• ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩, বৃহস্পতি ০৬ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Case

দেশ

৬ মাস পর দেশের দৈনিক সংক্রমণ ফের ৮১ হাজার পেরলো

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে ক্রমেই বেসামাল হচ্ছে দেশের কোভিড পরিস্থিতি। বৃহস্পতিবার দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৭২ হাজার। শুক্রবার তা প্রায় সাড়ে ৮১ হাজার। ২৮ সেপ্টেম্বরের পর এত সংখ্যক লোক এক দিনে আবার আক্রান্ত হলেন। এর মধ্যে মহারাষ্ট্রের পরিস্থিতি সবচেয়ে করুণ। সেখানে গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তের সংখ্যা গোটা করোনাকালের মধ্যে সর্বোচ্চ। সেখানে এক দিনে আক্রান্ত ৪৩ হাজার ছাড়িয়েছে।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুসারে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আক্রান্ত ৮১ হাজার ৪৬৬ জন। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্ত হলেন ১ কোটি ২৩ লক্ষ ৩ হাজার ১৩১ জন। করোনার নতুন প্রজাতির জন্যই সংক্রমণ এ রকম আকার নিচ্ছে বলে সম্প্রতি মত প্রকাশ করেছিলেন দিল্লি এইমসের প্রধান রণদীপ গুলেরিয়া। দেখা যাচ্ছে, করোনার দ্বিতীয় ঢেউ এক লাফে বাড়িয়ে দিয়েছে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যাও। দেশের দৈনিক মৃত্যু এক মাস আগেও ছিল ১০০-র আশপাশে। গত ২৪ ঘণ্টায় তা ৪৬৯। মৃত্যুর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি মহারাষ্ট্রে। সেখানে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ২৪৯ জনের। কর্নাটক, দিল্লি, পঞ্জাব এবং ছত্তিশগড়েও গত কদিনে মৃতের সংখ্যা বেড়েছে।

এপ্রিল ০২, ২০২১
কলকাতা

রাজধানী এক্সপ্রেস মামলায় ৭ দিনের এনআইএ হেপাজত ছত্রধরের

ভুবনেশ্বর-দিল্লি রাজধানী এক্সপ্রেস মামলায় তৃণমূল নেতা ছত্রধর মহাতোর এনআইএ হেপাজতের মেয়াদ বাড়ল। আগামী ৬ এপ্রিল পর্যন্ত তাঁর হেপাজতের নির্দেশ দিয়েছে এনআইএ বিশেষ আদালত। রবিবার লালগড়ে ছত্রধরের বাড়িতে হানা দিয়ে ৪০ জনের এনআই দল তাঁকে গ্রেপ্তার করে। সেদিন এনআইএ বিশেষ আদালত বন্ধ থাকায় ছত্রধরকে তোলা হয় ব্যাঙ্কশাল আদালতে । ১৪ দিনের হেপাজত চাওয়া হলেও ২ দিনের এনআইএ হেপাজত দেয় ব্যাঙ্কশাল আদালত।বাম আমলে পুলিশি সন্ত্রাস বিরোধী জনসাধারণের কমিটির নেতা ছত্রধরকে জেল থেকে ছাড়ার দাবি ওঠে। ২০০৯-এর ২৭ অক্টোবর সেই দাবিতে ঝাড়গ্রামের বাঁশতলা স্টেশনে রাজধানী এক্সপ্রেস আটকানো হয়। মামলা দায়ের হয় ছত্রধরের বিরুদ্ধেও। ২০০৯ সালে তাঁর বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা দায়ের হয়। যেখানে লালগড়ের সিপিএম নেতা প্রবীর মাহাতো খুনের ঘটনায় ছত্রধর-সহ মোট ৩৩ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের ধারায় মামলা দায়ের হয়। ২০১০ সালে তাঁদের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করে পুলিশ। পরে ছত্রধর জামিনও পান। এনআইএ-র দাবি, রাজধানী এক্সপ্রেস মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া কয়েক জন ছত্রধরের নাম নিয়েছেন। তাই ছত্রধরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বারবার ডাকা হচ্ছিল। কিন্তু তিনি আসছিলেন না। সেই কারণেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের হেপাজত মঞ্জুর করে এনআইএ বিশেষ আদালত।

মার্চ ৩০, ২০২১
রাজ্য

ভোট মিটতেই এনআইএ-র হাতে গ্রেপ্তার ছত্রধর মাহাতো

প্রথম দফার ভোট মিটতেই ছত্রধর মাহাতোকে গ্রেপ্তার করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। শনিবার রাত সাড়ে ৩টে নাগাদ লালগড়ে আমলিয়ার গ্রামের বাড়ি থেকে তৃণমূল রাজ্য সাধারণ সম্পাদক ছত্রধরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রাতে তাঁর বাড়িতে প্রায় ৪০ জনের একটা দল এসেছিল বলে খবর। ছত্রধরের ৪ জন নিরাপত্তা রক্ষী রয়েছেন। অভিযোগ, তাঁদের সরিয়ে গেঞ্জি ও গামছা পরিহিত অবস্থায় ছত্রধরকে তুলে নিয়ে যান কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার আধিকারিকরা। সেই সময় ধস্তাধস্তি হয় বলেও অভিযোগ পরিবারের। ছেলে ধৃতীপ্রসাদ জানান, কোনও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা দেখায়নি এনআইএ। শুধু বলেছে রাজধানী এক্সপ্রেস আটকানোর ঘটনায় প্রচুর তথ্য রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যেতে হবে। কাকভোরে গ্রেপ্তার করার পরেই তাঁকে কলকাতায় নিয়ে আসা হয়।অনেক দিন ধরেই নজরে রয়েছেন ছত্রধর। শালবনির কোবরা শিবিরে ছত্রধরকে ৩ বার জেরা করেছিল এনআইএ। এর পর ১৫ মার্চ কলকাতায় এনআইএ-র কার্যালয়ে নতুন করে জেরা করা হয় তাঁকে। পরের দিন, অর্থাৎ ১৬ মার্চ তাঁকে জেরার জন্য কলকাতায় তলব করা হয়। দাঁতে ব্যথা হচ্ছে জানিয়ে ওই দিন হাজিরা দেননি ছত্রধর। যদিও ১৭ মার্চ লালগড়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভায় হাজির হয়ে বক্তৃতাও করেছিলেন তিনি।ছেলে ধৃতিপ্রসাদ জানিয়েছেন, শনিবার রাতে যখন বাড়ি থেকে ছত্রধরকে নিয়ে যায় এনআইএ তখন লালগড় থানায় ফোন করা হলেও, পরিবারকে কিছুই জানানো হয়নি। ২০০৯ সালের ২২ সেপ্টেম্বর লালগড় থেকেই গ্রেপ্তার হয়েছিলেন ছত্রধর। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা ছিল। বেশ কিছু মামলা থেকে মুক্ত হলেও কয়েকটি মামলার বিচার চলছে। হাইকোর্ট সাজা কমানোয় জেল থেকে ছাড়া পেয়ে ফেব্রুয়ারিতে লালগড়ের আমলিয়া গ্রামের বাড়িতে ফেরেন ছত্রধর। তার বেশ কয়েক দিন পর নতুন করে ২০০৯ সালে লালগড়ে সিপিএম কর্মী প্রবীর মাহাতো খুন ও ঝাড়গ্রামের বাঁশতলায় ভুবনেশ্বর-নয়াদিল্লি রাজধানী এক্সপ্রেস আটকের ঘটনার তদন্ত শুরু করে। সেই সূত্রেই ছত্রধরকে গ্রেপ্তার করল এনআইএ।

মার্চ ২৮, ২০২১
দেশ

ভারতে একদিনে নতুন করে করোনা আক্রান্ত প্রায় ৪০ হাজার

ঋতু বদলের সময়ে দেশে ফের মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে করোনা সংক্রমণ। নতুন করে চিন্তা বাড়াচ্ছে দৈনিক পরিসংখ্যান। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সাম্প্রতিকতম পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে করোনা ভাইরাসে নতুন করে সংক্রমিত ৩৯ হাজার ৭২৬ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৫৪ জনের। বৃহস্পতিবার এই সংখ্যাটা ছিল ৩৫ হাজার ৮৭১। তুলনায় অনেক কম সুস্থ ব্যক্তির সংখ্যা। পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাকে হারিয়ে সুস্থ হয়ে ফিরেছেন ২০ হাজার ৬৫৪ জন। বাড়ছে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যাও। এই মুহূর্তে দেশে অ্যাকটিভ কোভিড রোগী ২ লক্ষ ৭১ হাজার ২৮২ জন।মহারাষ্ট্র-সহ একাধিক রাজ্যে হু হু করে বেড়ে চলা কোভিড সংক্রমণেই নয়া বিপদ সংকেত। দেশে সপ্তাহখানেকের কোভিড গ্রাফ দেখে চিন্তিত খোদ কেন্দ্রও। প্রধানমন্ত্রী মোদি নিজে এ নিয়ে বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করে সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তাঁর মতে, এখনও যথেষ্ট সাবধানতা অবলম্বন প্রয়োজন। নইলে করোনার দ্বিতীয় ধাক্কা ফের পরিস্থিতি বিপজ্জনক করে তুলতে পারে। সংক্রমিত এলাকাগুলোকে চিহ্নিত করে সেখানে নাইট কার্ফু, লকডাউন জারি করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে। অন্যদিকে, জোড়া ভ্যাকসিন দিয়ে গণটিকাকরণের মাধ্যমে করোনা যুদ্ধে দেশ আরও এগিয়ে চলেছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ইতিমধ্যে ৩ কোটি ৯৩ লক্ষ ৩৯ হাজার ৮১৭ জনের টিকাকরণ সম্পূর্ণ। করোনা ভাইরাস থাবা বসিয়েছিল দেশের ১ কোট ১৫ লক্ষ ১৪ হাজার ৩১১ জনের শরীরে। তাকে কাবু করে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১ কোটি ১০ লক্ষ ৮৩ হাজার ৬৭৯ জন। সবমিলিয়ে এই মুহূর্তে ভারতের করোনা পরিস্থিতি যেমন, তাতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা অবলম্বনে সামান্য ঢিলেমিও ভয়াবহ হতে পারে। এমনই আশঙ্কা স্বাস্থ্যমহলের।

মার্চ ১৯, ২০২১
রাজ্য

বড় খবর: কোকেন-কাণ্ডে আটক রাকেশ সিং

গলসি থেকে আটক কোকেন কাণ্ডে অভিযুক্ত রাকেশ সিং। ইতিমধ্যেই গলসির উদ্দেশে রওনা হয়েছেন কলকাতা পুলিশের আধিকারিকরা। রাকেশকে সঙ্গে নিয়ে কলকাতার ফিরবেন তাঁরা। সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার জন্য তাঁর দুই ছেলেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।কোকেন কাণ্ডে রাকেশ যোগ নিয়ে মঙ্গলবার সকাল থেকেই উত্তপ্ত অরফানগঞ্জ। মঙ্গলবার তার লালবাজারে হাজিরা দেওয়ার কথা থাকলেও সুকৌশলে তা এড়ানোর চেষ্টা করে বিজেপি নেতা। জানান, দলের কাজে দিল্লিতে রয়েছেন তিনি। তবে পুলিশের হাজিরের নির্দেশ প্রত্যাহারের আবেদন জানাতে কলকাতা হাইকোর্টে যান তিনি। এরপরই পুলিশ আধিকারিকরা নিশ্চিত হন রাকেশ সিংয়ের সাক্ষাৎ পাওয়া সহজ হবে না। মঙ্গলবার দুপুরে আচমকাই কোকেন কাণ্ডে অভিযুক্ত রাকেশ সিংয়ের অরফানগঞ্জ এলাকার বাড়িতে হাজির হয় কলকাতা পুলিশের বিশাল বাহিনী। প্রথমে সিআইএসএফ তাঁদের বাড়ির ভিতরে ঢুকতে বাধা দেয়। এরপর সামনে আসেন রাকেশ-পুত্র। পুলিশ আধিকারিকদের ভিতরে ঢুকতে তিনি বাধা দেন বলে অভিযোগ। তিনি দাবি করেন, পুলিশের কাছে যথাযথ নথি নেই। বিষয়টিকে কেন্দ্র করে শুরু হয় বচসা। উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। বিকেল ৫ টায় অবশেষে বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করেন আধিকারিকরা। সেই সময়ই জানা গিয়েছিল, এদিনই গোটা বাড়িতে তল্লাশি চালানো হবে। তিনঘণ্টা তল্লাশি চালানোর পর রাত আটটা নাগাদ রাকেশ সিংয়ের বাড়ি থেকে বের হন পুলিশ আধিকারিকরা। সন্ধেয় রাকেশ সিংয়ের দুই ছেলে সাহেব ও শুভমকে আটক লালবাজারে নিয়ে যায় পুলিশ। তদন্তকারীদের তরফে জানানো হয়েছে, কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগেই আটক করা হয়েছে এই দুই যুবককে। এরপর রাতে গলসি থেকে আটক করা হয় রাকেশকে।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২১
রাজ্য

খাগড়াগড় বিস্ফোরণ মামলায় মূলচক্রীর ২৯ বছরের জেল

দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবশেষে খাগড়াগড় বিস্ফোরণ মামলার রায় ঘোষণা করল আদালত। এনআইএ-র আইনজীবী জানিয়েছেন, বুধবার এই হামলার মাস্টারমাইন্ড বোমারু মিজান ওরফে শেখ কওসরকে ২৯ বছরের জেলের সাজা দিল এনআইএর স্পেশ্যাল কোর্ট। খাগড়াগড় কাণ্ডে ইতিমধ্যেই ৩১ জনকে দোষী সাব্যস্ত করেছে আদালত। তাদের মধ্যে ৩০ জনের সাজা ঘোষণা আগেই হয়েছে। এবার কওসরকে ২৯ বছরের জেলের সাজা দেওয়া হল। খাগড়াগড়ের পাশাপাশি, বুদ্ধগয়া বিস্ফোরণেও জড়িত রয়েছে কওসর। প্রসঙ্গত, বীরভূমে কওসরের একটি বাড়িও রয়েছে। সেখান থেকেই একটা সময় এই রাজ্যের সংগঠন চালাত সে। মুর্শিদাবাদ, বীরভূম ও বর্ধমানের বিভিন্ন মাদ্রাসাতে গোপনে অস্ত্র প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছিল কওসর। ২০১৪ সালের ২ অক্টোবর ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে বর্ধমানের খাগড়াগড়। তারপরই ঘটনার তদন্তে নামে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। জানা যায়, এই ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে কুখ্যাত বাংলাদেশি জঙ্গি সংগঠন জামাত-উল-মুজাহিদিন বাংলাদেশ। এদিকে, বিস্ফোরণের পরই বাংলাদেশে পালিয়ে যায় কওসর। সেখান থেকে ফের জঙ্গি কার্যকলাপ শুরু করে সে। পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছে মনে করে আবারও ভারতে চলে আসে ওই জঙ্গি। তারপরই ২০১৮ সালে বেঙ্গালুরুতে রীতিমতো ফাঁদ পেতে কওসরকে ধরেন এনআইএ গোয়েন্দারা। জানা যায়, কওসর জেএমবি-র উজির পদে ছিল। সংগঠন তৈরি করে নাশকতা চালানোয় পারদর্শী কওসর বেশ কিছুদিন ধরেই কোণঠাসা হয়ে পড়েছিল। কেরলে তার এক সঙ্গী ধরা পড়তেই আরও বিপাকে পড়ে যায় সে। নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য পশ্চিমবঙ্গ, ঝাড়খণ্ড, বিহার ঘুরে বেঙ্গালুরুতে আত্মগোপনের চেষ্টা চালায় সে। তবে বিশেষ ফল হল না। প্রত্যেকটি রাজ্যের পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেই কওসরের খোঁজে ছিল এনআইএ।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২১
রাজ্য

মণীশ শুক্লা খুনে গ্রেফতার আরও এক অভিযুক্ত

মণীশ শুক্লা খুনে আরও একজনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়েতে তল্লাশি চালিয়ে নাসির আলি মণ্ডল নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। জানা গিয়েছে, সে আসলে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তীর বাসিন্দা। হত্যাকাণ্ডের পর গা ঢাকা দিয়েছিল সে। আজ তাকে আদালতে পেশ করা হবে। এ নিয়ে মণীশ শুক্লা খুনে মোট ১০ জন গ্রেপ্তার হল। আরও পড়ুন ঃ বীরভূম থেকে গ্রেফতার এক জঙ্গি প্রসঙ্গত, মাস দুই আগে এক রবিবার টিটাগড়ে প্রকাশ্য রাস্তায় দুষ্কৃতীদের গুলিতে ঝাঁজরা হয়ে গিয়েছিলেন বিজেপি কাউন্সিলর মণীশ শুক্লা। তদন্তে নেমে বহু রাঘব বোয়ালের জড়িত থাকার কথা জানতে পারেন গোয়েন্দা আধিকারিকরা। সেইমতো তাঁদের গ্রেপ্তারির প্রক্রিয়া শুরু হয়। জানা যায়, ভিনরাজ্যের সুপারি কিলারদের দিয়ে মনীশকে খুন করানোর চক্রান্ত হয় এবং সেইমতোই অপারেশন হয়। এই ভিনরাজ্যের যোগসূত্র খুঁজতে বিহারের যান তদন্তকারীদের একটি দল। পাটনার জেলে বন্দি এক কুখ্যাত দুষ্কৃতী মণীশ হত্যার ব্লু প্রিন্ট ছকে দিয়েছিল বলে তাঁদের কাছে খবর ছিল। সেই সূত্র মারফতই এদিন গ্রেফতার হলেন নাসির।

ডিসেম্বর ১১, ২০২০
রাজ্য

সত্যজিৎ বিশ্বাস খুনের মামলায় মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট পেশ সিআইডির

কৃষ্ণগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক সত্যজিত বিশ্বাস খুনের মামলায় বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট পেশ করল সিআইডি। শনিবার এটি আদালতে জমা পড়েছে। খুনের ষড়যন্ত্রে মুকুল রায় জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে ৩০২ ও ১২০ বি ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মুকুল রায় ছাড়াও এই খুনের ঘটনায় রাণাঘাটের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকারের বিরুদ্ধে আগেই সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট পেশ করা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত অভিজিৎ পণ্ডারি ও আরও একজনের সঙ্গে খুনের আগে ও পরে ফোনে কথা বলেছিলেন জগন্নাথ। জগন্নাথ সরকার এই খুনের ঘটনায় প্রত্যক্ষভাবে জড়িত বলে অভিযোগ সিআইডির। এফআইআরে নাম ছিল মুকুলের। সন্দেহভাজন হিসেবে আগে জমা দেওয়া চার্জশিটে নাম ছিল মুকুলের। আরও পড়ুন ঃ মেদিনীপুর থেকেই রাজ্যে প্রতিনিধিত্ব করবেন শুভেন্দু অধিকারীঃ দিলীপ এদিন মুকুল রায় বলেন, সত্যজিত বাচ্চা ছেলে। আমি এই খুনের ব্যাপারে জানি না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তো পুলিশমন্ত্রী। তাঁর নির্দেশেই তো এই চার্জশিট হয়েছে। আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলছি, বুকে হাত দিয়ে বলুন , মুকুল কি খুন করতে পারেন ? তিনি আরও বলেন, আমার বিরুদ্ধে ৪৪টি মামলা আছে। আমার আইনের উপর ভরসা আছে। আইনের পথেই লড়ে নেব। প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটের আগে ৯ ফেব্রুয়ারি গুলি করে খুন করা হয় সত্যজিত বিশ্বাসকে। সেই খুনের ঘটনার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল। তখন আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন তিনি। সেই সময় তাঁর জামিন মঞ্জুর করেছিল আদালত। তবে আদালত জানিয়েছিল, তদন্ত প্রক্রিয়ায় তাকে সহযোগিতা করতে হবে। নদিয়া জেলায় যেতে পারবেন না তিনি।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২০
কলকাতা

সারদা মামলায় নয়া ভয়েস রেকর্ডিং সিবিআইয়ের হাতে

সারদা মামলার তদন্তে নতুন একটি ভয়েস রেকর্ডিং হাতে এসেছে সিবিআইয়ের। সেই ভয়েস রেকর্ডিং-এর ভিত্তিতে এবার জেলে গিয়ে সুদীপ্ত সেন ও দেবযানী মুখোপাধ্যায়কে জেরা করতে চান কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার আধিকারিকরা। অভিযুক্তদের জেরার অনুমতি দিয়েছে নিম্ন আদালত। ্মঙ্গলবার দেবযানী মুখোপাধ্যায়ের আইনজীবীরা জামিনের জন্য আবেদন জানিয়েছিলেন। সেই আবেদনের শুনানিতেই এমনটা জানানো হয়েছে সিবিআইয়ের তরফে। আরও পড়ুন ঃ আমফানের ত্রাণ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ, ক্যাগ তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের তদন্তকারীদের দাবি, ওই ভয়েস রেকর্ডিং চিটফাণ্ড সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য রয়েছে। আট সপ্তাহ পর ফের মামলার শুনানি। সেদিনই ফের দেবযানীর জামিনের আবেদনের শুনানি হবে। মামলাটি ওঠে বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চে। শুনানিতে বিচারপতি জানতে চান, তদন্তে এত দেরি হচ্ছে কেন? কুণাল ঘোষ যদি জামিন পেতে পারেন, তাহলে দেবযানী মুখোপাধ্যায় কেন পাবেন না? সিবিআই-এর বক্তব্য, কুণাল ঘোষ মিডিয়া সংক্রান্ত অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছিলেন। তিনি সারদা গোষ্ঠীর বেতনভূক কর্মী ছিলেন। দেবযানী ও কুণালের বিষয়টি এক নয়।

ডিসেম্বর ০১, ২০২০
রাজ্য

অভিযু্ক্তের বিরুদ্ধে চার্জশিট লঘু করা হয়েছেঃ অগ্নিমিত্রা

ধর্ষণের ঘটনায় অভিযু্ক্ত তথা ধৃ্ত মনোহর ঘোষ কতদিন পুলিশ হেফাজতে থাকবে , তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করলেন বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পল। তিনি অভিযোগ করেন, চার্জশিট লঘু করা হয়েছে। শনিবার বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বুদবুদের ধর্ষিতাকে দেখতে এসে এভাবেই রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করলেন বিজেপি মহিলা মোর্চার রাজ্য সভানেত্রী অগ্নিমিত্রা পল। তিনি বলেন, প্রতিবাদ করতে গেলে আমার নামে এফআইআর করা হচ্ছে। দিদিমণি যে আমাকে অত্যন্ত ভালবাসেন , এটা জেনে ভাল লাগল। উনি যদি ভাবেন, আমাকে বা আমাদের মহিলা মোর্চার সদস্যাদের কেস দিয়ে আটকাতে পারবেন, পারবেন না। দশ বছর ধরে মহিলাদের উপর যে অত্যাচার হচ্ছে, তাতে না তিনি প্রতিবাদ করছেন। কোনও ব্যবস্থাও গ্রহণ করছেন না। দিনের পর দিন ধর্ষণ হচ্ছে। কোনও শাস্তি নেই, বিচার নেই। তৃ্ণমূল দল থেকে টাকা নিয়ে কেস তোলার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। আমাকে এফআইআর দিয়ে যদি নারী নিগ্রহের ঘটনা বন্ধ হয় , তা হলে আমায় আরো এফআইআর দিন। আরও পড়ুন ঃ কয়লা পাচার কাণ্ডের তদন্তে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি সিবিআইয়ের প্রসঙ্গত, গত ২৬ নভেম্বর বুদবুদের মৌগ্রামে এক তপশিলী বালিকা ধর্ষিতা হয়। বিজেপির তরফে অভিযোগ ওঠে অভিযুক্ত তৃণমূল গ্রাম প্রধানের ছেলে পাপাই ঘোষ। তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই নিয়ে শুক্রবার বিজেপি যুব মোর্চা ওই গ্রামে যায়। ওই নির্যাতিতার পরিবারের অভিযোগ, ওই মেয়েটি কিছু জিনিস আনার জন্য দোকানে যাচ্ছিল। সে সময় তাকে জোর করে মুখ বন্ধ করে ঝোপে টেনে নিয়ে নির্যাতন চালায় অভিযুক্ত। বিজেপির অভিযোগ, অভিযুক্ত মনোহর ঘোষ পঞ্চায়েতে তৃণমূল পদাধিকারীর ছেলে। নির্যাতিতাকে মানকর গ্রামীণ হাসপাতাল থেকে বর্ধমান হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। এদিন অগ্নিমিত্রা হাসপাতালে আসেন ও নির্যাতিতার সঙ্গে কথা বলেন। তিনি অভিযোগ করেন ওই মেয়েটিকে কার্যত একটি ১২ ইঞ্চি জায়গায় রাখা হয়েছে। অন্যদিকে মাননীয়া দাবি করছেন রাজ্যে স্বাস্থ্য পরিষেবার ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। এদিন অগ্নিমিত্রা অভিযোগ করেন রাজ্যে জলপাইগুড়ি সহ নানা স্থানে একাধিক ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এই অভিযোগগুলির ক্ষেত্রে অভিযুক্ত যদি তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী বা সমর্থক হন তাহলে পুলিশ নীরব দর্শক হয়ে থাকছে। কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। কেস লঘু করে দেওয়া হচ্ছে। এই চুক্তিতে যে ভবিষ্যতে তাকে দিয়ে আরো নানা কাজ করানো যাবে। আরও পড়ুন ঃ বিজেপি হচ্ছে ঝালমুড়ির মতোঃ ফিরহাদ তিনি আরও বলেন, আমি কি কোনও ্মিথ্যা কথা বলেছি? আপনি যদি ধর্ষিতাদের টাকা না দিয়ে নির্ভয়ার মতো শাস্তি দিতেন, তাহলে আমরা বেশি খুশি হতাম। তাহলে আমাদের আন্দোলন করার দরকার হতো না। কিন্তু আপনি সেটা করেননি। আপনি এবং আপনার পুলিশ সমস্ত কিছু ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। এনসিআরবির রিপোর্ট এখনও জমা পড়েনি কেন, সে বিষয়ে ্প্রশ্ন তোলেন তিনি। সব অপরাধের শীর্ষে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ, এই মন্তব্য করেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল ত্যাগী কথা শুনে সকলে দলত্যাগ করছেনঃ লকেট অন্যদিকে শুভেন্দু অধিকারীর মন্ত্রিত্ব ত্যাগ নিয়ে অগ্নিমিত্রা বলেন, পদত্যাগ করার কথা। ও্নার মতো দক্ষ সংগঠক যাদের অন্য কাউকে তোষামো্দ করার প্রয়োজন পড়ে না, তারা টিএমসিতে থাকতে পারবেন না। মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী তাঁর ভাইপো ছাড়া কাউকে মান্যতা দেন না। কোনো দায়িত্ববান গুণী, কাজের মানুষ ওদের সঙ্গে থাকতে পারবেন না। তাই কোনো যোগ্য মানুষ ওই দলে থাকতে পারবেন না। ও্নার বিজেপিতে যোগ দেওয়া উচিত। বিজেপির দরজা সবার জন্য খোলা।

নভেম্বর ২৮, ২০২০
রাজ্য

কয়লা পাচার কাণ্ডের তদন্তে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি সিবিআইয়ের

কয়লা পাচার কাণ্ডের তদন্তে কলকাতা সহ রাজ্যের ৩০টি জায়গায় তল্লাশি চালাল সিবিআই। সিবিআই সূত্রে খবর, কলকাতা, বর্ধমান, রানিগঞ্জ, দুর্গাপুর, আসানসোল সহ দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে। এদিন সকালে নিজাম প্যালেস থেকে সিবিআই আধিকারিকদের মোট ২২টি দল তদন্তে বেরিয়েছে। ওই আধিকারিকরাই বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছেন। তার মধ্যে রয়েছে কয়লা পাচার কাণ্ডে মূল অভিযুক্ত অনুপ মাঝি ওরফে লালার বাড়ি এবং অফিস। এমনকী অনুপ মাঝির ঘনিষ্ঠদের বাড়িতেও চলছে সিবিআইয়ের ম্যারাথন তল্লাশি। আরও পড়ুন ঃ খেজুরিতে তৃণমূলের পার্টি অফিস দখলের অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে এছাড়াও কয়লা পাচার কাণ্ডে ইতিমধ্যেই তদন্তে নেমেছে আয়কর দফতর৷ সিবিআই আয়কর দফতরের কাছ থেকে তদন্ত সংক্রান্ত ফাইল চেয়ে পাঠিয়েছে। পাশাপাশি কয়লা পাচার থেকে পাওয়া অর্থ কোথায় কোথায় যেত, সেই তথ্য খুঁজে বের করতে তদন্তে নেমেছে ইডি। মূল অভিযুক্ত লালা এখনও কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের ধরাছোঁয়ার বাইরে৷ তবে ইতিমধ্যেই গরু পাচার কাণ্ডে ধৃত মূল অভিযুক্ত এনামূলের সঙ্গে লালার যোগাযোগের প্রমাণ পেয়েছেন সিবিআই তদন্তকারীরা৷ গত ১৭ নভেম্বর গরু পাচার কাণ্ডে বিএসএফ কম্যান্ডার সতীশ কুমারকে গ্রেফতার করে সিবিআই। তাঁকে জেরা করেই জানা যায়, ট্রাকে করে কয়লা পাচারে লালাকে সাহায্য করত এনামূল। সবমিলিয়ে এ রাজ্যে কয়লা এবং গরু পাচারকারীদের মধ্যে যথেষ্ট যোগাযোগ ছিল বলেই মনে করছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা।

নভেম্বর ২৮, ২০২০
দেশ

হাইকোর্টের প্রশ্নের মুখে হাথরাস কাণ্ডে সিবিআই তদন্ত

হাথরাসের নির্যাতিতা দলিত তরুণী ধর্ষণের ঘটনায় তদন্ত শেষ করতে আর কতদিন সময় লাগবে? শুক্রবার তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইকে এই প্রশ্ন করল এলাহাবাদ হাইকোর্ট। শুক্রবার হাইকোর্টে ওই ধর্ষণের মামলার শুনানি ছিল। বিচারপতি পঙ্কজ মিঠল ও বিচারপতি রাজন রায়ের বেঞ্চ কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআইয়ের আইনজীবীকে প্রশ্ন করেন, এই তদন্ত শেষ করতে আর কতদিন সময় লাগবে? সিবিআইয়ের আইনজীবী অবশ্য নির্দিষ্ট করে কোনও তারিখের কথা জানাতে পারেননি। এরপরই বেঞ্চ সিবিআইকে স্পষ্ট জানায় ২৫ নভেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। সেদিনই যেন তারা আদালতকে তদন্তের সর্বশেষ রিপোর্ট জমা দেয়। এই মামলার শুনানিতে বেঞ্চ রাজ্য সরকারকে প্রশ্ন করে, হাথরাসের জেলাশাসক হিসেবে প্রবীণ কুমারকে ওই পদে রেখে দেওয়া কি ন্যায়সঙ্গত এবং যুক্তিযুক্ত? বেঞ্চের ওই বক্তব্যের প্রেক্ষিতে রাজ্য সরকারের আইনজীবী এস ভি রাজু আদালতকে জানিয়েছেন, তিনি বিষয়টি রাজ্য সরকারকে জানাবেন। আরও পড়ুন ঃ আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় গ্রেফতার অর্ণব গোস্বামী প্রসঙ্গত , হাথরাসে ১৯ বছরের দলিত তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে চার যুবকের বিরুদ্ধে। ধর্ষণের পর ওই তরুণীর উপর চরম শারীরিক নির্যাতন করা হয়। ঘটনার এক সপ্তাহের মধ্যে ওই তরুণীর মৃত্যু হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে ওঠে গোটা দেশ। ঘটনার প্রেক্ষিতে এলাহাবাদ হাইকোর্ট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে একটি মামলা দায়ের করে। এই ধর্ষণের ঘটনার তদন্ত ভার সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। সেই মামলারই শুনানি ছিল এদিন।

নভেম্বর ০৬, ২০২০
রাজ্য

গরু পাচার কাণ্ডের মূল চক্রী এনামুল গ্রেফতার

গরু পাচার কাণ্ডের মূল মাথা মুর্শিদাবাদের ব্যবসায়ী এনামুল হককে শুক্রবার দিল্লি থেকে গ্রেফতার করল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। এই খবর জানার পরেই সিবিআইয়ের পূর্বাঞ্চলীয় সদর দফতর সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্স থেকে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের একটি দল এনামুলকে কলকাতায় নিয়ে আসার জন্য দিল্লি রওনা দিয়েছে। তাকে কলকাতার সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে তোলা হবে বলে জানা গিয়েছে। এই এনামুলের সঙ্গে কলকাতারও ঘনিষ্ঠ যোগ সূত্র ছিল। মূলত মুর্শিদাবাদের লালগোলার বাসিন্দা এনামুলের কলকাতাতেও বাড়ি রয়েছে, রয়েছে দিল্লিতেও। কয়েকদিন আগে তার কলকাতার বাড়িতেও তল্লাশি চালায় সিবিআই। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে গরু পাচার কাণ্ডের তদন্ত সিবিআই শুরু করতেই গা ঢাকা দেয় এনামুল। অবশেষে তার দিল্লির বাড়ি থেকে শুক্রবার তাকে গ্রেফতার করে সিবিআই। আরও পড়ুন ঃ তোষণের রাজনীতিতে বাংলার ঐতিহ্য ক্ষুণ্ন হচ্ছেঃ অমিত শাহ প্রসঙ্গত , রাজ্যে গরু পাচারকাণ্ডে বৃহস্পতিবার কলকাতার চার জায়গায় তল্লাশি চালায় সিবিআই। মানিকতলায় ব্যবসায়ী রাজন পোদ্দারের ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালিয়ে বেশ কিছু নথি আটক করা হয়। কয়েকদিন আগে এই কাণ্ডে জড়িত থাকা এনামুল ঘনিষ্ঠ এক বিএসএফ কর্তাকে গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। দিন দুয়েক আগেও কলকাতায় শুল্ক দপ্তরের আধিকারিক-সহ চারজনকে গ্রেপ্তার করে সিবিআই। গোটা চক্রের জাল খুলে ধীরে ধীরে এগোচ্ছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। জানা গিয়েছিল, সীমান্তে গরুপাচারে যোগসাজশ ছিল বিএসএফেরও। প্রতি গরুতে হাজার দুয়েক টাকা পেত বিএসএফের এক শ্রেণির কর্তারা। গরুর এই দরদাম চলত মুর্শিদাবাদের শুল্ক দপ্তরের এক শ্রেণির কর্তাদের যোগসাজশে। গরু পাচারের ঘটনার সঙ্গে এই রাজ্যের কোনও রাজনৈতিক নেতা জড়িত আছে কিনা , তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

নভেম্বর ০৬, ২০২০
স্বাস্থ্য

সমস্ত রেকর্ড ভেঙে বাংলায় একদিনে করোনা আক্রান্ত ৪১৫৭

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ১৫৭ জন। এ নিয়ে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ লক্ষ ৩৭ হাজার ২৮৩। বাংলায় করোনায় অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ৩৬ হাজার ৬৪। এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৬০৮ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ২ লক্ষ ৯৪ হাজার ৯১১ জন। আরও পড়ুনঃ সংক্রমণে রেকর্ড ভেঙে একইদিনে আক্রান্ত ৪ হাজার ৬৯ রাজ্যে সুস্থতার হার ৮৭.৪৪ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৬৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৬৩০৮। বৃহস্পতিবার ৪৪ হাজার ২৫২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট ৪১ লক্ষ ৬৬ হাজার ৪৯৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

অক্টোবর ২৩, ২০২০
স্বাস্থ্য

পুজোর আগে উদ্বেগ বাড়িয়ে একইদিনে রাজ্যে রেকর্ড সংখ্যক করোনা আক্রান্ত

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯৯২ জন। এ নিয়ে সোমবার পর্যন্ত বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ লক্ষ ২৫ হাজার ২৮। বাংলায় করোনায় অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ৩৪ হাজার ৫৮৪। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৬৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৬১১৯। এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ২৭২ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ২ লক্ষ ৮৪ হাজার ৩২৫ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার ৮৭.৪৮ শতাংশ।

অক্টোবর ২০, ২০২০
বিনোদুনিয়া

মিঠুনের ছেলে ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে এফআইআর

সুপারস্টার মিঠুন চক্রবর্তীর ছেলে মহাক্ষয় ওরফে মিমোর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস, প্রতারণা এবং জোর করে গর্ভপাতের অভিযোগ করেছেন এক তরুণী। যোগিতা বালির বিরুদ্ধে নির্যাতিতাকে ভয় দেখানোর অভিযোগ উঠেছে। মুম্বইয়ের ওশিওয়াড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন নির্যাতিতা তরুণী। এই তরুণী পেশায় মডেল। তার দাবি, ২০১৫ সালে মিমো তাঁকে বাড়িতে ডেকে পাঠায়। তিনিও মিঠুন পুত্রের ডাকে সাড়া দিয়ে বাড়িতে যান। অভিযোগ, মাদক মিশ্রিত ঠান্ডা পানীয় ওই তরুণীকে খেতে দেন মিমো। তিনি প্রায় অচৈতন্য হয়ে পড়েন। সেই সুযোগে মিমো তাঁর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক তৈরি করেন। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে মিমো তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ তার। এরপর বছরচারেক পর অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন ওই তরুণী। সেকথা মিমোকে জানালে তিনি বিয়ে করতে অস্বীকার করেন । আরও পড়ুনঃ কঙ্গনা রানাওয়াতের বিরুদ্ধে এফআইআরের নির্দেশ কোর্টের মিমো এরপর ওই তরুণীকে গর্ভপাতের জন্য চাপ দিলে সে তাতে রাজি হয়নি। অভিযোগ , এরপর তাকে না জানিয়ে ওষুধ খাইয়ে মিমো তার গর্ভপাত করান। এমনকী নির্যাতিতার আরও অভিযোগ, মিমোর মা যোগিতা বালিও তাঁকে হুমকি দেন। ইতিমধ্যে ২০১৮ সালে মহাক্ষয় ওরফে মিমো বিয়ে করেন। সেই সময় তিনি ধর্ষণের মামলা রুজু করার চেষ্টা করেন। তবে পুলিশ তাঁর অভিযোগ নিতে অস্বীকার করে। এরপর দিল্লিতে চলে যান নির্যাতিতা। দিল্লির রোহিণী আদালত প্রাথমিক প্রমাণাদির ভিত্তিতে এফআইআর দায়েরের নির্দেশ দেন।

অক্টোবর ১৭, ২০২০
স্বাস্থ্য

করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হল ৩ হাজার ৭৭১ জন

শুক্রবার রাত পর্যন্ত করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৩ হাজার ৭৭১ জন। এই নিয়ে রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হল ৩ লক্ষ ১৩ হাজার ১৮৮ জন। মৃ্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৯৩১ জন। আরও পড়ুনঃ মণীশ শুক্লা হত্যাকাণ্ডে সিবিআই তদন্তের দাবিতে হাল্লাবোল মিছিল বিজেপি র গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৬১ জনের। তবে দৈনিক সুস্থতার হার গতকাল সামান্য কমলেও শুক্রবার সুস্থতার হার ছিল ৮৭.৭৩ শতাংশ। উৎসবের আগেই যদি এই পরিসংখ্যান তাহলে আগামী দুর্গাপুজোর পরে কী রূপ নিতে চলেছে সংক্রমণ, তা ভাবাচ্ছে রাজ্য প্রশাসনকে।

অক্টোবর ১৭, ২০২০
রাজ্য

মণীশ শুক্লা হত্যাকাণ্ডে সিবিআই তদন্তের দাবিতে হাল্লাবোল মিছিল বিজেপি' র

মণীশ শুক্লা হত্যাকাণ্ডে সিবিআই তদন্তের দাবিতে শুক্রবার হাল্লাবোল মিছিল করল বিজেপি। টিটাগড় থেকে ব্যারাকপুরের চিড়িয়ামোড় পর্যন্ত এদিন এই মিছিল আয়োজন করা হয়। মিছিলে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি মুকুল রায়, সাংসদ লকেট চট্টো্পাধ্যয়, সাংসদ অর্জুন সিং , বিধায়ক সব্যসাচী দত্ত সহ আরও অনেকে। কৈলাস বিজয়বর্গীয় সাংবাদিকদের বলেন, সিআইডিকে দিয়ে এই তদন্ত করলে কো্নওদিনও ্প্রকৃত দোষী ধরা পড়বে না। তাই সিবিআইকে দিয়ে এই তদন্ত করাতে হবে। মণীশের পরিবার ক্রমাগত হুমকির মুখে পড়ছে। আরও পড়ুনঃ বলবিন্দরকে মুক্তি না দিলে আগামীকাল নবান্নের সামনে অনশনে বসবেন স্ত্রী ও পুত্র অন্যদিকে , টিটাগড়ের বিজেপি কাউন্সিলর মণীশ শুক্লা খুনের তদন্তে এখনও সিআইডির উপরই ভরসা রাখছে কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চে তদন্তের বিস্তারিত রিপোর্ট জমা করেন সিআইডি আধিকারিকরা। সেই রিপোর্ট দেখে বিচারপতিরা জানান যে আপাতত রাজ্য গোয়েন্দা সংস্থার তদন্ত চলুক। পরে এই তদন্তে কোনও ত্রুটি দেখা গেলে সিবিআই তদন্তের কথা ভাবা যাবে। আগামী ১০ নভেম্বর মামলাটির পরবর্তী শুনানি।

অক্টোবর ১৬, ২০২০
রাজ্য

মণীশ শুক্লা খুনের ঘটনায় ব্যারাকপুর ও টিটাগড় পুরসভার প্রশাসককে জেরা সিআইডি ’র

বিজেপি নেতা মণীশ শুক্লা খুনের ঘটনায় এবার দুই প্রশাসককে জেরা করল সিআইডি। বৃহস্পতিবার ব্যারাকপুর পুরসভার প্রশাসক উত্তম দাস এবং টিটাগড় পুরসভার প্রশাসক প্রশান্ত চৌধুরিকে তলব করে সিআইডি। সেই অনুযায়ী তদন্তকারীদের সঙ্গে দেখা করেন তাঁরা। সূত্রের খবর, মণীশ শুক্লা খুনের সময় ঠিক কোথায় ছিলেন তাঁরা সেই সংক্রান্ত খোঁজখবর নেয় সিআইডি। মাত্র ১০ মিনিট জেরা করেই তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। সিআইডি জেরার পর তাঁরা দাবি করেন, বিজেপি নেতা খুনে কোনওভাবেই যুক্ত নই। তবে বিজেপি পরিকল্পনামাফিক কালিমালিপ্ত করতে চাইছে। তাই নাম এফআইআরে রাখা হয়েছে। সে কারণে সিআইডি তলব করেছিল। বৃহস্পতিবার সিআইডির সঙ্গে দেখা করেছি। তদন্তের স্বার্থে ভবিষ্যতে আবারও সিআইডি তলব করলে দেখা করব। আরও পড়ুনঃ একদিনে রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত ৩,৬৭৭ জন প্রসঙ্গত, মণীশ শুক্লার বাবার দায়ের করা এফআইআরে নাম রয়েছে প্রশাসক উত্তম দাস এবং প্রশান্ত চৌধুরির। সেইমতো এদিন তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়। এদিকে তৃণমূলের দুই প্রশাসককে জেরার পরেও বারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংয়ের দাবি, মণীশ শুক্লা হত্যাকাণ্ডের তদন্তে ব্যারাকপুর পুরসভার প্রশাসক উত্তম দাস এবং টিটাগড় পুরসভার প্রশাসক প্রশান্ত চৌধুরিকে সিআইডির তলব আইওয়াশ ছাড়া কিছুই নয়।

অক্টোবর ১৫, ২০২০
কলকাতা

মণীশ শুক্লা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ফের সিবিআই তদন্তের দাবিতে রাজ্যপালের দ্বারস্থ বিজেপি

মণীশ শুক্লা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ফের রাজ্যপালের কাছে গিয়ে সিবিআই তদন্তের দাবি জানাল তিন সদস্যের বিজেপির একটি প্রতিনিধিদল। সেই দলে ছিলেন বিজেপির জাতীয় সহ সভাপতি মুকুল রায় , রাজ্যের সহ সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার , রাজ্য সম্পাদক সব্যসাচী দত্ত। রবিবার তাঁরা রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়কে এই দাবি জানিয়ে চিঠি দেন। রাজ্যপাল তাদের দাবি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন। বিজেপি নেতাদের বক্তব্য, এই খুনের ঘটনার পিছনে রাজ্য সরকারের যে ষড়যন্ত্র রয়েছে , সিবিআই তদন্তের মাধ্যমে তা খুঁজে বের করতে হবে। প্রকৃ্ত দোষীদের শাস্তি দিতে হবে। আরও পড়ুন ঃ বিশ্ববাংলা শারদ সম্মান-২০২০ র জন্য নির্দেশিকা জারি রাজ্যের রাজ্যপালকে লেখা চিঠিতে বিজেপির অভিযোগ , সিআইডি যে তদন্ত করছে , সেখানে এই খুনের ঘটনার সঙ্গে প্রকৃ্ত কারা যুক্ত , তা উঠে আসছে না। এছাড়াও তারা রাজ্যপালকে লেখা চিঠিতে অভিযোগ করেন, দেবেন্দ্রনাথ রায় সহ আমাদের একশজনের বেশি সদস্য শাসকদলের হামলার জেরে খুন হয়েছেন। বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি মুকুল রায় বলেন, রাজ্যপালের হাতে ক্ষমতা নেই সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেওয়ার। আমরা চাই যে তদন্ত হচ্ছে সেটা সঠিক হোক। মণীশ শুক্লার পরিবার যেন বিচার পায়।

অক্টোবর ১১, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • ›

ট্রেন্ডিং

টুকিটাকি

প্রতিদিনের রান্নায় রাখছেন কারিপাতা, ধনেপাতা ও পুদিনা? কোন পাতায় লুকিয়ে বেশি স্বাস্থ্যগুণ?

প্রতিদিনের রান্নায় কারিপাতা, ধনেপাতা ও পুদিনাপাতার ব্যবহার নতুন কিছু নয়। খাবারের স্বাদ ও সুগন্ধ বাড়ানোর পাশাপাশি এই তিন ভেষজ পাতায় রয়েছে বিভিন্ন ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা শরীরের জন্য উপকারী হতে পারে। তবে এগুলি যতই পুষ্টিকর হোক না কেন, অতিরিক্ত খাওয়া সবার জন্য উপযুক্ত নয়। তাই গুণাগুণের পাশাপাশি সতর্কতার বিষয়টিও জানা জরুরি।কারিপাতার উপকারিতাকারিপাতা হজমশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের কোষকে সুরক্ষা দিতে সহায়তা করে। পাশাপাশি রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে, বিশেষ করে ডায়াবেটিসে খাদ্য নিয়ন্ত্রণের অংশ হিসেবে, এটি কিছুটা সহায়ক হতে পারে। চুল ও ত্বকের জন্যও কারিপাতা উপকারী পুষ্টি সরবরাহ করে। এছাড়া এতে লৌহ, ক্যালসিয়াম ও বিভিন্ন ভিটামিনের উপস্থিতি রয়েছে।শিশু থেকে বয়স্ক, সাধারণ পরিমাণে রান্নার সঙ্গে কারিপাতা খেতে পারেন। যাদের হজমের সমস্যা রয়েছে, তারাও অল্প পরিমাণে উপকার পেতে পারেন।তবে অতিরিক্ত কাঁচা কারিপাতা খেলে কারও কারও পেটে অস্বস্তি হতে পারে। আবার কোনো নির্দিষ্ট রোগের ওষুধ চললে বেশি পরিমাণে খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই ভালো।ধনেপাতার উপকারিতাধনেপাতা ভিটামিন A, C ও K-এর পাশাপাশি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টেরও ভালো উৎস। এটি খাবারের স্বাদ বাড়ায় এবং ক্ষুধা বাড়াতে সাহায্য করে। একই সঙ্গে হজমে সহায়তা করে এবং শরীরে প্রদাহ কমাতে সহায়ক কিছু উপাদানও এতে থাকতে পারে।পরিষ্কার করে ধুয়ে শিশু, তরুণ ও বয়স্কসবাই পরিমাণমতো ধনেপাতা খেতে পারেন। সালাদ, চাটনি, ডাল কিংবা বিভিন্ন তরকারিতে এটি ব্যবহার করা যায়।তবে কারও কারও ধনেপাতায় অ্যালার্জি হতে পারে। এছাড়া বাজার থেকে কেনা ধনেপাতা ভালোভাবে ধুয়ে ব্যবহার করা জরুরি, বিশেষ করে বর্ষাকালে।পুদিনাপাতার উপকারিতাপুদিনাপাতা হজমে সাহায্য করে এবং গ্যাস, পেট ফাঁপা বা অস্বস্তিতে কিছু মানুষের আরাম দিতে পারে। এটি মুখের দুর্গন্ধ কমাতেও সহায়ক। গরমের দিনে পুদিনার শরবত শরীরকে সতেজ রাখে।সাধারণভাবে শিশু ও বড়রা অল্প পরিমাণে পুদিনাপাতা খেতে পারেন। চাটনি, শরবত, রায়তা কিংবা রান্নায় এটি ব্যবহার করা যায়।তবে যাদের অ্যাসিডিটি বা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা বেশি, তারা অতিরিক্ত পুদিনা খেলে অস্বস্তি অনুভব করতে পারেন। ছোট শিশুদের খুব বেশি কাঁচা পুদিনা না দেওয়াই ভালো।ঋতুভেদে কী সতর্কতা?বর্ষাকালে ভেষজ পাতাগুলি মাটির কাছাকাছি জন্মায় বলে জীবাণু বা ময়লা থাকার সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই কয়েকবার ভালোভাবে ধুয়ে তবেই ব্যবহার করা উচিত।গরমকালে পুদিনা ও ধনেপাতা সতেজ খাবার হিসেবে জনপ্রিয় হলেও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়টি অবশ্যই গুরুত্ব দিতে হবে।শীতকালে এই পাতাগুলি সহজেই দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় রাখা যায়।কারা বেশি সতর্ক থাকবেন?যাদের কোনো ভেষজ পাতায় অ্যালার্জি রয়েছে, তাদের সতর্ক থাকতে হবে। যাদের দীর্ঘদিনের পেটের বিশেষ সমস্যা রয়েছে, তারা চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে খাবেন। এছাড়া ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে অল্প পরিমাণ দিয়ে শুরু করাই ভালো।সব মিলিয়ে, কারিপাতা, ধনেপাতা ও পুদিনাপাতা, তিনটিই স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হতে পারে। তবে এগুলি কোনো রোগের ওষুধ নয়। সুষম খাদ্যাভ্যাস, পরিচ্ছন্নতা এবং নিয়মিত জীবনযাপনের সঙ্গে এই ভেষজ পাতাগুলি খেলে বেশি উপকার পাওয়া যেতে পারে।

আগস্ট ০৫, ২০২৬
বিদেশ

মোদির ভিডিও ঘিরে তুমুল বিতর্ক! শেষমেশ মাথা নত, ক্ষমা চাইতেই হল জুকারবার্গকে

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনাকে ঘিরে বড় বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনার জেরে কেন্দ্রের কড়া অবস্থানের মুখে শেষ পর্যন্ত ক্ষমা চাইলেন মেটা প্রধান মার্ক জুকারবার্গ। সূত্রের দাবি, শুধু ভিডিও সরানোর ঘটনাই নয়, সামাজিক মাধ্যমে আপত্তিকর বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার বিষয়েও সংস্থা নিজেদের ত্রুটির কথা স্বীকার করেছে।গত তেইশে জুলাই তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে একটি সেলফি ভিডিও প্রকাশ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কিছু সময়ের মধ্যেই সেই ভিডিও ফেসবুক থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে বিতর্ক শুরু হয়। প্রথমে মেটা প্রযুক্তিগত ত্রুটির কথা জানিয়ে দুঃখপ্রকাশ করলেও কেন্দ্র সেই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট হয়নি।সংসদের তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক কমিটিও এই ঘটনায় কঠোর অবস্থান নেয়। কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, শুধু ক্ষমা চাইলেই চলবে না, ঘটনার পূর্ণ দায় মেটাকেই নিতে হবে। পাশাপাশি আইনি পদক্ষেপের কথাও বলা হয়। এরপরই মেটার প্রতিনিধিদের তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকে তলব করা হয়।সরকারি সূত্রের খবর, বৈঠকে সামাজিক মাধ্যমে শিশুদের নিয়ে আপত্তিকর বিষয়বস্তু ছড়িয়ে পড়া, অবৈধ কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং ভিডিও সরানোর কারণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। মেটার প্রতিনিধিরা প্রযুক্তিগত ত্রুটির কথা জানালেও কেন্দ্র আরও কঠোর নজরদারির ইঙ্গিত দেয়।এদিকে সরকার স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, প্রয়োজনে সামাজিক মাধ্যম সংস্থাগুলির আইনি সুরক্ষা প্রত্যাহার করার বিষয়েও ভাবা হবে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই মার্ক জুকারবার্গ ক্ষমা চেয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ফলে আপাতত বিতর্ক কিছুটা স্তিমিত হলেও মেটার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।ভারতে কোটি কোটি মানুষ প্রতিদিন ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম এবং হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করেন। তাই এই বিতর্ক আগামী দিনে কোন দিকে গড়ায়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক এবং প্রযুক্তি মহলের।

আগস্ট ০৫, ২০২৬
কলকাতা

বদলে যাচ্ছে ‘বাংলার বাড়ি’র নাম! আগামীকালই বড় ঘোষণা, লক্ষ লক্ষ পরিবারে ঢুকবে টাকা

রাজ্যের আবাসন প্রকল্পে বড় পরিবর্তনের পথে সরকার। এতদিন যে প্রকল্প বাংলার বাড়ি নামে পরিচিত ছিল, সেটির নাম বদলে পশ্চিমবঙ্গ আবাস করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার নবান্ন সভাঘর থেকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নতুন নামের এই প্রকল্পের আওতায় যোগ্য উপভোক্তাদের দ্বিতীয় কিস্তির টাকা পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করবেন।সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রথম পর্যায়ে প্রায় দশ লক্ষ পরিবারের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি দ্বিতীয় কিস্তির অর্থ পাঠানো হবে। এই প্রকল্পে বাড়ি নির্মাণের জন্য মোট এক লক্ষ কুড়ি হাজার টাকা অনুদান দেওয়ার কথা। এর মধ্যে প্রথম কিস্তির টাকা আগেই দেওয়া হয়েছিল। এবার নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করা উপভোক্তারা দ্বিতীয় কিস্তির টাকা পাবেন।সরকার জানিয়েছে, যাঁরা প্রথম কিস্তির অর্থ ব্যবহার করে বাড়ির লিন্টন পর্যন্ত নির্মাণ কাজ সম্পূর্ণ করেছেন, শুধুমাত্র তাঁরাই এই পর্যায়ে দ্বিতীয় কিস্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। সমস্ত নথি ও নির্মাণের অগ্রগতি যাচাই করার পরেই টাকা ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে, যাঁরা এখনও বাড়ির নির্মাণ নির্ধারিত স্তর পর্যন্ত শেষ করতে পারেননি, তাঁদের আবেদন বাতিল করা হচ্ছে না। নির্মাণ কাজ সম্পূর্ণ হওয়ার পর নতুন করে সমীক্ষা করা হবে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতেই পরবর্তী পর্যায়ে তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো হবে।সরকারি সূত্রের দাবি, উপভোক্তাদের তালিকা তৈরির ক্ষেত্রে এবার বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে যাচাই প্রক্রিয়ায়। প্রকৃত যোগ্যদের কাছেই সরকারি অনুদান পৌঁছে দিতে একাধিক স্তরে নথি পরীক্ষা করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে সম্পূর্ণ যাচাইয়ের পরেই অর্থ ছাড়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।আগামীকাল থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে বহু পরিবারের বাড়ি তৈরির কাজ ফের গতি পাবে বলে মনে করছে প্রশাসন। একই সঙ্গে নতুন নামে আবাস প্রকল্প চালুর মধ্য দিয়ে রাজ্যের আবাসন কর্মসূচিতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে চলেছে।

আগস্ট ০৫, ২০২৬
দেশ

ডিসেম্বরে ফিরবই! আবেগঘন বার্তায় বড় ঘোষণা শেখ হাসিনার, বাংলাদেশ নিয়ে বিস্ফোরক দাবি

দেশ ছাড়ার দুই বছর পর প্রথমবার সাংবাদিকদের উদ্দেশে অডিয়ো বার্তা দিলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে ঠিক কোন দিনে ফিরবেন, তা পরে জানানো হবে বলেও জানান তিনি। বক্তব্য রাখতে গিয়ে একাধিকবার আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন শেখ হাসিনা।অডিয়ো বার্তায় শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নাড়ির টান। গত দুই বছরে দেশের পরিস্থিতি দেখে তিনি অত্যন্ত কষ্ট পেয়েছেন। তাঁর দাবি, যে আন্দোলনের জেরে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়েছিল, সেটি শুধুমাত্র ছাত্র আন্দোলন ছিল না। পরিকল্পিতভাবে সেই আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপ দেওয়া হয়েছিল।সরকার পতনের প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনার জন্য সরকার উদ্যোগ নিয়েছিল। কিন্তু সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরানোর পরিকল্পনা আগে থেকেই করা হয়েছিল। তাঁর দাবি, সরকার সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব পালন করেছে এবং সেই পদক্ষেপকে অপরাধ বলা যায় না।তিনি আরও অভিযোগ করেন, তাঁর সরকারের সময়ে শুরু হওয়া বিচার বিভাগীয় তদন্ত পরবর্তী সরকার বন্ধ করে দেয়। শেখ হাসিনার দাবি, আন্দোলনের সময় এবং পরে আওয়ামী লীগের বহু নেতা-কর্মী নিখোঁজ হয়েছেন। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, সাংবাদিক এবং মুক্তিযোদ্ধারাও নানা ধরনের আক্রমণের শিকার হয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।আন্তর্জাতিক মহলের উদ্দেশে শেখ হাসিনা আবেদন জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশের মানুষের পাশে দাঁড়ানো প্রয়োজন। একই সঙ্গে তিনি জানান, জেলেও যেতে হলে তিনি প্রস্তুত। নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে নয়, দেশের মানুষের কাছেই ফিরতে চান তিনি।ভারতে থাকার প্রসঙ্গেও মুখ খোলেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ভারত সরকার তাঁকে যথেষ্ট সম্মান ও আন্তরিকতা দেখিয়েছে। ভারতকে বন্ধু দেশ বলেই উল্লেখ করেন তিনি। তবে তাঁর কথায়, শেষ পর্যন্ত নিজের দেশেই ফিরতে চান তিনি এবং সেই লক্ষ্যেই ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ও বর্তমান বাংলাদেশের সরকারের কড়া সমালোচনা করেন। তাঁর অভিযোগ, দেশে মানবাধিকার ও বাকস্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হচ্ছে এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও দাবি করেন, আন্দোলনে মৃত্যুর প্রকৃত সংখ্যা নিয়ে এখনও স্পষ্ট তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, দেশে জঙ্গি কার্যকলাপ এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলের নজর দেওয়া প্রয়োজন। তাঁর দাবি, এই পরিস্থিতি শুধু বাংলাদেশের নয়, গোটা অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্যও উদ্বেগের বিষয় হতে পারে।শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণার পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। আগামী কয়েক মাসে পরিস্থিতি কোন দিকে এগোয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

আগস্ট ০৫, ২০২৬
কলকাতা

আমতলার অফিস কি আপাতত নিরাপদ? অভিষেকের মামলায় হাই কোর্টের বড় সিদ্ধান্ত

আমতলায় দলীয় কার্যালয় ভাঙার মামলায় ফের স্বস্তি পেলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতা হাই কোর্ট আমতলার ওই কার্যালয় ভাঙার উপর দেওয়া অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশের মেয়াদ আগামী একুশে আগস্ট পর্যন্ত বাড়িয়ে দিয়েছে। একই সঙ্গে আদালত জানিয়েছে, আগামী আঠারোই আগস্ট দুপুর দুটোর সময় মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।বৈধ নির্মাণ পরিকল্পনা এবং প্রয়োজনীয় নথি ছাড়া কার্যালয় তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে প্রশাসন ভাঙার কাজ শুরু করেছিল। ঘটনাস্থলে বুলডোজার নামিয়ে কার্যালয়ের একাংশও ভেঙে ফেলা হয়। এরপরই আদালতের দ্বারস্থ হয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংস্থা। জরুরি শুনানির আবেদন জানানো হলে আদালত প্রথমে ভাঙার কাজের উপর সাময়িক স্থগিতাদেশ দেয়। সেই নির্দেশের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই বুধবার আদালত তা বাড়িয়ে একুশে আগস্ট পর্যন্ত বহাল রাখল।এই কার্যালয়কে কেন্দ্র করে আগেই জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একাধিক নোটিস পাঠানো হয়েছিল। অভিযোগ ছিল, যে জমিতে কার্যালয়টি তৈরি হয়েছে, তা একটি বেসরকারি সংস্থার নামে কেনা। সেই সংস্থার সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারের নাম জড়িয়ে রয়েছে বলেও প্রশাসনের দাবি। পরপর নোটিসের জবাব না মেলায় প্রশাসন ভাঙার সিদ্ধান্ত নেয়। সেই সিদ্ধান্তকেই আদালতে চ্যালেঞ্জ জানায় সংশ্লিষ্ট সংস্থা।আদালতে শুনানির সময় রাজ্যের আইনজীবী দাবি করেন, যে অংশ ভাঙা হয়েছে, সেটি সংশ্লিষ্ট সংস্থার সম্পত্তি নয়। দাগ নম্বরের উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভাঙা অংশ অন্য জমির অন্তর্গত। তাই স্থগিতাদেশ তুলে নেওয়ার আবেদনও জানানো হয়।অন্যদিকে, সংশ্লিষ্ট সংস্থার আইনজীবীর দাবি, যথাযথ নোটিস না দিয়েই ভাঙার কাজ শুরু করা হয়েছে। অভিযোগে কী বলা হয়েছে, কোন নথির ভিত্তিতে নির্মাণকে বেআইনি বলা হয়েছে, সেই তথ্যও দেওয়া হয়নি। এমনকি নিজেদের বক্তব্য জানানোর সুযোগও দেওয়া হয়নি বলে আদালতে দাবি করা হয়।দুপক্ষের বক্তব্য শোনার পর কলকাতা হাই কোর্ট আপাতত একুশে আগস্ট পর্যন্ত ভাঙার কাজ স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছে। ফলে এই মুহূর্তে বড় স্বস্তি পেলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এখন সকলের নজর আগামী আঠারোই আগস্টের শুনানির দিকে। ওই দিন আদালতের পর্যবেক্ষণের উপরই নির্ভর করবে এই মামলার পরবর্তী পথ।

আগস্ট ০৫, ২০২৬
বিদেশ

সত্যিই কি এত ভয়? বিদেশি সংবাদমাধ্যমের উপর কড়া নিষেধাজ্ঞা, বড় পদক্ষেপ পাকিস্তানের

পাক অধিকৃত কাশ্মীরে চলা আন্দোলন, প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ এবং দমন-পীড়নের খবর আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ হওয়ার পর নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বিদেশি সংবাদমাধ্যমের উপর কড়া নিয়ন্ত্রণ আরোপ করল পাকিস্তান সরকার। নতুন নির্দেশ অনুযায়ী, সরকারি অনুমতি ছাড়া দেশের নির্দিষ্ট এলাকায় কোনও বিদেশি সংবাদমাধ্যম বা সাংবাদিক খবর সংগ্রহ করতে পারবেন না।পাকিস্তানের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই নিয়ম আন্তর্জাতিক সংবাদপত্র, টেলিভিশন, ডিজিটাল সংবাদমাধ্যম, ওয়েবভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম এবং সামাজিক মাধ্যমের ক্ষেত্রেও সমানভাবে প্রযোজ্য হবে। বিদেশি সংবাদমাধ্যমকে আগে সরকারি নিবন্ধন করতে হবে। অনুমোদন পাওয়ার পরেই তারা নির্দিষ্ট এলাকায় রিপোর্ট করার সুযোগ পাবেন।সরকারি নির্দেশে আরও বলা হয়েছে, বিদেশি সাংবাদিক কোথায় যাচ্ছেন, কার সঙ্গে কথা বলছেন এবং কী ধরনের প্রতিবেদন তৈরি করছেন, তার উপরও নজর রাখা হবে। বিশেষ কিছু এলাকায় প্রবেশের জন্য আলাদা অনুমতিপত্র বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।পাক অধিকৃত কাশ্মীরে দীর্ঘদিন ধরে মূল্যবৃদ্ধি, বিদ্যুৎ সংকট এবং একাধিক প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আন্দোলন চলছে। এই আন্দোলন ঘিরে নিরাপত্তা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে আন্তর্জাতিক স্তরে সমালোচনা তৈরি হয়েছে। সেই প্রেক্ষিতেই নতুন এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে জল্পনা বাড়ছে।এর মধ্যেই পাক সরকার আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনকে পক্ষপাতদুষ্ট বলে অভিযোগ তুলে তাদের কার্যত নিষিদ্ধ করেছে। সরকারের দাবি, ওই সংবাদমাধ্যম ভুল তথ্য প্রকাশ করেছে এবং কাশ্মীরের পরিস্থিতিকে বিকৃতভাবে তুলে ধরেছে।তবে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের দাবি, পাক অধিকৃত কাশ্মীরের পরিস্থিতি নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশের পরই ইসলামাবাদ অস্বস্তিতে পড়েছে। সেই কারণেই বিদেশি সংবাদমাধ্যমের উপর আরও কড়া নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

আগস্ট ০৫, ২০২৬
কলকাতা

অবশেষে ঘোষণা! এই তারিখ থেকেই মিলবে অন্নপূর্ণার তিন হাজার টাকা, কারা পাবেন জানাল সরকার

অন্নপূর্ণা যোজনার উপভোক্তাদের জন্য বড় ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। চলতি আগস্ট মাসের তিন হাজার টাকার কিস্তি সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা না করিয়ে এই মাসের মধ্যেই যোগ্য উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পনেরো আগস্টের পর থেকেই ধাপে ধাপে টাকা পাঠানোর কাজ শুরু হবে।সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, অনলাইনে আবেদন করার সময় বহু ক্ষেত্রে ভুল তথ্য জমা পড়েছে। কোথাও ভুল নথি, কোথাও আবার ব্যাঙ্কের তথ্যের অসঙ্গতি ধরা পড়েছে। তাই প্রত্যেকটি আবেদন বিস্তারিতভাবে খতিয়ে দেখতে বিডিও স্তরে সমীক্ষা শুরু হয়েছে। সমীক্ষা শেষ হওয়ার পরেই প্রকৃত উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো হবে।নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রী মালতী রাভা রায় জানিয়েছেন, যাঁরা প্রকৃতভাবে এই প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার যোগ্য, তাঁরাই টাকা পাবেন। ভুল তথ্য দিয়ে আবেদন করলে বা যোগ্য না হয়েও আবেদন করলে কোনওভাবেই টাকা দেওয়া হবে না। তিনি আরও বলেন, যাঁদের পরিবারের আর্থিক অবস্থা ভালো অথবা যাঁরা করদাতা পরিবারের সদস্য, তাঁদের এই প্রকল্পের সুবিধা দেওয়া হবে না।সরকারের দাবি, অনেক আবেদনকারী নিজেরা আবেদন না করে অন্যের মাধ্যমে আবেদন করায় তথ্যগত ভুল হয়েছে। আবার অনেক ক্ষেত্রে ব্যাঙ্কের তথ্য সঠিকভাবে যুক্ত না থাকায় সমস্যাও তৈরি হয়েছে। সেই সব আবেদনও নতুন করে যাচাই করা হচ্ছে।সরকার স্পষ্ট জানিয়েছে, কোনও যোগ্য মানুষ যাতে বঞ্চিত না হন, সেই লক্ষ্যেই এই সমীক্ষা করা হচ্ছে। সব তথ্য যাচাইয়ের পরই ধাপে ধাপে উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণা যোজনার তিন হাজার টাকা পাঠানো হবে।

আগস্ট ০৫, ২০২৬
রাজ্য

স্কুলপড়ুয়াদের হাসপাতালে নিয়ে রক্ত সংগ্রহ! অভিযোগ ঘিরে তোলপাড়, তদন্তে নেমেছে পুলিশ

দুর্গাপুরে নাবালক স্কুলপড়ুয়াদের টাকার প্রলোভন দেখিয়ে হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে রক্ত সংগ্রহের অভিযোগ ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ সামনে আসতেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে এই ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।অভিযোগ, দুর্গাপুরের ইস্পাত নগরীর একটি বেসরকারি স্কুলের তিন নাবালক পড়ুয়াকে টাকার লোভ দেখিয়ে বিধাননগরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে এক রোগীর আত্মীয় পরিচয়ে তাঁদের রক্তদান করানো হয়েছে বলে অভিযোগ। আরও অভিযোগ, সরকারি নথিতে তাঁদের প্রকৃত বয়স পরিবর্তন করে প্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে দেখানো হয়েছিল।এই ঘটনার নেপথ্যে ওই স্কুলেরই এক প্রাক্তন ছাত্রের নাম উঠে এসেছে বলে অভিযোগ। বর্তমানে সে দুর্গাপুরের একটি স্কুলে পড়াশোনা করে বলে জানা গিয়েছে। তবে এই ঘটনার সঙ্গে আরও বড় কোনও চক্র জড়িত রয়েছে কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।ঘটনা জানাজানি হতেই স্কুল কর্তৃপক্ষ দ্রুত পদক্ষেপ করে। অভিভাবকদের সঙ্গে নিয়ে দুর্গাপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। স্কুলের অধ্যক্ষা দেবযানী বোস জানান, বিষয়টি জানার পরই পুলিশকে সব তথ্য জানানো হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, এজেন্টের মাধ্যমে নাবালকদের রক্ত সংগ্রহ করা হচ্ছে, যা অত্যন্ত গুরুতর অপরাধ।অভিভাবকদের অভিযোগ, টাকার লোভ দেখিয়ে নাবালকদের রক্ত নেওয়া কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেকের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন রাজ্যের পুর ও নগর উন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তিনি বলেন, বিষয়টি তাঁর নজরে এসেছে এবং তিনি স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও কথা বলেছেন। পুলিশকে দ্রুত তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যারা নাবালকদের প্রলোভন দেখিয়ে এই কাজ করেছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোরতম ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলেও তিনি জানান।আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনার প্রণব কুমার জানিয়েছেন, লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। ঘটনার প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।ঘটনায় প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ও। তিনি জানান, বিষয়টি সরকারের নজরে এসেছে এবং ইতিমধ্যেই রাজ্যের রক্তভান্ডারগুলির উপর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে বেশ কিছু অসঙ্গতির তথ্য সামনে এসেছে বলে তিনি দাবি করেন। তাঁর অভিযোগ, অনুমতি ছাড়াই প্লাজমা অন্য রাজ্যে পাঠানো হয়েছে এবং কোথাও কোথাও নাবালকদের কাছ থেকেও রক্ত সংগ্রহের অভিযোগ মিলেছে। এমনকি নির্ধারিত মাত্রার চেয়েও বেশি রক্ত নেওয়ার অভিযোগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুরো ঘটনার তদন্ত শেষ হলে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

আগস্ট ০৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal