• ১ কার্তিক ১৪৩৩, মঙ্গলবার ২০ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bihar

রাজনীতি

বাতিল হওয়া দুই জেলায় আজ শাহর সফর

এর আগে বাংলা সফর বাতিল করতে হয়েছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে। আজ, বৃহস্পতিবার কোচবিহারে পরিবর্তন যাত্রার সঙ্গে ঠাকুনগরের কর্মসূচিতেও যোগ দেবেন দলের প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতি। কলকাতায় তিনি মিলিত হবেন সামাজিক মাধ্যমের স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গেও।কর্মসূচি অনুযায়ী সকাল ১১ টা ১০ মিনিট নাগাদ কোচবিহারে মদন মোহন মন্দিরে যাবেন অমিত শাহ। ১১ টা ৩০ মিনিটে তিনি রাসমেলার ময়দানে দলের পরিবর্তন যাত্রায় হাজির থাকবেন। ২০১৮-তে এই কোচবিহারে রথযাত্রার কর্মসূচি বাতিল করতে হয়েছিল। আসতে পারেননি অমিত শাহ।এরপর কোচবিহার থেকে কপ্টারে চড়ে অমিত শাহ উড়ে যাবেন উত্তর ২৪পরগনার ঠাকুরনগরে। সেখানে ৩টে ২০ মিনিট নাগাদ হরিচাঁদ ঠাকুরের মন্দির দর্শন করবেন। তারপর ৩টে ৪৫ মিনিটে পাশের মাঠে তিনি সভা করবেন। বুধবার সন্ধা ৬টা নাগাদ কলকাতায় সায়েন্স সিটিতে সামাজিক মাধ্যমের স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গে মিলিত হবেন।এর আগে ঠাকুরনগরে মতুয়াদের সভায় হাজির থাকার কথা ছিল। দিল্লিতে ইজরায়েল দূতাবাসের সামনে বিস্ফোরণ ঘটে। তখন দুদিনের বাংলা সফর বাতিল করা হয়। মতুয়াদের একাংশ ক্ষোভপ্রকাশও করেছিল। সেই সময় জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল ঠাকুরনগরে আসবেনই অমিত শাহ।অমিত শাহ আসার আগের দিন টুইট বার্তায় লিখেছেন,আমি উৎসুক,আগামীকাল বাংলায় উপস্থিত হওয়ার জন্য।কোচবিহার থেকে BJP Bengal #PoribortonYatra র চতুর্থ পর্যায় সূচিত হবে এবং ঠাকুরনগরে জনসভা অনুষ্ঠিত হবে।পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় আমি আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ার স্বেচ্ছাসেবীদের সাথেও আলাপচারিতায় অংশগ্রহণ করব।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২১
রাজনীতি

৬ দিনের ব্যবধানে মোদি, নাড্ডা, শাহ, রাজ্যে গেরুয়া ঝড়ের মরিয়া প্রয়াস

৬ দিনের ব্যবধানে বিজেপির ৩জন শীর্ষ নেতৃত্ত্ব এরাজ্যে আসছেন। প্রথমে আসবেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জগৎপ্রকাশ নাড্ডা, তার পরের দিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আসছেন তার পরে। রাজ্যে পরিবর্তন যাত্রা ও বিজেপির সার্বিক কর্মসূচি নিয়ে মঙ্গলবার দিল্লিতে দলের কোর কমিটি বৈঠকে বসে। বৈঠক শেষে দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, ৬ ফেব্রুয়ারি নদিয়া থেকে পরিবর্তন যাত্রার সূচনা করবেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। তিনি ফের একই কর্মসূচিতে ৯ ফেব্রুয়ারি আসবেন এই রাজ্যে। সেদিন দুটো জোন থেকে কর্মসূচি শুরু হবে। ১১ ফেব্রুয়ারি কোচবিহারে পরিবর্তন যাত্রার সূত্রপাত করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। পাঁচটা জোনে পাঁচটা পরিবর্তন যাত্রা কর্মসূচি আয়োজন করেছে বঙ্গ বিজেপি। সরকারি অনুমতির জন্য আবেদন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দিলীপ ঘোষ। অনুমতি না পেলে আদালতে যাবেন বা বিকল্প ব্যবস্থা নেবেন বলেও তিনি জানিয়েছেন। তিনি জানান, শেষ পর্যায়ে পরিবর্তন যাত্রা হবে কলকাতা জোনে। সেই কর্মসূচি এখনও চূড়ান্ত হয়নি।এদিকে ৭ ফেব্রুয়ারি হলদিয়ায় সরকারী অনুষ্ঠানে হাজির থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ওই দিন হলদিয়ায় বিজেপির সমাবেশেও থাকবেন মোদি। জানিয়েছেন দিলীপ। জনসভায় থাকার জন্য নরেন্দ্র মোদিকে আবেদন জানিয়েছিল রাজ্য বিজেপি।উল্লেখ্য, লোকসভা নির্বাচনের আগে এই রাজ্যে রথযাত্রা ঘোষণা করেছিল বিজেপি। জোন ভিত্তিক প্রস্তুতি ছিল চূড়ান্ত। কোচবিহার থেকে রথ যাত্রার সূচনা হওয়ার কথা ছিল। অন্য রাজ্য থেকে রথও চলে এসেছিল। কিন্তু আইনের গেরোয় সেদিন রথযাত্রার উদ্বোধন করতে রাজ্যেই আসতে পারেননি অমিত শাহ। এবারও তাঁর সেই কোচবিহারেই পরিবর্তন যাত্রা সূচনা করার কথা।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২১
দেশ

বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন নীতিশ কুমার

বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন নীতীশ কুমার। সোমবার বিকেল সাড়ে চারটে নাগাদ বিহারের রাজভবনে শপথ নেন তিনি। এদিনের শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা। এবার উপমুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন না সুশীল মোদি। তার বদলে এবার বিহার পাচ্ছে দুজন উপমুখ্যমন্ত্রী। তাঁরা হলেন রবিবার বিজেপির পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচিত হওয়া তারিকিশোর প্রসাদ ও অত্যন্ত অনগ্রসর শ্রেণির প্রতিনিধি ও বিজেপির উপপরিষদীয় দলনেত্রী হিসেবে নির্বাচিত রেনুদেবী। সুশীল মোদিকে এবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় পাঠানো হবে বলে জানা গিয়েছে। জেডিউই ও বিজেপির তরফ থেকে চার জন করে আটজন মন্ত্রী শপথ নিয়েছেন। এদিনের অনুষ্ঠান বয়কট করে মহাজোটের প্রধান দল তথা বিহারের সংখ্যাগরিষ্ঠ দল আরজেডি। তেজস্বীর দলের তরফে টুইটারে বলা হয়, পরিবর্তনের পক্ষে এনডিএ-র বিপক্ষে জনাদেশ ছিল। মানুষের রায় ছিল সরকার বদলের। যে কারচুপি এনডিএ করেছে তাতে রাজ্যবাসী হতাশ। তাই নীতীশ কুমারের শপথ অনুষ্ঠান বয়কট করছে আরজেডি। আরও পড়ুন ঃ আমরা মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারিনিঃ কপিল সিব্বল প্রসঙ্গত , নীতীশকে সামনে রেখেই এবার বিহারে প্রচার চালিয়েছিল এনডিএ। সেখানে ৭৩ টি আসন দখল করেছে বিজেপি। আরজেডি পেয়েছে ৭৫ টি আসন। নীতিশের দল মাত্র ৪৩ টি আসন নিজেদের দখলে রাখতে পেরেছে। তবুও ভোটের আগে প্রতিশ্রুতি মতো নীতিশকে মুখ্যমন্ত্রী করা হল। এনডিএ-র বৈঠকে রবিবারই নীতীশ কুমারকে বিহারের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে নির্বাচন করা হয়।

নভেম্বর ১৬, ২০২০
দেশ

আমরা মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারিনিঃ কপিল সিব্বল

যে সব রাজ্যে বিকল্প হিসেবে মানুষ আমাদের চাইছেন, আমরা তাঁদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারিনি। সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ফের দলীয় নেতৃত্বের কড়া সমালোচনা করলেন কংগ্রেস নেতা কপিল সিব্বল। তিনি আরও বলেন , দলের মধ্যে এমন একটা ভাব যেন কিছুই হয়নি। মানুষ যাঁদের কথা শুনতে চান তাঁদের তুলে আনা উচিত। সক্রিয় নেতাদের কাজে লাগানো উচিত। আমাদের নানা সংস্কারের কাজ করতে হবে। আরও পড়ুন ঃ বিহার বিধানসভা নির্বাচনে সরকার গড়তে না পারায় রাহুল গান্ধীর কড়া সমালোচনা আরজেডি নেতার এছাড়াও তিনি বলেন , কংগ্রেসকে সাহসী হতে হবে। আলোচনা পর্যালোচনার আর কোনও জায়গা নেই। কোথায় ভুল হচ্ছে, কোথায় সমস্যা রয়েছে কংগ্রেস সবটাই জানে। শুধু সেগুলো মেনে নিতে রাজি নয় তাঁরা। প্রসঙ্গত , এবারের বিহারের বিধানসভা নির্বাচনে খারাপ ফল করেছে করছে কংগ্রেস। ৭০টি আসনে লড়ে মাত্র ১৯টিতে জয় পেয়েছে তারা। যার ফলে বিহারে মুখ থুবড়ে পড়েছে কংগ্রেস-আরজেডির বিরোধী মহাজোট। ভাল ফল করেও সরকার গড়তে পারেনি আরজেডি।

নভেম্বর ১৬, ২০২০
দেশ

বিহার বিধানসভা নির্বাচনে সরকার গড়তে না পারায় রাহুল গান্ধীর কড়া সমালোচনা আরজেডি নেতার

বিহার বিধানসভা নির্বাচনে মাত্র কয়েকটি আসনের জন্য সরকার গড়তে পারেনি বিজেপি বিরোধী মহাগটবন্ধন। জিতে গিয়ে সরকার গড়তে চলেছে এনডিএ। এবার এই খারাপ ফলের জন্য সরাসরি কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন আরজেডি নেতা শিবানন্দ তিওয়ারি। সংবাদসংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই আরজেডি নেতা বলেছেন, বর্তমানে মহাজোটের পায়ের শিকলে পরিণত হয়েছে কংগ্রেস। ৭০টি আসনে প্রার্থী দিয়ে ওরা ৭০টি জনসভাও করেনি। রাহুল মাত্র তিন দিন প্রচারে এসেছিলেন। এটা ঠিক নয়। যখন নির্বাচন চলছিল তখন রাহুল গান্ধী সিমলায় পিকনিক করছিলেন। এভাবে একটা দল চলতে পারে? আরও পড়ুন ঃ রাহুল গান্ধীকে নিয়ে বিরূপ মন্তব্য , ওবামার কড়া সমালোচনা অধীরের তিনি আরও বলেন, কংগ্রেস শুধু বেশি প্রার্থী দেওয়ার দিকে জোর দেয়, কীভাবে তাঁদের জেতাতে হবে সে বিষয়ে কংগ্রেসের কোনও পরিকল্পনা নেই। যেভাবে কংগ্রেস চলছে তাতে বিজেপিরই সুবিধা হয়ে যাচ্ছে। উল্লেখ্য, বিহারে ৭০ টি আসনে প্রার্থী দিয়ে কংগ্রেস মাত্র ১৯টি আসনে জয়লাভ করেছে। অন্যদিকে আরজেডি পেয়েছে ৭৫টি আসন। সব মিলিয়ে বিরোধী মহাজোট পেয়েছে ১১০টি আসন। ম্যাজিক ফিগার ১২২। মাত্র ১২ টি আসন না পাওয়ায় জয় হাতছাড়া হয়েছে মহাগটবন্ধনের।

নভেম্বর ১৬, ২০২০
দেশ

বিহারের মসনদে কে , সিদ্ধা্ন্ত রবিবারের এনডিএ বৈঠকে

বিহারের মসনদে কে বসছেন , তা রবিবারই জানা যাবে। সেদিনই ঠিক হবে সরকার গঠনের প্রক্রিয়া। নীতীশ কুমার জানিয়েছে, রবিবার বেলা সাড়ে বারোটা থেকে বৈঠক শুরু হবে। সেখানেই যাবতীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সংবাদসংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, নীতীশকেই পরিষদীয় নেতা বেছে নিতে পারে এনডিএ। শুক্রবারই নীতীশের বাসভবনে সেই সংক্রান্ত বৈঠকে তার আভাস পাওয়া গিয়েছে। আরও পড়ুন ঃ কর্মসংস্থানের জন্য আত্মনির্ভর ভারত রোজগার যোজনা ঘোষণা নির্মলা সীতারমনের জনতা দল, হাম, ভিআইপি এবং বিজেপির যৌথ বৈঠকে তাতে সিলমোহর পড়বে। তবে তিনি মুখ্যমন্ত্রী হবেন কিনা , তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। ২৪৩ আসন বিশিষ্ট বিহার বিধানসভায় এনডিএ জোটের মধ্যে ৭৪ টি আসন রয়েছে বিজেপির দখলে। সংযুক্ত জনতা দল ৪৩টি পেয়েছে। হাম এবং ভিআইপি ৪টি করে আসনে জিতেছে। ১২৫ জন বিধায়ক নিয়ে সরকার গড়তে চলেছে এনডিএ।

নভেম্বর ১৩, ২০২০
দেশ

বিহারে মহাগটবন্ধনকে হারিয়ে ক্ষমতায় প্রত্যাবর্তন এনডিএ'র

সমস্ত এক্সিট পোলের হিসেবকে উলটে দিয়ে বিহারে ক্ষমতা ধরে রাখল বিজেপি - জেডিইউ জোট। এনডিএ জোট পেল ১২৫ টি আসন , মহাগটবন্ধন পেল ১১০ টি আসন। এছাড়াও মিম জিতেছে পাঁচটি আসন। অন্যান্যরা তিনটে আসনে জয়লাভ করেছে। বিজেপি জেডিইউয়ের থেকে বেশি আসনে জয়লাভ করেছে। বিজেপি পেয়েছে ৭২ টি আসন। জেডিইউ ৪২ টি আসনে জয়লাভ করেছে। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী হবেন নীতিশ কুমারই। এমনই জানানো হয়েছে বিজেপির পক্ষ থেকে। বুধবার ভোর তিনটে নাগাদ বিহার নির্বাচনের পুরো ফল প্রকাশিত হয়। তারপর থেকে বিজেপি ও জেডিইউ কর্মীরা উৎসবে মেতে ওঠেন। এনডিএ সূত্রে জানা গিয়েছে , এই সপ্তাহেই শপথ অনুষ্ঠান হবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি টুইটে লেখেন , বিহারের প্রতিটি ভোটার স্পষ্টভাবে বুঝিয়ে দিয়েছেন যে, তাঁদের কাছে সবার আগে উন্নয়ন। বিহারে ১৫ বছর পরে আবারও এনডিএ-র সুশাসনের আশীর্বাদ মিলছে। স্পষ্ট হচ্ছে বিহারের স্বপ্ন আর প্রত্যাশাগুলি ৷ বিহার গোটা বিশ্বকে গণতন্ত্রের প্রথম পাঠ শিখিয়েছে । আজ বিহার বিশ্বকে আবার বলেছে কীভাবে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা যায় । বিহারের রেকর্ড সংখ্যক দরিদ্র, বঞ্চিত এবং মহিলারা ভোটও দিয়েছেন এবং উন্নয়নের জন্য তাঁদের মত দিয়েছেন। অন্যদিকে , কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এদিন টুইটে লেখেন, বিহারের প্রতিটি প্রান্ত জাতপাতের রাজনীতিকে প্রত্যাখ্যান করেছে ৷ গ্রহণ করেছে এনডিএ-র উন্নয়নের রাজনীতিকে। এটি বিহারের প্রত্যেক মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার জয়। এটি প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং নীতীশ কুমারের নেতৃত্বে জোড়া উন্নয়নের জয় । আমি এই জয়ের জন্য প্রত্যেক বিজেপি কর্মীকে অভিনন্দন জানাতে চাই। আরও পড়ুন ঃ বিহার বিধানসভা নির্বাচনে মহাগটবন্ধনকে হারিয়ে জয়ের পথে এনডিএ অন্যদিকে , বিহার বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস ৭০ টি আসনে মাত্র ২০ টি আসনে জয়লাভ করেছে। ৭৫ টি আসনে জয় ছিনিয়ে নিয়ে একক বৃহত্তম দল হয়েছে আরজেডি। বামেরআ ২৯ টি আসনে প্রার্থী দিয়ে ১৬ টি আসনে জয়লাভ করেছে। কিন্তু কংগ্রেসের খারাপ ফলের জেরে বিজেপিকে হারিয়ে মহাজোটের জয় অধরাই থেকে গেল। অনেক আশা জাগিয়েও ট্র্যাজিক হিরো হিসেবে রয়ে গেলেন তেজস্বী যাদব। অন্যদিকে এলজেপি নেতা চিরাগ পাসোয়ান লেখেন , বিহারের মানুষ প্রধানমন্ত্রীর উপর ফের ভরসা রেখেছে। প্রত্যেক প্রার্থী নিজেদের মতো করে নির্বাচনে দারুণ লড়াই করেছেন । দলের ভোট বেড়েছে । প্রত্যেক জেলায় দল শক্তি বাড়িয়েছে যা ভবিষ্যতে কাজে আসবে।

নভেম্বর ১১, ২০২০
দেশ

বিহার বিধানসভা নির্বাচনে মহাগটবন্ধনকে হারিয়ে জয়ের পথে এনডিএ

বিহার বিধানসভা নির্বাচনে বিরোধীদের পিছনে ফেলে ক্রমশ জয়ের দিকে এগিয়ে চলেছে এনডিএ। মঙ্গলবার সকালে ভোট গণনা শুরু হতেই বিজেপিকে পিছনে ফেলে এগিয়ে যেতে থাকে আরজেডি , কংগ্রেস ও বামেদের মহাগটবন্ধন। কিন্তু এদিন বেলা বাড়তেই উলটে যায় পাশা। বিরোধী জোটকে পিছনে ফেলে ক্রমশ এগিয়ে যেতে থাকে এনডিএ। বলা ভাল বিজেপি। নীতীশ কুমারকে এদিন বিজেপি টেনে তুলল। বিহারে বড় শরিকের চেয়ে বেশি আসন পেল তারা। বিরোধী শিবিরে ঠিক উলটো দশা। কংগ্রেসের সঙ্গে থেকে ডুবতে হচ্ছে তেজস্বীর আরজেডি-কে। জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত এনডিএ এগিয়ে রয়েছে ১২২টি আসনে। তার মধ্যে ৭০ টি আসনে জয়লাভ করেছে। বিরোধীদের মহাগটবন্ধন এগিয়ে রয়েছে ১১৪ টি আসনে। অন্যান্যরা এগিয়ে রয়েছে ৭ টি আসনে। জানা গিয়েছে , এখনও পর্যন্ত ৫০ শতাংশ ভোট গণনা হয়েছে। যে আসনগুলিতে এখন গণনা চলছে , তার মধ্যে ২৫ টি এমন আছে , যার ব্যবধান মাত্র ১০০০ ভোট। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে , করোনা পরিস্থিতিগত কারণে ভোট গণনা শেষ হতে রাত গড়িয়ে যাবে। আরও পড়ুন ঃ মধ্যপ্রদেশ বিধানসভা উপনির্বাচনে কংগ্রেসকে পিছনে ফেলে এগিয়ে বিজেপি এদিকে বিজেপির স্বপক্ষে ফল আসতেই বিজেপি কর্মী- সমর্থকরা বাজি , পটকা ফাটাতে শুরু করে দেন। অন্যদিকে সকাল থেকে বিরোধী শিবিরে উচ্ছাস দেখা গেলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা ম্রিয়মান হয়ে যায়। অন্যদিকে , বিহার নির্বাচনে এনডিএ জিততে চলেছে , সেই আভাস পেয়ে বিকেলে দিল্লিতে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃ্ত্ব জরুরি বৈঠকে বসেন।

নভেম্বর ১০, ২০২০
দেশ

বিহারের মসনদের জন্য লড়াই করা যুবরাজকে মানুষ ধরাশায়ী করে দেবেঃ মোদি

বছর তিন চারেক আগে উত্তরপ্রদেশও দুই যুবরাজ হাত মিলিয়েছিল। বাসের মাথা থেকে হাত নাড়াচ্ছিল একসাথে। উত্তরপ্রদেশের মানুষ তাঁদের বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছে। আর এখন বিহারে মসনদের জন্য লড়াই করছেন এক যুবরাজ।বিহারের মানুষও ওদের ধরাশায়ী করে দেবে। রবিবার বিহারের ছাপরার জনসভায় যোগ দিয়ে এই মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আরও পড়ুন ঃ পুলওয়ামা হামলা নিয়ে রাজনীতি করেছিল বিরোধীরা , তোপ প্রধানমন্ত্রীর তিনি এই প্রসঙ্গে আরও বলেন, সেই যুবরাজ এবার জঙ্গলরাজের যুবরাজের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে। একদিকে সেই যুবরাজ এবং জঙ্গলরাজের যুবরাজ। অন্যদিকে বিহারের ডবল ইঞ্জিন সরকার। যারা মানুষের জন্য কাজ করছে। ডবল ইঞ্জিনের এনডিএ সরকার মানুষের উন্নয়নে বদ্ধপরিকর। আর ডবল যুবরাজ নিজেদের মুকুট বাঁচাতে বদ্ধপরিকর।

নভেম্বর ০১, ২০২০
দেশ

বিহারে প্রথম দফার বিধানসভা ভোট শান্তিপূর্ণ

বিহারে বিধানসভা ভোট মোটে্র উপর শান্তিপূর্ণই রয়েছে। বিকেল ৫ টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৫১ .৬৮ শতাংশ। বুধবারের প্রথম দফায় ভোটদাতা ২ কোটি ১৬ লাখ। করোনার জন্য নানারকম বিধিনিষেধ জারি হয়েছে এবার। তাই নির্বাচন কমিশন কড়াভাবে কোভিড-বিধি পালনের ব্যবস্থা করেছে। প্রতিটি ভোটগ্রহণ কেন্দ্রেই রয়েছে স্যানিটাইজার। ইভিএম স্যানিটাইজ করা হচ্ছে কিছুক্ষণ পরপরই। প্রতিটি বুথে রয়েছে থার্মাল স্ক্যানার, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, সাবানের ব্যবস্থা। প্রতিটি বুথে ভোটার সংখ্যাও সীমিত রেখেছে নির্বাচন কমিশন। বুথের ভিতর হাত ধুয়েই ইভিএম টিপতে হচ্ছে ভোটারদের। ভোটদানের সময়ও একঘণ্টা বাড়ানো হয়েছে। এদিন সকাল আইইডি উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্ছল্য ছড়িয়ে পড়ে। এখনও পর্যন্ত কিছু কেন্দ্রে ইভিএমের গোলযোগ ছাড়া কোনওরকম অপ্রীতিকর ঘটনার খবর আসেনি। আরও পড়ুন ঃ কোভিড সতর্কতা অবলম্বন করে ভোট দিন বিহারবাসী , টুইট মোদির সকালের দিকে ভোটদানের হার কিছুটা কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা বাড়তে থাকে। কারণ , সামাজিক দূরত্ব মেনেই ভোর থেকে ভোটের লাইনে দাঁড়িয়েছে বিহারবাসী। তবে বহু কেন্দ্রেই দেখা গেল মুখে মাস্ক ছাড়াই ভোট দিতে এসেছেন বহু ভোটার। দলীয় প্রতীক ছাপ মারা মাস্ক পরে ভোট দিতে এসেছিলেন বিহারের মন্ত্রী পেমকুমার। তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। তিন দফায় ভোট হবে বিহারে। এদিন ৭১টি আসনে প্রথম দফার ভোটগ্রহণ চলছে । ৬ মন্ত্রী ও একজন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী-সহ বহু হাইপ্রোফাইল প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ হতে চলেছে বুধবার। প্রথম দফায় মোট ভোটপ্রার্থী ১,০৬৬ জন।

অক্টোবর ২৮, ২০২০
দেশ

কোভিড সতর্কতা অবলম্বন করে ভোট দিন বিহারবাসী , টুইট মোদির

শুরু হয়েছে বিহার বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণ পর্ব । এদিন ৭১ টি আসনে ভোট নেওয়া হচ্ছে। লড়াইয়ের রয়েছেন ১,০৬৬ প্রার্থী। নীতিশ কুমার মন্ত্রিসভার ৮ সদস্যের ভাগ্য নির্ধারিত হচ্ছে এদিন। বুধবার সকালে বিহার ভোট নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি টুইট করেন। আরও পড়ুনঃ আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে না লোকাল ট্রেন , সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের তিনি লেখেন , বিহার বিধানসভা নির্বাচনে আজ প্রথম দফায় ভোটগ্রহণ। কোভিড সম্পর্কিত সতর্কতা অবলম্বন করে আমি সকল ভোটারকে গণতন্ত্রের এই উৎসবে তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য অনুরোধ করছি। দূরত্ব বিধি মেনে চলুন।পাশাপাশি মাস্ক পরুন। মনে রাখবেন, আগে ভোট দিন, তারপরে জলপান ! প্রসঙ্গত , এই প্রথম করোনা পরিস্থিতিতে সমস্তরকম সতর্কতা মেনে নির্বাচন কমিশনের গাইডলাইন অনুসরণ করেই সমস্ত রকম ব্যবস্থা করা হয়েছে।

অক্টোবর ২৮, ২০২০
দেশ

বিহার ভোটের প্রচারে ৩৭০ ধারা হাতিয়ার মোদির

ভারত মাতার সুরক্ষা ও ত্রিরঙ্গার সম্মান রক্ষায় গালওয়ানে শহিদ হয়েছেন বিহারের যুবকরা। পুলওয়ামাতেও বিহারী জওয়ানরা শহিদ হয়েছিলেন। আমি তাঁদের নতমস্তকে শ্রদ্ধা জানাই। বিহার ভো্টের আগে শুক্রবার সাসারামের জনসভায় এসে এই মন্তব্য করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এরপরই কাশ্মীরের ৩৭০ ধারা রদ প্রসঙ্গ টেনে মোদী বলেন, এনডিএ সরকার ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার করেছে। ক্ষমতায় ফিরলে বিরোধিরা দাবি করেছে ওই ধারা আবার বলবৎ করবে। এরপরও কিভাবে বিহারবাসীর ভোট চায় ওরা? এটা কি বিহারীদের অপমান নয়? এই রাঝ্যের বহু যুবক-যুবতী দেশ রক্ষার কাজে সীমান্তে যায়। তাঁরা কি শুধু শহিদ হতে সেখানে যাবেন? আরও পড়ুনঃ মুম্বইয়ের মলে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড , আহত ২ রাজ্যের দুর্নীতি দমনে নীতীশ কুমারের সাফল্যেরও ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি। বলেন, নীতীশ কুমার মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার আগে অপরাধ এবং দুর্নীতির শিকার ছিল বিহার। যাঁরা বিহারকে রোগগ্রস্ত রাজ্যে পরিণত করেছে তাঁদের আর ক্ষমতায় না ফেরাতে সংকল্প নিয়েছেন বিহারবাসী। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মঞ্চে হাজির ছিলেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারও। উল্টো্দিকে এদিন রাহুল গান্ধী তেজস্বী যাদবের সমর্থনে এক জনসভায় গিয়ে জনতার উদ্দেশে প্রশ্ন করেন, মোদী জি কা ভাষণ ক্যায়সা লাগা ? তারপর তিনি বলেন, করোনা সংকটে পরিযায়ী শ্রমিকদের দুর্দশায় কংগ্রেস এগিয়ে এসেছে। কিন্তু বিজেপি আসেনি। প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, ২২ দিনে করোনা আয়ত্বে আনবেন। পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়েছে। রাহুল আরও বলেন, যে সব রাজ্যে কংগ্রেস ক্ষমতায় সেখানে কৃষকদের জন্য বিশেষ সুবিধা নেওয়া হয়েছে। বিজেপি শাসিত রাজ্যের চেয়ে ভালো আছেন পাঞ্জাব, ছত্তিসগড়, রাজস্থানের কৃষকরা।

অক্টোবর ২৩, ২০২০
দেশ

পশুখাদ্য কেলেঙ্কারির একটি মামলায় জামিন লালুপ্রসাদ যাদবের

পশুখাদ্য কেলেঙ্কারিতে তাঁর বিরুদ্ধে একটি মামলায় জামিন পেলেন বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালুপ্রসাদ যাদব । কিন্তু জামিন পেলেও আপাতত তাঁকে সংশোধনাগারেই থাকতে হবে।শুক্রবার ঝাড়খণ্ড আদালত চাইবাসা কোষাগার মামলায় তার জামিন মঞ্জুর করে । পশুখাদ্য কেলেঙ্কারির অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে এই মামলা চলছে । কিন্তু আপাতত সংশোধনাগারেই থাকতে হবে লালুপ্রসাদকে । কারণ পশুখাদ্য কেলেঙ্কারিতে দুমকা কোষাগার মামলা এখনও চলছে । প্রসঙ্গত, চলতি মাসের শেষ সপ্তাহেই বিহারে বিধানসভা ভোট হতে চলেছে। অন্যান্যবারের মতো লালুপ্রসাদ যাদব আরেকটি মামলায় জামিন পেয়ে এবারের ভোটে উপস্থিত থাকবেন কিনা, তা নিয়ে জল্পনা চরমে উঠেছে।

অক্টোবর ০৯, ২০২০
দেশ

বিহার ভোটের দামামা

ভোট বড় বালাই। দিন দিন করোনা সংক্রমণ যেভাবে হাইজাম্প দিচ্ছে, তাতে নো পড়োয়া ভোেটর ক্ষেত্রে। করোনা আবহেই শুক্রবার বিহার বিধানসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করলেন মুখ‍্যনির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরা। দিনক্ষণের পাশাপাশি ঘোষিত হল ভোটের আচরণবিধিও। তিন দফায় নির্বাচন হবে বলে ২৪৩ আসন বিশিষ্ট বিহার বিধানসভার। প্রথম দফার ভোট হবে আগামী ২৮ অক্টোবর। দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফার ভোট হবে ৩ ও ৭ নভেম্বর। প্রথম দফায় ৭১ কেন্দ্রে এবং দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফায় ভোটগ্রহণ হবে ৯৪ ও ৭৮টি কেন্দ্রে। ভোটগ্রহণ নিয়ে একগুচ্ছ পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছে কমিশন। ভোটগ্রহণের জন‍্য নির্ধারিত সময়ের চেয়ে আরও ১ ঘণ্টা বেশি সময় বরাদ্দ করা হয়েছে বলে জানান অরোরা। শেষ এক ঘণ্টায় ভোটদান করতে পারবেন কেবলমাত্র কোভিড আক্রান্তরাই। ৮০ বছরের বেশি ভোটারদের জন‍্য থাকছে পোস্টাল ব‍্যালটের ব‍্যবস্থা। ভোটপ্রচার জন‍্য রাজনৈতিক দলগুলি কেবলমাত্র ভার্চুয়াল সমাবেশ করতে পারবে। বাড়ি বাড়ি ভোটপ্রচারে প্রার্থী সহ পাঁচ জনের বেশি কর্মী থাকতে পারবে না। অনলাইনে প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারবেন। টাকাও জমা দিতে পারবেন অনলাইনে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় সর্বাধিক ২ জন কর্মী প্রার্থীর সঙ্গে থাকতে পারবেন। ভোটকেন্দ্রে সর্বাধিক এক হাজার ঢুকতে পারবে বলে জানিয়েছে কমিশন। ভোট দিতে এসে কেউ যাতে সংক্রমিত না হন তার জন‍্য থাকছে ৪৬ লক্ষ মাস্ক, ৬ লক্ষ পিপিই কিট, ২৩ লক্ষ গ্লাভস ও ৭ লক্ষ স‍্যানিটাইজারের বোতল। ইভিএসে বোতাম প্রেসের আগে ভোটারদের দেওয়া হবে গ্লাভস। ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক দলগুলির মধ‍্যে তৎপরতা। বিজেপির সঙ্গে জোট বেঁধে চতুর্থবার রাজ‍্যে শাসন ক্ষমতার দখলের দৌঁড়ে আছেন নীতীশ কুমার। লোকজনশক্তি পার্টি ছাড়াও, নতুন বন্ধু হিেসবে নীতীশ পেয়েছেন জিতন রাম মাজির হিন্দুস্তানি আওয়াম মোর্চাকেও। সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃতু‍্যকে হাতিয়ার করে ইতিমধ‍্যে এনডিএ নেমে পড়েছে প্রচারেও। চ‍্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে তৈরি আরজেডি ও কংগ্রেস জোটও। জেলে থেকেই লাল্লুপ্রসাদ রণকৌশল তৈরি করে দিচ্ছেন বলে খবর। আরজেডি ও কংগ্রেসের হাতে নতুন অস্ত্র নয়া কৃষি বিল। লড়াইটা শেয়ানে শেয়ানে হতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। তবে শেষ হাসি কে হাস‍বে, তারজন‍্য অপেক্ষা করতে হবে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত। কারণ ওই দিনই তো ফল ঘোষণা বিহার বিধানসভা নির্বাচনের।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

চোরবাগানে দুর্গাপুজোর ভিড়ে মর্মান্তিক বিপর্যয়! পদপিষ্টের আশঙ্কা, একাধিক মৃত্যুর দাবি সূত্রের, হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী

কলকাতা: সপ্তমীর সন্ধ্যায় দুর্গাপুজোর আনন্দ মুহূর্তে পরিণত হল আতঙ্কে। প্রবল বৃষ্টি থেকে বাঁচতে মণ্ডপে ঢোকার হুড়োহুড়ি, তার সঙ্গে বিপুল দর্শনার্থীর চাপসব মিলিয়ে উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীনে তৈরি হল ভয়াবহ পরিস্থিতি। মণ্ডপের ভিতরে পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতিতে বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে খবর। আহতদের কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আনন্দবাজার সুত্রে জানা যায় এই ঘটনায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও মৃত্যুর এই সংখ্যা সরকারি ভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।ঘটনার খবর পেয়েই হাসপাতালে পৌঁছে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং উদ্ধারকাজের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন তিনি। পাশাপাশি পুজো উদ্যোক্তাদের থানায় ডাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে তীব্র চাঞ্চল্য। বন্ধ করে দেওয়া হয় মণ্ডপের আলো এবং প্রবেশ ও বেরোনোর পথ।প্রবল বৃষ্টির জেরেই কি বিপত্তি?সপ্তমীর সন্ধ্যায় উত্তর ও মধ্য কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় শুরু হয় প্রবল বৃষ্টি। তার জেরে রাস্তায় যানজট তৈরি হওয়ার পাশাপাশি পুজো মণ্ডপগুলিতেও দর্শনার্থীদের ভিড় সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বহু মানুষ একসঙ্গে মণ্ডপের ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। শুরু হয় ঠেলাঠেলি। সেই সময় কয়েক জন ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যান। তাঁদের পিছনে থাকা ভিড়ের চাপে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, মণ্ডপের ভিতরের একটি বৃত্তাকার পথে এই বিপত্তি ঘটে। ওই পথে দর্শনার্থীদের ঘুরে মণ্ডপ থেকে বেরিয়ে আসার ব্যবস্থা ছিল। সেখানে একসঙ্গে বহু মানুষের জমায়েত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কাঠামোর কোনও অংশ ভেঙে পড়েছিল কি না, সেই সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।হাসপাতালে আহতদের ভিড়, চলছে চিকিৎসাঘটনার পর দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। কলকাতা পুলিশের সূত্রে প্রথমে ৩৫ জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেলেও, পরে মেডিক্যাল কলেজের একটি সূত্রে দাবি করা হয়, সেখানে ৪০ থেকে ৫০ জনকে আনা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গিয়েছে। উদ্ধারকারীদের দাবি, কয়েক জনকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ইমার্জেন্সি অবজারভেশন ওয়ার্ডে আহতদের চিকিৎসা চলছে। কয়েক জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। ঘটনাস্থল ও হাসপাতালের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পৌঁছন কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দও।হাসপাতালের একটি সূত্রের দাবি, মৃত ১৭ জনের মধ্যে ১৩ জন মহিলা, তিন জন পুরুষ এবং একটি শিশু রয়েছে। তবে প্রশাসনের তরফে এই মৃত্যুসংখ্যা বা মৃতদের পরিচয় সম্পর্কে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। ফলে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা সম্পর্কে সরকারি নিশ্চিতকরণের অপেক্ষা রয়েছে।উদ্ধারকাজে জোর, উঠছে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নদুর্ঘটনার পর মণ্ডপ চত্বরে উদ্ধারকাজে জোর দেওয়া হয়। পুলিশ ও দমকলের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়া হয়। মণ্ডপের আলোও নিভিয়ে দেওয়া হয়, যাতে উদ্ধারকাজে অসুবিধা না হয়।অন্যদিকে, প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের অভিযোগ, পরিস্থিতি যখন দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছিল, তখন পর্যাপ্ত পুলিশ বা নিরাপত্তারক্ষী সময়মতো সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। সাহায্যের আবেদন জানিয়েও তাঁরা সাড়া পাননি বলে অভিযোগ। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীন ভাবে যাচাই করা যায়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, প্রবেশ ও নির্গমন ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তার পর্যাপ্ততা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে পারে।পুজো উদ্যোক্তা বিকাশ দাস জানিয়েছেন, কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তা এখনও তাঁদের কাছে স্পষ্ট নয়। আপাতত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য। পদপিষ্ট হয়েই এই বিপর্যয় ঘটেছে কি না, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তিনি।৩৬০ ডিগ্রির মণ্ডপে কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা?চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির ২০২৬ সালের পুজোর ভাবনা অরব, যার ইংরেজি ব্যাখ্যা বিয়ন্ড সাউন্ড। শব্দের পরিচিত সীমা ছাড়িয়ে নীরবতার গভীরে পৌঁছনোর ভাবনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছিল মণ্ডপ। সৃজনশীল পরিকল্পনার অন্যতম আকর্ষণ ছিল ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে মণ্ডপ দেখার ব্যবস্থা। সেরা পুজোর তালিকায়ও এই পুজো তৃতীয় স্থান পেয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।কিন্তু দর্শনার্থীদের চলাচলের জন্য তৈরি বৃত্তাকার এলিভেটেড করিডোর ঘিরেই বিপত্তি ঘটেছে বলে প্রাথমিক সূত্রের খবর। ওই পথে একসঙ্গে কত জনের চলাচলের ব্যবস্থা ছিল, ভিড়ের সময় প্রবেশ ও নির্গমন নিয়ন্ত্রণ কীভাবে করা হচ্ছিল এবং জরুরি পরিস্থিতিতে বিকল্প বেরোনোর পথ ছিল কি নাএই প্রশ্নগুলি এখন গুরুত্বপূর্ণ।উল্লেখ্য, এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন দেবদীপ অধিকারী, যিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভাইপো। জোড়াসাঁকোর বিজেপি বিধায়ক বিজয় ওঝা পুজো কমিটির চেয়ারম্যান। উত্তর কলকাতা জেলা তৃণমূলের সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষও এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত। তবে দুর্ঘটনার দায় নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোনও ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয়ের বদলে তদন্তে উঠে আসা তথ্য ও প্রমাণই গুরুত্বপূর্ণ হবে।হেল্পলাইন চালু রাজ্য সরকারেরঘটনার পর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে একটি টোল-ফ্রি হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। নম্বরটি হল ১৮০০৩৪৫৫৬৭৮। দুর্ঘটনায় আহতদের সম্পর্কে তথ্য জানতে বা সংশ্লিষ্ট সহায়তার জন্য এই নম্বর ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।সপ্তমীর সন্ধ্যায় উৎসবের আবহে ঘটে যাওয়া এই বিপর্যয় ফের বড় পুজো মণ্ডপগুলিতে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল। তবে কত জনের মৃত্যু হয়েছে, কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি নাতার চূড়ান্ত উত্তর মিলবে সরকারি বিবৃতি ও তদন্তের পরেই।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
উৎসব

দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের উন্মাদনা! ফুটবলের টানে মাঠে ফিরুক কচিকাঁচারা, অভিনব থিম পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির

পূর্ব বর্ধমান: দুর্গাপুজোর মণ্ডপে এ বার ফুটবল বিশ্বকাপের আবহ। কোথাও বিশ্বজয়ী স্পেনের উল্লাস, কোথাও ভারতীয় ফুটবলের ছবি, আবার কোথাও লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। ফুটবলকে কেন্দ্র করে পুজোর মণ্ডপেই যেন তৈরি হচ্ছে এক টুকরো বিশ্বকাপের আসর। বাঙালির চিরন্তন ফুটবলপ্রেমকে উদ্যাপন এবং নতুন প্রজন্মকে মোবাইলের পর্দা থেকে মাঠে ফিরিয়ে আনার বার্তা দিতে এমনই অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে পূর্ব বর্ধমানের পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি ক্লাব।পুজোর থিম মানেই এখন শিল্প, সংস্কৃতি, সমাজ সচেতনতা কিংবা নানা অভিনব ভাবনার মেলবন্ধন। সেই ধারাতেই এ বার ফুটবলকে সঙ্গী করেছে পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি। ক্লাবের ২৯তম বর্ষের পুজোয় তাদের থিম ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড। অর্থাৎ, ভাষা, দেশ ও সংস্কৃতির ভিন্নতা থাকলেও ফুটবল যে গোটা বিশ্বকে একই সুতোয় বেঁধে রাখতে পারে, সেই বার্তাই তুলে ধরা হয়েছে মণ্ডপসজ্জার মাধ্যমে।মণ্ডপের প্রবেশপথ থেকেই দর্শকদের নজর কাড়ার আয়োজন। সামনে রাখা হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপের সরকারি বল ট্রিয়োন্ডা। বলটিকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে বিশ্বকাপের আবহ। মণ্ডপের এক দিকে রয়েছে বিশ্বকাপজয়ী স্পেনের ঐতিহাসিক মুহূর্তের ছবি, অন্য দিকে স্থান পেয়েছে ভারতীয় ফুটবল দলের ছবি। আন্তর্জাতিক ফুটবলের গৌরবের পাশাপাশি দেশের ফুটবলের প্রতি ভালোবাসাকেও সমান গুরুত্ব দিতে চেয়েছেন উদ্যোক্তারা।এই থিমের অন্যতম আকর্ষণ ফুটবল বিশ্বের দুই মহাতারকা লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। তাঁদের ফুটবলজীবনের স্মৃতি ও জনপ্রিয়তাকে সামনে রেখে সাজানো হয়েছে মণ্ডপের বিভিন্ন অংশ। পাশাপাশি থাকছে আরও কয়েক জন তারকা ফুটবলারের প্রতিকৃতি। বিশ্বকাপের নানা স্মরণীয় মুহূর্তের ছবি দর্শকদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে মাঠের উত্তেজনা, গোলের উল্লাস এবং সমর্থকদের আবেগে ভরা সেই সব মুহূর্তে।মণ্ডপের অন্দরসজ্জাতেও থাকছে চমক। বিশ্বকাপের ইতিহাসে জায়গা করে নেওয়া ৭০টি উল্লেখযোগ্য মুহূর্তের ছবি সাজিয়ে তোলা হচ্ছে সেখানে। ভারতীয় ফুটবলের জন্যও রাখা হয়েছে বিশেষ জায়গা। দেশের ফুটবলের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ১২টি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের ছবি তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে উদ্যোক্তাদের। ফলে এই মণ্ডপ শুধু পুজো দেখার জায়গা নয়, ফুটবলের ইতিহাস ও স্মৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ারও একটি সুযোগ হয়ে উঠতে পারে।বিশ্বকাপ ফাইনালের উত্তেজনাকেও বিশেষ ভাবে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা হয়েছে। মণ্ডপের এক পাশে গ্যালারির আদলে তৈরি অংশে থাকবে ফাইনালের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি। দুর্গাপ্রতিমার পাশেও স্থান পাচ্ছে ফাইনালের স্মরণীয় দৃশ্য এবং ফুটবল তারকাদের ছবি। মণ্ডপের একেবারে উপরের দিকে থাকবে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের পতাকা। আলোর কারুকার্যে সেই সব পতাকার রং ফুটিয়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে। সব মিলিয়ে দর্শকদের সামনে ফুটবল বিশ্বকাপের একটি দৃশ্যমান আবহ তৈরি করাই উদ্যোক্তাদের লক্ষ্য।এখানেই শেষ নয়। মণ্ডপে থাকবে একটি বড় পর্দা, যেখানে দেখানো হবে বিশ্বকাপের বিভিন্ন ম্যাচের হাইলাইটস। ফলে প্রতিমা দর্শনের পাশাপাশি ফুটবলপ্রেমীরা ফিরে দেখতে পারবেন মাঠের সেরা মুহূর্তগুলি। গোল, সেভ, দুরন্ত পাস কিংবা ট্রফি জয়ের উল্লাসবিশ্বকাপের নানা স্মৃতি মণ্ডপের পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে।তবে এই আয়োজনের পিছনে শুধুই দর্শকদের আকর্ষণ করার ভাবনা নেই। উদ্যোক্তাদের মূল লক্ষ্য, ছোটদের মধ্যে ফুটবলের প্রতি আগ্রহ বাড়ানো এবং তাদের মাঠমুখী করে তোলা। বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল বিনোদনের প্রতি শিশু-কিশোরদের আকর্ষণ বাড়ছে। সেই পরিস্থিতিতে খেলাধুলার আনন্দ, দলগত প্রচেষ্টা, শৃঙ্খলা এবং শরীরচর্চার গুরুত্ব নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে ফুটবলকে মাধ্যম করেছে ক্লাব।ফুটবল এমন একটি খেলা, যেখানে জয়ের আনন্দের পাশাপাশি থাকে পরাজয় মেনে নেওয়া, সতীর্থের পাশে দাঁড়ানো এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার শিক্ষা। ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড থিমের মাধ্যমে সেই সামাজিক ও মানবিক বার্তাও দর্শকদের কাছে পৌঁছে দিতে চায় পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি।দুর্গাপুজোর উৎসবের সঙ্গে ফুটবলের আবেগকে মিলিয়ে এই উদ্যোগ কতটা দর্শকপ্রিয় হয়, তা অবশ্য সময়ই বলবে। তবে মণ্ডপের সাজসজ্জা থেকে বিশ্বকাপের স্মৃতি, আন্তর্জাতিক তারকা থেকে ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসসব কিছুকে এক ছাতার তলায় এনে পুজোর আনন্দে নতুন মাত্রা যোগ করার চেষ্টা করেছে ক্লাব। উদ্যোক্তাদের আশা, মণ্ডপে এসে বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতে ওঠার পাশাপাশি ছোটদের মনে জাগবে ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন। আর সেই স্বপ্নের টানেই হয়তো এক দিন তারা মোবাইল সরিয়ে রেখে আবার ছুটবে গ্রামের মাঠে, পায়ে বল নিয়ে।দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের আবহ, আর সেই আবহ থেকেই মাঠে ফেরার ডাকপূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির এ বারের পুজোর ভাবনায় ফুটবল তাই শুধু খেলা নয়, নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলারও এক বার্তা।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় বড় চমক! কবে নিজের গর্ভগৃহে ফিরবেন তারাপীঠের মা তারা?

মহালয়ার আগেই তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে মা তারাকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা ছিল। পরে ষষ্ঠীর দিনও তাঁকে ফিরিয়ে আনার কথা ভাবা হয়েছিল। কিন্তু মন্দিরের সংস্কারের কাজ শেষ না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন মা তারাকে মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কমিটি। ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যারতির পর নতুন বেদিতে অধিষ্ঠিত হবেন দেবী। ওই দিন রাজরাজেশ্বরী রূপে তাঁর বিশেষ পুজো হবে।তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে এখন সংস্কারের কাজ চলছে। দেবীর আসনের বেদির উচ্চতা আট ইঞ্চি বাড়ানো হয়েছে। এই সংস্কারের জন্য খরচ হচ্ছে প্রায় দেড় কোটি টাকা। অযোধ্যার রামমন্দিরের কারিগরদের দিয়ে বিশেষ রেলিং তৈরি করানো হচ্ছে। তবে দিল্লি হয়ে সেই রেলিং তারাপীঠে পৌঁছতে দেরি হওয়ায় সংস্কারের কাজও পিছিয়ে যায়। মন্দির কমিটি জানিয়েছে, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন সব ধর্মীয় আচার মেনে মা তারাকে নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠা করা হবে।মন্দির কমিটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওই দিন ভোরে শিবমন্দির থেকে মা তারাকে নিয়ে আসা হবে বিশ্রাম মঞ্চে। সেখানে দিনভর পুজো ও দর্শন চলবে। সন্ধ্যারতির পর দেবীকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে মূল গর্ভগৃহে। নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠার আগে শুদ্ধিকরণ-সহ প্রয়োজনীয় ধর্মীয় আচার পালন করা হবে। লক্ষ্মীপুজোর বিশেষ লগ্নে মা তারাকে রাজরাজেশ্বরী রূপে সাজিয়ে মহালক্ষ্মী হিসেবে পুজো করা হবে।সংস্কারের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরিয়ে শিবমন্দিরে রাখা হলেও তাঁর নিত্যপুজো ও দর্শন বন্ধ হয়নি। সেখানেই নিয়মিত পুজো চলছে। তারাপীঠ মন্দির কমিটির সম্পাদক পুলক চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কৌশিকী অমাবস্যার দুদিন পর সংস্কারের কাজের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরানো হয়েছিল। মহালয়া অমাবস্যার ঠিক আগে তাঁকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা থাকলেও কয়েকটি সমস্যার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে ষষ্ঠীর দিন তাঁকে ফেরানোর কথা ভাবা হয়েছিল, কিন্তু সংস্কারের কাজ বাকি থাকায় সেই পরিকল্পনাও কার্যকর করা যায়নি।পুলক চট্টোপাধ্যায় আরও জানান, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চতুর্দশীর দিন ভোরে মা তারাকে শিবমন্দির থেকে বিশ্রাম মঞ্চে নিয়ে আসা হবে। ২৫ অক্টোবর সারাদিন সেখানেই থাকবেন দেবী। সন্ধ্যারতির পর তাঁকে আবার নিজের মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় মা তারার এই বিশেষ আরাধনাকে ঘিরে এখন প্রস্তুতি চলছে তারাপীঠ মন্দিরে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দু সরকারের বিচারে কলকাতার সেরা পুজো কোনটি? প্রথম স্থান পেল সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার!

রাজ্যে পালাবদলের পর এ বারই প্রথম দুর্গাপুজো। তার মধ্যেই কলকাতার সেরা পুজোগুলির নাম ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর, কলকাতা পুরসভা এবং কলকাতা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মোট ২৩টি পুজো কমিটিকে বিভিন্ন বিভাগে সম্মান জানানো হয়েছে। সেরা প্রতিমা, সেরা মণ্ডপ, আলোকসজ্জা, পরিবেশবান্ধব পুজো এবং সমাজ সচেতনতার মতো বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।সরকারের বিচারে এ বারের সেরার সেরা হয়েছে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার। এই বিভাগে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে বৃন্দাবন গার্ডেন দুর্গাপুজো সমিতি। তৃতীয় হয়েছে চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি।সেরা প্রতিমা বিভাগে প্রথম হয়েছে মুদিয়ালি ক্লাব। দ্বিতীয় স্থানে টালা বারোয়ারি, তৃতীয় স্থানে বেহালা অরুণোদয় সমিতি এবং চতুর্থ স্থানে আহিরীটোলা সর্বজনীন। অন্য দিকে, সেরা মণ্ডপের পুরস্কার পেয়েছে খিদিরপুর ২৫ পল্লি। এই বিভাগে দ্বিতীয় হয়েছে আমরা কজন কল্যাণ সমিতি।আলোকসজ্জার বিভাগেও ঘোষণা করা হয়েছে পুরস্কারজয়ীদের নাম। এই বিভাগে প্রথম হয়েছে সন্তোষপুর অ্যাভিনিউ সাউথ। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বকুলবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব। তৃতীয় হয়েছে শিবমন্দির সর্বজনীন দুর্গোৎসব।পরিবেশবান্ধব পুজোর বিভাগে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে নলিন সরকার স্ট্রিট। দ্বিতীয় হয়েছে পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কের পুজো। তৃতীয় স্থান পেয়েছে রাজডাঙা নব উদয় সংঘ।সমাজ সচেতনতার বিভাগে প্রথম হয়েছে কাশীবোস লেন। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বালিগঞ্জ কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন। তৃতীয় হয়েছে চক্রবেড়িয়া সর্বজনীন এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে অজেয় সংহতি।এ ছাড়াও চারটি পুজো কমিটিকে বিশেষ পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে বি জি লাইন্স আবাসিক দুর্গাপুজো কমিটি, শ্যাম স্কোয়্যার, ঠাকুরপুকুর এসবি পার্ক এবং সমাজসেবী সংঘ।সব মিলিয়ে, দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এ কলকাতার একাধিক পরিচিত পুজো কমিটি বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে। সেরার সেরা হিসেবে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যারের নাম উঠে আসার পাশাপাশি প্রতিমা, মণ্ডপ, আলো, পরিবেশ এবং সমাজ সচেতনতার বিভাগেও আলাদা করে সেরাদের বেছে নিয়েছে সরকার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

হাই কোর্টে ধাক্কা, এ বার সুপ্রিম কোর্টে সুজিত বসু! পুজোর আগে কি মিলবে স্বস্তি?

কলকাতা হাই কোর্টে জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাই কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন তিনি। তবে এখনই এই মামলার শুনানি হচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। ফলে দুর্গাপুজোর আগে জামিন মিলবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে জেলবন্দি তৃণমূলের এই নেতা।গত ১২ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। তার পর থেকে তিনি জেলে রয়েছেন। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। হাই কোর্টে জামিনের আবেদন জানিয়েও স্বস্তি পাননি প্রাক্তন মন্ত্রী। এ বার সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন তিনি।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর দুর্নীতির অভিযোগে বিভিন্ন মামলার তদন্ত ঘিরে তৎপরতা বেড়েছে। পুরসভায় নিয়োগ এবং শিক্ষক নিয়োগের মতো একাধিক মামলার তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি ও সিবিআই। সেই তদন্তের সূত্রেই সুজিতের বিরুদ্ধে পুর নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে। গত ১২ মে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।তদন্তের সময় সুজিত বসুর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর ছেলের রেস্তরাঁকে ঘিরেও একাধিক বেআইনি কাজের অভিযোগ সামনে এসেছে। এই সব অভিযোগের তদন্তে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছেন ইডির আধিকারিকেরা। তবে অভিযোগগুলির সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হওয়া এখনও বাকি।জামিনের আবেদন বারবার খারিজ হওয়ায় সুজিতের আইনি লড়াই আরও জটিল হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টে তাঁর আবেদন কোন দিকে এগোয়, সেটাই দেখার। পুজোর আগে শীর্ষ আদালতে শুনানি না হলে আপাতত জেলেই থাকতে হতে পারে প্রাক্তন মন্ত্রীকে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
দেশ

এক সপ্তাহে দু’বার আটক অভিজিৎ দীপকে! দিল্লিতে তিরঙ্গা মিছিলের আগেই কেন কড়া পদক্ষেপ পুলিশের?

ফের আটক ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শুক্রবার দিল্লির কনট প্লেসে দলের তিরঙ্গা মিছিল হওয়ার কথা ছিল। তবে ওই মিছিলে বড় জমায়েতের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। বৃহস্পতিবারই পুলিশের তরফে জানানো হয়েছিল, জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার জন্য ১১ জনের একটি দলকে অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। এর পর শুক্রবার সকালে মিছিল শুরুর ঠিক আগে অভিজিৎ দীপকের দিল্লির বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। তাঁকে কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়ে একটি নোটিস দেওয়া হয়। তার পরেই তাঁকে আটক করা হয়। এক সপ্তাহের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার আটক হলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা।এর আগে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লি এসেছিলেন অভিজিৎ। দিল্লিতে বিমান অবতরণের পরেই তাঁকে আটক করেছিল পুলিশ। এ বার জাতীয় পতাকা হাতে তিরঙ্গা মিছিল শুরুর আগেই ফের তাঁকে আটক করা হল।বৃহস্পতিবারই সিজেপিকে মিছিলের অনুমতি নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। জানানো হয়েছিল, ১১ জনের একটি দল জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে পারে। শুক্রবার সকালে মিছিলের আগে অভিজিৎ দীপকের বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে নোটিস দেয় পুলিশ। কনট প্লেসে নির্ধারিত কর্মসূচিতে যোগ না দেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয় তাঁকে।তবে অভিযোগ, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি মেনেই জাতীয় পতাকা হাতে কনট প্লেসের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন অভিজিৎ। সেই সময় তাঁকে রাস্তা থেকে আটক করে পুলিশ। তার আগে পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসা হয় বলেও জানা গিয়েছে। কেন তাঁকে আটক করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা। অভিজিতের দাবি, তিনি কোনও আইন ভাঙেননি।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

টেবিল-ছাতা পেতেও মিলল না ছাড়! সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে কড়া নির্দেশ প্রধান বিচারপতির

সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে নতুন করে জট তৈরি হল কলকাতা হাই কোর্টে। একক বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। শুক্রবার সেই মামলায় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চের রায় খারিজ করে দিল ডিভিশন বেঞ্চ। শুধু তাই নয়, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত। আগামী ২১ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি। মামলার সঙ্গে যুক্ত সব পক্ষকে নোটিস দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত।শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে জানতে চান, বুকস্টল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল কি না। তাঁর প্রশ্ন, আবেদন করেও অনুমতি না পেলে পুলিশ কী করবে? সিপিএমের আইনজীবী শামিম আহমেদ জানান, অনুমতি চেয়ে গণপূর্ত দফতর এবং জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে ইমেল করা হয়েছিল। পুলিশকেও আবেদনের কথা জানানো হয়েছিল বলে জানান মামলাকারীর আইনজীবী।এর পরেই রাস্তার ধারে থাকা স্টলগুলি নিয়ে কড়া অবস্থান জানান প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, অনুমতি না থাকলে কোনও স্টলই রাখা যাবে না। আইনের চোখে সবাই সমান। সিপিএমের বুকস্টল কোথায় রয়েছে, তা জানতে চান তিনি। উত্তরে শামিম আহমেদ জানান, বুকস্টলটি দলের কার্যালয়ের সামনে। রাস্তার ধারে অন্য স্টলগুলির সঙ্গে একই লাইনে রয়েছে কি না, নাকি রাস্তার উপরে এগিয়ে এসেছে, সেই প্রশ্নও করেন প্রধান বিচারপতি। সিপিএমের আইনজীবী দাবি করেন, বুকস্টলটি অন্য স্টলগুলির মতো একই লাইনে রয়েছে।রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য জানান, অন্য স্টলগুলির অনুমতি রয়েছে কি না, তা তাঁর জানা নেই। এর পর প্রধান বিচারপতি বলেন, অনুমতি না থাকলে সব স্টলই সরিয়ে দিতে হবে। আইনের চোখে সকলের সমান অধিকার থাকা প্রয়োজন।সিপিএমের আইনজীবী জানান, একক বেঞ্চও একই ধরনের পর্যবেক্ষণ করেছিল। অন্য দিকে, অ্যাডভোকেট জেনারেল প্রশ্ন তোলেন, অনুমতি ছাড়া কী ভাবে বুকস্টল চালানো সম্ভব? সিপিএমের তরফে পাল্টা জানানো হয়, দুর্গাপুজো শুরু হয়ে গিয়েছে। হাতে আর তিন-চার দিন রয়েছে। তাই মাইক বা মাইক্রোফোন ব্যবহার না করে বুকস্টল চালানোর অনুমতি দেওয়া হোক।শেষ পর্যন্ত আরও একটি প্রস্তাব দেন সিপিএমের আইনজীবী। তিনি জানান, দলের কার্যালয়ের সামনে পাঁচ ফুট লম্বা একটি টেবিল পেতে, কোনও ছাউনি ছাড়াই শুধু ছাতা ব্যবহার করে বুকস্টল চালাতে চান তাঁরা। কিন্তু সেই প্রস্তাবেও রাজি হয়নি আদালত। পাল্টা সওয়ালে অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, বনগাঁ থানার আইসি আদালতে উপস্থিত রয়েছেন। বুকস্টল থেকে বাংলাদেশ সীমান্তের দূরত্ব ছয় কিলোমিটার। এর পরেই প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

পঞ্চমীর পর ষষ্ঠীতেও কলকাতার মেট্রোয় জনপ্লাবন! দরজা বন্ধ করতেই হিমশিম কর্মীরা

পঞ্চমী থেকেই ভিড়ে ঠাসা কলকাতা। মেট্রো স্টেশনে পা রাখার জায়গা নেই। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যাচ্ছে। ভিড়ের চাপে অনেক সময় বন্ধ করা যাচ্ছে না মেট্রোর দরজা। ফলে একের পর এক স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকছে ট্রেন। ষষ্ঠীতেও পরিস্থিতির বিশেষ বদল হয়নি। মেট্রোর পাশাপাশি লোকাল ট্রেনেও যাত্রীদের ভিড় উপচে পড়ছে। ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে শহরবাসীকে। এই পরিস্থিতিতে মেট্রোর পরিষেবা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দুর্গাপুজো মানেই প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘোরা। ভিড়ের কথা মাথায় রেখেও অনেকেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন প্রতিমা দর্শনে। এখন তো তৃতীয়া থেকেই শুরু হয়ে যায় ঠাকুর দেখা। ফলে পঞ্চমী আসতেই শহরের বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনে ভিড় বাড়তে শুরু করে। পঞ্চমীর রাতে চাঁদনি চক, এসপ্ল্যানেড-সহ একাধিক স্টেশনে কার্যত জনস্রোত দেখা যায়। বিকেল থেকেই মেট্রোয় ঠাসাঠাসি ভিড় ছিল।তার উপর একাধিক মেট্রো বাতিল হওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার চেষ্টা করেন যাত্রীরা। ভিড় এতটাই বেশি ছিল যে অনেক ক্ষেত্রে দরজা বন্ধ করতে সমস্যা হয়। কোথাও কোথাও ভিড় সামলাতে পুলিশকর্মীদের যাত্রীদের নামিয়ে দিতে হয় বলেও জানা গিয়েছে। সব মিলিয়ে পঞ্চমীর রাতেই মেট্রোয় দুর্ভোগ চরমে ওঠে।ষষ্ঠীতেও ছবিটা প্রায় একই। সকাল থেকেই কলকাতার বিভিন্ন পুজোমণ্ডপে ভিড় জমাতে শুরু করেন দর্শনার্থীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাস, ট্রেন এবং মেট্রোয় যাত্রীর সংখ্যা আরও বাড়ে। মেট্রোর তরফে বারবার একই ট্রেনে ওঠার জন্য তাড়াহুড়ো না করতে বলা হলেও তাতে বিশেষ লাভ হয়নি। পুজোর ভিড়ে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছতে চাইছেন সকলেই। কারণ, যাতায়াতে সময় কম লাগলে আরও বেশি প্রতিমা দেখার সুযোগ মিলবে।শিয়ালদহমুখী লোকাল ট্রেনেও ভিড়ের ছবিটা আলাদা নয়। ট্রেনের ভিতরে যাত্রীদের ঠাসাঠাসি ভিড় থাকায় সমস্যায় পড়ছেন অনেকে। পুজোর সময়ে শহর ও শহরতলির যাত্রীসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় পরিবহণ ব্যবস্থার উপর চাপ বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বাড়তি ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। আগামীকাল, অর্থাৎ সপ্তমী থেকে অতিরিক্ত ট্রেন চললে ভিড় কিছুটা সামলানো যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে পুজোর বাকি দিনগুলিতে মেট্রো ও লোকাল ট্রেনে যাত্রীদের ভোগান্তি কতটা কমে, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal