয়ার এই ঐতিহ্য আজও বিশ্ব ক্রীড়ার অন্যতম সুন্দর ও আবেগঘন অধ্যায়

জুলাই ২০, ২০২৬
দেশ

‘ধন্যবাদ, ভারত!’ বিশ্বকাপ হারলেও ভারতীয় সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানালেন আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ফাইনালে স্পেনের কাছে হৃদয়ভাঙা পরাজয়ের পরও ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেন ভারতে নিযুক্ত আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত মারিয়ানো কাউচিনো। সামাজিক মাধ্যম এক্স (X)-এ এক আবেগঘন বার্তায় তিনি ভারতীয় সমর্থকদের ধন্যবাদ জানিয়ে লেখেন, আর্জেন্টিনা দলের প্রতি এই বিশ্বকাপ জুড়ে ভারতীয় মানুষের অকুণ্ঠ সমর্থনের জন্য আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। আবারও ধন্যবাদ, ভারত!বিশ্বকাপে শিরোপাধারী হিসেবে অভিযান শুরু করেছিল আর্জেন্টিনা। টানা দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে পৌঁছেও শেষ পর্যন্ত ট্রফি ধরে রাখা সম্ভব হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ে ১-০ গোলে স্পেনের কাছে পরাজিত হয় লিওনেল মেসির দল।ম্যাচের একমাত্র এবং জয়সূচক গোলটি করেন ফেরান তোরেস, অতিরিক্ত সময়ের ১০৬তম মিনিটে। এই জয়ে ২০১০ সালের পর দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়নের মুকুট জেতে স্পেন।পুরো ম্যাচে বলের দখল এবং আক্রমণে আধিপত্য ছিল স্পেনের। অন্যদিকে আর্জেন্টিনাকে বহুবার রক্ষা করেন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ, যিনি একাধিক দুর্দান্ত সেভ করে দলকে লড়াইয়ে টিকিয়ে রাখেন।Deeply grateful to the Indian People for the endless displays of support for the Argentine team during this latest World Cup. Thank you, India, once again! pic.twitter.com/kd9hmTBnON Mariano Caucino (@CaucinoMariano) July 20, 2026তবে ম্যাচের শেষদিকে বড় ধাক্কা খায় আর্জেন্টিনা। নির্ধারিত সময়ের যোগ করা মিনিটে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন এনজো ফার্নান্দেজ, ফলে অতিরিক্ত সময়ে ১০ জন নিয়ে খেলতে হয় মেসিদের।অতিরিক্ত সময়ে প্রথমে নিকো উইলিয়ামস গোল করলেও ফাউলের কারণে তা বাতিল হয়। এরপর কিছুক্ষণের মধ্যেই উইলিয়ামসের পাস থেকে ফেরান তোরেস জোরালো শটে বল জালে জড়িয়ে স্পেনকে বিশ্বকাপ এনে দেন।এই জয়ের ফলে আন্তর্জাতিক ফুটবলে স্পেনের অপরাজিত থাকার রেকর্ড বেড়ে দাঁড়ায় ৩৮ ম্যাচে, যা ইউরোপীয় ফুটবলের ইতিহাসে নতুন নজির। একইসঙ্গে ৬৪ বছর পর বিশ্বকাপ শিরোপা সফলভাবে ধরে রাখার আর্জেন্টিনার স্বপ্নও ভেঙে যায়।তবুও গোটা টুর্নামেন্টে ভারতীয় সমর্থকদের বিপুল ভালোবাসা ও সমর্থন পেয়েছে আর্জেন্টিনা। বিশেষ করে লিওনেল মেসিকে ঘিরে ভারতের ফুটবলপ্রেমীদের আবেগ বরাবরের মতোই নজর কেড়েছে। সেই ভালোবাসার স্বীকৃতি দিতেই বিশ্বকাপ শেষ হতেই ভারতীয় সমর্থকদের উদ্দেশে কৃতজ্ঞতার বার্তা দেন রাষ্ট্রদূত মারিয়ানো কাউচিনো।বিশ্বকাপ জয় হাতছাড়া হলেও, ভারত ও আর্জেন্টিনার ফুটবল-সম্পর্ক যে আরও গভীর হয়েছে, রাষ্ট্রদূতের এই বার্তাই যেন তারই প্রমাণ।

জুলাই ২০, ২০২৬
দেশ

পুলিশি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেই পথে সিজেপি, যন্তর মন্তরে তুমুল ধুন্ধুমার

পুলিশ অনুমতি না দিলেও পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী সংসদ অভিযানে নামে ককরোচ জনতা পার্টি। ১৬৩ ধারা উপেক্ষা করে মিছিল বের করতেই রাজধানী দিল্লির পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ব্যারিকেড ভেঙে সংসদের দিকে এগোনোর চেষ্টা করলে পুলিশ আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করে। প্রায় পাঁচ হাজার পুলিশ ও আধাসেনা মোতায়েন করে যন্তর মন্তর চত্বর ঘিরে ফেলা হয়।দিল্লি পুলিশ আগেই জানিয়েছিল, সংসদ অভিযানের জন্য সিজেপির পক্ষ থেকে কোনও অনুমতি চাওয়া হয়নি। এমনকি অনুমতি চাইলেও তা দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট জানানো হয়েছিল। পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, সংসদ ও তার আশপাশের এলাকা উচ্চ নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে পড়ে। তাই সেখানে কোনও মিছিল বা জমায়েত আইনশৃঙ্খলার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। পাশাপাশি যানজটের আশঙ্কাও রয়েছে। তাই সংসদের দিকে কোনও মিছিল এগোতে দেওয়া হবে না।পুলিশের এই সতর্কবার্তার পরও সিজেপির পক্ষ থেকে বলা হয়, বৃষ্টি বা কড়া নিরাপত্তা কোনও কিছুই তাদের আন্দোলন থামাতে পারবে না। সেই অনুযায়ী সোমবার সকালে আন্দোলনকারীরা ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ব্যাপক লাঠিচার্জ করে।संसद के सामने युवाओं पर आँसू गैस छोड़ना बंद कीजिए।दमन की बजाय संवाद का रास्ता चुनिए।#संसद_मार्च pic.twitter.com/C2MHT55Mpk Cockroach Janta Party (@CJP_for_India) July 20, 2026নিরাপত্তার কারণে দিল্লির পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ মেট্রো স্টেশনরাজীব চক, জনপথ, প্যাটেল চক, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট এবং সেবা তীর্থসাধারণ যাত্রীদের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত এই স্টেশনগুলি বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে। যন্তর মন্তর ছাড়া দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় পাঁচ বা তার বেশি মানুষের জমায়েতও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চালিয়ে আসছে ককরোচ জনতা পার্টি। গত ২৮ জুন থেকে সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক যন্তর মন্তরে আমরণ অনশনে বসেছিলেন। তবে একুশ দিন পর পুলিশ তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করে। হাসপাতাল থেকেই সোমবার সোনম তিনটি শর্ত দিয়েছেন। সরকার যদি তার মধ্যে কোনও একটি শর্ত মেনে নেয়, তবে তিনি অনশন প্রত্যাহার করতে রাজি বলে জানিয়েছেন।

জুলাই ২০, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেককে বিদেশ যেতে দিল না হাই কোর্ট! এসএসকেএমেই চিকিৎসার নির্দেশে তীব্র চাঞ্চল্য

তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আরও এক বড় আইনি ধাক্কা খেলেন। তাঁকে বিদেশে চিকিৎসা করাতে যাওয়ার অনুমতি দিল না কলকাতা হাই কোর্ট। সোমবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যর বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, আইনি রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়লেও আপাতত বিদেশ যেতে পারবেন না অভিষেক। তাঁকে এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসা করানোর পরামর্শ দিয়েছে আদালত।বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে বিজেপিকে উদ্দেশ করে অভিষেকের ডিজে বাজানোর মন্তব্য নিয়ে মামলা হয়। সেই মামলার শুনানিতেই সোমবার বিষয়টি ওঠে। অভিষেকের আইনজীবী আদালতের কাছে আইনি রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন জানান। বিচারপতি সেই আবেদন মেনে আগামী ৬ অক্টোবর পর্যন্ত রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়ান।তবে আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, আগামী ২৯ জুলাই চোখের চিকিৎসার জন্য আমেরিকা যাওয়ার আবেদন মঞ্জুর করা হচ্ছে না। বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, বিদেশেই কেন চোখের চিকিৎসা করাতে হবে? কলকাতাতেও চোখের চিকিৎসার জন্য একাধিক হাসপাতাল রয়েছে। প্রয়োজনে এসএসকেএম হাসপাতালে অভিষেকের চিকিৎসার জন্য মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা যেতে পারে বলেও জানান তিনি।আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য ও সব্যসাচী বন্দ্যোপাধ্যায় বিচারপতির এই মন্তব্যের বিরোধিতা করেন। তখন বিচারপতি জানান, আদালত কখনওই চান না আবেদনকারীর চিকিৎসায় কোনও সমস্যা হোক। তাই প্রথমে এসএসকেএম হাসপাতালে সমস্ত পরীক্ষানিরীক্ষা করিয়ে রিপোর্ট জমা দিতে হবে। সেই রিপোর্ট দেখে পরে আদালত সিদ্ধান্ত নেবে, অভিষেক বিদেশে চিকিৎসার জন্য যেতে পারবেন কি না।উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে ডানকুনি হাইওয়ের কাছে এক পথ দুর্ঘটনায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাঁ চোখে গুরুতর আঘাত লাগে। এরপর দীর্ঘদিন সিঙ্গাপুরে তাঁর চিকিৎসা চলে। পরে তিনি আমেরিকাতেও চিকিৎসা করান এবং নির্দিষ্ট সময় অন্তর সেখানে চেকআপের জন্য যেতে হয়। তবে আদালতের নির্দেশ মেনে আপাতত আগামী দুমাস তিনি বিদেশে যেতে পারবেন না।

জুলাই ২০, ২০২৬
কলকাতা

২১ জুলাইয়ের আগেই বিস্ফোরণ! ফাইল খুলে কী প্রকাশ করবেন শুভেন্দু?

২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবসের আগের দিন বড় রাজনৈতিক ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়েছেন, সোমবার বিকেলে বিধানসভায় বিচারপতি সুশান্ত চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তদন্ত কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশ করবেন।সোমবার সকালে বিধানসভায় এসে মুখ্যমন্ত্রী অধ্যক্ষ রথীন্দ্রনাথ বসুর কাছে ১০ মিনিট সময় চেয়ে আবেদন করেন। তিনি বলেন, বিকেলে ১০ মিনিট সময় নেব। ২১ জুলাই তদন্ত কমিশনের রিপোর্ট পড়ে শোনাব। আগের সরকার কমিশন তৈরি করলেও সেই রিপোর্ট কোনওদিন প্রকাশ করেনি। রিপোর্টে কী আছে, তা আজ জানানো হবে।১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই সচিত্র পরিচয়পত্রের দাবিতে যুব কংগ্রেস মহাকরণ অভিযান করেছিল। সেই আন্দোলন পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ঘটনা। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর সরকারের আমলে বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। সেই ঘটনায় ১৩ জন যুব কংগ্রেস কর্মীর মৃত্যু হয়েছিল।এই আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন তখনকার যুব কংগ্রেস সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে তিনি কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেস গঠন করেন এবং ২০১১ সালে মুখ্যমন্ত্রী হন। ক্ষমতায় আসার পর তিনি ২১ জুলাইয়ের ঘটনার তদন্তের জন্য বিচারপতি সুশান্ত চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তদন্ত কমিশন গঠন করেন।তবে দীর্ঘ ১৫ বছর সেই কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়নি। রিপোর্টটি ফাইলবন্দি অবস্থায় ছিল। এদিকে সেই সময় গুলিচালনার নির্দেশ দেওয়া প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রসচিব মণীশ গুপ্তকে পরে বিধায়ক ও মন্ত্রী করা হয়েছিল। এই বিষয়টি নিয়ে কংগ্রেস ও তৃণমূলের একাংশের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে।মঙ্গলবার ৩৩তম শহিদ দিবস পালিত হবে। তার আগের দিনই এই তদন্ত কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশ করার ঘোষণা রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এখন সকলের নজর, সেই রিপোর্টে ঠিক কী কী তথ্য সামনে আসে।

জুলাই ২০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal