• ১০ আশ্বিন ১৪৩৩, মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Abhishek

রাজ্য

আরামবাগে তৃণমূল সাংসদের ওপর হামলায় তীব্র বার্তা! কী বললেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে শেষ দিনের প্রচারে আরামবাগে সভা করতে যান তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সভায় যাওয়ার পথেই তৃণমূল সাংসদ মিতালি বাগ-এর উপর হামলার অভিযোগ ওঠে। গোঘাট থেকে আরামবাগে যাওয়ার পথে তাঁর গাড়িতে ভাঙচুর করা হয় বলে জানা গিয়েছে।এই ঘটনার প্রতিবাদে সভামঞ্চ থেকেই বিজেপিকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন অভিষেক। তিনি দাবি করেন, কারা এই হামলার সঙ্গে যুক্ত তা তিনি জানেন এবং সিসিটিভি ফুটেজ দেখে একে একে সবাইকে চিহ্নিত করা হবে। তিনি বলেন, ৪ তারিখের পর সব হিসেব নেওয়া হবে।সভায় তিনি আরও বলেন, যারা ভাবছে এই হামলার সঙ্গে কারা জড়িত তা জানা নেই, তারা ভুল করছে। কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে তিনি অভিযোগ করেন, এই ঘটনার সঙ্গে তারা জড়িত থাকতে পারে। পাশাপাশি তিনি জানান, আরও যাদের ভূমিকা রয়েছে, তাদেরও খুঁজে বের করা হবে।এর আগে খবর পেয়ে সভাস্থলে যাওয়ার আগে হাসপাতালে গিয়ে আহত সাংসদের সঙ্গে দেখা করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, সাংসদের শারীরিক অবস্থা ভালো নয় এবং তিনি ঠিকভাবে কথা বলতে পারছেন না।মঞ্চ থেকে অভিষেক বলেন, একজন তফসিলি মহিলা সাংসদের উপর হামলা করা হয়েছে, যা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। তিনি সতর্ক করে বলেন, ভোটে জয় বা পরাজয় যাই হোক, এই ঘটনার সঙ্গে যুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এই ঘটনায় সিপিএম ও বিজেপিকে একসঙ্গে আক্রমণ করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, সিপিএমের কর্মীরাই এখন বিজেপির সঙ্গে মিলিত হয়ে কাজ করছে। তিনি আরও বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উদার হতে পারেন, কিন্তু তিনি কঠোর অবস্থান নেবেন।উল্লেখ্য, এর আগেই গোঘাটের বর্মা এলাকায় তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, তৃণমূল কর্মীরা বিজেপির মিছিলে হামলা চালায়, যাতে বহু মানুষ আহত হন। তাঁদের আরামবাগ মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সাংসদের উপর হামলার অভিযোগ সামনে আসে।পুরো ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। নির্বাচন কমিশনও এই বিষয়ে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

এপ্রিল ২৭, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় বার্তা! দলকে সতর্ক করলেন অভিষেক, কী বললেন জানেন?

আর মাত্র নদিন পর শুরু হবে নির্বাচন। ইতিমধ্যেই রাজ্যের সব রাজনৈতিক দল প্রচারে জোর দিয়েছে। কেউ ক্ষমতা দখলের লক্ষ্যে এগোচ্ছে, আবার কেউ নিজেদের ক্ষমতা ধরে রাখতে মরিয়া। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত প্রার্থীরা প্রচারে ব্যস্ত। এই পরিস্থিতিতে দলের কর্মীদের মনোবল বাড়াতে বার্তা দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় । তিনি বলেছেন, আগামী কয়েকদিন সব মতভেদ ভুলে একসঙ্গে লড়াইয়ে নামতে হবে। কাউন্সিলরদেরও আলাদা করে দায়িত্ব বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনি।এদিকে রাজ্যে রয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। জানা যাচ্ছে, তিনি প্রায় পনেরো দিন বাংলায় থাকবেন। এতে বিজেপির নেতা ও কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে অভিষেক বলেন, বিজেপি এমন একটা পরিবেশ তৈরি করতে চাইছে যাতে মনে হয় তারা ক্ষমতায় আসছে। চারদিকে আতঙ্ক ছড়ানোর চেষ্টা চলছে যে তৃণমূলের বহু ভোট কমে গিয়েছে। বিশেষ করে ভোটার তালিকা সংশোধনের কারণে অনেকের নাম বাদ পড়ায় ভোটের সমীকরণ বদলাতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।দলের ভিতরে যে মতভেদ রয়েছে, তা নিয়েও সতর্ক করেছেন অভিষেক। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এই নির্বাচন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচন। এখন কোনও ত্রুটি হলে পরে আর আফসোস করার সুযোগ থাকবে না। তাই আগামী পনেরো দিন সব গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব ভুলে একসঙ্গে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি ।একই সঙ্গে তিনি বলেন, পুরোনো ও নতুন কর্মীদের মধ্যে কোনও বিভেদ রাখা যাবে না। সকলকে সঙ্গে নিয়ে প্রচার চালাতে হবে। পুরোনো কর্মীদের যথাযথ সম্মান দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, এখন আত্মতুষ্টির কোনও জায়গা নেই, সবাইকে মাঠে নেমে কাজ করতে হবে।বিজেপিকে আক্রমণ করে অভিষেক দাবি করেন, তারা বুঝে গিয়েছে যে বাংলায় জেতা তাদের পক্ষে সহজ নয়। তাই তারা তৃণমূলের মনোবল ভাঙার চেষ্টা করছে। একুশের নির্বাচনেও একই কৌশল নেওয়া হয়েছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন। তবে এবারের ফলাফল আগেরবারের থেকেও ভালো হবে বলেই আশাবাদী তিনি।

এপ্রিল ১৫, ২০২৬
কলকাতা

হিন্দু বাঙালিদের নাম কাটা হচ্ছে? চাঞ্চল্যকর অভিযোগে উত্তপ্ত রাজনীতি

ভোটের আগে নাম বাদ নিয়ে উত্তাল বাংলা। প্রায় নব্বই লক্ষেরও বেশি নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে বলে অভিযোগ উঠতেই তীব্র আক্রমণে নেমেছে তৃণমূল কংগ্রেস। সাংবাদিক বৈঠকে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিস্ফোরক দাবি করেন, বাদ যাওয়া নামগুলির মধ্যে প্রায় তেষট্টি শতাংশই হিন্দু বাঙালির।অভিষেকের অভিযোগ, রাজনৈতিক স্বার্থে পরিকল্পিতভাবে সাধারণ মানুষকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। তাঁর কথায়, জোর করে বাংলা দখলের চেষ্টা চলছে, কিন্তু বাংলার মানুষ তা মেনে নেবে না। তিনি বলেন, এই রাজ্য বিপ্লবীদের ভূমি, এখানে অন্যায়ের বিরুদ্ধে মানুষ সবসময় লড়াই করে। তাঁর দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর সরকার থাকলে কোনওভাবেই মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া সম্ভব নয়। তিনি আরও বলেন, এর জবাব মানুষ ভোটবাক্সেই দেবে এবং মানুষের শক্তির সামনে সব অন্যায় পরাজিত হবে।এর আগেই এই ইস্যুতে সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেন, মতুয়া, রাজবংশী এবং সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকায় বেছে বেছে নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। তাঁর কথায়, নির্দিষ্ট কিছু সম্প্রদায়কে টার্গেট করেই এই কাজ করা হচ্ছে। তিনি জানান, দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশে প্রায় বত্রিশ লক্ষ নাম আবার তালিকায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। তবে যাঁদের নাম এখনও বাদ রয়েছে, তাঁদের অধিকার ফেরাতে প্রয়োজন হলে আরও আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, যারা বহু বছর ধরে এই দেশে বসবাস করছেন, তাঁদের কেন আবার নতুন করে নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে হবে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, কোনও বৈধ ভোটারকে বাংলা থেকে বাদ পড়তে দেবেন না।তৃণমূল নেতৃত্ব এই ঘটনাকে শুধুমাত্র প্রশাসনিক ত্রুটি হিসেবে দেখছে না। বরং তারা মনে করছে, এটি বাঙালির পরিচয় এবং অধিকার খর্ব করার একটি বড় চক্রান্ত। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যাঁদের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে, তাঁদের সাহায্য করতে প্রতিটি ব্লকে বিশেষ আইনি সহায়তা কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে।

এপ্রিল ১০, ২০২৬
কলকাতা

মমতা-অভিষেকের মন্তব্যে তীব্র বিতর্ক, নির্বাচন কমিশনে বিজেপির অভিযোগ

ভোটের আগে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়তে থাকায় এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে বিজেপি। তাঁদের প্রচারের বক্তব্য সেন্সর করার দাবি জানিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব।জানা গিয়েছে, পূর্ব বর্ধমানের রায়নায় এক সভায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় মন্তব্য করেছিলেন, উত্তরবঙ্গ ও জঙ্গলমহলে বিজেপিকে কঠোরভাবে পরাজিত করা হবে। এরপর তিনি দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া ও হুগলির প্রসঙ্গ তুলে আরও কড়া মন্তব্য করেন। বিজেপির দাবি, এই ধরনের বক্তব্য নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গ করছে এবং হিংসাকে উসকে দিচ্ছে।বিজেপি নেতা শিশির বাজোরিয়া মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন, শুধু অভিষেক নন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও একাধিকবার একই ধরনের মন্তব্য করেছেন। এর আগেও মমতার বক্তব্য নিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছিল।গত ২৫ তারিখ ময়নাগুড়িতে এক সভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, তাঁর প্রার্থীকে হুমকি দেওয়া হয়েছে। তিনি সমর্থকদের সতর্ক করে বলেন, কোনও হিংসাত্মক পথে না যেতে। এই মন্তব্য নিয়েও আপত্তি জানিয়ে কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিল বিজেপি।যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের তরফে কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। এবার মমতা ও অভিষেকদুজনের বিরুদ্ধেই একসঙ্গে সেন্সরের দাবি জানিয়ে নতুন করে চাপ তৈরি করেছে বিজেপি।

এপ্রিল ০৮, ২০২৬
রাজ্য

রিমোট কন্ট্রোল বনাম রিপোর্ট কার্ড! ভোটের আগে নতুন তত্ত্ব অভিষেকের

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে নতুন রাজনৈতিক তত্ত্ব সামনে আনলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় )। তাঁর দাবি, ২০২৬ সালের নির্বাচন আসলে রিমোট কন্ট্রোল এবং রিপোর্ট কার্ড-এর লড়াই।অভিষেকের অভিযোগ, বিজেপি দিল্লি থেকে রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে বাংলাকে চালাতে চায়। তাঁর কথায়, এই রিমোট কন্ট্রোলের লক্ষ্য হল বাংলার প্রাপ্য টাকা আটকে দেওয়া, বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া এবং অশান্তি তৈরি করা। তিনি আরও দাবি করেন, বিজেপি বারবার বাঙালিদের অপমান করে এবং বিভিন্ন ইস্যুতে বিভাজন তৈরি করার চেষ্টা করে।অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস নিজেদের শক্তি হিসেবে তুলে ধরছে উন্নয়নের খতিয়ান। গত ১৫ বছরে রাজ্যে যে উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে, সেটাকেই রিপোর্ট কার্ড হিসেবে সামনে আনা হচ্ছে। লক্ষ্মীর ভান্ডার, স্বাস্থ্য সাথীর মতো বিভিন্ন প্রকল্পের কথা তুলে ধরে প্রচার চালানো হচ্ছে।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একটি বার্তায় জানান, এই লড়াই আসলে দুই ধরনের ভাবনার মধ্যে। একদিকে বিজেপির রিমোট কন্ট্রোল, অন্যদিকে তৃণমূলের কাজের রিপোর্ট কার্ড। তাঁর দাবি, তৃণমূল মানুষের জন্য কাজ করেছে এবং প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছে।তিনি আরও বলেন, বাংলার মানুষ নিজেদের ভবিষ্যৎ নিজেরাই ঠিক করবে। বাইরের কেউ রিমোট কন্ট্রোল দিয়ে এই রাজ্য চালাতে পারবে না। এই বার্তা দিয়েই ভোটের ময়দানে নতুন সমীকরণ তৈরির চেষ্টা করছে তৃণমূল।

এপ্রিল ০৭, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেক আসার আগেই সভায় হাঙ্গামা, তৃণমূলের অন্দরেই সংঘাত প্রকাশ্যে

নওদায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভাকে ঘিরে আচমকা চরম বিশৃঙ্খলার পরিস্থিতি তৈরি হল। সভামঞ্চের সামনেই তৃণমূল কর্মীদের একাংশ বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং চেয়ার ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। একে অপরের দিকে চেয়ার ছুড়ে মারার ঘটনাও দেখা যায়। ফলে সভাস্থলের একটি বড় অংশ লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়।চোখে পড়ে, এক যুবক মঞ্চের সামনে এসে বসে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। তাঁর পরনে ছিল সাদা রঙের টি-শার্ট। মূলত বিধানসভা নির্বাচনে পছন্দের নেতাকে টিকিট না দেওয়ার অভিযোগেই এই বিক্ষোভ শুরু হয়।জানা গিয়েছে, তৃণমূলের ব্লক সভাপতি শফিউজ্জামান শেখ টিকিট না পাওয়ায় তাঁর অনুগামীরাই এই বিক্ষোভে সামিল হন। তাঁরা মিছিল করে সভামঞ্চের সামনে চলে আসেন। প্রথমে তাঁরা দর্শক আসনের বাইরে ছিলেন। পরে ব্লক সভাপতি ভিতরে ঢোকার পর হঠাৎ করেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য মঞ্চ থেকে দলের নেতারা বারবার কর্মীদের শান্ত থাকার আবেদন জানান। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কিছুক্ষণের মধ্যেই সভায় উপস্থিত হওয়ার কথা ছিল। তার আগেই ভাঙা চেয়ার গুছিয়ে নেওয়ার কথাও বলা হয়। কিন্তু সেই কথা অনেকেই উপেক্ষা করে বিক্ষোভ চালিয়ে যান। আগে থেকে বসে থাকা অনেককে সেখান থেকে উঠে যেতে বাধ্য করা হয়।এই ঘটনার জেরে সভাস্থলে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। সূত্রের খবর, নওদা কেন্দ্রে এ বার টিকিট পেয়েছেন শাহিনা মমতাজ। সেই কারণেই ব্লক সভাপতির অনুগামীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।এই ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত দলের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

সভা শেষে হঠাৎ আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা অভিষেকের

শনিবার বীরভূমের লাভপুরে তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা শেষে হঠাৎ মঞ্চের একাংশে আগুন লাগে। এই ঘটনায় সভাস্থলে উপস্থিত মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে দ্রুত দমকল কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।জানা গিয়েছে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বক্তব্য শেষ করে মঞ্চ থেকে নেমে যাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই এই আগুন লাগে। তিনি তখন হেলিপ্যাডের দিকে যাচ্ছিলেন। ফলে তিনি সম্পূর্ণ নিরাপদ রয়েছেন বলে জানা গেছে।এদিন সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি কেন্দ্র সরকারকে একাধিক বিষয়ে আক্রমণ করেন। রান্নার গ্যাসের দাম বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভেদ তৈরির অভিযোগ তোলেন তিনি। পাশাপাশি রাজ্য সরকারের উন্নয়নের কথাও তুলে ধরেন এবং ভবিষ্যতের পরিকল্পনার কথাও জানান।সভা শেষ হওয়ার পর হঠাৎ মঞ্চের উপরের অংশ থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই কাপড়ে আগুন ধরে যায়। সেখানে উপস্থিত দমকল কর্মীরা দ্রুত মঞ্চে উঠে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন। নিরাপত্তার জন্য এলাকাটি ফাঁকা করে দেওয়া হয় এবং সাধারণ মানুষকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে দেওয়া হয়।কিছু সময়ের মধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে কীভাবে আগুন লাগল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগেছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে দমকল ও পুলিশ।এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরও একটি সভা করার কথা ছিল। কিন্তু খারাপ আবহাওয়ার কারণে সেখানে যাওয়া সম্ভব হয়নি। পরে তিনি কলকাতায় ফিরে ভারচুয়াল মাধ্যমে প্রচার করবেন বলে জানা গেছে।

মার্চ ২৮, ২০২৬
রাজ্য

নন্দীগ্রামে বড় লড়াই! শুভেন্দুর ঘাঁটিতে অভিষেকের চ্যালেঞ্জ, ‘ডি জে বাজবে’ বার্তায় তোলপাড়

এবারের বিধানসভা নির্বাচনে সবচেয়ে নজরকাড়া কেন্দ্রগুলির মধ্যে অন্যতম নন্দীগ্রাম। এই কেন্দ্রকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে। শুভেন্দু অধিকারীর এই কেন্দ্রে এবার তাঁরই প্রাক্তন ঘনিষ্ঠ পবিত্র করকে সামনে রেখে লড়াই করছে তৃণমূল। শুভেন্দু নিজের ঘাঁটি ধরে রাখতে পারবেন, নাকি পুরনো সঙ্গীর কাছে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বেন, সেই প্রশ্ন এখন রাজনৈতিক মহলে ঘুরছে।বুধবার নন্দীগ্রামে গিয়ে দলের কর্মীদের উদ্দেশ্যে বার্তা দেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পবিত্র করকে পাশে নিয়ে তিনি বলেন, আগামী ২৫ দিনের দায়িত্ব কর্মীদের নিতে হবে এবং তারপরের পাঁচ বছরের দায়িত্ব তিনি নিজে নেবেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, এমনভাবে লড়াই করতে হবে যাতে একটি বুথ থেকেও বিজেপি মাথা তুলতে না পারে।অভিষেক জানান, নন্দীগ্রামে প্রায় উনিশ হাজারের বেশি যুবসাথীর আবেদন জমা পড়েছে এবং সকলেই সেই সুবিধা পাবেন। তিনি আশ্বাস দেন, প্রয়োজন হলে তিনি বারবার নন্দীগ্রামে আসবেন। পাশাপাশি তিনি বলেন, কেউ ভয় দেখালে বা চাপ সৃষ্টি করলে মানুষকে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করতে হবে এবং যে ভাষায় বোঝে, তাকে সেই ভাষাতেই জবাব দিতে হবে।তিনি আরও বলেন, চার তারিখের পর নন্দীগ্রামে উৎসবের পরিবেশ তৈরি হবে এবং রবীন্দ্রসংগীতের সঙ্গে ডি জে বাজানো হবে। মানুষের উদ্দেশ্যে তাঁর বার্তা, ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই।শুভেন্দু অধিকারীকেও কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন অভিষেক। তিনি বলেন, নন্দীগ্রাম তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি ছিল এবং এখনও আছে। তিনি অভিযোগ করেন, এলাকার বর্তমান বিধায়ক মানুষের জন্য কোনও উন্নয়নমূলক কাজ করেননি। কেন্দ্রের সহায়তায় কী প্রকল্প আনা হয়েছে, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, মানুষের প্রয়োজনীয় বিষয়গুলি নিয়ে কাজ না করে শুধু ধর্মের রাজনীতি করা হচ্ছে।দলের কর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, পূর্ব মেদিনীপুর জেলার মধ্যে নন্দীগ্রামকে সেরা করতে হবে। পবিত্র কর জিতলে প্রতিটি বুথে সেবাশ্রয় প্রকল্প চালু করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। পাশাপাশি তিনি জানান, রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবা যেমন চলবে, তেমনই স্থানীয় স্তরেও উন্নয়ন হবে।সব মিলিয়ে স্পষ্ট, নন্দীগ্রামকে কেন্দ্র করে এবারের নির্বাচন আরও উত্তপ্ত হতে চলেছে এবং এই কেন্দ্রের দিকে সবার নজর থাকবে।

মার্চ ২৫, ২০২৬
রাজ্য

বঙ্গ যুদ্ধে ঝাঁপ মমতা-অভিষেক! উত্তর থেকে সুন্দরবন—তৃণমূলের শক্তি প্রদর্শন

বিধানসভা ভোটকে সামনে রেখে শুরু হয়ে গেল বঙ্গের রাজনৈতিক লড়াই। জোরকদমে প্রচারে নেমে পড়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একইসঙ্গে মাঠে নেমেছেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। উত্তর থেকে দক্ষিণ, সর্বত্রই বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ।খারাপ আবহাওয়ার মধ্যেই মঙ্গলবার বিকেলের দিকে চালসায় পৌঁছনোর কথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সেখানে বাতাবাড়ির সেন্ট লুসি চার্চে গিয়ে সর্বধর্ম সমন্বয়ের বার্তা দেবেন তিনি। সভাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই জোর প্রস্তুতি চলছে।অন্যদিকে একই দিনে দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাথরপ্রতিমা থেকে নিজের প্রচার শুরু করছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সুন্দরবনের এই অঞ্চল দীর্ঘদিন ধরেই তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। সেখানে তৃণমূল প্রার্থী সমীর জানার সমর্থনে কলেজ মাঠে বড় জনসভার আয়োজন করা হয়েছে। দুপুর দুটো নাগাদ হেলিকপ্টারে পৌঁছে সভায় যোগ দেবেন অভিষেক। সভাস্থলের পাশে অস্থায়ী হেলিপ্যাডও তৈরি করা হয়েছে।এর পাশাপাশি উত্তরবঙ্গেও জোর প্রচারে নামছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ময়নাগুড়ি, ডাবগ্রাম-ফুলিবাড়ি এবং মাটিগাড়া-নকশালবাড়িএই তিনটি বিজেপি জয়ী আসনে সভা করবেন তিনি। তৃণমূলের দাবি, এবার এই আসনগুলিতে জয় ছিনিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে তারা যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী।চালসায় তৃণমূল প্রার্থী সঞ্জয় কুজুরও আত্মবিশ্বাসের সুরে জানিয়েছেন, আগেরবার বিজেপি জিতলেও এবার পরিস্থিতি বদলেছে এবং এই আসনে তৃণমূলই জয়ী হবে। সব মিলিয়ে ভোটের আগে তৃণমূলের এই জোর প্রচার ঘিরে রাজ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে।

মার্চ ২৪, ২০২৬
রাজ্য

শুভেন্দুর গড়ে চ্যালেঞ্জ! নন্দীগ্রামে অভিষেকের টানা সভা ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে

রাজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র নন্দীগ্রামকে ঘিরে ফের রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে। এই কেন্দ্রকে সামনে রেখে এবার জোর প্রচারে নামতে চলেছেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।শুভেন্দু অধিকারীর ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত নন্দীগ্রামে এবার তৃণমূল প্রার্থী করা হয়েছে পবিত্র করকে। এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। গতবারের পরাজয়ের পর এবার এই কেন্দ্র দখলে মরিয়া তৃণমূল।জানা গিয়েছে, আগামী পঁচিশে মার্চ নন্দীগ্রামে একটি কর্মীসভার মাধ্যমে প্রচার শুরু করবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করে নির্বাচনের রণকৌশল নিয়ে আলোচনা করবেন তিনি। এরপর সাতাশে মার্চ পাঁশকুড়া পূর্বে একটি জনসভা করার কথা রয়েছে তাঁর। ত্রিশে মার্চ কাঁথি এলাকায় একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকও করবেন তিনি।এই সফরকে কেন্দ্র করে পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ বাড়ছে। দলের বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতেই এই ধারাবাহিক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।উল্লেখ্য, গত নির্বাচনে নন্দীগ্রামে মুখোমুখি লড়াই হয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শুভেন্দু অধিকারীর মধ্যে। সেই লড়াইয়ে জয়ী হয়েছিলেন শুভেন্দু। এবার আবার সেই কেন্দ্র ঘিরেই তৃণমূল নতুন করে কৌশল সাজাচ্ছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, পবিত্র করকে প্রার্থী করে তৃণমূল একটি কৌশলী পদক্ষেপ নিয়েছে। স্থানীয়ভাবে পরিচিত মুখ হওয়ায় তিনি ভোটে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারেন। আর তাঁর পাশে থেকে প্রচার জোরদার করতে মাঠে নামছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে নন্দীগ্রামের লড়াই এবার আরও জমে উঠবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ২২, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে তৃণমূলের ডাবল আক্রমণ! উত্তর থেকে দক্ষিণে ঝড় তুলবেন মমতা-অভিষেক

আর মাত্র একমাস পরেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। আগামী ২৩ এপ্রিল প্রথম দফায় ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। তার আগে থেকেই জোরকদমে প্রচারে নামছে তৃণমূল কংগ্রেস।দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যের দুই প্রান্ত থেকে প্রচারের দায়িত্ব নিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। উত্তরবঙ্গ থেকে প্রচার শুরু করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী ২৪ মার্চ আলিপুরদুয়ার প্যারেড গ্রাউন্ডে একটি জনসভা করার কথা রয়েছে তাঁর। একই দিনে মাটিগাড়া এবং ময়নাগুড়িতেও সভা করবেন তিনি।অন্যদিকে, একই দিন দক্ষিণবঙ্গ থেকে প্রচার শুরু করবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাথরপ্রতিমায় তাঁর প্রথম জনসভা হওয়ার কথা। এরপর ২৫ মার্চ তিনি নন্দীগ্রাম সহ দুই মেদিনীপুরে একাধিক সভা করবেন। দাসপুর, কেশিয়ারি ও নারায়ণগড়ে জনসভা এবং নন্দীগ্রামে কর্মী বৈঠকের পরিকল্পনা রয়েছে।সূত্রের খবর, ভবানীপুরে কর্মীসভা করার পরই উত্তরবঙ্গে চলে যাবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উত্তরবঙ্গের সব আসনেই প্রথম দফায় ভোট হওয়ায় সেখানে বিশেষ জোর দিচ্ছেন তিনি। একদিনে একাধিক সভা করে প্রচার তীব্র করতে চান তৃণমূল নেত্রী।রাজনৈতিক মহলের মতে, উত্তরবঙ্গের কিছু এলাকা এখনও বিজেপির শক্ত ঘাঁটি। সেই কারণে সেখানে বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছে তৃণমূল। অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গে দলীয় শক্তি আরও মজবুত করতে মাঠে নামছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।এছাড়াও জানা গিয়েছে, মার্চ মাস জুড়ে উত্তরবঙ্গের একাধিক বিধানসভা কেন্দ্রে জনসভা ও রোড শো করবেন অভিষেক। পাশাপাশি বিভিন্ন জেলায় জনসংযোগ কর্মসূচিও চালাবেন তিনি।সব মিলিয়ে ভোটের আগে রাজ্যে জোরদার প্রচার শুরু করে বিজেপিকে টক্কর দিতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস।

মার্চ ২১, ২০২৬
কলকাতা

“নাম কাটা নয়, গর্দান কাটলেও ঝুঁকব না”—রেড রোডে বিস্ফোরক অভিষেক

শনিবার সকালে পবিত্র ইদের নামাজ উপলক্ষে কলকাতার রেড রোডে প্রতি বছরের মতো এ বারও ভিড় জমায় হাজার হাজার মানুষ। সেখানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এক মাসের রোজা শেষে ইদের নামাজে অংশ নেন বহু মানুষ। নামাজ পরিচালনা করেন ইমাম কারী ফজলুর রহমান।এই মঞ্চ থেকেই এসআইআর ইস্যুতে জোরালো বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, অনেক মানুষের নাম এই তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে এবং এই বিষয়টি নিয়ে তারা সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গিয়েছেন। তিনি জানান, দেশের প্রতি তাঁর গর্ব রয়েছে এবং বিশ্বজুড়ে শান্তির বার্তা ছড়িয়ে দিতে চান।অন্যদিকে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর বক্তব্যের শুরুতেই সম্প্রীতির উপর জোর দেন। তিনি বলেন, বাংলার ভ্রাতৃত্ববোধ ভবিষ্যতেও অটুট থাকা প্রয়োজন। তাঁর কথায়, উৎসব মানুষকে ভালোবাসা ও একতার শিক্ষা দেয়। তিনি বলেন, আপনার উৎসবে আমি থাকব, আমার উৎসবে আপনি থাকবেনএটাই বাংলার সংস্কৃতি। তিনি আরও বলেন, রমজানে যেমন রাম আছেন, তেমনই দীপাবলিতে আছেন আলি।এরপর এসআইআর ইস্যুতে তীব্র আক্রমণ শানান তিনি। অভিষেক বলেন, নাম কাটা তো দূরের কথা, বড় ধরনের চাপ এলেও তাঁরা মাথা নত করবেন না। তাঁর দাবি, সরকার কারও মালিক নয়, সবাই এই দেশের সমান অধিকারী। তিনি বলেন, এই দেশে মন্দিরের ঘণ্টা ও মসজিদের আজান একসঙ্গে শোনা যাবেএটাই বাংলার ঐতিহ্য।তিনি আরও বলেন, কেউ বলছে হিন্দুরা বিপদে, কেউ বলছে মুসলমানরা বিপদে। কিন্তু তাঁর মতে, আসলে পুরো দেশই এখন সংকটের মধ্যে রয়েছে। এই মন্তব্যের মধ্য দিয়ে তিনি রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে।প্রতি বছরের মতো এ বছরও কলকাতা খিলাফত কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত এই ইদের নামাজে যোগ দেন বহু মানুষ। রেড রোডে উৎসবের আবহের মধ্যেই রাজনৈতিক বার্তাও স্পষ্টভাবে উঠে আসে।

মার্চ ২১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬: ভারতের ঐতিহাসিক জয়, টানা দ্বিতীয় শিরোপা

ভারতীয় ক্রিকেটের ইতিহাসে আর একটি সোনালি অধ্যায় যোগ হল। রবিবার আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে নিউ জ়িল্যান্ডকে ৯৬ রানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় বার বিশ্বকাপ জিতল ভারত। বিশ্বের প্রথম দল হিসাবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ধরে রাখার কৃতিত্বও অর্জন করল তারা। সব মিলিয়ে এটি ভারতের তৃতীয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শিরোপা।২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর ২০২৬ সালে আবার আইসিসি ট্রফি জিতল ভারত। অর্থাৎ দীর্ঘ ১১ বছরের শিরোপা খরা কাটার পর মাত্র তিন বছরের মধ্যে তিনটি বড় আইসিসি ট্রফি জিতে বিশ্ব ক্রিকেটে আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করল ভারত।পাওয়ার প্লে-তেই ম্যাচের মোড়ফাইনালের ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে দেখা যায় ভারতীয় ওপেনারদের। সঞ্জু স্যামসন এবং অভিষেক শর্মার দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে পাওয়ার প্লে-তেই ম্যাচের দিক অনেকটা নির্ধারিত হয়ে যায়।প্রথম ছয় ওভারে ভারতের স্কোর দাঁড়ায় ৯২/০, যা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালের ইতিহাসে অন্যতম সেরা পাওয়ার প্লে স্কোর। শুরুতেই কিউয়ি বোলারদের ওপর চড়াও হয়ে ভারত এমন রান তোলে যে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ দ্রুত তাদের হাতে চলে আসে।অন্যদিকে, নিউ জ়িল্যান্ড যখন ব্যাট করতে নামে তখন পাওয়ার প্লে-তেই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট হারায়ফিন অ্যালেন, রাচিন রবীন্দ্র এবং গ্লেন ফিলিপস। মাত্র ৫২ রানে তিন উইকেট পড়ে যাওয়ায় ম্যাচ থেকে কার্যত ছিটকে যায় তারা।সমালোচনার জবাব অভিষেকের ব্যাটেপুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে ফর্ম নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল অভিষেক শর্মাকে নিয়ে। মাঝখানে একটি অর্ধশতরান ছাড়া তিনি বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। ফলে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন কেন তাঁকে দলে রাখা হয়েছে।ফাইনালের মতো বড় মঞ্চেই সেই সমালোচনার জবাব দিলেন তিনি। অধিনায়ক ও পুরো টিম মেনেজমেন্টের ভরসার মূল্য দিলেন অভিষেক। খেলার শুরু থেকেই নির্ভীক ব্যাটিং করে একের পর এক চার-ছক্কায় কিউয়ি বোলারদের চাপে ফেলেন। লকি ফার্গুসনের মতো দ্রুতগতির বোলারকেও অনায়াসে মাঠের বাইরে পাঠান। তাঁর আত্মবিশ্বাসী ইনিংস ভারতের বিশাল রানের ভিত তৈরি করে দেয়।শিবম তান্ডব!মাঝের ওভারে জিমি নিশামের দুর্দান্ত বোলিংয়ে কিছুটা ধাক্কা খায় ভারত। একই ওভারে সঞ্জু স্যামসন, ঈশান কিষাণ এবং সূর্যকুমার যাদব আউট হওয়ায় কিছুটা চাপে পড়ে দল।কিন্তু শেষদিকে শিবম দুবে স্বভাবসিদ্ধ আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে ম্যাচের চিত্র আবার বদলে দেন। শেষ ওভারে নিশামের বলে ২৪ রান তুলে ভারতের স্কোর ২৫০-র গণ্ডি পার করান তিনি। সেই অতিরিক্ত রানই শেষ পর্যন্ত বিশাল পার্থক্য গড়ে দেয়অক্ষর পটেলের বাপু ম্যাজিকভারতের জয়ের অন্যতম নায়ক ছিলেন অক্ষর পটেল। আহমেদাবাদ তাঁর ঘরের মাঠ হওয়ায় দর্শকদের সমর্থনও ছিল প্রবল।ম্যাচের শুরুতেই ফিন অ্যালেনকে আউট করে কিউয়িদের বড় ধাক্কা দেন তিনি। পরের ওভারে গ্লেন ফিলিপসকেও বোল্ড করে দেন দুর্দান্ত স্লাইডার ডেলিভারিতে। এরপর আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নিয়ে কার্যত ম্যাচ থেকে নিউ জ়িল্যান্ডকে ছিটকে দেন অক্ষর।দর্শকাসনের সামনে তাঁর উদযাপন বাপু ম্যাজিক হিসাবেই স্মরণীয় হয়ে থাকে।বুমরাহর বিধ্বংসী স্পেলবড় ম্যাচে জ্বলে ওঠা যেন অভ্যাসে পরিণত করেছেন জসপ্রীত বুমরাহ। ফাইনালেও তার ব্যতিক্রম হল না।চার ওভারে মাত্র ১৫ রান দিয়ে চারটি উইকেট তুলে নেন তিনি। তাঁর ইয়র্কার ও নিখুঁত লাইন-লেংথে কিউয়ি ব্যাটাররা কার্যত দিশেহারা হয়ে পড়েন। এই স্পেলই ভারতের জয় নিশ্চিত করে দেয়।ঈশানের দুর্দান্ত ফিল্ডিংফাইনালে উইকেটকিপিং না করেও আউটফিল্ডে অসাধারণ ফিল্ডিং করলেন ঈশান কিষাণ। ব্যাট হাতে ২৫ বলে ৫৪ রানের ঝড়ো ইনিংসের পাশাপাশি ফিল্ডিংয়েও নজর কাড়েন তিনি।রাচিন রবীন্দ্র, ড্যারিল মিচেল ও টিম সিফার্টের গুরুত্বপূর্ণ ক্যাচ নিয়ে ম্যাচে ভারতের আধিপত্য আরও বাড়িয়ে দেন ঈশান।নতুন চোকার্স তকমা?গত দশ বছরে নিউ জ়িল্যান্ড ছয়টি আইসিসি ফাইনাল খেলেছে। এর মধ্যে মাত্র একবার২০২১ সালের বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপজিততে পেরেছে তারা। বাকি পাঁচটি ফাইনালেই পরাজিত হয়েছে।এই ফাইনাল হারার পর আবারও প্রশ্ন উঠছেদক্ষিণ আফ্রিকার মতো কি নিউ জ়িল্যান্ডও চোকার্স তকমা পেতে চলেছে?শেষ কথা:আহমেদাবাদের সেই স্টেডিয়ামেই, যেখানে ২০২৩ সালের একদিনের বিশ্বকাপ ফাইনালে ভারতকে হারতে হয়েছিল, সেখানেই এবার ইতিহাস রচনা করল ভারত। টানা দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতে বিশ্ব ক্রিকেটে নিজেদের আধিপত্য আরও দৃঢ় করল তারা।

মার্চ ০৯, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ফাইনালের মঞ্চে কি নেই বিশ্বের এক নম্বর ব্যাটার ও বোলার? গম্ভীরের দলে বড় বদলের ইঙ্গিত

টিটোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালের আগে ভারতীয় দলে বড় চমকের ইঙ্গিত। নিউজ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে শেষ লড়াইয়ের আগে দলের প্রথম একাদশে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে পারেন কোচ গৌতম গম্ভীর। এমনও হতে পারে, ফাইনালের মতো বড় ম্যাচে জায়গা না-ও পেতে পারেন টিটোয়েন্টি ক্রিকেটের বিশ্বের এক নম্বর ব্যাটার এবং এক নম্বর বোলার।রবিবার আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামেএ নিউজ়িল্যান্ডকে হারাতে পারলেই ইতিহাস গড়বে ভারত। অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব এর নেতৃত্বে টানা দ্বিতীয়বার টিটোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন দেখছে ভারতীয় দল। কিন্তু তার আগে দলের ভারসাম্য ঠিক করতে কিছু কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে টিম ম্যানেজমেন্টকে।ওপেনিং জুটিতে বড় বদলের সম্ভাবনাবিশ্বকাপের পুরো টুর্নামেন্ট জুড়েই প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি অভিষেক শর্মা। টিটোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে এক নম্বর ব্যাটার হয়েও তাঁর ব্যাট থেকে বড় রান আসেনি। ফলে ফাইনালের মতো ম্যাচে তাঁকে খেলানো নিয়ে দ্বিধায় টিম ম্যানেজমেন্ট।ভারতীয় শিবির সূত্রে খবর, ফাইনালে ওপেনিং জুটি বদলানোর কথা ভাবা হচ্ছে। ইনিংস শুরু করতে পারেন ইশান কিষাণ এবং সঞ্জু স্যামসন। দুজনেই সাম্প্রতিক ম্যাচে ভালো ফর্মে থাকায় শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের পরিকল্পনা রয়েছে ভারতের।তিন নম্বরে দেখা যেতে পারে তরুণ ব্যাটার তিলক ভার্মাকে। চার নম্বরে নামবেন অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। মিডল অর্ডারে থাকবেন হার্দিক পান্ডিয়া এবং শিবম দুবে। ফিনিশারের ভূমিকায় থাকতে পারেন রিঙ্কু সিং। সাত নম্বরের পর ব্যাটিং গভীরতা বাড়াতে রাখা হতে পারে সহঅধিনায়ক অক্ষর প্যাটেলকে।বোলিং বিভাগেও চমকফাইনালের আগে বোলিং বিভাগ নিয়েও চিন্তায় ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। টিটোয়েন্টি ক্রিকেটে বিশ্বের এক নম্বর বোলার বরুণ চক্রবর্তী সেমিফাইনাল সহ আগের বেশ কয়েকটি খেলায় তাঁর যোগ্যতা অনুযায়ী বল করতে পারেননি বলেই বিশেষজ্ঞদের ধারণা। তাঁর বলের রহস্য কিছুটা ধরে ফেলেছে নিউজ়িল্যান্ডের ব্যাটাররা বলেই মনে করা হচ্ছে।যদিও তিনি টুর্নামেন্টে ভারতের হয়ে সর্বাধিক উইকেট শিকারি, তবুও ফাইনালে তাঁকে বিশ্রাম দিয়ে সুযোগ দেওয়া হতে পারে কুলদীপ যাদবকে। স্পিন আক্রমণে অক্ষর পটেলের সঙ্গে কুলদীপকে দেখা যেতে পারে।পেস আক্রমণে অবশ্য কোনও বদলের সম্ভাবনা নেই। ভারতের দুই ভরসা জসপ্রীত বুমরাহ এবং আরশদীপ সিংই ফাইনালে খেলবেন বলে মনে করা হচ্ছে।সম্ভাব্য ভারতীয় একাদশ১. ঈশান কিশন২. সঞ্জু স্যামসন৩. তিলক বর্মা৪. সূর্যকুমার যাদব (অধিনায়ক)৫. হার্দিক পাণ্ড্য৬. শিবম দুবে৭. রিঙ্কু সিংহ৮. অক্ষর পটেল৯. কুলদীপ যাদব১০. জসপ্রীত বুমরাহ১১. অর্শদীপ সিংহফাইনালের আগে ভারতের লক্ষ্য স্পষ্টব্যাটিং গভীরতা বাড়ানো এবং বোলিং আক্রমণে বৈচিত্র্য আনা। সেই কারণেই বিশ্বের এক নম্বর ব্যাটার ও বোলারকেও বাইরে বসানোর কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে পিছপা নাও হতে পারেন গম্ভীরেরা। এখন দেখার, ফাইনালের মঞ্চে এই কৌশল ভারতকে ইতিহাসের পথে নিয়ে যেতে পারে কি না।

মার্চ ০৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ফাইনালের আগে বড় প্রশ্ন! দলে থাকবেন তো অভিষেক? পাশে দাঁড়ালেন কপিল দেব ও রবি শাস্ত্রী

চলতি কুড়ি ওভারের বিশ্বকাপে অভিষেক শর্মার পারফরম্যান্স নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার আগে ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে তিনি ছিলেন অন্যতম ভরসার নাম। তাঁর ছক্কার ঝড় দেখার অপেক্ষায় ছিলেন অনেকেই। কিন্তু বিশ্বকাপে এখনও পর্যন্ত সেই আগ্রাসী ব্যাটিং খুব একটা দেখা যায়নি। তাই ফাইনালের আগে প্রশ্ন উঠছে, প্রথম একাদশে কি থাকবেন অভিষেক?তবে ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটারদের অনেকেই তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছেন। বিশ্বজয়ী অধিনায়ক কপিল দেব মনে করছেন, দলের উচিত অভিষেকের উপর ভরসা রাখা। তাঁর কথায়, দলের পরিচালকদের খেলোয়াড়ের উপর আস্থা রাখা দরকার। একই সঙ্গে অভিষেকেরও নিজের উপর বিশ্বাস রাখা উচিত। তিনি বলেন, এখনও একটি ম্যাচ বাকি রয়েছে, সেটাই ফাইনাল। তাই শেষ ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ রয়েছে।এই বিশ্বকাপে অভিষেক এখনও নিজের সেরা ছন্দ খুঁজে পাননি। ফর্ম, ফিটনেস এবং আত্মবিশ্বাস সব দিক থেকেই তিনি কিছুটা পিছিয়ে রয়েছেন বলে মনে করছেন অনেকেই। জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে একটি অর্ধশতরান করলেও সেই ইনিংস খুব বেশি আত্মবিশ্বাসী ছিল না বলে মত অনেকের। সেমিফাইনালেও তিনি মাত্র নয় রান করে আউট হন।ভারতের প্রাক্তন কোচ রবি শাস্ত্রীও মনে করছেন, দলে কোনও পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই। তাঁর মতে, অভিষেককে নিজের প্রতিভার উপর ভরসা রাখতে হবে। তিনি বলেন, নিজের দুর্বলতা নিয়ে বেশি চিন্তা না করে শক্তির জায়গাগুলোর উপর আস্থা রাখা দরকার। মাঠে নেমে স্বাভাবিক খেলাটা খেললেই হয়তো এই ম্যাচেই তাঁর সেরা ইনিংস দেখা যেতে পারে। তবে শট নির্বাচনের ক্ষেত্রে আরও সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন শাস্ত্রী।ভারতীয় দলের পরিচালকরাও এখনও অভিষেকের উপর আস্থা রাখছেন বলে জানা গিয়েছে। রান না পেলেও তাঁকে সমর্থন করছেন কোচ গৌতম গম্ভীর এবং অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। ফাইনালের দলেও অভিষেক থাকতে পারেন বলেই ইঙ্গিত মিলছে। তাঁর পাশে থাকবেন ভাল ফর্মে থাকা সঞ্জু স্যামসন। দলের তরফে জানানো হয়েছে, প্রত্যেক খেলোয়াড়ের দিকেই নজর রাখা হচ্ছে এবং অভিষেকের উপর দলের পূর্ণ আস্থা রয়েছে।

মার্চ ০৭, ২০২৬
কলকাতা

বিরোধী থেকে সহযোদ্ধা, অভিষেকের হাত ধরেই বড় চমক প্রতীক উরের

লোকসভা নির্বাচনে ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়র বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন তিনি। কিন্তু দুবছর পর রাজনৈতিক সমীকরণে বড় পরিবর্তন দেখা গেল। একসময়ের বিরোধী মুখ প্রতীক উর রহমান এবার অভিষেকের হাত ধরেই তৃণমূলে যোগ দিলেন। দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার আমতলায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই যোগদান পর্ব সম্পন্ন হয়। বিধানসভা নির্বাচনের আগে এক প্রাক্তন বাম যুবনেতার এই দলবদল ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।গত এক সপ্তাহ ধরে প্রতীক উর রহমান আলোচনার কেন্দ্রে ছিলেন। তাঁর লেখা একটি চিঠি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়, যেখানে তিনি রাজ্য কমিটি, জেলা কমিটি এবং দলের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা জানান। দলীয় নিয়ম অনুযায়ী তাঁকে বহিষ্কার করা যেত, কিন্তু সেই পথে না গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে নেতৃত্ব। বর্ষীয়ান নেতা বিমান বসু তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং সিদ্ধান্ত বদলের অনুরোধ জানান। পরে রাজ্য কমিটির বৈঠকের পর মহম্মদ সেলিম জানান, প্রতীক উরের দলত্যাগ তাঁদের কাছে সন্তানের মতো কাউকে হারানোর সমান। তাঁকে দলে ফেরানোর চেষ্টা করা হলেও তা সফল হয়নি। উল্টে প্রতীক উর দলের প্রবীণ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।এই সময় থেকেই শোনা যাচ্ছিল তৃণমূলের এক সাংসদের সঙ্গে তাঁর নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে এবং বিভিন্ন জায়গায় তাঁদের একসঙ্গে দেখা যাচ্ছে। শনিবার দুপুরে সেই জল্পনার অবসান ঘটে। আমতলার দলীয় কার্যালয়ে পৌঁছে স্থানীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকের পর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতেই তৃণমূলে যোগ দেন প্রতীক উর রহমান। রাজনৈতিক মহলে এখন আলোচনা শুরু হয়েছে, আরও কয়েকজন বাম যুবনেতাও কি তাঁর পথ অনুসরণ করতে পারেন। বিশেষ করে সৃজন ভট্টাচার্য ও দীপ্সিতা ধরকে ঘিরে জল্পনা বাড়ছে। যদিও এ বিষয়ে কেউ প্রকাশ্যে কিছু বলেননি, তবু বাম শিবিরে উদ্বেগ বাড়ছে বলেই রাজনৈতিক মহলের ধারণা।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

হাসপাতাল থেকে ছাড়া, তবু মাঠে অনিশ্চিত অভিষেক! পাকিস্তান ম্যাচের আগে বড় ধাক্কা ভারতের শিবিরে?

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও এখনও পুরো সুস্থ নন ভারতীয় ওপেনার অভিষেক শর্মা। কবে তিনি সম্পূর্ণ ফিট হয়ে মাঠে নামবেন, তা স্পষ্ট নয়। টি-২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচেও তাঁর খেলা নিয়ে তৈরি হয়েছে সন্দেহ। ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ইঙ্গিত দিয়েছেন, অভিষেকের ফিরতে আরও এক-দুটি ম্যাচ সময় লাগতে পারে।বৃহস্পতিবার নামিবিয়ার বিরুদ্ধে জয়ের পর ড্রেসিংরুমে একটি ভিডিও করেন অর্শদীপ সিং। সেই ভিডিওতেই দেখা যায় অভিষেককে। তাঁকে বেশ ক্লান্ত দেখাচ্ছিল। অর্শদীপ জানতে চাইলে অভিষেক বলেন, তিনি ডাল-ভাত খাচ্ছেন, তবে পুরোপুরি ভালো নেই। অর্শদীপ মজা করে বলেন, তাঁকে অনেকটা রোগা লাগছে। যদিও সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলেননি অভিষেক। শোনা গিয়েছিল, পেটের সমস্যার কারণে তাঁর ওজন অনেকটাই কমে গিয়েছে। ভিডিও দেখেও অনেকে একই মন্তব্য করেছেন।অসুস্থতা নিয়েই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিলেন অভিষেক। কিন্তু প্রথম বলেই আউট হয়ে মাঠ ছাড়েন। তার পর আর তাঁকে মাঠে দেখা যায়নি। দিল্লি ফেরা, কোচ গৌতম গম্ভীর-এর বাড়িতে যাওয়া, পরে হাসপাতালে ভর্তি হওয়াসবই হয়েছে চুপিসারে। গতকাল হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও নামিবিয়ার বিরুদ্ধে খেলতে পারেননি।পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ১৫ ফেব্রুয়ারির ম্যাচে তিনি খেলবেন কি না, তা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে। টসের সময় সূর্যকুমার বলেন, অভিষেক এখনও পুরো সুস্থ নন। ফলে পাকিস্তান ম্যাচে তাঁর নামার সম্ভাবনা কম বলেই মনে করা হচ্ছে। যদিও ম্যাচের পরে বরুণ চক্রবর্তী জানান, অভিষেক অনেকটাই ভালো আছেন।তবে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে ভারতীয় দলে এই অনিশ্চয়তা চিন্তা বাড়াচ্ছে সমর্থকদের। অভিষেক কবে মাঠে ফিরবেন, এখন সেদিকেই নজর ক্রিকেটপ্রেমীদের।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

গম্ভীরের ডিনার ছেড়ে হাসপাতালে! নামিবিয়া ম্যাচে বড় ধাক্কা কি টিম ইন্ডিয়ায়?

বিশ্বকাপের মাঝেই বড় ধাক্কা টিম ইন্ডিয়ায়। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন অভিষেক শর্মা। দিল্লিতে নামিবিয়ার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচের আগে এই খবর স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ বাড়িয়েছে ভারতীয় শিবিরে। অভিষেক ওই ম্যাচে খেলতে পারবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। দলের পক্ষ থেকে তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।জানা গিয়েছে, অভিষেকের পাকস্থলীতে সংক্রমণ হয়েছে। আমেরিকার বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচের আগেই তিনি পেটের সমস্যায় ভুগছিলেন। ম্যাচের পর তাঁর শারীরিক অবস্থা আরও খারাপ হয়। উচ্চ জ্বর আসে এবং ওষুধ দেওয়া হলেও তাতে বিশেষ উপকার হয়নি। তিনি দলের সঙ্গে অনুশীলনেও অংশ নিতে পারেননি। দিল্লিতে কোচ গৌতম গম্ভীরের আয়োজিত নৈশভোজেও কিছুক্ষণ থাকার পর চলে যান অভিষেক।ভারতীয় দলের সহকারী কোচ রায়ান টেন দুশখাতে কয়েক দিন আগে জানিয়েছিলেন, অভিষেকের পেটের সমস্যা রয়েছে, তবে দুদিনের মধ্যে তাঁকে মাঠে পাওয়া যেতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। কিন্তু বর্তমানে পরিস্থিতি দেখে সেই সম্ভাবনা অনেকটাই কমে গিয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। যদি তিনি খেলতে না পারেন, তা হলে তাঁর জায়গায় সঞ্জু স্যামসনের সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে অভিষেকের অনুপস্থিতি ভারতীয় দলের জন্য বড় ধাক্কা হতে পারে।এর আগে চোটের কারণে দল থেকে ছিটকে গিয়েছেন হর্ষিত রানা। ওয়াশিংটন সুন্দর এখনও পুরোপুরি সুস্থ নন। এই পরিস্থিতিতে অভিষেকের অসুস্থতা দলের চিন্তা আরও বাড়িয়েছে। তবে স্বস্তির খবর, অসুস্থতা কাটিয়ে এদিন দলের সঙ্গে অনুশীলন করেছেন জসপ্রীত বুমরা। নামিবিয়ার বিরুদ্ধে তাঁর খেলা নিয়ে কোনও সংশয় নেই।বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে ভারতীয় দলের ওপর এখন চাপ আরও বেড়ে গেল।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
দেশ

কৃষি চুক্তির আড়ালে বড় বিপদ? লোকসভায় সতর্কবার্তা অভিষেকের

মঙ্গলবার লোকসভায় কেন্দ্রীয় বাজেটের কড়া সমালোচনা করলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, এই বাজেটে সাধারণ মানুষ থেকে কৃষক কেউই স্বস্তি পাননি। বরং প্রত্যেকেই আরও বেশি বঞ্চিত হয়েছেন। দীর্ঘ বক্তব্যে তিনি আমেরিকা ও ভারতের সাম্প্রতিক বাণিজ্য চুক্তির প্রসঙ্গ তুলে কেন্দ্রকে আক্রমণ করেন।অভিষেক বলেন, এই বাণিজ্য চুক্তির ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ভারতের কৃষকরা। তাঁর দাবি, আমেরিকার সঙ্গে চুক্তির পর ভারতীয় কৃষকরা আরও কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন। সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি মার্কিন কৃষি সচিবের একটি মন্তব্যের কথাও উল্লেখ করেন।অভিষেক জানান, বাণিজ্য চুক্তির পর মার্কিন কৃষি সচিব ব্রুক রলিনস এক্স মাধ্যমে একটি বার্তা দেন। সেখানে তিনি লেখেন, এই চুক্তির ফলে আমেরিকার কৃষকরা আরও বেশি পণ্য ভারতে রফতানি করতে পারবেন। তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এর ফলে আমেরিকার প্রত্যন্ত অঞ্চলে আরও বেশি অর্থ ঢুকবে এবং ভারতের সঙ্গে কৃষি-বাণিজ্যের ঘাটতি কমবে।এই মন্তব্যের পরেও ভারত সরকার কেন কোনও প্রতিক্রিয়া জানাল না, তা নিয়েই প্রশ্ন তোলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ভারতে প্রতিদিন কৃষকদের মৃত্যু হচ্ছে। একের পর এক প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও বাস্তবে কোনও সুরাহা হচ্ছে না। তাঁর অভিযোগ, আমেরিকার সঙ্গে এই চুক্তিতে লাভবান হচ্ছেন সে দেশের কৃষকরা, আর ভারতীয় কৃষকরা আরও দুর্বল হয়ে পড়ছেন।অভিষেকের প্রশ্ন, মার্কিন কৃষি সচিব প্রকাশ্যে এমন মন্তব্য করার পরেও ভারত সরকার কেন সেই বক্তব্য খারিজ করল না? কেন কোনও জবাব দেওয়া হল না? সংসদে এই প্রশ্ন তুলে কেন্দ্রের নীরবতাকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন তিনি।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
দেশ

৮৫ মিনিটের বাজেটে একবারও বাংলার নাম নয়! সংসদে বিস্ফোরক অভিষেক

লোকসভায় কেন্দ্রীয় বাজেট নিয়ে তীব্র সমালোচনা করলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার সংসদে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, ৮৫ মিনিটের বাজেট বক্তৃতায় একবারও বাংলার নাম উচ্চারণ করা হয়নি। তাঁর অভিযোগ, এত দীর্ঘ বক্তব্যেও রাজ্যের প্রতি কেন্দ্রের বঞ্চনার ছবিটাই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।অভিষেকের দাবি, কেন্দ্র যে ফ্রেট করিডরের কথা বাজেটে ঘোষণা করেছে, সেই প্রস্তাব অনেক আগেই দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবুও বাংলাকে উপেক্ষা করা হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, এই সরকার সমতায় নয়, পক্ষপাতেই বিশ্বাস করে।এদিন অভিষেক বলেন, অর্থমন্ত্রী দাবি করছেন দেশের অর্থনীতি দ্রুত এগোচ্ছে। অথচ বাংলা বছরে প্রায় ৬.৫ লক্ষ কোটি টাকা কর দেওয়ার পরেও কেন্দ্রীয় বরাদ্দ থেকে বঞ্চিত। মনরেগায় নতুন কাজ বন্ধ, গ্রামীণ সড়ক যোজনা থেকে জল জীবন মিশন সব ক্ষেত্রেই বাংলাকে টাকা দেওয়া হচ্ছে না। এমনকি পানীয় জলের মতো মৌলিক প্রয়োজনের ক্ষেত্রেও রাজ্যকে দরাদরি করতে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।এরপর অভিষেক ট্রিপল ট্যাক্স ট্র্যাপ-এর কথা তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্য, সাধারণ মানুষ মনে করেন তাঁরা একবার কর দিচ্ছেন, কিন্তু বাস্তবে তিনবার কর দিতে হচ্ছে। প্রথমে বেতন থেকে আয়কর কাটা হয়। দ্বিতীয়ত জিএসটি বিস্কুট, স্কুলের খাতা, হাসপাতালের বিল, এমনকি সাবানেও কর দিতে হয়। তৃতীয় কর হল মূল্যবৃদ্ধি, যা অনুমতি ছাড়াই বাড়ে। অভিষেকের কথায়, এটিই হল নীরব কর।মধ্যবিত্তদের অবস্থার কথাও তুলে ধরেন তৃণমূল সাংসদ। তিনি বলেন, মাসের মাঝপথেই অনেকের বেতন শেষ হয়ে যায়। একটি গাড়ি কিনলেও তিনবার কর দিতে হয় আয়কর, রোড ট্যাক্স এবং টোল ট্যাক্স।এসআইআর থেকে শুরু করে বাংলা ভাষা ইস্যুতেও কেন্দ্রকে আক্রমণ করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, জয় বাংলা বলা বা সোনার বাংলা গান গাইলেই অনুপ্রবেশকারী তকমা দেওয়া হচ্ছে। সেনাকর্মী, নোবেলজয়ী কিংবা হাইকোর্টের বিচারপতিকেও নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে বলা হচ্ছে। তাঁর দাবি, বাংলায় প্রায় ১৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং এক কোটি মানুষকে সন্দেহভাজন তালিকায় রাখা হয়েছে।সবশেষে অভিষেক বলেন, কেন্দ্র যদি তহবিল বন্ধ করতে চায়, তা করতেই পারে। কিন্তু বাংলার মেরুদণ্ড কখনও ভাঙবে না। সব কিছু কেড়ে নেওয়া গেলেও মানুষের স্মৃতি মুছে ফেলা যায় না। মানুষ জেগে উঠলে শেষ কথা বাংলাই বলবে।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 15
  • 16
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

পিতৃতর্পণের সময় গঙ্গার পাড়ে বাজবে মহিষাসুরমর্দিনী, সাজবে ঘাট! বড় উদ্যোগের খবর

২০২৬ সালের দুর্গাপুজো ঘিরে কলকাতায় একের পর এক নতুন আয়োজনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। ১০ অক্টোবর মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সেও বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজনের খবর প্রকাশ্যে এসেছে। এর পাশাপাশি মহালয়ার ভোরে কলকাতার গঙ্গার ঘাটগুলিতেও বিশেষ আবহ তৈরি করার পরিকল্পনা করেছে রাজ্য সরকার বলে সূত্রের খবর।মহালয়ার ভোর মানেই বাঙালির কাছে পিতৃপুরুষের উদ্দেশে তর্পণ এবং বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠে মহিষাসুরমর্দিনী শোনা। সেই দীর্ঘদিনের আবেগ ও ঐতিহ্যকেই এবার গঙ্গার ঘাটে আরও বড় পরিসরে তুলে ধরার পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে কলকাতার পাঁচটি গঙ্গার ঘাটকে এই আয়োজনের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই তালিকায় রয়েছে বাবুঘাট, বাজে কদমতলা ঘাট, জাজেস ঘাট, নিমতলা ঘাট এবং আহিরীটোলা ঘাট। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ১০ অক্টোবর মহালয়ার ভোরে এই ঘাটগুলিতে মাইকে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠে মহিষাসুরমর্দিনী বাজানো হতে পারে। মহালয়া ২০২৬ সালে ১০ অক্টোবর শনিবার।শুধু মহিষাসুরমর্দিনী বাজানোই নয়, ঘাটগুলিকে বিশেষ আলোয় সাজিয়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে। ফলে ভোরের গঙ্গার পাড়ে তর্পণের সময় এক অন্য ধরনের পরিবেশ তৈরি হতে পারে। পিতৃতর্পণ করতে আসা মানুষের পাশাপাশি মহালয়ার আবহ উপভোগ করতে আসা মানুষের কাছেও এই আয়োজন আকর্ষণের কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে।এই পরিকল্পনার আরও একটি বিশেষ আকর্ষণ হতে পারে বিশাল আকারের রেডিয়োর প্রতিকৃতি। মহালয়ার ভোরে রেডিয়োয় মহিষাসুরমর্দিনী শোনার যে দীর্ঘদিনের বাঙালি ঐতিহ্য, সেই স্মৃতিকেই গঙ্গার ঘাটে তুলে ধরার ভাবনা রয়েছে। ঘাটের চত্বরে বড় রেডিয়োর আদল তৈরি করে তার মাধ্যমে পুরনো দিনের সেই আবহ ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।মহালয়ার সঙ্গে বাঙালির এই আবেগ বহু পুরনো। পিতৃপক্ষের অবসান এবং দেবীপক্ষের সূচনার এই দিনে ভোর থেকেই কলকাতার গঙ্গার বিভিন্ন ঘাটে তর্পণ করতে মানুষের ভিড় হয়। তার সঙ্গে যদি বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠে মহিষাসুরমর্দিনী এবং বিশেষ আলোকসজ্জা যুক্ত হয়, তা হলে ঘাটগুলির পরিবেশ আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে।এবারের দুর্গাপুজোকে ঘিরে রাজ্য সরকারের একাধিক বড় আয়োজনের পরিকল্পনার খবর ইতিমধ্যেই সামনে এসেছে। মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সে বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হচ্ছে বলেও একাধিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।সব মিলিয়ে মহালয়া ২০২৬-এ কলকাতার গঙ্গার ঘাটে নতুন ধরনের আবহ তৈরির প্রস্তুতি চলছে। বাবুঘাট, বাজে কদমতলা ঘাট, জাজেস ঘাট, নিমতলা ঘাট এবং আহিরীটোলা ঘাটে শেষ পর্যন্ত এই পরিকল্পনা কী ভাবে বাস্তবায়িত হয়, এখন সেদিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
রাজ্য

ক্লাস চলাকালীন গায়ে কেরোসিন ঢেলে আত্মহত্যার চেষ্টা SFI নেতার! নেপথ্যে কারণ কী

জলপাইগুড়ির আনন্দচন্দ্র কলেজে ক্লাস চলাকালীন গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরানোর চেষ্টা ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সোমবার দুপুরে প্রথম বর্ষের এক ছাত্রনেতা আচমকাই ক্লাসরুমে কেরোসিন ঢেলে নেন বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে। পরে তিনি লাইটার বের করে আগুন ধরানোর চেষ্টা করলে ক্লাসে থাকা অধ্যাপক তাঁকে থামিয়ে দেন।ওই ছাত্রের নাম অর্ণব সরকার বলে জানা গিয়েছে। তাঁকে এসএফআইয়ের স্থানীয় কমিটির সম্পাদক হিসাবেও উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনার সময় ইতিহাসের ক্লাস চলছিল। অর্ণব ব্যাগ থেকে কেরোসিনের বোতল বের করে নিজের গায়ে ঢেলে নেন। এরপর লাইটার জ্বালানোর আগেই অধ্যাপক তাঁর হাত থেকে সেটি নিয়ে নেন। পরে তাঁকে অধ্যক্ষের ঘরে নিয়ে যাওয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশও কলেজে যায়।ঘটনার পর অর্ণব দাবি করেন, কলেজে তাঁকে নিয়মিত নিগ্রহ করা হচ্ছিল। তাঁর অভিযোগ, এ বিষয়ে এন্টি র্যাগিং কমিটিতে জানানো হলেও কোনও কার্যকর পদক্ষেপ হয়নি। তাঁর আরও দাবি, ঘটনার দিন কলেজে ঢোকার মুখেও তাঁকে মারধর করা হয়েছিল। সেই পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়েই তিনি এমন পদক্ষেপ করেছেন বলে জানান অর্ণব।অর্ণবের দাবি, তিনি কাউকে মারতে চাননি। নিজের নিরাপত্তার কথা ভেবেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বলে তাঁর বক্তব্য। তাঁর আরও দাবি, বাড়ি থেকেই কেরোসিন নিয়ে কলেজে এসেছিলেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষও তদন্ত করবে বলে জানিয়েছে। অধ্যক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী, কলেজের ইতিহাসে এমন ঘটনা নজিরবিহীন এবং পড়ুয়া কী ভাবে দাহ্য পদার্থ নিয়ে ক্যাম্পাসে ঢুকলেন, সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।অন্য দিকে, অর্ণবের অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছে এবিভিপি। সংগঠনের তরফে দাবি করা হয়েছে, ঘটনাটি পরিকল্পিত এবং দৃষ্টি আকর্ষণের জন্যই এমন কাণ্ড ঘটানো হয়েছে। তাদের বক্তব্য, অর্ণবকে কে বা কারা মারধর করেছে বলে অভিযোগ করা হলেও তিনি নির্দিষ্ট কারও নাম বলতে পারেননি। ফলে অভিযোগের সত্যতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে এবিভিপি।এসএফআই অবশ্য পাল্টা অভিযোগ করেছে। সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক দেবাঞ্জন দে-র দাবি, এবিভিপির বিরুদ্ধে ছাত্রদের মারধর এবং ক্যাম্পাসে ভয় দেখানোর অভিযোগ রয়েছে। তাঁর অভিযোগ, কলেজের ভিতরে একটি নির্দিষ্ট অপরাধচক্র তৈরি হয়েছে। তবে এই অভিযোগও এখনও রাজনৈতিক পক্ষগুলির বক্তব্যের মধ্যেই রয়েছে এবং তা স্বাধীন ভাবে প্রমাণিত হয়নি।ঘটনার পর কলেজের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। কী ভাবে একজন পড়ুয়া কেরোসিনের মতো দাহ্য পদার্থ নিয়ে কলেজে ঢুকলেন, সেটি এখন তদন্তের অন্যতম বিষয়। একই সঙ্গে অর্ণবের অভিযোগের সত্যতা, তাঁকে কোনও ভাবে নিগ্রহ করা হয়েছিল কি না এবং ঘটনার পিছনে ঠিক কী পরিস্থিতি ছিল, তা খতিয়ে দেখছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।আনন্দচন্দ্র কলেজের এই ঘটনা ইতিমধ্যেই এসএফআই ও এবিভিপির মধ্যে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর তৈরি করেছে। ছাত্রনেতার অভিযোগ এবং এবিভিপির পাল্টা বক্তব্যের মধ্যে আসল ঘটনা কী, তা তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

১০ অক্টোবর ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ! লেজেন্ডস লিগে শেষ পর্যন্ত কী সিদ্ধান্ত আয়োজকদের?

সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে আগামী ৩ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে লেজেন্ডস লিগের তৃতীয় সংস্করণ। চলবে ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত। এবারের প্রতিযোগিতায় মোট সাতটি দেশের কিংবদন্তি ক্রিকেটারদের দল অংশ নিচ্ছে। ভারত, পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজের পাশাপাশি এবার প্রথম বার খেলছে বাংলাদেশ।ভারতের দলে রয়েছেন যুবরাজ সিংয়ের মতো প্রাক্তন তারকারা। পাকিস্তানের দলেও রয়েছেন শাহিদ আফ্রিদি। আয়োজকদের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তানকে এবারের প্রতিযোগিতা থেকে বাদ দেওয়া হয়নি। বরং ৩ অক্টোবর বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে তাদের অভিযান শুরু হওয়ার কথা।সবচেয়ে বেশি নজর অবশ্য ১০ অক্টোবরের ম্যাচে। ওই দিন দুবাইয়ে মুখোমুখি হওয়ার কথা ভারত এবং পাকিস্তানের কিংবদন্তি ক্রিকেটারদের। আয়োজকদের সরকারি সূচিতে এই ম্যাচটি রাখা হয়েছে। ফলে পাকিস্তান অংশ নেবে না বা ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ বাতিল হয়েছেএমন তথ্য বর্তমান সরকারি সূচির সঙ্গে মিলছে না।এর আগে দ্বিতীয় সংস্করণে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ ঘিরে বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। পহেলগাঁও হামলার পর ভারতীয় কিংবদন্তিদের দল পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মাঠে নামেনি। সেই পরিস্থিতিতে পাকিস্তান ওয়াকওভার পেয়ে পরের পর্বে পৌঁছেছিল। সেই ঘটনার প্রভাব এবারের প্রতিযোগিতাতেও পড়বে কি না, তা নিয়ে ক্রিকেটমহলে আলোচনা ছিল।তবে তৃতীয় সংস্করণের বর্তমান সূচিতে ভারত ও পাকিস্তানকে একই প্রতিযোগিতায় রাখা হয়েছে। শুধু তাই নয়, দুই দলের মধ্যে ম্যাচের দিনও নির্ধারিত হয়েছে। ফলে গতবারের পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি হবে কি না, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।এবারের প্রতিযোগিতার আরও একটি বড় আকর্ষণ বাংলাদেশের অভিষেক। বাংলাদেশের কিংবদন্তি দল প্রথম বার এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে। সেই দলের অন্যতম পরিচিত নাম মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ৩ অক্টোবর প্রথম ম্যাচেই পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।লেজেন্ডস লিগের তৃতীয় সংস্করণে মোট ২৪টি লিগ ম্যাচ হবে। শারজা এবং দুবাইয়ের মাঠে হবে ম্যাচগুলি। লিগ পর্বের পর ১৬ অক্টোবর সেমিফাইনাল এবং ১৮ অক্টোবর ফাইনাল হওয়ার কথা।ফলে পাকিস্তানকে প্রতিযোগিতা থেকে বাদ দেওয়ার যে দাবি সামনে এসেছে, তা অন্তত বর্তমান সরকারি সূচি অনুযায়ী সঠিক নয়। বরং পাকিস্তান এবারের প্রতিযোগিতার অন্যতম অংশগ্রহণকারী দল এবং ১০ অক্টোবর ভারত-পাকিস্তানের বহুল আলোচিত ম্যাচও সূচিতে রয়েছে। গতবারের বিতর্কের পর এবার সেই ম্যাচ সত্যিই মাঠে গড়ায় কি না, সেদিকেই নজর থাকবে ক্রিকেটপ্রেমীদের।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
দেশ

যৌনাঙ্গ কাটা, চারতলা থেকে ঝাঁপ! প্রেমানন্দের শিষ্যের রহস্যজনক মৃত্যুতে ক্রমেই বাড়ছে ধোঁয়াশা

বৃন্দাবনে প্রেমানন্দ মহারাজের শিষ্য দীপক লোধি ওরফে রসিক দুলারি শরণের রহস্যমৃত্যু ঘিরে তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে নতুন প্রশ্ন। পঁচিশ বছরের দীপক উত্তরপ্রদেশের বৃন্দাবনের গুরু কৃপা কুঞ্জ আশ্রমের চারতলা থেকে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। সিসিটিভি ফুটেজে তাঁকে উপর থেকে পড়ে যেতে দেখা গিয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। তবে কী পরিস্থিতিতে তিনি ছাদ থেকে পড়েছিলেন, তা এখনও তদন্তের বিষয়।দীপক মূলত মধ্যপ্রদেশের জবলপুরের বাসিন্দা ছিলেন। প্রায় দুবছর আগে তিনি বৃন্দাবনে আসেন। পরে প্রেমানন্দ মহারাজের কাছে দীক্ষা নিয়ে রসিক দুলারি শরণ নাম গ্রহণ করেন। এরপর তিনি বৃন্দাবনেই থাকতেন। তাঁর মৃত্যুতে পরিবারের সদস্যদের মধ্যেও নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।ঘটনার পর দীপকের ঘরে তল্লাশি চালিয়ে একটি গ্রাইন্ডার উদ্ধার করা হয়। সেটিতে রক্তের দাগ ছিল বলে পুলিশ ও একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। একই সঙ্গে দীপকের শরীরে যৌনাঙ্গে কাটার চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে বলেও তদন্তে উঠে এসেছে। গ্রাইন্ডারটি কী ভাবে ব্যবহৃত হয়েছিল এবং সেটিতে থাকা রক্ত কার, তা জানতে সেটি ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।এই গ্রাইন্ডারই এখন তদন্তের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হয়ে উঠেছে। সেটি দিয়েই দীপকের শরীরে ওই আঘাত করা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তবে এই মুহূর্তে সেটিকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে ধরা হচ্ছে না। তদন্তকারীরা ফরেন্সিক রিপোর্ট এবং অন্যান্য প্রমাণের সঙ্গে বিষয়টি মিলিয়ে দেখছেন।দীপকের ময়নাতদন্তের রিপোর্ট নিয়েও সামনে এসেছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি উপর থেকে পড়ে যাওয়ার ফলে শরীরে গুরুতর আঘাতও হয়েছিল। ফলে মৃত্যুর আগে ঠিক কী ঘটেছিল, তা বুঝতে ময়নাতদন্তের রিপোর্টের সঙ্গে সিসিটিভি ফুটেজ এবং ফরেন্সিক প্রমাণ মিলিয়ে দেখা হচ্ছে।সিসিটিভি ফুটেজে দীপকের ঘর থেকে বেরিয়ে ছাদের দিকে যাওয়ার সময় এবং পরে পড়ে যাওয়ার ঘটনা ধরা পড়েছে বলে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর শেষ কয়েক মিনিটের গতিবিধি এখন তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তিনি নিজেই ওই কাজ করেছিলেন, নাকি অন্য কোনও পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।পুলিশ দীপকের মোবাইল ফোন, ডায়েরি, সিসিটিভি ফুটেজ এবং ঘর থেকে উদ্ধার হওয়া সামগ্রী পরীক্ষা করছে। আত্মহত্যার সম্ভাবনার পাশাপাশি অন্য কোনও ঘটনা ঘটেছিল কি না, সেই দিকও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পরিবারের তরফে তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে বলেও সংবাদমাধ্যমে এসেছে।ফলে প্রেমানন্দ মহারাজের শিষ্য দীপক লোধির মৃত্যু আপাতত একাধিক প্রশ্নের সামনে দাঁড় করিয়েছে তদন্তকারীদের। চারতলা থেকে পড়ে যাওয়ার ঘটনা সিসিটিভিতে ধরা পড়লেও তার আগে কী ঘটেছিল, ঘরে রক্তমাখা গ্রাইন্ডার কেন ছিল এবং শরীরে কাটার চিহ্নের সঙ্গে তার কোনও যোগ রয়েছে কি নাএসব প্রশ্নের উত্তর ফরেন্সিক পরীক্ষা ও তদন্ত শেষ হলেই স্পষ্ট হতে পারে। আপাতত ঘটনাটিকে ঘিরে কোনও একটি তত্ত্বকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে ধরা হচ্ছে না।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
কলকাতা

ইন্টারভিউ থেকে প্যানেল, সব তালিকাতেই বদল! একাদশ-দ্বাদশ শিক্ষক নিয়োগে এসএসসির বড় সিদ্ধান্ত

একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির সহকারী শিক্ষক নিয়োগে বড় পরিবর্তন করল স্কুল সার্ভিস কমিশন। নতুন সংরক্ষণ বিধি অনুযায়ী নিয়োগ প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যেতে আগের মেধাতালিকা ও প্যানেল পুনর্গঠন করা হচ্ছে। কমিশনের ওয়েবসাইটে ইতিমধ্যেই সংশোধিত শূন্যপদের তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় মোট শূন্যপদ ১২ হাজার ৪৪৫টি।এর আগে একাদশ-দ্বাদশের শিক্ষক নিয়োগে প্যানেল এবং অপেক্ষমাণ তালিকা প্রকাশ করেছিল স্কুল সার্ভিস কমিশন। সেই তালিকা প্রকাশিত হয়েছিল চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে। পরে রাজ্যে ওবিসি সংরক্ষণের কাঠামোয় পরিবর্তন আসে। সেই পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নিয়োগের মেধাতালিকা নতুন করে তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন।নতুন সংরক্ষণ বিধি অনুযায়ী ওবিসি সংরক্ষণের হার ১৭ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৭ শতাংশ করা হয়েছে। সেই পরিবর্তনের ভিত্তিতেই একাদশ-দ্বাদশের শিক্ষক নিয়োগের শূন্যপদ এবং সংরক্ষণের হিসাব নতুন করে তৈরি করা হয়েছে।ফলে আগের প্যানেল ও অপেক্ষমাণ তালিকার ভিত্তিতে নিয়োগের যে প্রক্রিয়া চলছিল, তাতে পরিবর্তন আসছে। নতুন করে সংশোধিত মেধাতালিকা তৈরি করা হবে। এরপর নতুন প্যানেল এবং অপেক্ষমাণ তালিকা প্রকাশ করবে স্কুল সার্ভিস কমিশন।তবে আগে যাঁরা ইন্টারভিউ এবং নমুনা পাঠদানে অংশ নিয়েছেন, তাঁদের নতুন করে সেই ধাপগুলিতে অংশ নিতে হবে না। তাঁদের আগের লিখিত পরীক্ষা, শিক্ষাগত যোগ্যতার নম্বর, ইন্টারভিউ এবং নমুনা পাঠদানের নম্বরই নতুন মূল্যায়নে বিবেচনা করা হবে বলে কমিশনের নিয়োগ প্রক্রিয়ার কাঠামো থেকে জানা যাচ্ছে।নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত হওয়া প্রার্থীদের ক্ষেত্রে নথিপত্র যাচাই করা হবে। সেই যাচাই পর্ব শেষ হওয়ার পরে পরবর্তী ধাপে এগোবে কমিশন। সংশোধিত মেধাতালিকার ভিত্তিতেই পরবর্তী কাউন্সেলিং এবং নিয়োগ প্রক্রিয়া চালানো হবে।এই পরিবর্তনের ফলে আগের তালিকায় থাকা কিছু প্রার্থীর অবস্থান বদলাতে পারে। আবার নতুন সংরক্ষণ কাঠামোর কারণে এমন কিছু প্রার্থীও নতুন তালিকায় সুযোগ পেতে পারেন, যাঁরা আগের তালিকায় প্যানেল বা অপেক্ষমাণ তালিকায় ছিলেন না। তবে ঠিক কতজন প্রার্থীর অবস্থান বদলাবে বা কতজন আগের তালিকা থেকে বাদ পড়বেন, তা সংশোধিত চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত নয়।একাদশ-দ্বাদশ শিক্ষক নিয়োগের এই প্রক্রিয়ায় আগে প্রকাশিত তালিকা পুনর্গঠনের সিদ্ধান্তের মূল কারণই হল সংরক্ষণ বিধির পরিবর্তন। কমিশন জানিয়েছে, নতুন নিয়ম মেনেই নিয়োগ প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। এর ফলে আগের তালিকার পরিবর্তে সংশোধিত মেধাতালিকাই নিয়োগের ক্ষেত্রে কার্যকর হবে।এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে একাদশ-দ্বাদশের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের প্যানেল ও অপেক্ষমাণ তালিকা প্রকাশ করেছিল স্কুল সার্ভিস কমিশন। সেই তালিকার ভিত্তিতেই নিয়োগ প্রক্রিয়া এগোচ্ছিল। পরে সংরক্ষণ কাঠামোয় পরিবর্তনের কারণে পুরো মেধাতালিকা পুনর্গঠনের প্রয়োজন তৈরি হয়।এখন চাকরিপ্রার্থীদের নজর সংশোধিত চূড়ান্ত মেধাতালিকার দিকে। নতুন প্যানেল এবং অপেক্ষমাণ তালিকা প্রকাশের পরই স্পষ্ট হবে, কার অবস্থান কোথায় বদলাল এবং কারা শেষ পর্যন্ত নিয়োগের সুযোগ পেলেন। কমিশনের পরবর্তী বিজ্ঞপ্তির উপরেই এখন নির্ভর করছে একাদশ-দ্বাদশ শিক্ষক নিয়োগের পরবর্তী ধাপ।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
বিদেশ

ছয় সেকেন্ডেই গলে গেল গোটা পাহাড়! নেপালে ভয়াবহ দৃশ্য, নদীতে মিশে গেল পাহাড়ের অংশ

নেপালে ফের প্রকৃতির তাণ্ডব। প্রবল বৃষ্টি, পাহাড় ধস এবং বন্যায় একাধিক এলাকা বিপর্যস্ত। মুস্তাং জেলার লেতে এলাকায় কালীগণ্ডকী নদীর দিকে পাহাড়ের একটি বড় অংশ ধসে পড়েছে। কয়েক সেকেন্ডের একটি ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, বিশাল পাহাড়ের অংশ নদীতে গিয়ে পড়ছে। সেই সময় স্থানীয়দের চিৎকারও শোনা যায়। ধসের জেরে নদীর গতিপথ কিছু সময়ের জন্য বাধাগ্রস্ত হয়েছিল।টানা বৃষ্টির জেরে নেপালের পশ্চিমাঞ্চলের একাধিক নদীর জলস্তর বেড়েছে। মুস্তাং, মিয়াগদি, পার্বত এবং স্যাংজার মতো এলাকায় বন্যা ও পাহাড় ধসের খবর মিলেছে। পার্বত জেলার একটি বসতিতে কালীগণ্ডকী নদীর জল ঢুকে প্রায় ৮০টি বাড়ি ভেসে যাওয়ার খবরও সামনে এসেছে। বিভিন্ন জায়গায় ধসের কারণে সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হয়েছে এবং উদ্ধারকাজেও সমস্যা তৈরি হয়েছে।সাম্প্রতিক বন্যা ও পাহাড় ধসে নেপালের বিভিন্ন জেলায় অন্তত ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। আরও ১৪ জন নিখোঁজ বলে খবর। পরিস্থিতি সামাল দিতে নিরাপত্তাবাহিনী ও উদ্ধারকারী দল একাধিক এলাকায় কাজ করছে। বহু মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।এর মধ্যেই মানাং জেলার হিমলুং হিমালেও ভয়াবহ তুষারধস নেমেছে। রবিবার ৭১২৬ মিটার উচ্চতার এই পর্বতের কাছে তুষারধসে পর্বতারোহী ও তাঁদের সহকারীদের একটি শিবির ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রথমে প্রায় ১৪ জনের নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছিল। পরে উদ্ধারকারীরা চারটি দেহ উদ্ধার করেন। আরও ১২ জন এখনও নিখোঁজ বলে সর্বশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।এই নতুন বিপর্যয় এমন সময়ে ঘটল, যখন গত ২৬ অগস্টের ভয়াবহ বন্যা ও হড়পা বান থেকে এখনও পুরোপুরি ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি নেপাল। সেই ঘটনায় দেশের বিস্তীর্ণ এলাকায় বাড়িঘর, সেতু, রাস্তা এবং জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। পরবর্তী হিসাব অনুযায়ী, সেই বিপর্যয়ে মৃতের সংখ্যা এক হাজার চারশোরও বেশি এবং নিখোঁজের সংখ্যাও কয়েক হাজারে পৌঁছেছে।২৬ অগস্টের বিপর্যয়ের পর থেকেই নেপালের একাধিক এলাকায় উদ্ধার ও ত্রাণকাজ চলছে। কিন্তু নতুন করে প্রবল বৃষ্টি, বন্যা এবং পাহাড় ধস পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলেছে। বিশেষ করে পাহাড়ি এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ায় দুর্গতদের কাছে দ্রুত পৌঁছনো নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়েছে।মুস্তাংয়ের পাহাড় ধসের ভিডিয়ো ইতিমধ্যেই মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করেছে। চোখের সামনে পাহাড়ের বিশাল অংশ নদীতে তলিয়ে যাওয়ার দৃশ্য দেখে স্থানীয়দের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। একই সময়ে মানাংয়ে তুষারধসের ঘটনায় নিখোঁজদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান চালানো হচ্ছে।নেপালে একের পর এক প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ঘটনায় এখন সবচেয়ে বড় উদ্বেগ উদ্ধারকাজ এবং দুর্গত মানুষদের নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া। পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে প্রশাসন। প্রবল বৃষ্টি ও নতুন করে ধস নামার আশঙ্কায় পাহাড়ি এলাকাগুলিতে সতর্কতাও জারি রাখা হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
রাজ্য

সোনার বাজারে ভূমিকম্প! এক ঝটকায় হুড়মুড়িয়ে কমল দাম, কলকাতায় আজ ২২ ক্যারেটের দাম জানলে চমকে যাবেন

বিশ্ববাজারের অস্থিরতা ও সুদের হার বৃদ্ধির আশঙ্কার মাঝে ভারতীয় বাজারে পতন লক্ষ্য করা গেল সোনার দামে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬) প্রতি গ্রাম ২৪ ক্যারেট সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ১৫,০১৭ টাকায়, যা গত ২৬ সেপ্টেম্বরের তুলনায় গ্রাম প্রতি ২৫১ টাকা কম। একইভাবে ২২ ক্যারেট ও ১৮ ক্যারেটের সোনার দামও কমেছে। ভারতে আজ সোনার দর (প্রতি গ্রাম ও ১০ গ্রাম)২৪ ক্যারেট: প্রতি গ্রাম ১৫,০১৭ টাকা (১০ গ্রামে ১,৫০,১৭০ টাকা)। ২৬ সেপ্টেম্বরের তুলনায় দর কমেছে ২৫১ টাকা।২২ ক্যারেট: প্রতি গ্রাম ১৩,৭৬৫ টাকা (১০ গ্রামে ১,৩৭,৬৫০ টাকা)। দর কমেছে ২৩০ টাকা।১৮ ক্যারেট: প্রতি গ্রাম ১১,২৬৩ টাকা (১০ গ্রামে ১,১২,৬৩০ টাকা)। দর কমেছে ১৮৮ টাকা।প্রধান শহরগুলিতে আজ সোনার দর (প্রতি ১০ গ্রাম)কলকাতা, মুম্বাই, বেঙ্গালুরু, হায়দরাবাদ ও পুনে: ২৪ ক্যারেট ১,৫০,১৭০ টাকা। ২২ ক্যারেট ১,৩৭,৬৫০ টাকা। ১৮ ক্যারেট ১,১২,৬৩০ টাকা।দিল্লি: ২৪ ক্যারেট ১,৫০,৩২০ টাকা। ২২ ক্যারেট ১,৩৭,৮০০ টাকা। ১৮ ক্যারেট ১,১২,৭৮০ টাকা।চেন্নাই: ২৪ ক্যারেট ১,৫০,১৭০ টাকা। ২২ ক্যারেট ১,৩৭,৬৫০ টাকা। ১৮ ক্যারেট ১,১৫,৩৫০ টাকা।আহমেদাবাদ ও বরোদা: ২৪ ক্যারেট ১,৫০,২২০ টাকা। ২২ ক্যারেট ১,৩৭,৭০০ টাকা। ১৮ ক্যারেট ১,১২,৬৮০ টাকা।কেন কমছে সোনার দাম?অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারের চাপই দেশীয় বাজারে সোনার দাম কমার প্রধান কারণ। ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম Giottus.com-এর সিইও বিক্রম সুব্বুরাজ জানিয়েছেন, বিশ্ববাজারে স্পট গোল্ডের দাম ১.৫ শতাংশ কমে প্রতি আউন্সে ৪,২২৪ ডলারে নেমে এসেছে। পাশাপাশি ইউএস ফিউচার্স প্রতি আউন্সে প্রায় ৪,২৫৮ ডলারে লেনদেন হচ্ছে।তেলের দাম বাড়ায় মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা জোরালো হচ্ছে, যার ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ডলারের শক্তি বৃদ্ধি ও সুদের হার বাড়ার কারণে অলঙ্কার ও সোনায় বিনিয়োগের প্রবণতা সাময়িকভাবে কমছে। তবে অন্যদিকে, রুপোর বাজারে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত মিলেছে। এমসিএক্স (MCX)-এ সিলভার মিনি কন্ট্রাক্ট প্রতি কেজিতে প্রায় ২,৩৬,৬৮০ টাকায় লেনদেন হয়েছে।পশ্চিম এশিয়ার উত্তেজনা ও আন্তর্জাতিক বাজারের অনিশ্চয়তাআন্তর্জাতিক অঙ্গনে পশ্চিম এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা এখন চরম পর্যায়ে। হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা দিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত ৬০ দিনের সামুদ্রিক যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভেস্তে গেছে। চুক্তি ভঙ্গের পর থেকেই দুই দেশ পুনরায় সামরিক অভিযান শুরু করেছে এবং সব ধরনের কূটনৈতিক পথ বন্ধ করে দিয়েছে।ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন, তেহরান আলোচনার জন্য প্রস্তুত হলেও মার্কিন হামলার জবাবে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের জন্যও তৈরি। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বিশ্বজুড়ে সোনার চাহিদা ও দামের ওপর দীর্ঘমেয়াদে বড় প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা বজায় থাকছে।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
রাজ্য

‘জোড়া ফুল’ প্রতীক ফ্রিজ মামলায় বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, হাতছাড়া হতে চলেছে মমতার সাধের প্রতীক?

সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় নাম ও জোড়া ফুল প্রতীক ফ্রিজ করার নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দায়ের করা মামলায় বড় নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। তৃণমূলের ভেতরে চলা উপদলীয় কোন্দলের জেরে দলীয় নাম ও প্রতীক নিয়ে দুই গোষ্ঠীর বিরোধ নিষ্পত্তিতে নির্বাচন কমিশনকে (ECI) একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত। নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে উভয় পক্ষকে নিজেদের লিখিত বক্তব্য পেশ করতে হবে এবং তিন মাসের মধ্যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে কমিশনকে।দলের নাম ও প্রতীক ফ্রিজ করার অন্তর্বর্তীকালীন সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে সর্বোচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার এই সংক্রান্ত আবেদনের শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের বেঞ্চ জানায়, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও স্পষ্টতা বজায় রাখতে দ্রুত এই বিরোধের সমাধান হওয়া প্রয়োজন। উল্লেখ্য, দলীয় কোন্দলের জের ধরে গত ১৮ সেপ্টেম্বর অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের নাম এবং তাদের ঐতিহ্যবাহী জোড়া ফুল (Flowers Grass) প্রতীক ফ্রিজ বা সাময়িকভাবে স্থগিত করার নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। দুই বিরোধী গোষ্ঠীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, বিতর্ক নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তাদের বিকল্প নতুন নাম ও প্রতীক বেছে নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে।উপনির্বাচনের তারিখ ঘোষণার ঠিক ১০ দিন পর কমিশনের এই সিদ্ধান্ত আসে, যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অরূপ রায়ের নেতৃত্বাধীন দুই পৃথক গোষ্ঠীই নিজেদের প্রার্থী মনোনীত করেছিল।কমিশনের ওই নির্দেশিকায় বর্তমানে বিকল্প প্রতীক নিয়ে লড়াইয়ে নেমেছে দুই শিবির। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে ফুটবলার প্রতীক নিয়ে এবং অরূপ রায়ের নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহী শিবির নির্বাচন লড়ছে খাম (Envelope) প্রতীক নিয়ে। তবে দলের আসল মালিকানা ও নাম-প্রতীক কার দখলে যাবে, আগামী ৩ মাসের মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের সেই সিদ্ধান্তের দিকে নজর থাকবে দেশের রাজনৈতিক মহলের।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal