• ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩, বৃহস্পতি ২৩ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bomb

রাজ্য

নৈহাটিতে রাতভর বোমাবাজিতে জখম অন্তত ১০

ভোট মিটতেই রাজনৈতিক সংঘর্ষে উত্তপ্ত উত্তর ২৪ পরগনার নৈহাটি । বৃহস্পতিবার ভোটপর্ব শেষে শুক্রবার রাতভর সেখানে চলে রাজনৈতিক সংঘর্ষ, বোমাবাজি। আহত দুপক্ষের অন্তত ১০ জন। বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে ঢুকে হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বোমা, গুলির শব্দে রাত কাটলেও আতঙ্ক কাটল না। সকালেও থমথমে নৈহাটির বিজয়নগর এলাকা।নৈহাটির বিজয়নগরের নামী ক্লাব অভিযাত্রী ক্লাব। শুক্রবার রাতে বোমাবাজির ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে উঠল এই ক্লাব সংলগ্ন এলাকা। অভিযোগ, রাত দশটা নাগাদ এই ক্লাব থেকে রাজনৈতিক সংঘর্ষ শুরু হয়। বিজেপি ও তৃণমূল দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ, হাতাহাতির জেরে চলে গুলিও। রাত গড়ালেও সংঘর্ষের আঁচ লেশমাত্র কমেনি। পাড়ায় পাড়ায় গভীর রাতেও শোনা যায় বোমা, গুলির শব্দ। দেখা যায়, রাস্তায় পড়ে রয়েছে তৃণমূল, বিজেপির পতাকা। বেছে বেছে এলাকার বিজেপি কর্মীদের বাড়ি ভাঙচুর করা হয় বলে তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। আরও অভিযোগ, এক বিজেপি কর্মীর বাড়ি লক্ষ্য করে পরপর ২০টি বোমা ছোঁড়া হয়।বৃহস্পতিবার রাজ্যের ষষ্ঠ দফা ভোটে এই এলাকাতেও নির্বাচন পর্ব সম্পন্ন হয়েছে ভালভাবেই। উত্তর ২৪ পরগনায় অর্জুন সিংয়ের গড় বলে পরিচিত নৈহাটি, ভাটপাড়া থেকে তেমন কোনও অশান্তির খবর মেলেনি। কিন্তু ভোটশেষে একদিন কাটতে না কাটতেই বোঝা গেল, এলাকায় রাজনৈতিক আঁচ শুধুমাত্র ছাইচাপা অবস্থায় ছিল। ভোট মিটতেই ফের প্রকাশ্যে এল তা। বোমা, গুলির শব্দে রাতের ঘুম উড়ল বিজয়নগর এলাকার বাসিন্দাদের। যদিও বিজেপির তোলা অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। স্থানীয় নেতৃত্বের দাবি, ভোটে হার নিশ্চিত জেনে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই এভাবে এলাকা দাপিয়ে বেড়িয়েছে। তৃণমূল এ ধরনের অশান্তিতে জড়িত নয়। অশান্তি নিয়ে রাজনৈতিক তরজা যতই থাক, শুক্রবার রাতের ঘটনায় আতঙ্কিত এলাকাবাসী। শনিবার সকালেও থমথমে বিজয়নগর। নিরাপত্তার স্বার্থে মোতায়েন অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী। তদন্তে নেমেছে নৈহাটি থানার পুলিশ।

এপ্রিল ২৪, ২০২১
রাজ্য

ভোটের আগে ফের রক্তাক্ত মুর্শিদাবাদ

ভোটের মরশুমে রাজ্যজুড়ে হিংসা অব্যাহত। সোমবার রাতে রাজনৈতিক হিংসায় রক্তাক্ত হল মুর্শিদাবাদ । বোমাবাজি, সংঘর্ষের জেরে প্রাণ গেল এক কংগ্রেস কর্মীর। অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে। যদিও সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে রাজ্যের শাসকদল। এদিকে এদিন রাতেই বড়ঞ্যা এলাকাতেও বোমাবাজি হয়। বোমার ঘায়ে গুরুতর জখম হন এক তৃণমূল কর্মী। সবমিলিয়ে ভোটের আগেই উত্তপ্ত হয়ে উঠল মুর্শিদাবাদ।অষ্টম দফায় মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়ায় ভোটগ্রহণ। তার আগে রাজনৈতিক সংঘর্ষে উত্তপ্ত হল এই এলাকা। স্থানীয় সূত্রে খবর, গতকাল রাতে হরিহরপাড়া বিধানসভার অন্তর্গত বিলধারীপাড়ার ঘোষালপুর এলাকায় তৃণমূল ও কংগ্রেস কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। চলে দেদার বোমাবাজি। এমনকী গুলি ছোঁড়ার অভিযোগও রয়েছে। সংঘর্ষের জেরে এক কংগ্রেস কর্মীর মৃত্যু হয়। নাম কাশেম আলি। জখম হয়েছেন দুপক্ষের অন্তত ১০ জন।সূত্রের খবর, নমাজ পড়ে বাড়ি ফিরছিলেন কাশেম। ঠিক তখনই তাঁকে লক্ষ্য করে বোমা ছোঁড়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। বোমার আঘাতে জখম কাশেম আলিকে প্রায় সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। শারীরিক পরীক্ষার পর তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা। যদিও বোমবাজির অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। তাঁদের দাবি, হরিহরপাড়ার এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই।অন্যদিকে প্রচার সেরে বাড়ি ফেরার পথে এক তৃণমূল কর্মীকে লক্ষ্য করে বোমা ছোঁড়ার অভিযোগ উঠল বিজেপির বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে বড়ঞ্যা বিধানসভার অন্তর্গত ভবানীপুর গ্রামে। দলীয় সূত্রে খবর, প্রচার সেরে সাইকেল চালিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন তৃণমূল কর্মী দলু শেখ। তাঁকে লক্ষ্য করে দুষ্কৃতীরা বোমা ছোঁড়ে। গুরুতর জখম হয়ে কান্দি মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি। ঘটনা প্রসঙ্গে বড়ঞ্যা কেন্দ্রে তৃণমূ প্রার্থী জীবনকৃষ্ণ সাহা জানিয়েছেন, দলু শেখ আমাদের কর্মী। তাঁকে লক্ষ্য করে দুষ্কৃতীরা বোমা ছোঁড়ে। অভিযোগের তির স্থানীয় বিজেপি নেতা-কর্মীদের দিকে। তবে সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে গেরুয়া শিবির। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

এপ্রিল ২০, ২০২১
কলকাতা

ভাটপাড়া থেকে উদ্ধার প্রচুর কৌটো বোমা-গুলি

চতুর্থ দফার ভোটে রক্তে ভিজেছে বাংলার মাটি। বাকি চার দফায় সেই অশান্তি এড়াতে আগেবাগেই তৎপর প্রশাসন। তাই রাজ্যজুড়ে বিভিন্ন এলাকার কুখ্যাত দুষ্কৃতীদের ধরতে চলছে পুলিশি অভিযান। উদ্ধার হচ্ছে বোমা-গুলিও। যেমন শনিবার রাতে উত্তর ২৪ পরগনার জগদ্দল বিধানসভার ভাটপাড়া পুরসভার ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের মাদরাল জয়চণ্ডীতলা এলাকার একটি ক্লাব থেকে বিপুল পরিমাণ কৌটো বোমা ও গুলি উদ্ধার হয়। এদিকে, রাতভর বোমাবাজি উত্তপ্ত রইল বীরভূমের সিউড়ি জানুরি গ্রাম। তৃণমূল বিজেপিরর সংঘর্ষে উত্তপ্ত গোটা এলাকা। কোনও হতাহতের খবর নেই। তবে থমথমে এলাকায় টহলদারি চালাচ্ছে সিউড়ি থানার পুলিশ।পুলিশ সূত্রে খবর, শনিবার রাতে ভাটপাড়া এলাকায় গোপন অভিযান চালায় পুলিশ। সেই অভিযানেই তাজা কৌটো বোমা, বোমা তৈরির মশলা এবং গুলি উদ্ধার হয়। পুলিশের সন্দেহ, এই ক্লাবে বোমা তৈরির করা হচ্ছিল। পরের দুটো দফায় উত্তর ২৪ পরগনার বিস্তীর্ণ এলাকায় নির্বাচন। সেই বোটে গন্ডগোল পাকানোর উদ্দেশ্যেই বোমা মজুত করা হচ্ছিল বলেই দাবি পুলিশের। তদন্ত শুরু করেছে তাঁরা।পুলিশ সূত্রে আরও খবর, এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে এলাকার ত্রাস অঙ্কিত সাউ, লক্ষ্মণ দেবনাথ-সহ একাধিক দুষ্কৃতীর খোঁজ চলছে। নির্বিঘ্নে ভোট করাতে এদের গ্রেপ্তার করা হতে পারে বলে খবর। বোমা উদ্ধারের ঘটনায় চলছে রাজনৈতিক চাপানউতোর চলছে। এই এলাকা বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংয়ের খাসতালুক হিসেবে পরিচিত। তাঁর অভিযোগ, নির্বাচনে অশান্তি পাকাতেই বোমা মজুত করছে তৃণমূল। যদিও পালটা তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষের দাবি, এলাকায় সন্ত্রাসের আবহ তৈরি করতে এই বোমা মজুত করছিল খোদ বিজেপি সাংসদই।

এপ্রিল ১১, ২০২১
রাজ্য

বাংলায় দিনভর অশান্তির তৃতীয় দফা

কোথাও প্রতিপক্ষের ইট থেকে মাথা বাঁচাতে প্রার্থীকে হেলমেট পরে বুথে যেতে হল। কোথাও সংঘর্ষে আহত দলীয় কর্মীকে দেখতে গিয়ে সপাটে চড় খেলেন প্রার্থী। কোথাও আবার দিনভর দফায় দফায় প্রার্থীকে হামলার শিকার হতে হল। রাজ্যের ৩ জেলার ৩১ আসনে তৃতীয় দফার ভোটে বিভিন্ন জায়গায় ধরা পড়ল অশান্তির ছবি। ভোটপর্বের মাঝে প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে মঙ্গলবার। হুগলির গোঘাটে বিজেপি কর্মীদের ধাক্কায় পড়ে গিয়ে তৃণমূলের এক বুথ সভাপতির মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ। এর আগে দ্বিতীয় দফার ভোটপর্ব শুরুর আগে পশ্চিম মেদিনীপুরে কেশপুরে এক তৃণমূল কর্মীকে কুপিয়ে খুন করা হয়েছিল। ওই দফায় ভোটপর্বের মাঝে নন্দীগ্রামে এক বিজেপি কর্মী আত্মঘাতী হয়েছিলেন।হুগলি এবং হাওড়া জেলায় দিনভর পেশিশক্তির লড়াই হয়েছে তৃণমূল এবং বিজেপি-র। হামলার আশঙ্কায় মাথায় হেলমেট পরে স্পর্শকাতর এলাকা মুক্তিচকে বুথ পরিদর্শনে গিয়েছিলেন হাওড়ার উলুবেড়িয়া উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী নির্মল মাজি। এলাকায় পৌঁছনোর পরেই বিজেপি সমর্থকেরা তাঁকে লক্ষ্য করে ইট ছোড়ে বলে অভিযোগ। নির্মলের মাথা বাঁচলেও ইটের আঘাতে আহত হন তাঁর দেহরক্ষী।পাশের কেন্দ্র উলুবেড়িয়া দক্ষিণে আক্রান্ত হন বিজেপি প্রার্থী তথা অভিনেত্রী পাপিয়া অধিকারী। সেখানে তৃণমূল সমর্থকদের বিরুদ্ধে তাঁকে চড় মারার অভিযোগ ওঠে। সংঘর্ষে আহত এক বিজেপি কর্মীকে দেখতে গিয়ে উলুবেড়িয়া মহকুমা হাসপাতাল চত্বরে তিনি আক্রান্ত হন। ভিডিও ফুটেজে দেখা গিয়েছে, পুলিশের সামনের চড় মারা হয়েছে পাপিয়ার গালে। ভিডিও ফুটেজ দেখে রাতে পুলিশ দুই হামলাকারীকে গ্রেপ্তারও করে। উলুবেড়িয়া লাগোয়া শ্যামপুরে বিজেপি-র আর এক অভিনেত্রী প্রার্থী তনুশ্রী চক্রবর্তীকে হেনস্থা করারও অভিযোগ উঠেছে মঙ্গলবার। অভিযোগ, জোকা কুমারচক এলাকায় একটি বুথের কাছে তাঁর উদ্দেশে অশালীন শব্দ ছুড়ে দেন তৃণমূলের কিছু সমর্থক।তবে দিনভর অশান্তির নিরিখে এগিয়ে ছিল পাশের জেলা হুগলি। ভোটপর্বের মাঝে গোঘাটে প্রাণহানির পাশাপাশি জেলার আরামবাগ বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী সুজাতা মণ্ডল খাঁ-র উপর হামলা হয়েছে একাধিক জায়গায়। তাঁর মাথায় বাঁশের বাড়ি পড়তেও দেখা গিয়েছে ভিডিও ফুটেজে। এমনকী, লাঠি হাতে মহিলাদের তাঁর উপর হামলা করতে দেখা গিয়েছে আরামবাগে। খানাকুলের তৃণমূল প্রার্থী মুন্সি নজিবুল করিমকেও বাঁশ দিয়ে পেটানো হয়েছে বলে অভিযোগ। দুটি ক্ষেত্রেই অভিযোগের তির বিজেপি-র দিকে।দক্ষিণ ২৪ পরগনার কিছু এলাকায় দেখা গিয়েছে ব্যতিক্রমী ছবি। সেখানে তৃণমূলের সঙ্গে টক্কর দিয়েছে আব্বাস সিদ্দিকির দল ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্ট (আইএসএফ)। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে আইএসএফ-এর বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে রাস্তায় বসে প্রতিবাদ জানাতে দেখা গিয়েছে প্রভাবশালী তৃণমূল প্রার্থী তথা বিদায়ী বিধায়ক শওকত মোল্লাকে। তাঁর অভিযোগ, বুরানগড় এলাকায় বোমা-গুলি নিয়ে সন্ত্রাস করছে আইএসএফ। তাঁকেও বুথে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়েছে। অন্য দিকে, শকুন্তলা এলাকায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলেছে আইএসএফ।দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাট পশ্চিমের আইএসএফ প্রার্থী মইদুল ইসলাম এবং ফলতার বিজেপি প্রার্থী বিধান পাড়ুইয়ের উপরেও তৃণমূল সমর্থকেরা হামলা করেছেন বলে অভিযোগ। রবিবারও হামলায় আহত হয়েছিলেন বিধান। বিষ্ণুপুরের পানাকুয়ায় হয়েছে দফায় দফায় বোমাবাজি। সেখানে সাতসকালেই এক মহিলাকে ভোট না দিতে যাওয়ার জন্য হুমকি দিতে দেখা যায় এক দুষ্কৃতীকে। পরে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সাতগাছিয়া থেকেও অশান্তির অভিযোগ মিলেছে।অশান্তির নিরিখে প্রথম দুদফার সঙ্গে পাল্লা দিলেও ভোটদানের নিরিখে পিছিয়ে পড়েছে তৃতীয় দফা। সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৭৮ শতাংশের কাছাকাছি। প্রথম দুদফাতে যা গড়ে ৮৫ শতাংশ ছাপিয়ে গিয়েছিল।

এপ্রিল ০৬, ২০২১
রাজ্য

ভোটের মুখে বর্ধমানে বিষ্ফোরণে মৃত শিশু, রিপোর্ট তলব নির্বাচন কমিশনের

বর্ধমানের রসিকপুরে বোমা বিস্ফোরণ। বোমার আঘাতে আহত হয় দুই শিশু। জানা গেছে, বর্ধমান শহরের রসিকপুরে বোমাকে বল ভেবে খেলতে গিয়ে সেগুলি ফেটে যায়। এর ফলে শেখ আব্রাহাম ও শেখ আফরোজ নামে দুই শিশু আহত হয়। দুজনের বয়স বছর পাঁচ। তাদের বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা শেখ আফরোজকে মৃত বলে ঘোষণা করে। ঘটনাস্থলে এসে পৌছায় বর্ধমান থানার পুলিশ। ঘটনাস্থল ঘিরে রাখা হয়েছে। তদন্ত শুরু করেছে বর্ধমান থানায় পুলিশ।পুরো ঘটনার রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন। ঘটনার খোঁজ নিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। ভোটের আগে এই ঘটনা আতঙ্ক সৃষ্টি করবে বলে দাবি করেছে বিজেপি। ভোটের মুখে এই ঘটনা আতঙ্ক ছড়িয়েছে বর্ধমান শহরে। ঘটনাস্থলে গিয়েছেন জেলা পুলিশ সুপার।বিজেপি সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়র দাবি, তৃণমূলের অফিসগুলো বোমা তৈরির কারখানা। খেলা হবে বলে আসছে তৃণমূল কংগ্রেস। এটাই তার উদাহরণ। সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, এটা দুর্ভাগ্যজনক, নিন্দনীয় ঘটনা। খেলা হবে, ভয়ঙ্কর খেলা হবে। এসব বলা হচ্ছে। এদিকে শিশুর প্রাণ চলে যাচ্ছে। বুদ্ধিজীবীরা কোথায়। মুখ খুলুন। তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়ের বক্তব্য, বিষয়টা দুঃখজনক, মর্মান্তিক। সমাজবিরোধীরাও বোমা তৈরি করে। এই ঘটনা নিয়ে রাজনীতি না করে তদন্ত করে দোষীদের শাস্তি দিতে হবে।বিধানসভা নির্বাচনের মুখে কোথা থেকে এল এই বোমা? এই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। মৃত নিষ্পাপ শিশুর দায় কে নেবে?

মার্চ ২২, ২০২১
রাজ্য

ভাটপাড়ায় দফায়-দফায় বোমাবাজি

ভোট যত এগিয়ে আসছে ততই বাড়ছে রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা। কোথাও বোমাবাজি তো কোথাও হাতাহাতির ঘটনা ঘটছে। যেমন বুধবার রাতে উত্তপ্ত হয়ে উঠল বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংয়ের খাসতালুক ভাটপাড়া। দাপুটে সাংসদের বাড়ির সামনে বোমাবাজির অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। পুলিশও কোনও ব্যবস্থা নেয়নি বলে দাবি অর্জুন সিংয়ের। এ নিয়ে বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনেও যাবেন বলে জানিয়েছেন সাংসদ।স্থানীয় সূত্রে খবর, বুধবার সন্ধে সাড়ে সাতটা নাগাদ ভাটপাড়ার ১৮ নং ওয়ার্ডে ৮ নং গলিতে এলাকায় বোমাবাজি শুরু হয়। ৮-১০টি বোমা পড়ে বলে অভিযোগ। সেই সময় এক বৃদ্ধ জখম হয়। উল্লেখ্য, এই এলাকাতেই সাংসদ অর্জুন সিংয়ের বাড়ি। বোমাবাজির সময় বাড়ি ছিলেন না সাংসদ। সন্ধেতে এলাকায় জগদ্দল থানার পুলিশ আসে। তাঁদের সামনেই ফের বোমাবাজি হয়। তখন ঘটনাস্থলে আসেন সাংসদও। অভিযোগ, সেই সময় অর্জুন পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন। এদিকে দ্বিতীয় দফা বোমবাজিতে এক ১৪ বছরের কিশোর জখম হয় বলে খবর।এদিকে ঘটনাটি যখন ঘটে সেই সময় ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন ছিল। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ এনেছেন সাংসদ। সূত্রের খবর, আজ, বৃহস্পতিবার পুলিশের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছেন অর্জুন সিং। বোমাবাজির ঘটনায় থমথমে গোটা এলাকা। রাতে ব়্যাফ নামানো হয়েছিল বলে খবর। তবে কে বা কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। যদিও বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই এই ঘটনা ঘটিয়েছে। সাংসদের কথায়, তৃণমূলের দালালি করছে পুলিশ। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থায় নিচ্ছে না তারা।

মার্চ ১৮, ২০২১
দেশ

তাজমহলে বোমাতঙ্ক

তাজমহলে বোমাতঙ্ক ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়াল। বৃহস্পতিবার সকালে উত্তরপ্রদেশে পুলিশের এমারজেন্সি নম্বরে একটি ফোন আসে। এক ব্যক্তি সেই ফোনে জানান, তাজমহলে বোমা রাখা আছে। এর পরই তড়িঘড়ি সমস্ত পর্যটককে তাজমহল থেকে বের করে আনা হয়। শুরু হয় তল্লাশি। এদিন সকালে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের জরুরি নম্বরে একটি ফোন আসে। বলা হয়, তাজমহলে একটি বোমা রাখা রয়েছে। যে কোনও সময় বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। খবর পাওয়া মাত্র ওই চত্বর থেকে সমস্ত পর্যটককে বের করে দেওয়া হয়। বন্ধ করে দেওয়া হয় সবকটি ফটক। আশপাশের রাস্তায়ও মানুষের আনাগোনা বন্ধ করে দেওয়া হয়। দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বিশাল পুলিশ বাহিনী ও বম্ব স্কোয়াড। শুরু হয় তল্লাশি। পুলিশ কুকুর দিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে বলে খবর। অন্য একটি সূত্রের খবর, তাজমহল চত্বরে একটি পরিত্যক্ত ব্যাগ ঘিরে আতঙ্ক ছড়িয়েছিল।অন্যদিকে ফোনটি কে করে করেছিল তা জানতে তদন্ত শুরু করে আগ্রা পুলিশ। ফোন নম্বর ট্র্যাক করে জানা যায়, ফিরোজাবাদ থেকে এক ব্যক্তি ফোন করেছিলেন। মূলত ভুয়ো আতঙ্ক তৈরি করতেই তিনি ফোন করেছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে খবর। ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।

মার্চ ০৪, ২০২১
রাজ্য

এসএসকেএম-এ জাকির, চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা মমতার

বোমাবাজিতে আহত খোদ রাজ্যের মন্ত্রী জাকির হোসেন।তাঁকে দেখতে এসএসকেএমে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কথা বললেন চিকিৎসকদের সঙ্গে। খোঁজ নিলেন মন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার। ঘটনার জন্য কেন্দ্রকে তোপও দাগেন মমতা। বলেন, জাকিরের ভাগ্নে বলেছে রিমোটে বোমা ফাটানো হয়েছে। পুরোটাই পরিকল্পনামাফিক। জাকির কমিটেড ছেলে। ওকে কদিন ধরেই দল ছাড়তে বলছিল কেউ কেউ। একসঙ্গে ৩০-৪০ জন থাকে সবসময়। তাই গুলি করে লাভ হবে না বুঝেই বোমা ছুঁড়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, গুরুতর জখমদের পরিবার পিছু ৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। সামান্য আহতরা পাবেন ১ লক্ষ টাকা।বিস্ফোরণের ঘটনায় মন্ত্রীর হাতের একটি আঙুল ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একটি পায়ের একাধিক জায়গায় স্প্লিন্টারের আঘাতের চিহ্ন মিলেছে।উল্লেখ্য, বুধবার রাতে রাজ্যের শ্রমমন্ত্রী জাকির হোসেনকে লক্ষ্য করে বোমাবাজির ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই ঘটনার তদন্তের দাবিতে সবর হয়েছিল সবমহল। বৃহস্পতিবার ঘটনার তদন্তভার হাতে নিয়েছে সিআইডি। বিস্ফোরণ আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকালে নিমতিতা স্টেশনে গিয়েছে বম্ব স্কোয়াডের চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল। ঘটনাস্থলে যাবে সিআইডি। সেই কারণে ফরাক্কা-জঙ্গিপুর আজিমগঞ্জ রুটে ট্রেন চলাচল আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে। নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে নিমতিতা স্টেশন চত্বর। মন্ত্রী জাকির হোসেনের উপর হামলার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে দশটা থেকে জঙ্গিপুরের ওমরপুর ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কে বিক্ষোভে সামিল হয়েছেন তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা। এই ঘটনার রেলের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে তৃণমূল। প্রশ্ন করা হচ্ছে, মন্ত্রীর যাত্রার কথা থাকা সত্ত্বেও কেন যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হল না। সব মিলিয়ে বিস্ফোরণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে জারি চাপানউতোর।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২১
রাজ্য

বোমার আক্রমণে জখম খোদ রাজ্যের মন্ত্রী হাসপাতালে, উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদ

বোমাবাজিতে জখম হলেন খোদ রাজ্যের মন্ত্রী। শ্রম দফতরের প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন এই ঘটনায় গুরুতর জখম হয়েছেন। জানা গিয়েছে, তাঁর হাতের আঙুল উড়ে গিয়েছে। তাঁকে প্রথমে জঙ্গীপুর সুপার স্পেশালিটি হাসাপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা করানো হয়। তারপর তাঁকে নিয়ে কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় তাঁর সঙ্গী বেশ কয়েকজন জখম হয়েছেন। মন্ত্রীর ওপর বোমাবাজির ঘটনায় রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। জেলা পুলিশ সুপারের কাছে পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের আবেদন করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি আবু তাহের।জানা গিয়েছে, বুধবার রাতে জাকির হোসেন নিমতিতা রেল স্টেশনে যান কলকাতা যাওয়ার উদ্দেশ্যে ট্রেন ধরতে। নিজের গাড়ি থেকে নেমে তিনি সমর্থকদের সঙ্গে হাঁটছিলেন। জাকিরবাবু জিন্দাবাদ বলে স্লোগান দিচ্ছিলেন তাঁর অনুগামীরা। তখন হঠাতই বোমার আওয়াজে নিমতাতা স্টেশনের দুনম্বর প্লাটফর্ম কেঁপে ওঠে। মুহূর্তের মধ্যে চিতকার চেঁচামেচি শুরু হয়ে যায়। বোমার আঘাতে জখম রাজ্যের মন্ত্রীকে নিয়ে যাওয়া হয় জঙ্গীপুর হাসপাতালে। সেখান প্রাথমিক চিকিৎসা করিয়ে মন্ত্রীকে কলকাতায় নিয়ে যাওয়া হয়।মুর্শিদাবাদ জেলা তৃণমূলের সভাপতি আবু তাহের বলেন, কে কারা এই বোমাবাজির ঘটনা ঘটিয়েছে তা জানা যায়নি। আমার সঙ্গে তিনি বিকেল পর্যন্ত ছিলেন। তিনি ব্যবসায়ী, সমাজসেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখেন। পুলিশ সুপারকে বলা হয়েছে ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করতে।এদিকে রাজ্যের বিরোধী রাজনৈতিক নেতৃত্ব এই ঘটনার জন্য তৃণমূলকেই দায়ী করেছে। সাংসদ দিলীপ ঘোষ বলেন, এখানে তৃণমূলের মন্ত্রীরাও বাদ যাচ্ছেন না। দুদিন আগেই আমাদের উত্তর ২৪ পরগনার নেতা বাবু মাস্টারের ওপর বোমাবাজি হয়েছে। এদিন খোদ মন্ত্রীর ওপর হামলা হল। কীভাবে এরাজ্যে শান্তিতে নির্বাচন সম্পন্ন হবে সেটাই চিন্তার বিষয়।এদিকে প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি তথা বহরমপুরের সাংসদ অধীর চৌধুরীর বক্তব্য, জাকির হোসেনের মত ভাল মানুষ তৃণমূল কংগ্রেসে কখনও থাকতে পারেন না। এই দলে মন্ত্রীর ওপর হামলা হয়।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২১
দেশ

দায় স্বীকার করল জইশ-উল-হিন্দ

দিল্লির ইজরায়েলী দূতাবাসের সামনে বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করল জইশ-উল-হিন্দ। ইতিমধ্যেই তাদের টেলিগ্রাম চ্যাট তদন্তকারীদের হাতে এসেছে। সেখানেই এই হামলার দায় স্বীকার করেছে এই সন্ত্রাসবাদী সংগঠন। তবে সেই চ্যাট এখনও খতিয়ে দেখছে তদন্তকারীরা। তাই এ নিয়ে সরকারিভাবে তদন্তকারীদের তরফে এখনও কিছু জানানো হয়নি।ওই টেলিগ্রাম চ্যাটে জইশ-উল-হিন্দ সংগটের পরবর্তী পরিকল্পনার হদিশ মিলেছে বলেও খবর। সূত্রের দাবি, এই সংগঠনটি দেশের বিভিন্ন শহরে ধারাবাহিক বিস্ফোরণের ছক কষছে। এরপরই মুম্বই-সহ একাধিক শহরে হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। এদিকে ঘটনাস্থল থেকে একটি মুখবন্ধ খামও উদ্ধার হয়েছিল। যেখানে ইজরায়েলী দূতাবাসের সামনের বিস্ফোরণকে ট্রেলার বলে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিস্ফোরণের হুমকি দে্ওয়া হয়েছে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী সংস্থা।

জানুয়ারি ৩০, ২০২১
কলকাতা

ইন্দ্রনীল সেনের বাড়ির সামনে বোমাবাজি, গ্রেপ্তার ৬

রাজ্যের তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের বাড়ির সামনে বোমাবাজির ঘটনায় চলছে ধরপাকড়। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়াও ৩টি বাইক বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। বুধবার রাত আটটা নাগাদ ইন্দ্রনীল সেন বাড়িতে ছিলেন না। সেই সময় তিনি ছিলেন চন্দননগরে। অভিযোগ, তারই মাঝে বাইকে চেপে বেশ কয়েকজন দুষ্কৃতী আসে। কসবায় মন্ত্রীর বাড়ির কাছে দিল্লি পাবলিক স্কুলের বিপরীতে একটি মুদিখানা দোকানের পাশ থেকে বোমা ছোঁড়ে ওই দুষ্কৃতীরা। বিকট শব্দে বোমা ফাটে। কসবার মতো এলাকায় বোমাবাজির ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন সকলে। হুড়োহুড়ি শুরু হয়ে যায়। পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। চন্দননগর থেকে ফেরার পর এই ঘটনার কথা জানতে পারেন ইন্দ্রনীল সেন। থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। পুলিশ ঘটনার তদন্তে নামে। স্থানীয় বাসিন্দাদের জেরা শুরু করে। খতিয়ে দেখা হয় এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ। ধৃতদের নাম হল গৌতম মণ্ডল, অশোক বৈদ্য, সোনু সাউ, রাহুল রায়, ভোলা পাসোয়ান। ধৃতদের কাছ থেকে কিছু পরিমাণ বোমা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে তিনটি মোটর বাইকও। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।

জানুয়ারি ২৮, ২০২১
রাজ্য

খেজুরিতে বিজেপি কর্মীদের উপর বোমাবাজি ও গুলির অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

বিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরি থানার খেজুরি ২ দক্ষিণ মণ্ডলের বোগা মোড়ে বিজেপির তরফে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে জমায়েত করেন বিজেপি কর্মীরা। কিছুক্ষণ পরেই হামলা চালায় একদল দুষ্কৃতী। বিজেপি কর্মীদের উদ্দেশ্যে বোমা ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। এছাড়াও গুলিও চলে। আরও পড়ুন ঃ টুইটে করে ফের রাজ্যের পাওনার দাবিতে সরব ডেরেক অভিযোগ, একের পর বিজেপি কর্মীদের বাইকে ভাঙচুর চালায় অভিযুক্তরা। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে যায় খেজুরি থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। দীর্ঘক্ষণের চেষ্টায় আয়ত্তে আসে পরিস্থিতি। বিজেপির অভিযোগ, এই হামলার নেপথ্যে রয়েছে শাসকদলের আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। বিজেপি কর্মীদের ভয় দেখাতেই এই হামলা। যদিও অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলেই দাবি স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বে। তাদের দাবি, এটা বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্ধের ফল।

ডিসেম্বর ০১, ২০২০
বিদেশ

ভয়াবহ বিস্ফোরণে ১৬ জনের মৃত্যু আফগানিস্তানে

ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল আফগানিস্তান। এই বিস্ফোরণে অন্তত ১৬ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। আহত ৯০ জন। রবিবার সকাল ১১ টা ১৫ মিনিট নাগাদ বিস্ফোরণটি ঘটে আফগানিস্তানের ঘোর প্রদেশের ফিরোজ কোহায়। আহতদের মধ্যে অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। উদ্ধারকাজ চলছে। আরও পড়ুনঃ অস্ট্রেলিয়ায় বাঙালি যুবকের লড়াইয়ের স্বীকৃ্তি , চালু বাংলায় সরকারি ওয়েবসাইট জানা গিয়েছে, যে এলাকায় একাধিক সরকারি অফিস ও আফগান পুলিশের দফতর রয়েছে, সেখানেই বিস্ফোরক বোঝাই বাসটিতে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। বিস্ফোরণের পরই গোটা এলাকা ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। আতঙ্কিত হয়ে পড়েন আশেপাশের এলাকার বাসিন্দারা। গোটা এলাকা ঘিরে ফেলেছে নিরাপত্তারক্ষীরা। এখনও পর্যন্ত কোনও সংগঠন এর দায় স্বীকার করেনি।

অক্টোবর ১৮, ২০২০
রাজ্য

বিজেপির থানা ঘেরাও কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বোমাবাজি

বিজেপির থানা ঘেরাও কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠল পাড়ুই। কর্মসূচিতে ব্যাঘাত ঘটাতে বোমাবাজির অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার নবান্ন অভিযান রয়েছে বিজেপির। তার আগে এলাকার আইনশৃঙ্খলার অবনতির অভিযোগ তুলে বুধবার পাড়ুই থানা ঘেরাওয়ের ডাক দিয়েছিল বিজেপি। পরিকল্পনামাফিক এদিন সকাল থেকেই থানার সামনে জমায়েত করতে দেখা গিয়েছিল নেতা-কর্মীদের। অভিযোগ, একটা সময় সিউড়ি-বোলপুর রাজ্য সড়কের উপর জমায়েত লক্ষ্য করে আচমকা বোমাবাজি শুরু করে একদল যুবক। তাদের মুখ গামছা দিয়ে ঢাকা ছিল। একের পর এক বোমা পড়তে থাকায় আতঙ্কে ছোটাছুটি শুরু করে দেন বিক্ষোভকারীরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে পাড়ুই থানার পুলিশ। দীর্ঘক্ষণ পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। আরও পড়ুনঃ খুনের আগে মনীশের উপর টিটাগড়ের একটি ফ্ল্যাট থেকে চলছিল নজরদারি যদিও পুলিশের বিরুদ্ধেই অভিযোগের আঙুল তুলেছে বিজেপির নেতা-কর্মীরা। তাঁদের কথায়, শাসকদল বুঝে গিয়েছে, মানুষ আর তাঁদের চাইছে না। সেই কারণেই ভয় দেখিয়ে বিজেপিকে আটকানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। আমাদের লক্ষ্য করে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা বোমাবাজি করল। পুলিশ সঠিক সময়ে খবর পেলেও দীর্ঘক্ষণ পর ঘটনাস্থলে এসেছে। তাঁদের সামনেও দুষ্কৃতীরা বোমাবাজি করে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছে এলাকার এক তৃণমূল নেতা বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে শাসকদলের কোনও যোগ নেই। দুষ্কৃতীরাই একাণ্ড ঘটিয়েছে।

অক্টোবর ০৭, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

‘পুরো বকেয়া ডিএ পেয়ে যাবেন’— মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাসে চাঞ্চল্য

সরকারি কর্মীদের মহার্ঘ্য ভাতা বা ডিএ নিয়ে দীর্ঘদিনের জল্পনার মধ্যে বড় আশ্বাস দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়েছেন, আগামী দিনে রাজ্যের সরকারি কর্মীরা পুরো বকেয়া ডিএ পেয়ে যাবেন।একুশে জুলাইয়ের সভা থেকে এই ইস্যুতে প্রশ্ন তুলেছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছিলেন, কেন ১ এপ্রিল থেকে ডিএ পেলেন না সরকারি কর্মীরা? আমি তো সব পরিষ্কার করে দিয়ে এসেছিলাম।এই বক্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী তাঁর মন্ত্রীত্বের সময়কার একটি অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ২০১৫ সালে অভিরূপ সরকারের কমিটি গঠিত হয়েছিল। আমি ২০১৬ সালে মন্ত্রী হই। ২০১৯ সালে আমি তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রীকে পে কমিশনের টাকা নিয়ে প্রশ্ন করেছিলাম। তিনি বলেছিলেন, অর্থমন্ত্রী জানাচ্ছেন কমিশনের রিপোর্ট তৈরি হয়নি। আমি বলি, সেটা ভুল কথা। কমিশনের চেয়ারম্যানকে জিজ্ঞাসা করুন।শুভেন্দুর দাবি, তখন কমিশনের চেয়ারম্যান জানিয়েছিলেন যে অর্থমন্ত্রী তাঁকে রিপোর্ট জমা দিতে বারণ করেছিলেন, কারণ সরকারের কাছে টাকা ছিল না। তিনি বলেন, আমি তখনই বলেছিলাম, রিপোর্টটি দিয়ে দিন।পশ্চিমবঙ্গে ডিএ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চলছে। বকেয়া ডিএর দাবিতে রাজ্য সরকারি কর্মীরা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। বহুদিন পেন-ডাউন আন্দোলনও চলেছে।এই প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, ২০২০ সালে ষষ্ঠ পে কমিশনের সুবিধা দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু ডিএ তুলে দেওয়া হয়। পরে সুপ্রিম কোর্টে মামলা হয়। সেই লড়াইয়ে আমারও ছোটখাটো ভূমিকা ছিল। যারা থার্ড পার্টির মাধ্যমে টাকা পান, তাঁদের বিষয়টিও আমরা দেখছি।মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, রাজ্যের সঙ্গে কেন্দ্রের ডিএ-র ব্যবধান ধীরে ধীরে কমানো হবে। অনেকে ভেবেছিলেন ৪২ শতাংশ ডিএ দেওয়া হবে, আবার কেউ কেউ ১০ শতাংশের কথা বলছিলেন। আমরা কোনওটাই করিনি। হিসাব করে যা দেওয়া হয়েছে, তা দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে বাকি অংশও পূরণ করা হবে।তাঁর এই আশ্বাসে সরকারি কর্মীদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে।

জুলাই ২২, ২০২৬
কলকাতা

‘বিজেপির পাশবালিশ হয়ে যান’— ঋত শিবিরকে মমতার কড়া বার্তা

এবারের ২১ জুলাইয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের এক ভিন্ন ছবি সামনে এল। একদিকে মেয়ো রোডে বিদ্রোহী ঋত শিবিরের কর্মসূচি, অন্যদিকে বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে কালীঘাট তৃণমূলের সভা। একই সময়ে দিল্লিতেও বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদদের উদ্যোগে একুশে স্মরণ পালন করা হয়। সব মিলিয়ে দলের ভিতরের বিভাজন প্রকাশ্যে চলে আসে।কালীঘাট তৃণমূলের মঞ্চ থেকে বিদ্রোহী শিবিরকে একের পর এক আক্রমণ করা হয়। ভিড়ের তুলনা টেনে কটাক্ষ করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন কুণাল ঘোষও।কুণাল ঘোষ বলেন, ওখানে ফাঁকা চেয়ার। বিজেপিকে ফোন করে লোক আনার চেষ্টা চলছে। তৃণমূলের প্রতীকে জিতে যারা বিশ্বাসঘাতকতা করেছে, বাংলার মানুষ তাদের ক্ষমা করবে না। তিনি আরও বলেন, আমাদের নেত্রী একজন, বাকি আমরা সৈনিক। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল ও প্রতীকের বিরুদ্ধে কেউ গেলে তার কোনও জায়গা নেই।কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিদ্রোহী শিবিরকে কটাক্ষ করেন। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী র বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়ে তিনি বলেন, এক দেশ, এক ভোট চালু হলে ২০২৯ সালে লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গেও বিধানসভা নির্বাচন হবে। তখনই ডেট অফ এক্সপায়ারি দেখা যাবে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের ভাষণে বিদ্রোহী ঋত শিবিরকে তীব্র কটাক্ষ করেন। তিনি বলেন, নকল বেড়াল তপস্বী না হয়ে, বিজেপির পাশবালিশ না হয়ে সরাসরি বিজেপিতে যান। দলের প্রতীক নিয়ে বিতর্ক প্রসঙ্গে তিনি জানান, প্রয়োজনে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত যাব। আমি ফাউন্ডার প্রেসিডেন্ট। আইনত আমাদের প্রতীক কাড়তে পারবে না। যদি কাড়ার চেষ্টা করা হয়, তাহলে মনে রাখবে তোমাদের সবটা কেড়ে নেব।মমতা আরও বলেন, অভিষেকের বিরুদ্ধে চারশো মামলা হয়েছে। কিন্তু কোনও মামলায় প্রমাণ দিতে পারবে না। তিনি দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনের প্রতিও সমর্থন জানান। তাঁর বক্তব্য, দরকার হলে আমি নিজেও তাদের কর্মসূচিতে যাব। কারণ আমাদের সমর্থন প্রথম থেকেই ছিল, আছে, থাকবে।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিদ্রোহী শিবিরকে উদ্দেশ করে বলেন, পাঁচ ওয়াট, দশ ওয়াটের বাল্ব এখন ভাবছে সে হ্যালোজেন হয়ে গিয়েছে। আমি নেত্রীকে অনুরোধ করব, যারা দল ছেড়ে গেছে, তাদের কাউকে আর ফিরিয়ে নেওয়া হবে না।তিনি আরও বলেন, ইডি, সিবিআই, আয়কর, সিআইডি, এসটিএফ সবাই একসঙ্গে লাগলেও ভয় পাই না। গলা কেটে দিলেও আমার শরীর থেকে জয় বাংলা আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিন্দাবাদ শোনা যাবে।মঞ্চ থেকে উপাসনা চৌধুরীও বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, যখনই মা-মাটি-মানুষের উপর আঘাত আসবে, তখনই সাধারণ মানুষ রুখে দাঁড়াবে।এবারের একুশে জুলাই তাই শুধু শহিদ স্মরণ নয়, তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের প্রকাশ্য মঞ্চ হিসেবেও চিহ্নিত হয়ে থাকল।

জুলাই ২২, ২০২৬
রাজ্য

সিকিমের টানেল দুর্ঘটনায় মাল মহকুমার আরও এক যুবকের মৃত্যু, বাড়ছে উদ্বেগ

সিকিমে টানেল নির্মাণের কাজে গিয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু হল নাগরাকাটা ব্লকের মনমোহনধুরা গ্রামের যুবক অর্জুন সাউতালের। মঙ্গলবার তাঁর মৃত্যুর খবর বাড়িতে পৌঁছাতেই শোকের ছায়া নেমে আসে পরিবার ও গোটা এলাকায়।পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় এক মাস আগে বাড়তি রোজগারের আশায় সিকিমে শ্রমিকের কাজে গিয়েছিলেন অর্জুন। সেখানে টানেল নির্মাণের কাজ চলাকালীন দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর থেকেই স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে মনমোহনধুরা গ্রাম। পরিবারের সদস্যদের কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে গোটা এলাকা।অর্জুন সাউতাল ছিলেন পরিবারের সবচেয়ে কনিষ্ঠ সদস্য। পরিবারে বাবা-মা, চার ভাই ও বৌদিদের নিয়ে বড় সংসার। সংসারের আর্থিক অবস্থার উন্নতির আশায় ভিন রাজ্যে কাজ করতে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সেই স্বপ্নই শেষ পর্যন্ত দুঃস্বপ্নে পরিণত হল।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সিকিমের এই টানেল দুর্ঘটনায় মাল মহকুমা থেকে এখনও পর্যন্ত ছয় জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। এর মধ্যে মেটেলি ও নাগরাকাটা ব্লক মিলিয়ে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একের পর এক মৃত্যুর খবর পৌঁছানোর পর গোটা মহকুমাজুড়ে শোকের আবহ তৈরি হয়েছে।এলাকাবাসীদের অভিযোগ, নাগরাকাটা ও আশপাশের এলাকায় পর্যাপ্ত কর্মসংস্থানের অভাব রয়েছে। বাধ্য হয়েই বহু যুবক জীবিকার সন্ধানে ভিন রাজ্যে পাড়ি দেন। কিন্তু কাজের খোঁজে গিয়ে এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানোর ঘটনায় ক্ষোভ ও উদ্বেগ বাড়ছে।স্থানীয়দের দাবি, এলাকায় স্থায়ী কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হলে বহু মানুষকে আর জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভিন রাজ্যে কাজের খোঁজে যেতে হতো না।

জুলাই ২২, ২০২৬
দেশ

বিরোধীদের চাপের মুখে কি নতি স্বীকার? নিট প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে সরকারের বড় ঘোষণা

নিট প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে সংসদে আলোচনায় রাজি কেন্দ্র সরকার। বুধবার সংসদীয় মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু এই ঘোষণা করেন। তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। নিট প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ সামনে আসার পর থেকেই বিরোধীরা সরব। একই সঙ্গে আন্দোলনে নামে ককরোচ জনতা পার্টি বা সিজেপি। তারা শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবি জানায়।সোমবার সিজেপি সংসদ অভিযানের ডাক দেয়। সেই কর্মসূচিকে ঘিরে রাজধানী দিল্লিতে উত্তেজনা তৈরি হয়। এরপর মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী বাসভবনের কাছে ধরনায় বসেন রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী -সহ কংগ্রেস নেতাকর্মীরা। তাঁদের সঙ্গে যোগ দেন সমাজবাদী পার্টির সাংসদ অখিলেশ যাদবও। পরে দিল্লি পুলিশ তাঁদের সেখান থেকে সরিয়ে দেয়।ধরনার সময় কংগ্রেস নেতাদের সঙ্গে দেখা করেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং। তখন তিনি নিট প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে সংসদে আলোচনার আশ্বাস দেন। তবে অভিযোগ, সেই আশ্বাসের পরও রাহুল গান্ধী ধরনা তুলতে রাজি হননি।এই পরিস্থিতিতে কিরেণ রিজিজু বলেন, বিরোধীরা আলোচনার সময় তাদের বক্তব্য তুলে ধরতে পারবে। কেউ তাদের বাধা দেবে না। কিন্তু আলোচনা শুরুর আগেই যদি শর্তের পাহাড় তোলা হয়, তাহলে বোঝা যায় তারা আসলে আলোচনা চায় না।সরকারি সূত্রের খবর, বিরোধীরা চাইলে বৃহস্পতিবার থেকেই নিট প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে সংসদে আলোচনা শুরু হতে পারে।

জুলাই ২২, ২০২৬
কলকাতা

বিধানসভায় তুমুল কাণ্ড! মার্শাল ডেকে কুণাল ঘোষকে বের করে দিলেন স্পিকার

দুই তৃণমূলের দ্বন্দ্বে বুধবার উত্তপ্ত হয়ে উঠল বিধানসভা। কুণাল ঘোষ ও আখরুজ্জামানের সংঘাতকে কেন্দ্র করে হট্টগোল শুরু হয় অধিবেশনে। পরিস্থিতি সামাল দিতে স্পিকার রথীনন্দ্রনাথ বসু মার্শাল ডেকে কুণাল ঘোষকে বিধানসভা থেকে বাইরে বের করে দেওয়ার নির্দেশ দেন। পরে তাঁকে সাসপেন্ডও করা হয়।বিধানসভা গঠনের পর থেকেই কালীঘাটপন্থী তৃণমূল এবং ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলের মধ্যে বিরোধ বারবার প্রকাশ্যে এসেছে। বর্তমানে ঋতব্রত শিবির বিরোধী দল হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে এবং আখরুজ্জামান মুখ্য সচেতকের দায়িত্বে রয়েছেন।বুধবার আখরুজ্জামান বক্তব্য রাখতে উঠলে তাঁকে বাধা দেন বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ। সঙ্গে সঙ্গে বিধানসভায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নিজেও এই ঘটনার প্রতিবাদ জানান। বিজেপির মন্ত্রী শংকর ঘোষ ও জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়-সহ বিদ্রোহী তৃণমূলের বিধায়করাও ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখান।এরপরই স্পিকার মার্শাল ডেকে কুণাল ঘোষকে বাইরে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি তাঁকে সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্তও ঘোষণা করা হয়।কালীঘাটপন্থী তৃণমূল বিধায়কদের অভিযোগ, তাঁদের বক্তব্য রাখার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না। তাঁদের দাবি, বক্তাদের যে তালিকা পাঠানো হয়, তাতে কুণাল ঘোষের নাম থাকলেও মুখ্য সচেতক সেই নাম কেটে অন্য নাম যুক্ত করছেন। এই অভিযোগ আগেই তুলেছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় ও আলিফা আহমেদ।আখরুজ্জামান পরে বলেন, ৮০ জন বিধায়ক রয়েছেন। সবাইকে কথা বলার সুযোগ দিলে সময় হবে না। তাই কে বলবেন, তা আমরা ঠিক করব।ঘটনার তীব্র নিন্দা করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, এমন অসভ্যতা আমি বিধানসভায় আগে দেখিনি। এটা অত্যন্ত নিন্দনীয়। আখরুজ্জামান একজন প্রবীণ নেতা। তাঁর সঙ্গে এমন আচরণ মেনে নেওয়া যায় না।এই ঘটনার পর বিধানসভায় দুই তৃণমূল শিবিরের সংঘাত আরও প্রকট হয়ে উঠল বলে রাজনৈতিক মহলের মত।

জুলাই ২২, ২০২৬
দেশ

মহিলা সাংসদের সঙ্গে বচসা, তারপরই বড় সিদ্ধান্ত! কল্যাণের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ

লোকসভা থেকে সাসপেন্ড করা হল কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। অসংসদীয় আচরণের অভিযোগে গোটা বাদল অধিবেশনের জন্য তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এনসিপিআই সাংসদ মিতালী বাগের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সূত্রের খবর, লোকসভায় মিতালী বাগের সঙ্গে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বচসা শুরু হয়। অভিযোগ, সেই সময় তিনি মিতালী বাগকে উদ্দেশ্য করে কটূক্তি করেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত অন্যান্য সাংসদ, যার মধ্যে বাপি হালদারও ছিলেন, তাঁরা কল্যাণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান।এনসিপিআই সাংসদদের অভিযোগ, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার মহিলা সাংসদদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন। এর আগেও কাকলি ঘোষ দস্তিদার তাঁর বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগ করেছিলেন। এছাড়া কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবকে অসম্মান করার অভিযোগও উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। বচসা একসময় হাতাহাতির পর্যায়ে পৌঁছয় বলেও সূত্রের দাবি।এরপর এনসিপিআই সাংসদরা লোকসভার স্পিকারের কাছে লিখিত অভিযোগ জানান। অভিযোগের ভিত্তিতে সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল অসংসদীয় আচরণের প্রস্তাব আনেন। ভোটাভুটিতে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে গোটা বাদল অধিবেশনের জন্য সাসপেন্ড করা হয়।এই সিদ্ধান্ত তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য বড় ধাক্কা বলে মনে করা হচ্ছে। বিধানসভা নির্বাচনের পর দলের ভাঙনের ফলে কালীঘাট তৃণমূলে হাতে গোনা কয়েকজন সাংসদ রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন সংসদে দলের অন্যতম মুখ।এই প্রসঙ্গে তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায় বলেন, কল্যাণদা সবার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন। মহিলাদের গালাগালি দেন। এই নিয়ে আগেও অভিযোগ জানানো হয়েছিল। স্পিকারকে ধন্যবাদ, তিনি ব্যবস্থা নিয়েছেন।

জুলাই ২২, ২০২৬
কলকাতা

উচ্ছেদ নয়, এবার কলেজ স্ট্রিটের ‘মেকওভার’! কী কী বদল আসছে জানেন?

কলেজ স্ট্রিটকে উচ্ছেদ নয়, নতুনভাবে সাজানোর পরিকল্পনা করছে রাজ্য সরকার। বুধবার ভোরবেলা পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল কলেজ স্ট্রিটে গিয়ে পুরো এলাকা ঘুরে দেখেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্মিতা পাণ্ডে ও কলকাতা পৌরনিগমের আধিকারিকরা।এলাকা পরিদর্শনের সময় মন্ত্রী পথচারী ও বই বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলেন। রাস্তায় দাঁড়িয়ে আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করেন, কীভাবে কলেজ স্ট্রিটকে আরও সুন্দর করে তোলা যায়।সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, কলেজ স্ট্রিটের একটি অংশকে নো ভেহিকেলস জোন করা হবে। সেখানে কোনও গাড়ি চলবে না, হর্ন বাজবে না। বইপ্রেমীরা ওই এলাকায় সাইকেলে ঘুরতে পারবেন। তবে বাইরে থেকে সাইকেল আনা যাবে না; নির্দিষ্ট জায়গা থেকে সাইকেল ভাড়া নিয়ে ব্যবহার করতে হবে। বয়স্কদের জন্য ব্যাটারি চালিত গাড়ির ব্যবস্থা থাকবে। পাশাপাশি সেখানে ক্যাফে, বই পড়ার বেঞ্চ এবং শান্ত পরিবেশ তৈরি করা হবে।অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, কলেজ স্ট্রিট হল বইপাড়া। এখানে শুধু বই, খাতা, নোটপ্যাডের দোকান থাকবে। আমরা চাই জায়গাটি সুন্দর ও শান্ত হোক। তবে মূল কলেজ স্ট্রিট রাস্তায় আপাতত কোনও পরিবর্তন করা হবে না, কারণ সেটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ট্র্যাফিক জোন।তিনি আরও জানান, রেলিংয়ের সামনে থাকা কিছু দোকানকে অন্যত্র সরিয়ে একইরকম নকশার স্টলে বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে। উদ্দেশ্য হল, এলোমেলো টিনের দোকানের বদলে একটি সুশৃঙ্খল ও আকর্ষণীয় বইপাড়া গড়ে তোলা।দোকানদারদের আশ্বস্ত করে মন্ত্রী বলেন, যাঁদের বইয়ের দোকান রয়েছে, তাঁদেরই পুনর্বাসন করা হবে। কারও রুজিরুটিতে আঘাত করা হবে না। শুধু জায়গাটিকে আরও সুন্দর ও পরিকল্পিতভাবে সাজানো হবে।বই বিক্রেতারাও এই পরিকল্পনাকে স্বাগত জানিয়েছেন। এক বিক্রেতা বলেন, সরকার বলছে দোকান তোলা হবে না, শুধু সুন্দর করে সাজানো হবে। সেটা হলে ভালোই। আরেকজনের কথায়, আমরা চাই কলেজ স্ট্রিট সুন্দর হোক, কিন্তু আমাদের পেটে যেন লাথি না পড়ে।

জুলাই ২২, ২০২৬
কলকাতা

তৃণমূলের অন্দরের দ্বন্দ্ব এবার বিধানসভায়! মুখ্যমন্ত্রীর কড়া বার্তা

বিধানসভায় ফের বিরোধী দলনেতা নিয়ে বিভ্রান্তি দেখা দিল। বুধবার অধিবেশন চলাকালীন বক্তব্য রাখতে উঠে আবার বসে পড়তে হল কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিরোধী শিবিরে নতুন করে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে।স্বরাষ্ট্র দপ্তরের বাজেট নিয়ে আলোচনা চলার সময় শোভনদেব বক্তব্য রাখতে উঠেছিলেন। কিন্তু তিনি বক্তব্য শুরু করতে পারেননি। তাঁকে বসে পড়তে হয়।এরপর কালীগঞ্জের বিধায়ক আলিফা আহমেদ বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তিনি অভিযোগ করেন, বিরোধী তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বক্তাদের যে তালিকা পাঠানো হচ্ছে, তা কেটে দেওয়া হচ্ছে। এতে বিধায়কদের বক্তব্য রাখার নির্দিষ্ট সময় নিয়ে সমস্যা তৈরি হচ্ছে বলে তিনি জানান।আলিফা বলেন, গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছে। কিন্তু আমাদের পক্ষ থেকে পাঠানো বক্তাদের নাম কেটে দেওয়া হচ্ছে। বিধানসভার সদস্য হিসেবে সকলের নির্দিষ্ট সময় আছে। আগে থেকে জানা গেলে সুবিধা হয়। তাই এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।এই ঘটনার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কড়া প্রতিক্রিয়া দেন। তিনি বলেন, এখানে অনেক বিরোধী দল আছে। কালীঘাটপন্থী আছেন, আইএসএফ আছে, সিপিআইএম আছে, কংগ্রেস আছে। আমরা চাই সবাই সময় ভাগ করে নিক।মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, আমি নিজেও পাঁচ বছর বিরোধী দলনেতা ছিলাম। তখন চিফ হুইপ বক্তব্য রাখার সময় ঠিক করতেন। আপনাদের নিজেদের ঝগড়া নিজেরা মেটান। সেই ঝগড়া মেটানোর জন্য মুখ্যমন্ত্রী বা হাউস বসে নেই। নিজেদের সমস্যা মিটিয়ে সুষ্ঠুভাবে অধিবেশন চলতে দিন।উল্লেখ্য, বিধানসভায় কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের বিরোধী দলনেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় রয়েছেন। অন্যদিকে ঋতব্রতপন্থীরা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে বেছে নিয়েছেন। ফলে কোন শিবিরের তালিকা অনুযায়ী বক্তব্য হবে, তা নিয়ে বারবার বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে।

জুলাই ২২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal