• ৫ বৈশাখ ১৪৩৩, সোমবার ২০ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Banerjee

রাজ্য

‘মানুষকে অপমান করেছেন’, অভিষেকের মন্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া শুভেন্দুর

উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জের সভামঞ্চ থেকে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ তুললেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আবাস যোজনা ও শৌচাগারের প্রকল্পে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন শুভেন্দু। শৌচাগার প্রকল্পের দুর্নীতির সঙ্গে তৃণমূলের এক বিধায়ক জড়িত বলেও তিনি অভিযোগ করেছেন। পাশাপাশি তাঁর অভিযোগ, জেলাপ্রশাসনও এই কাজে যুক্ত। এমনকী গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে জোর করে বিজেপিকে হারানো হয়েছিল বলে গুরুতর অভিযোগ করেছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। বাঁকুড়ায় অভিষেকের মন্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন শুভেন্দু।এদিন ওন্দার সভামঞ্চ থেকে তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বাঁকুড়াবাসীকে পঞ্চায়েত নির্বাচনে পাপের প্রায়শ্চিত্ত করতে বলেছেন। মানুষ ভুল করেছে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। ২০১৯ লোকসভা ও ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির ভাল ফল প্রসঙ্গে একথা বলেছেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতা। অভিষেকের মন্তব্য নিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর প্রতিক্রিয়া, এটা শুধু বাঁকুড়ার অপমান নয়, বাংলার সমস্ত ভদ্র মন্ডলীকে অপমান। শুভেন্দু বলেন এত ঔদ্ধত্য যে একজন বলছেন জনগণ ভুল করেছেন। এ কথা বলার সাহস একজন জনপ্রতিনিধি হিসাবে কেউ কীভাবে পান? আমাদের সংবিধানটাই মানুষকে নিয়ে। সেই জনগণকেই বলছেন পাপ করেছেন প্রায়শ্চিত্ত করতে হবে। হেলিকপ্টার চড়ে গিয়ে বড় বড় কথা।পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও একনায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দাবিতে উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জে ভারতীয় জনতা পার্টির জনসভায় উপস্থিত হয়ে রাজ্য সরকারের অপশাসন, তৃণমূলের দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে আগামী পঞ্চায়েত নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধ হয়ে বিজেপির প্রার্থীদের বিপুল সংখ্যক ভোটে নির্বাচিত করে এর জবাব দেওয়ার আহ্বান জানান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

এপ্রিল ১২, ২০২৩
রাজনীতি

বাঁকুড়ায় অভিষেকের মন্তব্য নিয়ে তোলপাড় বঙ্গ রাজনীতি, কেন বললেন প্রায়শ্চিত্তের কথা?

২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে জঙ্গলমহল তৃণমূল কংগ্রেসকে খালি হাতে ফিরিয়ে ছিল। ভরিয়ে দিয়েছিল বিজেপিকে। তারপর ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনেও কিছু জমি পুনর্উদ্ধারে তৃণমূল সক্ষম হলেও বিজেপি থেকে পুরোপুরি মুখ ফেরায়নি বাঁকুড়া। এবার সেই বাঁকুড়ার ওন্দায় গিয়ে একরাশ অভিমান ঝরে পড়ল তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গলায়। বাঁকুড়ার মানুষকে আগামী পঞ্চায়েত নির্বাচনে প্রায়শ্চিত্তের কথা বললেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। যে বক্তব্য নিয়ো তোলপাড় রাজনৈতিক মহল।এবারও যদি বাঁকুড়ায় একই দশা হয় সেক্ষেত্রে অভিষেক জানিয়ে দিলেন, তাহলে তৃণমূল আর বাঁকুড়ার মানুষের অধিকার নিয়ে লড়াই আন্দোলন করবে না। পঞ্চায়েত ভোটের আগে বাঁকুড়ার ওন্দার সভা থেকে অভিষেকের এই ঘোষণা চাঞ্চল্য ফেলেছে রাজনৈতিক মহলে। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকার ১০০ দিনের টাকা না দেওয়ায় ফের বিজেপি নেতাদের ঘেরাওয়ের ডাক দিয়েছেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড।এদিনের সভায় ১০০ দিনের কাজ থেকে আবাস যোজনার টাকা আটকে রাখায় বিজেপিকে আগাগোড়া নিশানা করছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। তাঁর বার্তা, ধর্মের ভিত্তিতে নয়, উন্নয়নের কাজের নিরিখে আসন্ন পঞ্চায়েত ও লোকসভা ভোটে যেন বাঁকুড়াবাসী ভোটদানের সিদ্ধান্ত নেন। অভিষেক বলেন, ২০১৯ ও ২১ সালে বিজেপিকে আপনারা ভোট দিয়েছিলেন। কিন্তু কী পেয়েছেন? নিজের বুকে হাত রেখে সেই প্রশ্ন নিজেকেই করুন। আমাদের সকলকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ২০১৯ সালে আপনারা বিজেপিকে দুটি লোকসভা আসনে জিতিয়েছিলেন। পরবর্তীতে ১২টি বিধানসভা আসনের মধ্যে আটটিতে বিজেপিকে জিতিয়েছিলেন। পরে তন্ময় বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে এলে আমাদের পাঁচজন বিধায়ক হয়। কিন্তু যাঁরা আচ্ছে দিনের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে বলে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন, কেউ আচ্ছে দিন পেয়েছেন? ধর্মের ভিত্তি, নাকি উন্ননের জন্য, নিজেদের অধিকারের জন্য ভোট দেবেন সেটা নিজেরাই ঠিক করুন। মনে রাখবেন সামনের পঞ্চায়েত ও লোকসভা নির্বাচন আপনাদের কাছে পাপের প্রায়শ্চিত্ত করার সুযোগ।অভিষেকের অভিযোগ, একুশের ভোটে হেরে যাওয়ার প্রতিশোধেই ১০০ দিন ও আবাস যোজনায় বাংলার বকেয়া আটকে রেখেছে বিজেপির নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকার। বকেয়া আদায়ে দিল্লি যাওয়ার প্রস্তুতিও জোরকদমে করতে নির্দেশ দেন অভিষেক। তাঁর হুঁশিয়ারি, ১ কোটি চিঠি ও বঞ্চিতদের নিয়ে গিয়ে দিল্লিতে কৃষিমন্ত্রকের সামনে বসব। দাবি আদায়ে স্লোগান হবে, ধরনা তীব্র থেকে তীব্রতর হবে। দেখি তারপরও কীভাবে কানে তুলো দিয়ে বসে থাকতে পারে।বক্তব্যের শেষপ্রান্তে এসে অভিমানের সুরে বড় উপলব্ধি প্রকাশ পায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তিনি বলেন, ১৯ সালে আপনারা মুখ ফিরিয়েছিলেন। ২১শেও ফিরিয়েছেন। আমরা কিন্তু ফেরায়নি। আপনারা ভুল পথে পরিচালিত হয়ে বিজেপিকে ভোট দিয়েছিলেন, আমরা অভিমান করিনি। কিন্তু এবার বলে গেলাম, আপনিও রক্ত মাংসের মানুষ, আমিও রক্ত মাংসের মানুষ। আপনি যদি নিজেরে অধিকার নিয়ে না লড়েন, আপনার ছেলে, মেয়ে, পরিবারের ভবিষ্যৎ নিয়ে নিজে না সরব হন তাহলে তৃণমূলও আপনার অধিকার নিয়ে লড়াই করবে না। আমি স্পষ্টভাবে বলছি আপনার অধিকারের জন্য আপনাকে নিজেকেই লড়াই করতে হবে। ভোট হবে উন্নয়নের ইস্যুতে, অন্য কোনও কিছুর উপর ভিত্তি করে নয়। পাপের প্রায়শ্চিত্ত করতে হবে অভিষেকের এই মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ করেছে বিজেপি, সিপিএম ও কংগ্রেসসহ বিরোধী নেতৃত্ব।

এপ্রিল ১২, ২০২৩
রাজ্য

বিডিও দফতরে তৃণমূলের ভার্চুয়াল বৈঠকে বিধায়কসহ নেতৃত্ব, শোরগোল রাজ্য-রাজনীতিতে

রাজ্যের কোথাও বিডিও অফিসে বসে অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায়ের ভার্চুয়াল বৈঠকে তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব আবার কোথাও থানার ওসিকে পরিবার তুলে হুমকি বিজেপি সাংসদের। রাজ্যের দুই প্রান্তে এমন দুই ঘটনায় বেকায়দায় তৃণমূল ও বিজেপি। একটি ঘটনা বাঁকুড়ার সোনামুখিতে, অন্যটি মুর্শিদাবাদের ভগবানগোলায়।অফিসের বাইরে ভগবানগোলা ২ নং ব্লকের বিডিও। তাঁর চেয়ারে বসেই অভিষেকের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক সারলেন মুর্শিদাবাদের ভগবানগোলার তৃণমূল বিধায়ক ইদ্রিশ আলি। বিধায়ক ছাড়াও ওই বৈঠকে ছিলেন প্রাক্তন বিধায়ক চাঁদ মহম্মদ-সহ দলের আরও ৮ নেতা। সরকারি দফতরে বসেই রাজনৈতিক বৈঠকে অংশ নেওয়ায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেছেন, অভিযোগটি শুনেছি। কেউ যদি সত্যিই বিডিও-র চেয়ারে বসে রাজনৈতিক বৈঠক করেন সেটা উচিত হয়নি।বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্যের কটাক্ষ, ওদের নেত্রীই তো প্রতিটি প্রশাসনিক বৈঠককে সরকারি খরচায় রাজনৈতিক মঞ্চ বানিয়েছেন। ওটা একটা প্রান্তিক অঞ্চলের বিধায়ক। সরল মনে বিডিও অফিসে গিয়ে বৈঠক করেছেন। পার্টি অফিসে ইন্টারনেট স্লো তাই বিডিও দফতরে বৈঠক, সাফাই দিয়েছেন ইদ্রিশ। ভগবানগোলার বিডিও মহম্মদ ওয়ারসিদ খান সংবাদমাধ্যমে বলেন, প্রথমে ভেবেছিলাম ওটা প্রশাসনিক বৈঠক। পরে জানতে পারি ওটা দলীয় বৈঠক হয়েছে।

এপ্রিল ১১, ২০২৩
রাজনীতি

সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস আর জাতীয় নয়, উঠে এল কেজরিওয়ালের আপ

৭ বছরেই শেষ জাতীয় দলের মর্যাদা। সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস এবার আঞ্চলিক দলে পরিণত হয়েছে। সোমবার এই খবর জানিয়ে দিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। আগামী বছর লোকসভা নির্বাচন, তার আগেই চলে গেল সর্বভারতীয় তকমা। জাতীয় দলের মর্যাদা চলে গিয়েছে এনসিপি ও সিপিআইয়ের। অন্য দিকে আম আদমি পার্টি জাতীয় দলের স্বীকৃতি পেল। দিল্লি ও পঞ্জাবে রয়েছে আপের সরকার। গোয়ায় বিধানসভা নির্বাচনে লড়তে গিয়ে কুপোকাৎ হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনে তো চোখের জল নাকের জল এক করে ফেলেছে তৃণমূল। সেখানে নোটার থেকেও কম ভোট পয়েছে মমতার দল। ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটের ফলাফলের ভিত্তিতে জাতীয় দল হিসাবে তাদের মর্যাদা কেন কেড়ে নেওয়া হবে না? গত বছর জুলাইয়ে তৃণমূল, এনসিপি এবং সিপিআইকে চিঠি পাঠিয়ে জবাবদিহি চেয়েছিল নির্বাচন কমিশন।কীভাবে জাতীয় দলের মর্যাদা পাওয়া যায়?প্রথমত, লোকসভা নির্বাচনে কোনও দলকে অন্তত তিনটি রাজ্য থেকে ভোটে লড়তে হবে ও সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলিতে মোট লোকসভা আসনের ২ শতাংশ আসনে জিততে হবে।দ্বিতীয়ত, লোকসভা বা বিধানসভা নির্বাচনে অন্তত ৪টি রাজ্যে ৬ শতাংশ করে ভোট পেতেই হবে ও এক বা তার বেশি রাজ্যে ৪টি লোকসভা আসন পেতে হবে।তৃতীয়ত, ৪টি বা তার বেশি রাজ্যে রাজ্য দলের তকমা থাকতে হবে দলের কাছে। এই তিন শর্তের যে কোনও একটি পূরণ করলেই জাতীয় দলের তকমা পাওয়া যায়।উল্লেখ্য, উপরোক্ত তিনটে শর্তের কোনওটি পূরন করতে পারেনি তৃণমূল কংগ্রেস। রাজনৈতিক মহলের আশঙ্কা মেঘালয়ের পাঁচ তৃণমূল বিধায়কের ভবিষ্যৎ নিয়ে। তৃণমূলের জাতীয় দলের মর্যাদা চলে যেতেই বঙ্গ বিজেপি রেরে করে উঠেছে।

এপ্রিল ১০, ২০২৩
রাজ্য

সাগরদিঘির ধাক্কা, পঞ্চায়েত ভোটের আগে শক্ত হাতে সংগঠন গড়তে ময়দানে মমতা

মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘির উপনির্বাচনে পরাজয়ে রীতিমতো নাড়াচাড়া দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসকে। মুসলিম ভোট যে পুরোপুরি সুরক্ষিত নয়, তাও জানান দিয়েছে সাগরদিঘি। শুক্রবার কালীঘাটে তৃণমূলের সাংগঠনিক বৈঠকে বেশ প্রভাব ফেলেছে সাগরদিঘির পরাজয়। ফের দলের সংগঠন শক্ত হাতে ধরছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কালীঘাটে তৃণমূলের বৈঠকের পর সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণায় রাজ্যে ও সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাংগঠনিক কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দেন, মাসে তিন দিন জেলা স্তরে সাংগঠনিক বৈঠক করবেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উদ্দেশ্য সংগঠনকে শক্তিশালী করা। এর পাশাপাশি সর্বভারতীয় স্তরে বিজেপি ও কংগ্রেসের সঙ্গে সমদূরত্ব বজায় রেখে আঞ্চলিক দলগুলির সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল সুপ্রিমো শুক্রবার বৈঠক করেন সমাজবাদী নেতা অখিলেশ যাদবের সঙ্গে। ২৩ এপ্রিল মমতা বৈঠক করবেন ওডিশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েকের সঙ্গে। তারপর দিল্লি যাবেন মমতা। রাজনৈতিক মহলের মতে, ফের রাজ্যে ও সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে দলকে শক্তিশালী করতে নিজেই উদ্যোগী হচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে দলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়নি।পর্যবেক্ষক না বললেও ফের জেলায় জেলায় দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হচ্ছে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বকে। এই পর্যবেক্ষক প্রথা তুলে দিয়েছিল তৃণমূল। একটা সময় মনে করা হচ্ছিল শুভেন্দু অধিকারীর ক্ষমতা খর্ব করতেই তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব পর্যবেক্ষক প্রথা তুলে দিয়েছিল। পরে শুভেন্দু বিজেপিতে যোগ দেয়। রাজনৈতিক মহলের মতে, ঘুরিয়ে পর্যবেক্ষক প্রথা চালু করে দিল তৃণমূল। মোদ্দা কথা দলের হাল ধরলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আদি তৃণমূলীরা অবহেলিত বলে দলে দাবি উঠছিল। আজকের বৈঠকে অনেকটাই বাড়তি দায়িত্ব বর্তেছে প্রবীন নেতাদের ওপর। বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে সংখ্যালঘু ভোটের দিকে। মালদা ও মুর্শিদাবাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী ও মোশাররফ হোসেনকে।

মার্চ ১৭, ২০২৩
রাজ্য

'পাঠান' শাহরুখ প্রচন্ড ব্যস্ত, সাংসদ অভিনেতা দেবকে বড় দায়িত্ব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা

তৃণমূল সাংসদ তথা অভিনেতা দেবকে পর্যটনের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হওয়ার প্রস্তাব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দেব ঘাড় নেড়ে সেই প্রস্তাবে রাজিও হয়ে যান। রাজ্যের পর্যটন দফতরের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হিসাবে কাজ করবেন টলি অভিনেতা।বুধবার নবান্ন সভাগৃহে ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রোমোশনের বৈঠক চলছিল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন দেবও। হঠাৎই মুখ্যমন্ত্রী দেবকে বলেন, তুমি বাংলার অ্যাম্বাসাডর হও। দেব মাথা নাড়ে। প্রশ্ন ওঠে তাহলে কি বলিউডের বাদশা শাহরুখ খান থাকছে না। বিষয়টি স্পষ্ট করে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দেন, তা নয়। শাহরুখ ব্যস্ত। তাই পর্যটনের ব্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হচ্ছে দেব। এ ব্যাপারে বিজ্ঞাপন তৈরির জন্য গৌতম ঘোষকে দায়িত্ব দেওয়ার কথা বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী দেবকে বলেন, তুমি আরও দু তিনজনকে সঙ্গে নিয়ে নাও।

মার্চ ১৫, ২০২৩
রাজ্য

‘হঠাৎ করে চাকরি চলে গেলে সে খাবে কী?’ আক্ষেপ মুখ্যমন্ত্রীর

শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতিতে চাকরি বাতিলের ঘটনায় তোলপাড় রাজ্য। তবে পর পর চাকরি বাতিলের ঘোষণায় উদ্বিগ্ন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার আলিপুর আদালতের একটি অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বললেন, কথায় কথায় লোকের চাকরি খাবেন না। কালও দুজন আত্মহত্যা করেছেন। হঠাৎ করে চাকরি চলে গেলে সে খাবে কী? এটা রাজনীতির বিষয় নয়। দয়া করে রাজ্যের বদনাম করবেন না।বেআইনি নিয়োগের কারণে সম্প্রতি ৮৮৪ জনের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। তার আগে একই কারণে গ্রুপ ডি এবং শিক্ষক পদেও চাকরি হারাতে হয়েছে অনেককে। সদ্য প্রকাশিত শিক্ষা দফতরের ওএমআর শিটে নম্বরের মহিমা যে কাউকে অবাক করতে বাধ্য। ০, ১, ২ নম্বর পাওয়া পরিক্ষার্থীদের নম্বর বাড়িয়ে করা হয়েছে ৫৪, ৫৫, ৫৬। সাদা চোখেই ধরা পড়েছে সীমাহীন দুর্নীতি। তবে চাকরি চলে যাওয়ায় মুখ্যমন্ত্রী আবেগ তাড়িত হয়ে পড়েছেন।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়, এখন রোজ কথায় কথায় ৩ হাজার চাকরি বাদ, ৪ হাজার চাকরি বাদ। নীচুতলার কেউ অন্যায় করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব, এটা আমার চিরকালের স্বভাব। তবে কালও দুজন আত্মহত্যা করেছেন। কেউ ভুল করলে তার দায় তাঁরা নেবেন কেন? হঠাৎ করে চাকরি চলে গেলে সে খাবে কী? যাঁরা অন্যায় করেছে অ্যাকশন নিন। আমার কোনও দয়া নেই তাঁদের জন্য।এমনকী চাকরি বাতিল হওয়াদের ফের নতুন করে সুযোগ দেওয়ার কথাও বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর যুক্তি, ছেলেমেয়েদের সুযোগ দিন। দরকার হলে তাঁদের পরীক্ষা নিন। আদালত যেটা বলবে সেটা আমরা করব। দয়া করে চাকরি খাবেন না। এটা আমার মনের ভাবনা। কথায় কথায় লোকের চাকরি খাবেন না। এটা রাজনীতির বিষয় নয়। অন্য রাজ্যে তো এটা হচ্ছে না। এরাজ্যে কেন হচ্ছে? আমাকে দুবেলা গালাগালি দিন। দরকার হলে মারুন। দয়া করে রাজ্যটার বদনাম করবেন না। তাঁর বক্তব্য, ক্ষমতায় এসে একটা সিপিএম ক্যাডারেরও চাকরি খাইনি। তোমরা কেন খাচ্ছ? দেওয়ার ক্ষমতা নেই, কাড়ছ কেন?

মার্চ ১৪, ২০২৩
রাজ্য

শিক্ষা দুর্নীতিতে গ্রেফতার কুন্তল ও শান্তনুর বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা তৃণমূলের

শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগে দুর্নীতিতে গ্রেফতার পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে দল অনেক আগেই বহিস্কার করেছে। তবে তিনি এখনও দলে বিধায়ক রয়েছেন। গ্রেফতার মানিক ভট্টাচার্য এখনও বিধায়ক রয়েছেন। এবার শিক্ষা দুর্নীতিতে গ্রেফাতার দুই যুব নেতা কুন্তল ঘোষ ও শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়কে তৃণমূল কংগ্রেস বহিষ্কার করল। যদিও গরুপাচার কাণ্ডে গ্রেফতার অনুব্রত মন্ডল এখনও বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি রয়েছেন।শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে প্রায় ২ মাস হতে চলল গ্রেফতার করা হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য যুবনেতা কুন্তল ঘোষকে। কুন্তলকে গ্রেফতার করার পর নতুন নতুন নাম করেছে ইডির কাছে। তাঁদের তলব করছে ইডি। চার দিন আগে তৃণমূল যুব নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করে ইডি। এদিন তৃণমূল ভবনে এক সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়ে দেওয়া হয় কুন্তল ও শান্তনুকে দল থেকে বহিস্কার করা হয়েছে। রাজ্য যুব তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক পদে ছিলেন কুন্তল। কিন্তু শান্তনু দলের সেভাবে কোনও পদে ছিলেন না বলেই জানা গিয়েছে। রাজ্যের দুই মন্ত্রী ব্রাত্য বসু ও শশী পাঁজা সাংবাদিক বৈঠকে হাজির ছিলেন। এদিন শশী পাঁজা বলেন, সঞ্জীব সুকুল নামে যে ব্যক্তির চাকরি খুইয়েছেন তিনি শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ। বিজেপি ও সিপিএম নেতাদের পরিবারের সদস্যদেরও দুর্নীতির দায়ে চাকরি গিয়েছে।

মার্চ ১৪, ২০২৩
রাজ্য

সাগরদিঘি উপনির্বাচনে তৃণমূলের জয়ের ব্যবধান বেঁধে দিলেন অভিষেক

মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘি উপনির্বাচনের প্রচার একেবারে জমজমাট। ইতিমধ্যেই সেখানে প্রচার সেরেছেন রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। রবিবাসরীয় প্রচারে গিয়ে জয়ের ব্যবধানের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করে দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিষেকের স্পষ্ট বার্তা, উপনির্বাচনে একটা বুথেও হারলে সেটা হবে মীরজাফরের বুথ। কোনও বুথেই হারা চলবে না বলেই জনসভায় জানিয়ে দিলেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ।সাগরদিঘি উপনির্বাচনে কংগ্রেস প্রার্থীর সঙ্গে বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর ছবি দেখান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, কংগ্রেস প্রার্থীর সঙ্গে বিজেপির যোগসাজশ চলছে। ভোটে জিতলেই ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিজেপিতে চলে যাবে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কি করে শুভেন্দু বলছেন সংখ্যালঘু বুথগুলিতে আর যেই হোক জোড়াফুল জিতবে না। সেই ব্যবস্থা করে দিয়েছি।আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘি কেন্দ্রে উপনির্বাচন। ২ মার্চ ভোটগণনা। এখানে বিজেপি, তৃণমূল ও কংগ্রেসের প্রার্থীর মধ্যে লড়াই হচ্ছে। বামেরা এই কেন্দ্রে কংগ্রেস প্রার্থীকে সমর্থন করছে। লড়াই ত্রিমুখি হতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ২০১৬-তে কোনওরকমে জয় পেয়েছিল তৃণমূল প্রার্থী সুব্রত সাহা। রাজ্যর এই মন্ত্রীর অকাল প্রয়াণের কারণেই এই উপনির্বাচন। সামনেই রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন। স্বভাবতই তার আগে এই উপনির্বাচন সব দলের কাছেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৩
কলকাতা

কলকাতার পাশেই এবার দ্বিতীয় চিড়িয়াখানা, দেখা মিলবে জিরাফ, জেব্রার সঙ্গে

আলিপুর চিড়িয়াখানা দেখার আক্ষেপ ভুলিয়ে দেবে নিউটাউনের চিড়িয়াখানা। নতুন চিড়িয়াখানায় নতুন জীবজন্তু দেখার সুযোগ নিউটাউনে। এই চিড়িয়াখানার সূত্রপাত হয়েছিল ২০১৬- তে। তখন সেটা ছিল ডিয়ার পার্ক। এখন আস্ত চিড়িয়াখানা।২০১৬-তে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিউটাউনে উদ্বোধন করেছিলেন হরিণালয়ের। যেখানে এতদিন শুধু দেখা মিলত হরিণের দলের। এবার হরিণালয় বদলে গেল চিড়িয়াখানায়। এখন হরিণের সঙ্গে জিরাফ, জেব্রা, ম্যাকাও, কালো রাজহাঁস, নানান রঙিন পাখি, সবই দেখা যাবে সেখানে। খুব শীঘ্রই নিয়ে আসা হবে বাঘও।বৃহস্পতিবার দুপুরে এই চিড়িয়াখানার ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নয়া চিড়িয়াখানার উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেন বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক সহ বন দপ্তরের আধিকারিকরা। দ্বিতীয় এই চিড়িয়াখানাটি তৈরি করতে খরচ হয়েছে ১৯ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা। এদিন বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেন, এই চিড়িয়াখানার আকর্ষণ বাড়াতে বাঘ , সিংহ, শিম্পাঞ্জি সহ বিভিন্ন প্রজাতির বানর আনা হবে। আপাতত ঠিক হয়েছে আলিপুর চিড়িয়াখানার প্রবেশ মূল্যর সাথে সামঞ্জস্য রেখেই এখানে প্রবেশ টিকিটের মূল্য ধার্য করা হবে।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২৩
রাজ্য

রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের বাজেট ভাষণে ক্ষুব্ধ বিজেপি, এক বছরেই উলোট-পূরাণ

রাজ্যপাল হায় হায় বলে স্লোগান দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্য সরকারের দেওয়া লিখিত ভাষণ পাঠ করা নিয়েই যাবতীয় বিতর্কের সূত্রপাত। রাজ্যপালের ভাষণ চলাকালীন চোর ধরো জেল ভরো স্লাগান দিতে থাকেন বিজেপি বিধায়করা। ছিঁড়ে দেওয়া হয় রাজ্যপালের ভাষণের কপি। ওয়াকআউট করে বিজেপি বিধায়করা। এমনকী রাজ্যপাল বিধানসভা চত্বরে গাড়িতে ওঠার সময়ও গেরুয়া শিবিরের বিধায়করা স্লোগান দিতে থাকেন।এর আগে প্রাক্তন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকরের সময় বিপরীত দৃশ্য দেখা যেত। তখন রাজ্যপালকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাত তৃণমূলের মন্ত্রী-বিধায়করা, এখন রাজ্যপালের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়ছে বিজেপি বিধায়করা। একেবারেই উলোট-পূরাণ।গতবছর ২০২২ রাজ্য বাজেট অধিবেশনে তৎকালীন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড় ভাষণ না পাঠ করেই বিধানসভার কক্ষ ত্যাগ করছিলেন। তখন রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, শশী পাঁজা, শিউলি সাহারা ঘেরাও করে ফেলেছিলেন ধনকড়কে। কোনওরকম ভাবে নামকা ওয়াস্তে রাজ্য সরকারের লিখিত ভাষণ পাঠ করে দায়িত্ব পালন করেছিলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর চোখের ইশারায় তৃণমূলের মহিলা বিধায়করা এমন কান্ড ঘটিয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এখন বিজেপির স্লোগান-বিক্ষোভের সমালোচনা করছে তৃণমূল কংগ্রেস। রাজ্যপাল বদলে যেতেই বদলে গেল বিধানসভার পরিস্থিতি। এমনকী রাজভবনকে তৃণমূল বলত বিজেপির সদর দফতর। এখন পরিস্থিতির অনেকটাই বদল ঘটেছে। জগদীপ ধনকড় রাজ্যপালের পদ ছেড়ে ভারতের উপরাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হলে তাঁর বিরুদ্ধে ভোটই দেয়নি তৃণমূল কংগ্রেস।২৬ জানুয়ারি সাধারণতন্ত্র দিবসে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের জয় বাংলা স্লোগান নিয়ে বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছিল। তখনও কড়া ভাষায় সমালোচনা করেছে বিজেপি। তারপর সেন্ট জেভিয়ার্সে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডি লিট প্রদান অনুষ্ঠানে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসা করেছিলেন রাজ্যপাল।মোদ্দা কথা রাজ্যপালের কর্মকান্ডে খুশি নয় বঙ্গ বিজেপি। এখনও অবধি রাজ্যপালের অবস্থানে তৃণমূল স্বস্তিতে।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২৩
রাজনীতি

'ক্যা ক্যা করার জন্য কাক আছে, তুমি(বিজেপি) কেন ক্যা ক্যা করছো,' কটাক্ষ মমতার

মালদায় প্রশাসনিক বৈঠক থেকে কেন্দ্রীয় সরকারকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্যে উঠে এল এনআরসি থেকে সিএএ প্রসঙ্গে। সংখ্যালঘু ও মতুয়াদের জন্য রাজ্য কি করেছে সে কথাও বললেন মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার রাজনীতি নিয়ে ভাবছে অর্থনীতি নিয়ে ভাবছে না। কেন্দ্রীয় শাসক দলটা কেন এত হিংসুটে? প্রশ্ন তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সংখ্যালঘুদের নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ভাবছে না বলেও দাবি তাঁর। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের এখানে ৩০ শতাংশ সংখ্যালঘু জনসংখ্য়া আছে। সেটা তো তাদের অপরাধ নয়। তারা যদি পড়াশুনো করতে চায় আমাদের কি উচিত তাঁদের পড়াশুনার ব্যবস্থা করা। নাকি উইপোকা কামড়ালেও তাঁদের একটা এজেন্সি পাঠিয়ে গ্রেফতার করা। কোনটা কাজ? তাদের পড়াশুনা করিয়ে এগিয়ে দেওয়াটা আমাদের কাজ।ছাত্র-ছাত্রীদের বিভিন্ন স্কলারশিপ কেন্দ্রীয় সরকার বন্ধ করে দিয়েছে বলে জানান মমতা। তিনি বলেন, সংখ্যালঘুদের স্কলারশিপ অনেক বন্ধ করে দিয়েছে। আমরা রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ১কোটি ২০ লক্ষ সংখ্য়ালঘু ছেলেমেয়ের ঐক্যশ্রী স্কলারশিপ দিচ্ছি। শিক্ষাশ্রী তপসিলি জাতি ও উপজাতিদের দিচ্ছি। ওবিসি স্কলারশিপ এবছর থেকে কেন্দ্রীয় সরকার বন্ধ করে দিয়েছে। ওবিসিদের জন্য তৈরি করেছি মেধাশ্রী। মুখ্যমন্ত্রী এদিন দাবি করেছেন, মতুয়াদের জন্য আমরা সবটা করেছি। তাঁর বক্তব্য, ভোট এলে হঠাৎ ভাত খেয়ে বলবে আমরা মতুয়ার বন্ধু হয়ে গেলাম। ক্যা ক্যা করে চিৎকার করবে, ওদের বলুন ক্যাক্যা করার জন্য কাক আছে। তুমি কেন ক্যা ক্য়া করছো? এনআরসির নামে সবাইকে জেলে বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। ক্যার নামে মানুষকে ভুল বোঝানো হচ্ছে। যতদিন মতুয়াদের বড়মা বেঁচে ছিলেন তাঁর চিকিৎসার ব্যবস্থা কে করেছিল? আমি করেছিলাম। কেউ তাকিয়ে দেখেনি। আমরা কন্য়াশ্রী কলেজ করেছি, কৃষ্ণনগরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্য়াম্পাস করেছি, মতুয়া বাড়ির গেট করা হয়েছে। সৌন্দর্যকরণ করা হয়েছে। কি করা হয়নি? আমি চাই আপনাদের উন্নয়ন হোক। রাজ্যে শিক্ষাক্ষেত্র, গরুপাচার, কয়লাপাচার নিয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা একাধিক তৃণমূল নেতা ও প্রশাসনিক কর্তাকে গ্রেফতার করেছে। বিজেপি চোর চোর বলে তৃণমূলের বিরুদ্ধে স্লোগানও দিচ্ছে সভা-সমাবেশ। মমতা এদিন বলেন, আমরা যদি চোর হই তোমরা ডাকাত। তোমরা কি করছ। ডাকাত, গদ্দার বলে কটাক্ষ করে মমতার অভিযোগ, পুরুলিয়ার কোটা নিজের পকেটে রেখে দিয়েছিলেন। কেন তারা চাকরি পায়নি?

জানুয়ারি ৩১, ২০২৩
রাজ্য

নবান্নের ১৪ তলায় অমিত-মমতা একান্তে বৈঠক, সাফাই শুভেন্দুর

একান্তে বৈঠক মানেই সেটিং গত কয়েক বছর ধরেই বিজেপি ও তৃণমূল কংগ্রেসকে এভাবেই কটাক্ষ করেছে সিপিএম ও কংগ্রেস। বিজেমূল কটাক্ষের ফের সুযোগ পেয়েছে নবান্নের ১৪ তলায় অমিত শাহ ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ২০ মিনিটের বৈঠকের পর। যদিও সৌজন্য সাক্ষাৎ বলেই দুদলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী তো এক পা এগিয়ে ওই বৈঠক নিয়ে অমিত শাহ যা তাঁকে বলেছেন তা সাংবাদিকদের শুনিয়েছেন। শুভেন্দু বলেছেন, সীমান্তে বিএসএফের চৌকি নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা হয়েছে। যদিও রাজনৈতিক মহলের বক্তব্য, শুভেন্দু যাই বলুক না কেন মমতা-অমিতের বৈঠকের প্রকৃত নির্যাস কি তা কি সহজে প্রকাশ্যে আসবে? প্রথমত মমতা বা শাহ কেউই সাংবাদিক বৈঠক করে কিছু বলেননি। তাছাড়া দুজন শীর্ষ নেতৃত্ব একান্তে কোনও কথা বললে তা প্রকাশ্যে চলে আসবে তা ভাবার কোনও কারণ নেই।এর আগে দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বৈঠক করলেই সেটিং সেটিং বলে চিৎকার জুড়ে দিত সিপিএম ও কংগ্রেস। এবার তো নবান্নে বৈঠক করলেন মমতা-শাহ। শুভেন্দু আবার ওই বৈঠকের সাফাই গাইতে অমিত শাহ কি বলেছেন তা ঘোষণা করে দিলেন। সময়ই জানান দিতে পারে আদৌ শাহ-মমতা কি আলোচনা হয়েছে।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২২
রাজনীতি

শুভেন্দু খেলাও করবেন আবার ডায়মন্ড হারবারে লাড্ডুও খাওয়াবেন, অভিষেক গড়ে বিরোধী দলনেতা

এত দিন বাংলাদেশের খেলা হবে স্লোগান আয়ত্বে ছিল তৃণমূল কংগ্রেসের। এবার ডায়মন্ডহারবারের জনসভায় সেই স্লোগান দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। একইসঙ্গে ইঙ্গিত রেখে নানা বক্তব্য রাখলেন তিনি। হুঁশিয়ারি দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। আগামী গ্রামপঞ্চায়েত নির্বাচনে গ্রামে-গ্রামে দলের নেতা-কর্মীদের প্রার্থী ঠিক করার নির্দেশ দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। কর্মীদের পাশে থাকার বার্তাও দিলেন বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দু বলেন, গ্রামে প্রার্থী ঠিক করতে পারবেন তো? মঞ্চের সামনে থেকে নেতা-কর্মীরা হ্যাঁ বলতেই শাসক তৃণমূলকে দুষে শুভেন্দুর হুংকার, এবারে খেলাটা দেখাব!শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, ২০১৪ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত ডায়মন্ড হারবারে নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে হলেও তারপর থেকে এখানে ভোট কার্যত লুঠ হয়েছে। যদিও ২০১৬ সালের পর ২০২১-র বিধানসভা ভোটের কয়েক মাস আগে পর্যন্তও শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলেই ছিলেন। অভিষেককে নিশানা করে শুভেন্দু বলেন, ২০১৮-এর পঞ্চায়েতে এই এলাকাতেও বিরোধী প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দিতে দেওয়া হয়নি। তবে এবার আসন্ন পঞ্চায়তে ভোট লুঠ আটকাতে সবরকম চেষ্টা করা হবে বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন শুভেন্দু।বিরোধী দলনেতা বলেন, ২০১৪- ১৬ সাল পর্যন্ত এখানে ভোট হতো। ২০১৬ সালের পর এখানে ভাইপো বাহিনী ভোট করতে দেয়নি। ২০১৮ সালের পঞ্চায়েতে মনোনয়ন জমা দিতে দেয়নি। এবার খেলাটা দেখাব। গ্রামে প্রার্থী ঠিক করতে পারবেন তো? আমরা মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার ব্যবস্থা করব। এবারে আমরা খেলা দেখাব।খাস অভিষেকের গড়ে দাঁড়িয়ে শুভেন্দু বলে গেলেন এমাসেই ডায়মন্ড হারবারের বাসিন্দাদের লাড্ডু খাওয়াব। কেন এই লাড্ডু বিলি? তা অবশ্য তাঁর বক্তব্য়ে স্পষ্ট করেননি। তবে লাড্ডু তিনি আনবেন বলেই ধনুকভাঙা পন করেছেন। গতকাল রাতেই ডায়মন্ড হারবারের লাইট হাইস ময়দানে বিজেপির সভামঞ্চ খুলে দেয় ডেকরেটার। মাঠ থেকে চেয়ার ফিরিয়ে নিয়ে যায়। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল ডেকরেটর মালিককে ভয় দেখিয়ে এই কাজ করিয়েছেন। শেষমেশ শুভেন্দুর উদ্য়োগে হাওড়া থেকে ডেকরেটর নিয়ে আনিয়ে সভামঞ্চ বাধা হয়।শুভেন্দু অধিকারী এদিন বলেছন, এই মাসেই এখানে ফের আসব। এবার সঙ্গে করে এক গাড়ি লাড্ডু নিয়ে আসব। জগন্নাথ বলেছেন কারণ বলা যাবে না। তাই কেন লাড্ডু আনব তা বলছি না। লাড্ডু নিয়ে আসব। এই মাসেই আসব। গুজরাটে নির্বাচন চলছে, তবে শুভেন্দুর ইঙ্গিত রয়েছে বাংলার ঘটনার দিকে।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২২
রাজনীতি

কাঁথিতে অধিকারী পরিবারের বাড়ির কাছের সভা থেকে শুভেন্দুর বিরুদ্ধে অভিযোগের বন্যা অভিষেকের

বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বাড়ির ঢিলছোড়া দূরত্বে কাঁথির জনসভা থেকে দীর্ঘ বক্তব্য রাখলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক প্রায় সারাক্ষণই নিশানা করে গেলেন শুভেন্দু অধিকারীকে। নন্দীগ্রামের বিধায়কের বিরুদ্ধে আনলেন একের পর এক ভয়ঙ্কর অভিযোগ। তৃণমূল ছাড়া থেকে নির্বাচনে জয়, তোলাবাজি থেকে কয়লাপাচারকারীর সঙ্গে যোগাযোগ সমস্ত অভিযোগ করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।শুভেন্দুর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে অভিষেক বলেন, আগে সরকারি পরিষেবা থেকে টাকা মারত। আমি ১০টা ক্যামেরা ও মোবাইলের সামনে বলে যাচ্ছি ইডি, সিবিআই ও এনআইয়ের নাম করে টাকা তুলছে। যদি বুকের পাটা থাকে আমার বিরুদ্ধে মামলা কর। আমার কাছে কাগজ-পত্র আছে। আদালতে গিয়ে জমা দিয়ে দেব। এর পাশাপাশি এদিন কয়লাপাচারে প্রধান অভিযুক্ত বিনয় মিশ্রের সঙ্গে শুভেন্দুর কথোপকথনের অডিও ক্লিপ তাঁর কাছে আছে বলেও দাবি করেছেন অভিষেক। তিনি বলেন, বিনয় মিশ্র ও শুভেন্দু অধিকারীর কথোকথন, অডিও ক্লিপ আছে। সেটা ছাড়িনি। কথায় কথায় বলত না কয়লা চোর, গরু চোর। কে কার সঙ্গে কথা বলেছে বোঝাপড়ার কি চুরি সংক্রান্ত, কে কত বড় তোলাবাজ, কে কত বড় মিরজাফর, কে কত বড় গদ্দার। সব বার করব।এসবের পাশাপাশি সারদা-নারদায় টাকা নেওয়া ও স্থানীয় স্তরে নানা দুর্নীতি নিয়ে অভিষেক শুভেন্দুর বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন।শুভেন্দু অধিকারীর দলবদল ইস্যুকে সামনে রেখে বিশ্বাসঘাতক, মিরজাফর তকমা থেকে সেরে আসতে পারছে না তৃণমূল কংগ্রেস। এত দিন এভাবে শুভেন্দুর বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়ে এসেছে তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব। শনিবার কাঁথির এই জনসভায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মিরজাফরকে যেমন বিশ্বাসঘাতক হিসেবে বাংলার মানুষ মনে রেখেছেন। তেমনই শুভেন্দু অধিকারীকেও আগামী ৫০০ বছর বিশ্বাসঘাতকতার জন্য বাংলার মানুষ মনে রাখবেন। আগামীকাল থেকেই প্রতিটি বুথে আগামী একমাসের জন্য বেইমান মুক্ত কর্মসূচি চালাবে তৃণমূল।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২২
রাজ্য

বড় খবরঃ বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতার ঘরে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু, সরগরম রাজ্য-রাজনীতি

বিধানসভা নির্বাচনের আগে থেকে দুজনের মুখ দেখাদেখি বন্ধ। নন্দীগ্রামে একজন তৃণমূল অন্যজন বিজেপির প্রার্থী। নির্বাচনে ছিল চরম উত্তেজনা। ভোটের ফলপ্রকাশের পর দেখা গেল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হেরে গিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে। ভোট গড়াল আদালত পর্যন্ত। দীর্ঘ দিন বাদে একই ঘরে মুখোমুখী আলোচনায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। যদিও শুভেন্দুর সঙ্গী ছিলেন তিন বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল, মনোজ টিগ্গা ও অশোক লাহিড়ী। বিধানসভায় মমতার ঘরে শুভেন্দু, এই ঘটনায় শোরগোল পড়ে যায় রাজনৈতিক মহলে। বিধানসভাও সাক্ষী থাকল বিরল ছবির।বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যেপাাধ্যায়ের ঘরে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীরা ছিলেন মেরে-কেটে ৩-৪ মিনিট। এটাকে সৌজন্য সাক্ষাৎ বলছেন নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক। তাঁকে নাকি একাই ডেকেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি সঙ্গে দলের আরও তিন বিধায়ককে নিয়ে যান মুখ্যমন্ত্রীর ঘরে। সূত্রের খবর, এদিন মার্শালকে দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী নিজেই ডেকেছিলেন বিরোধী দলনেতাকে।শুক্রবার বিধানসভার এই সাক্ষাতের ঘটনায় তোলপাড় হয়ে পড়ে রাজ্য-রাজনীতি। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, মুখ্যমন্ত্রী আমাকে ডেকেছিলেন। সংবিধান দিবসে সৌজন্য সাক্ষাতের জন্যই ডেকেছিলেন। সাক্ষাতের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, শুভেন্দুকে চা খেতে ডেকেছিলাম। সংবিধান দিবসে উপলক্ষ্যে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর উদ্দেশে বলেন, ভাইয়ের মতো স্নেহ করতাম। রাজ্যে তৃণমূল বনাম বিজেপির চরম সংঘাতের মুহূর্তে মুখ্যমন্ত্রীর ঘরে বিরোধী দলনেতার সাক্ষাৎকে কেন্দ্র করে জল্পনা ছড়িয়েছে বঙ্গ রাজনীতিতে। রে রে করে উঠেছে বাম-কংগ্রেস।

নভেম্বর ২৫, ২০২২
দেশ

বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী সন্দেহে ধৃত জামালপুরের দম্পতির পরিচয়ের খোঁজে জেলায় বেঙ্গালুরু পুলিস

অনুপ্রবেশকারী অভিযোগে পশ্চিম বাংলার দম্পতি জেলে বন্দি। বেঙ্গালুরু পুলিশ নগরিকত্ত্বের তথ্য যাচাই করতে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে চষে বেড়ালো। বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী অভিযোগে বেঙ্গালুরুর জেলে বন্দি করে রাখা হয়েছে রাজ্যের এক শ্রমিক দম্পতিকে। রেহাই পায়নি তাঁদের দেড়বছরের শিশু পুত্রও। প্রায় সাড়ে তিন মাস ধরে শিশু পুত্র আদিকে সঙ্গে নিয়েই বেঙ্গালুরুর জেলে দিন কাটাচ্ছেন অসহায় দম্পতি পলাশ অধিকারী ও শুক্লা অধিকারী।বেঙ্গালুরুর ভারথুর থানার পুলিশ এখন এরাজ্যে এসে বিভিন্ন প্রশাসনিক দফতরে ঘুরে নথি সংগ্রহ করছেন। তার মাধ্যমে তাঁরা নিশ্চিৎ হতে চাইছেন, তাঁদের করা মামলার জেরে বেঙ্গালুরুর জেলে বন্দি থাকা দম্পতি আদৌ কি বাংলাদেশি! নাকি তারা প্রকৃতই ভারতীয় নাগরিক। এমনটা জেনে অধিকারী পরিবারের প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, এবার হয়তো পলাশ এবং তাঁর স্ত্রী ও পুত্র জেল থেকে মুক্তি পাবে।দম্পতি পলাশ অধিকারী ও শুক্লা অধিকারী পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার জৌগ্রাম পঞ্চায়েতের তেলে গ্রামের বাসিন্দা। পলাশ ও তাঁর পরিবারের সবাই শ্রমিকের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। পলাশ স্ত্রী শুক্লাদেবী ও শিশু পুত্র আদিকে সঙ্গে নিয়ে চলতি বছরের জুন মাসের শেষের দিকে পলাশ কর্ণাটক রাজ্যের বেঙ্গালুরূ যান। একই উদ্দেশ্যে পলাশের বাবা পঙ্কজ অধিকারী এবং মা সবিতাদেবীও বেঙ্গালুরু যান। সেখানকার মারাথাহাল্লি (Marathahalli) মহকুমার ভারথুর (varthur) থানার সুলিবেলে (sulibela) গ্রামের কায়েন খাঁনের ডেরায় তারা ওঠেন।সেখানে দৈনিক ৩০০-৪০০ টাকা মজুরির শর্তে তারা কায়েন খাঁনের অধীনে কাজ করা শুরু করেন।তাদের কাজ ছিল হোটেল,রেঁস্তোরা, সিনেমা হল সহ বিভিন্ন জয়গা থেকে সংগৃহীত বর্জ্যবস্তু,বোতল,প্লাস্টিক সরঞ্জাম এইসব বাছাই করা।গত ২৭ জুলাই ভারথুর (varthur) থানার পুলিশ কায়েন খাঁনের ডেরায় হানা দেয়। সেখানে যাঁরা যাঁরা বাংলাভাষী ছিল তারা সবাই নাকি বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী, এমন সন্দেহে ভারথুর থানার পুলিশ তাদেরও আরো পাঁচ জনকে পাকড়াও করে থানায় নিয়ে যায়। ওই সময়ে পলাশ,তাঁর স্ত্রী,বাবা-মা সবাই ভারথুর থানার পুলিশকে জানান তাঁরা কেউই বাংলাদেশী নন। তাঁরা নিজেদেরকে ভারতীয় বলে জানিয়ে আধার কার্ড, প্যান কার্ড, ভোটার কার্ড দেখান। সেইসব দেখে সেখানকার ভারথুর থানার পুলিশ পলাশের বৃদ্ধ বাবা,মাকে ছেড়ে দেয়। কিন্তু পলাশ এবং তাঁর স্ত্রী ও শিশুপুত্র সহ সাত জনকে ছাড়ে না। তাদের বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী অভিযোগে ভারথুর থানার পুলিশ গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠিয়ে দেয়। সেই থেকে প্রায় সাড়ে তিন মাস ধরে শিশুপুত্র আদিকে সঙ্গে নিয়েই বেঙ্গালুরুর জেলে দিন কাটাচ্ছে পলাশ ও তাঁর স্ত্রী শুক্লা। ছেলে,বৌমা ও নাতি কে জেল থেকে মুক্ত করার জন্য পলাশের বাবা ও মা বেঙ্গালুরুতে থেকে নানাভাবে প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন। কিন্তু সুরাহার কোন ব্যবস্থা না হওয়ায় তাঁরাও যথেষ্ট হতাশ হয়ে পড়েছেন।বিডিও ( জামালপুর) শুভঙ্কর মজুমদার বলেন, আমার ব্লকের তেলে গ্রামের বাসিন্দা এক দম্পতিকে ফরেনার্স এ্যাক্টে গ্রেপ্তার করেছে বেঙ্গালুরু পুলিশ।শিশু সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে তাঁরা সেখানকার জেলে প্রায় সাড়ে তিন মাস ধরে বন্দি হয়ে রয়েছে। বিডিও জানান, তিন চারদিন আগে বেঙ্গালুরুর ভারথুর থানার তিন পুলিশ আধিকারিক তদন্তের স্বার্থে তাঁর কাছে আসে। পলাশ অধিকারী ও তাঁদের স্ত্রী প্রকৃতই ভারতীয় নাগরিক কিনা এবং তাদের ভোটার ও আধার কার্ডটি সঠিক কিনা, সেইসব বিষয়ে বেঙ্গালুরু পুলিশ তাঁর কাছে জানতে চায়। এছাড়াও পলাশদের পারিবারিক পরিচিতি, কতদিন ধরে তারা তেলে গ্রামে বসবাস করছে,তাদের কাস্ট স্ট্যটাস সহ নানা বিষয়ে জানতে চায়। সব তথ্য ভারথুর থারার মেইল আইডি তে পাঠিয়ে দিয়েছেন বলে বিডিও জানান। পশাপাশি তিনি এও বলেন, দম্পতি যে জৌগ্রামের তেলে গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা সেই বিষয়ে জামালপুর থানার পুলিশও রিপোর্ট পাঠিয়ে দিয়েছে। বিডিও শুভঙ্কর মজুমদার আরও জানানা, ভারথুর থানার তদন্তকারী পুলিশ আধিকারিকরা শুধু জামালপুর বিডিও অফিস ও থানায় এসে তথ্য যাচাই করে ফিরে গিয়েছেন, এমনটা নয়। বেশ কয়েকদিন ধরে ওই পুলিশ আধিকারিক দল জামালপুরের জমি রেজিস্ট্রি অফিস, ভূমি দফতরের অফিস, জৌগ্রাম পঞ্চায়েত, এমনকি বর্ধমান দক্ষিন মহকুমা শাসকের অফিসেও তথ্য যাচাইয়ের জন্য গিয়েছিল।পলাশের বোন শম্পা হালদার বলেন, বেঙ্গালুরূ পুলিশ আধিকারিক দল আমাদের তেলে গ্রামের বাড়িতে এসেছিল। বাড়ি ঘর ঘর দেখার পাশাপাশি ওই পুলিশ দল আমার দাদা, বৌদি ও ভাইপোর ভারতীয় নাগরিকত্ত্ব সংক্রান্ত সব নথিও যাচাই করে। পাড়া প্রতিবেশীদের সঙ্গে তাঁরা কথা বলেন। কোন খুঁত বেঙ্গালুরু পুলিশ বার করতে পারেননি । তাই আমরা প্রত্যাশা করছি, এবার হয়তো বেঙ্গালুরুর জেল থেকে আমার দাদা, বৌদি ও ভাইপো মুক্তি পাবে।

নভেম্বর ১৩, ২০২২
রাজনীতি

৬ বছর পর মমতার সভায় পাশে থাকছেন মুকুল, ফের সক্রিয় 'চানক্য'!

রাস উৎসবের মরসুমে কৃষ্ণনগরে তিন দিনের নদিয়া সফরে পা রেখেছেন মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মতুয়া অধ্যুষিত নদিয়া জেলা নিয়ে ঘোর দুশ্চিন্তায় রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। পঞ্চায়েত নির্বাচনের মুখে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নদিয়া সফরের দিকে নজর রয়েছে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের। মমতার নদিয়া সফরকে কেন্দ্র করে কৃষ্ণনগর উত্তরের বিজেপি বিধায়ক মুকুল রায় সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।রানাঘাটে প্রশাসনিক বৈঠকে ডাকও পেয়েছেন মুকুল রায়। এমনকী বুধবার কৃষ্ণনগরে তৃণমূলের প্রকাশ্য সভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশেই মঞ্চে দেখা যেতে পারে একসময়ের তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ডকে। তাহলে কী ঘাসফুল শিবিরে ফের মুকুলের উত্তোরন ঘটতে চলেছে, এই জল্পনাই ঘুরপাক খাচ্ছে তৃণমূলে। পর্যবেক্ষক মহল মনে করছে, নদিয়ায় মতুয়াদের একটা বড় অংশ গেরুয়া শিবিরের দিকে ঝুঁকে রয়েছে। এক্ষেত্রে চানক্য মুকুলকে কাজে লাগাতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস। ২০২১-এ বিজেপির প্রতীকে কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্র থেকে জয় পান মুকুল রায়। জয়ের কয়েকদিনের মধ্যেই সপুত্র তৃণমূল কংগ্রেসের যোগ দেন তিনি। যদিও শুভ্রাংশু রাজনীতিতে সক্রিয় থাকলেও মুকুল রায় অনেকটা আড়ালে চলে যান।কিছু দিন আগে তৃণমূল ভবনে যাওয়া, তারপর নেতাজি ইন্ডোরের সভায় হাজির, তারপর কালীঘাটে ভাইফোঁটায় যাওয়া। এবার সরাসরি মমতার সভায় থাকতে চলেছেন মুকুল রায়। তৃণমূলের মমতা ঘনিষ্ঠ পুরনোদের অনেকেই এখন ইতিহাস। তাহলে কী ফের মমতা মুকুলকে ভরসা করতে চলেছেন? তৃণমূলে সক্রিয় হচ্ছেন মুকুল? এই গুঞ্জন চলছে রাজ্য-রাজনীতিতে।

নভেম্বর ০৮, ২০২২
রাজ্য

অভিষেকের নির্দেশে সরতে হচ্ছে অভিযুক্ত দাঁইহাটের পুরপ্রধান শিশির মন্ডলকে

পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে স্বচ্ছ ভাবমূর্তি তুলে ধরতে মরিয়া তৃণমূল কংগ্রেস। একেই নানা দুর্নীতির অভিযোগে জেরবার মমতা-অভিষেকের দল। তরুণীকে কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ ওঠার পরেই পূর্ব বর্ধমানের দাঁইহাট পুরসভার চেয়ারম্যান শিশির মণ্ডলের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিচ্ছে তৃণমূল। তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার জন্য শিশির মণ্ডলকে জরুরি নির্দেশ দিয়েছেন।পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূলের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় বৃহস্পতিবার শীর্ষ নেতৃত্বের এই নির্দেশের কথা প্রকাশ্যে আনেন। শিশির মণ্ডল তরুণীর অভিযোগ অস্বীকার করলেও ঘরে ও বাইরে তাঁকে নিয়ে নিন্দার ঝড় বাইছে। বিরোধীরা এই অভিরযোগকে হাতিয়ার করেশাসক দলের বিরুদ্ধে কড়া সমালোচনা করেছে। দাঁইহাট পুরসভার চেয়ারম্যান শিশির মণ্ডলের সঙ্গে এক তরুণীর টেলিফোনে কথোপকথনের অডিও রেকর্ড মঙ্গলবার দুপুর থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। তার পর থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে তোলপাড় পড়ে হয়ে ওঠে। বৃহস্পতিবার তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন,শিশির মণ্ডলকে চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করার জন্য স্বয়ং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছেন। দলের সেই নির্দেশ এদিন শিশির মন্ডলকে জানিয়েও দেওয়া হয়েছে। দলের নির্দেশ মতো পদত্যাগ করবো বলে জানিয়ে দিয়েছেন শিশিরবাবু।

নভেম্বর ০৪, ২০২২
দেশ

চেন্নাইতে বাংলার রাজ্যপালের বাড়িতে ঢোলে কাঠি মমতার, মুখ্যমন্ত্রীর সফরে রাজনীতি দেখছে বিরোধীরা

কলকাতার দুর্গাপুজোর ছবি ভেসে উঠল চেন্নাইতে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতায় দুর্গাপুজোর উদ্বোধন করতে গিয়ে কাঁধে ঢাক তুলে নিয়েছিলেন। তারপর টানা দুকাঠি দিয়ে ঢাক বাজিয়েছেন। এবার চেন্নাইতে গিয়ে রাজ্যপাল লা গণেশনের দাদার জন্মদিনে ঢোল বাজালেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। ওই দৃশ্য দেখে অবাক হয়েছেন তামিলনাড়ুবাসী।কালীপুজোর দিন মুখ্যমন্ত্রীর আমন্ত্রণে কালীঘাটে গিয়েছিলেন রাজ্যাল লা গণেশন। সেদিনই তামিলনাড়ুর বাড়িতে যাওয়ার নিমন্ত্রণ করে এসেছিলেন লা গণেশন। সই উপলক্ষ্যেই তামিলনাড়ু ছুটে গিয়েছেন মমতা। সেখানে গিয়ে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্টালিনের সঙ্গেও সাক্ষাত করেছেন মমতা। যা নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করেছে বিজেপি ও কংগ্রেস। রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীর বক্তব্য, লা গণেশনের দাদার জন্মদিনে তামিলনাড়ু যাওয়া বাহানা ছাড়া কিছুই নয়। তিনি গিয়েছিলেন স্টালিনের সঙ্গে দেখা করতে। অথচ রাহুল গান্ধীর ভারত জোড়ো যাত্রা নিয়ে কোনও মন্তব্য করছেন না মমতা। যেহেতু স্টালিন রাহুল গান্ধীর মিছিলে হেঁটেছেন, তাই তাই তড়িঘড়ি তামিলনাড়ু গিয়েছেন মমতা। বিজেপির বক্তব্য, এসব দৌঁড়ঝাপ করে কিছু হবে না। লোকসভার ভোট এগিয়ে আসার আগে এমন ছোটাছুটি করেন।এদিকে বিরোধীদের সমালোচনা করলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঢোল বাজিয়ে মাতিয়ে দিয়েছেন। দক্ষিণ ভারতীয়রা এই বাজনাকে ছেন্দা বলে। লা গণেশনের বাড়িতে ঢোকার সময় ছেন্দা বাজিয়ে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে স্বাগত জানাচ্ছিল। প্রথমে তিনি শোনেন।তারপর নিজেই ছেন্দা বাজাতে শুরু করেন। কলকাতায় দুর্গাপুজোর উদ্বোধনে ঢাক বাজিয়েছিলেন মমতা।

নভেম্বর ০৩, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 19
  • 20
  • 21
  • 22
  • 23
  • 24
  • 25
  • ...
  • 31
  • 32
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ওসিদের হুঁশিয়ারি! গাফিলতি হলেই বড় শাস্তি, কড়া নির্বাচন কমিশন

ভোটের আগে নিরাপত্তা নিয়ে কোনও রকম ঝুঁকি নিতে নারাজ নির্বাচন কমিশন। আগেই কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছিল, ভোটের দিনে অস্ত্র, বোমা বা গুলি যাতে কোথাও মজুত না থাকে, সে দিকে কড়া নজরদারি চালাতে হবে। তবুও কোথাও অস্ত্র বা বিস্ফোরক উদ্ধার হলে দ্রুত তা নিষ্ক্রিয় করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর, প্রাথমিকভাবে থানার আধিকারিকেরা এই নির্দেশ মেনে কাজ শুরু করেছেন।নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, তারা শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্ন ভোট চায়। কোথাও অশান্তির ঘটনা ঘটলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিতে হবে। কোনও রকম দেরি হলে তা মেনে নেওয়া হবে না বলেও সতর্ক করা হয়েছে। প্রথম দফার ভোটের আগে থানার ওসিদের কড়া বার্তা দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। অতীতে যাঁদের বিরুদ্ধে ভোটে অশান্তির অভিযোগ রয়েছে, তাঁদের এখনও কেন গ্রেফতার করা হয়নি, সেই প্রশ্নও তোলা হয়েছে কমিশনের তরফে।শনিবার সকালে এই নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে চলা এই বৈঠকে জেলার পুলিশ সুপার, কমিশনারেটের আধিকারিক এবং থানার দায়িত্বপ্রাপ্তদের সঙ্গে ভার্চুয়াল মাধ্যমে আলোচনা হয়। সেখানেই দায়িত্বে গাফিলতি হলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের এই কড়া অবস্থানের ফলে ভোটের আগে প্রশাসনিক চাপ আরও বেড়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় ফাঁস! বাংলায় একের পর এক স্কুল বন্ধ, সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

ভোটের আগে বাংলায় অন্যতম বড় ইস্যু হয়ে উঠেছে শিক্ষা ব্যবস্থা। শাসক থেকে বিরোধীসব রাজনৈতিক শিবিরই এখন প্রচারে ব্যস্ত, কিন্তু গত বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকে যে সমস্যা বারবার সামনে এসেছে, তা হল স্কুলের বেহাল অবস্থা। দুর্নীতির অভিযোগের পাশাপাশি একের পর এক স্কুল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে। মূলত দুর্বল পরিকাঠামো এবং শিক্ষকের অভাবএই দুই কারণেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। আট হাজারেরও বেশি স্কুল কেন বন্ধ হয়ে গেল, সেই প্রশ্ন বারবার তুলছে বিরোধীরা।কলকাতায় কিছু স্কুলে শিক্ষক থাকলেও জেলাগুলির অবস্থা অনেক খারাপ। সরকারি স্কুলে সাধারণত প্রান্তিক পরিবারের শিশুরাই পড়াশোনা করে। সেখানে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প থাকলেও বাস্তবে বহু স্কুলে পড়াশোনা কার্যত থমকে গেছে। পরিসংখ্যান বলছে, জেলার তুলনায় কলকাতায় প্রায় আড়াই গুণ বেশি শিক্ষক রয়েছেন, অথচ ছাত্রসংখ্যা সেখানে অনেক কম। শিক্ষক বদলির উদ্যোগের ফলে জেলার অনেক শিক্ষক শহরে চলে আসায় এই সমস্যা আরও বেড়েছে। ফলে জেলায় শিক্ষক কমে যাওয়ায় পড়ুয়াও কমেছে, আর ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে গিয়েছে অনেক স্কুল।সরকারি স্তরে জেলায় শিক্ষক পাঠানোর কথা বলা হলেও তা কার্যকর হয়নি বলেই অভিযোগ। শিক্ষানীতিতে গ্রামে গিয়ে পড়ানোর বাধ্যবাধকতার কথা থাকলেও তা বাস্তবে মানা হয়নি। বদলি ব্যবস্থার সুযোগে অধিকাংশ শিক্ষক শহরমুখী হয়েছেন বলেই অভিযোগ উঠছে।পরিসংখ্যান আরও বলছে, স্কুলের সংখ্যার নিরিখে পশ্চিমবঙ্গ অনেক পিছিয়ে। রাজস্থানে স্কুলের সংখ্যা বেশি, উত্তর প্রদেশে আরও বেশি। তবুও সেখানে শিক্ষক সংখ্যা তুলনামূলক বেশি। রাজস্থানে একটি স্কুলে গড়ে ছয় জনের বেশি শিক্ষক থাকলেও বাংলায় সেই সংখ্যা পাঁচ জনেরও কম। ফলে শিক্ষক সঙ্কট আরও প্রকট হয়ে উঠছে।এই পরিস্থিতির প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন এলাকায়। দমদমের একটি প্রাথমিক স্কুলে আর ক্লাস হয় না, ঘণ্টাও বাজে না। শিক্ষকের অভাবে বহু স্কুল কার্যত বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে। কোথাও কোথাও সেই স্কুলঘর এখন অন্য কাজে ব্যবহার হচ্ছে। শুধু দমদম নয়, জেলার বিভিন্ন জায়গায় একই ছবি দেখা যাচ্ছে।এই শিক্ষক সঙ্কট ভোটে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। শিক্ষামন্ত্রী নিজেও এই সমস্যার কথা স্বীকার করেছেন এবং সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন। অন্যদিকে বিরোধীরা এই ইস্যুকে সামনে রেখে প্রচার জোরদার করেছে। শিক্ষাক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের একাংশের মতে, এক জন শিক্ষক দিয়ে যদি শতাধিক ছাত্রকে পড়াতে হয়, তাহলে শিক্ষা ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ অন্ধকারের দিকেই এগোবে।

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
কলকাতা

সোনা পাপ্পু যোগে নতুন রহস্য! বেহালায় ব্যবসায়ীর বাড়িতে ইডির হানা

ভোটের আগে রবিবার সকাল থেকেই কলকাতার একাধিক জায়গায় ইডির তল্লাশি ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল। কালীঘাট থানার প্রাক্তন ওসি এবং বর্তমানে কলকাতা পুলিশের আধিকারিক শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের দুটি ঠিকানায় হানা দেয় কেন্দ্রীয় সংস্থা। একই সঙ্গে বেহালায় এক ব্যবসায়ীর বাড়িতেও অভিযান চালানো হয়। জানা গিয়েছে, সান গ্রুপ-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর জয় কামদারের বাড়িতেও পৌঁছয় ইডি। আর্থিক প্রতারণা সংক্রান্ত মামলায় এই তল্লাশি চলছে বলে সূত্রের খবর।রবিবার ভোরেই মোট পাঁচটি গাড়িতে করে ইডির আধিকারিকরা পৌঁছন। তার মধ্যে তিনটি গাড়িতে ছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান। সকাল ছটা নাগাদ তারা সংশ্লিষ্ট বাড়িতে ঢুকে তল্লাশি শুরু করেন। কয়েকদিন আগেই এই বাড়ি থেকে প্রায় এক কোটি কুড়ি লক্ষ টাকা উদ্ধার করেছিল ইডি। এরপর জয় কামদারকে দুবার তলব করা হলেও তিনি হাজিরা দেননি বলে জানা গিয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, যেদিন এই টাকা উদ্ধার হয়েছিল, সেদিনই সোনা পাপ্পুর বাড়ি থেকেও অস্ত্র উদ্ধার হয়েছিল বলে তদন্তকারী সূত্রে দাবি।এর আগেও ভোটের মুখে তৃণমূল প্রার্থী দেবাশিস কুমারের বাড়িতে আয়কর দফতরের তল্লাশি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। একাধিকবার তাঁর বাড়ি, দলীয় কার্যালয় এবং নির্বাচনী অফিসে অভিযান চালানো হয়। শুধু তাই নয়, ভবানীপুরে মুখ্যমন্ত্রীর মনোনয়নপত্রের প্রস্তাবক মিরাজ শাহের বাড়িতেও হানা দেয় আয়কর দফতর। এই সব ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের তরফে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছিল এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পদক্ষেপ বলে অভিযোগ তোলা হয়।এই পরিস্থিতিতে আবারও একযোগে ইডির তল্লাশি ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তদন্ত কতদূর এগোয় এবং এই অভিযান থেকে নতুন কী তথ্য সামনে আসে, সেদিকেই নজর রাখছে রাজনৈতিক মহল।

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
কলকাতা

সকাল সকাল ইডির চমক! কালীঘাটের প্রাক্তন ওসির বাড়িতে রবিবার সকালেই ইডির হানা

ভোটের মুখে আবারও সক্রিয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। রবিবার সকালেই কলকাতায় ইডির হানায় চাঞ্চল্য ছড়াল। এবার ইডির নজরে কালীঘাট থানার প্রাক্তন ওসি তথা বর্তমানে কলকাতা পুলিশের ডিসি পদে থাকা শান্তনু সিনহা বিশ্বাস। সকালে গোলপার্কে তাঁর বাড়িতে পৌঁছে যায় ইডির একটি দল। সূত্রের খবর, তাঁর বাড়ির পাশেই থাকা একটি সরকারি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রেও তল্লাশি চালানো হয়। তবে সেখানে সকাল থেকে তালা থাকায় তা খুলে তদন্ত শুরু করতে কিছুটা সময় লাগে।ঠিক কোন মামলায় এই তল্লাশি চলছে, তা এখনও স্পষ্ট করে জানানো হয়নি। তবে এর আগেও কয়লা পাচার মামলায় শান্তনু সিনহা বিশ্বাসকে তলব করেছিল ইডি। সেই তলবের বিরুদ্ধে তিনি হাইকোর্টের দ্বারস্থও হয়েছিলেন। এছাড়াও মেডিক্যাল এনআরআই কোটায় ভর্তির দুর্নীতির অভিযোগেও তাঁকে ডাকা হয়েছিল। এবার সরাসরি তাঁর বাড়িতে হানা দেওয়ায় নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।এর মধ্যেই সাম্প্রতিক আরেকটি ঘটনার কথা উঠে আসছে। রাসবিহারীতে তৃণমূল প্রার্থী দেবাশিস কুমারের বাড়িতে আয়কর দফতরের তল্লাশি ঘিরে ইতিমধ্যেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল রাজ্য রাজনীতি। তাঁর বাড়ির পাশাপাশি দলীয় কার্যালয় ও নির্বাচনী অফিসেও তল্লাশি চালানো হয়। দীর্ঘ সময় ধরে চলা সেই অভিযানে প্রবল উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল এলাকায়। দেবাশিসের সমর্থকেরা বিক্ষোভ দেখান এবং অভিযোগ তোলেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই এই অভিযান চলছে। তৃণমূলের তরফেও ক্ষোভ প্রকাশ করা হয় এবং নির্বাচন কমিশনের কাছে লিখিত অভিযোগ জানানো হয়।এই পরিস্থিতিতে আবারও ইডির হানায় ভোটের আগে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়বে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। তদন্ত কতদূর গড়ায় এবং নতুন কী তথ্য সামনে আসে, এখন সেদিকেই নজর সবার।

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
বিদেশ

যুদ্ধবিরতির মাঝেই বিস্ফোরণ! ট্রাম্পকে ‘মিথ্যেবাদী’ বলল ইরান, বাড়ল উত্তেজনা

ইরান ও আমেরিকার মধ্যে আপাতত দুই সপ্তাহের সংঘর্ষবিরতি চলছে। তারই মধ্যে এক সপ্তাহ কেটে গেলেও দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা কমার কোনও লক্ষণ নেই। বরং পাল্টা আক্রমণ এবং কড়া বক্তব্যে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে।এই পরিস্থিতিতে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করল ইরান। ইরানের সংসদের স্পিকার মহম্মদ বাঘের ঘালিবাফ দাবি করেছেন, ট্রাম্প অল্প সময়ের মধ্যেই একাধিক মিথ্যা দাবি করেছেন। যদিও ঠিক কোন দাবিগুলি নিয়ে তিনি কথা বলেছেন, তা স্পষ্ট করেননি।শুক্রবার ট্রাম্পের বক্তব্যের সময়ই সামাজিক মাধ্যমে এই মন্তব্য করেন ঘালিবাফ। তিনি স্পষ্ট করে জানান, আমেরিকার অবরোধ চালু থাকলে হরমুজ প্রণালী খোলা রাখা হবে না। এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে জাহাজ চলাচল ইরানের নিয়ম মেনে এবং তাদের অনুমতি নিয়েই করতে হবে।এর পরেই ফের হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেয় ইরান। তাদের দাবি, আমেরিকা প্রতিশ্রুতি ভেঙেছে এবং এখনও ইরানের বন্দরগামী জাহাজগুলির উপর অবরোধ চালিয়ে যাচ্ছে। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।ইরানের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, শুধুমাত্র কথার ভিত্তিতে নয়, বাস্তব পরিস্থিতির উপর নির্ভর করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আগে যদিও বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য হরমুজ খুলে দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই সিদ্ধান্ত বদল করা হয়েছে।

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
দেশ

লোকসভায় বড় ধাক্কা, বিল পাশ না হতেই পথে বিজেপি! এবার লক্ষ্য বাংলা-তামিলনাড়ু

লোকসভায় সংবিধান সংশোধনী বিল পাশ করাতে ব্যর্থ হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। দীর্ঘ সময়ের মধ্যে এই প্রথম সংসদে এমন পরাজয়ের মুখে পড়তে হল সরকারকে। প্রয়োজনীয় সমর্থন না মেলায় বিলটি পাশ করা সম্ভব হয়নি।এই ঘটনার পরই রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। শাসকদল (BJP) এবার দেশজুড়ে প্রচারে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিরোধীদের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে তাদের মহিলা বিরোধী বলে তুলে ধরার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।এই প্রচারে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে দুই রাজ্যকে, পশ্চিমবঙ্গ এবং তামিলনাড়ু। কারণ, এই দুই রাজ্যেই সামনে নির্বাচন রয়েছে। শাসকদলের লক্ষ্য, মহিলাদের জন্য সংরক্ষণে বিরোধিতা করেছে বিরোধীরাএই বার্তা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া (BJP) ।সংসদে বিল পাশ না হওয়ার পরই শাসকদলের শীর্ষ নেতৃত্ব বৈঠকে বসে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে। এর পাশাপাশি মহিলা সাংসদদের নেতৃত্বে প্রতিবাদও শুরু হয় সংসদ চত্বরে।অন্যদিকে বিরোধী দলগুলিও নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে তৎপর। তারা দাবি করছে, তারা সংরক্ষণের বিরোধী নয়, বরং আসন পুনর্বিন্যাসের কিছু বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছে। তাদের মতে, মহিলাদের সংরক্ষণের পক্ষে তারা আগেও ছিল, এখনও রয়েছে (BJP) ।এই পরিস্থিতিতে দুই পক্ষের মধ্যেই রাজনৈতিক লড়াই আরও তীব্র হচ্ছে। নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় এই ইস্যু আগামী দিনে বড় রাজনৈতিক অস্ত্র হয়ে উঠতে পারে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
কলকাতা

বুথে ‘লক্ষ্মণরেখা’! একশো মিটার ঘিরে কড়া পাহারা, ভোটে নজিরবিহীন কড়াকড়ি

অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে এবার একের পর এক নতুন পদক্ষেপ নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। প্রতিটি বুথে থাকবে সর্বক্ষণ নজরদারি এবং ব্যবহার করা হবে আধুনিক প্রযুক্তি। বুথের চারপাশে প্রায় একশো মিটার এলাকা সাদা চক দিয়ে ঘিরে একটি নির্দিষ্ট সীমানা তৈরি করা হবে। এই সীমানার ভিতরে শুধুমাত্র ভোটারদেরই প্রবেশের অনুমতি থাকবে, অন্য কেউ ঢুকতে পারবেন না।ভোটারদের পরিচয় যাচাইয়ের জন্য বুথের বাইরে আলাদা ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। বুথ লেভেল কর্মী এবং তাঁর সহকারী এই নির্দিষ্ট সীমানার বাইরে বসে নথি পরীক্ষা করবেন। বুথের বাইরে টেবিল বসিয়ে সেখানেই এই যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।ভোটার স্লিপ বিলির ক্ষেত্রেও কড়া নির্দেশ জারি হয়েছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে সরাসরি ভোটারদের হাতে স্লিপ পৌঁছে দিতে হবে। যাঁদের হাতে স্লিপ দেওয়া সম্ভব হয়নি, তাঁদের বিস্তারিত তথ্য সংরক্ষণ করতে হবে। ভোটের দিন সেই ভোটার উপস্থিত হলে কেন আগে স্লিপ নেননি, তাও জানতে চাওয়া হতে পারে। সঠিক নথি ও ছবির মিল দেখেই ভোট দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে।ভুয়ো ভোট আটকাতে অনুপস্থিত, স্থানান্তরিত বা মৃত ভোটারদের তালিকাও আবার খতিয়ে দেখা হবে। নজরদারি আরও জোরদার করতে বিশেষ পর্যবেক্ষকদের শরীরে লাগানো ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে। বুথের আশেপাশে কোনও সন্দেহজনক ঘটনা নজরে এলেই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।সব মিলিয়ে ভোট প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও নির্ভুল করতে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হয়েছে। ভোটারদের আস্থা ফেরানো এবং শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করাই এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য বলে মনে করা হচ্ছে।অন্যদিকে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতেও বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভোট চলাকালীন কোন আচরণ অপরাধ হিসেবে ধরা হবে, তা নিয়ে আগাম প্রচার চালানো হবে এবং সতর্কবার্তা দেওয়া হবে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
কলকাতা

পনেরো ঘণ্টার তল্লাশি ঘিরে তুমুল বিতর্ক! কমিশনের দ্বারস্থ তৃণমূল

শুক্রবার দেবাশিস কুমারের বাড়ি ও নির্বাচনী কার্যালয়ে দীর্ঘক্ষণ তল্লাশি চালায় আয়কর দফতর। প্রায় পনেরো ঘণ্টা ধরে এই তল্লাশি চলে এবং সেই সময় তাঁর বাড়ির বাইরে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল কংগ্রেস তীব্র আপত্তি জানিয়ে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে।তৃণমূলের অভিযোগ, কোনও আইনি ভিত্তি ছাড়াই একজন জনপ্রতিনিধিকে এইভাবে হেনস্তা করা হয়েছে। আদর্শ আচরণবিধি চলাকালীন এই ধরনের পদক্ষেপ আইন বিরুদ্ধ বলেই দাবি করা হয়েছে চিঠিতে। কেন ভোটের আগে এত দীর্ঘ সময় ধরে একজন প্রার্থীকে বাড়ির মধ্যে আটকে রেখে তল্লাশি চালানো হল, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল।চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় নিজেদের সম্পত্তির সমস্ত তথ্য আগেই জানিয়ে দেন। সেই অবস্থায় হঠাৎ করে এই তল্লাশি কেন করা হল, তা স্পষ্ট নয়। তৃণমূলের দাবি, এই ধরনের পদক্ষেপ ভোটের আগে রাজনৈতিকভাবে প্রভাব ফেলতেই করা হচ্ছে।দলের এক নেতা বলেন, ভোটের আগে তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিদের চাপে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। আগের নির্বাচনেও এমন ঘটনা দেখা গিয়েছিল বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সংস্থার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে নির্বাচন কমিশনের কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।ভোটের আবহে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal