• ৯ আশ্বিন ১৪৩৩, সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Balurghat

রাজ্য

ভোটের আগেই বড় কেলেঙ্কারি? সিলহীন ব্যালট বাক্স ঘিরে বালুরঘাটে তুমুল বিক্ষোভ

ভোট শুরু হওয়ার আগেই পোস্টাল ব্যালট ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠল বালুরঘাট। ললিত মোহন আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে ভোট গ্রহণ চলাকালীন গোপনীয়তা ভঙ্গের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন ভোটকর্মীরা। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে শেষ পর্যন্ত ঘটনাস্থলে পৌঁছতে হয় নির্বাচনী পর্যবেক্ষককে। আগে থেকেই সেখানে পুলিশ মোতায়েন ছিল।বৃহস্পতিবার ওই স্কুলে সরকারি কর্মীদের পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়। কিন্তু ভোট দিতে আসা কর্মীদের অভিযোগ, সেখানে ভোটের ন্যূনতম নিয়ম মানা হয়নি। তাঁদের দাবি, ব্যালট বাক্সগুলি সিল বা গালা ছাড়াই খোলা অবস্থায় রাখা ছিল। ফলে ভোট প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।এছাড়াও অভিযোগ, ভোটারদের গোপনীয়তা রক্ষার কোনও ব্যবস্থা ছিল না। কে কাকে ভোট দিচ্ছেন, তা প্রকাশ্যেই দেখা যাচ্ছিল। কিছু মানুষ ব্যালট বাক্স থেকে ব্যালট পেপার তুলে নিচ্ছিলেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। ভোট কক্ষের ভিতরে মোবাইল ফোন নিয়ে ঢোকা হচ্ছিল এবং বহিরাগতদের ভিড়ও ছিল চোখে পড়ার মতো।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোর। বিজেপির অভিযোগ, জেলা প্রশাসনকে ব্যবহার করে ভুয়ো ভোটের মহড়া চলছে এবং পোস্টাল ব্যালট লুটের চেষ্টা করা হচ্ছে। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, বিজেপি নির্বাচন প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চাইছে এবং পুরো বিষয়টি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।ভোটকর্মীদের বিক্ষোভের জেরে দীর্ঘক্ষণ ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া বন্ধ থাকে। পরে পর্যবেক্ষক এসে পরিস্থিতি সামাল দেন এবং পুলিশ উত্তেজিত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।তবে সিলবিহীন ব্যালট বাক্স ও গোপনীয়তা ভঙ্গের অভিযোগে জেলা প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে বড় প্রশ্ন উঠে গিয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পুরো ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হবে।

এপ্রিল ১৬, ২০২৬
রাজ্য

পুলিশ এলেই বদলে গেল কনের মুখ! নাবালিকা ছোট মেয়েকে বদলে মেজ মেয়েকে পাত্রী করল পরিবার

নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও নাবালিকা মেয়ের গোপন বিয়ের আয়োজন করে বালুরঘাটে চাঞ্চল্য ছড়াল। অভিযোগ, প্রথমবার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গেলে পরিবার আসল কনেকে লুকিয়ে ফেলে এবং তার বদলে মেজো মেয়েকে শাখা-পলা পরিয়ে সামনে দাঁড় করিয়ে নাবালিকা বিয়ের বিষয়টি আড়াল করার চেষ্টা করে। সেই সময় কোনও প্রমাণ না পেয়ে পুলিশ খালি হাতেই ফিরে আসে, তবে পরিবারকে কড়া সতর্কবার্তা দিয়ে যায়।কিন্তু অভিযোগ, সেই নির্দেশ অমান্য করে পরিবার রাতেই ফের নাবালিকার বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। খবর পেয়ে শুক্রবার রাতে পুলিশ, ডিএলএসএ এবং প্রশাসনের কর্মীরা একযোগে সেখানে পৌঁছে পুরো অনুষ্ঠান থামিয়ে দেয় এবং নাবালিকাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পরে চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটির নির্দেশে তাকে মালদা হোমে পাঠানো হয়। শনিবার সকালে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়। পরে পরিবার নিজেদের ভুল স্বীকার করে এবং লিখিতভাবে জানায় যে মেয়ের বয়স ১৮ না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেওয়া হবে না।জানা গিয়েছে, বালুরঘাট পুরসভার ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের একাদশ শ্রেণির ওই ছাত্রীর সঙ্গে স্থানীয় এক যুবকের বিয়ের আয়োজন ছিল শুক্রবার। দুই বাড়িতেই বিয়ের প্রস্তুতি সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছিলমেয়ের বাড়িতে রান্না তৈরি, আর ছেলের বাড়িতে ডিজে বক্স, প্যান্ডেল সবই প্রস্তুত। কিন্তু নাবালিকার বয়স ১৮ না হওয়ায় ছেলের পরিবার আপত্তি জানায়।অভিযোগ, পুলিশের প্রথম নিষেধাজ্ঞার পরও মেয়ের পরিবার ছেলেকে ভয় দেখিয়ে বিয়েতে রাজি করানোর চেষ্টা করে। ঠিক সেই সময়ই আবার পুলিশ গিয়ে পুরো কারসাজি ধরে ফেলে এবং অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেয়। বিয়ে বাতিল হওয়ায় মাইক-প্যান্ডেল ব্যবসায়ীরাও ক্ষতিপূরণ না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, নাবালিকা বিয়ে রুখতে সচেতনতা শিবির আরও জোরদার করা হবে।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২৫
রাজ্য

বাংলার রামনবমী নিয়ে বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদী, বালুঘাটে বোল্লাকালীকে স্মরণ

লোকসভা ভোটের আবহে রাম নবমীকে কেন্দ্র করে তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা। বুধবার রাম নবমী। তার আগে মঙ্গলে উত্তরবঙ্গের প্রচারে মমতা-মোদীর মুখে উঠে এল রাম নবমী প্রসঙ্গ। জলপাইগুলিতে মুখ্যমন্ত্রীর সতর্কবাণী- বুধবার রামনবমীর দিন বিজেপি অশান্তি করতে পারে। সংখ্যালঘু ভাইয়েরা অশান্তি বাড়তে দেবেন না। এর পাল্টা বালুরঘাটে বঙ্গ বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের সমর্থনে প্রচারে মুখ খুললেন প্রধানমন্ত্রী।এ দিনও বাংলায় প্রচার শুরু করেন নরেন্দ্র মোদী। বলেন, নমস্কার! কেমন আছেন বালুরঘাটবাসী? আপনাদের সকলকে আমার বিনম্র প্রণাম। এরপরই বালুরঘাটবাসীর আবেগকে গুরুত্ব দিতে শরণ করেন মা বোল্লা কালীকে। বলেন, আমি মা বোল্লা কালীকে প্রণাম জানাই।তারপরই মোদী তৃণমূলকে তুলোধনা করে রাম নবমী প্রসঙ্গ মুখ খোলেন। তিনি বলেন, আজ মহাষ্টমী। কাল সমগ্র দেশ রাম নবমী পালন করবে। এইবার প্রথম রাম নবমী যখন অযোধ্যায় ভব্য রাম প্রতিষ্ঠা হয়েছে। রাম নবমীকে রুখে দেওয়ার জন্য তৃণমূল বহু প্রচেষ্টা করেছে। কিন্তু জয় সত্যের হয়। তাই কোর্টের অনুমতিও পাওয়া গেছে। মানুষের উৎসাহ আর মা বোনদের আশীর্বাদ এটাই প্রমাণ করে বাংলায় জিত হবে বিকাশের। সবাই আজ বলছে ৪ জুন ৪০০ পার। রাম নবমীর দিন দেশজুড়ে শোভাযাত্রা বের হবে বলেও ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী।প্রচারে অহরহ রাম নবমীকে বিজেপির দাঙ্গা করার দিন বলে তোপ দেগেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তারই পাল্টা হিসাবে এবার রাম নবমীর আগের দিন বাংলায় এসে যেন রাজ্যের বিজেপি কর্মীদের তাতিয়ে দিয়ে গেলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী।এ দিনও প্রচারে সন্দেশখালি ও সিএএ প্রসঙ্গের অবতারণা করেন নরেন্দ্র মোদী। বলেন, আমাদের বিজেপি কর্মীরা নিত্যদিন অত্যাচারিত, খুন হচ্ছেন। সন্দেশখালির ঘটনা সমগ্র দেশ দেখেছে কিভাবে তৃণমূল শেষ পর্যন্ত চেষ্টা করেছে অপরাধীদের বাঁচানোর। সরকারি জায়গাগুলি তৃণমূলের দুর্নীতির আখড়া হয়ে গেছে। প্রাইমারি শিক্ষা ব্যবস্থায় দুর্নীতি হচ্ছে। কেন্দ্রীয় আধিকারিকরা কোথাও গেলে তাদের উপর হামলা চালানো হচ্ছে।সংশোধিত নাগিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে মমতা সরকার। পাল্টা মোদীর দাবি, পশ্চিমবঙ্গ সরকার অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় দিচ্ছে আর শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার আইন সিএএ-এর এর বিরোধিতা করছে। তৃণমূলের মিথ্যা গুজবে কান দেবেন না। তৃণমূলের পাপের সাজা দিন পদ্মফুলে ছাপ দিয়ে।পাশাপাশি নিজের সরকারের সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরে প্রধামন্ত্রী বলেন, ৭০ বছরের বেশি সকল বয়স্কের আয়ুষ্মান ভারতের মাধ্যমে বিনামূল্যে চিকিৎসা মিলবে। এই সব সিদ্ধান্তের ফলে বাংলার গরীব, আদিবাসী, মহিলাদের উপকার হবে। গ্যারান্টি আসার পর তৃণমূল আরও বেশি ঘেঁটে গেছে। ওরা ভাবছে এতদিন পর্যন্ত তো মানুষকে আমরা কেন্দ্রের সুবিধা থেকে বঞ্চিত করেছি।বালুরঘাটবাসীকে মোদীর আশ্বাস, বিগত ১০ বছরে বিজেপি বালুরঘাটের উন্নতির জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করছে। বালুরঘাট স্টেশনকে অমৃত ভারত স্টেশনের অন্তর্ভুক্ত করেছে। একাধিক নতুন ট্রেন দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার বালুরঘাট এয়ারপোর্টের জন্য অনেক চেষ্টা করেছে। কিন্তু এখানে তৃণমূল সরকারের ইচ্ছেই নেই বালুরঘাটের উন্নতি করার। বন্দে ভারত ও উন্নত হাইওয়ে এখানের সমগ্র অঞ্চলের উন্নতি করবে। আপনার স্বপ্ন আমার সংকল্প। ভাই বোন আপনাকে আমি কথা দিচ্ছি আপনার স্বপ্ন সফল করার জন্য আমি নিবেদিত।

এপ্রিল ১৭, ২০২৪
দেশ

মাত্র আড়াই বছর বয়সে অনর্গল বৈদিক মন্ত্র উচ্চারন, নাম উঠল ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডসে

বয়স মাত্র আড়াই, মুখে আধো আধো কথা। আর তাতেই বাজিমাৎ। এই বয়সেই নিজের মেধা দিয়ে ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডসে নাম তুলল ছোট্ট প্রত্যয়ী সরকার, কী রেকর্ড তাঁর?শিশুদের বইয়ে থাকা পশু, পাখি, ফুল, ফল, ইংরেজী অক্ষর ও বৈদিক মন্ত্র অনর্গল বলে যায় বছর আড়াইয়ের প্রত্যয়ী। এরপরেই পরিবারের মনে উৎসাহ জাগে ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডসে নাম তোলার। তারা সেইমত ক্লিপ পাঠায় সেখানে এবং সেই ক্লিপিং পাঠানোর পর গতকাল সুসংবাদটি জানায় কতৃপক্ষ। বালুরঘাট শহরের উত্তমাশা পাড়ার বাসিন্দা প্রবীর সরকার ও পরিনীতা সরকারের একমাত্র মেয়ে প্রত্যয়ী। মাত্র আড়াই বছর বয়েসেই নাম উঠল ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডসে। দুবছর বয়স থেকে মা পরিনীতা সরকারের কাছে থেকে পাঠ শুরুপ্রত্যয়ীর । এখন তার বয়স আড়াই। কিন্তু এর মধ্যেই বাংলা ইংরেজি ভাষা মিলিয়ে ৫৩টি কবিতা তার মুখস্থ। শুধু তাইই নয় বছরের চারটে ঋতু, দিন, মাসের নাম মুখস্থ।পাশাপাশি ছবি দেখে এক নিমেষেই বলে দিতে পারে শিশুদের বইয়ে থাকা পশু, পাখি, সব্জি, ফুল, ফল, বৈদুতিক সরঞ্জাম সহ আসবাব পত্রের নাম। এরপরেই মনে উৎসাহ জাগে ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডসে নাম তোলার। পেশায় স্কুল টিচার প্রত্যয়ীর বাবা প্রবীর সরকার জানান তারপরেই সুযোগ বুঝে গত ১৬ জুলাই আবেদন করে পরিবার। যা নিশ্চিত হয় ২ ৫ জুলাই। এরপরে ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডসের শংসাপত্র-সহ মেডেল আসে অঙ্কিতের বাড়িতে। তাই দেখেই খুশি পরিবারের লোকজন।ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস অসাধারণ কীর্তি... সুত্রে পাওয়া তথ্য অনুসারে প্রত্যয়ী A-Z থেকে বর্ণমালার অক্ষর শনাক্ত করার জন্য (উপর এবং ছোট হাতের), 12টি ফুল, 12টি পোকামাকড়, 47টি পাখি, 15টি ফল, 5টি বাদ্যযন্ত্রের জন্য প্রশংসিত হয়েছেন। , 5 সহকারী, 6টি গাড়ি, শরীরের অংশ, 10টি জ্যামিতিক আকার, 6টি খেলাধুলা, 14টি বৈদ্যুতিক এবং কম্পিউটারের অংশ, 2টি ইংরেজি কবিতা, 42টি প্রাণী, 35টি শাকসবজি, 4টি উত্সব এবং 2 বছর 3 মাস বয়সে 6টি ঋতু , 25 জুলাই, 2022-এ নিশ্চিত করা হয়েছে। ইন্ডিয়া বুক ইন্ডিও বুক রেকর্ড করে ,ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২২
রাজ্য

স্বাধীনতার ৭৫ বছর উদযাপনের প্রাক মুহুর্তে বিপ্লবীদের আস্ত্র ভান্ডারের হদিস বালুরঘাটে

বহু বিপ্লবী লড়াই, সংগ্রাম ও আত্মবলিদানের ফলে আমাদের এই দেশমাতৃকা ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতা লাভ করেছে। তারপর থেকে দেশের প্রবাহিত নদীগুলির মধ্যে দিয়ে বহু জল প্রবাহিত হয়েছে। দেশ স্বাধীনতা লাভের ৭৪ টি বসন্ত পার করে ৭৫ তম স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে দাঁড়িয়ে। আর সেই সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে বালুরঘাট শহরের প্রাচীন স্কুলগুলির মধ্যে অন্যতম প্রাচ্য ভারতি স্কুল ভাড়ার ঘর থেকে অনুশীলন সমিতির ব্যবহার করা অস্ত্রশস্ত্রের হদিস মিললো।উল্লেখ্য যে ভারতের স্বাধীনতার ইতিহাসে বালুরঘাট ক্ষুদ্র হলেও অসামান্য অবদান রেখেছে। দেশের পঞ্চম স্থান হিসেবে স্বাধীনতার লাভের আগেই একদিনের জন্য হলেও স্বাধীনতা সংগ্রামীরা ইংরেজদের ইউনিয়ন জ্যাক নামিয়ে বালুরঘাটে তিরাঙ্গা পতাকা উড়িয়েছিলেন। আর সেই সমস্ত ইতিহাস তৈরীর ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা ছিল যুগান্তর, অনুশীলন সমিতির মতো বিপ্লবী সংগঠনগুলির। প্রাচ্যভারতী প্রতিষ্ঠান যা বর্তমানে একটি ক্লাব সংগঠনের পাশাপাশি একটি বিদ্যালয়ের রূপ পেয়েছে সেই প্রাচ্য ভারতীতে ছিল যুগান্তর অনুশীলন সমিতির মতো গোপন বিপ্লবী সংগঠনের আস্তানা।বিপ্লবীদের অনেক অস্ত্র লুকানো থাকতো এই সংগঠনের বিভিন্ন বিভিন্ন জায়গায়। সেই অস্ত্রের কিছু অংশবিশেষ উদ্ধার হল প্রাচ্যভারতীর ভাঁড়ার ঘর থেকে। পাশাপাশি কিছু প্রাচীন মূর্তির ধ্বংসাবশেষ ও উদ্ধার হয় শুক্রবার দুপুরে প্রাচ্য ভারতি স্কুলের ভাড়ার ঘর পরিষ্কার করতে গিয়ে। বিদ্যালয় এর শিক্ষকেরা সেই অস্ত্রশস্ত্র এবং মূর্তিগুলি উদ্ধার করে সযত্নে রেখে দেন। আগামী দিনে এই অস্ত্রশস্ত্র গুলি নিয়ে তারা স্কুলেই একটি ছোট্ট মিউজিয়াম তৈরি করতে চান বলে স্কুলের শিক্ষকরা জানিয়েছেন। স্বাধীনতার ৭৫ তম বর্ষে এই ধরনের স্বাধীনতার কাজের ব্যবহৃত বিভিন্ন জিনিসপত্র খুঁজে পাওয়ার ফলে স্বাধীনতা যুদ্ধে বালুরঘাটের অবদানের ইতিহাস জানতে অনেক শিক্ষকরা আশাবাদি বলে জানান।

আগস্ট ১৩, ২০২২
রাজ্য

শিক্ষিকাকে হেনস্তার প্রতিবাদে বিজেপি বিধায়কের প্রতিবাদ

দক্ষিণ দিনাজপুর: গতকাল দুপুরে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বালুরঘাট বিধানসভার অন্তর্গত হিলি ব্লকের ত্রিমোহিনী উচ্চবিদ্যালয়ে একদল দুষ্কৃতী আচমকা চড়াও হয়ে এক শিক্ষিকাকে মারধর ও তাঁর শ্লীলতাহানি করে। পঞ্চাশোর্ধ শিক্ষিকাকে চরম শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হয়েছে। এই ন্যক্কারজনক ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে ও দোষীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবিতে শনিবার বালুরঘাটের বিধায়ক অশোক কুমার লাহিড়ী দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পুলিশ সুপার রাহুল দের কাছে অভিযোগ পত্র প্রেরণ করলেন। উপস্থিত ছিলেন বিজেপির অন্যান্য নেতৃত্ব। জানা গিয়েছে, ওই উচ্চ বিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে শাসন করাতে ছাত্রীর পরিবার ও অন্যান্য দুষ্কৃতীদের হাতে চরম হেনস্থার শিকার হন ঐ শিক্ষিকা। এদিন তারই প্রতিবাদ জানিয়ে জেলা পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ পত্র প্রেরণ করলেন বিজেপির বালুরঘাট বিধানসভার বিধায়ক।

জুলাই ২৩, ২০২২
রাজ্য

Sanitisation: বালুরঘাটে ড্রোন উড়িয়ে স্যানিটাইজেশন

ড্রোন উড়িয়ে স্যানিটাইজেশন! বালুরঘাটে বিজেপির উদ্যোগে করা হয় এই স্যানিটাইজেশন। বিজেপির দাবি, দ্রুত এলাকা জীবাণুমুক্ত করতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।করোনা মোকাবিলায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার দক্ষিণ দিনাজপুরের জেলা সদর বালুরঘাট শহরে। বুধবার সকালে বালুঘাটের থানা মোড়, প্রশাসনিক ভবন এবং আদালতের সামনে ড্রোন উড়তে দেখে কৌতুহল তৈরি হয় পথচলতি মানুষদের মধ্যে। আর, বিজেপির উদ্যোগে ড্রোনের মাধ্যমে স্যানিটাইজেশন ঘিরেও বেধেছে বিতর্ক। তৃণমূলের অভিযোগ, লোকদেখাতে এসব করছে বিজেপি। দক্ষিণ দিনাজপুর তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা কোঅর্ডিনেটর সুভাষ চাকি বলেছেন, ড্রোন থেকে ধোঁয়া বা ঔষধি জল বের হতে দেখা যায়নি। রাজনীতির স্বার্থেই এটা প্রচার করতে চাইছে বিজেপি, এটা ভাঁওতাবাজির রাজনীতি। সাধারণ মানুষকে ভুল বোঝানোর চেষ্টা করা হয়েছে। করোনা অতিমারিতে তৃণমূলই লাগাতার কাজ করে চলেছে মানুষের জন্য।বিজেপির পাল্টা দাবি, করোনাকালে শহরবাসীকে নিরাপদে রাখতেই এই উদ্যোগ। বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, ড্রোনের মাধ্যমে স্যানিটাইজেশনের কাজ করলে অল্প সময়ে কাজ হয়, আমরা অনুমতি নিয়ে কাজ করেছি। ড্রোনের সাহায্য নিয়ে সমগ্র এলাকায় অতি দ্রুত স্যানিটাইজ করা সম্ভব। বালুরঘাটের পাশাপাশি চকভৃগু এবং গঙ্গারামপুরেও ড্রোন উড়িয়ে স্যানিটাইজেশনের পরিকল্পনা নিয়েছে বিজেপি। তবে ড্রোনের মাধ্যমে স্যানিটাইজেশন নিয়ে কিন্তু চলছে রাজনৈতিক তরজা।

জুন ১৬, ২০২১
রাজ্য

কাটআউটে মোদির পায়ের তলায় মনীষীরা! উত্তেজনা বালুরঘাটে

কাটআউটে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পায়ের তলায় মনীষীদের ছবি। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর থেকে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, ক্ষুদিরাম বসু, ঋষি অরবিন্দ রয়েছে সেই কাটআউটে। বালুরঘাটের বিভিন্ন প্রান্তে এমন কাটআউট ঘিরে ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে বিতর্ক। ঘটনার প্রতিবাদে পথ অবরোধ এবং থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। যদিও ছবির নীচে সৌজন্যে সুকান্ত মজুমদার উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর দাবি, প্রধানমন্ত্রীকে অপমান করতে তৃণমূল ষড়যন্ত্র করে এমন কাজ করেছে। যদিও তৃণমূল সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে।বিষয়টি জানতে পেরেই ঘটনাস্থলে যান সাংসদ-সহ বিজেপি নেতা-কর্মীরা। চরম উত্তেজনা তৈরি হয়। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল নেতৃত্ব এই ঘটনা ঘটিয়েছে। প্রতিবাদে মঙ্গলবার সকালে বোল্লা এলাকায় জাতীয় সড়ক অবরোধ করেন বিজেপি নেতা-কর্মীরা।বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার বলেন, কাটআউটগুলোতে আমার নাম দিয়ে তৃণমূলের পক্ষ থেকে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। যেখানে আমাদের প্রধানমন্ত্রীর কাটআউটে পায়ের নিচে মনীষীদের ছবি রয়েছে। এটা দেশের প্রধানমন্ত্রী এবং মনীষীদের অপমান করা হয়েছে। পাশাপাশি আমাকে এবং বিজেপিকে কালিমালিপ্ত করার চক্রান্ত। আগামী নির্বাচনে তৃণমূল এখানে জয়লাভ করতে পারবে না দেখে এই ধরনের কুৎসা করছে। আমরা বালুরঘাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। অন্যদিকে, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক রাজেন শীল বলেন, তৃণমূলের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে। সাধারণতন্ত্র দিবসের শুভেচ্ছা বার্তার কাটআউট বিজেপির তরফে লাগানো হয়েছে। কিন্ত মানুষের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখেই তারা তৃণমূলের উপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করছে।বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, যে দলই এই কাজ করে থাকুক না কেন, অত্যন্ত নিন্দনীয় কাজ হয়েছে এটি। রাজনীতিতে সম্প্রতি যেভাবে মনীষীদের ব্যহার পরে ফায়দা লোটার চেষ্টা হচ্ছে, তা কখনই গ্রহণযোগ্য নয়।

জানুয়ারি ২৬, ২০২১
স্বাস্থ্য

করোনা আক্রান্ত হলেন বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার।

করোনা আক্রান্ত হলেন বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, সংসদ অধিবেশন শুরুর আগে নির্দেশ অনুসারে কোভিড টেস্ট করার পর আজ রিপোর্ট পজিটিভ আসে। বর্তমানে ১০ দিনের Self Isolation এ আছি। আমি প্রত্যেককে অনুরোধ করছি, গত সাত দিনে আমার সাথে যারা সংস্পর্শে এসেছিলেন অনুগ্রহ করে আপনারা প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করুন। সাবধানে থাকুন, সুস্থ থাকুন।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২০

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

এশিয়ান গেমসে মেয়েদের ক্রিকেটে পরপর ২ সোনা ভারতের, ভিত তৈরির নেপথ্যে সৌরভেরই অবদান

এশিয়ান গেমসে ভারত পরপর ২ বার সোনা জিতল মেয়েদের ক্রিকেটে। এবারের গেমসে দেশকে প্রথম সোনা এনে দিল হরমনপ্রীত কৌরের নেতৃত্বাধীন দল। ফাইনাল-সহ এবারের এশিয়ান গেমসে দলের জয়ে অবদান রেখেছেন বাংলার রিচা ঘোষও। ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দলের এই সাফল্যের নেপথ্যে রয়েছে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের বড় ভূমিকা। এক সাক্ষাৎকারে এই বিষয়ে আলোকপাত করেছেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক ঝুলন গোস্বামী।ঝুলন বলেন, ২০১৭-র পর থেকেই আমরা বিসিসিআইকে বলেছিলাম ইংল্যান্ডে যেমন সুপার লিগ (এখন দ্য হান্ড্রেড), অস্ট্রেলিয়ায় মেয়েদের বিগ ব্যাশ লিগ হচ্ছে। আমাদের দেশে কেন হবে না? তখন বিসিসিআই চলছিল কমিটি অব অ্যাডমিনিস্ট্রেটরসের নেতৃত্বে। কীভাবে আমাদের দেশে এমন লিগ হতে পারে তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু হয়। বিসিসিআই ভাবছিল বড় কেউ আসবে কিনা, টিম নেবে না। আইপিএল অনেক বড় মাপের। তার পাশাপাশি এই টুর্নামেন্ট নিয়ে মানুষের আগ্রহ থাকবে কিনা। ফলে তিনটি টিমকে আইপিএলের ফাঁকে নিজেদের মধ্যে খেলানো শুরু হলো। যা ট্রায়াল রান বলা যেতে পারে। বিদেশিদের আনা হলো। আমরা প্রথম খেলেছিলাম জয়পুরে। প্রথম থেকেই রেসপন্স ভালো ছিল।ঝুলনের কথায়, মহারাজদা (সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়) ২০১৯ সালে বিসিসিআই সভাপতি হলেন। কঠিন সময়ে। কেন না, এর পরেই কোভিড শুরু হয়। যা প্রায় ২ বছর ক্রিকেটকে স্তব্ধ করে দেয়। তবে ক্রিকেট এই সময়কালেও অন্য জায়গায় পৌঁছেছিল মহারাজদা, জয় শাহর জন্য। প্লেয়ার, সাপোর্ট স্টাফ, আম্পায়ার, স্কোরার- পুরুষ ও মহিলা নির্বিশেষে কারও স্যালারি আটকায়নি। সবাই জানেন ওই সময় কতটা কঠিন ছিল। তার মধ্যেই ম্যাচ খেলানোর ব্যবস্থা হয়েছে। চার্টার্ড বিমানে পুরুষ ও মহিলা দলকে দুবাই পাঠিয়ে খেলানোর সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। ট্রাভেল করে কোয়ারান্টিনের মধ্যে কাটানোর পর সকলে পারফর্ম করেছেন। মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি বিশেষ যত্ন নেওয়া হয়। মানসিক স্বাস্থ্য যাতে ভেঙে না পড়ে তা নিশ্চিত করতে কেউ না কেউ সব সময় থাকতেন। ঝুলন জানান, দেশের মহিলাদের ক্রিকেটে সৌরভের বড় পদক্ষেপ টেস্ট ক্রিকেট ফেরানো। ঝুলন বলেন, আমি এতদিনে মাত্র ১২টি টেস্ট খেলেছি। কারণ ২০০৬-এর পর ৮ বছর কোনও টেস্ট খেলিনি। ২০১৪-১৫ নাগাদ খেলার পর আবার বন্ধ ছিল দীর্ঘদিন। মহারাজদা টেস্ট ক্রিকেট ফেরান। কোভিডকালে দাদা, জয় শাহরা আমাদের ইংল্যান্ড সফরে টেস্ট খেলার বন্দোবস্ত করেন। অস্ট্রেলিয়ায় গোলাপি বলে টেস্ট ক্রিকেট খেলি, যা দেশের মেয়েদের ক্রিকেটে সবচেয়ে বড় বিপ্লব। টেস্টই আল্টিমেট ক্রিকেট। যেখানে দক্ষতা, মানসিকতার বিকাশ ঘটে। সবরকম চ্যালেঞ্জের জন্য প্লেয়ারকে তৈরি করে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
রাজ্য

হোল্ডিং সেন্টারের দেওয়াল টপকে চম্পট, গন্ধ শুঁকে রোহিঙ্গা যুবককে খুঁজে দিল অরল্যান্ডো

হোল্ডিং সেন্টারের কড়া নিরাপত্তা এড়িয়ে দেওয়াল টপকে পালিয়েও শেষরক্ষা হল না এক রোহিঙ্গা যুবকের। বন দপ্তরের প্রশিক্ষিত স্নিফার ডগ অরল্যান্ডোর নিখুঁত ট্র্যাকিংয়ের জেরে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাকে ফের আটক করল পুলিশ। রাজগঞ্জের ফাটাপুকুর হোল্ডিং সেন্টার থেকে পালানোর পর প্রায় এক কিলোমিটার দূরে একটি চা বাগান থেকে ওই যুবককে উদ্ধার করা হয়।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত যুবকের নাম মোহাম্মদ সোলেমান। গত ২০ সেপ্টেম্বর নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন এলাকা থেকে চার জনের একটি সন্দেহভাজন রোহিঙ্গা দলকে আটক করা হয়েছিল। সেই দলের সদস্য সোলেমানকেও রাজগঞ্জের ফাটাপুকুর হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হয়।রবিবার সকালে শৌচাগারে যাওয়ার কথা বলে সেন্টারের ভিতর থেকে বেরিয়েছিল সোলেমান। সেই সুযোগেই উঁচু দেওয়াল টপকে ঝোপঝাড়ের মধ্যে দিয়ে পালিয়ে যায় সে। কিছুক্ষণ পর বিষয়টি নিরাপত্তারক্ষীদের নজরে আসে। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় রাজগঞ্জ থানায়। শুরু হয় বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি।দীর্ঘক্ষণ খোঁজ চালিয়েও পলাতক যুবকের সন্ধান না মেলায় পুলিশের পক্ষ থেকে বন দপ্তরের সাহায্য চাওয়া হয়। মালবাজার মহকুমা পুলিশের অনুরোধে জলপাইগুড়ি বন্যপ্রাণী বিভাগের পক্ষ থেকে গরুমারা জাতীয় উদ্যানের প্রশিক্ষিত স্নিফার ডগ অরল্যান্ডোকে ঘটনাস্থলে আনা হয়।সোলেমানের পরনে থাকা বা ফেলে যাওয়া পোশাকের গন্ধ শুঁকিয়ে অরল্যান্ডোকে তল্লাশি অভিযানে নামানো হয়। এরপর গন্ধ অনুসরণ করে সে হোল্ডিং সেন্টার থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে পানিকৌড়ি মোড় সংলগ্ন একটি চা বাগানের দিকে এগিয়ে যায়। অরল্যান্ডোর দেখানো পথ অনুসরণ করে তল্লাশি চালাতেই চা বাগানের মধ্যে লুকিয়ে থাকা অবস্থায় সোলেমানের সন্ধান পান পুলিশকর্মীরা। সেখান থেকেই তাকে ফের আটক করা হয়।বন দপ্তরের সহকারী বনাধিকারিক রাজীব দে জানান, পুলিশের সঙ্গে যৌথ অভিযানে তাঁদের প্রশিক্ষিত কুকুর সফলভাবে পলাতক বন্দিকে খুঁজে বের করায় তাঁরা অত্যন্ত আনন্দিত। এর আগে গরুমারা এলাকায় চোরাশিকারীদের দমনে একাধিকবার সাফল্য দেখিয়েছে অরল্যান্ডো। এবার পলাতক বন্দির সন্ধানেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিল সে।তবে এই ঘটনায় রাজগঞ্জের হোল্ডিং সেন্টারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কড়া পাহারা ও নজরদারি থাকা সত্ত্বেও কীভাবে এক যুবক সেন্টারের উঁচু দেওয়াল টপকে পালিয়ে গেল, তা নিয়ে শুরু হয়েছে তদন্ত। নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কোথায় গলদ ছিল, তা খতিয়ে দেখছে প্রশাসন।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
রাজ্য

দমকা ঝড়ে লন্ডভন্ড পূর্বস্থলীর গ্রাম, উড়ল চাল, উপড়ে পড়ল গাছ, খতিয়ে দেখলেন বিধায়ক

হঠাৎ ঝড়ের তান্ডবে লন্ডভন্ড পূর্বস্থলীর গ্রাম। পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী ২ ব্লকের কালেখাঁতলা ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের চাপাতলা তিনপাড়া এলাকা ঝড়ের দাপটে তছনছ হয়ে গিয়েছে। কারও কারও বাড়ির ওপর গাছ ভেঙে পড়েছে। কারও টিনের চালা উড়ে গিয়েছে। মোদ্দা কথা পুজোর মুখে এই ঘটনায় মাথায় হাত পড়েছে গ্রামবাসীদের। কি করে সামাল দেবেন এই অবস্থা তা নিয়ে কপালে ভাঁজ পড়েছে বাসিন্দাদের। প্রশাসন গ্রামবাসীদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে। গ্রামে গিয়েছেন বিজেপি বিধায়ক গোপাল চট্টোপাধ্যায়।গ্রামবাসীরা জানিয়েছে, শুক্রবার রাতে হঠাৎ দমকা ঝড় ওঠে। ঝড় মাত্র কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী ছিল বলে তাঁরা জানিয়েছেন। কিছু সময়ের প্রবল ঝড়ে আঁতকে ওঠেন তাঁরা। গ্রামের প্রায় ২৫-৩০ টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এর মধ্যে অনেকগুলো কাঁচা বাড়িও রয়েছে। অসহায় মানুষগুলো এবার কি করবেন তা ভেবেই পাচ্ছেন না। হঠাৎ মাথার ছাদ চলে যাওয়ায় গ্রামবাসীরা অসহায় বোধ করছেন। ঝড়ে একজন জখম হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। খবর পেয়ে স্থানীয় বিধায়ক গোপাল চট্টোপাধ্যায় শনিবার সাকালে ওই গ্রামে গিয়ে হাজির হন। ঝড়ে ক্ষয়-ক্ষতি খতিয়ে দেখেন তিনি। বিধায়ক গ্রামবাসীদের জানিয়ে দেন, তিনি গ্রামবাসীদের পাশে আছেন। সবরকম সাহায্যের আশ্বাস দেন। পূর্বস্থলী উত্তরের বিধায়ক গোপাল চট্টোপাধ্যায় জানান, বিধ্বংসী ঝড়ে ওই গ্রামের প্রায় ৩০টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বেশ কিছু বাড়ির চালা উড়ে গিয়েছে। কয়েকটা গাছপালাও ঝড়ে পড়ে গিয়েছে। ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে চাষাবাদেরও। প্রশাসনের কর্তাদের নজরদারিতে উদ্ধারের কাজ চলছে। সরকারি ভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য করা হবে। বিডিও পারিজাত বোস জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্তদের নামের তালিকা অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
কলকাতা

অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠান, তারপরই বচসা থেকে হাতাহাতি! উত্তপ্ত সত্যজিৎ রায় ফিল্ম ইনস্টিটিউট

কলকাতার সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটে একটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়েছে। অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েতের পশ্চিমবঙ্গ শাখার একটি কর্মসূচি প্রতিষ্ঠানের অডিটোরিয়ামে চলছিল। সেই অনুষ্ঠানকে ঘিরে পড়ুয়াদের একাংশ আপত্তি জানালে প্রথমে বচসা এবং পরে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে। দুই পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ তুলেছে। ঘটনায় একাধিক জন আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষের তরফে প্রতিষ্ঠানের অডিটোরিয়াম ভাড়া নিয়ে ওই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছিল। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অনুষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠানের অনুমতি নিয়েই আয়োজন করা হয়েছিল। অনুষ্ঠান চলাকালীন কয়েক জন পড়ুয়া সেখানে গিয়ে কেন প্রতিষ্ঠানের ভিতরে এই ধরনের কর্মসূচি হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এরপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।পড়ুয়াদের অভিযোগ, অনুষ্ঠানে কয়েক জন বক্তার বক্তব্য নিয়ে তাঁদের আপত্তি ছিল। সেই আপত্তি জানাতে গেলে তাঁদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার এবং মারধর করা হয়। কয়েক জন পড়ুয়া ও শিক্ষকের উপরেও হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পড়ুয়াদের আরও দাবি, তাঁদের নানা নামে কটাক্ষ করা হয়েছে এবং ক্যাম্পাসের ভিতরে তাঁদেরই আক্রান্ত হতে হয়েছে। এই অভিযোগগুলির স্বাধীনভাবে সত্যতা এখনও প্রতিষ্ঠিত হয়নি।অন্য দিকে, অনুষ্ঠান আয়োজকদের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিন্ন। তাঁদের দাবি, টাকা দিয়ে অডিটোরিয়াম ভাড়া নেওয়ার পর তাঁরা নিজেদের কর্মসূচি করছিলেন। সেই সময় পড়ুয়ারা অনুষ্ঠানে বাধা দেন এবং তাঁদের পোস্টার ও ব্যানার ছিঁড়ে দেওয়া হয়। সেখান থেকেই বচসা এবং পরে হাতাহাতি শুরু হয় বলে আয়োজকদের দাবি। অর্থাৎ, সংঘর্ষের সূত্রপাত নিয়ে দুই পক্ষের বক্তব্য সম্পূর্ণ আলাদা।ঘটনার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পড়ুয়ারা ক্যাম্পাসের গেট আটকে বিক্ষোভ দেখান বলে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। অনুষ্ঠান আয়োজকদের একটি বাসও আটকে রাখা হয়েছিল বলে জানা যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের বড় বাহিনী ক্যাম্পাসে পৌঁছয়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।ক্যাম্পাসের বাইরে থেকেও ইট ও জলের বোতল ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে। কয়েক জন পড়ুয়া আহত হয়েছেন বলেও বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। পুলিশের উপস্থিতিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলে। ঘটনার জেরে দীর্ঘ সময় ধরে প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ উত্তপ্ত ছিল।এই ঘটনার সঙ্গে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে সাম্প্রতিক অশান্তির প্রসঙ্গও টেনে আনছেন অনেকে। তবে দুই ঘটনার মধ্যে সরাসরি কোনও যোগসূত্র রয়েছে, এমন তথ্য এখনও সামনে আসেনি। ফলে এই তুলনা রাজনৈতিক বা সামাজিক আলোচনার অংশ হলেও, তা প্রতিষ্ঠিত তথ্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে বিভিন্ন স্লোগান এবং পাল্টা স্লোগানও শোনা গিয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমে খবর এসেছে। পরিস্থিতি যাতে আরও না ছড়ায়, সে জন্য পুলিশ ক্যাম্পাসে অবস্থান করছে। সংঘর্ষের ঘটনায় ঠিক কত জন আহত এবং কার বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, সে বিষয়ে তদন্ত ও পুলিশের পরবর্তী বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠেছে। কেন অনুষ্ঠান নিয়ে পড়ুয়াদের আপত্তি তৈরি হয়েছিল, সংঘর্ষ কী ভাবে শুরু হল এবং দুই পক্ষের অভিযোগের মধ্যে কোনগুলি তদন্তে সত্যি প্রমাণিত হয়, এখন সেদিকেই নজর। পুলিশি তদন্ত এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলির বক্তব্যের ভিত্তিতেই ঘটনার পূর্ণ চিত্র স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
বিদেশ

কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে পরপর বন্দুকবাজের হামলা! দক্ষিণ আফ্রিকায় মৃত অন্তত ২৭

কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে পরপর বন্দুকবাজের হামলায় কেঁপে উঠল দক্ষিণ আফ্রিকা। জোহেনেসবার্গ এবং কেপটাউনে দুটি পৃথক ঘটনায় অন্তত ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ। হামলার পর অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। তবে রবিবার সকাল পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।প্রথম হামলাটি ঘটে শনিবার সন্ধ্যায় জোহেনেসবার্গে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, একটি পানশালায় আচমকা ঢুকে পড়ে কয়েক জন বন্দুকধারী। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তাঁরা এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করেন। ওই ঘটনায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ১৫ জন।পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদের মধ্যে ১৩ জন পুরুষ এবং ৪ জন মহিলা। হামলার পর পালিয়ে যাওয়ার আগে বন্দুকধারীরা বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা দুটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় বলেও জানা গিয়েছে। ঠিক কী কারণে এই হামলা চালানো হয়েছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।এর কয়েক ঘণ্টা পরেই দ্বিতীয় হামলার ঘটনা ঘটে কেপটাউনের একটি জনবহুল এলাকায়। রবিবার ভোরে একটি বিনোদন কেন্দ্রের বাইরে আচমকা গুলির শব্দ শোনা যায়। সেখানে গুলিবিদ্ধ হয়ে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ১১ জন।পুলিশ জানিয়েছে, দ্বিতীয় ঘটনায় পাঁচ জনের ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় বাকিদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও পাঁচ জনের মৃত্যু হয়। এই হামলার পিছনে কারা রয়েছে, তা এখনও জানা যায়নি। কোনও সংগঠিত সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীর যোগ রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।দুটি হামলার পর দক্ষিণ আফ্রিকার নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। হামলাকারীদের সন্ধানে বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। তবে রবিবার সকাল পর্যন্ত কোনও সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।সাম্প্রতিক বছরগুলিতে দক্ষিণ আফ্রিকায় অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার এবং গ্যাং-হিংসা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। মাদক পাচার, অবৈধ খনি এবং বিভিন্ন অপরাধচক্রের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনাও দেশটির একাধিক এলাকায় ঘটে থাকে। সেই পরিস্থিতির মধ্যেই কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুটি বড় বন্দুক হামলার ঘটনায় নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।তবে জোহেনেসবার্গ ও কেপটাউনের দুটি হামলার মধ্যে কোনও যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। হামলার নেপথ্যে উদ্দেশ্য কী ছিল এবং একই গোষ্ঠী এর সঙ্গে জড়িত কি না, তদন্তের পরই তা স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
কলকাতা

‘মৌসম বদলেছে, জমানাও বদলেছে’, সাধুদের কী বার্তা দিলেন শুভেন্দু?

নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে ১১ হাজার কণ্ঠে গীতাপাঠের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সাধু-সন্তদের উদ্দেশে বড় বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, সময় বদলেছে, পরিস্থিতিও বদলেছে। তাই সাধু-সন্তদের ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। তাঁরা মন খুলে গীতাপাঠ, গীতা বিতরণ এবং হনুমান চালিশা পাঠ করতে পারেন।শুভেন্দুর দাবি, সাধু-সন্তদের অপমান করা বা তাঁদের ভয় দেখানোর ঘটনা কোনও ভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। এমন ঘটনা ঘটলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে জেল পর্যন্ত হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। সম্প্রতি বাগেশ্বর বাবার ছবি পোড়ানোর অভিযোগে কলকাতায় এক কংগ্রেস নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার আগে বিধানসভা থেকে ওই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের নির্দেশ দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন শুভেন্দু।গীতাপাঠের অনুষ্ঠানে নিজের বক্তব্যের শেষে গীতার একটি অধ্যায়ও পাঠ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, সাধু-সন্তদের ধর্মীয় কাজকর্ম নিয়ে ভয় পাওয়ার প্রয়োজন নেই। গীতা পাঠ, গীতা বিতরণ, হনুমান চালিশা পাঠের পাশাপাশি ধর্মীয় বাদ্যযন্ত্র বাজানো বা হরেকৃষ্ণ নাম করার ক্ষেত্রেও কোনও ভয় থাকা উচিত নয়।শুভেন্দুর বক্তব্যে বাগেশ্বর বাবার প্রসঙ্গও উঠে আসে। তিনি বলেন, কোনও সাধু-সন্ত নিজের মতো করে সনাতনী ধর্মের প্রচার করতে পারেন। কেউ তাঁর বক্তব্য গ্রহণ করবেন কি না, সেটা ব্যক্তিগত বিষয়। কিন্তু তাঁর ছবি পোড়ানো বা তাঁকে অপমান করার ঘটনা গ্রহণযোগ্য নয়। বাগেশ্বর বাবার ছবি পোড়ানোর অভিযোগে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই পুলিশি পদক্ষেপ হয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।শুভেন্দু আরও বলেন, সাধু-সন্তদের অপমান করা বা ভয় দেখানোর চেষ্টা করলে ভবিষ্যতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাঁর বক্তব্যে ধর্মীয় আচার পালনের পাশাপাশি সবাইকে এক থাকার বার্তাও উঠে আসে।এদিনের অনুষ্ঠানে আগামী ২৯ ডিসেম্বর কলকাতায় আরও বড় গীতাপাঠের আয়োজনের কথা জানান শুভেন্দু। তাঁর ঘোষণা অনুযায়ী, ওই দিন ১০ লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠের আয়োজন করার পরিকল্পনা রয়েছে। সেই অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের প্রধান মোহন ভাগবত প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকতে পারেন বলেও জানান তিনি।গীতাপাঠের মঞ্চ থেকেই রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও নিশানা করেন শুভেন্দু। শ্রীরামপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আজাদি সংক্রান্ত মন্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে তিনি তীব্র রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া জানান।শুভেন্দুর বক্তব্য, এই ধরনের মন্তব্য করলে রাষ্ট্রবাদী মানুষের প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়তে হবে। তাঁর বক্তব্যে উপড়ে ফেলে দেওয়ার মতো তীব্র রাজনৈতিক ভাষাও উঠে আসে। এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।এদিনের অনুষ্ঠানে ধর্মীয় আচার, সাধু-সন্তদের নিরাপত্তা ও সম্মানের পাশাপাশি রাজনৈতিক বিষয়ও উঠে আসে। একদিকে বাগেশ্বর বাবাকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক, অন্যদিকে ছবি পোড়ানোর ঘটনায় পুলিশি পদক্ষেপএই দুই ঘটনাপ্রবাহের মধ্যেই শুভেন্দুর নতুন বক্তব্য সামনে এল। বাগেশ্বর বাবার মন্তব্যের সঙ্গে বিজেপির একাংশের মতপার্থক্যের কথাও সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।সব মিলিয়ে ১১ হাজার কণ্ঠে গীতাপাঠের অনুষ্ঠান থেকে সাধু-সন্তদের উদ্দেশে শুভেন্দুর বার্তা এবং আগামী দিনে আরও বড় গীতাপাঠের ঘোষণা রাজনৈতিক ও ধর্মীয়দুই ক্ষেত্রেই নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
দেশ

জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট, হঠাৎ বিরোধীদের দাবিতে বড় প্রশ্ন তুললেন মুকুল রোহতগি

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে অপসারণের দাবিতে সংসদে নতুন করে প্রস্তাব আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে বিরোধীরা। সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বিরোধী শিবিরের তরফে লোকসভা ও রাজ্যসভাদুই কক্ষেই প্রস্তাব আনার প্রস্তুতির কথা জানানো হয়েছে। সেই আবহেই প্রাক্তন অ্যাটর্নি জেনারেল তথা প্রবীণ আইনজীবী মুকুল রোহতগির মন্তব্য ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রোহতগি দাবি করেছেন, জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে যে ধরনের অভিযোগ সামনে আনা হচ্ছে, সেগুলি ইমপিচমেন্টের সাংবিধানিক ভিত্তি তৈরি করার জন্য যথেষ্ট নয়। তাঁর বক্তব্য, সম্পূর্ণ অস্পষ্ট এবং শক্ত প্রমাণহীন অভিযোগের ভিত্তিতে এমন প্রস্তাব আনা যায় না।রোহতগির যুক্তি, নির্বাচন কমিশনের তিন সদস্যের মধ্যে কোনও বিষয়ে মতপার্থক্য থাকতেই পারে। তাঁর মতে, মতের অমিল নিজে থেকে অসাংবিধানিক বা বেআইনি কাজের প্রমাণ নয়। বরং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আলোচনা ও মতপার্থক্য সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাভাবিক অংশ হতে পারে বলে তিনি মনে করেন।এই প্রসঙ্গে রোহতগি নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথাও উল্লেখ করেছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, কমিশনের অন্দরে কোনও পর্যায়ে মতের অমিল থাকলেও শেষ পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক ভাবে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, সেটিই কমিশনের সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচিত হয়। নির্বাচন কমিশনও জানিয়েছে, তাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তগুলি সর্বসম্মত ভাবে গৃহীত হয়েছে এবং অভ্যন্তরীণ পর্যায়ের মতামতকে আনুষ্ঠানিক ভিন্নমত হিসেবে দেখা ঠিক নয়।তিন সদস্যের কমিশনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের ভোট অন্য দুই নির্বাচন কমিশনারের চেয়ে বেশি নয় বলেও ব্যাখ্যা দিয়েছেন রোহতগি। অর্থাৎ তিন সদস্যের প্রত্যেকের ভোটের মূল্য সমান। কোনও বিষয়ে দুই কমিশনার এক দিকে থাকলে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যায় বলে তাঁর বক্তব্য।রোহতগি এই পরিস্থিতির সঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের একাধিক বিচারপতির বেঞ্চের তুলনাও করেছেন। তাঁর যুক্তি, বিচারপতিদের মধ্যে কোনও মামলায় মতপার্থক্য থাকলেও সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারপতির রায়ই শেষ পর্যন্ত আদালতের সিদ্ধান্ত হিসেবে কার্যকর হয়। একই ভাবে নির্বাচন কমিশনের সদস্যদের মধ্যে মতের অমিলকে শুধুমাত্র সেই কারণেই অসদাচরণ বলা যায় না বলে মত তাঁর।তবে জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বিতর্ক শুধু কমিশনের অন্দরের মতপার্থক্যে সীমাবদ্ধ নেই। প্রাক্তন কেরল মুখ্যসচিব জিজি থমসন সম্প্রতি দাবি করেছেন, ২০১৬ সালে একটি বিমানে দিল্লি যাওয়ার সময় তৎকালীন আমলা জ্ঞানেশ কুমার তাঁকে ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। থমসনের দাবি, তাঁকে পাঠানমতিট্টা কেন্দ্র থেকে লড়ার কথা বলা হয়েছিল এবং তিনি সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন।থমসনের এই দাবি অবশ্য তাঁর নিজের বক্তব্য হিসেবেই সামনে এসেছে। জ্ঞানেশ কুমারের তরফে এই অভিযোগের কোনও জবাব প্রকাশ্যে এসেছে কি না, তা নিয়েও সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে যে তিনি এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাননি। তাই অভিযোগটির সত্যতা নিয়ে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর আগে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য এবং প্রাসঙ্গিক তথ্য সামনে আসা প্রয়োজন।জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বর্তমান বিতর্কের আরও একটি বড় কারণ নির্বাচন কমিশনের অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্য নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন। একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত কয়েক মাসে কমিশনের দুই নির্বাচন কমিশনার একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়ে আপত্তি নথিভুক্ত করেছিলেন। নির্বাচন কমিশন অবশ্য জানিয়েছে, মতের পার্থক্য স্বাভাবিক এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্তগুলি সর্বসম্মত ভাবেই নেওয়া হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে এক দিকে জ্ঞানেশ কুমারকে অপসারণের দাবিতে বিরোধীদের প্রস্তাব আনার প্রস্তুতি, অন্য দিকে সেই প্রস্তাবের সাংবিধানিক ভিত্তি নিয়ে মুকুল রোহতগির প্রশ্নদুই ঘটনাই জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে চর্চার জন্ম দিয়েছে। পাশাপাশি প্রাক্তন আমলার বিজেপির টিকিটের প্রস্তাব সংক্রান্ত দাবিও বিতর্ককে আরও জটিল করেছে। তবে এই সমস্ত অভিযোগ, দাবি ও পাল্টা বক্তব্যের মধ্যে কোনগুলি প্রমাণিত এবং কোনগুলি রাজনৈতিক দাবি, তা নির্ধারণের জন্য সংশ্লিষ্ট নথি, প্রক্রিয়া এবং সব পক্ষের বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
রাজ্য

মায়ের গর্ভগৃহে পুজো, প্রবীণ নেতার পায়ে প্রণাম—বর্ধমানে মুখ্যমন্ত্রীর সফরে আবেগের অন্য ছবি

মন্দির সংস্কার ও সৌন্দর্যায়নে পূর্ণাঙ্গ ডিপিআর চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী, ৫ তারিখের ক্যাবিনেট বৈঠকে জমা দেওয়ার নির্দেশ।বর্ধমান: বর্ধমানের অধিষ্ঠাত্রী দেবী মা সর্বমঙ্গলার মন্দিরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর পুজো ঘিরে শুক্রবার শহরে তৈরি হল এক অন্য আবহ। প্রশাসনিক কর্মসূচি শুরুর আগে সর্বমঙ্গলা মন্দিরে পৌঁছে গর্ভগৃহে গিয়ে প্রায় ১০ মিনিট ধরে পুজো দেন আরতি করেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে তাঁর এই সফরের সবচেয়ে আলোচিত মুহূর্ত হয়ে রইল মন্দিরে প্রবেশের মুখে এক প্রবীণ বিজেপি নেতার সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ এবং অগ্রজের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর দৃশ্য।মন্দিরে প্রবেশের সময় অবিভক্ত বর্ধমান জেলার প্রাক্তন বিজেপি সভাপতি দেবীপ্রসাদ মল্লিকের সঙ্গে দেখা হয় মুখ্যমন্ত্রীর। দেবীপ্রসাদ মল্লিক পুষ্পস্তবক দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান। এরপরই কোনও আনুষ্ঠানিকতার তোয়াক্কা না করে তাঁর পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করেন শুভেন্দু অধিকারী। মুহূর্তের সেই দৃশ্য উপস্থিত সকলের নজর কাড়ে।বর্ধমানের বিজেপি সংগঠনের প্রবীণ কর্মীদের মধ্যে দেবীপ্রসাদ মল্লিকের নাম দীর্ঘদিনের। আশির দশক থেকেই তিনি বিজেপির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত বলে দলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের দাবি। সেই সময় বর্ধমান - দুর্গাপুর ভাগ হয়নি, গোটা বর্ধমানই ছিল একটি জেলা। বিরোধী রাজনীতির কঠিন সময়ে সংগঠন বিস্তারের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন তিনি।আজকের বিজেপি যখন বাংলার রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি, তখন তার অতীতের সাংগঠনিক পথচলার সঙ্গে যুক্ত প্রবীণ কর্মীদের ভূমিকার কথাও সামনে আসে এই ধরনের ঘটনায়। স্থানীয় বিজেপি কর্মীদের একাংশের মতে, বর্ধমান শহরে দলের সংগঠনকে শূন্য থেকে দাঁড় করানোর সময় দেবীপ্রসাদ মল্লিকের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিবেশে সংগঠনের কাজ চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি কর্মীদের একত্রিত করার কাজও করেছেন তিনি।আর সেই প্রবীণ নেতার সামনে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রীর এই শ্রদ্ধাজ্ঞাপনকে তাই শুধুমাত্র সৌজন্য বিনিময় হিসেবে দেখছেন না স্থানীয় রাজনৈতিক মহলের একাংশ। তাঁদের মতে, এর মধ্যে উঠে এসেছে একটি দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার প্রতি সম্মান জানানোর বার্তা। অবশ্য এই ঘটনার রাজনৈতিক ব্যাখ্যা যার যার নিজস্ব হলেও, মুহূর্তটির আবেগ এবং তাৎপর্য বর্ধমানের মানুষের নজর কেড়েছে।এরপরই মুখ্যমন্ত্রী প্রবেশ করেন বর্ধমানের ঐতিহ্যবাহী সর্বমঙ্গলা মন্দিরে। মন্দির কর্তৃপক্ষের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে এই প্রথম কোনও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সর্বমঙ্গলা মন্দিরে এসে পুজো দিলেন।পুরোহিতদের উপস্থিতিতে গর্ভগৃহে গিয়ে নিজের হাতে দেবীর পুজো করেন তিনি। পুজোর ডালিতে ছিল পাঁচ রকম ফল ও মিষ্টি, নারকেল, চেলি, পদ্মফুলের মালা, আলতা-সিঁদুর এবং দেবীর জন্য একটি বেনারসি শাড়ি।পুজো শেষে মন্দির কর্তৃপক্ষের তরফে মুখ্যমন্ত্রীকে সম্মান জানানো হয়। বর্ধমান পুরসভার চেয়ারম্যান তথা ট্রাস্টের চেয়ারম্যান তাঁর হাতে তুলে দেন দেবী সর্বমঙ্গলার প্রতিকৃতি। ট্রাস্টের সম্পাদক আইনজীবী সঞ্জয় ঘোষ বাঁশ দিয়ে তৈরি সর্বমঙ্গলা মন্দিরের একটি রেপ্লিকা এবং দেবীর একটি প্রতিমা মুখ্যমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন।তবে শুধু পুজো বা সৌজন্য সাক্ষাতেই শেষ হয়নি মুখ্যমন্ত্রীর মন্দির সফর। মন্দিরের ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং সামগ্রিক উন্নয়ন নিয়েও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেন তিনি।মন্দির সংস্কার, ঐতিহ্যবাহী হেরিটেজ ভবন সংরক্ষণ, সংলগ্ন এলাকার সৌন্দর্যায়ন এবং পরিকাঠামোগত উন্নয়নের বিষয়গুলি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরা হয়। মন্দির কর্তৃপক্ষের দাবি, বিষয়গুলি শুনে রাজ্যের শিল্প প্রতিমন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্রকে একটি পূর্ণাঙ্গ ডিপিআর (Detailed Project Report) তৈরি করার নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। আগামী ৫ তারিখের ক্যাবিনেট বৈঠকে সেই ডিপিআর জমা দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে বলে মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।প্রায় তিনশো বছরের ঐতিহ্য বহন করে চলা সর্বমঙ্গলা মন্দির বর্ধমানের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। মন্দিরের স্থাপত্য, ইতিহাস এবং স্থানীয় জনজীবনের সঙ্গে তার দীর্ঘ সম্পর্ককে সামনে রেখে দীর্ঘদিন ধরেই সংস্কার ও সৌন্দর্যায়নের দাবি উঠেছে।মুখ্যমন্ত্রীর সফরে সেই দাবিই নতুন করে গুরুত্ব পেল বলে মনে করছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে ধর্মীয় পর্যটনের পাশাপাশি বর্ধমানের ঐতিহাসিক স্থাপত্য ও সংস্কৃতিকে আরও বৃহত্তর পর্যায়ে তুলে ধরা সম্ভব হবে বলেও তাঁদের আশা।সময়াভাবে মন্দিরে বসে ভোগ গ্রহণ করতে পারেননি মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর জন্য অবশ্য বিশেষভাবে ভোগ পার্সেল করে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। মন্দির কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সেই ভোগের মেনুতে ছিল পোলাও, ফুলকপি-আলুর তরকারি, ছানার ডালনা, মাগুর মাছের ঝোল, ডাল, পায়েস এবং বর্ধমানের বিখ্যাত কেশরভোগ।একদিকে কয়েক শতকের ধর্মীয় ঐতিহ্য, অন্যদিকে বর্ধমানের রাজনৈতিক ইতিহাসের প্রবীণ এক চরিত্রের প্রতি প্রকাশ্য শ্রদ্ধামুখ্যমন্ত্রীর সর্বমঙ্গলা মন্দির সফর তাই একাধিক কারণে আলাদা মাত্রা পেল।সর্বমঙ্গলার গর্ভগৃহে মুখ্যমন্ত্রীর পুজো, মন্দির সংস্কারের জন্য ডিপিআর তৈরির নির্দেশ এবং প্রবীণ বিজেপি নেতা দেবীপ্রসাদ মল্লিকের পায়ে হাত দিয়ে তাঁর প্রণামএকসঙ্গে এই তিনটি মুহূর্ত বর্ধমানের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিসরে তৈরি করেছে আলোচনার নতুন আবহ।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal