• ১১ আশ্বিন ১৪৩৩, বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Winter

রাজ্য

বিদায় নিচ্ছে শীত! রাতের তাপমাত্রাও বাড়বে ২-৩ ডিগ্রি, সপ্তাহের শেষে বদলে যাবে আবহাওয়া

পশ্চিমবঙ্গে শীতের মরশুম প্রায় শেষের পথে। এতদিন দিনে তাপমাত্রা অনেকটাই বেড়েছিল। সোয়েটার বা মাফলারের প্রয়োজনও কমে গিয়েছিল। তবে রাতে হালকা ঠান্ডা থাকছিল। এবার সেই রাতের ঠান্ডাও কমতে চলেছে।আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিনে রাতের তাপমাত্রা আরও ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে উত্তুরে হাওয়ার জোগান কমে গিয়েছে। ফলে রোদের তেজও বাড়বে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এলাকায় একটি নিম্নচাপ শক্তি বাড়াচ্ছে। এটি পূর্ব ভারত মহাসাগর এবং দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করবে। তবে এই নিম্নচাপের জেরে বৃষ্টি হবে কি না তা এখনও স্পষ্ট নয়। চলতি সপ্তাহে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির কোনও পূর্বাভাস নেই। সব জেলাতেই আবহাওয়া থাকবে শুষ্ক।শুক্রবার থেকে রবিবারের মধ্যে কলকাতা ও সংলগ্ন জেলাগুলিতে রাতের তাপমাত্রা ১৮ থেকে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছতে পারে। উপকূলের জেলা যেমন দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে তাপমাত্রা থাকবে ১৭ থেকে ১৯ ডিগ্রির মধ্যে। পশ্চিমের জেলা বাঁকুড়া, বীরভূম, পুরুলিয়া ও ঝাড়গ্রামে তাপমাত্রা ১৫ থেকে ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছতে পারে।সকালে হালকা কুয়াশা বা শিশিরের সম্ভাবনা রয়েছে। পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে কুয়াশার প্রভাব কিছুটা বেশি থাকতে পারে। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে হালকা কুয়াশার সামান্য সম্ভাবনা রয়েছে।উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই আগামী দুদিন হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকতে পারে। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারে কুয়াশার সম্ভাবনা বেশি। সপ্তাহের শেষে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ তাপমাত্রা দুটোই কিছুটা বাড়বে। দার্জিলিং ও পার্বত্য এলাকায় তাপমাত্রা থাকবে ৬ থেকে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে। কালিম্পং ও সংলগ্ন এলাকায় ১১ থেকে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শিলিগুড়ি, মালদা ও আশপাশের জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ১৭ থেকে ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।আজ কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৯.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ২৭ থেকে ৮২ শতাংশের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। সব মিলিয়ে শীতের আমেজ ফুরিয়ে এখন ধীরে ধীরে গরমের ইঙ্গিত স্পষ্ট হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬
রাজ্য

শীত কি তবে শেষ? হঠাৎই বাড়ছে তাপমাত্রা, উইকেন্ডে বড় বদলের ইঙ্গিত

পশ্চিমবঙ্গে শীতের বিদায় ঘণ্টা। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গে বাড়বে তাপমাত্রা। উত্তরবঙ্গে কুয়াশার সম্ভাবনা বেশি, বৃষ্টির কোনও ইঙ্গিত নেই।শীতের আমেজ ধীরে ধীরে কাটতে শুরু করেছে। জানুয়ারিতে যেভাবে তাপমাত্রা দ্রুত নামছিল, ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহ পার হতেই তার উল্টো ছবি দেখা যাচ্ছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, এ বার শীতের বিদায় ঘণ্টা কার্যত বেজে গিয়েছে। দিনের বেলায় শীতের অনুভূতি ক্রমশ কমবে। উইকেন্ডে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা দুই থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে। রবিবারের মধ্যে দিনের বেলায় শীত প্রায় উধাও হয়ে যাবে বলেই পূর্বাভাস।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আপাতত ঘন কুয়াশার কোনও সতর্কতা নেই। সকালে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকতে পারে। উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার এবং উত্তর দিনাজপুর জেলায় কুয়াশার সম্ভাবনা বেশি। কলকাতা ও দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে সকালে খুব হালকা কুয়াশা বা শিশির পড়তে পারে।বর্তমানে পঞ্জাব ও সংলগ্ন উত্তর পাকিস্তান এলাকায় একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা সক্রিয় রয়েছে। উত্তর-পশ্চিম ভারতের পার্বত্য অঞ্চলেও তার প্রভাব আছে। দক্ষিণ-পশ্চিম রাজস্থানে একটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে। পাশাপাশি দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন ভারত মহাসাগর এলাকায় একটি আপার এয়ার সার্কুলেশন সক্রিয় আছে। তবে এর সরাসরি প্রভাব এই মুহূর্তে বাংলায় পড়ছে না।কলকাতায় রাতে ও সকালে এখনও হালকা শীতের অনুভূতি থাকবে। আজ শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৮ ডিগ্রি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা ২৯ থেকে ৮৪ শতাংশের মধ্যে থাকবে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় তাপমাত্রা ১৬ থেকে ২৭ ডিগ্রির মধ্যে ঘোরাফেরা করবে। যদিও আজ দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় কিছুটা কম রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে প্রায় দুই ডিগ্রি নিচে। তবে বৃহস্পতিবার থেকে তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করবে। পরবর্তী তিন দিনে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা প্রায় তিন ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে।আগামী সাত দিন দক্ষিণবঙ্গে শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে। বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। সকালে হালকা কুয়াশা বা শিশির দেখা যেতে পারে। উত্তরবঙ্গেও ঘন কুয়াশার সতর্কতা নেই, তবে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকতে পারে আগামী তিন থেকে চার দিন। বিশেষ করে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার ও উত্তর দিনাজপুরে কুয়াশার সম্ভাবনা বেশি।উত্তরবঙ্গের সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় বড় কোনও পরিবর্তন হবে না আগামী কয়েক দিনে। দার্জিলিংয়ের পার্বত্য এলাকায় তাপমাত্রা থাকবে ৪ থেকে ৬ ডিগ্রির মধ্যে। কালিম্পং ও সমতল জেলাগুলিতে ৮ থেকে ১২ ডিগ্রি। শিলিগুড়ি ও মালদহ সহ নিচের দিকের জেলাগুলিতে ১৪ থেকে ১৭ ডিগ্রি পর্যন্ত থাকতে পারে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। তবে উইকেন্ডে এখানেও তাপমাত্রা কিছুটা বাড়বে।সব মিলিয়ে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি পৌঁছনোর আগেই শীতের প্রভাব অনেকটাই কমে যাবে বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদেরা। দক্ষিণবঙ্গে গরমের আভাস মিলতে শুরু করেছে বলেই ইঙ্গিত দিচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
কলকাতা

শনিবারেই কামব্যাক! কলকাতায় ফের ১৪ ডিগ্রির ঘরে নামল পারদ

মাঘ মাস পড়তেই অনেকেই ধরে নিয়েছিলেন শীত বুঝি বিদায় নিয়েছে। গত কয়েকদিনে উষ্ণ আবহাওয়া সেই ধারণাকেই জোরালো করেছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ফের ফিরল শীত। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাব কাটতেই আবার জমিয়ে ঠান্ডা হাওয়া বইতে শুরু করেছে। তার জেরেই ফের নেমে গেল তাপমাত্রা।শনিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছে ১৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। প্রায় ১৩ দিন পর আবার ১৪ ডিগ্রির ঘরে ঢুকল শহরের পারদ। এর আগে গত ২৪ জানুয়ারি কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সেই দিনটিও ছিল শনিবার। আশ্চর্যের বিষয়, আবার শনিবারেই ফের তাপমাত্রা নামল।গত কয়েকদিন পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কারণে শীত অনেকটাই চাপা পড়ে ছিল। ফলে ঠান্ডার আমেজ প্রায় উধাও হয়ে গিয়েছিল। এখন সেই প্রভাব কাটতেই শেষবেলায় উত্তুরে হাওয়ার দাপট টের পাওয়া যাচ্ছে। রাত ও দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে অনেকটাই নিচে নেমেছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, আগামী ২৪ ঘণ্টায় তাপমাত্রার বিশেষ পরিবর্তন হবে না।তবে এই ঠান্ডা দীর্ঘস্থায়ী নয়। সোমবার ও মঙ্গলবার থেকে ধীরে ধীরে তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করবে। বুধবার ও বৃহস্পতিবারের মধ্যে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আবার ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছতে পারে। সেই সঙ্গে দিন ও রাতের তাপমাত্রাও বাড়বে।এই মুহূর্তে উত্তর আফগানিস্তান এলাকায় একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা সক্রিয় রয়েছে। সেটি জম্মু-কাশ্মীর হয়ে রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি বাংলার আবহাওয়ায় প্রভাব ফেলতে পারে। শীত শেষ হওয়ার আগে তাই আরও এক দফা ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায়।রাজ্যের কোথাও কোথাও তাপমাত্রা নেমে গিয়েছে ১০ থেকে ১১ ডিগ্রির ঘরে। কল্যাণীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সিউড়িতে তাপমাত্রা নেমেছে ১০.২ ডিগ্রিতে। বাঁকুড়া ও শ্রীনিকেতনে পারদ ১১ ডিগ্রির কাছাকাছি। জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারেও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ ডিগ্রির ঘরে রয়েছে।আগামী সাত দিনে রাজ্যে বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। শনিবার পশ্চিম বর্ধমান ও বীরভূম জেলার কিছু অংশে কুয়াশার সম্ভাবনা বেশি। কলকাতা সহ অন্যান্য জেলাতেও সকালের দিকে হালকা কুয়াশা থাকতে পারে।উত্তরবঙ্গে আগামী চার থেকে পাঁচ দিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রার তেমন পরিবর্তন হবে না। একই রকম আবহাওয়া থাকবে। রবিবার পর্যন্ত দার্জিলিংয়ের পার্বত্য এলাকায় তাপমাত্রা ৫ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকবে। কালিম্পং সহ উত্তরবঙ্গের উপরের দিকের সমতলের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা থাকবে ১০ থেকে ১২ ডিগ্রির মধ্যে। মালদহ ও দক্ষিণের জেলাগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করবে ১৩ থেকে ১৫ ডিগ্রির মধ্যে।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২৬
রাজ্য

মাঘেও উধাও শীত! ফের বাড়ছে পারদ, কুয়াশায় ঢাকবে বাংলা

কথায় আছে মাঘের শীত বাঘের গায়ে। কিন্তু বাস্তবে সেই প্রবাদ যেন আর মিলছে না। ফের বদলে গেল বাংলার আবহাওয়া। ধীরে ধীরে মুখ থুবড়ে পড়তে চলেছে শীত। আলিপুর আবহাওয়া অফিস জানাচ্ছে, আগামী তিন দিনের মধ্যেই রাজ্যের তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে।নতুন পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে উত্তুরে হাওয়ার জোর কমে যাবে। তার ফলেই শীতের দাপট আর থাকবে না বাংলায়। মাঘ মাস শুরু হলেও দিল্লির ভাগ্যে কড়া শীত জুটলেও বাংলার কপালে শীতের বঞ্চনাই থেকে যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার দিল্লিতে তাপমাত্রা নেমে গিয়েছে ২.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, অথচ একই দিনে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩.২ ডিগ্রি। আবহাওয়াবিদদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, রবিবারের পর শহরের পারদ ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছুঁতে পারে।শুধু তাই নয়, তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রাজ্যজুড়ে কুয়াশার দাপটও বাড়বে। আলিপুর আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, উত্তর-পশ্চিম ভারতে বর্তমানে একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা সক্রিয় রয়েছে। আগামী ১৬ জানুয়ারি, শুক্রবার নতুন করে আরও একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢুকবে। এর প্রভাবেই বাংলায় ঠান্ডার কামড় কমবে।শুক্রবার থেকে রবিবার পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় কুয়াশার ঘনত্ব বাড়বে। নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, হুগলি এবং উত্তর ২৪ পরগনায় বিক্ষিপ্তভাবে ঘন কুয়াশা দেখা যেতে পারে। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলাতেও সকালের দিকে কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে।কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আগামী কয়েক দিনে ১২ থেকে ১৩ ডিগ্রির মধ্যেই ঘোরাফেরা করবে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা কিছুটা কম থাকলেও সেখানেও ৭ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নীচে নামার সম্ভাবনা কম।উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই সকালের দিকে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকবে বলে পূর্বাভাস। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, মালদা এবং উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে ঘন কুয়াশার সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কোথাও কোথাও দৃশ্যমানতা ৫০ মিটারের কাছাকাছি নেমে আসতে পারে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

জানুয়ারি ১৫, ২০২৬
রাজ্য

কাঁপুনি ধরানো শীতের থাবা! কলকাতা থেকে জেলা—জমাট ঠান্ডায় নাজেহাল বাংলা

নিজস্ব সংবাদদাতা: পৌষ মাসের শেষ লগ্নে হাড়কাঁপানো ঠান্ডায় কাঁপছে গোটা বাংলা। উত্তুরে হাওয়ার দাপটে রাজ্যজুড়ে জাঁকিয়ে বসেছে শীত। কলকাতা থেকে শুরু করে জেলাসর্বত্রই কনকনে ঠান্ডায় নাজেহাল সাধারণ মানুষ। ভোর ও রাতের দিকে ঠান্ডার প্রকোপ সবচেয়ে বেশি অনুভূত হচ্ছে। শ্রীনিকেতনে তাপমাত্রা নেমে গিয়েছে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আপাতত এই নিম্নমুখী তাপমাত্রার ধারা বজায় থাকবে।শনিবার সকালে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশ কিছুটা কম। তবে শহরের চেয়ে জেলার অবস্থা আরও কঠিন। বিশেষ করে পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে ঠান্ডার দাপট বেশি। শ্রীনিকেতনের পাশাপাশি বাঁকুড়াতেও তাপমাত্রা নেমে এসেছে ৭.১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।দক্ষিণবঙ্গে যেখানে পারদ পতন অব্যাহত, সেখানে উত্তরবঙ্গে শীতের সঙ্গে জুটেছে ঘন কুয়াশা। দার্জিলিং সহ উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বেলা বাড়লেও কুয়াশা কাটছে না। ঘন কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় যান চলাচলে সমস্যা দেখা দিচ্ছে। প্রশাসনের তরফে গাড়িচালক ও পর্যটকদের বাড়তি সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী পাঁচ থেকে ছয় দিন আবহাওয়ার এই অবস্থার বড় কোনও পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। অর্থাৎ, আরও কয়েকদিন জাঁকিয়ে শীত উপভোগ করতে পারবেন শীতপ্রেমী বাঙালিরা। যদিও দিনের বেলায় আকাশ পরিষ্কার থাকলে রোদ উঠলে ঠান্ডার অনুভূতি কিছুটা কমতে পারে। তবে সূর্য ডোবার সঙ্গে সঙ্গেই ফের কনকনে ঠান্ডা ও উত্তুরে হাওয়ার দাপট বাড়বে। উত্তরবঙ্গের পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতেও আগামী চার-পাঁচ দিন কুয়াশার প্রভাব থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

জানুয়ারি ১০, ২০২৬
দেশ

কাশ্মীরে গা-ঢাকা ৩০-র বেশি পাক জঙ্গি! শীতের মধ্যেই বড় অপারেশন সেনার

শীত নামার আগেই সীমান্ত এলাকায় তৎপরতা বাড়ায় ভারতীয় সেনা। কারণ, শীত পড়ার আগেই বিপুল সংখ্যায় জঙ্গিদের ভারতে ঢোকানোর চেষ্টা করা হয়। শীতের সময় বরফে ঢাকা সীমান্ত পেরিয়ে কাশ্মীরে অনুপ্রবেশ করা কঠিন হয়ে পড়ে। কিন্তু গোয়েন্দা সূত্রে খবর, এ বছর শীতের শুরুতেই কাশ্মীরে ৩০ জনেরও বেশি পাক জঙ্গির উপস্থিতি টের পাওয়া গিয়েছে।গোয়েন্দাদের দাবি, এই জঙ্গিরা মূলত মাঝারি ও উঁচু পাহাড়ি এলাকায় ঘাঁটি গেড়েছে। ওই সব এলাকায় সাধারণ মানুষের বসবাস খুব কম। কিশ্তওয়ার ও ডোডা এলাকায় জঙ্গিদের আনাগোনা বেড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রবল ঠান্ডাকে কাজে লাগিয়ে তারা উপত্যকায় নাশকতার ছক কষছে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।এই তথ্য সামনে আসার পরই বড়সড় অভিযান শুরু করেছে ভারতীয় সেনা। শীতের জন্য বিশেষভাবে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ইউনিট মোতায়েন করা হয়েছে। বরফে ঢাকা দুর্গম এলাকায় নজরদারির জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে বিশেষ ড্রোন ও সেন্সর। সেনা সূত্রে জানানো হয়েছে, এই অভিযানের লক্ষ্য জঙ্গিদের এমন জায়গায় কোণঠাসা করা, যেখানে রসদ জোগাড় করা প্রায় অসম্ভব।সেনা কর্তাদের বক্তব্য, পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিদের জন্য এই অভিযান একটি স্পষ্ট বার্তা। শীতের সুযোগ নিয়ে আর জঙ্গিদের ভারতে লুকিয়ে থাকার সুযোগ দেওয়া হবে না। গোয়েন্দাদের অনুমান, চিল্লাই কালানের ৪০ দিনের প্রবল শীতের সময় জঙ্গিরা লুকিয়ে থেকে নিজেদের পরিকল্পনা সাজাতে চাইছে। সেই কারণেই আগেভাগে অভিযান শুরু করা হয়েছে।এই জঙ্গি দমন অভিযানে সেনার পাশাপাশি জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ, সিআরপিএফ, বন দপ্তর-সহ একাধিক নিরাপত্তা বাহিনী একযোগে অংশ নিয়েছে। জঙ্গিদের গতিবিধির উপর নজর রেখে দ্রুত এবং কড়া পদক্ষেপ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২৫
রাজ্য

শীত হানা দিল! কলকাতায় পারদ নামল ১৪-তে, উত্তরবঙ্গে টেক্কা কোচবিহারের—কুয়াশায় ঢাকছে গোটা বাংলা

বছর শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শীত যেন আরও জাঁকিয়ে বসছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর আগে থেকেই জানিয়েছিল, সপ্তাহের শেষদিকে তাপমাত্রা কমবে গোটা বাংলায়। শুক্রবার সেই পূর্বাভাস মিলল হুবহু। কলকাতায় সকালে জমাট ঠান্ডা অনুভূত হলো, আর পারদ নেমে এল ১৪.৮ ডিগ্রিতে।আজ শহরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রির ঘরেই ঘুরপাক খাবে। দমদমেও নেমেছে ১৪ ডিগ্রি। শ্রীনিকেতন ও বহরমপুরে তাপমাত্রা নামছে ১১ ডিগ্রির কাছে। উত্তরের জেলাগুলিতে ঠান্ডা আরও কড়াকালিম্পং যেখানে ৯.৫ ডিগ্রি, সেখানে তাকেও পিছনে ফেলে দিয়েছে কোচবিহার, পারদ নেমেছে ৯.২ ডিগ্রিতে। আবহাওয়া অফিস বলছে, আপাতত ৪-৫ দিন রাজ্যে শীতের আমেজ বজায় থাকবে। উত্তর ভারত থেকে আসা ঠান্ডা হাওয়া প্রবল হওয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের নিচেই থাকবে। আগামী সাত দিনে তাপমাত্রা খুব বেশি বদলাবে না, সর্বোচ্চ ওঠানামা ১ ডিগ্রি।কলকাতায় আজ আকাশ পরিষ্কার থাকবে। সকালবেলায় হালকা কুয়াশা বা ধোঁয়াশা দেখা যাবে, পরে সূর্য উঠতেই মিলিয়ে যাবে। সারাদিন শুষ্ক ঠান্ডা আবহাওয়া বজায় থাকবে, বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। সকাল-সন্ধ্যায় বাড়তি শীত অনুভূত হবে। গতকাল শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪.৮ ডিগ্রি, আর সর্বোচ্চ ২৫.২ ডিগ্রি। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ছিল ৪৩ থেকে ৯৩ শতাংশ।দক্ষিণবঙ্গের পশ্চিমের জেলাগুলিতে আগামী দিনে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ১১ থেকে ১৩ ডিগ্রির মধ্যে। উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে থাকতে পারে ১৪ থেকে ১৬ ডিগ্রি। বাঁকুড়া ও পুরুলিয়াতে কুয়াশার ঘনঘটা বেশি থাকবে। উপকূলের জেলাগুলিতেও সকালে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা দেখা যেতে পারে। দৃশ্যমানতা কিছু জায়গায় কমবে ঠিকই, তবে ঘন কুয়াশার কোনও সতর্কতা নেই। পুরো সপ্তাহই উত্তুরে হাওয়ার দাপটে শীত থাকবে, বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই।উত্তরবঙ্গে শীত আরও কড়া। চারটি জেলায় ঘন কুয়াশার চাদর নামতে পারে। দার্জিলিং ও পার্বত্য এলাকায় আগামী কয়েক দিনে কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা নেমে যেতে পারে ২০০ মিটারে। দক্ষিণবঙ্গের পশ্চিমের ও উপকূলবর্তী কিছু জেলাতেও হালকা-মাঝারি কুয়াশা থাকবে পরপর কয়েকদিন।

ডিসেম্বর ১২, ২০২৫
রাজ্য

দু’টি নিম্নচাপের ধাক্কা, শীত কি তবে বিদায় নিচ্ছে? বাংলার আবহাওয়ায় বড় বদল

একসঙ্গে দুটি নিম্নচাপের প্রভাবে ফের বদলাচ্ছে বাংলার আবহাওয়া। দক্ষিণবঙ্গে সামান্য বেড়েছে তাপমাত্রা। এই রকম আবহাওয়া সোমবার পর্যন্ত থাকবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। মঙ্গলবার থেকে আবার তাপমাত্রা নামতে শুরু করবে। আপাতত কলকাতার তাপমাত্রা ১৭ ডিগ্রির আশপাশেই ঘোরাফেরা করবে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা থাকবে ১৪ ডিগ্রির ঘরে।হাওয়া অফিস জানিয়েছে, শনিবার তাপমাত্রা সামান্য বেড়েছে। আগামী দুই থেকে তিন দিন তাপমাত্রা আরও কিছুটা বাড়তে পারে। তবে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকেও নিচেই থাকবে। অনেক জেলায় তাপমাত্রা ১২ থেকে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকবে। সোমবার পর্যন্ত কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ১৭ থেকে ১৮ ডিগ্রির কাছাকাছি। শনিবার ও রবিবার কুয়াশার সম্ভাবনাও বাড়বে। তাপমাত্রার ওঠানামার কারণে দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই কুয়াশা দেখা যেতে পারে। উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে কুয়াশার প্রভাব বেশি হতে পারে। বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই।মঙ্গলবার থেকে আবার ঠান্ডা বাড়বে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। পূর্বাভাস অনুযায়ী, শুক্রবারের মধ্যে কলকাতার তাপমাত্রা নেমে যেতে পারে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। শনিবার সকালে শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৭.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে সামান্য কম। গতকাল বিকেলে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৮.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সেটিও স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা নিচে।উত্তরবঙ্গে ইতিমধ্যেই শীতের জাঁকিয়ে উপস্থিতি। পাহাড়ি শহর দার্জিলিং-এ তাপমাত্রা নেমে গিয়েছে ৬ ডিগ্রির ঘরে। আকাশ পরিষ্কার থাকলেও সকাল ও রাতের দিকে শীতের প্রভাব স্পষ্ট। দিনের বেলায় অবশ্য শীতের তীব্রতা কিছুটা কম অনুভূত হচ্ছে।

নভেম্বর ২৯, ২০২৫
রাজ্য

শীত ভুলে যান! আন্দামান সাগরে তৈরি ঘূর্ণিঝড় ‘সেনিয়ার’ বদলে দিতে পারে বাংলার আবহাওয়া

নভেম্বর প্রায় শেষ। অথচ শীতের দেখা নেই। সকাল-বিকেলের হালকা ঠান্ডাটুকুও এখনও শহর-গ্রামের মানুষ ঠিক টের পাচ্ছেন না। আবহাওয়া অফিসের হিসেব আরও হতাশাজনকনভেম্বর তো বটেই, ডিসেম্বরের শুরুতেও শীতের সম্ভাবনা নেই। বরং নতুন ঘূর্ণিঝড়ের সতর্কতা জারি হয়েছে, যা পুরো পূর্বভারতের আবহাওয়া পাল্টে দিতে পারে। ফলে শীত আরও পিছিয়ে যেতে পারে।এই মুহূর্তে আন্দামান সাগরে একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। আবহাওয়া দপ্তরের মতে, এই নিম্নচাপ সোমবারেই আরও শক্তি সঞ্চয় করে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে। তারপর দফায় দফায় শক্তি বাড়িয়ে বুধবার এটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেবে। নতুন ঘূর্ণিঝড়টির নাম সেনিয়ার, নামকরণ করেছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি। ঘূর্ণিঝড়টি কোন দিকে যাবেওড়িশা, অন্ধ্র, পশ্চিমবঙ্গ নাকি বাংলাদেশতা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে প্রবল ঝড়-বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে, পর্যটকদের সাবধানতা অবলম্বনের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।ঘূর্ণিঝড়ের মূল গতিপথ স্পষ্ট না হলেও এর পরোক্ষ প্রভাব পড়তে পারে দক্ষিণবঙ্গে। আবহাওয়া দপ্তর প্রাথমিকভাবে মনে করছে, নভেম্বরের শেষ বা ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এতে ঠান্ডা আরও দেরিতে নামবে। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে গেলে তাপমাত্রা কমার পরিবর্তে উল্টে বেড়েও যেতে পারে। আগেও, ২০২১-২২ সালে নভেম্বর-ডিসেম্বরে ঘূর্ণিঝড়ের কারণে শীত কার্যত উধাও হয়ে গিয়েছিল। এবারও সেই চিত্রই ধরা পড়ছে বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা।অন্যদিকে, এই সময়টায় ধান কাটা ও আলুর চাষ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছায়। ঠিক এখন যদি বৃষ্টি নামতে শুরু করে, তাহলে মাঠে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে। ফলে কৃষক মহলেও চিন্তার ছায়া গাঢ় হচ্ছে।শীতের অপেক্ষায় বহু মানুষ, কিন্তু আবহাওয়ার বর্তমান প্রবণতা বলছেএই অপেক্ষা আরও দীর্ঘায়িত হতে চলেছে।

নভেম্বর ২৩, ২০২৫
কলকাতা

কুয়াশা–ঠান্ডায় কাঁপছে কলকাতা, কিন্তু নিম্নচাপ কি আবার শীত থামাবে?

শীত একবার ঢুকেই যেন আবার পথ হারাচ্ছে বাংলায়। কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা যদিও খানিকটা নেমেছে, তবু আবহবিদদের চোখ এখন বঙ্গোপসাগরের দিকেই। সাগরের উপর তৈরি হতে থাকা নিম্নচাপ ও ঘূর্ণাবর্তের কারণে দক্ষিণবঙ্গে শীতের পথ আটকে দেওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের প্রাথমিক পূর্বাভাস বলছে, আগামী কয়েক দিন তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে, ফলে শীতের গতি কিছুটা শ্লথ হবে।এদিন কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৯.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে একটু কম। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৮.৮ ডিগ্রি, স্বাভাবিকের থেকে মাত্র আধ ডিগ্রি বেশি। শুক্রবারের তুলনায় পারদ এক ঢোঁক নামলেও শীত যে ঠিক জাঁকিয়ে বসার পথে, সেটা নিশ্চিত নয়। বিশেষ করে বঙ্গোপসাগরের অবস্থাই এখন সব থেকে বড় প্রশ্নচিহ্ন।আজ, শনিবার ভোর থেকেই দক্ষিণবঙ্গের আকাশে কুয়াশার আস্ত চাদর। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার মাত্রা ৯০ শতাংশ ছুঁয়েছে। বেলা বাড়লে কুয়াশা কেটে রোদ উঠলেও শীতল হাওয়া এত তাড়াতাড়ি দাপট দেখাতে পারছে না। আগামী কয়েক দিনে উত্তর ও দক্ষিণ, দুই বঙ্গে মিলিয়েই আবহাওয়ার খুব বেশি পরিবর্তন হবে না বলে মত আবহবিদদের।নভেম্বর শুরু হতেই বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুরের মতো পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে শীতের আমেজ স্পষ্ট। উত্তরের পার্বত্য এলাকাগুলিতে শীত তো আগেই জেঁকে বসেছে। কলকাতায় শীতের কোমল হাওয়া ফিরলেও ঠিক সেই ভাবে জমে ওঠার আগে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে পূবালী বায়ু ও সাগরে তৈরি ঘূর্ণাবর্ত।আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা যাচ্ছে, আন্দামান সাগরের উপর ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। সমুদ্র উত্তাল, বইছে ঝোড়ো হাওয়া। মঙ্গলবার পর্যন্ত সাগরে মাছ ধরতে যাওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে। তবে এই ঘূর্ণাবর্তের সরাসরি প্রভাব দক্ষিণবঙ্গে আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা কম, তবু শীতল বাতাসের পথ আটকানোর মতো পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে বলেই আবহবিদদের আশঙ্কা।সুতরাং, আচমকা কুয়াশা নেমে আসলেও, আকাশে রোদ এলেও, শীতের জাঁকজমক এখনও অনিশ্চিত। কলকাতার শীতপ্রেমীরা তাই তাকিয়ে আছে নভেম্বরের শেষ সপ্তাহের দিকেশেষ পর্যন্ত শীত কি সত্যিই নিজের জায়গা করে নিতে পারবে, নাকি সাগরের নিম্নচাপ আবার শীতরোদকুয়াশার খেলায় নতুন গোল বাধাবে?

নভেম্বর ২২, ২০২৫
রাজ্য

ঘূর্ণাবর্তে আটকে শীত! কলকাতায় শীতের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়েও কেন ঢুকতে পারছে না উত্তুরে হাওয়া?

নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহেই হঠাৎ করে নেমে এসেছিল শীতের ছোঁয়া। এক লাফে তাপমাত্রা নেমে গিয়েছিল ১৭ ডিগ্রিতে, আর শহরবাসী ভেবেছিলএবার বুঝি আগেভাগেই এসে পড়ছে শীত। কিন্তু ঘূর্ণাবর্ত আর পূবালী হাওয়ার জোড়া খাঁড়া পুরো পরিস্থিতি পাল্টে দেয়। গত কয়েকদিনে তাপমাত্রা ফের চড়তে শুরু করায় কলকাতায় শীতের যে আমেজ তৈরি হয়েছিল, তা একেবারে মিলিয়ে যায়।তবে বুধের সকালেই ফের খানিকটা নামল পারদ। কলকাতার তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করছে ১৮ ডিগ্রির আশপাশে। যদিও শহরবাসী শীতের হালকা ছোঁয়া পেলেও আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেনএখনই জাঁকিয়ে শীত নামার সম্ভাবনা কম। দক্ষিণবঙ্গে যে শীতল উত্তুরে হাওয়া ঢোকার কথা, সেই পথেই ফের বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে নতুন ঘূর্ণাবর্ত। সঙ্গে পূবালী হাওয়ার টান। ফলে শীতল বায়ুর প্রবেশপথ এখনও পুরোপুরি পরিষ্কার নয়।মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল প্রায় ১৯ ডিগ্রি, বুধবার তা সামান্য নেমে ১৮ ডিগ্রিতে দাঁড়িয়েছে। তবে আগামী দুতিন দিনে তাপমাত্রায় বড় কোনও পরিবর্তন হবে না বলে জানাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। বৃষ্টি নেই, আকাশ একেবারে পরিষ্কারতবে তাই বলে শীত যে জমিয়ে পড়বে, তার নিশ্চয়তা নেই।এদিকে জেলায় জেলায় শীতের দাপট জোরকদমে চলছে। উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি অঞ্চলদার্জিলিং, কালিম্পং, কার্শিয়াং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ারসব জায়গাতেই ঘন কুয়াশায় ঢেকেছে সকাল। সাধারণত এই সময় যতটা ঠান্ডা থাকে, তার তুলনায় এবার একটু বেশি উষ্ণ হলেও কুয়াশার চাদরে মুড়েই শুরু হচ্ছে দিন। পাহাড়ে ঘোরার পরিকল্পনা করা পর্যটকদের জন্য আবহাওয়া আপাতত মনোরম হলেও তাপমাত্রা কবে নামবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু জানাতে পারছেন না আবহবিদরা।সবটাই নির্ভর করছে ঘূর্ণাবর্ত কাটার ওপর। যতক্ষণ না উত্তুরে হাওয়ার পথ পুরোপুরি খুলছে, ততক্ষণ কলকাতায় শীত ঠিকমতো নামবে না। তাই শহরবাসী এখনও অপেক্ষায়কবে সেই কাঙ্ক্ষিত ঠান্ডা হাওয়া ঢুকে পড়ে লেপ-কম্বল বের করার সময় আসবে।

নভেম্বর ১৯, ২০২৫
হেঁসেল

শীতের শুরুতে পেঁয়াজ শাক খাওয়া কেন জরুরি? জানুন উপকারিতা ও সহজ রন্ধনপ্রণালী

শীতের শুরুতে হালকা ঠান্ডায় শরীরকে ফিট রাখতে খাদ্য তালিকায় পেঁয়াজ শাক থাকা উচিত বলেই মত পুষ্টিবিদদের। সহজলভ্য এই সবুজ শাক শুধু স্বাদেই নয়, পুষ্টিতেও ভরপুর। বাজারে এখন সহজেই পাওয়া যাচ্ছে টাটকা পেঁয়াজ শাক, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে দারুণ কার্যকর।পেঁয়াজ শাকের প্রধান উপকারিতা১. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়পেঁয়াজ শাকে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন C, যা ঠান্ডা-কাশি প্রতিরোধে সাহায্য করে এবং ভাইরাসজনিত সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে।২. হজম শক্তি উন্নত করেএতে থাকা ফাইবার হজমের সমস্যা কমায়, গ্যাস-অম্বল দূর করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে সাহায্য করে।৩. রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখেপেঁয়াজ শাকের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও সালফার যৌগ রক্ত পরিশোধন করে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।৪. হাড় মজবুত করেএতে রয়েছে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন K ও ম্যাগনেসিয়াম, যা হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করেশীতকালে যা খুবই প্রয়োজন।৫. ওজন কমাতে সাহায্য করেক্যালোরি কম ও ফাইবার বেশি থাকায় নিয়মিত পেঁয়াজ শাক খেলে ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে থাকে, ফলে ওজন কমাতে সাহায্য করে।রন্ধনপ্রণালী: পেঁয়াজ শাক ভাজা (সহজ ও ঘরোয়া)উপকরণপেঁয়াজ শাক ২ আঁটি (ভালো করে কুচি করা)আলু ১টি (ছোট কিউব করে কাটা, ঐচ্ছিক)কাঁচালঙ্কা ২টিরসুন বাটা ১ চা চামচহলুদ গুঁড়ো চা চামচলবণ (নুন) স্বাদমতোসর্ষের তেল ২ টেবিল চামচপ্রস্তুত প্রণালীকড়াইয়ে সর্ষের তেল গরম করুন।রসুন বাটা ও কাঁচালঙ্কা দিয়ে অল্প ভেজে নিন।আলু ব্যবহার করলে আগে আলু হালকা ভেজে নরম করে নিন।এখন কুচি করা পেঁয়াজ শাক দিন।হলুদ ও লবণ দিয়ে মাঝারি আঁচে ভাজতে থাকুন।শাক থেকে জল বেরোলে তা শুকিয়ে গেলে নামাতে হবে।গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন।

নভেম্বর ১৯, ২০২৫
রাজ্য

কোথায় সেই শীত? ডিসেম্বরেও রাতের তাপমাত্রা বাড়বে বাংলায়

রাজ্যজুড়ে শীতের আমেজ ধীরে ধীরে মিলছে ঠিকই, কিন্তু প্রত্যাশিত সেই ঠান্ডা এখনও অধরাই। ভোরের দিকে পশ্চিমাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় তাপমাত্রা স্বাভাবিকের নীচে নামছে। সকালের হিমেল হাওয়া আর সন্ধ্যার শিরশিরে ঠান্ডায় মানুষ গরম জামা গায়ে দিচ্ছেন ঠিকই, কিন্তু দিনের মাঝামাঝি রোদের তেজ এখনও বেশ ভালোভাবেই বোঝা যাচ্ছে। যার ফলে চেনা ডিসেম্বরের সেই কনকনে ঠান্ডা এখনও ফিরছে না বাংলায়।আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, এখনই জাঁকিয়ে ঠান্ডা নামবে না। বরং সংক্রান্তি পেরোলেই তাপমাত্রা আরও বাড়বে। দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছে একটি নিম্নচাপ অঞ্চল, যা এখন শ্রীলঙ্কা উপকূলের কাছে অবস্থান করছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় এটি উত্তর-পশ্চিম দিকে এগোবে। এই অবস্থানের কারণেই বাংলার উপর দিয়ে বইতে থাকা উত্তুরে হাওয়ার দাপট কমে যাবে। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত প্রাধান্য পাবে দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে আসা উষ্ণ বাতাস।বৃষ্টির কোনও পূর্বাভাস নেই। উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গকোথাও বড় ধরনের বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছে হাওয়া দফতর। তবে ভোরবেলা কুয়াশায় ঢেকে থাকবে আকাশ। দৃশ্যমানতা কমে যেতে পারে বিভিন্ন জায়গায়।আলিপুর দফতরের পূর্বাভাস বলছে, সোমবার থেকেই তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করবে। দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতে রাতের তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে। উত্তরবঙ্গেও রাতের দিকে শীত একধাক্কায় কমে যাবে। ফলে শীতের হিমেল স্পর্শ আরও কিছুটা পিছিয়ে যেতে পারে।এরই মধ্যে আরেকটি নতুন সিস্টেম তৈরি হওয়ার ইঙ্গিত মিলছে। মধ্য দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে তৈরি হতে পারে নতুন একটি ঘূর্ণাবর্ত। আগামী ৭২ ঘণ্টায় সেটি শক্তি বাড়িয়ে নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। এই পরিস্থিতি শীতকে আরও কয়েকদিন পিছিয়ে দিতে পারে।সব মিলিয়ে, শীতের অপেক্ষায় থাকা বাঙালিরা হয়তো ডিসেম্বরের শেষ দিকেই পেতে পারেন সেই পরিচিত ঠান্ডার ছোঁয়া। আপাতত আবহাওয়া বলছেশীত আসবে, তবে একটু দেরিতে।

নভেম্বর ১৭, ২০২৫
রাজ্য

হাওয়ার দাপটে ঠান্ডা জোরালো! বাংলায় পারদ নামছে নভেম্বরের মাঝেই

লালকেল্লার কাছে বিস্ফোরণের ঘটনায় এবার সামনে এল এমন তথ্য, যা তদন্তকে আরও জটিল করে তুলেছে। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে ৯ এমএম ক্যালিবারের তিনটি কার্তুজযার মধ্যে দুটি তাজা এবং একটি ফাঁকা শেল। সাধারণ মানুষের হাতে এ ধরনের কার্তুজ থাকে না। সাধারণত সেনাবাহিনী বা বিশেষ অনুমোদনপ্রাপ্ত সংস্থার কাছেই এই ধরনের কার্তুজ থাকে। ফলে বিস্ফোরণের ঘটনার পর এই উদ্ধারকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে তীব্র রহস্য।সংবাদসংস্থা এএনআই জানিয়েছে, ঘটনাস্থলে কোনও আগ্নেয়াস্ত্র পাওয়া যায়নি। তাই প্রশ্ন উঠছেকার্তুজগুলি কি বিস্ফোরণের সময়ই ছিল, নাকি পরে কোনও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে রাখা হয়েছে তদন্তকে ঘোলাটে করতে? ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা প্রতিটি কার্তুজ খতিয়ে দেখছেন। সেগুলির উৎপত্তি থেকে শুরু করে ব্যবহারের সম্ভাব্য সময়সবই যাচাই হচ্ছে দ্রুতগতিতে।এদিকে দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ এবং এনআইএ তদন্ত আরও জোরদার করেছে। বিশেষত আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয় এবং মেডিক্যাল কলেজের একাধিক কর্মীর উপর নজর বাড়ানো হয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে সরাসরি বা পরোক্ষ কোনও যোগ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি। বিস্ফোরণের পর থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত ১৫ জন চিকিৎসকের মোবাইল ফোন বন্ধ। ফলে সন্দেহ আরও গভীর হয়েছে। ইতিমধ্যেই প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে ওই প্রতিষ্ঠানের নামে দুটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।তদন্তকারীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওখলা অফিসেও হানা দিয়েছেন এবং বেশ কিছু নথি সংগ্রহ করেছেন। বিস্ফোরণের সময় গাড়িতে ছিলেন ডঃ উমর। জানা গিয়েছে, তিনি বিভিন্ন হাওয়ালা রুটের মাধ্যমে ২২ লক্ষ টাকা পেয়েছিলেন। সেই টাকা কোথা থেকে এসেছে এবং তার ব্যবহারের উদ্দেশ্য কী ছিল, তাও এখন তদন্তের কেন্দ্রে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বাকিদের বিরুদ্ধেও তদন্ত শুরু হয়েছে। লালকেল্লার মতো সংবেদনশীল এলাকার পাশে বিস্ফোরণের ঘটনায় একের পর এক তথ্য সামনে আসায় গোটা রাজধানীতে আবারও ছড়িয়েছে উদ্বেগ।তদন্ত যত এগোচ্ছে, রহস্য ততই গভীর হচ্ছে। কার্তুজ উদ্ধার, নিখোঁজ চিকিৎসক, হাওয়ালা লেনদেনসব মিলিয়ে বিস্ফোরণের পেছনে কোনও বড় চক্র সক্রিয় থাকার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। তদন্তকারীদের মতে, এখনও পাওয়া তথ্য বরফের চূড়া মাত্র। আসল সূত্র পাওয়া গেলে উঠে আসতে পারে আরও বিস্ফোরক তথ্য।

নভেম্বর ১৬, ২০২৫
রাজ্য

রাত বাড়লেই কাঁপছে কলকাতা! নভেম্বরেই বাংলায় শীতের হানা, কুয়াশায় ঢাকা ভোর

বঙ্গজুড়ে নেমে এসেছে শীতের আমেজ! নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহেই ঠান্ডার দাপট চোখে পড়ার মতো। উত্তরবঙ্গ ও পশ্চিমবঙ্গের জেলা গুলিতে কয়েকদিন ধরেই সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ক্রমশ নামছে। আর এবার সেই শীতল হাওয়া এসে পৌঁছেছে রাজধানী কলকাতায়ও। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তথ্য বলছে, এ বছরের শীতের মরশুমে বৃহস্পতিবারই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে ঠান্ডা দিন কাটাল কলকাতা।এদিন কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে দাঁড়িয়েছে ১৭.১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা স্বাভাবিকের চেয়ে প্রায় তিন ডিগ্রি কম। সর্বোচ্চ তাপমাত্রাও নেমেছে ২.৬ ডিগ্রি নিচে, যা ২৮ ডিগ্রির ঘরে স্থির হয়েছে। অর্থাৎ দিন-রাতের ফারাক যতটা কমছে, ততটাই তীব্র হচ্ছে শীতের ছোঁয়া। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, আগামী কয়েকদিনে আরও কিছুটা নামবে পারদ।নভেম্বরের শুরু থেকেই হিমেল হাওয়া ছুঁয়ে গিয়েছে গোটা বাংলা। পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূমসব জায়গাতেই ভোরবেলা ঠান্ডার আমেজ এখন স্পষ্ট। উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে সকালের দিকে ঘন কুয়াশা, হাতে গরম চা নিয়েই শুরু হচ্ছে দিন। পার্বত্য অঞ্চলে কুয়াশার দাপট আরও বেশি।কলকাতা ও আশেপাশের জেলাতেও রাত বাড়লেই ঠান্ডা বেড়ে যাচ্ছে। সকালবেলায় রাস্তায় নেমে কুয়াশা, গায়ে হালকা উষ্ণতা জড়ানো পোশাকসব মিলিয়ে শীতের আগমন যেন আগেভাগেই ধরা দিয়েছে। আবহবিদদের মতে, এবার হয়তো নভেম্বরেই জাঁকিয়ে পড়তে পারে শীত, যা গত কয়েক বছরের রেকর্ড ভেঙে দিতে পারে।আপাতত রাজ্যে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। হাওয়া শুকনো থাকায় শীত আরও দ্রুত নামবে বলেই আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের। পশ্চিমের জেলাগুলিতে ইতিমধ্যেই তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রির ঘরে, পুরুলিয়ায় পারদ আরও নামার ইঙ্গিত দিয়েছে হাওয়া অফিস।বাংলার পাশাপাশি দেশের অন্যান্য রাজ্যেও শীতের দাপট তীব্র হচ্ছে। রাজধানী দিল্লিতে শৈত্যপ্রবাহের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, হরিয়ানা, পাঞ্জাব, ছত্তিশগড়, ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড, চণ্ডীগড় ও উত্তরপ্রদেশে ইতিমধ্যেই জারি হয়েছে ঠান্ডা সতর্কতা।এই নভেম্বরেই এমন ঠান্ডা? তা হলে কি এবার সত্যিই আগেভাগে নামবে শীত, আর দীর্ঘস্থায়ী হবে এই হিমেল আমেজ? কফির কাপে ধোঁয়া উঠছে, আর শহরজুড়ে উষ্ণ আলোয় ভাসছে শীতের শুরুবাংলা যেন তৈরি নতুন শীত-উৎসবের জন্য।

নভেম্বর ১৩, ২০২৫
রাজ্য

পশ্চিমবঙ্গে ১৫ ডিগ্রির নিচে পারদ, কলকাতায়ও ঠান্ডার কামড় শুরু!

অবশেষে রাজ্যে জাঁকিয়ে নামল শীত। নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহেই বাংলাজুড়ে ঠান্ডার কামড় আরও তীব্র হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল থেকেই কলকাতা ও রাজ্যের পশ্চিম জেলাগুলিতে হালকা কুয়াশা আর শীতল বাতাসে জমে উঠেছে আবহাওয়া। আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, শীতল পশ্চিমী হাওয়ার জেরে এবার পারদ নামছে দ্রুত।রাজ্যের পশ্চিম জেলাগুলিতে যেমন পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম ও বীরভূমে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রির নিচে নেমে গিয়েছে। কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৮ ডিগ্রির ঘরে ঘোরাফেরা করছে। সকাল-বিকেল গায়ে চাদর জড়ানোর প্রয়োজন পড়ছে অনেকেরই। তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় এক থেকে দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস কম। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, অন্তত শনিবার পর্যন্ত শীতের এই আমেজ বজায় থাকবে।হাওয়া অফিস জানিয়েছে, বর্তমানে মধ্য বঙ্গোপসাগরে যে ঘূর্ণাবর্ত ছিল তা ক্রমশ দুর্বল হচ্ছে। দক্ষিণ বাংলাদেশ ও সংলগ্ন এলাকাতেও একটি ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করছে। পাশাপাশি, উত্তর তামিলনাড়ু ও সংলগ্ন অঞ্চলে আরেকটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে। যদিও এই সিস্টেমগুলির প্রভাব বাংলার আবহাওয়ায় খুব একটা পড়ছে না, বরং ঠান্ডা হাওয়ার প্রবাহে আরও নামছে তাপমাত্রা।উত্তরবঙ্গের দিকেও নেমেছে হালকা কুয়াশা। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার এবং আলিপুরদুয়ারে সকালবেলায় ঘন কুয়াশার পরত দেখা যাচ্ছে। পাহাড়ি এলাকায় দৃশ্যমানতা কমে যাচ্ছে ভোরবেলায়। তবে আপাতত বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।কলকাতায় দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রাও স্বাভাবিকের নিচে। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ৫০ থেকে ৮৯ শতাংশের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। এই কারণে সকাল ও সন্ধ্যায় হালকা কুয়াশা থাকলেও দিনের বেলায় সূর্যের তেজ সামান্য বাড়ছে।অন্যদিকে, দেশের অন্যান্য রাজ্যেও শীতের দাপট বেড়েছে। দিল্লি, রাজস্থান, হরিয়ানা, পাঞ্জাব, ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশায় শৈত্যপ্রবাহের সতর্কতা জারি রয়েছে। হাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, ছত্তিশগড়, মধ্যপ্রদেশ এবং উত্তরপ্রদেশেও রাতের দিকে পারদ দ্রুত নামছে। তবে দক্ষিণ ভারতে, বিশেষ করে কেরল ও মাহেতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস জারি করেছে আবহাওয়া দফতর।সবমিলিয়ে, নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকেই শীতের দাপট স্পষ্ট বাংলার আকাশে। ঠান্ডা হাওয়ার দাপটে সকালবেলায় গরম পোশাকের খোঁজ শুরু হয়ে গিয়েছে কলকাতা সহ রাজ্যের সর্বত্র। আবহাওয়াবিদদের মতে, এ বছর স্বাভাবিক সময়েই আসছে শীত, আর ডিসেম্বরের শুরুতেই পারদ নামতে পারে আরও নিচে।

নভেম্বর ১১, ২০২৫
রাজ্য

শীত এল অবশেষে! ১৯ ডিগ্রির নিচে কলকাতার পারদ, উত্তর-পশ্চিমের হাওয়ায় কাঁপছে বঙ্গে

অবশেষে নামল পারদ, নেমে এল কলকাতার অন্দরে শীতের ছোঁয়া। শুক্রবার সকালে আলিপুর আবহাওয়া দফতরের শেষ আপডেট অনুযায়ী, শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে দাঁড়িয়েছে ১৯.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। চারপাশে হালকা ঠান্ডা হাওয়া, সকালের দিকে ঘন কুয়াশা নভেম্বরের শুরুতেই যেন ডিসেম্বরের আবহ।আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, শীতের দফা এখনই শেষ নয়, বরং শুরু হচ্ছে প্রকৃতির শীতল অধ্যায়। আগামী তিন থেকে চার দিনে আরও অন্তত ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে পারদ। বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই, ফলে দিনভর আকাশ থাকবে ঝকঝকে নীল।পশ্চিমী হাওয়ার প্রভাব এখন রাজ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঠান্ডা হাওয়া বইছে পুরোদমে। এর জেরেই রাজ্যের তাপমাত্রা একে একে নামছে ১৫ ডিগ্রির ঘরে। এদিন বাঁকুড়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছে ১৪.৫ ডিগ্রিতে, শ্রীনিকেতনে ১৪.৯, পুরুলিয়ায় ১৫, কল্যাণীতে ১৫.৩, উলুবেড়িয়ায় ১৬, মেদিনীপুরে ১৬.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কলকাতায় ১৯.২ আর দমদমে ১৯.৪ ডিগ্রিতে থেমেছে পারদ।বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী কয়েকদিন ভোরবেলায় ঘন কুয়াশা ঘিরে ফেলবে কলকাতা, হাওড়া, হাবড়া ও আশপাশের অঞ্চলগুলি। তুলনায় দাপট বেশি থাকবে উপকূলের জেলাগুলিতে। তবে এই ঠান্ডা এখনও পূর্ণ শীত নয়, বরং তার প্রাক্কাল।আবহাওয়ার মানচিত্রে দেখা যাচ্ছে, পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। পূর্ব বাংলাদেশ ও গাল্ফ অফ মানার অঞ্চলেও রয়েছে আরও দুটি ঘূর্ণাবর্ত। পাশাপাশি উত্তর পাঞ্জাবে সক্রিয় রয়েছে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। যদিও এই ঘূর্ণাবর্তগুলির কোনও বড় প্রভাব পড়ছে না দক্ষিণবঙ্গে, ফলে হাওয়া এখন পুরোপুরি শীতের অনুকূলে।শনিবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ঘোরাফেরা করছে ৩৮ থেকে ৮২ শতাংশের মধ্যে। আবহাওয়াবিদদের মতে, পরবর্তী কয়েকদিনে শুষ্ক বাতাসের প্রভাবে ভোরের দিকে ঠান্ডা আরও প্রকট হবে।শীতপ্রেমীদের মুখে ইতিমধ্যেই হাসি ফিরেছে। শহরের দোকান-বাজারে দেখা মিলছে শীতের পোশাকের জৌলুস। সকাল-সন্ধ্যায় চায়ের দোকানে ভিড় বেড়েছে চোখে পড়ার মতো। দীর্ঘ গরমের পর শহরবাসীর কাছে এই হালকা শীতই এখন এক টুকরো স্বস্তি।

নভেম্বর ০৯, ২০২৫
রাজ্য

পশ্চিমে ১৫ ডিগ্রি, কলকাতায় ১৯! অবশেষে ফিরছে শীতের আমেজ

নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ শেষের পথে, অথচ শীতের দেখা নেই। দিন এখনও রোদে টানছে ঘাম, সন্ধেয় হালকা গরম হাওয়া বইছে। পশ্চিমি ঝঞ্ঝা আর বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপ একের পর এক বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছিল শীতের পথে। তবে অবশেষে সুখবর শোনাল হাওয়া অফিস রবিবার বা সোমবার থেকেই নামবে তাপমাত্রা। রাজ্যে শুরু হবে পারদ পতনের ধারা।আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, রাজ্যের অধিকাংশ জেলাতেই আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে রাত ও ভোরের তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমবে। কলকাতার পারদ নেমে আসতে পারে ১৯ ডিগ্রিতে, আর পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে (পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান) নেমে যেতে পারে ১৫১৬ ডিগ্রিতে। উত্তরের সমতলেও শীতের ছোঁয়া অনুভব করবেন মানুষজন। যদিও হাওয়া অফিস স্পষ্ট জানিয়েছে, এখনই জাকিয়ে শীত নামছে না তার জন্য অপেক্ষা করতে হবে আরও কিছুদিন।বর্তমানে পূর্ব-মধ্য ও উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগরের উপর তৈরি নিম্নচাপ শক্তি হারিয়ে ঘূর্ণাবর্তে পরিণত হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশের উপরেও রয়েছে আরও একটি ঘূর্ণাবর্ত, যা অসম ও ত্রিপুরা সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এই দুই আবহাওয়া পরিস্থিতিই এতদিন শীতের আগমনকে বিলম্বিত করেছে।আবহাওয়া দফতর বলছে, আজ শুক্রবার উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গে আবহাওয়া মূলত শুষ্কই থাকবে। আকাশ থাকবে পরিষ্কার, তবে কোথাও কোথাও আংশিক মেঘলা হতে পারে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে শীতের আমেজ কিছুটা হলেও বাড়বে। দার্জিলিং ও কালিম্পং-এর কিছু অঞ্চলে ভোরে দেখা মিলবে হালকা কুয়াশার।কলকাতার আকাশ আজ রৌদ্রজ্জ্বল ও নির্মল। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে প্রায় ৩০৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে, আর সর্বনিম্ন প্রায় ২৪ ডিগ্রি। রবিবার থেকে শহরের রাতের পারদ নামতে পারে ২০ ডিগ্রির নিচে। হালকা শিরশিরানি শুরু হবে ভোর ও সকালে। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা থাকবে ৬৩ থেকে ৯১ শতাংশের মধ্যে।দক্ষিণবঙ্গে আকাশ পরিষ্কার থাকলেও উপকূল ও সংলগ্ন জেলাগুলিতে সকালে হালকা কুয়াশা বা ধোঁয়াশা দেখা যেতে পারে। বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। সোমবার থেকে দক্ষিণবঙ্গের সর্বত্র শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নামবে ২ থেকে ৩ ডিগ্রি পর্যন্ত।উত্তরবঙ্গেও আপাতত কোনও বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা নেই। আগামী দুদিন তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকলেও রবিবার থেকে সেখানে সামান্য পারদ পতনের ইঙ্গিত দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। উইকেন্ডে দার্জিলিং ও কালিম্পং-এর মতো পার্বত্য এলাকায় কুয়াশা জমতে পারে, আর শীতের আমেজও কিছুটা বাড়বে।সব মিলিয়ে, দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবশেষে রাজ্যে ঢুকছে শীতের হাওয়া। যদিও পুরোপুরি জাকিয়ে বসার জন্য অপেক্ষা করতে হবে নভেম্বরের দ্বিতীয়ার্ধ পর্যন্ত এমনটাই ইঙ্গিত আবহাওয়া দফতরের।

নভেম্বর ০৭, ২০২৫
কলকাতা

কলকাতায় নেমে এল শীতের হাওয়া! পারদ নামতেই হালকা শিরশিরে ঠান্ডা

অবশেষে শহর থেকে মেঘ সরে গিয়ে শুরু হল শুষ্ক আবহাওয়া। রাতের দিকেই হালকা ঠান্ডার অনুভূতি মিলছিল, মঙ্গলবার সকাল থেকে তা আরও স্পষ্ট। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে দাঁড়িয়েছে ২১.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় এক ডিগ্রি কম। এক সপ্তাহের ভ্যাপসা ভাবের পর এই সামান্য তাপমাত্রা পতনেই মিলছে আরাম।সম্প্রতি রাজ্যের উপকূল ছুঁয়ে গিয়েছিল ঘূর্ণিঝড় মন্থা। এরপরেই বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছিল নতুন নিম্নচাপ। তবে তার প্রভাব প্রধানত উপকূলেই সীমাবদ্ধ থেকে গেছে। কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে বাতাস এখন পরিষ্কার, আবহাওয়া শুষ্ক। পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ইতিমধ্যেই ২০ ডিগ্রির নিচে নেমে গেছে। তবে হাওয়া অফিস পরিষ্কার জানিয়েছে, এখনই তেমন বড় ধরনের পারদ পতন হবে না। শীত আসতে আরও কিছুটা সময় লাগবে।এখন নিম্নচাপ অবস্থান করছে পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে এবং মায়ানমার উপকূলে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় তা বাংলাদেশ ও মায়ানমারের কাছে প্রভাব ফেলবে। ওই এলাকাগুলির সমুদ্র উত্তাল থাকবে। ফলে বাংলায় এর প্রভাব সীমিতই থাকবে বলে মনে করছে আবহাওয়া দফতর।আগামী শুক্রবার আবার আবহাওয়ায় পরিবর্তনের সম্ভাবনা। জলীয় বাষ্প বাড়বে, সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা দক্ষিণবঙ্গের উপকূলীয় জেলাগুলিতে। বিশেষত দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। অন্য উপকূলবর্তী এলাকায় আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে।কলকাতায় মঙ্গলবার সকালে হালকা কুয়াশার ছবি ধরা পড়েছে। সোমবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৪২ থেকে ৯১ শতাংশের মধ্যে। ধীরে ধীরে শৈত্যপ্রবাহের আভাস মিলতে শুরু করলেও এখনই মোটা গরম জামা বের করার সময় আসেনি। তবে সকালের হালকা ঠান্ডা আর সন্ধ্যার মৃদু হাওয়া শীতের আগমনী বার্তা দিচ্ছে স্পষ্ট।

নভেম্বর ০৪, ২০২৫
রাজ্য

বাতাসে আর্দ্রতা, কিন্তু শীত নামার কাউন্টডাউন শুরু, কবে নামবে পারদ

স্থলভাগে প্রবেশের পর থেকেই শক্তি হারিয়েছে ঘূর্ণিঝড় মন্থা। ধীরে ধীরে রূপ বদলে তা পরিণত হয়েছে নিম্নচাপে। সেই নিম্নচাপই গত কদিন গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশ সংলগ্ন এলাকায় ঘুরপাক খাচ্ছিল। আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, সিস্টেমটি আরও খানিকটা সরে বর্তমানে উত্তর বাংলাদেশের দিকে অবস্থান করছে।মন্থার দাপট পিছনে পড়তেই বাংলার আকাশে ফের রোদ-মেঘের লুকোচুরি। এরই মধ্যে বৃষ্টি উপহারে শেষ হল জগদ্ধাত্রী পুজোও। তবে রবিবার থেকেই মিলেছে স্বস্তির বার্তা। বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমেছে অনেকটাই, বেশিরভাগ জেলায় আকাশ আংশিক মেঘলা হলেও দু-এক জায়গায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা থেকে যাচ্ছে।তবে শীতপ্রেমীদের জন্য রয়েছে সুসংবাদ। নভেম্বরের প্রথম থেকেই রাজ্যে শীতের ইঙ্গিত দিচ্ছে হাওয়া অফিস। আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যেই পশ্চিমবঙ্গে তাপমাত্রা ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নামতে পারে। বিশেষত উত্তরবঙ্গে সোমবার থেকেই শুকনো হাওয়ার উপস্থিতি টের পাওয়া যাবে।কলকাতায় রবিবার সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শনিবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১.৪ ডিগ্রি। আর্দ্রতা এখনও উচ্চ, বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ৭৮ শতাংশ থেকে ৯০ শতাংশের মধ্যে। সোমবার থেকে দিনভরই রোদের দেখা মিলবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।তবে এখানেই শেষ নয়। বঙ্গোপসাগরে আবারও নতুন নিম্নচাপের ইঙ্গিত রয়েছে। ফলে সপ্তাহের মাঝামাঝি উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে ফের বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা। দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে বৃষ্টি কিছুটা বেশি হতে পারে। বুধবার ও বৃহস্পতিবার বৃষ্টি বাড়তে পারে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে। শুক্রবারও দক্ষিণ উপকূলে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।সব মিলিয়ে বলা যায়বৃষ্টির বিদায়বেলায় এবার ধীরে ধীরে শীতের আগমন বার্তা পাচ্ছে বাংলা। আকাশ পরিষ্কার হলেই হিমেল হাওয়ায় ঠান্ডার ছোঁয়া মিলবে গোটা রাজ্যেই।

নভেম্বর ০২, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

পুজোর পাসে ৬০ কোটির অভিযোগ! রাত ১১টা পর্যন্ত ইন্দ্রনীলের বাড়িতে ইডি, এরপর কী?

প্রাক্তন মন্ত্রী তথা গায়ক ইন্দ্রনীল সেনের (Indranil Sen) কসবার বাড়িতে মঙ্গলবার দীর্ঘ সময় ধরে তল্লাশি চালাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। প্রায় সাড়ে ১৫ ঘণ্টা পর রাত ১১টা নাগাদ তদন্তকারীরা বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। এরপর বুধবার সকাল ১০টায় ইডির দপ্তরে ইন্দ্রনীল সেনকে তলব করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইন্দ্রনীল (Indranil Sen) । অভিযোগের ভিত্তিতে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি।ইডি সূত্রে অভিযোগ, কলকাতার দুর্গাপুজোর পুজো পরিক্রমা বা প্রিভিউ শো-এর নামে ইউনেস্কোর নাম ও প্রতীক ব্যবহার করে প্রবেশপত্র বিক্রি করা হয়েছিল। সেই প্রবেশপত্রের মাধ্যমে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ কোটি টাকার আর্থিক অনিয়ম হয়ে থাকতে পারে বলে তদন্তকারীদের দাবি। এই ঘটনায় ইন্দ্রনীল সেন এবং তাঁর স্ত্রী মধুছন্দা সেনের নামও উঠে এসেছে বলে ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে (Indranil Sen) ।চলতি বছরের জুন মাসে এই সংক্রান্ত অভিযোগ বউবাজার থানায় দায়ের হয়েছিল। অভিযোগকারীর বক্তব্যের ভিত্তিতে পরে আর্থিক তছরূপের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা শুরু হয়। সেই মামলার সূত্র ধরেই মঙ্গলবার ইডি কলকাতার একাধিক জায়গায় একসঙ্গে তল্লাশি চালায়।ইন্দ্রনীল সেনের (Indranil Sen) কসবার বাড়ি ছাড়াও কলকাতার আরও কয়েকটি ঠিকানায় তদন্তকারীরা পৌঁছন। হিন্দুস্তান পার্ক এবং হাইল্যান্ড পার্কের ঠিকানাতেও তল্লাশি চালানো হয়। ইভেন্ট পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত কয়েক জনের বাড়িতেও অভিযান চলে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে। সিঙ্গুরে ইন্দ্রনীল সেনের বাগানবাড়িতেও তদন্তকারীরা গিয়েছিলেন বলে খবর।প্রতিটি ঠিকানায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা ছিল। একাধিক দলে ভাগ হয়ে ইডির আধিকারিকেরা এই অভিযান চালান। তদন্তকারীদের মূল লক্ষ্য ছিল অভিযোগে উঠে আসা আর্থিক লেনদেন এবং পুজোর প্রবেশপত্র বিক্রির সঙ্গে যুক্ত নথি ও তথ্য খতিয়ে দেখা।এই অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছে মাস আর্ট নামে একটি সংগঠন। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২১ সালে কলকাতার দুর্গাপুজো আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়ার পর ওই সংগঠনটি তৈরি হয়। সংগঠনটির তরফে নিজেদের ইউনেস্কোর সঙ্গে যুক্ত বা অনুমোদিত উদ্যোগ হিসেবে প্রচার করা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। সেই পরিচয় ব্যবহার করে পুজো পরিক্রমার জন্য চড়া দামে প্রবেশপত্র বিক্রি করা হত বলেও তদন্তকারীদের দাবি।ইন্দ্রনীল সেনের (Indranil Sen) স্ত্রী মধুছন্দা সেন ওই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, পাস বিক্রি এবং ওই সংস্থার আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে তাঁর ভূমিকা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তবে এই অভিযোগগুলি এখনও তদন্তাধীন এবং আদালতে প্রমাণিত নয়।প্রাথমিক অভিযোগ অনুযায়ী, পুজোর প্রিভিউ শো বা পুজো পরিক্রমার নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছিল। ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে এই পাস বিক্রির অনুমতি আদৌ ছিল কি না, সেটিও তদন্তের অন্যতম বিষয়। বিভিন্ন প্রতিবেদনে পাসের মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের টাকা সংগ্রহের অভিযোগের কথা উঠে এসেছে।ইন্দ্রনীল সেন অবশ্য শুরু থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। মঙ্গলবার দীর্ঘ তল্লাশির পরও তিনি অভিযোগ মানেননি বলে জানা গিয়েছে। বরং প্রয়োজন হলে আইনি পথে যাওয়ার বার্তা দিয়েছেন তিনি।এখন বুধবার সকাল ১০টায় ইডির দপ্তরে হাজির হওয়ার পর ইন্দ্রনীল সেনকে কী কী বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, সেদিকেই নজর রয়েছে। পুজোর প্রবেশপত্র বিক্রি, সংশ্লিষ্ট সংস্থার আর্থিক লেনদেন এবং অভিযোগে উঠে আসা টাকার অঙ্কসবই তদন্তের পরবর্তী পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।ইডির মঙ্গলবারের তল্লাশিতে কী কী নথি বা তথ্য পাওয়া গেল, তা এখনও প্রকাশ্যে বিস্তারিত ভাবে জানানো হয়নি। তদন্ত এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে অভিযোগের প্রকৃত চিত্র আরও স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
কলকাতা

পুজোর মুখে চাকরি নিয়ে বড় আশ্বাস! বিকাশ ভবনের সামনে অবস্থান তুলে নিলেন ৩৭১৯ কম্পিউটার শিক্ষক

পুজোর মুখে চাকরি হারানোর আশঙ্কায় বিকাশ ভবনের সামনে অবস্থান শুরু করেছিলেন রাজ্যের সরকারি ও সরকার পোষিত স্কুলের চুক্তিভিত্তিক কম্পিউটার শিক্ষকরা। সোমবার থেকে শুরু হওয়া সেই অবস্থান ও বিক্ষোভ মঙ্গলবার পর্যন্ত চলে। পরে শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মনের সঙ্গে দুই দফায় বৈঠকের পর আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেন শিক্ষকদের সংগঠন আইসিটি ঐক্য মঞ্চ।বৈঠকে শিক্ষকদের একাধিক দাবি বিবেচনা করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলে সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে। আপাতত যাতে চাকরিতে কোনও ছেদ না পড়ে, সেই ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে। টেন্ডারে নির্বাচিত সংস্থার অধীনেই ৩৭১৯ জন শিক্ষক কাজ চালিয়ে যাবেন বলে জানা গিয়েছে।শিক্ষকদের দাবি পূরণের জন্য শিক্ষামন্ত্রী ছমাস সময় চেয়েছেন বলেও জানা গিয়েছে। এই সময়ের মধ্যে সরকারের সঙ্গে সরাসরি চুক্তির মাধ্যমে শিক্ষকদের বেতন এবং অন্যান্য বিষয় শ্রম আইন মেনে কী ভাবে করা যায়, তা নিয়ে চেষ্টা করা হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।সোমবার থেকেই একাধিক দাবি নিয়ে বিকাশ ভবনের সামনে অবস্থানে বসেছিলেন চুক্তিভিত্তিক কম্পিউটার শিক্ষকরা। রাতভর সেখানে বিক্ষোভ চলে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকার পর শিক্ষকদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন শিক্ষামন্ত্রী। সেই বৈঠকের পরেই আপাতত আন্দোলন তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।শিক্ষক রাহুল দাসের দাবি, প্রথম থেকে পঞ্চম পর্যায়ে নিযুক্ত প্রায় পাঁচ হাজার কম্পিউটার প্রশিক্ষকের সঙ্গে সরকারের যে ভাবে সরাসরি চুক্তি রয়েছে, একই ধরনের ব্যবস্থা তাঁদের ক্ষেত্রেও করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তবে শিক্ষামন্ত্রীর তরফে এই বক্তব্যের বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি।এই সমস্যার নেপথ্যে রয়েছে চুক্তি নিয়ে জটিলতা। ২০২২ সাল বা তার আশপাশের সময়ে বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে ৩৭১৯ জন কম্পিউটার শিক্ষককে পাঁচ বছরের চুক্তিতে নিয়োগ করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী অনেকের চুক্তির মেয়াদ আরও কিছুদিন থাকার কথা থাকলেও, হঠাৎ ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে চুক্তি শেষ করার নোটিস দেওয়া হয়েছে বলে শিক্ষকদের অভিযোগ।শিক্ষকদের আরও অভিযোগ, আগের কয়েকটি পর্যায়ে নিযুক্ত কম্পিউটার প্রশিক্ষকদের দীর্ঘমেয়াদি কাজের সুযোগ দেওয়া হলেও ষষ্ঠ ও সপ্তম পর্যায়ের শিক্ষকদের ক্ষেত্রে সেই সুবিধা দেওয়া হয়নি। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক সময়ে তাঁদের বেতন কমানোর অভিযোগও উঠেছে।চুক্তি শেষ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় শুধু শিক্ষক ও তাঁদের পরিবার নয়, স্কুল কর্তৃপক্ষও সমস্যায় পড়তে পারেন বলে শিক্ষক সংগঠনের দাবি। কারণ সরকারি বিভিন্ন ডিজিটাল শিক্ষা প্রকল্পে এই কম্পিউটার শিক্ষকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চ-এর সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী বলেন, কম্পিউটার শিক্ষকদের নিয়মিতকরণের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। তাঁর বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে অনিশ্চয়তার মধ্যে কাজ করা কঠিন এবং স্কুলের কাজে এই শিক্ষকেরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।আপাতত শিক্ষকদের আন্দোলন প্রত্যাহার হলেও তাঁদের মূল দাবি পূরণ কতটা দ্রুত হয়, সেদিকেই নজর রয়েছে। বিশেষ করে সরাসরি সরকারি চুক্তি, বেতন কাঠামো এবং চাকরির নিশ্চয়তা নিয়ে আগামী ছমাসে কী সিদ্ধান্ত হয়, তা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
দেশ

যশোভূমিতে ফিজিওথেরাপির মহামিলন: ১০ হাজারের মঞ্চে বাংলার গর্ব, সম্মানে IAP Bengal

২,০০০ কিলোমিটারের Physio Baton যাত্রা থেকে দিল্লির বর্ণাঢ্য মহাযাত্রাআন্তর্জাতিক সম্মেলনে উজ্জ্বল বাংলার উপস্থিতিনয়াদিল্লি: ফিজিওথেরাপির জগতে এক ঐতিহাসিক অধ্যায়ের সাক্ষী থাকল নয়াদিল্লির যশোভূমি কনভেনশন সেন্টার। ২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত World Physiotherapy Asia Western Pacific (AWP) Regional Conference 2026-এ দেশ-বিদেশের ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞ, শিক্ষক, গবেষক, ছাত্রছাত্রী ও পেশাজীবীদের মিলন ঘটল এক বিশাল আন্তর্জাতিক মঞ্চে। Fitness for Allএই বার্তাকে সামনে রেখে আয়োজিত সম্মেলনে ফিজিওথেরাপির ভবিষ্যৎ, আধুনিক চিকিৎসা-পদ্ধতি, গবেষণা, জনস্বাস্থ্য এবং পেশাগত বিকাশ নিয়ে হয় একাধিক আলোচনা।সম্মেলনের অন্যতম উল্লেখযোগ্য দিক ছিল ১০ হাজারেরও বেশি ফিজিওথেরাপিস্টের একসঙ্গে উপস্থিতি। এই বিপুল অংশগ্রহণকে World Record হিসেবে বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়। ফলে সম্মেলনটি শুধু একটি পেশাগত অনুষ্ঠানেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং আন্তর্জাতিক ফিজিওথেরাপি জগতের একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চে পরিণত হয়।বিশেষ সম্মান IAP Bengal Branch-এরএই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে পশ্চিমবঙ্গের জন্য আসে আরও একটি উল্লেখযোগ্য স্বীকৃতি। IAP Bengal Branch-কে দেশের সেরা শাখা হিসেবে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড, পেশাগত উন্নয়ন এবং ফিজিওথেরাপি সংক্রান্ত বিভিন্ন উদ্যোগের স্বীকৃতি হিসেবেই এই সম্মানকে দেখা হচ্ছে।দিল্লির আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলার প্রতিনিধিদের হাতে এই সম্মান তুলে দেওয়ার মুহূর্তটি ছিল আবেগঘন। পশ্চিমবঙ্গের ফিজিওথেরাপি পেশাজীবীদের কাছে এটি নিঃসন্দেহে এক গর্বের মুহূর্ত হয়ে ওঠে।বর্ধমান থেকে শুরু Physio Baton-এর ঐতিহাসিক যাত্রাসম্মেলনের আগে বাংলার সঙ্গে এই আন্তর্জাতিক আয়োজনের যোগসূত্র আরও দৃঢ় করে Physio Baton বা মশাল যাত্রা। ২২ সেপ্টেম্বর বর্ধমানের ঐতিহাসিক কার্জন গেট হয়ে সেই মশাল যাত্রার সূচনা হয়।কার্জন গেটে Physio Baton-কে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন প্রায় ৭০ জন ফিজিওথেরাপিস্ট। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ডাঃ সত্যেন ভট্টাচার্য, ডাঃ শুভেন্দু দ্বিবেদী (PT), ডাঃ আদিত্য পাল ডাঃ অতনু রায়, ডাঃ অনিন্দ দে (PT), ডাঃ শুকদেব মুখার্জী (PT)-সহ আরও অনেকে। উপস্থিত ছিলেন গোলাপবাগ ফিজিওথেরাপি কলেজের অধ্যক্ষ ডাঃ এম. এস. আনোয়ার (PT)।ঐতিহাসিক বর্ধমানের মাটি থেকে শুরু হয়ে প্রায় ২,০০০ কিলোমিটার সড়কপথ পেরিয়ে Physio Baton পৌঁছে যায় দিল্লিতে। এই দীর্ঘ যাত্রাপথে বিভিন্ন জেলা ও রাজ্যের ফিজিওথেরাপিস্টদের সঙ্গে যোগাযোগ, মতবিনিময় এবং পেশাগত সম্পর্ক গড়ে তোলার উদ্যোগও নেওয়া হয়।বাংলার ঐতিহ্য ধরা পড়ল দিল্লির মহাযাত্রায়দিল্লিতে পৌঁছনোর পর Physio Baton-কে কেন্দ্র করে আয়োজিত হয় বর্ণাঢ্য মহাযাত্রা। সেখানে বাংলার প্রতিনিধিরা নিজেদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সামনে তুলে ধরেন।পুরুষ প্রতিনিধিদের অনেকেই ধুতি-পাঞ্জাবি এবং মহিলা প্রতিনিধিরা শাড়ি পরে শোভাযাত্রায় অংশ নেন। পেশাগত পরিচয়ের পাশাপাশি বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এই উপস্থাপনা আন্তর্জাতিক মঞ্চে আলাদা মাত্রা যোগ করে।বর্ধমান থেকে শুরু হওয়া মশাল যাত্রার সেই ধারাবাহিকতা শেষ পর্যন্ত পৌঁছয় World Physiotherapy-এর সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক নেতৃত্বের মঞ্চে।ডাঃ রুচি ভার্শনে (PT) (Dr. Ruchi Varshney) এবং ডাঃ সঞ্জীব ঝা (PT) (Dr. Sanjeev Jha)-এর হাত ধরে Physio Baton তুলে দেওয়া হয় World Physiotherapy-এর President-এর হাতে। মুহূর্তটি উপস্থিত প্রতিনিধিদের মধ্যে বিশেষ আবেগ ও গর্বের সৃষ্টি করে।যাত্রার নেতৃত্বে ডাঃ কৌশিক মল্লিক (PT)এই দীর্ঘ ও তাৎপর্যপূর্ণ যাত্রার পরিকল্পনা, নেতৃত্ব এবং সমন্বয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন ডাঃ কৌশিক মল্লিক (PT), Vice President, IAP West Bengal Branch।প্রায় ২,০০০ কিলোমিটারের এই সড়কযাত্রা শুধুমাত্র একটি মশাল বহনের কর্মসূচি ছিল না। পথে বিভিন্ন জেলা ও রাজ্যের ফিজিওথেরাপিস্টদের সঙ্গে যোগাযোগ, তাঁদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং পেশাগত নেটওয়ার্ক আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগও এই যাত্রার অন্যতম লক্ষ্য হয়ে ওঠে।ফলে Physio Baton-এর যাত্রা কার্যত বাংলার সঙ্গে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ফিজিওথেরাপি পেশাজীবীদের মধ্যে একটি সংযোগের সেতু তৈরি করে।১৩টি হলে একসঙ্গে বৈজ্ঞানিক কর্মসূচি২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর যশোভূমি কনভেনশন সেন্টারের বিশাল পরিসরে সম্মেলনের বিভিন্ন পর্ব পরিচালিত হয় ১৩টি হলে। একই সঙ্গে চলে একাধিক বৈজ্ঞানিক ও পেশাগত অধিবেশন।পেপার ও পোস্টার প্রেজেন্টেশন, বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, প্যানেল আলোচনা, কর্মশালা, ছাত্রছাত্রীদের বিভিন্ন কার্যক্রম এবং দেশ-বিদেশের বিশিষ্ট ফিজিওথেরাপিস্টদের অংশগ্রহণে সম্মেলন কার্যত পরিণত হয় জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের এক বিশাল প্ল্যাটফর্মে।এই আন্তর্জাতিক মঞ্চে বর্ধমানের ফিজিওথেরাপিস্ট ডাঃ সত্যেন ভট্টাচার্য (PT) ও বক্তা হিসেবে অংশ নেন। বাংলার একটি জেলা শহর থেকে উঠে এসে আন্তর্জাতিক সম্মেলনের বৈজ্ঞানিক অধিবেশনে বক্তব্য রাখার বিষয়টিও স্থানীয় পেশাজীবীদের কাছে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।শুধু চিকিৎসা ও গবেষণার ক্ষেত্রেই নয়, আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার গুরুত্ব উপলব্ধি করে কনটেন্ট ক্রিয়েটর, পডকাস্টার এবং ডিজিটাল মিডিয়ার জন্যও বিশেষ পরিসর রাখা হয় সম্মেলনে।ফিজিওথেরাপির গুরুত্ব তুলে ধরলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীসম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা। তাঁর বক্তব্যে আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থায় ফিজিওথেরাপির গুরুত্বের বিষয়টি উঠে আসে।এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ভিডিও বার্তা এবং কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পক্ষ থেকেও ভিডিও বার্তা সম্মেলনে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। এর ফলে ফিজিওথেরাপি যে শুধুমাত্র পুনর্বাসনমূলক চিকিৎসার একটি অংশ নয়, বরং বৃহত্তর জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গএই বার্তাটিও আন্তর্জাতিক মঞ্চে আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।বাংলার জন্য একাধিক গর্বের মুহূর্তএকদিকে ১০ হাজারেরও বেশি ফিজিওথেরাপিস্টের ঐতিহাসিক উপস্থিতি, অন্যদিকে IAP Bengal Branch-এর বিশেষ সম্মাননা। তার সঙ্গে বর্ধমানের কার্জন গেট থেকে শুরু হওয়া Physio Baton-এর প্রায় ২,০০০ কিলোমিটারের যাত্রা এবং দিল্লির মহাযাত্রায় বাংলার ঐতিহ্যবাহী পোশাকে প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণসব মিলিয়ে সম্মেলনে বাংলার উপস্থিতি হয়ে ওঠে বিশেষভাবে স্মরণীয়।এই যাত্রা দেখিয়ে দিল, ফিজিওথেরাপি এখন আর শুধুমাত্র চিকিৎসাক্ষেত্রের একটি নির্দিষ্ট শাখার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। গবেষণা, জনস্বাস্থ্য, ফিটনেস, পুনর্বাসন, প্রযুক্তি এবং সামাজিক সচেতনতার বৃহত্তর পরিসরে ফিজিওথেরাপির ভূমিকা ক্রমশ বিস্তৃত হচ্ছে।যশোভূমির আন্তর্জাতিক মঞ্চে সেই পরিবর্তনেরই প্রতিফলন দেখা গেল। আর সেই মঞ্চে বাংলার প্রতিনিধিত্ব, IAP Bengal Branch-এর স্বীকৃতি এবং বর্ধমান থেকে শুরু হওয়া Physio Baton-এর ঐতিহাসিক যাত্রা পশ্চিমবঙ্গের ফিজিওথেরাপি মহলের জন্য তৈরি করল এক স্মরণীয় অধ্যায়।বর্ধমানের কার্জন গেট থেকে দিল্লির যশোভূমিপ্রায় ২,০০০ কিলোমিটারের সেই যাত্রা তাই কেবল একটি মশাল বহনের গল্প নয়; এটি বাংলার ফিজিওথেরাপি পেশাজীবীদের ঐক্য, উদ্যোগ, পেশাগত সংযোগ এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজেদের উপস্থিতি জানান দেওয়ার এক অনন্য কাহিনি।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
কলকাতা

রোজভ্যালির আমানতকারীদের টাকা কবে ফিরবে? হাই কোর্টের নির্দেশে সামনে এল নির্দিষ্ট সময়

রোজভ্যালি চিটফান্ড মামলায় আমানতকারীদের টাকা ফেরানোর প্রক্রিয়া নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করল কলকাতা হাই কোর্ট। দীর্ঘদিন ধরে টাকা ফেরানোর কাজ চললেও তার গতি যথেষ্ট নয় বলে আদালতের পর্যবেক্ষণ। এবার নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে আমানতকারীদের টাকা ফেরানোর নির্দেশ দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ। একই সঙ্গে প্রতি মাসে কাজের অগ্রগতির হিসাব আদালতে জমা দিতে হবে।বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ এবং বিচারপতি সুদীপ দেবের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, রোজভ্যালির সম্পত্তি বিক্রি করে সেই অর্থ আমানতকারীদের মধ্যে বণ্টন করাই সম্পদ নিষ্পত্তি কমিটির মূল দায়িত্ব। এর বাইরে কমিটির কোনও অতিরিক্ত আইনি ক্ষমতা নেই। আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, কমিটির তত্ত্বাবধানে থাকা সহযোগী সংস্থা তৃতীয় পক্ষের সঙ্গে হোটেল পরিচালনার যে চুক্তি করেছিল, তার অনুমোদনের ক্ষমতা কমিটির ছিল না। ফলে ওই ধরনের অনুমোদনহীন চুক্তিগুলিকে শুরু থেকেই বাতিল বলে ঘোষণা করেছে আদালত।আমানতকারীদের পক্ষের আইনজীবীর দাবি, দীর্ঘ সময় ধরে কমিটির হাতে বিপুল সম্পত্তি থাকলেও সেই তুলনায় টাকা ফেরানোর কাজ খুব ধীর গতিতে হয়েছে। আদালতে যে তথ্য তুলে ধরা হয়েছে, তাতে প্রায় ৬০০ কোটি টাকার সম্পত্তির কথা বলা হয়েছে। তার মধ্যে মাত্র ৫৫ কোটি ৪৫ লক্ষ টাকা আমানতকারীদের মধ্যে বণ্টন করা হয়েছে বলে দাবি। গত ১১ বছরে মাত্র ১০টি সম্পত্তির নিলাম এবং ৮০টি সম্পত্তির মূল্যায়ন সম্পূর্ণ হয়েছে বলেও আদালতে জানানো হয়।অন্যদিকে, রোজভ্যালি সম্পদ নিষ্পত্তি কমিটির প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের শেষ দিক থেকে আমানতকারীদের টাকা ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত একাধিক দফায় এক লক্ষেরও বেশি দাবিদারকে টাকা দেওয়া হয়েছে এবং প্রায় ৩২ লক্ষ দাবি নথিভুক্ত হয়েছিল। ফলে আগের বছরগুলিতে কাজের গতি নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে, তার পাশাপাশি সাম্প্রতিক সময়ে শুরু হওয়া টাকা ফেরানোর প্রক্রিয়াটিও আদালতের নজরে রয়েছে।হাই কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১৫ নভেম্বরের মধ্যে অ্যাকাউন্টে থাকা প্রায় ৫৫০ কোটি টাকা মুলতুবি থাকা দাবিগুলির ভিত্তিতে যোগ্য আমানতকারীদের মধ্যে বণ্টনের ব্যবস্থা করতে হবে। আদালতের নির্দেশে ৩২ লক্ষ ৪৩ হাজার ২২০টি মুলতুবি দাবির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। এরপর ২০২৭ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে বাকি সম্পত্তি বিক্রি এবং সেই অর্থ আমানতকারীদের মধ্যে বণ্টনের কাজ শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।শুধু সময়সীমা বেঁধে দিয়েই থামেনি আদালত। প্রতি মাসে সম্পদ নিষ্পত্তি কমিটিকে আদালতে কাজের অগ্রগতির রিপোর্ট জমা দিতে হবে। অর্থাৎ কতগুলি সম্পত্তি বিক্রি হল, কত টাকা বণ্টন করা হল এবং কতগুলি দাবি এখনও বাকি রয়েছে, সেই সংক্রান্ত অগ্রগতির হিসাব আদালতের নজরে থাকবে।আদালত আরও জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়সীমার পরেও যদি কাজ বাকি থাকে, তা হলে অবশিষ্ট সম্পত্তি, অর্থ এবং অন্যান্য অসম্পূর্ণ বিষয় বিচারপতি এস পি তালুকদারের নেতৃত্বাধীন এক সদস্যের কমিটির হাতে তুলে দেওয়া হবে। অর্থাৎ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ না হলে সম্পূর্ণ প্রক্রিয়ায় নতুন ব্যবস্থা কার্যকর হতে পারে।রোজভ্যালি মামলায় জালিয়াতির অভিযোগের তদন্ত এবং সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়ায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটও যুক্ত রয়েছে। এবার বাজেয়াপ্ত না হওয়া বাকি সম্পত্তি চিহ্নিত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ইডিকে নির্দেশ দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, তদন্তে চিহ্নিত নতুন সম্পত্তির বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।এ ছাড়া সিরিয়াস ফ্রড ইনভেস্টিগেশন অফিসকে ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ফরেনসিক অডিট শেষ করে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। এর ফলে রোজভ্যালির সম্পত্তি, আর্থিক লেনদেন এবং টাকা ফেরানোর প্রক্রিয়ায় আরও নজরদারি বাড়তে চলেছে।রোজভ্যালি মামলায় দীর্ঘদিন ধরে টাকা ফেরানোর অপেক্ষায় রয়েছেন বহু আমানতকারী। আদালতের এই নির্দেশে এবার নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে টাকা ফেরানোর প্রক্রিয়া শেষ করার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। আগামী কয়েক মাসে সম্পত্তি বিক্রি, দাবির যাচাই এবং টাকা বণ্টনের কাজ কতটা দ্রুত এগোয়, এখন সেদিকেই নজর থাকবে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

হাসপাতাল থেকে সরাসরি এশিয়ান গেমস! বৃষ্টির মধ্যেই সোনা জিতে ইতিহাস নীরুর

এই কাহিনী শুনলে যে কারও মন ভালো হতে বাধ্য। লক্ষ্য যদি অবিচল থাকে তাহলে যে কোনও কঠিন পরিস্থিতি আসুক না কেন, কেউ তাঁকে হারাতে পারবে না। এশিয়ান গেমসে সোনা জেতার মাত্র ১০ দিন আগেও তাঁর কেরিয়ার নিয়ে তৈরি হয়েছিল বড় অনিশ্চয়তা। হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন ভারতীয় ট্র্যাপ শুটার নীরু ধান্ডা। সংক্রমণের কারণে শারীরিক অবস্থা এতটাই খারাপ হয়েছিল যে, জাপানের নাগোয়ায় এশিয়ান গেমসে আদৌ অংশ নিতে পারবেন কি না, তা নিয়েই সংশয় তৈরি হয়েছিল। কিন্তু সেই অসুস্থতাকেই পিছনে ফেলে মঙ্গলবার ইতিহাস গড়লেন ২৬ বছরের এই ভারতীয় শুটার।জাপানের গ্রামীণ টয়োটার উরেনোচো শুটিং রেঞ্জে প্রবল বৃষ্টির মধ্যেই ট্র্যাপ শুটিংয়ের ফাইনালে ৩০টির মধ্যে ২৮টি লক্ষ্যভেদ করেন নীরু। এর ফলে এশিয়ান গেমসের নতুন রেকর্ড গড়ে সোনা জেতেন তিনি। চিনের সুন ইউনং ২৬টি লক্ষ্যভেদ করে রুপো পান। এশিয়ান গেমসে এটিই ভারতের পঞ্চম সোনা। তবে নীরুর সাফল্যের গুরুত্ব শুধু পদকের হিসাবেই নয়। এশিয়ান গেমসের ইতিহাসে এই প্রথম কোনও ভারতীয় মহিলা ট্র্যাপ শুটিংয়ে ব্যক্তিগত সোনা জিতলেন। একইসঙ্গে ১৯৭৮ সালের পর এই ইভেন্টে কোনও ভারতীয় শুটারের ব্যক্তিগত সোনার অপেক্ষাও শেষ হল। ১৯৭৮ সালে রণধীর সিং ট্র্যাপ শুটিংয়ে সোনা জিতেছিলেন।এই সাফল্যের নেপথ্যে ছিল কঠিন এক প্রত্যাবর্তনের গল্প। নয়াদিল্লিতে জাতীয় শিবিরে প্রায় সাড়ে তিন সপ্তাহ অনুশীলন করতে পারেননি নীরু। অসুস্থতার সময় টানা পাঁচ দিন খাবারও খাননি, শুধু জল খেয়ে ছিলেন। হাসপাতালেও তিন দিন কাটাতে হয় তাঁকে। এই কঠিন সময়ে পাশে ছিলেন তাঁর কোচ অর্জুন পুরস্কারপ্রাপ্ত মনশের সিং। প্রতিদিন ফোন করে নীরুকে মানসিকভাবে চাঙ্গা রাখতেন তিনি। নীরুর কথায়, কোচ তাঁকে বলতেন কয়েক দিন অনুশীলন না করলেও কিছু যায় আসে না, তিনি প্রতিভাবান এবং তারকা হয়েই থাকবেন। প্রাক্তন সাংসদ তথা ক্রীড়ামন্ত্রী যশোধরা রাজের কাছ থেকেও সমর্থনের বার্তা পেয়েছিলেন নীরু।ভারতের ট্র্যাপ শুটিং কোচ পিটার উইলসন জানান, হাসপাতালে থাকার মাত্র ১০ দিনের মধ্যেই নীরু প্রতিযোগিতায় নেমেছেন। সাড়ে তিন সপ্তাহ অনুশীলন না করেও জাপানে মাত্র দুদিন শুটিং করে ফাইনালে সাফল্য পেয়েছেন তিনি। নীরুর শুটিংয়ে আসার গল্পও বেশ চমকপ্রদ। ২০১৮ সালের এশিয়ান গেমসে তাঁর খুড়তুতো ভাই লক্ষ্য শেওরান ট্র্যাপ শুটিংয়ে রুপো জেতার পর এই খেলায় আগ্রহী হন তিনি। পরে ভোপালের মধ্যপ্রদেশ স্টেট শুটিং অ্যাকাডেমিতে প্রশিক্ষণ শুরু করেন।গত বছর এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা এবং চলতি বছরের জুলাইয়ে ISSF বিশ্বকাপে ব্যক্তিগত ট্র্যাপ সোনা জেতার পর এবার এশিয়ান গেমসেও সাফল্য পেলেন নীরু। তার উপর মঙ্গলবার ছিল প্রবল বৃষ্টি। বৃষ্টির জল শুটারদের হাতে পড়ছিল, মনোযোগও নষ্ট হচ্ছিল। কিন্তু নিজেকে বারবার প্রক্রিয়ায় ফিরিয়ে এনে লক্ষ্যভেদ করেন নীরু। হাসপাতালের বিছানা থেকে এশিয়ান গেমসের মঞ্চ, এই অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের শেষে তাঁর হাতেই উঠল ঐতিহাসিক সোনা।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
রাজ্য

জেএমবি-যোগের সন্দেহে মঙ্গলকোটের মসজিদের ইমামকে গ্রেপ্তার এনআইএ-র, বাজেয়াপ্ত ডায়েরি ও মোবাইল

পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটে মসজিদের ইমামকে গ্রেপ্তার করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA)। বাংলাদেশের নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জামাতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ (JMB)-এর সঙ্গে যোগাযোগ রাখার সন্দেহেই পালিশ গ্রামের পূর্বপাড়ার মসজিদের ইমাম পিয়ার মোহাম্মদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মঙ্গলবার ভোরে মঙ্গলকোট থানার পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে মসজিদে অভিযান চালায় এনআইএ। সেখান থেকেই তাঁকে হেফাজতে নেওয়া হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পিয়ার মোহাম্মদের বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বর থানার কুলুট গ্রামে। গত প্রায় তিন-চার বছর ধরে তিনি মঙ্গলকোটের পালিশ গ্রামের পূর্বপাড়ার মসজিদে ইমামের দায়িত্ব পালন করছিলেন। তদন্তকারীরা তাঁর পাসপোর্ট পরীক্ষা করে জানতে পেরেছেন, একাধিকবার বাংলাদেশে গিয়েছেন তিনি।এনআইএ সূত্রে খবর, মসজিদে ইমাম থাকার জন্য যে ঘরটি পিয়ার মোহামদ ব্যবহার করতেন, সেখান থেকে একটি ডায়েরি এবং মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ওই ডায়েরিতে বাংলাদেশের কয়েকজনের ফোন নম্বর পাওয়া গিয়েছে বলেও তদন্তকারী সূত্রে দাবি করা হয়েছে। এই যোগাযোগগুলির সঙ্গে জঙ্গি সংগঠনের কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।চলতি বছরের জুন মাসে পশ্চিমবঙ্গ এবং উত্তর-পূর্ব ভারতকেন্দ্রিক কথিত সন্ত্রাসবাদী ষড়যন্ত্রের মামলায় ১১ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করেছিল এনআইএ। সেই মামলার তদন্তের সূত্র ধরেই পিয়ার মোহাম্মদের নাম তদন্তকারীদের নজরে আসে বলে জানা গিয়েছে। মঙ্গলবার তাঁকে প্রথমে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে গ্রেপ্তার করা হয়।তদন্তকারী সংস্থার সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, তাবলিগ জামাতের কাজে বৈধভাবে প্রায় ৪০ দিন বাংলাদেশে ছিলেন পিয়ার মোহাম্মদ। তবে সেই সফরের সময়ে তিনি জেএমবির কোনও সদস্যের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন কি না, কোনও বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন কি না, কিংবা বাংলাদেশের কোনও জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে তাঁর আদৌ কোনও সম্পর্ক রয়েছে কি না, এই সব বিষয় খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।পিয়ার মোহাম্মদের সঙ্গে আরও কারও যোগাযোগ ছিল কি না, তাঁর মাধ্যমে কোনও বৃহত্তর জঙ্গি নেটওয়ার্কের সন্ধান পাওয়া যায় কি না, সেই বিষয়েও তদন্ত চালাচ্ছে এনআইএ ও স্থানীয় পুলিশ।ইমামকে জঙ্গি-যোগের সন্দেহে গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই পালিশ গ্রামে চাঞ্চল্য দেখা দেয়। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার দাবি, পিয়ার মোহাম্মদকে তাঁরা বরাবরই শান্ত এবং সাধারণ স্বভাবের মানুষ হিসেবেই জানতেন। ফলে তাঁর গ্রেপ্তারের খবর তাঁদের বিস্মিত করেছে।এদিকে মঙ্গলবার দুপুরে ধৃত ইমামকে নিয়ে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেয় এনআইএ। তাঁকে কলকাতার ব্যাঙ্কশাল আদালতে পেশ করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর।পিয়ার মোহাম্মদের আইনজীবী কাজি সাহাবাব জামান জানিয়েছেন, টেলিগ্রাম অ্যাপের মাধ্যমে নিষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গে বার্তালাপের অভিযোগে তাঁর মক্কেলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে তাঁর মক্কেল নির্দোষ বলে দাবি করেছেন আইনজীবী।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
দেশ

২৭০০ থেকে ২৭ হাজার! ক্যানসারের ওষুধে দশ গুণ দাম দেখে সুপ্রিম কোর্টে তোলপাড়

ক্যানসারের মতো গুরুতর রোগের চিকিৎসায় ওষুধের খরচ নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলেছে সুপ্রিম কোর্ট। একটি ক্যানসারের ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থা খুচরো বিক্রেতাকে যে দামে ওষুধ দিচ্ছে, তার তুলনায় সর্বোচ্চ খুচরো দামের ব্যবধান দশ গুণ পর্যন্ত হতে পারেএমন তথ্য শুনানিতে উঠে আসে। উদাহরণ হিসেবে আদালত জানতে পারে, ২৭০০ টাকায় খুচরো বিক্রেতার কাছে পৌঁছনো একটি ওষুধের সর্বোচ্চ খুচরো দাম ২৭ হাজার টাকা। এই বিপুল ব্যবধান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে জবাব চেয়েছে শীর্ষ আদালত।বিচারপতি বিক্রম নাথ এবং বিচারপতি সন্দীপ মেহতার বেঞ্চ ওষুধের মূল্যনিয়ন্ত্রণ, জেনেরিক ওষুধের ব্যবহার এবং চিকিৎসা সরঞ্জামের দাম সংক্রান্ত মামলার শুনানি করছিল। সেখানেই ক্যানসারের ওষুধের দামে খুচরো বিক্রেতার জন্য নির্ধারিত দাম এবং রোগীর জন্য নির্ধারিত সর্বোচ্চ খুচরো দামের মধ্যে এত বড় ফারাক নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। আদালত জানতে চায়, ২৭০০ টাকায় যে ওষুধ বিক্রেতার কাছে যাচ্ছে, সেটির সর্বোচ্চ খুচরো দাম কেন ২৭ হাজার টাকা হবে।আদালতের প্রশ্ন ছিল, এই অতিরিক্ত টাকার বড় অংশ কোথায় যাচ্ছে এবং এর ফলে কারা লাভবান হচ্ছে। বিচারপতিরা এমন দামের ব্যবধানকে রোগীদের উপর গুরুতর আর্থিক চাপ হিসেবে দেখেছেন। বিশেষ করে ক্যানসারের মতো রোগে চিকিৎসা দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় ওষুধের দাম বেড়ে গেলে তার সরাসরি প্রভাব পড়ে রোগী এবং পরিবারের উপর।শীর্ষ আদালত বেসরকারি হাসপাতালের ওষুধ বিক্রির ব্যবস্থাও খতিয়ে দেখেছে। শুনানিতে এমন অভিযোগের প্রসঙ্গ ওঠে যে, কিছু কর্পোরেট হাসপাতাল রোগীদের নিজেদের ফার্মেসি থেকে ওষুধ কিনতে বাধ্য করে। বাইরে থেকে একই ওষুধ কিনে আনলে চিকিৎসা নিয়ে সমস্যার আশঙ্কাও রোগীদের সামনে থাকে বলে আদালতে বিষয়টি উঠে আসে।সরকারি স্বাস্থ্য প্রকল্পের আওতায় চিকিৎসার ক্ষেত্রেও ওষুধের বাড়তি দাম নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আদালত। কারণ কোনও সরকারি প্রকল্পে চিকিৎসা বা ওষুধের খরচ বেশি হলে শেষ পর্যন্ত সেই ব্যয়ের একটা অংশ সরকারি অর্থ থেকে মেটানো হয়। ফলে এর আর্থিক প্রভাব সাধারণ মানুষের উপরও পড়তে পারে বলে আদালত পর্যবেক্ষণ করেছে।শুনানিতে ওষুধকে অত্যাবশ্যকীয় এবং অনত্যাবশ্যকীয়এই ভাগ করে আলাদা নিয়ম রাখার যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। বিচারপতিরা জানতে চান, সব ধরনের ওষুধের ক্ষেত্রেই কি নির্দিষ্ট হারে লভ্যাংশের সীমা বেঁধে দেওয়া যায় না। আদালতের তরফে ১৬ শতাংশ লভ্যাংশের সীমার কথাও আলোচনায় আসে।কেন্দ্রের পক্ষে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা জানান, বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করে সরকারের অবস্থান আদালতকে জানানো হবে। কেন্দ্র আরও সময় চেয়েছে বলেও সাম্প্রতিক শুনানির প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। মামলাটির পরবর্তী শুনানি ১২ অক্টোবর হওয়ার কথা।তবে ১৬ শতাংশ লভ্যাংশের সীমা এখনই কার্যকর কোনও নতুন নিয়ম নয়। এটি শুনানির সময় সুপ্রিম কোর্টের উত্থাপিত একটি প্রস্তাব বা প্রশ্ন। কেন্দ্রের সঙ্গে আলোচনার পর এ বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।ক্যানসারের ওষুধের দাম নিয়ে এই শুনানি তাই রোগীদের চিকিৎসার খরচ, ওষুধের মূল্যনিয়ন্ত্রণ এবং হাসপাতালের ওষুধ বিক্রির পদ্ধতিতিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কেই সামনে এনেছে। এখন কেন্দ্রের বক্তব্য এবং পরবর্তী শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টের অবস্থানের দিকে নজর রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
দেশ

সহকর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি! কাঠুয়ায় সিআইএসএফ শিবিরে ভয়াবহ ঘটনায় মৃত্যু ৪ জওয়ানের

জম্মু ও কাশ্মীরের কাঠুয়ায় সিআইএসএফের একটি শিবিরে ভয়াবহ গুলিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার ডিউটি পরিবর্তনের সময় বচসার পর এক সহকর্মী কয়েকজন জওয়ানকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছেন বলে অভিযোগ। ঘটনায় চার সিআইএসএফ জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে। অভিযুক্ত জওয়ানকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।সিআইএসএফ সূত্রে খবর, বিকেলে ডিউটি পরিবর্তনের সময় হেড কনস্টেবল অবধেশ সিংয়ের সঙ্গে কয়েকজন জওয়ানের বচসা হয়। প্রথমে বিষয়টি কথা কাটাকাটির মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল বলে জানা গিয়েছে। পরে সেই বচসা বড় আকার নেয়।অভিযোগ, এক পর্যায়ে অবধেশ সিং নিজের রাইফেল তুলে সহকর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি চালান। গুলিতে চার জওয়ান গুরুতর আহত হন। তাঁদের দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চারজনেরই মৃত্যু হয়।নিহত জওয়ানদের মধ্যে রয়েছেন সহকারী কমান্ড্যান্ট অঙ্কিত কুমার পাণ্ডে, সাব-ইন্সপেক্টর লক্ষ্মণ সিং, কনস্টেবল সঞ্জীব কুমার এবং কনস্টেবল মহম্মদ রফিক।ঘটনার পর কাঠুয়া সিআইএসএফ শিবিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। কী কারণে ডিউটি পরিবর্তনের সময় বচসা শুরু হয়েছিল এবং কী পরিস্থিতিতে গুলি চালানোর ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। সিআইএসএফ সদর দপ্তরের তরফে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি সিআইএসএফের মহাপরিচালক গোটা পরিস্থিতি এবং তদন্তের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করছেন।অভিযুক্ত জওয়ানকে গ্রেফতার করার পর তাঁর বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করা হবে এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ কী, তা তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে। চার সহকর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় কাঠুয়া সিআইএসএফ শিবিরে এখন তদন্তের পাশাপাশি নিরাপত্তা ব্যবস্থাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal