• ১৪ মাঘ ১৪৩২, রবিবার ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Australia

খেলার দুনিয়া

যশ, রশিদদের দাপটে চূর্ণ অস্ট্রেলিয়া, বিশ্বকাপের ফাইনালে ভারত

এভাবেও ফিরে আসা যায়! ভারতকে না দেখলে বিশ্বাস করা সত্যিই কঠিন। ২০২২ অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে প্রত্যাবর্তনের নায়ক হিসেবে ইতিহাসের খাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে অধিনায়ক যশ ধুল ও সহঅধিনায়ক শেখ রশিদের নাম। এই দুই ব্যাটারের দাপটে অস্ট্রেলিয়াকে ৯৬ রানে উড়িয়ে অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালে ভারত। সামনে এবার ইংল্যান্ড। অস্ট্রেলিয়ার দুই জোরে বোলার টম হুইটনি ও জ্যাক নিসবেটের দাপটে তখন থরহরিকম্প ভারতের দুই প্রারম্ভিক ব্যাটার অঙ্গকৃশ রঘুবংশী ও হার্নুর সিংয়ের। রান তোলাই কঠিন হয়ে পড়েছিল এই দুই ব্যাটারের কাছে। শুরু থেকে সতর্ক থাকলেও শেষরক্ষা করতে পারেননি অঙ্গকৃশ রঘুবংশী। ম্যাচের অষ্টম ওভারে উইলিয়াম স্যালজম্যানের দুরন্ত ডেলিভারিতে অঙ্গকৃশের (৩০ বলে ৬) অফস্টাম্প ছিটকে যাওয়ার পর বাইশ গজে আগমন শেখ রশিদের। ভারতের রান তখন ১৬। হার্নুর সিংও খুব একটা সপ্রতিভ ছিলেন না। জ্যাক নিসবেটের বলে মাত্র ১৬ রান করে সাজঘরের পথে পা বাড়ান হার্নুর।১২.৩ ওভারে ভারতের রান তখন ৩৭। এরপর মঞ্চে আবির্ভাব অধিনায়ক যশ ধুলের। বাকিটা ইতিহাস।WHAT. A. PERFORMANCE! 💪 👌India U19 beat Australia U19 by 9⃣6⃣ runs march into the #U19CWC 2022 Final. 👏 👏 #BoysInBlue #INDvAUSThis is India U19s 4th successive 8th overall appearance in the U19 World Cup finals. 🔝Scorecard ➡️ https://t.co/tpXk8p6Uw6 pic.twitter.com/tapbrYrIMg BCCI (@BCCI) February 2, 2022ক্রিজে নেমে শুরু থেকে সতর্ক ছিলেন রশিদ ও যশ। সময় যত গড়িয়েছে ততই চওড়া হয়েছে ভারতের এই দুই ব্যাটারের ব্যাট। শুরুর দিকে ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠা হুইটনি ও নিসবেট, স্যালজম্যানদের ক্লাব স্তরে নামিয়ে নিয়ে আসেন রশিদ ও যশ ধুল। স্পিনের বিরুদ্ধে দারুণ স্বপ্রতিভ ছিলেন যশ। ব্যাকফুটে লেট কাটগুলো ছিল দেখার মতো। তৃতীয় উইকেটের জুটিতে ৩৩.২ ওভারে যশ ও রশিদ তোলেন ২০৪ রান। এতেই বড় রানের মঞ্চ তৈরি হয়ে যায় ভারতের। দুরন্ত সেঞ্চুরি করেন যশ ধুল। শেষপর্যন্ত ১১০ বলে ১১০ রান করে দুর্ভগ্যজনকভাবে রান আউট হয়ে ফিরে যান ভারতীয় দলের ক্যাপ্টেন। মাত্র ৬ রানের জন্য সেঞ্চুরি হাতছাড়া করেন রশিদ। ১০৮ বলে ৯৪ রান করে তিনি জ্যাক নিসবেটের বলে আউট হন। পরপর ২ বলে দুউইকেট হারালেও ভারতের বড় রানে পৌঁছতে অসুবিধা হয়নি। শেষপর্যন্ত ৫০ ওভারে ৫ উইকেটে ২৯০ রান তোলে ভারত।ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় অস্ট্রেলিয়া। দ্বিতীয় ওভারেই টিগু উইলিকে (১) তুলে নেন রবি কুমার। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন ক্যাম্পবেল কেলাওয়ে ও কোরে মিলার। কোলে (৩০) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন ভিকি অস্তোয়াল। তবে অস্ট্রেলিয়াকে বড় ধাক্কা দেন নিশান্ত সিন্ধু। অধিনায়ক কুপার কনোলিকে (৩) তুলে নিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে একেবারে ব্যাকফুটে পাঠিয়ে দেন। ভিকি ও নিশান্তের দাপটে ভেঙে পড়ে অস্ট্রেলিয়ার মিডল অর্ডার। ১২৫ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে হারিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। সেখান থেকে ৪১.৫ ওভারে ১৯৪ রানে শেষ। একমাত্র লড়াই করেন লাচলান সাউ (৫১)। ভিকি অস্তোয়াল ৪২ রানে ৩টি, নিশান্ত সিন্ধু ২৫ রানে ২টি এবং রবি কুমার ৩৭ রানে ২টি উইকেট নেন।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

চমক হেডের, বিপর্যয় কাটাল অস্ট্রেলিয়া

সিডনি টেস্টে দুই ইনিংসে সেঞ্চুরি করে চমক দিয়েছিলেন উসমান খোয়াজা। পুরস্কার স্বরূপ ব্যাটিং অর্ডারে তাঁকে তুলে নিয়ে এসেছিল টিম ম্যানেজমেন্ট। কিন্তু ডেভিড ওয়ার্নারের সঙ্গে দীর্ঘদিন পর ওপেন করতে নেমে ব্যর্থ উসমান খোয়াজা। তা সত্ত্বেও অ্যাশেজের পঞ্চম টেস্ট জমিয়ে দিলেন ট্রেভিস হেড। তাঁর দুরন্ত সেঞ্চুরির সুবাদে বৃষ্টিবিঘ্নিত প্রথম দিনে মান বাঁচাল অস্ট্রেলিয়া। দিনের শেষে অসিরা তুলেছে ৬ উইকেটে ২৪১।আরও পড়ুনঃ ইতিহাস তৈরি করতে ব্যর্থ কোহলিরা, ভারত নেমে গেল পাঁচেইতিমধ্যেই ব্রিসবেন, অ্যাডিলেড ও মেলবোর্ন টেস্ট জিতে অ্যাশেজ দখল করেছে অস্ট্রেলিয়া। সিডনি টেস্ট ড্র হওয়ায় ইংল্যান্ডের হোয়াইট ওয়াশের সম্ভাবনা শেষ। হোবার্টে জিতে সিরিজ ৪০ করতে মরিয়া অস্ট্রেলিয়া। শুক্রবার টসে জিতে অস্ট্রেলিয়াকে ব্যাট করতে পাঠায় ইংল্যান্ড। অস্ট্রেলিয়ার দুই ওপেনার রান পাননি। ডেভিড ওয়ার্নার ০ ও উসমান খোয়াজা ৬ রানে আউট হন। স্টিভ স্মিথও ফেরেন ০ রানেই। ৯.৫ ওভারে ১২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চরম বিপর্যয়ে পড়ে অস্ট্রেলিয়া। মার্নাস লাবুশানে ও ট্রেভিস হেড চতুর্থ উইকেটে ৭১ রান যোগ করেন। ৫৩ বলে ৪৪ রান করে স্টুয়ার্ট ব্রডের বলে আউট হন লাবুশানে।আরও পড়ুনঃ নাইট রাইডার্সে ভারতীয় দলের প্রাক্তন বোলিং কোচএরপর অস্ট্রেলিয়াকে টেনে নিয়ে যান ট্রেভিস হেড ও ক্যামেরন গ্রিন। জুটিতে ওঠে ১২১। হেড ১০১ রান করে আউট হন। ক্যামেরন গ্রিন করেন ৭৪। চা বিরতির কিছুক্ষণ পর বৃষ্টি নামে। তারপর আর খেলা শুরু হয়নি। অ্যালেক্স ক্যারি ১০ ও মিচেল স্টার্ক ০ রানে অপরাজিত রয়েছেন।

জানুয়ারি ১৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

Ashes Series :অভিষেক টেস্টেই বিধ্বংসী বোল্যান্ডের ৭ রানে ৬ উইকেট, লজ্জার হার ইংল্যান্ডের

এক সময় অ্যাশেজ সিরিজে মানেই টানটান উত্তেজনা। দুশেই দেশের ক্রিকেটাররা মুখিয়ে থাকতেন অ্যাশেজ সিরিজ খেলার জন্য। সমর্থকরাও অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে থাকতেন। অ্যাশেজের সেই আগের মতো কৌলিন্য আর নেই। আর কৌলিন্য হারানোর মূলে ইংল্যান্ড। এত জঘন্য ইংল্যান্ড দল আগে কখনও অ্যাশেজে খেলেছে কিনা বলা কঠিন। নূন্যতম প্রতিরোধ গড়ে তোলার মতো দক্ষ ব্যাটার নেই! ফল যা হওয়ার তাইই হল। টানা ৩ টেস্ট জিতে অ্যাশেজ সিরিজ পকেটে ভরে ফেলল অস্ট্রেলিয়া। তৃতীয় টেস্ট শেষ হতে সময় লাগল মাত্র ২দিন ও ১ ঘন্টা। তৃতীয় টেস্টে অস্ট্রেলিয়া জিতল এক ইনিংস ও ১৪ রানে। দ্বিতীয় ইনিংসে ইংল্যান্ড গুটিয়ে গেল মাত্র ৬৮ রানে। ইংল্যান্ডক ভাঙলেন স্কট বোল্যান্ড। অভিষেক টেস্টেই চমক দেখালেন অস্ট্রেলিয়ার এই উঠতি জোরে বোলার। ৬ উইকেট দখল করে অভিষেক টেস্টে ম্যাচের সেরার পুরস্কার ছিনিয়ে নিয়ে ইতিহাস গড়লেন বোল্যান্ড। মেলবোর্নে এই টেস্টে টস জিতে ইংল্যান্ডকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক প্যাট কামিন্স। তাঁর ও মিচেল স্টার্কের দাপটে প্রথম ইনিংসে ১৮৫ রানে গুটিয়ে যায় ইংল্যান্ডের ইনিংস। কামিন্স ও স্টার্ককে যোগ্য সহায়তা করেছিলেন নাথান লায়ন। ইংল্যান্ডের ১৮৫ রানের জবাবে অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংসে তোলে ২৬৭। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন মার্কাস হ্যারিস। তিনি করেন ৭৬। ইংল্যান্ডের জেমস অ্যান্ডারসন ৩৩ রানে ৪ উইকেট নিয়েছিলেন।ইনিংস পরাজয় এড়াতে ইংল্যান্ডের দরকার ছিল ৮৩। দ্বিতীয় দিনের শেষে ইংল্যান্ডের রান চল ১২ ওভারে ৪ উইকেটে ৩১। তৃতীয় দিন সকালে ১ ঘন্টার মধ্যে ইংল্যান্ড বাকি ৬ উইকেট হারায় মাত্র ১৫.৪ ওভারে। দ্বিতীয় ইনিংসে স্কট বোল্যান্ডের বোলিংয়ের সামনে দাঁড়াতেই পারেননি ইংল্যান্ডের ব্যাটাররা। ২৭.৪ ওভারে মাত্র ৬৮ রানে গুটিয়ে যায়। ৪ ওভার হাত ঘুরিয়ে ১ মেডেন নিয়ে ৭ রানে ৬ উইকেট তুলে নেন বোল্যান্ড। নিজের ২১ বলে ৬ উইকেট পান। প্রথম ইনিংসে ১ উইকেট পেয়েছিলেন বোল্যান্ড। ম্যাচে ৭ উইকেট। ইংল্যান্ড অধিনায়ক জো রুট ও বেন স্টোকস ছাড়া কারও রান দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছায়নি। রুট ২৮ ও স্টোকস ১১ রান করেন। মাত্র ২২ রানের মধ্যে শেষ ৬ উইকেট হারায় ইংল্যান্ড। শেষ ৬ উইকেট পড়ে মাত্র ৮ রানের ব্যবধানে। অ্যাশেজে ১৯৩৬ সালের পর এটাই ইংল্যান্ডের সর্বনিম্ন স্কোর।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Ashes Series : ‌ফিরেই দুরন্ত কামিন্স, ১৮৫ রানে গুটিয়ে গেল ইংল্যান্ড

চোটের জন্য আগের টেস্টে খেলেননি। বক্সিং ডে টেস্টে ফিরে এসে ঝলসে উঠলেন প্যাট কামিন্স। দিনের শুরুতে তাঁর দুরন্ত বোলিংয়ের সামনে দিশা খুঁজে পাননি ইংল্যান্ডের ব্যাটাররা। অ্যাশেজের তৃতীয় টেস্টেও সেই অস্ট্রেলিয়ার দাপট। প্রথম দিনে চা পানের বিরতির পর ১ ঘন্টার মধ্যেই মাত্র ১৮৫ রানে গুটিয়ে গেল ইংল্যান্ডের ইনিংস। জবাবে দিনের শেষে অস্ট্রেলিয়া তুলেছে ১ উইকেটে ৬১।বৃষ্টির জন্য এদিন খেলা কিছুটা দেরিতে শুরু হয়। টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক প্যাট কামিন্স। বৃষ্টি হওয়ায় মেলবোর্নে এদিন সকালের পরিবেশ ছিল যথেষ্ট স্যাঁতসেঁতে। এই স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ার সুযোগ দারুণভাবে কাজে লাগান অস্ট্রেলিয়ার জোরে বোলাররা। বিশেষ করে প্যাট কামিন্সের কথা বলতেই হবে। চোট সারিয়ে ফিরেই ভয়ঙ্কর হয়ে উঠলেন। দ্বিতীয় ওভারেই তুলে নেন ওপেনার হাসিব হামিদকে (০)। ইংল্যান্ডের ভান্ডারে তখন মাত্র ৪ রান। অষ্টম ওভারে জ্যাক ক্রাউলে (১২) সেই কামিন্সের শিকার।দ্রুত ২ উইকেট হারিয়ে যথেষ্ট চাপে পড়ে যায় ইংল্যান্ড। দারুণ সতর্কতার সঙ্গে ব্যাট করছিলেন দাওইদ মালান ও অধিনায়ক জো রুট। ২৭ তম ওভারে জুটি ভাঙেন সেই প্যাট কামিন্স। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির সময় ইংল্যান্ডের রান ছিল ৩ উইকেটে ৬১। অধিনায়ক জো রুটের ব্যাটে বাঁচার স্বপ্ন দেখছিল ইংল্যান্ড। কিন্তু সিরিজের তৃতীয় অর্ধ শতরান করেও দলকে স্বপ্ন দেখাতে ব্যর্থ রুট। ৮২ বলে ৫০ রান করে মিচেল স্টার্কের বলে তিনি উইকেটকিপার অ্যালেক্স ক্যারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। রুট আউট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইংল্যান্ডের বড় ইনিংসের স্বপ্নও শেষ হয়ে যায়। বেন স্টোকস (২৫), জনি বেয়ারস্টো (৩৫), অলি রবিনসনরা (২২) কিছুটা লড়াই করলেও তা যথেষ্ট ছিল না। ৬৫.১ ওভারে ১৮৫ রানে গুটিয়ে যায় ইংল্যান্ডের ইনিংস। কামিন্স ৩৬ রানে ৩টি, স্টার্ক ৫৪ রানে ২টি উইকেট নেন। ইংল্যান্ডের লোয়ার অর্ডারে ধস নামান নাথান লায়ন। ৩৬ রানে তিনি নেন ৩ উইকেট।শুরু থেকেই দাপটের সঙ্গে ব্যাট করছিলেন অস্ট্রেলিয়ার দুই ওপেনার মার্কাস হ্যারিস ও ডেভিড ওয়ার্নার। দিনের শেষবেলায় পনেরতম ওভারে ধাক্কা খায় অস্ট্রেলিয়া। ৩৮ রান করে অ্যান্ডারসনের বলে ফিরে যান ওয়ার্নার। দিনের শেষে অস্ট্রেলিয়া তোলে ৬১/১। ক্রিজে রয়েছেন হ্যারিস (২০) ও নৈশপ্রহরী নাথান লায়ন (০)।

ডিসেম্বর ২৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Ashes Series : অ্যাশেজে আবার হার!‌ কেন দুরবীন দিয়ে খুঁজতে হচ্ছে ইংল্যান্ডকে?‌

অ্যান্ড্রু স্ট্রস, অ্যালিস্টার কুক, কেভিন পিটারসেন, অ্যান্ড্রু ফ্লিনটফদের বিকল্প এখনও খুঁজে পেল না ইংল্যান্ড। ফলে একসময়ে টেস্ট ক্রিকেটে দাপট দেখানো ইংল্যান্ডকে খুঁজতে হয় দুরবীন দিয়ে। অ্যাশেজ সিরিজের কথা ছেড়েই দিন, ভারত, পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ডের মতো দলের কাছেও টেস্টে নাকানিচোবানি খেতে হয় ইংরেজদের। অ্যাশেজে তো আরও করুণ অবস্থা। প্রথম টেস্টে হারের পর দ্বিতীয় টেস্টেও লড়াই করতে পারল না ইংল্যান্ড। দ্বিতীয় টেস্ট ২৭৫ রানে জিতে অ্যাশেজ সিরিজে ২০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল অস্ট্রেলিয়া। তাও আবার দলের সেরা বোলার প্যাট কামিন্সকে ছাড়াই।চোটের জন্য প্যাট কামিন্স না খেলায় দ্বিতীয় টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে নেতৃত্ব দিতে নেমেছিলেন স্টিভ স্মিথ। দীর্ঘদিন পর দেশকে নেতৃত্ব দিতে নেমে দলকে জয় এনে দিলেন। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে ৯ উইকেটে ৪৭৩ রান তুলে ইনিংস সমাপ্তি ঘোষণা করেছিল অস্ট্রেলিয়া। সেঞ্চুরি করেন লাবুশেন (১০৩)। ওয়ার্নার করেন ৯৫, স্টিভ স্মিথ ৯৩। অ্যালেক্স ক্যারে (৫১), মিচেল স্টার্ক (৩৯), মিচেল নেসেররাও (৩৫) রান পেয়েছিলেন। জবাবে ২৩৬ রানে গুটিয়ে যায় ইংল্যান্ড। সর্বোচ্চ রান করেন দাওইদ মালান (৮০)। জো রুট করেন ৬২। ২৪৩ রানে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে অস্ট্রেলিয়া ২৩০/৯ রান তুলে ইনিংস ছেড়ে দেয়। জয়ের জন্য ইংল্যান্ডের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ৪৭৩।ইংল্যান্ডে যা ব্যাটিং শক্তি, তাতে এই রান তোলা যথেষ্ট কঠিন ছিল। বড় রানের লক্ষ্য দেখে চাপে পড়ে যান জো রুটরা। চতুর্থ দিনের শেষে ইংল্যান্ডের রান ছিল ৮২/৪। দিনের শেষ বলে আউট হয়েছিলেন জো রুট। তিনি আউট হতেই দেওয়াল লিখন পরিস্কার হয়ে যায় ইংল্যান্ডের। পঞ্চম দিন বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংস। ১৯২ রানে গুটিয়ে যায়। সর্বোচ্চ রান করেন ক্রিস ওকস (৪৪)। ররি বার্নস করেন ৩৪। ২০৭ বল খেলে ২৬ রান করেন জস বাটলার। ঝাই রিচার্ডসন ৪২ রানে ৫ উইকেট নেন। ম্যাচের সেরা হয়েছেন মার্নাস লাবুশেন।

ডিসেম্বর ২০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Ashes Test : খেলা চলাকালীন মাঠের পাশেই বজ্রাঘাত!‌ বন্ধ হয়ে গেল অস্ট্রেলিয়া–ইংল্যান্ড ম্যাচ

অ্যাশেজ সিরিজে অস্ট্রেলিয়ার দাপট অব্যাহত। প্রথম টেস্টে দারুণ জয় তুলে নিয়েছিলেন প্যাট কামিন্সরা। দ্বিতীয় টেস্টের দ্বিতীয় দিনেই চালকের আসনে অস্ট্রেলিয়া। তবে সবকিছুকে ছাপিয়ে খবরের শিরোনামে মার্নাস লাবুশেন। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে অ্যাশেজে প্রথম সেঞ্চুরি করলেন। তার থেকেও বড় কথা গোলাপি বলের টেস্টে তৃতীয় শতরান তাঁর। আর কোনও ব্যাটসম্যানের এই কৃতিত্ব নেই।টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম দিন ভাল শুরু করেছিল অস্ট্রেলিয়া। দিনের শেষে ২২১/২ তুলেছিল। তিনবার জীবন পেয়ে লাবুশেন ৯৫ রানে অপরাজিত ছিলেন। এদিন জেমস অ্যান্ডারসনের বলে বাউন্ডারি হাকিয়ে টেস্ট জীবনের ষষ্ঠ সেঞ্চুরিতে পৌঁছন লাবুশেন। তবে সেঞ্চুরি করার পর বেশিক্ষণ ক্রিজে থাকতে পারেননি অস্ট্রেলিয়ার এই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান। ৩০৫ বল খেলে ১০৩ রান করে তিনি অলি রবিনসনের বলে আউট হন। ২৪১ রানের মাথায় তৃতীয় উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া।লাবুশেন আউট হওয়ার পর স্টিভ স্মিথের সঙ্গে জুটি বাঁধেন ট্রেভিস হেড। যদিও তিনি বেশিক্ষণ ক্রিজে স্থায়ী হননি। ১৮ রান করে জো রুটের বলে বোল্ড হন। ক্যামেরন গ্রিনও (২) ব্যর্থ। এরপর অ্যালেক্স ক্যারে ও স্মিথ অস্ট্রেলিয়াকে টানেন। ৯৩ রান করে অ্যান্ডারসনের বলে আউট হন স্মিথ। তিনি আউট হওয়ার পরপরি ফেরেন অ্যালেক্স ক্যারে (৫১)। মাইকেল নেসের ২৪ বলে ৩৫ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন। ৯ উইকেটে ৪৭৩ তুলে ইনিংস সমাপ্তি ঘোষণা করে অস্ট্রেলিয়া। মিচেল স্টার্ক ৩৯ বলে ৩৯ রান করে অপরাজিত থাকেন। ইংল্যান্ডের হয়ে স্টোকস ৩টি, অ্যান্ডারসন ২টি, ব্রড, ওকস, রবিনসন, রুট ১টি করে উইকেট পান।ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে ইংল্যান্ড। তৃতীয় ওভারেই আউট হন ররি বার্নস (৩)। মিচেল স্টার্ক তাঁকে তুলে নেন। ইংল্যান্ডের রান তখন ৭। ৩ ওভার পরেই অভিষেককারী নেসের বলে আউট হন হাসিব হামিদ (৬)। ৮.৪ ওভারে ইংল্যান্ড ১৭/২ রান তোলার পরেই মাঠের পাশে বাজ পড়ে। স্টাম্প ক্যামেরায় সেই বাজ পড়ার ছবি ধরা পড়ে। আম্পায়াররা আর ঝুঁকি নিতে চাননি। তৎক্ষণাৎ খেলা বন্ধ করে দেন।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Ashes Series : ‌দুরন্ত সেঞ্চুরি হেডের, অ্যাসেজের প্রথম টেস্টেই চালকের আসনে অস্ট্রেলিয়া

বিশ্ব ক্রিকেটে হারানো সম্মান ফিরে পেতে অস্ট্রেলিয়া যে কতটা মরিয়া প্রমাণ করেই চলেছে। এবছর টি২০ বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন। টেস্টেও বিশ্বের এক নম্বর দলের তকমা ফিরে পেতে বদ্ধপরিকর। সেই লক্ষ্যে প্রথম সিরিজ হিসেবে বেছে নিয়েছে অ্যাশেজ। ব্রিসবেনে গাব্বায় ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে শুরু হয়েছে অ্যাশেজ সিরিজের প্রথম টেস্ট। প্রথম টেস্টেই চালকের আসনে অস্ট্রেলিয়া। ব্রিসবেন টেস্টে অস্ট্রেলিয়া যে আধিপত্য দেখাবে, প্রথম দিনেই ইঙ্গিতটা ছিল। বৃষ্টিবিঘ্নিত প্রথম দিনে প্যাট কামিন্সের দাপটে মাত্র ১৪৭ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল ইংল্যান্ডের ইনিংস। ৩৮ রানে ৫ উইকেট তুলে নিয়েছিলেন অসি অধিনায়ক। মিচেল স্টার্ক ও জস হ্যাজেলউড ২টি করে উইকেট নিয়েছিলেন। ইংল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেছিলেন জস বাটলার। তিনি করেন ৩৯। অলি পোপ করেন ৩৫। হাসিব হামিদ করেন ২৫। ক্রিস ওকস ২১। ইংল্যান্ডের আর কোনও ব্যাটসম্যান দুঅঙ্কের রানে পৌঁছতে পারেননি।ব্যাট করতে নেমে অস্ট্রেলিয়াও শুরুতে ধাক্কা খায়। ষষ্ঠ ওভারের দ্বিতীয় বলে মার্কাস হ্যারিসকে (৩) তুলে নেন অলি রবিনসন। অস্ট্রেলিয়ার রান তখন ১০। প্রাথমিক ধাক্কা সামলে অস্ট্রেলিয়াকে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করিয়ে দেন ডেভিড ওয়ার্নার ও মার্নাস লাবুশেন। জুটিতে ওঠে ১৫৬। লাবুশেনকে তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন জ্যাক লিচ। ১১৭ বলে ৭৪ রান করে লিচের বলে মার্ক উডের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন লাবুশেন। ৪ ওভার পরে স্টিভ স্মিথকে তুলে নেন মার্ক উড। ১২ রান করে জস বাটলারের হাতে ধরা পড়েন স্মিথ। এরপর ডেভিড ওয়ার্নার ও ক্যামেরন গ্রিনকে পরপর দুবলে তুলে নিয়ে অস্টেলিয়াকে চাপে ফেলে দেন রবিনসন। ১৭৬ বলে ৯৪ রান করে আউট হন ওয়ার্নার। অ্যালেক্স ক্যারেও (১২) বড় রান পাননি। একের পর এক উইকেট পড়তে থাকলেও অন্যপ্রান্তে মারমুখী মেজাজে ব্যাট করতে থাকেন ট্রেভিস হেড। মাত্র ৮৫ বলে টেস্ট জীবনের তৃতীয় শতরান পূর্ণ করেন। অধিনায়ক প্যাট কামিন্সের সঙ্গে সপ্তম উইকেটের জুটিতে মূল্যবান ৭০ তোলেন ট্রেভিস হেড। ২৭ বলে ১২ রান করে জো রুটের বলে হাসিব হামিদের হাতে ধরা পড়েন কামিন্স। অস্ট্রেলিয়ার রান তখন ৩০৬। দিনের শেষে অস্ট্রেলিয়া ৭ উইকেটে তুলেছে ৩৪৩। ট্রেভিস হেল ১১২ রানে এবং মিচেল স্টার্ক ১০ রানে ক্রিজে রয়েছেন।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : প্রতিশোধের স্বপ্ন চূরমার, নিউজিল্যান্ডকে ৮ উইকেটে হারিয়ে প্রথম টি২০ বিশ্বজয় অস্ট্রেলিয়ার

২০১৫ সালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ফাইনালে হেরে একদিনের বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন অধরা থেকে গিয়েছিল নিউজিল্যান্ডের। এবছর টি২০ বিশ্বকাপে প্রতিশোধ নেওয়ার সুবর্ণ সুযোগ ছিল। প্রতিশোধ নিতে ব্যর্থ কিউয়িরা। ৭ বল বাকি থাকতে নিউজিল্যান্ডকে ৮ উড়িয়ে প্রথমবারের মতো টি২০ বিশ্বকাপ ঘরে তুলল অস্ট্রেলিয়া। ম্যাচের নায়ক মিচেল মার্শ। ৫০ বলে ৭৭ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি।সেমিফাইনালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ। ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টস জিতেও সেই একই সিদ্ধান্ত। সতর্কভাবে শুরু করেছিলেন নিউজিল্যান্ডের দুই ওপেনার ড্যারিল মিচেল ও মার্টিন গাপটিল। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। চতুর্থ ওভারের পঞ্চম বলে জস হ্যাজেলউড তুলে নেন ড্যারিল মিচেলকে। ৮ বলে ১১ রান করে তিনি ম্যাথু ওয়েডের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান। শুরুতে উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় নিউজিল্যান্ড। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান মার্টিন গাপটিল ও অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন।১০ ওভারে কিউয়িরা তোলে ৫৭/১। একাদশতম ওভারে মিচেল স্টার্কের বলে ১৯ রান তোলে নিউজিল্যান্ড। পরের ওভারের প্রথম বলে অ্যাডাম জাম্পাকে ছয় মারতে গিয়ে মার্কাস স্টয়নিসের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন গাপটিল। ৩৫ বলে তিনি করেন ২৮। এরপর গ্লেন ফিলিপকে সঙ্গে নিয়ে দলকে টেনে নিয়ে যান উইলিয়ামসন। জুটিতে ওঠে ৬৮। গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে পরপর দুটি ৬ মেরে ৩৩ বলে অর্ধশতরান পূর্ণ করেন উইলিয়ামসন। ১৭ তম ওভারের দ্বিতীয় বলে গ্লেন ফিলিপকে তুলে নেন জস হ্যাজেলউড। ১৭ বলে ১৮ রান করেন তিনি। একই ওভারের পঞ্চম বলে আউট হন কেন উইলিয়ামসন। ৪৮ বলে ৮৫ রান করেন তিনি। উইলিয়ামসনের ইনিংসে রয়েছে ১০টি ৪ ও ৩টি ৬। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৭২ তোলে নিউজিল্যান্ড। ৭ বলে ১৩ রান করে অপরাজিত থাকেন জিমি নিশাম। দুর্দান্ত বল করেন জস হ্যাজেলউড। ৪ ওভারে মাত্র ১৬ রানে ৩ উইকেট তুলে নেন তিনি।ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় অস্ট্রেলিয়া। তৃতীয় ওভারের তৃতীয় বলে আউট হন অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ। ট্রেন্ট বোল্টের বলে ড্যারিল মিচেলের হাতে ক্যাচ দেন তিনি। ৭ বলে ৫ রান করেন ফিঞ্চ। এরপর জ্বলে ওঠেন ডেভিড ওয়ার্নার। সেমিফাইনালের মতো ফাইনালেও তিনি ধারাবাহিকতা বজায় রেখে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান। ৩৮ বলে ৫৩ রান করে বোল্টের বলে বোল্ড হন ওয়ার্নার। তিনি মারেন চারটি ৪ ও ৩টি ৬। ওয়ার্নার ফিরে গেলেও চাপে পড়েনি অস্ট্রেলিয়া। কিউয়ি বোলারদের ওপর নিরঙ্কুশ প্রভাব বিস্তার করেন মিচেল মার্শ। তাঁর দাপটে ইশ সোধি, টিম সাউদিরা দিশা খুঁজে পাননি। তাঁকে যোগ্য সহায়তা করেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। ১৮.৫ ওভারে ১৭৩/২ রান তুলে প্রথম বারের মতো টি২০ বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হয় অস্ট্রেলিয়া। ৫০ বলে ৭৭ রান করে অপরাজিত থাকেন মিচেল মার্শ। তিনি মারেন ৬টি ৪ ও ৪টি ৬। ১৮ বলে ২৮ রান করে অপরাজিত থাকেন ম্যাক্সওয়েল। ট্রেন্ট বোল্ট ১৮ রানে ২ উইকেট নেন।

নভেম্বর ১৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : ফাইনালে কারা এগিয়ে?‌ কনওয়ের না থাকা বড় ধাক্কা নিউজিল্যান্ডের

টি২০ বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড। ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে নিউজিল্যান্ড। অন্যদিকে পাকিস্তানকে হারিয়ে ফাইনালে উঠে এসেছে অস্ট্রেলিয়া। দুটি সেরা দল যে ফাইনালে মুখোমুখি হতে চলেছে, সে ব্যাপারে কোনও সন্দেহ নেই।এখন প্রশ্ন হল ফাইনালে এগিয়ে কোন দল? সত্যি কথা বলতে কী এই ধরণের ম্যাচে বিশেষ কোনও দলকে এগিয়ে রাখা বোকামি। একেই খেলাটার নাম ক্রিকেট। তার ওপর টি২০ ফর্ম্যাট। এই ফর্ম্যাটে ভবিষ্যতবানী করা খুবই কঠিন। টি২০ ক্রিকেটে টস জেতাটা অনেক সময় বড় ফ্যাক্টর হয়ে যায়। যেটা চলতি বিশ্বকাপের প্রায় সব ম্যাচেই দেখা গেছে। সুতরাং আমার মনে হয় না ফাইনালেও এর ব্যতিক্রম হতে পারে।ফাইনালে মুখোমুখি দুটি দল এর আগে কখনও টি২০ বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হয়নি। ফলে অস্ট্রেলিয়া যেমন চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য মুখিয়ে, তেমনই নিউজিল্যান্ডও মুখিয়ে থাকবে। ২০১০ সালের টি২০ বিশ্বকাপের ফাইনালে ইংল্যান্ডের কাছে হেরেছিল অস্ট্রেলিয়া। সেই পরাজয়ের পর আবার টি২০ বিশ্বকাপ ফাইনালে অসিরা। অন্যদিকে নিউজিল্যান্ড এই প্রথমবার। ফলে এবারের বিশ্বকাপ উপহার দেবে নতুন চ্যাম্পিয়নকে। নিউজিল্যান্ড ২০১৯ সালে একদিনের বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের ফাইনালে হেরেছিল। এইবছর আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ভারতকে হারিয়েছে। আইসিসি ইভেন্টে টানা তিনটি ফাইনাল খেলতে চলেছে। ফলে মানসিকভাবে ড়িউজিল্যান্ড কিন্তু এগিয়ে থেকে মাঠে নামবে।আইসিসির প্রতিযোগিতায় অস্ট্রেলিয়া কিন্তু বড় শক্তি। ধারাবাহিকতার দিক দিয়ে ওরা অনেক এগিয়ে। এই বিশ্বকাপের প্রথম থেকে ভাল ক্রিকেট উপহার দিয়েছে। সবথেকে বড় কথা দলে একাধিক ম্যাচ জেতানোর ক্রিকেটার রয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার ওপেনিং জুটি দারুণ ভয়ঙ্কর। ছন্দে থাকলে ডেভিড ওয়ার্নার ও অ্যারন ফিঞ্চ জুটি যে কোনও দলের বোলিং শক্তিকে গুঁড়িয়ে দিতে পারে। আইপিএলের ব্যর্থতা কাটিয়ে ওয়ার্নার ছন্দ ফিরে পেয়েছেন। মিডল অর্ডারে রয়েছে স্টিভ স্মিথের মতো ব্যাটসম্যান। বড় ম্যাচের ঘোড়া। ম্যাক্সওয়েলও যে কোনও মুহূর্তে ম্যাচের রং বদলে দিতে পারেন। ম্যাথু ওয়েড সেমিফাইনালে দেখিয়ে দিয়েছেন কতটা ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারেন। বোলিং শক্তিও অসাধারণ। প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক, জস হ্যাজেলউডের মতো জোরে বোলার রয়েছে। অ্যাডাম জাম্পার মতো স্পিনার যে কোনও দলকে বেগ দিতে পারেন।নিউজিল্যান্ডে সেই অর্থে কোনও তারকা নেই। ওদের আসল শক্তি দলগত খেলা। নিউজিল্যান্ড বরাবরই দল হিসেবে খেলে। এই বিশ্বকাপেও সেই একই ধারা অব্যাহত। মার্টিন গাপটিল, ড্যারিল মিচেল ছন্দে থাকলে যে কোনও বোলারের মাথাব্যথা হয়ে উঠতে পারে। কেন উইলিয়ামসন নিঃশব্দে বিপক্ষে খুন করতে পারেন। তবে ফাইনালে ডেভন কনওয়ের খেলতে না পারাটা বড় ধাক্কা। মিডল অর্ডারে বড় শূন্যতা তৈরি হবে। এমনিতেই লকি ফার্গুসন আগেই ছিটকে যাওয়ায় বোলিং কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়েছে। ডেভিড ওয়ার্নারদের থামানোর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ নিতে হবে ট্রেন্ট বোল্ট, টিম সাউদি, জিমি নিশামদের। দল হিসেবে খেললে নিউজিল্যান্ডকে আটকানো মুশকিল হবে। ভারতপাকিস্তান ম্যাচে যেমন চাপ থাকে, তেমনই অস্ট্রেলিয়ানিউজিল্যান্ড ম্যাচও স্নায়ুচাপের। এটাও অনেকটা ফ্যাক্টর করবে ফাইনালে।

নভেম্বর ১৩, ২০২১
রাজনীতি

Suvendu Adhikari: বিশ্বকাপে পাকিস্তানের হার নিয়ে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়লেন শুভেন্দু, কি বললেন তিনি?

টি ২০ বিশ্বকাপ ক্রিকেটে গ্রুপ লিগ থেকেই বিদায় নিয়েছে ভারত। প্রথম ম্যাচেই ভারতকে হারিয়েছে প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তান। এবার সেমিফাইনালে পাকিস্তানকে হারিয়ে দিল অষ্ট্রেলিয়া। পাকিস্তানকে পরাজিত করার জন্য অষ্ট্রেলিয়াকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সোশাল মিডিয়ায় উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েছেন গেরুয়া শিবিরের এই নেতা।সেমিফাইনাল ম্যাচে পাকিস্তানের পরাজয়ের পর সোশাল মিডিয়ায় রাজ্য বিজেপি নেতা শুভেন্দু লিখেছেন..দেশদ্রোহীদের জোর কা ঝটকা,পাকিস্তানের হারে ফাটছে পটকা।ভারত পাকিস্তান ম্যাচে ভারতের হারে যারা পটকা ফাটিয়েছিল, উল্লাস করেছিল, আজ সেইসব দেশদ্রোহীদের জন্য কালো দিন। অষ্ট্রেলিয়ার কাছে পাকিস্তানের হার আজ তাদের মুখে ঝামা ঘসে দিল ।অষ্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট টিম কে অভিনন্দন।তবে এখানেই থামেননি গেরুয়া শিবিরের এই নেতা। নন্দীগ্রামের বিধায়ক টুইটে লিখেছেন, পাকিস্তানকে হারানোর জন্য অষ্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট দলকে আন্তরিক অভিনন্দন। এই মুহূর্তটি উদযাপন করতে আমার নন্দীগ্রাম বিধানসভা এলাকার লোকেরা অন্য ভারতীয়দের সঙ্গে যোগ দিয়েছে। আতশবাজি থামবে না, দীপাবলি চলছে। আমাদের শত্রুকে পরাজিত করার জন্য আবার ধন্যবাদ।নন্দীগ্রাম বিধানসভায় প্রার্থী হওয়ার পর থেকেই সরাসরি বিভাজনের পথে হেঁটেছিলেন শুভেন্দু অধিকরী। একেবারেই ঢাক-গুড়গুড় করেননি। গত ১০ নভেম্বর নন্দীগ্রামে শহিদ দিবসের দিনও ফের তিনি বলেছেন, নন্দীগ্রামের ৬৫ হাজার বাদ দিয়ে বাকিদের একসঙ্গে থাকতে হবে। সেই আবেদন জানিয়েছিলেন শহিদ মঞ্চ থেকে। এবার পাকিস্থানের হার নিয়ে ব্যাপক উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তাঁর অবস্থান স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন।

নভেম্বর ১২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : থেমে গেল বিজয়রথ, অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় পাকিস্তানের

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ থেকেই অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগোচ্ছিল পাকিস্তান। সেমিফাইলানে এসে সব জারিজুরি শেষ। অসিদের কাছে থেমে গেল বিজয় রথ। পাকিস্তানকে ৫ উইকেটে হারিয়ে টি২০ বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছে গেল অস্ট্রেলিয়া। ১৪ নভেম্বর ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড। অস্ট্রেলিয়াকে ফাইনালে তোলার মূল কারিগড় মার্কাস স্টয়নিস ও ম্যাথু ওয়েড। টস জিতলে বিপক্ষকে ব্যাট করতে পাঠানোর ঐতিহ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে চলতি টি২০ বিশ্বকাপে। একদিকে যেমন টার্গেট দেখে ব্যাট করার সুবিধা পাওয়া যায়, তেমনই শিশিরের জন্য সমস্যায় পড়তে হয় না। অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ টস জিতে শিশিরের কথা মাথায় রেখে পাকিস্তানকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন। গ্রুপ লিগের মতোই সেমিফাইনালে ধারাবাহিতা দুই পাক ওপেনারের। দারুণ শুরু করেছিলেন মহম্মদ রিজওয়ান ও বাবর আজম। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৭১। দশম ওভারের শেষ বলে জুটি ভাঙেন অ্যাডাম জাম্পা। জাম্পাকে ৬ মারতে গিয়ে লং অনে ডেভিড ওয়ার্নারের হাতে ধরা পড়েন পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজম। ৩৪ বলে তিনি করেন ৩৯। বাবর আজম ফিরে যাওয়ার পর দলকে টেনে নিয়ে যান মহম্মদ রিজওয়ান ও ফখর জামান। শুরুর দিকে কিছুটা মন্থর ব্যাটিং করলেও পরের দিকে আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন দুই পাক ব্যাটসম্যান। ৫৭ বলে ৬৭ রান করে মিচেল স্টার্কের বলে স্টিভ স্মিথের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন মহম্মদ রিজওয়ান। তিনি মারেন ৩টি ৪ এবং ৪টি ৬। রিজওয়ান যখন আউট হন পাকিস্তান ১৭.২ ওভারে ১৪৩। পরের ওভারেই ১ বল খেলে কোনও রান না করে আউট হন আসিফ আলি। তাঁকে তুলে নেন প্যাট কামিন্স। শেষ দিকে ঝড় তুলেছিলেন ফখর জামান। শোয়েব মালিক (২ বলে ১) ব্যর্থ হলেও দলকে দারুণ জায়গায় পৌঁছে দেন ফখর। ৩২ বলে ৫৫ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। ফখর জামানের ইনিংসে রয়েছে ৩টি ৪ ও ৪টি ৬। ২০ ওভারে পাকিস্তান শেষ পর্যন্ত তোলে ৪ উইকেটে ১৭৬। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ভাল বল করেন অ্যাডাম জাম্পা। ৪ ওভারে মাত্র ২২ রান দেন তিনি। তুলে নেন ১ উইকেট। মিচেল স্টার্ক ৪ ওভারে ৩৮ রানে ২ উইকেট তুলে নেন। ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভাল হয়নি অস্ট্রেলিয়ার। প্রথম ওভারের তৃতীয় বলেই ফিরে যান অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ। মাত্র ১ বল খেলে তিনি কোনও রান না করেই শাহিন আফ্রিদির বলে এলবিডব্লু হন। এরপর ডেভিড ওয়ার্নার ও মিচেল মার্শের আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে চাপে পড়ে যান পাকিস্তান বোলাররা। জুটিতে ওঠে ৫১। শাদাব খানের বলে আফি আলির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন মার্শ (২২ বলে ২৮)। স্টিভ স্মিথ (৬ বলে ৫) ব্যর্থ। তিনিও শাদাব খানের শিকার। ডেভিড ওয়ার্নার (৩০ বলে ৪৯) জ্বলে ওঠার চেষ্টা করছিলেন। তঁকে তুলে নিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে বড় ধাক্কা দেন শাদাব। গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে (১০ বলে ৭) ফিরিয়ে অসিদের আরও চাপে ফেলে দেন তিনি। অস্ট্রেলিয়ার রান তখন ১২.২ ওভারে ৯৬/৫। এরপর অস্ট্রেলিয়াকে জয়ের লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে নিয়ে যান মার্কাস স্টয়নিস ও ম্যাথু ওয়েড। শাহিন আফ্রিদির ১৯ তম ওভারই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়। শেষ ১২ বলে অস্ট্রেলিয়ার জয়ের জন্য দরকার ছিল ২২ রান। শাহিন আফ্রিদির প্রথম বলে কোনও রান হয়নি। দ্বিতীয় বলে ১ রান লেগ বাই থেকে আসে। তৃতীয় বলে ম্যাথু ওয়েডের ক্যাচ ফেলে দেন হাসান আলি। পরের ৩ বলে তিনটি ছক্কা মেরে দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন ম্যাথু ওয়েড। ১৭ বলে ৪১ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। মার্কাস স্টয়নিস ৩১ বলে ৪০ রান করে অপরাজিত থাকেন। ১৯ ওভারে ১৭৭/৫ তুলে ফাইনালে পৌঁছে যায় অস্ট্রেলিয়া। পাকিস্তানের হয়ে শাদাব খান ২৬ রানে ৪টি, শাহিন আফ্রিদি ৩৫ রানে ১ উইকেট নেন।

নভেম্বর ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌T20 World Cup : ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৮ উইকেটে উড়িয়ে প্রোটিয়াদের চাপে ফেলল অস্ট্রেলিয়া

এক দলের কাছে নিয়মরক্ষার হলেও অন্য দলের কাছে ম্যাচের গুরুত্ব ছিল অপরিসীম। বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের লড়াই থেকে আগেই ছিটকে গেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। অন্যদিকে, শেষ চারে যাওয়ার জন্য অস্ট্রেলিয়াকে জিততেই হত। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৮ উইকেটে হারিয়ে সেমিফাইনালে যাওয়ার পথ অনেকটাই মসৃন করল। তবে শেষ চারে যাওয়ার জন্য অ্যারন ফিঞ্চদের তাকিয়ে থাকতে হবে ইংল্যান্ডদক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচের দিকে। ইংল্যান্ড জিতলে সেমিফাইনালে পৌঁছে যাবে অস্ট্রেলিয়া। দক্ষিণ আফ্রিকা জিতলে সেক্ষেত্রে নেট রান রেটের অঙ্ক সামনে এসে পড়তে। এই মুহূর্তে দক্ষিণ আফ্রিকার নেট রান রেট ০.৭৪২। ৪ ম্যাচে পয়েন্ট ৬। অন্যদিকে, অস্ট্রেলিয়ার ৫ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট, নেট রান রেট ১.২১৬। ইংল্যান্ডের ৪ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট, নেট রান রেট ৩.১৮৩। ইংল্যান্ডকে হারালেও দক্ষিণ আফ্রিকার শেষ চারে ওঠার সম্ভাবনা খুবই কম। সেক্ষেত্রে খুব বড় ব্যবধানে জিততে হবে। টস জিতে ফিল্ডিং নিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। শুরুতেই ঝড় তুলেছিলেন ক্রিস গেল ও এভিন লুইস। ২.১ ওভারে ওয়েস্ট ইন্ডিজ তুলে ফেলে ৩০। এরপরই কামিন্সের বলে বোল্ড হন গেল (৯ বলে ১৫)। পরের তৃতীয় ওভারে এক বলের ব্যবধানে জস হ্যাজেলউড তুলে নেন নিকোলাস পুরান (৪) ও রস্টন চেজকে (০)। এরপর রুখে দাঁড়ান লুইস ও শিমরন হেটমায়ের। দশম ওভারের মাথায় অ্যাডাম জাম্পা তুলে নেন লুইসকে (২৬ বলে ২৯)। ২৮ বলে ২৭ রান করে হ্যাজেলউডের বলে ফিরে যান হেটমায়ের। জীবনের শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচে রান পেলেন না ডোয়েন ব্র্যাভোও (১২ বলে ১০)। শেষ দিকে কায়রন পোলার্ড (৩১ বলে ৪৪) ও আন্দ্রে রাসেলের (৭ বলে অপরাজিত ১৮) সৌজন্যে ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৫৭ তোলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে জস হ্যাজেলউড ৩৯ রানে ৪ উইকেট নেন। মিচেল স্টার্ক ও প্যাট কামিন্স নেন ১ করে উইকেট। ২০ রানে ১ উইকেট নিয়ে চলতি বিশ্বকাপে ১১তম উইকেট পেলেন অ্যাডাম জাম্পা। ব্যাট করতে নেমে অস্ট্রেলিয়াও শুরু থেকে ঝড় তোলে। অসিদের লক্ষ্য ছিল কম ওভারের মধ্যে জয় তুলে নিয়ে নেট রান রেট বাড়িয়ে নেওয়া। ওপেনিং জুটিতে ৩.২ ওভারে তুলে ফেলে ৩৩। এরপর আকিল হোসেনের বলে বোল্ড হন অ্যারন ফিঞ্চ (১১ বলে ৯)। এরপর অস্ট্রেলিয়াকে টেনে নিয়ে যান ডেভিড ওয়ার্নার ও মিচেল মার্শ। জুটিতে ওঠে ১২৪। ৩২ বলে ৫৩ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে ক্রিস গেলের বলে মিচেল মার্শ আউট হন। অন্যদিকে, ৫৬ বলে ৮৯ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন ডেভিড ওয়ার্নার। ১৬.২ ওভারে ২ উইকেটে ১৬১ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয় অস্ট্রেলিয়া।

নভেম্বর ০৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 Word Cup : বাংলাদেশকে উড়িয়ে সেমিফাইনালের লড়াই জমিয়ে দিল অস্ট্রেলিয়া

টি২০ বিশ্বকাপে গ্রুপ ১এ জমে উঠেছে সেমিফাইনালের লড়াই। এই গ্রুপ থেকে প্রথম দল হিসেবে আগেই সেমিফাইনালে পৌঁছে গেছে ইংল্যান্ড। আর একটা জায়গার জন্য লড়াই অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশকে ৮ উইকেটে উড়িয়ে সেমিফাইনালের লড়াই জমিয়ে দিল অস্ট্রেলিয়া। অসিদের জয়ের নায়ক অ্যাডাম জাম্পা। হ্যাটট্রিক হাতছাড়া হলেও দুর্দান্ত বোলিং করে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের মেরুদণ্ড ভেঙে দেন এই অস্ট্রেলিয়ান লেগ স্পিনার। নেট রান রেটে দক্ষিণ আফ্রিকাকে পেছনে ফেলে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এল অস্ট্রেলিয়া।সেমিফাইনালের লড়াই থেকে আগেই ছিটকে গেছে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ছিল সম্মান রক্ষার লড়াই। সম্মান রক্ষার লড়াইয়ে চূড়ান্ত ব্যর্থ বাংলাদেশ। অ্যাডাম জাম্পার স্পিনের সামনে দাঁড়াতেই পারেননি বাংলাদেশের কোনও ব্যাটার। মাত্র ৩ জন বাংলাদেশের ব্যাটার তিন অঙ্কের রানে পৌঁছতে সমর্থ হন। সর্বোচ্চ রান করেন সামিম হোসেন।টস জিতে বাংলাদেশকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ। প্রথম ওভারেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। ম্যাচের তৃতীয় বলেই লিটন দাসকে (০) তুলে নেন মিচেল স্টার্ক। পরের ওভারেই সৌম্য সরকারকে (৫) বোল্ড করেন জস হ্যাজেলউড। তৃতীয় ওভারের পঞ্চম বলে মুশফিকুর রহিমকে (১) তুলে নেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। ৩ ওভারের মধ্যে ১০ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চরম বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। অধিনায়ক মাহমুদুল্লা ও মহম্মদ নইম কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। তবে তা যথেষ্ট ছিল না। নইমকে (১৭) তুলে নেন হ্যাজেলউড। এরপরই শুরু হয় অ্যাডাম জাম্পার ভেলকি। প্রথমে ফেরান আফিফ হোসেনকে (০)। দশম ওভারের পঞ্চম ও ষষ্ঠ বলে তুলে নেন শামিম হোসেন (১৮ বলে ১৯) ও মেহেদি হাসানকে (০)। যদিও তাঁর হ্যাটট্রিক হয়নি। পরে আউট করেন মুস্তাফিজুর রহমান (৪) ও সরিফুল ইসলামকে (০)। ১৫ ওভারে মাত্র ৭৩ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশের ইনিংস। অ্যাডাম জাম্পা ৪ ওভারে ১৯ রানে ৫ উইকেট তুলে নেন। স্টার্ক ও হ্যাজেলউড ২টি করে উইকেট নেন।৭৩ রানের লক্ষ্য অস্ট্রেলিয়ার কাছে একেবারেই কঠিন ছিল না। অসিদের লক্ষ্য ছিল কম ওভারে রান তুলে নেট রান রেট বাড়িয়ে নেওয়া। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ব্যাট করতে থাকেন দুই ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার (১৪ বলে ১৮) ও অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ (২০ বলে ৪০)। তাস্কিন আমেদের বলে অ্যারন ফিঞ্চ যখন ফিরে যান, অস্ট্রেলিয়ার রান তখন ৫ ওভারে ৫৮। পরের ওভারেই সরিফুল তুলে নেন ওয়ার্নারকে। তাস্কিন আমেদকে ৬ মেরে অস্ট্রেলিয়াকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন মিচেল মার্শ (৫ বলে ১৬)। ৬.২ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ৭৮ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয় অস্ট্রেলিয়া।

নভেম্বর ০৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : অস্ট্রেলিয়াকে ৮ উইকেটে উড়িয়ে সেমিফাইনালের পথে ইংল্যান্ড

বেন স্টোকস ভবিষ্যতবাণী করেছেন, টি২০ বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড ও পাকিস্তান। তাঁর ভবিষ্যতবাণী সঠিক হবে কিনা সময়ই বলবে। ইংল্যান্ড কিন্তু অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগোচ্ছে। অস্ট্রেলিয়াকে ৮ উইকেটে উড়িয়ে সেমিফাইনালের দিকে এগিয়ে গেল। দুরন্ত বোলিং করে ম্যাচের নায়ক ক্রিস জর্ডন।টস জিতে অস্ট্রেলিয়াকে ব্যাট করতে পাঠায় ইংল্যান্ড। শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে অস্ট্রেলিয়া। দ্বিতীয় ওভারেই ফিরে যান ডেভিড ওয়ার্নার। মাত্র ১ রান করে ক্রিস ওকসের বলে আউট হন তিনি। তিন নম্বরে নামা স্টিভ স্মিথও ব্যর্থ (১)। তিনি ক্রিস জর্ডানের শিকার। পরপর ফিরে যান গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (৬) ও মার্কাস স্টয়নিস (০)। এই দুজনকে আউট করেন ক্রিস ওকস ও আদিল রশিদ। ৬.১ ওভারে ২১ রানের মধ্যে চার উইকেট হারিয়ে চরম বিপর্যয়ে পরে অস্ট্রেলিয়া। ৪৯ বলে ৪৪ রানের লড়াকু ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে কিছুটা উদ্ধার করেন অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ।শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে অস্ট্রেলিয়া তোলে ১২৫ রান। ম্যাথু ওয়েড ১৮ বলে ১৮, অ্যাস্টন অ্যাগার ২০ বলে ২০ রান করেন। প্যাট কামিন্স ৩ বলে ১২ রান করে আউট হন। মিচেল স্টার্ক শেষ বলে আউট হন। তিনি ৬ বল খেলে ১৩ রান করেন। ইংল্যান্ডের ক্রিস জর্ডন ৪ ওভারে ১৭ রানে ৩ উইকেট দখল করেন। ক্রিস ওকস ৪ ওভারে ২৩ রানের বিনিময়ে ২টি উইকেট পান। টাইমাল মিলস ৪ ওভারে ৪৫ রান দিয়ে ২ উইকেট দখল করেন। আদিল রশিদ ৪ ওভারে ১৯ রান দিয়ে ১ উইকেট পান। লিয়াম লিভিংস্টোন ৪ ওভারে ১৫ রান দিয়ে ১ উইকেট নেন।ব্যাট করতে নেমে দারুন শুরু করেন ইংল্যান্ডের দুই ওপেনার জেসন রয় ও জস বাটলার। ওপেনিং জুটিতে ৬.১ ওভারে ওঠে ৬৬। এরপর ২০ বলে ২২ রান করে আডাম জাম্পার বলে আউট হন জেসন রয়। বিধ্বংসী মেজাজে ব্যাট করতে থাকেন জস বাটলার। দাওইদ মালান ৮ বলে ৮ রান করে আউট হন। দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন বাটলার ও জনি বেয়ারস্ট। ১১.৪ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ১২৬ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় ইংল্যান্ড। ৩২ বলে ৭১ রান করে অপরাজিত থাকেন বাটলার। তিনি ৫টি করে ৪ ও ৬ মারেন। বেয়ারস্ট ১১ বলে ১৬ রান করে অপরাজিত থাকেন।

অক্টোবর ৩০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T‌20 World Cup : অবশেষে রানে ফিরলেন ওয়ার্নার, স্বস্তি অস্ট্রেলিয়া শিবিরে

আইপিএলে চূড়ান্ত ব্যর্থ। নেতৃত্ব হারাতে হয়েছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদের। এমনকী সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বে প্রথম একাদশ থেকেও বাদ পড়তে হয়েছিল ডেভিড ওয়ার্নারকে। টি২০ বিশ্বকাপের প্রথম দুটি ম্যাচেও রান পাননি। তাঁকে প্রথম একাদশ থেকে সরিয়ে দেওয়ার দাবিও উঠেছিল। ভরসা হারায়নি টিম ম্যানেজমেন্ট। টিম ম্যানেজমেন্টের আস্থার মর্যাদা দিলেন ডেভিড ওয়ার্নার। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে সুপার ১২র গ্রুপ লিগের তৃতীয় ম্যাচেই রানে ফিরলেন। স্বস্তি অস্ট্রেলিয়া শিবিরে। তাঁর দুরন্ত ব্যাটিংয়ের ওপর ভর করে শ্রীলঙ্কাকে ৭ উইকেটে হারাল অস্ট্রেলিয়া। একই সঙ্গে সেমিফাইনালে ওঠার পথও প্রশস্ত করল।টস জিতে শ্রীলঙ্কাকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ। তৃতীয় ওভারে পাথুম নিসাঙ্কা (৭) ফিরে গেলেও দলকে এগিয়ে নিয়ে যান কুশল পেরেরা (২৫ বলে ৩৫) ও আসালাঙ্কা (২৭ বলে ৩৫)। পরপর দুওভারে এই দুই ব্যাটসম্যান ফিরে গেলে রান তোলার গতি কমে যায় শ্রীলঙ্কার। দারুণ বোলিং করেন অ্যাডাম জাম্পা। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভার ৬ উইকেটে ১৫৪ তোলে শ্রীলঙ্কা। ২৬ বলে ৩৩ রানে অপরাজিত থাকেন ভানুকা রাজাপক্ষ। অধিনায়ক দাসুন শনাকা ১২, পাথুম নিসঙ্কা ৭, ওয়ানিন্দু হাসারঙ্গা ও আবিষ্কা ফার্নান্দো ৪ রানে আউট হন। অ্যাডাম জাম্পা ৪ ওভারে ১২ রানে ২ উইকেট নেন। ৪ ওভারে ২৭ রান দিয়ে ২ উইকেট দখল করেন মিচেল স্টার্ক। প্যাট কামিন্স ২টি উইকেট পেয়েছেন ৩৪ রানের বিনিময়ে।জয়ের জন্য ১৫৫ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে ঝড়ের গতিতে রান তুলতে থাকেন দুই ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার ও অ্যারন ফিঞ্চ। ৬.৫ ওভারে দলের ৭০ রানের মাথায় ২৩ বলে ৩৭ রান করে আউট হন ফিঞ্চ। এদিন টি২০ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ২৫০০ রানের গণ্ডি পেরিয়ে গেলেন তিনি। তিন নম্বরে নামা গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (৫) সুবিধা করতে পারেননি। পরপর দুটি উইকেট পড়ে গেলেও মনসংযোগ হারাননি ডেভিড ওয়ার্নার। শেষ পর্যন্ত ৪২ বলে ৬৫ রান করে তিনি আউট হন। ওয়ার্নার যখন আউট হন, জয়ের জন্য অস্ট্রেলিয়ার দরকার ছিল ২৫। দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন স্টিভ স্মিথ (২৬ বলে অপরাজিত ২৮) ও মার্কাস স্টইনিস (৭ বলে অপরাজিত ১৬)। ১৭ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৫৫ তুলে ম্যাচ জিতে নেওয়ার পাশাপাশি নেট রান রেটও বাড়িয়ে রাখল অস্ট্রেলিয়া। ম্যাচের সেরা হয়েছেন অ্যাডাম জাম্পা।

অক্টোবর ২৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৫ উইকেটে হারিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু অস্ট্রেলিয়ার

টি২০ বিশ্বকাপে গ্রুপ ১কে গ্রুপ অফ ডেথ বললে অত্যুক্তি হবে না। একটু হোঁচট খেলেই বিপদ। প্রতিটা ম্যাচই যে উত্তেজক পর্যায়ে পৌঁছবে, সেকথা বলার অপেক্ষা রাখে না। যার প্রমাণ পাওয়া গেল প্রথম ম্যাচেই। স্কোর বোর্ডে কম রান তুলেও দুর্দান্ত লড়াই করে গেলেন দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটাররা। তবে শেষরক্ষ হল না। দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৫ উইকেটে হারিয়ে প্রথম ম্যাচে জয় তুলে নিল অস্ট্রেলিয়া। অস্ট্রেলিয়ার জয়ের নায়ক জস হ্যাজেলউড। তাঁর দাপটেই ব্যাটিং বিপর্যয় প্রোটিয়াদের। দুর্দান্ত বোলিং করে ম্যাচের সেরার পুরস্কারও ছিনিয়ে নিয়েছেন তিনি। আবুধাবি আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে টস জিতে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ। দ্বিতীয় ওভারেই অধিনায়ক বাভুমাকে (১২) তুলে নেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। এরপরই জ্বলে ওঠেন জস হ্যাজেলউড। ফেরান ভ্যান ডার ডুসেনকে (৭)। এক ওভার পরেই তুলে নেন কুইন্টন ডিকককে (২)। ৪.১ ওভারের মধ্যে ২৩ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা। চাপ আরও বেড়ে যায় অষ্টম ওভারের শেষ বলে ক্লাসেন আউট হওয়ায়। ১৩ বলে ১৩ রান করে প্যাট কামিন্সের বলে স্টিভ স্মিথের হাতে ক্যাচ দেন ক্লাসেন। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন মার্করাম ও ডেভিড মিলার। অ্যাডাম জাম্পার বলে মিলার (১৬) আউট হতেই ধস নামে দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংসে। একে একে আউট হন প্রিটোরিয়াস (১), মাহরাজ (০), মার্করাম (৩৬ বলে ৪০)। রাবাডা ১৯ রানে অপরাজিত থাকেন। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১১৮ রান তোলে দক্ষিণ আফ্রিকা। ৪ ওভারে ১৯ রানে ২ উইকেট নেন হ্যাজেলউড। জয়ের জন্য ১১৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দ্বিতীয় ওভারে নর্টিয়ের বলে শূন্য রানে আউট হন ফিঞ্চ। অন্য ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার ১৫ বলে ১৪ রান করে রাবাডার বলে ফিরে যান। অষ্টম ওভারের পঞ্চম বলে মিচেল মার্শকে ফেরান কেশব মহারাজ। ১১ রান করে মার্শ আউট হন। এরপর স্টিভ স্মিথ ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েল দলকে টেনে নিয়ে যান। দলের ৮০ রানের মাথায় নর্টিয়ের বলে আউট হন স্টিভ স্মিথ। ৩৪ বলে তিনি করেন ৩৫ রান। তাবরেজ শামসিকে সুইচ হিট করতে গিয়ে বোল্ড হন ম্যাক্সওয়েল (১৮)। ম্যাক্সওয়েল আউট হওয়ার পর চাপে পড়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। শেষ পর্যন্ত মাথা ঠাণ্ডা রেখে দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন মার্কাস স্টয়নিস (অপরাজিত ২৪) ও ম্যাথু ওয়েড (অপরাজিত ১৫)। ২ বল বাকি থাকতে ৫ উইকেটে ১২১ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় অস্ট্রেলিয়া।

অক্টোবর ২৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Smriti Mandhana: আশঙ্কা অমূলক প্রমাণ করে গোলাপি টেস্টে দারুন শুরু স্মৃতিদের

অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে গোলাপি বলে ঐতিহাসিক টেস্ট খেলতে নামার আগে কিছুটা হলেও চাপে ছিল ভারতীয় দল। অস্ট্রেলিয়ার গোলাপি বলে খেলার অভিজ্ঞতা থাকলেও মিতালি রাজদের একেবারেই ছিল না। ভালভাবে অনুশীলনের সুযোগও পাননি। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজ শেষ হওয়ার পর মাত্র একটা সেশন অনুশীলনে সুযোগ পেয়েছিলেন গোলাপি বলে মানিয়ে নেওয়ার জন্য। তাতেই কামাল স্মৃতি মান্ধানাদের। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে দিনরাতের টেস্টের প্রথম দিনে রীতিমতো দাপট দেখালেন স্মৃতি, শেফালিরা। ঐতিহাসিক দিনরাতের টেস্টে দারুণ শুরু ভারতীয় মহিলা দলের। বৃষ্টিবিঘ্নিত প্রথম দিনের শেষে ১৩২/১।জুন মাসে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভারতের বেশ কয়েকজনের টেস্ট অভিষেক হয়েছিল। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে এদিন টেস্ট অভিষেক হল মেঘনা সিং ও ইয়াস্তিকা ভাটিয়ার। একদিনের সিরিজে দারুণ নজর কেড়েছিলেন এই দুই ক্রিকেটার। তার পুরস্কার পেলেন। এদিন টস জিতে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠায় অস্ট্রেলিয়া। দারুণ শুরু করেন ভারতের দুই ওপেনার স্মৃতি মান্ধানা ও শেফালি ভার্মা। আশঙ্কা ছিল গোলাপি বলে অস্ট্রেলিয়ার জোরে বোলাররা শুরুতেই চেপে বসবে ভারতীয়দের ওপর। কিন্তু এলিসে পেরি ও ডার্সি ব্রাউন কোনও প্রভাব বিস্তার করতে পারেননি দুই ভারতীয় ওপেনারের উপর। ভারতের ওপেনিং জুটিতে ২৫ ওভারে ওঠে ৯৩। শেষ পর্যন্ত জুটি ভাঙেন বাঁহাতি স্পিনার সোফিয়ে মলিনেক্স। মলিনেক্সের বল তুলে মারতে মিড অফে তালিয়া ম্যাকগ্রাথের হাতে ক্যাচ দেন শেফালি। ৬৪ বলে ৩১ রান করে তিনি আউট হন। ভারতের রান তখন ৯৩। শেফালি আউট হওয়ার পর দলকে টেনে নিয়ে যান স্মৃতি মান্ধানা ও পুনম রাউত। দুজনের অসমাপ্ত জুটিতে ওঠে ৩৯। এদিন টেস্ট জীবনের সর্বোচ্চ রান করেন স্মৃতি। তাঁর আগের সর্বোচ্চ রান ছিল ৭৮। ৪৪.১ ওভার পর বৃষ্টির জন্য খেলা বন্ধ হয়ে যায়। ভারতের রান তখন ১৩২/১। স্মৃতি ৮০ রানে ও পুনম ১৬ রানে অপরাজিত রয়েছেন। টেস্টের আগের দিন ভারতীয় দলের অধিনায়ক মিতালি রাজ আশঙ্কা করেছিলেন, গোলাপি বলে সুইং সামলাতে সমস্যা হবে। তাঁর সেই আশঙ্কা অমূলক প্রমাণ করে দিলেন স্মৃতিরা।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Pink Ball Test: ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণের সামনে দাঁড়িয়ে কেন চিন্তিত মিতালিরা?

ক্রিকেটের নন্দনকানন ইডেনে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে গোলাপি বলে টেস্ট অভিষেক হয়েছিল বিরাট কোহলিদের। এবার ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণের সামনে দাঁড়িয়ে মিতালি রাজরা। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে গোলাপি বলে টেস্ট অভিষেক হতে চলেছে মিতালিদের। বৃহস্পতিবার থেকে কুইন্সল্যান্ডের ক্যারারা ওভালে দিনরাতের টেস্ট খেলতে নামবে ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দল।২০০৬ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে শেষ টেস্ট খেলেছিল ভারত। ১৫ বছর পর আবার অসিদের বিরুদ্ধে মাঠে নামবেন মিতালিরা। ওই টেস্টে মিতালি রাজের সঙ্গে খেলেছিলেন ঝুলন গোস্বামী। এবারও তাঁরা মাঠে নামবেন। ওই টেস্টে খেলা কোনও ক্রিকেটার অবশ্য অস্ট্রেলিয়া দলে নেই। ঐতিহাসিক গোলাপি বলে দিনরাতের টেস্ট খেলার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক মিতালি রাজ। গোলাপি বলে টেস্ট খেলাটা চ্যালেঞ্জিং বলেও মনে করছেন তিনি। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে মিতালি বলেন, গোলাপি বলে একটা সেশন প্র্যাকটিস করেছি। অন্যরকম অভিজ্ঞতা। লাল বলের তুলনায় অনেক বেশি সুইং করে। ম্যাচে খেলাটা অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং হবে। একদিনের সিরিজের পর আরও কয়েকদিন অনুশীলনের সুযোগ পেলে ভাল হত। কিন্তু কিছু করার নেই। কোভিড প্রটোকলের জন্য মানিয়ে নিতে হচ্ছে।অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে গোলাপি বলের টেস্টে ঝুলন গোস্বামীদের ওপর ভরসা করছেন মিতালি রাজ। ভারতীয় দলের অধিনায়ক বলেন,আমাদের এই জোরে বোলিং শক্তি দেশের সর্বকালের অন্যতম সেরা। ঝুলনের প্রচুর অভিজ্ঞতা রয়েছে। একদিনের সিরিজে মেঘনা সিং দুর্দান্ত বোলিং করেছে। ওর বলে দারুন গতি আছে। দীর্ঘদিন পর জাতীয় দলে ফিরে এসে পুজা বাস্ত্রকার নিজেকে মেলে ধরেছে। ওকে অলরাউন্ডার হিসেবে তৈরি করার দিকে নজর দিচ্ছি।মাস দুয়েক আগে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট খেলেছিল ভারত। ফলোঅন করেও ম্যাচ বাঁচিয়েছিল ভারত। ওই টেস্টের লড়াই আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে মিতালিদের। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে ভারতীয় শিবিরকে চিন্তায় রাখছে হরমনপ্রীত কাউরের চোট। নেটে ব্যাট করার সময় আঙুলে ছোট পেয়েছেন। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে মাঠে নামতে পারবেন না।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২১
বিদেশ

Covid 19: কোভিড প্রজন্ম ভিন্নভাবে ভাষা ব্যবহার করবে

ভাষাবিদ-দের ধারণা কোভিড -১৯ একটি সম্ভাব্য অভিশাপ। ভাবুন, লক্ষ লক্ষ পরিবার কয়েক মাসের জন্য ঘরের ভিতরে বন্দি আছেন - তাঁরা সবাই যখন বাইরে আসবেন তখন কেমন লাগবে? সর্বোপরি, ফ্রান্সে বসবাসকারী ল্যাটিন ভাষী-রা তখনই ফরাসি হয়ে ওঠে, যখন ফ্রান্সের ল্যাটিন ভাষাভাষীরা একে অপরের সঙ্গে অনেক বেশি কথা বলে। দীর্ঘ সময় ধরে ইতালি ও স্পেন থেকে আগত মানুষজন ফ্রান্সে তাঁদের নিজেদের ভাষা থেকে আলাদা একটি ভাষা তৈরি করেছিল। যদি মানুষজন মাসের পর মাস ধরে তাঁদের বাড়িতে বন্দি থাকে, তার ফলস্বরূপ তাঁদের মধ্যে ভাষার আদানপ্রদান বন্ধ হয়ে এক নিস্তঃব্দতা জন্ম দেয়। এটা ভাষার বিকাশের ভয়ংকর অন্তরায়।তবে মহামারিটি এখনও তার ভাষা পরিবর্তন করবে ব্যাপকভাবে। শুধুমাত্র প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে নয়, বাচ্চাদের মধ্যেও এর প্রভাব পড়বে মারাত্মক ভাবে। অস্ট্রেলিয়ান ভাষায় এই সংকটটি আরও ভয়ংকর ভাবে প্রভাব বিস্তার করতে পারে তার কারণ হল এই দেশের ভাষা বৈচিত্র্য। এই দেশে, প্রতি চারটি শিশুর মধ্যে একটি বাচ্চা বাড়িতে থাকে যেখানে মূল ভাষা হিসেবে ইংরেজি ছাড়া অন্য ভাষাও বলা হয়ে থাকে। তবে, দুঃখজনক হলেও আসল সত্য হল এই যে, যতক্ষণ না মানুষের বিশাল জনগোষ্ঠী সেই ভাষায় বসবাস করছে ততক্ষন ভাষাগুলি সেই বাড়িটিকে অতীত করে তুলতে পারে না, যা স্প্যানিশ এবং ম্যান্ডারিন বা আরও কিছু বিচ্ছিন্ন সম্প্রদায়ের মতো মাত্র কয়েকজনের ক্ষেত্রে সত্য যেমন, ইয়েডিশ এবং জার্মান।আরও পড়ুনঃ তৃতীয় ঢেউয়ের সংক্রামণের রাশ টানতে ভিক্টোরিয়ায় বড়দিন পর্যন্ত লকডাউনের ঘোষণাদ্বিভাষিক বাড়িতে অনেক শিশু তাদের পিতা, মাতা এবং দাদু -ঠাকুমার ভাষা কাজ চালানোর মতো অল্প-স্বল্প শিখে নেয়। তারা খুব সাধারন বিষয়ে সাবলীলভাবে কথোপকথন শিখলেও, জটিল বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা করতে এবং ভাষার ব্যাকরণের অনেক বিষয় তাঁদের আয়ত্বের বাইরে থেকে যায়, সেই জন্য তাঁরা ভাষার আসল স্বাদ কখনই আস্বাদন করতে পারে না। ভাষা-তাত্ত্বিকরা এটাকে ঐতিহ্য ভাষা heritage language বলে থাকেন। এই স্তরে বসবাসকারীরা শুধুমাত্র একটি ভাষায়-ই কথা বলেন, তাঁরা কদাচিৎ তাঁদের সন্তানদের কাছে এই বার্তা পৌঁছে দেয়, এমনকি তারা একই ভাষার কথা বলা মানুষকেই বিবাহ করে যাতে ভাষার আদানপ্রদানে কোনও সমস্যা না হয়।তবে এটা সত্যিই মনে রাখার মত বিষয়, করোনা ভাইরাসের প্রভাব যতই খারাপ হোক, ঘরবন্দি মানুষজন অশুভ-র মধ্যেও কিছু শুভ জিনিস আয়ত্ত্ব করে ফেলছে। যে শিশুরা বাংলা বা ডেনিশ পিছলে যাচ্ছিল তারা এখন পিতামাতার (এবং বিশেষত অভিবাসী সম্প্রদায়, দাদু ঠাকুমার) সঙ্গে অসীম সময় কাটাচ্ছে এবং ছোটবেলা থেকে প্রথমবারের মতো প্রতিদিন সারাদিন ধরে মাতৃভাষার ব্যবহার করতে সক্ষম হয়েছে। আমি অনেক পিতামাতার কাছ থেকে শুনেছি যাঁরা বলে যে তাঁরা তাদের সন্তানের মাতৃভাষায় দক্ষতা বিস্ফোরিত বা কমপক্ষে উন্নতি দেখে সন্তুষ্ট।অর্ণব ঘোষ রায়মেলবোর্ন, অস্ট্রেলিয়াআইন স্নাতক (সম্মানিক)সদস্য, অস্ট্রেলিয়ান ল স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন (ALSA)এক্সিকিউটিভ মেম্বার অফ ডিসিপ্লিন এন্ড গ্রিভেন্স কমিটি

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২১
বিদেশ

Earthquake: আচমকাই চোখের সামনে নিজেদের বাড়ি দুলতে দেখলেন বাসিন্দারা

আচমকাই বুধবার সকালে কেঁপে উঠল মেলবোর্ন, সিডনি। স্থানীয় সময় সকাল ৯টা নাগাদ আচমকাই কম্পন অনভূত হয় অস্ট্রেলিয়ার পূর্ব অংশে। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের তীব্রতা ছিল ৫.৮। কম্পনের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে উৎসস্থল থেকে কয়েকশো কিলোমিটার দূর অবধিও সেই কম্পন অনুভব করা গিয়েছিল।Earthquake in Australia today morning. 6 on Richter scale. Felt till NZ. pic.twitter.com/eYCl0LzeNx Shamendra Bhadauria 🇮🇳 (@ShamendraSingh) September 22, 2021সাধারণতঃ অস্ট্রেলিয়ায় ভূমিকম্প খুব একটা হয় না। এ দিন সকালে তীব্র কম্পন অনুভূত হতেই ভয়ে বাড়ি ছেড়ে রাস্তায় নেমে আসেন বাসিন্দারা। চোখের সামনেই তারা নিজেদের বাড়িগুলিকে দুলতে দেখেন, একাধিক জায়গায় পাঁচিল ভেঙে পড়েছে বলেও জানা গিয়েছে। স্থানীয় গির্জার দেওয়াল ভেঙে পড়েছে বলেও খবর।5.8M Earthquake caused some damage today in Melbourne, Australiapic.twitter.com/4EnFG5aKBX United States News Block (@USNewsBlock) September 22, 2021স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে, এখনও হতাহতের কোনও খবর মেলেনি। একাধিক বাড়ি ভেঙে পড়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। প্রশাসনের তরফেও জানানো হয়েছে, ভূমিকম্পের কিছুক্ষণ পরই বেশ কিছু জায়গায় আফটার শক অনুভূত হয়েছে। এরমধ্যে বেশ কয়েকটি রিখটার স্কেলে ৪ মাত্রার কম্পন ছিল। যে সমস্ত বাড়িগুলি অর্ধেক ভেঙে পড়েছে বা ফাটল ধরেছে, সেখানের বাসিন্দাদের আপাতত বাড়ির বাইরেই থাকতে বলা হয়েছে। মার্কিন জিওলজিক্যাল সার্ভের তরফে প্রথমে জানানো হয়, ভূমিকম্পের তীব্রতা ছিল ৫.৯। মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের জিওলজিস্ট মাইক স্যান্ডিফোর্ড বলেন, এত বড় ভূমিকম্প দক্ষিণ-পূর্ব অস্ট্রেলিয়ায় বহু বছর হয়নি। ১৮০০ সালে ৬ মাত্রার ভূমিকম্পের কথা শুনলেও তারপর থেকে এইধরনের ভূমিকম্পের কথা শোনা যায়নি।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

ঈশান কোনে মেঘ দেখছেন সঞ্জু! তিরুঅনন্তপুরমে কিউয়িদের উড়িয়ে ৪-১ সিরিজ় জয় ভারতের

বিশ্বকাপের আগে বোলার ও ফিল্ডিংয়ের বাস্তব পরীক্ষা নিতে টস জিতে আগে বোলিং বেছে নিয়েছিলেন ভারতীয় অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। শিশির বাড়লে অর্শদীপ সিংহ, বরুণ চক্রবর্তীরা রান সামলাতে পারেন কি না, সেটাই ছিল লক্ষ্য। কিন্তু পরিকল্পনার মাঝেই দৃশ্যপট বদলে দিলেন ঈশান কিশন। ব্যাট হাতে ঝড় তুলে তিরুঅনন্তপুরমে নিউ জ়িল্যান্ডকে ৪৬ রানে হারিয়ে ৪-১ ব্যবধানে টি-টোয়েন্টি সিরিজ় জিতে নিল ভারত।ভারত তোলে ৫ উইকেটে ২৭১ রানটি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে দেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ স্কোর। জবাবে কিউয়িদের ইনিংস থামে ১৯.৪ ওভারে ২২৫ রানে। ম্যাচে দুদল মিলিয়ে ওঠে ৪৯৬ রান ও ৩৬টি ছক্কাটি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিকে যা নতুন নজিরের শামিল।দুবছরের বেশি সময় পর জাতীয় দলে ফেরা ঈশান কিশন যেন প্রমাণ করতেই নেমেছিলেন। তিন নম্বরে নেমে ৪৩ বলে নিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক শতরান পূর্ণ করেন তিনি। ৬টি চার ও ১০টি ছক্কায় সাজানো ইনিংসে কিউয়ি বোলারদের কার্যত ছেলেখেলা বানান ঈশান। তাঁকে দুর্দান্ত সঙ্গ দেন অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। ৩০ বলে ৬৩ রানের ইনিংসে ৪টি চার ও ৬টি ছক্কা মারেন সূর্য। তৃতীয় উইকেটে দুজনে ৫৭ বলে ১৩৭ রানের বিধ্বংসী জুটি গড়েন।এর পর পাঁচ নম্বরে নেমে হার্দিক পাণ্ড্য করেন ১৭ বলে ৪২। শেষ দিকে রিঙ্কু সিংহ ও শিবম দুবে নামেন শুধু আনুষ্ঠানিকতা সারতে। কিউয়ি বোলারদের মধ্যে কিছুটা নিয়ন্ত্রিত ছিলেন লকি ফার্গুসন (৪১ রানে ২ উইকেট), বাকিরা ভারতীয় ব্যাটিং তাণ্ডবের সামনে অসহায় দেখিয়েছেন।লক্ষ্য তাড়ায় নিউ জ়িল্যান্ডের শুরুটা নড়বড়ে হলেও ফিন অ্যালেন (৩৮ বলে ৮০) এবং রাচিন রবীন্দ্র (১৭ বলে ৩০) লড়াই জিইয়ে রাখেন। অ্যালেন আউট হওয়ার পরই ভেঙে পড়ে কিউয়িদের ইনিংস। মাঝের ওভারগুলোতে উইকেট তুলে ম্যাচ ভারতের দিকে ঘুরিয়ে দেন অর্শদীপ ও অক্ষর পটেল।চাপের মুখে ড্যারেল মিচেল চেষ্টা করলেও একা কিছু করার ছিল না। শেষ পর্যন্ত ভারতের বোলারদের মধ্যে উজ্জ্বলতম পারফরম্যান্স অর্শদীপের৫১ রানে ৫ উইকেট। টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিকে এটাই তাঁর প্রথম পাঁচ উইকেট। অক্ষর নেন ৩৩ রানে ৩ উইকেট। হার্দিক কার্যকর হলেও বুমরাহ ও বরুণ প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হন, যা বিশ্বকাপের আগে ভাবনার জায়গা রেখে গেল।সব মিলিয়ে, ঈশানের শতরান আর অর্শদীপের পাঁচ উইকেটদুটোই একসঙ্গে এনে দিল ভারতের বড় জয় এবং আত্মবিশ্বাসী সিরিজ় সমাপ্তি।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

২৭ জনের মৃত্যু! এখনও নিখোঁজ বহু! এক সপ্তাহ পরে সিট গঠন, প্রশ্ন পুলিশের ভূমিকা নিয়ে

আনন্দপুরের নাজিরাবাদের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখনও বহু মানুষ নিখোঁজ। শুক্রবার রাতের দিকে ঘটনাস্থল থেকে আরও দুজনের দেহাংশ উদ্ধার করেছে দমকল ও পুলিশের যৌথ দল। এই নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২৭-এ। এই পরিস্থিতির মধ্যেই অবশেষে ওই কারখানার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার তদন্তে বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট গঠন করল বারুইপুর জেলা পুলিশ। অগ্নিকাণ্ডের এক সপ্তাহ পরে সিট গঠন হওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে, এতদিন পরে কেন তদন্তে এই তৎপরতা।গত রবিবার গভীর রাতে আনন্দপুরের নাজিরাবাদ এলাকার ওই কারখানায় আগুন লাগে। রাত প্রায় ৩টে নাগাদ কারখানার গুদাম অংশে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এরপর টানা প্রায় ৩২ ঘণ্টা ধরে আগুন নেভানোর চেষ্টা চলে। ১২টি ইঞ্জিন নিয়ে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় নামেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বেগ পেতে হয় দমকলকে। আগুনের তীব্রতায় কারখানার ভিতরেই আটকে পড়েন বহু শ্রমিক। দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকা আগুনে তাঁদের আর্তনাদ শোনার কোনও সুযোগই পাননি কেউ।ভয়াবহ এই ঘটনার এক সপ্তাহ পরে অবশেষে সিট গঠনের সিদ্ধান্ত নেয় বারুইপুর জেলা পুলিশ। আগুনে পুড়ে প্রায় সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যাওয়া ওই কারখানাতেই এবার তদন্ত চালাবে বিশেষ দল। পাঁচ সদস্যের এই সিটের নেতৃত্বে রয়েছেন বারুইপুর জেলা পুলিশের সুপার শুভেন্দু কুমার। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন এক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, ডিএসপি (ক্রাইম), ডিইবি-র এক ইন্সপেক্টর এবং আরও এক জন ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার আধিকারিক।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ফরেন্সিক রিপোর্ট খতিয়ে দেখা, ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে মৃতদের পরিচয় নিশ্চিত করা, কারখানায় কী ধরনের নিরাপত্তার ঘাটতি ছিল এবং কীভাবে আগুন এত দ্রুত ছড়ালসব দিকই খতিয়ে দেখবে সিট। উল্লেখ্য, এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই নামজাদা একটি মোমো প্রস্তুতকারী সংস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। জলাভূমি বুজিয়ে কারখানা তৈরির অভিযোগও সামনে এসেছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে ওই সংস্থার ম্যানেজার ও ডেপুটি ম্যানেজারকে গ্রেফতার করেছে নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ। তদন্ত আরও গভীর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নতুন তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

দিল্লি যাওয়ার আগে বিস্ফোরক চিঠি মমতার! ভোটার তালিকা নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ

সোমবার বিকেলে দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের দফতরে যাচ্ছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে থাকবেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তার আগেই রবিবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে একটি চিঠি পাঠালেন মুখ্যমন্ত্রী। চিঠির মূল বিষয়, পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন বা স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন প্রক্রিয়া।চিঠিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন, বাংলায় ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জনের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন যে পদ্ধতি অনুসরণ করছে, তা জনপ্রতিনিধিত্ব আইন এবং নির্বাচনী বিধির পরিপন্থী। তাঁর দাবি, এই প্রক্রিয়ার জেরে সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছেন। মমতার চিঠি অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত সমস্যায় ১৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে। কয়েক মাস আগে তৃণমূলের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনে যে তালিকা জমা দেওয়া হয়েছিল, সেখানে মৃতের সংখ্যা ছিল প্রায় ৪০। নতুন চিঠিতে সেই সংখ্যা অনেকটাই বেড়েছে।মমতা আরও লিখেছেন, ভারতের নির্বাচনী ইতিহাসে এই প্রথম পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ৮,১০০ জন মাইক্রো-অবজার্ভার মোতায়েন করা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, এই নিয়োগের কোনও আইনি ভিত্তি নেই। শুরু থেকেই বাংলায় নির্বাচনী রোল সংশোধনের ক্ষেত্রে ERO এবং AERO-দের ভূমিকার পক্ষে সওয়াল করে আসছেন মুখ্যমন্ত্রী। চিঠিতেও সেই প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেছেন, ভোটার তালিকা সংশোধনের একমাত্র আইনগত ক্ষমতা ERO এবং AERO-দের। অথচ সেই ক্ষমতা খর্ব করা হচ্ছে বলে অভিযোগ।চিঠিতে আরও প্রশ্ন তোলা হয়েছে, দেশের অন্য রাজ্যগুলিতে যেখানে SIR প্রক্রিয়া চলছে, সেখানে কেন এই ধরনের মাইক্রো-অবজার্ভার মোতায়েন করা হয়নি। শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রেই কেন আলাদা নিয়ম প্রয়োগ করা হচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি ত্রিপুরা ক্যাডারের চার জন আইএএস অফিসার-সহ একাধিক পর্যবেক্ষক নিয়োগ নিয়েও আপত্তি জানানো হয়েছে।মমতার অভিযোগ, কিছু পর্যবেক্ষক বেআইনিভাবে CEO অফিস থেকে নির্বাচন কমিশনের পোর্টালের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তথ্য বদলের চেষ্টা করছেন। এর ফলে বহু যোগ্য ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়ছে এবং তাঁদের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। তাঁর মতে, SIR প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। চিঠিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের কাছে এই বিষয়গুলির তাৎক্ষণিক তদন্তের দাবি জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।একই আইন সারা দেশে প্রযোজ্য হলেও পশ্চিমবঙ্গে আলাদা নিয়মে ভোটার তালিকা সংশোধন করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। মমতার দাবি, এই প্রক্রিয়া গণতন্ত্র এবং নাগরিকদের মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী। নির্বাচন কমিশনের কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপ করে মানুষের আস্থা ও মানবাধিকার রক্ষার আবেদন জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

‘বাঁচাও’ চিৎকার, তারপর ভয়াবহ পতন! তিনতলা থেকে ফেলে খুন বৃদ্ধা ভাড়াটিয়াকে

ভাড়াটিয়াকে তিনতলার ছাদ থেকে ফেলে খুনের অভিযোগ উঠল বাড়ির মালিকের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি দক্ষিণ ২৪ পরগনার রবীন্দ্রনগর থানার অন্তর্গত সন্তোষপুর শান্তিনগরের বিবেক দল এলাকায়। মৃত বৃদ্ধার নাম শেফালী মান্না। বয়স ৭৬ বছর।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শেফালী মান্না অভিযুক্ত বাসুদেব ঘোষের বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে ভাড়াটিয়া হিসেবে থাকতেন। সোমবার দুপুর আনুমানিক ১টা ১৫ মিনিট নাগাদ আচমকাই এলাকায় বাঁচাও বাঁচাও চিৎকার শোনা যায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই দেখা যায়, দুতলার ছাদ থেকে ওই বৃদ্ধা নীচে পড়ে গিয়েছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, বাড়ির মালিক বাসুদেব ঘোষ ইচ্ছাকৃতভাবেই তাঁকে ছাদ থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন।রাস্তায় রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় বাসিন্দারাই প্রথমে রবীন্দ্রনগর থানায় খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গুরুতর আহত অবস্থায় বৃদ্ধাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। তবে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তের বাড়িতে সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে। সেই ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে এবং তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মৃতার পরিবারের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়। প্রাথমিক তদন্তের পর বাসুদেব ঘোষকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করা হয়েছে। মঙ্গলবার তাঁকে আলিপুর আদালতে তোলা হয়।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আগেও একাধিক অভিযোগ ছিল। অতীতে তাঁকে গ্রেফতারও করা হয়েছিল বলে জানা যাচ্ছে। আবার এমন গুরুতর অভিযোগ ওঠায় এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এলাকাবাসীর বক্তব্য, দোষী ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
রাজ্য

তদন্ত এনআইএ-র হাতে, মুর্শিদাবাদে পুলিশ সুপার বদল! নবান্নের বড় সিদ্ধান্ত

বেলডাঙার অশান্তির ঘটনার পর রাজ্য পুলিশের শীর্ষস্তরে বড়সড় রদবদল। শুক্রবার ওই ঘটনার তদন্তভার পায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। তার পরের দিনই বদল করা হয় মুর্শিদাবাদের পুলিশ সুপারকে। এর পর শনিবার নবান্ন থেকে একযোগে ২২ জন আইপিএস পদমর্যাদার আধিকারিকের বদলির নির্দেশ জারি করা হয়। শহর ও জেলার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে এই রদবদল ঘিরে প্রশাসনিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদের পুলিশ সুপার কুমার সানি রাজকে সরিয়ে তাঁর জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ধৃতিমান সরকারকে। কুমার সানি রাজকে পাঠানো হয়েছে রাজ্য পুলিশের বিশেষ শাখা এসএসআইবি-তে। ধৃতিমান সরকার এর আগে ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া ও পশ্চিম মেদিনীপুরের মতো জেলায় পুলিশ সুপার হিসেবে কাজ করেছেন।শুধু মুর্শিদাবাদ নয়, বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটেও গুরুত্বপূর্ণ বদল হয়েছে। যুবভারতী কাণ্ডের পরে সাসপেন্ড হওয়া তৎকালীন ডিসি অনীশ সরকারের জায়গায় ডিসি পদে দায়িত্ব পেয়েছেন পুষ্পা। বনগাঁর পুলিশ সুপার দীনেশ কুমারকে করা হয়েছে ডিসি (উত্তর)। ডিসি (দক্ষিণ শহরতলি) বিদিশা কলিতাকে পাঠানো হয়েছে বনগাঁর পুলিশ সুপার হিসেবে। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব পেয়েছেন চারু শর্মা। ডিসি (পূর্ব) পদে আনা হয়েছে জসপ্রীত সিংকে। ডিসি (পূর্ব শহরতলি) হয়েছেন অমিত বর্মা এবং ডিসি (দক্ষিণ) হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দীপক সরকারকে।এছাড়াও বারাসতের পুলিশ সুপার প্রতীক্ষা ঝারখরিয়াকে দার্জিলিং জেলার পুলিশ সুপার করা হয়েছে। অমিত পি জাভালগিকে পাঠানো হয়েছে আইজি, বারাসত রেঞ্জে। অলোক রাজোরিয়া পেয়েছেন ডিআইজি, বর্ধমান রেঞ্জের দায়িত্ব। মুর্শিদাবাদের প্রাক্তন পুলিশ সুপার আরিশ বিলালকে পাঠানো হয়েছে এসএসআইবি-তে। প্রদীপ কুমার যাদবকে বদলি করে এসএসআইবি, উত্তরবঙ্গ সদর দফতরে পাঠানো হয়েছে।বেলডাঙা অশান্তির পর একের পর এক প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে স্পষ্ট, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না রাজ্য সরকার।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

স্কটিশ চার্চ কলেজে রহস্যমৃত্যু! হস্টেল থেকে উদ্ধার ছাত্রীর নিথর দেহ

স্কটিশ চার্চ কলেজের এক ছাত্রীর অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কলেজ চত্বরে। মৃত ছাত্রীর নাম ঋষিতা বণিক। তিনি স্কটিশ চার্চ কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী ছিলেন এবং কলেজের হস্টেলেই থাকতেন। অসুস্থ অবস্থায় তাঁকে হস্টেল থেকে উদ্ধার করা হয়। পরে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঋষিতার বাড়ি ত্রিপুরায়। গত ২৪ জানুয়ারি হঠাৎই হস্টেলে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। পেটে তীব্র যন্ত্রণা শুরু হলে প্রথমে তাঁকে হস্টেলের সিক রুমে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় দ্রুত আরজি কর হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে সেখানে পৌঁছনোর আগেই তাঁর মৃত্যু হয় বলে চিকিৎসকেরা জানান।পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, বিষক্রিয়ার কারণেই ছাত্রীর মৃত্যু হতে পারে। তবে ঠিক কী কারণে এই মৃত্যু, তা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে না পাওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হয়েছে। হস্টেলের অন্যান্য পড়ুয়াদের সঙ্গে কথা বলছে পুলিশ। পাশাপাশি, মৃত ছাত্রীর পরিবারের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে।সূত্রের খবর, ঋষিতা বেশ কিছুদিন ধরেই মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। তিনি কোনও ওষুধ সেবন করেছিলেন বলেও প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে। সেই ওষুধ থেকেই বিষক্রিয়া হয়ে থাকতে পারে বলে অনুমান। তবে যদি খাদ্যে বিষক্রিয়ার কারণে মৃত্যু হয়ে থাকে, তা হলে অন্য কেউ কেন অসুস্থ হননি, সেই প্রশ্নও উঠছে। সব দিক খতিয়ে দেখেই তদন্ত এগোচ্ছে পুলিশ।উল্লেখ্য, প্রায় এক বছর আগে স্কটিশ চার্চ কলেজে একটি গুরুতর অভিযোগ ঘিরে শোরগোল পড়ে যায়। এক অধ্যাপকের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের অশ্লীল বার্তা পাঠানোর অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ ছিল, ওই অধ্যাপক মূলত দরিদ্র পরিবারের ছাত্রীদের টার্গেট করতেন এবং কাজ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাঁদের অনুপযুক্ত বার্তা পাঠাতেন। সেই ঘটনায় পড়ুয়াদের বিক্ষোভের জেরে অভিযুক্ত অধ্যাপককে সাসপেন্ড করা হয়েছিল। বর্তমান ঘটনার সঙ্গে ওই ঘটনার কোনও যোগ রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী সংস্থা।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

আনন্দপুর ট্র্যাজেডিতে বড় ঘোষণা, মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা দেবেন প্রধানমন্ত্রী

আনন্দপুরের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মৃতদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে প্রত্যেক মৃতের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে অগ্নিকাণ্ডে যাঁরা আহত হয়েছেন, তাঁদের জন্য ৫০ হাজার টাকা করে আর্থিক সাহায্যের কথাও ঘোষণা করা হয়েছে। শুক্রবার নিজের এক্স হ্যান্ডলে এই ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। মৃতদের পরিবারগুলির প্রতি গভীর সমবেদনা জানান তিনি।রবিবার গভীর রাতে আনন্দপুরের একটি গুদামে ভয়াবহ আগুন লাগে। ঘটনার চার দিন পর পর্যন্ত মোট ২৫ জনের দেহাংশ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে সব মিলিয়ে ঠিক কতজনের মৃত্যু হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। আগুন লাগার দুদিন পর ডেকরেটিং গুদামের মালিক গঙ্গাধর দাসকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তবে ওই গুদামের সঙ্গে যুক্ত মোমো কোম্পানির বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি কেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। শেষ পর্যন্ত নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ ওই মোমো কোম্পানির দুই আধিকারিককে গ্রেফতার করেছে।এই ঘটনার প্রেক্ষিতে শুক্রবার আনন্দপুরে মিছিল করেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি মৃতদের পরিবারকে আর্থিক ক্ষতিপূরণ, সরকারি চাকরির দাবি তোলেন। পাশাপাশি মোমো কোম্পানির মালিককে গ্রেফতার না করার বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।এদিকে, আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ড নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোরের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা করেন। এক্স হ্যান্ডলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, পশ্চিমবঙ্গের আনন্দপুরে সাম্প্রতিক অগ্নিকাণ্ড অত্যন্ত দুঃখজনক। যাঁরা তাঁদের প্রিয়জনকে হারিয়েছেন, তাঁদের প্রতি আমার গভীর সমবেদনা। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করি। এরপর তিনি জানান, মৃতদের পরিবারকে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে ২ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে এবং আহতদের দেওয়া হবে ৫০ হাজার টাকা করে।এর আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও মৃতদের পরিবারগুলির জন্য সাহায্যের ঘোষণা করেছিলেন। তিনি জানান, প্রত্যেক মৃতের পরিবারের একজনকে সিভিক ভলান্টিয়ারের চাকরি দেওয়া হবে।প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণার পর রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি সুকান্ত মজুমদার সামাজিক মাধ্যমে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে লেখেন, আনন্দপুরের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে যাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন, তাঁদের পরিবারগুলির পাশে দাঁড়ানোর জন্য প্রধানমন্ত্রীকে তিনি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছেন। এই আর্থিক সাহায্য শোকস্তব্ধ পরিবারগুলিকে কঠিন সময়ে মানসিক শক্তি জোগাবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। তাঁর বক্তব্য, এই উদ্যোগ আবারও প্রমাণ করল যে সংকটের সময়ে প্রধানমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গের মানুষের পাশে রয়েছেন।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

ভোটার তালিকা শুনানিতে হইচই, কমিশনের আধিকারিকদের সঙ্গে সরাসরি সংঘাত কাউন্সিলরের

এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরে শুনানি কেন্দ্রে হুলস্থুল কাণ্ড। অভিযোগের কেন্দ্রে কলকাতা পুরসভার ৭০ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর তথা মেয়র পরিষদের সদস্য অসীম বসু। শরৎ বোস রোডের একটি বেসরকারি স্কুলে ভোটার তালিকা সংক্রান্ত শুনানি চলাকালীন তিনি সেখানে পৌঁছন। তারপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ।গত কয়েক দিন ধরেই অভিযোগ উঠছিল, শুনানিতে আসা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা নথি নিচ্ছেন, কিন্তু তার বদলে কোনও রসিদ দেওয়া হচ্ছে না। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতেই কাউন্সিলর অসীম বসু শুনানি কেন্দ্রে যান বলে জানা গিয়েছে। অভিযোগ, সেখানে পৌঁছেই তিনি নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের সঙ্গে তর্কাতর্কিতে জড়িয়ে পড়েন। এমনকী, রসিদ না দিলে কোনও নথি জমা না দিতে শুনানিতে আসা মানুষজনকে নির্দেশ দেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের দাবি, কাউন্সিলর এবং তাঁর সঙ্গে থাকা কয়েক জন এভাবে শুনানি কেন্দ্রে ঢুকে পড়তে পারেন না। বিষয়টি শান্তভাবে আলোচনা করা যেত। তাঁদের আরও বক্তব্য, এই ঘটনার ফলে শুনানির কাজ ব্যাহত হচ্ছে এবং দেরি হচ্ছে।ঘটনা প্রসঙ্গে তৃণমূল কাউন্সিলর অসীম বসু বলেন, মানুষ কীভাবে প্রমাণ করবেন তাঁরা কোন কোন নথি জমা দিয়েছেন, যদি কোনও রসিদ না দেওয়া হয়। তাঁর দাবি, সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে নথি নেওয়ার পর রসিদ দিতে হবে। তা সত্ত্বেও কেন এই অনিয়ম চলছে, সেই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। রসিদ না দিলে প্রয়োজনে শুনানি বন্ধ করে দেওয়ার কথাও বলেন কাউন্সিলর।এই ঘটনাকে ঘিরে ভবানীপুর এলাকায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal