• ৪ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার ২০ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Art

রাজ্য

ন্যাশনাল লাইব্রেরিতে মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর বক্তব্য একনজরে

গুরু গোবিন্দ সিং ৪ জন সাহেবজাদা মুঘলদের অনেক অত্যাচার সহ্য করেছিলেন, কিন্তু নিজের ধর্ম ত্যাগ করেননি, তাঁর বীরত্বের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে মোদীজি তাঁদের শাহাদাত দিবসকে বীর বাল দিবস হিসেবে পালন করার সিদ্ধান্ত নেন।◈ পশ্চিমবঙ্গে দিদির ভয়ে, প্রিন্ট মিডিয়া এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়া জনসাধারণের কাছে বিজেপির মতামত প্রকাশ করতে দেয় না।◈ সোশ্যাল মিডিয়া কর্মীদেরকে কেউই বাংলায় বিজেপির পদ্ম চিহ্ন এবং আবার একবার মোদি সরকারের স্লোগান পৌঁছানোর ক্ষেত্রে বাধা দিতে পারবে না।◈ ২০১৫ তে দিদি বিজেপিকে গুরুত্ব দেননি, কিন্তু আমাদের কর্মীরা লোকসভায় ১৮টি আসন এবং বিধানসভায় ৭৭টি আসন জিতেছিল।◈ আমরা বিধানসভায় ৩ থেকে ৭৭ টি আসন পেয়েছি। লোকসভায় আমরা শূন্য থেকে ১৮ টি আসন লাভ করেছি। আগামী দিনে ৩৫ টি আসন পাবো সেটা দিদিও ভালো ভাবে জানে। ◈ এ বার মোদী সরকারের পশ্চিমবঙ্গ থেকে ৩৫টি আসন আসবে।◈ যদি আপনারা বাংলা থেকে ৩৫ টি পদ্ম দেন তাহলে সোনার বাংলার গ্যারেন্টি মোদীর। ◈ স্বাধীনতার আগে বাংলা সব ক্ষেত্রেই এগিয়ে ছিল, কিন্তু দিদির শাসনে বাংলা কালো টাকা, সিন্ডিকেট, অনুপ্রবেশ ও দুর্নীতির শিকার হয়েছে।◈ বাংলায় যেখানে আগে রবীন্দ্রসংগীত শোনা যেত, আজ সেখানে বোমা বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়।◈ যখন বাংলা থেকে বামপন্থী শাসন উচ্ছেদ করা হয়েছিল, তখন গোটা দেশ এবং বাংলার মানুষ খুশি হয়েছিল, কিন্তু দিদি যেভাবে শাসন চালিয়েছেন তাতে জনগনের বক্তব্য হলো যে বামপন্থীরা এর চেয়ে ভাল ছিল।◈ যাদের বাড়ি থেকে ৫০-৫০ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত হয়েছে, তাদের কনস্টেবল বলে ডেকেছেন দিদি, যখন কনস্টেবলের কাছে এত টাকা তখন মালিকদের কাছে কত টাকা থাকবে?◈ বাংলায় বিজেপি সরকারের অর্থ - অনুপ্রবেশ এবং গরু চোরাচালান বন্ধ করা এবং শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়া।◈ দিদি শরণার্থীদের বিভ্রান্ত করার জন্য জিজ্ঞাসা করলেন CAA কার্যকর হবে কি না? CAA দেশের আইন এবং এটি বলবৎ থাকবে।মোদিজির নেতৃত্বে, ভারত সব ক্ষেত্রেই উন্নতি করছে, কিন্তু বাংলাতে কোনো পরিবর্তন হয়নি, কারণ দিদি ভয় পাচ্ছেন যে যদি মোদির পরিকল্পনাগুলি সবার কাছে পৌছে যায়, তাহলে ওনার ভোট বেস ভেস্তে যাবে।◈ দিদি! আপনার সমর্থনের ভিত্তি কমে গেছে এবং বাংলার মানুষরা সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে এবার মোদি সরকার গঠন করা হবে।◈ দিদি দুর্নীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছেন। এনারা তাদের কাটমানি বিদেশে নিয়ে যায়, বাংলো তৈরি করে এবং তারপর চপ্পল পরে ঘুরে বেড়ায়। এখন আর চপ্পলের ফাঁদে পা দেবে না বাংলার মানুষ। বাংলার মানুষ কোটি টাকার বাংলো, কাটমানি, সিন্ডিকেট, অনুপ্রবেশকারী ও মাফিয়াদের হিসাব চায় এবং এই হিসাব মমতা দিদিকে দিতে হবে।◈ গোটা দেশ জানে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি কর্মীদের কী ধরনের অত্যাচার সহ্য করতে হয়েছে। সারা দেশে বিজেপি কর্মীরা আপনাদের পাশে দাঁড়িয়েছে।◈ দিদি ভোট ব্যাংকের জন্য অনুপ্রবেশকারীদের আঁকড়ে ধরে দেশের নিরাপত্তা সাথে খেলা করছেন।◈ TMC সাংসদ সদস্যরা তাদের লোকসভা অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড একজন ব্যবসায়ীকে দেন, সাংসদরা যারা টাকা এবং দামি উপহার নিয়ে প্রশ্ন করেন তারা দেশকে নিরাপদ কি করে রাখতে পারবে? তারা বাংলার দারিদ্রতা এবং গ্রামের বিদ্যুৎ নিয়ে প্রশ্ন করেনি, কারণ গরিব মানুষ তাদের দামী উপহার দিতে পারে না।◈ একজন তৃণমূল সাংসদ দেশের উপরাষ্ট্রপতিকে নকল করে সাংবিধানিক পদের অবমাননা করেছেন।◈ ২০০৪-১৪ সালে, দিদির সমর্থিত ইউপিএ সরকার বাংলাকে ২ লক্ষ কোটি টাকা দিয়েছিল। ২০১৪-২৩ সালে, মোদী বাংলাকে ৭ লক্ষ ১৭ হাজার কোটি টাকা দিয়েছিলেন।◈ বাংলার মানুষ মমতা দিদির কাছে এই নির্বাচনে মোদী সরকারের দেওয়া প্রতিটি টাকার হিসাব চাইবে।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২৩
রাজ্য

২০২৪ লোকসভা বাজিমাত করতে বঙ্গ বিজেপির নয়া টিম ঘোষণা নাড্ডা-শাহর

২০২৪ লোকসভা নির্বাচনের মাত্র কয়েক মাস আগে জেপি নাড্ডাকে সঙ্গে নিয়ে বঙ্গসফরে অমিত শাহ। দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দেশে চব্বিশের লড়াইয়ে ঝাঁপাতে আগেভাগে একাধিক পদক্ষেপ শুরু করে দিয়েছিলেন বঙ্গ বিজেপির নেতারা। তবে এবার অমিত শহ, জেপি নাড্ডারা এসে সেই তৎপরতাকে আরও গতি দিলেন। সেই সঙ্গে আগামী লোকসভা নির্বাচনে অলআউট লড়াইয়ে ঝাঁপাতে তৈরি হল নয়া টিম। ১৫ জনের নতুন টিম তৈরি হল শাহ-নাড্ডাদের হাত ধরেই। শাহের সেই ম্যানেজমেন্ট টিম ঘিরেই শুরু হয়েছে জোর চর্চা। বঙ্গ বিজেপির বেশ কয়েকটি অত্যন্ত চেনা মুখেরও ঠাঁই হয়নি সেই ১৫ জনের বিশেষ টিমে।চব্বিশের লড়াইয়ে প্রতিপক্ষকে কঠিন চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে কোমর বেঁধে কাজ শুরু বিজেপির। ভোটের আগে এবার রাজ্য সফরে বিজেপির শীর্ষ সেনাপতি অমিত শাহ, সঙ্গে দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। শাহের নির্দেশে ১৫ জনের একটি টিম তৈরি হয়েছে। এই টিমই দলের তরফে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের যাবতীয় দায়িত্ব সামলাবেন বলে সূত্রের খবর। মঙ্গলবার এই নতুন টিমের সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন অমিত শাহ ও জেপি নাড্ডা।রাজ্য বিজেপি সূত্রে খবর, এই ১৫ জনের টিমে রয়েছেন চার কেন্দ্রীয় অবজার্ভার। তাঁরা হলেন, অমিত মালব্য, সুনীল বনশাল, আশা লাখরা এবং মঙ্গল পান্ডে। তবে টিমের বাকি ১১ জনই এরাজ্যের। রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, সাংসদ দিলীপ ঘোষ, রাহুল সিনহা, অগ্নিমিত্রা পাল, জগন্নাথ সরকার, অমিতাভ চক্রবর্তী, সতীশ ধন্দ, জ্যোতির্ময় মাহাতো, দীপক বর্মনের পাশাপাশি ১৫ জনের টিমে রয়েছেন সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়ও।তবে ১৫ জনের এই টিমে জায়গা হয়নি এরাজ্য থেকে নির্বাচিত চার কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর। নিশীথ প্রামাণিক, শান্তনু ঠাকুর, সুভাষ সরকার ও জন বার্লা ঠাঁই পায়নি শাহ-নাড্ডাদের ঘোষিত দলে।।

ডিসেম্বর ২৬, ২০২৩
রাজনীতি

শাহ- নাড্ডা জুটি বঙ্গ সফরে, ২০২৪-এর লক্ষ্যে নয়া স্ট্র্যাটেজি

বছর শেষের আগেই ফের বঙ্গ সফরে অমিত শাহ-জে পি নাড্ডা! আজ, মঙ্গলবার দিনভর তাঁদের একগুচ্ছ কর্মসূচি। লোকসভা ভোটে গেরুয়া শিবিরের কৌশল কী হবে? কীভাবে সাজানো হবে রণনীতি? সবথেকে বেশি জোর দেওয়া হবে কোন কেন্দ্রগুলোতে?বিজেপি সূত্রে দাবি, একাধিক বিষয় নিয়ে রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন অমিত শাহ ও জেপি নাড্ডা। যেখানে মূলত থাকবেন, বিজেপি জেলা ও সাংগঠনিক জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা, কোর কমিটির সদস্য ও পর্যবেক্ষকরা। মঙ্গলবারের বৈঠকের আগে লোকসভা কেন্দ্র ধরে ধরে রিপোর্ট তৈরি রাখার নির্দেশ দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।গতবার যে আসনগুলোতে বিজেপি হেরেছে, সেগুলোর জন্য নয়া রণকৌশল নেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে ৪টে করে আসন পিছু একজন বিশেষ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে ৪২টি লোকসভা কেন্দ্র ধরে ধরে বিজেপির সাংগঠনিক জেলা তৈরি করা হয়েছে। বিজেপি সূত্রে দাবি, কোন কোন কেন্দ্রগুলোতে বিজেপির জয়ের সম্ভাবনা আছে, কোথায় ভাল লড়াই দেওয়ার জন্য় তারা প্রস্তুত কোথায় সেই সম্ভাবনা কম, তার ভিত্তিতেই কেন্দ্র ধরে ধরে রিপোর্ট তৈরি করা হচ্ছে।মাস খানেক আগেই শহরে এসেছিলেন অমিত শাহ। ধর্মতলায় ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে বিজেপির বিরাট প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রেখেছিলেন শাহ। শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, লোকসভা ভোট শিয়রে তাই অগোছাল বঙ্গ বিজেপিকে চাঙ্গা করতে এবার ঘন ঘন আসবেন শাহ-নাড্ডারা। তৃণমূল নেতাদের ভাষায় ডেইলি প্যাসেঞ্জারি করবেন গেরুয়া শিবিরের শীর্ষ নেতারা। তাতে অবশ্য জোড়াতাপ্পি মারা সম্ভব নয় বলে দাবি তৃণমূলের। ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে জয়ী আসন কিভাবে ধরে রাখা যায় তা নিয়েও স্ট্র্যাটেজি নিচ্ছে বিজেপি। বিজেপির বঙ্গ সংগঠনে খোলনলচে সম্পর্কে অবগত রয়েছেন অমিত শাহ। নয়া সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব রয়েছে জেপি নাড্ডার। তাই এবার শাহ-নাড্ডা জুটি একযোগে অপারেশন শুরু করল বাংলায়।

ডিসেম্বর ২৬, ২০২৩
রাজ্য

পার্থর বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের চিকিৎসার জন্য আদালতের নির্দেশ জেল কতৃপক্ষকে

পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পর এবার অর্পিতা মুখোপাধ্যায়। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জেলবন্দি অর্পিতা মুখোপাধ্যায় অসুস্থ। তাঁর চিকিৎসার ব্যাপারে এবার জেল কর্তৃপক্ষকে নিজেদের দায়িত্ব মনে করাল আদালত। মঙ্গলবার বিচার ভবনে প্রাথমিকে নিয়োগ সংক্রান্ত ইডির মামলার শুনানি ছিল। সেই শুনানিতেই জেল কর্তৃপক্ষকে আদালত অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের চিকিৎসায় যাতে কোনও ত্রুটি না হয় সেব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলেছে।উল্লেখ্য, বিচার ভবনে আজ প্রাথমিকে নিয়োগে ইডির মামলার শুনানি ছিল। সেই শুনানিতে পার্থ চট্টোপাধ্যায়, অর্পিতা মুখোপাধ্যায়-সহ অন্যান্য অভিযুক্তদের হাজিরার কথা ছিল। তবে শারীরিক অসুস্থতার কারণে এদিন সশরীরে আদালতে হাজির হননি অর্পিতা মুখোপাধ্যায়। ভার্চুয়ালি আদালতে হাজিরা দিছেছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বান্ধবী। জেলে তাঁর অসুস্থতার চিকিৎসা চললেও তা পর্যাপ্ত নয় বলে মনে করেন অর্পিতা মুখোপাধ্যায়।এদিন অর্পিতার সঙ্গে ভার্চুয়ালি কথা হয়েছে বিচারকের। তবে তাঁর আইনজীবী এদিন সওয়াল করতে গিয়ে জানান, অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের চিকিৎসার জন্য উন্নত কোনও বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া দরকার। তবে আদালত অনুমতি দিলে কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনস্থ কম্যান্ড হাসপাতালেও তাঁর মক্কেলের চিকিৎসা হতে পারে।এরপরেই জেল কর্তৃপক্ষকে তাঁদের দায়িত্ব মনে করিয়ে দিয়েছেন বিচারক। তিনি এদিন জেল কর্তৃপক্ষের উদ্দেশ্যে জানান, তাঁদের কাজে যেন কোনও সন্দেহ তৈরি না হয়। অর্পিতা মুখোপাধ্যায় যেন এটা বুঝতে পারেন যে তাঁর প্রয়োজনীয় চিকিৎসা করা হচ্ছে। এরপরেই বিচারক জেল কর্তৃপক্ষের উদ্দ্যেশ্যে আরও বলেন, চিকিৎসার জন্য তো আপনারা এসএসকেএমে-ও পাঠান। সেটাই তো রাজ্যের বেস্ট সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল। এটা দয়া করে দেখুন। ওঁর চিকিৎতা যেন দ্রুত হয়।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২৩
রাজনীতি

মমতার মুখে কেষ্ট, পার্থ, বালু, মানিকের নাম, নেত্রীর হুঙ্কার গ্রেফতারের বদলা দ্বিগুন হবে

নেতাজি ইন্ডোরে তৃণমূলের বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে কেষ্ট, বালু, পার্থ, মানিকের নাম। একদা ঘনিষ্ঠ এই চারজনের জেলবন্দি দশায় এখনও বেজায় ক্ষিপ্ত তৃণমূল সুপ্রিমো। একইসঙ্গে বেশ কিছুদিন পর এবার বদলার কথা তৃণমূল সুপ্রিমোর মুখে। বৃহস্পতিবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে তৃণমূলের এই গুরুত্বপূর্ণ সভায় দলের মন্ত্রী, বিধায়ক, সাংসদদের পাশাপাশি দলের সভাপতি, ব্লক সসভাপতি-সহ অন্য নেতা-কর্মীরাও হাজির ছিলেন।লোকসভা ভোটের কয়েক মাস আগে বৃহস্পতিবার নেতাজি ইন্ডোরের সভা থেকে ২০২৪-এর লক্ষ্য স্থির করে দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। কোন কোন ইস্যু তুলে ধরে লোকসভার লড়াইয়ে ঝাঁপাতে হবে, দলনেত্রীর তরফে স্পষ্ট নির্দেশ এল মন্ত্রী-বিধায়ক-সাংসদ ও অন্য নেতাদের কাছে। এদিন দুর্নীতি ইস্যুতে সাম্প্রতিক সময়ে তৃণমূলের দিকে ধেয়ে আসা তিরের পাল্টা হামলার রূপরেখাও ঠিক করে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পার্থ চট্টোপাধ্যায়, মানিক ভট্টাচার্য, অনুব্রত মণ্ডল ও সব শেষে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের গ্রেফতারি যে এখনও তাঁকে কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে, এদিন তাঁর কথায় তা আবারও স্পষ্ট হয়েছে।আমাদের লোকেরা সবাই চোর? দুর্নীতি দেখাচ্ছে। টাকা দিয়ে বলা হচ্ছে চোর বলতে। তৃণমূলকে চোর না বললে ইডি-সিবিআই রেড করবে। খুব হাসছেন! পার্থ জেলে, কেষ্ট জেলে, মানিক জেলে, বালু জেলে। আরও অনেকেই জেলে আছেন। গদ্দার বলছে, অমুক দিন ওর বাড়িতে যাবে। লুঠ করে নিয়ে চলে এল। সিজার লিস্টও দিল না। দিল্লির সরকার সবাইকে আন্ডার গান রেখে দিয়েছে।গরুপাচার কাণ্ডে গ্রেফতার অনুব্রত মন্ডল এখনও বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক এখনও রাজ্যের বনমন্ত্রী। মানিক ভট্টাচার্য দলীয় বিধায়ক। পার্থ চট্টোপাধ্যায় দল থেকে বহিষ্কৃত। তবুও পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাম মুখে এনেছেন মমতা। রাজনৈতিক মহলের মতে, এঁদের নাম নিয়ে মমতা বোজাতে চেয়েছেন কেউ বিপদে পড়লে দল ভুলে যায় না।

নভেম্বর ২৩, ২০২৩
রাজনীতি

কেন কংগ্রেসের কৌস্তভের মুখে বিজেপির শুভেন্দুর ভূয়সী প্রশংসা? ডাক দিলেন বিকল্প রাজনীতির

ইন্ডিয়া জোটে তৃণমূলের সঙ্গে কংগ্রেসের পাশাপাশি থাকার অবস্থান নিয়ে প্রথম থেকেই সোচ্চার কংগ্রেসের তরুণ তুর্কি নেতা আইনজীবী কৌস্তভ বাগচি। সেজন্য তাঁকে মাসুল গুণতেও হয়েছে। হারিয়েছেন কংগ্রেসের মুখপাত্রের পদ। এবার তাঁর গলায় শোনা গেল বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর ভূয়সী প্রশংসা। এমনকি বাংলায় তৃণমূল কংগ্রেসকে হঠাতে বিকল্প রাজনীতির কথাও বলেছেন কৌস্তভ। বিকল্প ভাবনার কথা বললেও পুরোপুরি খোলসা করেননি কৌস্তভ। নতুন দলের কথা মুখে আনেননি।বৃহস্পতিবার কৌস্তভ বাগচি বলেন, তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আমার কাছে শুভেন্দু অধিকারী অচ্ছুৎ নন। আমার সঙ্গে মতপার্থক্য থাকতে পারে, কিন্তু বিরোধী দলনেতা হিসাবে ওনার পারফরমেন্স ছোট করা যাবে না। অস্বীকার করার কোনও জায়গা নেই। কৌস্তভ নাম না করে নিশানা করেছেন একসময়ের বিরোধী দলনেতা কংগ্রেসের আব্দুল মান্নানকে। কংগ্রেস নেতার কথায়, ২০১৬ সাল থেকে পাঁচ বছর কংগ্রেস বিধানসভায় প্রধান বিরোধী দল ছিল। আমার দলের একজন কংগ্রেস নেতা ছিলেন। কিন্তু তাঁকে কোনও সরকার বিরোধী আন্দোলনে সেইভাবে দেখা যায়নি। শুধু বড় বড় কথা শোনা যেত। অন্যদিকে বর্তমান বিরোধী দলনেতা অত্যন্ত ভোকাল। বিরোধী নেতা হিসাবে মানুষ শুভেন্দুবাবুকে দেখতে পান। ঠিক-ভুল নিয়ে আমার মতান্তর থাকতে পারে। কিন্তু মানুষ জানে কে বিরোধী দলনেতা। তৃণমূলের প্রতি সর্বভারতীয় কংগ্রেসের অবস্থান নিয়ে বারে বারে প্রশ্ন তুলেছেন কৌস্তভ। আব্দুল মান্নান কৌস্তভ সম্পর্কে মন্তব্য করেছিলেন কে কৌস্তভ? তুচ্ছতাচ্ছিল্য ভাবে মন্তব্য করেছিলেন বলে অভিমত রাজনৈতিক মহলের। অভিজ্ঞ মহলের মতে মান্নানকে পাল্টা দিলেন কৌস্তভ। পাশাপাশি তৃণমূলকে উৎখাত করতে বিকল্প রাজনীতির ডাক দিয়েছেন তিনি। শুভেন্দু অধিকারীর বিজেপিতে থেকে খোলাখুলি রাজনীতি করতে পিছুটান হচ্ছে বলেও মনে করছেন আইনজীবী কংগ্রেস নেতা।কৌস্তভের মন্তব্য নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আমি গত একবছর ধরে বলে আসছি, যে কয়েকজন এ রাজ্যে পতাকা নিরপেক্ষভাবে পিসি-ভাইপোর হাত থেকে বাংলার মানুষকে নিষ্কৃতি দিতে চাইছেন তাঁদের মধ্যে কৌস্তভ একজন। উনি নিজের শ্রী বৃদ্ধির কথা ভাবেননি। এটা তো ওনার সীমাবদ্ধ ক্ষমতার মধ্যে থেকে ভাল কাজ। বিকল্প রাজনীতি প্রসঙ্গে শুভেন্দুর বক্তব্য, বাংলায় বিজেপিই তৃণমূলের স্বাভাবিক বিকল্প। দলে শুভেন্দু কমফোর্ট জোনেই আছেন বলে জানিয়েছেন।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৩
রাজ্য

জন্মদিনের পার্টিতে বান্ধবীকে হোটেলে নিয়ে রাতভর যৌন নিগ্রহ, অভিযুক্ত চার বন্ধু সহ ম্যানেজার শ্রীঘরে

বার্থডে পার্টিতে বান্ধবীকে শ্লীলতাহানি। অভিযোগ বন্ধু ও তার তিন সঙ্গীর বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত এই ৪ জনকে গ্রেফতার করল চুঁচুড়া থানার পুলিশ। একইসঙ্গে এলাকার এক নামী হোটেলের ম্যানেজারকেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃত পাঁচজনের বিরুদ্ধেই পকসো আইনে মামলা দায়ের হয়েছে।বুধবার সন্ধ্যায় চুঁচুড়ার কাপাসডাঙ্গার বাসিন্দা যুবক দেবপ্রিয় বিশ্বাস তার জন্মদিন উপলক্ষ্যে খাওয়ানোর নাম করে চুঁচুড়ারই বাসিন্দা এক স্কুলপড়ুয়া বান্ধবীর বাড়িতে আমন্ত্রণ জানাতে গিয়েছিল। এরপর ওই বান্ধবীকে সঙ্গে করে নিয়ে যায় চুঁচুড়া বাসস্ট্যান্ডের পাশে একটি হোটেলে। সেখানে তখন তার তিন বন্ধু আগে থেকেই হাজির ছিল। ওই হোটেলেই রাতভোর ওই চার বন্ধু ওই নাবালিকাকে যৌননিগ্রহ করে বলে অভিযোগ।গভীর রাত অবধি মেয়ে বাড়ি না-ফেরায় চিন্তিত হয়ে নাবালিকার অভিভাবকরা চুঁচুড়া থানার দ্বারস্থ হন। তদন্তে নেমে পরদিন ভোরে চুঁচুড়া শহরের বহু পরিচিত একটি হোটেল থেকে ওই নাবালিকাকে উদ্ধার করে পুলিশ। ওই স্কুলপড়ুয়া নাবালিকা পুলিশকে জানায়, তাঁর পূর্বপরিচিত বলেই দেবপ্রিয়র জন্মদিনের পার্টিতে গিয়েছিল। কিন্তু, খাওয়াদাওয়ার পর তাঁর সঙ্গে এইভাবে অসভ্যতা করা হবে, সেটা সে ঘুণাক্ষরেও ভাবতে পারেনি।ওই নাবালিকার অভিযোগের ভিত্তিতে শুক্রবার সকালেই দেবপ্রিয় বিশ্বাস-সহ তার তিন বন্ধু সৌম্যদীপ পাত্র, দেবরাজ দাস এবং নিবারণ বালাকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃতদের বিরুদ্ধে পকসো ধারায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। শুক্রবার ধৃতদের চুঁচুড়া আদালতের বিচারক পাঁচ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন। নাবালিকার গোপন জবানবন্দিও নেওয়া হয়েছে। যে হোটেলে যৌননির্যাতন করা হয়েছিল, সেই হোটেলের ম্যানেজার গৌরাঙ্গ বিশ্বাসকেও গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধেও পকসো আইন লাগু হয়েছে। হোটেলের ঘর ভাড়া নিয়ে কোনও নিয়ম মানেনি ম্যানেজার।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৩
রাজ্য

নকল বিলেতি মদের কারখানায় হানা আবগারি দপ্তরের

একেবারে বিলেতি মদের আসল লেবেল ও বোতল ব্যবহার করে তৈরি হচ্ছিল নকল বিলেতি মদ। রীতিমতো ঘর ভাড়া করে অবৈধ কারখানা গড়ে উঠেছিল হরিরামপুরে। সেখান থেকেই রম রমিয়ে এলাকার বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে যেত নকল বিলেতি মদ। হরিরামপুর, বংশীহারী, গঙ্গারামপুর, বালুরঘাট ,তপন, হিলি কুমারগঞ্জ সহ জেলার বিভিন্ন ব্লকে পৌঁছে যেত নকল এই বিলেতি মদ। গোপন সূত্রের খবরের ভিত্তিতে আবগারি দপ্তরের দুই দিনাজপুর সহ মালদা ও উত্তর দিনাজপুরের বিশেষ টিম নকল বিলেতি মদের কারখানায় হানা দেয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছেই চক্ষু চারকগাছ আবগারি দপ্তরের আধিকারিকদের। উদ্ধার হয় ৩৭৫ এমএলএর ম্যাকডয়েল নাম্বার ওয়ান লাক্সারি, ইম্পিরিয়াল ব্লু এর ২৬ বোতল সিলপ্যাক নকল মদ। এছাড়াও ২০০ লিটার স্পিরিট, নকল হলগ্রাম, লেবেল,স্টিকার নকল মদের বোতল কেমিক্যাল সহ অন্যান্য সামগ্রী। সমগ্র নকল মদ রেডি হলে এর বাজার মূল্য প্রায় ১১ লক্ষ টাকা।হরিরামপুর এর চোপা এলাকায় গড়ে ওঠা এই নকল বিলেতি মদের কারখানা থেকে মনোরঞ্জন বর্মন নামক বছর ৪৫ এর এক ব্যক্তিকে আটক করে আফগারি দপ্তর। যদিও আগেভাগেই ফেরার হয় মূল অভিযুক্ত সহ চক্রের অন্যান্য পান্ডারা।শনিবার নির্দিষ্ট ধারায় মামলার রুজু করে গঙ্গারামপুর মহকুমা আদালতে তোলা হয় ধৃত ব্যক্তিকে। আফগারি দপ্তরের আধিকারিক সঞ্জীব সুপ্পা জানিয়েছেন এই ধরনের নকল বিলেতি মদ স্বাস্থ্যের পক্ষে অত্যন্ত হানিকারক। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। নকল বিলেতি মদ পশ্চিমবঙ্গ ছাড়িয়ে অন্যান্য রাজ্যে রপ্তানি হতো কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে আধিকারিকদের পক্ষ থেকে।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৩
রাজ্য

বীরভূমে মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নের হেলিপ্যাড বেদখল, আবর্জনার স্তুপে দুর্গন্ধে এলাকায় টেকাই দায়

আবর্জনার স্তুপে মুখ ঢেকেছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বপ্নের হেলিপ্যাড। মুখ্যমন্ত্রী বোলপুর সফরে এলেই ওই হেলিপ্যাড ব্যবহার করেন। এখন সেই জায়গার উপর নজর পড়েছে ঠিকাদারদের। ফলে লোকচক্ষুর আড়ালে হেলিপ্যাডটিকে রীতিমতো ভাগাড়ে পরিণত করা হয়েছে। ফাঁকা অংশ ঠিকাদারদের ফেলে রাখা ইমারতি দ্রব্য দখল করে নিয়েছে। তবে বিষয়টি নাকি জানা নেই পুরসভার। শুক্রবার সেই হেলিপ্যাড পরিদর্শন করেন বোলপুরের প্রাক্তন সাংসদ, বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক অনুপম হাজরা।রাজ্যে পালা বদলের পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিভিন্ন তীর্থক্ষেত্র এবং পর্যটন কেন্দ্র থেকে কলকাতার সঙ্গে যোগাযোগের জন্য হেলিকপ্টার চলাচলের সিদ্ধান্ত নেন। সেই তালিকায় বোলপুরের পাশাপাশি ছিল তারাপীঠ, দিঘা সহ বেশ কয়েকটি জায়গা। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি হয় হেলিপ্যাড। বোলপুরে গীতাঞ্জলী প্রেক্ষাগৃহ সংলগ্ন এলাকায় সেই হেলিপ্যাড নির্মাণ করা হয়। মুখ্যমন্ত্রী বোলপুর সফরে এলে তাঁর হেলিকপ্টার সেখানেই অবতরণ করত। এখন সেই জায়গা কার্যত ঠিকাদারদের দখলে চলে গিয়েছে। হেলিপ্যাডের চারিদিক আগাছায় ঢেকেছে। পুরসভা শহরের আবর্জনা সেখানে ফেলে ভাগাড়ের রুপ দেওয়া হয়েছে। আর এক শ্রেণির ঠিকাদার বিল্ডিং নির্মাণ করার জন্য ইমারতি দ্রব্য মজুতের জায়গা করে নিয়েছে সেই হেলিপ্যাড। এনিয়ে ক্ষুব্ধ এলাকার মানুষ। তবে বিষয়টি জানা নেই বোলপুর পুরসভার চেয়ারম্যান পর্ণা ঘোষের। তিনি জানিয়েছেন, স্থানীয় কাউন্সিলরের মাধ্যমে খোঁজ নেবেন।এদিকে খবর পেয়ে শুক্রবার সেই হেলিপ্যাড পরিদর্শনে যান বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক অনুপম হাজরা। তিনি বলেন, তৃণমূল এক বিচিত্র দল। বোলপুরে স্বয়ং দলনেত্রীর হেলিকপ্টার অবতরণের জায়গাটার অর্ধেক দখল করে নিয়েছে দিদিমনির স্থানীয় কিছু প্রমোটার এবং তোলাবাজ ভাইয়েরা। এলাকায় গিয়ে দেখলাম কেষ্টবাবুর পাচার করতে না পারা দু-চারটে গরু ঘুরে বেড়াচ্ছে। আশপাশটা আবর্জনায় ভরে গিয়েছে। পুরসভার সহযোগিতায় দুর্গন্ধে পারিপার্শ্বিক এলাকা সুরভিত। যারা মুখ্যমন্ত্রীর হেলিপ্যাড দখল করতে পারে তারা সমস্ত জায়গা দখল করতে পারে। তাঁর দাবি, মুখ্যমন্ত্রী বোলপুরে এসে তাঁর হেলিপ্যাড একবার দেখে যান।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৩
রাজনীতি

‘দুষ্টু গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল ভালো’, বিজেপির কাকে কটাক্ষ অনুপমের?

সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ কিছু মন্তব্য পোস্ট করে শোরগোল ফেলে দিয়েছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক অনুপম হাজরা।আবারও সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ কিছু মন্তব্য পোস্ট করে শোরগোল ফেলে দিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সম্পাদক অনুপম হাজরা। এর মাধ্যমে দলেরই একাংশকে দুষেছেন অনুপম, তারঁ পোস্টে এই ব্যাপারটা স্পষ্ট হয়েছে। বঙ্গ বিজেপির কোনও নেতার নাম নিয়েছেন অনুপম? সংবাদমাধ্যমে নিজের এই ফেসবুক পোস্ট সম্পর্কে মুখ খুলেছেন বিজেপির এই কেন্দ্রীয় নেতা।অনুপম হাজরার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন..আপনার সাংগঠনিক দায়িত্বকে কাজে লাগানোর দায়িত্ব আমার। আর যদি এখনও মনে হয় পার্টির সংগঠনের থেকে নিজের ইগো বা অভিমানটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ বা পদ আগলে বসে থেকে ভেতরে-ভেতরে দলের ক্ষতি করবেন, তাহলে আমি অন্তত আমার সীমিত ক্ষমতার মধ্যে এটুকু চেষ্টা করব যে আপনি যেন কোনওভাবেই আপনার পদের বা ক্ষমতার অপব্যবহার না করতে পারেন!!! কারণ অতি প্রচলিত একটি প্রবাদ রয়েছে- দুষ্টু গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল ভালো!!!নিজের এই ফেসবুক পোস্ট সম্পর্কে সংবাদমাধ্যমেও এদিন মুখ খুলেছেন অনুপম। অনুপম বলেছেন, এটা বলতে কোনও বাধা নেই প্রতিটি সাংগঠনিক জেলাতেই এমন লোকজন আছেন যারা দলের পুরনো কর্মী, যাদের সংগঠন আছে। কিন্তু মান-অভিমান করে নিজেদের সরিয়ে রেখেছেন বা বসে আছেন বা সক্রিয় নন। তাঁদেরই এই পোস্টের মাধ্যমে বার্তা দিতে চেয়েছি। দলের অনেকে অনেক পদে আছেন, কিন্তু মাঠে নামছেন না। তাঁরাই দুষ্টু গরু।বিজেপি নেতা আরও বলেন, অনেকে দলের পদে থেকেও মাঠে নামছেন না। অনেকে নিজেও কাজ করেন না, অন্যদেরও করতে দেন না। এই দাদা ওই দাদার লবি না ধরে মোদীর লবি ধরে দলকে শক্তিশালী করুন। দুষ্টু গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল ভালো।

সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২৩
রাজ্য

পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে কি কথা হল শোভন চট্টোপাধ্যায়ের? বৈশাখী তখন কি করছিলেন?

একদা একসঙ্গেই দল করতেন।একজনের ইডির তালিকায় নামও ছিল। গ্রেফতারও হয়েছিলেন। আরেকজন শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জেলবন্দি। এবার তাঁদের দেখা হল আলিপুর কোর্ট লকআপে। দুজনই রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী। প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা হল কলকাতার প্রাক্তন মেয়র ও রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী শোভন চট্টোপাধ্যায়ের।শনিবার বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আলিপুর আদালতে গিয়েছিলেন প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়। সেখানে জানতে পারেন ওই কোর্ট লকআপেই রয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। গাড়িতে উঠেছিলেন কিন্তু ফের তিনি নেমে পড়েন। একসময়ের সহকর্মীর সঙ্গে দেখা করতে কোর্ট লকআপে যান শোভন। দূর থেকে তাঁদের মধ্যে কথাও হয়।দুজনে কী কথা বললেন?শোভন চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, দূর থেকে দেখলাম। দেখা করার সেই পরিবেশ, পরিস্থিতি নেই।পার্থ চট্টোপাধ্যায় কী পরিস্থিতির শিকার? শোভন বলেন, পার্থদা পরিস্থিতির শিকার তো বটেই! আমাকেও তো গ্রেফতার করা হয়েছিল। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তো আর প্রশাসন থেকে আলাদা কিছু নয়! এত দিন এক সঙ্গে ছিলাম। না দেখা করে চলে গেলে মনে হত, এখান থেকে চলে গেলাম! দূর থেকে দেখা হয়েছে। স্বাস্থ্য নিয়ে খোঁজ নিয়েছি। শোভন যখন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে যান তখন বৈশাখী গাড়িতেই বসেছিলেন। এই প্রসঙ্গে বৈশাখী বলেছেন, দীর্ঘ দিনের সঙ্গী তো।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২৩
রাজনীতি

বাংলায় ক্ষমতায় থাকার কৌশল বদলেছে সময়ের তালে, রাজনৈতিক সংঘর্ষের বীজ লুকিয়ে অতীতের ছায়ায়

বিশেষজ্ঞদের মতে মনিপুর মেইতি আর কুকিদের মধ্যে সংঘর্ষ দুই সম্প্রদায়ের ক্ষমতা দখলের লড়াই নয়। সারা দেশে যে সংখ্যাগুরুবাদের রাজনীতির প্রতিষ্ঠা হচ্ছে তারই ফল। অনেকেই এখন পশ্চিমবঙ্গের সাম্প্রতিক পঞ্চায়েত নির্বাচনে হিংসার ঘটনার সঙ্গে মনিপুরের তুলনা টানছেন। আমার মতে এই তুলনা স্থান-কাল বিচারে অত্যন্ত ভুল। কয়েক দশক ধরেই এই রাজ্যে রাজনৈতিক হিংসা প্রায় প্রতিদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর উৎস খুঁজতে হলে ফিরতে হবে ছয়ের দশকের শেষ দিকে। অনেকেই পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক হিংসার উৎস খুঁজতে গিয়ে নকশাল আন্দোলনের কথা বলেন। এই দিকচিহ্নেও অনেক ভ্রান্তি রয়েছে। এই রাজ্যের রাজনৈতিক হিংসার উৎস মুখ রয়েছে ছয়ের দশকের গ্ৰাম বাংলায় অর্থ সামাজিক ও সামাজিক রাজনৈতিক পরিবেশের এক বড় পরিবর্তনের মধ্যে।১৯৪২সালে তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর গনদেবতা উপন্যাসে এই পরিবর্তনের ভিত্তিভূমির ছবিটি নিপুণ শৈলীতে এঁকেছিলেন। তাঁর উপন্যাসে যে জনপদের পরিচয় পাওয়া যায় সেখানে প্রকৃতি অফুরান সম্পদ নিয়ে ছড়িয়ে আছে আর সমাজকাঠামো এক কঠিন নিগড়ে বাঁধা। সেই জনপদে আদিগন্ত বিস্তৃত জমি আছে আর সে জমিতে যারা খাটে তাদের কারো সামান্য জমিও নেই। সেখানে নাপিত সারাদিন খেটেও পেট ভরার অন্ন যোগাতে পারে না। ধাইমা সম্পন্ন ঘরের সাস্থবান পুত্র-কন্যার জন্মের সহায়ক কিন্তু তার সন্তানদের শরীর অপুষ্টিতে ভরা। কামার উদয়াস্ত খাটে তবু তার পেট চালাতে মহাজনের কাছে চড়া সুদে ধার নিতে হয়। ছুতর এর অবস্থা আরওই বেহাল।এমন এক নির্মম আর্থসামাজিক ব্যাবস্থার সামনে আমাদের দাঁড় করায় তারাশঙ্করের গনদেবতা উপন্যাস। এই উপন্যাস লেখকের কল্পনা থেকে জন্ম নেয়নি, আজকের টেলিভিশনের ভাষায় গ্রাউন্ড জিরোতে দাঁড়িয়ে লেখা। ছয়ের দশকের কথায় ফিরি। যুগান্তর সংবাদ পত্রে ১৯৬৩ সালে ২৭শে জুলাই থেকে ১৯৬৮ সালের ২৭শে মে পর্যন্ত প্রকাশিত হয় তারাশঙ্করের গ্রামের চিঠি, সেখানে গ্ৰাম বাংলার সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিবর্তনের যে রিপোর্টিং রয়েছে তার অনেক নামী সাংবাদিক কে লজ্জায় ফেলবে। গ্রাম বাংলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলের যে লেখচিত্র তারাশঙ্করের গ্রামের চিঠিতে রয়েছে তার উপরিকাঠামোয় রাখতে হবে ১৯৬৭ সালের রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনকে।১৯৬৭ সালে বামপন্থীরা প্রথম ক্ষমতায় আসে। তার পেছনে ছিল ১৯৫১সাল থেকে একটার পর একটা আন্দোলনের ইতিহাস। ১৯৬৭ সালে শেষবারের মতো একসঙ্গে লোকসভা ও সমস্ত রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন হয়েছিল। ১৯৫১ সাল থেকে যে গত আন্দোলনগুলিতে রাজ্য উত্তাল হয়েছিল তার পেছনে ছিল তারাশঙ্করের উপন্যাসের গ্রাম বাংলার খেটে খাওয়া মানুষের একটি বড় অংশ। এই আন্দোলনগুলো কংগ্রেস নামের মহীরুহকে ধাক্কা দিতে শুরু করেছিল। যার ফলে ১৯৬৭ থেকে ১৯৭২ সালের মধ্যে পাঁচ বছরে রাজ্যে চারবার বিধানসভা ভোট হয়।১৯৬৭ থেকে ৭২ এই চার বছরে চার বার রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয়। যা ভারতের আর কোথাও হয়নি। ১৯৬৭ সাল থেকে রাজনৈতিক ভারসাম্যের পরিবর্তন শুরু হলেও তখন শাসক শাসিতের দ্বন্দ্ব ছিল পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে বিরোধী রাজনীতির। এই দ্বন্দ্বে দুই প্রধান রাজনৈতিক দলের হিংসাত্মক সংঘর্ষের চেহারাটা প্রথম ধরা পড়ে ৭০ সালে বাংলায় হরতালের দিনে। ১৯৭০ সালের ১৭ই মার্চ বাংলায় হরতাল হয়েছিল। নৈহাটির গৌরিপুর চটকলে সিপিএম - আইএনটিউসির সংঘর্ষে চার জনের মৃত্যু হয়। সেদিনই বর্ধমানে সাঁই বাড়ির ঘটনা হয়। রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ব্যাপক রাজনৈতিক সংঘর্ষ হয়। সেই সংঘর্ষে একদিনে চৌত্রিশ জনের মৃত্যু হয়। কংগ্রেস বনাম বামপন্থীদের রাজনৈতিক সংঘর্ষে সেখান থেকেই ক্রমশ জটিল আকার নেয়। এই হিংসার আবহে নতুন মাত্রা যোগ করে নকশালপন্থিরা।তবে গ্রাম বাংলায় বামপন্থীরা কংগ্রেসী আধিপত্যের বেদী ইউনিয়ন বোর্ডে ধাক্কা দিতে শুরু করে। কংগ্রেস সমর্থক জোতদার, জমিদার ও গ্রামীন ব্যাবসায়ী দের আধিপত্যে ভিত ও বামপন্থীদের নেতৃত্বে আন্দোলনে কাঁপতে শুরু করে। এই উত্তাল সময় বিস্তৃত আলোচনা সংক্ষিপ্ত পরিসরে সম্ভব নয়। তাই চলে আসি ১৯৭৭ সালে। সেই বছর জুন মাসে বামফ্রন্ট সরকার ক্ষমতায় আসে। ভাগ চাষীদের উচ্ছেদ রুখতে ও ফসলের ন্যায্য ভাগ দিতে সরকার শুরু করে অপারেশন বর্গা। শুরু হয় হাজার হাজার একর বেনামী জমি উদ্ধার করে ভূমিহীন চাষীদের মধ্যে বিলিয়ে দেওয়া। ১৯৭৩ সালে সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়ের সরকার পঞ্চায়েত আইন করলেও তারা পঞ্চায়েত নির্বাচন করতে পারেনি। ১৯৭৮ সালের ৪ঠা জুন বামফ্রন্ট সরকার প্রথম পঞ্চায়েত নির্বাচন করে। পঞ্চায়েত ভোটের পরে গ্রাম বাংলার গরীব ও প্রান্তিক মানুষের যে রাজনৈতিক, সামাজিক ও আর্থিক ক্ষমতায়নের পর্ব শুরু হয় তা সারা দেশে আগে দেখা যায় নি। এর দুই তিন দশক পরে গ্রাম বাংলায় কম্যুনিস্ট পার্টি হয়ে ওঠে দাতা, আর সাধারণ মানুষ হয় গ্রহীতা। সেদিন থেকেই রাজ্যের মানুষের সিটিজেন থেকে বেনিফিসিয়ারী তে পরিণত হওয়া শুরু। একটি দলের রাজনৈতিক আধিপত্য সর্বগামী হওয়ায় কোথাও কোথাও মানুষের স্বাধীন পছন্দের উপরে নির্ভরতা কমে পেশীবলে ক্ষমতা দখলের পর্ব শুরু হয়। এর ফলে শুধু বিরোধী দল নয় বামফ্রন্টের শরিক দলের সঙ্গে ও সিপিআইএম এর রাজনৈতিক সংঘর্ষ শুরু হয়। এরই মাঝে ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েতের বিভিন্ন প্রকল্পে আর্থিক বরাদ্দ বিপুল হারে বাড়তে থাকা ক্ষমতা ব্যবহার করে পঞ্চায়েত দখলে রাখা দস্তুর হয়ে পড়ে।সাতের দশক থেকে রাজ্যের যুবশক্তি ব্যবহারেও পরিবর্তন আসে। বামপন্থী ছাত্র যুব দলের মোকাবিলায় রাজ্যের নব কংগ্রেস যুব কংগ্রেস ও ছাত্রপরিষদের ছাতার তলায় যুবকদের সংঘটিত করে। এই যুবশক্তি কে আর্থিক সুবিধা দিতে পথে নামে মিনিবাস। সিদ্ধার্থ সরকারের বদান্যতায় রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাঙ্কের ঋনে মিনিবাসের মালিক হয় তারা। জানা যায়, সেই ঋনের প্রায় নব্বই শতাংশই ফেরত পায়নি ব্যাঙ্ক। এর পরে বামফ্রন্টের আমলে বাম দলের ছাতার তলায় থাকা বেকার, অল্পশিক্ষিত বা অশিক্ষিত যুবকের সংখ্যা পথে নামে অটো রিক্সা ও টোটো। বর্তমানে তৃনমূলের আমলে এই সংখ্যা বিপুল পরিমাণে বাড়ায় সেই জায়গা নিয়েছে অবৈধ বালি খাদান, পাথর খাদান, কয়লা খাদান ও সিন্ডিকেট ব্যবসা। এরই পাশাপাশি বেড়ে উঠেছে বামফ্রন্ট আমলে সৃষ্টি হওয়া প্রোমোটার রাজ। যার অবসম্ভাবী ফল রাজনীতিতে পেশীশক্তি ব্যাবহারের প্রথমাবস্থা পার করে পর্বতের আকার নেওয়া।এখন এই রাজনৈতিক ক্ষমতা ধরে রাখতে এবং এই সব সুবিধা পাইয়ে দিতে গ্রাম বাংলায় ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত জোরালো হাতিয়ার। তাই রাজনৈতিক দলমত নির্বিশেষে আদর্শ নয় ক্ষমতা ধরে রাখাই পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক সংঘর্ষের জন্ম দিয়ে চলেছে। এর শেষ কোথায়, কী ভাবে হবে সেই প্রশ্নের উত্তর রয়েছে ভবিষ্যতের গর্ভে। তবে রাজনীতি তো সমাজ নিরপেক্ষ নয়। আমরা যারা সমাজে বাস করি, সরাসরি রাজনীতিতে যুক্ত নই তারাও এর দায় এড়াতে পারি না। আমাদের এড়িয়ে চলার মধ্যে লুকিয়ে রয়েছে ক্ষমতার দর্শনের মান্যতা। আমরা মুখে বলি ভারতবর্ষ শান্তির পথ যাত্রী আমরা বুদ্ধদেব, মহাবীর, শিবের পূজারী। অথচ এই উচ্চারনে বিপরীত মেরুতে আমাদের অবস্থান।প্রাক্তন রাজ্যপাল ও প্রখ্যাত কূটনীতিবিদ গোপালকৃষ্ণ গান্ধী সম্প্রতি এক দৈনিক ইংরেজি সংবাদপত্রে তাঁর লেখা আমাদের দ্বিচারিতার ছবিটা স্পষ্ট করে দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, রোজ সকালে যে পার্কে তিনি হাঁটতে যান সেখানে অনেক দুর্লভ প্রজাতির গাছ রয়েছে। তার পাশাপাশি রয়েছে, ভারতীয় সেনাবাহিনীর অস্ত্রাগারে থাকা বিভিন্ন ক্ষেপনাস্ত্র, বিবিধ ট্যাঙ্ক ও অস্ত্রের রেপ্লিকা। সেখানে তিনি দেখেন অনেক বাবা-মায়েরা ছেলেমেয়েদের নিয়ে ওই পার্কে আসেন। পার্কে এসে তাঁরা সন্তানদের সেই সব রেপ্লিকার সামনে দাঁড় করিয়ে গর্বিত মুখে ছবি তোলেন। অনেকে সেলফি ও তোলেন। কিন্তু কেউই পার্কে থাকা দূর্লভ বনানীকুলের কাছে ছেলেমেয়েদের নিয়ে গিয়ে পরিচয় করান না। মহাত্মা গান্ধীর বংশধরের এই অনুভব কি আমাদের কিছু শিখতে বলে? আমরা কি তাঁর সেই অনুভবের সামনে মনের দরজা খুলে দাঁড়াবো?

জুলাই ৩১, ২০২৩
দেশ

দিলীপ ঘোষ ফের কি রাজ্যে সংগঠনের দায়িত্বে? অনুপম কেন্দ্রীয় সম্পাদকই থেকে গেলেন

আগমী লোকসভা নির্বাচনের আগে জেপি নাড্ডার সর্বভারতীয় টিম থেকে বাদ পরলেন দিলীপ ঘোষ।কিন্তু সম্পাদক পদে থেকে গিয়েছেন অনুপম হাজরা। দলের সর্বভারতীয় স্তরে সাংগঠনিক ক্ষেত্রে রদবদল করল গেরুয়া দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। এতদিন দলের সর্বভারতীয় সহ সভাপতি ছিলেন দিলীপ ঘোষ। এবার সেই পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হল।লোকসভা নির্বাচনের আগে দলের সাংগঠনিকস্তরে রদবদল শুরু করল বিজেপি। সম্প্রতি বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে দিল্লিতে বৈঠক করেছিলেন অমিত শাহ, জেপি নাড্ডারা। কেন্দ্রীয় স্তর থেকে সরিয়ে ফের কি রাজ্যে দিলীপ ঘোষকে দায়িত্বে আনা হতে পারে? সেই প্রশ্নও ঘুরপাক খাচ্ছে রাজনৈতিক মহলে।তাঁর এই পদ খোয়ানো প্রসঙ্গে সংবাদমাধ্যমে দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন, আগামী বছরের লোকসভা নির্বাচনে যাঁরা লড়বেন, তাঁরা যাতে আরও বেশি করে নিজেদের সংসদীয় ক্ষেত্রে সময় দিতে পারেন সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।Honble Sri @narendramodi ji 🙏Honble Sri @JPNadda ji 🙏 pic.twitter.com/0XHpLliibd Dr. Anupam Hazra 🇮🇳 ডঃ অনুপম হাজরা ✨ (@tweetanupam) July 29, 2023সূত্রের খবর, শীঘ্রই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভাতেও রদবদল হতে পারে। সেক্ষেত্রে কি এবার দিলীপ ঘোষকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীত্বে আনা হবে? বাড়ছে সেই জল্পনাও। এদিকে ৩ বছর কেন্দ্রীয় সম্পাদক পদে থাকার পর ফের তাঁর মেয়াদ বৃদ্ধি করল দল। অনুপম হাজরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও দলের সভাপতি জেপি নাড্ডাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

জুলাই ২৯, ২০২৩
বিনোদুনিয়া

'কুপন' নিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে খাবার নেওয়া! এনএবিসি 'বঙ্গ সম্মেলন' নিয়ে ক্ষোভ সঙ্গীত শিল্পী মধুরা'র

এবছরে এনএবিসি বঙ্গ সম্মেলনএ গিয়ে চূড়ান্ত অপদস্থ হতে হয়েছে বাংলার শিল্পীদের। আয়োজকদের অব্যবস্থার নানা অভিযোগ শিল্পীরা তাঁদের সামাজিক মাধ্যমে করছেন। তাঁদের অভিযোগ: প্রাপ্য পারিশ্রমিক না পাওয়া, খাওয়া-দাওয়ার অব্যবস্থা, হোটেলের ঘর নির্ধারিত সময়ের আগে ছেড়ে দেওয়ার আদেশ, অনুষ্ঠানের অদ্ভুত সময়সূচী; নানাভাবে বাংলার বিশিষ্ট শিল্পীদের নানারকম অপ্রীতিকর অবস্থার মধ্যে পড়তে হয় এনএবিসি অনুষ্ঠানে এসে। তাঁরা প্রশ্ন তোলেন নর্থ আমেরিকান বেঙ্গলি কনফারেন্স-র বঙ্গ সম্মেলন অনুষ্ঠানের আয়োজকদের আতিথেয়তা নিয়েও! নর্থ আমেরিকান বেঙ্গলি কনফারেন্স-র বঙ্গ সম্মেলন-এ বাংলার শিল্পীদের অপমান, অসম্মান ও অবহেলা নিয়ে তর্ক-বিতর্কের মধ্যেই আয়োজক সংস্থার বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন বাংলার নবীন থেকে প্রবীন শিল্পীরা।সামাজিক মাধ্যমে প্রতিবাদ জানিয়ে এক খোলা চিঠিতে এই বছরের (২০২৩) আটলান্টাতে আয়োজিত নর্থ আমেরিকান বেঙ্গলি কনফারেন্স বঙ্গ সম্মেলন-এ বাংলার শিল্পীদের অপমান ও হেনস্থায় বাংলার একঝাঁক শিল্পী প্রতিবাদে মুখর হয়ে ওঠেন। শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শিল্পী পণ্ডিত স্বপন চৌধুরী, তেজেন্দ্রনারায়ণ মজুমদার, বিক্রম ঘোষ থেকে শুরু করে সঙ্গীত শিল্পী রাঘব চট্টোপাধ্যায়,অঞ্জন দত্ত, শ্রীকান্ত আচার্য্য, মনোময় ভট্টাচার্য্য, সৌমিত্র রায়, অনুপম রায়,অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়, লোপামুদ্রা মিত্র, শুভমিতা ব্যানার্জী, জয়তী চক্রবর্তী, ইমন চক্রবর্তী, রূপম ইসলাম, মধুরা ভট্টাচার্য, তৃষা পাড়ুই ছাড়াও কবি শ্রীজাত, সুবোধ সরকার, সুরকার দেবজ্যোতি মিশ্র, ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্ত, জয় সরকার ও টলিউডের বিশিষ্ট অভিনেতা/ অভিনেত্রী বিদীপ্তা চক্রবর্তী,সোহিনী সরকার ছাড়াও আরও অনেকে তাঁদের সামাজিক মাধ্যমের দেওয়ালে এর প্রতিবাদে ফেটে পড়েন।এই মহুর্তের বাংলা সিনেমা ও টেলিভিশন-র ব্যস্ততম সঙ্গীত শিল্পী মধুরা ভট্টাচার্য এনএবিসি বঙ্গ সম্মেলনএ গিয়ে তাঁর সুমধুর অভিজ্ঞতার কথা জনতার কথা কে জানালেন। মধুরা জানান তিনি, ২০১৭ সালের এনএবিসি বঙ্গ সম্মেলনএ প্রথম বার তিনি গিয়েছিলেন, এবং ওটাই তাঁর শেষ যাওয়া! মধুরা জানান এনএবিসি সম্পর্কে এক বিশাল ধারণা নিয়ে ওখানে গিয়েছিলাম, প্রচুর মানুষ, দারুণ সুন্দর ব্যবস্থা হবে ওখানে, সবার মত এই রকমই ধারনা আমারও ছিল! ২০১৭ তে প্রথম বার ওখানে পৌঁছাবার পরই বেশীরভাগ ধারনাই ভুল প্রমাণিত হল। তিনি জানান, তিনি ছাড়াও অনেক গুণী শিল্পী সেই বারের অনুষ্ঠানে একত্রে ওখানে গিয়েছিলেন।মধুরা জানান, দীর্ঘ বিমান যাত্রায় ক্লান্ত হয়ে, ওখানে একেবারে অন্য একটা ওয়েদারে পৌঁছাবার পর অনেক্ষনের অপেক্ষা রুম এলটমেন্ট এর জন্য। সেসব না হয় মেনে নেওয়া যায়, আমরা মেনে নিইও। অনুষ্ঠানের সময়সূচীর পরিবর্তন! সেসবও ঠিক আছে। হয়েই থাকে।মধুরা আরও বলেন, তবে আমার সবচেয়ে খারাপ লেগেছিল, পৌঁছনোর পরেই, আমাদের হাতে খাবারের কুপন ধরানো! ছোট ছোট কাগজের টুকরোতে এনএবিসি লেখা কুপন। বঙ্গ সম্মেলনএ শিল্পী হিসেবে আমন্ত্রিত হয়ে গিয়ে কুপন নিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে সকালের ব্রেকফাস্ট থেকে রাতের ডিনার নিতে হবে! আমার সেই ছোটোবেলার কথা মনে পড়ে গেলো, পাড়ার পুজোর প্যান্ডেলে টিফিন বা ভোগ নেওয়ার জন্য কুপন নিয়ে লাইনে দাঁড়ানোর কথা। মধুরা জানান, দীর্ঘ বিমান যাত্রায় ক্লান্তি ও ধকলের পর, লাইন দিয়ে কুপন নিয়ে দাঁড়িয়ে খাবার মত মানসিকতা ছিলোনা, তাছাড়া দু-তিন দিনের মধ্যে অনেকগুলো অনুষ্ঠান ছিল, তার প্রস্তুতিও ছিল। সর্বোপরি শিল্পী হিসাবে লাইনে দাঁড়িয়ে কুপন নিয়ে খাবার নেওয়া আমার কাছে খুব-ই অপমানজনক লেগেছিল। নীরব প্রতিবাদ হিসেবে তাই বেশিরভাগ সময়েই, আমি ও আরও কয়েকজন সহশিল্পী বাইরে থেকে নিজেরাই খাবার কিনে এনে খেয়েছি। সবসময় অনুষ্ঠানের টাইট শিডিউলে সেটাও সম্ভব হয়নি যদিও। তাতে আয়োজক দের কারও মাথা ব্যথা হবে, সেটা এক্সপেক্ট করাও ভুল!তিনি বলেন,তবে বলা বাহুল্য, সেবারে গিয়ে বেশ এমন কয়েকজন শ্রোতার সাথেও আলাপ হয়েছিল, যাঁরা তাদের মতন করে যথা সম্ভব যত্ন নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তাদের সাথে খুবই সুন্দর হৃদ্যতার সম্পর্ক তৈরি হয়েছে সেই থেকে। প্রতিবার হয়তো কোর কমিটিতে বদল হতে থাকে। তাই কিছু মানুষের কেলাসনেস এর জন্যে সবাইকে দায়ী কখনোই করবোনা।মধুরা জানান, ওই অভিজ্ঞতার পর এনএবিসি যাবার ইচ্ছা বা আকর্ষণই কমে গিয়েছিল। এর পরেও এনএবিসি থেকে অনুষ্ঠান করার প্রস্তাব এসেছে, কিন্তু আমি খুব সন্তর্পনে এড়িয়ে গেছি। তিনি জানান এই বছরেও এনএবিসি থেকে প্রস্তাব এসেছিলো, কিন্তু আমার চুক্তি যে তাদের মনমত হয়নি, এটা আমার পক্ষে খুবই মঙ্গলদায়ক হয়েছে।মধুরার জানান, এবছর যা যা ঘটেছে তাতে আয়োজকদের আরও অনেকটা বেশি সচেতন হওয়া উচিত। এতদূর থেকে এতজন শিল্পীদের নিয়ে অনুষ্ঠান আয়োজন করতে হলে, আয়োজকদের আরও অনেকটা সময়, ভাবনা চিন্তা, বোধের প্রয়োজন। নানান খুঁটি নাটি দিক অনেক কিছু ভাবার থাকে। শিল্পীরা রোবট নন। তাদের ন্যূনতম হলেও, একটা কমফর্ট এর প্রয়োজন হয়, সুস্থ শরীরে, হাসি মুখে, দুই আড়াই ঘণ্টা শ্রোতা দের নির্ভেজাল আনন্দ দিতে। শিল্পীদের ডেকে নিয়ে গিয়ে যে ভাবে অপমানিত হতে হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছে প্রবীন থেকে নবীন। সামাজিক মাধ্যমে চোখ বোলালেই তাঁর আঁচ পাওয়া যাচ্ছে।একটি খোলা চিঠি তাঁরা সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেন তাতে লেখা,সুধী, উত্তর আমেরিকা বঙ্গ সম্মেলন ২৩, আটলান্টিক সিটিতে ঘটে যাওয়া কিছু অনভিপ্রেত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এই প্রতিবাদপত্র। পশ্চিমবঙ্গের শিল্পী, বিদ্বজ্জনের লাগাতার হেনস্থা এখন বঙ্গ সম্মেলনের অন্যতম আকর্ষণীয় এক অনুষ্ঠান। পূর্বের সম্মেলনগুলিতেও এমন উদাহরণ অসংখ্য। তবে এবারের সম্মেলন বোধহয় আগের সবকিছুকে ছাপিয়ে গিয়েছে। অব্যবস্থা, অসৌজন্য, অমার্জিত ব্যবহার, অসহযোগিতা শিল্পীদের আত্মসম্মানবোধে আঘাত করে চলেছে ক্রমাগত, ভদ্রতাবোধকে দুর্বলতা ভেবে একের পর এক অপমানসূচক ঘটনা সম্মেলন কর্তারা ঘটিয়েই চলেছেন। অতিথি শব্দটার সঙ্গে যে বিশ্বজনীন আতিথ্যের সংযোগ, তা তারা ভুলতে বসেছেন। এই পরিস্থিতিতে, বাংলার সব শিল্পী আজ এনএবিসির যে কোনও অনুষ্ঠান নিয়ে চূড়ান্ত আতঙ্কিত, অপমানিত। তাই একজোট হয়ে আজ তীব্র প্রতিবাদ জানাই এনএবিসির স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে। অপমানের আকস্মিকতায় আমরা মূক ও স্তম্ভিত। ভবিষ্যতের কর্মপন্থা কী হবে, তা অচিরেই প্রকাশ করব আমরা। ধিক্কার জানাই সংগঠকদের যারা এই রুচিহীন সম্মেলনের আয়োজন করেছেন। বঙ্গ সম্মেলনের জনপ্রিয়তা বিশিষ্ট, স্বনামধন্য শিল্পীদের জন্য, অপদার্থ সংগঠকদের জন্য নয়, এ কথা যেন তারা বিস্মৃত না হন। সংস্কৃতি মঞ্চ আমাদের কাছে পবিত্র এক জানলা, তাকে নোংরা করার অধিকার আপনাদের কেউ দেয়নি। আমাদের শিল্পীজীবন আমাদের নিজস্ব, সেই আত্মসম্মানের জায়গায় কেউ হাত দিলে; সাবধান. গর্জে উঠবে বাংলার সব শিল্পীদল।

জুলাই ০৮, ২০২৩
বিনোদুনিয়া

বাংলার শিল্পীদের চরম অসম্মান ও হেনস্থা বঙ্গ সম্মেলনে, সামাজিক মাধ্যমে প্রতিবাদের আগুন

আমেরিকার নিউ জার্সির আটলান্টাতে আয়োজিত ২০২৩-র নর্থ আমেরিকান বেঙ্গলি কনফারেন্স-র বঙ্গ সম্মেলন-এ বাংলার শিল্পীদের অপমানের প্রতিবাদে মুখর বাঙালি শিল্পী মহল। এবছরে উত্তর আমেরিকায় নিউ জার্সির আটলান্টাতে আয়োজিত হয়েছিল ইতিহ্যবাহী বঙ্গ সম্মেলন বা নর্থ আমেরিকান বেঙ্গলি কনফারেন্স। ১৯৮১ থেকে শুরু হওয়া এই অনুষ্ঠান মূলত জুলায় মাসেই হয়ে থাকে। বিগত প্রায় চার দশক ধরে বঙ্গ সংস্কৃতি সংঘ সামক এক সংস্থা এই বার্ষিক কনফারেন্সের আয়োজন করে আসছেন। এরপর থেকে প্রতি বছরই বাঙালি শিল্পী সমন্বয়ে (কলকাতার (ভারত) বা বাংলাদেশ) এই অনুষ্ঠান হয়ে থাকে। ২০২৩-র বঙ্গ সম্মেলন অনুষ্ঠানটি ৩০ জুন থেকে ২ জুলাই অবধি হয়েছিল।এইবছরের (২০২৩) আটলান্টাতে আয়োজিত নর্থ আমেরিকান বেঙ্গলি কনফারেন্স বঙ্গ সম্মেলন-এ বাংলার শিল্পীদের অপমান ও হেনস্থার প্রতিবাদ জানিয়ে সামাজিক মাধ্যমে সরব বাংলার আপামর শিল্পীমহল। বাংলার একঝাঁক শিল্পী সামাজিক মাধ্যমে এর প্রতিবাদে মুখর হয়ে ওঠেন। শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শিল্পী পণ্ডিত স্বপন চৌধুরী, তেজেন্দ্রনারায়ণ মজুমদার, বিক্রম ঘোষ থেকে শুরু করে সঙ্গীত শিল্পী রাঘব চট্টোপাধ্যায়,অঞ্জন দত্ত, শ্রীকান্ত আচার্য্য, মনোময় ভট্টাচার্য্য, সৌমিত্র রায়, অনুপম রায়,অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়, লোপামুদ্রা মিত্র, শুভমিতা ব্যানার্জী, জয়তী চক্রবর্তী, ইমন চক্রবর্তী, রূপম ইসলাম, মধুরা ভট্টাচার্য, তৃষা পাড়ুই ছাড়াও কবি শ্রীজাত, সুবোধ সরকার, সুরকার দেবজ্যোতি মিশ্র, ইন্দ্রদীপ দাসগুপ্ত, জয় সরকার ও টলিউডের বিশিষ্ট অভিনেতা/ অভিনেত্রী বিদীপ্তা চক্রবর্তী,সোহিনী সরকার ছাড়াও আরও অনেকে তাঁদের সামাজিক মাধ্যমের দেওয়ালে এর প্রতিবাদে ফেটে পড়েন।সমবেত ভাবে তাঁরা তাঁদের সামাজিক মাধ্যমের দেওয়ালে লিখেছেন, সুধী, উত্তর আমেরিকা বঙ্গ সম্মেলন২৩, আটলান্টিক সিটিতে ঘটে যাওয়া কিছু অনভিপ্রেত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এই প্রতিবাদপত্র। পশ্চিমবঙ্গের শিল্পী, বিদ্বজ্জনের লাগাতার হেনস্থা এখন বঙ্গ সম্মেলনের অন্যতম আকর্ষণীয় এক অনুষ্ঠান। পূর্বের সম্মেলনগুলিতেও এমন উদাহরণ অসংখ্য। তবে এবারের সম্মেলন বোধহয় আগের সবকিছুকে ছাপিয়ে গিয়েছে। অব্যবস্থা, অসৌজন্য, অমার্জিত ব্যবহার, অসহযোগিতা শিল্পীদের আত্মসম্মানবোধে আঘাত করে চলেছে ক্রমাগত, ভদ্রতাবোধকে দুর্বলতা ভেবে একের পর এক অপমানসূচক ঘটনা সম্মেলন কর্তারা ঘটিয়েই চলেছেন। অতিথি শব্দটার সঙ্গে যে বিশ্বজনীন আতিথ্যের সংযোগ, তা তারা ভুলতে বসেছেন। এই পরিস্থিতিতে, বাংলার সব শিল্পী আজ এনএবিসির যে কোনও অনুষ্ঠান নিয়ে চূড়ান্ত আতঙ্কিত, অপমানিত। তাই একজোট হয়ে আজ তীব্র প্রতিবাদ জানাই এনএবিসির স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে। অপমানের আকস্মিকতায় আমরা মূক ও স্তম্ভিত। ভবিষ্যতের কর্মপন্থা কী হবে, তা অচিরেই প্রকাশ করব আমরা। ধিক্কার জানাই সংগঠকদের যারা এই রুচিহীন সম্মেলনের আয়োজন করেছেন। বঙ্গ সম্মেলনের জনপ্রিয়তা বিশিষ্ট, স্বনামধন্য শিল্পীদের জন্য, অপদার্থ সংগঠকদের জন্য নয়, এ কথা যেন তারা বিস্মৃত না হন। সংস্কৃতি মঞ্চ আমাদের কাছে পবিত্র এক জানলা, তাকে নোংরা করার অধিকার আপনাদের কেউ দেয়নি। আমাদের শিল্পীজীবন আমাদের নিজস্ব, সেই আত্মসম্মানের জায়গায় কেউ হাত দিলে; সাবধান. গর্জে উঠবে বাংলার সব শিল্পীদল।প্রতিবাদী শিল্পীদের মূল প্রতিবাদ আয়োজক সংস্থার অব্যবস্থা ও শিল্পীদের প্রতি অসন্মান! তাঁদের বক্তব্য এই অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে আমেরিকা পৌছানো পর থেকেই প্রতি পদে তাঁদের নানা সমস্যায় পড়তে হয়। শিল্পীদের অভিযোগ বিমানবন্দর থেকে যাওয়া শুরু করে, হোটেলে থাকার ব্যবস্থা,খাওয়ার মত সামান্য বিষয়েও কোনওরকম নজর দেননা আয়োজকরা। বিদেশ বিভূঁইয়ে স্বজাতির দ্বারা প্রতারিত ও হেনস্তা হয়ে প্রতি পদে বিপদে পড়েন তাঁরা। শিল্পীদের আরও অভিযোগ যে মূল করনে তাঁরা এতদূর পারি দিয়ে এসেছেন সেই অনুষ্ঠান-ই কেটেছেঁটে ছোট করে দেওয়া হয়। এছাড়া পারিশ্রমিকের ক্ষেত্রেও তাঁদের প্রতারিত হতে হয়েছে নানা সময়, অনেককেই তাঁদের নুন্যতম পারিশ্রমিক টুকুও দেওয়া হয়না বলে অভিযোগ শিল্পীদের।আয়োযোগ সংস্থা নর্থ আমেরিকান বেঙ্গলি কনফারেন্সর সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও, তাঁদের যোগাযোগ করতে ব্যর্থ প্রতিবাদী শিল্পীরা। বিশিষ্ট প্রবীন শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শিল্পী পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তী-র আয়োজকদের পাঠানো একটি ইমেল সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়। সেই ইমেলে তিনি লেখেন,অসম্ভব ভুলভাল টাইমিং তো ছেড়েই দিলাম, আমি ভাবতেই পারিনি সেখানে আমাদের জন্য কোনও গাড়ির ব্যবস্থাও থাকবে না, দুপুরের খাবার আসবে বিকেল ৪ টের সময়। তাও আমরা বাইরে থেকে খাবার কেনার পর। হোটেলের ঘরে পর্যন্ত ঢুকতে পারিনি আমরা। বাইরে অপেক্ষা করতে হয়েছে। যেখানে প্রধানমন্ত্রী মুখ্যমন্ত্রী আমায় এত সম্মান দেন, ভারতের সব থেকে প্রবীণ শিল্পী আমি সেখানে আমায় নিয়ে গিয়ে এমন অপমান! আমি আমার প্রাপ্য টাকাটুকু পাইনি। এবার বলুন আমার কী করণীয়?...শুধু অজয় চক্রবর্তী-তেই থেমে নেই, ফেসবুক লাইভে এসে বিশিষ্ট রবীন্দ্র সঙ্গীত শিল্পী জয়তী চক্রবর্তী নর্থ আমেরিকান বেঙ্গলি কনফারেন্সর অনুষ্ঠানে এসে তাঁর ভয়ানক অভিজ্ঞতা সকলের সাথে শেয়ার করে নেন। জয়তি বলেন, আমাদের ৫ তারিখ পর্যন্ত হোটেল বুকিং আছে বলে জানানো হয়েছে কিন্তু আজ সকাল (৪ঠা জুলাই ২০২৩) থেকে আমরা আমাদের ঘরে ঢুকতে পারিনি। বিকেল ৪ টে বেজে গেলেও আমাদের খেতে দেওয়া হয়নি। এক পরিচিত খাবার এনে দেওয়ার পর ওঁরা খাবার দেন। আমাদের অনুষ্ঠানের এক শিডিউল টাইম বলে নিয়ে আসা হয়েছিল, এখানে এসে পুরোটাই পরিবর্তন করে দেওয়া হয়েছে। আমরা অনেকেই আমাদের নিজেদের ঘরে ঢুকতে পারিনি। পরে সৌগত দা এসে আমাদের কিছু শিল্পীকে উদ্ধার করেন এই পরিস্থিতি থেকে। আমি আজ নিজের চোখে গুরুজির যে অসম্মান দেখলাম সেটা মানতে পারছি না। আমাদের যে নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে রাখা হয়েছিল তার দায় কে নেবে?দায়ভারের প্রশ্নই এখন শিল্পীদের মুখে মুখে তা প্রবীন সঙ্গীত শিল্পী পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তী-ই হোক বা অভিনেত্রী সোহিনী সরকার, সকলেই এর একটা যথাযত বিহিত চাইছেন......। সঙ্গীত শিল্পী অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায় সামাজিক মাধ্যমে লেখেন ভারতের সিনিয়র-মোস্ট কিংবদন্তি শিল্পীকে যদি এমন চিঠি লিখতে হয়,তাহলে বেঙ্গলি কনফারেন্স করে লাভ কি? এই অসম্মানটুকু পন্ডিত অজয় চক্রবর্তীর প্রাপ্য বুঝি!! বাঙালি আর কত নীচে নামবে?

জুলাই ০৭, ২০২৩
রাজ্য

তৃণমূলের চক্করে কংগ্রেস ফের বিধানসভায় শূন্য, বিশ্বাসে বিশ্বাসঘাতকাতায় ক্ষুব্ধ হাত শিবির

নতুন করে শুরু করেও শূন্যই থেকে গেল কংগ্রেস। তিন মাসেই পাল্টি। সাগরদিঘির কংগ্রেস বিধায়ক এখন ঘাসফুল শিবিরে। এই ঘটনায় রাজ্য-রাজনীতি উত্তাল হয়ে ওঠে। তৃণমূলের নবজোয়ারে মুর্শিদাবাদ থেকে একেবারে ঘাটালে গিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের যোগ দিয়েছেন বায়রন। দলবদলু বিধায়কের বক্তব্য, তিনি একসময় তৃণমূলেই ছিলেন। তাঁর জয়ে কংগ্রেসের কোনও ভূমিকা ছিল না। রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীর প্রতিক্রিয়া, এক মাসে শীত যায় না।২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে বাম-কংগ্রেস জোট করে নির্বাচনে লড়াই করলেও একটি আসনও পায়নি। বিধানসভায় এই দুই দলের কোনও প্রতিনিধি ছিল না। সাগরদিঘি উপনির্বাচনে বামেদের সমর্থনে বিপুল ভোটে জয়লাভ করে কংগ্রেস প্রার্থী বায়রন বিশ্বাস। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন বায়রন। তখনই অনেকে সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন। কিন্তু এত তাড়াতাড়ি তৃণমূল যোগ দেবেন তা স্বপ্নেও ভাবেনি রাজ্য কংগ্রেসের নেতৃত্ব। এর ফলে বিধানসভায় কংগ্রেসের আর খাতা খোলা হল না। একা বিধায়ক হওয়ায় দলবদল আইনের কোপেও পড়তে হবে না। বিধানসভায় তৃণমূল বেঞ্চেই বসতে পারবেন বায়রন। রাজনৈতিক মহলের মতে, এর ফলে বাম-কংগ্রেস জোট এরাজ্যে ধাক্কা খেতে পারে। কীভাবে মানুষ বিশ্বাস করবে এই জোটকও? এই প্রশ্নও ঘুরপাক খাচ্ছে। পাশাপাশি বিধায়ক ভাঙানোর খেলা চলছে অর্থাৎ বিরোধী পক্ষ থাকবে না, এই নীতির সমালোচনা করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। ভবিষ্যৎ রাজনীতি বুঝিয়ে দেবে দলবদলুদের কি হাল হতে পারে।

মে ২৯, ২০২৩
বিনোদুনিয়া

এই বিশ্বখ্যাত প্রবাদপ্রতীম শিল্পী কে? বিস্তারিত জেনে নিন

বেশ কিছুদিন আগে থেকে শুরু করে বর্তমান সময় পর্যন্ত ফেসবুক বা ফেসবুক টাইম লাইনে অশীতিপর এক বৃদ্ধার সংগীত পরিবেশন কে ট্রোলড হতে দেখা গিয়েছে বারংবার। তিনি কে? কি ভাষায় তিনি গান গাইছেন ? অথবা গানের অর্থই বা কি এর তথ্যানুসন্ধান কেউ করেনি। আমাদের ক্ষুদ্র জ্ঞানের বিচারে এই মহান শিল্পীকে নিয়ে শুধু নানান মন্তব্য ও স্ববোধের বিচারে হাসাহাসি চলেছে। কিন্তু প্রকৃত সংগীত পিপাসুদের কানে এই শিল্পীর পরিবেশিত গানটি শুনে কেমন যেন একটা ভালোলাগা অনুভূত হয়। জানা গিয়েছে, গানটি সোয়াহিলি ভাষার একটি বিখ্যাত গান। আর এই অশীতিপর বৃদ্ধা শিল্পীটি আর কেউ নন আফ্রিকা মহাদেশের তানজানিয়ার মহান সংগ্রামী শিল্পী বিকিডুডু। যাঁর পোশাকি নাম ফাতুমা বিনতি বারাকা। এই সোয়াহিলি আরব প্রভাবিত সংগীতের স্টাইল তারাবোর কিংবদন্তী পারফর্মার তিনি। তাঁকে তারাব ও ইউনেয়াগো সংস্কৃতির রানীও বলা হয়। এটি মূলত তানজানিয়া এবং কেনিয়ার কিছু অঞ্চলের সংস্কৃতি। অনুমান করা হয় বিকিডুডের জন্ম ১৯১০সালে তানজানিয়া জাঞ্জিবার দ্বীপের একটি ছোট্ট গ্রামে, গ্রামটির নাম মাফাগিমিরিঙ্গ। তাঁর বাবা ছিলেন ওই দ্বীপেরই একজন নারকেল বিক্রেতা। বিকিডুডে তাঁর মাত্র ১০ বছর বয়সেই আফ্রিকান রক্ষণশীল সমাজের নিয়ম ভাঙতে শুরু করেন। তিনি সমাজ ও প্রথার বিরুদ্ধে আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। নিজে ব্যক্তিগত বিপ্লবের মাধ্যমে আফ্রিকান সংগীতএবং নারী জাগরণের পথ তৈরি করে গেছেন। বিশ্ব সংগীতে বিশেষ অবদানের জন্য তিনি পেয়েছেন ওমেক্স এওয়ার্ড। এই পুরস্কারপ্রাপ্তির আগে পর্যন্ত বিকিডুডে অনেকটা লোকচক্ষুর অন্তরালেই ছিলেন। ২০০৫ সালে প্রাপ্ত এই পুরস্কারে তিনি বিশ্ববাসীর নজরে আসেন এবং বিশ্ববাসীর মন জয় করেন। ব্রিটিশ নির্মাতা এন্ডি জোন্স শিল্পীর জীবন ও কর্ম নিয়ে প্রথম তথ্যচিত্র নির্মাণ করেন Shot Bi kidudu প্রবল লিঙ্গ বৈষম্যে জাঞ্জিবার সমাজে তিনি ছিলেন অকুতোভয়। তাঁর সারল্য জেদ আর অনমনীয় মনোভাবের মধ্যে দিয়ে পদদলিত করেন এই সমাজের জরা ও পশ্চাদপদ প্রথাকে। একক ও অক্লান্ত প্রচেষ্টায় জাঞ্জিবার প্রথার অমলিন সংস্কৃতিকে উন্মুক্ত করেন বিশ্ববাসীর সামনে। নিঃসন্তান প্রথাবিরোধী স্বাধীনচেতা এই শিল্পীর জীবনটাই ছিল বিতর্কিত। তথাকথিত একটা পর্দানশীন সমাজের বাইরে বেরিয়ে আসা তাঁর পক্ষে অত্যন্ত কঠিন ছিল। তিনি প্রকাশ্যে ধূমপান করতেন, আবিশ্ব ঘুরে বেড়াবেন এই স্বপ্ন ছিল তার। নিজের সমস্ত উপার্জিত অর্থ তিনি অকাতরে দুস্থ মানুষদের মধ্যে বিলিয়ে দিয়ে নিজে নিঃস্ব থাকতেন। হাঁপানি রোগ নিরাময়ে একজন ভেষজ বিশেষজ্ঞ হিসেবে এই শিল্পী পরিচিত ছিলেন। এই প্রবাদপ্রতীম শিল্পী জাঞ্জিবার তরুণ ও দুঃস্থ শিল্পীদের সংগীত শেখানো ও অর্থ দিয়ে সাহায্য করতেন। আফ্রিকার লোকসংগীত এর প্রচার ও প্রসারে তার ভূমিকা ছিল অবিসংবাদিত। ১৯৮০ সালে স্বৈরাচারী নাইজেরিয়ান সরকারের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছিল তার কন্ঠ। তানজানিয়ার জাঞ্জিবার সমাজের তিনি ছিলেন জাতীয় ধন। দীর্ঘ ১০৩ বছরের জীবন পথ অতিক্রম করে মহান এই মানবতাবাদী শিল্পী ২০১৩ সালের ১৭ই এপ্রিল জাঞ্জিবার দ্বীপে নিজ গ্রামে লোকান্তরিত হন। গত ১৭ এপ্রিল ছিল তার মৃত্যুর দশম বৎসর।

মে ০৬, ২০২৩
রাজ্য

“অমর্ত্য সেনের বাড়িতে হাত দিলে আমি যা দেব না”, হুঙ্কার মুখ্যমন্ত্রীর, প্রতিবাদ মিছিল শান্তুনিকেতনে

জমি ইস্যুতে অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য় সেনের পাশে যে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় রয়েছেন তা ফের ঘোষণা করে জানিয়ে দিলেন। আন্দোলনে নামার নির্দেশও দিয়ে গেলেন তিনি। অমর্ত্য সেনের বাড়িতে হাত দিলে আমি যা দেব না, আমায় চেনে না। মালদা থেকে ট্রেনে কলকাতা ফেরার পথে বোলপুর ষ্টেশনে দাঁড়িয়ে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষকে এভাবেই হুঁশিয়ারি দিয়ে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সঙ্গে দলীয় কর্মীদের নির্দেশ দেন মহিলাদের সামনে রেখে আন্দোলনে শামিল হতে। বঙ্গজননী ও পড়ুয়াদের সামনে রেখে আন্দোলনে করতে নির্দেশ দেন তিনি।ঘোষণা মতো শুক্রবার রবীন্দ্রভূমীতে রক্তকরবী মঞ্চস্থের মধ্য দিয়ে ভারতরত্ন অমর্ত্য সেনকে অমর্যাদার জন্য প্রতিবাদ জানানো হয়। কলকাতা থেকে চিত্রপরিচালক গৌতম হালাদার, অভিনেত্রী চৈতী ঘোষ সহ অনান্য শিল্পীর রক্তকরবী মঞ্চস্থ করে প্রতিবাদে শামিল হয়। শান্তিনিকেতন এখন যক্ষপুরী হয়ছে বলে দাবি করছেন শিল্পীরা।নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনকে উচ্ছেদের হুঁশিয়ারি, মানববন্ধন ও নাটকের মধ্য দিয়ে প্রতিবাদ হয় শান্তিনিকেতনে। এদিন প্রতীচী বাড়ি সংলগ্ন মোড় থেকে বিশ্বভারতীর সমবায় ব্যাঙ্ক পর্যন্ত পদযাত্রা করেন সামাজিক মর্যাদা রক্ষা কমিটি। পরে রাস্তার উপর রক্তকরবী নাটক পরিবেশন করে প্রদিবাদ করেন শিল্পীরা৷এদিকে ফের বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের পক্ষে ভারপ্রাপ্ত জনসংযোগ আধিকারিক মহুয়া বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমরা আদালতকে মর্যাদা দিই। ম্যাজিস্ট্রেট অমর্ত্য সেনের প্রতীচী বাড়ির সামনে ১৪৪ ধারা জারি করেছে। তা এখনও প্রত্যাহার করা হয়নি। সেই ধারা লঙ্ঘন করে কি করে এত মানুষ জমায়েত হয়ে কর্মসূচি করতে পারে? আইন কি শুধু বিশ্বভারতীর জন্যই?নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন ১৩ ডেসিমেল জমি দখল করে রেখেছেন। বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের এই অভিযোগ নিয়ে নিন্দার ঝড় ওঠে সর্বস্তরে। তবে প্রয়াত পিতা আশুতোষ সেনের উইল অনুযায়ী উত্তরাধিকার সূত্রে জমি তাঁরই, দাবি করেন অমর্ত্য সেন। ইতিমধ্যেই এই মর্মে সিউড়ি জেলা আদালত ও কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন অধ্যাপক সেন। হাইকোর্ট বিশ্বভারতীর জমি খালি করার নির্দেশের উপর স্থগিতাদেশ দিয়েছে।কিন্তু, দিনের পর দিন বিশ্ব বরেণ্য ভারতরত্ন অমর্ত্য সেনকে জমি দখলকারী, জমি কব্জাকারী প্রভৃতি শব্দে বলে এক প্রকার হেনস্থা ও অবমাননা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ ওঠে। এই মর্মে অমর্ত্য সেনের পাশে দাঁড়িয়ে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের ভূমিকার প্রতিবাদে সরব হয়েছেন বিভিন্ন সংগঠনের মানুষজন।শুক্রবার অমর্ত্য সেনকে উচ্ছেদের হুঁশিয়ারির প্রতিবাদে প্রতীচী বাড়ি সংলগ্ন শিক্ষাভবন মোড় থেকে পদযাত্রা করেন সামাজিক মর্যাদা রক্ষা কমিটি। কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে নাট্যকর্মী, সমাজকর্মী, অধ্যাপক-অধ্যাপিকা, শিক্ষাবিদেরা অংশ নেন মানববন্ধন কর্মসূচিতে। প্রতিবাদ মিছিলে হাজির ছিলেন শান্তিনিকেতনের আশ্রমিকেরাও। উপাসনা গৃহের সামনের রাস্তা দিয়ে মিছিল শেষ হয় বিশ্বভারতীর সমবায় ব্যাঙ্কের কাছে৷ সেখানে রাস্তার উপর রক্তকরবী নাটক মঞ্চস্থ করে প্রতিবাদ করেন নাট্যকর্মীরা।

মে ০৬, ২০২৩
রাজ্য

অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনের ‘দখলীকৃত’ জমি খালি করার চূড়ান্ত নোটিস বিশ্বভারতীর

বিশ্বভারতী ও নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনের মধ্যে জমি নিয়ে দ্বন্দ্ব যেন কিছুতেই মেটার নয়। এই গন্ডগোলের মাঝে অমর্ত্য সেনের বাড়িতে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। জমি সংক্রান্ত বিষয়ে সবরকম আশ্বাস দিয়ে এসেছিলেন অর্থনীতিবিদকে। এদিকে ফের বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ। একেবারে অমর্ত্য সেনের বাড়ি প্রতীচীর গেটে সেই নোটিস সাঁটিয়ে দিয়ে এসেছে। নোটিসে বলা হয়েছে ১৫ দিনের মধ্যে অমর্ত্য সেনের বাড়ি প্রতীচীর দখল করা ১৩ ডেসিমেল জায়গা খালি করতে হব। জানা গিয়েছে, বুধবার রাত ১১ টা নাগাদ সেই নোটিস জারি করা হয়েছে। নোটিসে স্পষ্ট বলা হয়েছে, জমি খালি না করলে উচ্ছেদ করা হবে।এর আগেও অমর্ত্য সেনকে নোটিস দিয়েছিল বিশ্বভারতী কতৃপক্ষ। এবার আর শুধু নোটিস দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ক্ষান্ত থাকেনি। অমর্ত্য সেনের দখল করা জমি উদ্ধারে চূড়ান্ত পদক্ষেপ করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। এই পদক্ষেপের পাল্টা আইনি যুক্তি দিয়ে বিশ্বভারতীকে চিঠি দিয়েছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ। অমর্ত্য সেন চিঠিতে জানতে চেয়েছেন যে, কোন আইনে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ তাঁকে উচ্ছেদ করার কথা বলেছে। গত ১৭ এপ্রিল অর্থনীতিবিদ বিশ্বভারতীর যুগ্ম কর্মসচিবকে এই চিঠি দিয়েছিলেন। চিঠিতেই অমর্ত্য সেন জানিয়েছেন তিনি জুন মাসে শান্তিনিকেতনে ফিরবেন।

এপ্রিল ২০, ২০২৩
রাজ্য

জাতীয় দলের মর্যাদা হারানোয় কি সর্বভারতীয় স্তরে বড় বিপাকে পড়ল তৃণমূল কংগ্রেস?

তৃণমূলের জাতীয় দলের মর্যাদা হারানোর আনন্দে কোথাও বিজেপি কর্মীরা মিষ্টি বিতরণ করলেন, কোথাও আবার আম আদমি পার্টি জাতীয় দলের তকমা পাওয়ায় মিষ্টিমুখ করালেন সাধারণ মানুষকে। এরইমধ্যে জাতীয় দলের তকমা হারানোর ২৪ ঘন্টার মধ্য়েই দলের সাংসদ পদ ছাড়লেন ফেলাইরো। একইসঙ্গে তিনি ছেড়েছেন দলীয় পদ। যদিও কেউ কেউ মনে করছেন গোয়ার এই তৃণমূল নেতাকে আর দলের প্রয়োজন নেই বলেই তাঁকে পদত্যাগ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি এমনই বিজেপি তৃণমূল কংগ্রেসের এই মর্যাদা হারানো নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের হয়ে ঘোষণা করেছিলেন, এবার ভিন রাজ্যে শাখা বিস্তার করবে তৃণমূল কংগ্রেস। শুধু অন্য রাজ্যে সংগঠন বিস্তার নয়, সেখানে ক্ষমতা দখলের জন্য়ই তৃণমূল লড়াই করবে। কিন্তু কার্যক্ষেত্রে দেখা গেল, গোয়া ও ত্রিপুরায় একটা বিধানসভা আসন দখল করতে সমর্থ হয়নি। মেঘালয়ে কংগ্রেস বিধায়কদের ভাঙিয়ে আনলেও ৫টি আসনে থমকে গিয়েছে ঘাসফুল শিবির। সামনেই ২০২৪ লোকসভা নির্বাচন। তার আগে জাতীয় দলের মর্যাদা হারানোয় তৃণমূলের কাছে বড় ধাক্কা বলে মনে করেন রাজনৈতিক মহল। এর ফলে জাতীয় ক্ষেত্রে বিজেপি বিরোধী জোটে তৃণমূল কংগ্রেস কতটা গুরুত্ব পাবে তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কংগ্রেসকে সরিয়ে সর্বভারতীয় রাজনীতিতে বিজেপি বিরোধী জোটের কেন্দ্র বিন্দুতে থাকার চেষ্টা করতে শুরু করে তৃণমূল। এমনকী নানা ইস্যুতে কংগ্রেসকে জোরালো ভাবে আক্রমণ করে ঘাসফুল নেতৃত্ব। কিন্তু জাতীয় দলের মর্যাদা হারানোয় বিজেপি বিরোধী জোটের রাশ হাতে নেওয়ার ক্ষেত্রে বড়সড় সমস্যা দেখা দিতে পারে বলে মনে করছে অভিজ্ঞ মহল। তৃণমূলের জাতীয় দলের মর্যাদা চলে যাওয়ার সঙ্গে আপ সেই মর্যাদা পেয়েছে। তাই এবার বঙ্গ আপ নেতৃত্ব নয়া উদ্য়মে রাজ্য়ব্যাপী সংগঠন জোরদার করতে প্রয়াস নিচ্ছে।

এপ্রিল ১১, ২০২৩
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 21
  • 22
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপে ড্র করতেই বড় অপমান! ইরান দলকে দেশ ছাড়ার নির্দেশ, ফিফায় অভিযোগের ঝড়

বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলেই বড় বিতর্কে জড়াল ইরান। মাঠে দুরন্ত লড়াইয়ের পর ম্যাচ ড্র করলেও মাঠের বাইরের ঘটনাকে ঘিরে ক্ষোভে ফুঁসছে ইরানের ফুটবল মহল। অভিযোগ, ম্যাচ শেষ হওয়ার পরই ইরান ফুটবল দলকে আমেরিকা ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছে। এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থার কাছে অভিযোগ জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরান ফুটবল ফেডারেশন।দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছে ইরান। প্রথম ম্যাচে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বীর বিরুদ্ধে লড়াই করে মূল্যবান ফলও অর্জন করে তারা। কিন্তু ম্যাচের পরই শুরু হয় নতুন বিতর্ক। অভিযোগ, শুধুমাত্র ম্যাচে অংশ নেওয়ার সময়সীমার জন্যই আমেরিকায় প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে ইরানের ফুটবলারদের। ফলে ম্যাচ শেষ হওয়ার পর তাদের আবার মেক্সিকোয় ফিরে যেতে হয়েছে।ইরানের পরবর্তী ম্যাচের আগে দলটি কয়েক দিন আগেই আমেরিকায় গিয়ে অনুশীলন ও পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে চেয়েছিল। সেই আবেদনও নাকচ হয়ে যায় বলে অভিযোগ। এতে দলের প্রস্তুতিতে বড় প্রভাব পড়ছে বলে দাবি করেছে ইরান ফুটবল ফেডারেশন।সংস্থার এক কর্তা জানিয়েছেন, টুর্নামেন্ট শুরুর অনেক আগেই সমস্ত প্রস্তুতির সূচি জমা দেওয়া হয়েছিল। তারপরও নানা প্রশাসনিক বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে দলকে। বিশেষ করে দিনের বেলায় অনুষ্ঠিতব্য ম্যাচের আগে স্থানীয় আবহাওয়া ও পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ না পাওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে।বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম বড় আসরে অংশ নিতে এসে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়াকে অন্যায্য বলেই মনে করছে ইরান। সেই কারণেই আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থার কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জানানোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, দুই দেশের দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক টানাপোড়েনের প্রভাব এই ঘটনার পিছনে থাকতে পারে। সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের সম্পর্ক কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ার ইঙ্গিত মিললেও বাস্তবে পরিস্থিতির খুব একটা পরিবর্তন হয়নি বলেই মত অনেকের।এই বিতর্কের মাঝেই এখন ইরানের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বিশ্বকাপের পরবর্তী ম্যাচ। মাঠের বাইরের চাপ সামলে ফুটবলাররা কতটা ভালো পারফরম্যান্স করতে পারেন, সেদিকেই নজর থাকবে ফুটবলপ্রেমীদের।বিশ্বকাপের মতো আন্তর্জাতিক আসরে খেলাধুলার চেয়ে রাজনীতি বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে কি না, সেই প্রশ্নও নতুন করে উঠতে শুরু করেছে। আর সেই কারণেই ইরানকে ঘিরে এই বিতর্ক এখন বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম আলোচিত বিষয়।

জুন ১৯, ২০২৬
রাজ্য

মাত্র ৮ মাসেই ভেসে গেল কোটি টাকার সেতু! কাটমানির অভিযোগে বিস্ফোরক শুভেন্দু

উত্তরবঙ্গের প্রবল বর্ষণে বড় ধাক্কা খেল দুধিয়া সেতু। মাত্র আট মাস আগে তৈরি হওয়া এই সেতু ভেসে যাওয়ায় শিলিগুড়ি ও মিরিকের সরাসরি যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। এত অল্প সময়ের মধ্যে একটি নতুন সেতু কীভাবে ভেসে গেল, তা নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন।শুক্রবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, দুধিয়া সেতু নির্মাণে কোনও অনিয়ম বা কাটমানির অভিযোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, আপাতত সরকারের প্রধান লক্ষ্য যত দ্রুত সম্ভব অস্থায়ী যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু করা এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার মানুষকে স্বাভাবিক পরিষেবা ফিরিয়ে দেওয়া।মুখ্যমন্ত্রী জানান, টানা বৃষ্টির জেরে উত্তরবঙ্গের একাধিক এলাকায় ছোট-বড় ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। দার্জিলিং, মিরিক এবং সংলগ্ন পাহাড়ি অঞ্চলে পরিস্থিতির উপর প্রশাসন কড়া নজর রাখছে। নবান্নের নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ চলছে। সেচ দপ্তর ও জেলা প্রশাসনও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।তিনি আরও জানান, বিপজ্জনক এলাকাগুলি থেকে প্রয়োজন হলে বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হবে। সাধারণ মানুষের যাতে কোনওরকম ক্ষতি না হয়, সেই লক্ষ্যেই প্রশাসন কাজ করছে।এদিকে আবহাওয়া দপ্তরও নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামী কয়েক দিন উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।শনিবার জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। প্রবল বৃষ্টিতে নদীর জলস্তর দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে। নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কার পাশাপাশি নতুন করে ভূমিধসের আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।অন্যদিকে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় হলুদ সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দপ্তর। আগামী কয়েক দিন বজ্রবিদ্যুৎসহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।দুধিয়া সেতু ভেসে যাওয়ার ঘটনায় এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, এত কম সময়ে নতুন নির্মিত সেতুর এমন পরিণতি কেন হল? প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করতে তদন্তের দাবিও জোরালো হচ্ছে। উত্তরবঙ্গের মানুষ এখন অপেক্ষা করছেন দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হওয়ার।

জুন ১৯, ২০২৬
দেশ

গ্রেপ্তারির আশঙ্কায় হাই কোর্টে অভিষেক! আদালতের নির্দেশে আপাতত বড় স্বস্তি

ত্রিপুরার একটি পুরনো মামলায় গ্রেপ্তারির আশঙ্কা এড়াতে ত্রিপুরা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার মামলার শুনানির পর আদালত জানিয়েছে, আগামী ২১ আগস্ট পর্যন্ত তাঁকে হাজিরা দিতে হবে না। ওই দিনই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।ঘটনার সূত্রপাত ২০২১ সালের আগস্ট মাসে। তৃণমূলের একটি কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাওয়ার পথে দলের কয়েকজন যুবনেতাকে ত্রিপুরায় আটকানো হয়েছিল বলে অভিযোগ। সেই সময় দেবাংশু ভট্টাচার্য, সুদীপ রাহা এবং জয়া দত্তের উপর হামলার অভিযোগ ওঠে। ঘটনায় কয়েকজন নেতা আহত হন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং রাজনৈতিক সংঘাত তীব্র আকার নেয়।এরপর আটক নেতাদের মুক্তির দাবিতে খোয়াই থানার সামনে অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও কুণাল ঘোষ। পরে ধৃত নেতাদের আদালতে তোলা হলে সেখানকার পরিস্থিতির উপর নজর রাখেন তাঁরা। জামিন পাওয়ার পর ত্রিপুরার তৎকালীন বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেন তৃণমূল নেতারা।পুলিশের দাবি, ওই দিনের থানার সামনে অবস্থান কর্মসূচিকে কেন্দ্র করেই মামলা দায়ের করা হয়েছিল। সেই মামলাতেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সমন পাঠায় খোয়াই আদালত। গ্রেপ্তারির সম্ভাবনা এড়াতেই তিনি ত্রিপুরা হাই কোর্টের শরণাপন্ন হন।অন্যদিকে, সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক আইনি ইস্যুকে কেন্দ্র করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন। সই জাল সংক্রান্ত মামলায় তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে হয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন তদন্তকারী সংস্থার তলবেও হাজিরা দিয়েছেন তিনি। এরই মধ্যে ত্রিপুরার এই মামলায় আদালতের অন্তর্বর্তী স্বস্তি তাঁর জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।তবে ২১ আগস্টের পরবর্তী শুনানিতে মামলার ভবিষ্যৎ কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহল এবং প্রশাসনের।

জুন ১৯, ২০২৬
রাজ্য

চার্টার্ড বিমানে দিল্লি সফর! অভিষেককে ঘিরে বিস্ফোরক মন্তব্য কুণালের, তোলপাড় রাজনীতি

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফরকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে। চার্টার্ড বিমানে তিনি দিল্লি গিয়েছেন কি না, তা নিয়ে নানা মহলে আলোচনা চলছে। এই আবহেই বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। তাঁর মন্তব্য ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।শুক্রবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতা থেকে দিল্লি যান। সেই সফরকে কেন্দ্র করেই চার্টার্ড বিমানের ব্যবহার নিয়ে গুঞ্জন ছড়ায়। যদিও এই বিষয়ে কোনও সরকারি তথ্য সামনে আসেনি। তবে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে কুণাল ঘোষ বলেন, অভিষেক চার্টার্ড বিমানে গিয়েছেন কি না, তা তিনি নিশ্চিত নন। কিন্তু যদি দলের তহবিলের অর্থ খরচ করে এমন সফর হয়ে থাকে, তাহলে তিনি ব্যক্তিগতভাবে তা সমর্থন করেন না।কুণাল ঘোষের বক্তব্য, যদি অন্য কারও ব্যবস্থায় বা সহযাত্রী হিসেবে তিনি চার্টার্ড বিমানে ভ্রমণ করে থাকেন, তাহলে বিষয়টি আলাদা। কিন্তু দলের অর্থ ব্যয় করে এমন যাত্রা হলে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে।এই মন্তব্য এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন তৃণমূলকে ঘিরে একাধিক রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক বিতর্ক চলছে। দলের একাংশের বিদ্রোহ, সাংসদ ও বিধায়কদের অবস্থান পরিবর্তন, সংগঠনের ভবিষ্যৎ এবং আর্থিক বিষয় নিয়ে ইতিমধ্যেই চর্চা তুঙ্গে।এদিকে দলের তহবিল নিয়েও নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। দলের প্রাক্তন কোষাধ্যক্ষ অরূপ বিশ্বাস ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট স্থগিত রাখার দাবি জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন বলে খবর। সেই পদক্ষেপকে সমর্থনও করেছেন দলের অন্য একাংশের নেতারা। ফলে তৃণমূলের আর্থিক নিয়ন্ত্রণ এবং সাংগঠনিক ভবিষ্যৎ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠছে।এই পরিস্থিতিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফর বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, তিনি দলের সাংসদদের অবস্থান এবং সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের জন্য রাজধানীতে গিয়েছেন।তবে চার্টার্ড বিমানে সফর সংক্রান্ত জল্পনা এবং কুণাল ঘোষের প্রকাশ্য মন্তব্য তৃণমূলের অন্দরের অস্বস্তিকেই আরও সামনে এনে দিয়েছে বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মত। এখন এই বিতর্কে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে কোনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা আসে কি না, সেদিকেই নজর রয়েছে।

জুন ১৯, ২০২৬
কলকাতা

শহিদ দিবসের আগেই বড় ধাক্কা! মমতা-অভিষেকের বিরুদ্ধে আদালতের নোটিসে তোলপাড় রাজনীতি

একুশে জুলাইয়ের শহিদ দিবস কর্মসূচির আগে বড় আইনি চাপে পড়লেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ধর্মতলায় রাস্তা আটকে সভা করার অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলায় নোটিস জারির নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে।জানা গিয়েছে, দুই হাজার আঠারো সালে কলকাতা হাই কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল যে কোনও সরকারি জায়গা বন্ধ করে সভা বা মিছিল করা যাবে না। অভিযোগ, সেই নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও প্রতি বছর একুশে জুলাই ধর্মতলায় রাস্তা আটকে শহিদ দিবস পালন করে তৃণমূল। এই বিষয়টিকেই কেন্দ্র করে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করা হয়।বৃহস্পতিবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নোটিস জারির নির্দেশ দেয়। আগামী তিন জুলাই মামলার পরবর্তী শুনানি হওয়ার কথা।উল্লেখ্য, উনিশশো তিরানব্বই সালের একুশে জুলাই রাইটার্স বিল্ডিং অভিযান চলাকালীন পুলিশের গুলিতে তেরো জন কংগ্রেস কর্মীর মৃত্যু হয়েছিল। সেই ঘটনার স্মরণে দীর্ঘদিন ধরেই একুশে জুলাই শহিদ দিবস হিসেবে পালন করা হয়। পরে তৃণমূল কংগ্রেস গঠনের পরও এই কর্মসূচি অব্যাহত রাখেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।দুই হাজার এগারো সালে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর শহিদ দিবসের সমাবেশ আরও বড় আকার নেয়। ধর্মতলার ভিক্টোরিয়া হাউস সংলগ্ন এলাকায় প্রতি বছর লক্ষাধিক সমর্থকের জমায়েত হয়। যদিও আদালতের পূর্ববর্তী নির্দেশের পরও একই জায়গায় সভা আয়োজনকে কেন্দ্র করে বারবার বিতর্ক তৈরি হয়েছে।এবার পরিস্থিতি আরও তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার পর তৃণমূল এখন বিরোধী শিবিরে। একই সঙ্গে দলের অভ্যন্তরেও নানা মতভেদ এবং ভাঙনের জল্পনা চলছে। বিধানসভা এবং লোকসভা স্তরে রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে যাওয়ার মধ্যেই একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।এই অবস্থায় আদালতের নোটিস জারির নির্দেশ রাজনৈতিকভাবে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে পর্যবেক্ষক মহল। একদিকে শহিদ দিবসের প্রস্তুতি, অন্যদিকে আইনি চাপ দুইয়ের মাঝেই তৃণমূল নেতৃত্বকে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে।এখন নজর আগামী তিন জুলাইয়ের শুনানির দিকে। আদালতে এই মামলার ভবিষ্যৎ কী মোড় নেয়, তার উপরই নির্ভর করবে একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি ঘিরে পরবর্তী রাজনৈতিক সমীকরণ।

জুন ১৯, ২০২৬
রাজ্য

চার দিনেই বদলে যেতে পারে পরিস্থিতি! উত্তরবঙ্গে জারি ভয়াবহ বৃষ্টির সতর্কতা

দক্ষিণবঙ্গে আকাশ মেঘলা থাকলেও উত্তরবঙ্গে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে টানা বৃষ্টি চলছে। এবার সেই পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হতে পারে বলে জানাল আবহাওয়া দফতর। আগামী চার দিন উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাহাড়ে ধস, হড়পা বান এবং নদীর জলস্ফীতির আশঙ্কায় জারি করা হয়েছে বিশেষ সতর্কতা।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়িতে আগামী কয়েক দিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। কিছু এলাকায় বৃষ্টির পরিমাণ অত্যন্ত বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে পাহাড়ি এলাকায় নতুন করে ধস নামার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।ইতিমধ্যেই দশ নম্বর জাতীয় সড়কের বিভিন্ন অংশে ধসের খবর পাওয়া গিয়েছে। পাশাপাশি দুধিয়া সেতুর অস্থায়ী বিকল্প পথের একটি অংশও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে প্রশাসনের উদ্বেগ আরও বেড়েছে।আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, সিকিম, দার্জিলিং এবং কালিম্পংয়ে আগামী চার দিন কমলা সতর্কতা জারি রয়েছে। পাহাড়ি নদী এবং ঝরনার আশপাশে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কারণ প্রবল বৃষ্টির জেরে হঠাৎ হড়পা বানের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।ডুয়ার্স অঞ্চলেও বৃষ্টির দাপট বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার জেলায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কোচবিহারেও বিশেষ সতর্কতা রয়েছে। আবহাওয়া দফতরের আশঙ্কা, কিছু এলাকায় এক দিনে দুইশো মিলিমিটারেরও বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে।বিশেষজ্ঞদের মতে, ভুটান থেকে নেমে আসা জল এবং স্থানীয় বৃষ্টির কারণে উত্তরবঙ্গের একাধিক নদীর জলস্তর দ্রুত বাড়তে পারে। এর ফলে নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।এদিকে প্রবল বৃষ্টি, ধস এবং রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে সমস্যায় পড়েছেন বহু পর্যটক। তাঁদের জন্য ইতিমধ্যেই বিশেষ সহায়তা ব্যবস্থা চালু করেছে রাজ্য সরকার। প্রশাসনের তরফে পরিস্থিতির উপর সার্বক্ষণিক নজর রাখা হচ্ছে।উত্তরবঙ্গের সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য উচ্চপর্যায়ের বৈঠকও হয়েছে। সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন এবং বিভিন্ন দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আগামী কয়েক দিন উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া আরও প্রতিকূল হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাই অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়িয়ে চলা এবং প্রশাসনের নির্দেশ মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জুন ১৯, ২০২৬
কলকাতা

কালীঘাটে হঠাৎ সিআইডি, মমতার আত্মীয়ের ফ্ল্যাটে ঢুকতেই বাড়ল রহস্য

ফের কালীঘাটে দেখা গেল সিআইডির তৎপরতা। তবে এবার তদন্তকারীরা সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যাননি। পরিবর্তে তাঁরা পৌঁছন হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের একটি ফ্ল্যাটে, যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক আত্মীয় বসবাস করেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।বৃহস্পতিবার দুপুরে আচমকাই ওই এলাকায় সিআইডির কয়েকজন আধিকারিককে দেখা যায়। তাঁরা সরাসরি একটি নির্দিষ্ট ফ্ল্যাটে যাওয়ার আগে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং কিছু তথ্য জানার চেষ্টা করেন। এরপর তাঁরা সংশ্লিষ্ট ফ্ল্যাটে প্রবেশ করেন।প্রতিবেশীদের দাবি, ওই ফ্ল্যাটের দ্বিতীয় তলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক বোন থাকেন। তদন্তকারীরা সেখানেই গিয়েছিলেন। তবে কী কারণে এই সফর, কোন মামলার সূত্রে তদন্তকারীরা সেখানে পৌঁছেছেন, সে বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি ব্যাখ্যা সামনে আসেনি।উল্লেখ্য, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সই জাল সংক্রান্ত মামলাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বকে ঘিরে তদন্ত জোরদার হয়েছে। এর আগে একাধিকবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন জায়গায় তদন্তকারীরা গিয়েছেন। কালীঘাটের দলীয় কার্যালয়েও তল্লাশি চালানো হয়েছিল। পাশাপাশি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে।যদিও সংশ্লিষ্ট মামলায় আদালতের তরফে সাময়িক আইনি সুরক্ষা পেয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবুও তদন্ত প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কালীঘাটে সিআইডির নতুন পদক্ষেপ স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু করেছে।এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের দাবি, বিরোধী রাজনৈতিক অবস্থানের কারণেই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তবে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সেই অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী তাপস রায়ের বক্তব্য, তদন্তের সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই এবং আইন অনুযায়ী যা করার, তা-ই করা হচ্ছে।তবে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখনও অমীমাংসিত। ঠিক কোন মামলার সূত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আত্মীয়ের ফ্ল্যাটে তদন্তকারীরা পৌঁছলেন, সেই উত্তর এখনও সামনে আসেনি। আর সেই কারণেই কালীঘাটের এই ঘটনাকে ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হচ্ছে।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

দরজার বাইরে পুলিশ, ভিতরে নিষেধাজ্ঞা! মমতার বাড়িতে কী ঘটল বৃহস্পতিবার সকালে?

কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িকে ঘিরে বৃহস্পতিবারও তৈরি হল অস্বাভাবিক পরিস্থিতি। লালবাজারের পক্ষ থেকে আরও কয়েকজন নিরাপত্তা আধিকারিককে পাঠানো হলেও তাঁদের বাড়ির ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। ফলে সকাল থেকেই কালীঘাটের বাড়ির সামনে শুরু হয় নতুন জল্পনা।সূত্রের খবর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে তিনি নতুন নিরাপত্তারক্ষী নিতে রাজি নন। তাঁর দীর্ঘদিনের পরিচিত ও বিশ্বস্ত নিরাপত্তাকর্মীদের সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তে তিনি অসন্তুষ্ট বলেই জানা যাচ্ছে। সেই কারণেই নতুন করে পাঠানো নিরাপত্তাকর্মীদের গ্রহণ করা হয়নি।বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কয়েকজন পুলিশ আধিকারিক বাড়ির বাইরে অপেক্ষা করছিলেন। তাঁদের মধ্যে একজনকে কিছু সময়ের জন্য ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হলেও পরে তাঁকেও বাইরে বেরিয়ে আসতে বলা হয়। জানানো হয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নতুন নিরাপত্তারক্ষীদের গ্রহণ করতে চান না এবং সিদ্ধান্ত না বদলানো পর্যন্ত তাঁদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়।বর্তমানে কালীঘাটের বাড়ির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার দায়িত্ব সামলাচ্ছেন দলের কয়েকজন বিশ্বস্ত কর্মী। তাঁদের সঙ্গে সীমিত সংখ্যক পুলিশকর্মীও রয়েছেন। অন্যদিকে বাড়ির বাইরে কলকাতা পুলিশের বিশেষ বাহিনীর সদস্যরা নিয়মিত টহল চালাচ্ছেন।জানা গিয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কয়েকজন পুরনো নিরাপত্তারক্ষীকে তাঁদের আগের ইউনিটে ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ বিষয়টি নিয়ে উদ্যোগী হয়েছেন। বৃহস্পতিবার তিনি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুরনো নিরাপত্তারক্ষীদের ফেরানোর আবেদন জানান। তাঁর বক্তব্য, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত যাই হোক না কেন, দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ও আস্থার বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত। সূত্রের দাবি, এই বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।এদিকে তৃণমূলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিবর্তন করা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। দলের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন এই ঘটনাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার উদাহরণ বলে দাবি করেছেন।তবে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও কাটছাঁট করা হয়নি। তাঁর উচ্চস্তরের নিরাপত্তা বহাল রয়েছে। নিয়মিত প্রশাসনিক রদবদলের অংশ হিসেবেই নতুন নিরাপত্তাকর্মীদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই নতুন ব্যবস্থাকে গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।পুরনো নিরাপত্তারক্ষীদের প্রত্যাবর্তন হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে কালীঘাটের বাড়ির সামনে তৈরি হওয়া এই পরিস্থিতি এখন রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে অন্যতম আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে।

জুন ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal