• ১৬ চৈত্র ১৪৩২, সোমবার ৩০ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Balurghat

রাজ্য

পুলিশ এলেই বদলে গেল কনের মুখ! নাবালিকা ছোট মেয়েকে বদলে মেজ মেয়েকে পাত্রী করল পরিবার

নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও নাবালিকা মেয়ের গোপন বিয়ের আয়োজন করে বালুরঘাটে চাঞ্চল্য ছড়াল। অভিযোগ, প্রথমবার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গেলে পরিবার আসল কনেকে লুকিয়ে ফেলে এবং তার বদলে মেজো মেয়েকে শাখা-পলা পরিয়ে সামনে দাঁড় করিয়ে নাবালিকা বিয়ের বিষয়টি আড়াল করার চেষ্টা করে। সেই সময় কোনও প্রমাণ না পেয়ে পুলিশ খালি হাতেই ফিরে আসে, তবে পরিবারকে কড়া সতর্কবার্তা দিয়ে যায়।কিন্তু অভিযোগ, সেই নির্দেশ অমান্য করে পরিবার রাতেই ফের নাবালিকার বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। খবর পেয়ে শুক্রবার রাতে পুলিশ, ডিএলএসএ এবং প্রশাসনের কর্মীরা একযোগে সেখানে পৌঁছে পুরো অনুষ্ঠান থামিয়ে দেয় এবং নাবালিকাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পরে চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটির নির্দেশে তাকে মালদা হোমে পাঠানো হয়। শনিবার সকালে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়। পরে পরিবার নিজেদের ভুল স্বীকার করে এবং লিখিতভাবে জানায় যে মেয়ের বয়স ১৮ না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেওয়া হবে না।জানা গিয়েছে, বালুরঘাট পুরসভার ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের একাদশ শ্রেণির ওই ছাত্রীর সঙ্গে স্থানীয় এক যুবকের বিয়ের আয়োজন ছিল শুক্রবার। দুই বাড়িতেই বিয়ের প্রস্তুতি সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছিলমেয়ের বাড়িতে রান্না তৈরি, আর ছেলের বাড়িতে ডিজে বক্স, প্যান্ডেল সবই প্রস্তুত। কিন্তু নাবালিকার বয়স ১৮ না হওয়ায় ছেলের পরিবার আপত্তি জানায়।অভিযোগ, পুলিশের প্রথম নিষেধাজ্ঞার পরও মেয়ের পরিবার ছেলেকে ভয় দেখিয়ে বিয়েতে রাজি করানোর চেষ্টা করে। ঠিক সেই সময়ই আবার পুলিশ গিয়ে পুরো কারসাজি ধরে ফেলে এবং অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেয়। বিয়ে বাতিল হওয়ায় মাইক-প্যান্ডেল ব্যবসায়ীরাও ক্ষতিপূরণ না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, নাবালিকা বিয়ে রুখতে সচেতনতা শিবির আরও জোরদার করা হবে।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২৫
রাজ্য

বাংলার রামনবমী নিয়ে বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদী, বালুঘাটে বোল্লাকালীকে স্মরণ

লোকসভা ভোটের আবহে রাম নবমীকে কেন্দ্র করে তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা। বুধবার রাম নবমী। তার আগে মঙ্গলে উত্তরবঙ্গের প্রচারে মমতা-মোদীর মুখে উঠে এল রাম নবমী প্রসঙ্গ। জলপাইগুলিতে মুখ্যমন্ত্রীর সতর্কবাণী- বুধবার রামনবমীর দিন বিজেপি অশান্তি করতে পারে। সংখ্যালঘু ভাইয়েরা অশান্তি বাড়তে দেবেন না। এর পাল্টা বালুরঘাটে বঙ্গ বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের সমর্থনে প্রচারে মুখ খুললেন প্রধানমন্ত্রী।এ দিনও বাংলায় প্রচার শুরু করেন নরেন্দ্র মোদী। বলেন, নমস্কার! কেমন আছেন বালুরঘাটবাসী? আপনাদের সকলকে আমার বিনম্র প্রণাম। এরপরই বালুরঘাটবাসীর আবেগকে গুরুত্ব দিতে শরণ করেন মা বোল্লা কালীকে। বলেন, আমি মা বোল্লা কালীকে প্রণাম জানাই।তারপরই মোদী তৃণমূলকে তুলোধনা করে রাম নবমী প্রসঙ্গ মুখ খোলেন। তিনি বলেন, আজ মহাষ্টমী। কাল সমগ্র দেশ রাম নবমী পালন করবে। এইবার প্রথম রাম নবমী যখন অযোধ্যায় ভব্য রাম প্রতিষ্ঠা হয়েছে। রাম নবমীকে রুখে দেওয়ার জন্য তৃণমূল বহু প্রচেষ্টা করেছে। কিন্তু জয় সত্যের হয়। তাই কোর্টের অনুমতিও পাওয়া গেছে। মানুষের উৎসাহ আর মা বোনদের আশীর্বাদ এটাই প্রমাণ করে বাংলায় জিত হবে বিকাশের। সবাই আজ বলছে ৪ জুন ৪০০ পার। রাম নবমীর দিন দেশজুড়ে শোভাযাত্রা বের হবে বলেও ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী।প্রচারে অহরহ রাম নবমীকে বিজেপির দাঙ্গা করার দিন বলে তোপ দেগেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তারই পাল্টা হিসাবে এবার রাম নবমীর আগের দিন বাংলায় এসে যেন রাজ্যের বিজেপি কর্মীদের তাতিয়ে দিয়ে গেলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী।এ দিনও প্রচারে সন্দেশখালি ও সিএএ প্রসঙ্গের অবতারণা করেন নরেন্দ্র মোদী। বলেন, আমাদের বিজেপি কর্মীরা নিত্যদিন অত্যাচারিত, খুন হচ্ছেন। সন্দেশখালির ঘটনা সমগ্র দেশ দেখেছে কিভাবে তৃণমূল শেষ পর্যন্ত চেষ্টা করেছে অপরাধীদের বাঁচানোর। সরকারি জায়গাগুলি তৃণমূলের দুর্নীতির আখড়া হয়ে গেছে। প্রাইমারি শিক্ষা ব্যবস্থায় দুর্নীতি হচ্ছে। কেন্দ্রীয় আধিকারিকরা কোথাও গেলে তাদের উপর হামলা চালানো হচ্ছে।সংশোধিত নাগিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে মমতা সরকার। পাল্টা মোদীর দাবি, পশ্চিমবঙ্গ সরকার অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় দিচ্ছে আর শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার আইন সিএএ-এর এর বিরোধিতা করছে। তৃণমূলের মিথ্যা গুজবে কান দেবেন না। তৃণমূলের পাপের সাজা দিন পদ্মফুলে ছাপ দিয়ে।পাশাপাশি নিজের সরকারের সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরে প্রধামন্ত্রী বলেন, ৭০ বছরের বেশি সকল বয়স্কের আয়ুষ্মান ভারতের মাধ্যমে বিনামূল্যে চিকিৎসা মিলবে। এই সব সিদ্ধান্তের ফলে বাংলার গরীব, আদিবাসী, মহিলাদের উপকার হবে। গ্যারান্টি আসার পর তৃণমূল আরও বেশি ঘেঁটে গেছে। ওরা ভাবছে এতদিন পর্যন্ত তো মানুষকে আমরা কেন্দ্রের সুবিধা থেকে বঞ্চিত করেছি।বালুরঘাটবাসীকে মোদীর আশ্বাস, বিগত ১০ বছরে বিজেপি বালুরঘাটের উন্নতির জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করছে। বালুরঘাট স্টেশনকে অমৃত ভারত স্টেশনের অন্তর্ভুক্ত করেছে। একাধিক নতুন ট্রেন দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার বালুরঘাট এয়ারপোর্টের জন্য অনেক চেষ্টা করেছে। কিন্তু এখানে তৃণমূল সরকারের ইচ্ছেই নেই বালুরঘাটের উন্নতি করার। বন্দে ভারত ও উন্নত হাইওয়ে এখানের সমগ্র অঞ্চলের উন্নতি করবে। আপনার স্বপ্ন আমার সংকল্প। ভাই বোন আপনাকে আমি কথা দিচ্ছি আপনার স্বপ্ন সফল করার জন্য আমি নিবেদিত।

এপ্রিল ১৭, ২০২৪
দেশ

মাত্র আড়াই বছর বয়সে অনর্গল বৈদিক মন্ত্র উচ্চারন, নাম উঠল ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডসে

বয়স মাত্র আড়াই, মুখে আধো আধো কথা। আর তাতেই বাজিমাৎ। এই বয়সেই নিজের মেধা দিয়ে ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডসে নাম তুলল ছোট্ট প্রত্যয়ী সরকার, কী রেকর্ড তাঁর?শিশুদের বইয়ে থাকা পশু, পাখি, ফুল, ফল, ইংরেজী অক্ষর ও বৈদিক মন্ত্র অনর্গল বলে যায় বছর আড়াইয়ের প্রত্যয়ী। এরপরেই পরিবারের মনে উৎসাহ জাগে ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডসে নাম তোলার। তারা সেইমত ক্লিপ পাঠায় সেখানে এবং সেই ক্লিপিং পাঠানোর পর গতকাল সুসংবাদটি জানায় কতৃপক্ষ। বালুরঘাট শহরের উত্তমাশা পাড়ার বাসিন্দা প্রবীর সরকার ও পরিনীতা সরকারের একমাত্র মেয়ে প্রত্যয়ী। মাত্র আড়াই বছর বয়েসেই নাম উঠল ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডসে। দুবছর বয়স থেকে মা পরিনীতা সরকারের কাছে থেকে পাঠ শুরুপ্রত্যয়ীর । এখন তার বয়স আড়াই। কিন্তু এর মধ্যেই বাংলা ইংরেজি ভাষা মিলিয়ে ৫৩টি কবিতা তার মুখস্থ। শুধু তাইই নয় বছরের চারটে ঋতু, দিন, মাসের নাম মুখস্থ।পাশাপাশি ছবি দেখে এক নিমেষেই বলে দিতে পারে শিশুদের বইয়ে থাকা পশু, পাখি, সব্জি, ফুল, ফল, বৈদুতিক সরঞ্জাম সহ আসবাব পত্রের নাম। এরপরেই মনে উৎসাহ জাগে ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডসে নাম তোলার। পেশায় স্কুল টিচার প্রত্যয়ীর বাবা প্রবীর সরকার জানান তারপরেই সুযোগ বুঝে গত ১৬ জুলাই আবেদন করে পরিবার। যা নিশ্চিত হয় ২ ৫ জুলাই। এরপরে ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডসের শংসাপত্র-সহ মেডেল আসে অঙ্কিতের বাড়িতে। তাই দেখেই খুশি পরিবারের লোকজন।ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস অসাধারণ কীর্তি... সুত্রে পাওয়া তথ্য অনুসারে প্রত্যয়ী A-Z থেকে বর্ণমালার অক্ষর শনাক্ত করার জন্য (উপর এবং ছোট হাতের), 12টি ফুল, 12টি পোকামাকড়, 47টি পাখি, 15টি ফল, 5টি বাদ্যযন্ত্রের জন্য প্রশংসিত হয়েছেন। , 5 সহকারী, 6টি গাড়ি, শরীরের অংশ, 10টি জ্যামিতিক আকার, 6টি খেলাধুলা, 14টি বৈদ্যুতিক এবং কম্পিউটারের অংশ, 2টি ইংরেজি কবিতা, 42টি প্রাণী, 35টি শাকসবজি, 4টি উত্সব এবং 2 বছর 3 মাস বয়সে 6টি ঋতু , 25 জুলাই, 2022-এ নিশ্চিত করা হয়েছে। ইন্ডিয়া বুক ইন্ডিও বুক রেকর্ড করে ,ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২২
রাজ্য

স্বাধীনতার ৭৫ বছর উদযাপনের প্রাক মুহুর্তে বিপ্লবীদের আস্ত্র ভান্ডারের হদিস বালুরঘাটে

বহু বিপ্লবী লড়াই, সংগ্রাম ও আত্মবলিদানের ফলে আমাদের এই দেশমাতৃকা ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতা লাভ করেছে। তারপর থেকে দেশের প্রবাহিত নদীগুলির মধ্যে দিয়ে বহু জল প্রবাহিত হয়েছে। দেশ স্বাধীনতা লাভের ৭৪ টি বসন্ত পার করে ৭৫ তম স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে দাঁড়িয়ে। আর সেই সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে বালুরঘাট শহরের প্রাচীন স্কুলগুলির মধ্যে অন্যতম প্রাচ্য ভারতি স্কুল ভাড়ার ঘর থেকে অনুশীলন সমিতির ব্যবহার করা অস্ত্রশস্ত্রের হদিস মিললো।উল্লেখ্য যে ভারতের স্বাধীনতার ইতিহাসে বালুরঘাট ক্ষুদ্র হলেও অসামান্য অবদান রেখেছে। দেশের পঞ্চম স্থান হিসেবে স্বাধীনতার লাভের আগেই একদিনের জন্য হলেও স্বাধীনতা সংগ্রামীরা ইংরেজদের ইউনিয়ন জ্যাক নামিয়ে বালুরঘাটে তিরাঙ্গা পতাকা উড়িয়েছিলেন। আর সেই সমস্ত ইতিহাস তৈরীর ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা ছিল যুগান্তর, অনুশীলন সমিতির মতো বিপ্লবী সংগঠনগুলির। প্রাচ্যভারতী প্রতিষ্ঠান যা বর্তমানে একটি ক্লাব সংগঠনের পাশাপাশি একটি বিদ্যালয়ের রূপ পেয়েছে সেই প্রাচ্য ভারতীতে ছিল যুগান্তর অনুশীলন সমিতির মতো গোপন বিপ্লবী সংগঠনের আস্তানা।বিপ্লবীদের অনেক অস্ত্র লুকানো থাকতো এই সংগঠনের বিভিন্ন বিভিন্ন জায়গায়। সেই অস্ত্রের কিছু অংশবিশেষ উদ্ধার হল প্রাচ্যভারতীর ভাঁড়ার ঘর থেকে। পাশাপাশি কিছু প্রাচীন মূর্তির ধ্বংসাবশেষ ও উদ্ধার হয় শুক্রবার দুপুরে প্রাচ্য ভারতি স্কুলের ভাড়ার ঘর পরিষ্কার করতে গিয়ে। বিদ্যালয় এর শিক্ষকেরা সেই অস্ত্রশস্ত্র এবং মূর্তিগুলি উদ্ধার করে সযত্নে রেখে দেন। আগামী দিনে এই অস্ত্রশস্ত্র গুলি নিয়ে তারা স্কুলেই একটি ছোট্ট মিউজিয়াম তৈরি করতে চান বলে স্কুলের শিক্ষকরা জানিয়েছেন। স্বাধীনতার ৭৫ তম বর্ষে এই ধরনের স্বাধীনতার কাজের ব্যবহৃত বিভিন্ন জিনিসপত্র খুঁজে পাওয়ার ফলে স্বাধীনতা যুদ্ধে বালুরঘাটের অবদানের ইতিহাস জানতে অনেক শিক্ষকরা আশাবাদি বলে জানান।

আগস্ট ১৩, ২০২২
রাজ্য

শিক্ষিকাকে হেনস্তার প্রতিবাদে বিজেপি বিধায়কের প্রতিবাদ

দক্ষিণ দিনাজপুর: গতকাল দুপুরে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বালুরঘাট বিধানসভার অন্তর্গত হিলি ব্লকের ত্রিমোহিনী উচ্চবিদ্যালয়ে একদল দুষ্কৃতী আচমকা চড়াও হয়ে এক শিক্ষিকাকে মারধর ও তাঁর শ্লীলতাহানি করে। পঞ্চাশোর্ধ শিক্ষিকাকে চরম শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হয়েছে। এই ন্যক্কারজনক ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে ও দোষীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবিতে শনিবার বালুরঘাটের বিধায়ক অশোক কুমার লাহিড়ী দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পুলিশ সুপার রাহুল দের কাছে অভিযোগ পত্র প্রেরণ করলেন। উপস্থিত ছিলেন বিজেপির অন্যান্য নেতৃত্ব। জানা গিয়েছে, ওই উচ্চ বিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে শাসন করাতে ছাত্রীর পরিবার ও অন্যান্য দুষ্কৃতীদের হাতে চরম হেনস্থার শিকার হন ঐ শিক্ষিকা। এদিন তারই প্রতিবাদ জানিয়ে জেলা পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ পত্র প্রেরণ করলেন বিজেপির বালুরঘাট বিধানসভার বিধায়ক।

জুলাই ২৩, ২০২২
রাজ্য

Sanitisation: বালুরঘাটে ড্রোন উড়িয়ে স্যানিটাইজেশন

ড্রোন উড়িয়ে স্যানিটাইজেশন! বালুরঘাটে বিজেপির উদ্যোগে করা হয় এই স্যানিটাইজেশন। বিজেপির দাবি, দ্রুত এলাকা জীবাণুমুক্ত করতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।করোনা মোকাবিলায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার দক্ষিণ দিনাজপুরের জেলা সদর বালুরঘাট শহরে। বুধবার সকালে বালুঘাটের থানা মোড়, প্রশাসনিক ভবন এবং আদালতের সামনে ড্রোন উড়তে দেখে কৌতুহল তৈরি হয় পথচলতি মানুষদের মধ্যে। আর, বিজেপির উদ্যোগে ড্রোনের মাধ্যমে স্যানিটাইজেশন ঘিরেও বেধেছে বিতর্ক। তৃণমূলের অভিযোগ, লোকদেখাতে এসব করছে বিজেপি। দক্ষিণ দিনাজপুর তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা কোঅর্ডিনেটর সুভাষ চাকি বলেছেন, ড্রোন থেকে ধোঁয়া বা ঔষধি জল বের হতে দেখা যায়নি। রাজনীতির স্বার্থেই এটা প্রচার করতে চাইছে বিজেপি, এটা ভাঁওতাবাজির রাজনীতি। সাধারণ মানুষকে ভুল বোঝানোর চেষ্টা করা হয়েছে। করোনা অতিমারিতে তৃণমূলই লাগাতার কাজ করে চলেছে মানুষের জন্য।বিজেপির পাল্টা দাবি, করোনাকালে শহরবাসীকে নিরাপদে রাখতেই এই উদ্যোগ। বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, ড্রোনের মাধ্যমে স্যানিটাইজেশনের কাজ করলে অল্প সময়ে কাজ হয়, আমরা অনুমতি নিয়ে কাজ করেছি। ড্রোনের সাহায্য নিয়ে সমগ্র এলাকায় অতি দ্রুত স্যানিটাইজ করা সম্ভব। বালুরঘাটের পাশাপাশি চকভৃগু এবং গঙ্গারামপুরেও ড্রোন উড়িয়ে স্যানিটাইজেশনের পরিকল্পনা নিয়েছে বিজেপি। তবে ড্রোনের মাধ্যমে স্যানিটাইজেশন নিয়ে কিন্তু চলছে রাজনৈতিক তরজা।

জুন ১৬, ২০২১
রাজ্য

কাটআউটে মোদির পায়ের তলায় মনীষীরা! উত্তেজনা বালুরঘাটে

কাটআউটে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পায়ের তলায় মনীষীদের ছবি। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর থেকে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, ক্ষুদিরাম বসু, ঋষি অরবিন্দ রয়েছে সেই কাটআউটে। বালুরঘাটের বিভিন্ন প্রান্তে এমন কাটআউট ঘিরে ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে বিতর্ক। ঘটনার প্রতিবাদে পথ অবরোধ এবং থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। যদিও ছবির নীচে সৌজন্যে সুকান্ত মজুমদার উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর দাবি, প্রধানমন্ত্রীকে অপমান করতে তৃণমূল ষড়যন্ত্র করে এমন কাজ করেছে। যদিও তৃণমূল সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে।বিষয়টি জানতে পেরেই ঘটনাস্থলে যান সাংসদ-সহ বিজেপি নেতা-কর্মীরা। চরম উত্তেজনা তৈরি হয়। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল নেতৃত্ব এই ঘটনা ঘটিয়েছে। প্রতিবাদে মঙ্গলবার সকালে বোল্লা এলাকায় জাতীয় সড়ক অবরোধ করেন বিজেপি নেতা-কর্মীরা।বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার বলেন, কাটআউটগুলোতে আমার নাম দিয়ে তৃণমূলের পক্ষ থেকে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। যেখানে আমাদের প্রধানমন্ত্রীর কাটআউটে পায়ের নিচে মনীষীদের ছবি রয়েছে। এটা দেশের প্রধানমন্ত্রী এবং মনীষীদের অপমান করা হয়েছে। পাশাপাশি আমাকে এবং বিজেপিকে কালিমালিপ্ত করার চক্রান্ত। আগামী নির্বাচনে তৃণমূল এখানে জয়লাভ করতে পারবে না দেখে এই ধরনের কুৎসা করছে। আমরা বালুরঘাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। অন্যদিকে, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক রাজেন শীল বলেন, তৃণমূলের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে। সাধারণতন্ত্র দিবসের শুভেচ্ছা বার্তার কাটআউট বিজেপির তরফে লাগানো হয়েছে। কিন্ত মানুষের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখেই তারা তৃণমূলের উপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করছে।বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, যে দলই এই কাজ করে থাকুক না কেন, অত্যন্ত নিন্দনীয় কাজ হয়েছে এটি। রাজনীতিতে সম্প্রতি যেভাবে মনীষীদের ব্যহার পরে ফায়দা লোটার চেষ্টা হচ্ছে, তা কখনই গ্রহণযোগ্য নয়।

জানুয়ারি ২৬, ২০২১
স্বাস্থ্য

করোনা আক্রান্ত হলেন বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার।

করোনা আক্রান্ত হলেন বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, সংসদ অধিবেশন শুরুর আগে নির্দেশ অনুসারে কোভিড টেস্ট করার পর আজ রিপোর্ট পজিটিভ আসে। বর্তমানে ১০ দিনের Self Isolation এ আছি। আমি প্রত্যেককে অনুরোধ করছি, গত সাত দিনে আমার সাথে যারা সংস্পর্শে এসেছিলেন অনুগ্রহ করে আপনারা প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করুন। সাবধানে থাকুন, সুস্থ থাকুন।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২০

ট্রেন্ডিং

বিনোদুনিয়া

টলিপাড়ায় গভীর শোকের ছায়া! শুটিঙের মধ্যেই দীঘার সমুদ্রে তলিয়ে গেলেন অভিনেতা!

টলিপাড়ায় নেমে এল গভীর শোকের ছায়া। অকালপ্রয়াণ হল অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়-এর। মাত্র ৪৩ বছর বয়সেই এই মর্মান্তিক ঘটনায় স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে বাংলা বিনোদন জগৎ।দিঘার শুটিংয়ে কী ঘটেছিল?জানা গিয়েছে, রবিবার দিঘা-র তালসারি এলাকায় একটি ধারাবাহিকের শুটিং চলছিল। ভোলে বাবা পার করেগা নামের ওই ধারাবাহিকে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছিলেন রাহুল। শুটিংয়ের মাঝেই তিনি সমুদ্রের জলে নামেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, আচমকাই তিনি জলে তলিয়ে যান।সঙ্গে থাকা টেকনিশিয়ানরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে তীরে নিয়ে আসেন। এরপর তাঁকে তড়িঘড়ি স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু হাসপাতাল সূত্রে খবর, সেখানে পৌঁছানোর আগেই তাঁর মৃত্যু হয়ে যায়। প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, জলে ডুবে যাওয়ার ফলেই এই মর্মান্তিক পরিণতি।সহ-অভিনেতার বক্তব্যধারাবাহিকে রাহুলের জেঠুর চরিত্রে অভিনয় করছিলেন ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, শুটিং প্রায় শেষের দিকেই ছিল এবং প্যাক-আপের পর এই দুর্ঘটনা ঘটে।ভাস্করের কথায়,আমরা সবাই শুটিং সেরে মধ্যাহ্নভোজ করতে গিয়েছিলাম। রাহুল বলেছিল, আরও কয়েকটা শট দিয়ে আসবে। তারপর হঠাৎই এই খবর পাই। বিশ্বাসই করতে পারছি নাএকজন সুস্থ, প্রাণবন্ত মানুষ এভাবে চলে যেতে পারেন!কী নিয়ে ধোঁয়াশা?ঘটনার সঠিক কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। সমুদ্রের স্রোত, অসতর্কতা, নাকি অন্য কোনও কারণসবটাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। শুটিং ইউনিট এবং স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গিয়েছে।শোকস্তব্ধ টলিপাড়ারাহুল অরুণোদয়ের অকাল মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে টলিউডে। সহকর্মী থেকে অনুরাগীসকলেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শোকপ্রকাশ করছেন। একজন প্রতিভাবান অভিনেতার এই আকস্মিক বিদায়ে বাংলা ধারাবাহিক জগতে এক অপূরণীয় শূন্যতা তৈরি হল।এই মর্মান্তিক ঘটনাটি আবারও প্রশ্ন তুলে দিলসমুদ্রতীরবর্তী এলাকায় শুটিংয়ের সময় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা জরুরি। তদন্তের রিপোর্ট সামনে এলেই হয়তো স্পষ্ট হবে, ঠিক কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

ভোটার তালিকা সংশোধন: ১৮ লক্ষ বাদ! ৪০ লক্ষ-র নিষ্পত্তি, এখনও অনিশ্চয়তায় ২০ লক্ষ নাম

রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া জোরকদমে চলছে। প্রায় ৬০ লক্ষ বিবেচনাধীন ভোটারের মধ্যে রবিবার পর্যন্ত প্রায় ৪০ লক্ষের তথ্য যাচাই ও নিষ্পত্তি সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে ইতিমধ্যেই প্রায় ১৮ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। এখনও প্রায় ২০ লক্ষ ভোটারের নাম বিবেচনাধীন রয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, প্রথম দফার ভোটের মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ৬ এপ্রিলের আগেই এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা হবে।এখন পর্যন্ত খসড়া ও চূড়ান্ত তালিকা মিলিয়ে রাজ্যে মোট ৬৩ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৫২ জনের নাম বাদ গিয়েছে। প্রথম অতিরিক্ত তালিকা থেকেই বাদ পড়েছে প্রায় ১২ লক্ষ নাম। Supreme Court of India-এর নির্দেশে এই বিবেচনাধীন ভোটারদের তথ্য যাচাইয়ের কাজ করছেন বিচারকেরা। এই কাজে ভিন্রাজ্য থেকেও বিচারক আনা হয়েছে।২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করে Election Commission of India। তখন বিবেচনাধীন ভোটারের সংখ্যা ছিল ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ৬৭৫। এই বিশাল সংখ্যক আবেদন নিষ্পত্তির দায়িত্বে রয়েছেন মোট ৭০৫ জন বিচারক। কমিশন জানিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে ধাপে ধাপে সংশোধিত তালিকা প্রকাশ করা হচ্ছে। সেই অনুযায়ী ২৩ মার্চ রাতে প্রকাশিত হয় প্রথম অতিরিক্ত তালিকা। যদিও ওই তালিকায় কতজনের নাম যুক্ত বা বাদ পড়েছে, তার বিস্তারিত তথ্য এখনও জানানো হয়নি।এসআইআর শুরুর আগে রাজ্যে মোট ভোটারের সংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ ৩৭ হাজার ৫২৯। খসড়া তালিকা প্রকাশের সময় ৫৮ লক্ষ ২০ হাজার ৮৯৯ নাম বাদ পড়ে এবং মোট ভোটার সংখ্যা দাঁড়ায় ৭ কোটি ৮ লক্ষ ১৬ হাজার ৬৩০। পরে ২৮ ফেব্রুয়ারির চূড়ান্ত তালিকায় আরও ৫ লক্ষ ৪৬ হাজার ৫৩ জনের নাম বাদ যায়। ফলে ওই সময় পর্যন্ত মোট বাদ পড়া নামের সংখ্যা দাঁড়ায় ৬৩ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৫২।খসড়া তালিকায় থাকা ৭ কোটি ৮ লক্ষের বেশি ভোটারের মধ্যে প্রায় ১ কোটি ৫২ লক্ষকে শুনানির জন্য চিহ্নিত করা হয়। এর মধ্যে নো-ম্যাপিং ভোটারের সংখ্যা ছিল ৩১ লক্ষ ৬৮ হাজার ৪২৬যাঁরা ২০০২ সালের শেষ এসআইআরের সঙ্গে নিজেদের তথ্যের মিল দেখাতে পারেননি। বাকি প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ ভোটারকে তথ্যগত অসঙ্গতির কারণে চিহ্নিত করা হয়।সব মিলিয়ে প্রায় ১ কোটি ৪২ লক্ষ ভোটারের শুনানি সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে ৮২ লক্ষ ভোটারের নথি গ্রহণযোগ্য বলে মনে করেছে কমিশন। অন্যদিকে, শুনানির ভিত্তিতে বাছাই করে ৫ লক্ষের বেশি নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এরপরই প্রকাশিত হয় প্রথম দফার চূড়ান্ত ভোটার তালিকা, যেখানে রাজ্যের মোট ভোটার সংখ্যা দাঁড়ায় ৭ কোটি ৪ লক্ষ ৫৯ হাজার ২৮৪। তবে সেই তালিকাতেও ৬০ লক্ষের বেশি ভোটারের নাম বিবেচনাধীন হিসেবে রেখে দেওয়া হয়।নির্বাচনের মুখে এই বৃহৎ পরিসরের যাচাই প্রক্রিয়া প্রশাসনের কাছে যেমন বড় চ্যালেঞ্জ, তেমনই রাজনৈতিক দিক থেকেও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এখন নজর, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাকি থাকা ভোটারদের ভাগ্য কীভাবে নির্ধারণ করে কমিশন।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

পুনর্নির্বাচন ঘিরে তীব্র অভিযোগ, “আমাদের এলাকাতেই টার্গেট”— মমতার দাবি

পুরুলিয়ার সভা থেকে আবারও কেন্দ্রের বিরুদ্ধে চক্রান্তের অভিযোগ তুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, যেখানে তৃণমূল শক্তিশালী, সেখানেই পরিকল্পিতভাবে পুনর্নির্বাচনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।সভামঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মা-বোনেরা নির্বাচনের দিন ভাল করে বুথ পাহারা দেবেন। ওদের পরিকল্পনা আমাদের এলাকাগুলোতে পুনর্নির্বাচন করানো। অনেক চক্রান্ত হচ্ছে, এটা দিল্লির চক্রান্ত। এই চক্রান্ত আমরা ব্যর্থ করে দেব। তিনি আরও বলেন, মনে রাখবেন, সুস্থ বাঘের থেকে আহত বাঘ আরও ভয়ঙ্কর।মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, তাঁর কাছ থেকে প্রশাসনিক অনেক ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তবে তিনি মানুষের শক্তির ওপরই ভরসা রাখছেন। তাঁর কথায়, আমি মানুষের ক্ষমতা চাই। মানুষই এর জবাব দেবে।অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশন এ বার অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে কড়া অবস্থান নিয়েছে। কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, কোথাও ভয় দেখানো হলে বা ভোট দিতে বাধা দেওয়া হলে তা গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে প্রয়োজন হলে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।কমিশনের এক পর্যবেক্ষক জানান, যদি কোনও ভোটার নিজের বুথে গিয়ে ভোট দিতে না পারেন বা বাধার মুখে পড়েন, তবে সেটিকে গুরুতর সমস্যা হিসেবে ধরা হবে। সেই ক্ষেত্রে পরিস্থিতি বিবেচনা করে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকও জানিয়েছেন, আগে পুনর্নির্বাচন ছিল ব্যতিক্রমী ঘটনা। কিন্তু এখন কোনও সন্দেহ বা অভিযোগ উঠলেই তা খতিয়ে দেখা হবে। প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরাও পুনর্নির্বাচনের সুপারিশ করতে পারবেন।এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য এবং কমিশনের কড়া অবস্থান দুই মিলিয়ে রাজ্যের নির্বাচনী আবহ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

টিকিট না পেয়ে বিস্ফোরক অসিত! রচনার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগে তোলপাড় চুঁচুড়া

সাংবাদিক বৈঠকে অসিত মজুমদার বলেন, রচনা চান না দেবাংশু জিতুক। সবাইকে নিয়ে চলার মানসিকতা তাঁর নেই। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার বলেছেন সবাইকে সঙ্গে নিয়ে চলতে, কিন্তু তিনি তা মানছেন না। এখানেই থেমে থাকেননি তিনি। তাঁর অভিযোগ, রচনার জন্যই তিনি টিকিট পাননি। তাঁর কথায়, আমি এখনও বিধায়ক, অথচ মিছিলে আমার নাম নেই। রচনা দেবাংশুকে নিয়ে মিছিল করবে আর নির্দেশ দেবে, এটা মেনে নেওয়া যায় না।তিনি আরও বলেন, যাঁরা টিকিট পাননি সেই ৭৪ জন বিধায়ককে অপমান করা হয়েছে। রচনাকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ও নতুন এসে দল শেখাবে? ও চান না দেবাংশু জিতুক। দীর্ঘদিনের সংগঠক হিসেবে নিজের ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন অসিত।সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমরা দীর্ঘদিন লড়াই করে দলকে এগিয়ে এনেছি। এখন যারা নতুন, তারা এসে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে। তাঁর অভিযোগ, দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে ভুল তথ্য পৌঁছে দেওয়া হয়েছে, যার ফলে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।ক্ষোভের সুরে তিনি আরও বলেন, দল যা বলেছে তাই করেছি। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে পুরনোদের আর বিশ্বাস করা হচ্ছে না। রচনাকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে তিনি বলেন, দম থাকলে চুঁচুড়ায় নির্দলে দাঁড়ান। আমিও দাঁড়াব। যদি ওর থেকে বেশি ভোট না পাই, তবে মাথা ন্যাড়া করে জেলায় ঘুরব।অন্যদিকে, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় এই অভিযোগ প্রসঙ্গে বলেন, নতুন প্রার্থী নির্ধারণ করেন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। পুরনো প্রার্থীদের ক্ষেত্রে মানুষের বিশ্বাস এবং সমর্থনের উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই প্রক্রিয়ার ভিত্তিতেই প্রার্থী নির্বাচন করা হয়েছে বলে তিনি জানান।এই ঘটনার পর চুঁচুড়া সহ গোটা রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। তৃণমূলের অন্দরমহলের এই দ্বন্দ্ব আগামী নির্বাচনে কী প্রভাব ফেলবে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেক আসার আগেই সভায় হাঙ্গামা, তৃণমূলের অন্দরেই সংঘাত প্রকাশ্যে

নওদায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভাকে ঘিরে আচমকা চরম বিশৃঙ্খলার পরিস্থিতি তৈরি হল। সভামঞ্চের সামনেই তৃণমূল কর্মীদের একাংশ বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং চেয়ার ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। একে অপরের দিকে চেয়ার ছুড়ে মারার ঘটনাও দেখা যায়। ফলে সভাস্থলের একটি বড় অংশ লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়।চোখে পড়ে, এক যুবক মঞ্চের সামনে এসে বসে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। তাঁর পরনে ছিল সাদা রঙের টি-শার্ট। মূলত বিধানসভা নির্বাচনে পছন্দের নেতাকে টিকিট না দেওয়ার অভিযোগেই এই বিক্ষোভ শুরু হয়।জানা গিয়েছে, তৃণমূলের ব্লক সভাপতি শফিউজ্জামান শেখ টিকিট না পাওয়ায় তাঁর অনুগামীরাই এই বিক্ষোভে সামিল হন। তাঁরা মিছিল করে সভামঞ্চের সামনে চলে আসেন। প্রথমে তাঁরা দর্শক আসনের বাইরে ছিলেন। পরে ব্লক সভাপতি ভিতরে ঢোকার পর হঠাৎ করেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য মঞ্চ থেকে দলের নেতারা বারবার কর্মীদের শান্ত থাকার আবেদন জানান। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কিছুক্ষণের মধ্যেই সভায় উপস্থিত হওয়ার কথা ছিল। তার আগেই ভাঙা চেয়ার গুছিয়ে নেওয়ার কথাও বলা হয়। কিন্তু সেই কথা অনেকেই উপেক্ষা করে বিক্ষোভ চালিয়ে যান। আগে থেকে বসে থাকা অনেককে সেখান থেকে উঠে যেতে বাধ্য করা হয়।এই ঘটনার জেরে সভাস্থলে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। সূত্রের খবর, নওদা কেন্দ্রে এ বার টিকিট পেয়েছেন শাহিনা মমতাজ। সেই কারণেই ব্লক সভাপতির অনুগামীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।এই ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত দলের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
কলকাতা

এক ধাক্কায় ৮৩ অফিসার বদলি, ভোটের আগে বড় পদক্ষেপ কমিশনের!

নির্বাচনের আগে প্রশাসনিক মহলে বড়সড় রদবদলের সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। এক ধাক্কায় ৮৩ জন বিডিও এবং সহকারী রিটার্নিং আধিকারিককে বদলি করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, রাজ্যের একাধিক জেলায় এই বদলি করা হয়েছে। এর মধ্যে পূর্ব মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সবচেয়ে বেশি সংখ্যক আধিকারিককে সরানো হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরে ১৪ জন এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ১১ জন আধিকারিকের বদলি হয়েছে।উত্তরবঙ্গের কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর এবং দক্ষিণ দিনাজপুরের একাধিক ব্লকের বিডিও বদল করা হয়েছে। মালদহ ও মুর্শিদাবাদের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্লকেও এই রদবদল হয়েছে। পাশাপাশি নদিয়া এবং উত্তর ২৪ পরগনার একাধিক জায়গাতেও বদলি হয়েছে আধিকারিকদের।দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সবচেয়ে বেশি পরিবর্তন হয়েছে। মগরাহাট, বাসন্তী, কাকদ্বীপ, ফলতা, বিষ্ণুপুর, মিনাখা, পাথরপ্রতিমা, ডায়মন্ড হারবার, মথুরাপুর, ক্যানিং ও ভাঙড়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ ব্লকে নতুন বিডিও নিয়োগ করা হয়েছে। হাওড়া এবং হুগলির বেশ কয়েকটি এলাকাতেও এই বদল কার্যকর করা হয়েছে।পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরি, চণ্ডীপুর, পটাশপুর, তমলুক, রামনগর, মহিষাদল, নন্দীগ্রাম, কাঁথি, এগরা, ভগবানপুর ও সুতাহাটার মতো জায়গাতেও একাধিক বিডিও বদলি হয়েছে। পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরেও একই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এছাড়াও পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান এবং বীরভূম জেলার একাধিক ব্লকের বিডিও বদল করা হয়েছে। এই হঠাৎ রদবদলকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।উল্লেখ্য, এর আগে একাধিকবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, ইচ্ছাকৃতভাবে প্রশাসনের আধিকারিকদের সরানো হচ্ছে। সেই অভিযোগের আবহেই কমিশনের এই বড় সিদ্ধান্তকে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

“আমাকে মারার ছক কষছে?” পুরুলিয়া থেকে বিস্ফোরক মমতা, তীব্র আক্রমণ শাহকে

শনিবার রাজ্যে এসে তৃণমূলের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে ধরেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কলকাতার একটি হোটেলে বসে তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করে বলেন, তিনি নাকি বারবার ভিক্টিম কার্ড খেলেন। এই মন্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে পুরুলিয়ার জনসভা থেকে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এবার কি আমাকে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করছে?শাহর অভিযোগ ছিল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কখনও পায়ে চোট পান, কখনও কপালে ব্যান্ডেজ বাঁধেন, আবার কখনও অসুস্থ হয়ে নিজেকে অসহায় হিসেবে তুলে ধরেন। তাঁর মতে, বাংলার মানুষ এই ধরনের রাজনীতি ভালোভাবেই বুঝে গিয়েছে এবং নির্বাচন কমিশনকে অপমান করা বাংলার সংস্কৃতির বিরোধী।এই বক্তব্যের পাল্টা দিতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ওরা বলছে আমি নাকি ব্যান্ডেজ নিয়ে ঘুরি। আমি বহুবার মৃত্যুর মুখ থেকে লড়াই করে ফিরেছি। হাসপাতালে গিয়ে আমার রিপোর্ট দেখে আসুন। আমার ওপর কী অত্যাচার হয়েছে, তা আপনারা জানেন না। তিনি আরও দাবি করেন, আগের নির্বাচনের সময় ইচ্ছা করে তাঁর পায়ে আঘাত করা হয়েছিল। তখনও তিনি প্লাস্টার নিয়ে হুইলচেয়ারে করে মানুষের কাছে পৌঁছেছিলেন।নন্দীগ্রামে বিধানসভা নির্বাচনের আগে তাঁর পায়ে চোট লাগার ঘটনাও তিনি তুলে ধরেন। সেই সময় তিনি অভিযোগ করেছিলেন, কিছু অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি তাঁকে ধাক্কা দেয়, যার ফলে গাড়ির দরজা তাঁর পায়ে লাগে। যদিও তদন্তে জানানো হয়েছিল, সেটি পরিকল্পিত হামলা নয়, বরং দুর্ঘটনা।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এভাবে কথা বলার মানে কী? কেউ কাউকে আক্রমণ করার আগে পরিকল্পনা করে। যে ভুল করে, সে কিছু প্রমাণ রেখে যায়। তাঁর কথাতেই বোঝা যাচ্ছে, কিছু একটা পরিকল্পনা চলছে।২০২৪ সালেও তাঁর মাথায় গুরুতর চোট লাগে। তখন জানা গিয়েছিল, নিজের বাড়িতে পড়ে গিয়ে তিনি আঘাত পান এবং কয়েকদিন তাঁর মাথায় ব্যান্ডেজ ছিল।মমতার এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার বলেন, মুখ্যমন্ত্রী আসলে ভয় পেয়েছেন। তাঁর দাবি, এই অভিযোগপত্র বাংলার মানুষের কথা বলছে এবং মুখ্যমন্ত্রীর উচিত রাজ্যের উন্নয়ন নিয়ে কথা বলা।

মার্চ ২৯, ২০২৬
কলকাতা

টিকিট না পেয়ে বিস্ফোরণ! তৃণমূল ছাড়ার ইঙ্গিত সুনীল সিংয়ের, নোয়াপাড়ায় বাড়ছে ক্ষোভ

প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হতেই রাজ্যের শাসকদলের অন্দরে অসন্তোষ বাড়ছে। অনেক বিধায়ক টিকিট না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। সেই ক্ষোভ এবার প্রকাশ্যে আনলেন নোয়াপাড়ার প্রাক্তন বিধায়ক সুনীল সিং। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, আর তৃণমূলে থাকতে চান না তিনি।নোয়াপাড়ায় তৃণমূলের প্রার্থী হিসেবে তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্যকে বেছে নেওয়ায় ক্ষুব্ধ সুনীল। তাঁর অভিযোগ, এলাকার বাইরে থেকে প্রার্থী এনে দলের ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, নোয়াপাড়ার মানুষ এই সিদ্ধান্তে খুশি নন। দলের কর্মীরাও ক্ষুব্ধ। তাঁর কথায়, এলাকায় অনেক যোগ্য নেতা থাকলেও তাঁদের কাউকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি।একইসঙ্গে তিনি বলেন, চারবারের বিধায়ক মঞ্জু বসুকে প্রার্থী না করায় নোয়াপাড়ার মানুষ অপমানিত বোধ করছেন। এই সিদ্ধান্ত মানুষ মেনে নেবে না বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর মতে, রাজ্যে যেমন পরিবর্তন এসেছিল, তেমনই নোয়াপাড়াতেও পরিবর্তন আসতে পারে।উল্লেখ্য, মঞ্জু বসুও আগে টিকিট না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। তিনি অভিযোগ করেছিলেন, টাকা না দেওয়ার কারণেই তাঁকে প্রার্থী করা হয়নি।সুনীল আরও প্রশ্ন তুলেছেন, কেন এলাকার বাইরে থেকে প্রার্থী আনা হল। তাঁর বক্তব্য, স্থানীয় অনেকেই প্রার্থী হওয়ার যোগ্য ছিলেন, কিন্তু তাঁদের কাউকেই বেছে নেওয়া হয়নি। তিনি দাবি করেন, নোয়াপাড়ার মানুষ বাইরের প্রার্থীকে ভোট দিতে রাজি নন।এর আগেও সুনীল সিংয়ের দলবদল নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। তিনি বিরোধী শিবিরের এক নেতার সঙ্গে দেখা করেছিলেন, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়। সেই সময় তাঁদের সৌজন্য সাক্ষাৎ নিয়েও অনেক জল্পনা তৈরি হয়েছিল।এখন সুনীল সিংয়ের গলায় স্পষ্ট অভিমান। তিনি বলেন, দলে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তাঁকে বিশ্বাস করা হয়নি। তাঁর মতে, যে দলে বিশ্বাস নেই, সেখানে থাকার কোনও মানে হয় না। তাই ভবিষ্যতে তিনি কী সিদ্ধান্ত নেবেন, তা নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal