• ৩ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার ১৯ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

CM Mamata Bannerjee

রাজ্য

বাইরে থেকে বাংলায় ঢুকতে হলে আরটি-পিসিআর টেস্ট বাধ্যতামূলক

ভোটের মরশুমে বহিরাগতরা এসে বাংলায় রোগ ছড়াচ্ছে। আর সেই কারণেই রাজ্যে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। জনসভায় একাধিকবার এমন দাবিই করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । এবার তিনি সাফ জানিয়ে দিলেন, যাঁরা বাইরে থেকে আসতে চাইবেন, তাঁদের আরটি-পিসিআর টেস্ট করার পর বাংলায় পা রাখার অনুমতি দেওয়া হবে।তৃণমূল নেত্রীর দাবি, অন্তত ১০ হাজার মানুষ অন্য জায়গা থেকে এ রাজ্যে এসেছেন। যাঁদের মধ্যে বেশিরভাগই সংক্রমিত। আর এঁদের কারণেই বাংলায় হু হু করে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। তাই বহিরাগতদের নিয়ে আর কোনও ঝুঁকি নিতে রাজি নন মমতা। পরিষ্কার বলে দিয়েছেন, এরপর বড় কোনও অঘটন ঘটলে তার জন্য নির্বাচন কমিশনই দায়ী থাকবে।গত বেশ কয়েকদিন ধরে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে বাংলার ক্রমবর্ধমান করোনা সংক্রমণ। লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। এমন পরিস্থিতিতে কমিশন ভোট প্রচারে লাগাম টানলেও করোনা রুখতে তা বিরাট কোনও ভূমিকা পালন করতে পারবে কি না, সে নিয়ে সন্দীহান ওয়াকিবহল মহল। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনতে রাজ্যের বাকি চার দফার ভোট একসঙ্গে করানোর দাবিও তুলেছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। কিন্তু কমিশন জানিয়ে দিয়েছে, পূর্ব নির্ধারিত সূচিতেই হবে নির্বাচন। ফলে আগের মতোই চলবে জনসভা, রোড শো। আর সেই কারণেই বাড়ছে চিন্তা। স্বাস্থ্যদপ্তরের শনিবারের বুলেটিন অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় কোভিড আক্রান্ত ৭,৭১৩ জন। প্রাণ হারিয়েছেন ৩৪ জন। মোট সংক্রমিতের সংখ্যা জানিয়েছে সাড়ে ৬ লক্ষ। ইতিমধ্যেই সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে বেড বাড়ানোর জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে স্বাস্থ্যদপ্তর। উপসর্গ তীব্র হলে তবেই হাসপাতালে, মৃদু উপসর্গ থাকলে প্রয়োজনে সেফ হোমে পাঠানো হবে কোভিড রোগীদের।

এপ্রিল ১৮, ২০২১
রাজ্য

এবার সরানো হল মুখ্যমন্ত্রীর ওএসডিকে

নন্দীগ্রামের বিরুলিয়ায় ভোটপ্রচারে গিয়ে আহত হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই ঘটনায় ফের কড়া পদক্ষেপ নির্বাচন কমিশনের। এবার সরিয়ে দেওয়া হল মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আধিকারিক অশোক চক্রবর্তীকে। তিনি অফিসার অন স্পেশ্যাল ডিউটি বা ওএসডি পদে কর্তব্যরত ছিলেন। শুক্রবার এক বিবৃতিতে একথা জানানো হয়েছে কমিশনের তরফ থেকে। তবে ওই পদে কাকে আনা হবে, তা এখনও জানা যায়নি।এর আগে গত ১০ মার্চ নন্দীগ্রামের বিরুলিয়ায় গিয়ে জখম হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পায়ে গুরুতর চোট পান তিনি। অসুস্থ অবস্থায় রাতেই কলকাতায় ফিরে আসেন মুখ্যমন্ত্রী। দেড়দিন এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী জখম হওয়ার এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই রাজনীতির রং লেগেছিল। একাধিক অভিযোগ নিয়ে কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তৃণমূলের প্রতিনিধিদল। অন্যদিকে পর্যাপ্ত তদন্তের দাবিতে কমিশনে যায় বিজেপি। এদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জখম হওয়ার ঘটনায় মুখ্যসচিব ও সিইও-র কাছ থেকে রিপোর্ট চেয়েছিল নির্বাচন কমিশন। একইসঙ্গে দুই বিশেষ পর্যবেক্ষককে নিজেদের মতামত জানানোর কথাও বলা হয়েছিল। তাঁদের রিপোর্ট নিয়ে কমিশনের ফুলবেঞ্চ বৈঠকেও বসে।এরপরই রাজ্যের নিরাপত্তা অধিকর্তা বিবেক সহায়কে সরানোর নির্দেশ দেওয়া হয় কমিশনের পক্ষ থেকে। তাঁর জায়গায় আনা হয় জ্ঞানবন্ত সিংকে। এছাড়াও সরিয়ে দেওয়া হয় পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক বিভু গোয়েলকে। তাঁর জায়গায় নতুন জেলাশাসক হন স্মৃতি পাণ্ডে। এর পাশাপাশি প্রবীণ প্রকাশকে পুলিশ সুপারের পদ থেকে সরিয়ে ওই জায়গায় আনা হয় সুনীল কুমার যাদবকে। কিন্তু সেই ঘটনার এতদিন পরে ফের মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা বলয়ের এক আধিকারিককে সরিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। আর এই নিয়েই ফের প্রশ্ন উঠতেও শুরু করেছে বিভিন্ন মহলে।

এপ্রিল ০৯, ২০২১
রাজ্য

মমতাকে দ্বিতীয়বার নোটিস কমিশনের

তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফের নোটিস নির্বাচন কমিশনের। গত ২৮ মার্চ এবং ৭ এপ্রিল কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী যে মন্তব্য করেছিলেন, তার প্রেক্ষিতে কারণ দর্শানোর নোটিস দিয়েছে কমিশন। যাতে উল্লেখ করা হয়েছে, বাহিনী নিয়ে মমতার মন্তব্য দুর্ভাগ্যজনক। কেন তিনি এই ধরনের মন্তব্য করলেন, তা ব্যাখ্যা করতে হবে তৃণমূলনেত্রীকে। এবং এই ব্যাখ্যা দিতে হবে ১০ এপ্রিলের মধ্যে। অর্থাৎ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীকে কমিশনের নোটিসের জবাব দিতে হবে।বস্তুত, রাজ্যের নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে শুরু থেকেই সরব মমতা। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের চাপে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা বাংলার নির্বাচনকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। তৃণমূল ভোটারদের ভয় দেখানো হচ্ছে। বিশেষ একটি রাজনৈতিক দলকে সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে বাহিনী। গত ৭ এপ্রিল কোচবিহার উত্তরের সভায় তৃণমূল নেত্রী কেন্দ্রীয় বাহিনী ভোট প্রভাবিত করতে এলে তার পালটা দেওয়ার পরামর্শ দেন মহিলা ভোটারদের। তাঁকে বলতে শোনা যায়, কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা অশান্তি করতে এলে একদল ওদের ঘিরে ফেলুন। আরেক দল ভোট দিতে যান। কারা এই কাজ করছে, তাদের নাম লিখে রাখুন। এর আগে গত ২৮ মার্চও বাহিনী নিয়ে একই ধরনের মন্তব্য করার অভিযোগ রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে। যা নিয়ে প্রবল আপত্তি কমিশনের। তাঁদের দাবি, তৃণমূলনেত্রীর এই মন্তব্য দুর্ভাগ্যজনক। দ্রুত তাঁকে এই মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।এটা অবশ্য মুখ্যমন্ত্রীকে পাঠানো কমিশনের প্রথম নোটিস নয়। এর আগে গত ৩ এপ্রিল তারকেশ্বরের জনসভা থেকে মমতার করা একটি মন্তব্যের জেরে তাঁকে নোটিস পাঠায় নির্বাচন কমিশন। তারকেশ্বরে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, শয়তানদের কথা শুনে সংখ্যালঘু ভোট ভাগ হতে দেবেন না। অভিযোগ তোলেন, বাংলাকে বিজেপি ধর্মের নামে ভাগ করে দিতে চাইছে। বাংলার সংস্কৃতি নষ্ট করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। মমতার এই মন্তব্যের বিরুদ্ধে কমিশনের দ্বারস্থ হন বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মুখতার আব্বাস নকভি। তাঁর দাবি ছিল, সংখ্যালঘুদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার বার্তা দিয়ে মমতা নির্বাচনী আচরণ বিধি ভঙ্গ করেছেন মমতা। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সেই অভিযোগের ভিত্তিতে এবার মুখ্যমন্ত্রীকে নোটিস পাঠায় কমিশন। আজই সেই নোটিসের জবাব দেওয়ার শেষদিন।

এপ্রিল ০৯, ২০২১
কলকাতা

সাম্প্রদায়িক মন্তব্যের জের, মমতাকে নোটিস কমিশনের

ফের নির্বাচন কমিশনের কড়া নজরে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত ৩ এপ্রিল তারকেশ্বরের জনসভা থেকে মমতার করা একটি মন্তব্যের জেরে তাঁকে নোটিস পাঠাল নির্বাচন কমিশন। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীকে নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।গত ৩ এপ্রিল তারকেশ্বরে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, শয়তানদের কথা শুনে সংখ্যালঘু ভোট ভাগ হতে দেবেন না। অভিযোগ তোলেন, বাংলাকে বিজেপি ধর্মের নামে ভাগ করে দিতে চাইছে। বাংলার সংস্কৃতি নষ্ট করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। মমতার এই মন্তব্যের বিরুদ্ধে কমিশনের দ্বারস্থ হন বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মুখতার আব্বাস নকভি। তাঁর দাবি ছিল, সংখ্যালঘুদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার বার্তা দিয়ে মমতা নির্বাচনী আচরণ বিধি ভঙ্গ করেছেন মমতা। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সেই অভিযোগের ভিত্তিতে এবার মুখ্যমন্ত্রীকে নোটিস পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নিজের মন্তব্যের ব্যাখ্যা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে।ঘটনাচক্রে তৃণমূল নেত্রীর এই মন্তব্য নিয়ে দিন দুই আগে কোচবিহারের জনসভা থেকে সরব হয়েছিলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। তাঁর দাবি ছিল, মমতা জনসমক্ষে সব মুসলমানকে এক হতে আহ্বান করেছেন। বলেছেন, সব মুসলমান এক হও, ভোট ভাগ হতে দিও না। তৃণমূল নেত্রীর উদ্দেশে তাঁর কটাক্ষ ছিল, মমতা যেমন বলছেন, তেমন যদি আমি বলতাম যে, সব হিন্দু এক হয়ে বিজেপিকে ভোট দাও, তাহলে নির্বাচন কমিশন আমাকে ৭-৮ দিনের জন্য নোটিস দিয়ে দিত। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরেও নোটিস আসে। জানি না, কমিশন আপনাকে নোটিস দেবে কিনা। প্রধানমন্ত্রী সেই কটাক্ষের দুদিনের মধ্যেই মমতাকে নোটিস দিল কমিশন।

এপ্রিল ০৭, ২০২১
রাজ্য

নন্দীগ্রামে ভোটপর্ব মিটতেই উত্তরবঙ্গের প্রচারে যাচ্ছেন মমতা

নন্দীগ্রামে ভোটপর্ব মিটতেই উত্তরবঙ্গে প্রচারে যাচ্ছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার নন্দীগ্রামের ভোট শেষ হলেও কলকাতায় ফিরছেন না তিনি। বরং রাতটুকু নন্দীগ্রামে কাটিয়ে শুক্রবার সকালে কলকাতা ছুঁয়ে দমদম বিমানবন্দর থেকে উত্তরবঙ্গ রওনা হবেন প্রচারে জন্য।উত্তরবঙ্গের ২ জেলায় ৩টি জনসভা রয়েছে তাঁর। মূলত কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ার জেলায় তিনটি জনসভা হবে। এই তিনটি জনসভা থেকে উত্তরবঙ্গের ১৪টি আসনের জন্য ভোট প্রচার সারবেন। আগামী ১০ এপ্রিল রাজ্যে চতুর্থ দফার নির্বাচন। সেই দফায় মোট ৪৪টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। যাঁর মধ্যে দক্ষিণবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলির সঙ্গেই উত্তরবঙ্গের কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ার জেলাতেও ভোট হবে। সেই ভোটের প্রচারেই মমতা যাচ্ছেন উত্তরবঙ্গে। দুটি জেলায় ৩টি জনসভার কর্মসূচি মাধ্যমে ১৪টি বিধানসভার ভোট তৃণমূল শিবিরের দিকে টানাই লক্ষ্য মুখ্যমন্ত্রীর। কারণ, এই ১৪টি আসনের মধ্যে লোকসভার নিরিখে ১২টিতেই এগিয়ে ছিল গেরুয়া শিবির। শুক্রবার দুপুরে দিনহাটায় তৃণমূল প্রার্থী উদয়ন গুহ-র সমর্থনে দিনহাটা টাউনে সংহতি ময়দানে সভা করবেন। তারপরে তুফানগঞ্জ এসএমএ মাঠে তুফানগঞ্জের তৃণমূল প্রার্থী প্রণব কুমার দে-র সমর্থনে জনসভা হবে মমতার। এরপর ফালাকাটায় টাউন ক্লাবের মাঠে প্রার্থী সুভাষ রায়ের সমর্থনে সভা রয়েছে তাঁর।

এপ্রিল ০২, ২০২১
রাজনীতি

'দিদি হার মেনে নিয়েছেন', মমতাকে কটাক্ষ মোদির

নন্দীগ্রামের বয়ালে যখন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বুথে বসে একের পর এক ফোন করছেন, ঠিক তখনই দক্ষিণ ২৪ পরগনার মথুরাপুরে জনসভা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আর আধা সেনার উদ্যোগে বয়াল থেকে বেরিয়ে মমতা যখন সাংবাদিক বৈঠক করলেন তার পরেই হাওড়ার উলুবেড়িয়ায় জনসভা শুরু হল মোদির। আর দুই সভাতেই মোদি টেনে নিয়ে এলেন হট সিট নন্দীগ্রাম প্রসঙ্গ। বললেন, বাংলা যা চাইছে সেটাই হয়েছে নন্দীগ্রামে। দিদি, প্রথমে ভবানীপুর ছেড়ে নন্দীগ্রামে গিয়েছিলেন। পরে বুঝলেন সেটা ভুল করেছি।গোটা দিন নন্দীগ্রামের ভোটগ্রহণ নিয়ে একের পর এক অভিযোগ করে গেছে তৃণমূল। অভিযোগ জানিয়েছেন প্রার্থী মমতাও। রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে ফোন করেও ভোটে অনিয়মের কথা জানিয়েছেন। অন্যদিকে, তাঁর কোনও অভিযোগ নেই জানিয়ে নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, তাঁর কোনও অভিযোগ নেই। শান্তিপূর্ণ ও অবাধ ভোট হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। শুভেন্দু যেমন জয়ের ব্যাপারে তিনি নিশ্চিন্ত বলে দাবি করেছেন তেমন মমতাও দুআঙুলে ভিকট্রি দেখিয়ে বলেন, নন্দীগ্রামে তৃণমূল ৯০ শতাংশ ভোট পাবে। মা-মাটি-মানুষের আশীর্বাদে আমিই জিতব। পাশাপাশি তিনি বলেন, নন্দীগ্রাম নিয়ে চিন্তিত নই আমি। গণতন্ত্র নিয়ে চিন্তিত। এখানে ভোটে চিটিংবাজি হয়েছে।যদিও মোদির বক্তব্যে ইঙ্গিত স্পষ্ট, নন্দীগ্রামে বিজেপি-র জয় নিয়ে তিনি নিশ্চিত। দ্বিতীয় দফার ভোটের দিনেই বাংলা দখলের প্রত্যায়ও বৃহস্পতিবার শোনা গিয়েছে মোদির গলায়। তিনি বলেন, দিদিকে দেখুন। তা হলেই সব বুঝে যাবেন। দিদিই ওপিনিয়ন পোল, দিদিই এক্সিট পোল। ওঁর চোখ-মুখ, হাব-ভাবেই সব পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে। মোদি বৃহস্পতিবার দাবি করেন, বাংলায় যে আসল পরিবর্তন-এর জোর হাওয়া বইছে তা প্রথম দফাতেই বোঝা গিয়েছে। বিজেপি ২০০-র বেশি আসনে জিতবে বলেও দাবি করেন তিনি। তবে বাংলায় তৃতীয় দফার ভোট প্রচারে রাজ্যে সিন্ডিকেটের সরকার চলছে বলে আক্রমণ করেন। বলেন, দিদি সব কিছুতে শুধু বাধা দিতেই জানেন। শিল্পকে ধ্বংস করেছেন। ১০ বছর কোনও পরিকল্পনা ছাড়াই সরকার চালিয়েছেন। কিন্তু একবিংশ শতকের বাংলায় ওই সরকার চলবে না। বাংলার দরকার এক দূরদৃষ্টিসম্পন্ন সরকার, যারা পরিকল্পনা করে বাংলার উন্নতির লক্ষ্যে কাজ করবে।

এপ্রিল ০১, ২০২১
রাজ্য

নন্দীগ্রামে ৯০ শতাংশ ভোট পাবেন, আত্মবিশ্বাসী মমতা

রাজ্যে দ্বিতীয় দিনের ভোটে প্রধান যুদ্ধক্ষেত্র নন্দীগ্রাম । ভোটদানের শেষবেলায় সেই যুদ্ধক্ষেত্রে জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসী সুর তৃণমূল প্রার্থী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গলায়। বয়ালের স্পর্শকাতর বুথ থেকে ফেরার সময় বললেন, আমি চিন্তিত নই, এখানে আমি মা-মাটি-মানুষের আশীর্বাদে জিতব। ৯০ শতাংশ ভোট পাব। এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জয় নিয়ে এ কথাই বলেন তিনি। এরপর বলেন, আমি চিন্তিত গণতন্ত্র নিয়ে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর দোষ দিচ্ছি না। ওরা নির্দেশমতো কাজ করছে। ওদের নির্দেশ দিচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। কমিশনের নীরবতা দেখে দুঃখিত।বৃহস্পতিবার সকাল থেকে নন্দীগ্রামে ঘটে চলেছে বিক্ষিপ্ত অশান্তির ঘটনা। দুপুরে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা নন্দীগ্রামের তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বুথ পরিদর্শনে বেরিয়েই চলে যান বয়াল-২ এলাকায়। এখানকার ৭ নং বুথে ভোট দিতে বাধা দেওয়া হচ্ছে, এই মর্মে একাধিকবার অভিযোগ উঠেছিল। এ নিয়ে বিজেপি-তৃণমূলের সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে সেখানে চলে যান। অশান্তি এত তীব্র আকার নিতে দেখে বুথে বসেই সরাসরি ফোন করেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়কে। এমনকী বুথে প্রিসাইডিং অফিসারের সঙ্গে কথা বলতে বলতে চিঠিও লিখে ফেলেন নির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরাকে। পালটা টুইট করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যথাযথ থাকবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন রাজ্যপালও।ভোট দিতে বাধা দেওয়া হচ্ছে, এই অভিযোগ ঘিরে সকাল থেকে অশান্তি ছড়াচ্ছিল বয়াল-২ এলাকায়। বেলা বাড়তেই স্পর্শকাতর হয়ে উঠছিল ৭ নং বুথটি। দুপুরে সেখানে মমতা পৌঁছতে তাঁকে কাছে পেয়ে তৃণমূল কর্মীরা অভিযোগ জানাতে থাকেন যে, বিজেপির কর্মী,সমর্থকরা তাঁদের ভোট দিতে বাধা দিচ্ছে। এ নিযে দুপক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। মমতার উপস্থিতিতে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে থাকলে তাঁর নিরাপত্তার স্বার্থে বুথের ভিতর নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে বসেই রাজ্যপালকে ফোন করেন মুখ্যমন্ত্রী। জানান, ওরা লোকজনকে ভোট দিতে বাধা দিচ্ছে। আমি সকাল থেকে খবর পাচ্ছি। এখন আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি, বিষয়টা দেখুন।এমনকী, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরাকে চিঠি লিখেও অভিযোগ জানান তিনি। খবর পেয়ে তৎপর হয় দিল্লি নির্বাচন কমিশনও। রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপ নির্বাচন কমিশনার সুদীপ জৈন ফোন করে রাজ্যের নির্বাচনী আধিকারিক আরিজ আফতাবকে। বয়ালের খবরাখবর নেন। এদিকে, অশান্ত পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে বয়ালের ওই বুথে চলে যান নন্দীগ্রামের বিশেষ দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ পর্যবেক্ষক নগেন্দ্রনাথ ত্রিপাঠি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর সঙ্গেও কথা বলেন, অভিযোগ জানান। এরপর তাঁর কথায় আশ্বস্ত হয়ে প্রায় ২ ঘণ্টা পর বুথ ছাড়েন তিনি।

এপ্রিল ০১, ২০২১
রাজ্য

নন্দীগ্রামে বহিরাগতদের ঢুকতে না দেওয়ার সতর্কবার্তা মমতার

পায়ে চোট নিয়েই প্রায় মাসখানেক ধরে হুইলচেয়ারে বসে নির্বাচনী প্রচার সারছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত ১০ মার্চ নন্দীগ্রামে মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর মন্দির দর্শনে গিয়ে পায়ে আঘাত পান তিনি। হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসার পর বিশ্রাম নেননি তেমন। হুইলচেয়ারকে সঙ্গী করেই বেরিয়ে পড়েছেন। ঘুরেফিরে আজ ফের নন্দীগ্রামে তৃণমূল সুপ্রিমো। টানা তিনদিন এখানেই রয়েছেন, একাধিক জায়গায় জনসভা করছেন। আর প্রায় প্রতিবারই ঘুরেফিরে আসছে তাঁর চোটের প্রসঙ্গ। মঙ্গলবার বাঁশুলিয়াচকের সভা থেকে নন্দীগ্রামের তৃণমূল প্রার্থীর গলায় ফের শোনা গেল সেই কথা। বললেন, নন্দীগ্রামের মানুষকে দোষ দিই না। আমার পায়ে চোট করানো হয়েছে বহিরাগত গুন্ডাদের দিয়ে। এরপরই তাঁর বার্তা, সন্ধে ৬টার পর কাউকে ঢুকতে দেবেন না। এদিন তাঁকে দেখেই জয় শ্রীরাম ধ্বনি দিতে শোনা যায়। এরপরই তিনি বহিরাগত গুন্ডাদের কথা বলেন। সোমবার নন্দীগ্রামের বয়াল-২র সভা থেকে মমতা নাম না করে তাঁর আঘাতের জন্য শুভেন্দু অধিকারীকে দায়ী করেছিলেন। বলেছিলেন, আমাকে মেরেছে। আমার পা জখম করেছে। তোমার নির্দেশ ছাড়া এটা হতে পারে না। নন্দীগ্রামের কেউ এই ঘটনা ঘটায়নি। বহিরাগত গুণ্ডাদের এনে এই কাণ্ড ঘটানো হয়েছে। আর এখন দলের লোকেদের মারছে। হাইভোল্টেজ কেন্দ্র নন্দীগ্রামে ভোটের আগে বহিরাগতদের আনাগোনা নিয়ে ইতিমধ্যেই কমিশনে গিয়েছে তৃণমূল। তাঁদের অভিযোগ, ভোটে অশান্তি তৈরির জন্য এসব ষড়যন্ত্র চলছে। এবার নন্দীগ্রামে অশান্তি রুখতে একজন প্রশাসনিক প্রধানের মতোই পরামর্শ দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাইরের মানুষজনের আনাগোনা ভোটের দিন যে কতটা বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থির অবনতি হতে পারে, সর্বোপরি সাধারণ মানুষজন আতঙ্কিত হয়ে বাড়ি থেকে বেরনোর ঝুঁকিও না নিতে পারেন, এসব সম্ভাবনা বেশ টের পেয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। এই পরিস্থিতিতে কিন্তু তিনি সজাগ, এক অভিভাবকের মতোই। তাই স্থানীয়দের প্রতি তাঁর সরাসরি বার্তা, বাইরের কাউকে আর ঢুকতে দেবেন না। শুধু ইনসাইডাররা থাকবেন, আর আমি থাকব। আমি ভোটার, আমাকে তো থাকতেই হবে। এই প্রসঙ্গেই তিনি আরও বলেন, আপনারা শান্ত থাকুন, কোনও অশান্তি করবেন না। কেউ অন্য়ায় করলে আমি আছি তো শাস্তি দেওয়ার জন্য। আসলে, নন্দীগ্রামে কতটা শান্তিপূর্ণভাবে ভোট হবে, তা নিয়ে চিন্তায় সবমহলই।

মার্চ ৩০, ২০২১
রাজ্য

‘তোমার নির্দেশ ছাড়া এটা ঘটেনি’, নাম না করে শুভেন্দুকে নিশানা মমতার

আর মাত্র দুদিন। তার পরই নন্দীগ্রামে নির্বাচন। সেই ভোটের প্রচারে এসে পায়ে চোট পেয়েছিলেন এই কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । সেদিন তাঁর উপর হামলা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেছিলেন তিনি। এবার সেই হামলার জন্য নাম না করে শুভেন্দু অধিকারীকেই দায়ী করলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বললেন, তাঁর নির্দেশ ছাড়া এই ঘটনা ঘটতে পারে না।সোমবার নন্দীগ্রাম বিধানসভার অন্তর্গত বয়াল-২ এলাকায় প্রচার সভা ছিল মমতার। সেই সভার শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিলেন তৃণমূল নেত্রী। একসময়ে নিজের অনুগত সৈনিক শুভেন্দুর নাম না করেই তুলোধোনা করলেন তিনি। বললেন, আমাকে মেরেছে। আমার পা জখম করেছে। তোমার নির্দেশ ছাড়া এটা হতে পারে না। নন্দীগ্রামের কেউ এই ঘটনা ঘটায়নি। বহিরাগতদের এনে এই কাণ্ড ঘটিয়েছিল। আমাকে মেরেছে। আর এখন দলের লোকেদের মারছে। দলীয় কর্মীদের উপর হামলা প্রসঙ্গে নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা পুলিশের বিরুদ্ধেও তোপ দাগলেন মমতা। বললেন, অভিযোগ থাকার পরেও কেন অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করছেন না? কীসের জন্য পক্ষপাতিত্ব করছেন? এদিন বহিরাগত ইস্যুতেও নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থীকে তোপ দাগেন মমতা। বললেন, আমি এ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। আমি বহিরাগত? তুমি তো কাঁথির ছেলে। কবে নন্দীগ্রামের ভূমিপুত্র হলে? এটা কবে তোমার জমি হল? আক্রমণের সুর চড়িয়ে মমতা বলেন, একসময় সিপিএমের দালালি করেছে। এখন বিজেপির দালালি করছে। এ প্রসঙ্গ ফের নন্দীগ্রামে পুলিশ প্রবেশ ইস্যু টেনে আনলেন মমতা। বললেন, সেদিন তোমাদের অনুমতি ছাড়া পুলিশ নন্দীগ্রামে ঢুকতে পারত না। সেদিনের সিপিএমের নবকুমার সামন্ত মানুষ খুন করেছে। আজ সে বিজেপিতে। আর আরেকজন ওর নেতা হয়েছে। সভার শেষে নন্দীগ্রামের মানুষকে গুন্ডামির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর ডাক দিলেন তৃণমূল নেত্রী। বললেন, নন্দীগ্রামের মানুষ কি ভয় পাচ্ছে? তাঁরা তো কোনওদিন গুন্ডামিকে ভয় পায় না। ওঁরা গুন্ডামি করলে আপনারা রুখে দাঁড়ান। পাল্টা তাড়া করুন।

মার্চ ২৯, ২০২১
কলকাতা

'আহত বাঘ আরও ভয়ঙ্কর', নন্দীগ্রাম দিবসে হুংকার মমতার

জীবনে অনেক আঘাত, লড়াই এসেছে। সেসব পেরিয়ে এসেছেন। এখনও শরীরে যন্ত্রণা। কিন্তু চক্রান্তের বিরুদ্ধে সেই যন্ত্রণা নিয়ে পথে বেরতেও কোনও ক্লান্তি নেই। আগাগোড়া লড়াকু নেত্রীর কাছ থেকে এই বার্তা প্রত্যাশিত ছিল। তবে রবিবারের দুপুরে হাজরা মোড়ের মিছিল শেষে হুইলচেয়ারে বসে থাকা নেত্রীর কিছুটা ক্লান্ত কণ্ঠে এসব কথা যেন ভোটের মুখে নতুন করে লড়াইয়ে উৎসাহ জোগাল দলের তৃণমূল কর্মী, সমর্থকদের। শহরবাসীকে সাক্ষী রেখে তৃণমূল সুপ্রিমো তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দৃপ্ত শপথ, হুইলচেয়ারে, ভাঙা পায়েই গোটা বাংলা ঘুরে বেড়াব, খেলা হবে। আর তাতেই বাড়তি উদ্দীপনা তাঁর সঙ্গে থাকা প্রার্থী, দলীয় কর্মী, সমর্থকদের মধ্যে। বার্তা দিলেন চক্রান্তকারীদেরও।শুক্রবার সন্ধেবেলা বাড়ি ফিরেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। শনিবার বিশ্রাম নিয়ে রবিবারই ফের রাজপথে বেরিয়েছেন। নন্দীগ্রাম দিবসে মেয়ো রোড থেকে হাজরা মোড় পর্যন্ত তৃণমূলের মিছিলে হুইলচেয়ারে বসেই নেতৃত্ব দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর আহত নেত্রী মিছিল শেষে আরও দাঁতে দাঁত চেপে লড়াইয়ের ডাক দিয়েছেন তিনি।হাজরা মোড়ে মিছিল পৌঁছনোর পর তিনি বলেন, সকলকে অভিনন্দন। এমনিই ৫-৬ দিন নষ্ট হয়েছে। সোমবার থেকে পুরুলিয়া সফর দিয়ে শুরু করব প্রচার। এটুকুই বলব, জীবনে অনেক আঘাত, লড়াই পেরিয়েছি। চক্রান্ত যারা করছে আমার বিরুদ্ধে তাদের বলতে চাই, বেরতেই হবে আমাকে। সেই মনের জোর আপনাদের কাছ থেকে পেয়েছি। এই কদিন মা-মাটি-মানুষ যেভাবে উদ্বিগ্ন, তাতে আমি কৃতজ্ঞ। আমার যন্ত্রণা আছে। তবে শারীরিক যন্ত্রণার চেয়েও বড় হৃদয়ের যন্ত্রণা। আমি হেঁটে চলার লোক। তখন আমার মাথাও হাঁটে, হৃদয়ও হাঁটে। আঘাতের কালো দাগে ভর্তি আমার সারা শরীর। মনে রাখবেন, আহত বাঘ আরও ভয়ংকর।লক্ষ্য একটাই। স্বৈরাচারীদের হাত থেকে গণতন্ত্রকে বাঁচাতে হবে। তার দায়িত্ব অনেক বেশি। হাজরা মোড়ে হুইলচেয়ারে বসে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখতে গিয়ে এমনই বললেন তৃণমূল সুপ্রিমো। বলেন, অশুভ শক্তির বিনাশ হোক, শুভ শক্তির উদয় হোক। বাংলা ঘিরে যে চক্রান্ত, তা যেন নস্যাৎ হয়ে যায়।

মার্চ ১৪, ২০২১
রাজ্য

নন্দীগ্রাম দিবসে হুইল চেয়ারেই রাস্তায় নামতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেকে পরিচয় দেন স্ট্রিট ফাইটার হিসেবে। রাস্তায় নেমে আন্দোলন করেই দাপুটে বিরোধী নেত্রী থেকে মুখ্যমন্ত্রী হয়ে ওঠা তাঁর। তাই নিজের এবং দলের কঠিন সময়ে রাস্তাকে ভুলছেন না মমতা। দিন তিনেক আগেই নন্দীগ্রামে গিয়ে আহত হয়েছেন তিনি। এখনও পায়ে ব্যান্ডেজ বাঁধা। হাঁটাচলা করতে পারছেন না। আজ ঐতিহাসিক নন্দীগ্রাম দিবস উপলক্ষে ফের রাস্তায় নেমে পড়ছেন তৃণমূল নেত্রী। হয়তো হাঁটাচলা করতে পারবেন না। কিন্তু দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উপস্থিত থেকে বার্তা তো দিতে পারবেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে বহুবার বহু আঘাত পেলেও এই প্রথমবার হুইল চেয়ারে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে দেখা যাবে মমতাকে। রবিবার শহরে নন্দীগ্রাম ঘটনার প্রতিবাদে মহামিছিলে নামছে তৃণমূল। গান্ধিমূর্তির পাদদেশ থেকে হাজরা মোড় পর্যন্ত মিছিল। মিছিলে উপস্থিত থাকবেন তৃণমূল যুব সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সমস্ত নেতৃত্বের সঙ্গে থাকতে বলা হয়েছে কলকাতার সব প্রার্থীকে। দলের একটি সূত্রের দাবি, গান্ধিমূর্তির পাদদেশে অর্থাৎ এই মিছিলের শুরুতে থাকতে পারেন মমতাও। বিকেল তিনটে নাগাদ এই মিছিল শুরু হবে। সূত্রের খবর, শুরুর দিকে সেখানে থাকবেন মমতা। কাল থেকেই শুরু হচ্ছে তৃণমূলনেত্রীর জেলা সফর। সেজন্য আজ বিকেলেই আকাশপথে শহর ছাড়ার কথা তাঁর। তার আগে শহরে দলের কর্মসূচিতে কিছুক্ষণের জন্য হলেও থাকবেন তিনি।

মার্চ ১৪, ২০২১
কলকাতা

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন মুখ্যমন্ত্রী

শুক্রবার সন্ধেয় হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হাসপাতাল থেকে হুইলচেয়ারে বেরিয়ে গাড়িতে ওঠেন তিনি। ভোটের মুখে আগামী সপ্তাহ থেকে ফের দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে পারেন তিনি। হুইলচেয়ারে বসেই প্রচার শুরু করতে পারেন তৃণমূল নেত্রী। আর সেই কারণে তাঁর জন্য তৈরি হয়েছে বিশেষ চটি। এদিন এসএসকেএমের মেডিক্যাল বুলেটিনে বলা হয়, চিকিৎসায় সাড়া দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। অবস্থার উন্নতি হয়েছে। নতুন করে প্লাস্টার করা হয়েছে। পায়ের ফোলাভাব অনেকটা কমেছে। চিকিৎসকরা আরও ৪৮ ঘণ্টা রাখতে চেয়েছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী বারবার বলায় ছুটি দেওয়া হচ্ছে। সাতদিন পর ফের তাঁর পরীক্ষা করা হবে। আপাতত বেশ কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে তাঁকে। হুইলচেয়ার ব্যবহার করতে হবে।ফিরহাদ হাকিম এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই বাড়ি ফিরছেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে হুইলচেয়ারে বসার জন্য তাঁকে বিশেষ জুতো পরার পরামর্শ দেওয়া হলেও মুখ্যমন্ত্রী নাকি চপ্পলই পরতে চেয়েছিলেন। সেই কারণে তাঁর জন্য বিশেষ চটি তৈরি হয়েছে। আঘাত পাওয়া স্থানে যাতে যন্ত্রণা না হয়, সেভাবেই তৈরি এই চটি। অবশেষে মুখ্যমন্ত্রী হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ায় উচ্ছ্বসিত দলের কর্মী-সমর্থকরা।

মার্চ ১২, ২০২১
রাজনীতি

হিন্দু কার্ড খেলা নিয়ে হুঁশিয়ারি মমতার

বিজেপির খেলার সঙ্গে এবার চ্যালেঞ্জ জানালেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নন্দীগ্রামে দাঁড়িয়ে শুভেন্দু জয় শ্রী রাম বলা ভোটারের পরিসংখ্যান তুলে ধরেছিলেন। বলেছিলেন সংখ্যাগরিষ্ঠ লোক আমাদের পক্ষে রয়েছে। মঙ্গলবার নন্দীগ্রামের বটতলায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মমতা বলেন, আমিও হিন্দু ঘরের মেয়ে। আমার সঙ্গে হিন্দু কার্ড খেলতে যাবেন না। হিন্দু ধর্মের আদর্শ মানুষকে ভালবাসা। আমি সকালে চণ্ডীপাঠ করি। তারপর বাড়ি থেকে বের হই।এদিন তিনি চণ্ডীপাঠ থেকে সরস্বতী পাঠও করেন। বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রীর মন্ত্রোচ্চারণে ভুল ছিল বলে টুইটে কটাক্ষ করেছেন।এবারের বিধানসভা নির্বাচনে মেরুকরণ একটা বড় ফ্যাক্টর হতে চলেছে তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, হিন্দু ধর্ম আমায় শেখাচ্ছেন। ধর্ম নিয়ে খেলবেন তো, খেলা হবে। এদিন তিনি স্থানীয় মন্দিরে পুজোও দেন। তিনি আগাম শিবচতুর্দশীর শুভেচ্ছা জানান নন্দীগ্রামবাসীকে। শিবরাত্রির দিন দলের ইস্তেহার প্রকাশ করা হবে বলেও জানিয়েছেন মমতা। এদিনের সভামঞ্চ থেকে মন্দির, মসজিদ ও গীর্জার কাছ থেকেও সমর্থন চান তৃণমূলনেত্রী।

মার্চ ০৯, ২০২১
দেশ

আদর্শ ভুলেছেন মমতা, বিজেপিতে যোগ দিয়ে দীনেশের আক্রমণ

অন্তরাত্মার ডাকে দল ছেড়েছিলেন। ছেড়েছিলেন সাংসদ পদও। তার পর ১ মাসও কাটেনি। শনিবার বিজেপি-তে যোগ দিলেন প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ দীনেশ ত্রিবেদী। রবিবার কলকাতার ব্রিগেডে জনসভা করতে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার আগে শনিবার দিল্লিতে বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডা এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গয়াল দীনেশকে গেরুয়া শিবিরে স্বাগত জানান। রবিবার ব্রিগেডে মোদির সভায় তাঁকে দেখা যেতে পারে বলে জল্পনা।গত ১২ ফেব্রুয়ারি রাজ্যসভার অধিবেশন চলাকালীন নাটকীয় ভাবে তৃণমূল ছেড়েছিলেন দীনেশ। ইস্তফা দিয়েছিলেন সাংসদ পদ থেকেও। তৃণমূলে দমবন্ধ হয়ে আসছে, তাই অন্তরের ডাকে অন্য ভাবে মানুষের সেবা করতে চান বলে জানিয়েছিলেন। সেই থেকেই গোপনে বিজেপি-র সঙ্গে তাঁর কথাবার্তা চলছিল বলে খবর। মোদির ব্রিগেডের আগে শেষ পর্যন্ত তাঁকে আনুষ্ঠানিক ভাবে দলে যোগদান করাল বিজেপি।পদ্মশিবিরে নাম লেখানোর পরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এক হাত নেন দীনেশ। খেলা হবে স্লোগানে রাজ্যে নির্বাচনী পারদ যখন চড়ছে, সেই নিয়ে তিনি বলেন, বাংলার মানুষ তৃণমূলকে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাঁরা উন্নয়ন চান, দুর্নীতি আর হিংসা নয়। পরিবর্তনের জন্য মুখিয়ে রয়েছেন বাংলার মানুষ। রাজনীতি কোনও খেলা নয়। উনি (মমতা) খেলার চক্করে আদর্শ ভুলে গিয়েছেন।

মার্চ ০৬, ২০২১
রাজনীতি

বাবুলের টুইট বাণে বিতর্ক

বাংলা নিজের মেয়েকেই চায়। নতুন স্লোগানকে হাতিয়ার করে জোরকদমে প্রচার চালাচ্ছে তৃণমূল। এরই মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে টুইট করে বিতর্কে জড়ালেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। মেয়েরা পরের সম্পত্তি, এবার বিদায় হবে। মুখ্যমন্ত্রীকে খোঁচা দিয়ে এই টুইট করতেই সমালোচনার মুখে বাবুল। নারী বিদ্বেষী বক্তব্যের অভিযোগে নেটিজেনদের তোপের মুখে পড়েন তিনি। এমনকী, খোদ দলের নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়ও তাঁর টুইটের সঙ্গে সহমত হননি। বিতর্ক এড়াতে শেষ পর্যন্ত টুইট মুছে ফেললেন মন্ত্রী।শনিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দেশ্য করে বাবুল সুপ্রিয় লেখেন, বেটি পরায়া ধন হোতি হ্যায়, ইস বার বিদা কর দেঙ্গে। লেখাটির সঙ্গে ছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি। টুইট নিয়ে ক্ষোভে ফুঁসছেন নেটিজেনরা। কেউ বলছেন, এই তো, আপনার নারী বিদ্বেষী স্বরূপ প্রকাশ করে ফেললেন। এই জন্যই বিজেপিতে যোগ দিতে পেরেছেন। কেউ আবার বলছেন, এই নারীবিদ্বেষী মনোভাব উত্তর ভারতের। বাংলার সংস্কৃতি নয়। আপনারা কেন এই বাংলায় বহিরাগত সেটা বার বার প্রমাণ করছেন। অনেকে আবার লিখেছেন, বাংলায় মেয়েদের পরের ঘরের সম্পত্তি ভাবা হয় না আজকের দিনে, আপনারা সেই প্রাচীন যুগে পড়ে আছেন। কেউ কেউ আবার বাবুলকে নিজের মেয়ের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২১
কলকাতা

বাংলায় ৮ দফা ভোট নিয়ে প্রশ্ন মমতার

পশ্চিমবঙ্গে আট দফায় ভোট নিয়ে নির্বাচন কমিশনের ঘোষণায় তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তামিলনাড়ুর ২৪০ আসনে কেন একদিনে নির্বাচন? বাংলার ২৯৪ আসনের ভোট কেন ৮ দফায়? পশ্চিমবঙ্গে ভোট ঘোষণা নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে স্বাগত জানালেও এই প্রশ্ন তুললেন মুখ্যমন্ত্রী। নির্বাচনকে সামনে রেখে গোটা প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণের জন্য তৃণমূলের তরফে ১২ জনের একটি দল তৈরি হয়েছে বলে জানান দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। বাংলা-সহ পাঁচ রাজ্যে ভোটের অন্তিম ঘণ্টা বাজিয়ে শুক্রবারই বিধানসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করেছে দিল্লির নির্বাচন কমিশন। কেরল, তামিলনাড়ু, পুদুচেরিতে এক দফায় ভোটের দিন ঘোষণা হয়েছে। তবে ২৯৪ আসনের পশ্চিমবঙ্গে ভোট হবে ৮ দফায়। তামিলনাড়ুর ২৪০ আসনে একদফায় ভোট হলে, কেন বঙ্গে এত বেশি দফায় ভোট?নির্বাচন কমিশনের দিকে সরাসরি এই প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর আরও প্রশ্ন, কাকে সুবিধা করে দিতে এত দফা? নাম না করে কমিশনের এই সিদ্ধান্তেও বিজেপির যোগসাজশ রয়েছে বলে অভিযোগ তুললেন তৃণমূল সুপ্রিমো। অভিযোগ, বাংলার নির্বাচনে কমিশনের তরফে দায়িত্বপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষকদের যে তালিকা তিনি বিজেপি পার্টি অফিসে দেখেছিলেন, সেটাই আজ প্রকাশ্যে এল। মমতার আরও অভিযোগ, বিজেপি সব ভাগাভাগি করছে, ভোটের দফাতেও হিন্দু-মুসলিম ভাগ করছে। তবে বিজেপির এসব চক্রান্ত জনতাই ব্যর্থ করে দেবেন বলেও আত্মপ্রত্যয়ী সুরে জানিয়েছন তৃণমূল সুপ্রিমো।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২১
রাজনীতি

অগ্নিমূল্য জ্বালানি, প্রতিবাদে ব্যাটারি-চালিত স্কুটারে নবান্ন যাত্রা মুখ্যমন্ত্রীর

সাধারণ মানুষের দুঃখের পাশে দাঁড়াতে, এরকম কবে কোন মুখ্যমন্ত্রীকে দেখা গিয়েছিল! এদিন অভিনব পদ্ধতিতে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।গাড়ির বদলে বাড়ি থেকে হেঁটে হাজরা মোড় আসেন তিনি। সেখান থেকে ব্যাটারি চালিত স্কুটারে নবান্নে যান মমতা। চালকের আসনে ছিলেন পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম।লিটার পিছু পেট্রল-ডিজেল একশো টাকা ছুঁইছুঁই। সেই কারণে গত ২০ ও ২১ ফেব্রুয়ারি তৃণমূল কর্মীদের রাজ্য জুড়ে বিক্ষোভ-মিছিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন মমতা। নিজে একাধিক জনসভা ও কর্মসূচিতে লাগাতার পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির কারণে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন। রাজ্য সরকার পেট্রল ও ডিজেলের উপর থেকে এক টাকা করে করও কমিয়েছে। কারণ, রোজ জ্বালানির দাম বেড়েই চলেছে। বিধানসভা নির্বাচনের আগে পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি অন্যতম ইস্যু করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে আজ, বৃহস্পতিবার অভিনব পদ্ধতিতে প্রতিবাদ জানালেন মমতা। ইলেকট্রিক স্কুটারে চেপে নবান্নে গেলেন তিনি। স্বাভাবিকভাবেই, পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিবাদ মোদি সরকারের উপর চাপ বাড়াবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

কালীঘাটে হঠাৎ সিআইডি, মমতার আত্মীয়ের ফ্ল্যাটে ঢুকতেই বাড়ল রহস্য

ফের কালীঘাটে দেখা গেল সিআইডির তৎপরতা। তবে এবার তদন্তকারীরা সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যাননি। পরিবর্তে তাঁরা পৌঁছন হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের একটি ফ্ল্যাটে, যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক আত্মীয় বসবাস করেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।বৃহস্পতিবার দুপুরে আচমকাই ওই এলাকায় সিআইডির কয়েকজন আধিকারিককে দেখা যায়। তাঁরা সরাসরি একটি নির্দিষ্ট ফ্ল্যাটে যাওয়ার আগে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং কিছু তথ্য জানার চেষ্টা করেন। এরপর তাঁরা সংশ্লিষ্ট ফ্ল্যাটে প্রবেশ করেন।প্রতিবেশীদের দাবি, ওই ফ্ল্যাটের দ্বিতীয় তলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক বোন থাকেন। তদন্তকারীরা সেখানেই গিয়েছিলেন। তবে কী কারণে এই সফর, কোন মামলার সূত্রে তদন্তকারীরা সেখানে পৌঁছেছেন, সে বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি ব্যাখ্যা সামনে আসেনি।উল্লেখ্য, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সই জাল সংক্রান্ত মামলাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বকে ঘিরে তদন্ত জোরদার হয়েছে। এর আগে একাধিকবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন জায়গায় তদন্তকারীরা গিয়েছেন। কালীঘাটের দলীয় কার্যালয়েও তল্লাশি চালানো হয়েছিল। পাশাপাশি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে।যদিও সংশ্লিষ্ট মামলায় আদালতের তরফে সাময়িক আইনি সুরক্ষা পেয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবুও তদন্ত প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কালীঘাটে সিআইডির নতুন পদক্ষেপ স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু করেছে।এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের দাবি, বিরোধী রাজনৈতিক অবস্থানের কারণেই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তবে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সেই অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী তাপস রায়ের বক্তব্য, তদন্তের সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই এবং আইন অনুযায়ী যা করার, তা-ই করা হচ্ছে।তবে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখনও অমীমাংসিত। ঠিক কোন মামলার সূত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আত্মীয়ের ফ্ল্যাটে তদন্তকারীরা পৌঁছলেন, সেই উত্তর এখনও সামনে আসেনি। আর সেই কারণেই কালীঘাটের এই ঘটনাকে ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হচ্ছে।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

দরজার বাইরে পুলিশ, ভিতরে নিষেধাজ্ঞা! মমতার বাড়িতে কী ঘটল বৃহস্পতিবার সকালে?

কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িকে ঘিরে বৃহস্পতিবারও তৈরি হল অস্বাভাবিক পরিস্থিতি। লালবাজারের পক্ষ থেকে আরও কয়েকজন নিরাপত্তা আধিকারিককে পাঠানো হলেও তাঁদের বাড়ির ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। ফলে সকাল থেকেই কালীঘাটের বাড়ির সামনে শুরু হয় নতুন জল্পনা।সূত্রের খবর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে তিনি নতুন নিরাপত্তারক্ষী নিতে রাজি নন। তাঁর দীর্ঘদিনের পরিচিত ও বিশ্বস্ত নিরাপত্তাকর্মীদের সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তে তিনি অসন্তুষ্ট বলেই জানা যাচ্ছে। সেই কারণেই নতুন করে পাঠানো নিরাপত্তাকর্মীদের গ্রহণ করা হয়নি।বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কয়েকজন পুলিশ আধিকারিক বাড়ির বাইরে অপেক্ষা করছিলেন। তাঁদের মধ্যে একজনকে কিছু সময়ের জন্য ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হলেও পরে তাঁকেও বাইরে বেরিয়ে আসতে বলা হয়। জানানো হয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নতুন নিরাপত্তারক্ষীদের গ্রহণ করতে চান না এবং সিদ্ধান্ত না বদলানো পর্যন্ত তাঁদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়।বর্তমানে কালীঘাটের বাড়ির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার দায়িত্ব সামলাচ্ছেন দলের কয়েকজন বিশ্বস্ত কর্মী। তাঁদের সঙ্গে সীমিত সংখ্যক পুলিশকর্মীও রয়েছেন। অন্যদিকে বাড়ির বাইরে কলকাতা পুলিশের বিশেষ বাহিনীর সদস্যরা নিয়মিত টহল চালাচ্ছেন।জানা গিয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কয়েকজন পুরনো নিরাপত্তারক্ষীকে তাঁদের আগের ইউনিটে ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ বিষয়টি নিয়ে উদ্যোগী হয়েছেন। বৃহস্পতিবার তিনি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুরনো নিরাপত্তারক্ষীদের ফেরানোর আবেদন জানান। তাঁর বক্তব্য, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত যাই হোক না কেন, দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ও আস্থার বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত। সূত্রের দাবি, এই বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।এদিকে তৃণমূলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিবর্তন করা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। দলের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন এই ঘটনাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার উদাহরণ বলে দাবি করেছেন।তবে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও কাটছাঁট করা হয়নি। তাঁর উচ্চস্তরের নিরাপত্তা বহাল রয়েছে। নিয়মিত প্রশাসনিক রদবদলের অংশ হিসেবেই নতুন নিরাপত্তাকর্মীদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই নতুন ব্যবস্থাকে গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।পুরনো নিরাপত্তারক্ষীদের প্রত্যাবর্তন হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে কালীঘাটের বাড়ির সামনে তৈরি হওয়া এই পরিস্থিতি এখন রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে অন্যতম আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে।

জুন ১৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মেসির হ্যাটট্রিক, রোনাল্ডোর ব্যর্থতা! শেষ বিশ্বকাপেই কি ভেঙে পড়ছে স্বপ্ন?

বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর সামনে এখন জীবনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। দীর্ঘ কেরিয়ারে অসংখ্য ট্রফি জিতলেও এখনও বিশ্বকাপ অধরা। আর সেই স্বপ্ন পূরণের জন্য এবারই সম্ভবত তাঁর শেষ সুযোগ।দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে আন্তর্জাতিক ফুটবলে রাজত্ব করছেন রোনাল্ডো। দুই হাজার তিন সালে দেশের জার্সিতে অভিষেকের পর থেকে অসংখ্য রেকর্ড গড়েছেন তিনি। কিন্তু বিশ্বকাপের মঞ্চে এখনও পর্তুগালকে চ্যাম্পিয়ন করতে পারেননি। দলের সেরা সাফল্য এখনও উনিশশো ছেষট্টি সালের তৃতীয় স্থান অর্জন।এই বিশ্বকাপে নামার আগে থেকেই রোনাল্ডোর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। বয়স এখন একচল্লিশ। অনেকের মতে, আগের মতো গতি ও ধার আর নেই তাঁর খেলায়। প্রথম ম্যাচে প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারার পর সেই সমালোচনা আরও বেড়েছে। বিশেষ করে একই দিনে লিওনেল মেসির দুরন্ত পারফরম্যান্সের পর সামাজিক মাধ্যমে রোনাল্ডোকে নিয়ে কটাক্ষও শুরু হয়েছে।পর্তুগালের প্রাক্তন ফুটবলার আন্তোনিও সিমোয়েসের মন্তব্য নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে। তাঁর দাবি, রোনাল্ডো অনেক সময় দলের চেয়ে নিজের খেলাকে বেশি গুরুত্ব দেন। যদিও এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত নন পর্তুগাল দলের কোচ রবার্তো মার্টিনেজ। তাঁর মতে, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের জার্সিতে রোনাল্ডোর গোলসংখ্যাই প্রমাণ করে তিনি এখনও দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।তবে পরিসংখ্যান অন্য আলোচনারও জন্ম দিয়েছে। সাম্প্রতিক কয়েকটি বড় জয়ে রোনাল্ডো মাঠে ছিলেন না। সেই কারণে অনেকেই মনে করছেন, তরুণ ফুটবলারদের নিয়ে ভবিষ্যৎ গড়ার সময় এসেছে পর্তুগালের। আবার অন্য একটি অংশের মতে, অভিজ্ঞতা, নেতৃত্ব এবং বড় ম্যাচের মানসিক শক্তির জন্য এখনও রোনাল্ডোর বিকল্প নেই।এই বিশ্বকাপ শুধু একটি টুর্নামেন্ট নয়, রোনাল্ডোর ফুটবল জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ও হতে পারে। কারণ বিশ্বকাপ জিততে পারলে তাঁর কেরিয়ার পূর্ণতা পাবে। আর যদি ব্যর্থ হন, তাহলে বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকার জীবন থেকে বিশ্বকাপ ট্রফির অপূর্ণতা হয়তো কোনও দিন মুছে যাবে না।এখন প্রশ্ন একটাই, শেষ সুযোগে কি ইতিহাস গড়তে পারবেন রোনাল্ডো? নাকি বিশ্বকাপের স্বপ্ন অধরাই থেকে যাবে? সেই উত্তর খুঁজতেই তাকিয়ে রয়েছে গোটা ফুটবল বিশ্ব।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

স্পিকারের সিদ্ধান্তেই সিলমোহর! বিরোধী দলনেতা নিয়ে হাই কোর্টে বড় মোড়

বিরোধী দলনেতা পদ নিয়ে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল কলকাতা হাই কোর্ট। বৃহস্পতিবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাও স্পষ্ট জানিয়ে দেন, আপাতত বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ই বহাল থাকবেন। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের আবেদনে এই মুহূর্তে কোনও হস্তক্ষেপ করল না আদালত।রাজ্যের পালাবদলের পর বিরোধী দলনেতা নির্বাচনকে ঘিরে শুরু হয় বিতর্ক। একদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রস্তাবে বালিগঞ্জের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম সামনে আসে। অন্যদিকে এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহা দাবি করেন, অধিকাংশ বিধায়কের সমর্থন রয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে। সেই দাবি এবং জমা দেওয়া নথির ভিত্তিতেই বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসু ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেন।স্পিকারের এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। গত কয়েক দিন ধরে মামলার শুনানিতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠে আসে। স্পিকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়েও আদালত প্রশ্ন তোলে। বিচারপতি জানতে চান, কীভাবে নিশ্চিত হওয়া হয়েছিল যে কোন পক্ষের সমর্থন বেশি।শুনানির সময় স্পিকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রথমে জমা দেওয়া চিঠিতে বিধায়ক দলের বৈঠকের বিস্তারিত তথ্য ছিল না। পরে সেই সংক্রান্ত নথি চাওয়া হয়। এর মধ্যেই কয়েকজন বিধায়ক অভিযোগ করেন, তাঁদের নামে থাকা কিছু স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে। এই অভিযোগ সামনে আসতেই বিষয়টি আরও জটিল হয়ে ওঠে।অন্যদিকে সন্দীপন সাহার পক্ষ থেকে স্পিকারের কাছে একটি পৃথক চিঠি জমা দেওয়া হয়। সেখানে দাবি করা হয়, সংখ্যাগরিষ্ঠ বিধায়কের সমর্থন রয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে। সেই নথি বিবেচনা করেই স্পিকার তাঁকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেন।বৃহস্পতিবার আদালত জানিয়ে দিয়েছে, বিরোধী ব্লকের নির্বাচিত নেতৃত্বের বিষয়ে এই মুহূর্তে কোনও অন্তর্বর্তী হস্তক্ষেপ করা হবে না। ফলে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ই দায়িত্ব পালন করবেন। তবে মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি এখনও হয়নি। আগামী আটাশে জুলাই ফের এই মামলার শুনানি হবে।উল্লেখযোগ্যভাবে, বিধানসভার বাজেট অধিবেশন শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগেই এই নির্দেশ এসেছে। ফলে রাজনৈতিক মহলে এই রায়কে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিরোধী শিবিরের নেতৃত্ব নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, আপাতত তাতে সাময়িক ইতি টানল কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

শেষ মুহূর্তে বড় রায়! মোদির যোগ দিবস নিয়ে হাই কোর্ট যা বলল, বদলে গেল সব হিসাব

আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে কলকাতার রেড রোডে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আর কোনও আইনি বাধা রইল না। বৃহস্পতিবার কলকাতা হাই কোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী রেড রোডেই যোগ দিবস পালন করা যাবে। তবে সাধারণ মানুষের স্বার্থে বিকল্প রাস্তার ব্যবস্থা করতে হবে এবং অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর দ্রুত রেড রোড খুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।একুশে জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে কলকাতায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই উপলক্ষে রেড রোডে বড় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানের প্রস্তুতির জন্য কয়েক দিনের জন্য রেড রোডে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্য সরকার। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা দায়ের করা হয়েছিল।বৃহস্পতিবার সেই মামলার শুনানিতে আদালত অন্তর্বর্তী কোনও স্থগিতাদেশ দেয়নি। ফলে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী রেড রোডে যোগ দিবসের অনুষ্ঠান আয়োজনের পথে আর কোনও বাধা থাকল না। তবে আদালত জানিয়েছে, সাধারণ মানুষের যাতায়াতে যাতে অসুবিধা না হয়, তার জন্য পুলিশকে বিকল্প পথের ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি একুশে জুনের অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর দ্রুত রেড রোড খুলে দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।আদালত মামলাকারী পক্ষ এবং রাজ্য সরকারকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। ফলে মামলার আইনি প্রক্রিয়া এখনও চলবে, তবে যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে তার কোনও প্রভাব পড়ছে না।এদিকে যোগ দিবসকে ঘিরে শহরজুড়ে প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। একুশে জুন রেড রোডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে প্রধান অনুষ্ঠান হওয়ার কথা। তার আগে বিশে জুন গঙ্গাবক্ষে বিশেষ যোগাভ্যাস কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। প্রায় পাঁচশো নৌকোয় একযোগে যোগাভ্যাসের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।সূত্রের খবর, মিলেনিয়াম পার্ক, বাবুঘাট, প্রিন্সেপ ঘাট এবং বেলুড়-দক্ষিণেশ্বর সংলগ্ন এলাকায় এই বিশেষ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হতে পারে। পাশাপাশি ড্রোন প্রদর্শনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।হাই কোর্টের এই নির্দেশের পর যোগ দিবসের প্রস্তুতিতে প্রশাসনের গতি আরও বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে কলকাতার অন্যতম বড় কর্মসূচির পথে আপাতত সমস্ত আইনি জট কেটে গেল।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

মমতার সবচেয়ে ভরসার নেতাই কি দিলেন বড় ধাক্কা? দলীয় তহবিল ঘিরে অরূপের চিঠিতে তোলপাড়

এক সময় তিনি ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সবচেয়ে বিশ্বস্ত নেতাদের অন্যতম। কিন্তু এখন সেই অরূপ বিশ্বাসকে ঘিরেই তৈরি হয়েছে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক। দলীয় তহবিলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ব্যাঙ্কের কাছে চিঠি পাঠিয়ে তৃণমূলের অন্দরে নতুন জল্পনার জন্ম দিলেন তিনি।সূত্রের খবর, বারো জুন একটি চিঠি পাঠিয়ে অরূপ বিশ্বাস নিজেকে দলের কোষাধ্যক্ষ হিসেবে উল্লেখ করেন। সেই চিঠিতে তিনি দাবি করেন, দলের সংসদীয় ও পরিষদীয় শিবিরে বিভাজন তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দলীয় তহবিলের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কের কাছে অ্যাকাউন্ট স্থগিত রাখার আবেদন জানান তিনি।তবে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ সেই আবেদন গ্রহণ করেনি বলেই জানা যাচ্ছে। কারণ তার আগেই দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব অরূপ বিশ্বাসের হাত থেকে সরিয়ে শুভাশিস চক্রবর্তীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল। পাঁচ জুন সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া মেনে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং ব্যাঙ্ককেও তা জানানো হয়েছিল।দলীয় সূত্রের দাবি, গত কয়েক মাস ধরেই অরূপ বিশ্বাসকে ঘিরে অস্বস্তি বাড়ছিল। কালীঘাটে একাধিক বৈঠকে তাঁর সঙ্গে মতবিরোধের পরিস্থিতিও তৈরি হয়েছিল বলে খবর। এমনকি তাঁকে ডাকা হলেও সব সময় তিনি উপস্থিত থাকতেন না বলেও অভিযোগ রয়েছে।এরই মধ্যে মেসি-কাণ্ডে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ সামনে আসে। আর্থিক লেনদেন সম্পর্কিত কিছু প্রশ্নও ওঠে। দলীয় নেতৃত্বের পক্ষ থেকে ব্যাখ্যা চাওয়া হলেও সন্তোষজনক উত্তর পাওয়া যায়নি বলে সূত্রের দাবি।রাজনৈতিক মহলে আরও একটি জল্পনা ছড়িয়েছে। অরূপ বিশ্বাসের সঙ্গে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের যোগাযোগ রয়েছে কি না, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি অরূপ।সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠছে, যখন তাঁর কাছ থেকে কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব আগেই সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল, তখন কেন বারো জুন তিনি ব্যাঙ্কে এই চিঠি পাঠালেন? রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এর পিছনে অন্য কোনও কৌশল থাকতে পারে। আবার অন্য অংশের দাবি, তিনি হয়তো দলীয় তহবিলের নিরাপত্তা নিয়েই উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন।এদিকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বহাল রেখেছে কলকাতা হাই কোর্ট। সেই প্রেক্ষাপটে দলীয় তহবিলের নিয়ন্ত্রণ নিয়েও নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। সন্দীপন সাহার বক্তব্য, অরূপ বিশ্বাস কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্বে থাকাকালীন মনে করেছিলেন যে অ্যাকাউন্টে কোনও অনিয়ম হতে পারে। সেই কারণেই তিনি ব্যাঙ্ককে সতর্ক করার চেষ্টা করেছিলেন।তবে এই ঘটনার পর তৃণমূলের অন্দরের সমীকরণ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের আস্থাভাজন নেতা অরূপ বিশ্বাসের এই পদক্ষেপ শুধুই প্রশাসনিক উদ্বেগ, নাকি এর পিছনে রয়েছে বড় রাজনৈতিক বার্তা সেই প্রশ্নই এখন সবচেয়ে বেশি আলোচনায়।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

অবশেষে লুকিয়ে থাকা ভাঙল! তিনবার এড়িয়ে শেষে থানায় অরূপ, সামনে এল মেসি-কাণ্ডের নতুন মোড়

অবশেষে মেসি-কাণ্ডের তদন্তে বিধাননগর দক্ষিণ থানায় হাজির হলেন রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। এর আগে পুলিশের পাঠানো তিনটি নোটিসের পরও তিনি হাজিরা দেননি। ফলে তাঁকে ঘিরে গ্রেপ্তারের আশঙ্কা এবং রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছিল। বৃহস্পতিবার সকাল প্রায় দশটার আগে তিনি থানায় পৌঁছন এবং তদন্তকারীদের প্রশ্নের মুখোমুখি হন।মেসি সফরকে ঘিরে বিতর্কের সূত্রপাত গত ডিসেম্বর মাসে। ফুটবল তারকা লিওনেল মেসির ভারত সফরের উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্ত অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ এনে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর দাবি, মেসির অনুষ্ঠানের জন্য প্রায় সত্তর হাজার টিকিট ছাপানো হয়েছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, তার মধ্যে প্রায় বাইশ হাজার টিকিট অরূপ বিশ্বাস নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছিলেন এবং সেগুলির একটি অংশ অন্যত্র বিক্রি করা হয়েছিল।শুধু টিকিট বিতর্কই নয়, মেসির সফরের সময় নির্ধারিত নিরাপত্তা বিধি মানা হয়নি বলেও অভিযোগ ওঠে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু করে পুলিশ এবং অরূপ বিশ্বাসকে একাধিকবার হাজিরার নোটিস পাঠানো হয়। তবে তিনি বারবার হাজিরা এড়িয়ে যান।যদিও এই মামলায় আপাতত স্বস্তি পেয়েছেন অরূপ বিশ্বাস। হাই কোর্ট জানিয়েছে, আগামী সতেরো অগস্ট পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না। তবে তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করার নির্দেশও দিয়েছে আদালত। সেই নির্দেশের পরই তাঁর এই হাজিরা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।এদিকে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে মেসির নিজস্ব ব্যবস্থাপনা দলের একটি চিঠি ঘিরে। কলকাতার পুলিশ কমিশনারের কাছে পাঠানো ওই চিঠিতে অভিযোগ করা হয়েছে, মেসির উপস্থিতির সময় মাঠে প্রবেশের ক্ষেত্রে কড়া বিধিনিষেধ ছিল। নিয়ম অনুযায়ী, মাঠের ভেতরে কোনও বিশেষ অতিথি বা ভিআইপির থাকার অনুমতি ছিল না। কিন্তু সেই নিয়ম ভেঙে তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী মাঠে প্রবেশ করেছিলেন বলে অভিযোগ।মেসির ব্যবস্থাপনা দলের দাবি, ছবি তোলার সময় বারবার মেসির খুব কাছে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল এবং অপ্রয়োজনীয় শারীরিক যোগাযোগের ঘটনাও ঘটে। পাশাপাশি পুরো নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছে তারা। এই সমস্ত অভিযোগের জেরেই মেসি-কাণ্ডের তদন্ত নতুন মাত্রা পেয়েছে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

জুন ১৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

অ্যাসিড হামলায় প্রায় অন্ধ হয়ে গিয়েছিলেন! বিশ্বকাপে রোনাল্ডোর পর্তুগালের বিরুদ্ধে গোল করে ইতিহাস গড়লেন কঙ্গোর নায়ক

পাঁচ বছর আগে ভয়াবহ এক অ্যাসিড হামলায় বদলে গিয়েছিল তাঁর জীবন। মুখ ঝলসে গিয়েছিল, দৃষ্টিশক্তিও প্রায় হারাতে বসেছিলেন। অনেকেই ভেবেছিলেন, তাঁর ফুটবল জীবন হয়তো সেখানেই শেষ। কিন্তু স্বপ্নকে হার মানাতে পারেনি সেই ভয়ঙ্কর আঘাত। আজ সেই ফুটবলারই বিশ্বকাপের মঞ্চে ইতিহাস গড়ে কোটি মানুষের অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছেন।কঙ্গোর তারকা ইয়োয়ান উইসার জীবন যেন এক রূপকথার গল্প। বিশ্বকাপে পর্তুগালের বিরুদ্ধে তাঁর করা একটি গোল শুধু ম্যাচে সমতা ফেরায়নি, ইতিহাসও তৈরি করেছে। বিশ্বকাপে কঙ্গোর হয়ে প্রথম গোল করার কৃতিত্ব এখন তাঁর নামের পাশে।ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই কর্নার থেকে আসা বল দুরন্ত হেডে জালে জড়িয়ে দেন উইসা। সেই গোলের পর উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে গোটা কঙ্গো। দীর্ঘ বিরতির পর বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরে পর্তুগালের মতো শক্তিশালী দলকে আটকে দেওয়ায় আনন্দের বন্যা বইতে শুরু করে দেশজুড়ে।কিন্তু এই সাফল্যের পিছনে লুকিয়ে রয়েছে ভয়াবহ এক অধ্যায়। দুই হাজার একুশ সালের এক জুলাই নিজের বাড়িতে ভয়ঙ্কর অ্যাসিড হামলার শিকার হন উইসা। এক নারী তাঁর বাড়িতে ঢুকে আচমকা মুখে অ্যাসিড ছুড়ে দেয়। এমনকি তাঁর মেয়েকে অপহরণের চেষ্টাও করা হয়েছিল বলে অভিযোগ।গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। চিকিৎসকদের একাধিক অস্ত্রোপচার করতে হয়। চোখের গুরুতর ক্ষতি হয়েছিল। দীর্ঘ সময় চিকিৎসার মধ্যে থাকতে হয়েছিল তাঁকে। পরে আদালতে উইসা জানিয়েছিলেন, সেই মুহূর্তে তিনি শ্বাস নিতে পারছিলেন না এবং চিকিৎসকেরা জানিয়েছিলেন তাঁর চোখ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।দীর্ঘ তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়ার পর অভিযুক্ত নারীকে হত্যাচেষ্টা এবং অপহরণের দায়ে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে আদালতের রায় এলেও উইসার জীবনের ক্ষত সহজে মুছে যায়নি। শারীরিক কষ্টের পাশাপাশি মানসিকভাবেও ভেঙে পড়েছিলেন তিনি।তবুও তিনি হার মানেননি। ধীরে ধীরে মাঠে ফিরেছেন, নিজেকে নতুন করে গড়েছেন। পরিবারের সমর্থন এবং সন্তানদের কথা ভেবেই তিনি আবার স্বাভাবিক জীবনে ফেরার শক্তি পেয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন।আজ সেই উইসাই বিশ্বকাপের মঞ্চে দাঁড়িয়ে নতুন ইতিহাস লিখেছেন। অ্যাসিড হামলার বিভীষিকা থেকে উঠে এসে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুটবল আসরে গোল করা শুধু একটি ক্রীড়া সাফল্য নয়, এটি মানুষের অদম্য ইচ্ছাশক্তি এবং লড়াইয়ের এক অনন্য উদাহরণ।কঙ্গোর মানুষ আজ তাঁকে শুধু ফুটবলার হিসেবে নয়, আশা এবং সাহসের প্রতীক হিসেবেও দেখছেন। কারণ তিনি প্রমাণ করেছেন, জীবনে যত বড় ঝড়ই আসুক, স্বপ্নকে থামানো যায় না।

জুন ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal