• ৩ মাঘ ১৪৩২, রবিবার ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Cat

শিক্ষা

উচ্চমাধ্যমিকে প্রথম আলিপুরদুয়ারের অভীক, রাজ্যে মেয়েদের মধ্যে প্রথম হুগলির স্নেহা

প্রকাশিত হল উচ্চ মাধ্যমিকের রেজাল্ট। এবার ১৫টা জেলা থেকে ৫৮ জন প্রথম দশে স্থান পেয়েছে। হুগলিতে ১৩ জন, বাঁকুড়াতে ৯ দক্ষিণ ২৪ পরগানায় ৭, কলকাতায় ৫, পূর্ব বর্ধমান ও পূর্ব মেদিনীপুরের ৪ জন করে আছেন প্রথম দশে। উচ্চমাধ্যমিকে প্রথম হয়েছেন আলিপুরদুয়ারের অভীক দাস। পেয়েছেন ৪৯৬ অর্থাৎ ৯৯.২ শতাংশ। দ্বিতীয় সৌম্যদীপ সাহা ৪৯৫ নরেন্দ্রপুর হাইস্কুলের ছাত্র। ৪৯৪ পেয়ে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছেন অভিষেক গুপ্ত। রামকৃষ্ণ মিশন হাইস্কুল, মালদার ছাত্র অভিষেক। চতুর্থ প্রতীচি ও স্নেহা ঘোষ হুগলি থেকে। নম্বর ৫৯৩। মেয়েদের মধ্যে প্রথম স্নেহা। এবার পঞ্চম হয়েছেন ৭ জন। তাঁরা ৪৯২ পেয়েছেন।

মে ০৮, ২০২৪
শিক্ষা

দেখে নিন এক ঝলকে ২০২৪ মাধ্যমিকের মেধা তালিকা

প্রকাশিত হল ২০২৪ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল। এবারের রাজ্য মাধ্যমিকের মেধাতালিকায় প্রথম দশে রয়েছেন মোট ৫৭ জন কৃতী ছাত্র-ছাত্রী। মেধাতালিকায় ছেলেদের সংখ্যা ৪৫ জন এবং মেয়েদের সংখ্যা ১২ জন। যদিও পাশের হারে মেয়েরা এবার ছেলেদের থেকে বেশী পাশ করেছে। মাধ্যমিক ২০২৪-এ প্রথম দশের সম্পূর্ণ মেধাতালিকা জেনে নিন। মাধ্যমিক পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৮০ দিনের মাথায় ফলাফল বেরোলো। পাশের হারে শীর্ষে রয়েছে কালিম্পং জেলা। অন্য জেলাগুলির সফলতাও এবারে নজরকাড়া। কোন জেলার কোন পড়ুয়া সেরা দশে? রইল তার সবিস্তার তালিকা।প্রথম:চন্দ্রচূড় সেন। কোচবিহারের রামভোলা হাইস্কুলের এই কৃতী ছাত্রের প্রাপ্ত নম্বর ৬৯৩ (৯৯%)।দ্বিতীয়:সাম্যপ্রিয় গুরু পুরুলিয়া জেলা স্কুলের ছাত্র। তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ৬৯২ (৯৮.৯৬%)।তৃতীয়:এবারের মাধ্যমিকে তৃতীয় স্থানে রয়েছেন ৩ জন পরীক্ষার্থী। দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট হাইস্কুলের ছাত্র উদয়ন প্রসাদ, বীরভূমের ইলামবাজারের নিউ ইন্টিগ্রেটেড গভর্নমেন্ট হাইস্কুলের পুষ্পিতা বাঁশুরি ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের ছাত্র নৈঋতরঞ্জন পাল তৃতীয় স্থান অধিকার করেছেন। এদের প্রত্যেকের প্রাপ্ত নম্বর ৬৯১।চতুর্থ:এবারের মাধ্যমিক পরীক্ষায় চতুর্থ হয়েছেন হুগলির কামারপুকুর রামকৃষ্ণ হাইস্কলের ছাত্র তপজ্যোতি মণ্ডল। তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ৬৯০ (৯৮.৫৭%)।পঞ্চম:পূর্ব বর্ধমানের অর্ঘ্যদীপ বসাক ৬৮৯ নম্বর পেয়ে পঞ্চম স্থান অধিকার করেছেন। অর্ঘ্যদীপ পারুলডাঙা নসরতপুর হাইস্কুলের পড়ুয়া।ষষ্ঠ:মাধ্যমিকে ষষ্ঠ স্থানে ৬৮৮ নম্বর পেয়ে রয়েছেন মোট ৪ জন। এদের মধ্যে রয়েছেন দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট হাইস্কুলের কৃষাণু সাহা, পশ্চিম মেদিনীপুর কলেজিয়েট স্কুলের ছাত্র কৌস্তভ সাহু। দক্ষিণ ২৪ পরগনার নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের ছাত্র অলিভ গায়েন এবং মালদহের মোহামপুর এইচএসএসবি হাইস্কুলের ছাত্র মহম্মদ সাহারুদ্দিন।সপ্তম:৬৮৭ নম্বর পেয়ে মাধ্যমিকে সপ্তম স্থানে রয়েছেন মোট ৯ জন। তাঁরা হলেন দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট গার্লস হাইস্কুলের ছাত্রী আবৃত্তি ঘটক, কোচবিহারের মাথাভাঙা হাইস্কুলের আসিফ কামাল। বালুরঘাট গার্লস হাইস্কুলের অর্পিতা ঘোষ, বালুরঘাট হাইস্কুলের সাত্যদা দে, পূর্ব মেদিনীপুরের জ্ঞানদীপ বিদ্যাপীঠ হাইস্কুলের সুপমকুমার রায়, বীরভূমের সরোজিনী দেবী শিশু মন্দিরের আরত্রিক শ, পূর্ব মেদিনীপুরের বিবেকানন্দ মিশন আশ্রম শিক্ষায়তনের কৌস্তভ মল, নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণমিশনের আলেখ্য মাইতি।অষ্টম:৬৮৬ নম্বর পেয়ে মাধ্যমিকে অষ্টম স্থানে রয়েছেন পশ্চিম মেদিনীপুরের মেদিনীপুর মিশন গার্লস স্কুলের ছাত্রী তনুকা পাল, পূর্ব বর্ধমানের বর্ধমান বিদ্যার্থী ভবনের ছাত্রী ইন্দ্রাণী চক্রবর্তী, নদিয়ার কৃষ্ণনগর কলেজিয়েট স্কুলের ঋদ্ধি মল্লিক ও বর্ধমান মিউনিসিপাল হাইস্কুলের ছাত্র দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য।নবম:মাধ্যমিকে ৬৮৫ নম্বর পেয়ে নবম স্থানে দক্ষিণ দিনাজপুরের বাউল পরমেশ্বর হাইস্কুলের অস্মিতা চক্রবর্তী, এই জেলারই রৌণক ঘোষ, মালদহের মোহামপুর এইচএসএসবি হাইস্কুলের বিশালচন্দ্র মণ্ডল, এই স্কুলেরই আমিনুল ইসলাম। বীরভূমের সাইঁথিয়া টাউন স্কুলের চন্দ্রদীপ দাস, বাঁকুড়া মিশন গার্লস হাইস্কুলের অরুণিমা চট্টোপাধ্যায়, মেদিনীপুরের কলেজিয়েট স্কুলের ধৃতিমান পাল। ঝাড়গ্রামের রানি বিনোদমঞ্জরী গার্লস হাইস্কুলের অণ্বেষা ঘোষ, রামকৃষ্ণ শিক্ষা মন্দিরের সায়ক শাসমল ও সাগর জানা। দক্ষিণ ২৪ পরগনার নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের ঋতব্রত নাথ, ঋত্বিক দত্ত। নদিয়ার চাকদহের রামলাল অ্যাকাডেমির ছাত্র জিষ্ণু দাস, বিবেকানন্দ মিশন আশ্রম শিক্ষায়তনের সাগ্নিক ঘটক, শ্যামপুর হাইস্কুলের অরণ্যদেব বর্মন, সারজোনী বিদ্যাপীঠের সায়নদীপ মান্না।দশম:২০২৪ র মাধ্যমিকের মেধাতালিকায় দশম স্থানে রয়েছেন মোট ১৫ জন। এদের প্রত্যেকেরই প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৪। তারা হলেনঃ১। পূর্ব মেদিনীপুরের কন্টই মডেল ইন্সটিউশনের সম্পাদ পারিয়া, ঋতম দাস। ২। পূর্ব বর্ধমানের বর্ধমান বিদ্যার্থী ভবন গার্লস হাইস্কুলের ছাত্রী সম্পূর্ণা নাথ, ৩। হুগলির ইএলআইটি কো-এডুকেশন স্কুলের ছাত্র নীলাঙ্কন মণ্ডল, ৪। বাঁকড়ার তালডাংরা ফুলমতী হাইস্কুলের সৌমিক খান। ৫। পূর্ব বর্ধমানের পারুলডাঙা নসরতপুকর হাইস্কুলের অর্ণব বিশ্বাস, ৬। পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া কাশীরাম দাস ইন্সটিটিউশনের অনীশ কোনার।৭। উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জ গার্লস হাইস্কুলের ছাত্রী ভূমি সরকার, ৮। মালদহের মোজামপুর হাইস্কুলের বিশাল মণ্ডল, ৯। বাঁকুড়া জেলা স্কুলের সৌভিক দত্ত, গড় রায়পুর হাইস্কুলের ছাত্র সৌম্যদীপ মণ্ডল। ১০। পশ্চিম মেদিনীপুরের মেদিনীপুর শ্রীরামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যাবভনের ছাত্র অগ্নিভ পাত্র, ১১। দক্ষিণ ২৪ পরগনার নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের ছাত্র শুভ্রকান্তি জানা, ১২। সারদী বিদ্যাপীঠ হাইস্কুলের ইশান বিশ্বাস।

মে ০২, ২০২৪
রাজ্য

শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠদের বাড়িতে হানা ইডির

শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কলকাতার ৬টি স্থানে ইডির তল্লাশি অভিযান। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ একজন চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টের বাড়িতে, একজন পার্শ্ব শিক্ষকের বাড়িতে এবং ব্যবসায়ী মহেন্দ্র আগারওয়ালের বাড়িতে এবং অফিস সহ মোট ৬ জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে ইডি-র ৬টি দল। শিক্ষক দুর্নীতি মামলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মিডল ম্যান প্রসন্ন রায়কে জিজ্ঞাসাবাদে উঠে আসে এদের নাম। সেই পরিপ্রেক্ষিতেই শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ মহেন্দ্র আগরওয়ালের বাড়ি এবং অফিসে হানা দিল ইডি। মহেন্দ্র আগরওয়ালের মাধ্যমে নিয়োগ দুর্নীতির টাকা সাদা করা হতো বলে ইডি সূত্রে খবর। বেশকিছু গুরুত্বপূর্ন নথি ইতিমধ্যেই উদ্ধার হয়েছে বলে সূত্রের খবর। এই মহেন্দ্র আগারওয়ালের সঙ্গে একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তির যোগ রয়েছে বলেও ইডি সূত্রে খবর।

মার্চ ০৮, ২০২৪
নিবন্ধ

'পাখি' র, সাধ অনেক। সাধ্য অল্প। তবুও আয়োজন ছিল। যা 'না বললেই নয়"

না, পাখি-তে ফাঁকি নেই। ঠাস বুনন। সমকালীন জীবনকে তুলে ধরাই নাটকের ধর্ম। সময় তাই নাটকের প্রাণ ভোমরা। তাই মনোজ মিত্রের পাখিকে জানতে গেলে ফিরে যেতে হবে আজ থেকে প্রায় ৪৮ বছর আগে। নকশাল আন্দোলন এর অন্তিম পর্বে। কলকাতায় নুতন সরকার। গড়ের মাঠে পেলেকে রুখে দিচ্ছে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ সবুজ মেরুন বাহিনী। অন্যদিকে একে একে বন্ধ হচ্ছে শিল্প কারখানা। হারিয়ে যাচ্ছে তরুণের স্বপ্ন। উচ্চবিত্ত হচ্ছে মধ্যবিত্ত। মধ্য নিম্ন। সমাধি হচ্ছে স্বপ্নের।মনোজ মিত্রের পাখি নাটকে নীতিশ স্বপ্ন সমাধি। একদল অর্থপুষ্ট বন্ধুর সেলসম্যান সাথি। ফেরি করে। অন্যের বাড়িতে পৌঁছে দেয় হেরিকেন। তাদের বাড়িতে আলো জ্বলে। কিন্তু নিজের বাড়িতেই ঘোর অন্ধকার। স্বপ্ন বড় নয়। তবুও সমাজের চোখে তা দুঃস্বপ্ন। প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকায় বড়লোক বন্ধুদের খাওয়ানোর দুর্নিবার আকাঙ্ক্ষা। দশম বিবাহ বার্ষিকীতে নিজেকে খুঁজে পাওয়ার প্রচেষ্টা। অন্যদিকে কষ্টিপাথরে যাচাই করা যোগ্য সহধর্মিনী বিলাসিতাই ভাবে নীতু র স্বপ্নকে। নুন আনতে পান্তা পুরানো সংসারের ঘানি টানতে টানতে স্বপ্নই শেষ হয়ে গেছে তার জীবনে। কঠিন বাস্তবতার মোড়কে তার জীবন দর্শন। অর্থহীনরা প্রসব করে অর্থহীন স্বপ্ন। আবিষ্কার করতে হয় আত্মসম্মানকে বাঁচিয়ে রাখার নবনব কৌশল। তবুও স্বামীর পাশে। ভালোবেসে।নীতুর সাধ অনেক। সাধ্য অল্প। তবুও আয়োজন ছিল। ছিল হৃদয়বান মাসতুতো ভাইয়ের সাহচর্য, উষ্ণ উপস্থিতি। কিন্তু বাধ সাধলো একটা চিঠি। বড়লোক বন্ধুদের করুণা মাখা একটি ছোট্ট চিঠি। নিমন্ত্রণের ইচ্ছে প্রকাশই যথেষ্ট। আয়োজন বিলাসিতা। বেমানান। ব্যর্থ উপার্জনের সঙ্গে সঙ্গতে। গরিবির নির্মমতায় নিষ্পেষিত নীতু।স্বপ্নের সমাধিতে দিশেহারা নীতুর একমাত্র অবলম্বন শ্যামা। ভালোবাসাই সমাধান। নিজেদের পর্ণ কুঠিরে দুজনে খুঁজে পায় দুজনকে। মেতে উঠে ভালোবাসার আলিঙ্গনে। সোহাগে সান্ত্বনায় উপভোগ করে পূর্ণতা প্রাপ্তির আনন্দ।গত ২৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ বর্ধমান অনীকের সৌজন্যে সংস্কৃতি লোক মঞ্চে ফিরে এলো ১৯৭৭ সাল। শিল্প হারা রাজ্যের ঝরাজীর্ণ অর্থনীতির শিকার নীতু র চরিত্রে শিক্ষক ডক্টর দিলীপ বিশ্বাসের অসাধারণ উপস্থাপনায়। কখনো স্বপ্ন, কখনো সমাধি। কখনো আবেগময়, কখনো আবেগহীন। পরিশেষে বাস্তবতায় আত্মসমর্পণ। শ্যামার চরিত্রে সহধর্মিনী রুনু মুখোপাধ্যায়ের যোগ্য সঙ্গত। নিয়ন্ত্রিত আবেগ সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছে কঠিন বাস্তবের সম্মুখীন হওয়া একটি জীবনকে। যোগ্য কপতি। উকিলের চরিত্রে বাবলুদা এবং নিতুর ভাইয়ের চরিত্রে অনিমেষদার সাবলীল অভিনয়। টানটান নাটকে দর্শক মন্ডলী ক্ষণিকেই ফিরে গিয়েছিল ১৯৭৭ সালের কলকাতায়। শুনছিল সময়ের পদধ্বনি। আলোক-আবহ নিখুঁত এবং নিটোল! নেশা ছাপিয়ে যায় পেশা কে। তাই হয়তো অভিনয়ের গুণে বিভিন্ন পেশায় থাকা কুশীলবদের প্রত্যেকটি চরিত্র হয়ে উঠেছিল প্রাণশক্তিতে ভরপুর, জীবন্ত। সঠিকভাবেই আয়না ধরা হয়েছিল জীবনের প্রতি।অনন্তদেব গুহ, (শিক্ষক ও নাট্যপ্রেমী)

মার্চ ০৩, ২০২৪
রাজ্য

সেনা ও আধা-সেনার চাকরিতে জাল ডোমিসিয়াল সার্টিফিকেটের ছড়াছড়ি! অভিযোগ পেয়ে কাঁকিনাড়া থেকে গ্রেপ্তার দুই

ভারতীয় সেনা ও আধা-সেনার চাকরিতে বাংলার কোটায় জাল ডোমিসিয়াল শংসাপত্র দাখিল করে চাকরি পাওয়ার অভিযোগ বাংলা পক্ষের। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে কাঁকিনাড়া থেকে দুই বহিরাগত দালালকে আজ বৃহস্পতিবার ডায়ামন্ড হারবার জেলা পুলিস গ্রেপ্তার করে।সরকারি সুত্রে জানা গেছে, ডোমিসিয়াল সার্টিফিকেট সাধারণত দুধরনের হয়, ক্যাটাগরি-এ ও ক্যাটাগরি-বি। এ সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য অন্য রাজ্য থেকে আসা ওই ব্যক্তিকে সেই রাজ্যে দশ থেকে পনের বছর স্থায়ী ভাবে বসবাস করতে হবে। আর বি ক্যাটাগরি সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য অন্য রাজ্য থেকে আসা ওই ব্যক্তির কোনও নিকটাত্মীয়কে সেই রাজ্যে দশ বছরের বেশী স্থায়ী ভাবে বসবাসের প্রমান দাখিল করতে হবে।বাংলা ভাষা ও বাঙ্গালি সংগঠন বাংলা পক্ষ দীর্ঘদিন ধরেই এই জাল ডোমিসিয়াল বিষয়ে আওয়াজ তুলেছে। তাঁরা জনতার কথাকে জানায়, দক্ষিণ ২৪ পরগনার মহেশতলা থানার ঠিকানা দিয়ে জাল ডোমিসাইল সার্টিফিকেট বানিয়ে বাংলার রাজ্য কোটায় আধাসেনার চাকরি দখল করেছিল আদিত্য প্রতাপ সিং এবং অমিত সিং নামে দুই ব্যাক্তি৷ বাংলা পক্ষের স্থানীয় সদস্যেরা খোঁজ নিয়ে জানতে পারে, তাঁরা কেউই পশ্চিমবঙ্গে থাকে না, তাঁরা সকলেই অন্য রাজ্যের স্থায়ী বাসিন্দা। বাংলা পক্ষর মহেশতলা বিধানসভার সম্পাদক সুশাস্ত চক্রবর্তী মহেশতলা থানায় অভিযোগ জানিয়ে একটি এফআইআর করেন। সেই এফআইআর নং (FIR) - 535/23, Dated- 07/10/2023.বুধবার গভীর রাতে ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলের কাঁকিনাড়া থেকে জাল ডোমিসাইল ও জাল কাস্ট সার্টিফিকেট চক্রের অন্যতম দুই বহিরাগত পাণ্ডা বিক্কি চৌধারী ও রাজু চৌধারীকে গ্রেপ্তার করে ডায়ামন্ড হারবার পুলিস জেলার মহেশতলা থানা। বৃহস্পতিবার আলিপুর আদালত পেশ করলে বিচারক দুই অভিযুক্তের ৪ দিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। অন্যদিকে এই চক্রের আর এক মাথা কাঁকিনাড়ার এক সেনা জওয়ান রাহুল শার বিরুদ্ধে ১৭ মাহার রেজিমেন্টে তথ্য প্রমাণ সহ অভিযোগ জানানোর পর তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু করেছে সেনাবাহিনী।বাংলা পক্ষের শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি জনতার কথাকে জানান, আধাসেনায় বাংলার রাজ্য কোটার হাজার হাজার চাকরি দখল হয়ে যাচ্ছে। জাল সার্টিফিকেট বানিয়ে দালাল মারফৎ ভিন রাজ্যের লোকজন বাংলার চাকরি দখল করছে। গত এক বছর বাংলা পক্ষ এর বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন করছে। CRPF ভবনে বিক্ষোভ কর্মসূচীও করেছিল বাংলা পক্ষ। গত কয়েক মাসে ব্যারাকপুর, শ্রীরামপুর, চন্দননগর সহ বিভিন্ন মহকুমা শাসকের অফিসে, পুলিস সুপারের অফিসে বিক্ষোভ কর্মসূচী করেছে বাংলা পক্ষ। বিএসএফ, সিআইএসএফ সহ বিভিন্ন সেনা ক্যাম্পের বাইরেও ঘেরাও কর্মসূচী করেছে বাংলা পক্ষ। কলকাতা হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলাও করেছিল বাংলা পক্ষ। কৌশিক মাইতি আরও জানান তাঁরা এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত প্রতিটা দালাল কে গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছে। বাংলা পক্ষ বাংলার বাঙালি সহ ভূমিপুত্রদের বঞ্চিত হতে দেবে না বলে তিনি জানান।

জানুয়ারি ০৪, ২০২৪
রাজ্য

ডিএলএড ঐক্যমঞ্চ কলকাতায় মিছিলের পর একগুচ্ছ দাবি জানাল বিকাশ ভবনে

২০২২ প্রাথমিক টেট পাস ডিএলএড ঐক্যমঞ্চের প্রতিনিধি দল বিকাশ ভবনে ডেপুটেশন দিল। ছিল পাঁচ জনের একটি প্রতিনিধি দল। শিয়ালদহ থেকে ধর্মতলা মিছিল করার পর, পুলিশের গাড়ি করে তাঁদেরকে নিয়ে আসা হলো বিকাশ ভবনে।তাদের দাবি সমূহ১) TET-2023 এর রেজাল্টের আগে, ছয় বছর বঞ্চিত TET-2022 পাস দের সুযোগ দিতে, সমস্ত জেলার আপ টু ডেট শুন্যপদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে।২) RTE ACT মেনে সমস্ত প্রাথমিক স্কুলে পঞ্চম শ্রেণি যুক্ত করে ছাত্র-শিক্ষক অনুপাতে পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে।৩) পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ সভাপতির প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, বছরে দুবার প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করতে হবে।8) TET-2022 পাস করা সকদের নাম, রোল নং, ট্রেনিং ধরণ, টেট মার্কস, পিডিএফ আকারে প্রকাশিত করতে হবে।৫) B.Ed/B.Ed(Special Education), Certificate/Diploma in Physical Education/B. P.Ed এবং NIOS এর ট্রেনিং দিয়ে TET পাস করা প্রার্থীদের Eligibility Certificate নোটিফিকেশন দিয়ে বাতিল করতে হবে।৬) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় EXEMPTED CATEGORY শুন্যপদ পূরণ করতে পর্যাপ্ত প্রার্থী পাওয়া না গেলে বাকি থাকা শুনাপদ NON-EXEMPTED CATEGORY তে থাকা প্রার্থী দিয়ে পূরণ করতে হবে

জানুয়ারি ০২, ২০২৪
রাজ্য

নিয়োগ প্রার্থীদের সঙ্গে বৈঠক শিক্ষামন্ত্রীর, চলে এল আদালত প্রসঙ্গ

শিক্ষক নিয়োগ জট কাটাতে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর সঙ্গে বৈঠক করলেন এসএলএসটি চাকরিপ্রার্থীদের ৭ প্রতিনিধি। বৈঠকে ছিলেন কুণাল ঘোষও। ঘটা করে বৈঠক চলল ২ ঘন্টা। ফলাফল কী হল? সোমবার বিকাশ ভবনের বৈঠকের পরও বাস্তবে অবস্থার তেমন বদল হচ্ছে কি? সেটাই মূল প্রশ্ন। এ দিনের বৈঠক শেষে বেরিয়ে চাকরিপ্রার্থীরা দাবি করেছেন, তাঁরা নিয়োগের আশ্বাস পেয়েছেন শিক্ষামন্ত্রীর থেকে। আইনি জট কাটানোর নির্দেশ দিয়েছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী। ২২ ডিসেম্বর আবারও শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে তাঁদের বৈঠক হবে।এসএলএসটি আন্দোলনের হাজারতম দিনে মাথার চুল কামিয়ে শিরোনামে আন্দোলনরত চাকরিপ্রার্থী রাসমনি পাত্র। এদিনের বৈঠকে ছিলেন তিনি। বৈঠক শেষে রাসমনি বলেছেন, কোথায় জট, তা জানতে এসেছিলাম। আমাদের বলা হয়েছে, দ্রুততার সঙ্গে নিয়োগ দিয়ে বাড়ি পাঠানো হবে। কবে নিয়োগ সেটা ২২ তারিখ জানতে পারব। মাননীয়ার উদ্যোগে আশা করি আমরা দ্রুত স্কুলে ফিরতে পারব। জীবনটা বাঁচবে। আমরা খুবই খুশি হয়েছি আজকে।বৈঠকে উপস্থিত আন্দোলনকারী চাকরিপ্রার্থীদের এক প্রতিনিধি মতিউর রহমান বলেন, ১৬ মাস পর বৈঠক হল। কিছু দিন আগে অবধি বিভিন্ন দফতরের মধ্যে যোগাযোগের সমস্যা হচ্ছিল। আজকের বৈঠকে বুঝলাম দফতরগুলির মধ্যে সংযোগ হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী আইনি জট কাটিয়ে নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছেন। আমরা এখন জানতে চাই সেই ফল কবে পাবো তার তারিখ চাই। আলোচনায় বলা হয়েছে, আগামী ১০ দিনের মধ্যে এ ব্যাপারে কতদূর অগ্রগতি হয়েছে, তার রিপোর্ট দিতে হবে। আপাতত ২২ ডিসেম্বর সেই রিপোর্ট পেশের দিন ঠিক হয়েছে। ওই দিন মিটিংয়েই আমরা এ বিষয়ে জানতে পারবো। পাশাপাশি তাঁর দাবি, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছে, সমস্ত আইনি জটিলতা কাটিয়ে যেন নবম-দশম এবং একাদশ-দ্বাদশের চাকরিপ্রার্থীদের নিয়োগ দেওয়া হয়। মোট ৫৫৭৮ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। সরকার কার্যকর ভূমিকা নিচ্ছে। আশা করছি দ্রুত সমস্যার জট খুলবে।শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেন, আইনি জটিলতা দ্রুত কাটবে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চাকরি দিতে পারবেন। উনিই চাকরি দেবেন। আমার জট কাটানোর চেষ্টা করছি। আদালত যা বলবে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে পরামর্শ করে নিয়োগ দিতে শুরু করব। সুপ্রিম কোর্টের একটি তারিখ পাওয়া নিয়ে সমস্যা হচ্ছে। সেই জট কাটলেই নিয়োগ দেওয়া শুরু হবে।তবে নিয়োগপত্র হাতে না পাওয়া পর্যন্ত ধর্মতলার গান্ধীমূর্তির পাদদেশে এসএলএসটি চাকরিপ্রার্থীদের ধর্না আন্দোলন চলবে বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।নিয়োগের প্যানেলের মেয়াদ ১ বছর থাকে বলে জানিয়েছিলেন হাইকোর্টের আইনজীবী তথা তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন এ প্রসঙ্গ উঠতেই চাকরিপ্রার্থীরা মেনে নেন যে কোনও স্বচ্ছ প্যানেলের মেয়াদ ১ বছরই থাকে। তবে একইসঙ্গে তাঁদের বক্তব্য, যে প্যানেল বিচারাধীন, তার মেয়াদ উত্তীর্ণ হয় না। সে কারণে চলতি মাসেও এই প্যানেল থেকেই চাকরি হয়েছে। তাই এ নিয়ে তাঁরা চিন্তিত নন। আন্দোলনকারীদের দাবি, এ নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি। কথা হয়েছে আইনি জটিলতা কাটানো নিয়ে। আমরা খুশি বৈঠকে। এই সমন্বয় থাকলে সমস্যা মিটবে। আমরাও দ্রুত নিয়োগ পাব।চাকরিপ্রার্থীদের প্রতিনিধি হয়ে সোমবার বিকাশ ভবনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কুণাল ঘোষ। বৈঠক শেষে তিনি বলেছেন, মুখ্যমন্ত্রী চান, অভিষেক চান জটিলতা কাটুক। কিছু জটিল জায়গা রয়েছে। আইনের মাধ্যমে কাটাতে হবে। ওঁরা দাবি রাখছিলেন, সরকারের কিছু বাধ্যবাধকতা ছিল। আজকের বৈঠক ইতিবাচক, ফলপ্রসূ। আইনি জট কাটাতে সরকারের তরফে এসএসসির তরফে যা যা ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। আশা করা যায় জটিলতা কাটবে। কোথাও না কোথাও ভুল হয়েছিল। তার জন্য জটিলতা। অনেক ছেলেমেয়েকে ভুগতে হয়েছে। সমস্ত দিক সামলে সমাধানের পথ বার করা হচ্ছে।

ডিসেম্বর ১১, ২০২৩
রাজ্য

পার্থর বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের চিকিৎসার জন্য আদালতের নির্দেশ জেল কতৃপক্ষকে

পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পর এবার অর্পিতা মুখোপাধ্যায়। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জেলবন্দি অর্পিতা মুখোপাধ্যায় অসুস্থ। তাঁর চিকিৎসার ব্যাপারে এবার জেল কর্তৃপক্ষকে নিজেদের দায়িত্ব মনে করাল আদালত। মঙ্গলবার বিচার ভবনে প্রাথমিকে নিয়োগ সংক্রান্ত ইডির মামলার শুনানি ছিল। সেই শুনানিতেই জেল কর্তৃপক্ষকে আদালত অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের চিকিৎসায় যাতে কোনও ত্রুটি না হয় সেব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলেছে।উল্লেখ্য, বিচার ভবনে আজ প্রাথমিকে নিয়োগে ইডির মামলার শুনানি ছিল। সেই শুনানিতে পার্থ চট্টোপাধ্যায়, অর্পিতা মুখোপাধ্যায়-সহ অন্যান্য অভিযুক্তদের হাজিরার কথা ছিল। তবে শারীরিক অসুস্থতার কারণে এদিন সশরীরে আদালতে হাজির হননি অর্পিতা মুখোপাধ্যায়। ভার্চুয়ালি আদালতে হাজিরা দিছেছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বান্ধবী। জেলে তাঁর অসুস্থতার চিকিৎসা চললেও তা পর্যাপ্ত নয় বলে মনে করেন অর্পিতা মুখোপাধ্যায়।এদিন অর্পিতার সঙ্গে ভার্চুয়ালি কথা হয়েছে বিচারকের। তবে তাঁর আইনজীবী এদিন সওয়াল করতে গিয়ে জানান, অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের চিকিৎসার জন্য উন্নত কোনও বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া দরকার। তবে আদালত অনুমতি দিলে কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনস্থ কম্যান্ড হাসপাতালেও তাঁর মক্কেলের চিকিৎসা হতে পারে।এরপরেই জেল কর্তৃপক্ষকে তাঁদের দায়িত্ব মনে করিয়ে দিয়েছেন বিচারক। তিনি এদিন জেল কর্তৃপক্ষের উদ্দেশ্যে জানান, তাঁদের কাজে যেন কোনও সন্দেহ তৈরি না হয়। অর্পিতা মুখোপাধ্যায় যেন এটা বুঝতে পারেন যে তাঁর প্রয়োজনীয় চিকিৎসা করা হচ্ছে। এরপরেই বিচারক জেল কর্তৃপক্ষের উদ্দ্যেশ্যে আরও বলেন, চিকিৎসার জন্য তো আপনারা এসএসকেএমে-ও পাঠান। সেটাই তো রাজ্যের বেস্ট সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল। এটা দয়া করে দেখুন। ওঁর চিকিৎতা যেন দ্রুত হয়।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২৩
রাজ্য

নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আদালতের কড়া নির্দেশ, নিজাম প্যালেস ছুটলেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি

নির্দেশ ছিল। শেষমেশ সেই নির্দেশ কার্যকরী করতে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি গৌতম পাল সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে নিজাম প্যালেসে পৌঁছেও গিয়েছেন। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গৌতম পালকে সিবিআইয়ের তদন্তকারীদের মুখোমুখি হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। নির্দেশ না মানলে গ্রেফতারির হুঁশিয়ারিও ছিল। শেষমেশ নির্ধারিত সময়েই চতুর্থীর ভিড় ঠেলে নিজাম প্যালেসে পৌঁছান পর্ষদ সভাপতি।শুধু গৌতমবাবু নয়, পাশাপাশি পর্ষদের ডেপুটি সেক্রেটারি পার্থ কর্মকারকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। প্রয়োজনে তাঁদের হেফাজতে নিয়ে সিবিআই জেরা করতে পারেন বলে নির্দেশে উল্লেখ করা হয়।বুধবার কলকাতা হাইকোর্টে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে প্রাথমিকের নিয়োগ দুর্নীতি মামলার শুনানি চলে। ওএমআর শিট সংক্রান্ত মামলায় এদিন সিবিআইকে আদালতে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি। জানা গিয়েছে, সেই রিপোর্টে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। উল্লেখ রয়েছে, এস বসু রায় এণ্ড কোম্পানি এমনভাবে ওএমআর শিট তৈরি করেছিল যাতে প্রার্থীর নাম, রোল নম্বর কোনও কিছু স্পষ্ট বোঝা না যায়। এমনকী পর্ষদের কাছে ওএমআর শিট সংক্রান্ত তথ্য চাওয়া হলেও তাঁরা নতুন প্রিন্ট করা কপিকেই ডিজিটাইজ ডাটা হিসাবে দাবি করছেন।এরপরই বিচারপতি জানান, সিবিআইয়ের রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য ওএমআর শিট দুর্নীতিতে যুক্ত ছিলেন। এই দুর্নীতি সামনে আসার পরও বর্তমান বোর্ড সদস্যরা কীভাবে এস বসু রায় এণ্ড কোম্পানিকেই ওএমআর শিট তৈরির দায়িত্ব দিলেন? এ জন্যই পর্ষদ সভাপতিকে জিজ্ঞসাবাদের প্রয়োজন রয়েছে। তারপরই পর্ষদের বর্তমান সভাপতি গৌতম পাল ও সেক্রেটারি পার্থ কর্মকারকে আজ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করার জন্য সিবিআইকে নির্দেশ দেন বিচারপতি। ফলে গৌতম পালকে বুধবার সন্ধ্যা ৬ টার মধ্যে নিজাম প্যালেসে হাজিরা দিতে হবে। নির্দেশে বলা হয়েছে, সিবিআই চাইলে সেক্রেটারিকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা যেতে পারে। তারপর বোর্ডের অন্যান্য সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করা যেতে পারে। যদি বোর্ড সদস্যেদের কেউ সহযোগিতা না করেন তাহলে তাঁদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে সিবিআই।

অক্টোবর ১৮, ২০২৩
নিবন্ধ

রবিবাসরীয় সাহিত্য বাসরে জমজমাট সাহিত্য চর্চা বর্ধমানে

আজ রবিবার, সপ্তাহান্তের এই ছুটির দিনে বর্ধমানের সাহিত্য প্রেমী মানুষজন মিলিত হয়েছিলেন কবিতা কুটির সাহিত্য পত্রিকার জন্মদিন পালনে। ২০১৫ র ২৪ শে সেপ্টেম্বর কবি অতনু নন্দী কয়েকজন কবি, সাহিত্যিক-কে নিয়ে তৈরী করেন এক সাহিত্য প্রতিষ্ঠান। নাম দেন কবিতা কুটির সাহিত্য পত্রিকা। গুটি গুটি পায়ে হাঁটতে হাঁটতে কৈশোর ছাড়িয়ে কবিতা কুটির সাহিত্য পত্রিকা আজ কবিতা কুটির সাহিত্য পরিবার হয়ে যৌবনে পদার্পন করেছে। মাত্র হাতে গোনা কয়েকজনকে নিয়ে শুরু করে বর্তমানে কবিতা কুটির সাহিত্য পত্রিকার সদস্য সংখ্যা ১১০০০!আর এই সেপ্টেম্বর মাসেই শুরু হলো আরও একটি প্রতিষ্ঠানের পথ চলা অরিত্র প্রকাশনী। অরিত্র প্রকাশনী হলো সেই প্লাটফর্ম যেখানে এসে লেখক ও প্রকাশক আত্মীয় হয়ে ওঠেন। আজ বর্ধমানের নান্দুরে কবি মৃত্যুঞ্জয় সরকারের বাসভবন আভোগ এ এক সাহিত্য বাসরের আয়োজন করা হয়।উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিখ্যাত নাট্য ব্যাক্তিত্ব ও বর্ধমান ড্রামা কলেজের অধ্যক্ষ শ্রী ললিত কোনার, নাট্য ব্যক্তিত্ব শ্রী রমাপতি হাজারা, বাচিক শিল্পী শ্রীমতি শতরূপা দাস চৌধুরী, এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কবিতা কুটির সাহিত্য পত্রিকার পরিচালক শ্রী কিঙ্কর বেজ, ইদ্রানী কুন্ডু, সুনন্দা মালাকার ও সাহিত্যিক শ্রী ধনঞ্জয় হাজরা ও হাপিজ মোল্লা সহ আরও অনেকে।আজ প্রাক শারদীয়ার বর্ষণ মুখর দিনে বর্ধমান শহরের অদূরে এক মনোরম পরিবেশে কবিতা পাঠ, শ্রুতি নাটক, সাহিত্য চর্চা সহ নানাবিধ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এক মনোগ্রাহী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হলো। অনুষ্ঠানের শেষে উপস্থিত সকল অতিথি বৃন্দ, কবি, সাহিত্যিকদের কবিতা কুটির সাহিত্য পরিবার ও অরিত্র প্রকাশনীর পক্ষ থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সম্পাদক শ্রী অতনু নন্দী সকলকে অভিনন্দন ও আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৩
রাজ্য

নকল বিলেতি মদের কারখানায় হানা আবগারি দপ্তরের

একেবারে বিলেতি মদের আসল লেবেল ও বোতল ব্যবহার করে তৈরি হচ্ছিল নকল বিলেতি মদ। রীতিমতো ঘর ভাড়া করে অবৈধ কারখানা গড়ে উঠেছিল হরিরামপুরে। সেখান থেকেই রম রমিয়ে এলাকার বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে যেত নকল বিলেতি মদ। হরিরামপুর, বংশীহারী, গঙ্গারামপুর, বালুরঘাট ,তপন, হিলি কুমারগঞ্জ সহ জেলার বিভিন্ন ব্লকে পৌঁছে যেত নকল এই বিলেতি মদ। গোপন সূত্রের খবরের ভিত্তিতে আবগারি দপ্তরের দুই দিনাজপুর সহ মালদা ও উত্তর দিনাজপুরের বিশেষ টিম নকল বিলেতি মদের কারখানায় হানা দেয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছেই চক্ষু চারকগাছ আবগারি দপ্তরের আধিকারিকদের। উদ্ধার হয় ৩৭৫ এমএলএর ম্যাকডয়েল নাম্বার ওয়ান লাক্সারি, ইম্পিরিয়াল ব্লু এর ২৬ বোতল সিলপ্যাক নকল মদ। এছাড়াও ২০০ লিটার স্পিরিট, নকল হলগ্রাম, লেবেল,স্টিকার নকল মদের বোতল কেমিক্যাল সহ অন্যান্য সামগ্রী। সমগ্র নকল মদ রেডি হলে এর বাজার মূল্য প্রায় ১১ লক্ষ টাকা।হরিরামপুর এর চোপা এলাকায় গড়ে ওঠা এই নকল বিলেতি মদের কারখানা থেকে মনোরঞ্জন বর্মন নামক বছর ৪৫ এর এক ব্যক্তিকে আটক করে আফগারি দপ্তর। যদিও আগেভাগেই ফেরার হয় মূল অভিযুক্ত সহ চক্রের অন্যান্য পান্ডারা।শনিবার নির্দিষ্ট ধারায় মামলার রুজু করে গঙ্গারামপুর মহকুমা আদালতে তোলা হয় ধৃত ব্যক্তিকে। আফগারি দপ্তরের আধিকারিক সঞ্জীব সুপ্পা জানিয়েছেন এই ধরনের নকল বিলেতি মদ স্বাস্থ্যের পক্ষে অত্যন্ত হানিকারক। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। নকল বিলেতি মদ পশ্চিমবঙ্গ ছাড়িয়ে অন্যান্য রাজ্যে রপ্তানি হতো কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে আধিকারিকদের পক্ষ থেকে।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৩
রাজ্য

পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে কি কথা হল শোভন চট্টোপাধ্যায়ের? বৈশাখী তখন কি করছিলেন?

একদা একসঙ্গেই দল করতেন।একজনের ইডির তালিকায় নামও ছিল। গ্রেফতারও হয়েছিলেন। আরেকজন শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জেলবন্দি। এবার তাঁদের দেখা হল আলিপুর কোর্ট লকআপে। দুজনই রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী। প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা হল কলকাতার প্রাক্তন মেয়র ও রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী শোভন চট্টোপাধ্যায়ের।শনিবার বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আলিপুর আদালতে গিয়েছিলেন প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়। সেখানে জানতে পারেন ওই কোর্ট লকআপেই রয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। গাড়িতে উঠেছিলেন কিন্তু ফের তিনি নেমে পড়েন। একসময়ের সহকর্মীর সঙ্গে দেখা করতে কোর্ট লকআপে যান শোভন। দূর থেকে তাঁদের মধ্যে কথাও হয়।দুজনে কী কথা বললেন?শোভন চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, দূর থেকে দেখলাম। দেখা করার সেই পরিবেশ, পরিস্থিতি নেই।পার্থ চট্টোপাধ্যায় কী পরিস্থিতির শিকার? শোভন বলেন, পার্থদা পরিস্থিতির শিকার তো বটেই! আমাকেও তো গ্রেফতার করা হয়েছিল। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তো আর প্রশাসন থেকে আলাদা কিছু নয়! এত দিন এক সঙ্গে ছিলাম। না দেখা করে চলে গেলে মনে হত, এখান থেকে চলে গেলাম! দূর থেকে দেখা হয়েছে। স্বাস্থ্য নিয়ে খোঁজ নিয়েছি। শোভন যখন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে যান তখন বৈশাখী গাড়িতেই বসেছিলেন। এই প্রসঙ্গে বৈশাখী বলেছেন, দীর্ঘ দিনের সঙ্গী তো।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২৩
রাজ্য

এসএসিটি প্রতিনিধি দলের সাথে শিক্ষা মন্ত্রীর বৈঠকে আশার আলো দেখছেন শিক্ষকরা

রাজ্যের প্রায় ১৪৫০০ এসএসিটি-র পক্ষ থেকে নয় দফা দাবি সম্বলিত এক স্মারকলিপি নিয়ে বৃহস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর সঙ্গে বৈঠক করলেন স্টেট এডেড কলেজ টিচার্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েসন এক প্রতিনিধি দল। সংগঠনের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক গোপাল চন্দ্র ঘোষের নেতৃত্বে তৃণমূল ভবনে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করে এই প্রতিনিধি দল।বেতন বৃদ্ধি, প্রভিডেন্ট ফান্ড, চাইন্ড কেয়ার লিভ, কলেজ সার্ভিস কমিশনের নিয়োগে সহ আরও নয় দফা দাবি নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে তাঁদের আলোচনা হয়। গোপাল চন্দ্র ঘোষ জানান, দাবিগুলি নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী তাঁদের আস্বস্ত করেছেন। সংগঠনের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক গোপাল চন্দ্র ঘোষ আরও বলেন, এই প্রথম রাজ্যের কোনও শিক্ষক সংগঠন শিক্ষামন্ত্রী অধ্যাপক ব্রাত্য বসুর সাথে তাঁদের দাবী দাওয়া নিয়ে বৈঠক করলো। যথেষ্ট ইতিবাচক হয়েছে এই আলোচনা। মন্ত্রী মশায় দীর্ঘ সময় ধরে মনোযোগ সহকারে আমাদের দাবীগুলি শুনেছেন। আমাদের দাবীর মধ্যে অনেকগুলো দাবি প্রাসঙ্গিক বলে তিনি নিজেই সহমত হয়েছেন এবং এবিষয়ে নির্দিষ্ট এক আধিকারিককে দায়িত্বও দিয়েছেন যাতে অতি সত্তর এর সমাধান বার করা যায়। গোপাল ঘোষ জানান, তাঁরা আশাবাদী, এবং আগামীদিনে আরো অনেক সমস্যা নিয়ে খুব শীঘ্রই তাঁরা আবার আলোচনায় বসবেন মন্ত্রীর সঙ্গে।প্রতিনিধি দলের অন্যতম সদস্য এসএসিটি অধ্যাপক ও স্টেট এডেড কলেজ টিচার্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েসন পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান জেলা প্রেসিডেন্ট তারকনাথ মুখোপাধ্যায় জনতার কথা কে জানান, তাঁরা তাঁদের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক গোপাল চন্দ্র ঘোষের নেতৃত্বে সাত জনের এক প্রতিনিধি দল শিক্ষা মন্ত্রী ব্রাত্য বসুর সাথে সাক্ষাৎ করে নয় দফা দাবী সম্বলিত এক স্মারকলিপি পেশ করেন।তিনি আরও জানান, শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য ব্রাত্য বসু এই প্রথমবার কোনও শিক্ষক সংগঠনের সাথে সাক্ষাত করেন। তারকনাথ আরও জানান, তাঁদের দীর্ঘদিনের যে সমস্যা, মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রী দীর্ঘক্ষণ সময় দিয়ে অত্যন্ত মনোযোগ সহকারে শুনেছেন, এবং এ ব্যাপারে যথাযত ব্যবস্তা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। তারকনাথ বলেন, শিক্ষা মন্ত্রী তাঁদের প্রতিনিধি দলকে আশ্বস্ত করেছেন সব সমস্যার সমাধান এক্ষনি করা সম্ভব না হলেও, প্রাইরিটি দিয়ে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এক এক করে সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করবেন বলে কথা দিয়েছেন।স্টেট এডেড কলেজ টিচার্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েসন পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান জেলা প্রেসিডেন্ট তারকনাথ মুখোপাধ্যায় জানান, শিক্ষা মন্ত্রী ব্রাত্য বসু তাঁদের সামনেই তাঁর দপ্তরের এক আধিকারিককে দায়িত্ব দিয়েছেন প্রতিনিধি দল ও শিক্ষা দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় সাধন করার জন্য। প্রতিনিধি দলের তরফে সংগঠনের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক গোপাল চন্দ্র ঘোষ জানিয়েছেন, তাঁরা অত্যন্ত খুশি এই বৈঠকে, বৈঠক যথেষ্ট ফলপ্রসু হয়েছে এবং আমরা আশাবাদী আমাদের দাবিদাওয়া সবিচার পাওয়ার ব্যাপারে।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২৩
রাজ্য

জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের মেয়ে প্রিয়দর্শিনী উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের নতুন সচিব

এসএসসিতে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগে চাকরি গিয়েছিল তৎকালীন শিক্ষা দফতরের প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীর মেয়ের। এবার আরেক মন্ত্রীর মেয়ে বড় পদ পেলেন শিক্ষা দফতরে। উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের নতুন সচিব পদে নিযুক্ত হলেন প্রিয়দর্শিনী মল্লিক। যিনি সম্পর্কে রাজ্যের বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের মেয়ে । ৩১ জুলাই নিয়োগ-বিজ্ঞপ্তি জারি হলেও এই নিয়োগের বিষয়টি জানা গিয়েছে বুধবারই। প্রিয়দর্শিনী তিন বছর সচিবের দায়িত্ব সামলাবেন বলেই নির্দেশিকায় উল্লেখ রয়েছে। জ্যোতিপ্রিয় কন্যা আশুতোষ কলেজের মাইক্রো বায়োলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপিকা হিসাবে কর্মরতা ছিলেন।তাপস কুমার মুখোপাধ্যায় স্বয়ং উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সচিব পদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়েছিলেন। তাপসবাবুর যুক্তি ছিল, আগামী বছর উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হচ্ছে ১৬ ফেব্রুয়ারি থেকে। কিন্তু ৪ তারিখ তিনি দায়িত্ব ছাড়ার পর নতুন যিনি তাঁর জায়গায় আসবেন, তিনি সেই দায়িত্ব সামলাতে মুশকিলে পড়বেন। তাই আগেভাগেই পদ ছেড়ে দিতে চেয়েছিলেন তাপসবাবু। প্রশাসন তাপস মুখোপাধ্যায়ের আবেদনকে মান্যতা দিয়েছে। সংসদের সচিব পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয় তাঁকে। শেষমেষ প্রিয়দর্শিনী মল্লিককে সচিব হিসাবে পেল উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। তবে নির্দেশের প্রতিলিপি হাতে না মেলায় এখনই সংবাদ মাধ্যমে কোনও প্রতিক্রিয়া দিতে চাননি প্রিয়দর্শিনী।রাজ্যের এক মন্ত্রীর মেয়েকে শিক্ষা প্রশাসনে নিয়োগ ঘিরে জোর বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। এর আগে ২০২১ সালে মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের স্ত্রী মণিদীপা এবং কন্যা প্রিয়দর্শিনীর মল্লিকের বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছিল প্রধান বিরোধী দল। বিজেপি-র অভিযোগ ছিল, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ক্ষমতার অপব্যবহার করে কয়েক কোটি টাকার আর্থিক তছরূপ করেছিলেন। এর সঙ্গে জড়িত মন্ত্রীর স্ত্রী ও কন্যাও। রীতিমতো ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য এবং আয়কর রিটার্ন-এর কাগজপত্র পেশ করে অভিযোগের বিষয়টি জোড়ল করতে চেয়েছিল বিজেপি নেতৃত্ব।

আগস্ট ০২, ২০২৩
রাজ্য

পূর্ব বর্ধমানের পর্ষদ চেয়ারম্যান মধুসূদন ভট্টাচার্যকে বরখাস্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

প্রাথমিকের পোস্টিং দুর্নীতির তদন্তে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশে তোলপাড় কাণ্ড। মঙ্গলবার রাতেই অপসারিত পর্ষদ সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যকে জেরা করতে প্রেসিডেন্সি জেলে পৌঁছেছিল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। এরপর বুধবার সকাল থেকে মানিককে দফায় দফায় জেরা চলে। এসবের মধ্যেই এদিন হাইকোর্টে ফের কড়া নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের চেয়ারম্যানকে বরখাস্তের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। হাইকোর্টের তরফে শিক্ষা দফতরের সচিবকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।পূর্ব বর্ধমানের প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে রয়েছেন মেমারির তৃণমূল বিধায়ক মধুসূদন ভট্টাচার্য। শিক্ষকের স্থানান্তর সংক্রান্ত একটি মামলার প্রেক্ষিতে এর আগে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ ছিল, পূর্ব বর্ধমান জেলা শিক্ষা পর্ষদের চেয়ারম্যানকে আদালতে হলফনামা জমা দিতে হবে। কিন্তু চেয়ারম্যানের পরিবর্তে পর্ষদের একজন আপার ডিভিশন ক্লার্ক এই হলফনামা জমা দেওয়ায় চরম অসন্তুষ্ট কলকাতা হাইকোর্ট। সেই কারণে পর্ষদ চেয়ারম্যানকে ছুটিতে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।কেন তিনি নিজে যাননি? তারওপর আপার ডিভিশন ক্লার্ককে পাঠিয়েছেন দিয়ে হলফনামা জমা দিতে। জবাবে মধুসূদন ভট্টাচার্য আদালতে জানান, তিনি করোনা ও ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ছিলেন। শারীরিক অসুস্থতার কারণেই তিনি নিজে না গিয়ে অন্য একজন পর্ষদ কর্মীকে দিয়ে হলফনামা জমা করিয়েছেন। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের কাছে ক্ষমাপ্রার্থনাও করেন তৃণমূল বিধায়ক।মধুসূদনের বক্তব্য শুনে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, অসুস্থ হলে পদত্যাগ করুন। অন্য লোক কাজ করবেন। আমি মনে করি আপনি শারীরিকভাবে এই পদে কাজ করতে অপারগ। এরপরই পর্ব বর্ধমানের জেলা পর্ষদের চেয়ারম্যানকে ছুটিতে পাঠানোর নির্দেশের দেন বিচারপতি। পাশাপাশি শিক্ষাসচিবকে আদালতের নির্দেশ কার্যকরে উপযুক্ত পদক্ষেপ করতে বলেন।দিল্লি থেকে দুপুরে কলকাতায় ফিরে বিমানবন্দরে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় প্রণম্য। আমি আমার রাজনৈতিক পরিচয় সরিয়ে বলছি, উনি সমাজ সংস্কারক। তাঁর একের পর এক নির্দেশ বঞ্চিত হাজার হাজার চাকরিপ্রার্থীদের আশার আলো দেখাচ্ছে। শুধু চাইব দোষীদের শাস্তি হোক।

জুলাই ২৬, ২০২৩
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে সোমবার থেকে ছুটির ঘোষণা সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে

মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিতে ছুটির বিজ্ঞপ্তি জারি করল রাজ্য সরকার। আগামী কাল সোমবার থেকে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় এক সপ্তাহ ছুটি থাকবে অতিরিক্ত গরমের জন্য। মুখ্যমন্ত্রীর অনুরোধে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিও ছুটির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। সরকারি নির্দেশ মেনে বর্ধমান মডেল স্কুলও ছুটি ঘোষণার বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে।গত কয়েক দিন ধরেই টানা রোদে-গরমে পুড়ে ছারখার বাংলা। তীব্র দাবদাহের পরিস্থিতি বিবেচনা করে রবিবার সকালেই রাজ্যের সব সরকারি স্কুলে কাল থেকেই ছুটি ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগামী সপ্তাহেই রাজ্যের সরকারি-বেসরকারি কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়কে ছুটি দিতে বলেছেন। সপ্তাহের শুরু সোমবার থেকে শনিবার পর্যন্ত সরকারি স্কুল-কলেজ সহ সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটির ঘোষণার কথা জানিয়ে দেন তিনি। বেসরকারি স্কুল-কলেজগুলিকেও ছুটি দিতে অনুরোধ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ের পাহাড়ী এলাকা এই ছুটির আওতা থেকে বাদ যাবে। রাজ্যে একাধিক জেলায় তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি রয়েছে। যা আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত থাকার সম্ভাবনা আছে। তীব্র গরমে ছাত্র-ছাত্রীরা অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে বলে মনে করছে রাজ্য। তাই আগাম গরমের ছুটির ঘোষণা।

এপ্রিল ১৬, ২০২৩
রাজ্য

অর্পিতা, শাহিদের পর হৈমন্তী, বিনোদন জগতের সঙ্গে শিক্ষাক্ষেত্রের দুর্নীতি মিলেমিশে একাকার

অর্পিতা মুখোপাধ্যায় থেকে শুরু। তারপর নাম উঠে আসে হুগলির আরামবাগের শাহিদ ইমামের। এবার হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায়। শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগে দুর্নীতির তদন্ত করতে গিয়ে অভিনয় জগতের যোগ উঠে আসছে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, বিনোদনে কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে নিয়োগ দুর্নীতির অর্থ। প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ অভিনেত্রী ও মডেলার অর্পিতা মুখোপাধ্যায় গ্রেফতার হতেই তোলপাড় হয়ে যায় রাজ্য-রাজনীতি। অর্পিতার দুটো ফ্ল্যাট থেকে নগদ প্রায় ৫০ কোটি টাকা উদ্ধার করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। একইসঙ্গে কয়েক কোটি টাকার গহনাও উদ্ধার হয়। অর্পিতা পর্ব চলাকালীন নিয়োগ দুর্নীতি এজেন্ট হিসাবে নাম উঠে আসে আরামবাগের শাহিদ ইমামের। জানা গিয়েছে, তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গেও যুক্ত। অভিযোগ, ক্ষমতাবলে খেলার মাঠ দখল করে বিলাসবহুল অট্টালিকা তৈরি করছেন শাহিদ। মুম্বাই ও টলিউডের সিনেমা জগতের সঙ্গে যুক্ত শাহিদ এমনটাই খবর রয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাছে। তিনি নিজেও একটি বলিউডের ভিডিও অ্যালবাম করেছেন। এর পাশাপাশি টলিউডে ৩ টি সিনেমার প্রযোজনাও করেছেন বলে জানা গিয়েছে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি অর্থ এভাবে বিনোদন জগতে বিনিয়োগ করেছেন। অর্পিতার পর শাহিদ ইমামের খবর জানাজানি হতেই হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায়ের নাম উঠে এসেছে। হাওড়ার হৈমন্তী বাংলা সিনেমা ও টিভি সিরিয়ালে অভিনয় করেছেন। তিনি নিজে প্রযোজনাও করেছেন। এত অর্থ এমন ছাপোষা পরিবারের মেয়ে কোথা থেকে পেল তা নিয়ে তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। গতকাল, বৃহস্পতিবার গ্রেফতার কুন্তল ঘোষ হৈমন্তীর নাম করেছেন। তাঁর সঙ্গে ছবি মিলেছে প্রাক্তন মন্ত্রী মদন মিত্র ও রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের। যদিও রাজীব দাবি করেছেন, তাঁর মেয়ের বিয়েতে হৈমন্তী নিমন্ত্রিত কারও সঙ্গে এসেছেন। তাঁকে তিনি চেনেন না বা নিমন্ত্রনও করেনি। তবে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির সঙ্গে অভিনয় জগতের যে জোরালো যোগ, তা কিন্তু ক্রমশ স্পষ্ট হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৩
রাজ্য

সরকারি অনুদানে ঘর তৈরি হয়েও অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র চালু হলনা

বছর ১২ আগে আদিবাসী অধ্যুষিত পাড়ায় সরকারি অনুদানে ঘর তৈরি হয়েছিল। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের জন্যই এই ঘর তখন নির্মাণ করা হয়েছিল। কিন্তু তখন থেকেই ঘরটি বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে। পূর্ববর্ধমানের আউশগ্রামের বিল্বগ্রাম অঞ্চলের লাফারপাড়ায় ঘর তৈরি হলেও চালু হয়নি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র। পাড়ার বাচ্ছাদের প্রায় এক দেড় কিলোমিটার দূরে ভাতার ব্লকের মোহনপুর গ্রামের কাছে কোঁড়াপাড়ায় অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র থেকে খাবার খেতে যেতে হয়। স্থানীয় বাসিন্দা রবি মুর্মু ও মোহন হাঁসদাদের অভিযোগ পাড়ার বাচ্চাদের জন্য অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র চালু হওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও এখনও পর্যন্ত চালু হল না। ফলে বাচ্চাদের খাবার খেতে যেতে রোজ নাকাল হতে হচ্ছে।বিল্বগ্রাম অঞ্চলের লাফারপাড়া সম্পূর্ণ আদিবাসী অধ্যুষিত ছোট একটি পাড়া। জানা যায় ১২-১৩ ঘর আদিবাসী সম্প্রদায়ের বসবাস রয়েছে। সকলেই জনমজুর পরিবার। এই পাড়ার মধ্যে রয়েছে একটি পাকা ঘর।সামনে বারান্দা। কিন্তু ঘরটি নির্মাণের পর থেকেই তালাবন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে। স্থানীয়রা জানান অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের জন্যই এই ঘর নির্মাণ করা হয়েছিল প্রায় ১১ বছর আগে। কিন্তু অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র চালু হয়নি। পাড়ার পরিবারগুলি মিলে ১২ - ১৩ জন শিশু রয়েছে। এই শিশুদের খাবার নিতে অনেক দূরে যেতে হয়।স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন আমাদের পাড়ায় ঘর তৈরি হলেও অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র চালু হল না। আমরা আউশগ্রাম ব্লক এলাকার মধ্যে বসবাস করছি। আমাদের বাচ্চাদের খাবার নিতে কোঁড়াপাড়ায় যেতে হয়।ওই এলাকা ভাতার ব্লক এলাকার মধ্যে পড়ছে। অনেকটা দূরে। ছেলেমেয়েদের যেতে কষ্ট হয়। জেলা পরিষদের সহসভাধিপতি দেবু টুডু বলেন,ক িজন্য বন্ধ আছে জানি না। তবে বিডিওকে বলছি দ্রুত অঙ্গনওয়াড়িটি চালু করার জন্য।

নভেম্বর ১৮, ২০২২
রাজ্য

এবার অনুব্রতকে গ্রেফতার ইডির, সায়গল, সুকন্যার মতো দিল্লিতে জেরার উদ্যোগ

গরু পাচার মামলায় এবার এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট গ্রেফতার করল তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডলকে। গরুপাচার কাণ্ডে বীরভূমের জেলা তৃণমূল সভাপতিকে গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। বৃহস্পতিবার আসানসোল জেলে গিয়ে টানা সাড়ে পাঁচ ঘন্টা অনুব্রতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ইডি। জিজ্ঞাসাবাদের সময় অনুব্রত সহযোগিতা করেনি বলেই সূত্রের খবর। তারপরই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।সূত্রের খবর, ইতিমধ্যে গরুপাচার মামলায় কোটি কোটি টাকার লেনদেনের কথা জানতে পারে সিবিআই। তার মেয়ের নামেও একাধিক ব্যবসা ও ব্যাংক অ্যাকাউন্টে কোটি কোটি টাকার হদিশ মিলেছে। মিলেছে ফিক্স ডিপোডিট। একাধিক রাইস মিলের খোঁজ মিলেছে মন্ডল পরিবারের মালিকানায়। এই সব টাকা কোথা থেকে এসেছে জানতে চায় ইডি। অনুব্রত সদুত্তর দিচ্ছিল না বলে সূত্রের খবর। তারপরই তাঁকে গ্রেফতার করে ইডি। ইতিমধ্যে অনুব্রতর প্রাক্তন দেহরক্ষী সায়গল হোসেনকে জেরা করার জন্য দিল্লি নিয়ে গিয়েছে ইডি। সিবিআই গ্রেফতারের সময়ই অনুব্রত নিজে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন তাঁকে দিল্লি নিয়ে যেতে পারে তদন্তের জন্য। দিল্লিতে নিয়ে গিয়ে জেরা করতে চাইছে ইডি।

নভেম্বর ১৭, ২০২২
রাজনীতি

একবার নয়, একাধাকিবার লটারির পুরস্কার পেয়েছে অনুব্রতর পরিবার, নয়াতথ্যে বাড়ছে রহস্য

লটারি কাণ্ডের বিতর্ক কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না গরুপাচার কাণ্ডে ধৃত তৃণমূল নেতা অনুব্রত মন্ডলের। তৃণমূলের নানা স্তরের নেতৃত্ব ও আত্মীয়ের লটারিতে পুরস্কার পাওয়া নিয়েই চলছে বিতর্ক। বিরোধী দলনেতা একাধিকবার অভিযোগ করেছেন ডিয়ার লটারি তৃণমূল নেতৃত্বের সঙ্গে মিলিমিশে কেলেঙ্কারি চালিয়ে যাচ্ছে। এদিকে অনুব্রত মন্ডলের লটারিতে এক কোটি টাকা পাওয়া নিয়ে তদন্ত করতে গিয়ে আরও রহস্য ঘনীভূত হচ্ছে। তাঁর মেয়ের অ্যাকাউন্টেও লটারির টাকার হদিশ মিলেছে বলে সিবিআই সূত্রে খবর। এমনকী অনুব্রতর অ্যাকাউন্টেও আরেকটি লটারির টিকিট থেকে প্রাইজমানির টাকা জমা পড়েছিল বলে সূত্রের খবর। সিবিআই জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি তাঁদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টগুলি খতিয়ে দেখছে।এর আগে ডিয়ার লটারিতে ১ কোটি টাকা জিতেছিলেন অনুব্রত মণ্ডল, এখবর প্রকাশ্যে এসেছিল। তার আগে নাকি ২০১৯ সালেও লটারি জিতেছিলেন বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি। সিবিআই সূত্রে খবর, অনুব্রতর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে জানা গিয়েছে তখন পেয়েছিলেন ১০ লক্ষ টাকা। পাশাপাশি অনুব্রতর কন্যা প্রাথমিক শিক্ষিকা সুকন্যা দুবার জিতেছেন লটারি। একবার ২৫ লক্ষ টাকা। অন্যবার জিতেছেন ২৬ লক্ষ। একাধিকবার তৃণমূল নেতা ও তাঁর মেয়ের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে লটারির টিকিট জেতার টাকা জমা পড়ায় সন্দেহ বেড়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার। এই লটারি জেতার মাধ্যে কালো টাকা সাদা হয়েছে কীনা তাই খতিয়ে দেখছে সিবিআই। তাছাড়া অনুব্রতর কোনও নিকট আত্মীয় বা বাড়ি কাজের লোকেদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টও খতিয়ে দেখছে তদন্তকারীরা। সেই সব অ্যাকাউন্টেও লটারির জয়ের টাকা পড়তে পারে বলে সন্দেহ করছে সিবিআই। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ডিয়ার লটারি কতৃপক্ষের সঙ্গে তৃণমূল নেতৃত্বের আঁতাঁত নিয়ে সরব হয়েছিলেন। ডিয়ার (ভাইপো) লটারির বলে কটাক্ষও করেছেন তিনি। এদিকে তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষের বক্তব্য, লটারির খেলা চলে কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়মানুসারে। তৃণমূলের কে লটারির টিকিট পেয়ে পুরস্কার পেল কি পেল না তা নিয়ে বলার কিছু নেই। অনুব্রত মন্ডল ডিয়ার লটারির প্রথম পুরস্কার ১ কোটি টাকা জিতেছেন, তারপর তৃণমূল বিধায়ক বিবেক গুপ্তর স্ত্রী প্রথম পুরস্কার ১ কোটি টাকা জিতেছেন। এই সব ঘটনায় রহস্য বেড়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

নভেম্বর ০৮, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

বাংলাদেশে কী চলছে? হিন্দু হত্যা ও মন্দির ভাঙচুরের অভিযোগে উত্তাল ব্রিটিশ পার্লামেন্ট

বাংলাদেশে ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার। প্রকাশ্যে হিন্দুদের খুন করা হচ্ছে, জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে ঘরবাড়ি ও মন্দিরএই অভিযোগ তুলে উদ্বেগ প্রকাশ করা হল ব্রিটেনের পার্লামেন্টে। আসন্ন বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এই পরিস্থিতি নিয়ে সরব হয়েছেন ব্রিটেনের সাংসদ বব ব্ল্যাকম্যান।ব্রিটিশ পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে ব্ল্যাকম্যান বলেন, বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে ইতিমধ্যেই ব্রিটেনের বিদেশ সচিবের কাছে উদ্বেগ জানানো হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, রাস্তায় হিন্দুদের হত্যা করা হচ্ছে, বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে, মন্দিরে হামলা চালানো হচ্ছে। শুধু হিন্দুরাই নন, অন্য ধর্মীয় সংখ্যালঘুরাও একই ভাবে নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন বলে দাবি করেন তিনি।আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন। তার আগে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দল আওয়ামি লিগকে নিষিদ্ধ করার বিষয়টিও গভীর উদ্বেগের বলে মন্তব্য করেন ব্ল্যাকম্যান। তিনি বলেন, জনমত সমীক্ষায় আওয়ামি লিগের প্রায় ৩০ শতাংশ সমর্থন থাকা সত্ত্বেও দলটিকে নির্বাচনে অংশ নিতে দেওয়া হচ্ছে না। পাশাপাশি, বাংলাদেশের কট্টরপন্থী শক্তিগুলি দেশের সংবিধান বদলে দেওয়ার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি।বাংলাদেশে নির্বাচন আদৌ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ব্রিটিশ সাংসদ। এই পরিস্থিতিতে ব্রিটেনের সরকার কী পদক্ষেপ করবে, সে বিষয়ে বিদেশ সচিবের কাছে স্পষ্ট জবাব চান ব্ল্যাকম্যান। উল্লেখ্য, এর আগেও বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আওয়ামি লিগকে নিষিদ্ধ করা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছিলেন ব্রিটেনের চার জন সাংসদ। তাঁদের বক্তব্য ছিল, একটি বড় রাজনৈতিক দলকে বাদ দিয়ে নির্বাচন হলে তা কখনওই প্রকৃত গণতান্ত্রিক নির্বাচন হতে পারে না।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

দু’দিন ধরে জ্বলছে বেলডাঙা, অবশেষে লাঠিচার্জ—পুলিশ এতক্ষণ কোথায় ছিল?

টানা দুদিন ধরে অশান্ত মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা। রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ, জাতীয় সম্পত্তি ভাঙচুর, রেল অবরোধসব মিলিয়ে পরিস্থিতি কার্যত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছিল। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠছিল, পুলিশ কোথায়? সাংবাদিকদের মারধর করা হয়েছে, রেলগেট ভেঙে দেওয়া হয়েছে, দোকানপাট বন্ধ হয়ে গিয়েছে, ট্রেন চলাচল স্তব্ধতবু পুলিশের কোনও দৃশ্যমান তৎপরতা দেখা যায়নি বলে অভিযোগ উঠছিল বারবার।অবশেষে প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর সেই নীরবতা ভাঙল। জেলা পুলিশ সুপার কুমার সানি রাজের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী নামল রাস্তায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে করা হল লাঠিচার্জ। বিক্ষোভকারীদের হঠাতে পুলিশ কড়া পদক্ষেপ নেয়। এই ঘটনায় নতুন করে প্রশ্ন উঠছে, এত দেরিতে কেন পুলিশের অ্যাকশন?এই প্রশ্নের জবাবে পুলিশ সুপার বলেন, পুলিশ আগেও এলাকায় ছিল। তবে হঠাৎ করে লাঠিচার্জ করা যায় না। প্রথমে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু পরিস্থিতি যখন আর নিয়ন্ত্রণে আসছিল না, তখন বাধ্য হয়ে লাঠিচার্জ করতে হয়েছে। তাঁর দাবি, বিক্ষোভকারীরা পাথর ছোড়া শুরু করায় পুলিশ কড়া ব্যবস্থা নেয়। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। যাঁরা লুকিয়ে রয়েছেন, তাঁদেরও শনাক্ত করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।বেলা বাড়লেও এখনও রেল চলাচল পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। বহু দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। স্টেশন চত্বরে টহল দিচ্ছে আরপিএফ। কয়েকজন দোকানদারের অভিযোগ, আন্দোলনকারীরা দোকানে লুটপাটের চেষ্টা করেছে। যদিও পুলিশ সুপার আশ্বাস দিয়েছেন, পরিস্থিতি এখন অনেকটাই স্বাভাবিক এবং পুলিশ পুরোপুরি নজরদারিতে রয়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

মালদহ থেকে বন্দে ভারত স্লিপার চালু, অনুপ্রবেশ নিয়ে তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ মোদীর

বাংলা সফরের প্রথম দিনেই মালদহে পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মালদা টাউন স্টেশন থেকে এ দিন দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করেন তিনি। নতুন এই ট্রেন অসমের উদ্দেশে রওনা দেয়। ট্রেন চালু হতেই খুশির হাওয়া মালদহ জুড়ে। উদ্বোধনের পরে ট্রেনের ভিতরে গিয়ে যাত্রীদের সঙ্গে কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী। এর পাশাপাশি মালদহে একটি জনসভাও করেন তিনি।সভা থেকে অনুপ্রবেশ ইস্যুতে সরব হন নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, বিশ্বের সব উন্নয়নশীল দেশেই অনুপ্রবেশকারীদের বাইরে বের করে দেওয়া হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ থেকেও অনুপ্রবেশকারীদের এক এক করে বের করে দেওয়া জরুরি। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় থাকলে সেটা সম্ভব নয়। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল নেতারাই বছরের পর বছর অনুপ্রবেশকারীদের বাংলায় বসবাস করতে দিচ্ছেন। এতে সাধারণ মানুষের জমি সুরক্ষিত নয়, কাজ ছিনিয়ে নেওয়া হচ্ছে, টাকা লুট হচ্ছে এবং মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে।মালদহের উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিজেপি সরকার এলে মালদহের আম নির্ভর অর্থনীতিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া হবে। রাজ্যে আরও বেশি কোল্ড স্টোরেজ তৈরি করা হবে। রেশম চাষিদের জন্য কোটি টাকার প্রকল্প চালু করা হয়েছে। পাট শিল্পকে বাঁচাতে কেন্দ্র সরকার সব রকম চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, ২০১৪ সালের আগে যখন তৃণমূল কেন্দ্রের অংশ ছিল, তখন এমএসপি ছিল ২৪০০ টাকা, আর এখন তা বেড়ে সাড়ে ৫ হাজার টাকারও বেশি হয়েছে।বন্যাত্রাণ নিয়ে তৃণমূলকে আক্রমণ করে মোদী বলেন, বহুবার ত্রাণের টাকা দেওয়া হলেও সেই টাকা সঠিক মানুষের হাতে পৌঁছয়নি। যারা ক্ষতিগ্রস্ত, তারা টাকা পায়নি। তাঁর দাবি, বাংলায় বিজেপি সরকার গঠন হলে এই সব দুর্নীতি বন্ধ হবে।আম প্রক্রিয়াকরণ শিল্প গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও রাজ্য সরকারের কোনও উদ্যোগ নেই বলে অভিযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি নদীভাঙন নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, বৃষ্টি হলেই সব ভেসে যায়, আর বন্যাত্রাণ নিয়ে কী হয়েছে, তা মানুষ নিজেরাই ভালো জানেন।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কলকাতা থেকে পাঠানো হচ্ছে RPF-RPSF, বেলডাঙায় হাজির হলেন হুমায়ুন কবীর

শুক্রবারের উত্তপ্ত পরিস্থিতির পর শনিবারও মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা এলাকায় উত্তেজনা অব্যাহত। স্থানীয় বিধায়ক ও জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর জানিয়েছেন, পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ। ইতিমধ্যেই কৃষ্ণনগর-লালগোলা রুটের ট্রেন বন্ধ হয়ে গেছে, রেলগেট ভেঙে ফেলা হয়েছে। হুমায়ুন কবীর ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গিয়ে বচসা করেন।তিনি বলেন, স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ যথেষ্ট সক্রিয় নয়। সক্রিয়তা না বাড়ালে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে। সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষগুলো আক্রান্ত হচ্ছে। জনরোষ এসে জাতীয় সড়ক (NH)-এর উপর পড়ছে। গতকাল সাত ঘণ্টা রাস্তা বন্ধ ছিল। বিহারে আরও একজন আহত হয়েছে, হাসপাতালে ভর্তি। কিছু মানুষ প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছে। কার নির্দেশে তারা NH অবরোধ করছে তা জানা নেই।আজও সাংবাদিকদের টার্গেট করে মারধর করা হয়েছে। জাতীয় সড়ক পুরোপুরি ধ্বংসের পথে। ক্ষিপ্ত জনতা রাস্তায় নেমে বাঁশ হাতে ও ফ্লেক্স-ব্যানার উপরে ফেলে লাথি মারা সহ নানা ধরণের ভাঙচুর চালাচ্ছে। এলাকায় একজনও পুলিশ দেখা যায়নি। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কেউ গ্রেফতার হয়নি। পরে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জানা গেছে, কলকাতা থেকে RPF ও RPSF পাঠানো হচ্ছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের আগে বড় সিকিউরিটি অ্যালার্ট, বন্দে ভারত স্লিপারকে লক্ষ্য করে ষড়যন্ত্র!

আর হাতে গোনা কয়েক ঘণ্টা, তারপরই মালদহ থেকে ছুটবে দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন। তবে এই আনন্দের মাঝে নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে আরপিএফ। গোপন সূত্রে খবর পাওয়া গেছে, বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনকে লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া ও কালো পতাকা দেখানোর ষড়যন্ত্র চলছে।আজ দুপুরে মালদা টাউন রেলস্টেশন থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী উদ্বোধন করবেন ট্রেনের। তার আগে আরপিএফের পক্ষ থেকে কালিয়াচক থানার আইসিকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সুবোধ কুমার সাউ নামের একজন ব্যক্তি ইমেইলের মাধ্যমে জানিয়েছেন যে কিছু দুষ্কৃতীরা ট্রেন ছাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন স্টেশনে হামলার চেষ্টা করতে পারে।আরপিএফের আশঙ্কা অনুযায়ী, জামিরঘাটা, খালতিপুর, চমগ্রাম, শঙ্খপাড়া, নিউ ফরাক্কা, বল্লালপুর, ধুলিয়ান, বাসুদেবপুর ও তিলডাঙা এলাকায় ট্রেন লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া হতে পারে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে কালো পতাকা দেখানোর সম্ভাবনাও রয়েছে। তাই কালিয়াচক থানাকে স্টেশনগুলিতে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।এর আগে হাওড়া-নিউ জলপাইগুড়ি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস লক্ষ্য করে একাধিকবার পাথর ছোড়ার ঘটনা ঘটেছিল। তখন রেল কর্তৃপক্ষ কড়া পদক্ষেপ নিয়েছিল। এবার যাতে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে এমন কোনও ঘটনা না ঘটে, তার জন্য আগেভাগেই সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

বেলডাঙা উত্তাল! রেল অবরোধ, ট্রেন আটক, ভাঙচুর ও সাংবাদিকের ওপর হামলা

ভীন রাজ্যে এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু ঘিরে উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা। শুক্রবারের পর শনিবারও রাস্তায় শত শত মানুষ বিক্ষোভে নেমে আসে। গতকাল সাংবাদিকদের ওপরও হামলা হয়েছে। ট্রেন ও সড়ক অবরোধের ঘটনা লাগাতার চলেছে। শনিবার ফের জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন স্থানীয় জনতা। সড়কে চলমান সব কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। রেল গেট ভাঙচুর করা হয়েছে, ফলে লালগোলাকৃষ্ণনগর রুটের ট্রেন চলাচলও বন্ধ রয়েছে। এই পরিস্থিতি দেখে প্রশ্ন উঠেছে, এভাবেই কি প্রতিবাদ করা উচিত?শুধু শুক্রবার নয়, শনিবারও সাংবাদিকদের টার্গেট করা হয়েছে। ছবিতে দেখা গেছে ক্ষিপ্ত জনতা রাস্তায় নেমে বাঁশ হাতে হুড়োহুড়ি করছেন। রাস্তার ধারে থাকা ফ্লেক্স ও ব্যানার উপরে ফেলে লাথি মারা হচ্ছে। এলাকায় কোনও পুলিশকর্মীও দেখা যায়নি। কোথায় গেল পুলিশ, সেটাই এখন প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।গতকাল পরিস্থিতি যখন তপ্ত হয়েছিল, প্রশাসনের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক হয়। কিছু আবেদন মেনে নেওয়া হয় এবং কন্ট্রোল রুম খোলা হয়। তবে তাতে কার্যত পরিস্থিতির কোনও উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি। শনিবার সকাল থেকেই বেলডাঙায় পরিস্থিতি ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এ বিষয়ে কংগ্রেস নেতা অধীররঞ্জন চৌধুরী বলেন, রাজ্যে প্রশাসন নেই, তাই এমন হচ্ছে। তার মধ্যে আজ আবার অভিষেক আসছেন। তাই বহরমপুর বাসস্ট্যান্ড বেলা ১১টা থেকে ৪টা অবধি বন্ধ থাকবে। এই সময়ে সাধারণ মানুষের জন্য সব বন্ধ। নেতারাই তো সমাজ-বিরোধী কাজ করছেন। তাহলে বাংলায় আর কী হবে? কোথাও রোড শো, কোথাও ভাঙচুরএর জন্য যাতায়াত বন্ধ। জনপ্রতিনিধি ভাষণ দেবেন বলে সব বন্ধ।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
কলকাতা

ছাব্বিশ হাজার চাকরি বাতিলের জটিল মামলা আবার আলোচনায়, দাগি প্রার্থীদের তালিকায় উঠে এল নাম!

কলকাতা হাইকোর্টের একটি উল্লেখযোগ্য রায়ের আলো আবার সমালোচনার কেন্দ্রে এসেছে। ২০১৬ সালের এসএসসি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যারা চাকরি পাননি, তাদের মধ্যে কয়েকজন দাগি প্রার্থী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছিলেন। সেই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে ২৬ হাজার চাকরি বাতিল হয়। এখন ২০২৫ সালের নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় এসএসসি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত করেছে ২০১৬ সালের ওয়েটিং লিস্টের দাগি প্রার্থীদের নাম।এই তালিকায় নাম থাকা মাত্রই বিতর্ক শুরু হয়েছে। নন্দীগ্রামের লক্ষ্মী তুঙ্গারের নামও তালিকায় রয়েছে, যিনি ২০১৬ সালে নিয়োগ বৈধতা নিয়ে মামলা করেছিলেন। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেছেন, বঞ্চিত প্রার্থীর নামে মামলা হয়েছে, যারা লড়েছেন তাঁদের নাম এখন দাগি তালিকায়। এটা একটি পরিকল্পিত প্রক্রিয়ার অংশ। অনেক চূড়া এখনও প্রকাশ পায়নি। তিনি আরও বলেন, নিয়োগ আটকানোর চেষ্টা অনেকবার হয়েছে। তবে যোগ্য শিক্ষকের নিয়োগ বাধ্যতামূলক। তবে এই প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের ষড়যন্ত্র ছিল কি না, তা কিছুটা প্রকাশ পেয়েছে।চাকরিহারা রাকেশ আলম বলেন, যখন তালিকা প্রকাশিত হলো, তখন স্পষ্ট হলো এই প্যানেল রাজনৈতিক প্রভাবের ফলে তৈরি। আমরা যোগ্য শিক্ষকদের পক্ষে, কোনও রাজনৈতিক পক্ষ নই। ওএমআর মিসম্যাচের অভিযোগে দাগিদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এতে অযোগ্য প্রার্থীরাও উঠে এসেছে।এসএসসি সূত্রে জানা যায়, নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় একজনও দাগি প্রার্থী থাকবেন না, সেই নির্দেশনা মেনে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। কিন্তু প্রকাশিত তালিকা ভোটের আগে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
কলকাতা

বিএলও-র ইস্তফা ঝড়! এসআইআর প্রক্রিয়া বিপর্যয়ের পথে? নির্বাচনী কমিশনের পদক্ষেপ প্রশ্নের মুখে

শেষ পর্যায়ে এসআইআর প্রক্রিয়া। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। কিন্তু তার আগে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিএলও-দের অসন্তোষ ক্রমশ বেড়েছে। অতিরিক্ত কাজের চাপের অভিযোগ আগেই তুলেছিলেন বিএলও-রা। এবার অনেকেই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়ে ইস্তফা দিতে শুরু করেছেন।রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিএলও-রা গণইস্তফা দিচ্ছেন। শনিবারই উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গা ব্লকে প্রায় ২০০ জন বিএলও অনির্দিষ্টকালের জন্য কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, একের পর এক নির্দেশিকা ও ম Thomson-এ কাজ করতে গিয়ে তাঁরা হয়রানি ও হেনস্থার মুখে পড়ছেন। বিডিও দফতরের সামনে গেট আটকে বিক্ষোভও দেখানো হয়েছে।বিএলও-দের অসন্তোষ জেলায় জেলায় বাড়ছে। স্বরূপনগরে গতকাল ৫৩ জন বিএলও একসঙ্গে ইস্তফা দিয়েছেন। সূত্রের খবর, রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে এখন পর্যন্ত পাঁচ হাজারের বেশি বিএলও ইস্তফার আবেদন জমা দিয়েছেন। নির্বাচন কমিশন কি পদক্ষেপ নেবে, তা এখনই প্রশ্নের মুখে। রাজনৈতিক কারণে কি এই ইস্তফার ঘটনা ঘটছে, তা নিয়েও জোর আলোচনা চলছে।এসআইআর প্রক্রিয়ায় বিএলও-দের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গত ৪ নভেম্বর থেকে তারা এনুমারেশন ফর্ম বিলি শুরু করেছিলেন। কাজের চাপ এবং দীর্ঘ দায়িত্বের কারণে একাধিক বিএলও মৃত্যু বা আত্মহত্যার অভিযোগও উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে কমিশনের পদক্ষেপই এখন সবার নজর কেড়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal