• ৯ চৈত্র ১৪৩২, সোমবার ২৩ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Adhikari

রাজনীতি

তৃণমূলে ফাটল চওড়া! নবাবের জেলাতেও ফ্যাক্টর জনসেবক শুভেন্দুই

এলেন, দেখলেন, জয় করলেন। নবাবের জেলাতেও নির্বাচনের চাবিকাঠি যে তাঁর হাতে, ফের দেখিয়ে দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। জেলা পরিষদের বন ও ভূমি কর্মাধ্যক্ষ মফিজউদ্দিন মণ্ডলের স্মরণসভা ঘিরে রবিবার চওড়া হলো তৃণমূলের ফাটল। লোকসভা ভোটে ভালো ফল করা এই জেলায় তৃণমূল এখন ছন্নছাড়া। গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব চরমে, নেতারা প্রায় রোজ পদ ধরে রাখতে শিবির বদলাচ্ছেন। এদিন বিধায়ক, সাংসদ-সহ কাগুজে বাঘ জেলা নেতারা শুভেন্দুবাবুকে বয়কট করলেও, সভা ভেস্তে দিতে মরিয়া থাকলেও শুভেন্দুবাবুকে ঘিরে আবেগের ঢল জনসমুদ্রের রূপ নিল। জেলা তৃণমূলের মধ্যে যে চওড়া বিভাজন দেখা গেল আজ দলের পক্ষে তা অশনি সঙ্কেত। বেশ কিছুদিন ধরেই খড়গ্রামছ এই স্মরণসভা ঘিরে রাজনৈতিক পারদ ছিল তুঙ্গে। মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদ বনাম জেলা তৃণমূল কাজিয়া ছিল প্রকাশ্য। প্রথমে এই সভা করার কথা ছিল মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে খড়গ্রামের নগর কৃষক বাজারে। কিন্তু জেলা তৃণমূলের পক্ষ থেকে বলা হয়, সভা হলে তৃণমূলের ব্যানারে করতে হবে এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি দিতে হবে। আর তাতেই বেঁকে বসেন জেলা পরিষদের সভাধিপতি মোশারফ হোসেন মধু, সহ সভাধিপতি বৈদ্যনাথ দাস-সহ একাধিক সদস্য। অবশেষে জল্পনা অবসান ঘটিয়ে ঘোষণা করা হয় সভা হবে প্রয়াত মফিজউদ্দিন মণ্ডলের নিজস্ব গ্রামে এবং এলাকার বাসিন্দারা সেই সভা আয়োজন করবেন। রবিবার সেই সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। যদিও এই সভায় কোথাও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা তৃণমূলের পতাকা, পোস্টার ছিল না। মফিজউদ্দিন মণ্ডলের ছবিতে মাল্যদান করেন শুভেন্দু অধিকারী। পাঁচ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্য করা হয় প্রয়াত নেতার পরিবারকে। শুভেন্দু অধিকারী এদিন বলেন, আমি আগেই ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলাম মফিজউদ্দিন সাহেবের বাড়ি আসব। তিনি ছিন্নমূল নেতা ছিলেন না, মাটি থেকে উঠে আসা নেতা। গ্রামের বাসিন্দাদের জন্য তিনি সব সময় ভাবতেন। মফিজউদ্দিন সাহেব যেদিন প্রয়াত হন সেদিন কোভিড হাসপাতালে একটি গণ্ডগোল হয়। মফিজ সাহেবের ছেলে-সহ চারজনের নামে অভিযোগ দায়ের করা হয়। এই ঘটনার কথা উল্লেখ করে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, এই পরিবার উদ্বেগ রয়েছে, পুলিশ নাকি চার্জশিট দিয়েছে। আমি সেই চার্জশিট দিতে বলেছি আমরা আইনগত সাহায্য করব। আমি আগেও ছিলাম, ভবিষ্যতে আছি, আগামী দিনেও থাকব। এটার জন্য কারও অনুমোদন লাগবে না। ২০১৫ সাল থেকে এই জেলায় নিয়মিত আসছি। আজকে এই সভায় ৪৫জন জেলা পরিষদের সদস্য ও বিভিন্ন গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ও পঞ্চায়েত সদস্যরা উপস্থিত রয়েছেন। মুর্শিদাবাদ জেলার সঙ্গে আমার আত্মিক সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। মফিজউদ্দিন মণ্ডল আমার হাত ধরেই রাজনৈতিক মতাদর্শ পরিবর্তন করে কংগ্রেস থেকে তৃণমূলে এসেছিলেন। পঞ্চায়েত নির্বাচনে প্রথম সারিতে দাঁড়িয়ে লড়াই করেছিলেন। তাই আমার দায়িত্ব তাঁর পরিবারের পাশে থাকা। মুর্শিদাবাদ জেলাবাসী যখনই বিপদে পড়বেন তখনই আমি আসব। দলের কোনও কথা উল্লেখ না করেই তিনি বলেন, অতীতকে ভুলে যাওয়া উচিত নয়। বরং সম্মান দেওয়া উচিত আমি সেটাই মনে করি। সকলে মিলে ভালো কাজ করতে হবে। জনতার সেবক শুভেন্দু অধিকারী যাতে সেবা কাজ চালিয়ে যেতে পারেন তার জন্য দোয়া আশীর্বাদ চান। মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের ৪৫ জন সদস্য, বিভিন্ন গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ও পঞ্চায়েত সদস্যরা এদিন উপস্থিত ছিলেন। মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের সদস্যদের দুই মাসের বেতন ও রাজ্যের মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর এক মাসের বেতন-সহ মোট পাঁচ লক্ষ টাকা তুলে দেওয়া হয় প্রয়াত মফিজউদ্দিন মণ্ডলের পরিবারের হাতে। শুভেন্দু অধিকারী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের সভাধিপতি মোশারফ হোসেন, সহ সভাধিপতি বৈদ্যনাথ দাস, কান্দি মহকুমা তৃণমূল সভাপতি গৌতম রায় ও জেলা পরিষদের একাধিক সদস্য। অনুপস্থিত ছিলেন জেলা সভাপতি আবু তাহের খান এবং এলাকার বিধায়ক আশিস মার্জিত।

নভেম্বর ০৮, ২০২০
রাজনীতি

জেলায় জেলায় দাদার অনুগামীদের হোর্ডিং-ব্যানার, শুভেন্দুর মুর্শিদাবাদে সভা কি অন্য জায়গায়?

মোস্ট আনপ্রেডিক্টেবল। শুভেন্দু অধিকারীর জনসংযোগের ধরন দেখে এ কথা মানছেন তৃণমূলের একাংশ নেতৃত্ব ও প্রশাসনের কর্তারা। এর মধ্যেই জেলায় জেলায় বাড়ছে আমরা দাদার অনুগামীদের ব্যানার-হোর্ডিংয়ের সংখ্যা। সেখানে যেমন দাদার পথেই চলার বার্তা দেওয়া হয়েছে, তেমনই রয়েছে নন্দীগ্রাম চলোর ডাক‌। খড়দহ-সহ উত্তর ২৪ পরগনার কিছু জায়গা এবং নদিয়ার চাকদহ, কৃষ্ণনগরে জাতীয় সড়কের ধারে লাগানো হয়েছে এমন হোর্ডিং, ব্যানার, পোস্টার। ১০ নভেম্বর বাংলার সব পথ মিশবে শহিদ তীর্থ নন্দীগ্রামে। রক্তাক্ত সূর্যোদয়ের বর্ষপূর্তিতে ওইদিন সভার আয়োজক ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটিই, যার প্রধান বক্তা 'নন্দীগ্রাম আন্দোলনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক' শুভেন্দুবাবু। লাখো অনুগামী সমাগমের সম্ভাবনা থাকায় জননেতার বার্তা যাতে সভাস্থলে পৌঁছাতে না পেরেও সকলে শুনতে পান তার জন্য অনেক জায়ান্ট স্ক্রিন লাগানো হয়েছে। এর মধ্যে ৬ নভেম্বর দলের কাউকে না জানিয়ে শুভেন্দুবাবু বেলডাঙা গিয়ে বিসর্জন দিতে গিয়ে নৌকাডুবিতে প্রাণ হারানো পাঁচজনের পরিবারকে আর্থিক সহযোগিতা করে পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন, ভারত সেবাশ্রম সংঘ শুধু গোটা বিষয়টি জানত। রাজনৈতিক কাউকে জানাতে বারণ করেছিলেন খোদ মন্ত্রী। ফের ৮ নভেম্বর তাঁর মুর্শিদাবাদ যাওয়ার কথা। প্রয়াত বন ও ভূমি কর্মাধ্যক্ষ মফিজউদ্দিন মণ্ডলের স্মরণসভা নিয়ে জেলা তৃণমূলে গোষ্ঠীকোন্দল সামনে এসেছে। দলের জেলা কমিটি শুভেন্দুবাবুকে কার্যত উপেক্ষা করে ওই অনুষ্ঠান হাইজ্যাকে মরিয়া হয়ে উঠেছে। জানা গিয়েছে, জেলা সভাধিপতি মোশারফ হোসেন মধু শুভেন্দুবাবুর সভার স্থান বদলে ফেলছেন এ কারণেই‌। তৃণমূলের ব্যানারে ওই অনুষ্ঠান আয়োজন হবে বলে যেখানে দলের জেলা সভাপতি আবু তাহের খান বার্তা দিয়েছেন সেখানে শনিবার ৭ নভেম্বর সাংবাদিক বৈঠকে মোশারফ ঘোষণা করেন, খড়গ্রামের বদলে সভা হবে মাড়গ্রাম হাই মাদ্রাসাতে। রবিবার সেখানে থাকবেন মাড়গ্রাম গ্রামের বাসিন্দারা এবং প্রয়াত মফিজউদ্দিন মণ্ডলের পরিবারের সদস্যরা এবং থাকবেন রাজ্যের মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তবে দলের ব্যানারে ওই সভা হবে না বলেও জানান জেলা সভাধিপতি, যিনি শুভেন্দুবাবুর অনুগামী।

নভেম্বর ০৭, ২০২০
রাজ্য

আচমকাই এই জেলা সফরে শুভেন্দু

শুভেন্দু অধিকারী ৮ তারিখ মুর্শিদাবাদের খড়গ্রামে যাবেন জেলা পরিষদের এক কর্মাধ্যক্ষর স্মরণসভায়, এটা আগে জানা ছিল। তেমন প্রচার করেছিলেন তৃণমূলের একাংশ। ৭ তারিখ শুভেন্দুবাবুর পুরুলিয়া জেলায় যাওয়ার বিষয়টিও পূর্ব নির্ধারিত ছিল বলে জানা যায়। কিন্তু আচমকাই আজ, শুক্রবার ৬ নভেম্বর মুর্শিদাবাদ জেলায় হাজির মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বেলডাঙা ভারত সেবাশ্রম সংঘে যান তিনি। মন্দিরে পুজো দেন। এরপর শুভেন্দু পাশে দাঁড়ালেন পাঁচ পরিবারের। গত ২৬ অক্টোবর বিজয়া দশমীর দিন ঠাকুর বিসর্জন দিতে গিয়ে বেলডাঙাতে ডুমনিতলা ঘাটে পাঁচ জন যুবক নৌকাডুবিতে মারা যান। আজ শুভেন্দুবাবু তাঁর প্রাক্তন সাংসদ সদস্য তহবিল থেকে পাঁচজন মৃত যুবকের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য করলেন এবং সবরকমভাবে পাশে থাকার আশ্বাস দিলেন। জানা গিয়েছে, শুভেন্দুবাবুর এই সফরের কথা তৃণমূলের অনেক নেতাই আগে জানতে পারেননি।

নভেম্বর ০৬, ২০২০
রাজনীতি

১০ নভেম্বর নন্দীগ্রামে কয়েক হাজার বাস-গাড়িতে লাখো অনুগামী-সমাগম

জননেতা শুভেন্দু অধিকারী মানেই এক অন্য আবেগ। রক্তাক্ত সূর্যোদয়ের বর্ষপূর্তিতে নন্দীগ্রামে প্রতি বছর কর্মসূচি থাকে শুভেন্দুবাবুর। তবে বর্তমান প্রেক্ষাপটে এবার রাজনৈতিক মহলের নজরে থাকছে ১০ নভেম্বরের নন্দীগ্রাম। জননেতার ডাকে এবার সেখানে গোকুলনগর হাই স্কুল মাঠে সমাবেশ। শুভেন্দুবাবু বলেও দিয়েছেন নন্দীগ্রামের কারা কোথায় কীভাবে সেদিন কর্মসূচি পালন করবেন। কিন্তু সে তো গেল নন্দীগ্রাম বা জেলার কথা। জানা গিয়েছে, সেদিন বাংলার সব পথ মিশবে নন্দীগ্রামেই। যেমনটা হয় ধর্মতলা বা ব্রিগেডে। করোনাকে জয় করে শুভেন্দুবাবু নেমে পড়েছেন জনসংযোগে। সক্রিয় তাঁর অনুগামীরাও। কটাক্ষ উপেক্ষা করে বাংলার নানা জায়গায় রোজ বাড়ছে আমরা দাদার অনুগামীদের পোস্টার, হোর্ডিং। জননেতার ছবি, সঙ্গে আকর্ষণীয় ক্যাপশন। অনুগামীদের কথায়, সেগুলি কোথাও ঈর্ষায় ছিঁড়ে দেওয়া হলেও জননেতা তো হৃদয়ে, বুকের মাঝে। তাঁর পথই পথ। শুভেন্দুবাবু আজ যাবেন খড়গপুরে। এরপর ৭ তারিখ পুরুলিয়া ও ৮ তারিখ বাঁকুড়া যাওয়ার কথা। তারপরেই নন্দীগ্রাম, ১৩ তারিখ বাঁকুড়া। শুভেন্দুবাবুর দলত্যাগ বা মন্ত্রিত্ব ছাড়া নিয়ে নানা কথা বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে খাওয়ানো হলেও ১০ তারিখ সে সংক্রান্ত কোনও ঘোষণার অপেক্ষায় যাঁরা, তাঁদের হতাশ হতে হবে। তবে দলের কাজকর্ম, বিশেষ করে পিকে ও তাঁর টিমের উপর ক্ষুব্ধ কিছু মন্ত্রী, বিধায়ক ভেবেই রেখেছেন শুভেন্দুবাবু যা বলবেন তাই করবেন তাঁরা। এটা ঠিক, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যারিশমা অগ্রাহ্য করা না গেলেও আসন্ন ভোটের ফলাফলের ক্ষেত্রে বড় ফ্যাক্টর শুভেন্দু অধিকারীই, কলকাতার কোনও নেতা নন। এটা দলের অনেকেই বিশ্বাস করেন। দলে যাঁরা অন্যায়ভাবে কোণঠাসা হয়েছেন বা কাজ করতে দেওয়া হচ্ছে না, প্রতি জেলা থেকে এমন হাজার হাজার কর্মী নন্দীগ্রাম যেতে প্রস্তুত। উত্তরবঙ্গ, দক্ষিণবঙ্গ, জঙ্গলমহল থেকে কয়েক হাজার বাস, গাড়িতে করে তাঁরা যাবেন। হুগলি জেলা থেকে সবচেয়ে বেশি নেতা-কর্মী যাবেন আরামবাগ মহকুমা থেকে। বলাগড়, ডানকুনি, শ্রীরামপুর, চণ্ডীতলা-সহ বিভিন্ন জায়গা থেকে ইতিমধ্যেই শতাধিক বাস, গাড়ি বুক করা হয়েছে। বারাসত, বসিরহাট, দমদম, ব্যারাকপুর-সহ উত্তর ২৪ পরগনার বিভিন্ন জায়গা থেকেও অনুগামীরা যাবেন। শুভেন্দুবাবু যে জেলাগুলির পর্যবেক্ষক ছিলেন এবং বিপদে আপদে রং না দেখে যাঁদের পাশে থেকেছেন সব জেলা থেকে তাঁর অনুগামী, ভক্তদের ঢল নামবে। লাখো জনসমাগম নিশ্চিত। হয়তো সিংহভাগ অনুগামী সভাস্থলে ঢুকতেই পারবেন না। তবু জননেতার ডাকে সকলেই যাবেন। বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে একুশের আগে এক নয়া ইতিহাস রচিত হবে ১০-এর নন্দীগ্রামে, এগারোয় বাংলার পরিবর্তনে অগ্রণী ভূমিকা ছিল ভূমিপুত্রের নেতৃত্বে যেখানকার আন্দোলনের।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
রাজনীতি

শুভেন্দুকে 'অসম্মান' করে কেন নানা বিবৃতি? অসন্তোষ বাড়ছে তৃণমূলের অন্দরেই

দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ শীর্ষ নেতৃত্ব যখন কিছু বলছেন না, তখন ফিরহাদ হাকিম, মানস ভুঁইয়া, অখিল গিরিদের মতো নেতারা শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে যেসব মন্তব্য করছেন তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরেই দলের একমাত্র জননেতার প্রতি অসম্মান প্রদর্শন। তৃণমূলের অন্দরে এতে অনেকের ক্ষোভ বাড়ছে। শুভেন্দুবাবু নিজেও দলের বিরুদ্ধে কিছু বলেননি। তাঁর মতো দায়িত্বশীল নেতা, মন্ত্রী এটা করবেনও না। এখানেই তো বাকিদের চেয়ে তিনি আলাদা। তৃণমূল সূত্রে খবর, মিডিয়ায় গল্পে গরু গাছে ওঠার মতো জল্পনায় ইতি টানতে উদ্যোগী হয়েছেন খোদ তৃণমূল যুব সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিছু পদক্ষেপ তিনি করেওছেন দলের স্বার্থে। আজ অবধি অভিষেক নিজে 'শুভেন্দুদা' সম্পর্কে খারাপ কিছু বলেননি। তৃণমূলের অনেকেই মনে করেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে শুভেন্দু-অভিষেক জুটি কাজ করলে ভোটে বড় জয় তো নিশ্চিত, দলের অনেক হেভিওয়েট আর কল্কে পাবেন না। তাই বিভিন্নভাবে তাঁরাই শুভেন্দু বনাম অভিষেক তত্ত্ব জিইয়ে রেখে নিজেদের জায়গা পাকা করতে চাইছেন। প্রশান্ত কিশোরের টিম 'পারচেজড' হয়ে দলকে ভুলভাল রিপোর্ট দিচ্ছে বলেও খবর। দুর্নীতিগ্রস্ত বলে পদাধিকারীদের সরিয়ে যাঁদের কমিটিতে আনা হচ্ছে তাঁদের ইমেজ জঘন্য। জেলা নেতারা শীর্ষ নেতৃত্বের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টাও করছেন। আরামবাগ লোকসভা এলাকার এক বিধানসভায় একজনকে নতুন ব্লক সভাপতি করা হয়েছে, অথচ তাঁর নারদ কাণ্ডে যোগ আছে। তাঁর বাড়িতে ম্যারাথন তল্লাশিও চালিয়েছে সিবিআইয়ের দল। তৃণমূলের অনেকে মনে করছেন, পিকে আবার বিজেপির টাকা খেয়ে দলের সর্বনাশ করতে তো আসেননি! বাস্তবে পিকের টিমের উপর ক্ষোভে দলের জন্য নিবেদিত, লড়াকু অনেক কর্মীই নিষ্ক্রিয় হয়ে যাচ্ছেন। তৃণমূলের অনেকেই চান, শুভেন্দুবাবুকে দল যোগ্য সম্মান দিক। বিরোধীদের ফুলটস বল দেওয়ার কোনও মানে নেই। শুভেন্দুবাবুর ওই কথাটাও সকলের কানে বাজছে। অতীত ভোলা ছোটলোকদের দিয়ে অনেক কিছু বলানো হচ্ছে, তার জবাব দেওয়ার লেভেল নাকি আমার? শিশির অধিকারী বলেছেন, শুভেন্দুবাবু দলে নেই কেন মনে হচ্ছে? তিনি মন্ত্রী, প্রদেশ নেতা। রোজ সভা করছেন, কর্মসূচি রাখছেন। এই পরিস্থিতিতে তৃণমূলের অনেকেই চাইছেন, শুভেন্দুবাবুকে নিয়ে কিছু বলার থাকলে শীর্ষ নেতৃত্ব বলুক, যে সে নয়। আর দলের আত্মসমালোচনামূলক কথাকে কেন দলবিরোধী বলে দেখানোর চেষ্টা হচ্ছে? এই কাজটাই তো দলবিরোধী!

নভেম্বর ০৫, ২০২০
কলকাতা

বিরাজমান শুভেন্দু, নেই অভিষেক! খোদ কলকাতায় ব্যানার ঘিরে চাঞ্চল্য

'যুবরাজ' নেই, আছেন 'দাদা'। খোদ কলকাতার বুকেই শারদ শুভেচ্ছার এমন ব্যানার দেখে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। তবে বিভিন্ন জেলার মতো এগুলি 'দাদার অনুগামী'দের নামে লাগানো হয়নি। শুভেন্দু অধিকারীর অরাজনৈতিক জনসংযোগ নিয়ে নানারকম জল্পনা চলছে। শুভেন্দুবাবু নিজে বলেছেন, যতক্ষণ আমার মুখ থেকে কিছু না বেরোচ্ছে বাজারি সংবাদমাধ্যমকে উপেক্ষা করে নিজের কাজ চালিয়ে যান। যদিও তাতে জল্পনা থামছে না, বিশেষ করে রক্তাক্ত সূর্যোদয়ের বর্ষপূর্তিতে শুভেন্দুবাবু ১০ নভেম্বর বড় সমাবেশের ডাক দেওয়ায়। কলকাতায় যে পোস্টার, ব্যানার নিয়ে শোরগোল তা ২ নং ওয়ার্ডে। একটি দেখা যাচ্ছে তৃণমূলের ওয়ার্ড সভাপতি সৃজন বোসের নামে, অপরটিতে বাপ্টু ঘোষ, লাবণী দত্ত, ইমন বোস, সুকল্যাণ ঘোষ, রাহুল ঘোষ, তপন দাশ, রাজু ঘোষ, রূপশ্রী বর্ধনদের মতো তৃণমূলের বিভিন্ন সংগঠনের নেতা-নেত্রীদের নাম রয়েছে প্রচারকদের তালিকায়। দুটিতেই দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবির সঙ্গে রয়েছে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, শুভেন্দু অধিকারী, সাধন পাণ্ডে, সুজিত বোস, শান্তনু সেন, মালা সাহা, জীবন সাহার ছবি। ওয়ার্ড সভাপতি সৃজন বোসের ছবি রয়েছে। নেই শুধু অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এটাই সকলকে অবাক করেছে। বিশেষ করে পূর্ব মেদিনীপুর-সহ যে সব জেলায় অভিষেক বন্দ‌্যোপাধ্যায়ের ছবি বিশেষ দেখা যেত না, সেখানেও এখন যুবরাজের ছবি দেওয়া ব্যানার, পোস্টার লাগানো হচ্ছে। ছেঁড়া হচ্ছে শুভেন্দু অধিকারীর ছবি। তৃণমূল এ জন্য বিজেপিকে দায়ী করলেও বিরোধীরা বিষয়টিকে তৃণমূলের দ্বন্দ্বের ফল বলেই দাবি করছে। এর আগে তৃণমূলের তরফে বারবার বলা হয়েছে, পোস্টার, ব্যানারে দলনেত্রীর ছবি ছাড়া কারও ছবি থাকবে না। কিন্তু কে শোনে কার কথা? শুভেন্দুবাবু ইদানীং যে সব অনুষ্ঠান করছেন সেখানে দলীয় পতাকা নেই, নেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি। আবার শুভেন্দু অধিকারীর বিরোধী শিবির তাঁর জেলাতেই দলনেত্রীর সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি রেখে, শুভেন্দুকে বাদ দিয়ে পোস্টার, ব্যানার নিয়ে রাস্তায় নামছেন। এই অবস্থায় খোদ কলকাতাতেই শুভেচ্ছা-বার্তায় অভিষেক বাদ, আছেন শুভেন্দু! বিষয়টি ভাবাচ্ছে অনেককেই। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, কলকাতার অনেক তাবড় নেতা, কাউন্সিলর শুভেন্দুবাবুর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখেন। কিন্তু তাঁর ছবি দিয়ে ব্যানার, পোস্টার, হোর্ডিং কেউ করেননি। এই অবস্থায় অভিষেককে বাদ দিয়ে শুভেন্দুবাবুর ছবি রেখে দুঃসাহসই দেখিয়েছেন ২ নং ওয়ার্ডের তৃণমূল নেতৃত্ব। অবশ্য এই ওয়ার্ডে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের কার্যকরী সভানেত্রী রূপশ্রী বর্ধন জানালেন, এতে বিতর্কের কিছু নেই। এখানকার নেতৃত্বর সঙ্গে শুভেন্দুবাবুর ছবি রাখা হয়েছে স্রেফ তাঁকে আমরা ভালোবাসি বলে। যদিও চর্চায় নয়া ইন্ধন দেওয়ার পরিস্থিতিতে এমন বিবৃতি কি সত্যিই যথেষ্ট, না অন্য কিছুর ইঙ্গিত? প্রশ্ন থাকছেই।

নভেম্বর ০১, ২০২০
রাজ্য

আমি আমি হল সর্বনাশের মূল : শুভেন্দু অধিকারী

নিউ দিঘায় (বটতলা) উম্যান ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত মহিমাময়ী ভগিনী নিবেদিতার ১৫৩ তম জন্মদিবস উপলক্ষে মূর্তি উন্মোচন করলেন রাজ্যের পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী । সেখানেই নিবেদিতার নতুন মূর্তি উদ্বোধন করেন রাজ্যের সেচ ও পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তারপর ওই মহিলা সংগঠনের সদস্যদের ঐক্যবদ্ধ প্রয়াসের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন , কেন আমি আপনাদের অভিনন্দন জানাচ্ছি ? আরও পড়ুন ঃ বিমল গুরুংয়ের বিরোধিতায় শান্তি মিছিল মোর্চার তার কারণ , কেউ একক শক্তিতে কোনও কাজ করতে পারে না। এটা স্বামী বিবেকানন্দ বলে গিয়েছেন। তিনি বলে গিয়েছেন , আমি আমি হল সর্বনাশের মূল। আমরা আমরা যারা করে , তারাই টিকে থাকে। প্রসঙ্গত , কয়েক মাস পরেই রাজ্যে বিধানসভা ভোট। কাকে উদ্দেশ্য করে তিনি এদিনের সভায় এই মন্তব্য , তা নিয়ে সন্দিগ্ধ রাজনৈতিক মহল। অন্যদিকে, তিনি সেখানে উপস্থিত ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের কর্মীদের যে ্কোনও সমস্যায় সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেবেন বলে জানান।

অক্টোবর ২৮, ২০২০
রাজ্য

নেতাইয়ে  "গৃহ প্রদান ও মহিলাদের সেলাই মেশিন প্রদান" অনুষ্ঠানে শুভেন্দু অধিকারী

নেতাই শহীদ স্মৃতিরক্ষা কমিটির ব্যবস্থাপনায় রবিবার গৃহ প্রদান ও মহিলাদের সেলাই মেশিন প্রদান অনুষ্ঠান আয়োজন করা হল। এদিন ১৭টা পরিবারকে গৃহ প্রদান করা হয়। মহিলাদের ৫২টি সেলাই মেশিন প্রদান করা হয়। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নেতাই বাসী যখনই বিপদে পড়েছেন , তিনি তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। এবারও তার অন্যথা হল না। আরও পড়ুন ঃ জেলা আদালত চালু না হওয়ায় হতাশ আলিপুরদুয়ারবাসী সামনেই পুজো। দলীয় ব্যানার ছাড়াই নেতাইয়ের স্বজন হারানো পরিবারগুলির পাশে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন শুভেন্দুবাবু। কারণ , তাদের পাশে দাঁড়াতে কখনও তার দলীয় ব্যানার প্রয়োজন পড়েনি। কারণ , তিনি নেতাইবাসীর সেবক।

অক্টোবর ১৮, ২০২০
রাজ্য

দুর্গাপুজোর ‘গাইড ম্যাপে’র উদ্বোধন করলেন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী

পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিশের উদ্যোগে মঙ্গলবার সুতাহাটার সুবর্ণজয়ন্তী ভবনে আয়োজিত সমন্বয় সভায় হাজির ছিলেন রাজ্যের পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে তিনি দুর্গাপুজোর গাইড ম্যাপের উদ্বোধন করেন। পুজো কমিটিগুলোকে রাজ্য সরকারের ৫০ হাজার টাকার চেক দেওয়া হয়। তিনি এদিন বলেন, পুজো উদ্যোক্তাদের সরকারি ১১ দফা নির্দেশাবলী মেনে চলা কাম্য। পুজোর সময় সকলকে তিনি সামাজিক দূরত্ববিধি মেনে চলতে বলেন। এছাড়াও মাস্ক ও স্যানিটাইজার ব্যবহার করার নির্দেশ দেন। জেলাতে মৃত্যুর হার রাজ্য ও দেশের তুলনায় অনেক কম। সুস্থতার হার এ রাজ্যে দেশের তুলনায় অনেক বেশি। আরও পড়ুনঃ রাজ্যে ৩ লক্ষ ছাড়িয়ে গেল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা আমি নিজেও করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলাম। বিধি মেনে ১৭ দিন পর এই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছি। প্রসঙ্গত , দিন কয়েক আগে করোনা মুক্ত হয়ে শুভেন্দু অধিকারী যান তমলুকের বর্গভীমা মন্দিরে পুজো দিতে। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী, জেলাশাসক পার্থ ঘোষ, পুলিশ সুপার সুনীল কুমার যাদব প্রমুখ।

অক্টোবর ১৪, ২০২০
রাজ্য

বর্গভীমা মন্দিরে পুজো দিলেন শুভেন্দু অধিকারী

তমলুক বর্গভীমা মন্দিরে পুজো দিলেন পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার তিনি তমলুকের বর্গভীমা মন্দিরে গিয়ে পুজো দেন। এদিন পুজো ্দেওয়ার পর সন্ধ্যা আরতিতে অংশগ্রহণ করে মায়ের আশীর্বাদ নেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ ১০ দিনের পুলিশি হেফাজত সঞ্জিত সিংয়ের প্রসঙ্গত , গত কয়েকদিন আগে তিনি করো্নায় আক্রান্ত হন। তাঁর আরোগ্য ্কামনায় অনুগামীরা যজ্ঞের আয়োজন করেন। করো্নার সঙ্গে অনেকদিন লড়াই করার পর তিনি সুস্থ হয়ে ওঠে্ন। এরপর এদিন তিনি বর্গভীমা মন্দিরে পুজো দিতে আসেন।

অক্টোবর ১০, ২০২০
রাজ্য

ঝাড়গ্রামের রাজকিরণের কাছে ভগবান শুভেন্দু অধিকারী

রাজকিরণ পাত্র। সাকিন ঝাড়গ্রাম জেলার গোপীবল্লভপুর ১ নং ব্লকের আঠাঙ্গী গ্রাম। রাজকিরণের বাবা অপ্রকৃতিস্থ, মা নেই। অভাবের সংসারের ভার রাজকিরণেরই কাঁধে। সেই যুবকের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত করে দিয়েছিল এক দুর্ঘটনা। যে অনিশ্চয়তার মেঘ কাটিয়ে রাজকিরণের কাছে এখন ভগবান রাজ্যের মন্ত্রী তথা জঙ্গলমহলের কুটুম শুভেন্দু অধিকারী। গত ২৯ আগস্ট রাজকিরণের মোটরবাইক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। রাজকিরণের চোয়াল ভেঙে যায়। গোপীবল্লভপুর হাসপাতাল রেফার করে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। কিন্তু বড় সার্জারির প্রয়োজন থাকায় রাজকিরণকে কলকাতায় নিয়ে যেতে বলা হয়। কিন্তু পরিবারের আর্থিক অবস্থা খারাপ থাকায় রাজকিরণকে কলকাতায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছিল না। বেশ কিছু দিন ওই অবস্থাতেই বাড়িতে পড়ে থাকেন রাজকিরণ, দিন দিন অবস্থার অবনতিও হচ্ছিল। ১৩ সেপ্টেম্বর অনুগামীদের কাছ থেকে সেই খবর জানতে পারেন শুভেন্দু অধিকারী। পরের দিনই রাজকিরণের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে গোপীবল্লভপুর থেকে এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার আর্থিক সাহায্য পাঠান তিনি। এমনকী ওইদিন থেকে কলকাতায় তাঁদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা থেকে শুরু করে এসএসকেএমে অপারেশন- সমস্ত ব্যবস্থা করেন শুভেন্দুবাবু। নিজে যখন কোভিড আক্রান্ত তখনও নিয়মিত রাজকিরণের চিকিৎসার যাবতীয় খবর নিয়েছেন মন্ত্রী। গত ৫ অক্টোবর সফল অপারেশন হয়েছে রাজকিরণের। ৭ অক্টোবর বাড়িও ফিরেছেন, এখন তিনি ভালোই আছেন। বিপদে এভাবে পাশে পেয়ে শুভেন্দুবাবুর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন রাজকিরণের বন্ধু ও প্রতিবেশীরা। খুশি আমরা দাদার অনুগামীর সদস্যরাও, যাঁরা জেলায় জেলায় এভাবেই শুভেন্দু অধিকারীকে আদর্শ মেনে সমাজসেবার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

অক্টোবর ১০, ২০২০
রাজনীতি

নন্দীগ্রামে বিস্ফোরক শুভেন্দু অধিকারী

অতীত যাঁরা ভুলে যান, তাঁদের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হতে পারে না। তাঁদের ভবিষ্যৎ অন্ধকারই হবে, এটাই চিরন্তন সত্য। মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর নন্দীগ্রামে এ কথা বলেন সেখানকার বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রাম ভূমিরক্ষা আন্দোলনের সৈনিক অমর শহিদ নিশিকান্ত মণ্ডলের একাদশ বর্ষের স্মরণ সভায় উপস্থিত হয়ে তাঁর মূর্তিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করে শুভেন্দুবাবু মনে করান ২০০৬ সালের ৩ নভেম্বরের কথা। তিনি বলেন, ওইদিন জননেতা নিশিকান্ত মণ্ডল আমাকে নিয়ে এসে এই আন্দোলনের বীজ বপন করেছিলেন সোনাচূড়ায় হাই স্কুল মাঠে। তখন আমি এখানকার বিধায়ক বা সাংসদ ছিলাম না। দক্ষিণ কাঁথির বিধায়ক ছিলাম। তেখালির কাঠের ব্রিজ, যা তখন পাকা ছিল না, মোরাম রাস্তা ধরে এসেছিলাম তাঁর সঙ্গে। নিশিকান্ত মণ্ডল না থাকলে এই আন্দোলন সফল হতো না। শুভেন্দুবাবু আরও বলেন, আমফানে যা ক্ষতি হয়েছে তার ১০০ শতাংশ পূরণ করা কারও পক্ষে সম্ভব নয়। দায়িত্বশীল জনপ্রতিনিধি, সরকারি প্রতিনিধিরা চেষ্টা করেছেন। যেখানে যেখানে ফাঁকফোকড়ের কথা কানে এসেছে বিধায়ক কার্যালয় থেকে সরাসরি প্রতিনিধি পাঠিয়ে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। আপনাদের আশীর্বাদ, সহযোগিতা পেলে আমরা আগামী দিনে এগিয়ে যাব। করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় আশাকর্মী, স্বাস্থ্যকর্মী-সহ স্বাস্থ্য দফতরের কাজের প্রশংসা করে শুভেন্দুবাবু বলেন, এখানেও অনেকে আক্রান্ত হয়েছেন। শিক্ষিত, সচেতন এই জেলার মানুষ যখন কেউ বাইরে থেকে সংক্রমণ নিয়ে এসেছেন তাঁদের উপযুক্ত চিকিৎসার ব্যবস্থা হয়েছে। দেশে যেখানে সুস্থতার হার ৮০ শতাংশ, রাজ্যে ৮৬ শতাংশ, সেখানে এই জেলায় ৮৮ শতাংশ। মৃত্যুর হার ১ শতাংশের কম, ৮৩ শতাংশ। তবে যতদিন না ভ্যাকসিন বেরোয় সকলকে সতর্ক থাকতে হবে। বিশেষ করে প্রবীণ মানুষদের যাঁদের বার্ধক্যজনিত বা অন্যান্য অসুখ রয়েছে। এদিন এলাকার সমস্ত গ্রাম সংসদের প্রতিনিধিদের হাতে মাস্ক ও স্যানিটাইজার তুলে দেন শুভেন্দুবাবু। নন্দীগ্রাম বিধানসভার দশটি ক্লাবকে অক্সিমিটার, ডিজিটাল থার্মোমিটার, স্ফিগমোম্যানোমিটার, মাস্ক ও স্যানিটাইজার এবং দশ নং অঞ্চলের প্রতিটি বুথে মাস্ক ও স্যানিটাইজার দিলেন এলাকার বিধায়ক তথা মাননীয় মন্ত্রী শ্রী শুভেন্দু অধিকারী মহাশয়।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২০
রাজ্য

জঙ্গলমহলের বিপন্ন মানুষের ত্রাতা শুভেন্দু অধিকারী

বেলপাহাড়ি ব্লকের এড়গোদা অঞ্চলের জয়পুর গ্রাম। কোনও এক সংস্থার মাধ্যমে এখানকার বাসিন্দা নবকুমার দাসের অসহায় অবস্থার কথা কানে পৌঁছায় মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। আর তাতেই মুশকিল আসান। শুনেই ওই পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন মন্ত্রী। নবকুমার দাস নিজে দৃষ্টিহীন এবং তাঁর দুই মেয়েই জটিল অসুখে ভুগছেন। বড় মেয়ে জয়িতা দাসের ব্রেস্ট টিউমার ও ছোট মেয়ে থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত। নবকুমারবাবুর স্ত্রী ছোটো এক মুদির দোকান চালান। এই অবস্থায় দুই মেয়ের চিকিৎসা চালাতে গিয়ে খুবই অসুবিধায় পড়েছেন। জয়িতাকে ১ সেপ্টেম্বর ঝাড়গ্রাম সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল থেকে পিজিতে রেফার করা হয়। ৫ তারিখ সেখানে গেলে ফের ১৫ তারিখ আসতে বলা হয়। সেদিন ভর্তি করাতে গিয়ে সমস্যায় পড়ে জয়িতার পরিবার। এই পরিস্থিতিতে রাত ১২টা অবধি অপেক্ষা করে কোনও সুরাহা না পেয়ে এই পরিবার যোগাযোগ করে শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে। সঙ্গে সঙ্গে শুভেন্দুবাবু তাঁর প্রতিনিধি মারফত জয়িতাকে হাসপাতালে ভর্তি করানোর ব্যবস্থা করেন এবং সমস্ত পরীক্ষা যাতে হয় তার সুব্যবস্থা করেন। আশ্বাস দেন ভবিষ্যতেও পাশে থাকার। শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর মানবিক মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ওই পরিবারের হাতে ৫০ হাজার টাকা পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করলেন তাঁর প্রতিনিধি মারফত। স্নেহাশিস ভকত-সহ আমরা দাদার অনুগামীরা গিয়ে শুভেন্দুবাবুর পাঠানো টাকা নবকুমার দাসের হাতে তুলে দিয়ে পাশে থাকার বার্তা আরও একবার জানিয়ে এলেন। বিপদে পাশে থাকায় মানবিক মন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে এই পরিবার।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২০
রাজনীতি

বুকে শুভেন্দুর ছবি, সমাজসেবায় 'দাদার অনুগামী'রা

জেলায় জেলায় মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর আদর্শে দীক্ষিত আমরা দাদার অনুগামী-র সদস্যরা বুকে শুভেন্দুবাবুর ছবি লাগিয়ে বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। বুধবার ১৬ সেপ্টেম্বর আমরা দাদার অনুগামী-র কর্মসূচি পালিত হলো পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এগরায়। পথচলতি মানুষ, পুলিশ ও সিভিক ভলান্টিয়ারদের মধ্যে বিতরণ করা হলো মাস্ক, গ্লাভস, সাবান, স্যানিটাইজার ইত্যাদি। মোট ১৫০০ মাস্ক, ১০০০ পিস সাবান এবং ২০০ পিস গ্লাভস বিতরণ করা হয় দেবদীপ অধিকারী(বিলু), সহরব আলি, সুদীপ দাসদের উদ্যোগে। করোনা সচেতনতামূলক প্রচারও চালানো হয়।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ভোটের আগে বড় চমক! শিলিগুড়িতে মোদীর রোড শো, জোর প্রস্তুতি বিজেপির

ভোটের মুখে বাংলাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তৎপরতা আরও বাড়াল বিজেপি। আগামী সপ্তাহেই রাজ্যে আসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দলীয় সূত্রে খবর, উত্তরবঙ্গ বিশেষ করে শিলিগুড়িতে সাত অথবা আট এপ্রিল রোড শো করতে পারেন তিনি। একই সঙ্গে একাধিক জনসভাও করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। ইতিমধ্যেই এই সফর ঘিরে শিলিগুড়িতে বৈঠকে বসেছেন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। উত্তরবঙ্গের সংগঠনকে আরও মজবুত করতে কেন্দ্রীয় নেতারা ধারাবাহিকভাবে আলোচনা চালাচ্ছেন।দলীয় সূত্রে আরও জানা যাচ্ছে, উত্তরবঙ্গে মোট চারটি জনসভা করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সূচি চূড়ান্ত করতে দিল্লির সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। নির্বাচনের আগে উত্তরবঙ্গকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বিজেপি নেতৃত্ব।এদিকে খুব শীঘ্রই রাজ্যে আসতে পারেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। তিনি এলে মূলত সাংগঠনিক বৈঠকের ওপর জোর দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে ভাগ করে দলীয় সংগঠন নিয়ে আলাদা আলাদা বৈঠক করতে পারেন তিনি। যদিও তাঁর পূর্ণ সূচি এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। সূত্রের খবর, পরিস্থিতি অনুকূল থাকলে কয়েকটি জনসভাও করতে পারেন তিনি।এই নির্বাচনে বিজেপি দুইশোর বেশি আসন জয়ের লক্ষ্য নিয়েই এগোচ্ছে। দলের শীর্ষ নেতৃত্ব বারবার এই লক্ষ্য সামনে রেখে কর্মীদের উদ্বুদ্ধ করছেন। এর আগেই অমিত শাহ বাংলায় এসে এই লক্ষ্য স্পষ্ট করেছিলেন। তাঁর দাবি, এবার বিজেপি দুই-তৃতীয়াংশ আসন নিয়ে সরকার গঠন করতে চায়।অন্যদিকে, বিজেপির এই লক্ষ্যকে কটাক্ষ করেছে তৃণমূল। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পাল্টা আরও বেশি আসন জয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন। একই সঙ্গে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দুই কেন্দ্র থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যা এই নির্বাচনে আলাদা মাত্রা যোগ করেছে।মোটের উপর ভোটের আগে বাংলায় রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। একের পর এক কেন্দ্রীয় নেতার সফর ঘিরে এখন তুঙ্গে প্রস্তুতি এবং জল্পনা।

মার্চ ২২, ২০২৬
রাজ্য

দেওয়াল মুছতেই হামলা! ভোটের আগে দুর্গাপুরে কমিশনের কর্মীদের উপর চড়াও অভিযোগ

ভোটের আগে রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে কড়া নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। কিন্তু সেই পরিস্থিতিতেই দুর্গাপুরে নির্বাচন কমিশনের দুই কর্মীকে মারধরের অভিযোগে উত্তেজনা ছড়াল। সরকারি দেওয়ালে লেখা রাজনৈতিক প্রচার মুছতে গিয়ে আক্রান্ত হন তাঁরা।নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণার পর থেকেই কমিশনের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, সরকারি কোনও দেওয়াল বা জায়গায় রাজনৈতিক প্রচার করা যাবে না। সেই নির্দেশ মেনেই এসডিও দপ্তরের নির্দেশে কমিশনের কর্মীরা এলাকায় পরিদর্শনে বেরিয়েছিলেন। দুর্গাপুরের কলোনিপাড়ায় পোস্ট অফিসের দেওয়ালে লেখা প্রার্থীর নাম মুছতে যান তাঁরা। অভিযোগ, সেই কাজ শেষ করে গাড়িতে ওঠার পর আচমকাই তাঁদের গাড়ি থেকে নামিয়ে মারধর করা হয়।আক্রান্ত এক কর্মীর দাবি, তাঁরা সরকারি নির্দেশ মেনেই কাজ করছিলেন। নিজেদের পরিচয় দেওয়ার পরও তাঁদের কথা শোনা হয়নি। স্থানীয় কিছু মানুষ নিজেদের শাসকদলের সমর্থক বলে দাবি করে তাঁদের উপর চড়াও হন বলে অভিযোগ।যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। তাদের দাবি, মারধরের ঘটনা ঘটেনি। বরং বিরোধী দলের কর্মীরাই বাইরে থেকে লোক এনে নিজেরাই দেওয়াল মুছছিল এবং উত্তেজনা তৈরি করছিল।ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ভোটের আগে এই ধরনের ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

মার্চ ২২, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে কড়া হুঁশিয়ারি! বুথ দখল হলেই অ্যাকশন, কঠোর বার্তা অজয় নন্দার

ভোটের আগে কঠোর বার্তা দিল পুলিশ প্রশাসন। বুথ দখল, ভুয়ো ভোট বা কোনও রকম কারচুপি বরদাস্ত করা হবে না বলেই স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন কলকাতা পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দা। রবিবার ভাঙড় থানায় পরিদর্শনে গিয়ে তিনি পুলিশকর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং নির্বাচন কমিশনের সমস্ত নির্দেশ কঠোরভাবে মানার নির্দেশ দেন।নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ রাখতে ইতিমধ্যেই রাজ্য জুড়ে কড়া নজরদারি শুরু হয়েছে। কলকাতা পুলিশ কমিশনার জানান, বিভিন্ন এলাকায় নাকা চেকিং ও তল্লাশি চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে টহল দিচ্ছে পুলিশ। ভোটের আগে আরও কেন্দ্রীয় বাহিনী আসবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।এদিন শুধু ভাঙড় নয়, দক্ষিণ শহরতলীর একাধিক থানাতেও প্রস্তুতি খতিয়ে দেখা হয়। প্রেসিডেন্সি রেঞ্জের ডিআইজি কঙ্কর প্রসাদ বারুই নরেন্দ্রপুর, সোনারপুর ও বারুইপুর থানায় গিয়ে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন। তিনি পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার নির্দেশ দেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শহরতলীর এই এলাকাগুলিতে গ্রামীণ অঞ্চলের বহু বুথ রয়েছে। সেই সব বুথে নিরাপত্তা কীভাবে নিশ্চিত করা হবে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। পুলিশকর্মী থেকে হোমগার্ডসকলকেই ভোটের আগে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।কঙ্কর প্রসাদ বারুই জানান, নির্বাচন ঘোষণার পর থেকেই প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কোথায় কী ব্যবস্থা নিতে হবে, তা নিয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনা করা হয়েছে। তাঁর কথায়, অবাধ, শান্তিপূর্ণ এবং ভয়মুক্ত নির্বাচনই এখন প্রধান লক্ষ্য।

মার্চ ২২, ২০২৬
রাজ্য

জয় শ্রীরাম স্লোগানে উত্তাল, মাঝপথেই থামাল পুলিশ! হিরণের প্রচারে চরম উত্তেজনা

ভোটের আগে প্রচার ঘিরে উত্তেজনা তৈরি হল শ্যামপুরে। বিজেপি প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের প্রচার কর্মসূচি চলাকালীন বাইক মিছিল আটকায় পুলিশ। এরপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।রবিবার শ্যামপুরে প্রচার শুরু করেন হিরণ। তাঁর সঙ্গে বহু কর্মী ও সমর্থক গেরুয়া পতাকা নিয়ে বাইক করে এগোচ্ছিলেন। সেই সময় শ্যামপুর-বাগনান রোডে পুলিশ মিছিলটি আটকায়। পুলিশের দাবি, আদর্শ আচরণবিধি জারি থাকার কারণে কোনও মিছিল বা জমায়েতের জন্য আগে অনুমতি নিতে হয়। কিন্তু এই কর্মসূচির জন্য সেই অনুমতি নেওয়া হয়নি।ঘটনাস্থলে পুলিশ ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হয়। হিরণ নিজেও পুলিশের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁর দাবি, এটি কোনও রাজনৈতিক মিছিল নয়, তাঁরা মন্দিরে পুজো দিতে যাচ্ছিলেন। তাঁর কথায়, সমর্থকেরা ধর্মীয় পতাকা নিয়ে এসেছিলেন, তাই এটিকে রাজনৈতিক কর্মসূচি বলা ঠিক নয়।তবে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রার্থী উপস্থিত থাকলে সেটিকে রাজনৈতিক কর্মসূচি হিসেবেই ধরা হয় এবং সে ক্ষেত্রে নিয়ম মেনে অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক। কিছুক্ষণ পর পরিস্থিতি শান্ত হলে মিছিলটি এগোতে দেওয়া হয়।এদিন রাজ্যের অন্য জায়গাতেও উত্তেজনার খবর সামনে এসেছে। নানুরে পতাকা লাগানোকে কেন্দ্র করে বচসা ও বিক্ষোভ হয়। দুর্গাপুরে সরকারি দেওয়াল থেকে প্রচার মুছতে গিয়ে নির্বাচন কমিশনের দুই কর্মী আক্রান্ত হন বলেও অভিযোগ উঠেছে।ভোটের আগে এই ধরনের ঘটনাগুলি রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়িয়ে তুলছে।

মার্চ ২২, ২০২৬
রাজ্য

শুভেন্দুর গড়ে চ্যালেঞ্জ! নন্দীগ্রামে অভিষেকের টানা সভা ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে

রাজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র নন্দীগ্রামকে ঘিরে ফের রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে। এই কেন্দ্রকে সামনে রেখে এবার জোর প্রচারে নামতে চলেছেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।শুভেন্দু অধিকারীর ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত নন্দীগ্রামে এবার তৃণমূল প্রার্থী করা হয়েছে পবিত্র করকে। এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। গতবারের পরাজয়ের পর এবার এই কেন্দ্র দখলে মরিয়া তৃণমূল।জানা গিয়েছে, আগামী পঁচিশে মার্চ নন্দীগ্রামে একটি কর্মীসভার মাধ্যমে প্রচার শুরু করবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করে নির্বাচনের রণকৌশল নিয়ে আলোচনা করবেন তিনি। এরপর সাতাশে মার্চ পাঁশকুড়া পূর্বে একটি জনসভা করার কথা রয়েছে তাঁর। ত্রিশে মার্চ কাঁথি এলাকায় একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকও করবেন তিনি।এই সফরকে কেন্দ্র করে পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ বাড়ছে। দলের বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতেই এই ধারাবাহিক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।উল্লেখ্য, গত নির্বাচনে নন্দীগ্রামে মুখোমুখি লড়াই হয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শুভেন্দু অধিকারীর মধ্যে। সেই লড়াইয়ে জয়ী হয়েছিলেন শুভেন্দু। এবার আবার সেই কেন্দ্র ঘিরেই তৃণমূল নতুন করে কৌশল সাজাচ্ছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, পবিত্র করকে প্রার্থী করে তৃণমূল একটি কৌশলী পদক্ষেপ নিয়েছে। স্থানীয়ভাবে পরিচিত মুখ হওয়ায় তিনি ভোটে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারেন। আর তাঁর পাশে থেকে প্রচার জোরদার করতে মাঠে নামছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে নন্দীগ্রামের লড়াই এবার আরও জমে উঠবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ২২, ২০২৬
বিদেশ

ইজরায়েলের পরমাণু কেন্দ্রের কাছে ভয়াবহ হামলা! আতঙ্কে বিশ্ব, তেজস্ক্রিয়তার আশঙ্কা

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘর্ষের আবহে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠল। ইজরায়েলের পরমাণু গবেষণা কেন্দ্রকে লক্ষ্য করে পালটা হামলা চালিয়েছে ইরান। ডিমোনা এবং আরাদ এলাকার দুই পরমাণু কেন্দ্রের কাছাকাছি ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র আছড়ে পড়ায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে। এই ঘটনায় শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। হামলার পর থেকেই তেজস্ক্রিয় বিকিরণ ছড়ানোর আশঙ্কা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।সংবাদ সংস্থার খবর অনুযায়ী, শনিবার রাতে প্রথমে ডিমোনার শিমন পেরেস নেগেভ পরমাণু কেন্দ্রের কাছে একটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। কিছুক্ষণ পর আরাদ এলাকার আর একটি পরমাণু কেন্দ্রের দিকেও হামলা চালানো হয়। তবে সরাসরি পরমাণু কেন্দ্র লক্ষ্যভেদ করতে পারেনি ক্ষেপণাস্ত্রগুলি। তার বদলে কাছাকাছি বহুতল আবাসনে আঘাত হানে, ফলে বহু বাড়ি ভেঙে পড়ে প্রায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।এই হামলার পর ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছে যায় জরুরি পরিষেবার কর্মীরা। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও তেজস্ক্রিয় বিকিরণ ছড়ানোর খবর পাওয়া যায়নি বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার একটি ভিডিও সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যদিও তার সত্যতা এখনও নিশ্চিত করা হয়নি।জানা গিয়েছে, ইজরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলি প্রতিহত করার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু তা সফল হয়নি। প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ভেদ করেই ক্ষেপণাস্ত্রগুলি আছড়ে পড়ে। এই হামলা নিয়ে এখনও পর্যন্ত ইজরায়েল সরকারের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।প্রসঙ্গত, এর আগে ইরানের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরমাণু ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছিল ইজরায়েল। সেই ঘটনারই পালটা জবাব হিসেবে এই হামলা বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে দুই দেশের মধ্যে সংঘাত আরও তীব্র আকার নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মার্চ ২২, ২০২৬
রাজ্য

চৈত্রে শীতের কামড়! এক ধাক্কায় ১১ ডিগ্রি কমে তাপমাত্রা, কাঁপছে বাংলা

চৈত্র মাসের শুরুতেই বাংলার আবহাওয়ায় বড় পরিবর্তন দেখা দিয়েছে। গরমের বদলে হঠাৎ করেই ফিরে এসেছে শীতের আমেজ। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বহু জায়গায় রাতে আবার কম্বল টানতে হয়েছে মানুষকে। ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে টানা ঝড়বৃষ্টি হওয়ায় তাপমাত্রা এক ধাক্কায় অনেকটাই নেমে গিয়েছে।শুক্রবার রাত থেকে কলকাতা এবং দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হয়েছে। তার প্রভাব পড়েছে তাপমাত্রায়। প্রথমে প্রায় পাঁচ ডিগ্রি কমার পর শনিবার তা আরও কমে গিয়ে মোট প্রায় এগারো ডিগ্রি নেমে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা নেমে এসেছে তেইশ দশমিক দুই ডিগ্রিতে এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল উনিশ দশমিক সাত ডিগ্রি।আবহাওয়া দফতরের মতে, রবিবার থেকে ধীরে ধীরে আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে শুরু করবে। বৃষ্টির পরিমাণ কমবে এবং তাপমাত্রা বাড়তে থাকবে। তবে এখনও কিছু জেলায় ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ঝাড়গ্রাম, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায় ঘণ্টায় ত্রিশ থেকে চল্লিশ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি হতে পারে। অন্য জেলাগুলিতেও আংশিক মেঘলা আকাশের সঙ্গে মাঝে মাঝে হালকা বৃষ্টি হতে পারে। কলকাতাতেও মেঘলা আকাশ থাকবে এবং এক-দুবার বৃষ্টি হতে পারে।সোমবার থেকে এই পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বৃষ্টির পরিমাণ কমে গিয়ে তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়বে।অন্যদিকে উত্তরবঙ্গে এখনও দুর্যোগ কাটেনি। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার জেলায় আগামী বুধবার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও খুব ভারী বৃষ্টিও হতে পারে। জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে বৃষ্টির পরিমাণ অনেকটাই বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। পাশাপাশি দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।বৃহস্পতিবার থেকে বৃষ্টি কিছুটা কমলেও সপ্তাহের শেষে আবারও ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। সব মিলিয়ে আবহাওয়ার এই আচমকা বদলে চৈত্রের শুরুতেই অবাক বাংলার মানুষ।

মার্চ ২২, ২০২৬
রাজ্য

অভয়ার মাকে জেতাতে সিপিএমকে প্রার্থী প্রত্যাহারের অনুরোধ! বামমনস্ক চিকিৎসকের মন্তব্যে বাড়ছে রাজনৈতিক পারদ

এক সময় বামপন্থী মতাদর্শের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন চিকিৎসক নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়। অতীতে বামেদের হয়ে প্রচার করতেও দেখা গিয়েছে তাঁকে। তবে সম্প্রতি তাঁর রাজনৈতিক অবস্থানে বদল এসেছে। ব্রিগেডের সভায় প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে তাঁকে দেখা যাওয়ার পর থেকেই তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। এবার পানিহাটির নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থী অভয়ার মায়ের সমর্থনে সরাসরি বাম প্রার্থীকে আক্রমণ করলেন তিনি।নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সিপিএম প্রার্থী কলতান দাশগুপ্তর উচিত প্রার্থীপদ থেকে সরে দাঁড়ানো। তাঁর মতে, ভোট কাটাকুটির ফলে যাতে অভয়ার মা কোনওভাবে হার না যান, তা নিশ্চিত করা জরুরি। কলতান তাঁর ঘনিষ্ঠ বলেও উল্লেখ করে তিনি বলেন, ব্যক্তিগতভাবে তাঁকে অনুরোধ করবেন প্রার্থী পদ প্রত্যাহার করতে।কলতান দাশগুপ্ত আর জি কর আন্দোলনের অন্যতম মুখ হিসেবে পরিচিত। আন্দোলনের সময় তিনি জেলেও ছিলেন। নির্বাচনের আগে অভয়ার বাবা-মায়ের সঙ্গে তাঁর দেখা হয়েছিল। তবে অভয়ার মা-বাবা বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই কলতান এবং বামেদের বিরুদ্ধে তাঁদের সুর চড়েছে। তাঁদের দাবি, রাজ্যে বামেদের কোনও শক্তি নেই এবং তাদের ভোট দিলে তা শেষ পর্যন্ত তৃণমূলেরই সুবিধা করে দেবে।নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যেও সেই একই সুর শোনা গিয়েছে। তিনি মনে করেন, তৃণমূলকে ঠেকাতে হলে বিরোধী ভোট এক জায়গায় থাকা দরকার। শুধু কলতান নয়, তাঁর বাবার কাছেও আবেদন জানিয়ে তিনি বলেন, ছেলেকে বোঝানো উচিত যাতে সে প্রার্থী পদ থেকে সরে দাঁড়ায়। একই সঙ্গে তৃণমূল প্রার্থীরও সরে দাঁড়ানো উচিত বলে মত তাঁর।অন্যদিকে, অভয়ার মা-বাবা বিজেপির প্রার্থী হতে চাওয়ায় বাম মহলে সমালোচনা শুরু হয়েছে। সেই সমালোচনার জবাব দিতে গিয়ে তাঁরাও বামেদের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, মেয়ের বিচার বিলম্বিত হওয়ার পিছনেও বামেদের ভূমিকা রয়েছে। যদিও এই সব মন্তব্যে নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষুব্ধ নন। তিনি বলেন, অভয়ার মা-বাবা যে সিদ্ধান্ত নেবেন, তিনি তার পাশে থাকবেন। তাঁর মতে, রাজ্যে এখন পরিবর্তনের দাবি জোরালো হয়েছে এবং সেই লক্ষ্যেই সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।সব মিলিয়ে পানিহাটির নির্বাচন ঘিরে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে এবং এই ইস্যুতে বিতর্ক ক্রমশ বাড়ছে।

মার্চ ২২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal