• ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩, শনিবার ০২ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Ban

দেশ

'দম বন্ধ হয়ে আসছে', রাজ্যসভা থেকে ইস্তফা দীনেশ ত্রিবেদীর, পদ্মশিবিরে যোগ?

রাজ্যসভার তৃণমূল সাংসদ দীনেশ ত্রিবেদী পদত্যাগের কথা জানিয়ে দিলেন অধিবেশনেই। শুক্রবার দীনেশ রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, বাংলায় মানুষের উপর অত্যাচার চলছে। এভাবে আর চুপ করে থাকা যায় না। আমার দম বন্ধ হয়ে আসছে। আমার অন্তরাত্মা ডাক দিয়েছে। আমি রাজ্যসভা থেকে ইস্তফা দিচ্ছি। হঠাৎই তাঁর এই ঘোষণায় হইচই শুরু হয়ে যায়। শোরগোল পড়ে যায় রাজনৈতিক মহলে। প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে তাহলে তিনি কি পদ্মশিবিরে যোগ দিতেচলেছে? এ দিন দীনেশ ত্রিবেদী বিবেকানন্দের উক্তি ও পড়ে শোনান। তিনি পরিষ্কার জানিয়ে দেন, আমরা রাজ্যসভায় বসে আছি। অথচ মানুষের উপর যে অত্যাচার, অন্যায় হচ্ছে তার জন্য কিছু করতে পারছি না। এটা মেনে নেওয়া যায় না। দীনেশ ত্রিবেদীর ইস্তফা প্রসঙ্গে তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়ের বক্তব্য, এটা দুর্ভাগ্যজনক। তবে তিনি একেবারেই অসন্তোষের কথা বলেননি তাও নয়। তবে নির্বাচনের মুখে এভাবে দল ছেড়ে চলে গেলে অসুবিধা হয়। বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ দীনেশ ত্রিবেদীর ইস্তফাকে স্বাগত জানিয়েছেন। রাজ্যসভার এই তৃণমূল সাংসদ পদত্যাগ করায় বেজায় খুশি ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং। তিনিও স্বাগত জানিয়েছেন দীনেশ ত্রিবেদীকে। উল্লেখ্, ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে অর্জুন সিংয়ের বিপক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন দীনেশ ত্রিবেদী।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২১
রাজ্য

দিনভর বামেদের হরতালে কী ঘটল বাংলায়? পড়ুন

বাম-কংগ্রেসের ছাত্র এবং যুব সংগঠনগুলির সম্মিলিত নবান্ন অভিযানে পুলিশের ভূমিকার প্রতিবাদে শুক্রবার রাজ্য জুড়ে ১২ ঘণ্টার হরতাল ডেকেছে বামেরা। সেই কর্মসূচিকে সমর্থন জানিয়েছে কংগ্রেস এবং আব্বাস সিদ্দিকির ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট। সকাল থেকেই কলকাতাতে বেসরকারি বাস, অটো, ট্যাক্সি চলছে। মানুষও বেরিয়েছেন কাজে। হাওড়া এবং শিয়ালদহ স্টেশনেও সকালে ভিড় অন্যান্য দিনের মতোই দেখা গিয়েছে। কিন্তু বেলা বাড়তেই জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রেল অবরোধের খবর আসছে। জেলায় বিভিন্ন রাজ্য ও জাতীয় সড়কও অবরোধ করেছেন হরতাল সমর্থনকারীরা।সকাল ১১.০৫: পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়া-মেচেদা রাজ্য সড়কের মহিষাদলে বামেদের পথ অবরোধ।সকাল ১০.৫৫: হরতালের সমর্থনে আসানসোলে মিছিল কংগ্রেসের। হরতালের বিরোধীতা করে পাল্টা মিছিল তৃণমূলের।সকাল ১০.৪৫: পূর্ব বর্ধমানের গলসিতে পথ অবরোধ বামেদের। অবরোধ করা হয় ২ নম্বর জাতীয় সড়ক।সকাল ১০.২৫: চুঁচু্ড়া দেশবন্ধু স্কুলের সামনে এসএফআই-এর অবরোধ। স্কুলে ঢুকতে দেওয়া হল না ছাত্রদের। ১১ মাস পর আজ স্কুল খুললেও ঢুকতে না পেরে ফিরে গেল ছাত্ররা।সকাল ১০.২০: বারুইপুরে রেল অবরোধ।সকাল ১০.১৫: প্রায় দেড় ঘণ্টা পর পান্ডুয়াতে রেল অবরোধ উঠল।সকাল ১০.১০: ডানকুনিতে দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ে অবরোধ হরতাল সমর্থকদের। রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ। যান চলাচল বন্ধ।সকাল ১০.০৭: চুঁচুড়া বাস স্ট্যান্ডে পিকেটিং বাম কংগ্রেসের।রাস্তায় নামেনি কোনও বাস।সকাল ১০.০৫: হুগলি জেলার হিন্দিমোটরের ধারসায় জিটি রোড অবরোধ করে ফুটবল খেলছেন হরতাল সমর্থকরা। অবরোধ তুলতে এলে পুলিশকে চকোলেট ধরিয়ে দেন তাঁরা।সকাল ৯.৪০: হাওড়া ব্যাঁটরা থানার অন্তর্গত শানপুর মোড়ে রাস্তায় ফুটবল খেলে অবরোধ। পুলিশ এসে অবরোধ ওঠাতে গেলে ধাক্কাধাক্কি। এক ক্যাব চালকের ওপর চড়াও হন হরতাল সমর্থনকারীরা।সকাল ৯.৩০: বর্ধমান শহরের কার্জন গেটে বামকর্মীদের রাস্তা অবরোধ। অবরোধের জেরে আটকে পড়েছে সরকারি ও বেসরকারি বাস।বর্ধমানে বামেদের মিছিল পার্কাস রোড হয়ে জিটি রোড দিয়ে যাচ্ছে।সকাল ৯.২০: বর্ধমান-আরামবাগ রোডের মিরেপোতা বাজারে বামকর্মীরা রাস্তায় বেঞ্চ ফেলে অবরোধ করেন। পুলিশের সঙ্গে তৃণমূল কর্মীরা বামকর্মীদের হটিয়ে দেয় বলে অভিযোগ।সকাল ৯.১০: দুর্গাপুর, আসানসোলে রাস্তায় নাম বাস, টোটো বন্ধ করে দেয় হরতাল সমর্থনকারীরা। যার জেরে আসানসোল, দুর্গাপুর স্টেশনে নামা যাত্রীরা সমস্যায়।সকাল ৮.৫৫: কান্দি বাসস্ট্যান্ডে টায়ার জ্বালিয়ে বাম-কংগ্রেসের বিক্ষোভ প্রদর্শন। সাঁইথিয়া-বহরমপুর রাজ্য সড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদ।সকাল ৮.৫০: কোচবিহার বাসস্ট্যান্ডের সামনে বাস আটকে দেন কংগ্রেস কর্মীরা। শুয়ে পড়েন বাসের সামনে। পুলিশ ৫ জন কংগ্রেস কর্মীকে আটক করেছে।সকাল ৮.৪৫: যাদবপুর স্টেশনে রেল অবরোধ বাম সমর্থকদের।সকাল ৮.৩৫: হাওড়া-বর্ধমান মেন লাইনের পান্ডুয়া স্টেশনে রেল অবরোধ। সকাল ৮.২৮ থেকে বন্ধ ট্রেন চলাচল।সকাল ৮.৩০: অশোকনগরে লেভেল ক্রসিংয়ের ২৬ নম্বর গেট অবরোধ। বনগাঁ লাইনে ট্রেন চলাচল ৮.১৫ থেকে ব্যাহত।সকাল ৮.২০: দক্ষিণ-পূর্ব রেল শাখায় ডোমজুড় স্টেশনে রেল অবরোধ। আটকে যায় ডাউন আমতা-হাওড়া লোকাল।সকাল ৮.০১: ডায়মন্ডহারবার সেকশনে ওভারহেড তারে কলাপাতা ফেলেছেন হরতাল সমর্থনকারীরা। ৭.৫০ থেকে ওই লাইনে স্তব্ধ ট্রেন চলাচল।সকাল ৭.৪৫: ডুয়ার্সের বিভিন্ন জায়গায় রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ। ধূপগুড়িতেও রাজ্য সড়ক অবরোধ হরতাল সমর্থকদের।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২১
কলকাতা

পুলিশি অত্যাচারের প্রতিবাদে বামফ্রন্টের ১২ ঘণ্টার ধর্মঘট

নবান্ন অভিযানে পুলিশি অত্যাচারের অভিযোগ। প্রতিবাদে শুক্রবার ১২ ঘণ্টা বাংলা বন্ধের ডাক বামপন্থীদের। রাজ্যের সর্বত্র ধিক্কার দিবস পালিত হবে। বামেদের এই প্রতিবাদ কর্মসূচিকে সমর্থন জানাল কংগ্রেসও। সাধারণ মানুষকে বন্ধ সফল করার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।শূন্যপদ পূরণ, সকলের জন্য খাদ্য, শিক্ষা-সহ একাধিক দাবিতে বৃহস্পতিবার বামপন্থী ছাত্র ও যুব সংগঠনের নবান্ন অভিযানের শুরুতেই ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়। পুলিশের কড়া নজরদারি এড়িয়ে বৃহস্পতিবার দিনের শুরুতেই আচমকা একেবারে নবান্নের সামনে চলে আসেন সিপিএম বিধায়ক তথা বাম ছাত্র নেতা ইব্রাহিম আলি। সঙ্গে ছিলেন আরও কয়েকজন। তাঁরা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করলে পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে তৎপর হয়ে তাঁদের আটকায়। ইব্রাহিম-সহ ৫ জনকে টেনেহিঁচড়ে পুলিশের ভ্যানে তোলা হয়। তখনও উঁচু গলায় স্লোগান দিচ্ছিলেন তাঁরা। ওঠে খেলা হবে স্লোগানও।পুলিশের এই ভূমিকা নিয়ে যথেষ্ট ক্ষিপ্ত বাম নেতৃত্ব। সিপিএম কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মহম্মদ সেলিম সাংবাদিক বৈঠক করে পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। তাঁর কথায়, নির্মমভাবে আমাদের তরুণ কর্মীদের মারধর করেছে পুলিশ। কেন এমনটা হবে? পুলিশ যে অত্যাচারীর ভূমিকা নিয়েছে, তা নিন্দনীয়। এর প্রতিবাদে শুক্রবার বন্ধ ডাকা হয়েছে বাম সংগঠনগুলির তরফে। আরএসপির মনোজ ভট্টাচার্য বিবৃতি দিয়ে জানান, আজ ১১ ফেব্রুয়ারি বামপন্থী ছাত্র যুব সংগঠনগুলির পূর্ব নির্ধারিত নবান্ন অভিযানে রাজ্যের ছাত্র-যুবরা শান্তিপূর্ণভাবে নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি জমা দিতে যাচ্ছিলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশ নৃশংসতার সঙ্গে মিছিলের উপরে আক্রমণ করে। নির্বিচারে লাঠি, টিয়ার গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করা হয়েছে। রাজ্য বামফ্রন্ট আগামিকাল রাজ্যের সর্বত্র ধিক্কার দিবস পালন ও ১২ ঘন্টার হরতালের ডাক দিয়েছে। এই হরতাল সফল করতে উদ্যোগ গ্রহণ করুন।আরও পড়ুন: বাম ছাত্র-যুব সংগঠনের নবান্ন অভিযানে ধুন্ধুমার

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২১
কলকাতা

বাম ছাত্র-যুব সংগঠনের নবান্ন অভিযানে ধুন্ধুমার

বামপন্থী ছাত্র ও যুব সংগঠনের নবান্ন অভিযানের শুরুতেই ধুন্ধুমার। পুলিশের কড়া নজরদারি এড়িয়ে বৃহস্পতিবার দিনের শুরুতেই আচমকা একেবারে নবান্নের সামনে চলে আসেন সিপিএম বিধায়ক তথা বাম ছাত্র নেতা ইব্রাহিম আলি। সঙ্গে ছিলেন আরও কয়েকজন। তাঁরা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করলে পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে তৎপর হয়ে তাঁদের আটকান। ইব্রাহিম-সহ ৫ জনকে টেনেহিঁচড়ে পুলিশের ভ্যানে তোলা হয়। তখনও উঁচু গলায় স্লোগান দিচ্ছিলেন তাঁরা। এ নিয়ে দিনের শুরুতে নবান্ন অভিযান নিয়ে অশান্তি ছড়াল। এরপর বেলা বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হতে থাকে। ধর্মতলা চত্বর থেকে প্রায় চার হাজার সদস্য নবান্নের দিকে এগোতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়। ব্যারিকেড ভেঙে এগোতে চান বাম ছাত্র,যুবরা। প্রথম জলকামান, টিয়ার গ্যাস ছুঁড়ে তাঁদের রোখার চেষ্টা করে পুলিশ। কিন্তু তাতেও আন্দোলনকারীরা দমে যাননি। এরপর পুলিশ নির্বিচার লাঠিচার্জ করলে অনেকে আহত হন, অসুস্থ হয়ে পড়েন কেউ কেউ। গুরুতর জখমদের উদ্ধার করে নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ১৪৪ ধারা জারি থাকলেও, তা অমান্য করে সিধু-কানু-ডহরে ঢুকে পড়েন কয়েকজন ছাত্র ও যুব। আন্দোলনকারীদের শক্তি দেখে কার্যত বিভ্রান্ত পুলিশও।শূন্যপদে নিয়োগ, সকলের জন্য খাদ্য, স্বাস্থ্য, শিক্ষার অধিকার-সহ একগুচ্ছ দাবিতে বৃহস্পতিবার নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছিল বাম ছাত্র-যুব সংগঠন। এসএফআই, ছাত্র ফেডারেশন, ডিওয়াইএফআই -সহ মোট ৮ বামপন্থী ছাত্র ও যুব সংগঠনের সঙ্গে এই কর্মসূচিতে সামিল হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে কংগ্রেসের ছাত্র, যুব সংগঠনকেও। সবমিলিয়ে ১০ টি সংগঠনের ডাকে এদিন নবান্ন অভিযানে নেমেছে বাম ও কংগ্রেস কর্মীরা। বাম ছাত্রনেতা তথা পাঁশকুড়ার সিপিএম বিধায়ক ইব্রাহিম আলি আচমকা নবান্নের সামনে হাজির হয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের বিদায় ঘটে গিয়েছে, এই বার্তা দিয়ে স্লোগান তোলেন। সেখান থেকেই আটক করা হয় তাঁকে। তারপর টেনেহিঁচড়ে তোলা হয় প্রিজন ভ্যানে। একইভাবে আটক করা হয়েছে আরও ৫ জনকে।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২১
রাজ্য

রাসমেলা ময়দান থেকে মমতাকে খোঁচা অমিত শাহর

কোচবি্হারের মাটিতে দাঁড়িয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে রীতিমতো কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন। খোঁচা দিয়ে বললেন, দিদি লোকসভা নির্বাচনের আগে আমাদের শূন্য দিচ্ছিলেন, এখন নিজেই নিজের জন্য আসন খুঁজে বেড়াচ্ছেন। এখানে লড়বেন না ওখানে লড়বেন, নাকি দুটি আসনে লড়বেন। বুঝে উঠতে পারছেন না। কোচবিহারের রাসমেলার ময়দান থেকে তিনি গগনভেদী জয় শ্রীরাম ধ্বনি তোলেন। বলেন, এত জোরে ধ্বনি তুলুন সবাই। এরপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে তাঁর খোঁচা, রামনাম উচ্চারণ করে গর্ববোধ করেন। কিন্তু মমতাজির তাতে আপত্তি। কারণ, উনি তোষণের রাজনীতি করেন। তবে ভোট শেষ হতে হতে আপনিও জয় শ্রীরাম স্লোগান তুলবেন।রাজনৈতিক মহলের ব্যাখ্যা, শুভেন্দুর বিজেপিতে যোগদানের পর দুই মেদিনীপুর তথা জঙ্গলমহল এলাকায় দলের যাতে ক্ষতি না হয়, তা নিশ্চিত করতেই নন্দীগ্রামে প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছেন মমতা। কিন্তু অমিত শাহ তার ব্যাখ্যা দিলেন নিজের মতো করে। বলে দিলেন, নিজের জয়ের ব্যাপারে নিশ্চিত নন বলেই নিজের জন্য নিরাপদ আসন খুঁজে বেড়াচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। কোচবিহারের সভা থেকে তাঁর খোঁচা,লোকসভা ভোটের আগে আমরা বলেছিলাম রাজ্যে আমরা কুড়িটির বেশি আসন জিতব। দিদি আমাদের বলেছিলেন আমরা নাকি শূন্য পাব। আজ উত্তরবঙ্গ থেকে রাজু সিং বিস্তা, নিশীথ প্রামাণিকরা সাংসদ হয়ে গিয়েছেন। আর আপনি নিজের জন্য আসন খুঁজে বেড়াচ্ছেন। এখানে দাঁড়াবেন না ওখানে দাঁড়াবেন, এক জায়গায় লড়বেন না দুই জায়গায় লড়বেন, বুঝতেই পারছেন না।#WATCH | Mamata didi keeps on quarrelling with Modi ji, she even quarrelled during Subhash babus program. It was Subhash babus event, you could have refrained from politics there: Union Home Minister Amit Shah in Coochbehar pic.twitter.com/iCFWzW65ou ANI (@ANI) February 11, 2021

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২১
রাজ্য

এবার আর মালদা থেকে শূন্য হাতে ফিরতে চান না মমতা

তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আক্ষেপ মালদায় এত মানুষের জনসমাগম হয়, অথচ ভোট এলে অংকটা অন্যরকম হয়ে যায়। বুধবার মালদার জনসভায় মমতা বলেন, লোকসভাতেও শূন্য আর বিধানসভাতে মালদায় একইরকম। এবার আর শুন্য হাতে ফিরতে চাই না। এতদিন কংগ্রেস-বিজেপিকে ফজলি আম খাইয়েছেন। এবার আমাকেও দুটো ফজলি আম খাওয়ান।একইসঙ্গে বিজেপির রথযাত্রা নিয়ে কড়া সমালোচনা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, নির্বাচন এলেই জগন্নাথ, বলরাম, সুভদ্রা সাজতে চাইছে বিজিপি। বিজেপিকে প্রত্যাখান করবে বাংলার মানুষ। বুধবার মালদা জেলা ক্রীড়া সংস্থা সংলগ্ন মাঠে তৃণমূলের জনসভা হয়। সভা শুরু হয় দুপুর একটা থেকে। মুখ্যমন্ত্রী আসার কথা ছিল তিনটেয়। কিন্তু দুপুর আড়াইটা নাগাদ মঞ্চে হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী। পাশের মাঠেই তৈরি করা হয়েছিল হেলিপ্যাড। হেলিপ্যাড থেকে প্রায় ৪০০ মিটার হেঁটে মঞ্চে আসেন মুখ্যমন্ত্রী। তার আগে মঞ্চে হাজির ছিলেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম সহ জেলার প্রথম সারির নেতানেত্রীরা। উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি তথা সাংসদ মৌসুম নূর, কৃষ্ণেন্দু চৌধুরী, নিহার ঘোষ, বাবলা সরকার, জেলা তৃণমূলের যুব সভাপতি প্রসেনজিৎ দাস।বক্তব্য রাখতে গিয়ে তৃণমূলনেত্রী বলেন, বিজেপির মতো মিথ্যাবাদী কেউ নেই। ওরা দাঙ্গা লাগায়। আজকে উত্তরপ্রদেশ, হরিয়ানা, রাজস্থান, পাঞ্জাবের চাষিরা কাঁদছে। বাংলার চাষীদের চোখে জল নেই। কারণ, এই রাজ্যে বিজেপি সরকার নেই। চাষীদের জন্য আমরা কৃষক বন্ধু যোজনা চালু করেছি। যাতে ছয় হাজার টাকা করে পাবেন চাষিরা। কৃষকদের নিয়ে বিজেপি মিথ্যা কথা বলছে। ওদের কাছে কি তথ্য নেই। আসলে মিথ্যা কথা বলাটাই ওদের কাজ।বিজেপির রথযাত্রার কড়া সমালোচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, জগন্নাথ , বলরাম, সুভদ্রাকে নিয়ে ওরা নোংরা রাজনীতি করছে। আমরা জগন্নাথের রথকে প্রণাম জানাই। আমরা এরকম রাজনীতি করি না। এখন এরা রথকে নিয়ে কেউ জগন্নাথ, কেউ বলরাম আবার কেউ শ্রীকৃষ্ণ সাজছেন। মনে রাখবেন এই রথে করে সীতা হরণ করেছিল রাবন। আমরা মনে করি হিন্দু, মুসলিম, খৃষ্টান, শিখ সহ বিভিন্ন ধর্মের মানুষেরা তাদের মতোন চলবেন। বিজেপি মানেই দাঙ্গা। আর এই দাঙ্গার উস্কানি দেওয়া হচ্ছে ওদের আসল কাজ। এদিন মুখ্যমন্ত্রী উসকে দিয়েছেন মালদার মিথ গনিখান চৌধুরীর স্মৃতিও। মমতা বলেন, মালদায় আমি আজ থেকে আসছি না, বরকতদার সময় থেকেই যখন যুব কংগ্রেস করতাম, তখন থেকে আসছি। এই জেলায় উন্নয়নে তৃণমূল সরকার অনেক কাজ করেছে। উদাহরণ টেনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ভুতনি সেতু তৈরি করেছি। মালদা - বালুরঘাট ট্রেন চালু করা হয়েছে। কিন্তু মালদা নিয়ে আমার অনেক দুঃখ এবং বেদনা রয়েছে। এই সরকার সকলের জন্য কাজ করছে। ১৮ বছর বয়সে যদি কেউ বিধবা হন, তাহলে পেনশন পাবে। বাজেটে এই সুবিধা করে দিয়েছি। এরকম সুবিধা অন্য কোন রাজ্যে নেই। স্কুল পড়ুয়াদের জন্য ট্যাপ কেনার ক্ষেত্রে এককালীন দশ হাজার টাকা করে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আমাদের সরকার জনগণের সরকার।২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে মালদায় তৃণমূল একটি আসনও পায়নি। ১২ টি আসনের মধ্যে কংগ্রেস পেয়েছিল ৮টি, সিপিএম পেয়েছিল ২টি, বিজেপির ছিল ১টি। পাশাপাশি ইংরেজবাজার বিধানসভা কেন্দ্রে কংগ্রেস ও সিপিএম জোটের সমর্থনে নির্দল প্রার্থীর দখলে ছিল একটি আসন। যদিও বর্তমানে এইসব বিধানসভা কেন্দ্রের অধিকাংশ বিধায়কেরা তৃণমূলে যোগদান করেন। ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনেও বিজেপি ও কংগ্রেস একটি করে জয় পেয়েছে। সেই আক্ষেপ থেকেই তৃণমূলনেত্রী এবার খালি হাতে ফিরতে চান না।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২১
রাজনীতি

ভোটে দাঁড়াবেন না রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী, তিন লাইনের চিঠি মমতাকে

শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে মাটি উৎসবের মঞ্চে হাজির ছিলেন না। বুধবার সকালে সরাসরি টুইট করে রাজ্যের প্রাক্তনমন্ত্রী রবিরঞ্জন চট্টোপাধ্যায় জানিয়ে দিলেন, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে তিনি লড়বেন না। গত ৩০ জানুয়ারি বর্ধমান দক্ষিণের দুইবারের বিধায়ক চিঠি লিখে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সেকথা জানিয়েও দিয়েছেন। এই খবরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে।২০১১ বিধানসভা নির্বাচনে বর্ধমান দক্ষিণে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হয়েছিলেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত বাংলার অধ্যাপক রবিরঞ্জন চট্টোপাধ্যায়। প্রথমে অবশ্য দলের শীর্ষ নেতৃত্ব প্রার্থী হিসাবে ডা. স্বরূপ দত্তের নাম ঘোষণা করেছিল। তাঁকে প্রার্থী করা নিয়ে দলের মধ্যে বিতর্ক শুরু হয়েছিল। বর্ধমানে দলের একাংশ স্বরূপ দত্তের নামে প্রচারও শুরু করে দিয়েছিল। কিন্তু পরে তাঁকে বদলে প্রার্থী করা হয় রবিরঞ্জন চট্টোপাধ্যায়কে। জয় পেয়ে রাজ্যের ক্যাবিনেট মন্ত্রীও হয়ে যান রবিবরঞ্জন চট্টোপাধ্যায়। এখনও তিনি বর্ধমান উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান রয়েছেন।আগামী বিধানসভা নির্বাচনে আমার বয়স ও শারীরিক কারণে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। দলনেত্রী @MamataOfficial কেও এই বার্তা পাঠিয়ে দিয়েছি।আমার প্রিয় বর্ধমানবাসীদের ধন্যবাদ জানাই ও তাঁদের কল্যাণ কামনা করি। pic.twitter.com/h0CYEUZCtW Rabiranjan Chattopadhyay (@RabiranjanChat1) February 10, 2021এদিন প্রবীণ এই তৃণমূল বিধায়ক টুইটে লিখেছেন, আগামী বিধানসভা নির্বাচনে আমার বয়স ও শারীরিক কারণে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। দলনেত্রীকে এই বার্তা পাঠিয়ে দিয়েছি। আমার প্রিয় বর্ধমানবাসীকে ধন্যবাদ জানাই ও তাঁদের কল্যাণ কামনা করি। এই টুইটের পরেই বর্ধমান শহরে তৃণমূলের প্রার্থী কে হবেন তা নিয়ে রীতিমতো জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছে।সম্প্রতি বর্ধমানে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব চরমে ওঠে। এক গোষ্ঠী মিছিল করলেই আরেক গোষ্ঠী পাল্টা মিছিল করেছে। এদিকে বর্ধমানের প্রাক্তন পুরপতি আইনুল হক তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। তাঁর দলে যোগ দেওয়া নিয়ে প্রকাশ্যে বিদ্রোহী হয়েছেন আরেক তৃণমূল নেতা খোকন দাস। প্রকাশ্যে বিরোধিতাও করেছেন। বর্ধমান শহরে গোষ্ঠীকলহের জেরে সংঘর্ষও হয়েছে। দলবল নিয়ে থানা ঘেরাও করেছেন খোকন দাস। এককথায় নজীরবিহীন গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব শুরু হয়ে যায় বর্ধমান শহরে। দলের একাংশ মনে করেন, কোনও গোষ্ঠীদ্বন্দ্বই কখনও সামলাতে পারেননি রবিবরঞ্জন চট্টোপাধ্যায়। ২০১৬ তে বিধায়ক হওয়ার পর দল রবিবাবুকে আর মন্ত্রীও করেনি। শোনা যায় ক্রমশ দলনেত্রীর সঙ্গেও তাঁর দূরত্ব বেড়ে গিয়েছিল। শেষমেশ রবিরঞ্জনবাবু টুইট করে ঘোষণা করে দিলেন তিনি আর প্রার্থী হবেন না।বর্ধমানের রাজনৈতিক মহলে জল্পনা, আইনুল ও খোকন শিবির প্রার্থীপদের প্রত্যাশী। তার মধ্যেই বেড়েছে বিজেপি। বেশিরভাগ ওয়ার্ডে জিতলেও বর্ধমান দক্ষিণে সামান্য ভোটে পিছিয়ে ছিল গেরুয়া শিবির। এই ফলাফলে উৎসাহিত বিজেপি আসন্ন নির্বাচনে টার্গেট করেছে এই আসনটিকেও।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২১
রাজনীতি

"ভাল হয়েছে পাপ বিদায় নিয়েছে", তোপ তৃণমূল সুপ্রিমোর

কালনায় দলীয় জনসভা করার পর বর্ধমানে মাটি উৎসবে অংশ নেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর তিনি মুর্শিদাবাদে জনসভা করেন।রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। একাধিক তৃণমূল বিধায়ক পদ্মশিবিরে ভিড়েছেন। মঙ্গলবার কালনার জনসভায় তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, দুষ্টু গরুর থেকে শূন্য গোয়াল ভাল। কয়েকটা দুষ্টু গরু হাম্বা হাম্বা ডাকতে ডাকতে ইদার উধার করে বেড়াচ্ছেন। নিজেদের দুর্নীতি চাপা দেওয়ার জন্য তারা গেছেন। ভালো হয়েছে পাপ বিদায় নিয়েছে। যাঁরা তৃণমূলে থেকে খারাপ করে তাদের তৃণমূল কংগ্রেসের থাকার প্রয়োজন নেই।কালনার তৃণমূল বিধায়ক বিশ্বজিৎ কুন্ডু বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। কালনা বিধানসভা আসন এবার তাই তৃণমূলের কাছে চ্যালেঞ্জ। নাম না করে বিঁধেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাকেও। কালনায় দাঁড়িয়ে মমতা বলেন, বুঝে তো নিতেই হবে বিজেপি পার্টিকে। যে পার্টিটা কোনও ধর্ম জানে না। জানে না হিন্দু ধর্মের মধ্যে কত ধর্ম আছে। স্বামী বিবেকানন্দকে বিবেকানন্দ ঠাকুর বলে দিচ্ছেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পদবী বসিয়ে দিচ্ছেন।কৃষি ভান্ডারে দাঁড়িয়ে তৃণমূল নেত্রী জানিয়ে দেন, কৃষকদের জন্য কি কি করছে রাজ্য সরকার। ধান প্রতিবার কেনা হবে বলেও ঘোষনা করেন মমতা। পদ্মশিবিরের বিরুদ্ধে তোপ দেগে মমতা বলেন, বিজেপি টাকা নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। টাকা দিলে খেয়ে নেবেন। মুরগির মাংস খেয়ে নেবেন। বিজেপি গোঁজামিল পার্টি। শুধু মিথ্যা কথা বলে। বিজেপি থেকে সাবধান। ঠাকুরঘরে তৃণমূলের জোড়াফুল চিহ্নে পুজো দিয়ে বাড়ি থেকে বাইরে বের হন হলে জানান মমতা।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২১
রাজ্য

পরিবর্তন যাত্রায় হাতাহাতি, রণক্ষেত্র বেলডাঙা

বিজেপির পরিবর্তন রথযাত্রাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা। রথযাত্রায় বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল পুলিশের বিরুদ্ধে। তারপরই বচসায় জড়িয়ে পড়ে বিজেপি কর্মী ও পুলিশ। দীর্ঘক্ষণ পর শান্ত হয় এলাকা।বিজেপির তরফে আগেই রথযাত্রার রুট ঠিক করা হয়েছিল। কিন্তু ওই রাস্তায় অশান্তির আশঙ্কা করেছিল পুলিশ। সেই কারণে অন্য রাস্তা দিয়ে রথযাত্রার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। তাতে কর্ণপাত না করে সোমবার বিজেপি নেতৃত্ব বেলডাঙা ও হরিহরপাড়া দিয়েই রথ নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। স্বাভাবিকভাবেই পুলিশ তাতে বাধা দেয়। সেই সময়েই দুপক্ষের মধ্যে অশান্তি বাধে। তীব্র উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়।এবিষয়ে পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, বিজেপিকে আগেই বলা হয়েছিল যে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের বেলডাঙা থেকে বহরমপুর পর্যন্ত রথযাত্রা করা যাবে। এছাড়া অন্য কোনও রাস্তা ব্যবহার করা যাবে না। কারণ, বাকি এলাকাগুলো মুসলিম অধুষ্যিত। ফলে উত্তেজনা ছড়ানোর সম্ভাবনা থেকেই যায়। কিন্তু পুলিশের নির্দেশ না মেনেই এদিন পূর্বসূচি অনুযায়ী রথযাত্রার চেষ্টা করে বিজেপি।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২১
রাজনীতি

"বাড়ির পাঁচ কিলোমিটার দূরে দাঁড়িয়ে আছি", কাঁথির জনসভায় হুঙ্কার অভিষেকের

সভা পাল্টা সভায় সরগরম বাংলা। তোপ পাল্টা তোপ চলছেই। এবার শুভেন্দুগড়ে হানা দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের যুবরাজ। রীতিমতো হুঁশিয়ারি দিলেন। সভায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মূলত কাঁথি লোকসভা কেন্দ্র থেকে মানুষ এখানে এসেছেন। আপনারা যদি ভোট দেন তাহলেই তো মীরজাফর এন্ড কোম্পানির জামানত বাজেয়াপ্ত হয়ে যাবে। এই মাঠে যা লোক এই মাটিকে প্রণাম জানাই। এই মেদিনীপুরে মাটি লড়াই সংগ্রামের মাটি। যারা ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মাটি, মাতঙ্গিনী হাজরার মাটি, সতীশ সামন্তের মাটিকে কলুষিত করেছে তাদের কিন্তু এই মেদিনীপুরের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করবেন।তোর বাপকে গিয়ে বল বাড়ির পাঁচ কিলোমিটার দূরে দাঁড়িয়ে আছি। যা করার কর। আয়, আয়, আয়। হিম্মত আছে। হিম্মত আছে। অভিষেকের এই ভিডিও পোস্ট করে শুভেন্দু লিখেছেন, কাঁথির জনসভা থেকে বাংলা সংস্কৃতি !!!এদিনও অভিষেক দাবি করেন, তৃণমূল কংগ্রেস ২৫০ এর বেশি আসন পেয়ে এই বাংলায় তৃতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় আসবে। মানুষ বিজেপিকে ছুঁড়ে ফেলে দেবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আবার মুখ্যমন্ত্রী হবেন। আমি এদের রাজনৈতিক ভাবে দেউলিয়া করে ছাড়ব। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যাকে ভরসা করেছিলেন তিনি বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। পাঁচ বছরে কতবার মোদী অমিত শাহ মেদিনীপুর এসছেন। হলদিয়া আসছেন মোদী। কিন্তু তাও আমরা ৫০,০০০ এর বেশি ভোটে জিতব। এই মেদিনীপুরের মাটি থেকে দাঁড়ালে মেদিনীপুরের মানুষ ৫০,০০০ ভোটে হারাবে।কাঁথিতে দাঁড়িয়ে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদের হুঙ্কার, কীসের অধিকারী গড়? এই জেলা মানুষের, কোনও পরিবারের নয়। এই গড় ক্ষুদিরাম বসু সুশীল ধাড়ার গড়। আমাকে ভয় দেখাবেন বলেছিলেন। চার আনার নকুলদানা তার আবার ক্যাশমেমো। জামানত বাজেয়াপ্ত করব। কথা দিলাম এদের ছুঁড়ে ফেলে দেবে এই মেদিনীপুরের মানুষ।বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী নতুন দলে যোগ দেওয়ার পর টানা ভাইপো সম্বোধন করে আক্রমণ শানিয়ে যাচ্ছেন। এমনকী অভিষেকপত্নীকে নিয়েও অভিযোগ করেছেন শুভেন্দু। অভিষেক বলেন, ভাইপো আর ভাইপো। ওরা আতঙ্কিত। এখন আমার স্ত্রীর কথা বলছে। আমি চ্যালেঞ্জ করছি সোনা পাচারের ঘটনায় ওদের সিআইএসএফ কী করছিল? সিসিটিভি ফুটেজ দাও। আমার তোলাবাজির প্রমাণ দেখাতে পারলে নিজে ফাঁসি যাব। সুদীপ্ত সেন নিজের হাতে কোর্টকে লিখেছেন শুভেন্দু অধিকারী ৬ কোটি টাকা নিয়েছেন। শুভেন্দু রাখাল বলে একজনের সাথে আলাপ করিয়েছেন। কে এই রাখাল? এই রাখালের সাথে এনামুলের কী সম্পর্ক সব জানি আমরা, সব তথ্য আছে? রাখালের সাথে এই গরু পাচারকারীদের কী সম্পর্ক? যারা স্বর্বস্বান্ত হয়েছেন তারা এই গদ্দারদের বাড়ি ঘিরে দিন।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২১
রাজনীতি

"ইতনা গুসসা কিউ হ্যায়", মমতাকে কেন বললেন নাড্ডা?

জয় শ্রীরাম ধ্বনি নিয়ে এবার তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিঁধলেন। শনিবার মালদার সাহাপুর কৃষকদের আয়োজিত এক সভায় বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জগৎপ্রকাশ নাড্ডা বলেন, আমি যখন হেলিপ্যাডে নেমে গাড়িতে করে আসছি। তখন রাস্তার দুধারে অসংখ্য মানুষ দাঁড়িয়ে ছিলেন। তাঁরা আমাকে জয় শ্রীরাম বলে অভিবাদন জানান। এই জয় শ্রীরাম ধ্বনি শুনে রেগে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আপকা ইতনা গুসসা কিঁউ হ্যায়। পরিবর্তন যাত্রার সফরে প্রথম জনসভায় এভাবেই তৃণমূল নেত্রীর প্রতি আক্রমণ শোনালেন জেপি নাড্ডা।এই জনসভায় তিনি কৃষকদের কেন্দ্রীয় সাহায্য না পাওয়ার জন্য দায়ী করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। নাড্ডা বলেন, বিভিন্ন রাজ্যের কৃষকরা কেন্দ্রীয় সাহায্য পাচ্ছে। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জেদের জন্য এরাজ্যে কৃষকরা সেই সাহায্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এরপর সাহাপুরে কৃষকদের সঙ্গে দুপুরের ভোজন সারেন জেপি নাড্ডা। এদিন মালদায় র্যালি করেন তিনি।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২১
রাজ্য

কারচুপি করেছে রাজীব, বিস্ফোরক মমতা

দলীয় কর্মিসভা থেকে সদ্য দলত্যাগীদের কড়া বার্তা দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে নাম না করে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন তিনি। বন সহায়ক পদে চাকরি নিয়ে কারচুপির অভিযোগে সরব হলেন মুখ্যমন্ত্রী। এ প্রসঙ্গে মমতাকে পাল্টা বিঁধেছে বিজেপি। দলে থাকাকালীন কেন একথা মনে পড়ল না, কটাক্ষ গেরুয়া শিবিরের।মাসকয়েক আগে অষ্টম শ্রেণি পাশে বন সহায়ক পদে প্রচুর কর্মী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করে রাজ্য সরকার। অষ্টম শ্রেণি পাশের পাশাপাশি উচ্চশিক্ষিতরাও আবেদনপত্র জমা দেন। শুধুমাত্র ইন্টারভিউর মাধ্যমে নিয়োগ হওয়ায় লাইনও পড়ে বিস্তর। এই শূন্যপদ নিয়ে আলিপুরদুয়ারের প্যারেড গ্রাউন্ডের সভা থেকে মুখ খুললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নাম না-করে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন। কারণ, সেই সময় তৃণমূলে ছিলেন রাজীব। ছিলেন রাজ্যের বনমন্ত্রীও। মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, আমাদের সঙ্গে ছেলেটা ছিল। সে এখন আমাদের সঙ্গে আর নেই। আমার কাছে অভিযোগ এসেছে বন সহায়ক পদ নিয়ে কারচুপি হয়েছে। আমরা তদন্ত করে দেখছি। এর আগে একাধিকবার দলবদলকারী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। অতিরিক্ত লোভ এবং টিকিট না পাওয়ার আশঙ্কায় দলবদলের সিদ্ধান্ত বলেও দাবি করেছেন। তবে এই প্রথমবার এহেন বিস্ফোরক অভিযোগ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২১
রাজ্য

মুরগি চুরির প্রতিবাদ করে খুন

খামার থেকে প্রতিবেশীর মুরগি চুরি করার প্রতিবাদ করতে গিয়ে বেঘোরে প্রাণ গেল এক তৃণমূল কর্মীর। কাঠগড়ায় প্রতিবেশী যুবক। মঙ্গলবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে বনগাঁ থানার কালিতলা ঘোষপাড়া এলাকায়। খুনের অভিযোগ অস্বীকার করেছে অভিযুক্ত। খুনের কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্তে নেমেছে পুলিশ এই ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃত যুবকের নাম শ্যামল সরকার(৩১)। স্থানীয় বিল্ডার্সের দোকানে কাজ করত। অভিযোগ, প্রতিবেশী দেবব্রত হালদার তাঁকে খুন করেছে।ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে তাঁকে। খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।পরিবারের অভিযোগ, খামার থেকে মুরগি চুরি করত অভিযুক্ত দেবব্রত হালদার। তাকে বারণ করতে মঙ্গলবার সন্ধেয় তাদের বাড়িতে গিয়েছিলেন শ্যামল সরকার। তখনই দেবব্রতর পরিবারের সদস্যরা মিলে তাকে বেধড়ক মারধর করে। মুখ দিয়ে রক্ত উঠতে থাকে শ্যামলের। পরে দেবব্রতর পরিবারের সদস্যরাই তাকে ভ্যানে তুলে চিকিৎসকের কাছে পাঠায়। যদি অভিযুক্তের পরিবারের দাবি, এক অজ্ঞাত পরিচয় দুষ্কৃতী এসে শ্যামলের উপর চড়াও হয়। তাঁকে জখম অবস্থায় রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখে তুনে আনেন দেবব্রতর পরিবারের সদস্যরা।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২১
রাজ্য

অভিষেকগড়ে শুভেন্দুর হানা, তৃণমূল বিধায়ক পদ্মশিবিরে

বারুইপুরের জনসভায় আনুষ্ঠানিকভাবে গেরুয়া পতাকা হাতে তুলে নিলেন ডায়মন্ডহারবারের বিধায়ক দীপক হালদার। তাঁর সঙ্গে বিজেপিতে যোগ দিলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার আরও প্রায় ১৬ জন তৃণমূল নেতা। আর তাৎপর্যপূর্ণভাবে এই যোগদানের মাধ্যমে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কেন্দ্র ডায়মন্ডহারবারে তৃণমূলের সংগঠনে বড় ধস নামল, যা বিধানসভা ভোটের আগে নিঃসন্দেহে ধাক্কা তৃণমূল শিবিরের কাছে। সভায় চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ শানিয়েছেন শুভেন্দ। বেশ কয়েকদিন ধরেই ডায়মন্ডহারবারের বিধায়ক দীপক হালদারকে নিয়ে গুঞ্জন চলছিল। চলতি বছরের প্রথমে তিনি কলকাতার প্রাক্তন মেয়র তথা বর্তমান বিজেপির কলকাতা সংগঠনের পর্যবেক্ষক শোভন চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার পর তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। যদিও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একদা ঘনিষ্ঠ এই সৈনিক নিজের রাজনৈতিক শিবির বদল নিয়ে মুখে কার্যত কুলুপ এঁটেছিলেন। তা সত্ত্বেও তাঁর গতিপ্রকৃতি বুঝতে বিশেষ বেগ পেতে হয়নি রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ মহলের। ১ ফেব্রুয়ারি তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূল ছাড়ার কথা জানিয়ে দেন। স্পিডপোস্টে নিজের ইস্তফা পাঠান দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সির কাছে। আর পুরনো পরিচয় থেকে বেরিয়ে এসে ২ তারিখই নিজের রাজনৈতিক কেরিয়ারে পা রাখলেন দীপক হালদার।মঙ্গলবার বারুইপুরে বিজেপির যোগদান মেলায় মুকুল রায়, শুভেন্দু অধিকারী, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়দের উপস্থিতিতে বিজেপির পতাকা হাতে তুলে নিলেন দীপক হালদার।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২১
রাজ্য

ফালাকাটায় আদিবাসী নৃত্যে পা মেলালেন মমতা, দেখুন ভিডিও

উত্তরবঙ্গের ফালাকাটায় রীতিমতো অভিভাবকের ভূমিকায় দেখা গেল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। মঙ্গলবার গণবিবাহের আসরে দাঁড়িয়ে পাত্র-পাত্রীদের হাতে তুলে দিলেন উপহার। পা মেলালেন আদিবাসী নৃত্যে।এদিন ফালাকাটায় এক সামাজিক অনুষ্ঠানে যোগ দেন মমতা। সেখান থেকে চা শ্রমিকদের সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন। চা সুন্দরী প্রকল্পের জন্য ঘোষণা করেন ৫০০ কোটি টাকা। তিনবছরের মধ্যে গৃহহীনদের ঘর পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। জানান, ফালাকাটা-ময়নাগুড়ি পুরসভার কথা। বলেন, তৃণমূল যা বলে তাই করে। কারও কারও মতো ভোটের সময় সাধারণ মানুষের কথা মনে পড়ে না। প্রকাশ্যে বিজেপিকে বদমাশের গাছ বলে কটাক্ষ করেন তিনি। যদিও পরে মন্তব্য প্রত্যাহার করে নেন। বলেন, অপপ্রচার, চরিত্রহনন করা ছাড়া ওদের কোনও কাজ নেই। বিবাহের আসরের পাশেই নাচে মেতে উঠেছিলেন আদিবাসী মহিলারা। তাঁদের সঙ্গেই পা মেলান মমতা। মুখ্যমন্ত্রীকে ঠিক দিদির মতো পাশে পেয়ে আপ্লুত প্রত্যেকে।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২১
রাজ্য

"উত্তরবঙ্গে গোহারা হেরেছি, প্লিজ এবার পুষিয়ে দেবেন তো!", আবেগপ্রবণ তৃণমূল সুপ্রিমো

উত্তরবঙ্গ উদ্ধার করতে মরিয়া তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত লোকসভা নির্বাচনে উত্তরবঙ্গের আটটি আসনের মধ্যে সাতটি আসনেই পদ্ম পতাকা উড়েছিল। তাই এবারের নির্বাচনী প্রচারে আবেগপ্রবণ হয়ে পুষিয়ে দেওয়া ডাক দিলেন তৃণমূলনেত্রী। যদিও বিজেপির বক্তব্য, লোকসভায় উত্তরবঙ্গ তৃণমূলকে খালি হাতে ফিরিয়েছে এবার একই সঙ্গে দক্ষিণবঙ্গ তৃণমূলকে খালি হাতে ফেরাবে।২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের পরাজয় নিয়েও আপশোষ নেই বলেও জানিয়ে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।সোমবার তৃণমূল নেত্রী বলেন, উত্তরবঙ্গে আমরা গোহারা হেরেছি। তাতে আমার কোনও লজ্জা নেই। তবে এবার আপনারা পুষিয়ে দেবেন। প্লিজ পুষিয়ে দেবেন তো! এভাবেই মমতা আবেদন জানান উত্তরবঙ্গের মানুষের কাছে। একই সঙ্গে তৃণমূল নেত্রীর বক্তব্য, উত্তরবঙ্গে আগে কেউ আসত না। সকলে উত্তরবঙ্গকে অবহেলা করত। আমি কিন্তু প্রতি মাসে উত্তরবঙ্গে আসি। এবারের বিধানসভা নির্বাচনও যে অত্যন্ত কঠিন লড়াই তৃণমূল নেত্রীর বক্তব্যে স্পষ্ট।এর আগে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় জনসভা করে গিয়েছেন তৃণমূল যুবর সর্বভারতীয় সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার এলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। উদ্দেশ্য একটাই হৃত জমি পুনরুদ্ধার করা। এদিকে বিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য, উত্তরবঙ্গ শুধু নয় দক্ষিণবঙ্গে এবার তৃণমূল কংগ্রেস বিজেপিরর কাছে পরাজিত হবে।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২১
রাজ্য

ভোটারদের মন পেতে বিজেপির প্রতিশ্রুতির পাল্টা দান-ধ্যান তৃণমূলের

প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়দোরগোড়ায় রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন। ভোটারদের মন পেতে তাই এখন প্রতিশ্রুতির বন্যা বইয়ে দিচ্ছেন রাজনৈতিক দলের নেতারা। সম্প্রতি পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষে সাংসদ তথা বিজেপির রাজ্য যুব মোর্চার সভাপতি সৌমিত্র খাঁ ঘোষণা করেন, বিজেপি বাংলায় ক্ষমতায় এলে ছাত্রীদের স্কুটিদেওয়া হবে। পাশাপাশি আরও অনেক কিছু রাজ্যবাসী পাবেন বলে সৌমিত্র ওইদিন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তবে তৃণমূল নেতৃত্ব সাধারণ মানুষের পাশে থেকে দান-ধ্যান ও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার পন্থা নিয়েছে।জনগনের মন পেতে রবিবার জামালপুর বিধানসভা এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষথেকে সাত হাজারেরও বেশী দুঃস্থ মানুষের হাতে তুলে দেওয়া হল শীতের কম্বল।একই ভাবে তৃণমূলের পক্ষ থেকে এদিন মেমারি পৌরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের তিন শতাধিক দুঃস্থের হাতেও কম্বল তুলে দেওয়া হয়। কনকনে ঠান্ডায় শীত নিবারণের জন্য যাঁরা কম্বল নিলেন তাঁরা ভোট কাকে দেবেন তা অবশ্য কারও জানা নেই। যদিও তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, মানুষের পাশে যাঁরা থাকে জনগন তাঁদেরকেই ভোট দেয় । জামালপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি তথা ব্লক তৃণমূলের নেতা মেহেমুদ খান এই প্রসঙ্গে বলেন, গত লোকসভা ভোটের সময়ে বিজেপি প্রত্যেকের এ্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল ।এছাড়াও ঘরে ঘরে চাকরি দেবারও প্রতিশ্রুতি দেয়। লোকসভা ভোট মিটে যাবার পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গিয়েছে। কিন্তু জনগন কিছুই পাননি।অন্যদিকে যুব তৃণমূল কংগ্রেসের জামালপুর ব্লক সভাপতি ভূতনাথ মালিক এদিন দাবি করেন, শীত ,গ্রীষ্ম ,বর্ষা তৃণমূলই যে বাংলার জনগণের ভরসা সেটা বাংলার মানুষ খুব ভালোভাবেই জানেন। এটাও জনগন জানেন তৃণমূল ভোটে জেতার জন্য মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেয় না। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী বাংলার উন্নয়নে যেমন জোয়ার এনেছেন তেমনই তৃণমূল কর্মীরা বাংলার জনগনের ভালোর জন্য সারাবছর কাজ করে যাচ্ছে।এইসবের জন্যই জামালপুর সহ গোটা রাজ্যের মানুষ ফের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই বাংলার মুখ্যমন্ত্রী করবেন।যদিও তৃণমূল নেতৃত্বের এমন দাবি প্রসঙ্গে বিজেপির পূর্ব বর্ধমান জেলা সভাপতি সন্দীপ নন্দী বলেন, সর্বক্ষেত্রে গরিব মানুষের কাছ থেকে কাটমানি কারা খায় তা বাংলার মানুষ ভালকরেই জানেন। পায়খানা ঘরের টাকা থেকেও তৃণমূলের নেতারা কাটমানি খেতে ছাড়ে না। এবারের বিধানসভা ভোটে জামালপুরের পাশাপাশি গোটা বাংলার মানুষ কাটমানি খাওয়া তৃণমূলকে যে বাংলা ছাড়া করবে তা তৃণমূলের নেতারা ভালোই বুঝে গিয়েছেন। তাই এখন তৃণমূল নেতারা দান ধ্যান করে ভোটারদের মন পেতে চাইছে। তবে এইসব করে আর লাভ কিছু হবে না। সন্দীপ বাবুর দাবি, তৃণমূল সরকারের বিদায় সময়ের অপেক্ষা মাত্র ।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২১
রাজনীতি

রাজ্যে বিজেপিতে বিধায়ক ২৭জন!

এই মূহুর্তে বিজেপির মোট বিধায়কের সংখ্যা কত? সংখ্যাটা শুনলে হিসেব গুলিয়ে যেতে বাধ্য। অন্য দল থেকে যোগ দেওয়ার পর এরাজ্যে বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা পৌঁছেছে ২৭-এ। যোগদানকারীদের মধ্যে তৃণমূল, সিপিএম ও কংগ্রেসের বিধায়ক রয়েছেন। তবে সব থেকে বেশি বিধায়ক এসেছেন তৃণমূল কংগ্রেস থেকে। এছাড়া রাজ্যের তিনজন প্রাক্তন মন্ত্রী যোগ দিয়েছেন পদ্ম শিবিরে।২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনে এরাজ্যে বিজেপি মাত্র ৩ আসনে জয় পেয়েছিল। খড়্গপুর থেকে জয় পান বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। লোকসভায় প্রার্থী হওয়ার জন্য বিধায়ক পদ ছাড়তে হয় দিলীপ ঘোষকে। তখন বিধায়ক সংখ্যা কমে দাঁড়ায় দুইয়ে। তারপর ২০১৯ উপনির্বাচনে আরও ৪ আসনে জয়লাভ করে পদ্মশিবির। মোট বিধায়ক সংখ্যা দাঁড়িয়েছিল ৬-এ। উল্লেখ্য, ২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনে এখন সেই দলে রয়েছে মোট ২৭ জন বিধায়ক। আর দুজন প্রাক্তন বিধায়ক। শুভেন্দু অধিকারী ও রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। এঁরা প্রথমে মন্ত্রিত্ব ও পরে বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন।তৃণমূল থেকে ১৫জন বিধায়ক এসেছেন পদ্মশিবিরে। কংগ্রেস থেকে ৩জন। ২জন সিপিএম থেকে ও সিপিআইয়ের ১ জন। এর মধ্যে দিপালী বিশ্বাস সিপিএম থেকে ভায়া তৃণমূল হয়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। কংগ্রেসের দুলাল বর তৃণমূল হয়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। দলে যোগদান করে এখন বিজেপির বিধায়ক ২৭ জন। বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পায় কীনা সেটাই দেখার।কংগ্রেস এখনও বিধানসভায় বিরোধী দল। এই দলের অধিকাংশ বিধায়ক লিখিতভাবে কংগ্রেসে থাকলেও তৃণমূল ও বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর রাজ্যে এখন কংগ্রেসের বিধায়ক সংখ্যা কত? তা বলতে হিমসিম খাবে রাজ্য কংগ্রেস নেতৃত্ব। তৃণমূলে একদিকে যেমন অন্য দল থেকে বিধায়ক এসে যোগ দিয়েছে, ঘাসফুল থেকেও একটা অংশ বিজেপিতে গিয়ে ভিড়ছেন।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২১
কলকাতা

'আসল পরিবর্তন'-এর ডাক রাজীবের

রবিবার ডুমুরজলা থেকে ফের একবার পরিবর্তনের ডাক দিলেন সদ্য বিজেপিতে যোগ দেওয়া রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। স্লোগান তুললেন চলুন পাল্টাই। নাম না করেই নিজের পুরনো দলের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ করেন তিনি।রাজ্যের বেকারত্ব ইস্যু থেকে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতি সরকারের বঞ্চনা, একের পর এক প্রসঙ্গে শাসকদলকে কার্যত তুলোধনা করলেন প্রাক্তন বনমন্ত্রী। তাঁর কথায়, রাজ্যে সংখ্যালঘুদের বিজেপির নামে ভয় দেখানো হয়। অথচ সংখ্যালঘুদের জন্য রাজ্যের শাসকদল কোনও কাজই করেনি। তাঁদের উন্নয়ন হয়নি। একই সঙ্গে সকলকে নিয়ে সোনার বাংলা তৈরির ডাক দিলেন রাজীব।তাঁর কথায়, ২০১১ সালে রাজ্যে আসল পরিবর্তন হয়নি। এবার হবে আসল পরিবর্তন।দিল্লি গিয়ে বিজেপির প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতির হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন রাজীব-সহ পাঁচ তৃণমূল নেতা। তারপরই থেকেই ডুমুরজলার হাইভোল্টেজ সভার দিকে নজর ছিল সকলের। সেই সভামঞ্চ থেকে কেন্দ্র-রাজ্য সম্পর্ক নিয়ে বাম ও তৃণমূল সরকারের তীব্র সমালোচনা করেন রাজীব। তাঁর কথায়, কেন্দ্রের সঙ্গে ঝগড়া করে রাজ্যের উন্নয়ন সম্ভব নয়। গত ৩৪ বছর ধরে বাম সরকার কেন্দ্রের সঙ্গে সদ্ভাব বজায় রাখেনি। ক্ষমতায় আসার পর সেই ধারা বজায় রাখল তৃণমূলও। তাই কেন্দ্র ও রাজ্যে একই সরকারকে ক্ষমতাসীন করার ডাক দিলেন রাজীব। তাঁর কথায়, বাংলায় ডাবল ইঞ্জিন সরকার হবে।পাশাপাশি পুরনো দলের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্যসাথী-দুয়ারে সরকার প্রকল্প নিয়েও সরব হয়েছেন রাজীব-শুভেন্দু। যৌথভাবে তাঁদের অভিযোগ, গত ১০ বছরে রাজ্য সরকারের কোনও প্রকল্পের সুবিধা পায়নি আমজনতা। তাই এবার দুয়ারে সরকার প্রকল্প আনতে হচ্ছে। পাড়ায়-পাড়ায় সমস্যা ছিল এতদিন। তাই এখন সেই সমস্যা সমাধান করতে পাড়ায়-পাড়ায় সমাধান করতে হচ্ছে। স্বাস্থ্যসাথী কার্ডকে ভোট কার্ড বলেও কটাক্ষ করেন শুভেন্দু অধিকারী।

জানুয়ারি ৩১, ২০২১
কলকাতা

রাজীবের সঙ্গী হচ্ছেন টলি অভিনেতাও!

আজই বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন রুদ্রনীল ঘোষও। শোনা যাচ্ছে, আজই গেরুয়া শিবিরে যোগ দিতে বিশেষ বিমানে করে দিল্লি যাচ্ছেন অভিনেতা। বিশেষ বিমানে করে দিল্লি যাওয়ার কথা ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। জানা গিয়েছে, গতকাল রাতে রাজীবকে নিজে ফোন করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। দিল্লিতে গিয়ে যোগদানের প্রস্তাব দেন তিনি। দিল্লিতে গিয়ে বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন তৃণমূলের আরও তিন বিক্ষুব্ধ নেতা বৈশালী ডালমিয়া, রথীন চক্রবর্তী এবং প্রবীর ঘোষালও। সক্রিয় রাজনীতিতে আসতে চান। একথা আগেই জানিয়েছিলেন রুদ্রনীল ঘোষ। কিছুদিন আগে অভিনেতার সঙ্গে দেখা করেছিলেন বিজেপির যুব মোর্চার সাধারণ সম্পাদক শঙ্কুদেব পণ্ডা। সূত্রের খবর, সেখানেই শঙ্কু রুদ্রনীলকে বিজেপিতে যোগদানের প্রস্তাব দেন। এরই মধ্যে এক বন্ধুর জন্মদিনের অনুষ্ঠানে তাঁর সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর দেখা হয়েছিল। সেই বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে অভিনেতা জানিয়েছিলেন, প্রাক্তন তৃণমূল ও বর্তমান বিজেপি নেতা তাঁর খুবই পছন্দের মানুষ। শুভেন্দুর কাজের ধরনও রুদ্রনীলের পছন্দ। সেখানেই দুজনের মধ্যে বেশ কিছুক্ষণ কথা হয়। রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বিশেষ বিমানে দিল্লিতে গিয়েছেন বালির বিধায়ক বৈশালী ডালমিয়া, হাওড়ার প্রাক্তন মেয়র ডাঃ রথীন চক্রবর্তী ও উত্তরপাড়ার তৃণমূল বিধায়ক প্রবীর ঘোষাল। এছাড়াও এদিন বিজেপিতে যোগ দিচ্চেন নদিয়ার অপসারিত তৃণমূল জেলা সহসভাপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়।

জানুয়ারি ৩০, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 66
  • 67
  • 68
  • 69
  • 70
  • 71
  • 72
  • ...
  • 81
  • 82
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

নতুন মাসেই বড় ধাক্কা, অটো গ্যাসের দামে লাফ—আবার কি বাড়বে ভাড়া?

নতুন মাস শুরু হতেই মূল্যবৃদ্ধির ধাক্কা অনুভব করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম বাড়ার পাশাপাশি অটোতে ব্যবহৃত গ্যাসের দামও বেড়েছে। লিটার প্রতি অটো গ্যাসের দাম বেড়েছে ৬ টাকা ৪৪ পয়সা। ফলে নতুন দাম দাঁড়িয়েছে লিটার প্রতি ৮৯ টাকা ৪০ পয়সা। এর ফলে অটো ভাড়া আবার বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।কিছুদিন আগেও এই গ্যাসের দাম অনেক কম ছিল। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির প্রভাব পড়ে জ্বালানির দামে বৃদ্ধি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এক মাস আগেও জ্বালানি পাওয়ার আশঙ্কায় বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে অটোর দীর্ঘ লাইন দেখা গিয়েছিল।এর আগে জ্বালানির দাম বাড়ার কারণে বিভিন্ন রুটে অটো ভাড়া ৩ থেকে ৫ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল। এখন আবার দাম বাড়ায় নতুন করে ভাড়া বৃদ্ধির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।অটোচালকদের একাংশ জানিয়েছেন, আপাতত ভাড়া বাড়ানোর কথা ভাবছেন না, তবে গ্যাসের দাম কমলে তাঁদের সুবিধা হবে। অন্যদিকে কিছু চালক বলছেন, ইতিমধ্যেই ভাড়া বেড়েছে এবং পরিস্থিতির কারণে আরও বাড়ানো প্রয়োজন হতে পারে।রাজনৈতিক মহলেও এই বিষয় নিয়ে প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের এক নেতা জানিয়েছেন, ভোটের পরেই গ্যাসের দাম বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় প্রভাব পড়বে এবং খরচ আরও বাড়বে।

মে ০১, ২০২৬
রাজ্য

কাল ফের ভোট ১৫ বুথে, ডায়মন্ড হারবার-মগরাহাটে বড় সিদ্ধান্ত—কোন কেন্দ্রে কী ঘটেছিল জানেন?

শনিবার রাজ্যে দ্বিতীয় দফার বিধানসভা ভোটের পুনর্নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। জানা গিয়েছে, মোট ১৫টি বুথে পুনর্নির্বাচন হবে। এই সব বুথই ডায়মন্ড হারবার এবং মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত। এছাড়াও ফলতার একটি বুথে পুনর্নির্বাচনের সম্ভাবনা থাকলেও তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। আপাতত ১৫টি বুথে ভোট হওয়া নিশ্চিত।পুনর্নির্বাচনের পিছনে একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। এর মধ্যে রয়েছে ভোটারদের ভয় দেখানো এবং বুথে টেপ লাগানোর মতো অভিযোগ। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, যেসব বুথে টেপ লাগানোর অভিযোগ উঠেছে, সেখানে কিছু ক্ষেত্রে ওয়েব কাস্টিংয়ের ফুটেজ পাওয়া যায়নি। এই কারণেই পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে এবারের নির্বাচনে ভোটদানের হার নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে। ২০২১ সালের তুলনায় প্রায় ৩৪ লক্ষ বেশি ভোটার এবারে ইভিএমে ভোট দিয়েছেন। আগে যেখানে প্রায় ৫ কোটি ৯৮ লক্ষ মানুষ ভোট দিয়েছিলেন, এবার সেই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে প্রায় ৬ কোটি ৩১ লক্ষ। বিশেষ সংশোধনের ফলে বহু নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ার পরেও ভোটের সংখ্যা বেড়েছে।ফলে প্রশ্ন উঠছে, এই অতিরিক্ত ৩৪ লক্ষ ভোট কোথায় গেল। প্রায় ৯৩ শতাংশ রেকর্ড ভোটদানের পিছনে শুধু ভুয়ো ভোটার বাদ পড়াই নয়, প্রকৃত ভোটারের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এই বিষয়টি নিয়ে এখন রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

মে ০১, ২০২৬
কলকাতা

গণনার আগে কড়া নজর, মমতা-অভিষেকের বৈঠকে ঠিক হচ্ছে বড় কৌশল

ভোটের ফল ঘোষণার আগে স্ট্রংরুমের নিরাপত্তা নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস ও নির্বাচন কমিশনের সংঘাত চরমে উঠেছে। বৃহস্পতিবার রাতে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্র এবং ভাবানীপুরে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তার পর থেকেই আরও সতর্ক হয়ে উঠেছে তৃণমূল শিবির। পরিস্থিতির উপর নজর রাখতে কালিঘাটে বৈঠকে বসেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।সোমবার ফল ঘোষণা হওয়ার কথা। তার আগে কোনওরকম ঝুঁকি নিতে চাইছে না তৃণমূল নেতৃত্ব। রাজ্যজুড়ে স্ট্রংরুমের অবস্থা, সেখানে নজরদারি এবং গণনার দিনের পরিকল্পনাসব কিছু নিয়েই বিস্তারিত আলোচনা চলছে এই বৈঠকে। মমতা ও অভিষেক দুজনেই পুরো পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছেন।শনিবার কাউন্টিং এজেন্টদের নিয়ে বৈঠক করবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগেই কাউন্টিং এজেন্টদের জন্য বিশেষ বার্তা দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার সকাল থেকেই বিভিন্ন কেন্দ্রে প্রার্থীরা গিয়ে সিসিটিভি ফুটেজ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখছেন।উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার রাতে শ্যামপুকুর ও বেলেঘাটা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী শশী পাঁজা ও কুণাল ঘোষ অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের অনুপস্থিতিতে বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনের কিছু আধিকারিক ইভিএম খোলার চেষ্টা করছেন। এর প্রতিবাদে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের বাইরে ধর্নায় বসেন তারা।যদিও নির্বাচন কমিশন এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল জানিয়েছেন, সমস্ত ইভিএম সম্পূর্ণ সুরক্ষিত রয়েছে।

মে ০১, ২০২৬
কলকাতা

ক্ষুদিরাম থেকে শাখাওয়াত, সর্বত্র কড়া পাহারা—কারচুপির আশঙ্কায় চরম সতর্কতা

বঙ্গের ভোট রাজনীতিতে এবার স্ট্রংরুম ঘিরে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত থেকেই একাধিক জায়গায় উত্তেজনা ছড়ায়। প্রথমে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্র, পরে শাখাওয়াত মেমোরিয়ালদুই জায়গাতেই উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি হয়। একদিকে তৃণমূলের কুণাল ঘোষ ও শশী পাঁজা ধর্নায় বসেন, অন্যদিকে সেখানে উপস্থিত হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গভীর রাত পর্যন্ত স্ট্রংরুমের বাইরে টানটান পরিস্থিতি ছিল। তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে চাপানউতোর চলতে থাকে। শুক্রবার সকালেও সেই উত্তেজনা বজায় রয়েছে।সকালে আবার ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে পৌঁছন কুণাল ঘোষ ও শশী পাঁজা। অন্যদিকে বিজেপির এজেন্টরাও স্ট্রংরুমের বাইরে উপস্থিত হয়ে পাহারা দিচ্ছেন বলে দাবি করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, কোনওরকম অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতেই তাঁরা সেখানে রয়েছেন।গতকালের ঘটনার পর স্ট্রংরুমগুলোর নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। শাখাওয়াত মেমোরিয়ালে গতরাতে গিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি ইভিএম কারচুপির অভিযোগ তুলেছিলেন, যদিও নির্বাচন কমিশন সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। প্রায় চার ঘণ্টা সেখানে থাকার পর তিনি বেরিয়ে এসে নিরাপত্তা বাড়ানোর কথা বলেন এবং প্রয়োজনে প্রার্থীদের নিজেদের ইভিএম পাহারা দেওয়ার পরামর্শ দেন। তিনি আরও বলেন, সংবাদমাধ্যমের জন্য সিসিটিভি দেখার ব্যবস্থা করা উচিত।এই ঘটনার পর শাখাওয়াত মেমোরিয়ালে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়েছে। ভিতরে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রয়েছে এবং বাইরে পুলিশ পুরো এলাকা ঘিরে রেখেছে। স্কুলের আশেপাশে প্রবেশের উপর কড়া নিয়ন্ত্রণ জারি হয়েছে এবং নির্দিষ্ট দূরত্বের মধ্যে ঢুকতে পরিচয়পত্র দেখাতে হচ্ছে।ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রেও একই রকম কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সেখানে কলকাতার সাতটি বিধানসভা কেন্দ্রের স্ট্রংরুম রাখা হয়েছে। পুরো এলাকাকে প্রায় দুর্গে পরিণত করা হয়েছে। গার্ডরেল দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছে এবং ভিতরে ঢোকার আগে কড়া তল্লাশি করা হচ্ছে। পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী যৌথভাবে নজরদারি চালাচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে গণনার আগে স্ট্রংরুম ঘিরে উত্তেজনা আরও বাড়ছে এবং রাজনৈতিক মহলে উদ্বেগও বাড়ছে।

মে ০১, ২০২৬
রাজ্য

স্ট্রংরুমে হঠাৎ সিসিটিভি বন্ধ, কালনায় চাঞ্চল্য—রাত পাহারায় নামলেন প্রার্থী

দলীয় নেতা-কর্মীদের স্ট্রংরুম পাহারা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই অনুযায়ী বিভিন্ন জেলায় সতর্ক রয়েছেন দলের কর্মীরা। এই পরিস্থিতিতে কালনায় স্ট্রংরুমের সিসিটিভি ক্যামেরা দুই মিনিট বন্ধ থাকার ঘটনায় নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছন পূর্বস্থলী দক্ষিণ কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী স্বপন দেবনাথ। তিনি নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানান। তাঁর দাবি, দুই মিনিট সময় খুবই গুরুত্বপূর্ণ, এই সময়ের মধ্যেই অনেক কিছু ঘটে যেতে পারে। এরপর তিনি জানান, এখন থেকে তিনি নিজে রাতেও সেখানে পাহারা দেবেন।কালনা কলেজে চারটি বিধানসভা কেন্দ্রের স্ট্রংরুম রাখা হয়েছে। এই কেন্দ্রগুলি হল কালনা, মন্তেশ্বর, পূর্বস্থলী উত্তর এবং পূর্বস্থলী দক্ষিণ। অভিযোগ, গতকাল সন্ধ্যার কিছু আগে প্রায় দুই মিনিট সিসিটিভি বন্ধ ছিল। দলের স্বেচ্ছাসেবকদের কাছ থেকে খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছে পুলিশকে কারণ জানতে চান স্বপন দেবনাথ। তিনি বলেন, বড় কোনও ঘটনা ঘটতে খুব বেশি সময় লাগে না, এক মুহূর্তই যথেষ্ট, তাই কেন এই সময় ক্যামেরা বন্ধ ছিল তা স্পষ্ট করা দরকার।অন্যদিকে এই ঘটনা নিয়ে তৃণমূলকে কটাক্ষ করেছে বিজেপি। কালনার বিজেপি প্রার্থী সিদ্ধার্থ মজুমদার বলেন, যদি এমন ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে এত দেরিতে কেন সেখানে পৌঁছলেন তৃণমূল প্রার্থী। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল এখন অজুহাত খুঁজছে। তিনি দাবি করেন, মানুষের মধ্যে এমন ধারণা তৈরি হয়েছে যে এই কেন্দ্রে বিজেপি এগিয়ে রয়েছে।

মে ০১, ২০২৬
দেশ

নর্মদায় ভয়াবহ বিপর্যয়! পর্যটকভর্তি প্রমোদতরী ডুবে মৃত্যু, আতঙ্কে দেশ

আনন্দময় ভ্রমণ মুহূর্তে পরিণত হল ভয়াবহ দুর্ঘটনায়। মধ্যপ্রদেশে (Madhya Pradesh) নর্মদা নদীর জলাধারে ডুবে গেল একটি পর্যটকভর্তি প্রমোদতরী। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত অন্তত ছয় জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। নৌকাটিতে প্রায় তিরিশ জন পর্যটক ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। এর মধ্যে পনেরো জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। বাকি কয়েকজনের খোঁজে এখনও জোর তল্লাশি চলছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে (Madhya Pradesh)।প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, নৌকাটি যখন জলাধারের মাঝামাঝি পৌঁছেছিল, তখন হঠাৎ আবহাওয়া খারাপ হয়ে যায়। প্রবল ঝড়ো হাওয়া শুরু হয়। সেই সময় ভারসাম্য হারিয়ে নৌকাটি একপাশে কাত হয়ে জলের মধ্যে ডুবে যায়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় উদ্ধারকারী দল। ডুবুরিরা জল থেকে একে একে যাত্রীদের উদ্ধার করতে শুরু করেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে (Madhya Pradesh)।উদ্ধারকাজ তদারকি করছেন জব্বলপুর জেলার প্রশাসনিক আধিকারিকরা। প্রথমে স্থানীয় দল উদ্ধারকাজ শুরু করলেও পরে রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীও ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। রাত নেমে এলেও বাকি নিখোঁজদের খোঁজে অভিযান চালানো হচ্ছে। এই দুর্ঘটনায় গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
কলকাতা

স্ট্রংরুম ঘিরে বিস্ফোরক পরিস্থিতি! মুখোমুখি তৃণমূল-বিজেপি, উত্তপ্ত কলকাতা

ভোট শেষ হতেই ইভিএম নিরাপত্তা নিয়ে উত্তেজনা চরমে উঠেছে। কলকাতার ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের সামনে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়ে যায় তৃণমূল ও বিজেপি। দুই পক্ষের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে স্ট্রংরুমের বাইরে ধর্নায় বসেন তৃণমূলের প্রার্থী শশী পাঁজা ও কুণাল ঘোষ।ধর্না শেষে তাঁরা বাইরে বের হতেই বিজেপি কর্মীদের বিক্ষোভ শুরু হয়। কেন তৃণমূলকে ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে, এই প্রশ্ন তুলে ক্ষোভ দেখান বিজেপি সমর্থকরা। শুধু কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে নয়, দুই দলের প্রার্থীদের মধ্যেও তুমুল বাকবিতণ্ডা শুরু হয়ে যায়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন তাপস রায় ও সন্তোষ পাঠক।এদিকে তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, ভবানীপুরের শেখাওয়াত মেমোরিয়ালে পৌঁছে গিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই রয়েছে ভোট শেষে রাখা ইভিএম। এর আগে তিনি ইভিএম বদলের আশঙ্কা প্রকাশ করে কর্মীদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তাঁর এই বক্তব্যের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।রাতের দিকে খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছন বিরোধী দলের প্রতিনিধিরাও। তাঁদের সঙ্গে পুলিশের বচসার ঘটনাও সামনে এসেছে। অন্যদিকে ফিরহাদ হাকিম জানান, তিনি ঘটনাস্থলে গেলেও ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি।এর আগে মমতা কর্মীদের স্পষ্ট বার্তা দিয়েছিলেন, স্ট্রংরুম থেকে গণনাকেন্দ্র পর্যন্ত প্রতিটি মুহূর্ত নজরে রাখতে হবে। কোনও অবস্থাতেই ঢিলেমি করা যাবে না। গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কাউকে দায়িত্ব ছেড়ে না যাওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। তাঁর কথায়, বাংলার মানুষের অধিকার রক্ষার জন্য এই শেষ লড়াইটুকুও লড়তে হবে।এই ঘটনাকে ঘিরে এখন রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। ভোটের ফল ঘোষণার আগে ইভিএম নিরাপত্তা নিয়ে এই টানাপোড়েন নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
কলকাতা

অশান্তিতে জ্বলছে বাংলা! ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা, বড় পদক্ষেপ কমিশনের

দ্বিতীয় দফার ভোট শেষ হতেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে অশান্তির খবর সামনে এসেছে। এই পরিস্থিতিতে ভোট-পরবর্তী হিংসা আটকাতে কড়া পদক্ষেপ নিতে চাইছে নির্বাচন কমিশন । বৃহস্পতিবার প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করে বাংলার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল স্পষ্ট নির্দেশ দেন, যারা অশান্তি ছড়িয়েছে, তাদের আজ রাতের মধ্যেই গ্রেফতার করতে হবে।বুধবার ভোট শেষ হওয়ার পর থেকেই একাধিক এলাকায় রাজনৈতিক সংঘর্ষের অভিযোগ উঠেছে। সেই কারণে আগাম সতর্ক হয়ে উঠেছে কমিশন । বৈঠকে জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গে আলোচনা হয় মূলত ভোট-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, ভোটের মতোই ভোটের পরের পরিস্থিতিতেও কঠোর নজরদারি রাখতে হবে। কোনও অশান্তি হলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিতে হবে। যারা গোলমাল করে পালিয়ে রয়েছে, তাদের খুঁজে বের করে দ্রুত গ্রেফতারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ভোট শেষ হলেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঢিলেঢালা করা যাবে না। রাজ্যে এখনও ৭০০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন রাখা হয়েছে। গণনার দিন এবং তার পরেও নিরাপত্তা যেন কোনওভাবেই বিঘ্নিত না হয়, সে দিকেও বিশেষ নজর রাখতে বলা হয়েছে ।উল্লেখ্য, দ্বিতীয় দফার ভোটের পর কলকাতার বেহালা ও গড়িয়া-সহ একাধিক জায়গা থেকে অশান্তির খবর পাওয়া গিয়েছে। জেলার বিভিন্ন অংশ থেকেও একই ধরনের অভিযোগ এসেছে। ২০২১ সালের ভোটের পরেও রাজ্যে হিংসার অভিযোগ উঠেছিল। সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়েই এবার আগে থেকেই কড়া অবস্থান নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal