• ৯ আশ্বিন ১৪৩৩, সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

BjP

রাজ্য

"নেতাজি" সুভাষচন্দ্র বসু-র ট্যাবলো বাতিল করলো কেন্দ্র সরকার, প্রতিবাদে মুখর 'বাংলা পক্ষ'

একদিকে যখন বিজেপি শাসিত কেন্দ্রীয় সরকার ঘোষণা করছে এই বছর ২৩ জানুয়ারি থেকেই সাধারণতন্ত্র দিবস পালন শুরু হবে, সরকার আরও জানিয়েছে, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মবার্ষিকীকে মর্যাদা দিতেই তাঁরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এছাড়া ২০১৯ এ নেতাজির জন্মবার্ষিকীকে পরাক্রম দিবস হিসেবে পালন করার কথা ঘোষণা করেছিল মোদি সরকার, এবং এই উপলক্ষে কলকাতার ভিক্টোরিয়া মেমরিয়াল হলে এক মনোজ্ঞ অনুষ্টানের আয়োজন করে। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।অদ্ভুত ভাবে সেই সরকারই ২৬ শে জানুয়ারী-র সাধারণতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজ উপলক্ষে বীর সুভাষ ও আজাদ-হিন্দ-ফৌজ-কে কেন্দ্র করে তৈরি বাংলার ট্যাবলো বাতিল করেছে। একই সরকারের এই দ্বিমুখী আচরণে অবাক সাধারন মানুষ থেকে শুরু করে বিদ্বজন।এই আচরণের তীব্র বিরোধিতা করে বাংলা পক্ষ। বেশ কিছুদিন ধরেই বাংলা ও বাঙালি বিদ্বেষি কোনও ঘটনার প্রতিবাদে মুখর হয়ে উঠেছে এই বাংলা প্রেমী সংগঠন। তাঁরা তাদের টুইটার হ্যাণ্ডেল থেকে প্রতিবাদের ঝড় তুলেছে। জনতার কথার প্রতিনিধি কে বাংলা পক্ষ জানিয়েছে, বাঙালির শত্রু বিজেপি শাসিত দিল্লির কেন্দ্র সরকার। বিজেপি ও হিন্দি সাম্রাজ্যবাদী কেন্দ্র সরকারের সর্বদাই বাংলা ও বাঙালি বিরোধী চরিত্র দেখি আমরা।আরও পড়ুনঃ নেতাজির জীবন নিয়ে লাইট অ্যান্ড সাউন্ড শো ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল হলেবাংলা পক্ষ-এর তরফ থেকে আরও জানানো হয়েছে, যখন বাঙালি বীর সন্তানরা ভারতের স্বাধীনতার জন্য প্রাণ দিচ্ছে তখন আরএসএস ব্রিটিশের দালালি করতো। ইতিহাসক্রমেই বিজেপি ও আরএসএস (RSS) সুভাষ বিরোধী। এবার সাধারণতন্ত্র দিবসে সুভাষের নামাঙ্কিত বাংলার ট্যাবলো বাতিল হওয়ায় দিল্লির সুভাষ বিরোধিতা আরও প্রকট ভাবে প্রকাশিত হল। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বাঙালি বিরোধী বিজেপি ও কেন্দ্র সরকারকে ধিক্কার জানিয়ে ট্যুইটার প্রচার শুরু করেছে বাংলা পক্ষ। যদিও এবিষয়ে আরএসএসের কোনও মন্তব্য মেলেনি।বাংলা পক্ষর শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি জানিয়েছেন, বাঙালিদের তাঁরা আহ্বান জানাচ্ছেন #AntiNetajiBJP হ্যাসট্যাগ ব্যবহার করে ট্যুইটারে ঝড় তোলার জন্য। এছাড়াও আরও একটি হ্যাসট্যাগ #BengalNetajibannedinDelhi তাঁরা ব্যবহার করছেন এই প্রচারে। হাজার হাজার ট্যুইটের মাধ্যমে সুভাষচন্দ্রের অমর্যাদার প্রতিবাদে গর্জে ওঠার আবেদন তাঁরা রাখছেন সমগ্র ভারতীয়দের কাছে। তাঁরা জানিয়েছেন সুভাষচন্দ্র শুধু বাঙালির গর্ব নয় সমগ্র ভারতবর্ষের অলঙ্কার।কৌশিক মাইতি আরও জানিয়েছেন, তাঁরা বাংলা পক্ষ এই ট্যুইটার প্রচারে আরও কয়েকটি দাবি রেখেছে সেগুলি হলঃ১. সুভাষ চন্দ্র বসু সম্পর্কিত সমস্ত ফাইল প্রকাশ করতে হবে।২. ভারতীয় সেনায় বাঙালি রেজিমেন্ট চাই।৩. ভারতীয় সেনাবাহিনীর পরীক্ষা বাংলা ভাষায় দেওয়ার সুযোগ চাই।

জানুয়ারি ১৬, ২০২২
দেশ

UttarPradesh: ভোটের আগে বড় ভাঙন উত্তরপ্রদেশ বিজেপিতে

সব নজর এখন যোগীর রাজ্যে। ফেব্রুয়ারির ভোটের আগে চলছে ঘুঁটি সাজানোর পর্ব। আর এরই মধ্যে উত্তরপ্রদেশের রাজনীতিতে বড় মোড়। যোগীর মন্ত্রিসভার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য তথা বর্ষীয়ান নেতা স্বামী প্রসাদ মৌর্য পদ্মের সঙ্গে যাবতীয় সম্পর্ক ত্যাগ করেছেন। যোগ দিয়েছেন অখিলেশ যাদবের দলে। ভোটের ঠিক এক মাস বাকি থাকতে উত্তরপ্রদেশের মন্ত্রীর এই জার্সি বদলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। মঙ্গলবারই তিনি মন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে সমাজবাদী পার্টিতে যোগ দেন।আরও পড়ুনঃ দিল্লিতে বন্ধ সব বেসরকারি অফিস, জারি ওয়ার্ক ফ্রম হোম-এর নয়া নির্দেশিকাভোটের এক মাস বাকি থাকতে রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীর এভাবে দলত্যাগে স্বাভাবিকভাবেই বেশ অস্বস্তিতে পড়েছে যোগী আদিত্যনাথের দল। টুইটারে পোস্ট করা নিজের পদত্যাগপত্রে স্বামী প্রসাদ মৌর্য লিখেছেন, একটি ভিন্ন মতাদর্শ থাকা সত্ত্বেও, আমি যোগী আদিত্যনাথের মন্ত্রিসভায় নিষ্ঠার সাথে কাজ করেছি। কিন্তু দলিত, ওবিসি, কৃষক, বেকার এবং ছোট ব্যবসায়ীদের উপর যেভাবে নিপীড়ন করা হয়েছে, সেই কারণে আমি পদত্যাগ করছি।আরও পড়ুনঃ করোনা আক্রান্ত লতা মঙ্গেশকর, ভর্তি আইসিইউ-তেএদিকে মৌর্য টুইটারে তাঁর পদত্যাগপত্রের ছবি পোস্ট করার পর পরই সপা প্রধান অখিলেশ যাদব উত্তরপ্রদেশের সদ্য প্রাক্তন মন্ত্রীর সঙ্গে নিজের একটি ছবি পোস্ট করেন। সঙ্গে লেখেন, মৌর্যকে এবং তাঁর সমর্থকদের সমাজবাদী পার্টিতে স্বাগত।सामाजिक न्याय और समता-समानता की लड़ाई लड़ने वाले लोकप्रिय नेता श्री स्वामी प्रसाद मौर्या जी एवं उनके साथ आने वाले अन्य सभी नेताओं, कार्यकर्ताओं और समर्थकों का सपा में ससम्मान हार्दिक स्वागत एवं अभिनंदन!सामाजिक न्याय का इंक़लाब होगा ~ बाइस में बदलाव होगा#बाइसमेंबाइसिकल pic.twitter.com/BPvSK3GEDQ Akhilesh Yadav (@yadavakhilesh) January 11, 2022স্বামী প্রসাদ মৌর্য টুইটারে তাঁর পদত্যাগপত্র পোস্ট করার কিছুক্ষণের মধ্যে আরও এক বিজেপি বিধায়ক রোশন লাল বর্মা তাঁর পদত্যাগের কথা ঘোষণা করেন। সূত্রের খবর, মৌর্য আরও কয়েকজন মন্ত্রী ও বিধায়ককে বিজেপির ঘর ভাঙিয়ে সপা শিবিরের দিকে টানতে পারেন।আরও পড়ুনঃ বঙ্গাস-র ভাতৃদ্বয়ের নতুন ইপি উই ফর লাভ

জানুয়ারি ১১, ২০২২
রাজ্য

MLA Arrested: নির্বাচনী প্রচারে কোভিড বিধি ভঙ্গের অভিযোগে গ্রেফতার বিজেপি বিধায়ক

করোনা বিধি ভেঙে প্রচার করায় বিজেপি বিধায়ক সহ ৬ জনকে গ্রেফতার করল চন্দননগর থানার পুলিশ। পরে থানায় জামিনও পেয়ে যায় বিজেপি নেতৃত্ব। চন্দনগরে রবিবাসরীয় পুরনির্বাচনী প্রচারে ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে গোন্দলপাড়ায় ঘটনাটি ঘটে। বিজেপির দাবি, তৃণমূল কংগ্রেসের আঙুলি হেলনে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। অথচ সিপিম ও তৃণমূল করোনা বিধি না মেনে প্রচার করলেও তাদের দেখতেই পাচ্ছে না পুলিশ।চন্দননগরের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি প্রার্থী সন্ধ্যা দাসের সমর্থনে রবিবার প্রচারে ছিলেন পড়শুড়ার বিজেপি বিধায়ক বিমান ঘোষ, হুগলি জেলা বিজেপির সাংগঠনিক সভাপতি তুষার মজুমদার, জেলা যুব মোর্চার সভাপতি সুরেশ সাউ। সঙ্গে ছিলেন দলীয় কর্মী-সমর্থকরা। কোভিড বিধি ভঙ্গের দায়ে চন্দননগর থানার পুলিশ গিয়ে বিজেপির প্রচার বন্ধ করে দেয়। কেন শতাধিক লোক নির্বাচনী প্রচারে এই প্রশ্ন তুলে বিজেপি নেতৃত্বকে চন্দননগর থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। নেতৃত্বে ছিলেন চন্দননগর থানার আইসি সৌমেন পাল। পরে প্রত্যেককে জামিনে ছেড়ে দেওয়া হয়।বিজেপির রাজ্য সম্পাদক বিমান ঘোষ বলেন, ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে দলীয় প্রার্থী সন্ধ্য়া দাসের সমর্থনে প্রচারে ছিলাম। আমরা ৫-৭জন ছিলাম। তারপর কয়েকজন কর্মী-সমর্থক ভিড় করে। পুলিশ অন্য়ায়ভাবে আমাদের গ্রেফতার করেছে। আমাদের ৬ জনকে থানায় নিয়ে আসে। থানা থেকে জামিন হয়। আমাকে পুলিশ কোভিড প্রোটোকলের কথা বলে। অথচ একসঙ্গে ২০ জন পুলিশ সেখানে গিয়েছিল। তাহলে পুলিশের প্রোটোকল কোথায় ছিল?মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া থেকে প্রচার, একে অপরের বিরুদ্ধে কোভিড বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ করছে। বিধাননগর পুরনিগমের মনোনয়ন জমা দেওয়ার দিন করোনা বিধি মেনে চলার ছবি দেখা গিয়েছে। অন্য পুরসভাগুলিতেও ছিল একই চিত্র। বিজেপি বিধায়কের কথায়, পুলিশ বলছে শতাধিক লোক ভিড় করেছিল। কোথায় ছিল ১০০ জন? আমরা ৫-৬ জন ছিলাম। সিপিএমের প্রার্থী ২০ জনকে সঙ্গে নিয়ে প্রচার করছে। তৃণমূল ৫০ জন নিয়ে প্রচার করছে। পুলিশকে দিয়ে রাজনীতি বেশি দিন চলবে না।

জানুয়ারি ০৯, ২০২২
কলকাতা

Mahamrityunjay Mantra: আজ শহরে মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্রপাঠ, কার জন্য জানুন

প্রধানমন্ত্রীর সুরক্ষা ও সুস্বাস্থ্য কামনায় বৃহস্পতিবার দেশজুড়ে হয়েছে পুজো ও হোম যজ্ঞ। এবার কলকাতায় মহিলা মোর্চার তরফে একাধিক কর্মসূচি নেওয়া হল। প্রধানমন্ত্রীর সুরক্ষা কামনা করে এবার মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র পাঠ করবে মহিলা মোর্চা।সকাল ১০টায় যাদবপুর ত্রিকোণ পার্ক শিব মন্দিরে মন্ত্রপাঠ হবে। এটি ১০৩ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্ভুক্ত। সকাল ১১টায় ভূকৈলাশ শিব মন্দির, খিদিরপুরে হবে মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র পাঠ। অন্যদিকে, বেলা ১২টা নাগাদ ভবানীপুর শিবমন্দিরেও এই মন্ত্রপাঠ হবে।বৃহস্পতিবার মোদির সুরক্ষা কামনা করে দেশের একাধিক জায়গায় পুজো হয়। অসমে আয়োজিত পুজোয় অংশ নেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মা। মুখ্যমন্ত্রীর গুয়াহাটির উগ্রতারা মন্দিরে আয়োজন করা হয় পুজো ও হোম যজ্ঞের। উল্লেখ্য, পঞ্চাবের এই ঘটনার পর প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়েই উঠছে একাধিক প্রশ্ন।প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় গলদ নিয়ে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। যে কমিটির নেতৃত্বে আছেন ক্যাবিনেট সুরক্ষা সচিব সুধীর কুমার সাক্সেনা। দ্রুত কমিটিকে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, গত বুধবার পঞ্জাবের ফিরোজপুরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যাওয়ার সময় যে ঘটনা ঘটেছে, তাতে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। সেই গাফিলতির বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।

জানুয়ারি ০৭, ২০২২
রাজ্য

CBI Charge Sheet: ভোট পরবর্তীতে বিজেপি কর্মীর মাকে খুনের ঘটনায় ৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দিল সিবিআই

বিধানসভা ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক হিংসায় পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের নবগ্রামে খুন হন বিজেপি কর্মীর মা। হাইকোর্টের নির্দেশে সেই খুনের মামলার তদন্তে নেমে সিবিআই বুধবার ৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করলো। সিবিআইয়ের রাঁচি ইউনিটের ইনসপেক্টর অরুন কুমার সিং এদিন ২৫ পাতার সাপ্লিমেন্টরি চার্জশিট বর্ধমান সিজেএম আদালতে জমা দেন। এবং সিজেএম চার্জশিট গ্রহন করেছেন।আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে ,চার্জশিটে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ধারালো অস্ত্র দিয়ে জখম করা, খুন ও খুনের চেষ্টার ধারা দেওয়া হয়েছে। এই খুনের মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ৩৬ জনকে সাক্ষী করেছে। চার্জশিটে উল্লিখিত অভিযুক্তদের মধ্যে মোট চারজনের নাম এফআইআরে ছিল, তাঁদের মধ্যে শাহজাহান শা এবং বিভাস বাগ মারা যাওয়ায় তাঁদের নাম চার্জশিট থেকে বাদ গিয়েছে। বাকি যাদের নাম সিবিআইয়ের চার্জশিটে উঠে এসেছে তারা হল সমর ধারা, তরুণ ক্ষেত্রপাল, সোমনাথ শীল ওরফে হেপলো, সমীর বাগ ওরফে মুরুব্বি, সমীর ঘোষ, কুমারেশ ঘোষ, সাগর রায় ওরফে সঞ্জু ও অমরেশ বাগ। এই অভিযুক্তদের কেউই সিবিআইয়ের হাতে ধরা পড়েনি। এদের মধ্যে সোমনাথকে পলাতক দেখানো হয়েছে। তরুণ আগেই পুলিসের হাতে গ্রেপ্তার হয়। পরে সে জামিনে ছাড়া পায়। দুই সমীর, কুমারেশ, সাগর ও অমরেশ এখনও গ্রেপ্তার হয়নি। তবে তাঁদের আগাম জামিন মঞ্জুর করেছেন জেলা জজ। গত বছরের ৩ আগস্ট পুলিশ সমর, তরুণ, সোমনাথ ও সমীর বাগের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করে। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে সিবিআই বিজেপি কর্মীর মাকে খুনের ঘটনার তদন্তভার হাতে নেয়।সিবিআই জানিয়েছে, বিধানসভা ভোটের ফল বের হওয়ার পরদিন রাজনৈতিক হিংসায় উত্তপ্ত হয় জামালপুর থানার নবগ্রাম এলাকা। ওই দিন নবগ্রামের বিজেপি কর্মী আশিস ক্ষেত্রপালকে সায়েস্তা করতে তাঁর বাড়িতে হামলা চালানো হয়। ঘর ভাঙচুর করা হয়। তাঁকে না পেয়ে তাঁর বাবা অনিল ক্ষেত্রপালকে টাঙি দিয়ে কোপানো হয়। ওই সময় স্বামীকে বাঁচাতে যান কাকলি ক্ষেত্রপাল(৪৭)। সামনে পেয়ে তাঁকেও বেধড়ক মারধর করার পাশাপাশি তাঁর গলায় হাঁসুয়া দিয়ে কোপ মারা হয়। জামালপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। মারধরে জখম আশিসের বাবা ও কাকা মানস ক্ষেত্রপালের বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা হয়। এরপরই গ্রামের লোকজন আক্রমণকারীদের তাড়া করে শাহজাহান শা ও বিভাস বাগকে ধরে গনপিটুনি দেয়। তাতে ওই দুজনের মৃত্যু হয়। তদন্ত চলাকালীন সিবিআই খুনে ব্যবহৃত কাস্তে ও কাটারি বাজেয়াপ্ত করে। সেগুলি ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে বলে চার্জশিটে উল্লেখ করেছে সিবিআই।

জানুয়ারি ০৬, ২০২২
রাজনীতি

BJP-Hiran: দিলীপের উপর ক্ষোভে এবার হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ-ত্যাগ হিরণের!

বিজেপি-র কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি তথা প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধে ক্ষোভ থেকেই দলের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছেড়ে দিয়েছেন বলে জানিয়ে দিলেন খড়গপুরের বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, দিলীপ ঘোষ খড়্গপুরে আসেন। নিজের মতো সভা করেন। আমাকে কিছু জানান না! আমি যেখানে উল্লয়ন, সেখানে থাকব।রাজ্য বিজেপি-র অন্দরে মতুয়া-বিদ্রোহ চলতে চলতেই দলের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছাড়লেন হিরণ। প্রসঙ্গত, হিরণ হলেন বিজেপি-র দশম বিধায়ক, যিনি দলের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছাড়লেন। এর আগে বাঁকুড়ার চার বিধায়ক এবং পাঁচ মতুয়া বিধায়ক গ্রুপ ছেড়েছিলেন। বুধবার সকালে হিরণের গ্রুপ ছাড়ার খবর জানা যায়।আরও পড়ুনঃ করোনাকালে বাড়ি বাড়ি খাবার পাঠাবে রাজ্যদিলীপ আগে ছিলেন খড়গপুরের বিধায়ক। আপাতত তিনি মেদিনীপুরের সাংসদ। খড়গপুর বিধানসভা তাঁর লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত। হিরণের বক্তব্যের শেষ বাক্যটি নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। কারণ, শাসক তৃণমূলের প্রধান প্রচারই হল, তারা উন্নয়ন-এর পক্ষে। অতএব হিরণ যদি বলেন, যেখানে উন্নয়ন, সেখানেই তিনি থাকবেন, তা হলে তা তাঁর বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার জল্পনাই তৈরি করে। এখন দেখার, হিরণ সেই পদক্ষেপ করেন কি না।হিরণের ঘনিষ্ঠদের বক্তব্য, বিধায়কের ক্ষোভ, বাংলার বিজেপি তাঁকে কাজে লাগায়নি। বিষয়টি হিরণ কেন্দ্রীয় নেতাদেরও জানিয়েছেন। সাংগঠনিক ভাবে তাঁকে রাজ্য বিজেপি কাজে লাগাচ্ছে না। যদিও বিধায়ক হিসেবে তিনি নিজের কাজ করে চলেছেন। তিনি কলকাতায় না-থেকে তাঁর কেন্দ্র খড়্গপুরেই থাকেন। একাধিক চিঠি লিখেছেন প্রধানমন্ত্রী এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে। তাঁর ঘনিষ্ঠদের আরও বক্তব্য, তৃণমূলে যোগ দেওয়া বা দলবদল নিয়ে কারও সঙ্গেই তাঁর কোনও কথা হয়নি। তেমন কোনও পরিস্থিতিই তৈরি হয়নি।

জানুয়ারি ০৫, ২০২২
রাজনীতি

BJP: এবার বিজেপিতে 'বিদ্রোহী' পাঁচ মতুয়া বিধায়ক

নয়া রাজ্য কমিটি গঠনের তিন দিনের মাথায় বিজেপি বিধায়কদের নিয়ে তৈরি করা হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন পাঁচ মতুয়া বিধায়ক। এই ঘটনা নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। যদিও এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি গ্রুপ ছেড়ে দেওয়া বিধায়করা। শুধু তাই নয়, শোনা যাচ্ছে শীলভদ্র দত্ত, রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়ও বিজেপির মিডিয়া গ্রুপ ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছেন। এ নিয়ে কটাক্ষ করেছে তৃণমূল।বিজেপি বিধায়কদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকে বেরিয়ে গিয়েছেন পাঁচ মতুয়া বিধায়ক। তাঁরা হলেন, গাইঘাটায় বিধায়ক সুব্রত ঠাকুর, বনগাঁ উত্তরের বিধায়ক অশোক কীর্তনীয়া, হরিণঘাটার বিধায়ক অসীম সরকার, কল্যাণীর বিধায়ক অম্বিকা রায় এবং রানাঘাট দক্ষিণের বিধায়ক মুকুটমণি অধিকারী। আর এই কাণ্ড ঘিরে জল্পনা শুরু হয়েছে।এ নিয়ে প্রকাশ্যে অবশ্য মুখ খোলেননি গ্রুপ ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়া পাঁচ বিধায়কের কেউই। বনগাঁ উত্তরের বিধায়ক বলেন, আমি এ ব্যাপারে কিছু বলতে পারব না। মাফ চাইছি। কেন বেরোলাম তা এই মুহূর্তে বলতে চাইছি না। গত ২২ ডিসেম্বর নতুন রাজ্য কমিটির ঘোষণা করেছে পদ্মশিবির। ঘটনাচক্রে সেই কমিটিতে কোনও মতুয়া নেতা নেই। সেই বার্তাই কি একসঙ্গে পাঁচ মতুয়া বিধায়ক হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছেড়ে দিতে চেয়েছেন?উত্তর ২৪ পরগনা বিজেপি-র একাংশের দাবি, রাজ্যে পদ্মফুলের বাড়বাড়ন্তের কারিগর মতুয়ারা। কিন্তু রাজ্য কমিটিতে সেই মতুয়াদের কোনও প্রতিনিধি না থাকাতেই কি মনঃকেষ্ট গ্রুপ ছেড়ে যাওয়া বিধায়করা? এই জল্পনা আরও জোরদার হয়েছে বনগাঁর সাংসদ শান্তনু ঠাকুরের পদক্ষেপে। বিজেপি-র সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার সঙ্গে দেখা করার জন্য সময় চেয়েছেন তিনি।

ডিসেম্বর ২৫, ২০২১
রাজনীতি

District BJP: জেলা বিজেপির সভাপতি পদেও বড়সড় রদবদল

উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতার বিজেপি সভাপতি বদল করা হল। সূত্রের খবর, পুরভোটে ব্যর্থতার জেরেই এই রদবদলের সিদ্ধান্ত বঙ্গ বিজেপির। এছাড়া অধিকাংশ সাংগঠনিক জেলার সভাপতিও বদল করা হয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, উত্তর কলকাতার দায়িত্ব এবার দেওয়া হল কল্যাণ চৌবেকে। দক্ষিণ কলকাতা সামলাবেন সঙ্ঘমিত্রা চৌধুরী।বৃহস্পতিবারই বিজেপির নতুন রাজ্য কমিটি গঠন করা হয়েছে। শুক্রবার ছিল নবগঠিন রাজ্য কমিটির বৈঠক। বৈঠকের পর শনিবার সকালে বিজেপির অধিকাংশ জেলা সভাপতিই বদল করে দেওয়া হয়। একইসঙ্গে ৩৯টি সাংগঠনিক জেলা ছিল বিজেপির। সেই সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে।এবার থেকে বিজেপির ৪২টি সাংগঠনিক জেলা হল। অর্থাৎ লোকসভা কেন্দ্রের সমসংখ্যক এবার বিজেপির সাংগঠনিক জেলার সংখ্যা। ৪২টির জন্য নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে ৪২ জন সভাপতি। কলকাতার দুই সাংগঠনিক জেলারই সভাপতি বদল করা হল। হাওড়া-সহ দু তিনটে সাংগঠনিক জেলা বাদ দিলে প্রায় সব জেলাতেই নতুন সভাপতি ঠিক করেছে বর্তমান রাজ্য কমিটি। একসঙ্গে এতজন সভাপতি বদলে দেওয়ার ঘটনা বিরল বলেই দলের অন্দরের একাংশের মত।বিজেপি সূত্রে খবর, বিধানসভা ভোট, উপনির্বাচন, কলকাতার পুরভোটের বিজেপির ব্যর্থতাকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে দেখছে সংগঠন। সামনেই বাকি পুরসভায় ভোট রয়েছে। এই অবস্থায় বঙ্গ সংগঠনের খোলনলচে বদলে একেবার টাটকা লড়াই শুরু করতে মরিয়া পদ্মশিবির।বিজেপির নতুন রাজ্য কমিটিতে সহ-সভাপতি করা হয়েছে ১১ জনকে। সাধারণ সম্পাদকের পদে রয়েছে পাঁচ জনের নাম। বিজেপির সাংগঠনিক পরিকাঠামো অনুযায়ী, সভাপতি পদের পরেই সবথেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হল সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন)-এর পদ এবং অন্যান্য সাধারণ সম্পাদক। নতুন রাজ্য কমিটিতে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়, জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো, অগ্নিমিত্রা পল, দীপক বর্মন ও জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়।এবার সাংগঠনিক জেলা সভাপতিতেও বিপুল রদবদল। পুরভোটকে মাথায় রেখেই এই বদল বলে মনে করা হচ্ছে। দুই বিধায়ককে জেলা সভাপতি করা হয়েছে এবার। বিধায়ক আনন্দময় বর্মন সামলাবেন শিলিগুড়ির সভাপতির দায়িত্ব। একইভাবে দক্ষিণ নদিয়ার দায়িত্ব সামলাবেন বিধায়ক পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়।

ডিসেম্বর ২৫, ২০২১
রাজনীতি

BJP New State Committee: বিজেপির রাজ্য কমিটিতে বড়সড় রদবদল

বিজেপির রাজ্য কমিটিতে বড়সড় রদবদল। মহিলা মোর্চার সভানেত্রীর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল অগ্নিমিত্রা পলকে । একই সঙ্গে যুব মোর্চার সভাপতির পদ থেকে সরানো হল সৌমিত্র খাঁকে । রাজ্য বিজেপির মহিলা মোর্চার নয়া সভানেত্রী হলেন তনুজা চক্রবর্তী। যুব মোর্চার নয়া সভাপতি হলেন ডা: ইন্দ্রনীল খান। মহিলা মোর্চার সভানেত্রীর পদ থেকে সরিয়ে অগ্নিমিত্রা পলকে-কে রাজ্য সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। সৌমিত্র খাঁকে করা হয়েছে সহ-সভাপতি। রাজ্য কমিটি থেকে বাদ গিয়েছেন সায়ন্তন বসু। এছাড়া সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে লকেট চট্টোপাধ্যায়, জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো, দীপক বর্মন এবং জগন্নাথ চট্টোপাধ্যাকে। দলের সহ-সভাপতি করা হয়েছে জগন্নাথ সরকার, অর্জুন সিং, খগেন মুর্মুকে। আদি বিজেপি এবং নয়া বিজেপির মিশ্রণেই এই রাজ্য কমিটি তৈরি হয়েছে।পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির নতুন রাজ্য কমিটির তালিকা। pic.twitter.com/aIgDgc3X8k BJP Bengal (@BJP4Bengal) December 22, 2021একুশের বিধানসভা ভোটই হোক বা সদস্য সমাপ্ত কলকাতা পুরভোট। দুক্ষেত্রেই বিপর্যয়ের মুখ দেখেছে বিজেপি । বিধানসভায় ডবল ইঞ্জিন সরকারের স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে। ভোট শতাংশের হিসেবে কলকাতায় তৃতীয় স্থান পেয়েছে গেরুয়া শিবির। ফলে আগামী পুর এবং কর্পোরেশন নির্বাচনগুলোকে মাথায় রেখেই এবারের রাজ্য কমিটি তৈরি হয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। রাজ্য কমিটিতে শহরকেন্দ্রীক নেতাদেরও সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। শাসক দলের সঙ্গে টক্কর দিয়ে লড়তে পারবে এবং সংগঠনের দিকেও নজর দিতে পারবে এমন মুখকেই তুলে আনা হয়েছে বলে বিশ্লেষকদের একাংশের মত।এর পাশাপাশি জ্যোতির্ময় মাহাতোকেও রেখে দেওয়া হয়েছে নতুন কমিটিতে। বিজেপির নতুন রাজ্য কমিটিতে-সহ সভাপতি থাকছেন ১১ জন। সাধারণ সম্পাদকের পদে রয়েছে পাঁচ জনের নাম। বিজেপির সাংগঠনিক পরিকাঠামো অনুযায়ী, সভাপতি পদের পরেই সবথেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হল সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন)-এর পদ এবং অন্যান্য সাধারণ সম্পাদকেরা।উল্লেখ্য, বঙ্গ বিজেপির সাংগঠনিক দুর্বলতা নিয়ে বার বার প্রশ্ন উঠেছে। দলের বাইরে হোক বা দলের অন্দরে, এই ধরনের প্রশ্নবাণ সামাল দিতে মাঝে মধ্যেই নাকানি চোবানি খেতে হয়েছে বঙ্গ বিজেপির নেতাদের। সদ্য সমাপ্ত কলকাতা পুরভোটের ফলাফলের পরেও সেই একই প্রশ্ন অনেকেই তুলতে শুরু করেছিলেন। আর ঠিক তার একদিন পরেই এই ব্যাপক সাংগঠনিক রদবদল বঙ্গ বিজেপির অন্দরে।

ডিসেম্বর ২২, ২০২১
রাজনীতি

Municipal Election Result: নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথে তৃণমূল, শুরু আবির খেলা

রবিবার কলকাতা পুর নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হয়েছে। আজ ফল ঘোষণা। সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়েছে ভোট গণনা। শুরুতে হয় ইডি (ইলেকশন ডিউটি) ভোট গণনা। ইভিএম গণনা শুরু হবে তার পর।মঙ্গলবার সকাল ৭টায় খোলা হয়েছে স্ট্রং রুমে। রবিবার থেকে স্ট্রং রুমের নিরাপত্তায় রয়েছে কলকাতা পুলিশ ও রাজ্য পুলিশের সশস্ত্র বাহিনী। ভোট গণনার জায়গায় ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে বলে জানা গিয়েছে নির্বাচন কমিশন সূত্রে। প্রত্যেক গণনা কেন্দ্রের ২০০ মিটারের মধ্যে জারি রয়েছে ১৪৪ ধারা। কমিশন সূত্রে খবর, দুপুর ২টোর মধ্যেই ফল প্রকাশ হয়ে যেতে পারে।মুখে রঙিন মুখোশ, বাহারি চুলের রঙ, হাতে খেলা হবে পোস্টার। এই প্রতিবেদন যখন লেখা হচ্ছে, তখন কলকাতা পুরনির্বাচনের গণনার ৩ ঘণ্টা পেরিয়েছে। তারই মধ্যে তৃণমূলের জয়ের ধ্বজা উড়তে শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর কালীঘাটের বাড়ির সামনে ভিড় উচ্ছ্বসিত কর্মী সমর্থকদের। আবির খেলা, খেলা হবে গান আর সঙ্গে দেদার নাচ।প্রত্যাশা মতোই প্রায় নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে জয়ের পথে তৃণমূল। ইতিমধ্যেই ১১৯ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী। তৃণমূল কংগ্রেস এগিয়ে ১১৯, বিজেপি ৩, বাম ৩, কংগ্রেস ২, নির্দল ১ ওয়ার্ডে এগিয়ে। শহর কলকাতায় ফের উঠল সবুজ ঝড়।৮৩ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী প্রবীর মুখোপাধ্যায়, ৬৬ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের ফৈয়াজ আহমেদ খান, ১০৯ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়। জয়ের উল্লাস তৃণমূল শিবিরে। প্রথম দু ঘণ্টাতেই একশোর বেশি আসনে এগিয়ে গিয়েছে তৃণমূল৷ফিরহাদ জানিয়েছেন, ১৩৪ টি আসনে জিতবে তৃণমূল। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ৫২ শতাংশের আশেপাশে থাকতে পারে তৃণমূলের ভোটের হার এবং বিজেপির থাকতে পারে প্রায় ২৪ শতাংশ। বাকি বিরোধীরা মোটামুটি ৭ শতাংশের মতো ভোট পেতে পারেন। উল্লেখ্য, গত পুরভোটে বিজেপি ৭ টি আসন পেয়েছিল, এবার তা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, বামেরা পেতে পারেন একটি আসন।

ডিসেম্বর ২১, ২০২১
কলকাতা

BJP: সন্ত্রাসের প্রতিবাদে পথে বিজেপি, রণক্ষেত্র সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ

পুরভোটে সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে বিজেপির মিছিল। সেই মিছিলকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার ৬ নম্বর মুরলীধর সেন লেনে। কলকাতা পুরভোটে সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে সোমবার পথে নামে বিজেপি। দলীয় কার্যালয় থেকে মিছিল বের করতেই রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় এলাকা। বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে পুলিশের ব্যারিকেড ভাঙার অভিযোগ ওঠে। পাল্টা একের পর এক বিজেপি কর্মীকে চ্যাংদোলা করে পুলিশের তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠছে। পুলিশের বক্তব্য, এই মিছিলের কোনওরকম অনুমোদন ছিল না। তাই একের পর এক বিজেপি নেতাকে আটক করে প্রিজন ভ্যানে তোলা হয়। প্রিজন ভ্যানের সংখ্যাও বাড়ানো হয়। পাশাপাশি আটকে দেওয়া হয় মিছিল।রবিবারের ভোটে সন্ত্রাস ও পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলে বিজেপির এদিনের প্রতিবাদ কর্মসূচি ছিল। এদিকে পুলিশের দাবি, তারা এই মিছিলের জন্য কোনওরকম অনুমতি দেয়নি। ফলে ৬ নম্বর মুরলীধর সেন লেন থেকে মিছিল বের হতেই তা আটকায় পুলিশ। প্রাথমিকভাবে পুলিশের সঙ্গে কয়েকজন বিজেপি নেতা কথা বলেন। কিন্তু পুলিশ জানিয়ে দেয়, এ মিছিল করতে দেওয়া হবে না। তারপরই বিজেপি কর্মী সমর্থকরা ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ।২৬ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি প্রার্থী শশী গণের অভিযোগ, আমাদের অনুমতি ছিল কিছুটা দূর অবধি মিছিল করার। আমরা তাই বেরোই। এরপরই পুলিশ আক্রমণ করল আমাদের উপর। ধরপাকড়, মারামারি, ধাক্কাধাক্কি। আমাকে ধরে গাড়িতে ওঠানোর সময় আমাকে পুলিশ ঘুঁষি মারে মাথায়। চোখেও লেগেছে। একটাও মহিলা পুলিশ নেই। ছেলে পুলিশ মেরেছে। এই অবস্থা দিদির! পুলিশকে তৃণমূলে নিয়ে গিয়ে রাখুন। পুলিশ তো তৃণমূলের হয়ে কাজ করছে। যদিও পুলিশের তরফে দাবি, পর্যাপ্ত মহিলা পুলিশ সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউয়ে রয়েছে।

ডিসেম্বর ২০, ২০২১
কলকাতা

BJP: পুরভোট বাতিলের দাবিতে বিজেপির রাজ্য দপ্তর থেকে প্রতিবাদ মিছিল

শাসকদলের বিরুদ্ধে ভোট লুঠের অভিযোগ। রবিবার দিনভর উত্তপ্ত ছিল কলকাতা। বেলা গড়াতেই পথে নামেন বিরোধীরা। চলে বিক্ষোভ-অবরোধ। দেখা যায় বেনজির বিরোধী ঐক্যও। বড়তলা থানার সামনে একসঙ্গে বসে পড়ল বাম-কংগ্রেস-বিজেপিও। সোমবারও প্রতিবাদে সামিল বিজেপি। আজ, সোমবার বিজেপির রাজ্য দপ্তর থেকে একটি প্রতিবাদ মিছিল বার করা হবে। সমস্ত রাজ্য পদাধিকারী ও রাজ্য কমিটি সদস্যদের এবং জেলা সভাপতিরা এই প্রতিবাদ মিছিলে অংশ নেবেন।এদিন বেলা দুটোয় বের হবে প্রতিবাদ মিছিল। অন্যায়ভাবে নির্বাচনের প্রতিবাদে শাসকদলের বিরুদ্ধে সরব হবেন তাঁরা। তবে নির্বাচন কমিশনের তরফে দাবি করা হচ্ছে অন্য। কোথাও ভোটে বাধা দেওয়ার ঘটনা ঘটেনি। কোনও বুথে ভোটগ্রহণ বন্ধ হয়নি। বিরোধীদের দাবি নস্যাৎ করে জানায় কমিশন। পুনর্নির্বাচনের প্রয়োজন নেই, দাবি কমিশনের।নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগে বিরোধীদের দরবার সত্ত্বেও পুনর্নির্বাচনের সম্ভাবনা কম। বিজেপি ১৪৪টি ওয়ার্ডেই ফের ভোট চেয়েছে। বাম ও কংগ্রেসও পুনর্নির্বাচন চেয়েছে একগুচ্ছ ওয়ার্ডে। সেসব অভিযোগ খতিয়ে দেখছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। তবে সূত্রের খবর, কোনও ওয়ার্ডেই সম্ভবত ফের ভোট নেওয়া হবে না। কমিশনের বক্তব্য, বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া পুরভোট শান্তিপূর্ণ হয়েছে। ৪৫৩টি অভিযোগ জমা পড়েছে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে ১৯৫ জনকে। বোমাবাজি হয়েছে দুই জায়গায়। সিসিটিভি নিয়ে বিরোধীদের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে কমিশন। তাদের বক্তব্য, কোথাও সিসিটিভি অচল ছিল না।

ডিসেম্বর ২০, ২০২১
কলকাতা

Subhendu Adhikari: সল্টলেকে শুভেন্দুর বাড়ি ঘিরে ফেলল পুলিশ

কলকাতা পুরভোট চলাকালীন সল্টলেকে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বাড়ি ঘিরে ফেলল বিশাল পুলিশ বাহিনী। তবে কী কারণে পুলিশের এ পদক্ষেপ, রবিবার বিকেল ৫টা নাগাদ এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তা স্পষ্ট নয়। বিজেপি-র দাবি, কলকাতা পুরসভার নির্বাচনে ভোটের নামে প্রহসন হচ্ছে। অন্যদিকে, শাসক দল সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।রবিবার সল্টলেকের বাড়িতে ১৬ জন বিধায়ককে নিয়ে একটি বৈঠকে বসেছিলেন শুভেন্দু। বিকেলে ওই বাড়ির বাইরে বিশাল পুলিশ বাহিনী দেখা যায়। বিধাননগর কমিশনারেটের ডিসি (হেড কোয়ার্টার্স)-এর নেতৃত্বে পুলিশকর্মীরা বাড়ি ঘিরে ফেলেন। তবে কেন হঠাৎ শুভেন্দুর বাড়ির সামনে পুলিশ মোতায়েন করা হল, তা জানা যায়নি।এই ঘটনায় প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং। ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ অর্জুনের দাবি, কলকাতায় ভোটের নামে প্রহসন হচ্ছে। কেন শুভেন্দুর বাড়ি ঘিরে ফেলা হল? বিজেপি বিধায়কদের শুভেন্দুর বাড়ি থেকে বেরোতে না দেওয়ার অভিযোগও ওঠে।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২১
কলকাতা

BJP: পোশাক ছেঁড়ার অভিযোগ মীনাদেবী পুরোহিতের, রিপোর্ট তলব কমিশনের

২২ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি প্রার্থী মীনাদেবী পুরোহিতের উপর আক্রমণের অভিযোগ উঠেছে। রবিবার সকালে জোড়াবাগানে আক্রান্ত হওয়ার অভিযোগ তোলেন পাঁচবারের কাউন্সিলর মীনাদেবী। তাঁর শাড়ি ধরে টানাটানি করা হয় বলে অভিযোগ। মীনাদেবী বলেন, তাঁর ব্লাউজও ছিঁড়ে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন।মীনাদেবী পুরোহিতের অভিযোগ, মাহেশ্বরী ভবনের বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে অবৈধ জমায়েত হচ্ছিল। প্রতিবাদ করায় তাঁর উপর হামলা হয়। ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশন রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে। মীনাদেবী পুরোহিত বলেন, মারামারি করেছে, ধাক্কাধাক্কি করেছে, গুন্ডা নিয়ে এসেছে। ভোটই করতে দিচ্ছে না। হেনস্থা করছে। শাড়ি খুলে দিয়েছে, ব্লাউজ ছিঁড়ে দিয়েছে। অন্যদের ধাক্কাধাক্কি করছে। সকাল থেকে বুথ জ্যাম করে দিয়েছে। ভোট করতে দিচ্ছে না।মীনাদেবী বলেন, ১০০ জন ছেলেকে নিয়ে এখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিন্দাবাদ স্লোগান দেওয়া হচ্ছে। ১৪৪ ধারা বলবৎ রয়েছে। অথচ পুলিশ কিছুই করছে না। মাহেশ্বরী ভবনে যে বুথ, সেখানে ভোট কেমন হচ্ছে তা দেখতে এদিন পৌঁছন মীনাদেবী পুরোহিত। অভিযোগ, এসে দেখেন লোকজনের জমায়েত। তার প্রতিবাদ করায় হামলা করা হয় বলে অভিযোগ।এই ঘটনায় রিপোর্ট তলব করেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। একজন মহিলা প্রার্থীর সঙ্গে এ ধরনের আচরণের অভিযোগ অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখছে কমিশন।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২১
কলকাতা

Municipal Election: বুথ থেকে কলার ধরে প্রার্থীকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ বিজেপির, উত্তেজনা বাগবাজারে

রাজ্য পুলিশের সাহায্যেই শান্তিপূর্ণ ভোট করানো সম্ভব বলেই আদালতে দাবি করেছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন । রবিবার সকালে ভোট শুরু হতেই শহরের একাধিক ওয়ার্ডে ধরা পড়ল উত্তেজনার ছবি। এ দিন ভোট শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বাগবাজারে । বুথ থেকে নির্দল প্রার্থীকে বের করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলে রয়েছে বিশাল পুলিশবাহিনী। পুলিশের সঙ্গে বিজেপি প্রার্থীর ধস্তাধস্তির ছবিও ধরা পড়ে এই বুথে।৭ নম্বর ওয়ার্ডে নির্দল প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন রূপা চৌধুরী। জানা গিয়েছে এ দিন তিনি নিজেই পোলিং এডেন্ট হিসেবে বুথে বসতে এসেছিলেন। কিন্তু তাঁকে বুথ থেকে বের করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করেই উত্তেজনা ছড়ায়। বিজেপি প্রার্থী ব্রজেশ ঝা আসেন ঘটনাস্থলে। তাঁর দাবি, তৃণমূল ছাপ্পা দিতে পারবে না বলেই অন্যান্য দলের এজেন্টদের বের করে দেওয়া হচ্ছে। তিনি জানান, ওই বুথের প্রিসাইডিং অফিসার দাবি করেছেন যে নিয়ম জানতেন না বলে রূপা চৌধুরীকে বলতে বসতে দিয়েছিলেন। পরে তাঁকে বের করে দেওয়া হয়। কেন একজন প্রার্থীকে এজেন্ট হিসেবে বসতে দেওয়া হল না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে যায় বিশাল পুলিশবাহিনী। ঘটনাস্থলে যায় শ্যামপুকুর থানা ওসি। কোনও ক্রমে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়। বিজেপি প্রার্থী দাবি করেন, পুলিশ কলার ধরে বের করে দিচ্ছে অন্যান্য দলের প্রার্থীদের। কেন অবাধ ভোট হবে না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। বিজেপি প্রার্থী ব্রজেশ ঝা বলেন, অন্যান্য দল থাকলে তৃণমূলের ছাপ্পা দিতে অসুবিধা হবে, তাই তাঁদের বের করে দেওয়া হচ্ছে। পুলিশ পরিস্থিতি সামাল দিলেও চাপা উত্তেজনা ছড়ায় বাগবাজার চত্বরে।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২১
রাজনীতি

BJP-Supreme Court: পুরভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে বিজেপির আবেদন গ্রহণ সুপ্রিম কোর্টে, শুনানি আজই !

রাত পেরোলেই কলকাতা পুরসভার ১৪৪ইট ওয়ার্ডে ভোট। তার আগে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে লড়াইয়ের শেষ দেখে ছাড়ল। পুরভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে বিজেপি-র মামলা গ্রহণ করল সুপ্রিম কোর্ট। জরুরি ভিত্তিতে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হবে। শনিবার বিজেপি-র তরফে এমনটাই দাবি করা হয়েছে। এর আগেও একই দাবি নিয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয় বিজেপি-র। কিন্তু, সেই মামলা হাই কোর্টে ফিরিয়ে দেয় সুপ্রিম কোর্ট। হাইকোর্টের একক বেঞ্চের পর ডিভিশন বেঞ্চেও বিজেপি-র কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি খারিজ হয়ে গিয়েছে।উল্লেখ্য, পুরভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী মামলায় শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ রায় দেয়। ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীতে না করে দেয় প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ বেঞ্চ। এরপরই ডিভিশন বেঞ্চের রায়ের বিরুদ্ধে বিজেপির পক্ষ থেকে একটা স্পেশ্যাল রিট পিটিশন দাখিল করা হয় সুপ্রিম কোর্টে। যেখানে ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী চাওয়া হয়েছে। ভ্যাকেশন রেজিস্টার সেই আবেদন গ্রহণ করে জরুরি ভিত্তিতে শুনানির জন্য প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে পাঠিয়েছেন। কাল রবিবারই রয়েছে ভোট। তাই জরুরি ভিত্তিতে আজই সম্ভবত শীর্ষ আদালতে পুরভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী মামলার শুনানি হতে চলেছে।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২১
কলকাতা

High Court: খারিজ বিজেপির আবেদন, কেন্দ্রীয় বাহিনী নয় কলকাতা পুরভোটে

আসন্ন কলকাতা পুরভোটে বিজেপির করা কেন্দ্রীয় বাহিনীর আবেদন খারিজ করল কলকাতা হাইকোর্ট। কেন্দ্রীয় বাহিনীর চেয়ে বিজেপির করা আবেদন খারিজ করল প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। আগেই এই আবেদন খারিজ করেছে হাইকোর্টের সিঙ্গেল বেঞ্জ। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই ডিভিশন বেঞ্চে গিয়েছিল বিজেপি।আদালতের তরফে জানান হয়েছে, এখনই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের মতো পরিস্থিতি নেই। কমিশন দায়িত্বশীল হয়ে নির্বাচন পরিচালনা করবে। রাজ্য প্রশাসন যথাযথ ভাবে কমিশনকে সাহায্য করবে। যদি কোনও ঘটনা ঘটে তাহলে যাঁরা দায়িত্বে থাকবেন, তাঁদের উপরই দায়ভার বর্তাবে। এছাড়া নির্বাচনের পর কমিশনকে বিস্তারিত রিপোর্ট আদালতে পেশ করতে হবে। ২৩ ডিসেম্বর হবে পরবর্তী শুনানি।উল্লেখ্য কলকাতায় পুরভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি তোলে বিজেপি। বৃহস্পতিবার সেই আবেদন খারিজ করে দেয় কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ। রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল এবং নির্বাচন কমিশন যে বক্তব্য কোর্টে পেশ করেছে, তাতে আদালত মনে হয় কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রয়োজন নেই। হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ডিভিশন বেঞ্চে মামলা দায়ের করে বিজেপি । এদিন মামলার পূর্ণাঙ্গ শুনানি হয় প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ।শুনানিতে কমিশনের কাছে জানতে চাওয়া হয়, সাম্প্রতিক অশান্তি প্রেক্ষিতে ভোটারদের মনোবল বাড়াতে কী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে? এলাকায় কি রুটমার্চ হচ্ছে? যেখানে ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের সংখ্যা বেশি, সেখানে পুলিশ কম কেন? সূত্রের খবর, কোনও প্রশ্নেরই যথাযথ উত্তর মেলেনি। এরপর আসরে নামে রাজ্য সরকার। অ্যাডভোকেট জেনারেলের সওয়াল, অধিকাংশ ক্ষেত্রে অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি জন্য মিথ্যা মামলা করা হয়। বিক্ষিপ্ত কিছু ঘটনা ঘটেছে মানে এই নয় যে, রাজ্য পুলিশকে দিয়ে ভোট করানো যাবে না। কেন্দ্রীয় বাহিনীই লাগবে।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২১
কলকাতা

High Court: কলকাতা পুরভোটে কোনও স্থগিতাদেশ নয়, জানাল হাইকোর্ট

নির্দিষ্ট সময়েই হবে কলকাতা পুরসভার নির্বাচন। ভোটে স্থগিতাদেশ না দিয়ে এ কথা জানিয়ে দিল হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। পাশাপাশি বকেয়া পুরভোটগুলিও যত দ্রুত সম্ভব করাতে নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দিল আদালত। বুধবার প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব ও বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চ পুরভোট মামলার শুনানির রায় ঘোষণা করে এ কথা জানিয়েছে। এই মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ২৩ ডিসেম্বর।রাজ্যে সব পুরসভায় একসঙ্গে ভোট করার দাবিতে আদালতে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিল বিজেপি। সেই সঙ্গে তাদের দাবি ছিল, কলকাতা-সহ রাজ্যের পুরভোটে ইভিএমের সঙ্গে ভিভিপ্যাট রাখতে হবে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে। গত শুনানিতে প্রধান বিচারপতি রাজ্যের কাছে জানতে চেয়েছিলেন, বাকি পুরসভার ভোট কত দফায় এবং কবে ঘোষণা করা হবে? উত্তরে রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় আদালতে জানিয়েছিলেন, ১৯ ডিসেম্বরের পর তাঁরা এ নিয়ে সম্ভাব্য দিন ক্ষণ আদালতকে জানাতে পারবেন। এই প্রেক্ষিতে আইনজীবীদের একাংশ মনে করছেন, কলকাতার ভোট মিটলেই বাকি পুরসভায় কবে, কত দফায় ভোট গ্রহণ করা হবে তা আদালতকে জানানোর কথা রাজ্যের। ফলে ২৩ ডিসেম্বর পরবর্তী শুনানি হবে এ কথা বলার মাধ্যমে, বাকি পুরসভায় ভোট নিয়ে রাজ্যকে নিজের সিদ্ধান্তের সময়সীমা বেঁধে দিল আদালত।অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে মামলার শুনানিও পিছিয়ে গেল। বৃহস্পতিবার ফের ওই মামলার শুনানি হবে। বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার একক বেঞ্চে সেই শুনানি হবে।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২১
রাজ্য

Singur-BJP: সিঙ্গুরে অবস্থান বিক্ষোভ বিজেপির, মিছিলে দিলীপ-সুকান্ত

আত্মহত্যা করেছেন এমন কৃষকদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য, কৃষকদের উপযুক্ত দামে সার, সেচের জন্য ভর্তুকিতে বিদ্যুৎ দেওয়া-সহ কয়েকটি দাবিতে সিঙ্গুরে রাজনৈতিক কর্মসূচি শুরু বিজেপি-র। সেখানে প্রথমে মিছিল করে বিজেপি। তাতে যোগ দেন বঙ্গ বিজেপি-র নেতারা। পরে শুরু হয় ধর্না। টানা তিন দিন হুগলির সিঙ্গুরের গোপালনগরে দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ের ধারে ধরনা দেবে বিজেপি।সিঙ্গুরে বিজেপি-র কর্মসূচির জন্য সোমবার গভীর রাতে অনুমতি দেয় পুলিশ। এর পর মঙ্গলবার ধরনা মঞ্চ বাঁধা হয়। দুপুরে সিঙ্গুরের লোহাপট্টি থেকে মিছিল করে সিংহের ভেড়িতে উপস্থিত হন বিজেপি নেতারা। সঙ্গে ছিলেন কর্মী-সমর্থকরাও।সিংহের ভেড়িতে দূর্গাপুর এক্সপ্রেস হাইওয়ের পাশে ধরনা মঞ্চ বিজেপি-র। ওই কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, কৃষকদের পাশে না দাঁড়ালে তাঁদের কাছে দুটো পথ খোলা রয়েছে। হয় পরিযায়ী শ্রমিক হয়ে যাওয়া না হলে আত্মহত্যা করা। তাঁর মতে, রতন টাটা এখান থেকে চলে যাওয়া দেশের শিল্পমহল পশ্চিমবঙ্গের উপর বিশ্বাস রাখতে পারছেন না। এ ছাড়া মঙ্গলবারের মিছিলে উপস্থিত হন রাহুল সিনহা, অগ্নিমিত্রা পল, চন্দনা বাউড়ি-সহ অনেকে।মিছিল শুরুর আগে বিজেপি-র সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে বলেন, হয় কৃষকদের জমি ফেরত দিন। না হলে চাকরি দিন। মোদিজি কৃষকদের বছরে ছয় হাজার টাকা দিচ্ছেন। সেটাও উনি দিতে দিচ্ছেন না।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২১
রাজনীতি

BJP-Star Campaigner: পুরভোটে প্রচারে জাঁকজমক বিজেপির, প্রচার সারবেন স্টার ক্যাম্পেনাররা

বিজেপি চেয়েছিল রাজ্যের সবকটি পুরসভায় একসঙ্গে ভোট হোক। যদিও বিজেপির সেই দাবি খাটেনি, তাই বলে পুরভোটে কোনও খামতি রাখতে চায় না গেরুয়া শিবির। একুশের বিধানসভায় পদ্ম শিবিরে তারকা প্রচারকদের রমরমা দেখা গিয়েছে। পুরভোটেও বাদ যাবে না সেই প্রচারের জাঁকজমক। এবার তারকা প্রচারকের তালিকায় রয়েছেন স্মৃতি ইরানি, গিরিরাজ সিং-এর মতো দিল্লির নেতা-মন্ত্রীরা। পাশাপাশি এ রাজ্যের শীর্ষ নেতৃত্বকেও দেখা যাবে ভোটের প্রচারে।কলকাতা পুরভোটের জন্য ২০ জন তারকা প্রচারকের তালিকা প্রকাশ করেছে বিজেপি। সেই তালিকায় রয়েছেন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি, গিরিরাজ সিং, শান্তনু ঠাকুর, সুভাষ সরকার। তবে পুরভোটের প্রচারে গুরুত্ব পেয়েছে রাজ্য নেতৃত্ব। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ছাড়াও প্রচারে অংশ নেবেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ, রাজ্যের কো- অবজারভার অমিত মালব্য। এছাড়াও শহরজুড়ে প্রচার সভায় দেখা যাবে রামকৃপাল যাদব, দেবশ্রী চৌধুরী, এসএস আলুওয়ালিয়া, দীনেশ ত্রিবেদী, মনোজ তিওয়ারি, অর্জুন সিং, লকেট চট্টোপাধ্যায়ের মতো সাংসদদের। থাকবেন বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল। রাজ্য নেতৃত্বের মধ্যে প্রচারের ময়দানে দেখা যাবে শমীক ভট্টাচার্য, রাহুল সিনহা, অনির্বাণ গঙ্গোপাধ্যায়, মাফুজা খাতুনকে।

ডিসেম্বর ১০, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 24
  • 25
  • 26
  • 27
  • 28
  • 29
  • 30
  • ...
  • 55
  • 56
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

এশিয়ান গেমসে মেয়েদের ক্রিকেটে পরপর ২ সোনা ভারতের, ভিত তৈরির নেপথ্যে সৌরভেরই অবদান

এশিয়ান গেমসে ভারত পরপর ২ বার সোনা জিতল মেয়েদের ক্রিকেটে। এবারের গেমসে দেশকে প্রথম সোনা এনে দিল হরমনপ্রীত কৌরের নেতৃত্বাধীন দল। ফাইনাল-সহ এবারের এশিয়ান গেমসে দলের জয়ে অবদান রেখেছেন বাংলার রিচা ঘোষও। ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দলের এই সাফল্যের নেপথ্যে রয়েছে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের বড় ভূমিকা। এক সাক্ষাৎকারে এই বিষয়ে আলোকপাত করেছেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক ঝুলন গোস্বামী।ঝুলন বলেন, ২০১৭-র পর থেকেই আমরা বিসিসিআইকে বলেছিলাম ইংল্যান্ডে যেমন সুপার লিগ (এখন দ্য হান্ড্রেড), অস্ট্রেলিয়ায় মেয়েদের বিগ ব্যাশ লিগ হচ্ছে। আমাদের দেশে কেন হবে না? তখন বিসিসিআই চলছিল কমিটি অব অ্যাডমিনিস্ট্রেটরসের নেতৃত্বে। কীভাবে আমাদের দেশে এমন লিগ হতে পারে তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু হয়। বিসিসিআই ভাবছিল বড় কেউ আসবে কিনা, টিম নেবে না। আইপিএল অনেক বড় মাপের। তার পাশাপাশি এই টুর্নামেন্ট নিয়ে মানুষের আগ্রহ থাকবে কিনা। ফলে তিনটি টিমকে আইপিএলের ফাঁকে নিজেদের মধ্যে খেলানো শুরু হলো। যা ট্রায়াল রান বলা যেতে পারে। বিদেশিদের আনা হলো। আমরা প্রথম খেলেছিলাম জয়পুরে। প্রথম থেকেই রেসপন্স ভালো ছিল।ঝুলনের কথায়, মহারাজদা (সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়) ২০১৯ সালে বিসিসিআই সভাপতি হলেন। কঠিন সময়ে। কেন না, এর পরেই কোভিড শুরু হয়। যা প্রায় ২ বছর ক্রিকেটকে স্তব্ধ করে দেয়। তবে ক্রিকেট এই সময়কালেও অন্য জায়গায় পৌঁছেছিল মহারাজদা, জয় শাহর জন্য। প্লেয়ার, সাপোর্ট স্টাফ, আম্পায়ার, স্কোরার- পুরুষ ও মহিলা নির্বিশেষে কারও স্যালারি আটকায়নি। সবাই জানেন ওই সময় কতটা কঠিন ছিল। তার মধ্যেই ম্যাচ খেলানোর ব্যবস্থা হয়েছে। চার্টার্ড বিমানে পুরুষ ও মহিলা দলকে দুবাই পাঠিয়ে খেলানোর সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। ট্রাভেল করে কোয়ারান্টিনের মধ্যে কাটানোর পর সকলে পারফর্ম করেছেন। মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি বিশেষ যত্ন নেওয়া হয়। মানসিক স্বাস্থ্য যাতে ভেঙে না পড়ে তা নিশ্চিত করতে কেউ না কেউ সব সময় থাকতেন। ঝুলন জানান, দেশের মহিলাদের ক্রিকেটে সৌরভের বড় পদক্ষেপ টেস্ট ক্রিকেট ফেরানো। ঝুলন বলেন, আমি এতদিনে মাত্র ১২টি টেস্ট খেলেছি। কারণ ২০০৬-এর পর ৮ বছর কোনও টেস্ট খেলিনি। ২০১৪-১৫ নাগাদ খেলার পর আবার বন্ধ ছিল দীর্ঘদিন। মহারাজদা টেস্ট ক্রিকেট ফেরান। কোভিডকালে দাদা, জয় শাহরা আমাদের ইংল্যান্ড সফরে টেস্ট খেলার বন্দোবস্ত করেন। অস্ট্রেলিয়ায় গোলাপি বলে টেস্ট ক্রিকেট খেলি, যা দেশের মেয়েদের ক্রিকেটে সবচেয়ে বড় বিপ্লব। টেস্টই আল্টিমেট ক্রিকেট। যেখানে দক্ষতা, মানসিকতার বিকাশ ঘটে। সবরকম চ্যালেঞ্জের জন্য প্লেয়ারকে তৈরি করে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
রাজ্য

হোল্ডিং সেন্টারের দেওয়াল টপকে চম্পট, গন্ধ শুঁকে রোহিঙ্গা যুবককে খুঁজে দিল অরল্যান্ডো

হোল্ডিং সেন্টারের কড়া নিরাপত্তা এড়িয়ে দেওয়াল টপকে পালিয়েও শেষরক্ষা হল না এক রোহিঙ্গা যুবকের। বন দপ্তরের প্রশিক্ষিত স্নিফার ডগ অরল্যান্ডোর নিখুঁত ট্র্যাকিংয়ের জেরে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাকে ফের আটক করল পুলিশ। রাজগঞ্জের ফাটাপুকুর হোল্ডিং সেন্টার থেকে পালানোর পর প্রায় এক কিলোমিটার দূরে একটি চা বাগান থেকে ওই যুবককে উদ্ধার করা হয়।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত যুবকের নাম মোহাম্মদ সোলেমান। গত ২০ সেপ্টেম্বর নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন এলাকা থেকে চার জনের একটি সন্দেহভাজন রোহিঙ্গা দলকে আটক করা হয়েছিল। সেই দলের সদস্য সোলেমানকেও রাজগঞ্জের ফাটাপুকুর হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হয়।রবিবার সকালে শৌচাগারে যাওয়ার কথা বলে সেন্টারের ভিতর থেকে বেরিয়েছিল সোলেমান। সেই সুযোগেই উঁচু দেওয়াল টপকে ঝোপঝাড়ের মধ্যে দিয়ে পালিয়ে যায় সে। কিছুক্ষণ পর বিষয়টি নিরাপত্তারক্ষীদের নজরে আসে। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় রাজগঞ্জ থানায়। শুরু হয় বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি।দীর্ঘক্ষণ খোঁজ চালিয়েও পলাতক যুবকের সন্ধান না মেলায় পুলিশের পক্ষ থেকে বন দপ্তরের সাহায্য চাওয়া হয়। মালবাজার মহকুমা পুলিশের অনুরোধে জলপাইগুড়ি বন্যপ্রাণী বিভাগের পক্ষ থেকে গরুমারা জাতীয় উদ্যানের প্রশিক্ষিত স্নিফার ডগ অরল্যান্ডোকে ঘটনাস্থলে আনা হয়।সোলেমানের পরনে থাকা বা ফেলে যাওয়া পোশাকের গন্ধ শুঁকিয়ে অরল্যান্ডোকে তল্লাশি অভিযানে নামানো হয়। এরপর গন্ধ অনুসরণ করে সে হোল্ডিং সেন্টার থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে পানিকৌড়ি মোড় সংলগ্ন একটি চা বাগানের দিকে এগিয়ে যায়। অরল্যান্ডোর দেখানো পথ অনুসরণ করে তল্লাশি চালাতেই চা বাগানের মধ্যে লুকিয়ে থাকা অবস্থায় সোলেমানের সন্ধান পান পুলিশকর্মীরা। সেখান থেকেই তাকে ফের আটক করা হয়।বন দপ্তরের সহকারী বনাধিকারিক রাজীব দে জানান, পুলিশের সঙ্গে যৌথ অভিযানে তাঁদের প্রশিক্ষিত কুকুর সফলভাবে পলাতক বন্দিকে খুঁজে বের করায় তাঁরা অত্যন্ত আনন্দিত। এর আগে গরুমারা এলাকায় চোরাশিকারীদের দমনে একাধিকবার সাফল্য দেখিয়েছে অরল্যান্ডো। এবার পলাতক বন্দির সন্ধানেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিল সে।তবে এই ঘটনায় রাজগঞ্জের হোল্ডিং সেন্টারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কড়া পাহারা ও নজরদারি থাকা সত্ত্বেও কীভাবে এক যুবক সেন্টারের উঁচু দেওয়াল টপকে পালিয়ে গেল, তা নিয়ে শুরু হয়েছে তদন্ত। নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কোথায় গলদ ছিল, তা খতিয়ে দেখছে প্রশাসন।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
রাজ্য

দমকা ঝড়ে লন্ডভন্ড পূর্বস্থলীর গ্রাম, উড়ল চাল, উপড়ে পড়ল গাছ, খতিয়ে দেখলেন বিধায়ক

হঠাৎ ঝড়ের তান্ডবে লন্ডভন্ড পূর্বস্থলীর গ্রাম। পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী ২ ব্লকের কালেখাঁতলা ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের চাপাতলা তিনপাড়া এলাকা ঝড়ের দাপটে তছনছ হয়ে গিয়েছে। কারও কারও বাড়ির ওপর গাছ ভেঙে পড়েছে। কারও টিনের চালা উড়ে গিয়েছে। মোদ্দা কথা পুজোর মুখে এই ঘটনায় মাথায় হাত পড়েছে গ্রামবাসীদের। কি করে সামাল দেবেন এই অবস্থা তা নিয়ে কপালে ভাঁজ পড়েছে বাসিন্দাদের। প্রশাসন গ্রামবাসীদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে। গ্রামে গিয়েছেন বিজেপি বিধায়ক গোপাল চট্টোপাধ্যায়।গ্রামবাসীরা জানিয়েছে, শুক্রবার রাতে হঠাৎ দমকা ঝড় ওঠে। ঝড় মাত্র কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী ছিল বলে তাঁরা জানিয়েছেন। কিছু সময়ের প্রবল ঝড়ে আঁতকে ওঠেন তাঁরা। গ্রামের প্রায় ২৫-৩০ টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এর মধ্যে অনেকগুলো কাঁচা বাড়িও রয়েছে। অসহায় মানুষগুলো এবার কি করবেন তা ভেবেই পাচ্ছেন না। হঠাৎ মাথার ছাদ চলে যাওয়ায় গ্রামবাসীরা অসহায় বোধ করছেন। ঝড়ে একজন জখম হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। খবর পেয়ে স্থানীয় বিধায়ক গোপাল চট্টোপাধ্যায় শনিবার সাকালে ওই গ্রামে গিয়ে হাজির হন। ঝড়ে ক্ষয়-ক্ষতি খতিয়ে দেখেন তিনি। বিধায়ক গ্রামবাসীদের জানিয়ে দেন, তিনি গ্রামবাসীদের পাশে আছেন। সবরকম সাহায্যের আশ্বাস দেন। পূর্বস্থলী উত্তরের বিধায়ক গোপাল চট্টোপাধ্যায় জানান, বিধ্বংসী ঝড়ে ওই গ্রামের প্রায় ৩০টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বেশ কিছু বাড়ির চালা উড়ে গিয়েছে। কয়েকটা গাছপালাও ঝড়ে পড়ে গিয়েছে। ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে চাষাবাদেরও। প্রশাসনের কর্তাদের নজরদারিতে উদ্ধারের কাজ চলছে। সরকারি ভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য করা হবে। বিডিও পারিজাত বোস জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্তদের নামের তালিকা অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
কলকাতা

অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠান, তারপরই বচসা থেকে হাতাহাতি! উত্তপ্ত সত্যজিৎ রায় ফিল্ম ইনস্টিটিউট

কলকাতার সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটে একটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়েছে। অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েতের পশ্চিমবঙ্গ শাখার একটি কর্মসূচি প্রতিষ্ঠানের অডিটোরিয়ামে চলছিল। সেই অনুষ্ঠানকে ঘিরে পড়ুয়াদের একাংশ আপত্তি জানালে প্রথমে বচসা এবং পরে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে। দুই পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ তুলেছে। ঘটনায় একাধিক জন আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষের তরফে প্রতিষ্ঠানের অডিটোরিয়াম ভাড়া নিয়ে ওই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছিল। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অনুষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠানের অনুমতি নিয়েই আয়োজন করা হয়েছিল। অনুষ্ঠান চলাকালীন কয়েক জন পড়ুয়া সেখানে গিয়ে কেন প্রতিষ্ঠানের ভিতরে এই ধরনের কর্মসূচি হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এরপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।পড়ুয়াদের অভিযোগ, অনুষ্ঠানে কয়েক জন বক্তার বক্তব্য নিয়ে তাঁদের আপত্তি ছিল। সেই আপত্তি জানাতে গেলে তাঁদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার এবং মারধর করা হয়। কয়েক জন পড়ুয়া ও শিক্ষকের উপরেও হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পড়ুয়াদের আরও দাবি, তাঁদের নানা নামে কটাক্ষ করা হয়েছে এবং ক্যাম্পাসের ভিতরে তাঁদেরই আক্রান্ত হতে হয়েছে। এই অভিযোগগুলির স্বাধীনভাবে সত্যতা এখনও প্রতিষ্ঠিত হয়নি।অন্য দিকে, অনুষ্ঠান আয়োজকদের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিন্ন। তাঁদের দাবি, টাকা দিয়ে অডিটোরিয়াম ভাড়া নেওয়ার পর তাঁরা নিজেদের কর্মসূচি করছিলেন। সেই সময় পড়ুয়ারা অনুষ্ঠানে বাধা দেন এবং তাঁদের পোস্টার ও ব্যানার ছিঁড়ে দেওয়া হয়। সেখান থেকেই বচসা এবং পরে হাতাহাতি শুরু হয় বলে আয়োজকদের দাবি। অর্থাৎ, সংঘর্ষের সূত্রপাত নিয়ে দুই পক্ষের বক্তব্য সম্পূর্ণ আলাদা।ঘটনার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পড়ুয়ারা ক্যাম্পাসের গেট আটকে বিক্ষোভ দেখান বলে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। অনুষ্ঠান আয়োজকদের একটি বাসও আটকে রাখা হয়েছিল বলে জানা যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের বড় বাহিনী ক্যাম্পাসে পৌঁছয়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।ক্যাম্পাসের বাইরে থেকেও ইট ও জলের বোতল ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে। কয়েক জন পড়ুয়া আহত হয়েছেন বলেও বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। পুলিশের উপস্থিতিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলে। ঘটনার জেরে দীর্ঘ সময় ধরে প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ উত্তপ্ত ছিল।এই ঘটনার সঙ্গে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে সাম্প্রতিক অশান্তির প্রসঙ্গও টেনে আনছেন অনেকে। তবে দুই ঘটনার মধ্যে সরাসরি কোনও যোগসূত্র রয়েছে, এমন তথ্য এখনও সামনে আসেনি। ফলে এই তুলনা রাজনৈতিক বা সামাজিক আলোচনার অংশ হলেও, তা প্রতিষ্ঠিত তথ্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে বিভিন্ন স্লোগান এবং পাল্টা স্লোগানও শোনা গিয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমে খবর এসেছে। পরিস্থিতি যাতে আরও না ছড়ায়, সে জন্য পুলিশ ক্যাম্পাসে অবস্থান করছে। সংঘর্ষের ঘটনায় ঠিক কত জন আহত এবং কার বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, সে বিষয়ে তদন্ত ও পুলিশের পরবর্তী বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠেছে। কেন অনুষ্ঠান নিয়ে পড়ুয়াদের আপত্তি তৈরি হয়েছিল, সংঘর্ষ কী ভাবে শুরু হল এবং দুই পক্ষের অভিযোগের মধ্যে কোনগুলি তদন্তে সত্যি প্রমাণিত হয়, এখন সেদিকেই নজর। পুলিশি তদন্ত এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলির বক্তব্যের ভিত্তিতেই ঘটনার পূর্ণ চিত্র স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
বিদেশ

কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে পরপর বন্দুকবাজের হামলা! দক্ষিণ আফ্রিকায় মৃত অন্তত ২৭

কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে পরপর বন্দুকবাজের হামলায় কেঁপে উঠল দক্ষিণ আফ্রিকা। জোহেনেসবার্গ এবং কেপটাউনে দুটি পৃথক ঘটনায় অন্তত ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ। হামলার পর অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। তবে রবিবার সকাল পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।প্রথম হামলাটি ঘটে শনিবার সন্ধ্যায় জোহেনেসবার্গে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, একটি পানশালায় আচমকা ঢুকে পড়ে কয়েক জন বন্দুকধারী। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তাঁরা এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করেন। ওই ঘটনায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ১৫ জন।পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদের মধ্যে ১৩ জন পুরুষ এবং ৪ জন মহিলা। হামলার পর পালিয়ে যাওয়ার আগে বন্দুকধারীরা বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা দুটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় বলেও জানা গিয়েছে। ঠিক কী কারণে এই হামলা চালানো হয়েছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।এর কয়েক ঘণ্টা পরেই দ্বিতীয় হামলার ঘটনা ঘটে কেপটাউনের একটি জনবহুল এলাকায়। রবিবার ভোরে একটি বিনোদন কেন্দ্রের বাইরে আচমকা গুলির শব্দ শোনা যায়। সেখানে গুলিবিদ্ধ হয়ে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ১১ জন।পুলিশ জানিয়েছে, দ্বিতীয় ঘটনায় পাঁচ জনের ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় বাকিদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও পাঁচ জনের মৃত্যু হয়। এই হামলার পিছনে কারা রয়েছে, তা এখনও জানা যায়নি। কোনও সংগঠিত সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীর যোগ রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।দুটি হামলার পর দক্ষিণ আফ্রিকার নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। হামলাকারীদের সন্ধানে বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। তবে রবিবার সকাল পর্যন্ত কোনও সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।সাম্প্রতিক বছরগুলিতে দক্ষিণ আফ্রিকায় অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার এবং গ্যাং-হিংসা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। মাদক পাচার, অবৈধ খনি এবং বিভিন্ন অপরাধচক্রের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনাও দেশটির একাধিক এলাকায় ঘটে থাকে। সেই পরিস্থিতির মধ্যেই কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুটি বড় বন্দুক হামলার ঘটনায় নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।তবে জোহেনেসবার্গ ও কেপটাউনের দুটি হামলার মধ্যে কোনও যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। হামলার নেপথ্যে উদ্দেশ্য কী ছিল এবং একই গোষ্ঠী এর সঙ্গে জড়িত কি না, তদন্তের পরই তা স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
কলকাতা

‘মৌসম বদলেছে, জমানাও বদলেছে’, সাধুদের কী বার্তা দিলেন শুভেন্দু?

নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে ১১ হাজার কণ্ঠে গীতাপাঠের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সাধু-সন্তদের উদ্দেশে বড় বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, সময় বদলেছে, পরিস্থিতিও বদলেছে। তাই সাধু-সন্তদের ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। তাঁরা মন খুলে গীতাপাঠ, গীতা বিতরণ এবং হনুমান চালিশা পাঠ করতে পারেন।শুভেন্দুর দাবি, সাধু-সন্তদের অপমান করা বা তাঁদের ভয় দেখানোর ঘটনা কোনও ভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। এমন ঘটনা ঘটলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে জেল পর্যন্ত হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। সম্প্রতি বাগেশ্বর বাবার ছবি পোড়ানোর অভিযোগে কলকাতায় এক কংগ্রেস নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার আগে বিধানসভা থেকে ওই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের নির্দেশ দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন শুভেন্দু।গীতাপাঠের অনুষ্ঠানে নিজের বক্তব্যের শেষে গীতার একটি অধ্যায়ও পাঠ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, সাধু-সন্তদের ধর্মীয় কাজকর্ম নিয়ে ভয় পাওয়ার প্রয়োজন নেই। গীতা পাঠ, গীতা বিতরণ, হনুমান চালিশা পাঠের পাশাপাশি ধর্মীয় বাদ্যযন্ত্র বাজানো বা হরেকৃষ্ণ নাম করার ক্ষেত্রেও কোনও ভয় থাকা উচিত নয়।শুভেন্দুর বক্তব্যে বাগেশ্বর বাবার প্রসঙ্গও উঠে আসে। তিনি বলেন, কোনও সাধু-সন্ত নিজের মতো করে সনাতনী ধর্মের প্রচার করতে পারেন। কেউ তাঁর বক্তব্য গ্রহণ করবেন কি না, সেটা ব্যক্তিগত বিষয়। কিন্তু তাঁর ছবি পোড়ানো বা তাঁকে অপমান করার ঘটনা গ্রহণযোগ্য নয়। বাগেশ্বর বাবার ছবি পোড়ানোর অভিযোগে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই পুলিশি পদক্ষেপ হয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।শুভেন্দু আরও বলেন, সাধু-সন্তদের অপমান করা বা ভয় দেখানোর চেষ্টা করলে ভবিষ্যতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাঁর বক্তব্যে ধর্মীয় আচার পালনের পাশাপাশি সবাইকে এক থাকার বার্তাও উঠে আসে।এদিনের অনুষ্ঠানে আগামী ২৯ ডিসেম্বর কলকাতায় আরও বড় গীতাপাঠের আয়োজনের কথা জানান শুভেন্দু। তাঁর ঘোষণা অনুযায়ী, ওই দিন ১০ লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠের আয়োজন করার পরিকল্পনা রয়েছে। সেই অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের প্রধান মোহন ভাগবত প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকতে পারেন বলেও জানান তিনি।গীতাপাঠের মঞ্চ থেকেই রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও নিশানা করেন শুভেন্দু। শ্রীরামপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আজাদি সংক্রান্ত মন্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে তিনি তীব্র রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া জানান।শুভেন্দুর বক্তব্য, এই ধরনের মন্তব্য করলে রাষ্ট্রবাদী মানুষের প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়তে হবে। তাঁর বক্তব্যে উপড়ে ফেলে দেওয়ার মতো তীব্র রাজনৈতিক ভাষাও উঠে আসে। এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।এদিনের অনুষ্ঠানে ধর্মীয় আচার, সাধু-সন্তদের নিরাপত্তা ও সম্মানের পাশাপাশি রাজনৈতিক বিষয়ও উঠে আসে। একদিকে বাগেশ্বর বাবাকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক, অন্যদিকে ছবি পোড়ানোর ঘটনায় পুলিশি পদক্ষেপএই দুই ঘটনাপ্রবাহের মধ্যেই শুভেন্দুর নতুন বক্তব্য সামনে এল। বাগেশ্বর বাবার মন্তব্যের সঙ্গে বিজেপির একাংশের মতপার্থক্যের কথাও সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।সব মিলিয়ে ১১ হাজার কণ্ঠে গীতাপাঠের অনুষ্ঠান থেকে সাধু-সন্তদের উদ্দেশে শুভেন্দুর বার্তা এবং আগামী দিনে আরও বড় গীতাপাঠের ঘোষণা রাজনৈতিক ও ধর্মীয়দুই ক্ষেত্রেই নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
দেশ

জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট, হঠাৎ বিরোধীদের দাবিতে বড় প্রশ্ন তুললেন মুকুল রোহতগি

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে অপসারণের দাবিতে সংসদে নতুন করে প্রস্তাব আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে বিরোধীরা। সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বিরোধী শিবিরের তরফে লোকসভা ও রাজ্যসভাদুই কক্ষেই প্রস্তাব আনার প্রস্তুতির কথা জানানো হয়েছে। সেই আবহেই প্রাক্তন অ্যাটর্নি জেনারেল তথা প্রবীণ আইনজীবী মুকুল রোহতগির মন্তব্য ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রোহতগি দাবি করেছেন, জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে যে ধরনের অভিযোগ সামনে আনা হচ্ছে, সেগুলি ইমপিচমেন্টের সাংবিধানিক ভিত্তি তৈরি করার জন্য যথেষ্ট নয়। তাঁর বক্তব্য, সম্পূর্ণ অস্পষ্ট এবং শক্ত প্রমাণহীন অভিযোগের ভিত্তিতে এমন প্রস্তাব আনা যায় না।রোহতগির যুক্তি, নির্বাচন কমিশনের তিন সদস্যের মধ্যে কোনও বিষয়ে মতপার্থক্য থাকতেই পারে। তাঁর মতে, মতের অমিল নিজে থেকে অসাংবিধানিক বা বেআইনি কাজের প্রমাণ নয়। বরং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আলোচনা ও মতপার্থক্য সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাভাবিক অংশ হতে পারে বলে তিনি মনে করেন।এই প্রসঙ্গে রোহতগি নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথাও উল্লেখ করেছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, কমিশনের অন্দরে কোনও পর্যায়ে মতের অমিল থাকলেও শেষ পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক ভাবে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, সেটিই কমিশনের সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচিত হয়। নির্বাচন কমিশনও জানিয়েছে, তাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তগুলি সর্বসম্মত ভাবে গৃহীত হয়েছে এবং অভ্যন্তরীণ পর্যায়ের মতামতকে আনুষ্ঠানিক ভিন্নমত হিসেবে দেখা ঠিক নয়।তিন সদস্যের কমিশনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের ভোট অন্য দুই নির্বাচন কমিশনারের চেয়ে বেশি নয় বলেও ব্যাখ্যা দিয়েছেন রোহতগি। অর্থাৎ তিন সদস্যের প্রত্যেকের ভোটের মূল্য সমান। কোনও বিষয়ে দুই কমিশনার এক দিকে থাকলে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যায় বলে তাঁর বক্তব্য।রোহতগি এই পরিস্থিতির সঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের একাধিক বিচারপতির বেঞ্চের তুলনাও করেছেন। তাঁর যুক্তি, বিচারপতিদের মধ্যে কোনও মামলায় মতপার্থক্য থাকলেও সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারপতির রায়ই শেষ পর্যন্ত আদালতের সিদ্ধান্ত হিসেবে কার্যকর হয়। একই ভাবে নির্বাচন কমিশনের সদস্যদের মধ্যে মতের অমিলকে শুধুমাত্র সেই কারণেই অসদাচরণ বলা যায় না বলে মত তাঁর।তবে জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বিতর্ক শুধু কমিশনের অন্দরের মতপার্থক্যে সীমাবদ্ধ নেই। প্রাক্তন কেরল মুখ্যসচিব জিজি থমসন সম্প্রতি দাবি করেছেন, ২০১৬ সালে একটি বিমানে দিল্লি যাওয়ার সময় তৎকালীন আমলা জ্ঞানেশ কুমার তাঁকে ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। থমসনের দাবি, তাঁকে পাঠানমতিট্টা কেন্দ্র থেকে লড়ার কথা বলা হয়েছিল এবং তিনি সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন।থমসনের এই দাবি অবশ্য তাঁর নিজের বক্তব্য হিসেবেই সামনে এসেছে। জ্ঞানেশ কুমারের তরফে এই অভিযোগের কোনও জবাব প্রকাশ্যে এসেছে কি না, তা নিয়েও সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে যে তিনি এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাননি। তাই অভিযোগটির সত্যতা নিয়ে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর আগে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য এবং প্রাসঙ্গিক তথ্য সামনে আসা প্রয়োজন।জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বর্তমান বিতর্কের আরও একটি বড় কারণ নির্বাচন কমিশনের অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্য নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন। একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত কয়েক মাসে কমিশনের দুই নির্বাচন কমিশনার একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়ে আপত্তি নথিভুক্ত করেছিলেন। নির্বাচন কমিশন অবশ্য জানিয়েছে, মতের পার্থক্য স্বাভাবিক এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্তগুলি সর্বসম্মত ভাবেই নেওয়া হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে এক দিকে জ্ঞানেশ কুমারকে অপসারণের দাবিতে বিরোধীদের প্রস্তাব আনার প্রস্তুতি, অন্য দিকে সেই প্রস্তাবের সাংবিধানিক ভিত্তি নিয়ে মুকুল রোহতগির প্রশ্নদুই ঘটনাই জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে চর্চার জন্ম দিয়েছে। পাশাপাশি প্রাক্তন আমলার বিজেপির টিকিটের প্রস্তাব সংক্রান্ত দাবিও বিতর্ককে আরও জটিল করেছে। তবে এই সমস্ত অভিযোগ, দাবি ও পাল্টা বক্তব্যের মধ্যে কোনগুলি প্রমাণিত এবং কোনগুলি রাজনৈতিক দাবি, তা নির্ধারণের জন্য সংশ্লিষ্ট নথি, প্রক্রিয়া এবং সব পক্ষের বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
রাজ্য

মায়ের গর্ভগৃহে পুজো, প্রবীণ নেতার পায়ে প্রণাম—বর্ধমানে মুখ্যমন্ত্রীর সফরে আবেগের অন্য ছবি

মন্দির সংস্কার ও সৌন্দর্যায়নে পূর্ণাঙ্গ ডিপিআর চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী, ৫ তারিখের ক্যাবিনেট বৈঠকে জমা দেওয়ার নির্দেশ।বর্ধমান: বর্ধমানের অধিষ্ঠাত্রী দেবী মা সর্বমঙ্গলার মন্দিরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর পুজো ঘিরে শুক্রবার শহরে তৈরি হল এক অন্য আবহ। প্রশাসনিক কর্মসূচি শুরুর আগে সর্বমঙ্গলা মন্দিরে পৌঁছে গর্ভগৃহে গিয়ে প্রায় ১০ মিনিট ধরে পুজো দেন আরতি করেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে তাঁর এই সফরের সবচেয়ে আলোচিত মুহূর্ত হয়ে রইল মন্দিরে প্রবেশের মুখে এক প্রবীণ বিজেপি নেতার সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ এবং অগ্রজের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর দৃশ্য।মন্দিরে প্রবেশের সময় অবিভক্ত বর্ধমান জেলার প্রাক্তন বিজেপি সভাপতি দেবীপ্রসাদ মল্লিকের সঙ্গে দেখা হয় মুখ্যমন্ত্রীর। দেবীপ্রসাদ মল্লিক পুষ্পস্তবক দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান। এরপরই কোনও আনুষ্ঠানিকতার তোয়াক্কা না করে তাঁর পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করেন শুভেন্দু অধিকারী। মুহূর্তের সেই দৃশ্য উপস্থিত সকলের নজর কাড়ে।বর্ধমানের বিজেপি সংগঠনের প্রবীণ কর্মীদের মধ্যে দেবীপ্রসাদ মল্লিকের নাম দীর্ঘদিনের। আশির দশক থেকেই তিনি বিজেপির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত বলে দলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের দাবি। সেই সময় বর্ধমান - দুর্গাপুর ভাগ হয়নি, গোটা বর্ধমানই ছিল একটি জেলা। বিরোধী রাজনীতির কঠিন সময়ে সংগঠন বিস্তারের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন তিনি।আজকের বিজেপি যখন বাংলার রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি, তখন তার অতীতের সাংগঠনিক পথচলার সঙ্গে যুক্ত প্রবীণ কর্মীদের ভূমিকার কথাও সামনে আসে এই ধরনের ঘটনায়। স্থানীয় বিজেপি কর্মীদের একাংশের মতে, বর্ধমান শহরে দলের সংগঠনকে শূন্য থেকে দাঁড় করানোর সময় দেবীপ্রসাদ মল্লিকের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিবেশে সংগঠনের কাজ চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি কর্মীদের একত্রিত করার কাজও করেছেন তিনি।আর সেই প্রবীণ নেতার সামনে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রীর এই শ্রদ্ধাজ্ঞাপনকে তাই শুধুমাত্র সৌজন্য বিনিময় হিসেবে দেখছেন না স্থানীয় রাজনৈতিক মহলের একাংশ। তাঁদের মতে, এর মধ্যে উঠে এসেছে একটি দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার প্রতি সম্মান জানানোর বার্তা। অবশ্য এই ঘটনার রাজনৈতিক ব্যাখ্যা যার যার নিজস্ব হলেও, মুহূর্তটির আবেগ এবং তাৎপর্য বর্ধমানের মানুষের নজর কেড়েছে।এরপরই মুখ্যমন্ত্রী প্রবেশ করেন বর্ধমানের ঐতিহ্যবাহী সর্বমঙ্গলা মন্দিরে। মন্দির কর্তৃপক্ষের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে এই প্রথম কোনও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সর্বমঙ্গলা মন্দিরে এসে পুজো দিলেন।পুরোহিতদের উপস্থিতিতে গর্ভগৃহে গিয়ে নিজের হাতে দেবীর পুজো করেন তিনি। পুজোর ডালিতে ছিল পাঁচ রকম ফল ও মিষ্টি, নারকেল, চেলি, পদ্মফুলের মালা, আলতা-সিঁদুর এবং দেবীর জন্য একটি বেনারসি শাড়ি।পুজো শেষে মন্দির কর্তৃপক্ষের তরফে মুখ্যমন্ত্রীকে সম্মান জানানো হয়। বর্ধমান পুরসভার চেয়ারম্যান তথা ট্রাস্টের চেয়ারম্যান তাঁর হাতে তুলে দেন দেবী সর্বমঙ্গলার প্রতিকৃতি। ট্রাস্টের সম্পাদক আইনজীবী সঞ্জয় ঘোষ বাঁশ দিয়ে তৈরি সর্বমঙ্গলা মন্দিরের একটি রেপ্লিকা এবং দেবীর একটি প্রতিমা মুখ্যমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন।তবে শুধু পুজো বা সৌজন্য সাক্ষাতেই শেষ হয়নি মুখ্যমন্ত্রীর মন্দির সফর। মন্দিরের ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং সামগ্রিক উন্নয়ন নিয়েও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেন তিনি।মন্দির সংস্কার, ঐতিহ্যবাহী হেরিটেজ ভবন সংরক্ষণ, সংলগ্ন এলাকার সৌন্দর্যায়ন এবং পরিকাঠামোগত উন্নয়নের বিষয়গুলি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরা হয়। মন্দির কর্তৃপক্ষের দাবি, বিষয়গুলি শুনে রাজ্যের শিল্প প্রতিমন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্রকে একটি পূর্ণাঙ্গ ডিপিআর (Detailed Project Report) তৈরি করার নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। আগামী ৫ তারিখের ক্যাবিনেট বৈঠকে সেই ডিপিআর জমা দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে বলে মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।প্রায় তিনশো বছরের ঐতিহ্য বহন করে চলা সর্বমঙ্গলা মন্দির বর্ধমানের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। মন্দিরের স্থাপত্য, ইতিহাস এবং স্থানীয় জনজীবনের সঙ্গে তার দীর্ঘ সম্পর্ককে সামনে রেখে দীর্ঘদিন ধরেই সংস্কার ও সৌন্দর্যায়নের দাবি উঠেছে।মুখ্যমন্ত্রীর সফরে সেই দাবিই নতুন করে গুরুত্ব পেল বলে মনে করছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে ধর্মীয় পর্যটনের পাশাপাশি বর্ধমানের ঐতিহাসিক স্থাপত্য ও সংস্কৃতিকে আরও বৃহত্তর পর্যায়ে তুলে ধরা সম্ভব হবে বলেও তাঁদের আশা।সময়াভাবে মন্দিরে বসে ভোগ গ্রহণ করতে পারেননি মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর জন্য অবশ্য বিশেষভাবে ভোগ পার্সেল করে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। মন্দির কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সেই ভোগের মেনুতে ছিল পোলাও, ফুলকপি-আলুর তরকারি, ছানার ডালনা, মাগুর মাছের ঝোল, ডাল, পায়েস এবং বর্ধমানের বিখ্যাত কেশরভোগ।একদিকে কয়েক শতকের ধর্মীয় ঐতিহ্য, অন্যদিকে বর্ধমানের রাজনৈতিক ইতিহাসের প্রবীণ এক চরিত্রের প্রতি প্রকাশ্য শ্রদ্ধামুখ্যমন্ত্রীর সর্বমঙ্গলা মন্দির সফর তাই একাধিক কারণে আলাদা মাত্রা পেল।সর্বমঙ্গলার গর্ভগৃহে মুখ্যমন্ত্রীর পুজো, মন্দির সংস্কারের জন্য ডিপিআর তৈরির নির্দেশ এবং প্রবীণ বিজেপি নেতা দেবীপ্রসাদ মল্লিকের পায়ে হাত দিয়ে তাঁর প্রণামএকসঙ্গে এই তিনটি মুহূর্ত বর্ধমানের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিসরে তৈরি করেছে আলোচনার নতুন আবহ।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal