• ১৫ কার্তিক ১৪৩৩, বুধবার ০৪ নভেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

CPIM

বিনোদুনিয়া

Shovan : দীপ্সিতার জন্মদিনে শুভেচ্ছা 'দাদান' শোভনের

দীপ্সিতা ধর। খুব পরিচিত একটি নাম। বিগত বিধানসভা নির্বাচনে যিনি হয়ে উঠেছিলেন সিপিআইএমের প্রার্থী তালিকার তারুণ্যের মুখ। সোমবার ছিল তার জন্মদিন। দীপ্সিতার এই বিশেষ দিনে সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভেচ্ছা জানালেন দাদা শোভন গঙ্গোপাধ্যায়। শেয়ার করলেন দাদা-বোনের ছোট বেলার নানা টুকরো ছবি।আরও পড়ুনঃ করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত বলিউড অভিনেত্রীসোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি শেয়ার করে শোভন লিখেছেন, শুভ জন্মদিন বোনু। ফ্রম দাদান। মোট চারটে ছবি শেয়ার করেছেন শোভন। নানা বয়সের নানা মুহূর্তের ছবি। পারিবারিক অ্যালবাম থেকে ছবি ঠাই পেয়েছে সামাজিক মাধ্যমে। শুভেচ্ছা বার্তা ভেসে এসেছে এই বাম যুবনেত্রীর জন্য।আরও পড়ুনঃ অক্ষয় কুমারের স্টান্ট ভয় পান তাঁর স্ত্রী ট্যুইঙ্কল খন্নাপ্রসঙ্গত গায়ক শোভন দীপ্সিতার মাসতুতো দাদা। এর আগে বোনের হয়ে প্রচারে গান বাঁধতে শোনা গিয়েছিল তাঁকে। ভোটের সময় তার মাসির মেয়ের জন্য গান বাঁধতে দেখা গিয়েছিল শোভনকে। তবে সেই গানের মাধ্যমে কোনও রাজনৈতিক মতাদর্শ তুলে ধরতে চাননি এমনটাও জানান।

আগস্ট ১০, ২০২১
নিবন্ধ

Bidhan Chandra Roy: বিরোধী বিধান'-র জ্যোতি স্নেহ

ডঃ বিধান চন্দ্র রায়ের মুখ্যমন্ত্রী সময়কাল ও তাঁর প্রশাসনিক দক্ষতা নিয়ে বহু কথা আলোচিত হয়। কিন্তু তাঁর আপাত গম্ভীর চেহারার মধ্যে অসম্ভব রসবোধ নিয়ে সেভাবে চর্চা হয়না। মানুষটির অসামান্য ব্যক্তিত্বের আড়ালে যে অনবদ্য রসবোধ সম্পন্ন একটি চরিত্র লুকিয়ে থাকত তা ওনার মুখের অভিব্যক্তি দেখে একেবারেই আন্দাজ করা যেতনা। তাঁর রসবোধ নিয়ে বহু কাহিনি লোকমুখে ছড়িয়ে পড়ে। শোনা যায় বিধান রায় প্রায়ই মজার ছলে তাঁর রোগীদের বলতেনঃ# ডাক্তারবাবুরা যে যে ওষুধ লিখে দেবে তা অবশ্যই কিনবেন, কেননা দোকানদারদেরও তো বাঁচতে হবে।# ওষুধ কিনে বাড়ি ঢুকেই ওইগুলি ডাস্টবিনে ফেলে দেবেন কারণ আপনাকেও তো বাঁচতে হবে! তাঁর গম্ভীর ভাবে রসিকতা শুনে ডাক্তাখানার উপস্থিত সকলে হেসে অস্থির হতেন।জানা যায় তিনি ঘনিষ্টমহলে বলতেন, রোগ সারাতে হাসি খুব দরকার। হাসি রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা অনেক গুন বাড়িয়ে দেয়। মন প্রফুল্ল থাকলে অসুখ বোধ কম থাকে। তাঁর মতে আমাদের অসুখের সত্তর ভাগ শারীরিক বাকিটা মানসিক। বিধাসভায় মুখ্যমন্ত্রী বিধান চন্দ্র রায়চিকিৎসক হবার বিশেষ ইচ্ছা ছোটবেলায় বিধান রায়ের ছিল না, তিনি একই সাথে শিবপুর ইঞ্জিনিয়ারিং এবং কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে ফর্মের জন্য আবেদন করেছিলেন। ডাক্তারির ফর্মটা আগে আসায় ওটাতেই আবেদন করেন। কলেজ স্ট্রিট ওয়াইএমসিএ-তে তিনি থাকতেন। প্রবল অর্থাভাবের মধ্যেই তিনি ডাক্তারি পড়াশোনা চালিয়ে গেছেন। রোগীর বাড়িতে বারো ঘণ্টায় আট টাকা পারিশ্রমিকে মেল নার্সের কাজ অবধি করেছেন। মেল নার্স কথাটি আজকাল তেমন শোনা যায় না। অর্থাভাবে কলকাতার রাস্তায় ট্যাক্সিও চালিয়েছেন। কাজের গুরুত্ব বোঝাতে একথা তৎকালীন রাইটার্সের কর্মীদের প্রায়সই তিনি বলতেন। আজকের সমাজিক মাধ্যম সেই সময়ে থাকলে তাঁকে ট্যাক্সি ড্রাইভার মুখ্যমন্ত্রী আখ্যা দিতে খুব বেশী দেরী করত না।বিধান চন্দ্র রায় ও জ্যোতি বসু-র রাজনৈতিক ভাবধারা ও রাজনৈতিক দল সম্পুর্ণ দুই মেরু তে অবস্থিত ছিল। একজন ডান পন্থী আরেকজন কট্টর বামপন্থী। কিন্তু তাদের একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধা ও সন্মানবোধ ছিল দেখার মত। এই সম্পর্ক নিয়ে বহু কাহিনী লোক মুখে ছড়িয়ে পড়ে।জগদীশ চন্দ্র বোসের জন্ম শতবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রী নেহেরুর সাথে বিধান রায়জানা যায়, ১৯৫৪-তে বিধান চন্দ্র রায় তখন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী। বিরোধী দলনেতা জ্যোতি বসু। তাঁর নেতৃত্বে শিক্ষকদের জঙ্গি আন্দোলনে বেসামাল সরকার। বিধানসভায় প্রতিদিন বিরোধীদের ওয়াক আউট। স্তব্ধ বিধানসভার কাজ। বিড়ম্বনায় পড়লেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা অবস্থা তথৈবচ। জঙ্গি আন্দোলনের জন্য বিরোধী দলনেতা জ্যোতি বসুর বিরুদ্ধে জারি হল গ্রেফতারি পড়োয়ানা। জ্যোতি বসু তখন বিধানসভায়। বিধানসভার বাইরে পুলিশ তাঁর অপেক্ষায়। বেরোলেই গ্রেফতার করবে জ্যোতি বসুকে। খবরটা বিধান চন্দ্রর কানে যেতেই তিনি তাঁকে আলাদা করে ডেকে বললেন, রাতে বিধানসভায় থেকে যেতে। যাতে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার না করতে পারে। আর তাঁর কোনো অসুবিধা না হয় তার ব্যবস্থাও তিনি করলেন। বিধান রায়ের এহেন আচরণে কংগ্রেসের অন্যান্য নেতারা খুশি হননি। বিধান রায়ের বক্তব্য, আমার বিরোধী দলের হলেও উনি খুব বড়ো রাজনীতিবিদ। ওঁকেও প্রয়োজন। বর্তমান পরিস্থিতিতে রাজনৈতীক নেতাদের কাছে সৌজন্যবোধের এই নিদর্শন মানুষ আশা করেনা। শোনা যায়, বিধান রায় পুলিশকে নির্দেশ দিয়ে রেখেছিলেন যে, কোনও বিক্ষোভ হলেই জ্যোতিকে গ্রেপ্তার করে আগে জেলে ভরে দেবে। জ্যোতি বসু বারবার গ্রেপ্তার হয়ে আর জেলে গিয়ে তিতিবিরক্ত হয়ে একদিন বিধানচন্দ্রকে বললেন, আপনার পুলিশ যে কোনও আন্দোলন হলেই আমাকে ধরে কেন? বিধান রায় এতটুকু বিচলিত না হয়ে সহাস্যে উত্তর দিলেন তুমি তো জানো একটা প্রবাদ আছে When the storm came, tallest tree are the first hit. তা তুমিই তো একমাত্র সেই নেতা, তোমাকে গ্রেপ্তার করবে না তো, কাকে করবে? জ্যোতি বসু চুপচাপ শুনে চলে গেলেন। এইরকমই, জ্যোতি বসুকে আরেকটি বিতর্কে লজ্জিত করে দিয়েছিলেন বিধান রায়। বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী বিধান রায় প্রচুর টাকা খরচ করে একটা নতুন অফিস বানান, তাতে আনা হয় সেগুন কাঠের এক রাজকীয় চেয়ার। জ্যোতি বসু বিধানসভায় এর তীব্র প্রতিবাদ করলে মুখ্যমন্ত্রী উঠে দাঁড়িয়ে বলেন তুমি এতে প্রতিবাদ করছ কেন? তুমিই তো এই মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে একদিন বসবে। তরুণ বিরোধী দলনেতা সাংঘাতিক লজ্জা পেয়ে বসে পড়লেন।সৌজন্যের এক অনন্য নজীর ১৯৫২-র বিধানসভা ভোটের কিছু আগে নির্বাচনী প্রচারসভা থেকে একে অপরকে তীব্র আক্রমণ করছেন বিধানচন্দ্র রায় এবং জ্যোতি বসু। একদিন ধর্মতলাতে বিধান রায়ের জনসভা। সেখানে পৌঁছে গাড়ি থেকেই তিনি দেখেন, জ্যোতি হেঁটে যাচ্ছেন। তাঁর সেক্রেটারি দিয়ে জ্যোতিকে ডেকে পাঠিয়ে বিধান রায় জানতে চান, তিনি কোথায় যাচ্ছেন? প্রত্যুত্তরে জ্যোতি বসু বলেন, আপনার সরকার ট্রামের ভাড়া বাড়িয়েছেন। আজ প্রতিবাদ মিছিল আছে, সেখানেই যাচ্ছি। শুনে বিধান রায় বলেন, খালি পেটে বিধান রায় আর কংগ্রেসকে হারানো যাবে না। গাড়িতে এসো, খানকয়েক লুচি আছে, দুজন মিলে উদ্ধার করি। তারপর তুমি গিয়ে বিধান রায়কে গালাগালি কর।রাধাকৃষ্ণান,সরোজিনি নাইডু ও প্রধানমন্ত্রী নেহেরুর সাথে বিধান রায়১৫৫৩-এ গণনাট্য সংঘের জমিদারিপ্রথা উৎখাত নিয়ে ৫৯ টি নাটক চলাকালীন কংগ্রেস সরকার নিষিদ্ধ করে দেন। যদিও শোনা যায়, এতে বিধান রায়ের সায় ছিলনা। সেই বিবাদ শেষ অবধি বিধানসভা পর্যন্ত গড়ায়। বিধানসভা হলে বিরোধী দলনেতা জ্যোতি বসু বিধান রায়কে উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনি হিটলারের মত আচরণ করছেন। এর উত্তর দিতে গিয়ে বিধান রায় স্মিত হেসে বলেন হ্যাঁ হিটলার স্তালিনের উত্তর দিচ্ছে। এই উত্তরের প্রত্যুত্তর না দিয়ে জ্যোতি বসু নিজের আসনে বসে পরেন। তবে বিধান রায়ের ব্যক্তিগত সচিব সরোজ চক্রবর্তী লিখেছেন, দুজনের মধ্যে সমঝোতা ছিল যে, ভোটের সময় কেউই একে অন্যের নির্বাচনী এলাকায় গিয়ে জনসভা করবেন না। ১৯৫২ সালের সাধারণ নির্বাচন ছাড়া আর কখনও কেউ এই চুক্তি ভাঙেননি। ডাঃ রায়ের বাড়িতে জ্যোতি বসু যখন কফি খেতে আসতেন ওঁর সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের সমস্যাবলী নিয়ে আলোচনা করতেন, তখন দুজনে একেবারে অন্য মানুষ। আমি এই ঘটনা বহুবার দেখেছি।ইদানীং রাজনীতিতে ছোট বড়ো সব নেতাকর্মী ও মন্ত্রীদের মুখে কারণে অকারণে কটুক্তি আর অশ্রাব্য ভাষার বন্যা বইছে। অনেকের অশ্রাব্য ভাষা কানে পাতা দায়। একে অপরের প্রতি ন্যূনতম সৌজন্যবোধ নেই বললে অত্যুক্তি হবেনা। অথচ এটা তো হওয়ার ছিলনা। সল্টলেক উপ-নগরী উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিধান চন্দ্র রায় ২৪ জুন ১৯৬২। রাইটার্সে বিধান রায়ের শেষ দিন। সেদিন এক সন্ন্যাসী তাঁর সাথে দেখা করতে এলে তাঁকে বলছিলেন, শরীর তেমন ভালো ঠেকছে না, কাল নাও আসতে পারি। মাথায় তখন অসহ্য যন্ত্রণা। পরের দিন বাড়িতে ডাক্তার শৈলেন সেন ও যোগেশ বন্দ্যোপাধ্যায়কে ডাকা হল। তাঁদের সিদ্ধান্ত হার্ট অ্যাটাক হয়েছে। ৩০ জুন ডাক্তার রায় তাঁর প্রিয় বন্ধু ললিতমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়কে বললেন, আমি তিরিশ বছর হৃদরোগের চিকিৎসা করে আসছি, আমার কতটা কী হয়েছে আমি তা খুব ভাল করেই বুঝতে পারছি। কোনও ওষুধই আমাকে ভাল করতে পারবে না।১ লা জুলাই তাঁর জন্মদিন। সেদিনই তাঁর তিরোধান দিবস। ওই দিন তাঁর আত্মীয়স্বজনরা এলেন। পরিচারক কৃত্তিবাসের হাত থেকে এক গ্লাস মুসুম্বির রস খেলেন। বন্ধু সার্জেন ললিতমোহনকে দেখে খুশি হয়ে বললেন, ললিত আমার গুরুও বটে, ওর কাছ থেকে কত কিছু শিখেছি।তার পর এক ঘনিষ্ঠ সহযোগীকে বললেন, আমি দীর্ঘ জীবন বেঁচেছি। জীবনের সব কাজ আমি শেষ করেছি। আমার আর কিছু করার নেই। এর পর বললেন, আমার পা ঠান্ডা হয়ে আসছে। তাঁর পরেই নাকে নল, ইঞ্জেকশন এবং ১১টা ৫৫ মিনিটে নাগাদ শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। দুঃসংবাদ পেয়ে দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাসের স্ত্রী বাসন্তীদেবী বলেছিলেন, বিধান পুণ্যাত্মা, তাই জন্মদিনেই চলে গেল। ভগবান বুদ্ধও তাঁর জন্মদিনে সমাধি লাভ করেছিলেন। দেহাবসানের কয়েক বছর আগে কেওড়াতলা মহাশ্মশানের বৈদ্যুতিক চুল্লির উদ্বোধন করতে এসে বিধানচন্দ্র বলেছিলেন, ওহে আমাকে এই ইলেকট্রিক চুল্লিতে পোড়াবে। ২ জুলাই ১৯৬২ তাঁর সেই ইচ্ছা পূর্ণ করা হয়েছিল।আর যাঁরা তাঁর নিন্দায় সদা মুখর ছিলেন তাঁদের সম্বন্ধে জীবনসায়াহ্নে বলেছিলেন, আমি যখন মরব তখন ওই লোকগুলোই বলবে, লোকটা ভাল ছিল গো, আরও কিছু দিন বাঁচলে পারত।বিধান রায়ের মৃত্যুর পর ব্রিটিশ মেডিক্যাল জার্নালে তাঁকে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে লেখা হয় first medical consultant in the subcontinent of India, who towered over his contemporaries in several fields? at his professional zenith he may have had the largest consulting practice in the world, news of his visit to a city or even railway station bringing forth hordes of would-be patients.জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়

জুলাই ০১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

সৌরভকে রাজনীতিতে না আসার পরামর্শ অশোকের

সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে রাজনীতিতে না আসার পরামর্শ দিলেন শিলিগুড়ির সিপিএম বিধায়ক অশোক ভট্টাচার্য। বুধবার নিজের ফেসবুক পেজে বিষয়টি পোস্ট করেন শিলিগুড়ির পুরপ্রশাসক। তাঁকে ক্রিকেটার হিসাবেই দেখতে চান তিনি। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের আমন্ত্রণে বেহালার বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজে গিয়েছিলেন অশোক ভট্টাচার্য। সেখানে রাজনীতি ও ক্রিকেট নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয় সৌরভ ও ডোনার সঙ্গে। নিজের ফেসবুক পেজে এদিন অশোক ভট্টাচার্য লিখেছেন, তিনি ভারতের ক্রিকেট আইকন সৌরভ গাঙ্গুলীকে রাজনীতিতে না আসার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি সৌরভকে বলেছেন, ক্রিকেট তাকে জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছে দিয়েছে। দেশের মানুষ চায় তা সৌরভের জনপ্রিয়তা যেন অক্ষুন্ন থাকে। সেই সঙ্গে শিলিগুড়ির ক্রিকেট নিয়েও বিস্তর আলোচনা হয়েছে। শিলিগুড়ির ক্রিকেটের উন্নয়নে সবরকম সহযোগিতা করার আশ্বাস মহারাজের কাছ থেকে পেয়েছেন বলেও দাবী করেছেন অশোক ভট্টাচার্য। সময় পেলে সৌরভ শিলিগুড়িতে আসবেন, তাঁর বাসভবনে আসবেন বলেও তাঁকে কথা দিয়েছে সৌরভ গাঙ্গুলী। ক্রিকেটের পাশাপাশি অশোক ভট্টাচার্যের সাথে রাজনীতি নিয়েও কথা হয়েছে সৌরভ জায়া ডোনার। ডোনা জানতে চেয়েছেন আসন্ন বিধানসভায় তিনি লড়ছেন কিনা। তারজন্য ডোনা আগাম শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বলেও নিজের ফেসবুক পেজে পোস্ট করেছেন অশোক ভট্টাচার্য। সৌরভের বিজেপি যোগ নিয়ে বিস্তর জল্পনা ছড়িয়েছে। রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ের সঙ্গে একান্ত বৈঠক। তারপর এক মঞ্চে দিল্লিতে অমিত শাহর সঙ্গে দেখা গিয়েছে সৌরভকে। সেই জল্পনার মাঝেই সৌরভের বাড়িতে অশোক ভট্টাচার্যের মধ্যাহ্নভোজন, আলোচনা। পরে সিপিএম নেতার ফেসবুকে পোস্ট বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করে রাজনৈতিক মহল। ফেসবুকে অশোক ভট্টাচার্য লিখেছেন: আজ সৌরভ গাঙ্গুলির বাড়িতে বসে সৌরভ আর ডোনার সাথে অনেক গল্প হলো। শিলিগুড়ির খবর, ক্রিকেট নিয়ে আলোচনা হলো। আমি ইলেকশনে লড়ছি কিনা তাও জানতে চাইলো! তার জন্যে আগাম শুভেচ্ছাও জানিয়ে রাখলো। রাজনীতির কথা প্রসঙ্গে আমার মত,ওর রাজনীতিতে যুক্ত না হওয়া, তাও বলেছি। কথা প্রসঙ্গে বলেছি ক্রিকেট ওকে জন প্রিয়তার তুঙ্গে নিয়ে গেছে। দেশের মানুষ চায় তা যেন অব্যাহত থাকে। ওর সাথে শিলিগুড়ির ক্রিকেট নিয়েও কথা হয়। ও সব রকম সহযোগিতা করবে। একবার এসব নিয়ে কথা বলতে শিলিগুড়িতে আসবে। তখন আমাদের বাড়িতে গিয়ে ওর কাকিমার সাথে দেখা করে আসবে বললো। ছবিটা তুলেছে ডোনা।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২০
রাজ্য

শিলিগুড়িতে একই মঞ্চে ডান - বাম উভয় পক্ষ

মহাত্মা গান্ধীর মূর্তি উন্মোচনের মঞ্চে একই সারিতে দেখা গেল তৃণমূল, সিপিএম ও কংগ্রেস জনপ্রতিনিধিদের। সোমবার শিলিগুড়ি কোর্ট মোড় লাগোয়া এক মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, শিলিগুড়ির সিপিএম বিধায়ক অশোক ভট্টাচার্য, মাটিগাড়া নকশালবাড়ির বিধায়ক শঙ্কর মালাকার সহ অনেকেই। পুরমন্ত্রী জানান, মানুষের হৃদয় থেকে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের নাম মুছবে না। একই সঙ্গে রাজ্যপাল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই পদ অলংকৃত করার মতো ব্যক্তি উনি কি না তা জানি না। বলতে চাই ভগবান ওঁকে ক্ষমা করুন। কী বলছেন তা উনি নিজেও জানেন না। তিনি আরও বলেন, চায়ে পে চর্চা আসলে বিজেপির খরচা । দিলীপ ঘোষ কাকে কী সম্বোধন করছেন তা তাঁর রুচি ও সংস্কৃতির বিষয়। আমার নয়। একইসঙ্গে তিনি বলেন, এই লড়াই নীতির লড়াই। ব্যক্তির বিরুদ্ধে লড়াই নয়। আরও পড়ুন ঃ সেবক হিসেবে বরাবর আপনাদের সঙ্গে থাকবঃ শুভেন্দু অশোকবাবু জানান, তারা পুরসভার তরফ থেকে সরকারি কর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। পুর-প্রশাসনের শীর্ষে থাকা পুরমন্ত্রী আসায় তাঁরা খুশি বলে জানান তিনি। এর মধ্যে রাজনীতি নেই বলে দাবি তাঁর। মাটিগাড়া নকশালবাড়ির বিধায়ক শঙ্কর মালাকার বলেছেন, অতীতে তাঁকে কোনও সরকারি অনুষ্ঠা্নে ডাকা হত না। এখন তৃ্ণমূলের হুঁশ ফিরেছে। আগামীদিনে সেই হুঁশ রেখে তৃণমূল সরকার চললে সকলেরই ভাল হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

নভেম্বর ৩০, ২০২০
বিবিধ

শ্রমজীবী মানুষের রান্নাঘর

অগণিত শ্রমজীবী মানুষের পাশে দাঁড়াল ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি মার্কসবাদী দক্ষিণ দমদম এরিয়া কমিটি - ২, বেদিয়াপাড়া ১১নং ওয়ার্ড। কিংবদন্তী জননেতা জ্যোতি বসুর আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে ২০ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু করেছে শ্রমজীবী মানুষের রান্নাঘর। ১০ টাকার বিনিময়ে শ্রমজীবী মানুষের হাতে তুলে দিচ্ছে দুপুরের খাবার। প্রতিদিন প্রায় দেড়শ শ্রমজীবী মানুষ এই রান্নাঘর থেকে খাবার সংগ্রহ করছে। অগনিত মানুষের আর্থিক সাহায্যে ও পার্টির তহবিল থেকেই এই শ্রমজীবী রান্নাঘর চালানো হচ্ছে। মধ্যাহ্নভোজে প্রতিদিন ভাত, সবজি, ডিম ছাড়াও সপ্তাহের কোনও কোনও দিন মাছ,মাংস দেওয়া হয়। সন্ধ্যা ৭ টা থেকে কুপন দেওয়া হয়। একমাস এই শ্রমজীবী রান্নাঘর চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান দক্ষিণ দমদম এরিয়া কমিটি - ২, বেদিয়াপাড়া ১১নং ওয়ার্ড পার্টি কনভেনার কমরেড প্রশান্ত পাল। তিনি বলেন, ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি মার্কসবাদী বরাবরই মেহনতী মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। মানুষ যাতে দুমুঠো খেয়ে বাঁচতে পারে তার জন্য আমরা এই উদ্যোগ নিয়েছি।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২০
দেশ

রাজ্যসভায় বিক্ষোভ দেখিয়ে সাসপেন্ড দুই তৃণমূল সাংসদ-সহ ৮

কৃষি বিল নিয়ে রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর উত্তপ্ত হয়েছিল রাজ্যসভা। ওয়েলে নেমে চলে নজিরবিহীন বিক্ষোভ। এর জেরে সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর ৮ সাংসদকে এক সপ্তাহের জন্য সাসপেন্ড করা হয়। তাঁরা হলেন তৃণমূলের ডেরেক ওব্রায়েন, দোলা সেন, আম আদমি পার্টির সঞ্জয় সিং, কংগ্রেসের রাজু সাতাভ, রিপুন বোরা, সৈয়দ নাসির হুসেন, সিপিআইএমের কে কে রাগেশ ও এলামারান করিম। এই শাস্তির ঘোষণা করেন রাজ্যসভার চেয়ারম্যান ভেঙ্কাইয়া নাইডু। এরপর বিরোধীদের বিক্ষোভে সকাল ১০টা অবধি মুলতুবি করা হয় অধিবেশন।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০
রাজ্য

কেশপুরে বোমাবাজি, নাবালক-সহ নিহত ২, তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের তত্ত্ব জোরালো

আবার অশান্ত কেশপুর। রাজ্যে পালাবদলের আগে যে কেশপুর নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, কেশপুর হবে সিপিআইএমের শেষপুর! সেই কেশপুরেই এবার অস্বস্তিতে শাসক দল। এমনিতেই দলের নতুন জেলা, ব্লক, শহর কমিটি ঘোষণার পরেও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব কমে তো নি, বরং বেড়েইছে। ফলে বিধানসভা ভোটের আগে কেশপুরের ঘটনা তৃণমূলকে আরও চিন্তায় রাখল। ঘটনার সূত্রপাত বৃহস্পতিবার ১৭ সেপ্টেম্বর। ব্যাপক বোমাবাজিতে অশান্ত হয়ে ওঠে পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরের দামোদরচক। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বোমাবাজি ও গুলিচালনার ঘটনায় এক নাবালক-সহ দুজনের মৃত্যু হয়েছে। ৫ জন আহতকে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে। নিহতরা হলেন শেখ নাসির ও ১৪ বছরের শেখ মাজহার। স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য সেলিমের ভাই স্বর্ণশিল্পী নাসিরের আজ মুম্বাই ফেরার কথা ছিল। অভিযোগ, বৃহস্পতিবার রাতে তৃণমূল কংগ্রেসের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষের ফলেই এই পরিস্থিতি। তবে তৃণমূলের পাল্টা দাবি, এক সময়ের সিপিআইএমের হার্মাদরাই বিজেপির আশ্রয়ে থেকে এই হামলা চালিয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে রীতিমতো রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় দামোদরচক। লাগাতার বোমার শব্দে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। রাতে ব্যাপক বোমাবাজি ও গুলিচালনার ফলে শেখ মাজহার ও শেখ নাসির গুরুতর জখম হন। জানা গিয়েছে, জখমদের প্রথমে কেশপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে মেদিনীপুর জেলা হাসপাতালে রেফার করা হয়। সেখানেই চিকিৎসকরা ওই দুজনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। তৃণমূলের দাবি, কেশপুরের ঘটনা জমি-জায়গা নিয়ে পারিবারিক বিবাদের ফল। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা তৃণমূলের সভাপতি অজিত মাইতি বলেন, হামলাকারীরা সিপিএমের হার্মাদ। তারা কখনও তৃণমূল, কখনও বিজেপির আশ্রয় নেয়। এটা কোনও রাজনৈতিক ঘটনা নয়। তৃণমূল এতো বড়ো দল যে কে কোথায় মিছিলে হাঁটল তা কারও মনে থাকে না। উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে নিজেদের স্বার্থ রক্ষার্থে এই ঘটনা ঘটিয়েছে। সূত্রের খবর, কেশপুর ব্লক তৃণমূল সভাপতি ঘোষণা নিয়ে দলের অন্দরেই বিতর্ক দেখা দিয়েছিল। অজিত মাইতি বলেন, ব্লক সভাপতি ঘোষণা হওয়ার সঙ্গে এই ঘটনার কোনও যোগ নেই। এসব কোনও বিষয়ই নয়। মৃতরা তৃণমূল সমর্থক বলে দাবি করেছেন জেলা সভাপতি। যদিও নিহতদের পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ব্লক সভাপতি উত্তম ত্রিপাঠী ও প্রাক্তন ব্লক সভাপতি সঞ্জয় পানের গোষ্ঠীর মধ্যে বিবাদ লেগেই আছে। নিহতরা প্রাক্তন ব্লক সভাপতি শিবিরের। যেখানে ঘটনা তার দেড় কিলোমিটারের মধ্যে থানা রয়েছে। বর্তমান ব্লক সভাপতির মদতেই পরিকল্পিতভাবে এই ঘটনা বলে অভিযোগ। ঘটনায় মূল অভিযুক্ত ইন্তাজ আলি ওরফে ঝন্টু পলাতক। সে তৃণমূল কর্মী, ঘটনার পর শাসক দলের কয়েকজন নেতার সঙ্গে তার কথা হয়েছে। মেদিনীপুরে যে বাড়িতে সে গা ঢাকা দিতে চেয়েছিল সেই বাড়ির মালিক রামুকে পুলিশ আটক করেছে। পুলিশ পৌঁছানোর আগেই তৃণমূলের কয়েকজন নেতার সঙ্গে ফোনে কথা বলে সে পালিয়েছে। নিহতদের বাড়ির কাছেই তার বাড়ি। তৃণমূলের জেলা সভাপতি অজিত মাইতি বিজেপিকে দায়ী করলেও বিধায়ক শিউলি সাহা বলেন, নিহতরা তৃণমূলের। যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে তারা তৃণমূলের আদর্শে বিশ্বাসী হতে পারে না। কোন দাদার হাত তাদের মাথার উপর আছে তা তদন্ত করে দেখে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হবে এটাই চাই। বিজেপির ঘাটাল সাংগঠনিক জেলার সভানেত্রী অন্তরা ভট্টাচার্য বলেন, এই ঘটনার পিছনে বিজেপি নেই। এটা তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল। তদন্তে তা প্রমাণ হবে। কেন্দ্রীয় এজেন্সি এলে দেখতে পাবে কেশপুরে কত অস্ত্র মজুত করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় যায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। জানা গিয়েছে, প্রথম পর্যায়ে পুলিশও পরিস্থিতি আয়ত্তে আনতে ব্যর্থ হয়। অভিজ্ঞ মহলের মতে, শক্ত হাতে না ধরলে ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে আগে এমন অশান্তি আরও বাড়তে পারে।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২০
রাজনীতি

দিল্লি দাঙ্গার চার্জশিটে ইয়েচুরীদের নাম, প্রতিবাদে সিপিআইএম, সরব মহুয়া

দিল্লি দাঙ্গার ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে সীতারাম ইয়েচুরী, জয়তী ঘোষ, অপূর্বানন্দ, জয়তী ঘোষ, রাহুল রায়ের নাম সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিটে যুক্ত করেছে দিল্লি পুলিশ। এর তীব্র সমালোচনা করে দেশজুড়ে প্রতিবাদ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে সিপিআইএম। সুজন চক্রবর্তী টুইটে লিখেছেন, মোদী-শারা ভয় পেয়েছে, তাই সীতারামদের ভয় দেখাতে চাইছে। এতই সহজ? দেশের শাসকরা সংবিধান মানে না। সমগ্র অধিকারগুলোকেই তছনছ কতে চায়। ওদেরই উচ্ছেদ করতে হবে। এটাই নাগরিক কর্তব্য। দিল্লি পুলিশ কেন্দ্রের হাতে। তাই এই পদক্ষেপের সমালোচনা করে তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ মহুয়া মৈত্র টুইটে লেখেন, দিল্লি দাঙ্গার চার্জশিটে সীতারাম ইয়েচুরী, যোগেন্দ্র যাদবদের নাম থাকলেও কপিল মিশ্রর ব্যাপারে নীরব। আমি নিশ্চিত বিজেপি সরকার নতুন করে ইতিহাসের পাঠ্যবই লিখবে, যেখানে গুজরাট দাঙ্গার প্রধান ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে জওহরলাল নেহরুর নাম রাখা হবে।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিনোদুনিয়া

‘ব্রাহ্মণদের উপরে মূত্রত্যাগ করি’, মন্তব্যের জের! এবার আদালতের কড়া পদক্ষেপের মুখে অনুরাগ

ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়কে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে আগেই সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন পরিচালক অনুরাগ কাশ্যপ। সেই মন্তব্যের জেরে দায়ের হওয়া মামলায় এ বার তাঁর বিরুদ্ধে জামিনযোগ্য পরোয়ানা জারি করল গুজরাটের সুরাট আদালত। অভিযোগ, একাধিক বার সমন পাঠানো হলেও আদালতে হাজির হননি পরিচালক। আগামী ২৪ ডিসেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানি।বিতর্কের সূত্রপাত অনন্ত মহাদেবনের ছবি ফুলেকে ঘিরে। জ্যোতিরাও ফুলের জীবন অবলম্বনে তৈরি এই ছবির বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়কে অসম্মান করার অভিযোগ উঠেছিল। ছবিটি নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই সমাজমাধ্যমে পরিচালক অনুরাগ কাশ্যপ একটি পোস্ট করেন। এক নেটব্যবহারকারী তাঁর মন্তব্যের সমালোচনা করলে পাল্টা জবাব দিতে গিয়ে ব্রাহ্মণদের সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য করেন অনুরাগ। তাঁর সেই মন্তব্য ঘিরেই শুরু হয় তীব্র বিতর্ক।এরপর অনুরাগের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন আইনজীবী তথা বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতা কমলেশ রাভাল। তিনি নিজেও ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়ের মানুষ। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে সুরাট আদালতে অনুরাগের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৯৬, ৩৫২ এবং ৩৫৩(২) ধারায় মামলা হয়। অভিযোগগুলির মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে শত্রুতা ছড়ানো, শান্তিভঙ্গের উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃত অপমান এবং মিথ্যা তথ্য প্রচার।অভিযোগকারীর দাবি, অনুরাগের মন্তব্য বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভেদ ও শত্রুতা তৈরি করতে পারে। একজন চলচ্চিত্র পরিচালক হিসেবে তাঁর বক্তব্য সাধারণ মানুষের উপর প্রভাব ফেলতে পারে বলেও আদালতে দাবি করেন কমলেশ। তাঁর আরও অভিযোগ, একাধিক বার সমন পাঠানো হলেও আদালতে হাজির হননি অনুরাগ। এমনকি সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেও তাঁকে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তাতেও তিনি আদালতে আসেননি বলে অভিযোগ।এই পরিস্থিতিতে সুরাটের অতিরিক্ত মুখ্য বিচারবিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট জে ভি চৌহান অনুরাগ কাশ্যপের বিরুদ্ধে জামিনযোগ্য পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেন। আগামী ২৪ ডিসেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।বিতর্কের পর অবশ্য নিজের মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চেয়েছিলেন অনুরাগ। তিনি জানিয়েছিলেন, রাগের মাথায় এক ব্যক্তিকে জবাব দিতে গিয়ে পুরো ব্রাহ্মণ সম্প্রদায় সম্পর্কে আপত্তিকর কথা বলে ফেলেছিলেন। তাঁর মন্তব্যে নিজের পরিবারের সদস্য, পরিচিতজন এবং বহু বুদ্ধিজীবী কষ্ট পেয়েছেন বলেও স্বীকার করেন পরিচালক। তিনি বলেন, নিজের শব্দচয়নের জন্য অনুতপ্ত এবং মন থেকে সকলের কাছে ক্ষমা চাইছেন।কমলেশ রাভালের অভিযোগ, জ্যোতিরাও ফুলের জীবনীচিত্র ফুলে-এর ট্রেলার প্রকাশের পর ছবিটি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিল অল ইন্ডিয়া ব্রাহ্মণ সমাজ। সেই সময় অনুরাগের সমাজমাধ্যমের পোস্ট বিতর্ক আরও বাড়িয়ে দেয়। তাঁর দাবি, এই ধরনের মন্তব্য সমাজের পক্ষে ক্ষতিকর। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই আইনি পদক্ষেপ করা হয়েছে।

নভেম্বর ০৩, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

অরিজিৎ-এড শিরানের যুগলবন্দিতে ঝড়! ‘তু মিল যায়ে’র সাফল্যে শাহরুখের বিশেষ বার্তা

শাহরুখ খানের জন্মদিন উপলক্ষে ২ নভেম্বর মধ্যরাতে প্রকাশ্যে এসেছে তাঁর আগামী ছবি কিং-এর নতুন গান তু মিল যায়ে। গানটিতে শাহরুখ ও দীপিকার রোম্যান্সের পাশাপাশি শ্রোতাদের নজর কেড়েছে অরিজিৎ সিং ও ব্রিটিশ গায়ক এড শিরানের যুগলবন্দি। প্রকাশের মাত্র এক দিনেই গানটি ৬ কোটি বার দেখা হয়েছে বলে দাবি। এই সাফল্যে উচ্ছ্বসিত শাহরুখ নিজেও। এ বার গানটি নিয়ে মুখ খুললেন বলিউডের বাদশা।এক দিকে অরিজিৎ সিংয়ের কণ্ঠ, অন্য দিকে এড শিরানের গলায় হিন্দি গান। দুই জনপ্রিয় গায়কের এই যুগলবন্দি নিয়ে ইতিমধ্যেই উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন অনুরাগীরা। তাঁদের অনেকের মতে, শাহরুখের জনপ্রিয়তার কারণেই এমন ব্যতিক্রমী উদ্যোগ সম্ভব হয়েছে। তবে গানটির সাফল্যের কৃতিত্ব এড শিরানকেই দিয়েছেন অভিনেতা।মঙ্গলবার এড শিরানের একটি গানের মহড়ার ভিডিয়ো ভাগ করে নেন শাহরুখ। সেখানে ব্রিটিশ গায়ককে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি লেখেন, এই গানের জন্য তাঁকে শুধু ধন্যবাদ জানালেও যথেষ্ট হবে না। বিশেষ করে গানের হিন্দি অংশের জন্য তাঁর প্রতি ভালোবাসাও প্রকাশ করেন শাহরুখ।অন্য দিকে, গানটির সাফল্যের কৃতিত্ব একা নিতে চাননি এড শিরানও। অরিজিৎ সিংয়ের সঙ্গে কাজ করতে পেরে খুশি তিনি। কিং ছবির গানটির হাত ধরেই বলিউডের সঙ্গীতজগতে পা রাখলেন এই ব্রিটিশ গায়ক।এড শিরান জানিয়েছেন, মন্নতে শাহরুখের সঙ্গে প্রথম দেখা হওয়ার সময়ই অভিনেতা তাঁকে নিজের আগামী ছবির জন্য একটি গান তৈরি করার অনুরোধ করেছিলেন। সেই গানই পরে তু মিল যায়ে হয়ে ওঠে। এডের কথায়, কয়েক বছর ধরে শাহরুখের সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্ব তৈরি হয়েছে। শাহরুখ তাঁর পছন্দের মানুষদের অন্যতম।শেষ বার ভারতে এসে এড শিরান অরিজিৎ সিংয়ের সঙ্গে স্যাফায়ার গানের ভিডিয়োয় শাহরুখকে একটি ছোট চরিত্রে অভিনয়ের অনুরোধ জানাতে মন্নতে গিয়েছিলেন। সেই সময় শাহরুখই তাঁর সঙ্গে সঙ্গীত পরিচালক শচীন-জিগারের পরিচয় করিয়ে দেন। এড জানিয়েছেন, সেই রাতেই কিং ছবির তু মিল যায়ে গানের নিজের অংশের কথা লেখেন এবং তা রেকর্ড করেন।গানটিতে অরিজিৎ সিংয়ের সঙ্গে কণ্ঠ মেলাতে পেরে খুশি এড শিরানও। তাঁর কথায়, তাঁর প্রিয় মানুষদের একসঙ্গে একটি কাজে যুক্ত হতে দেখে খুব ভালো লাগছে। অন্য দিকে, গানটিতে দীপিকার অংশে কণ্ঠ দিয়েছেন মধুমন্তী বাগচী। শাহরুখ ও দীপিকার রসায়ন, অরিজিৎ ও এড শিরানের কণ্ঠ সব মিলিয়ে তু মিল যায়ে ঘিরে অনুরাগীদের আগ্রহ এখন তুঙ্গে।

নভেম্বর ০৩, ২০২৬
দেশ

খসড়া ভোটার তালিকায় নাম নেই? পুরনো ভোটাররাও জমা দিতে পারবেন ফর্ম ৬, বড় ঘোষণা কমিশনের

এসআইআরের খসড়া ভোটার তালিকায় নাম নেই? তা হলে নতুন করে ফর্ম ৬ জমা দিয়ে ভোটার তালিকায় নাম তোলার আবেদন করতে পারবেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। শুধু আগের ভোটার তালিকায় নাম ছিল বলে নতুন করে ফর্ম ৬ জমা দেওয়াকে মিথ্যা তথ্য দেওয়া বলে ধরা যাবে না। এমনকি এই কারণে কোনও ভোটারের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপও করা যাবে না। স্পষ্ট জানিয়ে দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।ফর্ম ৬ সাধারণত নতুন ভোটারদের নাম তালিকায় তোলার জন্য ব্যবহার করা হয়। তাই আগে থেকেই ভোটার তালিকায় নাম থাকা ব্যক্তিরা নতুন করে এই ফর্ম জমা দিতে পারবেন কি না, তা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল। সেই বিভ্রান্তি দূর করতেই কমিশনের এই নির্দেশ।তবে এ ক্ষেত্রে একটি শর্ত রয়েছে। আবেদনকারীর নাম অন্য কোনও বিধানসভা বা লোকসভা কেন্দ্রের ভোটার তালিকায় থাকা চলবে না। এসআইআর প্রক্রিয়া চলাকালীন যেমন ফর্ম ৬ জমা দেওয়া যাবে, তেমনই প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরেও এই ফর্মের মাধ্যমে নাম তোলার আবেদন করা যাবে।দিল্লি হাই কোর্টের একটি রায়ের উল্লেখ করে এই নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। নতুন নির্দেশের কথা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে সব রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদেরও জানানো হয়েছে।এসআইআরের পর এবার ভোটার তালিকার বিশেষ সংক্ষিপ্ত সংশোধন নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। নভেম্বর মাস থেকে এই প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা। তা নিয়ে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে সর্বদলীয় বৈঠক হয়। বৈঠকে রাজনৈতিক দলগুলির প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সূচি অনুযায়ী, আগামী ২৩ নভেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের কথা। চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ ১৬ জানুয়ারি।এ দিনের বৈঠকে ফর্ম ৭-এর অপব্যবহার নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করে তৃণমূল, বাম ও কংগ্রেস। তাদের অভিযোগ, এই ফর্ম ব্যবহার করে একসঙ্গে অনেক ভোটারের নাম বাদ দেওয়ার চেষ্টা হতে পারে। তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষের প্রশ্ন, একজন ব্যক্তি কী ভাবে একটি বিধানসভা কেন্দ্র থেকেই একাধিক ফর্ম ৭ জমা দিতে পারেন? তাঁর আশঙ্কা, এই সুযোগের অপব্যবহার হলে বহু ভোটারের নাম বাদ পড়তে পারে অথবা তাঁদের আবেদন ঝুলিয়ে রাখা হতে পারে। ফর্ম ৭-এর অপব্যবহার বন্ধ করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

নভেম্বর ০৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

অধিনায়ক হিসেবে কেন ব্যর্থ হয়েছিলেন শচীন? এত বছর পর সামনে আনলেন সেই অজানা কারণ!

ব্যাট হাতে তিনি ক্রিকেটের কিংবদন্তি। তাঁর নামের পাশে রয়েছে অসংখ্য রেকর্ড। কিন্তু অধিনায়ক হিসেবে সেই সাফল্য দেখাতে পারেননি শচীন তেণ্ডুলকর। দুদফায় ভারতীয় দলের নেতৃত্ব দিয়েও প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি তিনি। পরে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ঘুরে দাঁড়ায় ভারতীয় ক্রিকেট। কিন্তু শচীনের অধিনায়কত্ব কেন সফল হয়নি? এর পিছনে কি শুধু তাঁর নেতৃত্বের দুর্বলতা ছিল, নাকি অন্য কোনও কারণও ছিল? এত বছর পর সেই প্রশ্নের উত্তর দিলেন স্বয়ং শচীন।দুদফায় ভারতীয় দলের অধিনায়ক হয়েছিলেন শচীন। প্রথম বার ১৯৯৬ থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত। দ্বিতীয় বার ১৯৯৯ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত। সম্প্রতি এক ভক্তের প্রশ্নের উত্তরে নিজের অধিনায়কত্বের অভিজ্ঞতা নিয়ে মুখ খোলেন তিনি।শচীন জানান, দেশের অধিনায়ক হওয়া তাঁর কাছে সব সময়ই সম্মানের বিষয় ছিল। তবে দল নির্বাচনের ক্ষেত্রে তিনি পুরো স্বাধীনতা পেতেন না। তাঁর কথায়, এখন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড অনেক বেশি পেশাদার। কিন্তু নব্বইয়ের দশকে পরিস্থিতি এমন ছিল না। সেই সময় ভারতীয় ক্রিকেট কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিল।শচীনের এই মন্তব্যে প্রশ্ন উঠেছে, তাঁর অধিনায়কত্বের ব্যর্থতার পিছনে কি বোর্ডের কর্মকর্তাদেরও ভূমিকা ছিল? যদিও কাউকে সরাসরি দায়ী করেননি তিনি। তবে সেই সময় দল পরিচালনা ও নির্বাচনের ক্ষেত্রে যে নানা সমস্যা ছিল, তাঁর কথায় সেই ইঙ্গিত স্পষ্ট।নব্বইয়ের দশকের শেষ দিকে ভারতীয় ক্রিকেট একাধিক সমস্যার মুখে পড়ে। ২০০০ সালে ম্যাচ গড়াপেটার অভিযোগ সামনে আসার পর ভারতীয় ক্রিকেটে বড়সড় ধাক্কা লাগে। সেই ঘটনায় তৎকালীন অধিনায়ক মহম্মদ আজহারউদ্দিনের নাম জড়ায় এবং পরে তাঁকে নিষিদ্ধ করা হয়। এমন কঠিন পরিস্থিতিতে ভারতীয় দলের দায়িত্ব নেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁর নেতৃত্বে নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা শুরু করে ভারত।শচীনের পছন্দের অধিনায়কদের তালিকাতেও রয়েছেন সৌরভ। মহেন্দ্র সিংহ ধোনির পাশাপাশি সৌরভের নেতৃত্বের প্রশংসাও করেছেন তিনি।শচীনের অধিনায়কত্বের পথও খুব মসৃণ ছিল না। প্রথম দফায় তাঁকে নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে ফের আজহারউদ্দিনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপে ভারতের ব্যর্থতার পর আবার অধিনায়ক করা হয় শচীনকে। তবে দ্বিতীয় দফাতেও বেশিদিন দায়িত্বে থাকেননি তিনি। ২০০০ সালে নিজেই অধিনায়কত্ব ছেড়ে দেন। এরপর ভারতীয় দলের দায়িত্ব পান সৌরভ।পরিসংখ্যানেও শচীনের অধিনায়কত্বের সাফল্য খুব বেশি নয়। তাঁর নেতৃত্বে ২৫টি টেস্টের মধ্যে ভারত জিতেছিল চারটিতে। এক দিনের ক্রিকেটে ৭৩টি ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়ে জয় পেয়েছিলেন ২৩টিতে। তবে এই পরিসংখ্যানের বাইরেও তাঁর অধিনায়কত্বের সময়কার পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

নভেম্বর ০৩, ২০২৬
দেশ

বন্ধুকে খুনের পর ২০ দিন ধরে একই স্বপ্ন! শেষ পর্যন্ত থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ যুবকের

মদের আসরে দুই বন্ধুর মধ্যে বচসা। সেই ঝামেলা গড়ায় মারামারিতে। অভিযোগ, এক বন্ধুর হাতে খুন হন অন্য জন। এর পর বাড়িওয়ালার সাহায্যে দেহ লোপাট করেন অভিযুক্ত যুবক। ঘটনার পর কেটে গিয়েছে ২০ দিন। কিন্তু এই সময়ের মধ্যে বার বার স্বপ্নে ফিরে আসছিলেন খুন হওয়া বন্ধু। এমনই দাবি অভিযুক্তের। শেষ পর্যন্ত নিজেই থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন তিনি। এই ঘটনায় বাড়িওয়ালাকেও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।ঘটনাটি মহারাষ্ট্রের ডোম্বিভলির মোথাগাঁও এলাকার। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত যুবকের নাম প্রভু কারাকাডে। মৃতের নাম বিশাল কদম। দুজনের মধ্যে ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব ছিল। প্রায় ২০ দিন আগে একটি ভাড়াবাড়িতে বসে মদ্যপান করছিলেন তাঁরা। সেই সময় কোনও বিষয় নিয়ে দুজনের মধ্যে বচসা শুরু হয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই তা হাতাহাতিতে গড়ায়।অভিযোগ, রাগের মাথায় বিশালকে এলোপাথাড়ি ঘুষি ও লাথি মারেন প্রভু। গুরুতর আঘাতের কারণে মৃত্যু হয় বিশালের। বন্ধুর মৃত্যু হয়েছে বুঝতে পেরে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন অভিযুক্ত। এর পর বাড়ির মালিককে পুরো ঘটনা জানান তিনি। অভিযোগ, দুজনে মিলে বিশালের দেহ সরিয়ে ফেলেন। তার পর যে যার মতো বাড়ি ফিরে যান। এলাকা ছেড়ে পালানোর পরিকল্পনাও করেছিলেন প্রভু।কিন্তু পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণের আগে ২০ দিন ধরে মানসিক অশান্তিতে ভুগছিলেন বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত। তাঁর বক্তব্য, ঘুমের মধ্যে বার বার খুন হওয়া বন্ধুর রক্তাক্ত মুখ দেখতে পেতেন তিনি। সেই স্বপ্ন তাঁকে তাড়া করে বেড়াচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত আর মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরে নিজেই থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন প্রভু।ঘটনার তদন্তে নেমে প্রভুর পাশাপাশি বাড়িওয়ালাকেও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। খুন এবং প্রমাণ লোপাটের অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। কী কারণে দুই বন্ধুর মধ্যে ঝামেলা শুরু হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। পাশাপাশি, খুনের পর বাড়িওয়ালা কেন অভিযুক্তকে সাহায্য করেছিলেন, সেই প্রশ্নেরও উত্তর খুঁজছে পুলিশ।মদের আসরে সামান্য বচসা থেকেই কি এই খুন, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে? পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

নভেম্বর ০৩, ২০২৬
রাজ্য

মাধ্যমিক টেস্ট পরীক্ষা নিয়ে বড় নির্দেশ পর্ষদের! পরীক্ষা শেষেই স্কুলকে পাঠাতে হবে প্রশ্নপত্র, না মানলে বিপদ?

২০২৭ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের টেস্ট পরীক্ষা নিয়ে কড়া পদক্ষেপ করল পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। টেস্ট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র তৈরি এবং তা জমা দেওয়া নিয়ে স্কুলগুলিকে একগুচ্ছ নির্দেশ পাঠানো হয়েছে। পর্ষদের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, টেস্ট পরীক্ষা শেষ হওয়ার দিনই প্রতিটি বিষয়ের প্রশ্নপত্রের স্ক্যান করা কপি এবং সম্পাদনা করা যায় এমন সফট কপি নির্দিষ্ট ইমেল ঠিকানায় পাঠাতে হবে। সেই ইমেল ঠিকানাও জানিয়ে দিয়েছে পর্ষদ।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রশ্নপত্র তৈরির সম্পূর্ণ দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট স্কুলের বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকদের। কোনও ভাবেই একাধিক স্কুল মিলে যৌথভাবে প্রশ্নপত্র তৈরি করতে পারবে না। কোনও বাইরের সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের সাহায্য নিয়েও প্রশ্ন তৈরি করা যাবে না। অর্থাৎ, প্রতিটি স্কুলকে নিজেদের উদ্যোগেই সব বিষয়ের প্রশ্নপত্র তৈরি করতে হবে।প্রশ্নপত্রের বিষয়বস্তু নিয়েও সতর্ক করেছে পর্ষদ। কোনও প্রশ্নে যাতে বিতর্ক তৈরি হতে পারে, এমন বিষয় রাখা যাবে না। যে প্রশ্নের কারণে রাজ্য সরকার বা পর্ষদকে অস্বস্তিতে পড়তে হতে পারে, তা এড়িয়ে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, এই নিয়মের কোনও ব্যতিক্রম হলে সংশ্লিষ্ট স্কুলের প্রধান শিক্ষক বা প্রধান শিক্ষিকাকেই দায় নিতে হবে।পর্ষদের এই নির্দেশ সামনে আসতেই স্কুলগুলির মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল এই নির্দেশের সমালোচনা করেছেন। তাঁর বক্তব্য, আগের সরকারের মতো বর্তমান সরকারও টেস্ট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র নিয়ে আশঙ্কায় রয়েছে। তাঁর আরও প্রশ্ন, স্কুলের প্রধান শিক্ষক বা প্রধান শিক্ষিকারা কি সব বিষয়ের বিশেষজ্ঞ? যদি না হন, তা হলে প্রশ্নপত্র নিয়ে কোনও সমস্যা হলে তাঁদের দায়ী করা হবে কেন?তবে এই নির্দেশিকা নিয়ে শিক্ষক সংগঠনের তরফে প্রশ্ন উঠলেও, বিষয়টি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের পক্ষ থেকে এখনও আলাদা করে কোনও বক্তব্য জানানো হয়নি। ২০২৭ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষার আগে টেস্ট পরীক্ষা নিয়ে পর্ষদের এই নতুন নির্দেশ স্কুলগুলির কাছে কতটা কার্যকর হয়, এখন সেটাই দেখার।

নভেম্বর ০৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের টিকিটের জন্য হুড়োহুড়ি! আবেদন করলেন ৮৪ লক্ষ, মাঠে ঢুকতে পারবেন মাত্র ৩৪ হাজার

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বেই মুখোমুখি ভারত ও পাকিস্তান। আগামী বছরের ১০ অক্টোবর জোহানেসবার্গে মুখোমুখি হবে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী। এই ম্যাচ ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের উন্মাদনা যে কতটা, তা স্পষ্ট টিকিটের আবেদনের পরিসংখ্যানে। মাঠে বসে খেলা দেখার সুযোগ পাবেন মাত্র ৩৪ হাজার দর্শক। অথচ ইতিমধ্যেই টিকিটের জন্য আবেদন করেছেন অন্তত ৮৪ লক্ষ মানুষ! অর্থাৎ মাঠের আসনসংখ্যার প্রায় ২৪৭ গুণ আবেদন জমা পড়েছে।মাসখানেক আগে ২০২৭ সালের এক দিনের বিশ্বকাপের সূচি ঘোষণা করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা। ৭ অক্টোবর অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে ভারত। তার ঠিক তিন দিন পর, ১০ অক্টোবর পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে তারা। জোহানেসবার্গে আয়োজিত হবে এই বহু প্রতীক্ষিত ম্যাচ। টিকিটের চাহিদার নিরিখে ইতিমধ্যেই বাকি ম্যাচগুলিকে ছাপিয়ে গিয়েছে ভারত-পাকিস্তান লড়াই।এই বিশ্বকাপের ফাইনালও হবে জোহানেসবার্গের একই মাঠে। ২০০৭ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালেও এই মাঠে মুখোমুখি হয়েছিল ভারত ও পাকিস্তান। মহেন্দ্র সিংহ ধোনির নেতৃত্বে সেবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ভারত। জানা গিয়েছে, ২০২৭ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালের টিকিটের জন্যও আবেদন করেছেন অন্তত ৭৯ লক্ষ মানুষ। তবে সেই সংখ্যাকেও ছাপিয়ে গিয়েছে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের চাহিদা।ভারতের অন্য ম্যাচগুলির টিকিট নিয়েও আগ্রহ কম নয়। গ্রুপ পর্বে ভারতের প্রথম তিনটি ম্যাচের টিকিটের জন্যও বিপুল আবেদন জমা পড়েছে। গ্রুপ পর্বের পাশাপাশি সুপার সেভেন পর্বের ম্যাচগুলির টিকিটের জন্যও আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। সম্ভাব্য দলগুলির বিন্যাস আগেই জানিয়ে দিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা। ফলে কোন ম্যাচে কোন দল মুখোমুখি হতে পারে, তা আন্দাজ করে আগেভাগেই পরিকল্পনা করছেন সমর্থকেরা।ভারত ও পাকিস্তান দুদলই সুপার সেভেন পর্বে উঠলে ৭ নভেম্বর ফের মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই ম্যাচের টিকিটের জন্যও আবেদন শুরু করেছেন ক্রিকেটপ্রেমীরা। আগামী ২১ নভেম্বর পর্যন্ত টিকিটের আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। ফলে আবেদনকারীর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

নভেম্বর ০৩, ২০২৬
দেশ

একসময় কংগ্রেসের তুরুপের তাস ছিলেন কানহাইয়া, এখন তাঁর জায়গায় নেহা? কী বদলাচ্ছে হাত শিবিরে?

এক সময় দেশের বামপন্থী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম পরিচিত মুখ ছিলেন কানহাইয়া কুমার। ছাত্র আন্দোলনের মঞ্চে তাঁর জ্বালাময়ী বক্তৃতা এবং রাজনৈতিক বক্তব্য তাঁকে দ্রুত জাতীয় রাজনীতির পরিচিত মুখ করে তুলেছিল। পরে কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার পর তাঁকে ঘিরে দলের অন্দরে অনেক প্রত্যাশা তৈরি হয়। কিন্তু সেই প্রত্যাশা কি এখন ফিকে হয়ে এসেছে? রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, কংগ্রেসে ক্রমশ গুরুত্ব হারাচ্ছেন কানহাইয়া। অন্য দিকে, দলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সামনে আসছেন আর এক বামপন্থী ছাত্রনেত্রী নেহা বোরার। রাহুল গান্ধী এবং কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা নিয়েও শুরু হয়েছে আলোচনা।দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রাজনীতি থেকে উঠে আসা নেহা এখন দেশের বামপন্থী ছাত্র আন্দোলনের পরিচিত মুখ। নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগের প্রতিবাদে দিল্লির যন্তর মন্তরে আন্দোলনের সময় তিনি নজরে আসেন। সেই সময় পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুকের সঙ্গে দিল্লিতে দীর্ঘ অনশনেও অংশ নিয়েছিলেন তিনি। টানা অনশনের কারণে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছিল বলে জানা যায়।এর পরেও একাধিক ছাত্র আন্দোলনে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সর্বভারতীয় সভাপতি নেহা। বিভিন্ন ইস্যুতে তাঁর সক্রিয়তা তাঁকে দেশের ছাত্র রাজনীতিতে পরিচিতি দিয়েছে। সম্প্রতি জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বিরোধীদের আন্দোলনেও তাঁকে সক্রিয় দেখা গিয়েছে। কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীর সুপ্রিম কোর্ট অভিযানেও সামনে ছিলেন নেহা। ওই কর্মসূচিতে তাঁকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত।সম্প্রতি কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গের বাসভবনে আয়োজিত নকল সংসদ কর্মসূচিতে অংশ নেন নেহা। পরের দিন দিল্লির রামলীলা ময়দানে বিরোধী জোটের সমাবেশেও বক্তৃতা করেন তিনি। সেখানে নির্বাচন কমিশন এবং নরেন্দ্র মোদী সরকারের সমালোচনা করেন এই ছাত্রনেত্রী। তাঁর বক্তৃতা ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে ওই মঞ্চে এক সময়ের পরিচিত ছাত্রনেতা কানহাইয়া কুমারকে দেখা যায়নি। কংগ্রেসের অন্য ছাত্র ও যুব নেতাদেরও তেমন গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না বলে দলের অন্দরে আলোচনা চলছে।এক সময় রাহুল গান্ধীর উদ্যোগেই সিপিআই ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দিয়েছিলেন কানহাইয়া। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের টিকিটে দিল্লি থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও জিততে পারেননি তিনি। পরে দলের ছাত্র সংগঠন এনএসইউআইয়ের পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব পান। কিন্তু দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে সংগঠনের ফল আশানুরূপ হয়নি। দলের একটি অংশের অভিযোগ, সেখানে এনএসইউআইয়ের খারাপ ফলের পর কানহাইয়ার উপর অসন্তুষ্ট হন কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব। এই ঘটনার পর থেকেই দলের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বেড়েছে বলে দাবি রাজনৈতিক মহলের একাংশের।এই পরিস্থিতিতে নেহার উত্থানকে অনেকেই কানহাইয়ার সঙ্গে তুলনা করছেন। তাঁদের মতে, কংগ্রেসের যুব রাজনীতিতে কানহাইয়ার যে জায়গা এক সময় ছিল, সেই জায়গায় এখন নেহাকে দেখা যেতে পারে। যদিও এ বিষয়ে কংগ্রেসের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য সামনে আসেনি।তবে নেহাকে ঘিরে কংগ্রেসের অন্দরে সকলেই যে খুশি, তা নয়। দলের একাংশের মধ্যে বামপন্থী ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা নিয়ে অস্বস্তি রয়েছে বলে খবর। আবার নেহার সংগঠন আইসা-কে নিয়ে বিরোধীদের একাংশের সমালোচনাও রয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, তরুণ ছাত্রনেতাদের সামনে এনে দলের রাজনৈতিক জমি শক্ত করার চেষ্টা কংগ্রেসের কাছে নতুন নয়। তবে সময়ের সঙ্গে সেই নেতাদের গুরুত্ব কমে যাওয়ার অভিযোগও বার বার উঠেছে।নেহার রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও বিতর্ক রয়েছে। তিনি উমর খালিদের মুক্তির দাবিতে সরব হয়েছেন। এই অবস্থানকে কেন্দ্র করে ভবিষ্যতে বিজেপি কংগ্রেসকে আক্রমণ করার রাজনৈতিক সুযোগ পেতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকদের একাংশ। অতীতেও কানহাইয়াকে ঘিরে একই ধরনের রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। ফলে নেহার সঙ্গে কংগ্রেসের ঘনিষ্ঠতা বাড়লে সেই বিষয়টি জাতীয় রাজনীতিতে নতুন বিতর্কের জন্ম দিতে পারে।সব মিলিয়ে প্রশ্ন উঠছে, কংগ্রেস কি সত্যিই কানহাইয়া কুমারের বদলে নেহা বোরাকে সামনে আনার চেষ্টা করছে? নাকি বিরোধী আন্দোলনের মঞ্চে নেহার সক্রিয় উপস্থিতিকে ঘিরেই তৈরি হয়েছে এই জল্পনা? রাহুল গান্ধীর সঙ্গে তাঁর রাজনৈতিক সমীকরণ আগামী দিনে কোন দিকে এগোয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

নভেম্বর ০৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal