মঙ্গলবার সাধারণ ধর্মঘটের দ্বিতীয় দিনে কোনও প্রভাব না পড়লেও মঙ্গলবার দুর্গাপুরের মুচিপাড়ায় জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভে সামিল হলেন বাম কর্মী সমর্থকরা।সোম বার ও মঙ্গলবার সারা দেশ ব্যাপী সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দেয় কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়ন ও ফেডারেশন সমূহ। সাধারণ ধর্মঘটের সমর্থনে মঙ্গলবার সকালে দুর্গাপুরের মুচিপাড়ায় রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায় বাম কর্মী সমর্থকরা।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে বিভিন্ন থানার পুলিশ পৌঁছে বিক্ষোভকারীদের সরাতে গেলে।পুলিশের সাথে বিক্ষোভকারীদের শুরু হয় বচসা ও ধস্তাধস্তি।বিক্ষোভকারীদের সরাতে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে বিশাল পুলিশ বাহিনী।
ওগো নিরুপমা ধারাবাহিকে হ্যারির চরিত্রে অভিনয় করে সকলের মন জয় করেছিলেন অভিনেতা অনুজিৎ সরকার। কিন্তু এই ধারাবাহিক শেষ হওয়ার পর তার জীবন অনেক প্রতিকূলতার মধ্যে দিয়ে যায়। ডাক পাচ্ছিলেন না কোনো মেগা থেকে। ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তার লেখনীর মাধ্যমে। খারাপ সময় দিয়ে যেতে যেতে অবশেষে অনুজিতের কাছে ভালো খবর এসেছে। সদ্য স্টার জলসায় আলতা ফড়িং ধারাবাহিকে নেগেটিভ চরিত্রে সুযোগ পেয়েছেন তিনি। নিজের চরিত্র নিয়ে জনতার কথা কে অনুজিৎ জানালেন, আমি বেসিক্যালি একজন গুন্ডা যে ফড়িং-এর বাবার হয়ে কাজ করে। ফড়িং এর বাবা নির্মল আমাকে কাজে লাগিয়েছেন। আমার পরিচয়টা বর্তমানে গোপন আছে। হয়তো ভবিষ্যতে রিভিল করা হবে যে আমি বেসিক্যালি কে। আমার কাজ হচ্ছে ফড়িং ও তার মা কে কিডন্যাপ করে আটকে রাখা। এটা ক্যামিও ক্যারেক্টার বলতে পারো। তবে কতদিনের ট্র্যাক সেটা সিরিয়ালের ওপর নির্ভর করছে।
নববারাকপুর প্রথম বর্ষ বইমেলার রাজা রামমোহন রায় মঞ্চে কবি সন্মেলন হল। স্থানীয় কবি লেখক রা তিনটি করে স্বরচিত কবিতা পরিবেশন করেন এদিন।অংশগ্রহণ কারী কবিরা হলেন সীমা মালো, সুকান্ত রায়, তৃপ্তি ভট্টাচার্য, বনানী চক্রবর্ত্তী, লীলাবতি বিশ্বাস, বিকাশ দত্ত,লক্ষ্মীনারায়ন চক্রবর্তী, অর্ঘ্যদীপ আচার্য, মেঘমালা বসু, পলাশ পাল, উত্তম দত্ত, শোভন ঘোষ প্রমুখ। বইমেলায় সভা সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন কবি কালিদাস ভদ্র। এদিন মঞ্চে ছড়াকার শোভন ঘোষের কাব্যগ্রন্থ ননসেন্স! প্রকাশ করেন নববারাকপুর শিক্ষা ও সংস্কৃতি পরিষদের সভাপতি ড.অনিরদ্ধ বিশ্বাস। এদিন মঞ্চে উপস্থিত কবিদের সন্মানিত করা হয় সংস্থার পক্ষ থেকে। উল্লেখ্য গত শুক্রবার সন্ধ্যায় নববারাকপুর বইমেলায় শুভ উদ্বোধন করেছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। বইমেলায় ১১ টি প্রকাশনা সংস্থা ও চারটি লিটল ম্যাগাজিন বইয়ের সম্ভার নিয়ে হাজির হয়েছে স্থানীয় মজলিস প্রাঙ্গণে। জমজমাট বইমেলা সুদৃশ্য মঞ্চে প্রতিদিন বইপ্রেমীদের উপস্থিত বেশ ভালো সাড়া ফেলে এলাকায় ।মেলা চলবে ৩০ মার্চ পর্যন্ত। প্রতিদিন দুপুর তিনটে থেকে রাত নটা পর্যন্ত খোলা।
৯৪তম অ্যাকাডেমি পুরস্কারের মঞ্চ কাঁপিয়ে দিল সপাটে একটি চড়! স্ত্রীকে নিয়ে চটুল রসিকতার শাস্তি হিসেবে সোজাসুজি সঞ্চালক কমেডিয়ান ক্রিস রককে চড় মেরেছেন স্মিথ।অনুষ্ঠানের ফাঁকে ফাঁকে সঞ্চালক ক্রিস নানা ধরনের রসিকতা করছিলেন। তার মধ্যেই একটি রসিকতার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠেন স্মিথের স্ত্রী জা়ডা পিঙ্কেট। ক্রিস বলেন, জি আই জেন-এর সিক্যুয়েলের অপেক্ষায় রয়েছি আমি। এতে বেজায় চটে যান স্মিথ। নিজের আসন ছেড়ে সটান উঠে দাঁড়িয়ে সোজা উঠে যান মঞ্চে। তার পরেই চড় মারেন ক্রিসকে!VIA JAPANESE TELEVISION: The uncensored exchange between Will Smith and Chris Rock pic.twitter.com/j0Z184ZyXa Timothy Burke (@bubbaprog) March 28, 2022রাগ কমেনি তার পরেও। নিজের আসনে ফিরে ফের চিৎকার করে ওঠেন স্মিথ। বলেন, তোমার (নোংরা) কথা থেকে আমার স্ত্রীকে দূরে রাখো। ২০১৬-তেও সঞ্চালনার সময়ে পিঙ্কেটকে নিয়ে রসিকতা করেছিলেন ক্রিস। এ বারও বোঝাতে যান, রসিকতাই করছিলেন তিনি। তার পরেও চিৎকার করে তাঁকে একই কথাই বলেন স্মিথ।১৯৯৭ সালের ছবি জি আই জেন-এ নায়িকার চরিত্রে অভিনেত্রীর মাথায় চুল কম থাকা নিয়ে বিস্তর চর্চা হয়েছিল। স্মিথের স্ত্রী জাডার মাথাতেও চুল কম থাকায় সম্ভবত রসিকতা করে তাঁকে জি আই জেন ২-এর নায়িকা হিসেবে ইঙ্গিত করেন ক্রিস। বাস্তবে অ্যালোপেশিয়া নামে একটি রোগে আক্রান্ত উইল স্মিথের ঘরনি। এই রোগের শিকার হলে মাথার চুল পড়ে যায়। অসুস্থতা ,নিয়ে রসিকতা করাতেই মেজাজ হারান উইল স্মিথ।
শারীরিক অসুস্থতা যে কোনও বাধা হতে পারে না, কঠিন সময়ের মধ্যেও মনের জোর আর ভালো অভিনয়ের খিদে একজন অভিনেত্রীকে সময় প্রতিকূলতা কাটিয়ে লড়াই করার রসদ জোগায় সেটা দেখিয়ে দিয়েছেন অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা ভট্টাচার্য অর্থাৎ আমাদের প্রিয় বাবলি।কয়েকদিন আগে প্রিয়াঙ্কার ব্রেনস্ট্রোক হয়। চিকিৎসক তাকে সম্পূর্ণ বেড রেস্টের পরামর্শ দেন। কিন্তু কাজ শেষ করে তবেই বিশ্রামের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রিয়াঙ্কা।সম্প্রতি জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক অপরাজিতা অপু তে নেগেটিভ চরিত্রে অভিনয় করে নজর কেড়েছেন প্রিয়াঙ্কা। সেই ধারাবাহিকের শুটিং শেষ হল। কিন্তু যখন শুটিং চলছিল তখন কাজের চাপে প্রিয়াঙ্কার ব্রেনস্টোক ধরা পড়ে। চিকিৎসক বেডরেস্টের পরামর্শ দেন। কিন্তু তার জন্য যাতে শুটিং বন্ধ না থাকে তাই নার্ভের ওষুধ খেয়েও হাসিমুখে শুটিং করে গেছেন। বাবার কাছ থেকেই তার দায়িত্ব পালনের অভ্যাস তৈরি হয়েছে উল্লেখ করেছেন টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী।শুটিং এর মাঝে উত্তেজনার কারণে চোখে রক্ত জমাট বাঁধতে শুরু করে। কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে আবারো নিজের চরিত্রে ফিরে আসেন বাবলি।আপাতত ধারাবাহিক শেষ হওয়ায় বেশ কয়েকদিন বিশ্রাম নেবেন তারপর আবার লাইট, ক্যামেরা, অ্যাকশন। জনতার কথা কে অভিনেত্রী জানিয়েছেন, এখন আগের থেকে ভালো আছি। কয়েকমাস ছোটপর্দায় কাজ করলাম। এবার ছবির কাজ শুরু হবে।সত্যিই যাদের কাছে অভিনয়টাই নিজের ট্যালেন্টকে প্রমাণ করার জায়গা তারা বোধহয় শত ঝড়ঝাপ্টা সামলে এভাবেই নিজের লক্ষ্যে অবিচল থাকেন। জনতার কথা পরিবারের পক্ষ থেকে প্রিয়াঙ্কা ভট্টাচার্যর জন্য রইল অনেক শুভেচ্ছা। আপনার আগামী দিন অনেক ভালো কাটুক।
করোনা আক্রান্ত অভিনেত্রী লারা দত্ত। সুরক্ষার জন্য ইতিমধ্যেই তাঁর বাড়ি সিল করেছে বৃহন্মুম্বই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (বিএমসি)। লারা তাঁর কোভিড আক্রান্ত হওয়ার কথা প্রকাশ্যে আনেননি। সোশ্যাল মিডিয়াতেও কোথাও খবরটি জানাননি তিনি। এক পাপারাৎজো লারার বাড়ির সামনের ছবি তুলে তা ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করার পরে পুরো বিষয়টি সামনে আসে। বিএমসি অভিনেত্রীর সামনের বাড়ির এলাকাটিকে মাইক্রো কন্টেনমেন্ট জোনবলে ঘোষণা করেছে। লারার ঘনিষ্ঠ সূত্রে খবর, পরিবারের কোনও সদস্যের থেকেই করোনা আক্রান্ত হয়েছেন অভিনেত্রী। লারার অভিনীত শেষ প্রোজেক্ট রঞ্জিত তিওয়ারির বেল বটম। ইন্দিরা গান্ধীর চরিত্রে অভিনয় করে নজর কেড়েছেন তিনি। এর পাশাপাশি এ ছাড়াও হিকাপস অ্যান্ড হুকআপস, কৌন বনেগি শিখরওয়াতি ওয়েব সিরিজে দেখা গেছে তাকে।
কাশ্মীরে বেড়াতে গিয়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে মৃত্যু হল পূর্ব বর্ধমান জেলার দুই পর্যটকের। বৃহস্পতিবার বিকেলে দুর্ঘটনাটি ঘটে কাশ্মীরের গান্ডেরবাল জেলার কঙ্গন থানার গণ্ডুতে শ্রীনগর-লে এক্সপ্রেসওয়ের উপরে। দুর্ঘটনায় পর্যটকবাহী বাসে থাকা আরও প্রায় ২৫ জন পর্যটক জখম হয়েছেন। মৃতরা হলেন পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষের তোড়কোনা গ্রামের মালতি কুণ্ডু (৫৫) ও গলসির ইরকোনা গ্রামের স্মৃতিকা হাজরা (৫২)। কাশ্মীরের গান্ডেরবাল জেলার পুলিশ সুপার নিখিল বরকর সংবাদ মাধ্যম কে জানিয়েছেন, দুর্ঘটনাস্থলে দুজন মারা গিয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে কয়েকজনকে চিকিৎসার জন্য শ্রীনগরের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে ঘটনাস্থলেই দুজন মারা গিয়েছেন। খণ্ডঘোষ ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১৩ মার্চ খণ্ডঘোষের তোড়কোনা থেকে একটি টুরিস্ট বাস ছাড়ে। ওই বাসে চড়ে বর্ধমান শহর, খণ্ডঘোষ, গলসি, বাঁকুড়ার ইন্দাস, শাসপুর থানা এলাকার ৬৪ জন পর্যটক উত্তরভারত ও কাশ্মীরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। অমৃতসর, হরিদ্বার, বেনারস হয়ে ৪ এপ্রিল পর্যটকদের বর্ধমানে ফেরার কথা ছিল। খণ্ডঘোষ থেকে রওনা হওয়ার পর বুদ্ধগয়া, এলাহবাদ, আগ্রা, বৃন্দাবন, কুরুক্ষেত্র হয়ে পর্যটকবাহী বাসটি মঙ্গলবার রাতে শ্রীনগরে পৌঁছায়। বুধবার শ্রীনগরে প্রকৃতিক দৃশ্য ঘুরে দেখার পর ফের বৃহস্পতিবারও পর্যটকরা দুটি ছোট বাসে চড়ে প্রাকৃতিক দৃশ্য ঘুরে দেখার জন্য রওনা হন। ওই সময়েই একটি পর্যটকবাহী বাস দুর্ঘটনার কবলে পড়ে বলে খণ্ডঘোষ পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি শ্যামল দত্ত জানিয়েছেন। শ্যামল বাবু বলেন, শুক্রবার সকালে দুর্ঘটনার খবর তোড়কোনা গ্রামে পৌছায়। এরপর খোঁজ নিয়ে তিনি জানতে পারেন, ওই বাসটি নিয়ন্ত্রন হারিয়ে উল্টে গিয়ে বেশ কয়েকফুট নিচে থাকা অন্য রাস্তায় আছড়ে পড়ে। তার জরেই বয়স্ক দুই পর্যটক প্রাণ খোয়ান বলে খবর পাওয়া গিয়েছে।তোড়কোনা থেকে ছাড়া পর্যটকবাহী বাসের গাইড, ছিলেন তোড়কোনা গ্রামেরই বাসিন্দা অসীম চক্রবর্তী ওরফে খোকন। তিনি দাবি করেছেন, পর্যটকরা শ্রীনগর থেকে সেখানকার স্থানীয় বাসে চড়ে সাইডসিন দেখতে বেরিয়েছিলেন। ওই বাসটি বৃহস্পতিবার দুর্ঘটনার কবলে পড়লে দুজন মারা যান। ওই থাকা বাকি পর্যটকরা জখম হয় তাঁদের সবাইকে ওইদিন সন্ধের মধ্যেই হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। জখমদের উদ্ধার ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করার পাশাপাশি মৃতদেহ নিয়ে বর্ধমানে ফিরে আসার ব্যাপারেও কাশ্মীরের পর্যটন বিভাগ সর্বতভাবে সাহায্য করছে। খণ্ডঘোষের বিধায়ক নবীনচন্দ্র বাগ জানান, ময়নাতদন্তের পর দ্রুত যাতে মৃতদেহ ফিরিয়ে আনা যায় তার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। শুক্রবার বিকেলে শ্রীনগরে মৃতদেহগুলির ময়নাতদন্ত হয়েছে। শনিবার সকালে বিমানে দেহগুলি কলকাতায় আনা হবে বলে মৃতদের পরিবারের সদস্যদের কথায় জানা গিয়েছে।
দুর্গাপুরের মেয়ে। ২০১১ থেকে তিনি মডেলিং করছেন। ২০১৬ থেকে সিরিয়ালের কাজ শুরু তার। শেষ সিরিয়াল সান বাংলায় দেবী। আপাতত তিনি ধারাবাহিক থেকে বিরতি নিয়েছেন। এখন নতুন কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন অভিনেত্রী পিয়ালী দাস। তাঁর মধ্যেই সময় বের করে জনতার কথার মুখোমুখি অভিনেত্রী। জনতার কথাঃ তোমার তো দেবী শেষ হল। এখন নতুন কি কাজ আসছে? পিয়ালীঃ আমার নতুন কাজ একটা ফিচার ফিল্ম। খুব যে কমার্শিয়াল ভর্তি নাচগান আছে ওরকম নয়। পুরোটাই আর্ট ফিল্মের মতো। খুব ভালো একটি গল্প নিয়ে আমরা আসছি। জনতার কথাঃ এটা তোমার ফার্স্ট ফিল্মের কাজ। কতটা এক্সাইটেড লাগছে? পিয়ালীঃ প্রচন্ড এক্সাইটেড। আমি রাতে ঘুমোতে পারছি না। সারাক্ষণ স্ক্রিপ্ট পড়ছি। আমার সঙ্গে ফোনে বা সামনাসামনি যেই কথা বলছে তাদের সঙ্গে আমি পাগলের মতো ডিসকাস করছি যে এরকম একটা চরিত্র পেয়েছি। ছবি করার অনুভূতিটাই আলাদা। জনতার কথাঃ চরিত্রটা নিয়ে সংক্ষেপে একটু বলো। পিয়ালীঃ চরিত্রটা প্রচন্ড বোল্ড, প্রচন্ড ইমোশনাল। তার জীবনে প্রচুর ওঠানামা রয়েছে। তার মধ্যেও সে নিজেকে বাঁচিয়ে রেখেছে এবং লড়াই করে চলেছে।জনতার কথাঃ শুটিং টা কবে শুরু হচ্ছে?পিয়ালীঃ শুটিং শুরু হচ্ছে ২০২২ এর ৩১ মার্চ। জনতার কথাঃ ছবিটা কি হলে না ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পাবে?পিয়ালীঃ প্রথমে বিভিন্ন ফেস্টিভ্যালে যাবে। তারপর হলে মুক্তি পাবে ছবিটা।
প্রয়াত অভিনেতা অভিষেক চট্টোপাধ্যায়। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৫৭ বছর। গত দু-তিন দিন ধরে পেটের সমস্যা ভুগছিলেন তিনি। বুধবার রিয়েলিটি শো-তে তিনি অংশও নিয়েছিলেন। সেখানেই অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। বৃহস্পতিবার রাত ১টায় বাড়িতে মারা যান তিনি। অভিনেতার অকালপ্রয়াণে অভিনেত্রী তৃণা জানিয়েছেন, পর্দায় যেরকম অভিষেক দা আমার বাবার ভূমিকায় অভিনয় করছেন। সেরকম বাস্তবেও আমার বাবা মতোই ছিল অভিষেক দা। গত দুই দিন আগে শ্যুটিংয়ে এসে অসুস্থ হয়ে পরেছিল। তারপর বাড়ি পাঠিয়ে দিয়ে ফোন করে আমি খুব বকাবকি করেছিলাম। কারণ অভিষেক দা নিজের স্বাস্থ্যের একদম খেয়াল রাখত না। তাই প্রচুর বকলাম। এরপর এত তাড়াতাড়ি যে অভিষেক দা আমাদের সকলকে ছেড়ে চলে যাবে আমি ভাবতেই পারিনি। অভিনেত্রী সোশ্যাল মিডিয়াতে লিখেছেন, মিঠুদা এটা বিশ্বাস করতে পারছি না।কত কিছু মনে পড়ছে।কত ছবি, কত কথা। কেন হাসপাতালে গেলেনা? অভিনেত্রী সায়ন্তিকা ব্যানারজি অভিষেক চট্টোপাধ্যায়ের একটি ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লিখেছেন, ভালো থেকো মিঠুদা।বিদিপ্তা চক্রবর্তী লিখেছেন, বলার কোনও ভাষা নেই। তোমার সঙ্গে কাটানো সময়গুলো মনে থাকবে আমাদের। শান্তিতে থেকো মিঠুদা। খড়কুটো ধারাবাহিকের অভিনেত্রী সোনাল মিশ্র ফেসবুকে একটি ছবি পোস্ট করে লিখেছেন, লাইফমিঠু দা। অভিনেত্রী রিয়া গাঙ্গুলি লিখেছেন, শান্তিতে ঘুমিও মিঠু দা। তোমার সাথে কাজ করার সুযোগ পেয়েছিলাম। অনেক স্মৃতি, অনেক শিক্ষা। মানতে পারছিনা গো। ভালো থেকো যেখানেই থেকো। অভিনেত্রী মালবিকা সেন সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লিখেছেন, আমি ভাবতেই পারছি না। এটা কি হল? কেন হল? স্টার জলসার পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানিয়ে লেখা হয়েছে, স্টার জলসার পক্ষ থেকে প্রয়াত অভিনেতা অভিষেক চট্টোপাধ্যায়ের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা। ওনার আত্মার শান্তি কামনা করি।
প্রয়াত বর্ষীয়ান অভিনেতা অভিষেক চট্টোপাধ্যায়। মাত্র ৫৮ বছর বয়সে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন টলিউডের এই বর্ষীয়ান অভিনেতা। তাঁর অকাল প্রয়াণে শোকস্তব্ধ টলিউড। জানা গেছে বুধবার শুটিং থেকে বাড়ি ফিরেই আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। বারবার বমি হচ্ছিল। পরিস্থিতি অবনতি হলেও হাসপাতালে যেতে চাননি তিনি। রাত ১ টায় মারা যান তিনি। তাঁর মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে আসে সকালে। ১৯৮৬ সালে পথভোলা ছবি দিয়ে তাঁর অভিনয় জীবনের শুরু। প্রসেনজিত চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে একাধিক ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি। এরপর বেশ কয়েকবছর গ্যাপ নিয়েছিলেন। ফিরে এসে ছোটপর্দার বেশ কিছু ধারাবাহিকে দেখা গেছে তাঁকে। সিনেমার মতো ধারাবাহিকেও তাঁর অভিনয় দর্শকদের মন ছুঁয়ে গেছে। সম্প্রতি স্টার জলসার খড়কুটো ধারাবাহিকে গুনগুনের বাবার চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের প্রশংসা পেয়েছেন। ২০২১ সালে তিনটি সিনেমাতেও অভিনয় করেছেন অভিষেক।
ক্লিক ওটিটি এ শুটিং শেষ হয়ে এবার রিলিজ হবে এপ্রিল মাসে মিল্কি ওয়েস ফিল্মস দ্বারা প্রযোজিত, কৌশিক গাঙ্গুলী অভিনীত এবং সাগ্নিক চ্যাটার্জী (সমু) পরিচালিত ওয়েব সিরিজ প্র্যাঙ্কেনস্টাইন। বিপজ্জনক এবং বেপরোয়া প্র্যাংক ভিডিও তৈরি করে প্র্যাংকস্টার গ্রুপ প্র্যাঙ্কেনস্টাইনের আজ ভারত জোড়া নামডাক। এই ভাইরাল গ্রুপের মুকুটে সিলভার এবং গোল্ড প্লে বাটনের পরে সম্প্রতি জুড়ে গেল একটি নতুন পালক। এবছর মুম্বই শহরে সংঘটিত হতে চলা ইউটিউব ফ্যানফেস্টে তারা আমন্ত্রিত হয়েছে। সেই আনন্দ সেলিব্রেট করতে তারা কলকাতার উপকণ্ঠের কোনো শতাধিক বছর প্রাচীন রাজবাড়িতে রাত কাটানোর উদ্দেশ্যে গিয়ে উপস্থিত হয়। উদযাপন চলাকালীন মদ ফুরিয়ে যাওয়ায় দলের দুই পুরুষ সদস্য রুবেন এবং ভিকি মদ কিনতে রাজবাড়ির বাইরে বেরোয়। রাজবাড়িতে থেকে যায় দলের দুটি মেয়ে, শিরিন এবং আরু। মদ কিনে ফিরে আসার পর ঘরে ঢুকে ভিতরের দৃশ্য দেখে ছেলেদুটি বিস্ময়ে হতবাক হয়ে যায়। তারা দেখে, তাদের বান্ধবীরা জবুথবু হয়ে ঘরের এক কোণে বসে আছে, এবং তাদের থেকে একটু দূরে চেয়ারে আরাম করে বসে আছে এক অদ্ভুৎ দর্শন প্রৌঢ়, যাকে দেখতে নিতান্তই ছা-পোষা নিরীহ মধ্যবিত্ত বাঙালির মত, কিন্তু তার হাতে উদ্যত ৯এমএম পিস্তল। লোকটির আচরণে যেন মধু ঝরে পড়ে, কিন্তু তার এই বাড়িতে আগমণের কারণ শুনে চারটি ছেলেমেয়ের বিস্ময়ে বাকরুদ্ধ হয়ে যায়। প্রৌঢ় নিজেকে এই প্র্যাংকস্টার গ্রুপের একজন একনিষ্ঠ ভক্ত বলে দাবি করে এবং তাদের সামনে একটি অদ্ভুৎ প্রস্তাব রাখে। প্রৌঢ়র প্ল্যান মাফিক একটি প্র্যাংক সেই রাতেই তাদের সংঘটিত করতে হবে। তবেই তাদের মুক্তি মিলবে প্রৌঢ়র হাত থেকে। নইলে অঘটন অবশ্যম্ভাবী। তারা বোঝে, এই প্রৌঢ় উন্মাদ। তার ওপর তার হাতে রয়েছে উদ্যত আগ্নেয়াস্ত্র। অগত্যা উপায়ান্তর না দেখে রুবেন, শিরিন এবং ভিকি বেরিয়ে পড়ে প্রৌঢ়র ইচ্ছাপূরণের উদ্দেশ্যে। আর এদিকে আরু জামিন হিসেবে রাজবাড়িতেই প্রৌঢ়র হাতে বন্দী থাকে।কিন্তু বিধি বাম। প্রৌঢ়র নির্দেশে প্র্যাংক করতে গিয়ে ঘটে যায় এক নিষ্পাপ মানুষের মৃত্যু। প্রচন্ড আতঙ্কিত হয়ে প্রৌঢ়র কাছে ফেরৎ গিয়ে তাদের আরো বড় ধাক্কা লাগে, যখন তারা প্রৌঢ়র ল্যাপটপে তাদের খানিক আগে করা অনিচ্ছাকৃত হত্যার ছবি দেখতে পায়। তারা বোঝে, তারা প্রৌঢ়র পাতা জালে ফেঁসে গেছে। পালাবার রাস্তা নেই। প্রৌঢ় তাদের বলে, একটি সফল প্র্যাংক না করে তাদের মুক্তি নেই। যত বড় অঘটনই ঘটুক, প্র্যাংক তাদের করতেই হবে। অগত্যা তারা বেরিয়ে পড়ে তাদের সেই রাতের দ্বিতীয় প্র্যাংকের লক্ষ্যে। কিন্তু ভাগ্য এবারও বিরূপ। ঘটে যায় আরেকটি অনিচ্ছাকৃত মৃত্যু। যথারীতি এবারও তারা ফিরে গিয়ে প্রৌঢ়র ল্যাপটপে তাদের খানিক আগে ঘটিয়ে আসা অঘটনের ছবি দেখে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। পর পর দুটি মৃত্যু ঘটিয়ে ফেলার পর, এবার প্রৌঢ় তাদের এক ভয়ানক প্র্যাংকের দিকে এগিয়ে দেয়, যা সরাসরি তাদের জন্য প্রাণঘাতী হয়ে ওঠে। তারা কি মুক্তি পাবে এই রহস্যময় উন্মাদ প্রৌঢ়র হাত থেকে? নাকি তাদের জন্য অদ্যই শেষ রজনী?
নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকির ভাঙতে বসা সংসার কি জুড়তে চলেছে? বলিপাড়ায় এমনই গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। তবে পুরো ঘটনাটা সত্যি না ও হতে পারে। গত বছর দুই সন্তানকে নিয়ে দুবাইয়ে চলে গিয়েছিলেন নওয়াজের স্ত্রী আলিয়া সিদ্দিকি। সেখানেই পাকাপাকি ভাবে থাকার পরিকল্পনা করছিলেন। কিন্তু এবার মত বদলে ছেলেমেয়েকে নিয়ে ফিরে এসেছেন মুম্বইয়ে। সেখানে ইয়ারি রোডে একটি বাড়িতে ভাড়া থাকছেন তিনি। তবে এখনই নওয়াজ তাঁদের সঙ্গে থাকবেন কি না, সে বিষয়ে এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি।২০২০ সালে নওয়াজ এবং তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে গার্হস্থ্য হিংসার অভিযোগ এনেছিলেন আলিয়া। জানিয়েছিলেন, স্বামী কোনও দিন গায়ে হাত না তুললেও তাঁর ভাই শামাশ সিদ্দিকির কাছে প্রহৃত হয়েছিলেন তিনি। এর পর যদিও নওয়াজের সঙ্গে সব কিছু মিটমাট করে নিতে চেয়েছিলেন তিনি। তবে তেমন কিছু হওয়ার আগেই দুবাইয়ে উড়ে যান দুই সন্তানকে নিয়ে। সেই সময়ে করোনার কারণে ভারতে স্কুলে গিয়ে পড়াশোনার সুযোগ ছিল না। তাই তাদের নিয়ে বিদেশে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন আলিয়া। ব্যস্ত নওয়াজের পক্ষে পরিবারকে দেখতে ঘনঘন দুবাই যাওয়া প্রায় অসম্ভব। আলিয়ার কথায়, আমার দুই সন্তান এবং নওয়াজের পক্ষে দুবাইয়ে মানিয়ে নেওয়া সহজ ছিল না। ওদের নিজের দেশের কথা মনে পড়ছিল। এর পরেই মুম্বইয়ে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এবছর আইএসএলের শুরুর দিকে তেমন ছন্দে দেখা যায়নি এটিকে মোহনবাগানকে। ব্যর্থতার জন্য কর্তারা সরিয়ে দিয়েছিলেন কোচ আন্তোনীয় লোপেজ হাবাসকে। জুয়ান ফেরান্দো দায়িত্ব নিয়েই দলকে সাফল্যের রাস্তায় নিয়ে এসেছিলেন। টানা ১৫ ম্যাচ অপরাজিত থাকার রেকর্ডও গড়েছিল এটিকে মোহনবাগান। লিগে টেবিলেন দ্বিতীয় স্থানে শেষ করে আইএসএলের সেমিফাইনালের ছাড়পত্র পেয়েছিল। কিন্তু ফাইনালে ওঠার স্বপ্নপূরণ হয়নি। দুই পর্বের সেমিফাইনাল মিলিয়ে হায়দরাবাদ এফসির কাছে ৩২ ব্যবধানে হেরে ফাইনালের স্বপ্ন অপূর্ণ থেকে গিয়েছিল। শুধু দলের ব্যর্থতা নয়, এবারের আইএসএল থেকে কোনও পুরস্কার জিততে পারেননি ফুটবলাররাও। কেন আইএসএলের পুরস্কার থেকে বঞ্চিত হলেন এটিকে মোহনবাগান ফুটবলাররা? কোন ফুটবলার কী পুরস্কার পেলেন, একঝলকে দেখে নেওয়া যায়।এবছর ১৮টি গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার ছিনিয়ে নিয়েছেন হায়দরাবাদ এফসির তারকা স্ট্রাইকার বার্থোলেমিউ ওগবেছে। দলকে চ্যাম্পিয়ন করতে তিনি অগ্রণী ভুমিকা নিয়েছিলেন। তিনি পেয়েছেন গোল্ডেন বুট। গতবছর ১৪ গোল করে গোল্টেন বুট পেয়েছিলেন এফসি গোয়ার স্ট্রাইকার ইগর অ্যাঙ্গুলো। রয় কৃষ্ণাও করেছিলেন ১৪ গোল। তবে তিনি ২৩ ম্যাচ খেলেছিলেন। অ্যাঙ্গুলো খেলেছিলেন ২১ ম্যাচ। প্রতিযোগিতার সেরা ফুটলারের স্বীকৃতি পেয়েছেন জামশেদপুর এফসির গ্রেগ স্টুয়ার্ট। এবছর আইএসএলে দুরন্ত ফুটবল উপহার দিয়েছেন স্টুয়ার্ট। ২১ ম্যাচে তিনি করেছেন ১০। গোল করার দিক দিয়ে পিছিয়ে থাকলেও দলের বেশিরভাগ গোলের পেছনে তিনি অবদান রেখেছিলেন। দুরন্ত ফুটবল খেলে জামশেদপুর এফসিকে লিগে চ্যাম্পিয়ন করেছিলেন। তাঁর সঙ্গে সেরা ফুটবলার হওয়ার লড়াইয়ে ছিলেন এটিকে মোহনবাগানের লিস্টন কোলাসো। কিন্তু দলকে ফাইনালে তুলতে না পারায় তাঁর ভাগ্যে শিকে ছিঁড়ল না।ফাইনালে তিনতিনটি টাইব্রেকার বাঁচিয়ে এবছর হায়দরাবাদ এফসিকে আইএসএলে চ্যাম্পিয়ন করেছেন লক্ষ্মীকান্ত কাট্টিমনি। সেমিফাইনালেও এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে দুরন্ত খেলেছিলেন। তবু গোল্ডেন বুটের পুরস্কার ছিনিয়ে নিলেন কেরালা ব্লাস্টার্সের গোলকিপার প্রভসুখন গিল। গোটা আইপিএল জুড়ে তিনি তিন কাঠির নীচে অপ্রতিরোধ্য ছিলেন।
আজ থেকেই পশ্চিমবঙ্গে ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সি কিশোর-কিশোরীদের কোর্বেভ্যাক্স টিকা প্রদান কর্মসূচি শুরু হচ্ছে। আপাতত শুধু সরকারি টিকা কেন্দ্রেই ওই প্রতিষেধক মিলবে। তবে ক্রমে ক্রমে শিক্ষা দপ্তরের সঙ্গে কথা বলে কিংবা পুরসভার সহযোগিতায় টিকা কর্মসূচি চালাতে পারবে স্কুলও। রাজ্যের ২৮টি জেলা (স্বাস্থ্য জেলা-সহ) মিলিয়ে ২৮ লক্ষ ৮১ হাজার ৮০০ ডোজ টিকা পাঠানো হয়েছে। শুধু স্কুলপড়ুয়া নয়, সেই সঙ্গে স্কুলছুটেরাও যাতে করোনার এই টিকা পায়, সে-দিকেও জোর দিচ্ছে স্বাস্থ্য দপ্তর। পুরো কর্মসূচি যাতে ঠিকমতো চলে, সে-দিকে নজর রাখতে জেলা, মহকুমা, পুরসভা, ব্লক স্তরে স্কুলশিক্ষা দপ্তরকে নিয়ে ইতিমধ্যে বিভিন্ন কমিটিও গঠন করা হয়েছে।স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রের খবর, টিকা নেওয়ার জন্য ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সিদেরও কোউইন পোর্টালে নাম নথিভুক্ত করতে হবে। তবে বাড়ির কারও নামে আগে থেকে ওই পোর্টালে অ্যাকাউন্ট খোলা থাকলে সেখানেও ছোট সদস্যের নাম নথিভুক্ত করা যাবে। আবার অনলাইনে যদি কারও সমস্যা হয়, তা হলে সরাসরি সরকারি টিকা কেন্দ্রে গিয়েও নাম নথিভুক্ত করে টিকা নিতে পারবে। আধার কার্ড, স্কুলের পরিচয়পত্র, রেশন কার্ড, শারীরিক প্রতিবন্ধকতার পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, ব্যাংকের পাসবইয়ের মতো পরিচয়পত্র দিয়ে কোউইন পোর্টালে নাম নথিভুক্ত করা যাবে। কোনও স্কুল যদি তাদের নিজেদের ক্যাম্পাসে টিকা কেন্দ্র খুলতে চায়, তা হলে পুরনো নিয়ম অনুযায়ী প্রতীক্ষার ঘর, টিকা দেওয়ার ঘর, পর্যবেক্ষণের ঘর এবং অন্যান্য পরিকাঠামো প্রস্তুত রাখতে হবে।ফেব্রুয়ারিতে রাজ্যে কোর্বেভ্যাক্সের প্রায় ৩০ লক্ষ ডোজ টিকা এসেছিল। কয়েক দিন আগেই প্রয়োজন অনুযায়ী টিকা পাঠানো হয়েছে সব জেলায়। সব থেকে বেশি টিকা গিয়েছে মুর্শিদাবাদ জেলায়। সেখানে দুলক্ষ ৬৮ হাজার ২০০ ডোজ় বরাদ্দ হয়েছে। লক্ষাধিক টিকা বরাদ্দ হয়েছে ডায়মন্ড হারবার স্বাস্থ্য জেলা, পূর্ব বর্ধমান, হুগলি, হাওড়া, মালদা, নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনা, পশ্চিম ও পূর্ব মেদিনীপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, উত্তর দিনাজপুরের মতো প্রতিটি জেলার জন্য।
এক পিস রসগোল্লা এক হাজার টাকা! এটা কোন আজগুবি গল্পকথা নয়। পাঁচ শতাধিক বছরের প্রাচীন দোল উৎসবের মেলার সেরা আকর্ষণ হাজার টাকা পিসের পেল্লাই সাইজের রসগোল্লা। পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী ১ ব্লকের দোগাছিয়ার দোল উৎসবের এমনই মস্ত সাইজের মিষ্টি তৈরি হয়। দোল উৎসব উপলক্ষ্যে আগত অতিথিদের এমন বিশালাকার মিষ্টি দিয়ে আপ্যায়ন করাটাই দোগাছিয়া গ্রামের রেওয়াজ। তাই দোল উৎসব উপলক্ষ্যে দোগাছিয়া গ্রামের মেলায় যাঁরা মিষ্টির দোকান খুলে বসেন তাঁরা সবাই তৈরি করেন পেল্লাই সাইজের হরেক রকমের মিষ্টি। নজর কাড়া এমন মিষ্টি স্বচক্ষে একবার দেখার জন্যেও অনেকে মেলায় ভিড় জমান।দোগাছিয়া গ্রামের দোল উৎসবের মাহাত্ম্য নিয়ে এলাকায় নানা লোককথা প্রচলিত রয়েছে। গ্রামের বাসিন্দা নিখিলেশ রায়চৌধুরি ও দেবপ্রসাদ রায়চৌধুরি জানান, প্রায় সাড়ে পাচশো বছর আগের ঘটনা।বাংলায় তখন রাজত্ত্ব চালাতেন জমিদাররা। সেই সময় কালে দোগাছিয়া গ্রামে চারদিনের দোল উৎসবের সূচনা হয়।দোলে গ্রামের চৌধুরিপাড়ার মূল মন্দিরে হয় কৃষ্ণচন্দ্র, গুপীনাথ ও মদনমোহন মূর্তির পুজোপাঠ। মূল মন্দির থেকে কিছুটা দূরে থাকা দোলমন্দিরে চতুর্দোলা করে তিন দেবতার মূর্তি নিয়ে গিয়ে পুজো করা হয়। নিখিলেশ রায়চৌধুরি জানান, তাঁদেরই বংশের পূর্বপুরুষ শ্রীধর কর জমিদারী আমলে মন্দিরগুলি তৈরি করেন। পরবর্তীকালে নবাব আমলে তাঁদের পরিবার রায়চৌধুরি উপাধি লাভ করে। চৌধুরী পরিবারের সদস্যদের কথায় জানা গিয়েছে, দোল উৎসব উপলক্ষ্যে গ্রামে হরিনাম সংকীর্তন সহ বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠান হয়, মেলাও বসে।দোগাছিয়া গ্রামে দোল উৎসবের মেলায় এদিন গিয়ে দেখা যায় মেলার মূল আকর্ষন মিষ্টি। দু-এক কেজি ওজনের মিষ্টি নয়। ১০০০ টাকা পিস দরের ৮ কেজি ওজনের রসগোল্লা মেলায় বিক্রির জন্য তৈরি করেছেন বিক্রেতারা। বড় বড় গামলায় সেইসব বিশালাকার মিষ্টি সাজিয়ে রাখেন বিক্রেতারা। এত বড় বড় মিষ্টি মেলায় আগত মিষ্টান্ন ব্যবসায়ীরা তৈরি করেন মূলত এলাকার রীতি রেওয়াজকে মান্যতা দিয়েই। স্থানীয় বাসিন্দা সুধাকর ঘোষ ও কৃপেশ বিশ্বাস বলেন, জমিদারি আমল থেকেই দোল উৎসবে আমাদের গ্রামে আগত অতিথীদের মিষ্টি দিয়ে আপ্যায়ন করা হত। সেই রেওয়াজ এখনও চালু রয়েছে। আর তার কারণেই দোল উৎসব উপলক্ষে গ্রামে বসা মেলার সবথেকে বেশি প্রাধান্য পায় মিষ্টি।মেলায় মিষ্টির দোকান খুলে বসা ব্যবসায়ী তপন বিদ, প্রভাত ঘোষ জানান, দোগাছিয়া গ্রামের দোল উৎসবের মেলায় মিষ্টিই মূল আকর্ষন। তাই তাঁরা নজরকাড়া নানা মিষ্টি তৈরি করেন। এই বছর করেছেন ১০০০ টাকা পিস দরের ৮ কেজি ওজনের রসগোল্লা।এছাড়াও ৫০০, ৪০০, ২০০ টাকা পিস দামের মিষ্টিও মেলায় বিক্রীর জন্য তৈরি করেছেন। মিষ্টি কিনতে জেলা ছাড়িয়ে ভিন জেলার ক্রেতারাও মেলায় আসছেন। প্রবাত ঘোষ বলেন, , মেলায় বিক্রি-বাটাও খারাপ হচ্ছে না। দাম যাই হোক, খরিদ্দাররা সব ধরণের মিষ্টি কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। মেলার স্টলে বসেও দল বেঁধে হাজার টাকা দামের রসগোল্লা খাচ্ছেন।
দ্য কাশ্মীর ফাইলস এখন বলিউডের আলোচিত সিনেমা। এই সিনেমার জন্য শিরোনাম দখল করেছেন বলিউডের পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রী। বক্স অফিসে চোখ রাখলেই পুরো বিষয়টা বুঝতে পারা যাবে। ৯০-এর দশকে জম্মু-কাশ্মীর থেকে শয়ে শয়ে কাশ্মীরি পণ্ডিতকে ঘরছাড়া করার ঘটনাকে সেলুলয়েডে তুলে ধরেছেন বিবেক। কিন্তু এই ছবি বানানোর আগে পর্যন্ত তাঁর খুব বেশি সুখ্যাতি ছিল না ইন্ডাস্ট্রিতে। বহু বিতর্কের কেন্দ্রে ছিল তাঁর নাম।এই সাফল্যের মধ্যেও একটি ঘটনা আবার প্রকাশ্যে এল। এর জন্য ২০১৮ তে ফিরে যেতে হবে। বাঙালি অভিনেত্রী তনুশ্রী দত্ত হেনস্থার অভিযোগ তুলেছিলেন দ্য কাশ্মীর ফাইলস-এর পরিচালকের বিরুদ্ধে। ২০০৫ সালের একটি ঘটনার কথা জানান প্রাক্তন বিশ্বসুন্দরী তনুশ্রী। চকোলেট: ডিপ ডার্ক সিক্রেটস ছবির শ্যুটিংয়ের সময়ে ঘটনাটি ঘটে বলে তাঁর দাবি।তনুশ্রীর কথায়, আমার শট ছিল না। আমি ক্যামেরার পিছনে দাঁড়িয়ে দেখছিলাম। ইরফান খানের মুখের ক্লোজ আপ শট নেওয়া হচ্ছিল। আমি নিজের পোশাকের উপর একটি তোয়ালে জড়িয়ে দৃশ্যটি দেখছিলাম। হঠাৎ পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রী আমাকে বলেন, যাও, ইরফানের সামনে গিয়ে কাপড় খুলে নাচো। তা হলে ইরফানের সুবিধা হবে অভিনয় করতে। আমি হতবাক হয়ে যাই এটা শুনে। কিন্তু ইরফান আমাকে রক্ষা করেন। তিনি বলেন, আমার সাহায্যের প্রয়োজন নেই। আমি অভিনেতা। কিছু না দেখলেও প্রয়োজনীয় অভিব্যক্তি ফুটে উঠবে আমার মুখে। কী সব বলছ তুমি? কাউকে কাপড় খুলে আমার সামনে নাচতে হবে না! এমনকি সুনীল শেট্টিও সেখানে ছিলেন। তিনিও বলেন, আমি সাহায্য করছি ইরফানকে। তনুশ্রীকে এ সব করতে হবে না। যদিও পরিচালক এই ঘটনাটি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন সবটাই মিথ্যে ও ভিত্তিহীন।
শ্বশুর বাড়ির দোল উৎসব অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাবার পথে দুস্কৃতি হামলার শিকার হলেন রাজ্য বিজেপি নেতা কল্যাণ চৌবে। শুক্রবার বিকাল পৌনে চারটে নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার মসাগ্রাম রেল গেট এলাকায়। ঘটনা বিষয়ে এদিন সন্ধ্যায় জামালপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন কল্যান চৌবে। তাঁর অভিযোগের তীর যদিও তৃণমূলের দিকেই। তবে তৃণমূল নেতৃত্ব বিজেপি নেতার আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত বলে দাবি করেছেন।বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, কলকাতার উল্টোডাঙ্গা নিবাসী কল্যাণ চৌবে দলের উত্তর কলকাতার সভাপতি। একই সঙ্গে তিনি রাজ্য বিজেপিরও সদস্য। জামালপুর থানায় দায়ের করা অভিযোগে কল্যান চৌবে জানিয়েছেন, শ্বশুর বাড়ির দোল উৎসব অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এদিন তিনি জামালপুরের রাজারামপুর গ্রামে যাচ্ছিলেন। সামনের গাড়িতে তিনি ও তাঁর নিরাপত্তারক্ষীরা ছিলেন। পিছনের গাড়িতে ছিলেন তাঁর স্ত্রী ও নাবালিকা কন্যা। বিকাল পৌনে চারটে নাগাদ তাঁরা মেমারি তারকেশ্বর রোডে মসাগ্রাম লেবেল ক্রসিং এর কাছে পৌছান। কলাণবাবু দাবি করেছেন, তাঁর গাড়ির সামনে বিজেপির একটি পতাকা লাগানো ছিল। এছাড়াও ড্যাসবোর্ডে রাখা ছিল উত্তরীয় ও ব্যাচ। এইসব দেখেই মসাগ্রাম রেল গেট এলাকায় থাকা দুস্কৃতি দল তাঁকে প্রাণে মেরে দেবার উদ্দেশ্যে আচমকাই তাঁর গাড়ির উপর চড়াও হয়। কল্যাণবাবু দাবি করেছেন, তাঁর নিরাপত্তা রক্ষীরা কোনক্রমে তাঁকে ও তাঁর পরিবার সদস্যদের রক্ষা করেন। হামলায় তাঁদের দুটি গাড়ির ক্ষতি হয়েছে বলেও পুলিশকে জানিয়েছেন কল্যাণ চৌবে। থানায় অভিযোগ দায়ের করার পর ফের স্বপরিবার রাজারামপুর গ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা দেন বিজেপি নেতা। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিজেপির নেতার আনা এই অভিযোগ কতটা সত্য তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন জেলা তৃণমূলের মুখপত্র প্রসেনজিৎ দাস। পাল্টা অভিযোগে তিনি বলেন, ওই বিজেপি নেতার বিরোধী গোষ্ঠীর লোকজনই হয়তো এইসব ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে। পুলিশের তদন্তেই সব পরিস্কার হয়ে যাবে।
জামাত-উল-মুজাহিদিন (জেএমবি) জঙ্গিদের আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে রাজ্য পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)-এর হাতে গ্রেপ্তার এক শিক্ষক। পাশাপাশি গ্রেপ্তার করা হয় ওই দুই জঙ্গিকে। ধৃত শিক্ষক আনিরুউদ্দিন আনসারির বাড়ি পুরুলিয়ার পাড়ায়। তিনি হাওড়া জেলার বাঁকড়ার মুন্সিডাঙ্গায় একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকতেন। তিনি স্থানীয় মসজিদের শিক্ষকতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। গত ১৪ মার্চ রাতে তাঁকে রাজ্য পুলিশের এসটিএফ গ্রেপ্তার করে। আনিরুদ্দিনের বিরুদ্ধে দুজন জেএমবি জঙ্গিকে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ ছিল।পুরুলিয়ায় নয়, হাওড়ার বাড়িতেই জঙ্গিদের আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃত শিক্ষককে বুধবার হাও়ড়া আদালতে তোলা হয়। অভিযুক্তকে হেপাজতে নেওয়ার আবেদনও করা হয়েছে। ওই দুই জঙ্গি কবে থেকে ধৃতের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিল এবং এই দুজন ছাড়া আর কেউ ছিল কি না তা খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই তৎপর হয়েছে এসটিএফ। ওই শিক্ষক নিজেও জঙ্গি কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত কি না তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।বেঙ্গল এসটিএফ সূত্রে খবর, সম্প্রতি ভোপালে চারজন জঙ্গিকে সেখানকার দুটি জায়গা থেকে গ্রেপ্তার করে সেই রাজ্যের সন্ত্রাসবিরোধী স্কোয়াড (এটিএস)। তাদের সূত্র ধরেই আনিরুদ্দিনের নাম উঠে আসে গোয়েন্দাদের কাছে। দীর্ঘদিন ধরে বেঙ্গল এসটিএফ-এর গোয়েন্দাদেরও নজরে ছিল এই জঙ্গি। গতকাল রাত্রে তাকে ইউএপিএ ধারায় গ্রেপ্তার করা হয়।এরপর আজ আনিরুদ্দিনকে হাওড়া জেলা আদালতে তোলা হয়।
সামনেই দোলযাত্রা। বসন্ত উৎসবের আয়োজন বিভিন্ন জায়গায় যেমন হবে করোনা কালের এই ঘরবন্দি সময় থেকে একটু বেরিয়ে সবার সাথে রঙ মেলানোর এই উদ্যোগে সামিল সুলগ্না আকাডেমি ট্রাস্ট। আগামী ১৭মার্চ ঠিক দোলের আগের দিন আয়োজিত হতে চলেছে এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের, রাঙিয়ে দিয়ে যাও- তৃতীয় বর্ষ।বিশিষ্ট ওড়িশি নৃত্যশিল্পী সুলগ্না রায় ভট্টাচার্য এর পৃষ্ঠপোষোকতায় হাওড়ার শিবপুরের নেতাজী সঙ্ঘের মাঠে, সন্ধ্যা ৬টা থেকে অনুষ্ঠিত হবে এই বিশেষ অনুষ্ঠান। সঙ্গে নৃত্য পরিবেশন করবেন বিশিষ্ট ওড়িশি নৃত্যশিল্পী অভিরূপ সেনগুপ্ত, মন্দাক্রান্তা রায়,দীপঙ্কর দাস থাকছেন গুরু পৌষালি মুখোপাধ্যায়, বিশেষ উপস্থিতি ঋদ্ধি বন্দোপাধ্যায়ের, গানে চন্দ্রাবলী রূদ্র দত্ত, দীপাবলি দত্ত, সঞ্চালনায়, পাঠে সুদীপ দে,প্রদীপ্ত চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ। থাকবে সুলগ্না রায় ভট্টাচার্য এর আকাডেমির ছাত্র-ছাত্রীরা। রবীন্দ্রসঙ্গীত থেকে শুরু করে ছবির গান, ট্রাডিশনাল সুর থেকে আধুনিক গান বসন্তের বন্দনায় প্রস্তুত সুলগ্না আকাডেমি ট্রাস্ট।সুলগ্না রায় ভট্টাচার্য বললেন, অনেক দিন সবাই গৃহবন্দি ছিলাম। করোনার দাপট সামলে আমরা আস্তে, আস্তে স্বাভাবিক জীবনে ফিরছি। আমাদের জীবনে ফিরছে সেই চিরাচরিত অনুষ্ঠান গুলো। মাঝে করোনার দাপটে আমরা কেউ এই উৎসব গুলোর উদযাপন করে উঠতে পারিনি। এইবার করোনার চোখ রাঙানি একটু কম হওয়ায় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে পারছি। আসা করছি সবার ভালো লাগবে।
বইমেলা থেকে কেপমারির অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন অভিনেত্রী রূপা দত্ত। শনিবার সন্ধ্যায় কলকাতা বইমেলা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ। রবিবার তাঁকে আদালতে তোলা হলে জেল হেপাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। একদিনের জেল হেপাজত হয়েছে রূপা দত্তের। তাঁর আইনজীবী এদিন এজলাসে ১৪ দিনের জামিনের আবেদন করেন। কিন্তু তা খারিজ করে দেন বিধাননগর মহকুমা আদালতের বিচারক। গ্রেপ্তারের পরই রূপার কাছ থেকে ৭৫ হাজার টাকা, একাধিক পার্স উদ্ধার করে পুলিশ।তবে এই ঘটনা ঘিরে ইতিমধ্যেই বেশ কিছু প্রশ্ন উঠে এসেছে। টেলি দুনিয়ায় বেশ কয়েকটি সিরিয়ালে অভিনয় করেছেন রূপা দত্ত। মুম্বইয়েও যোগাযোগ ছিল বলেই তদন্তে উঠে এসেছে। সেলুলয়েডের দুনিয়ায় যাঁর এত পরিচিতি, এভাবে চুরির অভিযোগে তাঁর নাম কেন জড়াল? অন্যদিকে এদিন এজলাসেও বিচারক মামলাটি নিয়ে বেশ কিছু প্রশ্ন তুলেছেন। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সিজার লিস্টে দুজন সাক্ষীর নাম ছিল। একজন এর মধ্যে মহিলা কনস্টেবল। প্রশ্ন উঠেছে, দ্বিতীয় জনের জবানবন্দি কেন নেওয়া হল না? অন্যদিকে রূপা দত্ত কেন ডাস্টবিনের পার্সের দিকে হাত বাড়াতে গেলেন তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বিচারক।