• ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বৃহস্পতি ০৪ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Chennai

দেশ

আকাশযাত্রার মাঝেই আতঙ্ক—চলন্ত বিমান থেকে লাফ যুবকের, তারপর যা হল!

ভোরের চেন্নাই বিমানবন্দরে চাঞ্চল্যকর ঘটনা। বিমান তখনও পুরোপুরি থামেনি, ধীরে ধীরে রানওয়ে থেকে ট্যাক্সিওয়ের দিকে এগোচ্ছে। ঠিক সেই সময় হঠাৎই আপৎকালীন দরজা খুলে এক যুবক বিমান থেকে ঝাঁপ দেন। ঘটনাটি ঘটে শারজাহ থেকে চেন্নাইগামী একটি বিমানে। আচমকা এই ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে অন্যান্য যাত্রীদের মধ্যে।বিমান কর্তৃপক্ষ জানায়, অবতরণের পর বিমানটি যখন ধীরে চলছিল, তখনই ওই যুবক দরজা খুলে নিচে লাফ দেন। তবে আশ্চর্যের বিষয়, এতে তাঁর গুরুতর কোনও আঘাত লাগেনি। তিনি সুস্থই রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার পরই পাইলট নিরাপত্তা কর্মীদের খবর দেন। দ্রুত সেখানে পৌঁছে সিআইএসএফ জওয়ানরা ওই ব্যক্তিকে আটক করেন এবং পরে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।জানা গিয়েছে, বিমানে ওঠার পর থেকেই ওই যুবকের শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল না। তিনি একাধিকবার বমিও করেছিলেন। তারপর হঠাৎই এমন দুঃসাহসিক সিদ্ধান্ত নেন তিনি। তাঁর বাড়ি তামিলনাড়ুর পুদুক্কোট্টাই জেলায় বলে জানা গেছে।এই ঘটনায় কিছু সময়ের জন্য বিমান পরিষেবা ব্যাহত হয়। সতর্কতার জন্য ভোর তিনটে তেইশ মিনিট থেকে চারটে তেইশ মিনিট পর্যন্ত প্রধান রানওয়ে বন্ধ রাখা হয়। ওই সময় অন্যান্য উড়ানকে বিকল্প রানওয়েতে নামানো হয়।কী কারণে ওই যুবক এমন কাজ করলেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে এবং পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

মে ০৩, ২০২৬
দেশ

চেন্নাইতে বাংলার রাজ্যপালের বাড়িতে ঢোলে কাঠি মমতার, মুখ্যমন্ত্রীর সফরে রাজনীতি দেখছে বিরোধীরা

কলকাতার দুর্গাপুজোর ছবি ভেসে উঠল চেন্নাইতে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতায় দুর্গাপুজোর উদ্বোধন করতে গিয়ে কাঁধে ঢাক তুলে নিয়েছিলেন। তারপর টানা দুকাঠি দিয়ে ঢাক বাজিয়েছেন। এবার চেন্নাইতে গিয়ে রাজ্যপাল লা গণেশনের দাদার জন্মদিনে ঢোল বাজালেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। ওই দৃশ্য দেখে অবাক হয়েছেন তামিলনাড়ুবাসী।কালীপুজোর দিন মুখ্যমন্ত্রীর আমন্ত্রণে কালীঘাটে গিয়েছিলেন রাজ্যাল লা গণেশন। সেদিনই তামিলনাড়ুর বাড়িতে যাওয়ার নিমন্ত্রণ করে এসেছিলেন লা গণেশন। সই উপলক্ষ্যেই তামিলনাড়ু ছুটে গিয়েছেন মমতা। সেখানে গিয়ে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্টালিনের সঙ্গেও সাক্ষাত করেছেন মমতা। যা নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করেছে বিজেপি ও কংগ্রেস। রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীর বক্তব্য, লা গণেশনের দাদার জন্মদিনে তামিলনাড়ু যাওয়া বাহানা ছাড়া কিছুই নয়। তিনি গিয়েছিলেন স্টালিনের সঙ্গে দেখা করতে। অথচ রাহুল গান্ধীর ভারত জোড়ো যাত্রা নিয়ে কোনও মন্তব্য করছেন না মমতা। যেহেতু স্টালিন রাহুল গান্ধীর মিছিলে হেঁটেছেন, তাই তাই তড়িঘড়ি তামিলনাড়ু গিয়েছেন মমতা। বিজেপির বক্তব্য, এসব দৌঁড়ঝাপ করে কিছু হবে না। লোকসভার ভোট এগিয়ে আসার আগে এমন ছোটাছুটি করেন।এদিকে বিরোধীদের সমালোচনা করলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঢোল বাজিয়ে মাতিয়ে দিয়েছেন। দক্ষিণ ভারতীয়রা এই বাজনাকে ছেন্দা বলে। লা গণেশনের বাড়িতে ঢোকার সময় ছেন্দা বাজিয়ে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে স্বাগত জানাচ্ছিল। প্রথমে তিনি শোনেন।তারপর নিজেই ছেন্দা বাজাতে শুরু করেন। কলকাতায় দুর্গাপুজোর উদ্বোধনে ঢাক বাজিয়েছিলেন মমতা।

নভেম্বর ০৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌দলবদলের বাজারে আবার ধাক্কা, ঘর ভাঙল ইস্টবেঙ্গলের

ইমামির সঙ্গে এখনও চূড়ান্ত চুক্তি হয়নি। সামনের মরশুমে আইএসএলে দল কেমন হবে, তা নিয়েও ফুটবলারদের মধ্যে রয়েছে তীব্র অনিশ্চয়তা। এর মধ্যেই আবার ঘর ভাঙল ইস্টবেঙ্গলের। লালহলুদের দুই বাঙালী ফুটবলারকে তুলে নিল চেন্নাইন এফসি। আবার পুরনো ক্লাবে ফিরে গেলেন মহম্মদ রফিক। পাশাপাশি মাঝমাঠের উদীয়মান সৌরভ দাসকেও তুলে নিয়েছে চেন্নাইন এফসি।এবছর দল বদলে বাঙালী ফুটবলারদের দিকেই বেশি নজর দিয়েছে চেন্নাইন এফসি। আগেই চুক্তি চূড়ান্ত করেছিল বাংলার সন্তোষ ট্রফি দলের অধিনায়র মনোতোষ চাকলাদারের সঙ্গে। এছাড়াও বেশ কয়েকজন বাঙালী ফুটবলারের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। এবার সৌরভ দাস ও মহম্মদ রফিকের সঙ্গেও চুক্তি চূড়ান্ত করল।গত মরশুমের শেষ থেকেই সৌরভ দাসের ওপর নজর ছিল চেন্নাইন এফসি কর্তাদের। এই বাঙালী মিডফিল্ডারকে আগেই প্রস্তাব দিয়েছিলেন চেন্নাইন কর্তারা। কিন্তু লালহলুদের সঙ্গে ৩১ মে পর্যন্ত চুক্তি থাকায় চেন্নাইনের চুক্তিপত্রে সই করেননি। মহম্মদ রফিকেরও একই অবস্থা। যদিও এই দুই ফুটবলার লালহলুদ কর্তাদের দিকেও তাকিয়ে ছিলেন। কিন্তু ইস্টবেঙ্গল কর্তারা জানিয়েছিলেন, কলকাতা লিগে ভাল খেললে তবেই আইএসএলের জন্য চুক্তি করা হবে। কোনও ঝুঁকি নেননি সৌরভরা।ইস্টবেঙ্গল ছাড়াও এটিকে মোহনবাগান, মুম্বই সিটি এফসির হয়ে আইএসএলে খেলেছেন সৌরভ দাস। টাটা ফুটবল অ্যাকাডেমি থেকে উঠে আসা এই মিডফিল্ডারের পেশাদার ফুটবল কেরিয়ার শুরু হয় ২০১৬ সালে মোহনবাগানের জার্সিতে। মোহনবাগানের হয়ে ১৬টি ম্যাচে প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন সৌরভ। ২০১৭ এএফসি কাপের ম্যাচে মোহনবাগানের হয়েও খেলেন তিনি। ২০১৯২০ মরশুমে তিনি যোগ দেন মুম্বই সিটি এফসিতে। দুই মরসুমে মুম্বইয়ের দলটির হয়ে মোট আটটি ম্যাচে মাঠে নামেন তিনি। গত মরসুমে আইএসএলে লালহলুদের জার্সি গায়ে ১৮টি ম্যাচ খেলেন সৌরভ। চেন্নাইন এফসিতে সই করার পর সৌরভ বলেছেন, চেন্নাইন এফসি পরিবারে যুক্ত হতে পেরে আমি খুশি। এই ক্লাব দুবার আইএসএল জিতেছে। সমর্থকদের সামনে খেলার জন্য এবং ক্লাবের হয়ে ট্রফি জয়ের জন্য মুখিয়ে রয়েছে। আমার ওপর ভরসা রাখার জন্য ম্যানেজমেন্টের প্রত্যেক সদস্যকে আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই।

জুন ০৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ইস্টবেঙ্গলের প্রস্তাব ফিরিয়ে কেন চেন্নাইন এফসি–তে সই করলেন মনোতোষ?‌

দলবদলের বাজারে বড় ধাক্কা খেল ইস্টবেঙ্গল। লালহলুদের প্রস্তাব ফিরিয়ে চেন্নাইন এফসির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হলেন মনোতোষ চাকলাদার। বাংলার এই প্রতিশ্রুতিবান ডিফেন্ডারকে হারালেও সার্থক গোলুইকে তুলে নিয়েছে লালহলুদ।কলকাতা লিগে ভাল খেলার সুবাদে প্রথম থেকেই মনোতোষের ওপর নজর ছিল লালহলুদ কর্তাদের। সন্তোষ ট্রফিতেও বাংলার হয়ে নজরকাড়া ফুটবল উপহার দেন এই উদীয়মান ডিফেন্ডার। তখন থেকেই বিভিন্ন ক্লাবের নজর ছিল মনোতোষের ওপর। ইস্টবেঙ্গলের পাশাপাশি চেন্নাইন এফসিও প্রস্তাব দিয়েছিল মনোতোষকে। শেষ পর্যন্ত চেন্নাইনের প্রস্তাব মনে ধরায় তিনি আইএসএলের এই ক্লাবের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হলেন।কেন চেন্নাইনের প্রস্তাব গ্রহন করলেন মনোতোষ? আসলে লালহলুদ কর্তাদের ওপর ভরসা করতে পারেননি তিনি। ইস্টবেঙ্গল কর্তারা মনোতোষকে বলেছিলেন, কলকাতা লিগে ভাল খেললে আইএসএলের দলে নেওয়া হবে। লালহলুদের এই প্রস্তাবে মনোতোষ রাজি হননি। আইএসএলে খেলার নিশ্চয়তা পাওয়ার জন্যই তিনি চেন্নাইনের প্রস্তাব গ্রহন করেন। তাঁর সঙ্গে ৩ বছরের চুক্তি করেছে চেন্নাইন এফসি।বরাবারই তিনি আইএসএলের ক্লাবে খেলতে চেয়েছিলেন। সেই স্বপ্নপূরণ করার জন্যই ইস্টবেঙ্গলে সই করেননি। চেন্নাইনে সই করে খুশি মনোতোষ। তিনি বলেন, ইস্টবেঙ্গলের প্রস্তাবও ছিল। কিন্তু কলকাতা লিগে ভাল খেললে তবেই আইএসএলের জন্য চুক্তি করত। আমি তাতে রাজি হইনি। আইএসএল দলে খেলার স্বপ্ন ছিল। চেন্নাইনে সেই সুযোগ পাব। অনেকদিনের স্বপ্ন ছিল আইএসএলে খেলার। সেই স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে। আপাতত লক্ষ্য প্রথম একাদশে জায়গা করে নেওয়া। চেন্নাইনে বিদেশি কোচ রয়েছে। ভাল ভাল বিদেশি ফুটবলার রয়েছে। অনেক কিছু শিখতে পারব।এদিকে, মনোতোষকে হারিয়ে ডিফেন্স পোক্ত করার জন্য সার্থক গোলুইকে তুলে নিল ইস্টবেঙ্গল। তিনি লালহলুদের চুক্তিপত্রে সই করে দিয়েছেন। গত বছর বেঙ্গালুরু এফসির জার্সি গায়ে খেলেছিলেন সার্থক। তার আগে ইস্টবেঙ্গলে একটা মরশুম কাটিয়েছিলেন। ২৪ বছর বয়সী এই ডিফেন্ডার স্টপার ছাড়াও সাইড ব্যাকে খেলতে পারেন। বাংলার সন্তোষ ট্রফি দলের আর এক সদস্য সজল বাগকে তুলে নিয়েছে ওড়িশা এফসি। তাঁর দিকেও নজর ছিল ইস্টবেঙ্গলের।

জুন ০১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দুরন্ত ধাওয়ান, রানের শিখরে পাঞ্জাব কিংস

দুরন্ত ছন্দে শিখর ধাওয়ান। একই দিনে তিনটি মাইলস্টোন করার করার সঙ্গে সঙ্গে দলকে টেনে নিয়ে গেলেন। তাঁর দুরন্ত ব্যাটিংয়ের ওপর ভর করে চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৮৭ রান তুলল পাঞ্জাব কিংস। ৫৯ বলে ৮৮ রান করে অপরাজিত থাকেন শিখর ধাওয়ান।মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে এদিন মুখোমুখি হয়েছিল পাঞ্জাব কিংস ও চেন্নাই সুপার কিংস। প্লে অফে যাওয়ার জন্য দুই দলের কাছেই এদিনের ম্যাচ ছিলই খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এদিন মাঠে নামার আগে ৭ ম্যাচ খেলে পাঞ্জাব কিংসের পয়েন্ট ছিল ৬। চেন্নাই সুপার কিংসের পয়েন্ট ছিল ৪। অষ্টম স্থানে থাকা পাঞ্জাবের পরেই চেন্নাই সুপার কিংস রয়েছে নবম স্থানে।এদিন টস জিতে পাঞ্জাব কিংসকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠায় চেন্নাই সুপার কিংস। পাঞ্জাবের প্রথম উইকেট পড়ে ৩৭ রানের মাথায়। ষষ্ঠ ওভারের পঞ্চম বলে মায়াঙ্ক আগরওয়ালকে (২১ বলে ১৮) তুলে নেন মহেশ থিকসানা। এরপরই দলকে দারুণভাবে টেনে নিয়ে যান শিখর ধাওয়ান ও ভানুকা রাজাপক্ষে। নিজের ২০০ তম আইপিএল ম্যাচে দারুণভাবে জ্বলে ওঠেন শিখর ধাওয়ান। চেন্নাই সুপার কিংসের বোলারদের কোনও রকম সুযোগ তিনি এদিন দেননি। ভানুকা রাজাপক্ষর সঙ্গে জুটিতে শিখর ধাওয়ান তোলেন ১১০ রান। এই জুটিই পাঞ্জাব কিংসের বড় রানের প্ল্যাটফর্ম গড়ে দেয়।১৭.২ ওভারের মাথায় ডোয়েন ব্র্যাভোর বলে শিবম দুবের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন ভানুকা রাজাপক্ষে। ৩২ বলে তিনি করেন ৪২। এক ওভার পরেই লিয়াম লিভিংস্টোনকেও তুলে নেন ডোয়েন ব্র্যাভো। ৭ বলে ১৯ রান করেন লিভিংস্টোন। শিখর ধাওয়ানকে অবশ্য থামাতে পারেননি চেন্নাই সুপার কিংসের বোলাররা। শেষ দিকে ঝড় তুলে ৫৯ বলে ৮৮ রান করে অপরাজিত থাকেন ধাওয়ান। ৯টি বাউন্ডারি ও ২টি ছক্কার সাহায্যে তিনি এই রান করেন। ইনিংসের শেষ বলে রান আউট হন জনি বেয়ারস্টো। ৩ বলে তিনি করেন ৬। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৮৭ রান তোলে পাঞ্জাব কিংস।এদিন ৩৭ বলে চলতি আইপিএলে দ্বিতীয় তথা আইপিএল কেরিয়ারে ৪৬ তম হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন শিখর ধাওয়ান। চলতি আইপিএলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে ধাওয়ান করেছিলেন ৪৩। এরপর নাইট রাইডার্স ম্যাচে ১৬, লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে ৩৩, গুজরাত টাইটান্সের বিরুদ্ধে ৩৫, মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে ৭০ রান করেন। সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ম্যাচে ৮ ও দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে ৯ রানে আউট হয়েছিলেন। তারপর আজ দুরন্ত হাফ সেঞ্চুরি।

এপ্রিল ২৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

একই দিনে তিনটি মাইলস্টোন! এ কী করলেন শিখর ধাওয়ান!

চলতি আইপিএলে একই দিনে তিনটি মাইলস্টোন। দুর্দান্ত নজির গড়লেন শিখর ধাওয়ান। এদিন চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ২০০ তম আইপিএল ম্যাচ খেলতে নেমেছিলেন শিখর ধাওয়ান। এটা একটা মাইলস্টোন। আর আইপিএলে ২০০ তম ম্যাচ খেলার দিনেও আরও দুটি নজির গড়লেন পাঞ্জাব কিংসের এই ওপেনার। এদিন তিনি আইপিএলে ৬০০০ রানের সীমা অতিক্রম করে গেলেন। বিরাট কোহলির পর দ্বিতীয় ভারতীয় ব্যাটার হিসেবে তিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করেন। শুধু তাই নয়, টি২০ ক্রিকেটে ৯০০০ রানের মাইলস্টোনেও পৌঁছে গেলেন শিখর ধাওয়ান। বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মার পর তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে তিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করলেন।টি২০ ক্রিকেটে বিরাট কোহলির মোট রান ১০৩৯২। আর রোহিত শর্মা টি২০ ক্রিকেটে করেছেন ১০০৪৮ রান। চলতি আইপিএলেই তিনি এই মাইলস্টোনে পৌঁছেছেন। আর শিখর ধাওয়ান সোমবার চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ৯ হাজার রানের মাইলস্টোনে পৌঁছলেন। এদিন মহেশ থিকসানাকে স্লগসুইপ করে ছক্কা মেরে টি২০ ক্রিকেটে ৯ হাজার রানে পৌঁছন শিখর ধাওয়ান।চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আইপিএলে ৪৫টি হাফ সেঞ্চুরি করেছেন শিখর ধাওয়ান। সবথেকে বেশি হাফ সেঞ্চুরির রেকর্ড ডেভিড ওয়ার্নারের দখলে। তিনি করেছেন ৫২টি হাফ সেঞ্চুরি। হাফ সেঞ্চুরির দিক দিয়ে শিখর ধাওয়ান রয়েছেন দ্বিতীয় স্থানে। সবথেকে বেশি বাউন্ডারি মারার রেকর্ড অবশ্য পাঞ্জাব কিংসের এই ওপেনারের দখলে। তিনি মোট ৬৭৫টি বাউন্ডারি মেরেছেন। ২০১৯ সাল থেকে আইপিএলের প্রতিটা সংস্করণে ৫০০র বেশি রান করেছেন শিখর ধাওয়ান। চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে চলতি আইপিএলে ৭ ম্যাচে শিখর ধাওয়ানের সংগ্রহ ছিল ২১৪ রান। সর্বাধিক ৭০। গড় ৩০.৫৭, স্ট্রাইক রেট ১২৬.৬৩। আইপিএলে শিখরের দুটি সেঞ্চুরি রয়েছে শিখর ধাওয়ানের। দুটিই সেঞ্চুরিই এসেছিল ২০২০ সালে। এবছরও খুব একটা খারাপ ফর্মে নেই। বছরের শেষদিকে অস্ট্রেলিয়ায় টি২০ বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে। বাকি ম্যাচগুলিতে ধারাবাহিকভাবে রানের মধ্যে থাকলে আবার জাতীয় দলে জায়গা ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা জোরালো হবে ধাওয়ানের।

এপ্রিল ২৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আইপিএল এলেই বারবার কেন চোটের কবলে পড়েন হার্দিক?‌ এবার কুঁচকিতে

চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে গুজরাট টাইটান্সের হয়ে টস করছে রশিদ খান। গুজরাট টাইটান্স অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়ার হলটা কী? কেন খেলছেন না? তাহলে কি আবার চোটের কবলে? আশঙ্কাই সত্যি হল। কুঁচকির চোটের জন্য চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে মাঠে নামতে পারেননি হার্দিক পান্ডিয়া। তাঁর জায়গায় দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন রশিদ খান। চোট পাওয়াটা হার্দিকের কাছে নতুন কিছু নয়। ২০১৯ বিশ্বকাপের মাঝপথে চোট পেয়ে ইংল্যান্ড থেকে ফিরে আসতে হয়েছিল এই অলরাউন্ডারকে। তারপর দীর্ঘদিন জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাদেমিতে রিহ্যাবে ছিলেন। সুস্থ হয়ে মাঠে ফিরলেও আবার চোট পান। অস্ত্রোপচারও করতে হয়েছিল। পরে নানা সময়ে চোটের কবলে পড়েছেন। গতবছর আইপিএলের আগেও চোট পেয়েছিলেন। পুরো ফিট না হয়েই আইপিএলে খেলেন। ব্যাট করলেও পিঠে চোটের জন্য বোলিং করেননি। চোট নিয়ে গতবছর বিশ্বকাপেও খেলতে গিয়েছিলেন। যা নিয়ে চারিদিকে সমালোচনার ঝড় উঠেছিল। সুস্থ হয়ে চলতি আইপিএলে মাঠে নেমেছিলেন। বোলিং করছিলেন। কিন্তু আবার সেই চোটের কবলে। তবে এবার আর পিঠে নয়, কুঁচকিতে চোট। হার্দিকের চোটের ব্যাপারে গুজরাট টাইটান্সের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক রশিদ খান বলেন, হার্দিকে কুঁচকিতে হালকা চোট রয়েছে। তাই টিম ম্যানেজমেন্ট ওকে নিয়ে ঝুঁকি নিতে চায়নি। হার্দিককে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। আশা করছি পরের ম্যাচে খেলতে পারবে। রশিদ খান পরের ম্যাচে হার্দিকের খেলার কথা বললেও আদৌও খেলতে পারবেন কিনা সন্দেহ রয়েছে। হার্দিকের পরিবর্তে এদিন আলজেরি জোশেফ প্রথম একাদশে সুযোগ পান। অন্যদিকে, ম্যাথু ওয়েডের পরিবর্তে প্রথম একাদশে নেওয়া হয় ঋদ্ধিমান সাহাকে। এই দুজনের হাতেই এদিন টুপি তুলে দেওয়া হয়। কারণ, এই দুই ক্রিকেটারের এদিন গুজরাট টাইটান্সের হয়ে অভিষেক হল। হার্দিকবিহীন গুজরাট টাইটান্স এদিন টস জিতে চেন্নাই সুপার কিংসকে ব্যাট করতে পাঠায়। চলতি আইপিএলে প্রথম তিনটি ম্যাচ জিতেছিল গুজরাট টাইটান্স। তারপর সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কাছে হারতে হয়েছিল ৮ উইকেটে। আগের ম্যাচে অবশ্য আবার জয়ের সরণিতে ফিরেছে হার্দিক পাণ্ডিয়ার দল। রাজস্থান রয়্যালসকে হারায় ৩৭ রানে। চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকতা ধরে রাখার লড়াই। হার্দিকে অনুপস্থিতিতে দায়িত্ব পড়েছে রশিদ খানের ওপর।

এপ্রিল ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

জাদেজার হাতে পরেই কি ঔজ্জ্বল্য হারাচ্ছে চেন্নাই সুপার কিংস?

সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে এবারের আইপিএলে নিজেদের চতুর্থ ম্যাচ খেলতে নেমেছিল চেন্নাই সুপার কিংস। চতুর্থ ম্যাচেও জয়ের মুখ দেখতে পেল না চেন্নাই। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কাছে হারতে হল ৮ উইকেটে। দলকে এখনও জেতাতে না পারলেও এদিন নজির গড়ল চেন্নাই সুপার কিংস। নাম তুলে ফেললেন মহেন্দ্র সিং ধোনি ও সুরেশ রায়নাদের তালিকায়। প্রশ্নটা উঠতে শুরু করেছে, জাদেজার হাতে পরেই কি ঔজ্জ্বল্য হারাচ্ছে চেন্নাই সুপার কিংস?এদিন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে মাঠে নামার সঙ্গে সঙ্গে চেন্নাই সুপার কিংসের জার্সি গায়ে ১৫০ তম ম্যাচ খেলে ফেললেন রবীন্দ্র জাদেজা। রবীন্দ্র জাদেজা হলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি ও সুরেশ রায়নার পর চেন্নাই সুপার কিংসের তৃতীয় ক্রিকেটার যিনি এই মাইলস্টোনে পৌঁছলেন।চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে সব থেকে বেশি ম্যাচ খেলেছেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। তিনি খেলেছেন ২১৭টি ম্যাচ। এরপর দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন সুরেশ রায়না। তিনি খেলেছেন ২০০ ম্যাচ। আর রবীন্দ্র জাদেজা খেললেন ১৫০ ম্যাচ। তালিকায় চতুর্থ স্থানে রয়েছেন ডোয়েন ব্রাভো। তিনি খেলেছেন ১২৩টি ম্যাচ। রবিচন্দ্রন অশ্বিন খেলেছেন ১২১ ম্যাচ। চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে ১৫০ ম্যাচে রবীন্দ্র জাদেজার রান ১৫৪৬। উইকেট নিয়েছেন ১১০টি। ক্যাচ ধরেছেন ৬৯টি।চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে একের পর এক মাইলস্টোন করে চললেও চলতি আইপিএলে এখনও পর্যন্ত দলকে জয়ের মুখ দেখাতে পারেননি মহেন্দ্র সিং ধোনি ও রবীন্দ্র জাদেজা। টানা ৪ ম্যাচে হারতে হয়েছে। চেন্নাই সমর্থকরা আশা করেছিলেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে হয়তো দল ঘুরে দাঁড়াবে। কিন্তু ব্যাটাররা জ্বলে উঠতে ব্যর্থ। প্রথমে ব্যাটিং করে ১৫৪/৭ রান তোলে চেন্নাই সুপার কিংস। ১৫৫ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে ১৭.৪ ওভারে দুই উইকেটের বিনিময়ে প্রয়োজনীয় রান তুলে নেয় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ।সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরূদ্ধে মাঠে নামার আগে চেন্নাই সুপার কিংসের চিন্তা ছিল ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ের অফ ফর্ম। প্রথম তিনটি ম্যাচেই ব্যর্থ। দু অঙ্কের ঘরে পৌঁছতে পারেননি। আগের মরসুমেও এই রকম পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছিল। শুরুর দিকে রান পাননি। তা সত্ত্বেও আস্থা হারাননি চেন্নাই সুপার কিংস অধিনায়ক মহেন্দ্র সিংহ ধোনি। অধিনায়কের আস্থার মর্যাদা দিয়ে পরের দিকে অবশ্য রানে ফিরেছিলেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। এবছর আইপিএলের আগে অধিনায়কত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন। রবীন্দ্র জাদেজার হাতে নেতৃত্ব তুলে দেওয়া হয়। নতুন অধিনায়কের দায়িত্বে এখনও জয়ের মুখ দেখল না চেন্নাই।

এপ্রিল ১০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌আরও একটা মাইলস্টোন ধোনির, তবু দলকে জেতাতে পারছেন না কেন?‌

এবারের আইপিএলে কী হাল গতবারের চ্যাম্পিয়নদের? তিন ম্যাচ খেলা হয়ে গেল, অথচ এখনও জয়ের মুখ দেখতে পেল না চেন্নাই সুপার কিংস। দল না জিতলে কী হবে, একের পর এক মাইলস্টোন গড়েই চলেছেন চেন্নাই সুপার কিংসের প্রাক্তন অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। কদিন আগেই টি২০ ক্রিকেটে ৭ হাজার রানের মাইলস্টোন পার করেছেন। রবিরার পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে মাঠে নেমে ৩৫০টি টি২০ ম্যাচ খেলার কৃতিত্ব অর্জন করলেন তিনি। দ্বিতীয় ভারতীয় ক্রিকেটার হিসেবে তিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করলেন। ভরতীয় ক্রিকেটারদের মধ্যে টি২০ ফরম্যাটে সবথেকে বেশি ম্যাচ খেলেছেন রোহিত শর্মা। জাতীয় দল, আইপিএল, চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, ঘরোয়া টি২০ মিলিয়ে তিনি খেলেছেন ৩৭২টি ম্যাচ। আর ধোনির মোট ম্যাচের সংখ্যা ৩৫০। এর মধ্যে দেশের হয়ে খেলেছেন ৯৮টি টি২০ ম্যাচ। আর আইপিএলে খেলেছেন ২২২টি ম্যাচ। চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, ঘরোয়া টি২০ মিলিয়ে খেলেছেন ৩০টি ম্যাচ। আর ভারতীয়দের মধ্যে সবচেয়ে বেশি টি২০ ম্যাচ খেলার দিক দিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছেন সুরেশ রায়না। তিনি খেলেছেন ৩৩৬টি ম্যাচ। তালিকায় চতুর্থ স্থানে রয়েছেন দীনেশ কার্তিক। কার্তিক খেলেছেন ৩২৯ টি ম্যাচ। আর পঞ্চম স্থানে থাকা বিরাট কোহলি খেলেছেন ৩২৮টি ম্যাচ। চলতি আইপিএলে দুদুটি মাইলস্টোনে পৌঁছে গেলেন ধোনি। উইকেটের সামনে ও পেছনে ভাল পারফরমেন্স করলেও দলকে এখনও জয়ের মুখ দেখাতে পারেননি। প্রথম ম্যাচে অপরাজিত হাফ সেঞ্চুরি করেছিলেন ধোনি। দ্বিতীয় ম্যাচে ৬ বলে ১৬ রান করেছিলেন। পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে ২৮ বলে করেন ২৩। আইপিএল শুরুর আগে স্বেচ্ছায় নেতৃত্ব ছেড়ে দিয়ে দায়িত্ব তুলে দিয়েছেন রবীন্দ্র জাদেজার ওপর। জাদেজা দলকে নেতৃত্ব দিলেও ধোনি দারুণ সাহায্য করছেন উত্তরসূরীকে। রবিবার পাঞ্জাব কিংসের কাছে ৫৪ রানে হেরেছে চেন্নাই সুপার কিংস। প্রথমে ব্যাট করে পাঞ্জাব তোলে ১৮০/৮। জবাবে ১৮ ওভারে ১২৬ রানে শেষ হয়ে যায় চেন্নাইয়ের ইনিংস। টানা তিন ম্যাচ হারের পর চেন্নাই অধিনায়ক রবীন্দ্র জাদেজার মুখে ঘুরে দাঁড়ানোর কথা। তিনি বলেন, পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে প্রথম বল থেকেই আমরা মোমেন্টাম পাইনি। পাওয়ার প্লের ওভারগুলিতে একাধিক উইকেট হারিয়েছিলাম। এখান থেকে আমাদের প্রত্যাবর্তনের রাস্তা খুঁজে বের করতে হবে। এখনও ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব। -----------

এপ্রিল ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

এভিন লুইসের ঝড়ে প্রথম জয় পেল লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস

১২ বলে লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টসের জয়ের জন্য দরকার ছিল ৩৪ রান। অনভিজ্ঞ শিবম দুবের হাতে বল তুলে দিয়েছিলেন রবীন্দ্র জাদেজা। তাঁর ওভারে ২৫ রান তুলে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দিয়েছিলেন এভিন লুইস। টানটান উত্তেজনার ম্যাচে চেন্নাই সুপার কিংসকে ৬ উইকেটে হারিয়ে প্রথম জয় তুলে নিল লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস। এদিন টস জিতে চেন্নাই সুপার কিংসকে ব্যাট করতে পাঠান লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস অধিনায়ক লোকেশ রাহুল। শুরুতেই ধাক্কা খায় চেন্নাই। তৃতীয় ওভারে ব্যক্তিগত ১ রান করে আউট হন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। এরপরই রবিন উথাপ্পা ও মঈন আলি ঝড় তোলেন। ৪.৪ ওভারেই ৫০ রান পূর্ণ করে। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ওঠে ৭৩। এরপর ব্যক্তিগত ৫০ রানেই আউট হন রবিন উথাপ্পা। চেন্নাইয়ের রান তখন ৭.৩ ওভারে ৮৪। ১০.১ ওভারে মঈন আলি আবেশ খানের বলে বোল্ড হন। ২২ বলে তিনি করেন ৩৫। এরপর অম্বাতি রায়ুডু ও শিবম দুবে ৩৭ বলে যোগ করেন ৬০ রান। ২০ বলে ২৭ রান করে আউট হন রায়ুডু। ১৮.২ ওভারে শিবম দুবে আউট হন আবেশ খানের বলে। ৩০ বলে ৪৯ রান করেন দুবে। চেন্নাইকে ২১০/৭ রানে পৌঁছে দেন ধোনি (৬ বলে ১৬)। এদিন তিনি টি২০ ক্রিকেটে ৭ হাজার রানের মাইলস্টোনে পৌঁছন।জয়ের জন্য ২১১ রান তাড়া করতে নেমে ভাল শুরু করেন কুইন্টন ডিকক ও অধিনায়ক লোকেশ রাহুল। ১০.২ ওভারে ৯৯ রানে প্রথম উইকেট হারায় লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস। লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টসের ওপেনিং জুটি ভাঙেন ডোয়েইন প্রিটোরিয়াস। লোকেশ ১১.২ ওভারে পড়ে দ্বিতীয় উইকেট। ৬ বলে ৫ রান করে তুষার দেশপাণ্ডের শিকার হন মণীশ পাণ্ডে। ডিকককে (৪৫ বলে ৬১) প্রিটোরিয়াস আউট করেন। তা সত্ত্বেও জয়ের দিকে এগিয়ে যায় লক্ষ্ণৌ। দীপক হুডা ৮ বলে ১৩ রান করে আউট হন। শেষ ২ ওভারে লক্ষ্ণৌর জয়ের জন্য দরকার ছিল ৩৪ রান। ১৯ তম ওভারে শিবম দুবের বলে ২৫ রান তোলেন এভিন লুইস (২৩ বলে অপরাজিত ৫৫)। চলতি আইপিএলে দ্রুততম অর্ধশতরান (২৩ বলে) করেন লুইস। আয়ূষ বাদোনি ৯ বলে অপরাজিত ১৯ রান করে দলকে জয় এনে দেন। ১৯.৩ ওভারে ২১১/৪ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় লক্ষ্ণৌ।

এপ্রিল ০১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল এটিকে মোহনবাগান, এবার লড়াই শীর্ষস্থানের

লিগশিল্ড শেষ পর্যন্ত কি স্পর্শ করতে পারবে এটিকে মোহনবাগান? যে দল লিগ টেবিলের শীর্ষে থাকে, তারাই লিগশিল্ড পায়। কেরালা ব্লাস্টার্স ও ওডিশা এফসির কাছে আটকে যাওয়ার পর আইএসএলের লিগ টেবিলের শীর্ষে ওঠার লড়াই থেকে অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছিল। অঙ্কটা বদলে দিয়েছিল হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে জামশেদপুর এফসির জয়। লিগ টেবিলের শীর্ষে ওঠার লড়াইয়ে টিকে থাকতে গেলে চেন্নাইন এফসির বিরুদ্ধে জিততেই হত এটিকে মোহনবাগানকে। চেন্নাইনকে ১০ ব্যবধানে হারিয়ে জামশেদপুর এফসির ওপর চাপ বাড়াল সবুজমেরুণ শিবির। একই সঙ্গে তৃতীয় দল হিসেবে সেমিফাইনালে খেলা নিশ্চিত করল জুয়ান ফেরান্দোর দল। চেন্নাইন এফসির বিরুদ্ধে এদিন শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল এটিকে মোহনবাগান। প্রথম একাদশে রেখেছিলেন রয় কৃষ্ণাকে। মনবীরকে সেন্টার ফরোয়ার্ড করে দিয়ে রয় কৃষ্ণাকে উইংয়ে এনেছিলেন জুয়ান ফেরান্দো। অনভ্যস্ত পজিশনে খেলেও প্রথমার্ধে দুদুটি সুযোগ পেয়েছিলেন ফিজির এই স্ট্রাইকার। ২ মিনিটে জনি কাউকোর কাছ থেকে বল পেয়ে বক্সের ডানদিক থেকে শট নিয়েছিলেন রয় কৃষ্ণা। তাঁর সেই শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। মনে হচ্ছিল, দিনটা বুঝি এটিকে মোহনবাগানের নয়। কিন্ত ভুল ভাঙতে দেরি হয়নি। এরপর আধিপত্য বজায় রেখে একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসে সবুজমেরুণ ফুটবলাররা। তবে গোল আসছিল না। শুরুতেই জ্বলে ওঠা ছাড়া রয় কৃষ্ণাও সুবিধা করতে পারছিলেন না। তবে বিরতির ঠিক আগের মুহূর্তে আবার জ্বলে ওঠেন রয় কৃষ্ণা। এবারও সেই জনি কাউকোরয় কৃষ্ণা যুগলবন্দী। প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ে ডানদিক থেকে বল ধরে এগিয়ে যান জনি কাউকো। বক্সের বাইরে থেকে দুরন্ত পাস বাড়ান রয় কৃষ্ণার উদ্দেশ্যে। ডানপায়ের কোনাকুনি শটে গোল করেন রয় কৃষ্ণা।দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই চাপ বাড়ায় চেন্নাইন এফসি। এইসময় এটিকে মোহনবাগান রক্ষণকে বেশ নড়বড়ে মনে হচ্ছিল। ৬৩ মিনিটে সমতা ফেরানোর সুযোগ পেয়েছিল চেন্নাইন এফসি। রেগান সিংয়ের শট পোস্টে লেগে ফেরে। এদিন লিস্টন কোলাসো নিজের সেরা ছন্দে ছিলেন না। ৬৯ মিনিটে তাঁকে তুলে নিয়ে প্রবীর দাসকে নামান জুয়ান ফেরান্দো। একই সঙ্গে তুলে নেন জনি কাউকোকে। দ্বিতীয়ার্ধের বাকি সময় কোনও দলই গোল করার মতো তেমন সহজ সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। ১৯ ম্যাচে ৩৭ পয়েন্ট পেয়ে দ্বিতীয় স্থানে পৌঁছল এটিকে মোহনবাগান। টপকে গেল হায়দরাবাদ এফসিকে। ১৯ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট ৩৫। ১৮ ম্যাচে জামশেদপুর এফসির পয়েন্ট ৩৭। তারাই রয়েছে শীর্ষে। পরের ম্যাচে জামশেদপুর খেলবে ওডিশার বিরুদ্ধে। এটিকে মোহনবাগানকে শীর্ষে পৌঁছতে গেলে শেষ ম্যাচে জামশেদপুর এফসিকে শেষ ম্যাচে হারাতেই হবে।

মার্চ ০৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আইএসএলের সেরা ম্যাচ খেলে চেন্নাইনকে আটকে দিল এসসি ইস্টবেঙ্গল

অতীতে ডার্বিতে হারের পর ঘুরে দাঁড়ানোর ইতিহাস লালহলুদের রয়েছে। চেন্নাইন এফসির বিরুদ্ধে শুরুতে ২ গোলে পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন এসসি ইস্টবেঙ্গলের। নামতের শেষ মুহূর্তের গোলে আইএসএলের সেরা ম্যাচ খেলে আটকে দিল চেন্নাইনকে। ম্যাচের ফল ২২।এসসি ইস্টবেঙ্গলের গোল খাওয়ার অভ্যাস কি যাবে না? আইএসএলের প্রথম ম্যাচ থেকেই প্রশ্নটা উঠেছিল। লালহলুদের ১৫ টা ম্যাচ খেলা হয়ে গেল। গোল খাওয়ার অভ্যাস এখনও কাটিয়ে উঠতে পারল না। চেন্নাইন এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে ১৪ ম্যাচে ২৮ গোল হজম করেছিল। এদিন আরও ২ গোল।শুরুতে গোল খেলে যে কোনও দলের মনোবল ভেঙে পড়তে বাধ্য। চেন্নাইন এফসির বিরুদ্ধে সেটা অবশ্য হয়নি। ২ মিনিটেই প্রথম ধাক্কা খায় এসসি ইস্টবেঙ্গল। জেরি লালরিনজুয়ালা বাঁদিক থেকে একটা সেন্টার করেছিলেন লালহলুদ বক্সে। সুহেল পাশা হেড করার জন্য লাফিয়েছিলেন। কিন্তু বলে মাথা ছোঁয়াতে পারেননি। সেই বল হীরা মণ্ডলের পায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে এসসি ইস্টবেঙ্গলের জালে জড়িয়ে যায়।চেন্নাইন এফসির দ্বিতীয় গোলের ক্ষেত্রেও সেই হীরা মণ্ডলের অবদান। ম্যাচের ১৪ মিনিটে তাঁর ভুল পাস ধরে নিনথোই মিতাই বাঁপায়ের দুরন্ত শটে চেন্নাইন এফসিকে ২০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। ১৪ মিনিটের মধ্যে ২ গোল হজম করেও হতদ্যোম হয়ে পড়েনি লালহলুদ শিবির। দারুণ লড়াই করছিল। ৪৪ মিনিটে ব্যবধান কমানোর সুযোগ পেয়েছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। নওরেম মহেশ সিংয়ের ব্যাক সেন্টার দারুণ জায়গায় পেয়েও বাইরে হেড করেন মার্সেলো রিবেইরো।ম্যাচে ফেরার জন্য দ্বিতীয়ার্ধে মরিয়া হয়ে ওঠে। একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে এসে চেন্নাইন এফসির রক্ষণকে চাপে ফেলে দেন পেরোসেভিচ, মার্সেলো, মহেশ সিংরা। ৫৮ মিনিটে পেনাল্টি পেতে পারত এসসি ইস্টবেঙ্গল। রেফারি এড়িয়ে যান। ৬১ মিনিটে ফ্রিকিক থেকে বিশ্বমানের গোল করে ব্যবধান কমান ড্যারেন সিডোয়েল। বাকি সময় চেন্নাইনকে চাপে রাখে এসসি ইস্টবেঙ্গল। একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসে। অবশেষে দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি সময়ে সমতা ফেরায় লালহলুদ। কর্নার থেকে দুরন্ত হেডে গোল করেন নামতে। জয় নার হেড জালে জড়িয়ে যায়।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ATK Mohun Bagan : আবার ড্র!‌ হারের হ্যাটট্রিক বাঁচাল হাবাসের এটিকে মোহনবাগান

এবারের আইএসএলে ভাল শুরু করেও ছন্দ ধরে রাখতে পারেনি এটিকে মোহনবাগান। পরপর দুটি ম্যাচে জয়ের পর দুম্যাচে হার। পঞ্চম ম্যাচেও জয়ে ফিরল না সবুজমেরুণ শিবির। চেন্নাইন এফসির কাছেও আটকে গেল। বলা যেতে পারে হারের হ্যাটট্রিক বাঁচাল আন্তেনীয় লোপেজ হাবাসের দল। যদিও চেন্নাইন এফসির বিরুদ্ধে ম্যাচের শুরু থেকেই এটিকে মোহনবাগান ফুটবলারদের শরীরীভাষা যথেষ্ট ইতিবাচক মনে হচ্ছিল। রক্ষণ শক্তিশালী করতে চেন্নাইন এফসির বিরুদ্ধে তিরিকে প্রথম একাদশে রেখেছিলেন এটিকে মোহনবাগান কোচ আন্তেনীয় লোপেজ হাবাস। তিরি আসায় রক্ষণ অনেক সংগঠিত হয়। তাঁর পাশে প্রীতম কোটালও ছিল স্বপ্রতিভ।১৮ মিনিটে এগিয়ে যায় এটিকে মোহনবাগান। মাঝমাঠ থেকে দুই ডিফেন্ডারের মাঝখান দিয়ে বক্সের মধ্যে দুর্দান্ত ডিফেন্স চেরা থ্রু বাড়ান রয় কৃষ্ণা। বাঁদিক দিয়ে বক্সের মধ্যে ঢুকে চলতি বলেই ডান পায়ের দুরন্ত শটে দলকে এগিয়ে দেন লিস্টন কোলাসো। পিছিয়ে পড়ে সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়ে হয়ে ওঠে চেন্নাইন এফসি। একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসে। ২১ মিনিটে সমতা ফেরানোর সুযোগ পেয়েছিল চেন্নাইন এফসি। কিন্তু কাজে লাগাতে পারেনি। অনিরুদ্ধ থাপার শট এটিকে মোহনবাগান গোলকিপার অমরিন্দার সিং আংশিক প্রতিহত করেন। বল গোলে ঢোকার মুখে বাঁচান প্রীতম কোটাল। পরপর বেশ কয়েকটি কর্ণার আদায় করেও কাজে লাগাতে পারেননি চেন্নাইন এফসি ফুটবলাররা।৪৫ মিনিটে সমতা ফেরায় চেন্নাইন এফসি। ডান দিক থেকে থ্রো করেন লুকাস। এটিকে মোহনবাগানের জনি কাউকোর মাথায় লেগে বল যায় ভ্লদিমির কোম্যানের কাছে। ডান পায়ের দুরন্ত কোণাকুনি শটে গোল করেন কোম্যান। চেন্নাইন কোচ এদিন রয় কৃষ্ণাকে আটকানোর জন্য বিশেষ পরিকল্পনা করেছিলেন। হুগো বোমাস, লিস্টন কোলাসোদের জায়গা করে দেওয়ার জন্য রয় কৃষ্ণা বারবার মাঝমাঠে নেমে আসছিলেন। এতে তাঁকে আটকাতে সমস্যা হচ্ছিল চেন্নাইন ডিফেন্ডারদের। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই রয় কৃষ্ণার পাস থেকে গোল করার মতো পরিস্থিতি তৈরি করেছিলেন হুগো বোমাস। তাঁর শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। এটিকে মোহনবাগানের দুই বিদেশি জনি কাউকো ও হুগো বোমাস প্রথমার্ধে একেবারেই ছাপ ফেলতে পারেননি। দ্বিতীয়ার্ধেও বোমাস, কৃষ্ণাদের জ্বলে উঠতে দেননি চেন্নাইন এফসি ফুটবলাররা। প্রথমার্ধে দুই দল কয়েকটা সুযোগ তৈরি করলেও দ্বিতীয়ার্ধে গোল করার মতো তেমন সহজ পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। ৮৯ মিনিটে হুগো বোমাসকে তুলে নিয়ে ডেভিড উইলিয়ামসকে মাঠে নামান। ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গেছে। নিজেকে মেলে ধরার সুযোগ পাননি উইলিয়ামস।

ডিসেম্বর ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ISL-ATK Mohun Bagan : ‌‌চেন্নাইনের বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়ে এটিকে মোহনবাগান। কে হবেন হাবাসের অস্ত্র?‌

এবছর আইএসএলেও সেই মুম্বই সিটি এফসির আধিপত্য। ৫ ম্যাচ খেলে চারটিতে জিতে ১২ পয়েন্ট নিয়ে এখনও লিগ টেবিলের শীর্ষে রয়েচে মুম্বইয়ের দলটি। কলকাতার দুই প্রধানের অবস্থা খুব একটা ভাল নয়। এটিকে মোহনবাগান ৪ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে ষষ্ঠ স্থানে থাকলেও করুণ অবস্থা এসসি ইস্টবেঙ্গলের। ৪ ম্যাচে ২ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলের একেবারে শেষে। পরপর দুটি ম্যাচ হেরে যথেষ্ট চাপে এটিকে মোহনবাগান। এই অবস্থায় শনিবার চেন্নাইন এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামছে সবুজমেরুণ শিবির। চেন্নাইনের বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া হাবাস ব্রিগেড।এই মরশুমে আক্রমণভগের শক্তি বেড়েছে এটিকে মোহনবাগানের। রয় কৃষ্ণার সঙ্গে হুগো বোমাস ষুক্ত হয়েছেন। লিস্টন কোলাসো, মনবীর সিংরাও রয়েছেন। তা সত্ত্বেও আক্রমণভাগের গোলখরা চলছে। রয় কৃষ্ণা ও হুগো বোমাসরা এখনও পর্যন্ত সেভাবে নিজেদের মেলে ধরতে পারেননি। শক্তিশালী রক্ষণের কাছে আটকে যাচ্ছেন। এসব ঘটনাকে একেবারেই গুরুত্ব দিচ্ছেন না। পরপর দুম্যাচে হার তাঁর কাছে অতীত। একেবারেই মাথায় রাখছেন না। চেন্নাইন এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে আন্তেনীয় লোপেজ হাবাস বলেন, লম্বা প্রতিযোগিতা। উত্থানপতন থাকবে। পরপর দুটো ম্যাচ হেরেছি বলে আমরা বিশ্বের সবথেকে খারাপ দল হয়ে গেছি, এইরকম ভাবলে চলবে না। কঠিন পরিস্থিতিতে খেলতে হচ্ছে। কয়েকটা জিনিস ঠিক করতে হবে। তাহলেই দল আবার ছন্দে ফিরে আসবে।প্রথম দুই ম্যাচে ৭ গোল করেছিল এটিকে মোহনবাগান। আগের দুটি ম্যাচে রক্ষণের ভুলে হারতে হয়েছে। তিরি সুস্থ থাকা সত্ত্বেও তাঁকে প্রথম একাদশে খেলাননি হাবাস। তাঁর স্ট্র্যাটেজি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। শুধু রক্ষণ নয়, গোটা দলের খেলায় উন্নতি করতে হবে বলে মনে করছেন হাবাস। তিনি বলেন, শুধু ডিফেন্স নয়, গোটা দলের খেলা নিয়ে ভাবছি। সব জায়গায় উন্নতি করতে হবে। গোটা ম্যাচে একই ছন্দ ধরে রাখতে হবে। রক্ষণ শক্তিশালী করতে চেন্নাইন এফসির বিরুদ্ধে ম্যাকহিউয়ের পরিবর্তে তিরিকে খেলানোর পরিকল্পনা রয়েছে হাবাসের। চেন্নাইন এফসিকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন সবুজমেরুণ কোচ। প্রতিপক্ষ সম্পর্কে তিনি বলেন, চেন্নাইন এফসি যথেষ্ট লড়াকু দল। ওদের দলে দেশি ও বিদেশি, সব ফুটবলারই বেশ ভাল। রক্ষণ দারুণ শক্তিশালী। লড়াইটা কঠিন হবে।

ডিসেম্বর ১০, ২০২১
রাজ্য

Supari Killer: মঙ্গলকোটের তৃণমূল নেতাকে খুনের ঘটনায় চেন্নাই থেকে গ্রেফতার সুপারি কিলার

তৃণমূল নেতাকে খুনের ঘটনার তিন মাস পর সুপারি কিলারকে গ্রেফতার করলো সিআইডি। ধৃতের নাম মহম্মদ সুরজ মানালি। তাঁর বাড়ি বীরভূম জেলার ঘিদহ গ্রামে। সিআইডি দল চেন্নাই থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে। সিআইডির দাবি, চলতি বছরের ১২ জুলাই গুলি করে পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটের লাখুড়িয়া অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি আসীম দাসকে খুন করে চেন্নইয়ে পালিয়েছিল কুখ্যাত সুপারি কিলার সুরজ। সিআইডি সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার ধৃতকে কাটোয়া মহকুমা আদালতে পেশকরে সিআইডি হেপাজতে নেওয়া হবে।সিআইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১২ জুলাই সন্ধ্যায় মঙ্গলকোটের লাখুড়িয়া অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি অসীম দাস বাইকে চেপে পার্টি অফিস থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। ওই সময়ে স্থানীয় শিউর গ্রামের মোড়ে দুস্কৃতীরা খুব কাছ থেকে তাঁকে গুলি করে খুন করে পালায়। ঘটনার চার দিনের মাথায় এই খুনের ঘটনার তদন্তভার হাতে নেয় সিআইডি। তদন্তে নেমে সিআইডি আধিকারিকরা নিশ্চিৎ হন মঙ্গলকোটে অজয় নদে অবৈধ বালির কারবারে অসীম দাস বাধা হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তার কারণেই তাঁকে খুন হতে হয়। গ্রেফতার হয় খুনের ঘটনার মূল অভিযুক্ত তথা অবৈধ বালির কারবারি শেখ রাজু। তাকে জেরা করে সিআইডি গত ১৩ আগস্ট বীরভূম জেলার ঘিদহ গ্রামের বাসিন্দা পেশায় কাঠমিস্ত্রী শেখ খোকন ওরফে বাবুলকে গ্রেফতার করে। এবার গ্রেফতার হল সুপারি কিলার মহম্মদ সুরজ মানালি। এই নিয়ে তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতিকে খুনের ঘটনায় সিআইডির জালে ধরা পড়লো আট জন।

অক্টোবর ২১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

M‌S Dhoni : মেগা নিলামের জন্য ধোনির আগেও চেন্নাই কর্তাদের কাছে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছেন ঋতুরাজ!‌‌

মহেন্দ্র সিং ধোনির আগেও গুরুত্ব পাচ্ছেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়, রবীন্দ্র জাদেজারা! শুনতে খারাপ লাগলেও এটাই বাস্তব। সামনের বছর আইপিএলের মেগা নিলামের আগে যদি পুরনো দল থেকে দুজন ক্রিকেটারকে রাখতে হলে ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও রবীন্দ্র জাদেজাকে ধরে রাখতে চায় চেন্নাই সুপার কিংস। তিনজন ক্রিকেটারকে ধরে রাখার সুযোগ থাকলে সেক্ষেত্রে মহেন্দ্র সিং ধোনিকেও রেখে দেওয়া হবে। অর্থাৎ টিম ম্যানেজমেন্টের প্রথম পছন্দের তালিকায় নেই ক্যাপ্টেন কুলএর নাম। তবে ধোনিকে দলে নেওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে ঝাঁপাবে চেন্নাই সুপার কিংস কর্তারা। তবে সবকিছু নির্ভর করছে রিটেশন নিয়মের ওপর। সামনের বছর আইপিএলের নিলামের জন্য অধিকাংশ ক্রিকেটারকে ফ্রি করে দেওয়া হবে। আগের ৮টি দলের সঙ্গে আরও দুটি দল বাড়বে। ফলে ক্রিকেটারদের পুলের সংখ্যাও বাড়াতে হবে। নিলামও আগের থেকে অনেক বেশি জমজমাট হবে। সব দলই চাইবে মেগা নিলাম থেকে আগামী কয়েক বছরের জন্য সেরা দল তৈরি করে নেওয়া। ফলে ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ের মতো প্রতিভাসম্পন্ন তরুণ ক্রিকেটাররা যে সব দলেরই টার্গেট হবেন, সেকথা বলার অপেক্ষা রাখে না। শুক্রবার আইপিএল ফাইনালের পর মহেন্দ্র সিং ধোনি বলেছিলেন, সামনের মরশুমের জন্য আইপিএলের মেগা নিলামের সময় অগ্রাধিকার হবে এমন ক্রিকেটারদের দলে নেওয়া যাতে তাঁদের দীর্ঘদিন দলে ধরে রাখা যায়। সেই পথেই হাঁটার পরিকল্পনা চেন্নাই সুপার কিংস কর্তৃপক্ষর। কর্তাদের লক্ষ্য এমন দল গড়া যাতে আগামী ১০ বছরের জন্য অবদান রাখতে পারে। সেটা মাথায় রেখে ভবিষ্যতের দল গড়তে চান তাঁরা। তাই তরুণ ক্রিকেটারদের ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। আর তার জন্যই মহেন্দ্র সিং ধোনির আগে ভেসে উঠছে ঋতুরাজ গায়কোয়াড়, রবীন্দ্র জাদেজাদের নাম। তবে ধোনি যে চেন্নাই কর্তাদের পরিকল্পনায় নেই, এমন নয়। চেন্নাই সুপার কিংসের এক কর্তা বলেছেন, যে কোনও ফ্র্যাঞ্চাইজিই ধোনির মতো ক্রিকেটারকে ধরে রাখতে চাইবে। সামনের মরশুমে আইপিএলে দুটি নতুন দল যুক্ত হচ্ছে। অনেক পরিবর্তন হবে। আমাদেরও লক্ষ্য আছে ধোনিকে ধরে রাখা। তার জন্য চেষ্টার ত্রুটি থাকবে না। তবে ঋতুরাজের মতো ক্রিকেটারকেও ছেড়ে দেওয়া ঠিক হবে না। এবছর চেন্নাই সুপার কিংসের ক্রিকেটারদের বয়স নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। বেশির ভাগ ক্রিকেটারই ছিলেন বয়স্ক। তা সত্ত্বেও আইপিএলে চ্যাম্পিয়ন। ঋতুরাজ গায়কোয়াড়, শার্দূল ঠাকুর, দীপক চাহারের মতো তরুণ ক্রিকেটারদের পাশাপাশি ডোয়েন ব্র্যাভো, ফাফ ডুপ্লেসি, অম্বাতি রায়ডু, রবিন উথাপ্পার মতো বয়স্করাও জ্বলে উঠেছিলেন। তাই মেগা নিলামে শার্দূল, চাহারদের পাশাপাশি কয়েকজন অভিজ্ঞ ক্রিকেটারকে ধরে রাখার জন্য ঝাঁপাবে চেন্নাই সুপার কিংস কর্তারা। সামনের বছর আইপিএলেও খেলার ইঙ্গিত দিয়েছেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। তিনি চান চেন্নাইয়ে ঘরের মাঠে দর্শকদের সামনে খেলে অবসর নিতে চান। এখন দেখার তাঁর মনোবাসনা পূর্ণ হয় কিনা।

অক্টোবর ১৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IPL Final : মধুর প্রতিশোধ, ২০১২–র বদলা নিয়ে আইপিএল চ্যাম্পিয়ন চেন্নাই সুপার কিংস

গতবছর আইপিএলের প্লে অফেই যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি চেন্নাই সুপার কিংস। এবছর দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন। শুরু থেকেই ছন্দ ধরে রেখে ফাইলানে। তারা যে ফ্লুকে ফাইনালে ওঠেনি, প্রমাণ করে দিল ধোনি ব্রিগেড। কলকাতা নাইট রাইডার্সকে ২৭ রানে হারিয়ে আইপিএলে চ্যাম্পিয়ন চেন্নাই সুপার কিংস। ২০১২ সালে ফাইনালের হারের মধুর প্রতিশোধ। এই নিয়ে ৪ বার আইপিএল শিরোপা জিতল চেন্নাই। আইপিএল ফাইনালে নতুন কীর্তি মহেন্দ্র সিং ধোনির। অধিনায়ক হিসেবে ৩০০তম টি২০ ম্যাচে মাঠে নেমে দলকে খেতাব এনে দিলেন। তাঁর নেতৃত্বে ৪ বার চ্যাম্পিয়ন হল চেন্নাই। এবছর আইপিএলে ৬ ম্যাচে রান তাড়া করতে নেমে ৬টি ম্যাচেই জিতেছিল চেন্নাই সুপার কিংস। তাই হয়তো বিপক্ষকে রান তাড়া করার সুযোগ দেননি কলকাতা নাইট রাইডার্স অধিনায়ক ইওয়িন মর্গ্যান। তাছাড়া তাঁর দল যেভাবে রান তাড়া করে পরপর ম্যাচ জিতেছে, তাতে আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বেড়েছে। রাতের দিকে শিশিরের কথাও তিনি মাথায় রেখেছিলেন। তাই হয়তো ফাইনালে টস জিতে চেন্নাই সুপার কিংসকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন নাইট ক্যাপ্টেন। প্রথমে ব্যাট করার সুযোগ পেয়ে নিজেদের মেলে ধরেন চেন্নাই সুপার কিংসের দুই ওপেনার ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও ফাফ ডুপ্লেসি। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে দুজনে তোলেন ৫০। ওপেনিং জুটিতে ৮ ওভারের ওঠে ৬১। জুটি ভাঙেন সুনীল নারাইন। তঁার বলে শিবম মাভির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। ২৭ বলে তিনি করেন ৩২। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান রবিন উথাপ্পা ও ফাফ ডুপ্লেসি। ঝড় তুলে ১৫ বলে ৩১ রান করে সুনীল নারাইনে বলে আউট হন উথাপ্পা। ঋতুরাজ, উথাপ্পা আউট হলেও মনসংযোগে চিড় ধরেনিই ডুপ্লেসির। শুরুর দিকে যেমন ইনিংস গড়ার দিকে মন দিয়েছিলেন, ডেথ ওভারে ঝড় তোলেন। তাঁর ঝড়েই উড়ে গেলেন লকি ফার্গুসনরা। ডুপ্লেসিকে যোগ্য সহায়তা দেন মঈন আলি। ডেথ ওভারে এই দুজনের দাপটে দিশেহারা হয়ে পড়েন নাইট বোলাররা। শেষ ৫ ওভারে চেন্নাই তোলে ৬১। ডুপ্লেসি ও মঈনে জুটিতে ৩৯ বলে ওঠে ৬৮। ইনিংসের একেবারে শেষ বলে আউট হন ডুপ্লেসি। ৫৯ বলে ৮৬ রান করেন তিনি। অন্যদিকে মঈন ২০ বলে ৩৭ রান করে অপরাজিত থাকেন। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে চেন্নাই তোলে ১৯২/৩। ইওয়িন মর্গ্যানের লক্ষ্য ছিল কম রানে চেন্নাইকে বেঁধে রেখে জয় তুলে নেওয়া। কিন্তু তাঁর সেই পরিকল্পনায় জল ঢেলে দেন চেন্নাইয়ের টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানরা। তবে সামনে বড় রানের লক্ষ্য দেখেও ঘাবড়ে যাননি নাইট রাইডার্সের দুই ওপেনার। দলকে ফাইনালে তোলার কৃতিত্ব দাবি করতেই পারেন শুভমান গিল ও বেঙ্কটেশ আয়ার। ফইনালেও দুর্দান্ত শুরু করেছিলেন নাইটদের দুই ওপেনার। ওপেনিং জুটিতে ৯১ তুলে চাপ বাড়িয়ে দিয়েছিলেন চেন্নাই শিবিরের ওপর। এই সময় বেশ দিশেহারা লাগছিল চেন্নাই অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনিকে। শার্দূল ঠাকুর বল করতে এসে ক্যাপ্টেনকে চাপমুক্ত করেন। একাদশতম ওভারের চতুর্থ বলে বেঙ্কটেশ আয়ারকে (৩২ বলে ৫০) তুলে নিয়ে নাইটদের প্রথম ধাক্কা দেন। এক বল পরেই ফেরান নীতীশ রানাকে (০)। এক বলের ব্যবধানে উইকেট হারানোর ধাক্কা সামলাতে পারেনি নাইটরা। সুনীল নারাইনকে (২) তুলে নিয়ে নাইটদের ওপর আরও চাপ বাড়িয়ে দেন জস হ্যাজেলউড। এরপর শুভমান গিলকে (৪৩ বলে ৫১) দীপক চাহার ফেরাতেই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে নাইটদের মিডল অর্ডার। পরপর ফিরে যান দীনেশ কার্তিক (৯), সাকিব আল হাসান (০), রাহুল ত্রিপাঠী (২), ইওয়িন মর্গ্যান (৪)। লকি ফার্গুসন (১১ বলে অপরাজিত ১৮) ও শিবম মাভি (১৩ বলে ২০) কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও জেতার জন্য যথেষ্ট ছিল না। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৬৫/৯ রানে থেমে যায় নাইটদের ইনিংস। ৩৮ রানে ৩ উইকেট নেন শার্দূল ঠাকুর। হ্যাজেলউড ও রবীন্দ্র জাদেজা ২টি করে উইকেট নেন। ২০১২ সালের পুনরাবৃত্তি হল না। মর্গ্যান ব্রিগেডকে ২৭ রানে হারিয়ে ২০১২ সালের ফাইনালের হারের মধুর প্রতিশোধ নিল চেন্নাই।

অক্টোবর ১৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌টি২০ ক্রিকেটে প্রথম সেঞ্চুরি করেও দলকে জেতাতে পারলেন না ঋতুরাজ

শেষ হয়েও হইল না শেষ। খাদের কিনারা থেকে উঠে এসে প্লে অফের লড়াইয়ে দারুণভাবে টিকে রইল রাজস্থান রয়্যালস। লিগ টেবিলেনর শীর্ষে থাকা চেন্নাই সুপার কিংসকে ৭ উইকেটে হারিয়ে জমিয়ে দিল আইপিএলের প্লে অফের লড়াই। যদিও সঞ্জু স্যামসনের দলের কাছে কাজটা যথেষ্ট কঠিন। কারণ নেট রান রেটে রাজস্থান রয়্যালস অনেকটাই পিছিয়ে। প্লে অফের ছাড়পত্র পেতে গেলে বাকি ম্যাচগুলোতে শুধু জিতলেই হবে না, অন্যদলগুলির দিকেও তাকিয়ে থাকতে হবে। ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ের টি২০ কেরিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি জেতাতে পারল না চেন্নাইকে।রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে চেন্নাই সুপার কিংস যে হারতে পারে, কল্পনারও অতীত ছিল। কিন্তু ক্রিকেট যে মহান অনিশ্চয়তার খেলা। ২০ ওভারে ১৮৯/৩ রান তুলে রাজস্থানের সামনে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছিল চেন্নাই। ১৫ বল বাকি থাকতে অবলীলায় সেই রান তুলে সঞ্জু স্যামসনরা বুঝিয়ে দিলেন তাঁদেরও ক্ষমতা আছে চেন্নাইকে হারানোর। টস জিতে চেন্নাইকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন সঞ্জু স্যামসন। ভাল শুরু করেছিলেন চেন্নাইয়ের দুই ওপেনার ডুপ্লেসি ও ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। ১৯ বলে ২৫ রান করে আউট হন ডুপ্লেসি। সুরেশ রায়না (৩), মঈন আলি (২১), অম্বাতি রায়ডুরা (২) ব্যর্থ হলেও দুর্দান্ত ব্যাট করেন ঋতুরাজ। আইপিএলের প্রথম পর্বে একের পর এক ম্যাচে ব্যর্থ হলেও তাঁর ওপর ভরসা হারাননি ধোনি। অধিনায়করে আস্থার মর্যাদা দিয়েই চলেছেন ঋতুরাজ। ৯টি বাউন্ডারি ও ৫টি ছয়ের সাহায্যে ৬০ বলে ১০১ রানে তিনি অপরাজিত থাকেন। ইনিংসের শেষ বলে বিশাল ছক্কা হাঁকিয়ে আইপিএল তথা টি২০ কেরিয়ারে প্রথম শতরানটি পান ঋতুরাজ। এই ইনিংস খেলার ফাঁকে চলতি আইপিএলে সর্বাধিক রানের মালিক হয়ে কমলা টুপি নিজের দখলে নিলেন। রবীন্দ্র জাদেজা অপরাজিত থাকেন ১৫ বলে ৩২ রান করে। জাদেজা ৪টি চার ও ১টি ছয় মারেন।জয়ের জন্য ১৯০ রানের লক্ষ্য একেবারেই সহজ ছিল না রাজস্থানের সামনে। কিন্তু শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ব্যাট করে দলকে জয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে যান রাজস্থানের দুই ওপেনার এভিন লুইস (১২ বলে ২৭) ও যশস্বী জয়সোয়াল (২১ বলে ৫০)। ওপেনিং জুটিতে ৫.১ ওভারে ওঠে ৭৭। পরপর দুই ওপেনার ফিরে গেলেও চাপে পড়েনি রাজস্থান। দুরন্ত ব্যাট করে দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন তরুণ ক্রিকেটার শিবম দুবে। তিনি ৪২ বলে ৬২ রান করে অপরাজিত থাকেন। গ্লেন ফিলিপ ৮ বলে ১৪ রান করে অপরাজিত থাকেন। অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন ২৪ বলে করেন ২৮। ১৭.৩ ওভারে ১৯০/৩ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় রাজস্থান। ১২ ম্যাচে রাজস্থানের পয়েন্ট ১০।

অক্টোবর ০২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IPL 2021: চূড়ান্ত ধারাবাহিকতা দেখিয়ে প্লে অফ নিশ্চিত করল চেন্নাই সুপার কিংস

এক নম্বরের সঙ্গে লিগ টেবিলে শেষে থাকা দলের লড়াই। শীর্ষে থাকা দলই যে ফেবারিট সে কথা বলাই বাহুল্য। প্রত্যাশামতোই সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে ৬ উইকেটে হারিয়ে প্লে অফ নিশ্চিত করল চেন্নাই সুপার কিংস। আর কোনও জটিল সমীকরণ প্লে অফ থেকে ছিটকে দিতে পারবে না ধোনি ব্রিগেডকে। ১১ ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট পেয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষে রইল চেন্নাই সুপার কিংস। টস জিতে এদিন সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন চেন্নাই সুপার কিংস অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কাছে হারানোর কিছু ছিল না। শুধু নিজেদের প্রমান করার তাগিদ। সেই প্রমান করার ম্যাচেও জ্বলে উঠতে ব্যর্থ হায়দরাবাদের ব্যাটসম্যানরা। একমাত্র ব্যতিক্রম ঋদ্ধিমান সাহা। তিনি রুখে না দাঁড়ালে লড়াই করার মতো জায়গায় পৌঁছতে পারত না সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। চতুর্থ ওভারেই তারা প্রথম উইকেট হারায়। আগের ম্যাচে রান পাওয়া জেসন রয় এদিন মাত্র ২ রান করে জস হ্যাজেলউডের বলে আউট হন। অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনও (১১) এদিন ব্যর্থ। প্রিয়ম গর্গ করেন ৭। ৪৬ বলে ৪৪ রান করে রবীন্দ্র জাদেজার বলে ধোনির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন ঋদ্ধিমান। অভিষেক শর্মা ও আব্দুল সামাদ দুজনেই করেন ১৮। রশিদ খান ১৭ রান করে অপরাজিত থাকেন। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৩৪ রান তোলে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। জস হ্যাজেলউড ২৪ রানে ৩টি এবং ডোয়েন ব্র্যাভো ১৭ রানে ২ উইকেট নেন।চেন্নাইয়ের যা ব্যাটিং শক্তি তাতে ১৩৫ রানের লক্ষ্য খুব একটা কঠিন হওয়ার কথা ছিল না। তার উপর দূর্দান্ত ছন্দে রয়েছেন চেন্নাইয়ের টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানরা। বিশেষ করে ওপেনার ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ের কথা বলতে হবে। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধেও ধারাবাহিকতা ধরে রাখলেন। ওপেনিং জুটিতে ফাফ ডুপ্লেসির সঙ্গে তোলেন ৭৫। ৩৮ বলে ৪৫ রান করে জেসন হোল্ডারের বলে ঋতুরাজ আউট হন। ১৭ বলে ১৭ রান করে রশিদ খানের বলে বোল্ড হন মঈন আলি। ৩৬ বলে ৪১ রান করে হোল্ডারের বলে আউট হন ডুপ্লেসি। সুরেশ রায়নাও (২) হোল্ডারের শিকার। এরপর দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন অম্বাতি রায়ুডু (অপরাজিত ১৭) ও ধোনি (১১)। ১৯.৪ ওভারে ৪ উইকেটে ১৩৯ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয় চেন্নাই।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

কলকাতায় এবার কোন দলে খেলবেন শিলটন?

গোয়া ছেড়ে আবার কলকাতায় শিলটন পাল। মোহনবাগানের এই প্রাক্তন গোলকিপারকে খেলতে দেখা যাবে দ্বিতীয় ডিভিশন আই লিগে। ভবানীপুরের জার্সি গায়ে খেলবেন এই অভিজ্ঞ গোলকিপার। দীর্ঘদিন মোহনবাগানে খেলার পর এবছর গোয়ার চার্চিল ব্রাদার্সে যোগ দিয়েছিলেন শিলটন। আই লিগের প্রথম ডিভিশন কবে শুরু হবে, এখনও ঠিক করেনি ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন। তাই লোনে ভবানীপুরের হয়ে যায় লিগ দ্বিতীয় ডিভিশনে খেলবেন। শুক্রবার ভবনীপুরে অনুশীলনও শুরু করেছেন।দ্বিতীয় ডিভিশনের খেলা শেষ হলে আবার চার্চিল ব্রাদার্সে যোগ দেবেন শিলটন। মোহনবাগানে আসার আগে তিনি ছিলেন টাটা ফুটবল একাডেমিতে। ২০০৬ সালে মোহনবাগানে যোগ দেন। চেন্নাইন এফ সি, কেরালা ব্লাস্টার্স, এটিকের হয়ে লোনে আই এস এলেও খেলেছেন।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২০

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

চেয়ার নিয়ে বিধানসভায় নাটক! মমতার আসনে বসতে রাজি নন ঋতব্রত, কেন?

বিধানসভায় নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের আবহে বুধবার বিরোধী দলনেতার ঘর ঘিরে তৈরি হল এক অন্যরকম পরিস্থিতি। বিদ্রোহী বিধায়কদের সঙ্গে নিয়ে বিরোধী দলনেতার ঘরে প্রবেশ করেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধানসভার সচিবালয়ের অনুমতি পাওয়ার পর তাঁকে ঘরের দায়িত্বও বুঝিয়ে দেওয়া হয়। তবে ঘরে ঢোকার পর একটি ঘটনা ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।ঘরে থাকা একটি চেয়ারে বসতে গেলে তাঁকে জানানো হয়, সেটি একসময় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যবহৃত চেয়ার। সেই কথা শুনেই ওই আসনে বসতে অস্বীকার করেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। উপস্থিতদের কাছে তিনি অন্য একটি চেয়ার আনার অনুরোধ জানান। পরে তাঁর জন্য বিকল্প আসনের ব্যবস্থা করা হয়।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে নানা ব্যাখ্যা সামনে আসছে। অনেকের মতে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি ব্যক্তিগত শ্রদ্ধা প্রদর্শনের কারণেই তিনি ওই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ হেভিওয়েট-র ওয়েট লস, ভাইপো-র মত হেলমেট পরে আদালতে বর্ধমানের কাকাবুধবারের সাংবাদিক বৈঠকেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে একাধিক মন্তব্য করেন ঋতব্রত। তিনি জানান, তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান এবং বর্তমান পরিষদীয় লড়াইয়ের লক্ষ্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করা নয়। বরং দলের ভবিষ্যৎ পথচলায় তিনি চাইলে পরামর্শদাতার ভূমিকা পালন করতে পারেন বলেও ইঙ্গিত দেন।ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য, বিধানসভায় যে নতুন পরিষদীয় গোষ্ঠী তৈরি হয়েছে, তার সঙ্গে কিছু নেতার মতপার্থক্য থাকলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি তাঁদের সম্মান অটুট রয়েছে। তিনি আরও জানান, দলের ভবিষ্যৎ দিশা নিয়ে মমতার সঙ্গে আলোচনা করার ইচ্ছাও রয়েছে তাঁদের।উল্লেখ্য, গত বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দ্রুত পরিবর্তন দেখা যায়। একাধিক বিধায়কের অবস্থান বদল এবং নতুন রাজনৈতিক সমীকরণকে কেন্দ্র করে শুরু হয় জোর জল্পনা। সেই আবহেই বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার পদ নিয়ে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে।আরও পড়ুনঃ সই জাল বিতর্কে চাপ বাড়ছে অভিষেকের! গ্রেফতারির আশঙ্কায় হাইকোর্টে ছুটলেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতাবুধবার সাংবাদিক বৈঠকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, তাঁদের রাজনৈতিক যাত্রা এখন নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। অন্যদিকে তৃণমূলের মূল শিবিরের নেতারা দাবি করেছেন, দল এবং দলের নেতৃত্বের পাশে এখনও বিপুল সংখ্যক সমর্থক রয়েছেন।সব মিলিয়ে বিরোধী দলনেতার ঘরে একটি চেয়ারকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া ঘটনাই এখন রাজনৈতিক মহলের অন্যতম আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে।

জুন ০৩, ২০২৬
রাজ্য

সই জাল বিতর্কে চাপ বাড়ছে অভিষেকের! গ্রেফতারির আশঙ্কায় হাইকোর্টে ছুটলেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতা

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে তীব্র বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে বিধানসভার তথাকথিত সই জাল কাণ্ড। এই ঘটনায় এবার সরাসরি আইনি চাপে পড়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তদন্তের মুখে পড়ে গ্রেফতারির আশঙ্কায় তিনি কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন এবং একই সঙ্গে সিআইডি-র তদন্ত প্রক্রিয়ার বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।বুধবার কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের করা আবেদনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য যে নোটিশ পাঠানো হয়েছে, তা আইনসম্মত নয়। বিচারপতি অপূর্ব সিংহ রায়ের বেঞ্চ তাঁর আবেদন গ্রহণ করে মামলাটি শুনানির অনুমতি দিয়েছে। আদালত সূত্রে খবর, আগামী শুক্রবার এই মামলার গুরুত্বপূর্ণ শুনানি হতে পারে।সমস্ত বিতর্কের সূত্রপাত বিধানসভায় তৃণমূলের সংসদীয় দলের একটি চিঠিকে ঘিরে। ওই চিঠিতে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা, অসীমা পাত্র ও নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়কে ডেপুটি লিডার এবং ফিরহাদ হাকিমকে চিফ হুইপ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। চিঠিটি বিধানসভার স্পিকারের কাছে জমা পড়ার পর তা যাচাই করতে গিয়ে একাধিক অসঙ্গতি সামনে আসে।তদন্তে উঠে আসে, তালিকাভুক্ত ৭০ জন বিধায়কের মধ্যে অন্তত ১৪ জনের ক্ষেত্রে স্বাক্ষরের জায়গায় শুধুমাত্র বড় হাতের অক্ষরে নাম লেখা রয়েছে। আরও কয়েকজন বিধায়কের সই নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। অভিযোগ, তাঁদের অনুমতি বা উপস্থিতি ছাড়াই স্বাক্ষর দেখানো হয়েছে। এই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই বিষয়টি রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে।আরও পড়ুনঃ মূল উপড়ে তৃণ ভূপতিত! পরিষদীয় দলের নিয়ন্ত্রণ বিদ্রোহীদের হাতে, বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি পেলেন ঋতব্রতঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে রাজ্য সরকার তদন্তভার সিআইডি-র হাতে তুলে দেয়। তদন্ত শুরু হওয়ার পর গত শনিবার সিআইডি-র একটি বিশেষ দল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে গিয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোটিশ দেয়। সেই নোটিশে নির্দিষ্ট দিনে ভবানী ভবনে হাজির হওয়ার নির্দেশ ছিল। কিন্তু নির্ধারিত দিনে হাজিরা না দিয়ে অভিষেক তদন্তকারী সংস্থার কাছে অতিরিক্ত সময় চান। এরপরই তিনি আইনি পথে এগিয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন।এই মামলার রাজনৈতিক দিকটিও যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। সম্প্রতি এক সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, তৃণমূলের দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহাই প্রথম এই জাল স্বাক্ষরের অভিযোগ তুলে বিধানসভার স্পিকারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পরপরই দলবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে ওই দুই বিধায়ককে তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বহিষ্কার করা হয়।আরও পড়ুনঃ হেভিওয়েট-র ওয়েট লস, ভাইপো-র মত হেলমেট পরে আদালতে বর্ধমানের কাকারাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই ঘটনা শুধুমাত্র একটি প্রশাসনিক বা সাংগঠনিক বিতর্ক নয়; বরং এটি রাজ্যের শাসকদলের অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার লড়াই এবং নেতৃত্বের প্রশ্নকেও সামনে এনে দিয়েছে। একদিকে তদন্তের জাল ক্রমশ বিস্তৃত হচ্ছে, অন্যদিকে আদালতের দ্বারস্থ হয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কার্যত আইনি লড়াইয়ের ময়দানে নেমেছেন।এখন সকলের নজর আগামী শুক্রবারের হাইকোর্ট শুনানির দিকে। আদালত সিআইডি-র তদন্তে হস্তক্ষেপ করে কি না, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও অন্তর্বর্তী সুরক্ষা পান কি না, এবং এই বিতর্কের রাজনৈতিক অভিঘাত কতদূর গড়ায়তা নিয়েই জোর জল্পনা শুরু হয়েছে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে।

জুন ০৩, ২০২৬
রাজ্য

'হেভিওয়েট'-র ওয়েট লস, ভাইপো-র মত হেলমেট পরে আদালতে বর্ধমানের 'কাকা'

বর্ধমানের রাজনীতিতে একসময় যাঁর নাম উচ্চারণ করতেই বিরোধী শিবিরে চাপা উত্তেজনা তৈরি হতো, সেই খোকন দাসের বর্তমান পরিস্থিতি যেন একেবারেই ভিন্ন ছবি তুলে ধরছে। তোলাবাজি, হামলা, মারধর এবং প্রাণনাশের হুমকির মতো একাধিক গুরুতর অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়ার পর মঙ্গলবার বর্ধমান আদালতে তাঁকে এমন এক অবস্থায় দেখা গেল, যা রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে। জনরোষের আশঙ্কায় মাথায় হেলমেট পরে, পুলিশের কড়া নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে আদালতে হাজির হতে হল বর্ধমান দক্ষিণের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ককে।একসময় বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা এলাকায় খোকন দাসের রাজনৈতিক প্রভাব ছিল যথেষ্ট উল্লেখযোগ্য। স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে তাঁকে তৃণমূলের অন্যতম শক্তিশালী মুখ হিসেবে ধরা হতো। তবে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভরাডুবির পর থেকেই তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান দুর্বল হতে শুরু করে। সেই পরিস্থিতির মধ্যেই একের পর এক অভিযোগ সামনে আসতে থাকে।গত ২৯ মে বর্ধমান থানায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ দায়ের হয়। অভিযোগকারীদের দাবি, বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা চালানো, মোটা অঙ্কের টাকা তোলা দাবি করা, এমনকি আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে ভয় দেখানোর ঘটনাতেও খোকন দাসের প্রত্যক্ষ ভূমিকা ছিল। অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই তিনি আত্মগোপন করেছিলেন বলে পুলিশ সূত্রের দাবি।তদন্তে নেমে বর্ধমান থানার পুলিশ উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে তাঁর অবস্থানের খোঁজ পায়। এরপর গত ৩১ মে সেখান থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ট্রানজিট রিমান্ডে সোমবার রাতে তাঁকে বর্ধমানে নিয়ে আসা হয়। মঙ্গলবার তাঁকে আদালতে পেশ করে পুলিশ নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানায়, যাতে অভিযোগগুলির বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত করা যায়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মামলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগটি ২০২৫ সালের ৮ জুনের একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে। অভিযোগ অনুযায়ী, বর্ধমানের কাঞ্চননগর এলাকায় একটি বাড়িতে বিজেপি কর্মীরা বৈঠক করছিলেন। সেই সময় খোকন দাসের নেতৃত্বে একদল ব্যক্তি সেখানে গিয়ে হামলা চালায় এবং কয়েকজন কর্মীকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।অভিযোগ আরও গুরুতর হয়ে ওঠে পরবর্তী ঘটনাকে ঘিরে। আক্রান্ত বিজেপি কর্মীরা চিকিৎসার জন্য বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গেলে সেখানেও তাঁদের উপর পুনরায় হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। শুধু মারধরই নয়, ১০ লক্ষ টাকা তোলা দাবি এবং টাকা না দিলে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও উঠে এসেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, ভয় দেখাতে আগ্নেয়াস্ত্রও প্রদর্শন করা হয়েছিল।এই সমস্ত অভিযোগের তদন্তে নেমে পুলিশ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করেছে। তদন্তকারীদের মতে, অভিযোগগুলির গুরুত্ব বিচার করে ঘটনার প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।অন্যদিকে, খোকন দাসের গ্রেপ্তারিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোরও তীব্র হয়েছে। জেলা বিজেপি নেতৃত্ব দাবি করেছে, দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় তোলাবাজি, সিন্ডিকেট রাজ এবং রাজনৈতিক সন্ত্রাসের অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। যদিও এই সমস্ত অভিযোগ নিয়ে আদালতে এখনও চূড়ান্ত রায় হয়নি এবং তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান।মঙ্গলবার আদালতে তাঁকে পেশ করা ঘিরে যাতে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়, তার জন্য আদালত চত্বর ও বর্ধমান থানা এলাকায় নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। জেলা পুলিশের পাশাপাশি মোতায়েন ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরাও। আদালত চত্বরে সাধারণ মানুষের কৌতূহল ছিল চোখে পড়ার মতো।সব মিলিয়ে, যে নেতা একসময় এলাকায় নিজের রাজনৈতিক প্রভাবের জন্য পরিচিত ছিলেন, আজ তাঁকেই জনরোষের আশঙ্কায় মাথায় হেলমেট পরে আদালতে যেতে হওয়ায় বর্ধমানের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতির দিকে এখন নজর সকলের।

জুন ০৩, ২০২৬
কলকাতা

পুরসভা, সিআইডির পর এবার অভিষেকের বাড়িতে ইডি! নতুন করে চাঞ্চল্য রাজ্য রাজনীতিতে

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে একাধিক বিতর্ক সামনে এসেছে। বাড়ির নির্মাণ সংক্রান্ত অভিযোগ থেকে শুরু করে বিভিন্ন তদন্তসব মিলিয়ে রাজনৈতিক মহলে তাঁকে নিয়ে জোর চর্চা চলছে। এর মধ্যেই বুধবার বিকেলে তাঁর কালীঘাটের বাড়িতে পৌঁছলেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা।সূত্রের খবর, বিকেল নাগাদ দুই ইডি আধিকারিক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যান। তাঁদের হাতে একটি সমন সংক্রান্ত নথি ছিল বলে জানা গিয়েছে। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, চলমান তদন্তের অংশ হিসেবেই এই নোটিস পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।প্রথমে তদন্তকারী আধিকারিকরা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্য একটি ঠিকানায় যান। পরে জানতে পারেন তিনি সেখানে থাকেন না। এরপর তাঁরা কালীঘাটের বাড়িতে পৌঁছন। সেখানে নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং প্রয়োজনীয় নথি পৌঁছে দেন বলে সূত্রের দাবি।তবে এই প্রথম নয়। এর আগেও একাধিকবার বিভিন্ন তদন্তের প্রয়োজনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। অতীতে তাঁকে এবং তাঁর স্ত্রীকে একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। বিভিন্ন আর্থিক অনিয়ম এবং দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলার তদন্তে তাঁদের নাম উঠে এসেছিল বলে তদন্তকারী সংস্থার দাবি।নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তেও অতীতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ডেকে পাঠানো হয়েছিল। সেই সময় তাঁর সঙ্গে যুক্ত একটি সংস্থার অফিসেও তল্লাশি চালানো হয়। তদন্তকারী সংস্থাগুলি বিভিন্ন নথি ও তথ্য সংগ্রহ করে জিজ্ঞাসাবাদ চালায়।অন্যদিকে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারের পক্ষ থেকে বারবার দাবি করা হয়েছে যে, তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাঁরা আইন মেনেই সমস্ত তদন্তে সহযোগিতা করেছেন বলেও দাবি করা হয়েছে।বুধবারের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে। তদন্তের পরবর্তী ধাপে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয় এবং সমনের বিষয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিক্রিয়া কী হয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের।

জুন ০৩, ২০২৬
রাজনীতি

'মূল' উপড়ে 'তৃণ' ভূপতিত! পরিষদীয় দলের নিয়ন্ত্রণ বিদ্রোহীদের হাতে, বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি পেলেন ঋতব্রত

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মানচিত্রে বুধবারের দিনটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠল। দীর্ঘ টানাপোড়েন, অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ এবং বিধানসভার সই-কাণ্ডকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া বিতর্কের পর অবশেষে তৃণমূল কংগ্রেসের পরিষদীয় দলের নিয়ন্ত্রণ কার্যত বিদ্রোহী শিবিরের হাতে চলে গেল। বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পর তাঁর জন্য নির্ধারিত কক্ষও খুলে দেওয়া হয়। স্পিকার রথীন্দ্র বসু আনুষ্ঠানিকভাবে সেই ঘরের চাবি তুলে দেন ঋতব্রতের হাতে।বিধানসভা চত্বরে দাঁড়িয়ে ঋতব্রত দাবি করেন, তৃণমূলের টিকিটে নির্বাচিত ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে অন্তত ৬০ জন তাঁর নেতৃত্বের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। বর্তমানে ৫৮ জন বিধায়কের লিখিত সমর্থন তাঁদের হাতে রয়েছে বলেও তিনি জানান। আরও দুই বিধায়ক রাজ্যের বাইরে থাকলেও তাঁদের সমর্থন রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। সেই হিসেবে তৃণমূল পরিষদীয় দলের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যই এখন বিদ্রোহী শিবিরের সঙ্গে রয়েছেন বলে তাঁর বক্তব্য।নতুন বিরোধী দলনেতা ঘোষণা করেন যে, বিধানসভায় মুখ্যসচেতকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আখরুজ্জামানকে। পাশাপাশি ডেপুটি লিডার হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন জাভেদ আহমেদ খান, সাবিনা ইয়াসমিন, শিউলি সাহা এবং সন্দীপন সাহা। এই সংক্রান্ত সমস্ত নথি ও সমর্থনের চিঠি স্পিকারের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।তবে রাজনৈতিক সংঘাতের মধ্যেও ঋতব্রত এক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন। তিনি বলেন, তাঁদের লড়াই কোনও ব্যক্তির বিরুদ্ধে নয়, বরং গণতান্ত্রিক অধিকারের প্রশ্নে। সেই কারণেই তিনি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরিষদীয় দলের পরামর্শদাতা হওয়ার আহ্বান জানাবেন। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেন যে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁদের রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক দূরত্ব এখন অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে।ঋতব্রতের বক্তব্যে উঠে আসে বিরোধী রাজনীতির নতুন রূপরেখাও। তিনি বলেন, সরকারের ভুলের সমালোচনা যেমন করা হবে, তেমনই জনস্বার্থে গৃহীত ইতিবাচক সিদ্ধান্তের প্রশংসাও করা হবে। তাঁর কথায়, মানুষ আমাদের বিরোধী আসনে বসিয়েছে। সেই দায়িত্ব পালন করাই আমাদের কাজ। আমরা দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক বিরোধী শক্তি হিসেবে কাজ করব।এই নাটকীয় পরিস্থিতির সূত্রপাত হয়েছিল বিধানসভার বিরোধী দলনেতা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে। তৃণমূলের তরফে বর্ষীয়ান নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করার জন্য যে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল, তা নিয়েই বিতর্ক তৈরি হয়। অভিযোগ ওঠে, সেই প্রস্তাবে একাধিক বিধায়কের স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে। বিদ্রোহী শিবিরের অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি সামনে আসে এবং পরবর্তীতে হেয়ার স্ট্রিট থানায় এফআইআর দায়ের হয়। বর্তমানে ঘটনার তদন্ত করছে সিআইডি। তদন্তকারী সংস্থা ইতিমধ্যেই একাধিক বিধায়কের সঙ্গে কথা বলেছে।ঘটনার রাজনৈতিক গুরুত্ব আরও বেড়ে যায় কারণ, এই বিতর্কের মধ্যেই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় স্পিকারের কাছে নতুন করে আবেদন জানিয়ে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার অনুরোধ করেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত স্পিকার ঋতব্রত শিবিরের দাবি মেনে নেওয়ায় তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ সংঘাত নতুন মাত্রা পেল।অন্যদিকে, যখন বিধানসভায় ঋতব্রত নতুন নেতৃত্বের ঘোষণা করছেন, ঠিক সেই সময় কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, কুণাল ঘোষ ও চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যদের নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক চলছিল। ফলে রাজনৈতিক মহলের মতে, তৃণমূলের অন্দরে ক্ষমতার সমীকরণ নিয়ে যে লড়াই শুরু হয়েছে, তা আগামী দিনে রাজ্যের রাজনীতিতে আরও বড় প্রভাব ফেলতে পারে।পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, পরিষদীয় দলের নেতৃত্ব হারানো শুধু সাংগঠনিক ধাক্কাই নয়, বরং তৃণমূলের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থানের ক্ষেত্রেও বড় প্রশ্নচিহ্ন তৈরি করল। এখন নজর থাকবে কালীঘাট শিবিরের পরবর্তী পদক্ষেপ এবং বিদ্রোহী শিবিরের শক্তি কতটা স্থায়ীভাবে ধরে রাখা যায়, তার উপর।

জুন ০৩, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেকের বাড়ি নিয়ে বড় নির্দেশ হাইকোর্টের! সাত দিনের মধ্যে দিতে হবে সব তথ্য

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি নিয়ে চলা বিতর্কে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। সম্পত্তির কোন কোন অংশ নিয়ে আপত্তি রয়েছে এবং কোথায় নির্মাণ সংক্রান্ত সমস্যা চিহ্নিত হয়েছে, সেই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কলকাতা পুরনিগমকে।বুধবার বিচারপতি স্মিতা দাস দে নির্দেশ দেন, আগামী সাত দিনের মধ্যে পুরনিগমকে এই সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য আদালতে জানাতে হবে। সম্পত্তির কোন অংশে নিয়মভঙ্গের অভিযোগ রয়েছে, কতটা এলাকা সেই অভিযোগের আওতায় পড়ছে এবং কী ধরনের আপত্তি রয়েছে, তার পূর্ণ বিবরণ জমা দিতে হবে।আদালত আরও জানিয়েছে, পুরনিগমের রিপোর্ট জমা পড়ার পর সম্পত্তির মালিকপক্ষকে দুই সপ্তাহের মধ্যে নিজেদের বক্তব্য জানাতে হবে। এরপর চার সপ্তাহ পর মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।জানা গিয়েছে, এই মামলায় শুধুমাত্র অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবন নয়, তাঁর মায়ের নামে থাকা কালীঘাটের একটি সম্পত্তিও আলোচনায় এসেছে। পুরনিগমের দাবি, ওই সম্পত্তির কিছু অংশে নির্মাণ সংক্রান্ত অনিয়ম থাকতে পারে। সেই কারণেই নোটিস পাঠানো হয়েছিল।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারের পক্ষ থেকে আদালতে দাবি করা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট বাড়িটি সম্পূর্ণ বৈধভাবে নির্মিত। তাঁদের বক্তব্য, কোনও বেআইনি নির্মাণ হয়নি। তা সত্ত্বেও পুরনিগম নোটিস পাঠিয়েছে। সেই কারণেই নোটিস বাতিলের আবেদন জানানো হয়েছে আদালতে।আদালত স্পষ্ট করেছে, মামলার শুনানি চলাকালীন বেআইনি নির্মাণ সংক্রান্ত অন্যান্য প্রশাসনিক প্রক্রিয়া চালিয়ে যেতে পারবে পুরনিগম। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সমস্ত তথ্য ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য খতিয়ে দেখা হবে।এই নির্দেশের পর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি সংক্রান্ত মামলাটি নতুন গুরুত্ব পেয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে পুরনিগমের রিপোর্টে কী তথ্য সামনে আসে এবং আদালত পরবর্তী শুনানিতে কী অবস্থান নেয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের।

জুন ০৩, ২০২৬
কলকাতা

বড় ধাক্কা তৃণমূলে! মেয়র পদ ছাড়লেন ফিরহাদ, কালীঘাটে কী হল ভিতরে ভিতরে?

রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি যখন দ্রুত বদলাচ্ছে, ঠিক সেই সময় কলকাতা পুরসভার মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দিলেন ফিরহাদ হাকিম। বুধবার তিনি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে নিজের পদত্যাগপত্র জমা দেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। পরে সেই ইস্তফাপত্র গ্রহণ করা হয়।দিনভর রাজনৈতিক ব্যস্ততার মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত সামনে আসে। উল্লেখযোগ্যভাবে, ইস্তফাপত্র জমা দেওয়ার আগে তিনি নবান্নে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকেও উপস্থিত ছিলেন। এরপর কালীঘাটে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং মেয়র পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছার কথা জানান।দলীয় সূত্রের দাবি, গত কিছুদিন ধরেই মেয়র হিসেবে নিজের দায়িত্ব পালনে নানা সমস্যার মুখে পড়ছিলেন ফিরহাদ হাকিম। প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত এবং পুরসভার বিভিন্ন কাজকর্ম পরিচালনা নিয়ে তাঁর অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল বলেও আলোচনা চলছিল রাজনৈতিক মহলে। সেই কারণেই তিনি একাধিকবার পদত্যাগের ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন বলে জানা যায়।মঙ্গলবারই কলকাতা পুরসভার এক গুরুত্বপূর্ণ পদাধিকারীর ইস্তফার পর রাজনৈতিক জল্পনা আরও বেড়ে যায়। সেই সময় ফিরহাদ হাকিমের একটি মন্তব্যও বিশেষভাবে আলোচনায় আসে। তিনি বলেছিলেন, তাঁরা একটি দল হিসেবে একসঙ্গে কাজ করেন এবং গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তও একসঙ্গেই নেন। এরপর থেকেই তাঁর ইস্তফা নিয়ে জল্পনা আরও জোরালো হয়ে ওঠে।বুধবার শেষ পর্যন্ত কালীঘাটে গিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগের ইচ্ছা জানান তিনি। প্রথমে তাঁকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার অনুরোধ করা হলেও নিজের অবস্থানে অনড় থাকেন ফিরহাদ। পরে তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হয় বলে দলীয় সূত্রে খবর।আরও পড়ুনঃ হেভিওয়েট-র ওয়েট লস, ভাইপো-র মত হেলমেট পরে আদালতে বর্ধমানের কাকাতৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ জানিয়েছেন, মেয়র হিসেবে কাজ করতে নানা প্রশাসনিক জটিলতার মুখে পড়ছিলেন ফিরহাদ হাকিম। সেই কারণেই তিনি সম্মানের সঙ্গে পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। দলীয় নেতৃত্বও তাঁর সিদ্ধান্তকে মর্যাদা দিয়েছে।ফিরহাদ হাকিমের পদত্যাগের ফলে কলকাতা পুরসভার প্রশাসনিক দায়িত্ব আপাতত পুর কমিশনারের হাতে থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে প্রশাসক নিয়োগ করা হবে কি না, তা নিয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি।এদিকে চলতি বছরের শেষের দিকে পুরভোট হওয়ার কথা রয়েছে। তবে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির জেরে নির্বাচন নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সব মিলিয়ে ফিরহাদ হাকিমের পদত্যাগ রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা উস্কে দিয়েছে।

জুন ০৩, ২০২৬
কলকাতা

‘মমতা আমাদের পরামর্শদাতা হোন’! বিধানসভা কাঁপানো মন্তব্য ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের

দাবি করা একদল বিধায়ককে সঙ্গে নিয়ে বিধানসভায় উপস্থিত হন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে বিরোধী শিবিরের প্রতিনিধি হিসেবে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন।সাংবাদিক বৈঠকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, তাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁদের প্রধান পরামর্শদাতা হিসেবে দেখতে চান। তাঁর কথায়, মমতার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং পরামর্শ তাঁদের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পথচলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে। তিনি জানান, গঠনমূলক বিরোধী রাজনীতি করতে গেলে অভিজ্ঞ নেতৃত্বের পরামর্শ প্রয়োজন এবং সেই জায়গায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।একইসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে দেন, বর্তমান বিধানসভার কার্যক্রমের সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও প্রত্যক্ষ সম্পর্ক নেই বলে তাঁদের মত। ঋতব্রতের দাবি, তৃণমূলের প্রতীকে নির্বাচিত বহু বিধায়কের সমর্থন তাঁদের সঙ্গে রয়েছে এবং সেই কারণেই তাঁরা নিজেদের প্রকৃত পরিষদীয় প্রতিনিধিত্বকারী গোষ্ঠী বলে মনে করছেন।সাংবাদিক বৈঠকে ভবিষ্যতের রাজনৈতিক কৌশল নিয়েও কথা বলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, তাঁরা বিধানসভার ভিতরে গঠনমূলক বিরোধিতার পথেই হাঁটবেন। কোনও বিল বা প্রস্তাবের সঙ্গে মতভেদ থাকলে তাঁরা তার বিরুদ্ধে ভোট দেবেন, তবে শুধুমাত্র প্রতিবাদের জন্য সভা ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার পথে হাঁটবেন না।ঋতব্রতের বক্তব্য, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মধ্যে থেকেই বিরোধী দলের দায়িত্ব পালন করতে চান তাঁরা। মানুষের স্বার্থে প্রয়োজনীয় বিষয়ে সরকারের সমালোচনা যেমন করবেন, তেমনই ভালো উদ্যোগকে সমর্থনও জানাবেন।এই মন্তব্যের পর রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরামর্শদাতা হিসেবে চাওয়ার বার্তা এবং বিরোধী রাজনীতির নতুন রূপরেখা নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে উঠেছে। আগামী দিনে এই রাজনৈতিক সমীকরণ কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।

জুন ০৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal