• ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বুধবার ১০ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bogtui

কলকাতা

বগটুইয়ের নথি এল সিজিও কমপ্লেক্সে সিবিআই দফতরে

রামপুরহাটের অস্থায়ী সিবিআই-এর ক্যাম্প থেকে নথি নিয়ে আসা হল ফিজিও কমপ্লেক্স এর সিবিআই দপ্তরে। বগটুই কান্ডের মূল অভিযুক্ত লালন শেখের অস্বাভাবিক মৃত্যুর পরেই সিবিআই এর তরফ থেকে এই পদক্ষেপ নেওয়া হল। লালন শেখের মৃত্যুর ঘটনায় সিবিআইকে দোষারোপ করেছে তাঁর পরিবার। সিবিআইকে কাঠগড়ায় তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেসও।সিবিআই কাস্টাডিতে বগটুই কাণ্ডের অন্যতম অভিযুক্ত লালন শেখের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় মধ্যেই তদন্ত শুরু হয়েছে। সিবিআইয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পে মৃত্যু হয় বগটুই কাণ্ডের অন্য়তম অভিযুক্ত লালন শেখের। এই ঘটনার পর সিবিআই ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্বয়ং তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এসে পৌঁছেছে সিবিআইয়ের অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর অজয় ভাটনগর। কলকাতায় পৌঁছে সোজা সিজিও কমপ্লেক্সে আসেন তিনি। মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত মিটিং করেন তিনি। বুধবার সকালে আবার ফিজিও কমপ্লেক্সের সিবিআই দফতরে এসে পৌঁছেছেন অজয় ভাটনগর। পাশাপাশি রামপুরহাটের সিবিআইয়ের অস্থায়ী ক্যাম্প থেকে একাধিক নথি এবং হার্ডডিস্ক মনিটার সহ বিভিন্ন সরঞ্জাম নিয়ে আসা হয়েছে সল্টলেক এর সিজিও কমপ্লেক্সের সিবিআই দফতরে।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২২
রাজ্য

বগটুই কান্ডের মূল অভিযুক্তের মৃত্যু রহস্য খতিয়ে দেখতে সিবিআইয়ের দুঁদে কর্তা কলকাতায়

বগটুই কান্ডের মূল অভিযুক্ত লালন শেখের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা খতিয়ে দেখতে কলকাতায় এলেন সিবিআই এর অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর অজয় ভাটনগর। মঙ্গলবার দমদম এয়ারপোর্ট থেকে তিনি সরাসরি এলেন সিজিও কমপ্লেক্সে। বগটুই-কাণ্ডে মূল অভিযুক্ত লালন শেখের অস্বাভাবিক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে সিবিআইয়ের ভূমিকা নিয়েই বিরাট প্রশ্ন উঠেছে। লালনের স্ত্রী কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছেন। কলকাতায় সিবিআই আধিকারিকদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছেন অজয় ভাটনগর।সিবিআই হেফাজতে বগটুই-কাণ্ডে কাণ্ডে মূল অভিযুক্ত লালন শেখের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তোলপাড় রাজ্য। বিক্ষোভ চলেছে রামপুরহাট সিবিআইয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পে। হেফাজতে থাকাকালীন কীভাবে লালনের মৃত্যু হল? তা নিয়েই উঠেছে প্রশ্ন। সিবিআইয়ের দাবি, গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হয়েছে লালন সেখ। তবে কেন্দ্রীয় সংস্থার এই দাবি মানতে নারাজ তাঁর পরিবার। রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলও লালন শেখের মৃত্যুর তদন্তের দাবি জানিয়েছে। খোদ তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও লালন শেখের অস্বাভাবিক মৃত্যু নিয়ে সিবিআইকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন।নিজেদের হেফাজতে মূল অভিযুক্তের মৃত্যু ঘিরে বেশ বেকায়দায় সিবিআই। লালন-মৃত্যুর প্রতিবাদে আজ দিনভর বোলপুরে সংস্থার অস্থায়ী ক্যাম্পের বাইরে চলে দফায়-দফায় বিক্ষোভ, চলতে থাকে অশান্তি। কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার বিরুদ্ধে ক্ষোভের আঁচ আছড়ে পড়ে কলকাতাতেও। এপিডিআর কলকাতার নিজাম প্যালেসের সিবিআই অফিসের সামনের রাস্তায় বিক্ষোভ দেখায়। এক কথায় বগটুই কাণ্ডে মূল অভিযুক্ত লালন শেখের মৃত্যু ঘিরে সিবিআইয়ের ওপর দায় ঠেলছে অনেকেই।সিবিআই হেফাজতে থাকাকালীন বগটুই-কাণ্ডে মূল অভিযুক্ত লালন শেখের মৃত্যু নিয়ে এবার মুখ খুলেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তাঁর বক্তব্য, সিবিআই যদি এত সিরিয়াস, তাহলে কীভাবে হেফাজতে থাকাকালীন একজনের মৃত্যু হল? এই ঘটনায় মঙ্গলবার মেঘালয়ের শিলঙে সাংবাদিক বৈঠকে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।সোমবার বীরভূমে সিবিআইয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পে লালন শেখের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়। সিবিআই হেফাজতে থাকাকালীন মৃত্যু হয় ভাদু শেখ খুন পরবর্তী বগটুই গ্রামে হিংসার ঘটনায় সম্প্রতি গ্রেফতার হয় লালন। এই গটনায় এফআইআর দায়ের করেছেন লালনের স্ত্রী।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২২
রাজ্য

ভাদু শেখ খুনের মামলায় গ্রেফতার সোনা শেখ

ভাদু শেখ খুনে অন্যতম অভিযুক্ত সোনা শেখকে গ্রেফতার করল সিবিআই। সোমবার তাকে রামপুরহাট মহকুমা আদালতের বিচারক চার দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দেন।চলতি বছরের ২১ মার্চ রাত্রি সাড়ে আটটা নাগাদ ৬০ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে রামপুরহাট থানার বগটুই মোড়ে বোমা মেরে খুন করা হয় বড়শাল গ্রাম পঞ্চায়েতের উপ প্রধান, তৃণমূল নেতা ভাদু শেখকে। সিসিটিভির ফুটেজ দেখে পুলিশ জানতে পারে দুটি মোটর বাইকে চার দুষ্কৃতী তাকে কাছ থেকে বোমা মেরে খুন করে। এদিকে ভাদু শেখ খুনের বদলা নিতে সোনা শেখের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় দুষ্কৃতীরা। আগুনে আট জনের মৃত্যু হয়। সেই তালিকায় ছিল সোনা শেখের স্ত্রী রুপালী বিবি। ওই মামলায় ভাদু শেখের পরিবার ১০ জনের নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। ঘটনার পরেই পুলিশ ছয়জনকে গ্রেফতার করে। কিন্তু হাইকোর্টের নির্দেশে দুটি হত্যা মামলা সিবিআইয়ের হাতে আসতেই ভোল পাল্টে যায়। চার্জশিটে ধৃত পাঁচ জনের নাম না থাকায় আদালত তাদের জামিন মঞ্জুর করে। শুধুমাত্র শেখ সঞ্জুকে ভাদু খুনে সাব্যস্ত করে সিবিআই। ধৃত সোনা শেখের নাম ভাদুর পরিবারের অভিযোগ তালিকায় থাকলেও সিবিআইয়ের প্রথম চার্জশিটে ছিল না বলে আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে। পরবর্তী চার্জশিটে সোনা শেখের নাম ঢোকায় সিবিআই। তাকে রবিবার সিউড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়। সোমবার তাকে রামপুরহাট মহকুমা আদালতে তোলা হলে সিবিআইয়ের আবেদনের ভিত্তিতে বিচারক ধৃতকে চারদিনের হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন।সরকারি আইনজীবী সুরজিত সিনহা বলেন, প্রথম সিবিআইয়ের চার্জশিটে সোনা শেখের নাম ছিল না। পরবর্তীতে তার নাম ঢোকান হয়। সিবিআই মনে করেছে ভাদু শেখ খুনের সঙ্গে সোনা শেখের যোগসাজশ রয়েছে। তাই তাকে সাতদিন হেফাজতে চেয়ে আবেদন করেছিল। বিচারক চারদিন মঞ্জুর করেছেন।অভিযুক্তর পক্ষের আইনজীবী আব্দুর বাড়ি বলেন, সোনা শেখকে রামপুরহাটের আশেপাশে থেকে ধরা হয়েছে। তার নাম এফআইআর তালিকায় দ্বিতীয়তে ছিল। তবে সিবিআই তদন্তে নেমে ভাদু খুনের সঙ্গে তার যোগসাজশ না পেয়ে চার্জশিট থেকে তার নাম বাদ দিয়েছিল। পরবর্তীতে তদন্তের স্বার্থে সিবিআই তার নাম ঢোকায়।সোনা শেখের নিকট আত্মীয় মিহিলাল শেখ বলেন, উদ্দেশ্যে প্রণোদিত ভাবে সোনা শেখের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। তবে সিবিআইয়ের তদন্তে আমাদের আস্থা রয়েছে। তারা তদন্ত করে দেখুক। যদি সোনা শেখ দোষী হয় তাহলে সাজা পাবে।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যের মন্ত্রীর বিরুদ্ধে ভয়ঙ্কর অভিযোগ বগটুইয়ের প্রত্যক্ষদর্শীর, তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি

আনারুলের পর এবার রাজ্যের মন্ত্রী ও রামপুরহাটের বিধায়ক আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর ভাইপোর বিরুদ্ধে ভয়ঙ্কর অভিযোগ আনলেন মিহিলাল শেখ। মিহিলাল রামপুরহাটের বগটুই কাণ্ডের অন্যতম প্রত্যক্ষদর্শী। তাঁর পরিবারের লোকজনকে জীবন্ত পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে তৃণমূল নেতা ভাদু শেখ খুনের পরপরই। সংশোধনাগারে আনারুল, লালনরা খেয়ে-দেয়ে ফূর্তি করছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। মিহিলালের অভিযোগ, এই সমস্ত ব্যবস্থাও করে দিচ্ছেন আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগকে কেন্দ্র করে তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি। পুরো বিষয়টা তিনি সিবিআইকে জানাবেন বলেছেন। এদিকে মিহিলালের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন আশিষ বন্দ্য়োপাধ্য়ায়।কী বলেছেন মিহিলাল শেখ?আমার পরিবার তো শেষ হয়ে গেল। আনারুলরা জেলের মধ্যে ফূর্তি করছে। জেলে বিয়ার, মদ খেয়ে এনজয় করছে। বাড়িতে যা পেত তা জেলে পাচ্ছে। বাইরে থেকে খাবার যাচ্ছে। আমাদের লোকজনকে শেলে রেখে দিয়েছে। এসবে মদত দিচ্ছে আশিষ বন্দ্যোপাধ্যায়। আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় ও ভাইপো আমাদের ওপর অত্যাচার করত। আনারুলকে গাইড করছে আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। এসব কান্ড আশিষ বন্দ্যোপাধ্যায় করেছেন। একমাসেও কোনও খবর নেয়নি। ওর লোকজনও খবর নিতে আসেনি। আমি বিডিওকে হোয়াটসঅ্যাপে খাদ্যদ্রব্যের জন্য পাঠিয়েছিলাম। প্রথমে তিন-চার দিনের জন্য কিছু পাঠিয়েছিলেন। এখন সব বন্ধ। আমরা এক মাসের খাবার চেয়েছিলাম প্রশাসনের কাছ থেকে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে সত্বেও কোনও খাবার দিচ্ছে না প্রশাসন। পুরো বিষয়টা সিবিআইকে জানাব। চাকরি নিয়ে সন্তুষ্ট নই। কারণ জীবনের বিনিময়ে কিছু হয় না।এর আগে বগটুইয়ের ঘটনায় বীরভূমের তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মন্ডলের নাম জড়াচ্ছিল। আনারুল কার লোক তা নিয়েও বিতর্ক দেখা দিয়েছিল। আনারুলকে সুপারিশের বিষয় সংক্রান্ত জেলা তৃণমূল সভাপতিকে দেওয়া চিঠিও বাইরে বেরিয়ে এসেছিল। এবার সরাসরি অভিযোগ উঠলো রামপুরহাটের বিধায়কের বিরুদ্ধে। তবে আশিষ বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও অভিযোগকেই পাত্তা দিতে নারাজ।

এপ্রিল ১৯, ২০২২
রাজ্য

বগটুইয়ে গ্রেফতার টোটোচালক, সিবিআইয়ের হাতে পেট্রল পাম্পের সিসি টিভি ফুটেজ

বগটুই কাণ্ডে ফের ওই গ্রামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। এর আগে মুম্বাই থেকে চারজনকে গ্রেফতার করে নিয়ে আসে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। ধৃত ব্যক্তি রিটন শেখ পেশায় টোটোচালক। রিটনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে নতুন তথ্য মিলবে বলে মনে করছে তদন্তকারীরা। এদিকে মনসুবা মোড়ের পেট্রল পাম্পের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছে সিবিআই।সূত্রের খবর, বগটুই গণহত্যার প্রত্যক্ষদর্শীরা রিটন শেখের নাম বলে। ওই গ্রামেই বাড়ি তাঁর। সূত্রের খবর, রিটন শেখকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা গিয়েছে, মনসুবা মোড়ের পেট্রল পাম্প থেকে ঘটনার দিন জারে করে পেট্রল আনা হয়েছিল। সেই পাম্পে গিয়ে সিবিআই সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছে। সেই ভিডিও ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।বগটুই কাণ্ডে সিট গঠন করেছিল রাজ্য সরকার। পরে আদালতের নির্দেশে সিবিআই তদন্তভার হাতে নেয়। অভিযোগ, তৃণমূলের উপপ্রধান ভাদু শেখ খুনের পর পেট্রল দিয়ে জীবন্ত পুড়িয়ে মারা হয় ৯ জনকে। তার আগে তাঁদের মারধর করে জখম করা হয়েছিল। নানা অত্যাধুনিক পদ্ধতিও বগটুই তদন্তে ব্যবহার করছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। ঘটনার পর বগটুই গ্রামে মাটির নীচ থেকে বোমাও উদ্ধার করেছে সিবিআই। রাজ্যের একের পর এক ঘটনায় সিবিআইয়ের হাতে তদন্ত ভার তুলে দিয়েছে হাইকোর্ট। বগটুই কাণ্ডে পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ এনেছিলেন খোদ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এপ্রিল ১৪, ২০২২
রাজ্য

বগটুই গণহত্যার সঙ্গে ভাদু খুনের ঘটনারও তদন্তে সিবিআই, নির্দেশ হাইকোর্টের

বগটুই গণহত্যার পাশাপাশি তৃণমূল উপপ্রধান ভাদু শেখের খুনের তদন্ত করবে সিবিআই। কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ শুক্রবার এই নির্দেশ দিয়েছে। বিচারপতিরা মনে করছেন একটা ঘটনার সঙ্গে অন্যটার ইন্টারলিংক আছে। দুটি ঘটনা দুটি সংস্থা তদন্ত করলে সঠিক হত না। মামলাকারীরা দাবি করছিলেন, একটা ঘটনার সঙ্গে আরেকটা যুক্ত। সিবিআই তদন্তে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটিত হতে পারে।বগটুই মোড়ে তৃণমূল উপপ্রধান খুন হওয়ার পর বগটুই গ্রামে একের পর এক বাড়িতে আগুন ধরানো হয়। তার মধ্যে একটি বাড়িতে ৮ জনকে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়। অন্য একটি বাড়িতও একজন মারা যায়। এই গণহত্যার ঘটনায় তোলপাড় হয়ে যায় রাজ্য-রাজনীতি। কলকাতা হাইকোর্ট প্রথমে গণহত্যার ঘটনার সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয়। হাইকোর্টে প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট জমা দিয়েছে সিবিআই। ভাদু খুনের দুঘন্টার মধ্যে গণহত্যার ঘটনা ঘটেছে। দুটো ঘটনার মধ্যে সংযোগ রয়েছে বলে রিপোর্টে জানিয়েছে সিবিআই।এদিকে মুম্বাই থেকে গণহত্যার ঘটনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে চারজনকে গ্রেফতার করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা। তাদের রামপুরহাটে নিয়ে এসে জেরা করা হবে। ইতিমধ্যে কয়েক দফায় বেশ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিবিআই।

এপ্রিল ০৮, ২০২২
রাজ্য

বগটুই কান্ডে মুম্বাই থেকে ৪ জনকে গ্রেফতার সিবিআইয়ের

বগটুই কাণ্ডে প্রথম গ্রেফতার করল সিবিআই। বাপ্পা শেখ, সাবু শেখ সহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। মোবাইলের টাওয়ার লোকেশন করে তাঁদের ধরা হয় মুম্বাই থেকে। জানা গিয়েছে, সিবিআই মুম্বাইয়ে তাদের আদালতে পেশ করে। তাদের রিমান্ডে রামপুরহাট নিয়ে আসবে সিবিআই। ঘটনার পরই তারা মুম্বাইয়ে পালিয়ে যান। বগটুইয়ে আগুন লাগিয়ে গণহত্যার ঘটনায় এদের নাম রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ভাদু শেখের খুনের পর বগটুইয়ে ৯ জনকে জীবন্ত পুড়িয়ে খুন করা হয়। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে ওই ঘটনার তদন্ত করছে সিবিআই।বিস্তারিত আসছে......

এপ্রিল ০৭, ২০২২
রাজ্য

ভাদু খুনে গ্রেপ্তার আরও তিন, মিহিলালকে ফের জেরা সিবিআই-এর

বগটুই-কাণ্ডে আরও তিন জনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। রামপুরহাটের বড়শাল গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান ভাদু শেখ খুনে বুধবার এ রাজ্যের বিভিন্ন এলাকা থেকে তিন জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভাদু খুনের পর অভিযুক্তেরা এলাকা ছেড়ে চম্পট দিয়েছিল। ধৃতদের ১০ দিনের পুলিশি হেপাজত দিয়েছেন রামপুরহাট আদালতের বিচারক। ধৃত তিন জনের মধ্যে সঞ্জু এবং শেরার নাম রয়েছে এফআইআরে। রাজা নামে এক জনকে সন্দেহের বশে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।অন্য দিকে, নিহত ভাদুর বাড়িতে বুধবার সিবিআইয়ের একটি দল পৌঁছয়। ভাদুর প্রতিবেশীদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন তদন্তকারীরা। পাশাপাশি নলহাটি থানার এক পুলিশ আধিকারিককে জিজ্ঞাসাবাদ করবে।বুধবার সিবিআই আধিকারিকরা আবারও এক বার জিজ্ঞাসাবাদ করেন বগটুইয়ের বাসিন্দা মিহিলাল শেখকে। পাশাপাশি রামপুরহাট থানার এএসআই সত্যেন্দ্রনাথ সাহাকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়। বুধবার সাঁইথিয়ার বাতাসপুর থেকে বগটুইয়ের পার্শ্ববর্তী গ্রাম কুমারড্ডায় রওনা দিয়েছেন মিহিলাল। তাঁর কথায়, বগটুই গ্রামে আপাতত কোনও আতঙ্ক নেই। কিন্তু ভবিষ্যতে কী হবে জানি না। আপাতত বগটুইয়ের পাশের গ্রাম কুমারড্ডায় আত্মীয়ের বাড়িতে থাকব। মেয়ে মারা গিয়েছে। ছেলে ইব্রাহিমকে মানুষ করতে চাই। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। বাড়ি ঘরদোর ঠিক হলে তার পর বগটুইতে ফিরব।

মার্চ ৩০, ২০২২
রাজ্য

বগটুইয়ে সিবিআই-এর তদন্তকে প্রভাবিত করতে চাইছে বিজেপি: মমতা

বুধবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাহাড়ের সফরের তৃতীয় দিন। বৃহস্পতিবার কলকাতায় ফেরার কথা মমতার। তার আগে ফের একবার রামপুরহারকাণ্ডে বিজেপিকে আক্রমণ শানালেন মমতা।রামপুরহাটের বগটুই কাণ্ডে জেপি নাড্ডার কাছে তদন্ত রিপোর্ট জমা দিয়েছে বিজেপির কেন্দ্রীয় দল। দার্জিলিংয়ে দাঁড়িয়ে সেই ইস্যুতেই বিজেপির কড়া সমালোচনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কেন্দ্রীয় দলের রিপোর্ট তদন্তকে প্রভাবিত করবে বলেই আশঙ্কা তাঁর। এমনকী, এই ঘটনায় অনুব্রত মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।দার্জিলিঙে মমতা বললেন, বিজেপির আচরণের নিন্দা করছি। ওরা রিপোর্টে আমার জেলা সভাপতির নাম রেখেছে। যখন সিবিআই তদন্ত করছে এবং তাদের সঙ্গে পূর্ণ সহযোগিতা করা হচ্ছে তখন বিজেপি তদন্তকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। এদিন দার্জিলিঙয়ের মহাকাল মন্দিরে পুজো দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কালী মন্দিরের সামনে আরতি করতে দেখা গেল তাঁকে।

মার্চ ৩০, ২০২২
রাজ্য

বগটুই হত্যাকান্ডঃ সাসপেন্ডেন্ট আইসিকে টানা জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআইয়ের

রামপুরহাটের বগটুই গ্রামের হত্যাকাণ্ডের তদন্ত করছে সিবিআই। ইতিমধ্যে ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাথমিক পর্যায়ে খতিয়ে দেখেছে তাঁরা। প্রথম দফায় নিহতদের আত্মীয় মিহিলাল শেখকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। মঙ্গলবার ফের তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। এদিকে এদিন জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে রামপুরহাট থানার সাসপেন্ডেন্ট আইসি ত্রিদীপ প্রামানিককে।সিবিআই সূত্রে খবর, ত্রিদীপ প্রামানিককে প্রায় সাড়ে ৪ ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। বগটুইয়ের ঘটনা কখন ঘটেছিল? সেদিন রাত কটা নাগাদ আইসি খবর পেয়েছিলেন? তারপর কী ব্যবস্থা নিয়েছেন? কেন একসঙ্গে এভাবে পুড়ে গেল একাধিক দেহ? গন্ডগোলটা কোথায়? মূলত এসবই তার কাছে জানতে চেয়েছে সিবিআই। কীভাবে খুন হওয়ার পর আগুনে জীবন্তদের ভষ্মীভূত করা সম্ভব হল তা নিয়ে বিস্মিত কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। এর পিছনে আদৌ কী রহস্য রয়েছে তা উদ্ঘাটন করতে চাইছে সিবিআই।জানা গিয়েছে, ঘটনার রাতে রামপুরহাট থানা চত্বরে কী ঘটেছিল তা জানার জন্য সিসি ফুটেজ সংগ্রহ করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। সেই সময় থানায় কোন কোন আধিকারিকরা ছিলেন, ঘটনা নিয়ে পুলিশের কোনও ততপরতা ছিল কীনা থানায়, তা-ও খতিয়ে দেখতে চাইছে তদন্তকারীরা। একইসঙ্গে সিবিআই জানতে চাইছে ওই দিন থানায় কারা এসেছিলেন। তাঁদের মধ্যে সন্দেহভাজন কেউ আছে কীনা তা-ও দেখে নিতে চাইছে তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। এদিকে এদিন ফের মিহিলাল শেখকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিবিআই।

মার্চ ২৯, ২০২২
রাজ্য

দ্বিতীয় 'বগটুই' হতে যাওয়ার আগে রুখে দিল কাটোয়া থানার পুলিশ- অস্ত্রসস্ত্র সহ গ্রেপ্তার ৩ দুস্কৃতি

বিরোধী পক্ষের হাত থেকে খাসজমির দখল ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য বিপুল অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে অপেক্ষা করছিল দুস্কৃতি দল। তাঁদের পরিকল্পনা ছিল শনিবার গভীর রাতে পূর্ব বর্ধমানের শ্রীবাটি গ্রামে গিয়ে বিরোধী পক্ষের উপর হামলা চালানো। আর তেমনটা হলে হয়তো দ্বিতীয় বগটুই এর মত ঘটনা ঘটে যেতে পারতো। কিন্তু তা আর হতে দেয়নি কাটোয়া থানার পুলিশ। রাতেই অভিযান চালিয়ে কাটোয়া থানার পুলিশ অস্ত্রসস্ত্র সহ তিন দুস্কৃতিকে ধরে ফেলে। দুই দুস্কৃতি পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও দুস্কৃতি দলের সমস্ত পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে পেরে আপাত স্বস্তিতে কাটোয়া থানার পুলিশ।পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের নাম জামীর আলি মণ্ডল, বজরুল শেখ ওরফে কালো শেখ এবং সইদুল শেখ ওরফে ফুটো। ধৃতদের সকলের বাড়ি শ্রীবাটি গ্রামেই। পুলিশের দাবী ধৃতদের মজুত করা ৪ টি রাইফেল, ২৪ রাউন্ড রাইফেলের গুলি, একটি পিস্তল ও ২ রাউন্ড পিস্তলের গুলি এবং ১৬ টি সকেট বোমা উদ্ধার হয়েছে। দুস্কৃতিদের এত বিপুল অস্ত্র ভান্ডার দেখে চোখ কার্যত কপালে উঠে যায় পুলিশ কর্তাদের। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ তিন ধৃতকেই রবিবার পেশ করে কাটোয়া মহকুমা আদালতে। আরও আগ্নেআস্ত্র উদ্ধার ও পলাতক দুস্কূতিদের নাগাল পেতে তদন্তকারী অফিসার এদিন ধৃতদের ১২ দিন নিজেদের হেপাজতে নেওয়ার জন্য আদালতে আবেদন জানান। বিচারক সেই আবেদন মঞ্জুর করেছেন। হেপাজতে নেওয়া দুস্কৃতিদের জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে অস্ত্রসস্ত্রের উৎসের সন্ধান চালাচ্ছে।এছাড়াও দুস্কৃতিরা আর কোথাও অস্ত্র মজুত করে রেখেছে কিনা সেই বিষয়েও পুলিশ খোঁজ খবর নিচ্ছে ।উদ্ধার হওয়া শকেট বোমা নিস্কৃয় করার জন্য কাটোয়া থানার পুলিশ বোম ডিসপোজাল স্কোয়াডে খবর দিয়েছে।কাটোয়া থানার এক পুলিশ অফিসার জানান গ্রেপ্তারের পর ধৃতদের জিজ্ঞাবাদ চালানো হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায়, শ্রীবাটি গ্রামের একটি খাস জমি নিয়ে বজরুল শেখ এর সঙ্গে ওই গ্রামেরই অন্য আর একটি গোষ্ঠীর মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরে বিবাদ চলছে। বিবাদের কোন নিস্পত্তি হয় নি। তার কারণে বজরুল শেখ তাঁর বিরোধী পক্ষের উপরে প্রাণঘাতী হামলা চালানোর পরিকল্পনা চুড়ান্থ করে ফেলে। পরিকল্পনা মাফিক হামলার আগে বোমা, বন্দুক সহ অন্য আরো অস্ত্রসস্ত্র আগে থেকেই জোগাড় করে রাখা হয়েছিল। শনিবার রাতে বিরোধী পক্ষের উপর হামলার চালানোর চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত বজরুল নিয়ে ফেলেছিল। শনিবার গভীর রাতে তাঁরা গ্রামের এক জায়গায় অস্ত্রসস্ত্র হামলা চালানোর জন্য অপেক্ষা করছিল বজরুল শেখ ও তাঁর দলবল। কাটোয়া থানার পুলিশ গোপন সূত্রে সেই খবর পেয়ে গিয়ে অভিযান চালানোয় সব পরিকল্পনা ভেস্তে যায় বলে ধৃত দুস্কৃতিরা জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ কে জানিয়েছে।

মার্চ ২৭, ২০২২
রাজ্য

আগুন লাগানো হয়েছিল কীভাবে, বগটুই-তে গিয়ে খতিয়ে দেখছেন সিবিআইয়ের ডিআইজি

কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে বগটুই-কাণ্ডের তদন্ত গিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই-এর হাতে। তদন্তভার পাওয়ার পরদিনই অকুস্থলে ডিআইজি অখিলেশ সিংয়ের নেতৃত্বে সিবিআইয়ের বিশাল দল। শনিবার সকালে রামপুরহাট থানায় সিটের হাত থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কেস ডায়েরি-সহ মামলার সব নথি নিজেদের হাতে তুলে নেওয়ার পরই বগটুইয়ের উদ্দেশে রওনা দেন অখিলেশ। অন্য সিবিআই আধিকারিকের পাশাপাশি গ্রামে তাঁর জন্য অপেক্ষা করছিলেন ফরেন্সিক, কেমিক্যাল ও ব্যালিস্টিক বিশেষজ্ঞরা। পৌঁছতেই শুরু হয় তদন্তের কাজ। যা চলে প্রায় সারাদিন।ঘড়িতে সকাল এগারোটা বেজে পাঁচ মিনিট। রামপুরহাট থানা থেকে সিবিআইয়ের ডিআইজি অখিলেশ সিংয়ের গাড়ি রওনা দেয় বগটুইয়ের উদ্দেশে। তার আগেই সম্পূর্ণ হয়েছে রামপুরহাট থানায় মামলার আনুষ্ঠানিক হস্তান্তর। থানা থেকে সিবিআইয়ের একটি দল সোজা চলে যায় রামপুরহাট আদালতে। সেখানে মামলা হস্তান্তরের নথি জমা দেওয়া হয়। অখিলেশের গাড়ি চলে যায় বগটুই। গ্রামে পৌঁছেই শুরু হয় অকুস্থল ঘুরে দেখার কাজ। ডিআইজি নিজে ঘুরে দেখেন গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িগুলি। কথা বলেন, সেখানে উপস্থিত কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দার সঙ্গে।সিবিআই আধিকারিকদের পাশাপাশি আধুনিক যন্ত্রপাতি নিয়ে কাজে নেমে পড়েন সেন্ট্রাল ফরেন্সিক সায়েন্স ল্যাবরেটরির দল, কেমিক্যাল ও ব্যালিস্টিক বিশেষজ্ঞরা। ব্যবহার করা হয় থ্রিডি স্ক্যান। সোনা শেখ ও বানিরুল শেখের বাড়ির মধ্যে ফিতে দিয়ে দূরত্ব মাপার পাশাপাশি ব্যবহার করা হয় থ্রিডি স্ক্যান। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, বগটুই তদন্তে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল কী ভাবে অগ্নিসংযোগ করা হল। তা জানতে অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য থ্রিডি স্ক্যান। পাশাপাশি সোনা শেখের বাড়ির ছাদে উঠেও এলাকা জরিপ করেন তদন্তকারীরা। বোঝার চেষ্টা করেন, কোন দিক থেকে আক্রমণ এসেছিল। গ্রিল কেটে বাড়িতে ঢুকে আগুন লাগানো হয়, না কি বাইরে থেকে বোমা বা ওই জাতীয় কিছু ভিতরে ছুড়ে ফেলে আগুন লাগানো হয়, এটাই এখন বড় প্রশ্ন।

মার্চ ২৬, ২০২২
রাজনীতি

বগটুই কাণ্ডঃ 'অনুব্রত মন্ডলের কল রেকর্ড আগে ধরা উচিত,' দাবি শুভেন্দুর

সিবিআই তদন্তের নির্দেশের পরও রামপুরহাট কাণ্ডে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে বিজেপি। শনিবার রামপুরহাটে এসডিও অফিসের সামনে অবস্থান-বিক্ষোভ করে বিজেপি। চলবে রবিবারও। এদিন অবস্থানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অনুব্রত মন্ডল ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তুলোধোনা করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বীরভূমের অশান্তির জন্য দুজনকে দায়ী করেছেন তিনি।শুভেন্দু বলেন, প্রশাসনিক সভাতে একজন অশিক্ষিত তোলাবাজ, একজন গুন্ডা সর্দার জেলা সভাপতি হাজির থাকেন। প্রশাসনিক সভাতে তাঁকে বসিয়ে আইসি, ওসি, বিডিও, এসডিও, ডিএম, এসপিকে তিনি নির্দেশ দেন। তাঁর নির্দেশ, এই লোকটার কথা আপনাদের শুনে চলতে হবে। এভাবে গোটা জেলাতে প্রশাসনিক নিরপেক্ষতাকে ধংস করে দেওয়া হচ্ছে। গণতান্ত্রিক পরিবেশকে নষ্ট করে দিচ্ছে। তার ফল এই বগটুইয়ের মর্মান্তিক ঘটনা। শুভেন্দু বলেন, সিবিআই তদন্ত শুরু হয়েছে। এখন আমাদের দুটি দাবি আছে। পুলিশমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে। গোটা বীরভূম জুড়ে বছরের পর বছর ধরে যে খুন-সন্ত্রাস-লুটের রাজনীতি করছে তাঁদেরকে কঠিনতম শাস্তি দিতে হবে। মূলত এই দুই দাবিতে আমাদের অবস্থান। গত সোমবার বাড়শালের উপপ্রধান ভাদু শেখকে খুন করে দুষ্কৃতীরা। তারপর বগটুই গ্রামে ৮ জনকে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যা করা হয়। শুভেন্দুর দাবি, উপপ্রধানকে খুন করেছে তৃণমূল কংগ্রেসের লোকেরা। বখড়ার গন্ডগোল নিয়ে বিবাদ। পরবর্তী সময়ে দেড় ঘণ্টার মধ্যে পুরো বাইকবাহিনী ব্যবহার করে। ২০১৮ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিরোধী শূন্য করা হয়েছিল এই বাহিনী দিয়ে। এদের দিয়ে এবার পুরভোট লুঠ হয়েছে। পাথর ও বালু নিয়ে গোটা জেলা জুড়ে লুটের ব্যবসা চলছে। ভাদু শেখ ও আনারুলের মতো অজস্র বাড়ি আজ সর্বত্র তৈরি হয়েছে। তারা আগে ফাটা জামা পড়ত, সাইকেলে চড়ত, বিড়ি নিভিয়ে নিভিয়ে খেত, রাস্তার পাশে বসে তাস খেলত। মুখ্যমন্ত্রী হেলিকপ্টারে করে এসেছেন। তাঁর নাম এখন আকাশরাণী। বাম জমানায় সূচপুরে ১১ জন তৃণমূল কর্মী-সমর্থককে পিটিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠেছিল সিপিএমের বিরুদ্ধে। শুভেন্দু বলেন, সুচপুরের ঘটনায় সিপিএম শেষ হয়ে গিয়েছে, রামপুরহাটের ঘটনায় বীরভূম শুধু নয় বাংলা থেকে শেষ হয়ে যাবে তৃণমূল। শুধু খুনীদের ধরলে হবে না, শুধু বাইকবাহিনীকে ধরলে হবে না, যাঁরা ফোন করেছেন তাঁদের কল রেকর্ড ধরতে হবে। অনুব্রত মন্ডলের কল রেকর্ড আগে ধরা উচিত। তারপর পশ্চিমবঙ্গের পুলিশমন্ত্রীর কতবার কথা হয়েছে সেটা প্রকাশ্যে আসা উচিত। তিনি কী নির্দেশ দিয়েছিলেন সেটাও আসা উচিত। আমরা দাবি করব, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের ধরতে হবে।

মার্চ ২৬, ২০২২
রাজ্য

রামপুরকাণ্ডে হাইকোর্টের নির্দেশের পরই সিটের থেকে এফআইআর কপি চাইল সিবিআই

রামপুরহাট হত্যাকাণ্ডে ইতিমধ্যেই সিবিআইয়ের হাতে তদন্তভার তুলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। সূত্রের খবর, হাইকোর্টের সেই নির্দেশের পর রাজ্য পুলিশের সিটের সঙ্গে কথা বললেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের অফিসাররা। সিটের থেকে এফআইআরের কপি চাইলেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। মামলা রুজু করে তারপর কেস ডায়েরি হাতে নেবে সিবিআই। এদিকে সূত্র মারফত আরও জানা গিয়েছে, সিটের তরফেও তদন্তে সবরকম সাহায্য করা হবে বলে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে ফোনে জানানো হয়েছে।জানা গিয়েছে, কলকাতা হাইকোর্টের অর্ডার কপি হাতে পাওয়ার পরই সিবিআইয়ের গোয়েন্দারা যোগাযোগ করেন সিটের সদস্যদের সঙ্গে। এরপর ই-মেল মারফত এফআইআরের কপি চাওয়া হয়েছে বলে খবর। রামপুরহাটে মূলত দুটি ঘটনার তদন্ত চলছে। তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় নেতা তথা পঞ্চায়েত উপপ্রধান ভাদু শেখের খুন এবং তারপর সোনা শেখের বাড়ি-সহ এলাকার বেশ কিছু বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা। এক্ষেত্রে বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাতে রাজ্য পুলিশের তরফে যে এফআইআর করা হয়েছে, সেই এফআইআরের কপি চেয়ে পাঠিয়েছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা।জানা গিয়েছে, এই এফআইআর কপি হাতে পাওয়ার পর সিবিআই নিজেদের তদন্তকারী দল গঠন করবে। তারপর যত দ্রুত সম্ভব সেই তদন্তকারী দল রামপুরহাটের বগটুই গ্রামে পাঠাবে সিবিআই। এখনও পর্যন্ত সূত্র মারফত যা খবর, তাতে শনিবার সিবিআইয়ের তদন্তকারী দল যেতে পারে বগটুই গ্রামে। সেন্ট্রাল ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবের বিশেষজ্ঞ দল ইতিমধ্যেই বগটুই গ্রাম থেকে ঘুরে গিয়েছে।

মার্চ ২৫, ২০২২
রাজ্য

বগটুই নিয়ে হাইকোর্টের রায়, তৃণমূল কী বলছে?

বগটুই কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। এই রায়ের কোনও বিরোধিতা করবে না তৃণমূল কংগ্রেস, জানিয়েছেন দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। তবে তদন্ত নিয়ে রাজনীতি হলে গণ আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছেন কুণাল।তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষে কুণাল ঘোষ বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে সমস্ত অ্যাকশন হয়েছে। আমরা সিবিআই তদন্তের নির্দেশের বিরোধিতা করব না। আমরা সহযোগিতা করব। আমরা বলব সঠিক বিচার হোক। বিজেপির আর এক ভাই সিবিআই। সিবিআই বিজেপির পক্ষে। রাজ্য সরকার তো ব্যবস্থা নিয়েছে। রবীন্দ্রনাথের নোবেল চুরি, নন্দীগ্রামের ঘটনায় সিবিআই বিচার দিতে পারেনি। এ টু জেড সবই বিজেপির কেনা। দুদিন আগেই রাজ্যপাল বলেছেন, এবার কী হয় দেখতে পাবেন।এখনও সারদা, নারদা কাণ্ডের তদন্ত শেষ করতে পারেনি সিবিআই। তৃণমূল মুখপাত্রের হুঁশিয়ারি, যদি দেখা যায় ন্যায় বিচার হয়নি, নির্দিষ্ট ঘটনার পরিধি পার করে অন্য রাজনীতি করে তাহলে গণ আন্দোলন হবে। বৃহত্তর ষড়য়ন্ত্রের আড়াল করছে তার প্রতিবাদ হবে।

মার্চ ২৫, ২০২২
রাজ্য

বড় খবরঃ বগটুই কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

বগটুইকাণ্ডে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। প্রধান বিচারপতির তত্বাবধানে সিবিআই তদন্ত হবে। রাজ্য় সরকারের হাতে এই মামলা থাকছে না। উল্লেখ্য বগটুই মোড়ে স্থানীয় তৃণমূল উপপ্রধান ভাদু শেখ খুন হন। তারপরই বগটুই গ্রামের ৮ জনকে জীবন্ত পুড়িয়ে খুন করা হয়েছে। ইতিমধ্যে এই ঘটনায় সিট গঠন করা হয়েছে। তবে এদিন আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, শীঘ্রই ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করতে হবে সিবিআইকে। সিট আর কোনও তদন্ত করতে পারবে না। প্রধান বিচারপতি নিজেই স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এই মামলা করেছেন। আগামী ৭ এপ্রিলের মধ্যে প্রাথমিক রিপোর্ট দিতে বলেছে সিবিআইকে।রাজ্য আর তদন্ত করতে পারবে না। প্রধান বিচারপতি নির্দেশনামায় বলা হয়েছে, ২২ মার্চ সিট গঠন করা হয়েছিল। তবে কোনও উল্লেখনীয় পদক্ষেপ করা হয়নি। রামপুরহাট থানার কাছাকাছি গণহত্যার ঘটনা ঘটেছে। থানা থেকে কোনও পুলিশ আধিকারিক এসে গ্রামবাসীদের বাঁচানোর চেষ্টা করেনি। পুলিশ কর্মীদের তদন্তে একাধিক গাফিলতির কথা উল্লেখ রয়েছে। ঘটনাস্থলে টাওয়ার ডাম্পিং টেকনোলজি ব্যববার করা হয়েছে কীনা, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।এদিকে এদিন বিধানসভায় লাগাতার বিক্ষোভ দেখাচ্ছে বিজেপি। রাজ্য সরকারকে বিবৃতি দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছে বিজেপি। এদিন নির্দিষ্ট ভাবে বিজেপির দাবি, মুখ্যমন্ত্রীকে বিবৃতি দিতে হবে। বিধানসভায় না জানিয়ে বাইরে কেন বলছেন মুখ্যমন্ত্রী। বিধানসভাকে অন্ধকারে রেখে যা খুশি করছে রাজ্য সরকার। টানা এদিন ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখিয়েছে বিজেপি বিধায়করা।

মার্চ ২৫, ২০২২
রাজ্য

ব্লক তৃণমূল সভাপতি গ্রেফতারে ক্ষুব্ধ অনুগামীরা, সাসপেন্ড আইসি

রামপুরহাটে বগটুই গ্রামে মুখ্য়মন্ত্রীর ঘোষণার পরই পুলিশ গ্রেফতার করেছে রামপুরহাট ১ নম্বর ব্লক তৃণমূল সভাপতি আনারুল হোসেনকে। একইসঙ্গে রামপুরহাট থানার আইসিকে সাসপেন্ড করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। বগটুই-কাণ্ডে তারাপীঠের একটি লজ থেকে থেকে আনারুলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। জানা গিয়েছে, জেলাপুলিশ সুপার তারাপীঠ থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করছেন আনারুলকে। তবে আনারুলের গ্রেফতারের খবরে ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন তাঁর অনুগামীরা।বৃহস্পতিবার বগটুই গ্রামে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে পুলিশ-প্রশাসনের কর্তারা হাজির করেন নিহতদের পরিবারের সদস্যদের। এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রামপুরহাট ১ নম্বর ব্লক তৃণমূলের সভাপতি আনারুল হকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তার আগে নিহতদের পরিবার মুখ্যমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ করে আনারুলকে জানানো সত্বেও সে কোনও পদক্ষেপ করেনি। মুখ্যমন্ত্রী মনে করেন, অশান্তির আঁচ পেয়েও আনারুল পুলিশকে খবর দেননি। পুলিশকে প্রথমেই খবরটা জানালে এত বড় ঘটনা হয়তো আটকানো যেত বলে মনে করছেন মুখ্যমন্ত্রী। বগটুই গ্রাম থেকেই আনারুলকে গ্রেফতার করার নির্দেশ দেন ডিজিকে। মমতা বলেন, আনারুল আত্মসমর্পণ করুক, নতুবা গ্রেফতার করবে পুলিশ। তবে আনারুলের অনুগামীদের বক্তব্য, তিনি ভাল মানুষ। সাধারণ মানুষের পাশে থাকেন আনারুল। তাঁকে ফাঁসিয়ে দেওয়া হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পরই আনারুলের বাড়িতে ছোটে পুলিশ। বাড়িতে ছিলেন না ব্লক তৃণমূল সভাপতি। সূত্রের খবর, আনারুল হোসেনকে তারপীঠের লজ থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারের খবরে আনারুলের অনুগামীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তাঁকে ফাঁসানোর অভিযোগ তুলেছেন তাঁর অনুগামীরা।

মার্চ ২৪, ২০২২

ট্রেন্ডিং

সম্পাদকীয়

ক্ষমতার শীর্ষ থেকে অনিশ্চয়তার কিনারায়, মমতা-অভিষেকের সামনে কঠিন প্রশ্ন

দেহপট সনে নট সকলি হারায় মঞ্চে বা পর্দায় যে নট-নটিরা অসংখ্য মানুষের চোখের পর্দায় বিচরণ করেন তাঁদের সম্পর্কে কবির এই নিদান। গ্ল্যামারের ছটায় যে সাফল্য আসে নট-নটিদের, তার জনমোহিনী আকর্ষণ শরীরে বয়স থাবা বসানোর সঙ্গে সঙ্গে অতি দূরের নির্জন দ্বীপের চেহারা নেয়। তবে, রাজনীতির মঞ্চে কালের এই নিয়ম আলাদা। সেখানে বয়স নয়, ক্ষমতার মসনদ ই মাপকাঠি হয়ে দাঁড়ায়। ক্ষমতার মসনদের উপরে ও নিচে কোথায় অবস্থান তা নির্দিষ্ট করে দেয় খেলার নিয়ম। এই মুহূর্তে এই অনুভব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে বেশি কেউ বুঝছেন না। শুধু ক্ষমতা হারানো নয় ১৯৯৮ সালে যে দলটা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন সেই দলটাই তাঁর মুঠোয় আর থাকবে কি না সেই প্রশ্ন ই এখন সামনে এসে দাঁড়িয়েছে মমতার। ভারতীয় রাজনীতির ইতিহাস বলছে ব্যক্তি নির্ভর দলের বোধহয় এটাই ভবিতব্য। ইংরেজিতে একটা কথা আছে nothing succeeds like success। নতুন দল তৈরির পর থেকেই সাফল্যের মুখ দেখেননি মমতা। ধীরে ধীরে রাজ্যের বিরোধী পরিসরে তিনি জায়গা পেয়েছেন। অবশেষে, সিঙ্গুর, নন্দীগ্রাম পর্ব পেরিয়ে ২০০৮ এর পঞ্চায়েত নির্বাচন থেকে ক্ষমতার বিন্দুর দিকে যাত্রা শুরু হয় মমতার। ২০০৯ এর লোকসভা, ২০১০ এর পুরসভা ও পৌরসভার নির্বাচন এর পরপর ২০১১ এর বিধানসভা নির্বাচনে সেই বিন্দুর স্পর্শ পেয়েছেন তিনি। তারপরে তো দল এবং সরকারে তিনিই ছিলেন শেষকথা। ক্ষমতায় থাকার জন্য দলের সাংগঠনিক কাঠামোকে মজবুত করতে নিচুতলার কর্মী থেকে নেতা - মন্ত্রীদের বেপরোয়া ক্ষমতার ব্যবহার ও দূর্নীতিকে প্রশ্রয় দিয়েছেন। অন্যদিকে, দলে তাঁর উত্তরসূরি হিসেবে অভিষেক বন্দোপাধ্যায়কে প্রতিষ্ঠিত করতে একের পর এক ঘুঁটি সাজিয়েছেন। এই সবই ছিল ক্ষমতার মসনদে বসে থাকাকালীন সময়ের ঘটনা প্রবাহ। কিন্তু, ২০২৬ সালের ৪ মে বিধানসভা নির্বাচনের ফল বেরোনোর পরে পরিস্থিতি আমূল বদলে গিয়েছে। দলের টিকিটে ল্যাম্পপোস্ট দাঁড় করালেও মমতার নামে তিনি বৈতরণী পেরিয়ে যাবেন - দলের মধ্যে এই যে myth তৈরি হয়েছিল তা আজ অতীত। এখন তো তাঁর নামে একটি কর্মসূচিতেও দলের নেতা কর্মীদের দূরবীন দিয়ে খুঁজতে হবে। এই পরিস্থিতিতে আমার মনে হয় মমতার থেকে ও অনেক অনেক বেশি কঠিন কঠোর বাস্তব এসে দাঁড়িয়েছে অভিষেকের সামনে। মমতার পক্ষে তাঁকে ব্রাত্য করা অসম্ভব হলেও দলের নেতা, বিধায়ক, কর্মীদের কাছে নয়। কারণ অভিষেক দলের মধ্যে যেখানে ছিলেন তা তাঁর রাজনৈতিক পরিশ্রমের ফল নয়। ক্ষমতার সোপানে পা রেখেই তাঁর যাত্রা শুরু। দলের নেতা, বিধায়ক ও কর্মীদের তা অজানা নয়। ফলে এখন পরীক্ষা অভিষেকের। এতদিন তিনি digital space এ রাজনীতি করে এসেছেন, এবার নামতে হবে রাজনীতির রুক্ষ মাঠে, রাস্তায়। এই রাস্তা, মাঠে তাঁর জন্য কোন বাস্তব অপেক্ষা করে আছে তা তিনি আঁচ পেয়েছেন সোনারপুরের রাস্তায়। তিনি কি দলের ভাঙন ঠেকাতে পারবেন? সাফল্যের নিচে যে অন্ধকার থাকে তার সঙ্গে কি মানিয়ে চলতে পারবেন? দলের মধ্যে যাঁরা মাঠে - ময়দানে লড়াইতে, অভিজ্ঞতায় তাঁর থেকে এগিয়ে রয়েছেন তাঁদের সঙ্গে পা মেলাতে পারবেন? এইগুলোই এখন দাঁড়িয়ে রয়েছে কালীঘাট ও হরিশ মুখার্জি রোডের দরজায়।

জুন ০৯, ২০২৬
রাজ্য

মমতার হাত ছেড়ে শুভেন্দুর মঞ্চে দেব! কোলাঘাটে দেখা যেতেই তুঙ্গে জল্পনা

রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমশ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক সাংসদ এনডিএ শিবিরে যোগদানের ইচ্ছা প্রকাশ করার পর থেকেই নতুন সমীকরণ নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। এই আবহেই কোলাঘাটে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিলেন ঘাটালের সাংসদ দেব, যা ঘিরে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে।সোমবার তৃণমূলের উনত্রিশ জন সাংসদের মধ্যে কুড়ি জন একসঙ্গে লোকসভার স্পিকারের কাছে চিঠি দিয়েছেন বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়। সেই বিদ্রোহী সাংসদদের তালিকায় দেবের নামও উঠে আসে। এর পরদিনই তাঁকে দেখা যায় কোলাঘাটের প্রশাসনিক বৈঠকে।মঙ্গলবার পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রাম জেলার প্রশাসনিক কাজকর্ম পর্যালোচনা করতে কোলাঘাটের বলাকা মঞ্চে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে বিভিন্ন সরকারি আধিকারিক, সাংসদ এবং বিধায়কেরা উপস্থিত ছিলেন। জুন মালিয়া-সহ একাধিক পরিচিত রাজনৈতিক মুখও ছিলেন সভায়।বেলা প্রায় বারোটা নাগাদ সভাস্থলে পৌঁছন দেব। মুখ্যমন্ত্রীর পর তিনিই শেষের দিকে মঞ্চে প্রবেশ করেন এবং মূল মঞ্চেই আসন গ্রহণ করেন। তাঁর উপস্থিতি স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলের নজর কেড়েছে।সভায় পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার একাধিক সাংসদ ও বিধায়ক উপস্থিত ছিলেন। মূল মঞ্চে দেবের পাশাপাশি বসেছিলেন সৌম্যেন্দু অধিকারী, অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এবং জুন মালিয়া।রুপোলি পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা দেবের রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরেই। ঘাটাল কেন্দ্র থেকে একাধিকবার সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। একসময় রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছাও প্রকাশ করেছিলেন। তবে পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আলোচনা করে সেই সিদ্ধান্ত বদলান।সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনের সময়ও তৃণমূলের প্রচারে সক্রিয় ভূমিকা নিতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। বিভিন্ন প্রচারসভায় অংশগ্রহণ করেছিলেন তিনি। তবে নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর বিজেপির জয়ের জন্য সামাজিক মাধ্যমে শুভেচ্ছা জানানো পোস্ট নিয়েও যথেষ্ট আলোচনা হয়েছিল।এই পরিস্থিতিতে শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকে দেবের উপস্থিতি রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। যদিও এই বিষয়ে দেবের পক্ষ থেকে কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে তাঁর এই উপস্থিতি শুধুই প্রশাসনিক বৈঠকের অংশ, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও রাজনৈতিক বার্তা রয়েছে, তা নিয়েই এখন জোর চর্চা চলছে।এদিন ঝাড়গ্রাম জেলা প্রশাসনের একাধিক আধিকারিকও প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিতে বাসে করে কোলাঘাটে পৌঁছন। বৈঠকে তিন জেলার উন্নয়নমূলক কাজ এবং প্রশাসনিক বিষয়গুলি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

জুন ০৯, ২০২৬
কলকাতা

ইউনেস্কোর নাম ভাঙিয়ে কোটি টাকার কারবার? প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনকে ঘিরে বিস্ফোরক অভিযোগ

দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে বড় আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠল সঙ্গীতশিল্পী ও প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন এবং তাঁর স্ত্রী মধুছন্দা সেনের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে প্রিপুজো প্রদর্শনীর টিকিট বিক্রি করে বিপুল অঙ্কের অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছে। এই ঘটনায় বউবাজার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন আন্তর্জাতিক পর্যটন সংক্রান্ত পরামর্শদাতা জয়দীপ মুখোপাধ্যায়।অভিযোগকারী জয়দীপ মুখোপাধ্যায়ের দাবি, দুই হাজার বাইশ সালে একটি সংস্থা তৈরি করা হয়, যার প্রধান ছিলেন মধুছন্দা সেন। সেই সংস্থার পক্ষ থেকে প্রচার করা হয় যে ইউনেস্কো তাদের সহযোগী সংস্থা হিসেবে যুক্ত রয়েছে। পাশাপাশি দাবি করা হয়, কলকাতার চব্বিশটি দুর্গাপুজোকে ইউনেস্কো বিশেষভাবে নির্বাচন করেছে। কিন্তু পরে জানা যায়, এই দাবির কোনও সত্যতা নেই।জয়দীপ মুখোপাধ্যায়ের অভিযোগ, ইউনেস্কোর নাম ও প্রতীক ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করা হয়েছিল। তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে তিনি ইউনেস্কোর প্যারিস এবং দিল্লি অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে ইউনেস্কোর পক্ষ থেকেও তাঁর সঙ্গে কথা বলা হয়। সেখানে তাঁকে জানানো হয়, সংশ্লিষ্ট কোনও সংস্থার সঙ্গে ইউনেস্কোর কোনও চুক্তি বা আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক ছিল না।দুই হাজার একুশ সালে বাংলার দুর্গাপুজো আন্তর্জাতিক ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পাওয়ার পরের বছর থেকেই এই কার্যক্রম শুরু হয় বলে অভিযোগ। ওই সংস্থা কলকাতার নির্বাচিত কিছু দুর্গাপুজোর থিম এবং শিল্পকর্ম আগেভাগে প্রদর্শনের আয়োজন করত। সেই প্রদর্শনী দেখার জন্য দর্শকদের কাছ থেকে টিকিটের বিনিময়ে অর্থ নেওয়া হত। অভিযোগ, এই পুরো আয়োজনকে ইউনেস্কোর যৌথ উদ্যোগ বলে প্রচার করা হয়েছিল।জয়দীপ মুখোপাধ্যায়ের আরও দাবি, গত তিন বছরে এই টিকিট বিক্রি থেকে কোটি কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, বিভিন্ন পুজো কমিটি খুব সামান্য অংশ পেয়েছে, আর বাকি অর্থ সংস্থার কাছে গিয়েছে। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, যেসব পুজোকে এই সংস্থা বেছে নিত, সেগুলিই পরে বিভিন্ন পুরস্কার এবং বড় স্পনসরশিপ পেত।তবে সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন ইন্দ্রনীল সেন। তাঁর বক্তব্য, অভিযোগকারীকে তিনি চেনেন না এবং তাঁর সঙ্গে কোনও পরিচয়ও নেই। তিনি বলেন, তিনি কোনওদিন কোনও দুর্গাপুজো কমিটির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন না। তাঁর মতে, এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তিনি আরও জানান, তাঁর স্ত্রী একজন শিল্পী ও আলোকচিত্রী। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংস্থার সঙ্গে তাঁর কাজের সম্পর্ক রয়েছে। প্রয়োজন হলে তিনি আইনি পদক্ষেপও করবেন বলে জানিয়েছেন।অন্যদিকে অভিযোগকারী জানিয়েছেন, কলকাতা পুলিশের কমিশনার, রাজ্য পুলিশের মহাপরিচালক এবং বউবাজার থানার কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের সমর্থনে একাধিক নথি এবং তথ্যও তদন্তকারীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি তাঁর।এই অভিযোগের সত্যতা এখনও তদন্তসাপেক্ষ। তবে প্রাক্তন মন্ত্রীকে ঘিরে ওঠা এই নতুন বিতর্ক ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক মহলে ব্যাপক চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে।

জুন ০৯, ২০২৬
বিদেশ

লাখ ডলারের এইচ-ওয়ান-বি ভিসা ফি বাতিল, আদালতের রায়ে স্বস্তি ভারতীয় কর্মীদের

আমেরিকায় কাজ করতে ইচ্ছুক ভারতীয়দের জন্য বড় স্বস্তির খবর। এইচ-ওয়ান-বি ভিসার জন্য অতিরিক্ত এক লক্ষ ডলারের ফি বাতিল করে দিয়েছে আদালত। বস্টনের একটি জেলা আদালত জানিয়েছে, এই অতিরিক্ত ফি আরোপের সিদ্ধান্ত আইনসম্মত ছিল না। ফলে ট্রাম্প প্রশাসনের নেওয়া সেই সিদ্ধান্ত আর কার্যকর থাকবে না।এই রায়ের ফলে ভারতীয়-সহ বহু বিদেশি কর্মী স্বস্তি পেলেও রাজনৈতিকভাবে অস্বস্তিতে পড়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর আগেও তাঁর একাধিক সিদ্ধান্ত আদালতের প্রশ্নের মুখে পড়েছিল। এবার ভিসা সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তও আইনি ধাক্কা খেল।গত বছর ট্রাম্প প্রশাসন ঘোষণা করেছিল, এইচ-ওয়ান-বি ভিসার জন্য আবেদন করতে গেলে আগের তুলনায় অনেক বেশি অর্থ দিতে হবে। আগে বিভিন্ন ফি মিলিয়ে সাধারণত কয়েক হাজার ডলার খরচ হতো। কিন্তু নতুন নিয়মে সেই খরচ এক ধাক্কায় এক লক্ষ ডলার পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল।প্রশাসনের দাবি ছিল, বিদেশি কর্মী নিয়োগ কমিয়ে মার্কিন নাগরিকদের জন্য আরও বেশি চাকরির সুযোগ তৈরি করাই এই সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য। দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ উঠছিল, অনেক সংস্থা কম বেতনে বিদেশি কর্মী নিয়োগ করছে। এতে স্থানীয় কর্মসংস্থানের উপর প্রভাব পড়ছে বলে মনে করা হচ্ছিল।তবে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হয় একাধিক অঙ্গরাজ্য। তাদের দাবি ছিল, এত বড় অঙ্কের ফি নির্ধারণ করার ক্ষমতা এককভাবে প্রেসিডেন্টের নেই। এমন সিদ্ধান্ত নিতে হলে কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন।মামলার শুনানির পর বিচারক জানান, কংগ্রেসের অনুমতি ছাড়া প্রেসিডেন্ট এই ধরনের অতিরিক্ত ফি চাপাতে পারেন না। সেই কারণেই ট্রাম্প প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে বেআইনি ঘোষণা করে তা বাতিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এই রায়ের সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়বে ভারতীয়দের উপর। কারণ প্রতি বছর এইচ-ওয়ান-বি ভিসা পাওয়া বিদেশিদের মধ্যে ভারতীয়দের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি। তথ্যপ্রযুক্তি, প্রকৌশল, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং আর্থিক ক্ষেত্রের বহু দক্ষ ভারতীয় পেশাদার এই ভিসার মাধ্যমে আমেরিকায় কাজ করেন।বর্তমানে প্রতি বছর প্রায় পঁয়ষট্টি হাজার সাধারণ এইচ-ওয়ান-বি ভিসা দেওয়া হয়। এছাড়াও মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য অতিরিক্ত কুড়ি হাজার ভিসার ব্যবস্থা রয়েছে। আদালতের এই রায়ের ফলে আমেরিকায় কাজের সুযোগ খুঁজছেন এমন বহু ভারতীয় পেশাদারের জন্য পথ আরও সহজ হয়ে গেল বলে মনে করা হচ্ছে।

জুন ০৯, ২০২৬
কলকাতা

আর জি কর নিয়ে বিস্ফোরক কল্যাণ! “সত্যি জানলে সিবিআইকে বলুন”, কাকলি-শর্মিলাকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ

আর জি কর কাণ্ড এবং অভয়া ইস্যুকে ঘিরে ফের সরগরম রাজ্য রাজনীতি। দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠকে তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দলের বিদ্রোহী সাংসদ-বিধায়কদের তীব্র আক্রমণ করেন। সেই সঙ্গে আর জি কর কাণ্ড নিয়ে এমন কিছু মন্তব্য করেন, যা ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।ছাব্বিশের নির্বাচনে আর জি কর কাণ্ড এবং অভয়ার মৃত্যুর ঘটনা বড় রাজনৈতিক ইস্যু হয়ে উঠেছিল। মেয়ের মৃত্যুর বিচার চেয়ে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়েছিলেন অভয়ার মা রত্না দেবনাথ। ভোটারদের সমর্থনও পেয়েছেন তিনি। এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে তৃণমূলের একাধিক বিদ্রোহী নেতা ও সাংসদের মুখে বারবার উঠে এসেছে আর জি করের প্রসঙ্গ।এই আবহেই দিল্লিতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বিদ্রোহীদের একহাত নেন। তিনি বলেন, আর জি কর ইস্যুতে চিকিৎসক সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার এবং শর্মিলা সরকারকে কখনও আন্দোলনের পথে দেখা যায়নি। এরপরই তিনি তাঁদের উদ্দেশে বলেন, আর জি করে কী হয়েছিল, পারলে সিবিআইকে গিয়ে সত্যি বলুন।কল্যাণের এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিরোধীদের একাংশের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই আর জি কর কাণ্ডে তৎকালীন রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তথ্য গোপনের অভিযোগ উঠেছে। কল্যাণের মন্তব্য সেই বিতর্ককেই আবার সামনে নিয়ে এসেছে বলে মনে করছেন অনেকে।এদিন বিদ্রোহী নেতাদেরও কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন তৃণমূল সাংসদ। তিনি বলেন, দলের অধিকাংশ বিদ্রোহী নেতা দীর্ঘদিন ক্ষমতার কাছাকাছি থাকার সুবিধা ভোগ করেছেন। এখন পরিস্থিতি বদলাতেই তাঁরা অন্য পথে হাঁটছেন। তাঁদের বিশ্বাসঘাতক এবং সুখের পায়রা বলেও কটাক্ষ করেন কল্যাণ।তিনি আরও দাবি করেন, বিজেপি শেষ পর্যন্ত এই নেতাদের গ্রহণ করবে না। কারণ তাঁদের অতীতের নানা তথ্য বিজেপির কাছেও রয়েছে। পাশাপাশি অভিনেত্রী-রাজনীতিকদেরও নিশানা করে তিনি বলেন, অনেকেই দলের পুরনো কর্মীদের অবদান ভুলে গিয়েছেন।অভয়ার মায়ের বিজেপিতে যোগদান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে এত অভিযোগ থাকার পরেও কেন অভয়ার মা বিজেপিতে যোগ দিলেন, সেই প্রশ্নের উত্তর পাওয়া প্রয়োজন।তবে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝেও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ। তিনি বলেন, তিনি অতীতেও দলের নেত্রীর পাশে ছিলেন, এখনও আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন। তাঁর কথায়, অন্যদের কাছে টাকা, ক্ষমতা এবং প্রশাসনিক প্রভাব থাকতে পারে, কিন্তু তাঁর কাছে রয়েছে মা-মাটি-মানুষের আদর্শ।

জুন ০৯, ২০২৬
রাজ্য

দু’দিনের মধ্যেই উত্তরবঙ্গে বর্ষার প্রবেশের সম্ভাবনা, একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টি ও কালবৈশাখীর সতর্কতা

ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় কালবৈশাখী এবং বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে।ইতিমধ্যেই কেরলে বর্ষার প্রবেশ হয়েছে। পাশাপাশি নাগাল্যান্ড, মণিপুর, মিজোরাম এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের আরও কয়েকটি অঞ্চলে মৌসুমি বায়ু পৌঁছে গিয়েছে। আবহাওয়া দপ্তরের অনুমান, খুব শীঘ্রই উত্তরবঙ্গের পাশাপাশি সিকিম ও ওড়িশার কিছু অংশেও বর্ষা ঢুকে পড়বে। এদিকে উত্তরপ্রদেশের উপর একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হওয়ায় আবহাওয়ার পরিস্থিতিতে আরও পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।উত্তরবঙ্গে ইতিমধ্যেই প্রাক-বর্ষার বৃষ্টি শুরু হয়েছে। সপ্তাহজুড়ে প্রায় সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্তভাবে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।আজ আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহার জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। দার্জিলিং ও কালিম্পংয়েও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আগামীকাল দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়ি জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।দক্ষিণবঙ্গেও আগামী কয়েকদিন বিক্ষিপ্তভাবে ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পাশাপাশি ঘণ্টায় ত্রিশ থেকে চল্লিশ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। কোথাও কোথাও হাওয়ার গতি পঞ্চাশ থেকে ষাট কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছতে পারে।আজ বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলায় ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি। আগামীকাল পরিস্থিতি আরও তীব্র হতে পারে। পূর্ব বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, উত্তর চব্বিশ পরগনা এবং হুগলি জেলায় ঘণ্টায় প্রায় ষাট কিলোমিটার বেগে কালবৈশাখী হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।ফলে আগামী কয়েকদিন রাজ্যের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে বজ্রপাত এবং ঝোড়ো হাওয়ার সময় নিরাপদ স্থানে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

জুন ০৯, ২০২৬
কলকাতা

উধাও অরূপ বিশ্বাস! ফোন বন্ধ, মিলছে না টাওয়ার লোকেশন, চাপে পুলিশ

মেসি কাণ্ডে জটিলতা আরও বাড়ল রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসকে ঘিরে। সোমবার থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত তাঁর সঙ্গে কোনওভাবেই যোগাযোগ করতে পারেনি পুলিশ। এমনকি তাঁর মোবাইল ফোনের টাওয়ার লোকেশনও খুঁজে পাওয়া যায়নি বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।বিধাননগর পুলিশ সূত্রের খবর, অরূপ বিশ্বাসের অবস্থান সম্পর্কে এখনও কোনও নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। কলকাতা পুলিশের কাছ থেকেও তাঁর খোঁজ সংক্রান্ত কোনও তথ্য মেলেনি। গোটা বিষয়টি আদালতের সামনে তুলে ধরা হবে বলে জানিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা।এর আগে মেসি কাণ্ডে গ্রেফতারের আশঙ্কা থেকে রক্ষাকবচ চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টে আবেদন করেছিলেন অরূপ বিশ্বাস। তাঁর আইনজীবী জরুরি ভিত্তিতে মামলার শুনানির আবেদন জানালেও বিচারপতি সেই আবেদন গ্রহণ করেননি। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, এই মুহূর্তে জরুরি শুনানির অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়।আদালত থেকে স্বস্তি না মেলার পরই সোমবার দুপুরে অরূপ বিশ্বাসের নিউ আলিপুরের সাহাপুর এলাকার ফ্ল্যাটে পৌঁছয় পুলিশ। তদন্তের স্বার্থে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হওয়া তাঁর ভাই স্বরূপ বিশ্বাসকেও সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়। ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালানো হলেও অরূপ বিশ্বাসকে পাওয়া যায়নি।উল্লেখ্য, মেসি কাণ্ডে এখনও থানায় হাজিরা দেননি প্রাক্তন মন্ত্রী। অন্যদিকে যৌন নির্যাতন-সহ একাধিক গুরুতর অভিযোগে আগেই গ্রেফতার হয়েছেন তাঁর ভাই স্বরূপ বিশ্বাস। তাঁকে সঙ্গে নিয়ে বেহালার সাহাপুর কলোনির বাড়িতেও তল্লাশি চালায় বিশাল পুলিশ বাহিনী।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘ সময় ধরে চলা সেই তল্লাশির সময় একটি রহস্যময় ঘরের সন্ধান পাওয়া যায়। ওই ঘর এবং সেখানে পাওয়া বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণ খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এরই মধ্যে অরূপ বিশ্বাসের অবস্থান নিয়ে রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে।প্রাক্তন মন্ত্রীর খোঁজে একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। তবে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাঁর অবস্থান সম্পর্কে কোনও নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

জুন ০৯, ২০২৬
কলকাতা

গভীর রাতে আবাসনে পুলিশের হানা! গ্রেফতার তৃণমূল নেতা সব্যসাচী দত্ত

তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার করা হল তৃণমূল নেতা সব্যসাচী দত্তকে। সোমবার গভীর রাতে রাজারহাটের রাইগাছি এলাকার একটি অভিজাত আবাসন থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ। মঙ্গলবার আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময় সব্যসাচী দাবি করেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই পুরনো একটি মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েকদিন আগে সল্টলেকের এক ব্যবসায়ী সব্যসাচী দত্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে তাঁকে ভয় দেখানো হচ্ছিল এবং টাকা দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল। তোলাবাজির অভিযোগও তোলা হয়। অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত শুরু করে পুলিশ।তদন্তের সূত্র ধরে সোমবার গভীর রাতে রাইগাছির একটি আবাসনে পৌঁছয় পুলিশের বড় দল। সেখান থেকেই সব্যসাচী দত্তকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁর গ্রেফতারির খবর প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।একসময় রাজারহাট-নিউটাউন এলাকার অন্যতম প্রভাবশালী নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন সব্যসাচী। তিনি দীর্ঘদিন তৃণমূলের হয়ে রাজনীতি করেছেন। দুই হাজার এগারো সাল থেকে দুই হাজার উনিশ সাল পর্যন্ত রাজারহাট-নিউটাউন কেন্দ্রের বিধায়ক ছিলেন তিনি।পরবর্তীতে দুই হাজার উনিশ সালে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন। দলবদলের পর দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিধাননগর কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থীও হন। তবে সেই নির্বাচনে তৃণমূল নেতা সুজিত বসুর কাছে পরাজিত হন।এরপর আবার তৃণমূলে ফিরে আসেন সব্যসাচী দত্ত। দুই হাজার বাইশ সালের বিধাননগর পুরসভা নির্বাচনে একত্রিশ নম্বর ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। পরে তাঁকে পুরবোর্ডের চেয়ারম্যানও করা হয়।সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে বারাসত কেন্দ্র থেকে তৃণমূল তাঁকে প্রার্থী করেছিল। তবে সেই নির্বাচনে জয় পেতে পারেননি তিনি। পরে তাঁকে বারাসত সাংগঠনিক জেলার চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হয়।এই পরিস্থিতিতে সব্যসাচীর গ্রেফতারিকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। একদিকে পুলিশের দাবি, অভিযোগের ভিত্তিতেই পদক্ষেপ করা হয়েছে। অন্যদিকে সব্যসাচীর অভিযোগ, তাঁর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

জুন ০৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal