• ৩ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার ১৯ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Australia

খেলার দুনিয়া

আচমকা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু স্পিনের যাদুকরের, বাহান্নতেই থেমে গেলো জীবন

থেমে গেলো স্পিনের যাদুকরের হাত, তাঁর আঙ্গুলের ছোঁয়া পেয়ে আর লাল বলটা বনবন করে ঘুড়বে না সবুজ গালিচায়। মাত্র ৫২ বছর বয়সে থেমে গেলো মহান ক্রিকেট শিল্পী-র জীবন। অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন তারকা স্পিনার মৃত্যুর সময় তাইল্যান্ডে তাঁর নিজ বাসভবনে ছিলেন।শ্যেন ওয়ার্নের সংস্থা শনিবার বিবৃতি দিয়ে এই মর্মান্তিক খবর জানায়। তারা এই বিবৃতিতে জানায়, শ্যেন তাইল্যান্ডে প্রয়াত হয়েছেন এবং তাঁর নিজস্ব বাংলোতে এই মহান ক্রিকেটারকে অচৈতন্য অবস্থায় পাওয়া যায়। চিকিৎসকদের সমস্ত রকম চেষ্টা স্বত্তেও তাঁকে বাঁচানো যায়নি। তাঁর পরিবার এই সময়ে গোপনীয়তা রক্ষা করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে।Sad to hear the news that Rod Marsh has passed. He was a legend of our great game an inspiration to so many young boys girls. Rod cared deeply about cricket gave so much-especially to Australia England players. Sending lots lots of love to Ros the family. RIP mate❤️ Shane Warne (@ShaneWarne) March 4, 2022শনিবার ভারতীয় সময় ৭:২৩ মিনিটে, মৃত্যুর মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে প্রাক্তন ক্রিকেটার রডনি মার্শের প্রয়াণে টুইট করেছিলেন শ্যেন। রডনি মার্শ বৃহস্পতিবার হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত হয়েছেন। সেই শোকবার্তায় শ্যেন ওয়ার্ন লিখেছিলেন, রড মার্শ প্রয়াত হওয়ার খবর শুনে খুবই খারাপ লাগছে। উনি ক্রিকেটেরএক কিংবদন্তি ছিলেন। বহু উদীয়মান ক্রিকেটারের অনুপ্রেরণা ছিলেন। রড ক্রিকেট ভালোবাসতেন। বিশেষ করে অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের ক্রিকেটারদের জন্য অনেক কিছু করেছেন। ওঁর পরিবারকে অনেক অনেক ভালবাসা জানাই।১৩ সেপ্টেম্বর ১৬৬৯ আপার ফার্নট্রি গলি, ভিক্টোরিয়াতে শ্যেন ওয়ার্ন জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৪৫টি টেস্টে ৭০৮টি উইকেট সংগ্রহ করেন। শ্রীলঙ্কার মুথাইয়া মুরলিধরনের (৮০০) পর তিনি দ্বিতীয় সর্ব্বচ্চ উইকেট সংগ্রাহক।বর্তমানে শ্যেন তাঁর তাইল্যান্ডের নিজের বাংলোতে বসবাস করছিলেন। নিজের বাসস্থানেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি ভারতে আইপিএল-এর প্রথম সংস্করনে বিজয়ী দল রাজস্থান রয়্যালসের অধিনায়ক ছিলেন শেন।

মার্চ ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

যশ, রশিদদের দাপটে চূর্ণ অস্ট্রেলিয়া, বিশ্বকাপের ফাইনালে ভারত

এভাবেও ফিরে আসা যায়! ভারতকে না দেখলে বিশ্বাস করা সত্যিই কঠিন। ২০২২ অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে প্রত্যাবর্তনের নায়ক হিসেবে ইতিহাসের খাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে অধিনায়ক যশ ধুল ও সহঅধিনায়ক শেখ রশিদের নাম। এই দুই ব্যাটারের দাপটে অস্ট্রেলিয়াকে ৯৬ রানে উড়িয়ে অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালে ভারত। সামনে এবার ইংল্যান্ড। অস্ট্রেলিয়ার দুই জোরে বোলার টম হুইটনি ও জ্যাক নিসবেটের দাপটে তখন থরহরিকম্প ভারতের দুই প্রারম্ভিক ব্যাটার অঙ্গকৃশ রঘুবংশী ও হার্নুর সিংয়ের। রান তোলাই কঠিন হয়ে পড়েছিল এই দুই ব্যাটারের কাছে। শুরু থেকে সতর্ক থাকলেও শেষরক্ষা করতে পারেননি অঙ্গকৃশ রঘুবংশী। ম্যাচের অষ্টম ওভারে উইলিয়াম স্যালজম্যানের দুরন্ত ডেলিভারিতে অঙ্গকৃশের (৩০ বলে ৬) অফস্টাম্প ছিটকে যাওয়ার পর বাইশ গজে আগমন শেখ রশিদের। ভারতের রান তখন ১৬। হার্নুর সিংও খুব একটা সপ্রতিভ ছিলেন না। জ্যাক নিসবেটের বলে মাত্র ১৬ রান করে সাজঘরের পথে পা বাড়ান হার্নুর।১২.৩ ওভারে ভারতের রান তখন ৩৭। এরপর মঞ্চে আবির্ভাব অধিনায়ক যশ ধুলের। বাকিটা ইতিহাস।WHAT. A. PERFORMANCE! 💪 👌India U19 beat Australia U19 by 9⃣6⃣ runs march into the #U19CWC 2022 Final. 👏 👏 #BoysInBlue #INDvAUSThis is India U19s 4th successive 8th overall appearance in the U19 World Cup finals. 🔝Scorecard ➡️ https://t.co/tpXk8p6Uw6 pic.twitter.com/tapbrYrIMg BCCI (@BCCI) February 2, 2022ক্রিজে নেমে শুরু থেকে সতর্ক ছিলেন রশিদ ও যশ। সময় যত গড়িয়েছে ততই চওড়া হয়েছে ভারতের এই দুই ব্যাটারের ব্যাট। শুরুর দিকে ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠা হুইটনি ও নিসবেট, স্যালজম্যানদের ক্লাব স্তরে নামিয়ে নিয়ে আসেন রশিদ ও যশ ধুল। স্পিনের বিরুদ্ধে দারুণ স্বপ্রতিভ ছিলেন যশ। ব্যাকফুটে লেট কাটগুলো ছিল দেখার মতো। তৃতীয় উইকেটের জুটিতে ৩৩.২ ওভারে যশ ও রশিদ তোলেন ২০৪ রান। এতেই বড় রানের মঞ্চ তৈরি হয়ে যায় ভারতের। দুরন্ত সেঞ্চুরি করেন যশ ধুল। শেষপর্যন্ত ১১০ বলে ১১০ রান করে দুর্ভগ্যজনকভাবে রান আউট হয়ে ফিরে যান ভারতীয় দলের ক্যাপ্টেন। মাত্র ৬ রানের জন্য সেঞ্চুরি হাতছাড়া করেন রশিদ। ১০৮ বলে ৯৪ রান করে তিনি জ্যাক নিসবেটের বলে আউট হন। পরপর ২ বলে দুউইকেট হারালেও ভারতের বড় রানে পৌঁছতে অসুবিধা হয়নি। শেষপর্যন্ত ৫০ ওভারে ৫ উইকেটে ২৯০ রান তোলে ভারত।ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় অস্ট্রেলিয়া। দ্বিতীয় ওভারেই টিগু উইলিকে (১) তুলে নেন রবি কুমার। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন ক্যাম্পবেল কেলাওয়ে ও কোরে মিলার। কোলে (৩০) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন ভিকি অস্তোয়াল। তবে অস্ট্রেলিয়াকে বড় ধাক্কা দেন নিশান্ত সিন্ধু। অধিনায়ক কুপার কনোলিকে (৩) তুলে নিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে একেবারে ব্যাকফুটে পাঠিয়ে দেন। ভিকি ও নিশান্তের দাপটে ভেঙে পড়ে অস্ট্রেলিয়ার মিডল অর্ডার। ১২৫ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে হারিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। সেখান থেকে ৪১.৫ ওভারে ১৯৪ রানে শেষ। একমাত্র লড়াই করেন লাচলান সাউ (৫১)। ভিকি অস্তোয়াল ৪২ রানে ৩টি, নিশান্ত সিন্ধু ২৫ রানে ২টি এবং রবি কুমার ৩৭ রানে ২টি উইকেট নেন।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

চমক হেডের, বিপর্যয় কাটাল অস্ট্রেলিয়া

সিডনি টেস্টে দুই ইনিংসে সেঞ্চুরি করে চমক দিয়েছিলেন উসমান খোয়াজা। পুরস্কার স্বরূপ ব্যাটিং অর্ডারে তাঁকে তুলে নিয়ে এসেছিল টিম ম্যানেজমেন্ট। কিন্তু ডেভিড ওয়ার্নারের সঙ্গে দীর্ঘদিন পর ওপেন করতে নেমে ব্যর্থ উসমান খোয়াজা। তা সত্ত্বেও অ্যাশেজের পঞ্চম টেস্ট জমিয়ে দিলেন ট্রেভিস হেড। তাঁর দুরন্ত সেঞ্চুরির সুবাদে বৃষ্টিবিঘ্নিত প্রথম দিনে মান বাঁচাল অস্ট্রেলিয়া। দিনের শেষে অসিরা তুলেছে ৬ উইকেটে ২৪১।আরও পড়ুনঃ ইতিহাস তৈরি করতে ব্যর্থ কোহলিরা, ভারত নেমে গেল পাঁচেইতিমধ্যেই ব্রিসবেন, অ্যাডিলেড ও মেলবোর্ন টেস্ট জিতে অ্যাশেজ দখল করেছে অস্ট্রেলিয়া। সিডনি টেস্ট ড্র হওয়ায় ইংল্যান্ডের হোয়াইট ওয়াশের সম্ভাবনা শেষ। হোবার্টে জিতে সিরিজ ৪০ করতে মরিয়া অস্ট্রেলিয়া। শুক্রবার টসে জিতে অস্ট্রেলিয়াকে ব্যাট করতে পাঠায় ইংল্যান্ড। অস্ট্রেলিয়ার দুই ওপেনার রান পাননি। ডেভিড ওয়ার্নার ০ ও উসমান খোয়াজা ৬ রানে আউট হন। স্টিভ স্মিথও ফেরেন ০ রানেই। ৯.৫ ওভারে ১২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চরম বিপর্যয়ে পড়ে অস্ট্রেলিয়া। মার্নাস লাবুশানে ও ট্রেভিস হেড চতুর্থ উইকেটে ৭১ রান যোগ করেন। ৫৩ বলে ৪৪ রান করে স্টুয়ার্ট ব্রডের বলে আউট হন লাবুশানে।আরও পড়ুনঃ নাইট রাইডার্সে ভারতীয় দলের প্রাক্তন বোলিং কোচএরপর অস্ট্রেলিয়াকে টেনে নিয়ে যান ট্রেভিস হেড ও ক্যামেরন গ্রিন। জুটিতে ওঠে ১২১। হেড ১০১ রান করে আউট হন। ক্যামেরন গ্রিন করেন ৭৪। চা বিরতির কিছুক্ষণ পর বৃষ্টি নামে। তারপর আর খেলা শুরু হয়নি। অ্যালেক্স ক্যারি ১০ ও মিচেল স্টার্ক ০ রানে অপরাজিত রয়েছেন।

জানুয়ারি ১৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

Ashes Series :অভিষেক টেস্টেই বিধ্বংসী বোল্যান্ডের ৭ রানে ৬ উইকেট, লজ্জার হার ইংল্যান্ডের

এক সময় অ্যাশেজ সিরিজে মানেই টানটান উত্তেজনা। দুশেই দেশের ক্রিকেটাররা মুখিয়ে থাকতেন অ্যাশেজ সিরিজ খেলার জন্য। সমর্থকরাও অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে থাকতেন। অ্যাশেজের সেই আগের মতো কৌলিন্য আর নেই। আর কৌলিন্য হারানোর মূলে ইংল্যান্ড। এত জঘন্য ইংল্যান্ড দল আগে কখনও অ্যাশেজে খেলেছে কিনা বলা কঠিন। নূন্যতম প্রতিরোধ গড়ে তোলার মতো দক্ষ ব্যাটার নেই! ফল যা হওয়ার তাইই হল। টানা ৩ টেস্ট জিতে অ্যাশেজ সিরিজ পকেটে ভরে ফেলল অস্ট্রেলিয়া। তৃতীয় টেস্ট শেষ হতে সময় লাগল মাত্র ২দিন ও ১ ঘন্টা। তৃতীয় টেস্টে অস্ট্রেলিয়া জিতল এক ইনিংস ও ১৪ রানে। দ্বিতীয় ইনিংসে ইংল্যান্ড গুটিয়ে গেল মাত্র ৬৮ রানে। ইংল্যান্ডক ভাঙলেন স্কট বোল্যান্ড। অভিষেক টেস্টেই চমক দেখালেন অস্ট্রেলিয়ার এই উঠতি জোরে বোলার। ৬ উইকেট দখল করে অভিষেক টেস্টে ম্যাচের সেরার পুরস্কার ছিনিয়ে নিয়ে ইতিহাস গড়লেন বোল্যান্ড। মেলবোর্নে এই টেস্টে টস জিতে ইংল্যান্ডকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক প্যাট কামিন্স। তাঁর ও মিচেল স্টার্কের দাপটে প্রথম ইনিংসে ১৮৫ রানে গুটিয়ে যায় ইংল্যান্ডের ইনিংস। কামিন্স ও স্টার্ককে যোগ্য সহায়তা করেছিলেন নাথান লায়ন। ইংল্যান্ডের ১৮৫ রানের জবাবে অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংসে তোলে ২৬৭। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন মার্কাস হ্যারিস। তিনি করেন ৭৬। ইংল্যান্ডের জেমস অ্যান্ডারসন ৩৩ রানে ৪ উইকেট নিয়েছিলেন।ইনিংস পরাজয় এড়াতে ইংল্যান্ডের দরকার ছিল ৮৩। দ্বিতীয় দিনের শেষে ইংল্যান্ডের রান চল ১২ ওভারে ৪ উইকেটে ৩১। তৃতীয় দিন সকালে ১ ঘন্টার মধ্যে ইংল্যান্ড বাকি ৬ উইকেট হারায় মাত্র ১৫.৪ ওভারে। দ্বিতীয় ইনিংসে স্কট বোল্যান্ডের বোলিংয়ের সামনে দাঁড়াতেই পারেননি ইংল্যান্ডের ব্যাটাররা। ২৭.৪ ওভারে মাত্র ৬৮ রানে গুটিয়ে যায়। ৪ ওভার হাত ঘুরিয়ে ১ মেডেন নিয়ে ৭ রানে ৬ উইকেট তুলে নেন বোল্যান্ড। নিজের ২১ বলে ৬ উইকেট পান। প্রথম ইনিংসে ১ উইকেট পেয়েছিলেন বোল্যান্ড। ম্যাচে ৭ উইকেট। ইংল্যান্ড অধিনায়ক জো রুট ও বেন স্টোকস ছাড়া কারও রান দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছায়নি। রুট ২৮ ও স্টোকস ১১ রান করেন। মাত্র ২২ রানের মধ্যে শেষ ৬ উইকেট হারায় ইংল্যান্ড। শেষ ৬ উইকেট পড়ে মাত্র ৮ রানের ব্যবধানে। অ্যাশেজে ১৯৩৬ সালের পর এটাই ইংল্যান্ডের সর্বনিম্ন স্কোর।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Ashes Series : ‌ফিরেই দুরন্ত কামিন্স, ১৮৫ রানে গুটিয়ে গেল ইংল্যান্ড

চোটের জন্য আগের টেস্টে খেলেননি। বক্সিং ডে টেস্টে ফিরে এসে ঝলসে উঠলেন প্যাট কামিন্স। দিনের শুরুতে তাঁর দুরন্ত বোলিংয়ের সামনে দিশা খুঁজে পাননি ইংল্যান্ডের ব্যাটাররা। অ্যাশেজের তৃতীয় টেস্টেও সেই অস্ট্রেলিয়ার দাপট। প্রথম দিনে চা পানের বিরতির পর ১ ঘন্টার মধ্যেই মাত্র ১৮৫ রানে গুটিয়ে গেল ইংল্যান্ডের ইনিংস। জবাবে দিনের শেষে অস্ট্রেলিয়া তুলেছে ১ উইকেটে ৬১।বৃষ্টির জন্য এদিন খেলা কিছুটা দেরিতে শুরু হয়। টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক প্যাট কামিন্স। বৃষ্টি হওয়ায় মেলবোর্নে এদিন সকালের পরিবেশ ছিল যথেষ্ট স্যাঁতসেঁতে। এই স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ার সুযোগ দারুণভাবে কাজে লাগান অস্ট্রেলিয়ার জোরে বোলাররা। বিশেষ করে প্যাট কামিন্সের কথা বলতেই হবে। চোট সারিয়ে ফিরেই ভয়ঙ্কর হয়ে উঠলেন। দ্বিতীয় ওভারেই তুলে নেন ওপেনার হাসিব হামিদকে (০)। ইংল্যান্ডের ভান্ডারে তখন মাত্র ৪ রান। অষ্টম ওভারে জ্যাক ক্রাউলে (১২) সেই কামিন্সের শিকার।দ্রুত ২ উইকেট হারিয়ে যথেষ্ট চাপে পড়ে যায় ইংল্যান্ড। দারুণ সতর্কতার সঙ্গে ব্যাট করছিলেন দাওইদ মালান ও অধিনায়ক জো রুট। ২৭ তম ওভারে জুটি ভাঙেন সেই প্যাট কামিন্স। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির সময় ইংল্যান্ডের রান ছিল ৩ উইকেটে ৬১। অধিনায়ক জো রুটের ব্যাটে বাঁচার স্বপ্ন দেখছিল ইংল্যান্ড। কিন্তু সিরিজের তৃতীয় অর্ধ শতরান করেও দলকে স্বপ্ন দেখাতে ব্যর্থ রুট। ৮২ বলে ৫০ রান করে মিচেল স্টার্কের বলে তিনি উইকেটকিপার অ্যালেক্স ক্যারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। রুট আউট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইংল্যান্ডের বড় ইনিংসের স্বপ্নও শেষ হয়ে যায়। বেন স্টোকস (২৫), জনি বেয়ারস্টো (৩৫), অলি রবিনসনরা (২২) কিছুটা লড়াই করলেও তা যথেষ্ট ছিল না। ৬৫.১ ওভারে ১৮৫ রানে গুটিয়ে যায় ইংল্যান্ডের ইনিংস। কামিন্স ৩৬ রানে ৩টি, স্টার্ক ৫৪ রানে ২টি উইকেট নেন। ইংল্যান্ডের লোয়ার অর্ডারে ধস নামান নাথান লায়ন। ৩৬ রানে তিনি নেন ৩ উইকেট।শুরু থেকেই দাপটের সঙ্গে ব্যাট করছিলেন অস্ট্রেলিয়ার দুই ওপেনার মার্কাস হ্যারিস ও ডেভিড ওয়ার্নার। দিনের শেষবেলায় পনেরতম ওভারে ধাক্কা খায় অস্ট্রেলিয়া। ৩৮ রান করে অ্যান্ডারসনের বলে ফিরে যান ওয়ার্নার। দিনের শেষে অস্ট্রেলিয়া তোলে ৬১/১। ক্রিজে রয়েছেন হ্যারিস (২০) ও নৈশপ্রহরী নাথান লায়ন (০)।

ডিসেম্বর ২৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Ashes Series : অ্যাশেজে আবার হার!‌ কেন দুরবীন দিয়ে খুঁজতে হচ্ছে ইংল্যান্ডকে?‌

অ্যান্ড্রু স্ট্রস, অ্যালিস্টার কুক, কেভিন পিটারসেন, অ্যান্ড্রু ফ্লিনটফদের বিকল্প এখনও খুঁজে পেল না ইংল্যান্ড। ফলে একসময়ে টেস্ট ক্রিকেটে দাপট দেখানো ইংল্যান্ডকে খুঁজতে হয় দুরবীন দিয়ে। অ্যাশেজ সিরিজের কথা ছেড়েই দিন, ভারত, পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ডের মতো দলের কাছেও টেস্টে নাকানিচোবানি খেতে হয় ইংরেজদের। অ্যাশেজে তো আরও করুণ অবস্থা। প্রথম টেস্টে হারের পর দ্বিতীয় টেস্টেও লড়াই করতে পারল না ইংল্যান্ড। দ্বিতীয় টেস্ট ২৭৫ রানে জিতে অ্যাশেজ সিরিজে ২০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল অস্ট্রেলিয়া। তাও আবার দলের সেরা বোলার প্যাট কামিন্সকে ছাড়াই।চোটের জন্য প্যাট কামিন্স না খেলায় দ্বিতীয় টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে নেতৃত্ব দিতে নেমেছিলেন স্টিভ স্মিথ। দীর্ঘদিন পর দেশকে নেতৃত্ব দিতে নেমে দলকে জয় এনে দিলেন। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে ৯ উইকেটে ৪৭৩ রান তুলে ইনিংস সমাপ্তি ঘোষণা করেছিল অস্ট্রেলিয়া। সেঞ্চুরি করেন লাবুশেন (১০৩)। ওয়ার্নার করেন ৯৫, স্টিভ স্মিথ ৯৩। অ্যালেক্স ক্যারে (৫১), মিচেল স্টার্ক (৩৯), মিচেল নেসেররাও (৩৫) রান পেয়েছিলেন। জবাবে ২৩৬ রানে গুটিয়ে যায় ইংল্যান্ড। সর্বোচ্চ রান করেন দাওইদ মালান (৮০)। জো রুট করেন ৬২। ২৪৩ রানে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে অস্ট্রেলিয়া ২৩০/৯ রান তুলে ইনিংস ছেড়ে দেয়। জয়ের জন্য ইংল্যান্ডের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ৪৭৩।ইংল্যান্ডে যা ব্যাটিং শক্তি, তাতে এই রান তোলা যথেষ্ট কঠিন ছিল। বড় রানের লক্ষ্য দেখে চাপে পড়ে যান জো রুটরা। চতুর্থ দিনের শেষে ইংল্যান্ডের রান ছিল ৮২/৪। দিনের শেষ বলে আউট হয়েছিলেন জো রুট। তিনি আউট হতেই দেওয়াল লিখন পরিস্কার হয়ে যায় ইংল্যান্ডের। পঞ্চম দিন বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংস। ১৯২ রানে গুটিয়ে যায়। সর্বোচ্চ রান করেন ক্রিস ওকস (৪৪)। ররি বার্নস করেন ৩৪। ২০৭ বল খেলে ২৬ রান করেন জস বাটলার। ঝাই রিচার্ডসন ৪২ রানে ৫ উইকেট নেন। ম্যাচের সেরা হয়েছেন মার্নাস লাবুশেন।

ডিসেম্বর ২০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Ashes Test : খেলা চলাকালীন মাঠের পাশেই বজ্রাঘাত!‌ বন্ধ হয়ে গেল অস্ট্রেলিয়া–ইংল্যান্ড ম্যাচ

অ্যাশেজ সিরিজে অস্ট্রেলিয়ার দাপট অব্যাহত। প্রথম টেস্টে দারুণ জয় তুলে নিয়েছিলেন প্যাট কামিন্সরা। দ্বিতীয় টেস্টের দ্বিতীয় দিনেই চালকের আসনে অস্ট্রেলিয়া। তবে সবকিছুকে ছাপিয়ে খবরের শিরোনামে মার্নাস লাবুশেন। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে অ্যাশেজে প্রথম সেঞ্চুরি করলেন। তার থেকেও বড় কথা গোলাপি বলের টেস্টে তৃতীয় শতরান তাঁর। আর কোনও ব্যাটসম্যানের এই কৃতিত্ব নেই।টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম দিন ভাল শুরু করেছিল অস্ট্রেলিয়া। দিনের শেষে ২২১/২ তুলেছিল। তিনবার জীবন পেয়ে লাবুশেন ৯৫ রানে অপরাজিত ছিলেন। এদিন জেমস অ্যান্ডারসনের বলে বাউন্ডারি হাকিয়ে টেস্ট জীবনের ষষ্ঠ সেঞ্চুরিতে পৌঁছন লাবুশেন। তবে সেঞ্চুরি করার পর বেশিক্ষণ ক্রিজে থাকতে পারেননি অস্ট্রেলিয়ার এই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান। ৩০৫ বল খেলে ১০৩ রান করে তিনি অলি রবিনসনের বলে আউট হন। ২৪১ রানের মাথায় তৃতীয় উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া।লাবুশেন আউট হওয়ার পর স্টিভ স্মিথের সঙ্গে জুটি বাঁধেন ট্রেভিস হেড। যদিও তিনি বেশিক্ষণ ক্রিজে স্থায়ী হননি। ১৮ রান করে জো রুটের বলে বোল্ড হন। ক্যামেরন গ্রিনও (২) ব্যর্থ। এরপর অ্যালেক্স ক্যারে ও স্মিথ অস্ট্রেলিয়াকে টানেন। ৯৩ রান করে অ্যান্ডারসনের বলে আউট হন স্মিথ। তিনি আউট হওয়ার পরপরি ফেরেন অ্যালেক্স ক্যারে (৫১)। মাইকেল নেসের ২৪ বলে ৩৫ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন। ৯ উইকেটে ৪৭৩ তুলে ইনিংস সমাপ্তি ঘোষণা করে অস্ট্রেলিয়া। মিচেল স্টার্ক ৩৯ বলে ৩৯ রান করে অপরাজিত থাকেন। ইংল্যান্ডের হয়ে স্টোকস ৩টি, অ্যান্ডারসন ২টি, ব্রড, ওকস, রবিনসন, রুট ১টি করে উইকেট পান।ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে ইংল্যান্ড। তৃতীয় ওভারেই আউট হন ররি বার্নস (৩)। মিচেল স্টার্ক তাঁকে তুলে নেন। ইংল্যান্ডের রান তখন ৭। ৩ ওভার পরেই অভিষেককারী নেসের বলে আউট হন হাসিব হামিদ (৬)। ৮.৪ ওভারে ইংল্যান্ড ১৭/২ রান তোলার পরেই মাঠের পাশে বাজ পড়ে। স্টাম্প ক্যামেরায় সেই বাজ পড়ার ছবি ধরা পড়ে। আম্পায়াররা আর ঝুঁকি নিতে চাননি। তৎক্ষণাৎ খেলা বন্ধ করে দেন।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Ashes Series : ‌দুরন্ত সেঞ্চুরি হেডের, অ্যাসেজের প্রথম টেস্টেই চালকের আসনে অস্ট্রেলিয়া

বিশ্ব ক্রিকেটে হারানো সম্মান ফিরে পেতে অস্ট্রেলিয়া যে কতটা মরিয়া প্রমাণ করেই চলেছে। এবছর টি২০ বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন। টেস্টেও বিশ্বের এক নম্বর দলের তকমা ফিরে পেতে বদ্ধপরিকর। সেই লক্ষ্যে প্রথম সিরিজ হিসেবে বেছে নিয়েছে অ্যাশেজ। ব্রিসবেনে গাব্বায় ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে শুরু হয়েছে অ্যাশেজ সিরিজের প্রথম টেস্ট। প্রথম টেস্টেই চালকের আসনে অস্ট্রেলিয়া। ব্রিসবেন টেস্টে অস্ট্রেলিয়া যে আধিপত্য দেখাবে, প্রথম দিনেই ইঙ্গিতটা ছিল। বৃষ্টিবিঘ্নিত প্রথম দিনে প্যাট কামিন্সের দাপটে মাত্র ১৪৭ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল ইংল্যান্ডের ইনিংস। ৩৮ রানে ৫ উইকেট তুলে নিয়েছিলেন অসি অধিনায়ক। মিচেল স্টার্ক ও জস হ্যাজেলউড ২টি করে উইকেট নিয়েছিলেন। ইংল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেছিলেন জস বাটলার। তিনি করেন ৩৯। অলি পোপ করেন ৩৫। হাসিব হামিদ করেন ২৫। ক্রিস ওকস ২১। ইংল্যান্ডের আর কোনও ব্যাটসম্যান দুঅঙ্কের রানে পৌঁছতে পারেননি।ব্যাট করতে নেমে অস্ট্রেলিয়াও শুরুতে ধাক্কা খায়। ষষ্ঠ ওভারের দ্বিতীয় বলে মার্কাস হ্যারিসকে (৩) তুলে নেন অলি রবিনসন। অস্ট্রেলিয়ার রান তখন ১০। প্রাথমিক ধাক্কা সামলে অস্ট্রেলিয়াকে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করিয়ে দেন ডেভিড ওয়ার্নার ও মার্নাস লাবুশেন। জুটিতে ওঠে ১৫৬। লাবুশেনকে তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন জ্যাক লিচ। ১১৭ বলে ৭৪ রান করে লিচের বলে মার্ক উডের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন লাবুশেন। ৪ ওভার পরে স্টিভ স্মিথকে তুলে নেন মার্ক উড। ১২ রান করে জস বাটলারের হাতে ধরা পড়েন স্মিথ। এরপর ডেভিড ওয়ার্নার ও ক্যামেরন গ্রিনকে পরপর দুবলে তুলে নিয়ে অস্টেলিয়াকে চাপে ফেলে দেন রবিনসন। ১৭৬ বলে ৯৪ রান করে আউট হন ওয়ার্নার। অ্যালেক্স ক্যারেও (১২) বড় রান পাননি। একের পর এক উইকেট পড়তে থাকলেও অন্যপ্রান্তে মারমুখী মেজাজে ব্যাট করতে থাকেন ট্রেভিস হেড। মাত্র ৮৫ বলে টেস্ট জীবনের তৃতীয় শতরান পূর্ণ করেন। অধিনায়ক প্যাট কামিন্সের সঙ্গে সপ্তম উইকেটের জুটিতে মূল্যবান ৭০ তোলেন ট্রেভিস হেড। ২৭ বলে ১২ রান করে জো রুটের বলে হাসিব হামিদের হাতে ধরা পড়েন কামিন্স। অস্ট্রেলিয়ার রান তখন ৩০৬। দিনের শেষে অস্ট্রেলিয়া ৭ উইকেটে তুলেছে ৩৪৩। ট্রেভিস হেল ১১২ রানে এবং মিচেল স্টার্ক ১০ রানে ক্রিজে রয়েছেন।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : প্রতিশোধের স্বপ্ন চূরমার, নিউজিল্যান্ডকে ৮ উইকেটে হারিয়ে প্রথম টি২০ বিশ্বজয় অস্ট্রেলিয়ার

২০১৫ সালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ফাইনালে হেরে একদিনের বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন অধরা থেকে গিয়েছিল নিউজিল্যান্ডের। এবছর টি২০ বিশ্বকাপে প্রতিশোধ নেওয়ার সুবর্ণ সুযোগ ছিল। প্রতিশোধ নিতে ব্যর্থ কিউয়িরা। ৭ বল বাকি থাকতে নিউজিল্যান্ডকে ৮ উড়িয়ে প্রথমবারের মতো টি২০ বিশ্বকাপ ঘরে তুলল অস্ট্রেলিয়া। ম্যাচের নায়ক মিচেল মার্শ। ৫০ বলে ৭৭ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি।সেমিফাইনালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ। ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টস জিতেও সেই একই সিদ্ধান্ত। সতর্কভাবে শুরু করেছিলেন নিউজিল্যান্ডের দুই ওপেনার ড্যারিল মিচেল ও মার্টিন গাপটিল। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। চতুর্থ ওভারের পঞ্চম বলে জস হ্যাজেলউড তুলে নেন ড্যারিল মিচেলকে। ৮ বলে ১১ রান করে তিনি ম্যাথু ওয়েডের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান। শুরুতে উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় নিউজিল্যান্ড। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান মার্টিন গাপটিল ও অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন।১০ ওভারে কিউয়িরা তোলে ৫৭/১। একাদশতম ওভারে মিচেল স্টার্কের বলে ১৯ রান তোলে নিউজিল্যান্ড। পরের ওভারের প্রথম বলে অ্যাডাম জাম্পাকে ছয় মারতে গিয়ে মার্কাস স্টয়নিসের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন গাপটিল। ৩৫ বলে তিনি করেন ২৮। এরপর গ্লেন ফিলিপকে সঙ্গে নিয়ে দলকে টেনে নিয়ে যান উইলিয়ামসন। জুটিতে ওঠে ৬৮। গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে পরপর দুটি ৬ মেরে ৩৩ বলে অর্ধশতরান পূর্ণ করেন উইলিয়ামসন। ১৭ তম ওভারের দ্বিতীয় বলে গ্লেন ফিলিপকে তুলে নেন জস হ্যাজেলউড। ১৭ বলে ১৮ রান করেন তিনি। একই ওভারের পঞ্চম বলে আউট হন কেন উইলিয়ামসন। ৪৮ বলে ৮৫ রান করেন তিনি। উইলিয়ামসনের ইনিংসে রয়েছে ১০টি ৪ ও ৩টি ৬। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৭২ তোলে নিউজিল্যান্ড। ৭ বলে ১৩ রান করে অপরাজিত থাকেন জিমি নিশাম। দুর্দান্ত বল করেন জস হ্যাজেলউড। ৪ ওভারে মাত্র ১৬ রানে ৩ উইকেট তুলে নেন তিনি।ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় অস্ট্রেলিয়া। তৃতীয় ওভারের তৃতীয় বলে আউট হন অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ। ট্রেন্ট বোল্টের বলে ড্যারিল মিচেলের হাতে ক্যাচ দেন তিনি। ৭ বলে ৫ রান করেন ফিঞ্চ। এরপর জ্বলে ওঠেন ডেভিড ওয়ার্নার। সেমিফাইনালের মতো ফাইনালেও তিনি ধারাবাহিকতা বজায় রেখে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান। ৩৮ বলে ৫৩ রান করে বোল্টের বলে বোল্ড হন ওয়ার্নার। তিনি মারেন চারটি ৪ ও ৩টি ৬। ওয়ার্নার ফিরে গেলেও চাপে পড়েনি অস্ট্রেলিয়া। কিউয়ি বোলারদের ওপর নিরঙ্কুশ প্রভাব বিস্তার করেন মিচেল মার্শ। তাঁর দাপটে ইশ সোধি, টিম সাউদিরা দিশা খুঁজে পাননি। তাঁকে যোগ্য সহায়তা করেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। ১৮.৫ ওভারে ১৭৩/২ রান তুলে প্রথম বারের মতো টি২০ বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হয় অস্ট্রেলিয়া। ৫০ বলে ৭৭ রান করে অপরাজিত থাকেন মিচেল মার্শ। তিনি মারেন ৬টি ৪ ও ৪টি ৬। ১৮ বলে ২৮ রান করে অপরাজিত থাকেন ম্যাক্সওয়েল। ট্রেন্ট বোল্ট ১৮ রানে ২ উইকেট নেন।

নভেম্বর ১৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : ফাইনালে কারা এগিয়ে?‌ কনওয়ের না থাকা বড় ধাক্কা নিউজিল্যান্ডের

টি২০ বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড। ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে নিউজিল্যান্ড। অন্যদিকে পাকিস্তানকে হারিয়ে ফাইনালে উঠে এসেছে অস্ট্রেলিয়া। দুটি সেরা দল যে ফাইনালে মুখোমুখি হতে চলেছে, সে ব্যাপারে কোনও সন্দেহ নেই।এখন প্রশ্ন হল ফাইনালে এগিয়ে কোন দল? সত্যি কথা বলতে কী এই ধরণের ম্যাচে বিশেষ কোনও দলকে এগিয়ে রাখা বোকামি। একেই খেলাটার নাম ক্রিকেট। তার ওপর টি২০ ফর্ম্যাট। এই ফর্ম্যাটে ভবিষ্যতবানী করা খুবই কঠিন। টি২০ ক্রিকেটে টস জেতাটা অনেক সময় বড় ফ্যাক্টর হয়ে যায়। যেটা চলতি বিশ্বকাপের প্রায় সব ম্যাচেই দেখা গেছে। সুতরাং আমার মনে হয় না ফাইনালেও এর ব্যতিক্রম হতে পারে।ফাইনালে মুখোমুখি দুটি দল এর আগে কখনও টি২০ বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হয়নি। ফলে অস্ট্রেলিয়া যেমন চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য মুখিয়ে, তেমনই নিউজিল্যান্ডও মুখিয়ে থাকবে। ২০১০ সালের টি২০ বিশ্বকাপের ফাইনালে ইংল্যান্ডের কাছে হেরেছিল অস্ট্রেলিয়া। সেই পরাজয়ের পর আবার টি২০ বিশ্বকাপ ফাইনালে অসিরা। অন্যদিকে নিউজিল্যান্ড এই প্রথমবার। ফলে এবারের বিশ্বকাপ উপহার দেবে নতুন চ্যাম্পিয়নকে। নিউজিল্যান্ড ২০১৯ সালে একদিনের বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের ফাইনালে হেরেছিল। এইবছর আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ভারতকে হারিয়েছে। আইসিসি ইভেন্টে টানা তিনটি ফাইনাল খেলতে চলেছে। ফলে মানসিকভাবে ড়িউজিল্যান্ড কিন্তু এগিয়ে থেকে মাঠে নামবে।আইসিসির প্রতিযোগিতায় অস্ট্রেলিয়া কিন্তু বড় শক্তি। ধারাবাহিকতার দিক দিয়ে ওরা অনেক এগিয়ে। এই বিশ্বকাপের প্রথম থেকে ভাল ক্রিকেট উপহার দিয়েছে। সবথেকে বড় কথা দলে একাধিক ম্যাচ জেতানোর ক্রিকেটার রয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার ওপেনিং জুটি দারুণ ভয়ঙ্কর। ছন্দে থাকলে ডেভিড ওয়ার্নার ও অ্যারন ফিঞ্চ জুটি যে কোনও দলের বোলিং শক্তিকে গুঁড়িয়ে দিতে পারে। আইপিএলের ব্যর্থতা কাটিয়ে ওয়ার্নার ছন্দ ফিরে পেয়েছেন। মিডল অর্ডারে রয়েছে স্টিভ স্মিথের মতো ব্যাটসম্যান। বড় ম্যাচের ঘোড়া। ম্যাক্সওয়েলও যে কোনও মুহূর্তে ম্যাচের রং বদলে দিতে পারেন। ম্যাথু ওয়েড সেমিফাইনালে দেখিয়ে দিয়েছেন কতটা ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারেন। বোলিং শক্তিও অসাধারণ। প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক, জস হ্যাজেলউডের মতো জোরে বোলার রয়েছে। অ্যাডাম জাম্পার মতো স্পিনার যে কোনও দলকে বেগ দিতে পারেন।নিউজিল্যান্ডে সেই অর্থে কোনও তারকা নেই। ওদের আসল শক্তি দলগত খেলা। নিউজিল্যান্ড বরাবরই দল হিসেবে খেলে। এই বিশ্বকাপেও সেই একই ধারা অব্যাহত। মার্টিন গাপটিল, ড্যারিল মিচেল ছন্দে থাকলে যে কোনও বোলারের মাথাব্যথা হয়ে উঠতে পারে। কেন উইলিয়ামসন নিঃশব্দে বিপক্ষে খুন করতে পারেন। তবে ফাইনালে ডেভন কনওয়ের খেলতে না পারাটা বড় ধাক্কা। মিডল অর্ডারে বড় শূন্যতা তৈরি হবে। এমনিতেই লকি ফার্গুসন আগেই ছিটকে যাওয়ায় বোলিং কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়েছে। ডেভিড ওয়ার্নারদের থামানোর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ নিতে হবে ট্রেন্ট বোল্ট, টিম সাউদি, জিমি নিশামদের। দল হিসেবে খেললে নিউজিল্যান্ডকে আটকানো মুশকিল হবে। ভারতপাকিস্তান ম্যাচে যেমন চাপ থাকে, তেমনই অস্ট্রেলিয়ানিউজিল্যান্ড ম্যাচও স্নায়ুচাপের। এটাও অনেকটা ফ্যাক্টর করবে ফাইনালে।

নভেম্বর ১৩, ২০২১
রাজনীতি

Suvendu Adhikari: বিশ্বকাপে পাকিস্তানের হার নিয়ে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়লেন শুভেন্দু, কি বললেন তিনি?

টি ২০ বিশ্বকাপ ক্রিকেটে গ্রুপ লিগ থেকেই বিদায় নিয়েছে ভারত। প্রথম ম্যাচেই ভারতকে হারিয়েছে প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তান। এবার সেমিফাইনালে পাকিস্তানকে হারিয়ে দিল অষ্ট্রেলিয়া। পাকিস্তানকে পরাজিত করার জন্য অষ্ট্রেলিয়াকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সোশাল মিডিয়ায় উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েছেন গেরুয়া শিবিরের এই নেতা।সেমিফাইনাল ম্যাচে পাকিস্তানের পরাজয়ের পর সোশাল মিডিয়ায় রাজ্য বিজেপি নেতা শুভেন্দু লিখেছেন..দেশদ্রোহীদের জোর কা ঝটকা,পাকিস্তানের হারে ফাটছে পটকা।ভারত পাকিস্তান ম্যাচে ভারতের হারে যারা পটকা ফাটিয়েছিল, উল্লাস করেছিল, আজ সেইসব দেশদ্রোহীদের জন্য কালো দিন। অষ্ট্রেলিয়ার কাছে পাকিস্তানের হার আজ তাদের মুখে ঝামা ঘসে দিল ।অষ্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট টিম কে অভিনন্দন।তবে এখানেই থামেননি গেরুয়া শিবিরের এই নেতা। নন্দীগ্রামের বিধায়ক টুইটে লিখেছেন, পাকিস্তানকে হারানোর জন্য অষ্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট দলকে আন্তরিক অভিনন্দন। এই মুহূর্তটি উদযাপন করতে আমার নন্দীগ্রাম বিধানসভা এলাকার লোকেরা অন্য ভারতীয়দের সঙ্গে যোগ দিয়েছে। আতশবাজি থামবে না, দীপাবলি চলছে। আমাদের শত্রুকে পরাজিত করার জন্য আবার ধন্যবাদ।নন্দীগ্রাম বিধানসভায় প্রার্থী হওয়ার পর থেকেই সরাসরি বিভাজনের পথে হেঁটেছিলেন শুভেন্দু অধিকরী। একেবারেই ঢাক-গুড়গুড় করেননি। গত ১০ নভেম্বর নন্দীগ্রামে শহিদ দিবসের দিনও ফের তিনি বলেছেন, নন্দীগ্রামের ৬৫ হাজার বাদ দিয়ে বাকিদের একসঙ্গে থাকতে হবে। সেই আবেদন জানিয়েছিলেন শহিদ মঞ্চ থেকে। এবার পাকিস্থানের হার নিয়ে ব্যাপক উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তাঁর অবস্থান স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন।

নভেম্বর ১২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : থেমে গেল বিজয়রথ, অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় পাকিস্তানের

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ থেকেই অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগোচ্ছিল পাকিস্তান। সেমিফাইলানে এসে সব জারিজুরি শেষ। অসিদের কাছে থেমে গেল বিজয় রথ। পাকিস্তানকে ৫ উইকেটে হারিয়ে টি২০ বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছে গেল অস্ট্রেলিয়া। ১৪ নভেম্বর ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড। অস্ট্রেলিয়াকে ফাইনালে তোলার মূল কারিগড় মার্কাস স্টয়নিস ও ম্যাথু ওয়েড। টস জিতলে বিপক্ষকে ব্যাট করতে পাঠানোর ঐতিহ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে চলতি টি২০ বিশ্বকাপে। একদিকে যেমন টার্গেট দেখে ব্যাট করার সুবিধা পাওয়া যায়, তেমনই শিশিরের জন্য সমস্যায় পড়তে হয় না। অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ টস জিতে শিশিরের কথা মাথায় রেখে পাকিস্তানকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন। গ্রুপ লিগের মতোই সেমিফাইনালে ধারাবাহিতা দুই পাক ওপেনারের। দারুণ শুরু করেছিলেন মহম্মদ রিজওয়ান ও বাবর আজম। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৭১। দশম ওভারের শেষ বলে জুটি ভাঙেন অ্যাডাম জাম্পা। জাম্পাকে ৬ মারতে গিয়ে লং অনে ডেভিড ওয়ার্নারের হাতে ধরা পড়েন পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজম। ৩৪ বলে তিনি করেন ৩৯। বাবর আজম ফিরে যাওয়ার পর দলকে টেনে নিয়ে যান মহম্মদ রিজওয়ান ও ফখর জামান। শুরুর দিকে কিছুটা মন্থর ব্যাটিং করলেও পরের দিকে আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন দুই পাক ব্যাটসম্যান। ৫৭ বলে ৬৭ রান করে মিচেল স্টার্কের বলে স্টিভ স্মিথের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন মহম্মদ রিজওয়ান। তিনি মারেন ৩টি ৪ এবং ৪টি ৬। রিজওয়ান যখন আউট হন পাকিস্তান ১৭.২ ওভারে ১৪৩। পরের ওভারেই ১ বল খেলে কোনও রান না করে আউট হন আসিফ আলি। তাঁকে তুলে নেন প্যাট কামিন্স। শেষ দিকে ঝড় তুলেছিলেন ফখর জামান। শোয়েব মালিক (২ বলে ১) ব্যর্থ হলেও দলকে দারুণ জায়গায় পৌঁছে দেন ফখর। ৩২ বলে ৫৫ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। ফখর জামানের ইনিংসে রয়েছে ৩টি ৪ ও ৪টি ৬। ২০ ওভারে পাকিস্তান শেষ পর্যন্ত তোলে ৪ উইকেটে ১৭৬। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ভাল বল করেন অ্যাডাম জাম্পা। ৪ ওভারে মাত্র ২২ রান দেন তিনি। তুলে নেন ১ উইকেট। মিচেল স্টার্ক ৪ ওভারে ৩৮ রানে ২ উইকেট তুলে নেন। ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভাল হয়নি অস্ট্রেলিয়ার। প্রথম ওভারের তৃতীয় বলেই ফিরে যান অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ। মাত্র ১ বল খেলে তিনি কোনও রান না করেই শাহিন আফ্রিদির বলে এলবিডব্লু হন। এরপর ডেভিড ওয়ার্নার ও মিচেল মার্শের আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে চাপে পড়ে যান পাকিস্তান বোলাররা। জুটিতে ওঠে ৫১। শাদাব খানের বলে আফি আলির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন মার্শ (২২ বলে ২৮)। স্টিভ স্মিথ (৬ বলে ৫) ব্যর্থ। তিনিও শাদাব খানের শিকার। ডেভিড ওয়ার্নার (৩০ বলে ৪৯) জ্বলে ওঠার চেষ্টা করছিলেন। তঁকে তুলে নিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে বড় ধাক্কা দেন শাদাব। গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে (১০ বলে ৭) ফিরিয়ে অসিদের আরও চাপে ফেলে দেন তিনি। অস্ট্রেলিয়ার রান তখন ১২.২ ওভারে ৯৬/৫। এরপর অস্ট্রেলিয়াকে জয়ের লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে নিয়ে যান মার্কাস স্টয়নিস ও ম্যাথু ওয়েড। শাহিন আফ্রিদির ১৯ তম ওভারই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়। শেষ ১২ বলে অস্ট্রেলিয়ার জয়ের জন্য দরকার ছিল ২২ রান। শাহিন আফ্রিদির প্রথম বলে কোনও রান হয়নি। দ্বিতীয় বলে ১ রান লেগ বাই থেকে আসে। তৃতীয় বলে ম্যাথু ওয়েডের ক্যাচ ফেলে দেন হাসান আলি। পরের ৩ বলে তিনটি ছক্কা মেরে দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন ম্যাথু ওয়েড। ১৭ বলে ৪১ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। মার্কাস স্টয়নিস ৩১ বলে ৪০ রান করে অপরাজিত থাকেন। ১৯ ওভারে ১৭৭/৫ তুলে ফাইনালে পৌঁছে যায় অস্ট্রেলিয়া। পাকিস্তানের হয়ে শাদাব খান ২৬ রানে ৪টি, শাহিন আফ্রিদি ৩৫ রানে ১ উইকেট নেন।

নভেম্বর ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌T20 World Cup : ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৮ উইকেটে উড়িয়ে প্রোটিয়াদের চাপে ফেলল অস্ট্রেলিয়া

এক দলের কাছে নিয়মরক্ষার হলেও অন্য দলের কাছে ম্যাচের গুরুত্ব ছিল অপরিসীম। বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের লড়াই থেকে আগেই ছিটকে গেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। অন্যদিকে, শেষ চারে যাওয়ার জন্য অস্ট্রেলিয়াকে জিততেই হত। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৮ উইকেটে হারিয়ে সেমিফাইনালে যাওয়ার পথ অনেকটাই মসৃন করল। তবে শেষ চারে যাওয়ার জন্য অ্যারন ফিঞ্চদের তাকিয়ে থাকতে হবে ইংল্যান্ডদক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচের দিকে। ইংল্যান্ড জিতলে সেমিফাইনালে পৌঁছে যাবে অস্ট্রেলিয়া। দক্ষিণ আফ্রিকা জিতলে সেক্ষেত্রে নেট রান রেটের অঙ্ক সামনে এসে পড়তে। এই মুহূর্তে দক্ষিণ আফ্রিকার নেট রান রেট ০.৭৪২। ৪ ম্যাচে পয়েন্ট ৬। অন্যদিকে, অস্ট্রেলিয়ার ৫ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট, নেট রান রেট ১.২১৬। ইংল্যান্ডের ৪ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট, নেট রান রেট ৩.১৮৩। ইংল্যান্ডকে হারালেও দক্ষিণ আফ্রিকার শেষ চারে ওঠার সম্ভাবনা খুবই কম। সেক্ষেত্রে খুব বড় ব্যবধানে জিততে হবে। টস জিতে ফিল্ডিং নিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। শুরুতেই ঝড় তুলেছিলেন ক্রিস গেল ও এভিন লুইস। ২.১ ওভারে ওয়েস্ট ইন্ডিজ তুলে ফেলে ৩০। এরপরই কামিন্সের বলে বোল্ড হন গেল (৯ বলে ১৫)। পরের তৃতীয় ওভারে এক বলের ব্যবধানে জস হ্যাজেলউড তুলে নেন নিকোলাস পুরান (৪) ও রস্টন চেজকে (০)। এরপর রুখে দাঁড়ান লুইস ও শিমরন হেটমায়ের। দশম ওভারের মাথায় অ্যাডাম জাম্পা তুলে নেন লুইসকে (২৬ বলে ২৯)। ২৮ বলে ২৭ রান করে হ্যাজেলউডের বলে ফিরে যান হেটমায়ের। জীবনের শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচে রান পেলেন না ডোয়েন ব্র্যাভোও (১২ বলে ১০)। শেষ দিকে কায়রন পোলার্ড (৩১ বলে ৪৪) ও আন্দ্রে রাসেলের (৭ বলে অপরাজিত ১৮) সৌজন্যে ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৫৭ তোলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে জস হ্যাজেলউড ৩৯ রানে ৪ উইকেট নেন। মিচেল স্টার্ক ও প্যাট কামিন্স নেন ১ করে উইকেট। ২০ রানে ১ উইকেট নিয়ে চলতি বিশ্বকাপে ১১তম উইকেট পেলেন অ্যাডাম জাম্পা। ব্যাট করতে নেমে অস্ট্রেলিয়াও শুরু থেকে ঝড় তোলে। অসিদের লক্ষ্য ছিল কম ওভারের মধ্যে জয় তুলে নিয়ে নেট রান রেট বাড়িয়ে নেওয়া। ওপেনিং জুটিতে ৩.২ ওভারে তুলে ফেলে ৩৩। এরপর আকিল হোসেনের বলে বোল্ড হন অ্যারন ফিঞ্চ (১১ বলে ৯)। এরপর অস্ট্রেলিয়াকে টেনে নিয়ে যান ডেভিড ওয়ার্নার ও মিচেল মার্শ। জুটিতে ওঠে ১২৪। ৩২ বলে ৫৩ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে ক্রিস গেলের বলে মিচেল মার্শ আউট হন। অন্যদিকে, ৫৬ বলে ৮৯ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন ডেভিড ওয়ার্নার। ১৬.২ ওভারে ২ উইকেটে ১৬১ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয় অস্ট্রেলিয়া।

নভেম্বর ০৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 Word Cup : বাংলাদেশকে উড়িয়ে সেমিফাইনালের লড়াই জমিয়ে দিল অস্ট্রেলিয়া

টি২০ বিশ্বকাপে গ্রুপ ১এ জমে উঠেছে সেমিফাইনালের লড়াই। এই গ্রুপ থেকে প্রথম দল হিসেবে আগেই সেমিফাইনালে পৌঁছে গেছে ইংল্যান্ড। আর একটা জায়গার জন্য লড়াই অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশকে ৮ উইকেটে উড়িয়ে সেমিফাইনালের লড়াই জমিয়ে দিল অস্ট্রেলিয়া। অসিদের জয়ের নায়ক অ্যাডাম জাম্পা। হ্যাটট্রিক হাতছাড়া হলেও দুর্দান্ত বোলিং করে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের মেরুদণ্ড ভেঙে দেন এই অস্ট্রেলিয়ান লেগ স্পিনার। নেট রান রেটে দক্ষিণ আফ্রিকাকে পেছনে ফেলে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এল অস্ট্রেলিয়া।সেমিফাইনালের লড়াই থেকে আগেই ছিটকে গেছে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ছিল সম্মান রক্ষার লড়াই। সম্মান রক্ষার লড়াইয়ে চূড়ান্ত ব্যর্থ বাংলাদেশ। অ্যাডাম জাম্পার স্পিনের সামনে দাঁড়াতেই পারেননি বাংলাদেশের কোনও ব্যাটার। মাত্র ৩ জন বাংলাদেশের ব্যাটার তিন অঙ্কের রানে পৌঁছতে সমর্থ হন। সর্বোচ্চ রান করেন সামিম হোসেন।টস জিতে বাংলাদেশকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ। প্রথম ওভারেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। ম্যাচের তৃতীয় বলেই লিটন দাসকে (০) তুলে নেন মিচেল স্টার্ক। পরের ওভারেই সৌম্য সরকারকে (৫) বোল্ড করেন জস হ্যাজেলউড। তৃতীয় ওভারের পঞ্চম বলে মুশফিকুর রহিমকে (১) তুলে নেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। ৩ ওভারের মধ্যে ১০ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চরম বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। অধিনায়ক মাহমুদুল্লা ও মহম্মদ নইম কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। তবে তা যথেষ্ট ছিল না। নইমকে (১৭) তুলে নেন হ্যাজেলউড। এরপরই শুরু হয় অ্যাডাম জাম্পার ভেলকি। প্রথমে ফেরান আফিফ হোসেনকে (০)। দশম ওভারের পঞ্চম ও ষষ্ঠ বলে তুলে নেন শামিম হোসেন (১৮ বলে ১৯) ও মেহেদি হাসানকে (০)। যদিও তাঁর হ্যাটট্রিক হয়নি। পরে আউট করেন মুস্তাফিজুর রহমান (৪) ও সরিফুল ইসলামকে (০)। ১৫ ওভারে মাত্র ৭৩ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশের ইনিংস। অ্যাডাম জাম্পা ৪ ওভারে ১৯ রানে ৫ উইকেট তুলে নেন। স্টার্ক ও হ্যাজেলউড ২টি করে উইকেট নেন।৭৩ রানের লক্ষ্য অস্ট্রেলিয়ার কাছে একেবারেই কঠিন ছিল না। অসিদের লক্ষ্য ছিল কম ওভারে রান তুলে নেট রান রেট বাড়িয়ে নেওয়া। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ব্যাট করতে থাকেন দুই ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার (১৪ বলে ১৮) ও অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ (২০ বলে ৪০)। তাস্কিন আমেদের বলে অ্যারন ফিঞ্চ যখন ফিরে যান, অস্ট্রেলিয়ার রান তখন ৫ ওভারে ৫৮। পরের ওভারেই সরিফুল তুলে নেন ওয়ার্নারকে। তাস্কিন আমেদকে ৬ মেরে অস্ট্রেলিয়াকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন মিচেল মার্শ (৫ বলে ১৬)। ৬.২ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ৭৮ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয় অস্ট্রেলিয়া।

নভেম্বর ০৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : অস্ট্রেলিয়াকে ৮ উইকেটে উড়িয়ে সেমিফাইনালের পথে ইংল্যান্ড

বেন স্টোকস ভবিষ্যতবাণী করেছেন, টি২০ বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড ও পাকিস্তান। তাঁর ভবিষ্যতবাণী সঠিক হবে কিনা সময়ই বলবে। ইংল্যান্ড কিন্তু অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগোচ্ছে। অস্ট্রেলিয়াকে ৮ উইকেটে উড়িয়ে সেমিফাইনালের দিকে এগিয়ে গেল। দুরন্ত বোলিং করে ম্যাচের নায়ক ক্রিস জর্ডন।টস জিতে অস্ট্রেলিয়াকে ব্যাট করতে পাঠায় ইংল্যান্ড। শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে অস্ট্রেলিয়া। দ্বিতীয় ওভারেই ফিরে যান ডেভিড ওয়ার্নার। মাত্র ১ রান করে ক্রিস ওকসের বলে আউট হন তিনি। তিন নম্বরে নামা স্টিভ স্মিথও ব্যর্থ (১)। তিনি ক্রিস জর্ডানের শিকার। পরপর ফিরে যান গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (৬) ও মার্কাস স্টয়নিস (০)। এই দুজনকে আউট করেন ক্রিস ওকস ও আদিল রশিদ। ৬.১ ওভারে ২১ রানের মধ্যে চার উইকেট হারিয়ে চরম বিপর্যয়ে পরে অস্ট্রেলিয়া। ৪৯ বলে ৪৪ রানের লড়াকু ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে কিছুটা উদ্ধার করেন অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ।শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে অস্ট্রেলিয়া তোলে ১২৫ রান। ম্যাথু ওয়েড ১৮ বলে ১৮, অ্যাস্টন অ্যাগার ২০ বলে ২০ রান করেন। প্যাট কামিন্স ৩ বলে ১২ রান করে আউট হন। মিচেল স্টার্ক শেষ বলে আউট হন। তিনি ৬ বল খেলে ১৩ রান করেন। ইংল্যান্ডের ক্রিস জর্ডন ৪ ওভারে ১৭ রানে ৩ উইকেট দখল করেন। ক্রিস ওকস ৪ ওভারে ২৩ রানের বিনিময়ে ২টি উইকেট পান। টাইমাল মিলস ৪ ওভারে ৪৫ রান দিয়ে ২ উইকেট দখল করেন। আদিল রশিদ ৪ ওভারে ১৯ রান দিয়ে ১ উইকেট পান। লিয়াম লিভিংস্টোন ৪ ওভারে ১৫ রান দিয়ে ১ উইকেট নেন।ব্যাট করতে নেমে দারুন শুরু করেন ইংল্যান্ডের দুই ওপেনার জেসন রয় ও জস বাটলার। ওপেনিং জুটিতে ৬.১ ওভারে ওঠে ৬৬। এরপর ২০ বলে ২২ রান করে আডাম জাম্পার বলে আউট হন জেসন রয়। বিধ্বংসী মেজাজে ব্যাট করতে থাকেন জস বাটলার। দাওইদ মালান ৮ বলে ৮ রান করে আউট হন। দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন বাটলার ও জনি বেয়ারস্ট। ১১.৪ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ১২৬ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় ইংল্যান্ড। ৩২ বলে ৭১ রান করে অপরাজিত থাকেন বাটলার। তিনি ৫টি করে ৪ ও ৬ মারেন। বেয়ারস্ট ১১ বলে ১৬ রান করে অপরাজিত থাকেন।

অক্টোবর ৩০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T‌20 World Cup : অবশেষে রানে ফিরলেন ওয়ার্নার, স্বস্তি অস্ট্রেলিয়া শিবিরে

আইপিএলে চূড়ান্ত ব্যর্থ। নেতৃত্ব হারাতে হয়েছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদের। এমনকী সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বে প্রথম একাদশ থেকেও বাদ পড়তে হয়েছিল ডেভিড ওয়ার্নারকে। টি২০ বিশ্বকাপের প্রথম দুটি ম্যাচেও রান পাননি। তাঁকে প্রথম একাদশ থেকে সরিয়ে দেওয়ার দাবিও উঠেছিল। ভরসা হারায়নি টিম ম্যানেজমেন্ট। টিম ম্যানেজমেন্টের আস্থার মর্যাদা দিলেন ডেভিড ওয়ার্নার। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে সুপার ১২র গ্রুপ লিগের তৃতীয় ম্যাচেই রানে ফিরলেন। স্বস্তি অস্ট্রেলিয়া শিবিরে। তাঁর দুরন্ত ব্যাটিংয়ের ওপর ভর করে শ্রীলঙ্কাকে ৭ উইকেটে হারাল অস্ট্রেলিয়া। একই সঙ্গে সেমিফাইনালে ওঠার পথও প্রশস্ত করল।টস জিতে শ্রীলঙ্কাকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ। তৃতীয় ওভারে পাথুম নিসাঙ্কা (৭) ফিরে গেলেও দলকে এগিয়ে নিয়ে যান কুশল পেরেরা (২৫ বলে ৩৫) ও আসালাঙ্কা (২৭ বলে ৩৫)। পরপর দুওভারে এই দুই ব্যাটসম্যান ফিরে গেলে রান তোলার গতি কমে যায় শ্রীলঙ্কার। দারুণ বোলিং করেন অ্যাডাম জাম্পা। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভার ৬ উইকেটে ১৫৪ তোলে শ্রীলঙ্কা। ২৬ বলে ৩৩ রানে অপরাজিত থাকেন ভানুকা রাজাপক্ষ। অধিনায়ক দাসুন শনাকা ১২, পাথুম নিসঙ্কা ৭, ওয়ানিন্দু হাসারঙ্গা ও আবিষ্কা ফার্নান্দো ৪ রানে আউট হন। অ্যাডাম জাম্পা ৪ ওভারে ১২ রানে ২ উইকেট নেন। ৪ ওভারে ২৭ রান দিয়ে ২ উইকেট দখল করেন মিচেল স্টার্ক। প্যাট কামিন্স ২টি উইকেট পেয়েছেন ৩৪ রানের বিনিময়ে।জয়ের জন্য ১৫৫ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে ঝড়ের গতিতে রান তুলতে থাকেন দুই ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার ও অ্যারন ফিঞ্চ। ৬.৫ ওভারে দলের ৭০ রানের মাথায় ২৩ বলে ৩৭ রান করে আউট হন ফিঞ্চ। এদিন টি২০ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ২৫০০ রানের গণ্ডি পেরিয়ে গেলেন তিনি। তিন নম্বরে নামা গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (৫) সুবিধা করতে পারেননি। পরপর দুটি উইকেট পড়ে গেলেও মনসংযোগ হারাননি ডেভিড ওয়ার্নার। শেষ পর্যন্ত ৪২ বলে ৬৫ রান করে তিনি আউট হন। ওয়ার্নার যখন আউট হন, জয়ের জন্য অস্ট্রেলিয়ার দরকার ছিল ২৫। দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন স্টিভ স্মিথ (২৬ বলে অপরাজিত ২৮) ও মার্কাস স্টইনিস (৭ বলে অপরাজিত ১৬)। ১৭ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৫৫ তুলে ম্যাচ জিতে নেওয়ার পাশাপাশি নেট রান রেটও বাড়িয়ে রাখল অস্ট্রেলিয়া। ম্যাচের সেরা হয়েছেন অ্যাডাম জাম্পা।

অক্টোবর ২৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৫ উইকেটে হারিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু অস্ট্রেলিয়ার

টি২০ বিশ্বকাপে গ্রুপ ১কে গ্রুপ অফ ডেথ বললে অত্যুক্তি হবে না। একটু হোঁচট খেলেই বিপদ। প্রতিটা ম্যাচই যে উত্তেজক পর্যায়ে পৌঁছবে, সেকথা বলার অপেক্ষা রাখে না। যার প্রমাণ পাওয়া গেল প্রথম ম্যাচেই। স্কোর বোর্ডে কম রান তুলেও দুর্দান্ত লড়াই করে গেলেন দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটাররা। তবে শেষরক্ষ হল না। দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৫ উইকেটে হারিয়ে প্রথম ম্যাচে জয় তুলে নিল অস্ট্রেলিয়া। অস্ট্রেলিয়ার জয়ের নায়ক জস হ্যাজেলউড। তাঁর দাপটেই ব্যাটিং বিপর্যয় প্রোটিয়াদের। দুর্দান্ত বোলিং করে ম্যাচের সেরার পুরস্কারও ছিনিয়ে নিয়েছেন তিনি। আবুধাবি আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে টস জিতে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ। দ্বিতীয় ওভারেই অধিনায়ক বাভুমাকে (১২) তুলে নেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। এরপরই জ্বলে ওঠেন জস হ্যাজেলউড। ফেরান ভ্যান ডার ডুসেনকে (৭)। এক ওভার পরেই তুলে নেন কুইন্টন ডিকককে (২)। ৪.১ ওভারের মধ্যে ২৩ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা। চাপ আরও বেড়ে যায় অষ্টম ওভারের শেষ বলে ক্লাসেন আউট হওয়ায়। ১৩ বলে ১৩ রান করে প্যাট কামিন্সের বলে স্টিভ স্মিথের হাতে ক্যাচ দেন ক্লাসেন। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন মার্করাম ও ডেভিড মিলার। অ্যাডাম জাম্পার বলে মিলার (১৬) আউট হতেই ধস নামে দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংসে। একে একে আউট হন প্রিটোরিয়াস (১), মাহরাজ (০), মার্করাম (৩৬ বলে ৪০)। রাবাডা ১৯ রানে অপরাজিত থাকেন। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১১৮ রান তোলে দক্ষিণ আফ্রিকা। ৪ ওভারে ১৯ রানে ২ উইকেট নেন হ্যাজেলউড। জয়ের জন্য ১১৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দ্বিতীয় ওভারে নর্টিয়ের বলে শূন্য রানে আউট হন ফিঞ্চ। অন্য ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার ১৫ বলে ১৪ রান করে রাবাডার বলে ফিরে যান। অষ্টম ওভারের পঞ্চম বলে মিচেল মার্শকে ফেরান কেশব মহারাজ। ১১ রান করে মার্শ আউট হন। এরপর স্টিভ স্মিথ ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েল দলকে টেনে নিয়ে যান। দলের ৮০ রানের মাথায় নর্টিয়ের বলে আউট হন স্টিভ স্মিথ। ৩৪ বলে তিনি করেন ৩৫ রান। তাবরেজ শামসিকে সুইচ হিট করতে গিয়ে বোল্ড হন ম্যাক্সওয়েল (১৮)। ম্যাক্সওয়েল আউট হওয়ার পর চাপে পড়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। শেষ পর্যন্ত মাথা ঠাণ্ডা রেখে দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন মার্কাস স্টয়নিস (অপরাজিত ২৪) ও ম্যাথু ওয়েড (অপরাজিত ১৫)। ২ বল বাকি থাকতে ৫ উইকেটে ১২১ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় অস্ট্রেলিয়া।

অক্টোবর ২৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Smriti Mandhana: আশঙ্কা অমূলক প্রমাণ করে গোলাপি টেস্টে দারুন শুরু স্মৃতিদের

অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে গোলাপি বলে ঐতিহাসিক টেস্ট খেলতে নামার আগে কিছুটা হলেও চাপে ছিল ভারতীয় দল। অস্ট্রেলিয়ার গোলাপি বলে খেলার অভিজ্ঞতা থাকলেও মিতালি রাজদের একেবারেই ছিল না। ভালভাবে অনুশীলনের সুযোগও পাননি। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজ শেষ হওয়ার পর মাত্র একটা সেশন অনুশীলনে সুযোগ পেয়েছিলেন গোলাপি বলে মানিয়ে নেওয়ার জন্য। তাতেই কামাল স্মৃতি মান্ধানাদের। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে দিনরাতের টেস্টের প্রথম দিনে রীতিমতো দাপট দেখালেন স্মৃতি, শেফালিরা। ঐতিহাসিক দিনরাতের টেস্টে দারুণ শুরু ভারতীয় মহিলা দলের। বৃষ্টিবিঘ্নিত প্রথম দিনের শেষে ১৩২/১।জুন মাসে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভারতের বেশ কয়েকজনের টেস্ট অভিষেক হয়েছিল। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে এদিন টেস্ট অভিষেক হল মেঘনা সিং ও ইয়াস্তিকা ভাটিয়ার। একদিনের সিরিজে দারুণ নজর কেড়েছিলেন এই দুই ক্রিকেটার। তার পুরস্কার পেলেন। এদিন টস জিতে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠায় অস্ট্রেলিয়া। দারুণ শুরু করেন ভারতের দুই ওপেনার স্মৃতি মান্ধানা ও শেফালি ভার্মা। আশঙ্কা ছিল গোলাপি বলে অস্ট্রেলিয়ার জোরে বোলাররা শুরুতেই চেপে বসবে ভারতীয়দের ওপর। কিন্তু এলিসে পেরি ও ডার্সি ব্রাউন কোনও প্রভাব বিস্তার করতে পারেননি দুই ভারতীয় ওপেনারের উপর। ভারতের ওপেনিং জুটিতে ২৫ ওভারে ওঠে ৯৩। শেষ পর্যন্ত জুটি ভাঙেন বাঁহাতি স্পিনার সোফিয়ে মলিনেক্স। মলিনেক্সের বল তুলে মারতে মিড অফে তালিয়া ম্যাকগ্রাথের হাতে ক্যাচ দেন শেফালি। ৬৪ বলে ৩১ রান করে তিনি আউট হন। ভারতের রান তখন ৯৩। শেফালি আউট হওয়ার পর দলকে টেনে নিয়ে যান স্মৃতি মান্ধানা ও পুনম রাউত। দুজনের অসমাপ্ত জুটিতে ওঠে ৩৯। এদিন টেস্ট জীবনের সর্বোচ্চ রান করেন স্মৃতি। তাঁর আগের সর্বোচ্চ রান ছিল ৭৮। ৪৪.১ ওভার পর বৃষ্টির জন্য খেলা বন্ধ হয়ে যায়। ভারতের রান তখন ১৩২/১। স্মৃতি ৮০ রানে ও পুনম ১৬ রানে অপরাজিত রয়েছেন। টেস্টের আগের দিন ভারতীয় দলের অধিনায়ক মিতালি রাজ আশঙ্কা করেছিলেন, গোলাপি বলে সুইং সামলাতে সমস্যা হবে। তাঁর সেই আশঙ্কা অমূলক প্রমাণ করে দিলেন স্মৃতিরা।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Pink Ball Test: ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণের সামনে দাঁড়িয়ে কেন চিন্তিত মিতালিরা?

ক্রিকেটের নন্দনকানন ইডেনে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে গোলাপি বলে টেস্ট অভিষেক হয়েছিল বিরাট কোহলিদের। এবার ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণের সামনে দাঁড়িয়ে মিতালি রাজরা। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে গোলাপি বলে টেস্ট অভিষেক হতে চলেছে মিতালিদের। বৃহস্পতিবার থেকে কুইন্সল্যান্ডের ক্যারারা ওভালে দিনরাতের টেস্ট খেলতে নামবে ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দল।২০০৬ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে শেষ টেস্ট খেলেছিল ভারত। ১৫ বছর পর আবার অসিদের বিরুদ্ধে মাঠে নামবেন মিতালিরা। ওই টেস্টে মিতালি রাজের সঙ্গে খেলেছিলেন ঝুলন গোস্বামী। এবারও তাঁরা মাঠে নামবেন। ওই টেস্টে খেলা কোনও ক্রিকেটার অবশ্য অস্ট্রেলিয়া দলে নেই। ঐতিহাসিক গোলাপি বলে দিনরাতের টেস্ট খেলার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক মিতালি রাজ। গোলাপি বলে টেস্ট খেলাটা চ্যালেঞ্জিং বলেও মনে করছেন তিনি। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে মিতালি বলেন, গোলাপি বলে একটা সেশন প্র্যাকটিস করেছি। অন্যরকম অভিজ্ঞতা। লাল বলের তুলনায় অনেক বেশি সুইং করে। ম্যাচে খেলাটা অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং হবে। একদিনের সিরিজের পর আরও কয়েকদিন অনুশীলনের সুযোগ পেলে ভাল হত। কিন্তু কিছু করার নেই। কোভিড প্রটোকলের জন্য মানিয়ে নিতে হচ্ছে।অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে গোলাপি বলের টেস্টে ঝুলন গোস্বামীদের ওপর ভরসা করছেন মিতালি রাজ। ভারতীয় দলের অধিনায়ক বলেন,আমাদের এই জোরে বোলিং শক্তি দেশের সর্বকালের অন্যতম সেরা। ঝুলনের প্রচুর অভিজ্ঞতা রয়েছে। একদিনের সিরিজে মেঘনা সিং দুর্দান্ত বোলিং করেছে। ওর বলে দারুন গতি আছে। দীর্ঘদিন পর জাতীয় দলে ফিরে এসে পুজা বাস্ত্রকার নিজেকে মেলে ধরেছে। ওকে অলরাউন্ডার হিসেবে তৈরি করার দিকে নজর দিচ্ছি।মাস দুয়েক আগে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট খেলেছিল ভারত। ফলোঅন করেও ম্যাচ বাঁচিয়েছিল ভারত। ওই টেস্টের লড়াই আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে মিতালিদের। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে ভারতীয় শিবিরকে চিন্তায় রাখছে হরমনপ্রীত কাউরের চোট। নেটে ব্যাট করার সময় আঙুলে ছোট পেয়েছেন। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে মাঠে নামতে পারবেন না।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২১
বিদেশ

Covid 19: কোভিড প্রজন্ম ভিন্নভাবে ভাষা ব্যবহার করবে

ভাষাবিদ-দের ধারণা কোভিড -১৯ একটি সম্ভাব্য অভিশাপ। ভাবুন, লক্ষ লক্ষ পরিবার কয়েক মাসের জন্য ঘরের ভিতরে বন্দি আছেন - তাঁরা সবাই যখন বাইরে আসবেন তখন কেমন লাগবে? সর্বোপরি, ফ্রান্সে বসবাসকারী ল্যাটিন ভাষী-রা তখনই ফরাসি হয়ে ওঠে, যখন ফ্রান্সের ল্যাটিন ভাষাভাষীরা একে অপরের সঙ্গে অনেক বেশি কথা বলে। দীর্ঘ সময় ধরে ইতালি ও স্পেন থেকে আগত মানুষজন ফ্রান্সে তাঁদের নিজেদের ভাষা থেকে আলাদা একটি ভাষা তৈরি করেছিল। যদি মানুষজন মাসের পর মাস ধরে তাঁদের বাড়িতে বন্দি থাকে, তার ফলস্বরূপ তাঁদের মধ্যে ভাষার আদানপ্রদান বন্ধ হয়ে এক নিস্তঃব্দতা জন্ম দেয়। এটা ভাষার বিকাশের ভয়ংকর অন্তরায়।তবে মহামারিটি এখনও তার ভাষা পরিবর্তন করবে ব্যাপকভাবে। শুধুমাত্র প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে নয়, বাচ্চাদের মধ্যেও এর প্রভাব পড়বে মারাত্মক ভাবে। অস্ট্রেলিয়ান ভাষায় এই সংকটটি আরও ভয়ংকর ভাবে প্রভাব বিস্তার করতে পারে তার কারণ হল এই দেশের ভাষা বৈচিত্র্য। এই দেশে, প্রতি চারটি শিশুর মধ্যে একটি বাচ্চা বাড়িতে থাকে যেখানে মূল ভাষা হিসেবে ইংরেজি ছাড়া অন্য ভাষাও বলা হয়ে থাকে। তবে, দুঃখজনক হলেও আসল সত্য হল এই যে, যতক্ষণ না মানুষের বিশাল জনগোষ্ঠী সেই ভাষায় বসবাস করছে ততক্ষন ভাষাগুলি সেই বাড়িটিকে অতীত করে তুলতে পারে না, যা স্প্যানিশ এবং ম্যান্ডারিন বা আরও কিছু বিচ্ছিন্ন সম্প্রদায়ের মতো মাত্র কয়েকজনের ক্ষেত্রে সত্য যেমন, ইয়েডিশ এবং জার্মান।আরও পড়ুনঃ তৃতীয় ঢেউয়ের সংক্রামণের রাশ টানতে ভিক্টোরিয়ায় বড়দিন পর্যন্ত লকডাউনের ঘোষণাদ্বিভাষিক বাড়িতে অনেক শিশু তাদের পিতা, মাতা এবং দাদু -ঠাকুমার ভাষা কাজ চালানোর মতো অল্প-স্বল্প শিখে নেয়। তারা খুব সাধারন বিষয়ে সাবলীলভাবে কথোপকথন শিখলেও, জটিল বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা করতে এবং ভাষার ব্যাকরণের অনেক বিষয় তাঁদের আয়ত্বের বাইরে থেকে যায়, সেই জন্য তাঁরা ভাষার আসল স্বাদ কখনই আস্বাদন করতে পারে না। ভাষা-তাত্ত্বিকরা এটাকে ঐতিহ্য ভাষা heritage language বলে থাকেন। এই স্তরে বসবাসকারীরা শুধুমাত্র একটি ভাষায়-ই কথা বলেন, তাঁরা কদাচিৎ তাঁদের সন্তানদের কাছে এই বার্তা পৌঁছে দেয়, এমনকি তারা একই ভাষার কথা বলা মানুষকেই বিবাহ করে যাতে ভাষার আদানপ্রদানে কোনও সমস্যা না হয়।তবে এটা সত্যিই মনে রাখার মত বিষয়, করোনা ভাইরাসের প্রভাব যতই খারাপ হোক, ঘরবন্দি মানুষজন অশুভ-র মধ্যেও কিছু শুভ জিনিস আয়ত্ত্ব করে ফেলছে। যে শিশুরা বাংলা বা ডেনিশ পিছলে যাচ্ছিল তারা এখন পিতামাতার (এবং বিশেষত অভিবাসী সম্প্রদায়, দাদু ঠাকুমার) সঙ্গে অসীম সময় কাটাচ্ছে এবং ছোটবেলা থেকে প্রথমবারের মতো প্রতিদিন সারাদিন ধরে মাতৃভাষার ব্যবহার করতে সক্ষম হয়েছে। আমি অনেক পিতামাতার কাছ থেকে শুনেছি যাঁরা বলে যে তাঁরা তাদের সন্তানের মাতৃভাষায় দক্ষতা বিস্ফোরিত বা কমপক্ষে উন্নতি দেখে সন্তুষ্ট।অর্ণব ঘোষ রায়মেলবোর্ন, অস্ট্রেলিয়াআইন স্নাতক (সম্মানিক)সদস্য, অস্ট্রেলিয়ান ল স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন (ALSA)এক্সিকিউটিভ মেম্বার অফ ডিসিপ্লিন এন্ড গ্রিভেন্স কমিটি

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

কালীঘাটে হঠাৎ সিআইডি, মমতার আত্মীয়ের ফ্ল্যাটে ঢুকতেই বাড়ল রহস্য

ফের কালীঘাটে দেখা গেল সিআইডির তৎপরতা। তবে এবার তদন্তকারীরা সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যাননি। পরিবর্তে তাঁরা পৌঁছন হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের একটি ফ্ল্যাটে, যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক আত্মীয় বসবাস করেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।বৃহস্পতিবার দুপুরে আচমকাই ওই এলাকায় সিআইডির কয়েকজন আধিকারিককে দেখা যায়। তাঁরা সরাসরি একটি নির্দিষ্ট ফ্ল্যাটে যাওয়ার আগে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং কিছু তথ্য জানার চেষ্টা করেন। এরপর তাঁরা সংশ্লিষ্ট ফ্ল্যাটে প্রবেশ করেন।প্রতিবেশীদের দাবি, ওই ফ্ল্যাটের দ্বিতীয় তলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক বোন থাকেন। তদন্তকারীরা সেখানেই গিয়েছিলেন। তবে কী কারণে এই সফর, কোন মামলার সূত্রে তদন্তকারীরা সেখানে পৌঁছেছেন, সে বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি ব্যাখ্যা সামনে আসেনি।উল্লেখ্য, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সই জাল সংক্রান্ত মামলাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বকে ঘিরে তদন্ত জোরদার হয়েছে। এর আগে একাধিকবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন জায়গায় তদন্তকারীরা গিয়েছেন। কালীঘাটের দলীয় কার্যালয়েও তল্লাশি চালানো হয়েছিল। পাশাপাশি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে।যদিও সংশ্লিষ্ট মামলায় আদালতের তরফে সাময়িক আইনি সুরক্ষা পেয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবুও তদন্ত প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কালীঘাটে সিআইডির নতুন পদক্ষেপ স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু করেছে।এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের দাবি, বিরোধী রাজনৈতিক অবস্থানের কারণেই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তবে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সেই অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী তাপস রায়ের বক্তব্য, তদন্তের সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই এবং আইন অনুযায়ী যা করার, তা-ই করা হচ্ছে।তবে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখনও অমীমাংসিত। ঠিক কোন মামলার সূত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আত্মীয়ের ফ্ল্যাটে তদন্তকারীরা পৌঁছলেন, সেই উত্তর এখনও সামনে আসেনি। আর সেই কারণেই কালীঘাটের এই ঘটনাকে ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হচ্ছে।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

দরজার বাইরে পুলিশ, ভিতরে নিষেধাজ্ঞা! মমতার বাড়িতে কী ঘটল বৃহস্পতিবার সকালে?

কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িকে ঘিরে বৃহস্পতিবারও তৈরি হল অস্বাভাবিক পরিস্থিতি। লালবাজারের পক্ষ থেকে আরও কয়েকজন নিরাপত্তা আধিকারিককে পাঠানো হলেও তাঁদের বাড়ির ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। ফলে সকাল থেকেই কালীঘাটের বাড়ির সামনে শুরু হয় নতুন জল্পনা।সূত্রের খবর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে তিনি নতুন নিরাপত্তারক্ষী নিতে রাজি নন। তাঁর দীর্ঘদিনের পরিচিত ও বিশ্বস্ত নিরাপত্তাকর্মীদের সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তে তিনি অসন্তুষ্ট বলেই জানা যাচ্ছে। সেই কারণেই নতুন করে পাঠানো নিরাপত্তাকর্মীদের গ্রহণ করা হয়নি।বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কয়েকজন পুলিশ আধিকারিক বাড়ির বাইরে অপেক্ষা করছিলেন। তাঁদের মধ্যে একজনকে কিছু সময়ের জন্য ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হলেও পরে তাঁকেও বাইরে বেরিয়ে আসতে বলা হয়। জানানো হয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নতুন নিরাপত্তারক্ষীদের গ্রহণ করতে চান না এবং সিদ্ধান্ত না বদলানো পর্যন্ত তাঁদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়।বর্তমানে কালীঘাটের বাড়ির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার দায়িত্ব সামলাচ্ছেন দলের কয়েকজন বিশ্বস্ত কর্মী। তাঁদের সঙ্গে সীমিত সংখ্যক পুলিশকর্মীও রয়েছেন। অন্যদিকে বাড়ির বাইরে কলকাতা পুলিশের বিশেষ বাহিনীর সদস্যরা নিয়মিত টহল চালাচ্ছেন।জানা গিয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কয়েকজন পুরনো নিরাপত্তারক্ষীকে তাঁদের আগের ইউনিটে ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ বিষয়টি নিয়ে উদ্যোগী হয়েছেন। বৃহস্পতিবার তিনি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুরনো নিরাপত্তারক্ষীদের ফেরানোর আবেদন জানান। তাঁর বক্তব্য, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত যাই হোক না কেন, দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ও আস্থার বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত। সূত্রের দাবি, এই বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।এদিকে তৃণমূলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিবর্তন করা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। দলের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন এই ঘটনাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার উদাহরণ বলে দাবি করেছেন।তবে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও কাটছাঁট করা হয়নি। তাঁর উচ্চস্তরের নিরাপত্তা বহাল রয়েছে। নিয়মিত প্রশাসনিক রদবদলের অংশ হিসেবেই নতুন নিরাপত্তাকর্মীদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই নতুন ব্যবস্থাকে গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।পুরনো নিরাপত্তারক্ষীদের প্রত্যাবর্তন হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে কালীঘাটের বাড়ির সামনে তৈরি হওয়া এই পরিস্থিতি এখন রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে অন্যতম আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে।

জুন ১৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মেসির হ্যাটট্রিক, রোনাল্ডোর ব্যর্থতা! শেষ বিশ্বকাপেই কি ভেঙে পড়ছে স্বপ্ন?

বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর সামনে এখন জীবনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। দীর্ঘ কেরিয়ারে অসংখ্য ট্রফি জিতলেও এখনও বিশ্বকাপ অধরা। আর সেই স্বপ্ন পূরণের জন্য এবারই সম্ভবত তাঁর শেষ সুযোগ।দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে আন্তর্জাতিক ফুটবলে রাজত্ব করছেন রোনাল্ডো। দুই হাজার তিন সালে দেশের জার্সিতে অভিষেকের পর থেকে অসংখ্য রেকর্ড গড়েছেন তিনি। কিন্তু বিশ্বকাপের মঞ্চে এখনও পর্তুগালকে চ্যাম্পিয়ন করতে পারেননি। দলের সেরা সাফল্য এখনও উনিশশো ছেষট্টি সালের তৃতীয় স্থান অর্জন।এই বিশ্বকাপে নামার আগে থেকেই রোনাল্ডোর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। বয়স এখন একচল্লিশ। অনেকের মতে, আগের মতো গতি ও ধার আর নেই তাঁর খেলায়। প্রথম ম্যাচে প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারার পর সেই সমালোচনা আরও বেড়েছে। বিশেষ করে একই দিনে লিওনেল মেসির দুরন্ত পারফরম্যান্সের পর সামাজিক মাধ্যমে রোনাল্ডোকে নিয়ে কটাক্ষও শুরু হয়েছে।পর্তুগালের প্রাক্তন ফুটবলার আন্তোনিও সিমোয়েসের মন্তব্য নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে। তাঁর দাবি, রোনাল্ডো অনেক সময় দলের চেয়ে নিজের খেলাকে বেশি গুরুত্ব দেন। যদিও এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত নন পর্তুগাল দলের কোচ রবার্তো মার্টিনেজ। তাঁর মতে, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের জার্সিতে রোনাল্ডোর গোলসংখ্যাই প্রমাণ করে তিনি এখনও দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।তবে পরিসংখ্যান অন্য আলোচনারও জন্ম দিয়েছে। সাম্প্রতিক কয়েকটি বড় জয়ে রোনাল্ডো মাঠে ছিলেন না। সেই কারণে অনেকেই মনে করছেন, তরুণ ফুটবলারদের নিয়ে ভবিষ্যৎ গড়ার সময় এসেছে পর্তুগালের। আবার অন্য একটি অংশের মতে, অভিজ্ঞতা, নেতৃত্ব এবং বড় ম্যাচের মানসিক শক্তির জন্য এখনও রোনাল্ডোর বিকল্প নেই।এই বিশ্বকাপ শুধু একটি টুর্নামেন্ট নয়, রোনাল্ডোর ফুটবল জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ও হতে পারে। কারণ বিশ্বকাপ জিততে পারলে তাঁর কেরিয়ার পূর্ণতা পাবে। আর যদি ব্যর্থ হন, তাহলে বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকার জীবন থেকে বিশ্বকাপ ট্রফির অপূর্ণতা হয়তো কোনও দিন মুছে যাবে না।এখন প্রশ্ন একটাই, শেষ সুযোগে কি ইতিহাস গড়তে পারবেন রোনাল্ডো? নাকি বিশ্বকাপের স্বপ্ন অধরাই থেকে যাবে? সেই উত্তর খুঁজতেই তাকিয়ে রয়েছে গোটা ফুটবল বিশ্ব।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

স্পিকারের সিদ্ধান্তেই সিলমোহর! বিরোধী দলনেতা নিয়ে হাই কোর্টে বড় মোড়

বিরোধী দলনেতা পদ নিয়ে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল কলকাতা হাই কোর্ট। বৃহস্পতিবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাও স্পষ্ট জানিয়ে দেন, আপাতত বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ই বহাল থাকবেন। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের আবেদনে এই মুহূর্তে কোনও হস্তক্ষেপ করল না আদালত।রাজ্যের পালাবদলের পর বিরোধী দলনেতা নির্বাচনকে ঘিরে শুরু হয় বিতর্ক। একদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রস্তাবে বালিগঞ্জের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম সামনে আসে। অন্যদিকে এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহা দাবি করেন, অধিকাংশ বিধায়কের সমর্থন রয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে। সেই দাবি এবং জমা দেওয়া নথির ভিত্তিতেই বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসু ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেন।স্পিকারের এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। গত কয়েক দিন ধরে মামলার শুনানিতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠে আসে। স্পিকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়েও আদালত প্রশ্ন তোলে। বিচারপতি জানতে চান, কীভাবে নিশ্চিত হওয়া হয়েছিল যে কোন পক্ষের সমর্থন বেশি।শুনানির সময় স্পিকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রথমে জমা দেওয়া চিঠিতে বিধায়ক দলের বৈঠকের বিস্তারিত তথ্য ছিল না। পরে সেই সংক্রান্ত নথি চাওয়া হয়। এর মধ্যেই কয়েকজন বিধায়ক অভিযোগ করেন, তাঁদের নামে থাকা কিছু স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে। এই অভিযোগ সামনে আসতেই বিষয়টি আরও জটিল হয়ে ওঠে।অন্যদিকে সন্দীপন সাহার পক্ষ থেকে স্পিকারের কাছে একটি পৃথক চিঠি জমা দেওয়া হয়। সেখানে দাবি করা হয়, সংখ্যাগরিষ্ঠ বিধায়কের সমর্থন রয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে। সেই নথি বিবেচনা করেই স্পিকার তাঁকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেন।বৃহস্পতিবার আদালত জানিয়ে দিয়েছে, বিরোধী ব্লকের নির্বাচিত নেতৃত্বের বিষয়ে এই মুহূর্তে কোনও অন্তর্বর্তী হস্তক্ষেপ করা হবে না। ফলে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ই দায়িত্ব পালন করবেন। তবে মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি এখনও হয়নি। আগামী আটাশে জুলাই ফের এই মামলার শুনানি হবে।উল্লেখযোগ্যভাবে, বিধানসভার বাজেট অধিবেশন শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগেই এই নির্দেশ এসেছে। ফলে রাজনৈতিক মহলে এই রায়কে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিরোধী শিবিরের নেতৃত্ব নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, আপাতত তাতে সাময়িক ইতি টানল কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

শেষ মুহূর্তে বড় রায়! মোদির যোগ দিবস নিয়ে হাই কোর্ট যা বলল, বদলে গেল সব হিসাব

আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে কলকাতার রেড রোডে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আর কোনও আইনি বাধা রইল না। বৃহস্পতিবার কলকাতা হাই কোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী রেড রোডেই যোগ দিবস পালন করা যাবে। তবে সাধারণ মানুষের স্বার্থে বিকল্প রাস্তার ব্যবস্থা করতে হবে এবং অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর দ্রুত রেড রোড খুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।একুশে জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে কলকাতায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই উপলক্ষে রেড রোডে বড় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানের প্রস্তুতির জন্য কয়েক দিনের জন্য রেড রোডে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্য সরকার। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা দায়ের করা হয়েছিল।বৃহস্পতিবার সেই মামলার শুনানিতে আদালত অন্তর্বর্তী কোনও স্থগিতাদেশ দেয়নি। ফলে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী রেড রোডে যোগ দিবসের অনুষ্ঠান আয়োজনের পথে আর কোনও বাধা থাকল না। তবে আদালত জানিয়েছে, সাধারণ মানুষের যাতায়াতে যাতে অসুবিধা না হয়, তার জন্য পুলিশকে বিকল্প পথের ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি একুশে জুনের অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর দ্রুত রেড রোড খুলে দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।আদালত মামলাকারী পক্ষ এবং রাজ্য সরকারকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। ফলে মামলার আইনি প্রক্রিয়া এখনও চলবে, তবে যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে তার কোনও প্রভাব পড়ছে না।এদিকে যোগ দিবসকে ঘিরে শহরজুড়ে প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। একুশে জুন রেড রোডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে প্রধান অনুষ্ঠান হওয়ার কথা। তার আগে বিশে জুন গঙ্গাবক্ষে বিশেষ যোগাভ্যাস কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। প্রায় পাঁচশো নৌকোয় একযোগে যোগাভ্যাসের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।সূত্রের খবর, মিলেনিয়াম পার্ক, বাবুঘাট, প্রিন্সেপ ঘাট এবং বেলুড়-দক্ষিণেশ্বর সংলগ্ন এলাকায় এই বিশেষ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হতে পারে। পাশাপাশি ড্রোন প্রদর্শনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।হাই কোর্টের এই নির্দেশের পর যোগ দিবসের প্রস্তুতিতে প্রশাসনের গতি আরও বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে কলকাতার অন্যতম বড় কর্মসূচির পথে আপাতত সমস্ত আইনি জট কেটে গেল।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

মমতার সবচেয়ে ভরসার নেতাই কি দিলেন বড় ধাক্কা? দলীয় তহবিল ঘিরে অরূপের চিঠিতে তোলপাড়

এক সময় তিনি ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সবচেয়ে বিশ্বস্ত নেতাদের অন্যতম। কিন্তু এখন সেই অরূপ বিশ্বাসকে ঘিরেই তৈরি হয়েছে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক। দলীয় তহবিলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ব্যাঙ্কের কাছে চিঠি পাঠিয়ে তৃণমূলের অন্দরে নতুন জল্পনার জন্ম দিলেন তিনি।সূত্রের খবর, বারো জুন একটি চিঠি পাঠিয়ে অরূপ বিশ্বাস নিজেকে দলের কোষাধ্যক্ষ হিসেবে উল্লেখ করেন। সেই চিঠিতে তিনি দাবি করেন, দলের সংসদীয় ও পরিষদীয় শিবিরে বিভাজন তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দলীয় তহবিলের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কের কাছে অ্যাকাউন্ট স্থগিত রাখার আবেদন জানান তিনি।তবে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ সেই আবেদন গ্রহণ করেনি বলেই জানা যাচ্ছে। কারণ তার আগেই দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব অরূপ বিশ্বাসের হাত থেকে সরিয়ে শুভাশিস চক্রবর্তীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল। পাঁচ জুন সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া মেনে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং ব্যাঙ্ককেও তা জানানো হয়েছিল।দলীয় সূত্রের দাবি, গত কয়েক মাস ধরেই অরূপ বিশ্বাসকে ঘিরে অস্বস্তি বাড়ছিল। কালীঘাটে একাধিক বৈঠকে তাঁর সঙ্গে মতবিরোধের পরিস্থিতিও তৈরি হয়েছিল বলে খবর। এমনকি তাঁকে ডাকা হলেও সব সময় তিনি উপস্থিত থাকতেন না বলেও অভিযোগ রয়েছে।এরই মধ্যে মেসি-কাণ্ডে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ সামনে আসে। আর্থিক লেনদেন সম্পর্কিত কিছু প্রশ্নও ওঠে। দলীয় নেতৃত্বের পক্ষ থেকে ব্যাখ্যা চাওয়া হলেও সন্তোষজনক উত্তর পাওয়া যায়নি বলে সূত্রের দাবি।রাজনৈতিক মহলে আরও একটি জল্পনা ছড়িয়েছে। অরূপ বিশ্বাসের সঙ্গে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের যোগাযোগ রয়েছে কি না, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি অরূপ।সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠছে, যখন তাঁর কাছ থেকে কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব আগেই সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল, তখন কেন বারো জুন তিনি ব্যাঙ্কে এই চিঠি পাঠালেন? রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এর পিছনে অন্য কোনও কৌশল থাকতে পারে। আবার অন্য অংশের দাবি, তিনি হয়তো দলীয় তহবিলের নিরাপত্তা নিয়েই উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন।এদিকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বহাল রেখেছে কলকাতা হাই কোর্ট। সেই প্রেক্ষাপটে দলীয় তহবিলের নিয়ন্ত্রণ নিয়েও নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। সন্দীপন সাহার বক্তব্য, অরূপ বিশ্বাস কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্বে থাকাকালীন মনে করেছিলেন যে অ্যাকাউন্টে কোনও অনিয়ম হতে পারে। সেই কারণেই তিনি ব্যাঙ্ককে সতর্ক করার চেষ্টা করেছিলেন।তবে এই ঘটনার পর তৃণমূলের অন্দরের সমীকরণ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের আস্থাভাজন নেতা অরূপ বিশ্বাসের এই পদক্ষেপ শুধুই প্রশাসনিক উদ্বেগ, নাকি এর পিছনে রয়েছে বড় রাজনৈতিক বার্তা সেই প্রশ্নই এখন সবচেয়ে বেশি আলোচনায়।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

অবশেষে লুকিয়ে থাকা ভাঙল! তিনবার এড়িয়ে শেষে থানায় অরূপ, সামনে এল মেসি-কাণ্ডের নতুন মোড়

অবশেষে মেসি-কাণ্ডের তদন্তে বিধাননগর দক্ষিণ থানায় হাজির হলেন রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। এর আগে পুলিশের পাঠানো তিনটি নোটিসের পরও তিনি হাজিরা দেননি। ফলে তাঁকে ঘিরে গ্রেপ্তারের আশঙ্কা এবং রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছিল। বৃহস্পতিবার সকাল প্রায় দশটার আগে তিনি থানায় পৌঁছন এবং তদন্তকারীদের প্রশ্নের মুখোমুখি হন।মেসি সফরকে ঘিরে বিতর্কের সূত্রপাত গত ডিসেম্বর মাসে। ফুটবল তারকা লিওনেল মেসির ভারত সফরের উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্ত অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ এনে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর দাবি, মেসির অনুষ্ঠানের জন্য প্রায় সত্তর হাজার টিকিট ছাপানো হয়েছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, তার মধ্যে প্রায় বাইশ হাজার টিকিট অরূপ বিশ্বাস নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছিলেন এবং সেগুলির একটি অংশ অন্যত্র বিক্রি করা হয়েছিল।শুধু টিকিট বিতর্কই নয়, মেসির সফরের সময় নির্ধারিত নিরাপত্তা বিধি মানা হয়নি বলেও অভিযোগ ওঠে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু করে পুলিশ এবং অরূপ বিশ্বাসকে একাধিকবার হাজিরার নোটিস পাঠানো হয়। তবে তিনি বারবার হাজিরা এড়িয়ে যান।যদিও এই মামলায় আপাতত স্বস্তি পেয়েছেন অরূপ বিশ্বাস। হাই কোর্ট জানিয়েছে, আগামী সতেরো অগস্ট পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না। তবে তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করার নির্দেশও দিয়েছে আদালত। সেই নির্দেশের পরই তাঁর এই হাজিরা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।এদিকে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে মেসির নিজস্ব ব্যবস্থাপনা দলের একটি চিঠি ঘিরে। কলকাতার পুলিশ কমিশনারের কাছে পাঠানো ওই চিঠিতে অভিযোগ করা হয়েছে, মেসির উপস্থিতির সময় মাঠে প্রবেশের ক্ষেত্রে কড়া বিধিনিষেধ ছিল। নিয়ম অনুযায়ী, মাঠের ভেতরে কোনও বিশেষ অতিথি বা ভিআইপির থাকার অনুমতি ছিল না। কিন্তু সেই নিয়ম ভেঙে তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী মাঠে প্রবেশ করেছিলেন বলে অভিযোগ।মেসির ব্যবস্থাপনা দলের দাবি, ছবি তোলার সময় বারবার মেসির খুব কাছে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল এবং অপ্রয়োজনীয় শারীরিক যোগাযোগের ঘটনাও ঘটে। পাশাপাশি পুরো নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছে তারা। এই সমস্ত অভিযোগের জেরেই মেসি-কাণ্ডের তদন্ত নতুন মাত্রা পেয়েছে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

জুন ১৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

অ্যাসিড হামলায় প্রায় অন্ধ হয়ে গিয়েছিলেন! বিশ্বকাপে রোনাল্ডোর পর্তুগালের বিরুদ্ধে গোল করে ইতিহাস গড়লেন কঙ্গোর নায়ক

পাঁচ বছর আগে ভয়াবহ এক অ্যাসিড হামলায় বদলে গিয়েছিল তাঁর জীবন। মুখ ঝলসে গিয়েছিল, দৃষ্টিশক্তিও প্রায় হারাতে বসেছিলেন। অনেকেই ভেবেছিলেন, তাঁর ফুটবল জীবন হয়তো সেখানেই শেষ। কিন্তু স্বপ্নকে হার মানাতে পারেনি সেই ভয়ঙ্কর আঘাত। আজ সেই ফুটবলারই বিশ্বকাপের মঞ্চে ইতিহাস গড়ে কোটি মানুষের অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছেন।কঙ্গোর তারকা ইয়োয়ান উইসার জীবন যেন এক রূপকথার গল্প। বিশ্বকাপে পর্তুগালের বিরুদ্ধে তাঁর করা একটি গোল শুধু ম্যাচে সমতা ফেরায়নি, ইতিহাসও তৈরি করেছে। বিশ্বকাপে কঙ্গোর হয়ে প্রথম গোল করার কৃতিত্ব এখন তাঁর নামের পাশে।ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই কর্নার থেকে আসা বল দুরন্ত হেডে জালে জড়িয়ে দেন উইসা। সেই গোলের পর উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে গোটা কঙ্গো। দীর্ঘ বিরতির পর বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরে পর্তুগালের মতো শক্তিশালী দলকে আটকে দেওয়ায় আনন্দের বন্যা বইতে শুরু করে দেশজুড়ে।কিন্তু এই সাফল্যের পিছনে লুকিয়ে রয়েছে ভয়াবহ এক অধ্যায়। দুই হাজার একুশ সালের এক জুলাই নিজের বাড়িতে ভয়ঙ্কর অ্যাসিড হামলার শিকার হন উইসা। এক নারী তাঁর বাড়িতে ঢুকে আচমকা মুখে অ্যাসিড ছুড়ে দেয়। এমনকি তাঁর মেয়েকে অপহরণের চেষ্টাও করা হয়েছিল বলে অভিযোগ।গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। চিকিৎসকদের একাধিক অস্ত্রোপচার করতে হয়। চোখের গুরুতর ক্ষতি হয়েছিল। দীর্ঘ সময় চিকিৎসার মধ্যে থাকতে হয়েছিল তাঁকে। পরে আদালতে উইসা জানিয়েছিলেন, সেই মুহূর্তে তিনি শ্বাস নিতে পারছিলেন না এবং চিকিৎসকেরা জানিয়েছিলেন তাঁর চোখ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।দীর্ঘ তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়ার পর অভিযুক্ত নারীকে হত্যাচেষ্টা এবং অপহরণের দায়ে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে আদালতের রায় এলেও উইসার জীবনের ক্ষত সহজে মুছে যায়নি। শারীরিক কষ্টের পাশাপাশি মানসিকভাবেও ভেঙে পড়েছিলেন তিনি।তবুও তিনি হার মানেননি। ধীরে ধীরে মাঠে ফিরেছেন, নিজেকে নতুন করে গড়েছেন। পরিবারের সমর্থন এবং সন্তানদের কথা ভেবেই তিনি আবার স্বাভাবিক জীবনে ফেরার শক্তি পেয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন।আজ সেই উইসাই বিশ্বকাপের মঞ্চে দাঁড়িয়ে নতুন ইতিহাস লিখেছেন। অ্যাসিড হামলার বিভীষিকা থেকে উঠে এসে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুটবল আসরে গোল করা শুধু একটি ক্রীড়া সাফল্য নয়, এটি মানুষের অদম্য ইচ্ছাশক্তি এবং লড়াইয়ের এক অনন্য উদাহরণ।কঙ্গোর মানুষ আজ তাঁকে শুধু ফুটবলার হিসেবে নয়, আশা এবং সাহসের প্রতীক হিসেবেও দেখছেন। কারণ তিনি প্রমাণ করেছেন, জীবনে যত বড় ঝড়ই আসুক, স্বপ্নকে থামানো যায় না।

জুন ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal