• ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩, রবিবার ১৮ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

বৃষ

রাশিফল

কাজের জায়গায় সমস্যা সিংহের , অন্যান্য রাশির কেমন কাটবে দিন ?

২২ কার্তিক ( ৮ নভেম্বর) রবিবার মেষ ঃ আর্থিক দিকে উন্নতি নিশ্চিত। বৃষ ঃ আপনি প্রেমিকার ব্যাপার অনেকে কিছুই ভুল ভাববেন। মিথুন ঃ আপনার মন সাম্প্রতিক ঘটনার কারণে বিঘ্নিত হবে। কর্কট ঃ আপনি প্রেমে ধীরে ধীরে কিন্তু নিয়মিতভাবে পুড়তে থাকবেন। সিংহ ঃ কাজের জায়গায় নতুন সমস্যা উঠে আসবে। কন্যা ঃ অতীতের বিনিয়োগ থেকে উপার্জন বৃদ্ধি দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। তুলা ঃ নিজের প্রেমের ক্ষেত্রে জিভে সংযম না থাকলে প্রচুর সমস্যা দেখা দেবে। বৃশ্চিক ঃ কিছু আইনি পরামর্শ নিতে কোন আইনজীবীর কাছে যাওয়ার পক্ষে ভালো দিন। ধনু ঃ লেনদেনের ক্ষেত্রে একটু সতর্ক হতে হবে। মকর ঃ পিতার সাথে মনোমালিন্য হবার আশঙ্কা। কুম্ভ ঃ রাস্তাঘাটে সাবধানে চলাফেরা করুন। মীন ঃ অংশীদারি কোনও চুক্তির ক্ষেত্রে সতর্ক হতে হবে।

নভেম্বর ০৮, ২০২০
রাশিফল

ভাগ্য উন্নতি কর্কটের , অন্যান্য রাশির কেমন কাটবে দিন ?

২১ কার্তিক ( ৭ নভেম্বর) শনিবার মেষ ঃ লেনদেনের ক্ষেত্রে একটু সতর্ক হতে হবে। বৃষ ঃ সামাজিক ও সাংগঠনিক কাজ থেকে দূরে থাকবেন। মিথুন ঃ চাকরিজীবীদের আয় রোজগার বৃদ্ধির সম্ভাবনা নেই। কর্কট ঃ ভাগ্য উন্নতি আশা করতে পারেন। সিংহ ঃ ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য দূরের যাত্রার যোগ প্রবল।কন্যা ঃ রাস্তাঘাটে সাবধানে চলাফেরা করুন। তুলা ঃ পরধন প্রাপ্তির সম্ভাবনা প্রবল। বৃশ্চিক ঃ শুল্ক ও কর সংক্রান্ত ঝামেলার আশঙ্কা। ধনু ঃ সন্তানের শরীর স্বাস্থ্য কিছুটা দুর্বল থাকতে পারে। মকর ঃ শিল্পী ও সাহিত্যিকদের দিনটি ভালো যাবে না। কুম্ভ ঃ যানবাহন চুরি যাওয়ার আশঙ্কা প্রবল। মীন ঃ বকেয়া টাকা আদায় না হওয়ার সম্ভাবনা কম।

নভেম্বর ০৭, ২০২০
রাশিফল

পরধন প্রাপ্তি কর্কটের , অন্যান্য রাশির কেমন কাটবে দিন ?

২০ কার্তিক ( ৬ নভেম্বর) শুক্রবার মেষ ঃ পিতার সাথে মনোমালিন্য হবার আশঙ্কা। বৃষ ঃ লেনদেনের ক্ষেত্রে একটু সতর্ক হতে হবে। মিথুন ঃ বৈবাহিক জীবনে রহস্যজনক বাধা-বিপত্তি দেখা দিতে পারে। কর্কটঃ পরধন প্রাপ্তির সম্ভাবনা প্রবল। সিংহ ঃ প্রেমের আঘাতে ছটফট করতে হবে। কন্যাঃ মায়ের শরীর ভালো যাবে না।তুলা ঃ পায়ে আঘাতের আশঙ্কা প্রবল। বৃশ্চিক ঃ ছোট ভাই-বোনের জন্য অর্থ ব্যয় করতে পারেন। ধনু ঃ বকেয়া টাকা আদায় না হওয়ার সম্ভাবনা কম। মকর ঃ আপনার প্রভাব প্রতিপত্তি বৃদ্ধি পাবে। কুম্ভ ঃ আয় রোজগার ব্যহত হতে পারে। মীন ঃ ব্যবসা বাণিজ্যে ভালো আয় রোজগার আশা করতে পারেন।

নভেম্বর ০৬, ২০২০
রাশিফল

ইতিবাচক মনোভাব মেষের , অন্যান্য রাশির কেমন কাটবে দিন ?

১৯ কার্তিক ( ৫ নভেম্বর) বৃহস্পতিবার মেষ ঃ আপনার ইতিবাচক মনোভাবও আপনাকে অত্যন্ত সাহায্য করবে। বৃষ ঃ যখন আপনি একাকী বোধ করছেন তখন আপনার পরিবারের সাহায্য নিন। মিথুন ঃ আপনি কর্মক্ষেত্রে আজ আপনার শক্তি এবং দুর্বলতা জানতে পারবেন। কর্কটঃ আপনি আপনার স্বপ্ন সত্যে পরিণত হতে দেখবেন। সিংহ ঃ আকস্মিক প্রেমঘটিত সাক্ষাৎ আপনার মেজাজ চাঙ্গা করতে তুলবে। কন্যাঃ ভালোবাসার মানুষকে আজ ক্ষমা করতে ভুলবেন না। তুলা ঃ আপনার বাবা মায়ের সাথে খুশি ভাগ করে নিন। বৃশ্চিক ঃ আপনি আপনার দাম্পত্য বন্ধনকে সন্দেহ করতে পারেন। ধনু ঃ আপনার ভ্রমণ এবং অর্থ ব্যয় করার মেজাজ থাকবে। মকর ঃ আপনার বিষণ্ণ জীবন আপনার পত্নীর উত্তেজনা কারণ হতে পারে। কুম্ভ ঃ ব্যবসায়িক বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় কারও দ্বারা প্রভাবিত হবেন না।মীন ঃ কেউ আপনার ভাবমূর্তি কলঙ্কিত করতে পারে , সতর্ক থাকুন।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
রাশিফল

পায়ে আঘাতের আশঙ্কা সিংহের , অন্যান্য রাশির কেমন কাটবে দিন ?

১৮ কার্তিক ( ৪ নভেম্বর) বুধবার মেষ ঃ লেনদেনের ক্ষেত্রে একটু সতর্ক হতে হবে। বৃষ ঃ পিতার সাথে মনোমালিন্য হওয়ার আশঙ্কা। মিথুন ঃ রাস্তাঘাটে সাবধানে চলাফেরা করুন। কর্কট ঃ অংশীদারি কোনও চুক্তির ক্ষেত্রে সতর্ক হতে হবে। সিংহ ঃ পায়ে আঘাতের আশঙ্কা প্রবল। কন্যা ঃ শিল্পী ও সাহিত্যিকদের দিনটি ভালো যাবে না। তুলা ঃ মায়ের শরীর ভালো যাবে না। বৃশ্চিক ঃ ছোট ভাই-বোনের জন্য অর্থ ব্যয় করতে পারেন। ধনু ঃ বকেয়া টাকা আদায় না হওয়ার সম্ভাবনা কম। মকরঃ অসুস্থদের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হবে। কুম্ভ ঃ ব্যয় তুলনামূলক বৃদ্ধি পাবে। মীন ঃ বন্ধুর সাহায্যে বকেয়া বিল আদায় করা সম্ভব হবে।

নভেম্বর ০৪, ২০২০
রাশিফল

 প্রত্যাশা পূরণের সুযোগ মেষের , অন্যান্য রাশির কতটা হবে মঙ্গল ?

১৭ কার্তিক ( ৩ নভেম্বর) মঙ্গলবার মেষ ঃ প্রত্যাশা পূরণের সুযোগ পেতে পারেন। বৃষ ঃ সাংবাদিক ও প্রকাশকদের নতুন কাজের দায়িত্ব লাভের যোগ। মিথুন ঃ বকেয়া টাকা পয়সা আদায় হবে। কর্কট ঃ প্রভাব প্রতিপত্তি ও ক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে পারে। সিংহ ঃ বিদেশ যাত্রার সুযোগ আসতে পারে। কন্যা ঃ বকেয়া বিল আদায় হতে পারে। তুলা ঃ পিতার কাছ থেকে কিছু উপহার লাভের সুযোগ আসবে। বৃশ্চিক ঃ উচ্চশিক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে সাফল্য আশা করতে পারেন। ধনু ঃ রাস্তাঘাটে চলাচলের সময় সতর্কতা অবলম্বন করুন। মকরঃ বকেয়া টাকা পয়সা আদায়ের যোগ প্রবল। কুম্ভ ঃ শরীর কিছুটা ভোগাতে পারে। মীন ঃ সন্তানের পড়াশোনা নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকতে পারেন।

নভেম্বর ০৩, ২০২০
রাশিফল

সৃজনশীল কাজে সম্মান মকরের , সপ্তাহের প্রথম দিন অন্যান্য রাশির কেমন কাটবে ?

১৬ কার্তিক ( ২ নভেম্বর) সোমবার মেষ ঃ বেকারদের কাজ কর্মের যোগ প্রবল। বৃষ ঃ রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কাজে আপনার সম্মান ও মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে। মিথুন ঃ উচ্চ শিক্ষার্থে বিদেশ যাত্রার সুযোগ পেতে পারেন। কর্কটঃ ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগে কিছু লাভের আশা করা যায়। সিংহ ঃ গোপন শত্রুতার সম্মুখীন হতে পারেন। কন্যাঃ কোনও বন্ধুর সাথে সম্পর্কের অবনতি হওয়ার আশঙ্কা। তুলা ঃ গৃহে আত্মীয় স্বজনের আগমনের যোগ প্রবল। বৃশ্চিক ঃ প্রকাশক ও মিডিয়া কর্মীর ব্যস্ততা বৃদ্ধি পাবে। ধনু ঃ বকেয়া টাকা আদায় হতে পারে। মকরঃ সৃজনশীল কাজে সম্মানিত হতে পারেন। কুম্ভ ঃ দৈনন্দিন প্রয়োজনে ব্যয় বৃদ্ধির আশঙ্কা। মীন ঃ বড় ভাই বোনের বিবাহের কথাবার্তায় অগ্রগতি হবে।

নভেম্বর ০২, ২০২০
কলকাতা

নিম্নচাপের জের , বিকেলে কলকাতায় হালকা বৃষ্টিপাত

বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ তৈরির সম্ভাবনার কথা শুক্রবারই জানিয়েছিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। শনিবার বিকেলের পর বিক্ষিপ্তভাবে হালকা বৃষ্টিও হয় কলকাতার একাধিক অঞ্চলে। এদিন সকালের দিকে রোদ ঝলমলে আকাশ থাকলেও বেলা যত বাড়ে ততই বাড়তে থাকে গুমোটভাব এবং অস্বস্তি। দুপুরের পর এবং বিকেলের দিকে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় আকাশ মেঘলা হয়ে আসে, ঘন কালো মেঘে ঢেকে যায় আকাশ। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছিল , কলকাতা, হাওড়া, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, দুই বর্ধমান, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। এদিন শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রার পারদ ছুঁয়েছে ৩৩.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শহরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পারদ ছুঁয়েছে ২২.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আরও পড়ুন ঃ নির্বাচনী ফান্ড তৈরি করার জন্য দাম বেড়েছে আলু- পিঁয়াজেরঃ দিলীপ এদিন দুপুরের পর থেকে কলকাতার আকাশও কালো হয়ে আসে। এমনিতেই গত কয়েকদিন ধরেই ভোরের দিকে হালকা শীত অনুভব হচ্ছিল। রাতেও নামছিল তাপমাত্রা। ফলে দক্ষিণবঙ্গে এখনও শীত না এলেও শীতের অনুভূতি ইতিমধ্যেই অনেকে অনুভব করছেন। ফলে ভোররাতে বা মাঝরাতের দিকে বন্ধ করে দিতে হচ্ছে ফ্যান, এসি। এই নিম্নচাপের বৃষ্টির ফলে আরও বেশ কিছুটা কমবে তাপমাত্রা, শীতের অনুভূতি আরও বাড়বে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

অক্টোবর ৩১, ২০২০
রাশিফল

ব্যয় বৃদ্ধি মীনের , অন্যান্য রাশির কেমন কাটবে ছুটির দিন ?

১৫ কার্তিক (১ নভেম্বর) রবিবার মেষ ঃ লেনদেনের ক্ষেত্রে একটু সতর্ক হতে হবে। বৃষ ঃ ধর্মীয় বা আধ্যাত্মিক কোনো অনুষ্ঠানে অংশ না নেওয়ায় ভালো। মিথুন ঃ পিতার সাথে মনোমালিন্য হওয়ার আশঙ্কা। কর্কটঃ রাস্তাঘাটে সাবধানে চলাফেরা করুন। সিংহ ঃ অংশীদারি কোনও চুক্তির ক্ষেত্রে সতর্ক হতে হবে। কন্যাঃ পায়ে আঘাতের আশঙ্কা প্রবল। তুলা ঃ শুল্ক ও কর সংক্রান্ত ঝামেলার আশঙ্কা। বৃশ্চিক ঃ সন্তানের শরীর স্বাস্থ্য কিছুটা দুর্বল থাকতে পারে।ধনু ঃ মায়ের শরীর ভালো যাবে না। মকরঃ ছোট ভাই-বোনের জন্য অর্থ ব্যয় করতে পারেন। কুম্ভ ঃ বকেয়া টাকা আদায় না হওয়ার সম্ভাবনা কম। মীন ঃ ব্যয় তুলনামূলক বৃদ্ধি পাবে।

নভেম্বর ০১, ২০২০
রাশিফল

বিনিয়োগ থেকে অর্থলাভ সিংহের , অন্যান্য রাশির কেমন কাটবে দিন ?

১৪ কার্তিক ( ৩১ অক্টোবর) শনিবার মেষ ঃ বকেয়া টাকা আদায়ের চেষ্টা জোরদার করুন। বৃষ ঃ সর্বক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন আছে। মিথুন ঃ আপনার আধ্যাত্মিক দিকে একটু মন চলে যেতে পারে। কর্কটঃ জনবহুল কোনো জায়গায় বেড়াতে যেতে হতে পারে। সিংহ ঃ পুরনো কোনও বিনিয়োগ থেকে কিছুটা অর্থলাভের সম্ভাবনা রয়েছে। কন্যাঃ কর্মক্ষেত্রে সহকর্মীর সঙ্গে মতবিরোধ হওয়ার সম্ভাবনা আছে। তুলা ঃ যারা বিবাহের কথা ভাবছেন তারা কয়েক দিন অপেক্ষা করুন। বৃশ্চিক ঃ আজ ব্যবসায় নতুন কিছু করার চেষ্টা করুন। ধনু ঃ দুপরের পর থেকে ব্যয় বৃদ্ধির যোগ। মকরঃ রোমান্টিক সম্পর্কে নতুন ঘটনা ঘটতে পারে। কুম্ভ ঃ জমি ও ভূমি ক্রয় বিক্রয়ে সফল হতে পারেন। মীন ঃ বিদেশ থেকে কোন ভালো সংবাদ পেতে পারেন।

অক্টোবর ৩১, ২০২০
রাশিফল

জনসংযোগ বৃদ্ধি মকরের , অন্যান্য রাশির কেমন কাটবে দিন ?

১৩ কার্তিক ( ৩০ অক্টোবর) শুক্রবার মেষ ঃ আর্থিক উন্নতিতে বন্ধুর সাহায্য পাবেন। বৃষ ঃ বড় ভাই বোনের সাথে সাংসারিক বিষয়ে ভুল বোঝাবুঝি দেখা দেবে। মিথুন ঃ চাকরি সংক্রান্ত কোনও পরীক্ষায় সুফল আশা করতে পারেন। কর্কটঃ ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক কাজে ব্যস্ত থাকতে হতে পারে। সিংহ ঃ দাম্পত্য ভুল বোঝাবুঝি থেকে সতর্ক থাকবেন। কন্যাঃ সাংসারিক ক্ষেত্রে জীবন সাথীর সাহায্য পেতে পারেন। তুলা ঃ প্রেমের ক্ষেত্রে ভুল সিদ্ধান্তর কারণে প্রতারিত হওয়ার যোগ প্রবল। বৃশ্চিক ঃ মানসিক শান্তি বজায় থাকবে। ধনু ঃ গোপন শত্রু সম্পর্কে সতর্ক থাকুন। মকরঃ জনসংযোগ বৃদ্ধি পাবে। কুম্ভ ঃ পেশাগত যোগাযোগ ফলপ্রসূ হতে পারে।মীন ঃ উচ্চশিক্ষার্থীদের জন্য সময় অনুকূল থাকতে পারে।

অক্টোবর ৩০, ২০২০
রাশিফল

ব্যবসায় আয় মীনের , অন্যান্য রাশির কেমন কাটবে দিন ?

১২ কার্তিক ( ২৯ অক্টোবর) বৃহস্পতিবার মেষ ঃ পিতার সাথে মনোমালিন্য হবার আশঙ্কা। বৃষ ঃ লেনদেনের ক্ষেত্রে একটু সতর্ক হতে হবে। মিথুন ঃ বৈবাহিক জীবনে রহস্যজনক বাধা-বিপত্তি দেখা দিতে পারে। কর্কটঃ পরধন প্রাপ্তির সম্ভাবনা প্রবল। সিংহ ঃ প্রেমের আঘাতে ছটফট করতে হবে। কন্যাঃ মায়ের শরীর ভালো যাবে না।তুলা ঃ পায়ে আঘাতের আশঙ্কা প্রবল। বৃশ্চিক ঃ ছোট ভাই-বোনের জন্য অর্থ ব্যয় করতে পারেন। ধনু ঃ বকেয়া টাকা আদায় না হওয়ার সম্ভাবনা কম। মকর ঃ আপনার প্রভাব প্রতিপত্তি বৃদ্ধি পাবে। কুম্ভ ঃ আয় রোজগার ব্যহত হতে পারে। মীন ঃ ব্যবসা বাণিজ্যে ভালো আয় রোজগার আশা করতে পারেন।

অক্টোবর ২৯, ২০২০
রাশিফল

সতর্ক থাকতে হবে মীনকে , অন্যান্য রাশির কেমন যাবে দিন ?

১১ কার্তিক ( ২৮ অক্টোবর) বুধবার মেষ ঃ আপনার ইতিবাচক মনোভাবও আপনাকে অত্যন্ত সাহায্য করবে। বৃষ ঃ যখন আপনি একাকী বোধ করছেন তখন আপনার পরিবারের সাহায্য নিন। মিথুন ঃ আপনি কর্মক্ষেত্রে আজ আপনার শক্তি এবং দুর্বলতা জানতে পারবেন। কর্কটঃ আপনি আপনার স্বপ্ন সত্যে পরিণত হতে দেখবেন। সিংহ ঃ আকস্মিক প্রেমঘটিত সাক্ষাৎ আপনার মেজাজ চাঙ্গা করতে তুলবে। কন্যাঃ ভালোবাসার মানুষকে আজ ক্ষমা করতে ভুলবেন না। তুলা ঃ আপনার বাবা মায়ের সাথে খুশি ভাগ করে নিন। বৃশ্চিক ঃ আপনি আপনার দাম্পত্য বন্ধনকে সন্দেহ করতে পারেন। ধনু ঃ আপনার ভ্রমণ এবং অর্থ ব্যয় করার মেজাজ থাকবে। মকর ঃ আপনার বিষণ্ণ জীবন আপনার পত্নীর উত্তেজনা কারণ হতে পারে। কুম্ভ ঃ ব্যবসায়িক বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় কারও দ্বারা প্রভাবিত হবেন না। মীন ঃ কেউ আপনার ভাবমূর্তি কলঙ্কিত করতে পারে , সতর্ক থাকুন।

অক্টোবর ২৮, ২০২০
রাশিফল

ব্যবসায় ভাল আয় মীনের , মঙ্গলে কি রয়েছে আপনার রাশিতে

১০ কার্তিক ( ২৭ অক্টোবর) মঙ্গলবার মেষ ঃ ধর্মীয় বা আধ্যাত্মিক কোনো অনুষ্ঠানে অংশ না নেওয়ায় ভাল। বৃষ ঃ লেনদেনের ক্ষেত্রে একটু সতর্ক হতে হবে। মিথুন ঃ অংশীদারি কোনও চুক্তির ক্ষেত্রে সতর্ক হতে হবে। কর্কটঃ রাস্তাঘাটে সাবধানে চলাফেরা করুন। সিংহ ঃ শিল্পী ও সাহিত্যিকদের দিনটি ভাল যাবে না। কন্যা ঃ আজ আপনার টাকা হারিয়ে ফেলতে পারেন। তুলা ঃ মুদ্রণ ও প্রকাশনা ব্যবসায় অহেতুক বাধা-বিপত্তি অব্যাহত থাকবে। বৃশ্চিক ঃ কোনো আত্মীয়র সাথে অহেতুক ভুল বোঝাবুঝিতে জড়িয়ে যেতে পারেন। ধনু ঃ জীবন সাথীর সাথে ভুল বোঝাবুঝি এড়িয়ে চলতে হবে। মকর ঃ বকেয়া টাকা আদায় না হওয়ার সম্ভাবনা কম। কুম্ভ ঃ বন্ধুর সাহায্যে বকেয়া বিল আদায় করা সম্ভব হবে। মীন ঃ ব্যবসা বাণিজ্যে ভাল আয় রোজগার আশা করতে পারেন।

অক্টোবর ২৭, ২০২০
রাশিফল

ব্যয় বৃদ্ধি কুম্ভের , দশমীর দিন অন্যান্য রাশির কেমন যাবে ?

৯ কার্তিক ( ২৬ অক্টোবর) সোমবার মেষ ঃ লেনদেনের ক্ষেত্রে একটু সতর্ক হতে হবে। বৃষ ঃ পিতার সাথে মনোমালিন্য হবার আশঙ্কা। মিথুন ঃ রাস্তাঘাটে সাবধানে চলাফেরা করুন। কর্কটঃ অংশীদারি কোনও চুক্তির ক্ষেত্রে সতর্ক হতে হবে। সিংহ ঃ সন্তানের শরীর স্বাস্থ্য কিছুটা দুর্বল থাকতে পারে। কন্যা ঃ শুল্ক ও কর সংক্রান্ত ঝামেলার আশঙ্কা। তুলা ঃ কোনও আত্মীয়র সাথে অহেতুক ভুল বোঝাবুঝিতে জড়িয়ে যেতে পারেন। বৃশ্চিক ঃ ছোট ভাই-বোনের জন্য অর্থ ব্যয় করতে পারেন। ধনু ঃ বকেয়া টাকা আদায় না হওয়ার সম্ভাবনা কম। মকর ঃ জীবন সাথীর সাথে ভুল বোঝাবুঝি এড়িয়ে চলতে হবে। কুম্ভ ঃ ব্যয় তুলনামূলক বৃদ্ধি পাবে। মীন ঃ ব্যবসা বাণিজ্যে ভালো আয় রোজগার আশা করতে পারেন।

অক্টোবর ২৬, ২০২০
রাশিফল

ভাগ্য উন্নতি বৃষের, মহানবমীর দিন অন্যান্য রাশির কেমন যাবে ?

৮ কার্তিক ( ২৫ অক্টোবর) রবিবার মেষ ঃ চাকরিজীবীদের আয় বৃদ্ধির সম্ভাবনা নেই। বৃষ ঃ ভাগ্য উন্নতি আশা করতে পারেন। মিথুন ঃ রাস্তাঘাটে সাবধানে চলাফেরা করুন। কর্কটঃ অংশীদারি কোনও চুক্তির ক্ষেত্রে সতর্ক হতে হবে। সিংহ ঃ শুল্ক ও কর সংক্রান্ত ঝামেলার আশঙ্কা। কন্যা ঃ প্রেমের আঘাতে ছটফট করতে হবে। তুলা ঃ কোনো আত্মীয়র সাথে অহেতুক ভুল বোঝাবুঝিতে জড়িয়ে যেতে পারেন। বৃশ্চিক ঃ ছোট ভাই-বোনের জন্য অর্থ ব্যয় করতে পারেন। ধনু ঃ আপনার মন সাম্প্রতিক ঘটনার কারণে বিঘ্নিত হবে। মকর ঃ প্রভাব প্রতিপত্তি বৃদ্ধি পাবে। কুম্ভ ঃ বকেয়া টাকা আদায় না হওয়ার সম্ভাবনা কম। মীন ঃ ব্যয় তুলনামূলক বৃদ্ধি পাবে।

অক্টোবর ২৫, ২০২০
রাশিফল

আর্থিক চাপ বৃষের , মহা অষ্টমীতে অন্যান্য রাশিদের কেমন যাবে ?

৭ কার্তিক ( ২৪ অক্টোবর) শনিবার মেষ : আপনার ভদ্র ব্যবহার প্রশংসনীয় হবে। বৃষ ঃ আকস্মিক অপ্রত্যাশিত খরচ আর্থিক চাপ প্রয়োগ করতে পারে। মিথুন ঃ আপনার মন সাম্প্রতিক ঘটনার কারণে বিঘ্নিত হবে। কর্কট: আপনার মন সমৃদ্ধ হবে। সিংহ: অতীতের কঠোর পরিশ্রমগুলি ফল আনায় ইচ্ছাগুলি পূর্ণ হবে। কন্যা: অতীতের বিনিয়োগ থেকে উপার্জন বৃদ্ধি দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। তুলা: ভ্রমণ লাভদায়ক হলেও খরচসাপেক্ষ হবে। বৃশ্চিক: আপনার স্ত্রীর স্বাস্হ্য কিছু দুশ্চিন্তার সৃষ্টি করতে পারে। ধনু: ব্যাক্তিগত এবং গোপন তথ্য ফাঁস করবেন না। মকর: আপনি আপনার রোমান্টিক চিন্তা এবং অতীতের স্বপ্নে নিমগ্ন থাকবেন। কুম্ভ: পরনিন্দা এবং কুৎসা থেকে দূরে থাকুন। মীন: আপনি সবার চাহিদা পূর্ণ করতে সক্ষম হবেন না।

অক্টোবর ২৪, ২০২০
উৎসব

সপ্তমীর সকাল থেকে শুরু বৃষ্টিপাত , পুজো পণ্ড হওয়ার আশঙ্কা

সপ্তমীর সকালে কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় শুরু হয়েছে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত। এদিন সকাল থেকেই আকাশের মুখ ছিল ভার। যে ক জন হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে সকাল থেকেই ঠাকুর দেখতে বেড়িয়েছিলেন , এই বৃষ্টির জেরে তারাও ভীষণভাবে বাধার সম্মুখী্ন হলেন। শেষে কো্নও উপায় না পেয়ে ছাতা হাতেই মণ্ডপে হাজির হয়েছেন অনেকে। আরও পড়ুনঃ গভীর নিম্নচাপ , পুজো কমিটিগুলিকে সতর্ক থাকতে নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর প্রসঙ্গত , মধ্য বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের কারণে আগেই পুজোয় বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছিল হাওয়া অফিস। বলা হয়েছিল, ষষ্ঠী-সপ্তমী প্রবল বৃষ্টি হবে দক্ষিণবঙ্গে। বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া ওই নিম্নচাপের অভিমুখ ছিল অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল। পরে তা অভিমুখ পরিবর্তন করে। আরও শক্তি বাড়িয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়ে ওড়িশা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূল হয়ে বাংলাদেশের দিকে এগোতে থাকে। যত পশ্চিমবঙ্গ উপকূলের কাছাকাছি আসে ততই গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে থাকে। এর জেরেই এদিন বৃষ্টির পাশাপাশি সমুদ্র উত্তাল হওয়ার সম্ভাবনাও প্রবল।

অক্টোবর ২৩, ২০২০
রাজ্য

ষষ্ঠীর সকাল থেকে নিম্নচাপের জের , শুরু বৃষ্টি

ষষ্ঠীর সকাল থেকে নিম্নচাপের জেরে কলকাতা সংলগ্ন বিভিন্ন জেলায় শুরু হয়ে গিয়েছে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি। পূর্ব মেদিনীপুর, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বইতে থাকে ঝোড়ো হাওয়া। এদিন সকাল থেকেই বিভিন্ন জেলায় আকাশের মুখ ছিল ভার। এরপর শুরু হয়ে যায় বৃষ্টি।যার জেরে ব্যহত হয় জনজীবন। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, শুক্র ও শনিবার ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে কলকাতা, হাওড়া ও হুগলিতে। সর্বোচ্চ ৫০ কিলোমিটার গতিবেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। শনিবার পর্যন্ত ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সর্তকতা রয়েছে দক্ষিণবঙ্গে। দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আরও পড়ুনঃ বাংলার মুখ্যমন্ত্রী বিমল গুরুংয়ের সঙ্গে অশুভ আঁতাত করছেনঃ অধীর জানা গিয়েছে , নিম্নচাপটি আরও শক্তি বাড়িয়ে পশ্চিমবঙ্গের উপকূলের কাছাকাছি এসে গেছে। মধ্য বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া এই নিম্নচাপের অভিমুখ ছিল অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল। কিন্তু স্থলভাগে না ঢুকে সেটি অভিমুখ পরিবর্তন করে আরও শক্তি বাড়িয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এবার এটি ওড়িশা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূল হয়ে বাংলাদেশের দিকে এগোবে। পশ্চিমবঙ্গের উপকূলের কাছাকাছি এসে তা অতি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে। এর ফলে সমুদ্র উত্তাল হবে। বইবে ঝোড়ো হাওয়া। ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।

অক্টোবর ২২, ২০২০
রাশিফল

পিতার থেকে উপহার লাভ তুলার , অন্যান্য রাশির কেমন কাটবে মহাসপ্তমী ?

৬ কার্তিক ( ২৩ অক্টোবর) শুক্রবার মেষ : বাড়িতে বহু আত্মীয় স্বজনের আগমন হতে পারে। বৃষ ঃ মিডিয়ার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা নতুন নতুন কাজের যোগাযোগ পেতে পারেন। মিথুন ঃ বকেয়া টাকা পয়সা আদায় হবে। কর্কট: জীবনসাথীর পূর্ণ সাহায্য পেতে পারেন। সিংহ: বিদেশ যাত্রার সুযোগ আসতে পারে। কন্যা: ব্যবসায়ীরা কিছু ভাল আয়ের সুযোগ পাবেন। তুলা: পিতার কাছ থেকে কিছু উপহার লাভের সুযোগ আসবে। বৃশ্চিক: ভাগ্য সুপ্রসন্ন হবে। ধনু: আর্থিক সঙ্কটের আশঙ্কা প্রবল। মকর: অবিবাহিতদের বিয়ের কথাবার্তায় অগ্রগতি আশা করা যায়। কুম্ভ: গোপন শত্রুতা বৃদ্ধি পাবে। মীন: অভিনয় শিল্পীরা নতুন কাজের সুযোগ পাবেন।

অক্টোবর ২৩, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

চোরবাগানে দুর্গাপুজোর ভিড়ে মর্মান্তিক বিপর্যয়! পদপিষ্টের আশঙ্কা, একাধিক মৃত্যুর দাবি সূত্রের, হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী

কলকাতা: সপ্তমীর সন্ধ্যায় দুর্গাপুজোর আনন্দ মুহূর্তে পরিণত হল আতঙ্কে। প্রবল বৃষ্টি থেকে বাঁচতে মণ্ডপে ঢোকার হুড়োহুড়ি, তার সঙ্গে বিপুল দর্শনার্থীর চাপসব মিলিয়ে উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীনে তৈরি হল ভয়াবহ পরিস্থিতি। মণ্ডপের ভিতরে পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতিতে বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে খবর। আহতদের কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আনন্দবাজার সুত্রে জানা যায় এই ঘটনায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও মৃত্যুর এই সংখ্যা সরকারি ভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।ঘটনার খবর পেয়েই হাসপাতালে পৌঁছে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং উদ্ধারকাজের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন তিনি। পাশাপাশি পুজো উদ্যোক্তাদের থানায় ডাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে তীব্র চাঞ্চল্য। বন্ধ করে দেওয়া হয় মণ্ডপের আলো এবং প্রবেশ ও বেরোনোর পথ।প্রবল বৃষ্টির জেরেই কি বিপত্তি?সপ্তমীর সন্ধ্যায় উত্তর ও মধ্য কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় শুরু হয় প্রবল বৃষ্টি। তার জেরে রাস্তায় যানজট তৈরি হওয়ার পাশাপাশি পুজো মণ্ডপগুলিতেও দর্শনার্থীদের ভিড় সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বহু মানুষ একসঙ্গে মণ্ডপের ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। শুরু হয় ঠেলাঠেলি। সেই সময় কয়েক জন ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যান। তাঁদের পিছনে থাকা ভিড়ের চাপে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, মণ্ডপের ভিতরের একটি বৃত্তাকার পথে এই বিপত্তি ঘটে। ওই পথে দর্শনার্থীদের ঘুরে মণ্ডপ থেকে বেরিয়ে আসার ব্যবস্থা ছিল। সেখানে একসঙ্গে বহু মানুষের জমায়েত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কাঠামোর কোনও অংশ ভেঙে পড়েছিল কি না, সেই সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।হাসপাতালে আহতদের ভিড়, চলছে চিকিৎসাঘটনার পর দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। কলকাতা পুলিশের সূত্রে প্রথমে ৩৫ জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেলেও, পরে মেডিক্যাল কলেজের একটি সূত্রে দাবি করা হয়, সেখানে ৪০ থেকে ৫০ জনকে আনা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গিয়েছে। উদ্ধারকারীদের দাবি, কয়েক জনকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ইমার্জেন্সি অবজারভেশন ওয়ার্ডে আহতদের চিকিৎসা চলছে। কয়েক জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। ঘটনাস্থল ও হাসপাতালের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পৌঁছন কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দও।হাসপাতালের একটি সূত্রের দাবি, মৃত ১৭ জনের মধ্যে ১৩ জন মহিলা, তিন জন পুরুষ এবং একটি শিশু রয়েছে। তবে প্রশাসনের তরফে এই মৃত্যুসংখ্যা বা মৃতদের পরিচয় সম্পর্কে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। ফলে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা সম্পর্কে সরকারি নিশ্চিতকরণের অপেক্ষা রয়েছে।উদ্ধারকাজে জোর, উঠছে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নদুর্ঘটনার পর মণ্ডপ চত্বরে উদ্ধারকাজে জোর দেওয়া হয়। পুলিশ ও দমকলের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়া হয়। মণ্ডপের আলোও নিভিয়ে দেওয়া হয়, যাতে উদ্ধারকাজে অসুবিধা না হয়।অন্যদিকে, প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের অভিযোগ, পরিস্থিতি যখন দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছিল, তখন পর্যাপ্ত পুলিশ বা নিরাপত্তারক্ষী সময়মতো সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। সাহায্যের আবেদন জানিয়েও তাঁরা সাড়া পাননি বলে অভিযোগ। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীন ভাবে যাচাই করা যায়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, প্রবেশ ও নির্গমন ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তার পর্যাপ্ততা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে পারে।পুজো উদ্যোক্তা বিকাশ দাস জানিয়েছেন, কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তা এখনও তাঁদের কাছে স্পষ্ট নয়। আপাতত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য। পদপিষ্ট হয়েই এই বিপর্যয় ঘটেছে কি না, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তিনি।৩৬০ ডিগ্রির মণ্ডপে কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা?চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির ২০২৬ সালের পুজোর ভাবনা অরব, যার ইংরেজি ব্যাখ্যা বিয়ন্ড সাউন্ড। শব্দের পরিচিত সীমা ছাড়িয়ে নীরবতার গভীরে পৌঁছনোর ভাবনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছিল মণ্ডপ। সৃজনশীল পরিকল্পনার অন্যতম আকর্ষণ ছিল ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে মণ্ডপ দেখার ব্যবস্থা। সেরা পুজোর তালিকায়ও এই পুজো তৃতীয় স্থান পেয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।কিন্তু দর্শনার্থীদের চলাচলের জন্য তৈরি বৃত্তাকার এলিভেটেড করিডোর ঘিরেই বিপত্তি ঘটেছে বলে প্রাথমিক সূত্রের খবর। ওই পথে একসঙ্গে কত জনের চলাচলের ব্যবস্থা ছিল, ভিড়ের সময় প্রবেশ ও নির্গমন নিয়ন্ত্রণ কীভাবে করা হচ্ছিল এবং জরুরি পরিস্থিতিতে বিকল্প বেরোনোর পথ ছিল কি নাএই প্রশ্নগুলি এখন গুরুত্বপূর্ণ।উল্লেখ্য, এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন দেবদীপ অধিকারী, যিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভাইপো। জোড়াসাঁকোর বিজেপি বিধায়ক বিজয় ওঝা পুজো কমিটির চেয়ারম্যান। উত্তর কলকাতা জেলা তৃণমূলের সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষও এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত। তবে দুর্ঘটনার দায় নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোনও ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয়ের বদলে তদন্তে উঠে আসা তথ্য ও প্রমাণই গুরুত্বপূর্ণ হবে।হেল্পলাইন চালু রাজ্য সরকারেরঘটনার পর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে একটি টোল-ফ্রি হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। নম্বরটি হল ১৮০০৩৪৫৫৬৭৮। দুর্ঘটনায় আহতদের সম্পর্কে তথ্য জানতে বা সংশ্লিষ্ট সহায়তার জন্য এই নম্বর ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।সপ্তমীর সন্ধ্যায় উৎসবের আবহে ঘটে যাওয়া এই বিপর্যয় ফের বড় পুজো মণ্ডপগুলিতে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল। তবে কত জনের মৃত্যু হয়েছে, কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি নাতার চূড়ান্ত উত্তর মিলবে সরকারি বিবৃতি ও তদন্তের পরেই।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
উৎসব

দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের উন্মাদনা! ফুটবলের টানে মাঠে ফিরুক কচিকাঁচারা, অভিনব থিম পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির

পূর্ব বর্ধমান: দুর্গাপুজোর মণ্ডপে এ বার ফুটবল বিশ্বকাপের আবহ। কোথাও বিশ্বজয়ী স্পেনের উল্লাস, কোথাও ভারতীয় ফুটবলের ছবি, আবার কোথাও লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। ফুটবলকে কেন্দ্র করে পুজোর মণ্ডপেই যেন তৈরি হচ্ছে এক টুকরো বিশ্বকাপের আসর। বাঙালির চিরন্তন ফুটবলপ্রেমকে উদ্যাপন এবং নতুন প্রজন্মকে মোবাইলের পর্দা থেকে মাঠে ফিরিয়ে আনার বার্তা দিতে এমনই অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে পূর্ব বর্ধমানের পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি ক্লাব।পুজোর থিম মানেই এখন শিল্প, সংস্কৃতি, সমাজ সচেতনতা কিংবা নানা অভিনব ভাবনার মেলবন্ধন। সেই ধারাতেই এ বার ফুটবলকে সঙ্গী করেছে পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি। ক্লাবের ২৯তম বর্ষের পুজোয় তাদের থিম ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড। অর্থাৎ, ভাষা, দেশ ও সংস্কৃতির ভিন্নতা থাকলেও ফুটবল যে গোটা বিশ্বকে একই সুতোয় বেঁধে রাখতে পারে, সেই বার্তাই তুলে ধরা হয়েছে মণ্ডপসজ্জার মাধ্যমে।মণ্ডপের প্রবেশপথ থেকেই দর্শকদের নজর কাড়ার আয়োজন। সামনে রাখা হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপের সরকারি বল ট্রিয়োন্ডা। বলটিকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে বিশ্বকাপের আবহ। মণ্ডপের এক দিকে রয়েছে বিশ্বকাপজয়ী স্পেনের ঐতিহাসিক মুহূর্তের ছবি, অন্য দিকে স্থান পেয়েছে ভারতীয় ফুটবল দলের ছবি। আন্তর্জাতিক ফুটবলের গৌরবের পাশাপাশি দেশের ফুটবলের প্রতি ভালোবাসাকেও সমান গুরুত্ব দিতে চেয়েছেন উদ্যোক্তারা।এই থিমের অন্যতম আকর্ষণ ফুটবল বিশ্বের দুই মহাতারকা লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। তাঁদের ফুটবলজীবনের স্মৃতি ও জনপ্রিয়তাকে সামনে রেখে সাজানো হয়েছে মণ্ডপের বিভিন্ন অংশ। পাশাপাশি থাকছে আরও কয়েক জন তারকা ফুটবলারের প্রতিকৃতি। বিশ্বকাপের নানা স্মরণীয় মুহূর্তের ছবি দর্শকদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে মাঠের উত্তেজনা, গোলের উল্লাস এবং সমর্থকদের আবেগে ভরা সেই সব মুহূর্তে।মণ্ডপের অন্দরসজ্জাতেও থাকছে চমক। বিশ্বকাপের ইতিহাসে জায়গা করে নেওয়া ৭০টি উল্লেখযোগ্য মুহূর্তের ছবি সাজিয়ে তোলা হচ্ছে সেখানে। ভারতীয় ফুটবলের জন্যও রাখা হয়েছে বিশেষ জায়গা। দেশের ফুটবলের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ১২টি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের ছবি তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে উদ্যোক্তাদের। ফলে এই মণ্ডপ শুধু পুজো দেখার জায়গা নয়, ফুটবলের ইতিহাস ও স্মৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ারও একটি সুযোগ হয়ে উঠতে পারে।বিশ্বকাপ ফাইনালের উত্তেজনাকেও বিশেষ ভাবে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা হয়েছে। মণ্ডপের এক পাশে গ্যালারির আদলে তৈরি অংশে থাকবে ফাইনালের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি। দুর্গাপ্রতিমার পাশেও স্থান পাচ্ছে ফাইনালের স্মরণীয় দৃশ্য এবং ফুটবল তারকাদের ছবি। মণ্ডপের একেবারে উপরের দিকে থাকবে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের পতাকা। আলোর কারুকার্যে সেই সব পতাকার রং ফুটিয়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে। সব মিলিয়ে দর্শকদের সামনে ফুটবল বিশ্বকাপের একটি দৃশ্যমান আবহ তৈরি করাই উদ্যোক্তাদের লক্ষ্য।এখানেই শেষ নয়। মণ্ডপে থাকবে একটি বড় পর্দা, যেখানে দেখানো হবে বিশ্বকাপের বিভিন্ন ম্যাচের হাইলাইটস। ফলে প্রতিমা দর্শনের পাশাপাশি ফুটবলপ্রেমীরা ফিরে দেখতে পারবেন মাঠের সেরা মুহূর্তগুলি। গোল, সেভ, দুরন্ত পাস কিংবা ট্রফি জয়ের উল্লাসবিশ্বকাপের নানা স্মৃতি মণ্ডপের পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে।তবে এই আয়োজনের পিছনে শুধুই দর্শকদের আকর্ষণ করার ভাবনা নেই। উদ্যোক্তাদের মূল লক্ষ্য, ছোটদের মধ্যে ফুটবলের প্রতি আগ্রহ বাড়ানো এবং তাদের মাঠমুখী করে তোলা। বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল বিনোদনের প্রতি শিশু-কিশোরদের আকর্ষণ বাড়ছে। সেই পরিস্থিতিতে খেলাধুলার আনন্দ, দলগত প্রচেষ্টা, শৃঙ্খলা এবং শরীরচর্চার গুরুত্ব নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে ফুটবলকে মাধ্যম করেছে ক্লাব।ফুটবল এমন একটি খেলা, যেখানে জয়ের আনন্দের পাশাপাশি থাকে পরাজয় মেনে নেওয়া, সতীর্থের পাশে দাঁড়ানো এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার শিক্ষা। ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড থিমের মাধ্যমে সেই সামাজিক ও মানবিক বার্তাও দর্শকদের কাছে পৌঁছে দিতে চায় পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি।দুর্গাপুজোর উৎসবের সঙ্গে ফুটবলের আবেগকে মিলিয়ে এই উদ্যোগ কতটা দর্শকপ্রিয় হয়, তা অবশ্য সময়ই বলবে। তবে মণ্ডপের সাজসজ্জা থেকে বিশ্বকাপের স্মৃতি, আন্তর্জাতিক তারকা থেকে ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসসব কিছুকে এক ছাতার তলায় এনে পুজোর আনন্দে নতুন মাত্রা যোগ করার চেষ্টা করেছে ক্লাব। উদ্যোক্তাদের আশা, মণ্ডপে এসে বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতে ওঠার পাশাপাশি ছোটদের মনে জাগবে ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন। আর সেই স্বপ্নের টানেই হয়তো এক দিন তারা মোবাইল সরিয়ে রেখে আবার ছুটবে গ্রামের মাঠে, পায়ে বল নিয়ে।দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের আবহ, আর সেই আবহ থেকেই মাঠে ফেরার ডাকপূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির এ বারের পুজোর ভাবনায় ফুটবল তাই শুধু খেলা নয়, নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলারও এক বার্তা।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় বড় চমক! কবে নিজের গর্ভগৃহে ফিরবেন তারাপীঠের মা তারা?

মহালয়ার আগেই তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে মা তারাকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা ছিল। পরে ষষ্ঠীর দিনও তাঁকে ফিরিয়ে আনার কথা ভাবা হয়েছিল। কিন্তু মন্দিরের সংস্কারের কাজ শেষ না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন মা তারাকে মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কমিটি। ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যারতির পর নতুন বেদিতে অধিষ্ঠিত হবেন দেবী। ওই দিন রাজরাজেশ্বরী রূপে তাঁর বিশেষ পুজো হবে।তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে এখন সংস্কারের কাজ চলছে। দেবীর আসনের বেদির উচ্চতা আট ইঞ্চি বাড়ানো হয়েছে। এই সংস্কারের জন্য খরচ হচ্ছে প্রায় দেড় কোটি টাকা। অযোধ্যার রামমন্দিরের কারিগরদের দিয়ে বিশেষ রেলিং তৈরি করানো হচ্ছে। তবে দিল্লি হয়ে সেই রেলিং তারাপীঠে পৌঁছতে দেরি হওয়ায় সংস্কারের কাজও পিছিয়ে যায়। মন্দির কমিটি জানিয়েছে, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন সব ধর্মীয় আচার মেনে মা তারাকে নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠা করা হবে।মন্দির কমিটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওই দিন ভোরে শিবমন্দির থেকে মা তারাকে নিয়ে আসা হবে বিশ্রাম মঞ্চে। সেখানে দিনভর পুজো ও দর্শন চলবে। সন্ধ্যারতির পর দেবীকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে মূল গর্ভগৃহে। নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠার আগে শুদ্ধিকরণ-সহ প্রয়োজনীয় ধর্মীয় আচার পালন করা হবে। লক্ষ্মীপুজোর বিশেষ লগ্নে মা তারাকে রাজরাজেশ্বরী রূপে সাজিয়ে মহালক্ষ্মী হিসেবে পুজো করা হবে।সংস্কারের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরিয়ে শিবমন্দিরে রাখা হলেও তাঁর নিত্যপুজো ও দর্শন বন্ধ হয়নি। সেখানেই নিয়মিত পুজো চলছে। তারাপীঠ মন্দির কমিটির সম্পাদক পুলক চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কৌশিকী অমাবস্যার দুদিন পর সংস্কারের কাজের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরানো হয়েছিল। মহালয়া অমাবস্যার ঠিক আগে তাঁকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা থাকলেও কয়েকটি সমস্যার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে ষষ্ঠীর দিন তাঁকে ফেরানোর কথা ভাবা হয়েছিল, কিন্তু সংস্কারের কাজ বাকি থাকায় সেই পরিকল্পনাও কার্যকর করা যায়নি।পুলক চট্টোপাধ্যায় আরও জানান, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চতুর্দশীর দিন ভোরে মা তারাকে শিবমন্দির থেকে বিশ্রাম মঞ্চে নিয়ে আসা হবে। ২৫ অক্টোবর সারাদিন সেখানেই থাকবেন দেবী। সন্ধ্যারতির পর তাঁকে আবার নিজের মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় মা তারার এই বিশেষ আরাধনাকে ঘিরে এখন প্রস্তুতি চলছে তারাপীঠ মন্দিরে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দু সরকারের বিচারে কলকাতার সেরা পুজো কোনটি? প্রথম স্থান পেল সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার!

রাজ্যে পালাবদলের পর এ বারই প্রথম দুর্গাপুজো। তার মধ্যেই কলকাতার সেরা পুজোগুলির নাম ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর, কলকাতা পুরসভা এবং কলকাতা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মোট ২৩টি পুজো কমিটিকে বিভিন্ন বিভাগে সম্মান জানানো হয়েছে। সেরা প্রতিমা, সেরা মণ্ডপ, আলোকসজ্জা, পরিবেশবান্ধব পুজো এবং সমাজ সচেতনতার মতো বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।সরকারের বিচারে এ বারের সেরার সেরা হয়েছে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার। এই বিভাগে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে বৃন্দাবন গার্ডেন দুর্গাপুজো সমিতি। তৃতীয় হয়েছে চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি।সেরা প্রতিমা বিভাগে প্রথম হয়েছে মুদিয়ালি ক্লাব। দ্বিতীয় স্থানে টালা বারোয়ারি, তৃতীয় স্থানে বেহালা অরুণোদয় সমিতি এবং চতুর্থ স্থানে আহিরীটোলা সর্বজনীন। অন্য দিকে, সেরা মণ্ডপের পুরস্কার পেয়েছে খিদিরপুর ২৫ পল্লি। এই বিভাগে দ্বিতীয় হয়েছে আমরা কজন কল্যাণ সমিতি।আলোকসজ্জার বিভাগেও ঘোষণা করা হয়েছে পুরস্কারজয়ীদের নাম। এই বিভাগে প্রথম হয়েছে সন্তোষপুর অ্যাভিনিউ সাউথ। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বকুলবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব। তৃতীয় হয়েছে শিবমন্দির সর্বজনীন দুর্গোৎসব।পরিবেশবান্ধব পুজোর বিভাগে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে নলিন সরকার স্ট্রিট। দ্বিতীয় হয়েছে পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কের পুজো। তৃতীয় স্থান পেয়েছে রাজডাঙা নব উদয় সংঘ।সমাজ সচেতনতার বিভাগে প্রথম হয়েছে কাশীবোস লেন। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বালিগঞ্জ কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন। তৃতীয় হয়েছে চক্রবেড়িয়া সর্বজনীন এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে অজেয় সংহতি।এ ছাড়াও চারটি পুজো কমিটিকে বিশেষ পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে বি জি লাইন্স আবাসিক দুর্গাপুজো কমিটি, শ্যাম স্কোয়্যার, ঠাকুরপুকুর এসবি পার্ক এবং সমাজসেবী সংঘ।সব মিলিয়ে, দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এ কলকাতার একাধিক পরিচিত পুজো কমিটি বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে। সেরার সেরা হিসেবে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যারের নাম উঠে আসার পাশাপাশি প্রতিমা, মণ্ডপ, আলো, পরিবেশ এবং সমাজ সচেতনতার বিভাগেও আলাদা করে সেরাদের বেছে নিয়েছে সরকার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

হাই কোর্টে ধাক্কা, এ বার সুপ্রিম কোর্টে সুজিত বসু! পুজোর আগে কি মিলবে স্বস্তি?

কলকাতা হাই কোর্টে জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাই কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন তিনি। তবে এখনই এই মামলার শুনানি হচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। ফলে দুর্গাপুজোর আগে জামিন মিলবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে জেলবন্দি তৃণমূলের এই নেতা।গত ১২ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। তার পর থেকে তিনি জেলে রয়েছেন। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। হাই কোর্টে জামিনের আবেদন জানিয়েও স্বস্তি পাননি প্রাক্তন মন্ত্রী। এ বার সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন তিনি।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর দুর্নীতির অভিযোগে বিভিন্ন মামলার তদন্ত ঘিরে তৎপরতা বেড়েছে। পুরসভায় নিয়োগ এবং শিক্ষক নিয়োগের মতো একাধিক মামলার তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি ও সিবিআই। সেই তদন্তের সূত্রেই সুজিতের বিরুদ্ধে পুর নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে। গত ১২ মে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।তদন্তের সময় সুজিত বসুর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর ছেলের রেস্তরাঁকে ঘিরেও একাধিক বেআইনি কাজের অভিযোগ সামনে এসেছে। এই সব অভিযোগের তদন্তে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছেন ইডির আধিকারিকেরা। তবে অভিযোগগুলির সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হওয়া এখনও বাকি।জামিনের আবেদন বারবার খারিজ হওয়ায় সুজিতের আইনি লড়াই আরও জটিল হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টে তাঁর আবেদন কোন দিকে এগোয়, সেটাই দেখার। পুজোর আগে শীর্ষ আদালতে শুনানি না হলে আপাতত জেলেই থাকতে হতে পারে প্রাক্তন মন্ত্রীকে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
দেশ

এক সপ্তাহে দু’বার আটক অভিজিৎ দীপকে! দিল্লিতে তিরঙ্গা মিছিলের আগেই কেন কড়া পদক্ষেপ পুলিশের?

ফের আটক ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শুক্রবার দিল্লির কনট প্লেসে দলের তিরঙ্গা মিছিল হওয়ার কথা ছিল। তবে ওই মিছিলে বড় জমায়েতের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। বৃহস্পতিবারই পুলিশের তরফে জানানো হয়েছিল, জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার জন্য ১১ জনের একটি দলকে অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। এর পর শুক্রবার সকালে মিছিল শুরুর ঠিক আগে অভিজিৎ দীপকের দিল্লির বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। তাঁকে কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়ে একটি নোটিস দেওয়া হয়। তার পরেই তাঁকে আটক করা হয়। এক সপ্তাহের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার আটক হলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা।এর আগে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লি এসেছিলেন অভিজিৎ। দিল্লিতে বিমান অবতরণের পরেই তাঁকে আটক করেছিল পুলিশ। এ বার জাতীয় পতাকা হাতে তিরঙ্গা মিছিল শুরুর আগেই ফের তাঁকে আটক করা হল।বৃহস্পতিবারই সিজেপিকে মিছিলের অনুমতি নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। জানানো হয়েছিল, ১১ জনের একটি দল জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে পারে। শুক্রবার সকালে মিছিলের আগে অভিজিৎ দীপকের বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে নোটিস দেয় পুলিশ। কনট প্লেসে নির্ধারিত কর্মসূচিতে যোগ না দেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয় তাঁকে।তবে অভিযোগ, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি মেনেই জাতীয় পতাকা হাতে কনট প্লেসের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন অভিজিৎ। সেই সময় তাঁকে রাস্তা থেকে আটক করে পুলিশ। তার আগে পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসা হয় বলেও জানা গিয়েছে। কেন তাঁকে আটক করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা। অভিজিতের দাবি, তিনি কোনও আইন ভাঙেননি।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

টেবিল-ছাতা পেতেও মিলল না ছাড়! সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে কড়া নির্দেশ প্রধান বিচারপতির

সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে নতুন করে জট তৈরি হল কলকাতা হাই কোর্টে। একক বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। শুক্রবার সেই মামলায় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চের রায় খারিজ করে দিল ডিভিশন বেঞ্চ। শুধু তাই নয়, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত। আগামী ২১ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি। মামলার সঙ্গে যুক্ত সব পক্ষকে নোটিস দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত।শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে জানতে চান, বুকস্টল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল কি না। তাঁর প্রশ্ন, আবেদন করেও অনুমতি না পেলে পুলিশ কী করবে? সিপিএমের আইনজীবী শামিম আহমেদ জানান, অনুমতি চেয়ে গণপূর্ত দফতর এবং জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে ইমেল করা হয়েছিল। পুলিশকেও আবেদনের কথা জানানো হয়েছিল বলে জানান মামলাকারীর আইনজীবী।এর পরেই রাস্তার ধারে থাকা স্টলগুলি নিয়ে কড়া অবস্থান জানান প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, অনুমতি না থাকলে কোনও স্টলই রাখা যাবে না। আইনের চোখে সবাই সমান। সিপিএমের বুকস্টল কোথায় রয়েছে, তা জানতে চান তিনি। উত্তরে শামিম আহমেদ জানান, বুকস্টলটি দলের কার্যালয়ের সামনে। রাস্তার ধারে অন্য স্টলগুলির সঙ্গে একই লাইনে রয়েছে কি না, নাকি রাস্তার উপরে এগিয়ে এসেছে, সেই প্রশ্নও করেন প্রধান বিচারপতি। সিপিএমের আইনজীবী দাবি করেন, বুকস্টলটি অন্য স্টলগুলির মতো একই লাইনে রয়েছে।রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য জানান, অন্য স্টলগুলির অনুমতি রয়েছে কি না, তা তাঁর জানা নেই। এর পর প্রধান বিচারপতি বলেন, অনুমতি না থাকলে সব স্টলই সরিয়ে দিতে হবে। আইনের চোখে সকলের সমান অধিকার থাকা প্রয়োজন।সিপিএমের আইনজীবী জানান, একক বেঞ্চও একই ধরনের পর্যবেক্ষণ করেছিল। অন্য দিকে, অ্যাডভোকেট জেনারেল প্রশ্ন তোলেন, অনুমতি ছাড়া কী ভাবে বুকস্টল চালানো সম্ভব? সিপিএমের তরফে পাল্টা জানানো হয়, দুর্গাপুজো শুরু হয়ে গিয়েছে। হাতে আর তিন-চার দিন রয়েছে। তাই মাইক বা মাইক্রোফোন ব্যবহার না করে বুকস্টল চালানোর অনুমতি দেওয়া হোক।শেষ পর্যন্ত আরও একটি প্রস্তাব দেন সিপিএমের আইনজীবী। তিনি জানান, দলের কার্যালয়ের সামনে পাঁচ ফুট লম্বা একটি টেবিল পেতে, কোনও ছাউনি ছাড়াই শুধু ছাতা ব্যবহার করে বুকস্টল চালাতে চান তাঁরা। কিন্তু সেই প্রস্তাবেও রাজি হয়নি আদালত। পাল্টা সওয়ালে অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, বনগাঁ থানার আইসি আদালতে উপস্থিত রয়েছেন। বুকস্টল থেকে বাংলাদেশ সীমান্তের দূরত্ব ছয় কিলোমিটার। এর পরেই প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

পঞ্চমীর পর ষষ্ঠীতেও কলকাতার মেট্রোয় জনপ্লাবন! দরজা বন্ধ করতেই হিমশিম কর্মীরা

পঞ্চমী থেকেই ভিড়ে ঠাসা কলকাতা। মেট্রো স্টেশনে পা রাখার জায়গা নেই। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যাচ্ছে। ভিড়ের চাপে অনেক সময় বন্ধ করা যাচ্ছে না মেট্রোর দরজা। ফলে একের পর এক স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকছে ট্রেন। ষষ্ঠীতেও পরিস্থিতির বিশেষ বদল হয়নি। মেট্রোর পাশাপাশি লোকাল ট্রেনেও যাত্রীদের ভিড় উপচে পড়ছে। ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে শহরবাসীকে। এই পরিস্থিতিতে মেট্রোর পরিষেবা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দুর্গাপুজো মানেই প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘোরা। ভিড়ের কথা মাথায় রেখেও অনেকেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন প্রতিমা দর্শনে। এখন তো তৃতীয়া থেকেই শুরু হয়ে যায় ঠাকুর দেখা। ফলে পঞ্চমী আসতেই শহরের বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনে ভিড় বাড়তে শুরু করে। পঞ্চমীর রাতে চাঁদনি চক, এসপ্ল্যানেড-সহ একাধিক স্টেশনে কার্যত জনস্রোত দেখা যায়। বিকেল থেকেই মেট্রোয় ঠাসাঠাসি ভিড় ছিল।তার উপর একাধিক মেট্রো বাতিল হওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার চেষ্টা করেন যাত্রীরা। ভিড় এতটাই বেশি ছিল যে অনেক ক্ষেত্রে দরজা বন্ধ করতে সমস্যা হয়। কোথাও কোথাও ভিড় সামলাতে পুলিশকর্মীদের যাত্রীদের নামিয়ে দিতে হয় বলেও জানা গিয়েছে। সব মিলিয়ে পঞ্চমীর রাতেই মেট্রোয় দুর্ভোগ চরমে ওঠে।ষষ্ঠীতেও ছবিটা প্রায় একই। সকাল থেকেই কলকাতার বিভিন্ন পুজোমণ্ডপে ভিড় জমাতে শুরু করেন দর্শনার্থীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাস, ট্রেন এবং মেট্রোয় যাত্রীর সংখ্যা আরও বাড়ে। মেট্রোর তরফে বারবার একই ট্রেনে ওঠার জন্য তাড়াহুড়ো না করতে বলা হলেও তাতে বিশেষ লাভ হয়নি। পুজোর ভিড়ে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছতে চাইছেন সকলেই। কারণ, যাতায়াতে সময় কম লাগলে আরও বেশি প্রতিমা দেখার সুযোগ মিলবে।শিয়ালদহমুখী লোকাল ট্রেনেও ভিড়ের ছবিটা আলাদা নয়। ট্রেনের ভিতরে যাত্রীদের ঠাসাঠাসি ভিড় থাকায় সমস্যায় পড়ছেন অনেকে। পুজোর সময়ে শহর ও শহরতলির যাত্রীসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় পরিবহণ ব্যবস্থার উপর চাপ বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বাড়তি ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। আগামীকাল, অর্থাৎ সপ্তমী থেকে অতিরিক্ত ট্রেন চললে ভিড় কিছুটা সামলানো যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে পুজোর বাকি দিনগুলিতে মেট্রো ও লোকাল ট্রেনে যাত্রীদের ভোগান্তি কতটা কমে, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal