• ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩, শুক্রবার ১৪ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

BjP

কলকাতা

BJP: পুরভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবিতে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার হুঁশিয়ারি রাজ্য বিজেপির

রাজ্যে ভয়মুক্ত নির্বাচন করানোর জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করানোর আর্জি করেন শুভেন্দু অধিকারী । বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বিজেপির এক প্রতিনিধি দল আজ রাজ্য নির্বাচন কমিশনারকে চিঠি দিয়ে এই দাবি জানিয়েছেন। চিঠিতে তারা বাকি পুরসভাগুলির নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত কলকাতা পুরসভা নির্বাচনের ভোট গণনা স্থগিত রাখার দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের বিষয়ে কমিশন কি পদক্ষেপ নিচ্ছে, তা জানানোর দাবি জানিয়েছেন। বিরোধী দলনেতা অভিযোগ করেন, বিধানসভা ভোটের পরবর্তী সময় থেকে প্রার্থী,নির্বাচনী,এজেন্ট-সহ বিরোধী কর্মীদের ভয় দেখানো হচ্ছে। তাই অবিলম্বে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট করতে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন প্রয়োজন। কেন্দ্রীয় বাহিনী ছাড়া কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে তার জন্য নির্বাচন কমিশন দায়ী থাকবেন বলে বিরোধী দলনেতা স্পষ্ট জানিয়েছেন। এছাড়া ভোটদাতাদের যেকোনো ধরনের সংশয় দুর করতে ইভিএমের সঙ্গে ভিভিপ্যাট যন্ত্র রাখার দাবি জানিয়েছেন তারা। এর আগেও একাধিকবার এই আবেদন করা হয়েছে বিজেপি শিবিরের তরফে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত যা পরিস্থিতি, তাতে কেন্দ্রীয় বাহিনী আনার কোনও পরিকল্পনা নেই রাজ্য নির্বাচন কমিশনের। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবিতে এবার সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার পরিকল্পনা করছে রাজ্য বিজেপি।আজ শুভেন্দু অধিকারী কমিশন থেকে বেরিয়ে জানিয়েছেন, ভিভিপ্যাট যুক্ত ইভিএম ব্যবহার করতে হবে। সুপ্রিম কোর্টের রায় আছে এই বিষয়ে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিষয়েও বলেছি। কমিশন রাজ্য ও কলকাতা পুলিশের উপর আস্থা রাখছে। তিনি পুলিশের উপর খুশি। এই আস্থা থাকলে জাতীয় নির্বাচন কমিশন কেন বাহিনী আনবে? রাজ্যের পরিস্থিতি আলাদা, সেটা বুঝেই এখানে বিধানসভা ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। তাঁর আরও বক্তব্য, প্রার্থীদের নিরাপত্তা দিতে হবে। প্রচারে প্রার্থীরা যাতে নিরাপত্তা পান, তা দেখবে কমিশন। কলকাতা পুলিশ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের বিরুদ্ধে জানানো হয়েছে। আমরা ওনার সঙ্গে কথা বলে সন্তুষ্ট নই।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২১
রাজ্য

BJP-TMC: এক ফ্রেমে বিজেপির শীর্ষ নেতা ও বর্ধমানের তৃণমূল বিধায়ক, জল্পনা শুরু রাজনৈতিক মহলে

রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের ফল বের হওয়ার পর থেকেই বিজেপি থেকে তৃণমল কংগ্রেসে যোগদানের হিরিক পড়ে গিয়েছে। রাজ্য স্তর থেকে জেলা স্তরে চলছে যোগদান পর্ব। এদিকে বর্ধমানে এক অনুষ্ঠানে জেলা বিজেপির এক নেতা পুষ্পস্তবক তুলে দিচ্ছেন তৃণমূল বিধায়কের হাতে। সৌজন্য়মূলক দৃশ্য মনে হলেও রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন শুরু হয়েছে ছবিকে ঘিরে। ছবিটি নিজের ফেসবুক পেজে পোস্ট করেছেন স্বয়ং অঞ্জন মুখোপাধ্যায়।সম্প্রতি বর্ধমানে এক অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাস, তৃণমূল নেতা ইন্তেকাব আলম ও শিবশঙ্কর ঘোষ। ওই অনুষ্ঠানে তৃণমূল বিধায়কের হাতে পুষ্পস্তবক তুলে দেন বিজেপি নেতা অঞ্জন মুখোপাধ্যায়। যদিও এই অনুষ্ঠান ছিল বর্ধমান ডিজ-এবেল্ড ওয়েল ফেয়ার সোসাইটির উদ্যোগে। তবু দুই বিপরীত প্রান্তের রাজনৈতিক নেতৃত্ব হাজির থাকায় বিতর্ক সামনে এসেছে। তৃণমূল বিধায়ক ও অন্য তৃণমূল নেতারাই ছিলেন মঞ্চ আলো করে। তবে একাংশের বক্তব্য, উন্নয়ন যজ্ঞে এমন রাজনৈতিক সৌজন্য থাকাটাই স্বাভাবিক।২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনে ভাতার বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী হয়েছিলেন অঞ্জন মুখোপাধ্যায়। এর আগে তিনি ছিলেন আরএসপির যুব সংগঠনের রাজ্য নেতা। এবার তৃণমূল বিধায়কের সঙ্গে তাঁকে এক ফ্রেমে দেখা যাওয়ায় নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে বর্ধমানের একাধিক বিজেপি নেতা ঘাসফুল শিবিরে যোগ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ গোয়ার বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছে চোটআঘাতে জর্জরিত এসসি ইস্টবেঙ্গলআরও পড়ুনঃ জোরে বোলার থেকে স্পিনার, আজাজকে দারুণ উপহার ভারতীয় দলের

ডিসেম্বর ০৬, ২০২১
কলকাতা

BJP Candidate list: পুরনোদের উপর ভরসা রাখলেও বিজেপি-র প্রার্থিতালিকায় রইল একঝাঁক তরুণ মুখও

জল্পনা সত্যি করে কলকাতা পুরভোটের প্রার্থিতালিকায় পুরনোদের উপরই ভরসা রাখল রাজ্য বিজেপি। পুরভোটের প্রার্থী করা হল মীনাদেবী পুরোহিত, সুনীতা ঝাওয়ারদের মতো দলের পুরনো কর্মীদের।২২ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী হয়েছেন মীনাদেবী। এই বার জিতলে টানা ছবার কাউন্সিলর হবেন তিনি। গত বিধানসভা নির্বাচনে জোড়াসাঁকো কেন্দ্রের প্রার্থী ছিলেন মীনাদেবী। একইভাবে ৪২ নম্বর ওয়ার্ড থেকে প্রার্থী হয়েছেন বিজেপি-র পাঁচ বারের কাউন্সিলর সুনীতা ঝাওয়ার। ১০২ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী করা হয়েছে ইন্দিরা গঙ্গোপাধ্যায়কে।তবে বিজেপি-র প্রার্থিতালিকায় সব চেয়ে নজরকাড়া নাম ৫০ নম্বর ওয়ার্ড। প্রার্থী সজল ঘোষ। গত বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল থেকে বিজেপি-তে গিয়েছিলেন তিনি। গত ১২ অগস্ট মুচিপাড়া থানা এলাকায় একটি গোলমালে উস্কানি দেওয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন সজল। এর পরই গেরুয়া রাজনীতিতে নতুন করে খ্যাত হয়ে যান তিনি।সজলকে প্রার্থী করলেও ১০২ নম্বর ওয়ার্ডে রিঙ্কু নস্করকে প্রার্থী করল না বিজেপি। বিধানসভা ভোটের আগে সিপিএম থেকে বিজেপি-তে আসেন তিনি। কলকাতা পুরভোটে যে প্রার্থিতালিকা প্রকাশ করছে বিজেপি, সেখানে তরুণ মুখ ৪৫, মহিলা ৫০। আইনজীবী রয়েছেন পাঁচ জন, চিকিৎসক তিন জন, শিক্ষক চার জন।প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর শমীক ভট্টাচার্য বলেন, আমাদের দলের কাজের একটা নির্দিষ্ট ধরন রয়েছে। কারও ব্যক্তিগত ইচ্ছা অনিচ্ছার উপর বিজেপির প্রার্থী তালিকা ঠিক হয় না। পার্টির ইচ্ছা, পার্টির ঐক্যমতই এখানে শেষ কথা। পার্টির সিদ্ধান্তই শেষ কথা। একই সঙ্গে বিজেপির প্রার্থী তালিকায় শহিদ পরিবারের সদস্যের নাম থাকতে পারে বলেও শোনা গিয়েছিল। এ ক্ষেত্রে কাঁকুরগাছির নিহত বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকারের দাদা বিশ্বজিৎ সরকারের প্রার্থী হওয়ার কথাও শোনা গিয়েছিল।এ প্রসঙ্গে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, আমরা পরিবারতন্ত্রের রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না। তৃণমূল বা কংগ্রেসী ঘরানার রাজনীতির সঙ্গে বিজেপির এখানেই পার্থক্য। আর শহিদ পরিবারকে রাজনীতির প্রাঙ্গনে নিয়ে এসে সব জায়গায় ব্যবহার করতে নেই। নির্দিষ্ট বিশ্বাস আছে। সেই আঙ্গিকে তাঁরা কথা বলবেন। কিন্তু তাঁদের এনে সামগ্রিক রাজনৈতিক লাভের রাজনীতিতে আমরা বিশ্বাস করি না।

নভেম্বর ২৯, ২০২১
দেশ

Tripura Election: পুরভোটের সকাল থেকেই তাণ্ডব ত্রিপুরায়, আক্রান্ত তৃণমূলের দুই পোলিং এজেন্ট

ভোটপর্ব শুরু হতেই উত্তপ্ত ত্রিপুরা। এদিন সকাল সাতটা থেকে শুরু হয়েছে ভোটগ্রহণ, চলবে বিকেল চারটে অবধি। তারই আগে আগরতলায় আক্রান্ত হলেন তৃণমূল কংগ্রেসের দুই পোলিং এজেন্ট। আহত কর্মীদের জিবি হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে চিকিৎসার জন্য। অভিযোগ উঠেছে পুলিশি নিষ্ক্রিয়তারও।আগরতলার পুরভোট ঘিরে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। প্রতিবেশী রাজ্য ত্রিপুরায় জায়গা দখলের লড়াইয়ে নেমেছে ওই রাজ্যের শাসক দল বিজেপি ও তৃণমূল। আর তা নিয়েই ত্রিপুরায় শুরু হয়েছে সংঘর্ষ। এ দিন সকালে ভোটগ্রহণ শুরুর আগে আগরতলার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ভোট কেন্দ্রে যখন মক পোলিং চলছিল, সেই সময়ই তৃণমূলের দুই এজেন্টের উপর হামলা চালায় বিজেপির বাইক বাহিনী, এমনটাই অভিযোগ। আক্রান্ত দুই তৃণমূলকর্মীর নাম কৃষ্ণ নুপুর মজুমদার ও মনোজ চক্রবর্তী। লাঠির আঘাতে তাদের মাথা ফেটে গিয়েছে। চিকিৎসার জন্য আগরতলার জিবি হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে।আহতকর্মী কৃষ্ণনুপুর মজুমদার জানান, এদিন সকাল সাড়ে ছটা নাগাদ যখন মক পোলিং চলছিল, সেই সময়ই আচমকা একটি বাইক বাহিনী চড়াও হয়। ভোটগ্রহণ কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে আসতে বলা হয় তাদের। বেরতেই তাদের উপর চড়াও হয় দুষ্কৃতীরা। ব্যাপক মারধর করে। তাঁর অভিযোগ, বিজেপিই এই হামলা চালিয়েছে।১৯ নম্বর ওয়ার্ডেও ভোটগ্রহণে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিজেপির বিরুদ্ধে। বিজেপি নেতা নন্দু বণিক তৃণমূলের ভোটারদের ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের ভিতর ঢুকতে দিচ্ছে না বলেই অভিযোগ উঠেছে।

নভেম্বর ২৫, ২০২১
রাজনীতি

Mamata-Swamy: মমতার পাশে আছি, দলবদলের দরকার নেই, কীসের ইঙ্গিত দিলেন বিজেপি সাংসদ সুব্রহ্মণ্যম স্বামী?

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করলেন বিজেপি সাংসদ সুব্রহ্মণ্যম স্বামী। দেখা করতে এসে গাড়ি থেকে নেমে তিনি শুধু বললেন, মমতার পাশেই আছি। আলাদা ভাবে দলবদল করার কোনও প্রয়োজন নেই।সাম্প্রতিক কালে স্বামীর সঙ্গে বিজেপি-র দীর্ঘ দিনের সম্পর্ক কার্যত তলানিতে ঠেকেছে। গত মাসেই বিজেপি-র সর্বভারতীয় কর্মসমিতি থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে রাজ্যসভার প্রবীণ সাংসদকে। তা ছাড়া এর আগেও তাঁকে বহু বার প্রকাশ্যে মমতার প্রশংসাও করতে দেখা গিয়েছে। অক্টোবরে মমতার রোম-সফরে সম্মতি না দেওয়ায় কেন্দ্রকে তুলোধনাও করেছেন স্বামী।Koo AppToday, Shri @Swamy39 met with our Honble Chairperson Mamata Banerjee. Moments from the meeting Down pointing backhand index View attached media content - All India Trinamool Congress (@AITCOfficial) 24 Nov 2021উল্লেখ্য, এয়ার ইন্ডিয়ার বেসরকারিকরণ নিয়ে কেন্দ্রের সঙ্গে বিজেপি সাংসদের বিরোধ চরমে পৌঁছেছে। গত বছর যখন এয়ার ইন্ডিয়ার বেসরকারিকরণের প্রক্রিয়া আবারও শুরু করার কথাবার্তা কেন্দ্র শুরু করেছিল, তখন থেকেই বিরোধিতা করছিলেন সুব্রহ্মণ্যম স্বামী। এই নিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে আদালতে জনস্বার্থ মামলারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। আর এই বিক্ষুব্ধ বিজেপি সাংসদকে হাতিয়ার করেই নতুন রণকৌশল তৈরি করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।যদিও সূত্র মারফত এখনও পর্যন্ত যা খবর, তাতে আজই তৃণমূল যোগ দিচ্ছেন না সুব্রহ্মণ্যম স্বামী। তবে আগামী দিনে তৃণমূলের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। উল্লেখ্য, বিজেপি সাংসদ সুব্রহ্মণ্যম স্বামী এর আগে একাধিকবার দলকে অস্বস্তিতে ফেলেছিলেন। সম্প্রতি বিজেপির কোর কমিটি থেকেও বাদ পড়েছেন। এই পরিস্থিতিতে মমতা-মোদি বৈঠকের ঠিক আগেই তৃণমূল সুপ্রিমোর সঙ্গে সুব্রহ্মণ্যম স্বামীর এই সাক্ষাৎ যে কেবল সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়, সে কথা বলাই যায়।

নভেম্বর ২৪, ২০২১
কলকাতা

BSF-BJP: পদ্ম-মিষ্টি নিয়ে বিএসএফ দপ্তরে ক্ষমা চাইতে গেলেন শুভেন্দু

নিউটাউনে বিএসএফের দপ্তরে গিয়ে তাদের হাতে পদ্মফুল তুলে দিয়ে মিষ্টি খাওয়ালেন বিজেপি নেতা তথা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন আরও বেশ কয়েক জন বিজেপি বিধায়কও।বিএসএফের এক্তিয়ার বৃদ্ধি নিয়ে তেঁতে উঠেছে রাজ্য রাজনীতি। বুধবারই বিধানসভায় পাশ হয় বিএসএফের এক্তিয়ার বৃদ্ধির বিরোধিতায় আনা প্রস্তাব। বৃহস্পতিবার বিএসএফের দপ্তরে গিয়ে তাদের মিষ্টি খাইয়ে, হাতে পদ্মফুল তুলে দিল বিজেপি। বৃহস্পতিবার বিকেলে নিউটাউনের বিএসএফ ছাউনিতে হাজির হয় বিজেপি-র পরিষদীয় দল। নেতৃত্বে শুভেন্দু। জওয়ানদের সংবর্ধনা জানানোর পর তিনি বলেন, আমাদের প্রত্যেকের মনে রাখা উচিত বিএসএফ দেশের অতন্দ্র প্রহরী। তারা দেশের সীমান্ত রক্ষা করছে বলেই দেশবাসী সুরক্ষিত এবং নিশ্চিন্তে বসবাস করতে পারছেন। ভারত সরকারের ঘোষণা মতো বিএসএফের ক্ষমতা বৃদ্ধি নিয়ে তৃণমূল বিধায়করা তাদের কালিমালিপ্ত করেছেন, কদর্য ভাষায় বিধানসভায় আক্রমণ করেছেন। এটা মেনে নেওয়া যায় না। তাই বিএসএফকে সংবর্ধনা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিজেপি।এর আগে বিএসএফ নিয়ে মন্তব্য করার অভিযোগে অপর্ণা সেনকে আইনি চিঠি পাঠিয়েছেন বিজেপি নেতা অনির্বাণ গঙ্গোপাধ্যায়। সব মিলিয়ে বিএসএফ নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে চড়ছে উত্তেজনার পারদ।

নভেম্বর ১৮, ২০২১
কলকাতা

BSF: বিএসএফের ক্ষমতাবৃদ্ধি-বিরোধী প্রস্তাব পাশ বিধানসভায়

বিএসএফ-এর এক্তিয়ার বৃদ্ধির বিরোধিতা করে আজ সরকারি প্রস্তাব আনা হয়েছিল বিধানসভায়। ভোটাভুটিতে পাশ হয়ে গেল সেই প্রস্তাব। প্রস্তাবের পক্ষে ভোট পড়েছে ১১২টি ও বিপক্ষে ভোট পড়েছে ৬৩টি। বিএসএফের এক্তিয়ার বাড়ালে সংবিধানের বিরোধিতা করা হবে বলে দাবি তৃণমূল সরকারের। এই ইস্যুতেই এ দিন সরব হয়েছিলেন তৃণমূল বিধায়কেরা। এই প্রসঙ্গে বিধানসভার পরিষদীয় নেতা পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের দাবি, ক্রমশ সীমান্তবর্তী নয়, এমন এলাকাতেও ক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে বিএসএফ-এর। এ দিন ভোট দেননি আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি।কেন্দ্রীয় সরকার বিএসএফের এলাকাবৃদ্ধির যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা আদতে যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর ওপরে আঘাত, এই মর্মেই সরকারি প্রস্তাব আনা হয় মঙ্গলবার। এই ইস্যুতে এ দিন বিধানসভায় সরব হন উদয়ন গুহ, তাপস রায়-সহ তৃণমূল বিধায়কেরা।এই প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, এই বিধানসভায় যেহেতু তৃণমূলের সংখ্যগরিষ্ঠতা আছে, তাই কোনও দিন আমরা হয়ত দেখব ভারতের সীমান্ত সুরক্ষার বিরুদ্ধে এরা প্রস্তাব পাশ করবে, কোনও দিন ভারতের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে এরা প্রস্তাব পাশ করবে। বলবে ভারতের কোনও সুরক্ষার দরকার নেই। এরা ভুলে যায় যে এটা পশ্চিমবঙ্গের সুরক্ষার বিষয় নয়, ভারতের সুরক্ষার বিষয়। তৃণমূল সরকার বিধানসভায় বসে অধিকার বহির্ভূত চর্চা করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর কথায়, এ ভাবে তৃণমূল শত্রুদের ইন্ধন জোগাচ্ছে, সন্ত্রাসবাদীদের ইন্ধন জোগাচ্ছে। সরকারের এই প্রস্তাব নিন্দনীয় বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।

নভেম্বর ১৬, ২০২১
রাজনীতি

Suvendu Adhikari: বিশ্বকাপে পাকিস্তানের হার নিয়ে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়লেন শুভেন্দু, কি বললেন তিনি?

টি ২০ বিশ্বকাপ ক্রিকেটে গ্রুপ লিগ থেকেই বিদায় নিয়েছে ভারত। প্রথম ম্যাচেই ভারতকে হারিয়েছে প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তান। এবার সেমিফাইনালে পাকিস্তানকে হারিয়ে দিল অষ্ট্রেলিয়া। পাকিস্তানকে পরাজিত করার জন্য অষ্ট্রেলিয়াকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সোশাল মিডিয়ায় উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েছেন গেরুয়া শিবিরের এই নেতা।সেমিফাইনাল ম্যাচে পাকিস্তানের পরাজয়ের পর সোশাল মিডিয়ায় রাজ্য বিজেপি নেতা শুভেন্দু লিখেছেন..দেশদ্রোহীদের জোর কা ঝটকা,পাকিস্তানের হারে ফাটছে পটকা।ভারত পাকিস্তান ম্যাচে ভারতের হারে যারা পটকা ফাটিয়েছিল, উল্লাস করেছিল, আজ সেইসব দেশদ্রোহীদের জন্য কালো দিন। অষ্ট্রেলিয়ার কাছে পাকিস্তানের হার আজ তাদের মুখে ঝামা ঘসে দিল ।অষ্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট টিম কে অভিনন্দন।তবে এখানেই থামেননি গেরুয়া শিবিরের এই নেতা। নন্দীগ্রামের বিধায়ক টুইটে লিখেছেন, পাকিস্তানকে হারানোর জন্য অষ্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট দলকে আন্তরিক অভিনন্দন। এই মুহূর্তটি উদযাপন করতে আমার নন্দীগ্রাম বিধানসভা এলাকার লোকেরা অন্য ভারতীয়দের সঙ্গে যোগ দিয়েছে। আতশবাজি থামবে না, দীপাবলি চলছে। আমাদের শত্রুকে পরাজিত করার জন্য আবার ধন্যবাদ।নন্দীগ্রাম বিধানসভায় প্রার্থী হওয়ার পর থেকেই সরাসরি বিভাজনের পথে হেঁটেছিলেন শুভেন্দু অধিকরী। একেবারেই ঢাক-গুড়গুড় করেননি। গত ১০ নভেম্বর নন্দীগ্রামে শহিদ দিবসের দিনও ফের তিনি বলেছেন, নন্দীগ্রামের ৬৫ হাজার বাদ দিয়ে বাকিদের একসঙ্গে থাকতে হবে। সেই আবেদন জানিয়েছিলেন শহিদ মঞ্চ থেকে। এবার পাকিস্থানের হার নিয়ে ব্যাপক উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তাঁর অবস্থান স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন।

নভেম্বর ১২, ২০২১
রাজনীতি

Shrabanti-BJP: জল্পনা সত্যি করে বিজেপি ছাড়লেন শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়

বিজেপি ছাড়লেন শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। টুইট করে নিজেই ঘোষণা করলেন এ কথা। চলতি বছরের নির্বাচনে বেহালা পশ্চিম কেন্দ্র থেকে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে গেরুয়া শিবিরের প্রার্থী ছিলেন তিনি। ভোটে পরাজিত হন। তার পর থেকেই বাড়তে থাকে বিজেপি-র সঙ্গে দূরত্ব। অবশেষে দল ছেড়ে দিলেন অভিনেত্রী।Severing all ties with the BJP, the party for which I fought the last state elections.Reason being their lack of initiative and sincerity to further the cause of Bengal... Srabanti (@srabantismile) November 11, 2021দল ছাড়ার কথা ঘোষণা করে শ্রাবন্তী টুইটে লেখেন, বাংলার উন্নয়নের জন্য বিজেপি আন্তরিক নয়। বাংলার জন্য কাজ করার মনোভাবের অভাব রয়েছে তাদের। উল্লেখ্য, ভোটের পর বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব ক্রমেই বাড়তে থাকে। দলীয় কোনও কর্মসূচিতেও তাঁকে ইদানীং দেখা যেত না। অতঃপর, বৃহস্পতিবার দল ছাড়ার কথা ঘোষণা করলেন শ্রাবন্তী। বৃহস্পতিবার সকালে ঘোষণা করে তাঁর বিজেপি ছাড়ার পর আরও একটি জল্পনা তৈরি হয়েছে। সেই জল্পনাটি হল, পদ্ম ছেড়ে শ্রাবন্তীর নয়া গন্তব্য কি জোড়াফুল?Let the time speak... 😊 https://t.co/zh9yeKvEdx Srabanti (@srabantismile) November 11, 2021প্রসঙ্গত, গত সোমবার মুখ্যমন্ত্রীর বিজয় সমাবেশে রূপাঞ্জনা মিত্রের মতোই আমন্ত্রিত ছিলেন শ্রাবন্তী। কিন্তু তিনি সেখানে উপস্থিত হননি। তখন তাঁর অনুপস্থিতি নিয়ে জল্পনা ছড়িয়েছিল যে, তিনি বিজেপি ছাড়ার কথা ঘোষণা না করে মুখ্যমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে আসতে চান না। যদিও এ বিষয়ে শ্রাবন্তী নিজে কোনও মন্তব্য করেননি।

নভেম্বর ১১, ২০২১
কলকাতা

BJP-Suspend: শুভেন্দুকে ‘চোর’ বলে বহিষ্কৃত হাওড়া সদরের বিজেপি সভাপতি

নারদা-কাণ্ড নিয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলে বহিষ্কৃত হলেন হাওড়া সদরের বিজেপি সভাপতি সুরজিৎ সাহা। পুরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্প্রতি হাওড়ায় একটি কমিটি গড়েন শুভেন্দু। তা নিয়েই ক্ষুব্ধ ওই বিজেপি নেতা। বুধবার তা নিয়েই শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। এর কিছু ক্ষণের মধ্যেই সুরজিৎকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।বুধবার সুরজিৎ সংবাদমাধ্যমের সামনে শুভেন্দুকে নিশানা করে জানিয়ে দেন, যে কমিটি শুভেন্দু গঠন করেছেন তাতে দলীয় নিয়মশৃঙ্খলা ভঙ্গ হয়েছে। ওই কমিটিকে ভারতীয় জনতা তৃণমূল কংগ্রেস পার্টি বলেও আখ্যা দেন তিনি। বলেন, যাঁরা দলে থাকবেন কি না তা ই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে তাঁদের চেয়ারম্যান করা হচ্ছে। নাম প্রস্তাব করছেন শুভেন্দু। বিজেপি-র তৃণমূলীকরণ আমরা মানব না। আমি ২৮ বছর বিজেপি করছি। উনি ছমাস আগে দলে এসে আমাদের শংসাপত্র দেবেন না কি? আমরা ওঁর শংসাপত্র চাইব। নারদাতে ওঁকে যে টাকা নিতে দেখা গিয়েছে তাতে উনি সৎ কি না, এই প্রশ্নটা জনগণ থেকে দলের কার্যকর্তা সকলের মধ্যে তৈরি হয়েছে। উনি আমাদের বিরুদ্ধে আঙুল তুলবেন এটা জেলা সভাপতি হিসাবে মেনে নেব না।সুরজিতের এই বক্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই বিতর্ক শুরু হয়।

নভেম্বর ১০, ২০২১
রাজ্য

BJP: জ্বালানির দাম ঘিরে তৃণমূলকে নিশানা রাজ্য বিজেপির, পথ আটকালো রাজ্য পুলিশ

পেট্রোল-ডিজেলে ভ্যাট কমানোর দাবিতে পথে সোমবার পথে নেমেছিল বিজেপি। মুরলীধর সেন লেনের রাজ্য দপ্তর থেকে সেই মিছিল বের হওয়ার কথা থাকলেও কলকাতা পুলিশের কড়া বেষ্টনী পার করে তা এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি শুভেন্দু অধিকারী, দিলীপ ঘোষ, সুকান্ত মজুমদারদের। অবশেষে বেলা ৩টে ১৫ নাগাদ তাঁরা জানিয়ে দেন, আপাতত এখানেই এদিনের কর্মসূচি শেষ হল। তবে আগামিদিনে এই আন্দোলন যে বৃহত্তর আকার নেবে সে কথাও বলা হয়।মঙ্গলবার রাজ্যের পেট্রোল পাম্প গুলিতে জনসচেতনতা মূলক প্রচার চালাবে দল। প্রয়োজনে নবান্ন অভিযানও করতে পারে বিজেপি। পেট্রোল ডিজেলের ভ্যাট কমানোর পাশাপাশি বিদ্যুতের মাশুল কমানোর দাবিতেও এবার সরব হবে গেরুয়া শিবির। এদিন কর্মসূচির শুরুতেই সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউয়ে উত্তেজনা ছড়ায়। রীতেশ তিওয়ারি-সহ একাধিক বিজেপি কর্মী-সমর্থককে প্রিজন ভ্যানে তোলে পুলিশ। রীতেশ তিওয়ারির বক্তব্য, বাংলার মানুষের স্বার্থে আমরা পথে নেমেছি। তাই গ্রেপ্তার হতে হচ্ছে। এরা ত্রিপুরায় গিয়ে বড় বড় কথা বলে। প্রতিদিন এক লাখ লোক বুর্জ খলিফা দেখত। তখন অতিমারি ছিল না। এখন করোনার কথা বলছে। এটা প্রমাণ হয়ে গেল বাংলার মানুষের স্বার্থে পথে নামলেই পুলিশ গ্রেফতার করবে।এদিন রাজ্য অফিসের সামনেই বক্তব্য রাখেন শুভেন্দু অধিকারী, দিলীপ ঘোষ রাহুল সিনহা, সুকান্ত মজুমদাররা। প্রত্যেকেই তাঁদের বক্তব্যে নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। যে মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখে পেট্রোল ডিজেলের দাম কমানোর কথা বলেছিলেন, তিনি কেন এবার ভ্যাটের লভ্যাংশে ছাড় দিচ্ছেন না তা নিয়ে প্রশ্ন তোলের প্রত্যেকেই।পুলিশের বক্তব্য ছিল, এই মিছিলের জন্য বিজেপির কাছে কোনও অনুমতি নেই। দ্বিতীয়ত, কোভিডের কারণে এই জমায়েতে কোনওভাবেই অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়। গেরুয়া শিবিরের দাবি, মানুষের স্বার্থে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে ভ্যাট কমাতেই হবে। কারই প্রতিবাদে এদিনের কর্মসূচি নেওয়া হয়।

নভেম্বর ০৮, ২০২১
রাজনীতি

Tathagata Roy: ফের টুইটবোমা তথাগতর

বিজেপি রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে ক্রমশ চওড়া হচ্ছে ফাটল! দিলীপ ঘোষের কটাক্ষের পরেও তিনি যে দমে যাননি, তার প্রমাণ মিলল তথাগত রায়ের নতুন টুইটে। রাজ্য নেতৃত্বের উদ্দেশে ফের চড়া সুরে আক্রমণ শানালেন তিনি। শুধু আক্রমণ নয়, দলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগও আনলেন তথাগত রায়। তবে সেইসঙ্গে নয়া রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর উপর ভরসা রেখে তাঁদের আহ্বান জানালেন দলকে খাদ থেকে টেনে তুলতে।বেকারী,দলবাজি,তোলাবাজি, খুনখারাপি,সংখ্যালঘু তোষণ ইত্যাদি সমস্যায় মানুষ পর্যুদস্ত হয়ে বিজেপিকে চাইছিলেন।তা সত্ত্বেও বিজেপি কেন এরকম শোচনীয় ফল করল তা নিয়ে বিশ্লেষণ প্রয়োজন। কারা এর জন্য দায়ী তাও চিহ্নিত করতে হবে। আগেই করা উচিত ছিল, এখনো হতে পারে। কিন্তু এড়িয়ে গেলে চলবে না। Tathagata Roy (@tathagata2) November 8, 2021নয়া টুইটে তথাগত রায় লিখেছেন, বেকারি,দলবাজি, তোলাবাজি, খুনখারাপি,সংখ্যালঘু তোষণ ইত্যাদি সমস্যায় মানুষ পর্যুদস্ত হয়ে বিজেপিকে চাইছিলেন। তা সত্ত্বেও বিজেপি কেন এরকম শোচনীয় ফল করল তা নিয়ে বিশ্লেষণ প্রয়োজন। কারা এর জন্য দায়ী তাও চিহ্নিত করতে হবে। আগেই করা উচিত ছিল, এখনো হতে পারে। কিন্তু এড়িয়ে গেলে চলবে না। ৩ থেকে ৭৭ (এখন ৭০) গোছের আবোলতাবোল বুলিতে পার্টি পিছোবে, এগোবে না। অর্থ এবং নারীর চক্র থেকে দলকে টেনে বার করা অত্যাবশ্যক। দলের নবনিযুক্ত সভাপতি ও বিরোধী দলনেতা - এঁরা দুজনে নেতৃত্ব দিন। পুরোনো চক্রে ফেঁসে থাকলে এখন যে পুরভোটের প্রার্থী পাওয়া যাচ্ছে না এরকম অবস্থাই চলবে।

নভেম্বর ০৮, ২০২১
রাজনীতি

Jay Bannerjee: রাজীবের পর এবার কী জয়ের পালা? বিজেপি ছেড়ে কোথায় যাচ্ছেন?

রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের পর কি এবার জয় বন্দ্যোপাধ্যায়? ফের দলবদলের সম্ভাবনা তৃণমূলে!এইরকম একাধিক প্রশ্ন উঠেছে রাজনৈতিক মহলে।সূত্রের খবর, ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি দিয়েছেন জয় বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই চিঠির শেষ লাইনে তিনি উল্লেখ করেছেন যে তিনি বিজেপি ছেড়ে দিচ্ছেন তবে কোন দলে যোগদান করছেন সেই বিষয়ে খোলাখুলি কিছু জানাননি।ইতিমধ্যেই সরিয়ে দেওয়া হয়েছে জয়ের কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা। পাশাপাশি খবর মিলেছে জাতীয় কর্মসমিতি থেকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে তাঁকে। এই বিষয়ে জয় বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, তিনি বিজেপি ছাড়ছেন। যেই দলের সঙ্গে মানুষ নেই সেই দলে থেকে কোনও লাভ নেই। যেই দলে মানুষ রয়েছেন সেখানেই তিনি যাবেন। কারণ সেখানেই কাজ করার সুযোগ পাবেন।এই বিষয়ে জয় বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমি বিজেপিতেই ছিলাম প্রথম থেকে। কিন্তু কিছু বিষয়ে আমার দলের উপর খারাপ লাগা তৈরি হয়েছে। আমি খুবই দুঃখ পেয়েছি। আমায় জাতীয় কার্যনির্বাহী পদ থেকে সরিয়ে রাজীব বন্দ্য্যোপাধ্যায়কে করা হয়েছিল। এখন তিনিও দলবদল করে নিয়েছেন। একাধিকবার আমি এই রাজ্যে মার খেয়েছি। তবুও গতকাল আমার নিরাপত্তা সরিয়ে নেওয়া হয়। সেই কারণে প্রধানমন্ত্রীকে আমি জানিয়ে দিয়েছি যে আমি নিজেকে বিজেপি থেকে সরিয়ে নিলাম। আর আমি মানুষের কাজ করি। তাই যেই দলের সঙ্গে মানুষ রয়েছে আমি সেই দলে রয়েছি। যেই দল মানুষের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে সেই দল আমি ছাড়ছি। বিজেপি নেতা ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, আমি বিগত এক মাস অসুস্থ ছিলাম। দলের তরফে একটাও খোঁজ নেওয়া হয়নি আমার। তবে আমি এখনও বলছি কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব আমায় খুবই ভালোবাসেন। তাঁরা আমাকে বিজেপি থেকে সরিয়ে দেয়নি। আমি নিজেকে বিজেপি থেকে সরিয়ে নিয়েছি।

নভেম্বর ০৬, ২০২১
রাজ্য

BJP: উপনির্বাচনে ভরাডুবিতে 'সন্ত্রাস' দেখছে বিজেপি

উপনির্বাচনে কার্যত মুখ থুবড়ে পড়েছে বঙ্গ বিজেপি। মাস খানেক আগেই যে দ্বিমুখী লড়াইয়ের ছবি দেখা গিয়েছিল, তা যেন এবার একেবারে উধাও। চারটি কেন্দ্রের তিনটিতেই জামানত জব্দ। কোনওরকমে মুখ রক্ষা হয়েছে শান্তিপুরে। আজ ভোটের ফলাফলের পর বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি তথা প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের মন্তব্য, যেভাবে ভোট হয়েছে তাতে আগামী দিনে উপনির্বাচনে হলে তৃণমূল ১০০ শতাংশ ভোট পাবে।দিলীপ ঘোষের অভিযোগ, দিনাহাটায় একটি গাড়িও দেওয়া হয়নি। গোসাবায় বলা হচ্ছে, বাড়ি থেকে বেরাবেন না। খড়দহে প্রার্থী নিজে ভোট দিতে পারেননি। তবে বিজেপির যে একেবারে কোমর ভেঙে পড়েছে বাংলায়, এমনটা মানতে নারাজ তিনি। আগামী দিনে আবারও ঘুরে দাঁড়ানোর বিষয়ে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী তিনি। বললেন, সাধারণ নির্বাচনে আবার জিতব। এদিকে আজ দিলীপ ঘোষের সঙ্গে সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন শমীক ভট্টাচার্যও। তৃণমূলকে উপনির্বাচনের চারটি আসনে জয়ের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন শমীক। তবে একইসঙ্গে বিজেপি কর্মীদের উপর হামলার কথাও স্মরণ করিয়ে দেন তিনি। বলেন, ভারতীয় জনতা পার্টির কর্মীদের উপর যে হামলা হয়েছে, তা ভোলার নয়। হাইকোর্টের নির্দেশেই তা স্পষ্ট। প্রচুর বিজেপি কর্মী এখনও ঘরছাড়া। সন্ত্রাসের আবহে দলের মধ্যে একাংশের মত ছিল, আমরা নির্বাচনে যেন অংশ না নিই। যেখানে যেখানে উপনির্বাচন হয়েছে, সেখানেও দলের স্থানীয় নেতা ও কর্মীদের অনেকে এই মত দিয়েছিলেন। কিন্তু তারপরেও আমরা লড়াই করি।

নভেম্বর ০২, ২০২১
রাজনীতি

Abhishek Bandyopadhyay: 'আজ খুঁটি পুজো, ২৩-এ বিসর্জন', আগরতলায় হুঙ্কার অভিষেকের

নানা বিতর্কের পর হাইকোর্টের রায়ে অবশেষে ত্রিপুরায় সভা করল তৃণমূল কংগ্রেস। রবিবাসরীয় এই সভায় তৃণমূলে যোগ দিলেন বিজেপির জাতীয় কর্মসমিতির সদস্য় তথা প্রাক্তনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। ত্রিপুরার মাচিতে দাঁড়িয়ে বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।এদিন সভায় অভিষেক বলেন, আজ খুঁটি পুজো করলাম। ২০২৩-এ বিসর্জন। এতো ভয় কিসের! তৃণমূলকে আটকাব, অভিষেককে ঢুকতে দেব না। যত কুৎসা করবেন তত তৃণমূলের শক্তি বাড়বে। দুমাসে ১০০ গাড়ি ভেঙেছে। আজ আমরা একটা কর্মসূচি নিয়েছি, ত্রিপুরার জন্য তৃণমূল। যে শিক্ষকদের চাকরি গিয়েছে তাঁদের চাকরি ফিরিয়ে দেব।তিন দিন আগে গোয়া সফরে গিয়েছিলেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। ত্রিপুরায় সভা করলেন অভিষেক। এরপর ডিসেম্বরে আগরতলায় সভা করবেন মমতা। দিপাবলীর পর ফের ত্রিপুরায় আসবেন ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ। অভিষেক বলেন, ডিসেম্বরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আসবেন। আস্তাবলে মিটিং হবে। পুলিশই বলছিল, এদিনের সভায় ১০হাজার লোক আসবে। তলায় তলায় নিঃশব্দ বিপ্লব শুরু হয়ে গিয়েছে। রাজ্য চালাচ্ছে বিপ্লব দেব। তাঁর একটা ক্লাব চালানোর যোগ্যতা নেই। একটা কাউন্সিলর হওয়ারও যোগ্যতা নেই। ত্রিপুরাকে বিজেপি মুক্ত ও মা-মাটি-মানুষের সরকার গড়ার কথা ঘোষণা করেন অভিষেক।

অক্টোবর ৩১, ২০২১
রাজনীতি

Rajib Bandyopadhyay: 'আমি ভুল করেছি, আমি অনুতপ্ত,' তৃণমূলে যোগ দিয়ে বললেন বিজেপি নেতা

শেষমেশ ত্রিপুরায় তৃণমূলের জনসভায় ঘাসফুলে যোগ দিলেন বিজেপির জাতীয় কর্মসমিতির সদস্য রাজীব বন্দ্য়োপাধ্যায়। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে মঞ্চেই তিনি স্বীকার করেন বিজেপিতে গিয়ে অনুতপ্ত। এদিনের মঞ্চেই তিনি বিজেপিকে হুঁশিয়ারি দিতেও ভোলেননি রাজীব। মমতাকে দেবী হিসাবে ঘোষণা করেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী। বারে বারে মার্জনা প্রার্থনা করেন রাজীব।অভিষেককে পাশে বসিয়ে প্রাক্তন বিজেপি নেতা বলেন, আমি বারবার বলেছিলাম পেট্রল, ডিজেল ও রান্নার গ্যাসের দাম কমাতে হবে। বলেছিল হবে হবে। শিল্পের কথা বলেছিলাম। ডানলপ খুলুক আর ইন্ডাস্ট্রি হবে, একথা আপনারা ঘোষণা করুন। আমাকে ভুল বুঝিয়েছিল। তাঁর বক্তব্য, ডবল ইঞ্জিন সরকার ত্রিপুরায় কোনও কাজ করছে না। আমি সমালোচনা করেছিলাম দুয়ারে সরকার, স্বাস্থ্যসাথী নিয়ে ভেবেছিলাম ভোটের জন্য। আমি ভুল ছিলাম। এখনও সব প্রকল্প চলছে। এখানে লক্ষ্মীর ভান্ডার আছে? তৃণমূলের ভয়ে কাঁপছেন।তৃণমূলে ফিরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে রাজনীতি করবেন তা ঘোষণা করেন ডোমজুরের প্রাক্তন বিধায়ক। রাজীব বলেন, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বলেছিলাম বাংলার উন্নয়ন চায় মমতা বন্দ্যেপাধ্যায় ছাড়া আর কেউ নন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভারতের মা, আজ দেবী রূপে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। আমি চিনতে ভুল করেছি। আমি ভুল করেছি। স্বীকার করছি। আমি অনুতপ্ত।

অক্টোবর ৩১, ২০২১
রাজ্য

Khardah By Poll: খড়দহে দফায় দফায় উত্তেজনা, কাজল সিনহার ছেলেকে মারধর

খড়দহে ফের ভুয়ো ভোটারের অভিযোগে দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়ায় শনিবার। মুড়াগাছায় জাল ভোটার ধরতে গাড়ি থেকে নেমে ধাওয়া করেন বিজেপি প্রার্থী। তাঁর দাবি, শশীভূষণ জুনিয়র বেসিক স্কুলে ভোট দিতে আসেন কয়েকজন জাল ভোটার। একজনকে ধরে ফেলেন বলে দাবি করেন বিজেপি প্রার্থী। সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরা দেখে ভয়ে পালাচ্ছিলেন বলে দাবি অভিযোগকারীর।এ দিন খড়দায় ফের ভুয়ো ভোটারের অভিযোগে দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়ায়। আইডিয়াল অ্যাকাডেমির সামনে তীব্র উত্তেজনা। অন্যের ভোটার কার্ড নিয়ে ভোট দিতে আসার অভিযোগ বিজেপি প্রার্থীর। সংবাদ মাধ্যমের ক্যামেরার সামনেই নিজেকে বাংলাদেশি বলে পরিচয় দেন ওই ব্যক্তি। এই সংবাগদ প্রকাশিত হওয়া মাত্রই ঘটনার রিপোর্ট তলব করল নির্বাচন কমিশনের। অন্যদিকে, এদিন খড়দহে প্রয়াত বিধায়ক কাজল সিনহার ছেলে আর্যদীপ সিনহাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে বিজেপি প্রার্থী জয় সাহার ব্যক্তিগত দেহরক্ষীর বিরুদ্ধে। প্রতিবাদে খড়দহ বিটি রোড অবরোধ করে তৃণমূল। বিজেপি প্রার্থী জয় সাহার গাড়ি ঘিরেও বিক্ষোভ দেখানো হয়।উল্লেখ্য, ৪ কেন্দ্রের উপনির্বাচন সম্পন্ন হল আজ। বিকেল ৫টা পর্যন্ত দিনহাটায় ভোট পড়েছে ৭০%। শান্তিপুরে ভোট পড়েছে ৭৬%। খড়দায় বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটদানের হার ৬৪%। গোসাবায় ভোট পড়েছে ৭৬%।ভোট শুরু হওয়ার একঘণ্টার মধ্যেই বিলকান্দা গ্রাম পঞ্চায়েতের যুগবেড়িয়ায় তৃণমূলের বিক্ষোভের মুখে পড়েন খড়দহর বিজেপি প্রার্থী জয় সাহা। তৃণমূল কর্মীদের অভিযোগ, প্রতীক লাগানো গাড়িতে চড়ে ভোটারদের প্রভাবিত করছেন বিজেপি প্রার্থী। এই অভিযোগে যুগবেড়িয়া এলাকায় বিজেপি প্রার্থীকে ঘিরে গো ব্যাক স্লোগান দেন তৃণমূল কর্মীরা। বুথের বাইরে বেআইনি জমায়েত করে ভোটারদের ভয় দেখাচ্ছে তৃণমূলই, পাল্টা অভিযোগ বিজেপি প্রার্থীর।

অক্টোবর ৩০, ২০২১
রাজনীতি

TMC: বিজেপির সংখ্যা কমল আরও এক, তৃণমূলে ফিরলেন কৃষ্ণ কল্যাণী

বিজেপি-র ছেড়ে আরও এক বিধায়ক যোগ দিলেন তৃণমূলে। বুধবার দক্ষিণ কলকাতার এক বেসরকারি হোটেলে রায়গঞ্জের বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণীকে তৃণমূলে যোগদান করান তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। যোগদানপর্বে ছিলেন তৃণমূলে হিন্দিভাষী সেলের সভাপতি তথা জোড়াসাঁকোর বিধায়ক বিবেক গুপ্ত।তৃণমূলে ফিরে কৃষ্ণ বলছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যা কথা দেন, তা করে দেখান। ভোটের আগে উনি যা যা বলেছিলেন, ক্ষমতায় ফিরে সব করে দেখিয়েছেন। আমি তা দেখে অভিভূত। ধন্যবাদ জানাই মমতাদি এবং অভিষেকদাকে। আগের দল সম্পর্কে তাঁর ব্যাখ্যা, বিজেপি-তে ভাল কাজের মূল্যায়ন নেই। ছমাস আগে ভুল করেছিলাম। এ বার তা শুধরে নিচ্ছি। মূল্যবৃদ্ধি ইস্যুতেও বিজেপি-র সমালোচনা করেছেন তিনি।গত ১ অক্টোবর দলবিরোধী কাজের অভিযোগে কৃষ্ণকে শোকজ করেছিল বিজেপি। শোকজের সিদ্ধান্ত জানার পরেই দলত্যাগের কথা ঘোষণাও করেছিলেন কৃষ্ণ। এ বার সরাসরি নিজের পুরনো দলে ফিরে গেলেন তিনি। তাঁকে নিয়ে মোট পাঁচজন বিজেপি বিধায়ক তৃণমূলে যোগ দিলেন।উল্লেখ্য, বিধানসভা ভোটের আগেই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপি-তে গিয়েছিলেন কৃষ্ণ। গিয়েই রায়গঞ্জ কেন্দ্রে বিজেপি-র টিকিট পেয়ে জিতেও যান তিনি। কিন্তু বিধায়ক হওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই রায়গঞ্জের সাংসদ তথা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী দেবশ্রী চৌধুরীর সঙ্গে বিরোধী শুরু হয় তাঁর। প্রকাশ্যেই দলীয় সাংসদের বিরুদ্ধে তাঁকে হারানোর চক্রান্ত করার অভিযোগ আনেন রায়গঞ্জের বিধায়ক। বিরোধী এমন জায়গায় পৌঁছয় অঘোষিতভাবে দলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেন তিনি। আর বুধবার বিজেপি ছেড়ে ঘর ওয়াপসি হল কৃষ্ণর।

অক্টোবর ২৭, ২০২১
দেশ

Goa-TMC: গোয়ায় তৃণমূলের হোর্ডিং-পোস্টার ছেঁড়ার অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গোয়া সফরের আগেই উত্তপ্ত সেখানকার রাজনীতি। তৃণমূল কংগ্রেসের প্রচার হোর্ডিং-পোস্টার ছিঁড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল বিজেপির বিরুদ্ধে। যদিও সবটাই অস্বীকার করেছে সেখানকার শাসকদল।COWARDS. BJP defaces all communication featuring @MamataOfficial across Goa days before her visit.They miss the point.Contracts state that liability from such damage is the vendors,who are fellow Goans.Why hurt Goemkar enterprise? This State deserves better #GoenchiNaviSakal pic.twitter.com/YOfbUZaDJq Derek OBrien | ডেরেক ওব্রায়েন (@derekobrienmp) October 26, 2021উত্তরবঙ্গ সফর শেষে তৃণমূলের হয়ে প্রচারে গোয়ায় যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। তার আগে মঙ্গলবার সেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূলের প্রচার হোর্ডি-পোস্টার ছিঁড়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। পোস্টারে থাকা মুখ্যমন্ত্রীর মুখে কালি লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ। ঘটনায় বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন ডেরেক ওব্রায়েন ।ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন গোয়ারপ্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লুইজিনহো ফেলাইরো। তিনি বলেন, এতদিন গোয়ায় সমস্ত রাজনৈতিক দলকে তাঁদের প্রচার করতে দেওয়া হত। মানুষের কাছে তাঁদের কথা তুলে ধরতে দেওয়া হত। কিন্তু তৃণমূলের আগমনে বিজেপি এতটাই সন্ত্রস্ত যে তাঁরা তৃণমূলের হোর্ডিং ভাঙছে।

অক্টোবর ২৬, ২০২১
রাজনীতি

Abhishek-Dinhata: দিনহাটায় দাঁড়িয়ে গোয়া জয়ের ডাক অভিষেকের

তিন মাসের মধ্যে গোয়ায় সরকার গঠন করবে তৃণমূল। দিনহাটায় উপনির্বাচনের প্রচার মঞ্চ থেকে এমনই হুংকার দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী দিনে তৃণমূলের সংগঠনকে সর্বভারতীয় স্তরে ছড়িয়ে দেওয়ার রূপেরখাও তুলে ধরেন অভিষেক। পাশাপাশি বিজেপি-কে নিশানা করে দেগেছেন একের পর এক তোপ। কোচবিহার থেকে বিজেপি-কে উৎখাতের ডাক দিয়েছেন সোমবার দুপুরে শিলিগুড়িতে প্রশাসনিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঘটনাচক্রে, একই সময়ে দিনহাটায় ভোট প্রচার সারছিলেন অভিষেক। দিনহাটার উপনির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী উদয়ন গুহের সমর্থনে জনসভা করেন তিনি। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে সংগঠনকে আরও কয়েকটি রাজ্যে ছড়িয়ে দেওয়া তৃণমূলের পাখির চোখ। সেই ইচ্ছার কথা জনসভায় জানান অভিষেক। বলেন, দিনহাটায় উদয়ন গুহ নন, প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দেশের মানুষ এই ফলের দিকে তাকিয়ে আছেন। উপনির্বাচনের ফল ৪-০ হবে। তবে জয়ের ব্যবধান বাড়াতে হবে। কোচবিহার থেকে বিজেপি-কে উৎখাত করতে হবে।আমরা ত্রিপুরায় গিয়েছি। গোয়াতেও ঢুকেছি। আরও ৫-৭টা রাজ্যে যাব। এটা কী মাস? অক্টোবর। সামনে নভেম্বর, ডিসেম্বর ও জানুয়ারি। হাতে তিন মাস হাতে সময় আছে। গোয়ায় বিধানসভা আসন ৪০টি। দল আমাকে দায়িত্ব দিয়েছে। তিন মাসে গোয়ায় জোড়াফুল ফুটবে। ওখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূল সরকার প্রতিষ্ঠা করবে। আপনারা লিখে নিন। এর পর ত্রিপুরা, মেঘালয়, অসম এবং উত্তরপ্রদেশ-সহ একাধিক রাজ্যেও আমরা যাব। তার কারণ বাংলা পথ দেখিয়েছে। দেশকে পথ দেখাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের কথায়, দেশে বহু রাজনৈতিক দল আছে। বিজেপি, কংগ্রেস, সিপিএম, যদিও খাতায়-কলমে সর্বভারতীয় দল। মাঠে ময়দানে নেই, হাওয়া...জিরো। এনসিপি জাতীয় দল। তেমন তৃণমূলও সর্বভারতীয় দল। কিন্তু এদের মধ্যে পার্থক্য কী? যত রাজনৈতিক দল আছে সকলকে ইডি, সিবিআই দিয়ে একটু ধমকে চমকে ঘরে ঢুকিয়ে দিয়েছে। কিন্তু তৃণমূল বিশুদ্ধ লোহা। যত তাতাবে, যত পোড়াবে, যত প্রহার করবে, তত বিশুদ্ধ হবে। আমাকেও তো কত ধমকেছে, চমকেছে। দিল্লিতে ৯ ঘণ্টা জেরা করেছে। ভেবেছে কংগ্রেসের মতো বসে যাবে। কিন্তু আমরা বিশ্বাসঘাতকের দল নই।বিজেপি-কে ঝাঁঝালো আক্রমণ শানিয়ে তিনি বলেন, গোসাবা এবং খড়দহে উপনির্বাচন হচ্ছে তার কারণ তৃণমূলের সৈনিকরা ওই কেন্দ্রে জিতেছিলেন। কিন্তু মানুষের জন্য কাজ করতে গিয়ে কোভিডে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন। কিন্তু শান্তিপুর এবং দিনহাটায় উপনির্বাচন হচ্ছে কেউ সাংসদ থেকে মন্ত্রী হবেন বলে, নিজেদের রাজনৈতিক লালসা চরিতার্থ করবেন বলে মানুষের ভালবাসাকে প্রত্যাখ্যান করেছেন। ওঁরা সাংসদ হবেন, মন্ত্রী হবেন। তা হলে দাঁড়ালেন কেন? ভেবেছিলেন, বিজেপি ক্ষমতায় আসবে। ক্ষমতায় এলে মন্ত্রী হবেন।

অক্টোবর ২৫, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 24
  • 25
  • 26
  • 27
  • 28
  • 29
  • 30
  • ...
  • 54
  • 55
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

গুরুদ্বারের সামনেই সুখবীর বাদলকে কোপ! পেটে হামলার চেষ্টা, রক্তাক্ত প্রাক্তন উপ-মুখ্যমন্ত্রী

মহারাষ্ট্রের নন্দেদে অকালি দল প্রধান তথা পঞ্জাবের প্রাক্তন উপ-মুখ্যমন্ত্রী সুখবীর সিং বাদলের উপর আচমকা হামলার অভিযোগ উঠল। বৃহস্পতিবার একটি গুরুদ্বারে যাওয়ার সময় তাঁর উপর ছুরি নিয়ে হামলা করা হয় বলে জানা গিয়েছে। হামলায় হাতে চোট পেয়েছেন সুখবীর বাদল। তাঁকে রক্ষা করতে গিয়ে এক পুলিশকর্মীও আহত হয়েছেন।জানা গিয়েছে, নন্দেদের একটি গুরুদ্বারে যাওয়ার সময় ঘটনাটি ঘটে। গুরুদ্বারের সামনেই আচমকা এক ব্যক্তি সুখবীর বাদলের দিকে এগিয়ে এসে হামলা করার চেষ্টা করেন। অভিযোগ, হামলাকারী তাঁর পেটে আঘাত করার চেষ্টা করেছিলেন। তবে নিরাপত্তারক্ষী এবং পুলিশকর্মীদের তৎপরতায় বড় বিপদ এড়ানো সম্ভব হয়। হামলার সময় সুখবীর বাদলের হাতে চোট লাগে এবং তিনি রক্তাক্ত হন।ঘটনার পর দ্রুত তাঁকে নন্দেদের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তাঁর চিকিৎসা চলছে বলে জানা গিয়েছে। হামলার সময় তাঁর স্ত্রী তথা অকালি দলের সাংসদ হরসিমরত কৌর বাদলও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। ঘটনার পর সুখবীর বাদলকে ধরে নিয়ে যাওয়ার একটি ভিডিয়োও প্রকাশ্যে এসেছে। তাতে তাঁর ডান হাতে কাপড় বাঁধা দেখা যায়।হামলার ঘটনায় এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। তাঁর নাম যশপাল সিং বলে জানা গিয়েছে। তিনি নিহাঙ্গ শিখ বলে সূত্রের দাবি। হামলায় কৃপাণ ব্যবহার করা হয়েছিল বলেও জানা গিয়েছে। যশপাল সিং গত দুই বছর ধরে তখত শ্রী হাজুর সাহিব গুরুদ্বারে কাজ করছিলেন বলে সূত্রের খবর। তবে হামলার প্রকৃত কারণ কী, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।সুখবীর বাদলের উপর এই প্রথম হামলার চেষ্টা নয়। এর আগে ২০২৪ সালের ৪ ডিসেম্বর অমৃতসরের স্বর্ণমন্দিরের বাইরে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর চেষ্টা হয়েছিল। সেই ঘটনায়ও অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান তিনি। ঘটনাস্থল থেকেই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।ফলে নন্দেদের এই হামলার পর নতুন করে তাঁর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ঠিক কী কারণে সুখবীর বাদলকে লক্ষ্য করে হামলা করা হল এবং এর পিছনে অন্য কোনও পরিকল্পনা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

আগস্ট ১৩, ২০২৬
দেশ

ঝাড়খণ্ডে নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগে আগুন! ছ’শো বিক্ষোভকারীর বিরুদ্ধে মামলা, আরও পাঁচশো আটক

সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ ঘিরে ঝাড়খণ্ডে আন্দোলনের আঁচ আরও বাড়ল। গত সোমবার বিধানসভা অভিযানের পর বৃহস্পতিবার ৬০০ বিক্ষোভকারীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। তাঁদের মধ্যে ১০০ জনের নাম এফআইআরে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আরও প্রায় ৫০০ বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে বলেও খবর।গত প্রায় ২০ দিন ধরে নিয়োগ পরীক্ষায় স্বচ্ছতার দাবিতে আন্দোলন করছেন ঝাড়খণ্ডের তরুণ প্রজন্ম। রাঁচির জয়পাল সিং মুন্ডা স্টেডিয়ামে জেপিএসসি-জেএসএসসি সংস্কার মঞ্চ-এর ব্যানারে চলছে লাগাতার বিক্ষোভ। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, সরকারি চাকরির একাধিক নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম হয়েছে। তাঁদের দাবি, অভিযোগ ওঠা পরীক্ষাগুলি বাতিল করতে হবে এবং পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনতে হবে।আন্দোলনকারীরা নিরপেক্ষ তদন্তেরও দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের প্রস্তাব, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা অথবা ঝাড়খণ্ডের বাইরের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের নিয়ে একটি বিশেষ প্যানেল তৈরি করে অভিযোগের তদন্ত করা হোক। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার বার্তাও দিয়েছেন তাঁরা।সোমবার বিধানসভা অভিযানের সময় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিক্ষোভকারীদের মিছিল আটকাতে পুলিশ লাঠিচার্জ, জলকামান এবং কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে বলে অভিযোগ। এর পরেই রাজ্য রাজনীতিতে বিষয়টি নিয়ে চাপানউতোর শুরু হয়। পুলিশের পদক্ষেপের প্রতিবাদে বিজেপি রাজ্যজুড়ে বন্ধের ডাক দেয়।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রঘুবর দাসও আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়িয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। দাবি পূরণ না হলে অনশনের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি ২০২৪ সালে আবগারি কনস্টেবল পদের শারীরিক পরীক্ষায় মৃত্যু হওয়া ১৯ জন চাকরিপ্রার্থীর পরিবারকে আর্থিক সাহায্য দেওয়ার দাবিও তুলেছেন।এই ইস্যুতে বিজেপির ছাত্র সংগঠনও আন্দোলনে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ এখন শুধু ঝাড়খণ্ডের রাজনীতিতেই সীমাবদ্ধ থাকছে না, জাতীয় স্তরেও বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক চাপ তৈরি হচ্ছে।অন্যদিকে আন্দোলনকারীদের উপর পুলিশের পদক্ষেপ নিয়ে জোট সরকারের শরিক কংগ্রেসের মধ্যেও অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। পুলিশের লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহারের সমালোচনা করেছেন রাহুল গান্ধী। একই সঙ্গে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বিজেপির ছাত্র সংগঠন আন্দোলনকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।সব মিলিয়ে সরকারি চাকরির নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ ঘিরে ঝাড়খণ্ডে আন্দোলন ক্রমেই বড় আকার নিচ্ছে। এক দিকে পড়ুয়া ও চাকরিপ্রার্থীদের আন্দোলন, অন্য দিকে পুলিশের মামলা এবং বিরোধীদের চাপসব মিলিয়ে হেমন্ত সোরেন সরকারের উপর রাজনৈতিক চাপও বাড়ছে।

আগস্ট ১৩, ২০২৬
দেশ

‘আপনারা না পারলে আমরা করে দেখাব’, প্যাকেটজাত খাবার নিয়ে কেন্দ্রকে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের

প্যাকেটজাত খাবারে চিনি, নুন এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ বেশি হলে তার গায়ে স্পষ্ট স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা থাকা উচিতএই বিষয়টি ফের মনে করিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট। এ নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের গড়িমসি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে শীর্ষ আদালত। এমনকি কর্পোরেট সংস্থাগুলির চাপের কারণে বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্র বা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা নরম মনোভাব দেখাচ্ছে কি না, সেই প্রশ্নও উঠেছে।একটি জনস্বার্থ মামলার শুনানিতে বৃহস্পতিবার এই বিষয়ে কড়া মন্তব্য করেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জে পি পার্দিওয়ালা এবং বিচারপতি কে বিনোদ চন্দ্রনের বেঞ্চ। আদালতের বক্তব্য, বিষয়টির সঙ্গে সরাসরি সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য জড়িত। তাই কোনও শিল্পগোষ্ঠীর চাপের কারণে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত প্রভাবিত হওয়া উচিত নয়।মামলাকারীর পক্ষ থেকে আদালতে অভিযোগ করা হয়, প্যাকেটজাত খাদ্যপণ্যের গায়ে স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা দেওয়ার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শিল্পমহলের আপত্তি রয়েছে। সেই কারণেই খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করছে না বলে অভিযোগ করা হয়। মামলাকারীর আইনজীবী আরও জানান, গত ৭ মার্চ খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার বৈঠকে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, তা সুপ্রিম কোর্টের আগের নির্দেশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার পক্ষ থেকে অবশ্য শিল্পমহলের আপত্তির কথা আদালতে জানানো হয়। তাদের প্রস্তাব ছিল, প্যাকেটের গায়ে সরাসরি সতর্কবার্তা না দিয়ে প্রতিদিন কতটা অতিরিক্ত চিনি, নুন বা স্যাচুরেটেড ফ্যাট খাওয়া উচিত, সেই পরিমাণ উল্লেখ করা যেতে পারে।কেন্দ্রের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল ব্রিজেন্দর চাহার বিষয়টি আদালতে ব্যাখ্যা করেন। কেন্দ্রের যুক্তি ছিল, সতর্কবার্তা বাধ্যতামূলক করলে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। কারণ, দেশের বহু প্রচলিত খাবারেই ঐতিহ্যগত ভাবে চিনি ও নুনের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি থাকে।কেন্দ্রের এই যুক্তি শুনে আরও কড়া প্রশ্ন করেন বিচারপতিরা। তাঁদের বক্তব্য, সাধারণ মানুষকে সুস্থ রাখার বিষয়টি কি সরকারের অগ্রাধিকার নয়? বিশেষ করে শিশুদের স্বাস্থ্যের সঙ্গে যখন বিষয়টি জড়িত, তখন আরও সতর্ক হওয়া প্রয়োজন বলেই মত শীর্ষ আদালতের।আদালত স্পষ্ট করে জানায়, প্যাকেটজাত খাবারে অতিরিক্ত চিনি, নুন এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাটের বিষয়টি জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকার এবং খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার আরও সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন। ফলে প্যাকেটজাত খাবারের গায়ে স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা দেওয়ার বিষয়ে আগামী দিনে বড় সিদ্ধান্তের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ১৩, ২০২৬
দেশ

পাইলটের শরীরে নিষিদ্ধ মাদক? ৩০০ ফুট নীচে নেমে যাওয়া বিমানের ঘটনায় তদন্তে বড় তথ্য

ফুকেত থেকে দিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বিমানে আচমকা প্রায় ৩০০ ফুট উচ্চতা কমে যাওয়ার ঘটনায় তদন্তে নয়া মোড়। বিমানের পাইলটদের পরীক্ষার ফল নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। সরকারি সূত্র এবং সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিমানের প্রধান পাইলটের নিশ্চিতকরণমূলক পরীক্ষায় গাঁজার উপস্থিতি পাওয়া গিয়েছে। তবে ওই পরীক্ষার ফল এবং বিমানের উচ্চতা কমে যাওয়ার ঘটনার মধ্যে সরাসরি কোনও যোগ এখনও তদন্তকারীরা নিশ্চিত করেননি।৪ অগস্ট ফুকেত থেকে দিল্লির উদ্দেশে রওনা হয়েছিল বিমানটি। মাঝ আকাশে আচমকাই বিমানের উচ্চতা প্রায় ৩০০ ফুট কমে যায়। ঘটনায় যাত্রী ও কেবিনকর্মীদের কয়েক জন আহত হন। বিমানটি শেষ পর্যন্ত নিরাপদে দিল্লিতে অবতরণ করে।ঘটনার পর দুই পাইলটেরই বাধ্যতামূলক মাদক পরীক্ষা করা হয়। প্রধান পাইলটের প্রথম পরীক্ষার ফল নেতিবাচক ছিল না। সেই কারণে নমুনা নিশ্চিতকরণমূলক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। পরের পরীক্ষাতেও গাঁজার উপস্থিতি পাওয়ার দাবি সামনে এসেছে। দুই পাইলটকেই তদন্ত চলাকালীন উড়ান থেকে সরিয়ে রাখা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এর পাশাপাশি বিমানের যান্ত্রিক অবস্থাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। উড়ানের সময় একাধিক সতর্কবার্তা দেখা গিয়েছিল বলে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। হাইড্রলিক ব্যবস্থা, উড়ান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং স্বয়ংক্রিয় উড়ান ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত সমস্যার কথাও তদন্তে উঠে এসেছে। ফলে শুধু পাইলটের ভূমিকা নয়, বিমানের প্রযুক্তিগত বিষয়ও তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে।প্রধান পাইলট তদন্তকারীদের কাছে দাবি করেছেন, ব্যক্তিগত সমস্যার কারণে তাঁকে ঘুমের ওষুধ দেওয়া হয়েছিল। তাঁর বক্তব্য, সেই ওষুধের কারণেই পরীক্ষায় এমন ফল আসতে পারে। এই দাবি খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। বিমানে তাঁর আচরণ নিয়েও অভিযোগ উঠেছে। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কেবিনকর্মীরা তাঁর আচরণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন।ঘটনার গুরুত্ব বুঝে বিমান সংস্থার নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র। বিমান সংস্থাকে পরিচালনাগত নিরাপত্তার ক্ষেত্রে আরও দায়িত্বশীল হওয়ার কথাও জানানো হয়েছে বলে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে। একই সঙ্গে তদন্তে যে বা যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হবে, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বার্তাও দেওয়া হয়েছে।তবে বিমানের আচমকা উচ্চতা কমে যাওয়ার প্রকৃত কারণ এখনও চূড়ান্তভাবে জানা যায়নি। পাইলটের পরীক্ষার ফল, বিমানের প্রযুক্তিগত সমস্যা, উড়ানের তথ্য এবং ককপিটে ঠিক কী ঘটেছিলসব দিকই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও একটি কারণকে দুর্ঘটনার জন্য দায়ী করা ঠিক হবে না।

আগস্ট ১৩, ২০২৬
কলকাতা

এনআরএসে নয়, অন্য হাসপাতালে ময়নাতদন্ত! নার্সের মৃত্যু ঘিরে বড় সিদ্ধান্ত, কী জানাল স্বাস্থ্যদপ্তর?

এনআরএস হাসপাতালের শৌচালয় থেকে নার্সের দেহ উদ্ধারের ঘটনায় নতুন মোড়। মৃত নার্সের স্বামী ও পরিবারের দাবি মেনে এনআরএস হাসপাতালে ময়নাতদন্ত হবে না। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ফরেন্সিক বিভাগের প্রধানের নেতৃত্বে ময়নাতদন্ত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।বৃহস্পতিবার সকালে ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতালে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলার পর তিনি জানান, মৃতার স্বামী রাহুল দাস এবং পরিবারের পক্ষ থেকে অন্য হাসপাতালে ময়নাতদন্তের আবেদন জানানো হয়েছিল। সেই আবেদন মেনে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ফরেন্সিক বিভাগের প্রধানের নেতৃত্বে ময়নাতদন্ত হবে।নার্সের কীভাবে মৃত্যু হল, তা নিয়ে এখনই কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছতে চাইছে না স্বাস্থ্যদপ্তর। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে না আসা পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ নিয়ে কোনও অনুমান করা ঠিক হবে না। তাঁর কথায়, বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে অনুমানের জায়গা নেই। রিপোর্ট পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।ঘটনার তদন্তে আলাদা অভ্যন্তরীণ কমিটিও গঠন করা হয়েছে। এনআরএস হাসপাতাল এবং স্বাস্থ্যদপ্তরের উদ্যোগে তৈরি এই কমিটিতে হাসপাতালের ফরেন্সিক বিভাগের প্রধান, এমএসভিপি, নার্সিং সুপারিনটেনডেন্ট, পরিচ্ছন্নতা বিভাগের প্রতিনিধি-সহ একাধিক বিভাগের প্রধানদের রাখা হয়েছে। আগামী সাত দিনের মধ্যে ওই কমিটিকে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।বুধবার রাতে এনআরএস হাসপাতালের স্ত্রী রোগ বিভাগের এইচডিইউতে কর্মরত ওই নার্সের দেহ বিভাগেরই শৌচালয় থেকে উদ্ধার হয়। জানা গিয়েছে, রাত আটটা নাগাদ তিনি কাজে যোগ দিয়েছিলেন। রাত নটা নাগাদ এক রোগীকে পরিষেবা দেওয়ার পর শৌচালয়ে যান। এরপর দীর্ঘ সময় কেটে গেলেও তিনি ফিরে না আসায় সহকর্মীদের সন্দেহ হয়।এক জন জুনিয়র চিকিৎসক তাঁর খোঁজ শুরু করেন। শৌচালয়ের সামনে গিয়ে ডাকাডাকি করেও কোনও সাড়া পাওয়া যায়নি। পরে গ্রুপ ডি কর্মীদের ডেকে দরজা ভাঙা হয়। ভিতর থেকে নার্সকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। চিকিৎসকরা তাঁকে দ্রুত উদ্ধারের চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত তাঁকে বাঁচানো যায়নি।এরপর থেকেই নার্সের মৃত্যু ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কীভাবে তাঁর মৃত্যু হল, শৌচালয়ের ভিতরে ঠিক কী ঘটেছিল এবং মৃত্যুর আগে তাঁর শারীরিক বা মানসিক অবস্থার কী পরিস্থিতি ছিল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, শৌচালয় থেকে কিছু জিনিস উদ্ধার হয়েছে। সেগুলিও তদন্তের আওতায় থাকবে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে এবং ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ও অভ্যন্তরীণ কমিটির রিপোর্ট সামনে এলেই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ছবি পাওয়া যাবে।

আগস্ট ১৩, ২০২৬
দেশ

স্বাধীনতা দিবসের আগে রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্টে বিস্ফোরক তথ্য! লালকেল্লা ঘিরে কেন বাড়ল নিরাপত্তা?

স্বাধীনতা দিবসের আগে রাষ্ট্রপুঞ্জের একটি বিশেষ রিপোর্ট ঘিরে নতুন করে সতর্ক হয়েছে দিল্লি। ১৫ অগস্ট লালকেল্লায় প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের আগে ওই রিপোর্টে আল কায়দার ভারতীয় উপমহাদেশে নতুন করে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা নিয়ে একাধিক তথ্য উঠে এসেছে। রিপোর্ট সামনে আসার পর নিরাপত্তা সংস্থাগুলির তৎপরতাও বেড়েছে বলে জানা গিয়েছে।রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, বাংলাদেশে গোপন ঘাঁটি তৈরি করার চেষ্টা চালাচ্ছে আল কায়দার একটি শাখা। ভারতীয় উপমহাদেশে এই সংগঠনের কার্যকলাপ নিয়ে রিপোর্টে সতর্ক করা হয়েছে। সংগঠনটির নাম উল্লেখ করা হয়েছে আল কায়দা ইন দ্য ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্ট হিসেবে।রিপোর্ট অনুযায়ী, বড় কোনও সংগঠিত ইউনিট হিসেবে কাজ না করে ছোট ছোট বিচ্ছিন্ন দলের মাধ্যমে নিজেদের কার্যকলাপ বাড়ানোর চেষ্টা করছে এই গোষ্ঠী। বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ তৈরি, অর্থ সংগ্রহের ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো গড়ে তোলার চেষ্টা চলছে বলেও রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।বাংলাদেশে সংগঠনটির সম্ভাব্য তৎপরতা নিয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সেখান থেকে ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা হতে পারে কি না, তা নিয়েও নিরাপত্তা মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। রিপোর্টে সংগঠনটির সঙ্গে পাকিস্তানভিত্তিক একটি জঙ্গি গোষ্ঠীর যোগাযোগের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।গত বছর নভেম্বর মাসে লালকেল্লার বাইরে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছিল। সেই ঘটনায় অন্তত ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ওই হামলার সঙ্গে আল কায়দার যোগ থাকার তথ্যও রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্টে উঠে এসেছে বলে দাবি করা হয়েছে।স্বাধীনতা দিবসের আগে লালকেল্লায় প্রধানমন্ত্রীর ভাষণকে কেন্দ্র করে এমনিতেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। তার উপর রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্টে আল কায়দার নতুন করে সক্রিয় হওয়ার তথ্য সামনে আসায় নিরাপত্তা সংস্থাগুলির নজরদারি আরও বাড়তে পারে।রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, ছোট ছোট গোষ্ঠীর মাধ্যমে কাজ করায় সংগঠনটির প্রকৃত পরিধি চিহ্নিত করা কঠিন। অর্থ সংগ্রহ এবং বিভিন্ন ধরনের পরিকাঠামোগত সহযোগিতার মাধ্যমে ধীরে ধীরে নিজেদের শক্তি বাড়ানোর চেষ্টা চলছে বলে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে।স্বাধীনতা দিবসের আগে এই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসায় বিষয়টি নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। লালকেল্লায় প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা এবং ভারতীয় ভূখণ্ডে সম্ভাব্য জঙ্গি তৎপরতার বিষয়ে এখন নিরাপত্তা সংস্থাগুলি কী পদক্ষেপ করে, সেদিকেই নজর।

আগস্ট ১৩, ২০২৬
কলকাতা

আর জি করের ফাইল খুলতেই প্রথম গ্রেপ্তার! ওড়িশা থেকে পুলিশের জালে প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ

আর জি কর মামলার ফাইল নতুন করে খোলার পরই বড় পদক্ষেপ করল পুলিশ। এই মামলায় প্রথম গ্রেপ্তার হলেন পানিহাটির প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ। অভয়ার দেহ দ্রুত সৎকার এবং পরিবারের সদস্যদের সই ছাড়াই দেহ সৎকারের অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার সকালে ওড়িশা থেকে নির্মল ঘোষকে গ্রেপ্তার করা হয়। আর জি কর কাণ্ডের পর নিহত তরুণী চিকিৎসকের দেহ তড়িঘড়ি সৎকার করে প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছিল। পরিবারের সদস্যদের সই ছাড়াই দেহ সৎকার করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে।এই ঘটনা নিয়ে সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সরব হয়েছিলেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, অভয়ার দেহ দ্রুত সৎকার করে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা করা হয়েছিল। এমনকি দেহ সৎকারের খরচও পরিবারের কাছ থেকে নেওয়া হয়নি বলে তিনি দাবি করেন।এই ঘটনায় পানিহাটির প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষের পাশাপাশি ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সোমনাথ দে এবং প্রাক্তন কাউন্সিলর সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়ের নামও সামনে এসেছিল। গত সোমবার খড়দা থানায় তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন অভয়ার বাবা। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ তদন্ত শুরু করে।তদন্তের মধ্যেই বৃহস্পতিবার সকালে ওড়িশা থেকে নির্মল ঘোষকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁকে রাজ্যে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত অথবা শুক্রবার সকালে তাঁকে রাজ্যে নিয়ে আসা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।এর আগে ৯ অগস্ট আর জি কর কাণ্ডে নিহত তরুণী চিকিৎসকের দেহ দ্রুত সৎকারের অভিযোগের তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সেই সময় থেকেই বিষয়টি নিয়ে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়। পরিবারের সই ছাড়া কীভাবে দেহ সৎকার করা হয়েছিল এবং ওই প্রক্রিয়ায় কারা যুক্ত ছিলেন, তা তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে।নির্মল ঘোষের পরিবারের বিরুদ্ধেও এর আগে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। গত ১৩ জুলাই তাঁর ছেলে তীর্থঙ্কর ঘোষকে তোলাবাজি-সহ একাধিক অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। নির্মল ঘোষের নাম লটারিকাণ্ডের সঙ্গেও জড়িয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।নির্মল ঘোষের গ্রেপ্তারির পর আর জি কর মামলার তদন্তে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। অভয়ার দেহ সৎকারের ঘটনায় আর কারা জড়িত ছিলেন এবং পুলিশের তদন্তে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, এখন সেদিকেই নজর।

আগস্ট ১৩, ২০২৬
রাজ্য

স্বপ্ন ছিল পাক আর্মিতে যোগ দেওয়ার! আইএসআইএয়ের এজেন্ট হয়ে কত বার ভারতে এসেছিল পাক জঙ্গি

বেঙ্গল এসটিএফের হাতে গ্রেফতার রানা রউফ ওরফে ওয়াহাব আলমকে জেরা করে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসছে। তদন্তকারীদের দাবি, রানা মোট পাঁচ বার ভারতে এসেছিল। প্রতিবারই কলকাতায় এসে তিলজলায় ইজাজের বাড়িতে থাকত বলে জানা গিয়েছে। ২০১৪, ২০১৮, ২০২২ এবং ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে তার কলকাতায় আসার তথ্য পেয়েছেন তদন্তকারীরা।এসটিএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, ভারতে আসার পর ভুয়ো পরিচয়ে একাধিক সরকারি নথি তৈরি করেছিল রানা। ইজাজের বাবা যুবের আলমকে নিজের বাবা বলে পরিচয় দিয়ে ভোটার কার্ড তৈরি করা হয় বলে অভিযোগ। পরে সেই পরিচয়ের ভিত্তিতেই প্যান কার্ড এবং আধার কার্ডও তৈরি করা হয়েছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি।জেরায় রানা জানিয়েছে, ছোটবেলা থেকেই পাকিস্তান সেনায় চাকরি করার ইচ্ছা ছিল তার। কিন্তু শারীরিক সমস্যার কারণে সেই স্বপ্ন পূরণ হয়নি। এরপর পাকিস্তান সেনা এবং আইএসআইয়ের সঙ্গে তার যোগাযোগ তৈরি হয় বলে তদন্তকারীদের দাবি। সেই যোগাযোগের সূত্রেই সে গুপ্তচরবৃত্তির কাজে যুক্ত হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।তদন্তকারীরা আরও জানতে পেরেছেন, পাকিস্তানের পঞ্জাব প্রদেশে ক্যারাটের প্রশিক্ষণ নিয়েছিল রানা। পাশাপাশি কাঠমান্ডুতেও তার ব্যবসা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেখানেই একটি মসজিদে ইজাজের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরে সেই পরিচয় বন্ধুত্বে গড়ায়। অভিযোগ, ইজাজের সাহায্যেই কাঠমান্ডু থেকে ভারতে ঢুকত রানা।প্রথম বার কলকাতায় আসার সময় রানার কাছে কোনও ভারতীয় পরিচয়পত্র ছিল না বলে জানা গিয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, বিহারের রক্সৌল সীমান্ত দিয়ে চোরাপথে ভারতে প্রবেশ করত সে। পাঁচ বার ভারতে আসার সময়ই একই পথ ব্যবহার করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। প্রতিবার কাঠমান্ডু থেকে ইজাজই তাকে ভারতে নিয়ে আসত বলে জানা গিয়েছে।সম্প্রতি ভোটার তালিকা সংশোধনের সময় রানাকে ডেকেছিলেন বুথ স্তরের আধিকারিক। কিন্তু সে হাজির না হওয়ায় ভোটার তালিকা থেকে তার নাম বাদ যায় বলে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন। ইজাজ রানার পাকিস্তানি পরিচয় সম্পর্কে জানত কি না, তা-ও তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে। অভিযোগ, পরিচয় জানার পরেও ইজাজ তাকে নিজের বাড়িতে থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছিল।রানার গতিবিধি নিয়েও তদন্তকারীদের হাতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এসেছে। ফোর্ট উইলিয়াম ছাড়াও ব্যারাকপুর ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় সে ঘোরাফেরা করেছিল বলে জানা গিয়েছে। ওই সব জায়গার ছবি ও ভিডিয়ো তুলে সেগুলি বিদেশে থাকা সন্দেহভাজন যোগাযোগের কাছে পাঠানো হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।ভুয়ো পরিচয়ে ভোটার কার্ড তৈরি করার পর একাধিক সিম কার্ড সংগ্রহ করেছিল রানা বলেও অভিযোগ। ওই সিম ব্যবহার করেই সে বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ রাখত বলে তদন্তকারীদের দাবি। তার যোগাযোগের জাল কত দূর পর্যন্ত ছড়িয়েছিল, তা জানতে ফোন ও অন্যান্য নথি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তদন্তকারীদের দাবি, গ্রেফতারের আগে বাংলাদেশের পথে পাকিস্তানে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল রানার। বনগাঁ সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকে সেখান থেকে পাকিস্তানে যাওয়ার ছক ছিল বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু সীমান্ত পেরোনোর আগেই এসটিএফের হাতে গ্রেফতার হয় সে। এখন রানা ও তার সহযোগীদের মাধ্যমে আর কারা এই কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিল, সেটাই খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

আগস্ট ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal