• ২১ আশ্বিন ১৪৩৩, শনিবার ১০ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

CS

খেলার দুনিয়া

A‌lvito D'Cunha : বাংলার ক্রীড়াবিদদের দেখে অনুপ্রানিত হয়ে রাজনীতিতে সামিল আলভিটো‌

ক্রীড়াবিদদের রাজনীতিতে যোগ দেওয়াটা নতুন নয়। খেলা ছাড়ার পর বহু ক্রীড়াবিদ রাজনৈতিক নেতার তালিকায় নাম লিখিয়েছেন। সর্ব ভারতীয় ক্ষেত্রে যদি আমরা দেখি, কীর্তি আজাদ থেকে শুরু করে মহম্মদ আজহারউদ্দিন, নভজ্যোত সিং সিধু, আরও অনেকে রয়েছে। আর আমাদের বাংলায় তালিকাটা তো বেশ লম্বা। অমল দত্ত থেকে শুরু করে প্রসূন ব্যানার্জি, দীপেন্দু বিশ্বাস, রহিম নবি, বাইচুং ভুটিয়া, কল্যান চৌবে, ষষ্ঠী দুলে, অরিন্দম ভট্টাচার্য, বিদেশ বসু, লক্ষ্মীরতন শুক্লা, মনোজ তেওয়ারি। আরও অনেকেই রয়েছেন। কেউ সরাসরি যুক্ত, কেউ আবার পরোক্ষভাবে। এবার সেই তালিকায় নাম লেখালেন আলভিটো ডিকুনহা। সোমবার দুপুরে গোয়ার পানাজিতে আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি সর্বভারতীয় কংগ্রেসে যোগ দিলেন।আরও পড়ুনঃ প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে এলাহি আয়োজন বঙ্গ বিজেপিরদীর্ঘদিন হল ফুটবল থেকে অবসর নিয়েছেন। খেলার পাঠ চুকিয়ে দিলেও বাংলাকে ভোলেননি। কলকাতাতেই থেকে গিয়েছেন। ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছেন। এরাজ্যে থাকতে থাকতে বাংলা ভাষাটাও দারুণ রপ্ত করেছেন। আর পাঁচটা বাঙালীর মতো খুব ভাল বাংলা বলতে পারেন। এখন কখনও কলকাতা, কখনও গোয়াতে থাকেন। যেহেতু গোয়ার ছেলে, তাই বাংলাতে রাজনীতিতে নামার তেমন সুযোগ ছিল না। তাই গোয়া কংগ্রেসেই যোগ দিলেন আলভিটো।আরও পড়ুনঃ ম্যাঞ্চেস্টার টেস্ট না খেলার প্রতিশোধ? আইপিএল থেকে সরলেন বেয়ারস্টোরাকেন হঠাৎ করে রাজনীতিতে যোগ দিলেন? গোয়া থেকে ফোনে আলভিটো বলছিলেন, বাংলাতে অনেক ক্রীড়াবিদকে দেখেছি তারা দিদির কর্মযজ্ঞে সামিল হয়েছে। দারুণ কাজ করছে। ওদের দেখেই আমি অনুপ্রানিত হয়েছি। বাংলার ক্রীড়াবিদরা যদি ওখানে ভাল কাজ করতে পারে, আমি কেন পারব না? দিদির কর্মযজ্ঞে সামিল হতে পারলে তো ভালই হত। কিন্তু গোয়াতে তো সেই সুযোগ নেই। এই মুহূর্তে গোটা দেশে বিজেপির রমরমা। হঠাৎ করে কংগ্রেসকে বেছে নিলেন কেন? আলভিটো বলছিলেন, কংগ্রেস আমাকে প্রস্তাব দিয়েছিল ওদের খেলাধুলা সংক্রান্ত সব বিষয়ে পরামর্শ দেওয়ার জন্য। খেলার জগতেই আমাকে বেশি করে চায়। আমি চেষ্টা করব যতটা সম্ভব সাহায্য করা। রাজ্যের ক্রীড়া পরিকাঠামোর উন্নতি করাই আমার প্রধান লক্ষ্য হবে। বাংলার ক্রীড়ার উন্নয়নে যেমন অনেক ক্রীড়াবিদ এগিয়ে এসেছে।আরও পড়ুনঃ বাতিল টেস্ট ম্যাচ নিয়ে আইসিসিকে চিঠি ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডেরআলভিটো আরও বলেন, আমাকে গোয়া কংগ্রেসে ক্রীড়া আইকন হিসাবে দলে নেওয়া হচ্ছে। চেষ্টা করব খেলাকে আরও উন্নতির দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার। আমি ফুটবলার হলেও অন্য খেলাকেও একই গুরুত্ব দেব। আলভিটো ডিকুনহাকে দলে পেয়ে উচ্ছ্বসিত গোয়ার কংগ্রেস নেতা এলিন গোমস। তিনি বলেছেন, আলভিটোর কংগ্রেসে যোগদান দলকে আরও উদ্বুদ্ধ করবে। আমি চাই কংগ্রেসে আরও ক্রীড়াবিদ নাম লেখান।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Neeraj Chopra : ১০০০ শতাংশ বেড়ে গেল নীরজ চোপড়ার দাম!‌ কোহলিদের সঙ্গে এক আসনে

ক্রিকেট না খেলেও বিরাট কোহলি, মহেন্দ্র সিং ধোনি, রোহিত শর্মাদের সঙ্গে এক আসনে বসতে চলেছেন নীরজ চোপড়া? অলিম্পিকে একটা সোনা জয়ই বদলে দিয়েছে ছবিটা। অলিম্পিক যাওয়ার আগে নীরজ চোপড়ার ব্র্যান্ড এনডোর্সমেন্ট যা ছিল, তা থেকে বেড়েছে ১০০০ শতাংশ। অবিশ্বাস্য হলেও এটাই বাস্তব। আশা করা হচ্ছে ব্র্যান্ড এনডোর্সমেন্ট থেকে প্রতি বছর নীরজ চোপড়ার এখন আয় হবে প্রায় আড়াই কোটি টাকা।নীরজ চোপড়ার এই আয় বৃদ্ধি কোনও অস্বাভাবিক ঘটনা নয়। অলিম্পিকে ব্যক্তিগত বিভাগে তিনি দ্বিতীয় ক্রীড়াবিদ হিসেবে সোনা জিতেছেন। আর ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডে প্রথম। সুতরাং তাঁকে নিয়ে বিভিন্ন সংস্থার যে কাড়াকাড়ি পড়ে যাবে, এটাই স্বাভাবিক। সেই সুযোগটাই কাজে লাগিয়ে নীরজ চোপড়ার ব্র্যান্ড ভ্যালু বাড়িয়ে নিয়েছে তাঁর জনসংযোগ বিষয় দেখাশোনাকারী সংস্থা JSW। এই সংস্থাটিই সোনাজয়ী অ্যাথলিটের জনসংযোগ অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করে।দেশে ক্রিকেটের বাইরে নীরজ চোপড়াই প্রথম ক্রীড়াবিদ, যার ব্র্যান্ড ভ্যালু দ্রুত এতটা বেড়েছে। অলিম্পিকে সোনাজয়ী এই অ্যাথলিটের সঙ্গে চুক্তি করার জন্য আরও পাঁচছটি সংস্থা অপেক্ষা করে আছে। নীরজের জনসংযোগের দায়িত্বে থাকা জেএসডব্লুর এক কর্তা বলেছেন, নীরজ চোপড়ার এনডোর্সমেন্ট ফি ১০ গুন বৃদ্ধি পেয়েছে। যে সংস্থাগুলির সঙ্গে চুক্তি হয়েছে, তার বাইরে আরও পাঁচছটি সংস্থা নীরজ চোপড়াকে ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর করতে চায়। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে বিলাসবহুল অটো এবং পোশাক ব্র্যান্ডের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর হবে। অলিম্পিকে সোনাজয়ী এই অ্যাথলিট ইতিমধ্যেই বাইজু, টাটা এআইএ লাইফ ইন্স্যুরেন্স এবং একটি শীর্ষ ফার্মাসিউটিকালের সাথে চুক্তি করেছেন। এছাড়া জিলেট, এক্সন মোবাইল এবং মাসল ব্লেজেরও ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর নীরজ চোপড়া।নতুন সংস্থাগুলির সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন হলে নীরজ চোপড়ার এনডোর্সমেন্ট থেকে বছরে আয় হবে প্রায় আড়াই কোটি টাকা। যা তাঁকে বিরাট কোহলিই, মহেন্দ্র সিং ধোনি, রোহিত শর্মাদের সঙ্গে এই আসনে বসাবে। এই মুহূর্তে কোহলি প্রতি বছর ১ থেকে ৫ কোটি টাকা এনডোর্সমেন্ট থেকে আয় করেন। ধোনির এনডোর্সমেন্ট থেকে আয় প্রায় তেমনই। এদের দুজনের থেকে অবশ্য কিছুটা পিছিয়ে রয়েছেন রোহিত শর্মা। ক্রিকেটের বাইরে অন্য কোনও খেলার ক্রীড়াবিদ এনডোর্সমেন্ট থেকে এত অর্থ উপার্জন করেননি। অলিম্পিকে একটা সোনাই বদলে দিয়েছে নীরজ চোপড়ার জীবন। কোহলিদের পাশাপাশি এখন তিনি তরুণ প্রজন্মের কাছে আইকন।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌Paralympics : প্যারালিম্পিক্সে বাঁ হাতেই খেল মণীশ নারওয়ালের

জন্ম থেকে ডান হাত একেবারে অকেজো। বাঁ হাতেই সবকিছু করতে হয়। টোকিও প্যারালিম্পিক্সে সেই বাঁ হাতেই খেল দেখালেন মণীশ নারওয়াল। শনিবার ৫০ মিটার পিস্তল ইভেন্টে দেশকে সোনা এনে দিলেন। শুধু সোনা জেতাই নয়, ২১৮.২ পয়েন্ট সংগ্রহ করে নতুন প্যারালিম্পিক্স রেকর্ডও গড়েছেন মণীশ। এই ইভেন্ট থেকেই দেশকে রুপো এনে দিয়েছেন সিংহরাজ আধানা। টোকিও অলিম্পিকে মানু ভাকের, সৌরভ চৌধুরিদের নিয়ে অনেক স্বপ্ন ছিল। কিন্তু প্রত্যাশাপূরণ করতে পারেননি ভারতীয় শুটাররা। মানু ভাকর ও সৌরভ চৌধুরীদের ব্যর্থতা ঢেকে দিলেন অবনী লেখারা, মণীশ নারওয়াল, সিংহরাজ আধানারা। টোকিও প্যারালিম্পিক্সে দুটি সোনা সহ মোট পাঁচটি পদক জিতে ইতিহাস তৈরি করল ভারত। শনিবার মনীশ নারওয়াল ও সিংহরাজ আধানার হাত ধরে এক বৃত্ত সম্পন্ন হল। একই প্যারালিম্পিক্সে দুটি পদক জিতে এলিট ক্লাবের সদস্য হলেন সিংহরাজ। ১৯৮৪ প্যারালিম্পিক্স থেকে একটি সোনা ও দুটি ব্রোঞ্জ পদক জিতেছিলেন যোগিন্দর সিং সোধি। চলতি প্যারালিম্পিকের শুটিং ইভেন্ট থেকে সোনা ও ব্রোঞ্জ জিতেছেন অবনী লেখারা।পি ৪ মিক্সড ৫০ মিটার পিস্তল এসএইচ ওয়ান ইভেন্টের ফাইনালে মণীশের থেকে ভাল শুরু করেছিলেল সিংহরাজ আধানা। প্রথম ১০টি শটের পর ৯২.১ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষ স্থানে ছিলেন। মণীশের স্কোর ছিল ৮৭.২ পয়েন্ট। একসময় তাঁকে টপকে যান রাশিয়ান প্যারালিম্পিক্স কমিটির সার্গেই মালিসেভ। পঞ্চম সিরিজ পর্যন্ত মালিসেভই সোনা জয়ের দাবিদার ছিলেন। শেষ দুই সিরিজে জ্বলে ওঠেন ভারতের দুই শুটার। সিংহরাজ আধানাকেও টপকে যান মণীশ। প্রথম ১০ শটে অনেকটাই পিছিয়ে ছিলেন। ১৮ নম্বর শটের পর ৪ নম্বরে ছিলেন মণীশ। শেষ দুই সিরিজে ১০.৮ ও ১০.৫ পয়েন্ট সংগ্রহ করে ২১৮.২ পয়েন্টে পৌঁছে যান ১৯ বছর বয়সী এই প্যারা শুটার। বিশ্বরেকর্ড গড়ে সোনা জেতেন। অন্যদিকে, সিংহরাজ আধানা সংগ্রহ করেন ২১৬.৭। ১৯৬.৮ পয়েন্ট নিয়ে ব্রোঞ্জ জেতেন সার্গেই মালিসেভ। পি ৪ মিক্সড ৫০ মিটার পিস্তল এসএইচ ওয়ান ইভেন্টের যোগ্যতা অর্জন পর্বে ৫৩৬ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ হয়েছিলেন সিংহরাজ আধানা। ৫৩৩ পয়েন্ট নিয়ে সপ্তম হয়ে ফাইনালে উঠেছিলেন মনীশ। তবে চূড়ান্ত পর্বে দুই ভারতীয় প্যারা শুটারদের পারফরমেন্স সকলকে চমকে দিয়েছে। শৈশবে ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন মনীশ নারওয়াল। লক্ষ্য ছিল দেশের হয়ে খেলবেন। কিন্তু শারীরিক প্রতিবন্ধকতায় ফুটবলার হওয়ার স্বপ্নপূরণ হয়নি। প্যারালিম্পিক্স থেকে দেশকে সোনা জিতে নতুন ইতিহাস রচনা করলেন হরিয়ানার এই প্যারা শুটার।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Paralympics : সোনা জিতেও ৩ মিনিট দেরির জন্য পদক হাতছাড়া!‌ আজব ব্যাপার প্যারালিম্পিক্সে

ভারতের বিনোদ কুমারের পর টোকিও প্যারালিম্পিক্সে জিতেও পদক হারালেন আরও এক অ্যাথলিট। এফ২০ বিভাগে শটপুটে সোনা জিতেছিলেন মালয়েশিয়ার মুহাম্মদ জিয়াদ জোলকেফ্লি। কিন্তু ৩ মিনিট দেরিতে প্রতিযোগিতার ইভেন্ট স্থলে পৌঁছনোয় তাঁর পদক কেড়ে নেওয়া হয়েছে।কেন মুহাম্মদ জিয়াদ জোলকেফ্লির পদক কেড়ে নেওয়া হয়েছে? সেই প্রসঙ্গে আন্তর্জাতিক প্যারালিম্পিক কমিটির (আইপিসি) মুখপাত্র ক্রেইগ স্পেন্স বলেন, জোলকেফ্লি এবং আরও দুজন প্রতিযোগী সময়মতো ইভেন্টস্থলে উপস্থিত হতে পারেনি। সময়মতো উপস্থিত হতে না পারার জন্য হয়তো যুক্তিসঙ্গত কারণ ছিল। তাই ওদের প্রতিযোগিতায় নামার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সময়মতো উপস্থিত না হওয়ায় জোলকেফ্লি এবং অন্য দুজনের বিরুদ্ধে পরে প্রতিবাদপত্র জমা পড়েছিল।বিশ্ব প্যারা অ্যাথলিটিক্সের যারা ট্র্যাক এন্ড ফিল্ড পরিচালনা করেন, সেই রেফারি ইভেন্টের পর জানান, অ্যাথলিটদের সময়মতো রিপোর্ট না করার পেছনে কোনও যুক্তিসঙ্গত কারণ ছিল না। রেফারির রিপোর্টের ভিত্তিতেও সোনা কেড়ে নেওয়া হল মুহাম্মদ জিয়াদ জোলকেফ্লির। এই বিভাগে রুপো জিতেছিলেন ইউক্রেনের ম্যাক্সিম কোভাল। তাঁকে সোনাজয়ী হিসেবে ঘোষণা করেছে প্যারালম্পিক্স কমিটি। ম্যাক্সিম কোভালের সতীর্থ ইউক্রেনেরই ওলেক্সান্দার ইয়ারোভি ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন। তাকে রুপো দেওয়া হল। আর ব্রোঞ্জ জিতলেন গ্রিসের এফস্ট্রাটিওস নিকোলাইডিস।এই ঘটনার পরপরই সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনার তীব্র ঝড় উঠেছে। প্যারালিম্পিক্স কমিটির সিদ্ধান্ত নিয়ে চারিদিক তোলপাড়। এই ব্যাপারে স্পেন্স বলেছেন, সোশ্যাল মিডিয়ার মন্তব্যগুলো আমরা দেখতে পাচ্ছি। কিন্তু আমাদের কিছু করার নেই। মালয়েশিয়ানরা তীব্র নিন্দা করছে ইউক্রেন প্যারালিম্পিক্স কমিটির। আমাদের কিছু করার নেই। আমরা তো আর নিয়মের বাইরে যেতে পারব না। সবাইকে নিয়ম মেনে চলতে হবে। এটা ইউক্রেনের ব্যর্থতা নয়, মালয়েশিয়ানদের ব্যর্থতা। কেন ওরা দেরিতে পৌঁছেছিল। স্পেন্স আরও বলেন, অন্য প্রতিযোগীরা ইভেন্ট শুরুর ৫ মিনিট আগে পৌঁছে গিয়েছিল। আর সেখানে ৩ জন তিন মিনিট দেরিতে এসেছিল। মালয়েশিয়ান অ্যাথলিট একটা অজুহাত দিয়েছিল। আর বাকি দুজন বলেছিল যে তারা ঘোষণা শুনতে পায়নি কিংবা ভাষা বুঝতে পারেনি।এর আগেও মালয়েশিয়ান প্যারা অ্যাথলেটিক্স সংস্থাকে সমস্যায় পড়তে হয়েছিল। ২০১৯ সালে বিশ্ব প্যারা সাঁতার চ্যাম্পিয়নশিপ থেকে মালয়েশিয়াকে বাতিল করেছিল আন্তর্জাতিক প্যারা অ্যাথলেটিক্স সংস্থা।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Para Olympics : নীরজে উদ্বুদ্ধ দেবেন্দ্র প্যারালিম্পিকে দেশকে এনে দিলেন রুপো

জ্যাভেলিনে দেশ যে অনেকটাই এগিয়েছে, অলিম্পিক গেমসেই তার প্রমাণ মিলছে। টোকিও অলিম্পিকে জ্যাভেলিন থ্রোতে সোনা জিতে ইতিহাস তৈরি করেছিলেন নীরজ কুমার। প্যারালিম্পিকেও সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখলেন ভারতের জ্যাভেলিন থ্রোয়াররা। টোকিও প্যারালিম্পিকের পুরুষদের জ্যাভলিন থ্রো ইভেন্ট থেকে দুটি পদক জিতল ভারত। দেশকে রুপো এনে দিয়েছেন দেবেন্দ্র ঝাঝারিয়া। একই ইভেন্ট থেকে ব্রোঞ্জ জিতেছেন সুন্দর সিং গুর্জর। ২০১৬ সালের রিও প্যারালিম্পিকে সোনা জিতে ইতিহাস গড়েছিলেন দেবেন্দ্র ঝাঝারিয়া। তাঁকে নিয়ে দেশবাসীর অনেক প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু টোকিও প্যারালিম্পিকে রুপো জিতে সন্তুষ্ট থাকতে হল দেবেন্দ্রকে। পুরুষদের এফ ৪৬ বিভাগে রুপো জিতেছেন তিনি। রুপো জেতার পথে দেবেন্দ্র বর্শা নিক্ষেপ করেন ৬৪.৩৫ মিটার। এটাই তাঁর জীবনের সর্বোচ্চ দুরত্ব অতিক্রম করা। অন্যদিকে ৬২.৫৮ মিটার ছুঁড়ে ব্রোঞ্জ জেতেন সুন্দর সিং গুর্জর। এটা তাঁর মরশুমের সেরা দুরত্ব অতিক্রম করা। তিনজন ভারতীয় প্যারা অ্যাথলিট টোকিও গেমসে যোগ্যতা অর্জন করেছিলেন। দেবেন্দ্র, সুন্দর ছাড়াও ছিলেন অজিত। এদিন প্রতিযোগিতায় প্রথম প্রচেষ্টায় দেবেন্দ্র ছোঁড়েন ৬০.২৮ মিটার। অন্যদিকে সুন্দর সিং গুর্জর ছোঁড়েন ৬২.৫৮ মিটার। এই দুজনের থেকে অনেকটাই পিছিয়ে ছিলেন অজিত। তিনি ছোঁড়েন ৫৬.১৫ মিটার। দ্বিতীয় প্রচেষ্টায় দেবেন্দ্র ছোঁড়েন ৬০.৬২ মিটার। তৃতীয় প্রচেষ্টায় নিজের রেকর্ড ছাপিয়ে তিনি ছোঁড়েন ৬৪.৩৫ মিটার। কিন্তু শ্রীলঙ্কার প্রতিযোগী দীনেশ প্রিয়ান হেরাথ মুদিয়ানসেলাজে বিশ্বরেকর্ড ভেঙে তাঁর তৃতীয় প্রচেষ্টায় ছোঁড়েন ৬৭.৭৯ মিটার।আরও পড়ুনঃ প্যারালিম্পিকে ডিসকাস থ্রোতে রুপো জিতলেন যোগেশ কাথুনিয়াঅন্যদিকে, প্রথম প্রচেষ্টায় ভাল ফল করলেও তৃতীয় ও চতুর্থ প্রচেষ্টায় ফাউল করেন সুন্দর সিং গুর্জর। তাঁর পঞ্চম থ্রোতে ৬৪.০১ মিটার ছুঁড়ে ব্রোঞ্জ জয় নিশ্চিত করেন। অন্যদিকে অজিত প্রথম প্রচেষ্টায় যে দুরত্বে বর্শা নিক্ষেপ করেছিলেন, বাকি প্রচেষ্টায় তাকে ছাপিয়ে যেতে পারেননি। শেষ প্রচেষ্টায় তিনি ছোঁড়েন ৫২.৩৬ মিটার। টোকিও অলিম্পিকে নীরজ কুমারে সোজা জয় তাঁকে উদ্বুদ্ধ করেছিল বলে দাবি করেছেন দেবেন্দ্র ঝাঝারিয়া। প্যারালিম্পিকে রুপো জেতার পর তিনি বলেন, নীরজের সোনা জয় দেশের জ্যাভেলিন থ্রোয়ারদের প্রচারের আলোয় নিয়ে এসেছে। আমাকেও দারুণভাবে উদ্বুদ্ধ করেছিল। টোকিও প্যারালম্পিকের পর আশা করছি জ্যাভেলিন থ্রো দেশের দ্বিতীয় জনপ্রিয় খেলায় পরিণত হবে।

আগস্ট ৩০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌Para Olympics :প্যারালিম্পিকে ডিসকাস থ্রো–তে রুপো জিতলেন যোগেশ কাথুনিয়া

টোকিও প্যারালিম্পিকে চমক দিয়েই চলেছেন ভারতীয় অ্যাথলিটরা। টেবিল টেনিসে রুপো জিতে ইতিহাস সৃষ্টি করেছিলেন ভাবনাবেন প্যাটেল। নিশাদ কুমার, বিনোদ কুমাররাও দেশকে পদক এনে দিয়েছেন। তবে সোমবার সবথেকে বড় চমক দেখিয়েছেন অবনী লেখারা। মহিলাদের ব্যক্তিগত শুটিং ইভেন্টে বিশ্ব রেকর্ড করে সোনাআ জিতে ইতিহাস রচনা করেন তিনি। অন্য অ্যাথলিটদের পদাঙ্ক অনুসরন করে দেশকে পদক এনে দিয়েছেন যোগেশ কাথুনিয়া। পুরুষদের ডিসকাস থ্রোতে রুপো জিতেছেন তিনি। আগের দিনই ডিসকাস থ্রোতে দেশকে ব্রোঞ্জ এনে দিয়েছিলেন বিনোদ কুমার। ডিসকাস থ্রো থেকে দ্বিতীয় পদক এল ভারতের।পুরুষদের এফ ৫৬ বিভাগে জীবনের সেরা থ্রো করেও অল্পের জন্য সোনা হাতছাড়া হয়েছে যোগেশ কাথুনিয়ার। ফাইনালে তিনি ৪৪.৩৮ মিটার দুরে ডিসকাস ছোঁড়েন। ৪৫.৫৯ মিটার দুরে ডিসকাস ছুঁড়ে এই বিভাগে সোনা জিতেছেন ব্রাজিলের বাতিস্তা ডস স্যান্টোস ক্লাউডিনে। ব্রাজিলের এই প্যারা অ্যাথলিট বিশ্ব রেকর্ডেরও অধিকারী। এদিন প্রতিযোগিতায় প্রথম প্রয়াস ফাউল করেন যোগেশ কাথুনিয়া। দ্বিতীয় প্রচেষ্টায় তিনি ছোঁড়েন ৪২.৮৪ মিটার। তৃতীয় প্রচেষ্টায় নিজের পারফরমেন্স আরও উন্নত করেন ভারতের এই প্যারা অ্যাথলিট। তিনি ছোঁড়েন ৪৩.৩৮ মিটার। ফাইনাল থ্রোতে ৪৪.৩৮ মিটার দুরে ডিসকাস ছুঁড়ে রুপো নিশ্চিত করেন যোগেশ কাথুনিয়া। প্যারালিম্পিক থেকে তিনি দেশকে পঞ্চম পদক এনে দেন। প্যারালিম্পিক অভিষেকে রুপো জিতে দেশের ক্রীড়াপ্রেমীদের মনের মণিকোঠায় জায়গা করে নিয়েছেন কাথুরিয়া। এই বিভাগে ব্রোঞ্জ পদক জিতেছেন কিউবার প্যারা অ্যাথলিট। আন্তর্জাতিক মঞ্চে যোগেশের এই পদক প্রথম নয়। এর আগেও তিনি দেশের মান উজ্জ্বল করেছেন। ২০১৯ সালে দুবাইতে অনুষ্ঠিত বিশ্ব প্যারা অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন যোগেশ কাথুনিয়া। যোগেশের আগে সোমবার সোনা জিতে ইতিহাস গড়েন অবনী লেখারা। মহিলাদের ১০ মিটার এয়ার রাইফেল স্ট্যান্ডিং এসএইচ ওয়ান ইভেন্টে ২৪৯.৬ স্কোর করে সোনা জেতেন অবনী। চলতি গেমস থেকে ভারতের হয়ে চতুর্থ পদক জিতলেন এই মহিলা প্যারা শুটার। প্যারালিম্পিকের শুটিং ইভেন্টে এর আগে কোনও ভারতীয় মহিলা সোনা জিততে পারেননি। ১৯ বছরের অবনী লেখারা টোকিওয় নিজের কেরিয়ারের প্রথম গেমস খেলতে নেমেই অসাধ্য সাধন করেছেন। মহিলাদের ১০ মিটার এয়ার রাইফেল স্ট্যান্ডিং এসএইচ ওয়ান ইভেন্টে ২৪৯.৬ স্কোর করে দেশের জন্য সোনা জেতার পাশাপাশি বিশ্ব রেকর্ড ছুঁয়েছেন ভারতীয় প্যারা শুটার। যা প্যারালিম্পিক রেকর্ডও বটে। ইভেন্টে রুপো জিতেছেন চিনের কুইপিং ঝাং। ব্রোঞ্জ পদক জিতেছেন ইউক্রেনের ইরিয়ানা স্কেটনিক।

আগস্ট ৩০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Silver Medal: সোনার স্বপ্ন অধরা, ভাবনাবেনকে ৩ কোটি টাকা আর্থিক পুরস্কার দেবে গুজরাট সরকার

টোকিও অলিম্পিক দেশের টেবিল টেনিস তারকারা ব্যর্থ। শরৎ কমল, মনিকা বাত্রাদের সেই ব্যর্থতা প্যারালিম্পিকে ঢেকে দিয়েছেন ভাবনাবেন হাসমুখভাই প্যাটেল। প্রতিযোগিতা থেকে রুপো জিতে ইতিহাস রচনা করেছেন দেশের প্যারা অ্যাথলিট। ফাইনালে চীনের ইং ঝউয়ের কাছে স্ট্রেট সেটে হেরে রুপো জিতে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে। ম্যাচের ফলাফল ৭-১১, ৫-১১, ৬-১১। সোনা অধরা থেকে গেলেও তাঁর সেই সাফল্যকে স্বীকৃতি জানিয়ে আর্থিক পুরস্কার দেওয়ার কথা ঘোষণা করল ভারতীয় টেবিল টেনিস ফেডারেশন। গুজরাট সরকারের পক্ষ থেকেও আর্থিক পুরস্কার দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। ভাবনাবেনকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছে ভারতীয় টেবিল টেনিস ফেডারেশন।আরও পড়ুনঃ কাবুল বিমানবন্দরে আবারও হতে পারে সন্ত্রাসবাদী হামলা!গুজরাটের মেহসানা জেলার সন্ধিয়াতে থাকেন ভাবনাবেন প্যাটেল। তাঁর সাফল্যে গর্বিত গুজরাট সরকার। মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রুপানি অভিনন্দন জানিয়েছেন এই প্যারা আথলিটকে। মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, ভাবনাবেনের সাফল্যে খুশি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী অভিনন্দন জানিয়েছেন। পাশাপাশি ৩ কোটি টাকা আর্থিক পুরস্কার দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে।আরও পড়ুনঃ ভোট পরবর্তী হিংসায় রাজ্যে প্রথম, নদিয়া থেকে গ্রেপ্তার ২ভারতীয় টেবিল টেনিস ফেডারেশনের সভাপতি দুশ্যন্ত চৌতালাও ভাবনাবেনকে পুরস্কার দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেন, টোকিও প্যারালিম্পিকে রুপোজয়ী ভাবনা প্যাটেলকে আর্থিক পুরস্কার হিসেবে ৩১ লক্ষ টাকা দেবে ফে়ডারেশন। ভারতীয় প্যারা টেবিল টেনিস তারকার ইচ্ছাশক্তি, মানসিকতা ও মনের জোরের প্রশংসা করেছেন দুশ্যন্ত। ভাবনার আগামী দিনের সফলতাও কামনা করেছেন তিনি। টোকিও অলিম্পিকে সাফল্য পাননি টেবিল টেনিস তারকারা। শরথ কমল, মনিকা বাত্রা, জি সাথিয়ান, সুতীর্থা মুখোপাধ্যায় মিক্সড ও সিঙ্গলস ইভেন্টে সবাই ব্যর্থ। সেই ব্যর্থতা ভুলিয়ে টোকিও প্যারালিম্পিকে ভাবিনার রুপো দেশের অন্যান্য টেবিল টেনিস তারকার কাছে দৃষ্টান্ত বলে মনে করে দেশের ক্রীড়া মহল।আরও পড়ুনঃ পুলিশে আস্থা নেই, সিআইডি তদন্তের দাবি অপহৃত ব্যবসায়ী ও তাঁর গাড়ি চালকের পরিবারেরটোকিও প্যারালিম্পিকে মহিলাদের সিঙ্গলস ক্লাস ফোর ইভেন্টের ফাইনালে বিশ্বের এক নম্বর তারকা পাঁচটি প্যারালিম্পিক সোনাজয়ী চিনের ইং ঝউয়ের কাছে স্ট্রেট সেটে হেরেও দেশের জন্য রুপো নিশ্চিত করেছেন ভাবিনা প্যাটেল। ম্যাচের ফলাফল ৭-১১, ৫-১১, ৬-১১। ম্যাচ হারলেও ভাবিনার লড়াইয়ের প্রশংসায় পঞ্চমুথ হয়েছে দেশের ক্রীড়া মহল।আরও পড়ুনঃ কয়লা-কাণ্ডে সস্ত্রীক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিল্লিতে তলব ইডি-রটোকিও প্যারালিম্পিক থেকে পাওয়া পদক দেশকে উৎসর্গ করেছেন ভাবনাবেন প্যাটেল। তবে তিনি স্বীকার রে নিয়েছেন, রবিবার তিনি নিজের সেরা ফর্মে ছিলেন না। ম্যাচ শুরুর আগে তিনি মানসিক চাপে ভুগছিলেন বলেও জানিয়েছেন ভাবনাবেন। তাঁর কথায়, ফাইনালে নিজের গেমপ্ল্যান অনুযায়ী খেলতে পারিনি। আগামী দিনে দেশের হয়ে নিজের সেরাটা উজাড় করে দেব।আরও পড়ুনঃ এজেন্সি লেলিয়ে না দিয়ে, রাজনৈতিকভাবে লড়াই করার হুংকার মমতারটোকিও প্যারালিম্পিকে রুপোজয়ী ভাবনাবেন প্যাটেলকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও। নিজের রাজ্য গুজরাতের পাডলারকে অনুপ্রেরণা বলে সম্বোধন করেছেন তিনি। ভাবনাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ, শচী তেন্ডুলকর, অভিনব বিন্দ্রা সহ গোটা দেশ।

আগস্ট ২৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

P‌ara Athlete Bhabnaben : ইতিহাস গড়েও নিজেকে বিশেষভাবে সক্ষম ভাবেন না ভাবনাবেন

টোকিও প্যারালিম্পিকের টেবিল টেনিসের ব্যক্তিগত ইভেন্টে সেমিফাইনালে উঠে পদক নিশ্চিত করে ইতিহাস রচনা করেছিলেন ভাবনাবেন প্যাটেল। চীনের প্রতিপক্ষকে হারিয়ে পৌঁছে গেছেন ফাইনালে। সামনে সোনা জয়ের হাতছানি। সোনা জিততে পারলে আরও এক ইতিহাস রচনা করবেন ভারতের এই প্যারা অ্যাথলিট। জীবনের প্রথম প্যারালিম্পিক্সের ফাইনালে উঠতে পারবেন, স্বপ্নেও ভাবেননি ভাবনাবেন। ইচ্ছে শক্তির জোরেই এই জায়গায় পৌঁছেছেন বলে তিনি দাবি করেছেন। কোনও প্রত্যাশা নিয়ে টোকিও যাননি ভাবনাবেন। লক্ষ্য ছিল প্যারালম্পিক্সে নিজের সেরাটা দেওয়া। আর তাতেই ফাইনালে উঠে রুপো নিশ্চিত করে ফেলেছেন এই ভারতীয় প্যারা অ্যাথলিট। সেমিফাইনালে চিনের ঝাং মিয়াওকে হারিয়েছেন ৩-২ ব্যবধানে।চীনের প্রতিপক্ষর বিরুদ্ধে সেমিফাইনালে জেতার পর ভাবনাবেন বলেন, কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে যেরকম খেলছি, ফাইনালে তেমন খেলতে পারলে সোনা জিতবই। প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সময় কখনও ফাইনালে ওঠার কথা ভাবিনি। ১০০ শতাংশ দেওয়ার কথাই ভেবেছিলাম। ফাইনালে ১০০ শতাংশ দিতে পারলে পদক জিততে অসুবিধা হবে না। মানসিক ভাবে ফাইনালে সেরাটা দেওয়ার জন্য আমি তৈরি। শনিবার টোকিও প্যারালিপিক্সে মহিলা সিঙ্গলসের সেমিফাইনালে প্রথম গেমে ৭১১ ব্যবধানে হেরে গিয়েছিলেন ভাবনা। তারপর দুরন্তভাবে ফিরে আসেন। দ্বিতীয় গেম জিতে নেন ১১৭ ব্যবধানে। পরের গেম জেতেন ১১৪ ব্যবধানে। যদিও হাল ছাড়েননি বিশ্বের তিন নম্বর মিয়াও। ১১৯ ব্যবধানে চতুর্থ গেম জেতেন। পঞ্চম গেমে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়। শেষ পর্যন্ত ১১৮ ব্যবধানে পঞ্চম গেম জিতে প্যারালিম্পিক্সের ফাইনালে পৌঁছে যান ভাবনা। সঙ্গে তৈরি করে ফেলেন ইতিহাস। প্রথম ভারতীয় হিসেবে টেবিল টেনিসে পদক নিশ্চিত করেছেন তিনি। মিয়াও জাংয়ের কাছে এর আগে টানা ১১ বার হেরেছিলেন ভাবনাবেন। সেই পরিসংখ্যানে দমে যাননি। বরং নিজের জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে চিনের মিয়াও জাংকে হারিয়ে দিয়েছেন ভাবনাবেন প্যাটেল। দুর্দান্ত জয়ের পর ভাবনা বলেন, কোনও কিছু অসম্ভব নয়, সেটা প্রমাণ করে দিয়েছি। অনেকেই মনে করেন, চীনা খেলোয়াড়দের হারানো অসম্ভব। সেটাকেও সম্ভব করে দেখালেন ভাবনা। ম্যাচের পর বললেন, চীনা খেলোয়াড়কে হারানো অনেকেই অসম্ভব বলে মনে করেন। সেটা করতে পেরে আমি গর্বিত। যদি ইচ্ছা থাকে তাহলে সবকিছুই সম্ভব। নিজেকে কখনও বিশেষভাবে সক্ষম মনে করি না।

আগস্ট ২৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Neeraj Chopra : সেনাবাহিনী থেকে অনন্য সম্মান পেতে চলেছেন অলিম্পিকে সোনাজয়ী নীরজ চোপড়া

টোকিও অলিম্পিকে সোনা জিতে দেশকে গর্বিত করেছেন নীরজ চোপড়া। টোকিও থেকে দেশে ফেরার পর সংবর্ধনার জোয়ারে ভেসেই চলেছেন। বাড়ছে স্বীকৃতির তালিকাওয। প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে রাষ্ট্রপতি, সবাই কুর্নিশ জানিয়েছেন। এবার আরও বড় সম্মান দিতে চলেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। নীরজের নামে একটি স্টেডিয়ামের নামকরণ করতে চলেছে।আরও পড়ুনঃ তালিবান জমানায় আফগান ক্রিকেটের ভবিষ্যত কী?পুণেতে সাদার্ন কমান্ডের আর্মি স্পোর্টস ইন্সটিটিউটের নামকরণ করা হবে নীরজের নামে। আগামী ২৩ অগস্ট, সোমবার প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ সেই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হয়ে আসবেন। সেনাবাহিনির প্রধান এমএম নরাবণে এবং সাদার্ন আর্মি কমান্ডারের লেফটেন্যান্ট জেনারেল জেএস নৈনেরও হাজির থাকার কথা। নীরজ নিজেও হাজির থাকবেন।আরও পড়ুনঃ বড় ঘোষণা নির্মলা সীতারামনেরঅলিম্পিকের অ্যাথলেটিক্সে ভারতের হয়ে প্রথম সোনা জেতা নীরজ চোপড়া শুধু দেশ নয়, ভারতীয় সেনাবাহিনীকেও গর্বিত করেছেন। তিনি সেনাবাহিনীতে কর্মরত। রাজপুতানা রাইফেলসে সুবেদার পদে কাজ করেন। ২৩ বছরের অ্যাথলিটকে নিয়ে ভারতীয় সেনাবাহিনীর গর্বের শেষ নেই। তারই স্বীকৃতি স্বরূপ পুনের সেনা স্টেডিয়াম নীরজের নামে চিহ্নিত হতে চলেছে। এর আগে টোকিও অলিম্পিকে সোনা জিতে দেশকে গর্বিত করা নীরজ চোপড়ার সঙ্গে মুখোমুখি সাক্ষাৎ করেছিলেন সেনাপ্রধান নারাভানে। ২৩ বছরের অ্যাথলিটের পরিবার সদস্যের সঙ্গে তিনি কথা বলেছিলেন। এবার উন্নত পরিকাঠামোর আন্তর্জাতিক মানের স্টেডিয়ামটি নীরজের নামে নামাঙ্কিত করে তাঁকে অনন্য সম্মান দিতে চলছে ভারতীয় সেনা। পুনের এই আর্মি স্টেডিয়ামটি ২০০৬ সালে তৈরি করা হয়েছিল। স্টেডিয়ামে সিন্থেটিক ট্র্যাকের পাশাপাশি দর্শকদের বসার জায়গাও রয়েছে।আরও পড়ুনঃ সেনাবাহিনী থেকে অনন্য সম্মান পেতে চলেছেন অলিম্পিকে সোনাজয়ী নীরজ চোপড়াটোকিও অলিম্পিকের পুরুষদের জ্যাভলিন থ্রো ইভেন্টের ফাইনালে ৮৭.৫৮ মিটার দূরত্ব বর্শা নিক্ষেপ সক্ষম হয়েছিলেন নীরজ চোপড়া। সোনা জিতে দেশের মুখ তিনি উজ্জ্বল করেছিলেন। টোকিও অলিম্পিকের ওই ইভেন্টের যোগ্যতা অর্জন পর্বেও প্রথম হয়েছিলেন নীরজ। ওই রাউন্ডে ৮৬.৬৫ দূরত্বে বর্শা ছুঁড়েছিলেন ভারতের গর্ব। ১৩ বছর পর অলিম্পিকের ব্যক্তিগত ইভেন্ট থেকে সোনা জেতা অ্যাথলিটের পরবর্তী লক্ষ্য ৯০ মিটার দূরত্বে বর্শা নিক্ষেপ করা। বিশ্ব অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপেও দেশের হয়ে সোনা জিততে চান নীরজ চোপড়া।আরও পড়ুনঃ বড় ঘোষণা নির্মলা সীতারামনেরভারতের প্রথম অ্যাথলিট হিসেবে অলিম্পিকের অ্যাথলেটিক্সে সোনা জিতেছেন নীরজ চোপড়া। একই সঙ্গে ১২১ বছর বিশ্বের সর্ববৃহৎ ক্রীড়া ইভেন্টের ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ড ইভেন্টে পদক জিততে সক্ষম হয়েছে ভারত। ২০০৮ সালের বেজিং অলিম্পিকের ব্যক্তিগত ইভেন্ট থেকে সোনা জিতেছিলেন শুটার অভিনব বিন্দ্রা। নীরজের হাত ধরে ১৩ বছর পর ফের একই রকম সফলতার স্বাদ পেল দেশ।

আগস্ট ২১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Lovelina : ‌‌অসুস্থ মায়ের কাছে যেতে পারলেন না লাভলিনা বরগোঁহাই

টোকিও অলিম্পিক থেকে দেশে ফিরেছেন। নিজের রাজ্য আসামে পৌঁছেও অসুস্থ মায়ের কাছে যেতে পারলেন না অলিম্পিকে ব্রোঞ্জজয়ী বক্সার লাভলিনা বরগোঁহাই। গুয়াহাটিতে সংবর্ধনার জোয়ারে ভেসে গেলেন।মেরি কমের পর দ্বিতীয় ভারতীয় মহিলা বক্সার হিসেবে অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ জিতেছেন লাভলিনা। টোকিও থেকে বেশ কয়েকদিন আগেই দেশে ফিরেছেন। বৃহস্পতিবার প্রথম নিজের রাজ্য অসমে পা রাখলেন। এদিন সকালে গুয়াহাটি বিমানবন্দরে পৌঁছন অলিম্পিকে ব্রোঞ্জজয়ী বক্সার লাভলিনা বরগোঁহাই। তাঁকে অভ্যর্থনা জানাতে হাজির ছিলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। অসমের রীতি মেনে গামছা, জাপি ও ফুলের তোড়া দিয়ে অলিম্পিকে ৬৯ কেজি বিভাগে ব্রোঞ্জজয়ী লাভলিনাকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানানো হয় । বিমানবন্দরে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে লাভলিনাকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন ক্রীড়ামন্ত্রী বিমল বোরা। বিমানবন্দর থেকে লাভলিনাকে নিয়ে যাওয়া হয় শহরেরই একটি হোটেলে। তাঁকে স্বাগত জানাতে রাস্তা বড় বড় কাটআউট দিয়ে সাজানো ছিল।আরও পড়ুনঃ ৩১ অগস্ট পর্যন্ত চলবে না লোকাল ট্রেনলাভলিনাকে এদিন অসম সরকারের পক্ষ থেকে নাগরিক সংবর্ধনা দেওয়া হয়। সংবর্ধনা প্রদানের অনুষ্ঠানটি হয় শ্রীমন্ত শঙ্করদেব কলাক্ষেত্রে। লাভলিনার হাতে ১ কোটি টাকার চেক তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। এছাড়া প্যারিস অলিম্পিক অবধি প্রতি মাসে লাভলিনাকে ১ লক্ষ টাকা করে স্কলারশিপ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে অসম সরকার। তাঁকে অসম পুলিশের ডিএসপি পদেও নিযুক্ত করা হয়েছে।আরও পড়ুনঃ কেন্দ্রীয় সরকারের বিশেষ মেডেল পাচ্ছেন বঙ্গের ৪ পুলিশ অফিসারএদিনের অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন লাভলিনার পিতা টিকেন বরগোঁহাই। ২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে লাভলিনার গ্রামের কাছেই সরুপাথরে একটি স্পোর্টস কমপ্লেক্স গড়ার কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণের পর তাঁদের প্রশিক্ষণের সুযোগ করে দিতেই এই উদ্যোগ। এর পাশাপাশি গুয়াহাটির একটি রাস্তার নামও লাভলিনার নামাঙ্কিত হবে বলে জানিয়েছেন মু্খ্যমন্ত্রী। সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ক্রীড়ামন্ত্রী বিমল বোরা, বিধায়করা এবং প্রাক্তন অ্যাথলিট ও কোচ অর্জুন ভোগেশ্বর বড়ুয়া প্রমুখ।আরও পড়ুনঃ স্পাকিস্তান ক্রিকেটে আবার ডামাডোল, বোর্ডের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ বাবর আজমদেরনিজের রাজ্যে ফিরলেও এদিন বাড়িতে অসুস্থ মায়ের কাছে যাওয়া হল না লাভলিনার। রাজ্যপাল জগদীশ মুখীর সঙ্গে দেখা করে দিল্লি ফিরবেন। লালকেল্লায় স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে টোকিও অলিম্পিকের পদকজয়ীদের সঙ্গে মিলিত হবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই অনুষ্ঠানে হাজির থাকার জন্য লাভলিনাকে ফের দিল্লিতে যেতে হবে। কিডনি প্রতিস্থাপনের পর মা এখন আরোগ্য লাভের পথে। মায়ের অপারেশনের সময় জাতীয় শিবিরে থাকার জন্য পাশে থাকতে পারেননি লাভলিনা। দিল্লিতে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানের পর লাভলিনা বাড়িতে এসে থাকবেন।

আগস্ট ১২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌Neeraj Chopra : নীরজ চোপড়ার ইনস্টাগ্রামে অনুগামীর সংখ্যা দেখলে অবাক হবেন, সংখ্যাটা কত?‌

তিনি কোনও বলিউডি তারকা নন। দেশের কোনও রাজনৈতিক নেতাও নন। কিংবা ক্রিকেট, ফুটবলের কোনও সুপারস্টারও নন। সুতরাং সামাজিক মাধ্যমে তাঁর যে অনুরাগীর সংখ্যা বেশি থাকবে এমন প্রত্যাশা করাটাই অন্যায়। অলিম্পিকে একটা সোনা জয়ই বদলে দিয়েছে আবহ। নীরজ চোপড়ার অনুরাগীর সংখ্যা একলাফে পৌঁছে গেছে আড়াই লক্ষর বেশি।আরও পড়ুনঃ লর্ডস টেস্টে হাজির থাকলেও কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে না সৌরভ গাঙ্গুলিকে, কেন? জানতে পড়ুনঅলিম্পিকে যাওয়ার আগে ইনস্টাগ্রামে নীরজ চোপড়ার অনুরাগীর সংখ্যা ছিল ৫০এরও কম। টোকিও অলিম্পিকে যাওয়ার পর ভারতীয় অ্যাথলেটিক্সের এই পোস্টার বয়কে ফলো করতে শুরু করেন অনেকেই। আর সেই সংখ্যাটাআ রীতিমতো চোখ কপালে তোলার মতো জায়গায় পৌঁছে গেছে। ইতিমধ্যেই ইনস্টাগ্রামে নীরজ চোপড়ার অনুরাগীর সংখ্যা প্রায় ৩ লক্ষর কাছাকছি পৌঁছে গেছে।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিকের আগে ২৫ দিন অনুশীলন করতে পারেননি বজরং পুনিয়া। কারন জানেন?সোনা জয়ী এই অ্যাথলিট অবশ্য অনুসরণ করেন মাত্র ১৬০ জনকে। এর মধ্যে অন্যতম হলেন বলিউডের দুই অভিনেতা অক্ষয় কুমার ও রনদীপ হুডা। রুপোলি পর্দার এই দুই তরকাকে ফলো করার বড় কারণ হল দুজনেই খেলাধুলা ও শরীরচর্চা ভালবাসেন। পঞ্চাশ বছর পার করলেও অক্ষয় কুমার এখনও নিয়মিত শরীরচর্চা করেন। রনদীপ হুডাও সময় পেলেই সাঁতার এবং ঘোড়সওয়ারি নিয়ে সময় কাটান। এক সময় জাতীয় স্তরে সাঁতার ও ঘোড়সওয়ারিতে পদকও জিতেছিলেন রনদীপ হুডা। তাই নীরজের পছন্দের তালিকায় রয়েছেন এই দুই অভিনেতা। নীরজ চোপড়ার অনুসরনের তালিকায় এই দুজন ছাড়াও রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, পিভি সিন্ধু, সাইনা নেহওয়াল, বীজেন্দ্র সিংহ, দীপক পুনিয়া, বক্সার মনোজ কুমার, মীরাবাই চানুর মতো ব্যক্তিত্বরা রয়েছেন। রয়েছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোও।

আগস্ট ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌Bajrang Punia : অলিম্পিকের আগে ২৫ দিন অনুশীলন করতে পারেননি বজরং পুনিয়া। কারন জানেন?‌

অলিম্পিকের আগে প্রস্তুতি টুর্নামেন্ট খেলতে গিয়ে হাঁটুতে চোট পেয়েছিলেন। ২৫ দিন অনুশীলন করতে পারেননি। তা সত্ত্বেও টোকিও অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ জিতে চমকে দিয়েছেন বজরং পুনিয়া।টোকিও অলিম্পিকের আগে পোল্যান্ডে র্যাঙ্কিং ইভেন্টে খেলতে গিয়েছিলেন বজরং পুনিয়া। লক্ষ্য ছিল অলিম্পিকের প্রস্তুতি। পোল্যান্ড থেকে তারপর চলে যান রাশিয়ায়। ২৫ জুন রাশিয়ায় আলি আলিয়েভ নামে একটা প্রতিযোগিতায় নেমেছিলেন প্রস্তুতির জন্য। সেমিফাইনালে ইওরোপীয়ান অনূর্ধ্ব ২৩ চ্যাম্পিয়নশিপে রুপো জয়ী আবুলমাঝিদ কুদিয়েভের বিরুদ্ধে বাউটের সময় ডানপায়ের হাঁটুতে চোট পান বজরং পুনিয়া। সেই চোটের জন্য প্রায় ২৫ দিন অনুশীলন করতে পারেননি। রাশিয়ার এক ছোট গ্রামে মস্কোর ভারতীয় দূতাবাসের সৌজন্যে রিহ্যাব করতে পেরেছিলেন।আরও পড়ুনঃ বার্সিলোনায় শেষ সাংবাদিক সম্মেলনে কেঁদে ফেললেন লিওনেল মেসিসেই ঘটনার কথা উল্লেখ করে বজরং বলেন, চোটের জন্য আমি প্রায় ২৫ দিন ট্রেনিং করতে পারিনি। এমনকি ঠিকভাবে দৌড়তেও পারছিলাম না। অলিম্পিকের আগে এতদিন অনুশীলন করতে না পারাটা একজন অ্যাথলিটের কাছে খুবই ক্ষতিকর। রাশিয়ার একটা প্রত্যন্ত গ্রামে রিহ্যাব করেছিলাম। মস্কোর ভারতীয় দূতাবাস অনুশীলনের প্রয়োজনীয় সব সরঞ্জামের ব্যবস্থা করেছিল।আরও পড়ুনঃ আবেগে কেঁদে ফেললেন, মিলখা সিংকে সোনা উৎসর্গ নীরজ চোপড়ারঅলিম্পিকে ব্রোঞ্জ লড়াইয়ের আগে তাঁর কোচ ও ফিজিও বজরংকে পরামর্শ দিয়েছিলেন হাঁটুতে টেপ বেঁধে খেলতে। তাঁদের পরামর্শ উপেক্ষা করে বাউটে নেমেছিলেন বজরং। সেই কথা তুলে ধরে বজরং বলেন, আমার কোচ ও ফিজিও পরামর্শ দিয়েছিলেন ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে হাঁটুতে টেপ বেঁধে নামার। কিন্তু স্বস্তি পাব না বলে টেপ বাঁধিনি। টেপ বাঁধলে মনে হয় কেউ যেন শক্ত করে আমার পা ধরে রেখেছে। তাই কোচকে বলেছিলাম, চোট পেলে পরে বিশ্রাম নিতে পারব। কিন্তু পদক না পেলে সব পরিশ্রম বৃথা হয়ে যাবে। তাই ওদের পরামর্শ শুনিনি। দেশে ফিরে রিহ্যাব করবেন। তারপর বিশ্ব চাম্পিয়নশিপের প্রস্তুতি শুরু করবেন এই ভারতীয় কুস্তিগীর। ২ থেকে ১০ অক্টোবর নরওয়ের ওসলোতে হবে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ।

আগস্ট ০৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Neeraj Chopra : ‌আবেগে কেঁদে ফেললেন, মিলখা সিংকে সোনা উৎসর্গ নীরজ চোপড়ার

মাস দেড়েক আগে প্রয়াত হয়েছেন কিংবদন্তী অ্যাথলিট মিলখা সিং। খুব অল্পের জন্য তিনি স্বপ্নপূরণ করতে পারেননি। ১৯৬০ রোম অলিম্পিকে এগিয়ে থেকেও ২০০ মিটার দৌড়ে ফটো ফিনিশে চতুর্থ হয়েছিলেন। অলিম্পিক পদকের স্বপ্ন হাতছাড়া হয়েছিল। জীবনের শেষবেলায় চেয়েছিলেন টোকিও অলিম্পিকে তাঁর সেই অসম্পূর্ণ কাজ সম্পূর্ণ হোক। মৃত্যুর আগে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, টোকিও অলিম্পিকে ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডে ভারতীয় অ্যাথলিটদের গলায় সোনার পদক দেখতে চান। তাঁর ইচ্ছে পূরণ হল। কিন্তু দেখে যেতে পারলেন না মিলখা সিং। অলিম্পিকে ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডে দেশকে সোনা এনে দিয়ে সেই মিলখা সিংকেই উৎসর্গ করলেন নীরজ চোপড়া।আরও পড়ুনঃ টোকিওতে সোনা জিতে ইতিহাস গড়লেন পোস্টার বয় নীরজ চোপড়া১২১ বছর পর অলিম্পিকের ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডে জ্যাভেলিনে দেশকে সোনা এনে দিয়েছেন নীরজ চোপড়া। ইতিহাস রচনাকারী জ্যাভলিন থ্রোয়ারের প্রশংসায় পঞ্চমুখ গোটা দেশ। ১৩ বছর পর অলিম্পিকের ব্যক্তিগত ইভেন্ট থেকে সোনা জয়ের আবেগে ভেসেছেন দেশের ক্রীড়াপ্রেমী মানুষ। আবেগতাড়িত হয়েছেন নীরজ নিজেও। শুধু মিলখা সিংকে নিজের সোনা উৎসর্গ করে থেমে থাকেননি, জাতীয় সঙ্গীত চলাকালীন আবেগে কেঁদে ফেলেন এই ভারতীয় অ্যাথলিট।আরও পড়ুনঃ বাবাকে দেওয়া কথা রেখে ব্রোঞ্জ জিতলেন বজরং পুনিয়াঅলিম্পিকের নিয়ম অনুযায়ী কোনও ইভেন্টের পুরস্কার বিতরণীতে কেবলমাত্র সোনাজয়ী দেশের জাতীয় সঙ্গীত বাজানো হয়। তিন পদকজয়ী দেশের মধ্যে সবার ওপরে থাকে সোনাজয়ী দেশের জাতীয় পতাকা। পুরস্কার বিতরণীর ঐতিহাসিক মুহূর্তে জাতীয় সঙ্গীত বাজার সময় নীরজ নিজের আবেগ ধরে রাখতে পারেননি। পোডিয়ামে দাঁড়িয়ে কেঁদে ফেলেছিলেন এই ভারতীয় অ্যাথলিট।আরও পড়ুনঃ বাভারতীয় হকির পুনর্জন্মে নেপথ্য নায়ক নবীন পট্টনায়েকটোকিও অলিম্পিকের জ্যাভলিন থ্রো-র ফাইনালে কেবল সোনা জেতাই লক্ষ্য ছিল না নীরজ চোপড়ার। শনিবার তিনি দেশের হয়ে আলাদা কিছু করতে চেয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন তিনি। অলিম্পিক রেকর্ড ভাঙতে চেয়েছিলেন। তা না হলেও বিশ্বমঞ্চে ভারতকে সম্মানিত করতে পেরে নিজেকে গর্বিত বলে মনে করছেন নীরজ চোপড়া। নীরজের দুর্দান্ত জয়ে উচ্ছ্বসিত হন স্টেডিয়ামে হাজির তাঁর কোচ সহ অন্যান্য ভারতীয়রা। সেখান থেকেই এক তেরঙা সংগ্রহ করে তা গায়ে জড়িয়ে এ প্রান্ত থেকে ওপ্রান্তে ছুটে বেড়ান আনন্দে আপ্লুত নীরজ। জড়িয়ে ধরেন প্রতিদ্বন্দ্বীদেরও। ভারতীয় অ্যাথলিটকে এগিয়ে এসে শুভেচ্ছা জানান একে একে সব দেশের জ্যাভলিন থ্রোয়াররা।

আগস্ট ০৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Bajrang Punia : বাবাকে দেওয়া কথা রেখে ব্রোঞ্জ জিতলেন বজরং পুনিয়া

সেমিফাইনালে হাজি আলিয়েভের কাছে হারের পর টোকিও থেকে বাবার সঙ্গে কথা বলেছিলেন বজরং পুনিয়া। বাবা বলবন সিংকে কথা দিয়েছিলেন ব্রোঞ্জ জিতেই টোকিও থেকে দেশে ফিরবেন। কথা রাখলেন ভারতের এই কুস্তিগীর। পুরুষদের কুস্তিতে ৬৫ কেজি ফ্রিস্টাইল বিভাগে কাজাখস্তানের দাউলেত নিয়াজবেকভকে ৮০ ব্যবধানে উড়িয়ে ব্রোঞ্জ জিতেছেন বজরং পুনিয়া। সোনা কিংবা রুপো হাতছাড়া হলেও অবশেষে ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে সফল এই ভারতীয় কুস্তিগীর।সেমিফাইনালে হাজি আলিয়েভের বিরুদ্ধে ডিফেন্সের ভুলে হারতে হয়েছিল বজরংকে। বেশি ওপেন খেলতে গিয়ে ডিফেন্সের দিকে তেমন নজর দেননি। সেই ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে কাজাখস্তানের দাউলেত নিয়াজবেকভের বিরুদ্ধে নিজের সেরাটা উজার করে দেন বজরং পুনিয়া। দুর্দান্ত আক্রমনাত্মক রণনীতিতে বাজিমাত করে দেন। বজরংয়ের আক্রমনাত্মক খেলার সামনে এদিন দাঁড়াতেই পারেননি দাউলেত নিয়াজবেকভ।আরও পড়ুনঃ টোকিওতে সোনা জিতে ইতিহাস গড়লেন পোস্টার বয় নীরজ চোপড়ানিয়াজবেকভের বিরুদ্ধে এদিন প্রথম পর্বেই ২০ ব্যবধানে এগিয়ে যান। পরে ডান পা দিয়ে আক্রমণের পাশাপাশি হেডলক করেন। এই মুভই বজরংকে ৬০ ব্যবধানে এগিয়ে দেয়। পরে পরিকল্পনা বদলে বাঁ পা দিয়ে আক্রমণ করে ২ পয়েন্ট তুলে নিয়ে ব্রোঞ্জ নিশ্চিত করেন বজরং। সেমিফাইনালে সেভাবে ছন্দে পাওয়া যায়নি বজরংকে। ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে নিজেকে সম্পূর্ণভাবে উজার করে দিয়েছিলেন। চলতি অলিম্পিকে দেশের হয়ে তিনি চতুর্থ ব্রোঞ্জ জিতলেন।২০১২ সালের লন্ডন অলিম্পিকে সর্বকালের সেরা পারফরমেন্স করেছিল ভারত। দুটি রুপো ও চারটি ব্রোঞ্জ সহ মোট ৬টি পদক জিতেছিল দেশ। বজরং পুনিয়ার ব্রোঞ্জের পর নীরজ চোপড়ার সোনার হাত ধরে পদক জয়ের নিরিখে টোকিও অলিম্পিকে নতুন রেকর্ড গড়ল টিম ইন্ডিয়া। একটি সোনা, দুটি রুপো এবং চারটি ব্রোঞ্জ সহ চলতি অলিম্পিকে ভারতের সর্বমোট পদক সংখ্যা সাতে পৌঁছে গেল।আরও পড়ুনঃ প্রথম ইনিংসে এগিয়ে থেকে চালকের আসনে ভারতসেমিফাইনালে হারের পর বাবার সঙ্গে কথা বলেছিলেন বজরং। বলবন ছেলেকে বলেছিলেন, ফোকাস না হারিয়ে ব্রোঞ্জের লড়াইয়ের জন্য তৈরি হতে। বজরং বাবাকে কথা দিয়েছিলেন, ব্রোঞ্জ জিতেই দেশে ফিরবেন। বাবাকে দেওয়া কথা রেখেছেন এই ভারতীয় কুস্তিগীর। বলবন সিং বলেন, বজরং আমার স্বপ্নের কথা হয়তো বুঝতে পেরেছিল। আমার হৃদয় বলছিল ও ব্রোঞ্জ জিতবে আমি সকালেই সবাইকে সেকথা বলেছিলাম। আমার সেই স্বপ্নটাই শেষ পর্যন্ত সত্যি হল। ছেলে দেশকে গর্বিত করেছে। আমি কতটা খুশি বোঝাতে পারব না। সেমিফাইনালে হারের পর আমাকে বলেছিল ব্রোঞ্জ নিয়েই দেশে ফিরবে। কথা রেখেছে বজরং।

আগস্ট ০৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Gold Medal:টোকিওতে সোনা জিতে ইতিহাস গড়লেন পোস্টার বয় নীরজ চোপড়া

প্রথমবার অলিম্পিকে নেমেই বাজিমাত নীরজ চোপড়ার। টোকিওতে পুরুষদের জ্যাভেলিন থ্রোতে সোনা জিতে ইতিহাস গড়লেন এই ভারতীয় অ্যাথলিট। ১২১ বছর পর ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডে পদক এল ভারতের। ১৩ বছর পর ব্যক্তিগত ইভেন্টে সোনা জিতলেন কোনও ভারতীয়। টোকিও অলিম্পিকে পোস্টার বয় হলেন নীরজ চোপড়া।আরও পড়ুনঃ ভারতীয় হকির পুনর্জন্মে নেপথ্য নায়ক নবীন পট্টনায়েকপদক জয়ের সম্ভাবনা নিয়েই টোকিও অলিম্পিকে অংশ নিয়েছিলেন জ্যাভলিন থ্রোয়ার নীরজ চোপড়া। আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজেকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন তিনি। নীরজ চোপড়াকে ঘিরে সোনা জয়ের স্বপ্ন দেখছিল গোটা দেশ। প্রত্যাশা আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল যোগ্যতা অর্জন পর্বের পারফরমেন্স। গ্রুপ এর যোগ্যতা অর্জন পর্বে তিনি ৮৬.৬৫ মিটার ছুঁড়ে ফাইনালের ছাড়পত্র পেয়েছিলেন। ফাইনালে যোগ্যতা অর্জনের জন্য মাপকাঠি ছিল ৮৩.৫০ মিটার। প্রথম প্রচেষ্টাতেই ৮৬.৬৫ মিটার দূরত্ব অতিক্রম করেন নীরজ চোপড়া। প্রথম থ্রো করার পরই তিনি নিশ্চিত হয়ে যান ফাইনালের ব্যাপারে। তারপরই প্রতিযোগিতার এরিনা ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছিলেন।আরও পড়ুনঃ প্রথম ইনিংসে এগিয়ে থেকে চালকের আসনে ভারতশনিবার ফাইনালে প্রথম প্রচেষ্টাতেই ৮৭.০৩ মিটার ছোঁড়েন নীরজ। দ্বিতীয় প্রচেষ্টাতে তিনি ৮৭.৫৮ মিটার ছোঁড়েন। টোকিও অলিম্পিকে সোনা জয়ের অন্যতম প্রধান দাবিদার হিসেবে ধরা হচ্ছিল জার্মানির জোহানেস ভেটেরকে। তিনি নীরজের ধারেকাছে পৌঁছতে পারেননি। ভেটের ছোঁড়েন ৮২.৫২ মিটার। ৮৬.৬৭ মিটার ছুঁড়ে রুপো পেয়েছেন চেক প্রজাতন্ত্রের জ্যাকুব ভালদেজ। ব্রোঞ্জ জিতেছেন চেক প্রজাতন্ত্রেই ভিটেস্লাভ ভেসেল। তিনি ছুঁড়েছেন ৮৫.৪৪ মিটার।আরও পড়ুনঃ টোকিও অলিম্পিকে কে হবেন ভারতের পোস্টার বয়? জানতে পড়ুনঅলিম্পিকে সোনা জিতলেও নিজের রেকর্ডের কাছাকাছি পৌঁছতে পারেননি নীরজ কুমার। এই বছরই পাতিয়ালায় অনুষ্ঠিত ইন্ডিয়ান গ্রাঁ প্রিতে ৮৮.০৭ মিটার ছুঁড়ে টোকিও অলিম্পিকে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেন। বছর চারেক আগেই ভারতের এই অ্যাথলিট বড় আসরে সাড়ম্বরে আগমনের বার্তা দিয়েছিলেন। ২০১৬তে অনূর্ধ্ব ২০ আইএএএফ বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা জিতে চমকে দিয়েছিলেন। শুধু সোনা জেতাই নয়, ৮৬.৪৮ মিটার ছুঁড়ে জুনিয়র বিশ্বরেকর্ডও গড়েছিলেন নীরজ। প্রথম ভারতীয় হিসেবে ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ড বিভাগে সোনা জয়ের কৃতিত্ব অর্জন করেছিলেন তিনি। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি এই ভারতীয় জ্যাভলিন থ্রোয়ারকে। ২০১৭ এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা। সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ২০১৮ কমনওয়েলথ গেমস ও এশিয়ান গেমসেও দেশকে সোনা এনে দিয়েছিলেন নীরজ চোপড়া।আরও পড়ুনঃ সোনা হাতছাড়া হলেও রুপো জিতে দেশকে গর্বিত করলেন রবি১৯০০ সালে শেষবার অ্যাথলেটিক্সে পদক জিতেছিল ভারত। সেবার দুটি রুপো জিতে দেশকে গর্বিত করেছিলেন নর্মান প্রিচার্ড। তারপর অলিম্পিকের ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ড থেকে ভারতের কোনো পদক আসেনি। ২০০৮ সালের বেজিং অলিম্পিকে ব্যক্তিগত ইভেন্টের প্রথম সোনা এসেছিল। শুটিংয়ে সোনা জিতে নজির গড়েছিলেন অভিনব বিন্দ্রা। ১৩ বছর পর আবার অলিম্পিকের ব্যক্তিগত ইভেন্ট থেকে সোনা এল। টোকিওতে ইতিহাস রচনা করলেন ভারতীয় অ্যাথলেটিক্সের পোস্টার বয় নীরজ চোপড়া।ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী টুইট করেছেন।History has been scripted at Tokyo! What @Neeraj_chopra1 has achieved today will be remembered forever. The young Neeraj has done exceptionally well. He played with remarkable passion and showed unparalleled grit. Congratulations to him for winning the Gold. #Tokyo2020 https://t.co/2NcGgJvfMS Narendra Modi (@narendramodi) August 7, 2021

আগস্ট ০৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Bajrang Punia : ৬৫ কেজি ফ্রিস্টাইলের সেমিফাইনালে হেরে গেলেন বজরং পুনিয়া

সোনার স্বপ্ন দেখিয়েও শেষরক্ষা হল না। টোকিও অলিম্পিকে পুরুষদের কুস্তিতে ৬৫ কেজি ফ্রিস্টাইল বিভাগের সেমিফাইনালে আজারবাইজানের হাজি আলিয়েভের কাছে হেরে গেলেন বজরং পুনিয়া। ১২৫ ব্যবধানে উড়ে গেলেন এই ভারতীয় কুস্তিগীর। তবে পদক জয়ের সম্ভাবনা এখনও শেষ হয়নি বজরং পুনিয়ার। রেপেসেজের মাধ্যমে তাঁর এখনও ব্রোঞ্জ জয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। সেমিফাইনালে আক্রমণাত্মক মেজাজেই বাউট শুরু করেছিলেন বজরং। কিন্তু শুরু থেকে হাজি আলিয়েভের বিরুদ্ধে একের পর এক ভুল করতে থাকেন। বজরংকে দুদুবার ট্যাকেল করে এবং লেগ অ্যাটাক করে ৮ পয়েন্ট তুলে নেন রিও অলিম্পিকে ব্রোঞ্জজয়ী আজারবাইজানের আলিয়েভ। একসময় ৯২ ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন তিনি। এই অবস্থায় আর লড়াইয়ে ফেরা সম্ভব হয়নি বজরং পুনিয়ার। যখন তিনি পয়েন্ট সংগ্রহ করেন, ততক্ষণে বাউট প্রায় পকেটে ভরে ফেলেছেন আলিয়েভ। এর আগে কোয়ার্টার ফাইনালের দুর্দান্ত লড়াই করেছিলেন বজরং পুনিয়া। ইরানের মোর্তাজা ঘিয়াসিকে ২১ ব্যবধানে হারিয়ে সেমিফাইনালে ওঠেন। শুরু থেকেই ইরানের কুস্তিগীরের বিরুদ্ধে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সম্মুখীন হতে হয়। বিশ্ব ক্রমতালিকার দ্বিতীয় স্থানে থাকা বজরংয়ের সব আক্রমণই দুর্দান্ত রক্ষণাত্মক রণনীতিতে নির্বিষ করে দেন প্রতিপক্ষ। উল্টে এক পয়েন্টে এগিয়ে যান ইরানের মোর্তেজা। সেই পয়েন্টের ব্যবধান মিটিয়ে ম্যাচে এগিয়ে যাওয়ার মরিয়া চেষ্টা করেন পুনিয়া। সঙ্গে নিজের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে প্রতিপক্ষের পাতা ফাঁদ থেকেও নিজেকে রক্ষা করেন ভারতীয় কুস্তিগীর। একদম শেষ মুহুর্তে বজরং পুনিয়ার কাছে দুর্দান্ত সুযোগ আসে। তার সদ্ব্যবহার করেন ভারতীয় কুস্তিগীর। ২ পয়েন্ট অর্জন করার পাশাপাশি প্রতিপক্ষকে উল্টে ম্যাচ জিতে নেন পুনিয়া। ফল পয়েন্টের প্রেক্ষিতে নির্ধারিত সময়ের আগেই শেষ হয়ে যায় ম্যাচ। অন্যদিকে মহিলাদের ৫০ কেজি ফ্রিস্টাইল ক্যাটেগরির প্রথম রাউন্ডেই হারের মুখ দেখতে হয় ভারতের সীমা বিসলাকে। ১-৩ ফলাফলে ম্যাচ হারেন এই মহিলা কুস্তিগীর। একই সঙ্গে প্রতিযোগিতা থেকেও ছিটকে গিয়েছেন এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে ব্রোঞ্জজয়ী কুস্তিগীর। প্রথম রাউন্ডে সীমাকে হারানো কুস্তিগীর কোয়ার্টার ফাইনালে হেরে যাওয়ায় রেপেচেজ রাউন্ডেও খেলার সুযোগ হাতছাড়া হয়েছেন ভারতীয় তারকা।

আগস্ট ০৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Women Hockey : ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে গ্রেট ব্রিটেনের কাছে হেরে ইতিহাসে নাম তুলতে ব্যর্থ রানিরা

মনদীপ সিংরা পারলেও, রানি রামপালরা ব্যর্থ। ইতিহাসে নাম তুলতে পারল না ভারতীয় মহিলা হকি দল। টোকিও অলিম্পিকে তৃতীয় স্থান নির্ণায়ক ম্যাচে গ্রেট ব্রিটেনের কাছে ৪৩ ব্যবধানে হেরে ব্রোঞ্জ জয়ের স্বপ্ন অপূর্ণই থেকে গেল রানি রামপলদের। যদিও তাঁদের এই পরাজয় অগৌরবের নয়। দুর্দান্ত লড়াই করে হারতে হয়েছে। গ্রেট ব্রিটেনকে এদিন বিনা লড়াইয়ে জমি ছাড়েনি ভারত। যদিও ম্যাচের প্রথম কোয়ার্টায়ে নিজেদের সেভাবে গুছিয়ে নিতে পারেননি রানিরা। সেই সুযোগে ভারতীয় ডিফেন্সে একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসে ব্রিটেন। বেশ কয়েকটি পেনাল্টি কর্ণার আদায় করলেও গোল করতে পারেনি। ভারতীয় দলের গোলকিপার সবিতা পুনিয়া তিন কাঠির নীচে অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠেন। তিনি বেশ কয়েকটি গোল বাঁচিয়ে দলের নিশ্চিত পতন রোধ করেন। দ্বিতীয় কোয়ার্টারের শুরু থেকেও ভারতের ওপর আধিপত্য ছিল গ্রেট ব্রিটেনের। ১৬ মিনিটে এলিনা রেয়ারের পুশ ভারতীয় ডিফেন্ডার গ্রেস এক্কার স্টিকে লেগে গোলে যায়। ২২ মিনিটে ভারতীয় দলের মিডফিল্ডার নিশা গ্রিন কার্ড দেখে মাঠের বাইরে চলে যান। ভারতীয় দলের ১০ জন হয়ে যাওয়ার সুযোগ কাজে লাগিয়ে ২৪ মিনিটে ২০ করে গ্রেট ব্রিটেন। ১ মিনিট পরেই পেনাল্টি কর্ণার থেকে ব্যবধান কমান গুরজিৎ কাউর। ব্যবধান কমিয়ে প্রতিপক্ষকে চেপে ধরে ভারত। ২৬ মিনিটে আবার পেনাল্টি কর্ণার আদায় করে। পেনাল্টি কর্ণার থেকে ম্যাচে সমতা ফেরান সেই গুরজিৎ কাউর। দ্বিতীয় কোয়ার্টারের শেষদিকে আরও নাটক অপেক্ষা করছিল। ২৯ মিনিটে বন্দনা কাটারিয়া গোল করে ভারতকে ৩২ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। পিছিয়ে পড়ে দ্বিতীয়ার্ধে মরিয়া হয়ে ওঠে গ্রেট ব্রিটেন। একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসতে থাকে ভারতীয় রক্ষণে। চাপে পড়ে ভুল করতে থাকে ভারতীয় রক্ষণভাগের খেলোয়াড়রা। সেই সুযোগে ৩৫ মিনিটে পেনাল্টি কর্ণার আদায় করে গ্রেট ব্রিটেন। পেনাল্টি কর্ণার থেকে ইসাবেলে পিটারের নেওয়া শট সবিতা পুনিয়া বাঁচালেও ফিরতি বল থেকে গোল করে সমতা ফেরান হোলি ওয়েব। চতুর্থ কোয়ার্টারে ম্যাচ দারুণ জমে ওঠে। আক্রমণ প্রতিআক্রমণে দুই দল একে অপরকে টেক্কা দিতে থাকে। ৪৮ মিমিটের মাথায় পেনাল্টি কর্ণার থেকে গোল করে গ্রেট ব্রিটেনকে ৪৩ ব্যবধানে এগিয়ে দেন গ্রেস ব্যালসডন। বাকি সময় চেপে ধরলেও সমতা ফেরাতে পারেনি ভারত। হারলেও রানি রামপালদের এই লড়াইকে কুর্ণিশ করছে গোটা দেশ। এর আগে ১৯৮০ ও ২০১৬ সালের অলিম্পিকে খেললেও নিজেদের মেলে ধরতে ব্যর্থ হয়েছিল ভারত। এবারই প্রথম অলিম্পিকের সেমিফাইনালে পৌঁছে ইতিহাস রচনা করলেন রানি রামপালরা।

আগস্ট ০৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

R‌avi Kumar : সোনা হাতছাড়া হলেও রুপো জিতে দেশকে গর্বিত করলেন রবি

দুর্দান্ত লড়াই করেও সোনা স্পর্শ করতে পারলেন না রবি কুমার দাহিয়া। পুরুষদের ফ্রিস্টাইল কুস্তির ৫৭ কেজি বিভাগের ফাইনালে রাশিয়ান অলিম্পিক কমিটির জাউর উগুয়েভের কাছে হেরে রুপো জিতেই সন্তুষ্ট থাকতে হল এই ভারতীয় কুস্তিগীরকে। দুবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন জাউর উগুয়েভের কাছে ৭৪ ব্যবধানে হারতে হয়েছে রবি কুমারকে। যদিও তাঁর হাত ধরেই টোকিও অলিম্পিকে ভারতের পঞ্চম পদকটি নিশ্চিত হয়েছে। সোনা হাতছাড়া হলেও রুপো জিতে দেশকে গর্বিত করলেন রবি। ভারোত্তোলক মীরাবাঈ চানুর পর টোকিও অলিম্পিক থেকে দেশকে দ্বিতীয় রুপো উপহার দিয়ে ইতিহাসের পাতায় নাম লেখালেন হরিয়ানার এই কুস্তিগীর। সুশীল কুমারের পর দ্বিতীয় ভারতীয় কুস্তিগীর হিসেবে অলিম্পিকে রুপো জিতলেন রবি কুমার দাহিয়া। ২০১২ সালের লন্ডন অলিম্পিকে ৬৬ কেজির ফ্রিস্টাইল ইভেন্ট থেকে রুপো জিতেছিলেন সুশীল। ২০০৮ সালের বেজিং অলিম্পিকেও একই ইভেন্টে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন সুশীল। দুই অলিম্পিকে পদক জয়ের বিরল নজির যে দুই ভারতীয় ক্রীড়াবিদের রয়েছে, সুশীল তার মধ্যে অন্যতম। রবি দাহিয়ার সেই নজির স্পর্শ করতে পারবেন কিনা, তা তো সময় বলবে। তার আগে টোকিও অলিম্পিক থেকে রুপো জিতে তিনি ইতিহাস গড়লেন। কোয়ার্টার ফাইনালে অনায়াস জয় হাসিল করা রবি কুমার সেমিফাইনালে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার সম্মুখীন হয়েছিলেন। ভারতীয় কুস্তিগীরের বিরুদ্ধে ওই ম্যাচের প্রথম থেকেই পয়েন্ট অর্জন করতে শুরু করেছিলেন কাজাখস্তানের নুরিসলাম সানায়েভ। একটা ৩৯ পয়েন্টে পিছিয়ে গিয়েছিলেন রবি কুমার। সেখান থেকে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ঘটেছিল। ম্যাচের একদম শেষ মুহুর্তে দুর্দান্ত দক্ষতায় পয়েন্ট হাসিল করেন দাহিয়া। ম্যাচ শেষ হওয়ার ১০ সেকেন্ড আগে রবিকে বিজয়ী বলে ঘোষণা করা হয়েছিল। রবি কুমার দাহিয়া রুপো জিতলেও পদক হাতছাড়া করলেন আর এক কুস্তিগীর দীপক পুনিয়া। ৮৬ কেজির ফ্রিস্টাইল বিভাগে ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে সান মারিনোর মিলেস আমিনের বিরুদ্ধে এগিয়ে থেকেও শেষ মুহুর্তে পয়েন্ট হারিয়ে পদক হাতছাড়া করেন দীপক পুনিয়া। ৪২ ব্যবধানে তিনি হেরে যান।

আগস্ট ০৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Tokyo Olympics : ‌৪১ বছরের শাপমুক্তি ঘটল টোকিওতে, জার্মানিকে হারিয়ে ব্রোঞ্জ জিতল ভারত

অবশেষে শাপমুক্তি। ৪১ বছরের খরা কাটিয়ে অলিম্পিকে পদক জিতল ভারত। ১৯৮০ মস্কো অলিম্পিকের পর টোকিও। টানটান উত্তেজনার ম্যাচে জার্মানিকে ৫৪ ব্যবধানে হারিয়ে ব্রোঞ্জ জিতল ভারত। ভারতীয় হকির গৌরব আবার ফিরিয়ে নিয়ে এলেন মনদীপ সিংরা। ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে গিয়েছিল জার্মানরা। তারপর দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন মনদীপ সিংদের। শেষ পর্যন্ত জয় হাসিল। ম্যাচের ২ মিনিটে ভারতীয় ডিফেন্সের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে গোল করে জার্মানিকে এগিয়ে দিয়েছিল টিমুর ওরুজ। শুরুতে এগিয়ে গিয়ে জার্মানরা বাড়তি আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠেছিল। একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসছিল ভারতীয় ডিফেন্সে। ১০ ও ১২ মিনিটে পরপর দুটি গোল বাঁচিয়ে ব্যবধান বাড়তে দেননি শ্রীজেশ।আরও পড়ুনঃ বধূকে ধর্ষণের পর সোনার গয়না ও টাকা হাতানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার যুবকদ্বিতীয় কোয়ার্টারের শুরু থেকেই মরিয়া হয়ে ওঠে ভারত। ১৭ মিনিটে প্রতি আক্রমণে উঠে এসে নীলকান্ত শর্মার পাস থেকে সমতা ফেরান সিমরনজিৎ সিং। ২০ মিনিটে জার্মানির ফ্লোরিয়ান ফুচসের প্রয়াস রুখে দেন শ্রীজেশ। ২৪ মিনিটে নিকলাস ওয়েলেন জার্মানিকে ২১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। পরের মিনিটেই বেনেডিক্ট ফুর্ক ৩১ করেন। ৩১ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে সম্বিত ফেরে মনদীপদের। ম্যাচে ফেরার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে ভারত। দ্বিতীয় কোয়ার্টারের শেষদিকে নাটকীয় প্রত্যাবর্তন। ২৭ মিনিটে পেনাল্টি কর্ণার থেকে ব্যবধান কমান হার্দিক সিং। ২ মিনিট পরে আবার পেনাল্টি কর্ণার পায় ভারত। পেনাল্টি কর্ণার থেকে সমতা ফেরান হরমনপ্রীত সিং।আরও পড়ুনঃ বুমরা, সামির ঝড়ে বেসামাল ইংল্যান্ড, গুটিয়ে গেল ১৮৩ রানেদ্বিতীয়ার্ধে আরও নাটক অপেক্ষা করছিল। জার্মানির ওপর জাঁকিয়ে বসেন মনপ্রীতরা। ৩১ মিনিটে পেনাল্টি কর্ণার থেকে ভারতকে এগিয়ে দেন রুপিন্দার পাল সিং। ৩ মিনিট পর গুরজন্ত সিং ডানদিক থেকে উঠে এসে বল বাড়ান সিমরনজিৎ সিংকে। খুব কাছ থেকে বল জালে পাঠান সিমরনজিৎ। ৫৩ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ভারত। ৪২ মিনিটে পরপর বেশ কয়েকটা পেনাল্টি কর্ণার পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি রুপিন্দাররা।আরও পড়ুনঃ বুপুরুষদের জ্যাভলিন থ্রোর ফাইনালে পৌঁছলেন নীরজ কুমারম্যাচের চতুর্থ কোয়ার্টারে চূড়ান্ত ক্লাইম্যাক্স। ব্রোঞ্জ ধরে রাখার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে জার্মানরা। অন্যদিকে ৪১ বছরের খরা কাটাতে মরিয়া মনদীপরা। ম্যাচের পরতে পরতে উত্তেজন। ৪৮ মিনিটে পেনাল্টি কর্ণার পায় জার্মানি। পেনাল্টি কর্ণার থেকে ব্যবধান কমান লুকাস উইন্ডফেডার। ৫২ মিনিটে জার্মান গোলকিপার স্ট্যাডলারকে একা পেয়েও গোল করতে পারেননি মনদীপ। শেষদিকে মরিয়া হলেও সমতা ফেরাতে পারেনি জার্মানি। অবশেষে ৪১ বছরের শাপমুক্তি ঘটিয়ে অলিম্পিকে পদক জিতল ভারত।

আগস্ট ০৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India Women Hockey : ‌‌ফাইনালে উঠতে ব্যর্থ রানি রামপালরা, সামনে এবার ব্রোঞ্জের লড়াই

তাঁর কোচিংয়ে ভারতীয় মহিলা হকি দলের উত্থান। অলিম্পিক হকিতে দেশকে স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন সোয়ার্ড মারিন। সেমিফাইনালে পৌঁছে ইতিহাস রচনা করেছিলেন রানি রামপালরা। কিন্তু সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে ২১ গোলে হেরে ফাইনালের স্বপ্ন শেষ ভারতের। তবে পদকের আশা শেষ হয়ে যায়নি। ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে ৬ আগস্ট রানি রামপালদের খেলতে হবে গ্রেট ব্রিটেনের বিরুদ্ধে।আরও পড়ুনঃ টোকিও অলিম্পিকে কুস্তির সেমিফাইনালে রবি কুমার ও দীপক পুনিয়াপ্রথমবার অলিম্পিকের সেমিফাইনালে পৌঁছে ইতিহাস রচনা করেছিল ভারতের মহিলা হকি দল। সেই ইতিহাস রানি রামপলদের পক্ষে আর এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হল না। যদিও আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে শুরুতেই এগিয়ে গিয়েছিল ভারত। ম্যাচের প্রথম মিনিটেই পেনাল্টি কর্নার পায়। পেনাল্টি কর্ণার থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন গুরজিৎ কাউর। এরপরই আস্তে আস্তে ম্যাচের ওপর নিয়ন্ত্রণ দেখাতে থাকে আর্জেন্টিনা। ভারতের ওপর ক্রমশ চাপ বাড়াতে থাকে। যদিও প্রথম কোয়ার্টারে ম্যাচে সমতা ফেরাতে পারেনি। দ্বিতীয় কোয়ার্টারে আরও চাপ বাড়ায়। ১৮ মিনিটে পেনাল্টি কর্নার থেকে গোল করে ম্যাচে সমতা ফেরান মারিয়া ব্যারিয়োনুয়েভো। দ্বিতীয় কোয়ার্টারে ভারত দুদুটি পেনাল্টি কর্ণার পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি।আরও পড়ুনঃ সেমিফাইনালে হেরে ব্রোঞ্জেই সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে লাভলিনাকেম্যাচে সমতা ফেরানোর পর আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে দুই নম্বরে থাকা আর্জেন্টিনা। বারবার আক্রমণে উঠে এসে ভারতের রক্ষণভাগকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে। বেশ কয়েকটি পেনাল্টি কর্ণারও আদায় করে নেয়। ৩৬ মিনিটের মাথায় পেনাল্টি কর্ণার থেকে দলকে এগিয়ে দেন অধিনায়ক মারিয়া ব্যারিয়োনুয়েভো। পিছিয়ে পড়ার পর ম্যাচে ফেরার মরিয়া চেষ্টা চালান রানি রামপালরা। বেশ কয়েকবার কাছাকাছি পৌঁছলেও লক্ষ্যভেদ করতে পারেননি। ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে পেনাল্টি কর্ণার পেয়েছিল ভারত। কাজে লাগাতে পারেনি। গুরজিৎ কাউরের শট দারুণ দক্ষতার সঙ্গে আটকে দলকে নিশ্চিত গোল বাঁচান আর্জেন্টিনা গোলকিপার। একই সঙ্গে ম্যাচে সমতা ফেরানোর সম্ভাবনাও শেষ হয়ে যায়।

আগস্ট ০৪, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

মহালয়ায় কখন করবেন পিতৃপুরুষের উদ্দেশ্যে তর্পণ? জেনে নিন শুভ সময় ও বিশেষ নিয়ম

শিউলি ফুলের গন্ধ আর শরতের ভোরের বাতাসে ঢাকের মিঠে বোল এই তো আমাদের দুর্গোৎসবের প্রথম বার্তা! বছর ঘুরে আবারও সেই কাঙ্ক্ষিত দিনটি দোরগোড়ায়। ২০২৬ সালের ১০ই অক্টোবর, শনিবার (২২শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ) শুভ মহালয়া। ভোরে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের জলদগম্ভীর কণ্ঠে মহিষাসুরমর্দিনীর সুর ভেসে আসার সঙ্গেই যেন বাঙালিয়া এক অদ্ভুত আবেগ আর নস্টালজিয়ায় ভেসে যায়। পিতৃপক্ষের সমাপনী আর দেবীপক্ষের এই নতুন সকালে চরাচর যেন এক স্বর্গীয় সুরের আহ্বানে জেগে ওঠে।মহালয়া শুধু একটি দিন নয়, এটি একটি অনুভূতির নাম। পুরাণ মতে, এদিনই দেবী দুর্গা মর্ত্যে তাঁর পিতৃগৃহে পা রাখেন, শুরু হয় দেবীপক্ষ। এর পাশাপাশি এটি আমাদের শিকড়কে স্মরণ করার শ্রেষ্ঠ সময়। এদিন ভোরে গঙ্গার ঘাটে ঘাটে পিতৃপুরুষের উদ্দেশ্যে তর্পণ করার জন্য হাজারো মানুষের মিলনমেলা বসে। শাস্ত্রানুসারে অমাবস্যা তিথিটি শুরু হচ্ছে ৯ই অক্টোবর রাত ৯:৩৫ মিনিটে এবং থাকবে ১০ই অক্টোবর রাত ৯:১৯ মিনিট পর্যন্ত। পিতৃপুরুষকে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য ১০ই অক্টোবর সকাল ১১:২৪ মিনিট থেকে দুপুর ১:৫৬ মিনিট পর্যন্ত সময়টিকে সবচেয়ে শুভ বলে মনে করা হচ্ছে।তবে মহালয়া কিন্তু কেবল অতীতের স্মৃতি তর্পণ বা শাস্ত্রমতে তর্পণের আচারটুকুতেই সীমাবদ্ধ নয়, এর পেছনে লুকিয়ে আছে আগমনীর গভীর আনন্দ। এই বিশেষ দিনে প্রতিমার চোখে তুলি ছোঁয়ানো অর্থাৎ চক্ষুদান রীতির মধ্য দিয়েই মৃন্ময়ী রূপ যেন চিন্ময়ীতে পরিণত হতে শুরু করে। ১০ই অক্টোবরের এই অলৌকিক ভোরে মহালয়া শেষ হতেই, পরের দিন ১১ই অক্টোবর থেকে পূর্ণাঙ্গভাবে সূচনা হবে দেবীপক্ষের। চারপাশের কাশবনের দোল আর নীল আকাশের শুভ্র মেঘেরা তখন যেন চুপিচুপি জানান দেবে মা আসছেন। উৎসবের এই পবিত্র সূচনাকে সুন্দর ও মঙ্গলাময় রাখতে কিছু চিরন্তন রীতির প্রতি শ্রদ্ধা রাখা জরুরি। সনাতন বিশ্বাস অনুযায়ী, এই পুণ্যলগ্নে নিরামিষ আহার গ্রহণ করা ও যেকোনো প্রকার নতুন কেনাকাটা বা চুল-নখ কাটা থেকে বিরত থাকাই শ্রেয়। পিতৃপুরুষের প্রতি শ্রদ্ধা আর মাতৃরূপী মহাশক্তির আবাহনের এই মাহেন্দ্রক্ষণে আসুন আমরাও হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে নিজেদের মনকে নির্মল করে তুলি। অপেক্ষা শুধু আর কটা দিনের শরতের এই আলো-আঁধারির খেলায় মহালয়ার ভোর যেন প্রতিটা বাঙালির অন্তরে পৌঁছে দেয় এক অনাবিল আনন্দের পরশ।

অক্টোবর ০৯, ২০২৬
রাজ্য

বিকাশরঞ্জনের বাড়িতে হামলার নিন্দায় মমতা, তদন্তের মাঝেই ‘হিন্দুত্ববাদী’ মন্তব্যে অ্যাকশনের হুঙ্কার শুভেন্দুর

বর্ষীয়ান আইনজীবী তথা সিপিএমের প্রাক্তন রাজ্যসভার সাংসদ বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়িতে হামলার ঘটনায় এক যুবককে গ্রেফতার করল পুলিশ। শুক্রবার ভোর প্রায় ৪টে ৫ মিনিট নাগাদ দক্ষিণ কলকাতার গড়িয়া সাহা কালীবাড়ি এলাকার বাসিন্দা বাপ্পা গুছাইতকে গ্রেফতার করা হয়। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখেই অভিযুক্তকে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। তাঁর বাইকটিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ধৃতকে এদিন আদালতে পেশ করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানানো হবে বলে জানা গিয়েছে।কীভাবে ঘটেছিল হামলা?অভিযোগ, বৃহস্পতিবার ভোরে পূর্ব যাদবপুরে বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়ি লক্ষ্য করে কাচের মদের বোতল ছোড়ে একদল অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতী। বোতলের আঘাতে বাড়ির জানলার কাচ ভেঙে যায়। সেই সঙ্গে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে। হামলার সময় অল্পের জন্য রক্ষা পান বাড়ির এক গৃহসহায়িকা।বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের দাবি, ভোর প্রায় পাঁচটা নাগাদ মুখ কাপড়ে ঢাকা এক ব্যক্তি বাইকে চেপে এসে ব্যাগ থেকে কাচের বোতল বের করে তাঁর বাড়ির জানলার দিকে ছুড়তে থাকে। পিছনে আরও কয়েকজন ছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি। বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজে বাইকে আসা এক ব্যক্তিকে বোতল ছুড়তে দেখা গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ফুটেজের অডিয়োয় আমাদের সঙ্গে লাগতে এসো না, আমরা দেশভক্ত এই ধরনের হুমকির কথাও শোনা যায় বলে দাবি।ঘটনার পর পুলিশ বিকাশরঞ্জনের বাড়িতে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে এবং তাঁর কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করে। সিসিটিভি ফুটেজের সূত্র ধরে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে গিয়ে বাপ্পা গুছাইতকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে কলকাতা পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে হামলার কারণ, ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না এবং এর পিছনে কোনও বৃহত্তর ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।হিন্দুত্ববাদীরা হামলা করেছে, অভিযোগ বিকাশরঞ্জনেরহামলার ঘটনার পর বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য অভিযোগ করেন, এই ঘটনার পিছনে রয়েছে হিন্দুত্ববাদী গুন্ডারা। তাঁর বক্তব্য, গরিব মানুষের অধিকারের পক্ষে যাঁরা লড়াই করছেন, তাঁদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। হামলাকারীরা এভাবে তাঁকে শিক্ষা দিতে চেয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।বিকাশরঞ্জনের এই মন্তব্যকে ঘিরে পাল্টা সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, হামলার ঘটনায় পুলিশ তদন্ত করছে এবং তাঁর নির্দেশেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে এই ঘটনার দায় সরাসরি হিন্দুত্ববাদীদের উপর চাপানোর বিরোধিতা করেছেন তিনি।শুভেন্দু অধিকারীর হুঁশিয়ারি, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সামাজিক মাধ্যমে হিন্দুত্ববাদী শব্দটি প্রত্যাহার না করা হলে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা অনুযায়ী আইনি পদক্ষেপ করা হবে। ওই পোস্ট মুছে ফেলার উদ্যোগও পুলিশের তরফে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, এ ধরনের মন্তব্যের মাধ্যমে গোটা হিন্দু সমাজকে অপমান করা হয়েছে। গেরুয়া, সনাতন, হিন্দুত্ব ও রাষ্ট্রবাদকে নিশানা করা হলে তার জবাব দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়াবিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়িতে হামলার ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সামাজিক মাধ্যমে ঘটনার নিন্দা করেছেন। তাঁর বক্তব্য, পশ্চিমবঙ্গ ভয় দেখানো বা জঙ্গলরাজের সংস্কৃতি মেনে নেবে না। রাজনৈতিক মতাদর্শ নির্বিশেষে আইনজীবীদের নির্ভয়ে তাঁদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে দেওয়ার পক্ষেও সওয়াল করেছেন তিনি।অন্যদিকে, যাদবপুরের বিধায়িকা শর্বরী মুখোপাধ্যায় এই ঘটনায় বিজেপির যোগ থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। আইনজীবী ফিরদৌস শামিম জানিয়েছেন, বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগের নজরে আনা হবে।একদিকে বাড়িতে হামলার ঘটনায় গ্রেফতারি, অন্যদিকে হিন্দুত্ববাদী মন্তব্য ঘিরে মুখ্যমন্ত্রীর পাল্টা আইনি হুঁশিয়ারি সব মিলিয়ে ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়েছে। তবে হামলার প্রকৃত কারণ এবং এর পিছনে আর কেউ জড়িত কি না, তা পুলিশের তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে।

অক্টোবর ০৯, ২০২৬
রাজ্য

১৯৭৬ সালে মহিষাসুরমর্দিনীতে উত্তমকুমার, ক্ষোভে ফেটে পড়েছিলেন বাঙালিরা! কেন ফিরিয়ে আনতে হয়েছিল বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রকে?

প্রবাসে থাকা ছেলে মেয়েরা যেভাবে বছরের ৪ দিন তাদের ভিটেমাটির টানে ফিরে আসে, সেভাবে নস্টালজিক বাঙালিকে যিনি বেতারের সামনে শিকড়ের টানে টেনে আনেন তিনি আর কেউ নন বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্র। মহালয়া (Mahalaya 2026) ,মহিষাসুরমর্দিণী (Mahisashurmardini) আর বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র (Birendra Krishna Bhadra) তিনটে নামই উচ্চারিত হয় এক স্বরে। মহালয়ার ভোরে এই চণ্ডীপাঠের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে যিনি গোটা বিশ্বে নিজের কণ্ঠকে অমর করে রেখে গিয়েছেন, সেই বাঙালি মধ্যবিত্ত সাদামাটা ধুতি পাঞ্জাবি পরা কণ্ঠশিল্পীই বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্র। যাঁর হাত ধরে বাঙালির পুজোর (Durga Puja) ঢাকে কাঠি পড়ে। আজ ২০২৬ সালের মহালয়ার অপেক্ষায় রাত জাগছে বাঙালি, সেই পরিচিত কণ্ঠে মহিষাসুর মর্দিণী শুনবে বলেই। ১৯০৫ সালের এই দিনটিতেই উত্তর কলকাতার আহিরীটোলায় জন্মগ্রহণ করেন প্রবাদপ্রতিম বেতার ব্যক্তিত্ব বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র। বাবা রায়বাহাদুর কালীকৃষ্ণ ভদ্র ছিলেন একজন ভাষাতত্ত্ববিদ, মা ছিলেন সরলা দেবী। ছোটবেলায় ঠাকুরমা যোগমায়া দেবীর কাছে সংস্কৃত শিক্ষার হাতেখড়ি হওয়া বীরেন্দ্রকৃষ্ণ মাত্র আট বছর বয়সে প্রখর স্মৃতিশক্তির জোরে নির্ভুল চণ্ডীপাঠ করে সবাইকে চমকে দিতেন। ১৯২৮ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া রেলওয়েতে কর্মজীবন শুরু করলেও তাঁর মন পড়ে থাকত ১ নম্বর গার্স্টিন প্লেসের অল ইন্ডিয়া রেডিওর দফতরে। অফিস শেষের আড্ডা থেকেই ধীরে ধীরে বেতারে নাটকের সুযোগ পান। পরবর্তীতে চাকরি ছেড়ে পাকাপাকিভাবে আকাশবাণীতে যোগ দেন।আকাশবাণীতে যোগ দেওয়ার পর বাণীকুমার ভট্টাচার্যের রচনা এবং রাইচাঁদ বড়াল ও পঙ্কজকুমার মল্লিকের সুর পরিচালনায় শুরু হয় মহালয়ার কালজয়ী অনুষ্ঠান মহিষাসুরমর্দিনী। লাইভ সম্প্রচারের সেই যুগে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ আগের রাত থেকেই স্টেশনে থেকে ভোরবেলায় স্নান সেরে, গরদের ধুতি-পাঞ্জাবি পরে চণ্ডীপাঠে বসতেন। একদিন স্টুডিওতে রসিকতা করে বাংলা ভাষ্যটিও স্তোত্রের ঢঙে সুর করে পড়তে গিয়ে জন্ম নেয় তাঁর সেই অবিস্মরণীয় অবদান, যা ১৯৬৬ সালে বাণীকুমারের পরামর্শে রেকর্ড করা হয়। আজও প্রতি মহালয়ার ভোরে প্রতিটি বাঙালির ঘরে ঘরে শোনা যায় এই স্মরণীয় কন্ঠস্বরে চণ্ডীপাঠ, যেন মা দুর্গা প্রথম অঞ্জলি বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের থেকেই নেন।কেবল রেডিওর জাদুকরী কণ্ঠই নয়, বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ছিলেন একজন চমৎকার নাট্যকার, সমৃদ্ধ লেখক এবং পরিচালক। তিনি পেশাদারি মঞ্চে সাহেব বিবি গোলাম-এর মতো সফল নাটক পরিচালনা করার পাশাপাশি নিষিদ্ধ ফল-এর মতো চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্যও লিখেছিলেন। অনেক গুণী ব্যক্তি রেডিওর জন্যই একসময় নিজেকে উৎসর্গ করে দেন। গোটা বিশ্বে যখন তাঁর খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ছে তখন হঠাৎই ১৯৭৬ সালে আকাশবাণী কর্তৃপক্ষ প্রথা ভেঙে তাঁর জায়গায় মহানায়ক উত্তমকুমারকে দিয়ে চণ্ডীপাঠ করানোর সিদ্ধান্ত নেয়। বাঙালির আবেগে ঘা পড়তেই, বহু বাঙালি ভক্ত রেডিও অফিসের ওপর চড়াও হয়। কেউই ভালোভাবে গ্রহণ করেনি সেই দিনের চণ্ডীপাঠ। স্বাভাবিক ভাবেই সে বছর পুণরায় ষষ্ঠীর দিন বীরেন্দ্রকৃষ্ণের মহিষাসুরমর্দিনী সম্প্রচার করতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু গোটা ঘটনাতে তিনি ছিলেন নির্বিকার স্থির, বোধহয় তিনি মন থেকে জানতেন কিছু স্থান অপরিবর্তনশীল। ১৯৯১ সালের ৩ নভেম্বর মহাপ্রয়াণ ঘটলেও বাঙালি সংস্কৃতির আকাশে তিনি অমর হয়ে রয়েছেন। শরতের ভোরে শিউলি ঝরা হাওয়ায় তাঁর সেই বজ্রনির্ঘোষ অথচ সুরময় কণ্ঠে আশ্বিনের শারদপ্রাতে শুনলেই আজও মনে হয় পুজোর বাদ্যি বেজেছে। এভাবেই কিংবদন্তি বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্র মহালয়ায় মহিষাসুরমর্দিণীর মাধ্যমে চিরকাল বেঁচে থাকবেন কোটি কোটি বাঙালির মনে।

অক্টোবর ০৯, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

জেলকোভিচের গোলেই বধ ইস্টবেঙ্গল, আইএফএ শিল্ড মোহনবাগানের

সেমিফাইনালে বিপক্ষকে ৭ গোল দিয়ে আত্মবিশ্বাসের চূড়ায় পৌঁছেছিল ইস্টবেঙ্গল। বৃহস্পতিবার প্রথমার্ধের ৪৫ মিনিটে জেলকোভিচের গোলেই বধ ইস্টবেঙ্গল। ২২ তম আইএফএ শিল্ড চ্যাম্পিয়ন হল মোহনবাগান। এদিন বেশ গুছিয়ে ফুটবল খেলেছে মেরিনার্সরা। ইন্ডিয়ান সুপার লিগ শুরু হওয়ার আগে ইস্টবেঙ্গলের এই হার দলের মনোবলে কতটা আঘাত করবে সেটাও দেখার। গত সিজনের আইএসএল কাপ ইস্টবেঙ্গলের ঘরে ছিল। শুরুতেই ইস্টবেঙ্গল একটি সুযোগ পেয়েও কাডে লাগাতে পারেনি। বিরতির শেষ মুহূর্তে লীড নিয়ে নেয় মোহনবাগান। তখন বেশ চাপে ছিল ইস্টবেঙ্গল। মোহনবাগানের একের পর আক্রমণে তখন দিশেহাপা ইস্টবেঙ্গল। জেলকোভিচের গোলে এগিয়ে যায় মোহনবাগান। বৃহস্পতিবার আইএফএ শিল্ডের (IFA Shield 2026) ফাইনালে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট (Mohun Bagan Super Giant) ও ইস্টবেঙ্গল (East Bengal FC) মুখোমুখি হওয়ায় ফের ফুলবল জ্বরে ভুগতে শুরু করে কলকাতা। সল্টলেকের যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে দুই দলের সমর্থকরা তখন নিজের দলের সমর্থনে চিৎকারে গলা ফাটাচ্ছে। অনেক চেষ্টা করেও আর গোল পায়নি ইস্টবেঙ্গল জেলকোভিচের গোলই ম্যাচের পার্থক্য় গড়ে দেয়। ম্যাচের শেষের দিকে দুটো কর্ণার কিক পেলেও কাজে লাগাতে পারেনি ইস্টবেঙ্গল।

অক্টোবর ০৯, ২০২৬
রাজনীতি

পূর্ব বর্ধমানে তৃণমূল নেতার বাড়ি থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা উদ্ধার, আরও সম্পদের সন্ধানে তদন্তে পুলিশ

সরকার বদলের পর থেকে নানা অভিযোগে একের পর এক হেভিওয়েট নেতা, মন্ত্রী গ্রেফতার হয়েছেন। এখনও তৃণমূল নেতাদের গ্রেফতারি অব্যাহত। এবার কাটোয়ায় গ্রেফতার হওয়া নেতার বাড়ি থেকে রাশি রাশি টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, সম্পত্তির হদিশও মিলেছে। পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার দুই তৃণমূল নেতা সুপ্রিয় মুখোপাধ্যায় ও সুদীপ্ত চক্রবর্তী কিভাবে বিপুল অর্থ ও সম্পদের মালিক হলেন, তা নিয়ে তদন্ত করছে পুলিশ। এদের সঙ্গে জড়িত দোষীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব।জানা গিয়েছে, সামন্য বেতনে বেসরকারী একটি মোবাইল সংস্থায় কর্মরত ছিলেন ওই দুই নেতা। পরবর্তীতে তৃণমূলে যোগ দিয়েই কাটোয়ার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় এবং তাঁর সর্বসময়ের সঙ্গী দীগন্ত পালের সঙ্গে বিশেষ সখ্য়তা স্থাপন করে ফেলেন। এরপর সুপ্রিয় মুখোপাধ্যায় ও সুদীপ্ত চক্রবর্তীর ধনসম্পত্তি বাড়তে বিদ্যুৎ গতিতে। ইতিমধ্যে সরকার পরিবর্তন হতেই আর্থিক দুর্নীতির মামলায় রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ দীগন্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সূত্রের খবর, এরপরই গ্রেফতার এড়াতে পালিয়ে বেরাচ্ছিল সুপ্রিয় মুখোপাধ্যায় ও সুদীপ্ত চক্রবর্তী। তবে শেষমেশ পুলিশের জালে ধরা পড়ে দুজনই। এখন তাঁদের বেআইনি ধনসম্পদ নিয়ে তদন্ত করছে পুলিশ। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যে সুপ্রিয়র বাড়ি থেকে ৯ লক্ষ টাকা নগদ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একটি বেসরকারি ব্যাংক থেকে তাঁরা সোনা রেখে লক্ষ লক্ষ টাকা ঋণ নিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেই সোনা কোথা থেকে এসেছে তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এদের কাছে দামি চারচাকাও রয়েছে।

অক্টোবর ০৮, ২০২৬
কলকাতা

বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়িতে হামলা, সিপিএম নেতার অভিযোগ ওড়ালেন শর্বরী মুখোপাধ্যায়

সিপিএম নেতা বিকাশ ভট্টাচার্যের বাড়িতে হামলা করা অভিযোগ উঠেছে। পূর্ব যাদবপুরে তাঁর বাড়ির জানালার কাঁচ ভাঙা হয়েছে। তিনি স্থানীয় থানায় এই বিষয়ে অভিযোগ করেছে। এই হামলায় বিজেপির মদত আছে বলে বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য অভিযোগ করেছেন। তবে যাবদপুরের বিজেপি বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায় ওই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, জয়শ্রীরাম বলে অন্যায় করলেই কি সে বিজেপি হয়ে যায়। তা হতে পারে না। আজ ভোরে তার বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়ি লক্ষ্য করে কাচের বোতল ছোড়া হয়। বিকাশরঞ্জন বলেন, মদের বোতন ছড়িয়ে আছে। শক্ত কাচ ভেঙে ফেলা হয়েছে। সিসিটিভিতে দেখা যাচ্ছে বাইকে এল, ছবি তুললো। তারপর বলতে থাকল, আমরা মায়ের সন্তান। আমাদের পিছনে লেগেছিস। ওই ব্যক্তির মুখ ঢাকা ছিল। মোটর বাইকের নম্বরও ঢাকা ছিল। একেবারে পরিকল্পনা করে এসেছিল। আমি অনবরত হিন্দু মৌলবাদের বিরুদ্ধে বলছি তাই এই হামলা। এর পিছনে সর্বরীদেবীর পার্টিদের মদত আছে। বিজেপি বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায় বলেছেন, কোনও রাজনৈতিক দলের এটা কাজ নয়। কোনও দুষ্কৃতীকারীর কাজ। মুখে স্লোগান দিয়ে এই কাজ করে সরকার ও বিজেপির বদনাম করছে। জয়শ্রীরাম ধ্বনি দিয়ে, কোনও অন্যায় কাজ করল তাঁকে বিজেপি বলা যায় না।

অক্টোবর ০৮, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

পাঁচ দশকের অভিনয়জীবনে ইতি, প্রয়াত বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পাটেকর

প্রয়াত হলেন প্রবীণ অভিনেতা নানা পাটেকর। হিন্দি ও মারাঠি সিনেমার অন্যতম স্বতন্ত্র অভিনেতা হিসেবে পরিচিত নানা পাটেকর বৃহস্পতিবার ভোরে গোয়ায় নিজের বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়েই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।নানা পাটেকরের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন তাঁর ছেলে মালহার পাটেকর। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-কে তিনি জানান, খবরটি সত্যি। তিনি সেই সময় পুনেতে ছিলেন এবং গোয়ার উদ্দেশে রওনা দেন। পরিবারের তরফে পরে বিস্তারিত বিবৃতি দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।প্রায় পাঁচ দশকের অভিনয়জীবনে ভারতীয় সিনেমায় নিজের স্বতন্ত্র জায়গা তৈরি করেছিলেন নানা পাটেকর। থিয়েটার দিয়ে অভিনয়জীবন শুরু করার পর ১৯৭৮ সালে গমন ছবির মাধ্যমে বড় পর্দায় আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। এরপর পরিন্দা, ক্রান্তিবীর, অগ্নিসাক্ষী, খামোশি: দ্য মিউজিক্যাল, আব তক ছাপ্পান, অপরাধ, রাজনীতি থেকে ওয়েলকামএকাধিক ছবিতে তাঁর অভিনয় দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা পেয়েছে।পরিন্দা ছবির জন্য জাতীয় পুরস্কার পান নানা পাটেকর। ক্রান্তিবীর-এর জন্য সেরা অভিনেতা হিসেবে জাতীয় পুরস্কারও অর্জন করেন তিনি। অন্যদিকে, ২০০৭ সালের জনপ্রিয় ছবি ওয়েলকাম-এ গ্যাংস্টার উদয় শেঠির চরিত্রে তাঁর অভিনয় সম্পূর্ণ ভিন্ন এক পরিচয় তৈরি করে। চরিত্রটি এতটাই জনপ্রিয় হয় যে পরবর্তী সময়ে ওয়েলকাম ব্যাক ছবিতেও সেই ভূমিকায় দেখা যায় তাঁকে।মারাঠি সিনেমাতেও তাঁর অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য। ২০১৬ সালের নটসম্রাট ছবিতে অবসরপ্রাপ্ত এক মঞ্চ অভিনেতার চরিত্রে তাঁর অভিনয় ব্যাপক প্রশংসিত হয়। ড. প্রকাশ বাবা আমটেদ্য রিয়েল হিরো ছবির জন্য তিনি ফিল্মফেয়ার পুরস্কারও পান।শুধু অভিনেতা হিসেবেই নয়, পরিচালক ও লেখক হিসেবেও কাজ করেছেন নানা পাটেকর। ১৯৯১ সালে প্রহার: দ্য ফাইনাল অ্যাটাক ছবিটি পরিচালনা করার পাশাপাশি ছবিতে অভিনয় ও লেখার কাজও করেন তিনি। অভিনয় ও চলচ্চিত্রে অবদানের জন্য ২০১৩ সালে তাঁকে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করা হয়। তাঁর ঝুলিতে রয়েছে মোট তিনটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।অভিনয়ের পাশাপাশি সমাজসেবামূলক কাজের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন নানা পাটেকর। নাম ফাউন্ডেশন-এর মাধ্যমে সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য বিভিন্ন কাজ করেছেন তিনি।নানা পাটেকরের প্রয়াণে ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতের এক বর্ণময় অধ্যায়ের অবসান হল। প্রায় পাঁচ দশকের দীর্ঘ অভিনয়জীবনে তাঁর অভিনীত একাধিক চরিত্র দর্শকের মনে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছে।

অক্টোবর ০৮, ২০২৬
রাজ্য

দুর্গাপুজোর মুখে শিয়ালদহ ডিভিশনে বাড়ল ট্রেন ও এসি লোকালের স্টপেজ, যাত্রীস্বার্থে একাধিক উদ্যোগ রেলের

দুর্গাপুজোর প্রাক্কালে যাত্রী পরিষেবাকে আরও উন্নত করার লক্ষ্যে শিয়ালদহ ডিভিশন একাধিক যাত্রীকেন্দ্রিক পরিচালনামূলক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। দৈনন্দিন শহরতলির যাতায়াতকে আরও দ্রুত, সুবিধাজনক ও আরামদায়ক করে তুলতে পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হয়েছে অতিরিক্ত পরিষেবা এবং নতুন স্টপেজ। এর ফলে শহরতলির বিভিন্ন রুটের যাত্রীদের দীর্ঘদিনের চাহিদা পূরণ হবে।শান্তিপুরকৃষ্ণনগর সিটি জংশন সেকশনে পরিষেবার সংখ্যা বৃদ্ধি:দীর্ঘদিনের আঞ্চলিক যাতায়াতের চাহিদার কথা বিবেচনা করে দিগনগর হল্ট হয়ে শান্তিপুর (STB) ও কৃষ্ণনগর সিটি জংশনের মধ্যে দৈনিক ট্রেন পরিষেবা ১ জোড়া থেকে বাড়িয়ে ২ জোড়া করা হয়েছে। সকালের UP ট্রেনটি শান্তিপুর থেকে ০৯:৩৪ ঘণ্টায় ছেড়ে ১০:০৭ ঘণ্টায় কৃষ্ণনগর সিটি জংশনে পৌঁছাবে। ফেরার DN ট্রেনটি কৃষ্ণনগর থেকে ১০:১৭ ঘণ্টায় ছেড়ে ১০:৪৩ ঘণ্টায় শান্তিপুরে পৌঁছাবে। এর ফলে অফিসযাত্রী, পড়ুয়া এবং স্থানীয় যাত্রীরা বিশেষভাবে উপকৃত হবেন।শিয়ালদহবজবজের মধ্যে গভীর রাতে ইএমইউ পরিষেবা:দেরিতে কর্মস্থল থেকে ফেরা কর্মীদের সুবিধার্থে শিয়ালদহ ডিভিশন পরীক্ষামূলকভাবে শিয়ালদহ (SEALDAH) ও কমাগাটা মারু বজবজ (KBGB)-এর মধ্যে গভীর রাতে একটি শহরতলির পরিষেবা চালু করেছে। DN ট্রেনটি শিয়ালদহ থেকে ২২:৫৫ ঘণ্টায় ছেড়ে ২৩:৪৩ ঘণ্টায় বজবজ পৌঁছাবে। ফেরার UP ট্রেনটি বজবজ থেকে ২৩:৫৪ ঘণ্টায় ছেড়ে ০০:৪৮ ঘণ্টায় শিয়ালদহে পৌঁছাবে। এর ফলে রাতের শেষভাগেও যাত্রীদের নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য শহরতলির রেল যোগাযোগ নিশ্চিত হবে।বদকুল্লায় নতুন এসি ইএমইউ স্টপেজ:শহরতলির যাত্রীদের আরও আরামদায়ক যাত্রার সুযোগ করে দিতে শিয়ালদহকৃষ্ণনগর সিটি জংশন সেকশনের বদকুল্লা স্টেশনে চারটি এসি ইএমইউ লোকালের পরীক্ষামূলক স্টপেজ দেওয়া হয়েছে।দৈনিক পরিষেবা (রবিবার ব্যতীত): ট্রেন নং ৩১৮৪৫ UP (শিয়ালদহকৃষ্ণনগর সিটি জংশন) বদকুল্লায় ১১:৫৩/১১:৫৪ ঘণ্টায় এবং ট্রেন নং ৩১৮৪৬ DN (কৃষ্ণনগর সিটি জংশনশিয়ালদহ) ১৩:৪০/১৩:৪১ ঘণ্টায় থামবে।রবিবারের বিশেষ সময়সূচি: ট্রেন নং ৩১৮৪৭ UP (শিয়ালদহকৃষ্ণনগর সিটি জংশন) বদকুল্লায় ১৩:৫৯/১৪:০০ ঘণ্টায় এবং ট্রেন নং ৩১৮৪৮ DN (কৃষ্ণনগর সিটি জংশনশিয়ালদহ) ১৬:১৫/১৬:১৬ ঘণ্টায় থামবে।এই প্রসঙ্গে শিয়ালদহের DRM শ্রী রাজীব সাক্সেনা বলেন, পরিষেবার এই সংযোজনগুলি শহরতলির ট্রেনের সংখ্যা বৃদ্ধি, বজবজ সেকশনে নির্দিষ্ট গভীর রাতের যোগাযোগ এবং বদকুল্লায় নতুন এসি ইএমইউ স্টপেজ, দৈনন্দিন যাত্রীদের পরিবর্তিত চাহিদার কথা মাথায় রেখেই পরিকল্পনা করা হয়েছে। সকলের জন্য রেলযাত্রাকে আরও সহজলভ্য, নির্ভরযোগ্য ও আরামদায়ক করে তুলতে শিয়ালদহ ডিভিশন দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

অক্টোবর ০৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal