• ১৪ মাঘ ১৪৩২, সোমবার ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

AC

রাজ্য

বড়সড় দুর্ঘটনা বর্ধমান রেল স্টেশনে, আশঙ্কা মৃত ৩

ইস্টার্ন রেলওয়ের ব্যস্ততম স্টেশন বর্ধমান। তখন ২ ও ৩ নম্বর প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে বহু যাত্রী। আচমকা ঘটে গেল হাড় হিম হওয়া ঘটনা। প্রাণ গেল ৩ জনের। এই দুর্ঘটনায় জখম বহু, চরম আতঙ্কে যাত্রীরা। ফের প্রশ্নের মুখে রেল স্টেশনে যাত্রী সুরক্ষা।বুধবার দুপুর ১২টা বেজে ৮ মিনিটে বর্ধমান রেল স্টেশনে করোগেটেড শিটের তৈরি জলের ট্যাঙ্ক ভেঙে বড়সড় বিপত্তি ঘটে যায়। ট্যাঙ্ক ভেঙে প্ল্যাটফর্মে ট্রেনের অপেক্ষায় থাকা তিন যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। নিহত তিন জনের মধ্যে দুজন হলেন মফিজা খাতুন এবং ক্রান্তি কুমার। একজনের নাম জানা যায়নি। এখনও পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী জখমের সংখ্যা কমপক্ষে ২৭ জন। দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছায় আরপিএফ এবং দমকল। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলে উদ্ধারকাজ। আহতদের নিয়ে যাওয়া হয় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে।স্থানীয় সূত্রে খবর, বর্ধমান স্টেশনের ২ এবং ৩ নম্বর প্ল্যাটফর্মের মাঝে যে জলের ট্যাঙ্কটি ছিল, আচমকাই তা হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে। কী করে ট্যাঙ্ক ভেঙে পড়ল তা এখনও পরিষ্কার নয়। বর্ধমান স্টেশনে এর আগে ২০২০ সালে ৪ জানুয়ারি সন্ধ্যায় হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়েছিল স্টেশনের ব্রিটিশ আমলে নির্মিত ঝুল বারান্দা।স্থানীয় সূত্রে খবর, বর্ধমান স্টেশনের ২ এবং ৩ নম্বর প্ল্যাটফর্মের মাঝে যে জলের ট্যাঙ্কটি ছিল, আচমকাই তা হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে। কী করে ট্যাঙ্ক ভেঙে পড়ল তা এখনও পরিষ্কার নয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, বিকট শব্দের পরই আর্তনাদ শুনে বোঝা যায়, বেশ কয়েকজন চাপা পড়েছেন ধ্বংসস্তূপের নীচে। তাঁদের উদ্ধারের জন্য শুরু হয় ছোটাছুটি। ততক্ষণে আরপিএফ ও জিআরপিও ছুটে এসে উদ্ধার কাজে হাত লাগায়। এ পর্যন্ত প্রায় ২৭ জনকে উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানেই ৩ জনকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২৩
দেশ

জম্মু কাশ্মীরের বাতিল ৩৭০ ধারা নিয়ে ঐতিহাসিক সুপ্রিম রায়, উচ্ছ্বসিত গেরুয়া শিবির

জম্মু কাশ্মীর থেকে সংবিধানের ৩৭০ নম্বর ধারা প্রত্যাহারকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা হয়েছিল সর্বোচ্চ আদালতের সংবিধান বেঞ্চে। চার বছর বাদে সোমবার ওই মামলার রায় ঘোষণা করতে গিয়ে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় স্পষ্টতই জানিয়ে দেন, জম্মু ও কাশ্মীর ভারতীয় যুক্তরাষ্ট্রে সামিল হওয়ার পর তার আর সার্বভৌমত্ব ছিল না। সুপ্রিম কোর্ট এও জানিয়ে দিয়েছে, উপত্যকায় সংবিধানের ৩৭০ ধারা প্রয়োগ করে যে ব্যবস্থা ছিল তা একেবারেই অস্থায়ী। চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ছিল না। জম্মু ও কাশ্মীর থেকে ২০১৯ সালের ৩১শে অক্টোবর রাষ্ট্রপতি শাসন প্রত্যাহার করে নেয় কেন্দ্র। কিন্তু লেফটেন্যান্ট গভর্নর বা উপরাজ্যপালের মাধ্যমে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে প্রশাসন চালাচ্ছিল দিল্লি।সংবিধানের ৩৫৬ ধারা মোতাবেক জম্মু ও কাশ্মীরে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা হয়েছিল। সুপ্রিম কোর্ট এদিন বলেছে, সংবিধানের ৩৫৬ ধারা প্রয়োগ করা হলে কেন্দ্রকে অনেক সিদ্ধান্ত নিতে হয়। সব সিদ্ধান্তকেই কথায় কথায় আদালতে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না। জম্মু-কাশ্মীরে আগামী ৯ মাসের মধ্যে ভোট করাতে হবে। অর্থাৎ ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে ভোট করাতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। জম্মু ও কাশ্মীর থেকে লাদাখকে পৃথক করে সেটিকে একটি কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। সংসদে সেই প্রস্তাব দুই তৃতীয়াংশ সদস্যের সমর্থনে পাশ করানোর পর রাষ্ট্রপতি তাতে অনুমোদন দিয়েছেন। এদিন সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, লাদাখকে পৃথক কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল হিসাবে গড়ে তোলার পদক্ষেপও ছিল বৈধ।

ডিসেম্বর ১১, ২০২৩
রাজ্য

পারিবারিক বিবাদের জেরে স্ত্রীকে অ্যাসিড ছুড়ে মারল স্বামী

পারিবারিক বিবাদের জেরে সাত মাস ধরে বাপের বাড়িতে থাকা স্ত্রীকে নিজের বাড়িতে ডেকে অ্যাসিড ছুড়ে মারল স্বামী। বাগুইআটি থানা এলাকার কেষ্টপুর রবীন্দ্র পল্লীর ঘটনা। আজ, সোমবার দুপুরে নিজের বাপের বাড়িতে থাকা মাধু দেকে স্বামী সঞ্জীব দে নিজের বাড়িতে ডাকেন এবং আচমকাই স্ত্রীর উপর মগে থাকা অ্যাসিড ছুড়ে মারেন স্বামী সঞ্জীব দে। মহিলার চিৎকারে আশেপাশে থেকে লোক ছুটে আসে এবং তাঁকে উদ্ধার করে বিধাননগর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যায়। খবর দেওয়া হয় বাগুইআটি থানার পুলিশকে।পুলিশ ঘটনার স্থলে এসে স্বামী সঞ্জীব দে কে আটক করেছে। সঞ্জীবের দাবি স্ত্রীর উপর অ্যাসিড হামলা করেনি সে আচমকাই অ্যাসিড তার গায়ে পড়ে গেছে। যদিও এই ঘটনায় জখম হয়েছেন স্বামী নিজেও। মহিলার অভিযোগের ভিত্তিতে ইতিমধ্যেই স্বামীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে বাগুইআটি থানার পুলিশ। তাঁদের মধ্যে কেন এ ঘটনা ঘটলো খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

নভেম্বর ২৭, ২০২৩
রাজনীতি

মমতার মুখে কেষ্ট, পার্থ, বালু, মানিকের নাম, নেত্রীর হুঙ্কার গ্রেফতারের বদলা দ্বিগুন হবে

নেতাজি ইন্ডোরে তৃণমূলের বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে কেষ্ট, বালু, পার্থ, মানিকের নাম। একদা ঘনিষ্ঠ এই চারজনের জেলবন্দি দশায় এখনও বেজায় ক্ষিপ্ত তৃণমূল সুপ্রিমো। একইসঙ্গে বেশ কিছুদিন পর এবার বদলার কথা তৃণমূল সুপ্রিমোর মুখে। বৃহস্পতিবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে তৃণমূলের এই গুরুত্বপূর্ণ সভায় দলের মন্ত্রী, বিধায়ক, সাংসদদের পাশাপাশি দলের সভাপতি, ব্লক সসভাপতি-সহ অন্য নেতা-কর্মীরাও হাজির ছিলেন।লোকসভা ভোটের কয়েক মাস আগে বৃহস্পতিবার নেতাজি ইন্ডোরের সভা থেকে ২০২৪-এর লক্ষ্য স্থির করে দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। কোন কোন ইস্যু তুলে ধরে লোকসভার লড়াইয়ে ঝাঁপাতে হবে, দলনেত্রীর তরফে স্পষ্ট নির্দেশ এল মন্ত্রী-বিধায়ক-সাংসদ ও অন্য নেতাদের কাছে। এদিন দুর্নীতি ইস্যুতে সাম্প্রতিক সময়ে তৃণমূলের দিকে ধেয়ে আসা তিরের পাল্টা হামলার রূপরেখাও ঠিক করে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পার্থ চট্টোপাধ্যায়, মানিক ভট্টাচার্য, অনুব্রত মণ্ডল ও সব শেষে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের গ্রেফতারি যে এখনও তাঁকে কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে, এদিন তাঁর কথায় তা আবারও স্পষ্ট হয়েছে।আমাদের লোকেরা সবাই চোর? দুর্নীতি দেখাচ্ছে। টাকা দিয়ে বলা হচ্ছে চোর বলতে। তৃণমূলকে চোর না বললে ইডি-সিবিআই রেড করবে। খুব হাসছেন! পার্থ জেলে, কেষ্ট জেলে, মানিক জেলে, বালু জেলে। আরও অনেকেই জেলে আছেন। গদ্দার বলছে, অমুক দিন ওর বাড়িতে যাবে। লুঠ করে নিয়ে চলে এল। সিজার লিস্টও দিল না। দিল্লির সরকার সবাইকে আন্ডার গান রেখে দিয়েছে।গরুপাচার কাণ্ডে গ্রেফতার অনুব্রত মন্ডল এখনও বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক এখনও রাজ্যের বনমন্ত্রী। মানিক ভট্টাচার্য দলীয় বিধায়ক। পার্থ চট্টোপাধ্যায় দল থেকে বহিষ্কৃত। তবুও পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাম মুখে এনেছেন মমতা। রাজনৈতিক মহলের মতে, এঁদের নাম নিয়ে মমতা বোজাতে চেয়েছেন কেউ বিপদে পড়লে দল ভুলে যায় না।

নভেম্বর ২৩, ২০২৩
রাজ্য

২টি বাচ্চা ময়ূর পাচার করতে গিয়ে ধৃত দুই পাণ্ডা, মাথার খোঁজে তদন্ত

দক্ষিণ ২৪ পরগণার বারুইপুর থেকে দুটি ময়ূর বাচ্চা সহ গ্রেপ্তার দুই পাচারকারী। পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে আসা হয়েছিল। বারুইপুর বনবিভাগ এবং ওয়াইল্ড লাইফ ক্রাইম কন্ট্রোল ব্যুরোর যৌথ উদ্যোগে তাদেরকে বারুইপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।ওয়াইল্ড লাইফ ক্রাইম কন্ট্রোল ব্যুরো সূত্রের খবর, সূত্র মারফত তারা খবর পায় দুটি ভারতীয় ময়ূরের বাচ্চা নিয়ে দুই পাচারকারী বারুইপুরে পাচারের উদ্দেশ্যে জড়ো হয়েছে। সেই মতো তারা বারুইপুরে হানা দিয়ে দুই পাচারকারীকে আটক করে। তল্লাশি চালিয়ে তাদের কাছ থেকে দুটি ভারতীয় ময়ূরের বাচ্চা উদ্ধার হয়। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে পারে তারা বাঁকুড়া থেকে এই ময়ূর গুলি নিয়ে এসেছিলো । এই ময়ূরগুলিকে দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং উত্তর ২৪ পরগনায় বিক্রি করা হতো। এই চক্রের সাথে আর কারা রয়েছে জানার চেষ্টা করছে।

নভেম্বর ১০, ২০২৩
রাজ্য

রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রীর বাড়িতে হামলা ভাঙচুর, সামাল দিল পুলিশ

রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদারের বাড়িতে চড়াও হল পঞ্চায়েত এলাকার একদল বাসিন্দা। এই ঘটনায় মঙ্গলবার বিকালে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে পূর্ব বর্ধমানের রায়নার কামারহাটি গ্রামে। বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি সামাল দেয়। ঘটনার কথা জেনে বিস্মিত পঞ্চায়েত মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার।তাঁর আশঙ্কা,এই ঘটনার পিছনে বিরোধীদের উস্কানি থাকলেও থাকতে পারে! জানা গিয়েছে, পুকুরের মাছ ধরা নিয়ে গন্ডগোলের সূত্রপাত।রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদারের পৈত্রিক বাড়ি রায়না ২ নম্বর ব্লকের গোতান গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত কামারহাটি গ্রামে। শুধু বসত বাড়ি নয়, ওই গ্রামে রয়েছে মন্ত্রীর পরিবারে একাধিক পুকুর ও জমিজমা। মাঝে মধ্যে পৈত্রিক বাড়িতে যাওয়া আসা করেন মন্ত্রী। লাঠি ডাণ্ডা নিয়ে সেই বাড়িতেই এদিন বিকালে চড়াও ক্ষুব্ধ একদল গ্রামবাসী। তারা ডাণ্ডা দিয়ে মন্ত্রীর বাড়ির সদর দরজা ঠোকে, বাড়ি লক্ষ্য করে ইট পাটকেল ছোড়া, কিছুই বাদ রাখেন না। তির-ধনুক নিয়ে মন্ত্রীর বাড়ির সামনে লোহার গেট থেকে শুরু করে বাড়ির ভিতরে জানলা, দরজার কাঁচ, চেয়ার, টেবিল, আলো,ফুলের গাছ ভাঙচুর করে তাণ্ডব চালানো হয় । মাছ-চাষিদের তিনজনের বাড়িও ভাঙচুর হয়। কেন মহেন্দ্র হেমব্রম নামে এলাকার এক বাসিন্দাকে মন্ত্রীর বাড়ির কেয়ারটেকার ও তার দলবল নির্মম ভাবে মরধোর করেছে, তার বিহিত চাইতেই মূলত ক্ষুব্ধ মানুষজন এদিন মন্ত্রীর বাড়ির বিক্ষোভে ফেটো পড়েন।এলাকার বাসিন্দাদের কথায় জানা গিয়েছে, কাউকে কিছু না জানিয়ে মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদারের পৈত্রিক পুকুর থকে মাছ ধরা নিয়ে সোমবার সন্ধ্যায় অশান্তি ছড়ায়। মাছ ধরা নিয়ে মহেন্দ্র হেমব্রম নামে এলাকার এক বাসিন্দাকে মারধোরে অভিযোগ ওঠো মন্ত্রীর বাড়ির কেয়ারটেকারে বিরুদ্ধে। ক্ষুব্ধ বাসিন্দাদের অভিযোগ, মহেন্দ্রকে মন্ত্রীর বাড়ির মধ্যে তুলে নিয়ে নিয়ে গিয়ে তাকে আটকে রেখে বেধড়ক মারধর করা হয়। তার খবর পেয়েই মাধবডিহি থানার পুলিশ গিয়ে তখনকার মত পরিস্থিতি সামাল দেয়। তবে মারধোরের ঘটনা নিয়ে ক্ষোভ স্তিমিত হয় নি। মঙ্গলবার বিকেলে এলাকার বাসিন্দাদের ক্ষোভ ফের আছড়ে পড়ে পঞ্চায়েত মন্ত্রীর পৈত্রিক বাড়িত । পূর্ব বর্ধমান জেলা সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য মির্জা আখতার আলি বলেন, এটা সাধারণ মানুষের অধিকারের প্রশ্ন, সে জন্যে গ্রামবাসীরা নির্মমতার বিরুদ্ধে একত্র হয়েছেন। আমরা অন্যায়কে তো আর ন্যায় বলতে পারি না। বিজেপির জেলা সম্পাদক (কাটোয়া) মাণিক রায় বলেন, তৃণমূলের অত্যাচারের বিরুদ্ধে মানুষ ফুঁসছে।

নভেম্বর ০৭, ২০২৩
রাজ্য

শুধু টাকার বিনিময়ে প্রাথমিক শিক্ষক, ৯৪ জনের চাকরি গেল পাকাপাকি

টেটই পাস করেননি, তবে চাকরি জুটেছিল প্রাথমিক শিক্ষক পদে। টাকার বিনিময়ে নাকি এই চাকরি হয়েছিল। শেষরক্ষা হল না শেষপর্যন্ত আদালতেও সঠিক নথি পেশ করতে ব্যর্থ হন ওই ৯৪ জন প্রাথমিক শিক্ষক। এরপরই প্রথামিক শিক্ষা পর্ষদ ওই ৯৪ জনের চাকরি বাতিলের কথা আদালতে জানিয়েছে।উল্লেখ্য, মানিক ভট্টাচার্য প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি থাকালীনই ওই ৯৪ জনকে প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরিতে নিয়োগ করা হয়েছিল। যাঁরা টেট পাস করেননি।প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে একাধিক মামলা হয়েছে। সেই সংক্রান্ত একটি মামলাতেই বিচারপতি অমৃতা সিনহা প্রশ্ন তুলেছিলেন যে কীভাবে টেট পাশ না করে চাকরি পেলেন প্রার্থীরা। পর্ষদের কাছে রিপোর্ট তলবও করেছিলেন বিচারপতি সিনহা। সেই রিপোর্টেই পর্ষদ জানিয়েছিল, টেট পাশ না করেই ২০১৪ ও ২০১৬ সালে চাকরি পেয়েছেন এমন ৯৬ জন প্রাথমিকে শিক্ষক হিসাবে কাজ করে চলেছেন। যা নিয়ে সর্বত্র শোরগোল পড়ে যায়।এরপরই বিচারপতি সিনহা ওই ৯৬ জনকে পর্ষদের কাছে তাঁদের নিয়োগ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নথি জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয়। উচ্চ আদালতের নির্দেশ মোতাবেক ওই ৯৬ জনের থেকে নথি চেয়ে পাঠায় প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। জানা যায়, ৯৬ জনের মধ্যে ৯৪ জনই সঠিক নথি পেশ করতে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে ওই ৯৪ জনের চাকরি বাতিল করল পর্ষদ। চাকরি বাতিলের নির্দেশ ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট ডিপিএসসি চেয়ারম্যানদের জানানো হয়েছে। আগামী সোমবার থেকেই পর্ষদের নির্দেশ কার্যকর হবে।

নভেম্বর ০৪, ২০২৩
রাজ্য

নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আদালতের কড়া নির্দেশ, নিজাম প্যালেস ছুটলেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি

নির্দেশ ছিল। শেষমেশ সেই নির্দেশ কার্যকরী করতে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি গৌতম পাল সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে নিজাম প্যালেসে পৌঁছেও গিয়েছেন। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গৌতম পালকে সিবিআইয়ের তদন্তকারীদের মুখোমুখি হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। নির্দেশ না মানলে গ্রেফতারির হুঁশিয়ারিও ছিল। শেষমেশ নির্ধারিত সময়েই চতুর্থীর ভিড় ঠেলে নিজাম প্যালেসে পৌঁছান পর্ষদ সভাপতি।শুধু গৌতমবাবু নয়, পাশাপাশি পর্ষদের ডেপুটি সেক্রেটারি পার্থ কর্মকারকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। প্রয়োজনে তাঁদের হেফাজতে নিয়ে সিবিআই জেরা করতে পারেন বলে নির্দেশে উল্লেখ করা হয়।বুধবার কলকাতা হাইকোর্টে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে প্রাথমিকের নিয়োগ দুর্নীতি মামলার শুনানি চলে। ওএমআর শিট সংক্রান্ত মামলায় এদিন সিবিআইকে আদালতে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি। জানা গিয়েছে, সেই রিপোর্টে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। উল্লেখ রয়েছে, এস বসু রায় এণ্ড কোম্পানি এমনভাবে ওএমআর শিট তৈরি করেছিল যাতে প্রার্থীর নাম, রোল নম্বর কোনও কিছু স্পষ্ট বোঝা না যায়। এমনকী পর্ষদের কাছে ওএমআর শিট সংক্রান্ত তথ্য চাওয়া হলেও তাঁরা নতুন প্রিন্ট করা কপিকেই ডিজিটাইজ ডাটা হিসাবে দাবি করছেন।এরপরই বিচারপতি জানান, সিবিআইয়ের রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য ওএমআর শিট দুর্নীতিতে যুক্ত ছিলেন। এই দুর্নীতি সামনে আসার পরও বর্তমান বোর্ড সদস্যরা কীভাবে এস বসু রায় এণ্ড কোম্পানিকেই ওএমআর শিট তৈরির দায়িত্ব দিলেন? এ জন্যই পর্ষদ সভাপতিকে জিজ্ঞসাবাদের প্রয়োজন রয়েছে। তারপরই পর্ষদের বর্তমান সভাপতি গৌতম পাল ও সেক্রেটারি পার্থ কর্মকারকে আজ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করার জন্য সিবিআইকে নির্দেশ দেন বিচারপতি। ফলে গৌতম পালকে বুধবার সন্ধ্যা ৬ টার মধ্যে নিজাম প্যালেসে হাজিরা দিতে হবে। নির্দেশে বলা হয়েছে, সিবিআই চাইলে সেক্রেটারিকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা যেতে পারে। তারপর বোর্ডের অন্যান্য সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করা যেতে পারে। যদি বোর্ড সদস্যেদের কেউ সহযোগিতা না করেন তাহলে তাঁদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে সিবিআই।

অক্টোবর ১৮, ২০২৩
বিনোদুনিয়া

প্রতারিত হয়েও, আগমনী গানের সুরের মুর্ছনায় ভেসে 'উমা আইলো' মধুরার-ই ঘরে

বছরভর অপেক্ষা সেই চারটে দিনের। যে যার সাধ্যমত আয়োজন করে দেবী দুর্গা-র আরাধনায় ব্রতী হয়। দেবীর মর্ত্যে আগমনের আশায় যে গান বাঁধা হয় তারই নাম আগমনী গান। আগমনী গানের প্রেক্ষাপট আমাদের বঙ্গজীবনের সামাজিক প্রেক্ষাপটের সাথে মিলেমিশে এককার হয়ে গেছে।পুরাণে শিব-দুর্গা বা হর-পার্বতী সম্বন্ধে যাই লিপিবদ্ধ থাকনা কেন আমাদের বঙ্গের লৌকিক দেবদেবীদের নিয়ে বেশ কিছু উপাখ্যান আছে। সেগুলির মধ্যে শিব-দুর্গার এই উপাখ্যান অন্যতম। শিব-দুর্গার এই উপাখ্যানকে সামনে রেখেই বাংলায় রচিত হল আগমনী গান। লোকমুখে প্রচলিত কাহিনীর দিকে যদি নজর দেওয়া যায়, তাহলে জানা যাবে, বিত্তশালী বাবা দক্ষ গিরিরাজের মেয়ে উমার (দূর্গা/পার্বতী) শ্মশান বাসি শিবের সাথে বিবাহ হয়েছে। বিয়ের পরে সাংসারিক রীতি অনুযায়ী দ্বিরাগমনে উমা শশুর বাড়ি চলে গেলে মেয়ের কথা ভেবে ভেবে মা মেনকার মন আকুল হয়ে ওঠে।এই শরৎ কালের কোনও এক রাতে মেয়ে উমাকে স্বপনে দেখে মা মেনকা কাতর অনুরোধ করে গিরিরাজকে বলেন উমাকে কয়েকদিনের জন্য বাপের বাড়ি নিয়ে আসতে। অবশেষে মা মেনকা ও বাবা দক্ষরাজের অনুরোধে উমা তাঁর শ্মশান বাসী ভোলানাথকে অনেক বুঝিয়ে কয়েকদিনের দিনের জন্য বাপের বাড়ি আসতে সম্মত হয়। উমার বাপের বাড়ি আগমনকে কেন্দ্র করেই যে গান রচিত হয় তাঁকেই আগমনী গান বলে অবিহিত করা হয়।সারা বছর নানা মাধ্যমে এত গান রিলিজ হয় পুজোর গান-র সেই অর্থে কৌলীন্য হয়ত অনেকটাই হারিয়েছে। কিন্তু তাঁর মধ্যেও পুজো উপলক্ষ্যে বেশ কিছু কাজ হচ্ছে। সেরকমই একটি গান আইলো উমা। বিশিষ্ট কণ্ঠ সঙ্গীত শিল্পী মধুরা ভট্টাচার্যের ইউটিউব চ্যনেলে প্রকাশিত হলো দুর্গা পুজো উপলক্ষে পুজোর আগমনী গান আইলো উমা। গানটির সুরকার প্রদ্যুত দে সরকার, মিউজিক অ্যারেঞ্জমেন্ট করেছেন সৌরভ বাবাই চক্রবর্তী, কথাঃ প্রিয় চট্টোপাধ্যায়, গানটিতে তবলা সঙ্গত করেছেন সুভাষ, পল, সুভাষ (সেতার) বুবাই (বাঁশি), অ্যালবামটির ভিডিওগ্রাফি করেন অভিষেক আগরওয়াল। এছাড়া কস্টিউম ডিজাইন করেন সুমিত্রা মুখার্জি, যিনি সম্পর্কে মধুরার দিদি হন। মেকাপ অরিজিত মাইতি, গানটির মিক্সিং মাস্টারিং করেছেন সঞ্জয় ঘোষ।আইলো উমা ভিডিও অ্যালবামটি ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে যথেষ্ট সারা ফেলে দিয়েছে। রিলিজ হওয়ার মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যে প্রায় ৬০ হাজারের কাছাকাছি মানুষ ইতিমধ্যে গানটি শুনে ফেলেছেন। গানটির সুর থেকে কথা সর্বপরি মধুরার সুমধুর কণ্ঠ দর্শকদের মনে দাগ কেটেছে। সঙ্গীতপ্রিয় মানুষজনের মতে এই গানটির আবেদন অত্যন্ত কোমল। গানটি শুনতে শুনতে কেমন যেন হারিয়ে যেতে ইচ্ছে করে। কারুর কারুর মতে গানটি শুনে বাংলা স্বর্নযুগের গানের কথা মনে পরে নাস্টালজিক হয়ে পড়ছেন।গানটি শুনতে যতই মধুর হোক, প্রকাশিত হওয়া অবধি রাস্তা কিন্তু অতটা মসৃন ছিল না। শিল্পী জানান, গানটি মধুরার নিজের ইউটিউব চ্যানেল থেকে প্রকাশ করার কোনও পূর্ব পরিকল্পনা প্রাথমিক ভাবে ছিল না। মধুরা আক্ষেপের সাথে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুক লাইভে এসে জানান, তাঁর পূর্ব পরিচিত কোনও এক ব্যক্তির মাধ্যমে একটি নামী মিউজিক কোম্পানি থেকে অফার আসে তাঁর কাছে একটি আগমনী গানের মিউজিক ভিডিও বানানোর জন্য। তিনি আরও জানান এর আগে ঐ কোম্পানির জন্য তিনি একটি রবীন্দ্র সঙ্গীত রেকর্ড করেছেন। তাই কোম্পানির ব্র্যান্ড স্বমন্ধে অবিহিত থাকায় রাজি হয়ে যান।মধুরা লাইভ অনুষ্ঠানে সেই মধ্যস্ততাকারী ব্যক্তির নাম জানান। তিনি বলেন সমরেন্দ্র দত্ত নামে এক ব্যক্তি তাঁকে অনুরোধ করেন, মধুরার পছন্দের সঙ্গীত পরিচালক, গীতিকার ও মিউজিসিয়ান বেছে নিয়ে একটি পুজোর গান তৈরি করে সেই নামী মিউজিক কোম্পানিকে দিতে। মধুরা জানান তাঁকে কোম্পানীর তরফে সেপ্টেম্বরের ২০-র মধ্যে গানটি শেষ করে দেওয়ার কথা বলা হয়। সময় খুব কম থাকা স্বত্তেও মধুরা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই গানটি রেডি করার জন্য প্রস্তুতি নিয়ে এগোচ্ছিলেন।মধুরা আরও জানান তিনি নিজের খরচায় প্রায় ৭০ শতাংশ কাজ শেষ করার পর ঐ কোম্পানির সাথে মধ্যস্ততাকারি সমরেন্দ্র দত্ত কাছে অগ্রীম চান, বাধ সাধে সেখানেই। তিনি নানা আছিলায় তাঁর ফোন এড়িয়ে যাচ্ছিলেন। শেষমেশ সমরেন্দ্র দত্ত মধুরাকে জানান এই গানটি এখন হচ্ছে না। মধুরা লাইভ অনুষ্ঠানে তাঁর সকল শুভানুধ্যায়ী ও মিউজিক জগতের মানুষদের কে অনুরোধ করেন সকলেই যেন ঐ ব্যক্তি থেকে দূরত্ব রেখে চলে। বিশেষ করে অর্থনৈতিক আদানপ্রদান থেকে যেন অবশ্যই বিরত থাকে।মধুরা জানান, ইতিমধ্যে অনেক টাকাই ইনভেস্ট হয়ে গিয়েছিলো, এবং তাঁর সহযোগী, শুভাকাঙ্খী ও পরিবারের সদস্যদের অনুরোধে ভিডিওটি সম্পূর্ণ করেন। মধুরা আরও জানান, উমা মা যেন চাইছিলেন যাতে এই ভিডিওটি মধুরার নিজের চ্যনেল থেকেই প্রকাশ পায়। গানটি শেষমেশ মধুরার নিজের ইউটিউব চ্যানেল থেকে প্রকাশ করে শিল্প স্বস্তির নিঃশ্বাস ছাড়েন।৭০ থেকে ৯০ এর দশক সারা বিশ্বের বাঙ্গালী পুজোর দুমাস আগে থেকে দুটি জিনিসের জন্য গভীর আগ্রহে বসে থাকতো, একটি পুজা বার্ষিকী পত্রিকা অপরটি পুজোর গান। সে লতা মঙ্গেসকর থেকে আশা ভোঁসলে, হেমন্ত, সন্ধ্যা, মহঃ রফি, সতিনাথ মুখোপাধ্যায়, আরতি কে নেই সেই দৌড়ে? পুজোর গান হল শারদোৎসবে বাঙালির মন রঙিন-করা, স্মৃতি উদ্বেল-করা রেকর্ড সঙ্গীত। সেসময় রেকর্ড কোম্পানিগুলিতে পুজোর গানের প্রস্তুতি চলত প্রায় সারা বছর ধরে।এই পূজোর গানের দৌড়ে সঙ্গীতের রথী মহারথীদেরও দেখা মিলত, কখনো পণ্ডিত রবিশঙ্কর তো কখনো পুজোর গানে সুর দিচ্ছেন উস্তাদ আলি আকবর খান মত তাবড় শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শিল্পী। সুরকার পণ্ডিত রবিশঙ্কর গান বাঁধলেন হৈমন্তী শুক্লার জন্য। সুর সম্রাজ্ঞী লতা মঙ্গেশকরের পূজোর গানে সুর দিচ্ছেন স্বয়ং কিশোরকুমার! আবার উল্টোটাও! কিশোরের গানের সুর দিচ্ছেন লতা। বঙ্গ-জীবনের অঙ্গ পুজোর-গানের কথা বলতে গিয়ে সেতার সম্রাট পন্ডিত রবিশঙ্কর একবার বলেছিলেন গানও পুজোই। আমার জীবনের সংস্কারেও পুজো মিশে আছে। সংস্কার বঙ্গ জীবনের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে মজ্যাগত। চৈতন্যভাগবত-এ বলা আছে, মৃদঙ্গ মন্দিরা শঙ্খ আছে সব ঘরে। দুর্গোৎসব কালে বাদ্য বাজাবার তরে। কালের চাকায় গানও ঘোরে! প্রথমে রেকর্ড (এল পি), তারপর এলো ক্যাসেট, সিডি হয়ে এখন পুজোর গান ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে। এখন মানুষ গান শুধু শোনেই না নয়ন ভরে দেখে।

অক্টোবর ১৫, ২০২৩
রাজ্য

রাস্তা তৈরি প্রকল্পের কাজে দুর্নীতির গন্ধ! জেলাশাসকের উপরই আস্থা গ্রামবাসীদের

পথশ্রী প্রকল্পের কাজ ঘিরে দুর্নীতির গন্ধ! গ্রামবাসীরা নিম্নমানের কাজ রুখে দিতেই সদলবদলে পালালেন সুপারভাইজার। ঘটনা পূর্ব বর্ধমানের কালনা ২ নং ব্লকের পূর্ব সাতগেছিয়া গ্রামে। আজ সকালে বৃষ্টির মধ্যে পিচের রাস্তার কাজ চলছিল। তখনই বাধা দেন গ্রামবাসীরা।সুরজিৎ চট্টোপাধ্যায় বলেন, আমার বাড়ির কাছেই কাজ হচ্ছিল। দেখি পিচের উপর পাথর ফেলে দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু এটি পথশ্রী প্রকল্পের রাস্তা। এভাবে সংস্কারের কাজ হওয়ার কথা নয়। ঠিকাদার বা ইঞ্জিনিয়ার কেউই ছিলেন না। রাস্তা তৈরির বৈধ নথিপত্র বা শেডিউল তিন-চার দিন ধরেই দেখতে চাইছিলাম আমরা। কিন্তু আজও সুপারভাইজার দেখাতে পারেননি।এরপরই ঘটনাস্থলে এসে জড়ো হন বেশ কয়েকজন গ্রামবাসী ও পঞ্চায়েতের সদস্যরা। তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় কয়েকজন নেতা-কর্মীও ছিলেন। এক গ্রামবাসীর কথায়, বৃষ্টিতে পিচ রাস্তার কাজ হওয়া উচিতই নয়। কয়েকদিন ধরেই আবহাওয়া খারাপ। তারই মধ্যে জোড়াতালি দিয়ে কাজ হচ্ছিল। যে সব জায়গায় কাজ হয়েছে, বৃষ্টিতে ইতিমধ্যেই তার বেশ কিছু জায়গা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, নিম্নমানের কাজ হচ্ছে আঁচ করেই প্রধান হরেকৃষ্ণ মণ্ডলকে আমরা জানিয়েছি। আজ সকালেও কাজে বাধা দেওয়ার সময় প্রধানকে ফোন করা হয়। কিন্তু তিনি অন্য কর্মসূচিতে ব্যস্ত থাকায় আসতে পারেননি। প্রধান ঘটনাস্থলে পৌঁছলে তাঁদের সংশয় দূর করতে পারতেন বলেও মন্তব্য গ্রামবাসীদের।জনতার কথা কে প্রধান হরেকৃষ্ণ মণ্ডল বলেন, আমি অভিযোগ পেয়েই কাজের দায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদারের কাজে শেডিউল চাই। কেন না, নিয়ম মেনে কাজ হচ্ছে কিনা সে ব্যাপারে নিশ্চিত হতে আমি কনট্রাক্টরের কাছে নথি দেখতে চাই। তিনি আজ অবধি তা অজ্ঞাত কারণে দেখাতে চাননি। আমরা সকলেই চাই রাস্তার কাজ ভালোভাবে হোক।প্রধানের কথায়, গ্রামবাসীরাও ন্যায্য কথাই বলছেন। রাস্তা খুঁড়ে নতুন রাস্তা হবে, নাকি রাস্তা রিপেয়ার হবে, সেটা তো নথি দেখলেই স্পষ্ট হবে। সেই নথি আমাকেও দেখাতে পারেননি কনট্রাক্টর। ফলে গ্রামবাসীরা কাজে বাধা দিলে আমার পক্ষে তাঁদের সংশয় দূর করা সম্ভব নয়। কাজ বন্ধের কথা কালনা ২ নম্বর ব্লকের বিডিওকেও জানিয়েছি। উপ প্রধান অনিমেষ ভাঙ্গি বলেন, রাজ্য সরকার রাস্তা তৈরির কাজ করছে। সেখানে নিম্নমানের কাজ কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। তবে পিচের রাস্তার কাজ বৃষ্টির সময় করা উচিত নয়। গ্রামবাসীদের পঞ্চায়েতের তরফে বলাই আছে, যেখানে রাস্তার কাজ হবে নিয়ম মেনে তা হচ্ছে কিনা নথি দেখে যাচাই করে নিতে। ফলে গ্রামবাসীরা সঠিক কাজই করেছেন।সূত্রের খবর, পথশ্রী প্রকল্পে এসটিকেকে রোডে মাঠের পাড়া বাস স্টপ থেকে সাতগাছি গ্রাম পঞ্চায়েত অবধি আড়াই কিলোমিটার রাস্তা তৈরির জন্য প্রায় ১ কোটি ২৮ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়েছে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে এই প্রকল্পের কাজের সূচনা হয়। কিছুটা অংশের কাজ হয়েছে আগেই। বাকি রাস্তার কিছুটা অংশ আগে থেকে পিচের, সেখানে বেহাল দশা।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগেও বারবার বলেছেন, এমন কাজ করতে হবে যাতে টাকা জলে না যায়। এমনকী রাস্তা মেয়াদ ফুরানোর আগে ক্ষতিগ্রস্ত হলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকেই ওই রাস্তা পূর্বাবস্থায় ফেরানোর দায়িত্ব নিতে হবে বলে স্পষ্ট নির্দেশ রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর। গ্রামবাসীরা সে কথা তুলে ধরেই বলেন, যা কাজ হচ্ছিল তাতে ৩০ লক্ষ টাকার কাজ বলেই মনে হচ্ছে।যেখানে ১ কোটি ২৮ লক্ষ টাকা বরাদ্দ সেখানে নিম্নমানের কাজ কেন হবে? এই প্রশ্ন তুলেই রুখে দাঁড়ান গ্রামবাসীরা। তার উপর প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যেই কেন হঠাৎ করে কাজ শুরু হলো এবং গ্রামবাসীদের বাধা পেয়ে বৈধ নথি দেখাতে না পেরে সুপারভাইজারের পলায়ন সন্দেহ জোরালো করছে। কাটমানির কারণেই এই অবস্থা কিনা তার তদন্ত দাবি করেছে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। বিষয়টি প্রশাসনিক মহলের নজরে আনতে সোশ্যাল মিডিয়া ও সংবাদমাধ্যমের দ্বারস্থ হন গ্রামবাসীরা। কিছুদিন আগে পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক পূর্ণেন্দু মাঝি রায়নায় গিয়ে নিম্নমানের রাস্তার কাজ দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। নতুন করে রাস্তা তৈরির নির্দেশ দেন। সেই ঘটনার কয়েক দিনের মধ্যেই এই ঘটনা। গ্রামবাসীরা জেলাশাসকের উপরই আস্থা রাখছেন।

অক্টোবর ০৪, ২০২৩
দেশ

আবর্জনা মুক্ত ভারত গড়ার অঙ্গীকার কলকাতার জিএসআইয়ের পূর্বাঞ্চলীয় সদর দফতরে

আবর্জনা মুক্ত ভারত-এর যুগের অঙ্গীকারে ভারতের জিওলজিক্যাল সার্ভে, পূর্বাঞ্চলীয় সদর দপ্তর, কলকাতা, রবিবার এক ঘন্টা শ্রমদানের মাধ্যমে Swacchata Hi Seva 2023 অভিযান সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেয়। সল্টলেকের জিএসআই কার্যালয়ে ও আনন্দলোক হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকার আবর্জনা অপসারণ এবং পরিচ্ছন্নতার প্রচারের প্রচেষ্টায় ৫০০ জন জিএসআই কর্মীবৃন্দ ও নাগরিক সমবেত হয়েছিলেন। গান্ধী জয়ন্তীর প্রাক্কালে জাতির পিতার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের উদ্দেশ্যে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছিল। জিএসআই, পূর্বাঞ্চল শাখার অ্যডিশেনাল ডিরেক্টার জেনারেল এবং এইচ ও ডি, শ্রীমতি বর্ষা অশোক আগলাওয়ের তত্ত্বাবধানে Ek Tarikh Ek Ghanta এক ঘণ্টার শ্রমদান অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। অধ্যক্ষা সারা বছর নিয়মিত কার্যালয়ে ও সংলগ্ন এলাকার পরিচ্ছন্নতা রক্ষার বিষয়ে জোর দেন। চিফ ইঞ্জিনিয়ার, সকল ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল, ডিরেক্টর, উচ্চপদস্থ কর্মচারী ও অন্যান্য কর্মীবৃন্দ এবং অস্থায়ী স্টাফ পূর্ণ উৎসাহের সাথে অংশগ্রহণ করেন। প্রবীণ নাগরিকসহ স্থানীয় লোকজন ব্যাপকভাবে এই বৃহৎ পরিচ্ছন্নতা কর্মকাণ্ডে যোগ দেন। অনুষ্ঠানে মুখ্য অতিথি হিসেবে হাজির ছিলেন বিশিষ্ট জাতীয় ফুটবল খেলোয়াড় সন্দীপ নন্দী। তিনি একটি পরিষ্কার পরিবেশ গড়ে তোলার জন্য নাগরিকদের মধ্যে সচেতনতা ও দায়িত্ববোধ বৃদ্ধির জন্য এই ধরনের আয়োজনের প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে সহমত প্রকাশ করেন।

অক্টোবর ০১, ২০২৩
রাজ্য

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ‍্যাসাগরের জন্মদিনে শিক্ষক দিবস পালন বাংলা পক্ষের

২৬ সেপ্টেম্বর বাঙালির গর্ব পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মহাশয়ের জন্মদিবস। বাংলা পক্ষ বিগত ২০১৮ সাল থেকেই এই দিনটিকে বাঙালির জাতীয় শিক্ষক দিবস রূপে পালন করে আসছে। সংগঠনের মতে রাধাকৃষ্ণণের মত গবেষণা নকলের অভিযোগে অভিযুক্ত বিতর্কিত ব্যক্তির জন্মদিনে নয়, শিক্ষক দিবস পালন হোক বাঙালি জাতির মহান শিক্ষক বিদ্যাসাগরের জন্মদিনেই। বাঙালি জাতিকে তিনি আক্ষরিক অর্থেই বর্ণ পরিচয়ের মাধ্যমে শিক্ষা দান করেছিলেন, আধুনিক শিক্ষাবিস্তারে তাঁর ভূমিকা অনস্বীকার্য। তাঁর জন্মদিনের মত উপযুক্ত দিন শিক্ষক দিবসের জন্য আর নেই। বাংলা পক্ষর এই দাবিকে অতীতে সমর্থন করেছেন সমাজের বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি, এই সমর্থন প্রতিদিনই বাড়ছে। বিশিষ্ট বাঙালিদের স্বাক্ষর সহ একটি চিঠি মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর কাছেও পৌঁছে দিয়েছে বাংলা পক্ষ। চিঠিতে আবেদন করা হয়েছে যাতে এইদিনটিকে বাংলার জাতীয় শিক্ষক দিবস ঘোষণা করা হয় ও সংসদে বাংলার প্রতিনিধিরা এই দিনটিকে রাষ্ট্রীয় শিক্ষক দিবস করার দাবি উত্থাপন করেন। বিগত বছরগুলোর মত আজকের দিনে ২৪টি সাংগঠনিক জেলার একজন করে বিশিষ্ট শিক্ষককে বিদ্যাসাগর জাতীয় শিক্ষক সম্মান ১৪৩০ এ ভূষিত করা হয়। প্রাতিষ্ঠানিক, প্রথাগত শিক্ষার বাইরে বিশেষ ভূমিকা রাখতে পেরেছেন এমন ব্যক্তিদেরই নির্বাচন করা হয়েছে। চাবাগানের হতদরিদ্র শ্রমিক পরিবার থেকে পুরুলিয়ার প্রত্যন্ত অঞ্চলে শিক্ষাবিস্তারে কাজ, দরিদ্র ছাত্রছাত্রীদের উচ্চশিক্ষায় ব্যক্তিগত স্কলারশিপ, পুলিশ, সেনার চাকরির উপযুক্ত করে বাঙালি যুবসমাজকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার মত ব্যতিক্রমী কাজ করে যাওয়া শিক্ষকরা রয়েছেন এবারের তালিকায়। আছেন বাঙালির অপমানের প্রতিবাদ করে সাসপেণ্ড হওয়া বিশ্বভারতীর সোজা মেরুদণ্ডের অধ্যাপক সুদীপ্ত ভট্টাচার্য। তালিকায় আছেন বিশিষ্ট ক্রীড়া প্রশিক্ষক কুন্তল রায়, আছেন নাট্য অভিনেতা, প্রশিক্ষক পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথাগত শিক্ষার বাইরেও ক্রীড়া, সামাজিক, সাংস্কৃতিক শিক্ষার গুরুত্বের কথাও স্মরণ করিয়েছে এই তালিকার নির্বাচন। রাজ্য জুড়ে সারাদিনে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই সম্মাননা অনুষ্ঠান পরিচালিত হয়। বীরসিংহে বিদ্যাসাগর মহাশয়ের জন্মভিটায় বাংলা পক্ষ এদিন সকালে শ্রদ্ধা নিবেদন করে। উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, বীরসিংহের পুণ্যভূমিতে দাঁড়িয়ে বাংলার সরকারের কাছে আরও একবার দাবি করছি আজকের দিনটিকে বাংলার জাতীয় শিক্ষক দিবস ঘোষণা করা হোক। বাংলা ভাষার উন্নতিসাধন ও আধুনিক শিক্ষা বিস্তারে বিদ্যাসাগরের যা ভূমিকা, তারপরও অন্য কোন ব্যক্তির জন্মদিনে শিক্ষক দিবস বাঞ্ছনীয় নয়। বাংলার সকল সাংসদ, বিশেষত ঘাটালের সংসদের কাছে অনুরোধ বিদ্যাসাগরের জন্মদিনকে রাষ্ট্রীয় শিক্ষক দিবস করার দাবিতে সংসদে সোচ্চার হন। বাংলা পক্ষ বিগত ছবছর এই দাবিতে লড়ছে, আমরা দৃঢ় ভাবে বিশ্বাস করি আগামিদিনে এই ২৬ শে সেপ্টেম্বরই হবে শিক্ষক দিবস।বিশ্ববভারতীর প্রতিবাদী অধ্যাপক সুদীপ্ত ভট্টাচার্যকে সম্মানিত করেন সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক কৌশিক মাইতি সহ জেলার সহযোদ্ধারা। বিশ্বাভারতীতে হিন্দি সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সুদীপ্তবাবুর প্রতিবাদ বাঙালি জাতি শ্রদ্ধার সাথেই স্মরণ করছে, বাঙালি তাঁর পাশে আছে বলে কৌশিকবাবু উল্লেখ করেন। এরপর পশ্চিম বর্ধমান জেলার শিক্ষক দিবসের অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ করে কৌশিক মাইতি বলেন - বিদ্যাসাগর বাঙালি জাতির শিক্ষক। তাঁর জন্মদিনে শিক্ষক দিবস পালন করতে পেরে আমরা গর্বিত। আজ বাংলা পক্ষর নেতৃত্বে বাঙালি বাংলা জুড়ে মহাসমারোহে শিক্ষক দিবস পালন করলো। অনেক স্কুলেও শিক্ষক দিবস পালিত হল আজ। আমরা আপ্লুত। আগামীতে প্রতিটা স্কুলে ২৬ শে সেপ্টেম্বর শিক্ষক দিবস পালিত হবে।আজকের দিনের স্মরণে রক্তদান শিবির করে শিলিগুড়ি জেলা সংগঠন, সেখানে শতাধিক রক্তদাতা রক্তদান করেন। এছাড়াও মালদা, উত্তর ২৪ পরগণা, মুর্শিদাবাদ, দক্ষিণ দিনাজপুর সহ একাধিক জেলায় মনোজ্ঞ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৩
রাজনীতি

প্রবীণ সিপিএম নেতার বাড়িতে তৃণমূল বিধায়ক, কি নিয়ে আলোচনা?

দোর্দদণ্ডপ্রতাপ সিপিআইএম নেতা তরিৎ তোপদার, ব্যারাকপুরের বেশ কয়েকবারের সাংসদ। আরেজন রাজ চক্রবর্তী, চিত্র পরিচালক। পরে রাজনীতিতে যোগদান। ২০২১ সালে তৃণমূলের প্রতীকে ব্যারাকপুরেরই বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছেন। রাজনীতির পরিসরে এই দুজন যুযুধান দুই শিবিরের। এবার ব্যারাকপুরের প্রাক্তন সিপিআইএম সাংসদ তড়িৎবরণ তোপদারের বাড়িতে আচমকা দেখা গেল তৃণমূলের বিধায়ক রাজ চক্রবর্তীকে। হঠাৎ কেন এই সাক্ষাৎ? তা নিয়েই আপাতত জল্পনা তুঙ্গে।তবে এই সাক্ষাৎ রাজনৈতিক নয়, নেহাতই সৌজন্য বলে দাবি দুতরফেরই। কিন্তু, দাপুটে সিপিএম নেতার বাড়িতে তৃণমূল বিধায়কের যাওয়া নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়েছে।শুক্রবার প্রবীণ বাম রাজনীতিবিদ তড়িৎবরণ তোপদারের বাড়িতে হাজির হয়েছিলেন ব্যারাকপুরের তৃণমূল বিধায়ক। জানা গিয়েছে, বেশ কিছুক্ষণ তাঁদের কথা হয়েছে। কী নিয়ে কথা হল?প্রাক্তন সাংসদ তড়িৎ তোপদারের পুত্র নীলাদ্রি সংবাদ মাধ্যমে জানিয়েছেন, চিত্রপরিচালক তথা বিধায়ক রাজ ব্যারাকপুর নিয়ে একটি ছবি তৈরি করতে আগ্রহী। সেইসব নিয়ে আলোচনার জন্যই রাজ তড়িৎবাবুর বাড়িয়ে গিয়েছিলেন। নীলাদ্রি তোপদারের কথায়, উনি (রাজ চক্রবর্তী) একটি তথ্যচিত্র তৈরি করবেন। তাতে বাবার নানা কাজের কথা থাকবে।সেসব নিয়ে কথা বলতেই উনি এসেছিলেন। বাবা বাড়িতেই ছিলেন। তবে ঠিক কী কথা হয়েছে তা বলতে পারব না। অফিস থেকে ফিরে এসে জানতে পারি বাবার সঙ্গে ব্যারাকপুরের রাজনীতি নিয়ে কথা হয়েছে রাজের। ব্যারাকপুরের আগে কী পরিস্থিতি ছিল, তারপর কীভাবে অবস্থার বদল ঘটলো, এসবই কথা হয়েছে বলে জেনেছি।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৩
রাজ্য

জেলাশাসকের উদ্যোগে পূর্ব বর্ধমান জেলা পর্যটনের ভিডিও প্রকাশ

পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আজ জেলাশাসকের মিটিং হলে পূর্ব বর্ধমান জেলা পর্যটনের এক তথ্যচিত্রের উদ্বোধন হল। তথ্যচিত্রটির উদ্বোধন করেন জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা। তিনি জানান, এই জেলার অনেক জায়গা আছে যেগুলি পর্যটকরা সেভাবে জানে না, সেই জায়গাগুলিকে এই ভিডিওর মাধ্যমে পর্যটন মানচিত্রে নিয়ে এসে মানুষের মধ্যে আরও জনপ্রিয় করে তোলাই আমাদের মূল লক্ষ্য। তিনি আরও জানান, পর্যটনে এই জেলার যথেষ্ট সম্ভাবনা আছে। জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা বলেন, এই ভিডিও সামাজিক মাধ্যম ছাড়াও জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপুর্ণ জায়গায় প্রদর্শিত হবে।জেলাশাসক জানান, সামনেই দুর্গাপুজো, জেলার পুজো কমিটিগুলোকেও আমরা এই ভিডিও দেখানোর অনুরোধ করতে পারি। এছাড়াও জেলার ওয়েবসাইটে এই ভিডিওর লিঙ্ক দেওয়া থাকবে। জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা জানান, ইতিমধ্যে তাঁরা পশ্চিমবঙ্গ পর্যটন দপ্তরকে এই ভিডিওটি পাঠিয়ে দিয়েছেন যাতে রাজ্যের পর্যটন নিয়ে যে সমস্ত প্রচার করা হয় সেখানে যাতে দেখনো হয়।জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা এদিন বলেন, পূর্ব বর্ধমান জেলার পর্যটন বৈচিত্র অনেক বেশী। এখানে যেমন উল্লেখযোগ্য ধর্মীয় স্থান আছে তেমনই ডোকরা, শোলা, তাঁত, কাঠের তৈরি কারুশিল্পেও উল্লেখযোগ্য স্থান আছে। জেলায় বিস্তীর্ণ বনভূমি আছে। এছড়াও এই জেলায় কুমুদরঞ্জন মল্লিক, রাসবিহারী ঘোষ, রাসবিহারী বোস, কাসিরাম দাস, উপেন্দ্রনাথ ব্রম্ভচারী-র মতো বিশিষ্ট মানুষদের জন্মস্থান। জেলার প্রান্ত দিয়ে বয়ে চলেছে গঙ্গা, অজয়, দামোদরের মত নদ নদী।প্রিয়াঙ্কা সিংলা আরও জানান, যাঁরা এই জেলায় বেড়াতে আসতে চান, এই ভিডিও তাঁদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমার বিশ্বাস, এই ভিডিওটি দেখার পরে অনেকেই এই জেলায় বেড়াতে আসার ব্যাপারে অনুপ্রাণিত হবে।আজকের এই ভিডিও উদ্বোধন অনুষ্ঠানে জেলার বিশিষ্ট সাংবাদিকরা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলার তথ্য ও সংস্কৃতি আধিকারিক রামশঙ্কর মণ্ডল ও টুরিজিম ডেভলপমেন্ট অফিসার মোহাম্মদ হোসেন চৌধুরী (রাহুল)। তথ্য ও সংস্কৃতি আধিকারিক রামশঙ্কর মণ্ডল জনতার কথাকে জানান, এই ভিডিওটি সর্বস্তরে প্রচার করা হবে। এর ফলে দেশের ও রাজ্যের মানুষ আরও ভালো ভাবে পূর্ব বর্ধমান জেলাকে জানতে পারবে এবং এখানে বেড়াতে আসবে।টুরিজিম ডেভলপমেন্ট অফিসার মোহাম্মদ হোসেন চৌধুরী (রাহুল) জনতার কথাকে জানান, জেলাশাসক শ্রীমতি প্রিয়াঙ্কা শিংলার উদ্যোগে এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পর্যটন দপ্তরের আর্থিক সহযোগিতায় পূর্ব বর্ধমান জেলার গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থান, বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, হস্তশিল্প, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংমিশ্রনে একটি ভিডিও তৈরী করা হয় যা আজ জেলাশাসকের দপ্তর থেকে প্রকাশিত করা হলো। ভিডিওটি পূর্ব বর্ধমান জেলার অনাবিষ্কৃত পর্যটন সম্ভাবনা খুঁজে বের করতে সাহায্য করবে। ভিডিওটি প্রকাশের মূল লক্ষ্য জেলার পর্যটন সম্ভাবনার প্রচার করা। আগামী দিনে পর্যটনের উন্নয়নে আরও বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হবে। দুর্গাপূজা উৎসবের আগে আমরা জেলার পর্যটনকে ঢেলে সাজানোর প্রস্তুতি নিচ্ছি।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৩
রাজ্য

নকল বিলেতি মদের কারখানায় হানা আবগারি দপ্তরের

একেবারে বিলেতি মদের আসল লেবেল ও বোতল ব্যবহার করে তৈরি হচ্ছিল নকল বিলেতি মদ। রীতিমতো ঘর ভাড়া করে অবৈধ কারখানা গড়ে উঠেছিল হরিরামপুরে। সেখান থেকেই রম রমিয়ে এলাকার বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে যেত নকল বিলেতি মদ। হরিরামপুর, বংশীহারী, গঙ্গারামপুর, বালুরঘাট ,তপন, হিলি কুমারগঞ্জ সহ জেলার বিভিন্ন ব্লকে পৌঁছে যেত নকল এই বিলেতি মদ। গোপন সূত্রের খবরের ভিত্তিতে আবগারি দপ্তরের দুই দিনাজপুর সহ মালদা ও উত্তর দিনাজপুরের বিশেষ টিম নকল বিলেতি মদের কারখানায় হানা দেয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছেই চক্ষু চারকগাছ আবগারি দপ্তরের আধিকারিকদের। উদ্ধার হয় ৩৭৫ এমএলএর ম্যাকডয়েল নাম্বার ওয়ান লাক্সারি, ইম্পিরিয়াল ব্লু এর ২৬ বোতল সিলপ্যাক নকল মদ। এছাড়াও ২০০ লিটার স্পিরিট, নকল হলগ্রাম, লেবেল,স্টিকার নকল মদের বোতল কেমিক্যাল সহ অন্যান্য সামগ্রী। সমগ্র নকল মদ রেডি হলে এর বাজার মূল্য প্রায় ১১ লক্ষ টাকা।হরিরামপুর এর চোপা এলাকায় গড়ে ওঠা এই নকল বিলেতি মদের কারখানা থেকে মনোরঞ্জন বর্মন নামক বছর ৪৫ এর এক ব্যক্তিকে আটক করে আফগারি দপ্তর। যদিও আগেভাগেই ফেরার হয় মূল অভিযুক্ত সহ চক্রের অন্যান্য পান্ডারা।শনিবার নির্দিষ্ট ধারায় মামলার রুজু করে গঙ্গারামপুর মহকুমা আদালতে তোলা হয় ধৃত ব্যক্তিকে। আফগারি দপ্তরের আধিকারিক সঞ্জীব সুপ্পা জানিয়েছেন এই ধরনের নকল বিলেতি মদ স্বাস্থ্যের পক্ষে অত্যন্ত হানিকারক। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। নকল বিলেতি মদ পশ্চিমবঙ্গ ছাড়িয়ে অন্যান্য রাজ্যে রপ্তানি হতো কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে আধিকারিকদের পক্ষ থেকে।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৩
বিনোদুনিয়া

কেউ কথা রাখেনি, গল্প শুনে কফি খেয়ে ছবি তৈরির প্রতিশ্রুতি দিয়েই পগারপার!

টালিগঞ্জ ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে কান পাতলেই তাঁকে দুর্মুখ, ঠোঁটকাটা সহ নানাবিধ বিশেষণ ভূষিত করতে শোনা যায়। আদতে তিনি শ্রীলেখা মিত্র সরলরেখায় চলতে অভ্যস্ত। কোনও বিষয়েই তাঁর ঢাকঢাক গুরুগুরু ব্যপারটা নেই। তিনি সোজা কথাটা সোজা ভাবেই বলতে অভ্যস্ত, তাতে বোমটা যত জোরেই ফাটুক। এর আগেও বহুবার তিনি যেমন ইন্ডাস্ট্রিতে কোনও গরবর দেখলে সপাট জবাব দিয়েছেন, ঠিক তেমনই জ্বলে উঠেছেন পোষ্যদের (বিশেষ করে সারমেয়) অবহেলা নিয়েও। লকডাউনে পথ কুকুরদের অবহেলা নিয়ে বারবার শিরোনামে এসেছেন শ্রীলেখা। শ্রীলেখা মিত্র এর আগে বহুবার জানিয়েছেন, তিনি ফেবার পাওয়ার জন্য কখনই কারুর কাছে নিজেকে ফেবারিট করে তুলতে চাননি। কয়েকদিন আগেই টালিগঞ্জের এক রন্ধন পটীয়সী ঘোষীকা তাঁর প্রযোজক স্বামী কে নিয়ে করা কানাঘুঁশো অভিযোগ, প্রকাশ্য মিডিয়ায় সপাট জবাব দিয়ে শ্রীলেখা বুঝিয়ে দিয়েছেন সব ক্ষারক-ই ক্ষার নয়।একসময়ের টলিউডের জনপ্রিয় লাস্যময়ী নায়িকা, এখন পরিচালক, প্রযোজক এবং অবশ্যই একজন খ্যাতানামা অভিনেত্রী। সম্প্রতি তাঁর অভিনীত পরিচালিত বেশ কয়েকটা ছবি শিরোনামে উঠে এসেছে। উল্লেখযোগ্য ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ক্যালকাটা। কলকাতার শহরের ওপর আধারিত এই ছবিটি কলকাতা আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে অবশ্যই দেখানো উচিত ছিল বলে মনে করেছিলেন ফিল্ম ক্রিটিক্স রা। সেই ঘটনায় তিনি তীব্র প্রতিবাদ করেও ছিলেন। অনেকেই সে সময় বলেছিলেন, যে অভিনেত্রী ভেনিস নিউ ইয়র্কে সমাদৃত তাঁর কি বা আসে যায় কলকাতাতে উপেক্ষা করলে। কিন্তু কিছু চলচ্চিত্র সমলোচক অনুপ্রেরণার আরাল থেকে মনে করেছিলেন, হ্যাঁ আসে! তাঁদের মতে, যখন অযোগ্যরা মঞ্চ দাপিয়ে বেড়ায় তখন অবশ্যই যোগ্য ব্যক্তিদের কিছু এসে যায়।ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ক্যালকাটা মেলবোর্নের ভারতীয় আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয়েছে। অবশেষে তিনি বাংলা সংস্কৃতির প্রানকেন্দ্র নন্দনে হাজির হন তাঁর নিজের প্রযোজিত, পরিচালিত ও অভিনীত স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবি এবং ছাদ এর সৌজন্যে। এবং ছাদ শ্রীলেখার প্রযোজিত প্রথম শর্টফিল্ম। প্রযোজনা সংস্থা পসাম প্রোডাকশনস প্রযোজিত এবং ছাদ ছাড়াও আরও তিনটি স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবির অংশ জুড়ে একটি পূর্ণ দৈর্ঘের অ্যান্থোলজি ছবি তৈরি করার পরিকল্পনা শ্রীলেখার।এবং ছাদ ছবিটি নিয়ে তিনি প্রথম থেকেই বারবার বিড়ম্বনাই পড়েছেন। তিনি একাধিকার সামাজিক মাধ্যমে তাঁর আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন। এমনকি সামাজিক মাধ্যমে প্রযোজকের জন্য আবেদন করতেও তাঁকে দেখা গেছে। অনেক ঘাত প্রতিঘাত, প্রত্যাখ্যান-র সিঁড়ি পেড়িয়ে তিনি সত্যিই ছাদ তুলতে পেরেছেন। আজ আক্ষরিক অর্থেই ছাদে উঠে শ্রীলেখা নিচের দিকে তাকিয়ে বলতে চাইছেন, তোমরা আমাকে বহু চেষ্টা করেও আমার ছাদে ওঠা আটকাতে পারলে না। সেই একগুচ্ছ অভিমান, আক্ষেপ, অবহেলা, বিশ্বাসঘাতকদের উদ্দেশ্যে গর্জে উঠেছে তাঁর কলম। তিনি সামাজিক মাধ্যমে উগরে দিয়েছেন সেই কথা।শ্রীলেখা সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছেনঃছবি তো বানিয়েছি নিজের পয়সায়, প্রচুর festival ঘুরলো। সামনেই আবার দিল্লি যাচ্ছি এবং ছাদ নিয়ে। ছবিটা বানিয়ে ইচ্ছে হয়েছিল আরো তিনটে শর্ট বানাবো তারপর অ্যান্থোলজি হিসেবে হল রিলিজ করব। নতুন পরিচালকের পাশে দাঁড়ান বলে যারা দাবি করেন তারা অনেকেই ফোন ধরেননি বা মেসেজের রিপ্লাই ব্যাক করেননি।। যারা করেছেন তারা কফি খেয়ে এবং খাইয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ছবির জন্য পয়সা দেবেন। এক ভদ্রলোক সামান্য কিছু টাকা এডভান্স করেছিলেন ছবি আরম্ভের দশ দিন আগে থেকে উনি ফোন ধরা এবং মেসেজের রিপ্লাই ব্যাক করা বন্ধ করে দিলেন। আমরা তার আগে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছি লোকেশন রেইকি করেছি একটার্সদের নিয়ে ওয়ার্কশপ করেছি কিছু কিছু টাকা এডভান্সও দিয়েছিলাম। প্রডিউসার ভদ্রলোক তখন গায়েব। এখন উনি এবং উনার পরিবার আমার কাছে সেই যৎসামান্য এডভান্স যেটা দিয়েছিলেন যা কিনা পুরোটাই খরচ হয়ে যায় তা ফেরত চাইছেন। নিয়ম মতে সেই টাকা দেওয়ার কথা নয় আমাদের সময় পরিশ্রমের কোন মূল্যই দেয়া হয়নি। তাও বলেছি ফাইন্যান্সার পেলে বা প্রোডিউসার পেলে কিছু দেবো। উনি টাকাটা দেখলেন সময়ের পরিশ্রমের মূল্যটা দিলেন না। এর মধ্যে হলো আমার টাকা চোট। আমি দমবো না ছবি তো আমি করবই দরকার হলে নিজের ফিক্স ডিপোজিট ভেঙ্গে করব। সাথে থেকো।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৩
শিক্ষা

প্রতিটা দিনই 'শিক্ষক দিবস'; শিক্ষক দিবসে এই বার্তা-ই দিল বর্ধমানের ইংরাজি মাধ্যম স্কুল

১৫ থেকে ৫ই অক্টোবর দিনটিকে বিশ্ব আন্তর্জাতিক শিক্ষক দিবস হিসাবে পালন করা হয়। কিন্তু ভারতে এই বিশেষ দিনটি পালন করা হয় ৫ সেপ্টেম্বর। সাধরণ রেওয়াজ অনুযায়ী সমগ্র দেশে এই বিশেষ দিনে ছাত্র ছাত্রীরা তাঁদের শিক্ষক শিক্ষিকা দের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করে নানাবিধ অনুষ্ঠান অয়োজন করে। সরস্বতী পুজার মত এই দিনের অনুষ্ঠানের সকল দায়িত্ব ছাত্ররাই বহন করে। নাচ গান আবৃত্তির মাধ্যমে দেশজুড়ে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নানাবিধ অনুষ্ঠান হয়। আন্তর্যাতিক সংস্থা ইউনেস্কো আন্তর্জাতিক শিক্ষকদের সন্মাননা জানানোর জন্য তাঁদের স্মরণে ৫ অক্টোবর দিনটিকে বিশ্ব শিক্ষক দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে। সেক্ষেত্রে ভারতে কেন শিক্ষক দিবস এক্মাস আগে পালন হয়? এই প্রশ্নই অনেকের মনে।স্বাধীন ভারতের প্রথম উপ-রাষ্ট্রপতি এবং দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণনের জন্মদিনে ভারতের শিক্ষক দিবস পালন করা হয়। একাধারে দার্শনিক, প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ও ভারতরত্ন প্রাপক ডঃ রাধাকৃষ্ণান ১৮৮৮ র ৫ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণন তৎকালীন মদ্রাজ আধুনা চেন্নাইয়ের প্রেসিডেন্সি কলেজ এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় সহ বেশ কয়েকটি মহাবিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেন। তিনি অন্ধ্রপ্রদেশ বিশ্ববিদ্যালয়, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নমানের সহিত উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৫২ তে স্বাধীন ভারতের প্রথম উপ-রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। এর ঠিক ১০ বছর অতিক্রান্ত করে ১৯৬২ তে ভারতের দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি হিসাবে নিযুক্ত হন ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণনে।১৯৬২ তে রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর সারা দেশ জুড়ে ছড়িয়ে থাকা অগুনতি ছাত্র ছাত্রীরা তাঁর জন্মদিনটি পালনের জন্য অনুরোধ রাখেন ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণনের কাছে। তার প্রত্যুত্তরে তিনি জানান, তাঁর জন্মদিনকে আলাদাভাবে পালন করার চেয়ে, যদি ৫ সেপ্টেম্বর দিনটিকে শিক্ষক দিবস হিসাবে পালন করা হয় তবে তাতে আমি অধিকতর খুশি হব। সে থেকেই, সারা বিশ্বে শিক্ষক দিবস ৫ অক্টোবর পালিত হলেও, ভারতে ১৯৬২ থেকে ৫ সেপ্টেম্বরই শিক্ষক দিবস উদযাপন করা হয়।সারা দেশ সহ পশ্চিমবঙ্গের ও বিভিন্ন বিদ্যালয়, কলেজ সহ শিক্ষা সাথে জুড়ে থাকা নানান প্রতিষ্ঠানে এই দিনটি পালিত হল মহা সমারোহে। বর্ধমানের বেসরকারি ইংরাজি মাধ্যম স্কুল বর্ধমান মডেল স্কুলেও এই দিনটি খুব জাঁকজমক পূর্ণ ভাবে পালিত হয়। সকাল থেকেই রঙ্গিন পোষাকে চকলেট, গোলাপ, হাতে তৈরি গ্রিটিংস কার্ড নিয়ে উপস্থিত কচিকাঁচারা। তাঁদের উপস্থিতি ছিলো চোখে পড়ার মত। ওরিয়েন্টাল এসোশিয়েশান ফর এডুকেশন এন্ড রিসার্চ সংস্থার অধিনস্ত এই স্কুলে বরাবরই পড়াশোনার সাথে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের এক সুন্দর মেলবন্ধন আছে। সেই রেশ রেখেই ছাত্র ছাত্রীরা নাচ, গান, আবৃত্তি, নাটকের মাধ্যমের তাঁদের শিক্ষকদের শ্রদ্ধা জ্ঞ্যাপন করেন। সকালে অনুষ্ঠানের শুরুতেই ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণনের প্রতিকৃতিতে মাল্যদাল ও পুষ্পার্ঘ প্রদান করে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন সংস্থার সেক্রেটারি ও বিদ্যালের কর্নধার অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল।অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল ছাত্র ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে বলেন, শিক্ষক দিবস কোনও একটা বিশেষ দিন নয়, সারা বছরের প্রতিটা দিনই শিক্ষক দিবস। শিক্ষক কথাটার অর্থ ব্যপক...। শুধুমাত্র তোমাদের ক্লাসের মধ্যে যিনি ক্লাস নিচ্ছেন তিনিই একমাত্র শিক্ষক নন। পিতা, মাতা, গুরুজন, প্রতিবেশী, ক্রীড়াবিদ এরা সকলেই তোমাদের শিক্ষক। এমনকি আমরা অনেক ছোট ছোট জিনিস শিক্ষা লাভকরি এমন কিছু মানুষের থেকে যাঁদের শিক্ষক ভাবতে আমরা লজ্জা পাই তারাও এক অর্থে আমাদের শিক্ষক। তাই শিক্ষক কে অনুসরণ করে যদি চলা যায় তাঁকে যদি সারা জীবন তোমরা শ্রদ্ধা করতে পারো কোনোদিনই তোমরা তোমাদের জীবনের চলার পথে হোঁচট খাবে না।তিনি আরও বলেন, যে মানুষটি তাঁর নিজের জন্মদিনটি পালন না করে, সকল শিক্ষকদের স্মরণ ও শ্রদ্ধাজ্ঞ্যাপন করার কথা বলেন, তাঁর অর্থ এটাই দাঁড়ায় যেকোনো সফল মানুষের পিছনে একগুচ্ছ সফল শিক্ষক। তোমাদের সফল দেখাটাই শিক্ষদের সফলতা, তাই তাঁদের কথা আদেশ ভেবে মেনে চললেই জীবনে সফল হওয়ার চাবিকাঠির সন্ধান পেয়ে যাবে।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৩
রাজ্য

শিক্ষক দিবসে মায়েদের সংবর্ধনা দিল জামালপুর এক গ্রাম পঞ্চায়েত

শিক্ষক দিবস উপলক্ষে আমাদের প্রথম শিক্ষক মা যার মাধ্যমে আমাদের জীবনের প্রথম শিক্ষালাভ শুরু হয়। আজকে সেই মায়েদের জামালপুর এক গ্রাম পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা জানানো হলো।মা-ই প্রথম পাঠশালা, প্রথম আদর্শ শিক্ষক। তাই সন্তান আদর্শ ও সৎ হওয়ার পিছনে মায়ের ভূমিকাই বেশি। একটি সন্তান পৃথিবীতে কত বড় হবে, কত ভালো হবে, তার অনেকটাই নির্ভর করে মায়ের উপর। তাই শিক্ষক দিবসে এবার জীবনের প্রথম শিক্ষক মায়েদের সংবর্ধনা দিলো জামালপুর ১ গ্রাম পঞ্চায়েত।উপপ্রধান শাহাবুদ্দিন মন্ডলের সার্বিক উদ্যোগে জামালপুর ১ গ্রাম পঞ্চায়েত দফতরেই মায়েদের সম্মান জানালো হলো। উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক অলোক কুমার মাঝি, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পূর্ণিমা মালিক, প্রধান ডলি নন্দী সহ বিশিষ্টরা।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৩
বিনোদুনিয়া

বক্ষ জুড়ে চলে বেড়াচ্ছে জীবন্ত মাছ! ফ্যাশনের নিত্যনতুন আঙ্গিকে উরফি

গড়পড়তা ফ্যাশনের কনসেপ্ট থেকে বেরিয়ে এসে তিনি তাঁর এক নিজস্ব জগৎ তৈরি করে ফেলেছেন ফ্যাশান দুনিয়ায়, যেখানে নিয়ম ভাঙ্গাটাই নিয়ম। ছকে বাঁধা ফ্যাশন স্টেটমেন্ট তাঁকে কখনই টানে না। তিনি কখনও বাচ্চাদের খেলার গাড়ি দিয়ে বক্ষবন্ধনী করেন তো কখনও বেতের লাঠি দিয়ে গাউন আবার কখনও লাল অ্যাডেশিভ টেপ জড়িয়ে লজ্জা নিবাড়ন। নিত্যনতুন ভাবনা তাঁর মাথায় কিলবিল করে। তাঁর সাজপোশাক দেখার আগে কারোর মাথাতেই আশার কথা নয় এটাকে পোশাক ভাবা যেতে পারে। এহেন ফ্যাশান আইটেম গ্ল্যামার কুইনের হলেন উরফি যাভেদ।তাঁর পরনে কখনো চিরুনি দিয়ে তৈরি পোশাক তো কখনও আবার বস্ত্রহীন শরীরের লজ্জা ঢাকেন বেলি ফুলের মালা দিয়ে। ছকভাঙ্গা ফ্যাশানের অভিনব কায়দার পোশাকেই উরফিকে দেখতে অভ্যস্ত দর্শক। তাঁর অভিনব পোশাক নিত্যদিন বলিউডের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। তাঁর পোশাকে অভিনবত্ব আনতে গিয়ে তিনি বারবার বিতর্কে জড়িয়েছেন। নানারকম হুমকিতে জর্জরিত তাঁর জীবন। কিন্ত উরফি যেনো অন্য ধাতুতে গড়া। ছোটখাটো চেহারা দেখে তাঁর অবমূল্যায়ন কারীদের তিনি বারবার ভুল প্রমান করেছেন।সমোলচনায় বিদ্ধ উরফি থেমে না থেকে, উল্টে ফ্যাশান নিয়ে তাঁর নানারকম পরীক্ষা-নিরীক্ষার উৎসাহ আরও কয়েকগুণ বেড়িয়ে দিয়েছেন। এমন সব জিনিস দিয়ে তিনি পোশাক বানিয়ে পরেছেন যা এর আগে কারুর কলপনাতেই আসেনি। ঘাসের ফ্লোর কার্পেট দিয়ে বানানো গাউন তো কখনো শুধুমাত্র পুঁথির মালা দিয়ে ঢেকেছেন বক্ষজুগল, আবার কখনো উন্মুক্ত বক্ষ ঢেকেছেন এক্স-রে প্লেট দিয়ে। কখনও সেই সমস্ত পোশাক প্রশংসা কুড়িয়েছে তো আবার কখনও তাঁর উগ্ধট পোশাকের কারণে জুটেছে কটুক্তি। এবার তিনি আর এক নতুন রূপে ধরা দিলেন।উরফির সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেছেন তাঁর এক নতুন অবতার। যা দেখে স্তম্ভিত নেটিজ়েনরা। উন্মুক্ত বক্ষদেশে কোনও অন্তর্বাস নেই,তার জায়গায় একটি স্বচ্ছ প্লাস্টিকের প্যাকেটের জলে কিছু জীবন্ত মাছ চলে বেড়াচ্ছে। জীবন্ত মাছভর্তি প্লাস্টিকের থলি দিয়েই ব্রালেট বানিয়ে ফেলেছেন উরফি। গোলাপি জিন্স পরিহিত উরফির এহেন ইন্সটা ভিডিও মুহুর্তে ভাইরাল। ভিডিয়োয় দেখা যাচ্ছে উরফির উন্মুক্ত বক্ষদেশে জুড়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে কমলা রঙের ছোট ছোট গোল্ড ফিশ। বুকে দুটি প্লাস্টিকের প্যাকেট ঝুলিয়ে ক্যামেরার সামনে নানা কায়দার পোজ দিতে ব্যস্ত মছলি জল কি রানী উরফি। গোলাপি অধরঞ্জনীতে অধর রাঙ্গিয়ে, স্কুল গার্লের মত চুলে দুটি বিনুনি করে, হালকা মেকআপে উষ্ণতা ছড়িয়েছেন উরফি। তাঁর ছিমছাম সাজ নজর কেড়েছে নেট অনুগামীদের।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২৩
রাজ্য

এসএসিটি প্রতিনিধি দলের সাথে শিক্ষা মন্ত্রীর বৈঠকে আশার আলো দেখছেন শিক্ষকরা

রাজ্যের প্রায় ১৪৫০০ এসএসিটি-র পক্ষ থেকে নয় দফা দাবি সম্বলিত এক স্মারকলিপি নিয়ে বৃহস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর সঙ্গে বৈঠক করলেন স্টেট এডেড কলেজ টিচার্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েসন এক প্রতিনিধি দল। সংগঠনের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক গোপাল চন্দ্র ঘোষের নেতৃত্বে তৃণমূল ভবনে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করে এই প্রতিনিধি দল।বেতন বৃদ্ধি, প্রভিডেন্ট ফান্ড, চাইন্ড কেয়ার লিভ, কলেজ সার্ভিস কমিশনের নিয়োগে সহ আরও নয় দফা দাবি নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে তাঁদের আলোচনা হয়। গোপাল চন্দ্র ঘোষ জানান, দাবিগুলি নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী তাঁদের আস্বস্ত করেছেন। সংগঠনের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক গোপাল চন্দ্র ঘোষ আরও বলেন, এই প্রথম রাজ্যের কোনও শিক্ষক সংগঠন শিক্ষামন্ত্রী অধ্যাপক ব্রাত্য বসুর সাথে তাঁদের দাবী দাওয়া নিয়ে বৈঠক করলো। যথেষ্ট ইতিবাচক হয়েছে এই আলোচনা। মন্ত্রী মশায় দীর্ঘ সময় ধরে মনোযোগ সহকারে আমাদের দাবীগুলি শুনেছেন। আমাদের দাবীর মধ্যে অনেকগুলো দাবি প্রাসঙ্গিক বলে তিনি নিজেই সহমত হয়েছেন এবং এবিষয়ে নির্দিষ্ট এক আধিকারিককে দায়িত্বও দিয়েছেন যাতে অতি সত্তর এর সমাধান বার করা যায়। গোপাল ঘোষ জানান, তাঁরা আশাবাদী, এবং আগামীদিনে আরো অনেক সমস্যা নিয়ে খুব শীঘ্রই তাঁরা আবার আলোচনায় বসবেন মন্ত্রীর সঙ্গে।প্রতিনিধি দলের অন্যতম সদস্য এসএসিটি অধ্যাপক ও স্টেট এডেড কলেজ টিচার্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েসন পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান জেলা প্রেসিডেন্ট তারকনাথ মুখোপাধ্যায় জনতার কথা কে জানান, তাঁরা তাঁদের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক গোপাল চন্দ্র ঘোষের নেতৃত্বে সাত জনের এক প্রতিনিধি দল শিক্ষা মন্ত্রী ব্রাত্য বসুর সাথে সাক্ষাৎ করে নয় দফা দাবী সম্বলিত এক স্মারকলিপি পেশ করেন।তিনি আরও জানান, শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য ব্রাত্য বসু এই প্রথমবার কোনও শিক্ষক সংগঠনের সাথে সাক্ষাত করেন। তারকনাথ আরও জানান, তাঁদের দীর্ঘদিনের যে সমস্যা, মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রী দীর্ঘক্ষণ সময় দিয়ে অত্যন্ত মনোযোগ সহকারে শুনেছেন, এবং এ ব্যাপারে যথাযত ব্যবস্তা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। তারকনাথ বলেন, শিক্ষা মন্ত্রী তাঁদের প্রতিনিধি দলকে আশ্বস্ত করেছেন সব সমস্যার সমাধান এক্ষনি করা সম্ভব না হলেও, প্রাইরিটি দিয়ে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এক এক করে সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করবেন বলে কথা দিয়েছেন।স্টেট এডেড কলেজ টিচার্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েসন পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান জেলা প্রেসিডেন্ট তারকনাথ মুখোপাধ্যায় জানান, শিক্ষা মন্ত্রী ব্রাত্য বসু তাঁদের সামনেই তাঁর দপ্তরের এক আধিকারিককে দায়িত্ব দিয়েছেন প্রতিনিধি দল ও শিক্ষা দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় সাধন করার জন্য। প্রতিনিধি দলের তরফে সংগঠনের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক গোপাল চন্দ্র ঘোষ জানিয়েছেন, তাঁরা অত্যন্ত খুশি এই বৈঠকে, বৈঠক যথেষ্ট ফলপ্রসু হয়েছে এবং আমরা আশাবাদী আমাদের দাবিদাওয়া সবিচার পাওয়ার ব্যাপারে।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২৩
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • ...
  • 70
  • 71
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

শেষ কি আমেরিকার দাপট? আইএমএফ রিপোর্টে চমক, মুখ খুললেন এলন মাস্ক

বিশ্ব অর্থনীতিতে আমেরিকার একছত্র আধিপত্য কি শেষের পথে? সদ্য প্রকাশিত আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের রিপোর্ট সামনে আসার পর তেমনই ইঙ্গিত মিলছে। আর সেই রিপোর্ট দেখেই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করলেন ধনকুবের এলন মাস্ক। তাঁর মতে, বিশ্ব অর্থনীতিতে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলাতে শুরু করেছে।আইএমএফ তাদের সাম্প্রতিক রিপোর্টে ২০২৬ সালে গোটা বিশ্বের সম্ভাব্য আর্থিক প্রবৃদ্ধির হিসাব তুলে ধরেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, বিশ্বের মোট আর্থিক বৃদ্ধিতে আমেরিকাকে ছাপিয়ে গিয়েছে ভারত। বিশ্ব জিডিপিতে ভারতের অংশীদারিত্ব হতে চলেছে প্রায় ১৭ শতাংশ। সেই তুলনায় আমেরিকার অবদান মাত্র ৯.৯ শতাংশ। ফলে তালিকায় তৃতীয় স্থানে নেমে গিয়েছে ডলারের দেশ।এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে চিন। বিশ্ব জিডিপিতে চিনের অংশীদারিত্ব হতে চলেছে ২৬.৬ শতাংশ। অর্থাৎ প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে এশিয়ার দুই দেশ চিন এবং ভারত। একসঙ্গে এই দুই দেশের আর্থিক যোগদান দাঁড়াচ্ছে ৪৩.৬ শতাংশ। অর্থাৎ গোটা বিশ্বের প্রায় অর্ধেক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র এখন এশিয়ায়।আইএমএফের রিপোর্টে আরও দেখা গিয়েছে, এই তালিকায় রয়েছে ইন্দোনেশিয়া, সৌদি আরব, তুরস্ক, ভিয়েতনাম, ব্রাজিল, নাইজেরিয়া, জার্মানির মতো দেশগুলিও। তবে ইউরোপ এবং আমেরিকার তুলনায় এশিয়ার দেশগুলির প্রভাব যে দ্রুত বাড়ছে, তা স্পষ্ট।এই রিপোর্ট সোশাল মিডিয়ায় তুলে ধরেই এলন মাস্ক লেখেন, অবশেষে বিশ্বে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলাচ্ছে। তাঁর এই মন্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ব অর্থনীতির কেন্দ্র ছিল আমেরিকা ও ইউরোপ। কিন্তু এখন সেই জায়গা দখল করছে চিন ও ভারত।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এলন মাস্কের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন আমেরিকার কড়া শুল্কনীতি এবং কূটনৈতিক সিদ্ধান্তের জেরে বিশ্ব অর্থনীতি অস্থির। চিন ও ভারতের উপর সবচেয়ে বেশি শুল্ক আরোপ করেছে আমেরিকা। অথচ আইএমএফের রিপোর্ট বলছে, আগামী দিনে বিশ্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি হতে চলেছে এই দুই দেশই।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
বিদেশ

মেঝেতে কিশোরী, উপর ঝুঁকে প্রিন্স অ্যান্ড্রু! এপস্টেইন ফাইলসে ফাঁস চাঞ্চল্যকর ছবি

মেঝেতে শুয়ে রয়েছে এক কিশোরী। তাঁর উপর ঝুঁকে পড়ে আছেন ব্রিটেনের প্রাক্তন যুবরাজ প্রিন্স অ্যান্ড্রু। এপস্টেইন ফাইলসের সদ্য প্রকাশিত নথিতে এই ছবি সামনে আসতেই নতুন করে শোরগোল শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে। বহুদিন ধরেই যৌন কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে অ্যান্ড্রুর সম্পর্ক নিয়ে বিতর্ক চলছিল। এ বার সেই বিতর্ক আরও তীব্র হল নতুন ছবি ও তথ্য প্রকাশ্যে আসায়।এপস্টেইন ফাইলস ঘিরে সামনে এসেছে ব্রিটেনের রাজপরিবারের নামও। গত বছরই জানা যায়, যৌন অপরাধে অভিযুক্ত জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল প্রিন্স অ্যান্ড্রুর। সেই ঘটনার পর ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লস নিজের ছোট ভাই অ্যান্ড্রুর সমস্ত রাজকীয় উপাধি, সম্মান এবং সরকারি সুযোগ-সুবিধা কেড়ে নেন। রাজপরিবার থেকে কার্যত বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয় তাঁকে।এই পরিস্থিতিতেই গত শুক্রবার এপস্টেইন সংক্রান্ত নথির নতুন একটি অংশ প্রকাশ্যে আসে। সেখানে একাধিক ছবিতে দেখা যাচ্ছে, এক অজ্ঞাত পরিচয়ের কিশোরী মাটিতে শুয়ে রয়েছেন। তাঁর পাশে এবং উপর ঝুঁকে আছেন প্রিন্স অ্যান্ড্রু। একটি ছবিতে দেখা যায়, কিশোরীর পেটের উপর হাত রেখেছেন তিনি। তবে ওই কিশোরী কে, ছবিগুলি কোথায় এবং কবে তোলা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।শুধু ছবি নয়, এই নথিতে উঠে এসেছে আরও কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গিয়েছে, ২০১০ সালে জেফ্রি এপস্টেইন ও প্রিন্স অ্যান্ড্রুর মধ্যে ইমেলে যোগাযোগ হয়েছিল। সেই ইমেলে এপস্টেইন অ্যান্ড্রুকে লেখেন, তাঁর এক রুশ বান্ধবী রয়েছে, যিনি ২০ থেকে ২৪ তারিখের মধ্যে লন্ডনে থাকবেন। এপস্টেইনের দাবি ছিল, ওই মহিলার সঙ্গে নৈশভোজ অ্যান্ড্রু উপভোগ করবেন। তবে এই রহস্যময়ী রুশ মহিলার সঙ্গে প্রিন্স অ্যান্ড্রুর আদৌ কখনও দেখা হয়েছিল কি না, তা এখনও জানা যায়নি।নতুন করে সামনে আসা এই নথি ও ছবিকে ঘিরে ফের প্রশ্নের মুখে পড়েছেন ব্রিটেনের প্রাক্তন যুবরাজ। এপস্টেইন কাণ্ডে তাঁর ভূমিকা নিয়ে তদন্ত এবং বিতর্ক যে এখনও শেষ হয়নি, তা আরও একবার স্পষ্ট হয়ে উঠল।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
রাজ্য

তৃণমূলের মিছিলে ভাতারে বিধায়কের বিরুদ্ধে চোর চোর স্লোগান, মুচকি হাসি বিরোধীদের

বিধানসভা ভোটের আগে প্রার্থী হওয়ার দাবিদারের লড়াই চরমে উঠেছে। ভাতারের তৃণমূল কংগ্রেসের মিছিলে চোর চোর স্লোগান উঠলো। তবে এই চোর চোর স্লোগান বিজেপির বিরুদ্ধে ছিল না। ভাতারের তৃণমূল নেতৃত্বের একাংশের বিরুদ্ধেই এই চোর চোর স্লোগান উঠেছে মুহূর্মুহু। এই মিছিলে নেতৃত্ব দেন ভাতারের প্রবীণ তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন বিধায়ক বনমালী হাজরা। ভাতারের এই মিছিলে স্লোগান ওঠে, মানু চোর, শান্তনু চোর। কেন তাঁদের চোর বলা হচ্ছে? মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, পঞ্চায়েত সমিতি থেকে গ্রামপঞ্চায়েত, সর্বত্র লক্ষ লক্ষ টাকা দুর্নীতি হচ্ছে। লুঠপাট চলছে। পকেট ভরছে নেতারা। তাদের দাবি, মানগোবিন্দ অধিকারীকে আর যেন বিধায়কপদের টিকিট না দেওয়া হয়। প্রার্থী করতে হবে বনমালী হাজরাকে।সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে বিধায়ক পদের টিকিট পাওয়া নিয়ে তৃণমূলের মধ্যে দড়ি টানাটানি চলছে। কে হবেন বিধানসভার প্রার্থী, এখন সেই প্রতিযোগিতা চলছে। বর্ধমান জেলার প্রায় প্রতিটি জায়গায় দলের তরফে দুই পক্ষের মিছিল হয়। বর্ধমানে কখনও বিধায়ক খোকন দাসের নেতৃত্বের মিছিল হয়, আবার কখনও কাউন্সিলর রাসবিহারী হালদারের নেতৃত্বে পৃথক মিছিল হয়। ভাতারেও সেই অবস্থা চলছে। সেখানে একাংশ চাইছে মানু অধিকারী নয়, বনমালী হাজরাকে তৃণমূল প্রার্থী করুক। তবে তৃণমূলের মিছিলেই নেতৃত্বের বিরুদ্ধে চোর চোর স্লোগানে মুচকি হাসছে বিরোধী শিবির।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
বিদেশ

রক্তে ভাসল পাকিস্তান! একযোগে জঙ্গি হামলায় মৃত ১২০ ছাড়াল

পরপর গুলির শব্দ, তার পর একের পর এক বিস্ফোরণ। শনিবার ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় কেঁপে উঠল পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ। এখনও পর্যন্ত অন্তত ১২০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়ছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।হামলা শুধু গুলি ও বোমাতেই সীমাবদ্ধ ছিল না। সন্ত্রাসীরা কারাগারেও হামলা চালায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের মাস্তুং জেলার একটি জেল ভেঙে প্রায় ৩০ জনেরও বেশি বন্দিকে পালাতে সাহায্য করেছে তারা। একই সঙ্গে নুস্কি জেলার আধাসামরিক বাহিনীর দফতরেও হামলা চালানো হয়। এই হামলায় একাধিক নিরাপত্তারক্ষী আহত হয়েছেন। এখনও পর্যন্ত অন্তত ১৪ জন নিরাপত্তাকর্মীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই ভয়াবহ হামলার ঘটনাগুলি ঘটেছে বালোচিস্তানে। গত কয়েক মাস ধরেই এই এলাকায় পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ বাড়ছে। দফায় দফায় সশস্ত্র হামলা চালাচ্ছে বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠন। শনিবারও একযোগে একাধিক জায়গায় হামলা চালানো হয়। এখনও পর্যন্ত কোনও সংগঠন প্রকাশ্যে এই হামলার দায় স্বীকার করেনি।আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, কোয়েটা, গোদার, মাস্তুং, নুস্কি, দালবানদিন এবং পাঞ্জগুর-সহ বালোচিস্তানের একাধিক জেলায় একসঙ্গে হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। হামলার পরই পাল্টা অভিযানে নামে পাকিস্তানের সেনা। সংবাদপত্র দ্য গার্ডিয়ান-এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, টানা ৪৮ ঘণ্টা ধরে সন্ত্রাসদমন অভিযান চালিয়ে এখনও পর্যন্ত ১৩৩ জনের বেশি জঙ্গিকে খতম করেছে পাক সেনা। শুধু শনিবারেই নিহত হয়েছে অন্তত ৯২ জন সন্ত্রাসী।যদিও এই হামলার দায় বালোচ লিবারেশন আর্মি এখনও স্বীকার করেনি, তবে হামলার দিনেই একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে ওই সংগঠন। সেই ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, পাকিস্তান সরকার ও সেনার বিরুদ্ধে সংঘর্ষে বন্দুক হাতে অংশ নিচ্ছেন মহিলারাও। এই ছবি নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
কলকাতা

ভুল নাকি অপরাধ? গোমাংস কাণ্ডে অলি পাবের ক্ষমা চাওয়ায় প্রশ্ন

সায়ক চক্রবর্তীর গোমাংস বিতর্কে অবশেষে মুখ খুলল পার্ক স্ট্রিটের জনপ্রিয় রেস্তরাঁ অলি পাব। পাঁঠার মাংসের বদলে গোমাংস পরিবেশনের অভিযোগে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করার দায়ে গত চব্বিশ ঘণ্টায় তীব্র বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে এই ঐতিহ্যবাহী পাব। রবিবার সোশাল মিডিয়ায় একটি বিবৃতি জারি করে রেস্তরাঁর তরফে জানানো হয়েছে, এটি একটি অনিচ্ছাকৃত ভুল। এই ঘটনার জন্য তারা আন্তরিকভাবে দুঃখিত।অলি পাবের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ৩০ জানুয়ারি রাতে রেস্তরাঁর এক কর্মী ভুলবশত একটি গুরুতর ভুল করে ফেলেন। কারও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার কোনও উদ্দেশ্য ছিল না। ওই কর্মীর ভুলের জন্য রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষ ক্ষমা চেয়েছে এবং জানিয়েছে, অনিচ্ছাকৃতভাবে ক্রেতার ভাবাবেগে আঘাত লাগায় তারা গভীরভাবে দুঃখিত।এদিকে সায়ক চক্রবর্তীর করা অভিযোগের ভিত্তিতে শনিবার পুলিশ অলি পাবের বেয়ারা শেখ নাসির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। এই গ্রেপ্তারি ঘিরে শহরজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। একাংশ ওই কর্মীর পাশে দাঁড়ান, আবার অনেকে সেলেব ইনফ্লুয়েন্সারের বিরুদ্ধে রেস্তরাঁর ভাবমূর্তি নষ্ট করার অভিযোগ তোলেন। সোশাল মিডিয়ায় প্রশ্ন উঠতে থাকে, ভুল খাবার পরিবেশন করা কি অপরাধ, না কি কর্মীর ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে বিষয়টিকে অন্য খাতে বইয়ে দেওয়া হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে অলি পাবের তরফে জানানো হয়, জাতি, ধর্ম বা বর্ণ নির্বিশেষে সকলের প্রতি সম্মানের ভিত্তিতেই রেস্তরাঁটি পরিচালিত হয়। আট দশকের ঐতিহ্য নিয়ে তারা গর্বিত বলেও জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে রেস্তরাঁর সমস্ত কর্মী ও সহযোগীদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার বার্তাও দেওয়া হয়।এর মাঝেই গুজব ছড়ায় যে এই ঘটনার জেরে অলি পাব বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সেই খবরে বহু নিয়মিত অতিথির মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। তবে রবিবারের বিবৃতিতে রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয়, অলি পাব বন্ধ হচ্ছে না। বরং এই কঠিন সময়ে যাঁরা পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আগের মতোই পরিষেবা চালিয়ে যাওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।এদিকে শুক্রবার রাতে ঠিক কী ঘটেছিল, তা নিয়ে পরপর ফেসবুক লাইভে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেছিলেন সায়ক চক্রবর্তী। যদিও বর্তমানে সেই পোস্টগুলি আর পাওয়া যাচ্ছে না। জানা গিয়েছে, সেদিন রাতে সায়ক তাঁর দুই বন্ধু অনন্যা গুহ ও সুকান্ত কুণ্ডুর সঙ্গে অলি পাব যান। তাঁরা মাটন স্টেক অর্ডার করেছিলেন। খাবার পরিবেশনের পর প্রথমে খিদের চোটে বিষয়টি বুঝতে পারেননি তাঁরা। পরে টেবিলে আরও একটি স্টেক আসতেই সন্দেহ হয়।সায়কের দাবি, তাঁরা একটি মাত্র স্টেক অর্ডার করেছিলেন। কিন্তু বেয়ারা জানান, দুটি স্টেক অর্ডার করা হয়েছেএকটি মাটন এবং একটি বিফ। তখনই সায়ক প্রতিবাদ করেন। তাঁর কথায়, অজান্তে গরুর মাংস খাওয়ায় তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। বচসার মধ্যেই বেয়ারা স্বীকার করেন যে তিনি ভুল করেছেন। বিষয়টি নিয়ে রেস্তরাঁর মধ্যেই উত্তেজনা ছড়ায়। পরে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন সায়ক। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শনিবার ওই বেয়ারাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
কলকাতা

গোমাংস বিতর্কে ইউটার্ন! বেয়ারার বিরুদ্ধে এফআইআর প্রত্যাহার সায়কের

রবিবার সোশাল মিডিয়ায় বিবৃতি জারি করে অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়েছে পার্ক স্ট্রিটের জনপ্রিয় রেস্তরাঁ অলি পাব। তাদের বক্তব্যে জানানো হয়েছে, কোনও ক্রেতার ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার উদ্দেশ্য তাদের ছিল না। এই ক্ষমা প্রার্থনার কিছুক্ষণের মধ্যেই রেস্তরাঁ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগ প্রত্যাহার করে নিলেন অভিনেতা ও ইনফ্লুয়েন্সার সায়ক চক্রবর্তী।অলি পাবের বিবৃতি প্রকাশের পরই সায়ক সোশাল মিডিয়ায় জানান, তিনি জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দেন। তাঁর কথায়, তিনি জনগণের উপর নির্ভরশীল এবং মানুষ যা বলবেন, সেটাই তিনি মেনে নেবেন। সেই মন্তব্যের পরই প্রশ্ন উঠেছে, তবে কি চাপের মুখেই নিজের অবস্থান বদল করলেন অভিনেতা।গত ২৪ ঘণ্টায় গোমাংস বিতর্ক ঘিরে তীব্র আলোচনার সৃষ্টি হয় সোশাল মিডিয়ায়। ঘটনার সূত্রপাত একটি ভ্লগকে কেন্দ্র করে। সেই ভ্লগে রেস্তরাঁর এক বেয়ারার ধর্মীয় পরিচয় উল্লেখ করে মন্তব্য করায় সমালোচনার মুখে পড়েন সায়ক। পরে অলি পাব এবং ওই কর্মীর বিরুদ্ধে পার্ক স্ট্রিট থানায় এফআইআর দায়ের করেন তিনি। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শনিবার সকালে গ্রেপ্তার হন রেস্তরাঁর কর্মী শেখ নাসির উদ্দিন। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ২৯৯ ধারায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়। আদালতে তোলা হলেও শনিবার তিনি জামিন পাননি বলে খবর।এদিকে শনিবার রাতেই সায়কের বিরুদ্ধেও পার্ক স্ট্রিট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন নাট্যব্যক্তিত্ব জয়রাজ ভট্টাচার্য। তাঁর অভিযোগ ছিল, সায়কের বক্তব্য থেকে দাঙ্গায় উসকানি দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে ওঠার মধ্যেই রবিবার অলি পাব প্রকাশ্যে ক্ষমা চায়। তার পরই সায়ক নিজে থেকে অভিযোগ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেন।সায়ক চক্রবর্তী তাঁর পোস্টে লেখেন, অলি পাব শেষ পর্যন্ত ক্ষমা চেয়েছে, তাই নতুন করে কোনও গল্প বানানোর প্রয়োজন নেই। তিনি স্বীকার করেন, রাগের মাথায় থানায় গিয়েছিলেন এবং সেই সময় তাঁর মাথা ঠিক ছিল না। তিনি জানান, তিনি কোনওদিন গোমাংস খাননি এবং ভবিষ্যতে আরও সতর্ক থাকবেন। অলি পাব ও সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে করা অভিযোগ তিনি প্রত্যাহার করছেন বলেও স্পষ্ট করে দেন।অভিনেতা আরও লেখেন, রেস্তরাঁর ভুল নিয়ে তাঁর সমস্যা ছিল, কিন্তু তাঁর প্রতিক্রিয়াও হয়তো ভুল ছিল। সে জন্য তিনি দুঃখিত। ভবিষ্যতে ভ্লগ বা ইনস্টাগ্রাম কনটেন্ট বানাতে গিয়ে এই ধরনের বিতর্কে জড়াতে চান না বলেও জানান তিনি। তাঁর বক্তব্যে তিনি বলেন, তাঁর হিন্দু-মুসলিম কোনও সমস্যা নেই। তিনি কেবল নিজের কিছু ব্যক্তিগত আচার মেনে চলতে চান। তাঁর কনটেন্ট আগেও মানুষের মধ্যে ঐক্যের কথা বলেছে, ভবিষ্যতেও বলবে। পুরো ঘটনায় অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য আবারও দুঃখপ্রকাশ করেন সায়ক।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
দেশ

বাজেট ২০২৬–এ পশ্চিমবঙ্গের প্রাপ্তি: মেট্রোতে জোরালো বিনিয়োগ, গতি পাচ্ছে ফ্রেট করিডর

কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬২৭-এ পশ্চিমবঙ্গের পরিকাঠামো উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিল কেন্দ্র সরকার। বিশেষ করে কলকাতা ও সংলগ্ন অঞ্চলের মেট্রো রেল প্রকল্পে অতিরিক্ত বিনিয়োগ এবং রাজ্যের শিল্প ও বাণিজ্য সম্ভাবনাকে চাঙ্গা করতে ফ্রেট করিডর সম্প্রসারণে বরাদ্দএই দুই ক্ষেত্রেই উল্লেখযোগ্য প্রাপ্তি হয়েছে রাজ্যের।মেট্রো রেলে গতি, শহুরে যাত্রায় স্বস্তির আশ্বাসবাজেটে কলকাতা মেট্রোর একাধিক চলমান ও প্রস্তাবিত প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। নিউ গড়িয়াএয়ারপোর্ট মেট্রো, জোকাএসপ্ল্যানেড লাইন এবং ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো করিডরের কাজ দ্রুত শেষ করার লক্ষ্যে অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।কেন্দ্রের দাবি, এই বিনিয়োগের ফলে শহরের যানজট কমবে, যাত্রার সময় বাঁচবে এবং পরিবেশবান্ধব গণপরিবহণ আরও জনপ্রিয় হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মেট্রো নেটওয়ার্ক সম্প্রসারিত হলে কলকাতার পাশাপাশি হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও উত্তর ২৪ পরগনার যাত্রীদেরও সরাসরি উপকার হবে।কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬২৭-এ কলকাতা মেট্রো সম্প্রসারণে ফের বড়সড় বিনিয়োগের ঘোষণা করল কেন্দ্র সরকার। শহর ও শহরতলির গণপরিবহণকে আরও গতিশীল করতে অরেঞ্জ লাইন, পার্পল লাইন ও গ্রিন লাইনের জন্য মোট ২,১৪১.১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এই বরাদ্দকে পূর্ব ভারতের অন্যতম বৃহৎ শহুরে পরিবহণ বিনিয়োগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।অরেঞ্জ লাইন: বিমানবন্দরের সঙ্গে সরাসরি সংযোগে জোরনিউ গড়িয়ানেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সংযোগকারী অরেঞ্জ লাইনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৭০৫.৫০ কোটি টাকা। এই অর্থ মূলত ভায়াডাক্ট নির্মাণ, স্টেশন অবকাঠামো, সিগন্যালিং ও বৈদ্যুতিক ব্যবস্থার কাজে ব্যবহার করা হবে। প্রকল্পটি সম্পূর্ণ হলে দক্ষিণ কলকাতা ও সল্টলেক-নিউ টাউনের সঙ্গে বিমানবন্দরের যাত্রা অনেকটাই সহজ হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।পার্পল লাইন: জোকাএসপ্ল্যানেডে শহর-উপশহর সেতুবন্ধনজোকাএসপ্ল্যানেড পার্পল লাইনের জন্য সর্বাধিক বরাদ্দ৯০৬.৬০ কোটি টাকা। এই লাইনের মাধ্যমে দক্ষিণ-পশ্চিম কলকাতার বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্রথমবারের মতো মেট্রো নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হবে। বাজেট বরাদ্দের বড় অংশ যাবে এলিভেটেড স্টেশন নির্মাণ, রোলিং স্টক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নে। কেন্দ্রের দাবি, এই লাইনের কাজ দ্রুত শেষ হলে শহরের দক্ষিণ প্রান্তের যাত্রীদের দৈনন্দিন যাতায়াতে বড় স্বস্তি মিলবে।গ্রিন লাইন: পূর্ব-পশ্চিম মেট্রোতে গতি ফেরানোর চেষ্টাপূর্ব-পশ্চিম মেট্রো করিডর বা গ্রিন লাইনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৫২৯.০০ কোটি টাকা। হাওড়া ময়দান থেকে সল্টলেক সেক্টর-৫ পর্যন্ত এই লাইন কলকাতার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইস্ট-ওয়েস্ট করিডর হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ। নতুন বরাদ্দের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ অংশের প্রযুক্তিগত কাজ, স্টেশন ফিনিশিং ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।শহুরে পরিবহণে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবপরিবহণ বিশেষজ্ঞদের মতে, এই তিনটি লাইনে বিনিয়োগ শুধু যাত্রী সুবিধা বাড়াবে না, বরং যানজট ও দূষণ কমাতেও বড় ভূমিকা নেবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও শহরের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আনবে এই মেট্রো প্রকল্পগুলি।সব মিলিয়ে, বাজেট ২০২৬২৭-এ অরেঞ্জ, পার্পল ও গ্রিন লাইনের জন্য ঘোষিত বরাদ্দ কলকাতা মেট্রোকে নতুন মাত্রা দিতে চলেছে বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।ফ্রেট করিডর: শিল্প ও বাণিজ্যের নতুন দিগন্তবাজেট ২০২৬-এ পূর্ব ভারতের শিল্প সম্ভাবনাকে সামনে রেখে ইস্টার্ন ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডর (EDFC)-এর সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের সংযোগ আরও শক্ত করার ঘোষণা করা হয়েছে। রাজ্যের শিল্পাঞ্চল, বন্দর ও লজিস্টিক হাবগুলিকে এই করিডরের সঙ্গে যুক্ত করতে অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।বিশেষ করে হলদিয়া বন্দর, দুর্গাপুরআসানসোল শিল্পাঞ্চল এবং কলকাতা বন্দরের সঙ্গে দ্রুত মাল পরিবহণের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। এর ফলে পরিবহণ খরচ কমবে, শিল্পে বিনিয়োগ বাড়বে এবং রাজ্যে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক তাৎপর্যবিশ্লেষকদের মতে, এই বাজেট বরাদ্দ শুধু পরিকাঠামো উন্নয়ন নয়, বরং পূর্ব ভারতের প্রবৃদ্ধিতে পশ্চিমবঙ্গকে কেন্দ্রীয় ভূমিকায় আনার ইঙ্গিতও দিচ্ছে। যদিও রাজ্য সরকার আরও বেশি বরাদ্দের দাবি তুলতে পারে, তবু মেট্রো ও ফ্রেট করিডরএই দুই ক্ষেত্রে ঘোষণাকে রাজ্যের অর্থনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক বলেই মনে করছে বিভিন্ন মহল।সব মিলিয়ে, বাজেট ২০২৬এ পশ্চিমবঙ্গের জন্য মেট্রো রেল ও ফ্রেট করিডর সংক্রান্ত বিনিয়োগ রাজ্যের শহুরে জীবনযাত্রা ও শিল্প-বাণিজ্যে নতুন গতি আনতে পারে বলেই আশা।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
দেশ

প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির ফাঁকে কেন্দ্রের বাজেট: স্বস্তি সীমিত, হতাশা বিস্তৃত

রবিবার সংসদে ২০২৬২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। টানা নবমবার বাজেট বক্তৃতা করলেন তিনি। নরেন্দ্র মোদী তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এটি তাঁর সরকারের তৃতীয় পূর্ণাঙ্গ বাজেট। তবে বাজেট বক্তৃতা শেষ হতেই স্পষ্টপ্রত্যাশার পাহাড়ের তুলনায় প্রাপ্তি অনেকটাই খর্ব।বাজেট পেশের আগেই ব্যয় বরাদ্দ ও করছাড় ঘিরে সাধারণ মানুষ থেকে শিল্পমহলসর্বত্র উত্তেজনা ছিল তুঙ্গে। রবিবার সকাল ১১টা নাগাদ সংসদে ভাষণ শুরু করেন অর্থমন্ত্রী। তার আগে প্রথামাফিক রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। কিন্তু বাজেট ঘোষণার পর ক্রমশ স্পষ্ট হয়, বড় কোনও চমক নেই।বিশেষ করে রাজ্যভিত্তিক বরাদ্দের ক্ষেত্রে বাংলা কার্যত ব্রাত্য। পরিকাঠামো, শিল্প বা বিশেষ প্রকল্পকোনও ক্ষেত্রেই রাজ্যের জন্য উল্লেখযোগ্য ঘোষণা শোনা যায়নি। করদাতাদের ক্ষেত্রেও হতাশা চোখে পড়ার মতো। আয়কর কাঠামোয় তেমন কোনও বড় পরিবর্তন বা অতিরিক্ত ছাড় ঘোষণা হয়নি।তবে সম্পূর্ণ হতাশার ছবি নয়। কিছু পণ্যে শুল্ক কমানোর ফলে দৈনন্দিন জীবনে সীমিত হলেও স্বস্তি মিলতে পারে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, বিমানের যন্ত্রাংশে শুল্ক কমানো হবে। এর ফলে বিমান সংক্রান্ত খরচ কমার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে মাইক্রোওভেনের যন্ত্রাংশ-সহ বেশ কিছু বৈদ্যুতিন পণ্যের উপর শুল্ক হ্রাস করা হয়েছে, যা বাজারদরে প্রভাব ফেলতে পারে।স্বাস্থ্যক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ঘোষণা হিসেবে ১৭টি ক্যানসারের ওষুধে আমদানি শুল্ক কমানো হয়েছে। পাশাপাশি ডায়াবেটিসের কিছু ওষুধও সস্তা হতে চলেছে। এতে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা খরচ কিছুটা কমবে বলেই আশা।পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও শুল্কছাড়ের ঘোষণা করা হয়েছে। বৈদ্যুতিন গাড়ির ব্যাটারি এবং সৌরশক্তিচালিত প্যানেলের দাম কমতে পারে। মোবাইল ফোন তৈরির কাঁচামালের উপর শুল্ক কমানোয় দেশীয় স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট সস্তা হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।চামড়াশিল্পকে উৎসাহ দিতে নির্দিষ্ট কিছু পণ্যে শুল্কমুক্ত আমদানির প্রস্তাব রাখা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আমেরিকার উচ্চ শুল্কের চাপে থাকা চামড়া রফতানিকারকদের জন্য এটি কিছুটা স্বস্তির খবর। পাশাপাশি বিদেশে পড়াশোনা ও ভ্রমণের খরচ কমার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।অন্যদিকে, স্বস্তির পাশাপাশি চাপও বাড়ছে কিছু ক্ষেত্রে। বিলাসবহুল ঘড়ি এবং বিদেশি মদের উপর কর বাড়ানো হয়েছে। ফলে এই সব পণ্যের দাম আরও ঊর্ধ্বমুখী হবে। কফি রোস্টিং ও ব্রিউইং মেশিনে ছাড় তুলে নেওয়ায় সেগুলিও আরও ব্যয়বহুল হতে পারে। পাশাপাশি কিছু সার, আমদানিকৃত টেলিভিশন সরঞ্জাম, ক্যামেরা এবং চিত্রগ্রহণ সংক্রান্ত যন্ত্রাংশের দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।বাজেট বক্তৃতাজুড়ে আত্মনির্ভর ভারত ও বিকশিত ভারত-এর কথা বারবার উঠে এসেছে। অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার এবং ভোক্তাদের স্বস্তি দেওয়ার দাবি করেছে কেন্দ্র। কিন্তু অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, বাস্তবে এই বাজেটে এমন কোনও যুগান্তকারী ঘোষণা নেই, যা সাধারণ মানুষের জীবনে বড় পরিবর্তন আনবে।সব মিলিয়ে, ২০২৬২৭ সালের কেন্দ্রীয় বাজেট সীমিত স্বস্তি দিলেও বৃহত্তর প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থএই মূল্যায়নই এখন ক্রমশ জোরালো হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal