• ৭ আশ্বিন ১৪৩৩, রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Belur

রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রী হয়েই বেলুড় মঠে শুভেন্দু! প্রেসিডেন্ট মহারাজের পায়ে হাত দিয়ে নিলেন আশীর্বাদ

মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর এবার প্রথমবার বেলুড় মঠে গেলেন শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার সকালে প্রশাসনিক বৈঠকের আগে বেলুড় মঠে পৌঁছন তিনি। সেখানে রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের প্রেসিডেন্ট মহারাজ গৌতমানন্দজির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করে আশীর্বাদ নেন শুভেন্দু।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে রামকৃষ্ণ মিশনের সম্পর্ক বহুদিনের। কলকাতায় এলেই তিনি সময় করে বেলুড় মঠে যান। সেই পথেই এবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বেলুড় সফর রাজনৈতিক মহলে বিশেষ তাৎপর্য তৈরি করেছে।এদিন শুভেন্দুর সঙ্গে ছিলেন বিশিষ্ট চিকিৎসক নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়। বেলুড় মঠে পৌঁছতেই সন্ন্যাসীরা তাঁকে স্বাগত জানান। মুখ্যমন্ত্রীকে দেখতে সাধারণ দর্শনার্থীদের মধ্যেও উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। শুভেন্দুও সকলকে জোড় হাত করে প্রণাম জানান।মঠে ঢুকে প্রথমে মূল শ্রীরামকৃষ্ণ মন্দিরে যান মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে আরতি দেখেন এবং পুজো দেন। এরপর স্বামী বিবেকানন্দের স্মৃতিবিজড়িত ঘরে গিয়ে প্রণাম জানান। একে একে স্বামী ব্রহ্মানন্দ মন্দির এবং মা সারদাদেবীর মন্দিরেও পুজো ও প্রণাম করেন তিনি।সবশেষে রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের প্রেসিডেন্ট মহারাজের ঘরে গিয়ে বেশ কিছুক্ষণ সময় কাটান শুভেন্দু অধিকারী। মঠ সূত্রে খবর, প্রেসিডেন্ট মহারাজের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই প্রশাসনিক কাজকর্মে ব্যস্ত শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার তাঁর হাওড়া ও দুর্গাপুরে একাধিক প্রশাসনিক বৈঠকের সূচি রয়েছে। বেলুড় মঠ সফর শেষে তিনি হাওড়ার শরৎ সদনে প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিতে রওনা দেন। সেখানে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে পর্যালোচনা বৈঠক করেন তিনি। এরপর দুর্গাপুরেও প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর।

মে ২১, ২০২৬
রাজ্য

মা সারদা নিয়ে তৃণমূল বিধায়কের মন্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া বেলুড় মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশনের

মন্তব্যের পাঁচ দিন পর কড়া জবাব বেলুড় মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশনের। তৃণমূল বিধায়ক নির্মল মাজি বলেছিলেন, মৃত্যুর কয়েকদিন আগে স্বামী বিবেকানন্দর কয়েকজন সতীর্থ মহারাজ মা সারদাকে বলেছিলেন, পরবর্তীতে কালীঘাট মন্দির এলাকায় মনুষ্যরূপে জন্ম নেব। সেই জন্মের পর ত্যাগ, তিতিক্ষার মাধ্যমে সামাজিক কাজে যুক্ত হব। রাজনৈতিক কাজকর্মও করব। ওই বিধায়ক আরও বলেছিলেন, সময়, সংখ্যাতত্ত্ব মিলিয়ে দেখা যাচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই মা সারদা। কারণ দুর্গাপুজোর অষ্টমী-নবমী তিথির সন্ধিক্ষণে তাঁর জন্ম। দিদি-ই মা সারদা, দিদি-ই সিস্টার নিবেদিতা, দিদি-ই ঘরের দুর্গা। নির্মল মাজির এই মন্তব্যে চারিদিকে আলোড়ন পড়ে যায়। ভক্তদের বিরূপ প্রতিক্রিয়া পেয়েছে বেলুড় মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশন। তাঁদেরকে ভক্তরা জানিয়েছেন, বিধায়কের ওই বক্তব্যে তাঁরা আঘাত পেয়েছেন।শুক্রবার তৃণমূল বিধায়কের ওই মন্তব্যের বিরুদ্ধে মুখ খোলে বেলুড় মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশন। মঠের সাধারণ সম্পাদক স্বামী সুবিরানন্দজি মহারাজ বলেছেন, ওই রাজনৈতিক নেতার উক্তি মা সারদার মর্যাদাকেই ভুলুণ্ঠিত করেছে।স্বামী সুবিরানন্দজি মহারাজ বলেছেন, সম্প্রতি কোনও এক রাজনৈতিক নেতা তাঁর বক্তৃতায় বলেছেন, শ্রী শ্রী মা সারদা দেবী নাকি দেহত্যাগের আগে রামকৃষ্ণ মিশনের মহারাজদের বলে গিয়েছেন, তিনি এর পরে মানবী রূপে দক্ষিণ কলকাতায় আবির্ভূত হবেন। তখন তিনি ত্যাগ, তিতিক্ষা, সামাজিক কাজকর্মের সঙ্গে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডেও জড়িয়ে যাবেন। শ্রী শ্রী মাকে নিয়ে রামকৃষ্ণ মঠ-মিশন ও অন্যান্যদের থেকে প্রামাণিক যে যে গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে তাতে এরকম কোনও তথ্য নেই। তাহলে ওই নেতা কীভাবে এমন অদ্ভুত তথ্য পেলেন কোথায়? কী ভাবে তা প্রকাশ্য সভায় বললেন? তা আমাদের বুদ্ধির অগোম্য।রামকৃষ্ণ মিশন ও মঠের সকল সন্ন্যাসী ব্রহ্মচারী অত্যন্ত দুঃখ-ক্ষোভের সঙ্গে মনে করছে ওই নেতার বক্তব্যের দ্বারা আমাদের পরম আরাধ্যা শ্রী শ্রী মায়ের মর্যাদা হানি করেছেন। আমাদের সকলের মায়ের এই অসম্মান আমাদের দুঃসহ বলে মনে হচ্ছে। এই দুঃসাহস যেন আর কেউ না দেখায়।

জুন ৩০, ২০২২
কলকাতা

Belur Math: অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ বেলুড়মঠ, বোটানিক্যাল গার্ডেন

অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ বেলুড়মঠ। রাজ্যজুড়ে করোনার দাপট বাড়ছে। এই পরিস্থিতি সোমবার থেকেই পর্যটন কেন্দ্রগুলি বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নবান্ন। সেই নির্দেশ মেনে অনির্দিষ্টকালের জন্য বেলুড়মঠ বন্ধের সিদ্ধান্ত নিল মঠ কর্তৃপক্ষ। বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বোটানিক্যাল গার্ডেন কর্তৃপক্ষও।এর আগে ১ জানুয়ারি থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত ভক্তদের জন্য মঠের দরজা বন্ধ করা হয়েছিল। এবার রাজ্য সরকারের নির্দেশিকা মেনে অনির্দিষ্টকালের জন্য মঠ প্রাঙ্গণে ভক্ত ও দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ রাখা হয়েছে বলে এই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। নবান্নের নির্দেশ মেনে বেলুড় ছাড়া অন্য মন্দির ও তীর্থস্থানগুলিও ভক্ত ও দর্শনার্থীদের জন্য দরজা বন্ধের পথে হাঁটবে। রবিবারই তারাপীঠ মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিলেন, দ্রুত তারা বৈঠক করে এ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। কল্পতরু উৎসবের দিন মন্দির বন্ধ ছিল দক্ষিণেশ্বর সরকারি নির্দেশ মেনে তারও অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধরে পথে হাঁটবে বলে মনে করা হচ্ছে।

জানুয়ারি ০৩, ২০২২
রাজ্য

Belur Math: শর্তসাপেক্ষে খুলছে বেলুড় মঠ

১৮ অগস্ট, বুধবার থেকে ফের সাধারণ মানুষের জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে বেলুড় মঠের দরজা। তবে মঠে ঢোকার জন্য মানতে হবে বেশ কয়েকটি শর্ত। মঠ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, সকাল ৮টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত ও বিকেলে ৪টে থেকে ৫.৪৫ পর্যন্ত মঠ খোলা থাকবে। তবে বিশেষ শর্ত পূরণ করলেই ঢোকা যাবে ভিতরে।বেলুড় মঠ কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, যাঁদের দুটি করোনা টিকা নেওয়া আছে, তাঁদের অবশ্যই সঙ্গে করে টিকার শংসাপত্র ও সচিত্র পরিচয়পত্র হিসাবে আধার কার্ড অথবা প্যান কার্ড বা ভোটার কার্ড নিয়ে আসতে হবে। এ ছাড়া যাঁদের করোনা টিকা নেওয়া হয়নি, তাঁদের সঙ্গে করে আনতে হবে কোভিড নেগেটিভ শংসাপত্র। পরীক্ষা করার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে এই আরটিপিসিআর রিপোর্ট নিয়ে এলে তবেই ঢোকা যাবে মঠে। স্বামী জ্ঞানব্রতানন্দ বলেছেন, সমস্ত কোভিড বিধি মেনে মঠ খোলা হচ্ছে। দর্শনার্থীদের সেই নিয়ম মানতে হবে। সমস্ত নিয়ম মানলে তবেই মঠ পরিসরে প্রবেশের অনুমতি মিলবে।

আগস্ট ১০, ২০২১
কলকাতা

Belur Math: কোভিডের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে মানুষের পাশে বেলুড় মঠ

কোভিডের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এবার মানুষের পাশে বেলুড় মঠ। কোভিড-১৯ টিকাকরণ কেন্দ্র এবার রামকৃষ্ণ মিশন শিক্ষণ মন্দিরের উদ্যোগে। কোভিডের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বেলুড় মঠের রামকৃষ্ণ মিশন শিক্ষণ মন্দিরের তরফেই এবার টিকাকরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। লকডাউন পরিস্থিতিতে দিন আনা দিন খাওয়া মানুষের জন্য খাদ্যবস্তু দান, কোভিডের আরটিপিসিআর টেস্ট, সেফ হোমের ব্যবস্থার পর এবার কোভিড টিকাকরণের ব্যবস্থা করল বেলুড় মঠ।আরও পড়ুনঃ জর্জ ফ্লয়েড হত্যায় অভিযুক্ত পুলিশকর্মীর সাড়ে ২২ বছরের জেল রামকৃষ্ণ মিশন সারদাপীঠ দ্বারা প্রযোজিত রামকৃষ্ণ মিশন শিক্ষণ মন্দিরের ব্যবস্থাপনায় আগামী পয়লা জুলাই থেকে বেসরকারি হাসপাতালের সহযোগিতায় এই কোভিড টিকাকরণ শুরু হতে চলেছে। সরকার নির্ধারিত মূল্য ৭৮০টাকা জনপ্রতি ধার্য করা হলেও দুঃস্থ এবং অসহায় মানুষদের জন্য ছাড়ের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। কো-উইন অ্যাপের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করে বেলুড় মঠের নির্দিষ্ট নম্বরে ফোন করে অন্তত তিন দিন আগে নাম নথিভুক্ত করাতে হবে। কোভিশিল্ডের প্রথম এবং দ্বিতীয় দুটি ডোজই এখানে দেওয়া হবে। প্রতি সপ্তাহের বৃহস্পতিবার ৩০০ জনকে ভ্যাকসিন দেওয়ার ব্যবস্থা প্রাথমিকভাবে করা হয়েছে। শনিবার এ বিষয়ে শিক্ষণ মন্দির মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ স্বামী দিব্যগুণানন্দজি মহারাজ বলেন, রামকৃষ্ণ মিশন শিক্ষণ মন্দির বেলুড় মঠ, পিয়ারলেস হাসপাতাল, এম ফাউন্ডেশন এবং ক্যালকাটা ক্যাটালিস্ট এই সংস্থাগুলির যৌথ উদ্যোগে ভ্যাক্সিনেশন ক্যাম্প চালু হতে চলেছে। সপ্তাহে একদিন বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। যারা কো-উইন অ্যাপে রেজিস্ট্রেশন করেছেন বা করছেন তাঁদের ০৩৩ ২৬৫৪ ৯২৮১ এই নম্বরে ফোন করতে হবে। কো-উইনের রেজিস্ট্রেশন নম্বরের শেষ চারটি ডিজিট ও অন্যান্য ডাটা ফোনে বললে তাঁর নাম ও ফোন নম্বর লিখে নেওয়া হবে। এরপর তাঁরা এসে ভ্যাকসিন নিতে পারবেন। সরকার নির্ধারিত ৭৮০ টাকা লাগবে ভ্যাকসিন নিতে। কিন্তু যারা দুঃস্থ, যারা সেই টাকা দিতে অপারগ, তাঁদের জন্য শিক্ষণ মন্দিরের তরফ থেকে ছাড় দেওয়া হবে। প্রয়োজনে সেই টাকা বেলুড় মঠ রামকৃষ্ণ মিশন শিক্ষণ মন্দির কর্তৃপক্ষ বহন করবে। সপ্তাহে ৩০০ জনকে ভ্যাকসিন দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে। সবাইকেই কোভিশিল্ড দেওয়া হবে। এখানে প্রথম এবং দ্বিতীয় দুটো ডোজই দেওয়া হবে।

জুন ২৬, ২০২১
রাজ্য

Swami Shivamayananda: প্রয়াত রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের সহ অধ্যক্ষ্য মহারাজ স্বামী শিবমায়ানন্দ

প্রয়াত হলেন রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের সহ অধ্যক্ষ্য মহারাজ স্বামী শিবমায়ানন্দ তিনি ব্যক্তিগত মহলে রণেন মহারাজ নাম পরিচিত ছিলেন । শুক্রবার রাত ৯টা ৫ নাগাদ সেবা প্রতিষ্ঠানে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। কিছুদিন আগে তিনি আতিমারি করোনায় আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছিলেন সেবা প্রতিষ্ঠানে। বেশ কয়েক বছর ধরেই শ্বাসকষ্ট সহ রক্তচাপ ও কিডনির সমস্যায় ভুগছিলেন। জানা যায় তিনি দীর্ঘদিন ধরেই সিওপিডি-র সমস্যায় ভুগছিলেন। স্বামী শিবমায়ানন্দের জন্ম ১৯৩৪ সালে বিহারে । আনুমানিক ১৯৫৯ সালে বেলুড় মঠ রামকৃষ্ণ মিশনের সঙ্গে স্বামিজি যুক্ত হন। মিশনের বহু শাখার নানা গুরুত্বপূর্ণ পদে তিনি দায়িত্ব সামলেছেন তার এই মহান কর্মকালে। গত ২২ মে হালকা জ্বর ও শ্বাসকষ্টের কারণে শিবমায়ানন্দকে মঠের হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। ওই দিনই তাঁর কোভিড টেস্ট রিপোর্ট পজিটিভ আসে। তাঁর শারীরিক পরিস্থিতি ক্রমশ উদ্বেগজনক হচ্ছিল। মঠের তরফে জানানো হয় শুক্রবার রাত ৯টা ৫ মিনিট নাগাদ তাঁর মৃত্যু হয়েছে ।ভক্তদের কাছে রণেন মহারাজ নামে খ্যাত স্বামী শিবমায়ানন্দের মৃত্যুতে অনেকেই শোকপ্রকাশ করেছেন। নেটমাধ্যমে শোকপ্রকাশ করেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। তিনি তার সোশ্যাল মাধ্যমে লিখেছেন কলকাতার সেবা প্রতিষ্ঠান রামকৃষ্ণ মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশনের সহ-অধ্যক্ষ্য স্বামী শিবমায়ানন্দজী মহারাজের প্রয়াণে গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। গুরুতর কোভিড নিউমোনিয়ার কারণে তাঁর আজ (১১ জুন ২০২১) রাত ৯.০৫-এ মহাসামধি প্রাপ্ত করেছেন।Deeply condole the passing away of revered Swami Shivamayanandaji Maharaj, Vice-President, Ramakrishna Math Ramakrishna Mission, at Seva Pratishthan, Kolkata. He attained mahasamadhi today (11 June 2021) at 9.05 pm due to severe Covid pneumonia. Governor West Bengal Jagdeep Dhankhar (@jdhankhar1) June 11, 2021

জুন ১২, ২০২১
কলকাতা

কোভিড রোগীদের সাহায্যার্থে রাজ্যকে ২০০টি ফ্লো মিটার দান বেলুড়ের ব্যবসায়ীর

কোভিড রোগীদের অক্সিজেন সরবরাহে ফ্লো মিটারের অপ্রতুলতা যাতে বাধা না হয়ে দাঁড়ায়, তাই নিজের কারখানায় তৈরি ২০০টি ফ্লো মিটার রাজ্য সরকারের হাতে তুলে দিলেন বেলুড়ের এক ব্যবসায়ী। করোনা অতিমারির এই দুঃসহকালে অক্সিজেনের জন্য যখন প্রাণ যাচ্ছে মানুষের, কখনও বা সিলিন্ডার পাওয়া গেলেও ফ্লো মিটারের অভাবে দেওয়া যাচ্ছে না অক্সিজেন । অতিমারির এই সময়ে দেশজুড়ে দেখা দিয়েছে অক্সিজেনের আকাল। বহু জীবনহানির ঘটনা ঘটছে রোগীকে সময়মত অক্সিজেন দিতে না পারার কারণে। অক্সিজেনের আকালের পাশাপাশি,অক্সিজেন সিলিন্ডার থেকে রোগীকে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন সরবরাহের করতে ব্যাবহার করা হত ফ্লো মিটার নামক এক যন্ত্র। যা ছাড়া অক্সিজেন সিলিন্ডার থাকলেও অক্সিজেন রোগীকে দেওয়া সম্ভব নয়। বর্তমান কোভিড পরিস্থিতিতে অনেক সময়েই ফ্লো মিটার না পাওয়ায় অক্সিজেন দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। কিছুদিন আগেই এক হাসপাতালে ফ্লো মিটার না থাকায় অক্সিজেন সিলিন্ডার থাকলেও অক্সিজেন না পেয়ে একই দিনে মৃত্যু হয় দুই রোগীর। এবারে সেই ফ্লো মিটারের সংকট কাটাতে এগিয়ে এলেন হাওড়ার এক ব্যবসায়ী। নিজের কারখানায় তৈরি ২০০টি ফ্লো মিটার বিনামূল্যে তিনি তুলে দিলেন রাজ্য সরকারের হাতে। বুধবার ওই সংস্থার কর্ণধার উৎপল দাস রাজ্যের সমবায়মন্ত্রী অরূপ রায় ও হাওড়ার জেলাশাসক মুক্তা আর্যর হাতে এই ফ্লো মিটারগুলো তুলে দেন। এদিন উৎপলবাবু জানান, আপাতত রাজ্য সরকারকে বিনামূল্যে অক্সিজেন সিলিন্ডারের জন্য ২০০টা ফ্লো মিটার দেওয়া হল। ভবিষ্যতে প্রয়োজনমতো তাঁর সংস্থার তরফে আরও সরবরাহ করা হবে। এমনকী, অন্ধ্রপ্রদেশের মতো ভিনরাজ্যেও স্বল্পমূল্যে এই অক্সিজেন ফ্লো মিটার পাঠানো হবে বলে জানান তিনি । তাঁর কথায়, বর্তমান পরিস্থিতিতে বাজারে ফ্লো মিটার পাওয়া যাচ্ছে না। বাজারে এর ঘাটতি তৈরি হয়েছে। বাজারে অল্প সংখ্যক ফ্লো মিটার থাকলেও তার অগ্নিমূল্য। নূন্যতম মূল্য প্রায় তিন হাজার টাকা। তাই একথা মাথায় রেখেই বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে যাতে এই অক্সিজেন ফ্লো মিটার সরবরাহ করা যায় সেই চিন্তা থেকেই তিনি এই কাজ করেন। সিলিন্ডার থেকে অক্সিজেন নলের মাধ্যমে সরবরাহ থেকে শুরু করে সিলিন্ডারে অক্সিজেনের পরিমাণ কত রয়েছে? তা শেষ হয়ে যাচ্ছে কি না , এসব কিছুর জন্যেই ফ্লো মিটারের প্রয়োজন। বেলুড়ের ওই ক্ষুদ্র শিল্পদ্যোগী তাঁর নিজের কারখানায় এই ফ্লো মিটার উৎপাদন করেন। ফ্লো মিটারগুলি নেওয়ার পর এদিন জেলাশাসকের দপ্তরে সমবায় মন্ত্রী অরূপ রায় বলেন, অক্সিজেনের অভাবে মানুষ যাতে মারা না যায় সেজন্য রাজ্য সরকার ইতিপূর্বেই উদ্যোগী হয়েছে। বাজারে ফ্লো মিটারের ঘাটতি রয়েছে। সেই ঘাটতি মেটাতেই বেলুড়ের শিল্পদ্যোগী এগিয়ে এসেছেন। ওনার দেওয়া ফ্লো মিটারগুলি হাওড়া জেলা হাসপাতাল, বালিটিকুরি হাসপাতাল ও টি এল জয়সওয়াল হাসপাতালের মতো কোভিড হাসপাতালগুলিতে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। প্রয়োজনে ওনার কাছ থেকে রাজ্য সরকারের তরফে আরও সাহায্য নেওয়া হবে। একই সঙ্গে ওই সংস্থার তরফে বেলুড়ে তিনটি জায়গায় অক্সিজেন হাব করার পরিকল্পনাও রয়েছে বলেও জানান ওই সংস্থার কর্ণধার উৎপল দাস। সম্প্রতি কলকাতার একটি সরকারি হাসপাতালে যথেষ্ট সংখ্যায় অক্সিজেন সিলিন্ডার মজুত থাকা সত্ত্বেও শুধুমাত্র ফ্লোমিটারের অভাবে প্রাণবায়ু দেওয়া যায়নি অনেক রোগীকে। সেই ঘটনার কথা জানতে পেরেই তিনি কারখানায় উৎপাদিত ফ্লো মিটার রাজ্য সরকারের কাছে বিনামূল্যে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা নেন বলেও জানান তিনি।

মে ২০, ২০২১
রাজ্য

সাধারণের জন্য খুলে গেল বেলুড়মঠের দরজা

দ্বিতীয় দফায় ১৯১দিন বন্ধ থাকার পরে বুধবার থেকে আপামর ভক্ত ও দর্শনার্থীদের জন্যে খুলে গেল বেলুড়মঠ। এদিন থেকেই রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের স্ট্যান্ডার্ড অপারেশন প্রসিডিওর মেনে লক্ষ লক্ষ ভক্ত ও দর্শনার্থীদের জন্যে খুলে দেওয়া হল বেলুড়মঠের দ্বার। গত ২৫শে জানুয়ারী এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিলেন বেলুড়মঠের সাধারণ সম্পাদক স্বামী সুবিরানন্দ মহারাজ। লকডাউনের জেরে ২০২০সালে ২৫ মার্চ থেকে বন্ধ রাখা হয়েছিল বেলুড় মঠ। ৮২ দিন বন্ধ থাকার পর। ১৫ জুন তা আবার জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছিল। ওই সময় একাধিক করোনা বিধি মেনে গেটে প্রবেশ করান হতো।বেলুড়মঠে ঢোকার সময় সামাজিক দুরত্ব মানা থেকে স্যানেটাইজ করে মঠে ঢোকা, সব করোনাবিধিই মানতে হত ভক্ত থেকে দর্শনার্থী সকলকেই। এর প্রায় দেড় মাস পর ২রা আগস্ট থেকে ফের বন্ধ করে দেওয়া হয় বেলুড় মঠ। সেই সময়ে মঠের আবাসিক প্রায় ৮০জন সন্যাসী করোনায় আক্রান্ত হন। যার জেরেই মূলত দ্বিতীয়বার বেলুড়মঠে ভক্ত ও দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বুধবার থেকে প্রত্যহ সকাল ৮.৩০মিনিট থেকে বেলা ১১ টা পর্যন্ত ও বিকাল ৩.৩০মিনিট থেকে বিকাল ৫.১৫মিনিট পর্যন্ত খোলা থাকবে মঠের দরজা | মঠের মূল মন্দিরসহ মোট চারটি মন্দিরে প্রবেশ করতে পারলেও, মন্দিরে বসা ও মঠ চত্বরে সময় কাটাতে পারবেন না কেউ | দেখা যাবে না সন্ধ্যা আরতি।কোভিড বিধিকে মান্যতা দিয়ে এই বছরে বেলুড়মঠে বন্ধ রাখা হচ্ছে সাধারণ উৎসব। আগামী ২১মার্চ সাধারণ উৎসব বন্ধ রাখা হচ্ছে বলে জানান মঠ ও মিশনের সাধারণ সম্পাদক স্বামী সুবীরানন্দ জী মহারাজ। এদিন তিনি আরো জানান, আগামী ১৬ই ফেব্রুয়ারী সরস্বতী পূজা ও আগামী ১৫ই মার্চ ঠাকুর রামকৃষ্ণ দেবের জন্মতিথি পুজার দিনেও ভক্ত ও দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ রাখা হবে। এই দিনগুলোতে অতিরিক্ত ভিড়ের ফলে করোনা বিধি ভাঙ্গার আশঙ্কাই করছেন মঠ কর্তৃপক্ষ। এদিন মঠ কর্তৃপক্ষ যে পরিমান দর্শনার্থীর আশা করে ছিলেন সেই তুলনায় কয়েক গুন বেশী ভক্ত ও দর্শনার্থীদের এলেও কোন সমস্যা হয়নি। পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুকের বাসিন্দা স্নাতকোত্তরের ছাত্রী পারমিতা এদিন সকালেই মায়ের সাথে ছুটে আসেন বেলুড়মঠে। তিনি জানান, মঠে ঢোকার সময়ে থার্মাল গান দিয়ে তাপমাত্রা মাপা হচ্ছে, হাতে দেওয়া হচ্ছে স্যানিটাইজার। পারমিতার ভাষায় আজকের ভোর নতুন বার্তা নিয়ে এসেছে। তিনি আরও জানান, করোনা আমাদের অনেক কিছু কেড়ে নিলেও অনেক শিক্ষাও দিয়েছে। করোনার প্রকোপ কমে গেলেও মাস্ক পরা সহ কিছু বিধিনিষেধ লাগু থাকাই আমাদের পক্ষে মঙ্গলের বলে মনে করেন তিনি।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২১
রাজ্য

ফেব্রুয়ারিতে সাধারণের জন্য খুলছে বেলুড়মঠ

আগামী ১০ই ফেব্রুয়ারী থেকে ফের সাধারণের জন্য বেলুড়মঠের দ্বার খোলা হচ্ছে। গতবছর মঠ খুলে আবার বন্ধ করে দিতে হয়েছিল। সোমবার বেলুড়মঠের তরফে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে মঠ খোলার কথা জানানো হয়। সোমবার সাংবাদিকদের এই কথা জানান বেলুড়মঠের সাধারণ সম্পাদক স্বামী সুবিরানন্দ মহারাজ।উল্লেখ্য, করোনা আবহে লকডাউনের জেরে ২৫ মার্চ থেকে বন্ধ ছিল বেলুড়মঠ। টানা ৮২ দিন মঠ বন্ধ থাকার পর ১৫ জুন আবার জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছিল। ওই সময় একাধিক করোনা বিধি মেনে গেটে প্রবেশ করানোর ব্যবস্থা করা হয়েছিল। মঠে ঢোকার সময় সামাজিক দুরত্ব মানা, হাত স্যানেটাইজ করে মঠে ঢোকা, সব করোনাবিধিই মানতে হত ভক্ত থেকে দর্শনার্থী সকলকেই। এর প্রায় দেড় মাস পর ২ আগস্ট থেকে ফের বন্ধ করে দেওয়া হয় বেলুড় মঠ। দুর্গাপূজা, স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিন পালনসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিশেষ অনুষ্ঠান সামাজিক মাধ্যমে সরাসরি দেখেছে আপামর ভক্ত ও দর্শনার্থীরা।দীর্ঘ দিন বন্ধ থাকার পর আগামী ১০ই ফেব্রুয়ারী থেকে আবার বেলুড়মঠের দরজা ভক্ত ও দর্শনার্থীদের জন্যে খুলতে চলেছে। সকালে সাড়ে ৮টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত ও বিকেলে সাড়ে ৩টে থেকে বিকেল সোয়া ৫টা পর্যন্ত ভক্ত ও দর্শনার্থীদের জন্যে খোলা থাকবে বেলুড়মঠ। মঠের মন্দিরে প্রবেশ করলেও কোনও মন্দিরেই বসতে পারবেন না ভক্তরা। তবে মিউজিয়াম ও নরনারায়ণ সেবা এখনই চালু করা হচ্ছে না। সন্ধ্যা আরতিও এখন দেখতে পারবেন না ভক্ত ও দর্শনার্থীরা।

জানুয়ারি ২৫, ২০২১
উৎসব

স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিনেও বেলুড়মঠে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

অতিমারির কারণে বেলুড়মঠে দর্শনার্থীদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে। তারমধ্যেই আগামী মঙ্গলবার ৫ই জানুয়ারী সারদামনির মায়ের জন্মতিথি ও আগামী ১২ই জানুয়ারী স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিনে যুব উৎসবের দিনেও মঠ প্রাঙ্গণে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখলেন মঠ কর্তৃপক্ষ। শনিবার বেলুড়মঠের রামকৃষ্ণ সারদা পীঠের অধ্যক্ষ স্বামী দিব্যানন্দজি মহারাজ সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, ৫ই জানুয়ারী সারদা মায়ের জন্মদিনের যাবতীয় অনুষ্ঠান হবে। তবে অতিমারির কারণে বেলুড়মঠের প্রাঙ্গণে ভক্তদের প্রবেশ বন্ধ থাকবে। সারাদিন ব্যাপি এই অনুষ্ঠান মঠের ইউটিউব চ্যানেলে দেখা যাবে। এছাড়াও আগামী ১২ই জানুয়ারী যুবদিবসের অনুষ্ঠানেও মঠ প্রাঙ্গণে অন্যান্য বছরের মত প্রভাতফেরী ও অন্যান্য অনুষ্ঠান বন্ধ রাখা হবে। ৩৭তম যুবদিবসের অনুষ্ঠান হবে অডিটোরিয়ামের ভেতরে। বাইরের স্কুল থেকেও দুই-একজন অংশগ্রহনকারীরা আসবেন। গান করবেন, আবৃত্তি করবেন, আমাদের ছেলেরাও থাকবেন মঠের সন্যাসীরাও অংশগ্রহণ করবেন।স্বামী দিব্যানন্দজি মহারাজ আরও জানান, মঠের সহকারী সাধারণ সম্পাদক স্বামী বলভদ্রানন্দ জী মহারাজও যুবকদের উদ্দেশ্যে কথা বলবেন। ভক্তজন ও সাধারণ দর্শনার্থীদের কাছে তাঁর অনুরোধ, বাড়িতে থেকেই ইউটিউব চ্যানেলে যেমন দুর্গাপূজা দেখেছেন সেইভাবেই সারদামনির জন্মদিনের অনুষ্ঠান ও যুবদিবসের অনুষ্ঠান দেখতে আবেদন জানিয়েছেন তিনি। আগামী ২৬শে জানুয়ারী পর্যন্ত বেলুড়মঠ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়ে আগামী ২০শে জানুয়ারী আবার বৈঠকে বসবেন মঠ কর্তৃপক্ষ। এদিন বেলুড়মঠের সারদা পীঠে থাকা রেলের একটি কম্পিউটারাইজড টিকিট রিজার্ভেশন কাউন্টার বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে বেলুড়মঠের রামকৃষ্ণ সারদা পীঠের অধ্যক্ষ স্বামী দিব্যানন্দ জি মহারাজ জানান, তাঁর সাথে যোগাযোগ করেন পূর্ব রেলের সিনিয়ার ডিভিশনাল ম্যানেজার। ওই টিকিট কাউন্টারটি বন্ধ করে দেওয়ার কথা জানানো হয় তাঁকে। মূলত খরচের কারণেই ৪০বছরের পুরানো ওই টিকিট কাউন্টারটি সরিয়ে নেওয়ার কথা জানানো হয়। স্বামী দিব্যানন্দজি জানান, এই টিকিট কাউন্টার থাকায় মঠের সন্যাসীদের খুবই সুবিধা হত। তিনি রেল কর্তিপক্ষকে আবেদন করেছেন যাতে বেলুড়মঠ সংলগ্ন রেল স্টেশনেই যদি স্থানান্তরিত করা হয় তাহলে মঠের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদেরও সুবিধা হবে।

জানুয়ারি ০২, ২০২১
রাজ্য

জগদ্ধাত্রী পুজোয় ভক্তদের জন্য বন্ধ বেলুড়ের সারদা পিঠ

করোনা জনিত কারণে বেলুড় রামকৃষ্ণ মিশন সারদাপীঠের জগদ্ধাত্রী পুজোয় জনসাধারণের প্রবেশ বন্ধ। ভোগ বিতরণ বন্ধ থাকবে। জানা গিয়েছে, দীর্ঘ ৭৫ বছরের এই পুজো এবার হবে মা সারদার প্রার্থনা কক্ষেই। তবে পুজোর সরাসরি সম্প্রচার সারদাপীঠ ও বেলুড়মঠের নিজস্ব ওয়েবসাইটে দেখা যাবে। সন্ন্যাসী ও ব্রহ্মচারীরা মিলেই করবেন এই পুজো। অষ্টমীতে মায়ের অধিবাস ও আমন্ত্রণ। নবমী দিন সপ্তমী ও অষ্টমীর পুজো হবে। আরও পড়ুনঃ হাওড়া ব্রিজে মিনিবাসে অগ্নিকাণ্ড , উত্তেজনা দশমীতে সকাল সাতটায় দেবীর পুজো ও সাড়ে আটটায় দর্পণ বিসর্জন হবে। বেলুড় রামকৃষ্ণ মিশন সারদাপীঠের সম্পাদক স্বামী দিব্যানন্দ মহারাজ বলেন, এবার শারীরিকভাবে ভক্তদের পুজো দেখার অনুমতি দেওয়া যাচ্ছে না। তবে পুজো যে নিয়মে, যে রীতিতে এতদিন হয়ে এসেছে সেই ভাবেই হবে।

নভেম্বর ২০, ২০২০
কলকাতা

পুজো প্রাঙ্গণে প্রবেশ নিষেধ বেলুড় মঠের

এবার পুজোয় দর্শনার্থীদের জন্য বন্ধ রাখা হবে বেলুড় মঠ প্রাঙ্গন। মঙ্গলবার বেলুড় মঠের সন্ন্যাসীদের সঙ্গে বৈঠক করেন হাওড়া সিটি পুলিশের কর্তারা। সেখানেই এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। জানা গিয়েছে , এবছর করোনা আবহে মূল মন্দিরে পুজোর আয়োজন করা হচ্ছে। সেখানে দর্শনার্থীদের প্রবেশাধিকার নেই। বিতরণ করা হবে না প্রসাদও। আরও পড়ুনঃ রাজ্যের বেসরকারি স্কুলগুলিকে ২০% ফি কমানোর নির্দেশ হাইকোর্টের তবে, প্রতিবছরের মতোই কুমারি পুজোর আয়োজন হবে। তবে এবছর বাড়িতে বসেই বেলুড়ের পুজো দেখতে পাবেন সকলে। ইউটিউবে সরাসরি সম্প্রচার হবে বেলুড় মঠের পুজো। বেলুড় মঠ থেকে এদিন পঞ্চমী থেকে দশমী পর্যন্ত পুজোর নির্ঘণ্টও দিয়ে দেওয়া হয়েছে।

অক্টোবর ১৩, ২০২০

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

শাহবাজ রাষ্ট্রসংঘে ভারতকে কাঠগড়ায় তুলতেই পাল্টা জবাব! ওসামা প্রসঙ্গ টেনে দিল্লির কড়া বার্তা

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভারতকে নিশানা করে একাধিক অভিযোগ তোলেন। কাশ্মীর, সিন্ধু জলবণ্টন চুক্তি এবং গত বছরের ভারত-পাকিস্তান সংঘাতের প্রসঙ্গ তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে। এর পরেই ভারতের তরফে জবাব দেওয়ার অধিকার প্রয়োগ করে পাকিস্তানের বক্তব্যের পাল্টা জবাব দেওয়া হয়।রাষ্ট্রসংঘে ভারতের স্থায়ী মিশনের প্রথম সচিব পেটল গেহলট ভারতের হয়ে বক্তব্য রাখেন। পাকিস্তানের প্রতিনিধির বক্তব্যকে তিনি অদ্ভুত বলে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে সীমান্তপারের সন্ত্রাসবাদ নিয়ে ভারতের অবস্থানও স্পষ্ট করেন। তাঁর বক্তব্য, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আত্মরক্ষার অধিকার ভারত প্রয়োগ করবে এবং সন্ত্রাসের সঙ্গে যুক্তদের তার পরিণতি ভুগতে হবে।ভারতের পাল্টা বক্তব্যে বিশেষ ভাবে উঠে আসে আল কায়দা প্রধান ওসামা বিন লাদেনের প্রসঙ্গ। পেটল গেহলট বলেন, রাষ্ট্রসংঘের অধিবেশনের সময় ৯/১১ হামলার ২৫ বছর পূর্তির প্রসঙ্গও মনে রাখা প্রয়োজন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ওই হামলার মূল পরিকল্পনাকারী ওসামা বিন লাদেন পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদে পাক সেনার গুরুত্বপূর্ণ সামরিক প্রশিক্ষণকেন্দ্রের কাছে বসবাস করছিলেন।ভারতীয় প্রতিনিধির বক্তব্যে আরও বলা হয়, গত বছর ভারত দেখিয়েছে যে সন্ত্রাসীদের পালিয়ে যাওয়ার বা লুকিয়ে থাকার জায়গা থাকবে না। সীমান্তপারের সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ভারতের আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগের কথাও তিনি জানান। পাকিস্তানের সন্ত্রাসনীতি নিয়ে ভবিষ্যতে পরিণতি ভোগ করতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।শাহবাজ শরিফের বক্তব্যে সিন্ধু জলবণ্টন চুক্তির প্রসঙ্গও ছিল। পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরেই ভারতের ওই চুক্তি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে আসছে। অন্যদিকে ভারত বলেছে, সীমান্তপারের সন্ত্রাসের পরিস্থিতিতে দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার পরিবেশ নষ্ট হয়েছে।রাষ্ট্রসংঘের মঞ্চে ভারত-পাকিস্তানের এই পাল্টাপাল্টি বক্তব্যের মধ্যে গত বছরের সংঘাত এবং অপারেশন সিঁদুরের প্রসঙ্গও ফিরে আসে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ওই সংঘাতের ফলাফল নিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে একাধিক দাবি তুলেছেন। ভারত অবশ্য সেই দাবিগুলির পাল্টা জবাব দিয়েছে এবং সন্ত্রাসবাদকে কেন্দ্র করে পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।এর আগে পাকিস্তানের এক সাংবাদিক ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করকে দক্ষিণ এশিয়ায় সন্ত্রাসবাদ নিয়ে প্রশ্ন করেছিলেন। সেই সময় জয়শঙ্কর পাল্টা প্রশ্ন তোলেন, পাকিস্তান কত দিন সন্ত্রাসবাদকে মদত দিয়ে যাবে। এই মন্তব্য নিয়েও আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা তৈরি হয়েছিল।ফলে রাষ্ট্রসংঘের অধিবেশনে শাহবাজ শরিফের বক্তব্যের পর ভারতের পাল্টা জবাব ঘিরে ফের প্রকাশ্যে এল দিল্লি-ইসলামাবাদের তীব্র মতবিরোধ। সন্ত্রাসবাদ, কাশ্মীর এবং সিন্ধু জলবণ্টন চুক্তির মতো একাধিক বিষয়কে কেন্দ্র করে দুই দেশের অবস্থান যে এখনও পরস্পরের বিপরীত, রাষ্ট্রসংঘের মঞ্চের এই বক্তব্যে তা আরও একবার স্পষ্ট হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬
রাজ্য

কেন্দ্রীয় বাহিনী নয়, রাজ্য পুলিশেই পুরভোট? কমিশনের ভাবনায় বড় বদল

পশ্চিমবঙ্গে ফের পুরভোটের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। কলকাতা ও হাওড়া-সহ সাতটি পুরসভায় ভোট আয়োজনের লক্ষ্যে রাজ্য নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই প্রশাসনিক প্রস্তুতি এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। সাম্প্রতিক বৈঠকে ভোটের বিভিন্ন দিক নিয়ে সংশ্লিষ্ট জেলার জেলাশাসকদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। কমিশন সূত্রের খবর, নভেম্বরের শেষ সপ্তাহকে সামনে রেখে প্রস্তুতি এগোচ্ছে। তবে ভোটের দিনক্ষণ এখনও আনুষ্ঠানিক ভাবে ঘোষণা হয়নি।এই সাতটি পুরসভা হল কলকাতা, হাওড়া, বালি, হলদিয়া, ধূপগুড়ি, কালিম্পং এবং কার্শিয়ং। প্রশাসনিক স্তরে ইতিমধ্যেই বুথ, ভোটকর্মী, ভোটকেন্দ্র এবং ইভিএম সংক্রান্ত কাজ শুরু হয়েছে। কমিশন সূত্রের খবর, সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলিতে ইভিএম পাঠানোর প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে।পুরভোটের আগে ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস এবং আসন সংরক্ষণের কাজও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কলকাতা ও হাওড়ার ক্ষেত্রে সংরক্ষিত আসনের তালিকা প্রকাশের প্রস্তুতি চলছে। পাশাপাশি ভোটার তালিকা, ভোটকেন্দ্র নির্বাচন এবং প্রয়োজনীয় ভোটকর্মী নিয়োগ নিয়েও প্রশাসনিক স্তরে কাজ এগোচ্ছে।নিরাপত্তার বিষয়টিও কমিশনের প্রস্তুতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় বাহিনীর পরিবর্তে রাজ্য পুলিশ দিয়েই পুরভোট পরিচালনার বিষয়ে কমিশনের প্রাথমিক ভাবনা রয়েছে। তবে এটি এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়। নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট জেলাগুলির রিপোর্ট পাওয়ার পরেই কমিশন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানা যাচ্ছে।ভোটের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কোন এলাকাকে বেশি স্পর্শকাতর হিসেবে চিহ্নিত করা হবে, কোথায় কত পুলিশ মোতায়েন প্রয়োজন এবং কী ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হবে, সেই বিষয়গুলিও পর্যালোচনা করা হচ্ছে। অর্থাৎ ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার আগেই নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রাথমিক কাঠামো তৈরি করে রাখতে চাইছে কমিশন।এদিকে পুরভোটের জন্য ইভিএমের জোগান নিয়েও প্রস্তুতি চলছে। পর্যাপ্ত যন্ত্র পাওয়া যায় কি না, তার উপর ভোট এক দিনে হবে নাকি একাধিক দিনে আয়োজন করা হবে, সেই বিষয়েও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করতে পারে। ফলে ভোটের দিন ঘোষণা করার আগে একাধিক প্রশাসনিক বিষয় মিটিয়ে নিতে চাইছে কমিশন।কলকাতা ও হাওড়া পুরসভা নিয়ে এবার বিশেষ নজর রয়েছে। হাওড়া পুরসভায় দীর্ঘ সময় ধরে নির্বাচন হয়নি। বর্তমানে রাজ্যের মোট ১৫টি পুরসভায় নির্বাচিত পুরবোর্ড নেই এবং প্রশাসকের মাধ্যমে পরিষেবা পরিচালিত হচ্ছে। এর মধ্যে হাওড়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ পুরসভায় দীর্ঘদিন ভোট না হওয়া নিয়ে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে আলোচনা রয়েছে।প্রাথমিক ভাবে সাতটি পুরসভায় ভোট আয়োজনের প্রস্তুতি চললেও রাজ্যের আরও একাধিক পুরসভায় নির্বাচন বকেয়া রয়েছে। সেই তালিকায় বিধাননগর, দুর্গাপুর, শিলিগুড়ি, মিরিক, রায়গঞ্জ, বুনিয়াদপুর, পূজালি, পাঁশকুড়া, কুপার্স ক্যাম্প এবং নলহাটির মতো পুরসভাও রয়েছে। ফলে আগামী দিনে বাকি পুরসভাগুলির ভোট কী ভাবে এবং কখন আয়োজন করা হবে, তা নিয়েও নজর রয়েছে।সব মিলিয়ে পুজোর মরসুম শেষ হওয়ার পর রাজ্যে ফের ভোটের আবহ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা জোরালো হয়েছে। তবে এখনই ভোটের চূড়ান্ত দিন ঘোষণা হয়নি। কমিশনের প্রস্তুতি কোন দিকে এগোয় এবং নিরাপত্তার ক্ষেত্রে শেষ পর্যন্ত রাজ্য পুলিশ না অন্য কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তার উপরই পরবর্তী ছবিটা স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬
রাজ্য

মমতার সভার কয়েক ঘণ্টা আগে কুণালের গাড়িতে হামলা! ভাঙল কাচ, শরীরে ঢুকল কাচের টুকরো

শনিবার শ্রীরামপুরে সভা করার কথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, শ্রীরামপুর কোর্ট ময়দানে বিকেল ৪টে থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ওই কর্মসূচি করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। জমায়েতে সর্বাধিক এক হাজার মানুষের উপস্থিতির শর্তও রয়েছে। সভার কয়েক ঘণ্টা আগে মমতার সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার পথে তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষের গাড়িতে হামলার অভিযোগ ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায়।কুণাল ঘোষের অভিযোগ, উত্তরপাড়ার কাছে তাঁর গাড়ি আটকে দেওয়া হয়। এরপর একদল মানুষ গাড়ির দিকে ডিম, পাথর এবং অন্যান্য জিনিস ছুড়তে শুরু করেন বলে তাঁর দাবি। হামলায় গাড়ির কাচ ভেঙে যায় বলেও জানিয়েছেন তিনি। কাচের টুকরোয় তাঁর শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত লেগেছে বলে কুণালের দাবি।কুণালের বক্তব্য, তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শ্রীরামপুরের সভায় যোগ দিতে যাচ্ছিলেন। তাঁর অভিযোগ, রাস্তা আটকে কিছু মানুষ লাঠি ও লোহার রড নিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। গাড়ি থামিয়ে কোন গাড়িতে কোন নেতা যাচ্ছেন, তা দেখা হচ্ছিল বলেও দাবি করেছেন তিনি।ঘটনার পর কুণাল ঘোষ পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর দাবি, গাড়ির কাচ ভেঙে পাথর ঢুকে তাঁর ডান কাঁধে আঘাত লাগে। ভাঙা গাড়ি নিয়েই তিনি কলকাতার দিকে রওনা হন এবং বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানানোর কথা বলেন।ঘটনাটি নিয়ে তৃণমূলের তরফে বিজেপির দিকে অভিযোগের আঙুল তোলা হয়েছে। দলের নেতাদের দাবি, পরিকল্পিত ভাবে কুণাল ঘোষের গাড়ি আটকানো হয়েছিল। অন্যদিকে বিজেপির স্থানীয় নেতৃত্ব এই অভিযোগ অস্বীকার করে ঘটনাটিকে সাধারণ মানুষের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ বলে দাবি করেছে। উত্তরপাড়ার বিধায়ক দীপাঞ্জন গুহও একই দাবি করেছেন।ফলে কুণাল ঘোষের গাড়িতে হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। হামলার পেছনে কারা ছিলেন এবং ঠিক কী কারণে গাড়ি আটকানো হয়েছিল, তা নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠছে।এরই মধ্যে শ্রীরামপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা ঘিরেও রাজনৈতিক নজর রয়েছে। হাই কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী সভাটি নির্দিষ্ট সময় এবং নির্দিষ্ট সংখ্যক মানুষের উপস্থিতির মধ্যে করতে হবে। জিটি রোডে স্বাভাবিক যান চলাচল বজায় রাখার নির্দেশও রয়েছে।এ দিনের সভাটি ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর শ্রীরামপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম বড় রাজনৈতিক কর্মসূচি। ফলে সভা থেকে তিনি কী বার্তা দেন, তা নিয়েও রাজনৈতিক মহলে আগ্রহ রয়েছে।কুণাল ঘোষের গাড়িতে হামলার অভিযোগের পর সেই আগ্রহ আরও বেড়েছে। তবে হামলার ঘটনায় কারা জড়িত, কী কারণে এই ঘটনা ঘটেছে এবং অভিযোগের সত্যতা কতটা, তা তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬
কলকাতা

সিপিএম, কংগ্রেসের সঙ্গে কথা বলার পরেই বড় সিদ্ধান্ত! অভিষেকের সঙ্গে দিল্লি যাচ্ছেন মমতা

রাজনৈতিক মহলে ফের বিরোধী দলগুলির সমন্বয় নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। সূত্রের খবর, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে বিরোধী দলগুলির একটি বৈঠক হতে পারে। সেই বৈঠকে যোগ দিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লি যেতে পারেন বলেও জানা যাচ্ছে। তাঁর সঙ্গে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও থাকতে পারেন বলে সূত্রের দাবি।জানা গিয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আবেদনের পরেই আগামী সপ্তাহে বিরোধীদের বৈঠকের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর আগে ২৯ সেপ্টেম্বর কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। তার পরদিন বিরোধী দলগুলির বৈঠকে নির্বাচন কমিশন সংক্রান্ত বিতর্ক এবং পরবর্তী কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে সূত্রের খবর।বর্তমানে বিরোধী দলগুলির অন্যতম প্রধান আলোচনার বিষয় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বিতর্ক। এসআইআর নিয়ে বিরোধীদের আপত্তির পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও একাধিক প্রশ্ন তুলেছে বিরোধী দলগুলি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও প্রকাশ্যে জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবি জানিয়েছেন।বিরোধী শিবিরের সূত্রের দাবি, জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ চেয়ে লোকসভার স্পিকারের কাছে ফের নোটিস দেওয়ার বিষয়েও আলোচনা হতে পারে। সেই সঙ্গে নির্বাচন কমিশন সংক্রান্ত বিতর্কে বিরোধী দলগুলির যৌথ অবস্থান কী হবে এবং আগামী দিনে কী ধরনের কর্মসূচি নেওয়া হবে, তা নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হতে পারে।কয়েক দিন আগেই সিপিআইএমের সাধারণ সম্পাদক এমএ বেবি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখেছিলেন। পরে দুজনের মধ্যে ফোনে কথাও হয়। বিরোধী দলগুলির মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর বিষয়ে ওই কথোপকথন গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর আগে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর সঙ্গেও কথা বলেছেন বলে তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে।তবে এই বৈঠককে কেন্দ্র করে এখনও সব দলের অংশগ্রহণ চূড়ান্ত হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়। তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় জানিয়েছেন, বৈঠকের চূড়ান্ত দিনক্ষণ এখনও স্থির হয়নি। তাঁর দাবি, এমএ বেবি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখেছেন এবং তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন। রাহুল গান্ধী-সহ অন্যান্য বিরোধী নেতার সঙ্গেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যোগাযোগ হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।বিরোধী শিবিরের আলোচনায় শুধু ইন্ডিয়া জোটের শরিক দলগুলিই থাকবে, নাকি জোটের বাইরে থাকা বিজেপি বিরোধী দলগুলিকেও বৈঠকে আনার চেষ্টা হবে, তা নিয়েও জল্পনা রয়েছে। কয়েকটি আঞ্চলিক দলের সঙ্গে যোগাযোগের সম্ভাবনাও সামনে এসেছে। তবে কোন কোন দল শেষ পর্যন্ত বৈঠকে যোগ দেবে, তা এখনও নিশ্চিত নয়।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লি গেলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিও রাজনৈতিক ভাবে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। তবে তাঁর দিল্লি সফর এবং বৈঠকে অংশগ্রহণের বিষয়টি এখনও সূত্রনির্ভর বলেই জানা যাচ্ছে।সব মিলিয়ে এসআইআর এবং নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে বিরোধী দলগুলির ক্ষোভের আবহে দিল্লির সম্ভাব্য বৈঠক নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বিতর্কে বিরোধীরা যৌথ কোনও কর্মসূচি নেয় কি না, কিংবা ইন্ডিয়া জোটের বাইরে থাকা দলগুলিকে এই সমন্বয়ের মধ্যে আনা যায় কি না, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬
রাজ্য

নিম্নচাপ দুর্বল হলেও বৃষ্টি থামছে না! কোথায় জারি করা হল কমলা সতর্কতা?

নিম্নচাপের প্রভাব ধীরে ধীরে কাটতে শুরু করলেও দক্ষিণবঙ্গে শনিবারও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতা-সহ কয়েকটি জেলায় বিক্ষিপ্ত ভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ দু-এক পশলা বৃষ্টি হতে পারে। সকাল থেকেই কলকাতার আকাশ মেঘলা এবং শহরের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি হয়েছে। তবে দুপুরের পর থেকে আবহাওয়ার কিছুটা উন্নতি হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, শনিবার দক্ষিণবঙ্গের বেশির ভাগ জেলার কিছু এলাকায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। তবে এই বৃষ্টির পরিমাণ খুব বেশি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। রবিবার থেকেও বৃষ্টির প্রবণতা ধীরে ধীরে কমবে। দক্ষিণবঙ্গে আগামী তিন থেকে চার দিনে ভারী বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই বলেই জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, নিম্নচাপটি বর্তমানে ছত্তীসগঢ় এবং সংলগ্ন মধ্যপ্রদেশের কাছে অবস্থান করছে। এটি গভীর নিম্নচাপ হিসেবে রয়েছে এবং ধীরে ধীরে উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিকে এগিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব উত্তরপ্রদেশের দিকে যেতে পারে। নিম্নচাপটি দক্ষিণবঙ্গ থেকে দূরে সরে গেলেও সমুদ্রের উপর ঝোড়ো হাওয়া থাকতে পারে। তাই মৎস্যজীবীদের জন্যও পরিস্থিতির দিকে নজর রাখার পরামর্শ রয়েছে।দক্ষিণবঙ্গে শনিবারের পর থেকে আবহাওয়ার উন্নতি হলেও পুরোপুরি বৃষ্টিমুক্ত হতে কিছুটা সময় লাগবে। রবিবারও দক্ষিণবঙ্গের দু-এক জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। তবে বৃষ্টির পরিমাণ এবং বিস্তার দুটোই ধীরে ধীরে কমবে। সেপ্টেম্বর মাসের বাকি দিনগুলিতে দক্ষিণবঙ্গে বড় ধরনের বৃষ্টির সম্ভাবনা কম বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস।অন্য দিকে, উত্তরবঙ্গে শনিবার পরিস্থিতি একেবারেই আলাদা। দার্জিলিং, কালিম্পং এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। এই তিন জেলায় হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। উত্তরবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।রবিবার থেকে উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমতে পারে। তবে দার্জিলিং, কালিম্পং এবং জলপাইগুড়ির কিছু এলাকায় বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। সোমবার থেকে আরও কমবে বৃষ্টির প্রবণতা। কোথাও কোথাও হালকা বৃষ্টি হতে পারে। এই পরিস্থিতি বৃহস্পতিবার পর্যন্ত চলতে পারে বলে পূর্বাভাস।ফলে আগামী কয়েক দিনে বাংলার আবহাওয়ায় দুই রকম ছবি দেখা যেতে পারে। দক্ষিণবঙ্গে নিম্নচাপের প্রভাব কাটায় ধীরে ধীরে বৃষ্টি কমবে। অন্য দিকে উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি জেলাগুলিতে শনিবার ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। কলকাতাতেও শনিবার বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হলেও রবিবার থেকে ধীরে ধীরে আকাশ পরিষ্কার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬
কলকাতা

যে সিপিএমের বিরুদ্ধে লড়ে ক্ষমতায় মমতা, সেই দলের শীর্ষ নেতার সঙ্গেই ফোনে কথা! কেন এই বদল?

বাংলার রাজনীতিতে তৃণমূল কংগ্রেস ও সিপিএম দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ। সেই দুই দলের মধ্যে জাতীয় রাজনীতির প্রেক্ষাপটে নতুন করে যোগাযোগ তৈরি হয়েছে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বিতর্কের আবহে সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবির সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দুই পক্ষের মধ্যে চিঠি বিনিময়ের পর এই ফোনালাপ হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে।সূত্রের খবর, নির্বাচন কমিশনের কাজকর্ম নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্কের পর বিরোধী দলগুলির মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চেয়েছেন, আগামী সপ্তাহের শুরুতেই দিল্লিতে বিরোধী জোটের বৈঠক হোক। এই বৈঠকের উদ্যোগ নেওয়ার জন্য তিনি রাহুল গান্ধীর সঙ্গেও কথা বলেছেন বলে প্রতিবেদনগুলিতে উল্লেখ করা হয়েছে।এই যোগাযোগের নেপথ্যে রয়েছে নির্বাচন কমিশন নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্ক। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত কয়েক মাসে নির্বাচন কমিশনের দুই সদস্য বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও নির্দেশ নিয়ে একাধিক বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন। বিষয়টি সামনে আসার পর বিরোধী দলগুলির মধ্যে নির্বাচন কমিশনের কাজকর্ম নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে এম এ বেবি বিরোধী নেতাদের কাছে চিঠি পাঠিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। সেই চিঠিতে নির্বাচন কমিশন সংক্রান্ত পরিস্থিতি নিয়ে বিরোধীদের মধ্যে আলোচনা এবং যৌথ কৌশল তৈরির কথা বলা হয়েছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও তার জবাবে চিঠি দেন। এরপর দুজনের মধ্যে ফোনে কথাও হয়েছে।তবে এই যোগাযোগকে পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল ও সিপিএমের আনুষ্ঠানিক রাজনৈতিক সমঝোতা বা জোট হিসেবে দেখানো হয়নি। আপাতত বিষয়টি জাতীয় রাজনীতিতে নির্বাচন কমিশন সংক্রান্ত বিতর্কে বিরোধী দলগুলির মধ্যে সমন্বয়ের প্রচেষ্টা হিসেবেই সামনে এসেছে।এর আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রকাশ্যেই তীব্র আপত্তি জানিয়েছিলেন। তিনি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করেন এবং আগের ভোটার তালিকার ভিত্তিতে ফের ভোট নেওয়ার দাবিও তোলেন। এগুলি মমতার রাজনৈতিক দাবি; নির্বাচন কমিশন সংক্রান্ত বিতর্কের বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে কমিশনের নিজস্ব বক্তব্যও রয়েছে।এদিকে মমতা ও এম এ বেবির যোগাযোগের বিষয়টি আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে তৃণমূল ও সিপিএমের দীর্ঘ রাজনৈতিক বিরোধের কারণে। পশ্চিমবঙ্গে দুই দল বহু বছর ধরে পরস্পরের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে। জাতীয় স্তরে দুদল একই বিরোধী জোটের অংশ হলেও এত দিন তাদের মধ্যে সরাসরি রাজনৈতিক যোগাযোগ সীমিত ছিল বলে প্রতিবেদনগুলিতে উল্লেখ করা হয়েছে।অন্য দিকে, পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের আগে দিল্লিতে রাহুল গান্ধীর বাসভবনে এম এ বেবির সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আলাদা করে কথাবার্তা হয়েছিল বলেও সূত্রের খবর। সেই আলোচনায় ভোটার তালিকা পুনর্নিরীক্ষণ সংক্রান্ত বিষয় উঠে এসেছিল বলে জানা গিয়েছে। তবে মমতা-বেবির বর্তমান ফোনালাপের সঙ্গে ওই আগের কথোপকথনকে এক করে দেখার মতো কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা নেই।সম্প্রতি কলকাতার মুকুন্দপুরে তৃণমূলের মিছিলে হামলার অভিযোগও ওঠে। কয়েক জন কর্মী আহত হন এবং প্রাক্তন বিধায়ক হুমায়ুন কবীর গুরুতর আহত হয়েছেন বলে তৃণমূলের তরফে অভিযোগ করা হয়। ওই ঘটনার খবর সিপিএমের মুখপত্র গণশক্তি-তেও প্রকাশিত হয়েছিল বলে প্রতিবেদন রয়েছে। তবে হামলার অভিযোগ নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলির বক্তব্য আলাদা এবং ঘটনাটির দায় নিয়ে বিতর্ক রয়েছে।সব মিলিয়ে নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে জাতীয় স্তরের বিতর্ক নতুন রাজনৈতিক যোগাযোগের পরিস্থিতি তৈরি করেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও এম এ বেবির ফোনালাপ এবং দিল্লিতে বিরোধী বৈঠকের উদ্যোগ সেই পরিবর্তনেরই গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আগামী দিনে এই যোগাযোগ কেবল নির্দিষ্ট একটি ইস্যুতেই সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি বিরোধী দলগুলির মধ্যে আরও সমন্বয় তৈরি হবে, এখন সেদিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬
রাজ্য

ভোরে বাঁশ-লাঠি নিয়ে দফায় দফায় হামলা! মেদিনীপুরে বিজেপি কর্মীর মৃত্যু, প্রকাশ্যে ভয়াবহ ভিডিয়ো

পশ্চিম মেদিনীপুরের মেদিনীপুর সদর ব্লকের হাতিহলকা এলাকায় বিজেপি কর্মী শামসের বিশ্বাসকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার ভোরে এই ঘটনা ঘটে বলে জানা গিয়েছে। বাঁশ ও লাঠি নিয়ে একদল লোক দফায় দফায় হামলা চালায় বলে অভিযোগ। সেই ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজও প্রকাশ্যে এসেছে। ঘটনায় আরও এক বিজেপি কর্মী আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার সূত্রপাত শুক্রবার বিকেলে। একটি মিছিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বচসা হয়েছিল বলে খবর। পরে পরিস্থিতি সাময়িক ভাবে শান্ত হয়ে যায়। কিন্তু শনিবার ভোরে ফের গোলমাল শুরু হয়। সেই সময়েই শামসেরের উপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন বলে জানা গিয়েছে।প্রকাশ্যে আসা সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, কয়েক জন ব্যক্তি বাঁশ ও লাঠি নিয়ে হামলা চালাচ্ছেন। এক বার নয়, একাধিক বার হামলার দৃশ্য ফুটেজে ধরা পড়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে ওই ফুটেজ দেখে এখনও হামলাকারীদের পরিচয় নিশ্চিত করা যায়নি। ঘটনাটির সত্যতা এবং হামলার সম্পূর্ণ পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।হামলায় আরও এক বিজেপি কর্মী আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকেই হাতিহলকা এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকায় নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে এবং পুলিশি টহল চলছে।হামলাকারীরা কারা, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এই ঘটনার পিছনে রাজনৈতিক কারণ রয়েছে কি না, তা-ও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। বিজেপির জেলা সহ-সভাপতি অজয় জানা দাবি করেছেন, ঘটনার সঙ্গে সরাসরি কোনও রাজনৈতিক দলের যোগ নেই। তাঁর অভিযোগ, দুষ্কৃতীরাই হামলা চালিয়েছে। তাঁর দাবি, হামলাকারীদের সম্পর্কে কিছু তথ্য পুলিশের কাছে দেওয়া হয়েছে এবং তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা সামনে আসবে।অন্য দিকে, বিজেপির জেলা সভাপতি সৌমেন তিওয়ারি জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় গোলমাল এবং নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চলছিল। তাঁর দাবি, সেই পরিস্থিতির জেরেই ফের উত্তেজনা তৈরি হয়ে থাকতে পারে। তবে শামসের বিশ্বাস আদৌ বিজেপির সক্রিয় কর্মী ছিলেন কি না, তা নিয়েও তিনি প্রশ্ন তুলেছেন।ফলে এই ঘটনায় একাধিক প্রশ্ন সামনে এসেছে। ঠিক কী কারণে শুক্রবার বিকেলে বচসা হয়েছিল, তার সঙ্গে শনিবার ভোরের হামলার কোনও যোগ রয়েছে কি না, সিসিটিভিতে দেখা ব্যক্তিরাই হামলায় জড়িত কি না এবং মৃত শামসেরের রাজনৈতিক পরিচয় কী ছিলসবই খতিয়ে দেখছে পুলিশ।এখনও পর্যন্ত হামলার ঘটনায় কারও নাম নিশ্চিত ভাবে প্রকাশ্যে আসেনি। পুলিশ তদন্ত চালাচ্ছে এবং সিসিটিভি ফুটেজ-সহ অন্যান্য তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের পরেই ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং হামলাকারীদের পরিচয় স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬
দেশ

তিন দিন ব্যাঙ্ক ধর্মঘট, এসবিআই গ্রাহকদের জন্য বড় ঘোষণা! এটিএম থেকে টাকা তুললে লাগবে না বাড়তি টাকা

২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশজুড়ে তিন দিনের ব্যাঙ্ক ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে। সপ্তাহে পাঁচ দিন ব্যাঙ্ক খোলা রাখার পরিবর্তে দুদিন সাপ্তাহিক ছুটির দাবিসহ একাধিক বিষয়ে এই ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে ব্যাঙ্ক কর্মীদের সংগঠনগুলি। মাসের শেষে এই ধর্মঘটের কারণে শাখাভিত্তিক ব্যাঙ্ক পরিষেবায় সমস্যা তৈরি হতে পারে। সেই পরিস্থিতিতে গ্রাহকদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা ঘোষণা করেছে স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া।স্টেট ব্যাঙ্ক জানিয়েছে, ২৮ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর ধর্মঘট চলাকালীন তাদের গ্রাহকেরা দেশের যে কোনও ব্যাঙ্কের এটিএম থেকে টাকা তুলতে পারবেন এবং ওই সময় এটিএম লেনদেনের প্রযোজ্য চার্জ নেওয়া হবে না। এমনকি সাধারণ নিয়মে মাসিক বিনামূল্যে লেনদেনের সীমা পেরিয়ে গেলে যে অতিরিক্ত এটিএম চার্জ দিতে হয়, ধর্মঘটের ওই তিন দিনে সেই চার্জও মকুব থাকবে।অর্থাৎ, ধর্মঘটের কারণে ব্যাঙ্কের শাখায় পরিষেবা ব্যাহত হলেও জরুরি প্রয়োজনে এটিএম থেকে নগদ টাকা তোলার ক্ষেত্রে এসবিআই গ্রাহকদের অতিরিক্ত এটিএম চার্জ নিয়ে চিন্তা করতে হবে না। তবে কোন এটিএমে পর্যাপ্ত নগদ রয়েছে, তা এলাকা ও সময় অনুযায়ী বদলাতে পারে। তাই একেবারে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা না করে প্রয়োজনীয় নগদ ব্যবস্থার বিষয়ে আগে থেকে পরিকল্পনা করে নেওয়া ভাল।শুধু এটিএম নয়, ধর্মঘটের সময় এসবিআইয়ের ডিজিটাল পরিষেবাগুলিও চালু থাকবে। ইউপিআই, মোবাইল ব্যাঙ্কিং, ইন্টারনেট ব্যাঙ্কিং, ওয়াই-ফাইভো অ্যাপ এবং অন্যান্য স্বয়ংক্রিয় ব্যাঙ্কিং পরিষেবার মাধ্যমে নিয়মিত লেনদেন করা যাবে। ফলে টাকা পাঠানো, বিল দেওয়া বা অন্যান্য সাধারণ ডিজিটাল লেনদেনের ক্ষেত্রে গ্রাহকদের শাখায় যাওয়ার প্রয়োজন হবে না।তবে চেক জমা দেওয়া, ডিমান্ড ড্রাফট তৈরি, ঋণ সংক্রান্ত নথি জমা বা শাখায় গিয়ে করতে হয় এমন অন্য কোনও জরুরি কাজ থাকলে তা ধর্মঘটের আগে সেরে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কারণ ধর্মঘটের দিনগুলিতে শাখার স্বাভাবিক পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।গ্রাহকদের সুবিধার জন্য ২৭ সেপ্টেম্বর, রবিবার রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক এবং আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাঙ্কগুলির শাখা খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। অর্থ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, ওই দিন রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক ও আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাঙ্কগুলি স্বাভাবিক ভাবে কাজ করবে। রিজার্ভ ব্যাঙ্কও ওই দিনের জন্য সংশ্লিষ্ট শাখা, দফতর, এটিএম-সংযুক্ত শাখা এবং নগদ ভাণ্ডার চালু রাখার অনুমোদন দিয়েছে।এর ফলে ২৬ সেপ্টেম্বরের ছুটি, ২৭ সেপ্টেম্বর রবিবার এবং তার পরের তিন দিনের ধর্মঘট মিলিয়ে শাখাভিত্তিক ব্যাঙ্ক পরিষেবায় টানা কয়েক দিনের চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সেই পরিস্থিতি সামাল দিতেই ধর্মঘটের আগে রবিবার ব্যাঙ্ক খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।ব্যাঙ্ক কর্মীদের সপ্তাহে দুদিন ছুটির দাবিকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরেই আন্দোলন চলছে। এর আগে ১১ সেপ্টেম্বর দেশজুড়ে এক দিনের ধর্মঘট হয়েছিল। এবার ২৮ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর তিন দিনের ধর্মঘটের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ব্যাঙ্ক পরিষেবা যাতে দীর্ঘ সময় ধরে বিঘ্নিত না হয়, সে জন্য সরকার ও ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ একাধিক বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করছে।সব মিলিয়ে ২৮ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর শাখায় গিয়ে ব্যাঙ্কের কাজ করার ক্ষেত্রে গ্রাহকদের অসুবিধা হতে পারে। তবে এসবিআইয়ের ঘোষণায় ওই তিন দিন এটিএম থেকে টাকা তোলার ক্ষেত্রে বাড়তি চার্জ মকুব থাকবে এবং ডিজিটাল ব্যাঙ্কিং পরিষেবাও চালু থাকবে। তাই জরুরি শাখাভিত্তিক কাজ থাকলে তা ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যেই সেরে নেওয়াই সুবিধাজনক।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal