• ১৫ চৈত্র ১৪৩২, সোমবার ৩০ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

CFL

খেলার দুনিয়া

এক ডার্বি হেরেই ছন্দপতন! কলকাতা লিগে বড় ধাক্কা মোহনবাগানের

ডার্বির শোক এখনপ কাটিয়ে উঠতে পারেনি মোহনবাগান। এবার লজ্জার হার হল জাতীয় ক্লাব মোহনবাগানের। রবিবাসরীয় ম্যাচে সাদার্ন সমিতির কাছে ২-০ গোলে হারল সবুজ-মেরুন। কলকাতা লিগে বেশ বড় ধরনের ধাক্কা খেল শতাব্দী প্রাচীন মোহনবাগান। রবিবার জোড়া গোল করে দলকে জেতালেন সৌগত হাঁসদা। কলকাতা লিগে চাপের মুখে পড়ল সবুজ মেরুন ব্রিগেড।এদিন বড় ব্যবধানে জিততে চেয়েছিলেন মোহনবাগানের কোচ বাস্তব রায়। তাতে সুপার সিক্সে জায়গা করে নিত দল। সেই আশায় জল ঢেলে দিল সাদার্ন সমিতি। এদিন প্রথমার্ধেই জোড়া গোল করেন সাদার্নের সৌগত। তারপর শত চেষ্টা করেও বিপক্ষের জালে বল গড়াতে পারেনি মোহনবাগান৷ আর ম্যাচেও ফেরা হয়নি। ম্যাচে বারবার আক্রমণ শানিয়েছে, গোলের সুযোগ তৈরি করেও ব্যর্থ হয়েছে বাগানের স্ট্রাইকাররা। প্রসঙ্গত, চলতি মরশুমের কলকাতা লিগে মোহনবাগান ছিল অপরাজেয়। এক ডার্বি হেরেই কি ছন্দপতন মোহনবাগানের? এই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে ময়দানে।

আগস্ট ২০, ২০২৩
খেলার দুনিয়া

East Bengal : ইস্টবেঙ্গেলের সমস্যা মেটাতে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হবেন প্রাক্তন ফুটবলাররা

লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের চুক্তি বিতর্ক মেটাতে এবার আসরে নামলেন প্রাক্তন ফুটবলাররা। তাঁরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সমস্যার সমাধান করতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির দ্বারস্থ হবেন।আগের দিন ইস্টবেঙ্গলের কর্মসমিতির বৈঠকে দুই প্রাক্তন ফুটবলার সুকুমার সমাজপতি ও চন্দন ব্যানার্জিকে ডাকা হয়েছিল। সেই বৈঠকে দুই প্রাক্তন ফুটবলারকে টার্মশিট ও চূড়ান্ত চুক্তিপত্র দেখানো হয়। চূড়ান্ত চুক্তিপত্র দেখে তাঁদের মনে হয়েছিল, টার্মশিটের সঙ্গে অনেক পার্থক্য রয়েছে। তাই এই ব্যাপারে আলোচনার জন্য সুকুমার সমাজপতি ও চন্দন ব্যানার্জি ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন ফুটবলারদের বৈঠকে ডেকেছিলেন। তাঁদের ডাকে সাড়া দিয়ে সোমবার ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে এসেছিলেন সুভাষ ভৌমিক, দেবজিৎ ঘোষ, শিশির ঘোষ, মেহতাব হোসেন, অভিজিৎ মণ্ডল, রহিম নবিসহ অনেক প্রাক্তন ফুটবলার। কয়েকজন প্রাক্তন ক্রিকেটারও এই বৈঠকে হাজির ছিলেন। বৈঠকের পর তাঁরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হবেন।আরও পড়ুনঃ দিল্লি রওনার আগে বড় ঘোষণা মমতারপ্রাক্তন ফুটবলারদের মনে হয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে কেবলমাত্র মুখ্যমন্ত্রীই পারবেন সমস্যার সমাধান করতে। প্রয়োজনে লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের সঙ্গেও তাঁরা কথা বলবেন। প্রাক্তন ফুটবলাররা প্রেস বিবৃতিতে জানিয়েছেন, প্রাথমিক চুক্তি করার সময় ক্লাব কর্তাদের আরও যত্নবান হওয়া উচিত ছিল। শুরুতেই একপেশে চুক্তি করা হয়েছিল। এইরকম একপেশে চুক্তি মেনে নেওয়া যায় না। শ্রী সিমেন্টের ম্যানেজিং ডিরেক্টর হরিমোহন বাঙুরের কাছে অনুরোধ, আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করুন।আরও পড়ুনঃ সুযোগ পেলেন অভিমন্যু, ভারতীয় টেস্ট দলে একসঙ্গে বাংলার ৩নিজেদের মধ্যে আলোচনার পর সুভাষ ভৌমিক বলেন, চূড়ান্ত চুক্তিপত্র পড়ে দেখলাম, এখানে সই করা মানে বুকে পাথর আর গলায় দড়ি বেঁধে গঙ্গায় ঝাঁপ দেওয়া। দেবজিৎ ঘোষ বলেন, ইস্টবেঙ্গল এবং লগ্নিকারী সংস্থাকে মধ্যস্থতায় আসতে হবে। আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করছি যাতে ইস্টবেঙ্গল আইএসএল খেলতে পারে।আরও পড়ুনঃ লম্বা চুল রাখা যাবে না, লক্ষ্মীর ফতোয়াবৈঠকের শেষদিকে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে হাজির হন প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী তথা বর্তমান বিধায়ক মদন মিত্র। তিনি বলেন, প্রাক্তন ফুটবলাররা আমাকে ফোন করেছিলেন। তাই এসেছি। পৃথিবীতে এমন কোনও চুক্তি হতে পারে না, যেখানে দ্বিপাক্ষিক বিচ্ছেদের অধিকার থাকবে না। আমরা ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের পাশে আছি।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিক টিটির তৃতীয় রাউন্ডে পৌঁছে গেলেন শরথ কমলএএফসি ক্লাব লাইসেন্সিংয়ের জন্য মঙ্গলবার আবেদন করার শেষ দিন। সোমবার লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের পক্ষ থেকে ইস্টবেঙ্গলকে জানানো হয়েছে, প্রথম থেকে বলে আসছি আমরা খেলতে চাই। তাই ক্লাব লাইসেন্সিং সচল রাখার জন্য আমরা লাইসেন্সিংয়ের আবেদন করছি। কিন্তু যতক্ষণ না চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই হচ্ছে, আমরা কোনওরকম বিনিয়োগ করব না।

জুলাই ২৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

East Bengal : ‌চুক্তিপত্রে সই না করায় প্রতিবাদের ঝড় ইস্টবেঙ্গল তাঁবুতে, কর্তাদের পদত্যাগ দাবি

গত শুক্রবার কর্ম সমিতির বৈঠকে ইস্টবেঙ্গল কর্তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের চুক্তিপত্রে সই করবেন না। এর ফলে কলকাতা লিগ ও আইএসএসে দল নামানোর সম্ভাবনা শেষ হয়ে গেছে। আর এতেই গর্জে উঠেছে লালহলুদ সমর্থকরা। আগেই তারা সামাজিক মাধ্যমে প্রতিবদের ঝড় তুলেছিল। এবার সরাসরি পথে নেমে পড়ল। ক্লাবের গেটের সামনে প্রতিবাদের ঝড়।আরও পড়ুনঃ ছাদ থেকে পড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু, আত্মহত্যা না দুর্ঘটনা?অধিকাংশ সমর্থক চান ক্লাব সব প্রতিযোগিতাতেই খেলুক। কিন্তু লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্ট জানিয়ে দিয়েছে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই না হলে তারা দল গঠন করবে না। দল গঠন করা না হলে কোনও প্রতিযোগিতাতেই খেলার সম্ভাবনা নেই। বেশ কিছুদিন ধরেই সামাজিক মাধ্যমে ক্লাব কর্তাদের পদত্যাগের দাবিতে সোচ্চার হচ্ছিলেন সমর্থকরা। এবার ক্লাবের গেটে অন্যতম শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকারের (নীতু) বিরুদ্ধে ক্ষোভ জানিয়ে পোস্টার পড়ল। এছাড়া অন্যান্য কর্তাদের বিরুদ্ধেও পোস্টার পড়েছে। ব্যানারে লেখা হয়েছে, সাইন অ্যান্ড রিজাইন। চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করার ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন সমর্থকরা।আরও পড়ুনঃ নিশীথের নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্নচিহ্নশ্রী সিমেন্টের কর্তারা ইস্টবেঙ্গলের শুক্রবারের কর্ম সমিতির বৈঠকের দিকে তাকিয়েছিল। তাঁরা ভেবেছিলেন, বৈঠকেই হয়তো সই করার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। কিন্তু লালহলুদ কর্তাদের সিদ্ধান্তে তাঁরা হতাশ। দল গঠনের জন্য ফুটবলার বাছাইয়ের কাজ শ্রী সিমেন্টের কর্তারা অনেকটাই এগিয়ে রেখেছিলেন। বিদেশি ফুটবলারদের জীবনপঞ্জী দেখে প্রাথমিকভাবে বাছাই করেছিলেন। যেসব স্বদেশী ফুটবলার এখনও দল চূড়ান্ত করেননি, তাদের তালিকাও তৈরি করেছেন। চূড়ান্ত চূক্তিপত্রে সই হলেই তাঁদের সঙ্গে চুক্তি করার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু লালহলুদ কর্তাদের সিদ্ধান্তে শ্রী সিমেন্টের কর্তারা হতাশ।আরও পড়ুনঃ কান্দাহারে নিহত পুলিৎজার জয়ী ভারতীয় চিত্রসাংবাদিকইতিমধ্যেই মাত্তি স্টেইনম্যান, ব্রাইট এনোবাখারে, অ্যান্টনি পিলকিংটনের মতো বিদেশিরা অন্য ক্লাবের সঙ্গে চুক্তি করেছেন। দেবজিৎ মজুমদার, নারায়ন দাসের মতো বেশ কয়েকজন স্বদেশী ফুটবলার ইতিমধ্যেই অন্য ক্লাবে চলে গিয়েছেন। ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে এএফসি ক্লাব লাইসেন্সিংয়ের যাবতীয় নথি জমা করতে হবে। ৩১ অগাস্টের মধ্যে জমা দিতে হবে ফুটবলারদের তালিকা। ফলে সময় চলে গেলেও লাল হলুদের সমস্যা মেটার ইঙ্গিত নেই। শ্রী সিমেন্ট আরও জানিয়েছে, গত মরশুমে চুক্তি চূড়ান্ত না হলেও দলের পিছনে যে ৫০ কোটি টাকার বেশি খরচ করা হয়েছে তা ফেরত দিলে তবেই স্পোর্টিং রাইটস ফেরানো হবে ইস্টবেঙ্গলকে। সুতরাং অন্য স্পনসর এলেও সমস্যা মিটবে না লালহলুদের।

জুলাই ১৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

East Bengal : অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ইস্টবেঙ্গল, চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করবেন না কর্তারা

সপ্তাহ দুয়েক আগে দুই পক্ষের কথাবার্তাতে জট কাটার ইঙ্গিত ছিল। কিন্তু চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করা নিয়ে সংঘাত আরও চরমে পৌঁছল ইস্টবেঙ্গল ও লগ্নিকারী সংস্থা শ্রীসিমেন্টের মধ্যে। টার্মশিটসহ শ্রী সিমেন্টের পক্ষ থেকে লালহলুদ কর্তাদের কাছে যে চূড়ান্ত চুক্তিপত্র পাঠানো হয়েছিল, তাতে সই না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইস্টবেঙ্গল। কর্মসমিতির বৈঠকে এই ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুনঃ সব ধরণের ফরম্যাটেই খেলতে চান ভুবনেশ্বর কুমারগতবছর ১ সেপ্টেম্বর মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির সামনে শ্রী সিমেনেন্টের সঙ্গে প্রাথমিক চুক্তিপত্রে সই করেছিলেন লালহলুদ কর্তারা। তারপর চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই দুই পক্ষের মধ্যে টালবাহনা চলছিল। ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের দাবি, প্রাথমিক চুক্তিপত্রের সঙ্গে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে প্রচুর পার্থক্য আছে। এই নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বারবার চিঠি চালাচালি হয়। কিন্তু সমাধানসূত্র বেরিয়ে আসেনি। লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের পক্ষ থেকে আইএসএলে দল না নামানোর হুমকি দেওয়া হয়। তাতেই বরফ গলেনি।আরও পড়ুনঃ কান্দাহারে নিহত পুলিৎজার জয়ী ভারতীয় চিত্রসাংবাদিকশুক্রবার ইস্টবেঙ্গলের কর্মসমিতির বৈঠক বসেছিল। ২৫ জন সদস্য বৈঠকে হাজির ছিলেন। সেই বৈঠকেই ঠিক হয়েছে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে পরিবর্তন করা না সই করা হবে না। ক্লাবের পক্ষ থেকে একটি প্রেস বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে। সেই প্রেস বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সভাপতির নেতৃত্বে আমরা সকল এক্সিকিউটিভ কমিটির সদস্য সিদ্ধান্ত নিয়েছি, যে এগ্রিমেন্টে ক্লাবকে চিরতরে একতরফা দিয়ে দেবার শর্তাবলী রয়েছে, যে এগ্রিমেন্টে সদস্যদের অসম্মান এবং তাদের অধিকার খর্ব করে দেওয়ার শর্তাবলী রয়েছে, যে এগ্রিমেন্টে ক্লাবের মৌলিক অধিকার নেই, যে এগ্রিমেন্টে ক্লাবের ক্লাবের মাঠ, ক্লাবের লোগো, ক্লাবের নাম, টেন্টসহ সমস্ত কিছু চিরতরে নিয়ে নেওয়ার এবং ক্লাবকে সেগুলো ব্যবহার করতে না দেওয়ার শর্তাবলী রয়েছে, যে এগ্রিমেন্টে ক্লাবের কোটি কোটি সদস্যসমর্থের চিরকালীন আত্মাভিমানে আঘাত ও যে এগ্রিমেন্টে সমর্থকদের বলা হয় ট্রেস পাসার্স উইল বি প্রসিকিউটেড সেই এগ্রিমেন্টে আমরা সই করব না।আরও পড়ুনঃ মঙ্গলকোট-কাণ্ডে তদন্তভার সিআইডি-রচূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই না করলে দল গঠন করবে না শ্রী সিমেন্ট। ফলে এই মরশুমে কোনও প্রতিযোগিতায়ে খেলতে পারবে না ইস্টবেঙ্গল। যা ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসে কলঙ্কজনক অধ্যায় হতে চলেছে। এই অবস্থায় সদস্যসমর্থকরা মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির দিকে তাকিয়ে।

জুলাই ১৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ATK Mohunbagan : এটিকে মোহনবাগানের স্বার্থে নিয়ম বদল!‌ প্রশ্নের মুখে আইএফএ

আইএফএ-র বিরুদ্ধে বরাবরের অভিযোগ, তারা নাকি সবসময় বড় ক্লাবগুলোর স্বার্থর কথা বিবেচনা করে। প্রদ্যুৎ দত্ত থেকে শুরু করে তাঁর উত্তরসূরী সুব্রত দত্ত, এমনকি উৎপল গাঙ্গুলির সময়েও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি। জয়দীপ মুখার্জিও যে পূর্বসূরিদের পথ অনুসরণ করে চলছেন, প্রমান হয়ে গেল।১ জুলাই প্রিমিয়ার ডিভিশনের ক্লাবগুলির সঙ্গে আইএফএ-র বৈঠকে ঠিক হয়েছিল, এই বছর প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবগুলো ৩ জন বিদেশি সই করাতে পারবে। কিন্তু খেলবেন ২ জন। সোমবার গ্রুপ বিন্যাস নিয়ে বৈঠকের দিন হঠাৎ নিয়ম বদলে গেল। ঠিক হয়েছে ক্লাবগুলো ৬ জন বিদেশি সই করাতে পারবে। মাঠে অবশ্য ২ জন বিদেশিই নামতে পারবেন।আরও পড়ুনঃ বাড়িতে জগন্নাথ বন্দনা করলেন সাংসদ-অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীহঠাৎ করে এই নিয়ম বদলে যাওয়ার কারন কী? আসলে এটিকে মোহনবাগানের স্বার্থের জন্যই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইএফএ। এবারের কলকাতা লিগকে আইএসএলের প্রস্তুতি হিসেবে দেখছে এটিকে মোহনবাগান। লিগে সব বিদেশি খেলিয়ে দেখে নিতে চান এটিকে মোহনবাগান কর্তারা। তাই তাঁরা আইএফএ-র কাছে অনুরোধ করেছিল ৬ জন বিদেশিকে লিগে সই করানোর অনুমতি দেওয়ার জন্য। আইএফএ সেই অনুরোধ মেনে নিয়েছে।প্রশ্ন উঠছে অপেক্ষাকৃত ছোটদল গুলিকে নিয়ে। তারা তো আর এটিকে মোহনবাগানের মতো ৬ জন বিদেশি ফুটবলার সই করাতে পারবে না। সেই সামর্থ নেই। এমনিতেই করোনা আবহে দল গড়াই সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে ছোটদলগুলির কাছে। স্পনসর থাকে না। ছোটদলের কর্তারা নিজেদের পকেটের টাকা খরচ করে দল গঠন করেন। বিদেশি ফুটবলার সই করানোর অর্থ আসবে কোথা থেকে?আরও পড়ুনঃ সৌরভ গাঙ্গুলির বায়োপিক ফাইনাল, অভিনয়ে বলিউড তারকা বড় দলগুলোকে এই ভাবে বাড়তি সুবিধা দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এতে লিগের ভারসাম্য নষ্ট হবে। কয়েকটা প্রিমিয়ার লিগের কর্তা বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তাদের আপত্তি ধোপে টেকেনি। এই প্রসঙ্গে আইএফএ সচিব জয়দীপ মুখার্জি বলেন, এটিকে মোহনবাগান, মহমেডান যদি আইএসএল, আই লিগের জন্য বিদেশি দেখে নিতে চায়, ক্ষতি কী। এতে তো কোনও সমস্যা নেই। এটিকে মোহনবাগান তো আর ৩ জন বিদেশি মাঠে নামতে পারছে না।

জুলাই ১৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

East Bengal : কলকাতা লিগে না খেললে শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে ইস্টবেঙ্গলকে

সোমবারই হয়ে গেল কলকাতা প্রিমিয়ার ডিভিশনে গ্রুপ বিন্যাস। ইস্টবেঙ্গলকে গ্রুপে রাখা হলেও লালহলুদ খেলবে কিনা, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। আর যদি শেষ পর্যন্ত লিগে লিগে ইস্টবেঙ্গল দল না নামায়, তাহলে অবনমনের আওয়ায় পড়তে হবে। এমনই জানিয়েছেন আইএফএ সচিব জয়দীপ মুখার্জি।আরও পড়ুনঃ ইংল্যান্ডের স্বপ্ন চুরমার করে ইউরো চ্যাম্পিয়ন ইতালি১ জুলাই প্রিমিয়ার ডিভিশনের ক্লাবগুলির কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন আইএফএর কর্তারা। বৈঠকে ঠিক হয়, আগস্টের মাঝামাঝি শুরু হবে কলকাতা লিগের প্রিমিয়ার ডিভিশন। প্রিমিয়ার ডিভিশনের দলগুলিকে দুটি গ্রুপে ভাগ করে এবছর লিগ হবে। প্রিমিয়ার লিগের দলগুলির ওই বৈঠকে ইস্টবেঙ্গলের কোনও প্রতিনিধি হাজির ছিলেন না। গ্রুপ বিন্যাসের জন্য সোমবার আবার বৈঠক ডেকেছিল আইএফএ। চুক্তিপত্র সই করা নিয়ে বিতর্ক না মেটায় এদিনের বৈঠকেও ইস্টবেঙ্গলের কোনও প্রতিনিধি আসেননি। যদিও ইস্টবেঙ্গলকে রেখেই গ্রুপ বিন্যাস করা হয়েছে। ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে এ গ্রুপে রয়েছে মহমেডান স্পোর্টিং, ইউনাইটেড স্পোর্টস, ভবানীপুর ক্লাব, সাদার্ন সমিতি, বিএসএস স্পোর্টিং, রেলওয়ে এফসি। অন্যদিকে বি গ্রুপে রয়েছে এটিকে মোহনবাগান, এরিয়ান, জর্জ টেলিগ্রাফ, পিয়ারলেস, খিদিরপুর ও কাস্টমস।আরও পড়ুনঃ আন্তর্জাতিক টেনিসে ঐতিহাসিক সাফল্য বাঙালি তরুণেরইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে চূড়ান্ত পত্রে সই না হওয়ায় এখনও দল গঠনের কাজে হাত দেয়নি লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের কর্তারা। ফলে কলকাতা লিগে দল নামানো নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। যদি শেষ পর্যন্ত দল না নামায়, অবনমনের মুখে পড়তে হবে লালহলুদকে। শাস্তির মুখেও পড়তে হতে পারে। আইএফএ সচিব জয়দীপ মুখার্জি বলেন, এদিন ব্যক্তিগত কারণে এসসি ইস্টবেঙ্গলের সিইও শিবাজী সমাদ্দার বৈঠকে হাজির থাকতে পারেননি। আমরা চাই বাংলার ফুটবলের স্বার্থে ইস্টবেঙ্গল লিগে খেলুক। যদি শেষ পর্যন্ত ইস্টবেঙ্গল না খেলে তাহলে ওরা একেবারে নীচে চলে যাবে। যদি সব ডিভিশনের খেলা হয়ে তাহলে অবনমন থাকবে। সেক্ষেত্রে সংবিধান অনুযায়ী ইস্টবেঙ্গলকে অবনমনের আওতায় পড়তে হবে। আইএফএ ইস্টবেঙ্গলকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানোর জন্য এক সপ্তাহ সময় দিয়েছে। লালহলুদ শিবিরকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ইস্টবেঙ্গলকে নিয়ে ধোঁয়াশা থাকলেও এটিকে মোহনবাগান পূর্ণশক্তির দল নামানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারা হালকাভাবে নেবে না কলকাতা লিগকে। আইএসএলের প্রস্তুতিও সেরে নিতে চায় লিগে।

জুলাই ১২, ২০২১

ট্রেন্ডিং

বিনোদুনিয়া

টলিপাড়ায় গভীর শোকের ছায়া! শুটিঙের মধ্যেই দীঘার সমুদ্রে তলিয়ে গেলেন অভিনেতা!

টলিপাড়ায় নেমে এল গভীর শোকের ছায়া। অকালপ্রয়াণ হল অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়-এর। মাত্র ৪৩ বছর বয়সেই এই মর্মান্তিক ঘটনায় স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে বাংলা বিনোদন জগৎ।দিঘার শুটিংয়ে কী ঘটেছিল?জানা গিয়েছে, রবিবার দিঘা-র তালসারি এলাকায় একটি ধারাবাহিকের শুটিং চলছিল। ভোলে বাবা পার করেগা নামের ওই ধারাবাহিকে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছিলেন রাহুল। শুটিংয়ের মাঝেই তিনি সমুদ্রের জলে নামেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, আচমকাই তিনি জলে তলিয়ে যান।সঙ্গে থাকা টেকনিশিয়ানরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে তীরে নিয়ে আসেন। এরপর তাঁকে তড়িঘড়ি স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু হাসপাতাল সূত্রে খবর, সেখানে পৌঁছানোর আগেই তাঁর মৃত্যু হয়ে যায়। প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, জলে ডুবে যাওয়ার ফলেই এই মর্মান্তিক পরিণতি।সহ-অভিনেতার বক্তব্যধারাবাহিকে রাহুলের জেঠুর চরিত্রে অভিনয় করছিলেন ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, শুটিং প্রায় শেষের দিকেই ছিল এবং প্যাক-আপের পর এই দুর্ঘটনা ঘটে।ভাস্করের কথায়,আমরা সবাই শুটিং সেরে মধ্যাহ্নভোজ করতে গিয়েছিলাম। রাহুল বলেছিল, আরও কয়েকটা শট দিয়ে আসবে। তারপর হঠাৎই এই খবর পাই। বিশ্বাসই করতে পারছি নাএকজন সুস্থ, প্রাণবন্ত মানুষ এভাবে চলে যেতে পারেন!কী নিয়ে ধোঁয়াশা?ঘটনার সঠিক কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। সমুদ্রের স্রোত, অসতর্কতা, নাকি অন্য কোনও কারণসবটাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। শুটিং ইউনিট এবং স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গিয়েছে।শোকস্তব্ধ টলিপাড়ারাহুল অরুণোদয়ের অকাল মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে টলিউডে। সহকর্মী থেকে অনুরাগীসকলেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শোকপ্রকাশ করছেন। একজন প্রতিভাবান অভিনেতার এই আকস্মিক বিদায়ে বাংলা ধারাবাহিক জগতে এক অপূরণীয় শূন্যতা তৈরি হল।এই মর্মান্তিক ঘটনাটি আবারও প্রশ্ন তুলে দিলসমুদ্রতীরবর্তী এলাকায় শুটিংয়ের সময় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা জরুরি। তদন্তের রিপোর্ট সামনে এলেই হয়তো স্পষ্ট হবে, ঠিক কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

ভোটার তালিকা সংশোধন: ১৮ লক্ষ বাদ! ৪০ লক্ষ-র নিষ্পত্তি, এখনও অনিশ্চয়তায় ২০ লক্ষ নাম

রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া জোরকদমে চলছে। প্রায় ৬০ লক্ষ বিবেচনাধীন ভোটারের মধ্যে রবিবার পর্যন্ত প্রায় ৪০ লক্ষের তথ্য যাচাই ও নিষ্পত্তি সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে ইতিমধ্যেই প্রায় ১৮ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। এখনও প্রায় ২০ লক্ষ ভোটারের নাম বিবেচনাধীন রয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, প্রথম দফার ভোটের মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ৬ এপ্রিলের আগেই এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা হবে।এখন পর্যন্ত খসড়া ও চূড়ান্ত তালিকা মিলিয়ে রাজ্যে মোট ৬৩ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৫২ জনের নাম বাদ গিয়েছে। প্রথম অতিরিক্ত তালিকা থেকেই বাদ পড়েছে প্রায় ১২ লক্ষ নাম। Supreme Court of India-এর নির্দেশে এই বিবেচনাধীন ভোটারদের তথ্য যাচাইয়ের কাজ করছেন বিচারকেরা। এই কাজে ভিন্রাজ্য থেকেও বিচারক আনা হয়েছে।২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করে Election Commission of India। তখন বিবেচনাধীন ভোটারের সংখ্যা ছিল ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ৬৭৫। এই বিশাল সংখ্যক আবেদন নিষ্পত্তির দায়িত্বে রয়েছেন মোট ৭০৫ জন বিচারক। কমিশন জানিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে ধাপে ধাপে সংশোধিত তালিকা প্রকাশ করা হচ্ছে। সেই অনুযায়ী ২৩ মার্চ রাতে প্রকাশিত হয় প্রথম অতিরিক্ত তালিকা। যদিও ওই তালিকায় কতজনের নাম যুক্ত বা বাদ পড়েছে, তার বিস্তারিত তথ্য এখনও জানানো হয়নি।এসআইআর শুরুর আগে রাজ্যে মোট ভোটারের সংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ ৩৭ হাজার ৫২৯। খসড়া তালিকা প্রকাশের সময় ৫৮ লক্ষ ২০ হাজার ৮৯৯ নাম বাদ পড়ে এবং মোট ভোটার সংখ্যা দাঁড়ায় ৭ কোটি ৮ লক্ষ ১৬ হাজার ৬৩০। পরে ২৮ ফেব্রুয়ারির চূড়ান্ত তালিকায় আরও ৫ লক্ষ ৪৬ হাজার ৫৩ জনের নাম বাদ যায়। ফলে ওই সময় পর্যন্ত মোট বাদ পড়া নামের সংখ্যা দাঁড়ায় ৬৩ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৫২।খসড়া তালিকায় থাকা ৭ কোটি ৮ লক্ষের বেশি ভোটারের মধ্যে প্রায় ১ কোটি ৫২ লক্ষকে শুনানির জন্য চিহ্নিত করা হয়। এর মধ্যে নো-ম্যাপিং ভোটারের সংখ্যা ছিল ৩১ লক্ষ ৬৮ হাজার ৪২৬যাঁরা ২০০২ সালের শেষ এসআইআরের সঙ্গে নিজেদের তথ্যের মিল দেখাতে পারেননি। বাকি প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ ভোটারকে তথ্যগত অসঙ্গতির কারণে চিহ্নিত করা হয়।সব মিলিয়ে প্রায় ১ কোটি ৪২ লক্ষ ভোটারের শুনানি সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে ৮২ লক্ষ ভোটারের নথি গ্রহণযোগ্য বলে মনে করেছে কমিশন। অন্যদিকে, শুনানির ভিত্তিতে বাছাই করে ৫ লক্ষের বেশি নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এরপরই প্রকাশিত হয় প্রথম দফার চূড়ান্ত ভোটার তালিকা, যেখানে রাজ্যের মোট ভোটার সংখ্যা দাঁড়ায় ৭ কোটি ৪ লক্ষ ৫৯ হাজার ২৮৪। তবে সেই তালিকাতেও ৬০ লক্ষের বেশি ভোটারের নাম বিবেচনাধীন হিসেবে রেখে দেওয়া হয়।নির্বাচনের মুখে এই বৃহৎ পরিসরের যাচাই প্রক্রিয়া প্রশাসনের কাছে যেমন বড় চ্যালেঞ্জ, তেমনই রাজনৈতিক দিক থেকেও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এখন নজর, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাকি থাকা ভোটারদের ভাগ্য কীভাবে নির্ধারণ করে কমিশন।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

পুনর্নির্বাচন ঘিরে তীব্র অভিযোগ, “আমাদের এলাকাতেই টার্গেট”— মমতার দাবি

পুরুলিয়ার সভা থেকে আবারও কেন্দ্রের বিরুদ্ধে চক্রান্তের অভিযোগ তুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, যেখানে তৃণমূল শক্তিশালী, সেখানেই পরিকল্পিতভাবে পুনর্নির্বাচনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।সভামঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মা-বোনেরা নির্বাচনের দিন ভাল করে বুথ পাহারা দেবেন। ওদের পরিকল্পনা আমাদের এলাকাগুলোতে পুনর্নির্বাচন করানো। অনেক চক্রান্ত হচ্ছে, এটা দিল্লির চক্রান্ত। এই চক্রান্ত আমরা ব্যর্থ করে দেব। তিনি আরও বলেন, মনে রাখবেন, সুস্থ বাঘের থেকে আহত বাঘ আরও ভয়ঙ্কর।মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, তাঁর কাছ থেকে প্রশাসনিক অনেক ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তবে তিনি মানুষের শক্তির ওপরই ভরসা রাখছেন। তাঁর কথায়, আমি মানুষের ক্ষমতা চাই। মানুষই এর জবাব দেবে।অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশন এ বার অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে কড়া অবস্থান নিয়েছে। কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, কোথাও ভয় দেখানো হলে বা ভোট দিতে বাধা দেওয়া হলে তা গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে প্রয়োজন হলে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।কমিশনের এক পর্যবেক্ষক জানান, যদি কোনও ভোটার নিজের বুথে গিয়ে ভোট দিতে না পারেন বা বাধার মুখে পড়েন, তবে সেটিকে গুরুতর সমস্যা হিসেবে ধরা হবে। সেই ক্ষেত্রে পরিস্থিতি বিবেচনা করে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকও জানিয়েছেন, আগে পুনর্নির্বাচন ছিল ব্যতিক্রমী ঘটনা। কিন্তু এখন কোনও সন্দেহ বা অভিযোগ উঠলেই তা খতিয়ে দেখা হবে। প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরাও পুনর্নির্বাচনের সুপারিশ করতে পারবেন।এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য এবং কমিশনের কড়া অবস্থান দুই মিলিয়ে রাজ্যের নির্বাচনী আবহ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

টিকিট না পেয়ে বিস্ফোরক অসিত! রচনার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগে তোলপাড় চুঁচুড়া

সাংবাদিক বৈঠকে অসিত মজুমদার বলেন, রচনা চান না দেবাংশু জিতুক। সবাইকে নিয়ে চলার মানসিকতা তাঁর নেই। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার বলেছেন সবাইকে সঙ্গে নিয়ে চলতে, কিন্তু তিনি তা মানছেন না। এখানেই থেমে থাকেননি তিনি। তাঁর অভিযোগ, রচনার জন্যই তিনি টিকিট পাননি। তাঁর কথায়, আমি এখনও বিধায়ক, অথচ মিছিলে আমার নাম নেই। রচনা দেবাংশুকে নিয়ে মিছিল করবে আর নির্দেশ দেবে, এটা মেনে নেওয়া যায় না।তিনি আরও বলেন, যাঁরা টিকিট পাননি সেই ৭৪ জন বিধায়ককে অপমান করা হয়েছে। রচনাকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ও নতুন এসে দল শেখাবে? ও চান না দেবাংশু জিতুক। দীর্ঘদিনের সংগঠক হিসেবে নিজের ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন অসিত।সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমরা দীর্ঘদিন লড়াই করে দলকে এগিয়ে এনেছি। এখন যারা নতুন, তারা এসে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে। তাঁর অভিযোগ, দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে ভুল তথ্য পৌঁছে দেওয়া হয়েছে, যার ফলে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।ক্ষোভের সুরে তিনি আরও বলেন, দল যা বলেছে তাই করেছি। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে পুরনোদের আর বিশ্বাস করা হচ্ছে না। রচনাকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে তিনি বলেন, দম থাকলে চুঁচুড়ায় নির্দলে দাঁড়ান। আমিও দাঁড়াব। যদি ওর থেকে বেশি ভোট না পাই, তবে মাথা ন্যাড়া করে জেলায় ঘুরব।অন্যদিকে, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় এই অভিযোগ প্রসঙ্গে বলেন, নতুন প্রার্থী নির্ধারণ করেন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। পুরনো প্রার্থীদের ক্ষেত্রে মানুষের বিশ্বাস এবং সমর্থনের উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই প্রক্রিয়ার ভিত্তিতেই প্রার্থী নির্বাচন করা হয়েছে বলে তিনি জানান।এই ঘটনার পর চুঁচুড়া সহ গোটা রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। তৃণমূলের অন্দরমহলের এই দ্বন্দ্ব আগামী নির্বাচনে কী প্রভাব ফেলবে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেক আসার আগেই সভায় হাঙ্গামা, তৃণমূলের অন্দরেই সংঘাত প্রকাশ্যে

নওদায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভাকে ঘিরে আচমকা চরম বিশৃঙ্খলার পরিস্থিতি তৈরি হল। সভামঞ্চের সামনেই তৃণমূল কর্মীদের একাংশ বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং চেয়ার ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। একে অপরের দিকে চেয়ার ছুড়ে মারার ঘটনাও দেখা যায়। ফলে সভাস্থলের একটি বড় অংশ লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়।চোখে পড়ে, এক যুবক মঞ্চের সামনে এসে বসে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। তাঁর পরনে ছিল সাদা রঙের টি-শার্ট। মূলত বিধানসভা নির্বাচনে পছন্দের নেতাকে টিকিট না দেওয়ার অভিযোগেই এই বিক্ষোভ শুরু হয়।জানা গিয়েছে, তৃণমূলের ব্লক সভাপতি শফিউজ্জামান শেখ টিকিট না পাওয়ায় তাঁর অনুগামীরাই এই বিক্ষোভে সামিল হন। তাঁরা মিছিল করে সভামঞ্চের সামনে চলে আসেন। প্রথমে তাঁরা দর্শক আসনের বাইরে ছিলেন। পরে ব্লক সভাপতি ভিতরে ঢোকার পর হঠাৎ করেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য মঞ্চ থেকে দলের নেতারা বারবার কর্মীদের শান্ত থাকার আবেদন জানান। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কিছুক্ষণের মধ্যেই সভায় উপস্থিত হওয়ার কথা ছিল। তার আগেই ভাঙা চেয়ার গুছিয়ে নেওয়ার কথাও বলা হয়। কিন্তু সেই কথা অনেকেই উপেক্ষা করে বিক্ষোভ চালিয়ে যান। আগে থেকে বসে থাকা অনেককে সেখান থেকে উঠে যেতে বাধ্য করা হয়।এই ঘটনার জেরে সভাস্থলে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। সূত্রের খবর, নওদা কেন্দ্রে এ বার টিকিট পেয়েছেন শাহিনা মমতাজ। সেই কারণেই ব্লক সভাপতির অনুগামীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।এই ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত দলের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
কলকাতা

এক ধাক্কায় ৮৩ অফিসার বদলি, ভোটের আগে বড় পদক্ষেপ কমিশনের!

নির্বাচনের আগে প্রশাসনিক মহলে বড়সড় রদবদলের সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। এক ধাক্কায় ৮৩ জন বিডিও এবং সহকারী রিটার্নিং আধিকারিককে বদলি করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, রাজ্যের একাধিক জেলায় এই বদলি করা হয়েছে। এর মধ্যে পূর্ব মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সবচেয়ে বেশি সংখ্যক আধিকারিককে সরানো হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরে ১৪ জন এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ১১ জন আধিকারিকের বদলি হয়েছে।উত্তরবঙ্গের কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর এবং দক্ষিণ দিনাজপুরের একাধিক ব্লকের বিডিও বদল করা হয়েছে। মালদহ ও মুর্শিদাবাদের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্লকেও এই রদবদল হয়েছে। পাশাপাশি নদিয়া এবং উত্তর ২৪ পরগনার একাধিক জায়গাতেও বদলি হয়েছে আধিকারিকদের।দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সবচেয়ে বেশি পরিবর্তন হয়েছে। মগরাহাট, বাসন্তী, কাকদ্বীপ, ফলতা, বিষ্ণুপুর, মিনাখা, পাথরপ্রতিমা, ডায়মন্ড হারবার, মথুরাপুর, ক্যানিং ও ভাঙড়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ ব্লকে নতুন বিডিও নিয়োগ করা হয়েছে। হাওড়া এবং হুগলির বেশ কয়েকটি এলাকাতেও এই বদল কার্যকর করা হয়েছে।পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরি, চণ্ডীপুর, পটাশপুর, তমলুক, রামনগর, মহিষাদল, নন্দীগ্রাম, কাঁথি, এগরা, ভগবানপুর ও সুতাহাটার মতো জায়গাতেও একাধিক বিডিও বদলি হয়েছে। পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরেও একই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এছাড়াও পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান এবং বীরভূম জেলার একাধিক ব্লকের বিডিও বদল করা হয়েছে। এই হঠাৎ রদবদলকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।উল্লেখ্য, এর আগে একাধিকবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, ইচ্ছাকৃতভাবে প্রশাসনের আধিকারিকদের সরানো হচ্ছে। সেই অভিযোগের আবহেই কমিশনের এই বড় সিদ্ধান্তকে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

“আমাকে মারার ছক কষছে?” পুরুলিয়া থেকে বিস্ফোরক মমতা, তীব্র আক্রমণ শাহকে

শনিবার রাজ্যে এসে তৃণমূলের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে ধরেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কলকাতার একটি হোটেলে বসে তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করে বলেন, তিনি নাকি বারবার ভিক্টিম কার্ড খেলেন। এই মন্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে পুরুলিয়ার জনসভা থেকে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এবার কি আমাকে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করছে?শাহর অভিযোগ ছিল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কখনও পায়ে চোট পান, কখনও কপালে ব্যান্ডেজ বাঁধেন, আবার কখনও অসুস্থ হয়ে নিজেকে অসহায় হিসেবে তুলে ধরেন। তাঁর মতে, বাংলার মানুষ এই ধরনের রাজনীতি ভালোভাবেই বুঝে গিয়েছে এবং নির্বাচন কমিশনকে অপমান করা বাংলার সংস্কৃতির বিরোধী।এই বক্তব্যের পাল্টা দিতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ওরা বলছে আমি নাকি ব্যান্ডেজ নিয়ে ঘুরি। আমি বহুবার মৃত্যুর মুখ থেকে লড়াই করে ফিরেছি। হাসপাতালে গিয়ে আমার রিপোর্ট দেখে আসুন। আমার ওপর কী অত্যাচার হয়েছে, তা আপনারা জানেন না। তিনি আরও দাবি করেন, আগের নির্বাচনের সময় ইচ্ছা করে তাঁর পায়ে আঘাত করা হয়েছিল। তখনও তিনি প্লাস্টার নিয়ে হুইলচেয়ারে করে মানুষের কাছে পৌঁছেছিলেন।নন্দীগ্রামে বিধানসভা নির্বাচনের আগে তাঁর পায়ে চোট লাগার ঘটনাও তিনি তুলে ধরেন। সেই সময় তিনি অভিযোগ করেছিলেন, কিছু অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি তাঁকে ধাক্কা দেয়, যার ফলে গাড়ির দরজা তাঁর পায়ে লাগে। যদিও তদন্তে জানানো হয়েছিল, সেটি পরিকল্পিত হামলা নয়, বরং দুর্ঘটনা।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এভাবে কথা বলার মানে কী? কেউ কাউকে আক্রমণ করার আগে পরিকল্পনা করে। যে ভুল করে, সে কিছু প্রমাণ রেখে যায়। তাঁর কথাতেই বোঝা যাচ্ছে, কিছু একটা পরিকল্পনা চলছে।২০২৪ সালেও তাঁর মাথায় গুরুতর চোট লাগে। তখন জানা গিয়েছিল, নিজের বাড়িতে পড়ে গিয়ে তিনি আঘাত পান এবং কয়েকদিন তাঁর মাথায় ব্যান্ডেজ ছিল।মমতার এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার বলেন, মুখ্যমন্ত্রী আসলে ভয় পেয়েছেন। তাঁর দাবি, এই অভিযোগপত্র বাংলার মানুষের কথা বলছে এবং মুখ্যমন্ত্রীর উচিত রাজ্যের উন্নয়ন নিয়ে কথা বলা।

মার্চ ২৯, ২০২৬
কলকাতা

টিকিট না পেয়ে বিস্ফোরণ! তৃণমূল ছাড়ার ইঙ্গিত সুনীল সিংয়ের, নোয়াপাড়ায় বাড়ছে ক্ষোভ

প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হতেই রাজ্যের শাসকদলের অন্দরে অসন্তোষ বাড়ছে। অনেক বিধায়ক টিকিট না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। সেই ক্ষোভ এবার প্রকাশ্যে আনলেন নোয়াপাড়ার প্রাক্তন বিধায়ক সুনীল সিং। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, আর তৃণমূলে থাকতে চান না তিনি।নোয়াপাড়ায় তৃণমূলের প্রার্থী হিসেবে তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্যকে বেছে নেওয়ায় ক্ষুব্ধ সুনীল। তাঁর অভিযোগ, এলাকার বাইরে থেকে প্রার্থী এনে দলের ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, নোয়াপাড়ার মানুষ এই সিদ্ধান্তে খুশি নন। দলের কর্মীরাও ক্ষুব্ধ। তাঁর কথায়, এলাকায় অনেক যোগ্য নেতা থাকলেও তাঁদের কাউকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি।একইসঙ্গে তিনি বলেন, চারবারের বিধায়ক মঞ্জু বসুকে প্রার্থী না করায় নোয়াপাড়ার মানুষ অপমানিত বোধ করছেন। এই সিদ্ধান্ত মানুষ মেনে নেবে না বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর মতে, রাজ্যে যেমন পরিবর্তন এসেছিল, তেমনই নোয়াপাড়াতেও পরিবর্তন আসতে পারে।উল্লেখ্য, মঞ্জু বসুও আগে টিকিট না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। তিনি অভিযোগ করেছিলেন, টাকা না দেওয়ার কারণেই তাঁকে প্রার্থী করা হয়নি।সুনীল আরও প্রশ্ন তুলেছেন, কেন এলাকার বাইরে থেকে প্রার্থী আনা হল। তাঁর বক্তব্য, স্থানীয় অনেকেই প্রার্থী হওয়ার যোগ্য ছিলেন, কিন্তু তাঁদের কাউকেই বেছে নেওয়া হয়নি। তিনি দাবি করেন, নোয়াপাড়ার মানুষ বাইরের প্রার্থীকে ভোট দিতে রাজি নন।এর আগেও সুনীল সিংয়ের দলবদল নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। তিনি বিরোধী শিবিরের এক নেতার সঙ্গে দেখা করেছিলেন, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়। সেই সময় তাঁদের সৌজন্য সাক্ষাৎ নিয়েও অনেক জল্পনা তৈরি হয়েছিল।এখন সুনীল সিংয়ের গলায় স্পষ্ট অভিমান। তিনি বলেন, দলে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তাঁকে বিশ্বাস করা হয়নি। তাঁর মতে, যে দলে বিশ্বাস নেই, সেখানে থাকার কোনও মানে হয় না। তাই ভবিষ্যতে তিনি কী সিদ্ধান্ত নেবেন, তা নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal