• ১৪ মাঘ ১৪৩২, সোমবার ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

President

কলকাতা

নির্বাচনী ফান্ড তৈরি করার জন্য দাম বেড়েছে আলু- পিঁয়াজেরঃ দিলীপ

আলু-পিঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে এবার রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। শুক্রবার প্রাতঃভ্রমণে ইকো পার্কে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন , এই সময় এমনিতেই শাকসবজি, ফলের দাম বাড়ে ৷ বাজারকে নিয়ন্ত্রণ করার দায়িত্ব এখানকার সরকারের ৷ ইচ্ছাকৃতভাবে পুজোকে কেন্দ্র করে কিছু লোক লুটপাট করে ৷ কিন্তু এখনও আমরা সেরকম দেখিনি ৷ আলু ও পিঁয়াজের দাম বেড়ে গেছে ৷ নির্বাচনী ফান্ড তৈরি করার জন্য এগুলি করা হচ্ছে ৷ সরকারের সতর্ক হওয়া উচিত ৷ মানুষ এমনিতেই কষ্টের মধ্যে আছেন ৷ এরপরে মানুষের বিক্ষোভ আরও বাড়বে ৷ পিঁয়াজের দাম বাড়া নিয়ে তিনি বলেন, পিঁয়াজ নাসিক থেকে আসে ৷ তাই পিঁয়াজের দাম বাড়ার একটা কারণ আছে ৷ হতে পারে ফসল কম হয়েছে, নষ্ট হয়েছে ৷ কিন্তু আলুর দাম কেন বাড়বে ? আলু তো তারকেশ্বর থেকে আসে ৷ পশ্চিমবঙ্গে আলু চাষ হয় ৷ এখনও হিমঘরে প্রচুর আলু আছে ৷ শেষে ফেলে দিতে হবে ৷ কিন্তু বার করে বাজারে কেন আনা হচ্ছে না ? সব ফড়েদের হাত চলে গেছে ৷ এখানকার সরকারের কোনও কিছুতে কন্ট্রোল নেই ৷ তাই অসঙ্গতি দেখা যাচ্ছে ৷ আরও পড়ুন ঃ পুলিশের মাধ্যমে শাসন চালাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ঃ ধনকড় এদিন শোভন-বৈশাখী প্রশ্ন করা হলে সাংসদ বলেন, শোভন ও বৈশাখি দুজনেই রাজনীতি সচেতন মানুষ ৷ ওঁরা কখন কী করতে হবে জেনেই রাজনীতিতে এসেছেন ৷ ওঁরা যখন রাজি হবেন, যে কাজ করতে চাইবেন, সেই কাজ দেওয়া হবে ৷ মুখ্যমন্ত্রীকে শোভন ও বৈশাখির শাড়ি পাঠানোর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ব্যক্তিগত সম্পর্ক অনেকের সঙ্গেই থাকে ৷ আমিও অসুস্থ ছিলাম ৷ মুখ্যমন্ত্রী আমায় ফোন করেছিলেন ৷ সৌজন্যবোধ, সামাজিক সম্পর্ক থাকতেই পারে ৷ এতে মনে হয় না চিন্তার কিছু কারণ আছে ৷

অক্টোবর ৩০, ২০২০
রাজনীতি

ক্ষমতায় এলে সব রাজনৈতিক দলের কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা তুলে নেওয়া হবে : দিলীপ

করোনামুক্তির পর প্রথম চা চক্রের আসর। এবার সেই আসর জমিয়ে দিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বৃহস্পতিবার সকালে চা চক্রের আয়োজন করা হয়। এ রাজ্যে ক্ষমতায় এলে সব রাজনৈতিক দলের কর্মীদের বিরুদ্ধে থাকা মামলা তুলে নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। এপ্রসঙ্গে তিনি বলেন, নিজের দলের কর্মীদের নিজেরাই হত্যা করে সিপিএম যেমন ভাবাবেগের রাজনীতি করত, ঠিক তেমনি তৃণমূল নিজের দলে কর্মীদের নামেও মামলা করে রেখেছে, যাতে ভয়ে কেউ দল ছাড়তে না পারে। আমি তাই বলেছি এ ধরণের যত প্রতিহিংসাপরায়ণ রাজনৈতিক মিথ্যে মামলা আছে, তা যে দলেরই হোক, তাকে আমরা মুক্তি দেব। আরও পড়ুন ঃ নভেম্বরে ফের রাজ্যে জেপি নাড্ডা এদিন প্রিয় নেতাকে রীতিমতো ব্যান্ড-পার্টি বাজিয়ে জ্যাংড়ায় চা চক্রের আসরে নিয়ে যান দলের কর্মীরা। মাথায় পাগড়ি বেঁধে চা চক্রের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ। প্রসঙ্গত , করোনায় কাবু হয়ে দিন কয়েক নিভৃতে ছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। পরে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। হাসপাতাল থেকে ফিরেও কয়েকদিন বাড়িতেই বিশ্রামে ছিলেন তিনি।

অক্টোবর ২৯, ২০২০
রাজনীতি

নভেম্বরে ফের রাজ্যে জেপি নাড্ডা

ফের রাজ্যে আসছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জগৎপ্রকাশ নাড্ডা। দু দিনের সফরে তিনি রাজ্যে আসছেন । বুধবার বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন, ৬ নভেম্বর কলকাতায় আসছেন জে পি নাড্ডা। সেদিনই বীরভূম, পূর্ব বর্ধমান, আসানসোল, পুরুলিয়া ও বাঁকুড়া, ৫ সাংগঠনিক জেলার সঙ্গে বৈঠক করবেন নাড্ডা। ৭ তারিখ জঙ্গলমহল এলাকার সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। বৈঠকে ২ মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, হাওড়া, হুগলি। আরও পড়ুন ঃ সুব্রত চট্টোপাধ্যায়কে সরিয়ে অমিতাভ চক্রবর্তীকে সাংগঠনিক পদে নিয়ে এল রাজ্য বিজেপি ৬ নভেম্বর বিজেপি কর্মীদের উদ্দেশে ভার্চুয়াল বার্তাও দেবেন নাড্ডা। প্রসঙ্গত, গত ১৯ অক্টোবর বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা একদিনের সফরে শিলিগুড়িতে এসেছিলেন। সামনেই বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন। তাই কয়েকদিন আগে উত্তরবঙ্গ সফরের পর এবার দক্ষিণবঙ্গে দলের সাংগঠনিক অবস্থা খতিয়ে দেখতে আসছেন নাড্ডা।

অক্টোবর ২৯, ২০২০
রাজনীতি

দিলীপ ঘোষকে প্রণাম করে বিজয়ার শুভেচ্ছা সৌমিত্র খাঁয়ের

বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের বাড়িতে গিয়ে প্রণাম করলেন দলের যুব মো্র্চার রাজ্য সভাপতি সৌমিত্র খাঁ। সেখানে উপস্থিত ছিলেন দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক ( সংগঠন) সুব্রত চট্টোপাধ্যায় , রাজ্য সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু। প্রসঙ্গত , কয়েকদিন আগে বিজেপি রাজ্য সভাপতির সঙ্গে সৌমিত্র খাঁয়ের দ্বন্ধ প্রকাশ্যে চলে এসেছিল। দলের যুব মোর্চার জেলা কমিটি ও জেলা সভাপতির পদ বাতিল করে দিয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ। সৌমিত্র জানিয়েছিলেন , এই সিদ্ধান্ত জানেন না। এনিয়ে ক্ষোভ জানিয়ে প্রথমে বিজেপি যুব মোর্চার সভাপতি পদে পদত্যাগের ইচ্ছাপ্রকাশ করে হুঁশিয়ারি দেন সৌ্মিত্র খাঁ। হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছেড়ে বেরিয়ে আসেন তিনি। আরও পড়ুনঃ বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধার , নিন্দায় সরব দিলীপ পরে কিছুক্ষণের মধ্যে ভোল বদলে ফের সৌ্মিত্র খাঁ জানিয়ে দেন , তিনি দলের কর্মীদের ছেড়ে থাকতে পারবেন না। এই কথা বলে তিনি ফের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে ফিরে আসেন। জল্পনা শুরু হয় তার ফিরে আসা নিয়ে। বিজেপি সূ্ত্রে জানা যায় , দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের একাংশের চাপেই তিনি তার সিদ্ধান্ত বদলাতে বাধ্য হয়েছিলেন। তারপর তিনি অবস্থান জানিয়ে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন। এরপর তিনি এদিন দিলীপ ঘোষকে প্রণাম করে বিজয়া দশমীর শুভেচ্ছা জানালেন। দিলীপ ঘোষকে প্রণাম করে সৌ্মিত্র খাঁ কি ড্যামেজ কন্ট্রোলের চেষ্টা করলেন। এমনই প্রশ্ন করছে রাজ্যের রাজনৈতিক মহল।

অক্টোবর ২৭, ২০২০
রাজনীতি

বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধার , নিন্দায় সরব দিলীপ

বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধার হল পশ্চিম মেদিনীপুরের মোহনপুরে। মৃত বিজেপি কর্মীর নাম বাচ্চু বেরা। মোহনপুরের শিয়ালসাই মাঠ থেকে তার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। এই ঘটনায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। যদিও অভিযোগকে গুরুত্ব দিতে নারাজ তৃণমূল। তারা জানিয়েছে , এর সঙ্গে শাসকদলের কোনও যোগ নেই। জানা গিয়েছে , অষ্টমীর দিন থেকেই বেপাত্তা ছিলেন বাচ্চু। সো্মবার দুপুরে জঙ্গলে গলায় গামছার ফাঁস লাগানো অবস্থায় তার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। স্থানীয়রা ততক্ষণাৎ থানায় খবর দিলে ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ। আরও পড়ুনঃ পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির শাসন প্রতিষ্ঠা করতেই হবে : দিলীপ কিন্তু তার আগেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় স্থানীয় বিজেপি নেতা-কর্মীরা। পুলিশকে দেহ উদ্ধারে বাধা দেন তাঁরা। বিজেপি কর্মীরা থানার সামনে দেহ রেখে দফায় দফায় বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। দীর্ঘক্ষণ পর পুলিশের আশ্বাসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। ঘটনার নিন্দা করে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেছেন, বিজেপি কর্মীদের খুনের রাজনীতি করে রোখা যাবে না। পশ্চিমবঙ্গকে মুক্ত করতে শেষ রক্ত দিয়ে লড়াই চালিয়ে যাব আমরা। প্রয়োজনে আরও নেতা-কর্মী প্রাণ বিসর্জন দেবেন।

অক্টোবর ২৭, ২০২০
রাজনীতি

‘পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির শাসন প্রতিষ্ঠা করতেই হবে’ : দিলীপ

বিজয়া দশমীতে দলের নেতা-কর্মীদের শুভেচ্ছা জানালেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ। দলের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে এক খোলা চিঠিতে তিনি লেখেন, মা আমাদের জন্য নিয়ে আসেন শুভশক্তি ও তাঁর আশীর্বাদ দিয়ে যান , যা আমাদের অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করার প্রেরণা যোগায়।বিজেপির রাজ্য সভাপতি হিসেবে সংঘাত ও সফলতার সুপরিচিত যাত্রাপথে বেশ কয়েকটা বছর কেটে গেল। আজ বিজয়া দশমীর পুণ্য দিনে আপনাদের উদ্দেশ্যে কিছু অব্যক্ত মনের কথা তুলে ধরা খুব প্রাসঙ্গিক মনে হল। বিগত কয়েক বছর যাবৎ আপনারাই আমার ভাই , বোন, বন্ধু , পরিবার। আমার আজও মনে আছে সেদিনের কথা, যেদিন কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব আমার কাঁধে রাজ্য সভাপতির গুরু দায়িত্ব অর্পণ করেন এবং আপনারা পরম আন্তরিকতার সাথে আমাকে সসম্মানে বরণ করে নিয়েছিলেন। আপ্লুত হয়েছিলাম সেদিন, প্রতিজ্ঞা করেছিলাম সাফল্য অর্জন করে আপনাদের সম্মানিত করব। ঠিক সেদিন থেকেই আমি নিষ্ঠা, একাগ্রতা ও আনুগত্যের সাথে দায়িত্ব নির্বাহ করার প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে গিয়েছি। অতি প্রয়োজন ছাড়া একদন্ড অবসর নিইনি।আপনাদের মত আমিও আমার ব্যক্তিগত সুযোগ সুবিধার চেয়েও দলের প্রয়োজনীয়তা কে অগ্রাধিকার দেওয়ার চেষ্টা করেছি। আরও পড়ুনঃ হেরে গেলে তৃণমূলের অত্যাচার থেকে বাঁচতে অন্য রাজ্যে বাসস্থান খুঁজতে হবে , হুঁশিয়ারি অনুপমের দলীয় কর্মীদের সাথী সম্বোধন করে তিনি বলেন, একমাত্র আপনাদের ভালবাসা আর কর্তব্যনিষ্ঠার বলে বলীয়ান হয়ে, ঈশ্বরের আশীর্বাদকে সঙ্গী করে আজ আমরা আমাদের দলকে পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশের প্রধান রাজনৈতিক দলের মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করতে পেরেছি। আজ যখন আমি পেছন ফিরে দেখি স্মৃতির সরণি বেয়ে একাধিক আনন্দঘন ঘটনা স্মৃতিপটে প্রতিফলিত হয়, যা কিনা সম্পূর্ণভাবেই আপনাদের আন্তরিকতা ও একাগ্রতার ফসল বলে আমি কায়মনোবাক্যে বিশ্বাস করি। ২০১৬ সালের নির্বাচনে ১০% জনগণের আশীর্বাদপুষ্ট আমাদের দল ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে ৪০% এর উপর মানুষের আশীর্বাদে ধন্য হয়েছে, যা আপনাদের হার না মানা জেদ তথা অধ্যাবসায়ের ফলেই সম্ভবপর হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ থেকে ১৮ জন সাংসদ কে জিতিয়ে আনা, আপনাদের ত্যাগ তিতিক্ষা দায়বদ্ধতার স্বপক্ষেই এক প্রামাণ্য দলিল। ২০১৪ সালে সারা দেশের মতো পশ্চিমবঙ্গও যখন মোদী ম্যানিয়ায় আক্রান্ত ছিল তখন আমরা মাত্র ২ টি লোকসভা আসন জয় করতে সমর্থ হয়েছিলাম, যেখানে শতকরা ভোটার হার ছিল মাত্র ১৭%। 2016 সালে আমার কৰ্মলগ্ন শুরু হয় রাজ্যের তিন প্রান্তের মাত্র তিনটি বিধায়ক দিয়ে । সেখানেই আমরা থেমে থাকিনি। আমাদের বিজয়রথ ক্রমাগত শাসকের দমন-পীড়ন নীতিকে উপেক্ষা করে , পুলিশি নির্যাতন , কর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা , খুন - সন্ত্রাস সত্ত্বেও এগিয়ে চলেছে।একটা সময় ছিল যখন বুথ ভিত্তিক কার্যকর্তা খুঁজে পাওয়া দুষ্কর ছিল। আজ প্রায় সব বুথেই একাধিক কর্মী সক্রিয়, কোন কোন বুথে তো কর্মী সংখ্যা শতাধিক অতিক্রান্ত। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি শাসন প্রতিষ্ঠা করতেই হবে, কারণ পশ্চিমবঙ্গের গণতন্ত্র আজ বিপন্ন , শাসকের ক্রমাগত বঞ্চনা-দূর্নীতি-অপশাসনে মানুষ অতিষ্ঠ।সোনার বাংলা গড়তে আমরা রাজ্যবাসীর কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। রাজ্য সভাপতি হিসেবে আপনাদের কাছে আবেদন যে, বাংলার স্বার্থে, বাঙালীর স্বার্থে আবারও একবার নিজেদের উজাড় করে দিয়ে আমাদের প্রমাণ করে দিতে হবে যে সদিচ্ছা থাকলে যে কোন অসাধ্য সাধন আমাদের কাছে অতি ক্ষুদ্র বিষয়। আমাদের পারদর্শিতা আমরা বারবার প্রমাণ করেছি তা সে লোকসভা ভোটই হোক অথবা পঞ্চায়েত। লক্ষ্য এবার একুশের বিধানসভা, আমাদের সকলকে একজোট হয়ে লড়াই করে জয় ছিনিয়ে আনতেই হবে। সময় এসেছে যখন আমাদের এক সূত্রে গ্রথিত হয়ে সমবেত কণ্ঠে সঙ্কল্প গ্রহণ করে বলতে হবে যে করব মোরা লড়ব মোরা সোনার বাংলা গড়ব মোরা। এদিন তিনি অস্ত্র পুজো করেন। তিনি বলেন , অধর্মের ওপর ধর্মের বিজয়, অন্যায়ের উপর ন্যায়ের বিজয়, এটাই বিজয়াদশমীর আহ্বান। শস্ত্র হচ্ছে শক্তির প্রতীক, দেশ-ধর্ম-সমাজ রক্ষার জন্য শস্ত্রের প্রয়োজন, শস্ত্রই আমাদের রক্ষা করে।

অক্টোবর ২৬, ২০২০
উৎসব

ভারাক্রান্ত মন, তবুও নিয়ম মেনে পুজো হচ্ছে মিরিটির প্রণব মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে

এবারের পুজোতে মন খারাপ মিরিটির। প্রতি বছর তাঁর চণ্ডীপাঠেই মুখর হয়ে উঠত বীরভূম কীর্ণাহারের পাশে মিরাটি গ্রামের মুখোপাধ্যায় বাড়ি। কিন্তু এবার সেই বাড়ি ভারাক্রান্ত। কারণ ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায় আর নেই। চলতি বছর ৩১ অগস্ট দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর প্রয়াত হয়েছেন ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়। রাষ্ট্রপতি হন বা বিদেশমন্ত্রী, প্রতি বছরই পুজোর সময় নিয়ম করে গ্রামে আসতেন প্রণববাবু। বছরের পর বছর নিজেই করে এসেছেন চণ্ডীপাঠ। একটা সময়ের পর পুরোটাই তাঁর মুখস্থ হয়ে যায়, এমনটাই জানিয়েছেন ওই পুজোর প্রধান পুরোহিত। নবপত্রিকা স্নানসহ বিভিন্ন রীতিনীতি নিজে হাতে পালন করতেন। সেই পুজোয় আজ তিনি নেই। এ বছর চণ্ডীপাঠ করবেন পুরোহিত। তবে অসৌচ চলছে বলে কোনও কিছুতেই অংশ নিতে পারবেন না প্রণবপুত্র অভিজিৎ মুখোপাধ্যায়। আরও পড়ুনঃ সামর্থ্য নাই থাকুক, ইচ্ছেটাই সব , এই ভাবনাকেই ফুটিয়ে তুলেছে হাতিবাগানের নবীন পল্লি অভিজিৎবাবু জানান, এই প্রথম কর্তাহীন, প্রণবহীন দুর্গাপুজো। আমি জন্মের পর থেকে কয়েকবার ছাড়া তাঁকেই এই পুজো করে আসতে দেখেছি। শুধু কয়েকবার সরকারি কাজের জেরে এবং ১৯৭৮ সালের বন্যায় তিনি আসতে পারেননি মিরিটিতে। সে বার ঘটপুজো হয়েছিল। তারপর থেকে আমরা কখনওই পুজো থেকে দূরে সরে থাকিনি। তবে প্রণববাবু না থাকলেও এবারও কোনও প্রথাই বাদ যাচ্ছে না বলে জানান ছেলে অভিজিৎ।

অক্টোবর ২৩, ২০২০
কলকাতা

সৌমিত্রকে অন্ধকারে রেখেই জেলা যুব মোর্চার সভাপতিদের পদ বাতিল করলেন দিলীপ

ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার সব জেলার সভাপতি পদ ও কমিটি বাতিল করা হল।পরবর্তী ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত বিজেপির জেলা সভাপতিরাই এই দায়িত্ব পালন করবেন বলে জানানো হয়েছে। শুক্রবার এই ঘোষণা করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। উল্লেখ্য, বিজেপিতে নব্য ও আদিদের মধ্যে যে সমস্যা শুরু হয়েছে , তা দুর্গাপুজোর মধ্যেই সকলের সামনে চলে এল। আরও পড়ুনঃ সমস্ত অশুভ শক্তিকে সরিয়ে সকলকে ভয় মুক্ত করুন , প্রার্থনা ধনকড়ের এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে সৌমিত্র খাঁ জানান, দলের এই সিদ্ধান্ত সম্পর্কে কিছুই জানি না। আলোচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। বিষ্ণুপুের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ যুব মোর্চার দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই বিতর্ক দানা বেঁধেছিল। মিলছিল গোষ্ঠী কোন্দলের আভাস। বিজেপি রাজ্য সভাপতির এদিনের এই ঘোষণার মধ্যে দিয়ে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের তত্ত্বই ফের দলের মধ্যে ভেসে উঠল।

অক্টোবর ২৩, ২০২০
কলকাতা

করোনাকে হারিয়ে বাড়ি ফিরলেন দিলীপ ঘোষ

করোনামুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ। মঙ্গলবার সকালেই হাসপাতাল থেকে তাঁকে ছুটি দেওয়া হয় । বিজেপি সাংসদ জানিয়েছেন, সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছেন তিনি। কোনওরকম সমস্যা নেই। আপাতত বাড়িতে থেকে বিশ্রাম নেবেন। তাতেই আরও সুস্থ হয়ে উঠবেন। এদিন চিকিৎসকদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন বিজেপি সাংসদ। তিনি আরও বলেন, আমি সেভাবে অসুস্থ হইনি। প্রথম দিকে সামান্য কাশি আর জ্বর ছিল। বাড়িতেই ছিলাম। পরে জ্বর বাড়তেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিই। হাসপাতালে ভরতি হই। রাজ্যবাসীকে সতর্ক ও সচেতন থাকার পরামর্শও দিয়েছেন তিনি। তার সঙ্গে ছিলেন বিজেপি নেতা রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়। আরও পড়ুনঃ বিভেদের রাজনীতি করে আসছে বিজেপিঃ ডেরেক প্রসঙ্গত , শুক্রবার রাতে বাড়িতে অসুস্থ হয়ে পড়েন রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ। জ্বর-কাশি ছিল তাঁর। রাতেই তাঁকে সল্টলেকের আমরি হাসপাতালে ভরতি করা হয়। এরপরই জানা যায়, মারণ করোনা আক্রান্ত হয়েছেন বিজেপি সভাপতি। শুরু হয় চিকিৎসা। ধীরে ধীরে উন্নতি হয় দিলীপ ঘোষের শারীরিক অবস্থার। এরপরই চিকিৎসকরা তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। সেই মতো মঙ্গলবার সকালে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরলেন তিনি।

অক্টোবর ২০, ২০২০
কলকাতা

অমিত শাহ সম্পর্কে এ কি বললেন অভিষেক !

অমিত শাহের কাছে বাংলার বোমা কারখানা নিয়ে তথ্য আছে। কিন্তু পরিযায়ী শ্রমিকদের বিষয়ে কোনও তথ্য নেই। সো্মবার টুইট করে অমিত শাহের অভিযোগের বিরুদ্ধে এভাবেই তোপ দাগলেন তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আপনি বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করার কথা বলে সাধারণ মানুষকে হুমকি দিচ্ছেন। সামাজিক সম্প্রীতি বিঘ্নিত করার চেষ্টা করছেন। আরও পড়ুনঃ পটাশপুরের বিজেপি কর্মীর মৃত্যু নিয়ে ফের প্রশাসনের বিরুদ্ধ তোপ রাজ্যপালের প্রসঙ্গত , গত শনিবার একটি বেসরকারি বৈদ্যুতিন মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে অমিত শাহ বলেন, সঙ্গত কারণেই বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি তুলেছেন বিজেপি নেতারা। পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। আমফানের ত্রাণের টাকা নিয়ে চরম দুর্নীতি হয়েছে। বাংলার জেলায়-জেলায় বোমা কারখানার হদিশ মিলছে। তাঁর এই মন্তব্যকে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে রাজ্য - রাজনীতি। এই মন্তব্যের তীব্র নিন্দা করা হয় তৃণমূলের তরফ থেকে। আর এদিন এর প্রতিবাদে তোপ দাগলেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। Ironic that Mr @AmitShah has found data on bomb factories but when it comes to data on migrants, his @BJP4India govt is clueless! How dare you threaten the people of Bengal with Presidents Rule to disturb our social harmony. Disgusting poll propaganda!#BengalRejectsTanaShah https://t.co/gZfSImveIA Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) October 19, 2020

অক্টোবর ১৯, ২০২০
কলকাতা

বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসন নিয়ে এ কি বললেন অমিত শাহ !

সঙ্গত কারণেই বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি তুলেছেন বিজেপি নেতারা। পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। আমফানের ত্রাণের টাকা নিয়ে চরম দুর্নীতি হয়েছে। বাংলার জেলায়-জেলায় বোমা কারখানার হদিশ মিলছে। সর্বভারতীয় নিউজ চ্যানেলে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এমনই মন্তব্য করেন। তবে তিনি বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসনের বিষয়ে বলতে গিয়ে বলেন, বিরোধী রাজনৈতিক দল দাবি করতেই পারে। কিন্তু, রাষ্ট্রপতি শাসন কোনও রাজনৈতিক দলের নেতার দাবি মেনে হয় না ৷ ভারতীয় সংবিধানে যে নিয়ম রয়েছে , সেই নিয়ম মেনেই একমাত্র রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা হয় ৷ কোথাও রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করতে গেলে আগে রাজ্যপালের রিপোর্ট দেখতে হবে ৷ সেখানকার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে হবে, তারপর রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হয়। তবে, বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসনের মত ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি রয়েছে। আরও পড়ুনঃ করোনা আক্রান্ত নির্মল মাজি তৃ্ণমূলের সমালো্চনা করে তিনি আরও বলেন, ভারতের আর কোনও রাজ্যে পশ্চিমবঙ্গের মতো পরিস্থিতি নেই। বাংলায় বিরোধীদের উপর অনবরত আক্রমণ চলছে। বিরোধীদের খুন করা হচ্ছে। মিথ্যা মামলায় তাঁদের ফাঁসানো হচ্ছে। আগামী বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় পালাবদল হবেই, প্রত্যয়ী অমিত শাহ। তিনি বলেন, নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে বাংলায় বদল আসবে। তৃণমূলকে বাংলা থেকে সরানোই প্রধান লক্ষ্য।

অক্টোবর ১৮, ২০২০
দেশ

প্রয়াত রামবিলাস পাসোয়ানকে শেষ শ্রদ্ধা রাষ্ট্রপতি , প্রধানমন্ত্রীর

দিল্লির বাসভবনে নিয়ে আসা হয় কেন্দ্রীয় খাদ্যমন্ত্রী রামবিলাস পাসওয়ানের মরদেহ । তাঁকে শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা । অন্যান্য দলের রাজনৈতিক নেতারা তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানান। রামবিলাসকে শ্রদ্ধা জানিয়ে শুক্রবার রাষ্ট্রপতিভবন এবং সংসদে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে । শনিবার বিহারে তাঁর শেষকৃ্ত্য সম্পন্ন হবে বলে জানা গিয়েছে। আরও পড়ুনঃ পশুখাদ্য কেলেঙ্কারির একটি মামলায় জামিন লালুপ্রসাদ যাদবের প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় খাদ্যমন্ত্রী তথা লোক জনশক্তি দলের নেতা ছিলেন রামবিলাস পাসওয়ান । বৃহস্পতিবার দিল্লির এইমসে তাঁর মৃত্যু হয় । বিগত কয়েকদিন ধরেই শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন বর্ষীয়ান এই নেতা । সম্প্রতি দিল্লির এক হাসপাতালে হার্ট সার্জারিও হয়েছিল তাঁর । টুইট করে তাঁর মৃত্যু সংবাদ জানান ছেলে চিরাগ পাসোয়ান। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করে তিনটি টুইট করেন প্রধানমন্ত্রী । টুইটে তিনি লেখেন, শোকপ্রকাশ করার ভাষা নেই । আমার এক বন্ধু, এক সহকর্মীকে হারালাম । গরিবরা যাতে সম্মানের সঙ্গে জীবন কাটাতে পারে, তা নিশ্চিত করেছিলেন তিনি ।

অক্টোবর ০৯, ২০২০
বিদেশ

করোনা নিয়ে নারদ-নারদ

করোনার আতুঁড়ঘর নিয়ে চিন-আমেরিকা বাকযুদ্ধ নতুন কিছু নয়। করোনাকে চিনা ভাইরাস বলে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা দিয়েছিল বেজিংও। করোনা সংক্রমণ নিয়ে ফের চিনকে নিশানা করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। বর্তমানে করোনা ভাইরাস বলে যা বলা হচ্ছে আদতে তা চিনা ভাইরাস বলে কটাক্ষ করলেন ট্রাম্প। করোনা ভাইরাসকে ইতালির একটি সুন্দর জায়গার নামের সঙ্গে তুলনায় টানেন তিনি। করোনা সংক্রমণে এই মুহূর্তে ত্রাহি ত্রাহি রব আমেরিকায়। শুরু থেকেই চিনের ষড়যন্ত্র বলে দাবি করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। বর্তমানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দামামা বেজেছে। করোনা মোকাবিলায় মার্কিন নাগরিকদের একাংশ বেশ ক্ষুব্ধ ট্রাম্পের উপর। সাফাই দিতে পেনসিলভেনিয়ায় এক প্রচার সভা থেকে করোনা নিয়ে ফের চিনকে নিশানা করেন মার্কিন প্রেিসডেন্ট।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২০
বিদেশ

নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত হলো মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম

নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত হলো মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম। ইজরায়েল ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর মধ্যে শান্তি চুক্তি হওয়ার পিছনে বড়ো ভূমিকা থাকাতে তাঁর নাম প্রস্তাব করেন নরওয়ের এক সাংসদ।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

শেষ কি আমেরিকার দাপট? আইএমএফ রিপোর্টে চমক, মুখ খুললেন এলন মাস্ক

বিশ্ব অর্থনীতিতে আমেরিকার একছত্র আধিপত্য কি শেষের পথে? সদ্য প্রকাশিত আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের রিপোর্ট সামনে আসার পর তেমনই ইঙ্গিত মিলছে। আর সেই রিপোর্ট দেখেই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করলেন ধনকুবের এলন মাস্ক। তাঁর মতে, বিশ্ব অর্থনীতিতে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলাতে শুরু করেছে।আইএমএফ তাদের সাম্প্রতিক রিপোর্টে ২০২৬ সালে গোটা বিশ্বের সম্ভাব্য আর্থিক প্রবৃদ্ধির হিসাব তুলে ধরেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, বিশ্বের মোট আর্থিক বৃদ্ধিতে আমেরিকাকে ছাপিয়ে গিয়েছে ভারত। বিশ্ব জিডিপিতে ভারতের অংশীদারিত্ব হতে চলেছে প্রায় ১৭ শতাংশ। সেই তুলনায় আমেরিকার অবদান মাত্র ৯.৯ শতাংশ। ফলে তালিকায় তৃতীয় স্থানে নেমে গিয়েছে ডলারের দেশ।এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে চিন। বিশ্ব জিডিপিতে চিনের অংশীদারিত্ব হতে চলেছে ২৬.৬ শতাংশ। অর্থাৎ প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে এশিয়ার দুই দেশ চিন এবং ভারত। একসঙ্গে এই দুই দেশের আর্থিক যোগদান দাঁড়াচ্ছে ৪৩.৬ শতাংশ। অর্থাৎ গোটা বিশ্বের প্রায় অর্ধেক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র এখন এশিয়ায়।আইএমএফের রিপোর্টে আরও দেখা গিয়েছে, এই তালিকায় রয়েছে ইন্দোনেশিয়া, সৌদি আরব, তুরস্ক, ভিয়েতনাম, ব্রাজিল, নাইজেরিয়া, জার্মানির মতো দেশগুলিও। তবে ইউরোপ এবং আমেরিকার তুলনায় এশিয়ার দেশগুলির প্রভাব যে দ্রুত বাড়ছে, তা স্পষ্ট।এই রিপোর্ট সোশাল মিডিয়ায় তুলে ধরেই এলন মাস্ক লেখেন, অবশেষে বিশ্বে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলাচ্ছে। তাঁর এই মন্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ব অর্থনীতির কেন্দ্র ছিল আমেরিকা ও ইউরোপ। কিন্তু এখন সেই জায়গা দখল করছে চিন ও ভারত।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এলন মাস্কের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন আমেরিকার কড়া শুল্কনীতি এবং কূটনৈতিক সিদ্ধান্তের জেরে বিশ্ব অর্থনীতি অস্থির। চিন ও ভারতের উপর সবচেয়ে বেশি শুল্ক আরোপ করেছে আমেরিকা। অথচ আইএমএফের রিপোর্ট বলছে, আগামী দিনে বিশ্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি হতে চলেছে এই দুই দেশই।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
বিদেশ

মেঝেতে কিশোরী, উপর ঝুঁকে প্রিন্স অ্যান্ড্রু! এপস্টেইন ফাইলসে ফাঁস চাঞ্চল্যকর ছবি

মেঝেতে শুয়ে রয়েছে এক কিশোরী। তাঁর উপর ঝুঁকে পড়ে আছেন ব্রিটেনের প্রাক্তন যুবরাজ প্রিন্স অ্যান্ড্রু। এপস্টেইন ফাইলসের সদ্য প্রকাশিত নথিতে এই ছবি সামনে আসতেই নতুন করে শোরগোল শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে। বহুদিন ধরেই যৌন কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে অ্যান্ড্রুর সম্পর্ক নিয়ে বিতর্ক চলছিল। এ বার সেই বিতর্ক আরও তীব্র হল নতুন ছবি ও তথ্য প্রকাশ্যে আসায়।এপস্টেইন ফাইলস ঘিরে সামনে এসেছে ব্রিটেনের রাজপরিবারের নামও। গত বছরই জানা যায়, যৌন অপরাধে অভিযুক্ত জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল প্রিন্স অ্যান্ড্রুর। সেই ঘটনার পর ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লস নিজের ছোট ভাই অ্যান্ড্রুর সমস্ত রাজকীয় উপাধি, সম্মান এবং সরকারি সুযোগ-সুবিধা কেড়ে নেন। রাজপরিবার থেকে কার্যত বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয় তাঁকে।এই পরিস্থিতিতেই গত শুক্রবার এপস্টেইন সংক্রান্ত নথির নতুন একটি অংশ প্রকাশ্যে আসে। সেখানে একাধিক ছবিতে দেখা যাচ্ছে, এক অজ্ঞাত পরিচয়ের কিশোরী মাটিতে শুয়ে রয়েছেন। তাঁর পাশে এবং উপর ঝুঁকে আছেন প্রিন্স অ্যান্ড্রু। একটি ছবিতে দেখা যায়, কিশোরীর পেটের উপর হাত রেখেছেন তিনি। তবে ওই কিশোরী কে, ছবিগুলি কোথায় এবং কবে তোলা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।শুধু ছবি নয়, এই নথিতে উঠে এসেছে আরও কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গিয়েছে, ২০১০ সালে জেফ্রি এপস্টেইন ও প্রিন্স অ্যান্ড্রুর মধ্যে ইমেলে যোগাযোগ হয়েছিল। সেই ইমেলে এপস্টেইন অ্যান্ড্রুকে লেখেন, তাঁর এক রুশ বান্ধবী রয়েছে, যিনি ২০ থেকে ২৪ তারিখের মধ্যে লন্ডনে থাকবেন। এপস্টেইনের দাবি ছিল, ওই মহিলার সঙ্গে নৈশভোজ অ্যান্ড্রু উপভোগ করবেন। তবে এই রহস্যময়ী রুশ মহিলার সঙ্গে প্রিন্স অ্যান্ড্রুর আদৌ কখনও দেখা হয়েছিল কি না, তা এখনও জানা যায়নি।নতুন করে সামনে আসা এই নথি ও ছবিকে ঘিরে ফের প্রশ্নের মুখে পড়েছেন ব্রিটেনের প্রাক্তন যুবরাজ। এপস্টেইন কাণ্ডে তাঁর ভূমিকা নিয়ে তদন্ত এবং বিতর্ক যে এখনও শেষ হয়নি, তা আরও একবার স্পষ্ট হয়ে উঠল।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
রাজ্য

তৃণমূলের মিছিলে ভাতারে বিধায়কের বিরুদ্ধে চোর চোর স্লোগান, মুচকি হাসি বিরোধীদের

বিধানসভা ভোটের আগে প্রার্থী হওয়ার দাবিদারের লড়াই চরমে উঠেছে। ভাতারের তৃণমূল কংগ্রেসের মিছিলে চোর চোর স্লোগান উঠলো। তবে এই চোর চোর স্লোগান বিজেপির বিরুদ্ধে ছিল না। ভাতারের তৃণমূল নেতৃত্বের একাংশের বিরুদ্ধেই এই চোর চোর স্লোগান উঠেছে মুহূর্মুহু। এই মিছিলে নেতৃত্ব দেন ভাতারের প্রবীণ তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন বিধায়ক বনমালী হাজরা। ভাতারের এই মিছিলে স্লোগান ওঠে, মানু চোর, শান্তনু চোর। কেন তাঁদের চোর বলা হচ্ছে? মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, পঞ্চায়েত সমিতি থেকে গ্রামপঞ্চায়েত, সর্বত্র লক্ষ লক্ষ টাকা দুর্নীতি হচ্ছে। লুঠপাট চলছে। পকেট ভরছে নেতারা। তাদের দাবি, মানগোবিন্দ অধিকারীকে আর যেন বিধায়কপদের টিকিট না দেওয়া হয়। প্রার্থী করতে হবে বনমালী হাজরাকে।সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে বিধায়ক পদের টিকিট পাওয়া নিয়ে তৃণমূলের মধ্যে দড়ি টানাটানি চলছে। কে হবেন বিধানসভার প্রার্থী, এখন সেই প্রতিযোগিতা চলছে। বর্ধমান জেলার প্রায় প্রতিটি জায়গায় দলের তরফে দুই পক্ষের মিছিল হয়। বর্ধমানে কখনও বিধায়ক খোকন দাসের নেতৃত্বের মিছিল হয়, আবার কখনও কাউন্সিলর রাসবিহারী হালদারের নেতৃত্বে পৃথক মিছিল হয়। ভাতারেও সেই অবস্থা চলছে। সেখানে একাংশ চাইছে মানু অধিকারী নয়, বনমালী হাজরাকে তৃণমূল প্রার্থী করুক। তবে তৃণমূলের মিছিলেই নেতৃত্বের বিরুদ্ধে চোর চোর স্লোগানে মুচকি হাসছে বিরোধী শিবির।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
বিদেশ

রক্তে ভাসল পাকিস্তান! একযোগে জঙ্গি হামলায় মৃত ১২০ ছাড়াল

পরপর গুলির শব্দ, তার পর একের পর এক বিস্ফোরণ। শনিবার ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় কেঁপে উঠল পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ। এখনও পর্যন্ত অন্তত ১২০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়ছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।হামলা শুধু গুলি ও বোমাতেই সীমাবদ্ধ ছিল না। সন্ত্রাসীরা কারাগারেও হামলা চালায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের মাস্তুং জেলার একটি জেল ভেঙে প্রায় ৩০ জনেরও বেশি বন্দিকে পালাতে সাহায্য করেছে তারা। একই সঙ্গে নুস্কি জেলার আধাসামরিক বাহিনীর দফতরেও হামলা চালানো হয়। এই হামলায় একাধিক নিরাপত্তারক্ষী আহত হয়েছেন। এখনও পর্যন্ত অন্তত ১৪ জন নিরাপত্তাকর্মীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই ভয়াবহ হামলার ঘটনাগুলি ঘটেছে বালোচিস্তানে। গত কয়েক মাস ধরেই এই এলাকায় পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ বাড়ছে। দফায় দফায় সশস্ত্র হামলা চালাচ্ছে বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠন। শনিবারও একযোগে একাধিক জায়গায় হামলা চালানো হয়। এখনও পর্যন্ত কোনও সংগঠন প্রকাশ্যে এই হামলার দায় স্বীকার করেনি।আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, কোয়েটা, গোদার, মাস্তুং, নুস্কি, দালবানদিন এবং পাঞ্জগুর-সহ বালোচিস্তানের একাধিক জেলায় একসঙ্গে হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। হামলার পরই পাল্টা অভিযানে নামে পাকিস্তানের সেনা। সংবাদপত্র দ্য গার্ডিয়ান-এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, টানা ৪৮ ঘণ্টা ধরে সন্ত্রাসদমন অভিযান চালিয়ে এখনও পর্যন্ত ১৩৩ জনের বেশি জঙ্গিকে খতম করেছে পাক সেনা। শুধু শনিবারেই নিহত হয়েছে অন্তত ৯২ জন সন্ত্রাসী।যদিও এই হামলার দায় বালোচ লিবারেশন আর্মি এখনও স্বীকার করেনি, তবে হামলার দিনেই একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে ওই সংগঠন। সেই ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, পাকিস্তান সরকার ও সেনার বিরুদ্ধে সংঘর্ষে বন্দুক হাতে অংশ নিচ্ছেন মহিলারাও। এই ছবি নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
কলকাতা

ভুল নাকি অপরাধ? গোমাংস কাণ্ডে অলি পাবের ক্ষমা চাওয়ায় প্রশ্ন

সায়ক চক্রবর্তীর গোমাংস বিতর্কে অবশেষে মুখ খুলল পার্ক স্ট্রিটের জনপ্রিয় রেস্তরাঁ অলি পাব। পাঁঠার মাংসের বদলে গোমাংস পরিবেশনের অভিযোগে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করার দায়ে গত চব্বিশ ঘণ্টায় তীব্র বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে এই ঐতিহ্যবাহী পাব। রবিবার সোশাল মিডিয়ায় একটি বিবৃতি জারি করে রেস্তরাঁর তরফে জানানো হয়েছে, এটি একটি অনিচ্ছাকৃত ভুল। এই ঘটনার জন্য তারা আন্তরিকভাবে দুঃখিত।অলি পাবের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ৩০ জানুয়ারি রাতে রেস্তরাঁর এক কর্মী ভুলবশত একটি গুরুতর ভুল করে ফেলেন। কারও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার কোনও উদ্দেশ্য ছিল না। ওই কর্মীর ভুলের জন্য রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষ ক্ষমা চেয়েছে এবং জানিয়েছে, অনিচ্ছাকৃতভাবে ক্রেতার ভাবাবেগে আঘাত লাগায় তারা গভীরভাবে দুঃখিত।এদিকে সায়ক চক্রবর্তীর করা অভিযোগের ভিত্তিতে শনিবার পুলিশ অলি পাবের বেয়ারা শেখ নাসির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। এই গ্রেপ্তারি ঘিরে শহরজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। একাংশ ওই কর্মীর পাশে দাঁড়ান, আবার অনেকে সেলেব ইনফ্লুয়েন্সারের বিরুদ্ধে রেস্তরাঁর ভাবমূর্তি নষ্ট করার অভিযোগ তোলেন। সোশাল মিডিয়ায় প্রশ্ন উঠতে থাকে, ভুল খাবার পরিবেশন করা কি অপরাধ, না কি কর্মীর ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে বিষয়টিকে অন্য খাতে বইয়ে দেওয়া হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে অলি পাবের তরফে জানানো হয়, জাতি, ধর্ম বা বর্ণ নির্বিশেষে সকলের প্রতি সম্মানের ভিত্তিতেই রেস্তরাঁটি পরিচালিত হয়। আট দশকের ঐতিহ্য নিয়ে তারা গর্বিত বলেও জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে রেস্তরাঁর সমস্ত কর্মী ও সহযোগীদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার বার্তাও দেওয়া হয়।এর মাঝেই গুজব ছড়ায় যে এই ঘটনার জেরে অলি পাব বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সেই খবরে বহু নিয়মিত অতিথির মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। তবে রবিবারের বিবৃতিতে রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয়, অলি পাব বন্ধ হচ্ছে না। বরং এই কঠিন সময়ে যাঁরা পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আগের মতোই পরিষেবা চালিয়ে যাওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।এদিকে শুক্রবার রাতে ঠিক কী ঘটেছিল, তা নিয়ে পরপর ফেসবুক লাইভে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেছিলেন সায়ক চক্রবর্তী। যদিও বর্তমানে সেই পোস্টগুলি আর পাওয়া যাচ্ছে না। জানা গিয়েছে, সেদিন রাতে সায়ক তাঁর দুই বন্ধু অনন্যা গুহ ও সুকান্ত কুণ্ডুর সঙ্গে অলি পাব যান। তাঁরা মাটন স্টেক অর্ডার করেছিলেন। খাবার পরিবেশনের পর প্রথমে খিদের চোটে বিষয়টি বুঝতে পারেননি তাঁরা। পরে টেবিলে আরও একটি স্টেক আসতেই সন্দেহ হয়।সায়কের দাবি, তাঁরা একটি মাত্র স্টেক অর্ডার করেছিলেন। কিন্তু বেয়ারা জানান, দুটি স্টেক অর্ডার করা হয়েছেএকটি মাটন এবং একটি বিফ। তখনই সায়ক প্রতিবাদ করেন। তাঁর কথায়, অজান্তে গরুর মাংস খাওয়ায় তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। বচসার মধ্যেই বেয়ারা স্বীকার করেন যে তিনি ভুল করেছেন। বিষয়টি নিয়ে রেস্তরাঁর মধ্যেই উত্তেজনা ছড়ায়। পরে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন সায়ক। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শনিবার ওই বেয়ারাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
কলকাতা

গোমাংস বিতর্কে ইউটার্ন! বেয়ারার বিরুদ্ধে এফআইআর প্রত্যাহার সায়কের

রবিবার সোশাল মিডিয়ায় বিবৃতি জারি করে অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়েছে পার্ক স্ট্রিটের জনপ্রিয় রেস্তরাঁ অলি পাব। তাদের বক্তব্যে জানানো হয়েছে, কোনও ক্রেতার ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার উদ্দেশ্য তাদের ছিল না। এই ক্ষমা প্রার্থনার কিছুক্ষণের মধ্যেই রেস্তরাঁ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগ প্রত্যাহার করে নিলেন অভিনেতা ও ইনফ্লুয়েন্সার সায়ক চক্রবর্তী।অলি পাবের বিবৃতি প্রকাশের পরই সায়ক সোশাল মিডিয়ায় জানান, তিনি জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দেন। তাঁর কথায়, তিনি জনগণের উপর নির্ভরশীল এবং মানুষ যা বলবেন, সেটাই তিনি মেনে নেবেন। সেই মন্তব্যের পরই প্রশ্ন উঠেছে, তবে কি চাপের মুখেই নিজের অবস্থান বদল করলেন অভিনেতা।গত ২৪ ঘণ্টায় গোমাংস বিতর্ক ঘিরে তীব্র আলোচনার সৃষ্টি হয় সোশাল মিডিয়ায়। ঘটনার সূত্রপাত একটি ভ্লগকে কেন্দ্র করে। সেই ভ্লগে রেস্তরাঁর এক বেয়ারার ধর্মীয় পরিচয় উল্লেখ করে মন্তব্য করায় সমালোচনার মুখে পড়েন সায়ক। পরে অলি পাব এবং ওই কর্মীর বিরুদ্ধে পার্ক স্ট্রিট থানায় এফআইআর দায়ের করেন তিনি। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শনিবার সকালে গ্রেপ্তার হন রেস্তরাঁর কর্মী শেখ নাসির উদ্দিন। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ২৯৯ ধারায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়। আদালতে তোলা হলেও শনিবার তিনি জামিন পাননি বলে খবর।এদিকে শনিবার রাতেই সায়কের বিরুদ্ধেও পার্ক স্ট্রিট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন নাট্যব্যক্তিত্ব জয়রাজ ভট্টাচার্য। তাঁর অভিযোগ ছিল, সায়কের বক্তব্য থেকে দাঙ্গায় উসকানি দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে ওঠার মধ্যেই রবিবার অলি পাব প্রকাশ্যে ক্ষমা চায়। তার পরই সায়ক নিজে থেকে অভিযোগ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেন।সায়ক চক্রবর্তী তাঁর পোস্টে লেখেন, অলি পাব শেষ পর্যন্ত ক্ষমা চেয়েছে, তাই নতুন করে কোনও গল্প বানানোর প্রয়োজন নেই। তিনি স্বীকার করেন, রাগের মাথায় থানায় গিয়েছিলেন এবং সেই সময় তাঁর মাথা ঠিক ছিল না। তিনি জানান, তিনি কোনওদিন গোমাংস খাননি এবং ভবিষ্যতে আরও সতর্ক থাকবেন। অলি পাব ও সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে করা অভিযোগ তিনি প্রত্যাহার করছেন বলেও স্পষ্ট করে দেন।অভিনেতা আরও লেখেন, রেস্তরাঁর ভুল নিয়ে তাঁর সমস্যা ছিল, কিন্তু তাঁর প্রতিক্রিয়াও হয়তো ভুল ছিল। সে জন্য তিনি দুঃখিত। ভবিষ্যতে ভ্লগ বা ইনস্টাগ্রাম কনটেন্ট বানাতে গিয়ে এই ধরনের বিতর্কে জড়াতে চান না বলেও জানান তিনি। তাঁর বক্তব্যে তিনি বলেন, তাঁর হিন্দু-মুসলিম কোনও সমস্যা নেই। তিনি কেবল নিজের কিছু ব্যক্তিগত আচার মেনে চলতে চান। তাঁর কনটেন্ট আগেও মানুষের মধ্যে ঐক্যের কথা বলেছে, ভবিষ্যতেও বলবে। পুরো ঘটনায় অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য আবারও দুঃখপ্রকাশ করেন সায়ক।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
দেশ

বাজেট ২০২৬–এ পশ্চিমবঙ্গের প্রাপ্তি: মেট্রোতে জোরালো বিনিয়োগ, গতি পাচ্ছে ফ্রেট করিডর

কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬২৭-এ পশ্চিমবঙ্গের পরিকাঠামো উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিল কেন্দ্র সরকার। বিশেষ করে কলকাতা ও সংলগ্ন অঞ্চলের মেট্রো রেল প্রকল্পে অতিরিক্ত বিনিয়োগ এবং রাজ্যের শিল্প ও বাণিজ্য সম্ভাবনাকে চাঙ্গা করতে ফ্রেট করিডর সম্প্রসারণে বরাদ্দএই দুই ক্ষেত্রেই উল্লেখযোগ্য প্রাপ্তি হয়েছে রাজ্যের।মেট্রো রেলে গতি, শহুরে যাত্রায় স্বস্তির আশ্বাসবাজেটে কলকাতা মেট্রোর একাধিক চলমান ও প্রস্তাবিত প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। নিউ গড়িয়াএয়ারপোর্ট মেট্রো, জোকাএসপ্ল্যানেড লাইন এবং ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো করিডরের কাজ দ্রুত শেষ করার লক্ষ্যে অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।কেন্দ্রের দাবি, এই বিনিয়োগের ফলে শহরের যানজট কমবে, যাত্রার সময় বাঁচবে এবং পরিবেশবান্ধব গণপরিবহণ আরও জনপ্রিয় হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মেট্রো নেটওয়ার্ক সম্প্রসারিত হলে কলকাতার পাশাপাশি হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও উত্তর ২৪ পরগনার যাত্রীদেরও সরাসরি উপকার হবে।কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬২৭-এ কলকাতা মেট্রো সম্প্রসারণে ফের বড়সড় বিনিয়োগের ঘোষণা করল কেন্দ্র সরকার। শহর ও শহরতলির গণপরিবহণকে আরও গতিশীল করতে অরেঞ্জ লাইন, পার্পল লাইন ও গ্রিন লাইনের জন্য মোট ২,১৪১.১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এই বরাদ্দকে পূর্ব ভারতের অন্যতম বৃহৎ শহুরে পরিবহণ বিনিয়োগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।অরেঞ্জ লাইন: বিমানবন্দরের সঙ্গে সরাসরি সংযোগে জোরনিউ গড়িয়ানেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সংযোগকারী অরেঞ্জ লাইনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৭০৫.৫০ কোটি টাকা। এই অর্থ মূলত ভায়াডাক্ট নির্মাণ, স্টেশন অবকাঠামো, সিগন্যালিং ও বৈদ্যুতিক ব্যবস্থার কাজে ব্যবহার করা হবে। প্রকল্পটি সম্পূর্ণ হলে দক্ষিণ কলকাতা ও সল্টলেক-নিউ টাউনের সঙ্গে বিমানবন্দরের যাত্রা অনেকটাই সহজ হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।পার্পল লাইন: জোকাএসপ্ল্যানেডে শহর-উপশহর সেতুবন্ধনজোকাএসপ্ল্যানেড পার্পল লাইনের জন্য সর্বাধিক বরাদ্দ৯০৬.৬০ কোটি টাকা। এই লাইনের মাধ্যমে দক্ষিণ-পশ্চিম কলকাতার বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্রথমবারের মতো মেট্রো নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হবে। বাজেট বরাদ্দের বড় অংশ যাবে এলিভেটেড স্টেশন নির্মাণ, রোলিং স্টক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নে। কেন্দ্রের দাবি, এই লাইনের কাজ দ্রুত শেষ হলে শহরের দক্ষিণ প্রান্তের যাত্রীদের দৈনন্দিন যাতায়াতে বড় স্বস্তি মিলবে।গ্রিন লাইন: পূর্ব-পশ্চিম মেট্রোতে গতি ফেরানোর চেষ্টাপূর্ব-পশ্চিম মেট্রো করিডর বা গ্রিন লাইনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৫২৯.০০ কোটি টাকা। হাওড়া ময়দান থেকে সল্টলেক সেক্টর-৫ পর্যন্ত এই লাইন কলকাতার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইস্ট-ওয়েস্ট করিডর হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ। নতুন বরাদ্দের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ অংশের প্রযুক্তিগত কাজ, স্টেশন ফিনিশিং ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।শহুরে পরিবহণে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবপরিবহণ বিশেষজ্ঞদের মতে, এই তিনটি লাইনে বিনিয়োগ শুধু যাত্রী সুবিধা বাড়াবে না, বরং যানজট ও দূষণ কমাতেও বড় ভূমিকা নেবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও শহরের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আনবে এই মেট্রো প্রকল্পগুলি।সব মিলিয়ে, বাজেট ২০২৬২৭-এ অরেঞ্জ, পার্পল ও গ্রিন লাইনের জন্য ঘোষিত বরাদ্দ কলকাতা মেট্রোকে নতুন মাত্রা দিতে চলেছে বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।ফ্রেট করিডর: শিল্প ও বাণিজ্যের নতুন দিগন্তবাজেট ২০২৬-এ পূর্ব ভারতের শিল্প সম্ভাবনাকে সামনে রেখে ইস্টার্ন ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডর (EDFC)-এর সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের সংযোগ আরও শক্ত করার ঘোষণা করা হয়েছে। রাজ্যের শিল্পাঞ্চল, বন্দর ও লজিস্টিক হাবগুলিকে এই করিডরের সঙ্গে যুক্ত করতে অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।বিশেষ করে হলদিয়া বন্দর, দুর্গাপুরআসানসোল শিল্পাঞ্চল এবং কলকাতা বন্দরের সঙ্গে দ্রুত মাল পরিবহণের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। এর ফলে পরিবহণ খরচ কমবে, শিল্পে বিনিয়োগ বাড়বে এবং রাজ্যে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক তাৎপর্যবিশ্লেষকদের মতে, এই বাজেট বরাদ্দ শুধু পরিকাঠামো উন্নয়ন নয়, বরং পূর্ব ভারতের প্রবৃদ্ধিতে পশ্চিমবঙ্গকে কেন্দ্রীয় ভূমিকায় আনার ইঙ্গিতও দিচ্ছে। যদিও রাজ্য সরকার আরও বেশি বরাদ্দের দাবি তুলতে পারে, তবু মেট্রো ও ফ্রেট করিডরএই দুই ক্ষেত্রে ঘোষণাকে রাজ্যের অর্থনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক বলেই মনে করছে বিভিন্ন মহল।সব মিলিয়ে, বাজেট ২০২৬এ পশ্চিমবঙ্গের জন্য মেট্রো রেল ও ফ্রেট করিডর সংক্রান্ত বিনিয়োগ রাজ্যের শহুরে জীবনযাত্রা ও শিল্প-বাণিজ্যে নতুন গতি আনতে পারে বলেই আশা।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
দেশ

প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির ফাঁকে কেন্দ্রের বাজেট: স্বস্তি সীমিত, হতাশা বিস্তৃত

রবিবার সংসদে ২০২৬২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। টানা নবমবার বাজেট বক্তৃতা করলেন তিনি। নরেন্দ্র মোদী তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এটি তাঁর সরকারের তৃতীয় পূর্ণাঙ্গ বাজেট। তবে বাজেট বক্তৃতা শেষ হতেই স্পষ্টপ্রত্যাশার পাহাড়ের তুলনায় প্রাপ্তি অনেকটাই খর্ব।বাজেট পেশের আগেই ব্যয় বরাদ্দ ও করছাড় ঘিরে সাধারণ মানুষ থেকে শিল্পমহলসর্বত্র উত্তেজনা ছিল তুঙ্গে। রবিবার সকাল ১১টা নাগাদ সংসদে ভাষণ শুরু করেন অর্থমন্ত্রী। তার আগে প্রথামাফিক রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। কিন্তু বাজেট ঘোষণার পর ক্রমশ স্পষ্ট হয়, বড় কোনও চমক নেই।বিশেষ করে রাজ্যভিত্তিক বরাদ্দের ক্ষেত্রে বাংলা কার্যত ব্রাত্য। পরিকাঠামো, শিল্প বা বিশেষ প্রকল্পকোনও ক্ষেত্রেই রাজ্যের জন্য উল্লেখযোগ্য ঘোষণা শোনা যায়নি। করদাতাদের ক্ষেত্রেও হতাশা চোখে পড়ার মতো। আয়কর কাঠামোয় তেমন কোনও বড় পরিবর্তন বা অতিরিক্ত ছাড় ঘোষণা হয়নি।তবে সম্পূর্ণ হতাশার ছবি নয়। কিছু পণ্যে শুল্ক কমানোর ফলে দৈনন্দিন জীবনে সীমিত হলেও স্বস্তি মিলতে পারে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, বিমানের যন্ত্রাংশে শুল্ক কমানো হবে। এর ফলে বিমান সংক্রান্ত খরচ কমার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে মাইক্রোওভেনের যন্ত্রাংশ-সহ বেশ কিছু বৈদ্যুতিন পণ্যের উপর শুল্ক হ্রাস করা হয়েছে, যা বাজারদরে প্রভাব ফেলতে পারে।স্বাস্থ্যক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ঘোষণা হিসেবে ১৭টি ক্যানসারের ওষুধে আমদানি শুল্ক কমানো হয়েছে। পাশাপাশি ডায়াবেটিসের কিছু ওষুধও সস্তা হতে চলেছে। এতে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা খরচ কিছুটা কমবে বলেই আশা।পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও শুল্কছাড়ের ঘোষণা করা হয়েছে। বৈদ্যুতিন গাড়ির ব্যাটারি এবং সৌরশক্তিচালিত প্যানেলের দাম কমতে পারে। মোবাইল ফোন তৈরির কাঁচামালের উপর শুল্ক কমানোয় দেশীয় স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট সস্তা হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।চামড়াশিল্পকে উৎসাহ দিতে নির্দিষ্ট কিছু পণ্যে শুল্কমুক্ত আমদানির প্রস্তাব রাখা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আমেরিকার উচ্চ শুল্কের চাপে থাকা চামড়া রফতানিকারকদের জন্য এটি কিছুটা স্বস্তির খবর। পাশাপাশি বিদেশে পড়াশোনা ও ভ্রমণের খরচ কমার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।অন্যদিকে, স্বস্তির পাশাপাশি চাপও বাড়ছে কিছু ক্ষেত্রে। বিলাসবহুল ঘড়ি এবং বিদেশি মদের উপর কর বাড়ানো হয়েছে। ফলে এই সব পণ্যের দাম আরও ঊর্ধ্বমুখী হবে। কফি রোস্টিং ও ব্রিউইং মেশিনে ছাড় তুলে নেওয়ায় সেগুলিও আরও ব্যয়বহুল হতে পারে। পাশাপাশি কিছু সার, আমদানিকৃত টেলিভিশন সরঞ্জাম, ক্যামেরা এবং চিত্রগ্রহণ সংক্রান্ত যন্ত্রাংশের দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।বাজেট বক্তৃতাজুড়ে আত্মনির্ভর ভারত ও বিকশিত ভারত-এর কথা বারবার উঠে এসেছে। অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার এবং ভোক্তাদের স্বস্তি দেওয়ার দাবি করেছে কেন্দ্র। কিন্তু অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, বাস্তবে এই বাজেটে এমন কোনও যুগান্তকারী ঘোষণা নেই, যা সাধারণ মানুষের জীবনে বড় পরিবর্তন আনবে।সব মিলিয়ে, ২০২৬২৭ সালের কেন্দ্রীয় বাজেট সীমিত স্বস্তি দিলেও বৃহত্তর প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থএই মূল্যায়নই এখন ক্রমশ জোরালো হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal