• ১৫ চৈত্র ১৪৩২, রবিবার ২৯ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Agitation,

কলকাতা

আন্দোলন স্থগিত, কিন্তু থামেনি লড়াই— নতুন বার্তা দিলেন বিএলওরা

অতিরিক্ত কাজের চাপ, শারীরিক অসুস্থতা, এমনকি সহকর্মীর আত্মঘাতী হওয়ার অভিযোগ সবকিছু মিলিয়ে ক্ষোভে ফুঁসছিলেন রাজ্যের বহু বিএলও। সেই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশেই সোমবার বিকেল থেকে সোজা মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (সিইও) অফিসের সামনে ধরনায় বসে পড়েন তৃণমূলপন্থী বিএলও অধিকার রক্ষা মঞ্চের সদস্যরা। দাবি স্পষ্ট সিইও তাঁদের সঙ্গে বৈঠক না করলে এই অবস্থান তুলে নেওয়া হবে না।প্রায় ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে ৩০ ঘণ্টা পূর্ণ হওয়ার মুখে অবশেষে আন্দোলনকারী বিএলওদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে বাধ্য হন রাজ্যের সিইও মনোজ কুমার আগরওয়াল। দীর্ঘ বৈঠকের শেষে আন্দোলনকারীরা জানান, তাঁদের বেশ কিছু দাবিতে আশ্বাস দিয়েছেন সিইও। সেই কারণেই আপাতত সিইও অফিসের সামনে থেকে ধরনা তুলে নেওয়া হয়েছে।বিক্ষোভের মূল অভিযোগ ছিল এসআইআর সংক্রান্ত কাজ, ফর্ম পূরণ, ডিজিটাইজেশন সব মিলিয়ে কাজের বোঝা এতটাই বেড়েছে যে অনেকেই মানসিক চাপে ভুগছেন। এমনকি কাজ শেষ করতে না পারলে শোকজ বা সাসপেন্ড করার ভয়েও অনেকে আতঙ্কে। এই আতঙ্ক থেকেই এক বিএলও আত্মঘাতী হয়েছেন বলেও অভিযোগ।বিএলও সোনালি বন্দ্যোপাধ্যায় চক্রবর্তী বৈঠকের পর বলেন, দীর্ঘ ৩০ ঘণ্টার ধরনার পর সিইও আমাদের সঙ্গে আলোচনায় বসলেন। আমরা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছি, বর্তমান সময়সীমায় কাজ শেষ করা অসম্ভব। আরও সময় চাই। ডেটা এন্ট্রি অপারেটর নিয়োগের দাবিও জানাই।তিনি আরও জানান, সিইও জানিয়েছেন ডেটা এন্ট্রি অপারেটর নিয়োগ তাঁর ক্ষমতার মধ্যে নয়, বিষয়টি দিল্লির নির্বাচন কমিশনকে জানাবেন। তবে সবচেয়ে বড় স্বস্তির কথা কোনও বিএলও-কে শোকজ বা সাসপেন্ড করা হবে না বলে আশ্বাস দিয়েছেন মনোজ আগরওয়াল।এছাড়াও কাজের চাপে যাঁরা আত্মঘাতী হয়েছেন, তাঁদের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণের দাবিও করেন আন্দোলনকারীরা। সিইও তাঁদের জানান মৃত বিএলও-র পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।যদিও আজ ধরনা তুলে নেওয়া হয়েছে, আন্দোলন বন্ধ হয়নি বলেই জানিয়েছেন সোনালি ও অন্যান্য বিএলওরা। তাঁদের কথায়, আন্দোলন চলবে। দাবি মানা না হলে আবারও পথে নামতে হবে।

নভেম্বর ২৬, ২০২৫
রাজ্য

টেট উত্তীর্ণদের বিক্ষোভে উত্তাল সল্টলেক, চ্যাংদোলা করে তোলা হল পুলিশ গাড়িতে

নিয়োগের দাবিতে ফের উত্তাল সল্টলেকের করুণাময়ী। ২০২২ সালের টেট উত্তীর্ণদের বিক্ষোভে উত্তাল। টেট উত্তীর্ণদের আন্দোলনে ধুন্ধুমার। সল্টলেক করুণাময়ীতে পুলিশের ব্যাপক ধরপাকড়। আন্দোলনকারীদের সাথে ধাক্কাধাক্কি চলতে থাকে পুলিশের। ক্ষোভে ফেটে পড়েন আন্দোলনকারীরা। মঙ্গলবার সকাল থেকে সল্টলেকে করুণাময়ী মোড়ে জমায়েত করেছিলেন ২০২২ সালের টেট উত্তীর্ণরা। প্রাথমিকে ৫০ হাজার শূন্যপদে নিয়োগের দাবিতে তাঁদের এদিনের কর্মসূচি ছিল (এপিসি ভবন)পর্যদ অফিস অভিযান। সকাল থেকেই করুণাময়ীতে ভিড় বাড়তে থাকে। বিভিন্ন জেলা থেকে আসা হাজার হাজার চাকরিপ্রার্থী ব্যানার, প্ল্যাকার্ড হাতে স্লোগান তুলতে শুরু করেন। কিন্তু আন্দোলন জমতে না জমতেই শুরু হয় পুলিশের ধরপাকড়। করুণাময়ী মেট্রো স্টেশনের বাইরে থেকেই পুলিশি বাধা তৈরি হয়। একে একে কর্মীদের ঘিরে ফেলে তাঁদের চ্যাংদোলা করে গাড়িতে তোলা হয়। কয়েক মিনিটের মধ্যেই এলাকা জুড়ে তৈরি হয় উত্তেজনা। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি, ধাক্কাধাক্কির ঘটনাও ঘটে। বহু চাকরিপ্রার্থী অভিযোগ করেন, শান্তিপূর্ণ আন্দোলন সত্ত্বেও তাঁদের হেনস্তা করা হয়েছে।

আগস্ট ১৯, ২০২৫
স্বাস্থ্য

দিনের পর দিন কাজ করেও বেতন জোটেনি, শেষমেশ অবস্থান-বিক্ষোভ মালদা মেডিক্যাল কলেজে

দিনের পর দিন বেতন না মেলায় অবশেষে ক্ষোভ দানা বাঁধলো মেডিক্যাল কলেজের শতাধিক অস্থায়ী কর্মীদের মধ্যে। কাজ করেও তাঁদের বেতন জোটেনি। বকেয়া বেতন মেটানোর দাবিতে সোমবার সকাল থেকেই কর্মবিরতির ডাক দিলেন মালদা মেডিকেল কলেজের শতাধিক অস্থায়ী কর্মী। এদিন সকাল থেকেই মেডিকেল কলেজের ট্রমা কেয়ার ভবনের সামনের অবস্থান-বিক্ষোভে বসে পড়েন অস্থায়ী কর্মীরা। যতক্ষণ পর্যন্ত বেতন সমস্যা না মেটানো হবে ততক্ষণ কর্মবিরতি চলবে বলেও সরাসরি জানিয়ে দিয়েছেন অবস্থান-বিক্ষোভে সামিল হওয়া অস্থায়ী কর্মীরা। তাঁদের অভিযোগ, পরিশ্রম করেও প্রতিমাসে নিয়ম করে বেতন মিলছে না। এই মেডিকেল কলেজের হাউসকিপিং, নিরাপত্তারক্ষী সহ বিভিন্ন বিভাগে প্রায় ১৮১ জন অস্থায়ী কর্মী রয়েছেন। ১৪ ঘণ্টারও বেশি কাজ করেন প্রত্যেকেই। কিন্তু বেতনের সময় এলেই আর নিয়ম করে তা দেওয়া হচ্ছে না। অধিকাংশ অস্থায়ী কর্মীদের ছয় মাসের বেতন মেলেনি। আবার কেউ চার মাস এবং তিন মাস ধরে বেতন পাচ্ছেন না। মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে এব্যাপারে গণস্বাক্ষর সম্বলিত চিঠি দেওয়া হলেও কোনওরকম সদুত্তর পাওয়া যায়নি। তাই নিজেদের বকেয়া বেতনের দাবিতে এদিন কর্মবিরতির ডাক দিয়ে এভাবে অবস্থান-বিক্ষোভে বসেছে। এদিন বিক্ষোভকারী এক অস্থায়ী কর্মী অম্লান মিশ্র বলেন, আমি নিজে ছয় মাস ধরে বেতন পাইনি। অথচ মেডিকেল কলেজের প্রতিদিনই ১২ থেকে ১৪ ঘন্টা ডিউটি করছি। আমার মতো শতাধিক অস্থায়ী কর্মী মাসের পর মাস বেতন পাচ্ছে না। অথচ আমরা কর্তব্যে কোনও সময় গাফিলতি করি না। মালদা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডাঃ পার্থ প্রতিম মুখোপাধ্যায় বলেন, নির্দিষ্ট একটি এজেন্সির মাধ্যমেই ওই অস্থায়ী কর্মীরা কাজ করেন। এখানে মেডিকেল কলেজের কোনও হাত নেই। তবুও বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

জুন ০৯, ২০২৫
রাজ্য

বিজেপির বিক্ষোভ ঘিরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি সল্টলেকে

বিজেপি কর্মীদের সাথে পুলিশের ধস্তাধস্তি সল্টলেকের এসএসসি দপ্তরের কিছুটা দূরে। বিক্ষোভকে ঘিরে সল্টলেকে তুলকালাম ঘটনা ঘটে। বৃহস্পতিবার দুপুরে বিজেপির পক্ষ থেকে এসএসসি দপ্তরের কিছুটা দূরে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়। এদিন বিজেপি সমর্থকরা জমায়েত হয় সেখানে। তাদের এসএসসি দপ্তর যাবার পরিকল্পনা ছিল। বিধাননগর পুলিশের বিশাল বাহিনী আগে থেকেই মজুত ছিল সেখানে। বিজেপি কর্মীরা এসএসসি ভবনের দিকে এগোতে চাইলে তাদেরকে বাধা দেয় বিধান নগর পুলিশ। এর পরই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। বিজেপি কর্মীরা রাস্তায় বসে দশ নম্বর ট্যাঙ্ক মোড় অবরোধ করে। রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে দেয় বিজেপি সমর্থকরা। পুলিশ তাদেরকে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নিয়ে যায়।

এপ্রিল ১০, ২০২৫
রাজ্য

পশ্চিমবঙ্গ পৌর স্বাস্থ্যকর্মী (কন্ট্রাকচুয়াল) ইউনিয়নের তরফে নগরায়ন দফতরে বিক্ষোভ

পশ্চিমবঙ্গ পৌর স্বাস্থ্যকর্মী (কন্ট্রাকচুয়াল) ইউনিয়ন এর তরফ থেকে UDMA দফ্তর অভিযান। একাধিক দাবf নিয়ে এই বিক্ষোভ। বিক্ষোভ দেখায় নগরায়ন দফতরের সামনে। অবিলম্বে পৌর স্বাস্থ্যকর্মীদের মাসিক ভাতা বৃদ্ধি করতে হবে, কর্মরত অবস্থায় কোন কর্মীর মৃত্যু হলে তার পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা সহায়তা প্রদান, ষাটোর্ধ্ব কোন কর্মী গুরুতর অসুস্থ হলে তাকে অবসরকালীন ভাতা দিয়ে অবসর গ্রহণের সুযোগ দিতে হবে, পৌর স্বাস্থ্যকর্মীদের সরকারি স্বাস্থ্যকর্মীর স্বীকৃতি, সরকারি সব ছুটি, পেনশন, প্রভিডেন্ট ফান্ড ও ইএস আই-র আওতায় আনতে হবে। এই সকল দাবিতে বৃহস্পতিবার দুপুরে সল্টলেকের নগরায়ন দফতরের UDMA অভিযান। অভিযানের ডাক দেয় পশ্চিমবঙ্গ পৌর স্বাস্থ্যকর্মী (কন্ট্রাকচুয়াল) ইউনিয়ন।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২৫
রাজ্য

এবার ভারতের টিভি চ্যানেল বন্ধ করার আবেদন বাংলাদেশের আদলতে

এবার ভারতের সমস্ত টিভি চ্যানেলের সম্প্রচার বন্ধের দাবিতে মঙ্গলবার বাংলাদেশের হাইকোর্টে মামলা দায়ের হল। মামলাকারীরা বাংলাদেশের অশান্তির নেপথ্যে ভারতের বিভিন্ন টিভি চ্যানেলগুলির ভূমিকা দেখতে পাচ্ছে। তবে এদিন ওই মামলার শুনানি হয়নি। আদালত সূত্রের খবর, আগামীকাল বুধবার এই মামলার শুনানি হতে পারে। ২০০৬ সালের কেবল টেলিভিশন নেওয়ার্ক আইনের ২৯ ধারা অনুযায়ী ভারতের সব টিভি চ্যানেলের সম্প্রচার বাংলাদেশে নিষিদ্ধ করার জন্য এদিন হাইকোর্টে আবেদন জানিয়েছেন, আইনজীবী এখলাসউদ্দিন ভূঁইয়া। ভারতের সব টিভি চ্যানেলের পাশাপাশি সিরিয়ালের জন্য বিখ্যাত বিভিন্ন টিভি চ্যানেলের সম্প্রচার বন্ধেরও দাবি জানিয়েছেন তিনি।হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে প্রতিবেশী দেশে হিন্দুদের মন্দির, বাড়ি ভাঙচুর, লুটপাঠ, খুন, জখম, উচ্ছেদ প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যায়। বিশ্ব ব্যাপী সমালাচোনার ঝড় বয়ে চলেছে মহম্মদ ইউনুস সরকারের। বাংলাদেশ সরকার গ্রেফতার করেছে সংখ্যালঘু আন্দোলনের অন্যতম প্রধান নেতা চিন্ময়কৃষ্ণ দাসকে। তিনি এখন জেলবন্দী। তার পাশাপাশি বাংলাদেশের হিন্দুদের ওপর লাগাতার অত্যাচার চলছে। এই দাবিতে বাংলাদেশেও মিছিল, মিটিং প্রতিবাদ হচ্ছে। বিশ্বের ১৫০টির বেশি দেশে ইসকন প্রতিবাদ জানিয়ে পথে নেমেছে। ভারতেও হিন্দুত্ববাদীরা বাংলাদেশে নির্যাতনের প্রতিবাদে আন্দোলন করছে। বিক্ষোভ দেখিয়েছে কলকাতার বাংলাদেশে ডেপুটি হাইকমিশনে। এবার টিভি চ্যানেল বন্ধ করার আবেদন বাংলাদেশের আদালতে। অথচ বাংলাদেশের সংবাদপত্রে বলিউডের কাহিনী এখনও কদর পাচ্ছে।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২৪
রাজ্য

উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের হস্টেলে ব্যাপক তান্ডব সুপার ও ৪ দুষ্কৃতীর, শেষমেশ ঠাঁই শ্রীঘরে

নিম্নমানের খাবার খেতে দেওয়া নিয়ে প্রতিবাদ করেছিল হোস্টেলে থাকা একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীর পড়ুয়ারা। সেই প্রতিবাদী পড়ুয়াদের উপর বদলা নিতে যাওয়া হোস্টেল সুপার ও তাঁর মস্তান বাহিনীর হাতেই শেষে পড়লো পুলিশের হাতকড়া। বহিরাগত মস্তানদের সঙ্গে নিয়ে হোস্টেলে থাকা উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের পিটিয়ে আহত করার অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন হোস্টেল সুপার সহ পাঁচ জন। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের মেমারিতে। আহত পড়ুয়ারা সকলেই মেমারির দুর্গাডাঙা এলাকায় থাকা আল আমিন মিশন স্কুলের হোস্টেলের আবাসিক। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতরা হল সেখ হাসিবুল আলম,মোজাফর সেখ,সেখ কিতাবুল,সেখ আব্বাস ও সেখ সফিকুল। ধৃতরা মেমারির দুর্গাডাঙা সহ আশপাশের এলাকার বাসিন্দা। এদের মধ্যে হাসিবুল আলম হলেন আল আমিন মিশন হোস্টেলের সুপারেনটেনডেন্ট। জামিন অযোগ্য একাধিক ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ শুক্রবার পাঁচ ধৃতকেই পেশ করে বর্ধমান আদালতে।বিচারক সকল ধৃতকে জেল হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক সাজার দাবী করেছে আক্রান্ত পড়ুয়া ও তাঁদের অভিভাবকরা। আহত পড়ুয়ারা জানিয়েছেন,তাঁরা মেমারির আল আমিন মিশন স্কুলের ছাত্র। মিশনের হোস্টেলে থেকেই তাঁরা পড়াশুনা করেন।তাঁদের কেউ এই বছরের উচ্চ মাধ্যমিকের একাদশ শ্রেণীর পরীক্ষার্থী,আবার কেউ দ্বাদশ শ্রেণীর পরীক্ষার্থী বলে জানিয়েছেন । এই পড়ুয়ারা অভিযোগে জানিয়েছেন,বেশ কিছুদিন যাবৎ তাঁদের হোস্টেলে নিম্নমানের খাবার খেতে দেওয়া হচ্ছে। নিম্নমানেয় খাবার খেতে দেওয়া নিয়ে তাঁরা প্রতিবাদ করেন। সেই প্রতিবাদ মেনে নিতে পারেননি হোস্টেলের সাপারেনটেনডেন্ট। তাই বদলা নিতে হোস্টেল সুপার শেখ হাসিবুল আলম বৃহস্পতিবার রাতে বহিরাগত একদল মস্তানকে হোস্টেলে ঢুকিয়ে দেন। হোস্টেল সুপারের নেতৃত্বে ওই বহিরাগতরা রড, লাঠি দিয়ে হোস্টেলে থাকা ১৫-২০ জন উচ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীকে মারধোর করে আহত করে। এমনকি বহিরাগত মস্তানরা হোস্টেলে ভাঙচুরও চালায়। তা নিয়ে রাতে হোস্টেলে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে মেমারি থানার পুলিশ ও স্থানীয় সহৃদয় মানুষজন হোস্টেলে ছুটে আসেন। তাঁরাই সকল আহত পড়ুয়াদের উদ্ধার করে মেমারি গ্রামীন হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করান। ছাত্রদের তোলা এই অভিযোগের বিষয়ে আল আমিন মিশন স্কুল কর্তৃপক্ষের তরফে কেউ সংবাদ মাধ্যমে কোন প্রতিকৃয়া দিতে চান নি।তবে আহত পড়ুয়া ও তাঁদের অভিভাবকদের অভিযোগের ভিত্তিতে মেমারি থানার পুলিশ কড়া পদক্ষেপ নেওয়ায় আপাতত স্বস্তিতে পড়ুয়ারা। বর্ধমান দক্ষিণ মহকুমা পুলিশ আধিকারিক (এসডিপিও) সুপ্রভাত চক্রবর্তী জানিয়েছেন,পড়ুয়াদের মারধোরের ঘটনায় পুলিশ কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে। হোস্টেল সুপার সহ পাঁচ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনায় আর কেউ যুক্ত রয়েছে কিনা তাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

এপ্রিল ২২, ২০২২
রাজ্য

রাস্তার দাবীতে পঞ্চায়েত অফিসে তালা দিয়ে বিক্ষোভ বর্ধমানে

রাস্তার দাবীতে পঞ্চায়েতে তালা মেরে বিক্ষোভ দেখালেন গ্রামবাসীরা। তাদের দাবী পূরণ না হওয়া পর্যন্ত পঞ্চায়েত খুলতে না দেওয়ার হুমকিও দেয়। লাঠী,টাঙ্গী, হাঁসুয়া,কুড়ুল ও তীরধনুক নিয়ে বিক্ষোভে সামিল হল গ্রামবাসীরা। মঙ্গলবার বর্ধমান-১ নম্বর ব্লকের বণ্ডুল ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের বণ্ডুল আদিবাসী পাড়ার বাসিন্দারা বিক্ষোভে সামিল হন। বাসিন্দাদের অভিযোগ, ২০১৪ সাল থেকে গ্রামের রাস্তার দাবী প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে জানিয়েও সুরাহা না হওয়ায় তারা বাধ্য হয়ে পঞ্চায়েতে তালা মেরে বিক্ষোভ দেখান।তাদের দাবী না মানা পর্যন্ত তারা এই বিক্ষোভ দেখাবেন।যদিও পঞ্চায়েতের উপপ্রধান সেখ গোলাম নবী জানিয়েছেন, সমস্যার কথা তাদের জানা। জমি সমস্যার জন্যই রাস্তাটি করা যাচ্ছে না। রাস্তাটি নির্মাণের জন্য যে জমির প্রয়োজন তা ব্যক্তি মালিকানায় থাকায় সমস্যা হচ্ছে। জমির মালিকরা জমি দিতে চাইছেন না। বিডিওকে জানিয়েছি বিষয়টা। ঘন্টা খানেক বিক্ষোভ চলার পর বর্ধমান-১ নম্বর ব্লকের বিডিও মৃণালকান্তি বিশ্বাসের আশ্বাসে বিক্ষোভ উঠে। বিডিও জানান খুব তাড়াতাড়ি সমস্যার সমাধানের জন্য সব পক্ষ নিয়ে আলোচনায় বসা হবে।

মার্চ ২৯, ২০২২
রাজনীতি

প্রার্থী হয়েছেন বিজেপি ও 'দাদার অনুগামী'রা, অনুমোদন পায়নি আমার তালিকা', রাজ্যের মন্ত্রীর কথায় থামল বিক্ষোভ

মন্ত্রীর বক্তব্যের পর বিক্ষোভ থামল পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথিতে। কাঁথি ও এগার পুরসভার নির্বাচন পরিচালন কমিটির আহ্বায়ক পদ থেকে পদত্যাগের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন রাজ্যের মন্ত্রী অখিল গিরি। মন্ত্রীর পাঠানো তালিকা যে অনুমোদন পায়নি সেকথাও জানিয়েছেন অখিল গিরি। পাশাপাশি বিজেপি ও দাদার অনুগামীরা প্রার্থী তালিকায় জায়গা পেয়েছে বলে মন্তব্য করেন মন্ত্রী।এদিন তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করার পর থেকে রাজ্যের নানা দিকে ক্ষোভ-বিক্ষোভ শুরু হয়। এদিন রাতে কাঁথিতে রাজ্যের মন্ত্রী অখিল গিরির বাড়ির সামনে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল কর্মীরা। তিনি বলেন, কাঁথি ও এগরার নির্বাচন কমিটির কনভেনর আমি। আমি যে প্রার্থী তালিকা পাঠিয়েছি দল সেই তালিকা অনুমোদন দেয়নি। যা তালিকা এসেছে আমার কাছে সেই তালিকা আমার নয়। আমার কাছে কপি আছে আপনারা দেখতে পারেন। আপনাদের নিশ্চিত ভাবে ক্ষোভ আছে।শেষমেশ মন্ত্রীর কথাতেই বিক্ষোভকারীরা শান্ত হন। একই সঙ্গে মন্ত্রীর দাবি, প্রার্থী তালিকায় বিজেপির দুএকজন আছে। দাদার অনুদামী হিসাবে চিহ্নিত, দাদার সঙ্গে যোগাযোগ আছে তারাও প্রার্থাী তালিকায় রয়েছে। তারা কিভাবে জাযগা পেল আমি জানি না। আমি নিজেই এই তালিকা দেখে মর্মাহত। আমি নিজে নির্বাচন কমিটির কনভেনরশিপ কালই ছেড়ে দেব। আপনারা শান্ত হোন বাড়ি যান।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২২
কলকাতা

পিএসসি ভবনের সামনে ফের বিক্ষোভ চাকরিপ্রার্থীদের

ফের চাকরিপ্রার্থীদের বিক্ষোভে উত্তাল হল শহর কলকাতা। পিএসসি ভবনের সামনে চাকরি প্রার্থীদের বিক্ষোভ। দ্রুত নিয়োগের দাবিতে বিক্ষোভ দেখান চাকরিপ্রার্থীরা।বুধবার সকালেও তাঁরা পাবলিক সার্ভিস কমিশনের অফিসের সামনে জড়ো হন। প্ল্যাকার্ড হাতে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন কয়েকশো চাকরিপ্রার্থী। দুর্নীতিগ্রস্তদের শনাক্ত করে দ্রুত তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে, মেধা তালিকা প্রকাশের সময়ে রোল নম্বরের পাশাপাশি চাকরি প্রার্থীদের নামের তালিকা প্রকাশ করতে হবে- এই সব একাধিক দাবি লেখা পোস্টার, প্ল্যাকার্ড হাতে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন চাকরিপ্রার্থীরা। স্লোগান দিতে থাকেন, এই অনাচার আর নয়। জমায়েতকে কেন্দ্র করে যাতে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সেকথা ভেবে আগে থেকেই প্রস্তুত ছিল টালিগঞ্জ থানার পুলিশ। পিএসসি ভবনের বাইরে পুলিশ মোতায়েন ছিল আগেই।বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্রুত স্বচ্ছতার সঙ্গে নিয়োগ,ধারাবাহিক পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি-সহ নিয়োগের ক্ষেত্রে দুর্নীতি ও বিভিন্ন টালবাহানার বিষয়ে সরব হয়েছেন চাকরি প্রার্থীরা। পাশাপাশি, জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার্স, কেপিএস, ফায়ার অপারেটর্স, লাইভ স্টক ডেভেলপমেন্ট, স্কুল এসআই, ফুড এসআই-সহ বিভিন্ন পদে দ্রুত নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা।সমস্ত নিয়োগ প্রক্রিয়া বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের এক বছরের মধ্যে সম্পন্ন করার দাবিও করা হয়েছে এদিনের বিক্ষোভ থেকে।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২২
রাজ্য

সহায়ক মূল্যে ধান বিক্রি করতে না পেরে ক্ষোভে ফেটে পড়ল বর্ধমানের চাষিরা, পঞ্চায়েত অফিস ঘেরাও

জমিতে উৎপাদিত ধান সরকারি সহায়ক মূল্যে বিক্রি করতে না পেরে পঞ্চায়েত অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখালেন চাষিরা। সোমবার ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের গলসি-১ ব্লকের লোয়া রামগোপালপুর পঞ্চায়েতে। কয়েকশো চাষি পঞ্চায়েত অফিসের গেট আটকে অবস্থান বিক্ষোভ করেন। প্রধান ও অফিস কর্মীদের অফিসে ঢুকতে না দিয়ে চাষিরা তাদের পথ আটকে দিয়ে বিক্ষোভও দেখান। চাষিদের এমন আন্দোলন ঘিরে এদিন লোয়া রামগোপালপুর পঞ্চায়েত অফিসের সামনে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া চাষিরা এদিন অভিযোগ করেন, তাঁরা অনেক কষ্ট করে নিজ নিজ জমিতে ধান উৎপাদন করেছেন। সরকার চাষিদের কাছ থেকে সহায়ক মূল্যে ধান কেনার ব্যবস্থাও করেছে। গলসির প্রায় সব পঞ্চায়েত সরকারি সহায়ক মূল্যে ধান কেনা শুরু করে দিয়েছে। কিন্তু গলসির লোয়া রামগোপালপুর পঞ্চায়েত চাষিদের কাছ থেকে সরকারু সহায়ক মূল্যে ধান কেনা শুরুর কোনও ব্যবস্থাই করতে পারেনি। প্রতিবাদী চাষিরা এদিন স্পষ্ট জানিয়ে দেন, তাঁদের জমিতে উৎপাদিত ধান অবিলম্বে পঞ্চায়েত ও প্রশাসন সরকারি সহায়ক মূল্যে কেনার ব্যবস্থা করুক। তা না হলে তাঁরা আরও বৃহত্তর আন্দোলন শুরু করবেন। চাষি কেষ্ট ঘোষ, চন্দন মুখোপাধ্যায় বলেন,গলসির সব পঞ্চায়েত চাষিদের সরকারি সহায়ক মুল্যে ধান বিক্রি করার জন্য টোকেন দেওয়া শুরু করে দিয়েছে। অথচ তাঁদের এলাকার চাষিরা টোকেন প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত রয়ে আছেন। চাষের জন্য বহু চাষির দেনায় পরে আছে। কেউ মহাজনী ঋন নিয়ে আবার কেউ সোনা-গহনা বন্ধক রেখে চাষ করেছেন। তিন বছর ধরে চাষিরা ফলনে মার খাচ্ছে। এবার আবার ধান বিক্রির টোকেন মিলছে না। এমন চললে তাদের মরন ছাড়া পথ নেই। চন্দন মুখোপাধ্যায় জানান, তিনি ত্রিশ বিঘা জমি চাষ করেছেন। সেই ধান এখনও পযন্ত বিক্রি করতে পারেননি। সব জেনেও পঞ্চায়েত উদাসীনতা দেখিয়ে চলেছে। চাষিদের অভিযোগ প্রসঙ্গে পঞ্চায়েত প্রধান পম্পা রুইদাস বলেন,তিন মাস ধরে বিডিওর সাথে চাষিদের ধান বিক্রি কথা চলেছে। শেষে সমবায় ছাড়া ডিপিসি-র মাধ্যমে ধান নেওয়া হবে না বলে তাঁকে গলসি ১ ব্লকের ব্লকের বিডিও দেবলীনা দাস জানিয়ে দিয়েছেন। সেই কারণেই তাঁদের অঞ্চলের চোদ্দোশো চাষির ধান বিক্রি হয়নি। প্রধান বলেন, এদিন চাষিদের আন্দোলনে নামা দেখে তিনি বিডিওকে ফোন করেছিলেন । কিন্তু কোন সদুত্তর পাননি। যদিও গলসি ১ ব্লকের বিডিও দেবলীনা দাস জানিয়েছেন, লোয়া রামগোপালপুর পঞ্চায়েত এর সব চাষির ধান নেওয়া হবে। তার একটা পরিকল্পনা করা হয়েছিল। ওই দিন পঞ্চায়েত প্রধান গোটা বৈঠকে না থাকায় তিনি বিষয়টি জানতে পারেননি। তাই তিনি ম্যাসেজটি চাষিদের জানতে পারেননি। বুদবুদ সমবায় সমিতি ও পোতনা এলাকায় চলা ডিপিসি মাধ্যমে ৪ জানুয়ারী থেকে চাষিদের কাছ থেকে সরকারি সহায়ক মুল্যে ধান কেনা শুরু হবে।

জানুয়ারি ৩১, ২০২২
কলকাতা

স্কুল খোলার দাবিতে এসএফআই-এর বিক্ষোভে ধুন্ধুমার

স্কুল খোলার দাবিতে এবার পথে এসএফআই। স্কুল খোলার দাবিতে সোমবার বিকাশ ভবন অভিযান কর্মসূচি নেয় এসএফআই। আর এসএফআই-এর মিছিল ঘিরে তুমুল উত্তেজনা সল্টলেকের করুণাময়ীতে। বিধাননগর কমিশনারেটের পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের ধস্তাধস্তি হয়। বিক্ষোভকারীদের টেনে হিঁচড়ে সরায় পুলিশ।আগে থেকে প্রস্তুত ছিল পুলিশও। মিছিল করে বিকাশ ভবনের দিকে এগোতে থাকেন এসএফআই কর্মী সমর্থকরা। কিন্তু বিক্ষোভকারীরা করুণাময়ী পৌঁছতেই পথ আটকায় পুলিশ। রাস্তায় বসে পড়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন এসএফআই কর্মী সমর্থকরা। পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন তাঁরা। তাঁদেরকে টেনে হিঁচড়ে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যেতে চায় পুলিশ।অভিযোগ, পুলিশ একপ্রকার চ্যাংদোলা করে এসএফআই কর্মী সমর্থকদের রাস্তা থেকে গাড়িতে তোলার চেষ্টা করে। এতে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশ কর্মীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন এসএফআই কর্মী সমর্থকরা। এসএফআই-এর বক্তব্য, কোভিড পরিস্থিতিতে দীর্ঘদিন ধরে স্কুল কলেজ বন্ধ থাকায় ছাত্রসমাজ ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বহু গরিব ছাত্রছাত্রীরাই অনলাইনে ক্লাস করতে সক্ষম নয়। রাজ্যের বর্তমান যা পরিস্থিতি, তাতে সব কিছু ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে গেলেও বন্ধ রয়েছে স্কুল কলেজ। এসএফআই-এর দাবি, প্রাথমিক স্তর থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত আংশিকভাবে খোলা হোক স্কুল।এদিন বিক্ষোভ প্রদর্শনের সময়ে এসএফআই কর্মী সমর্থকদের রীতিমতো ঠেলে, ধাক্কাধাক্কি করে প্রিজন ভ্যানে তোলে পুলিশ। ঘণ্টা খানেক উত্তপ্ত থাকে পরিস্থিতি। সিপিএম নেতা সৃজন ভট্টাচার্য বলেন, কলেজ স্কুল দু বছর ধরে বন্ধ। অথচ বার-রেস্টুরেন্ট, শপিং মল সব খোলা। সবরকম মচ্ছব চলছে। তাহলে ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যৎ কী হবে?

জানুয়ারি ২৪, ২০২২
রাজ্য

কাটোয়ায় গিয়ে গ্রামবাসীদের কাছে কার্যত ঘাড়ধাক্কা খেয়ে ফিরলেন সাংসদ

বিধানসভা ভোটের সময়ে বিজেপিতে ভিড়ে গিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিষোদগার করেছিলেন সাংসদ সুনীল মণ্ডল। ভোটে বিজেপির ভরাডুবির পরেই তৃণমূলেই আছি বলে দাবি করলেও সুনীল মণ্ডল তৃণমূল কর্মীদের মন ভোলাতে পারেননি। যার পরিণাম স্বরুপ বুধবার নিজের সংসদ এলাকা পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ায় গিয়ে কার্যত ঘাড় ধাক্কা খেলেন সুনিলবাবু।তাঁকে ঘিরে গোব্যাক শ্লোগান দেবার পাশাপাশি গ্রামবাসীরা সুনীল মণ্ডলকে চোর বলেও অভিহিত করেন। কাটোয়ায় আর না ঢোকার কথাও সাংসদকে হুমকিও দেন গ্রামবাসীরা। উত্তেজনা চরমে উঠতে থাকায় নিরাপত্তারক্ষীরা তড়িঘড়ি সাংসদকে নিয়ে গ্রাম ছাড়েন। বিক্ষোভে পড়া নিয়ে সুনীল মণ্ডল মুখে কুলুপ আঁটলেও এই ঘটনা শোরগোল ফেলে দিয়েছে রাজনৈতিক মহলে।প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, কাটোয়ায় মালঞ্চ থেকে দেয়াসিন যাওয়ার পথে পাকা সেতু তৈরির কাজ পাঁচ বছর ধরে ঝুলে রয়েছে। ঠিকাদার বদলে সম্প্রতি ফের নতুন করে কাজ শুরু হয়েছে। এদিন সেই সেতু তৈরির কাজ পরিদর্শনে গিয়ে সাংসদ সুনীল মণ্ডল গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের মুখে পড়েন।মালঞ্চ এলাকার বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, তৃণমূলের প্রতীকে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন সুনীল মণ্ডল।সংসদ সদস্য তহবিল থেকে এই মালঞ্চ সেতু তৈরির জন্য ২০১৮ সালে ২ কোটি ২৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়৷ ব্রম্ভানী নদীর উপরে কয়েকটি পিলার তৈরির কাজ হয়েছে মাত্র। তারই মধ্যে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার কাজ অসমাপ্ত রেখেই কাজ ছেড়ে দেয়। এরপরে সেতু নির্মানের কাজ বন্ধ হয়ে যায়। পরে ফের অন্য ঠিকাদার কাজ শুরু করেছে। সেতু তৈরির কাজে যুক্ত লোকজনের ৫ বছর ধরে প্রায় ১৫ থেকে ২০ লক্ষ টাকা পাওনা রয়েছে। সাংসদ সুনীল মণ্ডল বার বার প্রতিশ্রুতি দিলেও সেই টাকা আজও মেলেনি। এছাড়াও বিধানসভা ভোটের সময়ে বিজেপিতে ভিড়ে গিয়ে কাটোয়ার তৃণমূল বিধায়ক সহ তৃণমূলের নেতাদের নানা হুমকি দিয়ে ছিলেন। এইসবেরই ক্ষোভ এদিন আছড়ে পড়েছে বর্ধমান পূর্বের সাংসদ সুনীল মণ্ডলের উপর।যদিও সনীল মণ্ডল বলেন, সেতু তৈরির কাজের ঠিকাদারের সঙ্গে গ্রামবাসীদের কি চুক্তি হয়েছিল তা আমার জানা নেই। আগের ঠিকাদার এখন আর কাজ করছে না। ওই ঠিকাদার বলছে এরা দু চার লক্ষ টাকা পাবে। অথচ গ্রামবাসীরা বলছে ২০ লক্ষ টাকা পাবে। গ্রামবাসীদের সঙ্গে ওই ঠিকাদারের গন্ডোগোল কি হয়েছে তা মিটিয়ে দেওয়ার কথা আমি জেলাশাসককে বলেছিলাম এরমধ্যে তো আর আমি নেই৷ পাশাপাশি সুনীল মণ্ডল এও বলেন, একটা ভুল বোঝাবুঝির জন্য আমি বিজেপি তে চলে গিয়েছিলাম। সেটা তো মিটে গিয়েছে। আমি এখন তৃণমূলের সঙ্গেই আছি। সেটা মমতা দিদিও জানেন।বিক্ষোভে অংশ নেওয়া গ্রামবাসী আশীষ কুমার মণ্ডল বলেন, সেতু তৈরির কাজে যুক্ত হয়ে গ্রামে অনেক শ্রমিক টাকা পাননি। সাংসদ সুনীল মণ্ডল আমাদের টাকা ফেরতের আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু আজও দেননি। আরেক বাসিন্দা তুফান বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, চুক্তি অনুযায়ী তাঁরা ২০১৮ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ৭ লক্ষ ৩০ হাজার টাকার মালপত্র সাপ্লাই করেছেন। কিন্তু আজও সেই টাকা পাইনি।এদিকে সাংসদ সুনীল মণ্ডলকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখানো প্রসঙ্গে কাটোয়ার বিধায়ক তথা পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূলের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, বিক্ষোভের বিষয়ে আমার জানা নেই। কি নিয়ে বিক্ষোভ সেই বিষয়ে খোঁজ নেবেন। তবে কাজ করে কারুর টাকা পাওনা হয়ে থাকলে তা মেটানো উচিত।

জানুয়ারি ১৯, ২০২২
কলকাতা

চাকরি না হলে স্বেচ্ছামৃত্যু, করোনাবিধি শিকেয় তুলে ফের বিক্ষোভ এসএসসি প্রার্থীদের

আট বছর পরেও কেন নিয়োগ হল না, এই অভিযোগে বৃহস্পতিবার বিক্ষোভ শুরু করেন ২০১৪ সালের প্রাথমিক টেট উর্ত্তীর্ণরা। আন্দোলনকারীদের মুখে শোনা গেল নিয়োগ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ। অবিলম্বে চাই নিয়োগ। না হলে স্বেচ্ছামৃত্যুর অনুমতি দেওয়া হোক। এদিন দুপুর থেকে এমমনই দাবি নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের সামনে তীব্র আন্দোলনে এসএসসি প্রার্থীরা।বারবার আদালতে উঠেছে এসএসসি মামলা। তাতে যেমনি উঠেছে প্রাইমারি নিয়োগ মামলা তেমনি উচ্চ প্রাথমিকও। এদিকে সদ্য এসএসসি-র চেয়ারম্যান বলদল হয়েছে। এতদিন শুভশঙ্কর সরকার এসএসসির চেয়ারম্যান পদে ছিলেন। তিনি জানান, তাঁর সময়ে এসএসসি নিয়োগে কোনও অনিয়ম হয়নি। তবে নিয়োগ প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ করার ব্যাপারেও অভিমত জানান। অন্যদিকে নতুন চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার তিনিও জানান, নিয়োগ প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ করতে হবে।কোনও হবু শিক্ষকের কোলে একরত্তি শিশু, কারও হাতে পোস্টার, রাজ্যের নানা প্রান্ত থেকে তাঁরা জড়ো হয়েছেন সল্টলেকের আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র ভবনের সামনে। চাকরি প্রার্থীদের দাবি, তাঁরা টেট উর্ত্তীর্ণ হয়েছেন, ডিএলএড রয়েছে, তার পরেও দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা বঞ্চিত। শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দুর্নীতির অভিযোগ করে প্রতিবাদে মুখর হয়েছেন এঁরা। তাঁদের বক্তব্য, বারবার সরকারের দ্বারস্থ হয়েও কাজের কাজ কিছু হয়নি। এমতাবস্থায় তাঁরা বাধ্য হয়েছেন আন্দোলনে নামতে। উঠল এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপের দাবিও করেন আন্দোলনকারীরা।এদিকে করোনা অবস্থায় এমন জমায়েত ও আন্দোলন ঠেকাতে পথে নামে পুলিশ। তারা আন্দোলনকারীদের কাছে আবেদন করেন দাবিদাওয়া নিয়ে এসএসসি কর্তাদের সঙ্গে দেখা করার জন্য।

জানুয়ারি ১৩, ২০২২
রাজ্য

Chotkhanda: 'কথা দিয়ে' বিধায়ক না আসায় মেমারির দুর্গাপুর পঞ্চায়েত অফিসের সামনে বিক্ষোভে উত্তাল

গ্রামে পানীয় জলের সংকট মেটানো নিয়ে সোমবার গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে বৈঠক করবেন বলে গিয়েছিলেন বিধায়ক। কিন্তু কথা দিয়েও পূর্ব বর্ধমানের মেমারির দুর্গাপুর গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে এদিন যাননি তৃণমূল বিধায়ক মধুসূদন ভট্টাচার্য্য। তা নিয়ে এদিন বিকালে পঞ্চায়েত অফিসের সামনে দাড়িয়ে থাকা চোটখণ্ড গ্রামের বাসিন্দারা পঞ্চায়েত প্রধান ও বিধায়কের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ উগরে দেন। পাশাপাশি তাঁরা অভিযোগ করেন, বিধায়কের সঙ্গে কথা বলার জন্য পঞ্চায়েত অফিসের সামনে জড়ো হয়েছিলেন বলে তাঁদের পুলিশ দিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছে। তাঁকে ক্ষোভের আগুনে ঘৃতাহুতি পড়ে। ক্ষুব্ধ চোটখণ্ড গ্রামের বাসিন্দারা এরপরেই হুঁশিয়ারি দেন, তাঁদের গ্রামে পানীয় জলের সংকট সমাধানে পঞ্চায়েত দ্রুত ব্যবস্থা নি নিলে তাঁরা বৃহত্তর আন্দোলনে নামবেন।বিধায়ক যদিও দাবি করেছেন, কোভিড বিধির কথা মাথায় রেখেই তিনি এদিন পঞ্চায়েত অফিসে বৈঠকে করতে যাননি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে অবশ্যই তিনি বৈঠক করবেন বলেন জানিয়ে দেন।আরও পড়ুনঃ ঝঞ্ঝার দাপটে আজ থেকে শুরু বৃষ্টিএলাকা সূত্রে খবর, বিধানসভা ভেটের সময়ে দেওয়া প্রতিশ্রুতি মতো চোটখণ্ড গ্রামে পানীয় জলের সমস্যার সমাধান হয়নি। এমনকি গ্রামের রাস্তা-ঘাট ও নিকাশী-ব্যবস্থারও কোন উন্নতি হয়নি। তা নিয়ে চোটখণ্ড সহ আশেপাশের বনশেঁকরা, তালগেঁড়া প্রভৃতি গ্রামের বাসিন্দা মহলে ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল। পরিস্থিতি বিষয়ে খোঁজ খবর নিতে গত বৃহস্পতিবার দুর্গাপুর গ্রাম পঞ্চায়েত গিয়ে জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলেন। পর তিনি পঞ্চায়েত অফিস লাগোয়া চোটখণ্ড গ্রামেও যান। ওই দিন চোটখণ্ড গ্রামের মানুষজন বিধায়ককে বিধানসভা ভোটের সময়ে তাঁর দেওয়া প্রতিশ্রুতির কথা স্মরণ করিয়ে দেন।আরও পড়ুনঃ করোনা রুখতে ৫ জেলাকে সতর্ক করল নবান্নপ্রথমে প্রতিশ্রুতির কথা অস্বীকার করলেও পরে বিধায়ক তাঁর প্রতিশ্রূতির কথা স্বীকার করে নেন। ওই দিনই তিনি গ্রামবাসীদের বলে যান গ্রামের মানুষজনের দাবিদাওয়ার বিষয়টি নিয়ে সোমবার তিনি দুর্গাপুর পঞ্চায়েত অফিসে বৈঠকে বসবেন। সেই মতো এদিন গ্রামের বাসিন্দারাও দুপুর থেকে পঞ্চায়েত অফিসের সামনে জড়ো হন। কিন্তু দুপুর গড়িয়ে বিকাল হয়ে গেলেও বিধায়ক মধুসূদন ভট্টাচার্য্য আর পঞ্চায়েত অফিসে না আসায় গ্রামবাসীরা পঞ্চায়েত অফিসের সামনে ক্ষোভে ফেটে পড়েন। গ্রামের বাসিন্দা অনাথ ক্ষেত্রপাল, বাপি ক্ষেত্রপাল বলেন, বিধায়ককে সমস্যার কথা জানাবেন বলে তাঁরা পঞ্চায়েত অফিসের সামনে জড়ো হয়েছিলেন বলে তাঁদের পুলিশের হুমকির মুখে পড়তে হয়। এমনটি তাঁরা প্রত্যাশা করেননি। তাই তাঁরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আর আবেদন নিবেদন নয়। গ্রামে পানীয় জলের সংকট নিরসন ও এলাকার উন্নয়নে পঞ্চায়েত দ্রুত ব্যবস্থা নি নিলে তাঁরা বৃহত্তর আন্দোলনে নামবেন।

জানুয়ারি ১১, ২০২২
রাজ্য

MLA Protests: পানীয় জলের প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ, পূর্ব বর্ধমানে তৃণমূল বিধায়ককে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ

প্রতিশ্রুতি মত গ্রামে পানীয় জলের সমস্যার সমাধান হয়নি। একই ভাবে হয়নি গ্রামের রাস্তা-ঘাট ও নিকাশী-ব্যবস্থার উন্নতিও। এরই প্রতিবাদে পূর্ব বর্ধমানের মেমারির দুর্গাপুর পঞ্চায়েতের চোটখণ্ড গ্রামের বাসিন্দাদের ক্ষোভের মুখে পড়লেন মেমারির তৃণমূল বিধায়ক মধুসূদন ভট্টাচার্য্য। ভোটের সময়ে দেওয়া প্রতিশ্রুতির কথা প্রথমে অস্বীকার করলেও পরে বিধায়ক প্রতিশ্রুতি দেওয়ার কথা স্বীকার করে নেন। তা নিয়ে এখন মেমারিতে শুরু হয়ে গিয়েছে শাসক ও বিরোধীদের রাজনৈতিক চাপান-উতোর।মেমারি-১ পঞ্চায়েত সমিতির আন্তর্গত দুর্গাপুর গ্রাম পঞ্চায়েত অফিস চোটখণ্ড গ্রামে অবস্থিত। গ্রামের বাসিন্দা অনাথ ক্ষেত্রপাল বলেন, এই গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে পানীয় জলেরও সমস্যা রয়েছে। গ্রামের অধিকাংশ রাস্তাই কাঁচা। নিকাশী বাবস্থা ভালো না থাকায় বর্ষায় চোটখণ্ড গ্রামের মানুষজনের দুর্ভোগ চরমে ওঠে। তিনি জানান বিধানসভা ভোটে প্রার্থী হয়ে মধুসূদন ভট্টাচার্য্য আমাদের চোটখণ্ড গ্রামে প্রচারে আসেন। ওই সময়ে গ্রামের জগৎগৌরি মন্দির তলায় বসে মধুসূদন বাবু প্রতিশ্রুতি দিয়ে যান ভোটে জিতলে তিনি হয় সজল ধারা প্রকল্পে চোটখণ্ড গ্রামে পানীয় জলের ব্যবস্থা করে দেবেন। পাশাপাশি এলাকার উন্নয়নেও উদ্যোগ নেবেন বলে তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু ভোটে জিতে বিধায়ক হওয়ার পর মধুসূদনবাবু তাঁর দেওয়া সব প্রতিশ্রুতির কথা সব ভুলে গিয়েছেন। পানীয় জলের হাহাকার আজও চোটখণ্ড গ্রামে রয়েই গিয়েছে। তাই বৃহস্পতিবার বিকালে বিধায়ক মধুসূদনবাবু যখন চোটখণ্ড গ্রামে আসেন তখন গ্রামের সকলে তাঁর কাছে পানীয় জলের ব্যবস্থা না হওয়ার কথা তুলে ধরেন। ভোটের সময়ে দেওয়া প্রতিশ্রুতির কথাও বিধায়ককে স্মরণ করিয়ে দেন গ্রামবাসীরা। ওই সময়ে বিধায়ক প্রথমে প্রতিশ্রুতির কথা অস্বীকার করেও পরক্ষণেই তা স্বীকার করে নিয়ে বিধায়ক পানীয় জলের সমস্যা সমাধানে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়ে যান। গ্রামবাসীদের অভিযোগের কথা স্বীকার করে নিয়েছেন দুর্গাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান নিতাই ঘোষ। শুক্রবার সংবাদ মাধ্যমকে তিনি জানান, চোটখণ্ড ছাড়াও হঠাৎপাড়া, বনশেঁকরা তালগেঁড়া প্রভৃতি এলাকায় রাস্তা ঘাট সত্যি অত্যন্ত খারাপ রয়েছে। ওইসব গ্রামে পানীয় জলের সমস্যাও রয়েছে। এইসব সমস্যার সমাধান কোন ভাবেই করা যাচ্ছে না। গ্রামবাসীদের একটু ধৈর্য্য ধরার কথা বলা হয়েছে। বিধায়ককে ঘিরে বিক্ষোভ দেখানোর কারণ প্রসঙ্গে উপ প্রধান বলেন, গ্রামবাসীরা বলছে বিধানসভা ভোটের সময়ে মধুসূদনবাবু নাকি চোটখণ্ড গ্রামে সজল ধারা প্রকল্পে পানীয় জলের ব্যবস্থা করে দেওয়ার ও গ্রামের রাস্তা-ঘাটের উন্নতি করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু পানীয় জলের ব্যবস্থা আজ আবধি হয়নি। তাই তাঁরা বৃহস্পতিবার বিধায়ককে কাছে পেয়ে বিক্ষোভ দেখান।বিধায়ক মধুসূদন ভট্টাচার্য্য বলেন, ভোট বৈতরণী পার হবার জন্য আমরা নির্দিষ্ট কিছু করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে মানুষের কাছে ভোট চাই না। ওই গ্রামে টিউবওয়েল আছে। জলস্তর নীচে থাকা বা অন্য কোনও কারণে ওইসব কল থেকে হয়তো ঠিকঠাক জল উঠছে না। গ্রামবাসীরা পানীয় জলের সমস্যা সমাধানের দাবি জানিয়েছে। সমস্যার দ্রুত সমাধান কি করে করা যায় সেই বিষয়টি দেখা হচ্ছে।এই বিষয়ে সিপিএম মেমারি ১ (পূর্ব) এরিয়া কমিটির সদস্য অভিজিৎ কোঙার বলেন, বাম আমলে ওই পঞ্চায়েতটি রাজ্যের সেরা ও দেশের সের পঞ্চায়েতের স্বীকৃতি পেয়েছিল। এখন ওই পঞ্চায়েতটি করে খাওয়ার জায়গা হয়ে উঠেছে। রাজ্যে উন্নয়নের জোয়ার বইছে বলে তৃণমূলের তরফে যে প্রচার করা হয় তা যে আসলে ভাঁওতা সেটা চোটখণ্ড গ্রামের বাসিন্দাদের ক্ষোভ-বিক্ষভেই প্রমাণ করে দিয়েছে। মেমারির বিজেপি নেতৃত্বও দাবি করেছে, তৃণমূল উন্নয়নের নামে যা প্রচার করে তা আসলে ধাপ্পা ছাড়া আর কিছুই নয়।

জানুয়ারি ০৭, ২০২২
রাজ্য

Train Fare Hike: ট্রেনের ভাড়া কমানো ও ট্রেন বৃদ্ধির দাবিতে পূ্র্ব বর্ধমানে বিক্ষোভ যাত্রীদের

ট্রেনের ভাড়া কমানো ও ট্রেন সংখ্যা বৃদ্ধির দাবিতে ট্রেন অবরোধ করে রেখে বিক্ষোভ দেখালেন নিত্যযাত্রী ও সাধারণ যাত্রীরা। শুক্রবার পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া আমোদপুর শাখায় শিবলুন স্টেশনে এই অবরোধ বিক্ষোভের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে আরপিএফ ও জিআরপি ঘটনাস্থলে পৌছায়।তাঁরা অবরোধকারীদের দাবির বিষয়টি নিয়ে উচ্চ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিআকর্ষণের আশ্বাস দিলে ঘন্টা খানেক বাদ বিক্ষোভকারীরা অবরোধ তুলে নেয়।বিক্ষোভকারীদের কথায় জানা গিয়েছে,অতিমারির কারণে দীর্ঘ সময় এই রাজ্যে বন্ধ ছিল লোকাল ট্রেন চলাচল। অতিমারির প্রভাব কমলে কয়েকমাস আগে বিভিন্ন শাখায় লোকাল ট্রেন চলাচল শুরু হয়। সেই সময়ে কাটোয়া স্টেশান থেকে বিভিন্ন শাখায় ট্রেন চলাচল শুরু হলেও থমকে থাকে কাটোয়া আমোদপুর শাখায় ট্রেন চলাচল। বহু টালবাহানার পর অবশেষে ২৯ ডিসেম্বর থেকে এই লাইনে ট্রেন চলাচল শুরু হয়। এদিন ট্রেন অবরোধ বিক্ষোভে অংশ নেওয়া নিত্যযাত্রীরা অভিযোগে বলেন, আমোদপুর শাখায় ট্রেন চলাচল শুরু হলেও মাত্র দুটি ট্রেন দেওয়া হয়। ওই ট্রেন দুটি আবার স্পেশাল ট্রেন হিসাবে চালানো হচ্ছে। তার জন্য যাত্রীদের বেশী ভাড়া মিটিয়ে ট্রেনে চড়তে হচ্ছে। রেল দফতরের এমন সিদ্ধান্তের জন্য নিত্যযাত্রী ও সাধারণ যাত্রীদের ক্ষোভের পারদ চড়ে। এদিন তাই ট্রেনের ভাড়া কমানো ও ট্রেন সংখ্যা বৃদ্ধির দাবিতে তাঁরা ট্রেন অবরোধ করে রেখে বিক্ষোভ দেখান।যাত্রীরা এদিন হুঁশিয়ারি দেন, রেল দফতর তাঁদের দাবির বিষয়টিকে মান্যতা না দিলে আগামী দিনে তাঁরা বৃহত্ত্বর আন্দোলনে নামবেন।

ডিসেম্বর ৩১, ২০২১
রাজ্য

Bangla Pokkho: বাংলা পক্ষর আন্দোলনে বড় সাফল্য, পোস্ট অফিসে পাওয়া যাবে বাংলা ভাষায় পরিষেবা

বাংলা পক্ষ-র পশ্চিম বর্ধমান জেলার লড়াইয়ের ফলে বড়ো সাফল্য এল। এখন থেকে পোস্ট অফিসে বাংলা ভাষায় পরিষেবা পাওয়া যাবে। বাংলা পক্ষ কিছুদিন আগেই আসানসোল ও রানিগঞ্জ পোস্ট অফিসে ডেপুটেশন জমা দেয়। আজ পোস্ট বিভাগ বাংলায় পরিষেবা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে রানিগঞ্জ শাখার সম্পাদক দীপায়ন মুখার্জী, আসানসোল উত্তর শাখার সম্পাদক ঋষিক গাঙ্গুলি এবং পশ্চিম বর্ধমান জেলার জেলা সম্পাদক অক্ষয় বন্দ্যোপাধ্যায়।সমস্ত ব্যাংক, পোস্ট অফিস এবং বীমা পরিষেবায় বাংলা চাই, এই দাবিতে বাংলা পক্ষ-র লড়াই চলছে বাংলা জুড়ে। বাংলা পক্ষর পশ্চিম বর্ধমান জেলার এই সাফল্য, পুরো বাংলা পক্ষ সংগঠনকে আরও উজ্জীবিত করবে লড়াইয়ের ময়দানে।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২১
রাজ্য

Memari Samabay: পুজোর মুখে টাকা তুলতে না পেরে মেমারির সমবায়ে বিক্ষোভে ফেটে পড়লেন উপভোক্তারা

দোরগোড়ায় বাঙালির সর্বশ্রেষ্ঠ উৎসব। তার প্রাক্কালেও জমানো টাকা তুলতে পারছেন না উপভোক্তারা। এরই প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার পূর্ব বর্ধমানের মেমারির গোপ গন্তার ইউনিয়ন কো-অপারেটিভ এগ্রিকালচার সোসাইটি-তে বিক্ষোভ দেখালেন উপভোক্তারা। এমনকি অবসরকালীন সুবিধা পাওয়া থেকেও সমবায়ের কর্মীর পরিজনরা বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ। যদিও সমবায় কর্তৃপক্ষ সমবায়ের আর্থিক দূরাবস্থার কথা স্বীকার করে নিয়েই দায় এড়াচ্ছেন।গোপ গন্তার সমবায়ের পরিচালনার সমিতির দায়িত্বপ্রাপ্ত অমল ঘোষ বলেন, বিভিন্ন ব্যাপারে সমবায় সমিতি তাঁদের সদস্যদের ঋণ দিয়ে থাকে। ঋণ বাবদ সমবায় সমিতির সদস্যদের দেওয়া প্রায় ৫ কোটি টাকা অনাদায়ী হয়ে রয়েছে। সেই টাকার সুদও নিয়মিত পাওয়া যাচ্ছে না। সুদ নিয়মিত পাওয়া গেলে আমানতকারীদের টাকা দেওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা থাকবে না। সমবায়ের একাধিক কর্মী এদিন বলেন, সাধ্য থাকা সত্ত্বেও অনেক ঋণগ্রহীতা ঋণের টাকা শোধ করতে চাইছেন না। এরজন্য তাঁদের বহুবার অনুরোধ করা হয়েছে। কিন্তু তাঁরা টাকা পরিশোধ করেননি। এইসব কারণে গত বছর থেকে তাঁদের সমবায় সমিতি আর্থিক দুরাবস্থায় ধুঁকছে।এদিন গোপ গন্তার ইউনিয়ন কো-অপারেটিভ এগ্রিকালচার সোসাইটিতে এসে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকার বাসিন্দা তথা সমিতির অবসরপ্রপ্ত কর্মী রজত সিংহের স্ত্রী সুপ্রিয়াদেবী। তিনি বলেন, এক বছরের বেশি সময় ধরে তিনি তাঁর স্বামীর অবসরকালীন টাকা পাওয়ার জন্যে ঘুরছেন। কিন্তু টাকা পাচ্ছেন না। অসুস্থ স্বামীর ওষুধ কেনার টাকা জোগাড় করতে না পেরে তিনি দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন। অনেক আমানতকারী তাঁদের জমানো টাকা পুজোর মুখে টাকা তুলতে না পেরে নিদারুন অসুবিধার মধ্যে পড়ে গিয়েছেন। এমনই এক আমানতকারী সুব্রত রায় বলেন, তাঁর মায়ের অ্যাকাউন্টে টাকা রয়েছে। পুজোর প্রাক্কালে প্রয়োজন মতো টাকা তুলতে না পারায় তিনি তাঁর মায়ের পুজোর শাড়ি, জামা কিনে উঠতে পারেননি।ক্ষোভের যেন কোনও শেষ নেই। অন্যদিকে স্থানীয় ইছাপুর গ্রামের বাসিন্দা রহিম শেখ, নূরবানু শেখরা জানান, বহু কাকুতি মিনতি করে সমবায় থেকে প্রতি মাসে ৫০০ টাকার বেশি পান না। শঙ্করপুরের বাসিন্দা কাকলি টুডু একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, সমবায়ে টাকা জমা রেখে তিনি মহা ফাঁপড়ে পড়ে গিয়েছি। মেয়ের বিয়ে ঠিক হয়ে গেলেও টাকা পাওয়া যাচ্ছে না বলে বিয়ের দিন ঠিক করতে পারছি না। সমবায়ে বিক্ষোভ দেখাতে আসা অন্য অনেক আমানতকারী আবার বলেন, সার কেলেঙ্কারির কোনও সুরাহা এখনও এই সমবায় ব্যাঙ্ক করেনি। সমবায় থেকে সমবায় সার না কিনেও অনেককে টাকা মেটাতে হয়েছে। তাছাড়াও নিয়োগে দুর্নীতি, অডিট রিপোর্টে গন্ডগোল, কোনও নথি ছাড়াই ঋণ দেওয়ার ফলে এখন আমানতকারীদের ভুগতে হচ্ছে। সমবায় সমিতির জেলার এআরসিএস(রেঞ্জ ১) সত্যজিৎ মণ্ডল এই বিষয়ে বলেন, সমবায় পরিদর্শকের কাছে অভিযোগের বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হবে।

অক্টোবর ০৭, ২০২১
কলকাতা

Local Train: লোকাল ট্রেন চালানোর দাবিতে বিক্ষোভ সোনারপুরে

সোনারপুর স্টেশনে যাত্রী বিক্ষোভের জেরে বন্ধ ট্রেন চলাচল। বুধবার সকাল থেকেই লোকাল ট্রেন চালু করার দাবিতে স্টেশন চত্বরে বিক্ষোভ দেখান কয়েকশো মানুষ। বিক্ষোভকারীদের মধ্যে অধিকাংশই শহর কলকাতায় জীবিকার সন্ধানে আসা পরিচারিকরা ও শ্রমিক শ্রেণির মানুষ।আরও পড়ুনঃ সৌমিত্রকে জরুরি তলব দিল্লিতেবুধবার সকালে স্টাফ স্পেশ্যালে চড়তে দেওয়া এবং ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানোর দাবিতে সোনারপুরে ট্রেন অবরোধ করেন সাধারণ যাত্রীরা। বিক্ষোভকারীদের মধ্যে মূলত কলকাতায় জীবিকার সন্ধানে যাওয়া পরিচারিকরা এবং শ্রমিকরা রয়েছেন। এদিন সকাল ৭.৩০ থেকে হওয়া প্রতিরোধে আপ ডাউন দুটো লাইনই আটকে গিয়েছে। এর ফলে রেলের কর্মী-সহ বাকিরা কর্মস্থলে পৌঁছতে পারছেন না। আরপিএফ, জিআরপি ও পুলিশের আবেদন সত্বেও প্রতিবাদকারীরা অবস্থান থেকে সরতে নারাজ। তাঁদের বক্তব্য, আমরা খেতে পাচ্ছি না। এভাবে না খেয়ে মরার চেয়ে লড়াই করে মরা ভাল। ট্রেনে চড়তে দিতেই হবে। এই বিষয়ে শিয়ালদহের ডিআরএম এসপি সিং জানিয়েছেন, আমরা ট্রেন চালাতে চাই। রাজ্যের অনুমতি পেলেই ট্রেন চলবে। শিয়ালদহ ডিভিশনে অত্যাধিক চাপ। যার মধ্যে বনগাঁ শাখায় অস্বাভাবিক ভিড়। ফলে কোভিড বিধি মানা হচ্ছে না। ঝামেলা বাড়ছে। যে কোনও সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। এদিকে, বিক্ষোভের জেরে বেশ কিছু ট্রেন আটকে পড়ে। চরম সমস্যার মধ্যে পড়েন যাত্রীরা। তারাও পালটা ক্ষোভ দেখিয়েছেন। ট্রেন খোলার দাবি করছেন অনেকেই। যাত্রীদের বক্তব্য, ট্রেনের সংখ্যা বাড়লে দূরত্ব বজায় রাখা যাবে।

জুন ২৩, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

প্রতিটি বুথে নজরদারি, এবার ভোটে থাকবে ৩৬০ ডিগ্রি ক্যামেরা

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু ভোট করাতে বড় পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন। এবার প্রতিটি বুথে ওয়েবকাস্টিংয়ের মাধ্যমে নজরদারি চালানো হবে। বুথের ভিতরে এবং বাইরে দুজায়গাতেই ক্যামেরা বসানো হবে। প্রতি বুথে অন্তত দুটি ক্যামেরা থাকবে এবং তার সঙ্গে ৩৬০ ডিগ্রি দৃশ্যধারণ করতে সক্ষম বিশেষ ক্যামেরাও বসানো হবে।কমিশন জানিয়েছে, রাজ্যের শতভাগ বুথেই এই নজরদারি চালানো হবে। ত্রিস্তরীয় ব্যবস্থায় এই পর্যবেক্ষণ করা হবে। প্রথম স্তরে রিটার্নিং অফিসার, দ্বিতীয় স্তরে জেলা নির্বাচনী আধিকারিক এবং তৃতীয় স্তরে মুখ্য নির্বাচনী দফতর থেকে সবকিছু দেখা হবে। একাধিক স্ক্রিনে এই সমস্ত ফুটেজ নজরদারি করা হবে এবং প্রতিটি স্ক্রিনের সামনে দুইজন করে পর্যবেক্ষক থাকবেন, একজন নজর রাখবেন এবং অন্যজন তথ্য নথিভুক্ত করবেন।এছাড়াও ভোটযন্ত্র বহনকারী গাড়িগুলির উপরও নজর রাখা হবে। সেই গাড়িগুলিতে জিপিএস থাকবে, যাতে তারা নির্দিষ্ট পথেই যাচ্ছে কি না তা বোঝা যায়। কন্ট্রোল রুমে সিসিটিভির মাধ্যমে সবকিছু রেকর্ড করা হবে। ভোটের এক থেকে দুই দিন আগে থেকেই বুথগুলিতে ক্যামেরা বসানোর কাজ শুরু হবে এবং হাজার হাজার মাইক্রো পর্যবেক্ষক এই কাজে যুক্ত থাকবেন।সংবেদনশীল বুথগুলিতে বাড়তি নজরদারির ব্যবস্থা থাকবে। সেখানে বুথের ভিতরে একাধিক ক্যামেরা বসানো হবে। যদি কোথাও বুথ দখলের ঘটনা ঘটে, তাহলে সেই ভোট বাতিল করে পুনরায় ভোটগ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।কমিশন আরও স্পষ্ট করে জানিয়েছে, কেউ যদি ভোট প্রক্রিয়ায় বাধা দেয়, ভোটারদের ভোট দিতে না দেয় বা জোর করে বুথ দখল করে, তাহলে তা গুরুতর অপরাধ হিসেবে ধরা হবে। এই ধরনের অপরাধে জেল ও জরিমানার শাস্তি হতে পারে। সরকারি কর্মচারী কেউ এই ধরনের কাজে যুক্ত থাকলে তাঁর বিরুদ্ধেও কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।পুনর্নির্বাচনের ক্ষেত্রে শুধু প্রিসাইডিং অফিসারের রিপোর্ট নয়, পর্যবেক্ষক এবং রিটার্নিং অফিসারের রিপোর্টও গুরুত্ব পাবে বলে জানিয়েছে কমিশন। নিরাপত্তার দিক থেকেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, যেখানে পর্যাপ্ত পুলিশ দেওয়া সম্ভব নয় সেখানে অতিরিক্ত কর্মী রাখা হবে, যারা বুথের বাইরে নজর রাখবেন।এই ব্যবস্থার মাধ্যমে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে চাইছে নির্বাচন কমিশন।

মার্চ ২৮, ২০২৬
রাজ্য

‘বিচারাধীন’ থেকে সরাসরি বাদ, প্রাক্তন সাংসদের নাম ঘিরে চাঞ্চল্য

নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত নতুন তালিকায় বড় চমক সামনে এল। আগে যার নাম বিচারাধীন হিসেবে ছিল, দ্বিতীয় দফার তালিকায় সেই নামই সম্পূর্ণ বাদ পড়ে গেল। এই ঘটনায় জড়িত প্রাক্তন সাংসদ ও এসইউসি নেতা তরুণ মণ্ডল। তাঁর স্ত্রীর নামও আগে বিবেচনাধীন তালিকায় ছিল। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।শুক্রবার রাতে নির্বাচন কমিশন দ্বিতীয় দফার তালিকা প্রকাশ করে। তবে কত নাম রাখা হয়েছে বা কত নাম বাদ গেছে, তা নিয়ে এখনও স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। এর মধ্যেই জানা যায়, তরুণ মণ্ডলের নাম আর তালিকায় নেই।এক সময় রাজ্য রাজনীতিতে পরিচিত মুখ ছিলেন তরুণ মণ্ডল। তিনি দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার জয়নগর কেন্দ্র থেকে সাংসদ হয়েছিলেন। বর্তমানে তিনি স্ত্রীকে নিয়ে হাওড়ায় থাকেন। তাঁর নাম দক্ষিণ হাওড়া এলাকার একটি বুথে ছিল।প্রথম তালিকায় দেখা গিয়েছিল, তিনি এবং তাঁর স্ত্রী দুজনেই বিচারাধীন তালিকায় রয়েছেন। পরে শুনানির সময় তিনি একাধিক নথি জমা দেন। তারপর তাঁর নাম বিবেচনাধীন তালিকায় ওঠে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দ্বিতীয় দফার তালিকায় তাঁর নাম সম্পূর্ণ বাদ পড়ে যায়।এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তরুণ মণ্ডল। তিনি বলেন, তিনি সরকারি চাকরি করেছেন, পেনশন পান এবং সাংসদও ছিলেন। তিনি একাধিক নথি জমা দিয়েছেন। তবুও কেন তাঁর নাম বাদ গেল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।তিনি জানিয়েছেন, এই বিষয়টি নিয়ে তিনি দেশের রাষ্ট্রপতি ও লোকসভার অধ্যক্ষকে চিঠি লিখবেন। তাঁর মতে, একজন প্রাক্তন সাংসদের যদি এই পরিস্থিতি হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের কী হবে তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি।এই ঘটনাকে ঘিরে নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।

মার্চ ২৮, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে কড়া বার্তা কমিশনের, থানার ওসিদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশ

আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে হিংসামুক্ত, অবাধ ও সুষ্ঠু ভোট করাতে একাধিক কড়া নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী দফতরের পক্ষ থেকে থানার ওসিদের জন্য এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।নির্দেশ অনুযায়ী, আগের নির্বাচনের সময় হওয়া সমস্ত ফৌজদারি মামলার তদন্ত দ্রুত শেষ করতে হবে। জামিন অযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা দ্রুত কার্যকর করতে হবে এবং কোনও পরোয়ানা ১০ দিনের বেশি ফেলে রাখা যাবে না। থানাগুলিকে পলাতক ও ওয়ান্টেড আসামিদের তালিকা তৈরি করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।এছাড়া, এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে সব ধরনের প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে পুলিশকে। অতীতে যেখানে রাজনৈতিক সংঘর্ষ বা গোলমালের ইতিহাস রয়েছে, সেই সব এলাকা চিহ্নিত করে আগে থেকেই নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।অপরাধপ্রবণ এলাকা ও মাদক চক্র সক্রিয় এমন জায়গাগুলিকে চিহ্নিত করে সেখানে নিয়মিত টহল চালাতে হবে। সন্দেহজনক হোটেল, লজ বা অন্য জায়গায় তল্লাশি চালানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। কোনও অশান্তির খবর পেলেই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ব্যবস্থা নিতে হবে।আন্তঃজেলা ও আন্তঃরাজ্য সীমান্তে দিনরাত নাকা চেকিং চালু রাখার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। সব গাড়িতে তল্লাশি বাড়াতে হবে এবং সিসিটিভি ক্যামেরা সবসময় চালু রয়েছে কি না তা নিশ্চিত করতে হবে।রাজনৈতিক সভা, রোড শো এবং প্রার্থীদের নিরাপত্তার দিকেও বিশেষ নজর দিতে বলা হয়েছে। যেসব ব্যক্তি নিরাপত্তা পেয়ে থাকেন বা ঝুঁকিতে থাকতে পারেন, তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট করে জানিয়েছে, ভোট সংক্রান্ত সমস্ত আধিকারিক কমিশনের অধীনে কাজ করবেন এবং নির্দেশ অমান্য করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মার্চ ২৮, ২০২৬
কলকাতা

তৃণমূলকে আক্রমণ, বাম শাসনের প্রশংসা শাহর, রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক

বিধানসভা নির্বাচনের আগে কলকাতায় এসে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এদিন তিনি দাবি করেন, বর্তমান তৃণমূল সরকারের তুলনায় বাংলায় বামফ্রন্টের শাসন অনেক ভালো ছিল। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে।কলকাতায় বিজেপির চার্জশিট প্রকাশ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শাহ বলেন, বাংলায় সোনার বাংলা গড়ার নামে হিংসা ও অরাজকতা বেড়েছে। তাঁর অভিযোগ, রাজ্য সরকার অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করছে এবং সিন্ডিকেট ব্যবস্থার বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না। তিনি আরও বলেন, তোষণের রাজনীতি করা হচ্ছে এবং এর ফলে সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।শাহ দাবি করেন, পরিবর্তনের আশায় বাংলার মানুষ একসময় তৃণমূলকে ক্ষমতায় এনেছিল। কিন্তু এখন অনেকেই মনে করছেন, আগের বাম শাসনই ভালো ছিল। এই প্রসঙ্গে তিনি তৃণমূল সরকারের সঙ্গে বাম আমলের তুলনা টানেন।এদিন তিনি তৃণমূলের ১৫ বছরের শাসনের বিরুদ্ধে চার্জশিট প্রকাশ করেন। সেখানে দুর্নীতি, নারী নিরাপত্তা, সিন্ডিকেট রাজ এবং অনুপ্রবেশ ইস্যুতে একাধিক অভিযোগ তোলেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, এবারের নির্বাচনে বাংলার মানুষকে ভয় আর ভরসার মধ্যে একটি বেছে নিতে হবে।শাহ আরও দাবি করেন, গত কয়েক বছরে দেশের একাধিক রাজ্যে বিজেপি প্রথমবার ক্ষমতায় এসেছে। এবার বাংলাতেও বিজেপি বড় জয় পাবে বলে তিনি আশাবাদী। তাঁর কথায়, অঙ্গ, বঙ্গ এবং কলিঙ্গে একই দলের সরকার গঠনের সময় এসে গেছে।এই মন্তব্যের পর রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

মার্চ ২৮, ২০২৬
কলকাতা

বাংলায় এসে বিস্ফোরক চার্জশিট অমিত শাহর, তৃণমূলের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ

বাংলায় এসে তৃণমূল সরকারের ১৫ বছরের শাসনের বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ তুলে চার্জশিট প্রকাশ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। নিউ টাউনের একটি হোটেলে এই চার্জশিট প্রকাশ করেন তিনি। শাহর দাবি, এটি শুধু বিজেপির চার্জশিট নয়, বাংলার মানুষের অভিযোগের প্রতিফলন।তিনি বলেন, দুর্নীতি, নারী নিরাপত্তা, শিল্প ও স্বাস্থ্যসব ক্ষেত্রেই তৃণমূল সরকারের ব্যর্থতা তুলে ধরা হয়েছে এই নথিতে। তাঁর কথায়, গত ১৫ বছরে বাংলায় ভয়, সন্ত্রাস, দুর্নীতি এবং বিভেদের রাজনীতি চলেছে। এবার মানুষকে ঠিক করতে হবে তারা ভয়ের পক্ষে থাকবে, না উন্নয়নের পক্ষে।অমিত শাহ অনুপ্রবেশের বিষয়টি নিয়েও কড়া অবস্থান নেন। তিনি অভিযোগ করেন, অনুপ্রবেশকারীদের প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে এবং এর ফলে দেশের নিরাপত্তা ও সাধারণ মানুষের জীবিকা দুটোই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিজেপি ক্ষমতায় এলে অনুপ্রবেশকারীদের দেশ থেকে বের করে দেওয়ার পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।তিনি আরও বলেন, সীমান্তে কাঁটাতার দেওয়ার জন্য রাজ্য সরকার জমি দিচ্ছে না। বিজেপি ক্ষমতায় এলে অল্প সময়ের মধ্যেই প্রয়োজনীয় জমি দেওয়া হবে এবং সীমান্ত সুরক্ষিত করা হবে।বাংলায় বিজেপির ভোটের বৃদ্ধি নিয়েও তথ্য দেন শাহ। তাঁর দাবি, গত কয়েক বছরে বিজেপির ভোটের হার অনেক বেড়েছে এবং রাজ্যে একটি শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি হয়েছে।অমিত শাহ বলেন, এই নির্বাচন বাংলার মুক্তির নির্বাচন। অনেক মানুষ নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং পরিবর্তন চান।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করে তিনি বলেন, তিনি বারবার সহানুভূতি পাওয়ার জন্য বিভিন্ন কৌশল নেন। তবে বাংলার মানুষ এখন সেই রাজনীতি বুঝে গিয়েছেন।নারী নিরাপত্তার বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন শাহ। তিনি দাবি করেন, বাংলায় মহিলাদের নিরাপত্তা নিয়ে বড় সমস্যা রয়েছে এবং বিভিন্ন ঘটনার উদাহরণও তুলে ধরেন।এছাড়া তিনি বলেন, ভবিষ্যতে বাংলা, বিহার ও ওড়িশায় একই দলের সরকার গঠন হতে পারে। তাঁর বক্তব্যে একাধিকবার শুভেন্দু অধিকারীর নামও উঠে আসে, যা রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ২৮, ২০২৬
রাজ্য

সভা শেষে হঠাৎ আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা অভিষেকের

শনিবার বীরভূমের লাভপুরে তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা শেষে হঠাৎ মঞ্চের একাংশে আগুন লাগে। এই ঘটনায় সভাস্থলে উপস্থিত মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে দ্রুত দমকল কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।জানা গিয়েছে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বক্তব্য শেষ করে মঞ্চ থেকে নেমে যাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই এই আগুন লাগে। তিনি তখন হেলিপ্যাডের দিকে যাচ্ছিলেন। ফলে তিনি সম্পূর্ণ নিরাপদ রয়েছেন বলে জানা গেছে।এদিন সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি কেন্দ্র সরকারকে একাধিক বিষয়ে আক্রমণ করেন। রান্নার গ্যাসের দাম বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভেদ তৈরির অভিযোগ তোলেন তিনি। পাশাপাশি রাজ্য সরকারের উন্নয়নের কথাও তুলে ধরেন এবং ভবিষ্যতের পরিকল্পনার কথাও জানান।সভা শেষ হওয়ার পর হঠাৎ মঞ্চের উপরের অংশ থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই কাপড়ে আগুন ধরে যায়। সেখানে উপস্থিত দমকল কর্মীরা দ্রুত মঞ্চে উঠে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন। নিরাপত্তার জন্য এলাকাটি ফাঁকা করে দেওয়া হয় এবং সাধারণ মানুষকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে দেওয়া হয়।কিছু সময়ের মধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে কীভাবে আগুন লাগল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগেছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে দমকল ও পুলিশ।এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরও একটি সভা করার কথা ছিল। কিন্তু খারাপ আবহাওয়ার কারণে সেখানে যাওয়া সম্ভব হয়নি। পরে তিনি কলকাতায় ফিরে ভারচুয়াল মাধ্যমে প্রচার করবেন বলে জানা গেছে।

মার্চ ২৮, ২০২৬
রাজ্য

রঘুনাথগঞ্জে সংঘর্ষে বিস্ফোরক মমতা, সরাসরি কমিশন ও বিজেপিকে দায়ী

মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষের ঘটনায় বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশনকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেন, ইচ্ছাকৃতভাবে অফিসারদের সরিয়ে দিয়ে দাঙ্গা বাধানো হয়েছে। তাঁর হুঁশিয়ারি, এই ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত, কাউকেই ছাড়া হবে না।শনিবার রানিগঞ্জের খান্দরা ফুটবল মাঠে এক জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, কারা দাঙ্গা বাধানোর অধিকার দিল, তা খতিয়ে দেখা হবে। তাঁর অভিযোগ, এই ঘটনার পিছনে টাকা ঢোকানো হয়েছে। পাশাপাশি তিনি বলেন, রাম নবমীর শোভাযাত্রায় অস্ত্র নিয়ে বের হওয়া হয়েছে, কিন্তু তার বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।এই ঘটনার জন্য তিনি দুঃখপ্রকাশও করেন। বলেন, প্রশাসন বর্তমানে নির্বাচন কমিশনের নিয়ন্ত্রণে থাকায় কিছু ক্ষেত্রে গা ছাড়া মনোভাব দেখা গিয়েছে। তবে তিনি আশা প্রকাশ করেন, দায়িত্বে থাকা আধিকারিকরা নিরপেক্ষভাবে কাজ করবেন এবং এলাকায় শান্তি বজায় রাখবেন।নির্বাচন ঘোষণার পর শীর্ষ স্তর থেকে জেলা প্রশাসনের একাধিক অফিসার বদলি করা হয়েছিল। সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন, এতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপ হতে পারে। তৃণমূলের দাবি, রঘুনাথগঞ্জের ঘটনা সেই আশঙ্কাকেই সত্যি প্রমাণ করেছে।প্রসঙ্গত, প্রতি বছরের মতো এবারও রঘুনাথগঞ্জে রাম নবমীর শোভাযাত্রা বের হয়। বিভিন্ন এলাকা থেকে ছোট ছোট মিছিল ম্যাকাঞ্জি পার্কের দিকে যাচ্ছিল। সিসাতলা এলাকায় একটি মিছিল পৌঁছলে গান বাজানোকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে বচসা শুরু হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ বাধে।মিছিলে ইট-পাটকেল ছোড়ার অভিযোগ ওঠে এবং এলাকা মুহূর্তে অশান্ত হয়ে পড়ে। অন্যদিকে বড় শোভাযাত্রা ফুলতলা মোড় এলাকায় পৌঁছলে আবারও উত্তেজনা ছড়ায়। দুই পক্ষের মধ্যে ঢিল ছোড়াছুড়ি চলতে থাকে এবং পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। অভিযোগ, উত্তেজিত জনতা কয়েকটি ফলের দোকানে ভাঙচুর চালায় এবং আগুন লাগিয়ে দেয়।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স, কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং পুলিশ। তাদের হস্তক্ষেপে শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

মার্চ ২৮, ২০২৬
বিদেশ

গোপন ফোনালাপে তৃতীয় ব্যক্তি, মোদি-ট্রাম্প কথোপকথনে কেন মাস্ক

পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ ফোনালাপ হয়। সেই ফোনালাপে অপ্রত্যাশিতভাবে উপস্থিত ছিলেন মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। একটি মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে এই তথ্য সামনে এসেছে।জানা গিয়েছে, ইরানকে ঘিরে চলা উত্তেজনা নিয়ে আলোচনা করার জন্য ট্রাম্প মোদিকে ফোন করেন। ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ অভিযানের পর এই প্রথম দুই নেতার মধ্যে কথা হয়। সেই আলোচনায় মাস্কের উপস্থিতিকে অস্বাভাবিক বলেই মনে করা হচ্ছে, কারণ যুদ্ধের সময় এমন উচ্চ পর্যায়ের আলোচনায় তৃতীয় কোনও ব্যক্তির থাকা খুবই বিরল।প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন প্রশাসনের দুই উচ্চপদস্থ আধিকারিক জানিয়েছেন, মাস্ক ফোনালাপে ছিলেন ঠিকই, তবে তিনি কথা বলেছেন কি না তা স্পষ্ট নয়। হোয়াইট হাউসের তরফে জানানো হয়েছে, মোদি ও ট্রাম্পের মধ্যে সম্পর্ক খুবই ভালো এবং তাঁদের আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে।এই ফোনালাপে হরমুজ প্রণালী নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। দুই দেশনেতাই মনে করেন, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথকে খোলা ও নিরাপদ রাখা জরুরি। প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, এই পথ বিশ্ব শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।উল্লেখ্য, গত বছর প্রশাসন ছাড়ার পর ট্রাম্প ও ইলন মাস্কের সম্পর্ক খারাপ হয়েছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে তাঁদের সম্পর্ক আবার স্বাভাবিক হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। এই ঘটনাকে ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে ইতিমধ্যেই জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

মার্চ ২৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal