• ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩, রবিবার ২৬ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Baby

রাজ্য

মায়ের কোল থেকে শিশুচুরি, প্রশ্নের মুখে সরকারি হাসপাতালের নিরাপত্তা, সিসিটিভি দেখে খোঁজ পুলিশের

ভরদুপুরে সরকারি হাসপাতালের আউটডোরে মায়ের কোল থেকে ১১ দিনের কন্যা শিশুকে চুরি করে চম্পট। এই ঘটনার পর মুহূর্তে স্তব্ধ হয়ে যায় মালদার মোথাবাড়ির বাঙ্গিটোলা সরকারি গ্রামীণ হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকা। সোমবার দুপুর নাগাদ এমন ঘটনার জেরে হাসপাতাল চত্ত্বরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। মেয়েকে না পেয়ে অচৈতন্য হয়ে পড়েন ওই নবমাতৃকা মনিকা বিবি। পরে স্থানীয়রা জল ছিটিয়ে ও সান্ত্বনা দিয়ে তাঁকে সুস্থ করার চেষ্টা করেন।গুরুতর অভিযোগ জানিয়ে মনিকা বিবি মোথাবাড়ি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। হাসপাতালে লাগানো সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, এক মধ্যবয়স্ক মহিলা মনিকার কোল থেকে শিশুটিকে নিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে। সেই ছবি সংগ্রহ করে আশপাশের সব থানায় পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি মোথাবাড়ি ও সংলগ্ন এলাকায় চিরুনি তল্লাশি চালানো হচ্ছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সুলতানটোলা এলাকার বাসিন্দা আব্দুল কাদের ও মনিকা বিবির সদ্যোজাত কন্যা সন্তান শ্বাসকষ্টের সমস্যা নিয়ে এদিন হাসপাতালে আনা হয়েছিল। আউটডোরের বেঞ্চে বসে ছিলেন মনিকা। ওই সময় শিশুটি কান্না শুরু করলে একটি অচেনা মহিলা এগিয়ে এসে বলেন, তিনি নাকি শিশুর কান্না থামাতে সাহায্য করবেন। শিশুকে কোলে নেওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই মনিকা চিকিৎসকের ডাকে এগিয়ে যান। আর সেই সুযোগেই শিশুকে নিয়ে গা-ঢাকা দেয় ওই মহিলা।মনিকা অভিযোগে জানান, মেয়ের ঠান্ডা লেগেছিল, খুব কান্না করছিল। ওই মহিলা বলেছিল কোলে নিয়ে চুপ করাবে। আমি ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলতে যেতেই সে আমার মেয়েকে নিয়ে পালিয়ে যায়। একই অভিযোগ পরিবারের অন্যান্য সদস্যদেরও। শিশুটির কাকা আশরাফুল হক বলেন, সরকারি হাসপাতালে কোনও নিরাপত্তা নেই। ভরদুপুরে বাচ্চা চুরি হয়ে গেল! এখানে যে এমন অপরাধ চক্র সক্রিয়, তা বুঝতেই পারিনি।মোথাবাড়ি থানার পুলিশ সুপার প্রদীপ কুমার যাদব জানান, সিসিটিভি পরীক্ষা করেই তদন্ত শুরু হয়েছে। আশেপাশের থানাগুলিকে সতর্ক করা হয়েছে। সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতেও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। থানা এলাকার বিশেষ নজরদারি চলছে কারণ ওই হাসপাতাল থেকে খুব কাছেই গঙ্গার ওপারে ঝাড়খণ্ডের সীমানা। কালিয়াচক এলাকাও নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজে অভিযুক্তের মুখ স্পষ্ট দেখা গেয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।মালদা জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ সুদীপ্ত ভাদুড়ি বলেন, ঘটনাটি উদ্বেগজনক। পুলিশ তদন্ত করছে। স্বাস্থ্য দপ্তর থেকেও বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।সরকারি হাসপাতালের নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভঙ্গুর। দিনে-দুপুরে এত লোকজনের সামনে থেকে শিশু চুরি। এমন ঘটনা প্রমাণ করে হাসপাতালে পাহারা বা নজরদারির কোনও কার্যকর ব্যবস্থা নেই। বহু রোগীর আত্মীয়ই বলছেন, চুরি চক্র সক্রিয় থাকার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। এখন পুলিশের প্রধান লক্ষ্য, যত দ্রুত সম্ভব নবজাতককে উদ্ধার করা এবং অভিযুক্ত মহিলাকে চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার করা। ইতিমধ্যেই ছবি ও তথ্য সব থানায় পাঠানো হয়েছে। শিশুটিকে দ্রুত উদ্ধার করার আশাতেই ব্যাকুল পরিবার।

নভেম্বর ২৫, ২০২৫
দেশ

ভারতীয় সেনার অভূতপূর্ব সাফল্যের অনুপ্রেরণা, দুদিনে একই হাসপাতালে ১৭ জন নবজাতকের নাম রাখা হল সিঁদুর

পহেলগাঁওতে জঙ্গি হামলার জবাব পাকিস্তানের মাটিতে প্রত্যাঘাত করেছে ভারত। অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে অপারেশন সিঁদুর। ভারতের সেনাবাহিনী প্রবল পরাক্রমে উদ্ভুদ্ধ হয়ে এই অপারেশন সিঁদুর- এর থেকে অনুপ্রেরণা থেকে ১৭ জন নবজাতকের নাম রাখা হয়েছে সিঁদুর। ওই পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, সেনাবাহিনী এবং দেশকে সম্মান জানিয়ে ১৭ জন সদ্যোজাত মেয়ের নাম সিঁদুর রাখা হচ্ছে। সংবাদসংস্থা পিটিআই- কে উত্তরপ্রদেশের কুশিনগর মেডিক্যাল কলেজের প্রিন্সিপাল ডক্টর আর কে শাহি জানিয়েছেন, ১০ এবং ১১ মে- এর মধ্যে, ২ দিনে অন্তত ১৭ জন্য নবজাতক কন্যার নাম রাখা হয়েছে সিঁদুর।পহেলগাঁওতে ২৬ জন পর্যটককে নৃশংস হত্যার পর থেকেই ক্ষোভে ফুঁসছিল গোটা দেশ। শেষমেশ গত ৭ মে রাতে এয়ার স্ট্রাইক করে ভারত। ২৫ মিনিটের নিখুঁত অপারেশনে পাকিস্তান এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরে থাকা লস্কর-ই-তৈবা, হিজবুল মুজাহিদিন, জইশ-ই-মহম্মদের ৯টি জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে খান খান করে দেয় ভারত। তাতে ১০০-রও বেশি পাকজঙ্গি নিহত হয়। পহেলগাঁও হামলা, কান্দাহারের বিমান অপহরণের মতো ঘটনায় জড়িতরা এই নিহতে তালিকায় আছে। মাসুদ আজহারের ভাই আবদুল রউফ আজহারও সহ ওই পরিবারের ১০জন নিহত হয়েছে ভারতীয় সেনার প্রত্যাঘাতে।

মে ১৩, ২০২৫
স্বাস্থ্য

১৮ বছরের বধূ একসঙ্গে চার কন্যা সন্তানের জন্ম দিলেন

প্রসব যন্ত্রণা নিয়ে ভর্তির পর একসঙ্গে চারটি কন্যা সন্তানের জন্ম দিলেন ১৮ বছর বয়সী গৃহবধূ। যদিও জন্মের পর ওই চারটি সদ্যজাতের ওজন কম হওয়ায় অপুষ্টি এবং শারীরিক গত সমস্যা দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছে মালদা মেডিকেল কলেজের কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা। চারটি সদ্যোজাতকে মাতৃমা বিভাগের আইসিইউতে ভর্তি রেখে চিকিৎসা পরিষেবা দিচ্ছেন কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা।মালদা মেডিক্যাল কলেজ সূত্রে জানা গিয়েছে, গাজোল ব্লকের বাচাহার এলাকার গৃহবধূ রেহেনা খাতুন। তার স্বামী রেজাউল হোসেন পেশায় ভিন রাজ্যের শ্রমিক। স্ত্রী গর্ভবতী হওয়ার পর গত এক মাস আগেই রেজাউল হোসেন দিল্লি থেকে কাজ সেড়ে গাজোলের গ্রামের বাড়িতে ফিরে আসেন। গত সপ্তাহের শুক্রবার প্রসব যন্ত্রণা নিয়ে মালদা মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হয় গৃহবধূর রেহেনা খাতুন। সোমবার রাতে ওই গৃহবধূ একসঙ্গে পরপর চারটি কন্যা সন্তানের জন্ম দেয়। স্বাভাবিকভাবেই প্রসবের মাধ্যমেই এই কন্যা সন্তানগুলি জন্ম দিয়েছেন ওই গৃহবধূ বলে জানিয়েছে মালদা মেডিকেল কলেজের কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা। কিন্তু জন্মের পর চারটি সদ্যোজাতের মধ্যে তিনটির ওজন হয়েছে ১ কিলো ৫০০ গ্রাম। আরেকটির ওজন হয়েছে এক কিলো। ওজন কম হওয়ার কারণেই পুষ্টিজনিত সমস্যা দেখা দিয়েছে ওই চার সদ্যোজাতের। তাদের চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়ারও ব্যবস্থা করেছে মালদা মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ।এদিকে মেডিক্যাল কলেজ সূত্রে জানা গিয়েছে, আধার কার্ডের জন্ম পরিচয় অনুযায়ী ওই গর্ভবতী গৃহবধূ রেহেনা পারভীনের বয়স ১৮ বছর। তার স্বামী রেজাউল হোসেন জানিয়েছেন, সাড়ে ১৬ বছর বয়স থাকার সময় রেহেনাকে বিয়ে করেছিল সে। এদিকে এত অল্প বয়সে বিয়ে, তার ওপর সন্তান ধারণ। এক্ষেত্রে বাল্যবিবাহের প্রতিরোধ বিষয়টিও সামনে উঠে এসেছে।মালদা মেডিকেল কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল ডাঃ প্রসেনজিৎ বর জানিয়েছেন, এটা একটি বিক্ষিপ্ত ঘটনা। একজন গৃহবধূ একসঙ্গে চারটি কন্যা সন্তান জন্ম দিয়েছে। তবে ওই সন্তানগুলি অপুষ্টিতজনিত কারণে সমস্যা দেখা দিয়েছে। মেডিকেল কলেজের চিকিৎসকেরা ওই গৃহবধূ ও তার চার কন্যা সন্তানের চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়ার ব্যবস্থা চালিয়ে যাচ্ছে।এদিকে জেলায় বাল্যবিবাহ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে মালদার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ সুদীপ্ত ভাদুড়ি জানিয়েছেন, কিছু ক্ষেত্রে বাল্যবিবাহের ঘটনা ঘটছে। দুর্গম এলাকাগুলিতেই বেশ কিছু পরিবারের সদস্যরা অল্প বয়সে তাদের বাড়ির মেয়েদের বিয়ে দিচ্ছে। দুর্গম গ্রাম হওয়ার কারণেই সহজেই সেইসব খবর আমরা জানতে পারছি না। তবে স্বাস্থ্য দপ্তর প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে সচেতনতা মূলক প্রচার চালানো হচ্ছে। গত এক দশকের ব্যবধানে মালদা জেলায় ৪৪ শতাংশ থেকে বাল্যবিবাহ ১৬ শতাংশতে নামিয়ে আনা হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৫
রাজ্য

বর্ধমানের বেসরকারি স্কুলের অভিনব ভাবে স্বাধীনতার ৭৫ বর্ষ পুর্তি উদযাপন

ভারতের স্বাধীনতার ৭৫ বর্ষপূর্তি মহা জাঁকজমকের মধ্যে পালিত হল রাজ্য জুড়ে। ২০২১ র ১৪ আগস্ট থেকে বছরভর নানা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সারা ভারত জুড়ে স্বাধীনতার ৭৫ বছরকে স্মরণ করা হয়। বর্ধমান শহরের এক বেসরকারি স্কুল বর্ধমান মডেল স্কুল এবছরের স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান পলন করল অভিনব ভাবে।এই বেসরকারি স্কুলের পক্ষ থেকে ৭৫বছর উদযাপন করতে এঁরা বেছে নেন এই বিশেষ দিনে জন্মগ্রহন করা নবজাতকদের। তাঁরা বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ১৫ই অগাস্ট জন্মগ্রহণ করা সদ্য়জাতদের এক বিশেষ উপহার প্রদান করেন। এই বিশেষ দিনে উপহার পেয়ে নবজাতকদের পরিবার যারপরনাই খুশি। বর্ধমান শহর সংলগ্ন বোঁয়াইচণ্ডী গ্রামের এক বাচ্চার মা জনতার কথাকে জানান, হটাৎ করে এই উপহার পেয়ে তাঁদের খুব ভালো লাগছে। তাঁরা এই উদ্যোগের জন্য স্কুল কতৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান।সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানগলসির এক পরিবার জানান, তাঁরা এই উপহার পেয়ে খুব খুশি। তিনি জানান, এই উপহারের বক্সের মধ্যে একটি তোয়ালে, শিশুর জামা, তাঁর ব্যবহারযোগ্য তেল, সাবান, শ্যাম্পু, চিরুনি, পাউডার ও মায়ের জন্য কিছু খাবার, খেলনা ও একটি জাতীয় পতাকা পেয়েছেন। স্কুলের পক্ষ থেকে কর্নধার অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মেডিক্যাল সুপারিনটেনডেন্ট ও উপাধক্ষ্য ডঃ তাপস ঘোষ ও শিশু এবং গাইনি ওয়ার্ডের সকলকে এই সুযোগ করে দেবার জন্য বিশেষ ধন্যবাদ জানান।অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল জানান, প্রতি বছরই আমরা নানা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ১৫ই আগস্ট পালন করি। এবছর এক বিশেষ মুহুর্ত বলে আমরা বিদ্যালয়ের সকলে মিলে আলোচনা করে আরও ভালো ভাবে এই দিনটাকে স্মরণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তিনি আরও জানান, প্রতি বছরই আমরা বিদ্যালয়ের ছাত্রদের নিয়ে এক বার্ষিক প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করি। তাতে ছাত্র ছাত্রীরা তাঁদের বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টের শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে নানারকম মডেল ও প্রোজেক্ট বানিয়ে প্রদর্শন করে। সেই ইন্সপায়ার অনুষ্ঠানটি এবছর ভারতের স্বাধীনতার ৭৫ বর্ষপূর্তি উপলক্ষে স্বাধীনতা সংগ্রামী ও সেই সমস্ত মহাপুরুষদের স্মরণ করতে ১৪ই আগস্ট শুরু হয়েছে।মেডিক্যাল কলেজেঅচিন্ত্য কুমার মণ্ডল আরও জানান, তাঁরা এই সিদ্ধান্ত অনেক আগেই নিয়েছিলেন, কিন্তু কিছুদিন আগে কেন্দ্রীয় শিক্ষা বোর্ড সিবিএসসি এক সার্কুলারের মাধ্যমে এই একই নির্দেশ দেয় তাঁদের অধীনস্ত স্কুল গুলিকে। তিনি খুবই আনন্দিত তাঁদের ভাবনার সাথে সিবিএসসি নির্দেশ মিলে যাওয়াতে। তিনি জানান, এবারের অনুষ্ঠানে ছাত্র ছাত্রী ও অবিভাবকদের উপস্থিতি খুবই ভালো। গত দুবছর ধরে গৃহবন্দি মানুষজন কোভিড নামক ব্যাধিকে মন থেকে দুরে সরিয়ে রেখে জড়তা ঝেড়ে পথে নেমে পরেছেন।দুদিনের এই অনুষ্ঠানে অনেক বিশিষ্ট মানুষজন উপস্থিত ছিলেন, এর মধ্যে বিশেষ উল্লেখযোগ্য, পূর্ব-বর্ধমান মহিলা থানার আইসি বনানী রায়, ভাতারের ব্লক ডেভলপমেন্ট অফিসার অরুণ কুমার বিশ্বাস, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যলের অধ্যাপক ডঃ খগেন চট্টোপাধ্যায়, ডঃ শিবকালি গুপ্ত, প্রজাপতি ব্রহ্মকুমারি সিস্টার রুমা, বিশিষ্ট শিল্পপতি পি এন আয়ার প্রমুখ।

আগস্ট ১৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

বেবি বাম্প আগলে ছবি শেয়ার সোনমের

অভিনেতা অনিল কাপুরের মেয়ে সোনম কাপুর বেবি বাম্পের নতুন ছবি শেয়ার করলেন। প্রথম খবরটা অভিনেত্রী গত মার্চ মাসেই দিয়েছিলেন। এবার আরও একটি খুশির খবর ভাগ করে নিলেন। স্বামীর সঙ্গে পুনর্মিলনের জেরে সোনমের আনন্দ আরও অনেকটাই বেড়েছে এটা শেয়ার করলেন অভিনেত্রী। সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্ট থেকে এমনটাই আঁচ পাওয়া গেল। কর্মসূত্রে আনন্দ আহুজা বেশিরভাগ সময় লন্ডনে থাকেন। তবে এখন সোনম মা হতে চলায় তার সঙ্গেই সময় কাটছে। এদিন শরীর চাপা কাঁধকাটা কালো রং-এর পোশাকে বেবি বাম্প ফ্লন্ট করতে দেখা গেল সোনমকে। পেটের নীচের দিকটা এক হাত দিয়ে আগলে, অপর হাতে ক্যামেরা- আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে ছবিটি তুলেছেন অভিনেত্রী। কমেন্টে প্রচুর শুভেচ্ছা পেয়েছেন অভিনেত্রী। এখন শুধু সন্তানের পৃথিবীর আলো দেখার অপেক্ষা।

মে ৩০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

‘বাবা বেবি ও..’র ৫০ দিন উদযাপন

উইন্ডোজ প্রডাকশন হাউস থেকে প্রযোজিত পরিচালক অরিত্র মুখোপাধ্যায়ের ছবি বাবা বেবি ও। ছবিটি মুক্তির পরই দর্শকমহলে প্রশংসা পেয়েছে। ৪ ফেব্রুয়ারি মুক্তি পাওয়ার পর মেঘ আর বৃষ্টির জমজমাট দাম্পত্য ৫০ দিন পার করে ফেলল । সেই আনন্দে সুইমিং পুলের পাশে উদযাপনের আয়োজন ছিল। যিশু সুপুরুষ ক্যাজুয়াল সাজে নজর কাড়লেন। গরমের জন্য তাই শোলাঙ্কি রা্যের সাদা শাড়িতে প্যাস্টেল রঙা সুতোর কাজ ছিল। উপস্থিত ছিলেন দলের প্রায় প্রত্যেকে। জিনিয়া সেন, রেশমি সেন প্রমুখ। আর ছিল পটল, পোস্ত। যিশু-শোলাঙ্কির পর্দার যমজ ছেলে। পরিচালক অরিত্র জানিয়েছেন, ব্রহ্মা জানেন গোপন কম্মটিও মুক্তির পরে সাড়া জাগিয়েছিল। তার পরেই অতিমারির দাপটে কোণঠাসা। এই ছবির প্রচারের আগে পরেও অতিমারি ছিল। ফলে, বাবা বেবি ও নিয়েও ভয় ছিল। ৫০ দিন কাটার পরে শুধু আমি নই সবাই হাল্কা।

এপ্রিল ০২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

'বাবা বেবি ও'-র ২৫ দিন উদযাপন

৪ ফেব্রুয়ারি মুক্তি পেয়েছে অরিত্র মুখার্জির পরিচালিত, জিনিয়া সেনের কাহিনী ও চিত্রনাট্য এবং উইন্ডোজ প্রোডাকশনের প্রযোজিত ছবি বাবা বেবি ও ২৫ দিন অতিক্রম করল। ২৫ দিন উপলখ্যে দক্ষিণ কলকাতার এক প্রেক্ষাগৃহে কেকস-এর কেক কেটে উদযাপন করল বাবা বেবি ও টিম। কেকের মধ্যে লেখা ভালোবাসার ২৫ দিন। উপস্থিত ছিলেন শোলাঙ্কি, মৈনাক বন্দ্যোপাধ্যায়, রেশমি সেন, রজত গঙ্গোপাধ্যায়, পরিচালক অরিত্র, সংলাপ লেখিকা সম্রাজ্ঞী বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ।২৫ দিন উদযাপনের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন অভিনেতা মৈনাক বন্দ্যোপাধ্যায়। একাধিক ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে তিনি লেখেন, সফলভাবে ২৫ দিন চলল এই ছবি। ছবিটি যাতে আরও বেশিদিন চলে সেটাই চাইবো। দর্শকদের অনেক ধন্যবাদ জানাই। ছবিগুলো দেখেই বোঝা যাচ্ছে সকলের মুখে তৃপ্তির হাসি।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২২
বিনোদুনিয়া

প্রিয়াঙ্কা-নিকের কন্যাসন্তানের নামকরণ কে করবেন জানালেন প্রিয়াঙ্কার মা

গত ২২ জানুয়ারি প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার জীবনে একটা বড় পরিবর্তন এসেছে। সারোগেসির সাহায্যে মাতৃত্বের স্বাদ পেয়েছেন তিনি। কন্যাসন্তানকে বহু দিন হাসপাতালে থাকতে হয়েছিল। চিকিৎসক সন্তান জন্মের তারিখ জানান এপ্রিল মাসে। কিন্তু ১২ সপ্তাহ আগেই সন্তানের জন্ম দিয়েছেন সারোগেট মাদার। তাই কন্যাসন্তান কে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছিল। অবশেষে সে বাড়ি ফিরেছে। মা প্রিয়াঙ্কা এবং তার বাবা নিক জোনাস কন্যসন্তানের জন্য ঘর সাজিয়েছেন। প্রিয়াঙ্কা তাঁর মেয়ের খেলনা এবং নানা ধরনের পুতুল সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন।অন্যান্য তারকার মতো তিনিও যে এখনই সন্তানের ছবি প্রকাশ করবেন না, তা এত দিনে স্পষ্ট হয়ে গেছে। কিন্তু সন্তানের নাম কি হবে সেটা জানার জন্য আর কত দিন অপেক্ষা করবেন ভক্তরা? সেই প্রশ্নই করা হয়েছিল প্রিয়ঙ্কার মা মধু চোপড়াকে।নায়িকার মা এই প্রসঙ্গে জানান, তিনি আজকাল সারাক্ষণ খুশি থাকেন। আনন্দে থাকেন। তাঁর কথায়, দিদা হয়েছি আমি। আনন্দ ধরে রাখার জায়গা নেই। কিন্তু নাতনির নাম কী রাখা হয়েছে? মধু জানান, এখনও নাম স্থির হয়নি। পুরোহিত নামকরণ করবেন। তিনি নাম দিলে তবেই সবাইকে জানাতে পারব আমরা। এখন সেই অপেক্ষাতেই রয়েছে সবাই।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২২
বিনোদুনিয়া

সিঙ্গল ফাদারদের জন্য 'বাবা বেবি ও...'র স্পেশাল স্ক্রিনিং

সিঙ্গল ফাদারদের গল্প বলেছেন পরিচালক অরিত্র মুখারজি তাঁর ছবিতে।সেই সিঙ্গল ফাদার দের নিয়ে বাবা বেবি ওদেখানো হল কলকাতার এক মাল্টিপ্লেক্সে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গোটা প্রেক্ষাগৃহটা কেবল তাঁদের জন্যই। তাঁরা এলেন দেখলেন এবং বাবা বেবি ওউপভোগ করলেন। এই স্পেশাল স্ক্রিনিং নিয়ে অল বেঙ্গল মেনস ফোরাম-এর পক্ষ থেকে নন্দিনী ভট্টাচার্য বললেন, ছেলে এবং পুরুষদের প্রতি সমাজের দৃষ্টিভঙ্গির মৌলিক পরিবর্তন আনতে চাই আমরা। সিঙ্গল ফাদার এবং সারোগেসি সম্পর্কেও মানুষের নানা রকমের ধারণা রয়েছে। আমি যখন জানতে পারি, বাংলা ছবিতে এক সিঙ্গেল ফাদারের গল্প দেখানো হচ্ছে যিনি সারোগেসির মাধ্যমে পিতৃত্ব গ্রহণ করেছেন, তখনই আমার ফোরামের পুরুষ সদস্যদের জন্য একটি বিশেষ স্ক্রিনিং করার কথা ভাবলাম। কথা বললাম প্রযোজনা সংস্থার সঙ্গে। বিশেষ স্ক্রিনিংয়ে উপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী শোলাঙ্কি রায়। দর্শকদের অনুভূতি সামনে থেকে দেখে অভিভূত তিনি। একা হাতে দুই যমজ শিশুকে সামলানো। সহজ কথা নয়। পুরুষ হোন বা নারী। নিদ্রাহীন দিন এবং রাতের শুরুই বটে। কিন্তু সেই কাজটাই করে দেখালেন যিশু। দিন কয়েকের জন্যই হোক না কেন, তিনি সম্পূর্ণ ভাবেই হয়ে উঠেছিলেন মেঘ রোদ্দুর চট্টোপাধ্যায়। বাস্তবের মেঘদের তাই এক জায়গায় নিয়ে এল উইন্ডোজ প্রোডাকশনস।সারোগেসির মাধ্যমে দুই পুত্রসন্তান পোস্ত আর পটলের বাবা হয়েছে চল্লিশোর্ধ মেঘ। ২০ বছরে ছোট এক মেয়ে বৃষ্টির প্রেমে পড়ে সে। তারপর এগোতে থাকে বাবা বেবি ওর গল্প।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মুক্তি পেল 'বাবা বেবি ও'-র ট্রেলার

ব্রহ্মা জানে গোপ্ন কম্মটি তে পরিচালক হিসাবে অভিষেক হয়েছিল অরিত্র মুখোপাধ্যায়ের। এবার নতুন একটি গল্প বাবা বেবি ও সিনেমার মাধ্যমে দর্শকদের উপহার দিতে চলেছেন তিনি।চল্লিশোর্ধ সিঙ্গেল ফাদার মেঘ রোদ্দুরের গল্প বলবেন পরিচালক। সারোগেসির মাধ্যমে যমজ সন্তানের বাবা হওয়া মেঘ রোদ্দুরের জীবন বদলে দেয় বৃষ্টি।এই ছবিতে মেঘ রোদ্দুরের ভূমিকায় রয়েছেন যিশু সেনগুপ্ত আর বৃষ্টির ভূমিকায় দেখা যাবে শোলাঙ্কি রায় কে। শিবপ্রসাদ-নন্দিতা প্রযোজিত এই ছবির মাধ্যমে টলিপাড়া পেতে চলেছে আরও এক নতুন জুটি। তাদের মিষ্টি মধুর প্রেমের উপাখ্যানের ঝলক মুগ্ধ করেছে দর্শক।রবিবার মুক্তি পেল বাবা বেবি ও-র ট্রেলার। সেখানে দেখা যাচ্ছে সারোগেসির মাধ্যমে মেঘ রোদ্দুর বাবা হলেও জীবনে ঝক্কি কম নয়। ঠিক এই সময়েই তাঁর জীবনে বৃষ্টির আগমন হয়। এরকম একটা মুহূর্তে মেঘের বন্ধু সৌভিকের আগমন। যে চরিত্রে অভিনয় করছেন গৌরব চট্টোপাধ্যায়। বৃষ্টি জানায় বাচ্চার কান্নার আওয়াজ তাঁর মাথা ধরিয়ে দেয়। এইভাবেই এগিয়েছে গল্পটা।ট্রেলারে এরকমই দেখানো হয়েছে। আগামী ৪ এপ্রিল হলে এই পারিবারিক বিনোদনমূলক ছবিটি দর্শকরা দেখতে পাবেন। এই ছবিতে অন্যান্য অভিনেতাদের মধ্যে রয়েছেন মৈনাক ব্যানার্জী, বিদীপ্তা চক্রবর্তী, রজত গাঙ্গুলি, রেশমি সেন প্রমুখ।

জানুয়ারি ২৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

বিবাহবিচ্ছেদের জল্পনার অবসান, সারোগেসি পদ্ধতিতে মা হলেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া

প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার বিবাহবিচ্ছেদ নিয়ে এত কথা উঠছিল। সব কথা বন্ধ হয়ে গেল। কারণ সুখবর শোনালেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। সারোগেসি পদ্ধতিতে মা হলেন এই জনপ্রিয় অভিনেত্রী। ইন্সটাগ্রামে এই খুশির খবর ভাগ করে নিয়েছেন প্রিয়াঙ্কা।তবে শুধু প্রিয়াঙ্কাই নন, নিক জোনাস ও একই কথা ইন্সটাগ্রামে শেয়ার করেছেন। সকলের আশীর্বাদ প্রার্থনা করেছেন দুজনে এর পাশাপাশি তাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বাড়তি কৌতূহল দেখানো বন্ধ করার কথা বলেছেন।এই খবরটার পর নেটিজেন থেকে শুরু করে তারকারা সবাই দুজনকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। হুমা কুরেশি লিখেছেন, দারুণ খবর। দুজনকে অনেক অভিনন্দন। পূজা হেগড়ে লিখেছেন, অনেক ভালোবাসা আর উজ্জ্বল মুহূর্ত পাঠালাম। খুব সুন্দর হোক সব কিছু। এষা গুপ্তা ভালোবাসা জানিয়েছেন। একই রকমভাবে অনুভূতির কথা জানিয়েছেন প্রিয়াঙ্কার পুরনো বন্ধু লারাও।কয়েকদিন আগে প্রিয়াঙ্কা পদবী থেকে জোনাস কথাটা সরাতেই তাদের বিবাহবিচ্ছেদের জল্পনা তৈরি হয়। এবার সারোগেসি পদ্ধতিতে সন্তানের জন্মের পর সব জল্পনার অবসান ঘটালেন নিয়ঙ্কা।

জানুয়ারি ২২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Nusrat Imrose Tisha : সদ্যোজাতর ভুয়ো ছবি ভাইরাল, ফেসবুক পোস্টে জানালেন অভিনেত্রী তিশা

নতুন বছরের শুরুতেই খুশির খবরটা এসেছে। বাংলাদেশের তারকা দম্পতি পরিচালক মোস্তাফা সারওয়ার ফারুকি ও অভিনেত্রী নুসরত ইমরোজ তি্শার সদ্যোজাত পৃথিবীর আলো দেখেছে ৫ জানুয়ারি। এর মধ্যেই তাকে নিয়ে আলোচনা শুরু হয়ে গেছে। পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে সংবাদমাধ্যমে খুদের ভুয়ো ছবি ভাইরাল হয়ে গেছে। আর এটা নিয়েই তীব্র আপত্তি জানিয়েছেন নবজাতকের মা তিশা। তিনি আদর করে সন্তানকে ডাকছেন ইলহাম বলে। ৮ জানুয়ারি নবজাতককে নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন তিনি। ফেরার ছোট ভিডিও পোস্ট করে অভিনেত্রী লিখেছেন, মায়ের হাত শক্ত করে ধরে বাড়ি যাচ্ছে ছোট্ট ইলহাম!আজ তিশার অভিযোগ, সংবাদমাধ্যম তার সন্তানের ভুয়ো ছবি দিয়েছে। তিনি এখনও কোনও ছবিই কোথাও দেননি। ফেসবুকে পোস্ট করে নবজাতকের মায়ের বক্তব্য, একটা ব্যাপারে বেশ বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। এটা আরও ছড়ানোর আগেই আমরা পরিষ্কার করে জানাতে চাই। কিছু কিছু সংবাদ এবং ভিডিয়োর সঙ্গে ইলহামের ছবি হিসাবে একটা পুরনো ছবি জুড়ে দেওয়া হচ্ছে। আমরা জানতে পেরেছি শুরুর দিকে ভুলে এটা যোগ করা হয়েছিল। যেটা পরে সরিয়ে ফেলা হয়েছে। কিন্তু অনলাইনে একটা কিছু উঠে গেলে সেটা ছড়াতেই থাকে। সে জন্যই এই পোস্ট দেওয়া। যাতে কোনও বিভ্রান্তি না ছড়ায়।

জানুয়ারি ১০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Tanushree Bhattacharya : শমীকের লক্ষ্মীলাভ, মা হলেন অভিনেত্রী তনুশ্রী ভট্টাচার্য

মা হলেন অভিনেত্রী তনুশ্রী ভট্টাচার্য। করুণাময়ী রাণী রাসমণী ধারাবাহিকের জনপ্রিয় অভিনেত্রী তনুশ্রী ভট্টাচার্যর কোল আলো করে এল লক্ষ্মী। আর এই সুখবরটা জানিয়েছেন তাঁর স্বামী পরিচালক শমীক বোস। সোশ্যাল মিডিয়াতে তাঁর স্ত্রী কে ট্যাগ করে লক্ষ্মী এলো ঘরে এই ছবিটি পোস্ট করেন শমীক। ক্যাপশনে লেখেন আমাদের পরিবারে স্বাগত। পরিবারে নতুন সদস্য আসার খবর সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট করারা পর থেকেই অনেক শুভেচ্ছাবার্তা পেতে শুরু করেছেন শমীক ও তনুশ্রী।সদ্য বাবা হওয়া শমীক কে জনতার কথা থেকে ফোনে ধরা হয়। তাঁর এই আনন্দটা ভাগ করে নিলেন আমাদের সঙ্গে। বাবা হলেন। যেটার জন্য এতদিন অপেক্ষা করে আছো। সেটা ফুলফিল হল। কেমন লাগছে? শমীক জানালেন,সত্যি কথা বলতে প্রথম যখন ওটি থেকে বার করে এনে দেখালো আমার বেবি কে তখন যে অনুভূতি সেই অনুভুতিটা কোনও ভাষাতেই প্রকাশ করা যায় না। এটা অন্যধরণের অনুভূতি। মনে হচ্ছে যেন ওর মুখের দিকেই তাকিয়ে থাকি। কান্নার আওয়াজটাও মনে হচ্ছে যেন অন্যরকম। এটা স্বর্গীয় অনুভূতি। বেবি বাবা না মায়ের মত হয়েছে? উত্তরে পরিচালক জানালেন,বেবি সবে হয়েছে। তাই ওই ভাবনাটা ভেবে উঠতে পারিনি। ও ওর মতো হয়েছে। তোমার ফ্যামিলিতে একটা লক্ষ্মী ছিল এবং আরও একটা লক্ষ্মী এল। তাহলে কি পরিচালকের এই বছরটায় লক্ষ্মীলাভ বলা যায়? উত্তরে তিনি জানালেন,লক্ষ্মীলাভ হবে কি হবে না জানিনা। তবে আমার লক্ষ্মীলাভ হয়েছে। তোমার নতুন প্রোজেক্ট দেবী ও শুরু হয়েছে। তার মধ্যে কন্যাসন্তান ও হল। পরিচালক হাসিমুখে ফোনার ওপার থেকে জানালেন,ইনফ্যাক্ট ফ্লোরের সবাই বলছে দেবী এল ঘরে। ফ্লোরের সবাই খুব খুশি। সবাই খুব লাফালাফি করছে।দুমাস আগে সাধের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছিলেন তনুশ্রী। দুমাস পর তাঁর ঘর আলো করে এল একটি ফুটফুটে কন্যাসন্তান। শমীক ও অনুশ্রীর জন্য জনতার কথা র পক্ষ থেকে রইল অনেক অনেক শুভেচ্ছা।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২১
রাজ্য

Burdawan: বর্ধমান হাসপাতালে ৯ সদ্যোজাতর মৃত্যুতে বাড়ছে উদ্বেগ

বেশ কয়েকমাস ধরেই শিশুদের জ্বর ও শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যা নিয়ে রাজ্যজুড়ে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। বর্ধমান হাসপাতালেও প্রতিদিন পাল্লা দিয়ে বাড়ছে শিশু ভর্তির সংখ্যা। চলতি মাসে ইতিমধ্যেই মারা গিয়েছে ৯ জন শিশু। সব থেকে খারাপ অবস্থা ছয় মাসের নীচের শিশুদের। বর্ধমান হাসপাতালে মারা যাওয়া নয় শিশুর প্রত্যেকের বয়স ছয়মাসের নীচে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় আরও একটি এ আর আই ওয়ার্ড খোলা হচ্ছে ।আরও পড়ুনঃ পূর্ব বর্ধমানে প্রকাশ্যে বিজেপির অন্তর্কলহ১২০ শয্যার জেনারেল ওয়ার্ড ছাড়াও , হাসপাতালে খোলা হয়েছে ৬৫ শয্যার এ আর আই ওয়ার্ড। বুধবার পর্যন্ত হাসপাতালে শিশু ভর্তির সংখ্যা প্রায় ১৩০৷ যার মধ্যে অর্ধেকের বয়স ছয়মাসের নীচে৷ হাসপাতালের শিশু বিভাগ সূত্রে জানা গিয়েছে, জ্বর-শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যা নিয়ে সবথেকে সমস্যায় সদ্যোজাত শিশুরা। শিশু বিভাগের বিভাগীয় প্রধান জানান, সদ্যোজাত শিশুরা সাধারণ ঠান্ডা লাগার উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শ্বাসকষ্ট শুরু হচ্ছে এবং জটিল আকার ধারণ করছে। যদিও পরিস্থিতি হাতের নাগালেই আছে বলে দাবি শিশু বিভাগের বিভাগীয় প্রধান কৌস্তুভ নায়েকের। তিনি বলেন, চলতি মাসে প্রায় ১২০০ শিশু ভর্তি হয়েছিল। নয় জনকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। বাকিরা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। ওষুধ অক্সিজেন, বেড পর্যাপ্ত পরিমাণে রয়েছে। আরও একটি ওয়ার্ড খোলা হচ্ছে। সমস্যা হওয়ার কথা নয়।

অক্টোবর ২৩, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Nusrat : নুসরত হাসপাতালে ভর্তি, তাহলে বৃহস্পতিবারই কি মা হচ্ছেন?

টলিউডে একটা বড় খবর রটেছিল। অনেক আলোচনাও হয়েছিল। আগস্টের শেষের দিকেই নাকি সন্তান জন্ম দেবেন অভিনেত্রী-সাংসদ নুসরত জাহান। সেই মতোই নাকি শহরের এক নামী বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার জন্য দিনক্ষণ ঠিক করে ফেলেছিলেন। শোনা যাচ্ছে সেই মতোই বুধবার সকালেই নাকি হাসপাতালে ভরতি হয়ে গিয়েছেন নুসরত। যশই নাকি তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভরতি করিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ প্রযোজক হিসাবে দ্বিতীয় ছবি এনারআগে থেকেই নাকি চিকিত্সকের সঙ্গে কথা বলে সন্তান জন্মানোর বিশেষ তারিখ নির্দিষ্ট করে দিয়েছিলেন নুসরত। এমনকী, চিকিত্সককে নাকি জানিয়ে ছিলেন, মা হওয়ার সময় তাঁর পাশে যেন থাকেন যশ দাশগুপ্ত। তবে যশকে নিয়ে নুসরতের সেই অনুরোধ চিকিত্সকরা রেখেছেন কিনা তা জানা যায়নি। শোনা গিয়েছে বৃহস্পতিবারই সন্তানের জন্ম দিতে পারেন নুসরত।আরও পড়ুনঃ প্রয়াত রক তারকা চার্লি ওয়াটসঅন্যদিকে, মঙ্গলবার বিকেল নাগাদ যশ ও নুসরত তাঁদের সোশ্যাল মিডিয়ার প্রোফাইলে বেশ কিছু ছবি আপলোড করেছেন। ছবিতে দেখা গিয়েছিল একটি রেস্তরাঁয় একান্ত সময় কাটাচ্ছিলেন তাঁরা। শুধু তাই নয়, ছবিতে দেখা গিয়েছিল একই রকম ডিজাইনের টিশার্টও পড়েছিলেন যশরত। এখন যতক্ষণ না সন্তানের জন্ম হচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত অপেক্ষা করতেই হচ্ছে।

আগস্ট ২৫, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Kareena Kapoor Khan : বেবোর প্রেগন্যান্সি বিঙ্গো

বর্তমানে দুই সন্তানের মা বলিউড অভিনেত্রী করিনা কাপুর খান। প্রথম সন্তান তৈমুরের পর তার দ্বিতীয় সন্তান জেহ।প্রথম সন্তান তৈমুরের জন্মের পর যে যে অসুবিধের মধ্যে পড়তে হয়েছিল তাঁকে দ্বিতীয় সন্তান জেহ-র জন্মের পরেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। অন্তঃসত্ত্বা থাকাকালীন সেই সব অসুবিধে নিয়ে মুখ খুললেন করিনা। প্রেগন্যান্সি নিয়ে করিনা তাঁর বই প্রকাশ করেছেন। সেই প্রসঙ্গেই অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় ঠিক কী কী সমস্যার মধ্যে পড়তে হত থাকে তা এক ইনস্টাগ্রাম স্টোরির মাধ্যমে জানিয়েছেন করিনা। নাম দিয়েছেন, বেবোর প্রেগন্যান্সি বিঙ্গো। করিনা জানিয়েছেন, সন্তান জন্ম নেওয়ার পর যে স্ট্রেচ মার্কস হয় তা নয়ে বেশ চিন্তায় ছিলেন তিনি। সমস্যার এখানেই শেষ নয়, সন্তান জন্ম নেওয়ার আগেই বাচ্চার জন্য একগাদা শপিং করা তাঁর যেন অভ্যাসে দাঁড়িয়ে গিয়েছিল। ভালবাসা জন্মেছিল পিত্জার প্রতিও। বহুবার বহু মানুষ তাঁকে প্রশ্ন করেছেন, আমি কি তোমার বেবিবাম্প ছুঁয়ে দেখতে পারি?আরও পড়ুনঃ পেগাসাস স্পাইওয়্যার! ভাবের ঘরে চুরি? আপনি কতটা সুরক্ষিত? আক্রান্ত কারা?অস্বস্তিকর অবস্থার মধ্যে দিয়েও যেতে হয়েছে করিনা কাপুর খানকে। করিনা জানিয়েছেন এমন অনেক সময় হয়েছে তিনি হাসছেন, খুব হাসছেন কিন্তু হঠাত্ করেই কান্না পেয়েচ গিয়েছে ওই হাসির মুহূর্তের মাঝেই। অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় মুড সুইং স্বাভাবিক বিষয়, করিনাও তার ব্যক্তিক্রম নন। আবার হাঁচতে গিয়ে প্রস্রাব হয়ে যাওয়ার মতো ঘটনাও ঘটেছে তাঁর সঙ্গে। এ সবই বইতে বিশদে লিখেছেন করিনা।

জুলাই ২৯, ২০২১
কলকাতা

Eye Surgery: অ্যাপোলোতে বিরল অস্ত্রোপচারের পর দৃষ্টিশক্তি পেল দু মাসের শিশু

চলতি মাসের প্রথম দিকে একটি ২ মাসের প্রায় দৃষ্টিহীন শিশুকে কলকাতার অ্যাপোলো মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল। ডাঃ দেবব্রত হালদার, সিনিয়র কনসালট্যান্ট অপথ্যালমোলজিস্ট (পেডিয়াট্রিক), পরীক্ষা করে নির্ণয় করেন যে শিশুটি দুই চোখেই কনজেনিটাল টোটাল ক্যাটার্যাক্টে আক্রান্ত। ডাঃ হালদার বলেন, এইসব ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচার করা হয় শিশুটির তিন বা চার বছর বয়সে। আর একটা দু মাসের শিশুর চোখে অস্ত্রোপচার তার বয়স এবং চোখের সূক্ষ্মতার কারণে এক বড় চ্যালেঞ্জ।আরও পড়ুনঃ পেগাসাস স্পাইওয়্যার! ভাবের ঘরে চুরি? আপনি কতটা সুরক্ষিত? আক্রান্ত কারা?জন্ম থেকেই দু চোখে ছানি থাকায় শিশুটির দৃষ্টির বিকাশে একটা বাধা ছিল। তাই ডাঃ দেবব্রত হালদার মাত্র দু মাস বয়সেই শিশুটির চোখে অস্ত্রোপচার করার সিদ্ধান্ত নেন। চিকিৎসকদের একটি দল তাঁকে সাহায্য করেন। কিন্তু পায়ু, মলদ্বার আর মূত্রনালির সংযোগকারী ফিসচুলার অনুপস্থিতি এবং হৃদযন্ত্রের কিছু সমস্যার কারণে অ্যানাস্থেশিয়াও এক বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। ডাঃ দেবব্রত হালদার বলেন এক ঘন্টার অস্ত্রোপচারের ফলে দুটো চোখই ছানিমুক্ত হয়েছে এবং শিশুটির দৃষ্টি একেবারে নিখুঁত হয়ে গিয়েছে। দেরিতে অস্ত্রোপচার করলে দৃষ্টির স্থায়ী ক্ষতি হয়ে যেতে পারত। সেই কারণেই আমাদের এত কম বয়সে অস্ত্রোপচারের ঝুঁকি নিতে হল, যা সাধারণত করা হয় না।আরও পড়ুনঃ রাজ্যে সামান্য বাড়লেও দেশে করোনা সংক্রমণে স্বস্তিতিনি আরো বলেন আমরা সময়ের সঙ্গে দৌড়চ্ছিলাম। আমরা যদি অস্ত্রোপচারে দেরি করতাম, তাহলে ভিজুয়াল ফিক্সেশনের (একটা নির্দিষ্ট দিকে একদৃষ্টে তাকিয়ে থাকার ক্ষমতা) বিকাশ ক্ষতিগ্রস্ত হত। সাধারণত আট থেকে দশ সপ্তাহের মধ্যে এই ক্ষমতাটা তৈরি হয় এবং সেই গুরুত্বপূর্ণ সময়টা পেরিয়ে যেত। শিশুটি এবার ভাল দৃষ্টিশক্তি পাবে এবং স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারবে। সফল অস্ত্রোপচারের পর শিশুটিকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুনঃ প্রকাশিত উচ্চ মাধ্যমিকের ফল, ৪৯৯ পেয়ে প্রথম মুর্শিদাবাদের ছাত্রীসিইও, ইস্টার্ন রিজিয়ন রাণা দাশগুপ্ত বলেন, অ্যাপোলো হসপিটালস, কলকাতা যুগান্তকারী প্রোসিডিওরের নেতৃত্ব বজায় রেখে চলেছে। আমাদের প্রতিজ্ঞাবদ্ধ অস্ত্রোপচারকারীরা স্টেট-অফ-দি-আর্ট প্রযুক্তির সাহায্যে দু মাসের শিশুটির এই বিরল অস্ত্রোপচার করেছেন। সে এখন পৃথিবীটা নিজের চোখে দেখতে পাবে।

জুলাই ২২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

শ্রেয়ার ঘরে সুখবর, আসছে নতুন অতিথি

মা হতে চলেছেন জনপ্রিয় গায়িকা শ্রেয়া ঘোষাল। সোশ্যাল মিডিয়ায় বেবি বাম্পের ছবি শেয়ার করে নিজেই সে কথা জানালেন শ্রেয়া। আর এই খবরে স্বভাবতই আপ্লুত তাঁর ভক্তরা। ইতিমধ্যে তাঁকে এবং তাঁর স্বামী শিলাদিত্যকে শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন টলিউড অভিনেত্রী তথা সাংসদ মিমি চক্রবর্তী-সহ আরও অনেকে।বৃহস্পতিবার নিজের টুইটার এবং ইনস্টাগ্রামে একটি ছবি পোস্ট করেন শ্রেয়া। যেখানে নিজের বেবি বাম্পে ছুঁয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে তাঁকে। এই ছবির সঙ্গেই ক্যাপশনে সুখবরটি জানিয়েছেন জনপ্রিয় এই গায়িকা। সঙ্গে লেখেন, পরিবারের নতুন অতিথি আসছে। শিলাদিত্য এবং আমি এই খবর আপনাদের জানাতে পেরে খুবই খুশি। জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করতে আপনাদের ভালবাসা এবং আশীর্বাদ প্রয়োজন।তাঁর এই পোস্টের পরই সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভেচ্ছার বন্যায় ভেসেছেন শ্রেয়া এবং তাঁর স্বামী। দম্পতিকে অভিনন্দন জানান মিমি চক্রবর্তী ,বিশাল দাদলানি, রাঘব সাচ্চার-সহ বলিউড, টলিউডের অনেক সেলিব্রিটিই। এছাড়া শ্রেয়ার ভক্তকুলও তাঁকে শুভেচ্ছা জানাতে ভোলেননি।

মার্চ ০৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

বিরাটের লক্ষ্মীলাভ

বিরাটের লক্ষ্মীলাভ। সোমবার দুপুরে কন্যা সন্তান-এর জন্ম দেন আনুস্কা শর্মা। খবরটি জানিয়ে টুইট করেছেন বিরাট কোহালি নিজেই। তিনি লিখেছেন, খুব আনন্দের সঙ্গে আপনাদের জানাচ্ছি যে, আমাদের কন্যাসন্তান হয়েছে। আপনাদের ভালবাসা ও মঙ্গলকামনার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। আমাদের কন্যা ভাল আছে। আমরা দুজনেই খুব সৌভাগ্যবান যে জীবনের এই অধ্যায় আমাদের দেখার সুযোগ হল। আপনারা নিশ্চয়ই বুঝবেন, এই সময় আমাদের কিছুটা ব্যক্তিগত পরিসর জরুরি। তাই সকলের কাছে এ ব্যাপারে সহযোগিতা চাইছি।প্রসঙ্গত অস্ট্রেলিয়া সফরের মাঝ পথেই প্রথম টেস্ট খেলে ভারতে চলে এসেছিলেন বিরাট। সন্তানসম্ভবা স্ত্রীর পাশে থাকতেই তিনি ফিরে এসেছিলেন। আজ সোমবার তৃতীয় টেষ্টের পঞ্চম দিনে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ষষ্ঠ জুটিতে হনুমা বিহারি ও রবিচন্দ্রন অশ্বিনের ২২ গজের বিনা যুদ্ধে না দিব সুচাগ্র মেদিনী মনোভাব যেন অধিনায়কের পাশে থাকার বার্তা। Virat Kohli and Anushka Sharma blessed with a baby girl, the Indian cricket skipper announces on Twitter. pic.twitter.com/LtsgI3o1IJ ANI (@ANI) January 11, 2021বিরাটের টুইটের সাথে সাথেই লাইক-এর সুনামী ষুরু হয়ে যায়। বার্তাটি শেয়ারও হতে থাকে বারবার।বিরট অনুরাগী ছাড়াও বিভিন্ন মহল থেকে শুভেচ্ছায় ভরিয়ে দিয়েছেন বিরাট অনুষ্কাকে।

জানুয়ারি ১১, ২০২১

ট্রেন্ডিং

ভ্রমণ

কম খরচে কেরালা ভ্রমণ: ব্যাকওয়াটার থেকে পাহাড়, সবই হাতের নাগালে স্বর্গীয় সৌন্দর্য

ভারতের মানচিত্রে কেরালাকে বলা হয় Gods Own Country। আর এই উপাধির সবচেয়ে বড় কারণ তার অনন্য ব্যাকওয়াটার, সবুজ নারকেল বন, শান্ত গ্রাম আর প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য। অনেকেই মনে করেন কেরালা ভ্রমণ মানেই প্রচুর খরচ, বিলাসবহুল হাউসবোট আর দামি রিসর্ট। কিন্তু একটু পরিকল্পনা করলেই খুব কম খরচেও উপভোগ করা যায় কেরালার মনোমুগ্ধকর ব্যাকওয়াটার এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য।ভোরবেলা আলাপ্পুঝা (Alappuzha) বা আলেপ্পির ঘাটে দাঁড়িয়ে মনে হয় যেন প্রকৃতি নিজেই একটি জলরঙের ছবি এঁকেছে। চারদিকে শান্ত জলরাশি, তার মাঝে ভেসে চলেছে ছোট ছোট নৌকা। দূরে দেখা যাচ্ছে নারকেল গাছের সারি, মাঝে মাঝে গ্রামের মানুষ নৌকায় করে বাজারে যাচ্ছে। এই দৃশ্য দেখার জন্য লাখ লাখ পর্যটক কেরালায় আসেন। অনেকেই হাউসবোট ভাড়া করেন, যার খরচ বেশ বেশি। কিন্তু কম খরচে ব্যাকওয়াটার উপভোগ করতে চাইলে সরকারি ফেরি বা স্থানীয় নৌকায় চড়া সবচেয়ে ভালো উপায়। মাত্র কয়েকশো টাকায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা ব্যাকওয়াটারের বুক চিরে ভ্রমণ করা যায়। স্থানীয় মানুষের সঙ্গে গল্প করতে করতে প্রকৃত কেরালাকে কাছ থেকে দেখা যায়।নৌকা যখন ধীরে ধীরে এগিয়ে চলে, তখন দুপাশে চোখে পড়ে সবুজ ধানক্ষেত, ছোট্ট চার্চ, মন্দির এবং নদীর ধারে গড়ে ওঠা গ্রাম। কোথাও জেলেরা মাছ ধরছেন, কোথাও আবার শিশুরা জলে খেলছে। শহরের কোলাহল থেকে অনেক দূরে এই শান্ত পরিবেশ মনকে এক অন্যরকম প্রশান্তি দেয়। কেরালার প্রকৃতির সৌন্দর্য শুধু ব্যাকওয়াটারেই সীমাবদ্ধ নয়। মুন্নারের পাহাড়ি অঞ্চলে গেলে দেখা যায় অসীম বিস্তৃত চা-বাগান। পাহাড়ের গায়ে সবুজের কারুকাজ যেন শিল্পীর তুলিতে আঁকা। সকালের কুয়াশা আর ঠান্ডা হাওয়া মুহূর্তেই মন জয় করে নেয়। কম খরচে থাকার জন্য এখানে অনেক হোমস্টে ও বাজেট হোটেল পাওয়া যায়।এছাড়া ভরকালা ও কোভালামের সমুদ্রসৈকতও পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। সূর্যাস্তের সময় আরব সাগরের বুকে লাল আভা ছড়িয়ে পড়ার দৃশ্য জীবনের অন্যতম সুন্দর অভিজ্ঞতা হয়ে থাকতে পারে। সৈকতে বসে শুধু প্রকৃতিকে উপভোগ করলেও কোনও অতিরিক্ত খরচ হয় না। কেরালার স্থানীয় খাবারও তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী। কলাপাতায় পরিবেশিত ভাত, সাম্বর, থোরান, মাছের কারি কিংবা আপ্পাম ও স্ট্যু স্বাদে যেমন অনন্য, তেমনি দামেও সাধ্যের মধ্যে। স্থানীয় রেস্তোরাঁয় খেলে খাবারের খরচ অনেকটাই কমে যায়।কম খরচে কেরালা ভ্রমণের জন্য ট্রেন সবচেয়ে ভালো মাধ্যম। কোচি বা আলাপ্পুঝা পর্যন্ত ট্রেনে পৌঁছে স্থানীয় বাস ও ফেরি ব্যবহার করলে যাতায়াতের খরচ অনেক কম হয়। অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারি সময়টি ভ্রমণের জন্য আদর্শ, কারণ তখন আবহাওয়া মনোরম থাকে।কেরালার ব্যাকওয়াটারে সূর্যাস্তের সময় যখন আকাশের রং জলের ওপর প্রতিফলিত হয়, তখন মনে হয় প্রকৃতি যেন নিজের সেরা রূপটি মেলে ধরেছে। শান্ত জল, নারকেল গাছের ছায়া, পাখির ডাক আর গ্রামের সরল জীবনসব মিলিয়ে কেরালা শুধু একটি পর্যটনস্থল নয়, বরং এক অনুভূতির নাম। তাই যদি কম খরচে প্রকৃতির সান্নিধ্যে কয়েকটি স্মরণীয় দিন কাটাতে চান, তাহলে কেরালার ব্যাকওয়াটার আপনার জন্য এক অসাধারণ গন্তব্য। একবার ঘুরে এলে মন বারবার ফিরে যেতে চাইবে সেই শান্ত, সবুজ আর জলময় স্বর্গরাজ্যে।

জুলাই ২৫, ২০২৬
দেশ

‘ককরোচ’-এর আন্দোলনে বড় ধাক্কা কেন্দ্রের! তৃতীয় বৈঠকের আগেই শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ, নতিস্বীকার কি সরকারের?

নিজস্ব সংবাদদাতা: দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর অবশেষে বড় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পালাবদলের ইঙ্গিত। ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র লাগাতার আন্দোলন এবং দেশজুড়ে তৈরি হওয়া প্রতিবাদের আবহের মধ্যেই কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন। নিট পরীক্ষায় অনিয়ম ও প্রশ্নফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে তাঁর পদত্যাগের দাবিতে প্রথম থেকেই সরব ছিল সিজেপি। আন্দোলনকারীদের স্পষ্ট বক্তব্য ছিলশিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ছাড়া কোনও সমঝোতাই সম্ভব নয়।এই পরিস্থিতিতে শনিবার কেন্দ্রের সঙ্গে সিজেপি প্রতিনিধিদের তৃতীয় দফার বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বৈঠক শুরু হওয়ার আগেই ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের খবর সামনে আসে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, তবে কি আন্দোলনের চাপে শেষ পর্যন্ত নিজেদের অবস্থান থেকে সরে এল কেন্দ্র?ধর্মেন্দ্র প্রধান নিজেই সমাজমাধ্যমে তাঁর পদত্যাগের কথা ঘোষণা করেন। জানা গিয়েছে, তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন। পরবর্তী সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় সেটি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয় এবং রাষ্ট্রপতি সেই পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন বলে সূত্রের খবর।নিট পরীক্ষাকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কের পর থেকেই ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি সামনে এনেছিল সিজেপি। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ ছিল, দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনিয়মের দায় এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। তাঁদের দাবি, পরীক্ষাব্যবস্থার প্রতি পড়ুয়া ও অভিভাবকদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে হলে এর জন্য রাজনৈতিক দায় স্বীকার করতে হবে।এই দাবিকে কেন্দ্র করেই গত কয়েকদিন ধরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। সিজেপির পক্ষ থেকে সরকারের কাছে মোট তিনটি প্রধান দাবি রাখা হয়েছিল। প্রথম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দাবি ছিল কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ। পাশাপাশি আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোনও আইনি পদক্ষেপ না করার নিশ্চয়তা এবং নিটের প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় আত্মঘাতী পড়ুয়াদের পরিবারকে এক কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবিও জানানো হয়।সরকারের সঙ্গে সিজেপি প্রতিনিধিদের ইতিমধ্যে দুদফা বৈঠক হয়েছে। সূত্রের খবর, দ্বিতীয় ও তৃতীয় দাবির বিষয়ে সরকারের তরফে ইতিবাচক আশ্বাস দেওয়া হলেও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি নিয়ে কোনও সমঝোতা হচ্ছিল না। বরং কেন্দ্রের প্রতিনিধিরা আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন।শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টে নাগাদ ফের কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সিজেপি নেতাদের বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। কেন্দ্রের তরফে আলোচনায় থাকার কথা ছিল জেপি নড্ডা এবং জিতেন্দ্র সিংহের। কিন্তু বৈঠকের প্রায় দেড় ঘণ্টা আগেই শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের ঘোষণা হয়ে যায়। এর ফলে আন্দোলনকারীদের প্রথম এবং মূল দাবিই কার্যত পূরণ হয়ে গেল।শনিবার সকালেই সিজেপির পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ নিয়ে কেন্দ্র যদি কোনও সিদ্ধান্ত না নেয়, তাহলে তৃতীয় দফার বৈঠকেরও কোনও অর্থ নেই। এমনকি আন্দোলনকারীদের তরফে আরও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল, ক্ষোভের পরিধি আরও বাড়তে পারে এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি ভবিষ্যতে আরও বৃহত্তর রাজনৈতিক দায়বদ্ধতার প্রশ্ন তুলতে পারে।এই আবহেই ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের সিদ্ধান্ত যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও তাঁর নিজের বক্তব্যে পদত্যাগকে সরাসরি আন্দোলনের চাপের ফল হিসেবে তুলে ধরা হয়নি। বরং তিনি গত কয়েকদিনের পরিস্থিতির জন্য দুঃখপ্রকাশ করে জানিয়েছেন, ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক এবং দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারের সঙ্গে তিনি দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত। তাঁর দাবি, কোনও মেধাবী পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ নষ্ট হোক, তা তিনি কখনও চাননি।পদত্যাগের ঘোষণা করে ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, গত ৩ মে নিট পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ সামনে আসার পর থেকেই তিনি বিষয়টির দায় নিয়েছিলেন। তাঁর বক্তব্য, কখনও তিনি দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেননি। তাঁর কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল মেধাবী পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত রাখা এবং কোনও শিক্ষার্থীর সঙ্গে অন্যায় না হওয়া।গত ১০ দিনের ঘটনাপ্রবাহ তাঁকে ব্যথিত করেছে বলেও জানিয়েছেন ধর্মেন্দ্র। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, যন্তর মন্তর-সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তার সুযোগ যাতে কোনও দেশবিরোধী শক্তি নিতে না পারে, দেশের ঐক্য যাতে অটুট থাকে এবং আন্দোলনে যুক্ত কোনও পড়ুয়া যাতে আইনি জটিলতায় না জড়িয়ে পড়েএই বিষয়গুলিও তিনি বিবেচনায় রেখেছেন।ধর্মেন্দ্র প্রধান আরও বলেন, দেশের তরুণ প্রজন্মের স্বপ্ন, আকাঙ্ক্ষা এবং ন্যায়সঙ্গত প্রত্যাশার প্রতি তাঁর গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। তাঁর মতে, তরুণদের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার দায়িত্ব শুধু সরকারের নয়, গোটা সমাজ ও রাজনৈতিক ব্যবস্থারও।তাঁর পদত্যাগের ঘোষণার পর এখন নজর পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে। আন্দোলনকারীরা কি এই সিদ্ধান্তকে সরকারের সঙ্গে সমঝোতার পথ হিসেবে দেখবেন, নাকি তাঁদের বাকি দাবিগুলি নিয়ে আন্দোলন আরও জোরদার হবেতা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন জল্পনা।তবে একটি বিষয় স্পষ্টনিট পরীক্ষা ও শিক্ষাব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে, তা এখন আর শুধুমাত্র একটি পরীক্ষার অনিয়মের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার প্রতি পড়ুয়া ও অভিভাবকদের আস্থা পুনরুদ্ধার, পরীক্ষার নিরাপত্তা, প্রশাসনিক দায়বদ্ধতা এবং রাজনৈতিক জবাবদিহির মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নও সামনে চলে এসেছে।ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ সেই বিতর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটালেও, বৃহত্তর প্রশ্নগুলির উত্তর এখনও বাকি। আগামী দিনে কেন্দ্র কীভাবে এই পরিস্থিতি সামাল দেয় এবং শিক্ষাব্যবস্থায় আস্থা ফেরাতে কী পদক্ষেপ নেয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে গোটা দেশ।

জুলাই ২৫, ২০২৬
স্বাস্থ্য

ঋতুস্রাবের দিনগুলিতে মন খারাপ কেন? শরীরের যন্ত্রণার পাশে থাকুক মন ও পরিবারও

নিজস্ব প্রতিবেদন: মাসের কয়েকটি দিন। ক্যালেন্ডারের পাতায় হয়তো নিছক কয়েকটি তারিখ, কিন্তু একজন নারীর শরীর ও মনের কাছে এই দিনগুলির অর্থ অনেক গভীর। কখনও তলপেটের অসহ্য ব্যথা, কখনও কোমর ও পিঠে টান, মাথা ঘোরা, দুর্বলতা, বমি বমি ভাবতার সঙ্গে অকারণ মন খারাপ, বিরক্তি, কান্না পেতে থাকা, একা হয়ে যাওয়ার ইচ্ছে কিংবা অদ্ভুত এক মানসিক অবসাদ। ঋতুস্রাবের সময় অনেক নারীর কাছেই শরীর যেন নিজের স্বাভাবিক ছন্দ হারিয়ে ফেলে। আর সেই শারীরিক অস্বস্তির সঙ্গে যখন মিশে যায় মানসিক চাপ, তখন কয়েকটি দিন হয়ে ওঠে এক দীর্ঘ, ক্লান্তিকর পথচলা।এই সময়টিকে তাই শুধু মেয়েদের মাসিকের সমস্যা বলে হালকা করে দেখার কোনও সুযোগ নেই। কারণ ঋতুস্রাব কেবল একটি শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া নয়; হরমোনের ওঠানামা, ব্যথা, ঘুমের ব্যাঘাত, কর্মক্ষেত্রের চাপ, সামাজিক অস্বস্তি এবং নিজের শরীর নিয়ে নানা সংকোচসব মিলিয়ে এটি অনেকের জন্য মানসিক স্বাস্থ্যের উপরও প্রভাব ফেলতে পারে।কখনও মনে হয়, পৃথিবীটা যেন একটু বেশি শব্দ করছে। সামান্য কথাতেও বিরক্তি আসে। যে মানুষটি প্রতিদিন হাসিমুখে সংসার সামলান, অফিস করেন, সন্তানকে স্কুলে পাঠান কিংবা জীবনের নানা দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন, তিনিই হয়তো সেই কয়েকটি দিনে নিঃশব্দে নিজের ভিতরের ক্লান্তির সঙ্গে লড়াই করেন।এই লড়াইকে বুঝতে হবে। বিচার নয়, প্রয়োজন সহমর্মিতা।কেন ঋতুস্রাবের সময় মন খারাপ হয়?ঋতুচক্রের বিভিন্ন পর্যায়ে শরীরে ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরনের মতো হরমোনের মাত্রায় পরিবর্তন ঘটে। অনেক নারীর ক্ষেত্রে এই পরিবর্তনের সঙ্গে মেজাজের ওঠানামা, উদ্বেগ, বিরক্তি, মনোযোগে ঘাটতি কিংবা বিষণ্ণতার অনুভূতি দেখা দিতে পারে। এর পাশাপাশি ঋতুস্রাবের সময় ব্যথা ও শারীরিক অস্বস্তি ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে, যা পরোক্ষভাবে মানসিক ক্লান্তি আরও বাড়িয়ে দেয়।কারও ক্ষেত্রে উপসর্গগুলি তুলনামূলক হালকা। আবার কারও ক্ষেত্রে তা এতটাই তীব্র হতে পারে যে দৈনন্দিন কাজ, পড়াশোনা, চাকরি কিংবা সামাজিক সম্পর্কেও প্রভাব পড়ে। ঋতুস্রাবের আগে ও আশপাশের সময়ে যদি প্রতি মাসেই তীব্র মানসিক পরিবর্তনযেমন গভীর বিষণ্ণতা, প্রচণ্ড খিটখিটে মেজাজ, উদ্বেগ বা আবেগের নিয়ন্ত্রণ হারানোর মতো সমস্যা দেখা দেয় এবং তা জীবনযাত্রাকে উল্লেখযোগ্যভাবে ব্যাহত করে, তবে প্রিমেনস্ট্রুয়াল সিনড্রোম (PMS) বা আরও গুরুতর ক্ষেত্রে প্রিমেনস্ট্রুয়াল ডিসফোরিক ডিসঅর্ডার (PMDD)-এর সম্ভাবনা বিবেচনা করা প্রয়োজন।তবে প্রতিটি মন খারাপই যে PMS বা PMDD, তা নয়। আবার প্রতিটি শারীরিক কষ্টকেও স্বাভাবিক বলে এড়িয়ে যাওয়াও ঠিক নয়।শারীরিক যন্ত্রণার সঙ্গে মানসিক অবসাদের যোগসূত্রঋতুস্রাবের সময় তলপেটের ব্যথা বা ক্র্যাম্প অনেক নারীর দৈনন্দিন জীবনকে থামিয়ে দিতে পারে। কারও ব্যথা এতটাই তীব্র হয় যে বিছানা ছেড়ে ওঠাও কঠিন হয়ে পড়ে। মাথাব্যথা, দুর্বলতা, পেটের সমস্যা কিংবা অতিরিক্ত রক্তক্ষরণও শারীরিক সক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে।এই শারীরিক অস্বস্তির সঙ্গে যখন কর্মক্ষেত্র বা পরিবারের প্রত্যাশা একই থাকে, তখন মানসিক চাপ আরও বাড়তে পারে।আজ শরীরটা ভালো নেইএই কথাটি বলার অধিকার একজন নারীর আছে।শরীর যখন বিশ্রাম চায়, তখন বিশ্রাম নেওয়া দুর্বলতা নয়। বরং নিজের শরীরের সংকেতকে সম্মান করা সুস্থ থাকারই একটি অংশ।মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ: নিজের অনুভূতিকে অস্বীকার করবেন নামানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ঋতুস্রাবের সময় মেজাজের পরিবর্তন হলে প্রথমেই নিজের অনুভূতিকে অযৌক্তিক বা নাটক বলে দমন না করে তা স্বীকার করা জরুরি। যদি প্রতি মাসে একই ধরনের সমস্যা ফিরে আসে, তাহলে অন্তত দুই-তিনটি ঋতুচক্র ধরে নিজের উপসর্গের একটি ডায়েরি রাখা যেতে পারে।কোন দিনে মন খারাপ হচ্ছে, কতটা ব্যথা হচ্ছে, ঘুম কেমন হচ্ছে, ক্ষুধার পরিবর্তন হচ্ছে কি না, কাজকর্মে কতটা সমস্যা হচ্ছেএসব লিখে রাখলে সমস্যার ধরন বোঝা সহজ হয়। প্রয়োজন হলে গাইনোকলজিস্ট বা মনোরোগ বিশেষজ্ঞের সঙ্গে আলোচনা করেও উপযুক্ত চিকিৎসা নেওয়া যায়।বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম, পর্যাপ্ত ঘুম, সুষম খাদ্য এবং স্ট্রেস কমানোর অভ্যাস অনেকের ক্ষেত্রে উপসর্গ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে। তবে উপসর্গ গুরুতর হলে শুধু মন শক্ত করুন বলা যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন অনুসারে চিকিৎসা, কাউন্সেলিং বা ওষুধের সাহায্যও লাগতে পারে।সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথানিজে থেকে কোনও ওষুধ শুরু বা বন্ধ করা উচিত নয়।কীভাবে কাটিয়ে উঠবেন এই কঠিন সময়?১. শরীরকে বিশ্রাম দিনঋতুস্রাবের সময় অতিরিক্ত ক্লান্তি থাকলে নিজের উপর অযথা চাপ দেবেন না। কাজের মধ্যে ছোট বিরতি নিন। পর্যাপ্ত ঘুমের চেষ্টা করুন। শরীরকে বিশ্রাম দেওয়া মানে দায়িত্ব থেকে পালিয়ে যাওয়া নয়; বরং পরবর্তী দিনগুলির জন্য নিজেকে প্রস্তুত করা।২. হালকা শরীরচর্চা করুনশরীরের সামর্থ্য অনুযায়ী হাঁটা, স্ট্রেচিং, যোগব্যায়াম বা হালকা ব্যায়াম অনেকের ক্ষেত্রে মুড ভালো করতে এবং অস্বস্তি কমাতে সাহায্য করতে পারে। তবে তীব্র ব্যথা বা অসুস্থতা থাকলে জোর করে ব্যায়াম করার প্রয়োজন নেই।ঋতুস্রাবের দিনগুলিতে মন খারাপ কেন? শরীরের যন্ত্রণার পাশে থাকুক মনও, পরিবারওঋতুস্রাবের দিনগুলিতে মন খারাপ কেন? শরীরের যন্ত্রণার পাশে থাকুক মনও, পরিবারওসুষম ও পুষ্টিকর খাবার খান। পর্যাপ্ত জল পান করুন। অতিরিক্ত ক্যাফেইন, লবণ বা অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার কিছু মানুষের ক্ষেত্রে অস্বস্তি বাড়াতে পারে। তবে খাদ্যাভ্যাসে বড় পরিবর্তন আনার আগে ব্যক্তিগত প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া ভালো।৪. নিজের জন্য কিছুটা সময় রাখুনবই পড়া, গান শোনা, প্রিয় সিনেমা দেখা, ছবি আঁকা, বাগান করা কিংবা কোনও বন্ধুর সঙ্গে কথা বলাযে কাজটি মনকে শান্ত করে, সেটি করার চেষ্টা করুন। মনকে ভালো রাখার জন্য সবসময় বড় কোনও আয়োজন প্রয়োজন হয় না। কখনও এক কাপ গরম চা আর জানালার পাশে কয়েক মিনিট নীরবতাও যথেষ্ট হতে পারে।৫. অনুভূতি প্রকাশ করুনআমি ভালো নেইএই কথাটি বলতে ভয় পাবেন না। মন খারাপ হলে বিশ্বাসযোগ্য মানুষের সঙ্গে কথা বলুন। নিজের কষ্টকে গোপন করে রাখলে অনেক সময় মানসিক চাপ আরও বেড়ে যেতে পারে।পরিবার ও বন্ধুরা কী করবেন?একজন নারীর ঋতুস্রাবের সময় তাঁর পাশে দাঁড়ানোর সবচেয়ে বড় উপায় সবসময় কোনও বড় সমাধান নয়অনেক সময় শুধু তাঁকে বোঝার চেষ্টা করাটাই যথেষ্ট।পরিবারের সদস্যরা যদি বলেন, তোমার শরীর খারাপ? তুমি একটু বিশ্রাম নাও, আজকের কাজটা আমি করে দিচ্ছিতাহলে সেই কথাটিই হয়তো একজন ক্লান্ত নারীর কাছে হয়ে উঠতে পারে এক মুঠো স্বস্তি।তাঁর মেজাজ খারাপকে উপহাস করবেন না। এগুলো সব মাসিকের অজুহাতএই ধরনের মন্তব্য এড়িয়ে চলুন। তাঁর কথা শুনুন। প্রয়োজন হলে ঘরের কাজ ভাগ করে নিন। তাঁকে একা থাকতে চাইলে সেই ব্যক্তিগত পরিসরটুকু দিন, আবার তিনি কথা বলতে চাইলে মন দিয়ে শুনুন।বন্ধুরাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন। বন্ধুর মন খারাপ বুঝলে জোর করে আনন্দ দেওয়ার চেষ্টা না করে পাশে থাকা, ফোন করা, একটু গল্প করা কিংবা প্রয়োজন হলে শুধু নীরবে শুনে যাওয়াএসবই অনেক সময় কার্যকর সহায়তা হয়ে ওঠে।মনে রাখতে হবে, মানসিক অবসাদ কোনও মেয়েলি দুর্বলতা নয়। এটি মানুষের অনুভূতিরই একটি অংশ। আর অনুভূতির যত্ন নেওয়া যেমন ব্যক্তিগত দায়িত্ব, তেমনই সামাজিক দায়িত্বও।কখন চিকিৎসকের পরামর্শ জরুরি?যদি প্রতি মাসে ঋতুস্রাবের আগে বা সময়ে তীব্র বিষণ্ণতা, উদ্বেগ, রাগ, হতাশা বা আবেগের পরিবর্তন দেখা দেয় এবং তা কাজ, পড়াশোনা, সম্পর্ক বা দৈনন্দিন জীবনকে ব্যাহত করে, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ, অসহ্য ব্যথা, বারবার মাথা ঘোরা, অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো উপসর্গ কিংবা এমন শারীরিক সমস্যা যা স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে থামিয়ে দেয়এসবকেও অবহেলা করা উচিত নয়।আর যদি কখনও গভীর হতাশা, নিজেকে আঘাত করার চিন্তা বা বেঁচে থাকার ইচ্ছা হারিয়ে ফেলার মতো অনুভূতি তৈরি হয়, তাহলে বিষয়টি জরুরি হিসেবে বিবেচনা করে দ্রুত মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সাহায্য নেওয়া প্রয়োজন।নারীর শরীরকে বোঝার পাশাপাশি নারীর মনকেও বুঝতে হবেঋতুস্রাব কোনও লজ্জার বিষয় নয়। এটি জীবনের স্বাভাবিক জৈবিক প্রক্রিয়া। অথচ এখনও সমাজের বহু স্তরে এই বিষয়টি নিয়ে সংকোচ, কুসংস্কার ও নীরবতা রয়েছে। সেই নীরবতাই অনেক সময় নারীর শারীরিক ও মানসিক কষ্টকে আরও একা করে দেয়।প্রখ্যাত লেখিকা ভার্জিনিয়া উলফ লিখেছিলেন, I would venture to guess that Anon, who wrote so many poems without signing them, was often a woman.নারীর অদৃশ্য কণ্ঠস্বরের প্রসঙ্গে তাঁর এই কথাটি যেন আজও প্রাসঙ্গিক। কারণ বহু নারী এখনও নিজের কষ্টের কথা প্রকাশ না করে নীরবে সহ্য করে যান।ঋতুস্রাবের দিনগুলিতে তাই প্রয়োজন একটু বেশি মানবিকতা। প্রয়োজন প্রশ্নের বদলে বোঝাপড়া, উপহাসের বদলে সহানুভূতি, নির্দেশের বদলে পাশে থাকা।একজন নারী সেই কয়েকটি দিনে যদি বলেন, আজ আমার একটু বিশ্রাম দরকারতবে তাঁর পাশে দাঁড়ানো মানে তাঁকে দুর্বল করে দেওয়া নয়। বরং তাঁর শক্তিকে সম্মান করা।কারণ প্রতিটি মাসে শরীরের ভিতর দিয়ে যে পরিবর্তনের স্রোত বয়ে যায়, তার সঙ্গে লড়াই করে আবারও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসেন অসংখ্য নারী। তাঁদের এই নীরব লড়াইকে স্বীকৃতি দেওয়া, তাঁদের কষ্টকে গুরুত্ব দেওয়া এবং প্রয়োজনের সময়ে পাশে দাঁড়ানোএটাই হতে পারে আমাদের সবচেয়ে মানবিক দায়িত্ব।ঋতুস্রাবের দিনগুলি হয়তো মাসের কয়েকটি দিন। কিন্তু সেই কয়েকটি দিনে একজন নারীর পাশে থাকাতাঁর কাছে হয়ে উঠতে পারে সারা জীবনের এক গভীর আশ্বাস।

জুলাই ২৫, ২০২৬
দেশ

'ককরোচ'দের চাপেরই জের! অবশেষে পদত্যাগ করলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী

অবশেষে ককরোচদের প্রধান দাবি মেনে পদত্যাগ করলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। আগেই ককরোচ জনতা পার্টির বেশিরভাগ দাবি মেনে নিয়েছিল কেন্দ্র। তবে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়ে সিজেপির কাছ থেকে কেন্দ্র সময় নিয়ে নেয়। ককরোচ জনতা পার্টির দাবি মেনে অবশেষে পদত্যাগ করলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় করা দীর্ঘ পোস্টে নিজের পদত্যাগের কারণ জানিয়েছেন। জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে ইতিমধ্যে ধর্মেন্দ্র প্রধান নিজের ইস্তফাপত্র পাঠিয়েছেন। প্রতিবেদনটি লেখা পর্যন্ত সেই পদত্যাগ গৃহীত হয়নি বলেই জানা গিয়েছে। অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রীকে নিজের ইস্তফা পাঠানোর পরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় দীর্ঘ পোস্টে ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, দেশের পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ, উন্নত ও দুর্নীতিমুক্ত শিক্ষাব্যবস্থাই আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আমি নিজের দায়িত্ব থেকে কোনও সময় মুখ ফিরিয়ে নিইনি। প্রথম দিন থেকে নিটে প্রশ্নফাঁসের দায় নিয়েছি, কোনওসময় মুখ লুকোয়নি। তাঁর দাবি, ছাত্র আন্দোলনের নামে কিছু দেশবিরোধী কুচক্রী ষড়যন্ত্র করছে। সেই কুচক্রীরা যাতে কোনওভাবেই পরিস্থিতির সুবিধা তুলতে না পারে, সেজন্যই আমার ইস্তফা। আমার এই পদত্যাগপত্র দেশের জন্য।যন্তর মন্তরে একাধিক দাবি নিয়ে ককরোচ জনতা পার্টি আন্দোলন শুরু করে। তারমধ্যে প্রধান দাবি ছিল, নিট পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র লিকের জন্য কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে পদত্যাগ করতে হবে। প্রথম দিকে শুধু মাত্র ককরোচ জনতা পার্টি সেই আন্দোলন করে। ধীরে ধীরে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছাত্র সংগঠন সেই আন্দোলনে যুক্ত হয়। দেশের প্রধান বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো সেই আন্দোলনে যুক্ত হতে থাকে। সেলিব্রেটি, খেলোয়াররাও আন্দোলন নিয়ে মুখ খুলতে শুরু করেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এই আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। কার্যত চাপে পড়েই ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেন বলেই বিশেষজ্ঞ মহল মনে করছে।

জুলাই ২৫, ২০২৬
রাজ্য

সেবাশ্রয় ঘিরে নতুন বিস্ফোরণ! কোটি টাকার নয়, এবার সামনে এল লক্ষ লক্ষ টাকার বকেয়ার অভিযোগ

প্রায় দুই বছর আগে সাধারণ মানুষের জন্য স্বল্প খরচে চিকিৎসার লক্ষ্য নিয়ে শুরু হয়েছিল সেবাশ্রয় শিবির। সেই উদ্যোগকে ঘিরে তখন ব্যাপক আলোচনা হয়েছিল। কিন্তু রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর এই প্রকল্প নিয়ে একের পর এক অভিযোগ সামনে আসছে। এবার দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার বিষ্ণুপুর থানায় দায়ের হয়েছে নতুন অভিযোগ। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে একটি রিসর্ট ভাড়া নেওয়া এবং লক্ষ লক্ষ টাকার বকেয়া বিল।অভিযোগকারী রিসর্ট মালিক জানিয়েছেন, সেবাশ্রয় শিবিরের কাজ পরিচালনার জন্য এক সময় তাঁর রিসর্ট ভাড়া নেওয়া হয়েছিল। সেখানে প্রায় দেড়শো জন কর্মী থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করেছিলেন বলে দাবি তাঁর। অভিযোগ, দীর্ঘদিন কেটে গেলেও প্রায় তিরিশ লক্ষ টাকার বিল এখনও পরিশোধ করা হয়নি।রিসর্ট মালিকের দাবি, সেই সময় বারবার টাকা চাওয়া হলেও কোনও অর্থ দেওয়া হয়নি। বরং তাঁকে জানানো হয়েছিল, ব্যবসা করতে হলে এমন পরিস্থিতি মেনে নিতে হবে। তাঁর আরও অভিযোগ, তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে তিনি তখন থানায় অভিযোগ করার সাহস পাননি। বর্তমানে সরকার পরিবর্তনের পর তিনি বিষ্ণুপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।অভিযোগে আরও দাবি করা হয়েছে, রিসর্টে সেবাশ্রয়ের সঙ্গে যুক্ত কর্মীরা থাকতেন। অভিযোগকারী জানিয়েছেন, সেই সময় এই ব্যবস্থার সঙ্গে কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মীদের নামও জড়িত ছিল বলে তাঁর দাবি। তবে এই সমস্ত অভিযোগের সত্যতা এখনও তদন্তসাপেক্ষ।শনিবার বিধানসভায় সেবাশ্রয় নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও প্রকল্পটি নিয়ে একাধিক অভিযোগের কথা উল্লেখ করেন। তিনি জানান, সেবাশ্রয় সংক্রান্ত সমস্ত অভিযোগ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। যাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাঁদের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত গোটা বিষয়টি অভিযোগের পর্যায়েই রয়েছে।

জুলাই ২৫, ২০২৬
রাজ্য

নলহাটিতে হানা দিতেই চক্ষু চড়কগাছ! একসঙ্গে উদ্ধার বিপুল বিস্ফোরক, বড় রহস্যের গন্ধ

বীরভূমের নলহাটিতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধার করেছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। উদ্ধার হয়েছে বিশ বস্তা অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট এবং প্রচুর ডিটোনেটর। ঘটনায় এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই বিপুল বিস্ফোরক কী উদ্দেশ্যে মজুত করা হয়েছিল, তা জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, গোপন সূত্রে খবর পাওয়ার পর নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। কলকাতা থেকে তদন্তকারী দল নলহাটিতে পৌঁছে স্থানীয় পুলিশের সহায়তায় তল্লাশি শুরু করে। দীর্ঘ তল্লাশির পর একটি জায়গা থেকে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধার হয়। ঘটনাস্থল থেকেই এক ব্যক্তিকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাঁর বক্তব্যে অসঙ্গতি ধরা পড়ায় পরে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।উদ্ধার হওয়া বিস্ফোরক কী কাজে ব্যবহার করার পরিকল্পনা ছিল, তা এখন তদন্তের মূল বিষয়। কোনও নাশকতার ছক ছিল কি না, নাকি অন্য কোনও উদ্দেশ্যে এই বিস্ফোরক মজুত করা হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। উদ্ধার হওয়া অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ও ডিটোনেটর পরীক্ষার জন্য ফরেনসিক পরীক্ষাগারে পাঠানো হতে পারে বলেও তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে।তদন্তকারীরা আরও খতিয়ে দেখছেন, এই বিস্ফোরক কোনও বৈধ শিল্পকারখানা বা খনির কাজে ব্যবহার করার জন্য রাখা হয়েছিল কি না। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও কয়েকজনের নাম পাওয়া গিয়েছে বলে সূত্রের দাবি। তাঁদের খোঁজেও তল্লাশি শুরু হতে পারে। গোটা ঘটনায় তদন্ত চলেছে এবং সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

জুলাই ২৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বাবা বিক্রি করতেন সবজি, ছেলে জিতল দেশের প্রথম পদক! ঝন্ডুর লড়াই জানলে চোখে জল আসবে

কমনওয়েলথ গেমসে ভারতের পদক অভিযান শুরু হল দারুণ সাফল্যের মধ্য দিয়ে। পুরুষদের হেভিওয়েট প্যারা পাওয়ার লিফটিং বিভাগে ব্রোঞ্জ পদক জিতে দেশের ঝুলিতে প্রথম পদক তুলে দিলেন বিহারের ঝন্ডু কুমার। তাঁর এই সাফল্যে গর্বিত গোটা দেশ।ঝন্ডু কুমারের জীবন সংগ্রামের গল্প অনুপ্রেরণার। মাত্র পাঁচ বছর বয়সে পোলিও আক্রান্ত হন তিনি। ছোটবেলা থেকেই শারীরিক প্রতিবন্ধকতার পাশাপাশি আর্থিক সমস্যার সঙ্গেও লড়াই করতে হয়েছে। তাঁর বাবা রাস্তার ধারে সবজি বিক্রি করেন। পরিবারের পাশে দাঁড়াতে ঝন্ডুও একসময় ই-রিকশা চালিয়েছেন। কিন্তু কঠিন পরিস্থিতিও তাঁর স্বপ্নকে থামাতে পারেনি। নিয়মিত অনুশীলন চালিয়ে গিয়েছেন এবং দেশের হয়ে খেলার লক্ষ্য থেকে কখনও সরে যাননি।পরবর্তীতে তাঁর প্রতিভা নজরে আসে জাতীয় কোচ রাজিন্দর সিং রাহেলুর। তাঁর উদ্যোগেই ঝন্ডু জাতীয় প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অনুশীলনের সুযোগ পান। সেই সুযোগই বদলে দেয় তাঁর জীবন। এরপর জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় ধারাবাহিক সাফল্য পেতে শুরু করেন তিনি।কমনওয়েলথ গেমসে ঝন্ডু মোট একশো নব্বই কেজি ওজন তুলে ব্রোঞ্জ পদক নিশ্চিত করেন। শেষ প্রচেষ্টায় আরও বেশি ওজন তোলার চেষ্টা করলেও সফল হননি। তবুও তাঁর পারফরম্যান্সই ভারতের প্রথম পদক এনে দেয়।পদক জয়ের পর আবেগঘন প্রতিক্রিয়ায় ঝন্ডু বলেন, তাঁর মনে হচ্ছে তিনি যেন আকাশে উড়ছেন। এই পদক শুধু তাঁর নয়, যাঁরা কঠিন সময়ে পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং অনুশীলনের সুযোগ করে দিয়েছেন, তাঁদের সকলেরও। ভবিষ্যতে দেশের জন্য আরও বড় সাফল্য আনার লক্ষ্য নিয়েই এগোতে চান তিনি।এর আগেও জাতীয় রেকর্ড গড়েছেন ঝন্ডু। আন্তর্জাতিক মঞ্চেও একাধিক পদক জিতেছেন। এবার কমনওয়েলথ গেমসে ভারতের প্রথম পদক জিতে তিনি প্রমাণ করে দিলেন, কঠোর পরিশ্রম, ইচ্ছাশক্তি এবং আত্মবিশ্বাস থাকলে কোনও বাধাই সাফল্যের পথে শেষ কথা হতে পারে না।

জুলাই ২৫, ২০২৬
কলকাতা

মিছিলে ঢুকেছিল বহিরাগত? সত্তর জন চিহ্নিত, কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি

ধর্মতলায় সাম্প্রতিক অশান্তি নিয়ে বিধানসভায় বিস্ফোরক দাবি করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর অভিযোগ, আন্দোলনের নামে পরিকল্পিতভাবে অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। প্রাথমিক তদন্তে বেশ কয়েকজনকে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তিনি।বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কর্মসূচিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলন হিসেবে ঘোষণা করা হলেও পরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তাঁর দাবি, আন্দোলনে এমন বহু ব্যক্তি যোগ দিয়েছিলেন, যাঁদের সঙ্গে ছাত্র আন্দোলন বা নিট ইস্যুর কোনও সরাসরি সম্পর্ক ছিল না। বিভিন্ন এলাকা থেকে বহিরাগতদের আনা হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, ডোরিনা ক্রসিং এলাকায় পুলিশ ও সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে জলের বোতল, জুতো এবং অন্যান্য বস্তু ছোড়া হয়। তাঁর দাবি, উদ্দেশ্য ছিল পুলিশকে উসকে দিয়ে বড় সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি করা। তবে পুলিশ সংযম দেখিয়েছে বলেই পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়নি।তিনি আরও জানান, ঘটনায় আহত হয়েছেন একাধিক সাংবাদিক। ইতিমধ্যেই সাতটি মামলা দায়ের হয়েছে। তদন্তে এখনও পর্যন্ত প্রায় সত্তর জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। কয়েকজনের নামও বিধানসভায় উল্লেখ করে তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের ইঙ্গিত দেন মুখ্যমন্ত্রী।প্রশাসনের দাবি, ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ধর্মতলার অশান্তির প্রকৃত কারণ এবং কারা এর নেপথ্যে ছিল, তা জানতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

জুলাই ২৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal