• ২ শ্রাবণ ১৪৩৩, সোমবার ২০ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

CM

রাজ্য

Mamata Bannerjee: বাধা বৃষ্টি, স্থগিত মুখ্যমন্ত্রীর উত্তরবঙ্গ সফর

বঙ্গে পা রেখেই ঝোড়ো ইনিংস শুরু করেছে বর্ষা (Monsoon)। তার উপর আবার নিম্নচাপ। দুয়ের চাপে রাজ্যজুড়ে চলছে দুর্যোগ। একটানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন বহু এলাকা। চিন্তা বাড়াচ্ছে নদীর জলস্তর বৃদ্ধিও। শনিবার পর্যন্ত এমন আবহাওয়া জারি থাকবে বলেই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। খারাপ আবহাওয়ার কারণে তাই উত্তরবঙ্গ সফর আপাতত স্থগিত করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।আগামী ২১ জুন উত্তরবঙ্গ সফরে যাওয়ার কথা ছিল মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee)। তৃতীয়বার বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেওয়ার পর এটাই ছিল তাঁর প্রথম উত্তরবঙ্গ সফর। তাই এবারের উত্তরবঙ্গ সফর বেশ গুরুত্বপূর্ণ ছিল। গত লোকসভার মতো বিধানসভা নির্বাচনে উত্তরবঙ্গে বেশ কঠিন লড়াই করতে হয়েছে ঘাসফুল শিবিরকে। হাতছাড়া হয়েছে বহু আসন। তাই মনে করা হচ্ছে কী কারণে ভোটবাক্সের এমন অবস্থা হল, তা খতিয়ে দেখতেই মুখ্যমন্ত্রীর উত্তরবঙ্গ সফর। তাছাড়া উত্তরবঙ্গে প্রায়শই দলীয় কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ-বিক্ষোভের কথা শোনা যায়। তা প্রশমন করাও লক্ষ্য ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এছাড়া দলনেত্রীর উত্তরবঙ্গ সফর স্থানীয় দলীয় কর্মীদের মনোবল যে বেশ খানিকটা বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট, তা নিয়ে নতুন করে কিছুই বলার নেই। এছাড়াও এবারের উত্তরবঙ্গ সফরে পাঁচ জেলার প্রশাসনিক আধিকারিকদের নিয়ে শিলিগুড়িতে বৈঠকেরও কথা ছিল মুখ্যমন্ত্রীর। সেক্ষেত্রে আধিকারিকদের নিজস্ব জায়গা ছেড়ে শিলিগুড়িতে আসতে হত। তার ফলে ত্রাণ এবং প্রবল বৃষ্টিতে বিপর্যস্তদের উদ্ধারকাজ থমকে যেতে পারে, তাই উত্তরবঙ্গ সফর স্থগিতের সিদ্ধান্ত বলেই জানিয়েছেন গৌতম দেব।

জুন ১৮, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Shooting: বন্ধ বাংলা ধারাবাহিকের শুটিং, টলিপাড়ার কপালে চিন্তার ভাঁজ

সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী ৫০ জনকে নিয়ে বুধবার থেকেই শুরু হয়েছিল মেগা ধারাবাহিকের শুটিং (Shooting)। অভিযোগ, কিছুক্ষণের মধ্যেই থমকে গেল শুটিং। রীতিমতো হুমকি দিয়ে কলাকুশলী এবং ভেন্ডারদের ধারাবাহিকের প্রয়োজনীয় সামগ্রী দিতে ফেডারেশন বারণ করেছে বলে অভিযোগ। তার ফলে অনিশ্চিত মিঠাই, খড়কুটো, অপরাজিতা অপু-সহ ২০টি ধারাবাহিকের কলাকুশলীদের ভবিষ্যৎ।বুধবার বিকেলে প্রযোজক, বিভিন্ন চ্যানেল কর্তা এবং আর্টিস্ট ফোরাম যৌথ সাংবাদিক সম্মেলন করে। ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন প্রোডিউসর্স-এর সভাপতি শৈবাল বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, কাজ বন্ধ থাকলে গোটা ইন্ডাস্ট্রিরই ক্ষতি হচ্ছে। তাও কেন ফেডারেশন কাজ বন্ধ করে দিল, তা বোঝা যাচ্ছে না। মুখ্যমন্ত্রী বাড়ি থেকে কাজকে মান্যতা দিলেও কেন ফেডারেশন তার বিরোধিতা করছে, সাংবাদিক সম্মেলনে সেই প্রশ্ন তোলে প্রযোজক, বিভিন্ন চ্যানেল কর্তা এবং আর্টিস্ট ফোরাম (Artist Forum)। সমস্যা সমাধানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।করোনা মোকাবিলায় রাজ্যজুড়ে কড়া বিধিনিষেধ জারি করা হয়। তার ফলে আচমকাই বন্ধ হয়ে যায় শুটিং। সেই সময় শুটিং ফ্রম হোম শুরু হয়। নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও শুটিং চলায় ফেডারেশনের রোষের শিকার হয় কৃষ্ণকলি, তিতলি, অপরাজিতা অপু, গ্রামের রাণী বীণাপাণি, বরণ, খেলাঘর, যমুনা ঢাকি, গঙ্গারাম, জীবন সাথী, মিঠাই, সাঁঝের বাতি, খড়কুটো, শ্রীময়ী, মোহর, দেশের মাটি, রিমলি, ওগো নিরুপমা, ফেলনা, কি করে বলবো তোমায়, ধ্রুবতারা-সহ ২০টি ধারাবাহিকের কলাকুশলীরা। ফেডারেশনের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, নতুন চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত কোনও টেকনিশিয়ান নির্দিষ্ট ২০টি ধারাবাহিকে কাজ করতে পারবেন না। সেই অনুযায়ী রাজ্যে বিধিনিষেধ কিছুটা শিথিল হলেও টলিপাড়ার ছবিটা রইল একইরকম।

জুন ১৭, ২০২১
কলকাতা

Dhankhar: মুখ্যমন্ত্রীকে কড়া চিঠি ক্ষুব্ধ রাজ্যপালের

ফের রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে সরব রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড় (WB Governor Jagdeep Dhankar)। দিল্লি সফরের আগে সোমবার কড়া ভাষায় চিঠি দিলেন তিনি। সেই চিঠিতে একদিকে যেমন হিংসা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (CM Mamata Banerjee) বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন তিনি। তেমনই গত ১৭ মে সিবিআই দপ্তরে মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতি নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রাজ্যপাল। ওই দিনের ঘটনাপ্রবাহকে গণতন্ত্রে নজিরবিহীন বলে কটাক্ষ করেছেন ধনখড়। সবমিলিয়ে ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে ফের একবার সম্মুখ সমরে মুখ্যমন্ত্রী-রাজ্যপাল। তবে ধনখড়ের এই চিঠি নিয়ে পালটা সরব হয়েছে তৃণমূল নেতৃত্বও। সোমবার সকালেই রাজ্যপাল নিজেই জানিয়েছেন তিনি দিল্লি যাচ্ছেন। তার আগে এদিন বিকেলে মুখ্যমন্ত্রীকে কড়া ভাষায় চিঠি দিলেন রাজ্যপাল। টুইটারে সেই চিঠি পোস্টও করেছেন ধনখড়। সঙ্গে লিখেছেন, ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে নীরবতা ভাঙুক মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা সামাল দিক তিনি। দুর্গতদের ত্রাণেরও ব্যবস্থা করুন। দ্রুত এ নিয়ে আলোচনায় বসুন মুখ্যমন্ত্রী। এখানেই শেষ নয়, পরের টুইটে ধনখড় লিখেছেন, রাজ্যে চরম রাজনৈতিক হিংসা, মহিলাদের উপর অত্যাচার, মানবাধিকার লঙ্ঘন, রাজনৈতিক বিরোধীদের উপর অত্যাচারের মতো ঘটনা ঘটছে। স্বাধীনতার পরবর্তী সময় সবচেয়ে খারাপ সময় এবং গণতন্ত্রের পক্ষে অশুভ। চিঠিতেও নির্বাচন পরবর্তী নিজের নন্দীগ্রাম, শীতলকুচি পরিদর্শনের অভিজ্ঞতাও তুলে ধরেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়।একইসঙ্গে নারদকাণ্ডে দুই মন্ত্রী-সহ চারজনের গ্রেপ্তারির পর সিবিআই দপ্তর নিজাম প্যালেসে মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতি নিয়েও ক্ষুব্ধ রাজ্যপাল। তিনি লিখেছেন, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম বলছে ওইদিন আপনি চারজনের মুক্তির দাবি জানিয়েছিলেন। ওই দিন যা যা ঘটেছে তা গণতন্ত্রে নজিরবিহীন ঘটনা। এরপরই তিনি মুখ্যমন্ত্রীকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলেছেন রাজ্যপাল।

জুন ১৫, ২০২১
রাজ্য

Lockdown: ১ জুলাই পর্যন্ত বাড়ল কার্যত লকডাউন, কোন কোন ক্ষেত্রে নিয়ম শিথিল, জানুন

করোনার কড়া বিধিনিষেধের মেয়াদ আরও ১৫দিন বাড়ল রাজ্যে। তবে একাধিক ক্ষেত্রে মিলল ছাড়। যদিও এখনই লোকাল ট্রেন, মেট্রো বা গণপরিবহণ চলাচলে ছাড় দেয়নি রাজ্য। তবে দোকান, বাজার, অফিসের মতো জন পরিষেবার ক্ষেত্রে বেশ কিছু ছাড় দেওয়া হয়েছে। সোমবার সাংবাদিক সম্মেলন করে সেই সমস্ত তথ্য জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee)। আগামী ১৫ দিন কী করা যাবে আর কী করা যাবে না, রইল তার তালিকা।১৬ মে থেকে বিধিনিষেধ সংক্রান্ত নতুন নির্দেশিকা জারি করল রাজ্য। ২৫ শতাংশ কর্মীদের উপস্থিতি নিয়ে সমস্ত সরকারি অফিস চলবে। বেসরকারি অফিস ১০-৪ টে থেকে খোলা। ২৫ শতাংশ কর্মী উপস্থিত থাকতে পারেন। কর্মীদের জন্য পরিবহণের ব্যবস্থা করবে অফিস। ই-পাসের ব্যবস্থা থাকবে। প্রাতঃভ্রমণের জন্য সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত পার্ক খোলা। টিকা নিয়েছেন, এমন ব্যক্তিরাই মর্নিং ওয়াকে বেরনোর অনুমতি পাবেন। টিকার দুটি ডোজ সম্পূর্ণ হলে তবেই ঢোকা যাবে পার্কে। বাজার খোলা সকাল ৭টা থেকে ১১টা পর্যন্ত। অন্যান্য দোকান খোলা থাকবে ১১-৬ টা পর্যন্ত। রেস্তরাঁ-বার, শপিং মল,হোটেল ১২টা থেকে ৮টা পর্যন্ত খোলা। শপিং মল ১১-৬টা পর্যন্ত খোলা, ২৫ শতাংশের বেশি কর্মী হাজির থাকতে পারবেন না। একসঙ্গে ঢুকতে পারবেন সর্বাধিক ৩০ শতাংশ ক্রেতা। স্টেডিয়ামে খেলা হতে পারে। তবে দর্শক থাকতে পারবেন না। প্রতি শুটিং ইউনিটে ৫০ জন সদস্য হাজির থাকতে পারবেন। প্রত্যেকের টিকাকরণ সম্পূর্ণ হতে হবে। স্কুল-কলেজ-সহ সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ। লোকাল ট্রেন, মেট্রো পরিষেবা বন্ধ। বন্ধ বাসও। জরুরি পরিষেবা ছাড়া ট্যাক্সি, অটো বন্ধ। সামাজিক-রাজনৈতিক জমায়েত বন্ধ। সিনেমা হল, বিউটি পার্লার, স্পা বন্ধ। বিয়েতে সর্বাধিক ৫০ জন হাজির থাকতে পারবেন। শেষকৃত্যে ২০ জনের বেশি নয়। ব্যাংক ১০টা থেকে দুপুর ২ টো পর্যন্ত খোলা। রাত ৯টা থেকে সকাল ৫টা পর্যন্ত কোনও গাড়ি চলবে না। জরুরি কাজ ছাড়া বাইরে বেরনো যাবে না।

জুন ১৪, ২০২১
রাজ্য

Lockdown: ১ জুলাই পর্যন্ত বাড়ল কার্যত লকডাউন, কোন কোন ক্ষেত্রে নিয়ম শিথিল, জানুন

করোনার কড়া বিধিনিষেধের মেয়াদ আরও ১৫দিন বাড়ল রাজ্যে। তবে একাধিক ক্ষেত্রে মিলল ছাড়। যদিও এখনই লোকাল ট্রেন, মেট্রো বা গণপরিবহণ চলাচলে ছাড় দেয়নি রাজ্য। তবে দোকান, বাজার, অফিসের মতো জন পরিষেবার ক্ষেত্রে বেশ কিছু ছাড় দেওয়া হয়েছে। সোমবার সাংবাদিক সম্মেলন করে সেই সমস্ত তথ্য জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee)। আগামী ১৫ দিন কী করা যাবে আর কী করা যাবে না, রইল তার তালিকা।১৬ মে থেকে বিধিনিষেধ সংক্রান্ত নতুন নির্দেশিকা জারি করল রাজ্য। ২৫ শতাংশ কর্মীদের উপস্থিতি নিয়ে সমস্ত সরকারি অফিস চলবে। বেসরকারি অফিস ১০-৪ টে থেকে খোলা। ২৫ শতাংশ কর্মী উপস্থিত থাকতে পারেন। কর্মীদের জন্য পরিবহণের ব্যবস্থা করবে অফিস। ই-পাসের ব্যবস্থা থাকবে। প্রাতঃভ্রমণের জন্য সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত পার্ক খোলা। টিকা নিয়েছেন, এমন ব্যক্তিরাই মর্নিং ওয়াকে বেরনোর অনুমতি পাবেন। টিকার দুটি ডোজ সম্পূর্ণ হলে তবেই ঢোকা যাবে পার্কে। বাজার খোলা সকাল ৭টা থেকে ১১টা পর্যন্ত। অন্যান্য দোকান খোলা থাকবে ১১-৬ টা পর্যন্ত। রেস্তরাঁ-বার, শপিং মল,হোটেল ১২টা থেকে ৮টা পর্যন্ত খোলা। শপিং মল ১১-৬টা পর্যন্ত খোলা, ২৫ শতাংশের বেশি কর্মী হাজির থাকতে পারবেন না। একসঙ্গে ঢুকতে পারবেন সর্বাধিক ৩০ শতাংশ ক্রেতা। স্টেডিয়ামে খেলা হতে পারে। তবে দর্শক থাকতে পারবেন না। প্রতি শুটিং ইউনিটে ৫০ জন সদস্য হাজির থাকতে পারবেন। প্রত্যেকের টিকাকরণ সম্পূর্ণ হতে হবে। স্কুল-কলেজ-সহ সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ। লোকাল ট্রেন, মেট্রো পরিষেবা বন্ধ। বন্ধ বাসও। জরুরি পরিষেবা ছাড়া ট্যাক্সি, অটো বন্ধ। সামাজিক-রাজনৈতিক জমায়েত বন্ধ। সিনেমা হল, বিউটি পার্লার, স্পা বন্ধ। বিয়েতে সর্বাধিক ৫০ জন হাজির থাকতে পারবেন। শেষকৃত্যে ২০ জনের বেশি নয়। ব্যাংক ১০টা থেকে দুপুর ২ টো পর্যন্ত খোলা। রাত ৯টা থেকে সকাল ৫টা পর্যন্ত কোনও গাড়ি চলবে না। জরুরি কাজ ছাড়া বাইরে বেরনো যাবে না।

জুন ১৪, ২০২১
রাজ্য

‘প্রধানমন্ত্রীর পায়ে পড়তে হবে না, সংবিধানটুকু মেনে চলুন’

অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় যশ বিধ্বস্ত এলাকা পুনর্গঠনে প্রধানমন্ত্রী-মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠক এই মুহূ্র্তে রাজনীতির অন্যতম আলোচ্য বিষয়। শনিবার দুপুরে সাংবাদিক বৈঠক করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ব্যাখ্যা করেছেনু শুক্রবারের বৈঠকে ঠিক কী কী ঘটেছিল। তার ঠিক পরেই পালটা একটি সাংবাদিক বৈঠক করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী , যশ বৈঠকে যাঁর উপস্থিতি নিয়ে আপত্তি তুলেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুভেন্দু স্পষ্ট অভিযোগ করলেন, সংবিধান মানছেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর আচরণ অতীব দুঃখজনক, লজ্জাজনক। প্রাক্তন দলনেত্রীর প্রতি তাঁর পরামর্শ, সংবিধান মেনে চলুন। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে বসে মুখ্যমন্ত্রী প্রথমেই অভিযোগ তোলেন, তাঁকে বদনাম এবং অপমান করার জন্য দিল্লির বিজেপি নেতারা টুইটারে এই বৈঠক নিয়ে নানা তথ্য ছড়াচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরও একপেশে খবর দিচ্ছ। কিন্তু আসল বিষয়টা কী, তা জনসমক্ষে আনতেই তাঁর এই সাংবাদিক বৈঠক। মমতা আরও বলেন, রাজ্যর প্রয়োজনে, রাজ্যবাসীর প্রয়োজনে আমি প্রধানমন্ত্রীর পায়েও পড়তে পারি। কিন্তু এভাবে অপমান করবেন না। এই কথার জবাব দিতে গিয়ে শুভেন্দুর বক্তব্য, প্রধানমন্ত্রীর পায়ে পড়ার দরকার নেই, আপনি সংবিধানটুকু মেনে চলুন, তাহলেই হবে।বিপর্যয় মোকাবিলা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী-মুখ্যমন্ত্রীর একান্ত আলোচনায় কেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতাকে ডাকা হল কেন? প্রশ্ন তুলে বৈঠক এড়িয়ে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই অভিযোগে বারংবার তাঁকে বিদ্ধ করা হচ্ছিল। তা নিয়ে এদিন মুখ্যমন্ত্রী আরও জোরদার প্রশ্ন তুলে দেন, গুজরাত কিংবা ওডিশা দুর্যোগ পরিস্থিতি পরিদর্শনে গিয়ে বৈঠকের সময় সেখানকার বিরোধী দলনেতাদের কেন ডাকা হয় না আর বাংলায় এসে কেন এত গুরুত্ব দেওয়া হয়? এর জবাবে শুভেন্দুর দাবি, উনি ঠিকমতো জানেন না। ওডিশার যশ বৈঠকে সেখানকার বিরোধী দলনেতাকেও ডাকা হয়েছিল। উনি কোভিড পজিটিভ হওয়ায় বৈঠকে যোগ দিতে পারেননি।প্রাক্তন মন্ত্রীর আরও দাবি, শুক্রবার কলাইকুণ্ডার বৈঠকে আমন্ত্রিত ছিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরীও। আসলে ক্ষতির বিষয়টি জানতে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট সবাইকেই ডেকেছিলেন। এতে রাজনীতির কিছু ছিল না। বরং মুখ্যমন্ত্রী এবং মুখ্যসচিবের আচরণ প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে চরম অবমাননাকর বলে দাবি নন্দীগ্রামে বিধায়কের।

মে ২৯, ২০২১
রাজনীতি

মোদির পর্যালোচনা বৈঠকে গরহাজিরা, মমতার সমালোচনা অমিত- ধনখড়-রাজনাথের

রাজ্যে ঘূর্ণিঝড় যশ-এর ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পর্যালোচনা বৈঠকে অংশ না নেওয়ায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমালোচনা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, বিজেপি-র সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নড্ডা এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজনাথ সিংও বিষয়টি নিয়ে মমতার সমালোচনা করেছেন। টুইটারে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে দেশের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর অবমাননার অভিযোগ করেছেন তাঁরা সকলেই।শুক্রবার পশ্চিম মেদিনীপুরের কলাইকুন্ডায় নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা করে যশ-এর ক্ষয়ক্ষতির রিপোর্ট দেন মমতা। কিন্তু পর্যালোচনা বৈঠকে অংশ নেননি তিনি। যদিও মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, পূর্ব মেদিনীপুরের ঘূর্ণিঝড় বিধ্বস্ত দিঘায় পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচির কারণেই তিনি প্রধানমন্ত্রীর পর্যালোচনা বৈঠকে যোগ দিতে পারেননি। মুখ্যমন্ত্রীর অনুপস্থিতি প্রসঙ্গে অমিত টুইটারে লেখেন, মুখ্যমন্ত্রীর আজকের আচরণ দুর্ভাগ্যজনক ভাবে নিম্নস্তরের। ঘূর্ণিঝড় যশ বহু নাগরিকের উপর প্রভাব ফেলেছে। এখন ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য করার সময়। দুর্ভাগ্যজনক ভাবে দিদি তাঁর অহংবোধকে জনস্বার্থের ঊর্ধ্বে স্থান দিয়েছেন। আজকের নিচু স্তরের আচরণ তারই প্রতিফলন।রাজ্যপাল এ প্রসঙ্গে টুইটারে লেখেন, ঘূর্ণিঝড় যশ-এর ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে পর্যালোচনা বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী এবং তাঁর আধিকারিকেরা অংশ নেননি। এটি আসলে সংবিধান এবং যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাকে বয়কট। অবশ্যই এমন পদক্ষেপের ফলে জাতীয় স্বার্থ বা রাজ্যের স্বার্থ রক্ষিত হয়নি। শুভেন্দু টুইটারে লেখেন, আজ ভারতের দীর্ঘলালিত সহযোগিতমূলক যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর একটি কালো দিন। সেই সঙ্গে সরাসরি পর্যালোচনা বৈঠকের প্রসঙ্গ উল্লেখ না করে শুভেন্দু লিখেছেন, মুখ্যমন্ত্রী ফের দেখালেন পশ্চিমবঙ্গের মানুষের দুর্দশার প্রতি তিনি সংবেদনশীল নন। প্রসঙ্গত, মুখ্যমন্ত্রী না থাকলেও কলাইকুণ্ডায় প্রধানমন্ত্রীর পর্যালোচনা বৈঠকে হাজির ছিলেন ধনখড় এবং শুভেন্দু। নাড্ডা শুক্রবার বৈঠকে মমতার অনুপস্থিতির প্রসঙ্গে লেখেন, যখন আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজি ঘূর্ণিঝড় যশ-এর ক্ষতিগ্রস্ত বাংলার মানুষের পাশে দৃঢ় ভাবে দাঁড়িয়েছেন, তখন মমতাজির উচিত ছিল, জনগণের কল্যাণে নিজের অহংবোধ বিসর্জন দেওয়া। প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে বৈঠকে তাঁর অনুপস্থিতি হল সাংবিধানিক নীতি আর সহযোগিতামূলক যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার হত্যা। অন্যদিকে, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের টুইট পশ্চিমবঙ্গে আজকের ঘটনা মর্মস্পর্শী। মুখ্যমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রী কোনও ব্যক্তি নন, প্রতিষ্ঠান। দুজনেই জনসেবা সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন এবং সংবিধানের আনুগত্যের শপথ নেন।আপৎকালীন পরিস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গের জনগণকে সাহায্য করার জন্য প্রধানমন্ত্রী আসার পর তাঁর সঙ্গে যে ধরনের আচরণ করা হল তা যন্ত্রণাদায়ক। জনসেবামূলক কাজের জন্য সাংবিধানিক কর্তব্য পালনের উপরে রাজনৈতিক মতভেদকে প্রাধান্য দেওয়ার একটি দুর্ভাগ্যজনক উদাহরণ এটি। যা ভারতবর্ষের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর মূল ভাবনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

মে ২৯, ২০২১
কলকাতা

করোনা আক্রান্ত সস্ত্রীক বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য

এবার করোনা আক্রান্ত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য । মারণ ভাইরাস থাবা বসিয়েছে তাঁর স্ত্রীর শরীরেও। মীরাদেবীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও বাড়িতেই আইসোলেশনে রয়েছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। সম্প্রতি তাঁর শরীরে করোনার একাধিক উপসর্গ দেখা দেয়। স্ত্রী মীরা ভট্টাচার্যেরও উপসর্গ ছিল। সেই কারণেই ঝুঁকি না নিয়ে করোনা পরীক্ষা করান তাঁরা। দুজনেরই রিপোর্ট আসে পজিটিভ। বুদ্ধদেববাবুর অবস্থা স্থিতিশীল। তবে মীরাদেবী অক্সিজেন স্যাচুরেশন ৮০-৮৫ মধ্যে ঘোরাফেরা করছে বলেই খবর। সেই কারণে তাঁকে ভর্তি করা হয়েছে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে। সেখানেই চিকিৎসা চলছে তাঁর। করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে কার্যত বিপর্যস্ত দেশবাসী। রাজ্যেও লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। ইতিমধ্যেই বহু রাজনীতিবিদের শরীরে থাবা বসিয়েছে করোনা। বহু বিশিষ্টজনের মৃত্যুও হয়েছে। পরিস্থিতিত মোকাবিলায় ঝাঁপিয়ে পড়েছে রাজ্য। একাধিক ক্ষেত্রে জারি হয়েছে নিষেধাজ্ঞা।

মে ১৯, ২০২১
কলকাতা

সারাদিন তৃণমূল কর্মীদের তাণ্ডব, আইনশৃঙ্খলা নিয়ে ফের টুইট রাজ্যপালের

রাজ্যের আইনশৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ রাজ্য ও কলকাতা পুলিশ। পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ট্যাগ করে এই ট্যুইট করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। প্রসঙ্গত ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্রকে সিবিআই গ্রেপ্তার করার পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্যপালের এই টুইট।রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় সোমবার সিবিআই-র রাজ্যের মন্ত্রী, বিধায়কদের গ্রেপ্তারির পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে একাধিক টুইট করেছেন। আর সেই টুইটে তিনি স্পষ্ট লিখেছেন রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছে। সম্পূর্ণ নৈরাজ্য চলছে। রাজ্য পুলিশ ও কলকাতা পুলিশ কোনও উপযুক্ত ব্যবস্থা নিচ্ছে না। পরিস্থিতি খুবই উদ্বেগজনক। এই টুইট তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ট্যাগ করেছেন। তিনি তাঁর টুইটে লিখেছেন, এই অস্থির পরিস্থিতিকে কঠোর হাতে নিয়ন্ত্রণ করা দরকার। এর পরের টুইটে রাজ্যপাল লেখেন, সম্পূর্ণ বেআইনি পরিস্থিতি ও নৈরাজ্য চলছে। পুলিশ ও প্রশাসন নীরব রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীকে ট্যাগ করে এই টুইটে রাজ্যপাল লেখেন, আমি আশা করবো প্রশাসন রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুনরুদ্ধারে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে। এই পরিস্থিতি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও সাংবিধানিক বিপর্যয়ের ঘটনা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে।এখন সময় হয়েছে মুহূর্তে মুহূর্তে সৃষ্টি হওয়া বিস্ফোরক পরিস্থিতিকে দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা। এর পর সিবিআই অফিসার সামনে তৃণমূল সমর্থকদের বিক্ষোভের সমালোচনা করেন রাজ্যপাল। তিনি লেখেন, এই পরিস্থিতিতে রাজ্য পুলিশ ও কলকাতা পুলিশের দর্শকের ভূমিকা উদ্বেগজনক। রাজ্য প্রশাসনকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার অনুরোধ জানাচ্ছি।

মে ১৭, ২০২১
কলকাতা

‘সংবিধান মেনেই কাজ করছি’, মুখ্যমন্ত্রীকে কড়া জবাব রাজ্যপালের

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃতীয়বার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পরই ফের রাজভবন-নবান্নের সংঘাত শুরু হয়ে গিয়েছে। ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী তথা রাজ্য সরকারের উপর ক্ষুব্ধ রাজ্যপাল শীতলকুচি-সহ হিংসা কবলিত এলাকাগুলিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিতেই সেই সংঘাতের আগুনে ঘৃতাহুতি পড়েছে। শুরু হয়েছে পত্রবোমা আদানপ্রদান। গতকালই প্রথাভেঙে শীতলকুচি সফর নিয়ে জগদীপ ধনকড়কে কড়া চিঠি লিখেছেন মুখ্যমন্ত্রী। পালটা মমতাকে জবাব দিলেন ধনকড়ও। দাবি জানালেন রাজ্যে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার। সেই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, প্রয়োজনে বিএসএফের সাহায্য নিয়ে শীতলকুচি সফরে তিনি যাবেনই।প্রথা ভেঙে জেলা সফরের জন্য গতকালই রাজ্যপালকে কড়া চিঠি লেখেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি ছিল, প্রথা অনুযায়ী, রাজ্যপাল যদি রাজ্যের কোনও জেলায় যান, সেক্ষেত্রে তা সরকারকে জানাতে হয়। তিনি যেখানে যাচ্ছেন সেখানকার প্রশাসনকেও তা জানানো আবশ্যক। কিন্তু রাজ্যপাল তা করেননি। মমতার আক্ষেপ, সোশ্যাল মিডিয়া মারফত তিনি জানতে পেরেছেন, জেলা সফরে যাচ্ছেন রাজ্যপাল। এবার মুখ্যমন্ত্রীর সেই চিঠির পালটা দিলেন রাজ্যপালও। মমতাকে তিনি মনে করালেন রাজধর্মের কথা। টুইটে রাজ্যপাল বললেন, মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আমার অনুরোধ তিনি যে সংবিধান মেনে শপথ নিয়েছেন, আশা করি সেই শপথবাক্য রক্ষা করবেন। সংবিধানের ১৫৯ নম্বর ধারা অনুযায়ী আমি আমার সাধ্যমতো চেষ্টা করব সংবিধানের আওতায় থেকে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর। ধনখড়ের তোপ, বাংলার সঙ্গে আরও চার রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ভোট হয়েছে। অথচ, হিংসা শুধু এখানেই হচ্ছে, এটা দুর্ভাগ্যজনক। রাজ্যপালের বক্তব্য, এই কঠিন এবং অভূতপূর্ব পরিস্থিতিতে চটকদারি করা উচিত নয়। প্রয়োজন একসঙ্গে কাজ করার। এই কঠিন সময় আমাদের সংযম দেখানো উচিত। আমি মুখ্যমন্ত্রীকে আশ্বস্ত করছি, সংবিধানের আওতায় থেকেই আমি মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করব।এদিকে এই পত্র চালাচালির মধ্যেও সূচি মেনেই জেলা সফরে যাওয়ার ব্যপারে মনস্থির করে ফেলেছেন জগদীপ ধনখড়। রাজভবন সূত্রের খবর, বিএসএফের হেলিকপ্টারে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় কোচবিহারে যাবেন রাজ্যপাল। সেখান থেকে ভোট পরবর্তী হিংসায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় যাবেন তিনি। মাথাভাঙা, শীতলকুচি, সিতাই ও দিনহাটায় যাবেন। কোচবিহারের সার্কিট হাউসে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলবেন ধনখড়। পরের দিন সকালে হেলিকপ্টারে অসমে যাবেন তিনি। সেখানকার রানপাগলি ও শ্রীরামপুর ক্যাম্পেও যাবেন। আপাতত এই সফর ঘিরেই উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি।

মে ১৩, ২০২১
রাজ্য

৬ মে থেকে রাজ্যে বন্ধ সব লোকাল ট্রেন, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি সামাল দিতে তৎপর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার অর্থাৎ আগামিকাল থেকে বন্ধ লোকাল ট্রেন। সরকারি পরিবহণ এবং মেট্রো চলবে ৫০ শতাংশ। পরিবর্তন করা হল বাজার খোলা রাখার সময়েও। পরিবর্তন হচ্ছে ব্যাংক খোলার সময়ও। বুধবার শপথ গ্রহণের পরই রাজ্যের কোভিড পরিস্থিতি মোকাবিলায় তৎপর মুখ্যমন্ত্রী। শপথগ্রহণের পরই জানিয়ে দিয়েছিলেন, আপাতত করোনা মোকাবিলায় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি। সে কথা মাথায় রেখেই এদিন একাধিক নতুন নির্দেশ দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে এখনই লকডাউনের পথে হাঁটলেন না মুখ্যমন্ত্রী। তিনি ঘোষণা করলেন: কাল থেকে বন্ধ রাজ্যের সমস্ত লোকাল ট্রেন। সরকারি পরিবহণ এবং মেট্রো চলবে ৫০ শতাংশ। বিমানযাত্রা ও দূরপাল্লার বাসযাত্রায় আরটিপিসিআর পরীক্ষা বাধ্যতামূলক। বিমানযাত্রার ৭২ ঘণ্টা আগে আরটিপিসিআর পরীক্ষা করতে হবে। তবে রাজ্যে আসার পর ব়্যাপিড টেস্টে করোনা আক্রান্তের হদিশ পেলে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। এর ব্যবস্থা করবে বিমানবন্দর। বাজার খোলার সময় পরিবর্তন করা হল। সকাল ৭টা থেকে বেলা ১০টা, এবং বিকেল ৫টা থেকে সন্ধে সাতটা পর্যন্ত খোলা থাকবে। তবে বউবাজারের সোনার দোকান খোলা রাখার সময়ে ছাড় দেওয়া হয়েছে। সোনার দোকান দুপুর ১২টা থেকে ৩ পর্যন্ত খোলা থাকবে। ব্যাংক খোলা থাকবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টো পর্যন্ত। সরকারি অফিসে ৫০ শতাংশ কর্মীর হাজিরা চালু। বেসরকারি অফিসে ওয়ার্ক ফ্রম হোমে জোর। কলকারখানা, নির্মাণ ক্ষেত্রে হাজিরা ৫০ শতাংশ করা হল। গ্রামে থাকা ২ লক্ষ ৭৫ হাজার কোয়াক চিকিৎসককে বিশেষ নির্দেশিকা পাঠানো হচ্ছে। যাতে তাঁরা কোভিড চিকিৎসা করতে পারেন। বন্ধই থাকছে রেস্তরাঁ, শপিং মল, জিম, সুইমিং পুল, বিউটি পার্লার, স্পা, পাব, বার। রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, শিক্ষামূলক সমস্ত জমায়েত নিষিদ্ধ। বিয়েবাড়িতে সর্বাধিক ৫০ জন অতিথি উপস্থিত থাকতে পারবেন। টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে পরিবহণকর্মী, সংবাদকর্মী ও হকারদের অগ্রাধিকার। প্রথম ডোজের চেয়ে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ায় গুরুত্ব বেশি। কোভিড সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে সন্দেহ থাকলে মৃতের ব়্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষা করা হবে। যার রিপোর্ট দু-তিনঘণ্টার মধ্যে মিলবে। ফলে মর্গে দেহ জমা থাকবে না। গুরুতর অসুস্থ রোগীদের চিকিৎসায় জোর দেওয়া হবে। অর্থ সাহায্যের জন্য রাজ্যে দুটি ফান্ড চালু করা হল।এদিন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েই কোভিড পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চিঠিতে অক্সিজেন, টিকা বন্টন নিয়ে স্বচ্ছ নীতি প্রণয়নের দাবি জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি কেন্দ্রের কাছে ৫০০ মেট্রিক টন অক্সিজেন চেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। চিঠিতে দেশজুড়ে বিনামূল্যে টিকাকরণেরও দাবি জানিয়েছেন । ১০ হাজার রেমডেসেভির এবং তার বিকল্প হিসেবে টোসিজুমাব-এর হাজারটি ভায়াল চাওয়া হয়েছে। সবমিলিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কুরসিতে বসেই কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউয়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলেন মমতা।

মে ০৫, ২০২১
রাজনীতি

মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েই কোভিড মোকাবিলা ও রাজ্যে হিংসা বন্ধের আবেদন মমতার

বুধবার রাজভবনে তৃতীয় বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ গ্রহণ করে উঠেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানালেন, তাঁর প্রথম কাজ হবে রাজ্যের কোভিড পরিস্থিতি মোকাবিলা করা। শপথ নেওয়ার পরে নবান্নে গিয়ে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠক করবেন বলে জানিয়েছেন মমতা।রাজভবনে তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করালেন রাজ্যপাল। আগামী ৫ বছর মানুষের দ্বারা নির্বাচিত সরকার মানুষের হয়ে, মানুষের জন্য কাজ করতে অঙ্গীকারবদ্ধ হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কোভিড পরিস্থিতিতে বর্ণাঢ্য নয়, বরং একেবারে অনাড়ম্বরেই হয়ে গেল শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান। সর্বসাকুল্যে অতিথি ছিলেন ৫০ জন। ছিলেন না সিপিএম, বিজেপির কোনও প্রতিনিধি।রাজ্যপালের থেকে শপথ বাক্য পাঠ করার পরে মমতা বলেন, তাঁর সরকারের প্রথম কাজ রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলা। রাজভবন থেকে সরাসরি নবান্নে গিয়ে বেলা সাড়ে ১২টা নাগাদ বৈঠকে বসবেন তিনি। সেখানেই রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হবে। তার পর দুপুর ৩টের সময় সাংবাদিক বৈঠক করবেন মমতা। বৈঠকে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে সেই বিষয়ে সবাইকে জানাবেন মুখ্যমন্ত্রী। এর আগে গত রবিবার নির্বাচনের ফল পরিষ্কার হতেই কালীঘাটে সাংবাদিকদের সামনে মমতা বলেছিলেন, তাঁর প্রথম কাজ হবে করোনা পরিস্থিতির মোকাবিলা করা। শপথ নেওয়ার পরেও সেই একই কথা শোনা গেল তাঁর মুখে।এদিন রাজ্যে নির্বাচন পরবর্তী হিংসা নিয়েও বলতে শোনা যায় তাঁকে। গত ৩ মাস রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে ছিল নির্বাচন কমিশন। এবার তিনি দায়িত্ব হাতে নিয়ে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা সামলাবেন বলেও জানান। এমনকী, যারা এই হিংসা ছড়ানোর কাজের সঙ্গে যুক্ত তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি। রাজনৈতিক দলগুলোকেও রাজনৈতিক হিংসা থেকে বিরত থাকার আবেদন করেন। সমস্ত পাশাপাশি প্রতিহিংসাবশবর্তী হয়ে কোনও কাজ না করার আবেদনও করেন। এরপর নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীকে গার্ড অফ অনার দেওয়া হয়।

মে ০৫, ২০২১
দেশ

মোদির তোপের মুখে কেজরিওয়াল, চাইলেন ক্ষমা

শুক্রবার দেশের কোভিড পরিস্থিতি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তিরস্কারের মুখে পড়তে হল দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে। নিজের ভুল বুঝতে পেরে হাতজোড় ক্ষমাও চাইতে হল তাঁকে। তবুও বিতর্ক থেকে রেহাই পাননি তিনি। পরে কেন্দ্রের বেশ কয়েকজন আধিকারিক রীতিমতো ভর্ৎসনা করলেন কেজরিওয়ালকে। তাঁদের অভিযোগ, অতিমারির সময়ে রাজনীতি করছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী।আসলে শুক্রবারের বৈঠকের সরাসরি সম্প্রচার করছিলেন কেজরিওয়াল। তাঁর এহেন পদক্ষেপকেই কাঠগড়ায় তোলেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলছিলেন কেজরিওয়াল। তখনই তাঁকে থামিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলে ওঠেন, আমাদের যা প্রোটোকল রয়েছে, এখানে তার বিরুদ্ধাচরণ করা হচ্ছে। একজন মুখ্যমন্ত্রী এমন একটি অভ্যন্তরীণ বৈঠকের সরাসরি সম্প্রচার করছেন, এমনটা একেবারেই হওয়া উচিত নয়।প্রধানমন্ত্রীর তিরস্কারের জবাবে ক্ষমা চাইতে দেখা যায় কেজরিওয়ালকে। তিনি জানিয়ে দেন, এমনটা ভবিষ্যতে আর হবে না। সেই সঙ্গে তিনি জানিয়ে দেন, যদি তাঁর কথা বা আচরণে কোনও কঠোরতা প্রকাশ পেয়ে থাকে সেজন্যও ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছেন তিনি।প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী তাঁকে থামানোর আগে কেজরিওয়াল দিল্লিতে করোনা চিকিৎসায় অক্সিজেনের অপ্রতুলতা নিয়ে বক্তব্য রাখছিলেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, দিল্লিমুখী অক্সিজেনের ট্যাংকার অন্য রাজ্যে চলে যাচ্ছে। এরপরই তাঁকে থামিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। কেজরিওয়ালের এহেন আচরণ নিয়ে অভিযোগে তাঁকে বিদ্ধ করছেন কেন্দ্রের আধিকারিকরা। তাঁদের অভিযোগ, এমন কঠিন সময়ে এভাবে রাজনীতি করা উচিত নয়। বাকি মুখ্যমন্ত্রীরা যেখানে নিজেদের রাজ্যের পরিস্থিতি শোধরাতে কী পদক্ষেপ করেছেন সেকথা জানাচ্ছিলেন, সেখানে অরবিন্দ কেজরিওয়াল তেমন কিছুই বলতে পারেননি। উলটে তোপ দেগেছেন কেন্দ্রের অব্যবস্থার দিকে।পরে বেগতিক অবস্থায় দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তরের তরফে অবশ্য জানানো হয়, কেন্দ্রের কাছ থেকে লিখিত বা মৌখিক কোনও নির্দেশ তাদের কাছে ছিল না যে এই ধরনের বৈঠকের সরাসরি সম্প্রচার করা যায় না।

এপ্রিল ২৩, ২০২১
রাজ্য

কলকাতায় আর কোনও বড় সভা করবেন না মুখ্যমন্ত্রী

ক্রমবর্ধমান করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে বড় সিদ্ধান্ত তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের । শহর কলকাতায় আর কোনও বড় রাজনৈতিক সমাবেশ করবেন না মমতা। শুধু আগামী ২৬ এপ্রিল বিডন স্ট্রিটে অনেক আগে থেকে পরিকল্পিত একটি রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি। তৃণমূল দলের তরফে ছোটখাটো জনসভার আয়োজন করা হতে পারে। তবে, সেই সভাগুলিতে মমতা নিজে উপস্থিত থাকবেন না। রবিবার এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে একথা জানিয়েছেন তৃণমূলনেত্রী।ওই সাক্ষাৎকারে রাজ্য তথা দেশের করোনা পরিস্থিতির জন্য কেন্দ্রকে বিঁধেছেন মমতা। তাঁর দাবি, কেন্দ্রের তথা প্রধানমন্ত্রীর অদূরদর্শিতার জন্য বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর সাফ কথা, দূরদর্শিতার অভাব না থাকলে আমরা আজ এত বিপদে পড়তাম না হঠাৎ করে। মমতার দাবি,গত ছমাস সেভাবে কোনও করোনা হয়নি। সেই সময়টাকে অবহেলা করা হয়েছে। এই ছমাস পরিকল্পনা করলে, আগামী ছমাস ভাল কাটত। ওষুধের জোগান নেই, অক্সিজেনের জোগান নেই। ৮০টা দেশকে আমরা ওষুধ দিয়ে দিয়েছি। আমি এটার নিন্দা করছি না। কিন্তু নিজের দেশের দরকারটা তো আগে বুঝতে হবে। এখন হঠাৎ করে আমার কাছে অক্সিজেন নেই, ভ্যাকসিন নেই, ওষুধ নেই। দূরদর্শিতার অভাব। নাহলে হঠাৎ করে আমরা এর মধ্যে পড়তাম না।নির্বাচনে করোনার প্রভাব নিয়ে মমতা জানিয়েছেন, আমরা শেষ ৩ দফা একসঙ্গে ভোট করার কথা বলেছিলাম। কিন্তু নির্বাচন কমিশন শুধু বিজেপির কথা শোনে। আমাদের কাছে শোনে না। তবে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে মমতা কলকাতায় নিজের সব বড় জনসভা বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন,দল নিজের মতো ছোট করে জনসভা আয়োজন করলে করবে। কিন্তু আমি সেখানে যাব না। কারণ আমি গেলে বেশি জমায়েত হবে। আসলে, গোটা রাজ্যের মধ্যে শহর কলকাতাতেই করোনার প্রকোপ সবচেয়ে বেশি। শুধু গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় ২ হাজার ১৯৭ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। কলকাতার পাশাপাশি রাজ্যের অন্য প্রান্তের কথাও ভাবছেন মমতা। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছেন, এরপর থেকে রাজ্যের অন্যপ্রান্তের জনসভাগুলিতেও নিজের বক্তৃতার সময় কমিয়ে দেবেন তিনি। ছোট করে ভাষণ দেবেন।

এপ্রিল ১৮, ২০২১
রাজ্য

বাইরে থেকে বাংলায় ঢুকতে হলে আরটি-পিসিআর টেস্ট বাধ্যতামূলক

ভোটের মরশুমে বহিরাগতরা এসে বাংলায় রোগ ছড়াচ্ছে। আর সেই কারণেই রাজ্যে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। জনসভায় একাধিকবার এমন দাবিই করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । এবার তিনি সাফ জানিয়ে দিলেন, যাঁরা বাইরে থেকে আসতে চাইবেন, তাঁদের আরটি-পিসিআর টেস্ট করার পর বাংলায় পা রাখার অনুমতি দেওয়া হবে।তৃণমূল নেত্রীর দাবি, অন্তত ১০ হাজার মানুষ অন্য জায়গা থেকে এ রাজ্যে এসেছেন। যাঁদের মধ্যে বেশিরভাগই সংক্রমিত। আর এঁদের কারণেই বাংলায় হু হু করে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। তাই বহিরাগতদের নিয়ে আর কোনও ঝুঁকি নিতে রাজি নন মমতা। পরিষ্কার বলে দিয়েছেন, এরপর বড় কোনও অঘটন ঘটলে তার জন্য নির্বাচন কমিশনই দায়ী থাকবে।গত বেশ কয়েকদিন ধরে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে বাংলার ক্রমবর্ধমান করোনা সংক্রমণ। লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। এমন পরিস্থিতিতে কমিশন ভোট প্রচারে লাগাম টানলেও করোনা রুখতে তা বিরাট কোনও ভূমিকা পালন করতে পারবে কি না, সে নিয়ে সন্দীহান ওয়াকিবহল মহল। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনতে রাজ্যের বাকি চার দফার ভোট একসঙ্গে করানোর দাবিও তুলেছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। কিন্তু কমিশন জানিয়ে দিয়েছে, পূর্ব নির্ধারিত সূচিতেই হবে নির্বাচন। ফলে আগের মতোই চলবে জনসভা, রোড শো। আর সেই কারণেই বাড়ছে চিন্তা। স্বাস্থ্যদপ্তরের শনিবারের বুলেটিন অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় কোভিড আক্রান্ত ৭,৭১৩ জন। প্রাণ হারিয়েছেন ৩৪ জন। মোট সংক্রমিতের সংখ্যা জানিয়েছে সাড়ে ৬ লক্ষ। ইতিমধ্যেই সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে বেড বাড়ানোর জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে স্বাস্থ্যদপ্তর। উপসর্গ তীব্র হলে তবেই হাসপাতালে, মৃদু উপসর্গ থাকলে প্রয়োজনে সেফ হোমে পাঠানো হবে কোভিড রোগীদের।

এপ্রিল ১৮, ২০২১
রাজ্য

নববর্ষে বাংলায় পরিবর্তনের ডাক প্রধানমন্ত্রীর

পয়লা বৈশাখের সকালে বাংলায় টুইট করে রাজ্য তথা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের বাঙালিদের নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। একটি টুইটে তিনি প্রোটোকল মেনে সকলের সুখ এবং সমৃদ্ধি কামনা করলেন। আবার আরেকটি টুইটে উঠে এল রাজনীতির কথা। একটি ভিডিও পোস্ট করে নতুন বাংলা গড়ার বার্তা দিলেন। দিলেন পরিবর্তনের ডাক। সাতসকালে ফেসবুকে রাজ্যবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।পয়লা বৈশাখে সাতসকালে বাংলায় করা এক টুইটে প্রধানমন্ত্রী বলেন,বাংলার মানুষের ভালবাসা আর প্রাণস্পন্দন প্রকৃত অর্থেই মন ছুঁয়ে যায়। নতুন বছর সকলের জীবনে সুখ সমৃদ্ধি নিয়ে আসুক, সকালে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হোন। পয়লা বৈশাখে ভারত এবং বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা বাঙালিদের আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা। প্রধানমন্ত্রী মোদির মতো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাহও নববর্ষের আগাম শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তাঁর টুইট,মঙ্গলময় উৎসব পয়লা বৈশাখ উপলক্ষে আমার সকল বাঙালি বন্ধুদের জানাই অগ্রিম আন্তরিক প্রীতি ও শুভেচ্ছা। ঈশ্বরের কাছে কামনা করি এই নতুন বছর প্রত্যেকের জীবনে বয়ে আনুক আনন্দ, শান্তি এবং সমৃদ্ধি।শুভ নববর্ষ! টুইটে রাজ্যবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ও।অরাজনৈতিক পোস্টে শুধু নববর্ষের শুভেচ্ছাবার্তা দেওয়ার পর পয়লা বৈশাখের সকালে রাজনৈতিক পোস্টও করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বাংলায় এবং ইংরেজিতে করা দুটি টুইটে তিনি লিখেছেন,পুণ্যভূমি পশ্চিমবঙ্গে নববর্ষে নতুনের সূচনা হোক, রাজ্য প্রগতির পথে এগিয়ে যাক!

এপ্রিল ১৫, ২০২১
কলকাতা

আমি মঙ্গলবার ধর্নায় বসছি, টুইট মমতার

প্রচারে নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে ধর্নায় বসছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্বাচন কমিশনের নিষেধাজ্ঞা জারির কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, মঙ্গলবার গান্ধি মূর্তির নীচে ধর্নায় বসছেন তিনি। সোমবার পৌনে আটটা নাগাদ খবর আসে, মমতার প্রচারে ২৪ ঘণ্টার জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। তার পরেই মমতা টুইট করেন। সেখানে তিনি লিখেছেন, নির্বাচন কমিশনের অগণতান্ত্রিক এবং অসাংবিধানিক সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে আমি বেলা ১২টা থেকে গান্ধিমূর্তির পাদদেশে ধর্নায় বসছি।তারকেশ্বর ও কোচবিহারের জনসভায় তিনি যা বলেছিলেন, তারই প্রেক্ষিতে মমতাকে নোটিস পাঠিয়েছিল কমিশন। আব্বাস সিদ্দিকির নাম না করে তারকেশ্বরে মন্তব্য করেছিলেন মমতা। তার পরেই জনতার উদ্দেশে তিনি বলেছিলেন, সংখ্যালঘু ভোট ভাগ হতে দেবেন না। বিজেপি এলে মনে রাখবেন সমূহ বিপদ, সবচেয়ে বেশি আপনাদের। কমিশন বলেছিল, কোনও জাত, পাত ধর্মের ভিত্তিতে ভোট চাওয়া আদর্শ নির্বাচনী আচরণবিধির পরিপন্থী। যদি কোনও প্রার্থীর বিরুদ্ধে এই বিষয়ে অভিযোগ প্রমাণিত হয়, তা হলে তাঁর প্রার্থীপদ খারিজও করা যেতে পারে। এর পরেই মমতাকে নোটিস পাঠায় কমিশন।অন্যদিকে, কোচবিহারের সভা থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রসঙ্গে মন্তব্য করেন মমতা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নির্দেশেই সিআরপিএফ-এর একাংশ বিজেপি-র হয়ে কাজ করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। মমতা বলেন, সিআরপিএফ যদি গন্ডগোল করে, মেয়েদের একটা দল ওদের ঘেরাও করে রাখবেন। আর একটা দল ভোট দিতে যাবেন। শুধু ঘেরাও করে রাখলে ভোট দেওয়া হবে না। তাই ভোট নষ্ট করবেন না। ৫ জন ঘেরাও করবেন। ৫ জন ভোট দেবেন। মমতার এই মন্তব্যের ভিত্তিতেও চিঠি পাঠায় কমিশন। তার জবাবে মমতা লেখেন, দেশের বাহিনীর প্রতি তাঁর সর্বোচ্চ সম্মান রয়েছে। কিন্তু সেই উত্তরে সন্তুষ্ট নয় কমিশন। কমিশনের এই সিদ্ধান্ত তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। দলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন এবং মুখপাত্র কুণাল ঘোষ কমিশনের এই নিষেধাজ্ঞার তীব্র নিন্দা করেছেন। তার পর মুহূর্তেই মমতা জানিয়ে দেন, তিনি ধর্নায় বসছেন।

এপ্রিল ১২, ২০২১
রাজ্য

শীতলকুচি-কাণ্ডের প্রতিবাদে মোমবাতি হাতে বর্ধমানে রোড শো মমতার

হুইলচেয়ারে বসে নেত্রী। হাতে জ্বলন্ত মোমবাতি। সঙ্গে জনজোয়ার। ভাঙা পা নিয়েই বর্ধমান শহরে রবিবাসরীয় প্রচারে ঝড় তুললেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন শহরের পুলিশ লাইন থেকে স্পন্দন স্টেডিয়াম পর্যন্ত রোড শো করেন তিনি। গোটা রোড শোয় মোমবাতি হাতে ধরে রাখেন তৃণমূল নেত্রী। তৃণমূল সূত্রের খবর, শীতলকুচিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলির প্রতিবাদ জানাতেই এদিন মোমবাতি হাতে নিয়ে রোড শো করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।উত্তরবঙ্গে সভা শেষ করে এদিন বিকেলে বর্ধমানে পৌঁছন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার অনেক আগে থেকেই অবশ্য পুলিশ লাইন থেকে স্পন্দন পর্যন্ত জিটি রোডের দুধারে অগণিত মানুষ ভিড় করেন। পুলিশ লাইনে রোড শো শুরুর আগে ছৌ, রণপা শিল্পীরা অনুষ্ঠান শুরু করে দেন রাস্তায়। এছাড়া আদিবাসী লোকশিল্পীরাও ছিলেন। ডিজের সুরে খেলা হবে গান। আর গোটা যাত্রাপথে মাইকে বেজেছে, বাংলা নিজের মেয়েকেই চায়। তৃণমূল নেত্রী কখনও হাত নেড়েছে, আবার কখনও হাতজোড় করে নমস্কার করেছেন রাজপথের দুধারে অপেক্ষারত মানুষজনকে।রবিবারের রোড শোয় মহিলাদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। কিশোরী ও তরুণীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। অনেকেই দূর থেকে হলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সেলফি নিতে ভোলেননি। এদিনের রোড শোয় পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল সভাপতি তথা পূর্বস্থলি দক্ষিণের প্রার্থী স্বপন দেবনাথ, মন্তেশ্বরের প্রার্থী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী, বর্ধমান দক্ষিণের প্রার্থী খোকন দাস, বর্ধমান উত্তরের নিশীথ মালিক, রায়নার শম্পা ধাড়া-সহ জেলার বিভিন্ন কেন্দ্রের প্রার্থীরা ছিলেন।

এপ্রিল ১১, ২০২১
রাজ্য

এবার সরানো হল মুখ্যমন্ত্রীর ওএসডিকে

নন্দীগ্রামের বিরুলিয়ায় ভোটপ্রচারে গিয়ে আহত হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই ঘটনায় ফের কড়া পদক্ষেপ নির্বাচন কমিশনের। এবার সরিয়ে দেওয়া হল মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আধিকারিক অশোক চক্রবর্তীকে। তিনি অফিসার অন স্পেশ্যাল ডিউটি বা ওএসডি পদে কর্তব্যরত ছিলেন। শুক্রবার এক বিবৃতিতে একথা জানানো হয়েছে কমিশনের তরফ থেকে। তবে ওই পদে কাকে আনা হবে, তা এখনও জানা যায়নি।এর আগে গত ১০ মার্চ নন্দীগ্রামের বিরুলিয়ায় গিয়ে জখম হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পায়ে গুরুতর চোট পান তিনি। অসুস্থ অবস্থায় রাতেই কলকাতায় ফিরে আসেন মুখ্যমন্ত্রী। দেড়দিন এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী জখম হওয়ার এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই রাজনীতির রং লেগেছিল। একাধিক অভিযোগ নিয়ে কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তৃণমূলের প্রতিনিধিদল। অন্যদিকে পর্যাপ্ত তদন্তের দাবিতে কমিশনে যায় বিজেপি। এদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জখম হওয়ার ঘটনায় মুখ্যসচিব ও সিইও-র কাছ থেকে রিপোর্ট চেয়েছিল নির্বাচন কমিশন। একইসঙ্গে দুই বিশেষ পর্যবেক্ষককে নিজেদের মতামত জানানোর কথাও বলা হয়েছিল। তাঁদের রিপোর্ট নিয়ে কমিশনের ফুলবেঞ্চ বৈঠকেও বসে।এরপরই রাজ্যের নিরাপত্তা অধিকর্তা বিবেক সহায়কে সরানোর নির্দেশ দেওয়া হয় কমিশনের পক্ষ থেকে। তাঁর জায়গায় আনা হয় জ্ঞানবন্ত সিংকে। এছাড়াও সরিয়ে দেওয়া হয় পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক বিভু গোয়েলকে। তাঁর জায়গায় নতুন জেলাশাসক হন স্মৃতি পাণ্ডে। এর পাশাপাশি প্রবীণ প্রকাশকে পুলিশ সুপারের পদ থেকে সরিয়ে ওই জায়গায় আনা হয় সুনীল কুমার যাদবকে। কিন্তু সেই ঘটনার এতদিন পরে ফের মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা বলয়ের এক আধিকারিককে সরিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। আর এই নিয়েই ফের প্রশ্ন উঠতেও শুরু করেছে বিভিন্ন মহলে।

এপ্রিল ০৯, ২০২১
রাজ্য

মমতাকে দ্বিতীয়বার নোটিস কমিশনের

তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফের নোটিস নির্বাচন কমিশনের। গত ২৮ মার্চ এবং ৭ এপ্রিল কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী যে মন্তব্য করেছিলেন, তার প্রেক্ষিতে কারণ দর্শানোর নোটিস দিয়েছে কমিশন। যাতে উল্লেখ করা হয়েছে, বাহিনী নিয়ে মমতার মন্তব্য দুর্ভাগ্যজনক। কেন তিনি এই ধরনের মন্তব্য করলেন, তা ব্যাখ্যা করতে হবে তৃণমূলনেত্রীকে। এবং এই ব্যাখ্যা দিতে হবে ১০ এপ্রিলের মধ্যে। অর্থাৎ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীকে কমিশনের নোটিসের জবাব দিতে হবে।বস্তুত, রাজ্যের নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে শুরু থেকেই সরব মমতা। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের চাপে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা বাংলার নির্বাচনকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। তৃণমূল ভোটারদের ভয় দেখানো হচ্ছে। বিশেষ একটি রাজনৈতিক দলকে সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে বাহিনী। গত ৭ এপ্রিল কোচবিহার উত্তরের সভায় তৃণমূল নেত্রী কেন্দ্রীয় বাহিনী ভোট প্রভাবিত করতে এলে তার পালটা দেওয়ার পরামর্শ দেন মহিলা ভোটারদের। তাঁকে বলতে শোনা যায়, কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা অশান্তি করতে এলে একদল ওদের ঘিরে ফেলুন। আরেক দল ভোট দিতে যান। কারা এই কাজ করছে, তাদের নাম লিখে রাখুন। এর আগে গত ২৮ মার্চও বাহিনী নিয়ে একই ধরনের মন্তব্য করার অভিযোগ রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে। যা নিয়ে প্রবল আপত্তি কমিশনের। তাঁদের দাবি, তৃণমূলনেত্রীর এই মন্তব্য দুর্ভাগ্যজনক। দ্রুত তাঁকে এই মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।এটা অবশ্য মুখ্যমন্ত্রীকে পাঠানো কমিশনের প্রথম নোটিস নয়। এর আগে গত ৩ এপ্রিল তারকেশ্বরের জনসভা থেকে মমতার করা একটি মন্তব্যের জেরে তাঁকে নোটিস পাঠায় নির্বাচন কমিশন। তারকেশ্বরে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, শয়তানদের কথা শুনে সংখ্যালঘু ভোট ভাগ হতে দেবেন না। অভিযোগ তোলেন, বাংলাকে বিজেপি ধর্মের নামে ভাগ করে দিতে চাইছে। বাংলার সংস্কৃতি নষ্ট করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। মমতার এই মন্তব্যের বিরুদ্ধে কমিশনের দ্বারস্থ হন বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মুখতার আব্বাস নকভি। তাঁর দাবি ছিল, সংখ্যালঘুদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার বার্তা দিয়ে মমতা নির্বাচনী আচরণ বিধি ভঙ্গ করেছেন মমতা। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সেই অভিযোগের ভিত্তিতে এবার মুখ্যমন্ত্রীকে নোটিস পাঠায় কমিশন। আজই সেই নোটিসের জবাব দেওয়ার শেষদিন।

এপ্রিল ০৯, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

বালুরঘাটে পথকুকুরের ওপর যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য, প্রতিবাদে সরব পশুপ্রেমীরা; কড়া শাস্তির দাবি শ্রীলেখা মিত্রের

দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে পথকুকুরের ওপর যৌন নির্যাতনের গুরুতর অভিযোগকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই সামাজিক মাধ্যমে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন পশুপ্রেমী থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রাণী অধিকারকর্মীরা। অভিনেত্রী ও প্রাণীপ্রেমী শ্রীলেখা মিত্রও এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপের দাবি তুলেছেন।বালুরঘাটের প্রাণীপ্রেমী এবং Honorary Animal Welfare Officer ব্রতীন চক্রবর্তী তাঁর সামাজিক মাধ্যমের পোস্টে দাবি করেন, গত রাতে প্রায় ২টা ৩০ মিনিট নাগাদ চৌরঙ্গীপাড়া এলাকার এক বাসিন্দার কাছ থেকে তিনি ফোন পান। অভিযোগ অনুযায়ী, এলাকার এক মদ্যপ রংমিস্ত্রি প্রায় প্রতি রাতেই রাস্তা থেকে পথকুকুর ধরে নিয়ে গিয়ে তাদের ওপর যৌন নির্যাতন চালায়।পোস্টে আরও দাবি করা হয়েছে, অভিযুক্তের এই আচরণে অতিষ্ঠ হয়ে তাঁর স্ত্রী ও মেয়ে বাড়ি ছেড়ে শিলিগুড়িতে চলে গিয়েছেন। খবর পাওয়ার পর পুলিশকে জানানো হলে প্রায় ১৫ মিনিটের মধ্যে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্তকে সতর্ক করে। তবে তিনি অতিরিক্ত মদ্যপ অবস্থায় থাকায় পরিস্থিতি সামাল দিতে সমস্যা হয় বলেও পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে।এই ঘটনার প্রতিবাদে বালুরঘাটের বিভিন্ন পশুপ্রেমী সংগঠন আন্দোলনে নামার ডাক দিয়েছে। তাদের দাবি, নিরীহ প্রাণীর ওপর এই ধরনের নৃশংসতার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে প্রাণী নির্যাতনের বিরুদ্ধে আরও কঠোর আইন প্রয়োগের দাবিও তুলেছেন আন্দোলনকারীরা।অভিনেত্রী ও প্রাণী অধিকারকর্মী শ্রীলেখা মিত্র সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, মানুষের হাতে ধর্ষণ, নির্যাতন, বিষপ্রয়োগ, পাথর ছুড়ে মারা কিংবা কুকুরের মাংসের জন্য পাচারএসবের শিকার হয় অসংখ্য পথকুকুর। কিন্তু তারা নির্বাক হওয়ায় অধিকাংশ ঘটনাই সামনে আসে না।তিনি আরও বলেন, যারা প্রাণীদের ওপর নিষ্ঠুরতা চালিয়েও সমাজে অবাধে ঘুরে বেড়ায়, তাদের বিরুদ্ধে সময়মতো ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে তারা মানুষের বিরুদ্ধেও আরও ভয়ঙ্কর অপরাধে জড়িয়ে পড়তে পারে। প্রাণী অধিকারকর্মীরা এই ধরনের ঘটনার ওপর নজর রাখছেন বলেও তিনি সতর্কবার্তা দেন।এছাড়াও শ্রীলেখা মিত্র জানান, West Bengal Animal Rights Activists Front নামে একটি নিবন্ধিত সংগঠন গঠন করা হয়েছে, যার সভাপতি তিনি নিজে। খুব শীঘ্রই একটি সাংবাদিক বৈঠক করে প্রাণী নির্যাতন রোধ, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং রাজ্যের বিভিন্ন পশুপ্রেমী মানুষকে একত্রিত করার কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে তিনি জানান।প্রাণী অধিকারকর্মীদের মতে, প্রাণীদের ওপর যৌন নির্যাতন একটি অত্যন্ত গুরুতর জঘন্য অপরাধ। অভিযোগ প্রমাণিত হলে বর্তমান আইনের আওতায় কঠোর তদন্ত ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।

জুলাই ১৯, ২০২৬
রাজ্য

'ম্যানস বেস্ট ফ্রেন্ড' কুকুর, তবু এত ভয় কেন? ব্যাখ্যা দিলেন বিশেষজ্ঞে

কুকুরকে দীর্ঘদিন ধরেই বলা হয় মানুষের সবচেয়ে বিশ্বস্ত সঙ্গী। তবু বাস্তবে দেখা যায়, কুকুর সামনে এলেই অনেকেই রাস্তা বদলে ফেলেন, থমকে যান কিংবা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। অথচ বিড়ালকে ঘিরে এমন ভীতি তুলনামূলকভাবে অনেক কম। কেন এই পার্থক্য? এর উত্তর দিয়েছেন পশু চিকিৎসক ডা. বিনোদ শর্মা।ডা. শর্মা জানান, কুকুরকে ঘিরে মানুষের ভয় মূলত তাদের আচরণ নয়, বরং মানুষের ধারণা, অভিজ্ঞতা এবং সামাজিক প্রভাবের ফল। তাঁর মতে, বিড়ালের তুলনায় কুকুর আকারে বড়, শক্তিশালী এবং জনবহুল এলাকায় বেশি দেখা যায়। ফলে অনেকের মনে কুকুরের কামড় বা আক্রমণের আশঙ্কা বেশি কাজ করে।তিনি বলেন, এই ভয় অনেক ক্ষেত্রেই জন্মগত নয়, বরং শেখা। ছোটবেলার খারাপ অভিজ্ঞতা, পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে শোনা ঘটনা কিংবা সংবাদমাধ্যমে কুকুরের আক্রমণের খবর মানুষের মনে আতঙ্ক তৈরি করে। তাই অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এটি বাস্তব ঝুঁকির চেয়ে মানসিক ধারণার ফল।ডা. শর্মার মতে, কুকুরকে ভয় পাওয়া মানেই প্রাণীকে ঘৃণা করা নয়। অনেক সময় মানুষকে প্রাণী-বিদ্বেষী বলে মনে করা হলেও এই ধারণা সঠিক নয়। কুকুরকে ভয় পাওয়া অনেকের ক্ষেত্রে স্বাভাবিক ভয়ের প্রতিক্রিয়া, আবার কারও ক্ষেত্রে তা ফোবিয়ার পর্যায়েও পৌঁছাতে পারে।তিনি জানান, প্রকৃত ফোবিয়ার ক্ষেত্রে শুধু অস্বস্তি নয়, তীব্র মানসিক ও শারীরিক প্রতিক্রিয়াও দেখা দেয়। যেমনহৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া, অতিরিক্ত ঘাম, শরীর কাঁপা, কান্না কিংবা কুকুরের সম্ভাব্য উপস্থিতি এড়িয়ে চলার প্রবণতা, যা দৈনন্দিন জীবনেও প্রভাব ফেলে। অন্যদিকে, যাঁরা কেবল কুকুর অপছন্দ করেন, তাঁরা দূরত্ব বজায় রাখলেও এমন তীব্র আতঙ্কে ভোগেন না।কুকুরের কিছু আচরণ মানুষ প্রায়ই ভুলভাবে ব্যাখ্যা করেন বলেও জানিয়েছেন ডা. শর্মা। তাঁর মতে, লেজ নাড়ানো মানেই কুকুর বন্ধুসুলভএমন ধারণা সবসময় ঠিক নয়। যদি কুকুর দ্রুত, শক্তভাবে এবং উঁচু করে লেজ নাড়ে, তবে সেটি উত্তেজনা বা সতর্কতারও ইঙ্গিত হতে পারে।এছাড়া কুকুরের ঠোঁট চাটা, হাই তোলা বা মুখ ঘুরিয়ে নেওয়াকে অনেকেই স্বাভাবিক বা মজার আচরণ মনে করেন। কিন্তু বাস্তবে এগুলো অনেক সময় কুকুরের অস্বস্তি বা মানসিক চাপের সংকেত।আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণের কথা উল্লেখ করেছেন তিনি। অনেকেই মনে করেন, স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা কুকুর শান্ত রয়েছে। কিন্তু কোনও কুকুর যদি হঠাৎ একেবারে স্থির হয়ে যায়, শরীর শক্ত করে রাখে এবং একদৃষ্টে তাকিয়ে থাকে, তবে সেটি আক্রমণের আগাম সতর্কবার্তাও হতে পারে।ডা. শর্মার পরামর্শ, কুকুরের আচরণ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো এবং তাদের ব্যক্তিগত পরিসরকে সম্মান করাই অপ্রয়োজনীয় ভয় কমানোর অন্যতম উপায়। অপরিচিত কুকুরের কাছে যাওয়ার আগে অবশ্যই মালিকের অনুমতি নেওয়া উচিত।সবশেষে তিনি বলেন, কুকুরকে ভয় পাওয়া কোনও দুর্বলতা বা প্রাণীদের প্রতি বিদ্বেষের প্রকাশ নয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এই ভয় মানুষের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা, পরিবেশ এবং মানসিক ধারণা থেকেই তৈরি হয়। (দ্যা ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন থেকে প্রাপ্ত)

জুলাই ১৯, ২০২৬
রাজ্য

মহিলার ব্যাগ খুলতেই চোখ ছানাবড়া! এ যেন অস্ত্রের ভাণ্ডার, আন্তঃরাজ্য চক্রের খোঁজে সিআইডি

গোপন সূত্রে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বড় সাফল্য পেল সিআইডি। উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগর থেকে এক মহিলাকে আটক করে তাঁর কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৬টি আগ্নেয়াস্ত্র, প্রায় ২০০ রাউন্ড কার্তুজ এবং নগদ টাকা। রবিবার সকালে অশোকনগর থানার ৮ নম্বর মোড় এলাকায় এই ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত মহিলার নাম পূজা বিশ্বাস। তিনি হাবরা পুরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তদন্তকারীদের দাবি, নৈহাটি-অশোকনগর রোড দিয়ে একটি ম্যাটাডোরে সাধারণ যাত্রীদের সঙ্গে যাত্রা করছিলেন তিনি। আগেই তাঁর গতিবিধির উপর নজর রাখছিল সিআইডি। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গোটা পথ তাঁকে অনুসরণ করা হয়।অশোকনগর থানার ৮ নম্বর মোড়ে ম্যাটাডোর থেকে নামার পরই সাদা পোশাকের সিআইডি আধিকারিকরা তাঁকে ঘিরে ফেলেন। এরপর তাঁর সঙ্গে থাকা ব্যাগে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার হয় ৬টি আগ্নেয়াস্ত্র, প্রায় ২০০ রাউন্ড কার্তুজ এবং নগদ টাকা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় অশোকনগর থানার পুলিশ। পরে পূজা বিশ্বাসকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনার পর থেকেই এলাকায় ভিড় জমাতে থাকেন স্থানীয় বাসিন্দারা।প্রত্যক্ষদর্শী সুখেন সরকার বলেন, সকালে এসে দেখি এক মহিলাকে ঘিরে পুলিশ ও সিআইডি তল্লাশি চালাচ্ছে। পরে জানতে পারি তাঁর ব্যাগ থেকে প্রচুর গুলি ও বন্দুক উদ্ধার হয়েছে। এই এলাকায় এমন ঘটনা আগে দেখিনি। মহিলাকেও কখনও এখানে দেখিনি। পুলিশ ও সিআইডি খুব ভালো কাজ করেছে।প্রাথমিক তদন্তে সিআইডির অনুমান, উদ্ধার হওয়া অস্ত্র ও কার্তুজ বিহার থেকে পশ্চিমবঙ্গে আনা হয়েছে। তবে এগুলি কোথায় পৌঁছানোর কথা ছিল, কী উদ্দেশ্যে আনা হচ্ছিল এবং এই অস্ত্র পাচার চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার নেপথ্যে বৃহত্তর কোনও আন্তঃরাজ্য চক্র রয়েছে কি না, সেই দিকেও তদন্তকারীরা নজর দিচ্ছেন।

জুলাই ১৯, ২০২৬
কলকাতা

ফিরছে কি করোনা আতঙ্ক? গড়িয়ার ১০ বছরের বালক আইসিইউ-তে ভর্তি

দেশে নতুন করে করোনা সংক্রমণের খবর সামনে আসতেই উদ্বেগ বাড়ছে। তার মধ্যেই দক্ষিণ কলকাতার গড়িয়ার এক ১০ বছরের বালক করোনা আক্রান্ত হয়ে বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সকালে জ্বর, কাশি ও শ্বাসকষ্টের উপসর্গ নিয়ে তাকে হাসপাতালে আনা হয়।চিকিৎসকদের সন্দেহ হওয়ায় শিশুটির সোয়াব পরীক্ষা করা হয়। রিপোর্টে সে করোনা পজিটিভ বলে ধরা পড়ে। এরপর তাকে হাসপাতালের আইসিইউ-র আইসোলেশন ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়েছে।শিশু বিশেষজ্ঞ সাহেলি দাশগুপ্ত জানিয়েছেন, বালকটি গত তিন-চার দিন ধরে জ্বর, সর্দি ও কাশিতে ভুগছিল। এক্স-রে পরীক্ষায় তার ডান ফুসফুসে নিউমোনিয়ার লক্ষণ ধরা পড়েছে। ভাইরাল পরীক্ষায় সার্স-কোভ-২ পজিটিভ এসেছে।তিনি আরও জানান, করোনা ভাইরাসজনিত রোগ হওয়ায় শিশুটিকে অ্যান্টিবায়োটিকের পরিবর্তে নেবুলাইজেশন ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সহায়তায় রাখা হয়েছে। শিশুটির মাকেও আইসোলেশনে রাখা হয়েছে এবং তাঁরও কোভিড পরীক্ষা করা হতে পারে।চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শিশুদের মধ্যে জ্বর, সর্দি-কাশি হওয়া এখন সাধারণ বিষয়। তাই করোনা নিয়ে অযথা আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। অধিকাংশ নতুন সংক্রমণই মৃদু প্রকৃতির এবং হাসপাতালে ভর্তির হারও কম বলে তাঁরা জানিয়েছেন।তবে দেশের বিভিন্ন রাজ্যে নতুন করে সংক্রমণের খবর পাওয়া যাচ্ছে। অন্ধ্রপ্রদেশে ২৬ জুন থেকে ১৬ জুলাইয়ের মধ্যে ১২ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন বলে রাজ্যের স্বাস্থ্য কমিশনার জানিয়েছেন। পাশাপাশি কোমর্বিডিটি থাকা ৪ জন রোগীর মৃত্যুর খবরও সামনে এসেছে। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে নতুন করে কোভিড নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

জুলাই ১৯, ২০২৬
বিদেশ

আচমকা বিকল ফেসবুক! ডেস্কটপে খুলছে না, আতঙ্কে লক্ষ লক্ষ ব্যবহারকারী

রবিবার দুপুরে আচমকা বিশ্বজুড়ে আংশিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে ফেসবুক। ভারতীয় সময় প্রায় দুপুর ১টা নাগাদ এই সমস্যা শুরু হয়। লক্ষাধিক ব্যবহারকারী অভিযোগ করেছেন, তাঁরা কম্পিউটার বা ডেস্কটপ থেকে ফেসবুক ব্যবহার করতে পারছেন না। তবে মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে অনেকেই এখনও ফেসবুক ব্যবহার করতে সক্ষম হচ্ছেন।ব্যবহারকারীরা জানিয়েছেন, ডেস্কটপে ফেসবুক খুলতে গেলে একটি বার্তা দেখা যাচ্ছে। সেখানে লেখা, অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে উপলব্ধ নয়। ফলে পোস্ট দেখা, তথ্য আদানপ্রদান বা নতুন কিছু পোস্ট করা কোনও কাজই করতে পারছেন না অনেকেই।এই বিভ্রাট শুধু ভারতেই নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও দেখা গিয়েছে। এক লক্ষেরও বেশি ব্যবহারকারী সমাজমাধ্যমে অভিযোগ জানিয়েছেন যে ফেসবুক ঠিকমতো কাজ করছে না। অনেকেই এক্সে পোস্ট করে সমস্যার কথা জানিয়েছেন।মেটা এখনও এই বিভ্রাটের কারণ সম্পর্কে কোনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেয়নি। কবে পরিষেবা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক হবে, সে বিষয়েও সংস্থার পক্ষ থেকে এখনও কোনও ঘোষণা করা হয়নি। ফলে ফেসবুক ব্যবহারকারীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।মোবাইল অ্যাপে পরিষেবা আংশিকভাবে চালু থাকলেও ডেস্কটপ ব্যবহারকারীরা সবচেয়ে বেশি সমস্যার মুখে পড়েছেন। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি সার্ভারজনিত সমস্যা হতে পারে। তবে মেটার আনুষ্ঠানিক বক্তব্য না আসা পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।

জুলাই ১৯, ২০২৬
দেশ

দিল্লির আন্দোলন থামিয়ে ছুটলেন ওমর আবদুল্লা! কাশ্মীরে ভয়াবহ বন্যা

অতিবৃষ্টির জেরে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে জম্মু ও কাশ্মীরে। শনি ও রবিবারের টানা ভারী বৃষ্টিতে রাজৌরি, পুঞ্চ-সহ একাধিক জেলা কার্যত জলের তলায় চলে গিয়েছে। নদীর জলস্তর দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় নিচু অঞ্চলগুলি প্লাবিত হয়েছে। প্রশাসনের প্রাথমিক হিসেবে অন্তত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আরও কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন।মৌসম ভবন আগেই ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছিল। শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টি দুদিন ধরে অব্যাহত থাকায় দারহালি, খান্দালি, সুকতোহ ও জামোলা নদীর জল বিপদসীমা ছাড়িয়ে যায়। বহু এলাকায় নদীর জল বাড়িঘর, রাস্তা ও বাজারে ঢুকে পড়ে।সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে রাজৌরি জেলায়। দারহালি নদীর বাঁধ ভেঙে জল বাসস্ট্যান্ডের পার্কিং এলাকায় ঢুকে পড়ে এবং বহু গাড়ি ভাসিয়ে নিয়ে যায়। পুঞ্চ জেলায় বাড়ি ধসে তিন জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। রাজৌরিতে ভূমিধ্বসে আরও একজনের প্রাণহানি ঘটেছে। দুই জেলায় অন্তত পাঁচ জন এখনও নিখোঁজ বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।পুলিশ ও উদ্ধারকারী দল প্লাবিত এলাকা থেকে মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। বহু পরিবারকে ত্রাণ শিবিরে রাখা হয়েছে। প্রশাসনের দাবি, জল নামার পর ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ আরও স্পষ্ট হবে।এই দুর্যোগের জেরে দিল্লিতে পূর্ণরাজ্যের দাবিতে চলা আন্দোলন আপাতত স্থগিত করেছেন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা। পরিস্থিতি সামাল দিতে তিনি শ্রীনগরে ফিরে যাচ্ছেন বলে সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে।

জুলাই ১৯, ২০২৬
দেশ

হাসপাতালেও অনশন ভাঙলেন না সোনম, মুক্তির দাবিতে হাই কোর্টে স্ত্রী

২১ দিন অনশনের পর জোর করে সোনম ওয়াংচুককে সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কিন্তু হাসপাতালে নিয়েও তাঁর অনশন ভাঙানো যায়নি। তিনি চিকিৎসা নিতে অস্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এই অবস্থায় সোনমের স্ত্রী গীতাঞ্জলি অভিযোগ করেছেন, তাঁকে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তরের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। সেই কারণেই তিনি দিল্লি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন।শনিবার প্রকাশিত স্বাস্থ্য বুলেটিনে জানানো হয়েছে, সোনমের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। দীর্ঘ অনশনের ফলে তাঁর শরীর ডিহাইড্রেটেড হয়ে পড়েছে এবং পটাশিয়ামের মাত্রা কমে যাচ্ছে। রক্তচাপ, নাড়ির গতি এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ শারীরিক সূচক আপাতত স্থিতিশীল থাকলেও চিকিৎসকদের মতে পরিস্থিতি উদ্বেগজনক।হাসপাতাল সূত্রে খবর, সোনমকে আইভি ফ্লুইড দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি তা নিতে অস্বীকার করেছেন। এমনকি কোনও ওরাল ওষুধও গ্রহণ করছেন না। অর্থাৎ, জোর করে হাসপাতালে ভর্তি করানো হলেও তিনি এখনও অনশন প্রত্যাহার করেননি।গীতাঞ্জলি জানিয়েছেন, বারবার আবেদন করা সত্ত্বেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সোনমকে ছাড়ছে না এবং বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরের অনুমতিও দিচ্ছে না। তাঁর দাবি, এতদিন যাঁরা সোনমের চিকিৎসা করছিলেন, তাঁরাই যেন চিকিৎসার দায়িত্ব পান। তিনি আরও অভিযোগ করেন, হাসপাতাল চত্বরে একশোর বেশি পুলিশ মোতায়েন করে সোনমকে কার্যত বন্দি করে রাখা হয়েছে।অন্যদিকে, সোনম ওয়াংচুকের সমর্থনে আন্দোলন আরও জোরদার হচ্ছে। এসএফআইয়ের সর্বভারতীয় সভাপতি আদর্শ এম সাজি এবং যুগ্ম সম্পাদক ঐশী ঘোষ যন্তরমন্তরে অনির্দিষ্টকালের অনশন শুরু করার ঘোষণা দিয়েছেন। রবিবার থেকেই তাঁদের এই কর্মসূচি শুরু হবে।সোনমের শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ বাড়লেও তিনি অনশনে অটল রয়েছেন। এখন নজর দিল্লি হাই কোর্টের দিকে, যেখানে তাঁর স্ত্রী দ্রুত শুনানির আবেদন জানিয়েছেন।

জুলাই ১৯, ২০২৬
কলকাতা

রাজ্যের আইনজীবী অনুপস্থিত, থমকে গেল অভিষেকের মামলার শুনানি! এরপর কী বলল হাইকোর্ট?

আমতলার পার্টি অফিস ভাঙা নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার বিচারপতি রাজা বসু চৌধুরীর এজলাসে জরুরি ভিত্তিতে শুনানির কথা ছিল। তবে নির্ধারিত সময়ে রাজ্যের কোনও আইনজীবী উপস্থিত না থাকায় শুনানি শুরু করা যায়নি।আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, বেলা ১২টার সময় মামলার শুনানি শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু রাজ্যের পক্ষ থেকে কোনও আইনজীবী হাজির না হওয়ায় বিচারপতি রাজা বসু চৌধুরী জানান, রাজ্যের বক্তব্য ছাড়া শুনানি সম্ভব নয়। পরে রাজ্যের আইনজীবী নীলাঞ্জন ভট্টাচার্য ভার্চুয়াল মাধ্যমে এজলাসে উপস্থিত হন এবং সওয়ালের জন্য আরও সময় চান।বিচারপতি রাজ্যকে ফের নোটিস দেওয়ার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সরকারকেও মামলার কপি দিতে বলা হয়েছে। আদালত জানিয়েছে, জেলাশাসকের কাছ থেকে বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে হবে। এরপর মামলার পরবর্তী শুনানির সময় ধার্য করা হয়েছে দুপুর দেড়টায়।অভিযোগ, আমতলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পার্টি অফিস বেআইনিভাবে তৈরি হয়েছিল। শনিবার প্রশাসনের পক্ষ থেকে বুলডোজার চালিয়ে অফিসের একাংশ ভেঙে দেওয়া হয়। এমনকি শাবল দিয়ে ডিজি লকারও ভাঙা হয়েছে বলে অভিযোগ। রবিবারও বুলডোজার পার্টি অফিসের সামনে পৌঁছে যায়। এই পরিস্থিতিতে দ্রুত শুনানির আবেদন জানিয়ে হাইকোর্টে যান অভিষেকের আইনজীবী।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন, পার্টি অফিসটি বেআইনিভাবে তৈরি হয়নি। তিনি অভিযোগ করেছেন, এর পিছনে বিজেপি নেতাদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ মদত রয়েছে। শনিবার তিনি বলেন, যে আইনের যে ধারায় আপনারা এই অত্যাচার করেছেন, একই আইনের একই ধারায় ৩১ ফিরিয়ে দেব সুদ সমেত।আমতলা পার্টি অফিস ভাঙাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তীব্র হয়েছে। এখন নজর আদালতের পরবর্তী শুনানির দিকে, যেখানে রাজ্যের জবাবের পর মামলার ভবিষ্যৎ দিক নির্ধারণ হতে পারে।

জুলাই ১৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal