• ১২ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার ২৯ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bail

রাজ্য

সই জাল বিতর্কে চাপ বাড়ছে অভিষেকের! গ্রেফতারির আশঙ্কায় হাইকোর্টে ছুটলেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতা

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে তীব্র বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে বিধানসভার তথাকথিত সই জাল কাণ্ড। এই ঘটনায় এবার সরাসরি আইনি চাপে পড়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তদন্তের মুখে পড়ে গ্রেফতারির আশঙ্কায় তিনি কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন এবং একই সঙ্গে সিআইডি-র তদন্ত প্রক্রিয়ার বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।বুধবার কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের করা আবেদনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য যে নোটিশ পাঠানো হয়েছে, তা আইনসম্মত নয়। বিচারপতি অপূর্ব সিংহ রায়ের বেঞ্চ তাঁর আবেদন গ্রহণ করে মামলাটি শুনানির অনুমতি দিয়েছে। আদালত সূত্রে খবর, আগামী শুক্রবার এই মামলার গুরুত্বপূর্ণ শুনানি হতে পারে।সমস্ত বিতর্কের সূত্রপাত বিধানসভায় তৃণমূলের সংসদীয় দলের একটি চিঠিকে ঘিরে। ওই চিঠিতে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা, অসীমা পাত্র ও নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়কে ডেপুটি লিডার এবং ফিরহাদ হাকিমকে চিফ হুইপ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। চিঠিটি বিধানসভার স্পিকারের কাছে জমা পড়ার পর তা যাচাই করতে গিয়ে একাধিক অসঙ্গতি সামনে আসে।তদন্তে উঠে আসে, তালিকাভুক্ত ৭০ জন বিধায়কের মধ্যে অন্তত ১৪ জনের ক্ষেত্রে স্বাক্ষরের জায়গায় শুধুমাত্র বড় হাতের অক্ষরে নাম লেখা রয়েছে। আরও কয়েকজন বিধায়কের সই নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। অভিযোগ, তাঁদের অনুমতি বা উপস্থিতি ছাড়াই স্বাক্ষর দেখানো হয়েছে। এই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই বিষয়টি রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে।আরও পড়ুনঃ মূল উপড়ে তৃণ ভূপতিত! পরিষদীয় দলের নিয়ন্ত্রণ বিদ্রোহীদের হাতে, বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি পেলেন ঋতব্রতঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে রাজ্য সরকার তদন্তভার সিআইডি-র হাতে তুলে দেয়। তদন্ত শুরু হওয়ার পর গত শনিবার সিআইডি-র একটি বিশেষ দল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে গিয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোটিশ দেয়। সেই নোটিশে নির্দিষ্ট দিনে ভবানী ভবনে হাজির হওয়ার নির্দেশ ছিল। কিন্তু নির্ধারিত দিনে হাজিরা না দিয়ে অভিষেক তদন্তকারী সংস্থার কাছে অতিরিক্ত সময় চান। এরপরই তিনি আইনি পথে এগিয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন।এই মামলার রাজনৈতিক দিকটিও যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। সম্প্রতি এক সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, তৃণমূলের দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহাই প্রথম এই জাল স্বাক্ষরের অভিযোগ তুলে বিধানসভার স্পিকারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পরপরই দলবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে ওই দুই বিধায়ককে তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বহিষ্কার করা হয়।আরও পড়ুনঃ হেভিওয়েট-র ওয়েট লস, ভাইপো-র মত হেলমেট পরে আদালতে বর্ধমানের কাকারাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই ঘটনা শুধুমাত্র একটি প্রশাসনিক বা সাংগঠনিক বিতর্ক নয়; বরং এটি রাজ্যের শাসকদলের অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার লড়াই এবং নেতৃত্বের প্রশ্নকেও সামনে এনে দিয়েছে। একদিকে তদন্তের জাল ক্রমশ বিস্তৃত হচ্ছে, অন্যদিকে আদালতের দ্বারস্থ হয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কার্যত আইনি লড়াইয়ের ময়দানে নেমেছেন।এখন সকলের নজর আগামী শুক্রবারের হাইকোর্ট শুনানির দিকে। আদালত সিআইডি-র তদন্তে হস্তক্ষেপ করে কি না, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও অন্তর্বর্তী সুরক্ষা পান কি না, এবং এই বিতর্কের রাজনৈতিক অভিঘাত কতদূর গড়ায়তা নিয়েই জোর জল্পনা শুরু হয়েছে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে।

জুন ০৩, ২০২৬
দেশ

ভোটের আগে গ্রেফতার, ভোট মিটতেই জামিন! ভিনেশ চান্ডেল ইস্যুতে নতুন প্রশ্ন

ভোটের ঠিক আগে গ্রেফতার হওয়া আইপ্যাক সংস্থার ডিরেক্টর ভিনেশ চান্ডেল এবার জামিন পেলেন। ভোটপর্ব শেষ হতেই তাঁর জামিন পাওয়াকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। গত ১৩ এপ্রিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি তাঁকে গ্রেফতার করেছিল। তাঁর বিরুদ্ধে আর্থিক তছরূপ, বেআইনি লেনদেন এবং হাওয়ালার মাধ্যমে টাকা বাইরে পাঠানোর অভিযোগ রয়েছে।দিল্লির পাতিয়ালা হাউজ আদালত তাঁকে শর্তসাপেক্ষে জামিন দিয়েছে। জানা গিয়েছে, এই জামিনের বিরোধিতা করেনি ইডি। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ভিনেশ চান্ডেল তদন্তে সহযোগিতা করেছেন। তবে আদালতে তাঁর জামিনের উপর কিছু শর্ত আরোপের আবেদন জানানো হয়, এবং সেই শর্ত মেনেই আদালত জামিন মঞ্জুর করে।এর আগে তিনি অন্তর্বর্তী জামিনের আবেদন করেছিলেন। তিনি আদালতকে জানান, তাঁর মা গুরুতর অসুস্থ এবং তাঁকে দেখাশোনা করার মতো বাড়িতে কেউ নেই। কিন্তু সেই আবেদন প্রথমে খারিজ হয়ে যায়। পরে নিয়মিত জামিনের শুনানিতে নতুন করে পরিস্থিতি বদলায়।আদালত জানিয়েছে, ভিনেশ চান্ডেল কোনও প্রমাণ নষ্ট করতে পারবেন না এবং কোনও সাক্ষীকে প্রভাবিত করতে পারবেন না। তাঁকে তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় সব তথ্য দিতে হবে। এছাড়া তাঁকে পাসপোর্ট জমা রাখতে হবে এবং কোথাও গেলে তদন্তকারী সংস্থাকে জানাতে হবে। নির্দিষ্ট এলাকার বাইরে যাওয়ার ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধ থাকবে।গ্রেফতারের পর তাঁকে দশ দিনের জন্য ইডি হেফাজতে পাঠানো হয়েছিল। সেই সময় আদালত বলেছিল, এই আর্থিক তছরূপের ঘটনায় তাঁর জড়িত থাকার যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে এবং বিপুল অঙ্কের টাকার লেনদেনে তাঁর ভূমিকা থাকতে পারে।এই ঘটনায় রাজনৈতিক তরজাও শুরু হয়েছে। তৃণমূলের নেতা শান্তনু সিনহা অভিযোগ করেছেন, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হচ্ছে। অন্যদিকে বিজেপি সাংসদ রাহুল সিনহা বলেছেন, জামিন একটি স্বাভাবিক আইনি প্রক্রিয়া এবং সেই প্রক্রিয়াতেই এই সিদ্ধান্ত হয়েছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
কলকাতা

মিমির মামলায় জামিন পেলেন তনয়, তবু জেলেই থাকতে হবে কেন?

অভিনেত্রী ও সাংসদ মিমি চক্রবর্তীর করা মামলায় অবশেষে জামিন পেলেন তনয় শাস্ত্রী। তবে এখনই জেল থেকে মুক্তি মিলছে না তাঁর। পুলিশের কাজে বাধা ও পুলিশকে হেনস্থার মামলায় তনয় শাস্ত্রী-সহ আরও দুজনকে চার দিনের জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।ঘটনাটি ঘটে গত ২৫ জানুয়ারি। সেদিন বনগাঁর নয়া গোপালগঞ্জে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলেন মিমি চক্রবর্তী। অভিযোগ, সেই অনুষ্ঠান চলাকালীনই তাঁকে হেনস্থা করা হয়। গান বন্ধ করে তাঁকে মঞ্চ থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়। এই ঘটনার জন্য ক্লাবের এক কর্মকর্তা তনয় শাস্ত্রীর বিরুদ্ধে বনগাঁ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন মিমি।/pএরপর ২৯ জানুয়ারি তনয় শাস্ত্রীকে গ্রেফতার করতে গেলে পুলিশ বাধার মুখে পড়ে। এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। শেষ পর্যন্ত তনয়কে গ্রেফতার করা হয়। মিমিকে হেনস্থার অভিযোগের পাশাপাশি পুলিশের কাজে বাধা দেওয়া ও পুলিশকে হেনস্থার অভিযোগেও তনয়-সহ আরও দুজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।/p৩০ জানুয়ারি অভিযুক্তদের আদালতে তোলা হয়। পুলিশ সাত দিনের জেল হেফাজতের আবেদন জানালেও বিচারক চার দিনের হেফাজতের নির্দেশ দেন। সেই মেয়াদ শেষ হলে চলতি মাসের ৩ তারিখ ফের আদালতে তোলা হয় তাঁদের। আবারও সাত দিনের হেফাজতের আবেদন করে পুলিশ এবং মামলায় শ্লীলতাহানির ধারা যোগ করার আবেদন জানানো হয়। তনয়ের আইনজীবীরা জামিন চাইলেও তা খারিজ করে দেন বিচারক। একই সঙ্গে মিমি চক্রবর্তীর গোপন জবানবন্দি নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। ইতিমধ্যেই সেই জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে।বর্তমানে মিমি চক্রবর্তীর করা হেনস্থার মামলায় জামিন মিললেও পুলিশের কাজে বাধা ও হেনস্থার মামলায় আগামী ১১ তারিখ পর্যন্ত জেলেই থাকতে হবে তনয় শাস্ত্রীকে। পরবর্তী শুনানিতে আদালত কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে সব পক্ষ।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২৬
দেশ

দিল্লি দাঙ্গা মামলায় কড়া বার্তা, উমর খালিদকে জামিন নয়

মুক্তি পেলেন না উমর খালিদ। সোমবার সুপ্রিম কোর্ট উমর খালিদ ও সার্জিল ইমামের জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে। ২০২০ সালের দিল্লি দাঙ্গার ঘটনায় বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের সঙ্গে তাঁদের যুক্ত থাকার প্রাথমিক প্রমাণ রয়েছে বলে মনে করেছে শীর্ষ আদালত। এই যুক্তিতেই দুই ছাত্রনেতার জামিনের আবেদন নাকচ করা হয়েছে। উমর খালিদ ও সার্জিল ইমামের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইন বা ইউএপিএ-র আওতায় মামলা চলছে। এই বিষয়টিকেই বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে আদালত।যদিও একই মামলায় অভিযুক্ত অন্য পাঁচজনকে এদিন জামিন দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। গুলফিশা ফতিমা, মিরান হায়দর, শিফা উর রহমান, মহম্মদ সালিম খান এবং শাদাব আহমেদকে মুক্তির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। উমর খালিদ-সহ মোট সাতজন দিল্লি হাই কোর্টের জামিন সংক্রান্ত রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানিয়েছিলেন।সোমবার বিচারপতি অরবিন্দ কুমার ও বিচারপতি এন ভি আঞ্জারিয়ার বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়। রায় ঘোষণার আগে দীর্ঘ পর্যবেক্ষণ পাঠ করেন বিচারপতিরা। আদালতের মতে, প্রসিকিউশনের পেশ করা নথি ও তথ্য থেকে স্পষ্ট হয় যে উমর খালিদ ও সার্জিল ইমাম অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সেই কারণেই তাঁদের জামিন দেওয়া যাচ্ছে না।তবে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, তদন্ত প্রক্রিয়ায় সব প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ান রেকর্ড হয়ে গেলে অথবা এক বছর পর উমর খালিদ ও সার্জিল ইমাম ফের জামিনের আবেদন করতে পারবেন।দিল্লি পুলিশ তাদের চার্জশিটে দাবি করেছে, এই ঘটনা কোনও স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলন ছিল না। পরিকল্পিতভাবে গোটা রাজ্যে অস্থিরতা ছড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, সরকারকে অস্থিতিশীল করা এবং দেশের অর্থনীতিকে চাপে ফেলার উদ্দেশ্যেই এই ষড়যন্ত্র করা হয়। দিল্লি পুলিশের আরও দাবি, তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভারত সফরের সময় এই পরিকল্পনা কার্যকর করার লক্ষ্য ছিল, যাতে আন্তর্জাতিক স্তরে ভারতের দিকে নজর যায় এবং নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে বিতর্ক আরও উসকে ওঠে।

জানুয়ারি ০৫, ২০২৬
কলকাতা

গীতা হাতে আদালতে হাজির মেসি অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা! ফের জেল হেফাজতের নির্দেশ

হাতে গীতা নিয়ে আদালতে ঢুকলেন শতদ্রু দত্ত। রবিবার তাঁর পুলিশি হেফাজতের মেয়াদ শেষ হওয়ায় তাঁকে বিধাননগর মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়। আদালতে ঢোকার সময় দেখা যায়, ডান হাতে গীতা ধরে রয়েছেন তিনি। মুখ গম্ভীর, ধীর পায়ে আদালতের দিকে এগোতে দেখা যায় মেসির কলকাতা সফরের অন্যতম উদ্যোক্তাকে। তবে রবিবারও জামিন পেলেন না শতদ্রু।গত ১৩ ডিসেম্বর যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে লিওনেল মেসির অনুষ্ঠান ঘিরে চরম বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। সেই দিনই বিমানবন্দর থেকে শতদ্রুকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর তাঁকে ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠানো হয়। পাশাপাশি রিষড়ায় তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালায় বিধাননগর দক্ষিণ থানার পুলিশ। তল্লাশির পর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ও আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত নথি খতিয়ে দেখেন সিটের আধিকারিকরা। তদন্তের ভিত্তিতে শতদ্রুর প্রায় ২২ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়।পুলিশি হেফাজতের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর রবিবার আদালতে তোলা হলে সরকারি আইনজীবীরা তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তোলেন। অভিযোগ করা হয়, সরকারি অনুমতি পাওয়ার আগেই খাদ্য ও পানীয় সরবরাহকারী সংস্থার সঙ্গে চুক্তি করা হয়েছিল। পাশাপাশি প্রায় ২৩ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগও তোলা হয়। সরকারি পক্ষের দাবি, শতদ্রু যথেষ্ট প্রভাবশালী ব্যক্তি, তাই তাঁকে জামিন দেওয়া উচিত নয়।দীর্ঘ সওয়াল-জবাবের পর আদালত জামিনের আবেদন খারিজ করে দেয়। আগামী ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত তাঁকে জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যদিও শতদ্রুর আইনজীবীর দাবি, আইনি লড়াইয়ে তাঁর মক্কেল এগিয়ে রয়েছেন। অন্যান্য শহরের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, কোনও সংস্থার তরফেই নিয়ম ভাঙা হয়নি। উল্লেখ্য, পুলিশি জেরায় শতদ্রু ইতিমধ্যেই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। এবার তাঁকে পাঠানো হল জেল হেফাজতে।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২৫
কলকাতা

মুক্তিতে স্বস্তি! কেজরিওয়ালের নামে পুজো কালীঘাট মন্দিরে

আজ আম আদমী পার্টি, পশ্চিমবঙ্গের তরফ থেকে আম আদমী পার্টির সুপ্রিমো শ্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের নামে পুজো দেওয়া হল কলকাতার কালীঘাট মন্দিরে। অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আগামী দিন গুলির রাজনৈতিক সাফল্য কামনা করে এবং দেশবাসীর মঙ্গল কামনা করে আজ এই প্রার্থনা করা হয় দলের তরফে । দলের তরফ থেকে প্রধান মুখপাত্র, অর্ণব মৈত্র জানিয়েছেন, দেশে স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে যাতে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের লড়াই সফল হয় সেই জন্য আজকের এই পুজো আয়োজন করা হয়েছিল। তার সাথে সমগ্র দেশবাসীর মঙ্গল কামনা করি আমরা।। মায়ের কাছে আমাদের প্রার্থনা সকলে ভালো থাকুক এবং অরবিন্দ কেজরিওয়াল দেশের স্বৈরাতন্ত্র কে পরাজিত করে দেশকে প্রকৃত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার দিকে অগ্রসর করুন।

মে ১১, ২০২৪
রাজ্য

শর্তসাপেক্ষে আগাম জামিন নওশাদের, নির্দেশ মতো থানায় হাজিরা

সহবাস ও ধর্ষণ সংক্রান্ত মামলায় শর্তসাপেক্ষে আগাম জামিন মঞ্জুর হল ভাঙড়ের আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকির। সোমবার আগাম জামিন মঞ্জুর করেছে কলকাতা হাইকোর্টে বিচারপতি দেবাংশু বসাকের ডিভিশন বেঞ্চ।হাইকোর্টের নির্দেশ, তদন্তে সবরকম সহযোগিতা করতে হবে নওশাদকে। হাইকোর্ট জানিয়েছে, তদন্তকারী আধিকারিকের অনুমতি ছাড়া রাজ্যের বাইরে যেতে পারবেন না নওশাদ। এছাড়াও, নওশাদ সিদ্দিকিকে সপ্তাহে দুদিন তাঁকে বউবাজার থানায় হাজিরা দিতে হবে।ভাঙড়ের আইএসএফ বিধায়ক নওশাদের বিরুদ্ধে সহবাস, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ করেন মুর্শিদাবাদের ডোমকল শহর তৃণমূল কমিটির অন্যতম সাধারণ সম্পাদিকা। ওই তরুণীর অভিযোগের ভিত্তিতে কলকাতার বৌবাজার থানায় নওশাদ সিদ্দিকির বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা দায়ের হয়। এফআইআরে অভিযোগকারিণীর দাবি, দেড় বছর আগে তাঁকে বিবি গাঙ্গুলি স্ট্রিটে নিজের অফিসে আটকে রেখে ধর্ষণ করেছেন নওশাদ। পরে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েও বেশ কয়েক বার সহবাস করেছেন আইএসএফ বিধায়ক। অভিযোগ, এরপর অভিযোগকারিণী বিয়ের জন্য চাপ দিলে তাঁকে এড়িয়ে যেতে থাকেন নওশাদ। বিধায়ক কখনও নিজে, কখনও সহকারীদের দিয়ে তরুণীকে হুমকি দিয়েছেনএরপর গত ৭ জুলাই আগাম জামিনের আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন নওশাদ সিদ্দিকি। মামলা দায়েরের অনুমতি দেন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চ। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নওশাদকে এদিন আগাম জামিন দিল কলকাতা হাইকোর্ট।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২৩
রাজ্য

এবারের পুজোটা জেলেই কাটবে অনুব্রত মন্ডলের, জামিন না-মঞ্জুর

সেই প্রভাবশলী তকমা। এবার দুর্গাপুজোটা জেলেই কাটাতে হবে গরুপাচার কাণ্ডে গ্রেফতার বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অনুব্রত মন্ডলকে। বুধবার ফের জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে গেল অনুব্রত মন্ডলের। এদিন ফের এই তৃণমূল নেতাকে ১৪ দিনের জেল হেফাজত দিল আসানসোলের সিবিআইয়ের বিশেষ আদালত। জামিনের আবেদন খারিজ করেন বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ৫ অক্টোবর, দশমীর দিন। তাই পুজোর কটা দিন জেলেই কাটাতে হবে অনুব্রতকে।বুধবার আসানসোলের বিশেষ আদালতে অনুব্রতর মন্ডলের আইনজীবী সন্দীপন গঙ্গোপাধ্যায় এবং অনির্বাণ গুহঠাকুরতা মক্কেলের জামিনের আবেদন করেন। তাঁরা যুক্তি দেন, গরুপাচার কাণ্ডের মূল অভিযুক্তদের জামিন মঞ্জুর হয়েছে। কেউ মাসখানেকের ওপর জেল খেটেছেন কেউ জেল না খেটেই জামিন পেয়েছেন। একইসঙ্গে অনুব্রতর শারীরিক অবস্থা খারাপ বলেও আদালতে জানান তাঁর আইনজীবী। সিবিআই আইনজীবীর তরফে প্রভাবশালী তকমা দেওয়া হয় অনুব্রতকে। তিনি বাইরে থাকলে মামলার সাক্ষ্যপ্রমাণ নষ্ট করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২২
রাজ্য

সিপিএমের আইন অমান্য কর্মসুচীতে গ্রেফতার ৩১ জনের শর্তাধীন জামিন মঞ্জুর সিজেএম আদালতের

আইন অমান্য কর্মসূচি চলাকালীন বর্ধমান শহরের কার্জন গেটে তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক খোকন দাসের অফিসে হামলা, ভাঙচুর ও কয়েকজন কর্মীকে মারধরের ঘটনায় ধৃত সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আভাষ রায়চৌধুরি, এসএফআইয়ের জেলা সম্পাদক অনির্বাণ রায়চৌধুরি সহ ৩১ জনের শর্তাধীন জামিন মঞ্জুর করল সিজেএম আদালত।ধৃতদের মঙ্গলবার বর্ধমান সংশোধনাগার থেকে আদালতে পেশ করা হয়। ধৃতদের হয়ে বামপন্থী আইনজীবী সংগঠনের সদস্যরা সহ বেশ কয়েকজন আইনজীবী জামিনের সওয়াল করেন। সরকারি আইনজীবী অবশ্য জামিনের বিরোধিতা করেন। দুপক্ষের সওয়াল শুনে সপ্তাহে ২দিন তদন্তকারী অফিসারের কাছে হাজিরা, অনুমতি ছাড়া আদালতের এলাকা না ছাড়া, শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার শর্তে ধৃতদের জামিন মঞ্জুর করেন সিজেএম চন্দা হাসমত। শর্ত লঙ্ঘন করলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সিআরপিসির ৪৩৭(৫) ধারা অনুযায়ী জামিন বাতিলের প্রক্রিয়া কার্যকর করা হবে বলে নির্দেশ দিয়েছেন সিজেএম।উল্লেখ্য, গত ৩১ আগস্ট সিপিএমের আইন অমান্য কর্মসূচি চলাকালীন কার্জন গেট চত্বরে ব্যাপক গণ্ডগোল হয়। পুলিসের উপর হামলা চালানো হয়। পুলিসের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। কার্জন গেটে বিধায়কের অফিসেও ভাঙচুর করা হয়। তৃণমূলের কয়েকজন কর্মীকে মারধর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিস লাঠি চার্জ করে। তাতে কাজ না হওয়ায় কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটানো হয়। এমনকি জলকামান ব্যবহার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে পুলিস ৪৬ জনকে গ্রেপ্তার করে। পরে আরও ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ঘটনার বিষয়ে বর্ধমান থানার আইসির অভিযোগের ভিত্তিতে একটি মামলা রুজু হয়। বিধায়কের অফিসে ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনায় তৃণমূল নেতা শেখ নুরুল আলম অভিযোগ দায়ের করেন। এনিয়ে পৃথক একটি মামলা রুজু হয়। পুলিসের দায়ের করা মামলায় আগেই ধৃতদের জামিন মেলে। সিপিএম অবশ্য ঘটনার জন্য পুলিসকে দায়ী করেছে। পুলিসই দলের কর্মী-সমর্থকদের উপর হামলা চালায় বলে সিপিএমের পাল্টা অভিযোগ।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২২
রাজ্য

স্বামীর খুনের আসামী ছাড়া পাওয়ায়, আত্মহত্যার চেষ্টা করলেন অনুপম দত্তের স্ত্রী

এদিন আদালত থেকে মূল অভিযুক্ত বাপি পণ্ডিতের জামিনের খবর এলাকায় জানাজানি হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকার বাসিন্দারা। তারা একজোট হয়ে রাত পৌনে দশটা নাগাদ আগরপাড়া তেঁতুলতলা মোড়ে বিটি রোড অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায়। রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখতে থাকে। এদিকে জামিন পাওয়ার ঘটনার খবরে বিক্ষোভ চলাকালীনই অনুপম দত্তের স্ত্রী তথা ওই ওয়ার্ডের পৌরমাতা মীনাক্ষী দত্ত তার দুই সন্তানকে নিয়ে ঘরের মধ্যে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। তার মায়ের চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা তাকে উদ্ধার করে কামারহাটি সাগরদত্ত মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। তাকে ভর্তি করা হয় এবং বর্তমানে তিনি হাসপাতালের সিসিইউ ইউনিটে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বিক্ষোভকারী বলেন, যদি বাপিকে ছেড়ে দেওয়া হয় তাহলে আগামী দিনে তারা বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটবেন ।এখানে উল্লেখ্য, ১৩ মার্চ ২০২২ অনুপমের বাড়ি থেকে সামান্য দূরে, আগরপাড়া স্টেশন রোডে স্কুটারে ওঠার মুহুর্তে এক দুষ্কৃতী কয়েক হাত দূর থেকে অনুপমকে লক্ষ করে গুলি চালায়। তৎকালীন পানিহাটি পুরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অনুপমের ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় । সেই রাতের মধ্যে গ্রেফতার হয় অমিত পণ্ডিত। ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের গোয়েন্দাদের তদন্তে উঠে আসে, খুনের সুপারি দিয়েছিল বাপি। জানাযায় এর আগে অন্য এক দুষ্কৃতীকে অনুপমকে মারা জন্য সুপারি দেইয়েছিল বাপি, সে কাজটি না করায় পুর ভোটের ঠিক পরেই অমিতকে কাজে লাগায়। সেই ঘটনার পরেই অনুপম দত্তের স্ত্রী মীনাক্ষী ও আত্মীয় পরিজনেরা দোষীদের চরম শাস্তির দাবি করে আসছিলেন। এমতবস্থায় বাপি জামিন পেয়ে গেলে তাঁদের কোনও ক্ষতি হতে পারে সেই আশঙ্কায় মীনাক্ষী ও তাঁর পরিবার।

আগস্ট ৩০, ২০২২
রাজ্য

বীরভূমের বেতাজ বাদশা অনুব্রতকে জামিন না দিলে মাদক কেসে ফাঁসানোর হুমকি বিচারককে

আসানসোলের সিবিআই কোর্টের বিচারককে হুমকি চিঠি। ঘটনাই চাঞ্চল্য ছড়ালো আসানসোল ও বর্ধমানে। অভিযোগ বর্ধমান কোর্টের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের হেড ক্লার্কের বিরুদ্ধে। এই ঘোরতর অভিযোগ যার দিকে, বর্ধমান কোর্টের সেই হেড ক্লার্ক বাপ্পা চ্যাটার্জি জানান, আমি এই বিষয়ে কিছু জানিনা। আপনাদের কাছ থেকে প্রথম শুনছি। এই বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই। কেউ কি আপনার নাম করে এই হুমকি চিঠি দিয়েছে? এই প্রশ্নের উত্তরে বাপ্পা বাবু জানান সেটাও আমি কিছু বুঝতে পারছি না। এখানে উল্লেখ্য বাপ্পা তৃণমূলের জেলাভিত্তিক কর্মচারী সংগঠনের সদস্য।বাপ্পার নামে হুমকি চিঠি আসে আসানসোলে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতের বিচারক রাজেশ চক্রবর্তীর কাছে। ওই চিঠিতে লেখা হয়, গরুপাচার মামলায় অনুব্রত মণ্ডলকে জামিন দিন। না হলে আপনি এবং আপনার পরিবারকে মাদক মামলায় ফাঁসানো হবে। চিঠিটি যে খামে করে পাঠানো হয় তাঁর উপর বাপ্পা চ্যাটার্জির নামে সিলমোহর ব্যবহার করা হয়েছে। বাপ্পা জানিয়েছেন, তাঁর এবিষয়ে কিছুই জানা নেই। তিনি আরও জানান, সিলমোহর তাঁর কাছেই আছে। চুরি যায়নি, হয়ত কেউ কেউ ওই সিলমোহর নকল করে এই কান্ডটি ঘটিয়েছে।প্রসঙ্গত আগামিকাল বুধবারই অনুব্রত মণ্ডলের জামিনের শুনানি আছে আসানসোল সিবিআই কোর্টে। অনুব্রত মণ্ডল গরু পাচার মামলায় আপাতত সিবিআই হেপাজতে আছেন।

আগস্ট ২৩, ২০২২
দেশ

লখিমপুর-কাণ্ডে জামিন পেল মূল অভিযুক্ত মন্ত্রিপুত্র আশিস!

জামিন পেলেন লখিমপুর খেরিতে কৃষকদের গাড়ির চাকায় পিষে মারার ঘটনায় ধৃত আশিস মিশ্র। বৃহস্পতিবার ইলাহাবাদ হাইকোর্টের লখনউ বেঞ্চ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অজয় মিশ্র টেনির ছেলে আশিসের জামিনের আবেদন মঞ্জুর করে। গত ৯ অক্টোবর আশিসকে গ্রেপ্তার করেছিল উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। তার কয়েক দিন পরেই উদ্ধার করা হয় তাঁর বন্দুক। লখিমপুর-কাণ্ডের তদন্তে ঢিলেমির জন্য গত ২০ অক্টোবর উত্তরপ্রদেশ পুলিশকে তুলোধনা করেছিল সুপ্রিম কোর্ট।নভেম্বরে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) আদালতে পেশ করা রিপোর্টে জানায়, লখিমপুরের ঘটনা পূর্বপরিকল্পিত। ওই ঘটনার তদন্তকারী অফিসার বিদ্যারাম দিবাকর তাঁর রিপোর্টে বলেছেন, এটা কোনও দুর্ঘটনা নয়। আগে থেকে পরিকল্পনা করেই এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে। সিট-এর পেশ করা চার্জশিটে আশিস এবং তাঁর ড্রাইভার-সহ তিন জনকে কৃষক হত্যায় অভিযুক্ত করা হয়। এই পরিস্থিতিতে বিধানসভা ভোটপর্বের মাঝে প্রভাবশালী ব্রাহ্মণ নেতা টেনির ছেলের জামিন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।গত বছরের ৩ অক্টোবর লখিমপুর খেরিতে আশিসের গাড়ির তলায় চাপা পড়ে কৃষি আইন বিরোধী বিক্ষোভকারী চার কৃষক এবং এক মৃত্যু হয়েছিল বলে অভিযোগ। পরবর্তী হিংসায় আরও চার জনের প্রাণ যায়। যদিও অজয়ের দাবি, ঘটনার সময় ওই গাড়িতে ছিলেন না আশিস। ওই ঘটনায় আশিস এবং তাঁর সঙ্গী অঙ্কিতের বিরুদ্ধে আন্দোলনকারী কৃষকদের লক্ষ্য করে গুলি চালানোরও অভিযোগ ওঠে।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Aryan Khan : প্রতি সপ্তাহে আরিয়ানকে এনসিবির অফিসে যেতে হবে না, জানাল বম্বে হাইকোর্ট

আরিয়ান খানের জন্য স্বস্তির খবর। প্রতি সপ্তাহে মুম্বইতে নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরোর অফিসে যেতে হবে না তাঁকে। গত সপ্তাহেই মুম্বই এনসিবি অফিসে সাপ্তাহিক হাজিরা লাঘব করার জন্য আবেদন জানিয়েছিলেন আরিয়ান বম্বে হাইকোর্টের কাছে। এবার সেই আবেদনে আরিয়ানের পক্ষে রায় দিল এনসিবি। কিছুটা বদল আনা হয়েছে আরিয়ান খানের জামিনের শর্তে। এবার থেকে এনসিবির তরফ থেকে আরিয়ানকে ডেকে পাঠানো হবে, হাজিরার প্রয়োজন নেই। তবে ডাক পড়লে দিল্লিতে এনসিবি-র সদর দফতরে বা মুম্বই অফিসে যাবেন আরিয়ান। তবে, ৪৮ ঘণ্টা আগে আরিয়ানকে সেটা জানিয়ে দিতে হবে এনসিবিকে। অন্য দরকারে মুম্বই ছাড়লে তা জানিয়ে রাখতে হবে আরিয়ানকে। আরিয়ানের আবেদনে বলা হয়েছিল, এই কেসের সাথে এখন আর মুম্বই এনসিবি অফিসের কোনও সম্পর্ক নেই। এখন এটা দেখছে এনসিবি-র স্পেশ্যাল ইনভেস্টিগেশন টিম। এমনকী, তাঁদের তরফে ইতিমধ্যে বয়ানও রেকর্ড করা হয়েছে। আরিয়ানের তরফে আরও জানানো হয়, তিনি যখনই এনসিবির অফিসে হাজির হন তখন বাইরে থিকথিক করে ভিড়। একাধিক পুলিশকে তা সামলাতে হয়। যা সমস্যার হয়ে দাঁড়ায়। এখন এই সমস্যায় কিছুটা ছাড় পেল কিং খানের পুত্র। ৩ ডিসেম্বর প্রমোদতরীর মামলায় গ্রেফতার হন আরিয়ান। এরপর কিছুদিন এনসিবির হেফাজতে ছিলেন তিনি। সেখান থেকে তাকে আরথার রোডের জেলেতে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। ৩১ ডিসেম্বর জামিন পান আরিয়ান।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Aryan Khan: জামিনের শর্তে বদল চাইছেন আরিয়ান, কি কোন শর্তে?

২৯ অক্টোবর জানিম পাওয়া তিন অভিযুক্ত আরিয়ান এবং তাঁর দুই বন্ধু আরবাজ মার্চেন্ট ও মুনমুন ধামেচাকে ১৩টি শর্তের বিনিময়ে জামিন দেয় বম্বে হাই কোর্ট। জামিন পাওয়ার জন্য দীর্ঘ আইনি লড়াই চলছে শাহরুখ খানের পুত্র আরিয়ান খানের। ১৩টি শর্তের মধ্যে একটি শর্তে বদল চাইছেন আরিয়ান।আরও পড়ুনঃ আমি তখন অষ্টাদশীর ছোঁওয়ায়, টিউশন শেষ করে বাড়ি ঢুকছেন শ্রীলেখা!এই প্রসঙ্গে সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম মারফত জানা গেছে, আরিয়ানের ওপর আরোপিত শর্তগুলির মধ্যে অন্যতম হল প্রতি শুক্রবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর ২টোর মধ্যে মুম্বইয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ব্যুরো (এনসিবি)-র দফতরে হাজিরা দিতে হবে আরিয়ানকে। শাহরুখ-পুত্র এই শর্তে কিছু শিথিলতার আবেদন জানিয়েছেন। এর প্রেক্ষিতে তাঁর বক্তব্য, প্রতি শুক্রবার হাজিরা দিতে গিয়ে তাঁকে প্রশাসনের বেষ্টনির মধ্যে থাকতে হয়। মুম্বই পুলিশ বিশেষ প্রহরা দিয়ে তাঁকে দফতরে নিয়ে যায়, যাতে সংবাদমাধ্যমের হাত থেকে তিনি নিস্তার পান। আরিয়ান জানিয়েছেন, প্রতি শুক্রবার এ ভাবে হাজিরা দিতে গিয়ে তাঁর অস্বস্তি আরও বাড়ছে।আরও পড়ুনঃ বিরুষ্কার প্রতিবেশী হচ্ছেন ভিক্যাটআরিয়ানের আবেদন ইতিমধ্যেই দেশাই করিমজি এবং মুল্লারের মাধ্যমে দায়ের করা হয়েছে। সম্ভবত ১৩ ডিসেম্বর বিচারপতি সাম্ব্রের সামনে তা পেশ করা হবে। আরিয়ানের জামিনের শর্তে আদৌ বদল আসে কিনা সেটাই এখন দেখার।

ডিসেম্বর ১১, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Raj Kundra : রাজ কুন্দ্রার আগাম জামিন খারিজ বম্বে হাই কোর্টের

২০২০ সালের পর্ন ফিল্ম ব়্যাকেট কাণ্ডে রাজ কুন্দ্রা, পুনম পাণ্ডে ও শার্লিন চোপড়ার আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করল বম্বে হাই কোর্ট। বৃহস্পতিবার বিচারপতি এন সাম্ব্রে কুন্দ্রা, পুনম পাণ্ডে, শার্লিন চোপড়া-সহ পর্নকাণ্ডের মোট ৬ অভিযুক্তের আগাম জামিনের আর্জি না-মঞ্জুর করেছেন। তবে আগামী চার সপ্তাহ তাঁদের বিরুদ্ধে কোনওরকম শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না, এমনটা জানিয়েছে কোর্ট।অন্য আরেকটি পর্নকাণ্ডে গত জুলাই মাসে গ্রেফতার হয়েছিলেন রাজ কুন্দ্রা। পরবর্তী সময়ে সেপ্টেম্বর মাসে জামিনে মুক্তি পান রাজ। এই রায়ের বিরুদ্ধে ফের আবেদন জানাবেন অভিযুক্তরা জানিয়েছেন তাঁদের এক কৌঁসুলি সুদীপ পাসবোলা।ভারতীয় দণ্ডবিধির ২৯২,২৯৩ (অশ্লীল ভিডিয়ো বিক্রি) এবং আইটি আইনের ৬৬ই, ৬৭,৬৭এ ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছিল রাজ কু্ন্দ্রার বিরুদ্ধে। রাজের আইনজীবীরা এই প্রসঙ্গে জানিয়েছে, আইটি আইনের ৬৭ এবং ৬৭এ ধারাটি রাজ কুন্দ্রার উপর আরোপ করা অনুচিত কারণ হটশট অ্যাপে তৈরি ওই সব ভিডিয়োতে সরাসরি কোনও যৌন মিলন দেখানো হয়নি তাই আইটি অ্যাক্টের ৬৭ -এ ধারা যোগ করা কোনওভাবেই বাঞ্ছনীয় নয়। রাজ কুন্দ্রা কোনওভাবেই ওই সকল কনটেন্ট তৈরির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নন। তিনি বলেন, হতে পারে ওই ভিডিয়ো গুলো ইরোটিক (যৌন উদ্দীপক) কিন্তু সেখানে কোনওরকম যৌন মিলন বা সম্পর্ক দেখানো হয়নি।

নভেম্বর ২৬, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Aryan Khan : জেল থেকে ছাড়া পেলেন শাহরুখ পুত্র আরিয়ান

অবশেষে মুক্তি। জেল থেকে ছাড়া পেলেন শাহরুখ খানের ছেলে আরিয়ান খান। এই প্রতিবেদন লেখার কিছুক্ষণ আগেই তিনি আর্থার রোড জেল থেকে বেরিয়েছেন। ছেলেকে নিতে এসেছিলেন শাহরুখ। ইতিমধ্যেই আরিয়ান বাড়ি মন্নতে পৌঁছে গিয়েছেন। গতকালই তার জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সঠিক সময়ে কাগজপত্র না পৌঁছনোই আরও একটি রাত জেলেই কাটাতে হয়েছে আরিয়ানকে। বৃহস্পতিবার বম্বে হাইকোর্ট প্রমোদতরীতে মাদক কাণ্ডে জামিন পান ২৩ বছরের আরিয়ান। ১ লাখের বন্ডে স্বাক্ষর করে শাহরুখ পুত্রের জামিনদার হন জুহি। শুক্রবার সমস্ত নিয়ম মেনে ছেলেকে নিয়ে বাড়ি ফিরতে মুম্বইয়ের আর্থার রোড জেলে হাজির হন শাহরুখ খান। সমস্ত ভিড় এড়িয়ে আরিয়ান কে গাড়িতে তোলেন শাহরুখ খানের দীর্ঘদিনের সঙ্গী তার বডিগার্ড রবি সিং। আরিয়ান ছাড়া পাওয়ার পর পিটিআই কে এক জেল আধিকারিক বলেন, আমরা কাউকে বিশেষ সুবিধা দেব না। আইন সবার জন্য সমান। জামিনের কাগজপত্র পাওয়ার সময়সীমা ছিল বিকাল সাড়ে ৫টা। তা পার হয়ে গেছে। তাই তাঁকে মুক্তি দেওয়া হবে না।

অক্টোবর ৩০, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Aryan Khan: অবশেষে জামিন পেলেন আরিয়ান খান

অবশেষে জামিন পেলেন আরিয়ান খান। বম্বে হাইকোর্ট শাহরুখ-পুত্রের জামিনের আবেদন মঞ্জুর করল বৃহস্পতিবার। দীপাবলির আগেই সম্ভবত বাড়ি ফিরবেন শাহরুখ-গৌরীর ছেলে। মঙ্গলবার এবং বুধবার আরিয়ানের জামিনের শুনানি অসমাপ্ত ছিল। তৃতীয় দিনে রায় শোনাল হাইকোর্ট। শুক্র বা শনিবার ঘরের ছেলে ঘরে ফিরতে পারেন। মুনমুন ধমেচা এবং আরবাজ মার্চেন্টকেও জামিন দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার এই তিন জনকে জামিন দেওয়ার কারণ সবিস্তার জানাবে হাইকোর্ট।দীর্ঘ ২২ দিন মুম্বইয়ের আর্থার রোডের জেলই ছিল সুপারস্টার শাহরুখ পুত্র আরিয়ান খানের ঠিকানা। অবশেষে নিজের বাড়ি মন্নতে ফিরছেন তিনি।গত ২ অক্টোবর মুম্বই থেকে গোয়াগামী প্রমোদতরী থেকে আটক করা হয়েছিল আরিয়ানকে। তার পর ৩ তারিখ তাঁকে গ্রেপ্তার করে নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো (এনসিবি)। মোট দুবার তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে যায়। যুক্তি হিসেবে বলা হয়, জামিনে ছাড়া পেলে, আরিয়ান তাঁর বিরুদ্ধে যাবতীয় তথ্য ও প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করতে পারেন।ছেলে জেল থেকে না ফেরা পর্যন্ত মন্নতে মিষ্টি খাওয়া বন্ধ রেখেছিলেন গৌরী। অন্যদিকে সলমনের বাবা-মা সেলিম খান ও হেলেন রোজ আরিয়ানের জন্য প্রাথর্না করতেন। বৃহস্পতিবার সকালেই সোশ্যাল মিডিয়া স্টোরিতে বিচার ব্যবস্থার দিকে আঙুল তুলে আরিয়ানের সমর্থনে মুখ খুলেছিলেন হৃত্বিক। দাদা জেলে, তাই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন বোন সুহানা। দুশ্চিন্তা ও ক্লান্তির ছাপ ছিল তাঁর চেহারাতেও শাহরুখের। ২ নভেম্বর শাহরুখের জন্মদিন। ৫৬ বছর বয়সে পা দেবেন তারকা। জন্মদিনের আগে ছেলেকে কাছে পাচ্ছেন, দীপাবলি কাটাবেন একসঙ্গে এতেই বা কম কীসের!

অক্টোবর ২৮, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Pori Moni : মাদক মামলায় জামিনের মেয়াদ বাড়ল পরীমণির

পরীমণি মাদক আইনের মামলায় অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য আগামী ১৫ নভেম্বর দিন ধার্য করেছে আদালত। মঙ্গলবার সকাল ৯টায় আদালত প্রাঙ্গণে এসে গেইটের বাইরে অপেক্ষা করেন অভিনেত্রী। সাড়ে ৯টার দিকে গেট খোলা হরে তিনি মহানগর দায়রা জজ আদালতের এজলাস কক্ষে প্রবেশ করে সোফায় বসে শুনানির জন্য অপেক্ষা করেন। সাড়ে ১০টার দিকে তার মামলার শুনানি শুরু হয় এবং শেষ হয় মাত্র সাত মিনিটের মধ্যে। তারপরেই সকাল ১০.৩৭ মিনিটে পরীমণি আদালত ত্যাগ করেন।অভিনেত্রী পরীমণির বিরুদ্ধে বনানী থানার মাদক আইনের মামলায় অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য ১৫ নভেম্বর দিন রেখেছে আদালত। ঢাকা মহানগরের ভারপ্রাপ্ত দায়রা জজ রবিউল আলম মঙ্গলবার অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে শুনানির এই তারিখ ঠিক করে দেন। পরীমণি-সহ মামলার তিন আসামি মঙ্গলবার আদালতে হাজির হয়ে জামিনের মেয়াদ বৃদ্ধির আবেদন করলে বিচারক তা মঞ্জুর করেন। মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ ছুটিতে থাকায় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ রবিউল আলম ভারপ্রাপ্ত বিচারক হিসেবে এ আদেশ দেন।পরীমণির পক্ষে আইনজীবী নিলাঞ্জনা রিফাত সুরভি আগের শর্তে জামিনের আর্জি জানিয়ে বলেন, এই চিত্রনায়িকার শুটিংয়ের শিডিউল আছে, সেজন্য হাজিরার একটি লম্বা তারিখ প্রয়োজন। রাষ্ট্রপক্ষে মহানগর দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর তাপস কুমার পাল শুনানিতে কোনও আপত্তি করেননি।

অক্টোবর ২৭, ২০২১
কলকাতা

Sarada Scam: ৭ বছর পর জামিন দেবযানীর

সারদা (Sarada scam) মামলায় জামিন পেলেন অন্যতম অভিযুক্ত দেবযানী মুখোপাধ্যায়। শনিবার কলকাতা হাইকোর্ট তাঁকে এ রাজ্যের সমস্ত মামলা থেকে জামিনের অনুমতি দেয়। তবে অন্যান্য রাজ্যে যে সারদা মামলা রয়েছে, তাতে দেবযানী থাকবেন অন্যতম অভিযুক্ত হিসেবেই। শনিবার এমনই জানিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta HC) বিশেষ ডিভিশন বেঞ্চ। অসম, ওডিশায় সারদার বেশ কয়েকটি মামলা চলছে এখনও। আর সে কারণেই জামিন পেলেও তাঁর জেলমুক্তি নিয়ে জটিলতা থাকছে। তবে ৭ বছর পর সারদা ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেলস-সহ একাধিক মামলার খাঁড়া আর রইল না দেবযানীর মাথার উপর।২০১৩ সালে সারদা মামলায় ২২ এপ্রিল কাশ্মীর থেকে কলকাতা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন সারদা কর্তা সুদীপ্ত সেন এবং তাঁর ছায়াসঙ্গী দেবযানী মুখোপাধ্যায় (Debjani Mukherjee)। পরের বছর অর্থাৎ ২০১৪ সালে সারদা ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেলস মামলায় অভিযুক্ত হন দেবযানী। তিনি রাজ্যের সমস্ত মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়ে জামিনের আবেদন করেছিলেন। এই মামলা চলছিল হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির এজলাসে। এই মুহূর্তে যাবতীয় চিটফান্ড মামলার সমস্ত শুনানি চলছে তাঁর নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চেই। দেবযানীর মামলার পরিপ্রেক্ষিতে তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই সময় চায়। কিন্তু হাইকোর্ট সময় দিতে চায়নি। শনিবার এই মামলায় বিশেষ বেঞ্চ বসানো হয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টে। সেই বেঞ্চেই জামিন মঞ্জুর হয় দেবযানীর। আদালত সূত্রে খবর, ২ লক্ষ টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে মিলেছে জামিন।তবে এখনই জেল থেকে মুক্তি পাচ্ছেন না সারদার এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর। কারণ, এ রাজ্যের বিভিন্ন থানায় ১০০ টিরও বেশি মামলা রয়েছে দেবযানীর বিরুদ্ধে। সেসব চার্জশিট জমা পড়েনি এখনও। এছাড়া গুয়াহাটি, ভুবনেশ্বরেও চলছে মামলা। তাই আপাতত জেলেই থাকতে হবে তাঁকে।

জুন ১৯, ২০২১
কলকাতা

নারদ কাণ্ডে ৪ হেভিওয়েট নেতা-মন্ত্রীর শর্তসাপেক্ষে অন্তর্বর্তী জামিন

নারদ কাণ্ডে ধৃত ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্র এবং শোভন চট্টোপাধ্যায়ের অন্তর্বর্তী জামিন মঞ্জুর করল কলকাতা হাইকোর্টের পাঁচ বিচারপতির বৃহত্তর বেঞ্চ। ২ লক্ষ টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে তাঁদের অন্তর্বর্তী জামিনের নির্দেশ দিল আদালত। আরও পড়ুন: ১৫ জুন পর্যন্ত বাড়ল কার্যত লকডাউনের মেয়াদশুক্রবার সকাল ১১টা নাগাদ কলকাতা হাইকোর্টে শুরু হয় শুনানি। শুরুতেই সলিসিটার জেনারেল তুষার মেহতা দাবি করেন, পুরো মামলাটাই শোনা হোক। তবে অভিযুক্তদের আইনজীবীদের তরফে বলা হয়, মূল আবেদনের সঙ্গে যদি কোনও সংযুক্ত আবেদন থাকে তবে তা ১৪ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হয়। শুনানির শুরুতে সেই একই দাবিতে অনড় থাকেন অভিযুক্তপক্ষের আইনজীবীরা। সেই অনুযায়ী শুনানির শুরুতেই অন্তর্বর্তী জামিনের মামলা আগে শোনা হয়। তারপরই ২ লক্ষ টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে ওই চার হেভিওয়েটের জামিন মঞ্জুর করে কলকাতা হাইকোর্টের পাঁচ বিচারপতির বৃহত্তর বেঞ্চ। তবে বেশ কয়েকটি শর্ত আরোপ করা হয়েছে। হাইকোর্টের তরফে জানানো হয়েছে, ওই চার হেভিওয়েটকে মামলার তদন্তকারী আধিকারিকদের সহযোগিতা করতে হবে। বর্তমানে করোনা মোকাবিলায় রাজ্যে যেহেতু নানা বিধিনিষেধ জারি রয়েছে তাই আপাতত ভার্চুয়ালি সহযোগিতা করতে হবে তাঁদের। তবে বিধিনিষেধ প্রত্যাহার হওয়ার পর সশরীরে উপস্থিত থেকেও তদন্তে সহযোগিতা করতে হতে পারে। বর্তমানে আর গৃহবন্দি থাকতে হবে না তাঁদের। বাইরে বেরিয়ে স্বাভাবিক কাজকর্ম করতে পারবেন তাঁরা। যে কোনও সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখিও হতে পারবেন ওই চার হেভিওয়েট। তবে মামলার বিষয়ে কোনও মুখ খুলতে পারবেন না মন্ত্রী-বিধায়করা।

মে ২৮, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

‘আগুনে পুড়েও আরও শক্তিশালী হয়েছি’! আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিস্ফোরক দাবি শেখ হাসিনার

বাংলাদেশে ক্ষমতা হারানোর পর দেশ ছেড়ে যেতে হয়েছে শেখ হাসিনাকে। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগের তদন্ত চলছে। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রমও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে এত কিছুর পরেও দলকে শেষ হয়ে গেছে বলে মানতে নারাজ বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেছেন, আওয়ামী লীগকে কোনও নিষেধাজ্ঞা বা রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত দিয়ে মানুষের মন থেকে মুছে ফেলা সম্ভব নয়।শেখ হাসিনার কথায়, আওয়ামী লীগ কোনও কাগজে লেখা সংগঠনের নাম নয়। এটি বাংলাদেশের ইতিহাস, মানুষের আবেগ এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা একটি শক্তি। গত সাতাত্তর বছরের ইতিহাসে বহুবার হামলা, নিষেধাজ্ঞা এবং দমন-পীড়নের মুখে পড়েও দল বারবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে। তাঁর দাবি, এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না।তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ কোনও সরকারের সদিচ্ছা বা বিরোধীদের ব্যর্থতার ওপর নির্ভর করে না। মানুষের সমর্থনই দলের সবচেয়ে বড় শক্তি। সেই সমর্থনের জোরেই অতীতে সরকারে থেকে উন্নয়নের কাজ করা সম্ভব হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে সরানো হয়েছে। কিন্তু সাধারণ মানুষের হৃদয় থেকে দলকে সরানো যায়নি।বর্তমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও সরব হয়েছেন শেখ হাসিনা। তাঁর অভিযোগ, বর্তমান শাসনব্যবস্থায় গণতন্ত্র, আইনের শাসন এবং মানুষের নিরাপত্তা প্রশ্নের মুখে পড়েছে। অর্থনীতি দুর্বল হয়েছে, সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনা বেড়েছে এবং উগ্রপন্থার বিস্তার ঘটছে বলেও দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে নিপীড়ন চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী।তিনি বলেন, দেশের মানুষ অতীত ও বর্তমানের তুলনা করতে পারছেন। তাঁদের উপলব্ধি হচ্ছে, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালীন দেশে স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছিল। সেই কারণেই ভবিষ্যতেও জনগণের সমর্থন নিয়ে দল আবার ঘুরে দাঁড়াবে বলে তাঁর বিশ্বাস।দলের সাংগঠনিক শক্তির প্রসঙ্গ তুলে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের প্রতিটি এলাকা এবং মানুষের সঙ্গে আওয়ামী লীগের দীর্ঘ সম্পর্ক রয়েছে। স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে এই দলের ভূমিকা রয়েছে। সেই ঐতিহ্যই আগামী দিনের লড়াইয়ের মূল শক্তি হবে বলে তিনি মনে করেন।তিনি আরও বলেন, যত বেশি দমন-পীড়ন হবে, আওয়ামী লীগ ততই শক্তিশালী হবে। আগুনে যেমন সোনা আরও বিশুদ্ধ হয়, তেমনই প্রতিকূল পরিস্থিতি দলকে আরও দৃঢ় করে তুলছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে শেখ হাসিনা ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, প্রতিটি গ্রাম, মহল্লা, ওয়ার্ড এবং ইউনিয়নে মানুষের পাশে থাকতে হবে। সংখ্যালঘু, নারী, শিশু, শ্রমজীবী এবং প্রান্তিক মানুষের অধিকার ও নিরাপত্তার প্রশ্নে আপস না করারও বার্তা দেন তিনি।শেষে শেখ হাসিনা স্পষ্ট করে বলেন, আওয়ামী লীগের পুনরুত্থান কোনও সরকারের দয়া বা অনুমতির ওপর নির্ভর করে না। জনগণের সমর্থনই দলের আসল শক্তি। নিষেধাজ্ঞা, মামলা কিংবা রাজনৈতিক বাধা যতই আসুক, মানুষের বিশ্বাস থাকলে আওয়ামী লীগ আবারও বাংলাদেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে ফিরে আসবে বলেই তাঁর দাবি।

জুন ২৮, ২০২৬
কলকাতা

কল্যাণকে সরাসরি আক্রমণ রচনার! মহুয়াকেও ছাড়লেন না, বিস্ফোরক মন্তব্যে তোলপাড় রাজনীতি

দলবদলের পর থেকেই রাজনৈতিক আক্রমণের মুখে পড়েছেন সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার পাল্টা জবাব দিতে গিয়ে তিনি সরাসরি নিশানা করলেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মহুয়া মৈত্রকে। এক সাক্ষাৎকারে তাঁদের আচরণ এবং ভাষা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। সেই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে।রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, একজন শিক্ষিত জনপ্রতিনিধির ভাষা এবং আচরণ সাধারণ মানুষের কাছে উদাহরণ হওয়া উচিত। তাঁর অভিযোগ, সংসদের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় যে ধরনের ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে, তা কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এই প্রসঙ্গ টেনে তিনি মহুয়া মৈত্রকেও কটাক্ষ করেন এবং অতীতের কিছু বিতর্কের উল্লেখ করেন।কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দেশ করে রচনা বলেন, একজন প্রবীণ সাংসদের কাছ থেকে এমন ভাষা আশা করা যায় না। তাঁর দাবি, সংসদের ভিতরে যে ধরনের মন্তব্য করা হয়েছে, তা রাজনৈতিক শালীনতার সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছে। সেই আচরণে দলের ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।রচনা আরও বলেন, একসময় যাঁরা একে অপরের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে তীব্র আক্রমণ করতেন, এখন তাঁদের একসঙ্গে দেখা যাচ্ছে। এই পরিবর্তন নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন। তাঁর বক্তব্য, যারা অতীতে একে অপরের বিরুদ্ধে এত অভিযোগ করেছিলেন, তাঁদের বর্তমান অবস্থান সাধারণ মানুষের মনে নানা প্রশ্ন তৈরি করছে।উল্লেখ্য, এক সময় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মহুয়া মৈত্রর মধ্যে প্রকাশ্য রাজনৈতিক সংঘাত নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছিল। একে অপরের বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগ এবং আইনি পদক্ষেপের ঘটনাও সামনে এসেছিল। বর্তমানে তাঁদের সম্পর্কের পরিবর্তিত সমীকরণ নিয়েই নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে।

জুন ২৮, ২০২৬
কলকাতা

আচমকা বড় সিদ্ধান্ত! ইসকন থেকে সরিয়ে দেওয়া হল রাধারমণ দাসকে, নিজেই জানালেন নেপথ্যের কারণ

কলকাতা ইসকনের সহ সভাপতির পদ থেকে আচমকাই সরিয়ে দেওয়া হয়েছে রাধারমণ দাসকে। শনিবার রাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্তের কথা জানায়। এরপর সমাজমাধ্যমে একটি দীর্ঘ বার্তায় তিনি জানান, কোন কোন ঘটনার জেরে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে থাকতে পারে বলে তাঁর ধারণা।রাধারমণ দাস জানান, তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তকে সম্মান করছেন। তবে নিজের বক্তব্যে তিনি কয়েকটি সম্ভাব্য কারণ তুলে ধরেছেন। তাঁর দাবি, গোরক্ষা সংক্রান্ত একটি বিতর্কে মানেকা গান্ধীর মন্তব্যের বিরুদ্ধে তিনি আইনি পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। সেই ঘটনাকে তিনি অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। পাশাপাশি বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর হামলার অভিযোগ নিয়ে প্রকাশ্যে সরব হওয়াও এই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে থাকতে পারে বলে তাঁর ধারণা।সমাজমাধ্যমে করা নিজের পোস্টে তিনি আরও কয়েকটি বিষয়ের উল্লেখ করেছেন। একটি বিতর্কিত মন্তব্যের বিরোধিতা, কট্টরপন্থী সনাতনী গোষ্ঠী নিয়ে প্রকাশ্য অবস্থান এবং বিভিন্ন সাম্প্রতিক মন্তব্যও তাঁর মতে বিতর্কের কারণ হয়ে উঠতে পারে। এছাড়া একটি সাক্ষাৎকার দেওয়াকেও ইসকনের নীতির পরিপন্থী আচরণ হিসেবে দেখা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেছেন।রাধারমণ দাস আরও জানান, এখন থেকে তিনি আর ইসকনের প্রতিনিধি হিসেবে সংবাদমাধ্যমে কোনও মন্তব্য করবেন না। কারণ বর্তমানে তাঁর সঙ্গে সংগঠনের কোনও প্রশাসনিক সম্পর্ক নেই। তবে পদ হারালেও ইসকনের উন্নতি, অগ্রগতি এবং সাফল্য কামনা করেছেন তিনি।এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই নানা মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও ইসকনের তরফে এই সিদ্ধান্তের বিস্তারিত কারণ প্রকাশ্যে জানানো হয়নি। ফলে রাধারমণ দাসের বক্তব্য ঘিরেই রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে।

জুন ২৮, ২০২৬
দেশ

হেফাজতে থেকেও মদ চাই! সিয়া গোয়েলকে নিয়ে পুলিশের দাবি ঘিরে তুমুল শোরগোল

পুণের লোহাগড় দুর্গে হবু স্বামী কেতন আগরওয়ালকে খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার সিয়া গোয়েলকে ঘিরে তদন্তে একের পর এক নতুন তথ্য সামনে আসছে। পুলিশ সূত্রের দাবি, হেফাজতে থাকাকালীনও বারবার মদ্যপানের অনুমতি চেয়েছেন সিয়া। একই সময়ে তাঁর প্রেমিক চেতন চৌধুরীর সঙ্গে একটি পুরনো ভিডিওও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। যদিও সেই ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।তদন্তকারী সূত্রের দাবি, দ্বাদশ শ্রেণিতে অকৃতকার্য হওয়ার পর থেকেই সিয়া মদ্যপানে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন। পাশাপাশি তাঁর একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্ক ছিল বলেও তদন্তে উঠে এসেছে বলে দাবি করা হচ্ছে। পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের সময়ও তিনি একাধিকবার মদ্যপানের ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন বলে তদন্তকারী মহলের দাবি।এদিকে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, ক্রিকেট ম্যাচ চলাকালীন গ্যালারিতে পাশাপাশি বসে রয়েছেন সিয়া এবং চেতন। ভিডিওতে তাঁদের ঘনিষ্ঠ মুহূর্তও ধরা পড়েছে। তদন্তকারীদের অনুমান, সিয়ার দাদা সাহিলের মাধ্যমে চেতনের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়েছিল। পরে সেই পরিচয়ই প্রেমের সম্পর্কে বদলে যায়।এই হত্যাকাণ্ডে ইতিমধ্যেই সিয়া গোয়েল এবং চেতন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তদন্তে জানা গিয়েছে, আগামী নভেম্বরে কেতন আগরওয়ালের সঙ্গে সিয়ার বিয়ের কথা ছিল। প্রথমে রাজি থাকলেও পরে বিয়ে করতে চাননি সিয়া। কিন্তু পারিবারিক চাপে সেই সিদ্ধান্ত জানাতে না পেরে শেষ পর্যন্ত খুনের পরিকল্পনা করেন বলে পুলিশের দাবি।রবিবার তদন্তকারীরা সিয়াকে নিয়ে ঘটনাস্থল লোহাগড় দুর্গে গিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করেন। জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে তাঁর বাবা-মাকেও। তদন্তে তাঁরা সহযোগিতা করেছেন বলেই জানা গিয়েছে। এদিকে তদন্তে আরও নানা দাবি সামনে এসেছে। কখনও উঠে এসেছে বিয়ে নিয়ে চাপের অভিযোগ, আবার কখনও প্রেমিকের প্ররোচনার প্রসঙ্গ। প্রথমদিকে একে অপরের ওপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করলেও পরে দুজনেই নিজেদের অপরাধ স্বীকার করেছেন বলে পুলিশ সূত্রের দাবি। এই বহুল আলোচিত মামলার বিচার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য দ্রুত বিচার আদালতে শুনানির প্রস্তুতি চলছে।

জুন ২৮, ২০২৬
কলকাতা

অনুমতি মেলেনি, তবু শুরু মাপজোক! একুশে জুলাই ঘিরে তৃণমূলের অন্দরে নতুন সংঘাত

একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। সভার সরকারি অনুমতি এখনও মেলেনি। তার আগেই ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে পৌঁছে মাপজোক শুরু করলেন কুণাল ঘোষ এবং তাঁর অনুগামীরা। ছুটির সকালের এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে।প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, কুণাল ঘোষের সঙ্গে দলের আরও কয়েকজন নেতা এবং সাজসজ্জার কাজে যুক্ত কর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা ফিতে দিয়ে সভাস্থলের বিভিন্ন অংশ মাপতে শুরু করেন। সাধারণত প্রশাসনিক অনুমতি পাওয়ার পরই এই ধরনের প্রস্তুতি শুরু হয়। কিন্তু এবার অনুমতির আগেই এই পদক্ষেপ নেওয়ায় রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে।অন্যদিকে, একই জায়গায় একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি করার জন্য দলের অন্য শিবিরও প্রস্তুতি নিচ্ছে। তারাও ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে সভার অনুমতি চেয়ে আবেদন করার উদ্যোগ নিয়েছে। ফলে একই স্থানকে ঘিরে দুই পক্ষের মধ্যে টানাপোড়েন আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।কুণাল ঘোষ জানিয়েছেন, একুশে জুলাই শহিদদের স্মরণে দীর্ঘদিন ধরে এই কর্মসূচি হয়ে আসছে। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই তাঁরা নিয়ম মেনে আবেদন করেছেন এবং অনুমতি পাবেন বলেই আশাবাদী।অন্যদিকে দলের অন্য নেতারাও জানিয়েছেন, অনুমতি যেখানে মিলবে, সেখানেই একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি পালন করা হবে। এদিকে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, একই কর্মসূচি ঘিরে একাধিক দাবিদারের উপস্থিতি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। এখন প্রশাসন শেষ পর্যন্ত কাকে অনুমতি দেয়, সেদিকেই নজর রয়েছে সকলের।

জুন ২৮, ২০২৬
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রীর কড়া হুঁশিয়ারির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বড় সাফল্য! বিজেপি কর্মী খুনে গ্রেপ্তার আরও এক অভিযুক্ত

বাগনানে বিজেপি কর্মী প্রশান্ত দে খুনের ঘটনায় আরও এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করল তদন্তকারী দল। মুখ্যমন্ত্রীর কড়া নির্দেশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এই পদক্ষেপ ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। হাওড়া জেলা পুলিশ এবং অপরাধ তদন্ত বিভাগের যৌথ অভিযানে শ্যামপুর এলাকা থেকে শেখ সৈফুদ্দিন নামে এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই খুনের ঘটনায় মোট একান্ন জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। এর আগে দশ জনকে গ্রেপ্তার করা হলেও আরও বহু অভিযুক্ত এখনও পলাতক। সদ্য গ্রেপ্তার হওয়া শেখ সৈফুদ্দিনের নাম অভিযোগপত্রে ছিল। তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, বাকি অভিযুক্তদের খোঁজেও তল্লাশি চলছে।শনিবার নিহত বিজেপি কর্মীর বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে তিনি জানান, খুনের ঘটনায় কাউকে ছাড়া হবে না। প্রয়োজন হলে লুকিয়ে থাকা অভিযুক্তদেরও খুঁজে বের করে গ্রেপ্তার করতে হবে। পুলিশ প্রশাসনকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দেন তিনি।গত সতেরো জুন রাতে বাগনানের বাঁটুল গ্রামের বাসিন্দা এবং বিজেপির বুথ স্তরের এক পদাধিকারী প্রশান্ত দে খুন হন। বিজেপির অভিযোগ, একটি অনুষ্ঠানে যাওয়ার সময় তাঁদের উপর হামলা চালানো হয়। লাঠি ও লোহার রড দিয়ে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। পরে পরিবারের দাবি, ফোনে তাঁদের জানানো হয়েছিল যে প্রশান্তকে খুন করা হয়েছে এবং কেউ সেখানে গেলে তাকেও ছাড়া হবে না।এই ঘটনায় স্থানীয় এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। তবে তিনি এখনও অধরা বলে জানা গিয়েছে। তদন্তকারী সংস্থা তাঁর খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে।মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, সমস্ত অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের পর দ্রুত অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হবে এবং আদালতে কঠোর শাস্তির দাবি জানানো হবে। তাঁর বক্তব্য, দোষীদের এমন শাস্তি হওয়া উচিত যাতে ভবিষ্যতে কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার সাহস না পায়।

জুন ২৮, ২০২৬
কলকাতা

রাতারাতি বদলে গেল পার্ক সার্কাস স্টেশন! একের পর এক দোকান গুঁড়িয়ে বড় অভিযান

সোমবার গভীর রাতে পার্ক সার্কাস রেল স্টেশনে বড় উচ্ছেদ অভিযান চালানো হল। দীর্ঘদিন ধরে স্টেশন চত্বর এবং রেলের জমি দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ দোকান ও অস্থায়ী কাঠামো ভেঙে সরিয়ে দেওয়া হয়। অভিযান ঘিরে গোটা এলাকায় কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়। বিপুল সংখ্যক পুলিশ, রেল পুলিশ এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন ছিলেন যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।জানা গিয়েছে, চলতি মাসের শুরুতেই স্টেশন চত্বরে থাকা ব্যবসায়ী ও হকারদের জায়গা খালি করার জন্য নোটিস দেওয়া হয়েছিল। সোমবার রাত সাড়ে দশটার পর নিরাপত্তা বাহিনী পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে। এরপর রেলের পক্ষ থেকে বারবার মাইকিং করে দোকানপাট সরিয়ে নেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়। কিছুটা সময়ও দেওয়া হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যেও অধিকাংশ দোকান সরানো না হওয়ায় বুলডোজার নামানো হয়। একের পর এক দোকান, গুমটি এবং অবৈধ কাঠামো ভেঙে ফেলা হয়।পার্ক সার্কাস স্টেশন দীর্ঘদিন ধরেই অবৈধ দোকান ও দখলের সমস্যায় ভুগছিল বলে অভিযোগ। যাত্রীদের চলাচলেও বারবার অসুবিধা তৈরি হতো। সেই পরিস্থিতি বদলাতেই এই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। অভিযান চলাকালীন স্টেশনের ভিতরে ও বাইরে কড়া নজরদারি ছিল। প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে চলে এই উচ্ছেদ অভিযান।এর আগে হাওড়া, শিয়ালদহ, দমদম, হাবরা এবং যাদবপুর-সহ রাজ্যের একাধিক রেল স্টেশন এলাকায় একই ধরনের উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে। রেলের জমি দখলমুক্ত করার লক্ষ্যে এই অভিযান ধারাবাহিকভাবে চলছে বলে জানা গিয়েছে।তবে এই অভিযান নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বহু দোকানদার। তাঁদের অভিযোগ, পুনর্বাসনের কোনও ব্যবস্থা না করেই জীবিকা কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। ফলে উচ্ছেদ অভিযানের পাশাপাশি পুনর্বাসনের দাবিও জোরালো হচ্ছে।

জুন ২৮, ২০২৬
কলকাতা

আর মাত্র ৭ দিন! কলকাতার দুই বড় সেতুর নিচে যা হতে চলেছে, জানতেই চমকে উঠবেন

কলকাতায় অবৈধ দখল উচ্ছেদে আরও কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে পুরসভা। এবার নজরে এসেছে শিয়ালদহের বিদ্যাপতি সেতু এবং সুকান্ত সেতুর নিচের বেআইনি দখল। শনিবার কলকাতা পুরসভার পক্ষ থেকে এই দুই জায়গায় নোটিস টাঙিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, সাত দিনের মধ্যে সমস্ত বেআইনি দোকান ও দখল সরিয়ে ফেলতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্দেশ না মানলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।পুরসভার নোটিসে জানানো হয়েছে, যাদবপুর ও সন্তোষপুরের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সংযোগকারী সুকান্ত সেতুর নিচে দীর্ঘদিন ধরে বাজার ও হকারদের দোকান বসে আসছে। একইভাবে শিয়ালদহের বিদ্যাপতি সেতুর নিচেও বহু দোকান ও বড় বাজার গড়ে উঠেছে। অভিযোগ, এই সবই অনুমতি ছাড়া দখল করে তৈরি হয়েছে। তাই এবার ওই সমস্ত জায়গা খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এর আগে তপসিয়া, কসবা, পার্ক সার্কাস-সহ শহরের একাধিক এলাকায় বেআইনি নির্মাণ ভাঙার অভিযান চালানো হয়েছে। পাশাপাশি হাওড়া, শিয়ালদহ, দমদম-সহ বিভিন্ন রেল স্টেশনের আশপাশের অবৈধ দোকানও উচ্ছেদ করা হয়েছে। এবার সেই অভিযানের পরিধি আরও বাড়ানো হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।অন্যদিকে, গত সপ্তাহেই ঢাকুরিয়া থেকে যাদবপুর স্টেশন সংলগ্ন বস্তি এলাকাও খালি করার নোটিস দিয়েছে পুরসভা। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে দখল করে গড়ে ওঠা ওই এলাকায় হাজার হাজার মানুষের বসবাস। শুধু অস্থায়ী ঘর নয়, বহু পাকা ও দোতলা বাড়িও তৈরি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পুরসভা ইতিমধ্যেই সেই এলাকাও খালি করার জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে। ফলে শহরে অবৈধ দখল উচ্ছেদ অভিযান আরও জোরদার হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

জুন ২৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal