• ২ আশ্বিন ১৪৩৩, সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Actor,

বিনোদুনিয়া

Sonu Sood : রাজনীতিতে পা রাখছেন সোনু সুদের বোন মালবিকা

জীবনের নতুন ইনিংস শুরু করতে চলেছেন অভিনেতা সোনু সুদের বোন মালবিকা। রবিবার মোগায় এক সাংবাদিক বৈঠকে বোন মালবিকার রাজনীতিতে যোগদানের কথা জানিয়েছেন সোনু। অভিনেতা বলেন, আমার বোন মালবিকা সুদ পঞ্জাবের মানুষের পাশে দাঁড়াবে। তাঁদের জন্য কাজ করবে। তবে কোন দলে তিনি যোগ দেবেন, তা নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। সোনু সুদ বলেছেন যে, মালবিকা সম্ভবত মোগার আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।সোনু সুদ জানিয়েছেন যদি মালবিকা নির্বাচিত হন তাহলে তার প্রধান লক্ষ্য থাকবে চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নতিসাধন। যারা ডায়ালিসিস পাচ্ছেন না তাদের যেন বিনামূল্যে ডায়ালিসিস দেওয়া হয়।এদিন সোনু সুদকেও প্রশ্ন করা হয় তিনি রাজনীতিতে নিজের নাম লেখাবেন কি না সেই বিষয়ে। উত্তরে এই তারকা অভিনেতা জানান,প্রথমে মালবিকাকে সমর্থন করাটা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সে আমাদের ভিটে মোগার সঙ্গে যুক্ত। আমি আমার পরিকল্পনাটা পরে জানাবো।

নভেম্বর ১৪, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Namit Das : নতুন ছবি প্রসঙ্গে মুখ খুললেন অভিনেতা নমিত দাস

আগামী ২৯ অক্টোবর মুক্তি পাচ্ছে আফাত-এ-ইশক । একাধিক পুরস্কারপ্রাপ্ত হাঙ্গেরির ছবি লিজা - দ্য ফক্স ফেয়ারির ভরতীয় সংস্করণ আফাত-এ-ইশক। এই কমেডি থ্রিলারে অভিনয় করেছেন নেহা শর্মা, গরিমা জৈন, অমিত সিয়াল, ইলা অর্জুন, দীপক দোব্রিয়ালের মতো অভিনেতারা। এই ছবিতেই গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাবে অভিনেতা নমিত দাসকে। এর আগে লাফাঙ্গে পড়িন্দে, হমারি আধুরি কাহানি, সুই ধাগা প্রভৃতি ছবিতে অভিনয় করে দর্শকদের থেকে ভালোই প্রশংসা পান নমিত দাস। এবার তিনি তাঁর নতুন ছবি আফাত-এ-ইশক নিয়ে খুবই উত্তেজিত। ছবিতে তাঁর চরিত্রটি কেমন, তা নিয়ে মুখ খুললেন অভিনেতা। এই ছবিটি পরিচালনা করেছেন ইন্দ্রজিত নাট্টোজি। এই ছবিতে অভিনেতা নমিত দাস এমন একটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন, যে কিংবদন্তি গায়ক কিশোর কুমারের বড় অনুরাগী। আফাত-এ-ইশক ছবির প্রসঙ্গে নমিত দাস জানালেন, এতদিন যত চরিত্রে অভিনয় করেছি, এই ছবি সমস্ত কিছুর থেকে আলাদা। এর আগে এমন চরিত্রে অভিনয় করিনি। শুধু তাই নয় তিনি আরও জানলেন, ছবিতে আমার চরিত্রের নাম আত্মারাম। আত্মারাম আসলে ভূত। কৌতুকপ্রিয় আত্মারাম হাসি মজা করতে ভালোবাসে। আর সে কিশোর কুমারের খুব বড় অনুরাগী। এমন একটা চরিত্রে অভিনয় করতে পেরে খুবই ভালো লাগছে। আফাত-এ-ইশক নিয়ে তাই দর্শকদের মধ্যে আলাদা একটা উত্তেজনা কাজ করছে। এখন সবাই অপেক্ষা করে আছে ২৯ তারিখ ছবিটি মুক্তির জন্য। তবে ট্রেলার দেখে এইটুকু অন্তত বোঝা যাচ্ছে মানুষের মন ছুঁয়ে যাবে এই আফাত-এ-ইশক।

অক্টোবর ২৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Diljit Dosanjh : দিলজিত্‍ এর প্রিয় অভিনেত্রী কে? জানালেন নিজেই

সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে পাঞ্জাবী ছবি হসলা রাখ। এই ছবিতে অভিনয় করেছেন দিলজিত্ দোসাঞ্জ, শেহনাজ গিল ও সোনম বাজওয়া। ছবি সুপার-ডুপার হিট। শুধু তাই নয়, বলা হচ্ছে করোনার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যবসা করা পাঞ্জাবি ছবি এটাই। ছবির সাফল্য উত্যাপন করতে শুক্রবার ইনস্টাগ্রামে লাইভ করেন দিলজিত্। নিজের ফ্যান-ফলোয়ারদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ আলাপচারিতা চলতে থাকে তাঁর। তখনই নিজের প্রিয় তারকার কথা বলেন দিলজিত্। জানান, তাঁর দেখা সেরা অভিনেত্রী ভারতী সিং। এখানেই থেমে থাকেননি। বলেন, ভারতীকে দেখেই অভিনয়ে এসেছেন তিনি।এর আগে দিলজিত্ ও ভারতী একে অপরের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করলেও হয়নি। ভারতী ব্যস্ত কপিল শর্মা শো নিয়ে। দিলজিত্ বলেছেন, ভারতীজি আমার প্রিয় অভিনেত্রী। অমৃতসরে আমি ওঁর শো দেখতে গিয়েছিলাম। তিনিই ডেকেছিলেন সকলকে। নাটকটি দেখার পর আমি ভারতীজির ফ্যান হয়ে যাই। তার আগে আমি কোনওদিনই থিয়েটার দেখিনি। কাউকে অত লোকের মাঝে পারফর্ম করতে দেখিনি। আমি কেবল সকলের সামনে গানই গাইতে পারি। ছবিতে কাজ করার কথাও কোনওদিন ভাবিনি। দেখি ভারতীজির পারফরম্যান্সের পর সকলেই খুশি। সেদিন ঠিক করেছিলাম ছবিতে অভিনয় করব।

অক্টোবর ২৩, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Aniket : কালীপুজোর আড্ডায় অনিকেত

দুর্গাপুজো, লক্ষ্মীপুজো কেটে গেছে। সামনেই কালীপুজো। এবার কালীপুজো কীভাবে কাটাবেন জানালেন অভিনেতা অনিকেত চক্রবর্তী অর্থাৎ মৌ এর বাড়ির চাঁদু। জনতার কথাঃ সামনেই কালীপুজো। এবার কালীপুজো কীভাবে কাটাবে?অনিকেতঃ কালীপুজোয় সকাল থেকে উপোস করবো। সন্ধ্যাবেলায় বাজি ফাটাবো। দমদমে গিয়ে আড্ডা মারা আছে। দমদমে দু-তিনটে পুজো পাশাপাশি হয়। আমার বন্ধুরা ইনভলবড থাকে। আমিও আগে থাকতাম। এইভাবেই কাটাবো।জনতার কথাঃ বাজি ফাটাতে কতটা ভালো লাগে? অনিকেতঃ বাজি ফাটাতে অবশ্যই ভালো লাগে। বাজি ফাটাতে ভালো না লাগার কোনও কারণই নেই। রোবট থেকে চকলেট বোম সবটাই চলে। আমি একটু আতসবাজির থেকে শব্দবাজি বেশি পছন্দ করতাম। কিন্তু এখন একটু কনসাস হতে হচ্ছে।জনতার কথাঃ ছোটবেলায় কালীপুজোর কি কি মিস করো? অনিকেতঃ মামারবাড়িতে যেতাম ছোটবেলায়। সেখানে কালীতলা বলে একটি জায়গা আছে সেখানে পঞ্চমুন্ডির আসনে বড় করে পুজো হত। সেই পুজো মিস করি। অনেককটা বড় বড় ঠাকুর আমরা হেঁটে হেঁটে দেখতাম। সেটা খুব ইন্টারেস্টিং ছিল। সেগুলো মিস করি। আর পাড়ার বন্ধুদের সঙ্গে সাইকেল নিয়ে দৌড়নো, বিভিন্ন জায়গায় চকলেট বোম ফাটিয়ে দেওয়া এইসব খচরামো চূড়ান্ত মিস করি। জনতার কথাঃ কালীপুজোয় নৈহাটি বা বারাসাতে গিয়ে ভিড়ে ঠাকুর দেখেছো?অনিকেতঃ কালীপুজোয় ভিড়ে ঠাকুর সত্যিই দেখিনি। নৈহাটি যাইনি। বারাসাত গেছি। যখন দমদমে থাকতাম কালীপুজোর পরের দিন মাঝারাত ওই ১২ টা সাড়ে ১২ টা নাগাদ বাইকে টার্গেট করতাম। দুর্দান্ত সব অভিজ্ঞতা।

অক্টোবর ২২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Ramyan : রাবণের পর রামায়ণের আরেক অভিনেতা প্রয়াত

প্রয়াত রামায়ণ ধারাবাহিকের অভিনেতা চন্দ্রকান্ত পাণ্ড্য। বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। যদিও তাঁর মৃত্যুর কারণ এখনও জানা যায়নি। সহ অভিনেত্রী দীপিকা চিখলিয়া ইনস্টাগ্রামে চন্দ্রকান্তের মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে আনেন। অভিনেতার ছবি শেয়ার করে তিনি লেখেন, রেস্ট ইন পিস চন্দ্রকান্ত পাণ্ড্য। প্রসঙ্গত, দীপিকা ওই ধারাবাহিকের মা সীতার চরিত্রে অভিনয় করতেন। অন্যদিকে চন্দ্রকান্তকে দেখা গিয়েছিল নিশাদের চরিত্রে অভিনয় করতে।রামায়ণে অভিনয় করা ছাড়াও বেশ কিছু ছবিতেও অভিনয় করেছেন তিনি। এর মধ্যে রয়েছে, প্রেম লগন, প্যায়ার হো গয়া, পরিবার না পাঙ্খি, হোতে হোতে প্যায়ার হো গয়া প্রভৃতি। বিভিন্ন গুজারাটি ছবিতেও তিনি অভিনয় করেছেন বলে জানা যাচ্ছে।কয়েকদিন আগেই প্রয়াত হয়েছে অরবিন্দ ত্রিবেদী। রামানন্দ সাগরের রামায়ণ-এ যিনি রাবণের চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের প্রিয় অভিনেতা হয়ে উঠেছিলেন। অরবিন্দর প্রয়াণের খবর সংবাদমাধ্যমকে জানান তাঁর ভাইপো কৌস্তভ ত্রিবেদী। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। এ বার প্রয়াত হলেন চন্দ্রাকান্তও। শোকস্তব্ধ শিল্পীমহল।

অক্টোবর ২২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Raavan : জিত যখন রাবণ

কটা চোখ লাল। ভ্রুর মাঝে কাটা দাগ। এক মুখ দাড়ি-গোফ। দেখেই একটা ভয় ভয় ব্যাপার রয়েছে। এ যেন রাবণ! রাবণই বটে। তবে রাবণ সেজেছেন। তিনি হলেন টলিস্টার জিত।কিন্তু হঠাত্ কেন এ রকম লুক? এটা আসলে নতুন সিনেমায় জিতের লুক। এখনই সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই ছবি দিয়ে ঘোষণা করে দিলেন জিত্। খুব শিগগিরই শুরু হবে ছবির শুটিং। ফার্স্ট লুক-এর পোস্টার দিয়ে জানিয়ে দিয়েছেন নায়ক। জিতের সঙ্গে ছবিটি প্রযোজনা করছেন অমিত জুমরানি। পরিচালনার দায়িত্বে থাকছেন এম এন রাজ।পুজোতেই মুক্তি পেয়েছে জিতের ছবি বাজি। দক্ষিণের নান্নাকু প্রেমাথুর অফিশিয়াল রিমেক এই ছবি। জিতের বিপরীতে ছবিতে অভিনয় করেছেন মিমি চক্রবর্তী। প্রেক্ষাগৃহে রমরমিয়ে চলছে ছবিটি। অনেকেই এই ছবি নিয়ে ভালো ফিডব্যাক দিয়েছেন। এর মধ্যেই আবারও নতুন ছবির ঘোষণা জিতের।মনে করা হচ্ছে, এই ছবিটিও অন্য ধাঁচের হতে চলেছে। জিত্ হয়তো ভিলেনের চরিত্রে অভিনয় করতে পারেন। তবে আবার অসুর ছবির মতোও হতে পারে। সেখানে অসুর রূপে পোস্টারে জিত্কে দেখানো হলেও তাঁর অভিনীত চরিত্র নেগেটিভ ছিল না। এবারও সে রকমই কিছু চমক থাকতে পারে।

অক্টোবর ১৬, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Saheb Halder : পুজো মানে আমার কাছে ঠাকুর দেখা নয়, বাড়িতে থাকা - সাহেব হালদার

পরিচালক পাভেল, পরমব্রত চট্টপাধ্যায়, অঙ্কুশের সাথে ছবির শ্যুটিং-এ ব্যস্ত। তার মাঝেই কিছুটা সময় বের করে জনতার কথা-র প্রতিনিধি সায়ন্তন সেন এর সাথে দুর্গাপুজো নিয়ে এক্সক্লুসিভ আড্ডা দিলেন অভিনেতা ও পিআর সাহেব হালদার।জনতার কথা : তোমার এবারের পুজোর প্ল্যান কী?সাহেব : পুজো মানে এই নয় যে প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘুরে বেড়ানো। পুজো মানে আমার কাছে সারা দিনটা বাড়িতে থাকা। এই বছর অনেকগুলো সিনেমা তৈরী হচ্ছে। যেগুলো আমার কোম্পানি প্রোমোশন দেখছে। তাই চাপটা প্রচুর। তবে আশা করছি ভাল সময় কাটবে। পুজোতে আমি খুব কম ঠাকুর দেখি। পঞ্চমী, ষষ্ঠী পর্যন্ত আমাদের শুটিং চলে। এবছরেও পুজোয় খুব হেকটিক সিডিউল রয়েছে।জনতার কথা : বাড়িতে পুজোটা কীভাবে উপভোগ করো?সাহেব : খাওয়া-দাওয়া হয়। বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিই। হয়তো দশমীর দিনে ঠাকুরটা দেখতে যাওয়া হয়। তাও বাড়ির পাশে ক্লাবের ঠাকুর দেখতে যাই। আমার ফ্ল্যাটের পাশে পুজো হয়।জনতার কথা : কোভিড পরিস্থিতিতে এবার পুজোতে অন্য কিছু কি পরিকল্পনা রয়েছে?সাহেব : এবারে আরও মজা হবে। আমি আমার ফ্ল্যাটটা শিফ্ট করেছি। আমার জানালার সামনেই পুজো হচ্ছে। আমার জানালা থেকেই প্যান্ডেলটা দেখা যায়। এবছর অনেকটা রাত জাগবো। তবে তার মানে রাত জেগে ঠাকুর দেখা নয়।জনতার কথা : এবছর পুজোর আগে সাহেব হালদার এতো প্রোজেক্ট নিয়ে ব্যস্ত। পুজোটা কতটা স্পেশাল?সাহেব : না সেটা নয়। তবে হ্যাঁ পুজোর আগে আমার বেশ কয়েকটি প্রোজেক্ট আসছে। আসছে বছর আবার হবে পার্ট ২, শব, সত্যজিৎ দাসের কলঙ্কিনী রাধার শুটিং চলছে। ১৫ তারিখ থেকে একটা প্রোজেক্ট শুরু হওয়ার কথা।জনতার কথা : শব নিয়ে কিছু বলো।সাহেব : শবের জন্য সবার আগে ধন্যবাদ জানাবো সৌম্যজিৎ দা কে। সৌম্য দা খুব বিশ্বাস করে আমাকে চরিত্রটা দিয়েছে। অনেক কিছু শিখেছি দাদার কাছ থেকে। আর ডিরেক্টর সুমিত মন্ডলকেও অনেক থ্যাংকস। সৌরভ দাস খুব ব্রিলিয়ান্ট অ্যাক্টর। তাঁর সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করতে পারাটা আমার কাছে বড় প্রাপ্তি।জনতার কথা : ১৫ তারিখের প্রোজেক্টটা নিয়ে আমরা কী কিছু জানতে পারি?সাহেব : আশা করছি এই প্রোজেক্টটা তোমাদের ভাল লাগবে। এটা বেসিক্যালি থ্রিলার একটা ওয়েব সিরিজ। ৬টা এপিসোড। এই থ্রিলার ওয়েব সিরিজে মার্ডার, রহস্য, ভালবাসা সবকিছুর বন্ধনে জড়িয়ে আছি আমি। (বাকি নামগুলো সাহেব বলতে চাইছিল না, কিন্তু অনেক বলার পর জানাল) এই ওয়েব সিরিজে রাহুল অরুণোদয় ব্যানার্জি রয়েছেন। এছাড়া আরও কিছু পরিচিত মুখ আছেন। এইটুকু এখন বলতে পারি।জনতার কথা : পুজোর আগে বড় বড় ছবির ঘোষণা করেছো। পাভেল এর কলকাতা চলন্তিকা, পরমব্রর চট্টোপাধ্যায় এর এন্টিডট। অঙ্কুশ, শুভশ্রীর সাথে কাজ। কি বলবে এগুলো নিয়ে?সাহেব : দেখুন এই ছবিগুলোর কাস্ট নাম শুনে বুঝতেই পারছেন ছবি গুলো বড় ছবি। তবে বড় ছবি যেহেতু তাই প্ল্যানটা খুব ভালো করে করতে হচ্ছে।

অক্টোবর ০৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Sanjib Banerjee : অভিনয় জীবনের গল্প বললেন অভিনেতা সঞ্জীব ব্যানার্জি

বাড়ি হাওড়া কিন্তু এমন এক জায়গায় যেখান থেকে কলকাতা ঢুকতে ৫ মিনিটও লাগে না। ফলে কলকাতায় আসা যাওয়া করতে কোনো অসুবিধা হয় না। কারণ হাওড়া হলেও এটা কলকাতাই বলা যায়। ফলে স্ট্রাগল করতে একটু সুবিধা হয়। বাড়িতে থাকেন বাবা মা এক পিসি আর আমি। জুতো সেলাই থেকে চণ্ডীপাঠ করার মানুষ একজনই...আমি। অভিনয় আমার প্যাশন..একদম মন থেকে প্রচণ্ড ভালোবেসে করি। বলা যেতে পারে অভিনয় আমার প্রথম গার্লফ্রেন্ড।অভিনেতা হিসাবে আমার জীবন শুরু হয়নি এমনকি কোনোদিন ভাবিও নি যে অভিনেতা হবো। কিন্তু ওটা হয়তো রক্তেই ছিলো। আমি একজন ব্যবসায়ী ছিলাম। এখনও একজন ছোট ব্যবসায়ী কিন্তু অভিনয় আমার পেশা..আমার ধ্যান, জ্ঞান সবকিছুই। শুনেছি আমার ঠাকুরদা নিজে অভিনয় করতেন না কিন্তু করাতেন। উনি নাটক লিখতেন এবং চরিত্র অনুযায়ী অভিনয় করাতেন।আমার কাজের শুরু আকাশ আটে..উমার সংসারে। আমার অতি প্রিয়, সম্মানীয় অ্যাক্টর/ডিরেক্টর অনিন্দ সরকার আমায় প্রথম সুযোগ দেন। তারপর ধিরে ধিরে অনেক জায়গায় অনেক চরিত্রে কাজ করি। কোথাও বাবা, কোথাও ডক্টর আবার কোথাও বা মুসলিম ছেলের চরিত্রে। শেষ মেগার কাজ আলোছায়া তে। একজন কেমিষ্ট হয়ে কাজ করি আলোছায়াতে। পরে আরও কিছু মেগায় যেমন রিমলি, বীণাপানি থেকে ডাক আসলেও কাজ করতে পারিনি, সেই সময় অন্য শুট থাকায়। অভ্যাস না থাকলেও লকডাউনে কিছু হোমশুট করি যেমন জনসেবা, কেষ্ট, বড়মেয়ে, মার্ডার ফর মাস্ক এবং আরও কিছু।জীবনের প্রথম টেলিফিল্ম কোন এক গাঁয়ের কথা যা মিউজিক বাংলা, ধুম মিউজিকে দেখানো হয়। পরের কাজ তরী,বাল্য বিবাহের বিরূদ্ধ্বে..যার জন্য আমি একটি অ্যাওয়ার্ড পাই। এটাও ধুম মিউজিক, মিউজিক বাংলায় দেখানো হয় এছাড়া প্রায় ১৩ টা ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে নমিনেটেড হয়। এরপর হল রিলিজের জন্য অভিনয় করি.. আদর্শ তে। একজন রিটায়ার্ড আদর্শবান মাষ্টার মশাইয়ের আদর্শ নিয়ে গল্প এবং নাম ভূমিকায় আমি।পরবর্তী ছবি একটি চিঠির গল্প যার একটা প্রচণ্ড গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে আমি কাজ করেছি এবং এটির ট্রেলার ভারত ও বাংলাদেশে একই সঙ্গে মুক্তি পেতে চলেছে আগামী মহালয়ার দিন।বাংলাদেশের চ্যানেল ৬ এই ছবির মিডিয়া পার্টনারও। বোম্বের একটি হিন্দি ফিল্মে কাজ করেছি ছোট্ট একটি চরিত্রে। এছাড়া করেছি ওয়েব সিরিজের কাজ। যেখানে আমি ছিলাম একজন মারকুটে পুলিশ অফিসার।কথা কম। ডান্ডা চলতো বেশি। কিছু ফিল্মের কাজ ফাইনাল হয়ে আছে.. যার শুট শুরু হবে পূজোর পর। নাম বলা বারণ..তাই এখনই বলতে পারবো না। মালয়ালম ফিল্ম থেকে কাজ করার অফার আছে। ওখানকার পরিস্থিতি ঠিক হলে হয়তো কাজ করবো। কাজের অফার আছে বাংলদেশ থেকেও। নিশ্চই কাজ করবো।নিজেকে ধন্য মনে করবো যদি ডিরেক্টর সন্দীপ রায় কোনদিনও কোনো কাজের জন্য আমায় যোগ্য মনে করেন। কাজ করার খুব ইচ্ছে ডিরেক্টর কৌশিক গাঙ্গুলী, ডিরেক্টর রাজ চক্রবর্তী, গৌতম ঘোষ, অপর্ণা সেন, পরমব্রত। এনাদের মতো মানুষদের কাছে। যদিও আমি কাউকে ছোট ভাবিনা এবং কাজের ব্যপারে আমি কাজটাকেই ভালোবাসি। কে ডিরেক্ট করছেন তাকে নয়। তাই ছোট, বড়, নামি, অনামি। সব ডিরেক্টরই আমার পছন্দের। সকলের কাছেই আমি কাজ করতে চাই।কাজ করতে চাই মেগায়। স্নেহাশীষবাবু (ব্লুজ), শৈবাল বাবু (ম্যাজিক মোমেন্ট) র কাছে। আমি স্নেহাশীষ দার লেখার খুব ভক্ত। করতে চাই বেশ কিছু চ্যালেনজিং চরিত্র যেখানে অনেক শেড আছে। তবে সম্পূর্ণটাই নির্ভর করছে এবং আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ, কে কি ভাবে আমায় দেখছেন এবং আমার কাছে তারা কেমন অভিনয় চাইছেন। সাংসারিক জীবনে কেউ নেই। অপেক্ষায় আছি। যাকে ভালোবাসি এখনও, সে আমায় ভুল বুঝে দূরে সরে আছে। তাকে আমি বৃষ্টি বলে ডাকি। বই পড়তে, ঘোড়ায় চড়তে আর রাইফেল চালাতে খুব ভালোবাসি।ভালোবাসি নিজে ড্রাইভ করে লং ড্রাইভে যেতে। নতুন নতুন রান্নার এক্সপেরিমেন্ট করতে খুব ভালো লাগে।ভালোবাসি সমুদ্রের উদ্দামতা, পাহাড়ের গম্ভীরতা আর জঙ্গলের গভীরতা.. তিনটেই। এই হলাম মোটামুটিভাবে। আমি। সব তো একসঙ্গে, একইদিনে বলা সম্ভব নয় তাই অনেক কিছুই বাকি রয়ে গেলো। সেসব আবার পরে হবে। অন্য কোনোদিন।

অক্টোবর ০২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Jotugriho : জতুগৃহে অন্য লুকে পরমব্রত

জতুগৃহ সিনেমার টিজার মুক্তি পেল। মুক্তির পরেই হইহই করে ইতিমধ্যেই যথেষ্ট জনপ্রিয় হয়ে গেছে নেটিজেনদের মধ্যে। হবেই বা না কেন। কারণ পরম্ব্রতর লুক। অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় কে দেখা যাচ্ছে পূর্ণবয়স্ক চরিত্রে। ৭০ এর কাছাকাছি বয়সী একজন যাজকের লুকে পরম্ব্রতকে দেখতে পাবেন দর্শকরা। তার সাথে উপরি পাওনা হিসাবে রয়েছে কালিম্পং এর মনোরম দৃশ্য। এছাড়া মিউজিক ডিরেক্টর ডাব্বুর রোমহর্ষক ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক। অতএব বলাই চলে বাংলা সিনেমায় অনেকদিন পরে লোকে গা ছমছমে ব্যাপারটা অনুভব করবে।পরিচালক সপ্তাশ্ব বসু সিনেমাটি নিয়ে খুবই আশাবাদী বিশেষ করে পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের চরিত্র নিয়ে। এরকম চরিত্রে পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় আগে কখনো অভিনয় করেনি। পরম ছাড়াপ অভিনয় করতে দেখা যাবে বনি সেনগুপ্ত ও নবাগতা নায়িকা পিয়ালী চ্যাটার্জীকে। এই ছবিটি করার জন্য বিশেষ প্রস্তুতি নিয়েছিলেন তারা। এছাড়া অংশু বচ কে অন্যধরণের একটা চরিত্রে দেখতে পাবেন দর্শকরা। যদিও এই ছবিতে পায়েল সরকারের চরিত্রের ভূমিকা এখনো পরিচালক রিভিল করেননি।এই ছবির বিষয়ে জানা যাচ্ছে ছবিটি আগামী বছর মুক্তি পাবে। নেক্সট জেন এন্টারটেইনমেন্ট প্রযোজনায় জতুগৃহ একটি অন্যধারার সাইকো ভৌতিক ছবি। এখন অপেক্ষায় রয়েছেন দর্শকরা।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Prantik Banerjee : 'জনতার কথা'-র মুখোমুখি অভিনেতা প্রান্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়

গতবছর ১৫ই নভেম্বর আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন আমাদের সকলের প্রিয় অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। তবে তাঁর অভিনীত কয়েকটি প্রোজেক্ট এখনও রিলিজ হওয়া বাকি। যার মধ্যে রয়েছে ওয়েব সিরিজ আনন্দ আশ্রম। যেটি একটি ভৌতিক গল্পের ওপর নির্মাণ করা হচ্ছে। আর এই ওয়েবেই মুখ্য চরিত্রে দেখা যাবে অভিনেতা প্রান্তিক বন্দ্যোপাধ্যায় কে। আর এই ওয়েবেই প্রান্তিকের বিপরীতে দেখা যাবে বাংলা ধারাবাহিকের জনপ্রিয় মুখ স্বস্তিকা দত্তকে। এটা স্বস্তিকার প্রথম ওয়েবে কাজ। আনন্দ আশ্রম এবং আগামী প্রোজেক্ট নিয়ে জনতার কথার মুখোমুখি প্রান্তিক।জনতার কথাঃ এই ওয়েব সিরিজে কোন ক্যারেক্টারে আমরা তোমাকে দেখতে চলেছি?প্রান্তিকঃ ক্যারেক্টারটা বেসিক্যালি ছবি বানায়। একজন ডকুমেন্ট্রি ফিল্মমেকার। সে এই ছবি বানানোর দৌড়ে একটা পুরনো বাড়ির গল্প খুঁজে পায়। এই গল্পের সার্চের সাথেই বাকি বিষয়টা আছে। ভৌতিক বিষয়টাও এখানে ইমোশনাল স্পেসে ভৌতিক। ভয়াবহ বিষয়টা নয়। এখানে ফিল্মমেকার হিসাবে আমি বাড়ির পুরো তথ্যগুলো বার করি। পাবলিকের সামনে নিয়ে আসি। জনতার কথাঃ স্বস্তিকার সঙ্গে অভিনয় করছো। প্রথম ওয়েবে কাজ করছে স্বস্তিকা। কেমন এক্সপিরিয়েন্স?প্রান্তিকঃ আমার তো খুবই ভাল এক্সপিরিয়েন্স। এক্টুও দেখে মনে হয়নি যে ওর ওয়েবে ফার্স্ট কাজ। সি ইজ অ্যা ব্রিলিয়ান্ট অ্যাক্টর। টেলিভিশনে তার কাজ দেখেছি। এখানেও খুবই ভাল কাজ করেছে। আমাদের দুজনের একসাথে এত ভাল বন্ডিং হয়েছে সেটা প্রচন্ডভাবেই ওয়ার্ক করেছে। জনতার কথাঃ সৌমিত্রবাবুর সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ারের অভিজ্ঞতা কেমন ছিল? প্রান্তিকঃ প্রথমত বলতে চাই উনার মতো ব্যক্তিত্বের সাথে আমি কোনও কাজ করে উঠতে পারিনি। একটা থিয়েটারের দৌলতে তাঁর সাথে আলাপ ছিল। কিন্তু কোনও কাজ হয়নি। এটা আমার কাছে বিরাট প্রাপ্য তাঁর শেষ কাজটাতে অন্তত এক্টুখানি পাশে থাকতে পারছি। এরকম একজন মানুষের সান্নিধ্যে আমি কোনোওভাবে আসতে পারছি এটাই আমার কাছে একটা বড় পাওয়া। জনতার কথাঃ আপকামিং কি কি কাজ আসছে?প্রান্তিকঃ বড়পর্দার জন্য রিলিজ বলতে হৃদপিণ্ড এবং সিন্ডিকেট। হইচই তে একটা ভূতের সিরিজের ওপর কাজ আছে। সেটা নিয়ে কিছু রিভিল করা যাবেনা। পোস্টমর্টাম বলে একটা ইন্টারেস্টিং শর্ট ফিল্ম করলাম। একটা শর্ট ফিল্মের ডাবিং শেষ করলাম। প্লাস টেলিভিশনে দুটো শো চলছে। কড়ি খেলা জি তে এবং মন ফাগুন স্টারে। এদিক-ওদিক মিলিয়ে মোটামুটি চলছে।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Bengal Hero : দেশের সবথেকে সুদর্শন বাংলার এই নায়ক!, জানালেন বলিউড অভিনেতা

যশ দাশগুপ্ত। টলিউডের অন্যতম হ্যান্ডসাম অভিনেতা তিনি। মহিলা মহলে তাঁর আলাদাই একটা ক্রেজ রয়েছে। তবে এবার সবকিছু ছাড়িয়ে যশের মন কাড়লেন এক বলিউড অভিনেতা। সম্প্রতি বেশ কিছু ছবি ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছেন যশ। সেরকমই একটি ছবিতে কমেন্ট করেছেন বলিউড অভিনেতা রোহিত রায়। লিখেছেন, বর্তমানে কলকাতার সবচেয়ে সুদর্শন নায়ক হলে তুমি! রোহিত রায়ের প্রশংসা শুনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে ধন্যবাদও জানান যশ। তারপর যশের মন্তব্যের তলায় রোহিত রায় লেখেন, আমি আসলে লিখতে চেয়েছিলাম গোটা দেশে তুমি সব চেয়ে সুদর্শন। কিন্তু তার পর ভাবলাম আমার বলিউডের বন্ধুরা অসন্তুষ্ট হতে পারে। ভাল থেকো। ছবিতে রোহিত এবং যশের কথোপকথন, বলাই, বাহুল্য, দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে সকলের।প্রসঙ্গত, ২০০৯ সালে শুরু হওয়া হিন্দি ধারাবাহিক বন্দিনী-তে ছিলেন যশ। যেখানে রোহিতের দাদা রণিতের ছেলের চরিত্রে দেখা গেছে যশকে। যদিও তারপর বলিউড ছেড়ে সোজা চলে আসেন টলিউডে। বোঝেনা সে বোঝেনা ধারাবাহিক দিয়ে তার টলিউডে অভিনয় যাত্রা শুরু হয়, বিরসা দাশগুপ্তর গ্যাংস্টার হল তার অভিনীত প্রথম ছবি। এরপর একাধিক ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Youtuber : অভিনেতা যখন ইউটিউবার

সায়ক চক্রবর্তী বর্তমানে এখন সফল অভিনেতা। তার অভিনয় দর্শকদের মন কেড়েছে। তবে অভিনয়ের বাইরে বর্তমানে সায়ক একজন সফল ইউটিউবার। রিয়াজ লস্করকে সঙ্গী করে লকডাউনের পর লেটস স্টার্ট বলে একটি ইউটিউব চ্যানেল খুলে ফেলেছেন সায়ক। ট্র্যাভেল, ফুড, লাইফস্টাইল সহ বিভিন্ন ভিডিও বানান তারা।আরও পড়ুনঃ দেশবাসীর জন্য স্বাধীনতার গান লিখলেন মুখ্যমন্ত্রীনতুন জার্নি শুরু করার পর দুজনেই বেশ নামও করে ফেলেছেন। বর্তমানে তাদের ইউটিউবে সাবস্ক্রাইবার ৬৪ হাজার। অভিনয়ে বেশ পরিচিতি পেলেও ইউটিউব চ্যানেল খোলার পর অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে সায়ক কে। বন্ধু রিয়াজ লস্কর অন্য ধর্মাবলম্বী হওয়ায় অনেক প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়েছে সায়ক কে। কিন্তু সেইসব প্রশ্নে কান দেননি। বরং চ্যালেঞ্জ হিসাবে নিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ মহৌষধি হলুদ দুধের টনিকতাই সায়ক চক্রবর্তী এখন একজন সফল ইউটিউবারও। সম্প্রতি তারা ইউটিউবের টাকা দিয়ে এসি কিনেছেন। বর্তমানে অনেক অভিনেতা-অভিনেত্রীই ইউটিউবার হচ্ছেন। ইউটিউ মাধ্যমে আসায় দর্শকরা তাদের আলাদা ভাবে চিনছেন।

আগস্ট ১৫, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Rudranil Ghosh : নতুন ছবি নিয়ে ফিরছেন রুদ্রনীল

অভিনয় থেকে দীর্ঘদিনের বিরতিতে ছিলেন। সেই বিরতি কাটিয়ে আবার নিজের জায়গায় দেখা যাবে অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ কে। দীর্ঘ বিরতির পর আবার ক্যামেরার সামনে ফিরছেন রুদ্রনীল ঘোষ। করোনা পরিস্থিতি এবং বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থী - সব মিলিয়েই পর্দা থেকে দূরে ছিলেন অভিনেতা। তবে তিনি ফিরছেন তার পরবর্তী ছবি আকাডেমি অফ ফাইন আর্টস নিয়ে। ছবির জন্যে নতুন লুক তৈরি করেছেন অভিনেতা। এটি একটি ক্রাইম থ্রিলার। সেপ্টেম্বরে যার শুটিং শুরু হওয়ার কথা।আরও পড়ুনঃ দেশে বেড়ে গিয়েছে ভিখারির সংখ্যা, প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর রিপোর্টসোশ্যাল মিডিয়ায় নতুন লুকের ছবি পোস্ট করেছেন তিনি। ক্যাপশনে লিখেছেন,নতুন সিনেমার জন্য তৈরি হচ্ছি। নতুন লুকের সেই ছবি একটু অন্য ধরণের। অনেকেই তার নতুন লুক দেখে অবাক হয়েছে। অভিনেত্রী অনিন্দিতা রায়চউধুরি কমেন্ট করে লিখেছেন,উফফ।আরও পড়ুনঃ চাকদার নিখোঁজ মহিলা উদ্ধার টলিউড অভিনেতার বর্ধমানের বাড়ি থেকে অভিনয়ে ফিরলেও রাজনীতি তার জায়গাতেই রয়েছে। এমনটাই জানিয়েছেন অভিনেতা। অভিনয় থেকে দীর্ঘদিনের বিরতির পর রুদ্রনীলের আকাডেমি অফ ফাইন আর্টসদর্শকদের মনে কতটা জায়গা করে নিতে পারে সেটাই এখন দেখার।

আগস্ট ১১, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Anupam Shyam : প্রয়াত বলিউড অভিনেতা অনুপম শ্যাম

করোনা পরিস্থিতিতে আমাদের দেশের অবস্থা একদমই ভালো নয়। রোজ মারা যাচ্ছেন অনেক মানুষ। তবে তাদের পাশাপাশি অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত মানুষদেরও মৃত্যুর খবর আমাদের ব্যথিত করছে। এবার প্রয়াত বিখ্যাত অভিনেতা অনুপম শ্যাম। খলনায়কের চরিত্রেই দর্শকদের মন জয় করেছিলেন তিনি। রবিবার রাত আটটা নাগাদ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে অনুপম শ্যাম। তাঁর বয়স হয়েছিল মাত্র ৬৩ বছর। রবিবার রাত আটটা নাগাদ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে অনুপম শ্যাম। তাঁর বয়স হয়েছিল মাত্র ৬৩ বছর।আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী যুবক গ্রেফতার ভাতারে, তদন্তে পুলিশদীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ অবস্থাতেই মনের জোরকে পুঁজি করে কাজ চালিয়ে যাচ্ছিলেন। তবে এবার হার মানল শরীর। মুম্বইয়ের এক বেসরকারি হাসপাতালে দেহের একাধিক অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিকল হওয়ায় মৃত্যু হয় তাঁর। অনুপম শ্যামের মৃত্যুতে বিনোদুনিয়ায় নেমেছে শোকের ছায়া।আরও পড়ুনঃ কোহলিদের সিরিজে এগিয়ে যাওয়া আটকে দিল বৃষ্টিপরিবার সূত্রে খবর, দীর্ঘদিন ধরে কিডনির সমস্যায় ভুগছিলেন অনুপম শ্যাম। ডায়ালিসিসও চলছিল তাঁর। গত বছর অনুপম শ্যাম নিজেই জানিয়েছিলেন, শুটিং শেষ করে হাসপাতালে ডায়ালিসিস করাতে যান তিনি। তবে বিপুল খরচ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছিলেন খোদ অভিনেতা এবং তাঁর পরিজনেরা। এই পরিস্থিতিতেই সপ্তাহখানেক আগে বেশ আশঙ্কাজনক অবস্থায় মুম্বইয়ের এক হাসপাতালে ভরতি হন অনুপম শ্যাম। চলছিল ডায়ালিসিস। সোনু সুদ বিষয়টি জানতে পারেন। পাশে দাঁড়ান অভিনেতার। বুধবার টুইটারে সোনু সুদ নিজেই জানান তিনি অনুপমের পরিজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পেরেছেন। মুম্বইয়ের ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন আর্টিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যদেরও অভিনেতার পরিবারের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়। তারপরেও বাঁচানো গেল না অভিনেতাকে।

আগস্ট ০৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Anik Dutta : বিশাল ভরদ্বাজের ওয়েবে অভিনয় করছেন না অনীক দত্ত

অনীক দত্ত একজন পরিচালক হিসাবে কতটা ভালো সেটা সকলেরই জানা। তাঁর নির্মিত ছবিগুলোই সেই কথা বলে। সেই অনীক দত্ত এবার ডাক পাচ্ছেন অভিনয়ের জন্য। কিন্তু তাঁকে সব প্রস্তাব ফিরিয়ে দিতে হচ্ছে। কারণ তাঁর আগামী ছবি অপরাজিতা-র শুটিং এ ব্যস্ত।আরও পড়ুনঃ মুক্তি পেল বেল বটম-এর ট্রেলারমঙ্গলবার সোশ্যাল মিডিয়াতে অনীক দত্ত জানিয়েছেন, ওই দিন বিশাল ভরদ্বাজ তাঁর আগামী ওয়েব সিরিজে মুখ্য চরিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন তাঁকে। যথারীতি অনীক ফিরিয়ে দিয়েছেন সেই ডাক। তিনি আরও জানিয়েছেন, এই ঘটনা নতুন নয়। বহু বছর ধরেই বিভিন্ন পরিচালক তাঁকে এই প্রস্তাব দিয়েছেন। নিজের কাজের খাতিরে সেই প্রস্তাব সবিনয়ে প্রত্যাখ্যান করতে হয়েছে তাঁকে। বিশালের আগে আদিত্য বিক্রম সেনগুপ্ত তাঁকে অভিনয়ের জন্য ডেকেছিলেন। অনীক তাঁর ডাকেও সাড়া দিতে পারেননি।আরও পড়ুনঃ দেখুন নুসরতের জীবনের প্রকৃত ভালোবাসা কেএই প্রসঙ্গে পরিচালক আরও জানিয়েছেন, মঙ্গলবার তাঁর কাছে বলিউডের পরিচালকের কাস্টিং ডিরেক্টরের ফোন আসে। তিনি অভিনেত্রী মৌমিতা পণ্ডিতের নামও করেন। এই প্রসঙ্গে তিনি জানান, ২০১২-য় ভুবনেশ্বরে বিশালের সঙ্গে একটি আলোচনায় অংশ নিয়েছিলেন। পরে বিশালের সঙ্গে অনেকক্ষণ আড্ডাও দিয়েছিলেন তিনি। পাশাপাশি পরিচালকের আফসোস, এ জীবনে সম্ভবত তাঁর আর পরিচালক-অভিনেতা হওয়া হল না। কী ধরনের চরিত্রে অভিনয়ের ডাক পেয়েছিলেন অনীক? পরিচালক জানিয়েছেন, প্রস্তাবে রাজি হলে সিরিজে তাঁকে অবসরপ্রাপ্ত বাঙালি ব্রিগেডিয়ারের ভূমিকায় দেখা যেত

আগস্ট ০৫, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Paramabrata : স্বস্তিকার কাছে টাকা চাইলেন পরমব্রত!

গোপনে নয়, প্রকাশ্যে। নেটমাধ্যমে, টুইট করে। অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ের কাছে হঠাৎ টাকা চাইলেন অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু কেন? টলিউডের এই তারকা অভিনেতার হঠাৎ কি হল যে তিনি টাকা চেয়ে বসলেন?Tui poisa de! @swastika24 https://t.co/TjNqHAhafI parambrata (@paramspeak) August 1, 2021পরমব্রতর টুইট করে বলছেন, বিশ্ব বন্ধু দিবসে রসিকতা দিয়েই তাঁরা আরও এক বার তাঁদের বন্ধুত্ব ঝালিয়ে নিলেন। প্রচণ্ড ব্যস্ততার মধ্যেও অভিনেতা সময় বের করে ফিরে গিয়েছেন পাহাড়ে। রবিবার কার্শিয়াং থেকে একটি সাদাকালো ছবি শেয়ার করেন তিনি। লেখেন, আবার পাহাড়ে। একমুখী মন নিয়ে...! পরমব্রতকে আবার পাহাড়ে ফিরতে দেখে রসিকতার লোভ সামলাতে পারেননি স্বস্তিকা। ঠাট্টা করে লেখেন, তুই ওখানে একটা বাড়ি করে নে এ বার। তিনিও পাল্টা রসিকতা করে টাকা চেয়ে বসেন স্বস্তিকার কাছে, তুই পয়সা দে! তবে এটার আর কোনো উত্তর দেননি স্বস্তিকা।

আগস্ট ০৩, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Yash-Madhumita আবার যশ-মধুমিতা একসঙ্গে

রাজনীতির ময়দানে আসার পর তাকে আর অভিনয়ে দেখা যায়নি। সেই যশ দাশগুপ্ত আবার অভিনয়ে ফিরছেন। তবে তার অভিনয় ফেরার থেকে বড় খবরটা যশের সঙ্গে অভিনয়ে দেখা যাবে মধুমিতা কে। ২০১৩-র ব্লকবাস্টার ধারাবাহিক বোঝে না সে বোঝে না-তে এই প্রযোজনা সংস্থাই প্রথম যশ-মধুমিতাকে জুটি হিসেবে এনেছিল। ২০১৩-র ব্লকবাস্টার ধারাবাহিক বোঝে না সে বোঝে না-তে এই প্রযোজনা সংস্থাই প্রথম যশ-মধুমিতাকে জুটি হিসেবে এনেছিল। দুজনের অনুরাগীরা ভালোবেসে যশমিতা নামও দিয়েছিলেন। আনন্দবাজার অনলাইন যোগাযোগ করলে যশ জানান, খবর সত্যি। আরও খবর, শ্রী ভেঙ্কটেশ ফিল্মসের আগামী প্রযোজনায় দেখা যাবে ছোট পর্দার অরণ্য সিংহ রায়-পাখি ঘোষ দস্তিদার-কে।যদিও কোন পর্দায়, কার পরিচালনায় ফিরছেন জুটি, সে খবর এখনই ফাঁস করতে রাজি নন যশ। অভিনেতা জানিয়েছেন, কথাবার্তা চলছে। খুব শিগগিরিই সামনে আসবে সব কিছু। তবে পাপারাত্জিদের ক্যামেরা এড়াতে পারেননি জনপ্রিয় জুটি। সেই ছবি ভাইরাল মধুমিতার ফ্যানপেজে। ছবি বলছে, এসভিএফের অফিসে দেখা গিয়েছে দুই তারকাকে। দুজনেরই পরনে ছেঁড়া ডেনিম। মধুমিতা অনায়াস স্লিভলেস ছোট টপে। যশ পরেছেন গোল গলার টি-শার্ট। যদিও টলিপাড়ায় খবর, বাবা যাদবের পরিচালনায় এ বার দেখা যাবে যশ-মধুমিতাকে। এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা।

আগস্ট ০১, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Covid : করোনায় আক্রান্ত ফারুকী ও শাওন

করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন বাংলাদেশের বিনোদন জগতের দুই তারকা। অভিনয়শিল্পী মেহের আফরোজ শাওন গতকাল শুক্রবার জানতে পেরেছেন, তিনি কোভিড১৯ পজিটিভ। আর পরিচালক মোস্তফা সরয়ার ফারুকী শনিবার সেই খবরটা দিলেন।আরও পড়ুনঃ কিশোর কুমারের জন্মদিনে নতুন চমক আনছেন পুত্র অমিতনিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ফারুকী লিখেছেন, সব রকম নিরাপত্তাব্যবস্থা কঠোরভাবে মানার পরও পজিটিভ আমি। দয়া করে সবাই নিজের যত্ন নিন এবং মনোবল মজবুত রাখুন। পাঁচ দিন আগে করোনার টিকার প্রথম ডোজ নেন পরিচালক মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। অন্যদিকে শাওনের উপসর্গ বলতে গাব্যথা, দুর্বলতা, কাশি। তবে তিনি জানিয়েছেন তাঁর দুই সন্তান বাড়িতেই আছেন এবং সুস্থ আছেন।বাংলাদেশে ফারুকী ও শাওনের ভক্ত কম নয়। সকলেই এখন অপেক্ষা করছেন কত তাড়াতাড়ি তাদের দুজন প্রিয় মানুষ সুস্থ হয়ে উঠতে পারেন।

আগস্ট ০১, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Rahul : মরণোত্তর অঙ্গদানের শপথ অভিনেতার

নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের। অঙ্গদানের প্রতিশ্রুতি নিলেন তিনি। আজ সকালেই নিজের ফেসবুক মারফৎ এই খবরটা সকলকে জানান তিনি। সেখানে শংসাপত্রের ছবি পোস্ট করেছেন রাহুল। ক্যাপশনে লিখেছেন জীবনে কারও তো কোনও কাজে লাগিনি...। রাহুলের এই উদ্যোগকে কুর্নিশ জানিয়েছেন নেটিজেনরা ।জানানো হয়েছে, অঙ্গদান করে জীবন বাঁচানোর শপথ নিয়েছেন রাহুল। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে পিডিএফ ফরম্যাটে তিনি নিজের ই-কার্ড পেয়ে যাবেন। সেই নথি তিনি পিডিএফ ফরম্যাট বা প্রিন্ট আউট, যে কোনও ভাবে নিজের কাছে রাখতে পারবেন। ভারতীয় আইন অনুযায়ী, রাহুলের মৃত্যুর পর তাঁর ঘনিষ্ঠ পরিজন সিদ্ধান্ত নেবেন অঙ্গদানের বিষয়ে। রাহুলকে অনুরোধ করা হয়েছে তাঁর সংকল্পের কথা পরিবার পরিজনকে জানিয়ে রাখতে। পাশাপাশি, কার্ডটি সবসময় তাঁর নিজের কাছে রাখার জন্যও বলা হয়েছে। রাহুল বর্তমানে দেশের মাটি ধারাবাহিকের সঙ্গে যুক্ত। এই ধারাবাহিকে রাজার চরিত্র করছেন তিনি। যে চরিত্রটি দর্শকদের একটি প্রিয় চরিত্র হয়ে উঠেছে।

জুলাই ২৪, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Chunky Pandey : মায়ের স্মৃতিতে চাঙ্কি পান্ডে

এই মাসেরই গোড়াতে মাকে হারিয়েছেন বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা চাঙ্কি পান্ডে। এই দুনিয়ায় মা ছিলেন তাঁর বড় কাছের। মা চলে গেলেও স্মৃতি তাজা আজও। মাকে নিয়ে স্মৃতির ঝুলি উজাড় করলেন চাঙ্কি। জানালেন, ছোট থেকে মেয়ে ভালবাসা মা একটি নির্দিষ্ট বয়স পর্যন্ত চাঙ্কিকে মেয়েদের মতো পোশাক পরাতেন। দুল পরতে ভাল লাগত তাঁরও। এখানেই শেষ নয় তিনি যে মামাজ বয় ছিলেন সে কথা অকপটে স্বীকার করে নিচ্ছেন চাঙ্কি। তাঁর কথায়, সাধারণত হিরোইনরা ছবির জন্য বাইরে যেতে হলে তাঁদের মাকে নিয়ে যায়। আমি বোধহয় একমাত্র হিরো ছিলাম যে এই সব ক্ষেত্রে মাকে নিয়ে বাইরে যেতাম। আমার কোনও স্টেডি প্রেমিকা না হওয়া পর্যন্ত মাকেই সব জায়গায় নিয়ে যেতাম আমি। আমি খুশি আমার জন্য সারা দুনিয়া দেখতে পেরেছে মা।চাঙ্কি আরও জানাচ্ছেন মা স্নেহলতা দেবীর মেয়ের শখ ছিল। কিন্তু হল ছেলে। শখ পূর্ণ হল না। অগত্যা, দুধের স্বাদ ঘোলে। দুবছর বয়স পর্যন্ত মেয়েদের পোশাক পরতেন চাঙ্কি। তিনি যোগ করেন, ওই সব কানের দুল পরতে কী ভাল লাগত। এখনও যখন শপিংয়ে যাই মেয়েদের জামাকাপড় কিনে ফেলি। দোকানদার জিজ্ঞাসা করে মেয়ের জন্য না স্ত্রীর জন্য। আমি বলি, আমার জন্য। তবে শান্ত বাচ্চা তিনি যে ছিলেন না সে কথাও জানাচ্ছেন চাঙ্কি। একবার বাবার রেজর দিয়ে নিজের ভুরু অবধি কেটে ফেলেছিলেন তিনি।গত ১০ জুলাই প্রয়াত হন স্নেহলতা পান্ডে। তিনি ছিলেন পেশায় ডাক্তার। কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন নাতনি অনন্যা।

জুলাই ২৩, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

স্কুল আছে, শিক্ষকও আছেন, কিন্তু পড়ুয়া শূন্য! রাজ্যের ৪১৩৩ স্কুল নিয়ে এবার বড় সিদ্ধান্ত

স্কুল রয়েছে, শিক্ষকও রয়েছেন। কিন্তু সেই স্কুলে পড়ুয়া নেই একজনও। রাজ্যে এমন পড়ুয়াশূন্য সরকারি ও সরকার পোষিত স্কুলের সংখ্যা ৪১৩৩। এবার এই স্কুলগুলির ভবিষ্যৎ নিয়ে পর্যালোচনা শুরু করেছে রাজ্য সরকার। ফাঁকা স্কুলবাড়িগুলি যাতে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে না থাকে, তার জন্য বিকল্প ব্যবহারের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।জানা গিয়েছে, শিক্ষা সচিবের নির্দেশে ইতিমধ্যেই জেলাস্তরে এই কাজ শুরু হয়েছে। প্রতিটি জেলার জেলাশাসককে এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে বলা হয়েছে। কলকাতার ক্ষেত্রে কলকাতা পুরসভার কমিশনারকেও চিঠি পাঠানো হয়েছে।পড়ুয়াশূন্য স্কুলগুলির বর্তমান পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে জেলাস্তরে একটি কমিটি কাজ করবে। স্কুলগুলির ভবনের অবস্থা, পরিকাঠামো, অবস্থান এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয় যাচাই করা হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট স্কুলবাড়ি ভবিষ্যতে কী কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে, সেই বিষয়ে প্রস্তাব তৈরি করবে কমিটি।শিক্ষা দফতরের হিসাব অনুযায়ী, রাজ্যে এমন ৪১৩৩টি স্কুল চিহ্নিত হয়েছে যেখানে বর্তমানে একজনও পড়ুয়া নেই। অথচ এই স্কুলগুলির সঙ্গে প্রায় ১৯ হাজার শিক্ষক যুক্ত রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ফলে পড়ুয়া না থাকা স্কুলগুলির পরিকাঠামো এবং শিক্ষক সংক্রান্ত বিষয় নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।এই স্কুলবাড়িগুলিকে কী ভাবে কাজে লাগানো যায়, তা নিয়েও একাধিক সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কোনও স্কুলবাড়িতে স্বাস্থ্যকেন্দ্র তৈরি করা যেতে পারে। কোথাও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র চালু করার প্রস্তাব আসতে পারে। আবার কোনও ক্ষেত্রে বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে পিপিপি মডেলে স্কুল চালানোর সম্ভাবনাও বিবেচনা করা হতে পারে।তবে কোনও স্কুলের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা এখনই চূড়ান্ত হয়নি। জেলাস্তরের কমিটি পরিকাঠামো ও স্থানীয় প্রয়োজন যাচাই করার পর প্রস্তাব পাঠাবে। সেই প্রস্তাবের ভিত্তিতেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।জানা গিয়েছে, আগামী ৩০ দিনের মধ্যে এই পর্যালোচনা এবং প্রস্তাব তৈরির প্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে রাজ্যের ৪১৩৩ পড়ুয়াশূন্য স্কুলের ভবিষ্যৎ নিয়ে আগামী কয়েক সপ্তাহেই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত সামনে আসতে পারে।পড়ুয়া না থাকা স্কুলগুলির ভবন যাতে দীর্ঘদিন ফাঁকা পড়ে না থাকে, সেই লক্ষ্যেই বিকল্প ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। তবে কোন স্কুলে কী পরিবর্তন হবে, তা নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট এলাকার প্রয়োজন, ভবনের পরিকাঠামো এবং জেলাস্তরের কমিটির রিপোর্টের উপর।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

জাপানে পৌঁছনোর পর থেকেই ভোগান্তি, ১০ ঘণ্টা পথেই! এশিয়ান গেমসে কেন এমন পরিণতি বরুণের?

প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা পরিষদের এক সদস্যের পুত্র বরুণ সান্যাল এশিয়ান গেমসে ভারতের হয়ে মিক্সড মার্শাল আর্টে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু প্রতিযোগিতায় নামার আগেই অসুস্থ হয়ে পড়ায় শেষ পর্যন্ত তাঁকে প্রতিযোগিতা থেকে নাম প্রত্যাহার করতে হয়েছে।এবারই এশিয়ান গেমসে মিক্সড মার্শাল আর্ট অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ৭৭ কেজি বিভাগে ভারতের প্রথম পুরুষ প্রতিনিধি হিসেবে নামার কথা ছিল বরুণের। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক স্তরে তাঁর পারফরম্যান্সের ভিত্তিতেই এশিয়ান গেমসে সুযোগ পান তিনি। তবে প্রথমে নির্বাচিত ক্রীড়াবিদদের তালিকায় তাঁর নাম ছিল না। পরে সংশোধিত তালিকায় জায়গা পান বরুণ।রবিবার প্রতিযোগিতায় নামার কথা ছিল তাঁর। তার আগে ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য সনায় যান বরুণ। ওজনভিত্তিক লড়াইয়ে নামার আগে অনেক প্রতিযোগীই সনায় গিয়ে শরীরের অতিরিক্ত জল কমিয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখেন। কিন্তু সনায় যাওয়ার পরই অসুস্থ হয়ে পড়েন বরুণ।জানা গিয়েছে, প্রচণ্ড গরমের কারণে অতিরিক্ত ঘাম হচ্ছিল। এর পর তাঁর পেশিতে টান ধরে এবং শরীরে জলের পরিমাণও আশঙ্কাজনক ভাবে কমে যায়। রাত একটা নাগাদ সনাতেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন তিনি। এক নেপালি ক্রীড়াবিদ বিষয়টি দেখতে পেয়ে তাঁকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান।চিকিৎসকেরা পরীক্ষা করার পর বরুণকে প্রতিযোগিতার জন্য অনুপযুক্ত বলে জানান। ফলে ৭৭ কেজি বিভাগে আর লড়াইয়ে নামার অনুমতি পাননি তিনি। শেষ পর্যন্ত এশিয়ান গেমস থেকেই নাম প্রত্যাহার করতে হয় তাঁকে।তবে বরুণের অসুস্থতার পিছনে শুধু সনার ঘটনাই নয়, জাপানে পৌঁছনোর পর থেকেই একাধিক সমস্যার মুখে পড়ার অভিযোগও উঠেছে। জানা গিয়েছে, এশিয়ান গেমসের ব্যবস্থাপনায় তাঁর নাম নথিভুক্ত করতেই দীর্ঘ সময় লেগেছিল। প্রায় ১০ ঘণ্টা ধরে একের পর এক দফতরে গিয়ে নথিভুক্তির কাজ শেষ করার চেষ্টা করতে হয়েছিল বলে অভিযোগ।এর পর থাকার ঘর নিয়েও সমস্যা তৈরি হয়। বরুণ যে ঘর পেয়েছিলেন, সেখানে আরও দুজন ক্রীড়াবিদকে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। সেই সমস্যা মেটাতেও বেশ কয়েক ঘণ্টা সময় চলে যায়।এই সমস্ত সমস্যার কারণে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগও কমে যায় বলে অভিযোগ। পাশাপাশি ওজন নিয়ন্ত্রণের মধ্যে থেকে প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর খাবার খাওয়াও কঠিন হয়ে পড়েছিল বলে জানা গিয়েছে। শেষ পর্যন্ত ওজন ঠিক রাখতে সনায় যেতে হয়েছিল বরুণকে।কিন্তু সনায় গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ার পর চিকিৎসকেরা তাঁকে প্রতিযোগিতায় নামার অনুমতি দেননি। ফলে এশিয়ান গেমসে ইতিহাস তৈরির সুযোগ পেয়েও লড়াইয়ে নামতে পারলেন না বরুণ। তাঁর এই পরিস্থিতির জন্য এশিয়ান গেমসের ব্যবস্থাপনা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তবে পুরো বিষয়টি নিয়ে আয়োজকদের তরফে কী ব্যাখ্যা দেওয়া হয়, এখন সে দিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
দেশ

সপ্তাহে দু’দিন ছুটির দাবিতে ফের ধর্মঘট, মাসের শেষে টানা পাঁচ দিন বিপাকে গ্রাহক?

দেশজুড়ে ফের ব্যাঙ্ক পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সপ্তাহে পাঁচ দিন ব্যাঙ্ক চালু এবং শনি ও রবিবার ছুটির দাবিতে ব্যাঙ্ক কর্মীদের যৌথ মঞ্চ ফের দেশব্যাপী ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে। আগামী ২৮ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর টানা তিন দিন ধর্মঘটের কর্মসূচি রয়েছে। এর আগে ১১ সেপ্টেম্বরও দেশজুড়ে এক দিনের ধর্মঘট পালন করেছিলেন ব্যাঙ্ক কর্মীরা।ধর্মঘটের আগে এবং পরে সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে ব্যাঙ্ক পরিষেবা নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ২৬ সেপ্টেম্বর চতুর্থ শনিবার এবং ২৭ সেপ্টেম্বর রবিবার হওয়ায় ২৬ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত টানা পাঁচ দিন ব্যাঙ্কের স্বাভাবিক কাজকর্মে প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে কোন পরিষেবা কতটা ব্যাহত হবে, তা ব্যাঙ্কভেদে আলাদা হতে পারে।ব্যাঙ্ক কর্মী সংগঠনগুলির দীর্ঘদিনের অন্যতম দাবি হল সপ্তাহে পাঁচ দিন ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থা চালু করা। অর্থাৎ শনি ও রবিবার নিয়মিত ছুটি দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছেন কর্মীরা। সেই দাবির পাশাপাশি আরও কিছু বিষয় নিয়ে আন্দোলন চলছে। দাবি পূরণ না হওয়ায় ফের ধর্মঘটের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে বলে সংগঠনগুলির তরফে জানানো হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে ধর্মঘটের প্রভাব কমাতে আগেভাগেই তৎপর হয়েছে কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রক। আর্থিক পরিষেবা দফতরের সচিবের নেতৃত্বে ২১ সেপ্টেম্বর একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ডাকা হয়েছে। সেখানে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক, আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাঙ্ক, ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্কস অ্যাসোসিয়েশন এবং নাবার্ডের শীর্ষ কর্তাদের উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।ধর্মঘটের সময়ে ব্যাঙ্কিং পরিষেবা এবং গ্রাহকদের প্রয়োজনীয় পরিষেবা কী ভাবে যতটা সম্ভব সচল রাখা যায়, সেই বিষয়েই বৈঠকে আলোচনা হওয়ার কথা। ধর্মঘটের জেরে যাতে আর্থিক লেনদেন ও জরুরি পরিষেবায় বড় ধরনের সমস্যা না হয়, তার জন্য বিকল্প ব্যবস্থা নিয়েও আলোচনা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে ধর্মঘটের সঙ্গে সপ্তাহান্তের ছুটি এবং ব্যাঙ্কের অর্ধবার্ষিক হিসাব বন্ধের সময়ও মিলে যাচ্ছে। ফলে ওই সময়ে গ্রাহক ও ব্যবসায়ীদের ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত জরুরি কাজকর্মে সমস্যা তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।অন্য দিকে, কর্মী সংগঠনগুলির কর্মসূচি এখানেই শেষ নয়। তাঁদের দাবি পূরণ না হলে পরবর্তী সময়ে আরও বড় আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে। ফলে সপ্তাহে পাঁচ দিন ব্যাঙ্ক চালুর দাবি ঘিরে কর্মী সংগঠন, ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ এবং সরকারের মধ্যে আলোচনা কোন দিকে যায়, এখন সে দিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
কলকাতা

শতাব্দীপ্রাচীন গ্যালিফ স্ট্রিটের সখের হাটে বড় ধাক্কা! আদালতের নির্দেশে বন্ধ পোষ্য বিক্রি

উত্তর কলকাতার শতাব্দীপ্রাচীন গ্যালিফ স্ট্রিটের সখের হাটে বেআইনি পাখি, মাছ, কুকুরছানা-সহ বিভিন্ন পোষ্য বিক্রি বন্ধে নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট। বুধবার আদালতের তরফে এই নির্দেশ দেওয়া হয়। রবিবার থেকেই সেই নির্দেশ কার্যকর করার কথা ছিল। কলকাতা পুলিশ এবং শুল্ক দফতরকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, রবিবার সকাল থেকেই গ্যালিফ স্ট্রিটের সখের হাটে নজরদারি শুরু হয়। কলকাতা পুলিশ এবং শুল্ক দফতরের আধিকারিকেরা বাজারে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। বাজারের ব্যবসায়ীদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে।বাজারের সংগঠনের তরফেও মাইকিং করা হয়। বিভিন্ন জায়গায় ব্যানার টাঙিয়ে ব্যবসায়ীদের আদালতের নির্দেশ সম্পর্কে জানানো হচ্ছে। একই সঙ্গে বাজারের সদস্যদের কলকাতা পুরসভার ট্রেড লাইসেন্স থাকা বাধ্যতামূলক বলেও জানানো হয়েছে।গ্যালিফ স্ট্রিটের এই সখের হাট দীর্ঘদিনের পুরনো। বাজারের ব্যবসায়ীদের দাবি, কয়েক দশক ধরে তাঁরা এখানে ব্যবসা করছেন। তাঁদের বক্তব্য, এক সময় সরকারই তাঁদের এখানে বসার অনুমতি দিয়েছিল। এখন ট্রেড লাইসেন্স সংক্রান্ত নিয়ম সামনে আসায় বহু ব্যবসায়ী সমস্যায় পড়েছেন।সখের হাটের সদস্য অমর চক্রবর্তী জানিয়েছেন, বাজারে সাতশোরও বেশি সদস্য রয়েছেন। তাঁর দাবি, এটি শতাব্দীপ্রাচীন বাজার এবং বহু মানুষ দীর্ঘদিন ধরে এখানে ব্যবসা করছেন। কিন্তু কলকাতা পুরসভার ট্রেড লাইসেন্স না থাকলে ব্যবসা চালানো নিয়ে নতুন করে সমস্যা তৈরি হয়েছে।অমর বলেন, যত দিন এই রাস্তার উপর ব্যবসার জন্য ট্রেড লাইসেন্সের বিষয়টি মীমাংসা না হচ্ছে, তত দিন ব্যবসা চালানো যাবে না বলে জানানো হয়েছে। অনেক ব্যবসায়ীর কাছেই সেই লাইসেন্স নেই বলেও জানিয়েছেন তিনি। তবে আদালতের নির্দেশ তাঁরা মেনে নিয়েছেন বলে স্পষ্ট করেছেন সখের হাটের ওই সদস্য।গ্যালিফ স্ট্রিটের সখের হাটে পাখি ও বিভিন্ন পোষ্য বিক্রি নিয়ে এর আগেও প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে দেশীয় পাখি কেনাবেচা আইনত নিষিদ্ধ হওয়ায় এই বাজারে নজরদারি চালিয়েছে বন দফতর। অতীতে এই বাজারে বেআইনি পাখি বিক্রির অভিযোগে অভিযান এবং পাখি উদ্ধারের ঘটনাও ঘটেছে।এ বার কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশের পর বিষয়টি আরও গুরুত্ব পেয়েছে। রবিবার থেকেই বাজারে পুলিশ ও শুল্ক দফতরের আধিকারিকদের উপস্থিতি দেখা যায়। ফলে আদালতের নির্দেশ কতটা কার্যকর করা যায় এবং ব্যবসায়ীদের মধ্যে কত জন প্রয়োজনীয় নথি ও লাইসেন্স দেখাতে পারেন, সে দিকেই এখন নজর।তবে এই নির্দেশের ফলে বাজারের দীর্ঘদিনের ব্যবসায়ীদের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সাতশোর বেশি সদস্যের এই পুরনো বাজারে কত জন বৈধ ভাবে ব্যবসা চালাতে পারবেন, কত জনকে নতুন নিয়ম মেনে চলতে হবে, তা আগামী দিনে আরও স্পষ্ট হবে।গ্যালিফ স্ট্রিটের সখের হাটের ক্ষেত্রে এখন মূল বিষয় দুটিআদালতের নির্দেশ মেনে বেআইনি পোষ্য বিক্রি বন্ধ করা এবং বৈধ ব্যবসার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় অনুমতি ও ট্রেড লাইসেন্স নিশ্চিত করা। আদালতের নির্দেশ কার্যকর হওয়ার পর বাজারের চেহারা কতটা বদলায়, সেটিই এখন দেখার।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
রাজ্য

কিষানজির ছায়াসঙ্গী মঙ্গল, সঙ্গে স্ত্রী মালতী! জঙ্গলমহলে বড় সাফল্যের দাবি এসটিএফের

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে থাকা মাওবাদী দম্পতি মঙ্গল মাহাতো ও তাঁর স্ত্রী মালতী মুর্মুকে পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনি এলাকা থেকে আটক করা হয়েছে বলে খবর। শনিবার দুপুরে শালবনি থানার সরবেড়িয়া গ্রামের একটি বাড়ি থেকে তাঁদের এসটিএফের হাতে আসার খবর ছড়ায়। তবে তাঁরা গ্রেফতার হয়েছেন, নাকি আত্মসমর্পণ করেছেন, তা নিয়ে রাত পর্যন্ত সরকারি ভাবে স্পষ্ট কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি।মঙ্গল মাহাতো পুলিশের খাতায় পতিত মাহাতো, পাপ্পু, সমীর এবং পান্ডে নামেও পরিচিত। পুলিশ সূত্রের দাবি, তিনি সিপিআই মাওবাদীর সাব জোনাল কমিটির সদস্য ছিলেন। ঝাড়খণ্ড পুলিশের তরফে তাঁর মাথার দাম পাঁচ লাখ টাকা ঘোষণা করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। তাঁর স্ত্রী মালতী মুর্মু সংগঠনের এরিয়া কমিটির সদস্য ছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। তাঁর বিরুদ্ধেও দুই লাখ টাকার পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল।পুলিশের দাবি, মঙ্গলের হাতে একে-৪৭ এবং মালতীর হাতে ইনসাস রাইফেল থাকত। তবে তাঁদের কাছ থেকে অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে কি না, সে বিষয়ে সরকারি ভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।মঙ্গল মাহাতো দীর্ঘদিন ধরে মাওবাদী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। পরিবারের তরফে জানা গিয়েছে, ২০০৮ সালে তিনি মাওবাদী কার্যকলাপে যুক্ত হন। প্রথমে বার্তাবাহক হিসেবে কাজ করার পর স্কোয়াডের সদস্য হন। ২০০৯ সালে নবম শ্রেণিতে পড়ার সময় সশস্ত্র সংগঠনে যোগ দেন বলে তাঁর পরিবারের দাবি।লালগড় আন্দোলনের সময় মঙ্গলের সক্রিয় ভূমিকা ছিল বলেও পুলিশ সূত্রে দাবি। পরে তিনি মাওবাদী নেতা কিষানজির দেহরক্ষী হিসেবে কাজ করেছিলেন বলে জানা যায়। কিষানজির মৃত্যুর সময় সুচিত্রা মাহাতো ছাড়া মঙ্গলই সেখানে উপস্থিত ছিলেন বলে পুলিশের নথিতে উল্লেখ রয়েছে। ওই সময় বাহিনীর ঘেরাটোপ পেরিয়ে তিনি পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিলেন বলেও জানা গিয়েছে।মালতী মুর্মুর জীবনও অল্প বয়সেই মাওবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িয়ে যায় বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। ঝাড়গ্রামের বেলপাহাড়ি এলাকার বাসিন্দা মালতী ছোটবেলাতেই মাকে হারান। পরে জ্যাঠার বাড়িতে বড় হন। প্রায় ১৫ বছর বয়সে তিনি মাওবাদী স্কোয়াডে যোগ দেন বলে পরিবারের তরফে জানা গিয়েছে। পরবর্তী সময়ে মঙ্গল ও মালতীর মধ্যে সহকর্মী হিসেবে সম্পর্ক তৈরি হয় এবং তাঁরা বিয়ে করেন।২০১১ সালের পর দুজনেই ঝাড়খণ্ডে মাওবাদী নেতা আকাশের স্কোয়াডে যোগ দেন বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। প্রথমে বাংলা লাগোয়া পূর্ব সিংভূমের জঙ্গলে, পরে দলমা ও সারান্ডার জঙ্গলে তাঁদের ঘোরাফেরা ছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। দীর্ঘ সময় ধরে তাঁরা সংগঠনের পূর্বাঞ্চলীয় ঘাঁটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলেও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।এর মধ্যে যৌথ বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযানের জেরে আকাশ-সহ কয়েক জন মাওবাদী বাংলার দিকে ফিরেছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। আগস্ট মাসে মদন মাহাতো, বীরেন সিং এবং মীরা পাহাড়িয়াকে ঝাড়খণ্ড পুলিশ গ্রেফতার করে। পরে অনিতা কায়েম আত্মসমর্পণ করেন বলে জানা যায়।সংগঠনের সদস্য সংখ্যা কমে যাওয়ার পর আকাশও জঙ্গল ছেড়ে শহরের দিকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন বলে তদন্তকারীদের দাবি। তাঁর সঙ্গে থাকা কয়েক জনের বিরুদ্ধেও পরে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে আত্মসমর্পণের উদ্যোগ নেওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসে।এই পরিস্থিতিতেও মঙ্গল ও মালতী জঙ্গলেই ছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। তাঁদের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র ছিল বলেও তদন্তকারীরা জানতে পারেন বলে খবর। এর মধ্যেই বৃহস্পতিবার পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুরের লালাট গ্রামে শ্বশুরবাড়ি থেকে আকাশকে এসটিএফ গ্রেফতার করে।আকাশকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পর মঙ্গল মাহাতোর সম্ভাব্য অবস্থান সম্পর্কে তদন্তকারীরা তথ্য পান বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। আকাশের গ্রেফতারের খবর প্রকাশ্যে আসার পর মঙ্গল জঙ্গলে আগ্নেয়াস্ত্র লুকিয়ে স্ত্রীকে নিয়ে গাড়িতে করে পশ্চিম মেদিনীপুরের দিকে চলে আসেন বলেও তদন্তকারীদের দাবি।এর পরেই শালবনির সরবেড়িয়া গ্রামে মদন মাহাতোর এক আত্মীয়ের বাড়িতে তাঁদের অবস্থানের খবর পাওয়া যায়। সেখান থেকেই শনিবার দুজনকে এসটিএফ নিজেদের হেফাজতে নেয় বলে সূত্রের খবর।তবে এই ঘটনায় এখনও কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর স্পষ্ট নয়। মঙ্গল ও মালতীকে গ্রেফতার করা হয়েছে, নাকি তাঁরা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন, তা সরকারি ভাবে জানানো হয়নি। তাঁদের কাছ থেকে কোনও অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে কি না, সেটিও এখনও স্পষ্ট নয়। এসটিএফের তরফে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি সামনে এলে গোটা ঘটনা আরও পরিষ্কার হবে।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
কলকাতা

মমতাকে হারানোর ছক নাকি ক্যামাক স্ট্রিটে! ঋতব্রতর বিস্ফোরক দাবিতে তোলপাড়

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে তৃণমূলের অন্দরের দ্বন্দ্ব নিয়ে নতুন করে বিস্ফোরক দাবি করলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। একটি সাক্ষাৎকারে তাঁর দাবি, ক্যামাক স্ট্রিট থেকে তৃণমূলের ১৪ জন প্রার্থীকে হারানোর পরিকল্পনা করা হয়েছিল। সেই তালিকায় প্রথম নাম ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এই দাবির স্বপক্ষে তাঁর কাছে নাকি প্রমাণও রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।ঋতব্রতর বক্তব্য অনুযায়ী, ভোটের অনেক আগে থেকেই তৃণমূলের ভিতরে নবীন ও প্রবীণ নেতৃত্বের মধ্যে মতপার্থক্য তৈরি হয়েছিল। এক দিকে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুগামীরা, অন্য দিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত তরুণ নেতাদের একটি অংশ। ভোটের আগে প্রকাশ্যে সেই দ্বন্দ্ব খুব বেশি দেখা না গেলেও দলের ভিতরে টানাপোড়েন চলছিল বলে দাবি ঋতব্রতর।তাঁর অভিযোগ, এই পরিস্থিতির মধ্যেই তৃণমূলের ১৪ জন প্রার্থীকে হারানোর পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তাঁর দাবি, ওই তালিকার প্রথম নাম ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তালিকায় আরও কয়েক জন গুরুত্বপূর্ণ তৃণমূল নেতার নাম ছিল বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। তবে ওই ১৪ জনের সম্পূর্ণ তালিকা প্রকাশ্যে আসেনি।ঋতব্রত আরও দাবি করেছেন, যাঁদের হারানোর পরিকল্পনা করা হয়েছিল, তাঁদের নির্বাচনী এলাকায় দলের গুরুত্বপূর্ণ কর্মীদের নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া এবং নির্বাচনী এজেন্টদের সমস্যায় ফেলার মতো পদক্ষেপ করা হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, এই ধরনের নির্দেশ দলের ভিতর থেকেই দেওয়া হয়েছিল।এই দাবির সঙ্গে ভবানীপুরের নির্বাচনী ঘটনাকেও জুড়ে দেখার চেষ্টা করছেন ঋতব্রত। তাঁর বক্তব্য, ভবানীপুরে ভোটগণনার সময় তৃণমূলের এক এজেন্টকে কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও গণনাকেন্দ্রে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন বলে সেই সময় খবর প্রকাশিত হয়েছিল। তবে ওই ঘটনার সঙ্গে ঋতব্রতর বর্তমানে করা অভিযোগের সরাসরি যোগ রয়েছে কি না, তা প্রমাণিত নয়।ঋতব্রতর দাবি, তাঁর কাছে এই অভিযোগের সমর্থনে যথেষ্ট সাক্ষ্যপ্রমাণ রয়েছে। প্রয়োজন হলে আদালতেও সেই প্রমাণ পেশ করতে পারেন বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে এখনও পর্যন্ত তাঁর এই অভিযোগের স্বাধীন কোনও প্রমাণ প্রকাশ্যে আসেনি।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বা তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই নির্দিষ্ট অভিযোগের কোনও জবাব এই প্রতিবেদনে যুক্ত করা যাচ্ছে না। ফলে ১৪ জন প্রার্থীকে হারানোর পরিকল্পনা, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম তালিকার প্রথমে থাকা এবং ক্যামাক স্ট্রিট থেকে নির্দেশ যাওয়ার অভিযোগসবই আপাতত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য হিসাবেই থাকছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েন নিয়ে গত কয়েক মাসে একাধিক নেতা প্রকাশ্যে মন্তব্য করেছেন। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে দলের ভিতরে-বাইরে বিতর্কও হয়েছে। ফলে ঋতব্রতর এই নতুন দাবি সেই রাজনৈতিক বিতর্ককে আরও সামনে নিয়ে এসেছে।এখন প্রশ্ন, ঋতব্রত যে ১৪ জনের তালিকার কথা বলছেন, সেখানে আর কারা ছিলেন এবং তিনি যে সাক্ষ্যপ্রমাণের কথা বলেছেন, সেগুলি কী। সেই তথ্য প্রকাশ্যে এলে তাঁর অভিযোগের সত্যতা নিয়ে আরও স্পষ্ট ছবি পাওয়া যেতে পারে।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
কলকাতা

যাদবপুরে তাণ্ডব! প্রাক্তন বিধায়কের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুরের অভিযোগ, নিশানায় একাধিক তৃণমূল কার্যালয়

শনিবার সন্ধ্যায় যাদবপুরের বিজয়গড়-সহ একাধিক এলাকায় হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। প্রাক্তন বিধায়ক তথা মেয়র পারিষদ দেবব্রত মজুমদার, যিনি মলয় মজুমদার নামেও পরিচিত, তাঁর বাড়িতে একদল দুষ্কৃতী হামলা চালায় বলে অভিযোগ। বাড়ির পাশাপাশি তাঁর কার্যালয়েও ভাঙচুর করা হয়েছে বলে দাবি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে যাদবপুর থানায় লিখিত অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে।মলয় মজুমদারের অভিযোগ, হামলাকারীদের একটি দল তাঁর বিজয়গড়ের বাড়িতে ঢুকে ভাঙচুর চালায়। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয় এবং তাঁর দাদা ও বউদিকে মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। হামলার সময় বাড়ির নিরাপত্তা ব্যবস্থারও ক্ষতি করা হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।প্রাক্তন বিধায়কের অভিযোগ, এই হামলার নেপথ্যে বিজেপির দুই নেতা অনুপম তালুকদার ও সজল বসুর নেতৃত্ব রয়েছে। তাঁদের দলবলই হামলা চালিয়েছে বলে দাবি মলয়ের। তবে এই অভিযোগের সঙ্গে বিজেপির যোগের বিষয়টি এখনও পুলিশের তদন্তে প্রমাণিত হয়নি।মলয় আরও অভিযোগ করেছেন, পুরভোট না হওয়া পর্যন্ত এলাকায় তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় খোলা যাবে না বলে হুমকি দেওয়া হয়েছে। এমনকি দলের কর্মীদেরও নানা ভাবে ভয় দেখানো হয়েছে বলে তাঁর দাবি।শুধু মলয় মজুমদারের বাড়ি নয়, ১০২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সীমা ঘোষের বাড়িতেও হামলার অভিযোগ উঠেছে। তাঁর দাবি, বাড়িতে ঢুকে দলের মহিলা কর্মীদের মারধর করা হয়। তাঁদের সঙ্গে অশালীন আচরণ এবং শ্লীলতাহানির অভিযোগও সামনে এসেছে।এর পর যাদবপুরের একাধিক এলাকায় তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় নিয়েও উত্তেজনা ছড়ায়। আনন্দপল্লি, বিজয়গড়, বাঘাযতীন ডি ব্লক-সহ কয়েকটি জায়গায় দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর করে পরে তালা লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। হামলাকারীরা পুরভোটের আগে পর্যন্ত ওই কার্যালয় ব্যবহার করা যাবে না বলে হুমকি দিয়েছে বলে অভিযোগ।সীমা ঘোষের অভিযোগ, তাঁকেও এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে। পুরভোট না হওয়া পর্যন্ত এলাকায় থাকা যাবে না এবং বিজেপি বা রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কোনও কথা বলা যাবে না বলেও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে তাঁর দাবি।ঘটনার পর যাদবপুরের বিভিন্ন এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুধু তৃণমূলের কার্যালয় বা মলয় মজুমদারের বাড়িই নয়, এলাকার একাধিক রাজনৈতিক কার্যালয়েও হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। ফলে শনিবার সন্ধ্যার ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় রাজনৈতিক সংঘাতের আশঙ্কা আরও বেড়েছে।অন্য দিকে, মলয় মজুমদারের অভিযোগ সরাসরি খারিজ করেছে বিজেপি। দলের তরফে দাবি করা হয়েছে, এই হামলার সঙ্গে বিজেপির কেউ যুক্ত নয়। স্থানীয় মানুষের ক্ষোভ বা জনরোষের জেরেই এই ধরনের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে পালটা দাবি করেছে বিজেপি।ফলে যাদবপুরের ঘটনায় এখন মূল প্রশ্ন, হামলার পিছনে কারা ছিল এবং কেন একসঙ্গে একাধিক রাজনৈতিক নেতা ও দলীয় কার্যালয়কে নিশানা করা হল। মলয় মজুমদারের দায়ের করা অভিযোগ এবং অন্যান্য পক্ষের বক্তব্যের ভিত্তিতে ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখছে প্রশাসন।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
নিবন্ধ

তুমি আছো নীরবে - ভয়ঙ্কর রোমাঞ্চকর গল্প -(অন্তিম পর্ব)

দ্বিতীয় পর্বের পরঃসৌভিক, কিছু দরকার? স্নেহা, না সেরকম কিছু না, তোমার আর সায়নীর মধ্যে সব ঠিক আছে? সৌভিক, কেন বলোতো? স্নেহা, শেষ দুদিন দেখলাম সায়নী তোমায় খুব বাজে ভাবে এড়িয়ে চলছে। সৌভিক এবার নড়েচড়ে বসলো, স্নেহাও লক্ষ্য করেছে মানে এটা সৌভিকের মনের ভুল মোটেও নয় আর সায়নীর কি হয়েছে সেটা স্নেহার থেকে ভালো কেও বলতেও পারবেনা সুতরাং যখন সুযোগ নিজে হেঁটে এসেছে তখন সেটা কাজে লাগানোই বুদ্ধিমানের কাজ।সৌভিক, হ্যাঁ, সেটা ওই করছে, কিন্তু কেন করছে তার কোনো সদুত্তর আমার কাছে নেই, তোমার কাছে যদিও থাকে তবে তুমি বলতে পারো, আমি চেষ্টা করে দেখবো যদিও কিছু করতে পারি তো। স্নেহা, কি হয়েছে সেটা আমিও ঠিক জানিনা তবে তোমায় এটুকু বলতে পারি ওর মাথায় কিছু একটা চলছে আর আমাদের সাথে কিছু অদ্ভুত ঘটনাও ঘটছে, তোমার সাহায্য লাগবে। সৌভিক, কিরকম সাহায্য লাগবে? আর কি ঘটছে সেটা বললে ভালো হতো। স্নেহা, সব জানার দরকার নেই, শুধু তুমি আজ রাতের তৈরী থেকো। আমি যাকে সন্দেহ করছি সেই যদিও এসবের পিছনে থেকে থাকে তবে তাকে আজকেই আমরা হাতেনাতে ধরবো। এই বলে স্নেহা সৌভিকের কেবিন থেকে বাইরে বেরোয়, আজকেও রাহুল হন্তদন্ত হয়ে কোথায় যেন একটা বেরিয়ে গেলো।তখন সন্ধ্যে হয়ে এসেছে, সৌভিকের ভাড়া করে দেওয়া ট্যাক্সিটা এসে থামলো সায়নীদের এপার্টমেন্টটার সামনে।ট্যাক্সির ডানদিকের দরজাটা খুলে প্রথমে স্নেহা নামলো, তারপর সায়নী নামতে গেলো,কিন্তু সায়নী দেখলো আশেপাশের পরিবেশটা কেমন যেন আরো অন্ধকার হয়ে এসেছে। ড্রাইভার সায়নীকে বললো, ম্যাম আপনি ঈশানের সাথে এরকম কেন করলেন? সায়নী ভয় পেলো ড্রাইভারের এই আকস্মিক প্রশ্নের সামনে, সায়নী দ্রুত গাড়ি থেকে নেমে এপার্টমেন্টর দিকে পা বাড়ালো কোনোদিকে না তাকিয়ে, কিন্তু আজ ঈশান যেন ওর পিছু ছাড়ছেনা, সায়নী যেখানে যেখানে যাচ্ছে সেখানে সেখানে আশেপাশের লোকজন ওর দিকে তাকিয়ে ওকে একই প্রশ্ন করছে, তুমি এটা ঈশানের সাথে কেন করলে? প্রথমে সিকিউরিটি গার্ড, তারপর পাশের ফ্ল্যাটের বৃদ্ধা, মাঠে খেলতে থাকা বাচ্চারা, আর বহুদূরে দাঁড়িয়ে ঈশান ওই একই হাসি নিয়ে ওর দিকে তাকিয়ে রয়েছে, ওর চোখে মুখে রক্ত লেগে, কি বীভৎস লাগছে ওকে। সায়নী এবার আর হাঁটলো না, ওই সোজাসুজি দৌড় দিলো, একের পর এক সিঁড়ি বেয়ে ওই উপরে উঠে দরজা ধাক্কাতে শুরু করলো কিন্তু ওর কাছে চাবি ছিলোনা, পাশে স্নেহাও নেই, ওই কোথায় গেলো?সিঁড়ি দিয়ে কেও একজন উপরে উঠে আসছে, পায়ের শব্দ শোনা যাচ্ছে, ধীরে ধীরে শরীরটাও স্পষ্ট হচ্ছে। একি এটা যে ঈশান, ওর দিকেই এগিয়ে আসছে, সায়নী আরো জোরে দরজা ধাক্কাতে শুরু করলো, ভয়ে আর্তনাদ করে উঠলো কিন্তু এই দুনিয়ায় যেন কেও নেই ওর আর্তনাদ শোনার মতো, কেও যেন নেই ওকে বাঁচানোর মতো। ঈশান হাঁটতে পারছেনা, ওর পা দুটো ভাঙ্গা আর একটা হাত নেই এখন দৃশ্যমান। সে এসে সায়নীর সামনে দাঁড়ালো আর মুখের ওই সরল হাসিটা এখন আর সরল লাগছেনা বরং ভয়ানক পৈশাচিক লাগছে। ঘরঘরে গলায় ঈশান বললো, সায়নী, কেমন আছো? শুনলাম তুমি নাকি প্রথম হয়েছো? সায়নী কাঁদতে কাঁদতে বললো, সরি ঈশান, আমি ভুল করেছি, প্লিজ আমায় ক্ষমা করো প্লিজ। ঈশান এবার আরো বিকৃত হাসি হাসলো, সরি? মনে আছে সেইদিনের কথা? ঠিক কিভাবে তুমি আমায় কিছু না করেও আমার মৃত্যুর কারণ হয়েছিল? কিভাবে একটা মধ্যবিত্ত বাড়ির বড়ো ছেলেকে তুমি শেষ করে দিয়েছিলে? তোমার বাবার তো অঢেল সম্পত্তি ছিল তোমার কি সত্যিই কিছু ক্ষতি হতো সায়নী? হতোনা, কিন্তু আমার হয়েছে, আমার পর আমার ভাইকে দেখার কেও ছিলোনা, মা অসুস্থ এখনো অপেক্ষা করে আমার ফেরার। তোমায় আমি ছাড়বোনা সায়নী, এভাবেই তুমিও শেষ হবে আর তোমার ওই অহংকারী বাবার কোল শূন্য হবে তবেই আমার প্রতিশোধ পূরণ হবে। সায়নী আরো জোরে চিৎকার করে উঠলো, তারপর বুঝলো ওকে জড়িয়ে ধরে রয়েছে স্নেহা, ওকে শান্ত করার চেষ্টা করছে আর সামনে দাঁড়িয়ে রাহুল।সায়নী যখন ওদের দেখলো তখন আরো কান্নায় ভেঙে পড়লো, রাহুল ও আমায় শেষ করে দেবে বলেছে প্লিজ বাঁচা আমায়। সায়নী রাহুলের পায়ে পরে কাকুতি মিনতি করতে শুরু করে দিলো।সায়নীর এই অবস্থা দেখে রাহুল ওকে ধরে উঠিয়ে দাঁড় করিয়ে বললো, ঘরে চল আমি আছি, আমি ওকে বুঝিয়ে বলবো ও এলে, তুই চিন্তা করিসনা। স্নেহা দরজা খুললো তারপর ওরা দুজনে সায়নীকে নিয়ে গিয়ে ঘরে শোয়ালো। কিছুক্ষণ দুজনেই সায়নীর পাশে বসে ওকে ঘুম পাড়ানোর চেষ্টা করলো, সায়নী ঘুমাতে রাহুল ডাইনিংএ এসে বসলো আর সামনের চেয়ারটা টেনে নিয়ে বসলো স্নেহা।রাহুল, আমার মনে হয় এবার আমার যাওয়া উচিত, সৃজা অপেক্ষা করছে হয়তো । স্নেহা, না রাহুলদা, তোমায় তো এখানে থাকতেই হবে।রাহুল স্নেহার দিকে একবার তাকায়, চোখে প্রশ্ন দৃশ্যমান।স্নেহা, থাকতে হবে তার কারণ এতক্ষন আমি ভাবছিলাম এই গল্প ঈশান আর সায়নীর প্রেমের কিন্তু ভুল ছিলাম, আসলে এই গল্পের মুখ্য চরিত্র তো তুমি, ওরাতো ব্যাস দুটো পার্শ্ব চরিত্র। তাই নয় কি?স্তম্ভিত রাহুল স্নেহার দিকে তাকিয়ে বললো, কি বলতে চাও তুমি? স্নেহা কোনো কথার উত্তর না দিয়ে নিজের ফোনটা বের করে একটা ছবি দেখিয়েছো রাহুলকে প্রশ্ন করে, এটাই তোমার ঈশান তাই না? রাহুল এবার আরো অবাক হয়,স্নেহা রাহুলকে বলে, কি রাহুলদা তুমি কি ভেবেছিলে, খেলা খেলতে শুধুই তুমি পারো? আমি পারিনা? আমি আগেই সৌভিককে পাঠিয়েছিলাম তোমার পিছনে। সন্দেহ আমার হয়েছিল তারও দুদিন আগে যখন আমি নিজে তোমায় ওই পাগলাগারদে ঢুকতে দেখেছিলাম, তখন সন্দেহ পুরো তৈরী হয়নি কিন্তু পরে হয়েছে, পরে হয়েছে এটা ভেবে যে যেদিন থেকে তুমি এসেছো তারপর থেকেই কেন ঈশানের আত্মা ওকে তাড়া করছে? আত্মার প্রতিশোধের ব্যাপার হলে তো সে অনেক আগেই আসতে পারতো। এই কেনর উত্তর খুঁজতে গিয়ে আমার মনে পড়লো তুমি ঠিক কিভাবে নিজের লাঞ্চবক্স বারবার সায়নীকে দিয়ে যেতে খাওয়ার জন্য। কেও সন্দেহ করতোনা কিন্তু আমি করেছি, কি ওষুধ মেশাতে ওতে?রাহুল স্নেহাকে বোঝানোর চেষ্টা করে যে সে যা ভাবছে তা সত্যি নয় কিন্তু স্নেহা যেন বোঝার ইচ্ছাতেই নেই।স্নেহা বলে চলে, চুপ করো রাহুলদা, আমার কাছে সব প্রমান আছে, আর ঈশান তো কোনোদিনও মরেই নি, ওই আছে ওই পাগলাগারদে যাকে তুমি রোজ দেখতে যাও, যাকে তোমার স্ত্রী সৃজাও দেখতে যায়, এসব তোমাদের প্ল্যান। আমি বিগত দুদিনে বারবার ওই জায়গায় গেছি, তোমাদের দেখেছি। একটা জীবিত মানুষের কিভাবে ভুত হয়ে কাওকে ভয় দেখায়? কেন করছো মেয়েটার সাথে এরকম? রাহুল এবার টেবিল চাপড়ে বলে, হ্যাঁ আমাদের প্ল্যান আর যা করেছি বেশ করেছি, আর সায়নীকে যতদিন না ওই বেডের পাশে এনে ফেলতে পারছি ততদিন আমি থামবোনা। ওর মতো ডাইনির সুস্থ শরীরে বেঁচে থাকার অধিকার নেই।স্নেহা, মুখ সামলে রাহুলদা, কে ডাইনি? তোমার বন্ধুকে না করেছিল বলে ডাইনি হয়ে গেলো? বাহ্ রে বাহ্ এইতো পুরুষতান্ত্রিক সমাজের আদর্শ পুরুষ। বলি ঘেন্না হয়না নিজের উপর?রাহুলের চোখে মুখে বিরক্তির ছাপ স্পষ্ট, সাথে যখন এই ঘৃণা শব্দটা সে শুনলো যেন তার কান লাল হয়ে ধোঁয়া বেরোবে, সে বললো , ঠিক আছে তুমি যখন এতদূর বললে তবে পুরোটা শোনো আর তারপর যদি তোমার মনে হয় আমি দোষী তবে পুলিশ ডেকো আমি নিজে ধরা দেবো। এই বলে রাহুল নিজের ফোনে 101 ডায়েল করে স্নেহার হাতে দিয়ে বলে, যদি মনে হয় আমি ভুল আমার কথা শোনার পরেও তবেই ফোন করো। স্নেহা, ঠিক আছে বলো, সব অপরাধীকেই শেষবারের নিজের স্বপক্ষে যুক্তি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া উচিত।রাহুল বলতে শুরু করে - ফার্স্ট ইয়ারে যখন ঈশান আসে তখন ও খুবই সহজ সরল একটা ছেলে ছিল তবে প্রতিবাদে কোনোদিনও পিছু হাটতো না। ওর ওই গুন ওকে ইউনিয়নের অনেকের কাছেই পছন্দের পাত্র করে তুলেছিল। তো এই ঈশান ছিল পড়াশোনায় দুর্দান্ত, ওর বাবা ছিলোনা। মা আর ভাইয়ের দায়িত্ব ওর উপরেই ছিল আর সেই জন্য দিনরাত খেতে পড়াশোনা করতো। প্রথম সেমেস্টারের রেজাল্ট যখন আসে তখন ওই প্রথম হয় আর অবাক করা বিষয়ে সায়নী যে কিনা বিক্রমের সাথে সবসময় ঘুরতো সে বন্ধুত্বের হাত বাড়ায় ঈশানের দিকে। মাঝে মাঝেই নিজের চারচাকায় নিয়ে ওকে ঘুরতে যেত, বড়ো বড়ো রেস্টুরেন্টে দুজনকে একসাথে দেখতে পেতাম। আমি অতটা ভাবিনি বিষয়টা নিয়ে, ক্রমে বছর ঘুরলো দুজনে এই সম্পর্ককে বন্ধুত্ব বললেও কেও বিশ্বাস করতোনা আর উল্টোদিকে বিক্রমও ব্যাপারটা মেনে নিতে পারতোনা যে সায়নী ঈশানের সাথে সবসময় থাকে।মাঝে মাঝে বুঝতে পারতাম ঈশান সায়নীকে শুধু বন্ধু আর ভাবেনা।রাহুল একটু থামে ওর গলা ধরে এসেছে, টেবিলের উপরে রাখা জলের বোতল থেকে খানিকটা জল খায় তারপর বলে, তখন লাস্ট সেমিস্টার, পরীক্ষা শুরুর আগেরদিন ঈশানকে নিয়ে সায়নী কোথায় একটা গেলো। বেশ কিছুক্ষন পর যখন ঈশান ফিরলো ওই খুব খুশি ছিল, ও নিজের মাকে পর্যন্ত ফোন করে সায়নীর ব্যাপারে বললো আর আমায় বললো সায়নী নাকি বলেছে সায়নী ওকে বিয়ে করতে চায়। ব্যাপারটায় আমি খুবই খুশি হয়েছিলাম, যাক শেষ পর্যন্ত সব ভালো হচ্ছে।কিন্তু বুঝিনি এটা সবে শুরু, পরেরদিন থেকে সায়নী কেমন যেন বদলে গেলো, ঈশানকে পাত্তা দিতোনা, কথা বলার সুযোগটুকু দিতোনা আর রাতে বাড়ি ফিরে ঈশান মেসেজ করার চেষ্টা করলে সেখানেও ওকে পেতোনা।এভাবে দুটো পরীক্ষা শেষ হলো, পরীক্ষার শেষে ঈশান আমায় ওর হোয়াটস্যাপ দেখিয়ে বললো একটাও মেসেজ সায়নীর কাছে নাকি ডেলিভার হচ্ছেনা। আমি দেখলাম আর বুঝলাম সায়নী ওকে ব্লক করেছে, এটা জানতে পেরে ওই বেচারা আর থাকতে পারেনি তখনই ক্লাসের মাঝে গিয়ে সায়নীকে প্রশ্ন করে যে ওই এমন কেন করলো। সায়নীর ব্যবহার আরো খারাপ ছিল, ও সেসময় হাসে আর ঈশানকে বলে যে ঈশান কখনো নিজের ক্লাস নিয়ে ভেবেছে? কোথায় ঈশানের কুঁড়েঘর আর কোথায় সায়নীর বাবার রাজপ্রাসাদ, ঈশানের কোনো যোগ্যতা নেই সায়নীর পাশে। তারপর বিক্রমের হাত ধরে সায়নী ঈশানের সামনে দিয়ে বেরিয়ে যায়।ঈশান ভেঙে পরে, ওর মধ্যে আর ক্ষমতা ছিলোনা পড়াশোনা করার। পরের একটা পরীক্ষাও সে দিতে আসতে পারেনি, ঘরে বসে থাকতো চুপচাপ। যেদিন রেজাল্ট এলো সেদিন ও শুধু দেখেছিলো কিভাবে সায়নী ওর জায়গাটা ছিনিয়ে নিয়েছে, কিভাবে একটা নোংরামি ওকে এতটা পিছনে ঠেলে দিয়েছে যে ওর একটা বছর নস্ট হয়ে গেছে। ঈশানের চোখ দিয়ে যে জলের ফোটা সেদিন পড়েছিল সেটাই সায়নীর ধ্বংসের কারণ আজ। ঈশান তারপর আর কোনোদিনও সুস্থ হতে পারেনি, ওই নিজের উপর ভরসা রাখতে পারেনি, সব ভুলে গেছে শুধু সায়নীর নামটা মনে আছে আজও। সায়নীর সাথে ওর কোনো পুরোনো বন্ধুর যোগাযোগ নেই কেন জানো? ঠিক এই কারণে, কারণ কেওই এটা মেনে নিতে পারেনি যেটা সায়নী ঈশানের সাথে খেলেছে। এরপরও তুমি বলবে সায়নী ঠিক আর আমি ভুল?স্নেহা এতদূর শুনে বললো, মিথ্যা সব মিথ্যা রাহুলদা, সায়নীকে আমি চিনি ওই এরকম মেয়ে মোটেও না। পিছনে কখন সৌভিক এসে দাঁড়িয়েছে রাহুল বুঝতে পারেনি, সেও বলে উঠলো, রাহুলদা সব শেষ, তুমি ধরা পরে গেছো এবার কোর্টে তোমার সাথে দেখা হবে। সৌভিক স্নেহার থেকে ফোনটা নিয়ে ফোন করতেই যাচ্ছিলো পুলিশে এমন সময় সায়নীর গলার স্বর শোনা গেলো। সায়নী ঘরের বাইরে বেরিয়ে এসে দাঁড়িয়েছে আর সৌভিকের দিকে তাকিয়ে হাসছে উন্মাদের মতো।স্নেহা গিয়ে সায়নীকে শান্ত করার চেষ্টা করলো কিন্তু কোনো লাভ হলোনা, সায়নী হেসেই চললো তারপর ওই হাসির মাঝেই বললো, ঈশান তুমি মরেও আমার পিছন ছাড়লে না? ঠিকই বলেছিলাম সেদিন, তুমি আসলে কুকুরেরও অধম, তোমার সাথে প্রেম করবো আমি? ছিঃ, ঘেন্না হয় তোমার মতো ছেলেগুলোকে। কোনো ক্লাস নেই এদিকে নাকি বড়োলোক বাড়ির মেয়েকে বিয়ে করবে। বেশ করেছি, তুমি এই কোম্পানিতে চাকরি করার যোগ্য নও ঈশান, ওটার যোগ্য শুধু আমি, ওই গোল্ড মেডেলের যোগ্য শুধুই আমি। বোকা ছেলে, তোমার মতো ছেলেগুলোকে হারিয়ে এগিয়ে যাওয়া সবচেয়ে সোজা।এই জানো এখনো আবার একটা ছেলে আমার ফাঁদে পা দিয়েছে, ওটাকেও শেষ করবো ঠিক তোমার মতো। আমায় অনেক উঁচুতে যেতে হবে ঈশান, যেখানে পৌঁছাতে তোমার দুজন্ম আরো লাগবে। নিজেকে দেখো, না আছে একটা হাত, না ঠিক করে হাঁটতে পারছো, মরে ভুত হয়েও সেই আমার পিছনে ঘুরে বেড়াচ্ছ, হোয়াট আ লুসার। সৌভিককেও তোমার মতোই শিখিয়ে পরিয়ে দিও যাতে ভুত হয়ে ভয় দেখিয়ে বেড়াতে পারে।সায়নী এই বলে উন্মাদের মতোই হেসে চলেছে, ওর হাসি আজ বাঁধ মানছেনা।দুদিন পর শহরের এক নামি পাগলাগারদে: সায়নী নিজের বেডে বসে পাশের ছেলেটাকে বলে, এই ছেলে তোমার নাম কি?ছেলেটার মুখে একটা সরল হাসি ফুটে ওঠে, সে বলে, আমি ঈশান।সায়নী, তুমি ঈশান? জানো ঈশান বলে একটা ভুত আমায় খুব জ্বালায়, ওকে একটু বকে দেবে গো?ঈশান বলে, ভুত? সে কি মানুষের থেকেও বেশি ভয়ানক?বাইরে দাঁড়িয়ে একটা সিগারেট ধরালো সৌভিক, সামনে স্নেহা আর রাহুল এককাপ চা নিয়ে দাঁড়িয়ে।সৌভিকই প্রথম মৌনতা ভেঙে বললো, সরি দাদা, আর একটু হলে আমিও এই পাগলাগারদেই হয়তো থাকতাম। খারাপ লাগছে ঈশানকে দেখে, ওর পরিবার....রাহুল, চিন্তা করোনা, ওর ভাইয়ের দায়িত্ব আমার আর সৃজার। ওর ভাই এখন লাস্ট ইয়ারে পড়াশোনা করছে, ওই ছেলেটাও ঈশানের মতোই পড়াশোনায়, ঠিক একটা কিছু করেই নেবে।স্নেহা, দাদা একটা প্রশ্ন রয়েই গেলো। রাহুল, কি প্রশ্ন? স্নেহা, সায়নীকে তুমি পাগল করলে কিভাবে? রাহুল একটু হাসলো তারপর বললো, amphitamin, ওকে দিনের পর দিন এটারই ডোস দিয়েছি আর শেষদিন যখন ও পাগলের মতো হাসছিলো তখন ওকে যে বোতলের জলটা তুমি দিয়েছিলে ওটাতে শেষ ডোস ছিল, আমি জল খাওয়ার সময়ে মিশিয়ে দিয়েছিলাম, তোমার অলক্ষ্যে। ব্যাস, আমি জানতাম আমি যদি আজ পুলিশের কাছে ধরা পরেও যাই তবুও তোমরা সায়নীকে বাঁচাতে পারবেনা। ভাগ্য সহায় ছিল যে সায়নী নিজের অপরাধ স্বীকার করে নেওয়ায় তোমরা আর আমায় জেলে পাঠাওনি, বদলে ওকে পাগল হতে দেখেছো আর ভয়ে ওর থেকে দূরে সরে গেছো । স্নেহা, জেলে তো ওরই যাওয়া উচিত, যে একটা পরিবারকে শেষ করে দিলো নিজের স্বার্থে। রাহুল, পরজন্মে দুজন যেন সুস্থ মানুষের মতো বাঁচতে পারে এই প্রার্থনাই করি ঈশ্বরের কাছে। ওরা নিজেদের চা শেষ করে নিজেদের গোঁন্ত্যব পথে পা বাড়ালো। তখন সূর্য ডুবে গেছে, বাইরেটা অন্ধকার গ্রাসঃ করেছে আর ভিতরে?তখনও সায়নী নিজের খেয়ালে ঈশানের সাথে বকবক করে চলেছে, যেন দুজন দুজনকে ছেড়ে এক মুহূর্ত থাকতে পারবেনা। ওদের মধ্যে কি সত্যিই কোনোদিনও ভালোবাসা তৈরী হয়নি? বোঝা মুশকিল। কারণ দৃশ্যত উন্মাদদের থেকে অনেক বেশি উন্মাদ হয় সুস্থ স্বাভাবিক মানুষেরা।সমাপ্তসায়ন্তন গোস্বামী

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal