• ১২ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার ২৯ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

BjP

কলকাতা

মমতার গড়ে জনসংযোগ নাড্ডার, পুজো দিলেন কালীঘাটে

বাংলায় দুদিনের সফরে এসেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। আজ বিমানবন্দরে অবতরণের পর হেস্টিংসে আসলে কালো পতাকা দেখানো হয় তাঁকে। তা উপেক্ষা করে অগ্রবাল ভবনে স্থিত দলীয় কার্যালয়ের মধ্য়ে গঠিত নতুন নির্বাচনী দফতরের উদ্বোধন করেন তিনি। এরপর যান মুখ্যমন্ত্রীর মমতা বন্দ্যোপাধায়ের গড় ভবানীপুরে। সেখানে গৃহ সম্পর্ক অভিযানে যোগদান করেন নাড্ডা। গিরিশ মুখার্জি রোডের বস্তিতে কয়েকটি বাড়িতে গিয়ে আর নয় অন্যায় এর লিফলেট বিলি করেন সর্বভারতীয় সভাপতি। তবে তাঁর ৪৫টি বাড়িতে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে সেই কর্মসূচি বাতিল করা হয়। একেবারে কাছ থেকে জেপি নাড্ডাকে দেখে উচ্ছ্বসিত বস্তিবাসীরা। নাড্ডা তাদের সমস্যার কথা শোনেন এমনটাও জানান স্থানীয় বাসিন্দারা। আরও পড়ুন ঃ বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন মমতা, করলেন দ্রুত আরোগ্য কামনা এরপর সেখান থেকে বেড়িয়ে কালীঘাটে পুজো দিতে যান বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। মায়ের মন্দিরে পুজো দিয়ে আইসিসিআর-এ দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দেন নাড্ডা। পাশাপাশি আগামীকালও ঠাসা কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যপাধ্যায়ের গড় ডায়মন্ড হারবারে যাবেন তিনি। সেখানে স্থানীয় মৎসজীবীদের সঙ্গে কথা বলবেন জেপি নাড্ডা। তাঁদেরই একজনের বাড়িতে খেতে পারেন দুপুরের খাবারও এমনটাই বিজেপি সূত্রে খবর।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২০
রাজ্য

কোচবিহারে বিজেপি কর্মীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার

এক বিজেপি কর্মীর অস্বাভাবিক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়াল তুফানগঞ্জের সুভাষপল্লী এলাকায়। বুধবার স্থানীয় এক স্কুলের সাইকেল স্ট্যান্ড এলাকায় ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার হয় দেহ। বিজেপির অভিযোগ, বিজেপি করার অপরাধে মেরে ঝুলিয়ে দিয়েছে তৃণমূল। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। আরও পড়ুন ঃ দুর্গাপুরে কাউন্সিলরদের সঙ্গে বৈঠক, গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ভুলে একযোগে কাজের বার্তা মমতার জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সকাল থেকেই নিখোঁজ ছিলেন তুফানগঞ্জ মহকুমার অন্দরানফুলবাড়ি ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের সুভাষ পল্লী এলাকার বাসিন্দা স্বপন দাস (৩৫)। বিজেপি কর্মী স্বপনবাবু ছিলেন পেশায় স্বর্নকার। বুধবার সকালে স্থানীয় গার্লস স্কুলের সাইকেল স্ট্যন্ডের বারান্দায় স্বপন দাসের দেহ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। মৃতের স্ত্রী সকালে এসে তাঁর স্বামীকে শনাক্ত করেন। মৃতদেহের আশপাশে রক্তের দাগ থাকায় স্থানীয়দের অনুমান স্বপন দাসকে কে বা কারা মেরে ঝুলিয়ে দিয়েছে। এই ঘটনায় ব্যপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। ঘটনাটি জানাজানি হতেই ঘটনাস্থলে ভিড় জমান স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। ঘটনাস্থলে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে বিজেপি কর্মীরা। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতেই ঘটনাস্থলে আসে তুফানগঞ্জ থানার বিরাট পুলিশ বাহিনী। বিজেপির অভিযোগ, বিজেপি করার অপরাধে স্বপন দাসকে মেরে ঝুলিয়ে দিয়েছে তৃণমূল। একই অভিযোগ করেছেন মৃতের স্ত্রী চুমকি দাস। তিনি তাঁর স্বামীর মৃত্যুর পূর্নাঙ্গ তদন্ত দাবি করেছেন। ঘটনার রাজনৈতিক কোন রং রয়েছে কিনা তার তদন্ত শুরু করেছে তুফানগঞ্জ থানা পুলিশ। মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠান হয়েছে কোচবিহার জেলা হাসপাতালে।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২০
কলকাতা

তৃণমূলের পরিবারটাই দল, আর বিজেপির দলই পরিবারঃ নাড্ডা

রাজ্যে ১৩০ জন বিজেপি কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। আমি নিজে ১০০ জনের তর্পণ করেছি। এটা কোন বাংলা? বুধবার হেস্টিংসে অগ্রবাল ভবনে স্থিত দলীয় কার্যালয়ের মধ্যে গঠিত নতুন নির্বাচনী দফতরের উদ্বোধন করেন জেপি নাড্ডা। তিনি বলেন, মমতার আর এক নাম অসহিষ্ণুতা। রাজ্যে তৃণমূল সরকারের আমলে অসহিষ্ণুতা বেড়েই চলেছে। বুধবার কলকাতা থেকে ভার্চুয়াল মাধ্যমে বিভিন্ন জেলায় বিজেপি ৯টি নির্বাচনী কার্যালয়েরও উদ্বোধন করেন নাড্ডা। এ দিন তিনি জানান, আগামী দিনে মোট ৩৮টি কার্যালয় তৈরি হবে। ই-লাইব্রেরি থাকবে প্রতি কার্যালয়ে। কনফারেন্স হল থাকবে। বড় সভা করার জায়গা থাকবে। সেই সঙ্গে তিনি বলেন, পার্টি অফিস আর কার্যালয়ে অনেক তফাৎ। বিজেপি কার্যলয়ে বিশ্বাস করে। কার্যালয় আসলে সংস্কারের কেন্দ্র। আরও পড়ুন ঃ শ্বাসকষ্টের সমস্যার জের, হাসপাতালে ভরতি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য তিনি বলেন, তৃণমূলের কাছে পরিবারটাই দল আর বিজেপির কাছে দলই পরিবার। তাই নেতার বাড়ি থেকে নয়, কার্যালয় থেকে দল চালায় বিজেপি। এছাড়াও তাঁর বক্তব্য, লকডাউনে বিজেপি কর্মীরা ভাল কাজ করেছেন। রেশন বন্টন করেছেন বিজেপি কর্মীরা। আর সেই কর্মীদের বাধা দিয়েছে তৃণমূল। সবশেষে নাড্ডা আশ্বাস দেন, বাংলার সংস্কৃতিকে রক্ষা করার। পাশাপাশি এদিনও নাড্ডা দাবি করেছেন বাংলায় ২১-এর বিধানসভা ভোটে ২০০-র বেশি আসন নিয়ে জিতবে বিজেপি। সোনার বাংলাকে দুর্নীতি, ভাই-ভাতিজার রাজনীতি গ্রাস করেছে বলেও এদিন দাবি করেন তিনি। সরব হন তৃণমূলের তুষ্টিকরণের রাজনীতির বিপক্ষেও। রাজ্য সরকারকে কড়া সমালোচনা করে নাড্ডা বলেন, বাংলায় ১৩০ জন বিজেপি কর্মীকে খুন করা হয়েছে। যখনতখন বিজেপি নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। যাঁরা সরকারের সমালোচনা করছেন, তাঁদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। অন্যদিকে, এদিন বেলা ১টা নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দরে নেমে সোজা হেস্টিংসে চলে আসেন জেপি নাড্ডা। সেখানে পৌঁছানো মাত্রই জেপি নাড্ডাকে কালো পতাকা দেখানো হয়। নতুন কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ দেখায় বেশকিছু মানুষ।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২০
রাজ্য

কৈলাস-দিলীপের নামে এফআইআর শিলিগুড়ি পুলিশের

বিজেপির উত্তরকন্যা অভিযান ঘিরে রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে শিলিগুড়ি-ফুলবাড়ি এলাকা। পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের ধস্তাধস্তির সময়ই ভাঙচুর হয় বিজেপির সাধারণ সম্পাদক কৈলাস বিজয়বর্গীয়র গাড়ি। অন্যদিকে উত্তরকন্যা অভিযান চলাকালীন তাদের এক কর্মীর মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেছে বিজেপি। তাদের আঙুল পুলিশের দিকে। এমনকি পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির সময় ছড়রা গুলি চালানো হয় বলে অভিযোগ বিজেপির। উত্তরকন্যা অভিযানে দলীয় কর্মীর মৃত্যুর অভিযোগে আসরে নামে বিজেপি। বিজেপি কর্মীর মৃত্যুর প্রতিবাদে ১২ ঘণ্টার উত্তরবঙ্গ বনধে গতকালও ধুন্ধুমার বাঁধে শিলিগুড়িতে। আরও পড়ুন ঃ ডিসেম্বরের মাঝামাঝি ঠান্ডা পড়বে রাজ্যে এই পরিস্থিতিতে কৈলাস বিজয়বর্গীয়, দিলীপ ঘোষের নামে এফআইআর শিলিগুড়ি পুলিশের। দুই বিজেপি নেতা সহ বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে উত্তরকন্যা অভিযানে হিংসা ছড়ানোর অভিযোগে এফআইআর দায়ের করেছে পুলিশ। এর মধ্যে ২টি অভিযোগ হয়েছে নিউ জলপাইগুড়ি থানায়। শিলিগুড়ি থানায় একটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। হিংসা ছড়ানো, অশান্তি সৃষ্টি, ট্রাফিক গার্ড ভাঙচুর, সরকারি কাজে বাধা, পুলিশকে নিগ্রহ সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু হয়েছে কৈলাস বিজয়বর্গীয়, দিলীপ ঘোষ সহ বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২০
দেশ

রাজস্থানের পঞ্চায়েত নির্বাচনে কংগ্রেস হারিয়ে জয় ছিনিয়ে নিল বিজেপি

রাজস্থানের পঞ্চায়েত নির্বাচনে কংগ্রেস হারিয়ে জয়জয়কার বিজেপির। গত ২৩ নভেম্বর থেকে ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত রাজস্থানের জেলা পরিষদ এবং পঞ্চায়েত সমিতি মিলিয়ে মোট ৪,৩৭১টি আসনের নির্বাচন হয়েছিল। মঙ্গলবার রাতে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এর মধ্যে ১,৮৩৩টি আসনে জয়ী হয়েছেন বিজেপি প্রার্থীরা। কংগ্রেস প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন ১,৭১৩টি আসনে। ৪১৩টি আসন গিয়েছে নির্দলদের দখলে। লোকসভার সাংসদ হনুমান বেনিওয়ালের দল রাষ্ট্রীয় লোকতান্ত্রিক পার্টির দখলে গিয়েছে ৫৬টি আসন। সিপিআই ১৬টি এবং বিএসপি ৩টি আসন পেয়েছে। এনসিপি পেয়েছে ১টি আসন। আরও পড়ুন ঃ আগামীকাল কৃষকদের ডাকে ভারত বনধ, সমর্থন ১৬টি রাজনৈতিক দলের শুধু তাই নয়, রাজস্থান প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি গোবিন্দ সিং দোতাসরার নিজের এলাকা এবং একাধিক মন্ত্রীর নিজের বিধানসভা কেন্দ্রেও হারতে হয়েছে কংগ্রেসকে। অনেকেই মনে করেছেন, রাজ্যে ক্ষমতায় থাকা সত্বেও পঞ্চায়েতে এই হার কংগ্রেসের দৈন্যদশার বহিঃপ্রকাশ। আবার অনেকে মনে করছেন, সাংগঠনিক দুর্বলতার থেকেও বড় ফ্যাক্টর হল শচীন পাইলট ও অশোক গেহলটের দ্বন্দ্ব। সম্প্রতি অশোক গেহলটকে একাধিকবার আশঙ্কা প্রকাশ করতে শোনা গিয়েছে, বিজেপি তাঁর সরকার ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করছে। পঞ্চায়েত নির্বাচনে হারের পর সেই আশঙ্কা যে আরও বাড়বে, তা বলাই বাহুল্য

ডিসেম্বর ০৯, ২০২০
রাজনীতি

দিলীপ ঘোষ একটা ফোর টোয়েন্টি, দালালঃ অনুব্রত

বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে ফের নজিরবিহীন ভাষায় আক্রমণ করলেন বীরভূমের তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। মঙ্গলবার পূর্ব বর্ধমানের আলিগ্রামে তৃণমূল কংগ্রেসের বুথ ভিত্তিক কর্মী সম্মেলন ছিল। এদিন আউশগ্রাম ১ ব্লকের গুসকরা-২, দিগনগর-১, দিগনগর-২ এবং বিল্বগ্রাম এই চারটি অঞ্চলের কর্মীদের নিয়ে বুথ সম্মেলন হয়। এরপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, দিলীপ ঘোষ একটা ফোর টোয়েন্টি দালাল। জানোয়ার, মহিলাদের সম্মান করতে জানে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নোংরা ভাষায় আক্রমণ করে। আরও পড়ুন ঃ এবার শুভেন্দুর সঙ্গে বর্ধমানের সাংসদের ছবি, তুঙ্গে বিতর্ক কয়েকদিন আগে দিলীপ ঘোষ স্বাস্থ্য সাথী কার্ড নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন ওই কার্ড কোন কাজ করবে না।সাংবাদিকরা এই প্রসঙ্গ তুলতেই তিনি মেজাজ হারান। তিনি বলেন ও পাগল ছাগল লোক। এদিনও তিনি ঘোষণা করেন আগামী বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস ২০০ থেকে ২২০ টা আসনে জয়লাভ করবে। তিনি কেন্দ্রীয় কৃষিবিল নিয়েও তোপ দাগেন। রাজ্যে মমতা ব্যানার্জীর সরকার না থাকলে স্বাস্থ্য সাথী, সবুজসাথী, কন্যাশ্রী থাকবে না। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মা মাটি মানুষের সরকারকে প্রয়োজন। একথা মানুষ জানেন। শুরু থেকেই সভা নরমে গরমে চলছিল।তার মধ্যে বেশ কয়েকজন দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে সভায় বিষোদগার করেন বীরভূম জেলা সভাপতি। সম্মেলনে নেতা কর্মীদের বারে বারে নির্দেশ দেন মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর।পাড়ায় পাড়ায় ঘুরে মানুষের কাছে সরকারি প্রকল্পের কথা সুবিধার কথা বলতে হবে।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২০
রাজ্য

উলেন রায়ের মৃত্যুতে সিবিআই তদন্তের দাবি বিজেপির

উলেন রায়ের মৃত্যুতে এবার সিবিআই তদন্তের দাবি জানাল বিজেপি। মঙ্গলবার উলেন রায়ের মৃত্যুর প্রতিবাদে উত্তরবঙ্গ বনধ ডাকে বিজেপি। এদিন সকাল থেকেই বনধকে সফল করতে শিলিগুড়ির রাজপথে মিছিল করে বিজেপির একাধিক সাংসদ, রাজ্য ও জেলা নেতৃত্ব। মিছিলে নেতৃত্ব দেন সায়ন্তন বসু, সাংসদ রাজু বিস্তা, নিশিথ প্রামাণিক এবং অগ্নিমিত্রা পাল সহ বিজেপির জেলার অন্যান্য কার্যকর্তারা। এই মিছিল থেকেই মৃত বিজেপি কর্মীর উলেন রায়ের মৃত্যুর সিবিআই তদন্ত দাবি করেন দার্জিলিং-এর সাংসদ রাজু বিস্তা। এই দাবিতে অবিলম্বেই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হবে বিজেপি এমনটাও জানান তিনি। এদিন উলেন রায়ের ময়নাতদন্তের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সাংসদ। পাশাপাশি গোটা ঘটনার সিবিআই তদন্ত চেয়ে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও কলকাতা হাইকোর্টের দারস্থ হচ্ছেন বিজেপি সাংসদরা। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পুলিশের গুলিতেই মৃত্যু হয়েছে উলেন রায়ের। প্রমান লোপাট করতেই রাতের অন্ধকারে ময়নাতদন্ত করেছে প্রশাসন। যদিও রাজ্যপুলিশের তরফে টুইট করে জানানো হয়েছে যে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী শটগানের গুলিতেই মৃত্যু হয়েছে উলেন রায়ের। পুলিশ শটগান ব্যবহার করে না। বিক্ষোভকারীদের মধ্যেই কেউ শটগান এনেছিলেন এবং খুব কাছ থেকেই গুলি ছোঁড়া হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ বিজেপি নিজে খুন করে বলছে পুলিশ মেরেছেঃ মমতা অন্যদিকে, উলেন রায়ের মৃত্যু নিয়ে সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। ময়নাতদন্ত শেষ করে রাতারাতি দেহ বাড়ি নিয়ে যাওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয় পরিবারকে। এমন অভিযোগ মৃতের পরিবারের। তবে এই অবস্থায় দেহ বাড়ি নিয়ে যেতে অস্বীকার করেন উলেন রায়ের পরিবার। পুলিশের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ উগরে দেন তারা। তাঁদের অভিযোগ, ময়নাতদন্ত হয়ে গিয়েছে জানিয়ে তাঁদের মুচলেকা লিখতে বলা হয় পুলিশের তরফে। মুচলেকায় অজ্ঞাত পরিচয়ের দেহ লিখতে বলায় তাঁরা দেহ নিতে অস্বীকার করেন। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, সাদা কাগজে পুলিশের লেখা বয়ানেই জোর করে সই করতে হয়েছে তাঁদের। এমনকি মুচলেকায় উলেন রায়কে বিজেপি কর্মী বলে উল্লেখ করা হয়নি। রাতে কেন ময়নাতদন্ত হল? পাশাপাশি বাড়ি নিয়ে যাওয়ার চাপ কেন এমন একাধিক অভিযোগ জানিয়ে ফের দেহের ময়নাতদন্তের দাবি করেছে উলেন রায়ের পরিবার। এছাড়াও উত্তরকন্যা অভিযানে মৃত বিজেপি কর্মী উলেন রায়ের পরিবারের যাবতীয় দায়িত্ব নিল উত্তরবঙ্গের বিজেপির চার সাংসদ। মঙ্গলবার জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জ ব্লকের মান্তাদারি গ্রামপঞ্চায়েতের মেনঘোড়া গ্রামে যান কোচবিহারে বিজেপি সাংসদ, নিশিথ প্রামানিক, জলপাইগুড়ির সাংসদ ডাঃ জয়ন্ত কুমার রায়, দার্জিলিং -এর সাংসদ রাজু বিস্তা, বিজেপির রাজ্যের সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু, বিজেপির জেলা সভাপতি বাপি গোস্বামী সহ অন্যান্য বিজেপি নেতা-কর্মীরা। এদিন মৃতের পরিবারকে আর্থিক ভাবে সাহায্য করা হয় বিজেপির পক্ষ থেকে। এছাড়াও ওই পরিবারের পাশে সবসময় থাকার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২০
কলকাতা

উত্তরকন্যা অভিযানে দুষ্কৃতীর গুলিতে মৃত্যু বিজেপি কর্মীর, দাবি পুলিশের

উলেন রায়ের মৃত্যুর ঘটনার তদন্তে নামল সিআইডি ও এসটিএফ। মঙ্গলবার সকালে এনজেপি থানায় যান এসটিএফ ও সিআইডির এক প্রতিনিধিদল। কীভাবে উলেন রায়ের মৃত্যু হল সেই বিষয়ে থানার আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন তাঁরা। অন্যদিকে, মঙ্গলবার সকালে রাজ্য পুলিশের তরফে টুইট করে জানানো হয়, শিলিগুড়িতে নিহত বিজেপি কর্মী উলেন রায়ের ময়নাতদন্ত হয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, তাঁর শরীরে ছররা গুলি লাগার চিহ্ন রয়েছে। তবে পুলিশ ছররা গুলি ব্যবহার করে না। নিশ্চয়ই ওই মিছিল কোনও দুষ্কৃতী ছিল। তারাই বিজেপি কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে। আরও পড়ুন ঃ আগামীকাল ১২ ঘণ্টার উত্তরবঙ্গ বন্ধের ডাক বিজেপির ময়নাতদন্ত রিপোর্টে স্পষ্ট যে, কেউ খুব সামনে থেকে ওই বিজেপি কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে। অশান্তি তৈরির জন্য এ কাজ করা হয়েছে। সিআইডি ঘটনার তদন্তভার নিয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি সত্যি সামনে আসবে। তিন চিকিৎসকের উপস্থিতিতে দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তের দাবি জানিয়েছে বিজেপি। ভিডিওগ্রাফিরও দাবি জানানো হয়েছে। ইতিমধ্যে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে চিঠিও দিয়েছে বিজেপি। সায়ন্তন বসু বলেন, পুলিশই গুলি চালিয়েছে। পরিবারকে জোর করে মুচলেকা লেখা হয়েছে।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২০
রাজ্য

বিজেপির ডাকে উত্তরবঙ্গ বনধে বিভিন্ন জেলায় বিক্ষিপ্ত অশান্তি

বিজেপির ডাকে উত্তরবঙ্গ বনধে এখনও পর্যন্ত বিভিন্ন জেলায় বিক্ষিপ্ত অশান্তির ছবি ধরা পড়ল। পুরাতন মালদার মঙ্গলবাড়ি এলাকায় ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে পুলিশের সামনেই বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মীরা। কোচবিহার শহরে উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ সংস্থার টার্মিনাসে বিজেপি কর্মীরা পিকেটিং শুরু করেন। সরকারি বাস আটকে দেওয়ায় পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের ধস্তাধস্তি হয়। মাথাভাঙায় টায়ার জ্বালিয়ে রাস্তা অবরোধ করা হয়। এদিন শিলিগুড়িতে সকাল থেকে বেশ কিছু দোকানপাট বন্ধ ছিল। অন্যদিকে আলিপুরদুয়ার শহরে সরকারি বাস ডিপোর গেট বন্ধ করে পিকেটিং শুরু করেন বিজেপি কর্মীরা। অসমের বারোবিশা সীমানায় জাতীয় সড়ক অবরোধ করে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি সমর্থকরা। শিলিগুড়িতে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে হাতাহাতি বেধে যায়। এমজি মোড়ে যুব মোর্চা মিছিল করতে গেলে রাস্তা আটকানো হয়। প্রতিবাদে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখায় যুব মোর্চা। আগুন লাগিয়ে দেওয়া হল মুখ্যমন্ত্রীর পোস্টারে। ২৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়াও কোচবিহার জেলা পরিষদ দপ্তরে ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ উঠল বিজেপির বিরুদ্ধে। বালুরঘাটে এনবিএসটিসি স্ট্যান্ডের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন বিজেপি কর্মীরা। আরও পড়ুন ঃ কৃষক সংগঠনগুলোর ডাকে ভারত বনধে বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে রেল ও রাস্তা অবরোধ প্রসঙ্গত, বিজেপির অভিযান ঘিরে গতকাল রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় শিলিগুড়ি। ব্যারিকেড ভেঙে বিজেপি কর্মীরা এগোনোর চেষ্টা করলে পাল্টা জলকামান ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে পুলিশ। হয় লাঠিচার্জও। ফুলবাড়িতে পুলিশের মারে তাদের কর্মী উলেন রায়ের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি বিজেপির। ই ঘটনার প্রতিবাদে উত্তরবঙ্গ বনধের ডাক দেয় বিজেপি।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২০
কলকাতা

আগামীকাল ১২ ঘণ্টার উত্তরবঙ্গ বন্ধের ডাক বিজেপির

আগামীকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার ১২ ঘণ্টার উত্তরবঙ্গ বন্ধ ডাকল বিজেপি। উত্তরকন্যা অভিযানে বিজেপি কর্মীর মৃত্যুর প্রতিবাদে বন্ধ ডাকা হয়েছে। তাঁদের দাবি, আহত হয়েছে ৪০ জন কর্মী। ১৫ জন হাসপাতালে ভর্তি। প্রত্যেকের গায়ে গুলির দাগ রয়েছে। তাঁদের আরও দাবি, দুজনের অবস্থা খুবই গুরুতর। একজন মারা গেছেন। আহতদের দেখতে দিলীপ ঘোষ ও কৈলাস বিজয়বর্গীয় হাসপাতালে গেছেন। আরও পড়ুন ঃ আমলা-পুলিশ কেউ সংবিধান মানছেন না , সমালোচনা ধনকড়ের এদিকে রাজভবনে রাজ্যপালের কাছে গেলেন বিজেপি প্রতিনিধি দল। ছিলেন লকেট এবং জয়প্রকাশ এবং ভারতী ঘোষ, শোভন এবং বৈশাখী। সেখান থেকে বেরিয়ে তাঁরা জানালেন, আগামিকাল রাজ্যজুড়ে প্রতিবাদ করবে বিজেপি। যদিও প্রশাসনের দাবি, পুলিসের মারে মৃত্যু হয়নি ওই ব্যক্তির। কীভাবে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, তা ময়নাতদন্তের পরই স্পষ্ট হবে। এদিন বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেন, আশপাশের বাড়ির ছাদ থেকে বিজেপি কর্মীদের উদ্দেশ্য করে তৃণমূল কর্মীরা পাথর ছুঁড়েছে। একেবারে নন্দীগ্রামের কায়দায় হামলা চালানো হয়েছে।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২০
রাজনীতি

বিজেপির উত্তরকন্যা অভিযানে রণক্ষেত্র শিলিগুড়ি, মৃত্যু এক কর্মীর

বিজেপির উত্তরকন্যা অভিযানে পুলিশের লাঠির ঘায়ে এক বিজেপি কর্মীর মৃত্যু্র অভিযোগ উঠল। মৃত বিজেপি কর্মীর নাম উলেন রায়। বয়স ৫০ বছর। বাড়ি গজলডোবায়। বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, আমাদের কর্মী উলেন রায়কে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। খবর পাওয়া গেছে, সেখানে তিনি মারা গেছেন। আমাদের বহু কর্মী আহত হয়েছেন। কয়েকজন রাস্তায় আছেন। আর কয়েকজন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তৃণমূল খুনের রাজনীতি শুরু করেছে। সিপিএম খুনের রাজনীতি করে বিদায় নিয়েছে। তৃণমূলকেও একইভাবে বিদায় নিতে হবে। উলেন রায়ের মৃত্যু্র পর হাসপাতালে যান বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি সেখানে মৃতের পরিবারের লোকেদের সঙ্গে কথা বলেন। পরিবারের লোকেরা দাবি করেন, পুলিশের লাঠির ঘায়ে বিজেপই কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে বিজেপির রাজ্য সম্পাদক দীপেন প্রামানিক অভিযোগ করেন উত্তরকন্যার দিকে এগোনোর সময় বেধড়ক লাঠিচার্জ করে পুলিশ। লাঠির আঘাতে তাঁদের বেশ কয়েকজন ঘায়েল হন। এঁদের মধ্যে মহিলা কর্মীরাও রয়েছেন। গুরুতর জখম উলেন রায়কে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর সেখানে মারা যান তিনি। রাজ্য সরকারের তরফ থেকে অবশ্য মন্ত্রী গৌতম দেব বলেছেন, এই অভিযানে কারও মৃত্যু হয়নি। পুলিশের তরফ থেকে এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কিছু জানানো হয়নি। পুলিশের তরফ থেকে অবশ্য দাবি করা হয়েছে, কোনওরকম গুলি চালানো হয়নি। আরও পড়ুন ঃ ভোটের আগে ব্ল্যাকমেলিং, বার্গেনিং করার চেষ্টা করে তৃণমূলকে জব্দ করতে পারবেন নাঃ মমতা অন্যদিকে, বিজেপির উত্তরকন্যা অভিযানকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় শিলিগুড়ির ফুলবাড়ি এলাকা। ব্যারিকেড ভেঙে এগোনোর চেষ্টা করতেই তিনবাত্তি মোড়ে পুলিশের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কিতে জড়িয়ে পড়েন বিজেপির কর্মীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নেমে পড়ে বিশাল পুলিশ বাহিনী। সোমবার বেলা একটু বাড়তেই বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা জড়ো হন উত্তরকন্যা অভিযানে অংশ নেয়। শিলিগুড়ির ফুলবাড়ি মোড় থেকে মিছিলের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন দিলীপ ঘোষ, সায়ন্তন বসু। বাকি দুটি মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন কৈলাস বিজয়বর্গীয় ও মুকুল রায়। বেলা ২ টো নাগাদ শিলিগুড়ির তিনবাত্তি মোড়ে আচমকা ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করেন যুব মোর্চার কর্মীরা। পুলিশ-বিজেপি কর্মী ধস্তাধস্তিতে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়। তিনবাত্তি মোড়ের কাছে রাস্তায় বসে পড়েন যুব মোর্চার কর্মীরা। পরিস্থিতি আয়ত্তে আনতে পুলিশের তরফে ঘোষণা করা হয়, ওই এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি হয়েছে। বিজেপির এই জমায়েতকে অবৈধ বলে ঘোষণা করা হয়। জমায়েতকে ছত্রভঙ্গ হওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়। কিন্তু তাতে কর্ণপাত করেনি বিজেপির যুব মোর্চা। অভিযোগ উঠেছে, বিজেপির মিছিল আটকাতে তিনবাত্তি মোড়ে যে ব্যারিকেড দেওয়া হয়েছে তাতে ব্যবহার করা হয়েছে মোবিল ও গ্রিজ। আন্দোলনকারীরা যাতে এই ব্যারিকেড টপকাতে না পারে সেই জন্য এই ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ। আর কেমিক্যালের এই ব্যবহার নিয়েই উঠেছে প্রশ্ন। সবমিলিয়ে এলাকায় দুই-তরফে খন্ডযুদ্ধ বেঁধে যায়। পুলিশের তরফে কাঁদানে গ্যাস, জলকামান, লাঠিচার্জ ব্যবহার করা হয়। পাল্টা ঢিল, লাঠি দিয়ে পুলিশের উপর আক্রমণ করে বিজেপিরও। এই অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতিতে অসুস্থ হয়ে পড়েন বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। ইতিমধ্যেই পুলিসের বহু আধিকারিক আক্রান্ত হয়েছেন। জখম হয়েছেন বিজেপির নেতা- কর্মীরাও। কাঁদানে গ্যাসের জেরে অসুস্থ বোধ করতে থাকেন বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়। ব্যারিকেড ভাঙতে গিয়ে আহত হন কোচবিহার জেলা বিজেপি সভানেত্রী মালতি রাভা রায়ও।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২০
রাজনীতি

ভোটের আগে ব্ল্যাকমেলিং, বার্গেনিং করার চেষ্টা করে তৃণমূলকে জব্দ করতে পারবেন নাঃ মমতা

বিজেপি ভক্ষক, সিপিএম রক্ষক, কংগ্রেস তক্ষক। সিপিএম-বিজেপি এক হয়েছে। টাকা ছড়াচ্ছে, দল ভাঙছে, সরকার ভাঙছে, দাঙ্গা লাগাচ্ছে। বহিরাগতদের বাংলায় নিয়ে আসা হচ্ছে। কিন্তু বহিরাগত দিয়ে বাংলা দখল করতে দেব না। ২০২১য়ে তৃণমূল কংগ্রেস আসছে আর কেউ নয়। সোমবার মেদিনীপুরের সভা থেকে বিজেপির উদ্দেশে এই হুঙ্কারই দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, জনগণ আছে সঙ্গে তাই তৃণমূল ২১-শে আসছে বঙ্গে। মেদিনীপুরে তৃণমূল নেত্রীর এদিন সভা ছিল রাজনৈতিক দিক থেকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। শুভেন্দু অধিকারী রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগের পর এবং তাঁর সঙ্গে তৃণমূলের দূরত্বের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর এদিনই ছিল পূর্ব-মেদিনীপুরে এটা মমতার প্রথম সভা ছিল। আরও পড়ুন ঃ বিজেপিতে যোগ দেওয়ার অফার আছে আমার কাছেওঃ উদয়ন শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন কোনও বার্তা দেন কিনা সেদিকেও তাকিয়ে ছিলেন দলীয় নেতা-কর্মীরা। তবে এদিন শুভেন্দুর নাম মুখে না আনলেও বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য মন্তব্য করেছেন মমতা। বলেছেন, যদি কেউ মনে করে তৃণমূল দুর্বল, ভোটের আগে ব্ল্যাকমেলিং, বার্গেনিং করে তৃণমূলকে দুর্বল করার চেষ্টা করে, তাদেরকে বলব আগুন নিয়ে খেলবেন না। তৃণমূলকে জব্দ করতে পারবেন না। এদিনের মঞ্চ থেকে ফের বিজেপি-সিপিএমকে একহাত নেন মমতা। বলেন, বিজেপি আমফানের টাকার হিসেব চাইছে। ওরা টাকা দিয়েছে? যে হিসেব চাইছে? আগে জনগনকে ওরা হিসেব দিক। টাকা দেব আমরা আর হিসেব চাইবে ওরা। পিএম কেয়ার্স ফাণ্ড নিয়ে শ্বেতপত্র প্রকাশ করুক বিজেপি। বলছে হয় ঘরে থাকুন, নয় জেলে। আমি জেলে থেকেই লড়ব। টাকা দিয়ে, এজেন্সি দিয়ে তৃণমূলকে কেনা যাবে না। তিনি আরও বলেন, মার খেতে খেতে এসেছি এই জায়গায়। তৃণমূলকে কিনতে পারবে না বিজেপি। তৃণমূল কংগ্রেস ঠুনকো নয়। বহিরাগতদের বাংলা দখল করতে দেব না। বহিরাগত কারা আসছে, নজরে রাখুন। পাড়ায় পাড়ায় নজর রাখুন। বিজেপি তুমি তৃণমূল কংগ্রেসকে কিনতে পারবে না।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২০
রাজনীতি

বিজেপিতে যোগ দেওয়ার অফার আছে আমার কাছেওঃ উদয়ন

এবার দলের কয়েকজন নেতা- কর্মীর ভূমিকা নিয়ে সরব হলেন দিনহাটার তৃণমূল বিধায়ক উদয়ন গুহ। রবিবার দিনহাটায় দলের এক সভায় তিনি দাবি করেন, পদ্মশিবির যোগের অফার রয়েছে তাঁর কাছেও। তিনি বলেন, আমি তৃণমূলের আদর্শ দেখে দলে আসিনি। আমি এসেছি একমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখে। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখে। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোনওদিন বিজেপিতে গেলে আমিও যাব, নাহলে নয়। এদিনের সভায় দলবদল প্রসঙ্গে আলোচনা করতে গিয়ে দলের নেতা-কর্মীদের নিশানা করেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ অম্বেডকর নয়, রাজ্যজুড়ে চলছে ভাইপোর সংবিধানঃ কৈলাস বলেন, তৃণমূলের লোকেরাই দলের ক্ষতি করছেন। তাঁদের একাংশের উপর ক্ষোভ থেকেই দলত্যাগের ঘটনা ঘটছে। যদিও এই দলবদল কোচবিহার তৃণমূলে অন্তত প্রভাব ফেলতে পারবে না বলেই দাবি বিধায়কের। তাঁর কথায়, দল ছেড়ে যে-ই যাক না কেন, যেখানেই যাক না কেন, কোচবিহারে তৃণমূলের কেউ ক্ষতি করতে পারবে না। তাঁর কথায়, দলত্যাগে নয়, দলে থেকেই দলের ক্ষতি করার সুযোগ বেশি! এদিনের সভায় কারা অনুপস্থিত তাঁদের চিহ্নিত করার কথাও বলেন তিনি। সরাসরি স্থানীয় তৃণমূল নেতত্বকে আক্রমণ করে বলেন, গত ১০দিন কলকাতায় ছিলাম, এখানে তৃণমূল কর্মীরা রটিয়েছে উদয়ন গুহ বিজেপিতে যেতে পারে। এমনও হতে পারে, উদয়ন গুহ টিকিট পাবে না, তাঁকে কোচবিহার দক্ষিণে দিতে পারে, তাই ধরাধরি করতে গিয়েছে, টাকাপয়সা দিতে গিয়েছে, যাতে দিনহাটায় পেতে পারে।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২০
রাজনীতি

অম্বেডকর নয়, রাজ্যজুড়ে চলছে ভাইপোর সংবিধানঃ কৈলাস

সোনা, কয়লা মাফিয়া কে? চলছে ভাইপোর সরকার। বাবা সাহেব আম্বেদকরের সংবিধান মেনে দেশ চলে। অম্বেডকর নয়, রাজ্যজুড়ে চলছে ভাইপোর সংবিধান। রবিবার সংবিধানের প্রণেতা বি আর অম্বেডকরের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে রেড রোডে বিজেপির সভা থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূল কংগ্রেসকে আক্রমণ করলেন বিজেপি সাধারণ সম্পাদক কৈলাস বিজয়বর্গীয়। তিনি বলেন, বাংলায় কয়লা চোর কে, মানুষ সবই জানেন। বাংলায় বিরোধীদের সম্মান নেই, দমনের চেষ্টা চলছে। কুর্সির জন্য নয়, বাংলাকে বাঁচাতে প্রাণ দিচ্ছেন বিজেপি নেতা-কর্মীরা। বাংলাদেশের অনুপ্রবেশকারীরা রাজ্যে লুঠপাট চালাচ্ছে। দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বহিরাগত। রোহিঙ্গারা কী? তৃণমূল সরকারের কাছে বহিরাগতরাই আপন। বাংলাজুড়ে চলছে ধর্মের ভিত্তিতে তোষণের রাজনীতি। মমতার নাটক ধরে ফেলেছে বাংলার মানুষ। ২৫ লক্ষ টাকার চশমা পরেন ভাইপো। ৭৫ হাজার টাকার জুতো পরেন ভাইপো। যাঁরা পরিবারের সদস্যদের হারিয়েছেন, তাঁদের অভিশাপ পড়েছে। মমতা, আপনি দমানোর চেষ্টা করলেও, পারবেন না। আরও পড়ুন ঃ বিজেপি তৃণমূলের থেকে ভয়ঙ্করঃ সুশান্ত ঘোষ মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করে কৈলাস আরও বলেন, কৃষি আইনের বিরোধিতা করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যেকোনও জায়গায় বাংলার কৃষকরা ফসল বিক্রি করতে পারেন। কেন্দ্রেরও একই আইন, তাও মমতার দ্বিচারিতা। সেইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীকে তাঁর প্রশ্ন, কৃষকদের আন্দোলনকে সমর্থন করছেন। কিন্তু এ রাজ্যে কৃষকদের জন্য কিছু করতে গেলেই আপত্তি করেন কেন? শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দিতে চায় না মমতার সরকার। বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের দেওয়া হচ্ছে কেন্দ্রের রেশন। জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি থেকে শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়া শুরু। বিজেপিতে আসার পরেই মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে ৪৫টি মামলা। অন্যদিকে, মুকুল রায় বলেন, সিএএ আইনের রূপায়ণ শুরু জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি থেকে। আর কয়েকদিন বাদেই বাংলায় ভোটে সবাই অংশ নিন। ২০২১-র লড়াইয়ে বিজেপিকে ক্ষমতায় আনতেই হবে। ২০০-র বেশি আসনে বিজেপিকে জেতাতেই হবে। আগামী দিনে অনুবিক্ষণ যন্ত্র দিয়ে দেখতে হবে তৃণমূলকে। আমাদের সভা করতে দেবে না বলছে, ইতিহাসের দেওয়াল লিখন পড়তে হবে।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২০
রাজ্য

 উত্তরবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বেশি আসন জেতানোই এখন আমাদের লক্ষ্যঃ গুরুং

নরেন্দ্র মোদি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন আমাদের সমস্যা সমাধানের। কিন্তু কোনও কিছু হয়নি। রবিবার শিলিগুড়ির গান্ধী ময়দানে জনসভা থেকে বিজেপির বিরুদ্ধে সুর আরও চড়িয়ে এই মন্তব্য করলেন বিমল গুরুং। বিজেপির সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, অনেকবার আলোচনা হয়েছে, ফল শূন্য। গোর্খাদের কথা ভাবেইনি কেউ। গত ১২ বছরে পাহাড়ে বিজেপি জনপ্রতিনিধিদের নির্বাচিত করেছিলাম। কিন্তু কোনও কাজ হয়নি। এবার রাজু বিস্তা, দিলীপ ঘোষদের বুঝিয়ে দেব, গোর্খাদের সঙ্গে প্রতারণা করলে ফল কী হয়। পাশাপাশি, তিনি আরও বলেন, আমরা সবরকমভাবে তৃণমূলের হয়ে কাজ করব এখানে। আপনারাও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিততে সাহায্য করুন। উত্তরবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বেশি আসন জেতানোই এখন আমাদের লক্ষ্য। এছাড়াও তিনি বলেন, একাধিক প্রকল্পে কেন্দ্র দুর্নীতি করছে। রাজু বিস্তাকে সাড়ে চার লাখ ভোটে জিতিয়েছি পাহাড় থেকে। অথচ আমাদের দাবি নিয়ে কোনও আলোচনা নেই। রবিবারের সভা়মঞ্চ থেকে একগুচ্ছ রাজনৈতিক কর্মসূচিও ঘোষণা করেন গুরুং। শীঘ্রই দার্জিলিং, কার্শিয়ং, কালিম্পং, মিরিকে জনসভা করবেন বলে তিনি ঘোষণা করেন। আরও পড়ুন ঃ চোরের মায়ের বড় গলা, নাম না করে রাজীবকে কটাক্ষ অরূপ রায়ের রবিবার, বিনয়দের বিরুদ্ধে সরাসরি জিটিএ-র অর্থ নয়ছয় করার অভিযোগ করলেন। বললেন, কী ভাবে খরচ হচ্ছে জিটিএর টাকা, তার উত্তর চাই। এর জবাব আমরা বুঝে নেব। প্রসঙ্গত চলতি বছর দুর্গাপুজোর পঞ্চমীতে কলকাতায় দেখা দিয়েছিলেন একদা পাহাড়ে দাপুটে মোর্চা নেতা বিমল গুরুংকে। সল্টলেকের গোর্খা ভবনে ঢুকতে বাধা পেয়ে কলকাতার পাঁচতারা হোটেলে সাংবাদিক সম্মেলন করে বিজেপিকে কার্যত তুলোধোনা করেন তিনি। কেন্দ্রের বিরুদ্ধে প্রতিশ্রুতিভঙ্গের অভিযোগ তুলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অকুণ্ঠ সমর্থন করেন গুরুং। আগামী বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের সঙ্গে অঘোষিত জোটে আসার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২০
রাজনীতি

দিদিমণিকে দেখে মায়া হয়ঃ দিলীপ

মোদিজি কৃষকদের কষ্ট বোঝেন। সেই কারণেই আলুর সহায়ক মূল্য বাড়িয়েছেন। রবিবার দুপুরে পূর্ব মেদিনীপুরের মুকুন্দপুরে কিষাণ মোর্চার সভায় যোগ দিয়ে এই মন্তব্য করেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করে এদিন ফের তিনি বলেন, আলুর কাটমানির টাকা যাচ্ছে কালীঘাটের টালির ছাদের নিচে। সব ওখানে জমছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তোপ দেগে বলেন, দিদিমণি সব কিছুরই বিরোধিতা করেন। কারণ উনি মানুষের কথা ভাবেন না। তিনি বলেন, যেখানে যা হচ্ছে উনি চিংড়ি মাছের মতো লাফাচ্ছেন। চিন্তায় দিদিমণি শুকিয়ে যাচ্ছেন। দেখে মায়া হয়। উনি ক্ষমতায় থেকেও এই অবস্থা। আর আমরা ক্ষমতায় না থেকেও দিব্যি আছি। সব পাচার বন্ধ। কেন্দ্রীয় সংস্থা তদন্তে নেমেছে। সব সত্য এবার প্রকাশ্যে আসবেই। আরও পড়ুন ঃ শুভেন্দু অধিকারী চলে গেলে দলে বিশাল শূন্যতা তৈরি হবেঃ রাজীব এদিন পূর্ব মেদিনীপুরের শঙ্করপুরে চা চক্রের আসরে শুভেন্দু অধিকারী প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, অনেক আম পেকেছে তৃণমূলে। শুধু পাড়ার অপেক্ষা। গাছ পাকা আমই ভাল। কার্বাইডে পাকানো আম ভাল নয়। এদিন সকালে চা চক্রে সুদীপ্ত সেনের চিঠি নিয়ে তিনি বলেন, যে চিঠি দিয়েছেন, সিবিআই তার সত্যতা যাচাই করবে দিল্লিতে। সবটাই সিবিআইএর হাতে। তাতে যদি কেউ দোষী হয়ে থাকেন তবে তার বিচার হবে। মুখ্যমন্ত্রীর সভা প্রসঙ্গে বলেন, লোকজন হবে না মুখ্যমন্ত্রীর সভায়। সেরকম হলে আমরা লোক পাঠিয়ে সহযোগিতা করতে পারি। বিজেপি কর্মীদের উপর হামলার অভিযোগ প্রসঙ্গে তৃণমূলকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি তিনি। বলেন , তৃণমূল হারছে। বিদায় হয়ে যাচ্ছে। তাই শেষ কামড় দেওয়ার চেষ্টা করছে। সুশান্ত ঘোষ কোর্টের নির্দেশে ঘরে ফিরছেন। আগে যা হয়েছে, সেটা ভুলে লোকের কাছে প্রায়শ্চিত্ত করুক। ক্ষমা চান, নতুন করে রাজনীতি শুরু করুন।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২০
রাজ্য

সত্যজিৎ বিশ্বাস খুনের মামলায় মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট পেশ সিআইডির

কৃষ্ণগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক সত্যজিত বিশ্বাস খুনের মামলায় বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট পেশ করল সিআইডি। শনিবার এটি আদালতে জমা পড়েছে। খুনের ষড়যন্ত্রে মুকুল রায় জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে ৩০২ ও ১২০ বি ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মুকুল রায় ছাড়াও এই খুনের ঘটনায় রাণাঘাটের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকারের বিরুদ্ধে আগেই সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট পেশ করা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত অভিজিৎ পণ্ডারি ও আরও একজনের সঙ্গে খুনের আগে ও পরে ফোনে কথা বলেছিলেন জগন্নাথ। জগন্নাথ সরকার এই খুনের ঘটনায় প্রত্যক্ষভাবে জড়িত বলে অভিযোগ সিআইডির। এফআইআরে নাম ছিল মুকুলের। সন্দেহভাজন হিসেবে আগে জমা দেওয়া চার্জশিটে নাম ছিল মুকুলের। আরও পড়ুন ঃ মেদিনীপুর থেকেই রাজ্যে প্রতিনিধিত্ব করবেন শুভেন্দু অধিকারীঃ দিলীপ এদিন মুকুল রায় বলেন, সত্যজিত বাচ্চা ছেলে। আমি এই খুনের ব্যাপারে জানি না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তো পুলিশমন্ত্রী। তাঁর নির্দেশেই তো এই চার্জশিট হয়েছে। আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলছি, বুকে হাত দিয়ে বলুন , মুকুল কি খুন করতে পারেন ? তিনি আরও বলেন, আমার বিরুদ্ধে ৪৪টি মামলা আছে। আমার আইনের উপর ভরসা আছে। আইনের পথেই লড়ে নেব। প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটের আগে ৯ ফেব্রুয়ারি গুলি করে খুন করা হয় সত্যজিত বিশ্বাসকে। সেই খুনের ঘটনার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল। তখন আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন তিনি। সেই সময় তাঁর জামিন মঞ্জুর করেছিল আদালত। তবে আদালত জানিয়েছিল, তদন্ত প্রক্রিয়ায় তাকে সহযোগিতা করতে হবে। নদিয়া জেলায় যেতে পারবেন না তিনি।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২০
রাজনীতি

জানুয়ারি মাস থেকে বাংলাদেশি শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবেঃ কৈলাস বিজয়বর্গীয়

ধর্মের কারণে অত্যাচারের শিকার হয়ে যাঁরা বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে এদেশে এসেছেন, তাঁদের নাগরিকত্ব দেওয়ার কাজ শুরু করবে মোদী সরকার। জানুয়ারি মাস থেকে বাংলাদেশি শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে, শনিবার বারাসতে আর নয় অন্যায় কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে এমনই মন্তব্য করেন কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়। তিনি আরও বলেন, মোদি সরকার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল সেটা তারা অবশ্যই পালন করবে। রাজ্য সরকার বিরোধিতা করলেও নাগরিকত্ব দেওয়া থেকে আটকে রাখতে পারবে না। জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশি শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার কাজ শুরু হবে। তৃণমূল কংগ্রেসের সরকার শুধু ৩০ শতাংশ মানুষকে নিয়ে ভাবনা চিন্তা করছে। বাকি ৭০ শতাংশ মানুষের দিকে তাকাচ্ছেই না। আরও পড়ুন ঃ পূর্ব মেদিনীপুরের দুই ব্লক সভাপতিকে সরিয়ে দিল তৃ্ণমূল নেতৃত্ব কৈলাস বিজয়বর্গীয় বলেন, দেশের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গেই কৃষকদের উপর সবচেয়ে বেশি অত্যাচার চলছে। সিন্ডিকেট রাজ চলছে এখানে। কৃষকদের উপর শোষণ চলছে। বাংলার কৃষকরা সবচেয়ে বেশি শোষিত। এই তৃণমূল সরকারের উপর রাজ্যবাসী নারাজ। বাংলার মানুষের সমর্থনে আছে বিজেপি। তাঁর কথায়, এই সরকারের উপর মন্ত্রীরাও নারাজ। বর্ষীয়ান নেতারা অসন্তুষ্ট। শুভেন্দু-ই তার উদাহরণ। পাশাপাশি তাঁর আরও দাবি, সংখ্যালঘুরাও বাংলায় তৃণমূল সরকারের উপর নারাজ। কারণ কেউ দুর্নীতি, ভ্রষ্টাচারকে সমর্থন করে না। এছাড়াও তিনি বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনসংযোগ করেন। হাতে হাতে লিফলেট দিয়ে সোনার বাংলা গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২০
রাজ্য

মেদিনীপুর থেকেই রাজ্যে প্রতিনিধিত্ব করবেন শুভেন্দু অধিকারীঃ দিলীপ

পূর্ব মেদিনীপুর থেকেই বাংলায় পরিবর্তনের সূত্রপাত হবে বলে দাবি করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। শনিবার সকালে বালিঘাইতে প্রাতঃভ্রমণ ও চা চক্র করেন তিনি। সেখানে দিলীপবাবু বলেন, বিজেপিতে অনেকে এসেছেন। এসে পদ পেয়েছেন। এমএলএ, এমপি করেছি। মুকুল রায়কে এমপি সহ অনেক পদ দেওয়া হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলে বেশি লাফালাফি করলে ওখানে চাকরবৃত্তি করতে হবে। একইসঙ্গে তিনি আরও বলেন, মেদিনীপুর থেকেই রাজ্যে প্রতিনিধিত্ব করবেন শুভেন্দু অধিকারী। আরও পড়ুন ঃ আসানসোলের বারাবনিতে তৃণমূল- বিজেপি সংঘর্ষ , আহত ২ এদিন নাম না করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও নিশানা করে দিলীপ ঘোষ বলেন, কোলে চড়া নেতারা ছড়ি ঘোরাবে, তা বাংলার মানুষ মেনে নেবে না। এদিন দিলীপবাবু এগরায় আগুনে ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে দেখা করেন। পরে পাঁচটি বাড়িতে গৃহসম্পর্ক অভিযান করেন তিনি। এদিকে , এদিন সকালে দিলীপ ঘোষের চা চক্র উপলক্ষে তৈরি করা হয়েছিল একটি মঞ্চ। তার উপর দাঁড়িয়ে দলীয় পতাকা হাতে নিতেও দেখা যায় তাঁকে। সেই সময় তাঁকে মঞ্চের উপরে ছিলেন বেশ কিছু স্থানীয় নেতা। কিছুক্ষণ পর হঠাৎ করেই দেখা যায় সবাইকে নিয়ে নীচের দিকে বসে পড়েছে মঞ্চ। যদিও মঞ্চ খুব উঁচু না হওয়ায় তেমন কেউ চোট পাননি। এই ঘটনার পরই মাইক হাতে নিয়ে বসে যাওয়া মঞ্চে দাড়িয়েই দিলীপের কটাক্ষ, আজ মঞ্চ ভাঙল। মে মাসে সরকারটাই ভেঙে যাবে।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২০
রাজ্য

আসানসোলের বারাবনিতে তৃণমূল- বিজেপি সংঘর্ষ , আহত ২

বিজেপির আর নয় অন্যায়কর্মসূচিতে গুলি ও বোমাবাজির জেরে উত্তপ্ত হয়ে উঠল আসানসোলের বারাবনি। এই ঘটনায় দুজন পায়ে গুলি লেগে আহত হয়েছেন। আহত বিজেপি কর্মীদের নাম স্বপন বাউড়ি ও সাধন রাউত। তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, শনিবার সকালে মিছিল বের করেছিল বিজেপি। বারাবনির জামগ্রাম থেকে কাপিস্টা পর্যন্ত বিজেপির মিছিল যাওয়ার কথা ছিল। তার জন্য সকাল থেকে কর্মী, সমর্থকরা জমায়েত হয়েছিলেন জামাগ্রামে। কিন্তু মিছিল শুরুর আগেই তাদের উপর হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, সেই মিছিলকে লক্ষ্য করে বোমা ও গুলি চালিয়েছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃ্তীরা। বোমাবাজিতে কয়েকজন আহত হয়েছেন। মোটরবাইকও পুড়িয়ে দেওয়া হয়। আরও পড়ুনঃ বর্ধমান শহরে দাদার অনুগামী পোস্টার, চাঞ্চল্য অন্যদিকে, বারাবনি তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, জামগ্রাম এলাকায় দুয়ারে সরকার কর্মসূচিতে শিবির করেছিলেন দলীয় কর্মীরা। ব্লক তৃণমূল সভাপতি অসিত সিংয়ের দাবি, তৃণমূল কর্মীদের উপর হামলা চালিয়েছে বিজেপি। তারাই ঝাড়খণ্ড থেকে দুষ্কৃতীদের জড়ো করে বোমা-গুলি চালিয়েছে। আর যেসব গাড়ি পুড়েছে, তা তৃণমূল সমর্থকদেরই। সংঘর্ষের খবর পেয়ে বারাবনি থানার পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। বন্ধ করে দেওয়া হয় বিজেপির মিছিল। ঘটনাস্থল থেকে পুলিস বেশ কিছু তাজা বোমা উদ্ধার করেছে পুলিশ। যে মোটরবাইকে আগুন লাগানো হয় বলে অভিযোগ, সেই আগুন নিভিয়েছে পুলিশ। এলাকার পরিস্থিতি আপাতত নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 42
  • 43
  • 44
  • 45
  • 46
  • 47
  • 48
  • ...
  • 54
  • 55
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

‘আগুনে পুড়েও আরও শক্তিশালী হয়েছি’! আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিস্ফোরক দাবি শেখ হাসিনার

বাংলাদেশে ক্ষমতা হারানোর পর দেশ ছেড়ে যেতে হয়েছে শেখ হাসিনাকে। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগের তদন্ত চলছে। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রমও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে এত কিছুর পরেও দলকে শেষ হয়ে গেছে বলে মানতে নারাজ বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেছেন, আওয়ামী লীগকে কোনও নিষেধাজ্ঞা বা রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত দিয়ে মানুষের মন থেকে মুছে ফেলা সম্ভব নয়।শেখ হাসিনার কথায়, আওয়ামী লীগ কোনও কাগজে লেখা সংগঠনের নাম নয়। এটি বাংলাদেশের ইতিহাস, মানুষের আবেগ এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা একটি শক্তি। গত সাতাত্তর বছরের ইতিহাসে বহুবার হামলা, নিষেধাজ্ঞা এবং দমন-পীড়নের মুখে পড়েও দল বারবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে। তাঁর দাবি, এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না।তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ কোনও সরকারের সদিচ্ছা বা বিরোধীদের ব্যর্থতার ওপর নির্ভর করে না। মানুষের সমর্থনই দলের সবচেয়ে বড় শক্তি। সেই সমর্থনের জোরেই অতীতে সরকারে থেকে উন্নয়নের কাজ করা সম্ভব হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে সরানো হয়েছে। কিন্তু সাধারণ মানুষের হৃদয় থেকে দলকে সরানো যায়নি।বর্তমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও সরব হয়েছেন শেখ হাসিনা। তাঁর অভিযোগ, বর্তমান শাসনব্যবস্থায় গণতন্ত্র, আইনের শাসন এবং মানুষের নিরাপত্তা প্রশ্নের মুখে পড়েছে। অর্থনীতি দুর্বল হয়েছে, সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনা বেড়েছে এবং উগ্রপন্থার বিস্তার ঘটছে বলেও দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে নিপীড়ন চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী।তিনি বলেন, দেশের মানুষ অতীত ও বর্তমানের তুলনা করতে পারছেন। তাঁদের উপলব্ধি হচ্ছে, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালীন দেশে স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছিল। সেই কারণেই ভবিষ্যতেও জনগণের সমর্থন নিয়ে দল আবার ঘুরে দাঁড়াবে বলে তাঁর বিশ্বাস।দলের সাংগঠনিক শক্তির প্রসঙ্গ তুলে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের প্রতিটি এলাকা এবং মানুষের সঙ্গে আওয়ামী লীগের দীর্ঘ সম্পর্ক রয়েছে। স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে এই দলের ভূমিকা রয়েছে। সেই ঐতিহ্যই আগামী দিনের লড়াইয়ের মূল শক্তি হবে বলে তিনি মনে করেন।তিনি আরও বলেন, যত বেশি দমন-পীড়ন হবে, আওয়ামী লীগ ততই শক্তিশালী হবে। আগুনে যেমন সোনা আরও বিশুদ্ধ হয়, তেমনই প্রতিকূল পরিস্থিতি দলকে আরও দৃঢ় করে তুলছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে শেখ হাসিনা ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, প্রতিটি গ্রাম, মহল্লা, ওয়ার্ড এবং ইউনিয়নে মানুষের পাশে থাকতে হবে। সংখ্যালঘু, নারী, শিশু, শ্রমজীবী এবং প্রান্তিক মানুষের অধিকার ও নিরাপত্তার প্রশ্নে আপস না করারও বার্তা দেন তিনি।শেষে শেখ হাসিনা স্পষ্ট করে বলেন, আওয়ামী লীগের পুনরুত্থান কোনও সরকারের দয়া বা অনুমতির ওপর নির্ভর করে না। জনগণের সমর্থনই দলের আসল শক্তি। নিষেধাজ্ঞা, মামলা কিংবা রাজনৈতিক বাধা যতই আসুক, মানুষের বিশ্বাস থাকলে আওয়ামী লীগ আবারও বাংলাদেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে ফিরে আসবে বলেই তাঁর দাবি।

জুন ২৮, ২০২৬
কলকাতা

কল্যাণকে সরাসরি আক্রমণ রচনার! মহুয়াকেও ছাড়লেন না, বিস্ফোরক মন্তব্যে তোলপাড় রাজনীতি

দলবদলের পর থেকেই রাজনৈতিক আক্রমণের মুখে পড়েছেন সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার পাল্টা জবাব দিতে গিয়ে তিনি সরাসরি নিশানা করলেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মহুয়া মৈত্রকে। এক সাক্ষাৎকারে তাঁদের আচরণ এবং ভাষা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। সেই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে।রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, একজন শিক্ষিত জনপ্রতিনিধির ভাষা এবং আচরণ সাধারণ মানুষের কাছে উদাহরণ হওয়া উচিত। তাঁর অভিযোগ, সংসদের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় যে ধরনের ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে, তা কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এই প্রসঙ্গ টেনে তিনি মহুয়া মৈত্রকেও কটাক্ষ করেন এবং অতীতের কিছু বিতর্কের উল্লেখ করেন।কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দেশ করে রচনা বলেন, একজন প্রবীণ সাংসদের কাছ থেকে এমন ভাষা আশা করা যায় না। তাঁর দাবি, সংসদের ভিতরে যে ধরনের মন্তব্য করা হয়েছে, তা রাজনৈতিক শালীনতার সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছে। সেই আচরণে দলের ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।রচনা আরও বলেন, একসময় যাঁরা একে অপরের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে তীব্র আক্রমণ করতেন, এখন তাঁদের একসঙ্গে দেখা যাচ্ছে। এই পরিবর্তন নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন। তাঁর বক্তব্য, যারা অতীতে একে অপরের বিরুদ্ধে এত অভিযোগ করেছিলেন, তাঁদের বর্তমান অবস্থান সাধারণ মানুষের মনে নানা প্রশ্ন তৈরি করছে।উল্লেখ্য, এক সময় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মহুয়া মৈত্রর মধ্যে প্রকাশ্য রাজনৈতিক সংঘাত নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছিল। একে অপরের বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগ এবং আইনি পদক্ষেপের ঘটনাও সামনে এসেছিল। বর্তমানে তাঁদের সম্পর্কের পরিবর্তিত সমীকরণ নিয়েই নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে।

জুন ২৮, ২০২৬
কলকাতা

আচমকা বড় সিদ্ধান্ত! ইসকন থেকে সরিয়ে দেওয়া হল রাধারমণ দাসকে, নিজেই জানালেন নেপথ্যের কারণ

কলকাতা ইসকনের সহ সভাপতির পদ থেকে আচমকাই সরিয়ে দেওয়া হয়েছে রাধারমণ দাসকে। শনিবার রাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্তের কথা জানায়। এরপর সমাজমাধ্যমে একটি দীর্ঘ বার্তায় তিনি জানান, কোন কোন ঘটনার জেরে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে থাকতে পারে বলে তাঁর ধারণা।রাধারমণ দাস জানান, তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তকে সম্মান করছেন। তবে নিজের বক্তব্যে তিনি কয়েকটি সম্ভাব্য কারণ তুলে ধরেছেন। তাঁর দাবি, গোরক্ষা সংক্রান্ত একটি বিতর্কে মানেকা গান্ধীর মন্তব্যের বিরুদ্ধে তিনি আইনি পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। সেই ঘটনাকে তিনি অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। পাশাপাশি বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর হামলার অভিযোগ নিয়ে প্রকাশ্যে সরব হওয়াও এই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে থাকতে পারে বলে তাঁর ধারণা।সমাজমাধ্যমে করা নিজের পোস্টে তিনি আরও কয়েকটি বিষয়ের উল্লেখ করেছেন। একটি বিতর্কিত মন্তব্যের বিরোধিতা, কট্টরপন্থী সনাতনী গোষ্ঠী নিয়ে প্রকাশ্য অবস্থান এবং বিভিন্ন সাম্প্রতিক মন্তব্যও তাঁর মতে বিতর্কের কারণ হয়ে উঠতে পারে। এছাড়া একটি সাক্ষাৎকার দেওয়াকেও ইসকনের নীতির পরিপন্থী আচরণ হিসেবে দেখা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেছেন।রাধারমণ দাস আরও জানান, এখন থেকে তিনি আর ইসকনের প্রতিনিধি হিসেবে সংবাদমাধ্যমে কোনও মন্তব্য করবেন না। কারণ বর্তমানে তাঁর সঙ্গে সংগঠনের কোনও প্রশাসনিক সম্পর্ক নেই। তবে পদ হারালেও ইসকনের উন্নতি, অগ্রগতি এবং সাফল্য কামনা করেছেন তিনি।এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই নানা মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও ইসকনের তরফে এই সিদ্ধান্তের বিস্তারিত কারণ প্রকাশ্যে জানানো হয়নি। ফলে রাধারমণ দাসের বক্তব্য ঘিরেই রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে।

জুন ২৮, ২০২৬
দেশ

হেফাজতে থেকেও মদ চাই! সিয়া গোয়েলকে নিয়ে পুলিশের দাবি ঘিরে তুমুল শোরগোল

পুণের লোহাগড় দুর্গে হবু স্বামী কেতন আগরওয়ালকে খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার সিয়া গোয়েলকে ঘিরে তদন্তে একের পর এক নতুন তথ্য সামনে আসছে। পুলিশ সূত্রের দাবি, হেফাজতে থাকাকালীনও বারবার মদ্যপানের অনুমতি চেয়েছেন সিয়া। একই সময়ে তাঁর প্রেমিক চেতন চৌধুরীর সঙ্গে একটি পুরনো ভিডিওও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। যদিও সেই ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।তদন্তকারী সূত্রের দাবি, দ্বাদশ শ্রেণিতে অকৃতকার্য হওয়ার পর থেকেই সিয়া মদ্যপানে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন। পাশাপাশি তাঁর একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্ক ছিল বলেও তদন্তে উঠে এসেছে বলে দাবি করা হচ্ছে। পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের সময়ও তিনি একাধিকবার মদ্যপানের ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন বলে তদন্তকারী মহলের দাবি।এদিকে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, ক্রিকেট ম্যাচ চলাকালীন গ্যালারিতে পাশাপাশি বসে রয়েছেন সিয়া এবং চেতন। ভিডিওতে তাঁদের ঘনিষ্ঠ মুহূর্তও ধরা পড়েছে। তদন্তকারীদের অনুমান, সিয়ার দাদা সাহিলের মাধ্যমে চেতনের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়েছিল। পরে সেই পরিচয়ই প্রেমের সম্পর্কে বদলে যায়।এই হত্যাকাণ্ডে ইতিমধ্যেই সিয়া গোয়েল এবং চেতন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তদন্তে জানা গিয়েছে, আগামী নভেম্বরে কেতন আগরওয়ালের সঙ্গে সিয়ার বিয়ের কথা ছিল। প্রথমে রাজি থাকলেও পরে বিয়ে করতে চাননি সিয়া। কিন্তু পারিবারিক চাপে সেই সিদ্ধান্ত জানাতে না পেরে শেষ পর্যন্ত খুনের পরিকল্পনা করেন বলে পুলিশের দাবি।রবিবার তদন্তকারীরা সিয়াকে নিয়ে ঘটনাস্থল লোহাগড় দুর্গে গিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করেন। জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে তাঁর বাবা-মাকেও। তদন্তে তাঁরা সহযোগিতা করেছেন বলেই জানা গিয়েছে। এদিকে তদন্তে আরও নানা দাবি সামনে এসেছে। কখনও উঠে এসেছে বিয়ে নিয়ে চাপের অভিযোগ, আবার কখনও প্রেমিকের প্ররোচনার প্রসঙ্গ। প্রথমদিকে একে অপরের ওপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করলেও পরে দুজনেই নিজেদের অপরাধ স্বীকার করেছেন বলে পুলিশ সূত্রের দাবি। এই বহুল আলোচিত মামলার বিচার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য দ্রুত বিচার আদালতে শুনানির প্রস্তুতি চলছে।

জুন ২৮, ২০২৬
কলকাতা

অনুমতি মেলেনি, তবু শুরু মাপজোক! একুশে জুলাই ঘিরে তৃণমূলের অন্দরে নতুন সংঘাত

একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। সভার সরকারি অনুমতি এখনও মেলেনি। তার আগেই ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে পৌঁছে মাপজোক শুরু করলেন কুণাল ঘোষ এবং তাঁর অনুগামীরা। ছুটির সকালের এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে।প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, কুণাল ঘোষের সঙ্গে দলের আরও কয়েকজন নেতা এবং সাজসজ্জার কাজে যুক্ত কর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা ফিতে দিয়ে সভাস্থলের বিভিন্ন অংশ মাপতে শুরু করেন। সাধারণত প্রশাসনিক অনুমতি পাওয়ার পরই এই ধরনের প্রস্তুতি শুরু হয়। কিন্তু এবার অনুমতির আগেই এই পদক্ষেপ নেওয়ায় রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে।অন্যদিকে, একই জায়গায় একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি করার জন্য দলের অন্য শিবিরও প্রস্তুতি নিচ্ছে। তারাও ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে সভার অনুমতি চেয়ে আবেদন করার উদ্যোগ নিয়েছে। ফলে একই স্থানকে ঘিরে দুই পক্ষের মধ্যে টানাপোড়েন আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।কুণাল ঘোষ জানিয়েছেন, একুশে জুলাই শহিদদের স্মরণে দীর্ঘদিন ধরে এই কর্মসূচি হয়ে আসছে। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই তাঁরা নিয়ম মেনে আবেদন করেছেন এবং অনুমতি পাবেন বলেই আশাবাদী।অন্যদিকে দলের অন্য নেতারাও জানিয়েছেন, অনুমতি যেখানে মিলবে, সেখানেই একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি পালন করা হবে। এদিকে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, একই কর্মসূচি ঘিরে একাধিক দাবিদারের উপস্থিতি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। এখন প্রশাসন শেষ পর্যন্ত কাকে অনুমতি দেয়, সেদিকেই নজর রয়েছে সকলের।

জুন ২৮, ২০২৬
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রীর কড়া হুঁশিয়ারির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বড় সাফল্য! বিজেপি কর্মী খুনে গ্রেপ্তার আরও এক অভিযুক্ত

বাগনানে বিজেপি কর্মী প্রশান্ত দে খুনের ঘটনায় আরও এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করল তদন্তকারী দল। মুখ্যমন্ত্রীর কড়া নির্দেশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এই পদক্ষেপ ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। হাওড়া জেলা পুলিশ এবং অপরাধ তদন্ত বিভাগের যৌথ অভিযানে শ্যামপুর এলাকা থেকে শেখ সৈফুদ্দিন নামে এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই খুনের ঘটনায় মোট একান্ন জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। এর আগে দশ জনকে গ্রেপ্তার করা হলেও আরও বহু অভিযুক্ত এখনও পলাতক। সদ্য গ্রেপ্তার হওয়া শেখ সৈফুদ্দিনের নাম অভিযোগপত্রে ছিল। তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, বাকি অভিযুক্তদের খোঁজেও তল্লাশি চলছে।শনিবার নিহত বিজেপি কর্মীর বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে তিনি জানান, খুনের ঘটনায় কাউকে ছাড়া হবে না। প্রয়োজন হলে লুকিয়ে থাকা অভিযুক্তদেরও খুঁজে বের করে গ্রেপ্তার করতে হবে। পুলিশ প্রশাসনকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দেন তিনি।গত সতেরো জুন রাতে বাগনানের বাঁটুল গ্রামের বাসিন্দা এবং বিজেপির বুথ স্তরের এক পদাধিকারী প্রশান্ত দে খুন হন। বিজেপির অভিযোগ, একটি অনুষ্ঠানে যাওয়ার সময় তাঁদের উপর হামলা চালানো হয়। লাঠি ও লোহার রড দিয়ে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। পরে পরিবারের দাবি, ফোনে তাঁদের জানানো হয়েছিল যে প্রশান্তকে খুন করা হয়েছে এবং কেউ সেখানে গেলে তাকেও ছাড়া হবে না।এই ঘটনায় স্থানীয় এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। তবে তিনি এখনও অধরা বলে জানা গিয়েছে। তদন্তকারী সংস্থা তাঁর খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে।মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, সমস্ত অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের পর দ্রুত অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হবে এবং আদালতে কঠোর শাস্তির দাবি জানানো হবে। তাঁর বক্তব্য, দোষীদের এমন শাস্তি হওয়া উচিত যাতে ভবিষ্যতে কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার সাহস না পায়।

জুন ২৮, ২০২৬
কলকাতা

রাতারাতি বদলে গেল পার্ক সার্কাস স্টেশন! একের পর এক দোকান গুঁড়িয়ে বড় অভিযান

সোমবার গভীর রাতে পার্ক সার্কাস রেল স্টেশনে বড় উচ্ছেদ অভিযান চালানো হল। দীর্ঘদিন ধরে স্টেশন চত্বর এবং রেলের জমি দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ দোকান ও অস্থায়ী কাঠামো ভেঙে সরিয়ে দেওয়া হয়। অভিযান ঘিরে গোটা এলাকায় কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়। বিপুল সংখ্যক পুলিশ, রেল পুলিশ এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন ছিলেন যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।জানা গিয়েছে, চলতি মাসের শুরুতেই স্টেশন চত্বরে থাকা ব্যবসায়ী ও হকারদের জায়গা খালি করার জন্য নোটিস দেওয়া হয়েছিল। সোমবার রাত সাড়ে দশটার পর নিরাপত্তা বাহিনী পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে। এরপর রেলের পক্ষ থেকে বারবার মাইকিং করে দোকানপাট সরিয়ে নেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়। কিছুটা সময়ও দেওয়া হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যেও অধিকাংশ দোকান সরানো না হওয়ায় বুলডোজার নামানো হয়। একের পর এক দোকান, গুমটি এবং অবৈধ কাঠামো ভেঙে ফেলা হয়।পার্ক সার্কাস স্টেশন দীর্ঘদিন ধরেই অবৈধ দোকান ও দখলের সমস্যায় ভুগছিল বলে অভিযোগ। যাত্রীদের চলাচলেও বারবার অসুবিধা তৈরি হতো। সেই পরিস্থিতি বদলাতেই এই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। অভিযান চলাকালীন স্টেশনের ভিতরে ও বাইরে কড়া নজরদারি ছিল। প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে চলে এই উচ্ছেদ অভিযান।এর আগে হাওড়া, শিয়ালদহ, দমদম, হাবরা এবং যাদবপুর-সহ রাজ্যের একাধিক রেল স্টেশন এলাকায় একই ধরনের উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে। রেলের জমি দখলমুক্ত করার লক্ষ্যে এই অভিযান ধারাবাহিকভাবে চলছে বলে জানা গিয়েছে।তবে এই অভিযান নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বহু দোকানদার। তাঁদের অভিযোগ, পুনর্বাসনের কোনও ব্যবস্থা না করেই জীবিকা কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। ফলে উচ্ছেদ অভিযানের পাশাপাশি পুনর্বাসনের দাবিও জোরালো হচ্ছে।

জুন ২৮, ২০২৬
কলকাতা

আর মাত্র ৭ দিন! কলকাতার দুই বড় সেতুর নিচে যা হতে চলেছে, জানতেই চমকে উঠবেন

কলকাতায় অবৈধ দখল উচ্ছেদে আরও কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে পুরসভা। এবার নজরে এসেছে শিয়ালদহের বিদ্যাপতি সেতু এবং সুকান্ত সেতুর নিচের বেআইনি দখল। শনিবার কলকাতা পুরসভার পক্ষ থেকে এই দুই জায়গায় নোটিস টাঙিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, সাত দিনের মধ্যে সমস্ত বেআইনি দোকান ও দখল সরিয়ে ফেলতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্দেশ না মানলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।পুরসভার নোটিসে জানানো হয়েছে, যাদবপুর ও সন্তোষপুরের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সংযোগকারী সুকান্ত সেতুর নিচে দীর্ঘদিন ধরে বাজার ও হকারদের দোকান বসে আসছে। একইভাবে শিয়ালদহের বিদ্যাপতি সেতুর নিচেও বহু দোকান ও বড় বাজার গড়ে উঠেছে। অভিযোগ, এই সবই অনুমতি ছাড়া দখল করে তৈরি হয়েছে। তাই এবার ওই সমস্ত জায়গা খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এর আগে তপসিয়া, কসবা, পার্ক সার্কাস-সহ শহরের একাধিক এলাকায় বেআইনি নির্মাণ ভাঙার অভিযান চালানো হয়েছে। পাশাপাশি হাওড়া, শিয়ালদহ, দমদম-সহ বিভিন্ন রেল স্টেশনের আশপাশের অবৈধ দোকানও উচ্ছেদ করা হয়েছে। এবার সেই অভিযানের পরিধি আরও বাড়ানো হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।অন্যদিকে, গত সপ্তাহেই ঢাকুরিয়া থেকে যাদবপুর স্টেশন সংলগ্ন বস্তি এলাকাও খালি করার নোটিস দিয়েছে পুরসভা। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে দখল করে গড়ে ওঠা ওই এলাকায় হাজার হাজার মানুষের বসবাস। শুধু অস্থায়ী ঘর নয়, বহু পাকা ও দোতলা বাড়িও তৈরি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পুরসভা ইতিমধ্যেই সেই এলাকাও খালি করার জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে। ফলে শহরে অবৈধ দখল উচ্ছেদ অভিযান আরও জোরদার হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

জুন ২৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal