• ২০ বৈশাখ ১৪৩৩, সোমবার ০৪ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bike

কলকাতা

ফিরে এল পাঁচ বছর আগের স্মৃতি! তৃণমূল কর্মীর বাইকে সওয়ার হলেন মুখ্যমন্ত্রী

প্রায় পাঁচ বছর আগে পেট্রল ও ডিজেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে বৈদ্যুতিক স্কুটারে চড়ে নজর কেড়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই ছবি ফের যেন ফিরে এল এবারের ভোট প্রচারে। শনিবার বিকেলে উত্তর ২৪ পরগনার দমদম উত্তর কেন্দ্রে রোড শো করতে গিয়ে হঠাৎই দলীয় কর্মীর বাইকে চড়ে প্রচার সারলেন তিনি।দমদম উত্তরের তৃণমূল প্রার্থী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের সমর্থনে এদিন বিরাটির বণিক মোড় থেকে বিরাটি মোড় পর্যন্ত রোড শো ছিল মুখ্যমন্ত্রীর। প্রথমে তিনি গাড়িতে করে বিরাটি মিনি বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছন। তারপর কিছুটা রাস্তা হেঁটে এগোন। এরপর আচমকাই এক দলীয় কর্মীর বাইকে উঠে পড়েন তিনি। বাইকে চড়েই বাকি পথ পাড়ি দেন এবং সেইভাবেই জনসংযোগ করেন।এই দৃশ্য দেখে রাস্তার দুপাশে ভিড় জমে যায়। সাধারণ মানুষ ও সমর্থকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস চোখে পড়ে। অনেকেই বলছেন, এইভাবেই সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে যাওয়াই মুখ্যমন্ত্রীর আলাদা পরিচয়।দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে প্রচার জোরকদমে চলছে। তৃণমূল নেতৃত্ব একাধিক জেলায় ঘুরে ঘুরে প্রচার করছেন। কখনও হুগলি, কখনও উত্তর ২৪ পরগনা, আবার সন্ধ্যায় কলকাতাএভাবেই টানা কর্মসূচিতে ব্যস্ত রয়েছেন তাঁরা। তারই মাঝে এই বাইক যাত্রা নতুন করে চর্চার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।উল্লেখ্য, একুশ সালের আগে পেট্রোলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন যে তিনি গাড়ি নয়, বৈদ্যুতিক স্কুটারে করে নবান্নে যাবেন। সেই মতো কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের স্কুটিতে চড়ে তিনি নবান্নে পৌঁছেছিলেন। এবার আবার ভোটের মাঝেই বাইকে চড়ে প্রচারে নামায় সেই পুরনো ঘটনার স্মৃতি উসকে দিল।

এপ্রিল ২৫, ২০২৬
রাজ্য

বারুইপুরে রেসিং বাইকের ধাক্কায় মর্মান্তিক মৃত্যু পথচারীর

দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে রেসিং বাইকের ধাক্কায় মৃত্যু হল এক পথচারীর। পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতের নাম জয়ন্ত মন্ডল (৫০)। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বারুইপুর থানার অন্তর্গত বিশালক্ষী তলা এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন জয়ন্তবাবু। সেই সময় পিছন দিক থেকে বেপরোয়া গতিতে ছুটে আসে একটি রেসিং বাইক। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধাক্কা মারে ওই পথচারীকে। প্রবল আঘাতে তিনি রাস্তায় ছিটকে পড়ে যান। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে তড়িঘড়ি বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।অভিযোগ, দুর্ঘটনার পর বাইকচালক পালানোর চেষ্টা করে। কিন্তু স্থানীয়রা সক্রিয় হয়ে তাঁকে ঘাতক বাইকসহ ধরে ফেলে এবং পুলিশের হাতে তুলে দেয়। পরে বারুইপুর থানার পুলিশ বাইকচালককে আটক করে। বর্তমানে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।অকস্মাৎ মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। প্রতিবেশীরা জানান, জয়ন্তবাবু শান্ত স্বভাবের মানুষ ছিলেন। রোজকার মতো বাজার সেরে ফিরছিলেন, তখনই ঘটে যায় এই দুর্ঘটনা। স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই এলাকায় প্রায়ই বেপরোয়া বাইক দৌড় চলে। প্রশাসন এ বিষয়ে কড়া পদক্ষেপ নিলে এ ধরনের ঘটনা রোখা সম্ভব হবে বলে দাবি তাঁদের।এই মর্মান্তিক ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে রাস্তায় রেসিং বাইকের দৌরাত্ম্য নিয়ে। পুলিশের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, দুর্ঘটনার নেপথ্যে কারও গাফিলতি ধরা পড়লে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৫
দেশ

হাওড়া-বেঙ্গালুরু দুরন্তের সঙ্গে দেউলটি–কোলাঘাটে বাইকের সংঘর্ষ, অল্পের জন্য রক্ষা পেল শতাধিক যাত্রী

শুক্রবার দুপুরে হাওড়া-বেঙ্গালুরু দুরন্ত এক্সপ্রেসে চাঞ্চল্যকর দুর্ঘটনা। দেউলটি ও কোলাঘাট স্টেশনের মাঝপথে হঠাৎই রেললাইনে উঠে আসা একটি মোটরবাইকের সঙ্গে ধাক্কা খায় ট্রেন। অল্পের জন্য রক্ষা পান শতাধিক যাত্রী।চোখের সামনে দৃশ্যটা ছিল শিউরে ওঠার মতো। বেলা সাড়ে ১১টার পর এক বাইক আরোহী নির্ধারিত লেভেল ক্রসিং এড়িয়ে সরাসরি লাইনের ওপর দিয়ে পার হচ্ছিলেন। আচমকাই বাইক আটকে যায় রেলের মাঝে। ঠিক তখনই দ্রুতগতিতে আসে হাওড়া-বেঙ্গালুরু দুরন্ত এক্সপ্রেস। মুহূর্তের মধ্যে বাইকটিকে ধাক্কা মারে ট্রেন। স্ফুলিঙ্গ বেরোতে দেখা যায় সংঘর্ষে। আতঙ্কে যাত্রীরা চিৎকার শুরু করেন। তবে সৌভাগ্যবশত ট্রেনের ইঞ্জিনে বড় কোনও ক্ষতি হয়নি।সংঘর্ষের পর ট্রেন প্রায় এক ঘণ্টা থেমে থাকে। ইঞ্জিনিয়াররা জরুরি পরীক্ষা চালান। দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে পুনরায় গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা দেয় দুরন্ত। যাত্রীরা খানিকটা স্বস্তি পেলেও আতঙ্ক কাটেনি।স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই এলাকায় নজরদারির অভাব রয়েছে। বহু জায়গায় রেল ফেন্সিং ভাঙা বা অকার্যকর। প্রতিদিনই অবৈধ পারাপার হয়, অথচ রেলওয়ে কড়া ব্যবস্থা নেয় না। একজন যাত্রী ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, এভাবে বাইক নিয়ে লাইনে ওঠা মানে শত যাত্রীর জীবন নিয়ে খেলা। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, এতবছর দেশে শতাধিক দুর্ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে রেললাইনে অবৈধ পারাপার। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ সচেতনতা কর্মসূচি ও জরিমানার ব্যবস্থা চালু করলেও বাস্তবে কার্যকারিতা খুব সীমিত।দক্ষিণ-পূর্ব রেলওয়ের সূত্রে খবর, এই ঘটনা ভয়াবহ বিপর্যয় ডেকে আনতে পারত। বাইক বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আরপিএফ ও জিআরপি ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে। দেউলটি-কোলাঘাটের এই অঘটন আবারও চোখে আঙুল দিয়ে দেখালরেললাইনে অবৈধ পারাপার কেবল বিপজ্জনকই নয়, একেকটা মুহূর্তে তা শত শত প্রাণের জন্য মৃত্যুফাঁদে পরিণত হতে পারে। এখনই কঠোর পদক্ষেপ না নিলে আগামী দিনে ঘটতে পারে ভয়াবহ বিপর্যয়।

আগস্ট ২৯, ২০২৫
রাজ্য

এভাবেও স্বপ্ন সত্যি হয়! ১০ টাকার কয়েন জমিয়ে মোটরবাইক কিনলেন লটারি বিক্রেতা

ভাবতেও যেন ভাললাগা আছে। লক্ষ্য স্থির থাকলে তা পূরণ হবেই। নিজের স্বপ্নকে সত্যি করলেন এক লটারি বিক্রেতা। এক বছর ধরে দশ টাকার কয়েন জমিয়ে লক্ষধিক টাকার বিনিময়ে কিনে ফেলেছেন একটি মোটরবাইক। লটারি বিক্রেতার স্বপ্ন বাস্তবায়নের খবর ছড়িয়ে পরতেই ভিড় জমে বীরভূমের মল্লারপুরের হিরো গাড়ির শো-রুমে। অবশ্যই লটারি বিক্রেতার স্বপ্নকে বাস্তবে রুপ দিতে এগিয়ে এসেছেন শো-রুমের কর্ণধার টুটুল মণ্ডল।জানা গিয়েছে, ভারতের তামিলনাড়ুতে দশ টাকার কয়েন জমিয়ে চার চাকার গাড়ি কিনে তাক লাগিয়েছিলেন এক যুবক। নদিয়ার এক যুবক এভাবে কয়েন জমিয়ে দেড় লক্ষ টাকা দিয়ে বাইক কিনেছিলেন। এবার বাংলার বীরভূমের রামপুরহাট থানার চাকপাড়া গ্রামের যুবক লটারি বিক্রেতা তাপস লেট। লটারি বিক্রেতা তাপস লেট জানান, লটারি বিক্রি করতে গিয়ে প্রতিদিন বেশ কিছু ৫ ও ১০ টাকার কয়েন দিতেন। তখনই মনে হয়েছিল ১০ টাকার কয়েন জমিয়ে একটি মোটরবাইক কিনব। সেই মতো স্বপ্ন দেখতে শুরু করি। জমাতে শুরু করি কয়েন। সেই স্বপ্ন এতদিনে বাস্তবে রুপ দিতে পারলাম। খুব ভালো লাগছে পছন্দের গাড়ি কিনতে পেরে।বীরভূমের মল্লারপুরের বাহিনা মোড়ের জয় জগন্নাথ হিরো শো-রুমে থেকে মোটরসাইকেল কেনেন তাপস। শো-রুমের কর্ণধার টুটুল মণ্ডল বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে তাপস আমাদের শো-রুমে ফোন করছিলেন। জানিয়েছিলেন লাল রঙের হিরো গ্ল্যামার ক্লাসিক গাড়ি নেবেন। কিন্তু টাকা নিতে হবে সব দশ টাকার কয়েন। প্রথমে লক্ষাধিক টাকার কয়েন নিতে অস্বীকার করি। তাপস ফের জানায় এটা তার স্বপ্ন। এরপরেই তার স্বপ্নকে বাস্তবে রুপ দিতে কয়েন নিতে ইচ্ছে প্রকাশ করি। এরপরেই হাসি মুখে ঝোলা ভর্তি করে দশ টাকার কয়েন নিয়ে শো রুমে হাজির তাপসবাবু

নভেম্বর ৩০, ২০২৩
রাজ্য

১২টি মোটর বাইক সহ তিন দুস্কৃতিকে গ্রেফতার করলো আউসগ্রাম থানার পুলিশ

গোপন সূত্রে খবর শনিবার আউসগ্রাম থানার পুলিশ আউসগ্রামের ভালকি এলাকা থেকে একটি চোরাই মোটরসাইকেল সহ এক দুস্কৃতিকে আটক করে। ধৃতের বাড়ি গলসি এলাকায় হলেও সে আউসগ্রামের ভালকি অঞ্চলে থাকতো বলে পুলিশ জানিয়েছে।রবিবার এক সাংবাদিক বৈঠকে একথা জানান জেলা পুলিশের ডিএসপি ডিএনটি বীরেন্দ্র কুমার পাঠক। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও দুই দুস্কৃতিকে গ্রেফতার করে আউসগ্রাম থানার পুলিশ। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পূর্ব বর্ধমান ও বীরভূমের বিভিন্ন জায়গা থেকে মোট ১২ টি মোটর সাইকেল উদ্ধার করে আউসগ্রাম থানার পুলিশ। তদন্তের স্বার্থে এখনই ধৃতদের নাম পরিচয় জানায়নি পুলিশ।ধৃতদের ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজত চেয়ে আদালতে পেশ করা হয়েছে। এদের হেফাজতে নিয়ে আরও চোরাই বাইক উদ্ধার হওয়ার সম্ভাবনা আছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

অক্টোবর ৩০, ২০২২
রাজ্য

ডাম্পার ও বাইকের দুর্ঘটনায় বর্ধমানের জামালপুরে মৃত্য হল এক যুবকের

মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল বাইক আরোহীর। ঘটনা কে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের থানা মোড় সংলগ্ন এলাকায়। বেপরোয়া ডাম্পারের ধাক্কা মোটরসাইকেলে। আরোহী ছিটকে পড়েন রাস্তায়। তারপরেই ডাম্পারের চাকায় পিষ্ঠ হয়ে মর্মান্তিক পরিনতি বলে প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে জানা গেছে। ঘাতক ডাম্পারটিকে আটক করেছে পুলিশ। চালক ও খালাসি পলাতক। মৃত বাইক আরোহীর নাম উজ্জ্বল কোটাল। বয়স ২৩ বছর। বাড়ি হুগলীর খানাকুলের রঘুনাথপুর এলাকায়। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে পুলিশ বর্ধমান মর্গে।জানা গেছে, সুজিপুর থেকে জামালপুর হয়ে খানাকুল ফিরছিলেন উজ্জ্বল কোটাল বাইকে। সে সময় জামালপুর নেতাজী মাঠ এলাকায় থানা মোড় সংলগ্ন রাস্তায় বেপরোয়া ডাম্পার পিছন থেকে বাইকে ধাক্কা মারলে বিপত্তি ঘটে। কিছুক্ষণের জন্য মেমারী তারকেশ্বর রাস্তায় ব্যহত হয় যান চলাচল। জামালপুর থানার পুলিশ দ্রুত হাজির হয় ঘটনাস্থলে। ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয় পরিস্থিতি। ঘাতক ডাম্পারের চালক খালাসি র খোঁজ চলছে ।

অক্টোবর ২৮, ২০২২
রাজ্য

দামোদরের জলস্তর হটাৎ বৃদ্ধি হওয়ায়, অল্পের জন্য প্রান বাঁচল দুই যুবকের

দামোদর নদের জল হটাৎ বাড়ায় অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলো দুই যুবক। ঘটনা টি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের রায়না ২ নম্বর ব্লকের হিজলনার বামুনিয়া ফেরিঘাটে। বেশ কয়েকদিনের বৃষ্টিতে জল বেড়েছে দামোদর নদের। কিন্তু শনিবার বিকেলে হঠাৎ করেই জলস্তর বেড়ে যায়। ফেরিঘাট পারাপারের সময় বাঁশের অস্থায়ী সেতু জলের তোড়ে ভেঙে যাওয়ার কারণেই ঘটে বিপত্তি। তিন কিলোমিটার মোটরবাইক নিয়ে ভাসমান অবস্থায় যাওয়ার পর, ফেরি ঘাটের মালিক ও স্থানীয় মানুষজন নৌকা নিয়ে ওই দুই যুবককে উদ্ধার করেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকা জুড়ে চঞ্চল্য ছড়ায়।উল্লেখ্য প্রতি বছরই বর্ষার আগেই এই আস্থায়ী সেতু গুলো ভেঙ্গে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয় ফেরী ঘাট গুলিকে, আবার অক্টোবরের শেষের দিকে সরকারি অনুমতি নিয়ে সেতু গুলি পুনঃনির্মান করা হয়। এখন স্থানীয় মানুষজনের প্রশ্ন স্ম্যসীমা পেরিয়ে যাওয়ার পরও সেতু চালু ছিলো কি করে? দামোদর ভ্যালী কর্তৃপক্ষ দুর্গাপুর ব্যারাজ থেকে জল ছাড়ার আগে দামোদর উপকুলবর্তি সকল ব্লক ও গ্রাম পঞ্চায়েত গুলিকে নোটিশ করে। সেক্ষেত্রে এই ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার পিছনে দায়িত্বে অবহেলাকেই প্রথমিক কারন হিসাবে ধরা হচ্ছে।

আগস্ট ২১, ২০২২
রাজ্য

মানবিক মুখ সরকারি আধিকারিকের, অঙ্গহানি থেকে রক্ষা দুর্ঘটনাগ্রস্তের

স্বাস্থ্য সাথী কার্ড নিয়ে রাজ্য জুড়ে নানাবিধ অভিযোগে বিদ্ধ রাজ্যের সরকার, কখনো অভিযোগের তীর বেসরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দিকে তো, কখনো সরকারি কর্মচারীদের দিকে। কয়েকদিন আগেই পুর্ব-বর্ধমান জেলার জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা এক বেসরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য সাথী সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগ পেয়ে নিজে সরজমিনে তদন্তে যান। আবার উল্টো চিত্রও দেখা যাচ্ছে পুর্ব-বর্ধমান জেলার বর্ধমান-১ ব্লকে। বর্ধমান-১ ব্লকের বিডিও অভিরুপ ভট্টাচার্য তাঁর সামাজিক মাধ্যমে জানান, রায়ান-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের নাড়ানদিঘী গ্রামের বাসিন্দা এক প্রতিবন্ধী মা শিখা মণ্ডল তাঁর কাছে কাতর আবেদন নিয়ে আসেন যে, ওঁর পুত্র রণজিৎ মণ্ডল মোটরবাইক দুর্ঘটনায় একটি হাত (বাম হাত) গভীর ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। যদি সঠিক সময়ে অপারেশন না করা যায় তাহলে হয়ত তাঁর হাত টি শরীর থেকে বাদ দিতে হবে।আরও পড়ুনঃ বর্ধমান বিষমদকাণ্ডে মৃত্যু বেড়ে ৮অভিরুপ ভট্টাচার্য খোঁজ নিয়ে জানেন যে সঞ্চিতা মণ্ডলের পরিবারের কোনও স্বাস্থ্য সাথী কার্ড নেই। তিনি কালবিলম্ব না করে নিজে উদ্যোগ নিয়ে জেলা স্বাস্থ্য সাথী দপ্তরের সাথে যোগাযোগ করেন। এবং জেলা স্বাস্থ্য সাথী দপ্তর পরিস্থিতি গুরুত্ব পর্যালোচনা করে মাত্র ২ ঘণ্টার মধ্যে পরিচয়পত্র ক্ষতিয়ে দেখে ইউ আর এন জেনারেট করে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড বিডিও-র হাতে তুলে দেন এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন যাতে তাঁরা যেন স্বাস্থ্য সাথী কার্ডের মাধ্যমে দুর্ঘটনায় আহত রঞ্জিত মণ্ডলের অপারেশন অতি বিলম্বে শুরু করেন।সোশ্যাল পোস্ট ও স্বাস্থসাথী কার্ডরণজিৎ মণ্ডলের স্ত্রী সঞ্চিতা মণ্ডল জনতার কথা কে জানান, বিডিও সাহেব না থাকলে হয়ত আমার স্বামীর হাত ফিরে পেতো না, আমার তরফে তাঁকে অনেক ধন্যবাদ। তিনি যে ভাবে নিজে দায়িত্ব নিয়ে আমাদের সাহায্য করলেন, সারাজীবন আমরা তাঁর কথা মনে রাখবো। সোমবার তিনি যখন জনতার কথা র সাথে কথা বলছিলেন তখন রণজিৎ মণ্ডলের বাম হাতের সেলাই কাটা হচ্ছিল। সঞ্চিতা জানান, ডাক্তার বাবু বললেন এই মুহুর্তে আমার স্বামী বিপদমুক্ত, কিন্তু আগামী ছয় মাস কোনও রকম কাজ সেই হাতে করতে পারবেন না। আমরা চিন্তায় আছি আমার স্বামী রাজমিস্ত্রী-র কাজ করে, সেই একমাত্র বাড়িতে কাজের মানুষ। তিনি আরও জানান, স্বাস্থ্য সাথী কার্ড না থাকার জন্য আমি বা আমার শাশুড়ি কেউই লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পের অনুদান পায় না।আরও পড়ুনঃ আপনি কি বিছানার চাদরের নিচে সাবান রেখে শুচ্ছেন? একটু চেষ্টা করে দেখুনঅভিরুপ ভট্টাচার্য তাঁর সামাজিক মাধ্যমে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড দপ্তরের সাথে জড়িত ব্লক অফিস ও জেলার সকল সহকর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি তাঁর সামাজিক মাধ্যমে আরও জানিয়েছেন আক্রমনাত্মক ভাবে, সক্রিয় থেকে, দৃঢ় পদক্ষেপে সঠিক পথে সামান্য চেষ্টা করলে, অনেক ভাল জিনিস ঘটতে পারে। তিনি জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীর বক্তব্য উল্লেখ করে লিখেছেন আপনি অন্যদের মধ্যে যে পরিবর্তন দেখতে চাইছেন সেটা আগে নিজের মধ্যে আনুন।

জুলাই ১১, ২০২২
রাজ্য

মাছ নয়, দিঘির জল থেকে উদ্ধার হল আস্ত একখানি মোটরবাইক

মাছ নয়, দিঘির জল থেকে উদ্ধার হল আস্ত একখানি মোটরবাইক। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষ ব্লকের আমরাল দিঘী এলাকায়। দীঘিতে মাছ ধরার জন্য জাল টানা হলে দিঘির জলে কোথাও একটা জায়গায় বারবার জাল আটকে যেত। শনিবার ফের জাল নামানোর আগে দিঘির চাষিরা নিজেরা জলের তলায় সেই জায়গাটিতে নেমে দেখেন কেন বারবার এই জায়গায় জাল আটকে যায়। তারপর তারা দেখেন কোন একটা ভারী বস্তু জলের তলায় পড়ে রয়েছে। চাষীরা সেই বস্তুটি সঙ্গে রসার দড়ি বেঁধে জলের তলা থেকে দিঘির পারে টেনে তোলে দেখেন আস্ত একটি মোটর বাইক জলের তলায় পড়েছিল। সঙ্গে সঙ্গে চাষিরা খণ্ডঘোষ থানায় খবর দেন, খণ্ডঘোষ থানার পুলিশ মোটরবাইকটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যান। তবে কিভাবে জলের তলায় মোটরবাইক এল, কেনই বা এল, সেই বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে খণ্ডঘোষ থানার পুলিশ।লকাই ঘোষ বলেন, মোটর বাইকটি কেন দিঘীর জলে ফেলে দিল তা নিয়ে রহস্য উন্মোচন হওয়া দরকার। স্থানীয় বাসিন্দা কৌশিক ঘোষ বলেন, পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। এখন দেখার বিষয় বাইকটি কার নামে আছে।তবে গ্রামের বাসিন্দাদের ধারণা এটা চোরাই বাইক।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২২
রাজ্য

পকেটে ড্রাইভিং লাইন্সেন্স না থাকলে ৫,০০০ টাকা ফাইন, ভুল করলেই হাজার হাজার টাকা জরিমানা

২০১৯ এ কেন্দ্রীয় সরকার যে মোটর ভিকেল আইন সারা দেশে লাগু করেছিল, পশ্চিমবঙ্গ সরকার সাধারণ মানুষের ঘাড়ে করের বোঝা লঘু করার জন্য সে নিয়ম তখন এরাজ্যে চালু করেনি। অবশ্যই শিয়রে বিধানসভা নির্বাচন থাকায় জনমানসে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার আশঙ্কা করেছিলেন বলে সাধারণ মানুষের ধারনা। অবশেষে রাজ্যে চালু হতে চলেছে সেই সংশোধিত আইন। ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন করলেই এবার মোটা টাকা জরিমানা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকুন। রাজ্যে বুধবার থেকেই এই নয়া ট্রাফিক আইন কার্যকর করা হয়েছে। ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালালে আগের ৫০০ টাকা জরিমানা দিতে হত, এখন থেকে সেটা বাড়িয়ে ৫,০০০ টাকা করা হয়েছে। একইভাবে,এখন বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালালে ৪,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা দিতে হতে পারে, যা আগে ছিল মাত্র ৪০০ টাকা। মঙ্গলবার বিজ্ঞপ্তি জারি করে রাজ্য পরিবহণ দফতর একথা জানিয়েছে। গতকাল থেকে রাজ্য জুড়ে রাস্তায় রাস্তায় শুরু হয়ে গিয়েছে ধরপাকড়। বিভিন্ন জেলাগুলিতেও ট্রাফিক আইন অবমাননাকারীদের মোটা টাকা জরিমানা ধার্য করা শুরু করেছে পুলিশ।পূর্ববর্তী জরিমানার থেকে বহুলাংশে বাড়ানো হয়েছে। সাধারণ মানুষের ঘাড়ে বিশাল ফাইনের বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে মনে করছেন সাধরণ মানুষজন। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, অনুমোদিত (BIS) হেলমেট ছাড়া রাস্তায় বেড়োলেই এবার বাইক আরোহিককে ১০০০ টাকা জরিমানা দিতে হবে। আগে সেই জরিমানার পরিমান ছিল মাত্র ১০০ টাকা, যা প্রায় ১০গুন বেড়েছে। এর আগে হেলমেটে বিহীন বাইক যাত্রীকেও (পিছনে থাকা আরোহীকে) ১০০ টাকা জরিমানা দিতে হতো। এবার থেকে সেই জরিমানা বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ১ হাজার টাকা।দুই চাকার পাশাপাশি চার চাকার গাড়িরতেও এবার নতুন নিয়ম কার্যকর করা হবে। আগে চারচাকার গাড়ি চলমান অবস্থায় সিট বেল্ট না পরলে ১০০ টাকা জরিমানা দিতে হতো। সেটা বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ৫০০ টাকা, মানে পাচগুন বেড়েছে। এছাড়া বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানোর জন্য নতুন নিয়ম অনেক কড়াকড়ি করা হয়েছে যাতে শহরে দুর্ঘটনা অনেক নিয়ন্ত্রনে থাকে। বিভিন্ন রাস্তার যে নির্দিষ্ট গতি থাকে তার থেকে বেশী গতিতে গাড়ি চালালে আগে জরিমানা দিতে হতো ১০০ টাকা, এখন সেটা বেড়ে হয়েছে ৫০০০ টাকা, অর্থাৎ ৫০ গুন বাড়ানো হয়েছে।এছাড়াও গাড়িতে যদি প্রয়োজনীয় নথি না থাকে এখন থেকে আপনাকে ২০০০ টাকা জরিমানা দিতে হবে। পুর্বে এই জরিমানার পরিমাণ ছিল ৪০০ টাকা। চার চাকা গাড়ির প্রয়োজনীয় পারমিট না থাকলে ১০,০০০ টাকা জরিমানা দিতে হবে, সাইলেন্ট জোন অঞ্চলে হর্ণ বাজালে ৪০০০টাকা জরিমানা ধার্য করা হয়েছে। এইরকম মোট ২৬টি মোটর আইনে পরিবর্তন করা হয়েছে। মোটর ভিকেল-র এক আধিকারিক জানান, নতুন নির্দেশিকাটি কার্যকর হলে সমস্ত জাইগায় গাড়ি দুর্ঘটনার সংখ্যা কমবে। সমস্ত ট্রাফিক পুলিশ কর্মী এবং মোটর ভিকেল দপ্তরের পরিদর্শকরা এই জরিমানা আদায় করতে পারবেন। তিনি আরও বলেন, একদিকে যেমন এই বৃদ্ধির জন্য সরকারি কোষাগারে রাজস্ব ভরবে, অন্যদিকে জনগণ এই নিয়ম সঠিক ভাবে মেনে চললে দূর্ঘটনা অনেক কমে যাবে।

জানুয়ারি ২৭, ২০২২
রাজ্য

লরি বাইক সংঘর্ষের জেরে আগুনে পুড়লো দুটি গাড়ি, মৃত্যু দুই বাইক আরোহীর

লরি ও বাইকের সংঘর্ষের কারণে ধরে যাওয়া আগুনে পুড়লো দুটি গাড়ি। মৃত্যু হল বাইকে সওয়ার থাকা দুই আরোহীর। মঙ্গলবার বিকালে ভয়াবহ এই পথ দুর্ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের গলসির মানিক বাজার মোড়ে ২ নম্বর জাতীয় সড়কে। খবর পেয়ে দমকলের একটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌছে ঘন্টাখানেকের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এনে বাইক আরোহী দুজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে। তাদের পাঠানো হয় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। প্রত্যক্ষদর্শীরা যদিও দাবি করেছেন দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলেই বাইক আরোহী দুই ব্যক্তির মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনাগ্রস্ত দুটি বাইক পুলিশ আটক করেছে। দুর্ঘটনার তদন্তে নেমে গলসি থানার পুলিশ বাইক আরোহী দুই ব্যক্তির নাম পরিচয় জানার চেষ্টা চালাচ্ছে। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের কথায় জানা গিয়েছে, এদিন বিকালে বাইকে চেপে দুই ব্যক্তি গলসির ঝাড়ুল গ্রাম থেকে জাতীয় সড়ক ক্রস করে দুর্গাপুরের দিকে যাচ্ছিল। জাতীয় সড়কে প্রথম লেন পেরিয়ে তারা মাঝখানে না দাঁড়িয়ে দ্বিতীয় লেনে দাঁড়িয়ে পড়ে। ওই সময়ে ফলে বর্ধমান থেকে দুর্গাপুরগামী একটি বারো চাকা লরি তাদের ধাক্কা মারে। লরির গতী বেশি থাকায় আরোহী সহ বাইকটিকে বেশ কিছু দূরে হিঁচড়ে নিয়ে যায় লরিটি। তখন মোটর বাইকের দুই আরোহী রাস্তায় পরে যায়।তারই মধ্যে ঘর্ষণের ফলে লরির তলায় থাকা বাইকে আগুন লেগে যায়।সেই আগুন লরিতেও ছড়িয়ে পড়ে। রাস্তায় উপরেই বাইক ও লরিতে দাউদাউ করে আগুন জ্বলতে থাকে। খবর পেয়ে গলসি থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।খবর দেওয়া হয় দমকলে। দমকলের প্রায় এক ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

জানুয়ারি ২৫, ২০২২
রাজ্য

Road Collision: ডাম্পার-বাইকের সংঘর্ষে কেতুগ্রামে, মৃত ১,আহত ১

ডাম্পার ও বাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে মৃত্যু হল এক বাইক আরোহীর। জখম হয়েছে বাইকের অপর আরোহী। রবিবার বেলায় দুর্ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রাম বাসস্ট্যান্ডের কাছে কেতুগ্রাম- বোলপুর রোডে। মৃতের নাম আল্লারাখা শেখ(১৮)। তাঁর বাড়ি কেতুগ্রামের কাজীপাড়া এলাকায়। জখম বাইক আরোহী রবিউল শেখকে উদ্ধার করে কেতুগ্রাম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চালকসহ ঘাতক ডাম্পারটি আটক করে কেতুগ্রাম থানার পুলিশ দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, একটি মোটরবাইকে চড়ে এদিন বেলায় আল্লারাখা শেখ ও রবিউল শেখ কেতুগ্রাম- বোলপুর রোড ধরে কেতুগ্রামের দিকে যাচ্ছিল। বাইক চালাচ্ছিল রবিউল। কেতুগ্রাম বাসস্ট্যান্ডের কাছে বিপরিত দিক থেকে আসা একটি ডাম্পারের সঙ্গে বাইক আরোহীদের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। তখনই বাইক চালকের পিছনে বসে থাকা আল্লারাখা ডাম্পারের চাকার নিচে পড়েগিয়ে পিষ্ট হয়। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। জখম হয় বাইক চালক রবিউল শেখ।স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে কেতুগ্রাম হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে পাঠায়।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২১
দেশ

নির্বাচনের ৭২ ঘণ্টা আগে বাইক ব়্যালিতে ‘না’ কমিশনের

নির্বাচনের ৭২ ঘণ্টা আগে বাইক ব়্যালি করা যাবে না বলে জানিয়ে দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ভোটের দিনও চলবে না বাইক ব়্যালি । সোমবার এই মর্মে নির্দেশিকা জারি হয়েছে। নির্বাচনের আগে নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে খবর। উল্লেখ্য, এর আগে মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক সুনীল অরোরা জানিয়েছিলেন, এবার বাইক মিছিল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। একসঙ্গে পাঁচটির বেশি বাইক এক জায়গা দিয়ে যেতে পারবে না।চার রাজ্য ও এক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে নির্বাচন শুরু হচ্ছে। আর এই নির্বাচনী প্রচারের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতম পছন্দ বাইক ব়্যালি। এমনকী, প্রার্থীর মনোনয়য় জমা করার সময় দলীয় নেতাকর্মীরা বাইক ব়্যালি করে থাকেন। কিন্তু এবার কোভিড পরিস্থিতি একাধিক নিয়মকানুন জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। এবার ব়্যালি নিয়ে কড়া পদক্ষেপ করল কমিশন। এদিন কমিশন জানিয়েছে, বেশকিছু এলাকায় দুষ্কৃতীরা বাইক ব়্যালি করছে। তারা ভোটারদের ভয় দেখাতেই ভোটের দিন এবং ভোটের আগে বাইক ব়্যালি করে। উল্লেখ্য, বাংলায় তৃণমূল ও বিজেপির কর্মীরা সমর্থকরা পাল্লা দিয়ে বাইক ব়্যালি করেছেন। এমনকী, অসমে বিজেপির প্রচার শুরু করতে হিমন্ত বিশ্বশর্মা বাইক ব়্যালি করেছে। এই ঘটনাবলির দিকে নজর রাখছিল কমিশন। এবার কড়া ব্যবস্থা নিল কমিশন।

মার্চ ২২, ২০২১
কলকাতা

ইন্দ্রনীল সেনের বাড়ির সামনে বোমাবাজি, গ্রেপ্তার ৬

রাজ্যের তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের বাড়ির সামনে বোমাবাজির ঘটনায় চলছে ধরপাকড়। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়াও ৩টি বাইক বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। বুধবার রাত আটটা নাগাদ ইন্দ্রনীল সেন বাড়িতে ছিলেন না। সেই সময় তিনি ছিলেন চন্দননগরে। অভিযোগ, তারই মাঝে বাইকে চেপে বেশ কয়েকজন দুষ্কৃতী আসে। কসবায় মন্ত্রীর বাড়ির কাছে দিল্লি পাবলিক স্কুলের বিপরীতে একটি মুদিখানা দোকানের পাশ থেকে বোমা ছোঁড়ে ওই দুষ্কৃতীরা। বিকট শব্দে বোমা ফাটে। কসবার মতো এলাকায় বোমাবাজির ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন সকলে। হুড়োহুড়ি শুরু হয়ে যায়। পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। চন্দননগর থেকে ফেরার পর এই ঘটনার কথা জানতে পারেন ইন্দ্রনীল সেন। থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। পুলিশ ঘটনার তদন্তে নামে। স্থানীয় বাসিন্দাদের জেরা শুরু করে। খতিয়ে দেখা হয় এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ। ধৃতদের নাম হল গৌতম মণ্ডল, অশোক বৈদ্য, সোনু সাউ, রাহুল রায়, ভোলা পাসোয়ান। ধৃতদের কাছ থেকে কিছু পরিমাণ বোমা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে তিনটি মোটর বাইকও। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।

জানুয়ারি ২৮, ২০২১
রাজ্য

সেবক হিসেবে বরাবর আপনাদের সঙ্গে থাকবঃ শুভেন্দু

আপনাদের সেবক শুভেন্দু বরাবর আপনাদের সঙ্গে ছিল, থাকবে। নন্দীগ্রামে রাস উৎসবের সূচনা করে এই মন্তব্য করেন বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। মন্ত্রীত্ব ছাড়ার পর সোমবার প্রথম তাঁর বিধানসভা কেন্দ্র নন্দীগ্রামে যান শুভেন্দু। সেখানে তিনি প্রথমে পুজোপাঠ করেন। এদিনের অরাজনৈ্তিক সভায় তিনি বলেন, আমি নন্দীগ্রামে সব অনুষ্ঠানে আসি। বড়দিন থেকে ইদ, সবসময় আমি আসি। দীপাবলিতেও এসেছি। তাঁর অর্ধেকেরও বেশি সময় ধরে তুলে ধরেন রাস উৎসবের মাহাত্ম্যের কথা। এর পাশাপাশি প্রত্যেকের করোনামুক্ত জীবনেরও কামনা করেছেন। এদিন তিনি বক্তব্য শেষে হরেকৃষ্ণ ধ্বনি দেন। রবিবার মহিষাদলের মতোই এদিনও তার মুখে কোনও রাজনৈতিক কথা শোনা যায়নি। আরও পড়ুন ঃ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় শুভেন্দু সম্পর্কে যা বলছেন, তা ঠিক নাঃ শিশির এদিন শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃ্ত্বে রেয়াপাড়া থেকে নন্দীগ্রাম পর্যন্ত হলুদ পতাকা নিয়ে বাইক মিছিল হয়। শয়ে শয়ে বাইক এদিনের মিছিলে অংশ নেন। তৃণমূলের বহু কর্মী এদিনের এই মিছিলে অংশ নেন। নন্দীগ্রাম ১ নং ব্লক তৃণমূলের ব্লক সভাপতিও এদিনের এই মিছিলে অংশ নেন। সেই পতাকায় ওঁ চিহ্ন ছিল। এই চিহ্নকে কেন্দ্র করে নতুন করে শুরু হয়েছে রাজনৈ্তিক জল্পনা। দলীয় কর্মীদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো।

নভেম্বর ৩০, ২০২০
ভ্রমণ

বিপদসংকুল ও ভয়ঙ্কর সাচ পাস অভিযানের অভিজ্ঞতা

জীর্ণতাকে চ্যালেঞ্জ করে বিকেল সাড়ে তিনটে নাগাদ ধসে পড়লো পাহাড়টা মানুষের ভাষায় ল্যান্ড স্লাইড। অক্টোবরের ১৪ আজ... সামনের পথ বন্ধ। চারিদিকে পাহাড়চূড়ার দল দাঁড়িয়ে আছে নির্ভেদ্য অহঙ্কার নিয়ে। শরীরের অপ্রয়োজনীয় কোষ তারা পোষে না। দ্বিধাহীন থ্রোটলে বিশ্বাসের হাত রেখে চলছিলাম। ওডোমিটার দেখিয়ে চলেছিল দূরত্বের হিসাব। তাকেও থামতে হলো প্রকৃতির এই নির্দেশে। গাড়ি থেকে নেমে জ্যাকেট নামালাম। হিসাব করলাম আজকের গন্তব্য চিল্লি এখনও ১২ কিলোমিটার দূরে। শুরু হলো এক দীর্ঘ প্রতীক্ষা। ভাব জমাতে শুরু করলাম অন্যান্য অপেক্ষমান মানুষগুলোর সাথে। তাঁদের যেমন বিভিন্ন আচার, তেমনি তাদের নানাবিধ প্রয়োজন। হিমালয়ের পাহাড়ি টানে লন্ডন থেকে ছুটে আসা ম্যাডক সাহেবের সঙ্গে চলল একপ্রস্থ আড্ডা। স্থানীয়দের থেকে তথ্য নিয়ে বুঝলাম রাস্তা আজ আর পরিষ্কার হবে না। এক শিক্ষক বাতলে দিলেন অন্য পথ -- যা ৫০ কিলোমিটার বেশি দূরত্ব। তবে তা নিশ্চিতভাবেই চাম্বা থেকে চিল্লি পৌঁছে দেবে। হাঁটালাম গাড়ি, ঘুরপথে...। টান্ডি কিশওর রোড সোজা পথে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলাম ৯ই অক্টোবর, ২০১৯, সকাল-সকাল; মোটরসাইকেল, লাগেজ, সঙ্গী-সাথী আর একমাথা বৃষ্টি নিয়ে। উদয়নারায়ণপুর থেকে শুরু করে তারকেশ্বর হয়ে বর্ধমান পর্যন্ত বৃষ্টিই ছাতা হয়ে রইল আমাদের। আমরা ছজন। এক্স-ব্লেড নিয়ে আমি উৎসব; আমার পিঠে, মানে পিলিয়ন সীটে পিতৃসম দাসুদা, অযান্ত্রিক লিবেরোয় সওয়ার ক্যাপ্টেন গোপীকাকু, শাইন-সঙ্গে বিবেক স্যার, সঙ্গে অ্যাভেঞ্জার-এ কাকু অরিন্দম, আর পালসার-সাথে অসীমদা ভিলেজ বাইকার্স-এর এক ছোট্ট ইউনিট। বড় ট্যুরে সকলেরই কমবেশি অভিজ্ঞতা থাকলেও আমি এখানে একেবারেই কোরা কাগজ। কানপুর, আগ্রা, পাঠানকোট হয়ে নিঃশ্বাস নিলাম দুনেরা-তে। ৫ দিন কেটেছে। কোরা কাগজে নানা বর্ণের দাগও পড়তে শুরু করেছে। গুরুদোয়ারা, আশ্রম, খোলা মন্দিরে রাত কাটানো থেকে শুরু করে হাইওয়েতে চক্ষুযুগলের তীব্র ঘুমের আকুতি সবই রেকর্ড হচ্ছে। আপাতত গেস্ট হাউসে অসীমদার হাতের সুস্বাদু চিকেনকারীর জাদুতে সরগরম ডাইনিং টেবিলে চলছে কনকনে ঠাণ্ডা সাচ পাস-এর প্ল্যানিং। চিকেনের রসনাতৃপ্তি অবশ্যম্ভাবীভাবে এনে দিল একটা কোয়ালিটি ঘুম আর অনেকটা এনার্জি। ভোর-ভোর উঠে গাড়ি স্টার্ট করলাম সাড়ে পাঁচটায়। গন্তব্য চিল্লি। আর তার মাঝেই এই বিপত্তি, বা বলা ভালো ল্যান্ডস্লাইডের চ্যালেঞ্জ, যা দিয়ে আমাদের স্বাগত জানালো পীরপাঞ্জাল। ঝুপ করে নামল সন্ধে। স্ট্রীটলাইটের পাহারা নেই এখানে। বন্ধুর পাহাড়ি রাস্তায় ক্লান্তিহীন দুটো চাকা গড়াতে শুরু করলো।সঙ্গী পাঁচজনের সঙ্গে আরও একজন, স্থানীয় রমজান ভাই। দুর্ভেদ্য অন্ধকারে পাহাড়ি নদী রাগিণীর আহ্বানের কাছে গাড়ির শব্দ আর আলো দুটোই কেমন ফিকে হয়ে আসছিল। উঁচু পাহাড়ের খাঁজে খাঁজে সাজানো বাড়িগুলোর মিটিমিটি আলো মিশে গিয়েছিলো তারাদের সাথে। আমি তফাৎ করতে পারিনি। এটাকেই কি ধর্ম বলো তোমরা? আমি বাই-ডিফল্ট হিন্দু, যে আমাদের গাইড করছে এই অন্ধত্বের অন্ধকারে তার গায়ে মুসলিম ট্যাগ, আর এর দুদিন আগে যে আমি গুরুদোয়ারার প্রার্থনা কক্ষে বসে প্রার্থনা করে এলাম! আমি তফাৎ করতে পারিনি ...। ধারালো এলইডি বীমের তীক্ষ্ণ ফলা দিয়ে অন্ধকার কেটে ছুটে চললাম। পাহাড়ি সর্পিল পথের বাঁকে বাঁকে বহুদিন ধরে সাধনা করতে থাকা সন্ন্যাসীর জটার মতো ঝোপ। এরই একটা আশ্রয় হয়েছে অপেক্ষারত দুটো হলুদ পাথুরে ঠাণ্ডা চোখের। লেপার্ড, দৃষ্টি আটকালো আমার। ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে মেপে নিচ্ছে অন্ধকারের অভিযাত্রীদের। শিরদাঁড়ার ঠাণ্ডা স্রোত নামতে নামতে পৌঁছে গেলাম চিল্লি। ঠাণ্ডাটা তুলনা করলাম। শিরদাঁড়ারটা যেন বেশি ছিল। সে দিনের পথে পায়ের ছাপ রেখে এসেছিলাম স্বপ্নের খাজিয়ার-এর সবুজ গালিচায়। খাজিয়ার হিমাচলের মিনি সুইজারল্যান্ড, যা সুইস রাজধানী বার্ন থেকে মাত্র ৬১৯৪ কিলোমিটার দূরে। পট বদলাচ্ছে প্রতিনিয়ত। শ্বেতশুভ্র স্মৃতিভরা এই দিনটা এক স্বপ্নের মতো। ১৫ই অক্টোবর, ২০১৯। প্রায় এগারো বছর আগে বাবার হাত ধরে প্রথম সাইকেলে চড়া শেখা। তখন ছেলেটা ভাবেনি এসব, ভাবতেও শেখেনি। ক্লাস সেভেনে প্রথম বাইকে হাত, বাবার হাত ধরেই। উন্মাদনার অহরহ সঙ্গী ছিল আছাড়। তবে, এবারে আর নয়। ইন্ডিয়ান আর্মি চেকিং সেরে সকাল সাড়ে এগারোটায় ২২ বছর ১১ মাস বয়সে সর্বকনিষ্ঠ ভারতীয় হিসেবে ছেলেটা অতিক্রম করল সাচ পাস (৪৫০০ মিটার)। পৃথিবীর এক সর্বাধিক বিপদসংকুল আর ভয়ঙ্কর রাস্তা পেরিয়ে পৌঁছানো জায়গাটা স্বর্গের কিছুটা কাছাকাছি। দেখতে স্বপ্নের মতো। মুখে দুবার অক্সিজেন স্প্রে করে বুঝলাম যে এটা স্বপ্ন নয়। আসলে অতিরিক্ত ঠাণ্ডায় চিমটি কাটার সামর্থ্য হয়নি। মহাদেবের আশীর্বাদ নিয়ে এগিয়ে পড়লাম। হালকা স্নোফলে মুখ ভিজিয়ে দিনের যাত্রা শেষ করলাম কিল্লার-। এশিয়ার উচ্চতম সেতু চিচাম বেড়ানো আসলে শেখা। এটা অনেক জীবন দর্শনের একটা বিশাল সমাহার, যা আমাদের প্রতি মুহূর্তে আরও বড় হতে শেখায়। যেমনটা আনন্দের মাঝে থাকে বেদনার করুন সুর। এর পরের দিন। একটু বেদনার, বিচ্ছেদসম্পৃক্ত। সময় আর কর্তব্যে জড়ানো বিবেক স্যার, অসীমদা আর কাকু অরিন্দমকে বিদায় জানাতে হল। কোকসার থেকে মানালির পথে থ্রোটল-আপ করলো তিনজন; আর বাকি তিনমূর্তি আটকে গেল স্পিতির ম্যাজিক দেখার অপেক্ষায়। পৃথিবীর উচ্চতম ডাকঘর পাইলট করতে শুরু করলো ক্যাপ্টেন। পিছনে আমি দক্ষ ফলোয়ার, সঙ্গে লাইভ গাইড দাসুদা। মাঝে মাঝে এগিয়ে পড়তে মন্দ লাগছিল না। চন্দ্রভাগার দেখানো পথে বেশ কড়া পাকের অফ্-রোডিং করতে করতে পেরোতে থাকলাম একের পর এক ঝরনা আর ওয়াটারক্রস। হাড় কাঁপানো হিমালয়ের বাতাসকে সঙ্গী করে বাতাল পেরিয়ে পৌঁছলাম কুনজুম পাস। শহরের ঘিঞ্জিতে বেশ কয়েকটা মন্দির চোখে পড়েছিল; এখানে দাঁড়িয়ে মনে হয়েছে মন্দির যেন এখানেই হওয়া উচিত। কনকনে ঠান্ডায় অনুভূতির ক্ষমতা হারিয়েছি আগেই। বৌদ্ধ স্তুপ-এর সামনে দাঁড়িয়ে প্রার্থনা কী করেছিলাম মনে নেই, তবে মাথা নত করে ছিলাম শিশুর মতো। আজ পাহাড় আমার দেবতা। তার কোলে আসতে পারাটাই এক সাধনা। গাড়ি ঘোরালাম চন্দ্রতাল লেকের পথে। এক কিলোমিটার ট্রেকিং-এর পর অপার্থিব সৌন্দর্যে হারিয়ে ফেললাম নিজেকে। মোহাবিষ্ট মন শুধু অনুভব পেল এক বিশালত্ত্বের, পাথুরে স্নেহের। সীমার মাঝে অসীমের মায়াবী স্মৃতি বুকে আঁকড়ে রাতের পাড়ি জমালাম লোসার-এ। লাংজার বুদ্ধ মূর্তি সকালে উঠে দেখি বাইকের সিটের উপর বরফ অপেক্ষা করছে আমার জন্য। বুঝতে পারলাম সব। বুঝতে পারলাম রাত্রে কেন চারটে ব্ল্যাঙ্কেট-এর কফিনে শুয়েও হচ্ছিল না, কিংবা, রুটি তরকারি খেয়ে হাত কেন ধুতে পারিনি, মুছতে হয়েছিল। সকাল আটটায় চলতে শুরু করেও আধঘন্টা পর দাঁড়াতে হলো। নিজের আঙুলের উপর কোনো অধিকার নেই যে ... সব কাঠের মতো মনে হচ্ছে! এটাই তো সেই আদি অকৃত্রিম প্রকৃতি। যতই যন্ত্রদানবের হুংকার ছোটাই তার ওপর, শেষে মাথানত করতেই হয় যে। মাতা-পিতা সকল সত্ত্বা একই গঠনে -- এটাই তার স্নেহ, এটাই তার তিরস্কার। তিনিই রক্ষক, তিনিই সংহারক। তিনি শিল্পী। তার পাগলামো তো সহ্য করতেই হয়। বাইকের একজস্টে হাত একটু গরম করে আগুন জ্বালালাম। কিছু সময় আগুন পোহানোর পর শুরু হলো আবার গাড়ি ছোটানো। ডেজার্ট মাউন্টেনের রঙিন সাম্রাজ্যে পরম যত্নে সাজানো বায়ুর ক্ষয়কার্যের অপরূপ নিদর্শনগুলো দেখতে দেখতে চলে এলাম মান্ডি জেলায় অবস্থিত এশিয়ার উচ্চতম সেতু চিচাম-এ (৪১৪৫ মিটার)। তারপর কি মনাস্ট্রি হয়ে পৌঁছলাম লাংজার বুদ্ধ মূর্তির পাদদেশে। ধ্যানমগ্নতার আবহের মধ্যে স্থানীয় ভাষা অর্ধেক বুঝে আর অর্ধেক না বুঝে বেশ লাগছিল। লাংজা গ্রাম যেন সেই আদি অনন্তকাল থেকে ধ্যানমগ্ন; আর তাদের সবার পিতা এই বিশালাকায় বুদ্ধ। পেয়ে হারানোর বেদনা নয় এটা, এটার অবগাহন এক সুখ, যা পরিতৃপ্তি বয়ে নিয়ে যায় শিরায় শিরায়। মোটোরেবল রোড দিয়ে সংযুক্ত পৃথিবীর উচ্চতম গ্রাম কোমিক আমাদের স্বাগত জানালো বিকেল-বিকেল। স্থানীয় গোম্ফা ঘুরে দেখে চাকা গড়ালাম হিক্কিমের পথে। ওঁ মণিপদ্মে হুঁ উচ্চারণ করতে করতে পৃথিবীর উচ্চতম ডাকঘর-এর গ্রামে পৌঁছতে খুব বেশি সময় লাগলো না। শেষ বিকেলে ভেড়ার পালের ধুলো সঙ্কেত দিল সূর্যাস্তের ঘন্টা বেজে গেছে। কাজায় রাত্রিবাস সমাপন করে পরের দিন মামির সাথে দেখা করলাম। মামি , মানে মমি, সাধক সাঙ্ঘা তেনজিং-এর প্রায় ৫০০ বছরেরও বেশি পুরানো সেল্ফ-মামিফায়েড মমি। ধানখড়, তাবো আর নাকো লেক, সঙ্গে নাকো মনাস্ট্রিতে একটা জমজমাট বিয়ের অনুষ্ঠান -- আপন করে নিলো সবাই। নতুন আত্মীয়দের আবেগকে মনে ভরে নিলাম। ব্যাগে আলাদা করে আর জায়গা ফাঁকা নেই। যা ছিল এতক্ষনে সব আপেলে ভর্তি করে ফেলেছি। মুখটাও যোগ্য সঙ্গত দিচ্ছে। প্রেয়ার হুইল ঘুরিয়ে বিদায় জানালাম উৎসবমুখর পরিবেশটা আর তার সাথে একাত্মতাকে। পৃথিবীর উচ্চতম গ্রাম কোমিক পরদিন কল্পা, রিকং পিও আর সুইসাইড পয়েন্ট পেরিয়ে তরী, থুড়ি, গাড়ি ভিড়ালাম সারহানের ভীমাকালী মন্দিরের গেস্টহাউসে। এখানে একটা বিষয় উল্লেখ্য যে, দাসুদার মতে এখানের সব জায়গাই সুইসাইড পয়েন্ট, কোনো একটা জায়গার এরকম নাম দেবার কোনও মানেই হয় না! থেমে থাকলে তো আর চলে না বন্ধু। সেকেন্ডের কাঁটার সেই সিনেম্যাটিক টিক্-টিক্ শব্দ যেন কানের কাছে তাড়া দেয়। অফিসের পেনের খস্-খস্ আওয়াজ, পাতা উল্টানোর অবয়ব ভেসে আসতে থাকে অগোচরে। সেসব থেকে এখনও আমি লক্ষ যোজন দূরে। এক সপ্তাহ পর মোবাইলটা নেটওয়ার্ক ফিরে পেলো ...। রোহড়ু, মিনাস পেরিয়ে নামতে শুরু করলাম উত্তরাখণ্ডের জংলি সবুজ পথ ধরে। বাইকের গতিকে প্রতিমুহূর্তে পরাজিত করছে প্রাণচঞ্চল খরস্রোতারা। পাথররাশির এবড়োখেবড়ো সম্পত্তির অনায়াস দখল নিয়ে এগিয়ে চলেছে তাদের প্রাণস্পন্দনের সূক্ষ্ম অনুভূতির তুফান। গারাম্ফু বটকল কাজা রোড বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় বৃষ্টি, দিল্লি অঞ্চলের তীব্র রোদ আর গরম, আর হিমালয়ের উল্টানো কর্ণেটোর কোনের মাথায় বরফের টুপি দেখার পর ফেরার পথে উত্তরপ্রদেশে ঢুকে আবার সার্কেল-অফ-লাইফ কমপ্লিট হতে শুরু করলো বৃষ্টি দিয়ে। দুদিন ধরে ফিরলাম রায়বেরিলি থেকে দুর্গাপুর; রাত্রিবাস এক কাকুর কোয়ার্টারে। রাজকীয় খাওয়াদাওয়া সেরে কুম্ভকর্ণ স্তরের একপিস ঘুম দিয়ে বেরোলাম পরদিন সকাল ৯ টায়। শক্তিগড়ের ল্যাংচা নিয়ে হাসতে হাসতে বাড়ি ফিরলাম দুপুরে; হ্যাঁ, আমার নিজের বাড়িতে, বেরোনোর পর ১৮ দিনের মাথায়। একরাশ পাহাড়ি সূর্যোদয়, সূর্যাস্ত আর স্বপ্নের ক্লিফহ্যাঙ্গারগুলো পেরিয়ে নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলাম। বেরিলিতে ঝুমকোর খোঁজ করাটা বাকি রয়ে গেল যে! হারানোর হিসেব আজ নয়, আর কখনোই নয়; কারন, যা পেয়েছি তা হারানোর নয়। আঠারো দিনের মুসাফিরানা শেষে মস্তিষ্ক আর হৃদয়ের সেই রক্তাক্ত সঙ্গমস্থলে নাড়ি ছেঁড়া শিশুর কান্না আর শতদ্রুর স্রোতের সিম্ফনি বাজতে শুনি -- সফর খুবসুরত হ্যায় মঞ্জিল সে ভী.....। উৎসব সিনহা (ভিলেজ বাইকার্স)

নভেম্বর ২৮, ২০২০
কলকাতা

বাইক বুক করে চালকের হাতে হেনস্থার শিকার বাঙালি যুবক

র্যাপিডো নামক একটি কোম্পানিতে বাইক বুক করে হেনস্থার শিকার হলেন বিন মহম্মদ নামে এক ব্যক্তি। তিনি বালুরঘাটের বাসিন্দা। মহাষ্টমীর দিন তিনি ওই সংস্থা থেকে বাইক বুক করেছিলেন। পুরো ঘটনায় অভিযোগের তির সংস্থার চালক আদর্শ কুমারের বিরুদ্ধে। বিন মহম্মদের কাছে এসে ওই চালক হিন্দিতে জানতে চাইল কোথায় যাবো ? তারপর জানতে চাইল কত ভাড়া দেখাচ্ছে ? তারপর চালক বলল, সে যাবে না। কারণ জানতে চাইলে সে বলল আমি এত কম ভাড়াতে যাই না। বিন মহম্মদ ওই চালককে বলল , আপনি আপনার কোম্পানিকে বলুন আমাকে বললে হবে। তখন সে বলল আপনি রাইডটা বাতিল করুন। উনি বললেন , আমি কেন করব আপনার অসুবিধা আপনি করুন। আরও পড়ুনঃ অষ্টমীর সন্ধ্যায় বুদ্ধদেবের বাড়ি গেলেন সস্ত্রীক ধনকড় তখন আদর্শ কুমার বিন মহম্মদকে রাইডটি বাতিল করার জন্য চাপ দিতে থাকে। নাহলে বিন মহম্মদকে কোনওভাবেই সে ছাড়বে না। কিছুক্ষন পরে আদর্শ কুমার যাত্রীকে বলে, ভাড়া বেশি দিলে তবেই যাবে তখন পাশের একটি অটোস্ট্যান্ডে এক চালকের কাছে গিয়ে বিন মহম্মদ বলেন, দাদা আমাকে একটু সাহায্য করুন। আমি বিপদে পড়েছি। আমাকে ব্ল্যাকমেইল করছে র্যাপিডো সংস্থার চালক। বিস্তারিত শোনার পর অটোচালক বিন মহম্মদকে সাহায্য করে। তার কিছুক্ষন পরেই ওই সংস্থার অফিস থেকে ইন্টারনেট কল আসে বিন মহম্মদের কাছে। বিন মহম্মদ তাদের ঘটনাটি বিস্তারিত জানিয়ে বলল, কলকাতা পুলিশে এই বিষয়ে অভিযোগ করবেন। তার কিছুক্ষণ পরেই ওই সংস্থার চালক ফোন করে গালাগালি ও হুমকি দিতে থাকে বিন মহম্মদকে। সমস্ত কথা ওই চালক হিন্দিতে বলেছে। বিন মহম্মদ হিন্দি বলেননি। আদর্শ কুমারকে বাংলা বলতে বললে সে তখন বিন মহম্মদকে হুমকি দেয় বলে অভিযোগ ওঠে। তখন বিন মহম্মদ পুরো বিষয়টির প্রতিকার চেয়ে বাংলা পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। বাংলা পক্ষের তরফ থেকে বিষয়টি নিয়ে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়। অবশ্য যাত্রীর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করার জন্য অভিযুক্ত চালককে সংস্থা থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এছাড়াও সংস্থার তরফ থেকে বিন মহম্মদের কাছে ইমেল পাঠিয়ে ঘটনার জন্য ক্ষমাপ্রার্থনা করা হয়েছে। এই আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে , ভবিষ্যতে এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি আর হবে না।

অক্টোবর ২৬, ২০২০

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

বিদেশি বাজির বাজারে চমক! বিজেপি এগিয়ে, তবু টাকার স্রোত তৃণমূলের দিকে কেন?

ভোটের উত্তাপে ফুটছে বাংলা। রাজনৈতিক লড়াই এখন শুধু রাজ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও তা নিয়ে চলছে আলোচনা ও হিসেবনিকেশ। নির্বাচনের ফলাফল কী হতে পারে, তা নিয়ে অনলাইনে শুরু হয়েছে বিভিন্ন পূর্বাভাস। সেই সঙ্গে বেড়েছে বাজির অঙ্কও। লক্ষ লক্ষ টাকার বাজি ধরা হচ্ছে, যা নজিরবিহীন বলেই মনে করছেন অনেকে।সূত্রের খবর, আমেরিকার একটি জনপ্রিয় পূর্বাভাসভিত্তিক প্ল্যাটফর্মে এপ্রিলের শেষ পর্যন্ত প্রায় আটচল্লিশ লক্ষ ডলারের বাজি ধরা হয়েছে, যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় চল্লিশ কোটি টাকার কাছাকাছি। সেই বাজারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, জয়ের দৌড়ে সামান্য এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। সেখানে বিজেপির জয়ের সম্ভাবনা ধরা হয়েছে প্রায় ছাপ্পান্ন শতাংশ। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের সম্ভাবনা রয়েছে প্রায় তেতাল্লিশ শতাংশ। বাম ও কংগ্রেস বা অন্যান্য দলগুলির সম্ভাবনা এক শতাংশেরও কম।তবে এই ছবিটা শুরু থেকে এমন ছিল না। এপ্রিলের গোড়ার দিকে ওই প্ল্যাটফর্মে তৃণমূল অনেকটাই এগিয়ে ছিল। তখন তাদের সম্ভাবনা ছিল প্রায় পঁচাত্তর থেকে আশি শতাংশ। প্রথম দফার ভোটের পর ছবিটা বদলাতে শুরু করে এবং বিজেপি এগিয়ে যায়। এরপর আবার একসময় তৃণমূলের পক্ষে বিপুল অঙ্কের টাকা জমা পড়ে। কিন্তু দ্বিতীয় দফার ভোটের পর আবার বিজেপি এগিয়ে যায়।তবে সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, শতাংশের হিসাবে বিজেপি এগিয়ে থাকলেও মোট লেনদেনের পরিমাণে তৃণমূল অনেকটাই এগিয়ে। তৃণমূলের পক্ষে লেনদেন হয়েছে প্রায় আঠারো লক্ষ ডলার, আর বিজেপির ক্ষেত্রে তা প্রায় এগারো লক্ষ ডলার। বিশ্লেষকদের মতে, অনেকেই হয়তো তৃণমূলের হার নিয়ে বাজি ধরছেন, অথবা বড় বিনিয়োগকারীরা একসঙ্গে বিপুল টাকা বিজেপির জয়ের উপর লগ্নি করছেন, যার ফলে শতাংশের হিসেব বদলে যাচ্ছে।অন্যদিকে দেশের বাজির বাজার আবার অন্য ছবি দেখাচ্ছে। দিল্লির বাজির বাজারের হিসেব অনুযায়ী তৃণমূল কিছুটা এগিয়ে রয়েছে। তাদের মতে, তৃণমূল পেতে পারে একশো ছেচল্লিশ থেকে একশো ঊনপঞ্চাশটি আসন, আর বিজেপি পেতে পারে একশো চল্লিশ থেকে একশো তেতাল্লিশটি আসন।এদিকে এ বারের নির্বাচনে ভোটদানের হারও রেকর্ড ছুঁয়েছে। প্রথম দফায় ভোট পড়েছে প্রায় তিরানব্বই শতাংশের বেশি। দ্বিতীয় দফায় তা ছিল একানব্বই দশমিক একচল্লিশ শতাংশ। যা দেশের নির্বাচনী ইতিহাসে বিরল ঘটনা। এখন সবার নজর ফলাফলের দিকে।

মে ০৩, ২০২৬
দেশ

ভোরের আগুনে ৯ জনের মৃত্যু, ক্ষতিপূরণ ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর! দিল্লিতে শোকের ছায়া

দিল্লির শাহদরা এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রবিবার ভোরে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় অন্তত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। মৃতদের পরিবার ও আহতদের জন্য আর্থিক সহায়তার কথাও ঘোষণা করেছেন তিনি।প্রধানমন্ত্রীর দফতরের পক্ষ থেকে একটি বার্তায় জানানো হয়েছে, এই দুর্ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। যাঁরা তাঁদের প্রিয়জনকে হারিয়েছেন, তাঁদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়েছে। পাশাপাশি আহতদের দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার কামনাও করা হয়েছে।প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে মৃতদের প্রত্যেক পরিবারের হাতে দুই লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে। আহতদের দেওয়া হবে পঞ্চাশ হাজার টাকা করে।রবিবার ভোররাতে এই আগুন লাগে, যার ফলে এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ভোর প্রায় তিনটে সাতচল্লিশ মিনিট নাগাদ দমকলের কাছে আগুন লাগার খবর পৌঁছয়। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ, দমকল এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় এবং উদ্ধারকাজ শুরু করে।আগুন লাগার সময় বহু মানুষ ঘরের ভিতরে আটকে পড়েছিলেন। দমকল কর্মীরা দ্রুত উদ্ধারকাজ চালিয়ে প্রায় দশ থেকে পনেরো জনকে বের করে আনেন। তাঁদের মধ্যে অন্তত দুজন সামান্য আহত হন এবং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।আগুন নেভানোর কাজে নামানো হয় দমকলের বারোটি ইঞ্জিন। দীর্ঘ চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও উপরের তলাগুলিতে এখনও ধোঁয়া রয়েছে। তাই সেখানে তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, কীভাবে আগুন লাগল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

মে ০৩, ২০২৬
রাজ্য

সিসি ক্যামেরা কেন বন্ধ? স্ট্রংরুম ঘিরে তৃণমূলের অভিযোগে উত্তাল রাজনীতি

পূর্ব বর্ধমানে স্ট্রংরুমের সিসি ক্যামেরা ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এবার এই অভিযোগ তুলেছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। জেলার আউশগ্রাম, ভাতাড়, গলসি, বর্ধমান উত্তর এবং বর্ধমান দক্ষিণএই পাঁচটি বিধানসভার স্ট্রংরুম রাখা হয়েছে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলাপবাগ ক্যাম্পাসের একটি ভবনে।রবিবার সকালে আউশগ্রাম বিধানসভার স্ট্রংরুমের সিসি ক্যামেরা প্রায় এক ঘণ্টা পনেরো মিনিট বন্ধ ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। তৃণমূলের দাবি, সকাল নয়টা চব্বিশ মিনিট থেকে দশটা সাঁইত্রিশ মিনিট পর্যন্ত ক্যামেরা কাজ করেনি। এই ঘটনা সামনে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।জেলা তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি স্বরাজ ঘোষ জানান, সকাল থেকেই তারা নজর রাখছিলেন। হঠাৎ করেই দেখা যায় ক্যামেরা বন্ধ হয়ে গেছে। সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি নির্বাচন কমিশন ও জেলা প্রশাসনকে জানানো হয়। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা মেলেনি বলে দাবি তাঁর।একই অভিযোগ করেছেন জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সহ সভাপতি সেখ আবজল রহমান। তিনি জানান, ওই সময়ের ভিডিও ফুটেজ দেখতে চাওয়া হলেও এখনও তা দেখানো হয়নি। ফলে এই ঘটনার রহস্য আরও বাড়ছে বলে মনে করছেন তিনি।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। যদিও প্রশাসন বা নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে পুরো বিষয়টি নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

মে ০৩, ২০২৬
কলকাতা

গণনার আগেই তৎপর মমতা! ভবানীপুর নিয়ে শেষ মুহূর্তের গোপন বৈঠকে কী বার্তা?

ভোট গণনার ঠিক একদিন আগে তৎপর হয়ে উঠলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ছটা নাগাদ কালীঘাটের বাড়ি থেকে শেষ মুহূর্তের বৈঠক করবেন তিনি। বিশেষ নজরে রয়েছে ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্র, যেখান থেকে নিজেই প্রার্থী হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।সূত্রের খবর, ভবানীপুরের ভোট গণনা কীভাবে হবে, সেই সমস্ত খুঁটিনাটি বিষয় নিয়েই এই বৈঠকে আলোচনা হবে। বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন ওই কেন্দ্রের আটজন কাউন্সিলর, বিভিন্ন ওয়ার্ডের সভাপতি এবং প্রধান নির্বাচন এজেন্টরা। পাশাপাশি দলের আরও কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতাও থাকতে পারেন। অন্য কেন্দ্রগুলির প্রার্থীদের সঙ্গেও ভারচুয়ালি কথা বলতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।ভবানীপুর কেন্দ্রকে ঘিরেই এবার রাজ্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লড়াই বলে মনে করা হচ্ছে। এই কেন্দ্র থেকেই মূলত মর্যাদার লড়াই চলছে। জানা গিয়েছে, বৈঠকে এই কেন্দ্রের গণনা নিয়ে বিশেষ দিকনির্দেশ দিতে পারেন তৃণমূল নেত্রী।পাঁচ বছর আগে নন্দীগ্রামে ভোট গণনার সময় যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তা এখনও রাজনৈতিক মহলে আলোচনায় রয়েছে। প্রথমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জয়ী ঘোষণা করা হলেও পরে ফলাফল বদলে যায় এবং শেষ পর্যন্ত জয় পান শুভেন্দু অধিকারী। সেই ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল এবং বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। এবার সেই অভিজ্ঞতা মাথায় রেখেই আগাম সতর্ক থাকতে চাইছেন মমতা।এর আগে একটি ভারচুয়াল বৈঠকে তিনি স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন, ভোট গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও এজেন্ট যেন গণনাকেন্দ্র ছেড়ে না যান। রাত গভীর হলেও সবাইকে সেখানে থাকতে হবে বলে জানানো হয়েছে। কখন কীভাবে পরিস্থিতি সামলাতে হবে, সেই বিষয়েও বিস্তারিত নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। এমনকি এজেন্টদের কী খাওয়া উচিত, সেই বিষয়েও পরামর্শ দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী।এবার ভবানীপুর কেন্দ্র নিয়ে তিনি আলাদা করে কী নির্দেশ দেন, সেদিকেই নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।

মে ০৩, ২০২৬
কলকাতা

স্ট্রংরুম ঘিরে রাতভর তাণ্ডব! তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে উত্তপ্ত বিধাননগর

গণনার আগেই উত্তপ্ত হয়ে উঠল রাজনৈতিক পরিস্থিতি। বিধাননগর কলেজের স্ট্রংরুম ঘিরে শনিবার রাতে তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। প্রথমে দুই পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। এরপর স্লোগান এবং পাল্টা স্লোগানে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। কিছুক্ষণের মধ্যেই সেই উত্তেজনা হাতাহাতিতে গড়িয়ে যায়।পরিস্থিতি সামাল দিতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ। মাইকিং করে জমায়েত ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করা হয়। পরে ব্যারিকেড করে দুই দলের কর্মীদের আলাদা করে দেওয়া হয়। তবেই পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে।বিজেপির অভিযোগ, তাদের তৈরি করা ক্যাম্পে তৃণমূল কর্মীরা দলীয় পতাকা লাগিয়ে দেয়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই ঝামেলার শুরু। অন্যদিকে তৃণমূল বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলার পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধেও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। তাদের দাবি, কেন্দ্রীয় বাহিনী তাদের উপর লাঠিচার্জ করেছে। এই ঘটনায় বারবার উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়।স্ট্রংরুমের নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি গণনাকেন্দ্রগুলিতেও কড়াকড়ি বাড়ানো হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরে চারটি গণনাকেন্দ্রকে নিষিদ্ধ এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে। সেখানে বাজি ফাটানো বা বিজয় মিছিলের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। গণনাকেন্দ্রের আশেপাশে জারি হয়েছে একশো তেষট্টি ধারা। জেলা জুড়ে পুলিশ মাইকিং করে সতর্কবার্তা দিচ্ছে।অন্যদিকে মালদহে গণনা নিয়ে কোনও সমস্যা যাতে না হয়, সেই কারণে জেলা শাসক সর্বদলীয় বৈঠক করেছেন। প্রার্থীদের গণনাকেন্দ্র ও স্ট্রংরুম ঘুরিয়ে দেখানো হয়েছে। কোনও দলই বড় কোনও অভিযোগ করেনি। মালদহ কলেজ ও মালদা পলিটেকনিক কলেজে গণনাকেন্দ্র তৈরি হয়েছে। আগামী চার মে জেলার বারোটি বিধানসভার ভোট গণনা এই দুই কেন্দ্রেই হবে।

মে ০৩, ২০২৬
দেশ

ভোরের ঘুমই শেষ ঘুম! দিল্লির বহুতলে আগুনে পুড়ে মৃত্যু ৯, শিশুও রক্ষা পেল না

ভোরবেলা তখন প্রায় চারটে। ছুটির দিন হওয়ায় অধিকাংশ মানুষ গভীর ঘুমে ছিলেন। সেই সময় আচমকা ভয়াবহ আগুন লাগে দিল্লির বিবেক বিহার এলাকার একটি চারতলা ভবনে । মুহূর্তের মধ্যে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে পুরো ভবনে। ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় চারপাশ। এই অগ্নিকাণ্ডে এখনও পর্যন্ত ৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, যার মধ্যে একটি শিশুও রয়েছে। বহু মানুষ আহত হয়েছেন।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ১৪টি ইঞ্জিন। আগুন এতটাই ভয়াবহ ছিল যে তা নিয়ন্ত্রণে আনতে দমকল কর্মীদের প্রায় দুই ঘণ্টা লড়াই করতে হয়। এরপর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। ততক্ষণে ভবনের বেশ কিছু অংশ সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।জানা গিয়েছে, দ্বিতীয় তলায় প্রথম আগুন লাগে। তারপর তা দ্রুত তৃতীয় ও চতুর্থ তলায় ছড়িয়ে পড়ে। সেই সময় বহু মানুষ ভিতরে আটকে পড়েন। অনেকে জানলা দিয়ে বেরোনোর চেষ্টা করলেও সফল হননি। অনেকের ঘুমের মধ্যেই আগুনে পুড়ে মৃত্যু হয়েছে। আবার অনেকেই ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন। দমকল কর্মীরা একের পর এক মৃতদেহ উদ্ধার করেন।সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে দ্বিতীয় তলায়। সেখানে একই পরিবারের পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতরা হলেন অরবিন্দ জৈন, তাঁর স্ত্রী অনিতা জৈন, ছেলে নিশান্ত জৈন, পুত্রবধূ আঁচল জৈন এবং তাঁদের ছোট সন্তান আকাশ জৈন। তৃতীয় তলাতেও একই পরিবারের তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতরা হলেন নীতিন জৈন, তাঁর স্ত্রী শৈলী জৈন এবং তাঁদের ছেলে সাম্যক জৈন। অন্য আহতদের গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।কী কারণে এই আগুন লাগল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে স্থানীয় এক বাসিন্দার দাবি, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র ফেটে গিয়ে আগুন লাগতে পারে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা। তিনি জানিয়েছেন, এই দুর্ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। আহতদের দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং সরকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে রয়েছে। পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

মে ০৩, ২০২৬
দেশ

আকাশযাত্রার মাঝেই আতঙ্ক—চলন্ত বিমান থেকে লাফ যুবকের, তারপর যা হল!

ভোরের চেন্নাই বিমানবন্দরে চাঞ্চল্যকর ঘটনা। বিমান তখনও পুরোপুরি থামেনি, ধীরে ধীরে রানওয়ে থেকে ট্যাক্সিওয়ের দিকে এগোচ্ছে। ঠিক সেই সময় হঠাৎই আপৎকালীন দরজা খুলে এক যুবক বিমান থেকে ঝাঁপ দেন। ঘটনাটি ঘটে শারজাহ থেকে চেন্নাইগামী একটি বিমানে। আচমকা এই ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে অন্যান্য যাত্রীদের মধ্যে।বিমান কর্তৃপক্ষ জানায়, অবতরণের পর বিমানটি যখন ধীরে চলছিল, তখনই ওই যুবক দরজা খুলে নিচে লাফ দেন। তবে আশ্চর্যের বিষয়, এতে তাঁর গুরুতর কোনও আঘাত লাগেনি। তিনি সুস্থই রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার পরই পাইলট নিরাপত্তা কর্মীদের খবর দেন। দ্রুত সেখানে পৌঁছে সিআইএসএফ জওয়ানরা ওই ব্যক্তিকে আটক করেন এবং পরে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।জানা গিয়েছে, বিমানে ওঠার পর থেকেই ওই যুবকের শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল না। তিনি একাধিকবার বমিও করেছিলেন। তারপর হঠাৎই এমন দুঃসাহসিক সিদ্ধান্ত নেন তিনি। তাঁর বাড়ি তামিলনাড়ুর পুদুক্কোট্টাই জেলায় বলে জানা গেছে।এই ঘটনায় কিছু সময়ের জন্য বিমান পরিষেবা ব্যাহত হয়। সতর্কতার জন্য ভোর তিনটে তেইশ মিনিট থেকে চারটে তেইশ মিনিট পর্যন্ত প্রধান রানওয়ে বন্ধ রাখা হয়। ওই সময় অন্যান্য উড়ানকে বিকল্প রানওয়েতে নামানো হয়।কী কারণে ওই যুবক এমন কাজ করলেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে এবং পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

মে ০৩, ২০২৬
রাজ্য

ফলের আগেই বড় দাবি! ‘ত্রিশঙ্কু বিধানসভা’, সরকার গঠনের চাবিকাঠি নিজের হাতে বললেন হুমায়ুন

ভোট পর্ব শেষ হতেই নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীর। তিনি দাবি করেছেন, বাংলায় কোনও দলই এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না এবং ত্রিশঙ্কু বিধানসভা গঠিত হতে চলেছে। তাঁর মতে, এই পরিস্থিতিতে সরকার গঠনের চাবিকাঠি থাকবে তাঁর দলের হাতেই।তবে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, কোনও অবস্থাতেই বিজেপিকে সমর্থন করবেন না। একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, সম্মানজনক শর্তে তৃণমূল কংগ্রেসকে সমর্থন করতে তিনি প্রস্তুত। এই মন্তব্যের পর রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে, ভোটের পর কি তৃণমূলের সঙ্গে দূরত্ব কমানোর চেষ্টা করছেন হুমায়ুন কবীর।বহরমপুরে এক সভায় তিনি বলেন, কোনও দলই সংখ্যাগরিষ্ঠতার কাছাকাছি পৌঁছতে পারবে না। তাঁর দাবি, কংগ্রেস, সিপিএম এবং আইএসএফ মিলিয়ে খুব বেশি হলে পনেরোর মতো আসন পাবে। অন্যদিকে, তাঁর দল প্রায় তিরিশটি আসন জিততে পারে বলে তিনি আশাবাদী।হুমায়ুন কবীর আরও বলেন, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম এবং দক্ষিণ দিনাজপুরের মতো জেলায় তাঁদের দলের শক্তি তৃণমূলের আসন কমিয়ে দেবে। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল তাঁর প্রতি অসম্মান দেখিয়েছে এবং তার জবাব বাংলার মানুষ ভোটের মাধ্যমে দিয়েছে।তৃণমূল নেতৃত্বের উদ্দেশে বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে সরকার গঠনের জন্য তাঁর সাহায্য চাইতে হতে পারে। তিনি আবারও জানান, তিনি বিজেপিকে কোনও অবস্থাতেই সমর্থন করবেন না। তাঁর কথায়, কে কোন দলের সহযোগী, তা ভবিষ্যতেই পরিষ্কার হবে।শেষে তিনি বলেন, আবার নির্বাচন হোক, তা তিনি চান না। যদি ত্রিশঙ্কু পরিস্থিতি তৈরি হয়, তবে আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে সরকার গঠনের পথ খোলা থাকবে। তবে কোনও দলই এককভাবে নির্দিষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতায় পৌঁছতে পারবে না বলেই তাঁর বিশ্বাস।

মে ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal