• ১২ আশ্বিন ১৪৩৩, বৃহস্পতি ০১ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Art

কলকাতা

করোনা আক্রান্ত সুজন চক্রবর্তী

এবার করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলেন সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী। মৃদু উপসর্গ দেখা দেওয়ায় মঙ্গলবার রাতে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। আক্রান্ত হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের মমতাবালা ঠাকুর।দক্ষিণ কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে বুকে স্ক্যান করানোর জন্য মঙ্গলবার গিয়েছিলেন সুজন। কোভিডের মৃদু উপসর্গও ছিল তাঁর। সে সময় পরীক্ষা করা হলে করোনা পরীক্ষার ফল পজিটিভ আসে। তার পরই তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। সেখানে তাঁকে অক্সিজেন দেওয়া হয়েছিল বলেও জানা গিয়েছে। তাঁর অবস্থা এখন স্থিতিশীল রয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। গত বছর সেপ্টেম্বরে সুজন চক্রবর্তীর গাড়ির চালক কোভিডে আক্রান্ত হয়েছিলেন। সে সময় অবশ্য সুজনের কোভিড পরীক্ষার ফল নেগেটিভ এসেছিল। সাবধানতা অবলম্বনের জন্য দিন সাতেক নিভৃতবাসে ছিলেন তিনি।সুজনের আগেও রাজ্যের একাধিক প্রার্থী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। কোভিডের জেরে প্রাণও হারিয়েছেন বেশ কয়েক জন প্রার্থী। সামশেরগঞ্জের কংগ্রেস প্রার্থী রেজাউল হক এবং জঙ্গিপুরের আরএসপি প্রার্থী প্রদীপ নন্দীর। যার জেরে দুই কেন্দ্রে পিছিয়ে গিয়েছে ভোটগ্রহণ। চুঁচুড়ার তৃণমূল প্রার্থী অসিত মজুমদারও গত সপ্তাহে আক্রান্ত হয়েছেন কোভিডে। বীরভূম জেলার মুরারইয়ের বিদায়ী বিধায়ক আব্দুর রহমানেরও মৃত্যু হয়েছে কোভিডের জেরে।

এপ্রিল ২১, ২০২১
কলকাতা

করোনা পরিস্থিতিতে কড়া সিদ্ধান্ত কমিশনের

রাজ্যে শনিবার পঞ্চম দফার ভোটগ্রহণ। এর পরেও ৩ দফার ভোট রয়েছে। কিন্তু এখন থেকে আর বাকি দফাগুলিতে রাত পর্যন্ত নির্বাচনী প্রচার করতে পারবে না রাজনৈতিক দলগুলি। শুক্রবার নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দিল, সন্ধ্যা ৭টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত কোনও রাজনৈতিক জনসভা বা রোড-শো করা যাবে না। শুক্রবার সন্ধ্যা থেকেই এই নির্দেশ কার্যকর হচ্ছে বলে জানিয়েছে কমিশন। একই সঙ্গে কমিশন জানিয়েছে, বাকি তিন দফার ক্ষেত্রে ভোটগ্রহণের ৭২ ঘণ্টা আগেই শেষ হয়ে যাবে প্রচারের সময়সীমা। সাধারণ ভাবে ৪৮ ঘণ্টা আগে শেষ হয় প্রচারপর্ব। প্রসঙ্গত, রাজ্যে পঞ্চম দফার ভোটগ্রহণের ক্ষেত্রেও ৭২ ঘণ্টা আগে প্রচার শেষ করার নির্দেশ দিয়েছিল কমিশন।গোটা দেশের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গে হু হু করে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। শুক্রবার রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে রাজ্যে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৬ হাজার ৯১০ জন। এর মধ্যে কলকাতায় আক্রান্ত ১ হাজার ৮৪৪ এবং উত্তর ২৪ পরগনায় আক্রান্ত ১ হাজার ৫৯২। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে ২৬ জনের। তার জেরে রাজ্যে মোট মৃতের সংখ্যা এখন ১০ হাজার ৫০৬ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় ৯ এবং উত্তর ২৪ পরগনায় ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।আগামী দফাগুলিতে যে সব জায়গায় ভোটগ্রহণ রয়েছে সেখানেও করোনা আক্রান্ত বৃদ্ধির সংখ্যা রীতিমতো উদ্বেগজনক। এই পরিস্থিতিতে শেষ ৩ দফার ভোটগ্রহণ একসঙ্গে করার দাবিও উঠেছিল। যদিও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়ে সমস্যার কথা মাথায় রেখে সেই সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয় নির্বাচন কমিশন। শুক্রবার একটি সর্বদল বৈঠকও করে কমিশন। সেখানে অবশ্য নতুন কোনও সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়নি। তবে দুপুরের বৈঠকে হাজির সব রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের কঠোরভাবে কোভিড বিধি মেনে চলার বার্তা দেওয়া হয়। এর পরেই সন্ধ্যায় দিল্লি থেকে প্রচারের সময় কমিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানাল কমিশন।এই সিদ্ধান্ত জানানোর পাশাপাশি করোনাবিধি মেনে চলার জন্য নতুন করে সতর্কতাও জারি করেছে কমিশন। বলা হয়েছে, প্রত্যেক প্রার্থী এবং রাজনৈতিক দলকে করোনাবিধি কঠোর ভাবে মেনে চলতে হবে। কোনও রকম শিথিলশিথিলতা চলবে না। কোনও নিয়ম ভাঙলে কমিশন আইনগত ব্যবস্থা নেবে। ফৌজদারি মামলা করা হতে পারে বলেও জানিয়েছে কমিশন। বলা হয়েছে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যে সব সভা, সমাবেশ হবে সেখানেও প্রত্যেকের মাস্ক পরে থাকা বাধ্যতামূলক। পর্যাপ্ত স্যানিটাইজারের ব্যবস্থাও রাখতে হবে। এই বাবদ যে খরচ হবে সেটা বহন করতে হবে প্রার্থী এবং রাজনৈতিক দলগুলোকেই। নির্বাচন কমিশন প্রার্থী ও দলের জন্যে খরচের যে সীমা বেঁধে দিয়েছে তার থেকেই মাস্ক ও স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা করতে হবে।

এপ্রিল ১৬, ২০২১
রাজ্য

কোভিড সংক্রমণ বৃদ্ধিতে চিন্তিত কমিশন, শুক্রবার সর্বদল বৈঠকের ডাক

রাজ্যে এক দিকে নির্বাচন চলছে, অন্য দিকে বাড়ছে কোভিড সংক্রমণ। বুধবার আক্রান্তের সংখ্যা নয়া রেকর্ড ছুঁয়েছে। কিন্তু কোনও মতেই প্রচারের জন্য জমায়েতে রাশ টানা যাচ্ছে না। এই অবস্থায় সর্বদল বৈঠক ডাকল নির্বাচন কমিশন। শুক্রবার এই বৈঠক ডাকা হয়েছে।কমিশনের তরফে রাজ্যের ১০টি রাজনৈতিক দলকে চিঠি লিখে এ কথা জানানো হয়েছে। ১৬ এপ্রিল, শুক্রবার, দুপুর ২টোর সময় কমিশনের রাজ্য দপ্তরে হাজির হতে বলা হয়েছে তাদের। স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রতিটি দল থেকে ১ জন করে প্রতিনিধি যাবেন এই বৈঠকে। কোভিড বিধির কথা মাথায় রেখেই এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুধু রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের নয়, শুক্রবারের বৈঠকে এডিজি আইনশৃঙ্খলা জগমোহন ও স্বাস্থ্য সচিব নারায়ণস্বরূপ নিগমকেও ডেকে পাঠানো হয়েছে। রাজ্যে সংক্রমণ বৃদ্ধির মধ্যেও প্রচারে জমায়েত কমানো যাচ্ছে না, এই অভিযোগ তুলে একাধিক জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল হাইকোর্টে। মঙ্গলবার এই ব্যাপারে শুনানিতে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, প্রচারের সময় যাতে কোভিড গাইডলাইন মেনে চলা হয়, সেটা নিশ্চিত করতে হবে কমিশনকে। মাস্ক পরা, নির্দিষ্ট দূরত্ব বিধি মেনে চলার মতো বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিতে হবে। আদালতের এই নির্দেশের পরেই বৈঠক ডাকা হয়েছে কমিশনের তরফে। কী ভাবে কোভিড বিধি মেনে প্রচার করা যাবে সেটা নিয়েই কথা হবে শুক্রবারের বৈঠকে।

এপ্রিল ১৪, ২০২১
কলকাতা

আইকোর মামলায় এবার পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে তলব ইডির

আইকোর মামলায় ফের রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে তলব করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সিবিআইয়ের পর এবার তাঁকে নোটিস পাঠাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সূত্রের খবর, মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি এই অর্থলগ্নিকারী সংস্থাকে সমর্থন করেছিলেন। সে বিষয়েই তাঁরে জিজ্ঞাসাবাদ করতে ডাকা হয়েছে বলে ইডি সূত্রে দাবি।তবে শুধুমাত্র বেহাল পশ্চিমের তৃণমূল প্রার্থী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ই নয়, কলকাতা পুরসভার এক বিদায়ী কাউন্সিলরকেও ডেকে পাঠিয়েছে ইডি। বিদায়ী কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্তের সঙ্গে আইকোরের কী সম্পর্ক ছিল তা জানতে চেয়ে তাঁকেও ডেকে পাঠিয়েছে ইডি। আগামী সপ্তাহে দুজনকেই সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ইডি। উল্লেখ্য, ইতিপূর্বে একই মামলায় রাজ্যের মন্ত্রীকে তলব করেছিলি সিবিআই। কিন্তু ভোটের কাজে ব্যস্ত থাকায় তিনি আপাতত হাজিরা দিতে পারবেন না বলে চিঠি দিয়ে জানিয়ে দিয়েছিলেন।মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহে আইকোর মামলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে নোটিস পাঠানো হয় সিবিআইয়ের তরফে। ১৫ মার্চ কলকাতায় সিবিআইয়ের সদর দপ্তরে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। আইকোর মামলার তদন্তে নেমে অনুকূল মাইতিকে জেরা করে একাধিক তথ্য পেয়েছিলেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। সেই তথ্যের উপর ভিত্তি করেই পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে জেরা করার কথা ছিল। কিন্তু পার্থ চট্টোপাধ্যায় ওই দিন হাজিরা দেননি। জানিয়েছিলেন, তিনি তখনও কোনও নোটিস হাতে পাননি। পেলে অবশ্যই উত্তর দেবেন। পরবর্তীতে দ্বিতীয় নোটিস দেওয়া হয় তাঁকে।

এপ্রিল ১৪, ২০২১
দেশ

মহারাষ্ট্রে জারি জনতা কার্ফু

লকডাউন নয়, কড়া জনতা কার্ফু জারি হচ্ছে মহারাষ্ট্রে। মঙ্গলবার প্রশাসনিক এই সিদ্ধান্তের কথা জানালেন সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে। বুধবার, ১৪ এপ্রিল রাত ৮টা থেকে ১ মে সকাল ৭টা পর্যন্ত এই কার্ফু জারি থাকবে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উদ্ধব এক ভিডিওবার্তায় জানিয়েছেন, মহারাষ্ট্র সরকার স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর উন্নতিতে কাজ করে চলেছে। কিন্তু যে ভাবে করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে তাতে স্বাস্থ্য পরিষেবার উপর প্রবল প্রভাব পড়ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।ওই বার্তায় তিনি বলেন, এখন রাজনীতি করার সময় নয়। প্রতিনিয়ত অক্সিজেনের চাহিদা বাড়ছে, হাসপাতালে শয্যার সংখ্যা কমে আসছে, ওষুধের চাহিদাও বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। তাই সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পুরো মহারাষ্ট্রেই জমায়েত রুখতে জারি করা হচ্ছে জনতা কার্ফু। বিশেষ কারণ ছাড়া বাইরে বেরনোর উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হচ্ছে। সমস্ত সরকারি ও বেসরকারি পরিষেবা, প্রতিষ্ঠান, কাজকর্ম বন্ধ রাখতে হবে। তবে চালু থাকবে জরুরি পরিষেবা। খোলা থাকবে থাকবে হাসপাতাল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, স্বাস্থ্যবিমা অফিস, ওষুধের দোকান ও ওষুধ-কারখানা। স্যানিটাইজার, মাস্ক, টিকা সরবরাহ ও দেওয়ার কাজ চলবে সমান তালে। বিমান, ট্রেন, ট্যাক্সি, অটো, বাস চলবে। বন্ধ থাকবে শপিং মল, সিনেমা হল। তবে রেস্তরাঁ থেকে শুধু খাবার কিনে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকবে। রাজনৈতিক সভা, বিয়ে বাড়ি ও শ্রাদ্ধের মতো অনুষ্ঠান করতে হবে নামমাত্র লোক নিয়ে। ইতিমধ্যেই দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে।

এপ্রিল ১৩, ২০২১
রাজ্য

পাপিয়া অধিকারীকে মারধর, তৃণমূলের বিরুদ্ধে কমিশনে যাচ্ছে বিজেপি

তৃতীয় দফার ভোটে একের পর এক অশান্তির খবর সামনে এসেছে। তৃণমূল প্রার্থী সুজাতা মণ্ডল খাঁর পর এবার উলুবেড়িয়া দক্ষিণের বিজেপি প্রার্থী পাপিয়া অধিকারীর উপর হামলার অভিযোগ উঠল। উলুবেড়িয়া হাসপাতালে এক বিজেপি কর্মীকে দেখতে যান পাপিয়া। সেখানেই তাঁর উপর হামলা হয়, চড় মারা হয় বলেও অভিযোগ। এর জেরে হাসপাতাল চত্বর রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে।উলুবেড়িয়া দক্ষিণ বিধানসভা এলাকায় এক বিজেপি কর্মী আহত হন। তাঁকে উদ্ধার করে উলুবেড়িয়া হাসপাতালে ভরতি করা হয়। খবর পেয়ে সেখানে তাঁকে দেখতে যান উলুবেড়িয়া দক্ষিণের বিজেপি প্রার্থী পাপিয়া অধিকারী। তাঁর সঙ্গে বেশ কয়েকজন কর্মী সমর্থকও ছিলেন। হাসপাতালে পৌঁছলে সেখানে পাপিয়া অধিকারীকে ধাক্কা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। বাধা দিতে যান বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। এরপরই দুপক্ষের মধ্যে বচসা থেকে হাতাহাতি শুরু হয়ে যায়। পরিস্থিতি রণক্ষেত্রের আকার নেয়। শেষে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি কোনওরকমে নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থল থেকে বার করে নিয়ে যাওয়া হয় পাপিয়া অধিকারীকে।পরে পাপিয়াও সংবাদমাধ্যমের কাছে জানান, তাঁকে হাসপাতাল চত্বরে মারধর করা হয়েছে। আর এই ঘটনার পিছনে সরাসরি তৃণমূল কংগ্রেসের হাত রয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর দাবি, তৃণমূল কংগ্রেস যে হারছে সেটা তারা বুঝতে পেরেছে। তাই এমন হামলা করছে। যদিও তৃণমূলের তরফে পাপিয়ার উপর হামলার অভিযোগ অস্বীকার করা হয়।পাপিয়া অধিকারীর উপর হামলার খবর পেয়ে তাঁকে ফোন করেন বিজেপি নেতা কৈলাশ বিজয়বর্গীয়। খোঁজ নেন কী ঘটেছিল। বিজেপির তরফে এই হামলার প্রতিবাদ করে কমিশনে অভিযোগ জানানো হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। হামলার ঘটনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে ইতিমধ্যে ২ জনকে পাকড়াও করা হয়েছে।

এপ্রিল ০৬, ২০২১
রাজ্য

সকালে ফের কেঁপে উঠল একাধিক জেলা

মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুবার ভূমিকম্প অনুভূত হল উত্তরবঙ্গে। কেঁপে উঠল একাধিক জেলা। গতকাল রাতের পর আজ সকাল ৭টা ৭ মিনিট নাগাদ দ্বিতীয়বার কম্পন অনুভূত হয় উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে। এর প্রভাব দেখা যায় মূলত জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে। এছাড়া উত্তরবঙ্গের অন্য জেলাগুলিতেও মৃদু কম্পন অনুভূত হয়েছে।প্রসঙ্গত, সোমবার রাত আটটা বেজে পঞ্চাশ মিনিট নাগাদ একইভাবে কম্পন অনুভব করেন কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, শিলিগুড়ি, দুই দিনাজপুর ও মালদহের বাসিন্দারা। এই ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল গ্যাংটক। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.২। ৭ থেকে ৮ সেকেন্ড কম্পন অনুভূত হয়। স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক গ্রাস করে উত্তরবঙ্গের বাসিন্দাদের। মূলত বহুতল আবাসনের বাসিন্দারা নেমে আসেন রাস্তায়। কার্যত হুলুস্থুলু পরিস্থিতি তৈরি হয়। যদিও এই কম্পনে ক্ষয়ক্ষতির কোনও খবর পাওয়া যায়নি। প্রাণহানিও ঘটেনি বলেই জানা যাচ্ছে।এই ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পরই আজ সকালে নতুন করে কম্পন অনুভূত হয় এই জেলাগুলিতে। তবে, আজকের কম্পন ছিল একেবারেই মৃদু। এর উৎস বা মাত্রা কোনওটাই এখনও জানা যায়নি। এটা গতকালের ভূমিকম্পের আফটার শক হতে পারে বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের। এদিকে, আজ ভোরেও অসমের তিনসুকিয়ায় মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে যার মাত্রা ছিল ২,৭। এই ভূমিকম্পের জেরেই উত্তরবঙ্গে কম্পন অনুভূত হল কিনা খতিয়ে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।

এপ্রিল ০৬, ২০২১
রাজ্য

শুভেন্দুর হয়ে মিঠুনের রোড শোয়ে উপচে পড়া ভিড়

নন্দীগ্রামে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর হয়ে রোড শো করেন এদিন মিঠুন চক্রবর্তী। অভিযোগ করেন, ছোটবড় প্রতেক্যটি কাজে কাটমানি খাওয়া হয়। প্রভিফেন্ড ফান্ডের টাকাও কমিশনও ছাড়া হয় না বলে অভিযোগ মহাগুরুর।রাজ্যের দ্বিতীয় দফার ভোট প্রচারের শেষ দিন ছিল মঙ্গলবার। তৃণমূল-বিজেপি দুই দলেরই প্রচার ছিল নজরকাড়া। একদিকে হেভিওয়েট প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর হয়ে রোড শো করেছেন অমিত শাহ এবং মহাগুরু মিঠুন চক্রবর্তী। অন্যদিকে মঞ্চে হুইলচেয়ারে বসেই বিরোধীদের তীক্ষ্ণে বাক্যবাণে বিঁধেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।প্রথমে খড়গপুরে বিজেপির তারকা প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের সমর্থনে রোড শো করেন মিঠুন। শেষবেলায় পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নন্দীগ্রামে পৌঁছন। শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে প্রচার শুরু করেন। টেঙ্গুয়া থেকে নন্দীগ্রাম পর্যন্ত রোড শো করেন মহাগুরু। কয়েক হাজার মানুষের ভিড় জমে যায় বাংলার সুপারস্টারকে দেখার জন্য। গাড়ির লক্ষ্য করে পুষ্পবৃষ্টি করা হয়। হাত নেড়ে অভিবাদন জানান সাধারণ মানুষ ও অনুরাগীরা। কখনও হাত জোড় করে, কখনও আবার হাত নেড়ে সকলের ভালবাসা গ্রহণ করেন মিঠুন চক্রবর্তী। প্রচারের ফাঁকেই সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জানান, গেরুয়া শিবিরের জয় নিয়ে তিনি ১০১ শতাংশ বিশ্বাসী। বাংলার মানুষের সঙ্গে তাঁর শুধুমাত্র সুপারস্টার-অনুরাগীর সম্পর্ক নয়। মানুষ তাঁকে হৃদয় দিয়ে ভালবাসেন বলেই দাবি করেন মহাগুরু।

মার্চ ৩০, ২০২১
রাজ্য

নন্দীগ্রামে বহিরাগতদের ঢুকতে না দেওয়ার সতর্কবার্তা মমতার

পায়ে চোট নিয়েই প্রায় মাসখানেক ধরে হুইলচেয়ারে বসে নির্বাচনী প্রচার সারছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত ১০ মার্চ নন্দীগ্রামে মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর মন্দির দর্শনে গিয়ে পায়ে আঘাত পান তিনি। হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসার পর বিশ্রাম নেননি তেমন। হুইলচেয়ারকে সঙ্গী করেই বেরিয়ে পড়েছেন। ঘুরেফিরে আজ ফের নন্দীগ্রামে তৃণমূল সুপ্রিমো। টানা তিনদিন এখানেই রয়েছেন, একাধিক জায়গায় জনসভা করছেন। আর প্রায় প্রতিবারই ঘুরেফিরে আসছে তাঁর চোটের প্রসঙ্গ। মঙ্গলবার বাঁশুলিয়াচকের সভা থেকে নন্দীগ্রামের তৃণমূল প্রার্থীর গলায় ফের শোনা গেল সেই কথা। বললেন, নন্দীগ্রামের মানুষকে দোষ দিই না। আমার পায়ে চোট করানো হয়েছে বহিরাগত গুন্ডাদের দিয়ে। এরপরই তাঁর বার্তা, সন্ধে ৬টার পর কাউকে ঢুকতে দেবেন না। এদিন তাঁকে দেখেই জয় শ্রীরাম ধ্বনি দিতে শোনা যায়। এরপরই তিনি বহিরাগত গুন্ডাদের কথা বলেন। সোমবার নন্দীগ্রামের বয়াল-২র সভা থেকে মমতা নাম না করে তাঁর আঘাতের জন্য শুভেন্দু অধিকারীকে দায়ী করেছিলেন। বলেছিলেন, আমাকে মেরেছে। আমার পা জখম করেছে। তোমার নির্দেশ ছাড়া এটা হতে পারে না। নন্দীগ্রামের কেউ এই ঘটনা ঘটায়নি। বহিরাগত গুণ্ডাদের এনে এই কাণ্ড ঘটানো হয়েছে। আর এখন দলের লোকেদের মারছে। হাইভোল্টেজ কেন্দ্র নন্দীগ্রামে ভোটের আগে বহিরাগতদের আনাগোনা নিয়ে ইতিমধ্যেই কমিশনে গিয়েছে তৃণমূল। তাঁদের অভিযোগ, ভোটে অশান্তি তৈরির জন্য এসব ষড়যন্ত্র চলছে। এবার নন্দীগ্রামে অশান্তি রুখতে একজন প্রশাসনিক প্রধানের মতোই পরামর্শ দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাইরের মানুষজনের আনাগোনা ভোটের দিন যে কতটা বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থির অবনতি হতে পারে, সর্বোপরি সাধারণ মানুষজন আতঙ্কিত হয়ে বাড়ি থেকে বেরনোর ঝুঁকিও না নিতে পারেন, এসব সম্ভাবনা বেশ টের পেয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। এই পরিস্থিতিতে কিন্তু তিনি সজাগ, এক অভিভাবকের মতোই। তাই স্থানীয়দের প্রতি তাঁর সরাসরি বার্তা, বাইরের কাউকে আর ঢুকতে দেবেন না। শুধু ইনসাইডাররা থাকবেন, আর আমি থাকব। আমি ভোটার, আমাকে তো থাকতেই হবে। এই প্রসঙ্গেই তিনি আরও বলেন, আপনারা শান্ত থাকুন, কোনও অশান্তি করবেন না। কেউ অন্য়ায় করলে আমি আছি তো শাস্তি দেওয়ার জন্য। আসলে, নন্দীগ্রামে কতটা শান্তিপূর্ণভাবে ভোট হবে, তা নিয়ে চিন্তায় সবমহলই।

মার্চ ৩০, ২০২১
কলকাতা

আইএসএফ ছেড়ে তৃণমূলে ৩ নেতা

ভোট চলাকালীন ফের দলবদল। এবার সংযুক্ত মোর্চার অন্যতম জোট শরিক আইএসএফে ভাঙন ধরাল রাজ্যের শাসকদল। আইএসএফ থেকে বেশ কয়েকজন সদস্য সোমবার যোগ দিলেন তৃণমূলে। এদিন তৃণমূল ভবনে রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের হাত থেকে দলীয় পতাকা তুলে নিলেন আইএসএফ সদস্য কওসর আলি মল্লিক ওরফে হাজি মহম্মদ, আবদুল মেনন, আবদুল মাহবুদ। ফিরহাদ হাকিমের মতে, সিপিএমের সঙ্গে আইএসএফের জোট নিয়ে তাঁদের আদর্শগত আপত্তি রয়েছে। তাই সেই দলত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।একুশের বিধানসভা ভোটে তৃণমূল ও বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেমেছে বাম-কংগ্রেস-আইএসএফ। যার আনুষ্ঠানিক নাম সংযুক্ত মোর্চা। ফেব্রুয়ারির ২৮ তারিখ ব্রিগেডের মঞ্চে বাম নেতাদের পাশাপাশি বক্তব্য রেখেছেন আইএসএফ প্রতিষ্ঠাতা ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকী। যদিও এই জোটের আরেক শরিক কংগ্রেস মোটেই ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্টের অন্তর্ভূক্তি ভালভাবে মেনে নেয়নি। আসন বণ্টন নিয়েও যথেষ্ট জটিলতা হয়েছে। শেষপর্যন্ত অবশ্য নিজেদের মধ্যে সমঝোতা করে আসন ভাগাভাগি করেছে বাম, কংগ্রেস, আইএসএফ। কিন্তু এরপরও আইএসএফ-বামের সমীকরণ মেনে নিতে পারেননি দলেরই কেউ কেউ। তাঁরাই দলত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

মার্চ ২৯, ২০২১
রাজ্য

প্রথম দফায় ভোটারদের উদ্দেশ্যে টুইট প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

বঙ্গ নির্বাচনের প্রথম দিনের সকালে বাংলায় টুইট প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির । বাংলার ভোটারদের উদ্দেশে তাঁর আর্জি, রেকর্ড সংখ্যায় ভোট দিন। গণতন্ত্রের উৎসবে শামিল হন। তবে, নির্বাচন কমিশনের বেঁধে দেওয়া প্রোটোকল মেনে আলাদা করে কোনও দলের হয়ে ভোট চাননি মোদি।পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে আজ প্রথম পর্যায়ে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। যে বিধানসভার আসনগুলিতে ভোটগ্রহণ হচ্ছে, সেখানকার ভোটদাতাদের আমি রেকর্ড সংখ্যায় ভোটাধিকার প্রয়োগের অনুরোধ জানাই। Narendra Modi (@narendramodi) March 27, 2021শনিবার রাজ্যের ৫ জেলার ৩০ আসনে চলছে ভোটগ্রহণ। পুরুলিয়ার ৯, পূর্ব মেদিনীপুরের ৭, পশ্চিম মেদিনীপুরের ৬, বাঁকুড়ার ৪ এবং ঝাড়গ্রামের চার আসনে সকাল থেকেই চলছে ভোটগ্রহণ। সকাল থেকে রাজ্যের বিভিন্ন বুথে ভোটারদের উপস্থিতিও চোখে পড়ার মতো। জঙ্গলমহল এলাকায় ভোট হওয়া সত্ত্বেও ভোটের আগে সন্ত্রাসের কোনও আবহ তৈরি হয়নি। এমনকী, বিগত বছরগুলিতে যেভাবে ভোট বয়কটের হুমকি দেওয়া হত, সেটাও এবার নেই। ভোটাররা যাতে নির্ভয়ে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে মরিয়া কমিশন । প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও এদিন সাতসকালে ভোটারদের উদ্দেশে রেকর্ড সংখ্যায় গণতন্ত্রের উৎসবে শামিল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। এদিন ভোট শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই বাংলায় টুইট করেন মোদি। তিনি বলেন,পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে আজ প্রথম পর্যায়ে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। যে বিধানসভার আসনগুলিতে ভোটগ্রহণ হচ্ছে, সেখানকার ভোটদাতাদের আমি রেকর্ড সংখ্যায় ভোটাধিকার প্রয়োগের অনুরোধ জানাই। মোদির পাশাপাশি বাংলায় টুইট করে ভোটদানে অনুরোধ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহও।আমি পশ্চিমবঙ্গের প্রথম দফার ভোটারদের কাছে অনুরোধ করছি যে বাংলার গৌরবকে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করতে অধিক থেকে অধিকতর সংখ্যায় ভোটদান করুন।আপনার একটি ভোট সুভাষ চন্দ্র বসু, গুরুদেব ঠাকুর এবং শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর মতন মহাপুরুষের চিন্তাধারা অনুযায়ী বাংলা গঠনের স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করবে। Amit Shah (@AmitShah) March 27, 2021মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও টুইট করে ভোটারদের উদ্দেশে নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগের আরজি জানিয়েছেন। শনিবার সকালে তাঁর টুইট, বাংলার সকল মানুষকে আমি অনুরোধ করব নিজের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করুন, সবাই আসুন, ভোট দিন।বাংলার সকল মানুষকে আমি অনুরোধ করব নিজের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করুন, সবাই আসুন, ভোট দিন।I call upon the people of Bengal to exercise their democratic right by coming out and voting in large numbers. Mamata Banerjee (@MamataOfficial) March 27, 2021

মার্চ ২৭, ২০২১
রাজ্য

গোরুর গাড়িতে চড়ে ভোট প্রচারে লকেট

রাজ্যের যেখানে যখনই তৃণমূলের বিরুদ্ধে কোনও ইস্যু হাতে পেয়েছেন, সঙ্গে সঙ্গে সেখানে দৌঁড়ে গিয়েছেন বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। এবার সেই সাংসদকেই বিধানসভা ভোটের ময়দানে নামিয়েছে দল। প্রার্থী ঘোষণার পর থেকে তিনিও কার্যত কোমর বেঁধে ভোট ময়দানে নেমে পড়েছেন। শুক্রবার হুগলির চুঁচুড়ায় নিজের নির্বাচনী কেন্দ্রের অন্তর্গত পোলবায় ভোট প্রচারে বেরিয়ে ছিলেন। প্রচার করতে গিয়ে তিনি গোরুর গাড়িতেও চড়ে বসলেন। যদিও তাঁর এই কাজকে সুযোগ পেয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি প্রতিপক্ষ তৃণমূল প্রার্থীও।পোলবার দনারপাড়ায় পচারের জন্য লকেট চট্টোপাধ্যায়ের জন্য একটি গোরুর গাড়ির ব্যবস্থা করা হয়। গোরুর গাড়িটিকে গেরুয়া পতাকায় মুড়ে ফেলা হয়। সেই গোরুর গাড়িতে চড়ে গ্রামের রাস্তায় মাঠের মাঝখান দিয়ে প্রচারে বেরন লকেট। হঠাৎ কেন গোরুর গাড়িতে তিনি এই প্রশ্নের উত্তরে লকেট বলেন, এই এলাকায় প্রচুর কৃষক বাস করেন। আর গোরুর গাড়ির সঙ্গে কৃষকদের বহু দিনের গভীর সম্পর্ক। যেহেতু রাজ্যের কৃষকদের অবস্থা খুব খারাপ তাই তাঁদের পাশে দাঁড়াতে, সম্মান জানাতে আমি গোরুর গাড়িতে চড়ে প্রচার করছি। ভোট প্রচারে বেরিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির ইস্যুকেও হাতিয়ার করেন তিনি। লকেট শুক্রবার পোলবায় ঝোরোর পাড়া, ঠাকুরপুকুর, বিষহিতলা হয়ে সংগ্রামপুরে গিয়ে প্রচার শেষ করেন।

মার্চ ২৬, ২০২১
রাজনীতি

প্রথম দফার ভোটে প্রার্থীদের তালিকায় আধিক্য কোটিপতি ও লাখপতিদের

হাতে মাত্র আর একটা দিন, তারপরই শুরু হয়ে যাবে একুশের হাইভোল্টেজ নির্বাচনী লড়াই। আগামী ২৭ মার্চ রাজ্যে প্রথম দফার নির্বাচন শুরু হচ্ছে। পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর-সহ জঙ্গলমহলের মোট ৩০ টি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হবে। প্রথম দফায় ভাগ্য পরীক্ষায় নামছেন নানা দলের মোট ১৯১ জন প্রার্থী। এইসব প্রার্থীদের আর্থিক দশা কেমন, কোন দলের প্রার্থীরা কতটা ধনী, কারাই বা আর্থিকভাবে দুর্বল। ভোটপ্রার্থীদের সম্পত্তির খতিয়ান সর্বদাই মুখরোচক বিষয় আম জনতার জন্য। রাজনৈতিক দলের নেতারা হলফনামায় স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির হিসেব জানতে চান অনেকেই। এতে কোনও ভুল নেই। দেখা গিয়েছে, প্রথম দফার ভোটে নিজেদের ভার্গ নির্ধারণ করতে নামা এইসব প্রার্থীদের তালিকায় কোটিপতির ছড়াছড়ি। এ মধ্যে কিছু লাখপতিও রয়েছেন। আসুন দেখে নেওয়া যাক ঠিক কতজন প্রার্থী কোটিপতি ও লাখপতি। তালিকায় কোটিপতিদের ছড়াছড়িসম্পত্তির পরিমাণ ২ কোটি থেকে তার বেশি, প্রথম দফার প্রার্থী তালিকায় এমন সাত জন প্রার্থীর নাম রয়েছে। যা মোট প্রার্থীর ৪ শতাংশ। এর পরের ধাপে ৫০ রয়েছেন তাঁরা যাদের সম্পত্তির পরিমাণ ৫০ লক্ষ থেকে ২ কোটি। প্রথম দফায় এমন প্রার্থী রয়েছেন ৪০ জন। যা মোট প্রার্থীদের ২১ শতাংশ।লাখপতিদের আধিক্যই বেশিকোটিপতিদের থেকে নজর ঘোরালে দেখা যাবে, এই তালিকায় লাখপতিদের সংখ্যাই সর্বাধিক। স্থাবর ও অস্থাবর মিলিয়ে সম্পত্তির পরিমাণ ১০ লক্ষ থেকে ৫০ লক্ষ, প্রথম দফায় এমন প্রার্থী রয়েছেন ৬৯ জন। যা মোট প্রার্থীর ৩৬ শতাংশ।অন্যদিকে, আর্থিকভাবে তুলনায় কম ধনীর তালিকায় রয়েছে ৭৫ জন প্রার্থী। এদের সকলের স্থাবর এ অস্থাবর সম্পত্তির মিলিত পরিমাণ ১০ লক্ষ টাকার কম। মোট প্রার্থীদের মধ্যে এদের হার ৩৯ শতাংশ।

মার্চ ২৫, ২০২১
বিদেশ

তীব্র ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল জাপান

ভয়াবহ ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল জাপানের বিস্তীর্ণ এলাকা। ২০১১ সালের স্মৃতি উস্কে সুনামির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে পারমাণবিক কেন্দ্রও। তবে কোনও হতাহতের খবর মেলেনি। উল্লেখ্য, ২০১১ সালের সুনামিতে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল এই এলাকা।স্থানীয় সময় সন্ধ্যে ৬টা ৯ মিনিটে জাপানের মিয়াগি রিজিওনের প্রশান্ত মহাসাগরীয় (প্যাসিফিক) জলস্তরে ভূমিকম্প হয়। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৭.২। এর পরই ওই এলাকায় সুনামির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। প্রায় ৬০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে এই কম্পন বোঝা গিয়েছে বলে খবর। ওই এলাকা থেকে প্রাথমিকভাবে কোনও ক্ষয়ক্ষতির নেই। প্রবল কম্পনের পর এই অঞ্চলের পারমাণবিক কেন্দ্রগুলোর অবস্থান পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বুলেট ট্রেন পরিষেবাও। সূত্রের খবর, বেশ কিছুক্ষণ পর সতর্কতা তুলে নেওয়া হয় বলেও খবর।২০১১ সালে তীব্র কম্পনে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল ফুকুশিমা দাইচি পারমাণবিক কেন্দ্র। এদিনের কম্পনের পর তড়িঘড়ি সেই কেন্দ্রের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা গিয়েছে. ৩০ সেকেন্ডের বেশি সময় ধরে ওই পারমাণবিক কেন্দ্রের ভিতর স্থায়ী হয়ছিল কম্পন।উল্লেখ্য, ১০ বছর আগে ২০১১ সালের ১১ মার্চ বিধ্বংসী ভূমিকম্পে তছনছ হয়েছিল সূর্যোদয়ের দেশ। সে বার রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৯। গতমাসেই ফের একবার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছিল এই এলাকা। সেই ভূমিকম্পে বহু মানুষ আহত হন বলেও জানা গিয়েছে। উল্লেখ্য, মিয়াগি জাপানে অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা।

মার্চ ২০, ২০২১
স্বাস্থ্য

ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যায় কী কী খাবেন না, দেখুন কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা

সকালে উঠে মাটিতে পা ফেলতেই ব্যথা শুরু। দু-একদিন পর হাত-পায়ের জয়েন্টেও একই অবস্থা। কিছুক্ষণ হাঁটাচলার পর ব্যথা কমছে ঠিকই, কিন্তু পুরোপুরি সারছে না। জয়েন্ট ফুললে সমস্যা আরও বাড়ছে। মাটিতে পা ফেলাটাই তখন বিভীষিকা। একজন সুস্থ, সবল মানুষ রাতারাতি শয্যাশায়ী। এতটাই মারাত্মক হতে পারে ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যা। কেন হয়-৪০ বছরের পর এমন সমস্যা হয়। তবে অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভাস, প্রোটিনের আধিক্য, মদ্যপানের জন্য এখন অল্পবয়সিদের মধ্যেও এর প্রবণতা বাড়ছে। অনেকেই তাড়াতাড়ি ওজন কমাতে কার্বোহাইড্রেট বাদ দিয়ে প্রোটিন বেশি খান। সেখান থেকেই সমস্যা সূত্রপাত।মেটাবলিক ডিসঅর্ডারের জন্য শরীরের বিভিন্ন জয়েন্ট ইউরিক অ্যাসিডের ক্যালসিফিকেশনহয়, ফলে ইনফ্লেমেশন হয়ে ফুলে যায়। মহিলাদের তুলনায় পুরুষদের ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যা বেশি। মহিলাদের শরীরের ইস্ট্রোজেন হরমোন ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।কী খাবেন আর কী খাবেন না? ইউরিক অ্যাসিডের ডায়েট নিয়ে অনেক ভুল ধারণা রয়েছে। অনেকেই টমেটো খাওয়া ছেড়ে দেন। রান্নায় টমেটো, পিঁয়াজ খেতে পারেন তবে কাঁচা পিঁয়াজ বা টমেটো খাবেন না। ভাত, রুটি, চিঁড়ে, মুড়ি, ভুট্টা খেতে পারেন। পালং, ফুলকপি, বাঁধাকপি অল্প খাবেন। বীজ আছে এরকম সবজিও খেতে পারেন, পরিমাণ কম। তৈলাক্ত নয় এমন মাছ খান। ইলিশে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। বর্ষাকালে এক-দুদিন ইলিশ খেলে সমস্যা নেই। সব ফল খেতে পারেন। তবে মিক্সড ফ্রুটের বদলে সারাদিনে যে কোনও একটা ফল খান। ড্রাই ফ্রুটস চলবে। ২০০-২৫০ এম.এল.-এর বেশি দুধ খাবেন না। দই, ছানা খেতে পারেন। খাবারের তালিকা থেকে প্রোটিনের পরিমাণ কমান। ৬০ কেজি ওজনের কেউ সারাদিনে ৬০ গ্রামের বেশি প্রোটিন খাবেন না। ডাল বা ডাল থেকে তৈরি জিনিস, রাজমা, সয়াবীন খাদ্যতালিকা থেকে সরিয়ে রাখুন।ডিমের সাদা অংশই খেতে পারেন। চিকেন চলবে। মাটন, মাটনের মেটে, চিংড়ি খাবেন না। অক্সালেট জাতীয় স্টোনের সমস্যা থাকলে দুধ বা দুগ্ধজাতীয় কিছু খাবেন না। ফলের রস খাবেন না। কারণ ফ্রুকটোজ ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়।

মার্চ ১৭, ২০২১
কলকাতা

চিটফান্ড-কাণ্ডে কেন্দ্রীয় তদন্তকারীদের নজরে এবার পার্থ-মদন

এবার আইকোর মামলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে নোটিস পাঠাল সিবিআই। আগামী সপ্তাহে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তৃণমূলের মহাসচিবকে। জানা গিয়েছে, আজ অর্থাৎ শুক্রবার পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে নোটিস পাঠানো হয়েছে। আগামী সপ্তাহে কলকাতায় সিবিআইয়ের সদর দপ্তরে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাঁকে। আইকোর মামলার তদন্তে নেমে অনুকূল মাইতিকে জেরা করে একাধিক তথ্য পেয়েছিলেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। সেই তথ্যের উপর ভিত্তি করেই পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে জেরা করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর। যদিও পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, তিনি এখনও কোনও নোটিস হাতে পাননি। অন্যদিকে, সারদা-কাণ্ডে এবার কামারহাটির তৃণমূল প্রার্থী মদন মিত্রকে তলব করল ইডি। আগামী সপ্তাহে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাঁকে। আগামী ১৮ তারিখ সিজিও কমপ্লেক্সে দেখা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাঁকে। এবিষয়ে মদন মিত্রের সঙ্গে কথা বলা হলে তিনি জানিয়েছেন, এখনও কোনও নোটিস তাঁর কাছে পৌঁছয়নি। অন্যদিকে জানা গিয়েছে, আজ অর্থাৎ শুক্রবার বাঁকুড়ার তালডাংরার বিধায়ক সমীর চক্রবর্তীকে জেরা করছেন তদন্তকারীরা। দিন দুয়েক আগেই আইকোর মামলায় তৃণমূল নেতা মানস ভুঁইঞাকে নোটিস পাঠায় সিবিআই। জিজ্ঞাসবাদের জন্য অতি শীঘ্রই সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। সেই সময় সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছিল, আইকোরের একটি অনুষ্ঠানের ভিডিও কিছুদিন আগে প্রকাশ্যে আসে। সেখানে দেখা গিয়েছিল মানস ভুঁইঞাকে। তিনি আইকোরের সমর্থনে একাধিক বক্তব্যও রেখেছিলেন। এছাড়াও আইকোর-কাণ্ডে একাধিক ব্যক্তিকে জেরা করায় উঠে আসে মানস ভুঁইঞার নাম। সেই কারণেই তৃণমূল নেতাকে জিজ্ঞাসাবাদের সিদ্ধান্ত নেন তদন্তকারীরা। সেই সময়ই আরও একাধিক প্রভাবশালীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে বলে জানিয়েছিলেন তদন্তকারীরা।

মার্চ ১২, ২০২১
রাজ্য

ভ্যাকসিন নেওয়ার পরই রাজ্যে দু’জনের মৃত্যু!

করোনার টিকা নেওয়ার পর রাজ্যে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু করেছে রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তর। মৃত দুজনেরই ময়নাতদন্ত হয়েছে। তবে স্বাস্থ্যদপ্তরের প্রাথমিক ধারণা, টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নয়, অন্য কোনও সমস্যা ছিল দুজনেরই। তাতেই মৃত্যু হয়েছে।রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে খবর, মৃত দু জনের নাম পারুল দত্ত (৭৫) এবং কৃষ্ণ দত্ত (৬০)। দুজনেরই বাড়ি উত্তরবঙ্গে। পারুল দত্ত ও কৃষ্ণ দত্ত কোভিশিল্ডের টিকা নেন। গত ৮ মার্চ টিকা নিয়েছিলেন পারুল দত্ত। তিনি দার্জিলিং জেলার বাসিন্দা। ঠিক পরদিনই টিকা নেন কৃষ্ণ দত্ত। রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে খবর, কোভিশিল্ড ভ্যাকসিন নেওয়ার পর কৃষ্ণ বাড়ি চলে যান। কিন্তু কিছুক্ষণ পর তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। সন্ধ্যা নাগাদ ডায়রিয়া ও অন্যান্য সমস্যা নিয়ে তাঁকে খরিবাড়ি ব্লকের বাতাসি প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। কিন্তু অবস্থার দ্রুত অবনতি হওয়ায় তাকে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রাত সাড়ে নটা নাগাদ তাঁর মৃত্যু হয়।এদিকে আবার ধুপগুড়ির হসপিটাল রোডের বাসিন্দা বৃদ্ধ কৃষ্ণবাবু টিকা নেওয়ার পর হঠাৎ অসুস্থ বোধ করেন। তাঁর শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। ওইদিন রাতেই তাঁর বমি হয়। পরদিন শ্বাসকষ্ট আরও তীব্র হয়। কোনওরকম চিকিৎসা শুরুর আগেই ভোরে তাঁর মৃত্যু হয়। জেলা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে তা্ঁর দেহের ময়নাতদন্ত হয়েছে।

মার্চ ১১, ২০২১
কলকাতা

গ্রিন করিডোর করে এসএসকেএম-এ আনা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীকে, কীভাবে এগোচ্ছে ঘটনাক্রম? জানুন

রাত ৮.৫০: নন্দীগ্রাম থেকে কলকাতায় পৌঁছলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাত ৮.৫৫: অ্যাম্বুল্যান্স থেকে স্ট্রেচারে করে উডবার্ন ওয়ার্ডে নিয়ে যাওয়া হল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।রাত ৯.০০: চোট কতটা গুরুতর, দেখতে পায়ের এক্স-রে করছেন চিকিৎসকরা। রাত ৯.০৫: হাসপাতালের বাইরে মুখ্যমন্ত্রীর আরোগ্য কামনায় জড়ো হয়েছে বহু মানুষ।রাত ৯.০৭: হাসপাতালে এলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। হাসপাতালের বাইরে তৃণমূল সমর্থকরা স্লোগান দিচ্ছেন।রাত ৯.১৭: হাসপাতালের বাইরে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ। রাত ৯.১৮: বর্ধমান, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, মেদিনীপুরের নানা জায়গায় বিক্ষোভ চলছে। রাত ৯.২০: হাসপাতালে রয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম, অরূপ রায়, সাধন পাণ্ডেরা। রাত ৯.২৫: নন্দীগ্রামে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের প্রতিবাদে মুর্শিদাবাদের নিউ ফরাক্কা ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কে তৃনমুল প্রার্থী মনিরুল ইসলামের নেতৃত্বে অবরোধ করে বিক্ষোভ।রাত ৯.২৭: এটা চক্রান্ত করে করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীকে মুখটা খুলতে দিন আমরা ভয়ঙ্কর আন্দোলনে নামব ওরা তখন বুঝতে পারবে। নির্বাচন কমিশন এর জন্য দায়ী। এটা বিজেপির চক্রান্ত। বাংলার মেয়েকে মারবে বাংলার মানুষ তা মেনে নেবে না। ভয়ঙ্কর আন্দোলন হবে। হুংকার অনুব্রত মণ্ডলের।রাত ৯.৩৩: মমতা চাইলে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা দেওয়া হবে। জানাল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।রাত ৯.৩৪: রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সিইও আরিজ আফতাবকে ফোন সুদীপ জৈনের। মমতার চোট প্রসঙ্গে জানতে চেয়েছে কমিশন। রাত ৯.৩৫: সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ অবরোধ করে বিক্ষোভ তৃণমূল সমর্থকদের। রাত ৯.৪৪: প্রবল যন্ত্রণা উপশম করতে অ্যানাস্থেশিয়া করা হল মুখ্যমন্ত্রীর। তাঁর শারীরিক অবস্থা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। রাত ৯.৪৯: রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের কনভয় লক্ষ্য করে জুতো ছোঁড়া হয় বলে অভিযোগ বিজেপির। জগদীপ ধনখড়ের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ, স্লোগান।রাত ৯.৫০: চেতলায় রাস্তা অবরোধ। রাত ৯.৫৫: পুলিশ ঘিরে ধরে রাজ্যপালের কনভয় বের করল হাসপাতাল চত্বর থেকে।রাত ৯.৫৭: বৃহস্পতিবার রাজ্যজুড়ে তৃণমূলের অবস্থান বিক্ষোভ, প্রতিবাদ মিছিল। গোটা ঘটনার কথা লিখিত আকারে নির্বাচন কমিশনে জমা করবে তৃণমূল নেতা-কর্মীরা। রাত ১০.০০: উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বিক্ষোভ।রাত ১০.০৪: মুখ্যমন্ত্রীর কাঁধে-কোমরে-মাথায় আঘাত লেগেছে মুখ্যমন্ত্রীর। রাতে হাসপাতালে থাকতে হতে পারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।রাত ১০.২৪: সিটি স্ক্যান করার ভাবনা। হতে পারে এমআরআই-ও। নিয়ে যাওয়া হয়েছে বাঙুরে। জানালেন চিকিৎসকরা।

মার্চ ১০, ২০২১
রাজনীতি

লাল-সবুজ পেরিয়ে এবার গেরুয়া পথে মহাগুরু

কোনও দলের নাম না করে নিজের আগের ভুল সিদ্ধান্তের কথা বললেন। রবিবার ব্রিগেড সমাবেশের মঞ্চে বিজেপি-তে যোগ দিয়ে মিঠুন স্পষ্ট বলেন, তাঁর আগের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ভুল ছিল। তাঁর কথায়, কারও দিকে আঙুল তুলতে চাই না। কাউকে দোষও দিচ্ছি না। আমারই সিদ্ধান্তে ভুল ছিল।প্রসঙ্গত, ব্রিগেডের সভার পরে মঞ্চের পিছনে মিঠুনের সঙ্গে আলাদা করে অন্তত ১৫ মিনিট কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মিঠুনের কথায়, ওঁর সঙ্গে আমার খুব ভাল আলোচনা হয়েছে। সব কথা তো প্রকাশ্যে বলা যায় না। তাঁর আরও বক্তব্য, বাংলায় বিজেপি যথেষ্ট জায়গা তৈরি করেছে। বাংলার মানুষ বিশ্বাস করছে, ওরা রাজ্যের জন্য ভাল কিছু করবে। তারা ক্রমাগত চেষ্টা করে যাচ্ছে। সেটা কখনও মিথ্যে হতে পারে না। তার মধ্যে কিছু সততা থাকে। মিঠুন আগেও বলেছেন, তিনি রাজনীতি নয়, মানবনীতি বোঝেন। কিন্তু তাঁর কথায়, সকলেরই একটা পতাকা প্রয়োজন হয়। প্রধানমন্ত্রী আমায় ডেকে যখন কথা বললেন, আমি বললাম, আমি বাংলার জন্য কাজ করতে চাই। আমি বাংলাকে ভালবাসি। তবে এক সময়ে বাম সঙ্গ থেকে শুরু করে অধুনা সঙ্ঘের হাত ধরা। বেশ কয়েকদিন ধরা চলা জল্পনা সত্যি প্রমাণ করে এদিন মোদির ব্রিগেড মঞ্চে রাজনীতিতে প্রত্যাবর্তন হল মহাগুরুর। আর তাঁর এই প্রত্যাবর্তনকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি নেটাগরিকরা।

মার্চ ০৭, ২০২১
কলকাতা

আজ ব্রিগেডে অন্যকিছু হবে, কীসের ইঙ্গিত দিলেন মিঠুন

কথামতোই শনিবার রাতে কলকাতায় পৌঁছেছেন। এবং রবিবার ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মঞ্চে থাকবেন। জানিয়ে দিলেন মিঠুন চক্রবর্তী। বেলা ১২টা নাগাদ মিঠুন ব্রিগেডে পৌঁছবেন। তার আগে তিনি বলেছেন, ব্রিগেডে কিছু তো একটা হবে! তাঁর এমন মন্তব্য কী প্রত্যক্ষ ভাবে বিজেপি-তে যোগ? নাকি নিছকই বিজেপি-র হয়ে ভোটে প্রচার? তা এখনও পর্যন্ত খোলসা করেননি মহাগুরু। তবে রবিবার সকালে জানা গিয়েছে, অক্ষয় কুমার ব্রিগেডে আসছেন না। বাস্তবে কিন্তু জমি মেপেই এগোচ্ছেন মিঠুন। বাম-তৃণমূল হয়ে সাময়িক বিরতি নিয়েছিলেন। এ বার বিজেপি-র হাত ধরে রাজনীতিতে নতুন ইনিংস খেলতে তৈরি তিনি। প্রধানমন্ত্রীর ব্রিগেড সভার আগে কলকাতায় পা রেখে অন্তত তেমনই ইঙ্গিত দিয়েছেন মিঠুন। ব্রিগেডের মাঠে অন্যকিছু ঘটতে পারে বলে আগাম জানিয়ে রেখেছেন তিনি। সেই অন্যকিছু যে কী, তা নিয়ে এখনও মুখ খোলেননি বিজেপি নেতৃত্ব। শনিবার প্রায় মধ্যরাতে কলকাতায় নামেন মিঠুন। বিমানবন্দরেই তিনি জানান, রবিবার ব্রিগেডে থাকছেন। তিনি বলেন, বারাণসী হয়ে বিমান এল বলে দেরি হল। কাল ১২টায় ব্রিগেডে দেখা হচ্ছে। এর আগে সঙ্ঘপ্রধান মোহন ভাগবতের সঙ্গে সাক্ষাৎকে আধ্যাত্মিক যোগ বলে বর্ণনা করলেও অতঃপর বিজেপি-তে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা বা ব্রিগেডে মোদির পাশে দাঁড়িয়ে বক্তৃতা দেবেন কিনা জানতে চাইলে মিঠুন ইঙ্গিতপূর্ণ গলায় বলেন, অন্যকিছুও তো হতে পারে! সময় এলেই জানতে পারবেন। কী হতে পারে তা বলব না। তবে কিছু তো হবেই। জানতে পারবেন। রাতেই মিঠুনের সঙ্গে দেখা করেন বিজেপি-র কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়। দুজনের সাক্ষাতের ছবিও টুইট করেছেন কৈলাস। সঙ্গে লিখেছেন, গভীর রাতে কলকাতার বেলগাছিয়ায় অভিনেতা মিঠুনদার সঙ্গে অনেকক্ষণ কথা ল। ওঁর দেশভক্তি এবং গরিব মানুষের প্রতি ওঁর ভালবাসা আমার ছুঁয়ে গিয়েছে।

মার্চ ০৭, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • 18
  • 19
  • 20
  • 21
  • 22
  • 23
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

পুজোর ছুটিতে ১০ হাজারের বাজেটে ঘুরে আসুন! কলকাতার কাছেই রয়েছে ১৪ চোখধাঁধানো ডেস্টিনেশন

শহরের ক্রমাগত ব্যস্ততা, ট্রাফিকের ক্লান্তি আর কাজের একঘেয়েমি চাপ থেকে কিছুটা মুক্তি পেতে চান? উইকেন্ড বা সাপ্তাহিক ছুটিতে একটু ঘুরে আসা এখন শুধু বিলাসিতা নয়, মানসিক শান্তির অন্যতম ওষুধ বলতে পারেন। রবিঠাকুর থেকে পাহাড়ের ঠান্ডা বাতাস, কলকাতার কাছেই লুকিয়ে রয়েছে এমন বেশ কিছু তাকলাগানো ডেস্টিনেশন, যেখানে কয়েকটা দিন কাটালেই ফিরে পাওয়া যাবে কাজের নতুন শক্তি, মনে ফিরবে নয়া সতেজতা।১. গ্যাংটক (সিকিম)সিকিমের এই নয়নাভিরাম রাজধানী শহরটি পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। পূর্ব হিমালয়ের কোলে অবস্থিত গ্যাংটক প্রকৃতির রূপ, অ্যাডভেঞ্চার এবং বৌদ্ধ সংস্কৃতির এক অপরূপ মিলনস্থল।বিশেষ আকর্ষণ: এমজি মার্গ (MG Marg), রুমটেক মনাস্ট্রি, ছাঙ্গু লেক (Tsomgo Lake) এবং স্থানীয় সুস্বাদু খাবার থুকপা, সেল রুটি ও ছুরপি।কীভাবে যাবেন: কলকাতা থেকে সিকিমের রাজধানী গ্যাংটকের দূরত্ব প্রায় ৫৫০ কিমি। সবচেয়ে দ্রত পৌঁছাতে কলকাতা (CCU) থেকে বাগডোগরা (IXB) পর্যন্ত বিমান যাত্রা এবং সেখান থেকে গাড়ি বা ট্যাক্সিতে গ্যাংটক (সময় লাগে প্রায় ৪-৫ ঘণ্টা)।ভ্রমণের সেরা সময়: মার্চ থেকে জুন মাস (বসন্তের মনোরম আবহাওয়া, তাপমাত্রা ১৫C২৫C)।২. নামচি (সিকিম)সিকিমের দক্ষিণ দিকে অবস্থিত আধ্যাত্মিক ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা এক অপরূপ শহর নামচি। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এই শহরের উচ্চতা প্রায় ৭,০০০ ফুট উঁচুতে অবস্থিত এই শহর থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘার এক অপূর্ব দৃশ্য দেখা যায়।বিশেষ আকর্ষণ: সামদ্রুপসে পাহাড়ে অবস্থিত পদ্মসংভবের বিশাল মূর্তি, চারধাম (সিদ্ধেশ্বর ধাম), তারে ভিড় এবং নামচি মনাস্ট্রি।কীভাবে যাবেন: গ্যাংটক থেকে নামচির দূরত্ব মাত্র ৭৮ কিমি। ট্যাক্সি বা ক্যাবে সময় লাগে প্রায় আড়াই থেকে তিন ঘণ্টা।ভ্রমণের সেরা সময়: মার্চ থেকে মে মাস।৩. রাভাংলা (সিকিম)নামচি থেকে মাত্র ২৬ কিমি দূরে অবস্থিত হিমালয়ের কোলে এক শান্ত হিল স্টেশন রাভাংলা। যারা অ্যাডভেঞ্চার ও ট্র্যাকিং পছন্দ করেন, তাদের জন্য এটি আদর্শ জায়গা।বাজেট ১০ হাজার? পুজোর ছুটিতে ঘুরে আসুন চোখধাঁধানো এই সব ট্র্যাভেল ডেস্টিনেশন থেকে, রইল অ্যাডভেঞ্চারের সেরা ঠিকানাবিশেষ আকর্ষণ: বুদ্ধ পার্ক, মীনাম ওয়াইল্ডলাইফ স্যাঙ্কচুয়ারি এবং মীনাম হিল ট্র্যাক। স্থানীয় ভুটিয়া ও লেপচা সংস্কৃতির স্বাদ মিলবে এখানে।কীভাবে যাবেন: ট্রেনযোগে নিউ জলপাইগুড়ি (NJP) পৌঁছে সেখান থেকে সরাসরি ট্যাক্সিতে রাভাংলা (সময় লাগে প্রায় ৫ ঘণ্টা)।ভ্রমণের সেরা সময়: মার্চ থেকে মে মাস (তাপমাত্রা ১০C২০C)।৪. ডুয়ার্স (পশ্চিমবঙ্গ)উত্তরবঙ্গের নদী, পাহাড় ও ঘন জঙ্গলে ঘেরা এক সবুজ জানলা হলো ডুয়ার্স। চা বাগান এবং বন্যপ্রাণীদের মুক্ত বিচরণ এই অঞ্চলের প্রধান আকর্ষণ।বিশেষ আকর্ষণ: বক্সা টাইগার রিজার্ভ, গরুমারা জাতীয় উদ্যান, জলদাপাড়া এবং মেচ, বোডো ও টোটো উপজাতিদের বর্ণময় সংস্কৃতি।কীভাবে যাবেন: কলকাতা থেকে কাঞ্চনকন্যা এক্সপ্রেসের মতো নৈশ ট্রেনে নিউ জলপাইগুড়ি বা নিউ মাল জংশন নেমে সহজেই গাড়ি ধরে নেওয়া যায়।ভ্রমণের সেরা সময়: অক্টোবর থেকে মার্চ (শীতকাল বন্যপ্রাণী দেখার জন্য সেরা)।৫. দার্জিলিং (পশ্চিমবঙ্গ)পাহাড়ের রানি দার্জিলিং পর্যটকদের চিরন্তন প্রিয় ডেস্টিনেশন। হিমালয়ের আবহাওয়া, বিশ্বখ্যাত দার্জিলিং চা এবং শৈলশহরের ট্র্যাডিশনাল পরিবেশ মন ভালো করার জন্য যথেষ্ট।বিশেষ আকর্ষণ: টাইগার হিল থেকে সূর্যোদয়, বাতাসিয়া লুপ, ঘুম স্টেশন ও টয় রাইড।কীভাবে যাবেন: বিমান বা ট্রেনে বাগডোগরা বা নিউ জলপাইগুড়ি পৌঁছে সেখান থেকে গাড়ি বা শেয়ার ক্যাবে ৩-৪ ঘণ্টার পথ।ভ্রমণের সেরা সময়: সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর এবং মার্চ থেকে মে।জনতা দরবারে ৬ মাসের শিশুর বিরল চিকিৎসার আবেদন, ১৭ কোটি টাকার জিন থেরাপিতে সাহায্যের আশ্বাসে রাজ্যবাসীর মন জিতলেন শুভেন্দু৬. মিরিক (পশ্চিমবঙ্গ)পাহাড়ের মাঝে নিস্তব্ধতা পছন্দ করলে দার্জিলিং জেলার ছোট্ট শহর মিরিক একটি চমৎকার বিকল্প। লেপচা শব্দ মির-ইওক (যার অর্থ আগুনে পোড়া স্থান) থেকে মিরিক নামের উৎপত্তি।বিশেষ আকর্ষণ: সুমেন্দ মাহাল বা মিরিক লেক, লেকের ওপরের ইন্দ্রধনু পুল (ইন্দ্রধনু ব্রিজ) এবং চারপাশে পাইন গাছের জঙ্গল।কীভাবে যাবেন: বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে মাত্র ৫০ কিমি দূরে অবস্থিত মিরিকে গাড়ি বা বাসে অনায়াসে পৌঁছানো যায়।ভ্রমণের সেরা সময়: মার্চ থেকে জুন মাস।৭. কালিম্পং (পশ্চিমবঙ্গ)হিমালয়ের পাদদেশে তিস্তা নদীর ঠিক ওপরে অবস্থিত কালিম্পং। শান্ত আবহাওয়া ও ঔপনিবেশিক আমলের স্থাপত্যের জন্য এই শহরটির বিশেষ খ্যাতি রয়েছে।বিশেষ আকর্ষণ: দূরপিন মনাস্ট্রি, ফাগু মনাস্ট্রি, বিখ্যাত ক্যাকটাস গার্ডেন এবং ব্রিটিশ আমলের মরগান হাউস।কীভাবে যাবেন: বাগডোগরা বিমানবন্দর বা এনজিপি স্টেশন থেকে গাড়িতে প্রায় ৭০ কিমি দূরত্ব।ভ্রমণের সেরা সময়: অক্টোবর থেকে মে মাস (তবে বর্ষায় পাহাড়ি রূপ দেখতে জুন-সেপ্টেম্বরেও অনেকে যান)।৮. শান্তিনিকেতন (পশ্চিমবঙ্গ)বাঙালির সাংস্কৃতিক প্রাণকেন্দ্র এবং বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত শান্তিনিকেতন উইকেন্ড ট্রিপের জন্য সবচেয়ে সহজ ও জনপ্রিয় পছন্দ।বিশেষ আকর্ষণ: বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র ভবন ও মিউজিয়াম, ছাতিমতলা, আমার কুটির এবং সোনাঝুরির শনিবারের হাট।কীভাবে যাবেন: হাওড়া বা শিয়ালদহ থেকে বোলপুরগামী ট্রেন (যেমন কুলিক বা গণদেবতা এক্সপ্রেস)। সময় লাগে প্রায় ২.৫ থেকে ৩ ঘণ্টা।ভ্রমণের সেরা সময়: নভেম্বর থেকে মার্চ (পৌষ মেলা ও বসন্ত উৎসবের বিশেষ আকর্ষণ রয়েছে)।৯. বিষ্ণুপুর (পশ্চিমবঙ্গ)বাঁকুড়া জেলার এই ঐতিহাসিক শহরটি তার প্রাচীন পোড়ামাটির (টেরাকোটা) মন্দির ও মল্ল রাজাদের ইতিহাসের জন্য বিখ্যাত।বিশেষ আকর্ষণ: রাসমেঞ্চ, জোরবাংলা মন্দির, মদনমোহন মন্দির, দলমাদল কামান এবং জগৎখ্যাত বালুচরি শাড়ির বুটিক ও বয়ন কেন্দ্র।কীভাবে যাবেন: কলকাতা থেকে বাস বা ট্রেনে খুব সহজেই বিষ্ণুপুর পৌঁছানো যায়। গাড়িতে সময় লাগে প্রায় ৪-৫ ঘণ্টা।ভ্রমণের সেরা সময়: অক্টোবর থেকে জানুয়ারি।১০. খয়রাবেড়া লেক (পুরুলিয়া)পাহাড়, জঙ্গল আর প্রাকৃতিক জলাভূমির এক অপূর্ব মেলবন্ধন পুরুলিয়ার খয়রাবেড়া। শীতের মৌসুমে বহু পরিযায়ী পাখির আস্তানা হয়ে ওঠে এই লেকটি।বিশেষ আকর্ষণ: খয়রাবেড়া ড্যাম, বাঘমুণ্ডি পাহাড়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সাঁওতালি নাচ এবং স্থানীয় ভাদু উৎসব।কীভাবে যাবেন: কলকাতা থেকে ট্রেনে পুরুলিয়া স্টেশন (যেমন হাওয়াড়া-রাঁচি এক্সপ্রেস)। সেখান থেকে ট্যাক্সি বা গাড়িতে বাঘমুণ্ডির দিকে খয়রাবেড়া।ভ্রমণের সেরা সময়: সেপ্টেম্বর থেকে এপ্রিল।পর্যটকদের জন্য বড় চমক, জঙ্গলঘেরা পরিবেশে পান শান্তিনিকেতনের সোনাঝুরি হাট-এর ভাইভ! মেগা আয়োজন চমকে দিতে বাধ্য১১. জয়চণ্ডী পাহাড় (পুরুলিয়া)সত্যজিৎ রায়ের হীরক রাজার দেশে ছবির শুটিংয়ের কারণে দর্শনার্থীদের কাছে জয়চণ্ডী পাহাড়ের এক আলাদা পরিচিতি রয়েছে। অ্যাডভেঞ্চার ও ট্র্যাকিংপ্রেমীদের জন্য এটি দুর্দান্ত একটি স্থান।বিশেষ আকর্ষণ: পাহাড়ে ওঠার সিঁড়ি ও চূড়ায় অবস্থিত প্রাচীন জয়চণ্ডী মন্দির, ফটোগ্রাফির জন্য আদিম প্রকৃতির মনোরম ভিউ।কীভাবে যাবেন: পুরুলিয়া শহর থেকে মাত্র ১৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত, সেখান থেকে বাস বা অটোতে যাওয়া যায়।ভ্রমণের সেরা সময়: সেপ্টেম্বর থেকে মার্চ।১২. বারন্তী (পুরুলিয়া)পঞ্চলকোট ও বিহারীনাথ পাহাড়ের কোল ঘেঁষে গড়ে ওঠা এক নিভৃত আদিবাসী গ্রাম বারন্তী। বারন্তী লেক ও তার সূর্যাস্তের দৃশ্য পর্যটকদের মুগ্ধ করে।বিশেষ আকর্ষণ: বারন্তী লেক, পাহাড়ি পথ ধরে ট্রেকিং এবং উপজাতীয় শান্ত গ্রামীণ পরিবেশ।কীভাবে যাবেন: আসানসোল বা আদ্রা স্টেশন হয়ে রঘুনাথপুর পৌঁছানোর পর সেখান থেকে স্থানীয় গাড়ি বা অটোয় বারন্তী।ভ্রমণের সেরা সময়: অক্টোবর থেকে মার্চ।শুধু পুজো নয়, এযেন রূপকথা! এবার উত্তর কলকাতার এই বিখ্যাত পুজোমণ্ডপে ঢুকলেই শুনবেন গঙ্গার গর্জন!১৩. বামনী জলপ্রপাত (পুরুলিয়া)অযোধ্যা পাহাড়ের মাঝখানে ঘন সবুজের বুক চিরে নেমে আসা বামনী জলপ্রপাত পুরুলিয়ার অন্যতম সেরা আকর্ষণ।বিশেষ আকর্ষণ: জলপ্রপাতের শীতল হাওয়া ও পাইন গাছের সুবাস। মূল জলপ্রপাতে পৌঁছাতে প্রায় ৪০০টি সিঁড়ি নামতে হয়, যা এক রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা।কীভাবে যাবেন: কলকাতা থেকে ট্রেনে পুরুলিয়া পৌঁছে সেখান থেকে অযোধ্যা পাহাড়ের পথে ট্যাক্সি বা ক্যাব ভাড়া করতে হয়।ভ্রমণের সেরা সময়: অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারি।১৪. ঘাটশিলা (ঝাড়খণ্ড)ঝাড়খণ্ডের সুবর্ণরেখা নদীর তীরে অবস্থিত পাহাড় ও জঙ্গলে ঘেরা এই ছোট্ট শহরটির সঙ্গে বহু বাঙালি সাহিত্যিকের আবেগ জড়িয়ে রয়েছে। বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্মৃতিধন্য এই স্থান।বিশেষ আকর্ষণ: রঙ্কিনী মাতা মন্দির, বুরুডি লেক, ফুলডুংরি পাহাড় এবং ধারাগিরি জলপ্রপাত।কীভাবে যাবেন: হাওড়া থেকে মাত্র ২০০ কিমির সামান্য বেশি দূরত্ব। ইস্পাত এক্সপ্রেস বা মেমু ট্রেনে ৩-৪ ঘণ্টায় সরাসরি পৌঁছানো যায়।ভ্রমণের সেরা সময়: অক্টোবর থেকে মার্চ।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬
রাজ্য

সোনার দামে রেকর্ড পতন, দুর্গাপুজোর আগেই কলকাতায় জলের দরে হলুদ ধাতু

আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামার মধ্যে ভারতের বাজারে সোনা ও রুপোর দামে ফের বদল লক্ষ্য করা গেল। বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ভারতে ২৪ ক্যারেট সোনার দাম প্রতি ১০ গ্রামে দাঁড়িয়েছে ১,৪৮,৮৬০ টাকা। অন্যদিকে ২২ ক্যারেট সোনার দাম ১০ গ্রামে ১,৩৬,৪৪৫ টাকা। একই সময়ে রুপোর দাম প্রতি কেজিতে রয়েছে ২,২৫,৩০০ টাকা। Bullion.co.in-এর তথ্য অনুযায়ী এই দামগুলি প্রকাশ করা হয়েছে।গতকাল মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর, মাল্টি কমোডিটি এক্সচেঞ্জে (MCX) সোনা ও রুপোর দামে আরও পতন দেখা যায়। অক্টোবর মেয়াদের সোনার ফিউচার ১০ গ্রামে ১,৪৬,২৩২ টাকায় লেনদেন শেষ করে। অন্যদিকে রুপোর ফিউচার প্রতি কেজিতে ২,২৫,৪৫০ টাকায় সেশন শেষ করে।বিশ্ববাজারে মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের ইয়েল্ড বহু বছরের উচ্চতার কাছাকাছি থাকায় সোনা-রুপোর মতো সুদ না দেওয়া সম্পদের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহে চাপ তৈরি হচ্ছে। এর পাশাপাশি শক্তিশালী মার্কিন ডলার এবং চলতি বছরে ফেডারেল রিজার্ভের আরও সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনাও মূল্যবান ধাতুর বাজারে প্রভাব ফেলছে। মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধির আশঙ্কাও বাজারে রয়েছে।আন্তর্জাতিক বাজারে COMEX-এ সোনার দাম প্রতি আউন্সে ৪,২০৮.৯ ডলার, যা আগের দামের তুলনায় ২৯.২ ডলার বা ০.৭০ শতাংশ বেশি ছিল। একই সময়ে রুপোর দাম ছিল ৬১.৪৫ ডলার প্রতি আউন্স, যা প্রায় ০.৪৯ শতাংশ বেড়েছে।শহরভিত্তিক ২৪ ক্যারেট সোনার দামমুম্বই: ১,৪৮,৫৯০ প্রতি ১০ গ্রামদিল্লি: ১,৪৮,৩৪০ প্রতি ১০ গ্রামচেন্নাই: ১,৪৯,০৩০ প্রতি ১০ গ্রামকলকাতা: ১,৪৮,৪০০ প্রতি ১০ গ্রামবেঙ্গালুরু: ১,৪৮,৭১০ প্রতি ১০ গ্রামহায়দরাবাদ: ১,৪৮,৮৩০ প্রতি ১০ গ্রাম২২ ক্যারেট সোনার ক্ষেত্রে মুম্বইয়ে দাম ১,৩৬,২০৮ টাকা, দিল্লিতে ১,৩৫,৯৭৮ টাকা, চেন্নাইয়ে ১,৩৬,৬১১ টাকা, কলকাতায় ১,৩৬,০৩৩ টাকা, বেঙ্গালুরুতে ১,৩৬,৩১৮ টাকা এবং হায়দরাবাদে ১,৩৬,৪২৮ টাকা প্রতি ১০ গ্রাম।আজকের রুপোর দামবুধবার ৯৯৯ ফাইন রুপোর দাম প্রতি কেজিতে ২,২৫,৩০০ টাকা। অন্যদিকে ৯২৫ স্টার্লিং রুপোর দাম প্রতি কেজিতে ২,০৮,৪০৩ টাকা। শহরভেদে ৯৯৯ ফাইন রুপোর দাম মুম্বইয়ে ২,২৪,৮৯০ টাকা, দিল্লিতে ২,২৪,৫১০ টাকা, চেন্নাইয়ে ২,২৫,৫৫০ টাকা, কলকাতায় ২,২৪,৬০০ টাকা, বেঙ্গালুরুতে ২,২৫,০৭০ টাকা এবং হায়দরাবাদে ২,২৫,২৫০ টাকা প্রতি কেজি।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬
রাজ্য

১ অক্টোবর থেকে চালু নতুন নিয়ম, LPG-র e-KYC না থাকলেই সর্বনাশ ,কীভাবে চেক করবেন স্টেটাস?

LPG e-KYC: অক্টোবরের শুরুতেই LPG গ্রাহকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নিয়মে পরিবর্তন আসতে চলেছে। আজ ৩০ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে অক্টোবর মাস। আর ১ অক্টোবর থেকে LPG সংযোগের e-KYC নিয়ে কড়া নিয়ম কার্যকর হওয়ার কথা। যাঁরা এখনও তাঁদের গ্যাস সংযোগের e-KYC সম্পূর্ণ করেননি, তাঁরা LPG ভর্তুকির সুবিধা পাবেন না বলে জানানো হয়েছে। ফলে তাঁদের বাজারদরেই রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার কিনতে হতে পারে।LPG ভর্তুকির সুবিধা চালু রাখতে গ্রাহকদের e-KYC সম্পূর্ণ করা জরুরি। ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার কথা বলা হয়েছে। তবে শুধু e-KYC করলেই হবে না, সেটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে কি না, তার স্ট্যাটাসও যাচাই করে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। কারণ প্রযুক্তিগত সমস্যা বা ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া বাকি থাকার কারণে অনেক সময় e-KYC করেও স্ট্যাটাসে তা প্রতিফলিত নাও হতে পারে।ইন্ডেন গ্রাহকরা কীভাবে e-KYC স্ট্যাটাস দেখবেন?ইন্ডেনের গ্রাহকরা IndianOil One মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে তাঁদের e-KYC স্ট্যাটাস যাচাই করতে পারবেন। প্রথমে অ্যাপে লগইন করে হোম পেজের মেনু অপশনে যেতে হবে। এরপর My Profile বা আমার প্রোফাইল অপশনে ক্লিক করতে হবে। সেখানে e-KYC বা Re-KYC Status দেখা যাবে। যদি সেখানে KYC Status Valid লেখা থাকে, তাহলে ধরে নেওয়া যাবে যে KYC প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।HP Gas গ্রাহকদের জন্য কী নিয়ম?HP Gas-এর গ্রাহকরা myhpgas.in ওয়েবসাইটে গিয়ে তাঁদের e-KYC স্ট্যাটাস যাচাই করতে পারবেন। প্রথমে অ্যাকাউন্টে সাইন ইন করার পর গ্রাহকের বিস্তারিত তথ্যের অংশে যেতে হবে। সেখানে KYC Status অপশন থেকে আবেদনটি অনুমোদিত হয়েছে কি না, নাকি এখনও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে, তা জানা যাবে।Bharat Gas গ্রাহকরা কীভাবে স্ট্যাটাস চেক করবেন?Bharat Gas গ্রাহকদের e-KYC স্ট্যাটাস জানতে ebharatgas.com-এ গিয়ে অ্যাকাউন্টে লগইন করতে হবে। এরপর Check KYC Status অপশনে গিয়ে স্ট্যাটাস যাচাই করা যাবে। সেখানে যদি Aadhaar Number Linked এবং KYC Verified দেখা যায়, তাহলে e-KYC প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে বলে ধরে নেওয়া যাবে।e-KYC স্ট্যাটাস Pending দেখালে কী করবেন?e-KYC স্ট্যাটাস যদি Pending দেখায়, তাহলে দ্রুত সংশ্লিষ্ট LPG সংস্থার মাধ্যমে প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ করার ব্যবস্থা করতে হবে। গ্রাহকরা অনলাইন এবং অফলাইনদুই মাধ্যমেই e-KYC করার সুযোগ পেতে পারেন। তাই ভর্তুকির সুবিধা নিয়ে কোনও সমস্যা এড়াতে e-KYC সম্পূর্ণ করার পাশাপাশি তার স্ট্যাটাসও যাচাই করে নেওয়া জরুরি।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ম্যাচের আগেই মুখ্যমন্ত্রীর আমন্ত্রণ, কলকাতায় ব্রাজিল ও উরুগুয়ে প্রতিনিধিদের জন্য বিশেষ আয়োজন

৩ অক্টোবর কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ব্রাজিলের বিরুদ্ধে খেলবে ভারতীয় ফুটবল দল। এর তিন দিন পর, ৬ অক্টোবর একই মাঠে উরুগুয়ের মুখোমুখি হবে ভারত। সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের সূচি অনুযায়ী, দুই ম্যাচই কলকাতায় অনুষ্ঠিত হবে।ব্রাজিলের বিরুদ্ধে এই ম্যাচ ঘিরে ইতিমধ্যেই কলকাতায় ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। ব্রাজিলের ঘোষিত দলে রয়েছেন ভিনিসিয়াস জুনিয়র, রাফিনিয়া, এন্ড্রিক, এস্তেভাও, জোয়াও পেদ্রো, ব্রুনো গিমারায়েস, ডগলাস লুইজ, মারকুইনহোস এবং গ্যাব্রিয়েল মাগালহায়েসের মতো একাধিক তারকা ফুটবলার।ব্রাজিলের দলটি ২৬ সদস্যের। কোচ কার্লো আনচেলোত্তির বেছে নেওয়া এই দলে অভিজ্ঞ তারকাদের পাশাপাশি বেশ কয়েক জন তরুণ ফুটবলারও রয়েছেন। ফলে কলকাতায় ব্রাজিলের প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ ঘিরে উত্তেজনা আরও বেড়েছে।আপনার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ম্যাচের আগের সন্ধ্যায় ব্রাজিল ও উরুগুয়ে দলের প্রতিনিধিদের রাজ্য সরকারের তরফে বিশেষ নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানানোর পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী উপস্থিত থাকবেন বলে সূত্রের খবর। ভারতীয় দলের প্রতিনিধিদেরও ওই অনুষ্ঠানে থাকার কথা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।তবে এই নৈশভোজের বিষয়ে সরকারি ভাবে বিস্তারিত ঘোষণা এখনও সামনে আসেনি। তাই অনুষ্ঠানটির চূড়ান্ত আয়োজন এবং কারা উপস্থিত থাকবেন, তা নিয়ে শেষ মুহূর্তে পরিবর্তন হতে পারে।৩ অক্টোবরের ভারত-ব্রাজিল ম্যাচ ঘিরে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনেও প্রস্তুতি চলছে। গ্যালারি, প্রবেশপথ, মাঠ এবং দর্শকদের বিভিন্ন পরিষেবা উন্নত করার কাজ করা হচ্ছে। বিপুল দর্শক সমাগমের কথা মাথায় রেখে নিরাপত্তার ব্যবস্থাতেও জোর দেওয়া হয়েছে।ম্যাচের দিন গ্যালারিতে মুখ্যমন্ত্রী-সহ রাজ্যের একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তির উপস্থিতির সম্ভাবনার কথা জানা যাচ্ছে। কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্যও ম্যাচ দেখতে কলকাতায় আসতে পারেন বলে আপনার দেওয়া তথ্যে উল্লেখ রয়েছে। তবে তাঁর উপস্থিতি এখনও নিশ্চিত নয়।ভারতের সামনে অবশ্য কঠিন দুই পরীক্ষা। প্রথমে ৩ অক্টোবর ব্রাজিল এবং তারপর ৬ অক্টোবর উরুগুয়ের বিরুদ্ধে খেলবে ভারত। দুই দলই সদ্য বিশ্বকাপের মঞ্চে খেলেছে এবং আন্তর্জাতিক ফুটবলে তাদের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনও জানিয়েছে, এই ম্যাচগুলি ভারতীয় দলের জন্য উচ্চমানের প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে নিজেদের পরীক্ষা করার গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ।ব্রাজিলের দলে ভিনিসিয়াস জুনিয়র, রাফিনিয়া, মারকুইনহোস এবং ব্রুনো গিমারায়েসের মতো তারকারা থাকায় ৩ অক্টোবরের ম্যাচ নিয়ে স্বাভাবিক ভাবেই প্রত্যাশা তুঙ্গে। ২৯ সেপ্টেম্বর অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ব্রাজিল ৪-২ গোলে জিতেছে। সেই ম্যাচে ভিনিসিয়াস জুনিয়র পেনাল্টি থেকে গোল করেন এবং ব্রুনো গিমারায়েসও গোল করেন। রাফিনিয়া চোটের কারণে বিরতির সময় মাঠ ছাড়েন, তাই কলকাতার ম্যাচে তাঁর শারীরিক অবস্থার দিকেও নজর থাকবে।সব মিলিয়ে ৩ অক্টোবরের ভারত-ব্রাজিল ম্যাচকে ঘিরে কলকাতায় এখন থেকেই উৎসবের আবহ। যুবভারতীর মাঠে দুই দলের লড়াইয়ের পাশাপাশি ম্যাচের আগে সম্ভাব্য বিশেষ আয়োজন এবং গ্যালারিতে বিশিষ্ট অতিথিদের উপস্থিতি এই ফুটবল সন্ধ্যাকে আরও আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬
রাজ্য

লজেন্স কুড়োতে গিয়ে বিপত্তি! রেজিনগরে প্রচার গাড়ির সামনে পড়ে ৬ বছরের শিশুর মৃত্যু

রেজিনগরে বিধানসভা উপনির্বাচনের প্রচার চলাকালীন ছয় বছরের এক শিশুর মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃত শিশুটির নাম জাসমিনা খাতুন। পরিবারের অভিযোগ, রবিবার গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের প্রচার চলার সময় প্রচার গাড়ি থেকে ছোড়া লজেন্স কুড়োতে গিয়ে মাটিতে পড়ে গুরুতর জখম হয় জাসমিনা। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার কলকাতার এনআরএস মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।পরিবারের দাবি, প্রচারের গাড়ি এলাকায় আসার পর বাজনার শব্দ শুনে অন্যদের সঙ্গে জাসমিনাও সেখানে ছুটে গিয়েছিল। সেই সময় গাড়ি থেকে শিশুদের জন্য লজেন্স ছোড়া হচ্ছিল। লজেন্স কুড়োতে গিয়ে জাসমিনা পড়ে যায় এবং মাথায় আঘাত লাগে বলে পরিবারের অভিযোগ।আহত অবস্থায় প্রথমে জাসমিনাকে বেলডাঙা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরে পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ায় কলকাতার এনআরএস মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার তার মৃত্যু হয় বলে পরিবার জানিয়েছে।মৃত শিশুটির আত্মীয় ইউসুফ শেখের দাবি, প্রচার চলাকালীন বাজনার আওয়াজ শুনে শিশুরা সেখানে গিয়েছিল। প্রচার গাড়ি থেকে ছোড়া লজেন্স কুড়োতে গিয়ে জাসমিনা পড়ে গিয়ে মাথায় আঘাত পায়। এরপর তাকে একাধিক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত বাঁচানো যায়নি বলে জানিয়েছেন তিনি।ঘটনাকে ঘিরে গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী শফিউজ্জামান শেখের বক্তব্যও সামনে এসেছে। তাঁর দাবি, শিশুদের জন্যই লজেন্স ছোড়া হয়েছিল। তবে ঠিক কী ভাবে ঘটনাটি ঘটেছে, তা তাঁদের জানা নেই বলে জানিয়েছেন তিনি। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখার কথাও বলেছেন প্রার্থী।অন্য দিকে, এই ঘটনায় গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকার। তাঁর বক্তব্য, ঘটনা ঘটার পরেই সংশ্লিষ্ট নেতাদের শিশুটিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নেওয়া উচিত ছিল। একই সঙ্গে মৃত শিশুটির পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।রেজিনগরে উপনির্বাচনের প্রচার ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক উত্তাপ রয়েছে। বিভিন্ন দল নিজেদের প্রার্থীর সমর্থনে প্রচার চালাচ্ছে। তার মধ্যেই প্রচার চলাকালীন ছয় বছরের শিশুর জখম হওয়া এবং পরে মৃত্যুর ঘটনায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।তবে জাসমিনার মৃত্যুর সঠিক কারণ, কী ভাবে সে পড়ে গিয়ে আঘাত পেয়েছিল এবং ঘটনার সঙ্গে প্রচার গাড়ির কার্যকলাপের সরাসরি সম্পর্ক কতটাতা তদন্ত ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্যের ভিত্তিতেই স্পষ্ট হবে। পরিবারের অভিযোগ এবং রাজনৈতিক দলগুলির বক্তব্যের পাশাপাশি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তই এখন গুরুত্বপূর্ণ।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬
কলকাতা

পুজোর পাসে ৬০ কোটির অভিযোগ! রাত ১১টা পর্যন্ত ইন্দ্রনীলের বাড়িতে ইডি, এরপর কী?

প্রাক্তন মন্ত্রী তথা গায়ক ইন্দ্রনীল সেনের (Indranil Sen) কসবার বাড়িতে মঙ্গলবার দীর্ঘ সময় ধরে তল্লাশি চালাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। প্রায় সাড়ে ১৫ ঘণ্টা পর রাত ১১টা নাগাদ তদন্তকারীরা বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। এরপর বুধবার সকাল ১০টায় ইডির দপ্তরে ইন্দ্রনীল সেনকে তলব করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইন্দ্রনীল (Indranil Sen) । অভিযোগের ভিত্তিতে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি।ইডি সূত্রে অভিযোগ, কলকাতার দুর্গাপুজোর পুজো পরিক্রমা বা প্রিভিউ শো-এর নামে ইউনেস্কোর নাম ও প্রতীক ব্যবহার করে প্রবেশপত্র বিক্রি করা হয়েছিল। সেই প্রবেশপত্রের মাধ্যমে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ কোটি টাকার আর্থিক অনিয়ম হয়ে থাকতে পারে বলে তদন্তকারীদের দাবি। এই ঘটনায় ইন্দ্রনীল সেন এবং তাঁর স্ত্রী মধুছন্দা সেনের নামও উঠে এসেছে বলে ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে (Indranil Sen) ।চলতি বছরের জুন মাসে এই সংক্রান্ত অভিযোগ বউবাজার থানায় দায়ের হয়েছিল। অভিযোগকারীর বক্তব্যের ভিত্তিতে পরে আর্থিক তছরূপের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা শুরু হয়। সেই মামলার সূত্র ধরেই মঙ্গলবার ইডি কলকাতার একাধিক জায়গায় একসঙ্গে তল্লাশি চালায়।ইন্দ্রনীল সেনের (Indranil Sen) কসবার বাড়ি ছাড়াও কলকাতার আরও কয়েকটি ঠিকানায় তদন্তকারীরা পৌঁছন। হিন্দুস্তান পার্ক এবং হাইল্যান্ড পার্কের ঠিকানাতেও তল্লাশি চালানো হয়। ইভেন্ট পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত কয়েক জনের বাড়িতেও অভিযান চলে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে। সিঙ্গুরে ইন্দ্রনীল সেনের বাগানবাড়িতেও তদন্তকারীরা গিয়েছিলেন বলে খবর।প্রতিটি ঠিকানায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা ছিল। একাধিক দলে ভাগ হয়ে ইডির আধিকারিকেরা এই অভিযান চালান। তদন্তকারীদের মূল লক্ষ্য ছিল অভিযোগে উঠে আসা আর্থিক লেনদেন এবং পুজোর প্রবেশপত্র বিক্রির সঙ্গে যুক্ত নথি ও তথ্য খতিয়ে দেখা।এই অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছে মাস আর্ট নামে একটি সংগঠন। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২১ সালে কলকাতার দুর্গাপুজো আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়ার পর ওই সংগঠনটি তৈরি হয়। সংগঠনটির তরফে নিজেদের ইউনেস্কোর সঙ্গে যুক্ত বা অনুমোদিত উদ্যোগ হিসেবে প্রচার করা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। সেই পরিচয় ব্যবহার করে পুজো পরিক্রমার জন্য চড়া দামে প্রবেশপত্র বিক্রি করা হত বলেও তদন্তকারীদের দাবি।ইন্দ্রনীল সেনের (Indranil Sen) স্ত্রী মধুছন্দা সেন ওই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, পাস বিক্রি এবং ওই সংস্থার আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে তাঁর ভূমিকা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তবে এই অভিযোগগুলি এখনও তদন্তাধীন এবং আদালতে প্রমাণিত নয়।প্রাথমিক অভিযোগ অনুযায়ী, পুজোর প্রিভিউ শো বা পুজো পরিক্রমার নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছিল। ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে এই পাস বিক্রির অনুমতি আদৌ ছিল কি না, সেটিও তদন্তের অন্যতম বিষয়। বিভিন্ন প্রতিবেদনে পাসের মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের টাকা সংগ্রহের অভিযোগের কথা উঠে এসেছে।ইন্দ্রনীল সেন অবশ্য শুরু থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। মঙ্গলবার দীর্ঘ তল্লাশির পরও তিনি অভিযোগ মানেননি বলে জানা গিয়েছে। বরং প্রয়োজন হলে আইনি পথে যাওয়ার বার্তা দিয়েছেন তিনি।এখন বুধবার সকাল ১০টায় ইডির দপ্তরে হাজির হওয়ার পর ইন্দ্রনীল সেনকে কী কী বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, সেদিকেই নজর রয়েছে। পুজোর প্রবেশপত্র বিক্রি, সংশ্লিষ্ট সংস্থার আর্থিক লেনদেন এবং অভিযোগে উঠে আসা টাকার অঙ্কসবই তদন্তের পরবর্তী পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।ইডির মঙ্গলবারের তল্লাশিতে কী কী নথি বা তথ্য পাওয়া গেল, তা এখনও প্রকাশ্যে বিস্তারিত ভাবে জানানো হয়নি। তদন্ত এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে অভিযোগের প্রকৃত চিত্র আরও স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
কলকাতা

পুজোর মুখে চাকরি নিয়ে বড় আশ্বাস! বিকাশ ভবনের সামনে অবস্থান তুলে নিলেন ৩৭১৯ কম্পিউটার শিক্ষক

পুজোর মুখে চাকরি হারানোর আশঙ্কায় বিকাশ ভবনের সামনে অবস্থান শুরু করেছিলেন রাজ্যের সরকারি ও সরকার পোষিত স্কুলের চুক্তিভিত্তিক কম্পিউটার শিক্ষকরা। সোমবার থেকে শুরু হওয়া সেই অবস্থান ও বিক্ষোভ মঙ্গলবার পর্যন্ত চলে। পরে শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মনের সঙ্গে দুই দফায় বৈঠকের পর আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেন শিক্ষকদের সংগঠন আইসিটি ঐক্য মঞ্চ।বৈঠকে শিক্ষকদের একাধিক দাবি বিবেচনা করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলে সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে। আপাতত যাতে চাকরিতে কোনও ছেদ না পড়ে, সেই ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে। টেন্ডারে নির্বাচিত সংস্থার অধীনেই ৩৭১৯ জন শিক্ষক কাজ চালিয়ে যাবেন বলে জানা গিয়েছে।শিক্ষকদের দাবি পূরণের জন্য শিক্ষামন্ত্রী ছমাস সময় চেয়েছেন বলেও জানা গিয়েছে। এই সময়ের মধ্যে সরকারের সঙ্গে সরাসরি চুক্তির মাধ্যমে শিক্ষকদের বেতন এবং অন্যান্য বিষয় শ্রম আইন মেনে কী ভাবে করা যায়, তা নিয়ে চেষ্টা করা হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।সোমবার থেকেই একাধিক দাবি নিয়ে বিকাশ ভবনের সামনে অবস্থানে বসেছিলেন চুক্তিভিত্তিক কম্পিউটার শিক্ষকরা। রাতভর সেখানে বিক্ষোভ চলে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকার পর শিক্ষকদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন শিক্ষামন্ত্রী। সেই বৈঠকের পরেই আপাতত আন্দোলন তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।শিক্ষক রাহুল দাসের দাবি, প্রথম থেকে পঞ্চম পর্যায়ে নিযুক্ত প্রায় পাঁচ হাজার কম্পিউটার প্রশিক্ষকের সঙ্গে সরকারের যে ভাবে সরাসরি চুক্তি রয়েছে, একই ধরনের ব্যবস্থা তাঁদের ক্ষেত্রেও করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তবে শিক্ষামন্ত্রীর তরফে এই বক্তব্যের বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি।এই সমস্যার নেপথ্যে রয়েছে চুক্তি নিয়ে জটিলতা। ২০২২ সাল বা তার আশপাশের সময়ে বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে ৩৭১৯ জন কম্পিউটার শিক্ষককে পাঁচ বছরের চুক্তিতে নিয়োগ করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী অনেকের চুক্তির মেয়াদ আরও কিছুদিন থাকার কথা থাকলেও, হঠাৎ ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে চুক্তি শেষ করার নোটিস দেওয়া হয়েছে বলে শিক্ষকদের অভিযোগ।শিক্ষকদের আরও অভিযোগ, আগের কয়েকটি পর্যায়ে নিযুক্ত কম্পিউটার প্রশিক্ষকদের দীর্ঘমেয়াদি কাজের সুযোগ দেওয়া হলেও ষষ্ঠ ও সপ্তম পর্যায়ের শিক্ষকদের ক্ষেত্রে সেই সুবিধা দেওয়া হয়নি। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক সময়ে তাঁদের বেতন কমানোর অভিযোগও উঠেছে।চুক্তি শেষ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় শুধু শিক্ষক ও তাঁদের পরিবার নয়, স্কুল কর্তৃপক্ষও সমস্যায় পড়তে পারেন বলে শিক্ষক সংগঠনের দাবি। কারণ সরকারি বিভিন্ন ডিজিটাল শিক্ষা প্রকল্পে এই কম্পিউটার শিক্ষকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চ-এর সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী বলেন, কম্পিউটার শিক্ষকদের নিয়মিতকরণের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। তাঁর বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে অনিশ্চয়তার মধ্যে কাজ করা কঠিন এবং স্কুলের কাজে এই শিক্ষকেরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।আপাতত শিক্ষকদের আন্দোলন প্রত্যাহার হলেও তাঁদের মূল দাবি পূরণ কতটা দ্রুত হয়, সেদিকেই নজর রয়েছে। বিশেষ করে সরাসরি সরকারি চুক্তি, বেতন কাঠামো এবং চাকরির নিশ্চয়তা নিয়ে আগামী ছমাসে কী সিদ্ধান্ত হয়, তা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
দেশ

যশোভূমিতে ফিজিওথেরাপির মহামিলন: ১০ হাজারের মঞ্চে বাংলার গর্ব, সম্মানে IAP Bengal

২,০০০ কিলোমিটারের Physio Baton যাত্রা থেকে দিল্লির বর্ণাঢ্য মহাযাত্রাআন্তর্জাতিক সম্মেলনে উজ্জ্বল বাংলার উপস্থিতিনয়াদিল্লি: ফিজিওথেরাপির জগতে এক ঐতিহাসিক অধ্যায়ের সাক্ষী থাকল নয়াদিল্লির যশোভূমি কনভেনশন সেন্টার। ২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত World Physiotherapy Asia Western Pacific (AWP) Regional Conference 2026-এ দেশ-বিদেশের ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞ, শিক্ষক, গবেষক, ছাত্রছাত্রী ও পেশাজীবীদের মিলন ঘটল এক বিশাল আন্তর্জাতিক মঞ্চে। Fitness for Allএই বার্তাকে সামনে রেখে আয়োজিত সম্মেলনে ফিজিওথেরাপির ভবিষ্যৎ, আধুনিক চিকিৎসা-পদ্ধতি, গবেষণা, জনস্বাস্থ্য এবং পেশাগত বিকাশ নিয়ে হয় একাধিক আলোচনা।সম্মেলনের অন্যতম উল্লেখযোগ্য দিক ছিল ১০ হাজারেরও বেশি ফিজিওথেরাপিস্টের একসঙ্গে উপস্থিতি। এই বিপুল অংশগ্রহণকে World Record হিসেবে বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়। ফলে সম্মেলনটি শুধু একটি পেশাগত অনুষ্ঠানেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং আন্তর্জাতিক ফিজিওথেরাপি জগতের একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চে পরিণত হয়।বিশেষ সম্মান IAP Bengal Branch-এরএই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে পশ্চিমবঙ্গের জন্য আসে আরও একটি উল্লেখযোগ্য স্বীকৃতি। IAP Bengal Branch-কে দেশের সেরা শাখা হিসেবে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড, পেশাগত উন্নয়ন এবং ফিজিওথেরাপি সংক্রান্ত বিভিন্ন উদ্যোগের স্বীকৃতি হিসেবেই এই সম্মানকে দেখা হচ্ছে।দিল্লির আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলার প্রতিনিধিদের হাতে এই সম্মান তুলে দেওয়ার মুহূর্তটি ছিল আবেগঘন। পশ্চিমবঙ্গের ফিজিওথেরাপি পেশাজীবীদের কাছে এটি নিঃসন্দেহে এক গর্বের মুহূর্ত হয়ে ওঠে।বর্ধমান থেকে শুরু Physio Baton-এর ঐতিহাসিক যাত্রাসম্মেলনের আগে বাংলার সঙ্গে এই আন্তর্জাতিক আয়োজনের যোগসূত্র আরও দৃঢ় করে Physio Baton বা মশাল যাত্রা। ২২ সেপ্টেম্বর বর্ধমানের ঐতিহাসিক কার্জন গেট হয়ে সেই মশাল যাত্রার সূচনা হয়।কার্জন গেটে Physio Baton-কে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন প্রায় ৭০ জন ফিজিওথেরাপিস্ট। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ডাঃ সত্যেন ভট্টাচার্য, ডাঃ শুভেন্দু দ্বিবেদী (PT), ডাঃ আদিত্য পাল ডাঃ অতনু রায়, ডাঃ অনিন্দ দে (PT), ডাঃ শুকদেব মুখার্জী (PT)-সহ আরও অনেকে। উপস্থিত ছিলেন গোলাপবাগ ফিজিওথেরাপি কলেজের অধ্যক্ষ ডাঃ এম. এস. আনোয়ার (PT)।ঐতিহাসিক বর্ধমানের মাটি থেকে শুরু হয়ে প্রায় ২,০০০ কিলোমিটার সড়কপথ পেরিয়ে Physio Baton পৌঁছে যায় দিল্লিতে। এই দীর্ঘ যাত্রাপথে বিভিন্ন জেলা ও রাজ্যের ফিজিওথেরাপিস্টদের সঙ্গে যোগাযোগ, মতবিনিময় এবং পেশাগত সম্পর্ক গড়ে তোলার উদ্যোগও নেওয়া হয়।বাংলার ঐতিহ্য ধরা পড়ল দিল্লির মহাযাত্রায়দিল্লিতে পৌঁছনোর পর Physio Baton-কে কেন্দ্র করে আয়োজিত হয় বর্ণাঢ্য মহাযাত্রা। সেখানে বাংলার প্রতিনিধিরা নিজেদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সামনে তুলে ধরেন।পুরুষ প্রতিনিধিদের অনেকেই ধুতি-পাঞ্জাবি এবং মহিলা প্রতিনিধিরা শাড়ি পরে শোভাযাত্রায় অংশ নেন। পেশাগত পরিচয়ের পাশাপাশি বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এই উপস্থাপনা আন্তর্জাতিক মঞ্চে আলাদা মাত্রা যোগ করে।বর্ধমান থেকে শুরু হওয়া মশাল যাত্রার সেই ধারাবাহিকতা শেষ পর্যন্ত পৌঁছয় World Physiotherapy-এর সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক নেতৃত্বের মঞ্চে।ডাঃ রুচি ভার্শনে (PT) (Dr. Ruchi Varshney) এবং ডাঃ সঞ্জীব ঝা (PT) (Dr. Sanjeev Jha)-এর হাত ধরে Physio Baton তুলে দেওয়া হয় World Physiotherapy-এর President-এর হাতে। মুহূর্তটি উপস্থিত প্রতিনিধিদের মধ্যে বিশেষ আবেগ ও গর্বের সৃষ্টি করে।যাত্রার নেতৃত্বে ডাঃ কৌশিক মল্লিক (PT)এই দীর্ঘ ও তাৎপর্যপূর্ণ যাত্রার পরিকল্পনা, নেতৃত্ব এবং সমন্বয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন ডাঃ কৌশিক মল্লিক (PT), Vice President, IAP West Bengal Branch।প্রায় ২,০০০ কিলোমিটারের এই সড়কযাত্রা শুধুমাত্র একটি মশাল বহনের কর্মসূচি ছিল না। পথে বিভিন্ন জেলা ও রাজ্যের ফিজিওথেরাপিস্টদের সঙ্গে যোগাযোগ, তাঁদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং পেশাগত নেটওয়ার্ক আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগও এই যাত্রার অন্যতম লক্ষ্য হয়ে ওঠে।ফলে Physio Baton-এর যাত্রা কার্যত বাংলার সঙ্গে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ফিজিওথেরাপি পেশাজীবীদের মধ্যে একটি সংযোগের সেতু তৈরি করে।১৩টি হলে একসঙ্গে বৈজ্ঞানিক কর্মসূচি২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর যশোভূমি কনভেনশন সেন্টারের বিশাল পরিসরে সম্মেলনের বিভিন্ন পর্ব পরিচালিত হয় ১৩টি হলে। একই সঙ্গে চলে একাধিক বৈজ্ঞানিক ও পেশাগত অধিবেশন।পেপার ও পোস্টার প্রেজেন্টেশন, বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, প্যানেল আলোচনা, কর্মশালা, ছাত্রছাত্রীদের বিভিন্ন কার্যক্রম এবং দেশ-বিদেশের বিশিষ্ট ফিজিওথেরাপিস্টদের অংশগ্রহণে সম্মেলন কার্যত পরিণত হয় জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের এক বিশাল প্ল্যাটফর্মে।এই আন্তর্জাতিক মঞ্চে বর্ধমানের ফিজিওথেরাপিস্ট ডাঃ সত্যেন ভট্টাচার্য (PT) ও বক্তা হিসেবে অংশ নেন। বাংলার একটি জেলা শহর থেকে উঠে এসে আন্তর্জাতিক সম্মেলনের বৈজ্ঞানিক অধিবেশনে বক্তব্য রাখার বিষয়টিও স্থানীয় পেশাজীবীদের কাছে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।শুধু চিকিৎসা ও গবেষণার ক্ষেত্রেই নয়, আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার গুরুত্ব উপলব্ধি করে কনটেন্ট ক্রিয়েটর, পডকাস্টার এবং ডিজিটাল মিডিয়ার জন্যও বিশেষ পরিসর রাখা হয় সম্মেলনে।ফিজিওথেরাপির গুরুত্ব তুলে ধরলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীসম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা। তাঁর বক্তব্যে আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থায় ফিজিওথেরাপির গুরুত্বের বিষয়টি উঠে আসে।এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ভিডিও বার্তা এবং কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পক্ষ থেকেও ভিডিও বার্তা সম্মেলনে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। এর ফলে ফিজিওথেরাপি যে শুধুমাত্র পুনর্বাসনমূলক চিকিৎসার একটি অংশ নয়, বরং বৃহত্তর জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গএই বার্তাটিও আন্তর্জাতিক মঞ্চে আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।বাংলার জন্য একাধিক গর্বের মুহূর্তএকদিকে ১০ হাজারেরও বেশি ফিজিওথেরাপিস্টের ঐতিহাসিক উপস্থিতি, অন্যদিকে IAP Bengal Branch-এর বিশেষ সম্মাননা। তার সঙ্গে বর্ধমানের কার্জন গেট থেকে শুরু হওয়া Physio Baton-এর প্রায় ২,০০০ কিলোমিটারের যাত্রা এবং দিল্লির মহাযাত্রায় বাংলার ঐতিহ্যবাহী পোশাকে প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণসব মিলিয়ে সম্মেলনে বাংলার উপস্থিতি হয়ে ওঠে বিশেষভাবে স্মরণীয়।এই যাত্রা দেখিয়ে দিল, ফিজিওথেরাপি এখন আর শুধুমাত্র চিকিৎসাক্ষেত্রের একটি নির্দিষ্ট শাখার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। গবেষণা, জনস্বাস্থ্য, ফিটনেস, পুনর্বাসন, প্রযুক্তি এবং সামাজিক সচেতনতার বৃহত্তর পরিসরে ফিজিওথেরাপির ভূমিকা ক্রমশ বিস্তৃত হচ্ছে।যশোভূমির আন্তর্জাতিক মঞ্চে সেই পরিবর্তনেরই প্রতিফলন দেখা গেল। আর সেই মঞ্চে বাংলার প্রতিনিধিত্ব, IAP Bengal Branch-এর স্বীকৃতি এবং বর্ধমান থেকে শুরু হওয়া Physio Baton-এর ঐতিহাসিক যাত্রা পশ্চিমবঙ্গের ফিজিওথেরাপি মহলের জন্য তৈরি করল এক স্মরণীয় অধ্যায়।বর্ধমানের কার্জন গেট থেকে দিল্লির যশোভূমিপ্রায় ২,০০০ কিলোমিটারের সেই যাত্রা তাই কেবল একটি মশাল বহনের গল্প নয়; এটি বাংলার ফিজিওথেরাপি পেশাজীবীদের ঐক্য, উদ্যোগ, পেশাগত সংযোগ এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজেদের উপস্থিতি জানান দেওয়ার এক অনন্য কাহিনি।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal