• ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩, সোমবার ১১ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

BjP

দেশ

আমেরিকার দাবি খারিজ, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে হুঙ্কার ছাড়লেন নরেন্দ্র মোদি

জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি স্পষ্ট করেন, পাকিস্তান পর্যদুস্ত হওয়ার পর ভারতের সেনা কর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে। পাকিস্তানই যে যুদ্ধবিরতি চেয়েছে তা জানিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এখানে আমেরিকার যে কোনও ভূমিকা নেই সেকথা স্পষ্টই বললেন নরেন্দ্র মোদি। মোদি নিউক্লিয়ার ব্ল্যাকমেইল যে মানবেন না তাও জানিয়ে দিয়েছেন মোদি। পাশাপাশি পাকিস্তানের সঙ্গে কথা বললে সন্ত্রাসবাদ বা পাক অধিকৃত কাশ্মীর নিয়ে কথা বলতে হবে।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, অপারেশন সিন্দুর বন্ধ হয়নি। স্থগিত করা হয়েছে। পাকিস্তান আমাদের স্কুল, কলেজ, গুরুদোয়ারা, মন্দির, নাগরিকদের ঘরকে নিশানা করেছে। পাকিস্তানের মুখোশ খুলে গিয়েছে। পাকিস্তানের ড্রোন, মিসাইল ধংস করেছে। ভারতের মিসাইল, ড্রোন হামলা করেছে। পাকিস্তানের বায়ুসেনার এয়ারবেসকে লোকসান করেছে। পাকিস্তান বাঁচার রাস্তা খুঁজতে শুরু করে। ১০ মে দুপুরে পাকিস্তানের সেনা আমাদের ডিজিওএমের সঙ্গে কথা বলবে। মোদি বলেন, পাকিস্তানের বুকে সন্ত্রাসীদের ঘাঁটি ধংস করা হয়। এখন অপারেশন সিন্দুর স্থগিত করেছি। সামনের দিনে পাকিস্তানের সব পদক্ষেপের ওপর নজর রাখা হবে। ভারতের তিন সেনা এয়ার ফোর্স, আর্মি ও নেভি, তাছাড়া বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স ও অন্য আধিসামরিক বাহিনী এলার্ট আছে। সার্জিক্যাল ও এয়ার স্ট্রাইকের পর অপরেশন সিন্দুর ভারতের নয়া হাতিয়ার। নিউ নরমাল। ভারতে আতঙ্কবাদীদের হামলা হলে মুতোড় জবাব দেওয়া হবে। আমাদের মতো জবাব দেব। কোনও নিউক্লিয়ার ব্ল্যাকমেইল ভারত সহ্য করবে না। আতঙ্কবাদী ও সরকারকে ভারত আলাদা ভাবে দেখবে না। মরে যাওয়া আতঙ্কবাদীদের সৎক্রিয়া কর্মের সময় ওদের আধিকারিকরা ছিলেন। যুদ্ধের ময়দানে পাকিস্তানকে ধুলো চাটিয়েছি। মরুভূমি ও পাহাড়ে ক্ষমতার প্রদর্শন করেছি। মেড ইন ইন্ডিয়া হাতিরায় প্রমান করেছি। একুশ শতকের যুদ্ধে ভারতের তৈরি প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম বেশ কার্যকরী। দেশবাসীর সবাইকে একজোট থাকতে হবে। এই যুগ যুদ্ধের নয়, তবে আতঙ্কবাদীদেরও নয়। জিরো টলারেন্স জঙ্গিদের বিরুদ্ধে। সন্ত্রাসীদের পুষলে আতঙ্কবাদীরাই পাকিস্তানকে সমাপ্ত করে দেবে। জঙ্গিদের পরিকাঠামো ধংস করতে হবে। এর বাইরে কোনও রাস্তা নেই। সন্ত্রাস, কথা এতসঙ্গে হয়না। টেরর ও ট্রেড একসঙ্গে হয় না। জল ও রক্ত এক সঙ্গে বইতে পারে না। পাকিস্তানের সঙ্গে সন্ত্রাসী, পাক অধিকৃত কাশ্মীর নিয়েই কথা হবে।

মে ১২, ২০২৫
রাজ্য

আদালতের নির্দেশে মেনে মুর্শিদাবাদে শুভেন্দু, দিলেন নিরাপত্তার আশ্বাস

শর্তসাক্ষেপে কলকাতা হাইকোর্টের অনুমতি মিলতেই শনিবার মুর্শিদাবাদে সফরে যান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এদিন প্রথমে তিনি ধূলিয়ান গঙ্গা স্টেশনে নামেন। সেখানে দলীয় নেতা ও কর্মীরা তাঁকে সাদর অভ্যর্থনা ও শুভেচ্ছা জানান। তারপরে তিনি স্থানীয় নেতৃত্বকে নিয়ে সামসেরগঞ্জের জাফরাবাদের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। ওয়াকফ আইন প্রত্যাহারের দাবিতে আন্দোলনের জেরে হিংসার ঘটনায় জাফরাবাদে বাবা হরগোবিন্দ দাস ও ছেলে চন্দন দাসকে নৃশংসভাবে খুন করা হয়। বিরোধী দলনেতা আজ দাস বাড়িতে যান। সেখান মৃত হরগোবিন্দ ও চন্দন দাসের স্ত্রী এবং অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে কথা করেন। তিনি দুই পরিবারের সদস্যদের হাতে ১০ লক্ষ ১ হাজার টাকা করে চেক তুলে দেন। তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, হিংসার ঘটনার পর থেকে জাফরাবাদে ভয়ঙ্কর অবস্থা। গ্রামবাসীরা চরম আতঙ্কে রয়েছেন। গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলেছি। সবাই এলাকায় বিএসএফ ক্যাম্প ও এনআইএ তদন্তের দাবি করেছে। তিনি এই বিষয়ে তাদের আশ্বস্ত করেছেন। পাশাপাশি তিনি বলেন, দাস পরিবার মুখ্যমন্ত্রীর ১০ লক্ষ টাকা প্রত্যাখ্যান করেছে কিন্ত আমার ১০ লক্ষ টাকা গ্রহণ করেছে। কাজেই দাস পরিবারের কাছে মুখ্যমন্ত্রী ব্রাত্য, আমাকে গ্রহণ করেছেন। জাফরাবাদ থেকে বেরিয়ে দিঘির পাড়ে যান। সেখান থেকে বেতবোনায় পৌঁছন। সেখানে কিছুক্ষণ থেকে গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং হিংসা বিধ্বস্ত এলাকা ঘুরে দেখেন। গ্রামবাসীরা তাঁকে নিরাপত্তার দাবি জানায়। তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন শুভেন্দু।

এপ্রিল ২৬, ২০২৫
রাজনীতি

ইকো পার্কে প্রাতঃভ্রমণে দিলীপ ঘোষ নানা ইস্যু নিয়ে মুখ খুললেন

২০ মে ধর্মঘটসিপিআইএম ধর্মঘট ডাকছে বা কি করছে ভারতবর্ষের লোকের এটাই কি এসে যায় তারা কোথায় আছে। তারা আছে মানুষকে এটা বোঝানোর জন্য ব্রিগেড করতে হয় মাঝেমধ্যে। তাদের অভিযোগের কোন গুরুত্ব নেই। যদি ওরা মানুষের কথা ভাবতো তাহলে মানুষ বর্জন করত না। ভাত দিতে পারেনি। মোদী সকলকে ভাত দিচ্ছে। মহম্মদ সেলিম এর বক্তব্য বদল নিয়েআমরাও বলছি বদল হবে আমরাও বদল চাইছি কিন্তু বদল হলে কি হবে বিজেপি আসবে ওরা দিবা স্বপ্ন দেখছে।শালবনীতে আজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার জীবনে হাজার হাজার সালাম নাচ করেছে কিন্তু সেখানে উৎপাদন হয়েছে কত জায়গায় তার কোন রিপোর্ট দেয়নি। বেঙ্গল সামিট করেন প্রতিবছর কিন্তু সেখানে কি ফলাফল হয় তার কোন শ্বেতপত্র বার করুন। কেউ আসতে চায় না। সত্যিকারের কটা ইন্ডাস্ট্রি হয়েছে চাকরি হয়েছে সেটা দেখান। কোথায় গেল দেওচাপাচামী। নির্বাচনের আগে প্রতিশ্রুতি দেন ঢপ দেন মানুষ জেনে গেছে।এসএসসি ভবন অভিযানএই অভিযান চলতে থাকবে কিন্তু কোর্টের থেকেও সমাধান হবে। অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় একই কথা বলেছে। কোর্ট যে নির্দেশ দিয়েছে তারাই সেই নির্দোষ বদল করে যোগ্যদের চাকরি দেবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন বলছে না যোগ্য লোকদের চাকরি ফেরত দেওয়ার কথা। এটা উনি কিছুতেই বলবে না কারণ আট হাজার লোক তাহলে উনার বাড়ি ঘেরাও করবে। সুকান্ত মজুমদার মুর্শিদাবাদ যাচ্ছেনতুমি এর আগে মোথাবাড়িতেও গেছেন যখন ওখানে গন্ডগোল হচ্ছিল বিরোধী দলনেতাও গেছিলেন। পার্টি পুরোপুরি বাস্তহারা নিপীড়িতদের সঙ্গে রয়েছে। গোটা বাংলায় রয়েছে।দিলীপ ঘোষ মুর্শিদাবাদ যাবেন?আমি যাব মুর্শিদাবাদ এরা যাচ্ছে। গন্ডগোলের দিন আমি ওখানেই ছিলাম। পুলিশ আমাকে রাতে আসতে দেয়নি। আমি সভা করতে যায় প্রতিবাদ করতে যাই এখন ত্রান দিতে সবাই যাচ্ছে।ব্রিগেডের মাঠ ভরলেও ব্যালট ভরে না বিমান বসু এর বক্তব্যমানুষকে কি ফুচকা খাওয়ানোর জন্য ব্রিগেডে নিয়ে আসেন। গতকাল ব্রিগেডে যে কজন লোক ছিল সেই কয়জনই সিপিআইএমের সমর্থক রয়েছে বাংলায়। প্রতিবছর দুর্গাপুজো কালীপুজোর মতো ওদের প্রতি বছর একটা ব্রিগেড হয় দেখা হয় খাওয়া দাওয়া হয়।মহম্মদ সেলিম এর বক্তব্যলাল ঠাণ্ডা দেখতে পাই আমরা তৃণমূলের লোকরা লাগিয়ে দেয়। সিপিআইএম পার্টি অফিস চালানোর পয়সা তাদের চা খাওয়ার পয়সা তৃণমূল দেয়। সিপিআইএম পার্টি অফিসের চাবি থাকে তৃণমূলের লোক এর কাছে। এইভাবে সিপিএমকে স্যালাইন দিয়ে বাঁচিয়ে রেখেছেন কতদিন থাকবে।

এপ্রিল ২২, ২০২৫
রাজ্য

অবশেষে মোথাবাড়িতে হাজির শুভেন্দু, আক্রান্ত পরিবারের সঙ্গে কথা

অবশেষে মোথাবাড়ি এলেন শুভেন্দু। হাইকোর্টের অনুমতি নিয়ে শুক্রবার মালদার মোথাবাড়ি গেলেন বিধাসনসভার বিজেপি বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। উল্লেখ্য, গত ২৮শে মার্চ মালদার মোথাবাড়িতে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে গন্ডগোলের ঘটনা ঘটে। এই গন্ডগোলে বেশকিছু দোকানপাট, বাড়ি ঘর ভাঙচুর করার অভিযোগ ওঠে। তাই আক্রান্ত পরিবারগুলির সঙ্গে দেখা করতে এবং কথা বলতেন ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে আর্থিক অনুদান তুলে দেন। তাদের অভাব-অভিযোগের কথা শুনতে মালদার মোথাবাড়িতে যান বিধানসভার বিজেপি বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আজকেই মালদাহে জেলা শাসকের অফিস ঘেরাও করবে বিজেপি।

এপ্রিল ১১, ২০২৫
রাজ্য

বিজেপির বিক্ষোভ ঘিরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি সল্টলেকে

বিজেপি কর্মীদের সাথে পুলিশের ধস্তাধস্তি সল্টলেকের এসএসসি দপ্তরের কিছুটা দূরে। বিক্ষোভকে ঘিরে সল্টলেকে তুলকালাম ঘটনা ঘটে। বৃহস্পতিবার দুপুরে বিজেপির পক্ষ থেকে এসএসসি দপ্তরের কিছুটা দূরে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়। এদিন বিজেপি সমর্থকরা জমায়েত হয় সেখানে। তাদের এসএসসি দপ্তর যাবার পরিকল্পনা ছিল। বিধাননগর পুলিশের বিশাল বাহিনী আগে থেকেই মজুত ছিল সেখানে। বিজেপি কর্মীরা এসএসসি ভবনের দিকে এগোতে চাইলে তাদেরকে বাধা দেয় বিধান নগর পুলিশ। এর পরই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। বিজেপি কর্মীরা রাস্তায় বসে দশ নম্বর ট্যাঙ্ক মোড় অবরোধ করে। রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে দেয় বিজেপি সমর্থকরা। পুলিশ তাদেরকে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নিয়ে যায়।

এপ্রিল ১০, ২০২৫
রাজনীতি

পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে কি তৃণমূল অশিক্ষিত মনে করে? বললেন শমীক ভট্টাচার্য

মুখ্যমন্ত্রী চাকরি হারাদেরকে আশ্বাস দিয়ে ছিল তাদের পাশে থাকবে। আজ দেখা গেল চাকরি হারা শিক্ষকদের উপর লাঠিচার্জ কসবায়,,,, পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে কি তৃণমূল অশিক্ষিত মনে করে? যারা যোগ্য মেধার ভিত্তিতে চাকরি পেয়েছিলেন তাদেরকে কি মূর্খ মনে করেন? যাদের চাকরি চলে গেছে তাদের পাশে কিভাবে দাড়াবে সরকার? সেটা এখনও পরিষ্কার নয়। মুখ্যমন্ত্রী চাকরি হারাদের আবেগ নিয়ে খেলা করছে। এতটা নিচে নেমে গেছে শিক্ষককে লাথি মারছে পুলিশ আর বাংলার মানুষ সেসব সহ্য করছে? নানা প্রশ্ন তুললেন বিজেপি সাংসদ শমীক ভট্টাচাৰ্য। বিজেপি সাংসদ বলেন,ওমআর সিটের মিরর ইমেজ চাইতে গিয়ে মার খেতে হল অন্যদিকে শিক্ষামন্ত্রী বলছেন শিক্ষকদের পাশে আছে। তার পরেও কেন তারা আন্দোলন করছে,,,, পার্থ চট্টোপাধ্যায় যখন ছিলেন তখন থেকে শিক্ষার এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টে যা বিচার হয়েছে নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে হয়েছে। কিছু লোককে বাঁচানোর জন্য আজকে এতগুলো পরিবারকে রাস্তায় নামিয়ে দিয়েছে আন্দোলন তো করবেই। একজন সাহিত্যিক যার প্রস্তাব বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানো হয় তিনি স্টেজে মুখ্যমন্ত্রীর পাশে দাঁড়িয়ে বলছেন রাজ্যের আইন ব্যবস্থা অন্য গলির মধ্যে ঢুকে গেছে।কুনাল ঘোষ বলছেন, রাজনৈতিক দের বক্তব্যের কারণে এই হিংসার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে রাজ্যে,,,,মানুষ পথে নামবে। রাজনৈতিক পতাকা ছাড়া নামবে। রাজনৈতিক পতাকা নিয়ে নামবেন। তৃণমূলের বিসর্জন ছাড়া মুক্তি নেই।পুলিশের বক্তব্য, কোনও ইন্টিমেশন ছাড়াই আজ চাকরি হারারা এভাবে আন্দোলন করেছে,,,, তৃণমূল ইন্টিমেশন দিয়ে চাকরি বিক্রি করেছিলেন! চাকরির দাবিতে আন্দোলন করতে গেলে আবার ইন্টিমেসন দিতে হয়?পশ্চিমবঙ্গের যে পরিমাণে ওয়াকফ প্রপার্টি লুট হয়েছে বিক্রি হয়েছে তা অন্য কোন স্টেটে হয়নি। দরিদ্র মুসলিম মহিলা আছে কিছু শিশুরা আছে তাদের জন্য ওয়াকফ বিল।মুখ্যমন্ত্রী বলছে আপনারাই স্কুলে গিয়ে পড়ান চাকরি হারাদেরকে আশ্বাস তাদের পাশে আছি। অন্যদিকে পুলিশ মন্ত্রীর পুলিশ বাহিনী লাঠিপেটা করছে চাকরিহারা শিক্ষকদের,,,, এটাই তো তৃণমূল। চোরের সমর্থন করতে জীবনানন্দ। তাদের প্রশ্নে কি মুখ্যমন্ত্রী কোন উত্তর দিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী সরাসরি বিচার ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। প্রধান বিচারপতিকে টার্গেট করেছে। সুপ্রিম কোর্ট বলেছে গোটা প্যানেল বাতিল হয়ে গেছে মুখ্যমন্ত্রী কি করে তাদের পাশে দাঁড়াবে?মুখ্যমন্ত্রী কি দ্বিচারিতা করছে একদিকে বলছে আপনার এই স্কুলে যান পড়ান আপনাদের পাশে আছি অন্যদিকে পুলিশকে দিয়ে আক্রমণ,,,, আজকে কসবায় যা হয়েছে সেটা দেখে বোঝা যায় কতটা পাশে আছে।ঠাকুর পুকুরে মত তো অবস্থায় গাড়ি চাপা দিয়ে মৃত্যু,,,, তার সঙ্গে পুলিশের আত্মীয়তা আছে তাই বলছি তার সঙ্গে মিটমাট করে নাও। মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুরে আগুন জলছে,,,, পরিকল্পিতভাবে পশ্চিমবঙ্গের প্রান্তিক জেলায় ডেমোগ্রাফি বদলে দেয়া হচ্ছে। এ রাজ্যের একজন মন্ত্রী পুলিশের গাড়িতে আগুন লাগানো কে সমর্থন করেছে।রাজনৈতিক কারণে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা আগুন জ্বলার ছবি দেখা যাচ্ছে,,, এর আগে টিয়ার গ্যাস চালানো হয়েছে বিভিন্ন আন্দোলন হয়েছে কিন্তু আজকের জঙ্গিপুরে সম্পূর্ণ আলাদা ঘটনা ভারতবর্ষের আইন মানিনা বলে পুলিশের গাড়িতে আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছে।

এপ্রিল ১০, ২০২৫
রাজনীতি

টানা হুমকি দিলীপ ঘোষের, বিজেপি নেতার বাড়ির সামনে বিক্ষোভ তৃণমূলের, সরগরম খড়্গপুর

দিলীপ বচন নিয়ে বিতর্ক বেড়েই চলেছে। এবার হুঁশিয়ারের বিরুদ্ধে খড়্গপুরে তাঁর বাড়ির সামনে বিক্ষোভ দেখাল তৃণমূল কংগ্রেস। বাড়িতে ঢুকে মেরে আসবো, বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষের মন্তব্য়ের প্রতিক্রিয়ায় খড়্গপুরের কাউন্সিলর ও প্রাক্তন বিধায়ক প্রদীপ সরকার বলেছেবন, তৃণমূল কংগ্রেস চুরি পরে বসে নেই। কিন্তু দিলীপ ঘোষও ছাড়ার পাত্র নন। তাঁর বাড়ির সামনে তৃণমূলের বিক্ষোভের পর তিনি বলেছেন, আমি থাকলে বিশেষ ট্রিটমেন করতাম। শনিবার বেলা বাড়তেই খড়্গপুরে দিলীপ ঘোষের বাড়ির বাইরে জড়ো হয় একদল তৃণমূল কর্মী-সমর্থক। বিজেপি নেতার গ্রেফতারি চেয়ে স্লোগান দিতে থাকে তৃণমূল। সেই সময় দিলীপ ঘোষ বাড়িতে ছিলেন না। বাড়ির সামনে বিজেপি কর্মীরা ছিলেন। দুদল কর্মীর মধ্যে হাতাহাতিও হয়। তবে তাঁর বাড়িতে বিক্ষোভ হচ্ছে শুনে ফের পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রাক্তন সাংসদ। এবার তিনি বলেন, খড়্গপুর কারও বাপের জায়গা নয়। দিলীপ ঘোষ কারও পরোয়া করে না। আগে জানিয়ে আসতে পারত, তাহলে ট্রিটমেন্টটা তৈরি রাখতাম।প্রসঙ্গত, শুক্রবার খড়্গপুর পুরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে একটি কর্মসূচিতে গিয়েছিলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ এলাকায় যাওয়ার আগেই সেখানে আগেভাগে জড়ো হয়ে গিয়েছিলেন বেশ কিছু মহিলা। তিনি যেতেই তাঁকে ঘিরে শুরু হয় প্রবল বিক্ষোভ। তাঁদের সঙ্গে তুমুল বচসা শুরু হয়ে যায় দিলীপ ঘোষের। এমনকী উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় পর্যন্ত হয়েছে। সেই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে শনিবার সকালে তৃণমূলকে রীতিমতো হুঁশিয়ারি দিতে দেখা যায় দিলীপ ঘোষকে।তিনি হুঁশিয়ারি দেন, এই ধরনের বেয়াদপি যদি কেউ করতে আসে, সে যে পার্টিরই হোক, তাকে বাড়ি থেকে বের করে এনে রাস্তায় পিটাব, সে যত বড় নেতাই হোক। দিলীপ ঘোষ কারও বাপের খায় না, কারও জমিদারিতে পা দেয় না। দিলীপ ঘোষের মেজাজ এমনই থাকবে। তৃণমূল যদি মনে করে এই রাজনীতি খড়গপুরে শুরু করবে, কাল থেকে শুরু করছি...বাড়িতে ঢুকে মারব, না হয় বাড়ি থেকে টেনে এনে চৌরাস্তায় মারব। BJP নেতার হুঙ্কারের পরই খড়্গপুরের রাজনীতি উত্তাল হতে থাকে।এদিকে, তৃণমূল নেতা প্রদীপ সরকার বলেন, তৃণমূল চুড়ি পরে নেই। তৃণমূল চাইলে দিলীপ ঘোষ এলাকায় বেরোতেই পারত না। উনি বাইরে থেকে এসেছেন, খড়্গপুরকে আগে জানুন। আগামীদিনে যা বলবেন ভেবে বলবেন, আগামিদিনে উনি খড়্গপুরে ঢুকতেই পারবেন না, যদি তৃণমূল চায়।

মার্চ ২২, ২০২৫
রাজ্য

২৬-এর ভোটের আগে পোস্টার রাজনীতিতে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি

গতকাল রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলের আই টি সেলের পক্ষ থেকে শহরের বিভিন্ন জায়গায় হিন্দু হিন্দু ভাই ভাই বলে নানান পোস্টার ব্যানার দেওয়া হয়। সেইসব ব্যানার পোস্টারে হিন্দু হিন্দু ভাই ভাই বলে তেলের দাম ও গ্যাসের দাম নিয়ে সরব হয় তৃণমূলের আইটি সেল। বুধবার তার পাল্টা হিসেবে বিজেপির পক্ষ থেকে বিধান নগর জুড়ে হিন্দু হিন্দু ভাই ভাই বলে একাধিক পোস্টার দেওয়া হয়। যেখানে কোথাও নারীদের নিরাপত্তা নিয়ে কোথাও রাজ্যের বেড়ে চলা হিংসা নিয়ে আবার কোথাও বেআইনি নির্মাণসহ রাস্তাঘাটের দুরাবস্থা নিয়ে পোস্টার ও ব্যানার দেওয়া হয়।

মার্চ ১৯, ২০২৫
রাজ্য

তারাপীঠে বিশেষ লাইনে পুন্যার্থী, হস্তক্ষেপ প্রশাসনের, কবে মিটবে এই বিতর্ক?

তারাপীঠ মন্দিরের জটিলতা মেটাতে অফিসে সেবায়েতদের ডেকেছিলেন রামপুরহাট মহকুমা শাসক। তাঁদের প্রচ্ছন্ন হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন সেবায়েতরা। এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তারাপীঠ মন্দিরের সেবায়েতদের একাংশ। তাঁদের দাবি শাসক দলের নির্দেশে চলছেন মহকুমা শাসক। বিষয়টি নিয়ে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার হুমকি সেবায়েতদের একাংশের। সোমবার চারজন পুন্যার্থীকে বিশেষ লাইনে ঢুকিয়ে পুজো করানো নিয়ে ঘটনার সূত্রপাত বলে জানা গিয়েছে। ওইদিন তারাপীঠ মন্দিরের পালাদার ছিলেন কুণাল বন্দ্যোপাধ্যায় এবং প্রশান্ত রায়। মন্দির কমিটি সূত্রে জানানো হয়েছে, গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর থেকে প্রশাসনের নির্দেশে মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রবেশের জন্য দুটি লাইন কড়া হয়েছে। একটি ৫০০ টাকার বিশেষ লাইন। অন্যটি সাধারণ পুন্যার্থীদের জন্য। একটি আছে প্রোটোকল লাইন। যে লাইনে প্রশাসনিক আধিকারিক, মন্ত্রী, সাংসদ, বিধায়ক, রাজনৈতিক দলের প্রধানরা লাইন না দিয়েই সরাসরি মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রবেশ করতে পারবেন। সেই প্রোটোকল লাইন দিয়ে সোমবার কুণাল বন্দ্যোপাধ্যায় এবং প্রশান্ত রায় চারজন নিকট আত্মীয়কে ঢুকিয়ে ছিলেন। এনিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয় মন্দিরে। মন্দিরের উপদেষ্টা কমিটির প্রধান বামাপদ মুখোপাধ্যায় ওরফে রবি প্রোটোকল লাইনে চার পুন্যার্থীদের ঢোকানোর প্রতিবাদ করেন। এনিয়ে মন্দিরেই বচসা বাধে। এরপর রবিবাবু মন্দিরের সেবাইত, তৃণমূলের ব্লক সভাপতি সুকুমার মুখোপাধ্যায়কে বিষয়টি জানান। অভিযোগ, সুকুমারবাবু মন্দিরের অফিস ঘরে বসে মন্দির থেকে নিরাপত্তারক্ষী তুলে নেন। বন্ধ করে দেন ৫০০ টাকার বিশেষ লাইন। ফলে সোমবার রাত্রি ১১ টা পর্যন্ত অরক্ষিত ছিল মন্দির। এতেই মন্দিরের সেবায়েতদের একাংশ ক্ষোভ ফেটে পড়ে। যেখানে মন্দিরের আয়ের টাকায় নিরাপত্তারক্ষী নিয়োগ করা হয়েছে সেখানে পালাদারদের বা মন্দির কমিটিকে না জানিয়ে মন্দিরকে সারাদিন অরক্ষিত করে দেওয়া হল কেন? তাছাড়া সুকুমার মুখোপাধ্যায় একজন মন্দিরের সেবায়েত। তিনি কিসের বলে নিরাপত্তারক্ষী তুললেন?কুণালবাবুর বক্তব্য, তারাপীঠ মন্দিরে সারাদেশের ভাবাবেগ জড়িয়ে। যেখানে দেশের প্রধান থেকে হাজার হাজার হিন্দুধর্মালম্বী মানুষ ভিড় করেন। সেখানে তৃণমূলের একজন ব্লক সভাপতি কিভাবে নিরাপত্তারক্ষী তুলে নিতে পারে? এনিয়ে রামপুরহাট মহকুমা শাসক আমাদের অফিসে ডেকে ব্যক্তিগত ব্যবসা নিয়ে প্রচ্ছন্ন হুমকি দেন। কিন্তু অন্যায়ভাবে নিরাপত্তারক্ষী তুলে নেওয়ার বিষয়ে কর্ণপাত করলেন না। আমাদের মনে হয়েছে মহকুমা শাসক তৃণমূলের নির্দেশে কাজ করছেন।এদিকে মন্দিরের অনিয়ম নিয়ে মহকুমা শাসকের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন আরেক সেবায়েত নিখিল বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, মন্দিরে শাসক দলের রাজত্ব চলছে। ১৫ বছর ধরে মন্দির কমিটির কোন নির্বাচন হয়নি। ফলে একনায়কতন্ত্র চলছে। তিনমাস ধরে বিশেষ লাইনের কয়েক কোটি টাকা আদায় হয়েছে। কিন্তু সেই টাকা কোথায় রয়েছে কেউ জানে না। মন্দিরের অনিয়ম নিয়ে ২০২২ সালে দুবার মহকুমা শাসকের কাছে তথ্য জানার অধিকার আইনে তথ্য চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু এখনও কোন উত্তর মেলেনি। এখন শাসক দলের সঙ্গে প্রশাসন যোগসাজশ করে চলছে। আমরা এর বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হব।এবিষয়ে মন্দির কমিটির সভাপতি তারাময় মুখোপাধ্যায় বলেন, প্রশাসনের নির্দেশে আমরা মন্দির শান্তিশৃঙ্খল ভাবে পরিচালনা করতে চাইছি। কিন্তু কিছু সেবায়েত নিয়ম ভেঙে মন্দির চালাচ্ছেন। এনিয়ে গণ্ডগোলের জেরেই লাইন থেকে নিরাপত্তারক্ষী তুলে নেওয়া হয়েছিল। তবে তারা ছিলেন মন্দিরের আশেপাশেই।সুকুমার মুখোপাধ্যায় বলেন, কোন সেবায়েত যদি নিরাপত্তারক্ষীকে না মানে, মন্দিরের দায়িত্বে থাকা প্রধানকে যদি না মানে তাহলে নিরাপত্তারক্ষী প্রয়োজন কি? নিখিল বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তার পরিবার মন্দিরের সমস্ত রকম অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। তাদের জন্যই মন্দিরে অশান্তি হচ্ছে।রামপুরহাট মহকুমা শাসক সৌরভ পাণ্ডে বলেন, আমি মন্দিরের সমস্যা নিয়ে জানতে ওনাদের ডেকেছিলাম। ওনাদের বলে দেওয়া হয়েছে কোনওরকম নিয়ম ভাঙা যাবে না। ওনারা যে অভিযোগ করছেন সেটা ঠিক নয়। তবে লজ নিয়ে কোন অভিযোগ জমা পড়লে তদন্ত করে দেখব। হঠাৎ করে মন্দিরে থেকে নিরাপত্তারক্ষী কেন তুলে নেওয়া হল সেটা তদন্ত করে দেখা হবে বলে জানান মহকুমা শাসক।ধ্রুব সাহা বলেন, শাসক দলের মদতে মন্দির চলছে। চলছে ব্যাপক অরাজকতা। তারাপীঠ রামপুরহাট উন্নয়ন পর্ষদের টাকায় উন্নয়ন হচ্ছে। আবার মন্দিরের টাকাও উন্নয়ন খাতে খরচ দেখানো হচ্ছে। শ্মশানের পবিত্রতা নষ্ট করে নোংরা জলের ট্রাংক নির্মাণ করা হচ্ছে। সমস্ত অনিয়ম হচ্ছে মহকুমা শাসকের ইন্ধনে। আমরা এর বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হব।

মার্চ ১৯, ২০২৫
কলকাতা

এক ফ্রেমে দিলীপ-শুভেন্দু, মমতাকে আক্রমণ বিরোধী দলনেতার, বললেন, 'কেজরিওয়াল যেখানে.. মমতা যাবেন সেখানে'

২০২৬ বিধানসভা ভোটের দামামা বেজে গিয়েছে। রাজ্যে পুরো দস্তুর নির্বাচনী দৌত্য় শুরু হয় গিয়েছে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী গতকাল ছিলেন দিল্লিতে, এদিন রাজ্য বিধানসভা চত্বর একেবারে হুলস্থূল। আবারও শুভেন্দুর নিশানায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল সুপ্রিমোকে ফের চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ শানালেন বিজেপি নেতা। সেই সঙ্গে তাঁর সাসপেনশন প্রত্যাহার করে নেওয়া হলেও বিধানসভার চলতি অধিবেশনে যোগ দিচ্ছেন না বলেই জানিয়ে দিয়েছেন শুভেন্দু।মঙ্গলবার শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, বিরোধী দলনেতাকে ৯ মাস বাইরে রেখেছেন। আর তো দুটো সেশন আছে। একটা বাদল অধিবেশন ও আর একটা শীতকালীন অধিবেশন। তারপরে তো দুদিনের ভোট অন অ্যাকাউন্ট। তারপরে নির্বাচন। তারপর আপনারা প্রাক্তন। কেজরিওয়াল যেখানে.. মমতাও যাবেন সেখানে। আমরা কোনও সম্প্রদায়ের বিরোধী নই। আমরা তৃণমূলের নীতির বিরোধী।এদিকে আজই শুভেন্দু অধিকারীর সাসপেনশন প্রত্যাহার করা হয়েছে। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বিধানসভায় অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে কাগজ ছোঁড়ার প্রতিবাদে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী-সহ বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল, বিশ্বনাথ কারক এবং বঙ্কিম ঘোষকে চলতি অধিবেশনের জন্য সাসপেন্ড করা হয়েছিল। শুভেন্দু অধিকারীর সাসপেনশন প্রত্যাহার করে নিয়েছেন অধ্যক্ষ। তবে বিরোধী দলনেতা এদিন জানিয়েছেন তাঁর সাসপেনশন প্রত্যাহার করা হলেও বাকিদের ক্ষেত্রে তা প্রযোজ্য হয়নি। সেই কারণেই চলতি অধিবেশনে তিনি যোগ দেবেন না বলে জানিয়েছেন।এদিনই শুভেন্দু অধিকারীর আমন্ত্রণে বিধানসভায় যান বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। খড়্গপুরের প্রাক্তন বিধায়ককে এদিন বিধানসভায় যেতেই তাঁকে স্বাগত জানাতে এগিয়ে আসেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁকে পুষ্পস্তবক দিয়ে বিধানসভায় স্বাগত জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা। বিধানসভায় হৈ হট্টগোল নিয়ে শুভেন্দু বলেন, আমাদের বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ জানতে চেয়েছিল, সাঁইথিয়া শহরে কেন ইন্টারবনেট বন্ধ। সেই প্রশ্নেই যত রাগ শাসক শিবিরের। বিধানসভা গেটে প্ল্যকার্ড নিয়ে বিক্ষোভও দেখান শুভেন্দু অধিকারীরা।

মার্চ ১৮, ২০২৫
রাজ্য

২৫ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি ঘোষণা বঙ্গ বিজেপির, বর্ধমানে ফের দায়িত্বে অভিজিৎ তা

ফের বর্ধমান জেলার বিজেপি সভাপতি হলেন অভিজিৎ তা। শুক্রবার রাজ্যে বিজেপির ২৫টি সাংগঠনিক জেলার সভাপতির নাম ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং অফিসার বিধায়ক দীপক বর্মন। তৃতীয় দফায় বর্ধমান দুর্গাপুর সাংগঠনিক জেলার বিজেপি সভাপতি হলেন অভিজিৎ তা। এর আগে প্রথম দফায় সভাপতি থাকার সময় পুরো তিন বছর নয় এক বছর সময় পেয়েছিলেন। অর্থাৎ স্বাভাবিক ভাবে পুরো মেয়াদ ছিলেন না। তাছাড়া সামনে ২০২৬ বিধানসভা ভোট। এই সময় আর করে সভাপতি বদল করার কথা ভাবেনি বিজেপি। শুধু বর্ধমান না অনেক ক্ষেত্রেই জেলা সাংগঠনিক সভাপতি পরিবর্তন করেনি বঙ্গ বিজেপি।

মার্চ ১৪, ২০২৫
রাজ্য

বিধাননগরে রঙের উৎসবে একই মঞ্চে হাজির সুজিত বসু ও সব্যসাচী দত্ত

ব্যক্তিগত দূরত্ব সরিয়ে রঙের খেলায় এক মঞ্চে হাজির হলেন রাজ্যের মন্ত্রী সুজিত বসু ও বিধাননগরের চেয়ারম্যান সব্যসাচী দত্ত। একসঙ্গে গানের তালে কিছুটা নাচেন দুজনে। আবিরও মাখেন তাঁরা।শুক্রবার দোলের দিন সকালে করুণাময়ী মেলা প্রাঙ্গণে রঙের উৎসবের আয়োজন করা হয়। গানে গানে রঙের খেলায় মেতে ওঠে ছোট বড় সকলে। করুণাময়ী মেলা মাঠে একই সময়ে উপস্থিত হন রাজ্যের মন্ত্রী সুজিত বসু এবং বিধান লনগর কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান সব্যসাচী দত্ত। একসঙ্গে দুজনে মঞ্চে। গানের তালে বেশ কিছুটা নাচের প্রচেষ্টা তাদের। বেশ অনেকটা সময় একসঙ্গেই মঞ্চে থাকেন তাঁরা। রাজনৈতিক মহলে তাঁদের মধ্যে ব্যক্তিগত দূরত্বের জল্পনা শোনা গেলেও এদিনের মঞ্চে একেবারেই ভিন্ন চিত্র ধরা পড়ে।

মার্চ ১৪, ২০২৫
রাজনীতি

দলবদলেই পুরস্কার পেলেন হলদিয়ার বিজেপি বিধায়ক, এটাও যেন একটা রাজনৈতিক রীতি

দল বদল করলেই পুরস্কার মেলে। দলবদল করে তৃণমূল এসে বিধায়ক থেকে সাংসদ হয়েছিলেন সৌমিত্র খাঁ, সুনীল মন্ডলরা। আবার বিজেপি বিধায়করা এদলে এসেও পুরস্কার পাচ্ছেন। আলিপুরদুয়ারের বিজেপি বিধায়ক সুমন কাঞ্জিলাল বিধানসভায় প্যাক কমিটির চেয়ারম্যান হয়েছেন। এবার হলদিয়ার বিজেপি বিধায়ক তাপসী মন্ডলের কপালেও জুটল বিশেষ পুরস্কার।চলতি সপ্তাহের শুরুতেই, সোমবার BJP ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান করেছিলেন হলদিয়ার বিধায়ক তাপসী মণ্ডল। এক্ষেত্রেও দলবদলের কয়েকদিনের মিলল বড় পুরস্কার। পশ্চিমবঙ্গের ওমেন ডেভেলপমেন্ট বোর্ডের চেয়ারপার্সন হলেন তাপসী মণ্ডলক। গত ১০ মার্চ হলদিয়ার বিধায়ক তাপসী মণ্ডল আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন।রাজ্যের নারী ও শিশু উন্নয়ন এবং সমাজকল্যাণ দফতর চেয়ারপার্সন পদে নিয়োগ করা হয়েছে তাপসী মণ্ডলকে। তৃণমূলে যোগ দিয়ে তাপসী মণ্ডল বলেছিলেন, প্রগতিশীল বাংলাকে রক্ষা করতে এবং বিশেষ করে আমার হলদিয়ার উন্নয়ন, শিল্প পরিকাঠামো এবং সবদিক থেকেই বেকার যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থান, আর্থিক উন্নতি, সামাজিক উন্নয়নের পক্ষে দাঁড়িয়ে তাদের জন্য কিছু কাজ যাতে করতে পারি তার জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নযজ্ঞে যুক্ত হলাম। দল বদলেই এবার এই দায়িত্ব পাওয়ার পর তাপসী মণ্ডল বললেন, নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী যে কাজ দেবেন তা দায়িত্বের সাথে পালন করব।উল্লেখ্য, ২০২১ সালে বিজেপির টিকিটে হলদিয়া থেকে লড়ে জয়ী হয়েছিলেন তাপসী। তার আগে তিনি সিপিএমে ছিলেন। ২০১৬ সালে হলদিয়া থেকে তাকে টিকিট দিয়েছিল বামেরা। একুশের ভোটের আগে শুভেন্দু অধিকারীর হাত ধরে গেরুয়া শিবিরে নাম লিখিয়েছিলেন তাপসী। সেবার ভোটে বিজেপির হয়েই লড়ে হলদিয়া থেকে জয়ী হন তিনি। এবার বছর ঘুরলেই আবারও রাজ্যে বিধানসভা ভোট।

মার্চ ১৩, ২০২৫
রাজ্য

স্ত্রী মৃত্যুর পরও ভোট দিয়ে চলেছেন! পরিচিয়পত্রহীন স্বামীর ভিক্ষেই সম্বল

স্ত্রী মারা গিয়েছেন বছর পাঁচেক আগে। কিন্তু ভোটার তালিকায় গত লোকসভা পর্যন্তও ছিলেন জীবিত। ফলে ভোটের সময় ভোট গ্রহণ কেন্দ্রে ভোটও দিতে এসেছিলেন বলে দাবি পরিবারের। কিন্তু জীবিত থেকেও ভোটাধিকার নেই স্বামীর। বঞ্চিত সরকারি সুবিধা থেকেও। সরকারি সুবিধা পাবেন কিভাবে! কাগজকলমে মৃত কি ভাবে সুবিধা পাবেন! মৃত মানুষ ভোট দিয়ে যেতে পারেন! তবে সরকারি সুবিধা কখনই নয়!এমনই অদ্ভুত ভুতুড়ে ভোটার তালিকার হদিশ মিলল বীরভূমের রামপুরহাট বিধানসভার নারায়নপুর পঞ্চায়েত কানাইপুর সংসদে। ওই সংসদের হতদরিদ্র ধীরেন মাল জানতে পারেন তিনি মৃত। প্রশাসনের দরজায় দরজায় ঘোরাফেরা করেও তিনি নিজেকে জীবিত প্রমান করতে পারেননি। ফলে এখন ভিক্ষাকে জীবিকা করে কোনওরকমে মৃতপ্রায় হয়ে চলাফেরা করছেন। তবে বছর পাঁচেক আগে মৃত স্ত্রী ভাসানি মাল ভোটার তালিকায় ২০২৪ সাল পর্যন্তও ছিলেন জীবিত। ভোটের সময় আসেন, আর ভোট দিয়ে চলে যান।এদিকে মৃত স্ত্রীর নামে বার্ধক্য ভাতাও ঢুকছে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে। কিন্তু টাকা তোলা যাচ্ছে না। এদিকে ধীরেন মালকে মৃত ঘোষণা করায় প্রায় পাঁচ বছর ধরে বার্ধক্য ভাতা পান না। চরম আর্থিক সংকটে দিন কাটছে তাঁর। এই বয়সে বেঁচে থাকার আশা প্রায় ছেড়ে দিয়েছেন। ভিক্ষাকে জীবিকা করে কোনওরকমে জীবন-মরণের লড়াই চালাচ্ছেন। ধীরেন মলের দাবি, প্রায় পাঁচ বছর আগে তার ভোটার তালিকায় নাম বাদ দিয়েছে, গত পঞ্চায়েত ও লোকসভা নির্বাচনে ভোটার কার্ড নিয়ে ভোট দিতে গেলে তাকে বুথ থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কারণ জানতে গেলে বলা হয় তিনি মৃত। তাই তার ভোটার তালিকায় নাম নেই। অথচ তাঁর স্ত্রী মৃত্যু হলেও তার নাম ছিল ওই ভোটার তালিকায়। বার বার স্থানীয় জনপ্রতিনিধিকে বলেও এখনও তাঁর নাম ভোটার তালিকায় ওঠেনি। ধীরেন মালের নাম যাতে ভোটার তালিকায় ওঠে তার ব্যবস্থার নেওয়ায় আস্বাস দিয়েছে প্রশাসন থেকে তৃণমূল নেতৃত্ব।তৃণমূলের নারায়নপুর অঞ্চল সভাপতি মিলন শেখ বলেন, বিষয়টা আমরা জানি না। হয়তো স্ত্রীর নাম বাদ দিতে গিয়ে স্বামীর নাম বাদ দিয়েছে। তবে তাঁর নাম যাতে ভোটার তালিকায় ওঠে সেই ব্যবস্থা করব। একই সঙ্গে যাতে বার্ধক্য ভাতা পায় সেই বিষয়টাও দেখা হবে।বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক শান্তনু মণ্ডল বলেন, ভোটার তালিকায় গড়মিলের বিষয়টি আমরাই প্রথম অভিযোগ করেছি। মৃত মানুষের ভোটেই তো তৃণমূল ক্ষমতায় রয়েছে। তাছাড়া কানাইপুর সংসদ বিজেপি অধ্যুষিত। ফলে পরিকল্পিত ভাবে ধীরেনের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।

মার্চ ১৩, ২০২৫
রাজ্য

সল্টলেকের EZCC তে পালিত হল বঙ্গনারী শক্তি।

সল্টলেকের EZCC তে পালিত হল বঙ্গনারী শক্তি। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির মহিলা মোর্চার রাজ্য সভা নেত্রী ফাল্গুনী পাত্র। নারী নিজেই একজন শক্তি। আমরা পিছনে তাকালে দেখতে পাই বিভিন্ন নারীদের কথা যারা সমাজ পরিবর্তন করেছে। পশ্চিমবঙ্গে নারীরা শক্তি হলেও সেই শক্তিকে ভেঙে দেয়া হচ্ছে। তাদের সম্মানকে ভুলন্ঠিত করা হচ্ছে। সেই জন্য আমরা সেলফ ডিপেন্স এর উপর জোর দিচ্ছে। যে সমাজ নারীদেরকে ভুলোনিত করার চেষ্টা করছে তাদের আমরা আইডেন্টিফাই করছি। আমরা আগামী দিনে আরো বৃহত্তর আন্দোলনের দিকে পা বাড়াবো। নারীদের যেভাবে সুরক্ষা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে তার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অনেক রকমের আইনি ব্যবস্থা নিয়েছে

মার্চ ০৮, ২০২৫
রাজ্য

তারাপীঠে অশান্তিতে গ্রেফতার বিজেপি নেতৃত্ব, কি নিয়ে এত গন্ডগোল?

তারাপীঠে অশান্তি যেন কিছুতেই কমছে না। বরং তা বেড়েই চলেছে। এর আগের শ্মশানে রিজার্ভার নির্মানের বিরোধিতা করে বিক্ষোভ দেখিয়েছিল বিজেপি। এবার বৈষ্ণবদের সমাধি ধ্বংস করে শ্মশানের মধ্যে নোংরা জল মজুতের বিরোধিতা করতে গিয়ে গ্রেফতার হলেন বিজেপির জেলা সভাপতি ধ্রুব সাহা। একই সঙ্গে গ্রেফতার করা হয়েছে একাধিক নেতা কর্মীকে। দলীয় সভাপতি এবং নেতা কর্মীদের গ্রেফতারের প্রতিবাদে তারাপীঠ থানায় বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। পরে অবশ্য সকলকে ছেড়ে দেওয়া হয়।সূত্রের খবর, বীরভূমের তারাপীঠের প্রধান রাস্তার দুপাশের এবং পাণ্ডা পাড়ার নোংরা জল মজুত করার জন্য তারাপীঠ শ্মশানে একটি রিজার্ভার নির্মাণ করছিল জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতর। সেই জল পরিশ্রুত করে দ্বারকা নদীতে ফেলার কথা। পশ্চিমাঞ্চল পরিবেশ আদালতের নির্দেশে ওই কাজ করা হচ্ছিল বলে জানান তারাপীঠ-রামপুরহাট উন্নয়ন পর্ষদের ভাইস চেয়ারম্যান সুকুমার মুখোপাধ্যায়। শ্মশানের পবিত্রতা নষ্ট করে রিজার্ভার নির্মাণের বিরোধিতা করে আসছে বিজেপি। ২৭ ফেব্রুয়ারি বিজেপির পক্ষ থেকে শ্মশানে বিক্ষোভ দেখানো হয়। মাটি ফেলে কিছুটা বন্ধ করে দেওয়া হয় রিজার্ভারের গর্ত। ওইদিন বিজেপির বীরভূম সাংগঠনিক জেলা সভাপতি ধ্রুব সাহা হুঁশিয়ারি দেন ফের কাজ শুরু হলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামবে দল। বিজেপির হুঁশিয়ারিকে আমলা না দিয়ে দিন দুয়েক থেকে একই জায়গায় ফের মাটি কাটার কাজ শুরু করে জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতর। তারই প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কাজ বন্ধ করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন বিজেপি কর্মী সমর্থকেরা। নেতৃত্ব দেন দলের জেলা সভাপতি ধ্রুব সাহা, জেলা সহ সভানেত্রী রুপা মণ্ডল, জেলা সাধারণ সম্পাদক শান্তনু মণ্ডল, বিজেপি মোর্চার জেলা সভানেত্রী রশ্মি দে। সকলে মিলে কোদাল ধরে গর্তে মাটি ভরাট করতে শুরু করেন। এরপরেই তারাপীঠ থানার পুলিশ গিয়ে ধ্রুব সাহা সহ ১৫ জনকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়। বিজেপি থানাতেও বিক্ষোভ শুরু করে। তাদের দাবি, ধৃতদের নিঃশর্তে মুক্তি দিতে হবে। ঘণ্টাখানেক পর সকলকে ব্যক্তিগত বন্ডে ছেড়ে দেওয়া হয়।এদিকে বিজেপি নেতা কর্মীদের গ্রেফতারের পরেই শ্মশানের সাধু সন্তরা তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে নিয়ে খনন কাজের কাছে জমায়েত হন। তারা বিজেপির পতাকা খুলে ফেলে দেন। ছিঁড়ে ফেলেন পোস্টার। সাধুদের দাবি, নোংরা জলকে পরিশ্রুত করে নদীতে ফেলার জন্য এই নির্মাণ হচ্ছে। এটা ভালো কাজ। বিজেপির নোংরা রাজনীতিকে আমরা ধিক্কার জানাই।যদিও ধ্রুব সাহার বক্তব্য, সাধুদের আমরা শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। অধিকাংশ সাধু আমাদের সঙ্গে আছেন। কিছু সাধু তৃণমূলের কাছে সুবিধা পেয়ে এসব করছেন। তারা সাধু নন। সাধু হলে সনাতনী সমাধি ধ্বংসের প্রতিবাদে সোচ্চার হতেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, তৃণমূল আমাদের আন্দোলনকে বানচাল করার জন্য দলীয় অফিসে মস্তান জমায়েত করেছিল। পুলিশ তাদের সরাতে না পেরে আমাদের অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করেছে। আমরা এর শেষ দেখে ছাড়ব। কোন মতে শ্মশানে নির্মাণ কাজ করতে দেব না।শ্মশানে নোংরা জলের রিজার্ভার নির্মাণের প্রতিবাদ করেছেন পশ্চিমবঙ্গ বৈরাগী বৈষ্ণব সমিতির রাজ্য সম্পাদক শ্যামা পদ দাস বলেন, বিষয়টি খুব চিন্তার। এভাবে বৈষ্ণবদের সমাধি ধ্বংস করা উচিত নয়। আমরা এই নির্মাণের বিরোধিতা করছি।তারাপীঠ রামপুরহাট উন্নয়ন পর্ষদের ভাইস চেয়ারম্যান সুকুমার মুখোপাধ্যায় বলেন, এই কাজ করছে জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতর। পবিত্র মহাশ্মশানে এবং দ্বারকা নদীতে যাতে দুষিত জল না পরে সেই জন্য রিজার্ভার নির্মাণ করা হচ্ছে। সেখানে জমা হওয়া জল পরিশ্রুত করে দ্বারকা নদীতে ফেলা হবে। এর ফলে দ্বারকার জলে দূষণ হবে না। এই নির্মাণ করতে গিয়ে একটিও গাছ কাটা হবে না। ধ্বংস করা হবে না সমাধি।প্রসঙ্গত, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীর জয়দীপ মুখোপাধ্যায় তারাপীঠের দূষণ সংক্রান্ত বিষয়ে ২০১৮ সালে জাতীয় পরিবেশ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। সেই মামলার রায়ে আদালত ৭০ টি হোটেললজকে চিহ্নিত করে জরিমানা করে। সেই সঙ্গে দূষণ রোধে সরকারকে একাধিক নির্দেশ দেয়। সেই নির্দেশ কার্যকর করতেই ওই নির্মাণ বলে জানান সুকুমার মুখোপাধ্যায়।

মার্চ ০৬, ২০২৫
রাজ্য

তৃণমূল কর্মীর ভারত এবং বাংলাদেশের ভোটার তালিকায় নাম, দাবি বিজেপির জেলা সভাপতির

তৃণমূল কর্মীর ভারত এবং বাংলাদেশের ভোটার তালিকায় নাম,নথি দেখিয়ে দাবি জেলা বিজেপির জেলা সভাপতির । মিথ্যা অভিযোগ দাবি তৃণমূলের । বাগদায় বয়রা গ্রাম পঞ্চায়েতের মালিদা গ্রামের তৃণমূল কর্মীর বাংলাদের ভোটার পাশাপাশি ওই ব্যক্তির উত্তর ২৪ পরগনার বাগদায় ভারতীর ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে। দুই দেশের নথি দেখিয়ে এমনই দাবি করলেন বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি দেবদাস মণ্ডল। রবিবার দেবদাস মণ্ডল সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেন, বাগদার বয়রা গ্রামপঞ্চায়েতের মালিদায় তৃণমূলের একনিষ্ঠ কর্মী সহিদুল বিশ্বাস। বয়রা গ্রামপঞ্চায়েতের কন্টাকটারিও করেন। বাংলাদেশের নথি দেখিয়ে দেবদাস দাবি করন, সহিদুল বাংলাদেশের যশোরের চৌগাছার বাসিন্দা। পাশাপাশি বাগদার মালিদার ভোটার। দেবদাসের আরও দাবি, শুধু সহিদুল নয় তার পুরো পরিবার বাংলাদেশের বাসিন্দা। এবং এখানের ভোটার। এরা তৃণমূলের সম্পদ। তৃণমূলের বুথ সভাপতি সমু মল্লার কাছে কর্মী স্থানীয় তৃণমূল নেতা ও তৃণমূল জেলা সভাপতির আদরের লোক। এরাই ভোটের সময় তৃণমূল হয়ে ভোট করায়, সাধারণ মানুষ ভোট দিতে পারে না। দেবদাসের দাবি, সহিদুলের সমস্ত নথি দিয়ে জেলাশাসকে মেল করা হয়েছে কিন্তু তার কোন উত্তর আসেনি।তবে সহিদুলের দাবি, তার বাবা ঠাকুরদাদা এখানের বাসিন্দা। তার জন্মএ এখানে। জমি জামা নিয়ে প্রতিবেশী সঙ্গে সমস্যার কারনে তার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করা হচ্ছে। তবে বাংলাদেশে যশোরে তার আত্মীয় সজন আছে বলে তিনি স্বীকার করেছেন।বিজেপি মিথ্যা অভিযোগ করছে বলে দাবি বয়রা আঞ্চলিক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি অসিত মণ্ডলের । সহিদুল তৃণমূল কর্মী বলেন জানিয়ে তিনি বলেন, সহিদুল ভারতের বাসিন্দা। মিথ্যা নতি দেখাচ্ছে বিজেপি। এটাই ওদের কাজ।

মার্চ ০২, ২০২৫
রাজনীতি

বাংলার ৩২ জন বিজেপি নেতার নিরাপত্তা রক্ষী প্রত্যাহার কেন্দ্রের, দেখুন তালিকা

সামনে ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে বাংলার ৩২ জন বিজেপি নেতার নিরাপত্তা রক্ষী প্রত্যাহার করল কেন্দ্রীয় সরকার। এই তালিকায় রয়েছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জন বার্লা, শঙ্কু দেব পন্ডা। সম্প্র্তি জন বার্লাকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মঞ্চে দেখা গিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তিনি কাজ করতে আগ্রহী বলেও জানিয়েছিলেন। জন বার্লা তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিচ্ছেন বলেও জোর জল্পনা চলছে। তারই মধ্যে তাঁর নিরাপত্তা রক্ষী তুলে নিল কেন্দ্রীয় সরকার। ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনের আগে এঁদের নিরাপত্তী রক্ষী দেওয়া হয়েছিল।রাজ্যের যে ৩৪জন বিজেপি নেতার রক্ষী তুলে নেওয়া হল তাঁদের তালিকা -১) তপশিলি জাতি-উপজাতির জাতীয় কমিশনের সহ-সভাপতি অরুণ হালদার২) কোচবিহারে বিজেপির রাজ্য কোর কমিটির সদস্য অভিজিৎ বর্মন৩) দক্ষিণ ২৪ পরগনার প্রাক্তন জেলা সভাপতি অভিজিৎ দাস৪) বিজেপির রাজ্য নেতা অজয় রায়৫) নদিয়ার জেলা সভাপতি অর্জুন বিশ্বাস6) উলুবেড়িয়ার সাংসদ পদপ্রার্থী অরুণোদয় পাল চৌধুরী৭) আরামবাগের সাংসদ পদপ্রার্থী অরূপকান্তি দিগর৮) দক্ষিণ 24 পরগনার জয়নগর ও মাজিলপুর পুরসভার 2 নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি নেতা অশোক কাণ্ডারি৯) জগদীশপুরের বিজেপি নেতা অশোক পুরকায়স্থ১০) দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিজেপি নেতা মন্দির ব্রজ১১) উত্তর দিনাজপুরের বিজেপি নেতা বাসুদেব সরকার১২) বিজেপির প্রাক্তন সাংসদ দশরথ তিরকে১৩) বিজেপির রাজ্য যুগ্ম আহ্বায়ক দেবব্রত বিশ্বাস১৪) ডায়মন্ড হারবারের বিজেপি নেতা দেবাংশু পাণ্ডা১৫) রাজ্য বিজেপি নেতা দেবাশিস ধর১৬) বিজেপির মুর্শিদাবাদ জেলা সভাপতি ধনঞ্জয় ঘোষ১৭) দক্ষিণ 24 পরগনার বিজেপি নেতা দীপক হালদার১৮) বিজেপির রাজ্য নেতা জয়দীপ ঘোষ১৯) বিজেপির রাজ্য নেতা জীবেশচন্দ্র বিশ্বাস২০) আলিপুরদুয়ারের প্রাক্তন সাংসদ জন বার্লা২১) বিজেপি নেতা লোকনাথ চট্টোপাধ্যায়২২) মুর্শিদাবাদের বিজেপি নেতা নির্মল সাহা২৩) মুর্শিদাবাদের বিজেপি নেতা নিভাস২৪) রাজ্যের বিজেপি নেতা নিত্যানন্দ চট্টোপাধ্যায়2৫) বিজেপির রাজ্যের আহ্বায়ক পলাশ রানা২৬) বোলপুরের বিজেপি সাংসদ পদপ্রার্থী পিয়া সাহা২৭) ঝাড়গ্রামের বিজেপি নেতা প্রণত টুডু২৮) বিজেপি নেত্রী প্রণতি মাঝি২৯) বিজেপির বোলপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি সন্ন্যাসী চরণ মণ্ডল৩০) বিজেপির রাজ্য নেতা শঙ্কুদেব পাণ্ডা৩১) ঘাটালের বিজেপি নেতা তন্ময় দাস৩১) কোচবিহার জেলার সাধারণ সম্পাদক তাপস দাস

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৫
রাজনীতি

বিধানসভায় জঙ্গিযোগের জবাব সহ টানা বক্তৃতা মমতার, পাল্টা শুভেন্দু

বিধানসভার ভিতরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বক্তব্য়ের ঝাঁঝ বাড়াচ্ছেন, বাইরে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী পাল্টা বক্তব্য় রাখছেন। একজন আক্রমণ করছে আরেকজন জবাব দিচ্ছেন। গতকালের সাসপেন্ডের জের এদিনও চল রাজ্য বিধানসভায়। নজিরবিহীন রাজনীতির সাক্ষ্য থাকল বিধানসভা চত্ত্বর। তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে জঙ্গিযোগের মারাত্মক অভিযোগ করছেন শুভেন্দু অধিকারী। এবার এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখে অভিযোগ জানানোর হুঙ্কার দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন মুখ্যমন্ত্রী বিধানসভায় বলেন, আমি যখন কাগজ ছিড়েছিলাম, তখন আমি একা ছিলাম। বিজেপি, কংগ্রেস, সিপিএম আমাকে একটা কথা বলতে দিত না। অথচ ৩৯ শতাংশ ভোট ছিল আমাদের। একটা বক্তব্য রাখতে দেওয়া হত না। একটা প্রশ্নও করতে দেওয়া হত না। বাধ্য হয়েই ওটা করতে হয়েছিল।মুখ্যমন্ত্রী এদিন বিধানসভায় বলেন, মত প্রকাশের স্বাধীনতা মানে সাম্প্রদায়িকতা নিয়ে কথা বলা বা কোনও ধর্মের বিরুদ্ধে উসকানি দেওয়া নয়। আমি কখনোই ধর্মীয় বিষয়গুলিকে উস্কে দেওয়ার চেষ্টা করি না। কোনওদিন ধর্ম-জাতপাত নিয়ে কথা বলি না। ভাগাভাগির চেষ্টা বরদাস্ত নয়। আত্মসম্মান বিসর্জন দিয়ে আমি রাজনীতি করি না। বাংলায় সরস্বতী পুজোয় কোনও বাধা দেওয়া হয়নি। আমি নাকি হিন্দু ধর্মকে তাচ্ছিল্য করি, মুসলিম লিগ করি। প্রমাণ করতে পারলে মুখ্যমন্ত্রীত্ব ছেড়ে দেব। বিরোধী দলনেতা যা অভিযোগ করছেন তা প্রমাণ করতে পারলে পদত্যাগ করবো। তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে কুৎসা চলছে।এদিন বিধানসভায় মহাকুম্ভ সম্পর্কে একটি বিতর্কিত মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মহাকুম্ভকে মৃত্যুকুম্ভ বলে উল্লেখ করে বিজেপিকে নিশানা করেন। মুখ্যমন্ত্রী এদিন অভিযোগ করেন, মহাকুম্ভে ভিআইপিরা বিশেষ সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন, অন্যদিকে সাধারণ মানুষ সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। এই মেগা ইভেন্টটি সঠিকভাবে পরিকল্পনাই করা হয়নি, বলে তোপ দেগেছেন মমতা। তিনি আরও বলেন, আমি মহাকুম্ভকে সম্মান করি, পবিত্র মা গঙ্গাকে সম্মান করি। কিন্তু কোন পরিকল্পনা নেই। কতজন অসুস্থ হয়েছেন? কতজনের মৃত্যু হয়েছে তার কোন তথ্য নেই। ধনী, ভিআইপিদের জন্য ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ক্যাম্পের ব্যবস্থা থাকলেও কুম্ভে দরিদ্রদের জন্য কোনও ব্যবস্থা নেই বলেও সরব হয়েছেন মমতা। বিজেপি রাজনৈতিক স্বার্থে হিন্দু ধর্মকে ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রীর।এদিকে পালটা শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, মহাকুম্ভকে মৃত্যুকুম্ভ বলার খেসারত ওঁকে পোহাতে হবে। হরিয়ানা, মহারাষ্ট্র , দিল্লিতে হিন্দুভোট একত্রিত হচ্ছে যা দেখে তৃণমূল ভয় পেয়েছে। আপনার উস্কানিতে সিএএ নিয়ে একের পর এক হামলা। এই সরকার মুসলিম লিগ ২-এর মত আচরণ করছেন। আপনাকে দাঁড়িয়ে হারাব। নন্দীগ্রাম থেকে হারিয়েছি। এবার ভবানীপুর থেকে হারবেন। আপনি বলেছেন ওরা আন্দোলন করলে আটকাতে পারবেন তো, মমতা বন্দোপাধ্যায় আজকে আমাকে থ্রেট করেছেন। কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্র দফতরে জানাবো। এর আগে আমার নিরাপত্তা নিয়ে সতর্ক করা হয়েছে। বাংলা থেকে মহাকুম্ভে স্রোতের মত মানুষ গিয়েছেন। রাজ্য থেকে ২ কোটি মানুষ মহাকুম্ভে গিয়েছেন। নিজের জালে নিজেই জড়িয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী, সোচ্চার শুভেন্দু।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৫
দেশ

দিল্লিতে গেরুয়া ঝড়ে সাফ আপ, পরাজয় কেজরিওয়াল, সিসোদিয়ার

দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করে ক্ষমতায় এসেছিল আম আদমি পার্টি বা আপ। ১০ বছর পরে দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের আগে আপের বিরুদ্ধে দুর্নীতির ইস্যু খাড়া করেছিল বিজেপি। এবার কুপোকাত অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্ট। বিজেপি কাছে গোহারা হেরে গিয়ে ক্ষমতা ছাড়তে হচ্ছে আপকে। ৭০ আসনের দিল্লি বিধানসভায় মাত্র ২২টি আসনে জয়লাভ করেছে আপ। সেখানে বিজেপির ঝুলিতে ৪৮টি আসন। দীর্ঘ ২৭ বছর পর দিল্লির মসনদে বিজেপি। এদিন গণনার শুরু করে এগিয়ে ছিল বিজেপি। কখনও সেই ট্রেন্ড ঘুরে যায়নি। অরবিন্দ কেজরিওয়ালের মতো হেভিওয়েট আপ নেতা পরাজিত হয়েছেন। হেরে গিয়েছেন প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী মনীশ সিসোদিয়া । বিভিন্ন আসনে নক্ষত্র পতন হয়েছে। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী আতিশী এবারের নির্বাচনী ফলাফল অনুসারে ৯০০ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। বিজেপি নেতা প্রবীণ খান্ডেলওয়াল বলেছেন, কেজরিওয়াল স্রেফ মিথ্যার ওপর ভর করে চলেছেন। অপর দিকে মানুষের জন্য কাজ করে গিয়েছে বিজেপি। এই দুইয়ের তুলনা আজ ভোটের ফলাফলে প্রতিফলিত হয়েছে। মানুষ বিজেপিকে দুহাত ভরে আর্শীবাদ করেছে। দিল্লির মানুষ অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে তার কাজের জন্য বড় শাস্তি দিতে চলেছেন। এদিকে বিজেপির এই বিরাট সাফল্যে দিল্লি জুড়ে খুশির হাওয়া পদ্মশিবিরে। আজ সন্ধ্যায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। বঙ্গ বিজেপিও দিল্লির জয়ে পুলকিত। তাঁরা আগামী ২০২৬ জয়ের আশা দেখতে শুরু করেছে। সমাজকর্মী আন্না হাজারের সঙ্গে এক মঞ্চে দুর্নীতির বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছিলেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। আন্না হাজারে বলেছেন, আমি অনেক দিন ধরেই বলে আসছি যে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সময় প্রার্থীর চরিত্র ভালো হওয়া উচিত, তাঁর সম্পর্কে সাধারণের মনে ভাল ধারণা থাকা উচিত এবং ভাবমূর্তির উপর কোনও দাগ থাকা উচিত নয়। কিন্তু, তারা (আপ) এটা বুঝতে পারেনি। মদ এবং টাকার নেশায় জড়িয়ে পড়েছে। এতে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে এবং সেই কারণেই আপের নির্বাচনে এই ভরাডুবি হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 53
  • 54
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

মোদিকে হত্যার ছক? বেঙ্গালুরুতে প্রধানমন্ত্রীর রুট থেকে উদ্ধার বিস্ফোরক

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বেঙ্গালুরু সফর ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল। যে রাস্তা দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) কনভয় যাওয়ার কথা ছিল, সেই পথের ধারে উদ্ধার হয়েছে বিস্ফোরণে ব্যবহৃত জেলাটিন স্টিক। ঘটনার পর থেকেই ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে এলাকায়। পুলিশ এক সন্দেহভাজন যুবককে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার বেঙ্গালুরুর আর্ট অফ লিভিং সেন্টারে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) । সেই সময় কাগ্গালিপুরা এলাকার থাথাগুনির কাছে রাস্তার ধারে কয়েকটি জেলাটিন স্টিক উদ্ধার হয়।জানা গিয়েছে, মোদির (PM Modi) সফরের আগে পুলিশের কাছে একটি সন্দেহজনক ফোনকল আসে। ফোনে বিস্ফোরণের আশঙ্কার কথা জানানো হয়। এরপরই এলাকায় তল্লাশি অভিযান শুরু করে পুলিশ। সেই তল্লাশিতেই রাস্তার ধারে পড়ে থাকা জেলাটিন স্টিক উদ্ধার হয়।ঘটনার পরই হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, রবিবার ভোরে এক ব্যক্তি স্থানীয় থানায় ফোন করে এইচএএল এবং আর্ট অফ লিভিং সেন্টারে বিস্ফোরণের আশঙ্কার কথা জানিয়েছিলেন। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই শুরু হয় ব্যাপক তল্লাশি (PM Modi) ।পরে ওই সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে কোরামাঙ্গালায় তাঁর বাড়ি থেকে আটক করা হয়। তাঁকে থানায় নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এইচএএল বিমানবন্দরের কাছে কোনও সন্দেহজনক বস্তু না মিললেও আর্ট অফ লিভিং যাওয়ার রাস্তায় জেলাটিন স্টিক উদ্ধার হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।ডেপুটি পুলিশ কমিশনার জানিয়েছেন, গোটা ঘটনার তদন্ত চলছে। কীভাবে ওই বিস্ফোরক সেখানে পৌঁছল, কারা তা সরবরাহ করেছিল এবং এর পিছনে কোনও বড় ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।সন্দেহভাজন যুবকের পাশাপাশি তাঁর বাবা-মাকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ওই ব্যক্তি অতীতেও বেঙ্গালুরুতে ভিআইপি সফরের সময় একই ধরনের ফোন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছিলেন। তখনও তাঁকে আটক করা হয়েছিল। পরে জানা যায়, তাঁর মানসিক সমস্যা রয়েছে। তবে এবার প্রধানমন্ত্রীর সফরের রুট থেকে বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনায় কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না পুলিশ।

মে ১০, ২০২৬
কলকাতা

সাসপেন্ড হতেই বিস্ফোরক ঋজু! “চাকরি বিক্রি হয়েছে, সবাই জানে”

তৃণমূল থেকে সাসপেন্ড হওয়ার পর বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন দলের নেতা ঋজু দত্ত। চাকরি বিক্রি থেকে শুরু করে কাটমানি, টিকিট বাণিজ্য একের পর এক অভিযোগে সরব হয়েছেন তিনি। তাঁর দাবি, চাকরি বিক্রি হয়নি, এটা বলার মতো বড় পাপ আর কিছু হতে পারে না। চাকরি বিক্রি হয়েছে, সেটা প্রমাণিত।এখানেই থামেননি ঋজু। তাঁর অভিযোগ, বাড়ির প্ল্যান পাশ করানো থেকে শুরু করে নির্মাণ কাজ সব ক্ষেত্রেই টাকা দিতে হয়। এমনকি বাড়িতে কোমড বসানোর ক্ষেত্রেও তৃণমূলের লোকেরা টাকা নেয় বলে দাবি করেন তিনি।বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে ঋজু বলেন, বাংলার মানুষ এবার মন খুলে কথা বলতে পারছেন। কলকাতার রাস্তায় বেরোলে মনে হচ্ছে ভারত জিতেছে, পাকিস্তান হেরেছে। মানুষ নতুন স্বাধীনতার স্বাদ পেয়েছে।তৃণমূলে থাকার সময় নিজের অবস্থান নিয়েও মুখ খুলেছেন ঋজু দত্ত। তিনি বলেন, আরজি কর আন্দোলনের সময় আমি দলের হয়ে লড়াই করেছি। সন্দেশখালির সময়ও দলকে সমর্থন করেছি। কারণ আমি দলের মুখপাত্র ছিলাম। কিন্তু মন থেকে কোনওদিন সেগুলো মেনে নিতে পারিনি। দল যা বলতে বলত, বাধ্য হয়ে সেটাই বলতে হত।আইপ্যাক নিয়েও তীব্র অভিযোগ করেছেন তিনি। ঋজুর দাবি, দল চালাত আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈন। তৃণমূল নয়। টিকিট দেওয়ার জন্য টাকা চাওয়া হত। আমার কাছেও ৫০ লাখ টাকা চাওয়া হয়েছিল।এই পরিস্থিতিতে বিজেপিও কটাক্ষ করতে শুরু করেছে তৃণমূলকে। বিজেপি নেতা রাহুল সিনহার বক্তব্য, এখন ধাক্কা খেয়ে অনেকেরই চেতনা ফিরছে।তবে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার জল্পনা উড়িয়ে দিয়েছেন ঋজু দত্ত। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, বিজেপিতে যোগ দেওয়ার জন্য তিনি কোনও আবেদন করেননি। যদিও বিজেপি নেতাদের পাশে পাওয়ার কথাও স্বীকার করেছেন। তাঁর বক্তব্য, আমার এলাকার বিজেপি বিধায়ক রিতেশ তিওয়ারি পুলিশকে ফোন করে আমার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। উত্তর কলকাতার বিজেপি নেতারাও আমার পরিবারকে সাহায্য করেছেন।ঋজুর এই বিস্ফোরক মন্তব্যের পর রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

মে ১০, ২০২৬
দেশ

বেঙ্গালুরু থেকেও বাংলার জয়গান মোদীর, “তিন থেকে ২০০, এটাই নতুন ইতিহাস”

বাংলায় বিজেপির ঐতিহাসিক জয়ের পর উচ্ছ্বাসে ভাসছে গেরুয়া শিবির। বিজেপির শীর্ষ নেতাদের মুখে বারবার উঠে আসছে বঙ্গজয়ের প্রসঙ্গ। এবার কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুতে সভা করেও বাংলার জয় নিয়ে মন্তব্য করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। একইসঙ্গে তিনি তুলে ধরলেন গত ১০ বছরে বাংলায় বিজেপির উত্থানের কাহিনি।বেঙ্গালুরুতে দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে মোদী বলেন, অসমে টানা তিনবার এনডিএ সরকার গঠন করেছে। বাংলায় প্রথমবার বিজেপি এত বড় আশীর্বাদ পেয়েছে। গুজরাটেও পঞ্চায়েত নির্বাচনে দারুণ ফল করেছে বিজেপি। এই সবই নতুন ইতিহাস তৈরির ঘটনা।এরপর বাংলায় বিজেপির লড়াইয়ের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, দশ বছর আগে বাংলায় আমাদের মাত্র তিনজন বিধায়ক ছিল। তখন সংগঠনও খুব শক্তিশালী ছিল না। আজ সেই বাংলা থেকেই ২০০-র বেশি আসনে জয় পেয়ে বিজেপি সরকার গঠন করেছে। এটা ইতিহাস রচনার থেকে কম কিছু নয়।২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় বিজেপি মাত্র তিনটি আসনে জয় পেয়েছিল। এরপর ২০২১ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৭৭। আর ২০২৬ সালের নির্বাচনে বিজেপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করেছে।এবারের নির্বাচনে বিজেপি ২০৭টি আসনে জয় পেয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের ঝুলিতে এসেছে ৮০টি আসন। রাজ্যের একাধিক এলাকায় গেরুয়া ঝড়ে কার্যত ভরাডুবি হয়েছে তৃণমূলের। বিজেপির ভোটের হারও ৪৫ শতাংশের বেশি বলে দাবি দলের।শনিবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। শপথ নেওয়ার পর থেকেই প্রশাসনিক কাজে নেমে পড়েছেন তিনি। সোমবার নবান্নে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করার কথা রয়েছে নতুন মুখ্যমন্ত্রীর।বাংলায় প্রথমবার বিজেপি সরকার গঠন করায় দলীয় কর্মী-সমর্থকদের মধ্যেও উচ্ছ্বাস তুঙ্গে। আর সেই আবহেই দেশের অন্য প্রান্তে দাঁড়িয়ে বাংলার জয়কে ইতিহাস বলে তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

মে ১০, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের ফলের পর রক্তাক্ত খুন! এন্টালিতে তৃণমূল কর্মী হত্যায় আরও এক গ্রেপ্তার

এন্টালিতে তৃণমূল কর্মী তাপস নস্কর খুনের ঘটনায় আরও এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। শনিবার গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে হাসনাবাদ থেকে অভিযুক্তকে পাকড়াও করা হয়। ধৃতের নাম ভোলা কর। রবিবার তাঁকে শিয়ালদহ আদালতে তোলা হবে বলে পুলিশ সূত্রে খবরবিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরের দিন, মঙ্গলবার গভীর রাতে খুন হন তাপস নস্কর। ঘটনার পরই একজনকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেই আরও এক অভিযুক্তের খোঁজ মেলে। এরপর গোপন সূত্রে খবর পেয়ে হাসনাবাদের মিঠুন মণ্ডলের বাড়িতে হানা দেয় পুলিশ। সেখান থেকেই ভোলা করকে গ্রেপ্তার করা হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তাপস খুনের ঘটনায় দায়ের হওয়া এফআইআরে ভোলা করের নাম ছিল। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুরো ঘটনার পিছনের কারণ জানার চেষ্টা চলছে। যদিও পুলিশের দাবি, এই খুনের সঙ্গে রাজনৈতিক কোনও যোগ নেই।স্থানীয় সূত্রে খবর, এলাকার এক প্রভাবশালী তৃণমূল নেতার ঘনিষ্ঠ ছিলেন তাপস নস্কর। সেই সূত্রে এলাকায় প্রোমোটিংয়ের বিভিন্ন কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। এছাড়াও তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অবৈধ কাজের অভিযোগ ছিল বলে দাবি স্থানীয়দের। স্থানীয় থানায় তাপসের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগও জমা পড়েছিল।নির্বাচনের আগে পুলিশ তাঁকে সতর্ক করেছিল বলেও জানা গিয়েছে। এমনকি ভোটের আগে তাঁকে নজরবন্দিও রাখা হয়েছিল। কিন্তু সেই সময় এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান তাপস। ভোট শেষ হওয়ার পর ফের এন্টালিতে ফিরে আসেন তিনি।তারপরই ৫ তারিখ গভীর রাতে এন্টালির চৌধুরী লেনে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায় তাঁকে। স্থানীয় মানুষ পুলিশে খবর দিলে দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। তাপসের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে।ঘটনার পর নিহতের স্ত্রী স্থানীয় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সেখানে কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়, যার মধ্যে ভোলা করের নামও ছিল।এই খুনের ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়ালেও কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দা জানিয়েছেন, এটি রাজনৈতিক খুন নয়। তাঁর দাবি, নির্মাণ ব্যবসা নিয়ে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে দীর্ঘদিনের বিবাদের জেরেই এই খুনের ঘটনা ঘটেছে। বেশ কিছুদিন বাইরে থাকার পর সম্প্রতি এলাকায় ফিরেছিলেন তাপস। তারপরই এই হামলার ঘটনা ঘটে।

মে ১০, ২০২৬
কলকাতা

সরকার বদলাতেই বড় পদক্ষেপ! অবশেষে প্রকাশ্যে এসএসসি-র গোপন ওএমআর

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পরই বদলে গেল স্কুল সার্ভিস কমিশনের অবস্থান। দীর্ঘদিন ধরে বিতর্কে থাকা ২০১৬ সালের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ওএমআর শিট অবশেষে প্রকাশ করল এসএসসি। সূত্রের খবর, নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর শপথ গ্রহণের দিনেই একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষার্থীদের ওএমআর প্রকাশ করা হয়েছে।এর আগে ২০২৪ সালেই কলকাতা হাইকোর্ট সমস্ত ওএমআর প্রকাশ করার নির্দেশ দিয়েছিল। পরে সুপ্রিম কোর্টও সেই নির্দেশ বহাল রাখে। কিন্তু তারপরেও এতদিন পর্যন্ত সব ওএমআর প্রকাশ করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছিল।তদন্ত সূত্রে জানা গিয়েছে, ওএমআর মূল্যায়নকারী সংস্থার এক প্রাক্তন কর্মীর ঠিকানা থেকে একটি হার্ডডিস্ক উদ্ধার করা হয়েছিল। সেই হার্ডডিস্ক থেকেই নবম-দশম এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির সমস্ত পরীক্ষার্থীর ওএমআর পাওয়া যায়। এরপরই তা প্রকাশ্যে আনা হয়েছে।হাইকোর্টের বিচারপতি দেবাংশু বসাকের ডিভিশন বেঞ্চ ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে সমস্ত ওএমআর প্রকাশের নির্দেশ দেয়। সুপ্রিম কোর্টও সেই নির্দেশ বহাল রাখলেও এতদিন পর্যন্ত পুরো তথ্য সামনে আনা হয়নি। এবার এসএসসি জানিয়েছে, খুব শীঘ্রই গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি-র সমস্ত ওএমআরও প্রকাশ করা হবে।এখন ২০১৬ সালের সমস্ত পরীক্ষার্থী নিজেদের ওএমআর দেখতে পারবেন বলে জানানো হয়েছে। শুক্রবার এসএসসি-র তরফে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানানো হয়, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনেই সিবিআই সূত্রে পাওয়া ওএমআর শিট ওয়েবসাইটে আপলোড করা হয়েছে।২০১৬ সালের শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ২৬ হাজারেরও বেশি শিক্ষক এবং শিক্ষা কর্মীর চাকরি বাতিল হয়েছিল। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে পুরো প্যানেল বাতিল হয়। এরপর থেকেই চাকরিপ্রার্থী এবং বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে ওএমআর প্রকাশের দাবি উঠছিল। ওএমআর নষ্ট করা এবং কারচুপির অভিযোগও সামনে এসেছিল।এই পরিস্থিতিতে হঠাৎ করে ওএমআর প্রকাশ হওয়ায় নতুন করে রাজ্যের শিক্ষা মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

মে ১০, ২০২৬
রাজ্য

“শেষে রাহুলের কাছেই হাতজোড় করতে হবে!” মমতাকে নিয়ে বিস্ফোরক অধীর

রাজ্যের রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করলেন প্রদেশ কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী। তাঁর দাবি, একসময় বাম শাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে যাঁদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এখন তিনিই রাজনৈতিক সংকটে পড়ে সকলকে পাশে চাওয়ার চেষ্টা করছেন।অধীর চৌধুরী বলেন, বামেদের সরানোর সময় উনি নকশালদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করেছিলেন। পরে কিষানজিকে হত্যা করা হয়। এখন দিদি নিজেই বিপদে পড়েছেন। তাই সবাইকে ডাকছেন। তাঁর কটাক্ষ, আগামী দিনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে রাহুল গান্ধীর কাছেও হাতজোড় করতে হতে পারে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়েও কটাক্ষ করেছেন অধীর। তিনি বলেন, বিকেল চারটে থেকে ছটার মধ্যে ওঁর বাড়িতে কারা দেখা করতে যাচ্ছেন, সেটা দেখতে চাই। যদি কেউ যান, তাহলে বোঝা যাবে বাংলার মানুষ এখনও তাঁকে আন্দোলনের নেত্রী হিসেবে মানছেন কি না।এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়েও আক্রমণ শানান অধীর চৌধুরী। তিনি বলেন, শুনছি খোকাবাবুর বাড়ি এখন দর্শনীয় জায়গা হয়ে গেছে। মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপো হওয়ার সুবাদে কত ক্ষমতা পাওয়া যায় এবং সেই ক্ষমতায় কেমন বাড়ি তৈরি হয়, তা দেখতে মানুষ ভিড় করছেন। এখানেই থামেননি অধীর। তাঁর মন্তব্য, খোকাবাবুর বাড়ি যেমন মিউজিয়াম হয়েছে, দিদির বাড়িও খুব শীঘ্রই মিউজিয়াম হয়ে যাবে।জাতীয় রাজনীতির ভবিষ্যৎ সমীকরণ নিয়েও মন্তব্য করেছেন অধীর চৌধুরী। তিনি বলেন, দিদি আগামী দিনে কী করবেন, সেটা দেখার অপেক্ষায় আছি। তবে এটা নিশ্চিত, শেষ পর্যন্ত রাহুল গান্ধীর কাছেই তাঁকে যেতে হবে।প্রসঙ্গত, শনিবার কালীঘাটের বাড়িতে রবীন্দ্র জয়ন্তীর অনুষ্ঠানের পর বিজেপিকে রুখতে বিরোধী জোট গঠনের বার্তা দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, সব বিরোধী রাজনৈতিক দলকে একসঙ্গে আসতে হবে। বাম এবং অতিবাম দলগুলিকেও একজোট হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। মমতা স্পষ্ট বলেন, বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করতে হলে সবাইকে একসঙ্গে থাকতে হবে।যদিও তৃণমূল নেত্রীর এই বার্তায় এখনও ইতিবাচক সাড়া দেয়নি বামেরা। আপাতত তারা একাই লড়াই করার অবস্থানে রয়েছে। এর মধ্যেই অধীর চৌধুরীর এই মন্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে। তবে এই বিষয়ে এখনও তৃণমূলের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

মে ১০, ২০২৬
কলকাতা

টোল প্লাজার ক্যামেরায় ধরা পড়ল খুনিদের গাড়ি! ইউপিআই সূত্রে চাঞ্চল্যকর মোড়

চন্দ্রনাথ রথ খুনের তদন্তে বড় সূত্র পেল পুলিশ। খুনে ব্যবহৃত গাড়ির ফাস্ট্যাগ পেমেন্ট থেকে একটি ইউপিআই লিঙ্কের খোঁজ মিলেছে। সেই সূত্র ধরেই ঝাড়খণ্ডের এক ব্যক্তিকে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।তদন্তকারীদের দাবি, খুনে ব্যবহৃত গাড়িটি বালি টোলপ্লাজা হয়ে এলাকায় ঢুকেছিল। টোলপ্লাজার সিসিটিভি ফুটেজে গাড়িটিকে চিহ্নিত করা হয়েছে। সেখানে টোলের টাকা ফাস্ট্যাগের মাধ্যমে দেওয়া হয়েছিল। সেই অনলাইন পেমেন্টের সূত্র ধরেই কোন অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা গিয়েছে, তা জানতে পেরেছে পুলিশ।চন্দ্রনাথ রথের সঙ্গে দীর্ঘ আট বছরের সম্পর্ক ছিল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। চন্দ্রনাথ ছিলেন প্রাক্তন বায়ুসেনা কর্মী। তাঁর বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুরের পুলুপ এলাকার ঈশ্বরপুর পাঁচ গ্রাম পঞ্চায়েতে। শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূল কংগ্রেসে থাকাকালীন সময় থেকেই তাঁদের পরিচয়। ধীরে ধীরে শুভেন্দুর ঘনিষ্ঠ ও আস্থাভাজন হয়ে ওঠেন চন্দ্রনাথ। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড দেখভালের দায়িত্বেও ছিলেন তিনি।বুধবার রাতে আচমকাই খুন হন চন্দ্রনাথ রথ। তারপর থেকেই তদন্তে নেমেছে বিশেষ তদন্তকারী দল। আততায়ীদের গতিবিধি জানতে প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়া হচ্ছে। তদন্তকারীরা টাওয়ার ডাম্পিং প্রযুক্তির মাধ্যমে ঘটনার আগে এবং পরে এলাকার মোবাইল ফোনের তথ্য খতিয়ে দেখছেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার সময় কোন কোন মোবাইল নম্বর থেকে ফোন করা হয়েছিল বা কল রিসিভ করা হয়েছিল, তার তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। সন্দেহজনক নম্বর চিহ্নিত করতে ঘটনাস্থলের আশপাশের একাধিক মোবাইল টাওয়ারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।বিশেষ সফটওয়্যারের সাহায্যে বহু ফোন কলের মধ্যে থেকে সন্দেহভাজন নম্বর আলাদা করার কাজ চলছে। তদন্তকারীরা দেখছেন, ঘটনার আগে ও পরে কোন কোন নতুন নম্বর থেকে হঠাৎ ফোন আদানপ্রদান হয়েছে। সেই নম্বরগুলির টাওয়ার লোকেশন ট্র্যাক করে আততায়ীদের গতিবিধি জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।

মে ১০, ২০২৬
দেশ

মুখ্যমন্ত্রী হয়েই বড় ঘোষণা থলপতি বিজয়ের! বিনামূল্যে বিদ্যুৎ থেকে নারী সুরক্ষায় একগুচ্ছ প্রতিশ্রুতি

রবিবার তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন দক্ষিণী সুপারস্টার থলপতি বিজয়। শপথ নেওয়ার পরই প্রথম ভাষণে তিনি জানান, সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করাই তাঁর মূল লক্ষ্য। ধর্মনিরপেক্ষতা ও সামাজিক ন্যায়ের নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি রাজ্যের মানুষের জন্য একাধিক বড় ঘোষণা করেন নতুন মুখ্যমন্ত্রী।চেন্নাইয়ে শপথ গ্রহণের পর প্রথম ভাষণে বিজয় বলেন, আমি সাধারণ মানুষ। আপনাদের ভালবাসা আর সমর্থনেই আজ এখানে পৌঁছেছি। সরকারের সমস্ত সিদ্ধান্ত এবং কাজের দায়ভার আমারই থাকবে। তিনি আরও বলেন, আগের ডিএমকে সরকার বিপুল ঋণের বোঝা রেখে গিয়েছে। তবে মানুষের সমর্থন থাকলে তাঁর সরকার সব প্রতিশ্রুতি পূরণ করার চেষ্টা করবে।এদিন জোট রাজনীতি নিয়েও স্পষ্ট বার্তা দেন বিজয়। তিনি বলেন, তাঁর নেতৃত্বাধীন সরকার কোনও জোটসঙ্গীর চাপের কাছে মাথা নত করবে না। সরকার নিজের নীতি মেনেই চলবে।অনুরাগীদের উদ্দেশেও আবেগঘন বার্তা দেন দক্ষিণী তারকা। তিনি বলেন, আপনারাই আমার জীবন। আপনাদের ভালোর জন্যই আমি কাজ করব। আপনাদের ছাড়া আমি কিছুই নই। তাঁর মুখে শোনা যায় জনপ্রিয় তামিল শব্দবন্ধ এন নেনজিল কুডিয়িরুক্কুম, যার অর্থ, যাঁরা আমার হৃদয়ে থাকেন।মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েই একাধিক জনমুখী প্রকল্পের ঘোষণা করেছেন বিজয়। তিনি জানান, তামিলনাড়ুর মানুষ মাসে ২০০ ইউনিট পর্যন্ত বিনামূল্যে বিদ্যুৎ পাবেন। মহিলাদের নিরাপত্তার জন্য আলাদা নারী সুরক্ষা বাহিনী গঠন করা হবে বলেও ঘোষণা করেন তিনি।এছাড়াও রাজ্যে মাদক রুখতে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন নতুন মুখ্যমন্ত্রী। শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নতির দিকেও বিশেষ নজর দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। বিজয়ের দাবি, নতুন সরকার স্বচ্ছভাবে কাজ করবে এবং নির্বাচনী ইস্তাহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলি পূরণ করার চেষ্টা করবে।এদিন বিজয়ের সঙ্গে আরও নজন শপথ নেন। সূত্রের খবর, তাঁদের মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। সেই তালিকায় রয়েছেন কেএ সেনগোত্তাইয়ান, আধব অর্জুন, নির্মল কুমার, এন আনন্দ, অভিনেতা রাজ মোহন, চিকিৎসক টিকে প্রভু, প্রাক্তন আইআরএস আধিকারিক অরুণ রাজ, পি ভেঙ্কটারামনন এবং সর্বকনিষ্ঠ বিধায়ক কীর্তনা। বিরুধুনগর কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছেন কীর্তনা।

মে ১০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal