• ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩, শুক্রবার ০৮ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

AC

দেশ

Antibody: টিকা নেওয়ার পর অ্যান্টিবডি কমে গিয়েছে? কী বলল আইসিএমআর?

করোনার ভ্যাকসিন নেওয়ার পরও অ্যান্টিবডি কমে যাচ্ছে শরীরে। বিশেষজ্ঞদের নজরে এমন তথ্য আগেই এসেছে। এবার আইসিএমআর-এর সমীক্ষায় অনুসন্ধান করা হল, ঠিক কত দিন পর অ্যান্টিবডি কমতে শুরু করে। মূলত কোভ্যাকসিন ও কোভিশিল্ড টিকার ক্ষেত্রেই এই সমীক্ষা চালানো হয়েছে। আর তাতে দেখা গিয়েছে, দুই ক্ষেত্রেই ভ্যাকসিন নেওয়ার কয়েক মাস পর থেকেই অ্যান্টিবডি কমতে শুরু করে অর্থাৎ করোনা প্রতিরোধ ক্ষমতা হারাতে শুরু করে শরীর। ফলে, নতুন করে সংক্রামিত হওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছেন না বিশেষজ্ঞরা। সম্প্রতি ভুবনেশ্বের আইসিএমআর-এর আঞ্চলিক শাখা আরএমআরসি-তে সেই সমীক্ষা চালানো হয়েছে।আরও পড়ুনঃ মনোনয়ন জমা প্রিয়াঙ্কার, হুংকার শুভেন্দুরগবেষক জানিয়েছেন, যাঁরা কোভ্যাকসিন নিয়েছেন তাঁদের ক্ষেত্রে ২ মাস পর থেকে ও যাঁরা কোভিশিল্ড নিয়েছে তাঁদের ক্ষেত্রে ৩ মাস পর থেকে অ্যান্টিবডি কমতে দেখা গিয়েছে। তবে এই সমীক্ষা এখানেই শেষ করছে না আইসিএমআর। অন্তত টিকা নেওয়ার ২ বছর পর পর্যন্ত প্রতিরোধ ক্ষমতা কতটা থাকে, তা খতিয়ে দেখা হবে। এর আগে ভুবনেশ্বেরের একটি গবেষণার টিমের সদস্যদের অ্যান্টিবডি পরীক্ষা করে দেখা যায় তাঁদের মধ্যে ২৩ শতাংশের শরীরে কোনও আ্যান্টিবডি নেই। অর্থাৎ অ্যান্টিবডি রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। এদের প্রত্যেকেরই ভ্যাকসিনের দুটি করে ডোজ় নেওয়া হয়ে গিয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, ভারতে করোনার যে দুটি ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে, অর্থাৎ কোভিশিল্ড ও কোভ্যাকসিনের কার্যকারিতা ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ। তাই ২০ থেকে ৩০ শতাংশ টিকাপ্রাপ্তের শরীরে আ্যান্টিবডি তৈরি নাও হতে পারে। ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের রিপোর্ট সামনে এলে তবেই আইসিএমআর বুস্টার ডোজের ক্ষেত্রে অনুমোদন দিতে পারে বলেও মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১
রাজ্য

Twitter Hack: মহিলা মোর্চার সভানেত্রীর টুইটার হ্যাক

রাজ্য মহিলা মোর্চা সভানেত্রী ও বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পালের টুইটার অ্যাকাউন্টটি হ্যাক হয়ে গিয়েছে এবং সেখান থেকে পরিচিত লোকজনদের নানাবিধ ম্যাসেজ পাঠানো হচ্ছে। এই মর্মে বিধায়কের টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে ৫৬ হাজার ফলোয়ারের উদ্দেশ্যে কোনও বার্তা গেলে তা যেন এড়িয়ে যাওয়া হয়, সেজন্য আবেদন করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই লালবাজারের সাইবার শাখায় একটি লিখিত অভিযোগও জানানো হয়েছে। অবিলম্বে এই বিষয়ে পদক্ষেপ করার আবেদনও জানানো হয়েছে।রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বর তরফে অভিযোগ করা হয়েছে, ইচ্ছাকৃতভাবে এমনটা করা হয়েছে। যাতে মহিলা মোর্চার সভানেত্রীর ভাবমূর্তি নষ্ট করা যায়। কিন্তু অপচেষ্টা কখনই সফল হবে না।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Nachiketa : নচিকেতার গান অবলম্বনে 'অসম প্রেম'

জীবনমুখী গানের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও সংগীত পরিচালক নচিকেতা চক্রবর্তী। শুধু ভারতেই নয়, ভারতের বাইরে বাংলাদেশেও তাঁর ভক্তর সংখ্যা কম নয়। সেই নচিকেতার পেসমেকার গানের অবলম্বনে বাংলাদেশে নির্মিত হল স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র অসম প্রেম। যার পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন সাংবাদিক, অভিনেতা আহমেদ সাব্বির রোমিও। এই স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করছেন নৃত্য শিল্পী ও অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা ইসলাম। পরিচালক নিজে ছাড়াও আরও যারা অভিনয় করছেন তারা হলেন, ফারজানা রুমি, সামিন ফারদীন সৌমিক, শিশু শিল্পী রাজদীপসহ অনেকে।পাশাপাশি পেসমেকার কভার গানটিতে কন্ঠ দিয়েছেন আকতারুল আলম তিনু। মিউজিক রি-কম্পাজ করেছেন সংগীত পরিচালক শামীম মাহামুদ। দুটি কাজের প্রধান সহকারী পরিচালক ছিলেন বাপ্পা দীপ রায়, এডিটিং এবং কালার গ্রেডিং আকতারুল আলম তিনু।ক্যামেরার দায়িত্ব সামলেছেন সাজিব খান। সহকারী পরিচালক মাসুদ রানা। মেক-আপ আবদুর রহিম। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন লোকেশনে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র এবং কভার সংটির ভিডিও দূশ্যের চিত্রধারন করা হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২১
কলকাতা

Dilip Ghosh: 'অ্যান্টি সোশ্যালরা তৃণমূলের ঝান্ডা নিয়ে ঘোরে'

ফের খাস কলকাতায় রাতে চলল গুলি। রাত সাড়ে ১০ টায় রাস্তায় গাড়ি চালিয়ে ব্যবসায়ীকে গুলি করেছে একদল দুষ্কৃতী। শহরে এমন ঘটনা প্রথমবার নয়। গত কয়েক মাসে একাধিকবার এমন গুলি চালনো ঘটনা ঘটেছে কলকাতায়। সেই প্রসঙ্গেই এবার শাসক দলের দিকে আঙুল তুললেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁর দাবি, তৃণমূলের মদতেই এ ভাবে শহর তথা গোটা রাজ্যজুড়ে দুষ্কৃতী তাণ্ডব বেড়ে চলেছে। তৃণমূলের আশ্রয়েই এত বাড়বাড়ন্ত বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। সোমবার সকালে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে দিলীপ ঘোষ দাবি করেন, রাজ্যজুড়ে যে সব সমাজ বিরোধীরা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে তারা সবাই তৃণমূল আশ্রিত।আরও পড়ুনঃ বাতিল টেস্ট ম্যাচ নিয়ে আইসিসিকে চিঠি ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডেরপ্রসঙ্গত, রবিবার রাতে মিন্টো পার্কের কাছে গোর্কি সদনের সামনে হাওড়ার ব্যবসায়ী পঙ্কজ সিং-কে লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। একেবারে বলিউডি কায়দায় প্রথমে ঘিরে ফেলা হয় ব্যবসায়ীর গাড়ি। বেশ কিছুক্ষণ ধরে চলে বচসাও। এরই মধ্যে সুযোগ বুঝে পঙ্কজকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। তবে কাঁধে গুলি লাগায় প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন ওই ব্যবসায়ী। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাঁকে সিএমআরআই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরিকল্পনামাফিক গুলি চালানো হয়েছে বলে দাবি আত্মীয় ও বন্ধুদের। এই প্রসঙ্গে আজ দিলীপ ঘোষ বলেন, শুধু কলকাতা নয় গোটা রাজ্যে একই অবস্থা। আর কাউকে গ্রেপ্তার করা হয় না, কারণ তারা দলের লোক। দিলীপের কথায়, যত সমাজ বিরোধী রয়েছে সবাই তৃণমূলের আশ্রয়ে রয়েছে। সবাই তৃণমূলের ঝাণ্ডা নিয়ে ঘোরে। কেউ কেউ তৃণমূলে পদ পেয়ে গিয়েছে, নেতাও হয়ে গিয়েছে। এরাই পুরো সমাজকে ব্যস্ত করে রেখেছে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২১
টুকিটাকি

Skin Burning Home remedy: ঘরোয়া ফেসপ্যাকে মিরাক্যাল

কোনও কারণে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে বা পুড়ে গিয়ে ত্বকের মধ্যে যে দাগ সৃষ্টি হয়, তা শুধু ত্বকেই নয়, মানসিকভাবেও সেই দাগ থেকে যায়। আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে বা পুড়ে যাওয়ার কারণে ত্বকের ক্ষতবিক্ষত দিকগুলি যতটা পারা যায় ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। অনেকে দাগ মেটাতে প্লাস্টিক বা কসমেটিক সার্জারি করান। কিন্তু জানেন কী, প্রাকৃতিক ও ঘরোয়া উপায়েও কালো দাগ, ব্রণের ক্ষত দাগ, পক্সের কালো দাগ, গর্ত এইগুলি খুব সহজে নির্মূল করা যায়।সবজির খোসা দিয়ে তৈরি ফেসপ্যাকদাগের চিকিৎসার জন্য লেজার থেরাপি, মাইক্রো ডার্মাব্রেসন, কেমিক্যাল পিলিং, আলফা হাইড্রক্সি অ্যাসিড এগুলি করাই যায়। তবে ভেজ পিল ট্রিটমেন্ট নামে একটি বায়ো পিলিং পদ্ধতি রয়েছে। যা খুব সহজে পোড়া দাগ ও আঘাতপ্রাপ্ত দাগ ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হয়ে যায়। এগুলি ক্লিনিকে না গিয়ে বাড়তেও করতে পারেন। তবে যদি অনেক দাগ থাকে তাকলে অবশ্যই ক্লিনিক্যাল চিকিৎসার বেশ কয়েকটি সেশনের দরকার হতে পারে। তবে ব্রণের কারণ গর্ত, কালো দাগ, বসন্তের জেরে ছোট-বড় গর্ত হঠাতে এই ঘরোয়া প্রতিকারের সাহায্য নিতে পারেন।বাড়িতে তৈরি ফেসিয়াল স্ক্রাবচালের গুঁড়ো, দই ও এক চিমটে হলুদ একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এরপর মুখে লাগিয়ে ছোট ছোট বৃত্তাকারে মাসাজ করে ত্বকের উপর আলতো করে ঘষুন। ব্রণের চিহ্ণ বা গর্তগুলিতে বিশেষ করে ঘষুন। পাঁচ মিনিটের জন্য রেখে তারপর প্রচুর পরিমাণে সাধারণ জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।ফেসপ্যাকসপ্তাহে এক থেকে দুবার ফেসপ্যাক ব্যবহার করতে পারেন। ডিমের সাদা অংশের সঙ্গে ৩ চা চামচ ওটস ও এক চা চামচ দই, মধু মিশিয়ে একটি পেস্ট বানান। এবার ঠোঁট, চোখের চারপাশের এলাকা ছাড়া মুখের সর্বত্র লাগান। আধ ঘণ্টা পর ধুয়ে ফেলুন। শুকনো কমলালেবুর খোসা, ও লেবুর রস, গ্রাউন্ড আমন্ড মিশিয়ে একটি প্যাক বানান। ডিমের সাদা অংশে এই প্যাকে সঙ্গে যোগ করে মুখের ত্বকের লাগিয় ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। শুষ্কতা দূর করার জন্য ২ চা চামচ দই নিন, তাতে এক চিমচে হলুদ গুঁড়ো দিয়ে প্রতিদি মুখে লাগান। ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। ত্বককে শুধু নরমই করে না। কালো দাগ হালকা করতেও সাহায্য করে। পাকা পেঁপের গুড়োর সঙ্গে শসা কুচি, টমেটোর পাল্প ও কমলালেবুর খোসার পাউডার মিশিয়ে একটি প্যাক বানান। মুখের ত্বকে প্রতিদিন লাগান ও আধঘণ্টা পর ধুয়ে ফেলুন। মধু ত্বকের উপর ব্রণের দাগ হালকা করতে সক্ষম। তাই দাগের উপর মধু লাগান। বিশেষ করে রাতে শোওয়ার আগে লাগিয়ে ঘুমাতে যান। সকালে স্বাভাবিক জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এছাড়া অ্যাসপিরিন ট্যাবলেচের গুঁড়ো মিশিয়ে মধুর মধ্যে কয়েক ফোঁটা জল যোগ করুন।প্যাক তৈরি করে ত্বকে লাগান ও ১০-১৫ মিনিটের জন্য অপেক্ষা করুন। নিয়ম অনুসারে ধৈর্য ধরে এই ঘরোয়া পদ্ধতি ব্যবহার করলেই পেয়ে যেতে পারেন নরম, দাগহীন পেলব ত্বক। যা সকলের নজর কাড়বেই।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Yuvaan : ১ বছরে পা ইউভানের

এই তো সেদিন পৃথিবীর আলো দেখল ইউভান। দেখতে দেখতে অনেকটাই বড় হয়ে গেল। ১ মাস দু মাস পেরিয়ে ১ বছরে পা দিল শুভশ্রী ও রাজ চক্রবর্তীর পুত্রসন্তান। সোশ্যাল মিডিয়াতে বিভিন্ন সময়ে ইউভানের সঙ্গে ছবি পোস্ট করতে দেখা যায় শুভশ্রী ও রাজ চক্রবর্তী কে। ইউভানের দুষ্টু মিষ্টি ছবি বা ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়াতে বেশ ভালোই আলোড়ন ফেলে। কখনও দেখা যায় ইউভান খেলছে, আবার কখনও মজার মুহূর্ত ধরা পড়ে। আদরের মামা জিত্ গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে তার গান শোনার ভিডিও-তে মন ভরেছে নেটিজেনদের। ইউভানের ১ বছরের জন্মদিনে মা শুভশ্রী ভেসেছেন আবেগে। ছেলে কোলে ছবির সঙ্গে আবেগ মাখা পোস্ট করেছেন মা।শুভশ্রী লিখেছেন শুভ জন্মদিন জান। এই এক বছরে তুমি আমার মধ্যে এক মায়ের জন্ম দিয়েছ। তোমাকে প্রাণভরা ভালবাসা, আমার সোনা...সত্যিই তো এক বছরে এক নতুন পরিচয় তৈরি হয়েছে অভিনেত্রী শুভশ্রীর জীবনে। তিনি বাংলা ইন্ডাস্ট্রির নামি নায়িকা, রাজ চক্রবর্তীর ঘরণী, আর এখন তিনি ইউভানের মা। জীবনে পূর্ণতা পেয়েছেন তিনি।অন্যদিকে বাবা রাজ চক্রবর্তীও ছেলের জন্মদিনে লিখেছেন শুভেচ্ছা বার্তা। তিনি লিখেছেন যে, তুমি আমার গর্ব, আমার ভালবাসা, আমার পৃথিবী, আমার সবকিছু। প্রথম জন্মদিনে অনেক শুভেচ্ছা। পুরীর সমুদ্র সৈকতে ইউভানের একটা মিষ্টি ছবি বেছে নিয়েছেন এই শুভেচ্ছা বার্তার জন্য।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২১
নিবন্ধ

Mysterious Palace :রাজবাড়ির রহস্য (ধারাবাহিক গল্প)- প্রথম পর্ব

বীরভূমের এক প্রত্যন্ত গ্রামে উজানের মামার বাড়ি। ওনারা ওখানকার জমিদার ছিলেন। আজও তার প্রতীক হিসাবে বিশাল রাজবাড়ি দাঁড়িয়ে আছে ঐতিহ্য বহণ করে। যদিও উজানের বড়ো মামা-মামি ছাড়া কেউই আজ ওখানে থাকেনা। অন্যান্য তিন মামা বিদেশে থাকেন। যদিও পারিবারিক দুর্গা পুজোয় বছরে একবার আসেন। উজানের মা ঐ বাড়ির একমাত্র মেয়ে। তাই উজানের আদরও খুব মামার বাড়িতে।এবার তাই ১২ ক্লাস বোর্ড এক্সামএর পরে উজানের বন্ধুরা যখন বলে সবাই মিলে কোথাও বেড়াতে যাবে আলাদা হয়ে যাওয়ার আগে, তখন উজান ওর মামার বাড়ি যাবার প্রস্তাব দেয়। ওর এই বন্ধুরা অনেকদিন ধরেই ওর মামার বাড়ি দেখ্তে চেয়েছিল।রাশি, হিয়া, দিয়া, অত্রি আর উজান সেই নার্সারি থেকে আজ পর্যন্ত একসঙ্গে পড়ছে। এবার যে যার মতো আলাদা হয়ে যাবে। তাই তার আগে ওরা শুধু নিজেরা কোথাও যেতে চায়। উজানের মামার বাড়ি যাবার কথায় কারো বাড়ি থেকেই কোনো আপত্তি হয়নি।ওরাও খুব excited এই প্রথম শুধুমাত্র বন্ধুরা মিলে কোথাও বেড়াতে যাবে। ওদের মধ্যে হিয়া দিয়া যমজ বোন, হিয়াটা খুব চঞ্চল দিয়া একটু শান্ত; আর রাশি মেয়েটা একটু যেন বেশিই চুপচাপ। যদিও তাতে ওদের বন্ধুত্বের কোনো অসুবিধা নেই। রাশির একটা ব্যাপার ওরা ছোট থেকেই দেখে আসছে যে ও মাঝে মাঝেই কেমন উদাস হয়ে যায়। ছোটোবেলায় তার কারণ অবশ্য একটা বলতো,এখন বড়ো হয়ে গেছে এখন আর কিছু বলেনা কিন্তু সেই উদাস হয়ে যাওয়া আজও আছে। ওরা সবাই সবাইকে খুব ভালো করে জানে। তাই রাশিকে কোনো রকম বিরক্ত করেনা। যাইহোক সবাই খুব খুশি বেড়াতে যাওয়া নিয়ে। সারা দিন ফোনে শুধু প্ল্যান হয়ে যাচ্ছে কি করবে না করবে, কে কি পোশাক নেবে, কতো দিন থাকবে, আশেপাশে কোথায় কি আছে দেখবে এইসব করে যাচ্ছে সারাদিন।এইসব করতে করতে যাবার দিন চলে এলো। সবাই মিলে বিশ্বভারতী এক্সপ্রেস ট্রেনের কামরায় উঠে বসল। সবাই খুব হৈচৈ করে আনন্দ করতে লাগল যেন মুক্ত বিহঙ্গ। ট্রেন ছেড়ে দিলে ওদের আনন্দ যেন আর ধরে না। সে কি উত্তেজনা সবার কিন্তু রাশি যেন একটু বেশি চুপচাপ। কি হয়েছে জানতে চাইলে বলবে না ওরা জানে তাই ওকে বিরক্ত করে না। রাশি জানালা দিয়ে দেখ্তে দেখ্তে চলে। আর ওরা চড়ুই পাখির মত কিচির মিচির করতে থাকে। কু ঝিকঝিক ট্রেন চলতে থাকে।ট্রেন অবশেষে যখন পৌঁছল তখন বেশ খানিকটা রাত হয়েছে। স্টেশনের বাইরে ওদের জন্য গাড়ি দাঁড়িয়ে আছে। ওরা মামার বাড়ির গাড়িতে মালপত্র উঠিয়ে বসল। রাত হয়ে যাওয়ার কারণে কিছুই বুঝতে পারলো না ওরা পথের সম্বন্ধে। মামার বাড়ি যেহেতু গ্রামে তাই খুব তাড়াতাড়ি চুপচাপ হয়ে যায়।তবুও শুক্লপক্ষের রাত বলে চারিদিকে রূপোলি জ্যোত্স্নায় ভেসে যাচ্ছে। ওদের খুব ভালো লাগছে, কারণ কলকাতায় এই ব্যাপারটা ওরা অনুভব করতেই পারে না। রাশির মন যেন উচাটন হয়ে যায়; ও বলে কি সুন্দর লাগছে দেখেছিস চল আমরা কিছুটা হেঁটে যাই ,কি উজান চিনতে পারবি না পথ।ওদের সবাই হৈ হৈ করে বলে উঠলো চল চল চল সবাই মিলে হেঁটেই যাবো। অগত্যা উজান রাজী হয়। সবাই গাড়ি থেকে নেমে হাঁটতে থাকে; যদিও রাস্তা অল্পই বাকি ছিল। তবুও ওরা বেশ উপভোগ করতে লাগল। সব থেকে বেশি যেন রাশি আনন্দিত হলো। সবাই রাশির এই স্বভাবের সঙ্গে পরিচিত তাই ওরা অবাক হলো না।মামার বাড়ির সামনে এসে যেন রা। ওদের পৌঁছোনোর আওয়াজ পেয়ে মামা-মামি আর বোন দিশা বেরিয়ে এলো। দিশা তো হৈ হৈ করে উঠলো। কিন্তু মামা-মামি যেন রাশিকে দেখে একটু চমকে গেলো সেটা উজানের চোখে পড়ল। কিন্তু ও কাউকে কিছু বললো না। ওদের ভিতরে নিয়ে গেলো, তারপর পরিচয় পর্ব সারার পর মামি বললো ঘরে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে চলে আয় খেয়ে নিবি।সবাই মামির কথামতো ঘরে গিয়ে ফ্রেশ হতে লাগল একে একে। রাশি, তিয়া আর রায়া একটা ঘরে আর উজান আর অত্রি একটা ঘরে থাকবে এরকম ব্যবস্থা হলো। রায়া তো খুব এক্সাইটেড; তিয়াও তাই। শুধু রাশি যেন একটু বেশিই চুপচাপ হয়ে গেছে বাড়িতে ঢোকার পর। সবাই সেটা বুঝেছে কিন্তু কেউ কিছু বলেনি। আসলে রাশি তো ঐরকম তাই। তিয়া আর রায়া দুজনে যখন এতো বড়ো রাজবাড়ির অতিথি হয়ে থাকার কথা নিয়ে আলোচনা করছে তখন হটাত রাশি বলে উঠলো আপন মনে আমি সব চিনি, আমার মনে হচ্ছে এসেছি এখানে, কিন্তু কবে? তিয়া আর রায়া অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকে ওর দিকে।ক্রমশ....লেখিকাঃ রাখি রায়আরও পড়ুনঃ বিষাক্ত গোলাপ - (ছোট গল্প)আরও পড়ুনঃ রক্তের টান - প্রথম পর্বআরও পড়ুনঃ রূপু আমাকে ক্ষমা করিসআরও পড়ুনঃ নতুন প্রভাত

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২১
কলকাতা

Fire: কুণ্ডলী পাকিয়ে বেরোচ্ছে কালো ধোঁয়া, ফের বিধ্বংসী আগুন শহরে!

ফের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড তারাতলায়। একটি গুদামে এই আগুন লাগে শনিবার সকালে। প্রাথমিকভাবে দমকলের ২০টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। গোটা এলাকা ঢেকে গিয়েছে কালো ধোঁয়ায়। দাহ্য বস্তুর মজুতের কারণে ক্রমেই ছড়িয়ে পড়ছে আগুনের লেলিহান শিখা। ইতিমধ্যেই সাত থেকে আটটি গোডাউনে আগুন ছড়িয়ে পড়েছে। আরও পড়ুনঃ ৯/১১-র ভয়াবহ স্মৃতির ২০ বছরতারাতলায় এফসিআই -এর যে গোডাউনে আগুন লেগেছে, সেখানে বন্দরের বিভিন্ন সামগ্রী মজুত রয়েছে। কী ভাবে এই আগুন লাগল তা এখনই স্পষ্ট করে বলা সম্ভব নয়। এলাকায় ঢোকার বিভিন্ন রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। যেহেতু এই গোডাউনে প্রচুর দাহ্য বস্তু মজুত, তাই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বেগ পেতে হচ্ছে দমকল কর্মীদের। যে এলাকায় এই আগুন লেগেছে, তার আশেপাশে কোনও বাড়ি নেই ঠিকই। তবে যেহেতু শতাধিক গোডাউন রয়েছে এই চত্বরে, স্বভাবতই বাড়ছে উদ্বেগ। দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু বলেন, আমাদের সিনিয়র অফিসাররা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন। খবর সবই আসছে। আমরা আশা করছি সবরকম ব্যবস্থা নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনব। আমি যা জানতে পেরেছে ওখানে প্রায় ১০০টা গোডাউন রয়েছে, পাঁচটি গোডাউনে ছড়িয়েও গিয়েছে।তারাতলার ময়লা ডিপোতে পর পর ফুড কর্পোরেশন অব ইন্ডিয়া-এর বেশ কিছু গোডাউন রয়েছে। শনিবার সেখানেই আগুন লাগে। ঘণ্টাখানেকের মধ্যে সাত থেকে আটটি গোডাউনে আগুন লেগে যায়। দাউ দাউ করে জ্বলতে শুরু করে সেটি। এই গোডাউনগুলির মধ্যে কোথাও কোথাও বৈদ্যুতিন সামগ্রীও মজুত রয়েছে। ফলে এই আগুন লাগার ফলে দাহ্য বস্তুগুলি জ্বলতে শুরু করে। ক্রমেই ভয়াবহ রূপ নেয় এই আগুন।অগ্নিকাণ্ডের জেরে পাশ্ববর্তী তারাতলা রোডে যান চলাচল সাময়িক বন্ধ করে দেওয়া হয়। গোটা এলাকা ঠেকে গিয়েছে কালো ধোঁয়ায়। দমকল সূত্রে খবর, গুদামে দাহ্য পদার্থ মজুত ছিল। ফলে আগুন দ্রুত ভয়াবহ আকার ধারণ করে। পাশাপাশি গুদামে অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা আদৌ কাজ করেছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২১
বিদেশ

9/11 Terrorists attack: ৯/১১-র ভয়াবহ স্মৃতির ২০ বছর

১১ সেপ্টেম্বর ২০০১-র সকাল। ছবির মত গোছানো শহরের উঁচু উঁচু ইমারতগুলো কেঁপে উঠল আচমকাই। ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার এবং পেন্টাগনে পরপর হামলা চালায় জঙ্গি সংগঠন আল-কায়েদার অপহৃত তিনটি বিমান। যা দেখে স্তম্ভিত হয়েছিল গোটা বিশ্ব। ইতিহাসের ভয়ঙ্করতম ওই জঙ্গি হামলায় মৃত্যু হয়েছিল প্রায় ৩০০০ মানুষের। আহত হয়েছিলেন ২৫ হাজারেও বেশি মানুষ। ২০২১-এর ১১ সেপ্টেম্বর। ২০ বছর পর সেই ভয়াবহ জঙ্গি হামলার কিছু স্মৃতির কোলাজ আজও রয়ে গিয়েছে বিশ্বের মানুষের মনে।বিশেষত, সাম্প্রতিক আফগানিস্তানের তালিবানি তাণ্ডবের মধ্যে সেই স্মৃতি যেন আরও ভয়াবহ হয়ে উঠেছে।সেদিন জঙ্গি হামলার ভয়াবহতা প্রথমে বুঝে উঠতে পারেননি পথচলতি সাধারণ মানুষ। সকলে রাস্তায় দাঁড়িয়ে অবাক দৃষ্টিতে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের দিকে তাকিয়ে ছিলেন। কালো ধোঁয়ায় ঢেকেছে অট্টালিকা। বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দেশের অহঙ্কার যে এভাবে হিংসার অন্ধকারে তলিয়ে যাবে, কেউই ভেবে উঠতে পারেনি প্রথমে। আরও পড়ুনঃ পঞ্জশীর দখল নিচ্ছে তালিবান? নৃশংসভাবে খুন প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতির ভাইওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার ভেঙে পড়লে, প্রাণ বাঁচাতে তখন দৌড় লাগান সাধারণ মানুষ। সকলের চোখে-মুখে আতঙ্কের ছাপ।বিল্ডিংয়ের উপর থেকে ঝাঁপ দিলে নীচে নিশ্চিত মৃত্যু, তা জেনেও কেবল প্রাণরক্ষার তাগিদে শেষ চেষ্টা করে সাধারণ মানুষ। উপর থেকেই ঝাঁপ দেন অনেকেই। সময়ের কালে ২০ বছর পেরিয়ে গিয়েছে। ৯/১১-র ভয়াবহতার রেশ কমে এসেছে মানুষের মনে। ধীরে ধীরে স্বাভাবিক জীবনেও ফিরে এসেছেন সাধারণেরা। কিন্তু বছর ঘুরে এই দিনটি এলেই সেই ভয়াবহতা যেন পিছু তাড়া করে সেদিনের ঘটনার সাক্ষী থাকা, কপালের জোরে বেঁচে ফেরা মানুষগুলোর। ঘটনার ভয়াবহতা থেকে বেরিয়ে আসতে অনেককেই চিকিৎসকের পরামর্শ পর্যন্ত নিতে হয়েছিল। আজ আবার সেই স্মৃতি একবার টাটকা হয়ে উঠল।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Jotugriho : জতুগৃহে অন্য লুকে পরমব্রত

জতুগৃহ সিনেমার টিজার মুক্তি পেল। মুক্তির পরেই হইহই করে ইতিমধ্যেই যথেষ্ট জনপ্রিয় হয়ে গেছে নেটিজেনদের মধ্যে। হবেই বা না কেন। কারণ পরম্ব্রতর লুক। অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় কে দেখা যাচ্ছে পূর্ণবয়স্ক চরিত্রে। ৭০ এর কাছাকাছি বয়সী একজন যাজকের লুকে পরম্ব্রতকে দেখতে পাবেন দর্শকরা। তার সাথে উপরি পাওনা হিসাবে রয়েছে কালিম্পং এর মনোরম দৃশ্য। এছাড়া মিউজিক ডিরেক্টর ডাব্বুর রোমহর্ষক ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক। অতএব বলাই চলে বাংলা সিনেমায় অনেকদিন পরে লোকে গা ছমছমে ব্যাপারটা অনুভব করবে।পরিচালক সপ্তাশ্ব বসু সিনেমাটি নিয়ে খুবই আশাবাদী বিশেষ করে পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের চরিত্র নিয়ে। এরকম চরিত্রে পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় আগে কখনো অভিনয় করেনি। পরম ছাড়াপ অভিনয় করতে দেখা যাবে বনি সেনগুপ্ত ও নবাগতা নায়িকা পিয়ালী চ্যাটার্জীকে। এই ছবিটি করার জন্য বিশেষ প্রস্তুতি নিয়েছিলেন তারা। এছাড়া অংশু বচ কে অন্যধরণের একটা চরিত্রে দেখতে পাবেন দর্শকরা। যদিও এই ছবিতে পায়েল সরকারের চরিত্রের ভূমিকা এখনো পরিচালক রিভিল করেননি।এই ছবির বিষয়ে জানা যাচ্ছে ছবিটি আগামী বছর মুক্তি পাবে। নেক্সট জেন এন্টারটেইনমেন্ট প্রযোজনায় জতুগৃহ একটি অন্যধারার সাইকো ভৌতিক ছবি। এখন অপেক্ষায় রয়েছেন দর্শকরা।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২১
রাজ্য

Teacher Hanged: ঘরের দরজা ভেঙে শিক্ষিকার ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার

দরজা বন্ধ ঘর থেকে উদ্ধার হল শিক্ষিকার ঝুলন্ত মৃতদেহ। মৃতার নাম সুনন্দা বন্দ্যোপাধ্যায়। মধ্য বয়স্ক শিক্ষিকার বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের কালনা শহরের প্রফেসার কলোনিতে। বুধবার রাতে কালনা থানার পুলিশ শিক্ষিকার বাড়ির একটি ঘরের দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় তাঁর ঝুলন্ত মৃতদেহ দেখতে পায়। মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য কালনা মহকুমা হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। কালনা থানার পুলিশ শিক্ষিকার মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সুনন্দা বন্দ্যোপাধ্যায় কালনার একটি মাদ্রাসা স্কুলের শিক্ষিকা ছিলেন। তাঁর স্বামী কয়েক বছর আগে প্রয়াত হয়েছেন। দ্বাদশ শ্রেণীর পড়ুয়া মৃতার ছেলে সম্ভ্রম বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন জানায়, সে পড়াশোনা গাফিলতি করায় গত মঙ্গলবার দুপুরে তাঁর মা রেগে যায়। মায়ের সঙ্গে তাঁর কথা কাটাকাটি হয়। তার পরেই তাঁর মা ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেন। সম্ভ্রম বলেন ,এই ঘটনার পর থেকে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তাঁর ঘরের দরজা খুলে আর বাইরে হয় না। তাঁর মা কোন সাড়া শব্দও দিচ্ছিল না। এই ভাবে মঙ্গলবার রাত পেরিয়ে যাবার পর বুধবার সাকালে ফের দরজা ধাক্কাধাক্কি করও সম্ভ্রম তাঁর মায়ের সাড়া পায়নি। এই পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত হয়ে সম্ভ্রম কলকাতায় তাঁর মামার বাড়িতে গিয়ে পুরো ঘটনা মামাদের খুলে বলে। বুধবার রাতে মামাদের সঙ্গে নিয়ে সম্ভ্রম কালনা থানায় গিয়ে পুলিশকে ঘটনার কথা জানায়। কালনা থানার পুলিশ দরজা ভেঙে ঘরের মধ্যে ঢুকে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় সুনন্দাদেবীর ঝুলন্ত মৃতদেহ দেখতে পায়। প্রাথমিক ভাবে এটি একটি আত্মহত্যায় ঘটনা বলেই পুলিশের অনুমান। তবে পাড়া প্রতিবেশীকে কিছু না জানিয়ে সম্ভ্রম কেন কলকাতায় মামার বাড়িতে গেল তাঁদেরকে ঘটনার কথা জানালো সেই বিষয়টি পুলিশ খতিয়ে দেখছে।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২১
কলকাতা

Dilip Ghosh: উপনির্বাচন নিয়ে ফের তৃণমূলকে বিঁধলেন দিলীপ

ভবানীপুরে উপনির্বাচন নিয়ে ফের একবার সরব হলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বৃহস্পতিবার এই উপনির্বাচন নিয়ে একের পর এক কটাক্ষ শানালেন দিলীপ। ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে দিলীপ বলেন, আগে ভাগে প্রার্থী দিলেই কি ভোটে জেতা যায়? ওনারা তো দিয়েছিলেন নন্দীগ্রামে। কী হল? আগেই প্রার্থী ঘোষণা করেছিলেন। দু মাস আগে থেকে প্রার্থী দিয়েছিলেন। অথচ ফলাফল তো দেখে নিয়েছে সকলেই। লড়াই করেন, দৌড়োদৌড়ি করেন।আরও পড়ুনঃ আউসগ্রামে তৃণমূল নেতাকে গুলি করে খুনের ঘটনায় যৌথ ভাবে তদন্ত শুরু করলো সিআইডি ও পুলিশ লোকসভাতেও আগে প্রার্থী দিয়েছিলেন। তারপর ঝটকাটা খেলেন। নির্বাচনটা তো মাঠে হয়। সেটা ভুলে গেলে চলবে কী করে। একই সঙ্গে বিজেপির প্রার্থী ঘোষণা নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, যে কোনও সময়ই প্রার্থী ঘোষণা হয়ে যেতে পারে। পাশাপাশি বুধবার ত্রিপুরায় সিপিএমের বিভিন্ন কার্যালয়ে দুষ্কৃতী হামলার বিষয়ে বলতে গিয়ে দিলীপ বলেন, এখান থেকে নেতা নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, এখান থেকে মিডিয়া নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এখান থেকে লোক নিয়ে গিয়ে যোগদান করানো হচ্ছে। ওখানে উৎপাত করা হচ্ছে। আমার মনে হয়, ওখানকার লোকজন এটা পছন্দ করছে না।একই সঙ্গে এদিন দিলীপ ঘোষ আবারও শুধুমাত্র ভবানীপুরে উপনির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিয়ে বলতে গিয়ে বলেন, ভবানীপুর নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে যে মামলা হয়েছে সে প্রসঙ্গে বলেন, স্বাভাবিকভাবেই ভবানীপুর উপনির্বাচন নিয়ে মানুষের মনে অনেক প্রশ্ন। আদালতই যা বিচার করার করবে। সমস্ত দিক গুলো আলোচনা হবে। অন্যান্য রাজ্যেও তো উপনির্বাচন। তারা এখন বলছে উপনির্বাচন করার পরিস্থিতি নেই। পশ্চিমবঙ্গে চারটি কেন্দ্রে উপনির্বাচন হচ্ছে না। কলকাতা সব সময় স্পর্শকাতর। যারা বিধানসভা নির্বাচনে চেঁচিয়ে বলেছিল, করোনার মধ্যে ভোট হলে মানুষের জীবনের ঝুঁকি হচ্ছে, তারা এখন সে সব ভুলে মুখ্যমন্ত্রীকে ধরে রাখার জন্য অন্য কথা বলছে। যদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হেরে যান, তা হলে কি সংকট তৈরি হবে না? তাই স্বাভাবিকভাবেই মানুষ জানতে চাইছেন নির্বাচন কমিশন কেন এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিলেন। কারও দ্বারা প্রভাবিত হয়ে কাউকে বিধায়ক বা মুখ্যমন্ত্রী করা তো নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব না।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২১
রাজনীতি

Mamata Bannerjee: অহীন্দ্র মঞ্চে কর্মিসভায় বিজেপিকে কয়েক হাত মমতার

চেতলার কর্মিসভার মঞ্চ থেকে বিজেপিকে কয়েক হাত নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতা হাইকোর্টের রায়ের প্রসঙ্গ পরোক্ষে টেনে খুনের মামলায় তথ্য রয়েছে, তাও এফআইআর করা যাবে না, বলে আক্রমণ শানান তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উল্লেখ্য, গত সোমবার রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে রক্ষাকবচ দিয়েছে আদালত। বুধবার মমতা নিজের ভাষণে কারও নাম না নিলেও তাঁর লক্ষ্যবস্তু শুভেন্দুই ছিলেন, মনে করছে রাজনৈতিক মহল।আরও পড়ুনঃ রিয়েল মাদ্রিদের গন্ধমাখা কোচ এবার এসসি ইস্টবেঙ্গলের দায়িত্বেভবানীপুরে প্রার্থী ঘোষণার পর এ দিন অহীন্দ্র মঞ্চে প্রথম কর্মিসভা করল জোড়াফুল শিবির। ওই মঞ্চ থেকেই মমতা বলেন, আমাদের কাছে মার্ডার কেসে তথ্য থাকলেও এফআইআর করা যাবে না? কেন এফআইআর করা যাবে না? ভগবানের জ্যেষ্ঠপুত্র?২০১৮ সালে রাজ্যের তৎকালীন মন্ত্রী শুভেন্দুর দেহরক্ষী শুভব্রত চক্রবর্তীর অস্বাভাবিক মৃত্যু-মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সোমবার ভবানীভবনে শুভেন্দুকে তলব করেছিল সিআইডি। কিন্তু তিনি হাজির হননি। শুভেন্দুর বিরুদ্ধে কলকাতা-সহ রাজ্যের পাঁচটি থানায় দায়ের হওয়া পাঁচটি মামলায় ওই দিনই হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়ে জানায়, শুভেন্দুকে আপাতত গ্রেপ্তার করা যাবে না। নতুন এফআইআর হলে শুভেন্দুকে জানাতে হবে। গত বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে হার নিয়েও বুধবার সুর চড়ালেন মমতা। তিনি বলেন, নন্দীগ্রামে লড়তে গিয়েছিলাম, অপরাধ তো করিনি৷ আমার একটা আবেগ ছিল। অনেকে অনুরোধও করেছিলেন৷ বুথ অফিসার, আইসি, পর্যবেক্ষক বদলে দিয়ে খালি ছাপ্পা মারা হয়েছে৷ বাধ্য হয়ে এক জায়গায় গিয়ে বসে থেকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়েছি৷ এঁদের ষড়যন্ত্রের জন্য ফের নির্বাচনে আবার দাঁড়াতে হল৷ কিন্তু আমি ভবানীপুরে নিজের ঘরে ফিরে আসতে পেরেছি৷ আমি নিশ্চিত, ভবানীপুরের মানুষও চেয়েছিলেন আমি এখানেই থাকি৷

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২১
রাজ্য

Literacy Day: সাক্ষরতা দিবসে আদিবাসী পরিবারের শিশুদের শিক্ষার পাঠ দিলেন পুলিশ কর্তা

কোন বিদ্যালয়ের শিক্ষক তিনি নন। তিনি আইনের রক্ষক। কিন্তু তাতে কি যায় আসে। শুধু শিক্ষকরাই শিক্ষা দান করতে পারবেন এমনটা তো আর কোথাও বলা নেই। আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসের দিনে তাই একেবারে শিক্ষকের ভূমিকা নিয়েই আদিবাসী পরিবারের শিশুদের পাঠ দান করলেন পূর্ব বর্ধমানের ভাতার থানার অফিসার ইনচার্য সৈকত মণ্ডল। আদাবাসী পরিবারের শিশুরা শিক্ষার আলোকে আলোকিত হোক এই অভিপ্রায়ে এদিন সৈকতবাবু শিশুদের হাতে তুলে দিলেন সিলেট ও চক পেন্সিল। দিলেন উপহার সামগ্রীও।শিক্ষার প্রসারের লক্ষ্যে পুলিশ কর্তা শিক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়ার ভূয়সী প্রশসা করেছেন ভাতারের শিক্ষাপ্রেমী মানুষজন।আরও পড়ুনঃ আউসগ্রামে তৃণমূল নেতাকে গুলি করে খুনের ঘটনায় যৌথ ভাবে তদন্ত শুরু করলো সিআইডি ও পুলিশভাতার থানার ওড়গ্রাম লাইনডাঙ্গা এলাকাটি আদিবাসী অধ্যুষিত। করোনা অতিমারির কারণে প্রায় দুবছর বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় একটু মনমরাই ছিল এই আদিবাসী অধ্যুষিত গ্রামের শিশুরা। স্কুল না যেতে পাারর জন্য শিশুদের আক্ষেপের অন্ত ছিল না। তা জানতে ফেরে বুধবার সাক্ষরতা দিবসের দিন সকালে ভাতার থানার ওসি সৈকত মণ্ডল তাঁর সহকর্মীদের নিয়ে ওই গ্রামে পৌছে যান। গ্রামের সবুজে ঘেরা জায়গায় খোলা আকাশের নিচে অনেকটা শান্তিনিকেতনের আঙ্গিকে আদিবাসী পরিবারের শিশুদের পাঠ দানের বন্দোবস্ত করা হয়।পুলিশ পোষাকেই সেখানে শিক্ষকের গুরু দায়িত্বে অবতীর্ণ হন ওসি সৈকত মণ্ডল । শিশুদের হাত ধরে তিনি সেখানে বসেই তাঁদের অ,আ,ক,খ লেখা শেখালেন। পাঠ দান শেষে পুলিশের পক্ষ থেকে দেড় শতাধিক শিশুর হাতে পুলিশ আধিকারিকরা তুলে দেন স্কুল ব্যাগ, বই, সিলেট, পেন্সিল সহ উপহার সামগ্রী। শিশুদের পড়াশোনা শেখার ব্যাপারে আগ্রহী করে তোলার জন্য ওসি শিশুদের অভিভাবকদের পরামর্শও দেন। লেখাপড়া শেখায় আগ্রহী শিশুদের পাশে থাকার আশ্বাসও দেন ওসি। পুলিশবাবুর এমন সহৃদয়তা মুগ্ধ করে আদিবাসী মহল্লার বাসিন্দাদের।আরও পড়ুনঃ রিয়েল মাদ্রিদের গন্ধমাখা কোচ এবার এসসি ইস্টবেঙ্গলের দায়িত্বেসাক্ষরতা দিবসের দিনে শিশুদের শিক্ষাদানে পুলিশের আসরে নামার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন ওড়গ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক তারাপদ পাল। তিনি বলেন, সমাজের সর্বস্তরের মানুষ শিক্ষাদানে অগ্রণী ভূমিকা নিলে আখেরে সমাজ উন্নত হবে।শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার দায়িত্ব সামলানোর পাশাপাশি পুলিশ কর্তারা শিশুদের শিক্ষার আলোকে আনার ব্যাপারে যে উদ্যোগ নিয়েছেন তা এক কথায় অনবদ্য। এমন উদ্যোগ অবশ্যই প্রশংসার দাবি রাখে বলে শিক্ষক তারাপদ পাল মন্তব্য করেছেন।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌SC East Bengal : রিয়েল মাদ্রিদের গন্ধমাখা কোচ এবার এসসি ইস্টবেঙ্গলের দায়িত্বে

রবি ফাউলারের জন্য অপেক্ষা করেছিলেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। কয়েকদিন আগেও এসসি ইস্টবেঙ্গলের পক্ষ থেকে প্রেস বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছিল, চলতি মাসের শেষেই গোয়াতে দলের সঙ্গে সরাসরি যোগ দেবেন রবি ফাউলার। কিন্তু রবি ফাউলার আসছেন না। এই মরশুমে তিনি লালহলুদকে কোচিং করাবেন না। তাঁর পরিবর্তে স্পেনের ম্যানুয়েল দিয়াজ বা মানোলো দিয়াজ এসসি ইস্টবেঙ্গলের কোচিংয়ের দায়িত্বে। এই স্প্যানিশ কোচের সঙ্গে বুধবার চুক্তি চূড়ান্ত হয়েছে। আইএসএলের গত মরসুমে এসসি ইস্টবেঙ্গকে কোচিং করিয়েছিলেন লিভারপুল কিংবদন্তী রবি ফাউলার। লালহলুদে চূড়ান্ত ব্যর্থ হয়েছিলেন। গত মরসুমে আইএসএলে অষ্টম স্থান দখল করতে সক্ষম হয়েছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। রবিই ফাউলারের দল জিতেছিল মাত্র তিনটি ম্যাচে। ৮টি ম্যাচ হেরেছিল। ৯টি ম্যাচ ড্র করে মোট ১৭ পয়েন্ট অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিল রবি ফাউলারের দল। তাঁর পরফরমেন্সে সন্তুষ্ট ছিলেন না এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। যেহেতু রবি ফাউলারের সঙ্গে ২ বছরের চুক্তি ছিল, তাই তাঁকে ছেঁটে ফেলতে পারছিলেন না। শেষ পর্যন্ত দুই পক্ষের সম্মতিতে বিচ্ছেদ হল। ফাউলারের জায়গায় ২০২১-২০২২ মরসুমের জন্য এসসি ইস্টবেঙ্গলের নতুন হেড কোচ হলেন ম্যানুয়েল দিয়াজ বা মানোলো দিয়াজ। বুধবার ক্লাবের তরফে এক বিবৃতি জারি করে এ খবর জানানো হয়েছে। রিয়াল মাদ্রিদের যুব, বি ও সি দলকে কোচিং করানো এই স্প্যানিশ কোচ ২০ বছর ধরে কোচিংয়ের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। ফুটবলার হিসেবে মানোলো কেরিয়ার গ্রাফ খুব একটা উর্ধ্বমুখী না হলেও কোচ হিসেবে তাঁর সফলতা এবং অভিজ্ঞতা বেশ উল্লেখযোগ্য। কোচ হিসেবে ৩২৮টি ম্যাচ খেলানো মানোলোর জয়ের হার ৪১.৭৭ শতাংশ। ২০১৮-২০১৯ মরসুমে রিয়াল মাদ্রিদ কাস্তিলার কোচ হিসেবে জয়ের হার ৪৬.৬৬ শতাংশ।এসসি ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে চুক্তি হওয়ার পর দলকে সাফল্য এনে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ম্যানুয়েল দিয়াজ। তিনি বলেছেন, বড় ক্লাবে কোচিং করানোর ক্ষেত্রে চাপ ও প্রত্যাশা সামলানোর অভিজ্ঞতা আমার আছে। এই রকম চ্যালেঞ্জ নিতে পছন্দ করি। কম সময়ের মধ্যে ঘর গুছিয়ে অনেকটা রাস্তা পেরোতে হবে। এসসি ইস্টবেঙ্গল ফ্যানদের স্বার্থে ফুটবলারদের থেকে সেরাটা বের করে আনা আমার প্রধান কাজ।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২১
নিবন্ধ

Kazi Nazrul Islam: পূজার ছলে ভুলে থাকি

তালিবান আফগানিস্তানের দখল নেওয়ার পরেই ওই পাহাড় মরুভূমি ঘেরা দেশের মেয়েরা বুঝেছেন, এ মৃত্যু উপত্যকা আমার দেশ নয়। তালিবানের মুরুব্বিরা বলছেন দেশ শৃঙ্খলমুক্ত হলো। আর আফগান মেয়েরা ও মুক্তমনারা বুঝতে পারছেন তাঁদের পায়ে বেড়ি পড়ল। তাঁরা স্বাধীনতা হারালেন। এই স্বাধীনতা-পরাধীনতার প্রশ্নে পৃথিবী জুড়ে মতামতের ঝড় বইছে। নেট মাধ্যমে সেই ঝড়ে বাঙালিদের সদম্ভ উপস্থিতি। দূর দেশে স্বাধীনতার মৃত্যুতে বাঙালি যখন সরব ঠিক তখনই গত সপ্তাহে স্বাধীনতা র পুজারী এক বাঙালির পঁয়তাল্লিশ তম মৃত্যুবার্ষিকী বড় নিঃশব্দে চলে গেল। স্বাধীনতার সঙ্গে যাকে সমার্থক করেছেন আর এক বাঙালি সামসুর রহমান। বাংলা দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের কবির অজেয় কলম লিখেছেস্বাধীনতা তুমি কাজি নজরুলঝাঁকড়া চুলের বাবরি দোলানো মহান পুরুষস্বাধীনতা যার আকন্ঠ তৃষ্ণার কারণ ছিল সেই কাজি নজরুল ইসলামের ২৯ এ অগাস্ট, পঁয়তাল্লিশতম মৃত্যু বার্ষিকী র দিনটি বড় অবহেলায়, অনাদরে চলে গেল। প্রায় একশ বছর আগে ইংরেজদের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা র যুদ্ধে অসহযোগ আন্দোলনে নজরুলের শানিত কলম তাঁর মাথায় পরিয়ে দিল বিদ্রোহী কবির মুকুট। শুধু তো কবিতা নয় এই অসাধারণ প্রতিভাধর মানুষ টি প্রায় তিন হাজার গান লিখেছেন যা বাংলা গানের চালচিত্রে নজরুল গীতি হিসেবে ভিন্নধারার পরিচিতি পেয়েছে। পরাধীন ভারতবর্ষের উপনিবেশবাদ, ধর্মীয় মৌলবাদ ও স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে নজরুলের কলম কখনও ক্লান্ত হয়নি। বাঙলার এক প্রত্যন্ত গ্ৰাম থেকে অজানার পথে পা বাড়ানো বালক ই পরবর্তী কালের নাট্যকার, কবি, ঔপন্যাসিক, সাংবাদিক ও স্বাধীনতা সংগ্রামী। উত্তর কলকাতার যে অঞ্চলে আমার বাড়ি, সেই পাইকপাড়ায় থাকতেন নজরুলের কনিষ্ঠ পুত্র কাজী সব্যস্যাচি। ছেলেবেলায় তাঁকে দেখলে কানে বাজতো মেঘমন্দ্র স্বরের প্রতিধ্বনি, বল বীর বল উন্নত মম শির। সেই বড় হবার দিনে পুজো প্যান্ডেলে, রাজনৈতিক মিছিলে, দেওয়াল লিখনে নজরুলের বিদ্রোহী কবিতার উজ্জ্বল উপস্থিতি ছিল। স্কুলে, পাড়ায়, আবৃত্তি প্রতিযোগিতাতেও এই কবিতার শরীর ঝলসে উঠতো। গত তিন দশকে কবি ও তার কবিতাকে অগস্ত্য যাত্রায় পাঠিয়েছে বাঙালি। রবীন্দ্রনাথ অপঠিত হলেও ২৫শে বৈশাখ ও বাইশে শ্রাবনে স্মরনীয় আছেন।বর্তমান সময়ে দেশ, সমাজ, সংস্কৃতি সবই অবশ্য রাজনীতির আখড়ায় গন্যমান্যতা পায়। এর প্রমাণ বঙ্গের সাম্প্রতিক বিধানসভা ভোট। সেই ভোটে বাংলা বিজয়ের স্বপ্নে বিজেপি র গায়ে বঙ্গ সংস্কৃতির চাদর জড়ানোর তাগিদ ছিল। অতএব ডাক পড়েছিল রবীন্দ্রনাথের, রামমোহন রায়ের, বিদ্যাসাগরের। ভোট বড় বালাই। তাই বিস্মৃতির অতল থেকে তুলে আনা হয়েছিল মধ্যযুগের এক বাঙালি কবি কেও। সংস্কৃতির সেই রাজনৈতিক আবাহনে বাদ পড়েছিলেন নজরুল ইসলাম। হিন্দুত্ববাদের সংকীর্ণ দৃষ্টিতে নজরুল অপাংক্তেয় বলে তখন সরব হয়েছিল বুদ্ধিজীবী থেকে সাধারণ বাঙালি। ভোট মিটৈ যাওয়ার একশ একত্রিশ দিন পর বঙ্গ জীবনে সেই নজরুল সম্পর্কে অপার নৈঃশব্দ।১৮৯৯ এ আসানসোলের চুরুলিয়া গ্ৰামে এক দরিদ্র মুসলিম পরিবারে নজরুলের জন্ম। ধর্মীয় শিক্ষায় তাঁর প্রাথমিক শিক্ষা। স্থানীয় মসজিদে কিছুদিন মোয়াজ্জিন থাকার পরে স্কুলে প্রবেশ নজরুলের। স্কুলে দশম শ্রেণী পর্যন্ত তাঁর শিক্ষা। এরপরে বাড়ির পরিচারক। বেকারিতে জোগাড়ের কাজ করে পেট চালাতে হয় তাঁকে। শেষে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেন নজরুল। পরবর্তী কালে আরবি ও ফার্সি র পাশাপাশি বাংলা ও সংস্কৃত সাহিত্য নিয়ে গভীর পড়াশোনা করেন বিদ্রোহি কবি । নজরুলের বাঙালিয়ানা নিয়ে যারা প্রশ্ন তোলেন তাঁদের জানাই বঙ্গললনা প্রমিলা দেবী কে বিবাহ করেছিলেন তিনি। নজরুল ভাগ্যবান তখন লাভ জেহাদের জন্ম হয়নি। নজরুল তাঁর প্রথম ও দ্বিতীয় সন্তানের নাম রেখেছিলেন কৃষ্ণ মহম্মদ ও অরিন্দম খালেদ। দুই সন্তানের-ই অল্প বয়সে মৃত্যু হয়। পরে যে দুই ছেলের জন্ম হয় তাদের নাম কাজী সব্যস্যাচি ও কাজী অনিরুদ্ধ। নজরুলের সৃষ্টিতে ও দুই ধর্মের মধ্যে অবাধ যাতায়াত। তাঁর গানে কবিতায় ঈশ্বর আল্লাহ দুইয়ের নামই জপ করেছেন। তাঁর এই মেলবন্ধনের সফর খুব মসৃন হয়নি। টিকি - দাড়ি দু পক্ষই তাঁকে ছেড়ে কথা কয়নি। সমালোচনা শুধুমাত্র মুখের গন্ডীতেই থাকেনি, শারীরিক আক্রমন ও সইতে হয়েছিল কবিকে। দুই ধর্মের কারবারিদের এই আঘাতে কবির কলম লিখেছে, নর বলে আমি বড় নারী ঘেঁষা, নারী বলে আমি নারী বিদ্বেষী। তৎকালীন বামপন্থী পত্রিকা গণবানীতেও নজরুল গদ্যে এই অচলায়তন ভেঙে মুক্ত মনের জানালা দরজা খুলতে চেয়েছেন। তবে ধর্মান্ধদের এই আক্রমন কে ভোঁতা করে দিয়েছিলেন স্বাধীনতা সংগ্রামী রা ও স্বাধীনতা প্রিয় মানুষ। তারা নজরুল কে আলোর পথযাত্রী হিসেবেই দেখেছিলেন। ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে কলম ধরে কবি-কে একবছর জেলে থাকতে হয়েছিল। আমরা ভুলে থাকলেও বর্তমান পরিস্থিতি তে নজরুল অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। সিডিশন অর্থাৎ দেশদ্রোহের অপরাধে তাঁর গারদ বাস করতে হয়েছিল। বর্তমান ভারতে এই সিডিশনে অভিযুক্ত হয়ে বহু মানবাধিকার কর্মী, অধ্যাপক ও লেখকের জেল খাটার ভুরিভুরি উধাহরন রয়েছে। আমি অনেক মার্ক্সবাদী তাত্ত্বিক ও বুদ্ধিজীবীর হাতে কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে ফিদেল কাস্ত্রোর সওয়ালের বিবরণ On Trial বইটি দেখেছি। কিন্তু সেদিন ইংরেজদের আদালতে দাঁড়িয়ে নজরুলের আত্মপক্ষ সমর্থনে বক্তব্য রাজবন্দীর জবানবন্দী নিয়ে আলোচনা কখনো শুনিনি। যদিও নজরুলের সাম্যবাদী ও উদার ভাবধারা যাঁর দ্বারা উদ্বুদ্ধ হয়েছিল তিনি ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা মুজফ্ফর আহমেদ। নজরুল ও মুজফ্ফর আহমেদ যৌথভাবে প্রকাশ করেছিলেন বামপন্থার পত্রিকা লাঙ্গল।বামফ্রন্ট সরকার ক্ষমতায় আসার পরে নজরুলের কবিতা স্কুলপাঠ্যতে অন্তর্ভুক্ত হয়। তৈরি হয় নজরুল অ্যাকাডেমি ও মঞ্চ। তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় এসে তৈরি করেছে কাজি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় ও নজরুল তীর্থ। আসানসোলে তৈরি হয়েছে নজরুল গবেষনা কেন্দ্র। প্রতিষ্ঠান রয়েছে, কিন্তু কবির প্রতি বাঙালির মন নেই। বাঙালির মন থেকে নির্বাসিত বিদ্রোহী কবি। অবশ্য বাঙালি বুদ্ধিজীবীদের একটি অংশ নজরুল কে তাঁর ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর পদ অনুসারে হাবিলদার কবি বলে ই মনে করেন। তারা খুশি ই হবেন। যদি বাঁশি আর না বাজে প্রবন্ধে কবি লিখেছিলেন, রবীন্দ্রনাথ আমাকে প্রায়ই বলতেন, দেখ উন্মাদ তোর জীবনে শেলির মত, কিটসের মত খুব বড় একটা ট্র্যাজেডি আছে, তুই প্রস্তুত হ কিন্তু জীবনের সেই ট্র্যাজেডি দেখার জন্য। সেই ট্র্যাজেডি দেখার আগে ই দূরারোগ্য মস্তিষ্কের ব্যাধিতে চলাফেরা, কথাবলার, অনুভব করার শক্তি হারিয়েছিলেন। মৃত্যুর পরে এই নির্বাসনেও তাই ট্র্যাজেডি থাকলেও কবির ছবির অনুভূতি নেই।বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য্য(রাজনৈতিক বিশ্লেষক)

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Pori Moni : নিজের দেশেই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে পরিমণি

পরিমণি কে বিতর্ক কোনোভাবেই ছাড়ছে না। তার জীবনটা এখন খুবই খারাপ সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। মধুচক্রে জড়িয়ে পুলিশের জালে বাংলাদেশি অভিনেত্রী পরীমণিকে গ্রেফতার করা হলেও বর্তমানে জামিনে ছাড়া পেয়েছেন অভিনেত্রী। কিন্তু এবার নিরাপত্তার অভাবে ভুগছেন পরীমণি। নিরাপত্তা চেয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে সাহায্য চাইলেন অভিনেত্রী। কিছিদিন আগেই মধুচক্র, মাদক কারবারিতে নাম জড়িয়ে পুলিশের জালে নাম জড়ায় বাংলাদেশি অভিনেত্রী পরীমণির। অভিযোগ অভিনেত্রী পরীমণির বাড়ি থেকে প্রচুর এলএসডি জাতীয় মাদক এবং মদের বোতল উদ্ধার হয়। এমনকি তার বিরুদ্ধে উঠেছে মধুচক্র চালানোরও অভিযোগ। এলিটবাহিনী র্যাব পরীমনির বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করলেও বর্তমানে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন বাংলাদেশী অভিনেত্রী।মাদক কাণ্ডে জামিনে ছাড়া পাওয়ার পরও নিজের দেশেই নিজেকে নিরাপদ মনে করছেন না পরীমণি। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে সাহায্য চেয়ে নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে পরীমণি লেখেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা, আমাকে কি একটু নিরাপত্তা দিতে পারেন। রাস্তায় মানুষগুলোও এতো অনিরাপদ না। একবার একটু দেখেন না আমার দিকে, কি করে বেঁচে আছি।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২১
রাজ্য

Dilip Ghosh: অভিষেককে টানা ৯ ঘণ্টা জেরার পর কী বললেন দিলীপ?

কয়লা পাচার-কাণ্ডে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট দপ্তরে ৯ ঘণ্টা জেরার পর বেরিয়ে রীতিমতো বিস্ফোরক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি করেছিলেন, ২৫ জন বিজেপি বিধায়ক যোগদান করতে চাইছেন। তৃণমূল নিচ্ছে না। মঙ্গলবার এই প্রসঙ্গেই অভিষেককে একহাত নিলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। দিলীপ ঘোষের কটাক্ষ, ৯ ঘণ্টা ইডি জেরা করলে তখন অনেকেই আবলতাবোল বকে। তৃণমূলের অনেক নেতারাই কয়লা, বালি লুট, পাচারের সঙ্গে যুক্ত। ওনাদের রাজত্বকালে কয়লা, বালি, পাথর, লুট হয়েছে গোরু পাচার হয়েছে। একটা দল অফিশিয়ালি এই কাজগুলো করছে, তাদের সব নেতা জড়িত। পুলিশ অভিযোগ নেয়নি। এখন সিআইএসএফ দেখানো হচ্ছে।আরও পড়ুনঃ ইডি দপ্তরে ৯ ঘণ্টা ম্যারাথন জেরার পর বিস্ফোরক অভিষেক বিজেপির রাজ্য সভাপতি এদিন অভিষেকের ২৫ জন বিজেপি বিধায়কের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, জানি না পঁচিশ না পঞ্চাশ। আমাদের পার্টিতে অনেক নেতা এসে বলেছিলেন একশো আছে দেড়শো আছে। আগে তো ওনাদের বিধায়ক সাংসদরা ইডি, সিবিআই থেকে বাঁচুক, তারপর আমাদের বিধায়ক সম্পর্কে ভাববেন। অভিষেক হুঁশিয়ারির সুরে বলেছিলেন, যা করার করে নিন। বিজেপি অনেক শক্তিশালী হতে পারে, লিখে রাখুন আগামী নির্বাচনে বিজেপিকে হারাবে তৃণমূল। ২০২৪ সালে হারাব। জীবন দিয়ে দেব। কিন্তু মাথানত করব না। রাজনৈতিকভাবে লড়াই করার হিম্মত নেই এদের।এদিন সেই বক্তব্যকে কটাক্ষ করে দিলীপের মন্তব্য, জীবন কোথায় দিচ্ছেন। জীবন নিয়ে তো পালিয়ে গেল নেতারা। এতদিন এই অভিযোগ করতে করতে আদালতও শুনেছে। তারা কোনও না কোনও পদক্ষেপ নিচ্ছে। তাই তাদের নেতারা বাড়ি ছেড়ে পালাচ্ছে। গায়েব হয়ে যাচ্ছে। অন্য দেশের নাগরিকত্ব নিয়ে নিচ্ছেন, কতটা সৎ ছিল ওরা বোঝাই যাচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২১
রাজ্য

CBI: বিজেপি নেতার মাকে খুনের তদন্তে অভিযুক্তদের বাড়ি থেকে অস্ত্র উদ্ধার সিবিআইয়ের

ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক হিংসায় পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার নবগ্রামে খুন হন বিজেপি নেতার মা কাকলি ক্ষেত্রপাল(৪৭)। হাইকোর্টের নির্দেশে এই খুনের মামলার তদন্তে নেমে ধৃতদের বাড়ি থেকে বেশ কিছু অস্ত্র উদ্ধার করলো সিবিআই। অস্ত্র উদ্ধার হওয়ার কথা সিবিআই রবিবার বর্ধমান সিজেএম আদালতে জানিয়েছে। সিআইয়ের দাবি, তল্লাশীতে অভিযুক্তদের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে তরোয়াল, কাস্তে ও কাটারি। এরআগে পুলিশও বেশকিছু জিনিসপত্র বাজেয়াপ্ত করেছিল। উদ্ধার হওয়া অস্ত্র সহ সব কিছু নিজেদের হেপাজতে নিতে চেয়ে সোমবার বর্ধমান আদালতে আবেদন জানিয়েছেন সিবিআইয়ের তদন্তকারী ইন্সপেক্টার অরুন কুমার সিং। বিজেপি কর্মীর মা-কে খুনের মামলায় অভিযুক্তদের বাড়ি থেকে সিবিআইয়ের অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনা জানাজানি হতেই নবগ্রাম এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।আরও পড়ুনঃ লাইনে হুড়োহুড়ি নয়, এই জেলায় বাড়িতে বসেই মিলবে কোভিড-টিকার কুপনবিধানসভা ভোটের ফল প্রকাশের পরের দিন অর্থাৎ ৩ মে দুপুরে রাজনৈতিক হিংসায় উত্তপ্ত হয় জামালপুরের নবগ্রাম এলাকা। ওই দিন নবগ্রামের বিজেপি শক্তিপ্রমুখ আশিস ক্ষেত্রপালের বাড়িতে হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের লোকজনের বিরুদ্ধে। আশিসের বাড়ি ভাঙচুরের পাশাপাশি টাঙি দিয়ে তাঁর বাবা অনিল ক্ষেত্রপালকে কোপানো হয় বলে অভিযোগ। হামলাকারীদের হাত থেকে স্বামী অনিল ক্ষেত্রপালকে বাঁচাতে গিয়ে তাঁর স্ত্রী কাকলি ক্ষেত্রপালও আক্রান্ত হন। নির্মম মারধর ও ভোজালির আঘাতে কাকলিদেবী মারাত্মক জখম হন। একই হামলায় জখম হন আশিস ক্ষেত্রপালেরকাকা মানস ক্ষেত্রপালও। জখমদের সকলকে উদ্ধার করে জামালপুর ব্লক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক কাকলি ক্ষেত্রপালকে মৃত ঘোষণা করেন। জখম আশিসের বাবা ও কাকাকে স্থানান্তর করা হয় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। বিজেপি শক্তিপ্রমুখের বাড়িতে হামলা-আক্রমণের খবর পাওয়া মাত্রই আশপাশ থেকে বিজেপির কর্মীসমর্থকরা ঘটনাস্থলে পৌছে তৃণমূলের লোকজনকে ঘিরে ফেলে। ওই সময়ে দুপক্ষের সংঘর্ষ বাধে। সংঘের্ষ তৃণমূলের দুই কর্মী শাজাহান শা ওরফে শাজু ও বিভাস বাগ গুরুতর জখম হন।তাঁদের ওইদিন বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভির্ত করার কিছু সময় পর তাঁরাও মারা যান।আরও পড়ুনঃ আইপিএলের নতুন ফ্রাঞ্চাইজি নেওয়া হতে পারে কোন কোন শহর থেকে?রাজনৈতিক হিংসায় একই দিনে তিন জনের মৃত্যুর ঘটনায় দুই তরফের অভিযোগের ভিত্তিতে জামালপুর থানার পুলিশ পৃথক দুটি মামলা রুজু করে ১১ জনকে গ্রেপ্তার করে। ঘটনার পর থেকে যদিও বাড়ি ছাড়া থাকে আশিস ক্ষেত্রপাল পাল। পুলিশ পরের দিন ধৃতদের পেশ করা হয় বর্ধমান আদালতে। তদন্ত সম্পূর্ণ করে পুলিশ গত ৩ অগস্ট আদালতে চার্জশিটও পেশ করে দেয়। পুলিশি তদন্তে সন্তুষ্ট না হয়ে বিজেপি নেতা আশিস ক্ষেত্রপাল জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে অভিযোগ জানায়। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে ভোটপরবর্তী এই রাজনৈতিক হিংসার মামলার তদন্তভার হাতে নেয় সিবিআই। তদন্তের জন্য সিবিআই আধিকারিক দল ২৯ আগষ্ট প্রথম নবগ্রামে পা রাখে। তাঁর পর থেকে বেশ কয়েকদিন ধরে সিবিআই দল নবগ্রাম এলাকাচষে বেড়ায়। সিবিআইয়ের ফরেন্সিক টিমও নবগ্রামে তদন্তে যায়। কাকলি ক্ষেত্রপালের পরিবারের সকল সদস্যের পাশাপাশি এলাকার বেশ কয়েকজনের বয়ানও সিবিআই আধিকারিকরা নথিুভুক্ত করেন। তারই মাঝে অভিযুক্তদের বাড়ি থেকে অস্ত্র উদ্ধারের বিষয়েও এদিন আদালতে দাবি জানালো সিবিআই। উদ্ধার হওয়া অস্ত্র ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে বলে সিবিআই সূত্রে খবর মিলেছে।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২১
রাজ্য

Vaccine: লাইনে হুড়োহুড়ি নয়, এই জেলায় বাড়িতে বসেই মিলবে কোভিড-টিকার কুপন

কোভিডের টিকা পাওয়ার জন্য টিকা-কেন্দ্রগুলিতে এতদিন শুধুই দেখা গেছে ভিড়, হুড়োহুড়ি আর ধাক্কাধাক্কি। তবে পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য দপ্তরের ব্যবস্থাপনায় এই সবেরই ইতি ঘটতে চলেছে। এবার থেকে বাড়িতে বসেই কোভিডের টিকার কুপন পেয়ে যাবেন গ্রহীতারা। আশা ও অঙ্গনওয়ারী কর্মীরাই গ্রহীতাদের বাড়িতে টিকার কুপন পৌছে দিয়ে আসবেন। একটি কেন্দ্রে একদিনে সর্বোচ্চ ২০০ জন পাবেন টিকা। সেই টিকার কুপন বিলির জন্যে মহকুমা ও ব্লকে বিশেষ কন্ট্রোল রুম খোলারও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে প্রশাসনের তরফে। পরিকাঠামোর দিক থেকে উন্নত এমন স্কুলে একদিনে একাধিক শিবির করার বিষয়টি নিয়েও প্রশাসনিক স্তরে চলছে ভাবনা চিন্তা।আরও পড়ুনঃ সবরকম সাহায্য করব, ইডি অফিসে সুরবদল অভিষেকেরকোভিডের টিকা পাওয়ার জন্য রাজ্যের অন্যান্য জেলার পাশাপাশি পূর্ব বর্ধমানের বিভিন্ন টিকা-কেন্দ্রেও হুড়োহুড়ি, ধাক্কাধাক্কি ও বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘটেছে। তাতে কেউ কেউ আহতও হন। এছাড়াও টিকা পাওয়ার জন্য কোথাও আগের দিন থেকে আবার কোথাও ভোর রাত থেকে লাইনে দাঁড়িয়েও অনেককে টিকা না পেয়ে হতাশ হয়ে বাড়ি ফিরে যেতে হয়। টিকা নিতে আগ্রহীদের এমন পরিস্থিতি থেকে রেহাই দিতে জেলাশাসক, পুলিশ সুপার ও জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিকরা এক সঙ্গে বৈঠকে বসেন। সেই বৈঠকেই গ্রহীতাদের বাড়িতে টিকার কুপন পৌছে দেবার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।আরও পড়ুনঃ জল্পনাই সত্যি হল, সিআইডির হাজিরা এড়ালেন শুভেন্দুজেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক প্রণব রায় জানিয়েছেন, পৌরসভা এলাকায় মহকুমা শাসক ও ব্লকে বিডিও-র তত্ত্বাবধানে টিকা দেওয়া হবে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে দুএকদিনের মধ্যেই আশা অথবা অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরা গ্রহীতাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে কুপন দিয়ে আসবেন। এছাড়াও কো-উইন অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে যাঁরা টিকার জন্যে আবেদন করবেন,তাঁরাও স্বাভাবিক নিয়মে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র থেকে টিকা পাবেন। অতিরিক্ত জেলাশাসক কাজল রায় জানান, ভিড় এড়াতে প্রতিটি টিকা গ্রহণ কেন্দ্রে সর্বোচ্চ ২০০ জনকে টিকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একদিন আগে গ্রহীতাদের হাতে টিকার কুপন পৌছে দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। এতদিন পূর্ব বর্ধমান জেলায় দৈনিক ৩৮টি কেন্দ্রে টিকা দেওয়া হয়েছে । ভিড় এড়াতে শিবিরের সংখ্যা আরও অনেক বাড়ানোর চিন্তাভাবনা নেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুনঃ ২৯ এ পা পায়েলেরজেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের সোমবারের হিসাব অনুযায়ী এক লক্ষের মত টিকা মজুত রয়েছে।স্বাস্থ্য দপ্তর দ্বিতীয় ডোজ় গ্রহীতাদের টিকা দেওয়ার বিষয়টি অগ্রধিকারে রাখতে চাইছে বলে জানা গিয়েছে ।টিকার স্বাভাবিক যোগান থাকলে প্রতিদিন ন্যূনতম ২০ হাজার জনকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা রেখেছে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 40
  • 41
  • 42
  • 43
  • 44
  • 45
  • 46
  • ...
  • 72
  • 73
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

বিমানে উঠতেই মহুয়ার দিকে ‘চোর’ স্লোগান! ভাইরাল ভিডিও ঘিরে তুমুল শোরগোল

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই একের পর এক জায়গায় জনরোষের মুখে পড়ছেন তৃণমূল নেতা-কর্মীরা। ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে শাসকদলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিতে দেখা যাচ্ছে সাধারণ মানুষকে। এর আগে গণনাকেন্দ্রে অভিনেতা-পরিচালক রাজ চক্রবর্তীর দিকে কাদা ছোড়ার ঘটনা সামনে এসেছিল। অভিনেতা দেবকেও প্রকাশ্যে চোর স্লোগানের মুখে পড়তে হয়েছিল। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র।শুক্রবার দিল্লিগামী বিমানে উঠেছিলেন মহুয়া মৈত্র। অভিযোগ, তাঁকে দেখামাত্রই কয়েকজন সহযাত্রী আসন ছেড়ে উঠে দাঁড়ান এবং স্লোগান দিতে শুরু করেন। বিমানের ভিতরেই ওঠে, পিসি চোর, ভাইপো চোর, তৃণমূলের সব চোর স্লোগান। আচমকা এমন পরিস্থিতিতে অস্বস্তিতে পড়ে যান তৃণমূল সাংসদ। তিনি নিজের আসনে বসে পড়েন। পরে বিমানকর্মীরা এসে পরিস্থিতি সামাল দেন।ভোটে তৃণমূলের ভরাডুবির পর থেকেই দলের একাধিক নেতা ও জনপ্রতিনিধিকে প্রকাশ্যে বিক্ষোভের মুখে পড়তে হচ্ছে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি। সোশ্যাল মিডিয়াতেও সেই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ দেখা যাচ্ছে। সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছিল, অভিনেতা দেব কার্যত টি-শার্ট দিয়ে মুখ ঢেকে রেখেছেন। সেই ঘটনার পর এবার মহুয়া মৈত্রকে ঘিরে নতুন ভিডিও ঘিরে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।ইতিমধ্যেই বিমানের ভিতরের সেই ভিডিও দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, ভোটের ফলের পর কি রাজ্যে জনরোষ আরও বাড়ছে? যদিও এই ঘটনা নিয়ে এখনও প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি মহুয়া মৈত্র।

মে ০৭, ২০২৬
কলকাতা

সিঙ্গুর মামলায় বড় স্বস্তি রাজ্যের! টাটাদের ক্ষতিপূরণে স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের

সিঙ্গুর মামলায় বড় স্বস্তি পেল রাজ্য। টাটা মোটরসকে ৭৬৫ কোটি ৭৮ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশে সাময়িক স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি অনিরুদ্ধ রায়ের বেঞ্চ আগামী আট সপ্তাহের জন্য এই স্থগিতাদেশ জারি করেছে। একই সঙ্গে আদালত জানিয়েছে, এই সময়ের মধ্যে রাজ্য সরকারকে ব্যাঙ্ক গ্যারান্টি জমা দিতে হবে।সিঙ্গুরে কারখানা তৈরি না করতে পারার কারণে টাটা মোটরসকে এই বিপুল অঙ্কের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল সালিশি আদালত। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই তৎকালীন তৃণমূল সরকার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল।জানা গিয়েছে, ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে তিন সদস্যের সালিশি ট্রাইব্যুনাল নির্দেশ দেয়, পশ্চিমবঙ্গ শিল্পোন্নয়ন নিগমকে টাটা মোটরসকে ৭৬৫ কোটি ৭৮ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। শুধু তাই নয়, ২০১১ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে টাকা মেটানো পর্যন্ত বছরে ১১ শতাংশ হারে সুদ এবং মামলার খরচ বাবদ আরও ১ কোটি টাকা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল।প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ৩১ অগস্ট সুপ্রিম কোর্ট সিঙ্গুরে টাটাদের জন্য অধিগৃহীত ৯৯৭ একর জমিকে অবৈধ ঘোষণা করে। আদালতের নির্দেশে কৃষকদের জমি ফেরানোর কাজ শুরু করেছিল তৎকালীন রাজ্য সরকার। যদিও বহু কৃষকের অভিযোগ ছিল, জমি ফেরত পেলেও তা চাষের উপযুক্ত অবস্থায় ছিল না।২০০৬ সালে টাটা গোষ্ঠীর ন্যানো প্রকল্পের জন্য সিঙ্গুরে জমি অধিগ্রহণ শুরু হয়। কিন্তু জমি আন্দোলন এবং রাজনৈতিক সংঘাতের জেরে ২০০৮ সালে রতন টাটা সিঙ্গুর থেকে কারখানা সরিয়ে গুজরাটের সানন্দে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। পরে ২০১১ সালে ক্ষমতায় এসে তৃণমূল সরকার সিঙ্গুর জমি পুনর্বাসন ও উন্নয়ন আইন পাশ করে জমি ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু করে।সিঙ্গুর মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের এই নতুন সিদ্ধান্ত ঘিরে ফের রাজনৈতিক এবং শিল্প মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

মে ০৭, ২০২৬
রাজ্য

বাংলায় কি সত্যিই বন্ধ হচ্ছে মদ? অমিত শাহকে ঘিরে ভাইরাল পোস্টে তুমুল চাঞ্চল্য!

বাংলায় রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই একের পর এক জল্পনা ঘিরে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসকে হারিয়ে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পথে বিজেপি। আর তার মধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে একটি পোস্ট, যেখানে দাবি করা হয়েছে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে পশ্চিমবঙ্গে সম্পূর্ণভাবে মদ বিক্রি বন্ধ হয়ে যাবে। দাবি করা হয়েছে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ নাকি এমন ঘোষণা করেছেন।ভাইরাল হওয়া ছবিতে দেখা যাচ্ছে, একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের নামে প্রকাশিত প্রতিবেদনে লেখা রয়েছে, পশ্চিমবঙ্গকে ড্রাই স্টেট ঘোষণা করা হবে। অর্থাৎ রাজ্যে আর কোথাও মদ বিক্রি করা যাবে না। এই পোস্ট সামনে আসতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়ে যায় তুমুল চর্চা। অনেকে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন, তাহলে কি সত্যিই বিহারের মতো বাংলাতেও মদ নিষিদ্ধ হতে চলেছে? কেউ আবার দাবি করেন, বিজেপি সরকার এলে মাছ-মাংসের পাশাপাশি মদের উপরও নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে।তবে এই ভাইরাল দাবির সত্যতা সামনে আনল প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো বা পিআইবি। কেন্দ্রের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, অমিত শাহ এমন কোনও ঘোষণা করেননি। পশ্চিমবঙ্গে মদ নিষিদ্ধ করার কোনও পরিকল্পনাও নেই। ভাইরাল হওয়া ছবিটি সম্পূর্ণ ভুয়ো এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।পিআইবি জানিয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়া এই ধরনের ভুয়ো খবর সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করছে। তাই কোনও খবর যাচাই না করে বিশ্বাস না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে জানানো হয়েছে, ভুয়ো খবর বা বিভ্রান্তিকর পোস্ট দেখলে সরকারি মাধ্যমে অভিযোগ জানানো যেতে পারে।রাজ্যে সরকার গঠনের আগেই এই ভুয়ো পোস্ট ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে জোর চর্চা। বিশেষ করে মদ নিষিদ্ধের মতো স্পর্শকাতর বিষয়কে কেন্দ্র করে হঠাৎ এমন খবর ছড়িয়ে পড়ায় অনেকেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তবে কেন্দ্রের স্পষ্ট বার্তার পর আপাতত এই জল্পনায় জল পড়েছে।

মে ০৭, ২০২৬
রাজ্য

‘আমি না জিতলে হয়তো চন্দ্রনাথ বাঁচত!’ বিস্ফোরক শুভেন্দু, কাঁপছে বাংলা রাজনীতি

নতুন সরকার গঠনের আবহের মধ্যেই ফের ভোট পরবর্তী হিংসায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজ্য রাজনীতি। ফল প্রকাশের মাত্র দুদিনের মাথায় খুন হলেন শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহযোগী চন্দ্রনাথ রথ। বুধবার রাতে মধ্যমগ্রামের রাস্তায় তাঁকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে। নিজের দীর্ঘদিনের সহকর্মীর মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।বৃহস্পতিবার চন্দ্রনাথের দেহ কলকাতা থেকে পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুরে নিয়ে যাওয়ার সময় আবেগঘন প্রতিক্রিয়া দেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, আমি ভবানীপুরে না জিতলে হয়তো চন্দ্রনাথকে খুন হতে হতো না। আমি বিরোধী দলনেতা ছিলাম বলেই আমার পিএ হিসেবেও ও টার্গেট হয়েছিল। একই সঙ্গে তিনি আশ্বাস দেন, এই খুনের ঘটনায় চার্জশিট জমা পড়বে এবং দোষীরা কঠোর শাস্তি পাবে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার রাত প্রায় দশটা পনেরো নাগাদ মধ্যমগ্রামে নিজের ফ্ল্যাটের দিকে যাচ্ছিলেন চন্দ্রনাথ রথ। সেই সময় একটি চারচাকা গাড়ি এসে তাঁর গাড়ির পথ আটকে দেয়। এরপর বাইকে করে আসা দুষ্কৃতীরা খুব কাছ থেকে গুলি চালায়। গাড়িতে চালকের পাশাপাশি পিছনের সিটে আরও একজন ছিলেন। হামলার সময় তিনি সিটের নীচে লুকিয়ে পড়ায় প্রাণে বেঁচে যান বলে জানা গিয়েছে।গুলিতে গুরুতর জখম হন চন্দ্রনাথ এবং তাঁর গাড়ির চালক। দ্রুত তাঁদের স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা চন্দ্রনাথ রথকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। আহত চালককে পরে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তাঁর অস্ত্রোপচার হয়েছে। এখনও তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলেই হাসপাতাল সূত্রে খবর।এই ঘটনার পর থেকেই এলাকায় ব্যাপক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে তদন্তকারীরা। ইতিমধ্যেই খুনের ঘটনায় সিআইডি তদন্ত শুরু করেছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকেই এই হামলা কি না, তা নিয়েও শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।

মে ০৭, ২০২৬
কলকাতা

নাটকীয় মোড় বাংলার রাজনীতিতে! সংবিধানের ক্ষমতা প্রয়োগ করে বিধানসভা ভাঙলেন রাজ্যপাল

নতুন সরকার গঠনের আর মাত্র দুদিন বাকি। তার আগেই পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে বড় মোড়। বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইস্তফা না দেওয়ায় শেষ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল রবি নারায়ণ রবি। বৃহস্পতিবার এই সিদ্ধান্তের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে।রাজভবন সূত্রে খবর, ভারতীয় সংবিধানের একশো চুয়াত্তর নম্বর অনুচ্ছেদের দুই নম্বর দফার খ উপদফা অনুযায়ী রাজ্যপাল এই ক্ষমতা প্রয়োগ করেছেন। ইতিমধ্যেই মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিয়ালা বিবৃতি জারি করে জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের সপ্তদশ বিধানসভার কার্যকালের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটেছে। এর ফলে অষ্টাদশ বিধানসভা গঠনের পথ সম্পূর্ণ পরিষ্কার হয়ে গেল।রাজনৈতিক মহলে গত কয়েক দিন ধরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইস্তফা নিয়ে জোর চর্চা চলছিল। নির্বাচনে পরাজয়ের পরও মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে তিনি সরেননি। এর আগেও এই প্রসঙ্গে ক্ষোভ প্রকাশ করে মমতা বলেছিলেন, আমরা হারিনি। আমাদের একশো আসন লুঠ করা হয়েছে। সেই কারণেই তিনি পদত্যাগ করতে নারাজ বলেও স্পষ্ট জানিয়েছিলেন।এদিকে শনিবার রবীন্দ্র জয়ন্তীর দিন ব্রিগেডে হতে চলেছে নতুন সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপি শাসিত একাধিক রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গিয়েছে। নতুন সরকারকে ঘিরে ইতিমধ্যেই জোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।শপথ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে এসপিজি, কলকাতা পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী। ব্রিগেড চত্বর ও আশপাশের এলাকায় নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে।

মে ০৭, ২০২৬
রাজ্য

চন্দ্রনাথ খুনে বিস্ফোরক মোড়! সিবিআই তদন্তের দাবি তুলল তৃণমূল

মধ্যমগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহকারী চন্দ্রনাথ রথকে গুলি করে খুনের ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজ্য রাজনীতি। অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতীদের গুলিতে তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের তরফে সোশ্যাল মাধ্যমে পোস্ট করে চন্দ্রনাথ রথের হত্যার পাশাপাশি ভোট পরবর্তী হিংসায় নিহত তিন তৃণমূল কর্মীর মৃত্যুর ঘটনাও তুলে ধরা হয়েছে।অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের বার্তায় বলা হয়েছে, মধ্যমগ্রামে চন্দ্রনাথ রথের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানানো হচ্ছে। একই সঙ্গে অভিযোগ করা হয়েছে, আদর্শ আচরণ বিধি চালু থাকা সত্ত্বেও গত কয়েক দিনে বিজেপি সমর্থিত দুষ্কৃতীদের হাতে তিনজন তৃণমূল কর্মী নিহত হয়েছেন। ঘটনায় আদালতের তত্ত্বাবধানে সিবিআই তদন্তের দাবিও তুলেছে শাসকদল। দ্রুত দোষীদের চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।বুধবার রাতে মধ্যমগ্রামের দোহাড়িয়া এলাকায় হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, বাইকে করে এসে দুই দুষ্কৃতী শুভেন্দুর আপ্তসহায়কের গাড়ির পথ আটকায়। এরপর খুব কাছ থেকে এলোপাথাড়ি গুলি চালিয়ে পালিয়ে যায় তারা। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, হামলাকারীদের বাইকে কোনও নম্বর প্লেট ছিল না। চন্দ্রনাথ রথের বুকে, পেটে এবং মাথায় গুলি লাগে। ঘটনায় আহত হন তাঁর গাড়ির চালকও।গুরুতর আহত অবস্থায় চন্দ্রনাথকে দ্রুত মধ্যমগ্রামের ভিভা সিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত চালককে পরে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে।ঘটনার পর থেকেই হাসপাতালের সামনে ভিড় জমাতে শুরু করেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা। সেখানে পৌঁছন শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদার, অর্জুন সিং, কৌস্তভ বাগচী-সহ একাধিক বিজেপি নেতা। বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য দাবি করেছেন, তৃণমূলের আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই এই খুনের পিছনে রয়েছে।এদিকে ব্যারাকপুরের জয়ী বিজেপি প্রার্থী কৌস্তভ বাগচী বলেন, এই ঘটনার ফল তৃণমূলকে ভুগতে হবে। তাঁর অভিযোগ, পুরো ঘটনাই পরিকল্পনা করে করা হয়েছে। অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতার না করা হলে চন্দ্রনাথের দেহ দাহ করা হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

মে ০৭, ২০২৬
রাজ্য

‘ঠান্ডা মাথায় খুন করা হয়েছে’! চন্দ্রনাথ হত্যাকাণ্ডে বিস্ফোরক শুভেন্দু

মধ্যমগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহকারী চন্দ্রনাথ রথকে গুলি করে খুনের ঘটনায় উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। বৃহস্পতিবার হাসপাতালে পৌঁছে এই ঘটনাকে ঠান্ডা মাথায় খুন বলে দাবি করলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি অভিযোগ করেন, পুরো ঘটনাটি আগে থেকেই পরিকল্পনা করে ঘটানো হয়েছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান।চন্দ্রনাথ রথ দীর্ঘদিন ধরে শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে কাজ করতেন। গত প্রায় এক দশক ধরে রাজনৈতিক সফর থেকে সাংগঠনিক কাজ সবক্ষেত্রেই শুভেন্দুর ছায়াসঙ্গী ছিলেন তিনি।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার গভীর রাতে উত্তর চব্বিশ পরগনার মধ্যমগ্রামে হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, বাইক এবং গাড়িতে করে আসা একদল দুষ্কৃতী চন্দ্রনাথের স্করপিও গাড়ির পথ আটকায়। তারপর খুব কাছ থেকে পরপর গুলি চালানো হয়। তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, অন্তত আটজন হামলাকারী চারটি মোটরবাইকে করে এসেছিল। প্রত্যেকের মাথায় হেলমেট ছিল বলেও জানা গিয়েছে।তদন্তে আরও উঠে এসেছে একটি সন্দেহজনক গাড়ির তথ্য। শিলিগুড়ির নম্বরযুক্ত একটি গাড়ি চন্দ্রনাথের গাড়ির সামনে এসে দাঁড়িয়েছিল বলে অভিযোগ। সেই গাড়ি থামতেই আততায়ীরা গুলি চালাতে শুরু করে। এরপর দ্রুত এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায় তারা।পুলিশ জানিয়েছে, চন্দ্রনাথের বুকে এবং পেটে গুলি লাগে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে মধ্যমগ্রামের একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতালের চিকিৎসক প্রতিম সেনগুপ্ত জানান, হাসপাতালে আনার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়েছিল। চিকিৎসকেরা প্রাণ ফেরানোর চেষ্টা করলেও তা সম্ভব হয়নি।ঘটনায় আহত হয়েছেন চন্দ্রনাথের সঙ্গে থাকা বুদ্ধদেব নামে আরও এক ব্যক্তি। তাঁর শরীরেও একাধিক গুলি লেগেছে। পরে তাঁকে কলকাতার একটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, তিনি এখনও সচেতন অবস্থায় রয়েছেন এবং তাঁর অস্ত্রোপচার করা হবে।এদিকে রাজ্যের ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্ত জানিয়েছেন, হামলায় ব্যবহৃত গাড়িতে ভুয়ো নম্বর প্লেট লাগানো ছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। পুলিশ ইতিমধ্যেই এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা শুরু করেছে। গাড়ির গতিবিধি এবং হামলাকারীদের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে।ঘটনার খবর ছড়াতেই হাসপাতালে পৌঁছে যান বিজেপির একাধিক শীর্ষ নেতা। সেখানে ছিলেন সুকান্ত মজুমদার, অর্জুন সিং-সহ আরও অনেকে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে।

মে ০৭, ২০২৬
রাজ্য

হার্ট ভেদ করে গুলি! কেন বাঁচলেন ড্রাইভার, মৃত্যু হল চন্দ্রনাথের?

ভোট পরবর্তী সময়ের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে মধ্যমগ্রাম। শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহকারী চন্দ্রনাথ রথকে গুলি করে খুনের অভিযোগ উঠেছে। বুধবার রাতে গাড়ি আটকে খুব কাছ থেকে তাঁর উপর এলোপাথাড়ি গুলি চালানো হয় বলে অভিযোগ। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে মধ্যমগ্রামের ভিভা সিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনায় আহত হয়েছেন তাঁর গাড়ির চালকও। তাঁকে পরে বাইপাস সংলগ্ন একটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।হাসপাতালের চিকিৎসক প্রতিম সেনগুপ্ত জানান, রাতেই গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দুজনকে হাসপাতালে আনা হয়। তাঁদের মধ্যে ছিলেন চন্দ্রনাথ রথ এবং তাঁর গাড়ির চালক। চিকিৎসকদের দাবি, চন্দ্রনাথের বুকে বাঁদিক দিয়ে দুটি গুলি লাগে। গুলি হৃদযন্ত্র ভেদ করে যাওয়ায় ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয় বলে মনে করা হচ্ছে।জানা গিয়েছে, মধ্যমগ্রামের দোলতলা এলাকার কাছে বাড়ি ছিল চন্দ্রনাথ রথের। বুধবার রাতে তিনি গাড়ি করে ফিরছিলেন। সেই সময় একটি ছোট চারচাকার গাড়ি এসে তাঁদের গাড়ির পথ আটকে দেয়। এরপর পিছন দিক থেকে বাইকে করে এসে দুষ্কৃতীরা গুলি চালাতে শুরু করে। অভিযোগ, মোট ছয় রাউন্ড গুলি চালানো হয়। সেই সময় চন্দ্রনাথ চালকের পাশের আসনে বসেছিলেন।স্থানীয় সূত্রে খবর, মূল রাস্তা থেকে একটু ভিতরের দিকে এই হামলার ঘটনা ঘটে। গাড়ি দাঁড়িয়ে যেতেই খুব কাছ থেকে পরপর গুলি চালানো হয়। চন্দ্রনাথ গুলিবিদ্ধ হয়ে পড়ে যাওয়ার পর আততায়ীরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায় বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি ছোট গাড়িও উদ্ধার করেছে পুলিশ। সেটি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।এই ঘটনায় এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়েছে। পুলিশ ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে। আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলেও তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। আহত চালক কিছুটা সুস্থ হলে তাঁর বয়ান থেকে হামলার বিষয়ে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে বলে মনে করছে তদন্তকারীরা।

মে ০৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal