• ১০ আশ্বিন ১৪৩৩, মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Amit Shah

রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুকে নিয়ে অমিত শাহের মুখে এমন কথা! কী বদলেছে বাংলায়, মঞ্চে জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রাজ্যে বিজেপি সরকারের ১০০ দিন পূর্ণ হয়েছে। এই আবহেই উত্তরবঙ্গে একটি অনুষ্ঠানে এসে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাজের প্রশংসা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সীমান্ত নিরাপত্তা থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জন্য জমি দেওয়াএকাধিক বিষয় তুলে ধরে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সমন্বয়ের কথা জানান শাহ।মঞ্চে দাঁড়িয়ে অমিত শাহ বলেন, শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর সীমান্ত সুরক্ষা নিয়ে রাজ্য সরকারের সহযোগিতা পাওয়া সহজ হয়েছে। তাঁর দাবি, প্রয়োজন হলে ফোন করলেই অনুমতি পাওয়া যায়, চিঠি পরে যায়। এই মন্তব্য ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে।শাহ আরও জানান, সরকার গঠনের ৪৫ দিনের মধ্যেই বিএসএফ এবং এসএসবির জন্য ১১২৯ একর জমি দেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, এই জমি ২০১৪ সাল থেকেই চাওয়া হচ্ছিল। আরও ২৯ একর জমি দেওয়ার বিষয়েও মুখ্যমন্ত্রী দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানান তিনি।কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব রয়েছে। বাংলার উন্নয়ন এবং রাজ্যের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে তাঁদের মধ্যে দীর্ঘ আলোচনা হয় বলেও জানান তিনি। তাঁর বক্তব্য, অনুপ্রবেশ বন্ধ না হলে বাংলা বা দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। সেই কারণে সীমান্তে কাঁটাতারের প্রয়োজন রয়েছে।এই প্রসঙ্গেই রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের সময়ের কথাও টেনে আনেন শাহ। তাঁর দাবি, বিএসএফের জন্য জমি দেওয়ার বিষয়ে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রীর কাছে বারবার আবেদন করা হয়েছিল। এমনকি তিনি নিজে তাঁর দফতরেও গিয়েছিলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্মতি জানিয়েছিলেন বলে দাবি করলেও শেষ পর্যন্ত জমি দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন শাহ।শাহের কথায়, এসএসবি বা বিএসএফ কোনও রাজনৈতিক দল নয়। দেশের সীমান্ত সুরক্ষায় তাঁদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাই দল-মত নির্বিশেষে জওয়ানদের সঙ্গে রাজ্য সরকারের সুসম্পর্ক থাকা প্রয়োজন।বাংলায় বিজেপি সরকার গঠনের পর ১০০ দিনের সময়ে কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে সমন্বয়ের বিষয়টি তুলে ধরে অমিত শাহের এই বক্তব্য রাজনৈতিক ভাবে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে সীমান্ত নিরাপত্তা, অনুপ্রবেশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর জন্য জমি দেওয়ার প্রসঙ্গে তাঁর মন্তব্য নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনা তৈরি করেছে।

আগস্ট ২১, ২০২৬
রাজ্য

সীমান্তের নিরাপত্তায় নজর, ফের বাংলায় অমিত শাহ! শিলিগুড়িতে বড় বৈঠক ঘিরে তৎপর প্রশাসন

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের ফের বঙ্গ সফর ঘিরে তৎপরতা শুরু হয়েছে উত্তরবঙ্গে। শুক্রবার পশ্চিমবঙ্গে আসছেন তিনি। দুদিনের এই সফরে শিলিগুড়িকে কেন্দ্র করে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। তবে এবারের সফরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হতে চলেছে ভারত-বাংলাদেশ এবং ভারত-নেপাল সীমান্তের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক।ভৌগোলিক অবস্থানের দিক থেকে শিলিগুড়ি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চিকেনস নেক নামে পরিচিত এই করিডরের কাছাকাছি রয়েছে বাংলাদেশ, নেপাল এবং ভুটানের সীমান্ত। উত্তর-পূর্ব ভারতের সঙ্গে দেশের বাকি অংশের যোগাযোগের ক্ষেত্রেও শিলিগুড়ি করিডরের গুরুত্ব অপরিসীম। ফলে সীমান্ত নিরাপত্তা, নজরদারি এবং আন্তঃসীমান্ত অপরাধ মোকাবিলার মতো বিষয় নিয়ে বৈঠকের জন্য শিলিগুড়িকে বেছে নেওয়া হয়েছে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।অমিত শাহের সফরকে সামনে রেখে ইতিমধ্যেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। রাজ্য পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকরা শিলিগুড়িতে পৌঁছে বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করছেন। রাজ্য পুলিশের প্রধান সিদ্ধার্থ নাথ গুপ্ত-সহ একাধিক আধিকারিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রস্তুতি খতিয়ে দেখেছেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর যাতায়াতের রাস্তা থেকে শুরু করে বৈঠকের স্থানসব ক্ষেত্রেই বাড়তি নজরদারি রাখা হচ্ছে।প্রশাসনিক সূত্রের খবর, গত ১০০ দিনে রাজ্যে পুলিশের কাজ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অগ্রগতি নিয়ে একটি বিস্তারিত রিপোর্ট প্রস্তুত করেছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, পুলিশের কার্যকলাপ এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে গৃহীত পদক্ষেপের তথ্য সেই রিপোর্টে তুলে ধরা হয়েছে।এর পাশাপাশি দেশে কার্যকর হওয়া তিনটি নতুন ফৌজদারি আইন রাজ্যে কীভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে, তা তুলে ধরতে বিশেষ প্রদর্শনীরও আয়োজন করা হয়েছে। অমিত শাহের সফরে সেই প্রদর্শনীর উদ্বোধন করার কথা রয়েছে। নতুন আইনের প্রয়োগ, তদন্ত প্রক্রিয়ায় তার প্রভাব এবং পুলিশের কাজের ক্ষেত্রে কী ধরনের পরিবর্তন এসেছেপ্রদর্শনীতে সেই বিষয়গুলিও তুলে ধরা হতে পারে।তবে সফরের মূল আকর্ষণ সীমান্ত নিরাপত্তা সংক্রান্ত বৈঠক। সূত্রের খবর, বৈঠকে বিএসএফ এবং সশস্ত্র সীমা বল বা SSB-র শীর্ষ আধিকারিকরা সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট পেশ করবেন। ভারত-বাংলাদেশ এবং ভারত-নেপাল সীমান্তে বর্তমানে কী ধরনের চ্যালেঞ্জ রয়েছে, সীমান্তে নজরদারি কতটা কার্যকর এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে কী কী পদক্ষেপ প্রয়োজনমূলত এই বিষয়গুলিই আলোচনায় উঠে আসতে পারে।সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ, পাচার, আন্তঃসীমান্ত অপরাধ এবং অবৈধ যাতায়াতের মতো বিষয় নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হতে পারে বলে প্রশাসনিক মহলে জল্পনা রয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি রাজ্য পুলিশের আধিকারিকদের উপস্থিতিতে সীমান্ত পরিস্থিতির একটি সমন্বিত চিত্র তুলে ধরা হবে বলে জানা গিয়েছে।সফরের প্রথম দিন, অর্থাৎ শুক্রবার, অমিত শাহ সীমান্ত নিরাপত্তা সংক্রান্ত কয়েকটি প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করতে পারেন। এরপর শিলিগুড়িতে SSB জওয়ানদের সঙ্গে কথা বলার কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। তাঁদের সঙ্গে সীমান্ত পরিস্থিতি এবং কর্তব্য পালনের অভিজ্ঞতা নিয়েও আলোচনা করতে পারেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।এর পর তিনটি নতুন ফৌজদারি আইন সংক্রান্ত প্রদর্শনীর উদ্বোধন করার কথা রয়েছে তাঁর। রাজ্যে এই আইনগুলির বাস্তবায়নের চিত্র সরাসরি তুলে ধরার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রযুক্তির ব্যবহার এবং পুলিশের আধুনিকীকরণ নিয়েও বিভিন্ন তথ্য প্রদর্শিত হতে পারে।শনিবার সকালে শিলিগুড়িতে সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন অমিত শাহ। সেখানে বিএসএফ, SSB এবং রাজ্য পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকরা উপস্থিত থাকবেন। ভারত-বাংলাদেশ ও ভারত-নেপাল সীমান্তের বর্তমান পরিস্থিতি পর্যালোচনার পাশাপাশি ভবিষ্যতে নজরদারি আরও বাড়ানো এবং নিরাপত্তা কাঠামো শক্তিশালী করার বিষয়ে একাধিক সিদ্ধান্ত হতে পারে।সব মিলিয়ে অমিত শাহের এই সফর শুধুমাত্র রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধ থাকছে না। উত্তরবঙ্গের কৌশলগত গুরুত্বের কথা মাথায় রেখে সীমান্ত নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা এবং নতুন ফৌজদারি আইন বাস্তবায়নএই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে কেন্দ্র করেই এবারের বঙ্গ সফরের কর্মসূচি সাজানো হয়েছে। ফলে শিলিগুড়ির বৈঠক থেকে কী বার্তা আসে এবং সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে কেন্দ্রের তরফে নতুন কী পদক্ষেপ ঘোষণা করা হয়, সেদিকেই নজর থাকবে।

আগস্ট ২০, ২০২৬
দেশ

ছাত্র আন্দোলনের পর নতুন রাজনৈতিক ঝড়! অমিত শাহকে কড়া চিঠি রাহুলের, কী লিখলেন?

ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম দাবি ছিল কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ। শনিবার তিনি পদ ছাড়ার পর রাজনৈতিক বিতর্ক নতুন মোড় নিয়েছে। রবিবার সকালে নিজের সমাজমাধ্যমে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে লেখা একটি চিঠি প্রকাশ করেন রাহুল গান্ধী। চিঠিতে তিনি বিশে জুলাইয়ের ছাত্র আন্দোলনের সময় প্রতিবাদকারীদের উপর বলপ্রয়োগের অভিযোগ তুলে একাধিক প্রশ্ন করেছেন।রাহুল গান্ধীর দাবি, নিট প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে সংসদ অভিযানের সময় শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারী ছাত্রছাত্রীদের উপর অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করা হয়। তাঁর অভিযোগ, কয়েক জন আন্দোলনকারী আহত হন এবং চিকিৎসার নথিতেও আঘাতের উল্লেখ রয়েছে। যদিও দিল্লি পুলিশ এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। ঘটনার তদন্তও চলছে।চিঠিতে রাহুল গান্ধী অমিত শাহের কাছে দুটি প্রশ্ন তোলেন। প্রথমত, আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে ছররা ব্যবহারের অনুমতি কে দিয়েছিল? দ্বিতীয়ত, সাধারণ পোশাকে যাঁরা আন্দোলনকারীদের মারধর করছিলেন, তাঁরা কারা এবং তাঁদের দায়িত্ব কে দিয়েছিল? তাঁর দাবি, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব ছিল।এর আগে এক আহত আন্দোলনকারীকে সংবাদমাধ্যমের সামনে এনে রাহুল দাবি করেছিলেন, তাঁর শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। সেই ঘটনার উল্লেখ করেই এবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বিস্তারিত ব্যাখ্যা চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন তিনি।অন্যদিকে, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগকে স্বাগত জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তাঁর বক্তব্য, দেশের স্বার্থ এবং ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যৎ যে কোনও রাজনৈতিক পদের চেয়ে বড়। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, কিছু দেশবিরোধী শক্তি ছাত্র আন্দোলনকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছিল। তবে রাহুল গান্ধী সেই বক্তব্যের বিরোধিতা করে কেন্দ্রের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ফলে শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফার পরও এই ইস্যুতে রাজনৈতিক সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার ইঙ্গিত মিলছে।

জুলাই ২৬, ২০২৬
কলকাতা

অমিত শাহ উদ্বোধন করবেন ‘শব্দলোক’! বেলভেডিয়ার হাউসে কী এমন আছে, জানতে মুখিয়ে কলকাতা

ভারতের ভাষা ও সাহিত্যিক ঐতিহ্যকে এক ছাদের তলায় তুলে ধরতে কলকাতার জাতীয় গ্রন্থাগারে উদ্বোধন হতে চলেছে দেশের প্রথম ভারতীয় ভাষা বিষয়ক জাদুঘর শব্দলোক। রবিবার ঐতিহাসিক বেলভেডিয়ার হাউসে এই জাদুঘরের উদ্বোধন করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা কেন্দ্রীয় সংস্কৃতিমন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর।২০২০ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই জাদুঘরের ঘোষণা করেছিলেন। ভারতের বহুভাষিক ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ ও নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরাই এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য। জাদুঘরে দেশের ২২টি ভাষার ইতিহাস, লিপি, সাহিত্য এবং মৌখিক ঐতিহ্যের বিবর্তন তুলে ধরা হবে।বেলভেডিয়ার হাউসের প্রথম ও দ্বিতীয় তলার একটি বড় অংশ জুড়ে গড়ে উঠেছে শব্দলোক-এর প্রথম পর্যায়। সংস্কৃতি মন্ত্রকের অধীনে জাতীয় গ্রন্থাগার প্রায় ১৪ কোটি টাকা ব্যয়ে এই কাজ সম্পন্ন করেছে। পুরো প্রকল্পের সম্ভাব্য ব্যয় প্রায় ৪১ কোটি টাকা। ভবিষ্যতে জাদুঘরটি আরও সম্প্রসারিত হবে এবং ভবনের গায়ে লাইট অ্যান্ড সাউন্ড শো-এর ব্যবস্থাও করা হবে।জাদুঘরে থাকবে মোট নয়টি গ্যালারি। সেখানে ভাষার হাজার বছরের যাত্রা, লিপির ক্রমবিকাশ, পাণ্ডুলিপি, মুদ্রিত বই, মৌখিক ঐতিহ্য এবং আধুনিক ডিজিটাল পাঠের ইতিহাস তুলে ধরা হবে। দর্শকেরা জানতে পারবেন, কীভাবে ভাষা সমাজকে গড়ে তোলে এবং সমাজের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে নিজেও বদলে যায়।শব্দলোক-এ প্রদর্শিত হবে বহু অমূল্য ঐতিহাসিক নিদর্শন। এর মধ্যে রয়েছে প্রাচীন তাম্রলিপি, অষ্টাদশ শতকের রাগিনী আসাবরী চিত্রকর্ম, হিতোপদেশ, ইনশা-ই-গালিব, পৃথ্বীরাজ রাসো-র পাণ্ডুলিপি, সমাচার দর্পণ, অরুণোদয় এবং হরপ্পা সভ্যতার সিলমোহরের প্রতিরূপ। পাশাপাশি থাকবে পুরনো লেটারপ্রেস ছাপাখানার যন্ত্র, প্রাচীন মুদ্রা, মুখোশ ও পুতুল।আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে এই জাদুঘরকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলা হয়েছে। অগমেন্টেড রিয়্যালিটি, ভার্চুয়াল রিয়্যালিটি, গ্রাফিক ওয়াল এবং অডিও-ভিজ্যুয়ালের মাধ্যমে দর্শকেরা ভাষার জগতে এক নতুন অভিজ্ঞতা পাবেন। পূর্ণাঙ্গ রূপ পাওয়ার পর ছাত্রছাত্রীদের জন্য বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থাও রাখা হবে বলে জানা গেছে।

জুলাই ১৯, ২০২৬
দেশ

শেষ মুহূর্তে বড় সিদ্ধান্ত! মোদীর মন্ত্রিসভা নিয়ে রাতের বৈঠকেই বদলে গেল সব সমীকরণ

কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় বড় রদবদল হতে পারে বলে কয়েক দিন ধরেই জোর আলোচনা চলছিল। বাংলা থেকেও নতুন মুখ মন্ত্রিসভায় জায়গা পেতে পারেন বলে নানা জল্পনা ছড়িয়েছিল। তবে আপাতত সেই সম্ভাবনায় ইতি টানল বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। জানা গিয়েছে, এখনই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় কোনও পরিবর্তন করা হচ্ছে না। আপাতত দলের সাংগঠনিক রদবদলেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।বুধবার প্রথমে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসভবনে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের বৈঠক হয়। পরে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনেও দীর্ঘ বৈঠক চলে। সেখানে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সাংগঠনিক প্রস্তুতি এবং আগামী দিনের পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। বৈঠকের পরই সিদ্ধান্ত হয়, এখনই মন্ত্রিসভায় কোনও রদবদল করা হবে না।এর অন্যতম কারণ আগামী সংসদ অধিবেশন। খুব শীঘ্রই অধিবেশন শুরু হচ্ছে। এই সময়ে নতুন মন্ত্রীদের দায়িত্ব দিলে তাঁদের পক্ষে অল্প সময়ের মধ্যে নতুন দপ্তরের কাজ পুরোপুরি বুঝে সংসদে উত্তর দেওয়া কঠিন হতে পারে। তাই অধিবেশন চলাকালীন কোনও প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি না হোক, সেই কারণেই আপাতত মন্ত্রিসভার পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখা হয়েছে।অন্যদিকে দলের সাংগঠনিক রদবদল দ্রুত শেষ করতে চাইছে বিজেপি। নতুন সভাপতির নেতৃত্বে এখনও পুরনো কমিটিই কাজ করছে। তাই কেন্দ্রীয় স্তরে নতুন কমিটি গঠন এবং বিভিন্ন পদে নতুন দায়িত্ব বণ্টন নিয়েই এখন বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সূত্রের খবর, আগামী কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখেই সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।রাজনৈতিক মহলের মতে, সাংগঠনিক রদবদল সম্পূর্ণ হওয়ার পরই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। কারণ, কয়েক জন বর্তমান মন্ত্রীকে সংগঠনের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে এবং তাঁদের জায়গায় নতুন মুখকে মন্ত্রিসভায় আনার পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জল্পনা চলছে।

জুলাই ১৬, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতায় অমিত শাহ, ভার্চুয়ালি মোদী! শ্যামাপ্রসাদকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যে তীব্র রাজনৈতিক জল্পনা

শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে কলকাতার অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মিলন মেলায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি। সেখান থেকেই দেশের উদ্দেশে বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী।বক্তব্যের শুরুতেই নরেন্দ্র মোদী বলেন, আজ গোটা দেশ শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে। তাঁর আদর্শ, চিন্তাধারা এবং দেশগঠনের ভাবনা আজও কোটি মানুষের কাছে প্রেরণার উৎস। নতুন সংকল্প নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার পথ তিনি দেখিয়ে গিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।কলকাতার এই অনুষ্ঠান থেকে মোদী বলেন, রাষ্ট্রবাদী সরকার থাকলে দেশের মহান নেতাদের যথাযথ সম্মান দেওয়া হয় এবং তাঁদের আদর্শ অনুসরণ করেই সরকার পরিচালিত হয়। তাঁর দাবি, গত দুই বছর ধরে দেশজুড়ে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মজয়ন্তী বিশেষ মর্যাদার সঙ্গে পালন করা হচ্ছে। পাশাপাশি তিনি বলেন, বাংলায় সরকার পরিবর্তনের পর এই উদ্যাপন আরও বড় আকারে হচ্ছে।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জীবন শুধু একজন নেতার জীবন নয়, এটি একটি জনআন্দোলনের অনুপ্রেরণা। তাঁর চিন্তাধারা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে নতুন দিশা দেখিয়েছিল। যে সময় জনসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, তখন চারদিকে কংগ্রেসের প্রবল প্রভাব ছিল। সেই কঠিন পরিস্থিতিতেও শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় নিজের আদর্শে অটল থেকে নতুন রাজনৈতিক সংগঠন গড়ে তুলেছিলেন। প্রতিকূল পরিবেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তাঁর এই উদ্যোগ আজও বহু মানুষের কাছে অনুকরণীয় বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আদর্শ, বাংলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং রাষ্ট্রবাদ প্রসঙ্গে তাঁর মন্তব্যকে ঘিরে জোর চর্চা চলছে।

জুলাই ০৬, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ প্রসেনজিতের বাড়িতে অমিত শাহ! বন্ধ দরজার বৈঠক ঘিরে তুঙ্গে জল্পনা, কী কথা হল?

কলকাতা সফরে এসে আচমকাই অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে পৌঁছে গেলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সরকারি কর্মসূচির তালিকায় এই সাক্ষাতের কোনও উল্লেখ ছিল না। তাই এই হঠাৎ সাক্ষাৎ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও এটিকে সৌজন্য সাক্ষাৎ বলেই জানানো হয়েছে, তবুও এর নেপথ্যে অন্য কোনও বার্তা রয়েছে কি না, তা নিয়েই বাড়ছে কৌতূহল।সোমবার শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে একাধিক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে কলকাতায় আসেন অমিত শাহ। বিমানবন্দরে নামার পর তিনি প্রথমে ইকো পার্কে গিয়ে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের একশো পঁচিশ ফুট উচ্চতার মূর্তির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এরপর ভবানীপুরে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের পৈতৃক বাড়িতে যান। সেখান থেকে তাঁর মিলন মেলায় অনুষ্ঠানে যাওয়ার কথা থাকলেও আচমকাই তিনি বালিগঞ্জে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে পৌঁছে যান।জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রায় পনেরো মিনিট অভিনেতার বাড়িতে ছিলেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন লকেট চট্টোপাধ্যায় এবং নিশীথ প্রামাণিক। সূত্রের খবর, সেখানে চা-আড্ডার মধ্যেই সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়। তবে এই সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎ নিয়েই শুরু হয়েছে নানা রাজনৈতিক জল্পনা।এর আগেও প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে ভারতীয় জনতা পার্টির শীর্ষ নেতাদের একাধিকবার দেখা হয়েছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার অভিনেতার বাড়িতে গিয়ে তাঁকে পদ্মশ্রী সম্মান পাওয়ার জন্য শুভেচ্ছা জানান। সেই সময় তাঁর হাতে রামলালার একটি মূর্তি তুলে দেওয়া হয়েছিল। তখন সুকান্ত মজুমদার স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, সেই সাক্ষাৎ সম্পূর্ণ সৌজন্যমূলক এবং এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই।এর কিছুদিন আগে নিজের নতুন ছবি দেখার আমন্ত্রণ জানিয়ে রাজ্য ভারতীয় জনতা পার্টির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের বাড়িতেও গিয়েছিলেন প্রসেনজিৎ। এবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর তাঁর বাড়িতে যাওয়ায় সেই জল্পনা আরও বেড়েছে।যদিও এই সাক্ষাৎ নিয়ে কোনও পক্ষই রাজনৈতিক তাৎপর্যের কথা স্বীকার করেনি, তবুও সময় এবং পরিস্থিতির কারণে বিষয়টি ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ফলে অমিত শাহ ও প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের এই সাক্ষাৎ এখন রাজনৈতিক মহল থেকে বিনোদন জগত সর্বত্রই আলোচনার অন্যতম বিষয় হয়ে উঠেছে।

জুলাই ০৬, ২০২৬
দেশ

ভূপেন্দ্র যাদবের পর অমিত শাহ! দিল্লিতে সুদীপের একের পর এক বৈঠকে তুঙ্গে জল্পনা

দিল্লিতে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠককে কেন্দ্র করে ফের রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এলেন তৃণমূল কংগ্রেসের বর্ষীয়ান সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে সাক্ষাতের পর তিনি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন বলে রাজনৈতিক সূত্রে দাবি করা হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরেই শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা।দীর্ঘদিন ধরেই জাতীয় রাজনীতিতে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিচিতি একজন অভিজ্ঞ সংসদ সদস্য হিসেবে। লোকসভায় বহু বছর তিনি তৃণমূলের দলনেতার দায়িত্ব পালন করেছেন। সংসদে বিভিন্ন দলের নেতাদের সঙ্গে তাঁর সুসম্পর্কের কথাও রাজনৈতিক মহলে পরিচিত।সূত্রের দাবি, শনিবার দিল্লিতে পৌঁছে প্রথমে ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে যান সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়। সেখানে বৈঠক শেষে তিনি অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করেন বলেও জানা যাচ্ছে। দুই নেতার মধ্যে কিছু সময় আলোচনা হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি।এই বৈঠকের পর থেকেই সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে নানা রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে। তৃণমূলের অন্দরের বর্তমান পরিস্থিতি, সাংসদদের অবস্থান এবং ভবিষ্যতের রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে। যদিও সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে এখনও এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুখ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক যাত্রার শুরু থেকেই তিনি দলের সঙ্গে যুক্ত। অতীতে রাজনৈতিক মতপার্থক্য তৈরি হলেও পরবর্তীতে তিনি আবার তৃণমূলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ফিরে আসেন।দিল্লিতে তাঁর সাম্প্রতিক বৈঠকগুলি শুধুই সৌজন্য সাক্ষাৎ নাকি এর পিছনে বড় কোনও রাজনৈতিক বার্তা রয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য এবং জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। আগামী দিনে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক অবস্থান এবং তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ সমীকরণ কোন দিকে এগোয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ১৩, ২০২৬
দেশ

সীমান্তে বড় অভিযান! বাংলায় আসছেন অমিত শাহ, অনুপ্রবেশ রুখতে কড়া বার্তা কেন্দ্রের

অনুপ্রবেশ রুখতে কেন্দ্রের নীতি এখন আরও কঠোর। ডিটেক্ট, ডিলিট, ডিপোর্ট নীতিকে সামনে রেখেই দেশজুড়ে সীমান্ত নিরাপত্তায় জোর দিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। এরই মধ্যে সীমান্ত পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে চার রাজ্যে সফরে বের হচ্ছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেই তালিকায় রয়েছে পশ্চিমবঙ্গও।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার থেকেই শুরু হচ্ছে অমিত শাহের এই সীমান্ত সফর। প্রথমে তিনি যাবেন রাজস্থানের বিকানেরে। সেখানে সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তা পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখবেন তিনি। পাশাপাশি সীমান্ত লাগোয়া জেলার জেলাশাসক, পুলিশ সুপার, প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিক, বিএসএফ এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের আধিকারিকদের নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করবেন।আগামী ১৫ জুন পশ্চিমবঙ্গে আসার কথা রয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফের কাজ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখবেন তিনি। সীমান্ত এলাকার একটি বিএসএফ পোস্টেও যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে তাঁর। এছাড়াও সীমান্তবর্তী জেলার প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন অমিত শাহ।রাজ্য ইতিমধ্যেই বিএসএফকে জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। তার মধ্যেই অমিত শাহের এই সফরকে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। সীমান্ত নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করতে স্থানীয় প্রশাসন এবং বিএসএফকে একযোগে কাজ করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রের তরফে।কেন্দ্রের দাবি, সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ করাই এখন প্রধান লক্ষ্য। জনবিন্যাসের পরিবর্তন রুখতে এবং সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করতেই এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।

মে ২৬, ২০২৬
দেশ

সীমান্তে বড় বদল! ড্রোন-ক্যামেরায় নজরদারি, ‘স্মার্ট বর্ডার’ নিয়ে বড় ঘোষণা অমিত শাহের

অনুপ্রবেশ রুখতে এবার আরও কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে কেন্দ্র সরকার। পাকিস্তান ও বাংলাদেশ সীমান্তে নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করতে স্মার্ট বর্ডার তৈরির পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শুক্রবার নয়াদিল্লিতে বিএসএফের বার্ষিক রুস্তমজি মেমোরিয়াল অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি জানান, আগামী এক বছরের মধ্যেই এই প্রকল্পের কাজ শুরু হবে।অমিত শাহ বলেন, প্রায় ৬ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ আন্তর্জাতিক সীমান্তে শুধুমাত্র জওয়ান মোতায়েন করে নজরদারি চালানো অত্যন্ত কঠিন। তাই এবার সীমান্ত পাহারায় ব্যবহার করা হবে আধুনিক প্রযুক্তি। সীমান্ত এলাকায় থাকবে ড্রোন, হাই রেজলিউশন ক্যামেরা এবং একাধিক আধুনিক নজরদারি যন্ত্র। পাশাপাশি বিএসএফ, পুলিশ এবং স্থানীয় প্রশাসনের মধ্যে তথ্য আদানপ্রদান আরও শক্তিশালী করতে গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক বাড়ানোর নির্দেশও দিয়েছেন তিনি।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবি, স্মার্ট বর্ডার তৈরি হলে সীমান্ত আরও দুর্ভেদ্য হয়ে উঠবে। অনুপ্রবেশ এবং জনবিন্যাস বদলের যে চেষ্টা চলছে, তাতেও অনেকটাই লাগাম টানা সম্ভব হবে। তিনি আরও জানান, পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা এবং অসম সরকার অনুপ্রবেশ রুখতে কেন্দ্রের নীতিকে সমর্থন করেছে। প্রতিটি অনুপ্রবেশকারীকে চিহ্নিত করে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলেও দাবি করেন শাহ।বাংলায় সরকার বদলের পর সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন কাঁটাতার বসানো নিয়ে জমি সমস্যার কারণে কাজ আটকে ছিল। তবে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দায়িত্ব নেওয়ার পর বিএসএফকে জমি হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এরপর সম্প্রতি বাংলায় পুশব্যাক আইন কার্যকর করার ঘোষণাও করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, এবার থেকে অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশিদের সরাসরি বিএসএফের হাতে তুলে দেবে পুলিশ। পরে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে তাঁদের বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হবে।এই ঘোষণার পর মতুয়া সমাজের একাংশের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। যদিও মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, সিএএ-র আওতায় থাকা কোনও হিন্দু ধর্মাবলম্বী বা বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তান থেকে আসা নির্যাতিত সংখ্যালঘুদের দেশছাড়া করা হবে না। বরং নিয়ম মেনে তাঁদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে।এর মধ্যেই দিল্লিতে গিয়ে অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকও করেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই বৈঠকের পরই শাহের স্মার্ট বর্ডার ঘোষণা রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

মে ২৩, ২০২৬
কলকাতা

বঙ্গ জয়ের পরই কড়া বার্তা শাহর, ‘প্রতিটি অনুপ্রবেশকারীকে খুঁজে বের করা হবে’

বাংলার নির্বাচন শুধু রাজ্যের জন্য নয়, গোটা দেশের নিরাপত্তার জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বিজেপির জয় এবং শুভেন্দু অধিকারীর নাম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ঘোষণার পর প্রথম বক্তব্যেই ফের অনুপ্রবেশের প্রসঙ্গ তুলে কড়া বার্তা দিলেন তিনি।অমিত শাহ বলেন, দেশের নিরাপত্তার সঙ্গে কোনওরকম আপস করা হবে না। বাংলাকে অনুপ্রবেশকারীদের নিরাপদ জায়গা হতে দেওয়া হবে না বলেও স্পষ্ট জানান তিনি। তাঁর দাবি, আগামী পাঁচ বছরে প্রতিটি অনুপ্রবেশকারীকে খুঁজে বের করে দেশ থেকে তাড়ানো হবে।বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারেও বিজেপির অন্যতম প্রধান ইস্যু ছিল অনুপ্রবেশ। প্রায় প্রতিটি সভা থেকেই সীমান্ত সিল করা এবং অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের কথা বলেছিলেন অমিত শাহ। এবার ক্ষমতায় আসার পর সেই অবস্থান আরও স্পষ্ট করলেন তিনি।শাহর বক্তব্য, বিজেপি যে সোনার বাংলা গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, সেখানে অনুপ্রবেশকারীদের কোনও জায়গা থাকবে না। তাঁর কথায়, বাংলার মানুষকে কথা দিচ্ছি, আগামী পাঁচ বছরে প্রত্যেক অনুপ্রবেশকারীকে খুঁজে বের করে তাড়ানো হবে।অনুপ্রবেশ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বাংলার রাজনীতিতে তীব্র বিতর্ক রয়েছে। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল সরকারের আমলেই অনুপ্রবেশ বেড়েছে। অন্যদিকে তৃণমূলের দাবি, সীমান্ত রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছে বিএসএফ। তবে বিজেপির মতে, সীমান্ত পুরোপুরি সিল না হলে এই সমস্যা বন্ধ করা সম্ভব নয়।এদিন অমিত শাহ আশ্বাস দেন, এবার বাংলার সীমান্ত সম্পূর্ণ সিল করা হবে। জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনও ছাড় দেওয়া হবে না বলেও স্পষ্ট জানান তিনি।অনুপ্রবেশের ইস্যু নিয়ে বিরোধীদের একাংশ বিজেপির বিরুদ্ধে মেরুকরণের অভিযোগ তোলে। তবে সেই অভিযোগও খারিজ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁর দাবি, বিজেপি ভোটের রাজনীতির জন্য নয়, শুধুমাত্র দেশের নিরাপত্তার স্বার্থেই অনুপ্রবেশের বিরুদ্ধে সরব হয়।শাহর বক্তব্যে স্পষ্ট, নতুন সরকার গঠনের পর বাংলায় অনুপ্রবেশ রুখতেই বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে বিজেপি।

মে ০৮, ২০২৬
কলকাতা

দক্ষিণেশ্বরে পুজো দিয়ে বড় বৈঠকে শাহ, বাংলার নতুন মুখ কে? জোর জল্পনা

নতুন বিজেপি সরকারের শপথ গ্রহণের ঠিক একদিন আগে কলকাতায় পৌঁছলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শুক্রবার বেলা প্রায় ১১টা নাগাদ তিনি দমদম বিমানবন্দরে নামেন। সেখানে তাঁকে স্বাগত জানান রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, সুকান্ত মজুমদার এবং শুভেন্দু অধিকারী। বিমানবন্দর থেকে সোজা দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে যান শাহ। সেখানে পুজোও দেন তিনি।কলকাতায় পৌঁছেই সমাজমাধ্যমে বাংলায় পোস্ট করেন অমিত শাহ। বঙ্গবাসীকে প্রণাম জানিয়ে তিনি লেখেন নতুন সরকারের জন্য আশীর্বাদ কামনা করছেন। দক্ষিণেশ্বর থেকে বেরিয়ে নিউটাউনের একটি বিলাসবহুল হোটেলে যাওয়ার কথা তাঁর। সেখানেই বিকেলে বিজেপির জয়ী প্রার্থীদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করবেন তিনি। সেই বৈঠকেই মুখ্যমন্ত্রীর নাম চূড়ান্ত হতে পারে বলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। পাশাপাশি পরিষদীয় নেতা নির্বাচনও হতে পারে।রাজনৈতিক মহলে এখন সবচেয়ে বেশি আলোচনা শুভেন্দু অধিকারীকে ঘিরে। শেষ মুহূর্তে কোনও পরিবর্তন না হলে মুখ্যমন্ত্রীর দৌড়ে তিনিই এগিয়ে রয়েছেন বলে সূত্রের খবর। উপমুখ্যমন্ত্রী পদ নিয়েও চলছে নানা জল্পনা। অগ্নিমিত্রা পাল, মালতী রাভা রায় এবং দীপক বর্মনের নাম ঘুরছে রাজনৈতিক মহলে।শনিবার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে হতে চলেছে নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। সেখানে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ ছাড়াও বিজেপি শাসিত ২১টি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা। বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।সূত্রের খবর, প্রথম দফায় গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন মন্ত্রী শপথ নিলেও পরে ডেপুটি, পূর্ণমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রমন্ত্রী মিলিয়ে মোট ৩৬ থেকে ৪০ জনের মন্ত্রিসভা গঠন হতে পারে। কে মন্ত্রী হচ্ছেন, কার কাছে ফোন যাচ্ছে, তা নিয়ে এখন তীব্র উত্তেজনা বিজেপির অন্দরে। অনেক জয়ী বিধায়ক এখনও কোনও বার্তা পাননি বলেও জানা গিয়েছে।বিজেপি সূত্রে খবর, মন্ত্রিসভার তালিকা চূড়ান্ত করার আগে আরএসএস নেতৃত্বের সঙ্গেও আলোচনা করেছেন অমিত শাহ। শপথ অনুষ্ঠানকে ঘিরে ব্রিগেডে থাকছে বিশেষ আয়োজন। রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিন হওয়ায় অনুষ্ঠানে বাজবে রবীন্দ্রসঙ্গীত। থাকছে আলাদা সাংস্কৃতিক মঞ্চও। বিশিষ্ট অতিথিদের জন্য বিশেষ বসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।বিজেপির লক্ষ্য, অন্তত এক লক্ষ মানুষের জমায়েত করা। প্রত্যেক নবনির্বাচিত বিধায়ককে কমপক্ষে এক হাজার সমর্থক নিয়ে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের দাবি। অনুষ্ঠান ঘিরে গোটা শহর এবং ব্রিগেড এলাকায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মোট চার হাজার পুলিশকর্মী মোতায়েন থাকবেন।

মে ০৮, ২০২৬
রাজ্য

বাংলায় কি সত্যিই বন্ধ হচ্ছে মদ? অমিত শাহকে ঘিরে ভাইরাল পোস্টে তুমুল চাঞ্চল্য!

বাংলায় রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই একের পর এক জল্পনা ঘিরে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসকে হারিয়ে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পথে বিজেপি। আর তার মধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে একটি পোস্ট, যেখানে দাবি করা হয়েছে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে পশ্চিমবঙ্গে সম্পূর্ণভাবে মদ বিক্রি বন্ধ হয়ে যাবে। দাবি করা হয়েছে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ নাকি এমন ঘোষণা করেছেন।ভাইরাল হওয়া ছবিতে দেখা যাচ্ছে, একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের নামে প্রকাশিত প্রতিবেদনে লেখা রয়েছে, পশ্চিমবঙ্গকে ড্রাই স্টেট ঘোষণা করা হবে। অর্থাৎ রাজ্যে আর কোথাও মদ বিক্রি করা যাবে না। এই পোস্ট সামনে আসতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়ে যায় তুমুল চর্চা। অনেকে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন, তাহলে কি সত্যিই বিহারের মতো বাংলাতেও মদ নিষিদ্ধ হতে চলেছে? কেউ আবার দাবি করেন, বিজেপি সরকার এলে মাছ-মাংসের পাশাপাশি মদের উপরও নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে।তবে এই ভাইরাল দাবির সত্যতা সামনে আনল প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো বা পিআইবি। কেন্দ্রের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, অমিত শাহ এমন কোনও ঘোষণা করেননি। পশ্চিমবঙ্গে মদ নিষিদ্ধ করার কোনও পরিকল্পনাও নেই। ভাইরাল হওয়া ছবিটি সম্পূর্ণ ভুয়ো এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।পিআইবি জানিয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়া এই ধরনের ভুয়ো খবর সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করছে। তাই কোনও খবর যাচাই না করে বিশ্বাস না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে জানানো হয়েছে, ভুয়ো খবর বা বিভ্রান্তিকর পোস্ট দেখলে সরকারি মাধ্যমে অভিযোগ জানানো যেতে পারে।রাজ্যে সরকার গঠনের আগেই এই ভুয়ো পোস্ট ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে জোর চর্চা। বিশেষ করে মদ নিষিদ্ধের মতো স্পর্শকাতর বিষয়কে কেন্দ্র করে হঠাৎ এমন খবর ছড়িয়ে পড়ায় অনেকেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তবে কেন্দ্রের স্পষ্ট বার্তার পর আপাতত এই জল্পনায় জল পড়েছে।

মে ০৭, ২০২৬
কলকাতা

বড় ঘোষণা! বাংলায় সরকার গঠনের আগে বড় দায়িত্বে অমিত শাহ—মুখ্যমন্ত্রী কে হচ্ছেন?

বাংলার ভোটে বহু প্রতীক্ষিত জয়ের পর এখন সরকার গঠনের প্রস্তুতি শুরু করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। গেরুয়া ঝড়ে কার্যত বিপর্যস্ত হয়েছে তৃণমূল শিবির। এই পরিস্থিতির মধ্যেই দলের কেন্দ্রীয় সংসদীয় বোর্ড পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচনের জন্য কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে। এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অমিত শাহ-কে।দল সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলায় পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচনের পুরো প্রক্রিয়া তিনি তদারকি করবেন। তাঁর সঙ্গে সহ-পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝি-কে। এই দুই নেতার উপরই এখন বড় দায়িত্ব, কারণ তাঁদের তত্ত্বাবধানেই ঠিক হবে বাংলার পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন।মুখ্যমন্ত্রী পদের দাবিদার নিয়ে ইতিমধ্যেই জল্পনা শুরু হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রের শীর্ষ নেতৃত্বের এই পদক্ষেপ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এখন সকলের নজর, শেষ পর্যন্ত কাকে বেছে নেয় পদ্ম শিবিরের নেতৃত্ব।অন্যদিকে অসমেও একইভাবে পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে দল। সেখানে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক করা হয়েছে জেপি নাড্ডা-কে। সহ-পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী নবাব সিং সাইনি। দল ইতিমধ্যেই বিজ্ঞপ্তি জারি করে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে।উল্লেখ্য, বুথ ফেরত সমীক্ষার ইঙ্গিতকেই সত্যি করে বাংলায় বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। দুইশোর বেশি আসন পেয়েছে তারা। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস শতকের গণ্ডিও পার করতে পারেনি।ফলাফল অনুযায়ী, বিজেপি পেয়েছে ২০৭টি আসন, তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে ৮০টি আসন। কংগ্রেস পেয়েছে ২টি আসন। হুমায়ুনের আম জনতা উন্নয়ন পার্টিও পেয়েছে ২টি আসন। এছাড়া সিপিএম এবং আইএসএফ পেয়েছে ১টি করে আসন।তবে এই ফলাফল নিয়ে শুরু থেকেই প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল। তাদের অভিযোগ, ভোট প্রক্রিয়ায় একাধিক অনিয়ম হয়েছে এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। যদিও রেকর্ড সংখ্যক ভোটদানের সাক্ষী থেকেছে গোটা রাজ্য, যা দেশের নজর কেড়েছে।

মে ০৫, ২০২৬
দেশ

‘ভাইপো ট্যাক্স বন্ধ হবে’! তৃণমূলকে নিশানা করে অমিত শাহর তীব্র আক্রমণ

উত্তর চব্বিশ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জে জনসভা করে তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি বলেন, আগামী ৫ তারিখের পর রাজ্যে আর তৃণমূল সরকার থাকবে না। সেই সঙ্গে তাঁর দাবি, তখন আর কাটমানির নামে কাউকে কোনও টাকা দিতে হবে না।প্রথম দফার ভোটের পর বিজেপি বড় সাফল্য পাবে বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর কথায়, ১৫২টি আসনের মধ্যে ১১০টির বেশি আসনে জিতবে বিজেপি।বসিরহাটের প্রার্থী রেখা পাত্রের সমর্থনে এই সভায় এসে শাহ সন্দেশখালির ঘটনাও তুলে ধরেন। তিনি অভিযোগ করেন, ওই এলাকায় সাধারণ মানুষের উপর অত্যাচার হয়েছে এবং দুর্নীতির ঘটনা সামনে এসেছে। নিয়োগ দুর্নীতির প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, বহু টাকা নেওয়া হয়েছে এবং সেই টাকা ফেরত দিতে হবে।অনুপ্রবেশের বিষয়েও তৃণমূলকে আক্রমণ করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতির জন্য রাজ্যে অনুপ্রবেশকারীদের ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে। বিজেপি সরকার এলে তাদের খুঁজে বের করে দেশ থেকে বের করে দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।গরু পাচারের প্রসঙ্গেও কড়া মন্তব্য করেন শাহ। তাঁর দাবি, শাসকদলের আশ্রয়ে এই ধরনের কাজ বেড়েছে। তিনি বলেন, সরকার বদল হলে এইসব বন্ধ করা হবে এবং যারা যুক্ত থাকবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।সভা থেকে তিনি আরও বলেন, ভোটের আগে পরিস্থিতি শান্ত রাখা জরুরি, তবে তাঁর কিছু মন্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।হিঙ্গলগঞ্জের এই সভার পর রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

এপ্রিল ২৪, ২০২৬
রাজ্য

হাবড়া-অশোকনগরে মেট্রো! অমিত শাহের বড় ঘোষণা, স্বপ্ন না কি ভোটের প্রতিশ্রুতি?

হাবড়া ও অশোকনগরে মেট্রো চালুর প্রতিশ্রুতি ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে উত্তর চব্বিশ পরগনায়। বুধবার হাবড়ার একটি জনসভা থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ঘোষণা করেন, এই দুই শহরে মেট্রো পরিষেবা চালু করার জন্য উদ্যোগ নেওয়া হবে। এই বক্তব্য সামনে আসতেই জল্পনা শুরু হয়েছে সর্বত্র।হাবড়ার বাণীপুর চৌমাথা সংলগ্ন আম্বেদকর মাঠে আয়োজিত সভায় তিনি দলীয় প্রার্থী দেবদাস মণ্ডল ও অশোকনগরের প্রার্থী সুময় হীরার সমর্থনে বক্তব্য রাখেন। সেখানেই তিনি জানান, মেট্রো চালু হলে হাবড়া ও অশোকনগরের পরিবহণ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসবে। দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যারও সমাধান হতে পারে বলে দাবি করেন তিনি।হাবড়া ও অশোকনগর, দুই এলাকাতেই প্রতিদিন প্রচুর মানুষের যাতায়াত হয়। বিশেষ করে হাবড়া একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়ী কেন্দ্র। এখানে চালের বড় বাজার ও সুতির কাপড়ের হাট রয়েছে, যার জন্য বহু মানুষ প্রতিদিন এই শহরে আসেন। ফলে প্রায়ই তীব্র যানজট তৈরি হয়। স্থানীয় এক বাসিন্দার কথায়, মেট্রো চালু হলে মানুষের ভোগান্তি অনেকটাই কমবে।তবে এই ঘোষণার পরেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বাস্তবতা নিয়ে। অনেকের মতে, এখনও পর্যন্ত বারাসত বা বারাকপুর পর্যন্ত প্রস্তাবিত মেট্রো প্রকল্পের কাজই শুরু হয়নি। জমি সংক্রান্ত সমস্যা ও অন্যান্য জটিলতায় দীর্ঘদিন ধরে এই প্রকল্প আটকে রয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে হাবড়া পর্যন্ত মেট্রো পৌঁছনো আদৌ সম্ভব কি না, তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করছেন অনেকেই।কলকাতায় দেশের প্রথম মেট্রো চালু হলেও পরবর্তী সময়ে খুব বেশি দূর পর্যন্ত তার সম্প্রসারণ হয়নি। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই অনেকের মতে, হাবড়া ও অশোকনগরে মেট্রো পরিষেবা চালুর ঘোষণা আপাতত স্বপ্নের মতোই শোনাচ্ছে। তবে এই প্রতিশ্রুতি কতটা বাস্তবায়িত হবে, সেটাই এখন দেখার।

এপ্রিল ২৩, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগের রাতেই বড় চাল! দ্বিতীয় দফা নিয়ে গোপন বৈঠক শাহের

রাত পোহালেই প্রথম দফার ভোট, আর তার আগেই দ্বিতীয় দফা নিয়ে জোর প্রস্তুতি শুরু করে দিল বিজেপি। মঙ্গলবার রাতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নেতৃত্বে দীর্ঘ বৈঠক হল, যেখানে ভিন রাজ্য থেকে আসা বিজেপি নেতাদের সঙ্গে প্রায় চার ঘণ্টার বেশি সময় ধরে আলোচনা হয়। এই নেতারাই বাংলার দ্বিতীয় দফার ১৪২টি আসনের দায়িত্বে রয়েছেন।প্রথম দফায় বৃহস্পতিবার ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। মোট ১৬টি জেলায় এই ভোট চলছে। মঙ্গলবারই প্রথম দফার প্রচার শেষ হয়েছে। সেই দিন একাধিক জনসভা করেন অমিত শাহ। প্রচার শেষ হতেই রাতেই তিনি দ্বিতীয় দফার রণকৌশল ঠিক করতে বৈঠকে বসেন। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নেতা, যাঁরা দ্বিতীয় দফার আসনগুলির দায়িত্ব সামলাচ্ছেন।রাজনৈতিক মহলের মতে, দ্বিতীয় দফার যে ১৪২টি আসনে ভোট হবে, সেখানে আগের নির্বাচনে বিজেপির ফল খুব ভালো ছিল না। এমনকি সাম্প্রতিক লোকসভা নির্বাচনেও প্রত্যাশামতো ফল পায়নি দল। তাই প্রথম দফার প্রচার শেষ হতেই দ্বিতীয় দফা নিয়ে আলাদা করে কৌশল তৈরি করতে উদ্যোগী হয়েছেন অমিত শাহ।সূত্রের খবর, দ্বিতীয় দফার প্রচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত রাজ্যেই থাকতে পারেন অমিত শাহ। সব ঠিক থাকলে এপ্রিলের শেষ পর্যন্ত তাঁর রাজ্যে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। বিজেপি নেতৃত্ব বারবার দাবি করছে, এবারের নির্বাচনে তারা ক্ষমতায় আসবে। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সেই লক্ষ্য পূরণ করতে গেলে দ্বিতীয় দফার আসনগুলিতে ভালো ফল করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই এখন থেকেই সেই লড়াইয়ের প্রস্তুতিতে নেমে পড়েছে বিজেপি।

এপ্রিল ২২, ২০২৬
রাজ্য

শেষবেলায় পাহাড়ে অমিত শাহের বিস্ফোরক প্রতিশ্রুতি! গোর্খা ইস্যুতে বড় ঘোষণা

প্রথম দফার ভোটের প্রচারের শেষ দিনে মঙ্গলবার একাধিক সভায় অংশ নিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কার্শিয়াং, কুলটি, শালবনি এবং চণ্ডীপুরএই চারটি জায়গায় তাঁর সভা হওয়ার কথা ছিল। কার্শিয়াংয়ের সভা থেকেই গোর্খা সমস্যা নিয়ে বড় ঘোষণা করেন তিনি।অমিত শাহ দাবি করেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে গোর্খা সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা হবে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সরকার গঠিত হলে ৬ মে-র মধ্যেই প্রত্যেক গোর্খার মুখে হাসি ফিরবে। তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে গোর্খা ইস্যু ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে এবং এর জন্য কংগ্রেস ও তৃণমূলকে দায়ী করেন তিনি।সভার শুরুতেই তিনি জানান, আগে দার্জিলিংয়ে আসার পরিকল্পনা থাকলেও হেলিকপ্টার ওড়ার অনুমতি না মেলায় এবং আবহাওয়ার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে ভিডিও বার্তায় তিনি জানিয়েছিলেন, ২১ তারিখ অবশ্যই পাহাড়ে আসবেন এবং সেই প্রতিশ্রুতি মতোই তিনি পৌঁছেছেন।কার্শিয়াংয়ের সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও তীব্র আক্রমণ করেন অমিত শাহ। তিনি বলেন, এবার পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সরকার গঠিত হচ্ছে। মমতাদিদিকে বিদায় জানানোর সময় এসে গেছে।উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন নিয়েও একাধিক প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। তাঁর ঘোষণা অনুযায়ী, বিজেপি ক্ষমতায় এলে উত্তরবঙ্গে একটি পৃথক এইমস হাসপাতাল তৈরি করা হবে। ৫০০ বেডের ক্যানসার হাসপাতাল, আইআইটি ও আইআইএম ক্যাম্পাস এবং একটি আদিবাসী বিশ্ববিদ্যালয় তৈরির কথাও বলেন তিনি।এছাড়াও উত্তরবঙ্গকে ইকো অ্যাডভেঞ্চার ও হেরিটেজ ট্যুরিজম কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা জানান তিনি। অনুপ্রবেশ রোধ, নতুন শিল্পশহর গঠন, চা বাগানের শ্রমিকদের জমির পাট্টা দেওয়া এবং মজুরি বৃদ্ধির মতো একাধিক প্রতিশ্রুতিও দেন অমিত শাহ।

এপ্রিল ২১, ২০২৬
রাজ্য

পাহাড়ে বড় প্রতিশ্রুতি! ভিডিও বার্তায় বিস্ফোরক অভিযোগ অমিত শাহের

পাহাড়ের রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বুধবার দার্জিলিঙের লেবংয়ে তাঁর একটি নির্বাচনী জনসভায় যোগ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু খারাপ আবহাওয়ার কারণে তাঁর হেলিকপ্টার নামতে না পারায় তিনি সেখানে পৌঁছতে পারেননি। তবে ভিডিও বার্তার মাধ্যমে পাহাড়ের মানুষের কাছে নিজের বক্তব্য পৌঁছে দেন তিনি।সেই বার্তায় রাজ্য সরকার এবং তৃণমূল কংগ্রেসকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন অমিত শাহ। তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য প্রশাসন ইচ্ছাকৃতভাবে বহু গোর্খা যুবক এবং সাধারণ মানুষের নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে। তাঁর দাবি, এর মাধ্যমে পাহাড়ে চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে।অমিত শাহ বলেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে এই পরিস্থিতি বদলে যাবে। তাঁর আশ্বাস, সরকার গঠন হলে সমস্ত মিথ্যা মামলা তুলে নেওয়া হবে। পাশাপাশি পাহাড়ের দীর্ঘদিনের সমস্যার স্থায়ী সমাধান খোঁজার কথাও বলেন তিনি।তিনি আরও দাবি করেন, বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় এলে অনুপ্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ করা হবে এবং পাহাড়ের মানুষ তাঁদের প্রাপ্য সম্মান ও ন্যায়বিচার পাবেন।অমিত শাহের এই বার্তা ভোটের আগে পাহাড়ের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

এপ্রিল ১৫, ২০২৬
রাজ্য

পনেরো লক্ষ কোথায়? বারাসত থেকে বিস্ফোরক প্রশ্ন মমতার

বাংলায় নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশের পরেই শুরু হল তীব্র রাজনৈতিক তরজা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-এর ঘোষণার জবাবে বারাসতের সভা থেকে সরাসরি আক্রমণে নামলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেন, ভোটের আগে নানা প্রতিশ্রুতি দিলেও তার কোনওটাই বাস্তবে পূরণ হয়নি। তাঁর কথায়, আগে বলা হয়েছিল সবার অ্যাকাউন্টে পনেরো লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে, কিন্তু কেউই সেই টাকা পাননি। এবারও একইভাবে মিথ্যে প্রতিশ্রুতি নিয়ে মানুষকে ভুল বোঝানোর চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ তোলেন তিনি।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কটাক্ষ করে বলেন, ভোটের সময়েই শুধু বিজেপি নেতারা আসেন, প্রতিশ্রুতি দেন এবং ভোট শেষ হলেই চলে যান। তিনি আরও অভিযোগ করেন, অন্য রাজ্যে শাসক দলের সরকার থাকা সত্ত্বেও মহিলাদের নিরাপত্তা ও সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষা করা হচ্ছে না, অথচ বাংলায় এসে উন্নয়নের কথা বলা হচ্ছে।ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ার বিষয়টিও এদিন জোরালোভাবে তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, প্রায় নব্বই লক্ষ ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ গেছে, যার মধ্যে প্রায় ষাট লক্ষ হিন্দু এবং ত্রিশ লক্ষ মুসলিম ভোটার রয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে। তিনি অসমের উদাহরণ টেনে বলেন, সেখানে নাগরিকপঞ্জির মাধ্যমে বহু মানুষের নাম বাদ দেওয়া হয়েছিল, এবার বাংলাতেও সেই একই প্রচেষ্টা চলছে। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, কারও অধিকার খর্ব করা যাবে না এবং মানুষকে সতর্ক থাকতে হবে।এদিন ইভিএম নিয়ে কারচুপির আশঙ্কাও প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী এবং সাধারণ মানুষকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান। পাশাপাশি, হলদিয়ায় মাছ উৎপাদন নিয়ে করা মন্তব্যেরও পাল্টা জবাব দেন তিনি। ব্রিগেডে এক হকারকে মারধরের ঘটনাও তুলে ধরেন নিজের বক্তব্যে। তাঁর কথায়, অন্যায় হলে তার জবাব আইন মেনেই দেওয়া হবে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ছোটরা ভুল করলে যেমন বকাঝকা করা হয়, তেমনই যারা বড় হয়েও অন্যায় করে, তাদেরও মানুষ গণতান্ত্রিক উপায়ে জবাব দেবে। নাম না করে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে আক্রমণ করে তিনি বলেন, জোর করে কেন্দ্রীয় সংস্থাকে ব্যবহার করে নির্বাচন প্রভাবিত করার চেষ্টা চলছে, কিন্তু তারও জবাব মানুষ ভোটের মাধ্যমে দেবে।

এপ্রিল ১০, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

পিতৃতর্পণের সময় গঙ্গার পাড়ে বাজবে মহিষাসুরমর্দিনী, সাজবে ঘাট! বড় উদ্যোগের খবর

২০২৬ সালের দুর্গাপুজো ঘিরে কলকাতায় একের পর এক নতুন আয়োজনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। ১০ অক্টোবর মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সেও বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজনের খবর প্রকাশ্যে এসেছে। এর পাশাপাশি মহালয়ার ভোরে কলকাতার গঙ্গার ঘাটগুলিতেও বিশেষ আবহ তৈরি করার পরিকল্পনা করেছে রাজ্য সরকার বলে সূত্রের খবর।মহালয়ার ভোর মানেই বাঙালির কাছে পিতৃপুরুষের উদ্দেশে তর্পণ এবং বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠে মহিষাসুরমর্দিনী শোনা। সেই দীর্ঘদিনের আবেগ ও ঐতিহ্যকেই এবার গঙ্গার ঘাটে আরও বড় পরিসরে তুলে ধরার পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে কলকাতার পাঁচটি গঙ্গার ঘাটকে এই আয়োজনের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই তালিকায় রয়েছে বাবুঘাট, বাজে কদমতলা ঘাট, জাজেস ঘাট, নিমতলা ঘাট এবং আহিরীটোলা ঘাট। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ১০ অক্টোবর মহালয়ার ভোরে এই ঘাটগুলিতে মাইকে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠে মহিষাসুরমর্দিনী বাজানো হতে পারে। মহালয়া ২০২৬ সালে ১০ অক্টোবর শনিবার।শুধু মহিষাসুরমর্দিনী বাজানোই নয়, ঘাটগুলিকে বিশেষ আলোয় সাজিয়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে। ফলে ভোরের গঙ্গার পাড়ে তর্পণের সময় এক অন্য ধরনের পরিবেশ তৈরি হতে পারে। পিতৃতর্পণ করতে আসা মানুষের পাশাপাশি মহালয়ার আবহ উপভোগ করতে আসা মানুষের কাছেও এই আয়োজন আকর্ষণের কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে।এই পরিকল্পনার আরও একটি বিশেষ আকর্ষণ হতে পারে বিশাল আকারের রেডিয়োর প্রতিকৃতি। মহালয়ার ভোরে রেডিয়োয় মহিষাসুরমর্দিনী শোনার যে দীর্ঘদিনের বাঙালি ঐতিহ্য, সেই স্মৃতিকেই গঙ্গার ঘাটে তুলে ধরার ভাবনা রয়েছে। ঘাটের চত্বরে বড় রেডিয়োর আদল তৈরি করে তার মাধ্যমে পুরনো দিনের সেই আবহ ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।মহালয়ার সঙ্গে বাঙালির এই আবেগ বহু পুরনো। পিতৃপক্ষের অবসান এবং দেবীপক্ষের সূচনার এই দিনে ভোর থেকেই কলকাতার গঙ্গার বিভিন্ন ঘাটে তর্পণ করতে মানুষের ভিড় হয়। তার সঙ্গে যদি বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠে মহিষাসুরমর্দিনী এবং বিশেষ আলোকসজ্জা যুক্ত হয়, তা হলে ঘাটগুলির পরিবেশ আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে।এবারের দুর্গাপুজোকে ঘিরে রাজ্য সরকারের একাধিক বড় আয়োজনের পরিকল্পনার খবর ইতিমধ্যেই সামনে এসেছে। মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সে বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হচ্ছে বলেও একাধিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।সব মিলিয়ে মহালয়া ২০২৬-এ কলকাতার গঙ্গার ঘাটে নতুন ধরনের আবহ তৈরির প্রস্তুতি চলছে। বাবুঘাট, বাজে কদমতলা ঘাট, জাজেস ঘাট, নিমতলা ঘাট এবং আহিরীটোলা ঘাটে শেষ পর্যন্ত এই পরিকল্পনা কী ভাবে বাস্তবায়িত হয়, এখন সেদিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
রাজ্য

ক্লাস চলাকালীন গায়ে কেরোসিন ঢেলে আত্মহত্যার চেষ্টা SFI নেতার! নেপথ্যে কারণ কী

জলপাইগুড়ির আনন্দচন্দ্র কলেজে ক্লাস চলাকালীন গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরানোর চেষ্টা ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সোমবার দুপুরে প্রথম বর্ষের এক ছাত্রনেতা আচমকাই ক্লাসরুমে কেরোসিন ঢেলে নেন বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে। পরে তিনি লাইটার বের করে আগুন ধরানোর চেষ্টা করলে ক্লাসে থাকা অধ্যাপক তাঁকে থামিয়ে দেন।ওই ছাত্রের নাম অর্ণব সরকার বলে জানা গিয়েছে। তাঁকে এসএফআইয়ের স্থানীয় কমিটির সম্পাদক হিসাবেও উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনার সময় ইতিহাসের ক্লাস চলছিল। অর্ণব ব্যাগ থেকে কেরোসিনের বোতল বের করে নিজের গায়ে ঢেলে নেন। এরপর লাইটার জ্বালানোর আগেই অধ্যাপক তাঁর হাত থেকে সেটি নিয়ে নেন। পরে তাঁকে অধ্যক্ষের ঘরে নিয়ে যাওয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশও কলেজে যায়।ঘটনার পর অর্ণব দাবি করেন, কলেজে তাঁকে নিয়মিত নিগ্রহ করা হচ্ছিল। তাঁর অভিযোগ, এ বিষয়ে এন্টি র্যাগিং কমিটিতে জানানো হলেও কোনও কার্যকর পদক্ষেপ হয়নি। তাঁর আরও দাবি, ঘটনার দিন কলেজে ঢোকার মুখেও তাঁকে মারধর করা হয়েছিল। সেই পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়েই তিনি এমন পদক্ষেপ করেছেন বলে জানান অর্ণব।অর্ণবের দাবি, তিনি কাউকে মারতে চাননি। নিজের নিরাপত্তার কথা ভেবেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বলে তাঁর বক্তব্য। তাঁর আরও দাবি, বাড়ি থেকেই কেরোসিন নিয়ে কলেজে এসেছিলেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষও তদন্ত করবে বলে জানিয়েছে। অধ্যক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী, কলেজের ইতিহাসে এমন ঘটনা নজিরবিহীন এবং পড়ুয়া কী ভাবে দাহ্য পদার্থ নিয়ে ক্যাম্পাসে ঢুকলেন, সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।অন্য দিকে, অর্ণবের অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছে এবিভিপি। সংগঠনের তরফে দাবি করা হয়েছে, ঘটনাটি পরিকল্পিত এবং দৃষ্টি আকর্ষণের জন্যই এমন কাণ্ড ঘটানো হয়েছে। তাদের বক্তব্য, অর্ণবকে কে বা কারা মারধর করেছে বলে অভিযোগ করা হলেও তিনি নির্দিষ্ট কারও নাম বলতে পারেননি। ফলে অভিযোগের সত্যতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে এবিভিপি।এসএফআই অবশ্য পাল্টা অভিযোগ করেছে। সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক দেবাঞ্জন দে-র দাবি, এবিভিপির বিরুদ্ধে ছাত্রদের মারধর এবং ক্যাম্পাসে ভয় দেখানোর অভিযোগ রয়েছে। তাঁর অভিযোগ, কলেজের ভিতরে একটি নির্দিষ্ট অপরাধচক্র তৈরি হয়েছে। তবে এই অভিযোগও এখনও রাজনৈতিক পক্ষগুলির বক্তব্যের মধ্যেই রয়েছে এবং তা স্বাধীন ভাবে প্রমাণিত হয়নি।ঘটনার পর কলেজের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। কী ভাবে একজন পড়ুয়া কেরোসিনের মতো দাহ্য পদার্থ নিয়ে কলেজে ঢুকলেন, সেটি এখন তদন্তের অন্যতম বিষয়। একই সঙ্গে অর্ণবের অভিযোগের সত্যতা, তাঁকে কোনও ভাবে নিগ্রহ করা হয়েছিল কি না এবং ঘটনার পিছনে ঠিক কী পরিস্থিতি ছিল, তা খতিয়ে দেখছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।আনন্দচন্দ্র কলেজের এই ঘটনা ইতিমধ্যেই এসএফআই ও এবিভিপির মধ্যে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর তৈরি করেছে। ছাত্রনেতার অভিযোগ এবং এবিভিপির পাল্টা বক্তব্যের মধ্যে আসল ঘটনা কী, তা তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

১০ অক্টোবর ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ! লেজেন্ডস লিগে শেষ পর্যন্ত কী সিদ্ধান্ত আয়োজকদের?

সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে আগামী ৩ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে লেজেন্ডস লিগের তৃতীয় সংস্করণ। চলবে ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত। এবারের প্রতিযোগিতায় মোট সাতটি দেশের কিংবদন্তি ক্রিকেটারদের দল অংশ নিচ্ছে। ভারত, পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজের পাশাপাশি এবার প্রথম বার খেলছে বাংলাদেশ।ভারতের দলে রয়েছেন যুবরাজ সিংয়ের মতো প্রাক্তন তারকারা। পাকিস্তানের দলেও রয়েছেন শাহিদ আফ্রিদি। আয়োজকদের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তানকে এবারের প্রতিযোগিতা থেকে বাদ দেওয়া হয়নি। বরং ৩ অক্টোবর বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে তাদের অভিযান শুরু হওয়ার কথা।সবচেয়ে বেশি নজর অবশ্য ১০ অক্টোবরের ম্যাচে। ওই দিন দুবাইয়ে মুখোমুখি হওয়ার কথা ভারত এবং পাকিস্তানের কিংবদন্তি ক্রিকেটারদের। আয়োজকদের সরকারি সূচিতে এই ম্যাচটি রাখা হয়েছে। ফলে পাকিস্তান অংশ নেবে না বা ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ বাতিল হয়েছেএমন তথ্য বর্তমান সরকারি সূচির সঙ্গে মিলছে না।এর আগে দ্বিতীয় সংস্করণে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ ঘিরে বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। পহেলগাঁও হামলার পর ভারতীয় কিংবদন্তিদের দল পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মাঠে নামেনি। সেই পরিস্থিতিতে পাকিস্তান ওয়াকওভার পেয়ে পরের পর্বে পৌঁছেছিল। সেই ঘটনার প্রভাব এবারের প্রতিযোগিতাতেও পড়বে কি না, তা নিয়ে ক্রিকেটমহলে আলোচনা ছিল।তবে তৃতীয় সংস্করণের বর্তমান সূচিতে ভারত ও পাকিস্তানকে একই প্রতিযোগিতায় রাখা হয়েছে। শুধু তাই নয়, দুই দলের মধ্যে ম্যাচের দিনও নির্ধারিত হয়েছে। ফলে গতবারের পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি হবে কি না, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।এবারের প্রতিযোগিতার আরও একটি বড় আকর্ষণ বাংলাদেশের অভিষেক। বাংলাদেশের কিংবদন্তি দল প্রথম বার এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে। সেই দলের অন্যতম পরিচিত নাম মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ৩ অক্টোবর প্রথম ম্যাচেই পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।লেজেন্ডস লিগের তৃতীয় সংস্করণে মোট ২৪টি লিগ ম্যাচ হবে। শারজা এবং দুবাইয়ের মাঠে হবে ম্যাচগুলি। লিগ পর্বের পর ১৬ অক্টোবর সেমিফাইনাল এবং ১৮ অক্টোবর ফাইনাল হওয়ার কথা।ফলে পাকিস্তানকে প্রতিযোগিতা থেকে বাদ দেওয়ার যে দাবি সামনে এসেছে, তা অন্তত বর্তমান সরকারি সূচি অনুযায়ী সঠিক নয়। বরং পাকিস্তান এবারের প্রতিযোগিতার অন্যতম অংশগ্রহণকারী দল এবং ১০ অক্টোবর ভারত-পাকিস্তানের বহুল আলোচিত ম্যাচও সূচিতে রয়েছে। গতবারের বিতর্কের পর এবার সেই ম্যাচ সত্যিই মাঠে গড়ায় কি না, সেদিকেই নজর থাকবে ক্রিকেটপ্রেমীদের।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
দেশ

যৌনাঙ্গ কাটা, চারতলা থেকে ঝাঁপ! প্রেমানন্দের শিষ্যের রহস্যজনক মৃত্যুতে ক্রমেই বাড়ছে ধোঁয়াশা

বৃন্দাবনে প্রেমানন্দ মহারাজের শিষ্য দীপক লোধি ওরফে রসিক দুলারি শরণের রহস্যমৃত্যু ঘিরে তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে নতুন প্রশ্ন। পঁচিশ বছরের দীপক উত্তরপ্রদেশের বৃন্দাবনের গুরু কৃপা কুঞ্জ আশ্রমের চারতলা থেকে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। সিসিটিভি ফুটেজে তাঁকে উপর থেকে পড়ে যেতে দেখা গিয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। তবে কী পরিস্থিতিতে তিনি ছাদ থেকে পড়েছিলেন, তা এখনও তদন্তের বিষয়।দীপক মূলত মধ্যপ্রদেশের জবলপুরের বাসিন্দা ছিলেন। প্রায় দুবছর আগে তিনি বৃন্দাবনে আসেন। পরে প্রেমানন্দ মহারাজের কাছে দীক্ষা নিয়ে রসিক দুলারি শরণ নাম গ্রহণ করেন। এরপর তিনি বৃন্দাবনেই থাকতেন। তাঁর মৃত্যুতে পরিবারের সদস্যদের মধ্যেও নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।ঘটনার পর দীপকের ঘরে তল্লাশি চালিয়ে একটি গ্রাইন্ডার উদ্ধার করা হয়। সেটিতে রক্তের দাগ ছিল বলে পুলিশ ও একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। একই সঙ্গে দীপকের শরীরে যৌনাঙ্গে কাটার চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে বলেও তদন্তে উঠে এসেছে। গ্রাইন্ডারটি কী ভাবে ব্যবহৃত হয়েছিল এবং সেটিতে থাকা রক্ত কার, তা জানতে সেটি ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।এই গ্রাইন্ডারই এখন তদন্তের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হয়ে উঠেছে। সেটি দিয়েই দীপকের শরীরে ওই আঘাত করা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তবে এই মুহূর্তে সেটিকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে ধরা হচ্ছে না। তদন্তকারীরা ফরেন্সিক রিপোর্ট এবং অন্যান্য প্রমাণের সঙ্গে বিষয়টি মিলিয়ে দেখছেন।দীপকের ময়নাতদন্তের রিপোর্ট নিয়েও সামনে এসেছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি উপর থেকে পড়ে যাওয়ার ফলে শরীরে গুরুতর আঘাতও হয়েছিল। ফলে মৃত্যুর আগে ঠিক কী ঘটেছিল, তা বুঝতে ময়নাতদন্তের রিপোর্টের সঙ্গে সিসিটিভি ফুটেজ এবং ফরেন্সিক প্রমাণ মিলিয়ে দেখা হচ্ছে।সিসিটিভি ফুটেজে দীপকের ঘর থেকে বেরিয়ে ছাদের দিকে যাওয়ার সময় এবং পরে পড়ে যাওয়ার ঘটনা ধরা পড়েছে বলে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর শেষ কয়েক মিনিটের গতিবিধি এখন তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তিনি নিজেই ওই কাজ করেছিলেন, নাকি অন্য কোনও পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।পুলিশ দীপকের মোবাইল ফোন, ডায়েরি, সিসিটিভি ফুটেজ এবং ঘর থেকে উদ্ধার হওয়া সামগ্রী পরীক্ষা করছে। আত্মহত্যার সম্ভাবনার পাশাপাশি অন্য কোনও ঘটনা ঘটেছিল কি না, সেই দিকও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পরিবারের তরফে তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে বলেও সংবাদমাধ্যমে এসেছে।ফলে প্রেমানন্দ মহারাজের শিষ্য দীপক লোধির মৃত্যু আপাতত একাধিক প্রশ্নের সামনে দাঁড় করিয়েছে তদন্তকারীদের। চারতলা থেকে পড়ে যাওয়ার ঘটনা সিসিটিভিতে ধরা পড়লেও তার আগে কী ঘটেছিল, ঘরে রক্তমাখা গ্রাইন্ডার কেন ছিল এবং শরীরে কাটার চিহ্নের সঙ্গে তার কোনও যোগ রয়েছে কি নাএসব প্রশ্নের উত্তর ফরেন্সিক পরীক্ষা ও তদন্ত শেষ হলেই স্পষ্ট হতে পারে। আপাতত ঘটনাটিকে ঘিরে কোনও একটি তত্ত্বকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে ধরা হচ্ছে না।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
কলকাতা

ইন্টারভিউ থেকে প্যানেল, সব তালিকাতেই বদল! একাদশ-দ্বাদশ শিক্ষক নিয়োগে এসএসসির বড় সিদ্ধান্ত

একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির সহকারী শিক্ষক নিয়োগে বড় পরিবর্তন করল স্কুল সার্ভিস কমিশন। নতুন সংরক্ষণ বিধি অনুযায়ী নিয়োগ প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যেতে আগের মেধাতালিকা ও প্যানেল পুনর্গঠন করা হচ্ছে। কমিশনের ওয়েবসাইটে ইতিমধ্যেই সংশোধিত শূন্যপদের তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় মোট শূন্যপদ ১২ হাজার ৪৪৫টি।এর আগে একাদশ-দ্বাদশের শিক্ষক নিয়োগে প্যানেল এবং অপেক্ষমাণ তালিকা প্রকাশ করেছিল স্কুল সার্ভিস কমিশন। সেই তালিকা প্রকাশিত হয়েছিল চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে। পরে রাজ্যে ওবিসি সংরক্ষণের কাঠামোয় পরিবর্তন আসে। সেই পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নিয়োগের মেধাতালিকা নতুন করে তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন।নতুন সংরক্ষণ বিধি অনুযায়ী ওবিসি সংরক্ষণের হার ১৭ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৭ শতাংশ করা হয়েছে। সেই পরিবর্তনের ভিত্তিতেই একাদশ-দ্বাদশের শিক্ষক নিয়োগের শূন্যপদ এবং সংরক্ষণের হিসাব নতুন করে তৈরি করা হয়েছে।ফলে আগের প্যানেল ও অপেক্ষমাণ তালিকার ভিত্তিতে নিয়োগের যে প্রক্রিয়া চলছিল, তাতে পরিবর্তন আসছে। নতুন করে সংশোধিত মেধাতালিকা তৈরি করা হবে। এরপর নতুন প্যানেল এবং অপেক্ষমাণ তালিকা প্রকাশ করবে স্কুল সার্ভিস কমিশন।তবে আগে যাঁরা ইন্টারভিউ এবং নমুনা পাঠদানে অংশ নিয়েছেন, তাঁদের নতুন করে সেই ধাপগুলিতে অংশ নিতে হবে না। তাঁদের আগের লিখিত পরীক্ষা, শিক্ষাগত যোগ্যতার নম্বর, ইন্টারভিউ এবং নমুনা পাঠদানের নম্বরই নতুন মূল্যায়নে বিবেচনা করা হবে বলে কমিশনের নিয়োগ প্রক্রিয়ার কাঠামো থেকে জানা যাচ্ছে।নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত হওয়া প্রার্থীদের ক্ষেত্রে নথিপত্র যাচাই করা হবে। সেই যাচাই পর্ব শেষ হওয়ার পরে পরবর্তী ধাপে এগোবে কমিশন। সংশোধিত মেধাতালিকার ভিত্তিতেই পরবর্তী কাউন্সেলিং এবং নিয়োগ প্রক্রিয়া চালানো হবে।এই পরিবর্তনের ফলে আগের তালিকায় থাকা কিছু প্রার্থীর অবস্থান বদলাতে পারে। আবার নতুন সংরক্ষণ কাঠামোর কারণে এমন কিছু প্রার্থীও নতুন তালিকায় সুযোগ পেতে পারেন, যাঁরা আগের তালিকায় প্যানেল বা অপেক্ষমাণ তালিকায় ছিলেন না। তবে ঠিক কতজন প্রার্থীর অবস্থান বদলাবে বা কতজন আগের তালিকা থেকে বাদ পড়বেন, তা সংশোধিত চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত নয়।একাদশ-দ্বাদশ শিক্ষক নিয়োগের এই প্রক্রিয়ায় আগে প্রকাশিত তালিকা পুনর্গঠনের সিদ্ধান্তের মূল কারণই হল সংরক্ষণ বিধির পরিবর্তন। কমিশন জানিয়েছে, নতুন নিয়ম মেনেই নিয়োগ প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। এর ফলে আগের তালিকার পরিবর্তে সংশোধিত মেধাতালিকাই নিয়োগের ক্ষেত্রে কার্যকর হবে।এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে একাদশ-দ্বাদশের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের প্যানেল ও অপেক্ষমাণ তালিকা প্রকাশ করেছিল স্কুল সার্ভিস কমিশন। সেই তালিকার ভিত্তিতেই নিয়োগ প্রক্রিয়া এগোচ্ছিল। পরে সংরক্ষণ কাঠামোয় পরিবর্তনের কারণে পুরো মেধাতালিকা পুনর্গঠনের প্রয়োজন তৈরি হয়।এখন চাকরিপ্রার্থীদের নজর সংশোধিত চূড়ান্ত মেধাতালিকার দিকে। নতুন প্যানেল এবং অপেক্ষমাণ তালিকা প্রকাশের পরই স্পষ্ট হবে, কার অবস্থান কোথায় বদলাল এবং কারা শেষ পর্যন্ত নিয়োগের সুযোগ পেলেন। কমিশনের পরবর্তী বিজ্ঞপ্তির উপরেই এখন নির্ভর করছে একাদশ-দ্বাদশ শিক্ষক নিয়োগের পরবর্তী ধাপ।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
বিদেশ

ছয় সেকেন্ডেই গলে গেল গোটা পাহাড়! নেপালে ভয়াবহ দৃশ্য, নদীতে মিশে গেল পাহাড়ের অংশ

নেপালে ফের প্রকৃতির তাণ্ডব। প্রবল বৃষ্টি, পাহাড় ধস এবং বন্যায় একাধিক এলাকা বিপর্যস্ত। মুস্তাং জেলার লেতে এলাকায় কালীগণ্ডকী নদীর দিকে পাহাড়ের একটি বড় অংশ ধসে পড়েছে। কয়েক সেকেন্ডের একটি ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, বিশাল পাহাড়ের অংশ নদীতে গিয়ে পড়ছে। সেই সময় স্থানীয়দের চিৎকারও শোনা যায়। ধসের জেরে নদীর গতিপথ কিছু সময়ের জন্য বাধাগ্রস্ত হয়েছিল।টানা বৃষ্টির জেরে নেপালের পশ্চিমাঞ্চলের একাধিক নদীর জলস্তর বেড়েছে। মুস্তাং, মিয়াগদি, পার্বত এবং স্যাংজার মতো এলাকায় বন্যা ও পাহাড় ধসের খবর মিলেছে। পার্বত জেলার একটি বসতিতে কালীগণ্ডকী নদীর জল ঢুকে প্রায় ৮০টি বাড়ি ভেসে যাওয়ার খবরও সামনে এসেছে। বিভিন্ন জায়গায় ধসের কারণে সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হয়েছে এবং উদ্ধারকাজেও সমস্যা তৈরি হয়েছে।সাম্প্রতিক বন্যা ও পাহাড় ধসে নেপালের বিভিন্ন জেলায় অন্তত ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। আরও ১৪ জন নিখোঁজ বলে খবর। পরিস্থিতি সামাল দিতে নিরাপত্তাবাহিনী ও উদ্ধারকারী দল একাধিক এলাকায় কাজ করছে। বহু মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।এর মধ্যেই মানাং জেলার হিমলুং হিমালেও ভয়াবহ তুষারধস নেমেছে। রবিবার ৭১২৬ মিটার উচ্চতার এই পর্বতের কাছে তুষারধসে পর্বতারোহী ও তাঁদের সহকারীদের একটি শিবির ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রথমে প্রায় ১৪ জনের নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছিল। পরে উদ্ধারকারীরা চারটি দেহ উদ্ধার করেন। আরও ১২ জন এখনও নিখোঁজ বলে সর্বশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।এই নতুন বিপর্যয় এমন সময়ে ঘটল, যখন গত ২৬ অগস্টের ভয়াবহ বন্যা ও হড়পা বান থেকে এখনও পুরোপুরি ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি নেপাল। সেই ঘটনায় দেশের বিস্তীর্ণ এলাকায় বাড়িঘর, সেতু, রাস্তা এবং জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। পরবর্তী হিসাব অনুযায়ী, সেই বিপর্যয়ে মৃতের সংখ্যা এক হাজার চারশোরও বেশি এবং নিখোঁজের সংখ্যাও কয়েক হাজারে পৌঁছেছে।২৬ অগস্টের বিপর্যয়ের পর থেকেই নেপালের একাধিক এলাকায় উদ্ধার ও ত্রাণকাজ চলছে। কিন্তু নতুন করে প্রবল বৃষ্টি, বন্যা এবং পাহাড় ধস পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলেছে। বিশেষ করে পাহাড়ি এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ায় দুর্গতদের কাছে দ্রুত পৌঁছনো নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়েছে।মুস্তাংয়ের পাহাড় ধসের ভিডিয়ো ইতিমধ্যেই মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করেছে। চোখের সামনে পাহাড়ের বিশাল অংশ নদীতে তলিয়ে যাওয়ার দৃশ্য দেখে স্থানীয়দের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। একই সময়ে মানাংয়ে তুষারধসের ঘটনায় নিখোঁজদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান চালানো হচ্ছে।নেপালে একের পর এক প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ঘটনায় এখন সবচেয়ে বড় উদ্বেগ উদ্ধারকাজ এবং দুর্গত মানুষদের নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া। পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে প্রশাসন। প্রবল বৃষ্টি ও নতুন করে ধস নামার আশঙ্কায় পাহাড়ি এলাকাগুলিতে সতর্কতাও জারি রাখা হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
রাজ্য

সোনার বাজারে ভূমিকম্প! এক ঝটকায় হুড়মুড়িয়ে কমল দাম, কলকাতায় আজ ২২ ক্যারেটের দাম জানলে চমকে যাবেন

বিশ্ববাজারের অস্থিরতা ও সুদের হার বৃদ্ধির আশঙ্কার মাঝে ভারতীয় বাজারে পতন লক্ষ্য করা গেল সোনার দামে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬) প্রতি গ্রাম ২৪ ক্যারেট সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ১৫,০১৭ টাকায়, যা গত ২৬ সেপ্টেম্বরের তুলনায় গ্রাম প্রতি ২৫১ টাকা কম। একইভাবে ২২ ক্যারেট ও ১৮ ক্যারেটের সোনার দামও কমেছে। ভারতে আজ সোনার দর (প্রতি গ্রাম ও ১০ গ্রাম)২৪ ক্যারেট: প্রতি গ্রাম ১৫,০১৭ টাকা (১০ গ্রামে ১,৫০,১৭০ টাকা)। ২৬ সেপ্টেম্বরের তুলনায় দর কমেছে ২৫১ টাকা।২২ ক্যারেট: প্রতি গ্রাম ১৩,৭৬৫ টাকা (১০ গ্রামে ১,৩৭,৬৫০ টাকা)। দর কমেছে ২৩০ টাকা।১৮ ক্যারেট: প্রতি গ্রাম ১১,২৬৩ টাকা (১০ গ্রামে ১,১২,৬৩০ টাকা)। দর কমেছে ১৮৮ টাকা।প্রধান শহরগুলিতে আজ সোনার দর (প্রতি ১০ গ্রাম)কলকাতা, মুম্বাই, বেঙ্গালুরু, হায়দরাবাদ ও পুনে: ২৪ ক্যারেট ১,৫০,১৭০ টাকা। ২২ ক্যারেট ১,৩৭,৬৫০ টাকা। ১৮ ক্যারেট ১,১২,৬৩০ টাকা।দিল্লি: ২৪ ক্যারেট ১,৫০,৩২০ টাকা। ২২ ক্যারেট ১,৩৭,৮০০ টাকা। ১৮ ক্যারেট ১,১২,৭৮০ টাকা।চেন্নাই: ২৪ ক্যারেট ১,৫০,১৭০ টাকা। ২২ ক্যারেট ১,৩৭,৬৫০ টাকা। ১৮ ক্যারেট ১,১৫,৩৫০ টাকা।আহমেদাবাদ ও বরোদা: ২৪ ক্যারেট ১,৫০,২২০ টাকা। ২২ ক্যারেট ১,৩৭,৭০০ টাকা। ১৮ ক্যারেট ১,১২,৬৮০ টাকা।কেন কমছে সোনার দাম?অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারের চাপই দেশীয় বাজারে সোনার দাম কমার প্রধান কারণ। ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম Giottus.com-এর সিইও বিক্রম সুব্বুরাজ জানিয়েছেন, বিশ্ববাজারে স্পট গোল্ডের দাম ১.৫ শতাংশ কমে প্রতি আউন্সে ৪,২২৪ ডলারে নেমে এসেছে। পাশাপাশি ইউএস ফিউচার্স প্রতি আউন্সে প্রায় ৪,২৫৮ ডলারে লেনদেন হচ্ছে।তেলের দাম বাড়ায় মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা জোরালো হচ্ছে, যার ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ডলারের শক্তি বৃদ্ধি ও সুদের হার বাড়ার কারণে অলঙ্কার ও সোনায় বিনিয়োগের প্রবণতা সাময়িকভাবে কমছে। তবে অন্যদিকে, রুপোর বাজারে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত মিলেছে। এমসিএক্স (MCX)-এ সিলভার মিনি কন্ট্রাক্ট প্রতি কেজিতে প্রায় ২,৩৬,৬৮০ টাকায় লেনদেন হয়েছে।পশ্চিম এশিয়ার উত্তেজনা ও আন্তর্জাতিক বাজারের অনিশ্চয়তাআন্তর্জাতিক অঙ্গনে পশ্চিম এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা এখন চরম পর্যায়ে। হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা দিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত ৬০ দিনের সামুদ্রিক যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভেস্তে গেছে। চুক্তি ভঙ্গের পর থেকেই দুই দেশ পুনরায় সামরিক অভিযান শুরু করেছে এবং সব ধরনের কূটনৈতিক পথ বন্ধ করে দিয়েছে।ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন, তেহরান আলোচনার জন্য প্রস্তুত হলেও মার্কিন হামলার জবাবে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের জন্যও তৈরি। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বিশ্বজুড়ে সোনার চাহিদা ও দামের ওপর দীর্ঘমেয়াদে বড় প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা বজায় থাকছে।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
রাজ্য

‘জোড়া ফুল’ প্রতীক ফ্রিজ মামলায় বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, হাতছাড়া হতে চলেছে মমতার সাধের প্রতীক?

সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় নাম ও জোড়া ফুল প্রতীক ফ্রিজ করার নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দায়ের করা মামলায় বড় নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। তৃণমূলের ভেতরে চলা উপদলীয় কোন্দলের জেরে দলীয় নাম ও প্রতীক নিয়ে দুই গোষ্ঠীর বিরোধ নিষ্পত্তিতে নির্বাচন কমিশনকে (ECI) একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত। নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে উভয় পক্ষকে নিজেদের লিখিত বক্তব্য পেশ করতে হবে এবং তিন মাসের মধ্যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে কমিশনকে।দলের নাম ও প্রতীক ফ্রিজ করার অন্তর্বর্তীকালীন সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে সর্বোচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার এই সংক্রান্ত আবেদনের শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের বেঞ্চ জানায়, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও স্পষ্টতা বজায় রাখতে দ্রুত এই বিরোধের সমাধান হওয়া প্রয়োজন। উল্লেখ্য, দলীয় কোন্দলের জের ধরে গত ১৮ সেপ্টেম্বর অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের নাম এবং তাদের ঐতিহ্যবাহী জোড়া ফুল (Flowers Grass) প্রতীক ফ্রিজ বা সাময়িকভাবে স্থগিত করার নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। দুই বিরোধী গোষ্ঠীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, বিতর্ক নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তাদের বিকল্প নতুন নাম ও প্রতীক বেছে নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে।উপনির্বাচনের তারিখ ঘোষণার ঠিক ১০ দিন পর কমিশনের এই সিদ্ধান্ত আসে, যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অরূপ রায়ের নেতৃত্বাধীন দুই পৃথক গোষ্ঠীই নিজেদের প্রার্থী মনোনীত করেছিল।কমিশনের ওই নির্দেশিকায় বর্তমানে বিকল্প প্রতীক নিয়ে লড়াইয়ে নেমেছে দুই শিবির। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে ফুটবলার প্রতীক নিয়ে এবং অরূপ রায়ের নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহী শিবির নির্বাচন লড়ছে খাম (Envelope) প্রতীক নিয়ে। তবে দলের আসল মালিকানা ও নাম-প্রতীক কার দখলে যাবে, আগামী ৩ মাসের মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের সেই সিদ্ধান্তের দিকে নজর থাকবে দেশের রাজনৈতিক মহলের।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal