• ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩, শুক্রবার ১৫ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Club

রাজ্য

বর্ধমানে স্কুল ভেঙে ক্লাব! অভিযোগ পেয়ে তদন্তে শিক্ষা দপ্তর ও পুলিস

একটি বন্ধ থাকা স্কুল ভেঙে মাটিতে মিশিয়ে দেওয়া হল বর্ধমানে। এই ঘটনায় তুমুল চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে বর্ধমানের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের ৪ নম্বর শাঁখারীপুকুর এলাকায়।৪ নম্বর শাঁখারীপুকুরের সেবক সংঘের পাশে একটি প্রাইমারী স্কুল ৩০ বছর ধরে বন্ধ অবস্থায় ছিল। স্কুলে ছাত্র বা শিক্ষক কেউই যেত না। শুক্রবার সকালে ক্লাবের মাঠ সংলগ্ন স্কুলটিকে সেবক সংঘের সদস্যরা ভেঙে দেয় বলে অভিযোগ। ঘটনার খবর পেয়ে বর্ধমান থানার পুলিশ এলাকায় যায়। ততক্ষণে অবশ্য স্কুলবাড়িটিকে ভেঙে ফেলা হয়েছে।জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ডিআই স্বপন দত্তের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, সরকারি জায়গার উপরেই স্কুলটি আছে। ৩০ বছর ধরে ওই প্রাথমিক স্কুলটি বন্ধ হয়ে আছে। আমরা খবর পেয়ে লোক পাঠাই। পাশাপাশি পুলিশও যায়। অবশ্য ততক্ষণে বাড়িটি সম্পূর্ণ ভেঙে দেওয়া হয়েছে। রিপোর্ট হাতে পেলে তিনি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যানকে জানাবেন।ক্লাবের সভাপতি তমালকান্তি মণ্ডল বলেন, পঞ্চাশ বছরের পুরনো বাড়ি। পাঁচ ইঞ্চি দেওয়াল দেওয়া টিনের চালের বাড়িটি ভগ্নদশা অবস্থায় ছিল। স্কুল কর্তৃপক্ষকে আমরা বহুবার বাড়িটি ভাঙার জন্য অনুরোধ করেছি। কারণ পাশেই আমাদের খেলার মাঠ আছে। ওখানে বাচ্চারা খেলে। যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। স্কুল কর্তৃপক্ষের লোকজনও বেশ কয়েকবার এখানে এসে দেখে গেছেন। কিন্তু ওই অবস্থাতেই ছিল। আমরা ভাঙ্গিনি। ভগ্নদশা বাড়িটি আপনা আপনিই ভেঙে পড়ে। আমরা আজ পরিস্কার করছিলাম বলে তিনি সাফাই দেন।ঘটনাস্থলে যান বর্ধমান সদর আরবান ২ স্কুল ইনস্পেকটর কিশোর কুমার দাস। তিনি বলেন, ডিআইয়ের নির্দেশে এসেছেন। ভগ্নদশা অবস্থায় স্কুলটি দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল। কিন্তু এভাবে ভেঙে ফেলা ঠিক হয় নি। এটি ডিপিএসির জায়গা। তিনি ডিআইকে গোটা বিষয়টি জানাবেন।

নভেম্বর ২৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ফুটবলে লাথি মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির, জয় দিয়ে শুরু মহমেডানের

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে মঙ্গলবার কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে শুরু হল ডুরান্ড কাপ ফুটবল। উদ্বোধনী ম্যাচে এফসি গোয়াকে ৩১ ব্যবধানে হারিয়ে ডুরান্ড কাপ অভিযান শুরু করল মহমেডান স্পোর্টিং। একই সঙ্গে গতবছর ডুরান্ড কাপের ফাইনালে হারের মধুর প্রতিশোধ নিল সাদাকালো ব্রিগেড।মঙ্গলবার যুবভারতীতে ফুটবলে শট মেরে ১৩১ তম ডুরান্ড কাপের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ছিলেন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস এবং ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মনোজ তেওয়ারি। মহমেডানএফসি গোয়া ম্যাচের আগে দুই দলের ফুটবলারদের সঙ্গে পরিচয়পর্ব সারেন করেন মমতা ব্যানার্জি। ফুটবলারদের সঙ্গে হাতও মেলান। এবছর ডুরান্ড কাপে ২০টি দল অংশ নিচ্ছে। আইএসএলের ১১টি দলের সঙ্গে খেলছে আই লিগের ৫টি দল। ভারতীয় সেনাবাহিনীর ৪টি দলও অংশ নিচ্ছে। কলকাতায় যুবভারতী এবং কিশোরভারতী স্টেডিয়ামে খেলা হবে। ইম্ফল এবং গুয়াহাটিতে খেলা হবে ডুরান্ডের ম্যাচ। ২৮ আগস্ট মুখোমুখি ইস্টবেঙ্গলমোহনবাগান।গত বছর ডুরান্ড ফাইনালে এফসি গোয়ার কাছে হারতে হয়েছিল মহমেডানকে। এদিন সাদাকালো ব্রিগেডের কাছে ছিল বদলার ম্যাচ। দারুণ ফুটবল উপহার দিলেন আন্দ্রে চেরনিশভের ফুটবলাররা। তরুণ ফুটবলারদের নিয়ে গড়া এফসি গোয়া শুরু থেকেই দারুণ চ্যালেঞ্জের সামনে ফেলে দিয়েছিল মহমেডানকে। গোয়ার ডিফেন্স ছিল যথেষ্ট শক্তিশালী। তিন বিদেশি নুরউদ্দিন, ওসমান ও মার্কাস জোসেফ প্রথমার্ধে গোয়ার জমাট ডিফেন্স ভাঙতে পারেনি। তার মাঝেই এগিয়ে যায় এফসি গোয়া। ৩৫ মিনিটে প্রতি আক্রমণে উঠে এসে এফসি গোয়াকে এগিয়ে দেন নেমিল।সমতা ফেরানোর জন্য দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই ঝাঁপিয়ে পড়ে মহমেডান। ৪৮ মিনিটে সমতা ফেরান প্রীতম। দ্বিতীয়ার্ধে মহমেডানের আক্রমণের ঝাঁঝ যথেষ্ট ছিল। ফজলুর ও আভাসদের মাঠে নামিয়ে দলকে বদলে দেন সাদাকালো কোচ চেরনিশভ। বেশ কয়েকটি সুযোগও তৈরি হয়। ম্যাচের ৮৪ মিনিটে আভাসের সেন্টার থেকে হেডে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ফজলুর। ম্যাচের ইনজুরি সময়ে ৩১ করেন মার্কাস জোশেফ।

আগস্ট ১৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

প্রিন্সটন -এ "ম্যাঙ্গো ম্যানিয়া"

বৃষ্টির ফোঁটা এবং সুস্বাদু আম খাদ্যরসিকদের জন্য একটি স্বর্গীয় অভিজ্ঞতা তৈরি করে। প্রিন্সটন ক্লাব, প্রিমিয়াম নিউ এজ সোশ্যাল ক্লাব ফলের রাজা এই আম উৎসবের মাধ্যমে সবাইকে মুগ্ধ করবে। ক্রিস্টেনড ম্যাঙ্গো ম্যানিয়া, উৎসবটি ৮ই জুলাই থেকে ১৭ই জুলাই পর্যন্ত রসালো আমের রেসিপি সহ একটি অনন্য গ্যাস্ট্রোনমিক অভিজ্ঞতা দিতে প্রস্তুত। আগত সদস্য এবং অতিথিরা লাঞ্চ এবং ডিনারে সুস্বাদু খাবারের স্বাদ নিতে আসতে পারেন। প্রতিটি আমের টুকরোতে পরিপূর্ণ মহাদেশীয় ও এশীয় খাবারের উদ্ভাবনী মিশ্রণ রয়েছে, যা এই উৎসবের প্রধান আকর্ষণ।এই আমের মেনুতে থাকছে স্মোকি ম্যাঙ্গো, ম্যাঙ্গো সালসা সহ চিজ নাচোসের মতো মেক্সিকান অ্যাপেটাইজার। টেপেনেড রুটির সাথে ঠান্ডা আমের পুদিনা স্যুপ, যা ক্ষিদে বাড়াতে জুড়ি মেলা ভাড়। সুস্বাদু আম চেখে দেখার জন্য এটি একটি দুর্দান্ত গ্রীষ্মকালীন পানীয়! তাজা আমের টুকরো, আমের পিউরি, পুদিনা, সবুজ মরিচ, তামাকের সস এবং রসুনের সাথে পুদিনা এবং চুনের সাথে মিশ্রিত একটি স্বাস্থ্যকর এবং সুস্বাদু ঠান্ডা স্যুপ।মেইন কোর্স শুরু ম্যাঙ্গো স্টিকি রাইস উইথ ম্যাঙ্গো ভেজ টেরিয়াকি নামের একটি জাপানি খাবার দিয়ে। এই মিষ্টি জাপানি আমের স্টিকি রাইস দিয়ে আপনার ডিনার পার্টির মেনুকে আরো আনন্দে ভরিয়ে তুলতে পারেন। জনপ্রিয় দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় খাবারের মধ্যে রয়েছে টাটকা আমের টুকরো টুকরো করা আঠালো চালের উপরে একটি নারকেল ট্যাপিওকা সস এবং তিলের বীজ এবং সবচেয়ে ভাল অংশ এটি তৈরি করতে শুধুমাত্র কয়েকটি উপাদান প্রয়োজন। গ্রীষ্মমন্ডলীয় চিংড়ি সেভিচে তাদের জন্য রয়েছে একটি নিখুঁত হালকা রাতের খাবার। সবচেয়ে ভাল অংশ হল কোন রান্নার প্রয়োজন নেই। এটি গ্লুটেন-মুক্ত। এই প্রাণবন্ত খাবারটি গ্রীষ্মের রাতের জন্য উপযুক্ত, যখন আপনি বাড়িতে খাবার গরম করতে বা তার জোগাড় করতে পারবেন না কিন্তু তারপরও খুব সুস্বাদু কিছু একটা চাইছেন! এরপর নিজেই তৈরি করে ফেলুন আর পরিবেশন করুন চিপস দিয়ে। এখানেই শেষ নয়। চকলেট গুড়ো এবং আমের ছোট টুকরোর সাথে পরিবেষণ করুন ইতালীয় মিষ্টি। ম্যাংগো ক্রেস্পেল উইথ চকলেট ডাস্ট অ্যান্ড ম্যাংগ রিডাকশন। আমের কাসুন্দি এবং মিষ্টি আলুর চিপস সহ বাঙালির প্রিয় চিকেন কাটলেট স্বাদের মুকুলকেও মুগ্ধ করবে। সালাদ ছাড়া এই ডিস যে অসম্পূর্ণ। ইন্দোনেশিয়ান লেবু কাফির লাইম এবং স্টোন-গ্রাউন্ড সরিষার স্বাদ সহ কাঁচা আমের সালাদ এর স্বাদের মাত্রা বাড়িয়ে দেবে। এই স্বাস্থ্যকর এবং হৃদয়গ্রাহী সালাদ আপনাকে তাত্ক্ষণিকভাবে উতসাহিত করতে পারে। ভুট্টা, বসন্ত পেঁয়াজ, বেল মরিচ, চেরি টমেটো এবং ভেষজ কাঁচা আমের টুকরো দিয়ে একসাথে একটু নাড়িয়ে চাড়িয়ে নিন। তাহলে তৈরি মিড-ডে মিলের জন্য একটি কুড়কুড়ে ও সতেজ সালাদ। গ্যাস্ট্রোনমিক যাত্রার সমাপ্তি হবে আকর্ষণীয় - ম্যাঙ্গো সিড পুডিং এবং কাটা আমের ফিরনি দিয়ে, পাঁচ হাজার বছরের উত্তরাধিকার সহ ভারতে আম-ই হল সমস্ত ফলের রাজা। রোমান্টিক বর্ষা ঋতুর ব্যবধানের সাথে জ্বলন্ত গ্রীষ্ম হল সেই ঋতু যখন আমরা বিভিন্ন উপায়ে আমের স্বাদ গ্রহণ করি।প্রিন্সটন ক্লাব সব খাবারে সঙ্গে আমের রকমারি খাবার চালু করেছে। ক্লাবের শেফ অভিজিৎ চক্রবর্তী প্রধান উপাদান হিসেবে আমের মহাদেশীয়, প্যান এশিয়ান খাবারের একটি মেডলে উদ্ভাবন করেছেন৷ প্রিন্সটন ক্লাবের ম্যানেজার (অপারেশন)- সঞ্জয় কর্মকার বলেন, আমরা নিশ্চিত যে এই আমের প্রতি ভোজন রসিকরা আমের সুস্বাদু খাবার পছন্দ করবে। ম্যাঙ্গো ম্যানিয়া ৮ই জুলাই থেকে ১৭ই জুলাই প্রিন্সটন ক্লাবে মধ্যাহ্নভোজ এবং রাতের খাবার-এর জন্য চলবে।

জুলাই ১৩, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যপালকে সমর্থন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দাবি পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা চলে ক্লাবের জেনারেল মিটিংয়ের মতোন

বাংলার ইতিহাসে যা কোনওদিন হয়নি সেটাই এবার করেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। সাংবিধানিক পদাধিকার প্রয়োগ করে তিনি ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে স্থগিত করে দিয়েছেন এই রাজ্যের বিধানসভার অধিবেশন। এর আগে এতবড় সিদ্ধান্ত বাংলার কোনও রাজ্যপাল নেননি। শাসক দলের মন্ত্রী ও বিধায়করা প্রতিবাদে সোচ্চার হলেও রাজ্যপাল এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ায় যথেষ্টই খুশি। আর এটা যে নিছক কথার কথা নয় তা রবিবার বর্ধমানে এসে স্পষ্ট করে দিয়েছেন, বাঁকুড়ার বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রের মন্ত্রী সুভাষ সরকার। যা নিয়ে ক্ষোভ চেপে রাখেন নি তৃণমূল নেতৃত্ব। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুভাষ সরকার এদিন রাজ্যপালের পক্ষ নিয়ে বলেন, বিধানসভার অধিবেশন বন্ধ রাখা নিয়ে রাজ্যপাল যা করেছেন সেটা সংবিধান মোতাবেকই করেছেন। একই সঙ্গে সুভাষ সরকার অভিযোগ করেন, বিধানসভার অধিবেশনের যে পদ্ধতি রয়েছে সেই রকম ভাবে অধিবেশন আজকাল এই রাজ্যে হয় না। একটা ক্লাবের জেনারেল মিটিং যেমন হয় সেই রকম ভাবে বিধানসভা চলে। এটাতো কাম্য নয়। বিধানসভায় প্রশ্ন, উত্তর এইসবের ব্যবস্থা আছে। কিন্তু এর কোনটাই হয় না।এই বিষয়ে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর বিধানসভার বিধায়ক তথা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের জেলা সভাপতি অলোক মাঝি বলেন, রাজ্যপাল যা কিছু করছেন তার সবটাই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়েই করছেন। বিধানসভা ভোটে বিজেপির পরাজয়ে হয়তো রাজ্যপালও দুঃখ পেয়েছেন।তাই রাজ্যপাল গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে মানুষের ভোটে নির্বাচিত রাজ্য সরকার কে যতটা সম্ভব বিপাকে ফেলে বিজেপি নেতাদের খুশি করতে চাইছেন। তবে এইসব করে উনি বিজেপির নেতা মন্ত্রীদের সাময়িক খুশি করে পারলেও দীর্ঘস্থায়ী ভাবে পারবেন না। আগামী দিনে বংলার মানুষ এইসব ষড়যন্ত্রের জবাবও বিজেপিকে দিয়ে দেবে।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২২
রাজ্য

Blood Donation: করোনা আবহে রক্তের অভাব মেটাতে পশ্চিম বর্ধমানের ক্লাবের বিশেষ উদ্যোগ

আপনার রক্তে বাঁচলে একটি প্রাণ,এই পৃথিবীতে আপনিই ভগবান।।করোনা অতিমারির ভায়াল পরিস্থিতিতে বিশ্ব জূড়ে রক্তের আকাল! এই ভয়ঙ্কর পরিস্থিতিতে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন রুপনারায়নপুরের এক ক্লাব। জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে যেকোনও মানুষের বিপদে তার পাশে দাঁড়ানো ও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া একজন আদর্শ মানুষের পরিচয়। প্রতি মুহূর্তে একবিন্দু রক্তের জন্য জীবনযুদ্ধে হার মানতে হচ্ছে কতশত মানুষকে। ব্লাড ব্যাঙ্কের সেই অভাবের পূরণ করতে হাত বাড়িয়ে দিলেন পশ্চিম-বর্ধমানের রুপনারায়নপুরের পশ্চিম রাঙ্গামাটিয়া ইয়ুথ ক্লাব।সংস্থার সভাপতি অরুপ রতন মণ্ডল জানান, করোনা অতিমারির পরিস্থিতিতে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা দ্বারা আয়োজিত রক্তদানের শিবিরের সংখ্যা বর্তমানে অনেক কমে গিয়েছে। সাধারণ মানুষ এই পরিস্থিতিতে বাইরে বেড়োতেও আতঙ্কিত বোধ করছেন। সেই কারণে সারা দেশ জূড়ে রক্তের আকাল তৈরি হয়েছে। বহু মানুষ রক্তের অভাবে প্রান হারাচ্ছেন। তিনি আরও জানান, রক্তের অভাবে সবচেয়ে বেশী বিপন্ন হচ্ছেন থ্যালাসেমিয়া ও ব্লাড ক্যানসারের রোগী ও তাঁর অভিভাবকেরা। তাঁরা ১৮ উর্দ্ধ সকল সচেতন নাগরিকদের এই মহান কর্মকান্ডে সামিল হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন।রবিবার রুপনারায়নপুর ডাবর মোড়ে এই রক্তদান শিবিরের উদ্বোধন করেন স্থানীয় বারাবনি বিধানসভার বিধায়ক তথা পশ্চিম বর্ধমান তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি বিধান উপাধ্যায়। তিনি স্বাগত ভাষণে ইয়ুথ ক্লাবকে তাঁদের এই মহান উদ্যোগে সামিল হওয়ার জন্য সাধুবাদ জানান। তিনি বলেন করোনার করাল থাবায় সমগ্র পৃথিবী টালমাটাল, রক্ত চিকিৎসা ব্যবস্থায় এক অমূল্য বস্তু। ইয়ুথ ক্লাব এই পরিস্থিতিতে এই রক্তদান শিবিরের আয়োজন করে ব্লাড ব্যাঙ্ককে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। এছাড়াও এই ক্লাব সারা বছর জুড়ে বিভিন্ন সামাজিক কাজে লিপ্ত থাকে। করোনা অতিমারিতেও মানুষের পাশে থেকে তাঁরা যে পরিসেবা দিয়েছেন তাঁর জন্য তাঁদের কে ধন্যবাদ।ইয়ুথ ক্লাবের সভাপতি জনতার কথাকে বলেন আসানসোল মহকুমা হাসপাতাল কতৃপক্ষ আমাদের এই শিবিরের রক্ত সংগ্রহের সম্পূর্ণ দ্বায়িত্ব নিয়েছেন। তাঁদের সহৃদয় সাহায্য না পাওয়া গেলে এই শিবির আয়োজন করা সম্ভব ছিল না। তিনি তাঁদের সংস্থার সদস্য ও স্থানীয় মানুষদেরও ধন্যবাদ জানান। সদস্যদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও স্থানীয় মানুষের শিবিরের যোগদান করে রক্তদান না করলে এই উদ্যোগ সফল হতো না। স্থানীয় মানুষকে এই পরিস্থিতিতে সাময়ীক আনন্দদানের উদ্দশ্যে বন্ধন গ্রুপের কচি সদস্যরা সামাজীক দূরত্ব মেনে সচেতনমূলক সাংস্কৃতীক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন।সংস্থার এক সদস্য বেসরকারি বিমা সংস্থার উর্দ্ধতন আধিকারিক কৌশিক লায়েক ও ক্লাবের সদস্য শিবাশীষ মণ্ডল জনতার কথাকে জানান, স্বেচ্ছায় রক্তদান করার মধ্য দিয়ে আমরা মানুষের প্রাণ বাঁচাতে সাহায্য করতে পারি। আমাদের স্বেচ্ছায় রক্তদানের পরিবর্তে একজন মানুষের প্রাণ বাঁচানো সম্ভব এ নিয়েই আমাদের ইয়ুথ ক্লাবের আজকের এই স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবির। তাঁরা আরও বলেন, মানব সভ্যতার উষালগ্ন থেকেই মানুষ একে অপরের ওপর নির্ভরশীলতার মাধ্যমে জীবন যুদ্ধে উত্তীর্ণ হয়েছে। পারস্পরিক নির্ভরশীলতা এবং পরস্পরকে সাহায্য ব্যতীত সভ্যতার অগ্রগতি সম্ভব নয়। তাই আমাদের জীবনে প্রত্যেকের প্রাথমিক কর্তব্য হলো বিপদে-আপদে মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং তাঁদের সাহায্য করা। কৌশিক লায়েক বলেন, কর্মসুত্রে দূরে থাকলেও মনটা এখানেই পড়ে থাকে। সারা বছর সে ভাবে সম্ভব না হলেও, এই বিশেষ দিনে উপস্থিত থেকে সর্বতোভাবে ক্লাবের পাশে থাকার চেষ্টা করছি। আমরা ক্লাবের কয়েকজন সদস্য যৌথভাবে থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত কয়েকজন স্থানীয় বাচ্ছার দায়িত্ব নিয়েছি।এছাড়াও এইদিনের এই শিবিরে উপস্থিত ছিলেন সালানপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ফাল্গুনী কর্মকার ঘাসি, জেলাপরিষদের কর্মাধ্যক্ষ মহঃ আরমান, রূপনারায়নপুর পঞ্চায়েতের উপপ্রধান সন্তোষ মিশ্র সহ বিশিষ্ঠজনেরা।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

East Bengal : ‌ অবশেষে ইস্টবেঙ্গলকে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের সংশোধিত খসড়া পাঠাল শ্রী সিমেন্ট

প্রয়াত ইস্টবেঙ্গল সচিব পল্টু দাসের জন্মদিনে সংশোধিত চুক্তিপত্র পাঠানোর কথা ছিল লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের। কিন্তু কয়েকটা বিষয় আটকে থাকায় পাঠাতে পারেনি। অবশেষে সোমবার সন্ধেয় ইমেল করে সংশোধিত চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের খসড়া পাঠাল শ্রী সিমেন্ট। ইস্টবেঙ্গল কর্তারা চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের খসড়া দেখে সম্মতি জানিয়ে শ্রী সিমেন্টকে লিখিতভাবে সই করার বিষয়ে সম্মতি জানালে তবেই আইনানুসারে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই হবে। এখন দেখার লালহলুদ কর্তারা চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের খসড়া দেখে সই করার বিষয়ে সম্মতি দেন কিন। চুক্তি বিতর্ক মেটাতে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন সচিব ও আইনজীবী পার্থসারথি সেনগুপ্তকে। তিনি প্রাথমিক চুক্তিপত্র দেখে মত দেন যে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সাতটি শর্ত পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে। তাঁর সেই মতামত মেনে নেন লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের কর্তারা। অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিও ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের ছেড়ে খেলার পরামর্শ দেন। মুখ্যমন্ত্রীর পরামর্শ মেনে লালহলুদ কর্তরা অনেকটাই নমনীয় হন। বেশ কয়েকটি শর্ত থেকে পিছিয়ে আসেন। লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের কর্তারাও কয়েকটি শর্ত নিয়ে নমনীয় মনোভাব দেখান। শ্রী সিমেন্টের এক কর্তা বলেন, ইস্টবেঙ্গলের পক্ষ থেকে যে সাতটি শর্ত পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছিল আমরা তা মেনে নিয়েছি। নতুন চুক্তিপত্র সেভাবেই তৈরি করা হয়েছে। পরিমার্জিত চুক্তিপত্র ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। আশা করছি এবার চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করতে আর বাধা থাকবে না। চুক্তিপত্রে কী কী পরিবর্তন হচ্ছে সে ব্যাপারে কিছু বলেননি ওই কর্তা। তবে, সূত্র মারফত জানা গেছে ক্লাবের সদস্যদের নথি লগ্নিকারী সংস্থার কাছে জমা রাখার এবং ক্লাব তাঁবু ব্যবহারের জন্য নো অবজেকশনের শর্ত, এই দুটি পরিবর্তন করেনি শ্রী সিমেন্ট। তবে ক্লাবের সদস্যদের নথি জমা রাখার শর্তে লালহলুদ কর্তারা রাজি হয়েছেন। ক্লাব তাঁবু ব্যবহারের শর্ত নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি। কারণ, ক্লাব তাঁবু যেহেতু মিলিটারির অধীনে, তাই লালহলুদ কর্তাদের বক্তব্য এই ব্যাপারে তাঁরা সম্মতি দিতে পারবেন না। এখন দেখার, সবকিছু মেনে নিয়ে সই করেন কিনা লালহলুদ কর্তারা।

আগস্ট ১৬, ২০২১
বিনোদুনিয়া

P & C Fashion Club : গ্রুমিং হয়ে গেল পি অ্যান্ড সি ফ্যাশন ক্লাবের

পি অ্যান্ড সি ফ্যাশন ক্লাব এই বছর হায়াতে আত্মপ্রকাশ করে। বিল্কিস পারভিনের মূল উদ্যোগে এখনে উপস্থিত হন মিসেস ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশনাল রিচা শর্মা, হিডকোর চেয়ারম্যান দেবাশিস সেন, অভিনেত্রী পায়েল মুখার্জি সহ আরও অন্যান্যরা।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিকের আগে ২৫ দিন অনুশীলন করতে পারেননি বজরং পুনিয়া। কারন জানেন?এই সংস্থাই এখনও পর্যন্ত ২৮ আগস্ট তাদের প্রতিযোগীদের ফাইনাল এবং গ্র্যাজুয়েশনের অনুষ্ঠান করবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তার জন্য বেশ কিছু বড়ো বড়ো ব্র্যান্ড যুক্ত হয়েছে। ফাইনালের দিন র্যাম্প ওয়াকের পাশাপাশি তাদের হাতে সার্টিফিকেট তুলে দেওয়া হবে। এই ফাইনালকে কেন্দ্র করে দুদিন ব্যাপী গ্রুমিং সেশনের আয়োজন করা হয়।আরও পড়ুনঃ কোহলিদের সিরিজে এগিয়ে যাওয়া আটকে দিল বৃষ্টি৭ ও ৮ আগস্ট পুরো গ্রুমিং হয় হোটেল অ্যাভিনিউতে। এই গ্রুমিং সেশনে প্রতিযোগীদের র্যাম্প ওয়াক এবং পার্সোনালিটি ডেভেলপমেন্টের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। এই গ্রুমিং-এ যে কয়েকজন বিশেষ মানুষ উপস্থিত ছিলেন তারা হলেন স্বাগতা পাল, রাখী শ, সোমশুভ্র চক্রবর্তী, নাহিদা বেগম, জেবা শাহিদ হায়দার সহ আরও অনেকে।

আগস্ট ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Lionel Messi : ‌বার্সিলোনায় শেষ সাংবাদিক সম্মেলনে কেঁদে ফেললেন লিওনেল মেসি

২১ বছরের সম্পর্ক শেষ হওয়ার যন্ত্রণা যে কতটা ভয়ানক, পরিস্থিতিতে না পড়লে বোঝা কঠিন। যে কোনও ব্যক্তির কাছেই আবেগ ধরে রাখা মুশকিল। বিদায় যন্ত্রণায় কাতর লিওনেল মেসিও। এতটাই যন্ত্রণাবিদ্ধ বার্সিলোনায় শেষ সাংবাদিক সম্মেলনে কেঁদে ফেললেন এই আর্জেন্টিনীয় তারকা। বিদায় ভাষণ দিতে উঠে বারবার চোখের জল মুছতে দেখা গেল লিওনেল মেসিকে। রবিবার ক্যাম্প ন্যুকে বিদায় জানাতে এসেছিলেন মেসি। যখন তিনি বিদায় ভাষণ দিতে উঠেছেন, বাইরে অসংখ্য অনুরাগীর ভিড়। প্রিয় নায়ককে বিদায় জানাতে এসেছিলেন। অনুরাগীদের গায়ে মেসির নাম লেখা জার্সি। প্রিয় নায়কের দিকে মোবাইলের ক্যামেরা তাক করে উৎসুক চোখে তাকিয়ে। শুধু এক ঝলক দেখার অপেক্ষা। শেষ বারের মতো বার্সিলোনায় সাংবাদিক সম্মেলন করতে এসেছিলেন। প্রেস রুমে ঢুকে আর নিজেকে সামলাতে পারেননি। কেঁদে ফেলেন মেসি। মাইক্রোফোনে কিছু বলার আগে চোখে জল। মাস্ক খুলে চোখ মুছতে থাকেন। নিজেকে সামলে অবশেষে সাংবাদিক সম্মেলন শুরু করেন মেসি।আরও পড়ুনঃ আবেগে কেঁদে ফেললেন, মিলখা সিংকে সোনা উৎসর্গ নীরজ চোপড়ারসাংবাদিক সম্মেলনে মেসি বলেন, খুবই কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হলাম। এর জন্য আমি প্রস্তুত ছিলাম না। গত বছর বার্সিলোনা ছাড়ার ভাবনা আমার মাথায় এসেছিল। কিন্তু এবছর আমি ও আমার পরিবার চেয়েছিল এই ক্লাবেই থাকি। বার্সিলোনা আমার নিজের বাড়ি। আমার তিন সন্তানেরও এখানেই জন্ম। ২১ বছর পর তাদের নিয়ে নিজের ঘর ছাড়তে হচ্ছে। খুব কঠিন লাগছে ব্যাপারটা মেনে নিতে। এ রকম হবে কোনও দিন ভাবিনি। ঠিকঠাক ভাবে ক্লাবকে বিদায় জানাতে চেয়েছিলাম। প্রথম দিন থেকে নিজের সেরাটা দিয়েছি। আশা করি এক দিন ঠিক ফিরে আসতে পারব। যারা আমার পাশে থেকেছে, তাদের কাছে কৃতজ্ঞ।আরও পড়ুনঃ টোকিওতে সোনা জিতে ইতিহাস গড়লেন পোস্টার বয় নীরজ চোপড়ামেসি আরও বলেন, শেষ দিন পর্যন্ত ক্লাবের জন্য সব উজাড় করে দিয়েছি। কিন্তু ভাবিনি এভাবে বিদায় জানাতে হবে। এটা আমার কল্পনারই বাইরে ছিল। আমি যাতে বার্সেলোনাতেই থাকতে পারি তার জন্য সবকিছু করেছিলাম। বার্সেলোনাও চেয়েছিল আমাকে ধরে রাখতে, কিন্তু লা লিগার কারণেই তা পারল না। আমাকে নিয়ে অনেক কিছু বলা হয়েছে। আমার দিক দিয়ে যা করণীয় ছিল, সব করেছি। করোনা পরিস্থিতিতে দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে খেলার প্রসঙ্গ টেনে মেসি বলেন, আমি আমার ক্লাবকে ভালোবাসি। বছর দেড়েক ধরে ফুটবল সমর্থকদের সামনে খেলতে না পারাটাও খুব কঠিন ছিল। আজ শেষবার বার্সেলোনার সাংবাদিক সম্মেলনে বিদায় জানাতে হচ্ছে। খুব ভালো লাগত যদি দর্শকঠাসা ক্যাম্প ন্যু-তে সকলের উপস্থিতিতে এই বিদায়ী ভাষণ দিতে পারতাম। সেটাই বিদায়ের সেরা মুহূর্তও হতে পারত।আরও পড়ুনঃ বাবাকে দেওয়া কথা রেখে ব্রোঞ্জ জিতলেন বজরং পুনিয়াকোন ক্লাবে যোগ দেবেন তা নিয়ে চলছে জোর চর্চা। মেসি বলেন, পিএসজিতে যোগদান এই মুহূর্তে একটা সম্ভাবনা। বার্সার বিবৃতির পর অনেক ফোন বা প্রস্তাব আসছে। কথাবার্তাও চলছে। কিন্তু এখনও কিছু চূড়ান্ত হয়নি। তবে মেসি পিএসজি-তে যোগ দিলে মেসি-নেইমার-এমবাপের ত্রিফলায় পিএসজি যে বিধ্বংসী জায়গায় পৌঁছে যাবে সে নিয়ে সংশয় নেই ফুটবল মহলের। পিএসজি-র বিরুদ্ধে সব দলের ডিফেন্সই যে প্রবল চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে সে কথা নিঃসন্দেহে বলা যায়। জুনেই মেসির সঙ্গে বার্সার চুক্তি শেষ হয়ে গিয়েছিল। কোপা আমেরিকার পর নতুন চুক্তি স্বাক্ষর হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনা পরিস্থিতিতে তৈরি আর্থিক সঙ্কট এবং লা লিগায় আর্থিক ও কাঠামোগত প্রতিবন্ধকতাতেই মেসিকে ধরে রাখতে পারল না বার্সা। জানা গিয়েছিল, বেতনের ৫০ শতাংশ কমিয়েও বছর পাঁচেক মেসি চুক্তিবদ্ধ হতে রাজি। যদিও শুক্রবারই বার্সা প্রেসিডেন্ট লাপোর্তার সঙ্গে মেসির বৈঠকের পর বার্সা লা লিগার ঘাড়ে যাবতীয় দায় চাপিয়ে জানিয়ে দেয়, দুই পক্ষ আগ্রহী থাকলেও শেষ অবধি মেসিকে রাখা সম্ভব হল না।

আগস্ট ০৮, ২০২১
রাজ্য

Hijbul Mujahidin: হিজবুল মুজাহিদিনের নামে হুমকির সিডি রায়গঞ্জে, হুঙ্কার প্রাথমিকে নিয়োগ নিয়ে

কলকাতায় জঙ্গি কার্যকলাপে যুক্ত থাকার অভিযোগে কয়েকজনের গ্রেফতারের পর এবার জঙ্গি সংগঠনের নামে উড়ো সিডি মিলল রায়গঞ্জে উত্তর দিনাজপুর প্রেস ক্লাবে। ওই সিডিতে প্রাথমিকে নিয়োগ নিয়ে হুঙ্কার ছেড়েছেন হিজবুল মুজাহিদিনের বেঙ্গল কমান্ডার তৌসিফ আলি। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে জেলাজুড়ে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছে জেলা তৃণমূল কংগ্রেস।আপার প্রাইমারিতে শিক্ষক নিয়োগের বাতিলের তালিকায় প্র্যতেককে চাকরি দেওয়ার জন্য হুমকি দেওয়া হয়েছে ওই সিডিতে। নাহলে পরিণতি যে ভয়ঙ্কর হবে তাও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে ভিডিও বার্তায়। স্বঘোষিত জঙ্গির হুঙ্কার, যাঁরা চকরি পাবেন বা পেয়েছেন তাঁদের প্রত্যেককে হত্যা করা হবে। এর জন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দায়ী থাকবেন বলেও বলা হয়েছে। ২৪ ঘন্টার মধ্যে বিবৃতি দিতে হবে মুখ্যমন্ত্রীকে।শনিবার রায়গঞ্জের উত্তর দিনাজপুর প্রেস ক্লাবের বারান্দায় একটি প্লাস্টিকের কভারে মোড়া একটি সিডি পড়ে থাকতে দেখেন প্রেস ক্লাবের সদস্যরা। সিডির প্লাস্টিকের ওপর সাংবাদিকদের উদ্দেশ্য করে লেখা ছিল এই সিডি পাওয়া মাত্রই লাইভ টেলিকাস্ট করতে হবে। সমস্ত নিউজ চ্যানেলকে দেখান চাই। নয়ত হিংসার শিকার হবেন। সিডি পাওয়ার পর কৌতুহল বশত তাঁরা সিডিটি চালিয়ে দেখেন, সেখানে হিজবুল মুজাহিদিন সংগঠনের পক্ষে তৌসিফ আলি নামে একজন বক্তব্য রাখছেন। যিনি নিজেকে হিজবুল মুজাহিদিনের বেঙ্গল ডিভিশনের কমান্ডার বলে দাবি করেছেন। সেখানে তৌসিফ আলি হুমকি, রাজ্যে যে আপার প্রাইমারীর নিয়োগ চলছে সেখানে বাতিলের তালিকায় রয়েছে ৯৩২৬ জন। এর মধ্যে তার এক আপন ভাই ছাড়াও রয়েছে ৬ আত্মীয়। তারা চাকরি না পেয়ে আত্মহত্যা করতে চাইছে। বাতিলের তালিকায় যারা রয়েছেন তাদের প্রত্যেককে নিয়োগ করতে হবে। চাকরি প্রাপকদের খুনের হুমকিও দিয়েছে সে।হিজবুল মুজাহিদিনের নামে এই উড়ো সিডিকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রায়গঞ্জ শহর জুড়ে। সৃষ্টি হয়েছে আতঙ্কের পরিবেশ। উত্তর দিনাজপুর প্রেস ক্লাবে সিডি পাওয়ার পরই সাংবাদিকদের তরফ থেকে জেলার পুলিশ সুপার সুমিত কুমারসহ রায়গঞ্জ পুলিশকে জানানো হয়। খবর পাওয়া মাত্রই রায়গঞ্জ থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী প্রেস ক্লাবে এসে পৌঁছায়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে রায়গঞ্জ থানার পুলিশ। হিজবুল মুজাহিদিনের এই হুমকি ভিডিও বার্তার তীব্র নিন্দা করেছেন উত্তর দিনাজপুর তৃণমূল কংগ্রেস নেতা কানাইয়ালাল আগরওয়াল। তিনি বলেছেন, ঘটনার পুর্নাঙ্গ তদন্ত করে দেখার আবেদন জানানো হয়েছে পুলিশকে। জেলা পুলিশ জানিয়েছে, তাঁরা গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত শুরু করেছে।

জুলাই ১৭, ২০২১
রাজ্য

Relief Work: মৌসুনি দ্বীপের যশ বিপর্যস্ত মানুষদের পাশে ইছলাবাদ কিরণ সঙ্ঘ ক্লাব

যশ বিধ্বস্ত এলাকাগুলোতে অসহায় মানুষগুলোর সহায়তায় এগিয়ে এসেছেন রাজনীতিবিদ থেকে সমাজের সব স্তরের মানুষরা। ক্ষতিগ্রস্ত সুন্দরবন এলাকার মৌসুনি দ্বীপের বালিয়ারার একটি আদিবাসী অধ্যুষিত দ্বীপের মানুষদের অবস্থাও তথৈবচ বলে জানতে পেরেছিল বর্ধমানের ইছলাবাদ কিরণ সঙ্ঘ ক্লাবের সদস্যরা। দ্বিতীয়বার ভাবার অপেক্ষায় না থেকে প্রত্যন্ত দ্বীপে গিয়ে বিধ্বস্ত মানুষগুলোর দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন ক্লাবের সদস্যরা। বুধবার দিনটিকেই এই মহৎকাজের জন্য বেছে নিয়েছিলেন ক্লাবের সদস্যরা। প্রয়োজনীর সামগ্রী জোগার করে কয়েকজন সদস্য মিলে পাড়ি দিয়েছিলেন দ্বীপে। সকাল থেকে সন্ধে পর্যন্ত সারাদিনের কর্মকাণ্ডে নিজেদের সাধ্যমতো পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন তাঁরা। ক্লাবের সদস্য সুবির বল জানিয়েছেন, সকালে বালিয়ারা পৌঁছে সেখানকার প্রায় ৩০০ বাচ্চাকে এক পোয়া করে দুধ ও ২ প্যাকেট করে বিস্কুট খাইয়েছেন। এছাড়াও দুপুরে ছিল দ্বীপের প্রায় ১০০০ জনের খাওয়াদাওয়ার ব্যবস্থা। ক্লাবের সদস্যরা সেখানেই রান্না করে বাসিন্দাদের নিজেরাই পাত পেড়ে খাওয়ান। মেনুতে ছিল, ভাত, ডাল, সোয়াবিন-আলুর তরকারি ও ডিমের কারি।বাসিন্দাদের জন্য কিছু শুকনো খাবারও দিয়ে আসা হয়েছে ক্লাবের তরফে। এর মধ্যে রয়েছে চিঁড়ে, মুড়ি, চাল, আলু। এছাড়াও মহিলাদের জন্য স্যানিটারি ন্যাপকিন, মোমবাতি ও দেশলাই দেওয়া হয়। ঘূর্ণিঝড়ের দাপটে ভেঙে গিয়েছে ঘরবাড়ি। কিন্তু ভাঙেনি মনের জোর। বার বার বিপর্যয়ে মুখোমুখি হয়ে দ্বীপের মানুষগুলো বিপর্যয়কেই সঙ্গী বানিয়ে ফেলেছেন অমায়িক মানুষগুলো। সাহায্য আসছে জানতে পেরে তাই বিপদের মাঝেই পাতিবুনিয়া থেকে মৌসুনি দ্বীপে নৌকো করে নদী পাড় করিয়ে নিয়ে গিয়েছে ক্লাবের সদস্যদের। আবার দিনশেষে সেভাবেই পাড়ে পৌঁছে দিয়ে গিয়েছেন।দ্বীপের বাসিন্দাদের এমন অমায়িক ব্যবহারে অভিভূত ক্লাবের সদস্যরা।জীব সেবাই শিব সেবা। এই নীতিতেই ইছলাবাদ কিরণ সঙ্ঘ ক্লাবের সদস্যরা মানুষের পাশে থাকার কাজ করে চলেছেন। তার বদলে, এই সব অসহায় মানুষদের মুখের হাসি ও আশীর্বাদটুকুই তাঁদের বড় পাওনা। এর আগে কোভিড রোগীদের জন্য অক্সিজেনের ব্যবস্থা করে বহু মানুষকে মৃত্যুর মুখ থেকে বাঁচিয়েছিলেন ক্লাবের সদস্যরা। এবার দুর্যোগে বিপর্যস্ত মানুষগুলোর পাশে দাঁড়াতে পেরে তৃপ্তির হাসি হাসছেন ক্লাবের প্রত্যেক সদস্যরা।

জুন ১১, ২০২১
কলকাতা

বিনামূল্যে টিকাকরণ কলকাতার ২টি ফুটবল ক্লাবে

গোটা দেশে নতুন করে চোখ রাঙাচ্ছে প্রাণঘাতী করোনা। মারণ ভাইরাসের মোকাবিলায় একজোট হয়ে লড়াইয়ের বার্তা দিয়েছেন বিরাট কোহলি। ক্রিকেটার থেকে ফুটবলার- খেলার দুনিয়ার তারকাদের অনেকেই আর্থিক সাহায্য করে মানুষের পাশে থাকছেন। কেউ আবার দুঃস্থদের মুখে তুলে দিচ্ছেন খাবার। আর এবার এই লড়াইয়ে সামিল কলকাতার ফুটবল ক্লাবগুলি। সাধারণ মানুষকে টিকা দেওয়ার দায়িত্ব নিল ময়দানের দুটি ক্লাব এবং আইএফএ।প্রতিদিনই লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। উদ্বেগ বাড়াচ্ছে অ্যাকটিভ কেসও। ব্যতিক্রমী নয় বাংলাও। কলকাতার সাধারণ মানুষ যাতে নিশ্চিন্তে টিকা পান, তা নিশ্চিত করতে এবার কলকাতার ফুটবল ক্লাবগুলিও এগিয়ে এল। সাদার্ন এভিনিউ, কালীঘাট মিলন সংঘের সঙ্গে হাত মিলিয়ে বিনামূল্যে টিকাকরণের ব্যবস্থা করল আইএফএও। বৃহস্পতিবার থেকে কলকাতা লিগে খেলা দুটি ক্লাব সাদার্ন সমিতি ও কালীঘাট মিলন সংঘ, আইএফএ-র সঙ্গে একজোট হয়ে ভ্যাকসিন দেওয়ার ব্যবস্থা করে। শুক্রবার একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এমনটাই জানানো হল। তবে শুধুই ভ্যাকসিন নয়, হাসপাতালে বেড পেতে কিংবা অক্সিজেন সিলিন্ডার, ভেন্টিলেটর পেতেও যাতে কোনও সমস্যায় না পড়তে হয়, সে দিকেও নজর রাখবে ক্লাব কর্তৃপক্ষ।

মে ০৭, ২০২১
কলকাতা

বামেদের ব্রিগেডে হাজির থাকতে পারেন ভাইজান

চলতি মাসের ২৮-এ বামেদের ব্রিগেড সমাবেশের আগেই ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রণ্টের সঙ্গে আসন সমঝোতা হয়ে যেতে পারে। সেই সম্ভাবনার কথা জানিয়ে দিলেন আইএসএফের কান্ডারী পিরজাদা আব্বাস সিদ্দিকি ওরফে ভাইজান। মঙ্গলবার ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে দলীয় সভায় ভাইজান বলেন, আমার আশা ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে আসন সমঝোতা সম্পূর্ণ হয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে ব্রিগেড সমাবেশে ভিড় উপচে পড়বে বলেও তিনি জানিয়ে দেন।আটচল্লিশ ঘণ্টার নোটিসে মঙ্গলবার ধর্মতলায় সভা ডেকেছিল ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রণ্ট। আব্বাস সিদ্দিকি শিয়ালদা থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত একটি মিছিলের নেতৃত্ব দেন। অপর মিছিলটি আসে হাওড়া স্টেশন থেকে। ছোট জায়গায় সভার অনুমতি মেলায় উষ্মাপ্রকাশ করেছেন ভাইজান। তাঁর খেদোক্তি, ভোট নেওয়ার সময় আমরা। এদিকে একটা বড় জায়গা পাওয়া যায় না সভা করার জন্য। একটা দুর্গন্ধযুক্ত জায়গায় সভা করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।এদিনের সভায় ভাইজান জানিয়ে দিয়েছেন টাকা রোজগারের জন্য তিনি রাজনীতি করতে আসেননি। তাছাড়া কলকাতায় সম্পত্তি করতেও তিনি রাজনীতি করছেন না। কটাক্ষ করে তিনি বলেছেন, ভাইপোকে প্রতিষ্ঠা করতেও রাজনীতিতে আসিনি।কেন্দ্রীয় কৃষি বিল, পেট্রল-ডিজেল ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি, কেন্দ্রীয় সরকারের জনবিরোধী নীতির প্রতিবাদে এদিন সভা করে আইএসএফ। ওয়াই চ্যানেলের সভা থেকে কেন্দ্র ও রাজ্য দুই সরকারকেই তোপ দেগেছেন আব্বাস সিদ্দিকি। ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রণ্টের সঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে আসন সমঝোতা করা নিয়ে আলাপ-আলোচনা চলছে বাম-কংগ্রেসের। সেই জোট হলে বাংলার ভোট ত্রিমুখী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এই আসন সমঝোতা এখনও স্পষ্ট নয়।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২১
রাজনীতি

বাংলার রাজনীতিতে নতুন দল ঘোষণা ভাইজানের, বেগ পেতে পারে তৃণমূল

পূর্বঘোষণা অনুযায়ী ফুরফুরা শরীফের পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকি নতুন রাজনৈতিক দল ঘোষণা করলেন। ধর্মনিরপেক্ষতার পথে হাঁটতে নাম রেখেছেন ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট। এই ফ্রন্টের চেয়ারম্যান হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে আব্বাস সিদ্দিকির ভাই পীরজাদা নওসাদ সিদ্দিকির নাম। সভাপতি হয়েছেন শিমল সোরেন। বৃহস্পতিবার কলকাতা প্রেস ক্লাবে এই নতুন দলের এই দুজন কর্মকর্তার নাম ঘোষণা করা হয়েছে। বাকিদের নাম পড়ে ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন আব্বাস সিদ্দিকি ওরফে ভাইজান।এর আগে আব্বাস সিদ্দিকি জানিয়েছিলেন, মুসলিম, দলিত ও পিছিয়েপড়াদের নিয়ে তিনি রাজনৈতিক দল গঠন করতে চলেছেন। সেই নতুন দল গঠন করার জন্য তিনি বিভিন্ন সভায় মানুষের কাছে তাঁদের মতামত জানতে চেয়েছেন। ইতিমধ্যে তাঁর সঙ্গে দেখা করে গিয়েছেন মিমের প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়েসি। যদিও আব্বাস তাঁকে জানিয়ে দিয়েছিলেন তিনি নিজেই দল গড়তে চালেছেন। সেই দলের সঙ্গে জোটে আসতে পারেন কিন্তু তিনি এখানে মিমের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করবেন না। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেছিলেন আব্বাস সিদ্দিকি। সম্প্রতি মিনাখাঁয় একটি অনুষ্ঠানের আগে তাঁর অনুগামীদের উপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। এবং তাঁদের বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। এসব অত্যাচার বন্ধ করতে চান আব্বাস। এদিন আব্বাস সিদ্দিকি জানিয়ে দেন, তিনি কিংমেকার হতে চান। কিন্তু তিনি নিজে ভোটে লড়বেন না। আগামী ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট তাঁদের রাজনৈতিক কর্মসূচি শুরু করবে। এছাড়া ব্রিগেডের জনসভা করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন ভাইজান। সেই জনসভা থেকেই জেলা নেতৃত্বের দায়িত্ব ঘোষণা করা হবে বলেও তিনি জানান। তাঁর এই নতুন দল বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসকে বেগ দিতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। নওসাদ সিদ্দিকি বলেন, আমরা চাই পাঠ্যসূচিতে সংবিধানকে রাখা হোক। এই দাবিতে আমরা কলকাতার পথে নামব। কৃষি বিলের প্রতিবাদ হবে। আব্বাসের বক্তব্য, বিজেপি দেশের পক্ষে ক্ষতিকারক। তবে সাম্প্রদায়িকতার প্রশ্নে তিনি সরাসরি কোনও জবাব দেননি। এর আগে আব্বাস উদ্দিনের সংগঠন নিয়ে সিপিএমের একাংশ উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। কংগ্রেসও নেতৃত্ব এখনও সেভাবে এই দল সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য করেনি। দেখার বিষয় বাংলার রাজনীতিতে নতুন কোনও জোট হয় কিনা। বিজেপি নেতৃত্বের একাংশ আব্বাসের এই দল নিয়ে উচ্ছ্বাসিত। এর ফলে তৃণমূলের রাজরাজনৈতিক ক্ষতি হবে বলে তাঁদের ধারণা। যদিও এ ব্যাপারে কোনও মন্তব্য করতে চাননি আব্বাস। তাঁর বক্তব্য, বিজেপির বিরুদ্ধে লড়তে হলে সবাই একজোট লড়তে হবে। তাঁরা ২৯৪টি আসনেই প্রার্থী দিতে পারেন বলে জানিয়েছেন।

জানুয়ারি ২১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

কলকাতায় এবার কোন দলে খেলবেন শিলটন?

গোয়া ছেড়ে আবার কলকাতায় শিলটন পাল। মোহনবাগানের এই প্রাক্তন গোলকিপারকে খেলতে দেখা যাবে দ্বিতীয় ডিভিশন আই লিগে। ভবানীপুরের জার্সি গায়ে খেলবেন এই অভিজ্ঞ গোলকিপার। দীর্ঘদিন মোহনবাগানে খেলার পর এবছর গোয়ার চার্চিল ব্রাদার্সে যোগ দিয়েছিলেন শিলটন। আই লিগের প্রথম ডিভিশন কবে শুরু হবে, এখনও ঠিক করেনি ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন। তাই লোনে ভবানীপুরের হয়ে যায় লিগ দ্বিতীয় ডিভিশনে খেলবেন। শুক্রবার ভবনীপুরে অনুশীলনও শুরু করেছেন।দ্বিতীয় ডিভিশনের খেলা শেষ হলে আবার চার্চিল ব্রাদার্সে যোগ দেবেন শিলটন। মোহনবাগানে আসার আগে তিনি ছিলেন টাটা ফুটবল একাডেমিতে। ২০০৬ সালে মোহনবাগানে যোগ দেন। চেন্নাইন এফ সি, কেরালা ব্লাস্টার্স, এটিকের হয়ে লোনে আই এস এলেও খেলেছেন।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ম্যারাথন জেরার পর ইডির জালে কলকাতা পুলিশের ডিসি শান্তনু সিন্‌হা বিশ্বাস, ‘সোনা পাপ্পু’ মামলায় বড় পদক্ষেপ

কলকাতা: দীর্ঘ ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের পর অবশেষে কলকাতা পুলিশের ডিসি শান্তনু সিন্হা বিশ্বাসকে গ্রেফতার করল ইডি। প্রায় সাড়ে ১০ ঘণ্টার টানা জেরার শেষে বৃহস্পতিবার রাতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এই পদক্ষেপ করে। বহুবার নোটিস পাঠানো সত্ত্বেও এতদিন হাজিরা এড়িয়ে যাওয়ার অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। অবশেষে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা ৫ মিনিটে ইডি দফতরে পৌঁছন তিনি। এরপরই শুরু হয় দফায় দফায় জেরা।ইডি সূত্রের দাবি, জেরার শুরুতে কিছুটা সহযোগিতা করলেও পরে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে যান শান্তনু। তদন্তকারীদের অভিযোগ, বেশ কিছু নথি এবং ডিজিটাল তথ্য সামনে রাখা হলেও তিনি তা সম্পর্কে অজ্ঞতার দাবি করেন এবং তদন্তকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেন। এর পরেই তাঁকে গ্রেফতারের সিদ্ধান্ত নেয় ইডি।জানা গিয়েছে, সোনা পাপ্পু তোলাবাজি ও প্রতারণা মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়াও এনআরআই কোটায় মেডিক্যাল ভর্তি দুর্নীতি এবং বালি পাচার এই দুই মামলাতেও তাঁকে নোটিস পাঠানো হয়েছিল।তদন্তে উঠে এসেছে বেহালার ব্যবসায়ী জয় এস কামদারের নাম। ইডির অভিযানে তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া ডায়েরি ও নথিতে শান্তনু সিন্হার নাম মিলেছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। সেই সূত্র ধরেই ডিসির বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বেনামে একাধিক সম্পত্তির হদিশ পেয়েছে ইডি।ব্যাঙ্কশাল আদালতে জমা দেওয়া রিপোর্টে ইডির দাবি, কলকাতা শহরে একটি প্রভাবশালী জমি দখল ও তোলাবাজির সিন্ডিকেট চালানো হত, যেখানে জয় এস কামদারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগ ছিল শান্তনু সিন্হার। অভিযোগ, বিভিন্ন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ভুয়ো এফআইআর দায়ের করে থানায় ডেকে চাপ সৃষ্টি করা হত, এরপর জমি দখলের পথ প্রশস্ত করা হতো। এই চক্রের মাধ্যমে বেআইনি আর্থিক লেনদেনও হয়েছে বলে অভিযোগ।তদন্তকারীদের হাতে আসা জয় এস কামদারের মোবাইল ফোনের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে একাধিক এফআইআর নম্বরের উল্লেখ মিলেছে। সেই তথ্য থেকেই ভুয়ো মামলার জাল বিস্তৃত ছিল বলে অনুমান ইডির।সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ দাবি, এই চক্রে কলকাতা পুলিশের অন্তত ১২ জন আধিকারিকের নাম উঠে এসেছে। ফলে তদন্ত আরও বিস্তৃত হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।বারবার নোটিস উপেক্ষা করায় শান্তনুর বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিস জারি করার প্রস্তুতিও নিয়েছিল ইডি। এমনকি তাঁর খোঁজে ডিরেক্টর অফ সিকিউরিটিকেও চিঠি পাঠানো হয়েছিল। এরপরই বৃহস্পতিবার হাজিরা দেন তিনি।ইডির অভিযোগ, শান্তনু সিন্হা শুধু প্রভাব খাটিয়েই ক্ষান্ত থাকেননি, এই সিন্ডিকেট থেকে আর্থিকভাবেও লাভবান হয়েছেন। তদন্তকারীদের ধারণা, হেফাজতে নিয়ে জেরা করলে আরও বিস্ফোরক তথ্য সামনে আসতে পারে।শুক্রবার তাঁকে আদালতে পেশ করা হবে। এখন নজর আদালতে আর কী কী বিস্ফোরক তথ্য সামনে আনে ইডি, সেটাই দেখার।

মে ১৪, ২০২৬
রাজ্য

রামপুরহাট হাসপাতাল পরিদর্শনে বিধায়ক, কড়া নির্দেশ ধ্রুব সাহার

বিজেপি বিধায়ক ধ্রুব সাহা বৃহস্পতিবার রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পরিদর্শনে যান। পরিদর্শনের সময় তিনি হাসপাতালের নিরাপত্তারক্ষীর সুপারভাইজার এবং প্রিন্সিপ্যালকে ধমক দেন।ধ্রুব সাহা বলেছেন, প্রিন্সিপ্যাল ঠাণ্ডা ঘরে বসে থাকেন, হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার দিকে নজর দেন না। ওয়ার্ড ও শৌচালয়ের অবস্থা খারাপ। রোগীদের পরিষেবা নিয়ে একাধিক অভিযোগ আসছে।এদিন বিধায়ক কড়া নির্দেশ দিয়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে। তিনি প্রিন্সিপ্যালকে স্পষ্ট বলেন, ঠাণ্ডা ঘরে বসে না থেকে হাসপাতাল পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার উপর নজর দিন। নিরাপত্তারক্ষীর সুপারভাইজারকেও দায়িত্ব পালনে গাফিলতির জন্য সতর্ক করেন বিধায়ক ।গত কয়েক মাস ধরে রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বিরুদ্ধে নোংরা পরিবেশ, রোগী হয়রানি ও চিকিৎসায় গাফিলতির বিভিন্ন অভিযোগ উঠছিল। স্থানীয় বাসিন্দারা বিধায়কের কাছে নালিশ জানিয়েছিলেন। তার পরেই আজ বিধায়কের এই সারপ্রাইজ ভিজিট।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এখনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া দেয়নি।

মে ১৪, ২০২৬
কলকাতা

“তাপস-সজলদের দল ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছিল”, বিধায়ক হয়েই ফেসবুকে বোমা ফাটালেন কুণাল

সদ্য শেষ হওয়া বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে জয়ী হয়েছেন কুণাল ঘোষ। বৃহস্পতিবার বিধায়ক হিসেবে শপথ নেওয়ার পরই তিনি এমন একটি ফেসবুক পোস্ট করেন, যা ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক চর্চা। একদিকে তিনি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন, অন্যদিকে দলের অন্দরের কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রকাশ্যেই ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন।ফেসবুক পোস্টে কুণাল লেখেন, বিধায়ক হিসেবে শপথ নিলাম। ধন্যবাদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বেলেঘাটার মানুষকে। শপথবাক্য পাঠ করালেন প্রোটেম স্পিকার তাপস রায়। তাঁকে দলে রাখার চেষ্টা করেছিলাম, পারিনি। পরে রাজনৈতিক মতভেদ থাকলেও ব্যক্তিগতভাবে তাপসদাকে ভালো বলায় আমাকেই দল সাসপেন্ড করেছিল।তিনি আরও লেখেন, আজ আমি তৃণমূলের বিধায়ক হয়ে শপথ নিচ্ছি বিজেপির হয়ে জিতে আসা তাপসদার হাত থেকে। এটাই ভাগ্যের খেলা।সজল ঘোষকে নিয়েও বিস্ফোরক মন্তব্য করেন কুণাল। তাঁর দাবি, উত্তর ও মধ্য কলকাতায় তাপস রায় ও সজল ঘোষদের দল ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছিল। তিনি লিখেছেন, ওঁদের দলে রাখার চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু সফল হইনি। আজ ওঁরা বিধায়ক। আমি এখনও তৃণমূলের সৈনিক হিসেবেই আছি।তবে এখানেই থামেননি কুণাল। তিনি দলের অন্দরের রাজনীতি নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তুলে লেখেন, যাঁদের জন্য তাপসদা, সজলরা এবং আরও অনেকে দল ছেড়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা হয়নি। এখনও একইভাবে হোয়াটসঅ্যাপ কাঁদুনি রাজনীতি ও স্বজনপোষণ চলছে। এতে কর্মীরা ধৈর্য হারাচ্ছেন। তৃণমূলকে আবার শক্তিশালী করতে আত্মসমালোচনা খুব জরুরি।রাজনৈতিক মহলের মতে, কুণালের এই পোস্টে উত্তর কলকাতা তৃণমূলের সাম্প্রতিক হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ বিতর্কেরও ইঙ্গিত রয়েছে।যদিও এই পোস্টকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে চাননি প্রোটেম স্পিকার তাপস রায়। তাঁর প্রতিক্রিয়া, ওই দলের আত্মসমালোচনা করে আর কোনও লাভ নেই। যা হওয়ার হয়ে গিয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানুষের মন বোঝেন বলে দাবি করেন, কিন্তু ফল তো সবাই দেখেছে।অন্যদিকে বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ বলেন, হ্যাঁ, কুণালদা আমাদের দলে রাখার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু তখন তাঁর হাতে কিছু ছিল না। যদি থেকে যেতাম, তাহলে আজ চোর স্লোগান শুনতে হতো।

মে ১৪, ২০২৬
দেশ

সপ্তাহে দু’দিন বাড়ি থেকে কাজ! মোদীর নির্দেশে বড় সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকারের

জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য বড় সিদ্ধান্ত নিল দিল্লি সরকার। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পরামর্শ মেনে এবার সপ্তাহে দুদিন সরকারি কর্মীদের বাড়ি থেকে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হল। বৃহস্পতিবার এই ঘোষণা করেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা।শুধু ওয়ার্ক ফ্রম হোম নয়, জ্বালানি বাঁচাতে আরও একাধিক পদক্ষেপের কথা জানিয়েছে দিল্লি সরকার। সরকারি দফতরের অন্তত ৫০ শতাংশ বৈঠক এবার অনলাইনে করা হবে। পাশাপাশি যানজট কমাতে ও জ্বালানির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকারি অফিসের সময়েও বদল আনা হবে।সরকারের লক্ষ্য শুধু সরকারি কর্মীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সাধারণ মানুষকেও এই উদ্যোগে সামিল করতে বিশেষ কর্মসূচি নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।এর আগে মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা জানিয়েছিলেন, সরকারি কাজে যতটা সম্ভব কম গাড়ি ব্যবহার করতে হবে। মন্ত্রী, বিধায়ক, জনপ্রতিনিধি এবং সরকারি কর্মীদেরও অপ্রয়োজনীয় গাড়ির ব্যবহার কমানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তার বদলে কারপুলিং এবং গণপরিবহণ ব্যবহারের উপর জোর দেওয়া হচ্ছে।দিল্লি সরকার সরকারি কাজে ব্যবহৃত গাড়িগুলির জ্বালানির বরাদ্দও কমিয়ে দিয়েছে। অফিসারদের জন্য বরাদ্দ পেট্রোল ২০ শতাংশ কমানো হয়েছে। এখন থেকে মাসে ২০০ লিটার জ্বালানি বরাদ্দ করা হবে।গণপরিবহণ ব্যবহারে উৎসাহ দিতে দিল্লিতে পালন করা হবে মেট্রো দিবস। সাধারণ মানুষকে সপ্তাহে অন্তত একদিন গাড়িবিহীন দিবস পালন করার আবেদন জানানো হয়েছে। এছাড়া পাবলিক ট্রান্সপোর্ট আরও সহজ করতে ২৯টি সরকারি আবাসন এলাকা থেকে ৫৮টি বিশেষ বাস চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।দিল্লি সরকার আরও জানিয়েছে, আগামী ছয় মাস নতুন কোনও সরকারি গাড়ি কেনা হবে না। জ্বালানি সাশ্রয় এবং দূষণ কমানোর লক্ষ্যেই এই একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনের দাবি।

মে ১৪, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতায় আর রাস্তার ধারে গাড়ি রাখা যাবে না! কড়া নির্দেশ পুরমন্ত্রীর

কলকাতার রাস্তায় দুধারে গাড়ি দাঁড় করানোর ছবি নতুন নয়। বড় রাস্তা থেকে ছোট গলি, সর্বত্রই রাস্তার ধারে সারি সারি গাড়ি পার্ক করা দেখা যায়। অনেক সময় গাড়ি রাখার সঙ্গে সঙ্গেই হাতে স্লিপ নিয়ে হাজির হন কিছু মানুষ। অভিযোগ, এই ধরনের বহু পার্কিং সম্পূর্ণ বেআইনি ভাবে চলছে। সেই সঙ্গে ভুয়ো স্লিপ দেখিয়ে টাকা তোলার অভিযোগও বহুদিনের।এবার সেই বেআইনি পার্কিংয়ের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করতে চলেছে রাজ্য সরকার। পুরমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই একের পর এক সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন অগ্নিমিত্রা পল। এবার তাঁর নজর পড়েছে কলকাতার রাস্তার পার্কিং ব্যবস্থার উপর।বৃহস্পতিবার বিধানসভায় দাঁড়িয়ে অগ্নিমিত্রা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, রাস্তার দুধারে আর অবৈধভাবে গাড়ি রাখা যাবে না। তিনি বলেন, আজই নোটিস দেওয়া হবে। যেখানে পার্কিং করার অনুমতি নেই, সেখানে কোনও গাড়ি রাখা যাবে না। এতে সাধারণ মানুষের সুবিধা হবে।শুধু পার্কিং নয়, ভুয়ো স্লিপ দেখিয়ে টাকা তোলার বিরুদ্ধেও কড়া অবস্থান নিয়েছে পুরসভা। পুরমন্ত্রীর অভিযোগ, বহু জায়গায় ভুয়ো পার্কিং স্লিপ দিয়ে টাকা তোলা হয়, অথচ সেই টাকা সরকারি রাজস্বে জমা পড়ে না। এবার থেকে এই ধরনের স্লিপ ব্যবহার করে আর টাকা তোলা যাবে না বলেও স্পষ্ট জানিয়েছেন তিনি।অগ্নিমিত্রা আরও জানান, যে কেউ নিজের ইচ্ছামতো পার্কিং ফি নিতে পারবেন না। খুব শীঘ্রই একটি নির্দিষ্ট রেট চার্ট তৈরি করা হবে। সেই নির্ধারিত হার মেনেই টাকা নেওয়া যাবে।উল্লেখ্য, এর আগে তৎকালীন পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমও রাস্তার ধারের পার্কিং নিয়ে পদক্ষেপ করেছিলেন। গত বছর কলকাতা পুরনিগম সকাল ৭টা থেকে ৯টা পর্যন্ত রাস্তার ধারে পার্কিং বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছিল। মূলত শহর পরিষ্কার রাখার কাজের সুবিধার জন্যই সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। এবার আরও কড়া পদক্ষেপের পথে হাঁটছে নতুন প্রশাসন।

মে ১৪, ২০২৬
কলকাতা

মন্ত্রিসভা এখনও অসম্পূর্ণ, তার মধ্যেই বড় সিদ্ধান্ত! বিধানসভার স্পিকার করলেন শুভেন্দু

এখনও পুরো মন্ত্রিসভা গঠন হয়নি। মাত্র পাঁচজন মন্ত্রীকে নিয়েই কাজ শুরু করেছে নতুন বিজেপি সরকার। এর মধ্যেই বৃহস্পতিবার বিধানসভার নতুন স্পিকারের নাম ঘোষণা করা হল। জল্পনার অবসান ঘটিয়ে কোচবিহার দক্ষিণের বিধায়ক রথীন্দ্রনাথ বসুকে অধ্যক্ষ হিসেবে মনোনীত করল বিজেপি।মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে শুভেন্দু জানান, রথীন্দ্র বসুকেই বিধানসভার নতুন স্পিকার হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে।দায়িত্ব গ্রহণের পর রথীন্দ্র বসু বলেন, দল আমাকে যে দায়িত্ব দিয়েছে, সেটা আমি পুরো নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করব। মানুষ যেভাবে চাইবে, সেভাবেই বিধানসভা চালানোর চেষ্টা করব।২০২৬ সালের নির্বাচনে প্রথমবার জয়ী হয়ে বিধায়ক হয়েছেন রথীন্দ্র বসু। কোচবিহার দক্ষিণ কেন্দ্র থেকেই তিনি নির্বাচিত হন। জন্ম ও পড়াশোনা সবই কোচবিহারে। কোচবিহারের বি টি অ্যান্ড ইভিনিং কলেজ থেকে স্নাতক হওয়ার পর তিনি চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট হিসেবে কাজ শুরু করেন। বর্তমানে তাঁর নিজের একটি সংস্থাও রয়েছে।রাজনীতিতে আসার আগে তিনি আরএসএসের সদস্য ছিলেন বলেও জানা গিয়েছে। পরে সক্রিয়ভাবে বিজেপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। প্রথমবার বিধায়ক হয়েই এবার বিধানসভার স্পিকারের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেলেন তিনি।তৃণমূল সরকারের সময়ে দীর্ঘ ১৫ বছর বিধানসভার অধ্যক্ষ ছিলেন বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার সেই অধ্যায়ের অবসান ঘটিয়ে উত্তরবঙ্গের মুখকে সামনে আনল বিজেপি। রাজনৈতিক মহলের মতে, উত্তরবঙ্গকে বিশেষ গুরুত্ব দিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মে ১৪, ২০২৬
কলকাতা

আদালতে মমতার আবেগঘন আর্জি, তারপরই বড় নির্দেশ হাইকোর্টের!

বৃহস্পতিবার সকালে কলকাতা হাইকোর্টে এক বিরল ছবি দেখল বাংলা। হাতে কাগজ ও ছবি নিয়ে এজলাসে দাঁড়িয়ে সওয়াল করলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে সরব হয়ে তিনি প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের সামনে আবেদন জানান, রাজ্যের সাধারণ মানুষকে নিরাপত্তা দেওয়া হোক।এদিন কলকাতা হাইকোর্টে দুটি মামলার একসঙ্গে শুনানি হয়। একটি মামলা করেন আইনজীবী রীতঙ্কর দাস। সেখানে হগ মার্কেটে জেসিবি দিয়ে মূর্তি ভাঙার অভিযোগ তোলা হয়। অন্যদিকে, ভোট পরবর্তী হামলা ও অশান্তি নিয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন আইনজীবী শীর্ষাণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথী সেনের ডিভিশন বেঞ্চে শুনানি হয়।শুনানির পর গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দেয় আদালত। ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার দায়িত্ব পুলিশকেই নিতে হবে। ভোট পরবর্তী হিংসায় যাঁদের দোকান বা বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, দল না দেখে তাঁদের সাহায্য করতে হবে। ক্ষতিগ্রস্ত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের বিষয়েও ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।আদালত আরও জানিয়েছে, আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে এই বিষয়ে রাজ্য পুলিশকে হলফনামা জমা দিতে হবে। সেখানে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, তার বিস্তারিত রিপোর্ট দিতে হবে।এই রায়ের পর তৃণমূলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, আদালত তাদের অভিযোগের গুরুত্ব স্বীকার করেছে। দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে আদালতে সওয়াল করেছেন। হাইকোর্টও তাঁর বক্তব্যের সঙ্গে একমত। যেভাবে তৃণমূল কর্মীদের উপর হামলা হচ্ছে, দোকান ভাঙা হচ্ছে, মানুষকে এলাকা ছাড়া করা হচ্ছে, সেগুলোর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিতে হবে।কুণাল আরও বলেন, আদালতে দাঁড়িয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাধারণ মানুষের পাশে থাকার বার্তাই দিয়েছেন। এই মামলার রায় ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা।

মে ১৪, ২০২৬
কলকাতা

আদালতে মমতা, কটাক্ষ শুভেন্দুর! “অযথা বিষয় নিয়ে ভাবার সময় নেই” মন্তব্যে নতুন জল্পনা

ভোটের আগে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন। আর নির্বাচনের পর এবার কলকাতা হাইকোর্টে হাজির হলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার সকালে আচমকাই আইনজীবীর পোশাকে হাইকোর্টে পৌঁছে যান তিনি। তাঁকে দেখে আদালত চত্বরে শুরু হয় ব্যাপক চাঞ্চল্য।এদিন কালো কোট পরে আইনজীবীদের নির্ধারিত পোশাকেই আদালতে ঢুকতে দেখা যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। ভোট পরবর্তী হিংসার মামলার শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন তিনি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ও।নির্বাচনের পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় অশান্তির অভিযোগ উঠেছে। সেই ঘটনাগুলিকে সামনে রেখে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুত্র ও আইনজীবী শীর্ষাণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চে সেই মামলার শুনানি হয়।গত ১২ মে কলকাতা হাইকোর্টে এই মামলা দায়ের করা হয়েছিল। তৃণমূলের পক্ষ থেকে দ্রুত শুনানির আবেদন জানানো হয়। এরপরই ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, বৃহস্পতিবার মামলার শুনানি হবে।এদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদালতে যাওয়া নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও। তিনি বলেন, আমার হাতে অনেক কাজ আছে। অযথা বিষয় নিয়ে মাথা ঘামানোর সময় নেই। সময় খুব গুরুত্বপূর্ণ। এসব বিষয় নিয়ে আমি ভাবিত নই।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাইকোর্টে উপস্থিতি ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক চর্চা। আদালতের এজলাসে তাঁর উপস্থিতি এবং ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে মামলার শুনানি ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন উত্তাপ তৈরি হয়েছে।

মে ১৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal