• ২০ ফাল্গুন ১৪৩২, বুধবার ০৪ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

China

বিদেশ

China-Uyghurs: উইঘুর নির্যাতন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ রাষ্ট্রসঙ্ঘের মানবাধিকার পরিষদের

উইঘুর নির্যাতন নিয়ে সরব রাষ্ট্রসঙ্ঘ (United Nations)। চিনের উপর চাপ বাড়িয়ে এবার সংখ্যালঘু অধ্যুষিত শিনজিয়াং প্রদেশ পরিদর্শনের কথা বললেন মানবাধিকার পরিষদের প্রধান মিশেল ব্যাকলেট। উল্লেখ্য, ২০০৯ সালে শিনজিয়াং প্রদেশে সাম্প্রদায়িক হিংসা হওয়ার পর থেকেই উইঘুর মুসলিমদের উপর রাশ টেনেছে চিন। সেখানে উইঘুর (Uyghurs) ও অন্য মুসলিম (Muslim) জনগোষ্ঠীর ওপর জুলুমের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। কয়েকদিন আগে বিবিসির তরফে এক রিপোর্টে দাবি করা হয়, বন্দিশিবিরে থাকা মুসলিম মহিলাদের উপর পরিকল্পনা করে ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতন চালাচ্ছে চিন। সেই রিপোর্টকে ঘিরে উদ্বেগ প্রকাশ করে আমেরিকা।আরও পড়ুনঃ সরকারি সম্পত্তি অপব্যবহারের অভিযোগে গ্রেপ্তার রাজীব ঘনিষ্ঠসোমবার মানবাধিকার পরিষদের ৪৭তম অধিবেশনে চিন, রাশিয়া ও ইথিওপিয়ায় মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে সরব হন ব্যাকলেট। বিশেষ করে চিনের শিনজিয়াং প্রদেশে উইঘুরদের উপর রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন নিয়ে মুখ খোলেন তিনি। ওই অঞ্চলের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে চলতি বছরই শিনজিয়াং যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন ব্যাকলেট। একইসঙ্গে, হংকংয়ে চিনা দমননীতি নিয়েও সরব হন রাষ্ট্রসঙ্ঘের মানবাধিকার পরিষদের প্রধান। স্বশাসিত প্রদেশটির গণতান্ত্রিক মর্যাদা কেড়ে নিতে জিনপিং প্রশাসনের বিতর্কিত জাতীয় নিরাপত্তা আইনের সমালোচনা করেন ব্যাকলেট। বিশ্লেষকদের মতে, উইঘুর ও হংকং ইস্যুতে আন্তর্জাতিক মঞ্চে ব্যাকফুটে রয়েছে চিন। এবার শিনজিয়াং পরিদর্শনের প্রসঙ্গ তুলে চিনের উপর আরও চাপ বড়াল রাষ্ট্রসঙ্ঘ।

জুন ২২, ২০২১
বিদেশ

China Scientist murder: চিনের পরমাণু বিজ্ঞানীর রহস্যমৃত্যু

রহস্যজনভাবে মৃত্যু হল চিনের (China) অন্যতম শীর্ষ পরমাণু বিজ্ঞানী (Nuclear Scientist) ঝাং ঝিজিয়ানের। বৃহস্পতিবার একটি বহুতল থেকে পড়ে প্রাণ হারান ওই বিজ্ঞানী। তবে কীভাবে এই ঘটনা ঘটল, তা নিয়েই শুরু হয়েছে জল্পনা। এদিকে, বিজ্ঞানী ঝাংয়ের মৃত্যুর নেপথ্যে বড়সড় ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে মনে করছেন অনেকে। যদিও এনিয়ে প্রকাশ্যে মুখ খুলতে চাইছেন না কেউই। ওই বিজ্ঞানীর মৃত্যুতে বিদেশি শক্তির হাত থাকতে পারে বলেও মনে করছেন তদন্তকারীদের একাংশ।চিনের হারবিন ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটির ভাইস-প্রেসিডেন্ট ছিলেন বিজ্ঞানী ঝিজিয়ান। পাশাপাশি, চাইনিজ নিউক্লিয়ার সোসাইটির এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদেও ছিলেন তিনি। ফলে তাঁর এহেন রহস্যজনক মৃত্যুতে রীতিমতো চঞ্চল্য ছড়িয়েছে চিনা বিজ্ঞানী মহলে। চিনা সংবাদ মাধ্যম সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট সূত্রে খবর, এই ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তবে এখনই একে খুনের ঘটনা বলে মানতে নারাজ তদন্তকারীরা। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, কেন আত্মহত্যা করবেন ঝিজিয়ান? তাহলে কী এমন কোনও ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল যার জেরে এহেন চরম পদক্ষেপ করলেন ওই বিজ্ঞানী। এদিকে, এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করে এক বিবৃতি জারি করেছে হারবিন ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটি। সেখানে বলা হয়েছে, আমরা অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে ১৭ জুন একটি বহুতল থেকে পড়ে গিয়ে মৃত্যু হয়েছে কমরেড ঝাং ঝিজিয়ানের। তাঁর পরিবারের প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় গভীর সমবেদনা জানাচ্ছে।

জুন ১৯, ২০২১
রাজ্য

Bit Coin: বিটকয়েনের সাহায্যে চিনে টাকা পাচার করত হান

চিনা (China) জালিয়াতদের শতাধিক ভুয়ো সংস্থার হদিশ পেলেন গোয়েন্দারা। এসব বেআইনি লেনদেনের মাথায় ছিল মালদা (Maldah) থেকে ধৃত চিনা চর হান জুনেই। ভারত থেকে বিটকয়েনের সাহায্যে তারা চিনে অর্থ পাঠাত বলে জানা গিয়েছে। এছাড়াও হানকে জেরা করে চলছে হাওয়ালা চক্রের সন্ধান। মালদহ থেকে ধৃত হানকে নিজেদের হেপাজতে পাওয়ার পর বৃহস্পতিবার তাকে কলকাতায় নিয়ে আসেন রাজ্যের স্পেশ্যা ল টাস্ক ফোর্সের (STF) আধিকারিকরা। গোটা চক্রের নেটওয়ার্ক জানতে তাকে জেরা শুরু করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।পুলিশ সূত্রে খবর, হান ও তার সঙ্গীরা যে জালিয়াতি চক্র চালাত, তা নিশ্চিত। চিনে বসে বিভিন্ন পদ্ধতিতে জালিয়াতি চালাতে শুরু করে হান ও তার সঙ্গীদের চক্র। ওই জালিয়াতির টাকা ভারতবিরোধী কোনও কার্যকলাপে কাজে লাগানো হত, এমন সম্ভাবনা গোয়েন্দারা উড়িয়ে দিচ্ছেন না। এই ক্ষেত্রে পাকিস্তানের চর সংস্থা আইএসআইয়ের (ISI) সঙ্গে হানের যোগাযোগের বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে যে, জালিয়াতির জন্য কয়েকটি চিনা অ্যাপ ব্যবহার করত জালিয়াতরা। ওই অ্যাপের সার্ভার রয়েছে চিনে। সেই অ্যাপগুলির সাহায্যেই ভুয়ো লগ্নিকারী সংস্থা বলে পরিচয় দেওয়া হত। মেল করে অথবা মোবাইলে মেসেজ পাঠিয়ে ভুয়ো সংস্থায় টাকা বিনিয়োগের টোপ দেওয়া হত। মোটা সুদ পাওয়ার লোভে অনেকেই টাকা রাখতেন সংস্থায়। আর সেই টাকাই হাতিয়ে নিত চিনা জালিয়াতরা। যেহেতু ভারতীয়দের জালিয়াতি করা হত, তাই প্রথমে ওই ভুয়ো সংস্থাগুলির সাহায্যে ভারতীয় মুদ্রা হাতিয়ে নিত তারা। এরপর বিটকয়েন বা ক্রিপটোকারেন্সিতে পরিবর্তন করে ওই টাকা পাঠানো হত চিনে। এভাবে বেশ কয়েক কোটি টাকা হাতিয়েছে চিনা জালিয়াতরা। হোটেল ব্যবসার আড়ালে চলত ওই জালিয়াতি।

জুন ১৮, ২০২১
রাজ্য

BSF-Border: ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে আটক চিনা নাগরিক

মালদার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকা থেকে সন্দেহজনক অবস্থায় ঘোরাফেরা করতে দেখে এক চিনা নাগরিককে আটক করলো বিএসএফ। ওই চিনা নাগরিকের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে একটি ল্যাপটপ , তিনটি মোবাইল ক্যামেরা-সহ বেশকিছু নথিপত্র। বৃহস্পতিবার সকাল ছটা নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে কালিয়াচক থানার আকন্দবাড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের মিলিক সুলতানপুর এলাকায়। সাতসকালে ভারতীয় সীমান্ত এলাকায় কি কারণে ছবি তুলতে এসেছিল ওই চিনা নাগরিক। এবং কিসের ছবি ওই চিনা নাগরিক ক্যামেরাবন্দি করছিল সে ব্যাপারে তদন্ত শুরু করেছে বিএসএফ এবং গোয়েন্দা কর্তারা।এদিকে আটক চিনা নাগরিককে বিএসএফের ২৪ নম্বর ব্যাটালিয়নের জাওয়ানেরা মহদীপুর এলাকার ক্যাম্পে নিয়ে আনা হয় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য । যদিও ওই চিনা নাগরিককে কি বিষয় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে সে ব্যাপারে পরিষ্কার করে কিছু জানা যায়নি। পরে অবশ্য এই ঘটনার ব্যাপারে বিএসএফের পক্ষ থেকে কালিয়াচক থানার পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তবে ওই চিনা নাগরিকের কাছ থেকে বাংলাদেশি ভিসা পাসপোর্ট উদ্ধার হয়েছে। সীমান্তের ওপার থেকে কাঁটাতার বিহীন এলাকা দিয়েই ভারতীয় সীমান্তে ঢুকে পড়েছিল ওই চিনা নাগরিক বলে প্রাথমিক তদন্তে জানতে পেরেছে বিএসএফ কর্তারা। ওই চিনা নাগরিককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। বিএসএফ এবং পুলিশের একটি সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, আটক হওয়া ওই চিনা নাগরিকের নাম হান জুম উই (৪৫) । তিনি চিনের বেজিং শহরের বাসিন্দা। তার কাছ থেকে কয়েক হাজার টাকার বাংলাদেশি নোট, আমেরিকার ডলার উদ্ধার হয়েছে । এর সাথে বেশ কিছু নথিপত্র পেয়েছে বিএসএফ কর্তারা।যদিও বিএসএফ ও পুলিশের একটি সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, মিলিক সুলতানপুর এলাকার বাংলাদেশের ও প্রান্তে ছবি তুলতে গিয়েই কাঁটাতারের বেড়া বিহীন এলাকা দিয়ে ভারতে প্রবেশ করে ফেলে ওই চিনা নাগরিক। এরপরই বিএসএফের ২৪ নম্বর ব্যাটেলিয়ান জাওয়ানেরা সেই সময় ভারতীয় সীমান্তে ওই চিনা নাগরিককে দেখতে পায়। তড়িঘড়ি তাকে ধরে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করা হলেও ভারতীয় কোনও পাসপোর্ট-ভিসা দেখাতে পারেনি । এদিকে করোনা সংক্রমণের মধ্যে মালদার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে সন্দেহজনকভাবে চিনা নাগরিক আটকের ঘটনায় বিভিন্ন মহলে নানান ধরনের চর্চা শুরু হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে, কিভাবে ওপার সীমান্ত থেকে বিজিবি (বর্ডার গার্ড অফ বাংলাদেশ) নজর এড়িয়ে এবার সীমান্তে অবৈধভাবে প্রবেশ করলো ওই চিনা নাগরিক। বাংলাদেশের ভিসা পাসপোর্ট থাকার পরেও কেন ওপারের সীমান্ত রক্ষা বাহিনী এই চিনা নাগরিককে সতর্ক করলো না। এছাড়াও সাতসকালে ভারতীয় সীমান্তে কি ছবি তুলতে এসেছিল ওই চিনা নাগরিক এসব বিষয় নিয়েও তদন্ত করছে বিএসএফ ও পুলিশ কর্তারা।এদিকে ওই চিনা নাগরিককে আটক করার পর পরই তার শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা করা হয়েছে বলে একটি সূত্র থেকে জানা গিয়েছে। যদিও বিএসএফের তরফ থেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। পরে তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে বিএসএফের পক্ষ থেকে। যদিও এ ব্যাপারে মালদার পুলিশ সুপার কোনও মন্তব্য করেননি। এমনকী, বিএসএফের পদকর্তাদের পক্ষ থেকেও কোনওরকম প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

জুন ১০, ২০২১
বিদেশ

ইচ্ছাকৃতভাবেই ছড়ানো হয়েছিল করোনা ভাইরাস!

ইচ্ছাকৃত ভাবেই পরিবেশে ছড়ানো হয়েছিল করোনা ভাইরাস । এব্যাপারে নাকি গুরুত্বপূর্ণ নথি রয়েছে মার্কিন বিদেশ দপ্তরের হাতে। যদিও বেজিং স্বাভাবিক ভাবেই এমন অভিযোগকে দৃঢ়ভাবে নস্যাৎ করে দিয়েছিল। কিন্তু চিনেরই এক ভাইরাস বিশেষজ্ঞ ফের অভিযোগ করলেন, চিনের গবেষণাগার থেকে জীবাণুযুদ্ধের মহড়া হিসেবেই ওই মারণ ভাইরাস পরিবেশে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।লি-মেং ইয়ান নামের ওই চিনা ভাইরাস বিশেষজ্ঞের এমন দাবি ঘিরে কিছুদিন ধরেই তোলপাড় গোটা বিশ্ব। এবার এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সেই একই দাবি করতে দেখা গেল তাঁকে। ওই সংবাদমাধ্যমের তরফে তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয়, উহানের বাজার নয়, লালফৌজের গবেষণাগারেই বিশ্বত্রাস হয়ে ওঠা কোভিড-১৯ ভাইরাসের জন্ম, একথা লি-মেং ইয়ান কীসের ভিত্তিতে বলছেন। এর উত্তরে ওই চিনা বিজ্ঞানীর সাফ কথা, গত জানুয়ারি থেকেই ইউটিউবের মাধ্যমে আমি সকলকে জানাতে শুরু করেছিলাম যে পিপলস লিবারেশন আর্মি-র গবেষণাগারেই জন্ম এই ভাইরাসের। ইচ্ছাকৃত ভাবেই তা ছড়ানো হয়েছিল। চিনের সরকার এটা ভাল করেই জানে।তাঁর দাবি, প্রচুর অর্থ বরাদ্দ করে ওই ভাইরাসকে তৈরি করেছিল চিন। এবং তা ছড়িয়ে দিয়েছিল বাতাসে। উদ্দেশ্য, মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দুর্বল করে দেওয়া। এবং সেই সঙ্গে প্রতিপক্ষ দেশগুলির চিকিৎসা কাঠামোকেই নড়বড়ে করে দেওয়াই লক্ষ্য ছিল বেজিংয়ের। ওই বিজ্ঞানীর দাবি, তাঁর এই অভিযোগের সপক্ষে জোরদার বৈজ্ঞানিক প্রমাণ রয়েছে তাঁর কাছে। পাশাপাশি গোয়েন্দা সূত্রে পাওয়া তথ্যপ্রমাণও রয়েছে। তাঁর আরও দাবি, এই সব প্রমাণ এমন অকাট্য চিনের পক্ষেও তা অস্বীকার করা সম্ভব নয়। কিন্তু তবু বেজিং এসবকে আড়াল করতে ভুয়ো প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।প্রসঙ্গত, করোনার দাপট শুরু হওয়ার পর থেকেই এই দাবি উঠতে থাকে যে এটি প্রাকৃতিক ভাইরাস নয়। একে তৈরি করা হয়েছে গবেষণাগারে। কিন্তু বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সেই সময় জানিয়েছিল, এমন দাবি ভিত্তিহীন। এবার চিনের ভাইরাস বিশেষজ্ঞের এমন দাবি ঘিরে ক্রমেই বাড়ছে চাঞ্চল্য।

মে ১২, ২০২১
বিদেশ

৫ বছর আগেই সার্স-কোভ-২-কে জৈব অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের ছক ছিল চিনের!

বিশ্বজুড়ে করোনা ভাইরাসের তাণ্ডবের পিছনে চিনের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ হাত রয়েছে, এমন অভিযোগ বার বার উঠেছে। কিন্তু তার কোনও পোক্ত প্রমাণ কেউ তুলে ধরতে পারেনি, যা দিয়ে চিনকে সরাসরি কাঠগড়ায় তোলা যায়। চিনও বার বার চেষ্টা করেছে তাদের ঘাড় থেকে দায় নামিয়ে ফেলতে। কিন্তু এবার যে নথি প্রকাশ্যে এল তাতে সার্স করোনা ভাইরাস নিয়ে চিনের অনেক গোপন পরিকল্পনা অনেকটাই ফাঁস হয়ে গেল বলে মনে করা হচ্ছে।চিনের সামরিক বিজ্ঞানীরা নাকি ২০১৫ সালেই এই ভাইরাসকে জৈব অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করার বিষয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করছিলেন। চিনেরই এক শীর্ষ স্থানীয় বিজ্ঞানী এই তথ্য ফাঁস করেছেন। লি-মেং ইয়ান নামের ওই চিনা ভাইরোলজিস্টের দাবি ঘিরে এখন তোলপাড় গোটা বিশ্ব। চিনা ভাষায় লেখা কিছু নথি তিনি ইংরেজিতে অনুবাদ করে টুইট করেছেন। সেখানে উল্লেখ রয়েছে সার্স-কোভ-২ ভাইরাসটি চিনের সরকারি গবেষণাগারে তৈরি করা হয়েছে। এবং চিনের সামরিক বিভাগের বিজ্ঞানীরা সার্স করোনা ভাইরাসকে জৈব হাতিয়ার রূপে ব্যবহারের বিষয়ে আলোচনা করছেন। শুধু তাই নয়, জৈব অস্ত্র দিয়েই নাকি তৃতীয় বিশ্ব যুদ্ধে লড়াই হবে। এই নথিতে এমন আলোচনার উল্লেখ রয়েছে।২০১৫ সালে এই আলোচনা যখন হয়, তখন বিশ্বে করোনার অতিমারির কথা সাধারণ মানুষের কেউ ভাবেননি। তার প্রায় ৫ বছর পর বিশ্বজুড়ে শুরু হয়ে যায় করোনা ভাইরাসের তাণ্ডব। অস্ট্রেলিয়ার এক খবরের ওয়েবসাইটে দাবি করা হয়েছে, এই ভাইরাসের জিন ইচ্ছে মতো পরিবর্তন করে মানব শরীরে ঘাতক অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করা যাবে। এই নথি প্রকাশ্যে আসার পর চিনের তরফে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি। তবে ইতিমধ্যেই তোলপাড় শুরু হয়ে গিয়েছে গোটা বিশ্বে।

মে ০৮, ২০২১
বিদেশ

চিনা আগ্রাসন রুখতে ভারতেই আস্থা কোয়াড গোষ্ঠীর

চিনকে নজরে রেখে ব্লক তৈরির চেষ্টা শুরু হয়েছিল সেই ২০০৭ সাল থেকেই। অবশেষে বেজিংয়ের রক্তচক্ষুকে অবজ্ঞা করে শুক্রবার সন্ধ্যায় বসল প্রথম চতুর্দেশীয় অক্ষ বা কোয়াড রাষ্ট্রপ্রধানদের বৈঠক। লালফৌজকে নজরে রেখে কোয়াড গোষ্ঠীর চার সদস্য দেশ ভারত, আমেরিকা, জাপান ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানো এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে কৌশলগত আদানপ্রদান গভীর করাই এই মঞ্চের লক্ষ্য বলে প্রাথমিক বিবৃতিতে জানিয়েছেন নেতারা। বিশেষ করে, চিনকে রুখতে ভারতই যে আমেরিকার ভরসা তা আবারও স্পষ্ট হয়ে উঠল।চিন একাই ঘুম উড়িয়ে দিচ্ছে গোটা বিশ্বের। বেজিংয়ের অর্থনৈতিক, সাইবার এবং সামরিক আগ্রাসন নিয়ে আমেরিকা-সহ বিশ্বের চার বৃহৎ শক্তির জোটবদ্ধ হওয়া তারই ইঙ্গিত। কোয়াড গোষ্ঠীর মাথাব্যথার কারণ বেজিংয়ের আগ্রাসী মনোভাব। বিশেষ করে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে ভারসাম্য রক্ষাই চ্যালেঞ্জ। করোনা টিকার উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি শুক্রবারের বৈঠকে এই বিষয়ে গুরুত্ব দিয়েছেন চার রাষ্ট্রপ্রধান। ভবিষ্যতের স্বার্থে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলকে মুক্ত রাখতে কৌশলগত সমঝোতা বৃদ্ধিতে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। উঠেছে আবহাওয়া পরিবর্তনের প্রসঙ্গও। কূটনৈতিক লড়াইয়ে চিনকে কোণঠাসা করার লক্ষ্যে একাধিকবার চার দেশের আমলা-মন্ত্রীরা বৈঠকে বসেছেন। কিন্তু করোনা অতিমারি বদলে দিয়েছে পরিস্থিতি। তার জেরেই শুক্রবার প্রথমবার বৈঠকে মুখোমুখি হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিহিদে সুগা।ভারতীয় সংস্থাগুলির করোনা টিকা উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধিকে ঢাল করে আসলে চিনের টিকা আবিষ্কারের আলোচনা সারলেন চার রাষ্ট্রপ্রধান। মূলত মার্কিন ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলোর জন্য ভারতীয় উৎপাদক সংস্থাগুলোর কার্যকরী মূলধনের জোগান অব্যাহত রাখতে নয়াদিল্লির আবেদনে শুক্রবারের কোয়াড শীর্ষ বৈঠক। করোনা অতিমারির মোকাবিলায় ভারতীয় সংস্থাগুলোর উপর ভরসা রাখতে চাইছে অধিকাংশ দেশ। আশঙ্কা, টিকা কূটনীতিকে হাতিয়ার করে আরও আগ্রাসী হবে চিন।পূর্ব লাদাখ সীমান্তের গালওয়ান উপত্যকায় ভারত-চিন সামরিক সংঘাত উদ্বেগ বাড়িয়েছে কোয়াড গোষ্ঠীর। দক্ষিণ চিন সাগর এবং ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চিনা নৌবহরের ক্রমবর্ধমান দাপট আমেরিকার জন্য অস্বস্তির। ভারত-চিন বিতর্কে কোয়াড গোষ্ঠী নয়াদিল্লির পাশেই রয়েছে। তেমনই আফগানিস্তানে মার্কিন সেনা রেখে দেওয়ার ব্যাপারে সায় দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। এক্ষেত্রেও চিন্তা বা দুশ্চিন্তা সেই বেজিং। হোয়াইট হাউসের আশঙ্কা, কাবুল থেকে সেনা প্রত্যাহার করা হলে আফগানিস্তানে দাপট প্রতিষ্ঠা করবে লালফৌজ। পারস্পরিক স্বার্থ সুরক্ষিত করার মাধ্যমে একজোট থাকতে চায় ওয়াশিংটন, নয়াদিল্লি, টোকিও এবং ক্যানবেরা। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে ক্রমবর্ধমান চিনা বিনিয়োগের প্রভাব নিয়েও উদ্বিগ্ন কোয়াড গোষ্ঠী।

মার্চ ১৩, ২০২১
দেশ

চিনের বিরুদ্ধে একযোগে লড়াইয়ের ডাক ভারত- আমেরিকার

ভারত-চিন সীমান্ত পরিস্থিতি এখনও স্বাভাবিক হয়নি। এরই মাঝে টু প্লাস টু আলোচনায় অংশ নিতে ভারতে এসেছেন আমেরিকার সেক্রেটারি অফ স্টেট মাইক পম্পেও । আর এসেই ভারতের মাটিতে দাঁড়িয়ে চিনকে কড়া বার্তা দিয়ে তিনি বলেছেন , যে কোনওরকম তর্জন-গর্জন রুখতে অ্যামেরিকা সবসময় ভারতের পাশে রয়েছে । ভারতের সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য যে কোনও পদক্ষেপে ওয়াশিংটন দিল্লিকে সবরকমভাবে সমর্থন করবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন তিনি । অন্যদিকে , মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনের আগেই ভারতের সঙ্গে একাধিক প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত চুক্তি করে ফেলল আমেরিকা। এই চুক্তির আওতায় ভারতকে গোয়েন্দা তথ্য দেবে আমেরিকা। পাশাপাশি দক্ষিণপূর্ব এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চিনের দাদাগিরি খর্ব করতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পাশে থাকবে ভারত। মঙ্গলবার ভারত মার্কিন টু প্লাস টু আলোচনায় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং ও বিদেশমন্ত্রী কথা বলেন মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব মার্ক এস্পার ও মার্কিন বিদেশ সচিব মাইক পম্পেওর সঙ্গে। দুই মার্কিন প্রতিনিধি কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গেও। বৈঠক শেষে মার্কিন বিদেশ সচিব মাইক পম্পেও বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মনে করে গণতন্ত্রের বন্ধু নয় চিনা কমিউনিস্ট পার্টি। আইনের শাসন ও স্বচ্ছতা চিনের মধ্যে নেই। আরও পড়ুনঃ এলাহাবাদ হাইকোর্টের নজরদারিতেই হাথরাসের গণধর্ষণ ও খুনের মামলাঃ সুপ্রিম কোর্ট সাউথ ব্লকে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সঙ্গে মঙ্গলবার বৈঠক করেন পম্পেও। আধিকারিক সূত্রে খবর, লাদাখ সীমান্তে সংঘর্ষের পরিস্থিতি নিয়ে প্রায় ৪০মিনিট ধরে বৈঠক হয়েছে তাঁদের মধ্যে । এদিন সকালে দিল্লিতে ন্যাশনাল ওয়ার মেমোরিয়াল পরিদর্শন করেন পম্পেও । ওয়ার মেমোরিয়াল ঘুরে 15 জুন চিনের সঙ্গে সংঘর্ষে ২০ জন জওয়ানের শহিদ হওয়ার বিষয়ে বলেন, সম্প্রতি গালওয়ান উপত্যকায় যে জওয়ানরা তাঁদের জীবন দিয়েছেন তাঁদের প্রতি আমরা শ্রদ্ধা জানালাম ।

অক্টোবর ২৭, ২০২০
দেশ

সীমান্তে সংঘর্ষবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন পাক সেনার, শহীদ এক জওয়ান

শ্রীনগর: জম্মু ও কাশ্মীরের কৃষ্ণঘাটি সেক্টরে পাকিস্তানি সেনা যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের ফলে ভারতীয় সেনার এক জওয়ান শহীদ হয়েছেন বলে বৃহস্পতিবার জানানো হয়েছে। বিনা প্ররোচনায় পাক সেনারা এলোপাথারি গুলি চালায় সীমান্তে এমনটাই জানিয়েছেন সেনাকর্তারা।পাক সেনার যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের পাল্টা জবাব দিয়েছে ভারতীয় সেনা। জম্মুর প্রতিরক্ষা পিআরও, লেঃ কর্নেল দেবেনদার আনন্দ এক বিবৃতিতে বলেছেন, গতকাল রাতে কৃষ্ণঘাটি সেক্টরে পাকিস্তানের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের ঘটনায় ল্যান্স নায়েক কর্ণাইল সিং প্রাণ হারিয়েছেন। সেনা সূত্রে আরও জানানো হয়েছে আরও এক জওয়ান রাইফেলম্যান বীরেন্দ্র সিং আহত হয়েছেন। তাঁর চোখে আঘাত লেগেছে এবং গুরুতর অবস্থায় তাঁকে রাজৌরির সেনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হোয়াইট নাইট কর্পসের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং এবং সমস্ত পর্যায়ের মৃত সৈনিকের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন এবং তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।এর আগে বুধবার সন্ধ্যায় মানকোট সেক্টরের পুঞ্চে পাকিস্তানি সেনারা যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন শুরু করেছিল। ১৯৯৯ সালে ভারত ও পাকিস্তানের স্বাক্ষরিত দ্বিপাক্ষিক যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরের পরেও চলতি বছরের শুরু থেকেই পাকিস্তান যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে আসছে। চলতি বছরে এলওসি-তে পাকিস্তানের যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের ঘটনায় মোট ২৪ জন মানুষ মারা গিয়েছেন এবং শতাধিক আহত হয়েছেন।মর্টার শেল ছোঁড়ার ফলে কাশ্মীর সীমান্তের মানুষদের জীবন, জীবিকা ও কৃষি কার্যক্রম বিপন্ন। প্রতি মুহূর্তে তাঁরা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। চলতি বছরে এখনও পর্যন্ত বিনা প্ররোচনায় পাক সেনারা সংঘর্ষবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করেছে ১৫০০ বারের বেশী।

অক্টোবর ০১, ২০২০
দেশ

কাশ্মীরে জঙ্গি মদতে চিনের হাত

লাদাখের পর এবার জম্মু-কাশ্মীরের দিকে হাত বাড়াল চিন। নয়াদিল্লিকে বিপাকে ফেলতে উপত্যকায় বহুল পরিমাণে অস্ত্রশস্ত্র ঢোকানোর চেষ্টা করছে পাকিস্তান। আর এ ব্যাপারে ইসলামাবাদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছে চিন, গোয়েন্দা সূত্রে এমনই খবর। সম্প্রতি ভূস্বর্গে তল্লাশি চালিয়ে প্রচুর অস্ত্রশস্ত্র মজুত করেছে সেনা। আর সেই অস্ত্রভাণ্ডারেই মিলেছে চিনের তৈরি আগ্নেয়াস্ত্র ও যুদ্ধের সরঞ্জাম। আর এক্ষেত্রে পাক-চিন যোগসূত্র নিয়ে সন্দেহ আরও জোরদার হয়েছে নয়াদিল্লির। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, জম্মু ও কাশ্মীরে বারুদের স্তূপ বানাতে ইসলামাবাদকে তোল্লাই দিচ্ছে বেজিং। ভারতের সেনা সূত্রে খবর, সম্প্রতি উপত্যকায় নিরস্ত্র জঙ্গি অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটেছে‌। জঙ্গিদের অস্ত্র পাঠানো হয়েছে ড্রোন মারফত। গত কয়েক মাসে ভূস্বর্গের নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর বেশ কয়েকটি জায়গায় অস্ত্রশস্ত্র ছাড়াও ড্রোন উদ্ধার হয়েছে। সেগুলি যে চিনের সেই প্রমাণও মিলেছে।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২০
বিদেশ

করোনা নিয়ে নারদ-নারদ

করোনার আতুঁড়ঘর নিয়ে চিন-আমেরিকা বাকযুদ্ধ নতুন কিছু নয়। করোনাকে চিনা ভাইরাস বলে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা দিয়েছিল বেজিংও। করোনা সংক্রমণ নিয়ে ফের চিনকে নিশানা করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। বর্তমানে করোনা ভাইরাস বলে যা বলা হচ্ছে আদতে তা চিনা ভাইরাস বলে কটাক্ষ করলেন ট্রাম্প। করোনা ভাইরাসকে ইতালির একটি সুন্দর জায়গার নামের সঙ্গে তুলনায় টানেন তিনি। করোনা সংক্রমণে এই মুহূর্তে ত্রাহি ত্রাহি রব আমেরিকায়। শুরু থেকেই চিনের ষড়যন্ত্র বলে দাবি করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। বর্তমানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দামামা বেজেছে। করোনা মোকাবিলায় মার্কিন নাগরিকদের একাংশ বেশ ক্ষুব্ধ ট্রাম্পের উপর। সাফাই দিতে পেনসিলভেনিয়ায় এক প্রচার সভা থেকে করোনা নিয়ে ফের চিনকে নিশানা করেন মার্কিন প্রেিসডেন্ট।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২০
বিদেশ

হুমকি, পাল্টা হুমকিতে সরগরম আমেরিকা-চিন সম্পর্ক

বিশ্বের করোনা সংক্রমণ নিয়ে চিনকে দায়ী করে নিশানা করার পর থেকেই শুরু হয়েছিল সংঘাতের। বেজিং- হোয়াইট হাউসের অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগকে ঘিরে সরগরম হয়েছিল বিশ্ব রাজনীতি। এবার সেই সংঘাত নতুন মাত্রা পেল আমেরিকায় টিকটক ও উইচ্যাট নিষিদ্ধ ঘোষণাকে কেন্দ্র করে। নিরাপত্তার অজুহাত দেখিয়ে জনপ্রিয় ভিডিও অ্যাপ টিকটক নিষিদ্ধ করেছে হোয়াইট হাউস। একই সঙ্গে নিষদ্ধ হয়েছে উইচ্যাটও। আমেরিকার এই সিদ্ধান্তে তীব্র ক্ষোভ জানিয়েছে চিনা বিদেশমন্ত্রক। আর্জি জানিয়েছে আমেরিকার হুঁশিয়ারি বন্ধেরও। সেই সঙ্গে পরামর্শ দিয়েছে আন্তর্জাতিক নিয়মকানুন মেনে চলারও। ওয়াশিংটন আর্জি না মানলে, পাল্টা পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছে চিনা বিদেশমন্ত্রক। যদিও পাল্টা দিয়ে মার্কিন প্রশাসন জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থেই এই পদক্ষেপ।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

মিঠুন জল্পনা উড়িয়ে শেষমেশ রাহুলই ভরসা! রাজ্যসভায় যাচ্ছে বিজেপির পুরনো সৈনিক

রাজ্যসভার প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করল বিজেপি। বাংলা থেকে দলের প্রার্থী করা হয়েছে রাহুল সিনহাকে। পশ্চিমবঙ্গ থেকে রাজ্যসভায় মোট পাঁচটি আসন ফাঁকা রয়েছে। তার মধ্যে চারটি আসনে ইতিমধ্যেই প্রার্থী ঘোষণা করেছে তৃণমূল। বাকি একটি আসনে কাকে প্রার্থী করবে বিজেপি, তা নিয়ে জল্পনা চলছিল। একাধিক নাম ঘুরছিল রাজনৈতিক মহলে। শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব রাহুল সিনহার নামেই সিলমোহর দিল।মঙ্গলবার পশ্চিমবঙ্গ-সহ মোট ছয়টি রাজ্যের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বিজেপি। বিহার, অসম, ছত্তীসগঢ়, হরিয়ানা, ওড়িশা এবং বাংলা থেকে প্রার্থী দেওয়া হয়েছে। বিহার থেকে প্রার্থী হচ্ছেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন। অসম থেকে তেরাস গোয়ালা ও যোগেন মোহন, ছত্তীসগঢ় থেকে লক্ষ্মী বর্মা, হরিয়ানা থেকে সঞ্জয় ভাটিয়া এবং ওড়িশা থেকে মনমোহন সমল ও সুজিত কুমারের নাম ঘোষণা হয়েছে।বাংলার ক্ষেত্রে পঞ্চম আসনে বিজেপির ভরসা রাহুল সিনহা। এর আগে অনন্ত মহারাজ ও শমীক ভট্টাচার্য রাজ্যসভায় গিয়েছেন। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল রাহুলের নাম। তিনি বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি এবং দীর্ঘদিনের সংগঠক। তবে গত কয়েক বছরে তাঁকে সক্রিয় রাজনীতিতে তেমন দেখা যায়নি। দলের অন্দরেই অনেক সময় তাঁকে কোণঠাসা করে রাখা হয়েছে বলে আলোচনা ছিল।শমীক ভট্টাচার্য রাজ্য সভাপতি হওয়ার পর থেকেই রাহুল সিনহাকে আবার সক্রিয় ভূমিকায় দেখা যায়। বিভিন্ন সভা, মিছিল ও কর্মসূচিতে অংশ নিতে শুরু করেন তিনি। একইভাবে দিলীপ ঘোষকেও নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। রাজ্য নির্বাচনের আগে পুরনো মুখদের সামনে আনার কৌশল নিয়েছে বিজেপি, এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, রাহুল সিনহা এখনও পর্যন্ত যে কটি নির্বাচন লড়েছেন, সবকটিতেই পরাজিত হয়েছেন। চারবার বিধানসভা এবং পাঁচবার লোকসভা নির্বাচনে লড়ে জিততে পারেননি তিনি। মোট নয়বার ভোটে হেরেছেন। বরাবরই তাঁর আক্ষেপ ছিল, রাজ্য সভাপতি হলেও কখনও বিধায়ক বা সাংসদ হতে পারেননি। রাজ্যসভার প্রার্থী ঘোষণার মাধ্যমে সেই আক্ষেপ ঘোচানোর সুযোগ পেলেন তিনি।আগামী ১৬ মার্চ বাংলার পাঁচটি আসনে রাজ্যসভা নির্বাচন হবে। চারটি আসনে তৃণমূল প্রার্থী করেছে কোয়েল মল্লিক, বাবুল সুপ্রিয়, মেণকা গুরুস্বামী ও রাজীব কুমারকে। সেই তালিকা নিয়েও রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা চলছে। বিশেষ করে মেণকা গুরুস্বামী ও রাজীব কুমারের নাম ঘিরে আলোচনা তুঙ্গে।পাঁচটি আসনের মধ্যে একটি আসন বিজেপির দখলে যাওয়া প্রায় নিশ্চিত ছিল। তবে সেই আসনে কাকে প্রার্থী করা হবে তা নিয়ে জল্পনা ছিল প্রবল। রাহুল সিনহার পাশাপাশি অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী এবং এক পদ্মশ্রী প্রাপক সঙ্গীতশিল্পীর নামও শোনা যাচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত দলের পুরনো মুখের উপরেই ভরসা রাখল বিজেপি।

মার্চ ০৩, ২০২৬
রাজ্য

এক ভোটার, দু’টি কেন্দ্র! এসআইআর চূড়ান্ত তালিকায় বড়সড় গরমিল ফাঁস

মৃত ভোটার, স্থানান্তরিত ভোট এবং একাধিক জায়গায় একই নাম বাদ দিতেই এসআইআর প্রক্রিয়া চালু হয়েছিল বলে জানিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। এনুমারেশন ফর্ম পূরণ, শুনানি এবং তথ্য যাচাইয়ের পর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়। কিন্তু সেই তালিকাতেই এবার ধরা পড়ল বড় গরমিল। একই ভোটারের নাম পাওয়া গেল দুই আলাদা বিধানসভা কেন্দ্রে। এক জায়গায় শ্যামপুকুর, অন্য জায়গায় অশোকনগর। শুনানির পরও কীভাবে দুজায়গায় নাম থেকে গেল, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় দেখা গিয়েছে, ওই ভোটার এবং তাঁর বাবার নাম দুই জায়গাতেই একই রয়েছে। শুধু বয়সে সামান্য পার্থক্য। একটি কেন্দ্রে বয়স লেখা ৫৬ বছর, অন্য কেন্দ্রে ৫৮ বছর। ডিসেম্বর মাসেই সিইও দফতর জানিয়েছিল, ওই ভোটারকে শোকজ করা হয়েছে। কেন তিনি দুই বিধানসভা কেন্দ্রে এনুমারেশন ফর্ম পূরণ করেছেন, তা জানতে চাওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ বিষয়টি আগে থেকেই কমিশনের নজরে ছিল। তবুও চূড়ান্ত তালিকায় দুজায়গায় তাঁর নাম থেকে যাওয়ায় নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।শ্যামপুকুর উত্তর কলকাতার একটি বিধানসভা কেন্দ্র। অশোকনগর উত্তর ২৪ পরগনার অন্তর্গত। কীভাবে এই ভুল থেকে গেল, তা জানতে চেয়ে দুই জেলার নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে রিপোর্ট তলব করেছেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল।গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজ্যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। প্রায় ৬২ লক্ষ নাম বাদ গিয়েছে বলে কমিশন সূত্রে খবর। আবার প্রায় ৬০ লক্ষ নাম রয়েছে অমীমাংসিত তালিকায়। তাঁদের নথি এখনও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এসআইআর প্রক্রিয়া ঘিরে শুরু থেকেই নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ করে আসছে তৃণমূল কংগ্রেস। এই আবহে একই ভোটারের নাম দুই জায়গায় থাকার ঘটনা নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর বাড়াল।

মার্চ ০৩, ২০২৬
রাজ্য

বাহিনী ও কর্মী সঙ্কট, বাংলায় একদিনে ভোট অসম্ভব! অবশেষে মানল নির্বাচন কমিশন

বাংলায় এক দফায় বিধানসভা ভোট করার প্রস্তুতি শুরু করেছিল নির্বাচন কমিশন। কিন্তু বাহিনীর অপ্রতুলতা এবং পর্যাপ্ত ভোটকর্মীর অভাবের কথা জানিয়ে শুরু থেকেই আপত্তি তুলেছিল রাজ্য সরকার। তাদের দাবি ছিল, একদিনে ভোট করা বাস্তবে সম্ভব নয়। অবশেষে দুদিনের পর্যালোচনা বৈঠকের পর রাজ্যের সেই বক্তব্যই মানতে বাধ্য হল কমিশন। সিইও কার্যালয় সূত্রে খবর, এক দফায় নির্বাচনের ভাবনা আপাতত বাতিল করা হয়েছে। তবে কত দফায় ভোট হবে, তা নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।নির্বাচনী প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে আগামী ৯ মার্চ দিল্লি থেকে কলকাতায় আসছেন জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিনিধি দল। দুদিন রাজ্যে থেকে তারা বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করবেন। তার আগে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরের শীর্ষ কর্তারা রাজ্য প্রশাসন ও পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেন। জেলা নির্বাচনী আধিকারিক, পুলিশ মহাপরিচালক, আইনশৃঙ্খলা বিভাগের শীর্ষ কর্তা ও জেলাশাসকরা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। দিল্লি থেকেও দায়িত্বপ্রাপ্ত এক শীর্ষ আধিকারিক ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।বৈঠকে স্পর্শকাতর এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী কীভাবে ব্যবহার করা হবে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। কমিশন স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে, প্রয়োজন মতো বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। পাশাপাশি বাহিনী যাতে কোনও রকম আতিথেয়তা গ্রহণ না করে, সে বিষয়েও সতর্ক করা হয়েছে রাজ্য পুলিশকে।এ বার বিধানসভা ভোটে ওয়েব কাস্টিং নিয়েও কড়া অবস্থান নিতে চলেছে কমিশন। সূত্রের খবর, নজরদারির দায়িত্বে থাকা সরকারি কর্মচারীদের আরও বেশি জবাবদিহির আওতায় আনা হবে। একজন কর্মী চার ঘণ্টার বেশি দায়িত্বে থাকতে পারবেন না। দায়িত্ব শেষের পর লিখিতভাবে জানাতে হবে ওই সময়ের মধ্যে কী কী দেখেছেন। পরবর্তীতে কোনও অনিয়ম ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট কর্মীকে দায় নিতে হতে পারে। প্রয়োজনে ওয়েব কাস্টিংয়ের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদেরও নিয়োগ করা হতে পারে।কমিশনের প্রতিনিধি দল রাজ্য সফর সেরে ফেরার পরই বিধানসভা ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এক দফা ভোটের পরিকল্পনা ভেস্তে যাওয়ায় রাজনৈতিক মহলে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ০৩, ২০২৬
বিদেশ

ইরানের পালটা আঘাত? কুয়েতে ভেঙে পড়ল মার্কিন যুদ্ধবিমান, ভাইরাল বিস্ফোরণের ভিডিও

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়াল কুয়েতে। তেহরানে হামলা চালাতে গিয়ে কুয়েতের মাটিতে ভেঙে পড়ল আমেরিকার অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান এফ পনেরো। প্রাথমিক অনুমান, ইরানের হামলার জেরেই ক্ষতিগ্রস্ত হয় বিমানটি। যদিও শেষ মুহূর্তে পাইলট নিরাপদে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন বলে জানা যাচ্ছে।ইরানের সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভি একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, মাঝ আকাশে বিস্ফোরণের পর আগুন জ্বলতে জ্বলতে প্রায় তিরিশ সেকেন্ড চক্কর খেয়ে মাটিতে আছড়ে পড়ে যুদ্ধবিমানটি। এই ভিডিও ঘিরে ইতিমধ্যেই তীব্র আলোড়ন তৈরি হয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে।তবে দুর্ঘটনার বিষয়ে এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও বিবৃতি দেয়নি আমেরিকা বা কুয়েত। একাংশের দাবি, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন হামলায় বিমানটি ভেঙে পড়েছে। আবার অন্য একটি সূত্রের মতে, ভুলবশত মিত্রপক্ষের হামলাতেই দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।উল্লেখ্য, সম্প্রতি ইরানের মাটিতে যৌথ হামলা চালায় আমেরিকা ও ইজরায়েল। সেই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা খামেনেই নিহত হন বলে দাবি করা হয়েছে। এর পর থেকেই পালটা আঘাত হানছে ইরান। মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে ছড়িয়ে থাকা একাধিক মার্কিন ঘাঁটি এবং ইজরায়েলের উপর হামলা চালানো হয়েছে। কুয়েত, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতেও ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার অভিযোগ উঠেছে।রবিবার ইরান রিভলিউশনারি গার্ড দাবি করে, তারা আমেরিকার বিমানবাহী রণতরী আব্রাহাম লিঙ্কনের উপর একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। যদিও এ বিষয়ে আমেরিকার তরফে এখনও স্পষ্ট প্রতিক্রিয়া মেলেনি। ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্যও প্রকাশ করা হয়নি।এই পরিস্থিতির মাঝেই মার্কিন যুদ্ধবিমান ভেঙে পড়ার ঘটনা যুদ্ধের উত্তাপ আরও বাড়িয়ে দিল। ইরান-আমেরিকা সংঘাত কোন দিকে মোড় নেবে, তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে আন্তর্জাতিক মহলে।

মার্চ ০২, ২০২৬
দেশ

হরমুজ বন্ধ, তেলের দামে আগুন! চাপে ভারত, বাড়বে কি পেট্রল-ডিজেলের দাম?

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব এবার সরাসরি পড়তে শুরু করেছে বিশ্ববাজারে। শেয়ার বাজারে ধস নামার পর এবার তেলের দামে বড় উল্লম্ফন। হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল সরবরাহ কার্যত থমকে গেছে। তার জেরে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম এক ধাক্কায় প্রায় ছয় শতাংশ বেড়েছে।সোমবার আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেল প্রতি আশি মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যায়। শুক্রবার এই দাম ছিল প্রায় বাহাত্তর দশমিক নয় ডলার। অর্থাৎ মাত্র দুই দিনে ব্যারেল প্রতি প্রায় দশ ডলার বৃদ্ধি। এই মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব ভারতের উপরও পড়ছে। কারণ দেশের প্রায় নব্বই শতাংশ অপরিশোধিত তেল আমদানি করতে হয় বিদেশ থেকে।পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, আপাতত পেট্রল ও ডিজেলের দাম বাড়ানো হচ্ছে না। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিক ভাবে আমদানি শুল্ক ও অন্যান্য কর কমিয়ে সাধারণ মানুষের উপর চাপ কমানোর কথা ভাবা হচ্ছে। তবে দীর্ঘদিন যদি হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকে, তাহলে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠতে পারে।মন্ত্রকের হিসেব অনুযায়ী, ব্যারেল প্রতি দশ ডলার দাম বাড়লে ভারতের বার্ষিক আমদানি খরচ তেরো থেকে চোদ্দ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। ভারতীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ কয়েক হাজার কোটি টাকার বেশি।বর্তমানে ভারতের হাতে চুয়াত্তর দিনের তেল মজুত রয়েছে। কিন্তু হরমুজ প্রণালী দিয়ে দেশের মোট অপরিশোধিত তেলের প্রায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ শতাংশ আসে। তরল প্রাকৃতিক গ্যাসের বড় অংশও এই পথেই আসে। সারা বিশ্বের সমুদ্রপথে পরিবাহিত তেলের প্রায় কুড়ি শতাংশ সরবরাহ হয় এই প্রণালী দিয়ে। ফলে এই পথ বন্ধ থাকায় বিশ্ব জুড়েই চাপ বাড়ছে।এখন বিকল্প উৎসের দিকে তাকিয়ে রয়েছে নয়াদিল্লি। আমেরিকা ও ভেনেজুয়েলা-সহ ল্যাটিন আমেরিকা এবং পশ্চিম আফ্রিকা থেকে তেল আমদানি বাড়ানোর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গত এক বছরে রাশিয়া থেকে তেল আমদানি কিছুটা কমিয়েছে ভারত। বর্তমান পরিস্থিতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।যুদ্ধ পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে তেলের দাম আরও বাড়তে পারে। তার সরাসরি প্রভাব পড়বে দেশের পরিবহন খরচ, শিল্প উৎপাদন এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে। এখন নজর হরমুজ প্রণালী কবে খুলবে এবং আন্তর্জাতিক বাজার কতটা স্থিতিশীল হয় তার উপর।

মার্চ ০২, ২০২৬
রাজ্য

বিজেপির পরিবর্তন যাত্রার মাঝেই তফশিলি সমাবেশে তৃণমূলের শক্তি প্রদর্শন, নজর মতুয়া গড়ে

রাজ্য জুড়ে বিজেপির পরিবর্তন যাত্রার মাঝেই তফশিলি ভোটে জোর দিচ্ছে তৃণমূল। সোমবার কলকাতার নজরুল মঞ্চে তফশিলি সমাবেশের আয়োজন করেছে ঘাসফুল শিবির। সেখানে তফশিলি জাতি ও উপজাতি নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।লোকসভা নির্বাচনের আগেও তফশিলি সংলাপ কর্মসূচি নিয়েছিল তৃণমূল। সেই সময় তফশিলি অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে জনসংযোগ বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। এবার ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে আবারও সেই রণকৌশলেই ফিরছে দল। সূত্রের খবর, এই বৈঠকে প্রায় সাড়ে তিন হাজার বিধায়ক, সংগঠক ও নেতা উপস্থিত থাকবেন।বৈঠকে থাকছেন ভোট কুশলী সংস্থা ইন্ডিয়ান পলিটিক্যাল অ্যাকশন কমিটি-এর কর্ণধার প্রতীক জৈনও। তফশিলি অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে কীভাবে জনসংযোগ বাড়ানো যায়, তা নিয়েই মূলত আলোচনা হবে। বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে মতুয়া গড়। সম্প্রতি ভোটার তালিকা প্রকাশের পর মতুয়া সমাজের বহু মানুষের নাম বাদ পড়েছে বলে দাবি করেছেন সাংসদ মমতাবালা ঠাকুর। এই বিষয়টিও আলোচনায় উঠে আসতে পারে।রাজ্যের একশোরও বেশি বিধানসভা আসনে তফশিলি জাতি ও উপজাতি ভোটারদের প্রভাব রয়েছে। ফলে ভোটের অঙ্কে এই সম্প্রদায়ের সমর্থন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বৈঠকে যে রূপরেখা তৈরি হবে, তার ভিত্তিতে আগামী দিনে দুয়ারে দুয়ারে প্রচার চালাবেন জনপ্রতিনিধিরা। প্রচার গাড়ি নিয়ে তফশিলি অধ্যুষিত গ্রাম ও এলাকায় গিয়ে মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলবেন নেতা-নেত্রীরা। তাঁদের সমস্যা, দাবি এবং অভাব-অভিযোগ শোনা হবে বলে দল সূত্রে জানা গিয়েছে।দক্ষিণবঙ্গে নদিয়া, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া ও পশ্চিম মেদিনীপুরে তফশিলি জনগোষ্ঠীর বড় অংশের বাস। উত্তরবঙ্গে আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারেও এই ভোট গুরুত্বপূর্ণ। গত বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভোটের হার ছিল প্রায় পঁয়তাল্লিশ থেকে ছেচল্লিশ শতাংশ। এবার সেই হার আরও বাড়ানোর লক্ষ্যেই তফশিলি সমাবেশকে বড় কৌশল হিসেবে দেখছে রাজনৈতিক মহল।

মার্চ ০২, ২০২৬
বিদেশ

মুসলিম বিশ্বে একঘরে ইরান! দূতাবাস বন্ধ করল আমিরশাহী, তেহরানের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। ইরানের লাগাতার হামলায় রক্তাক্ত একাধিক মুসলিম দেশ। সৌদি আরব, কাতার, ওমান-সহ বিভিন্ন দেশে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার অভিযোগ উঠেছে তেহরানের বিরুদ্ধে। এই পরিস্থিতিতে ইরানকে কার্যত একঘরে করার পথে হাঁটল সংযুক্ত আরব আমিরশাহী। তেহরানে থাকা তাদের দূতাবাস অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ইরানে নিযুক্ত কূটনীতিকদেরও ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সম্প্রতি ইরানের মাটিতে আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ হামলায় মৃত্যু হয় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা খামেনেই-সহ একাধিক শীর্ষ ব্যক্তিত্বের। তার পর থেকেই প্রতিশোধের আগুনে জ্বলছে তেহরান। শনিবার ও রবিবার দুবাই, আবুধাবি, কাতার, বাহরাইন, কুয়েত এবং সৌদি আরবে একাধিক হামলার ঘটনা ঘটে। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর মিলেছে।ইরানের এই পদক্ষেপে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে আরব দেশগুলি। সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর প্রেসিডেন্টের কূটনৈতিক উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাশ স্পষ্ট ভাষায় জানান, প্রতিবেশী দেশের বিরুদ্ধে এভাবে আগ্রাসী হওয়া সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। তিনি বলেন, নিজেদের যুদ্ধ অন্য দেশের উপর চাপিয়ে দেওয়া উচিত নয়।কিন্তু সতর্কবার্তার পরও হামলা থামেনি। বরং আক্রমণের মাত্রা বেড়েছে বলেই অভিযোগ। ফলে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার কঠোর সিদ্ধান্ত নেয় আমিরশাহী। সে দেশের বিদেশমন্ত্রক জানায়, এই হামলা সার্বভৌমত্বের গুরুতর লঙ্ঘন। কয়েক দশকের সম্পর্কের ইতিহাসে এই প্রথম ইরানে দূতাবাস বন্ধ করল আমিরশাহী।শনিবার মার্কিন হামলার পরই দুবাইয়ের বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। পাম জুমেইরাহ অঞ্চলে বিস্ফোরণের ঘটনা নিশ্চিত করেছে প্রশাসন। বিশ্বের অন্যতম উঁচু ভবন বুর্জ খলিফা-র কাছেও বিস্ফোরণের খবর মেলে। নিরাপত্তার কারণে খালি করে দেওয়া হয় ওই ভবন।রবিবারও হামলা অব্যাহত থাকে। আবুধাবির একটি নৌসেনা ঘাঁটিতে ড্রোন হামলার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার দুবাইয়ের রুওয়াইস শিল্পাঞ্চলে ছোড়া রকেট আছড়ে পড়ে। একাধিক মৃত্যুর খবর সামনে এসেছে।মধ্যপ্রাচ্যের এই ক্রমবর্ধমান উত্তেজনায় উদ্বেগ বাড়ছে আন্তর্জাতিক মহলে। মুসলিম বিশ্বের বড় অংশ ইরানের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নেওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। যুদ্ধের আগুন কোথায় গিয়ে থামবে, তা নিয়েই এখন বড় প্রশ্ন।

মার্চ ০২, ২০২৬
দেশ

মধ্যপ্রাচ্য জ্বলছে, দিল্লিতে তৎপরতা! নেতানিয়াহুর সঙ্গে কথা বলেই কড়া বার্তা দিলেন মোদী

মধ্যপ্রাচ্যে তীব্র যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ফোন করলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রবিবার গভীর রাতে দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে কথা হয়। সূত্রের খবর, বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়েই মূলত আলোচনা হয়েছে। একইসঙ্গে দ্রুত যুদ্ধ বন্ধ করার আবেদনও জানিয়েছেন মোদী।শনিবার থেকে ইরান ও ইজরায়েলের সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। আমেরিকাও ইজরায়েলের পাশে দাঁড়িয়ে হামলার মাত্রা বাড়িয়েছে। পালটা আক্রমণ চালাচ্ছে ইরান। একাধিক মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার খবর মিলেছে। পরিস্থিতি নিয়ে আগেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। দিল্লিতে ফিরে জরুরি মন্ত্রিসভার বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকের পরই নেতানিয়াহুকে ফোন করা হয় বলে জানা গিয়েছে।সামাজিক মাধ্যমে মোদী জানান, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে ভারতের উদ্বেগের কথা তুলে ধরেছেন তিনি। সাধারণ নাগরিকদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার কথাও বলেছেন। যত দ্রুত সম্ভব যুদ্ধ বন্ধের প্রয়োজনীয়তার বিষয়েও মত জানান তিনি।এদিকে ইজরায়েলের বিদেশমন্ত্রী গিডিয়ন সার-এর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।রবিবার রাতে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান-এর সঙ্গেও কথা বলেন মোদী। সাম্প্রতিক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন তিনি। নিহতদের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করে আশ্বাস দিয়েছেন, কঠিন সময়ে ভারত পাশে রয়েছে।উল্লেখ্য, সম্প্রতি ইজরায়েল সফরে গিয়েছিলেন মোদী। সেখানে দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয় এবং বিশেষ সম্মানও দেওয়া হয় তাঁকে। সেই সফর শেষে ভারতে ফেরার আগেই ইরানের উপর যৌথ হামলা শুরু হয়। ফলে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক দিক থেকে চাপের মুখে পড়েছে ভারত।হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় তেল আমদানিও প্রভাবিত হচ্ছে। দেশে ফিরে মন্ত্রিসভার বৈঠকে আটকে পড়া ভারতীয়দের নিরাপত্তা, তেল আমদানি এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। তবে এখনই ইরান থেকে ব্যাপক উদ্ধার অভিযান চালানোর পরিকল্পনা নেই। বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে থাকা ভারতীয় ছাত্রছাত্রী ও কর্মীদের কারণে পরিস্থিতি জটিল। কেন্দ্র জানিয়েছে, ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে বলা হয়েছে সকলকে।মধ্যপ্রাচ্যের এই অস্থির পরিস্থিতিতে ভারতের কূটনৈতিক পদক্ষেপ এখন নজরে আন্তর্জাতিক মহলের। যুদ্ধ থামাতে কূটনৈতিক উদ্যোগ কতটা সফল হয়, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।

মার্চ ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal