• ২১ আশ্বিন ১৪৩৩, শনিবার ১০ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

CAG

রাজনীতি

কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রতিবাদে কলকাতায় ধরনা মুখ্যমন্ত্রীর, ক্যাগ রিপোর্ট নিয়ে মোদীকে চিঠি

এর আগে দিল্লিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর ঘরে ধুন্ধুমার কান্ড ঘটেছে। কলকাতায় রাজভবনের সামনে মঞ্চ বেঁধে ধরনা চলেছে। এবার কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনার প্রতিবাদে রেড রোডের পাশে ধর্নায় বসেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। সেই মঞ্চ থেকেই ক্যাগ রিপোর্ট নিয়ে মোদী সরকারকে নিশানা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ক্যাগ রিপোর্টে প্রকাশিত তথ্য সব মিথ্যা বলে দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।গত বুধবার মমতার আর্থিক বঞ্চনার জবাব দিতে আসরে নামে বিজেপি। ওইদিন সকালে সংসদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে বাংলার বকেয়া টাকার দাবি জানান তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। উত্তরে সুদীপকে ক্যাগ রিপোর্ট পড়ে দেখতে বলেন প্রধানমন্ত্রী।গত বুধবারই কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেই ক্যাগ রিপোর্ট সামনে আনেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। সুকান্ত মজুমদার সাংবাদিক বৈঠকে জানান, প্রায় ২ লক্ষ কোটি টাকার হিসেব দেয়নি রাজ্য। সেই টাকা কোথায় গেল, প্রশ্ন তোলেন সুকান্ত।কী আছে সেই ক্যাগ রিপোর্টে, যা দেখে কেন্দ্র টাকা দেওয়া বন্ধ করে দিচ্ছে? গত বুধবারই কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেই ক্যাগ রিপোর্ট সামনে আনেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। সুকান্ত মজুমদার সাংবাদিক বৈঠকে জানান, প্রায় ২ লক্ষ কোটি টাকার হিসেব দেয়নি রাজ্য। সেই টাকা কোথায় গেল, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। সুকান্তর দাবি, পার্সোনাল অ্যাকাউন্ট-এ সরকারি প্রকল্পের টাকা নেওয়া হয়েছে, এমন কথাই রয়েছে ক্যাগ রিপোর্টে। সুকান্তর দাবি ছিল, এটা দুর্নীতির নতুন পন্থা। সাধারণের টাকা কোথায় খরচ করা হয়েছে, তা কারও জানা নেই। বঙ্গ বিজেপি সভাপতির দাবি, রাজ্য সরকারকে যে কোনও প্রকল্পের কাজ শেষ হলে ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট দিতে হয়। তাতে বোঝা যায়, যে টাকা বরাদ্দ হয়েছিল, সেই টাকা সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের কাজেই খরচ হয়েছে। কিন্তু ক্যাগ রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, ১.৯৫ লক্ষ কোটি টাকার কোনও ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট জমা দেয়নি রাজ্য সরকার।বিজেপি নেতাদের ওই অভিযোগের বিরুদ্ধে এদিন ধরনা মঞ্চেই মুখ খোলেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা জানান, এখান থেকেই ক্যাগ রিপোর্টের মিথ্যাচার নিয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি লিখেছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ক্যাগ রিপোর্ট নিয়ে আমি প্রধানমন্ত্রীকে স্ট্রং চিঠি দিচ্ছি এখান থেকে। ক্যাগ রিপোর্টে ২০০৩ সাল থেকে রিপোর্ট দিয়েছে। তখন কি আমরা ছিলাম? আমরা ক্ষমতায় এসেছি ২০১১ সালে। তাহলে কেন ওই সময়ের দায়িত্ব নেব? মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, সব ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট দিয়েছি। ক্যাগ রিপোর্টে সব মিথ্যা কথা। সত্য কখনও চাপা থাকে না। ক্যাগ রিপোর্ট বিকৃত সত্য ও বিজেপি লিখেছে। রাজ্যের পাওনা আটকে রেখে ক্যাগ কথা বলছে।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২৪
বিদেশ

Hindol Majumdar: হিন্দোলের তবলার দোলায় মাতোয়ারা শিকাগো

ভারতের স্বাধীনতার ৭৫ বর্ষ পুর্তিতে মেতে উঠল আমেরিকা। সারা ভারত যখন স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে মাতোয়ারা ঠিক সেই উপলক্ষ্যেই আমেরিকার শিকাগো শহরে অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো আজাদী কি অমৃত মহোৎসব।শিকাগো নামটার সাথে ভারতীদের বিশেষ করে বাঙালীর নাড়ির টান। নামটা শুনলেই স্বামী বিবেকানন্দের সিস্টার্স অ্যান্ড ব্রাদার্স অব আমেরিকা... গলাটা কানে ভেসে ওঠে। ১৮৯৩র ১১ ই সেপ্টেম্বর, শিকাগোর বিশ্ব ধর্ম সম্মেলনে সনাতন হিন্দু ধর্মের কথা তুলে ধরেছিলেন শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসের পরমপ্রিয় শিষ্য স্বামী বিবেকানন্দ। এহেন নাস্টালজিক শহরে অবস্থিত শিকাগো কালচারাল সেন্টারে এক মনোজ্ঞ পরিবেশে ভারতীয় কনস্যুলেট জেনারেলের উদ্যোগে আজাদী কি অমৃত মহোৎসব অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়। শিকাগোর ভারতীয় কনস্যুলেট অমিত কুমার এই অনুষ্ঠানটির আয়োজন ও পৌরহিত্য করেন। উপস্থিত ছিলেন তাঁর সহধর্মিনী।অনুষ্ঠান শুরু হয় ভারতের জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে। পতাকা উত্তোলন করেন শিকাগোর ভারতীয় কনস্যুলেট জেনারেল অমিত কুমার। তিনি উপস্থিত আমন্ত্রিতদের উদ্দেশে ভারতের রাষ্ট্রপতির ভাষন পাঠ করে শোনান। কনস্যুলেট শিকাগো সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে কিছু নির্বাচিত প্রতিনিধি, উর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি অংশগ্রহণ করেন। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে শুরু হয় বিশিষ্ট নৃত্য শিল্পী সঞ্চিতা ভট্টাচার্যর নৃত্য পরিবেশনার মধ্য দিয়ে।আরও পড়ুনঃ যারা অদৃশ্য রয়ে গেলেনঃ শ্রমিক ঠিকাদার বা দালালতন্ত্র!শিকাগো সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মুল আকর্ষন ছিল বিশিষ্ট তবলিয়া পণ্ডিত হিন্দোল মজুমদারের তবলা ও সাথে লিয়ন লিফার-র বাঁশরী। হিন্দোল মজুমদার এই প্রজন্মের তরুণ তবলা বাদকদের মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় তবলিয়া। সঙ্গীত তাঁর রক্তে ছিল। তাঁর মাতামহ প্রয়াত চিত্তরঞ্জন রায়, একজন বিশিষ্ট সঙ্গীত প্রেমী এবং তাঁর মা প্রয়াত সুনন্দা মজুমদার, পেশায় একজন শিক্ষক ছিলেন, এবং তিনি জয়পুর ঘরানার পণ্ডিত রামগোপাল মিশ্রের কাছে কত্থক নৃত্য শিক্ষালাভ করেন। তাঁর মায়ের অকাল প্রয়াণের পর, হিন্দোল মজুমদার প্রতি বছর তাঁর মায়ের স্মরণে বিশিষ্ট সঙ্গীত শিল্পী, ছাত্র-ছাত্রী ও তাঁর অনুরাগীদের সঙ্গে নিয়ে এক সঙ্গীত সন্ধ্যা আয়োজন করেন। পারিবারিক সঙ্গীত আবহে অনুপ্রাণিত হয়ে হিন্দোল ছোট বয়সেই তবলা শেখা শুরু করেন। মাত্র ৫ বছর বয়েসে তাঁর তবলায় হাতে খড়ি, ১০ বছর বয়সে তিনি প্রথম মঞ্চে অনুষ্ঠান করেন। তারপর আর তাঁকে পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।আরও পড়ুনঃ দত্ত কুলোদ্ভব কবি শ্রীমধুসূদনহিন্দোল মজুমদারের তবলা ও সঙ্গে লিয়ন লিফার-এর বাঁশরী এক অনবদ্য সন্ধ্যার উপহার দেয় শিকাগো কালচারাল সেন্টারে। তাঁদের অনুষ্ঠান প্রথম উপস্থাপনা রাগ দেশ। দেশ হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় সংগীতের খম্বাজ ঠাটের অন্তর্ভুক্ত একটি রাগ। বেশ কয়েকটি দেশাত্মবোধক গান দেশ রাগের উপর আধারিত। তার মধ্যে ভারতের জাতীয় সংগীত ও বন্দে মাতরম অন্যতম। লিয়ন লিফার আমেরিকার এক প্রথিতযশা বাঁশরী শিল্পী, তাঁর সঙ্গীত শিক্ষার গুরু ভারত বিখ্যাত বাঁশরী শিল্পী প্রয়াত পণ্ডিত পান্নালাল ঘোষের জামাই ও প্রধান শিষ্য প্রয়াত দেবেন্দ্র মুর্দেশ্বর। দীর্ঘদিন তাঁর কাছে থেকে শিক্ষা লাভ করেন লিয়ন।তাঁদের পরবর্তী উপস্থাপনা কাজরী, কাহারবা তালের উপর আধারিত এই কম্পোজিসন খুবই মনোরম। কাজরি (বা কাজরী), হিন্দি শব্দ কাজরা বা কাজল থেকে এসেছে, (যার অর্থ কোহল বা কালো), কাজরী হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের অনবদ্য সৃষ্ঠি, এটি উত্তর প্রদেশ এবং বিহারে খুব জনপ্রিয়। তীব্র গরমের দেশে কালো বর্ষার মেঘ তাদের কাছে ভীষন স্বস্তি এবং দারুন আনন্দ নিয়ে আসে। সেই আনন্দের বহিঃপ্রকাশ করতে সেই মুহূর্তে কাজরী গাওয়া হয়। তবলায় হিন্দোল মজুমদারের সঙ্গত এক অন্য মাত্রা পায়, তিন ঘরানার মহান গুরুর শিক্ষা তাঁর বাদন শৈলিতে প্রকট। তাঁর তেরেকেটে-এর লয়কারী শুনলে অনেকেরই ফারুকাবাদ ঘরানার মাহান শিল্পী ওস্তাদ কেরামতউল্লাহ খাঁর কথা মনে পরতে বাধ্য। মহান তবলিয়া ওস্তাদ কেরামতউল্লাহ খাঁ-এর সুযোগ্য শিষ্য শিবশঙ্কর কর্মকার-ই তাঁর প্রথম গুরু। তারপর তিনি ফারুকখাবাদ ঘরানার বিশিষ্ট তবলা গুরু পণ্ডিত শঙ্খ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে নাড়া বাধেন।আরও পড়ুনঃ মহানায়ক উত্তম কুমার ও মান্না দে বাংলার সিনেমার আমি যামিনী তুমি শশীঅনুষ্ঠানের সর্বশেষ অংশে শিল্পী লিয়ন ঠুংরি পরিবেশন করেন। লগী কাহারবা তালের ওপর আধারিত কম্পজিসনটি উপস্থিত বিশিষ্টজন উপভোগ করেন। হিন্দোল মাজুমদারের তবলা সঙ্গত এক কথায় অনবদ্য। তাঁর লয়কারি, সাথ সঙ্গত, সাওয়াল জবাব মনমুগ্ধ করে দেয়। বাঁশরী শিল্পী লিয়নের উপস্থাপনা উপস্থিত দর্শককূলকে মোহিত করে দেয়, আদ্যন্ত ভারতীয় এক বাদ্যযন্ত্র বাঁশরী একজন আমেরিকান শিল্পী যে যেভাবে রপ্ত করেছেন তা এক কথায় অনবদ্য। শিল্পী লিয়ন শিকাগোতে অবস্থিত পূর্ব ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয়ে (Northeastern Illinois University, Chicago, IL) প্রাক্তন বাঁশি বিভাগের অধ্যাপক।আরও পড়ুনঃ বিরোধী বিধান-র জ্যোতি স্নেহপণ্ডিত হিন্দোল মজুমদার আমেরিকা থেকে জনতার কথাকে জানান, ভারতের বেশীরভাগ শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শিল্পী-ই বছরের বেশ কিছু সময় আমেরিকা ও ব্রিটেনে কাটান। এই প্রয়াস অনেক আগে থেকেই শুরু হয়েছে, সেখানকার মানুষের ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শেখার প্রবল ইচ্ছা, ভারতীয় মার্গ সঙ্গীতের প্রসার ও ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানের জন্য তাঁরা সেখানে বছরের বেশ কিছু সময় থেকে যান। ২০২০ র করোনা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় তাঁরা অনেকেই দেশে ফিরে এসেছিলেন। হিন্দোল বাবু আরও জানান যে, তিনি গত ২০২১ এপ্রিলে আমেরিকা গিয়েছেন। অনেকদিন ধরে অনলাইন মাধ্যমে শিক্ষা দান করেছেন, এখন আমেরিকার মিলওয়াক শহরে তাঁর বাসভবনে শাস্ত্রবিধি মেনে প্রবাসী ভারতীয় ও আমেরিকান কিছু ছাত্র-ছাত্রীকে সরাসরি শিক্ষা দান করছেন। তিন বলেন ভারতীয় কনস্যুলেটের আমন্ত্রণ পেয়ে আমি গর্বিত বোধ করছি। দেশের ৭৫তম স্বাধীনতা দিবসে বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি, তাছাড়া শিকাগো সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে (Chicago Cultural Centre) অনুষ্ঠান করা যেকোনও শিল্পীর কাছেই স্বপ্ন। এটা শিল্পীর জীবনপঞ্জিতে লিখে রাখার মত বিষয়।

আগস্ট ১৮, ২০২১
রাজ্য

GTA-Dhankhar: জিটিএ-র দুর্নীতি বিচারে অডিট করাবেন রাজ্যপাল

সাতদিনের উত্তরবঙ্গ সফর শেষে জিটিএ-তে দুর্নীতির অভিযোগে সরব হলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar)। সোমবার বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেওয়ার আগে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তাঁর বক্তব্য, দীর্ঘ কয়েকবছর ধরে গোর্খা টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে (GTA) অডিট হয়নি। তিনি ক্যাগ (CAG)-কে দিয়ে অডিট করাতে চান। তাহলেই স্বচ্ছতা বজায় থাকবে। পাশাপাশি তাঁর আরও অভিযোগ, জিটিএ যে উদ্দেশে তৈরি হয়েছিল, তা পূরণ হয়নি। বছরের পর বছর ধরে পাহাড়বাসীর কোনও উন্নয়ন করে জিটিএ।২০১৭ সালে পাহাড়ের তৎকালীন প্রতাপশালী নেতা মোর্চার বিমল গুরুংয়ের আবেদন মেনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিটিএ তৈরির অনুমোদন করেন। মূলত পাহাড়বাসীর উন্নয়নের লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত। জিটিএ-তে কে কোন দায়িত্ব পালন করবেন, তাও মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে পরামর্শক্রমেই ঠিক হয়। এটি একটি স্বশাসিত সংস্থা। অন্যান্য প্রশাসনিক সংগঠনের মতো নির্বাচনের মাধ্যমে জিটিএ-তেও দায়িত্বপ্রাপ্তদের নির্বাচিত করার কথা। কিন্তু ২০১৭ সালের পর থেকে নানা জটিলতার কারণে সেখানে নির্বাচন হয়নি। বিমল গুরুং, বিনয় তামাং হয়ে মোর্চা নেতা অনীত থাপা নানা সময়ে সামলেছেন জিটিএ চেয়ারম্যানের দায়িত্ব। তবে এই মুহূর্তে সেখানে কাজ করছে প্রশাসক বোর্ড।আরও পড়ুনঃ করোনা ফাঁড়া কাটিয়ে ডব্লুউবিসিএস-সহ তিনটি পরীক্ষার নির্ঘণ্ট ঘোষণাতারই মধ্যে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় ৭ দিনের জন্য উত্তরবঙ্গ (North Bengal) সফরে গিয়েছিলেন। দার্জিলিংয়ের রাজভবনে থাকাকালীন তাঁর সঙ্গে দেখা করেছেন সেখানকার রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন সংগঠনের সদস্যরা। রাজ্যপালের দাবি, তাঁদের সকলের সঙ্গে কথা বলে তিনি একটা বিষয় সম্পর্কে নিশ্চিত যে পাহাড়ে এই কবছরে কোনও উন্নয়ন হয়নি। জিটিএ তৈরি হয়েছিল যে উদ্দেশে অর্থাৎ পাহাড়বাসীর উন্নয়নের জন্য, তা সফল হয়নি। না নির্বাচন, না অডিট কিছুই হয়নি জিটিএতে। তাই তিনি নিজে CAG-কে দিয়ে অডিট করাতে চান। তাঁর এই বক্তব্যকে সমর্থন করেছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এদিন শিলিগুড়ির কার্যালয় বৈঠকের পর তিনি বলেন, এই দাবি যুক্তিপূর্ণ। অবশ্যই জিটিএ-র অডিট হওয়া উচিত। কেন্দ্রীয় সরকার প্রতি বছর উন্নয়নের জন্য টাকা পাঠায়। কিন্তু রাজ্য সরকারের কর্মী, আধিকারিকরা তা নয়ছয় করেন আর উন্নয়নের কাজ হয় না কিছুই।এদিকে, জিটিএ-র কোষাগার নিয়ে রাজ্যপালের এই দুর্নীতির অভিযোগ মানতে নারাজ প্রাক্তন চেয়ারম্যান তথা মোর্চা নেতা অনীত থাপা। তাঁর দাবি, প্রতি বছর অডিট হয়েছে। পাহাড়ে অনেক উন্নয়নের কাজ করেছি আমরা। উনি অডিট করাতে চাইলে করান, আমাদের কোনও অসুবিধা নেই। সব হিসেব পেয়ে যাবেন।

জুন ২৮, ২০২১
কলকাতা

আলিপুর চিড়িয়াখানায় সিংহের খাঁচায় ঢুকে জখম ব্যক্তি

মর্মান্তিক ঘটনা ঘটল শুক্রবার কলকাতার আলিপুর চিড়িয়াখানায়। আচমকাই সিংহের খাঁচায় ঢুকে পড়েন এক ব্যক্তি। আর এরপরই সিংহের আঁচড়ে রক্তাক্ত হন তিনি। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে আপাতত এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানেই তাঁর চিকিৎসা চলছে। তবে ওই ব্যক্তির পরিচয় এখনও জানা যায়নি। আর এই ঘটনা রীতিমতো উস্কে দিয়েছে সেই শিবার স্মৃতি। যেখানে শিবা নামের রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের গলায় মালা পরাতে গিয়ে বেঘোরে প্রাণ হারিয়েছিলেন এক যুবক।প্রত্যক্ষদর্শী এবং নিরাপত্তা আধিকারিকদের মতে, এদিন আর পাঁচজন সাধারণ দর্শকের মতোই ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন ওই ব্যক্তি। কিন্তু কেউ কিছু বোঝার আগেই আচমকা ঢুকে পড়েন সিংহের খাঁচায়। প্রথমে গাছে উঠে সামনের পাঁচিল টপকান। তারপর উঁচু ফেন্সটি টপকে ভিতরে ঢুকে পড়েন। এরপর সামনের ছোট নালা পেরিয়ে সিংহের এনক্লোজারে ঢুকে পড়েন। সেসময় একটি সিংহ ছাড়া ছিল। সেই পশুরাজই ওই ব্যক্তিকে আক্রমণ করে। এরপর ছোট আরেকটি ঘরে ওই ব্যক্তিকে টেনে নিয়ে যাওয়ার সময় নিরাপত্তাকর্মী এবং সিংহের দায়িত্বে থাকা কর্মীদের বিষয়টি নজরে আসে। তাঁরাই ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করেন। দেখা যায়, সিংহের থাবা এবং আঁচড়ে ক্ষতবিক্ষত ওই ব্যক্তির সারা শরীর। এরপরই তাঁকে তড়িঘড়ি এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই আপাতত চিকিৎসাধীন তিনি। জানা গিয়েছে, গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন ওই ব্যক্তি। এদিকে, এই ঘটনা আরও একবার আলিপুর চিড়িয়াখানার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।

মার্চ ১৯, ২০২১
রাজ্য

রাজ্যের আবেদন খারিজ, আমফানের দুর্নীতির ঘটনায় তদন্তে ক্যাগই, নির্দেশ হাইকোর্টের

আমফান দুর্নীতি মামলার অডিট করবে ক্যাগ। প্রসঙ্গত , দুদিন আগেই কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল আমফানের ত্রাণে কোনও দুর্নীতি হয়েছে কিনা, তার তদন্ত করবে ক্যাগ। সেই নির্দেশের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকার প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন জানিয়েছিল। শুক্রবার রাজ্যের সেই আবেদন খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। সেখানে রাজ্য সরকারের আইনজীবী কিশোর দত্ত বলেন, আমফান ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত মামলায় রাজ্যের আরও কিছু বক্তব্য রয়েছে। সেগুলো শোনা হোক। আদালত জানিয়ে দিয়েছে, এই ব্যাপারে রাজ্য সরকারকে আর সময় দেওয়া যাবে না। রাজ্যের যদি এরপরেও কিছু বলার থাকে, তাহলে তারা সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারে। আরও পড়ুন ঃ আদর্শের জন্য লড়াই চলবে, সভায় জানালেন শুভেন্দু গত ১ ডিসেম্বর কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ এক নির্দেশে জানায়, এখনও পর্যন্ত আমফান ঝড়ে ক্ষতিপূরণ নিয়ে দুর্নীতির পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে ক্যাগকে তিন মাসের মধ্যে রিপোর্ট দিতে হবে। পাশাপাশি ক্যাগেকে সমস্ত রকমের সহযোগিতা করার জন্য রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ৷ প্রসঙ্গত, ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণবণ্টন নিয়ে দুর্নীতি হয়েছে, এই মর্মে হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করে দক্ষিণ ২৪ পরগনার কৃষক সংগঠন। মামলা করেন বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংও। গত মঙ্গলবার সবকটি মামলার একত্রে শুনানি হয় প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে।

ডিসেম্বর ০৪, ২০২০
কলকাতা

আমফানের ত্রাণ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ, ক্যাগ তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

আমফানের দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে ক্যাগকে তদন্ত করার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। আদালত বলেছে, কাদের ত্রাণ পাওয়ার কথা অথচ পাননি, কেন পাননি, কোন প্রক্রিয়ায় ত্রাণ বিধ্বস্ত এলাকায় ত্রাণ বন্টন হয়েছিল , প্রকৃ্ত ক্ষতিগ্রস্তরা যদি ত্রাণ না পেয়ে থাকেন , তাহলে তারা কেন পাননি - এই সমস্ত বিষয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ রিপোর্ট আগামী তিন মাসের মধ্যে আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ক্যাগকে। বিচারপতি টিবিএন রাধাকৃষ্ণণ ও অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দেয়। আরও পড়ুন ঃ তৃণমূল নেতৃ্ত্বকে কদর্য ভাষায় আক্রমণ বিজেপি সাংসদের এই ব্যাপারে মঙ্গলবার চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, দুর্নীতি বলছেন কেন? বলুন হাইকোর্ট রিপোর্ট চেয়েছে। প্রসঙ্গত, ঘূর্ণিঝড় আমফানে ক্ষতিগ্রস্তদের ২০ হাজার টাকা করে সাহায্যের কথা ঘোষণা করেছিল রাজ্য সরকার। তবে অভিযোগ উঠেছিল ক্ষতিপূরণের সেই টাকা আসল ক্ষতিগ্রস্তদের বদলে শাসক দলের নেতা-কর্মীদের পকেটে ঢুকেছে। সেই অভিযোগেই কলকাতা হাইকোর্টে একটি মামলা দায়ের হয় । সেই মামলায় রাজ্য সরকারের কাছে বারবার আমফানে ক্ষতিগ্রস্তদের কীভাবে টাকা বণ্টন করা হচ্ছে, তা জানতে চেয়ে হলফনামা জমা দিতে বলে আদালত। তবে, রাজ্য সরকারের তরফে এনিয়ে কোনও উচ্চবাচ্চ্য করা হয়নি ৷ তারপরেই আজ আদালতের তরফে ক্যাগকে তদন্তভার দেওয়া হয়েছে।

ডিসেম্বর ০১, ২০২০
দেশ

বিস্ফোরক ক্যাগ, নিশানায় কেন্দ্র

কেন্দ্রকে লক্ষ্য করে একের পর এক তির ছুঁড়ে চলেছে 'দ্য কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল অব ইন্ডিয়া' বা ক্যাগ। রাফাল যুদ্ধ বিমান ক্রয়ে ফরাসি সংস্থা দাসোর বিরুদ্ধে চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছিল ক্যাগ। এবার কেন্দ্রকে নিশানা করল জিএসটি ক্ষতিপূরণ নিয়ে। এক্ষেত্রে কেন্দ্র নিজের নিয়ম নিজেই ভেঙেছে বলে বিস্ফোরক দাবি ক্যাগের। দাবি করা হয়েছে ৪৭ হাজার ২৭২ কোটি টাকা জিএসটি কমপেনসেশন সেস ফান্ডে কেন্দ্র পাঠায়নি। নিয়ম লঙ্ঘনে ২০১৭-১৮ ও ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষের ঘটনা রিপোর্টে তুলে ধরা হয়েছে। সিএফআইতে ওই টাকা না পাঠিয়ে অন্য খাতে খরচ করার অভিযোগ উঠেছে মোদী সরকারের বিরুদ্ধে। জিএসটি ক্ষতির জন্য রাজ্যগুলিকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিধান কোনও আইনে নেই বলে জানিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। এখানেই শেষ নয়। খনিজ তেল, শিল্প, উন্নয়ন ও পরিকাঠামো খাতে সংগৃহীত শুল্ক নির্দিষ্ট ফান্ডে স্থানান্তরিত করা হয়নি বলেও অভিযোগ ক্যাগের। বর্তমানে সংসদ বন্ধ। শীতকালীন অধিবেশনে সরকারকে চেপে ধরতে ক্যাগের রিপোর্টই যে বিরোধীদের প্রধান অস্ত্র, তা বলাই যায়।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২০
দেশ

মোদীর মেক ইন ইন্ডিয়ায় ধাক্কা

যুদ্ধ বিমান রাফাল ক্রয়ে ফরাসি সংস্থা দাসো অ্যাভিয়েশনের সঙ্গে চুক্তি করেছিল মোদী সরকার। ছত্রিশটির মধ‍্যে ইতিমধ‍্যে পাঁচটি বিমান চলে এসেছে ভারতের হাতে। কিন্তু ফরাসি সংস্থা দাসো রাফাল ক্রয়ের চুক্তি ঠিকমতো পালন করেনি বলে সংসদে পেশ করা রিপোর্টে অভিযোগ তুলল সিএজি অর্থাৎ কম্পট্রোলার অ‍্যান্ড অডিটর জেনারেল। রিপোর্টে বলা হয়েছে, রাফাল ক্রয়ের শর্ত হিসেবে যুদ্ধবিমানের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা গবেষণায় উন্নতি প্রযু্ক্তি দিয়ে সাহায‍্য করবে । কিন্তু সেই চুক্তি দাসো পালন করেনি বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে বলে খবর। রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে যে, চুক্তির শর্ত হিসেবে দেশীয় সংস্থার সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধার আগে প্রযুক্তি ও উন্নত সংস্করণ নিয়ে আলোচনা হয়। কিন্তু চুক্তির পর দাসো দায়বদ্ধতা দেখায়নি বলে জানা গেছে। এছাড়া লাইট কমব‍্যাট এয়ারক্রাফ্টের ইঞ্জিন তৈরিতেও দাসো প্রযুত্তিগত কোনও সাহ‍ায‍্য করেনি বলেও অভিযোগ রয়েছে রিপোর্টে। বিদেশি সংস্থা কীভাবে দায় এড়াচ্ছে, তা নিয়ে রিপোর্টে তোলা হয়েছে প্রশ্ন। রাফাল চুক্তি নিয়ে মোদী সরকারকে নিশানা করেছিলেন রাহুল গান্ধী। ইতিমধ‍্যে কেন্দ্রে নয়া কৃষি বিল নিয়ে বিরোধীরা ঐক‍্যবদ্ধভাবে আন্দোলনে নেমেছেন। সিএজি রিপোর্ট বিরোধীদের হাতে নতুন করে অস্ত্র তুলে দিল বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে রাফাল নিয়ে সিএজি রিপোর্টকে ঘিরে বিতর্কের মধ‍্যেই বারাণসীর শিবাঙ্গী সিংহের মুকুটে নতুন পালক। দেশের প্রথম মহিলা পাইলট হিসেবে রাফাল যুদ্ধবিমান চালাবেন বারাণসীর এই বাসিন্দা। ২০১৭ সালে ভারতীয় বায়ুসেনায় যোগ দিয়েছিলন শিবাঙ্গী। ইতিমধ‍্যে উড়িয়েছেন মিগ-২১। এক যুদ্ধবিমান থেকে আরেক যুদ্ধবিমান চালাতে গেলে নিতে হয় বিশেষ প্রশিক্ষণ। ইতিমধ‍্যে সেই প্রশিক্ষণ শুরু করেছেন। শেষ হলেই আম্বালা এয়ারবেসে যোগ দেবেন তিনি। এখনও পর্যন্ত বায়ুসেনায় মোট ১০ জন মহিলা পাইলট রয়েছেন। শিবাঙ্গীই প্রথম রাফাল যুদ্ধবিমান চালানোর কৃতিত্ব দেখাবেন।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২০

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

মহালয়ায় কখন করবেন পিতৃপুরুষের উদ্দেশ্যে তর্পণ? জেনে নিন শুভ সময় ও বিশেষ নিয়ম

শিউলি ফুলের গন্ধ আর শরতের ভোরের বাতাসে ঢাকের মিঠে বোল এই তো আমাদের দুর্গোৎসবের প্রথম বার্তা! বছর ঘুরে আবারও সেই কাঙ্ক্ষিত দিনটি দোরগোড়ায়। ২০২৬ সালের ১০ই অক্টোবর, শনিবার (২২শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ) শুভ মহালয়া। ভোরে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের জলদগম্ভীর কণ্ঠে মহিষাসুরমর্দিনীর সুর ভেসে আসার সঙ্গেই যেন বাঙালিয়া এক অদ্ভুত আবেগ আর নস্টালজিয়ায় ভেসে যায়। পিতৃপক্ষের সমাপনী আর দেবীপক্ষের এই নতুন সকালে চরাচর যেন এক স্বর্গীয় সুরের আহ্বানে জেগে ওঠে।মহালয়া শুধু একটি দিন নয়, এটি একটি অনুভূতির নাম। পুরাণ মতে, এদিনই দেবী দুর্গা মর্ত্যে তাঁর পিতৃগৃহে পা রাখেন, শুরু হয় দেবীপক্ষ। এর পাশাপাশি এটি আমাদের শিকড়কে স্মরণ করার শ্রেষ্ঠ সময়। এদিন ভোরে গঙ্গার ঘাটে ঘাটে পিতৃপুরুষের উদ্দেশ্যে তর্পণ করার জন্য হাজারো মানুষের মিলনমেলা বসে। শাস্ত্রানুসারে অমাবস্যা তিথিটি শুরু হচ্ছে ৯ই অক্টোবর রাত ৯:৩৫ মিনিটে এবং থাকবে ১০ই অক্টোবর রাত ৯:১৯ মিনিট পর্যন্ত। পিতৃপুরুষকে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য ১০ই অক্টোবর সকাল ১১:২৪ মিনিট থেকে দুপুর ১:৫৬ মিনিট পর্যন্ত সময়টিকে সবচেয়ে শুভ বলে মনে করা হচ্ছে।তবে মহালয়া কিন্তু কেবল অতীতের স্মৃতি তর্পণ বা শাস্ত্রমতে তর্পণের আচারটুকুতেই সীমাবদ্ধ নয়, এর পেছনে লুকিয়ে আছে আগমনীর গভীর আনন্দ। এই বিশেষ দিনে প্রতিমার চোখে তুলি ছোঁয়ানো অর্থাৎ চক্ষুদান রীতির মধ্য দিয়েই মৃন্ময়ী রূপ যেন চিন্ময়ীতে পরিণত হতে শুরু করে। ১০ই অক্টোবরের এই অলৌকিক ভোরে মহালয়া শেষ হতেই, পরের দিন ১১ই অক্টোবর থেকে পূর্ণাঙ্গভাবে সূচনা হবে দেবীপক্ষের। চারপাশের কাশবনের দোল আর নীল আকাশের শুভ্র মেঘেরা তখন যেন চুপিচুপি জানান দেবে মা আসছেন। উৎসবের এই পবিত্র সূচনাকে সুন্দর ও মঙ্গলাময় রাখতে কিছু চিরন্তন রীতির প্রতি শ্রদ্ধা রাখা জরুরি। সনাতন বিশ্বাস অনুযায়ী, এই পুণ্যলগ্নে নিরামিষ আহার গ্রহণ করা ও যেকোনো প্রকার নতুন কেনাকাটা বা চুল-নখ কাটা থেকে বিরত থাকাই শ্রেয়। পিতৃপুরুষের প্রতি শ্রদ্ধা আর মাতৃরূপী মহাশক্তির আবাহনের এই মাহেন্দ্রক্ষণে আসুন আমরাও হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে নিজেদের মনকে নির্মল করে তুলি। অপেক্ষা শুধু আর কটা দিনের শরতের এই আলো-আঁধারির খেলায় মহালয়ার ভোর যেন প্রতিটা বাঙালির অন্তরে পৌঁছে দেয় এক অনাবিল আনন্দের পরশ।

অক্টোবর ০৯, ২০২৬
রাজ্য

বিকাশরঞ্জনের বাড়িতে হামলার নিন্দায় মমতা, তদন্তের মাঝেই ‘হিন্দুত্ববাদী’ মন্তব্যে অ্যাকশনের হুঙ্কার শুভেন্দুর

বর্ষীয়ান আইনজীবী তথা সিপিএমের প্রাক্তন রাজ্যসভার সাংসদ বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়িতে হামলার ঘটনায় এক যুবককে গ্রেফতার করল পুলিশ। শুক্রবার ভোর প্রায় ৪টে ৫ মিনিট নাগাদ দক্ষিণ কলকাতার গড়িয়া সাহা কালীবাড়ি এলাকার বাসিন্দা বাপ্পা গুছাইতকে গ্রেফতার করা হয়। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখেই অভিযুক্তকে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। তাঁর বাইকটিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ধৃতকে এদিন আদালতে পেশ করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানানো হবে বলে জানা গিয়েছে।কীভাবে ঘটেছিল হামলা?অভিযোগ, বৃহস্পতিবার ভোরে পূর্ব যাদবপুরে বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়ি লক্ষ্য করে কাচের মদের বোতল ছোড়ে একদল অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতী। বোতলের আঘাতে বাড়ির জানলার কাচ ভেঙে যায়। সেই সঙ্গে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে। হামলার সময় অল্পের জন্য রক্ষা পান বাড়ির এক গৃহসহায়িকা।বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের দাবি, ভোর প্রায় পাঁচটা নাগাদ মুখ কাপড়ে ঢাকা এক ব্যক্তি বাইকে চেপে এসে ব্যাগ থেকে কাচের বোতল বের করে তাঁর বাড়ির জানলার দিকে ছুড়তে থাকে। পিছনে আরও কয়েকজন ছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি। বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজে বাইকে আসা এক ব্যক্তিকে বোতল ছুড়তে দেখা গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ফুটেজের অডিয়োয় আমাদের সঙ্গে লাগতে এসো না, আমরা দেশভক্ত এই ধরনের হুমকির কথাও শোনা যায় বলে দাবি।ঘটনার পর পুলিশ বিকাশরঞ্জনের বাড়িতে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে এবং তাঁর কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করে। সিসিটিভি ফুটেজের সূত্র ধরে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে গিয়ে বাপ্পা গুছাইতকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে কলকাতা পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে হামলার কারণ, ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না এবং এর পিছনে কোনও বৃহত্তর ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।হিন্দুত্ববাদীরা হামলা করেছে, অভিযোগ বিকাশরঞ্জনেরহামলার ঘটনার পর বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য অভিযোগ করেন, এই ঘটনার পিছনে রয়েছে হিন্দুত্ববাদী গুন্ডারা। তাঁর বক্তব্য, গরিব মানুষের অধিকারের পক্ষে যাঁরা লড়াই করছেন, তাঁদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। হামলাকারীরা এভাবে তাঁকে শিক্ষা দিতে চেয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।বিকাশরঞ্জনের এই মন্তব্যকে ঘিরে পাল্টা সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, হামলার ঘটনায় পুলিশ তদন্ত করছে এবং তাঁর নির্দেশেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে এই ঘটনার দায় সরাসরি হিন্দুত্ববাদীদের উপর চাপানোর বিরোধিতা করেছেন তিনি।শুভেন্দু অধিকারীর হুঁশিয়ারি, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সামাজিক মাধ্যমে হিন্দুত্ববাদী শব্দটি প্রত্যাহার না করা হলে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা অনুযায়ী আইনি পদক্ষেপ করা হবে। ওই পোস্ট মুছে ফেলার উদ্যোগও পুলিশের তরফে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, এ ধরনের মন্তব্যের মাধ্যমে গোটা হিন্দু সমাজকে অপমান করা হয়েছে। গেরুয়া, সনাতন, হিন্দুত্ব ও রাষ্ট্রবাদকে নিশানা করা হলে তার জবাব দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়াবিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়িতে হামলার ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সামাজিক মাধ্যমে ঘটনার নিন্দা করেছেন। তাঁর বক্তব্য, পশ্চিমবঙ্গ ভয় দেখানো বা জঙ্গলরাজের সংস্কৃতি মেনে নেবে না। রাজনৈতিক মতাদর্শ নির্বিশেষে আইনজীবীদের নির্ভয়ে তাঁদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে দেওয়ার পক্ষেও সওয়াল করেছেন তিনি।অন্যদিকে, যাদবপুরের বিধায়িকা শর্বরী মুখোপাধ্যায় এই ঘটনায় বিজেপির যোগ থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। আইনজীবী ফিরদৌস শামিম জানিয়েছেন, বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগের নজরে আনা হবে।একদিকে বাড়িতে হামলার ঘটনায় গ্রেফতারি, অন্যদিকে হিন্দুত্ববাদী মন্তব্য ঘিরে মুখ্যমন্ত্রীর পাল্টা আইনি হুঁশিয়ারি সব মিলিয়ে ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়েছে। তবে হামলার প্রকৃত কারণ এবং এর পিছনে আর কেউ জড়িত কি না, তা পুলিশের তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে।

অক্টোবর ০৯, ২০২৬
রাজ্য

১৯৭৬ সালে মহিষাসুরমর্দিনীতে উত্তমকুমার, ক্ষোভে ফেটে পড়েছিলেন বাঙালিরা! কেন ফিরিয়ে আনতে হয়েছিল বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রকে?

প্রবাসে থাকা ছেলে মেয়েরা যেভাবে বছরের ৪ দিন তাদের ভিটেমাটির টানে ফিরে আসে, সেভাবে নস্টালজিক বাঙালিকে যিনি বেতারের সামনে শিকড়ের টানে টেনে আনেন তিনি আর কেউ নন বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্র। মহালয়া (Mahalaya 2026) ,মহিষাসুরমর্দিণী (Mahisashurmardini) আর বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র (Birendra Krishna Bhadra) তিনটে নামই উচ্চারিত হয় এক স্বরে। মহালয়ার ভোরে এই চণ্ডীপাঠের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে যিনি গোটা বিশ্বে নিজের কণ্ঠকে অমর করে রেখে গিয়েছেন, সেই বাঙালি মধ্যবিত্ত সাদামাটা ধুতি পাঞ্জাবি পরা কণ্ঠশিল্পীই বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্র। যাঁর হাত ধরে বাঙালির পুজোর (Durga Puja) ঢাকে কাঠি পড়ে। আজ ২০২৬ সালের মহালয়ার অপেক্ষায় রাত জাগছে বাঙালি, সেই পরিচিত কণ্ঠে মহিষাসুর মর্দিণী শুনবে বলেই। ১৯০৫ সালের এই দিনটিতেই উত্তর কলকাতার আহিরীটোলায় জন্মগ্রহণ করেন প্রবাদপ্রতিম বেতার ব্যক্তিত্ব বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র। বাবা রায়বাহাদুর কালীকৃষ্ণ ভদ্র ছিলেন একজন ভাষাতত্ত্ববিদ, মা ছিলেন সরলা দেবী। ছোটবেলায় ঠাকুরমা যোগমায়া দেবীর কাছে সংস্কৃত শিক্ষার হাতেখড়ি হওয়া বীরেন্দ্রকৃষ্ণ মাত্র আট বছর বয়সে প্রখর স্মৃতিশক্তির জোরে নির্ভুল চণ্ডীপাঠ করে সবাইকে চমকে দিতেন। ১৯২৮ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া রেলওয়েতে কর্মজীবন শুরু করলেও তাঁর মন পড়ে থাকত ১ নম্বর গার্স্টিন প্লেসের অল ইন্ডিয়া রেডিওর দফতরে। অফিস শেষের আড্ডা থেকেই ধীরে ধীরে বেতারে নাটকের সুযোগ পান। পরবর্তীতে চাকরি ছেড়ে পাকাপাকিভাবে আকাশবাণীতে যোগ দেন।আকাশবাণীতে যোগ দেওয়ার পর বাণীকুমার ভট্টাচার্যের রচনা এবং রাইচাঁদ বড়াল ও পঙ্কজকুমার মল্লিকের সুর পরিচালনায় শুরু হয় মহালয়ার কালজয়ী অনুষ্ঠান মহিষাসুরমর্দিনী। লাইভ সম্প্রচারের সেই যুগে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ আগের রাত থেকেই স্টেশনে থেকে ভোরবেলায় স্নান সেরে, গরদের ধুতি-পাঞ্জাবি পরে চণ্ডীপাঠে বসতেন। একদিন স্টুডিওতে রসিকতা করে বাংলা ভাষ্যটিও স্তোত্রের ঢঙে সুর করে পড়তে গিয়ে জন্ম নেয় তাঁর সেই অবিস্মরণীয় অবদান, যা ১৯৬৬ সালে বাণীকুমারের পরামর্শে রেকর্ড করা হয়। আজও প্রতি মহালয়ার ভোরে প্রতিটি বাঙালির ঘরে ঘরে শোনা যায় এই স্মরণীয় কন্ঠস্বরে চণ্ডীপাঠ, যেন মা দুর্গা প্রথম অঞ্জলি বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের থেকেই নেন।কেবল রেডিওর জাদুকরী কণ্ঠই নয়, বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ছিলেন একজন চমৎকার নাট্যকার, সমৃদ্ধ লেখক এবং পরিচালক। তিনি পেশাদারি মঞ্চে সাহেব বিবি গোলাম-এর মতো সফল নাটক পরিচালনা করার পাশাপাশি নিষিদ্ধ ফল-এর মতো চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্যও লিখেছিলেন। অনেক গুণী ব্যক্তি রেডিওর জন্যই একসময় নিজেকে উৎসর্গ করে দেন। গোটা বিশ্বে যখন তাঁর খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ছে তখন হঠাৎই ১৯৭৬ সালে আকাশবাণী কর্তৃপক্ষ প্রথা ভেঙে তাঁর জায়গায় মহানায়ক উত্তমকুমারকে দিয়ে চণ্ডীপাঠ করানোর সিদ্ধান্ত নেয়। বাঙালির আবেগে ঘা পড়তেই, বহু বাঙালি ভক্ত রেডিও অফিসের ওপর চড়াও হয়। কেউই ভালোভাবে গ্রহণ করেনি সেই দিনের চণ্ডীপাঠ। স্বাভাবিক ভাবেই সে বছর পুণরায় ষষ্ঠীর দিন বীরেন্দ্রকৃষ্ণের মহিষাসুরমর্দিনী সম্প্রচার করতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু গোটা ঘটনাতে তিনি ছিলেন নির্বিকার স্থির, বোধহয় তিনি মন থেকে জানতেন কিছু স্থান অপরিবর্তনশীল। ১৯৯১ সালের ৩ নভেম্বর মহাপ্রয়াণ ঘটলেও বাঙালি সংস্কৃতির আকাশে তিনি অমর হয়ে রয়েছেন। শরতের ভোরে শিউলি ঝরা হাওয়ায় তাঁর সেই বজ্রনির্ঘোষ অথচ সুরময় কণ্ঠে আশ্বিনের শারদপ্রাতে শুনলেই আজও মনে হয় পুজোর বাদ্যি বেজেছে। এভাবেই কিংবদন্তি বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্র মহালয়ায় মহিষাসুরমর্দিণীর মাধ্যমে চিরকাল বেঁচে থাকবেন কোটি কোটি বাঙালির মনে।

অক্টোবর ০৯, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

জেলকোভিচের গোলেই বধ ইস্টবেঙ্গল, আইএফএ শিল্ড মোহনবাগানের

সেমিফাইনালে বিপক্ষকে ৭ গোল দিয়ে আত্মবিশ্বাসের চূড়ায় পৌঁছেছিল ইস্টবেঙ্গল। বৃহস্পতিবার প্রথমার্ধের ৪৫ মিনিটে জেলকোভিচের গোলেই বধ ইস্টবেঙ্গল। ২২ তম আইএফএ শিল্ড চ্যাম্পিয়ন হল মোহনবাগান। এদিন বেশ গুছিয়ে ফুটবল খেলেছে মেরিনার্সরা। ইন্ডিয়ান সুপার লিগ শুরু হওয়ার আগে ইস্টবেঙ্গলের এই হার দলের মনোবলে কতটা আঘাত করবে সেটাও দেখার। গত সিজনের আইএসএল কাপ ইস্টবেঙ্গলের ঘরে ছিল। শুরুতেই ইস্টবেঙ্গল একটি সুযোগ পেয়েও কাডে লাগাতে পারেনি। বিরতির শেষ মুহূর্তে লীড নিয়ে নেয় মোহনবাগান। তখন বেশ চাপে ছিল ইস্টবেঙ্গল। মোহনবাগানের একের পর আক্রমণে তখন দিশেহাপা ইস্টবেঙ্গল। জেলকোভিচের গোলে এগিয়ে যায় মোহনবাগান। বৃহস্পতিবার আইএফএ শিল্ডের (IFA Shield 2026) ফাইনালে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট (Mohun Bagan Super Giant) ও ইস্টবেঙ্গল (East Bengal FC) মুখোমুখি হওয়ায় ফের ফুলবল জ্বরে ভুগতে শুরু করে কলকাতা। সল্টলেকের যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে দুই দলের সমর্থকরা তখন নিজের দলের সমর্থনে চিৎকারে গলা ফাটাচ্ছে। অনেক চেষ্টা করেও আর গোল পায়নি ইস্টবেঙ্গল জেলকোভিচের গোলই ম্যাচের পার্থক্য় গড়ে দেয়। ম্যাচের শেষের দিকে দুটো কর্ণার কিক পেলেও কাজে লাগাতে পারেনি ইস্টবেঙ্গল।

অক্টোবর ০৯, ২০২৬
রাজনীতি

পূর্ব বর্ধমানে তৃণমূল নেতার বাড়ি থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা উদ্ধার, আরও সম্পদের সন্ধানে তদন্তে পুলিশ

সরকার বদলের পর থেকে নানা অভিযোগে একের পর এক হেভিওয়েট নেতা, মন্ত্রী গ্রেফতার হয়েছেন। এখনও তৃণমূল নেতাদের গ্রেফতারি অব্যাহত। এবার কাটোয়ায় গ্রেফতার হওয়া নেতার বাড়ি থেকে রাশি রাশি টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, সম্পত্তির হদিশও মিলেছে। পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার দুই তৃণমূল নেতা সুপ্রিয় মুখোপাধ্যায় ও সুদীপ্ত চক্রবর্তী কিভাবে বিপুল অর্থ ও সম্পদের মালিক হলেন, তা নিয়ে তদন্ত করছে পুলিশ। এদের সঙ্গে জড়িত দোষীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব।জানা গিয়েছে, সামন্য বেতনে বেসরকারী একটি মোবাইল সংস্থায় কর্মরত ছিলেন ওই দুই নেতা। পরবর্তীতে তৃণমূলে যোগ দিয়েই কাটোয়ার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় এবং তাঁর সর্বসময়ের সঙ্গী দীগন্ত পালের সঙ্গে বিশেষ সখ্য়তা স্থাপন করে ফেলেন। এরপর সুপ্রিয় মুখোপাধ্যায় ও সুদীপ্ত চক্রবর্তীর ধনসম্পত্তি বাড়তে বিদ্যুৎ গতিতে। ইতিমধ্যে সরকার পরিবর্তন হতেই আর্থিক দুর্নীতির মামলায় রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ দীগন্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সূত্রের খবর, এরপরই গ্রেফতার এড়াতে পালিয়ে বেরাচ্ছিল সুপ্রিয় মুখোপাধ্যায় ও সুদীপ্ত চক্রবর্তী। তবে শেষমেশ পুলিশের জালে ধরা পড়ে দুজনই। এখন তাঁদের বেআইনি ধনসম্পদ নিয়ে তদন্ত করছে পুলিশ। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যে সুপ্রিয়র বাড়ি থেকে ৯ লক্ষ টাকা নগদ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একটি বেসরকারি ব্যাংক থেকে তাঁরা সোনা রেখে লক্ষ লক্ষ টাকা ঋণ নিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেই সোনা কোথা থেকে এসেছে তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এদের কাছে দামি চারচাকাও রয়েছে।

অক্টোবর ০৮, ২০২৬
কলকাতা

বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়িতে হামলা, সিপিএম নেতার অভিযোগ ওড়ালেন শর্বরী মুখোপাধ্যায়

সিপিএম নেতা বিকাশ ভট্টাচার্যের বাড়িতে হামলা করা অভিযোগ উঠেছে। পূর্ব যাদবপুরে তাঁর বাড়ির জানালার কাঁচ ভাঙা হয়েছে। তিনি স্থানীয় থানায় এই বিষয়ে অভিযোগ করেছে। এই হামলায় বিজেপির মদত আছে বলে বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য অভিযোগ করেছেন। তবে যাবদপুরের বিজেপি বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায় ওই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, জয়শ্রীরাম বলে অন্যায় করলেই কি সে বিজেপি হয়ে যায়। তা হতে পারে না। আজ ভোরে তার বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়ি লক্ষ্য করে কাচের বোতল ছোড়া হয়। বিকাশরঞ্জন বলেন, মদের বোতন ছড়িয়ে আছে। শক্ত কাচ ভেঙে ফেলা হয়েছে। সিসিটিভিতে দেখা যাচ্ছে বাইকে এল, ছবি তুললো। তারপর বলতে থাকল, আমরা মায়ের সন্তান। আমাদের পিছনে লেগেছিস। ওই ব্যক্তির মুখ ঢাকা ছিল। মোটর বাইকের নম্বরও ঢাকা ছিল। একেবারে পরিকল্পনা করে এসেছিল। আমি অনবরত হিন্দু মৌলবাদের বিরুদ্ধে বলছি তাই এই হামলা। এর পিছনে সর্বরীদেবীর পার্টিদের মদত আছে। বিজেপি বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায় বলেছেন, কোনও রাজনৈতিক দলের এটা কাজ নয়। কোনও দুষ্কৃতীকারীর কাজ। মুখে স্লোগান দিয়ে এই কাজ করে সরকার ও বিজেপির বদনাম করছে। জয়শ্রীরাম ধ্বনি দিয়ে, কোনও অন্যায় কাজ করল তাঁকে বিজেপি বলা যায় না।

অক্টোবর ০৮, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

পাঁচ দশকের অভিনয়জীবনে ইতি, প্রয়াত বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পাটেকর

প্রয়াত হলেন প্রবীণ অভিনেতা নানা পাটেকর। হিন্দি ও মারাঠি সিনেমার অন্যতম স্বতন্ত্র অভিনেতা হিসেবে পরিচিত নানা পাটেকর বৃহস্পতিবার ভোরে গোয়ায় নিজের বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়েই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।নানা পাটেকরের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন তাঁর ছেলে মালহার পাটেকর। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-কে তিনি জানান, খবরটি সত্যি। তিনি সেই সময় পুনেতে ছিলেন এবং গোয়ার উদ্দেশে রওনা দেন। পরিবারের তরফে পরে বিস্তারিত বিবৃতি দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।প্রায় পাঁচ দশকের অভিনয়জীবনে ভারতীয় সিনেমায় নিজের স্বতন্ত্র জায়গা তৈরি করেছিলেন নানা পাটেকর। থিয়েটার দিয়ে অভিনয়জীবন শুরু করার পর ১৯৭৮ সালে গমন ছবির মাধ্যমে বড় পর্দায় আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। এরপর পরিন্দা, ক্রান্তিবীর, অগ্নিসাক্ষী, খামোশি: দ্য মিউজিক্যাল, আব তক ছাপ্পান, অপরাধ, রাজনীতি থেকে ওয়েলকামএকাধিক ছবিতে তাঁর অভিনয় দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা পেয়েছে।পরিন্দা ছবির জন্য জাতীয় পুরস্কার পান নানা পাটেকর। ক্রান্তিবীর-এর জন্য সেরা অভিনেতা হিসেবে জাতীয় পুরস্কারও অর্জন করেন তিনি। অন্যদিকে, ২০০৭ সালের জনপ্রিয় ছবি ওয়েলকাম-এ গ্যাংস্টার উদয় শেঠির চরিত্রে তাঁর অভিনয় সম্পূর্ণ ভিন্ন এক পরিচয় তৈরি করে। চরিত্রটি এতটাই জনপ্রিয় হয় যে পরবর্তী সময়ে ওয়েলকাম ব্যাক ছবিতেও সেই ভূমিকায় দেখা যায় তাঁকে।মারাঠি সিনেমাতেও তাঁর অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য। ২০১৬ সালের নটসম্রাট ছবিতে অবসরপ্রাপ্ত এক মঞ্চ অভিনেতার চরিত্রে তাঁর অভিনয় ব্যাপক প্রশংসিত হয়। ড. প্রকাশ বাবা আমটেদ্য রিয়েল হিরো ছবির জন্য তিনি ফিল্মফেয়ার পুরস্কারও পান।শুধু অভিনেতা হিসেবেই নয়, পরিচালক ও লেখক হিসেবেও কাজ করেছেন নানা পাটেকর। ১৯৯১ সালে প্রহার: দ্য ফাইনাল অ্যাটাক ছবিটি পরিচালনা করার পাশাপাশি ছবিতে অভিনয় ও লেখার কাজও করেন তিনি। অভিনয় ও চলচ্চিত্রে অবদানের জন্য ২০১৩ সালে তাঁকে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করা হয়। তাঁর ঝুলিতে রয়েছে মোট তিনটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।অভিনয়ের পাশাপাশি সমাজসেবামূলক কাজের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন নানা পাটেকর। নাম ফাউন্ডেশন-এর মাধ্যমে সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য বিভিন্ন কাজ করেছেন তিনি।নানা পাটেকরের প্রয়াণে ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতের এক বর্ণময় অধ্যায়ের অবসান হল। প্রায় পাঁচ দশকের দীর্ঘ অভিনয়জীবনে তাঁর অভিনীত একাধিক চরিত্র দর্শকের মনে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছে।

অক্টোবর ০৮, ২০২৬
রাজ্য

দুর্গাপুজোর মুখে শিয়ালদহ ডিভিশনে বাড়ল ট্রেন ও এসি লোকালের স্টপেজ, যাত্রীস্বার্থে একাধিক উদ্যোগ রেলের

দুর্গাপুজোর প্রাক্কালে যাত্রী পরিষেবাকে আরও উন্নত করার লক্ষ্যে শিয়ালদহ ডিভিশন একাধিক যাত্রীকেন্দ্রিক পরিচালনামূলক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। দৈনন্দিন শহরতলির যাতায়াতকে আরও দ্রুত, সুবিধাজনক ও আরামদায়ক করে তুলতে পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হয়েছে অতিরিক্ত পরিষেবা এবং নতুন স্টপেজ। এর ফলে শহরতলির বিভিন্ন রুটের যাত্রীদের দীর্ঘদিনের চাহিদা পূরণ হবে।শান্তিপুরকৃষ্ণনগর সিটি জংশন সেকশনে পরিষেবার সংখ্যা বৃদ্ধি:দীর্ঘদিনের আঞ্চলিক যাতায়াতের চাহিদার কথা বিবেচনা করে দিগনগর হল্ট হয়ে শান্তিপুর (STB) ও কৃষ্ণনগর সিটি জংশনের মধ্যে দৈনিক ট্রেন পরিষেবা ১ জোড়া থেকে বাড়িয়ে ২ জোড়া করা হয়েছে। সকালের UP ট্রেনটি শান্তিপুর থেকে ০৯:৩৪ ঘণ্টায় ছেড়ে ১০:০৭ ঘণ্টায় কৃষ্ণনগর সিটি জংশনে পৌঁছাবে। ফেরার DN ট্রেনটি কৃষ্ণনগর থেকে ১০:১৭ ঘণ্টায় ছেড়ে ১০:৪৩ ঘণ্টায় শান্তিপুরে পৌঁছাবে। এর ফলে অফিসযাত্রী, পড়ুয়া এবং স্থানীয় যাত্রীরা বিশেষভাবে উপকৃত হবেন।শিয়ালদহবজবজের মধ্যে গভীর রাতে ইএমইউ পরিষেবা:দেরিতে কর্মস্থল থেকে ফেরা কর্মীদের সুবিধার্থে শিয়ালদহ ডিভিশন পরীক্ষামূলকভাবে শিয়ালদহ (SEALDAH) ও কমাগাটা মারু বজবজ (KBGB)-এর মধ্যে গভীর রাতে একটি শহরতলির পরিষেবা চালু করেছে। DN ট্রেনটি শিয়ালদহ থেকে ২২:৫৫ ঘণ্টায় ছেড়ে ২৩:৪৩ ঘণ্টায় বজবজ পৌঁছাবে। ফেরার UP ট্রেনটি বজবজ থেকে ২৩:৫৪ ঘণ্টায় ছেড়ে ০০:৪৮ ঘণ্টায় শিয়ালদহে পৌঁছাবে। এর ফলে রাতের শেষভাগেও যাত্রীদের নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য শহরতলির রেল যোগাযোগ নিশ্চিত হবে।বদকুল্লায় নতুন এসি ইএমইউ স্টপেজ:শহরতলির যাত্রীদের আরও আরামদায়ক যাত্রার সুযোগ করে দিতে শিয়ালদহকৃষ্ণনগর সিটি জংশন সেকশনের বদকুল্লা স্টেশনে চারটি এসি ইএমইউ লোকালের পরীক্ষামূলক স্টপেজ দেওয়া হয়েছে।দৈনিক পরিষেবা (রবিবার ব্যতীত): ট্রেন নং ৩১৮৪৫ UP (শিয়ালদহকৃষ্ণনগর সিটি জংশন) বদকুল্লায় ১১:৫৩/১১:৫৪ ঘণ্টায় এবং ট্রেন নং ৩১৮৪৬ DN (কৃষ্ণনগর সিটি জংশনশিয়ালদহ) ১৩:৪০/১৩:৪১ ঘণ্টায় থামবে।রবিবারের বিশেষ সময়সূচি: ট্রেন নং ৩১৮৪৭ UP (শিয়ালদহকৃষ্ণনগর সিটি জংশন) বদকুল্লায় ১৩:৫৯/১৪:০০ ঘণ্টায় এবং ট্রেন নং ৩১৮৪৮ DN (কৃষ্ণনগর সিটি জংশনশিয়ালদহ) ১৬:১৫/১৬:১৬ ঘণ্টায় থামবে।এই প্রসঙ্গে শিয়ালদহের DRM শ্রী রাজীব সাক্সেনা বলেন, পরিষেবার এই সংযোজনগুলি শহরতলির ট্রেনের সংখ্যা বৃদ্ধি, বজবজ সেকশনে নির্দিষ্ট গভীর রাতের যোগাযোগ এবং বদকুল্লায় নতুন এসি ইএমইউ স্টপেজ, দৈনন্দিন যাত্রীদের পরিবর্তিত চাহিদার কথা মাথায় রেখেই পরিকল্পনা করা হয়েছে। সকলের জন্য রেলযাত্রাকে আরও সহজলভ্য, নির্ভরযোগ্য ও আরামদায়ক করে তুলতে শিয়ালদহ ডিভিশন দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

অক্টোবর ০৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal