• ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার ০৬ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Tmc

রাজনীতি

সোশাল মিডিয়া তোলপাড় ভালো তৃণমূল খারাপ তৃণমূলে, এই তত্বে ক্ষুব্ধ বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা

ভালো তৃণমূল, খারাপ তৃণমূলে তোলপাড় সোশাল মিডিয়া। তৃণমূল কংগ্রেসে ভালো কিছু আছে বলে বিজেপি কর্মী ও সমর্থকরা কোনওভাবেই মানতে নারাজ। তাই বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের বক্তব্যকে কোনও ভাবে সমর্থন করছে না তাঁরা। তৃণমূলের যাঁরা দুর্নীতি বা অন্যায়ের সঙ্গে যারা যুক্ত নন তাঁরা কবে দড়জায় কড়া নাড়বেন, সেকথাই বলেছিলেন রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য। তাতেই ভালো তৃণমূল তত্ব ভেসে ওঠে। বিগত ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনের পর বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের ওপর অমানুষিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূল কংগ্রেসের ওপর। খুন, ধর্ষণ থেকে বাড়ি-ঘর ভেঙে তছনছ করে পুড়িয়ে দেওয়ার মত আক্রমণের ঘটনায় উত্তাল হয়েছিল বাংলা। এমনকী গত পাঁচ বছরে ৩২১ জন বিজেপি কর্মী তৃণমূলের হাতে শহিদ হয়েছেন বলে রাজ্য বিজেপির দাবি। বগটুই থেকে আরজিকরের মতো নারকীয় ঘটনা ঘটেছে এই রাজ্যে। একের পর এক দুর্নীতির ঘটনা সামনে এসেছে। গ্রেফতার হয়েছেন মন্ত্রী থেকে নেতারা। শেষমেশ ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল জনসমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। তৃণমূলের একাংশের বক্তব্যে গিরগিটিও যেন হার মানবে। টিভি শো থেকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে তৃণমূল কংগ্রেসের যে নেতৃত্ব বিজেপিকে গালমন্দ না করে মুখে অন্ন তোলেনি তারা এখন মমতা-অভিষেকের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছে। ভাবটা এমন যে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের থেকেও তারা অত্যাচারিত ছিল। অথচ দিনের পর দিন তারা ক্ষমতার অলিন্দে থেকে সবরকম ভোগ বিলাস করেছেন। তৃণমূল জমানার কোনও ঘটনা নিয়ে টু শব্দটি করেননি। বরং বিজেপিকে যতটা বেশি কোনঠাসা করা যায় ততটাই করেছেন। এখন তারা ভালো তৃণমূল সাজতে উঠেপড়ে লেগেছেন। তৃণমূল নেতাদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা উদ্ধার হচ্ছে। সঙ্গে আরও বহু সামগ্রী। এরা এখন পরিস্থিতির চাপে পড়ে নিজেদের পিঠ বাঁচাতে মন ভোলানো সুর তুলেছেন। কিন্তু তৃণমূল ক্ষমতায় ফিরলে এদের এই রূপ কিছুতেই দেখতে পেত না বাংলার মানুষ। টিভি চ্যানেলে দিনের পর দিন বিজেপি বক্তাদের অবহেলা, অবজ্ঞা, অপমান করেছেন, ঔদ্ধত্য দেখিয়েছেন। এখন তারা ভালো তৃণমূলের দৌড়ে অংশ নিয়েছেন। বিজেপি কর্মী সর্থকরাই বলছেন এভাবে ভালো তৃণমূল বাছলে তারা আবার খারাপ না হয়ে যান। তাঁদের বক্তব্য়, ২০২৬-এর ভোটে জয় বিজেপির লড়াই ও সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণেই সম্ভব হয়েছে। ওই ভালো তৃণমূলীরা বিজেপিকে পদদলিত করতে চেয়েছিল। নির্বাচনে হেরে গেলে জীবন বিপন্ন হয়ে যেতে নীচুতলার বিজেপি কর্মীদের। তাই তারা বিজেপি নেতৃত্বের কাছে আবেদন করছেন, এই ভালো তৃণমূল খোঁজার নামে দলকে বিপদগামী করবেন না। বাস্তবে একটা পচা আলু গোটা বস্তার আলুকে পচিয়ে দেয়। তাতে দলের কর্মীরা হতাশ তো হবেনই পাশাপাশি সামনের দিন বাংলায় বিজেপির শাসন দরকার। ভোট বলে বিষয়বস্তু কিন্তু থাকবে। সাংসদ রাহুল সিনহা বলেছেন, বিজেপি আগামী ২৫ বছর থাকবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলতেন আগামী ৫০ বছর তৃণমূল থাকবে। মানুষ কিন্তু সব মনে রাখে। সময়ের অপেক্ষায় থাকে। অভিজ্ঞ মহল মনে করছে, বিজেপি সাধারণের প্রতিক্রিয়া যাচাই করতে অথবা পরবর্তীতে যাতে কোনও ক্ষোভ-বিক্ষোভ না থাকে তার জন্য এই তত্ব ছেড়েছে। এখন দেখার বিষয় বিজেপির কাছে ভালো তৃণমূল কারা, খারাপ তৃণমূল কারা।

মে ২৮, ২০২৬
রাজ্য

শুভেন্দুর বৈঠকে তৃণমূল সাংসদ! বাংলার রাজনীতিতে বড় চমক কাকলির উপস্থিতিতে

বাংলার রাজনীতিতে এক বিরল ছবি দেখা গেল মঙ্গলবার। কল্যাণীতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকে হাজির হলেন বিরোধী দলের সাংসদ ও বিধায়করা। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি চর্চায় বারাসতের তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের উপস্থিতি।মঙ্গলবার সকালে বৈঠক শুরুর আগেই সভাস্থলে পৌঁছে যান কাকলি। তাঁকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, আমন্ত্রণ পেয়েছি, তাই এসেছি। প্রশাসনটা কারও একার নয়। এটা কোনও দলীয় সভা নয়।শুধু কাকলি নন, এদিন বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের আরও তিন বিধায়ক। হাজির ছিলেন দেগঙ্গার বিধায়ক আনিসুর রহমান, হাড়োয়ার বিধায়ক আব্দুল মতিন এবং স্বরূপনগরের বিধায়ক বীণা মণ্ডল।রাজনৈতিক মহলের মতে, এই ছবি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ তৃণমূল জমানায় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসনিক বৈঠকে বিরোধী দলের জনপ্রতিনিধিদের সাধারণত দেখা যেত না। সেই জায়গায় শুভেন্দু অধিকারীর বৈঠকে বিরোধী শিবিরের জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতি নতুন রাজনৈতিক বার্তা দিচ্ছে বলেই মনে করা হচ্ছে।হাড়োয়ার বিধায়ক আব্দুল মতিন বলেন, রাজনীতিতে মতভেদ থাকতেই পারে। কিন্তু উন্নয়নের প্রশ্নে আমরা সবাই এক। তাই এখানে এসেছি।এদিকে গত কয়েকদিন ধরেই কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে ঘিরে রাজনৈতিক জল্পনা বাড়ছিল। লোকসভার মুখ্য সচেতক পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এরপরই সমাজমাধ্যমে একটি আবেগঘন পোস্ট করেছিলেন তিনি। সেখানে লিখেছিলেন, চার দশকের আনুগত্যের জন্য আজ পুরস্কৃত হলাম।এরপর তাঁর বাড়ির সামনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। গত রবিবার সাংবাদিক বৈঠক করে কাকলি জানান, তিনি সাংগঠনিক জেলা সভাপতির পদ থেকেও ইস্তফা দিচ্ছেন। আর তার মধ্যেই শুভেন্দুর প্রশাসনিক বৈঠকে তাঁর উপস্থিতি ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে।

মে ২৬, ২০২৬
রাজ্য

‘আনুগত্যের পুরস্কার’ থেকে ইস্তফা— তৃণমূলে বিস্ফোরণ, মমতাকে বার্তা: ভুঁইফোঁড়দের নয়, ফিরুন পুরনো সৈনিকদের কাছে

তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে নতুন করে জল্পনা উস্কে দিলেন বারাসতের সাংসদ তথা দলের প্রবীণ নেত্রী কাকলি ঘোষ দস্তিদার (Kakoli Ghosh Dastidar)। দলের বারাসত সাংগঠনিক জেলার সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে তিনি কার্যত শাসকদলের বর্তমান সাংগঠনিক রণকৌশল নিয়েই প্রশ্ন তুলে দিলেন। শুধু পদত্যাগ করেই থেমে থাকেননি কাকলি, দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)-র উদ্দেশে সরাসরি আবেদন জানিয়েছেন নতুন ভুঁইফোঁড় সংস্থা বা বাহ্যিক পরামর্শদাতাদের উপর নির্ভর না করে, দলের পুরনো নিষ্ঠাবান কর্মীদের উপরেই আস্থা রাখা হোক।এই পদক্ষেপ ঘিরে তৃণমূলের অন্দরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে জোর চর্চা। কারণ, কয়েক দিন আগেই দলের সংসদীয় মুখ্যসচেতকের পদ থেকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল কাকলিকে। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ( Kalyan Banerjee)-কে। বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল পর্যালোচনায় কালীঘাটে হওয়া বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছিল।পদচ্যুত হওয়ার ঠিক পরের দিন সমাজমাধ্যমে কাকলির একটি পোস্ট ঘিরে শুরু হয়েছিল ব্যাপক আলোচনা। সেখানে তিনি লিখেছিলেন, ১৯৭৬ থেকে পরিচয়, ১৯৮৪-তে পথচলা শুরু। চার দশকের আনুগত্যের জন্য আজ পুরস্কৃত হলাম। এই সংক্ষিপ্ত মন্তব্যে স্পষ্ট হয়েছিল তাঁর ক্ষোভ ও অভিমান।তার পর নয় দিন কাটতে না কাটতেই রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী (Subrata Bakshi)-র কাছে ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে জেলা সভাপতির দায়িত্ব থেকেও সরে দাঁড়ালেন তিনি।চিঠিতে কাকলি স্পষ্ট ভাষায় লিখেছেন,নেত্রী যদি আগের মতো পুরনো, পরীক্ষিত ও নিষ্ঠাবান কর্মীদের নিয়ে দল চালান, তবে দলের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল হবে। ভুঁইফোঁড় সংস্থার উপর ভরসা করে কঠিন রাজনৈতিক লড়াই জেতা সম্ভব নয়।রাজনৈতিক মহলের মতে, এই মন্তব্যে পরোক্ষে নির্বাচনী কৌশল নির্ধারণে যুক্ত পেশাদার সংস্থাগুলির ভূমিকাকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন তিনি। বিশেষ করে নির্বাচনকেন্দ্রিক পরামর্শদাতা সংস্থা আই প্যাক (Indian Political Action Committee)-এর ভূমিকা নিয়ে ভোট-পরবর্তী সময়ে তৃণমূলের একাংশের অসন্তোষের ইঙ্গিত আগেও সামনে এসেছিল। কাকলির বক্তব্য সেই ক্ষোভকেই আরও প্রকাশ্যে নিয়ে এল বলে মনে করা হচ্ছে।ইস্তফাপত্রে তিনি রাজ্যের সাম্প্রতিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং দুর্নীতির অভিযোগ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, সাম্প্রতিক কিছু ঘটনা সাধারণ মানুষের মনে আশঙ্কা ও প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। গণতন্ত্রকে সুদৃঢ় করতে হলে রাজনীতিতে স্বচ্ছতা, দায়বদ্ধতা, জবাবদিহি এবং মূল্যবোধকে আরও গুরুত্ব দিতে হবে।নিজের সাংগঠনিক ব্যর্থতার দায়ও এড়িয়ে যাননি কাকলি। বিধানসভা ভোটে তাঁর সাংগঠনিক এলাকায় দল প্রত্যাশিত ফল করতে পারেনি বলে স্বীকার করে নিয়েছেন। সেই নৈতিক দায় নিজের কাঁধে নিয়েই জেলা সভাপতির পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন তিনি।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, কাকলির এই পদত্যাগ শুধুই ব্যক্তিগত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ নয়; বরং এটি তৃণমূলের অভ্যন্তরে জমতে থাকা অসন্তোষের বহিঃপ্রকাশ। নির্বাচনী ধাক্কার পর দল যখন আত্মসমালোচনার পর্যায়ে, তখন এক প্রবীণ সাংসদের এমন প্রকাশ্য বার্তা নিঃসন্দেহে দলীয় নেতৃত্বের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ সতর্কবার্তা বলেই মনে করা হচ্ছে।

মে ২৫, ২০২৬
রাজ্য

ক্ষমতা হারিয়ে রক্তক্ষরণে তৃণমূল, ‘একলা চলার’ কঠিন পরীক্ষায় মমতা

রাজনীতিতে পালাবদল ঘটেই থাকে। কেন্দ্রে বা রাজ্যে যে রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় থাকে কোনো কোনো সময় অপ্রতিরোধ্য দেখায়। মনে হয় শাসন ক্ষমতায় থাকাটাই সেই রাজনৈতিক দলের কুক্ষিগত। কিন্তু, সময় বদলায়। ঐতিহাসিক নিয়মেই অতি ক্ষমতাধর শক্তিকেও ক্ষমতা থেকে সরতে হয়। দেশ, কাল ভেদের এই পরিবর্তনের বহু নিদর্শন ইতিহাসে রয়েছে। যেমন, পশ্চিমবঙ্গ। স্বাধীনতার পর থেকে এই রাজ্যে দীর্ঘকাল ক্ষমতায় থেকেছিল কংগ্রেস। তারপর কংগ্রেস কে সরিয়ে ক্ষমতায় বসে বামফ্রন্ট। দীর্ঘ ৩৪ বছর শাসন ক্ষমতায় ছিল সিপিআইএম নেতৃত্বাধীন সরকার। অনেকেই ভাবতেন বাম শাসনের বোধহয় অবসান হবেনা। তা হয়নি। দীর্ঘ বাম শাসনকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে মসনদে বসে তৃণমূল কংগ্রেস। শাসন ক্ষমতায় থাকাকালীন যে দলকে অপ্রতিরোধ্য মনে হয় ক্ষমতা থেকে যাওয়ার পরে তাদের রক্তক্ষরণ শুরু হয়।এই পরিস্থিতি থেকেই শুরু হয় দল বদলের পালা। দেশ জুড়ে নেতা নেত্রীর ক্ষমতা হারানো দল থেকে ক্ষমতাসীন দলে যাওয়া অতি সাধারণ ঘটনা। মানুষ ও এই প্রবণতাকে স্বাভাবিক বলেই ধরে নিয়েছে। তবে, এখান থেকে বিজয়ী দলের ও সমস্যা শুরু হয়। নেতা নেত্রীদের দল বদলের থেকে অতি দ্রুত এই যাওয়ার পালা শুরু হয় পরাজিত দলের নিচু স্তরের কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে। বাম আমলেও এই ঘটনা শুরু হয়েছিল। তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পরেই রাজ্য জুড়ে সিপিএম এর ওপর আক্রমণ শুরু হয়েছিল। ক্ষমতাসীন দলের সঙ্গে থাকার লোভ, অর্থের লোভ ও সন্ত্রাস মূলত এই তিনটি কারণে সিপিএম থেকে তৃণমূলে আসার পালা শুরু হয়। এর ফলে যারা দীর্ঘদিন তৃণমূলে ছিলেন তাদের সঙ্গে দল বদলের দ্বন্দ্ব শুরু হয়।সেই সময় তৃণমূলের মধ্যে সেই দ্বন্দ্ব এক নতুন সমীকরণ তৈরি করেছিল। যার প্রতিফলন হয়েছিল Red TMC বনাম Green TMC দ্বন্দ্বে। তৃণমূলের ১৫ বছর পরে ক্ষমতা থেকে সরায় নিচের তলার এই চলন শুরু হয়েছে। রাতারাতি, রাজ্যের আনাচে কানাচে বিজেপির পতাকা হাতে বহু জনকে দেখা যাচ্ছে যাদের এতদিন ক্ষমতাসীন দলের সঙ্গেই দেখা যেত। রাজ্যে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব এই পরিস্থিতিতে বার বার দলীয় কর্মীদের সতর্ক করেছেন। তৃণমূল কংগ্রেস ও জানে দলের কোনো মজবুত সাংগঠনিক কাঠামো ছিল না। ক্ষমতায় থাকার কারণে বিভিন্ন আর্থিক ও সামাজিক সুবিধা ছিল। এই সুযোগে, সুবিধা পাওয়ার বন্দোবস্ত তৃণমূলকে একটা সাংগঠনিক কাঠামো তৈরির সুবিধা দিয়েছিল।এখন ক্ষমতার বৃত্তে না থাকার কারণে দলের চেহারা ক্রমশ শীর্ণকায় হবে। এই কারণেই খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে তৃণমূল কর্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক লড়াইতে নামার জন্য বাম, কংগ্রেস ও আই এস এফ কে সঙ্গে চলার আহ্বান জানিয়েছেন। যদিও, তিনি ভালোই জানেন যে ক্ষমতাসীন তৃণমূল এই তিন রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের সঙ্গে কী ব্যবহার করেছে। গণতান্ত্রিক পরিবেশে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার পরিবেশ রাজ্যে ছিল না। সবটাই ছিল পেশীশক্তির ভিত্তিতে। কংগ্রেস ও বামেরা পাঁচ বছর বিধানসভার বাইরে ছিল। এই নির্বাচনে তাদের যেটুকু সাফল্য এসেছে তা তৃণমূলের সঙ্গে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেই এসেছে। এখন তারা যদি তৃণমূলের পাশে এসে দাঁড়ায় তাহলে তাদের রাজনৈতিক অস্তিত্ব নিয়ে আবার প্রশ্ন উঠবে।INDIA ব্লক টিঁকিয়ে রাখার জন্য কংগ্রেস এই রাজ্যে তৃণমূলের সুরে বিজেপি বিরোধীতা করলেও সরাসরি তৃণমূলের সঙ্গে আন্দোলনে নামবে না বলেই মনে হয়। অন্যদিকে, আই এস এফ বা বাম দলগুলি তো প্রকাশ্যেই তৃণমূল নেত্রী কে এই আহ্বানের জন্য রাজনৈতিক ভাবে বিঁধতে শুরু করেছে। এই পরিস্থিতিতে মনে হয় ভালো, মন্দ যাই হোক তৃণমূল কে তা মেনে নিয়ে একলাই চলতে হবে। একলা পথ চলার কথাই নির্বাচনের আগে বিভিন্ন জনসভায় বলেছেন মমতা। এখন অন্যদের দিকে হাত বাড়ালেও তাঁকে একলাই চলতে হবে।

মে ২৩, ২০২৬
কলকাতা

জাহাঙ্গির বিতর্কে ফুঁসছে তৃণমূল! কুণাল-ঋতব্রতদের ডেকে জরুরি বৈঠক মমতার

ভোটে ভরাডুবির পর থেকেই তৃণমূলের অন্দরে অসন্তোষ ক্রমশ বাড়ছে। বিশেষ করে ফলতার পুনর্নির্বাচনের আগে জাহাঙ্গির খানের সরে দাঁড়ানোর ঘোষণাকে ঘিরে দলের মধ্যে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। এই ঘটনায় সরব হয়েছেন তৃণমূলের তিন বিধায়ক কুণাল ঘোষ, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহা। তাঁদের প্রশ্ন, দলের কঠিন সময়ে এমন আচরণের পরও কেন জাহাঙ্গির খানের বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ করা হচ্ছে না।এই পরিস্থিতিতে দলের অন্দরের ক্ষোভ সামাল দিতে উদ্যোগী হয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার বিকেলে কালীঘাটের বাড়িতে ডেকে পাঠানো হয় কুণাল ঘোষ, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহাকে। তিনজনই সেখানে উপস্থিত হন এবং দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা হয় বলে সূত্রের খবর।তবে বৈঠকের পরেও জাহাঙ্গির খানের বিরুদ্ধে আদৌ কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। বৃহস্পতিবার ফলতায় পুনর্নির্বাচন। তার আগে মঙ্গলবার ছিল প্রচারের শেষ দিন। সেদিনই জাহাঙ্গির খান ঘোষণা করেন, তিনি এই ভোটে লড়বেন না। তৃণমূলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এটি তাঁর সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত, দলের সঙ্গে এর কোনও সম্পর্ক নেই।কালীঘাটের বৈঠকে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সকলকে সেই কথাই মনে করিয়ে দেন বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু তাতেও পরিস্থিতি পুরোপুরি শান্ত হয়নি।সূত্রের খবর, বৈঠকে কুণাল ঘোষ নিজের ক্ষোভ স্পষ্ট ভাষায় প্রকাশ করেন। একইভাবে প্রতিবাদের সুর চড়ান সন্দীপন সাহা এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ও। নাম না করেই তাঁরা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকেই ইঙ্গিত করেছেন বলে রাজনৈতিক মহলের ধারণা। জাহাঙ্গির খানকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের নেতা বলেও খোঁচা দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের দাবি।কুণাল ঘোষদের বক্তব্য ছিল, শুধুমাত্র ঘরোয়া বৈঠক করে নয়, দলের মধ্যে খোলাখুলি আলোচনা করার সুযোগ দিতে হবে। যদিও এর আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে কারও অভিযোগ থাকলে তা লিখিত আকারে জমা দিতে হবে। কিন্তু সেই বার্তায় বিশেষ কাজ হয়নি বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।মঙ্গলবারের বৈঠকে কুণাল, ঋতব্রত এবং সন্দীপনদের ক্ষোভ প্রকাশ্যে আসার পরেই বুধবার তাঁদের আলাদা করে ডেকে পাঠান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজনৈতিক মহলের মতে, দলের অন্দরের বিদ্রোহ থামাতেই এই উদ্যোগ নিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী।

মে ২০, ২০২৬
রাজ্য

জাহাঙ্গির ভোটে লড়ছেন না, এবার মুখ খুলল তৃণমূল! সামনে এল বড় সত্য

ফলতার পুনর্নির্বাচনের আগে আচমকা ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা করেছেন তৃণমূল নেতা জাহাঙ্গির খান। মঙ্গলবার দুপুরে সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি জানান, আগামী ২১ মে-র পুনর্নির্বাচনে তিনি আর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না। এরপর থেকেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় জোর জল্পনা। প্রশ্ন ওঠে, এই সিদ্ধান্ত কি সম্পূর্ণ তাঁর ব্যক্তিগত, নাকি দলের তরফে তাঁকে ভোটে না লড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল?অবশেষে এই বিতর্কে মুখ খুলল তৃণমূল কংগ্রেস। দলের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো জাহাঙ্গির খানের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। এর সঙ্গে দলের কোনও সম্পর্ক নেই। সমাজমাধ্যমে তৃণমূলের তরফে জানানো হয়, এই সিদ্ধান্ত দলের নয়।সাংবাদিক বৈঠকে জাহাঙ্গির বলেন, ফলতার উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের স্বার্থের কথা ভেবেই তিনি ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন। তবে এই সিদ্ধান্ত কেন নিলেন বা এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, সেই প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দেননি তিনি।ভোটের সময় ইভিএমে টেপ লাগানো এবং আতর ছড়ানোর অভিযোগও উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। যদিও সেই সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন জাহাঙ্গির। তবে কারা এই কাজ করেছে, তা নিয়েও কোনও মন্তব্য করতে চাননি তিনি।এই ঘটনার পর তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষও মুখ খোলেন। তিনি বলেন, পুষ্পা তো ঝুকেগা নেহি। তাহলে ভয় পেল কেন? যদি ভয় পেয়ে থাকে, তাহলে প্রশ্ন উঠবে কেন এমন পরিস্থিতি তৈরি হল। কুণাল আরও বলেন, ডায়মন্ড হারবার এলাকায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিপুল ভোটে জয় পেয়েছিলেন। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে জাহাঙ্গিরের এই সিদ্ধান্ত দলের জন্য খুব ভাল বার্তা নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।জাহাঙ্গিরকে ঘিরে এই নতুন বিতর্কে এখন সরগরম রাজ্য রাজনীতি। ভোটের আগে তাঁর এই সিদ্ধান্ত আগামী দিনে ফলতার রাজনৈতিক সমীকরণে কতটা প্রভাব ফেলবে, সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।

মে ১৯, ২০২৬
রাজ্য

উদয়ন ঘনিষ্ঠদের একের পর এক গ্রেফতার! থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করলেন দিনহাটার প্রাক্তন পৌরপ্রধান

দিনহাটা পুরসভার বিল্ডিং প্ল্যান দুর্নীতি মামলায় ফের বড় পদক্ষেপ করল পুলিশ। তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন পৌরপ্রধান গৌরীশঙ্কর মাহেশ্বরী এদিন নিজে থেকেই দিনহাটা থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন। এরপরই তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গতকাল থেকেই তাঁকে খুঁজছিল তদন্তকারীরা।এর মাত্র ২৪ ঘণ্টা আগেই গ্রেফতার করা হয়েছিল উদয়ন গুহ ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেত্রী এবং দিনহাটা পুরসভার কর্মী মৌমিতা ভট্টাচার্যকে। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত তিনি পুরসভায় কাজ করছিলেন। অফিস থেকে বাড়ি ফেরার সময় পুলিশ তাঁকে আটক করে। এরপরই গৌরীশঙ্কর মাহেশ্বরীর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।পুলিশ সূত্রে খবর, গৌরীশঙ্কর মাহেশ্বরী দিনহাটা পুরসভার পৌরপ্রধান থাকাকালীন বিল্ডিং প্ল্যান অনুমোদন নিয়ে একাধিক অনিয়মের অভিযোগ সামনে আসে। পরে দলের চাপেই তিনি পৌরপ্রধান পদ থেকে ইস্তফা দেন বলে রাজনৈতিক মহলে দাবি।মৌমিতা ভট্টাচার্য এবং গৌরীশঙ্কর মাহেশ্বরী দুজনেই প্রাক্তন উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী উদয়ন গুহর ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত। তাই তাঁদের গ্রেফতারের পর রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। এই দুর্নীতির তদন্তে আরও কার নাম সামনে আসতে পারে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকেই জেলায় উদয়ন গুহকে দেখা যাচ্ছে না বলে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। এই মামলার তদন্তে তাঁর নাম জড়ায় কি না, তা নিয়েও বাড়ছে গুঞ্জন।অন্যদিকে, নদিয়াতেও তৃণমূলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে পদক্ষেপ করেছে পুলিশ। তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে কৃষ্ণনগর এক নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির কৃষি কর্মাধ্যক্ষ সরজিৎ বিশ্বাসকে। তিনি দিগনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধানও ছিলেন।

মে ১৮, ২০২৬
রাজ্য

“হে বীর, ফলতায় এসো!” — অভিষেককে খোলা চ্যালেঞ্জ শমীকের, সংখ্যালঘুদের বার্তায় নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত

ফলতা বিধানসভা উপনির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই তেতে উঠছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার রাজনৈতিক পারদ। আগামী ২১ মে ভোটকে সামনে রেখে রবিবার ফলতার মাটিতে দাঁড়িয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এমন এক রাজনৈতিক বার্তা দিলেন, যা সরাসরি নিশানায় রাখল তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-কে।মাত্র ২৪ ঘণ্টা আগেই ফলতায় বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পণ্ডার সমর্থনে প্রচারে এসে মুখ্যমন্ত্রী Suvendu Adhikari তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খানকে তীব্র আক্রমণ করেছিলেন। সেই উত্তাপ আরও বাড়িয়ে রবিবার শমীক ভট্টাচার্য কার্যত প্রকাশ্য মঞ্চ থেকেই অভিষেককে ফলতায় এসে প্রচারের আমন্ত্রণ জানালেন।কটাক্ষের সুরে শমীক বলেন,পুলিশ নেই, তাই নেতা নেই। কনভয় নেই, তাই হুঙ্কারও নেই। আমরা চাই, অভিষেকবাবু ফলতায় আসুন। আমাদের কর্মীরাই ফুল দিয়ে, শঙ্খ বাজিয়ে তাঁকে স্বাগত জানাবে।এরপরই নাটকীয় ভঙ্গিতে তিনি বলেন,হে বীর, তোমার আসন পূর্ণ করো। তোমাকে আমরা ভীষণ মিস করছি। তুমি এসো।রাজনৈতিক মহলের মতে, এই মন্তব্যে যেমন ব্যঙ্গ রয়েছে, তেমনই রয়েছে সরাসরি চ্যালেঞ্জও। কারণ, গত লোকসভা নির্বাচনে ফলতা কেন্দ্র থেকেই এক লক্ষেরও বেশি ভোটের লিড পেয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই ফলের নেপথ্যের অন্যতম সংগঠক হিসেবেই পরিচিত তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান। অথচ এবারের প্রচারে অভিষেকের অনুপস্থিতি নিয়েই প্রশ্ন তুলছে বিজেপি।শমীকের দাবি, রাজ্যে ক্ষমতা হারানোর ধাক্কায় তৃণমূলের অন্দরেই নাকি এখন ভাঙনের সুর। তাঁর ভাষায়,সোনার টুকরো ভাইদের সোনার সংসার ভেঙে গুঁড়িয়ে গিয়েছে। তাই আজ কেউ আর মাঠে নামছে না।তবে রাজনৈতিক আক্রমণের পাশাপাশি ফলতার মাটি থেকেই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উদ্দেশে তুলনামূলক নরম বার্তা দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তিনি বলেন,আপনাদের সঙ্গে আমাদের কোনও বিরোধ নেই। এই দেশকে নিজের দেশ বলে ভাবুন। বিজেপি আপনাদের পাশে আছে।একই সঙ্গে তিনি সতর্কবার্তাও দেন, কিছু মানুষ বিভাজনের রাজনীতি করে নিজেদের পরিচয় তৈরি করতে চাইছে। তাদের পরিচয়ে নিজেদের পরিচিত করবেন না।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্কে বিজেপির এই বার্তা নিছক আবেগের আবেদন নয়, বরং ভবিষ্যতের বৃহত্তর নির্বাচনী কৌশলের অংশ।দক্ষিণ ২৪ পরগনায় অতীতে বিজেপি কর্মীদের উপর অত্যাচারের অভিযোগও ফের তুলেছেন শমীক। তাঁর বক্তব্য,অনেক বাধা এসেছে, তবু বিজেপি কর্মীরা লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন। আজ যারা বড় বড় কথা বলত, তারা ঘরের ভিতরে বসে শ্যাডো প্র্যাকটিস করছে।নাম না করেই অভিষেককে কটাক্ষ করে তাঁর মন্তব্য,যাঁরা একসময় ডিজে বাজানোর কথা বলতেন, তাঁরা এখন ঘরের ভিতরে হারমোনিয়াম বাজাচ্ছেন।ফলতার তৃণমূল নেতৃত্বকে প্রকাশ্যে সভা-মিছিল করারও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। বলেন, বিজেপির পক্ষ থেকে কোনও বাধা আসবে না। তবে একই সঙ্গে স্পষ্ট ঘোষণা করেনতৃণমূলের রাজ্যে ফেরার সম্ভাবনা নেই। গঙ্গার জল রাইটার্সের দোতলায় উঠতে পারে, আকাশ নবান্নে নেমে আসতে পারে, কিন্তু তৃণমূল আর ক্ষমতায় ফিরবে না।দক্ষিণ ২৪ পরগনাকে পরিযায়ী শ্রমিকের জেলা থেকে মুক্ত করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন শমীক। বিজেপি সরকার অদূর ভবিষ্যতে কর্মসংস্থানের নতুন দরজা খুলবে বলেও দাবি করেন তিনি।ফলতার রাজনৈতিক লড়াই এখন কার্যত মর্যাদার লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে। একদিকে তৃণমূলের পুরনো সংগঠনশক্তি, অন্যদিকে বিজেপির আগ্রাসী প্রচারএই টানাপোড়েনের মাঝে শমীকের হে বীর, এসো ডাক রাজনৈতিক তরজাকে আরও কয়েকগুণ উসকে দিল বলেই মত রাজনৈতিক মহলের।

মে ১৭, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগেই ফলতায় বড় ধাক্কা! গ্রেপ্তার জাহাঙ্গির ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা, চরম উত্তেজনা এলাকায়

পুনর্নির্বাচনের আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। তার আগেই ফলতায় চরম রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়াল। গ্রেপ্তার হলেন তৃণমূল নেতা এবং ফলতা পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি সাইদুল খান। তিনি পুষ্পা জাহাঙ্গির খানের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত। ফলতা থানার পুলিশ শুক্রবার গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সাইদুল খানের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টা এবং রাজনৈতিক হিংসা ছড়ানোর মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছিল। সেই অভিযোগের তদন্তে নেমেই পুলিশ তাঁর বাড়িতে হানা দেয় এবং গ্রেপ্তার করে।এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই এলাকায় রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। যদিও এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে তৃণমূলের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী আগামী ২১ মে ফলতায় পুনর্নির্বাচন হবে। ভোট গণনা হবে ২৪ মে। এর মধ্যেই রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় পরিবর্তন হয়েছে। তৃণমূলকে সরিয়ে রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী শনিবার ডায়মন্ড হারবারে প্রশাসনিক বৈঠক করবেন। এরপর ফলতায় তাঁর কর্মিসভা রয়েছে। আগামী ১৯ মে প্রচারের শেষ দিনে ফলতায় মুখ্যমন্ত্রীর রোড শো হওয়ার কথাও রয়েছে। ফলে বিজেপি কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ তুঙ্গে।এই আবহেই দীর্ঘদিন পর শুক্রবার প্রকাশ্যে দেখা গেল ফলতার তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খানকে। সকালে তিনি বাড়ি থেকে বেরিয়ে শ্রীরামপুরে নিজের দলীয় কার্যালয়ে যান। উল্লেখ্য, ২৯ এপ্রিল ওই অফিস থেকেই ভোট পরিচালনা করেছিলেন তিনি।বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর ওই দলীয় কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ উঠেছিল বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে। সেখানে বিজেপির পতাকাও লাগানো হয়েছিল বলে অভিযোগ। শুক্রবার ফের নিজের অফিসে গিয়ে জাহাঙ্গির খান দাবি করেন, তিনি কোথাও পালিয়ে ছিলেন না।জাহাঙ্গির বলেন, বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে তৃণমূল নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হচ্ছে। সেই কারণেই এলাকার শান্তি বজায় রাখতে তিনি প্রকাশ্যে আসেননি। তাঁর কথায়, পুলিশ তাঁকে বাড়িতে ফিরিয়ে এনেছে বলে যে দাবি করা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। তিনি এতদিন বাড়িতেই ছিলেন।ফলতায় পুনর্নির্বাচনের আগে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়ল বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

মে ১৬, ২০২৬
কলকাতা

পদ হারিয়েই বিস্ফোরক পোস্ট কাকলির! তৃণমূলে কি বাড়ছে বিদ্রোহ?

লোকসভায় মুখ্য সচেতকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে। আর তারপর থেকেই তৃণমূলের অন্দরে নতুন করে শুরু হয়েছে জল্পনা। কারণ পদ হারানোর পর সমাজমাধ্যমে ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট করেছেন কাকলি। সেই পোস্ট ঘিরেই এখন রাজনৈতিক মহলে তুমুল চর্চা শুরু হয়েছে।পালাবদলের পর থেকেই তৃণমূলের একাংশ নেতার মধ্যে অসন্তোষ প্রকাশ্যে এসেছে। কেউ সংবাদমাধ্যমের সামনে, কেউ আবার সমাজমাধ্যমে দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। অনেকেই দলের খারাপ ফলের জন্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং আইপ্যাককে দায়ী করেছেন। সেই আবহেই কাকলির পোস্ট নতুন করে জল্পনা বাড়িয়েছে।গত বছরের অগস্ট মাসে আচমকাই লোকসভায় দলের মুখ্য সচেতকের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই দায়িত্ব দেন কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে। কিন্তু মাত্র নমাসের মধ্যেই ফের সেই পদে ফিরিয়ে আনা হল কল্যাণকে। আর তারপর থেকেই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, কেন হঠাৎ এই সিদ্ধান্ত?পদ থেকে সরানোর পর সমাজমাধ্যমে কাকলি লেখেন, ৭৬ থেকে পরিচয়, ৮৪ থেকে পথচলা শুরু। ৪ দশকের আনুগত্যের জন্য আজ পুরস্কৃত হলাম। এই পোস্ট থেকেই স্পষ্ট, সিদ্ধান্তে তিনি যে অত্যন্ত ক্ষুব্ধ, তা আর আলাদা করে বলার অপেক্ষা রাখে না।এর আগেও কাকলির ছেলে বৈদ্যনাথ ঘোষ দস্তিদার একাধিক পোস্ট করে দলের অন্দরে চাঞ্চল্য ফেলেছিলেন। সমাজমাধ্যমে তৃণমূল নেতৃত্বের কড়া সমালোচনা করেছিলেন তিনি। একইসঙ্গে সিপিএম নেতৃত্ব এবং মহম্মদ সেলিমের প্রশংসাও করেছিলেন।আরও একটি পোস্টে বৈদ্যনাথ লিখেছিলেন, আমার মাকে প্রশ্ন করার প্রয়োজন নেই। প্রশ্ন করুন সব্যসাচী দত্ত কোথায়? রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই পোস্টের পর থেকেই কাকলির অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়ে।এখন ছেলের পর মা-ও প্রকাশ্যে ক্ষোভ দেখানোয় তৃণমূলের অন্দরে নতুন করে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। যদিও কাকলির পোস্ট নিয়ে এখনও পর্যন্ত দলের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

মে ১৫, ২০২৬
রাজনীতি

মমতার 'কল্যাণে' ভরসা! লোকসভায় ফের পুরনো সাথী, কাকলির ডানা ছাঁটলেন মমতা

তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদীয় দলে ফের বড়সড় রদবদল। দলের সুপ্রিমো Mamata Banerjee আবারও ভরসা রাখলেন পুরনো অভিজ্ঞতার উপর। লোকসভায় তৃণমূলের মুখ্য সচেতক (চিফ হুইপ) পদে ফেরানো হল বর্ষীয়ান সাংসদ Kalyan Banerjee-কে। ফলে এই পদ থেকে সরে যেতে হল বারাসতের সাংসদ Kakoli Ghosh Dastidar-কে, যিনি ২০২৫ সালের আগস্ট মাস থেকে এই দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন।বৃহস্পতিবার কালীঘাটে দলনেত্রীর বাসভবনে অনুষ্ঠিত তৃণমূলের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয় বলে দলীয় সূত্রে খবর। সংসদীয় দলকে আরও কার্যকর ও অভিজ্ঞ নেতৃত্বের হাতে তুলে দিতেই এই রদবদল বলে মনে করা হচ্ছে। নতুন দায়িত্বে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সমন্বয়ের কাজ করবেন লোকসভায় তৃণমূলের দলনেতা Abhishek Banerjee।এই সিদ্ধান্তের রাজনৈতিক তাৎপর্যও যথেষ্ট গভীর। কারণ, সদ্য সমাপ্ত ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে উত্তর ২৪ পরগনার মতো তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটিতে আশানুরূপ ফল করতে পারেনি শাসকদল। জেলার ৩৩টি আসনের মধ্যে মাত্র ৯টি দখলে রাখতে সক্ষম হয়েছে ঘাসফুল শিবির। বারাসত-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে বিজেপির উত্থান দলকে স্পষ্ট অস্বস্তিতে ফেলেছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই ফলাফলের দায় এড়াতে পারেননি কাকলি ঘোষ দস্তিদারও। সেই কারণেই তাঁর হাত থেকে গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় দায়িত্ব সরিয়ে নেওয়া হল।উল্লেখযোগ্যভাবে, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল ৪২টির মধ্যে ২৯টি আসনে জয় পাওয়ার পর সংসদীয় দল সাজিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তখন লোকসভায় দলনেতা ছিলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় (Sudip Bandyopadhyay) এবং চিফ হুইপের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে।কিন্তু ২০২৫ সালে দলীয় রদবদলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে লোকসভার দলনেতা করা হয় এবং কল্যাণের জায়গায় কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে মুখ্য সচেতক পদে বসানো হয়। সেই সিদ্ধান্তে প্রকাশ্যেই অসন্তোষ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছিলেন কল্যাণ। রাজনৈতিক মহলে তখন জোর গুঞ্জন ওঠে, দলের সাংসদ মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra)-র সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডার জেরেই তাঁকে সরানো হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে দলের ভিতরে চর্চা বাড়লে ক্ষুব্ধ হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি প্রকাশ্যে দলের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব নিয়ে ভর্ৎসনা করেন এবং পরে ব্যক্তিগতভাবে কল্যাণের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি সামাল দেন।তারপর থেকে কাকলি ঘোষ দস্তিদার দায়িত্ব সামলালেও, ছাব্বিশের ভোটে ভরাডুবির পর সংসদীয় কৌশলে ফের অভিজ্ঞতার উপর নির্ভর করার সিদ্ধান্ত নিলেন মমতা।তাৎপর্যপূর্ণভাবে, ভোট-পরবর্তী সময়ে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দলের নির্বাচনী কৌশল প্রণয়নকারী সংস্থা আই প্যাক (I-PAC)-এর ভূমিকা নিয়ে সরব হয়েছিলেন। এমনকি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্ব নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা ছিল। তবু সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে দলনেত্রী বুঝিয়ে দিলেন সংসদীয় লড়াইয়ে তাঁর আস্থা এখনও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিজ্ঞ হাতেই।রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের জানাচ্ছেন, তৃণমূলের কয়েক জন সাংসদ ঘনিষ্ঠ মহলে জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ আইনি ও সাংবিধানিক ইস্যুতে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সক্রিয় ভূমিকা দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-র নজর এড়ায়নি। বিশেষ করে এসআইআর-সংক্রান্ত বিতর্ক থেকে শুরু করে বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্ট-এ হওয়া গুরুত্বপূর্ণ মামলায় তাঁর আইনি লড়াই এবং যুক্তি উপস্থাপনের দক্ষতা দলীয় নেতৃত্বকে আশ্বস্ত করেছে। অভিজ্ঞ আইনজীবী হিসেবে কল্যাণ যে ভাবে দলের অবস্থানকে আইনি মঞ্চে তুলে ধরেছেন, তা মমতার আস্থা ফের জোরদার করেছে বলেই মনে করছেন অনেকে। দলের অন্দরে এই সিদ্ধান্তকে অনেকেই পুরস্কার হিসেবেই দেখছেন।তবে শুধু সংসদীয় বা আইনি দক্ষতাই নয়, এই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে রয়েছে পারিবারিক ও রাজনৈতিক বার্তাও এমনটাই মনে করছে তৃণমূলের একাংশ। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুত্র শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায় এবারের বিধানসভা নির্বাচনে উত্তরপাড়া কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। পরাজিত হলেও তিনি রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর বদলে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সামনে ভবিষ্যৎ কৌশল নিয়ে একাধিক প্রস্তাব দিয়েছেন। দলীয় সূত্রের খবর, সংগঠন ও আইনি বিষয়ক নানা পরামর্শও তিনি নেতৃত্বকে দিয়েছেন। এতে তাঁর রাজনৈতিক সক্রিয়তা এবং দায়বদ্ধতার বার্তাও পৌঁছেছে শীর্ষ মহলে।অন্য দিকে, বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার-র পুত্র বৈদ্যনাথ ঘোষ দস্তিদার-এর সাম্প্রতিক কিছু সমাজমাধ্যম পোস্ট দলকে অস্বস্তিতে ফেলেছে বলেই তৃণমূলের অন্দরে আলোচনা। তাঁর ধারাবাহিক কিছু মন্তব্য দলীয় অবস্থানের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ বলেই মনে করছেন অনেক নেতা। এতে অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক তৈরি হওয়ায় শীর্ষ নেতৃত্বের বিরক্তি বাড়ছিল বলেও জল্পনা রয়েছে।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সব দিক বিচার করেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই রদবদলের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। একদিকে অভিজ্ঞতা ও আইনি দক্ষতার স্বীকৃতি, অন্যদিকে সংগঠনের ভিতরে শৃঙ্খলার বার্তা দুটিকেই সামনে রেখে সংসদীয় দলে নতুন সমীকরণ গড়ে তুলতে চাইছেন তিনি।তৃণমূলের অন্দরে এই সিদ্ধান্তকে অনেকেই দেখছেন কোর্স কারেকশন হিসেবে। আগামী দিনে সংসদে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে আরও আক্রমণাত্মক অবস্থান নিতে চাইছে দল, আর সেই লক্ষ্যেই ফের পুরনো সেনাপতির হাতে তুলে দেওয়া হল কৌশলের ব্যাটন।

মে ১৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোটে হারের পর ডিগবাজি? ভাইরাল অডিওতে ‘বিজেপি নেতা’ খোকন দাস, বর্ধমানে তোলপাড়

বর্ধমান দক্ষিণের সদ্য প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক খোকন দাসকে ঘিরে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে একটি ভাইরাল অডিওকে কেন্দ্র করে। সেই অডিওতে তাঁকে বলতে শোনা যায়, আমিও এখন বিজেপি নেতা। এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই জেলা রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। বিরোধী বিজেপি এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়েছে।বিজেপির দাবি, কাঞ্চননগরের একটি দুর্গামন্দির নির্মাণের কাজ করেও এক রাজমিস্ত্রি প্রাপ্য টাকা পাননি। সেই টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করেই ফোনে তাঁকে ধমক দেন খোকন দাস। ভাইরাল হওয়া অডিওতে শোনা যায়, মন্দিরের হিসেব, ট্রাস্টের টাকা এবং ভোটে হারের প্রসঙ্গ তুলে কথা বলছেন তিনি। কথোপকথনের এক পর্যায়ে খোকন দাসকে বলতে শোনা যায়, তুই এখন সুযোগ নিয়ে লোককে ভয় দেখাচ্ছিস। আমরাও এখানে আছি। আর শুনে রাখ, আমিও এখন বিজেপি নেতা।যদিও এই অডিওর সত্যতা যাচাই করেনি জনতার কথা। তবে বিজেপি নেতাদের দাবি, ওই কথোপকথনে স্পষ্টভাবে প্রাক্তন বিধায়কের হুমকির সুর ধরা পড়েছে। জেলা বিজেপির মুখপাত্র কল্যাণ মাজি অভিযোগ করেন, ক্ষমতা হারিয়েও খোকন দাস এখনও প্রশাসনিক প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করছেন। তাই কখনও এফআইআরের ভয় দেখাচ্ছেন, আবার কখনও নিজেকে বিজেপি নেতা বলছেন।অন্যদিকে খোকন দাস সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর বক্তব্য, অডিও নিয়ে বিজেপি ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল ব্যাখ্যা দিচ্ছে। তিনি দাবি করেন, কোনও ব্যক্তিকে ভয় দেখানো তাঁর উদ্দেশ্য ছিল না। বরং মন্দির ও ট্রাস্টের নামে অপপ্রচার রোখার জন্যই পুলিশে জানানোর কথা বলেছিলেন। তাঁর আরও দাবি, সংশ্লিষ্ট রাজমিস্ত্রি হিসেব না দেওয়ায় ট্রাস্টের পক্ষ থেকে টাকা আটকে রাখা হয়েছে।তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশের প্রশ্ন, যদি অডিওর প্রথম অংশে নিজের কণ্ঠস্বর স্বীকার করে নেওয়া হয়, তাহলে একই অডিওতে থাকা আমিও বিজেপি নেতা মন্তব্যকে অস্বীকার করা হচ্ছে কেন? এই নিয়েই নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে জেলা রাজনীতিতে।

মে ১২, ২০২৬
কলকাতা

বাথরুমে পড়ে গুরুতর অসুস্থ সুব্রত বক্সী, মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ! কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন

তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সোমবার আচমকাই বাড়ির বাথরুমে পড়ে গিয়ে মাথায় গুরুতর চোট পান তিনি। দ্রুত তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে একাধিক শারীরিক পরীক্ষা ও স্ক্যানের পর চিকিৎসকেরা জানতে পারেন, মাথায় আঘাতের জেরে তাঁর মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়েছে এবং সেখানে রক্ত জমাট বেঁধেছে।হাসপাতাল সূত্রে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক মেডিক্যাল বুলেটিন প্রকাশ না হলেও ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি, চিকিৎসকদের একটি অংশ মনে করছেন আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তাঁর অস্ত্রোপচার প্রয়োজন হতে পারে। আপাতত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের কড়া পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে বর্ষীয়ান এই নেতাকে।এই খবরে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক উদ্বেগ ছড়িয়েছে। তৃণমূলের অন্যতম সংগঠক মুখ হিসেবে দীর্ঘদিন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন সুব্রত বক্সী। তবে সাম্প্রতিক সময়ে দলের সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত এবং প্রার্থী তালিকা তৈরির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলিতে তাঁর প্রভাব আগের তুলনায় অনেকটাই কমে গিয়েছিল বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত।ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, দলীয় অন্দরের এই পরিবর্তিত পরিস্থিতি তাঁকে মানসিকভাবে কিছুটা হতাশ করেছিল। যদিও রাজনৈতিক সমীকরণ যাই থাকুক না কেন, তাঁর অসুস্থতার খবর সামনে আসতেই দলীয় নেতাকর্মী থেকে শুরু করে বিভিন্ন মহল দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন। তৃণমূলের একাধিক শীর্ষ নেতা ইতিমধ্যেই তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।এখন চিকিৎসকদের পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক মহল। সুব্রত বক্সীর শারীরিক অবস্থার উন্নতি কামনায় প্রার্থনা করছেন তাঁর অনুগামী ও শুভানুধ্যায়ীরা।

মে ১১, ২০২৬
রাজ্য

সাড়ে ১০ ঘণ্টা জেরার পর ইডির জালে সুজিত বসু, রাতে গ্রেফতার সদ্য-পরাজিত তৃণমূল নেতা

অবশেষে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর ইডির জালে ধরা পড়লেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা সুজিত বসু। সোমবার সকালে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর দফতরে হাজিরা দেওয়ার প্রায় সাড়ে ১০ ঘণ্টা পর রাতে তাঁকে গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে দক্ষিণ দমদম পুরসভায় বেআইনিভাবে চাকরিপ্রাপকদের নাম সুপারিশ করার অভিযোগে তাঁকে তলব করা হয়েছিল। রাত সওয়া ৯টা নাগাদ বিধাননগর বিধানসভা কেন্দ্রের সদ্য-পরাজিত এই বিধায়ককে গ্রেফতার করা হয়।এর আগে গত ১ মে-ও ইডি দফতরে হাজিরা দিয়েছিলেন সুজিত। তবে ৪ মে ভোটের ফলপ্রকাশের পর এই প্রথম তিনি তদন্তকারীদের মুখোমুখি হন। সোমবার তাঁর সঙ্গে ছিলেন আইনজীবীও। পরে ইডি দফতরের বাইরে বেরিয়ে সুজিতের আইনজীবী জানান, তাঁর পুত্র সমুদ্র বসু এখনও দফতরের ভিতরেই রয়েছেন।বিধানসভা ভোটের আগে একাধিকবার সুজিতকে তলব করেছিল ইডি। কিন্তু ভোটের প্রচারে ব্যস্ততার কারণ দেখিয়ে তিনি হাজিরা এড়ান এবং বিষয়টি আদালতেও জানান। পরে কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ মেনে তিনি সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেন।এর আগেও সুজিতের বাড়ি, অফিস এবং তাঁদের মালিকানাধীন ধাবায় তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। শুধু তাই নয়, তাঁর পুত্র সমুদ্র বসু-সহ পরিবারের একাধিক সদস্যকেও ডেকে পাঠিয়ে বয়ান রেকর্ড করা হয়েছিল।বারবার তলবের মুখে সুজিতের দাবি ছিল, যে মামলায় তাঁকে ডাকা হচ্ছে, সেই মামলায় সিবিআই ইতিমধ্যেই চার্জশিট জমা দিয়েছে এবং সেখানে তাঁর নাম নেই। তবে শেষরক্ষা হল না। তদন্তকারী সংস্থার জাল এড়াতে পারলেন না তিনি।ইডি সূত্রের খবর, সোমবার রাতেই তাঁর শারীরিক পরীক্ষা করানো হবে। এরপর তাঁকে হেফাজতে রাখা হবে। মঙ্গলবার সকালে প্রাক্তন দমকলমন্ত্রীকে আদালতে পেশ করে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাবে কেন্দ্রীয় সংস্থা।

মে ১১, ২০২৬
কলকাতা

সাসপেন্ড হতেই বিস্ফোরক ঋজু! “চাকরি বিক্রি হয়েছে, সবাই জানে”

তৃণমূল থেকে সাসপেন্ড হওয়ার পর বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন দলের নেতা ঋজু দত্ত। চাকরি বিক্রি থেকে শুরু করে কাটমানি, টিকিট বাণিজ্য একের পর এক অভিযোগে সরব হয়েছেন তিনি। তাঁর দাবি, চাকরি বিক্রি হয়নি, এটা বলার মতো বড় পাপ আর কিছু হতে পারে না। চাকরি বিক্রি হয়েছে, সেটা প্রমাণিত।এখানেই থামেননি ঋজু। তাঁর অভিযোগ, বাড়ির প্ল্যান পাশ করানো থেকে শুরু করে নির্মাণ কাজ সব ক্ষেত্রেই টাকা দিতে হয়। এমনকি বাড়িতে কোমড বসানোর ক্ষেত্রেও তৃণমূলের লোকেরা টাকা নেয় বলে দাবি করেন তিনি।বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে ঋজু বলেন, বাংলার মানুষ এবার মন খুলে কথা বলতে পারছেন। কলকাতার রাস্তায় বেরোলে মনে হচ্ছে ভারত জিতেছে, পাকিস্তান হেরেছে। মানুষ নতুন স্বাধীনতার স্বাদ পেয়েছে।তৃণমূলে থাকার সময় নিজের অবস্থান নিয়েও মুখ খুলেছেন ঋজু দত্ত। তিনি বলেন, আরজি কর আন্দোলনের সময় আমি দলের হয়ে লড়াই করেছি। সন্দেশখালির সময়ও দলকে সমর্থন করেছি। কারণ আমি দলের মুখপাত্র ছিলাম। কিন্তু মন থেকে কোনওদিন সেগুলো মেনে নিতে পারিনি। দল যা বলতে বলত, বাধ্য হয়ে সেটাই বলতে হত।আইপ্যাক নিয়েও তীব্র অভিযোগ করেছেন তিনি। ঋজুর দাবি, দল চালাত আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈন। তৃণমূল নয়। টিকিট দেওয়ার জন্য টাকা চাওয়া হত। আমার কাছেও ৫০ লাখ টাকা চাওয়া হয়েছিল।এই পরিস্থিতিতে বিজেপিও কটাক্ষ করতে শুরু করেছে তৃণমূলকে। বিজেপি নেতা রাহুল সিনহার বক্তব্য, এখন ধাক্কা খেয়ে অনেকেরই চেতনা ফিরছে।তবে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার জল্পনা উড়িয়ে দিয়েছেন ঋজু দত্ত। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, বিজেপিতে যোগ দেওয়ার জন্য তিনি কোনও আবেদন করেননি। যদিও বিজেপি নেতাদের পাশে পাওয়ার কথাও স্বীকার করেছেন। তাঁর বক্তব্য, আমার এলাকার বিজেপি বিধায়ক রিতেশ তিওয়ারি পুলিশকে ফোন করে আমার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। উত্তর কলকাতার বিজেপি নেতারাও আমার পরিবারকে সাহায্য করেছেন।ঋজুর এই বিস্ফোরক মন্তব্যের পর রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

মে ১০, ২০২৬
কলকাতা

মমতার হারের পর তৃণমূলে নতুন সমীকরণ! বিধানসভায় বড় দায়িত্ব পেলেন কারা?

পনেরো বছর পর পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতা হারিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে পরাজিত হয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। ফলে এবার বিধানসভায় বিরোধী আসনে বসতে হবে তৃণমূলকে। আর সেই কারণেই বিরোধী দলনেতা কে হবেন, তা নিয়ে কয়েক দিন ধরেই জোর জল্পনা চলছিল রাজনৈতিক মহলে।অবশেষে শনিবার সেই জল্পনার অবসান ঘটাল তৃণমূল কংগ্রেস। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বর্ষীয়ান নেতা ও বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ই হচ্ছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা।একই সঙ্গে বিধানসভায় তৃণমূলের পরিষদীয় দলের চিফ হুইপ করা হয়েছে ফিরহাদ হাকিমকে। এছাড়াও ডেপুটি বিরোধী দলনেতা হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অসীমা পাত্র।ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস মোট ৮০টি আসনে জয় পেয়েছে। অন্যদিকে বিজেপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে রাজ্যে সরকার গঠন করেছে। ভবানীপুর কেন্দ্রেও শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর থেকেই প্রশ্ন উঠছিল, বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার দায়িত্ব কাকে দেওয়া হবে।ফল ঘোষণার পর তৃণমূল বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও সেই বৈঠকে কোনও নাম ঘোষণা করা হয়নি। অবশেষে শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে বিরোধী দলনেতার নাম ঘোষণা করল দল।রাজনৈতিক মহলের মতে, অভিজ্ঞতা ও দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক কাজের কারণেই শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের উপর ভরসা রেখেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। আগামী দিনে বিধানসভায় বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে তৃণমূলের মুখ হিসেবেই দেখা যাবে তাঁকে।

মে ০৯, ২০২৬
রাজ্য

চন্দ্রনাথ খুনে বিস্ফোরক মোড়! সিবিআই তদন্তের দাবি তুলল তৃণমূল

মধ্যমগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহকারী চন্দ্রনাথ রথকে গুলি করে খুনের ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজ্য রাজনীতি। অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতীদের গুলিতে তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের তরফে সোশ্যাল মাধ্যমে পোস্ট করে চন্দ্রনাথ রথের হত্যার পাশাপাশি ভোট পরবর্তী হিংসায় নিহত তিন তৃণমূল কর্মীর মৃত্যুর ঘটনাও তুলে ধরা হয়েছে।অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের বার্তায় বলা হয়েছে, মধ্যমগ্রামে চন্দ্রনাথ রথের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানানো হচ্ছে। একই সঙ্গে অভিযোগ করা হয়েছে, আদর্শ আচরণ বিধি চালু থাকা সত্ত্বেও গত কয়েক দিনে বিজেপি সমর্থিত দুষ্কৃতীদের হাতে তিনজন তৃণমূল কর্মী নিহত হয়েছেন। ঘটনায় আদালতের তত্ত্বাবধানে সিবিআই তদন্তের দাবিও তুলেছে শাসকদল। দ্রুত দোষীদের চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।বুধবার রাতে মধ্যমগ্রামের দোহাড়িয়া এলাকায় হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, বাইকে করে এসে দুই দুষ্কৃতী শুভেন্দুর আপ্তসহায়কের গাড়ির পথ আটকায়। এরপর খুব কাছ থেকে এলোপাথাড়ি গুলি চালিয়ে পালিয়ে যায় তারা। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, হামলাকারীদের বাইকে কোনও নম্বর প্লেট ছিল না। চন্দ্রনাথ রথের বুকে, পেটে এবং মাথায় গুলি লাগে। ঘটনায় আহত হন তাঁর গাড়ির চালকও।গুরুতর আহত অবস্থায় চন্দ্রনাথকে দ্রুত মধ্যমগ্রামের ভিভা সিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত চালককে পরে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে।ঘটনার পর থেকেই হাসপাতালের সামনে ভিড় জমাতে শুরু করেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা। সেখানে পৌঁছন শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদার, অর্জুন সিং, কৌস্তভ বাগচী-সহ একাধিক বিজেপি নেতা। বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য দাবি করেছেন, তৃণমূলের আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই এই খুনের পিছনে রয়েছে।এদিকে ব্যারাকপুরের জয়ী বিজেপি প্রার্থী কৌস্তভ বাগচী বলেন, এই ঘটনার ফল তৃণমূলকে ভুগতে হবে। তাঁর অভিযোগ, পুরো ঘটনাই পরিকল্পনা করে করা হয়েছে। অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতার না করা হলে চন্দ্রনাথের দেহ দাহ করা হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

মে ০৭, ২০২৬
কলকাতা

বিদেশি বাজির বাজারে চমক! বিজেপি এগিয়ে, তবু টাকার স্রোত তৃণমূলের দিকে কেন?

ভোটের উত্তাপে ফুটছে বাংলা। রাজনৈতিক লড়াই এখন শুধু রাজ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও তা নিয়ে চলছে আলোচনা ও হিসেবনিকেশ। নির্বাচনের ফলাফল কী হতে পারে, তা নিয়ে অনলাইনে শুরু হয়েছে বিভিন্ন পূর্বাভাস। সেই সঙ্গে বেড়েছে বাজির অঙ্কও। লক্ষ লক্ষ টাকার বাজি ধরা হচ্ছে, যা নজিরবিহীন বলেই মনে করছেন অনেকে।সূত্রের খবর, আমেরিকার একটি জনপ্রিয় পূর্বাভাসভিত্তিক প্ল্যাটফর্মে এপ্রিলের শেষ পর্যন্ত প্রায় আটচল্লিশ লক্ষ ডলারের বাজি ধরা হয়েছে, যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় চল্লিশ কোটি টাকার কাছাকাছি। সেই বাজারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, জয়ের দৌড়ে সামান্য এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। সেখানে বিজেপির জয়ের সম্ভাবনা ধরা হয়েছে প্রায় ছাপ্পান্ন শতাংশ। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের সম্ভাবনা রয়েছে প্রায় তেতাল্লিশ শতাংশ। বাম ও কংগ্রেস বা অন্যান্য দলগুলির সম্ভাবনা এক শতাংশেরও কম।তবে এই ছবিটা শুরু থেকে এমন ছিল না। এপ্রিলের গোড়ার দিকে ওই প্ল্যাটফর্মে তৃণমূল অনেকটাই এগিয়ে ছিল। তখন তাদের সম্ভাবনা ছিল প্রায় পঁচাত্তর থেকে আশি শতাংশ। প্রথম দফার ভোটের পর ছবিটা বদলাতে শুরু করে এবং বিজেপি এগিয়ে যায়। এরপর আবার একসময় তৃণমূলের পক্ষে বিপুল অঙ্কের টাকা জমা পড়ে। কিন্তু দ্বিতীয় দফার ভোটের পর আবার বিজেপি এগিয়ে যায়।তবে সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, শতাংশের হিসাবে বিজেপি এগিয়ে থাকলেও মোট লেনদেনের পরিমাণে তৃণমূল অনেকটাই এগিয়ে। তৃণমূলের পক্ষে লেনদেন হয়েছে প্রায় আঠারো লক্ষ ডলার, আর বিজেপির ক্ষেত্রে তা প্রায় এগারো লক্ষ ডলার। বিশ্লেষকদের মতে, অনেকেই হয়তো তৃণমূলের হার নিয়ে বাজি ধরছেন, অথবা বড় বিনিয়োগকারীরা একসঙ্গে বিপুল টাকা বিজেপির জয়ের উপর লগ্নি করছেন, যার ফলে শতাংশের হিসেব বদলে যাচ্ছে।অন্যদিকে দেশের বাজির বাজার আবার অন্য ছবি দেখাচ্ছে। দিল্লির বাজির বাজারের হিসেব অনুযায়ী তৃণমূল কিছুটা এগিয়ে রয়েছে। তাদের মতে, তৃণমূল পেতে পারে একশো ছেচল্লিশ থেকে একশো ঊনপঞ্চাশটি আসন, আর বিজেপি পেতে পারে একশো চল্লিশ থেকে একশো তেতাল্লিশটি আসন।এদিকে এ বারের নির্বাচনে ভোটদানের হারও রেকর্ড ছুঁয়েছে। প্রথম দফায় ভোট পড়েছে প্রায় তিরানব্বই শতাংশের বেশি। দ্বিতীয় দফায় তা ছিল একানব্বই দশমিক একচল্লিশ শতাংশ। যা দেশের নির্বাচনী ইতিহাসে বিরল ঘটনা। এখন সবার নজর ফলাফলের দিকে।

মে ০৩, ২০২৬
কলকাতা

স্ট্রংরুম ঘিরে বিস্ফোরক পরিস্থিতি! মুখোমুখি তৃণমূল-বিজেপি, উত্তপ্ত কলকাতা

ভোট শেষ হতেই ইভিএম নিরাপত্তা নিয়ে উত্তেজনা চরমে উঠেছে। কলকাতার ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের সামনে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়ে যায় তৃণমূল ও বিজেপি। দুই পক্ষের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে স্ট্রংরুমের বাইরে ধর্নায় বসেন তৃণমূলের প্রার্থী শশী পাঁজা ও কুণাল ঘোষ।ধর্না শেষে তাঁরা বাইরে বের হতেই বিজেপি কর্মীদের বিক্ষোভ শুরু হয়। কেন তৃণমূলকে ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে, এই প্রশ্ন তুলে ক্ষোভ দেখান বিজেপি সমর্থকরা। শুধু কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে নয়, দুই দলের প্রার্থীদের মধ্যেও তুমুল বাকবিতণ্ডা শুরু হয়ে যায়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন তাপস রায় ও সন্তোষ পাঠক।এদিকে তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, ভবানীপুরের শেখাওয়াত মেমোরিয়ালে পৌঁছে গিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই রয়েছে ভোট শেষে রাখা ইভিএম। এর আগে তিনি ইভিএম বদলের আশঙ্কা প্রকাশ করে কর্মীদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তাঁর এই বক্তব্যের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।রাতের দিকে খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছন বিরোধী দলের প্রতিনিধিরাও। তাঁদের সঙ্গে পুলিশের বচসার ঘটনাও সামনে এসেছে। অন্যদিকে ফিরহাদ হাকিম জানান, তিনি ঘটনাস্থলে গেলেও ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি।এর আগে মমতা কর্মীদের স্পষ্ট বার্তা দিয়েছিলেন, স্ট্রংরুম থেকে গণনাকেন্দ্র পর্যন্ত প্রতিটি মুহূর্ত নজরে রাখতে হবে। কোনও অবস্থাতেই ঢিলেমি করা যাবে না। গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কাউকে দায়িত্ব ছেড়ে না যাওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। তাঁর কথায়, বাংলার মানুষের অধিকার রক্ষার জন্য এই শেষ লড়াইটুকুও লড়তে হবে।এই ঘটনাকে ঘিরে এখন রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। ভোটের ফল ঘোষণার আগে ইভিএম নিরাপত্তা নিয়ে এই টানাপোড়েন নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
কলকাতা

বৃষ্টির মধ্যেই স্ট্রংরুমে মমতা! ইভিএম নিয়ে বড় সন্দেহ, বিস্ফোরক অভিযোগ তৃণমূলের

ভোট মিটতেই ইভিএম নিরাপত্তা নিয়ে জোরদার হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। বৃহস্পতিবার বিকেলেই ভিডিও বার্তায় ইভিএম পাহারা দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Strongroom Controversy)। তিনি কারচুপির আশঙ্কার কথাও বলেন এবং স্ট্রংরুমে কড়া নজরদারির নির্দেশ দেন। সেই ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বৃষ্টির মধ্যে ভবানীপুরের শেখাওয়াত মেমোরিয়ালে স্ট্রংরুমে পৌঁছে যান তিনি।এদিকে একই সময় ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে অবস্থান বিক্ষোভে বসেন তৃণমূলের প্রার্থী কুণাল ঘোষ, শশী পাঁজা এবং বিজয় উপাধ্যায়। তাঁদের অভিযোগ, স্ট্রংরুমের ভিতরে (Strongroom Controversy) সন্দেহজনক কাজকর্ম চলছে। লাইভ সম্প্রচারে দেখা যাচ্ছে ভিতরে নড়াচড়া হচ্ছে এবং হাতে হাতে ব্যালট ঘোরানো হচ্ছে। অথচ প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, ভিতরে কোনও কাজ হচ্ছে না। এতে প্রশ্ন উঠেছে, যদি পোস্টাল ব্যালটের কাজই হয়, তাহলে সেই ব্যালট এল কোথা থেকে।কুণাল ঘোষ দাবি করেন, বিকেল সাড়ে তিনটে পর্যন্ত স্ট্রংরুমের সামনে দলীয় কর্মীরা ছিলেন। পরে তাঁদের সরিয়ে দেওয়া হয়। এরপর আচমকা ইমেলের মাধ্যমে জানানো হয়, বিকেল চারটেয় স্ট্রংরুম খোলা হবে। তখন কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানা যায়, তাঁরা আর সেখানে নেই (Strongroom Controversy)। খবর পেয়ে কুণাল ও শশী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছন। কিন্তু সেখানে গিয়েও তাঁদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।এই ঘটনার জেরে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে। ইভিএম নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে ফের। ভোটের ফল ঘোষণার আগে এই পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 54
  • 55
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ইস্তফা কি সত্যিই দিচ্ছেন ফিরহাদ? দু’দিন পরেও মিলল না উত্তর

কলকাতা পুরনিগমের মেয়র পদ থেকে ফিরহাদ হাকিম ইস্তফা দিতে চলেছেন কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা চলছে। তবে দুদিন ধরে নানা জল্পনা চললেও এখনও পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনও স্পষ্ট পদক্ষেপ দেখা যায়নি। ফলে প্রশ্ন উঠছে, আদৌ কি মেয়রের পদ ছাড়তে চলেছেন ফিরহাদ হাকিম?সম্প্রতি তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ দাবি করেছিলেন, ফিরহাদ হাকিম দলনেত্রীর কাছে মেয়র পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, বর্তমান পরিস্থিতিতে তিনি ঠিকমতো কাজ করতে পারছেন না এবং সেই কারণেই ইস্তফা দিতে চান। কুণালের দাবি অনুযায়ী, এই বিষয়টি দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছেও জানানো হয়েছিল।কিন্তু সেই মন্তব্যের পর কয়েক দিন কেটে গেলেও এখনও পর্যন্ত ইস্তফা সংক্রান্ত কোনও সরকারি ঘোষণা হয়নি। বরং এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে ফিরহাদ হাকিম মন্তব্য করতে চাননি। তিনি শুধু জানিয়েছেন, এই বিষয়ে তিনি কোনও কথা বলবেন না।এদিকে সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ অন্য ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ। গত কয়েক দিনে একাধিক সরকারি ও প্রশাসনিক কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে দেখা গিয়েছে ফিরহাদ হাকিমকে। পরিবেশ দিবসের কর্মসূচিতেও তাঁকে কলকাতা পুরনিগমের কমিশনারের সঙ্গে দেখা যায়।শুধু তাই নয়, প্রশাসনিক বিভিন্ন বিষয় নিয়েও নিয়মিত বৈঠক করতে দেখা যাচ্ছে মেয়রকে। পুর প্রশাসনের কাজকর্ম নিয়েও তিনি সক্রিয় রয়েছেন বলে সূত্রের দাবি। ফলে ইস্তফার জল্পনার সঙ্গে বাস্তব পরিস্থিতির বেশ কিছু অসঙ্গতি সামনে আসছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, যদি সত্যিই ইস্তফার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে থাকে, তাহলে সাধারণত প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড থেকে কিছুটা দূরত্ব বজায় রাখার প্রবণতা দেখা যায়। কিন্তু বর্তমানে ফিরহাদ হাকিমের ভূমিকা সে ধরনের কোনও ইঙ্গিত দিচ্ছে না।ফলে মেয়র পদ নিয়ে জল্পনা আরও বেড়েছে। ফিরহাদ হাকিম শেষ পর্যন্ত কী সিদ্ধান্ত নেন, তা নিয়ে এখন কৌতূহল রাজনৈতিক মহলে। তবে সরকারি ভাবে কিছু ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত এই বিতর্ক ও জল্পনা যে চলতেই থাকবে, তা বলাই যায়।

জুন ০৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

টাকা না দিয়েই বিশ্বকাপের টিকিট! ফিফার বড় ভুলে তোলপাড় ফুটবল দুনিয়া

ফুটবল বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। তার আগেই টিকিট বিক্রি নিয়ে বড় বিতর্কে জড়াল ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা। প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে কয়েকজন সমর্থক বিনামূল্যে বিশ্বকাপের টিকিট পেয়ে গিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা।সূত্রের খবর, অন্তত ষাট জন ফুটবলপ্রেমী বিশ্বকাপের টিকিট কাটার সময় কোনও টাকা না দিয়েই টিকিট সংগ্রহ করতে সক্ষম হন। অভিযোগ, টিকিট বুকিংয়ের শেষ ধাপে গিয়ে তাঁদের কাছ থেকে কোনও অর্থ নেওয়া হয়নি। ফলে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে টিকিট তাঁদের হাতে চলে যায়।বিশ্বকাপের টিকিটের দাম নিয়ে গত কয়েক মাস ধরেই বিতর্ক চলছে। অনেকের অভিযোগ, সাধারণ সমর্থকদের নাগালের বাইরে চলে গিয়েছে টিকিটের মূল্য। এই পরিস্থিতিতে কিছু দর্শক বিনামূল্যে টিকিট পাওয়ার খবর সামনে আসতেই ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে যাঁরা মোটা অঙ্কের টাকা খরচ করে টিকিট কিনেছেন, তাঁদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়তে শুরু করে।জানা গিয়েছে, কানাডার টরন্টো শহরে আয়োজিত কয়েকটি ম্যাচের টিকিট বিক্রির ক্ষেত্রেই এই সমস্যা দেখা দেয়। প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে অর্থ পরিশোধ ছাড়াই টিকিট ইস্যু হয়ে যায় বলে অভিযোগ।বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছে ফিফা। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ওয়েবসাইটে সাময়িক প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণেই এই ঘটনা ঘটেছে। যাঁরা বিনামূল্যে টিকিট পেয়েছেন, তাঁদের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে টিকিটের মূল্য পরিশোধ করতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টাকা জমা না দিলে তাঁদের টিকিট বাতিল করে দেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।এদিকে টিকিট বিক্রির পদ্ধতি নিয়েও নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। অতিরিক্ত মূল্য নেওয়ার অভিযোগে ইতিমধ্যেই আইনি জটিলতার মুখে পড়েছে ফিফা। টিকিট বিক্রির পুরো প্রক্রিয়া নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বিশ্বকাপ শুরুর ঠিক আগে এই ঘটনা ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে নতুন করে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।

জুন ০৫, ২০২৬
দেশ

ইন্ডিয়া জোটে বড় বিস্ফোরণ! ডিএমকে সরে যেতেই বিজয়ের দিকে কংগ্রেসের ঝোঁক?

পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর দেশের রাজনৈতিক সমীকরণে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতার পালাবদল হয়েছে। অন্যদিকে তামিলনাড়ুতেও বদলেছে রাজনৈতিক চিত্র। এই পরিস্থিতিতে এবার প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, ইন্ডিয়া জোটের অন্দরেও কি বড় পরিবর্তন আসতে চলেছে?তামিলনাড়ুতে নির্বাচনে কংগ্রেস ডিএমকের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে লড়াই করলেও ফল প্রকাশের পর পরিস্থিতি বদলে যায়। সরকার গঠনের সময় কংগ্রেস সমর্থন জানায় অভিনেতা থেকে রাজনীতিবিদ হওয়া বিজয়ের দলের প্রতি। সেই সমর্থনের ফলস্বরূপ কংগ্রেস একটি গুরুত্বপূর্ণ আসনও পেয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।সূত্রের খবর, কংগ্রেস এখন বিজয়ের দলের সঙ্গে সম্পর্ক আরও মজবুত করতে আগ্রহী। আগামী আট জুন দিল্লিতে ইন্ডিয়া জোটের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হওয়ার কথা। সেই বৈঠকে বিজয়ের দলকে আমন্ত্রণ জানানোর বিষয়ে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব ভাবনাচিন্তা করছে বলে জল্পনা ছড়িয়েছে।এদিকে ডিএমকে ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে যে তারা ওই বৈঠকে অংশ নেবে না। দলের নেতাদের বক্তব্য, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ঘটনায় তারা অত্যন্ত হতাশ। কংগ্রেসের ভূমিকা নিয়ে দলের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। সেই কারণেই আপাতত ইন্ডিয়া জোটের বৈঠক থেকে দূরে থাকার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।শুধু ডিএমকে নয়, ইন্ডিয়া জোটের ভেতরে আরও কয়েকটি দলের অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। লোকসভা নির্বাচনের পর থেকেই একাধিক শরিক দলের সঙ্গে কংগ্রেসের দূরত্ব বেড়েছে বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মত। বিভিন্ন রাজ্যে আঞ্চলিক দলগুলির সঙ্গে কংগ্রেসের সম্পর্কের টানাপোড়েন এবার জাতীয় রাজনীতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।আসন্ন বৈঠকে কোন দল উপস্থিত থাকে এবং কোন দল দূরত্ব বজায় রাখে, সেদিকেই এখন নজর দেশের রাজনৈতিক মহলের। কারণ সেই বৈঠকের ফলাফলই ইন্ডিয়া জোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনেক প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে।

জুন ০৫, ২০২৬
দেশ

ঋণগ্রহীতাদের জন্য বড় সুখবর! রেপো রেট নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আরবিআইয়ের

বিশ্বজুড়ে অস্থির অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেই সাধারণ মানুষের জন্য কিছুটা স্বস্তির খবর দিল ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। শুক্রবার মুদ্রানীতি কমিটির বৈঠকের পর জানানো হয়েছে, আপাতত রেপো রেটের কোনও পরিবর্তন করা হচ্ছে না। ফলে বাড়ি, গাড়ি বা অন্যান্য ঋণের মাসিক কিস্তি এখনই বাড়ার আশঙ্কা নেই।রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর সঞ্জয় মালহোত্রার নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে মুদ্রানীতি কমিটির সব সদস্যই রেপো রেট অপরিবর্তিত রাখার পক্ষে মত দেন। বর্তমানে রেপো রেট রয়েছে পাঁচ দশমিক দুই পাঁচ শতাংশে। আগামী দুমাস এই হারই বহাল থাকবে বলে জানানো হয়েছে।কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের মতে, বর্তমান আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি এবং বিশ্ব অর্থনীতির অনিশ্চয়তার কারণে আপাতত সতর্ক অবস্থান নেওয়াই সবচেয়ে উপযুক্ত। ভবিষ্যতে পরিস্থিতির পরিবর্তন হলে তখন প্রয়োজন অনুযায়ী নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।গত বছর একাধিকবার রেপো রেট কমিয়েছিল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। প্রথমে ধারাবাহিকভাবে হার কমানোর পর জুন মাসে আরও পঞ্চাশ বেসিস পয়েন্ট কমানো হয়। পরে ডিসেম্বর মাসে আবার পঁচিশ বেসিস পয়েন্ট কমিয়ে রেপো রেট পাঁচ দশমিক দুই পাঁচ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়। সেই হারই এখনও বজায় রয়েছে।তবে অর্থনীতিবিদদের একাংশের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দামের ওঠানামা, পশ্চিম এশিয়ার অস্থিরতা এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপের কারণে ভবিষ্যতে রেপো রেট নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে। সেই কারণেই আগামী কয়েক মাসের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির দিকে বিশেষ নজর রাখছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক।এদিকে দেশের অর্থনীতি নিয়েও নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, বৈদেশিক মুদ্রার ভাণ্ডার রক্ষার জন্য দেশের সঞ্চিত সোনার একটি বড় অংশ বিক্রি করা হয়েছে। যদিও রিজার্ভ ব্যাঙ্ক সেই দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে খারিজ করে দিয়েছে। তবুও বিষয়টি নিয়ে অর্থনৈতিক মহলে আলোচনা থামেনি।

জুন ০৫, ২০২৬
কলকাতা

মমতার ঘনিষ্ঠ নেতা এবার বিদ্রোহী শিবিরে! জাভেদ খানের পদক্ষেপে তোলপাড় রাজনীতি

দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সহযোদ্ধা হিসেবে পরিচিত ছিলেন জাভেদ খান। রাজনৈতিক জীবনের বড় অংশই তিনি কাটিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে। কিন্তু সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সেই সমীকরণে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। সম্প্রতি তাঁকে দেখা গিয়েছে তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরের বৈঠকে।গত সোমবার বিদ্রোহী গোষ্ঠীর নেতাদের সঙ্গে প্রকাশ্যে দেখা যায় জাভেদ খানকে। শুক্রবারও বিদ্রোহী তৃণমূল বিধায়কদের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তিনি। এরপর থেকেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা।এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নিজের সম্পত্তি নিয়ে ওঠা অভিযোগের জবাব দেন জাভেদ খান। তিনি দাবি করেন, তাঁর বিরুদ্ধে যে সব অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তার অনেকটাই ভিত্তিহীন। তাঁর বক্তব্য, পরিবারের পৈতৃক সম্পত্তিকে ঘিরে নানা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। সব সম্পত্তি তাঁর ব্যক্তিগত মালিকানাধীন নয় বলেও স্পষ্ট করেন তিনি।সবচেয়ে বেশি চর্চার বিষয় হয়ে ওঠে তৃণমূল ভবনের জমি নিয়ে তাঁর মন্তব্য। জাভেদ খানের দাবি, ওই জমি তাঁদের পরিবারের ছিল এবং পরে তা দান করা হয়েছিল। তবে সেই জমি ফেরত নেওয়ার কোনও ইচ্ছা তাঁদের নেই বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে তিনি বলেন, প্রতিহিংসার রাজনীতিতে তিনি বিশ্বাস করেন না।রাজনৈতিক জীবনে জাভেদ খানের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের সক্রিয় নেতা হিসেবে কাজ শুরু করেন। কলকাতা পুরসভায় একাধিকবার কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন। পরে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও সামলেছেন। কলকাতা পুর প্রশাসনে গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকার পাশাপাশি দীর্ঘদিন বিধায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।রাজ্যের মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবেও কাজ করেছেন জাভেদ খান। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দপ্তরের দায়িত্বে থেকে তিনি দীর্ঘ সময় প্রশাসনিক কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সেই কারণেই তৃণমূলের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব তৈরি হওয়ার ঘটনা রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।বিদ্রোহী শিবিরে তাঁর উপস্থিতি এবং সাম্প্রতিক মন্তব্য ঘিরে এখন জোর চর্চা শুরু হয়েছে। আগামী দিনে তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান কোন দিকে যায়, সেদিকেই নজর রয়েছে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলের।

জুন ০৫, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

থানায় স্বরূপ, নেটদুনিয়ায় অনির্বাণ! রাতারাতি বদলে গেল সমীকরণ

টালিগঞ্জের স্টুডিওপাড়ায় তোলাবাজি এবং শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভাই স্বরূপ বিশ্বাস। বৃহস্পতিবার তাঁকে বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে নিউ আলিপুর থানার পুলিশ। এক মেকআপ শিল্পীর অভিযোগের ভিত্তিতেই এই পদক্ষেপ বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে টেকনিশিয়ান স্টুডিয়োর কর্মীদের কাছ থেকে জোর করে টাকা আদায় করা হত। পাশাপাশি স্বরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগও ওঠে। গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই রাতে থানার সামনে ভিড় জমায় এলাকার বহু মানুষ। তাঁদের একাংশ প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দেন। থানার সামনে বিক্ষোভ ও স্লোগানও শোনা যায়।টালিগঞ্জের একাংশের শিল্পী ও কলাকুশলীদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই অসন্তোষ ছিল বলে দাবি করা হচ্ছে। অভিযোগ, ফেডারেশনের ক্ষমতা ব্যবহার করে বহু শিল্পীর কাজের সুযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। সেই তালিকায় অভিনেতা অনির্বাণ ভট্টাচার্যের নামও বারবার উঠে এসেছে।স্বরূপ বিশ্বাস গ্রেপ্তার হওয়ার পর সামাজিক মাধ্যমে নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে অনির্বাণের একটি পুরনো ভিডিও। সেখানে তাঁকে এক জনপ্রিয় লোকগান গাইতে দেখা যায়। ভিডিওটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে নেটমাধ্যমে। পাশাপাশি অভিনেতার বিভিন্ন ছবি ও সংলাপ ব্যবহার করে একাধিক ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট এবং মিমও ভাইরাল হয়েছে।টলিপাড়ার অনেকের দাবি, অতীতে নানা বাধার মুখে পড়লেও নিজের অভিনয় দক্ষতার জোরে দর্শকদের মন জয় করেছেন অনির্বাণ। পরবর্তীকালে বড় বড় প্রযোজনায় তাঁর অভিনয় বিশেষ প্রশংসাও পেয়েছে। বর্তমানে তাঁর একাধিক নতুন কাজ নিয়েও দর্শকদের মধ্যে আগ্রহ রয়েছে।এদিকে ফেডারেশন এবং তথাকথিত ব্যান সংস্কৃতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে ইন্ডাস্ট্রিতে। কিছু শিল্পী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের দাবি, ভবিষ্যতে কাজের ক্ষেত্রে কোনও শিল্পীকে ব্যক্তিগত মতামতের কারণে বাধার মুখে পড়তে হবে না। মত প্রকাশের স্বাধীনতা বজায় রেখেই কাজের পরিবেশ গড়ে তোলার পক্ষে সওয়াল করেছেন তাঁরা।স্বরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তদন্তে নতুন কোনও তথ্য সামনে আসে কি না, এখন সেদিকেই নজর টলিপাড়ার।

জুন ০৫, ২০২৬
কলকাতা

কুড়ি সাংসদ নিয়ে গোপন বৈঠক! লোকসভায় বড় চমক দিতে চলেছেন কাকলি?

লোকসভায় তৃণমূলের নেতৃত্বে বড় পরিবর্তনের জল্পনা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, দলের অন্দরে অসন্তোষ বাড়ছে এবং সেই পরিস্থিতিতে লোকসভায় নতুন দলনেতা হিসেবে কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নাম সামনে আসতে পারে। যদিও এই বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করতে চাননি কাকলি নিজে। তাঁর দাবি, এ নিয়ে তিনি কিছুই জানেন না।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ সহযোদ্ধা কাকলি ঘোষ দস্তিদার। চার দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি তৃণমূল নেত্রীর সঙ্গে রাজনৈতিক লড়াইয়ের অংশ ছিলেন। লোকসভায় দলের মুখ্য সচেতক হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। তবে কয়েক সপ্তাহ আগে সেই পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এরপর থেকেই দলের অন্দরে তাঁর অসন্তোষ প্রকাশ্যে আসতে শুরু করে।বিশেষ করে ভোটকৌশল সংস্থা আইপ্যাককে নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দেন কাকলি। তাঁর অভিযোগ ছিল, আইপ্যাকের ভূমিকার কারণেই দলের ক্ষতি হয়েছে। পরে তিনি দলের বিভিন্ন সাংগঠনিক পদ থেকেও সরে দাঁড়ান। এর কিছুদিনের মধ্যেই কেন্দ্রের তরফে তাঁর নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। সেই ঘটনার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়। অনেকের দাবি, বিরোধী শিবিরের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ বেড়েছে। যদিও এ বিষয়ে কোনও সরকারি তথ্য সামনে আসেনি।এদিকে সূত্রের খবর, আগামী রবিবার প্রায় কুড়ি জন তৃণমূল সাংসদের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হতে পারে। সেই বৈঠকে ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সব কিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে সোমবার লোকসভার অধ্যক্ষের কাছে একটি স্বাক্ষরিত চিঠি জমা পড়তে পারে বলেও জল্পনা ছড়িয়েছে। ওই চিঠিতে লোকসভায় নতুন দলনেতা হিসেবে কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নাম প্রস্তাব করা হতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা।এই জল্পনার মধ্যেই শুক্রবার সমাজমাধ্যমে একটি তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা পোস্ট করেন কাকলি। সেখানে তিনি লেখেন, একজন রাজনৈতিক কর্মী যদি চারবারের সাংসদ হন এবং চার দশক ধরে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করেন, তবে তিনি শুধুমাত্র নিজের স্বার্থের কথা ভাবতে পারেন না। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান পরিস্থিতি আসলে নীতির বিরুদ্ধে জনরায় এবং শাসনের ব্যর্থতার প্রতিফলন।কাকলির এই বার্তার পর রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তাঁর মন্তব্য কি শুধুই রাজনৈতিক মূল্যায়ন, নাকি এর পিছনে রয়েছে আরও বড় কোনও ইঙ্গিত? সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই এখন নজর রাজ্যের রাজনৈতিক মহলের।

জুন ০৫, ২০২৬
দেশ

দিল্লিতে বাঙালি অধ্যাপিকার রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার, মাথা থেঁতলে খুনের অভিযোগে চাঞ্চল্য

রাজধানী দিল্লিতে এক বাঙালি অধ্যাপিকার খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পূর্ব দিল্লির বসুন্ধরা এনক্লেভের সত্যম অ্যাপার্টমেন্ট থেকে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিবাজী কলেজের ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক দেবস্মিতা পালের (৪২) রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে। তিনি ফ্ল্যাটে একাই থাকতেন। তাঁর স্বামী বেঙ্গালুরুতে কর্মসূত্রে থাকেন।পুলিশ জানিয়েছে, বুধবার থেকে দেবস্মিতার সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছিল না। ফোনেও কোনও সাড়া মিলছিল না। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাঁর দিদি দেবারতী পাল নিউ অশোক নগর থানায় ফোন করে জানান, বন্ধ ফ্ল্যাটের ভিতরে তাঁর বোনের দেহ পড়ে রয়েছে।দেবারতীর বক্তব্য, সকাল থেকেই ফ্ল্যাটের দরজায় বাইরে থেকে তালা লাগানো ছিল। দীর্ঘ সময় ফোনে যোগাযোগ না হওয়ায় তিনি আশঙ্কা করেন কিছু অঘটন ঘটেছে। পরে দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকতেই রক্তাক্ত অবস্থায় দেবস্মিতাকে পড়ে থাকতে দেখা যায়।প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, এই ঘটনায় কোনও পরিচিত ব্যক্তি জড়িত থাকতে পারেন। খুনের পর দরজায় তালা দিয়ে তিনি সেখান থেকে পালিয়ে যান বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। মৃতদেহে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। মাথায় ভারী কোনও বস্তু দিয়ে আঘাত করা হয়েছে এবং হাতের শিরাও কাটা ছিল।মৃত্যুর সময় ও প্রকৃত কারণ জানতে দেহ ময়নাতদন্তের জন্য দিল্লির লাল বাহাদুর শাস্ত্রী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ আরও জানিয়েছে, ফ্ল্যাটে চুরির কোনও চিহ্ন মেলেনি। সোনার গয়না ও নগদ টাকা অক্ষত ছিল।খুনের মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে দিল্লি পুলিশ। কে বা কারা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তা জানতে পরিচিতদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

জুন ০৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal