• ১৭ কার্তিক ১৪৩৩, শুক্রবার ০৬ নভেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Arm

কলকাতা

ধর্মতলার কাণ্ডে কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর! ‘গুণ্ডাদমন আইনেই ব্যবস্থা’, বাড়ল রাজনৈতিক উত্তাপ

ধর্মতলায় নিট প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে হওয়া মিছিলের সময় হিংসা এবং সাংবাদিকদের হেনস্তার ঘটনায় কড়া অবস্থান নিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রবিবার তিনি দাবি করেন, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের কেউই ছাত্র নন। তাঁর অভিযোগ, এরা সমাজবিরোধী এবং মৌলবাদী চক্রের সঙ্গে যুক্ত। এই ঘটনায় দোষীদের বিরুদ্ধে গুণ্ডাদমন আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও স্পষ্ট জানিয়েছেন তিনি।ধর্মতলার ঘটনায় হেয়ার স্ট্রিট থানায় ছয়টি এবং এন্টালি থানায় একটি, মোট সাতটি মামলা দায়ের হয়েছে। পুলিশ ইতিমধ্যেই চৌদ্দ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। তদন্তে উঠে এসেছে, ধৃতদের মধ্যে কয়েক জন ভিন রাজ্যে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিল বলে অভিযোগ। পুলিশ সেই দিকটিও খতিয়ে দেখছে।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের সঙ্গে আন্দোলনকারী ছাত্রদের কোনও সম্পর্ক নেই। তাঁর দাবি, সাংবাদিকদের উপর হামলা এবং অশান্তির ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার ভিত্তিতেই পুলিশ ব্যবস্থা নিয়েছে। বিধানসভায় তিনি যে কঠোর পদক্ষেপের কথা জানিয়েছিলেন, সেই অনুযায়ীই তদন্ত এগোচ্ছে বলেও জানান।একইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, সাম্প্রতিক সময়ে খারিজি মাদ্রাসা নিয়ে তদন্ত, অবৈধভাবে পাওয়া অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির শংসাপত্র বাতিলের ক্ষেত্রে উচ্চ আদালতের নির্দেশ কার্যকর করা এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক পদক্ষেপের জেরে একাংশের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, সেই ক্ষোভ থেকেই কিছু সমাজবিরোধী অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে।তিনি আরও বলেন, আইন অনুযায়ী তদন্ত চলবে এবং কেউ দোষী প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকারের অবস্থান স্পষ্ট, আইনশৃঙ্খলা নষ্টের কোনও চেষ্টা বরদাস্ত করা হবে না।

জুলাই ২৬, ২০২৬
কলকাতা

ধর্মতলার হিংসা মামলায় ধৃতকে নিয়ে নতুন দাবি! সমাজমাধ্যমের পোস্ট ঘিরে বাড়ছে জল্পনা

ধর্মতলায় ছাত্র মিছিলের সময় হিংসা এবং সাংবাদিকদের হেনস্তার ঘটনায় তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে কলকাতা পুলিশ। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত চৌদ্দ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে অন্যতম মহম্মদ আফরোজকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তাঁর সমাজমাধ্যমের বিভিন্ন ছবি ও ভিডিও সামনে আসার পর রাজনৈতিক মহলেও নানা প্রশ্ন উঠেছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মহম্মদ আফরোজ মেটিয়াবুরুজ এলাকার বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রের দাবি, তাঁকে এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী হিসেবেও অনেকে চেনেন। সমাজমাধ্যমে তাঁর প্রোফাইলে একাধিক রাজনৈতিক কর্মসূচির ছবি রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। সেখানে কয়েক জন তৃণমূল নেতার সঙ্গে তাঁর ছবিও দেখা যাচ্ছে। পাশাপাশি দলীয় পতাকা হাতে মিছিলে অংশ নেওয়ার ছবিও সামনে এসেছে। তবে এই সব ছবি ও ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি।সমাজমাধ্যমে আফরোজের নামে থাকা কিছু ভিডিও ও ছবিতে অস্ত্রসদৃশ বস্তু দেখা গিয়েছে বলেও দাবি উঠেছে। এছাড়া কয়েকটি পোস্টে নিজেদের মাফিয়া গ্যাং এবং টিম মাফিয়া বলে উল্লেখ করা হয়েছে বলে অভিযোগ। তবে এই সব সমাজমাধ্যমের পোস্ট বা ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।ধৃতের সঙ্গে স্থানীয় বিধায়কের পরিচয় রয়েছে কি না, তা নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছে। যদিও মেটিয়াবুরুজের বিধায়ক আবদুল খালেক সেই দাবি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। তাঁর বক্তব্য, রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বহু মানুষ অংশ নেন। সকলকে ব্যক্তিগতভাবে চেনা সম্ভব নয়। তিনি আরও বলেন, অভিযুক্তের সঙ্গে তাঁর কোনও ব্যক্তিগত যোগাযোগ বা পরিচয় নেই।ধর্মতলার হিংসার ঘটনায় পুলিশের তদন্ত চলছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গুণ্ডাদমন আইনে মামলা দায়ের হয়েছে। এই প্রসঙ্গে বিধায়ক বলেন, আইন অনুযায়ী পুলিশ তদন্ত করছে। আদালতে দোষ প্রমাণিত হলে আইন মেনে শাস্তি হবে। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে তিনি এ বিষয়ে আর কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

জুলাই ২৬, ২০২৬
কলকাতা

সাংবাদিক নিগ্রহ থেকে হিংসা, ধর্মতলার ঘটনায় একের পর এক গ্রেপ্তার! পুলিশের হাতে আরও তিন অভিযুক্ত

ধর্মতলায় নিট আন্দোলনের ছাত্র মিছিলকে ঘিরে হিংসার ঘটনায় আরও তিন জনকে গ্রেপ্তার করেছে কলকাতা পুলিশ। এর আগে এগারো জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। নতুন তিন জন ধরা পড়ায় রবিবার সকাল পর্যন্ত মোট গ্রেপ্তারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে চৌদ্দ।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতদের নাম শাহবাজ খান, শেখ মহম্মদ সলমান হোসেন এবং মহম্মদ জহিরউদ্দিন মাল। শাহবাজ কড়েয়া এলাকার বাসিন্দা। সলমান হোসেন রাজাবাগানের এবং জহিরউদ্দিন ভাঙড়ের বাসিন্দা। পুলিশের দাবি, এই ঘটনায় জড়িত আরও কয়েক জনের খোঁজে তল্লাশি চলছে।শুক্রবার ধর্মতলায় নিট আন্দোলনের ছাত্র মিছিল চলাকালীন হিংসার অভিযোগ ওঠে। সেই সময় খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে একাধিক সাংবাদিক নিগ্রহের শিকার হন বলে অভিযোগ। ঘটনার পর আহত সাংবাদিকদের হাসপাতালে দেখতে যান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানিয়ে দেন, দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরে বিধানসভাতেও তিনি একই বার্তা দেন এবং জানান, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গুণ্ডাদমন আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে হেয়ার স্ট্রিট থানায় ছয়টি এবং এন্টালি থানায় একটি, মোট সাতটি মামলা দায়ের হয়েছে। পুলিশ তদন্তে নেমে একের পর এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করছে।পুলিশের দাবি, ধৃতদের কেউই পড়ুয়া নন। তদন্তে আরও অভিযোগ উঠেছে, ঘটনার পর কয়েক জন অভিযুক্ত ভিন রাজ্যে পালানোর চেষ্টা করছিলেন। মহম্মদ আজাদ এবং মহম্মদ আফরোজ নামে দুই অভিযুক্তকে অন্ডালের কাছে দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ে থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। ঘটনার ভিডিও ফুটেজ খতিয়ে দেখে অভিযুক্তদের শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, কলকাতার বিভিন্ন এলাকা থেকে লোক জড়ো করা হয়েছিল। তাঁর বক্তব্য, এখনও পর্যন্ত প্রায় সত্তর জনকে হামলার ঘটনায় চিহ্নিত করা হয়েছে। তদন্ত চলছে এবং বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি অব্যাহত রয়েছে।

জুলাই ২৬, ২০২৬
দেশ

‘ককরোচ’-এর আন্দোলনে বড় ধাক্কা কেন্দ্রের! তৃতীয় বৈঠকের আগেই শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ, নতিস্বীকার কি সরকারের?

নিজস্ব সংবাদদাতা: দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর অবশেষে বড় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পালাবদলের ইঙ্গিত। ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র লাগাতার আন্দোলন এবং দেশজুড়ে তৈরি হওয়া প্রতিবাদের আবহের মধ্যেই কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন। নিট পরীক্ষায় অনিয়ম ও প্রশ্নফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে তাঁর পদত্যাগের দাবিতে প্রথম থেকেই সরব ছিল সিজেপি। আন্দোলনকারীদের স্পষ্ট বক্তব্য ছিলশিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ছাড়া কোনও সমঝোতাই সম্ভব নয়।এই পরিস্থিতিতে শনিবার কেন্দ্রের সঙ্গে সিজেপি প্রতিনিধিদের তৃতীয় দফার বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বৈঠক শুরু হওয়ার আগেই ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের খবর সামনে আসে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, তবে কি আন্দোলনের চাপে শেষ পর্যন্ত নিজেদের অবস্থান থেকে সরে এল কেন্দ্র?ধর্মেন্দ্র প্রধান নিজেই সমাজমাধ্যমে তাঁর পদত্যাগের কথা ঘোষণা করেন। জানা গিয়েছে, তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন। পরবর্তী সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় সেটি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয় এবং রাষ্ট্রপতি সেই পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন বলে সূত্রের খবর।নিট পরীক্ষাকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কের পর থেকেই ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি সামনে এনেছিল সিজেপি। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ ছিল, দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনিয়মের দায় এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। তাঁদের দাবি, পরীক্ষাব্যবস্থার প্রতি পড়ুয়া ও অভিভাবকদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে হলে এর জন্য রাজনৈতিক দায় স্বীকার করতে হবে।এই দাবিকে কেন্দ্র করেই গত কয়েকদিন ধরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। সিজেপির পক্ষ থেকে সরকারের কাছে মোট তিনটি প্রধান দাবি রাখা হয়েছিল। প্রথম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দাবি ছিল কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ। পাশাপাশি আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোনও আইনি পদক্ষেপ না করার নিশ্চয়তা এবং নিটের প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় আত্মঘাতী পড়ুয়াদের পরিবারকে এক কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবিও জানানো হয়।সরকারের সঙ্গে সিজেপি প্রতিনিধিদের ইতিমধ্যে দুদফা বৈঠক হয়েছে। সূত্রের খবর, দ্বিতীয় ও তৃতীয় দাবির বিষয়ে সরকারের তরফে ইতিবাচক আশ্বাস দেওয়া হলেও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি নিয়ে কোনও সমঝোতা হচ্ছিল না। বরং কেন্দ্রের প্রতিনিধিরা আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন।শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টে নাগাদ ফের কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সিজেপি নেতাদের বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। কেন্দ্রের তরফে আলোচনায় থাকার কথা ছিল জেপি নড্ডা এবং জিতেন্দ্র সিংহের। কিন্তু বৈঠকের প্রায় দেড় ঘণ্টা আগেই শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের ঘোষণা হয়ে যায়। এর ফলে আন্দোলনকারীদের প্রথম এবং মূল দাবিই কার্যত পূরণ হয়ে গেল।শনিবার সকালেই সিজেপির পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ নিয়ে কেন্দ্র যদি কোনও সিদ্ধান্ত না নেয়, তাহলে তৃতীয় দফার বৈঠকেরও কোনও অর্থ নেই। এমনকি আন্দোলনকারীদের তরফে আরও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল, ক্ষোভের পরিধি আরও বাড়তে পারে এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি ভবিষ্যতে আরও বৃহত্তর রাজনৈতিক দায়বদ্ধতার প্রশ্ন তুলতে পারে।এই আবহেই ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের সিদ্ধান্ত যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও তাঁর নিজের বক্তব্যে পদত্যাগকে সরাসরি আন্দোলনের চাপের ফল হিসেবে তুলে ধরা হয়নি। বরং তিনি গত কয়েকদিনের পরিস্থিতির জন্য দুঃখপ্রকাশ করে জানিয়েছেন, ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক এবং দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারের সঙ্গে তিনি দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত। তাঁর দাবি, কোনও মেধাবী পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ নষ্ট হোক, তা তিনি কখনও চাননি।পদত্যাগের ঘোষণা করে ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, গত ৩ মে নিট পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ সামনে আসার পর থেকেই তিনি বিষয়টির দায় নিয়েছিলেন। তাঁর বক্তব্য, কখনও তিনি দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেননি। তাঁর কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল মেধাবী পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত রাখা এবং কোনও শিক্ষার্থীর সঙ্গে অন্যায় না হওয়া।গত ১০ দিনের ঘটনাপ্রবাহ তাঁকে ব্যথিত করেছে বলেও জানিয়েছেন ধর্মেন্দ্র। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, যন্তর মন্তর-সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তার সুযোগ যাতে কোনও দেশবিরোধী শক্তি নিতে না পারে, দেশের ঐক্য যাতে অটুট থাকে এবং আন্দোলনে যুক্ত কোনও পড়ুয়া যাতে আইনি জটিলতায় না জড়িয়ে পড়েএই বিষয়গুলিও তিনি বিবেচনায় রেখেছেন।ধর্মেন্দ্র প্রধান আরও বলেন, দেশের তরুণ প্রজন্মের স্বপ্ন, আকাঙ্ক্ষা এবং ন্যায়সঙ্গত প্রত্যাশার প্রতি তাঁর গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। তাঁর মতে, তরুণদের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার দায়িত্ব শুধু সরকারের নয়, গোটা সমাজ ও রাজনৈতিক ব্যবস্থারও।তাঁর পদত্যাগের ঘোষণার পর এখন নজর পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে। আন্দোলনকারীরা কি এই সিদ্ধান্তকে সরকারের সঙ্গে সমঝোতার পথ হিসেবে দেখবেন, নাকি তাঁদের বাকি দাবিগুলি নিয়ে আন্দোলন আরও জোরদার হবেতা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন জল্পনা।তবে একটি বিষয় স্পষ্টনিট পরীক্ষা ও শিক্ষাব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে, তা এখন আর শুধুমাত্র একটি পরীক্ষার অনিয়মের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার প্রতি পড়ুয়া ও অভিভাবকদের আস্থা পুনরুদ্ধার, পরীক্ষার নিরাপত্তা, প্রশাসনিক দায়বদ্ধতা এবং রাজনৈতিক জবাবদিহির মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নও সামনে চলে এসেছে।ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ সেই বিতর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটালেও, বৃহত্তর প্রশ্নগুলির উত্তর এখনও বাকি। আগামী দিনে কেন্দ্র কীভাবে এই পরিস্থিতি সামাল দেয় এবং শিক্ষাব্যবস্থায় আস্থা ফেরাতে কী পদক্ষেপ নেয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে গোটা দেশ।

জুলাই ২৫, ২০২৬
দেশ

'ককরোচ'দের চাপেরই জের! অবশেষে পদত্যাগ করলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী

অবশেষে ককরোচদের প্রধান দাবি মেনে পদত্যাগ করলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। আগেই ককরোচ জনতা পার্টির বেশিরভাগ দাবি মেনে নিয়েছিল কেন্দ্র। তবে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়ে সিজেপির কাছ থেকে কেন্দ্র সময় নিয়ে নেয়। ককরোচ জনতা পার্টির দাবি মেনে অবশেষে পদত্যাগ করলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় করা দীর্ঘ পোস্টে নিজের পদত্যাগের কারণ জানিয়েছেন। জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে ইতিমধ্যে ধর্মেন্দ্র প্রধান নিজের ইস্তফাপত্র পাঠিয়েছেন। প্রতিবেদনটি লেখা পর্যন্ত সেই পদত্যাগ গৃহীত হয়নি বলেই জানা গিয়েছে। অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রীকে নিজের ইস্তফা পাঠানোর পরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় দীর্ঘ পোস্টে ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, দেশের পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ, উন্নত ও দুর্নীতিমুক্ত শিক্ষাব্যবস্থাই আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আমি নিজের দায়িত্ব থেকে কোনও সময় মুখ ফিরিয়ে নিইনি। প্রথম দিন থেকে নিটে প্রশ্নফাঁসের দায় নিয়েছি, কোনওসময় মুখ লুকোয়নি। তাঁর দাবি, ছাত্র আন্দোলনের নামে কিছু দেশবিরোধী কুচক্রী ষড়যন্ত্র করছে। সেই কুচক্রীরা যাতে কোনওভাবেই পরিস্থিতির সুবিধা তুলতে না পারে, সেজন্যই আমার ইস্তফা। আমার এই পদত্যাগপত্র দেশের জন্য।যন্তর মন্তরে একাধিক দাবি নিয়ে ককরোচ জনতা পার্টি আন্দোলন শুরু করে। তারমধ্যে প্রধান দাবি ছিল, নিট পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র লিকের জন্য কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে পদত্যাগ করতে হবে। প্রথম দিকে শুধু মাত্র ককরোচ জনতা পার্টি সেই আন্দোলন করে। ধীরে ধীরে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছাত্র সংগঠন সেই আন্দোলনে যুক্ত হয়। দেশের প্রধান বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো সেই আন্দোলনে যুক্ত হতে থাকে। সেলিব্রেটি, খেলোয়াররাও আন্দোলন নিয়ে মুখ খুলতে শুরু করেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এই আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। কার্যত চাপে পড়েই ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেন বলেই বিশেষজ্ঞ মহল মনে করছে।

জুলাই ২৫, ২০২৬
কলকাতা

মিছিলে ঢুকেছিল বহিরাগত? সত্তর জন চিহ্নিত, কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি

ধর্মতলায় সাম্প্রতিক অশান্তি নিয়ে বিধানসভায় বিস্ফোরক দাবি করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর অভিযোগ, আন্দোলনের নামে পরিকল্পিতভাবে অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। প্রাথমিক তদন্তে বেশ কয়েকজনকে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তিনি।বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কর্মসূচিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলন হিসেবে ঘোষণা করা হলেও পরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তাঁর দাবি, আন্দোলনে এমন বহু ব্যক্তি যোগ দিয়েছিলেন, যাঁদের সঙ্গে ছাত্র আন্দোলন বা নিট ইস্যুর কোনও সরাসরি সম্পর্ক ছিল না। বিভিন্ন এলাকা থেকে বহিরাগতদের আনা হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, ডোরিনা ক্রসিং এলাকায় পুলিশ ও সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে জলের বোতল, জুতো এবং অন্যান্য বস্তু ছোড়া হয়। তাঁর দাবি, উদ্দেশ্য ছিল পুলিশকে উসকে দিয়ে বড় সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি করা। তবে পুলিশ সংযম দেখিয়েছে বলেই পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়নি।তিনি আরও জানান, ঘটনায় আহত হয়েছেন একাধিক সাংবাদিক। ইতিমধ্যেই সাতটি মামলা দায়ের হয়েছে। তদন্তে এখনও পর্যন্ত প্রায় সত্তর জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। কয়েকজনের নামও বিধানসভায় উল্লেখ করে তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের ইঙ্গিত দেন মুখ্যমন্ত্রী।প্রশাসনের দাবি, ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ধর্মতলার অশান্তির প্রকৃত কারণ এবং কারা এর নেপথ্যে ছিল, তা জানতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

জুলাই ২৫, ২০২৬
কলকাতা

ধর্মতলার ঘটনায় বড় বার্তা শুভেন্দুর! সাংবাদিক নিগ্রহে কড়া অবস্থান, সেবাশ্রয় নিয়েও বিস্ফোরক দাবি

ধর্মতলায় ছাত্র আন্দোলনের সময় সাংবাদিকদের উপর হামলার ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানালেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। শনিবার বিধানসভায় তিনি বলেন, সাংবাদিকদের উপর হামলার ঘটনাকে কোনওভাবেই সমর্থন করা যায় না। তিনি জানান, আহত সাংবাদিকদের সঙ্গে তিনি ব্যক্তিগতভাবে দেখা করেছেন এবং তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন।বিধানসভায় শুভেন্দু (CM Suvendu Adhikari) দাবি করেন, আন্দোলনের শুরুতে পুলিশকে সংযম বজায় রাখার নির্দেশ ছিল। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, মিছিল প্রথমে শান্তিপূর্ণ ছিল। পরে ডোরিনা ক্রসিং এলাকায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং পুলিশ ও সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে জুতো ও বোতল ছোড়া হয় বলে তিনি অভিযোগ করেন। তাঁর দাবি, পুলিশ উসকানিতে পা না দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখে।শুভেন্দু (CM Suvendu Adhikari) আরও জানান, সাংবাদিকদের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে একাধিক মামলা দায়ের হয়েছে। তাঁর দাবি, তদন্তে বেশ কয়েকজনকে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বিধানসভায় কয়েকজনের নামও উল্লেখ করেন এবং বলেন, আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।একইসঙ্গে সেবাশ্রয় প্রকল্প নিয়েও একাধিক অভিযোগ তোলেন শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। তাঁর দাবি, প্রকল্প পরিচালনার ক্ষেত্রে গুরুতর অনিয়ম হয়েছে। বিধানসভায় তিনি কয়েকটি নথি ও ছবি দেখিয়ে তদন্তের দাবি করেন। পাশাপাশি তাঁর অভিযোগ, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ এবং কিছু চিকিৎসা সরঞ্জাম বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। যদিও এই অভিযোগগুলির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের প্রতিক্রিয়া ওই সময়ে পাওয়া যায়নি।তিনি আরও জানান, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরকে বিষয়টি নিয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে এবং তদন্ত চলছে। তাঁর দাবি, যাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাঁদের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে। তদন্তের মাধ্যমে সমস্ত তথ্য সামনে আসবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

জুলাই ২৫, ২০২৬
রাজ্য

চটের ব্যাগে লুকিয়ে ছিল মৃত্যুর খেলা! সালোয়ার পরা মহিলার কাছ থেকে উদ্ধার অস্ত্রভাণ্ডার

সাধারণ সুতির সালোয়ার-কামিজ, হাতে একটি চটের ব্যাগ, কাঁধে আরেকটি ব্যাগ। দেখে মনে হওয়ার কোনও উপায় ছিল না, ওই মহিলার কাছেই লুকিয়ে রয়েছে বিপুল অস্ত্রভাণ্ডার। কিন্তু গোপন সূত্রে খবর পেয়ে তাঁর পিছু নিয়েছিল সিআইডি। শেষ পর্যন্ত নৈহাটি রোড ধরে অশোকনগরের ৮ নম্বর এলাকায় তাঁকে আটক করা হয়।ধৃত মহিলার নাম পূজা বিশ্বাস। তাঁর কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে ৬টি স্টার লোগোযুক্ত ৭ এমএম পিস্তল, ২০০ রাউন্ড কার্তুজ এবং নগদ টাকা। তদন্তে জানা গিয়েছে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে অস্ত্র পাচারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।সিআইডি সূত্রে খবর, পূজা বিহার থেকে পশ্চিমবঙ্গে অস্ত্র নিয়ে আসতেন এবং উত্তর ২৪ পরগনার বিভিন্ন এলাকায় সেই অস্ত্র পৌঁছে দিতেন। এরপর সেগুলি সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে পাচার করা হত বলে সন্দেহ তদন্তকারীদের।এটাই প্রথম নয়। ২০২৩ সালে দত্তপুকুর থানার এলাকায় একটি বাস থেকে পূজা বিশ্বাসকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। সেবারও তাঁর কাছ থেকে অস্ত্র ও কার্তুজ উদ্ধার হয়। কিছুদিন জেল খাটার পর তিনি ফের একই কারবারে জড়িয়ে পড়েন বলে অভিযোগ।তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, পূজা তাঁর বর্তমান স্বামী নীলরতনের নির্দেশে এই কাজ করতেন। নীলরতন গোপালনগর এলাকার বাসিন্দা এবং কাপড়ের ব্যবসা করেন। তবে তদন্তকারীদের অভিযোগ, সেই ব্যবসার আড়ালেই চলত অস্ত্র পাচারের চক্র। বর্তমানে তাঁর খোঁজে তল্লাশি চলছে।পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, বিহারের মুঙ্গের থেকে অস্ত্র এনে বনগাঁ সীমান্ত হয়ে বাংলাদেশে পাচার করা হত। এই ঘটনার সঙ্গে একটি বড় আন্তঃরাজ্য পাচারচক্র জড়িত থাকতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।

জুলাই ১৯, ২০২৬
কলকাতা

অনুমতি মেলেনি, তবু শুরু মাপজোক! একুশে জুলাই ঘিরে তৃণমূলের অন্দরে নতুন সংঘাত

একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। সভার সরকারি অনুমতি এখনও মেলেনি। তার আগেই ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে পৌঁছে মাপজোক শুরু করলেন কুণাল ঘোষ এবং তাঁর অনুগামীরা। ছুটির সকালের এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে।প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, কুণাল ঘোষের সঙ্গে দলের আরও কয়েকজন নেতা এবং সাজসজ্জার কাজে যুক্ত কর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা ফিতে দিয়ে সভাস্থলের বিভিন্ন অংশ মাপতে শুরু করেন। সাধারণত প্রশাসনিক অনুমতি পাওয়ার পরই এই ধরনের প্রস্তুতি শুরু হয়। কিন্তু এবার অনুমতির আগেই এই পদক্ষেপ নেওয়ায় রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে।অন্যদিকে, একই জায়গায় একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি করার জন্য দলের অন্য শিবিরও প্রস্তুতি নিচ্ছে। তারাও ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে সভার অনুমতি চেয়ে আবেদন করার উদ্যোগ নিয়েছে। ফলে একই স্থানকে ঘিরে দুই পক্ষের মধ্যে টানাপোড়েন আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।কুণাল ঘোষ জানিয়েছেন, একুশে জুলাই শহিদদের স্মরণে দীর্ঘদিন ধরে এই কর্মসূচি হয়ে আসছে। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই তাঁরা নিয়ম মেনে আবেদন করেছেন এবং অনুমতি পাবেন বলেই আশাবাদী।অন্যদিকে দলের অন্য নেতারাও জানিয়েছেন, অনুমতি যেখানে মিলবে, সেখানেই একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি পালন করা হবে। এদিকে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, একই কর্মসূচি ঘিরে একাধিক দাবিদারের উপস্থিতি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। এখন প্রশাসন শেষ পর্যন্ত কাকে অনুমতি দেয়, সেদিকেই নজর রয়েছে সকলের।

জুন ২৮, ২০২৬
কলকাতা

‘৫ জন থাকলেও ধর্মতলায় যাব’! মমতার বার্তার পরই বড় পদক্ষেপ, পুলিশের কাছে পৌঁছল আবেদন

একুশে জুলাই শহিদ স্মরণ কর্মসূচি ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে জানিয়েছিলেন, পাঁচ জন মানুষ থাকলেও তিনি ধর্মতলায় যাবেন। সেই বার্তার পরই ধর্মতলার ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে একুশে জুলাইয়ের সভা করার অনুমতি চেয়ে কলকাতা পুলিশের কাছে আবেদন জানিয়েছে কালীঘাট তৃণমূল।দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে ধর্মতলার ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনেই তৃণমূলের শহিদ স্মরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবারও একই জায়গায় অনুষ্ঠান করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে কালীঘাট তৃণমূল। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে সেই আবেদন মঞ্জুর করা হবে কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে।রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তনের পর তৃণমূলের অন্দরে বড় ভাঙন দেখা দিয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, দল এখন কার্যত দুই শিবিরে বিভক্ত। এই পরিস্থিতিতে একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি তৃণমূলের কাছে শুধু একটি রাজনৈতিক সভা নয়, সংগঠনকে শক্তিশালী করারও বড় সুযোগ। সেই কারণেই এই কর্মসূচিকে ঘিরে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।সম্প্রতি কর্মীদের উদ্দেশে ফোনবার্তায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, প্রতি বছর যেমন ধর্মতলায় শহিদ স্মরণ কর্মসূচি হয়েছে, এবারও পুলিশের অনুমতি মিললে সেখানেই অনুষ্ঠান হবে। তিনি আরও বলেন, পাঁচ জন কর্মী থাকলেও তিনি ওই সভায় উপস্থিত থাকবেন। পাশাপাশি তিনি দল ছেড়ে যাওয়া নেতাদের উদ্দেশে ফিরে আসার বার্তাও দেন। তাঁর বক্তব্য, যাঁদের শুভবুদ্ধি আছে, তাঁরা যেন দলে ফিরে আসেন। অর্থ বা অন্য কোনও লোভে দলকে দুর্বল করা যাবে না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে ধর্মতলার সভার মাধ্যমে সংগঠনের কর্মীদের একজোট করার চেষ্টা করছে কালীঘাট তৃণমূল। একই সঙ্গে দল ছেড়ে যাওয়া নেতাদের প্রতিও শেষবারের মতো বার্তা পৌঁছে দিতে চাইছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।অন্যদিকে, রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর নতুন উদ্যমে একুশে জুলাই পালন করতে চলেছে প্রদেশ কংগ্রেসও। প্রায় আটাশ বছর পর তারা এই কর্মসূচির আয়োজন করছে। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার জানিয়েছেন, এই কর্মসূচি শুধু শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো নয়, সংবিধান রক্ষা, ছাত্র-যুবদের ভবিষ্যৎ, শ্রমজীবী মানুষের অধিকার, মূল্যবৃদ্ধি এবং বেকারত্বের বিরুদ্ধে তাদের আন্দোলনেরও প্রতীক হবে। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে শহিদ মিনারে কর্মসূচির পরিকল্পনা করা হয়েছে। পাশাপাশি এই অনুষ্ঠানে রাহুল গান্ধীকে আনার চেষ্টাও চলছে। কংগ্রেসের দাবি, একুশে জুলাইয়ের মূল উদ্দেশ্য সময়ের সঙ্গে বদলে গিয়েছে এবং সেই ঐতিহাসিক গুরুত্বকে নতুনভাবে সামনে আনতেই তারা এবার এই কর্মসূচির আয়োজন করছে।

জুন ২৭, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

রিচাকে ওপেন করাতে চান হরমন! পাক-বধের পর ভারত অধিনায়কের অকপট স্বীকারোক্তি, দীপ্তির ঘূর্ণিতেই বিশ্বকাপে দুরন্ত সূচনা

ভারতের মহিলা ক্রিকেট দল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করল দাপুটে জয় দিয়ে। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানকে ৬৪ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে টুর্নামেন্টে নিজেদের শক্তির জানান দিল হরমনপ্রীত কৌরের দল। ম্যাচ শেষে জয়ের নেপথ্যের নায়ক-নায়িকাদের প্রশংসায় ভাসালেন ভারত অধিনায়ক, আর ম্যাচসেরা দীপ্তি শর্মাও জানালেন তাঁর সাফল্যের মন্ত্র।ম্যাচের শুরুটা ভারতের পক্ষে মোটেই সহজ ছিল না। দ্রুত দুই উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়ে গিয়েছিল দল। তবে অভিজ্ঞ স্মৃতি মন্ধানা ও অধিনায়ক হরমনপ্রীত কৌরের দায়িত্বশীল ব্যাটিং ভারতকে বিপদমুক্ত করে। তাঁদের গড়া গুরুত্বপূর্ণ জুটিই ইনিংসের ভিত তৈরি করে দেয়।খেলা শেষে হরমনপ্রীত জানান, পিচ নিয়ে যতটা আলোচনা হয়েছিল, বাস্তবে তা অতটা কঠিন ছিল না। তাঁর মতে, শুরুতে অযথা চাপ নিয়ে ফেলেছিল ভারতীয় ব্যাটাররা। পরে পরিস্থিতি বুঝে ব্যাট করায় দল ঘুরে দাঁড়াতে সক্ষম হয়।তবে ভারতের ইনিংসের সবচেয়ে বড় চমক ছিলেন বাংলার মেয়ে রিচা ঘোষ। মাত্র ১৭ বলে ৩৪ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলে শেষদিকে রান তোলার গতি কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেন তিনি। রিচার ব্যাটিংয়ে এতটাই মুগ্ধ হয়েছেন হরমনপ্রীত যে মজার ছলেই বলে ফেললেন, সুযোগ থাকলে তিনি রিচাকেই ইনিংসের প্রথম বল থেকে ব্যাট করতে পাঠাতেন।অধিনায়কের কথায়, রিচার ব্যাটিং দেখলে মনে হয় ওকে শুরু থেকেই নামানো উচিত। কিন্তু দলের কৌশল অনুযায়ী ওর একটি নির্দিষ্ট দায়িত্ব রয়েছে। সেই ভূমিকায় ও অসাধারণ কাজ করছে।ভারতের জয়ের আর এক বড় কারিগর ছিলেন অলরাউন্ডার দীপ্তি শর্মা। চার ওভারে মাত্র ১০ রান দিয়ে ৫ উইকেট তুলে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপকে কার্যত গুঁড়িয়ে দেন তিনি। তাঁর ঘূর্ণির সামনে দাঁড়াতেই পারেননি পাকিস্তানি ব্যাটাররা।ম্যাচসেরা হওয়ার পর দীপ্তি জানান, উইকেটের চরিত্র বুঝে তিনি নিজের বোলিংয়ে সামান্য পরিবর্তন এনেছিলেন। বলের গতি কমিয়ে এবং স্টাম্প লক্ষ্য করে ধারাবাহিকভাবে বল করাতেই সাফল্য এসেছে। তাঁর মতে, পিচও স্পিনারদের সাহায্য করেছে, ফলে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা সহজ হয়েছে।শুধু বোলিং নয়, পাকিস্তানের ভালো শুরুর পর ভারতীয় দলের ফিল্ডিং ও ক্যাচ ধরার মানও ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। হরমনপ্রীত বলেন, বিশ্বকাপের মতো প্রতিযোগিতায় শুধু জয় নয়, বড় ব্যবধানে জয়ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ নেট রানরেট পরবর্তী পর্যায়ে বড় ভূমিকা নিতে পারে। সেই লক্ষ্যেই দল শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে গেছে।গ্যালারিতে উপস্থিত সমর্থকদের উৎসাহকেও বিশেষ কৃতিত্ব দিয়েছেন দীপ্তি। পাশাপাশি স্মৃতি মন্ধানা ও হরমনপ্রীতের ব্যাটিংকে ভারতের জয়ের ভিত্তি বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই ব্যাট ও বলদুই বিভাগেই আধিপত্য দেখিয়ে ভারত স্পষ্ট বার্তা দিল, শিরোপার দৌড়ে তারা অন্যতম শক্তিশালী দাবিদার। এখন দেখার, এই দুরন্ত ছন্দ আগামী ম্যাচগুলিতেও ধরে রাখতে পারে কি না হরমনপ্রীতের দল।

জুন ১৫, ২০২৬
দেশ

সেনা শিবিরে আচমকা বিস্ফোরণ! মুহূর্তে প্রাণ গেল দুই জওয়ানের, শোকস্তব্ধ দেশ

জম্মু ও কাশ্মীরে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন দুই সেনা জওয়ান। উরির একটি সেনা শিবিরে হ্যান্ড গ্রেনেড বিস্ফোরণের ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়ার পর মৃত্যু হয় তাঁদের। মঙ্গলবার বারামুলা জেলার উরি সেক্টরে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকেই গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে সেনাবাহিনী।সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, উরির কমলকোট এলাকার একটি সেনা শিবিরে নিয়মিত অস্ত্র হস্তান্তরের কাজ চলছিল। সেই সময় আচমকাই একটি হ্যান্ড গ্রেনেড বিস্ফোরিত হয়। বিস্ফোরণের জেরে গুরুতর আহত হন দুই জওয়ান। সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের উদ্ধার করে ভারতীয় সেনার নিরানব্বই বেস হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু চিকিৎসকদের সমস্ত চেষ্টা সত্ত্বেও শেষরক্ষা হয়নি। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই মৃত্যু হয় তাঁদের।জানা গিয়েছে, মৃত দুই জওয়ানই মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা। এই মর্মান্তিক ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে তাঁদের পরিবার এবং সহকর্মীদের মধ্যে। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকেও গভীর শোকপ্রকাশ করা হয়েছে।উল্লেখ্য, গত সপ্তাহেও জম্মু ও কাশ্মীরে এক সেনা আধিকারিকের মৃত্যুর ঘটনা সামনে এসেছিল। রাজৌরি জেলায় জঙ্গিবিরোধী অভিযানের সময় দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান লেফটেন্যান্ট বীরেশ্বর গোস্বামী। সেনা সূত্রে জানা যায়, পাহাড়ি এলাকায় অভিযান পরিচালনার সময় তিনি একটি গভীর খাদে পড়ে যান। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের দুই জওয়ানের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ সেনাবাহিনী।এদিকে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে জম্মু ও কাশ্মীরের রাজৌরি-সহ একাধিক জেলায় জঙ্গি দমনে ব্যাপক অভিযান চালাচ্ছে ভারতীয় সেনা। গোপন সূত্রে জঙ্গিদের উপস্থিতির খবর পাওয়ার পর শুরু হয় বিশেষ অভিযান। জঙ্গলঘেরা বিস্তীর্ণ এলাকায় চলছে তল্লাশি। এখনও পর্যন্ত কোনও জঙ্গির খোঁজ না মিললেও সেনাবাহিনীর ধারণা, তারা বারবার অবস্থান পরিবর্তন করছে।উরির সেনা শিবিরে কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল এবং বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ কী, তা জানতে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে সেনাবাহিনী। তদন্তের রিপোর্ট সামনে এলেই পুরো ঘটনার বিস্তারিত ছবি স্পষ্ট হবে।

জুন ১০, ২০২৬
কলকাতা

ধর্নায় মমতা, কিন্তু কোথায় দলের বিধায়করা? জল্পনা তুঙ্গে রাজ্য রাজনীতিতে

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হচ্ছে। এই আবহেই ফের আন্দোলনের পথে নামলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অতীতে বিরোধী নেত্রী থেকে মুখ্যমন্ত্রী বিভিন্ন সময়ে নানা ইস্যুতে তাঁকে ধর্না ও আন্দোলনের মঞ্চে দেখা গিয়েছে। তবে এবারের ছবিটা অনেকটাই আলাদা।মঙ্গলবার দুপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের বাড়ি থেকে বেরিয়ে ওয়াই চ্যানেলের ধর্নামঞ্চে পৌঁছন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সাংসদ দোলা সেন এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। মঞ্চে পৌঁছতেই কিছু সমর্থকের ভিড় দেখা গেলেও অতীতের বিশাল জনসমাগমের সঙ্গে তার কোনও তুলনা নেই বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ।বর্তমানে তৃণমূলের হাতে ৭৮ জন বিধায়ক এবং লোকসভা ও রাজ্যসভা মিলিয়ে ৪১ জন সাংসদ রয়েছেন। কিন্তু ধর্নামঞ্চে দেখা গেল মাত্র কয়েকজন জনপ্রতিনিধিকে। এই উপস্থিতি নিয়েই শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক আলোচনা।মমতার পাশে এদিন উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, মদন মিত্র, ফিরহাদ হাকিম, বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, অশোক দেব এবং শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। সাংসদদের মধ্যে ছিলেন ডেরেক ওব্রায়েন, সামিরুল ইসলাম, দোলা সেন, মালা রায় এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।এছাড়া সাম্প্রতিক নির্বাচনে পরাজিত প্রার্থীদের মধ্যে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং তন্ময় ঘোষকে মমতার পাশে দেখা যায়। উপস্থিত ছিলেন পুর প্রতিনিধিদের মধ্যে বৈশ্বনর চট্টোপাধ্যায়, কৃষ্ণা চক্রবর্তী, স্বপন সমাদ্দার-সহ আরও কয়েকজন।ধর্নামঞ্চে অধিকাংশ বিধায়ক ও সাংসদের অনুপস্থিতি নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে। যদিও দলীয় নেতৃত্বের তরফে এ বিষয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

“আমাকে গ্রেপ্তার করুন!” নিউটাউনের রাস্তায় টলোমলো পায়ে বিডিওর কাণ্ডে তোলপাড়

সল্টলেকের স্বর্ণ ব্যবসায়ী স্বপন কামিল্যা অপহরণ ও খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জের বিডিও প্রশান্ত বর্মন এবার নতুন বিতর্কে জড়ালেন। অভিযোগ, মদ্যপ অবস্থায় প্রকাশ্য রাস্তায় বেপরোয়া আচরণ করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। সেই ঘটনার ভিডিও ইতিমধ্যেই সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিও সামনে আসতেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।সোমবার রাত সাড়ে দশটা নাগাদ নিউটাউনের সারচি সিগন্যালের সামনে ঘটনাটি ঘটে বলে জানা গিয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর সময় এক বাইকচালককে ধাক্কা মারেন প্রশান্ত বর্মন। ধাক্কায় রাস্তায় পড়ে গিয়ে গুরুতর জখম হন ওই বাইক আরোহী। পরে কর্তব্যরত পুলিশকর্মীরা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।ঘটনার পর স্থানীয় পথচারীরা প্রতিবাদ শুরু করলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, সেই সময় অভিযুক্ত বিডিও রাস্তাতেই চিৎকার শুরু করেন এবং প্রতিবাদকারীদের উদ্দেশে নানা হুমকি দেন। ভাইরাল ভিডিওতে তাঁকে কখনও দুর্নীতিগ্রস্ত বলে কটাক্ষ করতে, আবার কখনও চড় মারার হুমকি দিতে দেখা গিয়েছে।ভিডিওতে আরও দেখা যাচ্ছে, এক সময় তিনি নিজেই গাড়ি থেকে নেমে টলোমলো পায়ে পুলিশকে বলছেন, আমাকে গ্রেপ্তার করুন। পুরো ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে বিধাননগর কমিশনারেটের ইকো পার্ক থানার পুলিশ অভিযুক্ত বিডিওকে আটক করে নিয়ে যায়।যদিও ভাইরাল ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

মে ২৬, ২০২৬
দেশ

নর্মদায় ভয়াবহ বিপর্যয়! পর্যটকভর্তি প্রমোদতরী ডুবে মৃত্যু, আতঙ্কে দেশ

আনন্দময় ভ্রমণ মুহূর্তে পরিণত হল ভয়াবহ দুর্ঘটনায়। মধ্যপ্রদেশে (Madhya Pradesh) নর্মদা নদীর জলাধারে ডুবে গেল একটি পর্যটকভর্তি প্রমোদতরী। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত অন্তত ছয় জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। নৌকাটিতে প্রায় তিরিশ জন পর্যটক ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। এর মধ্যে পনেরো জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। বাকি কয়েকজনের খোঁজে এখনও জোর তল্লাশি চলছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে (Madhya Pradesh)।প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, নৌকাটি যখন জলাধারের মাঝামাঝি পৌঁছেছিল, তখন হঠাৎ আবহাওয়া খারাপ হয়ে যায়। প্রবল ঝড়ো হাওয়া শুরু হয়। সেই সময় ভারসাম্য হারিয়ে নৌকাটি একপাশে কাত হয়ে জলের মধ্যে ডুবে যায়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় উদ্ধারকারী দল। ডুবুরিরা জল থেকে একে একে যাত্রীদের উদ্ধার করতে শুরু করেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে (Madhya Pradesh)।উদ্ধারকাজ তদারকি করছেন জব্বলপুর জেলার প্রশাসনিক আধিকারিকরা। প্রথমে স্থানীয় দল উদ্ধারকাজ শুরু করলেও পরে রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীও ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। রাত নেমে এলেও বাকি নিখোঁজদের খোঁজে অভিযান চালানো হচ্ছে। এই দুর্ঘটনায় গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
রাজ্য

‘সিংহম’ অবতারে আইপিএস! রাতভর টহলে কড়া বার্তা, দুষ্কৃতীদের নিশানা অজয় পাল শর্মা

ভোটের আগে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবার ও ফলতা এলাকায় নজর কেড়েছেন উত্তর প্রদেশের আইপিএস অফিসার অজয় পাল শর্মা। কঠোর স্বভাবের জন্য পরিচিত এই আধিকারিক এখন একের পর এক এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন। তাঁর লক্ষ্য, কোনওভাবেই যেন ভোটারদের ভয় দেখাতে না পারে দুষ্কৃতীরা।কয়েক দিন আগে একটি ভিডিও সামনে আসে, যেখানে দেখা যায় ডায়মন্ড হারবারের বিভিন্ন এলাকায় কিছু বাইক বাহিনী ঘুরে বেড়িয়ে ভোটারদের ভয় দেখাচ্ছে। সেই অভিযোগ সামনে আসতেই দ্রুত পদক্ষেপ করে নির্বাচন কর্তৃপক্ষ। এরপরই অজয় পাল শর্মাকে সেখানে দায়িত্ব দেওয়া হয় এবং তিনি সঙ্গে সঙ্গেই মাঠে নেমে পড়েন।মঙ্গলবার দিনভর এবং রাতেও তাঁকে বিভিন্ন স্পর্শকাতর এলাকায় টহল দিতে দেখা যায়। তাঁর সঙ্গে ছিল সাঁজোয়া গাড়ি, প্রচুর কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান এবং আধিকারিকরা। সরিষা, ডায়মন্ড হারবার ও ফলতা জুড়ে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। চারদিকে টহল ও কড়া নজরদারির ছবি সামনে এসেছে।এরই মধ্যে তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গীর খান-এর বাড়ির সামনে গিয়ে অজয় পাল শর্মার সতর্কবার্তা দেওয়ার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে তাঁকে বলতে শোনা যায়, মানুষকে যেভাবে ধমকানো হচ্ছে, তার ফল ভালো নাও হতে পারে।এই মন্তব্যের জবাবে জাহাঙ্গীর খান জানান, তিনি কোনওভাবেই ভয় পাবেন না। তাঁর দাবি, বাইরের চাপ বা ভয় দেখিয়ে তাঁকে দমিয়ে রাখা যাবে না। এলাকায় তাঁর সমর্থকেরাও ক্ষুব্ধ হয়ে উঠছেন বলে তিনি জানান।সব মিলিয়ে ভোটের আগে এলাকায় উত্তেজনা বাড়লেও অজয় পাল শর্মা যে কড়া অবস্থান নিয়েই কাজ করছেন, তা স্পষ্ট হয়ে উঠছে। নিরাপত্তা জোরদার করতে তিনি এক মুহূর্তের জন্যও ঢিল দিচ্ছেন না বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।

এপ্রিল ২৮, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে ফলতায় তীব্র উত্তেজনা! আইপিএস বনাম তৃণমূল, স্লোগানে উত্তাল এলাকা

দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা কেন্দ্র এখন রাজ্যের অন্যতম চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে। মঙ্গলবার সকাল থেকেই এলাকায় ঘুরে বেড়াতে দেখা যায় আইপিএস অফিসার অজয় পাল শর্মা-কে। তাঁর সঙ্গে ছিল বড়সড় কেন্দ্রীয় বাহিনী। হাতে ছিল দাগিদের তালিকা, আর সেই তালিকা ধরে এলাকায় নজরদারি চালাতে দেখা যায় তাঁকে।সোমবার তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গীর খান-এর বাড়িতেও গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে গিয়ে সতর্কবার্তাও দিয়েছিলেন। মঙ্গলবার সকালেও একই ভঙ্গিতে তাঁকে এলাকায় ঘুরতে দেখা যায়। তবে এদিন পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।সকালে প্রথমে ফলতার খানপাড়া এলাকায় প্রবেশ করেন অজয় পাল শর্মা। সেখান থেকে স্থানীয় কয়েক জনকে সঙ্গে নিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী এগিয়ে যায়। যাঁদের বিরুদ্ধে ভোটারদের ভয় দেখানোর অভিযোগ উঠেছে, তাঁদের খোঁজ চালানো হচ্ছিল বলে জানা যায়। সেই এলাকা থেকে বেরোনোর সময় বিক্ষোভের মুখে পড়ে তাঁর কনভয়।কাছেই ছিল জাহাঙ্গীর খানের কার্যালয়। সেখান থেকে তাঁর অনুগামীরা বেরিয়ে এসে স্লোগান দিতে শুরু করেন। অজয় পালের গাড়ি এগিয়ে গেলেও তাঁর কনভয়ের পিছনে থাকা সিআরপিএফের কয়েকটি গাড়ি আটকে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। মুহূর্তে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। অনেকেই এই ঘটনার সঙ্গে সাম্প্রতিক অন্য ঘটনার মিল খুঁজে দেখছেন।এর আগে সোমবার জাহাঙ্গীর খানের বাড়িতে গিয়ে অজয় পাল শর্মা সতর্ক করে বলেছিলেন, এভাবে মানুষকে ধমকানো হলে পরে সমস্যা হতে পারে। এর পাল্টা জবাবে মঙ্গলবার জাহাঙ্গীর খান বলেন, তাঁরা কোনও অবস্থাতেই মাথা নত করবেন না। তিনি দাবি করেন, বাইরের চাপ বা ভয় দেখিয়ে তাঁদের দমিয়ে রাখা যাবে না। এলাকার মানুষও এতে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠছেন বলে তাঁর মন্তব্য।

এপ্রিল ২৮, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে কলকাতায় অস্ত্রভাণ্ডার ফাঁস! চিৎপুরে পুলিশের বড় অভিযান

ভোটের আগে কলকাতায় ফের অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। চিৎপুর থানা এলাকার বিটি রোড সংলগ্ন এলাকা থেকে শামিম আলম নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে কলকাতা পুলিশের বিশেষ টাস্ক ফোর্স। ধৃত ব্যক্তি বিহারের বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে।সোমবার বিকেলে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ওই এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক করে তল্লাশি চালাতেই বেরিয়ে আসে একাধিক আগ্নেয়াস্ত্র ও বিপুল কার্তুজ। উদ্ধার হয়েছে তিনটি এক নল বন্দুক, একটি পিস্তল, কয়েকটি খালি ম্যাগাজিন এবং বহু রাউন্ড গুলি।পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও তিনি সন্তোষজনক কোনও উত্তর দিতে পারেননি। উদ্ধার হওয়া সব অস্ত্র ও গুলি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এই অস্ত্র কোথা থেকে আনা হয়েছে এবং এর পিছনে কোনও বড় চক্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।ভোটের আবহে কেন এই অস্ত্র আনা হচ্ছিল, তা নিয়েও তদন্ত চলছে। ধৃতের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তাকে আদালতে তোলা হবে।এদিকে নির্বাচনকে ঘিরে অশান্তি রুখতে কঠোর নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। কোথাও কোনও বেআইনি কাজ চলছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে পুলিশ লাগাতার অভিযান চালাচ্ছে। ভোটের আগে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন সর্বতোভাবে তৎপর রয়েছে।

এপ্রিল ২৮, ২০২৬
রাজ্য

হরমুজ প্রণালিতে বড়সড় সংঘাত! ইরানের জাহাজে হামলা চালিয়ে দখল নিল আমেরিকা

হরমুজ প্রণালির কাছে উত্তেজনা আরও বেড়ে গেল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী একটি ইরান-চিহ্নিত পণ্যবাহী জাহাজ দখল করেছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর দাবি, জাহাজটির ইঞ্জিন কক্ষে আঘাত করে সেটিকে অচল করে দেওয়া হয়, তারপর সেটি আমেরিকার নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়।ট্রাম্প জানান, ওমান উপসাগরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ একটি ইরানি জাহাজকে আটকায়, যখন সেটি আমেরিকার আরোপ করা অবরোধ ভাঙার চেষ্টা করছিল। হামলার ফলে জাহাজটির ইঞ্জিন কক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং সেটি আর চলতে পারেনি। পরে মার্কিন সেনারা জাহাজটির দখল নেয় এবং সেটির ভেতরে কী আছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।মার্কিন সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে প্রকাশিত একটি ভিডিওতেও দেখা গিয়েছে, হামলার আগে জাহাজের ক্রুদের বারবার সতর্ক করা হচ্ছে। সেখানে বলা হয়, ইঞ্জিন কক্ষ খালি করে দিতে, না হলে গুলি চালানো হবে। কিছুক্ষণের মধ্যেই বিস্ফোরণের দৃশ্যও দেখা যায়।এই ঘটনা এমন এক সময়ে ঘটল, যখন হরমুজ প্রণালিতে ইরানের জাহাজ চলাচলের উপর আমেরিকা কড়া নজরদারি চালাচ্ছে। এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে বিশ্বের বিপুল পরিমাণ তেল পরিবহন হয়, তাই এর উপর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আন্তর্জাতিক স্তরে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।একই সময়ে ইরানের সঙ্গে একটি বড় চুক্তির চেষ্টা চালাচ্ছেন ট্রাম্প। তবে ইরান জানিয়ে দিয়েছে, তারা পরবর্তী বৈঠকে অংশ নেবে না। তাদের অভিযোগ, আমেরিকা অতিরিক্ত শর্ত চাপিয়ে দিচ্ছে এবং অবরোধ চালিয়ে যাচ্ছে, যা চুক্তির পরিপন্থী।ট্রাম্পের দাবি, ইরানকে তাদের পরমাণু কর্মসূচি বন্ধ করতে হবে, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম জমা দিতে হবে এবং হরমুজ প্রণালিকে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলের জন্য পুরোপুরি খুলে দিতে হবে।বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে উত্তেজনা বাড়ায় আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে বিশ্ব অর্থনীতিতেও তার প্রভাব পড়তে পারে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
রাজ্য

জলপাইগুড়ি থেকে বিস্ফোরক হুঁশিয়ারি! “একটা গুলি চালালে দুটো চালাব”—বাংলা রাজনীতিতে আগুন ধরালেন হিমন্ত

জলপাইগুড়ির জনসভা থেকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। তাঁর বক্তব্য ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, একটা গুলি চালালে, দুটো গুলি চালাব। বাংলায় পুলিশ থাকলে, অসমেও পুলিশ আছে। উত্তরবঙ্গের সভা থেকে মূলত তৃণমূল কংগ্রেসকে লক্ষ্য করেই এই আক্রমণাত্মক সুর শোনা যায়।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম করে হিমন্ত দাবি করেন, তিনি সব সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে আক্রমণ করেন। তাঁর কটাক্ষ, মমতার মুখে রাম বা দুর্গার নাম শোনা যায় না, বরং সারাদিন তিনি মোদী-শাহর নামই নেন। একই সঙ্গে হিমন্ত আরও বলেন, গত কয়েক দিন ধরে মমতা তাঁর নামও নিচ্ছেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। এই প্রসঙ্গে তিনি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, তৃণমূলের লোকেরা আমার সামনে দাঁড়াতে পারবে না। টক্কর সমানে সমানে হবে।এই মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, একজন মুখ্যমন্ত্রী হয়ে এ ধরনের বক্তব্য দেওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। তাঁর অভিযোগ, হিমন্ত কার্যত গৃহযুদ্ধের মতো পরিস্থিতি তৈরি করার চেষ্টা করছেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এই ধরনের মন্তব্যের পরেও কেন প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নীরব রয়েছেন।জয়প্রকাশ আরও বলেন, একজন সাংবিধানিক পদে থাকা ব্যক্তির মুখে এমন প্ররোচনামূলক কথা দেশের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর জন্য বিপজ্জনক। এর ফলে রাজনৈতিক পরিবেশ আরও অশান্ত হয়ে উঠতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।নির্বাচনের আগে এই ধরনের মন্তব্যে রাজ্য রাজনীতিতে উত্তাপ অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, উন্নয়ন ও জনস্বার্থের ইস্যু ছেড়ে এখন ব্যক্তিগত আক্রমণ ও পাল্টা হুমকিই রাজনীতির মূল কেন্দ্র হয়ে উঠছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

নেতানিয়াহুর গদি কি টলমল? ইজরায়েলের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী পদে বিরোধী নেতাকে সমর্থন আরব দলগুলির!

ইজরায়েলের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত। দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী পদে বিরোধী নেতা গাদি আইজেনকোটকে সমর্থন জানাল আরব-নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক দলগুলি। বৃহস্পতিবার এই ঘোষণা করা হয়েছে। এর ফলে আইজেনকোটের পক্ষে ১২০ আসনের সংসদে ৬৭ জন সদস্যের সমর্থন পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ইজরায়েলে সরকার গড়তে প্রয়োজন ৬১ জন সাংসদের সমর্থন। সেই হিসাব অনুযায়ী, সরকার গঠনের দৌড়ে অনেকটাই এগিয়ে যেতে পারেন বিরোধী নেতা।বৃহস্পতিবার যৌথ তালিকা জোট জানায়, তারা দেশের রাষ্ট্রপতি আইজ্যাক হারজগের কাছে আইজেনকোটকে পরবর্তী সরকার গঠনের দায়িত্ব দেওয়ার সুপারিশ করবে। এর আগে আর একটি আরব-নেতৃত্বাধীন দল রাআমও একই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিল। আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, যৌথ তালিকা জোটের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতির কাছে তাদের সিদ্ধান্ত জানানো হবে।যৌথ তালিকা জোটের হাতে রয়েছে ১১টি আসন। অন্য দিকে, রাআমের আসন সংখ্যা আট। দুই দল মিলিয়ে মোট ১৯ জন সাংসদ রয়েছেন। ইজরায়েলের সংসদে আরব-নেতৃত্বাধীন দলগুলির পক্ষে এই সংখ্যা রেকর্ড বলে জানা যাচ্ছে। এই দুই দলের সমর্থন নিশ্চিত হলে আইজেনকোটের পক্ষে মোট ৬৭ জন সাংসদের সমর্থন থাকতে পারে। ফলে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যার চেয়ে অনেকটাই এগিয়ে থাকবে তাঁর শিবির।অন্য দিকে, প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর শিবিরের সামনে রয়েছে বড় চ্যালেঞ্জ। তাঁদের হাতে রয়েছে ৫৩টি আসন। তবে প্রধানমন্ত্রী পদে নেতানিয়াহুকে কত জন সাংসদ সমর্থন করবেন, সেই সংখ্যা আরও কম হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে নেতানিয়াহুর জোটের শরিক ইউনাইটেড তোরাহ জুডাইজমের একটি অংশও তাঁর পাশে নেই। ওই জোটের সাতটি আসনের মধ্যে চারটি আসন রয়েছে দেগেল হা তোরাহের হাতে। তারা জানিয়েছে, নেতানিয়াহু বা আইজেনকোটকাউকেই প্রধানমন্ত্রী পদে সমর্থন করবে না। টাইমস অফ ইজরায়েলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অতি-গোঁড়া ইহুদি সম্প্রদায়ের পুরুষদের বাধ্যতামূলক সামরিক পরিষেবা থেকে ছাড় দেওয়ার আইন পাশ করাতে ব্যর্থ হয়েছে নেতানিয়াহু সরকার। সেই কারণেই জোটের সঙ্গে তাদের দূরত্ব তৈরি হয়েছে।সব মিলিয়ে ইজরায়েলে নতুন সরকার গঠন নিয়ে রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। রাষ্ট্রপতি আইজ্যাক হারজগ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সরকার গঠনের জন্য কাকে আমন্ত্রণ জানাবেন, তা ঠিক করবেন। আরব দলগুলির সমর্থনে আপাতত সেই দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন গাদি আইজেনকোট। তবে শেষ পর্যন্ত ইজরায়েলের ক্ষমতা কার হাতে যায়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

নভেম্বর ০৫, ২০২৬
কলকাতা

এসএসসি গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি নিয়োগে বড় খবর! ইন্টারভিউয়ের তালিকায় কারা, দেখে নিন নাম

এসএসসি-র গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে বড় খবর। বৃহস্পতিবার ইন্টারভিউয়ের জন্য প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করল স্কুল সার্ভিস কমিশন। কমিশনের সরকারি ওয়েবসাইটে এই তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মোট ৩৮ হাজার প্রার্থীকে ইন্টারভিউয়ের জন্য ডাকা হয়েছে। কারা এই তালিকায় জায়গা পেয়েছেন, তা কমিশনের ওয়েবসাইটে গিয়ে দেখে নিতে পারবেন চাকরিপ্রার্থীরা।কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের ১৪ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে জমা দেওয়া সংশোধিত শূন্যপদের হিসাবের ভিত্তিতে এই প্রাথমিক তালিকা তৈরি করা হয়েছে। ২০২৫ সালের প্রথম রাজ্যস্তরের বাছাই পরীক্ষা বা এসএলএসটি-র মাধ্যমে নন-টিচিং স্টাফের ক্লার্ক পদে নিয়োগের জন্য যোগ্য প্রার্থীদের নাম এই তালিকায় রাখা হয়েছে।প্রার্থীরা স্কুল সার্ভিস কমিশনের সরকারি ওয়েবসাইটে গিয়ে প্রকাশিত তালিকায় নিজেদের নাম খুঁজে নিতে পারবেন। নামের পাশাপাশি অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্যও মিলিয়ে দেখে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। পরবর্তী ধাপে প্রার্থীদের মূল নথি, শংসাপত্র এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করা হবে। পাশাপাশি নেওয়া হবে ইন্টারভিউ। তবে নথি যাচাই এবং ইন্টারভিউয়ের দিনক্ষণ এখনও জানায়নি কমিশন। পরবর্তী সময়ে এ বিষয়ে বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে কমিশনের ওয়েবসাইটে।কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রুপ ডি পদের পরীক্ষা হয়েছে ১ মার্চ। অন্য দিকে, গ্রুপ সি পদের পরীক্ষা হওয়ার কথা ৮ মার্চ। গ্রুপ সি পদে শূন্যপদের সংখ্যা ২,৯৮৯। গ্রুপ ডি পদে শূন্যপদ রয়েছে ৫,৪৮৮টি। এই দুই পদে নিয়োগের জন্যই প্রার্থীদের পরবর্তী ধাপের প্রক্রিয়া শুরু হতে চলেছে।উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ২৬ হাজার চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। তার পর নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়। ২০২৬ সালের মার্চ মাসে আলাদা দিনে গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি পদের পরীক্ষা নেওয়া হয়। তবে বিধানসভা নির্বাচনের কারণে ফল প্রকাশ পিছিয়ে যায় বলে জানা গিয়েছে। দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবশেষে ইন্টারভিউয়ের প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করল স্কুল সার্ভিস কমিশন। ফলে নতুন করে আশায় বুক বাঁধছেন চাকরিপ্রার্থীরা।

নভেম্বর ০৫, ২০২৬
রাজ্য

ভেন্টিলেশনে প্রাক্তন মন্ত্রী ! কিডনি বিকল, ব্রেন স্ট্রোকের পর কী বলছেন চিকিৎসকেরা?

রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাসের শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সংকটজনক। কলকাতার একটি হাসপাতালে ভেন্টিলেশনে রয়েছেন তিনি। কিডনির সমস্যা দেখা দেওয়ায় চলছে ডায়ালিসিস। এর পাশাপাশি ব্রেন স্ট্রোক এবং হৃদযন্ত্রের সমস্যাও রয়েছে তাঁর। চিকিৎসকেরা পেসমেকার বসানোর কথা ভাবলেও শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় আপাতত অস্ত্রোপচারের ঝুঁকি নিতে চাইছেন না। তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ। উজ্জ্বল বিশ্বাসের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে তাঁকে দেখতে গিয়েছিলেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্রও।উজ্জ্বল বিশ্বাসের অসুস্থতা নিয়ে সমাজমাধ্যমে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কুণাল ঘোষ। তাঁর দাবি, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর উজ্জ্বল বিশ্বাসের উপর অত্যাচার করা হয়েছিল। সেই ঘটনার ধাক্কা তাঁর শরীর ও মনের উপর গভীর প্রভাব ফেলেছিল বলেও অভিযোগ করেছেন কুণাল। অন্য দিকে, মহুয়া মৈত্রও উজ্জ্বল বিশ্বাসের শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁর দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার কামনা করেছেন তিনি।গত কয়েক মাস ধরেই অসুস্থ উজ্জ্বল বিশ্বাস। গত ৫ অক্টোবর কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর হৃদ্যন্ত্রের বাইপাস অস্ত্রোপচার হয়। কিন্তু অস্ত্রোপচারের পরের দিনই ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হন তিনি। প্রায় ১৪ দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর তাঁকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই চলছিল তাঁর চিকিৎসা।কিন্তু দুর্গাপুজোর পঞ্চমীর দিন ফের অসুস্থ হয়ে পড়েন প্রাক্তন মন্ত্রী। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় সপ্তমীর দিন তাঁকে কলকাতার একটি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। চিকিৎসকেরা তাঁর নিউমোনিয়া হয়েছে বলে জানান। সেই সঙ্গে ফুসফুসের কার্যক্ষমতাও কমে যায়। একের পর এক শারীরিক জটিলতা দেখা দেওয়ায় তাঁর অবস্থার আরও অবনতি হয়। শ্বাস নিতে যাতে সমস্যা না হয়, সে জন্য গলায় অস্ত্রোপচার করে শ্বাস নেওয়ার বিকল্প ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি কিডনির সমস্যা দেখা দেওয়ায় নিয়মিত ডায়ালিসিস চলছে।উল্লেখ্য, রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর একাধিক অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন উজ্জ্বল বিশ্বাস। তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নিঃস্বার্থ ভাবে কৃষ্ণনগরের মানুষের সেবা করার পরেও উজ্জ্বল বিশ্বাসের উপর হামলা চালানো হয়েছিল। তাঁর দাবি, জেল থেকে ফেরার পর থেকেই শারীরিক ভাবে ভেঙে পড়তে শুরু করেন প্রাক্তন মন্ত্রী। পরবর্তী সময়ে হৃদ্যন্ত্রের অস্ত্রোপচার, ব্রেন স্ট্রোক এবং কিডনির সমস্যায় আক্রান্ত হন তিনি।সব মিলিয়ে উজ্জ্বল বিশ্বাসের শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। চিকিৎসকেরা আপাতত তাঁর শারীরিক অবস্থার দিকে নজর রাখছেন। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, এখনও উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি তাঁর। পেসমেকার বসানোর বিষয়েও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়নি।

নভেম্বর ০৫, ২০২৬
কলকাতা

সিঙ্গুরে কি ফিরছে গাড়ি কারখানা? শিল্পনীতি ঘোষণার দিনেই বড় ইঙ্গিত শুভেন্দুর!

রাজ্যে নতুন শিল্পনীতি প্রকাশ করল বিজেপি সরকার। বৃহস্পতিবার নতুন শিল্পনীতির কথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এই নীতিতে রাজ্যের শিল্পক্ষেত্রে একাধিক সুবিধা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। বিদ্যুতের শুল্ক থেকে শুরু করে কর্মীদের ভবিষ্যনিধি সংক্রান্ত বিষয়েও বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থা রাখার কথা জানিয়েছে সরকার। আর নতুন শিল্পনীতি ঘোষণার দিনেই সিঙ্গুর নিয়ে বড় ইঙ্গিত দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, সিঙ্গুরের জন্য বিশেষ পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে নতুন করে কিছু করার কথা ভাবছে রাজ্য সরকার।গত ১৫ বছর তৃণমূল সরকারের আমলে বাংলায় বড় শিল্প আসেনি বলে বারবার অভিযোগ করেছে বিজেপি। রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তনের পর শিল্পের প্রসার নিয়ে নতুন সরকারের কাছে মানুষের প্রত্যাশা অনেক। বাংলায় নতুন শিল্প আসুক, তৈরি হোক কর্মসংস্থানএমনটাই চাইছেন সাধারণ মানুষ। ক্ষমতায় আসার পর থেকেই রাজ্যে শিল্প ফিরিয়ে আনার কথা বলে আসছেন মুখ্যমন্ত্রী থেকে শুরু করে শিল্প দফতরের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীরা। কয়েকটি ক্ষেত্রে নতুন বিনিয়োগও এসেছে। এরই মধ্যে নতুন শিল্পনীতি প্রকাশ করল রাজ্য সরকার। তবে সিঙ্গুরে শিল্প ফেরানো নিয়ে কী ভাবছে সরকার, তা নিয়ে প্রশ্ন ছিলই।সেই প্রশ্নের জবাবে বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, সিঙ্গুর নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এই বিষয়ে অশোক লেল্যান্ডের সঙ্গেও কথা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, সিঙ্গুর নিয়ে অবশ্যই আমরা ইতিবাচক পদক্ষেপ করব। সেই বিষয়ে অশোক লেল্যান্ডের সঙ্গে কথা হয়েছে। কিছু একটা করব। তাঁর এই মন্তব্যের পরেই নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। তা হলে কি সিঙ্গুরে আবার গাড়ি তৈরির কারখানা গড়ে উঠতে পারে? যদিও এ বিষয়ে এখনও কোনও নির্দিষ্ট ঘোষণা করেননি মুখ্যমন্ত্রী।সিঙ্গুরের সঙ্গে বাংলার শিল্পায়নের ইতিহাস জড়িয়ে রয়েছে। ২০০৬ সালে বামফ্রন্ট সরকারের আমলে হুগলির সিঙ্গুরে প্রায় এক হাজার একর জমি অধিগ্রহণ করে টাটা মোটরসের ন্যানো গাড়ির কারখানা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের উদ্যোগে বাংলায় ছোট গাড়ি তৈরির কারখানা গড়ে তোলার পরিকল্পনা হয়েছিল। কিন্তু কৃষিজমি অধিগ্রহণের বিরোধিতা করে আন্দোলনে নামেন একাংশের কৃষক। সেই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন তৎকালীন বিরোধী নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০০৬ সালের ডিসেম্বর মাসে জমি আন্দোলনের প্রতিবাদে অনশন শুরু করেন তিনি। টানা ২৬ দিন অনশনের পর তা প্রত্যাহার করেন।২০০৮ সালের অগস্ট মাসে সিঙ্গুরে আন্দোলন আরও জোরালো হয়। পরিস্থিতির চাপে ওই বছরের সেপ্টেম্বর মাসে টাটা মোটরস কারখানার কাজ বন্ধ করে দেয়। শেষ পর্যন্ত ২০০৮ সালের ৩ অক্টোবর সিঙ্গুর থেকে ন্যানো প্রকল্প সরিয়ে নেওয়ার কথা ঘোষণা করেন রতন টাটা। পরে গুজরাতের সানন্দে তৈরি হয় ন্যানো গাড়ির কারখানা।২০১১ সালে রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর সিঙ্গুরের জমি কৃষকদের ফিরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেয় তৃণমূল সরকার। তবে জমি ফেরত পাওয়ার পরেও সেখানে চাষবাস সেভাবে শুরু হয়নি। অন্য দিকে, নতুন করে শিল্পও গড়ে ওঠেনি। ফলে দীর্ঘদিন ধরেই সিঙ্গুরে শিল্প ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এই পরিস্থিতিতে নতুন শিল্পনীতি প্রকাশের দিন মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্য তাঁদের মনে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। তবে সিঙ্গুরে ঠিক কী ধরনের শিল্প গড়ে উঠবে, তা জানতে এখন অপেক্ষা করতে হবে।

নভেম্বর ০৫, ২০২৬
দেশ

দিল্লিতে ফের ভয়াবহ বিপর্যয়! হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল তিনতলা বাড়ি, মৃত ২, ধ্বংসস্তূপে বহু?

দিল্লিতে ফের বাড়ি ভেঙে বড়সড় বিপর্যয়। বৃহস্পতিবার সকালে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল একটি নির্মীয়মাণ তিনতলা বাড়ি। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত দুজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নীচে আরও অনেকে আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাঁদের উদ্ধারে জোরকদমে কাজ চালাচ্ছে পুলিশ, দমকল এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী।স্থানীয় সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ৫০ মিনিট নাগাদ দুর্ঘটনাটি ঘটে। চাওরি বাজার মেট্রো স্টেশনের কাছে গলি সিতারা এলাকায় নির্মাণকাজ চলছিল বাড়িটিতে। আচমকাই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে তিনতলা বাড়িটি। বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে এলাকা। মুহূর্তের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে।খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ, দমকল এবং উদ্ধারকারী দল। ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে শুরু হয় উদ্ধারকাজ। এখনও পর্যন্ত দুজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানে চিকিৎসকেরা তাঁদের মৃত বলে ঘোষণা করেন। মৃতদের নাম চন্দরপাল (৬০) এবং বিজয় কুমার (৩৩)।প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, বাড়িটির নির্মাণকাজ চলছিল। সেই সময় পুরনো ছাদের একটি অংশ ভেঙে পড়ে। তার জেরেই গোটা বাড়িটি ভেঙে পড়ে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ধ্বংসস্তূপের নীচে আরও অনেকে চাপা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা। তাঁদের খোঁজে চলছে তল্লাশি।উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় একাধিক বাড়ি ভেঙে পড়ার ঘটনা সামনে এসেছে। সেই সব ঘটনায় প্রাণহানিও হয়েছে। তার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের এমন দুর্ঘটনা ঘটল রাজধানীতে। পর পর এই ধরনের ঘটনায় দিল্লির নিরাপত্তা ও নির্মাণকাজের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।এই পরিস্থিতিতে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তার বিরুদ্ধে সরব হয়েছে আম আদমি পার্টি। রাজধানীতে একের পর এক বাড়ি ভেঙে পড়ার ঘটনায় সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তারা।

নভেম্বর ০৫, ২০২৬
দেশ

এসআইআর নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের! ফর্ম ৬ জমা দিতে আর লাগবে না এই নথি

এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই বড় সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। ভোটার তালিকায় নতুন করে নাম তোলার জন্য ফর্ম ৬ জমা দিতে গেলে আর দিতে হবে না এসআইআর সংক্রান্ত ডিক্লারেশন বা ঘোষণা। যে সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এখন ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন চলছে, সেখানেও এই নিয়ম কার্যকর হবে। বৃহস্পতিবার এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে কমিশন। এর ফলে নতুন ভোটারদের জন্য ফর্ম ৬ জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া আরও সহজ হল।এসআইআর শুরু হওয়ার পর থেকেই ফর্ম ৬-এ ডিক্লারেশন জমা দেওয়ার নিয়ম নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। প্রথম থেকেই এই সিদ্ধান্তে আপত্তি জানিয়েছিলেন দুই নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিংহ সান্ধু এবং বিবেক জোশী। তাঁদের বক্তব্য ছিল, আপত্তি থাকা সত্ত্বেও এসআইআর প্রক্রিয়ার সঙ্গে ফর্ম ৬-কে যুক্ত করা হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত তাঁদের আপত্তির বিষয়টিই গুরুত্ব পেল বলে মনে করা হচ্ছে।ভোটার তালিকায় নতুন করে নাম তুলতে হলে ফর্ম ৬ পূরণ করতে হয়। এত দিন এসআইআর চলাকালীন এই ফর্ম জমা দেওয়ার সময় আবেদনকারীদের একটি অতিরিক্ত ঘোষণা দিতে হচ্ছিল। সেই ঘোষণায় আবেদনকারীর পরিবারের পুরনো ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে কি না, তা জানতে চাওয়া হচ্ছিল। বিশেষ করে আবেদনকারীর বাবা-মা, দাদু-দিদার নাম শেষ এসআইআরের ভোটার তালিকায় ছিল কি না, সেই তথ্য দিতে হচ্ছিল।অনলাইনে ফর্ম ৬ পূরণ করার সময়ও এই সংক্রান্ত তথ্য চাওয়া হচ্ছিল। ফর্মের নির্দিষ্ট অংশে এসআইআর সংক্রান্ত ঘোষণা জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক ছিল। এই নিয়ম নিয়েই আপত্তি ওঠে। বিরোধীরাও প্রশ্ন তোলেন, নতুন করে ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য আবেদন করতে গেলে কেন এসআইআরের অতিরিক্ত ঘোষণা দিতে হবে?নির্বাচন কমিশনের দুই সদস্যও এই নিয়ম নিয়ে আপত্তি জানান। কমিশনার সুখবীর সিংহ সান্ধুর বক্তব্য ছিল, আইন সংশোধন না করে ফর্মে এই ধরনের পরিবর্তন করা যায় না। সংসদের মাধ্যমে আইন সংশোধনের পরেই ফর্মে প্রয়োজনীয় বদল আনা উচিত। কিন্তু সেই আপত্তি সত্ত্বেও নিয়ম চালু করা হয়েছিল বলে অভিযোগ।শেষ পর্যন্ত চাপের মুখে ফর্ম ৬-এর সঙ্গে এসআইআর সংক্রান্ত ঘোষণা জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন। পশ্চিমবঙ্গ-সহ এসআইআর প্রক্রিয়া শেষ হওয়া ১৩টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ইতিমধ্যেই নতুন করে ফর্ম ৬ জমা নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে।বৃহস্পতিবার কমিশন আরও জানিয়েছে, বর্তমানে যে সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এসআইআর চলছে, সেখানেও ফর্ম ৬ জমা দেওয়ার সময় আর অতিরিক্ত ঘোষণা দিতে হবে না। অর্থাৎ, অনলাইনে ফর্ম পূরণের ক্ষেত্রেও এই বাধ্যবাধকতা তুলে নেওয়া হল।এসআইআর প্রক্রিয়ার মধ্যে কমিশনের এই সিদ্ধান্ত যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। নতুন ভোটারদের নাম তালিকায় তোলার ক্ষেত্রে এত দিন যে অতিরিক্ত নিয়ম মানতে হচ্ছিল, তা আর মানতে হবে না। তবে কমিশনের এই সিদ্ধান্ত ঘিরে দুই নির্বাচন কমিশনারের আগের আপত্তি এবং বিরোধীদের প্রশ্ন নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে।

নভেম্বর ০৫, ২০২৬
রাজ্য

বাবরি মসজিদ নিয়ে সুর বদল হুমায়ুনের! মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারির পরই ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গেলেন বিধায়ক?

বাবরি মসজিদ বিতর্কে আচমকাই সুর বদল নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের। মুর্শিদাবাদে বাবরের নামে মসজিদ তৈরি হলে কোনও অনুমতি দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সেই মন্তব্যের পরেই নিজের অবস্থান থেকে সরে আসার ইঙ্গিত দিলেন হুমায়ুন। বৃহস্পতিবার সকালে তিনি জানালেন, মুখ্যমন্ত্রী যদি বাবরি নাম না চান, তা হলে তাঁর ইচ্ছাকে সম্মান জানাতে হবে।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল ছেড়ে নতুন দল তৈরি করেন হুমায়ুন কবীর। আম জনতা উন্নয়ন পার্টি নামে সেই দল গড়ে ভোটের ময়দানে নামেন তিনি। সেই সময়ই মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদ তৈরির ঘোষণা করেছিলেন হুমায়ুন। তা ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয় তুমুল বিতর্ক। এর পর মুর্শিদাবাদে মসজিদ তৈরির কাজও শুরু হয়।গত ২ নভেম্বর বেলডাঙায় বাবরি মসজিদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত একটি সভায় আরও আক্রমণাত্মক মেজাজে দেখা যায় তাঁকে। সেখানে মসজিদ নির্মাণের আয়-ব্যয়ের হিসাব নিয়ে আলোচনা হয়। সেই সভা থেকেই আগামী ৬ ডিসেম্বর বাবরি মসজিদ ধ্বংসের দিন জাতীয় সড়ক অবরোধের হুঁশিয়ারি দেন হুমায়ুন। প্রশাসনের ক্ষমতা থাকলে তাঁকে আটকে দেখাক বলেও চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন তিনি।এর পরেই বুধবার বাবরি মসজিদ বিতর্কে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, মুর্শিদাবাদের অনেক কৃতী মানুষের নামে মসজিদ তৈরি করা যেতে পারে। কিন্তু বাবরের নামে মসজিদ তৈরি হলে কোনও পরিকল্পনা বা অনুমোদন মিলবে না। এই বিষয়ে জেলার জেলাশাসককে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পরেই বৃহস্পতিবার সকালে সুর নরম করেন হুমায়ুন। তাঁর কথায়, মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। তিনি যদি বাবরি নাম না চান, তা হলে তাঁর ইচ্ছাকে মান্যতা দিতেই হবে। হুমায়ুনের এই মন্তব্যের পরেই নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। এত দিন যে বিষয়ে অনড় অবস্থান নিয়েছিলেন তিনি, সেই অবস্থান থেকে কি তবে সরে আসছেন নওদার বিধায়ক?হুমায়ুনের মন্তব্য নিয়ে কটাক্ষ করেছেন বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ। তাঁর দাবি, বাবরি মসজিদ তৈরি হবে না। হুমায়ুনের কথারও কোনও স্থিরতা নেই বলে অভিযোগ করেন তিনি। সজলের কটাক্ষ, কখনও এক কথা, কখনও অন্য কথা বলেন হুমায়ুন। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন মন্তব্য করেন তিনি। তাই তাঁর কথায় গুরুত্ব দিতে চান না বলেও জানান বিজেপি বিধায়ক।বাবরি মসজিদ নির্মাণ নিয়ে হুমায়ুনের এই নতুন মন্তব্যে বিতর্কে আরও একটি নতুন মোড় এল। মুখ্যমন্ত্রীর আপত্তির পর সত্যিই কি মসজিদের নাম বদলাবেন তিনি, নাকি ভবিষ্যতে আবার নিজের অবস্থান স্পষ্ট করবেন? আপাতত সেই দিকেই নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।

নভেম্বর ০৫, ২০২৬
রাজ্য

বোতলের ভিতরে মা কালী! মহাদেবের কোলে শিশুর মতো শুয়ে দেবী, বাঁকুড়ার শিল্পীর সৃষ্টি দেখে অবাক নেটপাড়া

কাচের বোতলের ভিতরে আস্ত মা কালী! তাও আবার প্রচলিত রূপে নয়। মহাদেবের বুকে পা দিয়ে দাঁড়িয়ে নেই দেবী। বরং দেবাদিদেব মহাদেবের কোলেই শিশুর মতো শুয়ে রয়েছেন তিনি। আর এমনই এক অভিনব শিল্পকর্ম তৈরি করে সকলকে অবাক করে দিয়েছেন বাঁকুড়ার শিল্পী ইন্দ্রনীল চট্টোপাধ্যায়।সাধারণত কালীমূর্তিতে মহাদেবের বুকের উপর দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় দেবীকে। কিন্তু সেই চেনা ছবির বাইরে গিয়ে সম্পূর্ণ অন্য ভাবনায় মূর্তিটি তৈরি করেছেন ইন্দ্রনীল। সবচেয়ে অবাক করার বিষয়, গোটা মূর্তিটি তৈরি হয়েছে একটি কাচের বোতলের ভিতরে। ব্যবহার করা হয়েছে বিভিন্ন রঙের সুতো। সরু তারের সাহায্যে একের পর এক সুতো বোতলের ভিতরে ঢুকিয়ে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে এই শিল্পকর্ম তৈরি করেছেন তিনি।কাজী নজরুল ইসলামের লেখা কালো মেয়ের পায়ের তলায় দেখে যা আলোর নাচন গানটি মা কালীর ভক্তদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। প্রচলিত কালীমূর্তির সঙ্গে এই গানের ভাবনা জড়িয়ে রয়েছে। তবে ইন্দ্রনীলের তৈরি মূর্তিতে ফুটে উঠেছে দেবী ও মহাদেবের সম্পর্কের এক অন্য দিক।এই শিল্পকর্ম তৈরির পিছনে রয়েছে শিল্পীর নিজস্ব ভাবনা। ইন্দ্রনীলের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, অসুর বধের পর প্রচণ্ড ক্রোধে উন্মত্ত হয়ে ওঠেন দেবী। তাঁকে শান্ত করতে মহাদেব তাঁর সামনে শুয়ে পড়েন। দেবীর পা মহাদেবের বুকে পড়তেই শান্ত হন তিনি। পৌরাণিক কাহিনির এই পরিচিত দৃশ্যের পরের অংশটিই নিজের কল্পনায় সাজিয়েছেন শিল্পী।তাঁর ভাবনায়, দেবী শান্ত হওয়ার পর মহাদেব তাঁকে নিজের কোলে তুলে নেন। ছোট্ট শিশুর মতো বুকে আগলে আদর করেন। দেবী ও মহাদেবের সম্পর্কের মধ্যে থাকা ভালোবাসা, স্নেহ এবং মমতার সেই ছবিই ফুটিয়ে তুলেছেন তিনি। প্রচলিত চিত্রকল্পের বাইরে গিয়ে এমন ভাবনা তাঁর শিল্পকর্মকে অন্য মাত্রা দিয়েছে।বাঁকুড়া শহরের বাসিন্দা ইন্দ্রনীল চট্টোপাধ্যায় প্রায় ৩০ বছর ধরে ছবি আঁকা এবং নানা ধরনের সৃজনশীল শিল্পকর্মের সঙ্গে যুক্ত। বোতলের ভিতরে বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে শিল্পকর্ম তৈরি করাই তাঁর বিশেষ পরিচিতি। বাংলার পরিচিত বোতলশিল্পীদের মধ্যেও তিনি অন্যতম।দীর্ঘ শিল্পীজীবনে দেশের বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের সামনে নিজের কাজ তুলে ধরার সুযোগ পেয়েছেন ইন্দ্রনীল। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং ভারতীয় ক্রিকেটের প্রাক্তন অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। দীর্ঘদিনের সাধনা, ধৈর্য এবং অভিনব ভাবনার জোরেই নিজের আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছেন বাঁকুড়ার এই শিল্পী।একটি ছোট্ট কাচের বোতলের ভিতরে রঙিন সুতোর সাহায্যে এমন সূক্ষ্ম কাজ সত্যিই নজর কাড়ার মতো। আর মা কালী ও মহাদেবের পরিচিত সম্পর্ককে এক নতুন ভাবনায় তুলে ধরে শিল্পী বুঝিয়ে দিয়েছেন, শিল্পের জগতে কল্পনার কোনও সীমা নেই।

নভেম্বর ০৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal