• ৩ মাঘ ১৪৩২, রবিবার ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Arrest,

রাজ্য

Buried Body: মাকে খুন করে ঘরের মেঝেতে দেহ পুঁতে রেখে দিয়েছিল ছোট ছেলে, খুঁড়তেই উদ্ধার কঙ্কাল

বৃদ্ধা মাকে খুন করে ঘরের মেঝেতে দেহ পুঁতে রেখে সেই ঘরেই দুবছর ধরে বসবাস করছে ছোট ছেলে।বৃদ্ধা সুকরানা বিবির ছোট ছেলে সহিদুল আলি ওরফে নয়নের বিরুদ্ধে এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ এনে আলোড়ন ফেলে দিয়েছিলেন ছোট বৌমা রুপসুনা বিবি। শেষ পর্যন্ত ছোট বৌমার আনা সেই অভিযোগই সত্যি প্রমান হল। মঙ্গলবার গ্রেপ্তার হওয়া সাহিদুলের দেখানো জায়গা মতো বুধবার ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের উপস্থিতিতে খোঁড়া হয় তাঁর ঘরের মেঝে। ফুট চারেক মেঝে খোঁড়ার পরেই বেরিয়ে আসে মানব দেহের হাড়গোড় ও মাথার খুলি। যা দেখে এদিন কার্যত শিউরে ওঠেন বর্ধমান থানার হাঁটুদেওয়ানের পীরতলা ক্যানেলপাড় এলাকার বাসিন্দাা। উদ্ধার হওয়া হাড়গোড় ও মাথার খুলি বৃদ্ধা সুকরানা বিবির কিনা তা নিশ্চিৎ হতে পুলিশ উদ্ধার হওয়া হাড় ও খুলি ময়না তদন্তের জন্য বর্ধমান মেডিকাল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে।আরও পড়ুনঃ বর্ধমানে বৃদ্ধা মাকে খুন করে দেহ ঘরের মেঝেতে পুঁতে দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার ছেলেবৃদ্ধা সুকরুনা বিবির বড় ছেলে কিসমত আলির দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে মঙ্গলবার বর্ধমান থানার পুলিশ হাঁটুদেওয়ান পীরতলা এলাকার সহিদুল আলিকে আটক করে। তাঁকে বর্ধমান থানায় নিয়ে গিয়ে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ চালায়। জিজ্ঞাসাবাদে মাকে খুন করে ঘরের মেঝেতে দেহ পুঁতে দেওয়ার কথা সাহিদুল আলি স্বীকার করার পরেই পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। এদিন সহিদুলকে সঙ্গে নিয়ে তাঁর দেখানো জায়গা মতো পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ঘরের মেঝে খোঁড়ার পরেই উদ্ধার হয় মানবদেহের হড়গোড় ও মাথার খুলি। তারপরেই পুলিশ খুন ও খুনের পর প্রমাণ লোপাটের চেষ্টার ধারায় মামলা রুজু করে এদিনই ধৃত সাহিদুলকে পেশ করে বর্ধমান আদালতে। তদন্তের প্রয়োজনে তদন্তকারী অফিসার ধৃতকে নিজেদের হেপাজতে নেওয়ার জন্য আদালতে আবেদন জানান। বিচারক ধৃতকে ৭ দিন পুলিশি হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ তালিয়ান লিগে খেলা ডিফেন্ডার এবার এসসি ইস্টবেঙ্গলেপুলিশ ও স্থানীয়সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর ৫৮ বয়সী সুকরানা বিবি তাঁর ছোট ছেলে নয়নের সঙ্গে হাঁটুদেওয়ান পীরতলা এলাকার বাড়িতেই থাকতেন। পেশায় লরি চালক বড় ছেলে কিসমত অন্যত্র থাকেন। সুকরানা বিবি বেড়াতে যেতে খুব ভালবাসতেন। মাঝে মধ্যেই তিনি বেড়াতে বেরিয়ে পড়তেন। মায়ের বেড়াতে বেরিয়ে যাওয়াটা পছন্দ করতো না ছোট ছেলে সহিদুল আলি। মা ও ছোট ছেলের মধ্যে এইসব ছাড়াও নানা কারণে অশান্তিও হত। এই অবস্থার মধ্যেই ২০১৯ সালের ১০ জানুয়ারি থেকে সুকরানা বিবির আর কোন খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ চালিয়েও মা সুকরানা বিবির হদিশ পান না বড় ছেলে কিসমত আলি। এরপর ওই বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি তিনি বর্ধমান থানায় তাঁর মায়ের নিখোঁজ হয়ে যাওয়া সংক্রান্ত ডাইরি লিপিবদ্ধ করেন।আরও পড়ুনঃ বৃষ্টিস্নাত দক্ষিণবঙ্গে রেল ও রাস্তা অবরোধে নাকাল সাধারণ মানুষকিসমত আলি জানান, তাঁর ছোট ভাই সহিদুলের স্ত্রী রুপসুনা বেশ কয়েকমাস হল শিশু সন্তানদের নিয়ে ভাতারের এরুয়ার গ্রামে বাপের বাড়িতে গিয়ে রয়েছে। ভাতৃবধূকে ছোট ভাইয়ের কাছে ফিরিয়ে আনার জন্য তিনি গত সোমবার এরুয়ার গ্রামে রুপসুনার বাপের বাড়িতে যান। কিসমত আলি বলেন, ওই দিনই রুপসুনার কাছ থেকে তিনি জানতে পারেন, তাঁর ছোট ভাই সহিদুল তাঁদের বৃদ্ধা মা সুকরুনা বিবিকে খুন করে দেহ ঘরের মেজেতে পুঁতে দিয়েছে। সহিদুল প্রাণে মেরে দিয়ে তাঁকেও মাটিতে পুঁতে দিতে পারে এমন আশঙ্কার কথা রুপসুনা তাঁর ভাসুরকে জানায়। একই সঙ্গে রুপসুনা তাঁর ভাসুরকে জানিয়ে দেয় সে আর তাঁর স্বামীর কাছে আর ফিরে যাবে না। ভাতৃবধূর কাছ থেকে এমন চাঞ্চল্যকর অভিযোগ শোনার পরেই কিসমত আলি মঙ্গলবার তাঁর ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে বর্ধমান থানায় অভিযোগ জানান।আরও পড়ুনঃ পূজার ছলে ভুলে থাকিকিসমতের অভিযোগ পাওয়ার পরেই নড়েচড়ে বসে বর্ধমান থানার পুলিশ। হাঁটুদেওয়ান পীরতলা এলাকায় দ্রুত পৌছে পুলিশ সহিদুল আলিকে থানায় নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চালায়। পুলিশের দাবি জেরায় সহিদুল জানায়, ঘটনার আগে বেশ কিছু দিন ধরে বৃদ্ধা মায়ের সঙ্গে তাঁর অশান্তি চলছিল। ঘটনার দিন মায়ের সঙ্গে বচসা চলার সময়ে মুগুর দিয়ে সে তাঁর মায়ের মাথায় আঘাত করে। মা ঘরের ভিতরে ছিটকে পড়ে। এরপর মায়ের মৃত্যু নিশ্চিৎ করতে তিনি তাঁর মায়ের গলা টিপে ধরেন। বৃদ্ধা মা রুকসুনা বিবি মারা যাওয়ার পর ঘরে ধুপকাটি জ্বালিয়ে সহিদুল কাজে বেরিয়ে যায়। পরে বাড়ি ফিরে এসে ঘরের মেঝের মাটি খুঁড়ে সহিদুল তাঁর মায়ের মৃতদেহ ঘরের মেঝেতে পুঁতে দেয়। এদিন সহিদুলকে তাঁর মাকে খুনের কারণ জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, মা নোংরা পথে চলে গিয়েছিল। মাকে বারণ করলেও মা কথা শুনতেন না। তাই মাকে মেরে দিয়ে ঘরের মেঝেতে পুঁতে দিয়েছি। যদিও এইসব অভিযোগই অসত্য জানিয়েছেন বৃদ্ধার বড় ছেলে সহ পরিবারের অন্য সদস্যরা।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২১
দেশ

Terrorists: উৎসবের মরশুমে হামলার ছক! ৩ রাজ্য থেকে গ্রেপ্তার ৬ জঙ্গি

নাশকতার ছক ভেস্তে দিয়ে জঙ্গিদমনে বড় সাফল্য পেল দিল্লি পুলিশ। মঙ্গলবার বিকেলে ৬ জঙ্গিকে হাতেহাতে গ্রেপ্তার করে দিল্লি পুলিশের বিশেষ সেল। সূত্রের খবর, গ্রেপ্তার হওয়া ৬ জনের মধ্যে দুজন সদ্যই পাকিস্তান থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে ফিরেছিল। পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, আসন্ন উৎসবের মরশুমে উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্রের মতো রাজ্যে জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা ছিল এই জঙ্গিদের।আরও পড়ুনঃ বর্ধমানে বৃদ্ধা মাকে খুন করে দেহ ঘরের মেঝেতে পুঁতে দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার ছেলেনানা গোয়েন্দা সংস্থা মারফৎ খবর পেয়ে দিল্লি, রাজস্থান ও উত্তরপ্রদেশজুড়ে জঙ্গিদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছিল পুলিশের বিশেষ সেল। গ্রেপ্তারির পর ওই সেলের বরিষ্ঠ আধিকারিক নীরজ ঠাকুর সংবাদ মাধ্যমকে জানান, ৬ জনের মধ্যে একজন সকাল বেলা তল্লাশি অভিযানে মহারাষ্ট্রের একজন জঙ্গি রাজস্থানের কোটা থেকে গ্রেপ্তার হয়। তিনজন উত্তর প্রদেশ এটিএসের সাহায্যে সেই রাজ্যে গ্রেপ্তার হয়। বাকি দুজন ধরা পড়ে রাজধানী দিল্লিতেই। তবে দিল্লি পুলিশের স্পেশ্যা ল সেলের বিশেষ কমিশনার অন্য একটি তথ্য প্রকাশ্যে এনেছেন যা অধিক পরিমাণ চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তিনি জানান, ধৃতরা জানিয়েছে যে তাদের সঙ্গে আরও ১৪-১৫ এমন ছিল যারা বাংলা ভাষায় কথা বলত। তারাও একই ধরনের প্রশিক্ষণ শিবিরে যোগ দিয়েছিল। জঙ্গিরা ভারতে ঘাপটি মেরে বসে থাকলেও তাদের পরিচালনা সীমান্তের ওপার থেকেই করা হত বলে জানিয়েছেন পুলিশকর্তা। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতদের কাছে থেকে আগ্নেয়াস্ত্র এবং বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছে। আসন্ন উৎসবের মরসুমকেই তারা নিশানা করেছিল জঙ্গি হামলা চালানোর জন্য।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১
রাজ্য

Killing Old Mother: বর্ধমানে বৃদ্ধা মাকে খুন করে দেহ ঘরের মেঝেতে পুঁতে দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার ছেলে

মাকে খুন করে ঘরের মেঝেতে দেহ পুঁতে রেখে দিয়ে সেই ঘরেই বসবাস করছিল ছোট ছেলে। নিষ্ঠুর স্বামী সহিদুল আলি ওরফে নয়নের এই কুকীর্তি সোমবার ভাসুর কিসমত আলির কাছে ফাঁস করে দেয় ছোট বৌমা রুপসুনা বিবি। বৃদ্ধা মা সুকরুনা বিবিকে হত্যার কথা জানার পরেই বড় ছেলে কিসমত আলি তাঁর ছোট ভাই সহিদুল আলির বিরুদ্ধে মঙ্গলবার বর্ধমান থানায় অভিযোগ জানান। অভিযোগ পেয়ে এদিনই বর্ধমানের হাঁটুদেওয়ান পীরতলা এলাকার বাড়িতে পৌছে সহিদুল আলিকে আটক করে থানায় নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চালায়। জিজ্ঞাসাবাদে মাকে খুনের কথা স্বীকার করার পরে পুলিশ সহিদুলকে গ্রেপ্তার করে। এই ঘটনা জানাজানি হতেই বর্ধমান জুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে বুধবার ঘরের মেঝের মাটি খুঁড়ে বৃদ্ধার দেহ উদ্ধারের জন্য পুলিশ এদিনই বর্ধমান আদালতের অনুমতি নিয়েছে।আরও পড়ুনঃ প্রাক্তন সর্বভারতীয় কংগ্রেস নেত্রীকে রাজ্যসভায় পাঠাচ্ছে তৃণমূলপুলিশ ও স্থানীয়সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর ৫৮ বয়সী সুকরুনা বিবি তাঁর ছোট ছেলে নয়নের সঙ্গে হাঁটুদেওয়ান পীরতলা এলাকার বাড়িতেই থাকতেন। ছোট ছেলে পেশায় পিকআপ ভ্যানের চালক। বড় ছেলে কিসমত আলিও লরি চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। তিনি অন্যত্র থাকেন। সুকরুনা বিবি বেড়াতে যেতে খুব ভালবাসতেন। মাঝে মধ্যেই তিনি বেড়াতে বেরিয়ে পড়তেন। মায়ের বেড়াতে বেরিয়ে যাওয়াটা পছন্দ করতো না ছোট ছেলে সহিদুল আলি। তা নিয়ে মা ছোট ছেলের মধ্যে অশান্তিও হত। এই অবস্থার মধ্যেই ২০১৯ সালের ১০ জানুযায়ী হঠাৎ করেই সুকরুনা বিবি নিখোঁজ হয়ে যান। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ চালিয়েও মা সুকরুনা বিবির হদিশ পান না বড় ছেলে কিসমত আলি। এরপর ওই বছরের ২২ ফেব্রুয়ারী কিসমত আলি বর্ধমান থানায় তাঁর মায়ের নিখোঁজ হয়ে যাওয়া সংক্রান্ত ডায়রি লিপিবদ্ধ করেন।আরও পড়ুনঃ তৃতীয় ঢেউয়ের সংক্রামণের রাশ টানতে ভিক্টোরিয়ায় বড়দিন পর্যন্ত লকডাউনের ঘোষণাকিসমত আলির এদিন জানান, তাঁর ছোট ভাই সহিদুলের স্ত্রী রুপসুনা বেশ কয়েকমাস হল শিশু সন্তানদের নিয়ে ভাতারের এরুয়ার গ্রামে বাপের বাড়িতে গিয়ে রয়েছে। ভাতৃবধূকে ফিরিয়ে আনার জন্য কিসমত মঙ্গলবার এরুয়ার গ্রামে রুপসুনাদের বাড়িতে যান। তখনই রুপসুনার কাছ থেকে কিসমত আলি জানতে পারেন, তাঁর ছোট ভাই সহিদুল তাঁদের বৃদ্ধা মা সুকরুনা বিবিকে খুন করে দেহ ঘরের মেজেতে পুঁতে দিয়েছে। তাঁকেও সহিদুল প্রাণে মেরে দিয়ে মাটিতে পুঁতে দিতে পারে এমন আশঙ্কার কথা রুপসুনা তাঁর ভাসুরকে জানায়। সেই আশঙ্কায় স্বামীর কাছে আর ফিরে যাবে না বলেও রুপসুনা তাঁর ভাসুরকে জানিয়ে দেয়।আরও পড়ুনঃ ভাদ্রের আকাশে শ্রাবণের ধারা, সকাল থেকে ভিজছে শহর থেকে জেলাপুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সহিদুল জানিয়েছে, ঘটনার আগে বেশ কিছুদিন ধরে নিজের মায়ের সঙ্গে তাঁর অশান্তি চলছিল। ঘটনার দিন মায়ের সঙ্গে বচসা চলার সময়ে মুগুর দিয়ে সে তাঁর মায়ের মাথায় আঘাত করে। মা ঘরের ভিতরে ছিটকে পড়ে। এর কিছুক্ষণ পরেই বৃদ্ধা মা রুকসুনা বিবি মারা যান। মায়ের মৃতদেহ ঘরে রেখেই ছোট ছেলে সহিদুল কাজে বেরিয়ে যায়। পরে বাড়ি ফিরে এসে ঘরের মেঝের মাটি খুঁড়ে সহিদুল তাঁর মায়ের মৃতদেহ ঘরের মেঝেতে পুঁতে দেয়। কিসমতের স্ত্রী মিলি বিবি এদিন বলেন, তাঁর শাশুড়ি মা মাঝে মধ্যেই বেড়াতে বেরিয়ে পড়তেন। তাঁরা ভেবেছিলেন হয়তো বেড়াতে বেরিয়েই তাঁর শাশুড়ি মা নিখোঁজ হয়ে গিয়েছেন। কল্পনাও করতে পারছেন না তাঁর দেওর সহিদুল নিজের বৃদ্ধা মাকে খুন করে মৃতদেহ ঘরের মেঝেতে পুঁতে দিয়েছে। বৃদ্ধা মাকে হত্যাকারী ছেলের দৃষ্টান্তমূলক সাজার দাবি করেন দেওয়ানদিঘীর পীরতলার বাসিন্দারা।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১
রাজ্য

Adhar : আধার কার্ড তৈরিতে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার প্রতিষ্ঠান মালিক

সরকারি নির্দেশ অমান্য করে নতুন আধার কার্ড তৈরি ও সংশোধনের জন্য অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন এক ব্যক্তি। ধৃত ব্যক্তির নাম খোকন শেখ ওরফে ফরজ। পূর্ব বর্ধমানের কালনা শহরের কাঁসারিপাড়ায় বাড়ি ভাড়া নিয়ে সেখানেই খোকন আধার কার্ড তৈরির ব্যবসা ফেঁদেছিল। প্রতারিতদের অভিযোগের ভিত্তিতে কালনা থানার পুলিশ মঙ্গলবার সেখান থেকেই খোকন শেখকে গ্রেপ্তার করে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ বুধবার ধৃতকে পেশ করে কালনা মহকুমা আদালতে। বিচরক ধৃতকে ৫ দিন পুলিশি হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ অহীন্দ্র মঞ্চে কর্মিসভায় বিজেপিকে কয়েক হাত মমতারপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তিন মাস ধরে কালনা শহরের কাঁসারিপাড়ার ভাড়া বাড়িতে আধার কার্ড তৈরির কারবার চালাচ্ছিল খোকন শেখ। অভিযোগ, সেখানে বসেই আধার কার্ড তৈরির জন্য সাধারণ ও গরীব মানুষজনের কাছ থেকে তিনি ৬০০ ও তার বেশি টাকা নেওয়া হচ্ছিল। এই বিষয়ে স্থানীয় দীপঙ্কর রায় সহ বেশ কিছু বাসিন্দা মঙ্গলবার প্রতিবাদে সরব হন। তা নিয়ে উত্তেজনা চরমে উঠলে কালনা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পাশাপাশি পুলিশ খোকন শেখের প্রতিষ্ঠান থেকে বেশ কিছু নথিপত্র বাজেয়াপ্ত করে। তাতে অনিয়মের প্রমাণ মেলায় পুলিশ খোকন শেখকে গ্রেপ্তার করে ।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২১
রাজ্য

Goldsmith : মহারাষ্ট্র পুলিশের হাতে গ্রেফতার মেমারির স্বর্ণশিল্পী

১২ লক্ষাধিক টাকা মূল্যের সোনা চুরি করে এই রাজ্যে পালিয়ে আসার অভিযোগে এক স্বর্ণশিল্পীকে গ্রেপ্তার করলো মহারাষ্ট্র পুলিশ। ধৃতের নাম হরি বাগ। পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার হরকালী গ্রামে তার বাড়ি। স্থানীয় থানার সাহায্য নিয়ে মহারাষ্ট্র পুলিশ রবিবার রাতে বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে ।পুলিশের দাবি, সোনা চুরির কথা ধৃত কবুল করেছে। সোমবার ধৃতকে পেশ করা হয় বর্ধমান আদালতে।তদন্তের প্রয়োজনে ধৃতকে ৫ দিনের ট্রানজিট রিমান্ডে মহারাষ্ট্র নিয়ে যাওয়ার জন্য মহারাষ্ট্র পুলিশের তদন্থকারী অফিসার এদিন আদালতে আবেদন জানান। সিজেএম সেই আবেদন মঞ্জুর করেন।আরও পড়ুনঃ ওভালে জিতে ইতিহাস কোহলিদের, সিরিজ জয়ের হাতছানিপুলিশ জানিয়েছে, মেমারির হরকালি গ্রামের হরি বাগ কাজের সন্ধানে বছর খানেক আগে মহারাষ্ট্রে যান। তিনি সেখানকার সাংলি জেলার লাঙ্গরতলে একটি সোনার দোকানে কাজ পান। পরে ওই দেকান থেকে ১০৬.৩৭০ গ্রাম সোনা চুরি যায়। সেই বিষয়ে দোকান মালিক বিজয় মারুতি খান্ডগেলে গত ১২ এপ্রিল সেখানকার থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশকে তিনি জানান, অলঙ্কার তৈরির জন্য ওই সোনা হরি বাগকে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু, হরি সেই সোনা নিয়ে পালিয়ে গিয়েছে। যে সোনার মূল্য ২ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা বলে দোকান মালিক পুলিশকে জানান। এই অভিযোগের তদন্তে নেমে মহারাষ্ট্র পুলিশ মেমারি পৌছে হরি বাগকে গ্রেপ্তার করে।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২১
রাজ্য

CBI Arrest: ভোট পরবর্তী হিংসায় রাজ্যে প্রথম, নদিয়া থেকে গ্রেপ্তার ২

ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় রাজ্যে প্রথম গ্রেপ্তার ২ জন। নদিয়ার হৃদয়পুর গ্রাম পঞ্চায়েতে নিহত বিজেপি কর্মী ধর্ম মণ্ডল মৃত্যু-মামলায় অসীমা ঘোষ ও বিজয় ঘোষকে জিজ্ঞাসাবাদের পর খুনের ঘটনায় সরাসরি যুক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার করল সিবিআই। শনিবারই, সকালে ধৃতদের আটক করেছিলেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। পাশাপাশি, আরও ১০ টি নতুন এফআইআর দায়ের সিবিআইয়ের। মূলত, তদন্তে গতি আনতে এই সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার।আরও পড়ুনঃ ধমকি দিয়ে তৃণমূলকে আটকানো যাবে না, শাহকে চ্যালেঞ্জ অভিষেকেরগত ১৪ মে হৃদয়পুরে নিজের বাড়িতেই খুন হন ধর্ম মণ্ডল। অভিযোগ তীর ছিল তৃণমূলের দিকে। বাড়িতে ঢুকে ওই বিজেপি কর্মীর উপরে হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে ভর্তি করা হয় চাপড়া গ্রামীণ হাসপাতালে। সেখান থেকে তাঁকে পাঠানো হয় শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে। তারপর তাঁকে স্থানান্তরিত করা হয় কলকাতার এনআরএস হাসপাতালে। সেখানেই গত ১৬ মে মৃত্যু হয় ধর্মের।পারিবারিক অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ প্রাথমিকভাবে গ্রেপ্তার করে ৭ জনকে। তবে পরিবারের অভিযোগ, পঞ্চায়েত সদস্য কালু শেখের নেতৃত্বে ওই হামলা হলেও তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। এছাড়াও, অসীমা ঘোষ ও বিজয় ঘোষও এই খুনের ঘটনায় জড়িত বলে অভিযোগ করেছিল মৃতের পরিবারের। এ নিয়ে সিবিআই তদন্তের দাবিও জানিয়েছিলেন তাঁরা। অন্যদিকে, রাজ্যে ১৫টি খুন ও ৬ টি ধর্ষণের মামলায় নতুন করে আরও ১০ টি এফআইআর দায়ের করেছে সিবিআই। ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় দিল্লিতে সিবিআই-এর সদর দপ্তরে ৯টি এফআইআর রুজু করা হয়েছিল আগেই। শুক্রবার, এই মামলায় আরও ২ টি এফআইআর রুজু করা হয়। শনিবার আরও ১০ টি এফআইআর দায়ের করায় এই মুহূর্তে সিবিআইয়ের মোট দায়ের করা এফআইআরের সংখ্যা ২১টি।

আগস্ট ২৮, ২০২১
রাজ্য

Arrest: অশোক মাঝি খুনের ঘটনায় গ্রেফতার বিধায়ক ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা

বর্ধমানের ৬ নম্বর ওয়ার্ড তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী অশোক মাঝি খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার জেলা নেতা শিবশংকর ঘোষ। ওই খুনের ঘটনায় জেলা নেতা আব্দুল রব, প্রাক্তন জেলা আইএনটিটিইউসি সভাপতি ইফতেকার আহমেদ ওরফে পাপ্পুকে খুঁজছে পুলিশ। দলীয় সূত্রে খবর, শিবশংকর বর্ধমান দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক খোকন দাসের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত।তৃণমূল কর্মীকে খুনের ঘটনায় এর আগে দলেরই ৩ মহিলা সহ ৪ জনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। শহর বর্ধমানের খালাসি পাড়ার তৃণমূল কর্মী অশোক মাঝি(৩৮)কে খুনের ঘটনায় ধৃতরা হল টুম্পা দাস, শেফালি বিবি, পপি বেগম ও বাবলু বাগ।আরও পড়ুনঃ বর্ধমানে তৃণমূল কর্মীকে খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার দলের ৩ মহিলা সহ ৪ জনের পুলিশি হেপাজতধৃতরা সকলেই খালাসি পাড়ার বাসিন্দা। তদন্তের প্রয়োজনে ও খুনের ঘটনায় জড়িত বাকিদের হদিশ পেতে তদন্তকারী অফিসার ধৃতদের ১০ দিন নিজেদের হেপাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানান। বুধবার সিজেএম ধৃতদের ৮ দিন পুলিশি হেপাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এলাকায় রাজনৈতিক দখলদারি কায়েম করতে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর বিরোধের জেরে কয়েকদিন ধরেই উত্তপ্ত হয়ে ছিল বর্ধমান পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড এলাকা। জানা গিয়েছে, ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলার সৈয়দ মহম্মদ সেলিম ও জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক শিবশংকর ঘোষ গোষ্ঠীর বিরোধ মঙ্গলবার দুপুরে চরমে ওঠে।আরও পড়ুনঃ গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে খুন তৃণমূল কর্মী, উত্তপ্ত বর্ধমানখুনের ঘটনায় খোকন দাস ও শিবু অনুগামীরা যুক্ত বলে অভিযোগ করেন সেলিম। যদিও খোকন দাসের দাবি, দীর্ঘ বছর ধরে সেলিমের সঙ্গে রাজার বিবাদ রয়েছে। তা থেকেই গন্ডগোলের সূত্রপাত।

আগস্ট ২৬, ২০২১
রাজ্য

Murder: বর্ধমানে তৃণমূল কর্মীকে খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার দলের ৩ মহিলা সহ ৪ জনের পুলিশি হেপাজত

নির্মম ভাবে পিটিয়ে এক তৃণমূল কর্মীকে খুনের ঘটনায় দলেরই ৩ মহিলা সহ ৪ জনকে গ্রেপ্তার করলো পুলিশ। শহর বর্ধমানের খালাসি পাড়ার তৃণমূল কর্মী অশোক মাঝি (৩৮)কে খুনের ঘটনায় ধৃতরা হল টুম্পা দাস, শেফালি বিবি, পপি বেগম ও বাবলু বাগ।আরও পড়ুনঃ গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে খুন তৃণমূল কর্মী, উত্তপ্ত বর্ধমানধৃতরা সকলেই খালাসি পাড়ার বাসিন্দা। বুধবার বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে নিহত তৃণমূল কর্মীর দেহের ময়নাতদন্ত হয়। এদিনই খুনের ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ চার ধৃতকে পেশ করে বর্ধমান আদালতে। তদন্তের প্রয়োজনে ও ঘটনায় জড়িত বাকিদের হদিশ পেতে তদন্তকারী অফিসার ধৃতদের ১০ দিন নিজেদের হেপাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানান। সিজেএম ধৃতদের ৮ দিন পুলিশি হেপাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ তপসিলি জাতি-উপজাতি উন্নয়নে উদারনীতি ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীরপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এলাকায় রাজনৈতিক দখলদারি কায়েম করতে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর বিরোধের জেরে কয়েকদিন ধরেই উত্তপ্ত হয়ে ছিল বর্ধমান পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড এলাকা। ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলার সৈয়দ মহম্মদ সেলিম ও জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক শিবশংকর ঘোষ গোষ্ঠীর বিরোধ মঙ্গলবার দুপুরে চরমে ওঠে। সশস্ত্র বিরোধী গোষ্ঠীর নির্মম আক্রমণে প্রাণ হারান তৃণমূল কর্মী অশোক মাঝি।আশঙ্কাজনক অবস্থায় ওই দিনই অশোকের স্ত্রী চন্দনা মাঝিকে উদ্ধার করে ভর্তি করা হয় বর্ধমান মেডিকেল হাসপাতালে।আরও পড়ুনঃ আন্দোলনকারী শিক্ষিকাদের বিজেপির ক্যাডার বলে তোপ শিক্ষামন্ত্রীরপ্রাক্তন কাউন্সিলার সৈয়দ মহম্মদ সেলিম আক্রমনের সবিস্তার উল্লেখ করে মঙ্গলবার রাতে বর্ধমান থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর অভিযোগ, মঙ্গলবার দুপুর ৩ টে নাগাদ তিনি পৌরসভা থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে খালাসীপাড়া এলাকায় সশস্ত্র অবস্থায় থাকা ৫০-৬০ জন অতর্কিতে তাঁর উপর আক্রমন চালায়। তাঁকে মারতে দেখে খালাসী পাড়ার দলের কর্মী অশোক মাঝি ও তাঁর স্ত্রী চন্দনা মাঝি ছুটে আসে। মহম্মদ সেলিম বলেন, আক্রমণকারীদের হাত থেকে তিনি নিজেকে কোনওরকমে বাঁচাতে সক্ষম হন। তবে আক্রমণকাীদের নির্মম মারধরের হাত থেকে রেহাই পায়নি অশোক মাঝি ও তাঁর স্ত্রী চন্দনা। রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁরা ঘটনাস্থলে পড়ে থাকে। তাঁদের দুজনকে উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করা হয়। সন্ধ্যায় সেখানেই দলের কর্মী অশোক মাঝি মারা যায়। আক্রমণকারী সকলে বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাস সহ তৃণমূল নেতা শিবশংকর ঘোষ, আব্দুল রব, ইফতিকার আহমেদের অনুগামী। এইসব নেতাদের মদতে ও নির্দেশেই চলেছে আক্রমণ। আক্রমণকারী সহ আক্রমণে মদতকারী সকলের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে সৈয়দ মহম্মদ সেলিম এদিন দাবি করেন। একই দিনে মৃতর স্ত্রী চন্দনা মাঝিও বর্ধমান থানায় ১০ জনের নামে বর্ধমান থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ বাকি অভিযুক্তদের সন্ধান চালাচ্ছে।মৃত তৃণমূল কর্মীর মা কল্পনা মাঝি এদিন বলেন, তাঁর ছেলে অশোক পেশায় ছিল গাড়ি চালক। শিবশংকর ঘোষের দলে না ভিড়ে সেলিমের সঙ্গে থাকাটাই কাল হল ছেলে ও বৌমার। নির্মম মারধরে অকালে প্রাণ হারাতে হল ছেলে অশোককে। বৌমা চন্দনাও মারাত্মক জখম হয়েছে। ছেলেকে খুনের ঘটনায় জড়িত সকলের দৃষ্টান্তমূলক সাজার দাবি করেছেন কল্পনাদেবী।আরও পড়ুনঃ তালিবানের থেকে বাঁচলেও করোনা থেকে শেষরক্ষা হল নাপূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় যদিও এদিন দাবি করেন, যা ঘটেছে তা গোষ্ঠীদন্দের কোন ঘটনা নয়। এটা পাড়াগত বিবাদ। পুলিশ ঘটনার উচ্চপর্যায়ে তদন্ত শুরু করেছে। দোষীদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি হবে। বিধায়ক খোকন দাস ও শিবশংকর ঘোষ এই ঘটনা নিয়ে মুখে কুলুপ আঁটায় তাঁদের কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

আগস্ট ২৫, ২০২১
রাজ্য

Linkman Arrested: তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি খুনের ঘটনায় এবার সিআইডি জালে লিঙ্কম্যান

তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতিকে খুনের ঘটনায় এবার এক লিঙ্কম্যানকে গ্রেপ্তার করলো সিআইডি। পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটের লাখুড়িয়া অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি অসীম দাসকে খুনের ঘটনায় ধৃত লিঙ্কম্যানের নাম রিপন শেখ। তার বাড়ি মঙ্গলকোটের সীতাহাটি গ্রামে। রিপন বর্ধমান স্টেশন থেকে ট্রেন ধরে ভিন রাজ্যে পালানোর পরিকল্পনা কষেছিল। সেই খবর পেয়ে সিআইডি দল শনিবার রাতে বর্ধমান স্টেশন সংলগ্ন নবাবহাট এলাকা থেকে রিপন শেখকে গ্রেপ্তার করে। রবিবার ধৃতকে পেশ করা হয় কাটোয়া মহকুমা আদালতে। বিচারক তাকে ৮ দিনের সিআইডি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ তালিবান জমানায় আফগান ক্রিকেটের ভবিষ্যত কী?পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলকোটের সিউর গ্রামে বাড়ি লাখুড়িয়া অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি অসীম দাসের। গত ১২ জুলাই সন্ধ্যা সাতটা নাগাদ তিনি যখন কাসেমনগর বাজার থেকে বাইকে চড়ে বাড়ি ফিরছিলেন তখন দুস্কৃতীরা খুব কাছ থেকে গুলি করে তাঁকে খুন করে। প্রথমে সিট গঠন করে পুলিশ এই খুনের ঘটনার তদন্ত শুরু করলেও পরে রাজ্য প্রশাসনের নির্দেশে তদন্তভার সিআইডি নিজেদের হাতে নেয়। এরপর সিআইডির জালে একের পর এক ধরা পড়ে দুস্কৃতী সাবুল শেখ, সামু শেখ ও রফিকুল শেখ। এদের জিজ্ঞাসাবাদ করে সিআইডি কর্তারা জানতে পারেন তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতিকে খুনের মাস্টার মাইন্ড বালি মাফিয়া রাজু শেখ।আরও পড়ুনঃ ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করবে শ্রী সিমেন্ট? সম্ভাবনা প্রবলএই রাজুর আদি বাড়ি বীরভূম জেলার নানুর থানা এলাকার সিদাই গ্রামে হলেও ৪ বছর ধরে সে মঙ্গলকোটের মল্লিকপুর গ্রামে থেকে অবৈধ বালির কারবার চালাচ্ছিল। তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি আসীম দাসের কাছে অবৈধ বালি কারবারে বাধা পেয়ে সে সুপারি কিলারকে দিয়ে তাঁকে খুন করায়। তার পর থেকেই গা ঢাকা দিয়ে থাকে শেখ রাজু। দিন কেয়েক আগে সিআইডি দিল্লি থেকে শেখ রাজুকে গ্রেপ্তার করে ট্রানজিট রিমান্ডে মঙ্গলকোটে নিয়ে এসে জিজ্ঞাসাবাদ চালায়। রাজুকে জিজ্ঞাসাবাদ করে সিআইডি সুপারি কিলার শেখ বাবলুর হদিশ পায়। কয়েকদিন আগে সিআইডি সুপারি কিলার শেখ বাবলুকে গ্রেফতার করে। তাকে হেপাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে পুলিশ লিঙ্কম্যান রিপন শেখের নাম জানতে পারে। শনিবার রাতে রিপনও ধরা পড়ে সিআইডির জালে।আরও পড়ুনঃ কলকাতার পাশেই ছুটি কাটানোর দারুন সুযোগ, সুন্দরবনের পথে অপরূপ সৌন্দর্যের হাতছানিসিআইডি সূত্রে খবর, তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি অসীম দাসকে খুনের ঘটনায় মূল লিঙ্কম্যান হিসাবে কাজ করেছিল ধৃত রিপন শেখ। সে খুনের কাজে শ্যুটারদের সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দেওয়া ও অসীম দাসের গতিবিধির ওপর নজর রাখার দায়িত্বও পালন করেছিল। খুনের ঘটনার মূলচক্রী শেখ রাজুর ডান হাত হিসাবে রিপন শেখ কাজ করত বলে জানতে পেরেছেন সিআইডির কর্তারা।

আগস্ট ২২, ২০২১
রাজ্য

Kidnap: বর্ধমান আদালতের ল’ক্লার্ককে অপহরণ করে মুক্তিপন দাবি, গ্রেপ্তার অপহরণকারী

বর্ধমান আদালতের লক্লার্ককে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবির ঘটনায় অপহরণকারীকে গ্রেপ্তার করলো পুলিশ। ধৃতের নাম মিরাজ আলি শেখ ওরফে শেখ সবুজ। পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষ থানার বরিশালি গ্রামে তার বাড়ি।মাধবডিহি থানার পুলিশ শুক্রবার বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করার পর তার দেখানো এলাকার একটি মাটির বাড়ি থেকে উদ্ধার করে অপহৃতকে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ। শনিবার ধৃতকে পেশ করে বর্ধমান আদালতে। লক্লার্কের গোপন জবানবন্দি এদিন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে নথিভুক্ত করানো হয়। তদন্তের প্রয়োজনে ধৃতকে ৭ দিন নিজেদের হেফাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানান তদন্তকারী অফিসার। সিজেএম ধৃতকে ৪ দিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ বড় ঘোষণা নির্মলা সীতারামনেরপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রবীন লক্লার্ক জগন্নাথ কুণ্ডুর বাড়ি মাধবডিহি থানার বিনোদপুরে। তাঁর বাড়িতে গত বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা নাগাদ যায় শেখ সবুজ। একটি বিয়ের রেজিস্ট্রির ব্যবস্থা করে দেওয়ার জন্য সবুজ অনুরোধ করে জগন্নাথবাবুকে। বছর আটষট্টির জগন্নাথবাবু তাতে রাজি হয়ে যান। সেই কাজের জন্য এরপর তিনি সবুজের বাইকে চেপে বর্ধমানে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হন। তারপর তিনি আর বাড়ি না ফেরায় পরিবারের লোকজন দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ওইদিন সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা নাগাদ জগন্নাথবাবুর বাড়ির মোবাইলে একটি ফোন আসে। তাতে তাঁকে অপহরণ করে আটকে রাখা হয়েছে বলে জানানো হয়। একই সঙ্গে ফোনে বলা হয় জগন্নাথবাবুকে মুক্ত করতে হলে ৭৫ হাজার টাকা নিয়ে পরিবারের কাউকে বর্ধমান শহরের কার্জন গেট এলাকায় আসতে হবে। বিষয়টি পুলিশকে জানালে জগন্নাথবাবুকে খুন করে দেওয়া হবে বলেও ফোনে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। মুক্তিপণ চেয়ে এমন ফোন আসার পরেই জগন্নাথবাবুর পুত্রবধূ বৈশাখী কুণ্ডু মাধবডিহি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে মামলা রুজু করে মোবাইলের সূত্র ধরে তদন্ত চালিয়ে পুলিশ অপহরণকারী শেখ সবুজকে গ্রেপ্তার করে।

আগস্ট ২২, ২০২১
রাজ্য

102 Ambulance: ১০২ অ্যাম্বুলেন্সে যাত্রী পরিবহণের অভিযোগে গ্রেপ্তার চালক, আটক অ্যাম্বুলেন্স

টাকার লোভে আ্যাম্বুলেন্সে যাত্রী পরিবহণের অভিযোগে ফের বর্ধমানে গ্রেপ্তার হল ১০২ অ্যাম্বুলেন্সের চালক। বুধবার রাতে বর্ধমান থানার পুলিশের হাতে ধরা পড়েন অ্যাম্বুলেন্স চন্দন বৈরাগ্য।অ্যাম্বুলেন্সটিও পুলিশ আটক করেছে। এই ঘটনা প্রমাণ করে অতিমারির সময়কালে অ্যাম্বুলেন্সে যাত্রী পরিবহণ চালিয়ে যাচ্ছে কিছু অসাধু অ্যাম্বুলেন্স চালকরা।পুলিশ জানিয়েছে, টাকার লোভে গত ৫ আগষ্ট মুর্শিদাবাদের চাঁদেমোড় এলাকা থেকে ১০ জন যাত্রীকে নিয়ে একটি ১০২ অ্যাম্বুলেন্স হুগলীর ডানকুনির উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল। ওই দিন বর্ধমানের কার্জনগেট চত্ত্বরে থাকা পুলিশ কর্মীরা ওই অ্যাম্বুলেন্সটির পথ আটকায়।আরও পড়ুনঃ ভোট পরবর্তী হিংসায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশগ্রেপ্তার হন ওই অ্যাম্বুলেন্সের চালক । এরপর হাতে গোনা কয়েকটা দিন কাটতে না কাটতে ফের বুধবার রাতে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি রুখলো বর্ধমান থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে , বুধবার রাতে শহর বর্ধমানের বাজেপ্রতাপপুর এলাকায় ডিউটি করছিলেন কয়েকজন পুলিশ কর্মী। ওই সময়ে যাত্রী বোঝাই ১০২ অ্যাম্বুলেন্সটিকে বর্ধমান-কাটোয়া রোড ধরে যেতে দেখেন পুলিশ কর্মীরা।পুলিশ অ্যাম্বুলেন্সটির পথ আটকানোর সঙ্গে সঙ্গে ভিতরে থাকা ৪-৫ জন যাত্রী অ্যাম্বুলেন্স থেকে নেমে দৌড়ে পালিয়ে যায়। বর্ধমান থানার পুলিশ অ্যাম্বুলেন্সটিকে আটক করার পাশাপাশি অ্যাম্বুলেন্সেটির চালক চন্দন বৈরাগ্যকে গ্রেপ্তার করে।আরও পড়ুনঃ অতিরিক্ত টোল আদায়, অভব্য আচরণের অভিযোগ বালি টোল সংস্থার বিরুদ্ধেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সে যাত্রী পরিবহণের ঘটনার নিন্দা করেছেন বর্ধমানের মানুষজন। তবে তাঁরা দাবি রেখেছেন ,যেসব মানুষের কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফিরতে রাত হয়ে যায় তাঁদের জন্য প্রশাসন বিকল্প যানবাহণের ব্যবস্থা করুক। তা না হলে হয়তো অ্যাম্বুলেন্সে যাত্রী পরিবহনে লাগাম টানা যাবে না।

আগস্ট ১৯, ২০২১
কলকাতা

BJP Arrest: ধুন্ধুমার ধর্মতলা, গ্রেপ্তার শুভেন্দু-দিলীপ-জয়প্রকাশরা

বিজেপির কর্মসূচি ঘিরে ধুন্ধুমার কলকাতায় রানি রাসমনি রোডে। সোমবার বিজেপির পশ্চিমবঙ্গ বাঁচাও কর্মসূচি ঘিরে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন বিজেপি নেতারা। অভিযোগ, কর্মসূচি শুরুর আগেই অতি তৎপর হয়ে পড়ে পুলিশ। রানি রাসমণি রোডে পুলিশের সঙ্গে হাতাহাতি শুরু হয়ে যায় বিজেপি কর্মীদের। মহামারি আইনে গ্রেপ্তার করা হয় শুভেন্দু অধিকারী, দিলীপ ঘোষ, জয়প্রকাশ মজুমদার, দেবশ্রী চৌধুরী, সৌমিত্র খাঁ, শীলভদ্র দত্তদের আটক করে পুলিশ। প্রসঙ্গত, রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ বাঁচাও দিবস কর্মসূচি পালন বিজেপির রানি রাসমনি অ্যাভিনিউতে বিক্ষোভ সমাবেশের পর গান্ধি মূর্তির পাদদেশে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি নেতারা। এরপর মহামারি আইনে গ্রেপ্তার করা হয় বিজেপি নেতারা। আরও পড়ুনঃ তৃণমূলে যোগ দেওয়ার ইঙ্গিত? কংগ্রেস ছাড়লেন সুস্মিতা দেবমূলত এ রাজ্যের আইন শৃঙ্খলার কী পরিস্থিতি কিংবা একুশের বিধানসভা ভোটের ফল প্রকাশের পর রাজ্যের কী ছবি তা বাংলার মানুষের কাছে তুলে ধরতেই এই পশ্চিমবঙ্গ বাঁচাও কর্মসূচি নিয়েছে বিজেপি। নারী নিগ্রহের ঘটনা থেকে টিকা নিয়ে কারচুপি, রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে দিলীপ ঘোষ, শুভেন্দু অধিকারীদের। তা নিয়েই এদিনের ধরণা।রাজ্যজুড়ে বিজেপি একাধিক কর্মসূচি নিয়েছে গত আটদিন ধরে। ১৬ অগস্ট তার শেষদিন। এদিন কলকাতার পাশাপাশি জেলায় জেলায় বিক্ষোভ, ধরণার আয়োজন করেছে গেরুয়া শিবির। কলকাতায় রানি রাসমণি অ্যাভিনিউয়েও তৈরি হয় ধরণা মঞ্চ। সেখানে থাকার কথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীদের। পাশাপাশি রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের কাছে স্মারকলিপিও দেওয়ারও কর্মসূচি নিয়েছে বঙ্গ বিজেপি। এদিন সেই কর্মসূচির শুরুতেই ঝামেলা জড়িয়ে পড়ে পুলিশ ও বিজেপি কর্মীরা।

আগস্ট ১৬, ২০২১
দেশ

Terrorists: স্বাধীনতা দিবসে হামলার ছক, রেহাই পেল না ৪ জইশ জঙ্গি

স্বাধীনতা দিবসে বড়সড় হামলার ছক কষেছিল জঙ্গিরা। তার ২৪ ঘণ্টা আগে চার জইশ জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করে সেই ছক ভেস্তে দিল জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ। গোপন সূত্রে পুলিশ খবর পেয়েছিল বিপুল পরমাণ অস্ত্র, বিস্ফোরক জমা করছে জঙ্গিরা। সেই খবর পেয়েই তল্লাশি অভিযান শুরু করে। তখন অস্ত্রশস্ত্র এবং বিস্ফোরক-সহ চার জইশ জঙ্গিকে পাকড়াও করে পুলিশ।আরও পড়ুনঃ পুজারা ও রাহানের ব্যর্থতা নিয়ে কী বলছেন গাভাসকার?পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত জঙ্গিরা ড্রোনের মাধ্যমে কাশ্মীরের বিভিন্ন প্রান্তে অস্ত্র ছড়িয়ে দেওয়ার ছক কষেছিল। স্বাধীনতার আগে বড়সড় হামলার পরিকল্পনা ছিল। সূত্রের খবর, মোটরসাইকেলে আইইডি ব্যবহার করে হামলার ছক ছিল জঙ্গিদের। জম্মুর সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন হামলার পরই গোটা জম্মু-কাশ্মীর জুড়ে ড্রোনের উপর নজরদারি চালাচ্ছিল পুলিশ এবং সেনা। বেশ কয়েকটি ড্রোনকে গুলি করে নামানোও হয়। সম্প্রতি ভারত-পাকিস্তান সীমান্তলাগোয়া এলাকা থেকে বিস্ফোরক-সহ ড্রোনকে গুলি করে নামায় সেনা। ধৃতদের মধ্যে অন্যতম মুন্তাজির মঞ্জুর জেরার মুখে জানিয়েছে, পাকিস্তানের জইশ কমান্ডার মুনাজির শাহিদ তাদের নির্দেশ দিয়েছিল অমৃতসরের কাছে পাক ড্রোন থেকে ফেলে যাওয়া অস্ত্রগুলি সংগ্রহ করে নিতে। এছাড়াও তার উপরে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল পানিপথের তেল শোধনাগার ও অযোধ্যার রাম জন্মভূমি অঞ্চলে রেইকি করে ভিডিও পাকিস্তানে পাঠানোর জন্য। তবে তেল শোধনাগার এলাকার ভিডিও পাঠাতে পারলেও অযোধ্যায় যাওয়ার আগেই ওই জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ।উল্লেখ্য, গত শনিবারই বদগাওঁ জেলায় সেনাবাহিনীর সঙ্গে এক জঙ্গির মৃত্যু হয়। এর কয়েক দিন আগে পুলওয়ামায় সেনার সঙ্গে এনকাউন্টারে নিহত হয় জইশ-ই-মহম্মদের কুখ্যাত জঙ্গি মহম্মদ ইসমাইল আলভি ওরফে লম্বু।

আগস্ট ১৪, ২০২১
কলকাতা

BJP: ফিল্মি কায়দায় দরজা ভেঙে বিজেপি নেতাকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ

ঠিক যেন সিনেমার অ্যাকশন দৃশ্য। দরজা ভেঙে অভিযুক্ত বিজেপি নেতাকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। রাজনৈতিক অশান্তির ঘটনার জেরে মধ্য কলকাতার বিজেপি নেতা সজল ঘোষকে তাঁর বাড়ির দরজা ভেঙে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। পুরো পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে এলাকায় তুলকালাম অবস্থা বেধে যায়।স্থানীয় সূত্রের খবর, স্বাধীনতা দিবস পালন অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি ঘিরে বৃহস্পতিবার রাতে বিশাল সিং নামে এক বিজেপি কর্মীর দোকান ভাঙচুর করা হয়। স্থানীয় একটি ক্লাবের উপরেও হামলা চালানো হয়। এর জেরে সজলের নেতৃত্বে মুচিপাড়া থানায় বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা। তৃণমূল সমর্থকেরাও পাল্টা বিক্ষোভ দেখান বলে অভিযোগ। থানার মধ্যেই দুতরফের বাদানুবাদ হয়। শুক্রবার সকালেও দুদলের সংঘর্ষ বাধে। তৃণমূলের অভিযোগ, দলের স্থানীয় এক যুবনেতার স্ত্রীর শ্লীলতাহানি করেছে সজলের সঙ্গীরা। পুলিশ সূত্রের খবর, সজল এবং তাঁর সঙ্গীদের বিরুদ্ধে ভাঙচুর ও ইভ টিজিং-এর দুটি পৃথক অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। যদিও অভিযোগ খারিজ করেছেন সজল এবং বিজেপি। আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের ত্রিপুরা অভিযান অব্যাহত, আজ যাচ্ছেন ৯ সাংসদশুক্রবার দুপুরে মুচিপাড়া থানার পুলিশকর্মীরা সজলের বাড়িতে হাজির হয়েছিলেন। মুচিপাড়া থানার ওসি জানলা দিয়ে সজলকে বাড়ির বাইরে আসার কথা বললেও তিনি রাজি হননি। উল্টে তিনি পুলিশের উদ্দেশে বলেন, দরজা ভাঙুন। এর পর পুলিশকর্মীরা লাথি মেরে বাড়ির দরজা ভেঙে ফেলে। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, টেনে-হিঁচড়ে থানায় নিয়ে যাওয়া হয় সজলকে। ঘটনার সময় বাড়িতে ছিলেন সজলের বাবা প্রদীপ-সহ পরিবারের সদস্যেরা। একদা কংগ্রেস এবং পরবর্তী সময়ে তৃণমূলের নেতা প্রদীপ কলকাতা পুরসভার বিরোধী দলনেতা এবং মেয়র পারিষদ পদে ছিলেন। সজলের গ্রেপ্তারির পরে প্রদীপ বলেন, শ্লীলতাহানি করেছে তৃণমূল। মিথ্যা অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে সজলকে।

আগস্ট ১৩, ২০২১
রাজ্য

Murder: শাশুড়িকে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার জামাই

শাশুড়িকে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হল জামাই। ধৃতের নাম প্রসেনজিৎ দলুই ওরফে জিৎ। তার বাড়ি বীরভূমের সিউড়ি থানার নিমদাসপুরে। বর্তমানে সে বীরভূমের বোলপুর থানার মিশন কম্পাউন্ড এলাকায় থাকে। মঙ্গলবার রাতে খুন হন পূর্ব বর্ধমানের ভাতার থানার মাহাতা গ্রামের ঠাকুরপাড়া নিবাসী শাশুড়ি লীলা আগরওয়াল (৪১)। এই খুনের ঘটনার তদন্তে নেমে পূর্ব বর্ধমানের ভাতার থানার পুলিশ বুধবার রাতে বোলপুরের বাড়ি থেকে প্রসেনজিৎকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশের দাবি, জেরায় ধৃত তাঁর শাশুড়ি লীলা আগরওয়ালকে খুনের কথা স্বীকার করেছে।আরও পড়ুনঃ লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ শুভেন্দুরসুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ বৃস্পতিবার ধৃতকে পেশ করে বর্ধমান আদালতে। তদন্তের প্রয়োজনে তদন্তকারী অফিসার ধৃতকে ৭ দিন নিজেদের হেপাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানায়। সিজেএম ধৃতকে ৫ দিন পুলিশি হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, লীলা আগরওয়ালের প্রথম পক্ষের স্বামীর বাড়ি বীরভূম জেলার বোলপুর শহরের মিশন কম্পাউণ্ড এলাকার। তাঁর প্রথম পক্ষের স্বামী রাজু আগরওয়ালের সেখানে একটি সাইকেল মেরামতির দোকান রয়েছে। লীলাদেবীর এক ছেলে ও এক মেয়ে। ছেলে আকাশ বোলপুর পুরসভার অস্থায়ী কর্মী। মেয়ে প্রীতি আগরওয়াল বিবাহিতা। তাঁরই স্বামী প্রসেনজিৎ। লীলা বর্ধমান শহরে ওষুধ ব্যবসায়ী সুদীপ্ত মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে পরিচারিকার কাজ করতেন। ওই সময়ে লীলাদেবীর সঙ্গে সুদীপ্তবাবুর সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তারপর দেড় বছর হল লীলাদেবী পাকাপাকিভাবে সুদীপ্তবাবুর কাছেই রয়ে যান। সুদীপ্তবাবুর সঙ্গে লীলার সম্পর্ক মেনে নিতে না পেরে তাঁর স্ত্রী সুদীপ্তবাবুর সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেন। এরপর থেকে সুদীপ্তবাবু ভাতারের মাহাতা গ্রামে বাড়ি ভাড়া করে সেখানে লীলাদেবীকে নিয়ে থাকা শুরু করেন। ভাতার থানার পুলিশ মঙ্গলবার রাতে সেই বাড়ি থেকেই লীলা আগরওয়ালের মৃতদেহ উদ্ধার করে । মৃতার গলায় কালশিটে দাগ ছিল।পুলিশ দেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তে পাঠায়।আরও পড়ুনঃ দক্ষিণ কলকাতায় দেবীসম্মানের ক্যালেন্ডার শুটলীলাকে খুন করা হয়েছে বলে বুধবার ভাতার থানায় অভিযোগ দায়ের করেন প্রথম পক্ষের স্বামী রাজু আগরওয়াল। তার ভিত্তিতে খুনের মামলা রুজু করে তদন্তে নামে ভাতার থানার পুলিশ। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে বেশিরভাগ সময়ে লীলার কাছেই থাকতো তাঁর প্রথমপক্ষের মেয়ে। তা নিয়ে লীলার মেয়ের সঙ্গে তাঁর স্বামী প্রসেনজিতের হামেশাই অশান্তি হত। শেষ পর্যন্ত প্রসেনজিৎ শাশুড়িকে খুনের পরিকল্পনা করে। মঙ্গলবার মাহাতা গ্রামের বাড়িতে এসে সে শ্বাসরোধ করে শাশুড়ি লীলাকে খুন করে পলায়। তদন্তে নেমে ভাতার থানার পুলিশ প্রসেনজিতের মোবাইলের টাওয়ার লোকেশন খতিয়ে দেখে ঘটনার সময় তাঁর মাহাতা গ্রামের বাড়িতে থাকার বিষয়ে নিশ্চিত হয়। এরপরেই পুলিশ বুধবার রাতে বোলপুরের বাড়িতে হানা দিয়ে জামাই প্রসেনজিৎকে গ্রেপ্তার করে।

আগস্ট ১৩, ২০২১
রাজ্য

Rape : ঝাড়ফুঁকের নামে অসুস্থ তরুণীকে সারারাত ধর্ষণ, গ্রেফতার ভণ্ড ওঝা

ঝাড়ফুঁকের নাম করে রাতে অসুস্থ তরুণীকে নদীর চরে নির্জন জায়গায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হল ওঝা। শনিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোট থানার ঝিরেলা গ্রামে অজয় নদীর অনতি দূরে থকা শ্মশানের কাছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতের নাম মারু শেখ ওরফে সফিকুল শেখ ওরফে খ্যাপাবাবা। তার বাড়ি জেলার কেতুগ্রাম থানার মোড়গ্রামে। নির্যাতিতার অভিযোগের ভিত্তিতে মঙ্গলকোট থানার পুলিশ রবিবার রাতে অভিযুক্ত ওঝাকে গ্রেপ্তার করে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ সোমবার ধৃতকে পেশ করে কাটোয়া মহকুমা আদালতে। পাশাপাশি পুলিশ এদিনই নির্যাতিতার গোপন জবানবন্দি আদালতে নথিভুক্ত করায়। বিচারক ধৃতকে ১৪ দিন জেল হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ ত্রিপুরায় অভিষেকের ওপর হামলা, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ মমতারপুলিশ জানিয়েছে, নির্যাতিতা তরুনীর বাড়ি কেতুগ্রামের মোড়গ্রামে। একই গ্রামে বাড়ি মারু শেখ ওরফে সফিকুল শেখের। বুজরুকি কারবার চালানোর জন্য মারু শেখ নিজেই তাঁর নাম খ্যাপাবাবা রাখে। এলাকার দরিদ্র পরিবারের কেউ দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ থাকলে তাঁকে সুস্থ করে দেওয়ার কথা বলে মূল্য নিয়ে মারু ঝাড়ফুঁক করে দিত। নির্যাতিতা তরুনীর বাবা পুলিশেকে জানান, তাঁর ১৯ বছরের মেয়ে মাস খানেক ধরে অসুস্থ হয়ে রয়েছে। ডাক্তারি চিকিৎসা করানো হলেও রোগ সারেনি। ইদানিং তাঁর মেয়ের মানসিক সমস্যাও দেখা দিতে থাকে। খ্যাপাবাবা ঝাড়ফুঁক করে দিলে মেয়ে যদি সুস্থ হয় এইকথা ভেবে তিনি খ্যাপাবাবার শরণাপন্ন হন। নির্যাতিতার বাবা বলেন, শনিবার অমাবস্যার দিন অসুস্থ মেয়েকে নিয়ে মঙ্গলকোটের ঝিরেলা গ্রামের শ্মশানে নিয়ে যাবার কথা মারু তাঁকে বলে ।একই সঙ্গে মারু তাঁকে আরও জানায়,ঝিরেলা গ্রামে অজয় নদীর অনতিদূরে শ্মশানের কাছাকাছি পীরতলাতেই তার গুরু থাকেন। গুরু থাকলে ঝাড়ফুঁক করতে সুবিধা হবে। সেই মতো শনিবার সন্ধ্যায় অসুস্থ মেয়েকে নিয়ে তিনি মারু শেখের সঙ্গেই ঝিরেলা গ্রামে যান।আরও পড়ুনঃ স্বামীর সঙ্গে মালদ্বীপে সানা, সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করলেন সেই ছবিনির্যাতিতার অভিযোগ, তাঁরা ঝিরেলা গ্রামে পৌছানোর পর সেখানকার ধুমক্ষেত্রতলায় তাঁর বাবাকে বসিয়ে রাখে মারু। এর পর ঝাড়ফুঁক করার জন্য মারু তাঁকে অজয়নদের ধারে নিয়ে চলে যায় ।সেখানে যাওয়ার পর ভয় দেখিয়ে মারু ওরফে খ্যাপাবাবা তাঁকে সারা রাত ধরে ধর্ষণ করে। পরদিন বাড়ি ফিরে খ্যাপাবাবার কুকীর্তির কথা তরুণী তাঁর বাবা মাকে বলে। ঘটনা সবিস্তার জানিয়ে ওই দিনই নির্যাতিতা মঙ্গলকোট থানায় অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করে পুলিশ ওই রাতে অভিযুক্ত ওঝাকে গ্রেপ্তার করে। ভণ্ড ওঝার দৃষ্টান্ত মূলক সাজার দাবি করেছে নির্যাতিতা ও তাঁর পরিবার।

আগস্ট ০৯, ২০২১
রাজ্য

Battery Theft: উত্তর ২৪ পরগনা থেকে গ্রেপ্তার লরির ব্যাটারি চুরি চক্রের এক চাঁই

হেপাজতে নেওয়া অপরাধীকে জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে এবার পুলিশ পাকড়াও করলো সড়ক পথে দাঁড়িয়ে থাকা লরির ব্যাটারি চুরি চক্রের এক চাঁইকে। ধৃতের নাম বাবলু শেখ। তার বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনা জেলার স্বরূপনগর থানার তেঁতুলিয়া ভোগালবাড়ি এলাকায়। পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার পুলিশ শনিবার রাতে স্বরুপনগর থানার সাহায্য নিয়ে বাবলু শেখকে তাঁর বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে। একই অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া মেমারি থানার পুলিশের হেপাজতে থাকা মণিরুল গাজি ও বাবলু শেখকে সঙ্গে পুলিশ রবিবার সকালে উত্তর ২৪ পরগনার বাদুড়িয়ার খাসপুর এলাকার একটি পরিত্যক্ত গ্যারেজে হানা দেয়। সেখান থেকে উদ্ধার হয় চোরাই ১৮টি ব্যাটারি। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পারে মণিরুল ও তার দলবল রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে লরির ব্যাটারি চুরিতে জড়িত।আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী যুবক গ্রেফতার ভাতারে, তদন্তে পুলিশপুলিশ জানিয়েছে, মেমারি থানার বিষ্ণুপুরে বাড়ি আশুতোষ বিশ্বাসের। তাঁর ৩টি লরি আছে। তিনি বাড়ির কাছের গোডাউনের সামনেই লরিগুলি দাড় করিয়ে রাখেন। দিনকয়েক আগে রাতে সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা তাঁর লরি থেকে ব্যাটারি খোলার শব্দ পেয়ে আশুতোষ বাবু ঘর থেকে বেরিয়ে একটি গাড়িকে পালাতে দেখেন। আশুতোষবাবু এই বিষয়ে মেমারি থানায় অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ পালশিটের একটি ধাবার কাছ থেকে ওই গাড়িটিকে ধরে। গাড়িতে থাকা মণিরুল গাজিকে গ্রেপ্তার নিজেদের হেপাজতে নিয়ে জাজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ চক্রের অপর চাঁই বাবলু শেখের হদিশ পায়। আরও পড়ুনঃ প্রতিবেশীর গোটা কান কামড়ে ছিঁড়ে নিল নেশা আশক্ত যুবক, চাঞ্চল্য গুসকরায়ধৃতকে এদিন বর্ধমান আদালতে পেশ করা হয়।আরও ব্যাটারি উদ্ধার এবং চক্রের বাকিদের হদিশ পেতে তদন্তকারী অফিসার ধৃত বাবলুকে ৭ দিন নিজেদের হেফাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানায় । ভারপ্রাপ্ত সিজেএম ধৃতের ৩ দিনের পুলিশি হেফাজত মঞ্জুর করেছে।

আগস্ট ০৮, ২০২১
রাজ্য

ভয়ঙ্কর অভিযোগঃ মহিলাকে মারধর করে চোখে ও গোপনাঙ্গে লঙ্কার গুঁড়ো, গ্রেফতার দুই অভিযুক্ত

বাড়িতে চড়াও হয়ে রড, হাতুড়ি দিয়ে মহিলাকে মারধরের পর তাঁর চোখে ও গোপনাঙ্গে লঙ্কা গুঁড়ো দিয়ে দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন দুই ব্যক্তি।ধৃতদের নাম মানিক চন্দ্র রায় ওরফে বাবু ও প্রশান্ত খাঁ ওরফে কাঞ্চন। পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষ থানার বাদুলিয়ার খাজুরতলা মোড়ে ধৃতদের বাড়ি। খণ্ডঘোষ থানার পুলিশ রবিবার ভোরে বাড়ি থেকে তাদের গ্রেফতার করে। মারধর, খুনের চেষ্টা ও শ্লীলতাহানির ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ এদিনই ধৃতদের পেশ করে বর্ধমান আদালতে। ভারপ্রাপ্ত সিজেএম ধৃতদের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়ে আগামী বৃহস্পতিবার ফের আদালতে পেশের নির্দেশ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ প্রতিবেশীর গোটা কান কামড়ে ছিঁড়ে নিল নেশা আশক্ত যুবক, চাঞ্চল্য গুসকরায়পুলিশ জানিয়েছে, নির্যাতিতা মহিলার বাড়ি বাদুলিয়া গ্রামেই। ওই গ্রামেরই যুবক যাদব বাগ কীটনাশক খেয়ে আত্মহত্যা করেন। মহিলার স্বামীর সঙ্গে সুসম্পর্ক থাকায় ওই যুবক মহিলাদের বাড়িতে যাতায়াত করত। যাদব বাগ আত্মহত্যা করার পর তাঁর পরিবার অভিযোগ তোলে ওই মহিলার সঙ্গে পরকিয়ার জেরে যাদব আত্মহত্যা করেছে। এরপর শনিবার সকালে মহিলার স্বামী দোকানে চলে যাওয়ার পর আশপাশের লোকজনকে নিয়ে মৃত যুবকের পরিবার মহিলার বাড়িতে চড়াও হয় । তারা ঘরের দরজা ভেঙে মহিলাকে ঘর থেকে বের করে লাঠি, রড, হাতুড়ি দিয়ে প্রচণ্ড ভাবে পেটায়। মহিলাকে বাঁচাতে তাঁর জা ছুটে গেলে তাঁকেও মেরে ফেলার হুমকি দেয় হামলাকারীরা। মারধরে মহিলা সংজ্ঞা হারানোর পর তাঁকে বাড়ির উঠানে বিবস্ত্র করে চোখে ও গোপনাঙ্গে লঙ্কার গুঁড়ো ছিটিয়ে দেয় হামলাকারীরা। এই খবর পেয়ে এলাকার অন্য লোকজন সেখানে পৌছালে হামলাকারীরা পালায়। ঘটনার কথা শুনে মহিলার স্বামীও একই সময়ে তাঁর বাড়িতে ফিরে আসেন। স্ত্রীকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে তিনি গোটা ঘটনা খণ্ডঘোষ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে মামলা রুজু করে পুলিশ দুজনকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশ বাকি অভিযুক্তদেরও খোঁজ চালাচ্ছে।

আগস্ট ০৮, ২০২১
রাজ্য

Bangladeshi Infiltrator: বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী যুবক গ্রেফতার ভাতারে, তদন্তে পুলিশ

বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশকারী এক যুবককে গ্রেফতার করল পূর্ব বর্ধমানের ভাতার থানার পুলিশ। ধৃতের নাম ওসমান আলি। তার বাড়ি বাংলাদেশের খুলনা ডিভিশনের ঝেরাইদাহ জেলার কোটচাঁদপুর থানার কাগমারি গ্রামে। ভাতার থানার পুলিশ শনিবার বিকেলে ভাতার বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে। অবৈধ অনুপ্রবেশ আইনে মামলা রুজু করে পুলিশ রবিবার ধৃতকে বর্ধমান আদালতে পেশ করে। পাসপোর্ট ও ভিসা ছাড়াই যুবক কিভাবে এবং কি উদ্দেশ্যে ভারতে প্রবেশ করেছে তার তথ্য উদ্ধারের জন্য তদন্তকারী অফিসার ধৃতকে নিজেদের হেপাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ বার্সিলোনায় শেষ সাংবাদিক সম্মেলনে কেঁদে ফেললেন লিওনেল মেসিভাতার থানার ওসি প্রনব বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, লাল গেঞ্জি ও নীল সাদা চেক লুঙ্গি পরিহিত ওই যুবক শনিবার বিকেলের দিকে ভাতার বাজার এলাকায় উদ্দেশ্যহীন ভাবে ঘোরাঘুরি করছিল। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সে অসংলগ্ন কথাবার্তা বলে। তার কথাবার্তাও এদেশের বাসিন্দাদের মতো নয়। সন্দেহ হওয়ায় তাকে থানায় নিয়ে গিয়ে জেরা করা হয়। জেরায় যুবক স্বীকার করে তার বাড়ি বাংলাদেশে। সে অবৈধভাবে ভারতে ঢুকেছে । তারপরেই অবৈধ অনুপ্রবেশ আইনে যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। যুবক কি ভাবে ও কি উদ্দেশ্যে বেআইনিভাবে ভারতে ঢুকেছে তা জানার জন্য ধৃতকে পুলিশি হেপাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

আগস্ট ০৮, ২০২১
রাজ্য

Tripura TMC: মহামারী আইনে গ্রেফতার দেবাংশু-জয়া-সুদীপরা, উত্তপ্ত ত্রিপুরা

মহামারী আইনে শনিবার রাতে তৃণমূল যুব নেতৃত্বের ১১ জনকে গ্রেফতার করেছে ত্রিপুরা পুলিশ। দেবাংশু, জয়াদের আজ আদালতে পেশ করবে পুলিশ। এদিকে শেষ রক্ত বিন্দু পর্যন্ত লড়াই করার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন আগেই। এবার আজ, রবিবার ফের ত্রিপুরা যাচ্ছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিষেকের হুঁশিয়ারি, পারলে আটকান। তৃণমূলের অভিযোগ, শনিবার তাদের যুব কর্মীদের ওপর হামলা করা হয়েছে ত্রিপুরায়। উল্টে দলীয় কর্মীদের গ্রেফতার করা হয়েছে। বিজেপি অবশ্য তৃণমূলের অভিযোগকে নাটক বলে উড়িয়ে দিয়েছে। আজ আবার উত্তপ্ত হতে পারে ত্রিপুরা।আরও পড়ুনঃ বিপ্লব করতে আজ ত্রিপুরায় যাচ্ছেন অভিষেকত্রিপুরা অভিযান শুরু করে দিয়েছে তৃণমূল। ২০২৩ বিধানসভা নির্বাচনকে টার্গেট করেই ত্রিপুরা যাতায়াত শুরু করেছে তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। এবার এই বাংলা থেকে ত্রিপুরা যাতায়াত করাকে বহিরাগতদের ত্রিপুরা আগমন বলে কটাক্ষ করতে ছাড়ছে না বিজেপি। এরাজ্যে সর্বভারতীয় বিজেপি নেতাদের আসাকে বহিরাগত বলে কটাক্ষ করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস।আরও পড়ুনঃ টোকিওতে সোনা জিতে ইতিহাস গড়লেন পোস্টার বয় নীরজ চোপড়াএর আগে অভিষেক ত্রিপুরায় যাওয়ার দিন ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে ছিল। অভিষেকের যাতায়াতের রাস্তায় পথ অবরোধ, তাঁকে ঘিরে গো ব্যাক স্লোগান তো ছিলই। তাছাড়া ডায়মন্ড হারবারের সাংসদের গাড়িতেও বাঁশ ও লোহার রড দিয়ে আঘাত করা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছিল। ত্রিপুরার গনতন্ত্র নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল তৃণমূল। যদিও বিজেপির বক্তব্য ছিল পুরো ঘটনা সাজানো। পাশাপাশি দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার কনভয়ে হামলার প্রসঙ্গের তুলনা টেনে এনেছেন বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব।আরও পড়ুনঃ ১৫ জেলায় সারাদিন চলবে বৃষ্টিএদিকে গতকাল ত্রিপুরার আমবাসার রাস্তায় তৃণমূলের যুব নেতৃত্ব দেবাংশু ভট্টাচার্য, জয়া দত্ত, সুদীপ রাহাদের ওপর বিজেপি হামলা করেছে বলে অভিযোগ করে তৃণমূল। বোমা, গুলি চলেছে বলেও অভিযোগ। তারই প্রতিবাদে আজ পরশি রাজ্যে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তৃণমূলের যুবরাজ। ফের রাতেই খবর আসে ১১ জন তৃণমূল যুব নেতাকে গ্রেফতার করেছে মহামারী আইনে।

আগস্ট ০৮, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

বাংলাদেশে কী চলছে? হিন্দু হত্যা ও মন্দির ভাঙচুরের অভিযোগে উত্তাল ব্রিটিশ পার্লামেন্ট

বাংলাদেশে ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার। প্রকাশ্যে হিন্দুদের খুন করা হচ্ছে, জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে ঘরবাড়ি ও মন্দিরএই অভিযোগ তুলে উদ্বেগ প্রকাশ করা হল ব্রিটেনের পার্লামেন্টে। আসন্ন বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এই পরিস্থিতি নিয়ে সরব হয়েছেন ব্রিটেনের সাংসদ বব ব্ল্যাকম্যান।ব্রিটিশ পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে ব্ল্যাকম্যান বলেন, বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে ইতিমধ্যেই ব্রিটেনের বিদেশ সচিবের কাছে উদ্বেগ জানানো হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, রাস্তায় হিন্দুদের হত্যা করা হচ্ছে, বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে, মন্দিরে হামলা চালানো হচ্ছে। শুধু হিন্দুরাই নন, অন্য ধর্মীয় সংখ্যালঘুরাও একই ভাবে নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন বলে দাবি করেন তিনি।আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন। তার আগে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দল আওয়ামি লিগকে নিষিদ্ধ করার বিষয়টিও গভীর উদ্বেগের বলে মন্তব্য করেন ব্ল্যাকম্যান। তিনি বলেন, জনমত সমীক্ষায় আওয়ামি লিগের প্রায় ৩০ শতাংশ সমর্থন থাকা সত্ত্বেও দলটিকে নির্বাচনে অংশ নিতে দেওয়া হচ্ছে না। পাশাপাশি, বাংলাদেশের কট্টরপন্থী শক্তিগুলি দেশের সংবিধান বদলে দেওয়ার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি।বাংলাদেশে নির্বাচন আদৌ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ব্রিটিশ সাংসদ। এই পরিস্থিতিতে ব্রিটেনের সরকার কী পদক্ষেপ করবে, সে বিষয়ে বিদেশ সচিবের কাছে স্পষ্ট জবাব চান ব্ল্যাকম্যান। উল্লেখ্য, এর আগেও বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আওয়ামি লিগকে নিষিদ্ধ করা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছিলেন ব্রিটেনের চার জন সাংসদ। তাঁদের বক্তব্য ছিল, একটি বড় রাজনৈতিক দলকে বাদ দিয়ে নির্বাচন হলে তা কখনওই প্রকৃত গণতান্ত্রিক নির্বাচন হতে পারে না।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

দু’দিন ধরে জ্বলছে বেলডাঙা, অবশেষে লাঠিচার্জ—পুলিশ এতক্ষণ কোথায় ছিল?

টানা দুদিন ধরে অশান্ত মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা। রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ, জাতীয় সম্পত্তি ভাঙচুর, রেল অবরোধসব মিলিয়ে পরিস্থিতি কার্যত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছিল। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠছিল, পুলিশ কোথায়? সাংবাদিকদের মারধর করা হয়েছে, রেলগেট ভেঙে দেওয়া হয়েছে, দোকানপাট বন্ধ হয়ে গিয়েছে, ট্রেন চলাচল স্তব্ধতবু পুলিশের কোনও দৃশ্যমান তৎপরতা দেখা যায়নি বলে অভিযোগ উঠছিল বারবার।অবশেষে প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর সেই নীরবতা ভাঙল। জেলা পুলিশ সুপার কুমার সানি রাজের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী নামল রাস্তায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে করা হল লাঠিচার্জ। বিক্ষোভকারীদের হঠাতে পুলিশ কড়া পদক্ষেপ নেয়। এই ঘটনায় নতুন করে প্রশ্ন উঠছে, এত দেরিতে কেন পুলিশের অ্যাকশন?এই প্রশ্নের জবাবে পুলিশ সুপার বলেন, পুলিশ আগেও এলাকায় ছিল। তবে হঠাৎ করে লাঠিচার্জ করা যায় না। প্রথমে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু পরিস্থিতি যখন আর নিয়ন্ত্রণে আসছিল না, তখন বাধ্য হয়ে লাঠিচার্জ করতে হয়েছে। তাঁর দাবি, বিক্ষোভকারীরা পাথর ছোড়া শুরু করায় পুলিশ কড়া ব্যবস্থা নেয়। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। যাঁরা লুকিয়ে রয়েছেন, তাঁদেরও শনাক্ত করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।বেলা বাড়লেও এখনও রেল চলাচল পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। বহু দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। স্টেশন চত্বরে টহল দিচ্ছে আরপিএফ। কয়েকজন দোকানদারের অভিযোগ, আন্দোলনকারীরা দোকানে লুটপাটের চেষ্টা করেছে। যদিও পুলিশ সুপার আশ্বাস দিয়েছেন, পরিস্থিতি এখন অনেকটাই স্বাভাবিক এবং পুলিশ পুরোপুরি নজরদারিতে রয়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

মালদহ থেকে বন্দে ভারত স্লিপার চালু, অনুপ্রবেশ নিয়ে তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ মোদীর

বাংলা সফরের প্রথম দিনেই মালদহে পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মালদা টাউন স্টেশন থেকে এ দিন দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করেন তিনি। নতুন এই ট্রেন অসমের উদ্দেশে রওনা দেয়। ট্রেন চালু হতেই খুশির হাওয়া মালদহ জুড়ে। উদ্বোধনের পরে ট্রেনের ভিতরে গিয়ে যাত্রীদের সঙ্গে কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী। এর পাশাপাশি মালদহে একটি জনসভাও করেন তিনি।সভা থেকে অনুপ্রবেশ ইস্যুতে সরব হন নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, বিশ্বের সব উন্নয়নশীল দেশেই অনুপ্রবেশকারীদের বাইরে বের করে দেওয়া হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ থেকেও অনুপ্রবেশকারীদের এক এক করে বের করে দেওয়া জরুরি। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় থাকলে সেটা সম্ভব নয়। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল নেতারাই বছরের পর বছর অনুপ্রবেশকারীদের বাংলায় বসবাস করতে দিচ্ছেন। এতে সাধারণ মানুষের জমি সুরক্ষিত নয়, কাজ ছিনিয়ে নেওয়া হচ্ছে, টাকা লুট হচ্ছে এবং মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে।মালদহের উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিজেপি সরকার এলে মালদহের আম নির্ভর অর্থনীতিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া হবে। রাজ্যে আরও বেশি কোল্ড স্টোরেজ তৈরি করা হবে। রেশম চাষিদের জন্য কোটি টাকার প্রকল্প চালু করা হয়েছে। পাট শিল্পকে বাঁচাতে কেন্দ্র সরকার সব রকম চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, ২০১৪ সালের আগে যখন তৃণমূল কেন্দ্রের অংশ ছিল, তখন এমএসপি ছিল ২৪০০ টাকা, আর এখন তা বেড়ে সাড়ে ৫ হাজার টাকারও বেশি হয়েছে।বন্যাত্রাণ নিয়ে তৃণমূলকে আক্রমণ করে মোদী বলেন, বহুবার ত্রাণের টাকা দেওয়া হলেও সেই টাকা সঠিক মানুষের হাতে পৌঁছয়নি। যারা ক্ষতিগ্রস্ত, তারা টাকা পায়নি। তাঁর দাবি, বাংলায় বিজেপি সরকার গঠন হলে এই সব দুর্নীতি বন্ধ হবে।আম প্রক্রিয়াকরণ শিল্প গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও রাজ্য সরকারের কোনও উদ্যোগ নেই বলে অভিযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি নদীভাঙন নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, বৃষ্টি হলেই সব ভেসে যায়, আর বন্যাত্রাণ নিয়ে কী হয়েছে, তা মানুষ নিজেরাই ভালো জানেন।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কলকাতা থেকে পাঠানো হচ্ছে RPF-RPSF, বেলডাঙায় হাজির হলেন হুমায়ুন কবীর

শুক্রবারের উত্তপ্ত পরিস্থিতির পর শনিবারও মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা এলাকায় উত্তেজনা অব্যাহত। স্থানীয় বিধায়ক ও জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর জানিয়েছেন, পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ। ইতিমধ্যেই কৃষ্ণনগর-লালগোলা রুটের ট্রেন বন্ধ হয়ে গেছে, রেলগেট ভেঙে ফেলা হয়েছে। হুমায়ুন কবীর ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গিয়ে বচসা করেন।তিনি বলেন, স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ যথেষ্ট সক্রিয় নয়। সক্রিয়তা না বাড়ালে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে। সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষগুলো আক্রান্ত হচ্ছে। জনরোষ এসে জাতীয় সড়ক (NH)-এর উপর পড়ছে। গতকাল সাত ঘণ্টা রাস্তা বন্ধ ছিল। বিহারে আরও একজন আহত হয়েছে, হাসপাতালে ভর্তি। কিছু মানুষ প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছে। কার নির্দেশে তারা NH অবরোধ করছে তা জানা নেই।আজও সাংবাদিকদের টার্গেট করে মারধর করা হয়েছে। জাতীয় সড়ক পুরোপুরি ধ্বংসের পথে। ক্ষিপ্ত জনতা রাস্তায় নেমে বাঁশ হাতে ও ফ্লেক্স-ব্যানার উপরে ফেলে লাথি মারা সহ নানা ধরণের ভাঙচুর চালাচ্ছে। এলাকায় একজনও পুলিশ দেখা যায়নি। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কেউ গ্রেফতার হয়নি। পরে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জানা গেছে, কলকাতা থেকে RPF ও RPSF পাঠানো হচ্ছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের আগে বড় সিকিউরিটি অ্যালার্ট, বন্দে ভারত স্লিপারকে লক্ষ্য করে ষড়যন্ত্র!

আর হাতে গোনা কয়েক ঘণ্টা, তারপরই মালদহ থেকে ছুটবে দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন। তবে এই আনন্দের মাঝে নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে আরপিএফ। গোপন সূত্রে খবর পাওয়া গেছে, বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনকে লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া ও কালো পতাকা দেখানোর ষড়যন্ত্র চলছে।আজ দুপুরে মালদা টাউন রেলস্টেশন থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী উদ্বোধন করবেন ট্রেনের। তার আগে আরপিএফের পক্ষ থেকে কালিয়াচক থানার আইসিকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সুবোধ কুমার সাউ নামের একজন ব্যক্তি ইমেইলের মাধ্যমে জানিয়েছেন যে কিছু দুষ্কৃতীরা ট্রেন ছাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন স্টেশনে হামলার চেষ্টা করতে পারে।আরপিএফের আশঙ্কা অনুযায়ী, জামিরঘাটা, খালতিপুর, চমগ্রাম, শঙ্খপাড়া, নিউ ফরাক্কা, বল্লালপুর, ধুলিয়ান, বাসুদেবপুর ও তিলডাঙা এলাকায় ট্রেন লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া হতে পারে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে কালো পতাকা দেখানোর সম্ভাবনাও রয়েছে। তাই কালিয়াচক থানাকে স্টেশনগুলিতে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।এর আগে হাওড়া-নিউ জলপাইগুড়ি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস লক্ষ্য করে একাধিকবার পাথর ছোড়ার ঘটনা ঘটেছিল। তখন রেল কর্তৃপক্ষ কড়া পদক্ষেপ নিয়েছিল। এবার যাতে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে এমন কোনও ঘটনা না ঘটে, তার জন্য আগেভাগেই সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

বেলডাঙা উত্তাল! রেল অবরোধ, ট্রেন আটক, ভাঙচুর ও সাংবাদিকের ওপর হামলা

ভীন রাজ্যে এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু ঘিরে উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা। শুক্রবারের পর শনিবারও রাস্তায় শত শত মানুষ বিক্ষোভে নেমে আসে। গতকাল সাংবাদিকদের ওপরও হামলা হয়েছে। ট্রেন ও সড়ক অবরোধের ঘটনা লাগাতার চলেছে। শনিবার ফের জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন স্থানীয় জনতা। সড়কে চলমান সব কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। রেল গেট ভাঙচুর করা হয়েছে, ফলে লালগোলাকৃষ্ণনগর রুটের ট্রেন চলাচলও বন্ধ রয়েছে। এই পরিস্থিতি দেখে প্রশ্ন উঠেছে, এভাবেই কি প্রতিবাদ করা উচিত?শুধু শুক্রবার নয়, শনিবারও সাংবাদিকদের টার্গেট করা হয়েছে। ছবিতে দেখা গেছে ক্ষিপ্ত জনতা রাস্তায় নেমে বাঁশ হাতে হুড়োহুড়ি করছেন। রাস্তার ধারে থাকা ফ্লেক্স ও ব্যানার উপরে ফেলে লাথি মারা হচ্ছে। এলাকায় কোনও পুলিশকর্মীও দেখা যায়নি। কোথায় গেল পুলিশ, সেটাই এখন প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।গতকাল পরিস্থিতি যখন তপ্ত হয়েছিল, প্রশাসনের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক হয়। কিছু আবেদন মেনে নেওয়া হয় এবং কন্ট্রোল রুম খোলা হয়। তবে তাতে কার্যত পরিস্থিতির কোনও উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি। শনিবার সকাল থেকেই বেলডাঙায় পরিস্থিতি ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এ বিষয়ে কংগ্রেস নেতা অধীররঞ্জন চৌধুরী বলেন, রাজ্যে প্রশাসন নেই, তাই এমন হচ্ছে। তার মধ্যে আজ আবার অভিষেক আসছেন। তাই বহরমপুর বাসস্ট্যান্ড বেলা ১১টা থেকে ৪টা অবধি বন্ধ থাকবে। এই সময়ে সাধারণ মানুষের জন্য সব বন্ধ। নেতারাই তো সমাজ-বিরোধী কাজ করছেন। তাহলে বাংলায় আর কী হবে? কোথাও রোড শো, কোথাও ভাঙচুরএর জন্য যাতায়াত বন্ধ। জনপ্রতিনিধি ভাষণ দেবেন বলে সব বন্ধ।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
কলকাতা

ছাব্বিশ হাজার চাকরি বাতিলের জটিল মামলা আবার আলোচনায়, দাগি প্রার্থীদের তালিকায় উঠে এল নাম!

কলকাতা হাইকোর্টের একটি উল্লেখযোগ্য রায়ের আলো আবার সমালোচনার কেন্দ্রে এসেছে। ২০১৬ সালের এসএসসি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যারা চাকরি পাননি, তাদের মধ্যে কয়েকজন দাগি প্রার্থী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছিলেন। সেই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে ২৬ হাজার চাকরি বাতিল হয়। এখন ২০২৫ সালের নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় এসএসসি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত করেছে ২০১৬ সালের ওয়েটিং লিস্টের দাগি প্রার্থীদের নাম।এই তালিকায় নাম থাকা মাত্রই বিতর্ক শুরু হয়েছে। নন্দীগ্রামের লক্ষ্মী তুঙ্গারের নামও তালিকায় রয়েছে, যিনি ২০১৬ সালে নিয়োগ বৈধতা নিয়ে মামলা করেছিলেন। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেছেন, বঞ্চিত প্রার্থীর নামে মামলা হয়েছে, যারা লড়েছেন তাঁদের নাম এখন দাগি তালিকায়। এটা একটি পরিকল্পিত প্রক্রিয়ার অংশ। অনেক চূড়া এখনও প্রকাশ পায়নি। তিনি আরও বলেন, নিয়োগ আটকানোর চেষ্টা অনেকবার হয়েছে। তবে যোগ্য শিক্ষকের নিয়োগ বাধ্যতামূলক। তবে এই প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের ষড়যন্ত্র ছিল কি না, তা কিছুটা প্রকাশ পেয়েছে।চাকরিহারা রাকেশ আলম বলেন, যখন তালিকা প্রকাশিত হলো, তখন স্পষ্ট হলো এই প্যানেল রাজনৈতিক প্রভাবের ফলে তৈরি। আমরা যোগ্য শিক্ষকদের পক্ষে, কোনও রাজনৈতিক পক্ষ নই। ওএমআর মিসম্যাচের অভিযোগে দাগিদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এতে অযোগ্য প্রার্থীরাও উঠে এসেছে।এসএসসি সূত্রে জানা যায়, নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় একজনও দাগি প্রার্থী থাকবেন না, সেই নির্দেশনা মেনে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। কিন্তু প্রকাশিত তালিকা ভোটের আগে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
কলকাতা

বিএলও-র ইস্তফা ঝড়! এসআইআর প্রক্রিয়া বিপর্যয়ের পথে? নির্বাচনী কমিশনের পদক্ষেপ প্রশ্নের মুখে

শেষ পর্যায়ে এসআইআর প্রক্রিয়া। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। কিন্তু তার আগে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিএলও-দের অসন্তোষ ক্রমশ বেড়েছে। অতিরিক্ত কাজের চাপের অভিযোগ আগেই তুলেছিলেন বিএলও-রা। এবার অনেকেই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়ে ইস্তফা দিতে শুরু করেছেন।রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিএলও-রা গণইস্তফা দিচ্ছেন। শনিবারই উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গা ব্লকে প্রায় ২০০ জন বিএলও অনির্দিষ্টকালের জন্য কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, একের পর এক নির্দেশিকা ও ম Thomson-এ কাজ করতে গিয়ে তাঁরা হয়রানি ও হেনস্থার মুখে পড়ছেন। বিডিও দফতরের সামনে গেট আটকে বিক্ষোভও দেখানো হয়েছে।বিএলও-দের অসন্তোষ জেলায় জেলায় বাড়ছে। স্বরূপনগরে গতকাল ৫৩ জন বিএলও একসঙ্গে ইস্তফা দিয়েছেন। সূত্রের খবর, রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে এখন পর্যন্ত পাঁচ হাজারের বেশি বিএলও ইস্তফার আবেদন জমা দিয়েছেন। নির্বাচন কমিশন কি পদক্ষেপ নেবে, তা এখনই প্রশ্নের মুখে। রাজনৈতিক কারণে কি এই ইস্তফার ঘটনা ঘটছে, তা নিয়েও জোর আলোচনা চলছে।এসআইআর প্রক্রিয়ায় বিএলও-দের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গত ৪ নভেম্বর থেকে তারা এনুমারেশন ফর্ম বিলি শুরু করেছিলেন। কাজের চাপ এবং দীর্ঘ দায়িত্বের কারণে একাধিক বিএলও মৃত্যু বা আত্মহত্যার অভিযোগও উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে কমিশনের পদক্ষেপই এখন সবার নজর কেড়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal