• ১৬ চৈত্র ১৪৩২, সোমবার ৩০ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Chakra

বিনোদুনিয়া

কলকাতা প্রেস ক্লাবে বিজয় সম্মিলনী অনুষ্ঠানে গানে গানে আসর মাতালেন সুমন চক্রবর্তী

মোটা টাকার আর্কিটেক্ট এর চাকরি ছেড়ে নিজের পছন্দের গানের সমুদ্রে তরী ভাসানো সহজ কাজ নয়। সুমন চক্রবর্তী সেই কাজটা করে দেখিয়েছেন। অনেকেই নিছক পাগলামো বলে এড়িয়ে গিয়েছিল, কেউ বলেছিল এসব রোমান্টিসিজমের সময় এখন নয়, সোশ্যাল মিডিয়ায় হয়েছিল ট্রোলিং, সুমন কিন্তু হার মানেনি। অল্প কিছু বন্ধু আর শুভাকাঙ্ক্ষীর উৎসাহ আর নিজের সাহসে ভর করে সুমন তার সুরের তরী ভাসিয়েছিল। গানের রেওয়াজ ছিল, ছিল তালিম, দরকার ছিল শুধু ঝাঁপ দেওয়ার। সুমন সেটাই করেছে। আজ ইন্টারনেটে তার বাংলা গান অসম্ভব জনপ্রিয়। ২০২০ সালে এই প্রেস ক্লাবেই মুক্তি পেয়েছিল ওর গানের অ্যালবাম আবিরের সকাল। হারিয়ে যাওয়া বাংলার স্বর্ণযুগের সুর, গায়কী ফিরিয়ে দিয়েছিল সুমন। অসম্ভব প্রশংসিত হয় আবিরের সকাল। এর পরে গান মেলায় পারফর্ম, সাড়া ফেলে দেওয়া। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে গান গাওয়ার অভিজ্ঞতায় আরও সমৃদ্ধ হল সুমন। কলকাতা প্রেস ক্লাবের বিজয় সম্মিলনী অনুষ্ঠান উপলক্ষে সুমনকে সন্মানিত করে, তার গান সবার সামনে তুলে ধরার দুর্দান্ত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। সলিল চৌধুরী থেকে সুধীন দাশগুপ্ত, হেমন্ত মুখোপাধ্যায় থেকে মুকুল দত্ত, আর ডি বর্মন, কিশোর কুমার, অনায়াস নস্টালজিয়ায় শ্রোতাদের পৌঁছে দিল সুমন। উপস্থিত সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকদের মধ্যে অনেকেই অবাক হয়েছেন সুমনের গান শুনে। একঝলক বসন্তের বাতাসের মত সুমন স্বর্ণযুগের সুবাস ফিরিয়ে দিল যেন।

নভেম্বর ০৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

দশমীতে বাপের বাড়িতে সিঁদুর খেলায় মাতলেন অভিনেত্রী শুভশ্রী

বিজয়া দশমীতে বর্ধমানের বাড়িতে দেবী দুর্গাকে বরণ করলেন চলচিত্র অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলী। দশমীর দুপুরে কলকাতা থেকে স্বামী বিশিষ্ট চিত্র পরিচালক রাজ চক্রবর্তী ও ছেলে ইউহানকে সঙ্গে নিয়ে বর্ধমানে বাজেপ্রতাপপুরে বাবার বাড়িতে আসেন অভিনেত্রী। বিধায়ক রাজ চক্রবর্তীকে দেখা যায় আত্মীয়দের সঙ্গে সেলফি তুলতে। ঢাকের কাঠি হাতে নিয়ে ঢাক বাজানোর চেষ্টাও করেন বিধায়ক। শুভশ্রী গাঙ্গুলীর দেবী দুর্গাকে বরণ করার গোটা দৃশ্য মোবাইল বন্দী করেন স্বামী রাজ চক্রবর্তী। পরিবারের সদস্যদের সাথে এদিন সিঁদুর খেলেন অভিনেত্রী। সিঁদুর খেলতে দেখা যায় স্বামী রাজ চক্রবর্তীর সঙ্গেও। অতঃপর দেবীর বিদায় বেলায় পরিবারের সদস্যদের সাথে একসাথে নাচতে দেখা যায় টলিউড অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলীকে।

অক্টোবর ০৫, ২০২২
রাজ্য

দেবযানীর সামনে শুভেন্দু ও সুজনকে টাকা সারদাকর্তার, মিথ্যা বয়ান দেওয়ার জন্য চাপ সিআইডির- অভিযোগ শর্বরীর

এর আগে শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ করেছিলেন সারদা-কর্তা সুদীপ্ত সেন। এমনকী আদালত থেকে বেরিয়ে আসার সময়ও তিনি সাংবাদিকদের কাছেও এই দাবি করেছিলেন। এবার অবশ্য সিআইডির বিরুদ্ধে মিথ্য়া বয়ান দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করলেন সারদা মামলায় জেলবন্দি দেবযানী মুখোপাধ্যায়ের মা শর্বরী মুখোপাধ্যয়। তাঁর দাবি, দেবযানীর ওপর মিথ্যা বয়ান দেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে সিআইডি।রাজ্য গোয়েন্দা সংস্থার বিরুদ্ধে ভয়ঙ্কর অভিযোগ এনে সিবিআইকে চিঠি সারদা কেলেঙ্কারিতে জেলবন্দি দেবযানী মুখোপাধ্যায়ের মায়ের। তাঁর অভিযোগ, মেয়ের উপর মানসিক চাপ তৈরির চেষ্টা করছে সিআইডি, মিথ্যা বয়ানের জন্য জোর করা হচ্ছে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও সিপিআইএম নেতা সুজন চক্রবর্তী সারদা কর্তা সুদীপ্ত সেনের থেকে ৬ কোটি করে টাকা নিয়েছিলেন। সেই টাকা দেবযানীর সামনে দেওয়া হয়েছিল। এমন বয়ান দেওয়ার জন্য চাপ দিয়েছে সিআইডি।একথা দেবযানী তাঁকে বলেছে বলে দাবি করেছেন মা শর্বরী মুখোপাধ্যায়। যদিও দেবযানী তা দিতে অস্বীকার করেছে। তাঁকে আরও ৯টি মামলায় ফাঁসানো হবে বলে সিআইডি-র এক আধিকারিক অভিজিৎ মুখোপাধ্যায় চাপ দিয়েছেন বলেই শর্বরীদেবীর অভিযোগ।শর্বরী মুখোপাধ্যায়ের অভিযোগঅভিযোগ সামনে আসতেই সিআইডির বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন শুভেন্দু অধিকারী ও সুজন চক্রবর্তী। শুভেন্দু অধিকারী টুইটে লিখেছেন, অপমান, সম্পূর্ণ অসম্মান! এক সময়ের গৌরবময় সিআইডি এখন পশ্চিমবঙ্গের বুয়া-ভাতিজার বেতনভুক্ত দাড়োয়ান হয়ে উঠেছে। রাজ্যের বিরোধী নেতাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা বিবৃতি দেওয়ার জন্য বিচারাধীন বন্দীদের ভয় দেখিয়ে ব্যানার্জিদের ঘৃণ্য স্বার্থকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য সিআইডি অপরাধে লিপ্ত হচ্ছে। সুজন চক্রবর্তীর দাবি, রাজ্যকে খুশি করতে চাইছে সিআইডি। ২০২১ সালে ভোটের আগে ওরা একই চেষ্টা করেছিল, তখন বিমান বসুর সঙ্গে আমার নাম ছিল। সকলে তখন হেসেছিল। সুজনের দাবি, কোর্টের রক্ষাকবচ বা হাসপাতালে ভর্তি হবো না। তদন্তের মুখোমুখি হতে আমি প্রস্তুত।শর্বরী মুখোপাধ্য়ায় চিঠিতে উল্লেখ করেছেন, দেবযানী এখন দমদম জেলে বন্দি। গত ২৩ অগাস্ট জেলে দেবযানীকে সিআইডি জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। তখনই বেশ কয়েকটি প্রশ্নের পর সিআইডি-র এক অফিসার নাকি দেবযানীকে বলেন, শুভেন্দু ও সুজনকে ৬ কোটি টাকা দিয়েছিলেন বলে সারদা কর্তা সুদীপ্ত সেন আগেই জানিয়েছেন। দেবযানীকে বলতে হবে, তাঁর সামনেই সেই টাকা শুভেন্দু ও সুজনকে দেওয়া হয়েছিল। এটা করলে দেবযানীকে রাজসাক্ষী করা হবে।Disgrace, total disgrace!The once glorious CID has now become the paid janitor of WBs Bua-Bhatija.CID is indulging in criminality for advancing the nefarious interest of the Banerjees by intimidating under trial prisoners to give false statements against WB Opposition Leaders: pic.twitter.com/fHdZJyLgvZ Suvendu Adhikari শুভেন্দু অধিকারী (@SuvenduWB) September 8, 2022এর আগে শুভেন্দু অধিকারী ও বিমান বসুর নাম করেছিলেন সুদীপ্ত সেন। সুদীপ্ত সেনকে চাপ দিয়ে সেকাজ করানো হয়েছিল বলে শুভেন্দু দাবি করেছিলেন। এবার খোদ সিআইডির বিরুদ্ধে মিথ্যা বয়ান দেওয়ার জন্য অভিযোগ ওঠায় সারদা মামলা অন্য মোড় নিল।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২২
রাজনীতি

বিধায়কের বিরুদ্ধে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ দলের অঞ্চল সভাপতির, ভাইরাল ভিডিও, কটাক্ষ বিজেপির

শাসকদল তৃণমূলের নেতা নেত্রীদের দূর্নীতির কর্মকান্ড ক্রমেই সামনে আসছে। এবার মহিষাদলের বিধায়ক তিলক কুমার চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ তুললো দলেরই অঞ্চল সভাপতি। মহিষাদল ব্লকের নাটশাল-২ এর তৃণমূলের বর্তমান অঞ্চল সভাপতি কমলাকান্ত মন্ডল, এবং স্ত্রী জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ কণিকা মন্ডল। অঞ্চল সভাপতি কমলা কান্ত মন্ডলের একটি ভিডিও ভাইরাল রয়েছে। সেই ভিডিওতে তিনি বলছেন,নাটশাল-২ অঞ্চলে সরকারি যে কাজ হয়ে থাকে তা থেকে বিধায়ক কাটমানি নিয়ে থাকেন। কাটমানির অর্থ চার ভাগ করে পাট পাট নিয়ে নেওয়া হয়। নিয়ম মেনে কাজ করা হয়নি, রাস্তার কাজ ছোট ও কম উচ্চতায় করা হয়। কাটমানি নিয়ে নিম্ন মানের কাজ হয়ে থাকে। পাশাপাশি নাটশাল-২ গ্রামপঞ্চায়েতে যাকে প্রধান করেছেন তিনি তৃতীয় শ্রেণী পাশ। অনেক সদস্য মাস্টার ডিগ্রি থাকলেও তাদের করা হয়নি। কারন কাটমানি নিতে পারা যাবে না তাই।মঙ্গলবারই কলকাতার কাম্যাক স্ট্রিট অফিসে তমলুক সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের নেতৃত্বদের নিয়ে বৈঠক করেছিলেন সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই দলের স্বচ্ছ ভাবমূর্তি বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই বৈঠকের কয়েক ঘন্টা কাটতে না কাটতে দলের অঞ্চল সভাপতির এই ধরনের ভিডিও নিয়ে রাজনীতি চর্চা শুরু হয়েছে।এই বিষয় নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তমলুক সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি তপন ব্যানার্জি। তিনি বলেন, রাজ্য জুড়ে যেখানে তৃণমূলের মন্ত্রী, নেতারা কাটমানি নিচ্ছে সেখানে একজন বিধায়ক নিচ্ছে, তৃণমূল দলটাই দূর্নীতিতে ভরে গিয়েছে। পাশাপাশি দলের মধ্যে এতো বেশি গোষ্ঠী দ্বন্দ তার জন্য এই ধরনের ঘটনা ঘটছে। ব্লক সভাপতি বিধায়কের সমন্ধে বলছে আবার বিধায়ক ব্লক সভাপতি বিরুদ্ধে বলছেন। এটাই এই রাজনৈতিক দলের কালচার। এই ধরনের অভিযোগ ব্লক, জেলা, রাজ্য সর্বত্রই ছড়িয়ে পড়ছে।যদিও দলের অঞ্চল সভাপতি করা অভিযোগকে গুরুত্ব দিতে চাইছেন না বিধায়ক তিলক কুমার চক্রবর্তী। তিনি বলেন, অঞ্চলের মিনিমাম কন্ট্রোল যার নেই, সে এই ধরনের মন্তব্য করছে, যার কোনো মূল্য নেই, যার কোনো গ্রহনযোগ্যতা নেই, যতটুকু পাওয়ার তার থেকে বেশি পাওয়ার জন্য এইধরনের অভিযোগ করছে।

আগস্ট ২৮, ২০২২
রাজ্য

তৃণমূলের ৩৮ জন বিধায়ক বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন, দাবি মিঠুনের

শিবসেনার মধ্যে বিদ্রোহ ঘটিয়ে মহারাষ্ট্র দখল করেছে বিজেপি তারপর থেকেই বিরোধী দলনেতা দাবি করে আসছেন এরপর ঝাড়খন্ড তারপর বাংলা। এই নিয়ে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে চলেছেন। যদিও ২০২১ ভোট-পরবর্তী সময়ে বিজেপির ৭-৮জন বিধায়ক তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। ২ জন সাংসদ বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে এসেছেন। বুধবার রাজ্য দফতরে বিজেপি নেতা অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী দাবি করেন, তৃণমূলের ৩৮ জন বিধায়ক দলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। তাঁদের মধ্যে ২১ জন আমার সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছেন। এই দাবিকে কেন্দ্র করে শোরগোল পড়ে গিয়েছে বঙ্গ রাজনীতিতে।এদিন হুগলিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, চব্বিশে বিজেপি আসবে না, আসবে না, আসবে না। কোন অঙ্ক, কেন, কী ভাবে তা জানি না। তারপরই সাংবাদিক বৈঠক করে বিজেপি নেতা মিঠুন জানিয়ে দেন ৩৮ জন তৃণমূল বিধায়ক তাঁদের সঙ্গে ভাল সম্পর্ক রাখছেন।

জুলাই ২৭, ২০২২
রাজ্য

নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ 'বঙ্গবিভূষণ' নিতে পারছেন না, কারণ নিয়ে তর্জা তুঙ্গে

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দেওয়া বঙ্গবিভূষণ পুরস্কার গ্রহণ করতে পারছেন না নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন। তাঁর ঘনিষ্ট মহল সূত্রে খবর, তিনি সারা কর্মজীবনে অনেক পুরস্কার পেয়েছেন, এবার, নতুন কাউকে সেই সম্মান দেওয়া উচিত বলে জানিয়েছেন অমর্ত্য সেন। বর্তমানে অমর্ত্য সেন বিদেশে আছেন। সোমবার রাজ্য সরকারের এই সম্মান জ্ঞাপণ অনুষ্ঠানে তিনি কলকাতায় উপস্থিত থাকবেন না। সূত্রের খবর, তাঁর মতামত জেনেই পুরস্কারপ্রাপকের চূড়ান্ত তালিকায় অমর্ত্য সেনের নাম রাখা হয়নি। নোবেলজয়ীর পরিবার সূত্রে খবর অমর্ত্য সেন কলকাতায় ফিরছেন না, তাই পুরস্কার নিতে পারছেন না।প্রসঙ্গত, অমর্ত্যের বঙ্গবিভূষণ পুরস্কার নিতে না করার খবর প্রকাশ্যে আসার সময়েই রাজ্যের শিল্পমন্ত্রী পার্থ চ্যাটার্জিকে নিয়ে তৃণমূল কিছুটা অস্বস্তিতে। ফলে বিরোধী শিবিরের একাংশ (প্রধানত সিপিএম) বলতে শুরু করে যে পার্থর ঘটনার প্রতিবাদেই অমর্ত্য সেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী এসএসসি শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির নিয়ে কলকাতা শহরে ধর্মতলায় ধর্নায় বসা ছাত্র ছাত্রীদের কাছে উপস্থিত হন, এবং সেখানে তিনি বক্তব্য রাখতে গিয়ে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগে রাজ্যের মন্ত্রীর পার্থ-র ইডি কর্তৃক গ্রেফতারের পরিপ্রেক্ষিতে অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন ও অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দশ্য করে এই পুরস্কার না নেওয়ার আবেদন জানান। সুজনের দাবী, তাঁদের আবেদন মেনেই এই পুরস্কার না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন অমর্ত্য। সিপিএম ও একাংশের দাবি, সেই ডাকে সাড়া দিয়েই সম্মান নিতে রাজি হননি অমর্ত্য। যদিও সূত্রের খবর, অমর্ত্য তার আগেই নিজের সিদ্ধান্ত জানিয়েছিলেন।সোমবার, রাজ্য সরকারের দুই নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন এবং অভিজিৎ বিনায়ক ব্যানার্জীকে বঙ্গ বিভূষণ সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মান জানানোর কথা ছিল। একটি সূত্রের খবর, অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় বর্তমানে ফ্রান্সে রয়েছেন। তাই তিনিও এই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারবেন না।সোমবার বিকেলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নজরুল মঞ্চে বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের বঙ্গভূষণ ও বঙ্গবিভূষণ পুরস্কার প্রদান করবেন। ভারতীয় ফুটবলে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ বাংলার তিন প্রধান খ্যাত মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল ও মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবকেও বঙ্গবিভূষণ সম্মানে ভূষিত করা হবে। এসএসকেএম সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালকেও একটি প্রতিষ্ঠান হিসাবে তাঁর সার্বিক সাফল্যের জন্য সম্মান দেওয়া হবে।

জুলাই ২৫, ২০২২
রাজনীতি

'কাজ করতে গেলে ক্ষমতার দরকার', মিঠুন খুশি ২১-এর বিধানসভার ফলে

হায়দরাবাদে বিজেপির জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকের পরই মহাগুরু মিঠুনের কলকাতা আসাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে জোর শোরগোল শুরু হয়েছে। সোমবার মিঠুনের আসাকে কেন্দ্র করে বিজেপির রাজ্য কার্যালয়েও ভিড় ছিল নেতা-কর্মীদের। লোকসভা ভোটের প্রচারের পর এই প্রথম কলকাতায় পা রাখলেন বিজেপি নেতা অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। মিঠুন বলেন, আমি রাজনীতি করি না। মানুষনীতি করি। পশ্চিমবঙ্গের মানুষের জন্য কিছু করতে চাই। প্রশ্ন করা হয়েছিল কেউ বলছে ২৪-এ কেউ বলছে ২৬-এ মমতা সরকার চলে যাবে। মিঠুনের স্পষ্ট জবাব, এ নিয়ে আমি কিছু বলতে পারব না। তবে নির্বাচন পরবর্তী হিংসাতে খুব কষ্ট পেয়েছে বলে জানিয়েছেন কিংবদন্তী অভিনেতা। তাঁর কথায়, রাজনীতি থাকবে রাজনীতির জায়গায়। কেন হিংসা হবে। ২০২১ বিধানসভায় বিজেপির ফলাফল প্রসঙ্গে মিঠুন বলেন, আমি খুব খুশি ৩ থেকে ৭৭ হয়েছে। ৫৫ লক্ষ থেকে ২ কোটি ২৮ লক্ষ ভোট পেয়েছে বিজেপি। এটা সায়েন্স। প্রথমবারেই বাজিমাত হয়ে যাবে। তাতে নিরাশ হওয়ার কারণ নেই। বিজেপি একটা জায়গা তৈরি করেছিল। ওর থেকে ভাল জায়গা হয়েছে। তবে সেই সময় কর্মীরা আরও উৎসাহ পেলে ভাল হত বলে মনে করেন একাধিকবার জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেতা।ব্যক্তিগত ভাবে মানুষের জন্য় অনেক কাজ করেছেন বলে দাবি করেছেন সুপারস্টার। তবে তাঁর জন্য ক্ষমতার দরকার বলে তিনি মনে করেন। মিঠুন বলেছেন, মানুষের জন্য কাজ করতে গেল পাওয়ারের দরকার। কাজ করতে চাইলেও পারি না। আমাদের সরকার থাকলে মানুষের জন্য আরোও কাজ করতে পারব।

জুলাই ০৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

পরিশ্রমের ফল পাচ্ছেন অনুপ, সম্পর্কে মুখ্য চরিত্রে অভিনেতা

রাবণরা মরে না- এই ডায়লগ টা বর্তমানে এম এন রাজের রাবণ সিনেমাতে খুবই জনপ্রিয়। এই রকম প্রতিভা চিরকাল সকলের মনের মধ্যে আলাদা জায়গা করে নেয়। তার কখনো বিলীন হয় না, যতই সেটা প্রত্যন্ত গ্রাম বা শহর হোক না কেন। সেরকম একজন প্রতিভাবান অভিনেতা হলেন অনুপ চক্রবর্তী। যার লড়াইটা শুরু হয়েছিল শিমুরালি নামক এক প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে। আজ অনুপ সুপারস্টার জিৎ এর রাবণ সিনেমার এক লড়াকু অভিনেতা। টালিগঞ্জে নতুন মুখ হিসেবে কয়েকবছর আগে আত্মপ্রকাশ ঘটা অনুপ এখন ভালো অভিনয় দর্শকদের সামনে তুলে ধরার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। বর্তমানে অনুপ চক্রবর্তীর ঝুলিতে বেশ কিছু সিনেমা রয়েছে। এর মধ্যে বিশেষ উল্লেখযোগ্য মন্দীপ সাহার পরিচালিত ইস্কাবন। সদ্য মুক্তি পাওয়া এই ছবিটি দর্শকমহলে বেশ প্রশংসিত। এছাড়া এবারের পুজোতে অশোক মন্ডল পরিচালিত সম্পর্ক সিনেমাতে প্রধান চরিত্রে দেখা যাবে অনুপ কে। বেশকিছু ফিল্ম এর প্রি - প্রোডাকশন এর কাজ ও চলছে পুরোদমে। প্রবল চেষ্টা, ইচ্ছা এবং ভালো কাজ করার মনোবল থাকলে তার কাছে কোনো কিছুই বাঁধা হয়ে উঠতে পারে না। তারই ছোট্ট উদাহরণ হলো শিমুরালি গ্রামের এই অনুপ। অনুপের আগামী কাজের জন্য জনতার কথা-র পক্ষ থেকে রইল অনেক শুভেচ্ছা।

জুন ২২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

নতুন সিরিয়ালে মুখ্য চরিত্রে অঙ্কিতা

বন্ধু অভিনেতা প্রান্তিকের সঙ্গে বিয়ের খবরে পরিবার থেকে ভক্তদের চমকে দিয়েছিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী অঙ্কিতা চক্রবর্তী। ব্যক্তিগত জীবনে নতুন ইনিংস শুরু করার পর এবার কাজের জগতেও নতুন ইনিংস শুরু করলেন অঙ্কিতা। কালার্স বাংলার নতুন সিরিয়াল ইন্দ্রাণী তে ফিরছেন অঙ্কিতা। প্রকাশ্যে এসেছে ইন্দ্রাণীর প্রথম প্রোমো। এই সিরিয়ালে এক নামী হাসপাতালের প্রশাসকের ভূমিকায় অভিনয় করছেন অঙ্কিতা। তাঁর চরিত্রের নাম ইন্দ্রাণী রায়। একজন পেশাগত সফল নারীর ভাঙাচোরা জীবনের গল্প বলবে ইন্দ্রাণী। দাম্পত্য সম্পর্ক ভেঙে গেলেও টিনএজার মেয়ে, শ্বশুর শাশুড়ির দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নিজের কাজ নিয়ে ডুবে থাকে ইন্দ্রাণী। কিন্তু একদিন হাসপাতালের এক ডাক্তারের ভালো লেগে যায় তার থেকে বয়সে বড় ইন্দ্রাণীকে। সঙ্গে কোন খাতে বইবে অসমবয়সী সম্পর্কের সমীকরণ।সিরিয়ালের স্লট এখনও জানানো না হলেও দর্শকমহল এই নতুন ধরনের গল্প নিয়ে বেশ উত্তেজিত। টেলিভিশনে মুখ্য চরিত্রে বেশ কয়েকদিন বাদে ফিরলেও সিনেমা ও ওয়েব সিরিজে চুটিয়ে কাজ করেছেন ও করে চলেছেন অঙ্কিতা। একসময় ইষ্টিকুটুম ধারাবাহিকের জনপ্রিয় অভিনেত্রীকে এবার আবার নতুন রূপে পেতে চলেছেন দর্শকরা।

জুন ১২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মানবিক কাজে মিমি চক্রবর্তী

মিমি চক্রবর্তী অভিনেত্রী হিসাবে সফলভাবে তার কাজ করে গেছেন। তার একাধিক ছবি দর্শকমহলে প্রশংসিত হয়েছে। সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে মিনি। অভিনয়ের পাশাপাশি রাজনীতির ময়দানেও তিনি সফল। প্রয়োজনেই মানুষ তাকে কাছে পেয়েছে। এবার তার উদ্যোগেই এক মানবিক কর্মসূচী আয়োজিত হয়। যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্রের ১১০ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষ, বিনামূল্যে আয়োজিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং চক্ষু পরীক্ষা শিবিবে ৩৪০ জন মানুষ এই পরিষেবার সুবিধা পেলেন। বহু মানুষ বিনামূল্যে সঙ্গে সঙ্গে চশমাও পান। যাদের চোখে ছানি ধরা পরেছে তাদের কিছুদিনের মধ্যেই অপারেশন করিয়ে দেওয়া হবে।এই অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন যাদবপুর বিধানসভার বিধায়ক মাননীয় দেবব্রত (মলয়) মজুমদার। অনুষ্ঠানটি ১১০ নম্বর ওয়ার্ডের পৌরপিতা স্বরাজ কুমার মন্ডলের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হয়।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ১০৯ নম্বর ওয়ার্ডে পৌরমাতা অনন্যা ব্যানার্জী, ১০২ নম্বর ওয়ার্ডে পৌরমাতা সীমা ঘোষ, ৯৯ নম্বর ওয়ার্ডের পৌরমাতা মিতালী ব্যানার্জী, ১০৬ নম্বর ওয়ার্ডের পৌরপিতা অরিজিৎ দাস ঠাকুর। এছাড়াও ছিলেন ওয়ার্ডে একাধিক রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও সাধারণ মানুষ। অভিনেত্রী ও সাংসদ মিমি চক্রবর্তীর আরোও একটি মানবিক কাজের জন্য সকলে তাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

মে ২৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মুক্তি পেল মিমি অভিনীত 'মিনি', বন্ধুত্বের স্বাদ দেবে এই ছবি

৬ মে মুক্তি পেল মৈনাক ভৌমিকের পরিচালনায় মিমি চক্রবর্তী অভিনীত ছবি মিনি। এই ছবিরই প্রিমিয়ার হয়ে গেল। প্রিমিয়ারে মিমি চক্রবর্তীর ছাড়াও ছিল খুদে অভিনেত্রী অয়ন্না চট্টোপাধ্যায়, রুদ্রজিৎ মুখার্জী, বিশ্বজিৎ ঘোষ, প্রযোজক সম্পূর্ণা লাহিড়ী, রাহুল ভঞ্জ, পরিচালক মৈনাক ভৌমিক সহ ছবির অন্যান্য কলাকুশলীরা। এছাড়া টলিউডের আরও অনেক তারকারা।এদিন মিমি জানালেন, অনেকদিন পর আমরা এইভাবে প্রিমিয়ার করছি। আমি চাই এই ছবিটা সবার ঘরে পৌঁছে যাক। অয়ন্না জানাল, খুব ভালো লাগছে। প্রথমে আমি টেনশনে ছিলাম। তবে এখন খুব এনজয় করছি।এই ছবির মাধ্যমে বড়পর্দায় অভিষেক হল অভিনেতা রুদ্রজিৎ মুখার্জীর। রুদ্রজিৎ জানালেন, যেমন একসাইটেড তেমন হ্যাপি। আমি মানুষকে একটা নতুন কিছু উপহার দিতে চলেছি। এটা আমার একটা স্বপ্ন ছিল। আমার ফ্যামিলির স্বপ্ন ছিল, আমার ওয়াইফের স্বপ্ন ছিল। সেখান থেকে সাকসেসফুল হতে পেরেছি। আশা করছি দর্শকদের খুবই ভালো লাগবে।গত সপ্তাহে মুক্তি পেয়েছে দেবের কিশমিশ ও জিতের রাবণ। মুক্তির পরেই ছবিটি একাধিক সিনেমাহলে হাউসফুল চলছে। কিশমিশ খেতে খেতে রাবণ দেখার পর মিনি-কে কতটা আপন করে নিতে পারেন দর্শকরা সেটাই দেখার।

মে ০৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

'জনতার কথা'-র মুখোমুখি অভিনেত্রী মধুমিতা চক্রবর্তী

জনতার কথাঃ Shrees Creation এর এই অনুষ্ঠান নিয়ে কি বলবেন? মধুমিতা চক্রবর্তীঃ ভীষণ ভালো লাগছে। এতদিন পর আবার আমরা স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসছি। এই দিনটার অপেক্ষাতেই আমরা সকলে ছিলাম। আজকের অনুষ্ঠানটা ভীষণই ইউনিক। সত্যি কথা বলতে বুটিকের এই ধরণের অনুষ্ঠান আমরা এর আগে খুব একটা দেখিনি। ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করি আমরা সবাই যেন আগের মতো স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারি। জনতার কথাঃ আপনার এখন কি কি প্রোজেক্ট চলছে?মধুমিতা চক্রবর্তীঃ এই মুহূর্তে তিনটে ছবির কাজ চলছে। আর একটা সিরিয়ালের কাজ চলছে লক্ষ্মী কাকিমা সুপারস্টার। জনতার কথাঃ ছবিগুলো কি খুব তাড়াতাড়ি মুক্তি পাবে?মধুমিতা চক্রবর্তীঃ একটা ওয়েব সিরিজ মুক্তি পেয়েছে। দুটো ছবির ডাবিং হয়েছে। এর মধ্যে খুব শীঘ্রই মুক্তি পাবে চিনে বাদাম। জনতার কথাঃ আর কোনো প্রোজেক্ট কি আসছে?মধুমিতা চক্রবর্তীঃ ধর্ম অধর্ম বলে একটা ছবির শুটিং চলছে। আমরা আশা করছি একটু একটু করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবো।জনতার কথাঃ দর্শকদের কি বার্তা দেবেন?মধুমিতা চক্রবর্তীঃ দর্শকদের একটাই কথা বলবো সাবধানে থাকুন। সেই সঙ্গে হলে এসে বাংলা সিনেমা দেখুন। বাংলা সিনেমার পাশে থাকুন। একটা পুরো ইন্ডাস্ট্রি আপনাদের ওপর ভরসা করেই বেঁচে আছে।

মে ০৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

নতুন ওয়েব সিরিজ 'চক্র'

পরিচালক অভিষেক-এর নির্দেশনায় আসতে চলেছে নতুন বাংলা ওয়েব ধারাবাহিক। এই ওয়েব সিরিজটির নাম চক্র। অর্চি নগর নামে একটি জায়গায়, রাজনৈতিক নেতা অজয় শর্মা ক্ষমতার বলে বলীয়ান হয়ে, হয়ে ওঠেন এলাকার ভগবানজি। তাঁর অন্ধকার অতীতকে আড়ালে রেখে ক্ষমতা ও রাজনৈতিক পদ হাসিল করার লক্ষে তিনি হাজারো অপরাধ করে চলেন অবলীলাক্রমে। এবং তাঁর এই অপরাধের ধারক ও বাহক হিসাবে পাশে পান তাঁর ছেলে মহেন্দ্রকে, যে একজন দেহ ও মাদক ব্যবসায়ী। পরিবারের ব্যতিক্রম শুধু অজয়ের মেয়ে। যায় হোক, অজয়ের সঙ্গে বিপক্ষীয় দলনেতার ঝামেলা, পরে অজয়, তার দুই সন্তানের আকস্মিক মৃত্য, ও সেই অস্বাভাবিক ঘটনাগুলির তদন্ত করতে আসা পুলিশ অফিসারের কিছু অনন্য অভিজ্ঞতা নিয়ে দানা বাঁধছে এই সিরিজের কাহিনী। ওয়েব ধারাবাহিকটি মূলত থ্রিলার। মুখ্য চরিত্রে রয়েছেন সাহেব ভট্টাচার্য, অনিন্দ্য পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়, পৌলমী দাস, জন ভট্টাচার্য প্রমুখ। ওয়েব সিরিজটি আসছে ডিজিপ্লেক্সে। এই বিষয়ে পরিচালক অbhishek জানিয়েছেন, চক্র হল এমন একটি ওয়েব সিরিজ, সেখানে শুরু থেকে শেষ অবধি একটা টানটান উত্তেজনা, একটা থ্রিল রয়েছে। সিরিজের শেষটাও খুব অন্যরকম হতে চলেছে। পুরোপুরি অন্য ধরনের একটা গল্প। আশা করি, দর্শকদের ভালো লাগবে।

মে ০৩, ২০২২
রাজ্য

বাঘের মতো লোড়ো, অরুণ, কাপুরুষের মতো পিছিয়ে এসো না

সেই সকালটা কোনোদিন ভুলবেন না মুকেশ ক্ষেত্রপাল। ডিসেম্বর-এর শুরু, শিশিরভেজা দিল্লীর হিমেল হাওয়ায় বাবার দেওয়া প্রিয় জাভা মোটরবাইকটা চালিয়ে বাড়ি ফিরেছিল অরুণ, -অরুণ ক্ষেত্রপাল, মুকেশ-এর দাদা। তরুণ সামরিক অফিসার অরুণ তখন আমেদাবাদ-এ ইয়ং অফিসার্স কোর্স করছে, পশ্চিম সীমান্তে হঠাৎ যুদ্ধ বেধে যাওয়ায় নিজের ইউনিট-এর সব অফিসারদের মতো কোর্স অসমাপ্ত রেখে ফিরতে হচ্ছে তাকেও। মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরেই পাঞ্জাব মেল ধরে ছুটতে হবে জম্মু-র রণাঙ্গনে; প্রিয় বাইকটা তাই সঙ্গে নিয়েই ফিরেছে অরুণ, স্টেশন থেকে সেটায় চড়েই সোজা বাড়ি।সেদিন বাড়িতেই ছিল দিল্লী আই.আই.টি.-র ছাত্র মুকেশ --- বাইকটা দাঁড় করিয়ে হেঁটে ঢুকল অরুণ; কালো সামরিক পোষাকে কী অসম্ভব সুপুরুষ লাগছিল ওকে !রাতের খাওয়াটা চটপটই চোকানো হয়েছিল সেদিন। খাওয়ার টেবিলে ঘরোয়া কথাবার্তা ...প্রাক্তন ফৌজি বাবা আর দাদু-র লড়াইয়ের স্মৃতি রোমন্থন করছিলেন মা... টুকটাক কথার মধ্যেই উচ্চারণ করেছিলেন সেই বাক্য, পরবর্তীকালে ভারতের সামরিক মহলে যা প্রবাদপ্রতিম খ্যাতি পেয়েছে --- শের কি তরাহ্ লড়না, অরুণ , কায়র কি তরাহ্ ওয়াপস্ মত্ আনা (বাঘের মতো লোড়ো, অরুণ, কাপুরুষের মতো পিছিয়ে এসো না) ! একুশ বছরের অরুণ শুধু হেসেছিল মায়ের চোখের দিকে তাকিয়ে। ডিসেম্বর-এর শুরুর দিকটা উড়ে গেল কোন দিক দিয়ে। বাড়িতে ছিল একটা ইমপোর্টেড হিতাচি ট্র্যানজিস্টর। সারাদিন রেডিও সিলোন খুলে বসে থাকতেন বাড়ির সবাই, যুদ্ধের বিস্তারিত রিপোর্টিং শোনা যেত ঐ চ্যানেল-এই। সিগন্যাল কখনো চলনসই, কখনো বা প্রায় অবোধ্য; তবু উৎকর্ণ হয়ে থাকতেন বাড়ির সবাই।ষোলই ডিসেম্বর সন্ধ্যায় খবর পাওয়া গেল শকরগড়-এ ভয়ানক যুদ্ধ হয়েছে দুদেশের ট্যাঙ্কবাহিনীর মধ্যে। মুষড়ে পড়লেন বাড়ির সবাই , জানতেন যে অরুণ-এর রেজিমেন্ট লড়ছে ঐ অঞ্চলেই। পরদিন সকালেই যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতী ইন্দিরা গান্ধী। লড়াই শেষ। হাঁফ ছেড়ে বাঁচলেন সবাই। অরুণ-এর ঘর সাফসুতরো করে রাখলেন মা, সবাই দিন গুণতে লাগলেন তার ঘরে ফেরার।উনিশে ডিসেম্বর। ডোরবেল শুনে দরজা খুললেন মা। পোস্টম্যান-এর হাতে টেলিগ্রাম--- ক্ষেত্রপাল-দের জীবন বদলে গেল চিরদিনের মতো। এক চিরস্থায়ী বিষণ্ণতা ঢেকে দিল সবাইকে। প্রাক্তন ফৌজি বাবা নীরবে গুটিয়ে নিলেন নিজেকে, দিনের বেশীরভাগ সময় ঢুকে থাকতেন নিজের ঘরেই। মা নিজেকে ডুবিয়ে নিলেন গেরস্তালির আটপৌরে পৌনঃপুনিকতায়। মুকেশ ইঞ্জিনিয়ার হলেন...চাকরী... বিয়ে... একমাত্র কন্যার জন্ম... রয়ে গেলেন শোকদীর্ণ বাবামায়ের সঙ্গেই।কেটে গেল ত্রিশ বছর। অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার ক্ষেত্রপাল-কে আবার হাসতে দেখা গেল একদিন। বাবা বললেন তিনি সরগোদা যাবেন, দেশভাগের আগে পাকিস্তানে আমাদের আদি বাড়ি ছিল যেখানে। মা আর মুকেশ বিস্তর চেষ্টা করলেন তাঁকে বোঝানোর, একাশি বছর বয়স তোমার, এভাবে কোথায় যাবে তুমি? পাত্তা দিলেন না বৃদ্ধ ব্রিগেডিয়ার, আমাদের কলেজেরই এক প্রাক্তনী-র কাছে থাকবো আমি--- লাহোর-বাসী এক পাকিস্তানী সেনা-অফিসার। কিছুটা আশ্বস্ত হলেন সবাই। নির্দিষ্ট দিনে মুকেশ এয়ার ইন্ডিয়ার উড়ানে তুলে দিয়ে এলেন তাঁকে। বাবা কিছুটা উত্তেজিত, পায়ে যেন ফিরে এসেছে শৈশবের উদ্দীপনা।তিনদিন পরে মুকেশ যখন বিমানবন্দর থেকে আনতে গেলেন তাঁকে, সেই উদ্দীপনা উধাও। বাবা নিশ্চুপ, আবার গুটিয়ে নিয়েছেন নিজেকে। এমনকি বাড়ি ফিরেও আমাদের কিছুই বললেন না সফরের ব্যাপারে। খুব অবাক হয়েছিলাম আমরা।এর সাতদিন পরে, ইন্ডিয়া টুডে পত্রিকায় এক নিবন্ধ পড়ে মুকেশ জানতে পারেন কী ঘটেছিল বাবার সংক্ষিপ্ত পাকিস্তান সফরে। মা ছেলে মুখোমুখি হন বৃদ্ধ ব্রিগেডিয়ার-এর ; শোনেন সেই বিচিত্র আখ্যান----- লাহোর, ১লা মার্চ, ২০০১ঃডিনার শেষ; ব্রিগেডিয়ার ক্ষেত্রপাল তাকিয়েছিলেন তাঁর আমন্ত্রণকর্তার দিকে। পাকিস্তানী সেনা-অফিসার, ব্রিগেডিয়ার খাজা মহম্মদ নাসের-এর পোড়খাওয়া মুখে দ্বিধাগ্রস্ত হাসি--- মৌসম আচ্ছা হ্যায়, ব্রিগেডিয়ার সাহাব। ইনশাল্লাহ কুছ দের বাহার বাগিচে মে চল কর ব্যয়ঠে।চাঁদের আলোয় বাগানে এসে বসলেন দুজনে। ধীরে ধীরে বললেন নাসের, ম্যঁয় কুছ কবুল করনা চাহ্তা হুঁ, ব্রিগেডিয়ার সাহাব।কহিয়ে বেটা, ম্যঁয় শুন রহা হুঁ --- জবাব ব্রিগেডিয়ার ক্ষেত্রপাল-এর, তাঁর সস্নেহ দৃষ্টি ত্রিশ বছরের ছোটো আমন্ত্রণকর্তার দিকে। গলা ঝাড়লেন ব্রিগেডিয়ার নাসের, স্যর, একটা কথা বলতে চাই আপনাকে... একাত্তরের যুদ্ধে আমিও ভাগ নিয়েছিলাম। তখন আমি এক কমবয়সী মেজর, পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ১৩ ল্যান্সার-এর স্কোয়াড্রন কম্যান্ডার। একটু অবাক হলেন ব্রিগেডিয়ার ক্ষেত্রপাল। ১৩ ল্যান্সার ছিল সেই রেজিমেন্ট যারা দেশভাগের সময় তাদের শিখ স্কোয়াড্রন-কে বদলাবদলি করেছিল পুনা হর্স (অরুণ-এর রেজিমেন্ট)-এর মুসলিম রেজিমেন্ট-এর সঙ্গে। সেই যুদ্ধে পুনা হর্স-এর সাথে লড়েছিলাম আমরা; স্যার.. কয়েক মুহূর্ত থামলেন নাসের, আমিই সেই লোক যে আপনার ছেলেকে মেরেছিল!বাকরুদ্ধ ব্রিগেডিয়ার ক্ষেত্রপাল, শুনে চলেছেন নীরবে--- ষোলই ডিসেম্বর সকালে ১৩ ল্যান্সার-এর প্রতি-আক্রমণের পুরোভাগে ছিলাম আমি; উল্টোদিকে আপনার ছেলে, দাঁড়িয়েছিল পাহাড়ের মতো। আমাদের অনেকগুলো ট্যাঙ্ক ধ্বংস করেছিল ও। শেষ পর্যন্ত একসময় শুধু ওর আর আমার ট্যাঙ্ক মুখোমুখি, মাঝে দুশো মিটারের ব্যবধান। ফায়ার করলাম দুজনেই, একসঙ্গে গোলা লাগলো দুজনের ট্যাঙ্ক-এই। তবে ভাগ্যে বোধ হয় সেদিন আমারই বেঁচে যাওয়া লেখা ছিল, অরুণ-এর নয়! এক নিঃশ্বাসে বলে চলেন ব্রিগেডিয়ার নাসের, খুব সাহসী ছিল আপনার ছেলে; আমাদের সেদিনের হারের পেছনে মূল কৃতিত্ব ছিল ওরই।বজ্রাহত ব্রিগেডিয়ার ক্ষেত্রপাল শুধু এটুকুই বলতে পারলেন, আপনি কী করে জানলেন যে ঐ ট্যাঙ্ক-এ অরুণ ছিল?নাসের জানালেন তাঁকে--- পরদিন, ১৭ই ডিসেম্বর, যুদ্ধবিরতি ঘোষিত হলে তিনি বিপক্ষ শিবিরে যান মৃত পাকিস্তানী সাথীদের দেহ নিয়ে আসতে। খুবই কৌতুহল ছিল বিপক্ষের সেই অসমসাহসী দুর্দ্ধর্ষ যোদ্ধার পরিচয় জানার, তাই ভারতীয় সেনাদের শুধান কে ছিল সেই ট্যাঙ্ক-এ। ওনাকে বলা হয় পুনা হর্স-এর সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট অরুণ ক্ষেত্রপাল-এর নাম। বহোত বাহাদুরী সে লড়ে আপকে সাহাব। চোট তো নেহি আয়ি উনহে?সাহাব শহীদ হো গ্যয়ে--- এসেছিল জবাব। অরুণ কতটা কমবয়সী ছিল, নাসের তা জেনেছিলেন পরে-- যখন মরণোত্তর পরমবীর চক্র দেওয়া হয় তাকে। আমি জানতাম না ওর তখন মাত্র একুশ বছর বয়স, স্যার। আমরা দুজনেই ছিলাম ফৌজি, যারা সেদিন নিজের নিজের দেশের হয়ে কর্তব্য পালন করছিলাম।সেই চন্দ্রাহত লাহোর-বাগিচায় নীরবে বসে রইলেন দুই অসমবয়সী বিরোধী সেনানায়ক। ব্রিগেডিয়ার ক্ষেত্রপাল ধীরে ধীরে আসন ছাড়লেন একসময়, উঠে দাঁড়ালেন ব্রিগেডিয়ার নাসের-ও। বৃদ্ধ ব্রিগেডিয়ার এগিয়ে গেলেন দুপা; দুহাত বাড়িয়ে জড়িয়ে ধরলেন সামনের দীর্ঘদেহী মানুষটিকে, যিনি তাঁর প্রিয় সন্তানের হন্তারক!চাঁদের হাসি বাঁধ ভেঙেছে তখন; তার উছলে পড়া আলো ধুয়ে দিচ্ছিল দুজনকেই। দিল্লীর বাড়িতে, পঞ্চাশ বছরের ধূসর স্মৃতির পর্দা সরিয়ে, সত্তরোর্ধ্ব মুকেশ ক্ষেত্রপাল-এর চোখের সামনে দেওয়াল থেকে আজো উজ্জ্বল হাসছেন তাঁর দাদা, একুশ বছরের ঝকঝকে তরুণ-- অরুণ ক্ষেত্রপাল। তাঁর বয়স আর বাড়বে না কোনো দিনও !The war does not determine who is right , it only decides who is left!ডঃ সুজন সরকার, বর্ধমান।তথ্যসূত্রঃ ১। ১৯৭১: Charge of the Gorkhas and other stories -- by Rachna Bisht Rawat . Published by Penguin India.২। The Times of India

মে ০২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

‘মিনি’-র প্রমোশনে মিমি চক্রবর্তী, মিনি মেলায় জনজোয়ার

আগামী ৬ মে মুক্তি পাচ্ছে মৈনাক ভৌমিকের পরিচালনায় মিমি চক্রবর্তী অভিনীত ছবি মিনি। এই ছবিরই প্রমোশনে শনিবার রাতে কসবা রথতলায় মিনি মেলা-তে হাজির হন অভিনেত্রী। সঙ্গে ছিল খুদে অভিনেত্রী অয়ন্না চট্টোপাধ্যায় এবং পরিচালক মৈনাক ভৌমিক।এইভাবে প্রিয় অভিনেত্রীর দেখা পাবেন অনেকেই আশা করেননি। প্রচণ্ড গরমকে উপেক্ষা করেও মিমি কে দেখতে তাই ভিড় জমিয়েছিলেন প্রচুর মানুষ। ছোট-বড় সবাই তাদের প্রিয় অভিনেত্রীকে সামনে থেকে দেখে বেশ খুশি।মিনি-র প্রোমশনে মিমিমিমি তার কো-স্টার অয়ন্না চট্টোপাধ্যায় কে সঙ্গে নিয়ে একটা সুন্দর সময় উপভোগ করলেন। বেশ কিছু রাইডে চরে ফিরে গেলেন ছোটবেলার স্মৃতিতে। ভিড়ের মধ্যে দাঁড়িয়েও ফুচকা খেলেন, বেলুন ফাটালেন। বোঝা দায় যে এটাই কি টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী এবং সাংসদ মিমি চক্রবর্তী।মিনি-র প্রোমশনে মিমিসংবাদমাধ্যমের উদ্দেশ্যে তিনি জানালেন সাংবাদিক বন্ধুদের সঙ্গে রাইডে চরে সন্ধ্যাটা খুব ভালো উপভোগ করেছেন তিনি। ট্রেনে চরে তিনি এবং অয়ন্না দুজনেই খুব মজা পেয়েছেন। মিমি জানান মিনি মেলায় এসে ছোটবেলার মেলার স্মৃতির কথা মনে পড়ছিল তার। অন্যদিকে অয়ন্না জানাল সে ও মেলায় খুব মজা করেছে। তবে একটু ভয় লাগছিল। ট্রেনে চড়ে বেশ মজা লেগেছিল জানাল অয়ন্না। শনিবারের মিনি মেলায় সন্ধ্যাটা মিমিময় হয়ে উঠল।Never without fuchka ...#Mini #promotions #InCinemas #6thMay pic.twitter.com/avOJfTWMCk Titli(Minis Masi) (@mimichakraborty) April 23, 2022

এপ্রিল ২৪, ২০২২
রাজ্য

ছাত্র-মৃত্যুতে বিশ্বভারতীর উপাচার্যের মানবিকতা নিয়েই প্রশ্ন তুললেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা

বিশ্বভারতীর উপাচার্যের মানবিকতা নিয়েই প্রশ্ন তুললেন বিজেপির সর্বভারতীয় সম্পাদক অধ্যাপক অনুপম হাজরা। বিশ্বভারতীর দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র অসীম দাসের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। তাঁর পরিবারের সদস্যদের আবেদন ছিল উপাচার্য যেন একবার কথা বলেন তাঁদের সঙ্গে। সেই আবেদন রাখেননি উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী। বিশ্বভারতীর প্রাক্তন অধ্য়াপক অনুপম হাজরা সোশাল মিডিয়ায় উপাচার্যের ভূমিকা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন।গতকাল, শুক্রবার রাতে উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর বাড়ির সামনে মৃত ছাত্র অসীম দাসের দেহ শববাহী গাড়িতে রেখে চলে তুমুল বিক্ষোভ চলে। তাঁর বাড়িতে ঢোকার বড় ফটক ভেঙে ঢোকে বিক্ষোভকারীরা। তবে পরের গেটটি আর ভাঙতে পারেনি। বিক্ষোভকারীদের দাবি ছিল, উপাচার্য বেরিয়ে এসে একবার কথা বলুন মৃতের পরিবারের সঙ্গে। কিন্তু মৃতের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেননি উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী। এই ঘটনার জেরে উপাচার্য নিরাপত্তা চেয়ে রাজ্যপালের দ্বারস্থ হয়েছেন। এদিকে, উপাচার্যের এই মনোভাবের বিরুদ্ধে সরব বিভিন্ন মহল। বিশ্বভারতীর প্রাক্তন অধ্যাপক তথা প্রাক্তন সাংসদ অনুপম হাজরা সোশ্যাল মিডিয়ায় এব্যাপারে সরব হয়েছেন।গত বৃহস্পতিবার বিশ্বভারতীর পাঠভবনের দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র অসীম দাসের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়। ছাত্রাবাসের একটি ঘর থেকে ওই ছাত্রের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে। অসীমের পরিবারের অভিযোগ, তাঁকে খুন করা হয়েছে। অসীমের শরীরের একাধিক জায়গায় ক্ষতচিহ্ন মিলেছে বলেও তাঁদের দাবি। পুলিশ আসার আগেই মৃতদেহ নামিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পিছনে ষড়যন্ত্র দেখছে ছাত্রের পরিবার। তাঁদের অভিযোগ, মৃত্যুর বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছে বিশ্বভারতী কতৃপক্ষ। শান্তিনিকেতন থানায় খুন, প্রমাণ লোপাটের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।#Death_of_student_in_VisvaBharati #বিশ্বভারতীতে_ছাত্রের_মৃত্যু pic.twitter.com/OBT9CokNNM Dr. Anupam Hazra 🇮🇳 (@tweetanupam) April 23, 2022শুক্রবার অসীমের পরিবারের সদস্যরা উপাচার্যের বাড়ির সামনে ধর্নায় বসেছিলেন। তাঁরা একবারের জন্য উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর সঙ্গে কথা বলতে চাইছিলেন। বিশ্বভারতীর পড়ুয়াদের একাংশ তাঁদের সঙ্গে যোগ দেন। তারপর রাত শববাহী গাড়ি জোর করে গেট খুলে উপাচার্যের বাড়ির সামনে নিয়ে যাওয়া হয়। তবুও দেখা মেলেনি উপাচার্যের। এই ঘটনার পর উপাচার্য রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের কাছে নিরাপত্তার আর্জি জানিয়েছেন। শনিবার সকাল থেকে তৎপর হয়েছে পুলিশ।বিশ্বভারতীর প্রাক্তন অধ্যাপক তথা বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক অনুপম হাজরা বলেন, বিশ্বভারতীর ছাত্র মৃত্যু যথেষ্ট বেদনাদায়ক। সদ্য সন্তানহারা বাবা-মায়ের ব্যাকুল আর্তির কথা মাথায় রেখে উপাচার্যের উচিত ছিল অন্তত একবার ছাত্রের পরিবারের সঙ্গে দেখা করা। একজন শিক্ষকের কাছ থেকে অন্তত এটুকু মানবিকতা কাম্য।

এপ্রিল ২৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মিষ্টি সম্পর্কের গল্প বলবে 'মিনি'

ভিন্নস্বাদের নারীকেন্দ্রিক ছবির গল্প বলছেন পরিচালক মৈনাক ভৌমিক। চিনির পর তাঁর নতুন ছবি মিনি। এই ছবিতে মুখ্য চরিত্রে রয়েছেন মিমি চক্রবর্তী এবং অয়না চট্টোপাধ্যায়। শুক্রবার মুক্তি পেল ছবির ট্রেলার। মাসি-বোনঝির মিষ্টি রসায়নকে পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছেন পরিচালক। এই ছবির হাত ধরে প্রযোজক হিসাবে অভিষেক হল অভিনেত্রী সম্পূর্ণা লাহিড়ীর। ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে স্মল টক আইডিয়াস এর ব্যানারে। তিতলির ভূমিকায় অভিনয় করেছেন মিমি চক্রবর্তী। তিনি এখানে মিনির মাসির ভূমিকায়। তবে যে এই সিনেমা শুধু মিষ্টি সম্পর্কের গল্প বলে এমনটাই নয়। পারিবারিক দায়দায়িত্ব, তিক্ততা, বিচ্ছেদ সবকিছুই মিনি তে খুঁজে পাবেন দর্শকরা। ছবির প্রসঙ্গে মিমি চক্রবর্তী জানিয়েছেন, মৈনাক ভৌমিকের সঙ্গে এটা তার প্রথম কাজ। প্রথমবার স্ক্রিপ্টটা পড়েই তার ভালো লাগে। তিনি জানিয়েছেন এমন একটা চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পেয়েছেন সেখানে তার কথা ভেবেই চিত্রনাট্য লেখা। এই ছবিতে অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন মিঠু চক্রবর্তী, সপ্তর্ষি মৌলিক, কমলিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, রূদ্রজিৎ মুখোপাধ্যায় প্রমুখ।

এপ্রিল ১০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মহিলাদের সঠিক বিচারে নির্মিত '১০ নং ঝোপড়পট্টি'

এস সি প্রোডাকশনের ব্যানারে নিবেদিত স্বাতী চট্টোপাধ্যায়ের প্রযোজিত ছবি ১০ নম্বর ঝোপড়পট্টি। এই ছবিতে অভিনয় করেছেন স্বাতী চট্টোপাধ্য্যায়, কন্যাশ্রী চট্টোপাধ্যায়, বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী, তনিমা সেন, দিয়া মুখোপাধ্যায়, ছন্দা চট্টোপাধ্যায় সহ আরও অনেকে। এই ছবিরই প্রিমিয়ার হয়ে গেল ছবিঘর সিনেমাহলে। ১৯৭১ সালে ওপার বাংলার স্বাধীনতার উদ্দেশ্যে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়েছে। দলে দলে মানুষ মিলিটারির তাড়া খেয়ে রাতের অন্ধকারে কাঁটাতারের বর্ডার পেরিয়ে ভারতে পা রেখেছে। সর্বস্ব খুইয়ে তারা দিশেহারা। এই দিশেহারা, বিভ্রান্ত ও সর্বস্বান্ত চারটি পরিবার মানুষের ভিড়ে মিশে গিয়ে কলকাতায় চলে আসেন। এই চারটি পরিবারের দৈনন্দিন সুখ ও দুর্দশার কাহিনী বর্ণিত হয়েছে ১০ নম্বর ঝোপড়পট্টি তে। এই ছবিতে ঝোপড়পট্টির এক অন্তঃসত্ত্বা বধুকে দুরাচারিদের শিকারের মুখোমুখি হতে হয়েছে। জলের কলসী হাতে পালাতে গিয়ে মাটিতে পড়ে তার পেটের বাচ্চাটাই নষ্ট গেছে। অন্যদিকে আর একটি মেয়েকে গণধর্ষিত হয়ে পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে চলে যেতে হয়েছে। যুগের হাওয়ার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই গল্পটি লিখেছেন স্বাতী চট্টোপাধ্যায়।

মার্চ ০৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ইমনের বসন্ত উৎসবে বাদাম কাকু, কাঁচা বাদাম গানে মঞ্চ মাতালেন

প্রতি বছরের মতো এই বছরেও লিলুয়ার মীরপাড়ায় বসন্ত উৎসবের আয়োজন করলেন ইমন চক্রবর্তী। আর এবারের বসন্ত উৎসবের সবথেকে বড় চমক বাদাম কাকু ভুবন বাদ্যকর। তবে তিনি একা নন বাদাম কাকু-র সঙ্গে দেখা গেল বিধায়ক মদন মিত্র কেও।এবারের বসন্ত উৎসব শুরু থেকেই জমজমাট। শনিবারই শিল্পীর মায়ের প্রয়াণবার্ষিকী। সকালে থেকে দুই বিপরীতমুখী আয়োজনে ব্যস্ত তিনি। ইমন বলেছেন এ বছর বসন্ত উৎসব ১৯ ফেব্রুয়ারি হওয়ার কথা ছিল। অনুমতি পাইনি। অদ্ভুত ভাবে আজ মায়ের বার্ষিকীর দিন বসন্ত উৎসব হচ্ছে। শরীর, মন কাঁপবে আমার। তবু উৎসব হবে। আশীর্বাদ করো মা। তোমায় উৎসর্গ করলাম আমরা এই উৎসব।বিকেল হতেই অনুষ্ঠান শুরু। মীরপাড়া পার্ক ময়দান দর্শক-শ্রোতার ভিড়ে ছয়লাপ। মঞ্চে কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র উঠতেই হাততালির ঝড়। হলুদ পাঞ্জাবি, লাল ধাক্কাপাড় ধুতিতে সজ্জিত কামারহাটির বিধায়ক। তাঁর সঙ্গেই মঞ্চে উপস্থিত বাদাম কাকু। ভুবন বাদ্যকার গানে গানেই জানালেন তাঁর মনের ইচ্ছে, আমার বাদাম কেড়ে নিল বিশ্ববাসীর মন, শিল্পী হতে চাই গো বাবু জানাই যে প্রণাম। বাকিদের মতো ভুবনকেও এদিন রঙিন হলুদ পাঞ্জাবি, জহর কোট আর ট্রাউজারে দেখা গেল।এর পরেই ভুবন স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে গেয়ে ওঠেন কাঁচা বাদাম। গানের তালে নেচে ওঠেন ইমন।কলকাতার এক নিশিঠেকে সম্প্রতি অনুষ্ঠান করেন ভুবন। সে দিনও প্রথম সারির রেস্তরাঁয় তাঁকে ঘিরে উৎসাহ ছিল দেখার মতো। গানের পাশাপাশি বাদাম কাকুকে শাসক দলের পুরভোট-প্রচারেও দেখা যাচ্ছে। আর এবার ইমনের বসন্ত উৎসবের অনুষ্ঠানেও হিট বাদাম কাকু।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মুখোমুখি সায়ক চক্রবর্তী

ছোটপর্দার জনপ্রিয় মুখ সায়ক চক্রবর্তী। তিনি উপস্থিত হয়েছিলেন পরিচালক শুভেন্দু রাজ ঘোষের পূর্ণদৈর্ঘ্যের ছবি বিফোর ইউ ডাই এর প্রিমিয়ারে। জনতার কথাঃ কেমন লাগল ছবিটা?সায়কঃ স্টোরি তো খুবই ভালো। ক্যামেরা খুবই ভালো। আর হিরো খুবই ভালো অভিনয় করেছে। জনতার কথাঃ তুমি তো অভিনয়ের পাশাপাশি ইউটিউবও করছো। দুটো ব্যালেন্স কিভাবে করছো?সায়কঃ আমি প্রচণ্ড ল্যাদখোর। আমার আরেকজন পার্টনার সে ও প্রচণ্ড ল্যাদ খায়। তাই দুজনে দুজনকে চিয়ার আপ করি। চলো আমাদের ভ্লগ করতে হবে। জনতার কথাঃ তোমার এখন প্রোজেক্ট কি চলছে?সায়কঃ প্রোজেক্ট তো আমার এখন কাঞ্চি চলছে। আর পাশাপাশি ইউটিউব চলছে। জনতার কথাঃ আর তোমার তো ছবিও আসছে। শিবু দার প্রোডাকশনে।সায়কঃ আসছে। বাট কবে আসছে আমি নিজেও জানিনা এখনও।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিনোদুনিয়া

টলিপাড়ায় গভীর শোকের ছায়া! শুটিঙের মধ্যেই দীঘার সমুদ্রে তলিয়ে গেলেন অভিনেতা!

টলিপাড়ায় নেমে এল গভীর শোকের ছায়া। অকালপ্রয়াণ হল অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়-এর। মাত্র ৪৩ বছর বয়সেই এই মর্মান্তিক ঘটনায় স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে বাংলা বিনোদন জগৎ।দিঘার শুটিংয়ে কী ঘটেছিল?জানা গিয়েছে, রবিবার দিঘা-র তালসারি এলাকায় একটি ধারাবাহিকের শুটিং চলছিল। ভোলে বাবা পার করেগা নামের ওই ধারাবাহিকে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছিলেন রাহুল। শুটিংয়ের মাঝেই তিনি সমুদ্রের জলে নামেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, আচমকাই তিনি জলে তলিয়ে যান।সঙ্গে থাকা টেকনিশিয়ানরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে তীরে নিয়ে আসেন। এরপর তাঁকে তড়িঘড়ি স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু হাসপাতাল সূত্রে খবর, সেখানে পৌঁছানোর আগেই তাঁর মৃত্যু হয়ে যায়। প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, জলে ডুবে যাওয়ার ফলেই এই মর্মান্তিক পরিণতি।সহ-অভিনেতার বক্তব্যধারাবাহিকে রাহুলের জেঠুর চরিত্রে অভিনয় করছিলেন ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, শুটিং প্রায় শেষের দিকেই ছিল এবং প্যাক-আপের পর এই দুর্ঘটনা ঘটে।ভাস্করের কথায়,আমরা সবাই শুটিং সেরে মধ্যাহ্নভোজ করতে গিয়েছিলাম। রাহুল বলেছিল, আরও কয়েকটা শট দিয়ে আসবে। তারপর হঠাৎই এই খবর পাই। বিশ্বাসই করতে পারছি নাএকজন সুস্থ, প্রাণবন্ত মানুষ এভাবে চলে যেতে পারেন!কী নিয়ে ধোঁয়াশা?ঘটনার সঠিক কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। সমুদ্রের স্রোত, অসতর্কতা, নাকি অন্য কোনও কারণসবটাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। শুটিং ইউনিট এবং স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গিয়েছে।শোকস্তব্ধ টলিপাড়ারাহুল অরুণোদয়ের অকাল মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে টলিউডে। সহকর্মী থেকে অনুরাগীসকলেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শোকপ্রকাশ করছেন। একজন প্রতিভাবান অভিনেতার এই আকস্মিক বিদায়ে বাংলা ধারাবাহিক জগতে এক অপূরণীয় শূন্যতা তৈরি হল।এই মর্মান্তিক ঘটনাটি আবারও প্রশ্ন তুলে দিলসমুদ্রতীরবর্তী এলাকায় শুটিংয়ের সময় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা জরুরি। তদন্তের রিপোর্ট সামনে এলেই হয়তো স্পষ্ট হবে, ঠিক কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

ভোটার তালিকা সংশোধন: ১৮ লক্ষ বাদ! ৪০ লক্ষ-র নিষ্পত্তি, এখনও অনিশ্চয়তায় ২০ লক্ষ নাম

রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া জোরকদমে চলছে। প্রায় ৬০ লক্ষ বিবেচনাধীন ভোটারের মধ্যে রবিবার পর্যন্ত প্রায় ৪০ লক্ষের তথ্য যাচাই ও নিষ্পত্তি সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে ইতিমধ্যেই প্রায় ১৮ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। এখনও প্রায় ২০ লক্ষ ভোটারের নাম বিবেচনাধীন রয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, প্রথম দফার ভোটের মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ৬ এপ্রিলের আগেই এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা হবে।এখন পর্যন্ত খসড়া ও চূড়ান্ত তালিকা মিলিয়ে রাজ্যে মোট ৬৩ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৫২ জনের নাম বাদ গিয়েছে। প্রথম অতিরিক্ত তালিকা থেকেই বাদ পড়েছে প্রায় ১২ লক্ষ নাম। Supreme Court of India-এর নির্দেশে এই বিবেচনাধীন ভোটারদের তথ্য যাচাইয়ের কাজ করছেন বিচারকেরা। এই কাজে ভিন্রাজ্য থেকেও বিচারক আনা হয়েছে।২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করে Election Commission of India। তখন বিবেচনাধীন ভোটারের সংখ্যা ছিল ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ৬৭৫। এই বিশাল সংখ্যক আবেদন নিষ্পত্তির দায়িত্বে রয়েছেন মোট ৭০৫ জন বিচারক। কমিশন জানিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে ধাপে ধাপে সংশোধিত তালিকা প্রকাশ করা হচ্ছে। সেই অনুযায়ী ২৩ মার্চ রাতে প্রকাশিত হয় প্রথম অতিরিক্ত তালিকা। যদিও ওই তালিকায় কতজনের নাম যুক্ত বা বাদ পড়েছে, তার বিস্তারিত তথ্য এখনও জানানো হয়নি।এসআইআর শুরুর আগে রাজ্যে মোট ভোটারের সংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ ৩৭ হাজার ৫২৯। খসড়া তালিকা প্রকাশের সময় ৫৮ লক্ষ ২০ হাজার ৮৯৯ নাম বাদ পড়ে এবং মোট ভোটার সংখ্যা দাঁড়ায় ৭ কোটি ৮ লক্ষ ১৬ হাজার ৬৩০। পরে ২৮ ফেব্রুয়ারির চূড়ান্ত তালিকায় আরও ৫ লক্ষ ৪৬ হাজার ৫৩ জনের নাম বাদ যায়। ফলে ওই সময় পর্যন্ত মোট বাদ পড়া নামের সংখ্যা দাঁড়ায় ৬৩ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৫২।খসড়া তালিকায় থাকা ৭ কোটি ৮ লক্ষের বেশি ভোটারের মধ্যে প্রায় ১ কোটি ৫২ লক্ষকে শুনানির জন্য চিহ্নিত করা হয়। এর মধ্যে নো-ম্যাপিং ভোটারের সংখ্যা ছিল ৩১ লক্ষ ৬৮ হাজার ৪২৬যাঁরা ২০০২ সালের শেষ এসআইআরের সঙ্গে নিজেদের তথ্যের মিল দেখাতে পারেননি। বাকি প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ ভোটারকে তথ্যগত অসঙ্গতির কারণে চিহ্নিত করা হয়।সব মিলিয়ে প্রায় ১ কোটি ৪২ লক্ষ ভোটারের শুনানি সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে ৮২ লক্ষ ভোটারের নথি গ্রহণযোগ্য বলে মনে করেছে কমিশন। অন্যদিকে, শুনানির ভিত্তিতে বাছাই করে ৫ লক্ষের বেশি নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এরপরই প্রকাশিত হয় প্রথম দফার চূড়ান্ত ভোটার তালিকা, যেখানে রাজ্যের মোট ভোটার সংখ্যা দাঁড়ায় ৭ কোটি ৪ লক্ষ ৫৯ হাজার ২৮৪। তবে সেই তালিকাতেও ৬০ লক্ষের বেশি ভোটারের নাম বিবেচনাধীন হিসেবে রেখে দেওয়া হয়।নির্বাচনের মুখে এই বৃহৎ পরিসরের যাচাই প্রক্রিয়া প্রশাসনের কাছে যেমন বড় চ্যালেঞ্জ, তেমনই রাজনৈতিক দিক থেকেও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এখন নজর, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাকি থাকা ভোটারদের ভাগ্য কীভাবে নির্ধারণ করে কমিশন।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

পুনর্নির্বাচন ঘিরে তীব্র অভিযোগ, “আমাদের এলাকাতেই টার্গেট”— মমতার দাবি

পুরুলিয়ার সভা থেকে আবারও কেন্দ্রের বিরুদ্ধে চক্রান্তের অভিযোগ তুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, যেখানে তৃণমূল শক্তিশালী, সেখানেই পরিকল্পিতভাবে পুনর্নির্বাচনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।সভামঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মা-বোনেরা নির্বাচনের দিন ভাল করে বুথ পাহারা দেবেন। ওদের পরিকল্পনা আমাদের এলাকাগুলোতে পুনর্নির্বাচন করানো। অনেক চক্রান্ত হচ্ছে, এটা দিল্লির চক্রান্ত। এই চক্রান্ত আমরা ব্যর্থ করে দেব। তিনি আরও বলেন, মনে রাখবেন, সুস্থ বাঘের থেকে আহত বাঘ আরও ভয়ঙ্কর।মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, তাঁর কাছ থেকে প্রশাসনিক অনেক ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তবে তিনি মানুষের শক্তির ওপরই ভরসা রাখছেন। তাঁর কথায়, আমি মানুষের ক্ষমতা চাই। মানুষই এর জবাব দেবে।অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশন এ বার অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে কড়া অবস্থান নিয়েছে। কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, কোথাও ভয় দেখানো হলে বা ভোট দিতে বাধা দেওয়া হলে তা গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে প্রয়োজন হলে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।কমিশনের এক পর্যবেক্ষক জানান, যদি কোনও ভোটার নিজের বুথে গিয়ে ভোট দিতে না পারেন বা বাধার মুখে পড়েন, তবে সেটিকে গুরুতর সমস্যা হিসেবে ধরা হবে। সেই ক্ষেত্রে পরিস্থিতি বিবেচনা করে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকও জানিয়েছেন, আগে পুনর্নির্বাচন ছিল ব্যতিক্রমী ঘটনা। কিন্তু এখন কোনও সন্দেহ বা অভিযোগ উঠলেই তা খতিয়ে দেখা হবে। প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরাও পুনর্নির্বাচনের সুপারিশ করতে পারবেন।এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য এবং কমিশনের কড়া অবস্থান দুই মিলিয়ে রাজ্যের নির্বাচনী আবহ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

টিকিট না পেয়ে বিস্ফোরক অসিত! রচনার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগে তোলপাড় চুঁচুড়া

সাংবাদিক বৈঠকে অসিত মজুমদার বলেন, রচনা চান না দেবাংশু জিতুক। সবাইকে নিয়ে চলার মানসিকতা তাঁর নেই। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার বলেছেন সবাইকে সঙ্গে নিয়ে চলতে, কিন্তু তিনি তা মানছেন না। এখানেই থেমে থাকেননি তিনি। তাঁর অভিযোগ, রচনার জন্যই তিনি টিকিট পাননি। তাঁর কথায়, আমি এখনও বিধায়ক, অথচ মিছিলে আমার নাম নেই। রচনা দেবাংশুকে নিয়ে মিছিল করবে আর নির্দেশ দেবে, এটা মেনে নেওয়া যায় না।তিনি আরও বলেন, যাঁরা টিকিট পাননি সেই ৭৪ জন বিধায়ককে অপমান করা হয়েছে। রচনাকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ও নতুন এসে দল শেখাবে? ও চান না দেবাংশু জিতুক। দীর্ঘদিনের সংগঠক হিসেবে নিজের ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন অসিত।সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমরা দীর্ঘদিন লড়াই করে দলকে এগিয়ে এনেছি। এখন যারা নতুন, তারা এসে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে। তাঁর অভিযোগ, দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে ভুল তথ্য পৌঁছে দেওয়া হয়েছে, যার ফলে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।ক্ষোভের সুরে তিনি আরও বলেন, দল যা বলেছে তাই করেছি। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে পুরনোদের আর বিশ্বাস করা হচ্ছে না। রচনাকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে তিনি বলেন, দম থাকলে চুঁচুড়ায় নির্দলে দাঁড়ান। আমিও দাঁড়াব। যদি ওর থেকে বেশি ভোট না পাই, তবে মাথা ন্যাড়া করে জেলায় ঘুরব।অন্যদিকে, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় এই অভিযোগ প্রসঙ্গে বলেন, নতুন প্রার্থী নির্ধারণ করেন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। পুরনো প্রার্থীদের ক্ষেত্রে মানুষের বিশ্বাস এবং সমর্থনের উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই প্রক্রিয়ার ভিত্তিতেই প্রার্থী নির্বাচন করা হয়েছে বলে তিনি জানান।এই ঘটনার পর চুঁচুড়া সহ গোটা রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। তৃণমূলের অন্দরমহলের এই দ্বন্দ্ব আগামী নির্বাচনে কী প্রভাব ফেলবে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেক আসার আগেই সভায় হাঙ্গামা, তৃণমূলের অন্দরেই সংঘাত প্রকাশ্যে

নওদায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভাকে ঘিরে আচমকা চরম বিশৃঙ্খলার পরিস্থিতি তৈরি হল। সভামঞ্চের সামনেই তৃণমূল কর্মীদের একাংশ বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং চেয়ার ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। একে অপরের দিকে চেয়ার ছুড়ে মারার ঘটনাও দেখা যায়। ফলে সভাস্থলের একটি বড় অংশ লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়।চোখে পড়ে, এক যুবক মঞ্চের সামনে এসে বসে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। তাঁর পরনে ছিল সাদা রঙের টি-শার্ট। মূলত বিধানসভা নির্বাচনে পছন্দের নেতাকে টিকিট না দেওয়ার অভিযোগেই এই বিক্ষোভ শুরু হয়।জানা গিয়েছে, তৃণমূলের ব্লক সভাপতি শফিউজ্জামান শেখ টিকিট না পাওয়ায় তাঁর অনুগামীরাই এই বিক্ষোভে সামিল হন। তাঁরা মিছিল করে সভামঞ্চের সামনে চলে আসেন। প্রথমে তাঁরা দর্শক আসনের বাইরে ছিলেন। পরে ব্লক সভাপতি ভিতরে ঢোকার পর হঠাৎ করেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য মঞ্চ থেকে দলের নেতারা বারবার কর্মীদের শান্ত থাকার আবেদন জানান। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কিছুক্ষণের মধ্যেই সভায় উপস্থিত হওয়ার কথা ছিল। তার আগেই ভাঙা চেয়ার গুছিয়ে নেওয়ার কথাও বলা হয়। কিন্তু সেই কথা অনেকেই উপেক্ষা করে বিক্ষোভ চালিয়ে যান। আগে থেকে বসে থাকা অনেককে সেখান থেকে উঠে যেতে বাধ্য করা হয়।এই ঘটনার জেরে সভাস্থলে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। সূত্রের খবর, নওদা কেন্দ্রে এ বার টিকিট পেয়েছেন শাহিনা মমতাজ। সেই কারণেই ব্লক সভাপতির অনুগামীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।এই ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত দলের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
কলকাতা

এক ধাক্কায় ৮৩ অফিসার বদলি, ভোটের আগে বড় পদক্ষেপ কমিশনের!

নির্বাচনের আগে প্রশাসনিক মহলে বড়সড় রদবদলের সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। এক ধাক্কায় ৮৩ জন বিডিও এবং সহকারী রিটার্নিং আধিকারিককে বদলি করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, রাজ্যের একাধিক জেলায় এই বদলি করা হয়েছে। এর মধ্যে পূর্ব মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সবচেয়ে বেশি সংখ্যক আধিকারিককে সরানো হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরে ১৪ জন এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ১১ জন আধিকারিকের বদলি হয়েছে।উত্তরবঙ্গের কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর এবং দক্ষিণ দিনাজপুরের একাধিক ব্লকের বিডিও বদল করা হয়েছে। মালদহ ও মুর্শিদাবাদের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্লকেও এই রদবদল হয়েছে। পাশাপাশি নদিয়া এবং উত্তর ২৪ পরগনার একাধিক জায়গাতেও বদলি হয়েছে আধিকারিকদের।দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সবচেয়ে বেশি পরিবর্তন হয়েছে। মগরাহাট, বাসন্তী, কাকদ্বীপ, ফলতা, বিষ্ণুপুর, মিনাখা, পাথরপ্রতিমা, ডায়মন্ড হারবার, মথুরাপুর, ক্যানিং ও ভাঙড়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ ব্লকে নতুন বিডিও নিয়োগ করা হয়েছে। হাওড়া এবং হুগলির বেশ কয়েকটি এলাকাতেও এই বদল কার্যকর করা হয়েছে।পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরি, চণ্ডীপুর, পটাশপুর, তমলুক, রামনগর, মহিষাদল, নন্দীগ্রাম, কাঁথি, এগরা, ভগবানপুর ও সুতাহাটার মতো জায়গাতেও একাধিক বিডিও বদলি হয়েছে। পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরেও একই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এছাড়াও পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান এবং বীরভূম জেলার একাধিক ব্লকের বিডিও বদল করা হয়েছে। এই হঠাৎ রদবদলকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।উল্লেখ্য, এর আগে একাধিকবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, ইচ্ছাকৃতভাবে প্রশাসনের আধিকারিকদের সরানো হচ্ছে। সেই অভিযোগের আবহেই কমিশনের এই বড় সিদ্ধান্তকে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

“আমাকে মারার ছক কষছে?” পুরুলিয়া থেকে বিস্ফোরক মমতা, তীব্র আক্রমণ শাহকে

শনিবার রাজ্যে এসে তৃণমূলের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে ধরেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কলকাতার একটি হোটেলে বসে তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করে বলেন, তিনি নাকি বারবার ভিক্টিম কার্ড খেলেন। এই মন্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে পুরুলিয়ার জনসভা থেকে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এবার কি আমাকে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করছে?শাহর অভিযোগ ছিল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কখনও পায়ে চোট পান, কখনও কপালে ব্যান্ডেজ বাঁধেন, আবার কখনও অসুস্থ হয়ে নিজেকে অসহায় হিসেবে তুলে ধরেন। তাঁর মতে, বাংলার মানুষ এই ধরনের রাজনীতি ভালোভাবেই বুঝে গিয়েছে এবং নির্বাচন কমিশনকে অপমান করা বাংলার সংস্কৃতির বিরোধী।এই বক্তব্যের পাল্টা দিতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ওরা বলছে আমি নাকি ব্যান্ডেজ নিয়ে ঘুরি। আমি বহুবার মৃত্যুর মুখ থেকে লড়াই করে ফিরেছি। হাসপাতালে গিয়ে আমার রিপোর্ট দেখে আসুন। আমার ওপর কী অত্যাচার হয়েছে, তা আপনারা জানেন না। তিনি আরও দাবি করেন, আগের নির্বাচনের সময় ইচ্ছা করে তাঁর পায়ে আঘাত করা হয়েছিল। তখনও তিনি প্লাস্টার নিয়ে হুইলচেয়ারে করে মানুষের কাছে পৌঁছেছিলেন।নন্দীগ্রামে বিধানসভা নির্বাচনের আগে তাঁর পায়ে চোট লাগার ঘটনাও তিনি তুলে ধরেন। সেই সময় তিনি অভিযোগ করেছিলেন, কিছু অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি তাঁকে ধাক্কা দেয়, যার ফলে গাড়ির দরজা তাঁর পায়ে লাগে। যদিও তদন্তে জানানো হয়েছিল, সেটি পরিকল্পিত হামলা নয়, বরং দুর্ঘটনা।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এভাবে কথা বলার মানে কী? কেউ কাউকে আক্রমণ করার আগে পরিকল্পনা করে। যে ভুল করে, সে কিছু প্রমাণ রেখে যায়। তাঁর কথাতেই বোঝা যাচ্ছে, কিছু একটা পরিকল্পনা চলছে।২০২৪ সালেও তাঁর মাথায় গুরুতর চোট লাগে। তখন জানা গিয়েছিল, নিজের বাড়িতে পড়ে গিয়ে তিনি আঘাত পান এবং কয়েকদিন তাঁর মাথায় ব্যান্ডেজ ছিল।মমতার এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার বলেন, মুখ্যমন্ত্রী আসলে ভয় পেয়েছেন। তাঁর দাবি, এই অভিযোগপত্র বাংলার মানুষের কথা বলছে এবং মুখ্যমন্ত্রীর উচিত রাজ্যের উন্নয়ন নিয়ে কথা বলা।

মার্চ ২৯, ২০২৬
কলকাতা

টিকিট না পেয়ে বিস্ফোরণ! তৃণমূল ছাড়ার ইঙ্গিত সুনীল সিংয়ের, নোয়াপাড়ায় বাড়ছে ক্ষোভ

প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হতেই রাজ্যের শাসকদলের অন্দরে অসন্তোষ বাড়ছে। অনেক বিধায়ক টিকিট না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। সেই ক্ষোভ এবার প্রকাশ্যে আনলেন নোয়াপাড়ার প্রাক্তন বিধায়ক সুনীল সিং। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, আর তৃণমূলে থাকতে চান না তিনি।নোয়াপাড়ায় তৃণমূলের প্রার্থী হিসেবে তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্যকে বেছে নেওয়ায় ক্ষুব্ধ সুনীল। তাঁর অভিযোগ, এলাকার বাইরে থেকে প্রার্থী এনে দলের ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, নোয়াপাড়ার মানুষ এই সিদ্ধান্তে খুশি নন। দলের কর্মীরাও ক্ষুব্ধ। তাঁর কথায়, এলাকায় অনেক যোগ্য নেতা থাকলেও তাঁদের কাউকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি।একইসঙ্গে তিনি বলেন, চারবারের বিধায়ক মঞ্জু বসুকে প্রার্থী না করায় নোয়াপাড়ার মানুষ অপমানিত বোধ করছেন। এই সিদ্ধান্ত মানুষ মেনে নেবে না বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর মতে, রাজ্যে যেমন পরিবর্তন এসেছিল, তেমনই নোয়াপাড়াতেও পরিবর্তন আসতে পারে।উল্লেখ্য, মঞ্জু বসুও আগে টিকিট না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। তিনি অভিযোগ করেছিলেন, টাকা না দেওয়ার কারণেই তাঁকে প্রার্থী করা হয়নি।সুনীল আরও প্রশ্ন তুলেছেন, কেন এলাকার বাইরে থেকে প্রার্থী আনা হল। তাঁর বক্তব্য, স্থানীয় অনেকেই প্রার্থী হওয়ার যোগ্য ছিলেন, কিন্তু তাঁদের কাউকেই বেছে নেওয়া হয়নি। তিনি দাবি করেন, নোয়াপাড়ার মানুষ বাইরের প্রার্থীকে ভোট দিতে রাজি নন।এর আগেও সুনীল সিংয়ের দলবদল নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। তিনি বিরোধী শিবিরের এক নেতার সঙ্গে দেখা করেছিলেন, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়। সেই সময় তাঁদের সৌজন্য সাক্ষাৎ নিয়েও অনেক জল্পনা তৈরি হয়েছিল।এখন সুনীল সিংয়ের গলায় স্পষ্ট অভিমান। তিনি বলেন, দলে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তাঁকে বিশ্বাস করা হয়নি। তাঁর মতে, যে দলে বিশ্বাস নেই, সেখানে থাকার কোনও মানে হয় না। তাই ভবিষ্যতে তিনি কী সিদ্ধান্ত নেবেন, তা নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal