• ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩, বুধবার ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Worker

রাজ্য

বাংলায় কথা বলতেই ‘বাংলাদেশি’ তকমা! ৭ মাস জেল, শেষে অভিষেকের চেষ্টায় ঘরে ফিরলেন দুই যুবক

মঙ্গলবার বিমানবন্দর থেকে দিল্লি যাওয়ার আগে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, বাংলায় কথা বলার জেরে মহারাষ্ট্রে জেলবন্দি হওয়া দক্ষিণ দিনাজপুরের দুই পরিযায়ী শ্রমিক অবশেষে ঘরে ফিরেছেন তাঁর উদ্যোগেই। তিনি জানান, ওই দুই যুবকের নাম অসিত সরকার এবং গৌতম বর্মণ। একজন তপনের বাসিন্দা, অন্যজন কুমারগঞ্জের। অভিষেক বলেন, অসিত সরকার নিজেকে বিজেপির বুথ সভাপতি বলে পরিচয় দিয়েছিলেন এবং দাবি করেছিলেন যে তিনি দীর্ঘ ২০ বছর ধরে মুম্বইয়ে কাজ করছেন। কিন্তু হঠাৎ মহারাষ্ট্র পুলিশের অভিযানে তাঁকে ধরে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। তিনি স্ত্রীকে বলেছিলেন বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে। অভিযোগ, স্ত্রী কেঁদে অনুরোধ করলেও সাংসদের তরফে কোনও সাহায্য মেলেনি।বালুরঘাট ব্লকের পতিরাম গ্রামপঞ্চায়েতের লক্ষ্মীপুর এলাকার বাসিন্দা অসিত সরকার একটি গোডাউনে কাজ করতেন। পরিবারের দাবি, তিনি ভালোভাবে হিন্দি বলতে পারেন না। মুম্বইয়ে পুলিশের জেরার সময় বাড়ি কোথায় জানতে চাইলে তিনি কোনওরকমে বাঙাল শব্দটি বলেন। এরপরেই তাঁর গায়ে বাংলাদেশি হওয়ার তকমা সাঁটা হয়। অভিযোগ, এই সন্দেহেই প্রায় সাত মাস তাঁকে মুম্বইয়ের জেলে থাকতে হয়। পরিবার নানা নথিপত্র নিয়ে বিজেপি সাংসদের দ্বারস্থ হলেও কোনও লাভ হয়নি বলে দাবি।গঙ্গারামপুর ব্লকের বাসিন্দা গৌতম বর্মণও একই পরিস্থিতির শিকার হন। তৃণমূলের দাবি, তিনিও বিজেপির বুথ সভাপতি ছিলেন। তবু বিজেপির তরফে কোনও সাহায্য মেলেনি। বিষয়টি জানার পর তৃণমূল নেতৃত্ব অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এরপরেই তিনি উদ্যোগ নিয়ে দুই পরিযায়ী শ্রমিককে ঘরে ফেরানোর ব্যবস্থা করেন।সোমবার জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি অম্বরিশ সরকার নিজে উদ্যোগ নিয়ে দুই যুবককে তাঁদের বাড়িতে পৌঁছে দেন। দীর্ঘদিন পরে ছেলে বাড়ি ফেরায় খুশিতে চোখে জল পরিবারের সদস্যদের। অসিত সরকার বলেন, এতদিন পরে বাড়িতে ফিরতে পেরে তিনি খুবই স্বস্তিতে আছেন। অম্বরিশ সরকারের দাবি, বিজেপির বুথ সভাপতি হয়েও অসিত এবং গৌতম কেউই দলের তরফে সাহায্য পাননি। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশেই তাঁদের ঘরে ফেরানো সম্ভব হয়েছে।যদিও এই অভিযোগ নিয়ে বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে বিজেপির জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী বলেন, ওই যুবকেরা আদৌ বুথ সভাপতি ছিলেন কি না, তা তিনি জানেন না। তাঁর দাবি, গোটা বিষয়টি তৃণমূলের অপপ্রচার। পাশাপাশি তিনি প্রশ্ন তোলেন, কেন রাজ্যে কাজ নেই বলেই মানুষ ভিনরাজ্যে যেতে বাধ্য হচ্ছে।

ডিসেম্বর ৩১, ২০২৫
বিদেশ

এইচ-১বি ভিসায় বজ্রাঘাত! ট্রাম্পের নতুন নিয়মে বিপাকে হাজার হাজার ভারতীয়

আমেরিকায় মেধাবী বিদেশি কর্মীদের উপর আরও কঠোর নিয়ম চাপাল ট্রাম্প প্রশাসন। নতুন নিয়ম অনুযায়ী এখন থেকে এইচ-১বি ভিসার আবেদনকারীদের সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যক্তিগত তথ্যও খুলে দিতে হবে। নতুন ভিসা হোক বা পুরনবীকরণসব ক্ষেত্রেই আবেদনকারীর অনলাইন প্রোফাইল পাবলিক রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তে ইতিমধ্যেই সমস্যায় পড়েছেন প্রচুর ভারতীয় কর্মী এবং শিক্ষার্থী। অনেকের ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট হঠাৎ করেই স্থগিত হয়ে গিয়েছে।মঙ্গলবার রাতে ভারতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস আবেদনকারীদের জন্য বিশেষ নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, যাঁরা ইমেল পেয়েছেনযেখানে জানানো হয়েছে যে তাঁদের ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট তারিখ বদলে দেওয়া হয়েছেতাঁদের মিশন ইন্ডিয়ার মাধ্যমে নতুন করে অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করতে হবে। একই সঙ্গে সতর্ক করা হয়েছে, ভুল তারিখ নিয়ে কেউ কনস্যুলেটে হাজির হলে ভেতরে ঢুকতেই দেওয়া হবে না।এইচ-১বি ভিসা এমন এক ধরনের অ-অভিবাসী ভিসা, যার সাহায্যে বিভিন্ন দেশের দক্ষ কর্মীরা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য আমেরিকায় কাজ করতে পারেন। প্রতি বছরই ভারত থেকে বিপুল সংখ্যক কর্মী ও পড়ুয়া এই ভিসা নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যান। ট্রাম্প দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় ফেরার পর থেকেই এই ভিসা নিয়ে কড়াকড়ির ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় গত ২ ডিসেম্বর বিশ্বের সমস্ত মার্কিন দূতাবাসে নতুন নিয়মের নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে।আমেরিকার বিদেশ দপ্তর জানিয়েছে, আবেদনকারীদের সোশ্যাল মিডিয়ার সব তথ্য খোলাখুলিভাবে রাখতে হবে। তাঁদের অনলাইন আচরণ খতিয়ে দেখেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে ভিসা দেওয়া হবে কিনা। ছাত্রছাত্রীদের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, আবেদনকারী আমেরিকা বা তাদের নাগরিকদের কোনও ক্ষতি করতে পারেনএমন কোনও সন্দেহ থাকলে ভিসা সরাসরি বাতিল করে দেওয়া হবে।এই নিয়ে বিতর্কও কম নয়। এর আগে ট্রাম্প প্রশাসন জানিয়েছিল, বিদেশি দক্ষ কর্মীদের নিয়োগ দিলে আমেরিকার সংস্থাগুলিকে এককালীন এক লক্ষ ডলার দিতে হবে। গত ২১ সেপ্টেম্বর ট্রাম্প যে নতুন নিয়ম ঘোষণা করেছিলেন, তা ২২ সেপ্টেম্বর থেকেই কার্যকর হয়ে গেছে।

ডিসেম্বর ১০, ২০২৫
রাজ্য

কালিয়াচকে তৃণমূল কর্মী খুনের ঘটনায় গ্রেফতার এক, একাধিক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ পুলিশের

মালদার কালিয়াচকে নওদা যদুপুর এলাকায় তৃণমূল কর্মী খুন এবং অঞ্চল সভাপতি ও প্রাক্তন প্রধানের ওপর হামলার ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করলো পুলিশ। ব্রিজের নাম আমির হামজা। বুধবার ধৃতকে মালদা আদালতে পেশ করেছে পুলিশ। এদিকে এদিন নওদা যদুপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মোমিনপাড়া নয়াবস্তি এলাকা সকাল থেকেই ছিল জনশূন্য। বন্ধ ছিল বিভিন্ন দোকান, বাজার-হাট। সকাল থেকেই গ্রামে দফায় দফায় টহল দিয়েছে সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী। এলাকা দখল নিয়েই মূলত এই ঝামেলা বলে প্রাথমিক তদন্তে জানতে পেরেছে পুলিশ। যার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ সেই জাকির শেখের একটি খুনের হুমকি দেওয়া ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। তা নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে জেলা জুড়ে। ইতিমধ্যে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন তৃণমূলের জেলা সংখ্যালঘু সেলের সহ-সভাপতি মহম্মদ আজমল শেখ। তিনি বলেন, বকুল ও জাকিরের পুরনো শত্রুতা রয়েছে। জাকিরকে তৃণমূলে নিতে বারণ করেছিলাম। দলে জেলার শীর্ষ নেতৃত্বকে জানিয়েছিলাম এতে গোষ্ঠী কোন্দল বাড়বে। তাও আমার কথা শোনা হয়নি। মালদার কালিয়াচক ১ নম্বর ব্লকের তৃণমূলের সভাপতি সারিউল শেখের মদতে দলে ঢোকে। এরপর থেকেই সমস্যা সৃষ্টি হয়। পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, ভিডিওতেই দেখা যাচ্ছে জাকির শেখ কিভাবে নওদা যদুপুরে তৃণমূলের অঞ্চল কমিটির সভাপতি, স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধান সহ আরো বেশ কয়েকজনকে প্রকাশ্যে হুমকি দিচ্ছে। তাহলে কেন পুলিশ স্বীকার করছে না যেগুলি চলেছে। সঠিক তদন্তে সব পরিষ্কার হয়ে যাবে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতের নাম আমির হামজা(২৪)। তার বাড়ি উত্তর দাড়িরাপুর নয়াবস্তি এলাকায় । এদিকে জাকির ও তার অনুগামীরা এই ঘটনা ঘটানোর পর ভিন রাজ্যে বা বাংলাদেশে পালিয়ে যেতে পারে এই কারণে বাংলাদেশ সীমান্ত ও বাংলা, বিহার, ঝাড়খন্ড সীমান্তে নজরদারি বাড়িয়েছে পুলিশ। তবে এই ঘটনায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে। ১২ দিন আগেই খুন হয় জেলা তৃণমূলের সহ-সভাপতি বাবলা সরকার। তার রেশ কাটতে না কাটতেই আবার এই ঘটনা। এদিকে এই ঘটনার পর ওই এলাকায় স্নিপার ডগ নিয়ে তল্লাশী চালাচ্ছে পুলিশ। বুধবার সকালে স্নিপারডগ নিয়ে নওদা যদুপুর এলাকায় তল্লশী চালায়।রক্তমাখা জামা কাপড় শুকানো হয় কুকুরকে। এই ঘটনার পর ব্যাপক আতংক ছড়িয়েছে ব্যবসায়ী মহলে। মালদা জেলার মার্চেন্ট চেম্বার অফ কর্মাস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ সভাপতি উজ্জ্বল সাহা বলেন,বর্তমানে জেলার পরিস্থিতি উদ্বেগজনক।মানুষ বাড়ি থেকে কম বেরোচ্ছে। ব্যবসায় প্রচন্ড ক্ষতি হচ্ছে। বেশি রাত পর্যন্ত দোকান খোলা রাখতে ভয় পাচ্ছে অনেক ব্যবসায়ীরা। আমরা চাই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক। পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনায় ১০ জনকে আটক করা হয়েছে। সন্দেহের তালিকায় রয়েছে আরো ৬ জন। পুলিশের দাবি গুলি চলার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে আহত বকুল শেখ ও তার ভাই মালদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তৃণমূলের জেলা সভাপতি আব্দুর রহিম বক্সী বলেন, কে কি ভিডিও করে হুমকি দিচ্ছে তার দায়ভার তৃণমূল নেবে না। তবে পুলিশের সক্রিয় হওয়া উচিত ছিল। পুলিশ তদন্ত করছে দোষীরা শাস্তি পাবে। উল্লেখ্য, মঙ্গলবার দুপুরে মালদার কালিয়াচক থানা নওদা যদুপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মোমিনপাড়া নয়াবস্তি এলাকায় তৃণমূল কর্মীদের দিয়ে থেঁতলে খুন করে দুষ্কৃতীরা।গুরুতর আহত হয়ে নওদা যাদবপুর অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি বকুল শেখ ও তার ভাই তথা দলের পঞ্চায়েত সদস্য এসারুদ্দিন শেখ। এই ঘটনায় খুন হন আতাউল হক নামে তৃণমূল কর্মী। আহত দুই তৃণমূল নেতা চিকিৎসাধীন মালদা মেডিকেল কলেজে।

জানুয়ারি ১৫, ২০২৫
রাজ্য

দলীয় কর্মী ও নেতাদের কড়া হুঁশিয়ারি অভিষেকের, 'ফল ভালো না হলে সরতে হবে'

নিজের দুর্গ অটুট রাখতে আত্মবিশ্বাসী তৃণমূলের যুবরাজ। ডায়মন্ড হারবারে এবারও তৃণমূলের প্রার্থী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিরোধী কোনও শিবির-ই এই কেন্দ্রে এখনও প্রার্থী চূড়ান্ত করেনি। এই অ্যাডভানটেজ-কেই কাজে লাগিয়ে ভোটপর্বের শুরুতেই কয়েক কদম এগিয়ে যেতে মরিয়া তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। বুধবার দলীয় নেতা, স্থানীয় বিভিন্নস্তরের তৃণমূল জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার ভোট প্রস্তুতি বৈঠক সারেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে শুরুতেই সকলকে সেনাপতি মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, ডায়মন্ড হারবারে এবার তাঁর জয়ের ব্যবধান অন্তত চার লাখ হওয়া চাই। অর্থাৎ টার্গেট বেঁধে দিয়েছেন তিনি। এর আগে বসিরহাটের জনসভায় তিনি জানিয়ে দিয়েছিলেন এবার ৪ লক্ষ ভোটের ব্যবধানে জিতবেন।দলীয় বৈঠকে অভিষেক মনে করিয়ে দিয়েছেন, জনগণই তৃণমূলের শক্তি। তাই বার বার মানুষের কাছে যেতে হবে। মানুষের চাহিদা কী, তা তৃণমূলের নেতাকর্মীদের পরিষ্কারভাবে জানতে হবে। আগামী দুমাস আরও নিবিড়ভাবে মানুষের কাছে যেতে হবে। রাজ্য সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের কথা তুলে ধরার সঙ্গে কেন্দ্রীয় বঞ্চনার বিষয়ও মানুষকে জানাতে হবে বেশি করে।৪,৬,৯ ও ১৬- ডায়মন্ড হারবার পুরসভার এই চার ওয়ার্ডে গত নির্বাচনে তৃণমূলের ফল ভাল হয়নি। কেন খারাপ হয়েছিল? সে ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট নেতাদের কাছে জানতে চান বিদায়ী সাংসদ। তাঁর নির্দেশ, এই সব ওয়ার্ডগুলিতে নেতা-কর্মীদের আরও বেশি করে মানুষের কাছে যেতে হবে, কথা শুনতে হবে। এসব বুথ ও ওয়ার্ডে কেন তৃণমূলের থেকে মানুষ মুখ ফিরিয়েছিলেন তা জানতে হবে। সূত্রের খবর অভিষেক বলেছেন, মানুষ যদি না চায় আমাদের, তবে সরে যেতেই হবে।বৈঠকে এরপরই কড়া ভাষায় অভিষেকের হুঁশিয়ারি, কোনও ওয়ার্ডে লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল লিড না পেলে তার দায়িত্ব নিতে হবে ওই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এবং প্রেসিডেন্টদের। তাঁদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এমনকী, তাঁদেরকে সংশ্লিষ্ট পদ থেকে সরেও যেতে হবে।ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক তথা তৃণমূল নেতা সওকত মোল্লা বলেন, উন্নয়ন পৌঁছে দেওয়াই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য। তাই মানুষের ঘরে ঘরে গিয়ে প্রচার করতে হবে। তাঁদের কোনও অভাব, অভিযোগ থাকলে শুনতে হবে জনপ্রতিনিধি ও তৃণমূল নেতাদের। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সেই বার্তাই বাতলেছেন ভোট প্রস্তুতি বৈঠকে।ডায়মন্ড হারবার মডেল নিয়ে বঙ্গ রাজনীতি তোলপাড় হয়েছিল। জয়ের লক্ষ্যমাত্রার টার্গেট বেঁধে ও পার্টি নেতা, জনপ্রতিনিধিদের বেনজির হুঁশিয়ারি দিয়ে যেন সেই মডেলকেই আরেকবার চর্চায় ফেরালেন খোদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-ই।

মার্চ ২৭, ২০২৪
দেশ

ভোটের অর্ধেক আকাশ

যুদ্ধের দামামা বেজে উঠেছে। সৈন্য সজ্জ্বার প্রস্তুতি প্রায় শেষ। ভোটের দিন ঘোষণা হয়ে গেলে বুহ্য রচনা হবে। তবে এ তো আর কামান,বন্দুক নিয়ে যুদ্ধ নয়। ভোট যুদ্ধের একটি বড় অংশ জুড়ে থাকে বাকযুদ্ধ। সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক দল গুলির মধ্যে একে অপরের আক্রমণের অস্ত্র কখনও জাতিগননা, কখনও প্রতিশ্রুতির নামে ধোঁকা দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ। ভোটের ময়দানে একে অপরের যেখানে প্রতিদ্বন্দ্বী সেখানে তো এমনটা হওয়াই দস্তুর। একের সঙ্গে অপরের সব ইস্যুতেই দ্বৈরথ। মিল খুঁজে না পাওয়াটাই স্বাভাবিক।তবে অমিলের এই রাজত্বে অসাধ্য সাধন করেছেন দেশের মহিলারা। মহাভারতে কৃষ্ণের আর্শীবাদ পেতে জান লড়িয়ে দিয়েছিল কৌরব পান্ডব দুপক্ষই। তেমনই সাম্প্রতিক পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন থেকে দরজার দাঁড়িয়ে থাকা লোকসভা নির্বাচনেও সবদলের নজরেই রয়েছে মহিলা ভোট। সম্মান, লিঙ্গসাম্য, শিক্ষার হার, কাজের সুযোগ সব কিছুতে পিছিয়ে থাকলেও ভোটার সংখ্যায় যে তারা বেড়েছেন। অতএব, এই রত্ন ভান্ডারে নজর তো থাকবেই। নারী উন্নয়নে কে কতটা আন্তরিকতা বোঝানোর উদগ্ৰ প্রতিযোগিতা চলছে। তাঁর সঙ্গে চলছে নানা গালভারি প্রকল্পের নামে হাতে কিছু অর্থ পৌঁছে দেওয়ার প্রতিযোগিতা।যে মুল সমস্যাগুলির নিচে চাপা পড়ে রয়েছে সেগুলি সমাধান কোনো দিশা নেই। গত কয়েক দশকে labour force participation সূচকে মহিলাদের সংখ্যা ক্রমশই কমছে। বর্তমানে দেশের কাছের বাজারে ৯০ শতাংশ-ই যুক্ত অসংগঠিত ক্ষেত্রে। এই ক্ষেত্রের উৎপাদন শিল্প এবং পরিসেবা প্রদান সংস্থায় কাঠামোগত কারণে মেয়েদের কাজের সুযোগ অত্যন্ত কম। এই পরিস্থিতিতে বহু ক্ষেত্রেই সমস্যা আরও বাড়িয়েছে লিঙ্গ বৈষম্য এবং জাতপাতের ছুৎমার্গ। এর ফলে কাজের বাজারে মহিলাদের স্থান ক্রমশ তলানিতে পৌঁছেছে। এই বিষয়গুলি নিয়ে বহুদিন ধরেই বহু চর্চা এবং গবেষণা চলছে। সম্প্রতি ইকনমিক অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলিতে একটি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে। গবেষণাপত্রটির বিষয়টি হলো জাতপাতের নিরিখে গ্ৰামীন অসংগঠিত ক্ষেত্রে মহিলাদের উপস্থিতি কতোটা।আশয় কদম এবং কিংশুক সরকার এই দুই গবেষকের সমীক্ষায় এই বিষয়টি ছাড়াও দেখা গিয়েছে সমাজের প্রান্তিক অবস্থানের মহিলারা এই কারণে labour pyramid-র একেবারে নিচে থেকে যাচ্ছেন। ফলে তাদের সামাজিক উত্তরন ঘটছে না। দুই গবেষক বিহার, উত্তর প্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, হরিয়ানা ও মহারাষ্ট্রের তহশিল স্তরে ২০১১ সালের socio economic and cast census য়ের তথ্যের ভিত্তিতে এই সমীক্ষা করেছেন। গবেষণায় দেখা গিয়েছে লিঙ্গ বৈষম্যের কারণে মহিলারা কাজের বাজারে বহু বাধার মুখে পড়েন। দেশে প্রচলিত সমাজ ব্যবস্থায় মেয়েরা ঘরকন্না করবে, সংসারের অন্য সদস্যদের দেখাশোনা করবে এটাই আশা করা হয়। এই সামাজিক বাধা কাটিয়ে যদি বা কোনো মহিলা কাজের বাজারে পৌঁছন সেখানে তাঁকে আইনি বাধা এবং বেতন বৈষম্যের মুখে পড়তে হয়।যেমন অনেক সংস্থাতে রাতের শিফটে মহিলা কর্মীদের কাজ করানোয় নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তবে অসংগঠিত কাজের বাজারে labour force participation য়ের নিরিখে নিম্নবর্গের মহিলাদের উপস্থিতি বেশি। গবেষকরা দেখিয়েছেন কাজের মজুরি কম এবং সামাজিক অবস্থানের পরিবর্তন না হলেও বেশি সংখ্যায় মহিলারা কাজে যুক্ত হওয়ার পিছনে অন্য কারন রয়েছে। তাঁদের মধ্যে ঐতিহাসিক ভাবেই দেখা গিয়েছে গৃহ পরিচর্যার এবং শারীরিক পরিশ্রমের কাজ নিম্নবর্গের মহিলা ও পুরুষরাই করবেন বলে সমাজে স্বীকৃত। ফলে পুরুষরা শারীরিক পরিশ্রমের কাজে যুক্ত হন আর মহিলারা ঊচ্চবর্ণের বাড়িতে গৃহপরিচারিকার কাজ করতে বাধ্য হন। তবে, গবেষণায় দেখানো হয়েছে জাতপাতের তারতম্য মহিলাদের ক্ষেত্রে অনেক বেশি তীক্ষ্ণ। কাজের বাজারে এই তারতম্য অত্যন্ত প্রকট। এই কারণে ঊচ্চবর্ণের মহিলাদের তুলনায় কাজের বাজারে নিম্নবর্গের মহিলাদের উপস্থিতির হার অনেক বেশি। এর কারণ শিক্ষার মান অনুযায়ী কারা কি ধরনের কাজ পাবেন তার ঠিক হয়। আর্থিক সমস্যার কারণে শিক্ষায় নিম্নবর্গের মহিলারা অনেকটাই পিছিয়ে থাকেন। এই কারণে অসংগঠিত ক্ষেত্রে নিচুতলার কাজ ছাড়া অন্য কোনো কাজ পান না। প্রবল চেষ্টায় নিম্নবর্গের কোনো মহিলা যদি স্কুলের গন্ডি টপকাতে পারেন তাহলে সরকারি সংগঠিত ক্ষেত্রে সংরক্ষণ নীতিতে তাঁরা কিছুটা কাজের সুযোগ পান।এই প্রসঙ্গে গবেষণার একটি উল্লেখযোগ্য দিক হল অসংগঠিত এবং সংগঠিত এই দুই ক্ষেত্রে labour force য়ে মহিলাদের সংখ্যা বাড়লে কাজের বাজার এবং সমাজের নানা স্তরে উন্নয়ন সূচক বাড়ে । পাশাপাশি দেখা গিয়েছে আর্থিক সক্ষমতা থাকলে পরিবার পরিচালনার ক্ষেত্রে মহিলাদের মতামতের গুরুত্ব বাড়ে। এক ই সঙ্গে গবেষকরা দেখিয়েছেন মহিলাদের শিক্ষা এবং কাজের সুযোগ বাড়লে বাল্য বিবাহ এবং অল্প বয়সে সন্তান ধারণের সংখ্যা ও কমে। গবেষকরা তো তাদের কাছ করে চলেছেন। সমাজের নানা দিকের বহু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তাঁরা আলো ফেলছেন।তবে সেই বিষয় গুলি ভোট শিকারী এবং নীতি নির্ধারকদের চোখে পড়লে হয়।

মার্চ ১৪, ২০২৪
রাজ্য

আশা কর্মীদের স্বাস্থ্য ভবন অভিযান, কড়া নিরাপত্তা

আশা কর্মীদের বঞ্চনার প্রতিবাদে স্বাস্থ্য ভবন অভিযান ঘিরে কোনওরকম বিশৃংখলার পরিস্থিতি না তৈরি হয় সেই জন্য স্বাস্থ্য ভবনের মূল ফটক বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য ভবনের পাশেই নির্দিষ্ট স্থানে ঘেরাটোপে মধ্যে রাখা হয়েছে আশা কর্মীদের।বঞ্চনার প্রতিবাদে ১ মার্চ থেকে ঘোষিত লাগাতার কর্ম বিরতি, আজ পঞ্চম দিনে স্বাস্থ্য ভবন অভিযান, উত্তরবঙ্গের দুটি জেলা বাদে ২১ টি জেলা থেকে আশা কর্মীরা স্বাস্থ্য ভবনে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে। আশা কর্মীদের অভিযোগ, তাঁরা বঞ্চনার শিকার। অবিলম্বে আশা কর্মীদের ভাতা বৃদ্ধি করে ১৫ হাজার টাকা দিতে হবে, ইনসেনটিভ এর টাকা ভাগে ভাগে পাঠানো বন্ধ করে সমস্ত বকেয়া পারিশ্রমিক প্রদান করতে হবে, সরকারি কর্মীর নেয় আশা কর্মীদের জন্য প্রতিবছর সুনির্দিষ্ট হারে ইনক্রিমেন্ট করা এবং সমস্ত ছুটি বরাদ্দ করতে হবে, কাজের সুবিধার জন্য মোবাইল প্রদান করতে হবে। বাকি দাবিগুলোর মধ্যে করোনা আক্রান্ত আশা কর্মীদের জন্য ঘোষিত এক লক্ষ টাকা অবিলম্বে দিতে হবে, কোন প্রকল্পের কর্মী নয় আশা কর্মীদের কেন্দ্রীয় সরকারের স্বাস্থ্য কর্মীর স্বীকৃতি দিতে হবে, যেকোনো কাজের অর্ডারের সাথে পারিশ্রমিক অর্ডার দিতে হবে এবং তা সহজে পাওয়ারও ব্যবস্থা করতে হবে। এছাড়াও সমস্ত আশা কর্মীদের বিশেষ করে জিটিএর অন্তর্গত জেলা ও ব্লকের আশা কর্মীদের টিয়ে বরাদ্দ করতে হবে এই সমস্ত দাবিদাওয়া নিয়ে স্বাস্থ্য ভবনের গেটের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করছেন আশা কর্মীরা।

মার্চ ০৫, ২০২৪
রাজ্য

গলসিতে বকেয়া মজুরির দাবিতে আন্দোলনে সামিল শ্রমিকরা, উৎপাদন ব্যাহত

শ্রমিক হরতাল, কাজ বন্ধ রেখে আন্দোলনে সামিল শ্রমিক পূর্ব বর্ধমানের গলসিতে শনিবার কাজ বন্ধ রেখে গলসির ভাসাপুলের রাধেশ্যাম এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ গেটে আন্দোলনে সামিল শ্রমিকরা। ঘটনার জেরে কারখানার গেটে আটকে যায় মালবাহী বেশ কয়েকটি ট্রাক। আন্দোলনকারী শ্রমিক নুরনবী মল্লিক, কাজী বদরে আলম, সেখ আজাদরা বলেন, তাদের বেশ কয়েক মাসের ছুটির টাকা দিচ্ছেন না কারখানা কর্তৃপক্ষ। লেবার সর্দারও আশা দিয়ে বারবার ফিরিয়ে দিচ্ছেন। তাঁরা বিষয়টি লিখিত ভাবে জানতে বলে। সেই নিয়ে তারা কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে আবেদনও করেন। তারপরও কোনও সুরাহা না হওয়ায় এদিন হরতাল করে মিলের গেটে বসে পড়েন কয়েকশো শ্রমিক। তাদের প্রাপ্তির দাবীতে তাঁরা স্লোগান দিতে থাকেন। তাঁরা জানিয়েছেন, কারখানায় কমবেশি চারশো জন শ্রমিক কাজ করেন। তারা টানাই, কাটাই, মুটিয়া, ডেলি লেবার ও বয়লারের বিভিন্ন কাজে যুক্ত। কিছুদিন আগে ভয়াবহ আগুন লাগায় উৎপাদন বন্ধ রয়েছে ওই কারখানায়। বর্তমানে ভিতরে মজুত থাকা ও নষ্ট হওয়া ব্রান বিক্রি করছে কর্তৃপক্ষ। এখন সেইসব কাজই তারা করছেন। এদিনের আন্দোলনের জেরে তাও একরকম বন্ধ হয়ে যায়। এই বিষয়ে কারখানার এক কর্তা জানান, গোটা কারখানার মজুতঘর পুড়ে যাবার পর তারা বীমার বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত রয়েছেন। সেইভাবে সময় দিতে পারছেন না। তারা ওই বিষয়ে শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলবেন। কারখানার লেবার সর্দার মোনজ যাদব বলেন, তিনি বেতন দিচ্ছেন না এমনটি নয়। তাঁরর দাবী, কারখানার সাথে শ্রমিকদের চুক্তি ভিত্তিক কাজ করান তিনি। সেই চুক্তিতে শ্রমিক প্রতিনিধিও আছেন। বর্তমানে কারখানা থেকে টাকা না পাওয়ার জন্য তিনি শ্রমিকদের ছুটির বেতন দিতে পারেননি। কারখানা থেকে টাকা পেলেই সব মিটিয়ে দেবেন।

আগস্ট ২০, ২০২২
রাজ্য

পরিযায়ী শ্রমিকদের হেনস্তা বর্ধমান জিআরপিতে, জোর করে টাকা নেওয়ারও অভিযোগ

পাঞ্জাব থেকে ফেরা পরিযায়ী শ্রমিকদের হেনস্তা ও জোর করে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠলো জিআরপির বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার ভোরে লুধিয়ানা থেকে বর্ধমান স্টেশনে নামেন ৬ জন পরিযায়ী শ্রমিক। তাঁরা মালদার কাঞ্চননগরের বাসিন্দা।তাঁদের অভিযোগ, স্টেশনের বাইরে বসে থাকার সময় জিআরপি থানায় ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে একজন লক্লার্ক মাস্ক না পড়ার জন্য তাদের প্রত্যেককে ৪৫০ টাকা ফাইন করে। সেই ছবি তাঁরা নিজেদের মোবাইল ক্যামেরায় বন্দি করে। সেই ভিডিওতে দেখা যায় টাকা নেওয়ার সময় গালিগালাজ করছেন জিআরপির লক্লার্ক ওই শ্রমিকদের।শ্রমিকদের অভিযোগ, টাকা দিলেও তাঁদের এর জন্য কোনও রসিদ দেওয়া হয়নি। সামসুল হক নামে ওই লক্লাকের এই নিয়ে প্রতিক্রিয়া নিতে গেলে বাধা দেওয়া হয়।

এপ্রিল ০৫, ২০২২
রাজ্য

অবৈধ প্রণয়ের জেরে খুনের অভিযোগ তাঁত শ্রমিককে, আটক মালিকসহ তিন

এক তাঁত শ্রমিককে খুনের অভিযোগ উঠলো তাঁত মালিক ও তার পরিবার সদস্যদের বিরুদ্ধে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পূর্ব বর্ধমানের কালনার নান্দাই বেলতলা এলাকায়। মৃত ব্যক্তির নাম হরিহর আচার্য(৩৪)। নান্দাই এলাকাতেই তার বাড়ি। মৃতর পরিবারের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ শনিবার তাঁত মালিক এবং তাঁর স্ত্রী ও কন্যাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ মনে করছে, তাঁত মালিকের স্ত্রীর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া নিয়ে বিবাদের জেরে যুবক খুন হয়ে থাকতে পারে। প্রকৃত কি ঘটনা ঘটেছে তা পুলিশ খতিয়ে দেখছে। মৃত যুবকের দাদা শ্যামসুন্দর আচার্য পুলিশকে অভিযোগে জানিয়েছেন, হরির আচার্য পেশায় ছিলেন তাঁত শ্রমিক। কয়েক বছর আগে তাঁর স্ত্রী তাকে ছেড়ে চলে গিয়েছে। তিনি স্থানীয় সঞ্জয় বিশ্বাসের বাড়িতে তাঁত বুনতে যেতেন। সেই সূত্রে হরিহরের সঙ্গে সঞ্জয়ের স্ত্রীর অবৈধ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। শুক্রবার রাতে হরিহর সঞ্জয়দের বাড়িতে যায়। অভিযোগ তখন তাঁকে ব্যাপক মারধর করা হয়। মরে যাওয়ার পর হরিহরের মৃতদেহ চুপিসারে তাঁদের বাড়িতে ফেলে দিয়ে সঞ্জয়রা পালিয়ে যায়। শনিবার সকালে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। শ্যামসুন্দরবাবু দাবি করেন, তাঁর ভাইয়ের শরীরে আঘাতের দাগ রয়েছে।তদন্তে নেমে পুলিশ অভিযুক্ত সঞ্জয়দের বাড়িতে গিয়ে তাদের উঠানে রক্তের দাগ দেখতে পায়। তারপরেই পুলিশ সঞ্জয় এবং তাঁর স্ত্রী ও কন্যাকে আটক করে কালনা থানায় নিয়ে যায়।

জানুয়ারি ২২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

সমাজসেবার বিশেষ পুরস্কার মোহনলাল রশিদের

মুর্শিদাবাদ জেলা তথা বহরমপুরের বিশিষ্ট সমাজসেবী মোহনলাল রশিদ সম্মানিত হলেন ডক্টর অফ ফিলোসফি উপাধিতে। বহরমপুরের বাসিন্দা মোহনলাল রশিদ ডক্টর অফ ফিলোসফি উপাধি পাওয়ার পর খুশির হাওয়া মুর্শিদাবাদ জেলা তথা শহর বহরমপুর জুড়ে। জানা যাচ্ছে, তিনি মূলত সমাজ সেবার জন্য এই উপাধি পান। উক্ত অনুষ্ঠানটি দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অতিমারীর উর্ধমুখী সংক্রমণের কারণে গাজিয়াবাদের দ্য মোনার্ক ইন্দিরাপুরম হ্যাবিটাল সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশেষ ভাবে উল্ল্যেখ, করোনার প্রকোপে সর্বত্র যখন লকডাউন শুরু হয়, সেই সময় তিনি নিঃস্বার্থ ভাবে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন অসহায় মানুষদের দিকে। দিনের পর দিন মুর্শিদাবাদ মেডিকেল কলেজে রোগীর পরিজনদের কাছে পৌঁছে দেন খাদ্য। এছাড়াও প্রত্যেক সপ্তাহের শুক্রবার করে বহরমপুরে অসহায়দের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয় তারই সাহায্যে ও সহযোগিতায়। শুধু তাই নয়, অসুস্থ দের কাছে খাদ্য সহ প্রয়োজনীয় ওষুধ থেকে শুরু করে পরিবেশ রক্ষার্থে বিভিন্ন ভূমিকা পালন করতে দেখা গেছে তাঁকে। কাজেই এই বিশেষ উপাধি অর্জন করে শুধু বহরমপুরই নয়, তিনি গর্বিত করেছেন সমগ্র জেলাবাসীকে।

জানুয়ারি ১২, ২০২২
দেশ

Surat Gas Leak: সুরাতে গ্যাস লিক করে মর্মান্তিক মৃত্যু ৬ কারখানা শ্রমিকের

রাসায়নিক বোঝাই ট্যাংকার থেকে বেরোনো বিষাক্ত গ্যাসে মর্মান্তিক মৃত্যু হল ৬ কর্মীর। বিষাক্ত গ্যাসে সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েন প্রায় ২০ জন। বৃহস্পতিবার সকালেই গুজরাতের সুরাতে গ্যাস লিকের এই ভয়াবহ কাণ্ডটি ঘটে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সুরাতের শচিন ইন্ডাস্ট্রিয়াল এলাকায় অবস্থিত বিশ্বপ্রেম ডায়িং অ্যান্ড প্রিন্টিং মিলে এই ঘটনাটি ঘটে। ওই কারখানার বেশ কয়েকজন কর্মী রাতে কারখানার ভিতরেই ঘুমাচ্ছিলেন। ভোর ৪ টে নাগাদ তাদের নাকে কড়া একটি রাসায়নিকের গন্ধ আসে। কয়েকজন কর্মী উঠে দেখতে যান যে কোথা থেকে গন্ধটি আসছে। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই তারা সকলে সংজ্ঞাহীন হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এক কর্মী কোনও মতে দমকলে খবর দেন।দমকল বিভাগের তরফে জানানো হয়েছে, ভোর ৪টে ২৫মিনিট তাদের কাছে ফোন আসে। বলা হয় যে, কারখানার ভিতরে আচমকাই ২৫-২৬ জন কর্মী সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়ে গিয়েছে। বিষাক্ত কোনও গ্যাস ছড়িয়ে পড়েছে হয়তো। এরপরই দমকল বিভাগের তরফে যথাযথ প্রস্তুতি নিয়ে কারখানায় যাওয়া হয়। কিন্তু কারখানার ভিতরে কোনও বিষাক্ত গ্যাসের উৎস খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরে দেখা যায়, রাস্তার ধারে দাঁড়ানো একটি কেমিক্যাল বোঝাই ট্যাংকার থেকেই বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে পড়ছে। সঙ্গে সঙ্গে ওই ট্যাংকারের ঢাকনা বন্ধ করে বিষাক্ত গ্যাস নিঃসরণ বন্ধ করা হয়। অসুস্থ অবস্থায় কর্মীদের সুরাত সিভিল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা ৫জনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পরে আরও এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়।

জানুয়ারি ০৬, ২০২২
রাজ্য

CBI Charge Sheet: ভোট পরবর্তীতে বিজেপি কর্মীর মাকে খুনের ঘটনায় ৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দিল সিবিআই

বিধানসভা ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক হিংসায় পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের নবগ্রামে খুন হন বিজেপি কর্মীর মা। হাইকোর্টের নির্দেশে সেই খুনের মামলার তদন্তে নেমে সিবিআই বুধবার ৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করলো। সিবিআইয়ের রাঁচি ইউনিটের ইনসপেক্টর অরুন কুমার সিং এদিন ২৫ পাতার সাপ্লিমেন্টরি চার্জশিট বর্ধমান সিজেএম আদালতে জমা দেন। এবং সিজেএম চার্জশিট গ্রহন করেছেন।আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে ,চার্জশিটে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ধারালো অস্ত্র দিয়ে জখম করা, খুন ও খুনের চেষ্টার ধারা দেওয়া হয়েছে। এই খুনের মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ৩৬ জনকে সাক্ষী করেছে। চার্জশিটে উল্লিখিত অভিযুক্তদের মধ্যে মোট চারজনের নাম এফআইআরে ছিল, তাঁদের মধ্যে শাহজাহান শা এবং বিভাস বাগ মারা যাওয়ায় তাঁদের নাম চার্জশিট থেকে বাদ গিয়েছে। বাকি যাদের নাম সিবিআইয়ের চার্জশিটে উঠে এসেছে তারা হল সমর ধারা, তরুণ ক্ষেত্রপাল, সোমনাথ শীল ওরফে হেপলো, সমীর বাগ ওরফে মুরুব্বি, সমীর ঘোষ, কুমারেশ ঘোষ, সাগর রায় ওরফে সঞ্জু ও অমরেশ বাগ। এই অভিযুক্তদের কেউই সিবিআইয়ের হাতে ধরা পড়েনি। এদের মধ্যে সোমনাথকে পলাতক দেখানো হয়েছে। তরুণ আগেই পুলিসের হাতে গ্রেপ্তার হয়। পরে সে জামিনে ছাড়া পায়। দুই সমীর, কুমারেশ, সাগর ও অমরেশ এখনও গ্রেপ্তার হয়নি। তবে তাঁদের আগাম জামিন মঞ্জুর করেছেন জেলা জজ। গত বছরের ৩ আগস্ট পুলিশ সমর, তরুণ, সোমনাথ ও সমীর বাগের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করে। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে সিবিআই বিজেপি কর্মীর মাকে খুনের ঘটনার তদন্তভার হাতে নেয়।সিবিআই জানিয়েছে, বিধানসভা ভোটের ফল বের হওয়ার পরদিন রাজনৈতিক হিংসায় উত্তপ্ত হয় জামালপুর থানার নবগ্রাম এলাকা। ওই দিন নবগ্রামের বিজেপি কর্মী আশিস ক্ষেত্রপালকে সায়েস্তা করতে তাঁর বাড়িতে হামলা চালানো হয়। ঘর ভাঙচুর করা হয়। তাঁকে না পেয়ে তাঁর বাবা অনিল ক্ষেত্রপালকে টাঙি দিয়ে কোপানো হয়। ওই সময় স্বামীকে বাঁচাতে যান কাকলি ক্ষেত্রপাল(৪৭)। সামনে পেয়ে তাঁকেও বেধড়ক মারধর করার পাশাপাশি তাঁর গলায় হাঁসুয়া দিয়ে কোপ মারা হয়। জামালপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। মারধরে জখম আশিসের বাবা ও কাকা মানস ক্ষেত্রপালের বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা হয়। এরপরই গ্রামের লোকজন আক্রমণকারীদের তাড়া করে শাহজাহান শা ও বিভাস বাগকে ধরে গনপিটুনি দেয়। তাতে ওই দুজনের মৃত্যু হয়। তদন্ত চলাকালীন সিবিআই খুনে ব্যবহৃত কাস্তে ও কাটারি বাজেয়াপ্ত করে। সেগুলি ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে বলে চার্জশিটে উল্লেখ করেছে সিবিআই।

জানুয়ারি ০৬, ২০২২
রাজ্য

Ex-MLA: বর্ধমানে দলীয় কর্মীর বাড়ি তৈরিতে যুক্ত রাজমিস্ত্রিদের মারধরের অভিযোগ প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে

বিধায়ক পদে থাকুন বা না থাকুন সর্বদাই তিনি থাকেন রণংদেহী ভাবমূর্তি নিয়েই, এমন বিতর্ক রয়েছে। বিধানসভার ভিতরে বিরোধী রাজনৈতিক দলের বিধায়ককে কুকথা বলা কিংবা থানায় ঢুকে পুলিশ আধিকারিকদের চমকানো সবেতেই মেমারির প্রাক্তন বিধায়ক নার্গিস বেগমের নাম জড়িয়েছে। এবার সেই নার্গিস বেগমের বিরুদ্ধে বর্ধমানের পীরবাহারাম এলাকার এক তৃণমূল কর্মীর বাড়ি তৈরির কাজে যুক্ত রাজমিস্ত্রিদের মারধোরের অভিযোগ উঠলো। এই ঘটনা নিয়ে বুধবার সকালে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয় পড়ে। খবর পেয়ে বর্ধমান থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রাক্তন বিধায়কের এমন আচরণের নিন্দায় সরব হয়েছেন বর্ধমানের পীরবাহারাম এলাকার সকল তৃণমূল কর্মী ও সমর্থক। বর্ধমান শহরের পীরবাহারাম ডাঙাপাড়া এলাকায় বাড়ি তৃণমূল কর্মী সেখ আনোয়ারের। তাঁর বাড়ির পাশেই রয়েছে মেমারির প্রাক্তন বিধায়ক নার্গিস বেগমের বাড়ি। সেখ আনোয়ার এদিন জানান, তাঁর বসত বাড়ির অবস্থা খারাপ থাকায় তিনি সরকারের কাছে একটি পাকা বাড়ির জন্য আবেদন করেন। সেই আবেদন মঞ্জুর হয়। কয়েকদিন ধরে তাঁর পাকা বাড়ি তৈরির কাজ চলছে। আনোয়ার বলেন, নার্গিস বেগমের বাড়ির জানালার সোজা আমার বাড়ির জানালা হচ্ছে। এমন অভিযোগ তুলে নার্গিস বেগম এদিন আমার বাড়িতে কর্মরত রাজমিস্ত্রীদের উপর চড়াও হয়। ইট নিয়ে রাজমিস্ত্রিদের উপর হামলা চালায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ালে পুলিশ পৌছায়। সেখ আনোয়ারের আরও অভিযোগ, পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে প্রাক্তন বিধায়কের কথায় উল্টে তাঁদেরই শাসায়। এমনকি তাঁদের কোনও কথাই পুলিশ শুনতে চায়নি বলে আনোয়ারবাবু অভিযোগ করেছেন। যদিও এই বিষয়ে কিছু বলতে অস্বীকার করেন নার্গিস বেগম।এলাকার তৃণমূল নেতা সেখ ভীম জানান, নার্গিস বেগম ও তার পরিবারের সদস্যারা মিলে রাজমিস্ত্রীদের মারধর করেছে। যার বাড়িতে কাজ হচ্ছিল সেও একজন তৃণমূল কর্মী। নার্গিস বেগম যে ঘটনা ঘটালেন সেটা সত্যি লজ্জার বিষয়। দলের প্রাক্তন বিধায়কয়ের এমন আচরণের প্রতিবাদ করে এলাকার লোকজনও। তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য মুখপত্র দেবু টুডু বলেন,কি হয়েছে জানি না। খোঁজ নিয়ে দেখতে হবে। তবে আইনের উর্ধে কেউ নন।সবাইকেই নিয়ম মেনেই কাজ করতে হবে। দলের নেতা-নেত্রী বলে আইন আলাদা হবে না।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
রাজ্য

Dilip Ghosh: 'আমায় খুনের চেষ্টা করা হয়েছে, স্থগিত করা দরকার ভবানীপুরের উপনির্বাচন'

সোমবার নির্বাচনী প্রচারের শেষ দিনে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি ভবানীপুরে। এদিন যদুবাবুর বাজারে দিলীপ ঘোষকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা। বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়ালের সমর্থনে প্রচারে এসে কেন্দ্রীয় বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ বিক্ষোভের মধ্যে পড়েন। প্রবল বিক্ষোভ আর ধাক্কাধাক্কিতে বাধ্য হয়ে বন্দুক বের করে দিলীপকে সরিয়ে নিয়ে যান তাঁর নিজস্ব নিরাপত্তারক্ষীরা। দিলীপ বলেন, আজ প্রচারের শেষ দিনে যেভাবে গুন্ডা দিয়ে, প্রচার বন্ধ করা হল, বিজেপিকে আটকাবার চেষ্টা করা হয়েছে, এর দ্বারা প্রমাণিত ভবানীপুরের মানুষ ভয়ের পরিস্থিতির মধ্যে আছেন। এখন এই গুন্ডাদের সামনে সাধারণ মানুষ কীভাবে বেরিয়ে গিয়ে ভোটটা দেবেন? তাঁরা তো নিরপেক্ষ ভাবে ভোটটা দিতেই পারবে না! তাঁরা যদি বিজেপিকে ভোট দেবে বলে তাহলে তো সম্ভবই নয়, বাড়ি থেকে বেরনো! সে জন্য যে পরিস্থিতির মধ্যে মমতাকে মুখ্যমন্ত্রী করার জন্য ভোট করছে সরকার, তাতে সুরক্ষা দেওয়া উচিত। কিন্তু আজকের পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার ইলেকশন সম্ভব নয়। স্থগিত করা দরকার। বলেন, আমি নিজে ভুক্তভোগী। তাই আমার অধিকার আছে বলার। দাবি করছি নির্বাচন বন্ধ হওয়া উচিত।আরও পড়ুনঃ ভবানীপুরে দিলীপের প্রচারে ধুন্ধুমার, মাথা ফাটল বিজেপি কর্মীরকয়েক দিন আগেই বিজেপির রাজ্য সভাপতির পদ থেকে সরেছেন দিলীপ। কিন্তু ভবানীপুরে ভোটের প্রচারে বিরোধী পক্ষের মূল টার্গেট হলেন তিনিই। দিলীপ ঘোষের সঙ্গে থাকা বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে এদিন হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়তে দেখা যায় তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের। আহত হন বেশ কয়েকজন। এদিকে খবর পেয়েই যদুবাবুর বাজারে পৌঁছন প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল এবং দীনেশ ত্রিবেদী, অর্জুন সিংরা।দিলীপ ঘোষ অভিযোগ করেন, তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা তাঁদের প্রচারে বাধা দেন। তৃণমূল কর্মীদের আক্রমণে এক কর্মীর মাথা ফাটে। তাঁকেও ধাক্কা দেওয়া হয়। যদিও তার পরেও তৃণমূলকে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। তার পর সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, স্থগিত করা দরকার এই ভোট। আইন পরিস্থিতি ঠিক হলে তার পর ভোট হোক। নিজের ফেসবুক প্রোফাইল থেকে এদিনের বিক্ষোভের ভিডিও পোস্ট করে দিলীপ লেখেন, মাননীয়ার খাস তালুক ভবানীপুরে একজন জনপ্রতিনিধির উপর যেভাবে হামলা হল এই রাজ্যে তাতে সাধারণ মানুষের জীবন কতটা সুরক্ষিত? আজ তৃণমূলের গুন্ডা দিয়ে ভবানীপুরের যদুবাবুর বাজার এলাকায় যে ভাবে পরিকল্পিতভাবে আক্রমণ করা হল, আমাকে মেরে ফেলার চক্রান্ত করা হয়েছিল সেটি শাসকদলের জঘন্য, ভয়াবহ রূপটিকে তুলে ধরে। এর পরও কি সুস্থ নির্বাচন আশা করা যায়??এদিকে এদিনের ঘটনার পর নির্বাচন কমিশন রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে। অন্যদিকে বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং সরাসরি অভিযোগ করেন মমতার নির্দেশেই দিলীপ ঘোষের ওপর এই হামলা হয়েছে। তাঁর কথায়, মমতা খোদ এই আক্রমণ করাচ্ছেন, ভোট এখানে হতেই দেবে না। কমিশন পদক্ষেপ না করলে ভোট বন্ধ হোক। একই সুর শোনা গিয়েছে রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের গলায়। বলেন, আমরা স্তম্ভিত! একশোজন তৃণমূল কর্মীকে ট্রেনড করে পাঠানো হয়েছে দিলীপ ঘোষকে আক্রমণের জন্য। আর পুলিশ কী করছিল?

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২১
কলকাতা

Bhawanipur-BJP: ভবানীপুরে দিলীপের প্রচারে ধুন্ধুমার, মাথা ফাটল বিজেপি কর্মীর

ভবানীপুর উপনির্বাচনের প্রচারের শেষ দিনে তীব্র উত্তেজনা ছড়াল যদুবাবুর বাজার এলাকায়। দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়াল ভবানীপুরে দিলীপ ঘোষের সভায়। মাথা ফাটল এক বিজেপি কর্মীর। আহত হলেন বেশ কয়েকজন। বাধা পেয়ে পুলিশি নিরাপত্তায় সভা ছাড়তে হল দিলীপ ঘোষ, অর্জুন সিংদের।অভিযোগ, এদিনের সভা শুরু হলে আচমকা গন্ডগোল শুরু হয়। দিলীপ ঘোষকে কোনওভাবেই সভা করতে দেওয়া হবে না, কয়েকজন তৃণমূল সমর্থক উত্তেজনা ছড়ায়। দিলীপবাবুর নিরাপত্তারক্ষীদের হুঁশিয়ারি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। বিজেপির অভিযোগ, দিলীপ ঘোষের সামনেই চারজনকে মারা হয়েছে। রাস্তায় ফেলে আক্রমণ করা হয়েছে বিজেপি কর্মীকে। মমতার বিরুদ্ধে কোনও মন্তব্য শুনব না, এমনই দাবি করে আক্রমণের অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বিজেপি ও তৃণমূল সমর্থকদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি হয়। বিজেপি-র অভিযোগ, তাদের সমর্থকদের বিরুদ্ধে চড়াও হয় তৃণমূল। তাঁদের মারধর করা হয়। এমনকী, দিলীপকে ধাক্কা দেওয়া হয়। তৃণমূলের মারে এক সমর্থকের মাথা ফাটে বলে অভিযোগ করেছে বিজেপি। ঘটনাস্থলে মোতায়েন পুলিশের কাছে বার বার আবেদন করলেও তাঁরা নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে বলে অভিযোগ গেরুয়া শিবিরের।ভবানীপুরের যদুবাজারে বিজেপির নির্বাচনী পথসভায় তৃণমূলী গুন্ডাবাহিনীর দ্বারা ফের রক্ত ঝড়লো বিজেপি কর্মকর্তাদের!নন্দীগ্রামের পর ভবানীপুরের মানুষও ৩০শে সেপ্টেম্বর ভোটবাক্সেই এই অন্যায়ের জবাব দেবে। #AbaroHarbeMamata pic.twitter.com/mdwtBJ5Mpu BJP Bengal (@BJP4Bengal) September 27, 2021এই প্রসঙ্গে দিলীপ বলেন, ভবানীপুরে তৃণমূল হেরে গিয়েছে বুঝতে পেরেই এ ভাবে আমাকে আটকানোর চেষ্টা করা হয়েছে। এ ভাবে নির্বাচন হয় না। তিনি এই ঘটনা নিয়ে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হবেন বলেও জানিয়েছেন। অন্যদিকে তৃণমূল পাল্টা অভিযোগ করেছে, এলাকায় অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করে বিজেপি। দিলীপের নিরাপত্তারক্ষীরা তাঁদের দিকে বন্দুক উঁচিয়ে ভয় দেখান বলে অভিযোগ। এলাকায় যাতে অশান্তি না হয় সেই চেষ্টা তাঁরা করেছেন বলে দাবি তৃণমূলের। দিলীপের আগে ভবানীপুরে বিজেপি-র আর এক সাংসদ অর্জুন সিংহকে ঘিরেও বিক্ষোভ হয়। শম্ভুনাথ পণ্ডিত স্ট্রিটে তাঁকে ঘিরে গো ব্যাক স্লোগান তোলেন তৃণমূল কর্মীরা। শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা অর্জুনকে সেখান থেকে বার করে নিয়ে যান।বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, দিলীপবাবু যখন প্রচারে গিয়েছেন, তৃণমূল ভয় পেয়েছে। ওরা জয় বাংলা স্লোগান দিক না, আমরা খোল-কর্তাল বাজিয়ে দেব। কিন্তু বিরোধী নেতা বলে এমন আক্রমণ! এটা কেমন সংস্কৃতি! মমতাকে ঘিরে কেউ জয় শ্রীরাম বলেন? অভিষেকের সঙ্গে সঙ্গে দেখা হলে জয় শ্রীরাম বলি আমরা? ভবানীপুরে গুন্ডা, তালিবানি গুন্ডা নামিয়েছে তৃণমূল। হয়ত বাংলাদেশ থেকেও আসতে পারে। এতে যাতে ভয় পেয়ে মানুষ ভোট না দিতে যায় সেই চেষ্টা করা হচ্ছে। আফগানিস্তান এর চেয়ে ভাল অবস্থায়। পুলিশ দলদাস হয়ে গিয়েছে। স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করা উচিত ছিল পুলিশের। যথেষ্ট বয়স হয়েছে দিলীপবাবুর। তার উপর এমন আক্রমণ! আজই দিল্লি রওনা হচ্ছি। এসব নিয়ে বলব। মানুষকে অনুরোধ করছি এই অপসংস্কৃতি শেষ করুন।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২১
রাজ্য

CBI Burdwan: আলাদা ভাবে খুনের মামলা রুজু করে বর্ধমানের বিজেপি কর্মীর মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত শুরু করলো সিবিআই

খুনের মামলা রুজু করেই বর্ধমানের কাঞ্চননগরের বিজেপি কর্মী নারায়ণ দের মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত শুরু করেদিল সিবিআই।খুনের মামলা রুজু করার বিষয়টি মঙ্গলবার বর্ধমান সিজেএম আদালতে জানান সিবিআইয়ের স্পেশাল ক্রাইম ব্রাঞ্চের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সঞ্জয়কুমার সিনহা। তার পর এদিনই সিবিআইয়ের ৪ সদস্যের তদন্তকারী দল শুরু করে দিলেন বিজেপি কর্মী নারায়ন দে কে খুনের ঘটনার তদন্ত।নারায়ন দে-র মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে গত ২৪ জুন খুনের মামলা রুজু করে বর্ধমান থানার পুলিশ তদন্তে নামে। কিন্তু কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। সিবিআই আলাদা ভাবে খুনের মামলা রুজু করে তদন্তে নামায় খুনিরা ধরা পড়বে বলে আশাবাদী নিহত বিজেপি কর্মীর পরিবার।আরও পড়ুনঃ ভবানীপুরের উপনির্বাচনের অভিঘাত ভিন্ন, তবে মনে করাচ্ছে ৬৫ বছর আগের বাংলার রাজনীতির কথাসিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, পেশায় টোটো চালক নারায়ণ দে বিজেপি কর্মী ছিলেন। গত ১৮ এপ্রিল বর্ধমানের কাঞ্চননগর এলাকায় বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। সেই সময় নারায়ণ টোটো চালিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। তৃণমূলের লোকজন নারায়ণ কে ধরে প্রচণ্ড মারধর করে। মারধরে তিনি গুরুতর জখম হন। অথচ সেই সময়ে ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশ নারায়ণ সহ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার হওয়ার তিনদিন পর আদালত থেকে জামিনে ছাড়া পান নারায়ণ। এরপর পরিবারের লোকজন তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখান থেকে তাঁকে শহরের খোসবাগান এলাকার একটি নার্সিংহোমে স্থানান্তরিত করা হয়। পরে বোরহাট এলাকার একটি নার্সিংহোমেও তাঁর চিকিৎসা হয়। নার্সিংহোম থেকে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। ৬ মে নারায়ণ দে মারা যান। তাঁর স্ত্রী পূর্ণিমা দে ২৪ জুন ঘটনার কথা জানিয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।পরে হাইকোর্টের নির্দেশে ভোট পরবর্তী এই রাজনৈতিক হিংসার মামলার তদন্তভারও সিবিআই হাতে নেয়।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২১
রাজ্য

CBI: বর্ধমানের কাঞ্চননগরে বিজেপি কর্মীকে খুনের ঘটনায় পৃথক মামলা রুজু সিবিআইয়ের

ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক হিংসার ঘটনার তদন্তে নেমে আবারও একটি খুনের মামলা রুজু করল সিবিআই। এবার সিবিআই বর্ধমানের কাঞ্চননগরে বিজেপি কর্মী নারায়ণ দে-কে পিটিয়ে মারার ঘটনা নিয়ে খুনের মামলা রুজু করল। মামলা রুজুর বিষয়টি মঙ্গলবার বর্ধমান সিজেএম আদালতে জানিয়েছেন সিবিআইয়ের স্পেশাল ক্রাইম ব্রাঞ্চের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সঞ্জয়কুমার সিনহা। নারায়ন দে-র মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে গত ২৪ জুন খুনের মামলা রুজু বর্ধমান থানার পুলিশ তদন্তে নামে। কিন্তু কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। সিবিআই আলাদা ভাবে খুনের মামলা রুজু করে তদন্তে নামায় খুনিরা ধরা পড়বে বলে আশাবাদী নিহত বিজেপি কর্মীর পরিবার।আরও পড়ুনঃ বিরলতম ঘটনা, পুরুলিয়া সূচকাণ্ডে মৃত্যুদণ্ডসিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, পেশায় টোটো চালক নারায়ণ দে বিজেপি কর্মী ছিলেন। গত ১৮ এপ্রিল বর্ধমানের কাঞ্চননগর এলাকায় বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। সেই সময় নারায়ণ টোটো চালিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। তৃণমূলের লোকজন নারায়ণকে ধরে প্রচণ্ড মারধর করে। মারধরে তিনি গুরুতর জখম হন। অথচ সেই সময়ে ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশ নারায়ণসহ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার হওয়ার তিনদিন পর আদালত থেকে জামিনে ছাড়া পান নারায়ণ। এরপর পরিবারের লোকজন তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভির্ত করেন। সেখান থেকে তাঁকে শহরের খোসবাগান এলাকার একটি নার্সিংহোমে স্থানান্তরিত করা হয়। পরে বোরহাট এলাকার একটি নার্সিংহোমেও তাঁর চিকিৎসা হয়। নার্সিংহোম থেকে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। ৬ মে নারায়ণ দে মারা যান। তাঁর স্ত্রী পূর্ণিমা দে ২৪ জুন ঘটনার কথা জানিয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে ভোট পরবর্তী এই রাজনৈতিক হিংসার মামলার তদন্তভারও সিবিআই হাতে নেয়। আরও পড়ুনঃ মুখ থেঁতলানো মহিলার পরিচয় মিলল, খুনির খোঁজে পুলিশএকই ভাবে হাইকোর্টের নির্দেশে সিবিআই জেলার জামালপুরের নবগ্রামে বিজেপি নেতার মাকে খুনের ঘটনারও তদন্ত চালাচ্ছে। তবে এই খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত তৃণমূলের তিন জনের আগাম জামিন এদিন মঞ্জুর করে বর্ধমান আদালত। গ্রেপ্তারি এড়াতে নবগ্রামের বাসিন্দা কুমারেশ ঘোষ, সমীর ঘোষ ও অমরেশ বাগ জেলা জজের আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন। মঙ্গলবার সেই আবেদনের শুনানি হয়। অভিযুক্তদের আইনজীবী বিশ্বজিৎ দাস আদালতে সওয়াল পর্বে বলেন, রাজনৈতিক কারণে তিনজনকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। তিনজনের কেউ এই ঘটনায় জড়িত নয়। মামলায় অন্যান্য অভিযুক্তরাও জামিন পেয়ে গিয়েছেন। সিবিআইয়ের আইনজীবী অবশ্য জামিনের জোরালো বিরোধিতা করেন। সিবিআইনের আইনজীবী বলেন, অভিযুক্তরা জামিন পেলে সাক্ষীদের ভয় দেখাতে পারে। মামলা প্রভাবিত হতে পারে। তদন্তের প্রাথমিক পর্যায়ে অভিযুক্তদের জামিন দিলে মামলা ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে সিবিআইয়ের আইনজীবী আদলতে দাবি করেন। যদিও সিবিআইয়ের বক্তব্যকে আমল না দিয়ে ভারপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা বিচারক অর্জুন মুখোপাধ্যায় ৩ জনের আগাম জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেন।আরও পড়ুনঃ খড়দায় চার্জ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু বাবা-মা-ছেলেরসিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, ভোটের ফল বের হওয়ার পর দিন অর্থাৎ গত ৩ মে দুপুরে নবগ্রামে বিজেপির শক্তিপ্রমুখ আশিস ক্ষেত্রপালের বাড়িতে তৃণমূলের লোকজন হামলা চালায়। তাঁদের বাড়ি ভাঙচুর করা হয়। আশিসের বাবা অনিল ক্ষেত্রপালকে টাঙি দিয়ে কোপানো হয়। ওই সময়ে স্বামীকে বাঁচাতে গেলে কাকলি ক্ষেত্রপাল(৪৭)-কে বেধড়ক মারধর করা হয়। তাঁর গলায় ভোজালির কোপ মারা হয়। কাকলিকে জামালপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার কথা জানিয়ে কাকলির প্রতিবেশী মামণি ক্ষেত্রপাল জামালপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নেমে পুলিশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে। হাইকোর্টের নির্দেশে সিবিআই এই খুনের মামলারও তদন্ত চালাচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১
রাজনীতি

Mamata Bannerjee: অহীন্দ্র মঞ্চে কর্মিসভায় বিজেপিকে কয়েক হাত মমতার

চেতলার কর্মিসভার মঞ্চ থেকে বিজেপিকে কয়েক হাত নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতা হাইকোর্টের রায়ের প্রসঙ্গ পরোক্ষে টেনে খুনের মামলায় তথ্য রয়েছে, তাও এফআইআর করা যাবে না, বলে আক্রমণ শানান তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উল্লেখ্য, গত সোমবার রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে রক্ষাকবচ দিয়েছে আদালত। বুধবার মমতা নিজের ভাষণে কারও নাম না নিলেও তাঁর লক্ষ্যবস্তু শুভেন্দুই ছিলেন, মনে করছে রাজনৈতিক মহল।আরও পড়ুনঃ রিয়েল মাদ্রিদের গন্ধমাখা কোচ এবার এসসি ইস্টবেঙ্গলের দায়িত্বেভবানীপুরে প্রার্থী ঘোষণার পর এ দিন অহীন্দ্র মঞ্চে প্রথম কর্মিসভা করল জোড়াফুল শিবির। ওই মঞ্চ থেকেই মমতা বলেন, আমাদের কাছে মার্ডার কেসে তথ্য থাকলেও এফআইআর করা যাবে না? কেন এফআইআর করা যাবে না? ভগবানের জ্যেষ্ঠপুত্র?২০১৮ সালে রাজ্যের তৎকালীন মন্ত্রী শুভেন্দুর দেহরক্ষী শুভব্রত চক্রবর্তীর অস্বাভাবিক মৃত্যু-মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সোমবার ভবানীভবনে শুভেন্দুকে তলব করেছিল সিআইডি। কিন্তু তিনি হাজির হননি। শুভেন্দুর বিরুদ্ধে কলকাতা-সহ রাজ্যের পাঁচটি থানায় দায়ের হওয়া পাঁচটি মামলায় ওই দিনই হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়ে জানায়, শুভেন্দুকে আপাতত গ্রেপ্তার করা যাবে না। নতুন এফআইআর হলে শুভেন্দুকে জানাতে হবে। গত বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে হার নিয়েও বুধবার সুর চড়ালেন মমতা। তিনি বলেন, নন্দীগ্রামে লড়তে গিয়েছিলাম, অপরাধ তো করিনি৷ আমার একটা আবেগ ছিল। অনেকে অনুরোধও করেছিলেন৷ বুথ অফিসার, আইসি, পর্যবেক্ষক বদলে দিয়ে খালি ছাপ্পা মারা হয়েছে৷ বাধ্য হয়ে এক জায়গায় গিয়ে বসে থেকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়েছি৷ এঁদের ষড়যন্ত্রের জন্য ফের নির্বাচনে আবার দাঁড়াতে হল৷ কিন্তু আমি ভবানীপুরে নিজের ঘরে ফিরে আসতে পেরেছি৷ আমি নিশ্চিত, ভবানীপুরের মানুষও চেয়েছিলেন আমি এখানেই থাকি৷

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২১
রাজ্য

BIG BREAKING: 'গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে' খুন তৃণমূল কর্মী, উত্তপ্ত বর্ধমান

গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে বর্ধমানে খুন হল এক তৃণমূল কর্মী। পুলিশ সূত্রে খবর, ওই তৃণমূল কর্মীর নাম অশোক মাঝি (৩৮)। জখম অশোক মাঝিকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সেখানেই মারা যান তিনি। এই ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে শহর বর্ধমানে।আরও পড়ুনঃ বেড পেতে গেলে আরেকটি শিশুর মৃত্যু অবধি অপেক্ষা করতে হবে!জানা গিয়েছে, বর্ধমানে পুরপ্রশাসক বোর্ড গঠন হওয়ার পর থেকেই শহরে দলের একাংশ পথ অবরোধ, পুরসভায় বিক্ষোভ দেখাচ্ছে। বিক্ষোভকারীরা বর্ধমান দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক খোকন দাসের ঘনিষ্ঠ বলেই দলীয় সূত্রে খবর। যদিও এটা তৃণমূলের নীচু তলার ক্ষোভের ফল বলেই বিধায়ক ঘনিষ্ঠদের দাবি। শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে মিছিল পাল্টা মিছিল চলছে। একপ্রকার শহরের রাজনৈতিক পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল। ইতিমধ্যে বেশ কিছু ওয়ার্ডে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে। তারই মধ্যে এই খুনের ঘটনা নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল।মঙ্গলবার ফের অশান্তি বর্ধমানে। এবার তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন কাউন্সিলর মহম্মদ সেলিমের উপর হামলার অভিযোগ উঠলো দলেরই একাংশের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, পৌরসভা থেকে বাড়ি ফেরার পথে খালাসি পাড়ায় সেলিম ও তার সহযোগীদের কয়েকজন বহিরাগত রড, লাঠি দিয়ে আক্রমণ করে। তাঁর অভিযোগ, আক্রমণকারীরা বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক খোকন দাস ও তৃণমূল নেতা শিবশংকর ঘোষের অনুগামী। তাদের অঙ্গুলি হেলনেই তাঁর উপর হামলা করা হয়। হামলার ঘটনায় প্রাক্তন কাউন্সিলর মহম্মদ সেলিম সহ তিনজন জখম হয়। যদিও জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক শিবশংকর ঘোষ অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা। তিনি এই ঘটনায় কোন ভাবেই জড়িত নন।

আগস্ট ২৪, ২০২১
রাজ্য

BJP murder: দাঁতনে খোলা মাঠে বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধার

ফের রাজ্যে বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধার। শনিবার সকালে খোলা মাঠে পড়ে থাকতে দেখা যায় বিজেপি কর্মীর দেহ। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাঁতন থানা এলাকার ঘটনা। সকালে শ্রীকান্ত পাত্র নামে ওই বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ায় দাঁতন থানার শরশংকা এলাকায়। পরিবারের অভিযোগ কেউ বা কারা খুন করে দেহ রেখে দিয়ে গিয়েছে শ্রীকান্তের। তবে এই ঘটনা তৃণমূলের দিকে আঙুল তুলছে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব।খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে পুলিশ। উদ্ধার করা হয়েছে মৃতদেহ।আরও পড়ুনঃ আদিমতার উল্লাস-মধ্যযুগীয় বর্বরতা-অস্ত্রের ঝনঝনানি, চুপ! সভ্যতা মুখে কুলুপ এঁটেছেএ দিন সকালে রক্তাক্ত অবস্থায় শ্রীকান্তকে পড়ে থাকতে দেখা তাঁর পরিবার। শরশংকা এলাকার সারিকুটা গ্রামের বাসিন্দা তিনি। কী ভাবে খুন করা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। দেহ উদ্ধার করে পাঠানো হয়েছে ময়নাতদন্তের জন্য। বিজেপির এক স্থানীয় নেতার দাবি, শুধুমাত্র বিজেপি করে বলেই এমন পরিণতি হয়েছে শ্রীকান্তের। তাঁকে তৃণমূলকর্মীরা পিটিয়ে মেরে ফেলেছে বলে অভিযোগ বিজেপির। অন্যদিকে, তৃণমূলের ব্লক সভাপতি বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগাযোগ নেই। পারিবারিক সমস্যার জেরেই আত্মঘাতী হয়েছেন ওই ব্যক্তি।

আগস্ট ২১, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • ›

ট্রেন্ডিং

স্বাস্থ্য

বর্ধমানে বি আই এম এল এস ফিজিওথেরাপি কলেজে বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস পালন

২৫ বছর পূর্তিতে দিনভর নানা কর্মসূচি, ফ্রি কনসালটেশন ক্যাম্প ও বৈজ্ঞানিক সেমিনার; কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ ও স্ট্রোক নিয়ে বিশেষ আলোচনার মাধ্যমে বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস পালন।ফিজিওথেরাপির প্রয়োজনীয়তা ও উপকারিতা সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা গড়ে তুলতে বর্ধমান শহরের বি আই এম এল এস ফিজিওথেরাপি কলেজে পালিত হল বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস। মঙ্গলবার কলেজ প্রাঙ্গণে দিনভর নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। ছিল বিশেষজ্ঞদের আলোচনা, বৈজ্ঞানিক সেশন, লাইভ ডেমোনস্ট্রেশন এবং রোগীদের জন্য বিনামূল্যে কনসালটেশন ক্যাম্প।অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন বর্ধমান শহরের বিশিষ্ট অর্থোপেডিক সার্জেন ড. শাশ্বত দত্ত। উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান মেডিকেল কলেজের উইংস অনাময় হাসপাতালের নিউরো মেডিসিন বিভাগের সিনিয়র রেসিডেন্ট ড. শিলাদিত্য দাস। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বি আই এম এল এস কলেজের এথিকাল কমিটির চেয়ারম্যান ও বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ড. অভিষেক মিশ্র এবং বেঙ্গল ফেত হাসপাতালের বিশিষ্ট ফিজিওথেরাপিস্ট ড. অরোদীপ দাশগুপ্ত -সহ অন্যান্যরা।অনুষ্ঠানে বক্তারা দৈনন্দিন জীবনে ফিজিওথেরাপির প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করেন। বিশেষজ্ঞদের বক্তব্যে উঠে আসে, ফিজিওথেরাপি শুধু চোট বা অস্ত্রোপচারের পর পুনর্বাসনের জন্য নয়; দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা, অস্থিসন্ধির সমস্যা, পেশির দুর্বলতা, স্নায়বিক সমস্যা, চলাফেরার অসুবিধা এবং বিভিন্ন ধরনের শারীরিক প্রতিবন্ধকতার ক্ষেত্রেও এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।এছাড়াও এদিন উপস্থিত ছিলেন বি আই এম এল এস ফিজিওথেরাপি কলেজের প্রিন্সিপ্যাল ড. এম এস আনোয়ার, সহকারি অধ্যাপক ড. সত্যেন ভট্টাচার্য্য, সহকারি অধ্যাপক ড. অমর্ত্য মল্লিক, সহকারি অধ্যাপক ড.তনিমা ভট্টাচার্য্য, সহকারি অধ্যাপক ড. প্রিয়াঙ্কা দাস ও সহকারি অধ্যাপক ড. রজনী মিশ্র দাসগুপ্ত।২৫ বছর পূর্তিতে রোগী পরিষেবায় বিশেষ উদ্যোগবি আই এম এল এস ফিজিওথেরাপি কলেজের অধ্যক্ষ ড. এম এস আনোয়ার জানান, বি আই এম এল এস ফিজিওথেরাপি কলেজের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে বিভিন্ন ধরনের ওপিডি পরিষেবার মাধ্যমে রোগীদের চিকিৎসা ও ফিজিওথেরাপি পরিষেবা দেওয়ার ব্যবস্থা হয়েছে। এছাড়াও বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস উপলক্ষে ওপিডিতে আয়োজন করা হয় ফ্রি কনসালটেশন ক্যাম্প। তিনি জানান দিনভর এই ক্যাম্পে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা নিয়ে আসা রোগীদের বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ দেওয়া হয়। এর পাশাপাশি আয়োজিত হয় বিশেষ বৈজ্ঞানিক সেমিনার।কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ ও স্ট্রোক নিয়ে বিশেষ সেশনবি আই এম এল এস ফিজিওথেরাপি কলেজের বিশিষ্ট ফিজিওথেরাপি ডাক্তার ড. সত্যেন ভট্টাচার্য্য জানান, এবারে বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবসে বিশেষ থিম ছিল কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ ও স্ট্রোক। এদিনের বৈজ্ঞানিক সেশনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ এবং স্ট্রোক। স্ট্রোকের পর রোগীর স্বাভাবিক চলাফেরা, পেশিশক্তি, ভারসাম্য এবং দৈনন্দিন কাজ করার সক্ষমতা ফিরিয়ে আনতে ফিজিওথেরাপির ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়। তিনি জানান, সেমিনারের পাশাপাশি বিভিন্ন থেরাপিউটিক পদ্ধতি নিয়ে লাইভ ডেমোনস্ট্রেশনও দেখানো হয়।রোগীদের সাফল্যের গল্পে উঠে এল ফিজিওথেরাপির গুরুত্বসহকারি অধ্যাপক ড. অমর্ত্য মল্লিক জনতার কথাকে জানান, আজকের বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবসের অনুষ্ঠানের অন্যতম তাৎপর্যপূর্ণ অংশ ছিল ফিজিওথেরাপির মাধ্যমে উপকৃত হওয়া রোগীদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরা। বিশেষ করে ছোটবেলা থেকে বিভিন্ন ধরনের ডিফর্মিটি বা ডিসঅ্যাবিলিটি নিয়ে বেড়ে ওঠা কয়েকজন রোগী কীভাবে চিকিৎসা ও নিয়মিত ফিজিওথেরাপির মাধ্যমে স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ফিরে এসেছেন, সেই অভিজ্ঞতা তাঁরা তুলে ধরেন।তাঁদের এই অভিজ্ঞতা উপস্থিতদের কাছে শুধু অনুপ্রেরণার নয়, বরং পুনর্বাসনমূলক চিকিৎসায় ফিজিওথেরাপির গুরুত্বের একটি বাস্তব উদাহরণ হিসেবেও উঠে আসে।কলেজের অধ্যক্ষ ড. এম এস আনোয়ার বলেন মানুষ কে জানতে হবে ফিজিওথেরাপি কেন গুরুত্বপূর্ণ?ফিজিওথেরাপির অন্যতম লক্ষ্য হল শরীরের নড়াচড়া ও কার্যক্ষমতা উন্নত করা, ব্যথা নিয়ন্ত্রণ করা এবং রোগীকে যতটা সম্ভব স্বনির্ভর করে তোলা।স্ট্রোক-পরবর্তী পুনর্বাসন, অস্ত্রোপচারের পর দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফেরা, কোমর-ঘাড়-কাঁধ বা হাঁটুর ব্যথা নিয়ন্ত্রণ, স্পোর্টস ইনজুরি, শিশুদের শারীরিক বিকাশজনিত সমস্যা এবং বয়স্কদের চলাফেরার সক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে ফিজিওথেরাপি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।তবে রোগীর শারীরিক অবস্থা ও রোগের ধরন অনুযায়ী ফিজিওথেরাপির পদ্ধতি নির্ধারণ করা প্রয়োজন এবং প্রশিক্ষিত ফিজিওথেরাপিস্টের পরামর্শ অনুযায়ী থেরাপি নেওয়া উচিত।বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস উপলক্ষে বি আই এম এল এস ফিজিওথেরাপি কলেজের এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে উঠে এল একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তাফিজিওথেরাপি শুধু ব্যথা কমানোর পদ্ধতি নয়, বরং একজন মানুষকে সুস্থ, সচল ও স্বনির্ভর জীবনে ফিরিয়ে আনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৬
রাজ্য

নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে উপনির্বাচন, নামল বিশাল বাহিনী! দুই কেন্দ্রের জন্য চাওয়া হল ৭১ কোম্পানি

নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের উপনির্বাচন ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার করার প্রস্তুতি শুরু করেছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর। দুই কেন্দ্রের জন্য মোট ৭১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে রেজিনগরের জন্য ৩৬ কোম্পানি এবং নন্দীগ্রামের জন্য ৩৫ কোম্পানি বাহিনী চাওয়া হয়েছে।তবে মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুর পুলিশ জেলায় আগে থেকেই যে ৮ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রয়েছে, সেই বাহিনীকে এই উপনির্বাচনের কাজে ব্যবহার করা যাবে না বলে জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক নীলম মীনা। সেখানেই উপনির্বাচনের প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, নন্দীগ্রামে মোট ২৮৬টি এবং রেজিনগরে ২৮২টি বুথ রয়েছে। ভোটারের সংখ্যা অনুযায়ী এর সঙ্গে আরও কিছু সাহায্যকারী বুথ যুক্ত হতে পারে। তবে অ্যাডজুডিকেশন এবং ট্রাইব্যুনালে থাকা ভোটাররা আসন্ন উপনির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন না বলেই সিইও দফতরের তরফে ইঙ্গিত মিলেছে।নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশের পর থেকেই দুই কেন্দ্রের প্রস্তুতি নিয়ে ব্যস্ততা বেড়েছে সিইও দফতরে। মঙ্গলবার বিকেলে পূর্ব মেদিনীপুর ও মুর্শিদাবাদ জেলার জেলাশাসক এবং জেলা পুলিশ সুপারদের সঙ্গে বৈঠক করেন নীলম মীনা-সহ দফতরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা।বৈঠকে দুই জেলায় নির্বাচন পরিচালনার সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। ভোটকেন্দ্রগুলির অবস্থা কেমন, সব বুথে ওয়েব কাস্টিংয়ের ব্যবস্থা করতে কোনও সমস্যা রয়েছে কি না, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কেমন, কতগুলি এলাকা সংবেদনশীল এবং সেখানে কী ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রয়োজন, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের উপনির্বাচনকে ঘিরে প্রশাসনের এই তৎপরতার মধ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর চাহিদাও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে রেজিনগরে ৩৬ কোম্পানি এবং নন্দীগ্রামে ৩৫ কোম্পানি বাহিনী চাওয়ার প্রস্তাব এখন জাতীয় নির্বাচন কমিশনের অনুমোদনের অপেক্ষায়।প্রসঙ্গত, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুরদুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নিয়ম অনুযায়ী তাঁকে একটি আসন ছাড়তে হয়। নিজের গড় নন্দীগ্রাম কেন্দ্রটি ছেড়ে দেন তিনি। ফলে ওই আসনটি বিধায়কশূন্য হয়ে পড়ে। এবার উপনির্বাচনের মাধ্যমে নতুন বিধায়ক বেছে নেবেন নন্দীগ্রামের ভোটাররা।অন্যদিকে, মুর্শিদাবাদের রেজিনগর এবং নওদাদুই কেন্দ্রেই জয় পেয়েছিলেন তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত হয়ে আমজনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর। নিয়ম মেনে তিনিও রেজিনগর কেন্দ্রটি ছেড়ে দেন। ফলে ওই কেন্দ্রেও উপনির্বাচনের প্রয়োজন হয়।নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন হবে। ৯ অক্টোবর ভোটের ফল প্রকাশ করা হবে। তার আগে কেন্দ্রীয় বাহিনী, বুথের নিরাপত্তা, ওয়েব কাস্টিং এবং সংবেদনশীল এলাকাগুলিতে বিশেষ নজরদারিসব দিকেই প্রস্তুতি জোরদার করছে প্রশাসন।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৬
কলকাতা

বলরাম মল্লিকের দোকানে কী মিলল? পুরসভার অভিযানের পর লাইসেন্স সাসপেন্ড, তালিকায় আরও ৩৯ সংস্থা

পুজোর আগে কলকাতার একাধিক নামী খাবারের দোকানের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করেছে কলকাতা পুরসভা। সিমলা বিরিয়ানি, আরসালান থেকে শুরু করে বলরাম মল্লিকের মিষ্টির দোকানমোট ৪০টি রেস্তোরাঁ, হোটেল ও খাবারের সংস্থার লাইসেন্স সাসপেন্ড করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।পুরসভার তরফে দেওয়া তালিকা অনুযায়ী, খাবারের মান এবং স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে একাধিক অনিয়ম সামনে এসেছে। কোথাও পচা খাবার বা মেয়াদ উত্তীর্ণ মশলার অভিযোগ রয়েছে, কোথাও আবার খাবারে বিষাক্ত রং ব্যবহারের বিষয়টি উঠে এসেছে। একাধিক মিষ্টির দোকানে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মিষ্টি তৈরির অভিযোগও পাওয়া গিয়েছে। মিষ্টি তৈরিতে ব্যবহৃত দুধের মান নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।টলিগঞ্জের বি এল সাহা রোডে বলরাম মল্লিকের মিষ্টির দোকানেও একাধিক নিয়ম না মানার অভিযোগ উঠেছে। পুরসভার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, খাবার তৈরি ও পরিবেশনের সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের নিয়মিত শারীরিক পরীক্ষা এবং প্রতিষেধক টিকাদানের নথি পাওয়া যায়নি।এ ছাড়াও রেফ্রিজারেটরে রাখা তৈরি বা অর্ধেক তৈরি খাবারে তৈরির তারিখের কোনও ট্যাগ পাওয়া যায়নি বলে পুরসভার তালিকায় উল্লেখ করা হয়েছে। ব্যবহৃত ভোজ্যতেল কী ভাবে ফেলা বা নষ্ট করা হয়, সেই সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নথিও মেলেনি বলে দাবি পুরসভার।দোকানে ঢাকনাবিহীন আবর্জনার পাত্র থাকার বিষয়টিও উঠে এসেছে। খাবার সংরক্ষণের জন্য তাপমাত্রা সঠিক ভাবে মাপা যায়, এমন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা ছিল না বলেও পুরসভার পরিদর্শনে উল্লেখ করা হয়েছে।খাবার তৈরি ও পরিবেশনের সময় কর্মীদের মাথায় টুপি বা গায়ে অ্যাপ্রন না থাকার অভিযোগও রয়েছে। পুরসভার রিপোর্ট অনুযায়ী, বেশির ভাগ খাবার খোলা বা ঢাকনাবিহীন অবস্থায় তাক কিংবা রেফ্রিজারেটরে রাখা ছিল।শুধু খাবার সংরক্ষণ নয়, রান্নার জায়গা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। পুরসভার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রান্নাঘরের বাইরে আলুর তরকারি তৈরি করা হচ্ছিল। পাশাপাশি নিচু জায়গা ও জলাভূমির কাছাকাছি বস্তায় আলু রাখার বিষয়টিও পরিদর্শনে ধরা পড়েছে।বলরাম মল্লিকের দোকান ছাড়াও কলকাতার আরও একাধিক মিষ্টির দোকানের লাইসেন্স সাসপেন্ড করা হয়েছে। পুজোর আগে শহরের খাবারের দোকানগুলিতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতেই এই ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।কলকাতা পুরসভার কমিশনার স্মিতা পাণ্ডে জানিয়েছেন, মোট ৪০টি সংস্থার লাইসেন্স সাসপেন্ড করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলি সমস্ত নিয়ম মেনে আবেদন করলে সেই আবেদন খতিয়ে দেখা হবে। অর্থাৎ নিয়ম মেনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পরেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে পুরসভার তরফে জানানো হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৬
কলকাতা

নিউ মার্কেটের সেই আগুনের পর বদলে গেল নিয়ম? কলকাতার ৯১৯ হোটেল-গেস্ট হাউসের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ

নিউ মার্কেট এলাকার একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর কলকাতার হোটেল ও গেস্ট হাউসগুলির অগ্নিসুরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে বড় পদক্ষেপ করল নবান্ন। বিশেষজ্ঞ কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে শহরের ৯১৯টি হোটেল ও গেস্ট হাউসের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আপাতত ওই হোটেল ও গেস্ট হাউসগুলি বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।অগ্নিকাণ্ডের পরেই কলকাতার বিভিন্ন হোটেলে অগ্নিসুরক্ষা ব্যবস্থা কতটা কার্যকর, তা খতিয়ে দেখতে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করে নবান্ন। কমিটির সদস্যরা শহরের ১৬টি ব্যুরোর আওতায় থাকা হোটেল ও গেস্ট হাউসগুলিতে অভিযান চালান। সব মিলিয়ে ৯৬২টি হোটেল ও গেস্ট হাউস পরিদর্শন করা হয়।অভিযানের পর কমিটি নবান্নে রিপোর্ট জমা দেয়। সেই রিপোর্টে ৯১৯টি হোটেল ও গেস্ট হাউসে অগ্নিসুরক্ষা বিধি যথাযথ ভাবে মানা হচ্ছে না বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এরপরই ওই হোটেল ও গেস্ট হাউসগুলির লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রশাসনের নির্দেশ অনুযায়ী, আপাতত সেগুলি বন্ধ থাকবে।এর নেপথ্যে রয়েছে নিউ মার্কেট এলাকার একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। আগস্ট মাসে মির্জা গালিব স্ট্রিটের ১৫ এইচ নম্বর ভবনে থাকা ওই আবাসিক হোটেলে গভীর রাতে আগুন লাগে। রাত আনুমানিক পৌনে দুটো নাগাদ আগুনের সূত্রপাত হয় বলে জানা গিয়েছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং হোটেলের ঘরগুলি ঘন কালো ধোঁয়ায় ভরে যায়।আগুন এবং ধোঁয়ার কারণে হোটেলের বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই প্রাণ বাঁচাতে বাইরে বেরোনোর চেষ্টা করেন। কিন্তু ঘন ধোঁয়ার কারণে বেশ কয়েক জন সমস্যায় পড়েন। অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং কয়েক জন জ্ঞান হারান বলেও জানা যায়।ভোররাতে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে হোটেল থেকে প্রায় ৮০ জনকে উদ্ধার করা হয় বলে জানানো হয়েছিল। ওই ঘটনায় ৯ জনের মৃত্যু হয়। মৃতদের মধ্যে ৮ জন বাংলাদেশি ছিলেন। আরও ৬ জন আহত হন।ঘটনার পরেই কলকাতার হোটেলগুলির অগ্নিসুরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এরপর শহরের বিভিন্ন হোটেল ও গেস্ট হাউসে অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নেয় নবান্ন। সেই অভিযানের রিপোর্টেই উঠে আসে ৯১৯টি হোটেল ও গেস্ট হাউসে অগ্নিসুরক্ষা বিধি না মানার অভিযোগ।রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই প্রশাসনের তরফে বড় পদক্ষেপ করা হয়েছে। ৯১৯টি হোটেল ও গেস্ট হাউসের লাইসেন্স বাতিল করে আপাতত সেগুলি বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি অগ্নি ও জরুরি পরিষেবা দফতরের প্রধান সচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ওঙ্কার সিং মিনাকে। নিউ মার্কেটের অগ্নিকাণ্ডের পর কলকাতার হোটেলগুলির নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৬
বিদেশ

দেশে ফেরার ঘোষণা, তার আগেই প্রকাশ্যে হাসিনার সম্পত্তির হিসাব! কত টাকার মালিক প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী?

বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ঘিরে ফের চর্চা শুরু হয়েছে তাঁর সম্পত্তির হিসাব নিয়ে। বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যমের দাবি, দেশে গণহত্যার মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর তাঁর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে হাসিনার হলফনামা, যেখানে তাঁর স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির হিসাব উল্লেখ রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।হলফনামায় দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশি মুদ্রায় শেখ হাসিনার মোট সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ৪ কোটি ৩৪ লক্ষ টাকা। ভারতীয় মুদ্রায় যার মূল্য প্রায় ৩ কোটি ৩৩ লক্ষ টাকা। তাঁর হাতে নগদ ছিল ২৮ হাজার ৫০০ বাংলাদেশি টাকা। বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে তাঁর প্রায় ২ কোটি ৩৯ লক্ষ বাংলাদেশি টাকা জমা ছিল বলে ওই হিসাব থেকে জানা যাচ্ছে।শুধু ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা টাকাই নয়, শেখ হাসিনার নামে কৃষিজমিও রয়েছে। হলফনামা অনুযায়ী, তাঁর কৃষিজমির পরিমাণ ১৫ বিঘার বেশি। তাঁর নামে মোট তিনটি গাড়ি রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি গাড়ি উপহার হিসেবে পাওয়া। সেই গাড়ির মূল্য হলফনামায় উল্লেখ করা হয়নি। অন্য দুটি গাড়ির সম্মিলিত মূল্য প্রায় ৪৭ লক্ষ ৫০ হাজার বাংলাদেশি টাকা।হলফনামায় সোনা ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর মূল্য প্রায় ১৩ লক্ষ ২৫ হাজার বাংলাদেশি টাকা বলে উল্লেখ রয়েছে। এছাড়া আসবাবপত্রের মূল্য প্রায় ৭ লক্ষ ৪০ হাজার বাংলাদেশি টাকা বলে জানা যাচ্ছে। সব মিলিয়ে হলফনামায় শেখ হাসিনার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির যে হিসাব দেওয়া হয়েছে, তা নিয়েই এখন নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতির মধ্যেই দেশে ফেরার ইচ্ছার কথাও প্রকাশ্যে জানিয়েছেন শেখ হাসিনা। একটি সাক্ষাৎকারে তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, তিনি নিজের দেশে ফিরতে চান এবং ফিরবেনই। ডিসেম্বরের মধ্যেই বাংলাদেশে ফেরার ইচ্ছা রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংকট অনির্দিষ্টকাল ধরে চলতে দেওয়া যায় না। দেশে ফেরা তাঁর কাছে ক্ষমতায় ফেরার বিষয় নয়, বরং সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর বিষয়।হাসিনার বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি সারা জীবন বিদেশে থাকতে পারেন না। নিজের দেশ এবং আপনজনদের কাছে তাঁকে ফিরতেই হবে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেই তাঁর এই মন্তব্য নতুন করে রাজনৈতিক মহলে চর্চা তৈরি করেছে।উল্লেখ্য, ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকেই শেখ হাসিনা ভারতে রয়েছেন। বাংলাদেশে তাঁর বিরুদ্ধে বিচারপ্রক্রিয়া হয়েছে এবং তাঁর বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের সাজা ঘোষণার কথাও সামনে এসেছে। তাঁকে বাংলাদেশের হাতে প্রত্যর্পণ করা নিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে কূটনৈতিক টানাপড়েনও চলছে বলে জানা যাচ্ছে।এরই মধ্যে গত ৫ আগস্ট দিল্লি থেকে ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন শেখ হাসিনা। সেখানেও দেশে ফেরার বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন তিনি। ডিসেম্বর, অর্থাৎ বাংলাদেশের স্বাধীনতার মাসে দেশে ফেরার ইচ্ছার কথা জানান হাসিনা। তাঁর এই বক্তব্য এবং একই সময়ে প্রকাশ্যে আসা সম্পত্তির হিসাব ঘিরে বাংলাদেশ ও ভারতের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৬
কলকাতা

ক্যামাক স্ট্রিটের অফিস নিয়ে আরও চাপে অভিষেক! নিম্ন আদালতের নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে গোয়েঙ্কা পরিবার

ক্যামাক স্ট্রিটের অফিস নিয়ে আরও আইনি চাপে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। নিম্ন আদালতের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে এবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন ওই বাড়ির মালিক তথা গোয়েঙ্কা পরিবারের সদস্যরা। মঙ্গলবার হাইকোর্টে আবেদন জানিয়েছেন তাঁরা। মামলাটি উঠেছে বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্যের এজলাসে।ক্যামাক স্ট্রিটের ৯ নম্বর বাড়িটির মালিক রমাদেবী গোয়েঙ্কা। ২০২০ সালে ওই বাড়ি নিয়ে তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সঙ্গে তাঁদের চুক্তি হয়েছিল। কিন্তু মালিকপক্ষের অভিযোগ, চুক্তিতে যে শর্তগুলি ছিল, তার সবগুলি মানা হয়নি। তাঁদের দাবি, প্রভাব খাটিয়ে বাড়িটির দুটি তলা দখল করে রাখা হয়েছিল।মালিকপক্ষের আরও অভিযোগ, তাঁদের অনুমতি না নিয়েই বাড়িতে হোর্ডিং বা বিলবোর্ড লাগানো হয়েছিল। শুধু দুটি তলাই নয়, সিঁড়ির নীচের অংশ, গ্যারাজ এবং ছাদও দখল করে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ তাঁদের।এই অভিযোগের ভিত্তিতে ক্যামাক স্ট্রিটের ওই অফিস ছেড়ে দেওয়ার জন্য নোটিস দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই নোটিসের উপর স্থগিতাদেশ দেয় নিম্ন আদালত। নিম্ন আদালতের সেই নির্দেশকেই এবার চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেছে মালিকপক্ষ।এর মধ্যেই কয়েক দিন আগে ক্যামাক স্ট্রিটের ওই অফিসের হোর্ডিং ঘিরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল। হোর্ডিংটি অবৈধ বলে অভিযোগ তুলে তা সরাতে গিয়েছিলেন পুরসভার কর্মীরা। তাঁদের সঙ্গে পুলিশও ছিল। অভিযোগ, অফিসে ঢোকার সময় পুরসভার কর্মীদের বাধার মুখে পড়তে হয়।এর পরেই পুলিশ ও তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে তীব্র বচসা শুরু হয় বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ডেরেক ওব্রায়েন। অভিযোগ, অফিসে ঢোকার চেষ্টা ঘিরে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এরপর প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে পুলিশ ও অফিসের কর্মীদের মধ্যে হাতাহাতি চলে বলে অভিযোগ।সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার ক্যামাক স্ট্রিটের অফিস নিয়ে মামলা পৌঁছল কলকাতা হাইকোর্টে। নিম্ন আদালতের স্থগিতাদেশকে চ্যালেঞ্জ করে মালিকপক্ষের এই আবেদনের ফলে বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আইনি টানাপড়েন তৈরি হয়েছে। গোয়েঙ্কা পরিবারের অভিযোগ এবং হাইকোর্টে তাঁদের আবেদনের পর মামলাটির পরবর্তী গতিপথের দিকেই এখন নজর রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৬
রাজ্য

পুজোর আগেই বড় ঘোষণা! আন্দোলনে নামার আগেই ২০ শতাংশ বোনাস চা শ্রমিকদের, বদলে গেল ডুয়ার্সের ছবি

পাহাড়, তরাই, ডুয়ার্স মিলিয়ে প্রায় ২৭৫টি চা বাগানের শ্রমিকদের জন্য পুজোর আগে বড় ঘোষণা হয়েছে। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, চা শ্রমিকদের ২০ শতাংশ হারে বোনাস দেওয়ার বিষয়ে নির্দেশিকা ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে প্রতি বছর পুজোর আগে বোনাসের দাবিতে যে আন্দোলনের ছবি দেখা যেত, এ বার তার আগেই স্বস্তি ফিরেছে শ্রমিকদের মধ্যে।চা শ্রমিকদের বোনাস নিয়ে প্রতি বছরই পুজোর আগে টানাপড়েন তৈরি হয়। কোথাও গেট মিটিং, কোথাও বিক্ষোভ, আবার কোথাও রাস্তা অবরোধ করে নিজেদের দাবি জানাতে দেখা যায় শ্রমিকদের। বোনাস ঘোষণা হওয়ার পরেও টাকা পাওয়া নিয়ে দেরি বা টালবাহানার অভিযোগ ওঠে বিভিন্ন সময়ে। ফলে পুজোর আগে বোনাস নিয়ে চা শ্রমিকদের মধ্যে একটা দুশ্চিন্তা থেকেই যায়।এ বার অবশ্য পরিস্থিতি কিছুটা আলাদা। পুজো আসার বেশ কিছুটা আগেই ২০ শতাংশ বোনাসের ঘোষণা হয়েছে। ফলে আন্দোলনে নামার আগেই বোনাসের খবর পেয়ে স্বস্তি পেয়েছেন চা শ্রমিকেরা। পাহাড়, তরাই এবং ডুয়ার্স মিলিয়ে প্রায় ২৭৫টি চা বাগানে তিন লক্ষেরও বেশি শ্রমিক রয়েছেন বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।জলপাইগুড়ি জেলাতেও এই ঘোষণার প্রভাব পড়েছে। জেলায় ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ৯০টি চা বাগান রয়েছে। এই বাগানগুলির শ্রমিকদের কাছে পুজোর বোনাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বছরের এই সময় বোনাসের টাকাতেই বহু পরিবার পুজোর কেনাকাটা থেকে শুরু করে সংসারের নানা প্রয়োজন মেটায়।শ্রমিকদের একাংশ জানিয়েছেন, বোনাসের টাকা হাতে এলে সন্তানদের নতুন পোশাক কিনে দিতে পারবেন তাঁরা। নিজেদের জন্যও নতুন জামাকাপড় কেনার পাশাপাশি পুজোর কয়েক দিন পরিবারের জন্য ভালো খাবারের ব্যবস্থা করা সম্ভব হবে। অনেকের বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে মেরামতের প্রয়োজন রয়েছে। বোনাসের টাকা দিয়ে সেই কাজও সেরে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে অনেক পরিবারের।চা শ্রমিকদের বক্তব্য, প্রতি বছর পুজোর আগে বোনাসের জন্য আন্দোলন করতে হবে কি না, তা নিয়ে চিন্তা থাকত। এ বার আগেই ২০ শতাংশ বোনাসের ঘোষণা হওয়ায় সেই দুশ্চিন্তা অনেকটাই কমেছে। আন্দোলনে নামার আগেই দাবি মিটতে চলায় খুশি তাঁরা।এর মধ্যেই চা শ্রমিকদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবার কালিম্পঙে প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে তাঁর বৈঠক করার কথা ছিল। তবে খারাপ আবহাওয়ার কারণে তাঁর কপ্টার সেখানে নামতে পারেনি। পরে উত্তরকন্যা থেকে ভার্চুয়ালি প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করার কথা জানা গিয়েছে।সব মিলিয়ে পুজোর আগে ২০ শতাংশ বোনাসের ঘোষণা চা শ্রমিকদের কাছে বড় স্বস্তির খবর। বোনাসের টাকায় নতুন পোশাক কেনা, পুজোর বাজার করা, পরিবারের জন্য ভালো খাবারের ব্যবস্থা এবং ঘরদোর মেরামতের পরিকল্পনা করছেন অনেকেই। ফলে পুজোর আগে ডুয়ার্সের চা বাগানগুলিতে এ বার আন্দোলনের বদলে উৎসবের প্রস্তুতির ছবিই বেশি চোখে পড়ছে।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৬
কলকাতা

বাংলায় এসে বাঙালিকেই অপমান? বাগেশ্বর বাবার বিরুদ্ধে আইনের পথে কংগ্রেস

দুর্গাপুজোয় মাছ-মাংস খাওয়া নিয়ে বাগেশ্বর বাবার মন্তব্যের প্রতিবাদে ভবানীপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করল প্রদেশ কংগ্রেস। মঙ্গলবার মধ্য কলকাতা জেলা কংগ্রেসের সভাপতি মানস সরকার থানায় অভিযোগ করেন। তিনি চৌরঙ্গির প্রার্থীও। দক্ষিণ কলকাতা জেলা কংগ্রেসের সভাপতি প্রদীপ প্রসাদও এই পদক্ষেপকে সমর্থন করেছেন বলে জানা গিয়েছে।কংগ্রেসের অভিযোগ, বাংলায় এসে বাঙালির খাদ্যাভ্যাস এবং দুর্গাপুজো পালনের রীতি নিয়ে বাগেশ্বর বাবা মন্তব্য করেছেন। তাঁদের দাবি, এ ভাবে বাঙালির সংস্কৃতি নিয়ে মন্তব্য করা অবমাননাকর। অভিযোগপত্রে বাগেশ্বর বাবার বক্তব্যের কয়েকটি শব্দপ্রয়োগের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।অভিযোগ দায়েরের সময় ভবানীপুর থানার সামনে কংগ্রেসের কর্মী ও সমর্থকেরা জমায়েত করেন। সেখানে বাগেশ্বর বাবার মন্তব্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভও দেখানো হয়। মুখ্যমন্ত্রীর বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরে এই অভিযোগ দায়ের হওয়ায় রাজনৈতিক মহলে বিষয়টি নিয়ে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।এই বিতর্কের সূত্রপাত হাওড়ায় একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে বাগেশ্বর বাবার বক্তব্যকে ঘিরে। অভিযোগ, সেখানে তিনি দুর্গাপুজোর সময়ে বাঙালির খাদ্যাভ্যাস নিয়ে মন্তব্য করেন। পুজোর সময়ে যাঁরা মাছ-মাংস খান, তাঁদের ধর্মীয় আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। এমনকি তাঁদের ভণ্ড বলেও মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ।বাঙালির পুজোর সময়ে কী খাওয়া উচিত, তা নিয়েও বাগেশ্বর বাবা মন্তব্য করেন বলে দাবি করা হয়েছে। তাঁর সেই বক্তব্য প্রকাশ্যে আসার পরেই শুরু হয় তীব্র বিতর্ক। রাজনৈতিক দলগুলি নিজেদের মতো করে এই মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানাতে শুরু করে।এই বিতর্কে বিজেপির কয়েক জন নেতাও বাঙালির খাদ্যাভ্যাসের পক্ষেই সুর মিলিয়েছেন। দিলীপ ঘোষ এবং শমীক ভট্টাচার্যের বক্তব্য, বাঙালি এত দিন যেভাবে দুর্গাপুজো পালন করে এসেছে, এ বারও সেভাবেই পালন করবে। কে মাছ-মাংস খাবেন আর কে নিরামিষ খাবেন, তা ব্যক্তিগত পছন্দের বিষয় বলেই তাঁদের মত।তবে বিষয়টি এখানেই থামাতে চাইছে না কংগ্রেস। দলের অভিযোগ, বাঙালি কী ভাবে দুর্গাপুজো পালন করবে বা কী খাবেন, সেই বিষয়ে বাইরে থেকে কোনও নির্দেশ চাপিয়ে দেওয়া উচিত নয়। মানস সরকারের অভিযোগপত্রেও এই বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।কংগ্রেসের আরও দাবি, বাঙালির সংস্কৃতি ও খাদ্যাভ্যাস নিয়ে বাগেশ্বর বাবার মন্তব্যের বিরুদ্ধে পুলিশ যথাযথ পদক্ষেপ করুক। এই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ কী ব্যবস্থা নেয়, এখন সে দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।দুর্গাপুজোয় আমিষ না নিরামিষএই বিতর্ক ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক তরজায় পরিণত হয়েছে। তার মধ্যেই বাগেশ্বর বাবার বিরুদ্ধে ভবানীপুর থানায় অভিযোগ দায়ের হওয়ায় বিতর্ক আরও নতুন মোড় নিল।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal