• ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩, শুক্রবার ১৪ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Adhikari

কলকাতা

‘আমি’ নয়, ‘আমরা’ বলেই শুরু শুভেন্দুর, মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার আগেই দিলেন বড় বার্তা

সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর নাম চূড়ান্ত করল বিজেপি। শুক্রবার বিজেপির ২০৭ জন জয়ী বিধায়কের সঙ্গে বৈঠকের পর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ শুভেন্দুকেই বিধানসভার পরিষদীয় দলনেতা হিসেবে ঘোষণা করেন। আর পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচিত হওয়ায় শনিবার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন শুভেন্দু অধিকারী।শপথ গ্রহণের আগেই নিউটাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন হলে বিজেপি বিধায়কদের বৈঠকে বক্তব্য রাখেন শুভেন্দু। সেখানে তাঁর বক্তব্যে বারবার উঠে আসে আমরা শব্দটি। দায়িত্ব নেওয়ার আগেই তিনি স্পষ্ট করেন, এই জয় শুধু তাঁর একার নয়, গোটা বিজেপি সংগঠনের। দলের জন্য যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করেছেন, তাঁদের সকলকেই এই জয়ের কৃতিত্ব দেন শুভেন্দু।বক্তৃতায় তিনি অমিত শাহ, শমীক ভট্টাচার্য এবং বিজেপির আদর্শের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিত্বদের কথাও উল্লেখ করেন। শুভেন্দুর দাবি, নির্বাচনের আগে যে সংকল্পপত্র প্রকাশ করা হয়েছিল, তার প্রতিটি প্রতিশ্রুতি সময়ের মধ্যে পূরণ করার চেষ্টা করবে নতুন সরকার। তাঁর কথায়, আমাদের মন্ত্র সবকা সাথ, সবকা বিকাশ।রাজনৈতিক মহলে অনেকদিন ধরেই জল্পনা চলছিল, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দুই সবচেয়ে এগিয়ে। নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকেই তাঁকে সবচেয়ে শক্তিশালী দাবিদার হিসেবে দেখা হচ্ছিল। বিশেষ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরপর দুবার পরাজিত করার রাজনৈতিক কৃতিত্বও এদিন শুভেন্দুর ঝুলিতেই তুলে দেন অমিত শাহ।মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার আগেই প্রশাসনিক পদক্ষেপ নিয়েও বড় ইঙ্গিত দিয়েছেন শুভেন্দু। তিনি জানিয়েছেন, বাংলায় প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিকে দিয়ে কমিশন গঠন করা হবে। সরকারি অর্থ নয়ছয়ের অভিযোগ উঠলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলেন তিনি। পাশাপাশি সন্দেশখালি এবং আরজি কর কাণ্ডের তদন্তেও কমিশন বসানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন শুভেন্দু।শনিবারের শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে ইতিমধ্যেই জোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি-সহ বিজেপির একাধিক শীর্ষ নেতা। বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে চলেছে শুভেন্দুর শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে।

মে ০৮, ২০২৬
রাজ্য

সব জল্পনার অবসান! বাংলার প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী

সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বাংলার নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর নাম ঘোষণা করল বিজেপি। শুক্রবার বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারে বিজেপির নবনির্বাচিত বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠকের পর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ শুভেন্দুর নাম পরিষদীয় দলনেতা হিসেবে ঘোষণা করেন। স্বাভাবিকভাবেই পরিষদীয় দলনেতাই মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন। শনিবার ব্রিগেড ময়দানে বাংলার প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন শুভেন্দু অধিকারী।পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচনের জন্য পর্যবেক্ষক হিসেবে কলকাতায় এসেছিলেন অমিত শাহ। তাঁর সঙ্গে ছিলেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহনচরণ মাঝিও। বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারে বিজেপি বিধায়কদের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠকের পরই শুভেন্দুর নাম চূড়ান্ত করা হয়। বৈঠকের আগে মুখ্যমন্ত্রী কে হচ্ছেন, তা নিয়ে দলের কোনও নেতা বা বিধায়ক মুখ খোলেননি। ফলে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা আরও বেড়ে গিয়েছিল।যদিও শুরু থেকেই শুভেন্দু অধিকারীর নামই সবচেয়ে বেশি আলোচনায় ছিল। রাজনৈতিক মহলের মতে, এবারের নির্বাচনে বিজেপির সাফল্যের পিছনে বড় ভূমিকা ছিল শুভেন্দুর। বিশেষ করে ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তাঁর জয়কে বিজেপির বড় রাজনৈতিক সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি রাজ্যের মন্ত্রী হিসেবে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতাও তাঁর পক্ষে গিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।শুভেন্দুর নাম ঘোষণা করে অমিত শাহ বলেন, বিজেপি বিধায়কদের তরফে আটটি প্রস্তাব জমা পড়েছিল এবং প্রতিটি প্রস্তাবেই পরিষদীয় দলনেতা হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর নাম ছিল। দ্বিতীয় কোনও নাম প্রস্তাব করার জন্য সময় দেওয়া হলেও কেউ অন্য কোনও নাম দেননি। এরপরই শুভেন্দুর নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়।শনিবার সকাল ১০টায় ব্রিগেড ময়দানে হবে নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। সেখানে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গড়কড়ি, ধর্মেন্দ্র প্রধান-সহ একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা। এছাড়াও দেশের ২০টি রাজ্যের বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকারের মুখ্যমন্ত্রীরাও অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে ইতিমধ্যেই জোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথিতে শুভেন্দুর শান্তিকুঞ্জের বাড়িতেও নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হয়েছে। বাংলার রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে চলেছে শনিবারের শপথ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে।

মে ০৮, ২০২৬
রাজ্য

‘আমি না জিতলে হয়তো চন্দ্রনাথ বাঁচত!’ বিস্ফোরক শুভেন্দু, কাঁপছে বাংলা রাজনীতি

নতুন সরকার গঠনের আবহের মধ্যেই ফের ভোট পরবর্তী হিংসায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজ্য রাজনীতি। ফল প্রকাশের মাত্র দুদিনের মাথায় খুন হলেন শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহযোগী চন্দ্রনাথ রথ। বুধবার রাতে মধ্যমগ্রামের রাস্তায় তাঁকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে। নিজের দীর্ঘদিনের সহকর্মীর মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।বৃহস্পতিবার চন্দ্রনাথের দেহ কলকাতা থেকে পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুরে নিয়ে যাওয়ার সময় আবেগঘন প্রতিক্রিয়া দেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, আমি ভবানীপুরে না জিতলে হয়তো চন্দ্রনাথকে খুন হতে হতো না। আমি বিরোধী দলনেতা ছিলাম বলেই আমার পিএ হিসেবেও ও টার্গেট হয়েছিল। একই সঙ্গে তিনি আশ্বাস দেন, এই খুনের ঘটনায় চার্জশিট জমা পড়বে এবং দোষীরা কঠোর শাস্তি পাবে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার রাত প্রায় দশটা পনেরো নাগাদ মধ্যমগ্রামে নিজের ফ্ল্যাটের দিকে যাচ্ছিলেন চন্দ্রনাথ রথ। সেই সময় একটি চারচাকা গাড়ি এসে তাঁর গাড়ির পথ আটকে দেয়। এরপর বাইকে করে আসা দুষ্কৃতীরা খুব কাছ থেকে গুলি চালায়। গাড়িতে চালকের পাশাপাশি পিছনের সিটে আরও একজন ছিলেন। হামলার সময় তিনি সিটের নীচে লুকিয়ে পড়ায় প্রাণে বেঁচে যান বলে জানা গিয়েছে।গুলিতে গুরুতর জখম হন চন্দ্রনাথ এবং তাঁর গাড়ির চালক। দ্রুত তাঁদের স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা চন্দ্রনাথ রথকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। আহত চালককে পরে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তাঁর অস্ত্রোপচার হয়েছে। এখনও তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলেই হাসপাতাল সূত্রে খবর।এই ঘটনার পর থেকেই এলাকায় ব্যাপক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে তদন্তকারীরা। ইতিমধ্যেই খুনের ঘটনায় সিআইডি তদন্ত শুরু করেছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকেই এই হামলা কি না, তা নিয়েও শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।

মে ০৭, ২০২৬
রাজ্য

‘ঠান্ডা মাথায় খুন করা হয়েছে’! চন্দ্রনাথ হত্যাকাণ্ডে বিস্ফোরক শুভেন্দু

মধ্যমগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহকারী চন্দ্রনাথ রথকে গুলি করে খুনের ঘটনায় উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। বৃহস্পতিবার হাসপাতালে পৌঁছে এই ঘটনাকে ঠান্ডা মাথায় খুন বলে দাবি করলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি অভিযোগ করেন, পুরো ঘটনাটি আগে থেকেই পরিকল্পনা করে ঘটানো হয়েছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান।চন্দ্রনাথ রথ দীর্ঘদিন ধরে শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে কাজ করতেন। গত প্রায় এক দশক ধরে রাজনৈতিক সফর থেকে সাংগঠনিক কাজ সবক্ষেত্রেই শুভেন্দুর ছায়াসঙ্গী ছিলেন তিনি।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার গভীর রাতে উত্তর চব্বিশ পরগনার মধ্যমগ্রামে হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, বাইক এবং গাড়িতে করে আসা একদল দুষ্কৃতী চন্দ্রনাথের স্করপিও গাড়ির পথ আটকায়। তারপর খুব কাছ থেকে পরপর গুলি চালানো হয়। তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, অন্তত আটজন হামলাকারী চারটি মোটরবাইকে করে এসেছিল। প্রত্যেকের মাথায় হেলমেট ছিল বলেও জানা গিয়েছে।তদন্তে আরও উঠে এসেছে একটি সন্দেহজনক গাড়ির তথ্য। শিলিগুড়ির নম্বরযুক্ত একটি গাড়ি চন্দ্রনাথের গাড়ির সামনে এসে দাঁড়িয়েছিল বলে অভিযোগ। সেই গাড়ি থামতেই আততায়ীরা গুলি চালাতে শুরু করে। এরপর দ্রুত এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায় তারা।পুলিশ জানিয়েছে, চন্দ্রনাথের বুকে এবং পেটে গুলি লাগে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে মধ্যমগ্রামের একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতালের চিকিৎসক প্রতিম সেনগুপ্ত জানান, হাসপাতালে আনার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়েছিল। চিকিৎসকেরা প্রাণ ফেরানোর চেষ্টা করলেও তা সম্ভব হয়নি।ঘটনায় আহত হয়েছেন চন্দ্রনাথের সঙ্গে থাকা বুদ্ধদেব নামে আরও এক ব্যক্তি। তাঁর শরীরেও একাধিক গুলি লেগেছে। পরে তাঁকে কলকাতার একটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, তিনি এখনও সচেতন অবস্থায় রয়েছেন এবং তাঁর অস্ত্রোপচার করা হবে।এদিকে রাজ্যের ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্ত জানিয়েছেন, হামলায় ব্যবহৃত গাড়িতে ভুয়ো নম্বর প্লেট লাগানো ছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। পুলিশ ইতিমধ্যেই এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা শুরু করেছে। গাড়ির গতিবিধি এবং হামলাকারীদের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে।ঘটনার খবর ছড়াতেই হাসপাতালে পৌঁছে যান বিজেপির একাধিক শীর্ষ নেতা। সেখানে ছিলেন সুকান্ত মজুমদার, অর্জুন সিং-সহ আরও অনেকে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে।

মে ০৭, ২০২৬
রাজ্য

পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জে গুলি! শুভেন্দুর ঘনিষ্ঠকে খুন ঘিরে বিস্ফোরক অভিযোগ বিজেপির

কাজের সূত্রে মধ্যমগ্রাম থেকে বারাসতের দিকে যাচ্ছিলেন শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহকারী চন্দ্রনাথ রথ। অভিযোগ, মাঝ রাস্তায় তাঁর গাড়ি আটকে খুব কাছ থেকে পরপর গুলি চালানো হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে। প্রশ্ন উঠছে, এটি কি শুধুই খুন, নাকি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার ফল?চন্দ্রনাথ রথ খুনের ঘটনায় বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন বিজেপি নেতা অর্জুন সিং। তিনি সরাসরি তৃণমূল এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে আঙুল তুলেছেন। অর্জুনের দাবি, এটি অত্যন্ত পরিকল্পিত হামলা এবং পেশাদার খুনিদের দিয়েই এই কাজ করানো হয়েছে। তাঁর কথায়, খুব কাছ থেকে অত্যাধুনিক অস্ত্র দিয়ে গুলি চালানো হয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, হামলার সময় গাড়িতে তিনজন ছিলেন। একজন নিচু হয়ে যাওয়ায় বেঁচে যান, তবে চালক এবং চন্দ্রনাথ গুলিবিদ্ধ হন।অন্যদিকে বিজেপি মুখপাত্র শঙ্কুদেব পণ্ডাও দাবি করেছেন, পুরো ঘটনাটি আগে থেকেই পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, দিনের পর দিন নজরদারি চালিয়ে তারপর চন্দ্রনাথকে খুন করা হয়েছে। নির্বাচনে ফল খারাপ হওয়ার পরও শাসকদলের কোনও শিক্ষা হয়নি বলেও কটাক্ষ করেন তিনি। পাশাপাশি পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন শঙ্কুদেব। তাঁর দাবি, ঘটনার কয়েক ঘণ্টা কেটে গেলেও এখনও পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনও বড় পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।রাজনৈতিক মহলে এই ঘটনাকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ শুভেন্দু অধিকারী বর্তমানে বিজেপির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুখ। তাঁর ঘনিষ্ঠ সহকারীকে এভাবে প্রকাশ্যে গুলি করে খুনের ঘটনায় নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজ্য রাজনীতি।এদিকে একই রাতে বসিরহাটেও বিজেপি কর্মী রোহিত রায়কে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ফলে এক রাতেই পরপর দুই বিজেপি কর্মীর উপর হামলার ঘটনায় রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বেড়েছে।

মে ০৭, ২০২৬
রাজ্য

নন্দীগ্রামে জনস্রোত! বড় প্রতিশ্রুতি দিয়ে নজর কাড়লেন শুভেন্দু

নন্দীগ্রামে জনসমাগমে ভেসে গেল সভাস্থল। শুভেন্দু অধিকারীকে ঘিরে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়লেন কর্মী-সমর্থকেরা। তাঁর নামে জয়ধ্বনি উঠল চারদিকে। এলাকার মানুষও নতুন আশায় বুক বাঁধছেন।এই সভা থেকেই ক্ষমতায় এলে কী কী কাজ করা হবে, তা স্পষ্ট করে জানালেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, দলের ঘোষিত সংকল্পপত্র সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়ন করা হবে। রাজ্যের সীমান্ত আরও সুরক্ষিত করা হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।নারীদের নিরাপত্তা নিয়েও বিশেষ জোর দেন শুভেন্দু। তাঁর কথায়, মহিলারা যখন খুশি বাড়ির বাইরে বেরোতে পারবেন, রাতেও বেরোতে ভয় পাবেন না। আগের মতো কোনও বাধা বা ভয় থাকবে না বলেও দাবি করেন তিনি।শুভেন্দু আরও জানান, সরকারি ও বেসরকারি ক্ষেত্রে বিনিয়োগ বাড়ানো হবে। চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষা নিশ্চিত করার কথা বলেন তিনি। যতদিন না স্থায়ী কর্মসংস্থান হচ্ছে, ততদিন উপযুক্ত ভাতা দেওয়ার আশ্বাসও দেন।তিনি বলেন, আগামী এক বছরের মধ্যেই রাজ্যের মানুষ প্রকৃত পরিবর্তন দেখতে পাবেন। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের প্রতিশ্রুতি সময়মতো পূরণ করা হবে বলেও জানান।দল আগেই জানিয়েছে, অনুপ্রবেশমুক্ত বাংলা গড়া, সরকারি নিয়োগে স্বচ্ছতা আনা এবং তোলাবাজি বন্ধ করা তাদের প্রধান লক্ষ্য। পাশাপাশি শুভেন্দু কর্মী-সমর্থকদেরও সতর্ক করে দেন, কেউ যেন কোনও প্ররোচনায় পা না দেন এবং আইন নিজের হাতে তুলে না নেন।

মে ০৬, ২০২৬
কলকাতা

মমতার দুর্গেই ভাঙল ঘাঁটি! ভবানীপুরে বিশাল ব্যবধানে শুভেন্দুর জয়

দীর্ঘদিন ধরে ভবানীপুরে লড়াই করেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু এবারের নির্বাচনে সেই কেন্দ্রেই বড় ধাক্কা খেলেন তিনি। কুড়ি রাউন্ড গণনা শেষে প্রায় ১৫ হাজার ১১৪ ভোটে তাঁকে পরাজিত করলেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। এর ফলে নন্দীগ্রামের পাশাপাশি ভবানীপুর থেকেও জয়ী হলেন শুভেন্দু।ভবানীপুরে ভোটগণনা ঘিরে দিনভর উত্তেজনা ছিল। গণনার মাঝপথে নিজেই কেন্দ্রে পৌঁছে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেন, ভোট গণনায় কারচুপি হচ্ছে। যদিও সেই অভিযোগের মধ্যেই গণনা চলতে থাকে। রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ স্পষ্ট হয়ে যায় ফলাফল। দেখা যায়, ২০ রাউন্ড শেষে শুভেন্দু অধিকারী পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৪৬৩ ভোট, আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পেয়েছেন ৫৮ হাজার ৩৪৯ ভোট।নির্বাচনের আগেই শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছিলেন, তিনি ধীরে ধীরে ব্যবধান বাড়িয়ে শেষ পর্যন্ত জিতবেন। তাঁর সেই পূর্বাভাসই যেন মিলল বাস্তবে। শুরুতে কিছুটা পিছিয়ে থাকলেও পরের রাউন্ডগুলোতে ব্যবধান কমিয়ে শেষে এগিয়ে যান তিনি এবং জয় নিশ্চিত করেন।জয়ী হওয়ার পর শুভেন্দু অধিকারী প্রধানমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে ধন্যবাদ জানান। অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, তাঁকে জোর করে হারানো হয়েছে এবং ভোট লুঠ করা হয়েছে। তিনি জানান, এই লড়াই এখানেই শেষ নয়, তিনি আবার ফিরে আসবেন।শুধু ভবানীপুর নয়, নন্দীগ্রামেও জয় পেয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় তৃণমূলের অবস্থানও এই নির্বাচনে দুর্বল হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলের মত।

মে ০৪, ২০২৬
কলকাতা

ভবানীপুরে ভোটের মাঝেই বড় দাবি! “৮০ শতাংশ ভোট হলেই জিতব”—শুভেন্দু

দ্বিতীয় দফার ভোটে সকাল থেকেই নজর ছিল ভবানীপুর কেন্দ্রে। এই কেন্দ্রে মুখোমুখি লড়াই করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বুধবার সকাল থেকেই এলাকায় উত্তেজনার ছবি দেখা যায়। কখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কাউন্সিলরের বাড়িতে যাচ্ছেন, আবার কখনও শুভেন্দু অধিকারী বিক্ষোভের মধ্যে থেকে নির্বাচন কমিশনে ফোন করে অভিযোগ জানাচ্ছেন।দুপুরের দিকে সংবাদমাধ্যমের সামনে এসে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ফল নিয়ে বড় দাবি করেন। তিনি বলেন, যদি আশি শতাংশ ভোট পড়ে, তাহলে তিনি জিতবেন। আর যদি নব্বই শতাংশ ভোট পড়ে, তাহলে আরও বড় ব্যবধানে জয়ী হবেন বলে তাঁর দাবি। তিনি আরও বলেন, একটি নির্দিষ্ট ওয়ার্ড ছাড়া বাকি সব জায়গায় তিনি এগিয়ে থাকবেন। ওই ওয়ার্ডে কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবস্থা নেওয়ায় পরিস্থিতি বদলেছে বলেও তিনি জানান।শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, ফলতা এলাকায় ইভিএম নিয়ে যে অভিযোগ উঠেছে, তা নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে প্রধান নির্বাচনী আধিকারিককে জানানো হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি (Suvendu Adhikari)।তিনি অভিযোগ করেন, অনেক জায়গায় ভোট ধীরগতিতে হচ্ছে। প্রয়োজনে অতিরিক্ত ভোটকর্মী ব্যবহার করা উচিত বলেও মত দেন তিনি।এদিকে ভবানীপুরের জয় হিন্দ ভবনের সামনে শুভেন্দুকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে কয়েকশো মানুষ জড়ো হয়ে স্লোগান দিতে থাকেন। একদিকে জয় বাংলা, অন্যদিকে জয় শ্রীরাম স্লোগানে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সেই সময় নিজের গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে ভিডিও করেন শুভেন্দু অধিকারী এবং পরে নির্বাচন কমিশনে ফোন করে আরও বাহিনী পাঠানোর দাবি জানান।

এপ্রিল ২৯, ২০২৬
কলকাতা

প্রচারের মাঝেই তৃণমূলের গান! ক্ষোভে ফেটে পড়লেন শুভেন্দু, পুলিশের দিকে তোপ

শনিবার বিকেলে ভবানীপুরে প্রচারে বেরিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। পদযাত্রা করে জনসংযোগ চালাচ্ছিলেন তিনি। সেই সময় আচমকাই মাইকে বেজে ওঠে তৃণমূলের নির্বাচনী গান। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন বিজেপি প্রার্থী। তাঁর অভিযোগ, অনুমতি নিয়ে করা কর্মসূচির মধ্যেই কেন অন্য দলের গান বাজানো হবে, তা নিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন।তিনি কালীঘাট ও ভবানীপুর থানার পুলিশের ভূমিকা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন। শুভেন্দুর দাবি, তাঁকে প্রচারের সময় বিভিন্ন বিধিনিষেধ মানতে বলা হয়েছে এবং তিনি তা মেনেও চলেছেন। কিন্তু সেই পরিস্থিতিতে মাইকে অন্য দলের গান বাজানোয় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করার কথাও জানান।নন্দীগ্রামের পর এবার ভবানীপুর কেন্দ্রেই তাঁর লড়াই। সেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর বিরুদ্ধে প্রার্থী হয়েছেন তিনি। শেষ দফার প্রচারে জোরকদমে প্রচার চালাচ্ছিলেন। সেই সময় এই ঘটনা ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায়। পরে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু বলেন, তাঁকে কিছু এলাকায় প্রচারে যেতে দেওয়া হয়নি, তা তিনি মেনে নিয়েছেন। কিন্তু এভাবে অন্য দলের প্রচার চালানো তিনি মেনে নেবেন না বলেই স্পষ্ট জানান।এদিকে নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই কালীঘাট ও আলিপুর থানার ওসি বদলি করেছে। শুভেন্দুর দাবি, তাঁদের কর্মসূচির জন্য সব জায়গায় অনুমতি দেওয়া হয়নি। এতে তিনি আরও ক্ষোভ প্রকাশ করেন।অন্যদিকে তৃণমূলের নেতা কুণাল ঘোষ পাল্টা কটাক্ষ করে বলেন, নির্বাচনের পর পরিস্থিতি বদলে যাবে এবং ফলাফলেই সব উত্তর মিলবে।ভোটের আগে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভবানীপুরে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়ে গেল বলে মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ২৬, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের দিনেই বিস্ফোরক মন্তব্য! গুণ্ডামির অভিযোগে সরব শুভেন্দু

নন্দীগ্রামে ভোট দিয়ে বেরিয়েই সুর চড়ালেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। নিজের বুথে ভোট দিয়ে তিনি দাবি করেন, বাংলায় পরিবর্তন হবেই। তাঁর কথায়, এবার যদি পরিবর্তন না হয়, তাহলে বাংলায় সনাতনবাদ বিপদের মুখে পড়বে। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের কাজকে ভালো বললেও কিছু জায়গায় গুণ্ডামির অভিযোগ তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, তাঁদের পোলিং এজেন্টকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং এই ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।শুভেন্দু অধিকারী দীর্ঘদিন ধরেই নন্দীগ্রামের ভোটার। প্রতি নির্বাচনের মতো এবারও তিনি নিজের বুথে গিয়ে ভোট দেন। এদিন সকালে ব্রজমোহন তিওয়ারি উচ্চ বিদ্যালয়ের বুথে গিয়ে ভোট দেন তিনি। ভোট দিয়ে বেরিয়ে এসে বুথ স্তরের এক কর্মীর ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তাঁর অভিযোগ, ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা হচ্ছে। তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে সতর্ক করে এসেছেন।পরে তিনি আরও অভিযোগ করেন, কিছু হিন্দু ভোটারকে ভয় দেখানো হচ্ছে। এই পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। উল্লেখ্য, নন্দীগ্রাম বরাবরই রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এবং স্পর্শকাতর কেন্দ্র। প্রতি নির্বাচনে এখানে উত্তেজনা দেখা যায়।এবারের নির্বাচনে নন্দীগ্রামে মূল লড়াই তৃণমূল কংগ্রেস এবং বিজেপির মধ্যে। একদিকে শুভেন্দু অধিকারী, অন্যদিকে তাঁর প্রাক্তন ঘনিষ্ঠ পবিত্র কর তৃণমূলের প্রার্থী। এই দুই প্রার্থীর লড়াই ঘিরে আগেই উত্তাপ বেড়েছিল। ভোটের দিন সকালে নিজেই ভোট দিয়ে পরে দলীয় কার্যালয়ের দিকে রওনা দেন শুভেন্দু।

এপ্রিল ২৩, ২০২৬
রাজ্য

নন্দীগ্রামে তুমুল সংঘাত! শুভেন্দুকে ‘মাস্টারমাইন্ড’ বলে তোপ দাগলেন পবিত্র কর

ভোটের দিন যত এগিয়ে আসছে, ততই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি। সেই আবহে নন্দীগ্রাম আবারও রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। এবার বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন তাঁরই একসময়ের সতীর্থ এবং বর্তমানে তৃণমূল প্রার্থী পবিত্র কর।ঘটনার সূত্রপাত একটি এফআইআরকে কেন্দ্র করে। নন্দীগ্রাম থানায় বিজেপির এক বুথ সভাপতির পক্ষ থেকে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, পবিত্র কর তাঁর অনুগামীদের নিয়ে ওই বিজেপি কর্মীর উপর হামলা চালিয়েছেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই পবিত্র করের বিরুদ্ধে থানায় এফআইআর দায়ের হয়।এই ঘটনার পরই শুভেন্দু অধিকারীকে সরাসরি আক্রমণ করেন পবিত্র কর। তিনি দাবি করেন, নন্দীগ্রামে যত মামলা রয়েছে, তার সবকিছুর পেছনেই শুভেন্দু অধিকারীর ভূমিকা রয়েছে। তাঁর অভিযোগ, সাধারণ মানুষকে ভয় দেখাতে এবং চাপে রাখতে এই সব মামলা করা হচ্ছে।পবিত্র কর কটাক্ষ করে বলেন, শুভেন্দু চাইলে সব কিছুই সম্ভব। তাঁর কথায়, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে মামলা করানোই যেন এক বিশেষ দক্ষতা। তিনি আরও বলেন, সব কিছু জেনেই তিনি শুভেন্দুর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেমেছেন।উল্লেখ্য, এবারের নির্বাচনে নন্দীগ্রাম আবারও অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। ভবানীপুরের মতোই এই কেন্দ্রকে ঘিরে বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তেজনা। তৃণমূল এবং বিজেপি দুই দলই জোরকদমে প্রচার চালাচ্ছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনসংযোগ চলছে।এদিকে নিজের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এফআইআর খারিজের দাবিতে ইতিমধ্যেই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন পবিত্র কর। ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই নন্দীগ্রামে রাজনৈতিক লড়াই তীব্র হচ্ছে। গুরু-শিষ্যের এই দ্বন্দ্ব এখন রাজ্য রাজনীতির অন্যতম বড় আকর্ষণ হয়ে উঠেছে।

এপ্রিল ১১, ২০২৬
কলকাতা

চমক! শুভেন্দুর মনোনয়ন ঘিরে তুমুল অশান্তি, একসঙ্গে ৩৮ জনকে তলব পুলিশের—চাপ বাড়ল রাজনীতিতে!

শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন কর্মসূচি ঘিরে অশান্তির ঘটনায় তৎপর হয়েছে পুলিশ। নির্বাচন কমিশনের অভিযোগ এবং পুলিশের নিজস্ব উদ্যোগে দায়ের হওয়া একাধিক মামলায় মোট ৩৮ জনকে তলব করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।সূত্রের খবর, আলিপুর থানায় নির্বাচন কমিশনের অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ের হওয়া মামলায় ৬ জন তৃণমূল কর্মীকে তলব করা হয়েছে। সার্ভে বিল্ডিংয়ের সামনে নির্বাচনী আচরণবিধি ভাঙার অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।এছাড়াও এই অশান্তির ঘটনাকে কেন্দ্র করে আলিপুর ও কালীঘাট থানায় পুলিশের তরফে দায়ের হওয়া দুটি স্বতঃপ্রণোদিত মামলায় তৃণমূল ও বিজেপি মিলিয়ে আরও ৩২ জনকে তলব করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে নোটিস পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার দিন কীভাবে অশান্তি ছড়িয়েছিল, কারা এতে জড়িত ছিল এবং আইনশৃঙ্খলা নষ্ট করার পেছনে কারা ভূমিকা নিয়েছিল, তা খতিয়ে দেখতেই এই পদক্ষেপ। তদন্তের স্বার্থে সকলকেই নির্দিষ্ট সময়ে থানায় হাজির হতে বলা হয়েছে।অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, সংবাদমাধ্যমের সামনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী কেন্দ্রীয় বাহিনী, রাজ্য পুলিশ এবং নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের নিয়ে হুমকির সুরে মন্তব্য করেছেন। তাঁদের দাবি, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে ভোটারদের ভয় দেখানোর কথা বলা হয়েছে, যা নির্বাচন প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
কলকাতা

ভবানীপুরে ভোটের আগে বড় বিস্ফোরণ! শুভেন্দুর বিরুদ্ধে কমিশনে অভিযোগ তৃণমূলের

ভোটের আবহে রাজ্যজুড়ে উত্তেজনা বাড়ছে। বিশেষ নজর রয়েছে ভবানীপুর কেন্দ্রে (TMC)। এই পরিস্থিতিতে ওই কেন্দ্রের প্রার্থী এবং বিদায়ী বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছে তৃণমূল। তাঁদের অভিযোগ, শুভেন্দু ভোটারদের উপর হামলার উস্কানি দিচ্ছেন (TMC)।গত মঙ্গলবার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান একদল বিএলও। পরে সেখানে অন্য পক্ষের সমর্থকরাও জড়ো হন (TMC)। দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকে এবং সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়। একাধিক বাইক ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী নামাতে হয়।এই ঘটনার পর সাংবাদিকদের সামনে শুভেন্দু অধিকারী মন্তব্য করেন, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা উচিত। তাঁর বক্তব্যে বলা হয়, কঠোর ব্যবস্থা নিলে পরিস্থিতি ঠিক হয়ে যাবে। এই মন্তব্য ঘিরেই শুরু হয়েছে বিতর্ক (TMC)।এছাড়া তিনি কলকাতা পুলিশের ভূমিকাও নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। বলেন, পুলিশ এখনও পরিস্থিতি ঠিকভাবে সামাল দিতে পারছে না। নির্বাচন কমিশনের কাছেও তিনি বিষয়টি জানাবেন বলে জানান।উল্লেখ্য, ভোট ঘোষণার পর কলকাতা পুলিশের কমিশনার পদে পরিবর্তন আনে নির্বাচন কমিশন। নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকের কাজ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, তিনি স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছেন না।এই মন্তব্যের বিরোধিতা করেছে তৃণমূল। তাদের দাবি, এই ধরনের বক্তব্য ভোটের পরিবেশকে অশান্ত করতে পারে। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে ভোটারদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।তৃণমূলের তরফে কমিশনের কাছে আবেদন করা হয়েছে, শুভেন্দুকে শোকজ করা হোক এবং তাঁর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক। এমনকি তাঁর মনোনয়ন বাতিলের দাবিও তোলা হয়েছে।উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার ভবানীপুর কেন্দ্রে নিজের মনোনয়ন জমা দেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
কলকাতা

ভবানীপুরে বড় লড়াইয়ের ইঙ্গিত! শুভেন্দুর মনোনয়নে থাকছেন অমিত শাহ

ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী হিসেবে আজ মনোনয়ন জমা দেবেন শুভেন্দু অধিকারী। এই কর্মসূচিতে তাঁর সঙ্গে থাকবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শুধু ভবানীপুর নয়, একই দিনে রাসবিহারী ও বালিগঞ্জ কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থীরাও মনোনয়ন জমা দেবেন।আজ দুপুর প্রায় বারোটা নাগাদ হাজরা মোড় থেকে রোড শো শুরু হবে। সেই রোড শো-তে একসঙ্গে অংশ নেবেন অমিত শাহ ও শুভেন্দু অধিকারী। রোড শো শেষে তাঁরা সার্ভে ভবনে গিয়ে মনোনয়ন জমা দেবেন। সার্ভে ভবনের কিছুটা আগে গাড়ি থামিয়ে পায়ে হেঁটে মনোনয়ন জমা দিতে যাবেন তাঁরা। তাঁদের সঙ্গে থাকবেন দলের আরও কয়েকজন নেতা।বঙ্গ রাজনীতিতে এই প্রথমবার কোনও প্রার্থীর মনোনয়ন জমার সময় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উপস্থিত থাকছেন বলে মনে করা হচ্ছে। তাই এই কর্মসূচিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি ভবানীপুর, যা দীর্ঘদিন ধরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত, সেখানে এই রোড শো-কে বিজেপির শক্তি প্রদর্শন হিসেবেও দেখা হচ্ছে।মনোনয়ন জমা দেওয়ার আগে শুভেন্দু অধিকারী সকালে ভবানীপুরের একটি গুরুদ্বারায় যান। সেখান থেকে তিনি একটি মন্দিরে যান এবং তারপর হাজরা মোড়ে এসে রোড শো-তে যোগ দেন।এই কর্মসূচিকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই জোর চর্চা শুরু হয়েছে। অমিত শাহের উপস্থিতি বিজেপি কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ বাড়িয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। ফলে আজকের এই কর্মসূচি ভবানীপুরের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।

এপ্রিল ০২, ২০২৬
রাজ্য

ফোন নজরদারির অভিযোগে বিস্ফোরণ! কমিশনের দরজায় শুভেন্দু

ভোটের মুখে নতুন করে তীব্র বিতর্ক ছড়াল রাজ্য রাজনীতিতে। বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) অভিযোগ, তাঁর এবং দলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের ফোনের অবস্থান গোপনে নজরদারি করা হচ্ছে। এই গুরুতর অভিযোগ জানাতে নির্বাচন কমিশনের দফতরে যান শুভেন্দু। তাঁর সঙ্গে ছিলেন শমীক ভট্টাচার্যও।সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) দাবি করেন, রাজ্যের একাধিক শীর্ষ পুলিশ আধিকারিক এই নজরদারির সঙ্গে যুক্ত। তাঁর অভিযোগ, বিশেষ টাস্ক ফোর্স, গোয়েন্দা সংস্থা এবং নিরাপত্তা দফতরের কিছু আধিকারিক বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব থেকে শুরু করে নীচুতলার নেতাদের ফোনের অবস্থান ট্র্যাক করছেন। এই বিষয়ে তাঁদের কাছে তথ্যপ্রমাণ রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে তিনি নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) আরও অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ সব ক্ষেত্রে কার্যকর করা হচ্ছে না। ডিরেক্টর অফ সিকিউরিটির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর কথায়, সাধারণ মানুষের অসুবিধা করে শাসকদলের নেতাদের সুবিধা করে দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি জঙ্গিপুর ও পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপারদের বিরুদ্ধেও কমিশনের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তোলেন তিনি।এই দিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেও নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জমা দেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর একাধিক বক্তব্য নির্বাচন প্রক্রিয়ার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। এক ক্ষেত্রে নাকি তিনি নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষকে প্রতিবাদে নামার কথা বলেছেন বলে অভিযোগ। অন্য একটি বক্তব্যে বিজেপি কর্মীদের নিজেদের অস্বীকার করার কথা বলা হয়েছে বলে দাবি করেন শুভেন্দু। তাঁর অভিযোগ, এই ধরনের মন্তব্যে বিজেপি কর্মীদের ভয় দেখানো হচ্ছে।এই বিতর্কের সূত্রপাত হয় ময়নাগুড়ির একটি জনসভা থেকে। সেই বক্তব্য ঘিরেই বিজেপির তরফে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানানো হয়। ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে দিল্লিতে কমিশনের সদর দফতরেও নালিশ জানিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। তাঁদের দাবি, অতীতে অন্য নেতাদের ক্ষেত্রে যেমন প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে, একই নিয়ম এখানে প্রয়োগ করা হোক।

মার্চ ৩১, ২০২৬
রাজনীতি

শাহের ‘জনতার চার্জশিট’-এ বারবার শুভেন্দু, বাংলায় বিজেপির মুখ নিয়ে জোরালো জল্পনা

বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণার পর পশ্চিমবঙ্গে প্রথম সফরেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ যে রাজনৈতিক বার্তা দিলেন, তা ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। আনুষ্ঠানিক ভাবে কিছু ঘোষণা না হলেও, তাঁর বক্তব্য এবং জনতার চার্জশিট-এ একাধিকবার শুভেন্দু অধিকারী-র উল্লেখ বিজেপির অন্দরেই তাঁর বাড়তি গুরুত্বের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ।শনিবার প্রকাশিত বিজেপির তথাকথিত জনতার চার্জশিট-এ রাজ্যের শাসক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর ১৫ বছরের শাসনকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে আক্রমণ করা হয়েছে। অনুপ্রবেশ, দুর্নীতি, আইন-শৃঙ্খলার অবনতি থেকে শুরু করে শিল্প, কৃষি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা মোট ১৫টি বিষয়ের উপর ভিত্তি করে তৈরি এই অভিযোগপত্রে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে।তবে এই চার্জশিটের একটি বিশেষ দিক নজর কেড়েছে গণতন্ত্রের উপর আঘাত অধ্যায়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর উপর হামলার প্রসঙ্গ আলাদা করে উল্লেখ করা হয়েছে। শুধু নথিতেই নয়, নিজের বক্তব্যেও শাহ বারবার সেই প্রসঙ্গ টেনে এনেছেন। তাঁর দাবি, রাজ্যে রাজনৈতিক হিংসা বেড়েছে এবং বিরোধী নেতারাও তার শিকার।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, রাজ্যের অন্যান্য বিজেপি নেতারাও অতীতে হামলার মুখে পড়লেও তাঁদের প্রসঙ্গ এ ভাবে তুলে ধরা হয়নি। ফলে শুভেন্দুকে ঘিরে এই বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার মধ্যে রাজনৈতিক বার্তা স্পষ্ট বলেই মনে করা হচ্ছে।শাহের বক্তব্যে আরও একটি দিক উঠে আসে রাজ্যে বিজেপির ক্রমবর্ধমান শক্তির প্রসঙ্গে শুভেন্দুর ভূমিকা। ২০১৬ সালের তুলনায় ২০২১ সালে বিজেপির ভোট শতাংশ বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করতে গিয়ে তিনি বলেন, বিধায়ক দলের নেতা হিসেবে শুভেন্দু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন এবং রাজ্য জুড়ে তিনি দলের বার্তা পৌঁছে দিয়েছেন।মঞ্চে উপস্থিত রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এবং নেতা শমীক ভট্টাচার্য-র উপস্থিতি সত্ত্বেও শাহের বক্তব্যে শুভেন্দুর নামই বেশি করে উঠে আসে। এমনকি, দলীয় সূত্রে দাবি, প্রার্থী তালিকা তৈরিতেও তাঁর প্রভাব উল্লেখযোগ্য।বিজেপি এখনও পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী ঘোষণা না করার নীতি বজায় রেখেছে। পশ্চিমবঙ্গেও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না। তবে নির্বাচনের আগে এই প্রথম বড় কর্মসূচিতে শুভেন্দুকে ঘিরে শাহের বিশেষ উল্লেখ রাজনৈতিক মহলে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেই মত বিশ্লেষকদের।সব মিলিয়ে, আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না থাকলেও, বিজেপির নির্বাচনী কৌশলে শুভেন্দু অধিকারীর গুরুত্ব যে ক্রমশ বাড়ছে, শাহের সাম্প্রতিক বক্তব্যে সেই বার্তাই আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

নন্দীগ্রামে বড় লড়াই! শুভেন্দুর ঘাঁটিতে অভিষেকের চ্যালেঞ্জ, ‘ডি জে বাজবে’ বার্তায় তোলপাড়

এবারের বিধানসভা নির্বাচনে সবচেয়ে নজরকাড়া কেন্দ্রগুলির মধ্যে অন্যতম নন্দীগ্রাম। এই কেন্দ্রকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে। শুভেন্দু অধিকারীর এই কেন্দ্রে এবার তাঁরই প্রাক্তন ঘনিষ্ঠ পবিত্র করকে সামনে রেখে লড়াই করছে তৃণমূল। শুভেন্দু নিজের ঘাঁটি ধরে রাখতে পারবেন, নাকি পুরনো সঙ্গীর কাছে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বেন, সেই প্রশ্ন এখন রাজনৈতিক মহলে ঘুরছে।বুধবার নন্দীগ্রামে গিয়ে দলের কর্মীদের উদ্দেশ্যে বার্তা দেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পবিত্র করকে পাশে নিয়ে তিনি বলেন, আগামী ২৫ দিনের দায়িত্ব কর্মীদের নিতে হবে এবং তারপরের পাঁচ বছরের দায়িত্ব তিনি নিজে নেবেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, এমনভাবে লড়াই করতে হবে যাতে একটি বুথ থেকেও বিজেপি মাথা তুলতে না পারে।অভিষেক জানান, নন্দীগ্রামে প্রায় উনিশ হাজারের বেশি যুবসাথীর আবেদন জমা পড়েছে এবং সকলেই সেই সুবিধা পাবেন। তিনি আশ্বাস দেন, প্রয়োজন হলে তিনি বারবার নন্দীগ্রামে আসবেন। পাশাপাশি তিনি বলেন, কেউ ভয় দেখালে বা চাপ সৃষ্টি করলে মানুষকে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করতে হবে এবং যে ভাষায় বোঝে, তাকে সেই ভাষাতেই জবাব দিতে হবে।তিনি আরও বলেন, চার তারিখের পর নন্দীগ্রামে উৎসবের পরিবেশ তৈরি হবে এবং রবীন্দ্রসংগীতের সঙ্গে ডি জে বাজানো হবে। মানুষের উদ্দেশ্যে তাঁর বার্তা, ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই।শুভেন্দু অধিকারীকেও কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন অভিষেক। তিনি বলেন, নন্দীগ্রাম তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি ছিল এবং এখনও আছে। তিনি অভিযোগ করেন, এলাকার বর্তমান বিধায়ক মানুষের জন্য কোনও উন্নয়নমূলক কাজ করেননি। কেন্দ্রের সহায়তায় কী প্রকল্প আনা হয়েছে, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, মানুষের প্রয়োজনীয় বিষয়গুলি নিয়ে কাজ না করে শুধু ধর্মের রাজনীতি করা হচ্ছে।দলের কর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, পূর্ব মেদিনীপুর জেলার মধ্যে নন্দীগ্রামকে সেরা করতে হবে। পবিত্র কর জিতলে প্রতিটি বুথে সেবাশ্রয় প্রকল্প চালু করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। পাশাপাশি তিনি জানান, রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবা যেমন চলবে, তেমনই স্থানীয় স্তরেও উন্নয়ন হবে।সব মিলিয়ে স্পষ্ট, নন্দীগ্রামকে কেন্দ্র করে এবারের নির্বাচন আরও উত্তপ্ত হতে চলেছে এবং এই কেন্দ্রের দিকে সবার নজর থাকবে।

মার্চ ২৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে তীব্র সংঘাত! মমতা ও শুভেন্দুর বিরুদ্ধে কমিশনে পাল্টাপাল্টি অভিযোগে উত্তাল রাজ্য

ভোটের আগে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তাপ ছড়াল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আদর্শ আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে বিজেপি। অন্যদিকে, শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধেও অভিযোগ জানিয়ে কমিশনের কাছে গিয়েছে তৃণমূল। দুই শিবিরের এই পাল্টাপাল্টি অভিযোগে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপির অভিযোগ, আদর্শ আচরণবিধি চালু হওয়ার পরেও ভবানীপুরের বিভিন্ন এলাকায় তাঁর উন্নয়নমূলক প্রকল্পের ছবি এবং কাটআউট এখনও লাগানো রয়েছে। এই বিষয়টিকেই আচরণবিধি লঙ্ঘন বলে দাবি করেছে তারা এবং সেই কারণেই কমিশনের কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছে।এর মধ্যে আরও একটি বিষয় নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়। জানা যায়, ভোটে প্রার্থী হওয়ার আগে নিয়ম মেনে একাধিক লাভজনক পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথমে খবর আসে তিনি ২৬ থেকে ২৮টি পদ ছেড়েছেন। তবে পরে জানা যায়, সেই ইস্তফা আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে এবং পরে নতুন করে জমা দেওয়া হবে।অন্যদিকে, শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধেও অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল। বুধবার নন্দীগ্রামে একটি সভায় তৃণমূল প্রার্থী পবিত্র করকে উদ্দেশ্য করে বিজেপি কর্মীরা অসম্মানজনক স্লোগান দেন বলে অভিযোগ। এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে তৃণমূল নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছে।সব মিলিয়ে ভোটের আগে দুই শিবিরের এই সংঘাতে রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। কমিশন এই অভিযোগগুলির ভিত্তিতে কী পদক্ষেপ নেয়, এখন সেদিকেই নজর সবার।

মার্চ ২৫, ২০২৬
কলকাতা

বৃষ্টিভেজা সকালেই কালীঘাটে শুভেন্দু! ভবানীপুরে লড়াইয়ের আগে মায়ের আশীর্বাদ নিলেন

শনিবার সকালে মেঘলা আকাশ আর হালকা বৃষ্টির মধ্যেই কালীঘাট মন্দিরে পুজো দিতে যান রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। গেরুয়া পতাকা হাতে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে শোভাযাত্রা করে তিনি মন্দিরে পৌঁছন। মন্দিরে ঢোকার আগে তিনি বলেন, তিনি আজ কালীঘাটে এসেছেন এবং মা কালী তাঁর সঙ্গে থাকবেন।কালীঘাট মন্দিরে পুজো দেওয়ার মধ্য দিয়েই ভবানীপুর কেন্দ্রে নিজের নির্বাচনী প্রচার শুরু করেন শুভেন্দু অধিকারী। মন্দির চত্বরে সেই সময় ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। উপস্থিত ছিলেন বহু সাধুসন্ত ও সাধারণ মানুষ।উল্লেখ্য, নন্দীগ্রামের পাশাপাশি আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর কেন্দ্র থেকেও প্রার্থী হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। এই কেন্দ্র থেকেই লড়ছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে ভবানীপুর কেন্দ্র ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে।এর আগে গত বৃহস্পতিবার ভবানীপুরের একটি ওয়ার্ডে বিজেপির নির্বাচনী কার্যালয়ে বৈঠক করে প্রচার শুরু করেছিলেন শুভেন্দু। সেই সময় তাঁকে ঘিরে স্লোগানও ওঠে। পরে আচমকাই ভবানীপুর থানায় গিয়ে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার আবেদন জানান তিনি। পাশাপাশি তাঁর অভিযোগ, বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে অকারণে মামলা করা হচ্ছে।সেই ঘটনার পর শনিবার আবার ভবানীপুরে ফিরে এসে কালীঘাটে পুজো দিয়ে প্রচারের সূচনা করলেন শুভেন্দু অধিকারী। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই কেন্দ্রের লড়াই এবার বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

মার্চ ২১, ২০২৬
কলকাতা

আবার মুখোমুখি মমতা–শুভেন্দু? ভবানীপুর ঘিরে জোর রাজনৈতিক জল্পনা

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে গোটা রাজ্যের নজর ছিল নন্দীগ্রামে। সবাইকে চমকে দিয়ে সেই কেন্দ্রে প্রার্থী হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হলেও শেষ পর্যন্ত জয় পাননি তিনি। পাঁচ বছর পর পরিস্থিতি অনেকটাই বদলেছে। কিন্তু এবারও হয়তো একই ধরনের রাজনৈতিক লড়াই দেখা যেতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই।কারণ বিজেপি এবার ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে শুভেন্দু অধিকারীকে প্রার্থী করেছে। এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। অনেকেরই ধারণা, এবারও ভবানীপুর কেন্দ্র থেকেই লড়তে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।ভবানীপুর কেন্দ্র নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই নানা আলোচনা চলছিল। সাম্প্রতিক সময়ে ওই এলাকায় একাধিক কর্মসূচিতে দেখা গিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সরস্বতী পুজোর সময় ভবানীপুরের বিভিন্ন পুজো মণ্ডপেও ঘুরতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। এর পর থেকেই জল্পনা আরও বাড়তে থাকে।সূত্রের খবর, শুভেন্দু অধিকারী নিজে নন্দীগ্রাম থেকেই লড়তে আগ্রহী ছিলেন। তবে বিজেপির তরফে তাঁকে ভবানীপুরে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে, ভবানীপুরের মতো গুরুত্বপূর্ণ ও কঠিন কেন্দ্রে কেন শুভেন্দুকে প্রার্থী করা হল।২০২১ সালের নির্বাচনের আগে দীর্ঘদিন নন্দীগ্রামে থেকে প্রচার করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় তিনি অন্য অনেক কেন্দ্রে প্রচারে যেতে পারেননি। তবে তৃণমূল নেত্রী প্রায়ই বলেন, তিনি ২৯৪টি আসনেরই প্রার্থী। সেই হিসেবে রাজ্যের সব জায়গায় তাঁর প্রচার করাও গুরুত্বপূর্ণ।এই পরিস্থিতিতে অনেকেই মনে করছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একটি নির্দিষ্ট কেন্দ্রে ব্যস্ত রাখতেই বিজেপি এই কৌশল নিতে পারে। রাজনৈতিক বিশ্লেষক ঝন্টু বরাইকও প্রশ্ন তুলেছেন, বিরোধীরা কি মমতাকে ওই কেন্দ্রেই ব্যস্ত রাখতে চাইছে। যাতে তিনি সেখানেই বেশি সময় দেন, সেটাই কি উদ্দেশ্য।তবে এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট নয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুর থেকেই প্রার্থী হবেন কি না। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, খুব শিগগিরই প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হতে পারে।২০২১ সালের নির্বাচনে নন্দীগ্রামে পরাজিত হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় ভবানীপুর কেন্দ্রে তৃণমূলের হয়ে লড়েছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। পরে উপনির্বাচনে জয়ী হয়ে ভবানীপুরের বিধায়ক হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার সেই কেন্দ্র ঘিরেই আবার নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে।

মার্চ ১৬, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 18
  • 19
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

গুরুদ্বারের সামনেই সুখবীর বাদলকে কোপ! পেটে হামলার চেষ্টা, রক্তাক্ত প্রাক্তন উপ-মুখ্যমন্ত্রী

মহারাষ্ট্রের নন্দেদে অকালি দল প্রধান তথা পঞ্জাবের প্রাক্তন উপ-মুখ্যমন্ত্রী সুখবীর সিং বাদলের উপর আচমকা হামলার অভিযোগ উঠল। বৃহস্পতিবার একটি গুরুদ্বারে যাওয়ার সময় তাঁর উপর ছুরি নিয়ে হামলা করা হয় বলে জানা গিয়েছে। হামলায় হাতে চোট পেয়েছেন সুখবীর বাদল। তাঁকে রক্ষা করতে গিয়ে এক পুলিশকর্মীও আহত হয়েছেন।জানা গিয়েছে, নন্দেদের একটি গুরুদ্বারে যাওয়ার সময় ঘটনাটি ঘটে। গুরুদ্বারের সামনেই আচমকা এক ব্যক্তি সুখবীর বাদলের দিকে এগিয়ে এসে হামলা করার চেষ্টা করেন। অভিযোগ, হামলাকারী তাঁর পেটে আঘাত করার চেষ্টা করেছিলেন। তবে নিরাপত্তারক্ষী এবং পুলিশকর্মীদের তৎপরতায় বড় বিপদ এড়ানো সম্ভব হয়। হামলার সময় সুখবীর বাদলের হাতে চোট লাগে এবং তিনি রক্তাক্ত হন।ঘটনার পর দ্রুত তাঁকে নন্দেদের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তাঁর চিকিৎসা চলছে বলে জানা গিয়েছে। হামলার সময় তাঁর স্ত্রী তথা অকালি দলের সাংসদ হরসিমরত কৌর বাদলও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। ঘটনার পর সুখবীর বাদলকে ধরে নিয়ে যাওয়ার একটি ভিডিয়োও প্রকাশ্যে এসেছে। তাতে তাঁর ডান হাতে কাপড় বাঁধা দেখা যায়।হামলার ঘটনায় এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। তাঁর নাম যশপাল সিং বলে জানা গিয়েছে। তিনি নিহাঙ্গ শিখ বলে সূত্রের দাবি। হামলায় কৃপাণ ব্যবহার করা হয়েছিল বলেও জানা গিয়েছে। যশপাল সিং গত দুই বছর ধরে তখত শ্রী হাজুর সাহিব গুরুদ্বারে কাজ করছিলেন বলে সূত্রের খবর। তবে হামলার প্রকৃত কারণ কী, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।সুখবীর বাদলের উপর এই প্রথম হামলার চেষ্টা নয়। এর আগে ২০২৪ সালের ৪ ডিসেম্বর অমৃতসরের স্বর্ণমন্দিরের বাইরে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর চেষ্টা হয়েছিল। সেই ঘটনায়ও অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান তিনি। ঘটনাস্থল থেকেই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।ফলে নন্দেদের এই হামলার পর নতুন করে তাঁর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ঠিক কী কারণে সুখবীর বাদলকে লক্ষ্য করে হামলা করা হল এবং এর পিছনে অন্য কোনও পরিকল্পনা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

আগস্ট ১৩, ২০২৬
দেশ

ঝাড়খণ্ডে নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগে আগুন! ছ’শো বিক্ষোভকারীর বিরুদ্ধে মামলা, আরও পাঁচশো আটক

সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ ঘিরে ঝাড়খণ্ডে আন্দোলনের আঁচ আরও বাড়ল। গত সোমবার বিধানসভা অভিযানের পর বৃহস্পতিবার ৬০০ বিক্ষোভকারীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। তাঁদের মধ্যে ১০০ জনের নাম এফআইআরে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আরও প্রায় ৫০০ বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে বলেও খবর।গত প্রায় ২০ দিন ধরে নিয়োগ পরীক্ষায় স্বচ্ছতার দাবিতে আন্দোলন করছেন ঝাড়খণ্ডের তরুণ প্রজন্ম। রাঁচির জয়পাল সিং মুন্ডা স্টেডিয়ামে জেপিএসসি-জেএসএসসি সংস্কার মঞ্চ-এর ব্যানারে চলছে লাগাতার বিক্ষোভ। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, সরকারি চাকরির একাধিক নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম হয়েছে। তাঁদের দাবি, অভিযোগ ওঠা পরীক্ষাগুলি বাতিল করতে হবে এবং পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনতে হবে।আন্দোলনকারীরা নিরপেক্ষ তদন্তেরও দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের প্রস্তাব, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা অথবা ঝাড়খণ্ডের বাইরের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের নিয়ে একটি বিশেষ প্যানেল তৈরি করে অভিযোগের তদন্ত করা হোক। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার বার্তাও দিয়েছেন তাঁরা।সোমবার বিধানসভা অভিযানের সময় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিক্ষোভকারীদের মিছিল আটকাতে পুলিশ লাঠিচার্জ, জলকামান এবং কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে বলে অভিযোগ। এর পরেই রাজ্য রাজনীতিতে বিষয়টি নিয়ে চাপানউতোর শুরু হয়। পুলিশের পদক্ষেপের প্রতিবাদে বিজেপি রাজ্যজুড়ে বন্ধের ডাক দেয়।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রঘুবর দাসও আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়িয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। দাবি পূরণ না হলে অনশনের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি ২০২৪ সালে আবগারি কনস্টেবল পদের শারীরিক পরীক্ষায় মৃত্যু হওয়া ১৯ জন চাকরিপ্রার্থীর পরিবারকে আর্থিক সাহায্য দেওয়ার দাবিও তুলেছেন।এই ইস্যুতে বিজেপির ছাত্র সংগঠনও আন্দোলনে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ এখন শুধু ঝাড়খণ্ডের রাজনীতিতেই সীমাবদ্ধ থাকছে না, জাতীয় স্তরেও বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক চাপ তৈরি হচ্ছে।অন্যদিকে আন্দোলনকারীদের উপর পুলিশের পদক্ষেপ নিয়ে জোট সরকারের শরিক কংগ্রেসের মধ্যেও অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। পুলিশের লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহারের সমালোচনা করেছেন রাহুল গান্ধী। একই সঙ্গে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বিজেপির ছাত্র সংগঠন আন্দোলনকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।সব মিলিয়ে সরকারি চাকরির নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ ঘিরে ঝাড়খণ্ডে আন্দোলন ক্রমেই বড় আকার নিচ্ছে। এক দিকে পড়ুয়া ও চাকরিপ্রার্থীদের আন্দোলন, অন্য দিকে পুলিশের মামলা এবং বিরোধীদের চাপসব মিলিয়ে হেমন্ত সোরেন সরকারের উপর রাজনৈতিক চাপও বাড়ছে।

আগস্ট ১৩, ২০২৬
দেশ

‘আপনারা না পারলে আমরা করে দেখাব’, প্যাকেটজাত খাবার নিয়ে কেন্দ্রকে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের

প্যাকেটজাত খাবারে চিনি, নুন এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ বেশি হলে তার গায়ে স্পষ্ট স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা থাকা উচিতএই বিষয়টি ফের মনে করিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট। এ নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের গড়িমসি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে শীর্ষ আদালত। এমনকি কর্পোরেট সংস্থাগুলির চাপের কারণে বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্র বা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা নরম মনোভাব দেখাচ্ছে কি না, সেই প্রশ্নও উঠেছে।একটি জনস্বার্থ মামলার শুনানিতে বৃহস্পতিবার এই বিষয়ে কড়া মন্তব্য করেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জে পি পার্দিওয়ালা এবং বিচারপতি কে বিনোদ চন্দ্রনের বেঞ্চ। আদালতের বক্তব্য, বিষয়টির সঙ্গে সরাসরি সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য জড়িত। তাই কোনও শিল্পগোষ্ঠীর চাপের কারণে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত প্রভাবিত হওয়া উচিত নয়।মামলাকারীর পক্ষ থেকে আদালতে অভিযোগ করা হয়, প্যাকেটজাত খাদ্যপণ্যের গায়ে স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা দেওয়ার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শিল্পমহলের আপত্তি রয়েছে। সেই কারণেই খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করছে না বলে অভিযোগ করা হয়। মামলাকারীর আইনজীবী আরও জানান, গত ৭ মার্চ খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার বৈঠকে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, তা সুপ্রিম কোর্টের আগের নির্দেশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার পক্ষ থেকে অবশ্য শিল্পমহলের আপত্তির কথা আদালতে জানানো হয়। তাদের প্রস্তাব ছিল, প্যাকেটের গায়ে সরাসরি সতর্কবার্তা না দিয়ে প্রতিদিন কতটা অতিরিক্ত চিনি, নুন বা স্যাচুরেটেড ফ্যাট খাওয়া উচিত, সেই পরিমাণ উল্লেখ করা যেতে পারে।কেন্দ্রের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল ব্রিজেন্দর চাহার বিষয়টি আদালতে ব্যাখ্যা করেন। কেন্দ্রের যুক্তি ছিল, সতর্কবার্তা বাধ্যতামূলক করলে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। কারণ, দেশের বহু প্রচলিত খাবারেই ঐতিহ্যগত ভাবে চিনি ও নুনের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি থাকে।কেন্দ্রের এই যুক্তি শুনে আরও কড়া প্রশ্ন করেন বিচারপতিরা। তাঁদের বক্তব্য, সাধারণ মানুষকে সুস্থ রাখার বিষয়টি কি সরকারের অগ্রাধিকার নয়? বিশেষ করে শিশুদের স্বাস্থ্যের সঙ্গে যখন বিষয়টি জড়িত, তখন আরও সতর্ক হওয়া প্রয়োজন বলেই মত শীর্ষ আদালতের।আদালত স্পষ্ট করে জানায়, প্যাকেটজাত খাবারে অতিরিক্ত চিনি, নুন এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাটের বিষয়টি জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকার এবং খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার আরও সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন। ফলে প্যাকেটজাত খাবারের গায়ে স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা দেওয়ার বিষয়ে আগামী দিনে বড় সিদ্ধান্তের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ১৩, ২০২৬
দেশ

পাইলটের শরীরে নিষিদ্ধ মাদক? ৩০০ ফুট নীচে নেমে যাওয়া বিমানের ঘটনায় তদন্তে বড় তথ্য

ফুকেত থেকে দিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বিমানে আচমকা প্রায় ৩০০ ফুট উচ্চতা কমে যাওয়ার ঘটনায় তদন্তে নয়া মোড়। বিমানের পাইলটদের পরীক্ষার ফল নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। সরকারি সূত্র এবং সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিমানের প্রধান পাইলটের নিশ্চিতকরণমূলক পরীক্ষায় গাঁজার উপস্থিতি পাওয়া গিয়েছে। তবে ওই পরীক্ষার ফল এবং বিমানের উচ্চতা কমে যাওয়ার ঘটনার মধ্যে সরাসরি কোনও যোগ এখনও তদন্তকারীরা নিশ্চিত করেননি।৪ অগস্ট ফুকেত থেকে দিল্লির উদ্দেশে রওনা হয়েছিল বিমানটি। মাঝ আকাশে আচমকাই বিমানের উচ্চতা প্রায় ৩০০ ফুট কমে যায়। ঘটনায় যাত্রী ও কেবিনকর্মীদের কয়েক জন আহত হন। বিমানটি শেষ পর্যন্ত নিরাপদে দিল্লিতে অবতরণ করে।ঘটনার পর দুই পাইলটেরই বাধ্যতামূলক মাদক পরীক্ষা করা হয়। প্রধান পাইলটের প্রথম পরীক্ষার ফল নেতিবাচক ছিল না। সেই কারণে নমুনা নিশ্চিতকরণমূলক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। পরের পরীক্ষাতেও গাঁজার উপস্থিতি পাওয়ার দাবি সামনে এসেছে। দুই পাইলটকেই তদন্ত চলাকালীন উড়ান থেকে সরিয়ে রাখা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এর পাশাপাশি বিমানের যান্ত্রিক অবস্থাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। উড়ানের সময় একাধিক সতর্কবার্তা দেখা গিয়েছিল বলে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। হাইড্রলিক ব্যবস্থা, উড়ান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং স্বয়ংক্রিয় উড়ান ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত সমস্যার কথাও তদন্তে উঠে এসেছে। ফলে শুধু পাইলটের ভূমিকা নয়, বিমানের প্রযুক্তিগত বিষয়ও তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে।প্রধান পাইলট তদন্তকারীদের কাছে দাবি করেছেন, ব্যক্তিগত সমস্যার কারণে তাঁকে ঘুমের ওষুধ দেওয়া হয়েছিল। তাঁর বক্তব্য, সেই ওষুধের কারণেই পরীক্ষায় এমন ফল আসতে পারে। এই দাবি খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। বিমানে তাঁর আচরণ নিয়েও অভিযোগ উঠেছে। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কেবিনকর্মীরা তাঁর আচরণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন।ঘটনার গুরুত্ব বুঝে বিমান সংস্থার নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র। বিমান সংস্থাকে পরিচালনাগত নিরাপত্তার ক্ষেত্রে আরও দায়িত্বশীল হওয়ার কথাও জানানো হয়েছে বলে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে। একই সঙ্গে তদন্তে যে বা যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হবে, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বার্তাও দেওয়া হয়েছে।তবে বিমানের আচমকা উচ্চতা কমে যাওয়ার প্রকৃত কারণ এখনও চূড়ান্তভাবে জানা যায়নি। পাইলটের পরীক্ষার ফল, বিমানের প্রযুক্তিগত সমস্যা, উড়ানের তথ্য এবং ককপিটে ঠিক কী ঘটেছিলসব দিকই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও একটি কারণকে দুর্ঘটনার জন্য দায়ী করা ঠিক হবে না।

আগস্ট ১৩, ২০২৬
কলকাতা

এনআরএসে নয়, অন্য হাসপাতালে ময়নাতদন্ত! নার্সের মৃত্যু ঘিরে বড় সিদ্ধান্ত, কী জানাল স্বাস্থ্যদপ্তর?

এনআরএস হাসপাতালের শৌচালয় থেকে নার্সের দেহ উদ্ধারের ঘটনায় নতুন মোড়। মৃত নার্সের স্বামী ও পরিবারের দাবি মেনে এনআরএস হাসপাতালে ময়নাতদন্ত হবে না। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ফরেন্সিক বিভাগের প্রধানের নেতৃত্বে ময়নাতদন্ত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।বৃহস্পতিবার সকালে ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতালে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলার পর তিনি জানান, মৃতার স্বামী রাহুল দাস এবং পরিবারের পক্ষ থেকে অন্য হাসপাতালে ময়নাতদন্তের আবেদন জানানো হয়েছিল। সেই আবেদন মেনে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ফরেন্সিক বিভাগের প্রধানের নেতৃত্বে ময়নাতদন্ত হবে।নার্সের কীভাবে মৃত্যু হল, তা নিয়ে এখনই কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছতে চাইছে না স্বাস্থ্যদপ্তর। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে না আসা পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ নিয়ে কোনও অনুমান করা ঠিক হবে না। তাঁর কথায়, বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে অনুমানের জায়গা নেই। রিপোর্ট পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।ঘটনার তদন্তে আলাদা অভ্যন্তরীণ কমিটিও গঠন করা হয়েছে। এনআরএস হাসপাতাল এবং স্বাস্থ্যদপ্তরের উদ্যোগে তৈরি এই কমিটিতে হাসপাতালের ফরেন্সিক বিভাগের প্রধান, এমএসভিপি, নার্সিং সুপারিনটেনডেন্ট, পরিচ্ছন্নতা বিভাগের প্রতিনিধি-সহ একাধিক বিভাগের প্রধানদের রাখা হয়েছে। আগামী সাত দিনের মধ্যে ওই কমিটিকে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।বুধবার রাতে এনআরএস হাসপাতালের স্ত্রী রোগ বিভাগের এইচডিইউতে কর্মরত ওই নার্সের দেহ বিভাগেরই শৌচালয় থেকে উদ্ধার হয়। জানা গিয়েছে, রাত আটটা নাগাদ তিনি কাজে যোগ দিয়েছিলেন। রাত নটা নাগাদ এক রোগীকে পরিষেবা দেওয়ার পর শৌচালয়ে যান। এরপর দীর্ঘ সময় কেটে গেলেও তিনি ফিরে না আসায় সহকর্মীদের সন্দেহ হয়।এক জন জুনিয়র চিকিৎসক তাঁর খোঁজ শুরু করেন। শৌচালয়ের সামনে গিয়ে ডাকাডাকি করেও কোনও সাড়া পাওয়া যায়নি। পরে গ্রুপ ডি কর্মীদের ডেকে দরজা ভাঙা হয়। ভিতর থেকে নার্সকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। চিকিৎসকরা তাঁকে দ্রুত উদ্ধারের চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত তাঁকে বাঁচানো যায়নি।এরপর থেকেই নার্সের মৃত্যু ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কীভাবে তাঁর মৃত্যু হল, শৌচালয়ের ভিতরে ঠিক কী ঘটেছিল এবং মৃত্যুর আগে তাঁর শারীরিক বা মানসিক অবস্থার কী পরিস্থিতি ছিল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, শৌচালয় থেকে কিছু জিনিস উদ্ধার হয়েছে। সেগুলিও তদন্তের আওতায় থাকবে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে এবং ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ও অভ্যন্তরীণ কমিটির রিপোর্ট সামনে এলেই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ছবি পাওয়া যাবে।

আগস্ট ১৩, ২০২৬
দেশ

স্বাধীনতা দিবসের আগে রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্টে বিস্ফোরক তথ্য! লালকেল্লা ঘিরে কেন বাড়ল নিরাপত্তা?

স্বাধীনতা দিবসের আগে রাষ্ট্রপুঞ্জের একটি বিশেষ রিপোর্ট ঘিরে নতুন করে সতর্ক হয়েছে দিল্লি। ১৫ অগস্ট লালকেল্লায় প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের আগে ওই রিপোর্টে আল কায়দার ভারতীয় উপমহাদেশে নতুন করে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা নিয়ে একাধিক তথ্য উঠে এসেছে। রিপোর্ট সামনে আসার পর নিরাপত্তা সংস্থাগুলির তৎপরতাও বেড়েছে বলে জানা গিয়েছে।রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, বাংলাদেশে গোপন ঘাঁটি তৈরি করার চেষ্টা চালাচ্ছে আল কায়দার একটি শাখা। ভারতীয় উপমহাদেশে এই সংগঠনের কার্যকলাপ নিয়ে রিপোর্টে সতর্ক করা হয়েছে। সংগঠনটির নাম উল্লেখ করা হয়েছে আল কায়দা ইন দ্য ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্ট হিসেবে।রিপোর্ট অনুযায়ী, বড় কোনও সংগঠিত ইউনিট হিসেবে কাজ না করে ছোট ছোট বিচ্ছিন্ন দলের মাধ্যমে নিজেদের কার্যকলাপ বাড়ানোর চেষ্টা করছে এই গোষ্ঠী। বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ তৈরি, অর্থ সংগ্রহের ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো গড়ে তোলার চেষ্টা চলছে বলেও রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।বাংলাদেশে সংগঠনটির সম্ভাব্য তৎপরতা নিয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সেখান থেকে ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা হতে পারে কি না, তা নিয়েও নিরাপত্তা মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। রিপোর্টে সংগঠনটির সঙ্গে পাকিস্তানভিত্তিক একটি জঙ্গি গোষ্ঠীর যোগাযোগের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।গত বছর নভেম্বর মাসে লালকেল্লার বাইরে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছিল। সেই ঘটনায় অন্তত ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ওই হামলার সঙ্গে আল কায়দার যোগ থাকার তথ্যও রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্টে উঠে এসেছে বলে দাবি করা হয়েছে।স্বাধীনতা দিবসের আগে লালকেল্লায় প্রধানমন্ত্রীর ভাষণকে কেন্দ্র করে এমনিতেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। তার উপর রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্টে আল কায়দার নতুন করে সক্রিয় হওয়ার তথ্য সামনে আসায় নিরাপত্তা সংস্থাগুলির নজরদারি আরও বাড়তে পারে।রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, ছোট ছোট গোষ্ঠীর মাধ্যমে কাজ করায় সংগঠনটির প্রকৃত পরিধি চিহ্নিত করা কঠিন। অর্থ সংগ্রহ এবং বিভিন্ন ধরনের পরিকাঠামোগত সহযোগিতার মাধ্যমে ধীরে ধীরে নিজেদের শক্তি বাড়ানোর চেষ্টা চলছে বলে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে।স্বাধীনতা দিবসের আগে এই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসায় বিষয়টি নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। লালকেল্লায় প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা এবং ভারতীয় ভূখণ্ডে সম্ভাব্য জঙ্গি তৎপরতার বিষয়ে এখন নিরাপত্তা সংস্থাগুলি কী পদক্ষেপ করে, সেদিকেই নজর।

আগস্ট ১৩, ২০২৬
কলকাতা

আর জি করের ফাইল খুলতেই প্রথম গ্রেপ্তার! ওড়িশা থেকে পুলিশের জালে প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ

আর জি কর মামলার ফাইল নতুন করে খোলার পরই বড় পদক্ষেপ করল পুলিশ। এই মামলায় প্রথম গ্রেপ্তার হলেন পানিহাটির প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ। অভয়ার দেহ দ্রুত সৎকার এবং পরিবারের সদস্যদের সই ছাড়াই দেহ সৎকারের অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার সকালে ওড়িশা থেকে নির্মল ঘোষকে গ্রেপ্তার করা হয়। আর জি কর কাণ্ডের পর নিহত তরুণী চিকিৎসকের দেহ তড়িঘড়ি সৎকার করে প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছিল। পরিবারের সদস্যদের সই ছাড়াই দেহ সৎকার করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে।এই ঘটনা নিয়ে সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সরব হয়েছিলেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, অভয়ার দেহ দ্রুত সৎকার করে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা করা হয়েছিল। এমনকি দেহ সৎকারের খরচও পরিবারের কাছ থেকে নেওয়া হয়নি বলে তিনি দাবি করেন।এই ঘটনায় পানিহাটির প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষের পাশাপাশি ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সোমনাথ দে এবং প্রাক্তন কাউন্সিলর সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়ের নামও সামনে এসেছিল। গত সোমবার খড়দা থানায় তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন অভয়ার বাবা। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ তদন্ত শুরু করে।তদন্তের মধ্যেই বৃহস্পতিবার সকালে ওড়িশা থেকে নির্মল ঘোষকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁকে রাজ্যে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত অথবা শুক্রবার সকালে তাঁকে রাজ্যে নিয়ে আসা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।এর আগে ৯ অগস্ট আর জি কর কাণ্ডে নিহত তরুণী চিকিৎসকের দেহ দ্রুত সৎকারের অভিযোগের তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সেই সময় থেকেই বিষয়টি নিয়ে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়। পরিবারের সই ছাড়া কীভাবে দেহ সৎকার করা হয়েছিল এবং ওই প্রক্রিয়ায় কারা যুক্ত ছিলেন, তা তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে।নির্মল ঘোষের পরিবারের বিরুদ্ধেও এর আগে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। গত ১৩ জুলাই তাঁর ছেলে তীর্থঙ্কর ঘোষকে তোলাবাজি-সহ একাধিক অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। নির্মল ঘোষের নাম লটারিকাণ্ডের সঙ্গেও জড়িয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।নির্মল ঘোষের গ্রেপ্তারির পর আর জি কর মামলার তদন্তে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। অভয়ার দেহ সৎকারের ঘটনায় আর কারা জড়িত ছিলেন এবং পুলিশের তদন্তে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, এখন সেদিকেই নজর।

আগস্ট ১৩, ২০২৬
রাজ্য

স্বপ্ন ছিল পাক আর্মিতে যোগ দেওয়ার! আইএসআইএয়ের এজেন্ট হয়ে কত বার ভারতে এসেছিল পাক জঙ্গি

বেঙ্গল এসটিএফের হাতে গ্রেফতার রানা রউফ ওরফে ওয়াহাব আলমকে জেরা করে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসছে। তদন্তকারীদের দাবি, রানা মোট পাঁচ বার ভারতে এসেছিল। প্রতিবারই কলকাতায় এসে তিলজলায় ইজাজের বাড়িতে থাকত বলে জানা গিয়েছে। ২০১৪, ২০১৮, ২০২২ এবং ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে তার কলকাতায় আসার তথ্য পেয়েছেন তদন্তকারীরা।এসটিএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, ভারতে আসার পর ভুয়ো পরিচয়ে একাধিক সরকারি নথি তৈরি করেছিল রানা। ইজাজের বাবা যুবের আলমকে নিজের বাবা বলে পরিচয় দিয়ে ভোটার কার্ড তৈরি করা হয় বলে অভিযোগ। পরে সেই পরিচয়ের ভিত্তিতেই প্যান কার্ড এবং আধার কার্ডও তৈরি করা হয়েছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি।জেরায় রানা জানিয়েছে, ছোটবেলা থেকেই পাকিস্তান সেনায় চাকরি করার ইচ্ছা ছিল তার। কিন্তু শারীরিক সমস্যার কারণে সেই স্বপ্ন পূরণ হয়নি। এরপর পাকিস্তান সেনা এবং আইএসআইয়ের সঙ্গে তার যোগাযোগ তৈরি হয় বলে তদন্তকারীদের দাবি। সেই যোগাযোগের সূত্রেই সে গুপ্তচরবৃত্তির কাজে যুক্ত হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।তদন্তকারীরা আরও জানতে পেরেছেন, পাকিস্তানের পঞ্জাব প্রদেশে ক্যারাটের প্রশিক্ষণ নিয়েছিল রানা। পাশাপাশি কাঠমান্ডুতেও তার ব্যবসা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেখানেই একটি মসজিদে ইজাজের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরে সেই পরিচয় বন্ধুত্বে গড়ায়। অভিযোগ, ইজাজের সাহায্যেই কাঠমান্ডু থেকে ভারতে ঢুকত রানা।প্রথম বার কলকাতায় আসার সময় রানার কাছে কোনও ভারতীয় পরিচয়পত্র ছিল না বলে জানা গিয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, বিহারের রক্সৌল সীমান্ত দিয়ে চোরাপথে ভারতে প্রবেশ করত সে। পাঁচ বার ভারতে আসার সময়ই একই পথ ব্যবহার করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। প্রতিবার কাঠমান্ডু থেকে ইজাজই তাকে ভারতে নিয়ে আসত বলে জানা গিয়েছে।সম্প্রতি ভোটার তালিকা সংশোধনের সময় রানাকে ডেকেছিলেন বুথ স্তরের আধিকারিক। কিন্তু সে হাজির না হওয়ায় ভোটার তালিকা থেকে তার নাম বাদ যায় বলে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন। ইজাজ রানার পাকিস্তানি পরিচয় সম্পর্কে জানত কি না, তা-ও তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে। অভিযোগ, পরিচয় জানার পরেও ইজাজ তাকে নিজের বাড়িতে থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছিল।রানার গতিবিধি নিয়েও তদন্তকারীদের হাতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এসেছে। ফোর্ট উইলিয়াম ছাড়াও ব্যারাকপুর ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় সে ঘোরাফেরা করেছিল বলে জানা গিয়েছে। ওই সব জায়গার ছবি ও ভিডিয়ো তুলে সেগুলি বিদেশে থাকা সন্দেহভাজন যোগাযোগের কাছে পাঠানো হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।ভুয়ো পরিচয়ে ভোটার কার্ড তৈরি করার পর একাধিক সিম কার্ড সংগ্রহ করেছিল রানা বলেও অভিযোগ। ওই সিম ব্যবহার করেই সে বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ রাখত বলে তদন্তকারীদের দাবি। তার যোগাযোগের জাল কত দূর পর্যন্ত ছড়িয়েছিল, তা জানতে ফোন ও অন্যান্য নথি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তদন্তকারীদের দাবি, গ্রেফতারের আগে বাংলাদেশের পথে পাকিস্তানে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল রানার। বনগাঁ সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকে সেখান থেকে পাকিস্তানে যাওয়ার ছক ছিল বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু সীমান্ত পেরোনোর আগেই এসটিএফের হাতে গ্রেফতার হয় সে। এখন রানা ও তার সহযোগীদের মাধ্যমে আর কারা এই কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিল, সেটাই খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

আগস্ট ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal