• ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩, মঙ্গলবার ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Captain

খেলার দুনিয়া

Sourav-Kohli : বিরাট কোহলির মিথ্যাচার! ফাঁস করলেন সৌরভ

কয়েকমাস আগে বিরাট কোহলি ঘোষণা করেছিলেন,বিশ্বকাপের পর টি২০ ক্রিকেটে দেশকে আর নেতৃত্ব দেবেন না। তাঁর এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ভারতীয় ক্রিকেটমহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। কোহলি দাবি করেছিলেন, নেতৃত্ব ছাড়ার বিষয়টি নিয়ে তিনি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের কর্তাদের সাথে কথা বলেছিলেন। কিন্তু কোহলি যে মিথ্যা কথা বলছেন, ফাঁস হয়ে গেল সৌরভ গাঙ্গুলির কথাতে। সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমে সৌরভ দাবি করেছেন, কোহলির টি২০ নেতৃত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্তে তিনি অবাক হয়েছেন। বিষয়টি তিনি একেবারেই জানতেন না।সৌরভ বলেছেন, কোহলির সিদ্ধান্তে আমি অবাক। বিষয়টি নিয়ে আগে কোনও দিনই আলোচনা হয়নি। নেতৃত্ব ছাড়া নিয়ে বোর্ডের পক্ষ থেকেও বিরাটের ওপর কোনও চাপ সৃষ্টি করা হয়নি। ইংল্যান্ড সফর থেকে ফিরে আসার পরই কোহলি নেতৃত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সৌরভ আরও বলেন, আমিও ৬ বছর দেশের ক্যাপ্টেন ছিলাম। দীর্ঘদিন দেশকে নেতৃত্ব দেওয়া দারুণ সম্মানের ব্যাপার। দেশকে নেতৃত্ব দিতে দিতে হয়তো মানসিক ও শারীরিকভাবে ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। তাই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।সম্প্রতি খুব একটা ভাল ছন্দে নেই বিরাট কোহলি। আইপিএলে তেমন রান পাননি। বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধেও ব্যর্থ। বিশ্বকাপের আসরে কতটা জ্বলে উঠতে পারবেন, তা নিয়ে সন্দেহ দেখা দিয়েছে। ভারতীয় দলের অধিনায়কের ব্যাটিং ফর্ম নিয়ে একেবারেই চিন্তিত নন সৌরভ। তিনি বলেন, প্রায় ১০-১১ বছর ধরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খেলছে কোহলি। প্রতি বছরই যে রান পাবে, এমন কোনও কথা নেই। উত্থান-পতন থাকবেই। আমি নিশ্চিত, টি২০ বিশ্বকাপেই কোহলি ছন্দে ফিরে আসবে। টি২০ বিশ্বকাপের আগে আইপিএল না হলেও সংযুক্ত আরব আমীরশাহির পরিবেশে ভারতীয় দলের মানিয়ে নিতেও কোনও সমস্যা হত না বলে মনে করেন সৌরভ। তাঁর যুক্তি, সংযুক্ত আরব আমীরশাহির পরিবেশ ভারতের মতোই। সুতরাং আমার মনে হয় না কোনও সমস্যা হত।এখনও পর্যন্ত একবারই টি২০ বিশ্বকাপ জিতেছে ভারত, ২০০৭ সালে মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বে। তারপর এই ফরম্যাটে একবারই সেমিফাইনালে উঠেছে, ২০১৬ সালে। এবছর ট্রফি খরা কাটার ব্যাপারে আশাবাদী সৌরভ গাঙ্গুলি। তাঁর কথায়, টি২০ ক্রিকেটে যে কোনও দলই চ্যাম্পিয়ন হতে পারে। চ্যাম্পিয়ন হতে গেলে বড় ম্যাচ জেতা জরুরি। ভারতের পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়া, পাকিস্তান, ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ডের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। নিউজিল্যান্ড প্রতিবারই আন্ডারডগ হিসেবে খেলতে নামে। বেশ কয়েক বছর ধরে দারুন ধারাবাহিতা দেখাচ্ছে।

অক্টোবর ২৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IPL: নেতা হিসেবে চূড়ান্ত ব্যর্থ, মর্গ্যানকে সরানোর জোরালো দাবি উঠল

আইপিএলের প্রথম পর্বে একের পর এক ব্যর্থতায় নেতৃত্ব ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন দীনেশ কার্তিক। অধিনায়কের ব্যাটন তুলে দেওয়া হয়েছিল ইওয়িন মর্গানের হাতে। তাঁর নেতৃত্বেও যে কলকাতা নাইট রাইডার্স একটুও বদলায়নি, ইতিমধ্যেই প্রমানিত। দ্বিতীয় পর্বের শুরুতে পরপর দুটি ম্যাচ জিতলেও নাইটদের প্লে অফের ভাগ্য এখন অন্য দলের ওপর নির্ভর করছে। আর সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে ব্যর্থ অধিনায়ক ইওয়িন মর্গান। একে তো ব্যাটে রান নেই, তার ওপর নেতা হিসেবেও দলকে উজ্জীবিত করতে চূড়ান্ত ব্যর্থ। আইপিএলে ৮ দলের অধিনায়কদের মধ্যে সবথেকে খারাপ হাল মর্গ্যানের। ১১ ইনিংসে তাঁর রান ২,০, ৮, ৭, ০, ০, ৪৭, ০, ৭, ২৯, ৭, ০। মোট ১০৯। গড় ১০.৯০, স্ট্রাইক রেট ১০০.৯২। আইপিএলে ইওয়িন মর্গ্যানের চেয়ে খারাপ গড় কোনও অধিনায়কের নেই। আইপিএলের অধিনায়ক হিসেবে খারাপ গড়ের পরিসংখ্যান বলছে, ২০১২ সালের আইপিএলে হরভজন সিংয়ের ব্যাটিং গড় ছিল ১২। ২০০৯ সালে শেন ওয়ার্নের ১৩.৫। পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে ব্যর্থতার পর মর্গ্যানের দশা সেগুলির চেয়েও খারাপ। তার উপর রবিচন্দ্রন অশ্বিনের সঙ্গে বিতর্কে জড়িয়ে অনেকের কাছেই চক্ষুশূল হয়েছেন। নাইট রাইডার্স অধিনায়কের একের পর এক ব্যর্থতায় তাঁকে সরানোর দাবিও ইতিমধ্যে উঠতে শুরু করেছে। অধিনায়ক মর্গ্যানের একর পর এক ব্যর্থতায় অস্বস্তি বাড়ছে নাইট শিবিরেও। মর্গ্যান কার্যত দলের বোঝা হিসেবেই প্রতিপন্ন হয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে তাঁকে দল থেকে বাদ দেওয়ার দাবিও উঠেছে।সোশ্যাল মিডিয়ায় মর্গ্যানকে উদ্দেশ্য করে নানা কটাক্ষ ভেসে উঠেছে। কেউ কেউ টুইট করে বলেছেন যে, মর্গ্যান আসন্ন টি২০ বিশ্বকাপে ভারতের মহেন্দ্র সিং ধোনির মতোই ইংল্যান্ডের মেন্টরের ভুমিকা পালন করুন। কেউ কেই আবার লিখেছেন, পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে মর্গ্যানের ব্যর্থতা দেখে নিশ্চিতভাবেই খুশি হবেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। হাইভোল্টেজ ম্যাচে স্টাম্প লক্ষ্য করে বল করে সামি ক্রিকেটীয় স্পিরিট ভেঙেছেন কিনা প্রশ্নও নাইট অধিনায়কের সামনে রেখেছেন নেটাগরিকরা। কেউ কেউ আবার মর্গ্যানের নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্যতা আছে কিনা তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। এরপরেও কি অধিনায়ক সরানোর পথে হাঁটবে নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট?

অক্টোবর ০২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Gavaskar-Rohit: রোহিতকে পরপর দুটি বিশ্বকাপে নেতৃত্বে দেখতে চান গাভাসকার

টি২০ বিশ্বকাপের পর জাতীয় দলের নেতৃত্ব ছাড়ার কথা আগেই ঘোষণা করেছেন বিরাট কোহলি। তাঁর পরিবর্তে নির্বাচকরা কার হাতে দায়িত্ব তুলে দেবেন, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। দেশের প্রাক্তন অধিনায়ক সুনীল গাভাসকার চান, এই টি২০ বিশ্বকাপেই কোহলির পরিবর্তে রোহিত শর্মাকে অধিনায়ক করা হোক। আগামী দুটি টি২০ বিশ্বকাপে রোহিতকে জাতীয় দলের নেতৃত্বে দেখতে চান ভারতীয় ক্রিকেটের এই কিংবদন্তি।আইপিএলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে নেতৃত্ব দিয়ে দারুণ সফল রোহিত শর্মা। তিনি দলকে পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন করেছেন। মোটামুটি এটা পরিস্কার, টি২০ বিশ্বকাপের পর কোহলির হাতেই দায়িত্ব উঠতে চলেছে। দু বছর পরপর টি২০ বিশ্বকাপ হওয়ার কথা। ২০২০ সালে অস্ট্রেলিয়ায় হওয়ার কথা ছিল। করোনার জন্য ২০২২ পর্যন্ত পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। এবছর টি২০ বিশ্বকাপ আয়োজনের দায়িত্ব ভারতের। ২০২৩ সালে আবার ভারতে একদিনের বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে। গাভাসকার চান পরপর দুটি বিশ্বকাপেই রোহিত শর্মা নেতৃত্ব দিক।আরও পড়ুনঃ প্রাক্তন শিষ্যের কাছে মাথা নত পেপ গুয়ার্দিওলারগাভাসকার বলেছেন, দেশকে এশিয়া কাপ ও নিদাহাস ট্রফি দেওয়া রোহিত শর্মাই এই গুরু দায়িত্ব পালন করার যোগ্য দাবিদার। ওর হাতে এখনই নেতৃত্ব তুলে দেওয়া হোক। একটা বিশ্বকাপ হতে কয়েকমাস বাকি। পরের বিশ্বকাপের মধ্যে খুব বেশি সময় নেই। তাই এখনই ওর হাতে দায়িত্ব তুলে দেওয়া উচিত। যাতে দুটি বিশ্বকাপে নেতৃত্ব দিতে পারে। গাভাসকারের এই মন্তব্য অন্য ইঙ্গিত বহন করছে। কারণ, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড আগেই কোহলিকে অধিনায়ক ঘোষণা করেছে। রোহিতকে অধিনায়ক করার পাশাপাশি সহ অধিনায়ক হিসেবে নিজের পছন্দের কথাও জানিয়েছেন গাভাসকার। লোকেশ রাহুল ও ঋষভ পন্থের মধ্যে একজনকে সহ অধিনায়ক হিসেবে দেখতে চান তিনি। গাভাসকারের কথায়, ভারতীয় ক্রিকেটের বর্তমান দুই তারকা আইপিএলে যেভাবে নিজ নিজ দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছে, মাঠে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, বোলিং পরিবর্তন করছে, তা অসাধারণ। দিল্লি দলে প্রচুর তারকা। ঋষভ দারুন সামলাচ্ছে। বিরাট কোহলির পর রোহিত শর্মা ভারতের টি২০ দলের অধিনায়ক নির্বাচিত হলে লোকেশ রাহুল ও ঋষভ পন্থের মধ্যে যে কোনও একজনকে ওর ডেপুটি করে দেওয়া উচিত।আরও পড়ুনঃ ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণের সামনে দাঁড়িয়ে কেন চিন্তিত মিতালিরা?আইপিএলে পাঞ্জাব কিংসকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন লোকেশ রাহুল। দিল্লি ক্যাপিটালসকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তরুণ ঋষভ পন্থ। দুই ক্রিকেটারের উর্বর ক্রিকেট মস্তিষ্কের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন সুনীল গাভাসকর। তবে দুই ক্রিকেটারের মধ্যে বেশি দক্ষ কে, তা অবশ্য বলেননি ভারতীয় ক্রিকেটের কিংবদন্তি।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Virat Kohli : কোহলির পরিবর্তে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে নেতৃত্ব দেবেন কে? দেখে নিন

ভারতের টি২০ দলের নেতৃত্ব ছাড়ার কথা আগেই ঘোষণা করেছেন বিরাট কোহলি। এবার আইপিএলেও নেতৃত্ব ছাড়ার কথা জানিয়ে দিলেন। সামনের মরসুম থেকে তিনি আর রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরকে নেতৃত্ব দেবেন না। এবার রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের নতুন অধিনায়ক কে হবেন, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। অভিজ্ঞতা এবং দক্ষতার নিরিখে নেতৃত্ব পাওয়ার দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন এবি ডিভিলিয়ার্স।রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের হয়ে আইপিএলে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানের মালিক ডিভিলিয়ার্স। দীর্ঘদিন দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। আইপিএলে এখনও পর্যন্ত ১৭৬টি ম্যাচ খেলে ৫০৫৬ রান করেছেন। ডিভিলিয়ার্স দীর্ঘদিন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করায় দলের প্রত্যেক সদস্যকে ভালো ভাবেই চেনেন। তবে তিনি এই দায়িত্ব নেবেন কিনা, সেটাই এখন প্রশ্ন।।নেতৃত্ব পাওয়ার ক্ষীণ সম্ভাবনা রয়েছে লেগ স্পিনার যুজবেন্দ্র চাহালের। আইপিএলে ১০৬টি ম্যাচ খেলে ১২৫টি নেওয়া এই বোলারের ক্রিকেট মস্তিষ্ক বেশ তীক্ষ্ণ। তবে একটাই মাইনাস পয়েন্ট, কোনও ধরনের ক্রিকেটে দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা নেই। একই কথা প্রযোজ্য তরুণ ওপেনার দেবদত্ত পাড়িক্কলের ক্ষেতের। যদিও ব্যাট হাতে বাইশ গজ কাঁপানো তরুণ দেবদত্ত পাড়িক্কলকেও ভাবনার মধ্যে রেখেছে টিম ম্যানেজমেন্ট। আগামী বছর বসবে আইপিএলের মেগা নিলাম। অধিনায়কের যোগ্য এমন কোনও ক্রিকেটারের জন্য ঝাঁপানোর সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।অধিনায়ক থাকবেন না। স্বাভাবিকভাবেই বিরাটের এই সিদ্ধান্ত ক্রিকেট মহলে সাড়া ফেলে দিয়েছে।এই ইস্যুতে আরসিবি অধিনায়কের পাশে দাঁড়ায়েছেন কিংবদন্তি ব্রায়ান লারা। ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রাক্তন অধিনায়কের কথায়, ক্রিকেটের তিন ফর্ম্যাটে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স করে চলেছেন বিরাট। অধিনায়ক হিসেবেই কিং কোহলি যথেষ্ট সফল বলে দাবি করেছেন লারা। তবু কেরিয়ারে একটা সময় আসে, যখন ক্রিকেটাররা কিছুটা পিছিয়ে আসতে বাধ্য হন বলে মনে করেন ক্রিকেটের রাজপুত্র। সাম্প্রতিককালে বিরাটের ঘাড়ে যে পরিমাণ চাপ জমছিল, তা কিছুটা হালকা করা প্রয়োজন ছিল বলে মনে করেন লারা। এতে ভারতীয় ক্রিকেটের উন্নতি সাধিত হবে বলে কিংবদন্তি ক্রিকেটারের বিশ্বাস।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

RCB: ভারতীয় ক্রিকেটে বিরাট রাজত্ব শেষের পথে, নেতৃত্ব থেকে সরাতে পারে রয়্যাল চ্যালেজার্স

ভারতীয় ক্রিকেটে কি বিরাট রাজত্ব শেষের পথে? ইঙ্গিতটা স্পষ্ট। ওয়ার্কলোডের কথা ভেবে জাতীয় দলের টি২০ ক্রিকেটে নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। তবে একদিনের আন্তর্জাতিক ও টেস্টে দেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন। যদিও ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে কোহলিকে নিশ্চয়তা দেওয়া হয়নি, একদিনের ক্রিকেটে তাঁকে নেতৃত্বে রাখা হবে কিনা। এই অবস্থায় জল্পনা শুরু হয়েছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরে তাঁকে অধিনায়ক পদে রাখা হবে কিনা তা নিয়ে।আরও পড়ুনঃ রোহিতকে সহকারী চাননি, ভবিষ্যত বুঝেই নেতৃত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত কোহলিরদীর্ঘদিন ধরে রয়্যাল চ্যালেজার্স ব্যাঙ্গালোরের নেতৃত্বে রয়েছেন বিরাট কোহলি। প্রতি বছর তারকাখচিত শক্তিশালী দল থাকা সত্ত্বেও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরকে একবারও আইপিএল চ্যাম্পিয়ন করাতে পারেননি। এবারের আইপিএলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স রয়েছে তিন নম্বরে। বিরাট যদি এবারও আইপিএল চ্যাম্পিয়ন করাতে না পারেন, তাহলে তিনি কি আইপিএলেও অধিনায়কত্ব ধরে রাখতে পারবেন? প্রশ্নটা উঠেই গেছে। সামনের বছর আইপিএলের জন্য জানুয়ারিতে মেগা নিলাম হওয়ার কথা। বিরাটের নেতৃত্বে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স এবারও যদি চ্যাম্পিয়ন হতে না পারে তাহলে হয় তিনি নিজেই অধিনায়কত্ব ছাড়বেন, নয়তো তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হতে পারে।ভারতীয় দলের মতো রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরেও উত্তরসূরী তৈরি না করার রণকৌশল নিয়েছেন কোহলি। যাতে তাঁর পথ কণ্টকাকীর্ণ না হয়ে ওঠে। কিন্তু এটা তো আর দেশের খেলা নয়, ফ্র্যাঞ্চাইজি দল। সুতরাং নিলামে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো দক্ষতাসম্পন্ন ক্রিকেটার নেওয়ার সুযোগ বাক্যে। এবি ডিভিলিয়ার্সকেও দায়িত্ব দেওয়ার কথা ভাবতে শুরু করেছেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স কর্তারা। অথবা এমন কাউকে বেছে নিতে পারেন যিনি বয়সে নবীন এবং বেশ কয়েক বছর দলকে নেতৃত্ব দিতে পারেন।আরও পড়ুনঃ নীরজ চোপড়ার সোশ্যাল মিডিয়ায় স্টক ভ্যালু ৪২৮ কোটি টাকা! কলকাতায় মজে গেলেন বাঙালী খানায়বিরাট কোহলি আইপিএলে ১৩২টি ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়ে জিতেছেন ৬০টি ম্যাচে, হেরেছেন ৬৫টিতে। শতকরা হার ৪৮.০৪। জেতার শতকরা হারের নিরিখে অনেকের চেয়েই পিছিয়ে কোহলি। আইপিএলের সফলতম দল মুম্বই ইন্ডিয়ান্সে রোহিত শর্মার সাফল্যের শতকরা হার ৬০.১৬ শতাংশ, মহেন্দ্র সিং ধোনির ৫৯.২৭ শতাংশ, গৌতম গম্ভীরের ৫৫.৪২ শতাংশ। ধোনি আইপিএলে ১৯৫টি ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়েছেন। গম্ভীর ১২৯টি ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং রোহিত শর্মা আইপিএলে নেতৃত্ব দিয়েছেন ১২৩টি ম্যাচে। এই চারজনই একশোর বেশি ম্যাচে নিজেদের ফ্র্যাঞ্চাইজির অধিনায়ক হিসেবে খেলেছেন।আরও পড়ুনঃ কোহলিদের পাশে সৌরভ, শাস্ত্রীদের কোনও শাস্তি হচ্ছে নারয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স তিনবার ফাইনালে উঠে চ্যাম্পিয়ন হতে পারেনি। তিনবার বিদায় নিয়েছে প্লে অফ থেকেই। এই পরিস্থিতিতে বিরাট আইপিএলের অধিনায়কত্ব ধরে রেখে ভারতের টি২০ নেতৃত্ব ছাড়ায় অবাক হয়েছেন অনেকেই। প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক সুনীল গাভাসকর বলেছেন, দেশের নেতৃত্ব কোহলি ছেড়েছে, কিন্তু রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের নেতৃত্ব কোন যুক্তিতে ধরে রেখেছে বোধগম্য নয়। প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক দিলীপ বেঙ্গসরকার বলেছেন, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স কোহলিকে অনেক সময় দিয়েছে। বিশ্বমানের ব্যাটিং লাইন-আপ, বোলিং লাইন-আপ নিয়েও কোহলি যদি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে কাঙ্ক্ষিত খেতাব জেতাতে না পারে তাহলে নেতৃত্বে রদবদল দোষের কিছু নয়। আইপিএল শুরুর আগে সেই চাপ নিয়েই নামতে হবে বিরাটকে। কোহলি ভারতের সিনিয়র দলের হয়ে এখনও অবধি কোনও আইসিসি ট্রফি জেতেননি। অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ জিতেছিলেন শুধু। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের হয়েও ব্যর্থ। টিম ম্যানেজমেন্টও ভাবতে শুরু করেছে। পরের আইপিএলে কোহলিকে নেতৃত্বে না দেখলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Captain: রোহিতকে সহকারী চাননি, ভবিষ্যত বুঝেই নেতৃত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত কোহলির

ঝুলি থেকে এবার আস্তে আস্তে বিড়াল বার হতে শুরু করেছে। ভারতীয় শিবিরের অন্দরমহলে ঠান্ডা লড়াই যে অনেকদিন ধরে চলছিল, আগেই বোঝা গিয়েছিল। এবার সেই অন্দরমহলের খবর বাইরে আসতে শুরু করেছে। বিরাট কোহলির সংসারে বিভাজন তৈরি হয়েছিল। শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করেছিলেন হেড কোচ রবি শাস্ত্রী। অবস্থা এমন জায়গায় পৌঁছেছিল যে নিজের আধিপত্য আরও কায়েম করতে বিরাট কোহলি নির্বাচকদের প্রস্তাব দিয়েছিলেন রোহিত শর্মাকে সহ অধিনায়কের দায়িত্ব থেকে সরানোর জন্য। যেটা একেবারেই ভালভাবে নেননি নির্বাচকরা এবং ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের কর্তারা।টি২০ বিশ্বকাপের আগে বিরাট কোহলির সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করেছিলেন নির্বাচকরা। সেই বৈঠকের আগে কোহলি নির্বাচকদের ও বোর্ড কর্তাদের প্রস্তাব দিয়েছিলেন, বিশ্বকাপে ঋষভ পন্থকে সহ অধিনায়ক করা হোক। আর একদিনের ক্রিকেটে লোকেশ রাহুলকে। নির্বাচক ও বোর্ড কর্তারা কোহলির কোনও প্রস্তাবই মেনে নেননি। টি২০ বিশ্বকাপে রোহিত শর্মাকেই বেছে নেওয়া হয়েছে। বোর্ড কর্তারা কোহলিকে পরিস্কার বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনিই শেষ কথা নন। নিজের ব্যাটিংয়ে মনোযোগ দেওয়ার কথা বললেও আসলে ভবিষ্যত বুঝতে পেরেই টি২০ বিশ্বকাপের পর এই ফরম্যাটের নেতৃত্ব ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কোহলি।সবকিছু ঠিকঠাক চললে টি২০ বিশ্বকাপের পর রোহিত শর্মার হাতেই নেতৃত্ব তুলে দিতে চলেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। স্টপগ্যাপ অধিনায়ক হিসেবে দেশকে সাফল্য এনে দিয়েছেন রোহিত শর্মা। আইপিএলে তিনি সবচেয়ে বেশি পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন করেছেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে। অনেকদিন ধরেই রোহিতকে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে অধিনায়ক করার কথা আলোচিত হচ্ছিল ভারতীয় ক্রিকেটে। কিন্তু রবি শাস্ত্রীর সঙ্গে বিরাট কোহলির সম্পর্কর জন্যই কোহলি নেতৃত্বে থেকে গেছেন। গত অস্ট্রেলিয়া সফর থেকেই চাকা ঘুরতে শুরু করে বিরাটের বিপক্ষে।আরও পড়ুনঃ মালদা মেডিক্যাল কলেজে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, বাড়ছে আতঙ্কভারতীয় ড্রেসিংরুমে বিরাট বিরোধী হওয়ায় প্রবল। প্রকাশ্যে মুখ না খুললেও অনেকেই কোহলির আচরণে অসন্তুষ্ট। যদি কোনও সফরে অনুষ্কা শর্মা সঙ্গে থাকেন, তাহলে তো কথাই নেই। অন্য সময়ও যখন তখন কোহলির সঙ্গে মাঠের বাইরে দেখা করা, কথা বলা বা হাল্কা মেজাজে সময় কাটাতে পারেন না সতীর্থ ক্রিকেটাররা। কোচ, নির্বাচক, সাপোর্ট স্টাফ ও বিসিসিআই কর্তাদের আস্থা অর্জন করে বিরাট ভারতীয় দলে একনায়কতন্ত্র বা স্বেচ্ছাচারিতাও শুরু করেন বলে অভিযোগ। তিনি এমন কৌশল নিয়েছিলেন যাতে অধিনায়ক হিসেবে তাঁর উত্তরসূরী কেউ তৈরি হতে না পারেন। ২০১৯ সালের বিশ্বকাপে পাকাপাকিভাবে চার নম্বর পজিশনের ব্যাটসম্যান হিসেবে কাউকে তৈরি করতে চাননি বিরাট। আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে দুই স্পিনার নিয়ে খেলতে নামা কিংবা ইংল্যান্ডে টেস্ট সিরিজে এক নম্বর স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে বসিয়ে রাখাও বিরাটেরই স্বেচ্ছাচারিতার নমুনা বলে জানা যাচ্ছে। অস্ট্রেলিয়া সফরে এডিলেড টেস্টের আগেও বিরাটের হাতেই ছিল নিয়ন্ত্রণ। কিন্তু তা আলগা হতে শুরু করে ৩৬ রানে অল আউট হয়ে টেস্ট হারার পর। এরপর পিতৃত্বকালীন ছুটি নিয়ে বিরাট দেশে ফিরতেই এককাট্টা হয়ে গোটা দল অস্ট্রেলিয়ায় সিরিজ জয় নিশ্চিত করে। এতেই বিরাটের প্রতি দলের অনাস্থা প্রকাশ্যে আসতে থাকে।আরও পড়ুনঃ খড়ের পালুইয়ে বোমা উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য রায়নায়কোহলি নিশ্চিতভাবেই বুঝছিলেন, আজ নয় কাল তাঁর সাদা বলের অধিনায়কত্ব চলে যাচ্ছেই। একটিও আইসিসি ইভেন্টে দলকে চ্যাম্পিয়ন করাতে পারেননি কোহলি। টি ২০ বিশ্বকাপেও খারাপ কিছু হলে এমনিতেই অধিনায়কত্ব যেত। আগেভাগেই সরে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করে কিছুটা মুখরক্ষা করলেন এবং নিজের উপর চাপ কমালেন।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Pakistan Cricket : পাকিস্তান ক্রিকেটে আবার ডামাডোল, বোর্ডের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ বাবর আজমদের

বিতর্ক আর পাকিস্তান ক্রিকেট যেন সমার্থক শব্দ। কখনও অধিনায়কের বিরুদ্ধে সতীর্থদের বিদ্রোহ। কখনও আবার টিম ম্যানেজমেন্টের বিরুদ্ধে। বোর্ডের বিরুদ্ধেও বিদ্রোহ অতীতে বেশ কয়েকবার দেখা গেছে। আবার বোর্ডের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন বাবর আজমরা। সূত্রপাত ম্যাচের পারিশ্রমিক বাড়ানো নিয়ে।আরও পড়ুনঃ অসুস্থ মায়ের কাছে যেতে পারলেন না লাভলিনা বরগোঁহাইপাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে চুক্তিতে এ গ্রেডে রয়েছেন বাবর আজম, মহম্মদ রিজওয়ান, হাসান আলি ও শাহিন শাহ আফ্রিদি। কেন্দ্রীয় চুক্তিতে থাকা বি এবং সি গ্রেডের ক্রিকেটারদের ম্যাচের পারিশ্রমিক বাড়ানো হয়েছে। অথচ এ গ্রেডে থাকা এই চার ক্রিকেটারের ম্যাচ পারিশ্রমিক বাড়ানো হয়নি। তাঁদের রিটেনারশিপ ফি ২৫ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। শুধু রিটেনারশিপ ফি বাড়ানোতে খুশি হতে পারেননি বাবর আজমরা। তাঁরা বোর্ডের ডিরেক্টর জাকির খানের কাছে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। ম্যাচ পারিশ্রমিক না বাড়ালে মাঠে না নামারও হুমকি দিয়েছেন এই ৪ ক্রিকেটার।আরও পড়ুনঃ এএফসি কাপে প্রথম পর্বের বাধা টপকাতে পারবেন? কী বলছেন হাবাসজুলাইতে ক্রিকেটারদের গ্রেডেশন ও ফি বাড়ানোর সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। বোর্ডের লক্ষ্য ক্রিকেটারদের আর্থিক ব্যাপারে সমতা নিয়ে আসা। এ গ্রেডে থাকা ক্রিকেটারদের রিটেনারশিপ বাড়ানো হয়েছে ২৫ শতাংশ। বি গ্রেডে থাকা ক্রিকেটারদের টেস্ট ম্যাচ ফি বাড়ানো হয়েছে ১৫ শতাংশ, একদিনের ও টি২০ ফি বাড়ানো হয়েছে ২০ ও ২৫ শতাংশ। সি গ্রেডে থাকা ক্রিকেটারদের রিটেনারশিপ ফি বাড়ানো হয়েছে ২৫ শতাংশ, টেস্ট ম্যাচ ফি বাড়ানো হয়েছে ২৫ শতাংশ, একদিনের ও টি২০ ফি বাড়ানো হয়েছে ৫০ ও ৬৭ শতাংশ।

আগস্ট ১২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

I‌ND vs ENG Test : রোহিতের সঙ্গে ওপেনিংয়ে কে?‌ ধোঁয়াশা রাখলেন কোহলি

বুধবার থেকে নটিংহ্যামের ট্রেন্টব্রিজে শুরু হচ্ছে ভারতইংল্যান্ড টেস্ট সিরিজ। আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের দ্বিতীয় সংস্করণের এটাই প্রথম টেস্ট। সাধারণত ম্যাচের আগের দিন প্রথম একাদশ ঘোষণা করে দেয় ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। কিন্তু ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে মাঠে নামার আগে প্রথম একাদশ নিয়ে ধোঁয়াশা রেখে দিলেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি। রোহিত শর্মার সঙ্গে ওপেনিংয়ে কে, মিডল অর্ডারই বা কীভাবে সাজানো হচ্ছে, খোলসা করলেন না।আরও পড়ুনঃ মাথায় চোট পেয়ে প্রথম টেস্ট থেকে ছিটকে গেলেন মায়াঙ্ক আগরওয়ালম্যাচের আগের দিন সাংবাদিক সম্মেলনে কোহলি বলেন, ম্যাচের দিন সকালে প্রথম একাদশ ঘোষণা করব। রোহিতের সঙ্গে কে ওপেন করবে, তা চূড়ান্ত হয়ে গেছে। প্রথম একাদশ নিয়ে আমরা সন্তুষ্ট। মহম্মদ সিরাজের বলে মাথায় চোট পেয়ে প্রথম টেস্ট থেকে ছিটকে গিয়েছেন ময়াঙ্ক আগরওয়াল। অভিমন্যু ঈশ্বরণের ট্রেন্টব্রিজে টেস্ট অভিষেক হওয়ার সম্ভাবনা কম। রোহিত শর্মার সঙ্গে সম্ভবত ওপেন করবেন লোকেশ রাহুল অথবা হনুমা বিহারী। শার্দুল ঠাকুরের প্রথম একাদশে সুযোগ পাওয়ার বিষয়টি উড়িয়ে দেননি কোহলি। তিনি বলেন, শার্দুল অলরাউন্ডার হিসেবে সুযোগ পেতেই পারে। টেস্টসহ যে কোনও ফরম্যাটেই শার্দুলের উপস্থিতি দলে ভারসাম্য এনে দেয়।আরও পড়ুনঃ বেলজিয়ামের কাছে হেরে সোনার স্বপ্ন শেষ মনপ্রীতদেরচেতেশ্বর পূজারার অফফর্ম ও মন্থর ব্যাটিং নিয়ে চিন্তিত নন কোহলি। তিনি বলেন, আমি মনে করি পুজারা ক্ষমতাসম্পন্ন ক্রিকেটার। ওর যা অভিজ্ঞতা রয়েছে তাতে এই বিষয়টি ওর উপরই ছেড়ে দেওয়া উচিত। খেলায় কোথায় কী খামতি হচ্ছে সেটা বুঝে তা পুষিয়ে নিতে সংশ্লিষ্ট ক্রিকেটারই পারে। দলের প্রত্যেকেই ওয়াকিবহাল দলের ভালোর জন্য কী প্রয়োজন। সমালোচনা অপ্রয়োজনীয়। পুজারাও এ সবে গুরুত্ব দেয় না।আরও পড়ুনঃ প্রথম ভারতীয় মহিলা হিসেবে দুটি অলিম্পিক পদক, ইতিহাসে পিভি সিন্ধুট্রেন্টব্রিজ ভারতের কাছে পয়া মাঠ। ২০১৮ সালের ইংল্যান্ড সফরে ভারত পাঁচ টেস্টের সিরিজে ১৪ ব্যবধানে হেরেছিল ভারত। ওই সিরিজে একমাত্র জয় এসেছিল ট্রেন্টব্রিজে। এবার কি পয়া মাঠে জয় দিয়ে সিরিজ শুরু করতে পারবে ভারত? বিরাট কোহলি কি ২০১৮ সিরিজের মতো জ্বলে উঠতে পারবেন? দুই ইনিংসে ৯৭ ও ১০৩ রান করে ম্যাচের সেরা হয়েছিলেন কোহলি। এবারও তাঁকেই টার্গেট করছে ইংল্যান্ড শিবির। চ্যালেঞ্জ নেওয়ার জন্য তৈরি ভারত অধিনায়কও।আরও পড়ুনঃ লম্বা চুল রাখা যাবে না, লক্ষ্মীর ফতোয়াটেস্টে ৫ বার জেমস অ্যান্ডারসনের বলে আউট হয়েছেন বিরাট কোহলি। যদিও ২০১৮র সিরিজে অ্যান্ডারসন একবারও কোহলিকে আউট করতে পারেননি। এবারও বিরাটের উইকেটই যে ইংল্যান্ড টার্গেট করছে তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন অ্যান্ডারসন। তিনি বলেন, আমাদের যে কোনও বোলার বিরাটের উইকেট পেলে ভালোই। তা নিয়ে কোনও আক্ষেপ থাকবে না। এই উইকেটটা আমাদের কাছে খুব বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ উইকেট। শুধু ব্যাটসম্যান নন, অধিনায়ক হিসেবেও বিরাট দলকে দারুণভাবে পরিচালনা করে, অনেক বড় মাপের ক্রিকেটার। ওর বিরুদ্ধে খেলতে মুখিয়ে রয়েছি। সব সময় বিশ্বের সেরা চ্যালেঞ্জ নিতে ভালোবাসি।

আগস্ট ০৩, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

মস্কোয় ভারতীয় ইঞ্জিনিয়ার আটক! জোর করে রুশ সেনায় যোগ দেওয়ানোর অভিযোগ, কাঁদতে কাঁদতে স্ত্রীর আর্জি

মস্কোয় আটক ভারতীয় ইঞ্জিনিয়ার চন্দন গুপ্তা। তাঁর স্ত্রী স্নেহা গুপ্তার দাবি, কোনও অপরাধ না করেও তাঁর স্বামীকে আটক করে জেলে রাখা হয়েছে। তাঁকে রুশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন স্নেহা। তবে ঠিক কী কারণে চন্দনকে আটক করা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।জানা গিয়েছে, চন্দন উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা। স্ত্রী স্নেহা এবং ১০ বছরের ছেলেকে নিয়ে বেশ কিছু দিন ধরেই মস্কোয় থাকছিলেন তিনি। রবিবার দুপুরে মস্কো পুলিশ তাঁকে আটক করে বলে পরিবারের দাবি। এর পরেই সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেন স্নেহা।সেই ভিডিওতে স্নেহা জানান, চন্দন নয়ডার একটি সংস্থায় ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে কাজ করেন। চাকরির সূত্রেই সংস্থাটি তাঁকে রাশিয়ায় পাঠিয়েছিল। পরে বৈধ কাজের ভিসা নিয়ে স্ত্রী এবং সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে মস্কোয় যান চন্দন। সেখানে থাকার সময়ই তাঁকে পুলিশ আটক করে বলে অভিযোগ।স্নেহার দাবি, তাঁর স্বামী কোনও অন্যায় করেননি। তা সত্ত্বেও তাঁকে আটক করে জেলে রাখা হয়েছে। কেন তাঁকে আটক করা হয়েছে, সেই বিষয়ে পরিবারকে স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি বলেও দাবি তাঁর।এরই মধ্যে আরও গুরুতর অভিযোগ করেছেন স্নেহা। তাঁর দাবি, চন্দনকে জোর করে রুশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে। শুধু তা-ই নয়, তাঁকে হেনস্তা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে এখনও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি।স্বামীকে দেশে ফেরাতে ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকার এবং উত্তরপ্রদেশ সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে চন্দনের পরিবার। স্নেহার কথায়, ১০ বছরের সন্তানকে নিয়ে তিনি মস্কোয় কার্যত অসহায় অবস্থায় রয়েছেন। তিনি রুশ ভাষা বুঝতে পারেন না। ফলে তাঁর স্বামীর সঙ্গে ঠিক কী ঘটছে, কেন তাঁকে আটক করা হয়েছে, তা জানতেও সমস্যায় পড়ছেন।কান্নায় ভেঙে পড়ে স্নেহা আবেদন জানিয়েছেন, তাঁর স্বামীকে দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হোক। অন্য দিকে, চন্দনকে ঠিক কোন অভিযোগে আটক করা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তাঁর স্ত্রীর করা রুশ সেনায় যোগ দেওয়ানোর অভিযোগও স্বাধীন ভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। গোটা বিষয়টি নিয়ে পরিবারের তরফে সরকারের হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৬
দেশ

শ্রদ্ধা ওয়াকারের ঘটনার স্মৃতি ফেরাল গুয়াহাটি! স্ত্রীকে খুন করে মুণ্ডু ফ্রিজে ঢুকিয়ে রাখল স্বামী

গুয়াহাটিতে এক তরুণীকে খুনের অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, স্ত্রীকে খুন করার পর তাঁর মাথা ফ্রিজে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। ঘটনায় সন্দেহের তির তাঁর স্বামী রামানুজন গোস্বামীর দিকে। তবে এখনও তাঁকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। ঘটনার তদন্ত চলছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২৫ বছরের রিয়া তালুকদারের সঙ্গে রামানুজনের বিয়ে হয়েছিল। তাঁরা গুয়াহাটির হাতিগাঁও এলাকায় থাকতেন। প্রতিবেশীদের দাবি, সোমবার রাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বচসা শুরু হয়। পরে সেই বচসা তীব্র আকার নেয়। এরপর রাত আটটা নাগাদ রামানুজন বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি।পরের দিন রাতের দিকে ওই বাড়ি থেকে পচা গন্ধ বের হতে শুরু করে। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসার পর পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ বাড়িতে পৌঁছে তল্লাশি চালায়। তখন ফ্রিজের ভিতর কালো প্লাস্টিকের ব্যাগে মোড়া অবস্থায় রিয়ার মাথা পাওয়া যায় বলে জানা গিয়েছে। তাঁর হাতের কয়েকটি আঙুলও কাটা অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে বলে পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।এই ঘটনার পর থেকেই রামানুজনের দিকে সন্দেহের তির ঘুরেছে। তবে এখনও তাঁকে আটক বা গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। পুলিশ তাঁর খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে। তদন্তকারীদের অনুমান, রামানুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা গেলে ঘটনার বিষয়ে আরও তথ্য পাওয়া যেতে পারে।জানা গিয়েছে, রিয়া ফ্যান্সি বাজারের একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বাজারে কাজ করতেন। তাঁর মা-বাবা কেউই জীবিত নেই। পরিবারের বলতে এক ভাই রয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।রিয়ার দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ এবং ঘটনার আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য স্পষ্ট হতে পারে বলে মনে করছে পুলিশ।এই ঘটনা সামনে আসতেই ২০২২ সালের শ্রদ্ধা ওয়াকার হত্যাকাণ্ডের কথাও মনে পড়ছে। ২০২২ সালের মে মাসে দিল্লির মেহরৌলিতে শ্রদ্ধাকে খুন করার অভিযোগ উঠেছিল তাঁর প্রেমিক আফতাবের বিরুদ্ধে। অভিযোগ ছিল, হত্যার পর শ্রদ্ধার দেহ একাধিক টুকরো করে বিভিন্ন জায়গায় ফেলে দেওয়া হয়েছিল।শ্রদ্ধা পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক ছেড়ে আফতাবের সঙ্গে দিল্লিতে চলে এসেছিলেন। পরে তাঁর মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা গোটা দেশকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। এমনকি এর আগে আফতাবের বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে অভিযোগও করেছিলেন শ্রদ্ধা বলে জানা যায়।গুয়াহাটির বর্তমান ঘটনার সঙ্গে শ্রদ্ধা হত্যাকাণ্ডের সরাসরি কোনও যোগ এখনও পাওয়া যায়নি। তবে ঘটনার ভয়াবহতার কারণে পুরনো সেই হত্যাকাণ্ডের স্মৃতি নতুন করে ফিরে এসেছে। গুয়াহাটির ঘটনায় এখন মূল সন্দেহভাজন রামানুজনের সন্ধানেই জোর দিচ্ছে পুলিশ। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ঘটনার পুরো চিত্র স্পষ্ট হবে না।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৬
দেশ

সত্য নিকেতনে ছ’তলা বাড়ি ভেঙে মৃত্যু ৭ জনের! চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যেই বাড়ির মালিক আটক

দিল্লির সত্য নিকেতনে ছতলা একটি বাড়ি ভেঙে পড়ার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রবিবার দুপুরে ভয়াবহ এই দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৭ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। ঘটনার প্রায় চব্বিশ ঘণ্টা পর রাজস্থানের বিওয়াড়ি থেকে বাড়ির মালিক হরিরাম গুপ্তকে আটক করেছে পুলিশ।দুর্ঘটনার পর থেকেই বাড়ির মালিকের খোঁজ শুরু করেছিল দিল্লি পুলিশ। সোমবার সকালেই তাঁর বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিস জারি করা হয়। এর পর বাড়ির মালিকের সম্ভাব্য গোপন আস্তানাগুলিতে তল্লাশি চালাতে একাধিক দল তৈরি করা হয়। তিন-চারটি দল বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ চালায়। তাঁর মালিকানাধীন একটি হার্ডওয়্যারের দোকানেও পুলিশ যায়। তবে স্থানীয়দের দাবি, গত দুদিন ধরে দোকানটি বন্ধ ছিল।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হরিরাম গুপ্ত এলাকায় হার্ডওয়্যার ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। সেক্টর ২৩ এবং পালাম বিহার এলাকায় তাঁর পরিবারের একাধিক বাড়ি রয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ ক্যাম্পাসের কাছের এই এলাকায় বহু বাড়ি মেস বা পিজি হিসেবে ব্যবহার করা হয়। অধিকাংশ বাড়ির নিচেই রয়েছে বেসমেন্ট। তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, শুক্রবার থেকে টানা বৃষ্টির জেরে ভেঙে পড়া বাড়িটির নিচে জল জমেছিল। সেই সময় বেসমেন্টে নির্মাণকাজ চলছিল। এর ফলে বাড়িটির ভিত দুর্বল হয়ে গিয়ে ধস নামতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।বাড়িটি নির্মাণের ক্ষেত্রেও নিয়ম মানা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুরসভার দাবি, আবাসিক বাড়ির সর্বোচ্চ উচ্চতা ১৭ দশমিক ৫ মিটার হতে পারে। কিন্তু ধসে পড়া বাড়িটির উচ্চতা তার চেয়ে বেশি ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। ফলে নির্মাণের সময় কোনও নিয়ম ভাঙা হয়েছিল কি না, তা তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে।রবিবার দুপুর দেড়টা নাগাদ চাণক্যপুরীর কাছে মোতিবাগ এলাকায় ভারী বৃষ্টির মধ্যেই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে ছতলা বাড়িটি। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের আটটি ইঞ্জিন। পরে আরও ইঞ্জিন পাঠানো হয়। শুরু হয় উদ্ধারকাজ।স্থানীয়দের দাবি, ওই বাড়িতে বহু পড়ুয়া পিজি হিসেবে থাকতেন। রবিবার ছুটির দিন হওয়ায় অনেকেই বাড়িতে ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। এক প্রত্যক্ষদর্শীর দাবি, দুর্ঘটনার সময় বাড়িতে অন্তত ৫০ জন পড়ুয়া থাকতে পারেন। পাশের একটি বাড়ির এক পড়ুয়াও জানান, ধসের পর ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি কয়েক জনের আর্তনাদের শব্দ শুনতে পেয়েছিলেন।এই ভয়াবহ ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন। দুর্ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ উদ্ধার ও ত্রাণের কাজে নেমেছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও দুর্ঘটনা নিয়ে শোকপ্রকাশ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, প্রতিটি পড়ুয়ার জীবন অত্যন্ত মূল্যবান এবং যে কোনও পরিস্থিতিতে তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গে ঘটনাটিকে অত্যন্ত বেদনাদায়ক বলে মন্তব্য করেছেন। তাঁর মতে, এই ধরনের মর্মান্তিক ঘটনা এড়ানো সম্ভব ছিল।সত্য নিকেতনের এই বাড়ি ধসের ঘটনায় এখন একাধিক বিষয় খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। বেসমেন্টে নির্মাণকাজ, জল জমা, বাড়িটির উচ্চতা এবং নির্মাণের সময় নিয়ম মানা হয়েছিল কি নাসব দিকই তদন্তের আওতায় রয়েছে। এর মধ্যেই বাড়ির মালিককে রাজস্থান থেকে আটক করায় তদন্তে নতুন মোড় এসেছে।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

৩ অক্টোবর একই দিনে দুই দেশে ভারতের দুই ম্যাচ! ক্রিকেট ইতিহাসে কি প্রথম বার এমন কাণ্ড?

ভারতীয় ক্রিকেট দলের সামনে ঠাসা সূচি। আর সেই সূচির জেরেই ৩ অক্টোবর তৈরি হতে পারে এক বিরল পরিস্থিতি। একই দিনে দুই আলাদা দেশে ভারতের দুটি ম্যাচ হতে পারে। একটি ওয়ানডে, অন্যটি টি-টোয়েন্টি। দুই ম্যাচই গুরুত্বপূর্ণ। কোনওটিতেই দ্বিতীয় সারির দল নামানোর সুযোগ থাকবে না।সূচি অনুযায়ী, ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু হওয়ার কথা। তার পর ২২ সেপ্টেম্বর জাপানের বিরুদ্ধে ম্যাচ রয়েছে। এরপর ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে দেশের মাটিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলবে ভারত। আগামী বছরের ওয়ানডে বিশ্বকাপের প্রস্তুতির দিক থেকে এই সিরিজ গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ ৩০ সেপ্টেম্বর এবং তৃতীয় ম্যাচ ৩ অক্টোবর হওয়ার কথা।অন্য দিকে, ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে জাপানে শুরু হবে এশিয়ান গেমস। ক্রিকেট হবে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে। ভারত এই প্রতিযোগিতার গত বারের চ্যাম্পিয়ন। পাশাপাশি অলিম্পিকের যোগ্যতা অর্জনের ক্ষেত্রেও এশিয়ান গেমস গুরুত্বপূর্ণ। তাই ভারত এই প্রতিযোগিতায় শক্তিশালী দল নিয়েই নামতে চাইবে।এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনাল হওয়ার কথা ১ অক্টোবর। ফাইনাল ৩ অক্টোবর। ভারত সরাসরি কোয়ার্টার ফাইনালে খেলবে। ফলে অন্তত সেমিফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে। সেমিফাইনালে জিতলে ৩ অক্টোবর ফাইনাল খেলতে হবে ভারতকে। আর সেমিফাইনালে হারলেও একই দিনে ব্রোঞ্জ পদকের ম্যাচ রয়েছে। অর্থাৎ এশিয়ান গেমসে ভারত সেমিফাইনালে উঠলেই ৩ অক্টোবর আবার মাঠে নামতে হবে।এই জায়গাতেই তৈরি হচ্ছে সমস্যা। কারণ ৩ অক্টোবরই পঞ্জাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ভারতের তৃতীয় ওয়ানডে হওয়ার কথা। অর্থাৎ একই দিনে ভারতের একটি দল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ওয়ানডে খেলতে পারে, অন্য একটি দল জাপানে এশিয়ান গেমসের ম্যাচ খেলতে পারে।ভারতের এশিয়ান গেমসের দল ইতিমধ্যেই ঘোষণা করা হয়েছে। সেই দলে একাধিক পরিচিত ক্রিকেটার রয়েছেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ওয়ানডে সিরিজের দল এখনও ঘোষণা করা হয়নি। ফলে একই দিনে দুই দেশে ম্যাচ হলে কোন ক্রিকেটার কোন দলে থাকবেন, তা নিয়েও তৈরি হবে বড় প্রশ্ন।এশিয়ান গেমসের দলে থাকা শ্রেয়স আইয়ার, জশপ্রীত বুমরাহ, হর্ষিত রানা এবং অক্ষর পটেলরা ওয়ানডে দলেরও গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার। স্বাভাবিক ভাবেই একই সময়ে দুই দেশে তাঁদের খেলানো সম্ভব নয়। ফলে নির্বাচকদের সামনে দল বাছাই নিয়ে বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি হতে পারে।সব কিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে ৩ অক্টোবর ভারতীয় ক্রিকেটে অত্যন্ত বিরল একটি দিন হয়ে উঠতে পারে। একই দিনে দুই আলাদা দেশে, দুই আলাদা ফরম্যাটে ভারতের দুই দল মাঠে নামতে পারে। ক্রিকেট ইতিহাসে এমন ঘটনা আগে ঘটেছে কি না, তা নিয়েও তৈরি হয়েছে কৌতূহল।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৬
কলকাতা

পালাবদলের পর প্রথম পুজোতেই বড় ঘোষণা! ক্লাবগুলিকে কত টাকা অনুদান, হবে কি কার্নিভ্যাল?

পালাবদলের পর বাংলায় এ বার প্রথম দুর্গাপুজো। তাই পুজো কমিটিগুলির অনুদান, পুজোর উদ্বোধন এবং কার্নিভ্যাল হবে কি না, তা নিয়ে আগে থেকেই নানা জল্পনা ছিল। সোমবার মিলন মেলা প্রাঙ্গণে পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বৈঠকের পরেই দুর্গাপুজো নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি।মুখ্যমন্ত্রী জানান, এ বার রাজ্যের পুজো কমিটিগুলিকে ১ লক্ষ টাকা করে অনুদান দেওয়া হবে। পাশাপাশি পুজোর জন্য বিদ্যুৎ এবং দমকলের কোনও খরচ দিতে হবে না বলেও জানানো হয়েছে। অনুদানের জন্য কী ভাবে আবেদন করতে হবে, সেই বিষয়েও পুজো কমিটিগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।তবে বড় বাজেটের পুজো কমিটিগুলির জন্য আলাদা বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁদের উদ্দেশে তিনি অনুরোধ করেছেন, আর্থিক ভাবে সক্ষম বড় পুজো কমিটিগুলি যেন সরকারি অনুদান না নেয়। সেই সব কমিটিকে তিনি ধন্যবাদ জানাবেন বলেও জানান।এর আগে তৃণমূল সরকারের আমলে দুর্গাপুজোর পুজো কমিটিগুলিকে অনুদান দেওয়া শুরু হয়েছিল। প্রথম দিকে প্রতি ক্লাবকে ২৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হত। পরবর্তী সময়ে সেই অনুদানের পরিমাণ বেড়েছে। ২০২৫ সালে প্রতিটি পুজো কমিটি ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা করে অনুদান পেয়েছিল। পালাবদলের পর এ বার অনুদানের পরিমাণ নিয়ে তাই বিশেষ নজর ছিল পুজো উদ্যোক্তাদের।পুজোর উদ্বোধন নিয়েও এ দিন স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। গত কয়েক বছর ধরে মহালয়ার আগেই বিভিন্ন পুজোর উদ্বোধন হতে দেখা গিয়েছে। কিন্তু এ বার মহালয়ার আগে কোনও পুজোর উদ্বোধন হবে না বলে জানিয়ে দিয়েছেন শুভেন্দু। মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেনে বড় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দুর্গাপুজোর উদ্বোধন হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।এ বার আর দুর্গাপুজোর কার্নিভ্যালও হবে না। তার বদলে সরকারের তরফে শারদ সম্মানের আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। ফলে পালাবদলের পর বাংলার প্রথম দুর্গাপুজোয় একাধিক ক্ষেত্রে বদল আসতে চলেছে।বিসর্জন নিয়েও এ দিন নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। ২৪ অক্টোবরের মধ্যে বিসর্জনের প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে বলে জানানো হয়েছে। বিসর্জনের সময় ক্রেন ব্যবহার করা যাবে না বলেও স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।সব মিলিয়ে পুজো কমিটিগুলির অনুদান থেকে শুরু করে বিদ্যুৎ ও দমকলের খরচ, পুজোর উদ্বোধন, কার্নিভ্যাল এবং বিসর্জনএকাধিক বিষয়ে সোমবারের বৈঠক থেকে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৬
কলকাতা

পুজোর আগে সরকারি বিজ্ঞাপনে ‘বড় ভুল’! দুর্গার ১১ হাত দেখে বিতর্ক, ক্ষমা চাইলেন শুভেন্দু

দুর্গাপুজোর আগে সরকারি আমন্ত্রণপত্রে দুর্গার ছবি নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। সরকারি বিজ্ঞাপনে দশভুজার বদলে ১১ হাতের ছবি ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পরেই তা নিয়ে রাজনৈতিক মহল থেকে সামাজিক মাধ্যম, বিভিন্ন জায়গায় আলোচনা শুরু হয়।পুজোর প্রস্তুতি নিয়ে পুজো উদ্যোক্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার মিলন মেলা প্রাঙ্গণে আয়োজিত সেই বৈঠকের আগে সরকারি একটি আমন্ত্রণপত্র উদ্যোক্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছিল। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমেও বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হয়। সেখানেই দুর্গার ১১ হাতের ছবি দেখা যায় বলে অভিযোগ ওঠে।প্রচলিত ধর্মীয় রীতিতে দেবী দুর্গাকে দশভুজা হিসাবেই দেখা হয়। কিন্তু সরকারি বিজ্ঞাপনে ব্যবহৃত ছবিতে একটি হাত অতিরিক্ত দেখা যাওয়ায় প্রশ্ন ওঠে। বিষয়টি প্রথমে প্রকাশ্যে আনেন সিপিএম নেতা শতরূপ ঘোষ। তিনি এই ছবি নিয়ে কটাক্ষও করেন। তাঁর মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আরও আলোচনা শুরু হয়।এর পরেই বিষয়টি নিয়ে মুখ খোলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মিলন মেলা প্রাঙ্গণে পুজো উদ্যোক্তাদের সঙ্গে বৈঠকের শুরুতেই তিনি এই ভুলের জন্য ক্ষমা চান।মুখ্যমন্ত্রী জানান, সকালে একটি ত্রুটিপূর্ণ সরকারি বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হয়েছিল। সেই ভুলের জন্য তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে ক্ষমা চেয়ে নেন। পাশাপাশি বিজ্ঞাপন প্রকাশের সঙ্গে যুক্ত সংস্থাকে সতর্ক করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। ভবিষ্যতে এই ধরনের বিষয়ে সরকার আরও সতর্ক থাকবে বলে আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী।এর আগে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যকেও এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল। তিনি জানান, তিনি বিজ্ঞাপনটি দেখেননি। তবে তাঁর কথায়, কোনও সংস্থার ছাপার ভুল থেকেই এমনটা হয়ে থাকতে পারে। বিষয়টি সংশোধন করে নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।দুর্গাপুজোর প্রস্তুতি নিয়ে এ দিনের বৈঠকে পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে বৈঠকের আগেই সরকারি বিজ্ঞাপনে দুর্গার ১১ হাতের ছবি নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্কই বিশেষ নজর কেড়ে নেয়। পরে মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষমা চাওয়ার পর সেই বিতর্কে আপাতত ইতি পড়ে।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৬
কলকাতা

পুজোর আগে বড় সুখবর! প্যারাটিচার থেকে শিক্ষাবন্ধু, একসঙ্গে বহু কর্মীর বেতন বাড়াল রাজ্য

নবান্নে মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর একাধিক স্তরের কর্মীদের জন্য বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্যারাটিচার, শিক্ষাবন্ধু, বিশেষ শিক্ষাকর্মী, ম্যানেজমেন্ট কর্মী, এসএসকে ও এমএসকে-র সহায়ক কর্মী-সহ বিভিন্ন স্তরের কর্মীদের বেতন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। পাশাপাশি বন সহায়ক এবং ফরেস্ট গার্ডদের পারিশ্রমিকও বাড়ানোর কথা জানানো হয়েছে।প্যারাটিচারদের বেতন প্রাথমিক এবং উচ্চ প্রাথমিক, দুই স্তরেই ৫ হাজার টাকা করে বাড়ছে। এত দিন প্রাথমিক স্তরের প্যারাটিচাররা মাসে ১১ হাজার ৯৪১ টাকা করে বেতন পেতেন। এবার তা বেড়ে হবে ১৬ হাজার ৯৪১ টাকা। উচ্চ প্রাথমিক স্তরের প্যারাটিচারদের বেতন ১৫ হাজার ৫২৩ টাকা থেকে বেড়ে হবে ২০ হাজার ৫২৩ টাকা। এই বেতন বৃদ্ধি ১ নভেম্বর থেকে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে।এই সিদ্ধান্তে প্রাথমিক স্তরের ২০ হাজার ৩৪৩ জন এবং উচ্চ প্রাথমিক স্তরের ২১ হাজার ৮৪৯ জন প্যারাটিচার উপকৃত হবেন। অর্থাৎ দুই স্তর মিলিয়ে বহু প্যারাটিচারের মাসিক আয় বাড়তে চলেছে।শিক্ষাবন্ধুদেরও ৫ হাজার টাকা করে বেতন বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে ২২৮০ জন শিক্ষাবন্ধু উপকৃত হবেন। বিশেষ শিক্ষাকর্মীদেরও ৫ হাজার টাকা করে বেতন বৃদ্ধি করা হয়েছে। তাঁদের ক্ষেত্রেও ১ নভেম্বর থেকে নতুন বেতন কার্যকর হবে।শুধু শিক্ষা ক্ষেত্রেই নয়, বন দফতরের কর্মীদের জন্যও ঘোষণা করা হয়েছে পারিশ্রমিক বৃদ্ধির কথা। বন সহায়কদের পারিশ্রমিক বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। ফরেস্ট গার্ডদের পারিশ্রমিকও ৫ হাজার টাকা করে বাড়ছে। এই বৃদ্ধি ১ অক্টোবর থেকে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে।এছাড়াও ম্যানেজমেন্ট কর্মী, এসএসকের সহায়ক এবং এমএসকের সহায়ক কর্মীদের বেতনও ৫ হাজার টাকা করে বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। ফলে বিভিন্ন স্তরে কাজ করা কর্মীদের একাংশের মাসিক আয় বাড়তে চলেছে।প্রাক্তন বিধায়কদের চিকিৎসা ভাতাও বাড়ানো হয়েছে। এই বর্ধিত ভাতা ১ আগস্ট থেকে কার্যকর হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।এদিনের মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং অশিক্ষক কর্মীদের বদলি নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় স্তরে পারস্পরিক বদলির জন্য বিধিবদ্ধ কাঠামো তৈরি করতে নতুন বিল আনা হবে। মন্ত্রিসভার বৈঠকে সেই বিলে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে বিলটি বিধানসভায় পেশ করা হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।ফলে একদিকে বিভিন্ন স্তরের কর্মীদের বেতন ও পারিশ্রমিক বৃদ্ধির ঘোষণা, অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-অশিক্ষক কর্মীদের বদলির জন্য নতুন আইনি কাঠামোদুই ক্ষেত্রেই এদিন একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৬
কলকাতা

বাল্যবিবাহ করলেই এবার কড়া শাস্তি! বাড়ি বাড়ি অভিযান, পুরোহিত-কাজিদের নিয়েও বড় বার্তা

পশ্চিমবঙ্গে বাল্যবিবাহ বন্ধ করতে এবার আরও কড়া পদক্ষেপের পথে রাজ্য সরকার। বাল্যবিবাহের ঘটনা ঠেকাতে বাড়ি বাড়ি নজরদারি এবং অভিযান চালানোর কথা জানানো হয়েছে। নাবালিকার বিয়ে দেওয়া, বিয়েতে সাহায্য করা বা বিয়ে সম্পন্ন করার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার বার্তা দেওয়া হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এদিন নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে বাল্যবিবাহ নিয়ে কড়া অবস্থানের কথা জানান। তাঁর বক্তব্য, বাল্যবিবাহের মতো ঘটনা কোনও ভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। যে পরিবার নাবালিকার বিয়ে দেবে, সেই বিয়ের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরাও প্রশাসনের নজরের বাইরে থাকবেন না।রাজ্য সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, যেসব ক্ষেত্রে নাবালিকা বধূর সন্ধান মিলেছে, সেই পরিবারের পাশাপাশি তাঁদের স্বামীদের কাছেও শোকজ নোটিস পাঠানো হতে পারে। স্ত্রী বিয়ের সময় ১৮ বছর বয়স পার করেছিলেন কি না, তা প্রমাণ করার জন্য প্রয়োজনীয় নথি দেখাতে হবে।বয়স প্রমাণের ক্ষেত্রে স্কুলের শংসাপত্র, আধার কার্ড, জন্মের শংসাপত্র-সহ সরকারি নথি খতিয়ে দেখা হবে বলে জানানো হয়েছে। বয়স সংক্রান্ত যথাযথ প্রমাণ দিতে না পারলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।শুধু বিয়ে দেওয়া পরিবার বা স্বামীর বিরুদ্ধেই নয়, বাল্যবিবাহ সম্পন্ন করার সঙ্গে যুক্ত পুরোহিত এবং কাজিদের নিয়েও কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের বক্তব্য, নাবালিকার বিয়েতে কেউ সাহায্য করলে তাঁর বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে আইন দেশে বহু বছর ধরেই রয়েছে। মেয়েদের ক্ষেত্রে ১৮ বছর এবং ছেলেদের ক্ষেত্রে ২১ বছরের আগে বিয়ে আইনত নিষিদ্ধ। বাল্যবিবাহ বন্ধ করতে প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও সচেতন করার উপর জোর দেওয়া হচ্ছে।বাংলায় বাল্যবিবাহ রুখতে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের সময় থেকেই সামাজিক আন্দোলন হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে দেশে একাধিক আইন করে এই প্রথা বন্ধ করার চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু এখনও রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় বাল্যবিবাহের অভিযোগ সামনে আসে। বিশেষ করে কিছু সীমান্তবর্তী ও গ্রামীণ এলাকায় এই সমস্যা নিয়ে প্রশাসনের উদ্বেগ রয়েছে।এবার সেই কারণেই বাড়ি বাড়ি নজরদারির উপর জোর দেওয়া হচ্ছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে। কোনও পরিবারে নাবালিকার বিয়ে হয়েছে কি না, বিয়ের সময় তাঁর বয়স কত ছিল এবং বিয়ের সঙ্গে কারা যুক্ত ছিলেন, সেই সমস্ত তথ্য খতিয়ে দেখা হতে পারে।নাবালিকা বধূর সন্তান প্রসবের ঘটনা ঘটলেও প্রশাসনের নজর থাকবে বলে জানানো হয়েছে। হাসপাতালেও বয়স সংক্রান্ত তথ্য খতিয়ে দেখা হতে পারে। নাবালিকার ক্ষেত্রে যৌন নির্যাতন বা শারীরিক সম্পর্কের অভিযোগ উঠলে শিশুদের সুরক্ষা সংক্রান্ত কঠোর আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।প্রশাসনের বার্তা, নাবালিকার বয়স ১৮ বছরের কম হলে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে। বাল্যবিবাহের পাশাপাশি নাবালিকার উপর যৌন নির্যাতনের অভিযোগ থাকলে পৃথক ভাবেও আইনি পদক্ষেপ হতে পারে।ফলে রাজ্যে বাল্যবিবাহ রুখতে এবার নজরদারি আরও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাড়ি বাড়ি অভিযান, বয়সের নথি যাচাই এবং বাল্যবিবাহের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাএই তিন দিকেই জোর দেওয়া হচ্ছে। সরকারের এই পদক্ষেপে রাজ্যে বাল্যবিবাহের প্রবণতা কতটা কমে, এখন সেটাই দেখার।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal